(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: -)
مجلس من أمالي ابن منده رواية ابنه عبد الرحمن   (ابن منده محمد بن إسحاق)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجلس من أمالي ابن منده - مخطوط

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن مَنْدَه العبدي (ت 395 هـ)

رواية: ابنه أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد بن إسحاق ابن منده

أعده للشاملة: أحمد الخضري

عدد الصفحات: 13

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে মান্দাহর আমালি থেকে একটি মজলিস, তাঁর পুত্র আবদুর রহমানের বর্ণনা   (ইবনে মান্দাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইবনে মান্দাহর আমালি থেকে একটি মজলিস - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মান্দাহ আল-আবদি (মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি)

বর্ণনা: তাঁর পুত্র আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক ইবনে মান্দাহ

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

শামেলার প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: مجلس من أمالي ابن منده - مخطوط

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده

المتوفى: 395 هـ

رواية: ابنه أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد بن إسحاق ابن منده
গ্রন্থ: ইবনে মানদাহ-এর আমালি থেকে একটি মজলিস - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ

মৃত্যু: ৩৯৫ হিজরি

বর্ণনা: তাঁর ছেলে আবুল কাসেম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মানদাহ
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ১)
-ق1ب-

مجلس من أمالي بن منده

رواية ابنه عبد الرحمن

-ق2ب-

فيه إملاء من آمالي الشيخ الإمام الحافظ الناقد أبي عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده رحمه الله.

أملاه في شهر رمضان سنة ثمان وثمانين وثلاث مائة هـ.

أنبأنا عبد الخالق تاج الدين عن أبي بكر محمد بن أحمد بن محمد الباغندي عن أبي القاسم بن عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده عن أبيه.

رواية الشيخ السديد الإمام أبي القاسم عبد الرحمن بن الإمام أبي عبد الله رحمه الله لأبي بكر بن طاهر حجا نفعه الله بما فيه.

سمع مني صاحبه الشيخ أبو بكر ناصر بن أبي طاهر بن محمد بن أبي القاسم المعروف بحجا بإجازتي عن الإمام أبي زكريا عن الإمام السديد أبي القاسم عن أبيه الإمام الناقد أبي عبد الله بن منده رحمهم الله وعباس بن أبي الرجال البقال وأبو طاهر بن الحسن بن أحمد الأصبهاني للعطار والجماعة في نسختي وقرأت هذا الإملاء في خانكاه الشيخ أبي بكر الزياتي وصح لخبر ذلك في جمادى الأولى سنة ست عشرة وخمسمائة، كتبه أبو أحمد بن محمد بن أبي أحمد العطار المقريء بخطه هـ.
-পৃষ্ঠা ১খ-

ইবনে মানদাহর আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস

তাঁর পুত্র আবদুর রহমানের বর্ণনা

-পৃষ্ঠা ২খ-

এতে শাইখ, ইমাম, হাফিজ, সমালোচক আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর আমালি থেকে একটি শ্রুতিলিপি রয়েছে।

তিনি এটি ৩৮৮ হিজরি সনের রমজান মাসে শ্রুতিলিপি হিসেবে প্রদান করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল খালিক তাজউদ্দীন, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বাগিন্দি থেকে, তিনি আবুল কাসিম বিন আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

সুদৃঢ় শাইখ ইমাম আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন ইমাম আবু আবদুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর বর্ণনা আবু বকর বিন তাহির হাজ্জার জন্য, আল্লাহ তাকে এর দ্বারা উপকৃত করুন।

তাঁর সঙ্গী শাইখ আবু বকর নাসির বিন আবু তাহির বিন মুহাম্মদ বিন আবুল কাসিম (যিনি হাজ্জা নামে পরিচিত) আমার ইজাজতক্রমে আমার নিকট থেকে এটি শ্রবণ করেছেন। এটি বর্ণিত হয়েছে ইমাম আবু যাকারিয়া থেকে, তিনি সুদৃঢ় ইমাম আবুল কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা ইমাম ও সমালোচক আবু আবদুল্লাহ বিন মানদাহ (আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর রহম করুন) থেকে। আরও শ্রবণ করেছেন আব্বাস বিন আবুর রিজাল আল-বাক্কাল, আবু তাহির বিন হাসান বিন আহমদ আল-আসবাহানি আল-আত্তার এবং একটি দল যারা আমার পাণ্ডুলিপিতে (উপস্থিত) ছিলেন। আমি এই শ্রুতিলিপিটি শাইখ আবু বকর আজ-জায়্যাতির খানকায় পাঠ করেছি এবং ৫১৬ হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে এর শুদ্ধতা যাচাই করা হয়েছে। এটি আবু আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবু আহমদ আল-আত্তার আল-মুকরি স্বহস্তে লিখেছেন।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ২)
-ق3أ-

بسم الله الرحمن الرحيم

1-…أخبرنا الأمام الحافظ شيخ الإسلام أبو زكريا يحيى بن عبد الوهاب بن الإمام أبي عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده رحمه الله فيما أذن لي أن أروي عنه قال أجزنا الإمام السديد الحافظ أبو القاسم عبد الرحمن بن الإمام أبي عبد الله بن منده رحمه الله أخبرنا الإمام الناقد الحافظ والدي قدس الله روحه ونور قبورهم، أجزنا أحمد بن إسماعيل العسكري بمصر ثنا يونس بن عبد الأعلى بن ميسرة قثنا سفيان بن عيينة عن زياد بن علاقة سمع أسامة بن شريك يقول شهدت النبي صلى الله عليه وسلم والأعراب يسئلونه ما خير ما أعطي العبد فقال خلق حسن هـ.
-ক৩আ-

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

১-…ইমাম হাফিজ শায়খুল ইসলাম আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মান্দাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সেই বিষয়ে যা বর্ণনা করার জন্য তিনি আমাকে অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বলেন: সুপ্রতিষ্ঠিত ইমাম হাফিজ আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ বিন মান্দাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বলেন: পর্যালোচক ইমাম হাফিজ আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন এবং তাঁদের কবরসমূহকে আলোকিত করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আহমদ বিন ইসমাঈল আল-আসকারি মিশরে আমাদের অনুমতি দিয়েছেন। ইউনুস বিন আব্দুল আ’লা বিন মাইসারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ বিন ইলাকাহ থেকে, তিনি উসামা বিন শারীককে বলতে শুনেছেন যে: আমি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম এবং বেদুইনরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করছিল যে, বান্দাকে দেওয়া সর্বোত্তম বস্তু কী? তিনি বললেন: উত্তম চরিত্র। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৩)
2-… أخبرنا أحمد بن زكريا بن يحيى المقدسي ثنا محمد بن حماد الطهراني أنا عبد الرزاق عن معمر عن ثابت البناني عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما كان الحياء في شيء قط إلا زانه ولا كان الفحش في شيء قط إلا شانه هـ.

3-…أخبرنا أبو سعيد الهيثم بن كليب بن شريح الشاشي ثنا عيسى بن أحمد العسقلاني ثنا يزيد بن هارون أخبرنا هشام بن حسان وعبد الله بن عون عن محمد بن سرين عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أن الملائكة تلعن أحدكم إذا أشار بحديده وإن كان أخاه لأبيه وأمه هـ. أخرجه في كتابه سلم

-ق3ب-

4-…أخبرنا محمد بن يحيى الطائي ببغداد حدثنا علي بن حرب ثنا سفيان بن عيينة عن الأسود بن قيس سمع جندبا يقول كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في غار فَنُكِبَتْ أُصْبُعُهُ، فَقَالَ: هَلْ أَنْتِ إِلَاّ أُصْبُعٌ دَمِيتِ وَفِي سَبِيلِ اللهِ مَا لَقِيتِ هـ.

5-…أخبرنا محمد بن الحسين المدائني بمصر حدثنا أحمد بن عبد الرحيم البرقي ثنا عمرو بن أبي سلمة ثنا زهير بن محمد عن سالم الخياط قال سمعت محمد بن سيرين عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الحسنة بعشر أمثالها والصوم لي وأنا أجزي به ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك هـ.

6-…أخبرنا عبد الله بن يعقوب بن إسحاق ثنا محمد بن أبي يعقوب الكرماني ثنا إسماعيل بن عُلية عن حنظلة السدوسي عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن رجلا قال النبي صلى الله عليه وسلم للرجل يأتيه أخوه وصديثه ينحني له قال لا، قال فيقبله ويلزمه قال لا قال ويصافحه ويأخذ بيده فقال النبي صلى الله عليه وسلم نعم هـ.
২-… আহমাদ ইবনে যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাম্মাদ আত-তিহরানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাজ্জাক মা'মার থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "লজ্জাশীলতা কোনো জিনিসের মধ্যে থাকলে তা কেবল তাকে সৌন্দর্যমণ্ডিতই করে, আর অশ্লীলতা কোনো জিনিসের মধ্যে থাকলে তা কেবল তাকে কলঙ্কিতই করে।" সমাপ্ত।

৩-…আবু সাঈদ আল-হায়সাম ইবনে কুলাইব ইবনে শুরাইহ আশ-শাশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা ইবনে আহমাদ আল-আসকালানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবনে হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে হাসসান ও আব্দুল্লাহ ইবনে আউন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই ফেরেশতারা তোমাদের কারো ওপর অভিশাপ দেয় যখন সে তার (ভাইয়ের) দিকে লোহার অস্ত্র দ্বারা ইঙ্গিত করে, যদিও সে তার আপন সহোদর ভাই হয়।" সমাপ্ত। এটি তিনি তার কিতাব মুসলিমে বের করেছেন।

-পৃষ্ঠা ৩বি-

৪-…বাগদাদে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আত-তাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে হারব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ আসওয়াদ ইবনে কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি জুনদুবকে বলতে শুনেছেন: "আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একটি গুহায় ছিলাম, তখন তাঁর আঙুল আহত হলো। তিনি বললেন: তুমি তো কেবল একটি আঙুল যা রক্তাক্ত হয়েছ, আর তুমি যা ভোগ করছ তা আল্লাহর পথেই।" সমাপ্ত।

৫-…মিশরে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-মাদায়েনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে আব্দুর রহিম আল-বারকি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে আবু সালামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যুহাইর ইবনে মুহাম্মাদ সালিম আল-খাইয়াত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে সিরিনকে আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব দশ গুণ। আর রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দেব। নিশ্চয়ই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের সুগন্ধির চেয়েও বেশি প্রিয়।" সমাপ্ত।

৬-…আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবু ইয়াকুব আল-কিরমানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে উলাইয়াহ হানজালা আস-সাদুসি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করল যে, কোনো ব্যক্তি যখন তার ভাই বা বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে কি তার সামনে মাথা নত করবে? তিনি বললেন, না। সে জিজ্ঞাসা করল, তবে কি সে তাকে চুম্বন করবে এবং জড়িয়ে ধরবে? তিনি বললেন, না। সে পুনরায় জিজ্ঞাসা করল, তবে কি সে তার সাথে মুসাফাহা করবে এবং তার হাত ধরবে? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৪)
7-…أخبرنا أحمد بن علي بن الحسن المقريء ثنا أحمد بن الأزهر بن منيع ثنا عمرو بن عاصم ثنا حيان بن يسار الكلابي ثنا عبد الرحمن بن طلحة الخزاعي عن محمد بن علي أبيجعفر عن محمد بن علي الحنفية عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سره أن يَكْتَالَ بِالْمِكْيَالِ الأَوْفَى إِذَا صَلَّى عَلَيْنَا أَهْلَ الْبَيْتِ فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ اجعل صلاتك وبركاتك على محمد النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَزْوَاجِهِ أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ وَذُرِّيَّتِهِ وَأَهْلِ بَيْتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ هـ.

8-…أخبرنا محمد بن جمرة بن

-ق4أ-

بن عمارة حدثنا محمد بن عيسى العطار حدثنا يحيى بن إسحاق حدثنا قيس عن حصين وسعيد بن مسروق عن أبي وائل عن حذيفة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا قام من الليل فيشوص فاه بالسواك هـ.

9-…أخبرنا أحمد بن سليمان بن أيوب الدمشقي ثنا عبد الله بن الحسين بن جابر حدثنا محمد بن جعفر المدائني حدثنا ورقاء عن عمرو بن دينار عن جابر رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قتل دون ماله فهو شهيد هـ.

10-…أخبرنا محمد بن أيوب بن حبيب الرقي ثنا محمد بن إبراهيم بن كثير الصوري ثنا محمد بن يوسف الفريابي حدثنا سفيان عن منصور عن أبي وائل على بن أبي طالب رضي الله عنه قال كنت رجلا مذاء فاستحييت أن أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرت المقداد فسألت النبي صلى الله عليه وسلم فقال فيه الوضوء هـ. قال محمد هكذا حدثناه في كتابه فقال عن أبي وائل هـ.

11-…أخبرنا إبراهيم بن محمد بن صالح القنطري بدمشق ثنا أبو زرعة عبد الرحمن بن عمرو ثنا محمد بن الصلت ثنا قيس عن أبي إسحاق عن عمرو بن شرحبيل عن عمر رضي الله عنه قال كنت أسمع منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقرب الصلاة سكران هـ.
৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-মুকরি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আল-আযহার বিন মানী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আসিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাইয়ান বিন ইয়াসার আল-কিলাবি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন তালহা আল-খুযাঈ, তিনি মুহাম্মাদ বিন আলী আবু জাফর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আলী আল-হানাফিয়্যাহ থেকে, তিনি আলী বিন আবী তালিব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমাদের অর্থাৎ আহলে বাইতের ওপর দরূদ পাঠ করার সময় সওয়াবের পূর্ণ পরিমাপে পরিমাপ করতে পছন্দ করে, সে যেন বলে: হে আল্লাহ! আপনি নবী মুহাম্মাদ (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক), তাঁর স্ত্রীগণ যারা মুমিনদের মাতা, এবং তাঁর বংশধর ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আপনার রহমত ও বরকত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীমের বংশধরদের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও অত্যন্ত মহিমান্বিত।" (সমাপ্ত)

৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন জামরাহ বিন

-পৃ ৪ক-

বিন উমারা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ঈসা আল-আত্তার, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইসহাক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়স, তিনি হুসাইন ও সাঈদ বিন মাসরুক থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি হুযাইফা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) যখন রাতে ঘুম থেকে উঠতেন, তখন মেসওয়াক দিয়ে তাঁর মুখ পরিষ্কার করতেন। (সমাপ্ত)

৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন সুলাইমান বিন আইয়ুব আদ-দামেশকী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন জাবীর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-মাদায়িনী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি জাবির (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ।" (সমাপ্ত)

১০-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব বিন হাবীব আর-রাক্কী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহীম বিন কাসীর আস-সুরী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি মনসুর থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আলী বিন আবী তালিব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "আমি এমন একজন ব্যক্তি ছিলাম যার প্রচুর মাযী (উত্তেজনাজনিত তরল) নির্গত হতো। তাই রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে আমি লজ্জাবোধ করছিলাম। ফলে আমি মিকদাদকে নির্দেশ দিলাম এবং তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি বললেন: এতে ওযূ করতে হবে।" (সমাপ্ত) মুহাম্মাদ বলেন: তিনি তাঁর কিতাবে আমাদের নিকট এভাবেই বর্ণনা করেছেন এবং আবু ওয়াইল থেকে উল্লেখ করেছেন। (সমাপ্ত)

১১-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-কান্তারি দামেশকে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ আবদুর রহমান বিন আমর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আস-সালত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়স, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আমর বিন শারাহবীল থেকে, তিনি উমর (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর ঘোষণাকারীকে ঘোষণা করতে শুনতাম যে, কোনো মাতাল ব্যক্তি যেন সালাতের নিকটবর্তী না হয়।" (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৫)
12-…أخبرنا محمد بن أحمد بن محبوب المروزي ثنا سعيد بن مسعود المروزي ثنا يزيد بن هارون الواسطي ثنا العوام بن حوشب حدثني حبيب بن أبي ثابت عن بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تمنعوا نساءكم المساجد وبيوتهن خيرلهن هـ.

-ق4ب-

13-…أخبرنا محمد بن الحسن أبو طاهر النيسابوري حدثنا علي بن الحسن بن أبي عيسى ثنا زكريا بن عطية حدثنا سلم بن رزين عن خالد الربعي عن شهر بن حوشب عن عنبسة بن سفيان عن أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صلى في النهار ثنتي عشرة ركعة غفر الله عز وجل له وأدخله الجنة ومن بنى لله عز وجل بيتا في الدنيا بنى الله عز وجل له بيتا في الجنة.

14-…أخبرنا أحمد بن مهران الفارسي بمصر ثنا محمد بن عمرو بن نافع ثنا علي بن الحسين أنا خليد بن دعلج عن قتادة عن أنس رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أول ما يحاسب به العبد الصلاة فإن تمت فقد أفلح وانجح وإن نقضت فقد خاب وخسر هـ.

15-…أخبرنا عثمان بن أحمد بن هارون التنيسي حدثنا أحمد بن سفيان الرملي ثنا عبد الله بن ميمون القداح عن طلحة بن عمرو عن عطاء عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله عز وجل ليفرح بتوبة عبده كما يفرح أحدكم بضالته إذا وجدها هـ.

16-…أخبرنا محمد بن عيسى أبو مسعود المقدسي ثنا أبو أمية محمد بن إبراهيم ثنا عمرو بن يونس ثنا عكرمة بن عمار عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لله عز وجل أشد فرحا لتوبة عبده من أحدكم يجد ضالته في الفلاة هـ.
১২-…আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মাহবুব আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন মাসউদ আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন আল-ওয়াসিতী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আওয়াম বিন হাওশাব, তিনি বলেন আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাবীব বিন আবী সাবিত, তিনি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা তোমাদের নারীদেরকে মসজিদে আসতে বাধা দিও না, তবে তাদের ঘরই তাদের জন্য উত্তম। সমাপ্ত।

-পৃষ্ঠা ৪খ-

১৩-…আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আবু তাহের আল-নাইসাবুরী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান বিন আবী ঈসা, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া বিন আতিয়্যাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সালাম বিন রাযীন, তিনি খালেদ আর-রাবায়ি থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আনবাসা বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি দিনে বারো রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাকে ক্ষমা করে দেবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করবে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।

১৪-…আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মেহরান আল-ফারিসী মিশরে, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর বিন নাফে’, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হুসাইন, তিনি বলেন আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন খুলাইদ বিন দালাজ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: বান্দার সর্বপ্রথম যে বিষয়ের হিসাব নেওয়া হবে তা হলো সালাত; যদি তা পূর্ণাঙ্গ হয় তবে সে সফল ও কামিয়াব হলো, আর যদি তা অসম্পূর্ণ হয় তবে সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো। সমাপ্ত।

১৫-…আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন উসমান বিন আহমদ বিন হারুন আত-তিন্নীসী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন সুফিয়ান আর-রামলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মাইমুন আল-কাদ্দাহ, তিনি তালহা বিন আমর থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর বান্দার তওবায় তার চেয়েও বেশি খুশি হন, যখন তোমাদের কেউ তার হারিয়ে যাওয়া বস্তু ফিরে পেয়ে যতটা খুশি হয়। সমাপ্ত।

১৬-…আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ঈসা আবু মাসউদ আল-মাকদিসী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়্যাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর বিন ইউনুস, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ বিন আম্মার, তিনি ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবী তালহা থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর বান্দার তওবায় তোমাদের সেই ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন, যে মরুভূমিতে তার হারিয়ে যাওয়া বাহন খুঁজে পায়। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৬)
17-…أخبرنا خيثمة بن سليمان أنا أحمد بن محمد بن أبي الحناجر ثنا يحيى بن أبي كثير ثنا ابن أبي ذئب عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لَا يُوطِنُ رَجُلٌ مُسْلِمٌ الْمَسَاجِدَ لِلصَّلَاةِ إِلَاّ تَبَشْبَشَ اللَّهُ

-ق5أ-

عز وجل بِهِ في حِينَ يَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهِ كَمَا يَتَبَشْبَشُ أَهْلُ الْغَائِبِ لغَائِبِهِمْ إِذَا قَدِمَ عَلَيْهِمْ هـ.

18-…أخبرنا أحمد بن محمد بن زياد وإسماعيل بن محمد ومحمد بن يعقوب قالوا ثنا الحسن بن علي بن عفان حدثنا أبو أسامة حماد بن أسامة عن عبيد الله بن عمر عن محمد بن يحيى بن حبان عن عبد الرحمن بن الأعرج عن أبي هريرة عن عائشة رضي الله عنها قالت فقدت رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فانتهيت إليه وهو ساجد وقدماه منصوبتان وَهُوَ يَقُولُ اللهم إنِّي أَعُوذُ بِك بِرِضَاك مِنْ سَخَطِك وَبِمُعَافَاتِك مِنْ عُقُوبَتِك لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْك أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْت عَلَى نَفْسِك هـ.

19-…أخبرنا خيثمة بن سليمان ثنا عبد الملك بن محمد الرقاشي حدثنا يحيى بن حماد ثنا أبو عوانة عن الأعمش عن مجاهد عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مَنْ سَأَلَكُمْ بِوَجْهِ اللَّهِ فَأَعْطُوهُ وَمَنِ اسْتَعَاذَ به فَأَعِيذُوهُ هـ.

20-…أخبرنا سعيد بن يزيد وخيثمة قالا حدثنا محمد بن عوف بن سفيان ثنا أبو المغيرة عبد القدوس بن الحجاج ثنا أبو بكر بن أبي مريم حدثنا ضمرة بن حبيب عن أبي الدرداء رضي الله عنه وعن زيد بن ثابت رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان في دعائه اللهم إني أسألك لذة النظر إلى وجهك هـ.
১৭-…খাইসামা বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিল হানাজির আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে আবি যিব সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি সাঈদ বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "কোনো মুসলিম ব্যক্তি যখনই সালাতের জন্য মসজিদসমূহকে নিজের আবাস বানিয়ে নেয়, মহান আল্লাহ তার প্রতি আনন্দিত হন

-পৃ৫ক-

যেমনিভাবে কোনো অনুপস্থিত ব্যক্তির পরিবার তার ফিরে আসার সময় আনন্দিত হয় যখন সে তাদের নিকট ফিরে আসে।" সমাপ্ত।

১৮-…আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ, ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: হাসান বিন আলী বিন আফফান আমাদের জানিয়েছেন, আবু উসামা হাম্মাদ বিন উসামা উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন হাব্বান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হারিয়ে ফেললাম (বিছানায় পেলাম না), অতঃপর আমি তাঁর নিকট পৌঁছালাম এমতাবস্থায় যে তিনি সিজদারত ছিলেন এবং তাঁর দুই পা খাড়া অবস্থায় ছিল। তিনি বলছিলেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে আপনার অসন্তুষ্টি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, এবং আপনার ক্ষমার মাধ্যমে আপনার শাস্তি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আপনার প্রশংসা গণনা করে শেষ করতে পারব না; আপনি তেমনই যেমনটি আপনি নিজের প্রশংসা করেছেন।" সমাপ্ত।

১৯-…খাইসামা বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ আর-রাকাশী আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন হাম্মাদ আমাদের জানিয়েছেন, আবু আওয়ানা আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহর চেহারার উসিলায় তোমাদের নিকট কিছু চায় তাকে তোমরা প্রদান করো, আর যে আল্লাহর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করে তাকে আশ্রয় দাও।" সমাপ্ত।

২০-…সাঈদ বিন ইয়াযিদ এবং খাইসামা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: মুহাম্মাদ বিন আউফ বিন সুফিয়ান আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-মুগীরা আব্দুল কুদ্দুস বিন আল-হাজ্জাজ আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর বিন আবি মারিয়াম আমাদের জানিয়েছেন, দামরা বিন হাবীব আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এবং যায়েদ বিন সাবিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দুআয় বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আপনার চেহারার প্রতি তাকানোর স্বাদ প্রার্থনা করছি।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৭)
21-…أخبرنا عمرو بن عثمان البصري حدثنا محمد بن عبد الوهاب بن حبيب ح وحدثنا محمد بن يعقوب ثنا محمد بن إسحاق الصاغاني قالا ثنا محاضر بن المورع عن هشام عن وهب بن كيسان عن ابن عمر رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الدجال أعور

-ق5ب-

وإن ربكم عز وجل ليس بأعور وإنه مكتوب بين عينيه كافرا يقرأه كل مؤمن كاتب وغير كاتب هـ.

22-…أخبرنا محمد نب الحسين ثنا على بن الحسن بن أبي عيسى ثنا أبو عبد الرحمن المقريء ثنا حيوة بن شريح حدثني أبو هانيء الخولاني أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي يحدث عن عبد الله بن عمرو قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قدر الله عز وجل المقادير قبل أن يخلق السماوات والأرض بخمسين ألف سنة، زاد غيره وعرشه على الماء هـ.

23-…أخبرنا خيثمة ومحمد بن علي الكوفي قال ثنا أحمد بن حازم ثنا عبيد الله بن موسى أنا إسرائيل بن يونس ثنا أبو إسحاق عن عبد الرحمن بن يزيد عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال أقرأني رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أنا الرزاق ذو القوة المتين هـ. قال الشيخ قد ذكر الله عز وجل اسمه الرزاق في كتابه قبل أن خلق خلقه ورزق عباده فأسماء الله بخلاف اسماء المخلوق وكذلك صفاته بخلاف صفاته لأن أفعال الله عز وجل مشتقة من أسمائه وأسماء عبيده مشتقة من أفعالهم، ومما يدل على ذلك هـ.

24-…ما أخبرنا أحمد بن محمد بن زياد ثنا الحسن بن محمد بن الصباح ثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن أبي سلمة عن عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله عز وجل أنا الرحمن خلقت الرحم وشققت لها من اسمي فمن وصلها وصلته ومن قطعها بتته هـ. فبين أن أفعاله مشتقه من أسماءه هـ.
২১-…আমাদেরকে আমর ইবনে উসমান আল-বাসরী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব ইবনে হাবীব বর্ণনা করেছেন (হ), এবং আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানী বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন আমাদের কাছে মুহাদির ইবনে আল-মুওয়ারি' হিশাম থেকে, তিনি ওয়াহাব ইবনে কায়সান থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই দাজ্জাল একচোখা

-পৃ ৫খ-

আর নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক মহান ও মহিমান্বিত একচোখা নন। আর তার (দাজ্জালের) দুই চোখের মাঝখানে 'কাফির' লেখা আছে, যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তি পাঠ করবে, সে শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিত।" সমাপ্ত।

২২-…আমাদেরকে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে আবু ঈসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে হায়ওয়াহ ইবনে শুরাইহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে আবু হানি আল-খাওলানি সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবুলিকে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত আসমান ও যমীন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর আগে ভাগ্যসমূহ নির্ধারণ করেছেন।" অন্যদের বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে: "আর তাঁর আরশ পানির উপর ছিল।" সমাপ্ত।

২৩-…আমাদেরকে খাইসামাহ ও মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-কুফী সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন আমাদের কাছে আহমদ ইবনে হাযিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনে মূসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইসরাঈল ইবনে ইউনুস সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবু ইসহাক আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে পড়িয়েছেন: "নিশ্চয়ই আমিই রিযিকদাতা (আর-রাযযাক), শক্তির আধার, অত্যন্ত শক্তিশালী।" সমাপ্ত। শায়খ বলেন: আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত তাঁর সৃষ্টি জগত সৃষ্টি করার এবং তাঁর বান্দাদের রিযিক দান করার পূর্বেই তাঁর কিতাবে তাঁর নাম 'আর-রাযযাক' উল্লেখ করেছেন। সুতরাং আল্লাহর নামসমূহ মাখলুকের (সৃষ্টির) নামের বিপরীত এবং অনুরূপভাবে তাঁর গুণাবলীও তাদের গুণাবলীর বিপরীত; কারণ আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত-এর কার্যাবলী তাঁর নামসমূহ থেকে উদ্ভূত, আর তাঁর বান্দাদের নামসমূহ তাদের কার্যাবলী থেকে উদ্ভূত। আর যা এর প্রমাণ বহন করে তা হলো—

২৪-…যা আমাদেরকে আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল সাবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত বলেছেন: "আমি আর-রহমান (পরম দয়ালু), আমি 'রাহিম' (রক্তের সম্পর্ক/গর্ভাশয়) সৃষ্টি করেছি এবং আমার নাম থেকে তার জন্য একটি নাম বের করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি তা বজায় রাখবে আমি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখব, আর যে তা ছিন্ন করবে আমি তাকে ছিন্ন করে দেব।" সমাপ্ত। সুতরাং এটি স্পষ্ট করে যে তাঁর কার্যাবলী তাঁর নামসমূহ থেকে উদ্ভূত। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৮)
25-…سمعت الحسين بن علي

-ق6أ-

النيسابوري يقول سمعت محمد بن إسحاق بن خزيمة يقول دخل إلي جماعة من الكلامية سماهم بأسماهم قال فقلت لهم إن كان كما يزعمون أن الله عز وجل لم يكن خالقا حتى خلق الخلق فأنتم تزعمون أن الله ليس بالآخر والله عز وجل يقول: هو الأول والآخر، فليس هو بالآخر حتى يفنى الخلق وليس بمالك يوم الدين لأن يوم الدين يوم القيامة فبهتوا ورجعوا هـ. وهذا رد على من يقول أن الله عز وجل مشتق من الأفعال مثل الخالق والرازق والجواد والوهاب كاسم المخلوق نعوذ بالله من الضلالة هـ.

26-…أخبرنا إسماعيل بن محمد بن اسماعيل حدثنا محمد بن علي الوراق ثنا عبد الله بن موسى ثنا شيبان عن الأعمش عن جامع بن شداد ح وحدثنا الحسين بن مروان ثنا إبراهيم بن معاوية ثنا محمد بن يوسف الفريابي ثنا سفيان عن جامع بن شداد عن صفوان بن محرز عن عمران بن حصين أن قوما أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فسألوه عن بدء الأمر فقال كان الله عز وجل ولم يكن شيئا غيره وكان عرشه على الماء هـ.

27-…أخبرنا أحمد بن مهران الفارسي ثنا الحسين بن حميد ثنا محمد بن أشرس أبو كنانة ثنا النضر بن إسماعيل ثنا قرة بن خالد عن الحسن عن أمه عن أم سلمة في قول الله عز وجل: الرحمن على العرش استوى، قالت الاستواء عين مجهول والكيف غير معقول

-ق6ب-

والإقرار به إيمان والجحود به كفر وكذلك قاله مالك بن أنس لما سئل عن كيفية الإستواء وأخرج السائل من مجلسه هـ.
২৫-…আমি হুসাইন বিন আলী আল-নিসাবুরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমাকে বলতে শুনেছি যে, একদল কালাম শাস্ত্রবিদ তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন—তিনি তাদের প্রত্যেকের নামও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আমি তাদের বললাম: তোমরা যেমনটি দাবি করো যে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ সৃষ্টি সৃষ্টি করার পূর্ব পর্যন্ত স্রষ্টা ছিলেন না, তবে তো তোমরা এও দাবি করছো যে আল্লাহ 'আল-আখির' (সর্বশেষ) নন। অথচ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেন: 'তিনিই প্রথম এবং তিনিই শেষ'। সুতরাং সৃষ্টি বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি 'শেষ' হবেন না এবং তিনি বিচার দিবসের মালিকও নন, কারণ বিচার দিবস হলো কিয়ামতের দিন। এ কথা শুনে তারা হতভম্ব হয়ে গেল এবং ফিরে গেল। এটি তাদের জন্য একটি খণ্ডন যারা বলে যে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নামসমূহ (যেমন খালিক বা স্রষ্টা, রাজ্জাক বা রিযিকদাতা, জাওয়াদ বা দানশীল এবং ওয়াহহাব বা দাতা) তাঁর কার্যাবলি থেকে উদ্ভূত, যেভাবে সৃষ্টির নামসমূহ হয়ে থাকে। আমরা পথভ্রষ্টতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

-ক৬অ-

২৬-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী আল-ওয়াররাক, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুসা, আমাদের বর্ণনা করেছেন শাইবান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি জামি বিন শাদ্দাদ থেকে (হ)। এবং আমাদের বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন মারওয়ান, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুয়াবিয়া, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফিরয়াবি, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি জামি বিন শাদ্দাদ থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন মুহরিজ থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন যে, একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে সৃষ্টির সূচনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: 'মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ ছিলেন এবং তিনি ছাড়া আর কিছুই ছিল না, আর তাঁর আরশ ছিল পানির উপরে।'

২৭-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মাকরান আল-ফারসি, আমাদের বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন হুমাইদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আশরাস আবু কিনানাহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন নযর বিন ইসমাইল, আমাদের বর্ণনা করেছেন কুররাহ বিন খালিদ, তিনি হাসান থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী: 'দয়াময় আরশের উপর উঠেছেন' সম্পর্কে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: 'উঠা (ইস্তিওয়া) বিষয়টি অজানা এবং এর ধরণ (কায়ফিয়াত) অবোধগম্য।

-ক৬ব-

এটি স্বীকার করা ঈমান এবং এটি অস্বীকার করা কুফর।' ইমাম মালিক বিন আনাসও অনুরূপ কথা বলেছিলেন যখন তাঁকে উঠার (ইস্তিওয়া) ধরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং তিনি প্রশ্নকারীকে তাঁর মজলিস থেকে বের করে দিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ৯)
28-…أخبرنا محمد بن يعقوب ثنا محمد بن إسحاق ثنا يحيى بن أيوب ثنا سلم بن سالم ثنا خارجة عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن عائشة رضي الله عنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن الله عز وجل ليضحك مِنْ يَأْسِ الْعِبَادِ وَقُنُوطِهِمْ، وَقُرْبِ الرَّحْمَةِ مِنْهُمْ، فَقُلْتُ: بِأَبِي وَأُمِّي، أَوَ يَضْحَكُ رَبُّنَا عز وجل؟ قَالَ: نَعَمْ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّهُ لَيَضْحَكُ، قُلْتُ: فَلا يُعْدِمُنَا خَيْرًا إِذَا ضَحِكَ هـ.

29-…قال محمد وحدثنا داود بن رشيد حدثنا محمد عن ابن أبي إسماعيل عن عبيد الله بن أبي الهذيل قال قلت لعبد الله بن مسعود أبلغكم أن الله عز وجل تعجب ممن يذكره في السوق قال لا بل يضحك هـ.

30-…سمعت محمد يقول سمعت محمد بن إسحاق الصاغاني قال سمعت أبا صالح الجهني قال سمعت عبد العزيز بن عبد الله الماجشون يقول من وصف الله عز وجل بغير ما وصف به نفسه ورسوله عليه السلام كالمنكر لما وصف به نفسه هـ.
২৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালাম ইবনে সালিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খারিজাহ, তিনি জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল তাঁর বান্দাদের হতাশা ও নিরাশা এবং তাদের প্রতি রহমতের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে হাসেন। আমি বললাম: আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, আমাদের রব আযযা ওয়া জাল কি হাসেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, নিশ্চয়ই তিনি হাসেন। আমি বললাম: যখন তিনি হাসেন, তখন আমরা কোনো কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হব না।

২৯-…মুহাম্মদ বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি ইবনে আবি ইসমাইল থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি আল-হুযাইল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদকে বললাম, আপনার কাছে কি এই সংবাদ পৌঁছেছে যে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল ঐ ব্যক্তির প্রতি আশ্চর্যান্বিত হন যে তাঁকে বাজারে স্মরণ করে? তিনি বললেন: না, বরং তিনি হাসেন।

৩০-…আমি মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আবু সালেহ আল-জুহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাজিশুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ আযযা ওয়া জাল-কে এমন গুণ দ্বারা বিশেষিত করল যা দিয়ে তিনি নিজেকে কিংবা তাঁর রাসূল (আলাইহিস সালাম) তাঁকে বিশেষিত করেননি, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে তাঁর নিজের বর্ণিত গুণাবলিকে অস্বীকার করল।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ১০)
قال الشيخ نقول وبالله التوفيق أن الله عز وجل وصف نفسه في كتابه وعلى لسان نبيه فذكر الوجه الباقي بعد فناء الوجوه وذكر اليدين اللاتين خلق بهما آدم وقال بل يداه مبسوطتان وذكر السمع والبصر فقال إنني معكما أسمع وأرى

-ق7أ-

وذكر النبي صلى الله عليه وسلم الصدقة فقال يقع في كف الرحمن وإنه ليس بأعور، وإنه صمد، وإنه ينزل لفصل القضاء، وإنه استوى على عرشه وإنه يغضب ويرضى ويحب ويبغض في سائر ما ذكر في صفاته وكانت هذه الصفات مفهومة عند العرب رواه الخلف العدول عن السلف المختار للبلاغ والإبلاغ عن (غير واضح بالأصل ويحتمل نيتهم) من الصحابة والتابعين لا يطعن فيها إلا ملحد ورووا مع هذه الصفات فهم النبي صلى الله عليه وسلم عن التفكر في كيفيتها فقال صلى الله عليه وسلم لا تفكروا في ذات الله فإنكم لا تقدرون قدره وأعلمهم أنه لا يستدرك كيفية هذه الصفات بتمثيل ولا تشبيه ولا تأويل فعلموا حينئذ أن السؤال عن كيفيتها مستحيل وإنها لا يستدرك ذلك بوجه من الوجوه ون الإيمان بها واجب فنقلوها مع النهي عن التفكر فيها إلى أن ظهرت أئمة الضلالة، ليس لهم ذكر في معرفة أهل القرآن وعلومه ولا في رواة الآثار وما قبلها ولا أهل الفقه وعلوم أحكامه فزعمت أنهم ينفون عن الله التشبيه فشبهت وجه الرحمن الباقي بوجه الثور، ووجه الأمر، وشبهت الضحك من الله بالزرع والنخل إذا انفترت، وتأولت اليدين بنعمتين وكذلك سائر الصفات التي نهى النبي صلى الله عليه وسلم، وأصحابه وأئمة أهل العلم عن التفكر فيها إذ لا يستدرك حقيقة كيفيتها، في جهة من الجهات ولو جاز الكلام في معانيها لكانت الصحابة
শায়খ বলেন: আমরা আল্লাহর তাওফিকের সাহায্য নিয়ে বলছি যে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর কিতাবে এবং তাঁর নবীর মুখে নিজের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি সেই চেহারার কথা উল্লেখ করেছেন যা অন্যান্য সকল চেহারার বিনাশের পরেও অবশিষ্ট থাকবে। তিনি সেই দুই হাতের কথা উল্লেখ করেছেন যা দিয়ে তিনি আদমকে সৃষ্টি করেছেন এবং বলেছেন: "বরং তাঁর উভয় হাত প্রসারিত"। তিনি শ্রবণ ও দর্শনের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সাথে আছি, আমি শুনি ও দেখি।"

-৭ক-

আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদকা সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেছেন: "তা রহমানের হাতের তালুতে পড়ে।" আরও (উল্লেখ করেছেন) যে, তিনি একচক্ষু বিশিষ্ট নন, তিনি 'সামাদ' (অমুখাপেক্ষী), তিনি ফয়সালার জন্য অবতরণ করেন, এবং তিনি তাঁর আরশের উপর উঠেছেন। তিনি রাগান্বিত হন, সন্তুষ্ট হন, ভালোবাসেন এবং ঘৃণা করেন - তাঁর সিফাত বা গুণাবলি সম্পর্কে বর্ণিত অন্যান্য সকল বিষয়ের মতোই। আর এই সিফাতসমূহ আরবদের নিকট বোধগম্য ছিল। ন্যায়পরায়ণ পরবর্তী প্রজন্ম (খালাফ) এই বর্ণনাগুলো সেই মনোনীত পূর্বসূরিদের (সালাফ) থেকে গ্রহণ করেছেন যারা সাহাবী এবং তাবিঈদের পক্ষ থেকে প্রচার ও পৌঁছে দেওয়ার জন্য (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট, সম্ভবত তাদের উদ্দেশ্যের কথা বলা হয়েছে) মনোনীত ছিলেন; নাস্তিক ব্যতীত অন্য কেউ এতে আপত্তি করে না। আর তাঁরা এই সিফাতসমূহের বর্ণনার সাথে নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই বোধটুকুও বর্ণনা করেছেন যা এর ধরন (কাইফিয়াত) নিয়ে চিন্তা করার ব্যাপারে নিষেধ করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা আল্লাহর সত্তা সম্পর্কে চিন্তা করো না, কারণ তোমরা তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারবে না।" আর তিনি তাদের জানিয়েছেন যে, এই সিফাতসমূহের ধরন কোনো উপমা (তামসিল), সাদৃশ্য (তাশবিহ) বা ব্যাখ্যা (তাওয়িল) দ্বারা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। ফলে তারা তখন জানতে পেরেছেন যে, এর ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন করা অসম্ভব এবং কোনোভাবেই তা অনুধাবন করা যায় না, বরং এগুলোর প্রতি ঈমান আনা ওয়াজিব বা আবশ্যক। তাই তাঁরা এগুলোর ধরন সম্পর্কে চিন্তা করতে নিষেধ করে এগুলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, যতক্ষণ না ভ্রষ্ট ইমামদের আবির্ভাব ঘটেছিল। কুরআন বিশেষজ্ঞ ও এর জ্ঞানভাণ্ডারে তাদের কোনো পরিচিতি নেই, আর না আছে আসার (পূর্বসূরিদের বর্ণনা) বর্ণনাকারীদের মাঝে বা এর পূর্ববর্তী ইতিহাসে, এমনকি ফিকহ ও হুকুম-আহকামের বিশেষজ্ঞ মহলেও নয়। তারা দাবি করল যে তারা আল্লাহর থেকে সাদৃশ্যারোপ (তাশবিহ) দূর করছে, অথচ তারা রহমানের চিরস্থায়ী চেহারার সাথে ষাঁড়ের চেহারার বা জাগতিক কোনো বিষয়ের চেহারার সাদৃশ্য বর্ণনা করল। তারা আল্লাহর হাসিকে চারাগাছ ও খেজুর গাছের প্রস্ফুটিত হওয়ার সাথে তুলনা করল। আর তারা আল্লাহর দুই হাতের ব্যাখ্যা করল 'দুইটি নিয়ামত' দ্বারা। অনুরূপভাবে তারা সেই সকল সিফাতেরও অপব্যাখ্যা করল যেগুলোর ধরন সম্পর্কে চিন্তা করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর সাহাবীগণ এবং ইলমের ইমামগণ নিষেধ করেছেন; কেননা এর ধরনের প্রকৃত রহস্য কোনো দিক থেকেই অনুধাবন করা সম্ভব নয়। আর যদি এগুলোর অর্থ নিয়ে কথা বলা বৈধ হতো, তবে সাহাবীগণই...
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ১১)
-ق7ب-

أولى بذلك لأنهم كانوا أعلم بلسان العرب ولسألوا نبيهم صلى الله عليه وسلم عن ذلك كما سألوه عن الصلاة عليه إذ كان للصلاة عندهم وجوه، وكما سألوه عن الخيط الأبيض من الخيط الأسود، وكان البحث عن معرفة كيفية الصفات أولى ولكنهم علموا أن الأصول إلى معرفة كيفيتها تأويلا ولا تمثيلا ولا تشبيها، فلما إن لم تجد هذه العصابة التائهة عن الحق تعطيل صفات الله إلا بالتأويل ولم يكن لهم طريق إلى أهل العلم ولا قبول استروحت إلى الهمج والرعاع في العامة التي لا يعرف حقا ولا باطلا فسبغت على الصحابة والتابعين بروايتهم صفات الله عز وجل وزعمت أنهم نقلوا عن نبيهم التشبيه وتأولوها لهم بعقولهم الفاسدة وأرائهم الخبيثة وقصدوا بذلك تكفير الصحابة والتابعين الذين نقلوا هذه الصفات مع نهي النبي صلى الله عليه وسلم عن التفكر فيها ولم يرضوا بذلك حتى وضعوا في كتبهم الكفر الصراح وأدعية على أصحاب نبيهم صلى الله عليه وسلم ذكروا أن الله عز وجل يأتيهم عشية عرفة في قفص من ذهب على جمل أحمر وأن الله تعالى لما أراد أن يخلق نفسه أجرى خيلا فخلق نفسه من عرقها وأن الرب عز وجل محمول على كواهل الملائكة وأن الله يكشف لأولياءه غدا في القيامة عن ساق أشعر مع أشباه من هذا كثيرة ادعتها على رواة الآثار بأنهم رووها عن الصحابة والتابعين رجاء تبطيل (كذا بالأصل ويحتمل إبطال) الدين وإطفاء الإسلام فأبى الله عز وجل إلا أن يظهر دينه ويجعل كلمة أهل الآثار من الصحابة والتابعين العليا وكلمتهم السفلى منة من الله عز وجل وفضلا هـ.
-ক৭খ-

এর জন্য তাঁরাই অধিক যোগ্য ছিলেন কারণ তাঁরা আরবি ভাষায় অধিক জ্ঞানী ছিলেন এবং তাঁরা তাঁদের নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতেন, যেমনটি তাঁরা তাঁর ওপর দরুদ পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন—যেহেতু তাঁদের নিকট সালাত বা দরুদের বিভিন্ন দিক বিদ্যমান ছিল—এবং যেমনটি তাঁরা সাদা সুতা ও কালো সুতা সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন। সিফাতসমূহের ধরন (কাইফিয়াত) জানার অনুসন্ধান করা অধিক বাঞ্ছনীয় ছিল, কিন্তু তাঁরা জানতেন যে সিফাতসমূহের ধরন জানার ক্ষেত্রে অপব্যাখ্যা (তাবিল), উপমা (তামসিল) বা সাদৃশ্য (তাশবিহ) প্রদানের কোনো অবকাশ নেই। সুতরাং যখন সত্য থেকে বিচ্যুত এই বিভ্রান্ত দলটি অপব্যাখ্যা ব্যতীত আল্লাহর সিফাতসমূহকে অস্বীকার বা অকার্যকর (তাতিল) করার কোনো পথ খুঁজে পেল না এবং আলেমদের নিকট পৌঁছানোর বা তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার কোনো উপায় থাকল না, তখন তারা এমন মূর্খ ও ইতর শ্রেণির সাধারণ মানুষের আশ্রয় নিল যারা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বোঝে না। ফলে তারা সাহাবা ও তাবেয়ীদের বর্ণনার দোহাই দিয়ে মহান আল্লাহর সিফাতসমূহের ওপর কলঙ্ক লেপন করল এবং দাবি করল যে তাঁরা তাঁদের নবী থেকে সাদৃশ্য প্রদানের (তাশবিহ) বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তারা তাদের বিকৃত মস্তিষ্ক ও মন্দ মতামতের মাধ্যমে এগুলোর অপব্যাখ্যা করল এবং এর মাধ্যমে তারা সেই সাহাবা ও তাবেয়ীদের কাফের সাব্যস্ত করার হীন উদ্দেশ্য পোষণ করল যারা এই সিফাতসমূহ বর্ণনা করেছেন, অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এগুলো নিয়ে (গভীরভাবে) চিন্তা করতে নিষেধ করেছিলেন। তারা এতেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তারা তাদের কিতাবসমূহে সুস্পষ্ট কুফরি এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার অন্তর্ভুক্ত করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, আল্লাহ عز وجل আরাফার সন্ধ্যায় স্বর্ণের খাঁচায় একটি লাল উটের পিঠে চড়ে তাঁদের নিকট আসেন। আরও দাবি করেছে যে, আল্লাহ তাআলা যখন নিজেকে সৃষ্টি করতে চাইলেন তখন তিনি ঘোড়া দৌড় করালেন এবং তার ঘাম থেকে নিজেকে সৃষ্টি করলেন। আরও বলেছে যে মহান রব ফেরেশতাদের কাঁধের ওপর বাহিত হন এবং আল্লাহ কাল কিয়ামতের দিন তাঁর বন্ধুদের সামনে একটি রোমশ পা উন্মুক্ত করবেন—এজাতীয় অসংখ্য সদৃশ বিষয় তারা আসার (বর্ণনা) বর্ণনাকারীদের ওপর আরোপ করেছে এই দাবিতে যে তাঁরা এগুলো সাহাবা ও তাবেয়ীদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল দ্বীনকে বাতিল করা এবং ইসলামকে নিভিয়ে দেওয়া। কিন্তু আল্লাহ عز وجل তাঁর দ্বীনকে প্রকাশ করা এবং সাহাবা ও তাবেয়ীদের অনুসারী আহলে আসারদের কথাকে সুউচ্চ ও তাদের কথাকে হীন করা ব্যতীত অন্য কিছু হতে দেননি। এটি মহান আল্লাহ عز وجل-এর পক্ষ থেকে এক বিশেষ দান ও অনুগ্রহ। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ১২)
31-…قال الإمام أبو عبد الله رحمه الله أخبرنا محمد بن يعقوب ثنا محمد بن إسحاق الصاغاني ثنا سلم بن قادم ثنا موسى بن داود قال قال لي عباد بن العوام قدم علينا شريك بن عبد الله النخعي من نحو في خمسين سنة فقلت يا أبا عبد الله إن عندنا قوم ينكرون هذه الأحاديث عن الصفات فحدثني بنحو من عشرة أحاديث في هذا فقال نحن أخذنا ديننا عن التابعين عن الصحابة عن النبي صلى الله عليه وسلم فهم عن من أخذوا هـ.

-ق8أ-

32-…أخبرنا محمد بن محمد بن يوسف ثنا الفضل بن عبد الله الهروي ثنا عبد الله بن سنان الهروي قال سمعت ابن المبارك يقول سئل سفيان الثوري عن الغوغاء فقال القصاص الذين يأكلون أموال الناس بالكلام هـ.

33-…أخبرنا عبد الرحمن بن أبي حاتم في كتابه قال كان أبو زرعة رحمهما الله ينكران الكلام أشد الإنكار وينهيان عنه أشد النهي هـ.

وحسبنا الله ونعم الوكيل نعم المولى ونعم النصير وصلى الله عليه
৩১-…ইমাম আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাগানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালাম বিন কادم আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ বিন আল-আওয়াম আমাকে বলেছেন, প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে শারিক বিন আব্দুল্লাহ আন-নাখায়ি আমাদের নিকট এসেছিলেন। তখন আমি বললাম, হে আবু আব্দুল্লাহ! আমাদের এখানে এমন একদল লোক আছে যারা আল্লাহর গুণাবলী (সিফাত) সংক্রান্ত এই হাদিসগুলো অস্বীকার করে। সুতরাং আপনি আমাকে এ বিষয়ে প্রায় দশটি হাদিস বর্ণনা করে শোনান। তখন তিনি বললেন, আমরা আমাদের দ্বীন গ্রহণ করেছি তাবিঈদের থেকে, তারা সাহাবীদের থেকে, আর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে; এখন তারা (অস্বীকারকারীরা) তাদের মতবাদ কার কাছ থেকে গ্রহণ করেছে? সমাপ্ত।

-পৃষ্ঠা ৮ ক-

৩২-…মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-ফজল বিন আব্দুল্লাহ আল-হারাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন সিনান আল-হারাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি যে, সুফিয়ান আস-সাওরিকে হাঙ্গামাকারী বা নিম্নস্তরের লোক (আল-গাওগা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: তারা হলো সেই সব কিচ্ছাকারক (গল্পকার) যারা কথার জাদুতে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ করে। সমাপ্ত।

৩৩-…আব্দুর রহমান বিন আবি হাতিম তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআ (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি দয়া করুন) কালাম শাস্ত্রকে কঠোরভাবে অস্বীকার করতেন এবং তা থেকে অত্যন্ত কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। সমাপ্ত।

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক, কতই না উত্তম অভিভাবক এবং কতই না উত্তম সাহায্যকারী। আর আল্লাহর সালাত ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর ওপর।
(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল ইবনে মানদাহ রিওয়ায়াতু ইবনিহি আবদুর রহমান (পৃষ্ঠা: ১৩)
سمع الإملاء جميعه من القاضي سعيد بن أبي الرجاء الصيرفي أبقاه الله بثوابه عن الإمام أحمد بن الفضل الباطرقاني عن ممليه رحمه الله بقراءة الشيخ العالم أبي أحمد بن محمد بن أبي أحمد العطار وهو صاحب الجزء والشيخ أبو الحسين بن أبي الفضل موسى والشيخ عز الدين الربيع، ومحمد بن الحسن الفواكهي والاسناد إلى متن ما فيه (غير واضح بالأصل) ومحرر الأسامي عثمان بن أحمد بن أبي بكر الطوسي وجامع العتيق بعد العصر يوم الخميس الرابع من جمادى الأولى سنة ستة عشر في (غير واضح بالأصل) والصلوات على خير خلقه محمد وسلم.

سمع من أول هذا الإملاء إلى آخره مني أبو بكر بن طاهر بن محمد المؤذن يعرف بحجا وبناته: ست النعيم، وست النساء، وزين النساء وأمهن ست الملوك بنت إسماعيل الخباز وأختها ست الكرم وفرح روز بن عبد الله الصبابي القرشي ومحمد بن محمد بن يوسف بن إبراهيم الدوغي وابنته جمال النساء (غير واضح بالأصل) ، ومودود بن فرح روز بن عبد الله القرشي الصبابي، وأخوه حامد بن فرح روز، وصح لهم ذلك في دار أبي بكر المؤذن صاحب (غيرا واضح بالأصل) في جمادي الأولى سنة ست وعشرين وخمسمائة، كتبه أبو أحمد بن محمد بن أبي أحمد العطار بخطه.
এই সম্পূর্ণ শ্রুতিলিপিটি কাজী সাঈদ বিন আবি আল-রাজা আল-সাইরাফী (আল্লাহ তাঁকে তাঁর পুরস্কারসহ অবশিষ্ট রাখুন) থেকে শ্রবণ করা হয়েছে, যিনি ইমাম আহমদ বিন আল-ফাদল আল-বাতিরকানী থেকে এবং তিনি তাঁর শ্রুতিলিপি প্রদানকারী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি পাঠ করেছেন বিদগ্ধ শায়খ আবু আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি আহমদ আল-আত্তার, যিনি এই জুয বা খণ্ডের মালিক; এবং শায়খ আবু আল-হুসাইন বিন আবি আল-ফাদল মুসা, শায়খ ইজউদ্দীন আল-রাবি এবং মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-ফাওয়াতিহী। এর বিষয়বস্তুর মূল পাঠ পর্যন্ত এই সনদ (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট)। নামসমূহ লিপিবদ্ধকারী হলেন উসমান বিন আহমদ বিন আবি বকর আল-তুসী। এটি জামেউল আতিক মসজিদে ৫১৬ হিজরী সনের ৪ঠা জুমাদাল উলা, বৃহস্পতিবার আসরের পর অনুষ্ঠিত হয়েছে (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট)। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

এই শ্রুতিলিপির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন হিজ্জা নামে পরিচিত আবু বকর বিন তাহির বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াযযিন এবং তাঁর কন্যারা: সিত আল-নাঈম, সিত আল-নিসা ও জাইন আল-নিসা; এবং তাঁদের মাতা সিত আল-মুলুক বিনতে ইসমাইল আল-খাব্বায ও তাঁর বোন সিত আল-কারাম; এবং ফারাহ রুয বিন আবদুল্লাহ আল-সাবাবী আল-কুরাশী, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন ইব্রাহিম আল-দুগী ও তাঁর কন্যা জামাল আল-নিসা (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট); এবং মওদুদ বিন ফারাহ রুয বিন আবদুল্লাহ আল-কুরাশী আল-সাবাবী এবং তাঁর ভাই হামিদ বিন ফারাহ রুয। এটি তাঁদের জন্য ৫২৬ হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে (মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট)-এর মালিক আবু বকর আল-মুয়াযযিনের বাড়িতে সত্যায়িত হয়েছে। এটি আবু আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি আহমদ আল-আত্তার স্বহস্তে লিপিবদ্ধ করেছেন।