(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: -)
مجلس من أمالي الباطرقاني (الباطرقاني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلس من أمالي الباطرقاني - مخطوط
المؤلف: أحمد بن الفضل بن محمد الأصبهاني البَاطِرْقَاني، أبو بكر (ت 460هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 8
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-বাতিরকানি-এর আমালি থেকে একটি মজলিস (আল-বাতিরকানি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-বাতিরকানি-এর আমালি থেকে একটি মজলিস - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আহমদ বিন আল-ফজল বিন মুহাম্মদ আল-আসবাহানি আল-বাতিরকানি، আবু বকর (মৃত্যু ৪৬০ হিজরি)
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খোদারি
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: مجلس من أمالي الباطرقاني - مخطوطالمؤلف: أبو بكر أحمد بن الفضل بن محمد الباطرقانيالمتوفى: 460 هـ
গ্রন্থ: মাজলিসুন মিন আমালিল বাতিরকানি - পাণ্ডুলিপিলেখক: আবু বকর আহমদ ইবনুল ফজল বিন মুহাম্মদ আল-বাতিরকানিমৃত্যু: ৪৬০ হিজরি
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ১)
-ق1ب-جزء فيه مجلس من أمالي الشيخ الإمامأبي بكر أحمد بن الفضل بن محمد الباطرقانيعن شيوخه رواية الشيخ أبي بكر محمد بن أبي نصر بن أبي إسحاق الأشناني عنهرواية الشيخ الإمام أبي الرضا أحمد بن مسعود بن سعد عنهرواية الشيخ العارف أبي يعقوب يوسف بن هبة الله بن الطفيل عنه. سماع لصاحبه سليمان بن إبراهيم بن هبة الله بن رحمه الأسعدري غفر الله له ولوالديه ولجميع أمة محمد عليه السلام.
-পৃষ্ঠা ১খ-একটি খণ্ড যাতে রয়েছে শাইখ ইমামের শ্রুতিলিপির (আমালি) একটি মজলিসআবু বকর আহমদ বিন আল-ফদল বিন মুহাম্মদ আল-বাতিরকানিতাঁর উস্তাদগণের নিকট থেকে তাঁর থেকে শাইখ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবি নাসর বিন আবি ইসহাক আল-আশনানির বর্ণনাতাঁর থেকে শাইখ ইমাম আবু আল-রিদা আহমদ বিন মাসউদ বিন সা’দের বর্ণনাতাঁর থেকে শাইখ আরিফ আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-তুফাইলের বর্ণনা। এর অধিকারী সুলাইমান বিন ইব্রাহিম বিন হিবাতুল্লাহ বিন রাহমাহ আল-আসআদারির শ্রবণ, আল্লাহ তাকে, তার পিতা-মাতাকে এবং মুহাম্মাদ (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-এর সকল উম্মতকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ১)
-ق2أ-بسم الله الرحمن الرحيم1- أخبرنا الشيخ العارف أبو يعقوب يوسف بن هبة الله بن محمود بن الطفيل الدمشقي قال أخبرنا الشيخ الأمام الصالح أبو الرضا أحمد بن مسعود بن سعد بن علي الناقد قراءة عليه وأنا أسمع أبو بكر محمد بن أبي نصر بن أبي إسحاق الإنشاني قراءة عليه في يوم الاثنين سلخ شوال سنة سبع وسبعين وأربع مائة قال ثنا الشيخ المقريء أبو بكر أحمد بن الفضل بن محمد الباطرقاني إملاء في شهر رمضان سنة ثمان وخمسين وأربع مائة قال ثنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن يوصف البيع سنة سبع وثمانين وثلاثمائة قال ثنا إبراهيم بن السندي بن علي الفرساني قال ثنا الزبير بن بكار قال ثنا أبو ضمرة أنس بن عياض عن يحيى بن سعيد قال اخبرني محمد بن إبراهيم التيمي أنه سيمع علقمة بن وقاص يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما الأعمال بالنيات وإنما لإمريء ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أبو امرأة يتزوجها فهجرته إلى-ق2ب-ما هاجر إليه هـ.
-ক২ক-পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।১- আরিফ শায়খ আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহমুদ বিন আল-তুফাইল আদ-দিমাশকি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: সালেহ ইমাম শায়খ আবু রেদা আহমদ বিন মাসুদ বিন সাদ বিন আলী আন-নাক্বিদ আমাদের কাছে পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবি নাসর বিন আবি ইসহাক আল-ইনশানি চারশত ৭৭ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের শেষ সোমবার তাঁর সামনে পাঠ করেছেন। তিনি বলেন: ক্বারি শায়খ আবু বকর আহমদ বিন ফদল বিন মুহাম্মদ আল-বাতিরক্বানি চারশত ৫৮ হিজরি সনের রমজান মাসে ইমলা (শ্রুতলিখন) হিসেবে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইউসুফ আল-বায়্যি' তিনশত ৮৭ হিজরি সনে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ইব্রাহিম বিন সিন্দ বিন আলী আল-ফারসানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: যুবায়ের বিন বাক্কার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু দামরা আনাস বিন ইয়াজ আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাইমি আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি আলক্বামা বিন ওয়াক্কাসকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করবে, তাই সে পাবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিকেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত...-ক২খ-সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ২)
2- حدثنا أبو بكر محمد بن الحسن بن يوسف الإمام قال ثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد الكريم الرازي قال حدثنا يونس بن عبد الأعلى قال ثنا عبد الله بن وهب قال أخبرني يحيى بن أيوب عن عمارة بن غزية عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في سجوده اللهم اغفر ذنبي كله دقه وجله وأوله وآخره وعلانيته وسره هـ. رواه مسلم عن يونس هذا هـ.3- حدثنا أبو بكر أحمد بن يوسف بن أحمد بن إبراهيم الثقفي قال حدثنا أبو علي الحسن بن محمد بن دله قال ثنا محمد بن سليمان قال ثنا هشيم عن أبي إسحاق الشيباني عن الشعبي قال حدثني من رأى النبي صلى الله عليه وسلم صلى على قبر رطب قال قيل له من حدثك قال ابن عباس هـ.4- حدثنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن أحمد بن إسحاق المذكر قال ثنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن عمر بن يزيد الزهري قال ثنا عمرو بن علي قال ثنا يونس بن عطية الصفار قال حدثنا ثابت البناني عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الخلق كلهم عيال الله فأحبهم إلى الله أنفعهم لعياله هـ.5- حدثنا أبو عبد الله الحسين بن أحمد بن جعفر المعدل-ق3أ-قال ثنا إبراهيم بن السندي بن علي قال ثنا محمد بن زياد بن عبيد الله البصري قال ثنا عبد الوارث بن سعيد قال ثنا عمرو بن دينار عن سالم عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من رأى مبتلا فقال الحمد لله الذي عافاني مما ابتلاك به وفضلني على كثير ممن خلقه تفضيلا إلا عافاه الله من ذلك البلاء كائنا ما كان أبدا ما عاش هـ.
২- আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে ইউসুফ আল-ইমাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল কারিম আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে আবদুল আলা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাকে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আম্মারা ইবনে গাজিয়াহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু বকরের মুক্তদাস সুমাই থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সিজদায় বলতেন: হে আল্লাহ! আপনি আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিন—তার ক্ষুদ্র ও বৃহৎ, পূর্বের ও পরের এবং প্রকাশ্য ও গোপন। এটি মুসলিম ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন।৩- আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সাকাফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হুশাইম আবু ইসহাক আশ-শাইবানি থেকে, তিনি আশ-শা'বি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাকে এমন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি নতুন কবরের ওপর সালাত আদায় করতে দেখেছেন। তিনি বলেন, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনাকে কে এ সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন, ইবনে আব্বাস।৪- আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আল-মুজাক্কির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ইয়াজিদ আজ-জুহরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমর ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে আতিয়্যাহ আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সাবিত আল-বুনানি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সমস্ত সৃষ্টি আল্লাহর পরিবার (নির্ভরশীল), আর তাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় সেই ব্যক্তি যে তাঁর পরিবারের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।৫- আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে জাফর আল-মুয়াদ্দিল বর্ণনা করেছেন-পৃষ্ঠা ৩ক-তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে সিন্দী ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-বাসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবদুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমর ইবনে দিনার সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো বিপদগ্রস্ত লোককে দেখে বলবে: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন যে বিপদে আপনাকে ফেলেছেন এবং তাঁর অনেক সৃষ্টির ওপর আমাকে বিশেষ শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন", তবে আল্লাহ তাকে সেই বিপদ থেকে রক্ষা করবেন তা যা-ই হোক না কেন, যতক্ষণ সে জীবিত থাকবে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ৩)
6- حدثنا أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن يحيى العبدي أنبا أبو عثمان سعيد بن يزيد الحمصي قال ثنا أبو عتبة أحمد بن الفرج قال ثنا بقية بن الوليد قال حدثنا محمد بن زياد الألهاني قال ثنا أبو راشد الخُبراني قال أخذ بيدي أبو أمامة الباهلي قال أخذ بيدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا أبا أمامة إن من المؤمنين من يلين له قلبي تفرد به بقية هـ.7- حدثنا إبراهيم بن عبد الله بن محمد المصاحفي قال ثنا أبو عبد الله الخير بن إسماعيل القاضي قال حدثنا إبراهيم بن الصباح قال ثنا أبو بكر بن عياش قال ثنا أبو إسحاق السبيعي عن نَاجِيَةَ الْعَرنيِّ قَالَ: تَدَارَأَ عَمَّارٌ وَعَبْدُ اللهِ فِي التَّيَمُّمِ فَقَالَ عَبْدُ اللهِ لَوْ مَكَثْتُ شَهْرًا لَا أَجِدُ فِيهِ الْمَاءَ لَمَا صَلَّيْتُ فَقَالَ لَهُ عَمَّارٌ أَمَا تَذْكُرُ إِذْ كُنْتُ أَنَا وَأَنْتَ فِي الإِبِلِ فَأَجْنَبْتُ فَتَمَعَّكْتُ-ق3ب-تَمَعُّكَ الدَّابَّةِ فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيكَ التَّيَمُّمُ هـ.
৬- আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন ইয়াহইয়া আল-আবদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে আবু উসমান সাঈদ বিন ইয়াজিদ আল-হিমসি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু উতবা আহমাদ বিন আল-ফারাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন জিয়াদ আল-আলহানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু রাশিদ আল-খুবরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু উমামা আল-বাহিলি আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরেছিলেন এবং বলেছিলেন, "হে আবু উমামা, মুমিনদের মধ্যে এমন ব্যক্তি রয়েছে যার প্রতি আমার অন্তর কোমল হয়।" এটি এককভাবে বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন।৭- আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-মুসাহাফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ আল-খাইর বিন ইসমাইল আল-কাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন আল-সাব্বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু বকর বিন আইয়াশ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু ইসহাক আস-সাবিঈ নাজিয়্যাহ আল-আরনি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আম্মার এবং আব্দুল্লাহ তায়াম্মুমের বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হলেন। তখন আব্দুল্লাহ বললেন, "যদি আমি এক মাস অবস্থান করি এবং পানি না পাই, তবে আমি সালাত আদায় করব না।" তখন আম্মার তাকে বললেন, "আপনার কি মনে নেই যখন আমি ও আপনি উটের পালে ছিলাম এবং আমি অপবিত্র (জানাবাত) হয়ে পড়েছিলাম, তখন আমি গড়াগড়ি দিয়েছিলাম—-পৃ ৩খ-—জন্তুর ন্যায় গড়াগড়ি দিয়েছিলাম, এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম, তখন তিনি বললেন: তোমার জন্য কেবল তায়াম্মুমই যথেষ্ট ছিল।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ৪)
8- حدثنا أبو مسلم عبد الرحمن بن محمد بن إبراهيم المديني قال ثنا أبو محمد عبد اللهبن سليمان بن عيسى القاضي ببغداد قال حدثنا محمد بن عبد الملك الواسطي قال ثنا يزيد بن هارون قال أنبا هشام بن أبي هشام قال ثنا محمد بن محمد بن الأسود عن أبي سلمة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أعطيت أمتى في رمضان خمس خصال لم يعطهن أمة قبلهم، خُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطَيْبُ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ وَتَسْتَغَْفِرُ لَهُمُ الْمَلَائِكَةُ حَتَّى يُفْطِرُوا وَتُصَفَّدُ فِيهِ مَرَدَةُ الشَّيَاطِينِ فَلَا يَخْلُصُوا فِيهِ إِلَى مَا كَانُوا يَتخْلُصُونَ إِلَيْهِ وُيَزَيِّنُ اللَّهُ كُلَّ يَوْمٍ جَنَّتَهُ ثُمَّ يَقُولُ يُوشِكُ عِبَادِي الصَّالِحُونَ أَنْ يُلْقُوا عَنْهُمُ الْمَئُونَةَ وَالأَذَى وَيحشرون إِلَيْكِ وَيُغْفَرُ لَهُمْ فِي آخِرِ لَيْلَةٍ فقِيلَ أَهِيَ لَيْلَةُ الْقَدْرِ فقَالَ رسول الله صلى الله عليه وسلم: لَا وَلَكِنَّ الْعَامِلَ إِنَّمَا يُوَفَّى أَجْرَهُ إِذَا قَضَى عَمَلَهُ هـ.9- حدثنا عبد الرحمن بن محمد قال ثنا عبد الله بن سليمان القاضي قال حدثنا أحمد بن منصور الرمادي قال حدثنا أبو عامر عبد الملك بن عمرو العقدي قال ثنا عكرمة بن عمار عن أبي زميل عن مالك بن-ق4أ-مرثد عن أبيه قال قلت لأبي ذر سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر ليلة القدر فقال نعم كنت من أسأل الناس عنها قال قلت يا رسول الله أخبرنا عن ليلة القدر في رمضان هي أبو في غيره فقال هي في رمضان قلت يا رسول الله هي مع الأنبياء ما كانوا فإذا قبضت الأنبياء رفعت أو هي إلى يوم القيامة قال بل هي إلى يوم القيامة هـ.
৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-মাদিনী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে ঈসা বাগদাদের বিচারক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম ইবনে আবি হিশাম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-আসওয়াদ, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "রমজান মাসে আমার উম্মতকে এমন পাঁচটি বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা তাদের পূর্ববর্তী কোনো উম্মতকে দেওয়া হয়নি: রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়; তারা ইফতার করা পর্যন্ত ফেরেশতারা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে; এই মাসে অবাধ্য শয়তানদের শিকলবদ্ধ করা হয়, ফলে তারা অন্য সময়ে যে সকল পাপে লিপ্ত হতে পারত, এই মাসে সেগুলোতে লিপ্ত হতে পারে না; আল্লাহ প্রতিদিন তাঁর জান্নাতকে সজ্জিত করেন, অতঃপর বলেন: 'আমার নেককার বান্দারা অচিরেই তাদের ওপর থেকে বোঝা ও কষ্ট ছুঁড়ে ফেলে তোমার কাছে সমবেত হবে'; এবং শেষ রাতে তাদের ক্ষমা করে দেওয়া হয়।" জিজ্ঞেস করা হলো: সেটি কি লাইলাতুল কদর? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "না, বরং শ্রমিক যখন তার কাজ শেষ করে, তখনই তাকে তার মজুরি পূর্ণরূপে দেওয়া হয়।"৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-কাদি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসুর আল-রামানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির আব্দুল মালিক ইবনে আমর আল-আকাদি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ ইবনে আম্মার, তিনি আবু জুমায়ল থেকে, তিনি মালিক ইবনে-পৃষ্ঠা ৪ক-মারসাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু যারকে বললাম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি মানুষের মধ্যে এ সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নকারী ছিলাম। তিনি বললেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের লাইলাতুল কদর সম্পর্কে সংবাদ দিন, এটি কি রমজানে নাকি অন্য মাসে? তিনি বললেন: "এটি রমজানে।" আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এটি কি নবীদের বিদ্যমান থাকা পর্যন্ত থাকে এবং যখন নবীদের মৃত্যু হয় তখন তা উঠিয়ে নেওয়া হয়, নাকি এটি কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে? তিনি বললেন: "বরং এটি কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
10- حدثنا محمد بن إسحاق أنبا أحمد بن محمد بن إبراهيم بن زياد الوراق قال ثنا أبو جعفر زيد بن أبي موسى بن زيد قال ثنا إسماعيل بن عمرو البلخي قال ثنا عثمان اليزني عن ابن غنام عن أنس بن مالك قال كان رجل يكتب بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا فلان ضع القلم على أذنك فإنه أذكر للمملى قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ ولا نكتب هـ.11- حدثنا أبو العباس أحمد بن أبراهيم قال ثنا الحسن بن علي بن نصر قال ثنا محمد بن إسماعيل السلمي قال ثنا نعيم بن حماد قال ثنا أبو صفوان الأموي عن يونس بن يزيد عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن كعب الأحبار قال قال الله عز وجل أنا الله فوق عبادي وعرشي فوق جميع خلقي وأنا على عرشي عليه أدبر أمر عبادي لا يخفى عليّ شيء من أمر عبادي في سمائي وأرضى وإن حجبوا عني فلا يغيب منهم علي شيء وإلى مرجع كل خلقي فأثيبهم بما يخفي عليهم من علمي أغفر لمن شئت منهم.12- حدثنا أبو الحسن أحمد بن محمد بن علي المديني قال ثنا محمد بن أحمد
১০- আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন যিয়াদ আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু জাফর যাইদ বিন আবি মুসা বিন যাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন আমর আল-বালখি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উসমান আল-ইয়াযানী ইবনে গান্নাম থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মুখে লিখছিলেন। তখন তিনি বললেন: "হে অমুক, কলমটি তোমার কানের ওপর রাখো, কারণ এটি শ্রুতলিপি গ্রহণকারীর স্মৃতির জন্য অধিক সহায়ক।" তিনি বলেন: আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন কিন্তু আমরা লিখতাম না।১১- আমাদের নিকট আবুল আব্বাস আহমদ বিন ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান বিন আলী বিন নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সুলামী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট নুআইম বিন হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু সাফওয়ান আল-উমাবী ইউনুস বিন ইয়াযীদ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: "আমিই আল্লাহ, আমার বান্দাদের উপরে; আর আমার আরশ আমার সমস্ত সৃষ্টির উপরে; আর আমি আমার আরশের উপরে আছি, সেখান থেকেই আমি আমার বান্দাদের বিষয়াদি পরিচালনা করি। আমার আসমান ও জমিনে আমার বান্দাদের কোনো বিষয়ই আমার নিকট গোপন নয়। যদিও তারা আমার থেকে পর্দার আড়ালে রয়েছে, তবুও তাদের কোনো কিছুই আমার নিকট অদৃশ্য নয়। আর আমার নিকটই আমার সমস্ত সৃষ্টির প্রত্যাবর্তনস্থল, অতঃপর আমি তাদের আমার সেই জ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিদান দেব যা তাদের নিকট গোপন ছিল; আর আমি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করব।"১২- আমাদের নিকট আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-মাদীনী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
-ق4ب-سنة تسع وأربعين وثلاثمائة إملاء وفيها مات قال حدثنا علي بن محمد بن عبد الوهاب بن جبلة قال ثنا علي بن أبي الحسن الكوفي قال ثنا أبو مسلم على ين محمد الكندي عن خالد بن عبد الله القسري عن الضحاك بن مزاحم عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس عالم ومتعلم ولا خير فيمن سواهما من الناس والعالم عالمان عالم طلب العلم لله لم يأخذ عليه طمعًا ولم يشتر به ثمنًا فهذا استغفر له دواب الأرض والحيتان في البحر والطير في جو السماء والكرام الكاتبون يقدم يوم القيامة على الله سيدا شريفا حتى يرافق المرسلين وعالم طلب بعلمه الدنيا اشترى به ثمنًا وأخذ عليه طمعًا بخل به على عباد الله يلجم يوم القيامة بلجام من نار وينادى عليه ملك من الملائكة ألا إن هذا فلان بن فلان آتاه الله فى دار الدنيا علما فاشترى به ثمنًا وأخذ عليه طمعًا فلا يزال ينادى عليه حتى يفرغ من الناس ثم يصنع الله به ما أحب هـ.13- حدثنا عبد الله بن جعفر بن سليمان الحضرمي أبو عثمان قال حدثنا أحمد بن محمد بن إبراهيم مولى بني هاشم حدثنا عمرو بن الحصين قال حدثني يحيى بن العلاء-ق5أ-حدثني ثور يعني ابن يزيد عن خالد بن معدان عن أبي أمامة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم سأل يحيى بن زكريا ربه أن يريه إبليس وأن يصدقه إذا سأله قال فرآه في رأسه خطاطيف وفي حقويه أكواز وفي رجليه جلاجل فقال له يحيى ما هذه الخطاطيف التي في رأسك قال اخطف بها قلوب بني آدم قال فما هذه الأكواز التي في حقويك قال فيها شهوات بني آدم قال فما هذه الجلاجل التي في رجليك قال فضرب برجليه فركض فجاء بأصوات ليسمع السامعون مثلها فقال إذا أردت أن تطرب بنو آدم حركت هذه الجلاجل واسمعهم هذه الأصوات قال فقال يحيى على أية حال أنت علي أقدر إذا شبعت قال لا جرم لا أشبع حتى ألحق بالله عز وجل قال فلم يشبع حتى لحق بالله هـ.
-ফলিও ৪বি-৩৪৯ হিজরি সনের শ্রুতিলিপি এবং এই বছরই তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব ইবন জাবালাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আবিল হাসান আল-কুফি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আলী ইবন মুহাম্মদ আল-কিন্দি, তিনি খালিদ ইবন আবদুল্লাহ আল-কাসরি থেকে, তিনি দাহহাক ইবন মুজাহিম থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "মানুষ হচ্ছে হয় আলেম নয়তো শিক্ষার্থী, আর এই দুই শ্রেণী ব্যতীত অন্য মানুষের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। আর আলেমগণ দুই প্রকার: এক প্রকার আলেম যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণ করেছেন, এর বিনিময়ে তিনি কোনো লোভ করেননি এবং কোনো মূল্য গ্রহণ করেননি। জমিনের প্রাণীকুল, সমুদ্রের মাছসমূহ, আকাশের পাখি এবং সম্মানিত লেখক ফেরেশতাগণ তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিয়ামতের দিন তিনি আল্লাহর সামনে একজন মর্যাদাবান নেতা হিসেবে উপস্থিত হবেন এবং এমনকি তিনি রাসূলগণের সঙ্গী হবেন। আর অন্য প্রকার আলেম যিনি তাঁর ইলমের মাধ্যমে দুনিয়া অন্বেষণ করেছেন, এর বিনিময়ে মূল্য গ্রহণ করেছেন এবং এর দ্বারা লোভ চরিতার্থ করেছেন, আর আল্লাহর বান্দাদের কাছে ইলম পৌঁছাতে কার্পণ্য করেছেন; কিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে এবং ফেরেশতাদের মধ্য হতে জনৈক ফেরেশতা উচ্চস্বরে ঘোষণা করবেন যে, 'সাবধান! এ হলো অমুকের পুত্র অমুক, আল্লাহ দুনিয়াতে তাকে ইলম দান করেছিলেন, কিন্তু সে এর বিনিময়ে মূল্য গ্রহণ করেছে এবং লোভ করেছে।' তার ব্যাপারে এই ঘোষণা অনবরত চলতে থাকবে যতক্ষণ না মানুষের বিচারকার্য শেষ হয়। এরপর আল্লাহ তার ব্যাপারে যা ইচ্ছা তা করবেন।"১৩- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন জাফর ইবন সুলাইমান আল-হাদরামি আবু উসমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম—যিনি বনু হাশিমের মুক্তদাস—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনুল আলা-ফলিও ৫এ-আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাওর—অর্থাৎ ইবন ইয়াজিদ—তিনি খালিদ ইবন মা'দান থেকে, তিনি আবু উমামা (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ইয়াহইয়া ইবন জাকারিয়া (আলাইহিস সালাম) তাঁর রবের নিকট আবেদন করলেন যেন তিনি তাঁকে ইবলিসকে দেখান এবং তিনি যখন তাকে প্রশ্ন করবেন তখন যেন সে সত্য উত্তর দেয়। এরপর তিনি তাকে দেখতে পেলেন; তার মাথায় ছিল অনেক বড়শি, তার দুই কুক্ষিতে ছিল অনেক পাত্র এবং তার দুই পায়ে ছিল ঘুঙুর। ইয়াহইয়া (আলাইহিস সালাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমার মাথায় এই বড়শিগুলো কীসের জন্য? সে বলল: এগুলো দিয়ে আমি আদম সন্তানের অন্তরসমূহ শিকার করি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার কুক্ষিতে এই পাত্রগুলো কীসের জন্য? সে বলল: এর মধ্যে আদম সন্তানের কুপ্রবৃত্তিগুলো রয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার দুই পায়ে এই ঘুঙুরগুলো কীসের জন্য? তখন সে তার দুই পা দিয়ে মাটিতে আঘাত করল এবং সজোরে নড়াচড়া করল, ফলে এমন সব শব্দ নির্গত হলো যার মতো শব্দ শ্রবণকারীরা কখনো শোনেনি। সে বলল: যখন আমি আদম সন্তানদের আমোদ-প্রমোদে মত্ত করতে চাই, তখন এই ঘুঙুরগুলো নাড়াই এবং তাদের এই শব্দগুলো শোনাই। এরপর ইয়াহইয়া (আলাইহিস সালাম) জিজ্ঞেস করলেন: কোন অবস্থায় তুমি আমার ওপর সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হও? সে বলল: যখন আপনি পেট ভরে আহার করেন। তিনি বললেন: অবশ্যই আমি আর কখনো পেট ভরে আহার করব না যতক্ষণ না আল্লাহর সাথে মিলিত হই। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত আর কখনো পেট ভরে আহার করেননি।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ৭)
14- حدثنا أبو بكر محمد بن الحسن بن يوسف قال ثنا عبد الله بن محمد بن عبد الكريم قال ثنا أبو حاتم محمد بن إدريس الرازي قال حدثنا محمد يعني بن يحيى بن عمر الواسطي قال حدثني محمد يعني ابن الحسين قال ثنا داود بن المُحبر-ق5ب-قال ثنا صالح المري عن يزيد الرقاشي عن أبي العالية قال يبعث الميت في أكفانه قال داود وسمعت صالحالمري في أثر هذا الحديث بلغني أيهم يخرجون من قبورهم في أكفان دسمة وأبدان بالية مغبرة وجوههم شعثة رؤوسهم تهكة أجسادهم طائرة قلوبهم بين صدورهم وحناجرهم فلا يدري القوم ما مآويلهم إلا عند إنصرافهم من الموقف فمنصرف به إلى الجنة ومنصرف إلى النار قال نادى صالح بأعلى صوته يا شؤة منصرفاه إن لم تغمدنا منك برحمة واسعة لما ضاقت به صدورنا من الذنوب العظائم والحرائم التي لا غافر لها غيرك هـ.15- حدثنا محمد قال ثنا عبد الله بن محمد قال ثنا أبو حاتم قال ثنا شهاب بن عباد وعبيد بن محمد العبديان قالا ثنا جعفر بن سليمان الضبعين قال سمعت أبا عمران الجوني يقول إن الله تعالى لم ينظر إلى شيء قط إلا رحمه ولو نظر إلى أهل النار لرحمهم ولكن قضى لا ينظر إليهم هـ.16- حدثنا أحمد بن علي بن أحمد بن عمران-ق6أ-قال ثنا علي بن محمد المادراني قال ثنا عامر بن مدرك قال ثنا مسدد قال ثنا عامر بن جرهذ القيسي عن أبي عمران الجوني قال بكى عامر بن عبد قيس ليلة حتى الصباح فلما أصبح قالوا له يا عامر ما أبكاك منذ الليلة قال أبكي لليلة صباحتها يوم القيامة هـ.
১৪- আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারীম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু হাতিম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আর-রাজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ অর্থাৎ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর আল-ওয়াসিতি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ অর্থাৎ ইবনে আল-হুসাইন আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, দাউদ ইবনুল মুহাব্বার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন,-৫খ পৃষ্ঠা-তিনি বলেন, সালিহ আল-মুররি ইয়াজিদ আর-রাক্কাশি থেকে, তিনি আবুল আলিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মৃত ব্যক্তিকে তার কাফনের কাপড়ে পুনরুত্থিত করা হবে। দাউদ বলেন, আমি এই হাদিসের বর্ণনার পর সালিহ আল-মুররিকে বলতে শুনেছি: আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, তারা তাদের কবর থেকে ময়লাযুক্ত কাফনে, জীর্ণ শরীরে, ধূলিধূসরিত চেহারায়, উস্কোখুস্কো চুলে বের হবে; তাদের শরীর হবে কম্পমান, তাদের অন্তর বক্ষ ও কণ্ঠনালীর মাঝে দোদুল্যমান থাকবে। কওমের লোকেরা জানবে না তাদের গন্তব্য কোথায়, যতক্ষণ না তারা বিচারের স্থান থেকে প্রস্থান করবে; এরপর একদল জান্নাতের দিকে ফিরে যাবে এবং একদল জাহান্নামের দিকে। সালিহ উচ্চস্বরে চিৎকার করে বললেন: হায় আফসোস সেই প্রস্থানের! যদি আপনি আপনার প্রশস্ত রহমত দ্বারা আমাদের আবৃত না করেন, তবে আমাদের অন্তর সেসব মহাপাপ ও অপরাধের কারণে সংকীর্ণ হয়ে পড়বে যা আপনি ছাড়া আর কেউ ক্ষমা করার নেই। সমাপ্ত।১৫- মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু হাতিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, শিহাব ইবনে আব্বাদ ও উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আবদিয়্যান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেন, জাফর ইবনে সুলাইমান আদ-দুবায়ি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আবু ইমরান আল-জাওনিকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ কোনো কিছুর দিকে তাকালে তার প্রতি রহমত করেন। তিনি যদি জাহান্নামীদের দিকে তাকাতেন তবে তাদের প্রতিও রহমত করতেন, কিন্তু তিনি ফয়সালা করেছেন যে তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না। সমাপ্ত।১৬- আহমদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে ইমরান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন,-৬ক পৃষ্ঠা-তিনি বলেন, আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মাদারানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমির ইবনে মুদরিক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুসাদ্দাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমির ইবনে জুরহায আল-কায়সি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমির ইবনে আব্দ কাইস এক রাতে সকাল পর্যন্ত কাঁদলেন। যখন সকাল হলো, তারা তাকে বলল: হে আমির, সারা রাত কিসে আপনাকে কাঁদালো? তিনি বললেন: আমি এমন এক রাতের জন্য কাঁদছি যার সকাল হলো কিয়ামত দিবস। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালিল বাতরুকানী
(পৃষ্ঠা: ৮)
17- حدثنا أبو بكر أحمد بن محمد بن واصل الفسوي قدم علينا سنة سبع وتسعين قال ثنا ابو أحمد محمد بن أحمد بن الحسن ببخارا قال ثنا أبو أحمد سعيد بن محمد الذهلي قال ثنا موسى بن محمد بن موسى بن سلامة بن ثمامة بن عبد الله بن أنس بن مالك قال ثنا أبي عن جدي عن ثمامة بن عبد الله عن أنس بن مالك قال كان يحدوا بهم حاد يقال له أنجشة فقال حينا:خليلي ما بال المطايا لا تنا نراها على الأدبار بالقوم تنكصوقد أتعب الحادي سراهن وانتحى بهن فما يالوا عجول مقلص. -ق6ب-يزدّن بنا قرباً فيزداد شوقناً إذا زاد طول العهد والشمل ينقصأسدى عمي أبو منصور عبد الواحد بن محمد المسدد لابن لنككجار الزمان علينا في تصرفه وأي دهر على الأحرار لم يجرفبي من الهم ما لو أن أيسره يلقى على الفلك الدوار لم يدرآخر المجلس والحمد لله وحده وصلى الله على سيدنا محمد وآله
১৭- আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসিল আল-ফাসাবী আমাদের নিকট সাতানব্বই হিজরি সালে আগমন করেন, তিনি বলেন, আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান বুখারায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আহমাদ সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দুহলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মূসা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মূসা ইবনে সালামাহ ইবনে থুমামাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আনাস ইবনে মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার দাদা থেকে, তিনি থুমামাহ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাদের একজন উট চালক ছিল যাকে আনজাশাহ বলা হতো। একদা সে গেয়ে উঠল:হে আমার দুই বন্ধু, বাহনগুলোর কী হলো যে তারা শিথিল হচ্ছে না? আমরা দেখছি সেগুলো লোকেদের নিয়ে উল্টো দিকে পিছু হটছে।উট চালক তাদের চলন্ত অবস্থাকে ক্লান্ত করে দিয়েছে এবং তাদের দ্রুত তাড়িয়ে নিয়ে চলেছে, সে কোনো ত্রুটি করছে না, সে ক্ষিপ্র ও দ্রুতগামী। -পৃষ্ঠা ৬খ-বাহনগুলো আমাদের নৈকট্য বাড়িয়ে দিচ্ছে কিন্তু আমাদের আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে যাচ্ছে, যখন সময়ের ব্যাপ্তি দীর্ঘ হচ্ছে এবং মিলন কমে আসছে।আমার চাচা আবু মানসুর আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুসাদ্দাদ ইবনে লানকাকের জন্য পাঠ করেছেন:কালচক্র তার বিবর্তনে আমাদের ওপর জুলুম করেছে; আর কোন যুগই বা স্বাধীনচেতা মানুষের ওপর জুলুম করেনি?আমার মধ্যে এমন উদ্বেগ রয়েছে যার সামান্যতম অংশও যদি ঘূর্ণায়মান মহাকাশের ওপর রাখা হতো, তবে তা আর ঘুরত না।মজলিসের সমাপ্তি। সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।