(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة يعقوب بن سفيان الفسوي   (الفسوي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مشيخة يعقوب بن سفيان الفسوي

المؤلف: يعقوب بن سفيان بن جوان الفارسي الفسوي، أبو يوسف (ت 277هـ)

المحقق: محمد بن عبد الله السريع

الناشر: دار العاصمة - الرياض

الطبعة: الأولى، 1431 هـ

عدد المجلدات: 1، (ويشمل: منتقى من الجزء الأول، والجزءان الثاني والثالث)

ملاحظة: الكتاب مقابل.

أعده للشاملة: أحمد الخضري

عدد الصفحات: 126

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-ফাসাওয়ীর মাশইয়াখাহ   (আল-ফাসাওয়ী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-ফাসাওয়ীর মাশইয়াখাহ

লেখক: ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান ইবনে জাওয়ান আল-ফারিসি আল-ফাসাওয়ী، আবু ইউসুফ (মৃত্যু ২৭৭ হিজরি)

গবেষক ও সম্পাদক: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সারী'

প্রকাশক: দারুল আসিমাহ - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩১ হিজরি

খণ্ড সংখ্যা: ১، (অন্তর্ভুক্ত: প্রথম খণ্ডের নির্বাচিত অংশ، এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড)

দ্রষ্টব্য: কিতাবটি মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে সংশোধিত.

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদারি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৬

[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب:‌‌ مشيخة يعقوب بن سفيان الفسوي

المؤلف: أبو يوسف يعقوب بن سفيان الفسوي

المتوفى: 277 هـ

المحقق: محمد بن عبد الله السريع

الناشر: دار العاصمة - الرياض

الطبعة: الأولى، 1431 هـ

عدد المجلدات: 1، (ويشمل: منتقى من الجزء الأول، والجزءان الثاني والثالث)

ملاحظة: الكتاب موافق ومقابل على المطبوع.
গ্রন্থ:‌‌ মাশয়াখাতু ইয়াকুব ইবনে সুফইয়ান আল-ফাসাবি

লেখক: আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে সুফইয়ান আল-ফাসাবি

মৃত্যু: ২৭৭ হিজরি

তাহকিক: মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আস-সারিয়ি

প্রকাশক: দারুল আসিমাহ - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩১ হিজরি

খণ্ড সংখ্যা: ১, (অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: প্রথম অংশের নির্বাচিত অংশ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশ)

দ্রষ্টব্য: গ্রন্থটি মুদ্রিত কপির অনুরূপ এবং তার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
منتقى من الأول من

مشيخة الفسوي

وهي ستة أجزاء

انتقاء الحافظ ابن محمود رحمه الله -
প্রথম খণ্ড থেকে নির্বাচিত

আল-ফাসাওয়ীর মাশয়াখাহ

এটি ছয়টি খণ্ডে বিভক্ত

হাফেজ ইবনে মাহমুদের (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) নির্বাচন -
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
بسم الله الرحمن الرحيم

أخبرنا الشيخ الإمام المسند شمس الدين أبو عبد الله محمد بن يوسف بن موسى بن غانم، المعروف بعربيد، بقراءتي عليه بسكنه من القدس الشريف في شهر رمضان المعظم سابع عشر من سنة خمس وخمسين وسبع مئة، قال: أنا الشيخة الصالحة أم محمد هدية بنت علي بن عسكر البغدادي، قالت: أنا أبو المنجي عبد الله بن عمر ابن اللتي، أنا أبو حفص عمر بن عبد الله بن علي الحربي، أنا أبو غالب محمد بن محمد بن عبيد الله العطار، أنا أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن محمد بن شاذان - قراءة عليه يوم السبت رابع عشر من ذي القعدة سنة اثنتين وعشرين وأربع مئة -، أنا أبو محمد عبد الله بن جعفر بن درستويه الفارسي - قراءة عليه في رجب سنة أربع وأربعين وثلاث مئة -، ثنا أبو يوسف يعقوب بن سفيان الفسوي:

1- حدثنا أبو بكر، عبد الله بن الزبير بن عيسى الحميدي القرشي ثم الأسدي، حدثنا عبد الله بن الحارث بن عبد الملك المخزومي، حدثني محمد بن عبد الله بن إنسان، عن أبيه، عن عروة بن الزبير، عن الزبير بن العوام رضي الله عنه، قال: أقبلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم من لية - قال الحميدي: مكان بالطائف -، حتى إذا كنا عند السدرة، وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم عند طرف القرن الأسود حذوها، فاستقبل نخبا - قال الحميدي: مكان يقال له: نخب - ببصره، ثم وقف حتى اتفق الناس، ثم قال: إن صيد وج وعضاهه حرم محرم لله، وذلك قبل نزوله الطائف وحصاره ثقيفا.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

শাইখ, ইমাম, আল-মুসনিদ শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুসা ইবনে গানিম, যিনি আরবিদ নামে পরিচিত, তাঁর উপস্থিতিতে পবিত্র জেরুজালেমে তাঁর বাসভবনে সাতশত পঞ্চান্ন হিজরির সতেরো রমজান মাসে আমার পাঠের মাধ্যমে তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নেককার শাইখা উম্মে মুহাম্মাদ হাদিয়াহ বিনতে আলী ইবনে আসকার আল-বাগদাদি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুঞ্জি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল লাতি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী আল-হারবি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-আত্তার। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে শাযান—চারশত বাইশ হিজরির চৌদ্দই জিলকদ শনিবার তাঁর নিকট পাঠ করা হয়—। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে দুরুস্তাওয়াইহ আল-ফারিসি—তিনশত চুয়াল্লিশ হিজরির রজব মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়—। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-ফাসাবি:

১- আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনুল জুবাইর ইবনে ঈসা আল-হুমাইদি আল-কুরাশি আল-আসাদি। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে আব্দুল মালিক আল-মাখজুমি। আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইনসান, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল জুবাইর থেকে এবং তিনি জুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে লিইয়াহ—হুমাইদি বলেন, এটি তায়েফের একটি জায়গা—থেকে আসছিলাম। অবশেষে আমরা যখন একটি কুল (সিদরাহ) গাছের কাছে পৌঁছালাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সমান্তরালে অবস্থিত ‘কারন আল-আসওয়াদ’ (কালো পাহাড়ের চূড়া)-এর প্রান্তে থামলেন। এরপর তিনি নাখব-এর—হুমাইদি বলেন, নাখব নামে পরিচিত একটি জায়গা—দিকে দৃষ্টিপাত করলেন। এরপর তিনি লোকজনের সমবেত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন। তারপর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই ওয়াজ্জ (উপত্যকা)-এর শিকার এবং এর কাঁটাযুক্ত গাছপালা আল্লাহর জন্য সংরক্ষিত পবিত্র এলাকা (হারাম)। আর এটি ছিল তাঁর তায়েফে অবতরণ এবং সাকিফ গোত্রকে অবরোধ করার পূর্বের ঘটনা।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
2- حدثنا أبو عبد الرحمن، عبد الله بن يزيد، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، عن عبيد الله بن أبي جعفر القرشي، عن سالم بن أبي سالم الجيشاني، عن أبيه، عن أبي ذر رضي الله عنه، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إني أراك ضعيفا وإني أحب لك ما أحب لنفسي، لا تأمرن على اثنين، ولا تولين مال اليتيم ".
২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আবি জাফর আল-কুরাশি থেকে, তিনি সালিম বিন আবি সালিম আল-জায়শানি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন: "আমি তোমাকে দুর্বল দেখছি এবং আমি তোমার জন্য তাই পছন্দ করি যা নিজের জন্য পছন্দ করি। তুমি কখনোই দুই ব্যক্তির ওপর নেতৃত্ব দিও না এবং কখনোই এতিমের সম্পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করো না।"
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
3- حدثنا أحمد بن محمد الزرقي، حدثنا الزنجي، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " رأيت في النوم بني الحكم، أو بني أبي العاص، ينزون على منبري كما تنزو القردة "، فما رئي النبي صلى الله عليه وسلم مستجمعا ضاحكا حتى توفي صلى الله عليه وسلم.
৩- আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-যুরকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-যানজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি স্বপ্নে বনু আল-হাকামকে অথবা বনু আবিল আসকে আমার মিম্বরের ওপর বানরের মতো লাফাতে দেখেছি।" এরপর থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকাল করা পর্যন্ত তাঁকে আর কখনো প্রাণখুলে বা অট্টহাসি হাসতে দেখা যায়নি।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
4- حدثنا أبو حفص، عمر بن سهل المازني، حدثنا أبو الأشهب، عن الحسن، أن عبيد الله بن زياد دخل على معقل بن يسار في مرضه، فقال معقل، رضي الله عنه،: ألا أحدثك بحديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم، لو أعلم أن لي حياة ما حدثتك: سمعته يقول: " ما من عبد استرعاه الله رعية، فيموت غاشا لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة ". [1/أ]
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস, উমর ইবনে সাহল আল-মাযিনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশহাব, হাসান থেকে বর্ণিত যে, উবাইদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ মা’কিল ইবনে ইয়াসারের অসুস্থতার সময় তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, তখন মা’কিল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: আমি কি তোমাকে এমন একটি হাদীস শোনাব না যা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি? যদি আমি জানতাম যে আমার আরও জীবন অবশিষ্ট আছে, তবে আমি তা তোমার নিকট বর্ণনা করতাম না: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে কোনো প্রজাসাধারণের দায়িত্ব অর্পণ করেন, অতঃপর সে তার প্রজাদের সাথে প্রতারণা করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেন।" [১/আ]
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
5- حدثنا أبو بشر إسماعيل بن مسلمة بن قعنب، أخو عبد الله بن مسلمة، حدثني إسحاق بن صالح. [1/ب]
৫- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর ইসমাঈল ইবনে মাসলামা ইবনে কানাব, যিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামার ভাই; তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে সালিহ। [১/খ]
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٣٩)
الجزء الثاني من كتاب

مشيخة أَبِي يُوسُف يَعْقُوبَ بن سُفْيَان الفَسَوِي

 

رِوَايَةُ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ

عن عَبْدُ اللهِ بْنُ جَعْفَر بن دَرَسْتُوَيْه، عَنْهُ [1/أ]
কিতাবের দ্বিতীয় খণ্ড

আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-ফাসাওয়ীর মাশয়াখাত

 

আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে শাযানের বর্ণনা

আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে দারাস্তুওয়াইহ হতে, তাঁর সূত্রে [১/আ]
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤١)
بسم الله الرحمن الرحيم

وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، وصل الله على سيدنا مُحَمَّد وآله وسلم تسليمًا

 

أَخْبَرَنَا أبو القاسم عَبْدُ اللهِ بن إبراهيم بن الحسن السباط المعدل، قراءة عليه، في داره فأقر به، يوم الأربعاء، العاشر من شهر رجب، سنة أربع وتسعين وثلاث مئة، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ جَعْفَرِ [بْنِ] (1) دَرَسْتَوَيْهِ الْفَارِسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو يُوسُفَ يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ الفَسَوِيُّ، قَالَ:

6- حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُبَيْدٍ الدَّارِسِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ جُمْهَان، قَالَ: سَمِعْتُ سَفِينَةَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: الْخِلَافَةُ ثَلَاثُونَ عَامًا، ثُمَّ تَكُونُ الْمُلْك. فَقَالَ لِي سَفِينَةُ: أَمْسِكْ سَنَتَيْنِ لِأَبِي بَكْرٍ، وَعَشْرًا لِعُمَرَ، وَاثْنَتَيْ عَشْرَةَ لِعُثْمَانَ، وسِتًا لِعَلِيٍّ.

--------------------------------------------

(1) ما بين الحاصرتين لم يرد في المطبوع، وهو غير واضح في هامش النسخة الخطية، وأثبتناه من العنوان الذي جاء في ورقة الغلاف للجزء الثاني والثالث، ومن مصادر ترجمة ابن درستويه، ومنها: " سير أعلام النبلاء " 15/531.
দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত ও পূর্ণ শান্তি বর্ষিত হোক।

 

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আল-হাসান আস-সাব্বাত আল-মুআদ্দিল, ৩৯৪ হিজরি সনের ১০ই রজব, বুধবার তাঁর বাড়িতে তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন জাফর [বিন] (১) দুরুস্তাওয়াইহ আল-ফারিসি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইউসুফ ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাউয়ি। তিনি বলেন:

৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন উবাইদ আদ-দারিছি, হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন জুমহান, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুর রহমান সাফিনাহকে বলতে শুনেছি, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: খিলাফত থাকবে ত্রিশ বছর, অতঃপর হবে রাজতন্ত্র। অতঃপর সাফিনাহ আমাকে বললেন: আবু বকরের জন্য দুই বছর, উমরের জন্য দশ বছর, উসমানের জন্য বারো বছর এবং আলীর জন্য ছয় বছর হিসাব করে নাও।

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু মুদ্রিত কপিতে ছিল না এবং পাণ্ডুলিপির হাশিয়াতে (পার্শ্বটীকা) অস্পষ্ট ছিল। আমরা দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ডের প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় বর্ণিত শিরোনাম এবং ইবনে দুরুস্তাওয়াইহর জীবনীর উৎসসমূহ থেকে এটি নিশ্চিত করেছি, যার মধ্যে রয়েছে: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" ১৫/৫৩১।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٢)
7- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَارِثِ أَبُو عَبْدِ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَتْنَا سَاكِنَةُ بِنْتُ الْجَعْدِ الْغَنَوِيَّةَ، قَالَت: سَمِعْتُ سَرَّاءَ بِنْتِ نَبْهَانَ [1/ب] تقول: احْتَفَرَ الْحَيُّ نَهْرًا فِي دَارِ كِلَابٍ فَأَصَابُوا بِهَا كَنْزًا عَادِيًّا، فَقَالَ كِلَابٌ: دَارُنَا، وَقَالَت الْحَيُّ: احْتَفَرْنا، فَنَافَرُوهُمْ فِي ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَضَى بِهِ لِلْحَيِّ، وَأَخَذَ مِنْهُمُ الْخُمُسَ، أوَ قَالَتْ: فَخَمَّسَهُم، فَأَصَابَنَا نَصِيْبَنَا مِنْ ذَلِكَ، فَاشْتَرَيْنَا مِئَةً مِنَ النَّعَمِ، فَأَتَيْنَا بِهَا الْمَاء، فَأَرَادَ الْمُصَّدِّقُ أَنْ يُصْدِقَ، فَأَبَيْنَا عَلَيْهِ، أَوْ قَالَت: امتنعنا عليه، فَأَتَيْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي ذَلِكَ، فَقَالَ: إِنْ كُنْتُمْ جَعَلْتُمُوهَا مَعَ غَيْرِهَا وَإِلَاّ فَلَا شَيْءَ عَلَيْكُمْ فِي هَذَا الْعَامِ، وَقَالَ: إِنَّ الْمُصَّدِّقَ إِذَا انْصَرَفَ عَنِ الْقَوْمِ وَهُوَ عَلَيْهِمْ سَاخِطٌ سَخِطَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ، وَإِذَا انْصَرَفَ عَنْهُمْ وَهُو رَاضٍ رضي الله عنهم.
৭- আব্দুল্লাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনুল হারিস আবু আব্দুল্লাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাকিনা বিনতুল জা’দ আল-গানাওয়িয়্যাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সাররা বিনতে নাবহানকে [১/খ] বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: গোত্রটি কিলাবের বাড়িতে একটি খাল খনন করেছিল এবং তারা সেখানে প্রাচীন আমলের একটি ধনভাণ্ডার খুঁজে পেয়েছিল। তখন কিলাব বলল: এটি আমাদের বাড়ি; আর গোত্রটি বলল: আমরা খনন করেছি। অতঃপর তারা এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিচার নিয়ে গেল। তিনি গোত্রটির পক্ষে ফয়সালা দিলেন এবং তাদের থেকে এক-পঞ্চমাংশ (খুমুস) গ্রহণ করলেন, অথবা তিনি (বর্ণনাকারী) বলেছেন: তিনি তাদের ওপর খুমুস ধার্য করলেন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে আমাদের অংশ পেলাম এবং আমরা তা দিয়ে একশত গবাদি পশু ক্রয় করলাম। তারপর আমরা সেগুলো নিয়ে জলাশয়ে আসলাম। তখন জাকাত সংগ্রহকারী জাকাত নিতে চাইলেন, কিন্তু আমরা তা অস্বীকার করলাম, অথবা তিনি বলেছেন: আমরা তাকে বাধা দিলাম। এরপর আমরা এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম। তিনি বললেন: "যদি তোমরা এগুলোকে অন্য পশুর সাথে যুক্ত করে থাকো (তবে ভিন্ন কথা), অন্যথায় এই বছর তোমাদের ওপর কোনো কিছু (জাকাত) নেই।" তিনি আরও বললেন: "জাকাত সংগ্রহকারী যখন কোনো সম্প্রদায়ের কাছ থেকে তাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যায়, তখন আল্লাহও তাদের ওপর অসন্তুষ্ট হন; আর যখন সে তাদের থেকে সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যায়, তখন আল্লাহও তাদের ওপর সন্তুষ্ট হন।"
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٢)
8- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ عَوْذِ [اللَّهِ] (1) الْبَصْرِيُّ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَامٍ، قَالَ: لَمَّا أَنْ قَدِمَ الْنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ انْجَفَلَ النَّاسُ قِبَلَهُ، فَقَالُوا: قَدِمَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَدِمَ رَسُولُ اللهِ، [2/أ] فَجِئْت فِي النَّاسِ لأَنْظُرَ إِلَى وَجْهِهِ، فَلَمَّا أَنْ رَأَيْتَ وَجْهَهُ عَرَفْتُ أَنَّ وَجْهَهُ لَيْسَ بِوَجْهِ كَذَّابٍ، فَكَانَ أَوَّلُ شَيْءٍ سَمِعْتُهُ تَكَلَّمُ بِهِ أَنْ قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، أَطْعِمُوا الطَّعَامَ، وَأَفْشُوا السَّلَامَ، وَصِلُوا الأَرْحَامَ، وَصَلُّوا وَالنَّاسُ نِيَامٌ، تَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ بِسَلَامٍ.

--------------------------------------------

(1) ما بين حاصرتين لم يرد في النسخة الخطية ومتن المطبوعة، لكن أشار المحقق في الحاشية إلى أن (معاذ بن عوذ الله) جاء بإثبات لفظ الجلالة، في المعرفة والتاريخ للمؤلف (1/264) ، والترغيب والترهيب لقوام السنة (409 و 2979) من طريق المؤلف. كما ترجم له بإثبات لفظ الجلالة كل من: الدولابي في الكنى والأسماء (2/798) ، وابن حبان في الثقات (9/178) - وهو المعروف بعنايته بشيوخ المؤلف ونقله من مشيخته -، والدارقطني في المؤتلف والمختلف (3/1617) ، وكذلك جاء إثبات لفظ الجلالة في جميع كتب الحديث التي أخرجت له فيما نعلم، باستثناء كتاب إثارة الفوائد المجموعة للعلائي (2/647) ، حيث أخرج هذا الحديث من طريق مشيخة المؤلف، بدون إثبات لفظ الجلالة.
৮- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকূব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআয বিন আওয [আল্লাহ] আল-বাসরী আবু আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওফ আল-আরাবী যুরারাহ বিন আওফা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনায় আগমন করলেন, তখন মানুষ তাঁর দিকে দ্রুতবেগে ছুটে গেল। তারা বলতে লাগল: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসেছেন। [২/আ] তখন আমি মানুষের সাথে তাঁর চেহারার দিকে তাকানোর জন্য আসলাম। যখন আমি তাঁর চেহারা দেখলাম, তখন আমি বুঝতে পারলাম যে তাঁর চেহারা কোনো মিথ্যাবাদীর চেহারা নয়। তাঁর প্রথম যে কথাটি আমি শুনেছিলাম তা হলো: "হে মানুষ! তোমরা অন্নদান করো, সালামের প্রসার ঘটাও, আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখো এবং যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকে তখন তোমরা সালাত আদায় করো; তোমরা শান্তিতে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীর মধ্যবর্তী অংশটি পাণ্ডুলিপি এবং মুদ্রিত সংস্করণের মূল পাঠে পাওয়া যায়নি, কিন্তু গবেষক পাদটীকায় উল্লেখ করেছেন যে, (মুআয বিন আওয আল্লাহ) আল্লাহর নাম সহকারে লেখকের ‘আল-মা‘রিফাহ ওয়াত-তারীখ’ (১/২৬৪) এবং ক্বাওয়ামুস সুন্নাহর ‘আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব’ (৪০৯ ও ২৯৭৯) গ্রন্থে লেখকের সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে তাঁর জীবনীতে আল্লাহর নাম উল্লেখ করেছেন: দাউলাবী ‘আল-কুনা ওয়াল আসমা’ (২/৭৯৮) গ্রন্থে, ইবনে হিব্বান ‘আত-সিক্বাত’ (৯/১৭৮) গ্রন্থে—যিনি লেখকের উস্তাদগণের প্রতি তাঁর বিশেষ মনোনিবেশ এবং তাঁর উস্তাদগণের থেকে বর্ণনার জন্য সুপরিচিত—এবং দারাকুতনী ‘আল-মু’তালিফ ওয়াল মুখতালিফ’ (৩/১৬১৭) গ্রন্থে। একইভাবে আমাদের জানামতে তাঁর বর্ণিত হাদীসসমূহ যে সকল কিতাবে সংকলিত হয়েছে তার সবগুলোতে মহান আল্লাহর নাম সাব্যস্ত হয়েছে, কেবল আলাঈ-র ‘ইসারাতুল ফাওয়ায়িদিল মাজমুআহ’ (২/৬৪৭) কিতাবটি ব্যতীত, যেখানে তিনি এই হাদীসটি লেখকের উস্তাদগণের সূত্রে আল্লাহর নাম উল্লেখ না করে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٣)
9- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله بن جعفر، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اليَمَانُ بْنُ نَصْرٍ الكَعْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الله أبو سَعْدٍ المدِيْنِي، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ: لما ولي أبو بكر أمر الناس بعد رَسُول الله صلى الله عليه وسلم فصعد المنبر فحمد الله وأثنى عليه، ثم قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي قَدْ وُلِّيتُ عَلَيْكُمْ أَمْرُكُمْ هَذَا، وَلَسْتُ بِخَيْرِكُمْ، فَإِنْ أَحْسَنْتُ فَأَعِينُونِي، وَإِنْ زِغْتُ فَقَوِّمُونِي، الصِّدْقُ أَمَانَةٌ، وَالْكَذِبُ خِيَانَةٌ، أكيس الكيس التقي، وأنوك النوك الفجور، وَالضَّعِيفُ فِيكُمُ الْقَوِيُّ عِنْدِي حَتَّى آخذ له الحق، وَالْقَوِيُّ عندكم الضَّعِيفُ عِنْدِي حَتَّى آخُذَ الحق مِنْهُ، لَا يَدَعُ قَوْمٌ الْجِهَادَ فِي [2/ب] اللهِ إِلَاّ ضَرَبَهُمُ اللَّهُ بِالْذُّلِ، وَلَا تَشِيْعُ الْفَاحِشَةُ فِي قَوْمٍ إِلَاّ عَمَّهُمُ اللَّهُ بِالْبَلَاءُ، أَطِيعُونِي مَا أَطَعْتُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، فَإِذَا عَصَيْتُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَلَا طَاعَةَ لِي عَلَيْكُمْ، قُومُوا إِلَى صَلَاتِكُمْ.
৯- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়ামান বিন নাসর আল-কাব্বি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ আবু সাদ আল-মাদিনি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার নিকট মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার নিকট মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে আবু বকর মানুষের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন, তখন তিনি মিম্বরে আরোহণ করলেন এবং আল্লাহর প্রশংসা ও স্তুতি জ্ঞাপন করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: হে লোকসকল! আমাকে তোমাদের এই শাসনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে, অথচ আমি তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। সুতরাং যদি আমি ভালো কাজ করি তবে তোমরা আমাকে সহযোগিতা করো, আর যদি আমি সত্যচ্যুত হই তবে তোমরা আমাকে সোজা করে দিও। সত্যবাদিতা হলো আমানত এবং মিথ্যা হলো খিয়ানত। সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তা হলো তাকওয়া (আল্লাহভীতি), আর সবচেয়ে বড় মূর্খতা হলো পাপাচার। তোমাদের মধ্যকার দুর্বল ব্যক্তিটি আমার নিকট শক্তিশালী যতক্ষণ না আমি তাকে তার প্রাপ্য অধিকার আদায় করে দিই, আর তোমাদের মধ্যকার শক্তিশালী ব্যক্তিটি আমার নিকট দুর্বল যতক্ষণ না আমি তার নিকট থেকে প্রাপ্য হক আদায় করে নিই। কোনো জাতি যখন আল্লাহর পথে জিহাদ পরিত্যাগ করে, তখন আল্লাহ তাদের ওপর লাঞ্ছনা চাপিয়ে দেন। আর কোনো জাতির মধ্যে যখনই অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে, তখন আল্লাহ তাদের ওপর ব্যাপক বালা-মুসিবত অবতীর্ণ করেন। যতক্ষণ আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করি ততক্ষণ তোমরা আমার আনুগত্য করো। আর যদি আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করি, তবে আমার প্রতি তোমাদের আনুগত্যের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তোমরা তোমাদের সালাতের জন্য দাঁড়াও।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٤)
10- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ الْعَائِشِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَان النُّمَيْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ عُبَيْد الله (1) بْنِ سَلْمَانَ الأَغَرِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي أَيُّوب (2) ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: مَثَلُ أُمَّتِي مَثَلُ الْمَطَرِ لَا يُدْرَى أَوَّلُهُ خَيْرٌ أَو آخِرُهُ.

--------------------------------------------

(1) كذا في النسخة الخطية والمطبوعة، بينما في جميع المصادر التي أخرجت هذا الحديث - كما في تخريج المحقق في حاشية طبعته - جاء اسم الراوي بدون ذكر لفظ الجلالة، هكذا: (عبيد بن سلمان الأغر) ، وقد أصاب المحقق بإثبات ما جاء في النسخة الخطية، وإن كان مخالفا لما جاء في المصادر الأخرى، رغم علمه بالاختلاف كما هو ظاهر من تخريجه، وذلك لأن زيادة لفظ الجلالة لا يُدرى ممن هي، فقد تكون من ناسخ المخطوطة، أو أحد رواتها، أو المؤلف نفسه، ولو جاء هذا الحديث في أي كتاب آخر من طريق المؤلف نفسه، لاستطعنا أن نميز إن كانت الزيادة من المؤلف أو غيره، وبالتالي نحذف زيادة لفظ الجلالة من متن الكتاب، إن كانت من غير المؤلف، لكن للأسف جميع المصادر التي أخرجت هذا الحديث أخرجته إما من طريق شيخ المؤلف (عبد الرحمن بن المبارك) ، أو من طريق شيخ شيخه (الفضيل بن سليمان) .

فأما طريق (عبد الرحمن بن المبارك) ، فهو في: صحيح ابن حبان (7226) ، وأمثال الحديث للرامهرمزي (70) ، وأحاديث الشاموخي (9) ، والزهد الكبير للبيهقي (397) . وأما طريق (الفضيل بن سليمان) ، فهو في مسند البزار (1412) .

(2) كذا في النسخة الخطية والمطبوعة، بينما جاء هذا الحديث من مسند (عمار بن ياسر) في جميع المصادر التي أخرجته، كما بين ذلك المحقق في حاشية طبعته، وقد أصاب بإثبات ما جاء في النسخة الخطية، وإن كان مخالفا لما جاء في المصادر الأخرى، لأننا كما قلنا في الحاشية السابقة لا ندري ممن وقع الخطأ.
১০- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন আল-মুবারক আল-আইশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফুদায়েল বিন সুলাইমান আন-নুমাইরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা বিন উকবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ (১) বিন সালমান আল-আগার থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব (২) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমার উম্মতের উদাহরণ হলো বৃষ্টির মতো, জানা যায় না এর শুরু ভালো নাকি এর শেষ ভালো।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি ও মুদ্রিত কপিগুলোতে এভাবেই রয়েছে, অথচ এই হাদিসটি সংকলিত হয়েছে এমন সমস্ত উৎসে—যেমনটি মুহাক্কিক তাঁর সংস্করণের টীকায় উল্লেখ করেছেন—বর্ণনাকারীর নাম 'আল্লাহ' শব্দ ছাড়াই এসেছে, এভাবে: (উবাইদ বিন সালমান আল-আগার)। মুহাক্কিক পাণ্ডুলিপিতে যা পাওয়া গেছে তা বহাল রেখে সঠিক কাজ করেছেন, যদিও তা অন্যান্য উৎসের পরিপন্থী; কারণ তিনি এই মতভেদ সম্পর্কে অবগত ছিলেন যেমনটি তাঁর তাহকিক থেকে স্পষ্ট। কেননা 'আল্লাহ' শব্দের এই আধিক্য কার পক্ষ থেকে হয়েছে তা জানা যায় না, হতে পারে এটি পাণ্ডুলিপির অনুলিপিকারীর পক্ষ থেকে, অথবা এর কোনো বর্ণনাকারীর পক্ষ থেকে, অথবা স্বয়ং লেখকের পক্ষ থেকে। যদি এই হাদিসটি লেখকের নিজস্ব সূত্রে অন্য কোনো কিতাবে আসত, তবে আমরা নির্ণয় করতে পারতাম যে এই বৃদ্ধি লেখকের পক্ষ থেকে নাকি অন্য কারো পক্ষ থেকে, এবং যদি তা লেখক ব্যতীত অন্য কারো হতো তবে আমরা কিতাবের মূল পাঠ থেকে 'আল্লাহ' শব্দটি বাদ দিতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই হাদিসটি যে সমস্ত উৎস হতে বর্ণিত হয়েছে তা হয় লেখকের উস্তাদ (আব্দুর রহমান বিন আল-মুবারক) এর সূত্রে, অথবা তাঁর উস্তাদের উস্তাদ (আল-ফুদায়েল বিন সুলাইমান) এর সূত্রে।

আর (আব্দুর রহমান বিন আল-মুবারক) এর সূত্রটি রয়েছে: সহিহ ইবনে হিব্বান (৭২২৬), রামাহুরমুজির আমসালুল হাদিস (৭০), আশ-শামুখির আহাদিস (৯) এবং বায়হাকির আয-যুহদুল কাবির (৩৯৭) এ। আর (আল-ফুদায়েল বিন সুলাইমান) এর সূত্রটি রয়েছে মুসনাদুল বাজ্জার (১৪১২) এ।

(২) পাণ্ডুলিপি ও মুদ্রিত কপিগুলোতে এভাবেই রয়েছে, অথচ হাদিসটি সংকলিত হয়েছে এমন সমস্ত উৎসে এটি (আম্মার বিন ইয়াসির) এর মুসনাদ হিসেবে এসেছে, যা মুহাক্কিক তাঁর সংস্করণের টীকায় স্পষ্ট করেছেন। পাণ্ডুলিপিতে যা রয়েছে তা বহাল রেখে তিনি সঠিক কাজ করেছেন যদিও তা অন্যান্য উৎসের বিপরীত, কারণ পূর্বের টীকায় আমরা যেমন বলেছি যে ভুলটি কার পক্ষ থেকে হয়েছে তা আমাদের জানা নেই।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٤)
11- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ الْقَاسِمِ الْهَمْدَانِيُّ اللُّؤْلُؤِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلَكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ قَالَ: قَالَ عُمَرُ: الرِّجَالُ ثَلَاثَةٌ، وَالنِّسَاءُ ثَلَاثَةٌ، فَامْرَأَةٌ عَفِيفَةٌ مُسْلِمَةٌ لَيِّنَةٌ وَدُودَةٌ وَلُودَةٌ تُعِينُ أَهْلَهَا عَلَى الدَّهْرِ، [3/أ] وَلَا تُعِينُ الدَّهْرَ عَلَى أَهْلِهَا - وَقَلِيلاً مَا تَجِدُهَا - وَامْرَأَةٌ وِعَاءٌ لَا تَزِيدُ عَلَى أَنْ تَلِدَ الأَوْلَادَ، وَالثَّالِثَةُ غُلٌّ، قُمَّلٌ، يَجْعَلُهَا اللَّهُ فِي عُنُقِ مَنْ شَاءَ، فَإِذَا شَاءَ أَنْ يَنْزِعَهُ نَزَعَهُ، وَالرِّجَالُ ثَلَاثَةٌ: رَجُلٌ عَفِيفٌ هَيِّنٌ لَيِّنٌ، ذُو رَأْيٍ وَمَشُورَةٍ، إِذَا نَزَلَ بِهِ أَمْرٌ ائْتُمِنَ رَأْيُهُ وَصَدَرَ الأُمُورَ مَصَادِرَهَا، وَرَجُلٌ لَا رَأْيَ لَهُ، إِذَا نَزَلَ بِهِ أَمْرٌ أَتَى ذَا الرَّأْيِ والْمَشُورَةِ فَنَزَلَ عِنْدَ رَأْيِهِ، وَرَجُلٌ حَائِرٌ، بائر، لَا يَأْتمر رشدًا، وَلَا يُطِيعُ مُرْشِدًا.
১১- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বিশর আবদুল আ'লা ইবনুল কাসিম আল-হামদানী আল-লু'লুয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি সামুরাহ ইবনে জুনদুব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর (রা.) বলেছেন: পুরুষ তিন প্রকার এবং নারী তিন প্রকার। প্রথম প্রকার নারী হলো সচ্চরিত্রা, মুসলিম, কোমল স্বভাবের, প্রেমময়ী এবং অধিক সন্তানপ্রসূ; যে প্রতিকূল সময়ে তার পরিবারকে সাহায্য করে, [৩/অ] আর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিকূলতাকে সহায়তা করে না—আর এদের সংখ্যা খুবই কম। দ্বিতীয় প্রকার নারী হলো কেবল একটি পাত্রের মতো, সন্তান জন্ম দেওয়া ছাড়া যার আর কোনো গুণ নেই। আর তৃতীয় প্রকার নারী হলো গলার বেড়ি সদৃশ অতি যন্ত্রণাদায়ক, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তার গলায় তা ঝুলিয়ে দেন, আর তিনি যখন তা খুলে নিতে চান, তখন খুলে নেন। আর পুরুষও তিন প্রকার: প্রথমত, এমন ব্যক্তি যে সচ্চরিত্র, সহজ-সরল ও কোমল স্বভাবের, সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ প্রদানকারী; যখন তার কাছে কোনো সংকট উপস্থিত হয়, তখন তার মতামতের ওপর ভরসা করা হয় এবং সে বিষয়গুলোকে সঠিক পরিণতির দিকে পরিচালিত করে। দ্বিতীয়ত, এমন এক ব্যক্তি যার নিজস্ব কোনো মতামত নেই; তবে যখন তার ওপর কোনো বিষয় আপতিত হয়, সে প্রাজ্ঞ ও পরামর্শদাতার নিকট উপস্থিত হয় এবং তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আর তৃতীয়ত, এমন এক ব্যক্তি যে বিভ্রান্ত ও লক্ষ্যভ্রষ্ট; সে না সুপথের নির্দেশনা গ্রহণ করে, না কোনো পথপ্রদর্শকের আনুগত্য করে।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٥)
12- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ سَلَاّمِ بْنِ مِسْكِينٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: سَأَلْتُ الْحَسَنَ عَنِ الرَّجُلِ، يَقَعُ بِجَارِيَةِ امْرَأَتِهِ؟ قَالَ: حَدَّثَنِي قَبِيصَةُ بْنُ حُرَيْثٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ مُحَبَّقٍ، أَنَّ رَجُلاً مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لَا يَزَالُ يُسَافَرُ وَيَغْزُو، وَأَنَّ امْرَأَتَهُ بَعَثَتْ مَعَهُ بجَارِيَة لَهَا، قَالَتْ: تَغْسِلُ رَأْسَكَ وَتَخْدِمُكَ وَتَحْفَظُ رَحْلَكَ، وَلَمْ تَجْعَلْهَا لَهُ، وَأَنَّهُ طَالَ سَفَرُهُ فِي وَجْهِهِ ذَلِكَ فَوَقَعَ بِالْجَارِيَةِ، فَلَمَّا قَفَلَ أَخْبَرَتِ [3/ب] الْجَارِيَةُ مَوْلَاتَهَا بِذَلِكَ، فَغَارَتْ غَيْرَةً شَدِيدَةً وَغَضِبَتْ، فَأَتَتْ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَتْهُ بِالَّذِي صَنَعَ، فَقَالَ لَهَا نَبِيُّ اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِنْ كَانَ اسْتَكْرَهَهَا فَهِيَ عَتِيقَةٌ وَعَلَيْهِ مِثْلُهَا، وَإِنْ كَانَ أَتَاهَا بِطِيِبِ نَفْسٍ مِنْهَا وَرِضًى فَهِيَ لَهُ وَعَلَيْهِ مِثْلُ ثَمَنِهَا لَكِ وَلَمْ يُقِمْ فِيهِ حَدًّا.
১২- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-কাসিম ইবনে সালাম ইবনে মিসকিন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসানকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে তার স্ত্রীর দাসীর সাথে মিলিত হয়? তিনি বলেন: আমার নিকট কাবিদাহ ইবনে হুরাইছ আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, সালামাহ ইবনে মুহাব্বিক থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি সর্বদা সফর ও যুদ্ধে লিপ্ত থাকতেন, আর তার স্ত্রী তার সাথে তার নিজের এক দাসীকে পাঠিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: সে তোমার মাথা ধুয়ে দেবে, তোমার খিদমত করবে এবং তোমার আসবাবপত্র পাহারা দেবে; কিন্তু তিনি তাকে তার জন্য (শারীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে) অর্পণ করেননি। সেই সফরে তার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়ে গেল, ফলে তিনি সেই দাসীর সাথে মিলিত হলেন। অতঃপর যখন তিনি ফিরে এলেন, তখন দাসীটি তার মালকিনকে বিষয়টি অবহিত করল। এতে তিনি অত্যন্ত ঈর্ষান্বিত ও রাগান্বিত হলেন। অতঃপর তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে তিনি যা করেছেন তা জানালেন। তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: যদি তিনি তাকে বাধ্য করে থাকেন, তবে সে মুক্ত এবং তাকে (স্বামীকে) তার অনুরূপ একটি দাসী প্রদান করতে হবে। আর যদি সে সন্তুষ্ট চিত্তে ও সম্মতিতে তার সাথে মিলিত হয়ে থাকে, তবে সে (দাসীটি) তার হয়ে যাবে এবং তাকে তোমার জন্য তার সমপরিমাণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে। আর তিনি তার ওপর কোনো হদ্দ (শাস্তি) প্রয়োগ করেননি।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٥)
13- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله بن جَعْفَر، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ الأَزْرَقُ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا شُجَاعٍ، عَنْ أَبِي طَيْبَةَ، عَنْ ابن مَسْعُودٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ قَرَأَ سُورَةَ الْوَاقِعَةَ كُلَّ لَيْلَةٍ لَمْ تُصِبْهُ فَاقَة أَبَدًا.

وكان ابن مسعود يأمر بناته بقراءتها في كل ليلة.
১৩- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্বাস বিন ফাদল আল-আজরাক আল-আবদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সারি বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শুজা বর্ণনা করেছেন আবু তইবা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা আল-ওয়াকিয়া পাঠ করবে, তাকে কখনো দারিদ্র্য স্পর্শ করবে না।"

আর ইবনে মাসউদ তাঁর কন্যাদের প্রতি রাতে এটি পাঠ করার নির্দেশ দিতেন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٥)
14- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يَحْيَىَ أَبُو مُحَمَّدٍ بن الثَّقَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَكَّارُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ البكرواني، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ أَبِي بَكْرَةَ، عن النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: كُلُّ الذُّنُوبِ يُؤَخَّرُ الله منها مَا شَاءَ إِلَى يَوْمِ [4/أ] الْقِيَامَةِ إِلَاّ عُقُوقَ الْوَالِدَيْنِ، فَإِنَّهُ يُعَجِّلُهُ لِصَاحِبِهِ فِي الدنيا قَبْلَ الْمَمَاتِ، وَمَنْ رَاءَ رَاءَ اللَّهُ بِهِ، وَمَنْ سَمَّعَ سَمَّعَ اللَّهُ بِه.
১৪- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আবু মুহাম্মদ ইবনে আস-সাকাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাক্কার ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাকরাওয়ানি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আবু বাকরা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা সমস্ত গুনাহের মধ্য থেকে যা ইচ্ছা কিয়ামত দিবস [৪/অ] পর্যন্ত বিলম্বিত করেন, কিন্তু পিতা-মাতার অবাধ্যতা ব্যতীত; কেননা তিনি এর শাস্তি দুনিয়াতে মৃত্যুর পূর্বেই দ্রুত প্রদান করেন। আর যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কাজ করবে, আল্লাহ তার প্রকৃত অবস্থা প্রকাশ করে দেবেন; আর যে ব্যক্তি মানুষের নিকট শোনানোর জন্য কাজ করবে, আল্লাহ তাকে মানুষের মাঝে অপদস্থ করবেন।”
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
15- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرُ حَفْصُ بْنُ عُمَرَ العَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَتنِي المُغيرة بنت حسَّان العايشية، عَنْ أَنَسِ بْنِ مالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ، فِي قَوْلِ اللَّهِ، عز وجل: {فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى} ، قَالَ: القُرآنُ: الْعُرْوَةُ الْوُثْقَى، وَالصَّلَاةُ الْوُسْطَى: صَلَاةُ الصُّبْح، وقَالَ: ألا ترون أنه يقول: {وقوموا لله قانتين} .
১৫- আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমর হাফস বিন উমর আল-আবদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-মুগীরা বিনতে হাসান আল-আইশিয়াহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত যে, তিনি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী— "সে অবশ্যই এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করল"—প্রসঙ্গে বলেছেন: কুরআনই হলো সেই সুদৃঢ় হাতল। আর "মধ্যবর্তী সালাত" হলো ফজরের সালাত। তিনি আরও বলেন: তোমরা কি দেখছ না যে তিনি বলছেন— "আর তোমরা আল্লাহর জন্য বিনীতভাবে দণ্ডায়মান হও।"
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
16- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَر العَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةَ، عَنْ مَرْوَانٍ المُحَلَّمِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ: أَنَّهُ كَانَ يَمْسَحُ عَلَى الْجَوْرَبَيْنِ.
১৬- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফস ইবনে উমর আল-আবদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মারওয়ান আল-মুহাল্লামী থেকে, আর তিনি সা'ঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি মোজার উপর মাসাহ করতেন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
17- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الْخُزَاعِيُّ، جَارٌ لِمُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَن ، قَالَ: يُجْزِئُ مِنَ الصَّرْمِ السَّلَامُ.
১৭- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিমের প্রতিবেশী মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-খুজাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন মারওয়ান আমাদের নিকট হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি (হাসান) বলেন: সম্পর্কচ্ছেদ বা বিচ্ছিন্নতা নিরসনে সালাম বিনিময়ই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
18- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْحلَاّلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ [4/ب] قَالَ أَخْبَرَنَا عَمَّارُ بْنُ أَبِي عَمَّارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: إن رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِالْمَضْمَضَةِ وَالاِسْتِنْشَاقِ.
১৮- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে সুলাইমান আল-হাল্লাল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে সালামাহ বর্ণনা করেছেন [৪/খ], তিনি বলেন: আম্মার ইবনে আবি আম্মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুলি করার এবং নাকে পানি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٧)
19- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ زِيَادٍ، جَارُ عُثْمَانَ الْمُؤَذن، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامٌ بن يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، قَالَ: أَمَرَنَا نَبِيُّنَا صلى الله عليه وسلم َأَنْ يُسَلِّمَ بَعْضُنَا عَلَى بَعْض، وَأَنْ نُسَلِّمَ عَلَى أَئِمَّتِنَا.
১৯- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান মুয়াজ্জিনের প্রতিবেশী মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাতাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি সামুরাহ ইবনে জুনদুব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমরা একে অপরকে সালাম প্রদান করি এবং আমাদের ইমামদের (নেতাদের) সালাম প্রদান করি।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٧)
20- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَحْبُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَبُو بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَة، أنها قَالَت: ما مست عبدًا من نعمة فعلم أنها من الله إِلَاّ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ شُكْرَهَا قَبْلَ أَنْ يَحْمَدَهُ عَلَيْهَا، وما علم الله من عبد ندامة على ذنب إلا غفر له قبل أن يستغفره، وإن العبد ليشتري الثوب بالدينار أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ، فيلقيه على رأسه فيحمد الله فما يصل [5/أ] إِلَى رُكْبَتَيْهِ حَتَّى يَغْفِرَ اللَّهُ لَهُ.
২০- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মাহবুব ইবন মুহাম্মদ আবু বিশর আল-আবদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হিশাম ইবন যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: কোনো বান্দা যখন কোনো নিআমত লাভ করে এবং সে জানতে পারে যে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে, তখন সে তাঁর প্রশংসা করার পূর্বেই আল্লাহ তার জন্য সেই নিআমতের শুকরিয়া লিখে দেন। আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার মধ্যে তার কোনো পাপের জন্য অনুশোচনা দেখেন, তখন সে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার পূর্বেই তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন। এমনকি কোনো বান্দা যখন এক দীনার বা অর্ধেক দীনার দিয়ে একটি কাপড় ক্রয় করে, অতঃপর তা তার মাথার ওপর দিয়ে পরিধান করে এবং আল্লাহর প্রশংসা করে, তখন তা তার হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছানোর [৫/ক] পূর্বেই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ النَّمَرِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الصَّعْقُ بْنُ حزن، قَالَ: سَمِعْتُ كاتب عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، يقرأ عَلَى مِنْبَرِ الْبَصْرَةِ ْ مِنْ عَبْدِ اللهِ عُمَرَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ إِلَى عَدِيِّ بْنِ أَرْطَاةَ، وَأَهْلِ الْبَصْرَةِ أَمَّا بَعْدُ: فإنه بلغني أن ناسًا يَشْرَبُونَ شَرَابًا يزعمون أنه حلال ولعمري إن ربما ضارع الحرام وانتهكت به هذه الأمور لبأس شديد وإثم عظيم، بلغت بهم الدم الحرام، وَالْمَالَ الْحَرَامَ، وَالْفَرْجَ الْحَرَامَ، وَهُمْ يَقُولُونَ: نَشْرَبُ شَرَابًا لَا بَأْسَ بِهِ، وَلَعَمْرِي إن ربما َضَارَعَ الْحَرَامَ لبأس شدِيد، وإثم عظيم، وَقَدْ جَعَلَ اللَّهُ، عز وجل، عَنْهُ مَنْدُوحَةً وَسَعَةً مِنْ أَشْرِبَةٍ كَثِيرَةٍ طَيِّبَةٍ لَيْسَ فِي الأَنْفُسِ مِنْهَا حَاجَةٌ، من الْمَاءِ الْعَذْبِ الْفُرَاتِ، وَاللَّبَنِ وَالسَّوِيقِ وَالْعَسَلِ ونبيذ الزبيب، والتمر في أسقية الأدم، وَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ [5/ب] اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ، فَاسْتَغْنُوا بِمَا أَحَلَّ اللَّهُ عَمَّا حَرَّمَ، فَإِنَّا مَنْ وَجَدْنَاهُ يَشْرَبُ مِنْ هَذَا شَيْئًا أَوجَعْنَاهُ عُقُوبَة، وَمَنِ اسْتَخْفَى فَاللَّهُ أَشَدُّ عُقُوبَةً وَأَشَدُّ تَنْكِيلاً، وَقَدْ أَرَدْتُ بِكِتَابِي هَذَا اتِّخَاذَ الْحُجَّةِ عَلَيْكُمْ فِي الْيَوْمِ وَفِي مَا بَعْدَ الْيَوْمِ، أَسْأَلُ اللَّهَ أَنْ يَزِيدَ الْمُهْتَدِيَ مِنَّا وَمِنْكُمْ هُدًى وَأَنْ يُرَاجِعَ بِالْمُسِيءِ مِنَّا وَمِنْكُمْ إِلَى التَّوْبَةِ فِي يُسْرٍ مِنْهُ وَعَافِيَةٍ، وَالسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ.
২১ - আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাতিম ইবনে উবাইদুল্লাহ আন-নামারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আস-সাক ইবনে হাযন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনে আব্দুল আজিজের লেখককে বসরার মিম্বরে দাঁড়িয়ে পাঠ করতে শুনেছি: আল্লাহর বান্দা উমর আমিরুল মুমিনীনের পক্ষ থেকে আদি ইবনে আরতাহ এবং বসরার অধিবাসীদের প্রতি। অতঃপর: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, কিছু লোক এমন পানীয় পান করছে যা তারা হালাল বলে দাবি করে। আমার জীবনের কসম, এটি প্রায়ই হারামের সদৃশ হয়ে যায় এবং এর মাধ্যমে এসব বিষয়ের পবিত্রতা নষ্ট করা অত্যন্ত কঠিন গুনাহ ও বড় অপরাধ। এর ফলে তারা হারাম রক্তপাত, হারাম সম্পদ এবং হারাম যৌনাচার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, অথচ তারা বলে: 'আমরা এমন পানীয় পান করছি যাতে কোনো সমস্যা নেই।' আমার জীবনের কসম, এটি হারামের সদৃশ হওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বড় পাপ। অথচ আল্লাহ মহামহিম ও মহিমান্বিত এর পরিবর্তে অনেক পবিত্র ও উত্তম পানীয়ের মাধ্যমে প্রশস্ততা ও পর্যাপ্ততা দান করেছেন যার পর অন্য কিছুর প্রয়োজন থাকে না; যেমন: সুপেয় মিষ্ট পানি, দুধ, ছাতুর শরবত, মধু এবং চামড়ার পাত্রে সংরক্ষিত কিশমিশ ও খেজুরের পানীয়। আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ [৫/খ] সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: 'প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম।' সুতরাং আল্লাহ যা হালাল করেছেন তার মাধ্যমে হারামের ব্যাপারে অমুখাপেক্ষী হয়ে যাও। অতএব আমরা যাকে এসবের কিছু পান করতে পাব, তাকে আমরা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেব। আর যে গোপনে তা করবে, আল্লাহর শাস্তি আরও কঠোর এবং তাঁর পাকড়াও ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আরও ভয়াবহ। আমি এই পত্রের মাধ্যমে আজ এবং আগামীর জন্য তোমাদের ওপর দলিল কায়েম করতে চেয়েছি। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের ও তোমাদের মধ্যে যারা হিদায়াতপ্রাপ্ত তাদের হিদায়াত বৃদ্ধি করেন এবং আমাদের ও তোমাদের মধ্যে যারা পাপাচারী তাদের তাঁর পক্ষ থেকে সহজতা ও সুস্থতার সাথে তাওবার দিকে ফিরিয়ে আনেন। আপনাদের ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٨)
22 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَبُو جعفر الْمُقْرِىءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عن الْحَارِثِ بْنِ حَسَّان البَكْرِيِّ، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَرَأَيْتُ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم قَائِمًا يخطب عَلَى الْمِنْبَرِ، وَبِلَال بحذائه مُتَقَلِّدًا سَيْفًا، وَإِذَا برَايَات سُود موقوفة بين يديه، قَالَ: قُلْتُ: مِنْ هَذَا؟ قَالَ: قَالَوا: عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ، قَدِمَ مِنْ غزاة ذَاتِ السَّلَاسِلِ [6/أ] .
২২ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আবু জাফর আল-মুকরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি আল-হারিস ইবনে হাসসান আল-বাকরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মদীনায় আসলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে খুতবা দিতে দেখলাম। এমতাবস্থায় বিলাল তাঁর পাশে তলোয়ার পরিহিত অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর সামনে কালো পতাকাগুলো রাখা ছিল। তিনি বলেন: আমি জিজ্ঞেস করলাম: ইনি কে? তিনি বলেন: তারা বললেন: আমর ইবনুল আস, তিনি জাতুস সালাসিল যুদ্ধ থেকে ফিরে এসেছেন [৬/ক]।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
23- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي عَبْدَةَ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْهَبِ ، عَنْ أبي الْحَكَمِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، وَلَا أَعْلَمُهُ إِلَاّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّمَا أَخْشَى عَلَيْكُمْ شَهَوَاتِ الْغَيِّ فِي بُطُونِكُمْ وَفُرُوجِكُمْ وَمُضِلَاّتِ الْهَوَى.
23- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে আবু আবদাহ আল-আনবারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল আশহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাকাম থেকে, তিনি আবু বারজাহ আল-আসলামি থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আমি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই বর্ণিত বলে জানি; তিনি বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য কেবল তোমাদের পেট ও লজ্জাস্থানের পথভ্রষ্টকারী প্রবৃত্তি এবং বিভ্রান্তিকর কামনা-বাসনা সম্পর্কে আশঙ্কা করি।"
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
24- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْر، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بعثه، وَأَوْسُ بْنُ الْحَدَثَانِ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيق فنادى: أَلَاّ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلَاّ مُؤْمِنٌ، وَأَيَّامَ مِنًى أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ.
২৪- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইসমাঈল বিন আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইব্রাহিম বিন তাহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুবায়ের থেকে, তিনি কাব বিন মালিকের পুত্র থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা কাব বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে এবং আওস ইবনুল হাদাসানকে আইয়ামে তাশরীকের দিনগুলোতে প্রেরণ করেছিলেন। অতঃপর তিনি ঘোষণা করেন: জেনে রাখো, মুমিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর মিনার দিনগুলো হলো পান ও আহারের দিন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
25- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ حَكَّامٍ أَبُو عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: لَمَّا قَالَ فرعونْ لَا إِلَهَ إِلَاّ اللَّهُ، قَالَ: جَعَلَ جِبْرِيلُ، يَحْشو فِي فِيْهِ الطِّينُ وَالتُّرَابُ.
২৫- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে হাক্কাম আবু উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট আতা ইবনে সাইব হতে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যখন ফেরাউন বলেছিল, 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই', তখন জিবরাঈল তার মুখে কাদা ও মাটি পুরে দিতে শুরু করলেন।
(খণ্ড: ১) মাশইয়াখাতু ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাবী (পৃষ্ঠা: ٥٠)
26- حَدَّثَنَا عَبْدُ الله، [6/ب] قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرَ بْنَ يَزِيدَ أَبُو حَفْصٍ الشَّيْبَانِيُّ الرفاء، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بن الحجاج، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَة، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: مَا بَالُ أَقْوَامٍ يُشَرِّفُونَ الْمُتْرَفِينَ، وَيَسْتَخِفُّونَ بِالْعَابِدِينَ، وَيَعْمَلُونَ بِالْقُرْآنِ مَا وَافَقَ أَهْوَاءَهُمْ، وَمَا خَالَفَ أَهْوَاءَهُمْ تَرَكُوهُ، فَعِنْدَ ذَلِكَ يُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَيَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ، يَسْعَوْنَ فِيمَا يُدْرَكُ بِغَيْرِ سَعْيٍ، مِنَ الْقَدَرِ الْمَقْدُورِ، وَالأَجَلِ الْمَكْتُوبِ، وَالرِّزْقِ الْمَقْسُومِ، ألَا يَسْعَوْنَ فِيمَا لَا يُدْرَكُ إِلَاّ بِالسَّعْيِ مِنَ الخير الْمَوْفُورِ، وَالسَّعْيِ الْمَشْكُورِ، وَالتِّجَارَةِ الَّتِي لَا تَبُور.
২৬- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, [৬/খ] তিনি বলেন: ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস শায়বানী আর-রাফ্ফা উমর ইবনে ইয়াযীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুবা ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে মুররা থেকে, তিনি শাকীক ইবনে সালামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সেই সম্প্রদায়ের কী হলো যারা বিলাসপ্রিয়দের সম্মান করে এবং ইবাদতকারীদের তুচ্ছজ্ঞান করে; আর তারা কুরআনের সেই অংশের ওপর আমল করে যা তাদের প্রবৃত্তির অনুকূল হয়, আর যা তাদের প্রবৃত্তির পরিপন্থী হয় তা বর্জন করে। ফলশ্রুতিতে তারা কিতাবের কিছু অংশের ওপর ঈমান আনে এবং কিছু অংশকে অস্বীকার করে। তারা এমন জিনিসের জন্য প্রচেষ্টা চালায় যা প্রচেষ্টা ছাড়াই অর্জিত হয়, যেমন—পূর্বনির্ধারিত তাকদীর, লিখিত আয়ু এবং বণ্টনকৃত রিযিক। সাবধান! তারা কেন সেই জিনিসের জন্য প্রচেষ্টা চালায় না যা প্রচেষ্টা ছাড়া অর্জিত হয় না, যেমন—প্রচুর কল্যাণ, প্রশংসিত প্রচেষ্টা এবং এমন ব্যবসা যা কখনো ধ্বংস হবে না।