(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
كرامات الأولياء للحسن بن محمد الخلال (أبو محمد الحسن الخلال)
القسم: كتب السنة
الكتاب: كرامات الأولياء - مخطوط
المؤلف: أبو محمد الحسن بن محمد بن الحسن بن علي البغدادي الخَلَّال (ت 439هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 37
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল রচিত কারামাতুল আউলিয়া (আবু মুহাম্মদ হাসান আল-খাল্লাল)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: কারামাতুল আউলিয়া - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আবু মুহাম্মদ হাসান বিন মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আলী আল-বাগদাদী আল-খাল্লাল (মৃত্যু ৪৩৯ হিজরি)
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: كرامات الأولياء - مخطوطالمؤلف: الحسن بن محمد الخلالالمتوفى: 439 هـ
গ্রন্থ: কারামাতুল আউলিয়া - পাণ্ডুলিপিলেখক: আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লালমৃত্যু: ৪৩৯ হিজরি
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمان الرحيمولاحول ولا قوة إلا بالله العلي العظيمأخبرتنا سهلة بنت أبي نصر أحمد بن الفرج الأبدي ، بقرائتي عليها ببغداد في يوم الثلاثاء من شهر جمادى الآخرة من سنة ثلاثين وست مئة ، أَخْبَرَنَا الشيخ أبو محمد جعفر بن أحمد بن الحسين السراج ، قراءة عليه ، أَخْبَرَنَا الشيخ أبو محمد الحسن بن محمد بن الْحَسَنِ الخلال،بقراءتي عليه: 1-…حَدَّثَنَا أبو بكر أحمد بن إبراهيم بن شاذان ، حَدَّثَنَا عمر بن محمد بن سعد الصابوني ، حَدَّثَنَا إبراهيم بن الوليد بن أيوب حدثني أبو عمر الغدائي، حَدَّثَنا أبو سلمة الخراساني عن عطاء عن أنس بن مالك رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: الأبدال أربعون رجلا وأربعون إمرأة كلما مات رجل بدل الله مكانه رجلا وكلما ماتت إمرأة بدل الله مكانها إمرأة2-…أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ ، حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ دَاوُدَ الأُبُلِّيُّ بِالْأُبُلَّةِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ التَّمَّارُ ، من أصله ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُهَيْرٍ بِالأُبُلَّةِ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يَحْيَى بْنِ نَافِعٍ الأُبُلِيُّ ، حَدَّثَنَا الْعَلَاءُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: الأبدال أربعون اثنان وعشرون بالشام وثمانية عشر بالعراق كلما مات منهم واحد أبدل الله مكانه آخر فإذا جاء الأمر قبضوا كلهم فعند ذلك تقوم الساعة.
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।এবং মহান সুউচ্চ আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো ক্ষমতা ও কোনো শক্তি নেই।সাহলা বিনতে আবি নাসর আহমাদ ইবনে আল-ফারাজ আল-আবাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, ছয়শত ত্রিশ হিজরি সনের জমাদিউল আখিরা মাসের এক মঙ্গলবার দিনে—শায়খ আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে—শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-খাল্লাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে: ১-…আবু বকর আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে শাযান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাদ আস-সাবউনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু উমর আল-গাদায়ি আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আল-খুরাসানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আবদালগণ হলেন চল্লিশজন পুরুষ এবং চল্লিশজন নারী। যখনই কোনো পুরুষ মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর স্থলে অন্য একজন পুরুষকে স্থলাভিষিক্ত করেন এবং যখনই কোনো নারী মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর স্থলে অন্য একজন নারীকে স্থলাভিষিক্ত করেন।২-…আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হামযাহ ইবনে দাউদ আল-উবুল্লি উবুল্লাতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আত-তাম্মার তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে যুহায়ের উবুল্লাতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে নাফি আল-উবুল্লি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-আলা ইবনে যায়িদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আবদালগণ হলেন চল্লিশজন; বাইশজন শামে এবং আঠারোজন ইরাকে। যখনই তাঁদের মধ্য থেকে কেউ মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর স্থলে অন্য একজনকে স্থলাভিষিক্ত করেন। অতঃপর যখন (চুড়ান্ত) নির্দেশ আসবে, তখন তাঁদের সকলকে কবজ করে নেওয়া হবে এবং তখনই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২)
3- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنُ عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ الْجُرَيْرِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ الْحُسَيْنِ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الصُّوفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنِ عَطَاءِ عَنِ الحَسَنِ بْنِ ذَكْوَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ قَيْسٍ، عَن عبادة بن الصامت أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: الأبدال في هذه الأمة ثلاثون مثل إِبْرَاهِيمَ خليل الرحمان كلما مات وَاحِدٍ بدل الله عز وجل مكانه رجلا. // 5 //4 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُكْرَمٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْغَلَابِيُّ ، يَحْيَى بْنُ بِسْطَامٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الحَارِثِ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: الأبدال أربعون رجلا يحفظ الله بهم الأرض كلما مات رجل أبدل الله مكانه آخر وهم في الأرض كلها.
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী বিন আমর বিন সাহল আল-জুরায়রী, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আল-হুসাইন বায়তুল মাকদিসে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইয়াহইয়া আস-সুফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতা, তিনি আল-হাসান বিন যাকওয়ান থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহিদ বিন কায়স থেকে, তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “এই উম্মতের মধ্যে ‘আবদাল’ হলেন ত্রিশ জন, যারা দয়াময় আল্লাহর বন্ধু ইব্রাহীমের মতো। যখনই তাদের একজন মারা যান, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তার স্থলে অন্য একজন ব্যক্তিকে স্থলাভিষিক্ত করেন।” // ৫ //৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ বিন আলী বিন মুকরাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জাকারিয়া আল-গালাবী, ইয়াহইয়া বিন বিসতাম থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-হারিস, তিনি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-বায়লামানী থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আবদাল হলেন চল্লিশ জন ব্যক্তি, যাদের মাধ্যমে আল্লাহ জমিনকে হিফাজত করেন। যখনই একজন ব্যক্তি মারা যান, আল্লাহ তার স্থলে অন্য একজনকে স্থলাভিষিক্ত করেন এবং তারা সমগ্র জমিনে রয়েছেন।”
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৩)
5 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الدَّيْنُورِيُّ الضَّرَّابُ ، وَمَا سَمِعْتُهُ إِلَاّ مِنْهُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُبَارَكِ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ الْمُؤَذِّنُ،، عَنْ عَوْفٍ الأَعْرَابِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ،، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إن بدلاء أمتي لم يدخلوا الجنة بصلاة ولا صيام ولكن دخلوها بسخاء الأنفس وسلامة الصدور والنصح للمسلمين.6 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، قَالَ: كَتَبَ لِي أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ هِشَامٍ التَّمِيلِيُّ، بِالْكُوفَةِ، يُذْكَرُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنُ زَيْدَانَ حَدَّثَهُمْ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَازِمٍ ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْحُبُلِيِّ، حَدَّثَنَا سَيْفُ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عَقِيلٍ الْبَصْرِيِّ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي: يا أبا هريرة، يدخل علي من هذا الباب الساعة رجل من أحد، السبعة الذين يدفع اللَّهِ، عز وجل، عن أهل الأرض بهم، فإذا حبشي قد طلع من ذلك الباب، أجدع على رأسه جرة من ماء فقال، رسول الله: هو هذا ، قال: فقال رسول الله ، ثلاث مرات: مرحبا بيسار ، مرحبا بيسار ، ثلاث مرات. قال: وكان يرش المسجد ويكنسه ، وكان على ماء للمغيرة بن شعبة. // 6 //
৫ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আদ-দ্বীনওয়ারী আদ-দাররাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং আমি এটি কেবল তাঁর নিকট থেকেই শুনেছি—মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আল-মুবারক আল-কায়সী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আল-হাইসাম আল-মুয়াযযিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আউফ আল-আ'রাবী থেকে বর্ণিত, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই আমার উম্মতের আবদালগণ (স্থলাভিষিক্ত নেককারগণ) কেবল অধিক সালাত বা সওমের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করেননি, বরং তাঁরা এতে প্রবেশ করেছেন অন্তরের উদারতা, বক্ষের পরিচ্ছন্নতা (হিংসামুক্ত অন্তর) এবং মুসলিমদের প্রতি হিতাকাঙ্ক্ষার কারণে।”৬ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কুফায় আহমদ ইবনে আলী ইবনে হিশাম আত-তামিলী আমার নিকট লিখেছেন, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দান তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে হাযিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাকাম ইবনে সুলাইমান আল-হুবুলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাইফ ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে আবি আকিল আল-বসরী থেকে বর্ণিত, তিনি সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন: “হে আবু হুরায়রা, এই মুহূর্তে এই দরজা দিয়ে আমার নিকট এমন এক ব্যক্তি প্রবেশ করবেন, যিনি সেই সাতজনের একজন যাদের মাধ্যমে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ পৃথিবীবাসীদের থেকে বিপদাপদ দূর করেন।” এরপর হঠাৎ এক হাবশী ব্যক্তি সেই দরজা দিয়ে উপস্থিত হলেন, যার কান বা নাক কাটা ছিল এবং তিনি মাথায় এক কলস পানি বহন করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তিনিই সেই ব্যক্তি।” বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বললেন: “স্বাগতম হে ইয়াসার, স্বাগতম হে ইয়াসার।” আবু হুরায়রা (রা.) বলেন: সেই ব্যক্তি মসজিদে পানি ছিটিয়ে তা ঝাড়ু দিতেন এবং তিনি মুগীরা ইবনে শু'বার পানির তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন। // ৬ //
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৪)
7- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ الْعَطَّارُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ زَاجٌ ، حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ ، عَنْ زَائِدَةَ ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قال: إن الله ليدفع عن القرية بسبعة مؤمنين يكونون فيها.8 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، حَدَّثَنَا حَسَنٌ ،عن زَائِدَةِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو، عن ابن عباس قال: ما خلت الأرض من بعد نوح من سبعة يدفع الله بهم عن أهل الأرض. قال: قد ذكرت ذلك لإبراهيم ، فقال: إذا كان ذلك فيهم ام يعذبوا.9 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الدَّارَقُطْنِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ الْوَاسِطِيُّ ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: مَا مِنْ قَرْيَةٍ ولا بلدة إِلَاّ يكون فِيهَا مَنْ يُدْفَعُ الله بهم عنهم.زاد غيره: وإن أبا وَائِلٍ ممن يدفع الله به عن أهل هذه البلدة.10 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، حَدَّثَنَا حَسَنٌ ،عن زَائِدَةِ، عَنْ عَمَّارٍ ، عَنْ زَاذَانَ، قال: ما خلت الأرض فقد أدرج من له عشر فصاعدا يدفع بهم عن أهل الأرض.
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন উসমান আস-সাফফার, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ আল-আত্তার, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন মানসুর জাজ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান বিন আলী, তিনি যায়েদাহ থেকে, তিনি আম্মার আদ-দুহনী থেকে, তিনি হাবীব বিন আবী সাবিত থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জনপদকে সেখানে অবস্থানরত সাতজন মুমিনের উসিলায় রক্ষা করেন।৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন উসমান, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান, তিনি যায়েদাহ থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি মিনহাল বিন আমর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নূহ (আ.)-এর পর থেকে যমীন এমন সাতজন ব্যক্তি থেকে কখনো শূন্য হয়নি যাদের মাধ্যমে আল্লাহ যমীনবাসীদের বিপদ আপদ দূর করেন। তিনি বলেন: আমি তা ইব্রাহীমের নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেন: যখন তারা তাদের মধ্যে অবস্থান করে, তখন তারা আজাবপ্রাপ্ত হয় না।৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী বিন উমর বিন আহমাদ আদ-দারা কুতনী, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন হারুন আল-হাদরামী, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যায়েদ বিন সাঈদ আল-ওয়াসিতী, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন গুন্দার, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, তিনি আবু মাশার থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এমন কোনো গ্রাম বা জনপদ নেই যেখানে এমন কেউ নেই যাদের উসিলায় আল্লাহ তাদের বিপদ দূর করেন।অন্যরা বর্ধিত করেছেন: আর আবু ওয়াইল তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের মাধ্যমে আল্লাহ এই শহরের অধিবাসীদের বিপদ থেকে রক্ষা করেন।১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন উসমান, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান, তিনি যায়েদাহ থেকে, তিনি আম্মার থেকে, তিনি জাযান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: পৃথিবী কখনো (মানুষ থেকে) শূন্য হয়নি - অতঃপর তিনি দশ বা ততোধিক ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন - যাদের উসিলায় আল্লাহ পৃথিবীবাসীদের বিপদ দূর করেন।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৫)
11 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ الْجُرَيْرِيُّ ، حَدَّثَنَا، عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ كَاسٍ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ السَّكْسَكِيِّ ، عَنْ علي ، عليه السلام ، قال: قبة الإسلام الكوفة ، والهجرة بالمدينة ، والنجباء بمصر ، والأبدال بالشام ، وهم قليل. قال كعب: والأبدال قليلون.12 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى بْنِ سَعِيدٍ // 7// الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَاأَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ ، عَنْ أُمِّ عَبْدِ اللَّهِ بِنْتِ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ ، عَنْ أَبِيهَا ، قال: قالت الأرض للرب ، عز وجل: كيف تدعني وليس علي نبي؟ قال سوف ادع عليك أربعين صديقا بالشام.13 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَرَّاقُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ زَنْجَوَيْهِ ،، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سيار، حَدَّثَنَا جعفر بن سليمان، قال: سَمِعتُ جليسا لوهب بن منبه يقول رأيت رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم في المنام فقلت يا رسول الله أين الأبدال فأومأ بيده إلى الشام قلت وما بالعراق منهم أحد قال بلى محمد بن واسح وحسان بن أبي سنان ومالك بن دينار الذي يمشي في الناس بمثل زهد أبي ذر.
১১ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আমর ইবনে সাহল আল-জুরায়রী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, জায়েদ ইবনুল হুবাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে ইয়াজিদ আস-সাকসাকী থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইসলামের গম্বুজ হলো কুফা, হিজরত হলো মদিনায়, মহৎ ব্যক্তিগণ মিশরে এবং আবদালগণ শাম দেশে, আর তারা সংখ্যায় অল্প। কাব বলেন: আবদালগণ সংখ্যায় অল্প।১২ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে মুসা ইবনে সাঈদ আল-রামলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আল-ফারাজ আল-হিমসী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি খালেদ ইবনে মাদানের কন্যা উম্মে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: পৃথিবী মহান রবের উদ্দেশ্যে বলল: আপনি আমাকে কীভাবে ছেড়ে দিচ্ছেন অথচ আমার উপর কোনো নবী নেই? তিনি বললেন: অচিরেই আমি তোমার উপর শাম দেশে চল্লিশজন সিদ্দিক রেখে দেব।১৩ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-ওয়াররাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে জানজাওয়াইহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, সাইয়্যার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে সুলায়মান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ-এর এক সঙ্গীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আবদালগণ কোথায়? তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে শাম দেশের দিকে ইশারা করলেন। আমি বললাম, ইরাকে কি তাদের কেউ নেই? তিনি বললেন, হ্যাঁ, মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি, হাসসান ইবনে আবি সিনান এবং মালিক ইবনে দিনার, যে মানুষের মাঝে আবু যর-এর ন্যায় যুহদ নিয়ে চলাফেরা করে।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৬)
14 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِي ، حَدَّثَنَامُحَمّدُ بْنُ الْقَاسِم ِبْنِ خَلَاّدٍ الْيَمَامِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَامُجَاشِعُ بْنُ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ،، عَنِ ابْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ زُرَيْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم عَنِ الأَبْدَالِ، قَالَ: هُمْ سِتُّونَ رَجُلاً قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، جَلِّهِمْ لِي قَالَ: لَيْسُوا بِالْمُتَنَطِّعِينَ، وَلَا بِالْمُبْتَدِعِينَ، وَلَا بِالْمُتَنَعِّمِينَ، لَمْ يَنَالُوا مَا نَالُوه بِكَثْرَةِ صِيَامٍ وَلَا صَلَاةٍ وَلَا صَدَقَةٍ، وَلَكِنْ بِسَخَاءِ الأنَّفْسِ، وَسَلَامَةِ الْقُلُوبِ، وَالنَّصِيحَةِ لأَئِمَّتِهِمْ، إِنَّهُمْ يَا عَلِيُّ فِي أُمَّتِي أَقَلُّ مِنَ الْكِبْرِيتِ الأَحمرِ.15 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ صَفْوَانَ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ يَوْمَ صِفِّينَ: اللَّهُمَّ الْعَنْ أَهْلَ الشَّامِ، قَالَ: فَقَالَ عَلِيٌّ: لَا تَسُبَّ أَهْلَ الشَّامِ جَمًّا غَفِيرًا، فَإنَّ بِهَا الأَبْدَالَ، فَإنَّ بِهَا الأَبْدَالَ، فَإنَّ بِهَا الأَبْدَالَ.
১৪ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উমর বিন আল-হাসান আল-কাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন খাল্লাদ আল-ইয়ামামি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব বিন মুহাম্মদ আজ-জুহরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুজাশে বিন আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহিয়া থেকে, তিনি ইবনে হুবাইরাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন জুরাইর থেকে, তিনি আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আবদালদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তারা ষাটজন ব্যক্তি। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমার কাছে তাদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: তারা অহেতুক কঠোরতা অবলম্বনকারী নয়, বিদআতী নয় এবং বিলাসপ্রিয়ও নয়। তারা অধিক রোজা, নামাজ বা সদকার মাধ্যমে এই মর্তবা লাভ করেনি, বরং তারা তা লাভ করেছে আত্মার উদারতা, অন্তরের সুস্থতা এবং তাদের ইমামদের প্রতি শুভাকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে। হে আলী, নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে তারা লাল গন্ধকের চেয়েও বিরল।১৫ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মনসুর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মা’মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আজ-জুহরি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন সাফওয়ান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সিফফিনের যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহ, শামবাসীদের ওপর অভিশাপ দিন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন আলী বললেন: তোমরা শামবাসীদের ঢালাওভাবে গালি দিও না, কারণ তাদের মধ্যে আবদালরা রয়েছে, কারণ তাদের মধ্যে আবদালরা রয়েছে, কারণ তাদের মধ্যে আবদালরা রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৭)
16 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ السَّرِيُّ ، بِبَابِ الطَّاقِ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرٍ الصَّائِغُ، // 8 // حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: رُبَّ أَشْعَثَ ذِي طِمْرَيْنِ تَنْبُو عَنْهُ أَعْيَنُ النَّاسِ ، لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللهِ عز وجل لأََبَرَّهُ.17 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُومُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ،حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَكَمِ الْحِبَرِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا صَبَّاحُ بْنُ يَحْيَى ، سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ الطَّائِيُّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ (جَعْفَرِ) بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ الْعَامِرِيُّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ أَهْلَ الْجَنَّةِ كُلَّ أَشْعَثَ أَغْبَرَ ذِي طِمْرَيْنِ ، لَا يُؤْبَهُ بِهِ ، لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللهِ لأَبَرَّهُ.
১৬ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আস-সারী বাবুত-তাকে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে নাসর আস-সায়িগ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, // ৮ // ইবরাহীম ইবনে হামযাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবী হাযিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাসীর ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি আল-ওয়ালিদ ইবনে রাবাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "অনেক উস্কোখুস্কো চুলধারী এবং ছিঁড়াফাঁটা দুই খণ্ড বস্ত্রের অধিকারী ব্যক্তি আছে যাদের দিক থেকে মানুষের চোখ ফিরে যায়, সে যদি মহাপরাক্রমশালী ও মহান আল্লাহর নামে শপথ করে তবে আল্লাহ অবশ্যই তার শপথ পূর্ণ করেন।"১৭ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে শাযান আবু বকর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবনে আল-হাকাম আল-হিবারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাব্বাহ ইবনে ইয়াহইয়া এবং সাদ ইবনে সাঈদ আত-তাঈ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুগীরা (জাফর) ইবনে আবী সাওরী থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরা আল-আমিরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই জান্নাতবাসীরা হলো সেই সব লোক যারা উস্কোখুস্কো চুলধারী, ধূলিমলিন ও ছিঁড়াফাঁটা দুই খণ্ড বস্ত্র পরিহিত, যাদের কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তবে আল্লাহ অবশ্যই তা পূর্ণ করেন।"
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৮)
18 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ رَاشِدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو السَّدُوسِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عن عُمر بن الخطاب قال:دعاني رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم يوما فظننت أنه يبعثني في حاجة فقال: مِنَ التَّابِعِينَ، رَجُلٌ يقال له أويس القرني يصيبه بلاء في بدنه فيدعو الله فيذهب به إلا لمعة في جنبه إذا رآها ذكر الله عز وجل فإذا رأيته فاقرئه مني السلام ومره يدعو لك فإنه كريم على ربه بار بوالدته لو أقسم على الله لأبره.19 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ ، حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلٌُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُبَيْدٍ ، عَنْ عُدَيْسَةَ بِنْتِ أُهْبَانَ بْنِ صَيْفِيٍّ، صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ: أوصاني أبي أن يكفن في ثوبين، قالت: فكفن في ثوبين وقميص، فلما أصبحنا من الغد من يوم دفناه إذا نحن بالقميص الذي كفن فيه على المشجب.20 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بِسْطَامٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ // 9 // الضُّبَعِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ، قال: جاء قهرمان لأنس، فقال: يا أبا حمزة ، عطس أخوك ، فقام فصلى ركعتين ، ثم دعا ، فإذا سحاب ومطر ، فبعث قهرمانه ، فإذا المطر لَمْ يُجَاوِزْ أَرْضَهُ ، وذلك في الصيف.ورواه ثمامة بن عبد الله ، عن أنس بنحوه.
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনুল মুজাফফর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনু রাশিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনু আমর আস-সাদূসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনু বুদাইল ইবনু মায়সারা, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ডাকলেন। আমি ভাবলাম তিনি হয়তো আমাকে কোনো প্রয়োজনে পাঠাবেন। তখন তিনি বললেন: "তাবেয়ীদের মধ্যে উওয়াইস আল-কারনী নামে এক ব্যক্তি রয়েছে, তার শরীরে একটি ব্যাধি হবে, অতঃপর সে আল্লাহর কাছে দুআ করবে এবং আল্লাহ তা দূর করে দেবেন, তবে তার পার্শ্বদেশে একটি দাগ অবশিষ্ট থাকবে; যখনই সে সেটি দেখবে, সে মহান প্রতাপশালী আল্লাহকে স্মরণ করবে। সুতরাং তুমি যখন তাকে দেখবে, তখন তাকে আমার সালাম পৌঁছে দিয়ো এবং তাকে তোমার জন্য দুআ করতে বলো। কেননা সে তার রবের নিকট অত্যন্ত সম্মানিত এবং তার মায়ের প্রতি অনুগত। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে কোনো কথা বলে, তবে আল্লাহ তা অবশ্যই পূর্ণ করে দেবেন।"১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনু উসমান আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনু আইয়ুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনু উবাইদ, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী উহবান ইবনু সায়ফী-এর কন্যা উদাইসাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে ওসিয়ত করেছিলেন যেন তাকে দুটি কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়। তিনি বলেন: অতঃপর তাকে দুটি কাপড় ও একটি জামায় কাফন দেওয়া হলো। আমরা তাকে দাফন করার পরের দিন সকালে দেখলাম যে জামাটিতে তাকে কাফন দেওয়া হয়েছিল সেটি কাপড় রাখার আংটায় ঝুলছে।২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উমর ইবনু আহমাদ ইবনু উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনু আহমাদ ইবনু বিসতাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল মালিক ইবনু আবিল শাওয়ারিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনু সুলায়মান // ৯ // আদ-দুবায়ী, তিনি সাবিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আনাসের একজন তত্ত্বাবধায়ক এসে বলল: হে আবু হামযা, আপনার জমি তৃষ্ণার্ত (শুষ্ক) হয়ে পড়েছে। তখন তিনি দাঁড়িয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, এরপর দুআ করলেন। হঠাৎ মেঘ ও বৃষ্টি দেখা দিল। এরপর তিনি তার তত্ত্বাবধায়ককে পাঠালেন, দেখা গেল যে সেই বৃষ্টি তার জমির সীমা অতিক্রম করেনি। আর ঘটনাটি ছিল গ্রীষ্মকালের।থুমামা ইবনু আব্দুল্লাহও আনাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ৯)
21 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيّ ِالطَّسْتِيُّ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْعَبَّاسِ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ حُمَيْدٍ ، حَدَّثَنَا جَرِيْرٌ ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ حَمَاطَةَ ابْنِ أُخْتِ سَهْمِ بْنِ مِنْجَابٍ قَالَ:بعث العلاء بن الحضرمي في جيش فانتهوا إلى مدينة بينهم وبينها خليج من البحر، فصلى ركعتين ثم دعى فمشى على الماء، فلما رأى أهل المدينة ذلك،أعطوا آياديهم وقالوا لا نقاتلكم وقد رأيناكم صنعتم ما صنعتم،وكان من دعائه يَا عَلِيُّ، يَا عَظِيمُ، يَا عَلِيمُ، يَا حَكِيمُ.22 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ الدُّورِيُّ ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ حَمَاطَةَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مِنْجَابٍ ، كانمِن دعاءِ العلاءِ بنِ الحضرمِيِّ حِين عبر البحر ، إلى أهل دارين: يَا حَلِيمُ يَا كريم يا عَلِيُّ يَا عَظِيمُ.
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে রিজক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ ইবনে আলী আত-তাস্তি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আল-আব্বাস আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে হুমাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারির, কুদামাহ ইবনে হামাতাহ (যিনি সাহম ইবনে মিনজাব-এর ভাগ্নে) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল-আলা ইবনুল হাদরামিকে একটি বাহিনীর সাথে পাঠানো হয়েছিল। তারা এমন একটি শহরের নিকট পৌঁছাল যে শহর এবং তাদের মাঝে সমুদ্রের একটি খাঁড়ি ছিল। অতঃপর তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেন, তারপর দোয়া করলেন এবং পানির উপর দিয়ে হাঁটলেন। যখন শহরবাসী তা দেখল, তখন তারা তাদের হাত দিয়ে আত্মসমর্পণ করল এবং বলল: "আমরা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করব না, যেহেতু আমরা দেখেছি তোমরা যা করেছ।" তাঁর দোয়াটি ছিল: হে উচ্চমর্যাদাশীল, হে মহান, হে সর্বজ্ঞাত, হে প্রজ্ঞাবান।২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাকরান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস আদ-দুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে মাসউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি, তিনি কুদামাহ ইবনে হামাতাহ থেকে এবং তিনি খালিদ ইবনে মিনজাব থেকে বর্ণনা করেন:আল-আলা ইবনুল হাদরামি যখন সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দারিনের অধিবাসীদের নিকট যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর দোয়া ছিল: হে সহনশীল, হে দাতা, হে উচ্চমর্যাদাশীল, হে মহান।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১০)
23 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدُوسٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الْحَافِظُ ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بِسْطَامٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، صَاحِبُ الْهَرَوِيُّ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ أَبِي كَعْبٍ صَاحِبِ الْحَرِيرِ، واسمه عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ ضُرَيْبِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: لَمَّا بَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، الْعَلَاءَ بْنَ الْحَضْرَمِيِّ إِلَى الْبَحْرَيْنِ تَبِعْتُهُ فَرَأَيْتُ مِنْهُ ثَلَاثَ خِصَالٍ، لَا أَدْرِي بِأَيِّتِهِنَّ أَعْجَبُ: انْتَهَيْنَا إِلَى شَاطِئِ الْبَحْرِ // // 10فَقَالَ: سَمُّوا اللَّهَ وَاقْتَحِمُوا، فَسَمَّيْنَا وَاقْتَحَمْنَا فَعَبَرْنَا فَمَا بَلَّ الْمَاءُ إِلَاّ أَسَافِلَ خُفَافِ إِبِلِنَا فَلَمَّا قَفَلْنَا سِرْنَا مَعَهُ بِفَلَاةٍ مِنَ الأَرْضِ وَلَيْسَ مَعَنَا مَاءٌ فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ دَعَا فَإِذَا سَحَابَةٌ كمِثْلَ التُّرْسِ ثُمَّ أَرْخَتْ عَزَالِيَهَا فَسَقَيْنَا وَاسْتَقَيْنَا وَمَاتَ فَدَفَنَّاهُ فِي الرَّمَلِ فَلَمَّا سِرْنَا غَيْرَ بَعِيدٍ قُلْنَا: يَجِيءُ سَبْعٌ فَيَأْكُلُهُ فَرَجَعْنَا فَلَمْ نَرَهُ.
২৩ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর আহমদ ইবন আলী ইবন আবদুস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাফিজ সুলাইমান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুসাইন ইবন আহমদ ইবন বিসতাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-হারাউয়ির সঙ্গী ইসমাঈল ইবন ইবরাহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি রেশম ব্যবসায়ী আবু কাব থেকে—তার নাম আবদুল্লাহ ইবন উবাইদ—তিনি সাঈদ আল-জুরায়রি থেকে, তিনি আবুল সালীম দুরাইব ইবন নুফাইর থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলা ইবনুল হাদরামিকে বাহরাইনের দিকে প্রেরণ করলেন, আমি তাঁর অনুগামী হলাম। তখন আমি তাঁর মধ্যে তিনটি বিষয় দেখতে পেলাম, আমি জানি না সেগুলোর মধ্যে কোনটি নিয়ে আমি অধিক বিস্ময় প্রকাশ করব। আমরা যখন সমুদ্র তীরে পৌঁছলাম, তিনি বললেন: তোমরা আল্লাহর নাম নাও এবং পানিতে নেমে পড়ো। তখন আমরা আল্লাহর নাম নিলাম এবং নেমে পড়লাম, ফলে আমরা তা পার হয়ে গেলাম। এমতাবস্থায় আমাদের উটগুলোর মোজার নিচের অংশ ছাড়া পানি আর কিছুই ভেজাতে পারেনি। অতঃপর যখন আমরা ফিরে আসছিলাম, তখন আমরা তাঁর সাথে একটি বিস্তীর্ণ মরুভূমি অতিক্রম করছিলাম আর আমাদের নিকট কোনো পানি ছিল না। আমরা তাঁর কাছে অভিযোগ করলাম, তখন তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন এবং প্রার্থনা করলেন। হঠাৎ ঢালের ন্যায় একটি মেঘ দৃশ্যমান হলো এবং তা প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করল। ফলে আমরা নিজেরাও পান করলাম এবং পশুদেরও পান করালাম। অতঃপর তিনি ইন্তেকাল করলেন এবং আমরা তাঁকে বালুর মধ্যে দাফন করলাম। যখন আমরা সামান্য পথ অগ্রসর হলাম, তখন আমরা পরস্পর বললাম: কোনো হিংস্র জন্তু আসবে এবং তাঁকে খেয়ে ফেলবে। তাই আমরা পুনরায় ফিরে এলাম, কিন্তু সেখানে তাঁকে আর দেখতে পেলাম না।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১১)
24- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ ، فِيمَا أَجَازَ لَنَا ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَدَائِنِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو فَرْوَةَ يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ:كنا مع العلاء بن الحضرمي في عراة، فأصاب الناس عطش شديد، وليس في السماء قزعة من سحاب،فشكونا ذلك إليه، فتوضأ وصلى ركعتين، وقال يا حليم، يا عليم، يا علي، يا عظيم، ارحمنا واسقنا، قال: فأنشأت سحابة كأنها جناح طير، فأفرغت فسقينا واستقينا، ثم خرجنا نريد الغزو، فطلبنا سفينة فلم نجد، فنزل العلاء بن الحضرمي، فتوضأ وصلى ركعتين، وقال: يا حليم، يا عظيم، إجزنا عليه، ثم سمى ومضى في البحر، ونحن من خلفه، ونحن أربع مئة رجل، ما أصاب الماء حافر دآبة من دوآبنا،حتى آتينا العدو فغنمنا وأصبنا ثم خرجنا راجعين، فما أصاب الماء حافر دآبة من دوآبنا ثم مات فدفناه في أرض سبخة، فقال لنا بعض أهل الماء: أي رجل كان هذا الرجل فيكم؟ قلنا من خيرنا وأفضلنا، قال فإن هذه الأرض سبخة تلفظ الموتى،فلا تعرضوا صاحبكم للسباع، فقلنا فيما بيننا: ما جزاء العبد الصالح إن تعرضه السباع، قال: فنبشنا عنه التراب فلم نجد في القبر شيئا.
২৪- হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফ্ফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যা তিনি আমাদের জন্য অনুমতি দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন ইসহাক আল-মাদায়িনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ফারওয়া ইয়াযিদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ বিন সিনান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ঈসা বিন ইউনুস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন আওন থেকে বর্ণিত, আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা আল-আলা ইবনুল হাজরামীর সাথে এক উন্মুক্ত প্রান্তরে ছিলাম, তখন লোকেরা তীব্র পিপাসার্ত হয়ে পড়ল, অথচ আকাশে এক টুকরো মেঘও ছিল না। আমরা তাঁর কাছে সেই অভিযোগ করলাম, তখন তিনি উযূ করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন এবং বললেন: হে সহনশীল, হে সর্বজ্ঞ, হে সুউচ্চ, হে মহান! আমাদের ওপর দয়া করুন এবং আমাদের পানিপান করান। তিনি (আনাস) বলেন: এরপর পাখির ডানার ন্যায় একটি মেঘখণ্ড উদিত হলো, অতঃপর তা বর্ষণ করল, ফলে আমরা পান করলাম এবং আমাদের পশুদেরও পান করালাম। তারপর আমরা যুদ্ধের সংকল্প করে বের হলাম এবং একটি জাহাজ খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না। তখন আল-আলা ইবনুল হাজরামী অবতরণ করলেন, উযূ করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন এবং বললেন: হে সহনশীল, হে মহান! আমাদেরকে এর ওপর দিয়ে পার করে দিন। তারপর তিনি আল্লাহর নাম নিলেন এবং সমুদ্রের ওপর দিয়ে পথ চললেন এবং আমরা তাঁর পেছনে ছিলাম। আমরা চারশ জন লোক ছিলাম, আমাদের পশুদের কোনো ক্ষুরে পানি স্পর্শ করেনি, শেষ পর্যন্ত আমরা শত্রুর কাছে পৌঁছলাম এবং গনীমত লাভ করলাম ও জয়ী হলাম। তারপর আমরা ফেরার পথে রওয়ানা হলাম, তখনো আমাদের পশুদের কোনো ক্ষুরে পানি স্পর্শ করেনি। এরপর তিনি ইন্তেকাল করলেন এবং আমরা তাঁকে একটি লবণাক্ত ভূমিতে দাফন করলাম। তখন জলাশয়ের নিকটবর্তী এক লোক আমাদের বলল: এই ব্যক্তি তোমাদের মাঝে কেমন ছিলেন? আমরা বললাম, তিনি আমাদের মাঝে সর্বোত্তম ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের একজন। তিনি বললেন, এই ভূমিটি লবণাক্ত যা মৃতদেহ উগরে দেয়, সুতরাং তোমরা তোমাদের সঙ্গীকে হিংস্র পশুর শিকারে পরিণত করো না। আমরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করলাম: একজন নেককার বান্দার প্রতিদান কি এই যে তাঁকে হিংস্র পশুদের সামনে ছেড়ে দেওয়া হবে? বর্ণনাকারী বলেন: তারপর আমরা মাটি খুঁড়লাম, কিন্তু কবরে কিছুই খুঁজে পেলাম না।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১২)
25- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ الْحَذَّاءَُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ، حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قال: اشْتَدَّ البحر على أَبِي رَيْحَانَةَ، فقال: آه أسكن أَنْتَ خُلُقُ عَبْدٍ حَبَشِيٍّ ، فَسَكَنَ، قال: فسقطت منه إبرته // 11 // في البحر فقال: عَزَّمْتُ عَلَيْكَ يَا رَبِّ أن تردها علي فظهرت على الماء فأخذها.26 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُومُحَمَّدٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ ، حَدَّثَنَا أَبُومُحَمَّدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيٍّ الْخُطَبِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمّدُ بْنُ عُمَرَ الصَّائِغُ، حَدَّثَنَا أَبُو هَمَّامٍ ، حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ فَرْوَةَ الأَعْمَى ، قَالَ: كَانَ أَبُو رَيْحَانَةَ فِي الْبَحْرَ، يَخِيطُ، فَوَقَعَتْ إِبْرَتُهُ فِي الْبَحْرِ،فرفع رأسه إلى السماء ، فَقَالَ:تعلم حاجتي إليها ، فطفت على رأس الماء ، فأخذها.27- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَرَّاقُ أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا الحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَشْكَابَ ، حَدَّثَنَا أَبِي ،، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ جَمِيلِ بْنِ مُرَّةَ، قَالَ: ربما احتجت إلى النفقة فأرفع طرف وسادتي ، فأجد فيه النفقة.
২৫- হাসান আমাদের অবহিত করেছেন, আহমাদ বিন ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন মুহাম্মাদ আস-সামারকান্দি আল-হাজ্জা আমাদের অবহিত করেছেন, আহমাদ বিন শায়বান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুআম্মিল বিন ইসমাঈল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু রায়হানার জন্য সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠল, তখন তিনি বললেন: "আহ, শান্ত হও, তুমি তো একজন হাবশি দাসেরই সৃষ্টি।" ফলে সমুদ্র শান্ত হয়ে গেল। তিনি বলেন: এরপর তাঁর সুঁইটি সমুদ্রে পড়ে গেল। তখন তিনি বললেন: "হে আমার রব, আমি আপনার নামে শপথ করে বলছি যে, আপনি সেটি আমার কাছে ফিরিয়ে দিন।" এরপর সেটি পানির উপরে ভেসে উঠল এবং তিনি তা গ্রহণ করলেন।২৬ - হাসান আমাদের অবহিত করেছেন, আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন উসমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মাদ ইসমাঈল বিন আলী আল-খুতাবি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন উমর আস-সায়িগ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু হাম্মাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, দামরাহ বিন রাবিয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ফারওয়া আল-আ'মা থেকে, তিনি বলেন: আবু রায়হানা সমুদ্রে অবস্থানকালে সেলাই করছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর সুঁইটি সমুদ্রে পড়ে গেল। তখন তিনি আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং বললেন: "আপনি তো এর প্রতি আমার প্রয়োজনের কথা জানেন।" এরপর সেটি পানির উপরিভাগে ভেসে উঠল এবং তিনি তা গ্রহণ করলেন।২৭- হাসান আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-ওয়াররাক আবু বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আশকাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়দ থেকে, তিনি জামিল বিন মুররাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মাঝেমধ্যে আমার খরচের (অর্থের) প্রয়োজন হতো, তখন আমি আমার বালিশের এক পাশ তুলতাম এবং সেখানেই প্রয়োজনীয় অর্থ পেয়ে যেতাম।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৩)
28 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ ، حَدَّثَنَا الْقَاضِي عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ قَانِعٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْغَلَابِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ ، أن هرم بن حيان مات في يوم صائف ، فلما فرغ من دفنه ، جاءت سحابة ، فرست على القبر حتى نزل السائل ، فجاوز القبر منها وطره.29 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ بْنِ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ الْعَيْشِيُّ،حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، قال:خرجت في ليلة ظلماء، ذات برد ، ودلج ، ومطر ، ومعي شوي، قلت: أقسمه في جيراني.قال: فإذا أنا بامرأة قد خرجت وهي تقول:يا رفيق ارفق بنا.قال: قلت: مالك رحمك الله.قالت:حماد؟ قلت:حماد.قالت: يا حماد إنه دخل هذا المطي علي ليتامى، فجئت من بينهم فقلت: يا رفيق ارفق بنا. قالت:فدخلت فوجدته أبيس ما كان، فقال: هاك رحمك الله، هذا الشوي، وأنفقي على نفسك وعلى أيتامك.فقالت إليك عني يا حماد فإني انما أسأل أجود الأجودين.
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আব্দুল বাকী ইবনে কানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে যাকারিয়া আল-গালাবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ ইবনে হুসাইন, হিশাম থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে: হারাম ইবনে হাইয়ান এক গ্রীষ্মের দিনে মৃত্যুবরণ করেন। যখন তাঁর দাফন সম্পন্ন হলো, তখন একটি মেঘ আসল এবং কবরের ওপর অবস্থান করল যতক্ষণ না বৃষ্টি বর্ষিত হলো; অতঃপর মেঘটি কেবল কবরের ওপরই তার বর্ষণ সমাপ্ত করল।২৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাযান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম ইবনে সাহল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ আল-আইশি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, তিনি বলেন: আমি এক অন্ধকার, কনকনে শীত ও বৃষ্টির রাতে বের হলাম, আমার সাথে কিছু ভাজা গোশত ছিল। আমি মনে মনে বললাম: এগুলো আমি আমার প্রতিবেশীদের মাঝে বণ্টন করে দেব। তিনি বলেন: হঠাৎ আমি এক মহিলার দেখা পেলাম যে বের হয়েছে এবং বলছে: হে দয়াশীল, আমাদের প্রতি দয়া করুন। তিনি বলেন: আমি বললাম: তোমার কী হয়েছে, আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন? তিনি বললেন: হাম্মাদ? আমি বললাম: হাম্মাদ। তিনি বললেন: হে হাম্মাদ, আমার এতিমদের ওপর এই বিপদ (বা দুর্যোগ) আপতিত হয়েছে, তাই আমি তাদের মাঝখান থেকে বেরিয়ে এসে বললাম: হে দয়াশীল, আমাদের প্রতি দয়া করুন। তিনি (হাম্মাদ) বলেন: আমি ভেতরে প্রবেশ করলাম এবং তাদের অত্যন্ত শোচনীয় অবস্থায় দেখতে পেলাম। আমি বললাম: আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন, এই নাও এই ভাজা গোশত, এটি তোমার নিজের ও তোমার এতিমদের জন্য ব্যয় করো। তখন তিনি বললেন: হে হাম্মাদ, আমার থেকে দূরে সরো, আমি তো কেবল সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা (আল্লাহর) নিকটই যাঞ্চা করি।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৪)
30 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَسْرُورٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ // 12 // حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا أَبُو سَالِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ كَاتِبُ اللَّيْثِ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قال: كان لي أخ رَكِبَ الْبَحْرَ، فَقَامَ فِي بَعْضِ اللَّيْلِ يَتَوَضَّأُ، فَزَلَّتْ رِجْلُهُ، فَوَقَعَ فِي الْبَحْرِ، فَجَاءَتْ مَوْجَةٌ، فَغَطَّتْهُ، ثُمَّ جَاءَتْ مَوْجَةٌ فَرَفَعَتْهُ، فَقَالَ: يَا حَيُّ لَا إِلَهَ إِلَاّ أَنْتَ، فَجَاءَتْ مَوْجَةٌ فَغَطَّتْهُ، حَتَّى لَمْ يبق مِنْهُ شَيْءٌ، ثُمَّ جَاءَتْ مَوْجَةٌ فَرَفَعَتْهُ، فَقَالَ: يَا حَيُّ لَا إِلَهَ إِلَاّ أَنْتَ، فقال: يا لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ، هَا أَنَا ذَا قَدْ جِئْتُكَ منجي الضعفاء فَرَفَعَتْهُ حَتَّى أوضَعَتهُ فِي الْمَرْكَبِ إلى أصحابه.31- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ السُّكَّرِيُّ، حَدَّثَنَا زكرياء بن يحيى، حَدَّثَنَاالأصمعي، حدثني رجل من أهل العلم يقال له إسماعيل بن إبراهيم، قال: كان بين سليمان التيمي وبين رجل منازعة في شيء فتناول الرجل بطن سليمان فَعَصَرَهَا فجفت يده.
৩০ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ ইবনে উমর ইবনে মাসরুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন // ১২ // জাফর ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লায়সের লেখক আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লায়স ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার এক ভাই ছিল যে সমুদ্রে ভ্রমণ করছিল। সে রাতের এক অংশে অজু করার জন্য দাঁড়ালো, তখন তার পা পিছলে গেল এবং সে সমুদ্রে পড়ে গেল। এরপর একটি ঢেউ এসে তাকে ঢেকে দিল, তারপর অন্য একটি ঢেউ এসে তাকে উপরে উঠালো। তখন সে বলল: হে চিরঞ্জীব, আপনি ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই। এরপর আবার একটি ঢেউ এসে তাকে ঢেকে দিল, এমনকি তার কোনো কিছুই আর অবশিষ্ট রইল না। তারপর অন্য একটি ঢেউ এসে তাকে উপরে উঠালো, তখন সে বলল: হে চিরঞ্জীব, আপনি ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই। তখন বলা হলো: আমি তোমার ডাকে সাড়া দিচ্ছি এবং তোমার কল্যাণ করছি, এই তো আমি দুর্বলদের উদ্ধারকারী হিসেবে তোমার নিকট এসেছি। এরপর তাকে উপরে উঠিয়ে তার সাথীদের নিকট নৌকায় পৌঁছে দেওয়া হলো।৩১- আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সুক্কারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইলম অন্বেষণকারী জনৈক ব্যক্তি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যাকে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম বলা হয়, তিনি বলেন: সুলাইমান আত-তাইমি এবং এক ব্যক্তির মধ্যে কোনো একটি বিষয়ে বিবাদ ছিল। তখন সেই ব্যক্তি সুলাইমানের পেট ধরে জোরে চাপ দিল, ফলে তার হাত শুকিয়ে গেল।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৫)
32- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ،أخبرنا الحسين بن محمد بن عفيم، حَدَّثَنَا مُحَمَّدَ بْنَ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا هَارُونَ بْنَ الْمُغِيرَةِ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، قَالَ: قَرَأَ وَاصِلٌ الأَحْدَبُ هَذِهِ الآيَةَ: {وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ} ، فَقَالَ: أَرَى رِزْقِي فِي السَّمَاءِ وَأَنَا أَطْلُبُهُ فِي الأَرْضِ؛ لَا وَاللَّهِ لَا أَطْلُبُهُ فِي الأَرْضِ أَبَدًا، فَدَخَلَ خِرْبَةً فمكث يَوْمَيْنِ فَلَمْ يَأْتِهِ شَيْءٌ،فاشتد عليه، فَلَمَّا كَانَ الْيَوْمُ الثَّالِثُ إِذَا ِدَوْخَلَةٍ مِنْ رُطَبٍ وَكَانَ لَهُ أَخٌ أَحْسَنُ نِيَّةً مِنْهُ فجاءه فََصَابَ معه فإذا قد صارت دَوْخَلَتَيْنِ فلم يزل ذَلِكَ حَالَهُمَا حَتَّى فَرَّقَ الْمَوْتُ بَيْنَهُمَا.33- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ، قال: قرىء على أحمد بن سلمان،وأنا أسمع،قيل له:حدثكم الحسن بن علي،قال: سمعت ابن ابي الحواري قال:سمعت ابن أبي الحواري،قال: سمعت أبي سليم،يقول ربما خطرت الشهوة على قلبي،ولا أدعو بها،فتؤتى لي حتى توضع بين يدي.34- أخبرنا الحسن،أخبرنا محمد بن أحمد بن رزق، // 13 // حدثنا أحمد بن عثمان بن يحيى،حدثنا محمد بن سويد الطحان،حدثنا خالد بن خداش،أخبرنا حازم مولى الحي ، عن عبد الواحد بن زيد، قال: ذهبت مع أيوب السختياني إلى حذاء فعطشت،فقلت إني عطشان،فقال أيوب: إن سقيتك ماء تكتم علي، قلت:نعم، قال: فدعى الله،عز وجل، وصلى ركعتين، فإذا ماء قد نبع فشربنا،وتوضأنا، وحمدنا الله،عز وجل، فذهب الماء ثم انصرفنا.
৩২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আফিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন হুমাইদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হারুন বিন আল-মুগীরা, সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ওয়াসিল আল-আহদাব এই আয়াতটি পাঠ করলেন: {আর আসমানে রয়েছে তোমাদের রিযিক এবং যা তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে}, এরপর তিনি বললেন: আমি আমার রিযিক আসমানে দেখতে পাচ্ছি অথচ আমি তা যমীনে তালাশ করছি; না, আল্লাহর শপথ, আমি আর কখনোই তা যমীনে তালাশ করব না। এরপর তিনি একটি জনশূন্য স্থানে প্রবেশ করলেন এবং সেখানে দুই দিন অবস্থান করলেন কিন্তু তার কাছে কিছুই এল না, এতে তার ওপর বিষয়টি কঠিন হয়ে পড়ল। যখন তৃতীয় দিন হলো, তখন হঠাৎ এক ঝুড়ি তাজা খেজুর উপস্থিত হলো। তার এক ভাই ছিল যার নিয়ত তার চেয়েও উত্তম ছিল, তিনি তার কাছে আসলেন এবং তার সাথে শরিক হলেন, তখন দেখা গেল তা দুই ঝুড়ি হয়ে গেছে। মৃত্যু তাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটানো পর্যন্ত তাদের অবস্থা এমনই ছিল।৩৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ বিন উমর, তিনি বলেন: আহমাদ বিন সালমানের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তাকে বলা হয়েছিল: আপনাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী, তিনি বলেন: আমি ইবনুল আবিল হাওয়ারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু সুলাইমানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: কখনো কখনো আমার অন্তরে কোনো কিছুর আকাঙ্ক্ষা জাগে, কিন্তু আমি সেটির জন্য প্রার্থনা করি না, তবুও তা আমার কাছে নিয়ে আসা হয় এমনকি তা আমার সামনে রেখে দেওয়া হয়।৩৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন রিযক, // ১৩ // আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন উসমান বিন ইয়াহইয়া, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন সুওয়াইদ আত-তাহহান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন খালিদ বিন খিদাশ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গোত্রের মুক্তদাস হাযিম, আব্দুল ওয়াহিদ বিন যাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানীকে সাথে নিয়ে একজন মুচির কাছে গেলাম এবং আমি তৃষ্ণার্ত হলাম। আমি বললাম: আমি তৃষ্ণার্ত। তখন আইয়ুব বললেন: আমি যদি তোমাকে পানি পান করাই তবে তুমি কি তা আমার পক্ষ থেকে গোপন রাখবে? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বলেন: এরপর তিনি মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর কাছে দুয়া করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, অমনি পানি উপচে উঠতে লাগল। আমরা পান করলাম, ওযু করলাম এবং মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর প্রশংসা করলাম। এরপর পানি চলে গেল এবং আমরা প্রস্থান করলাম।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৬)
35 – أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، قال: أجاز لنا عَبْدِ اللهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ ثن....،حدثنا علي بن محمد الواعظ، حدثني جعفر بن مسكين،عن محمد بن عمرو، عن مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ ، حَدَّثَنَي عَمْرُو بْنُ جَرِيرٍ الْبَجَلِيُّ ، عَنْ بَكْرِ بْنِ خُنَيْسٍ ، عَنْ رَجُلٍ سَمَّاهُ قَالَ: كَانَ بِيَدِ أَبِي مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيِّ سُبْحَةٌ يُسَبِّحُ بِهَا قَالَ: فَنَامَ وَالسُّبْحَةُ فِي يَدِهِ، قَالَ: فَاسْتَدَارَتِ السُّبْحَةُ فَالْتَفَّتْ عَلَى ذِرَاعِهِ وَجَعَلَتْ تُسَبِّحُ، قَالَ: فَالتفت أَبُو مُسْلِمٍ وَالسُّبْحَةُ تَدُورُ فِي ذِرَاعِهِ وَهِيَ تَقُولُ: سُبْحَانَكَ يَا يا منبت النبات، ويا دائم الثبات،قَالَ: فَقَالَ: هَلُمِّي يَا أمَّ مُسْلِمٍ فَانْظُرِي إِلَى أعَجَبِ الأعاجيب، قَالَ: فَجَاءَتْ أمُّ مُسْلِمٍ وَالسُّبْحَةُ تَدُورُ وَتُسَبِّحُ فَلَمَّا جَلَسَتْ سَكَنَتْ.36- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ، حدثني أبو محمد عبد الله بن أحمد التمار،حدثنا الحسين بن أحمد بن بسطام،حدثنا أزهر بن جميل مولى بني هاشم، حدثنا ابن عيينة، قال: كنت صبيا ألعب مع الصبيان بالكوفة، فمر أسدان فقال أحدهما للآخر خليق أن يكون لهذا الغلام نبأ.37- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، قال: سمعت أبا حفص عمر بن أحمد بن شاهين يقول: سمعت عبد الله بن سليمان يقول: سمعت أبا حمزة بن الفرج قال: كان أبو معاوية الأسود يقرأفي المصحف فذهب بصره، وكان إذا جاء وقت قرآته وفتح المصحف رجع إليه بصره ، // 14 // فيقول: فإذا أطبق المصحف ذهب بصره.
৩৫ – আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের অনুমতি দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে সান..., আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়ায়িজ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মিসকিন, মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন থেকে, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে জারির আল-বাজালি, বকর ইবনে খুনাইস থেকে, জনৈক ব্যক্তি থেকে যার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসলিম আল-খাওলানি-র হাতে একটি তসবীহ ছিল যা দিয়ে তিনি তসবীহ পাঠ করতেন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন আর তসবীহটি তার হাতেই ছিল। তিনি বলেন: তখন তসবীহটি ঘুরে তার হাতের কব্জিতে পেঁচিয়ে গেল এবং তসবীহ পাঠ করতে শুরু করল। তিনি বলেন: তখন আবু মুসলিম লক্ষ্য করলেন তসবীহটি তার কব্জিতে ঘুরছে এবং সেটি বলছে: "হে উদ্ভিদ উৎপন্নকারী এবং হে চিরস্থায়ী স্থায়িত্ব দানকারী, আপনি পবিত্র।" তিনি বলেন: তখন তিনি বললেন: হে উম্মে মুসলিম, এসো এবং এক পরম আশ্চর্যজনক দৃশ্য দেখো। তিনি বলেন: অতঃপর উম্মে মুসলিম আসলেন এবং দেখলেন তসবীহটি ঘুরছে ও তসবীহ পাঠ করছে, কিন্তু তিনি যখন বসলেন তখন সেটি স্থির হয়ে গেল।৩৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আত-তাম্মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে বাসতাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বনু হাশেমের মুক্তদাস আযহার ইবনে জামিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উয়াইনাহ, তিনি বলেন: আমি যখন বালক ছিলাম তখন কুফায় বালকদের সাথে খেলতাম। এমতাবস্থায় দুটি সিংহ পাশ দিয়ে অতিক্রম করল, তখন তাদের একজন অন্যজনকে বলল: এই বালকের বড় কোনো সংবাদ বা ভবিষ্যৎ হওয়ার বিশেষ যোগ্যতা রয়েছে।৩৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন: আমি আবু হাফস উমর ইবনে আহমদ ইবনে শাহিনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হামযাহ ইবনুল ফারাজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আল-আসওয়াদ কুরআন দেখে তিলাওয়াত করতেন, অতঃপর তার দৃষ্টিশক্তি চলে যায়। কিন্তু যখনই তার তিলাওয়াতের সময় আসত এবং তিনি কুরআন শরিফ খুলতেন, তখন তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসত। // ১৪ // তিনি বলেন: অতঃপর যখন তিনি কুরআন বন্ধ করতেন, তখন তার দৃষ্টিশক্তি পুনরায় চলে যেত।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৭)
38 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الطُّوسِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عن ابن سعد بن إبراهيم ، قال: كانت زنيرة رومية ، فلما أسلمت ذهب بصرها ، فقال المشركون: أعمتها اللات والعزي ، فقالت: هي تكفر باللات والعزي ، فرد الله ، عز وجل إليها بصرها.38 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ غَيْلَانَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الأَدَمِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو مِسْهِرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَن أَبَا مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيَّ كان إذا انصرف لايزال يكبر الله ، عز وجل ، حتى إذا دنا سمع امرأته فتكبر بتكبيره فدخلت عليها امرأة فأفسدتها عليه فجاء أبو مسلم فكبر فلم تكبر ، وقال: اللهم أفسد من أقبل علي أهلي،اللهم فاذهب بصره،فعميت المرأة فعرفت من أين أتيت، فسألته أن يدعو الله، عز وجل، أن يرد بصرها،فدعى الله فرد بصرها، قال المحدث: فرأيتها عمياء، ورأيتها بصيرة، قال أبو مسلم:حدثني عثمان بن مريم الخولاني،قال:فرجع إليها بصرها أجود مما كان حتى إن كانت لترى الشىء من كذا وكذا.39- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ بْنُ عَبْدُ اللهِ، أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عِيسَى الطُّفَاوِيُّ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ رَابِعَةَ، كَانَتْ تَطْبُخُ قِدْرًا، فَاشْتَهَتْ بَصَلاً، فَجَاءَ طَائِرٌ فِي مِنْقَارِهِ بِصِلَةٌ، فَأَلْقَاهَا إِلَيْهَا.
৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন সুলাইমান আত-তুসি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি আবদির রহমান আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি ইবনে সা'দ বিন ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জুনাইরাহ ছিলেন একজন রোমীয় নারী, যখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তাঁর দৃষ্টিশক্তি চলে যায়। এতে মুশরিকরা বলতে লাগল: লাত ও উজ্জা তাঁকে অন্ধ করে দিয়েছে। তখন তিনি বললেন: তিনি (জুনাইরাহ) লাত ও উজ্জাকে অস্বীকার করেন। অতঃপর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিলেন।৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন আমর বিন সাহল আল-হারিরি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন গাইলান, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-আদামি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মিসহার, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ যে, আবু মুসলিম আল-খাওলানি যখনই (বাড়ি) ফিরতেন, ততক্ষণ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর তাকবীর পাঠ করতে থাকতেন যতক্ষণ না তিনি নিকটবর্তী হতেন এবং তাঁর স্ত্রীর কণ্ঠে তাঁর তাকবীরের জবাবে তাকবীর শুনতে পেতেন। অতঃপর এক নারী তাঁর স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করে তাঁকে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে বিগড়ে দিল। আবু মুসলিম এসে তাকবীর দিলেন কিন্তু স্ত্রী তাকবীর দিলেন না। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহ! যে ব্যক্তি আমার স্ত্রীকে আমার বিরুদ্ধে বিগড়ে দিয়েছে তাকে আপনিও বিগড়ে দিন, হে আল্লাহ! আপনি তার দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিন। ফলে ওই নারী অন্ধ হয়ে গেল এবং সে বুঝতে পারল কোথা থেকে এই বিপদ এসেছে। অতঃপর সে তাঁর কাছে আবেদন করল যেন তিনি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য দোয়া করেন। তিনি দোয়া করলেন এবং আল্লাহ তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: আমি তাকে অন্ধ অবস্থায় দেখেছি এবং পরে তাকে দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন অবস্থায় দেখেছি। আবু মুসলিম বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান বিন মারইয়াম আল-খাওলানি, তিনি বলেন: তাঁর দৃষ্টিশক্তি আগের চেয়েও চমৎকারভাবে ফিরে এসেছিল, এমনকি তিনি অনেক দূরের জিনিসও দেখতে পেতেন।৩৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ঈসা আত-তুফাবি, তিনি বলেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, রাবেয়া একটি হাঁড়িতে রান্না করছিলেন, তখন তাঁর একটি পেঁয়াজের প্রয়োজন হলো। এমতাবস্থায় একটি পাখি তার ঠোঁটে একটি পেঁয়াজ নিয়ে এল এবং সেটি তাঁর কাছে ফেলে দিল।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৮)
40- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا علي بن عمر بن علي التمار، حدثنا جعفر بن محمد بن نصر الجلدي،حدثنا أحمد بن محمد بن مسروق، حدثنا محمد بن الحسين الترحلاني، حدثنا عتاب بن زياد الخراساني، حدثنا ابن المبارك، قال: قال مسلم بن يسار لأصحابه يوم التروية، هل لكم في الحج؟ قالوا: خرف الشيخ على ذلك لنطيعنه قال: من أراد ذلك فليخرج فخرجوا إلى الجبال برواحلهم فقال خلوا أزمتها فأصبحوا وهم ينظرون إلى جبال تهامة.41- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أحمد بن مالك الْعَاجِيُّ ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ الدِّمَشْقِيُّ، // // 15 حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سُلَيْمَانَ الدَّارَانِيَّ، يَقُولُ: كَانَ حَبِيبٌ أَبُو مُحَمَّدٍ يَأْخُذُ مَتَاعًا مِنَ التُّجَّارِ يَتَصَدَّقُ بِهِ فَأَخَذَ مَرَّةً فَلَمْ يَجِدْ شَيْئًا يُعْطِيهِمْ، قَالَ: فأخذ مرة من ذاك فأوعدهم فدخل فلم يجد شيئا ، فَقَالَ: يَا رَبِّ كَأَنَّهُ قَالَ: إِنِّي يَنْكَسِرُ وَجْهِي عِنْدَهُمْ، فَدَخَلَ فَإِذَا هُوَ بِجَوَالِقَ مِنْ شَعْرٍ كَأَنَّهُ نُصِبَ مِنْ أَرْضِ الْبَيْتِ إِلَى قَرِيبِ السَّقْفِ مَلآنَ دَرَاهِمَ، قَالَ: فَقَالَ: يَا رَبِّ لَيْسَ أُرِيدُ أَكْلَهُ ، قَالَ: فَأَخَذَ حَاجَتَهُ وَتَرَكَ الْبَقِيَّةَ.
৪০- হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন উমর বিন আলী আত-তাম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নাসর আল-জুলদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আত-তারহালানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আত্তাব বিন যিয়াদ আল-খুরাসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিম বিন ইয়াসার ইয়াওমুত তারবিয়াহর দিনে (৮ই জিলহজ) তাঁর সাথীদের উদ্দেশ্যে বললেন, তোমাদের কি হজ্জ করার ইচ্ছা আছে? তারা বললেন: শাইখ বার্ধক্যের কারণে অপ্রকৃতিস্থ হয়ে পড়েছেন, তবুও আমরা তাঁর আনুগত্য করব। তিনি বললেন: যে এটি চায় সে যেন বের হয়ে আসে। অতঃপর তারা তাদের বাহনগুলো নিয়ে পাহাড়ের দিকে বের হলেন। এরপর তিনি বললেন: এগুলোর লাগাম ছেড়ে দাও। এরপর ভোর হলে তারা নিজেদেরকে তিহামার পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখলেন।৪১- হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন উমর বিন সাহল আল-হারীরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মালিক আল-আজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন আহমাদ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আবিল হাওয়ারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সুলাইমান আদ-দারানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: হাবীব আবু মুহাম্মদ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মালামাল নিতেন এবং তা সদকা করে দিতেন। একবার তিনি মালামাল নিলেন কিন্তু তাদেরকে দেওয়ার মতো কিছু পেলেন না। বর্ণনাকারী বলেন: একবার তিনি কিছু নিলেন এবং তাদেরকে (পরিশোধের) প্রতিশ্রুতি দিলেন, কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করে কিছুই পেলেন না। তখন তিনি বললেন: হে আমার রব! তিনি যেন বলছিলেন: তাদের সামনে তো আমি লজ্জিত হব। এরপর তিনি ভেতরে প্রবেশ করে পশমের তৈরি একটি বড় থলে দেখতে পেলেন, যা যেন ঘরের মেঝে থেকে ছাদের কাছাকাছি পর্যন্ত খাড়া হয়ে আছে এবং দিরহামে পূর্ণ। তিনি বললেন: হে আমার রব, আমি এগুলো খেতে (ভোগ করতে) চাই না। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর প্রয়োজন মাফিক গ্রহণ করলেন এবং অবশিষ্টটুকু রেখে দিলেন।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ১৯)
42- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سُلَيْمَانَ،حَدَّثَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُبَيْقٍ، قَالَ: قَالَ: أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِيُّ: كان إبراهيم بن أدهم على بعض جبال مكة ، فقال: لو أن وليا من أولياء الله ، عز وجل ، قال للجبل زل لزال. قال: فتحرك الجبل من تحته ، قال: فضرب برجله ، وقال: اسكن ، إنما ضربتك مثلا لأصحابي.43- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرَانَ بْنِ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ إِسْحَاقَ أَبُو الْعَبَّاسِ الْأَنْصَارِيُّ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِمْرَانَ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، قَالَ: قَالَ لِي أَخِي عَلِيُّ بْنُ صَالِحٍ في الليلة التي توفي فيها: يا أخي اسقني ماء،قال: وكنت قائما أصلي،قال: فلما قضيت صلاتي أتيته بماء،فقلت يا أخي،فقال لي: لبيك فقلت هذا ماء فقال لي: شربت الساعة،قلت من سقاك؟ وليس في الغرفة غيري وغيرك،قال: الساعة أتاني جبريل الساعة بماء فسقاني،وقال لي:أنت وأخوك وأختك مع الذين أنعم الله عليهم من النبيين والصدقين والشهداء والصالحين،وخرجت نفسه.
৪২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন হুবাইক, তিনি বলেন: আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি বলেছেন: ইবরাহিম বিন আদহাম মক্কার কোনো এক পাহাড়ের ওপর ছিলেন, তখন তিনি বললেন: "মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর ওলিগণের মধ্য হতে কোনো ওলি যদি পাহাড়কে বলেন 'সরে যাও', তবে তা অবশ্যই সরে যাবে।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন পাহাড়টি তার নিচ থেকে নড়ে উঠল। তিনি বলেন: তখন তিনি পাহাড়টিকে তাঁর পা দিয়ে আঘাত করলেন এবং বললেন: "স্থির হও, আমি কেবল আমার সাথীদের সামনে তোমাকে উদাহরণ হিসেবে পেশ করেছি।"৪৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন বকরান বিন ইমরান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইসহাক আবু আল-আব্বাস আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইমরান আদ-দারির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম, হাসান বিন সালিহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার ভাই আলি বিন সালিহ যে রাতে মৃত্যুবরণ করেন, সে রাতে আমাকে বললেন: "হে ভাই, আমাকে পানি পান করাও।" তিনি বলেন: তখন আমি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ছিলাম। তিনি বলেন: যখন আমি নামাজ শেষ করলাম, আমি তাঁর কাছে পানি নিয়ে এলাম এবং বললাম: "হে ভাই।" তখন তিনি আমাকে বললেন: "আমি উপস্থিত।" আমি বললাম: "এই তো পানি।" তখন তিনি আমাকে বললেন: "আমি এইমাত্র পান করেছি।" আমি বললাম: "তোমাকে কে পান করাল? অথচ এই কামরায় আমি আর তুমি ছাড়া আর কেউ নেই।" তিনি বললেন: "এইমাত্র জিবরীল আমার কাছে পানি নিয়ে এসেছিলেন এবং আমাকে পান করিয়েছেন। আর তিনি আমাকে বললেন: 'তুমি, তোমার ভাই এবং তোমার বোন তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের ওপর আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন—অর্থাৎ নবীগণ, সত্যনিষ্ঠগণ, শহীদগণ এবং সৎকর্মশীলগণের সাথে'।" এরপরই তাঁর আত্মা নির্গত হলো।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২০)
44- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ // // 16الْقَاسِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمُؤَدِّبُ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الْمِصْرِيُّ، قَالَ: قَالَ لِي حَاتِمٌ الْأَصَمُّ: قَالَتْ لِي امرأتي: اخرج اطلب لنا شيا ، قَالَ: ليس عندنا شي. قَالَ: قَالَتْ لِي:ما أدري أين أذهب؟ لو علمت أين رزقي لذهبت حتى آخذه. قال: فخرجت فأتيت قوما يعملون فأجرتهم نفسي بخمسة دوانق،فلما أمسيت أخذت أجري منهم فبينما أنا راجع إلى البيت إذا إنسان قد استقبلني فقال: من أين جئت يا أبا عبد الرحمان؟ فأخبرته فقال: هذه أرض غصب،قال: فرجعت إلى أولئك فأخبرتهم،ووعظتهم،ورددت عليهم الخمس الدوانيق فرجعت إلى البيت فإذا قدر كبيرة نقود،وإذا إنسان قد بعث بنصف شاة،قال:فقلت رزقي هاهنا وأنا أطلبه خارجا.45 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ الْمُغِيرَةِ ، حَدَّثَنِي عَمِّي، حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ وَهْبٍ، أَبُو شُرَيْحٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، أن مركبهم انكسر بهم في البحر فرمى بهم الموج إلى حشفة في مكان من البحر ، قال: فأنبت الله ، عز وجل ، لنا شجرة على تلك الحشفة فيها عدتنا ورقا ، قال: فكنا نمصها فتشبعنا من الطعام والشراب، قال: فإذا كان من الغد أنبت الله عز وجل لنا مثلها على عدتنا ، فلم نزل على ذلك حتى مر بنا مركب للمسلمين فحملونا
৪৪- হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ ইবনে উমর আল-কাওয়াস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম ইবনে সুলাইমান আল-মুয়াদ্দিব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, উমর ইবনে আল-হাসান ইবনে নাসর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবি ইমরান আল-মিসরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাতিম আল-আসাম আমাকে বলেছেন: আমার স্ত্রী আমাকে বলল: বাইরে বের হোন এবং আমাদের জন্য কিছু অন্বেষণ করুন। তিনি বললেন: আমাদের কাছে তো কিছু নেই। তিনি বলেন: সে আমাকে বলল: আমি জানি না কোথায় যাব? যদি আমি জানতাম আমার রিজিক কোথায়, তবে আমি তা সংগ্রহ করতে সেখানে যেতাম। তিনি বলেন: অতঃপর আমি বের হলাম এবং একদল লোকের নিকট আসলাম যারা কাজ করছিল, আমি পাঁচ দানিক মুদ্রার বিনিময়ে নিজেকে তাদের কাজে নিয়োজিত করলাম। যখন সন্ধ্যা হলো, আমি তাদের নিকট থেকে আমার মজুরি গ্রহণ করলাম। এমতাবস্থায় আমি যখন বাড়িতে ফিরছিলাম, তখন এক ব্যক্তি আমার সম্মুখীন হয়ে বলল: হে আবু আবদুর রহমান, আপনি কোথা থেকে আসলেন? আমি তাকে জানালাম। সে বলল: এটি তো জবরদখল করা জমি। তিনি বলেন: তখন আমি তাদের নিকট ফিরে গেলাম এবং তাদের বিষয়টি জানালাম ও নসিহত করলাম, আর তাদের সেই পাঁচ দানিক ফিরিয়ে দিলাম। এরপর আমি বাড়িতে ফিরে দেখি সেখানে মুদ্রায় পূর্ণ একটি বড় পাত্র রয়েছে এবং এক ব্যক্তি অর্ধেক বকরি পাঠিয়েছে। তিনি বলেন: তখন আমি বললাম, আমার রিজিক তো এখানেই ছিল অথচ আমি তা বাইরে তালাশ করছিলাম।৪৫ - হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আল-আব্বাস ইবনে আল-আব্বাস ইবনে আল-মুগিরাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আমার চাচা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হারমালাহ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু শুরাইহ থেকে, উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি জাফর থেকে বর্ণিত যে, সমুদ্রে তাদের জাহাজটি ভেঙে গিয়েছিল, ফলে ঢেউ তাদের সমুদ্রের একটি নির্জন উচ্চভূমিতে নিক্ষেপ করল। তিনি বলেন: অতঃপর মহান আল্লাহ আমাদের জন্য সেই ভূমিতে একটি গাছ উৎপন্ন করলেন যাতে আমাদের সংখ্যা অনুযায়ী পাতা ছিল। তিনি বলেন: আমরা সেগুলো চুষতাম, যা আমাদের খাদ্য ও পানীয় হিসেবে তৃপ্ত করত। তিনি বলেন: যখন পরবর্তী দিন আসত, মহান আল্লাহ আমাদের জন্য পুনরায় আমাদের সংখ্যা অনুযায়ী অনুরূপ পাতা উৎপন্ন করে দিতেন। আমরা এভাবেই ছিলাম যতক্ষণ না আমাদের পাশ দিয়ে মুসলমানদের একটি জাহাজ অতিক্রম করল এবং তারা আমাদের আরোহণ করিয়ে নিয়ে গেল।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২১)
46 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَسْرُورٍ، قُرِيءَ عَلَى جَعْفَرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ وَأَنَا أَسْمَعُ وقيل له: حَدَّثك أحمد بن مسروق ، حَدَّثَنَا محمد بن منصور الطوسي ، كنت عند معروف الكرخي مثل اليوم،وجئت من الغد فإذا في وجهه أثر. فقال لي شيخ إلى جانبي كان // 17 // أيسر له مني ، يا أبا محفوظ ، كنا عندك أمس وما بوجهك هذا الاثر وجئنا اليوم وهو في وجهك ، قال: فقال معروف: سل عما يعنيك عافاك الله. فقال له الرجل: اسألك بالله أيش سببه؟ فقال معروف: أف أف أف، مرارا ثلاثا ، ويحك ، ما دعاك إلى أن تحلفني بالله ، تعالى ، قال: فتغير وجهه ثم قال معروف: صليت البارحة هنا، واشتهيت أن أطوف بالبيت، فمضيت إلى مكة فطفت، ثم جئت لأشرب من مائها، فزلقت على الباب، فأصاب وجهي هذا.47 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ سَلَامَةَ ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ كُلْثُومٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَدْهَمَ، هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ قَالَ: خَرَجَتْ امرأة يقال لها أُمُّ أَيْمَنَ مُهَاجِرَةً مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ صَائِمَةٌ بغير زاد ولا راحلة فَأَصَابَهَا عَطَشٌ شَدِيدٌ حَتَّى كَادَتْ أَنْ تَمُوتَ مِنْ شِدَّةِ الْعَطَشِ ، فبينما هي تمشي إذ دلى إليها دلو من السماء فيه رشفا أبيض فشربت منه حتى رويت ، فلما قدمت المدينة كانت تصوم فما تعطش ، وكانت تشمس لتعطش فما تعطش.
৪৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনে উমর ইবনে মাসরুর বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তাকে বলা হয়েছে: আপনার নিকট আহমাদ ইবনে মাসরুক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে মানসুর আত-তুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি একদিন মারূফ আল-কারখীর নিকট ছিলাম, পরদিন আমি আসলাম এবং তার চেহারায় একটি জখমের চিহ্ন দেখতে পেলাম। আমার পাশে থাকা একজন বৃদ্ধ—যিনি আমার চেয়ে তাঁর অধিক ঘনিষ্ঠ ছিলেন—তাঁকে বললেন: হে আবু মাহফুজ! গতকাল আমরা আপনার নিকট ছিলাম তখন আপনার চেহারায় এই চিহ্ন ছিল না, আর আজ আমরা এসেছি অথচ তা আপনার চেহারায় বিদ্যমান। মারূফ বললেন: আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা দান করুন, যা আপনার জন্য কল্যাণকর তা নিয়ে প্রশ্ন করুন। লোকটি তাঁকে বললেন: আল্লাহর কসম দিয়ে আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করছি, এর কারণ কী? মারূফ বললেন: উফ উফ উফ (তিনবার), আপনার জন্য আফসোস! কিসে আপনাকে প্ররোচিত করল যে আপনি আমাকে মহান আল্লাহর কসম দিলেন? বর্ণনাকারী বলেন: তাঁর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে গেল, অতঃপর মারূফ বললেন: আমি গত রাতে এখানে সালাত আদায় করেছি, অতঃপর আমার অন্তরে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করার আকাঙ্ক্ষা জাগল। ফলে আমি মক্কায় গেলাম এবং তাওয়াফ করলাম। এরপর আমি সেখানকার পানি পান করার জন্য অগ্রসর হলাম, তখন দরজার সামনে আমার পা পিছলে গেল, এতেই আমার চেহারায় এই আঘাত লেগেছে।৪৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাযান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল গাফির ইবনে সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উসমান ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সালামাহ ইবনে কুলসুম বর্ণনা করেছেন, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আদহাম থেকে, তিনি হিশাম ইবনে হাসসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উম্মে আয়মান নামক এক নারী মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি রোজা অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর সাথে কোনো পাথেয় বা বাহন ছিল না। পথিমধ্যে তিনি প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়লেন, এমনকি তৃষ্ণার তীব্রতায় তাঁর মুমূর্ষু দশা হলো। এমতাবস্থায় তিনি যখন হাঁটছিলেন, হঠাৎ আসমান থেকে তাঁর দিকে একটি বালতি নামিয়ে দেওয়া হলো যাতে সাদা রঙের পানীয় ছিল। তিনি তা পান করলেন এমনকি পরিতৃপ্ত হলেন। এরপর তিনি যখন মদিনায় পৌঁছালেন, তিনি রোজা রাখতেন কিন্তু আর কখনো তৃষ্ণার্ত হতেন না। তিনি রোজা রেখে নিজেকে রোদে উন্মুক্ত করতেন যাতে তৃষ্ণা লাগে, কিন্তু তবুও তিনি তৃষ্ণার্ত হতেন না।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২২)
48 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ، أَخْبَرَنَا عُثْمَانٌ الدَّقَّاقُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبَرَاءِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَهْلٍ ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْفَرَجِ: خرج إبراهيم بن أدهم من الشام يزور أخا له ، أحسبه قال: فتح الموصلي ، قال:فانتمى إلى فراج بن حسن،فقال إبراهيم بن أدهم: أريد البول،فجاء غير بعيد فاحتبس علي فأتبعته، فإذا هو قد جلس يسترخ،فاتكأإلى جانب حائط فإذا ثعبان قفعى // 18 // على ذنبه ، في فمه طاقة نرجس يروح بها عن وجه إبراهيم.49 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّد الْخَوَّاصُ الْخَلَدِيُّ، يقول: أعرف من طريق مكة ستة عشر طريقا منها طريق ، طريق ذهب ، وطريق فضة.50- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَسْرُوقٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ،عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، قال: كان حبيب أبو محمد يرى بالبصرة يوم التروية ، ويرى يوم عرفة بعرفة.
48 - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উসমান আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-বাররা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম বিন সাহল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আল-ফারজ বলেছেন: ইবরাহিম বিন আদহাম শামের এলাকা থেকে তার এক ভাইয়ের সাথে দেখা করতে বের হলেন, আমার মনে হয় তিনি ফাতহ আল-মাওসিলির কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন: এরপর তিনি ফাররাজ বিন হাসানের সাথে মিলিত হলেন। ইবরাহিম বিন আদহাম বললেন: আমি প্রস্রাব করতে চাই। এরপর তিনি অদূরে গেলেন এবং ফিরতে দেরি করছিলেন, তাই আমি তার পিছু নিলাম। গিয়ে দেখলাম তিনি বিশ্রাম নিতে বসেছেন এবং একটি দেয়ালের পাশে হেলান দিয়ে আছেন। এমতাবস্থায় একটি সাপ তার লেজের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে // 18 // তার মুখে এক গুচ্ছ নার্গিস ফুল ছিল, যা দিয়ে সে ইবরাহিমের চেহারায় বাতাস দিচ্ছিল।49 - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ বিন উমর আল-কাওয়াস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন মুহাম্মাদ আল-খাওয়াস আল-খালদি বলেন: আমি মক্কার পথের মধ্যে ষোলটি পথ চিনি, যার মধ্যে একটি স্বর্ণের পথ এবং অন্যটি রূপার পথ।50- আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন উসমান আস-সাফফার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন নাসর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনু মাসরুক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হারুন বিন মারুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, দামরা বিন রাবিআ আমাদের কাছে ইবনু শাওজাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাবিব আবু মুহাম্মাদকে ইয়াউমুত তারবিয়াহর দিন বসরায় দেখা যেত এবং আরাফার দিন আরাফায় দেখা যেত।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৩)
51- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ شَاهِينَ، حَدَّثَنَا يحيى بن محمد حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ هِلَالٍ، عَنْ صِلَةَ بْنِ أَشْيَمَ الْعَدَوِيِّ، قَالَ: خَرَجْنَا فِي بَعْضِ قُرَى نَهْرِ تِيرَى أَسِيرُ عَلَى دَابَّتِي فِي زَماَنِ فُيُوضِ الْمَاءِ فَأَنَا أَسِيرُ عَلَى مُسَنَّاةٍ فَسِرْتُ يَوْمًا لَا أَجِدُ شَيْئًا آكُلُهُ فَاشْتَدَّ جُوعِي فَلَقِيَنِي عِلْجٌ يَحْمِلُ عَلَى عَاتِقِهِ شَيْئًا فَقُلْتُ: ضَعْهُ فَوَضَعَهُ فَإِذَا هُوَ خُبْزٌ فَقُلْتُ: أَطْعِمْنِي مِنْهُ فَقَالَ: نَعَمْ، وَلَكِنْ فِيهِ شَحْمُ خِنْزِيرٍ فَلَمَّا قَالَ ذَلِكَ تَرَكْتُهُ، وَمَضَيْتُ ثُمَّ لَقِيَت آخَرُ يَحْمِلُ عَلَى عَاتِقِهِ طَعَامًا فَقُلْتُ لَهُ: أَطْعِمْنِي مِنْهُ فَقَالَ: تَزَوَّدْتَ هَذَا لِكَذَا وَكَذَا مِنْ يَوْمٍ، فَإِنْ أَخَذْتَ مِنْهُ شَيْئًا أَضْرَرْتَ بِي وَأَجَعْتَنِي، فَتَرَكْتُهُ ثُمَّ مَضَيْتُ فَوَاللَّهِ إِنِّي لأَسِيرُ إِذْ سَمِعْتُ خَلْفِيَ وَجْبَةً كَوَجْبَةِ الطَّيْرِ يَعْنِي صَوْتَ طَيَرَانِهِ فَالْتَفَتُّ، فَإِذَا بِشَيْءٍ مَلْفُوفٍ فِي سِبٍّ أَبْيَضَ أَيْ خِمَارٍ، فَنَزَلْتُ إِلَيْهِ فَإِذَا هُوَ دَوْخَلَّةٌ مِنْ رُطَبٍ فِي زَمَانٍ لَيْسَ فِي الأَرْضِ رُطَبَةٌ، فَأَكَلْتُ مِنْهُ وَلَمْ آكُلْ قَطُّ رُطَبًا أَطْيَبَ مِنْهُ، وَشَرِبْتُ مِنَ الْمَاءِ ثُمَّ لَفَفْتُ مَا بَقِيَ مِنْهُ، وَرَكِبْتُ الْفَرَسَ وَحَمَلْتُ نَوَاهُنَّ مَعِي قَالَ جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ: // 19 // فَحَدَّثَنِي أَوْفَى بْنُ دَلْهَمٍ قَالَ: رَأَيْتُ ذَلِكَ السِبَّ مَعَ امْرَأَتِهِ مَلْفُوفًا فِيهِ مُصْحَفها) ثُمَّ
৫১- আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর ইবনে শাহীন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবনুল হাসান আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর ইবনে হাযিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হুমাইদ ইবনে হিলাল সিলাহ ইবনে আশয়াম আল-আদাওয়্যী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা নাহরে তিরার কোনো এক গ্রামে বের হলাম, আমি আমার পশুর পিঠে চড়ে চলছিলাম যখন পানি প্লাবিত হওয়ার সময় ছিল। আমি একটি বাঁধের ওপর দিয়ে চলছিলাম। একদিন পথিমধ্যে আমি খাওয়ার মতো কিছু পেলাম না, ফলে আমার প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগল। তখন এক অমুসলিম ব্যক্তির সাথে আমার দেখা হলো, যে তার কাঁধে কিছু একটা বহন করছিল। আমি তাকে বললাম: "এটা রাখো।" সে তা রাখল এবং দেখা গেল তা রুটি। আমি বললাম: "আমাকে এর থেকে কিছু খেতে দাও।" সে বলল: "হ্যাঁ, তবে এতে শুকরের চর্বি আছে।" যখন সে এ কথা বলল, আমি তা বর্জন করলাম এবং সামনে এগিয়ে চললাম। এরপর অন্য একজনের দেখা পেলাম যে তার কাঁধে খাদ্য বহন করছিল। আমি তাকে বললাম: "আমাকে এর থেকে কিছু খেতে দাও।" সে বলল: "আমি এটি অমুক অমুক দিনের পাথেয় হিসেবে প্রস্তুত করেছি, আপনি যদি এর থেকে কিছু নেন তবে তা আমার ক্ষতি করবে এবং আমাকে ক্ষুধার্ত রাখবে।" তাই আমি তাকে ছেড়ে দিয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম। আল্লাহর কসম, আমি যখন পথ চলছিলাম তখন হঠাৎ আমার পেছনে পাখির ডানার ঝটপটির মতো শব্দ শুনতে পেলাম। আমি ফিরে তাকালাম এবং দেখলাম একটি সাদা কাপড়ে (তথা ওড়নায়) মোড়ানো কিছু পড়ে আছে। আমি নিচে নেমে সেটির কাছে গেলাম এবং দেখলাম তা হলো তাজা খেজুরের একটি ঝুড়ি, অথচ তখন জমিনে কোনো তাজা খেজুরের সময় ছিল না। আমি তা থেকে খেলাম এবং এর চেয়ে সুস্বাদু তাজা খেজুর আমি আর কখনোই খাইনি। এরপর আমি পানি পান করলাম এবং অবশিষ্টটুকু মুড়িয়ে নিলাম। তারপর ঘোড়ায় সওয়ার হলাম এবং খেজুরের বিচিগুলোও সাথে নিয়ে নিলাম। জারীর ইবনে হাযিম বলেন: // ১৯ // আওফা ইবনে দালহাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আমি সেই সাদা কাপড়টি তার স্ত্রীর নিকট মোড়ানো অবস্থায় দেখেছি, যাতে তার কুরআন মাজীদ (মুসহাফ) রাখা ছিল।" অতঃপর...
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৪)
فُقِدَ بَعْدَ ذَلِكَ قَالَ: فَلَا يَدْرُونَ أَسُرِقُ أَمْ ذَهَبَ أَمْ مَا صُنِعَ بِهِ) .52- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أبو عمر بن حيويه، حَدَّثَنَا عثمان بن جعفر بن اللبان، حَدَّثَنَا محمد بن نصر المروزي، حَدَّثَنَا الحسن بن عيسى، أخبرنا ابن المبارك: أَخْبَرَنَا عيسى بن عُمَر، حدثني حوط بن رافع أن عَمْرو بن عتبة كان يشترط على أصحابه أن يكون خادمهم، يعني في السفر ، فخرج إلى الرعي في يوم حار فأتاه بعض أصحابه، فإذا هو بغمامة تظله وهو نائم، فقال: أبشر يا عَمْرو. فأخذ عليه عَمْرو أن لا يخبر به (أحدا) .53- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا محمد بن أحمد بن رزق، حدثنا محمد بن الحسن أبو علي، حدثنا الحسن بن محمد عفر،حدثني محمد بن مسعود عن عبد الرحمان بن واقد، حدثنا ضمرة عن عثمان بن عطاء عن أبيه، قال: أخذ أبو مسلم الخولاني درهما يشتري لأهله دقيقا،وأخذ معه مزودا،فألح عليه سائل فكلما وقف على مكان يريد أن يشتري قال له السائل تصدق علي،فلما أكثر عليه أعطاه الدرهم ثم جاء إلى موضع النجارين فملأ مزوده من نخالة النجارين ثم ربطه،ثم أتى به البيت، ثم خرج،فعمدت إمرأته إلى المزود ففتحته فإذا دقيق حواري فعجنت وخبزت حتى إذا إرتفع النهار،جاء أبو مسلم وهو خائف منها فأتته بالمائدة وأتته بطعام فلما فرغ،قال:من أين هذا الكم؟ قالت: هذا من الذي جئت به فسكت.54- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا أبو بكر محمد بن عبيد الله بن قفرجل،حدثنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن زياد، حدثنا يوسف بن سعيد،حدثنا علي بن بكار،قال:أقام الحجاج بن فرافصة عندنا مرابطا ثلاثين يوما ما شرب فيها ماء.
এরপর সেটি হারিয়ে যায়। তিনি বললেন: তারা জানত না যে সেটি চুরি হয়েছে, নাকি চলে গেছে, নাকি তার সাথে কী করা হয়েছে।)৫২- আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু উমর ইবনে হাইওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে জাফর ইবনুল লাব্বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ঈসা ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাওত ইবনে রাফে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে উতবা তাঁর সাথীদের নিকট শর্তারোপ করতেন যে তিনি তাঁদের খাদেম হবেন, অর্থাৎ সফরে। অতঃপর একদিন প্রচণ্ড গরমে তিনি পশু চরাতে বের হলেন, তখন তাঁর জনৈক সাথী তাঁর নিকট আসলেন। তিনি দেখলেন যে, একটি মেঘখণ্ড তাঁকে ছায়া দিচ্ছে যখন তিনি ঘুমন্ত ছিলেন। তখন তিনি বললেন: হে আমর! সুসংবাদ গ্রহণ করুন। তখন আমর তাঁর নিকট থেকে এই অঙ্গীকার নিলেন যে, তিনি যেন এটি কাউকে না জানান।৫৩- আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে রিযক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান আবু আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ আফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মাসউদ আবদুর রহমান ইবনে ওয়াকিদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, দামরা উসমান ইবনে আতা থেকে তাঁর পিতার সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসলিম আল-খাওলানী তাঁর পরিবারের জন্য আটা কেনার উদ্দেশ্যে একটি দিরহাম নিলেন এবং সাথে একটি থলে নিলেন। একজন যাঞ্চাকারী তাঁকে পিড়াপীড়ি করতে লাগল; যখনই তিনি কোনো স্থানে আটা কেনার জন্য দাঁড়াতেন, যাঞ্চাকারী তাঁকে বলত: আমাকে দান করুন। যখন সে অনেক পিড়াপীড়ি করল, তিনি তাকে দিরহামটি দিয়ে দিলেন। এরপর তিনি ছুতোরদের কর্মস্থলে এসে তাঁর থলেটি ছুতোরদের কাঠের গুঁড়ো দিয়ে পূর্ণ করলেন এবং তা বাঁধলেন। এরপর সেটি নিয়ে বাড়িতে আসলেন এবং পুনরায় বের হয়ে গেলেন। তাঁর স্ত্রী থলেটির কাছে গিয়ে সেটি খুললেন এবং দেখলেন যে তাতে উৎকৃষ্ট সাদা আটা রয়েছে। তিনি তা দিয়ে খামির তৈরি করলেন এবং রুটি বানালেন। যখন বেলা বাড়ল, আবু মুসলিম তাঁর স্ত্রীর ভয়ে ভীত হয়ে বাড়িতে আসলেন। স্ত্রী তাঁর সামনে দস্তরখান ও খাবার নিয়ে আসলেন। যখন তিনি খাওয়া শেষ করলেন, তখন বললেন: এই আটা কোথা থেকে এল? স্ত্রী বললেন: এটি আপনি যা নিয়ে এসেছেন তা থেকেই। তখন তিনি চুপ হয়ে গেলেন।৫৪- আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে কাফারজাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবনে ফারাফিসা আমাদের এখানে সীমান্তরক্ষী হিসেবে ত্রিশ দিন অবস্থান করেছিলেন, যে সময়ে তিনি কোনো পানি পান করেননি।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৫)
55- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا محمد بن بكران ، حَدَّثَنَا محمد بن مخلد ، حَدَّثَنَا عيسى بن إسحاق // 20 // بن موسى الأنصاري، حدثنا أبي ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَرَاسَةَ، عن سفيان الثَّوْرِيُّ، قَالَ: بتناُ عِنْدَ الْحَجَّاجِ بْنِ فُرَافِصَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ لَيْلَةً، فَمَا أَكَلَ، وَلَا شَرِبَ، وَلَا نَامَ.وسمعت رجلا من ولد عبد الرحمان بن أبي نعيم ، حدث أبي قال: لما أتى الحجاج بعبد الرحمن بن أبي نعيم ، قال له: بلغني أنك مكثت خمسة عشر يوما لا تأكل طعاما. قال: قد تحدث عني أهلي بذلك. قال: فأدخله في بيت ، وسد عليه الباب فتركه أربعة عشر يوما ، فلما كان في صبح الخامس عشر فتح عنه الباب فوجده قائما يصلي ، فخلى سبيله وقال اذهب فأنت راهب العرب. قال: وما أفلت منه من متعبدي العرب من القتل أحد غيره.وسمعت رجلا يقول: خرج عبد الرحمان بن أبي نعيم راكبا في سفينة فلبى ، فسمعه قوم ، فقالوا امرأ لبى ، فسمعهم فالتف بعبآة ، ثم قذف نفسه في البحر ، وقال: اللهم إن كنت مرائيا فغرقني ، فلفظه البحر.56 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ، قال: قرأت على جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّد بن نصير الْخَوَّاصُ، قلت له: حدثكم أحمد بن محمد بن مسروق،حدثني يعقوب بن أخي معروف قال:قالوا لمعروف:يا أبا محفوظ لو سألت الله، عز وجل، أن يمطرنا، قال: وكان يوما صائفا،شديد الحر، قال: ارفعوا إذا ثيابكم، قال: فما استتموا رفع ثيابهم حتى جاء المطر.
৫৫- আমাদের জানিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন বকরান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ঈসা বিন ইসহাক // ২০ // বিন মুসা আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন হারাসাহ, সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা হাজ্জাজ বিন ফুরাফিসার নিকট চৌদ্দ রাত অবস্থান করেছি; তিনি এই সময়ে কিছু পানাহার করেননি এবং ঘুমাননিও।এবং আমি আব্দুর রহমান বিন আবী নুআয়িমের বংশধর এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: হাজ্জাজ যখন আব্দুর রহমান বিন আবী নুআয়িমকে নিয়ে এলেন, তখন তাকে বললেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনি পনের দিন যাবত কোনো খাবার গ্রহণ না করে অবস্থান করেছেন। তিনি বললেন: আমার পরিবার আমার সম্পর্কে এমন কথা বলে থাকে। হাজ্জাজ তখন তাকে একটি ঘরে প্রবেশ করিয়ে তার ওপর দরজা বন্ধ করে দিলেন এবং চৌদ্দ দিন পর্যন্ত তাকে সেখানে রেখে দিলেন। যখন পনেরতম দিনের সকাল হলো, তিনি তার ঘরের দরজা খুললেন এবং তাকে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে দেখলেন। তখন তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন এবং বললেন: চলে যান, আপনি আরবদের দরবেশ। বর্ণনাকারী বলেন: আরবদের ইবাদতকারীদের মধ্যে তিনি ছাড়া আর কেউ তার হাত থেকে হত্যা হওয়া থেকে রেহাই পায়নি।আমি এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি: আব্দুর রহমান বিন আবী নুআয়িম একটি জাহাজে আরোহী অবস্থায় বের হলেন এবং তালবিয়াহ পাঠ করলেন। একদল লোক তা শুনে বলল: এক ব্যক্তি তালবিয়াহ পাঠ করছে। তিনি তাদের কথা শুনে একটি চাদর জড়িয়ে নিলেন এবং নিজেকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলেন, আর বললেন: হে আল্লাহ! আমি যদি লোকদেখানো ইবাদতকারী হয়ে থাকি তবে আমাকে ডুবিয়ে দিন। তখন সমুদ্র তাকে তীরে নিক্ষেপ করল।৫৬ - আমাদের জানিয়েছেন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ বিন উমর আল-কাওয়াস, তিনি বলেন: আমি জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নুসায়ের আল-খাওয়াস-এর নিকট পাঠ করেছি, আমি তাকে বললাম: আপনাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুক, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মা’রুফের ভাই ইয়াকুব, তিনি বলেন: লোকেরা মা’রুফকে বলল: হে আবু মাহফুজ! আপনি যদি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য বৃষ্টির প্রার্থনা করতেন। বর্ণনাকারী বলেন: দিনটি ছিল গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তপ্ত এক দিন। তিনি বললেন: তবে তোমাদের কাপড়গুলো তুলে ধরো। বর্ণনাকারী বলেন: তারা কাপড় তোলা শেষ করার আগেই বৃষ্টি চলে এল।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৬)
57 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ،حدثنا أحمد بن محمد بن يوسف، حدثنا عثمان بن أحمد الدقاق، حدثنا عبيد بن محمد بن خلف،حدثنا محمد بن الحسن، حدثنا محمد بن عيسى بن أبي موسى، حدثنا خلف بن تميم، قال: كنا مع إبراهيم بن أدهم في سفر إذ عرض للقافلة الأسد فوقفوا، فقال إبراهيم: ما لكم؟ قالوا: الأسد واقف على الطريق، وما يمكن أحد أن يحوز فتقدم إبراهيم بن أدهم وقال: أيها الأسد إن كنت أمرت بنا بشيء فانتمي إلى ما أمرت له وإلافخل بينناوبين الطريق // 21 // قال: فرأيته يمر ويضرب بذنبه على ظهره يسمع له تقعقع.قال إبراهيم: قولوا اللهم أحرسنا بعينك التي لاتنام،واكفنا بركنك الذي لايضام، ولا تهلكنا وأنت رجاؤنا.58 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ، حدثنا علي بن سليمان الخرقي المقريء، حدثني أبو الحسن علي بن عبد الله العطار، حدثني أبو علي المعمري، قال: قال لي أبو يوسف العسولي: كنت مع إبراهيم بن أدهم بالشام فدخل علي يوما فقال يا عسولي لقد رأيت اليوم عجبا؟ قلت: وما ذلك يا أبا إسحاق؟ قال: وقفت على قبر من هذه المقابر فانشق لي عن شيخ خضيب فقال لي يا إبراهيم شاء بأن الله عز وجل أحياني من أجلك، قلت: ما فعل الله بك قال: لقيت الله عز وجل بعمل قبيح قال لي: قد غفرت لك لأنك لقيتني وأنت تحب من أحب، ولقيتني وليس في صدرك مثقال ذرة من حرام، ولقيتني وأنت خضيب وأنا لشيخي من شبيه الخضيب أن أعد لهايا أبتاه قال: والتأم القبر على الشيخ، قال العسولي فقلت ياأبا إسحاق ألاتوقفني على هذا القبر، قال: ويحك يا عسولي عامل الله يرك العجائب.
৫৭ - আমাদের নিকট আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উসমান বিন আহমাদ আদ-দাক্কাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবাইদ বিন মুহাম্মাদ বিন খালাফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আবি মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালাফ বিন তামিমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা ইব্রাহিম বিন আদহামের সাথে এক সফরে ছিলাম, এমতাবস্থায় কাফেলার সামনে একটি সিংহ উপস্থিত হলো এবং তারা থেমে গেল। তখন ইব্রাহিম বললেন: তোমাদের কী হয়েছে? তারা বলল: পথের উপরে একটি সিংহ দাঁড়িয়ে আছে, আর কারো পক্ষেই সেখান দিয়ে অতিক্রম করা সম্ভব হচ্ছে না। তখন ইব্রাহিম বিন আদহাম সামনে অগ্রসর হলেন এবং বললেন: হে সিংহ! আমাদের বিষয়ে যদি তোমাকে কোনো নির্দেশ প্রদান করা হয়ে থাকে, তবে তোমাকে যা আদেশ করা হয়েছে তা পালন করো; অন্যথায় আমাদের এবং পথের মধ্যস্থল ছেড়ে দাও। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আমি তাকে (সিংহটিকে) চলে যেতে দেখলাম এবং সে নিজের পিঠের ওপর নিজের লেজ দিয়ে সজোরে আঘাত করছিল যার ফলে খটখট শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ইব্রাহিম বললেন: তোমরা বলো, হে আল্লাহ! আপনি আপনার সেই চোখ দিয়ে আমাদের রক্ষা করুন যা কখনো ঘুমায় না, এবং আপনার সেই স্তম্ভের আশ্রয়ে আমাদের নিরাপদ রাখুন যা কখনো পরাভূত করা যায় না, আর আপনি আমাদের ধ্বংস করবেন না এমতাবস্থায় যে আপনিই আমাদের একমাত্র আশা।৫৮ - আমাদের নিকট আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউসুফ বিন উমর আল-কাওয়াস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন সুলাইমান আল-খারাকি আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু আল-হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-আত্তার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু আলী আল-মামারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইউসুফ আল-আসুলি আমাকে বলেছেন: আমি শাম দেশে ইব্রাহিম বিন আদহামের সাথে ছিলাম। একদিন তিনি আমার নিকট আসলেন এবং বললেন, হে আসুলি! আজ আমি এক বিস্ময়কর বিষয় দেখেছি। আমি বললাম: হে আবু ইসহাক, সেটি কী? তিনি বললেন: আমি এই কবরগুলোর একটির পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন সেটি আমার সামনে বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং কলপ লাগানো একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি প্রকাশিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন: হে ইব্রাহিম! আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আপনার খাতিরে আমাকে জীবিত করার ইচ্ছা করেছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? তিনি বললেন: আমি কদর্য আমল নিয়ে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে বলেছেন: 'আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি, কারণ তুমি আমার সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করেছ যে তুমি তাদেরকে ভালোবাসতে যাদেরকে আমি ভালোবাসি; এবং তুমি আমার সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করেছ যে তোমার অন্তরে অণু পরিমাণ হারামের সংমিশ্রণ ছিল না; আর তুমি আমার সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করেছ যে তোমার চুলে কলপ লাগানো ছিল, আর আমি কলপ লাগানো বৃদ্ধকে শাস্তি দিতে লজ্জাবোধ করি।' বর্ণনাকারী বলেন: এরপর কবরটি পুনরায় সেই বৃদ্ধের ওপর সমান হয়ে গেল। আল-আসুলি বলেন, আমি বললাম: হে আবু ইসহাক! আপনি কি আমাকে সেই কবরটি দেখাবেন না? তিনি বললেন: আফসোস তোমার জন্য হে আসুলি! আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমল করো, তবেই তিনি তোমাকে বিস্ময়কর সব নিদর্শন দেখাবেন।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৭)
59 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا حبيب بن حكيم، حدثنا محمد بن بشر المذير، حدثنا سفيان قال: مات جحاده في طريق مكة في المحمل فلم يعلم به زميله فلما علم نزل ليحفر له قبر فإذا قبرمحفور فدفنه فيه.60 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ،أخبرنا أحمد بن قانع بن مرزوق، حدثنا الحسن بن المثنى العنبري، قال: قال أشعث أخو عانق، قال لي عبد الله بن هاشم بن أبي عبد الله: ذهبت إلى ميت لأغسله وقد سمي لي الميت، قال: فلما كشف // 22 // البرد عن وجهه إذا أسود في خلقه قال: فقلت له أنت ما تورد من سنتنا أن يغسل موتانا، فإن رأيت أن تنتقل ناحية حتى إذا غسلته عدت إلى موضعك،قال: فانحل فصار في زواية البيت فلما أن فرغت من غسله عاد إلى موضعه الذي كان فيه. قال الحسن بن المثنى: وكان هذا الرجل يرمى بالذندقة.61 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حدثنا محمد بن بكران، حدثنا محمد بن مخلد، حدثني حبيب بن حكيم، حدثنا محمد بن بشر المذير، حدثنا سفيان قال: مات جحاده في طريق مكة في المحمل فلم يعلم به زميله فلما علم نزل ليحفر له قبرا فإذا قبرمحفورا فدفنه فيه.62 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصفار، حدثنا العباس بن المغيرة، حدثنا حمدان بن علي الوراق،حدثنا مسلم بن إبراهيم،قال: بلغني عن عقبة بن أبي ثبيت أنه كان يدعو الطين فيجيبنه.
৫৯ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাবিব বিন হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন বিশর আল-মুযাইয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বলেন: জুহাদাহ মক্কার পথে হাওদায় মৃত্যুবরণ করেন। তার সঙ্গী বিষয়টি টের পাননি। যখন তিনি বুঝতে পারলেন, তখন তিনি তার জন্য কবর খনন করতে নামলেন, এমতাবস্থায় একটি খননকৃত কবর দেখতে পেলেন এবং তাকে সেখানে দাফন করলেন।৬০ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন কানি' বিন মারযূক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন আল-মুসান্না আল-আনবারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: 'আনিকের ভাই আশ'আস বলেছেন, আবদুল্লাহ বিন হাশিম বিন আবি আবদুল্লাহ আমাকে বলেছেন: আমি এক মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিতে গেলাম যার নাম আমাকে বলা হয়েছিল। তিনি বলেন: যখন চাদরটি // ২২ // তার মুখমণ্ডল থেকে সরানো হলো, তখন দেখা গেল তার অবয়ব কৃষ্ণবর্ণ। তিনি বলেন: আমি তাকে বললাম, আমাদের সুন্নাহ অনুযায়ী যাদের মৃতদেহ আমরা গোসল দেই তুমি তো তাদের অন্তর্ভুক্ত নও। তুমি যদি একপাশে সরে যেতে যতক্ষণ না আমি গোসল সম্পন্ন করি, এরপর তুমি তোমার জায়গায় ফিরে আসতে। তিনি বলেন: তখন সেটি সরে গিয়ে ঘরের কোণায় চলে গেল; যখন আমি গোসল শেষ করলাম, তখন সেটি পুনরায় তার আগের জায়গায় ফিরে এল। আল-হাসান বিন আল-মুসান্না বলেন: এই লোকটিকে যিন্দিক হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হতো।৬১ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন বাকরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাবিব বিন হাকিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন বিশর আল-মুযাইয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বলেন: জুহাদাহ মক্কার পথে হাওদায় মৃত্যুবরণ করেন। তার সঙ্গী বিষয়টি টের পাননি। যখন তিনি বুঝতে পারলেন, তখন তিনি তার জন্য কবর খনন করতে নামলেন, এমতাবস্থায় একটি খননকৃত কবর পেলেন এবং তাকে সেখানে দাফন করলেন।৬২ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন উসমান আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আব্বাস বিন আল-মুগীরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হামদান বিন আলী আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসলিম বিন ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উকবাহ বিন আবি সুবাইত সম্পর্কে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি কাদামাটিকে ডাকতেন এবং সেগুলো তাকে সাড়া দিত।
(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: ২৮)
63 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصفار، حدثنا العباس بن العباس بن المغيرة الجوهري، حَدَّثَنَا حَنْبَلٌ بن إسحاق بن حنبل، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ العسقلاني ، حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ ، حَدَّثَنَا بِلَالُ بْنُ كَعْبٍ قَالَ: رُبَّمَا قَالَ الصِّبْيَانُ لِأَبِي مُسْلِمٍ الخولاني ادْعُ اللَّهَ يَحْبِسُ عَلَيْنَا هَذَا الطَّيْرَ،قال: فَيَدْعُو اللَّهَ فَيَحْبِسَهُ حَتَّى يَأْخُذُوهُ بِأَيْدِيهِمْ.64 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ،حدثنا أحمد بن محمد بن عمران،حدثنا محمد بن القاسم الأنباري، حدثني أبي، حدثنا خلف بن هشام المرار، قال: أصبت في كتابي ولا أدري من حدثني به، قال قالت جارية أبي مسلم الخولاني لأبي مسلم: ما تقول عند إفطارك فقد سممتك مرارا فلم يضرك السم، قال وما حملك على هذا؟ قالت أنا جارية شابة وأنت شيخ كبير فأردت أن أسترح منك. قال: إني لأقول عند إفطاري بسم الله حي براسما،بسم الله رب الأرض والسماء، بسم الله لايضر مع اسمه شيء في الأرض ولا في السماء وهو السميع العليم.
৬৩ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন উসমান আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আব্বাস ইবন আল-আব্বাস ইবন আল-মুগীরা আল-জাওহারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্বল ইবন ইসহাক ইবন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবন আবদুর রহীম আল-আসকালানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দামরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিলাল ইবন কা’ব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কখনো কখনো শিশুরা আবু মুসলিম আল-খাওলানীকে বলত, "আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আমাদের জন্য এই পাখিটি আটকে রাখেন।" তিনি বলেন: অতঃপর তিনি আল্লাহর নিকট দু’আ করতেন এবং আল্লাহ পাখিটিকে আটকে রাখতেন যতক্ষণ না তারা তা নিজেদের হাত দিয়ে ধরে ফেলত।৬৪ - আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইমরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন আল-কাসিম আল-আনবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: খালাফ ইবন হিশাম আল-মুরার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার কিতাবে পেয়েছি—যদিও জানি না কে আমাকে এটি বর্ণনা করেছেন—তিনি বলেন: আবু মুসলিম আল-খাওলানীর দাসী আবু মুসলিমকে বলল, "আপনি ইফতারের সময় কী পাঠ করেন? আমি আপনাকে বহুবার বিষ প্রয়োগ করেছি কিন্তু বিষ আপনার কোনো ক্ষতি করেনি।" তিনি বললেন, "তোমাকে এই কাজে কিসে প্ররোচিত করল?" সে বলল, "আমি একজন তরুণী দাসী আর আপনি একজন অতি বৃদ্ধ মানুষ, তাই আমি আপনার থেকে নিষ্কৃতি পেতে চেয়েছিলাম।" তিনি বললেন, "আমি তো আমার ইফতারের সময় বলি: আল্লাহর নামে, যিনি চিরঞ্জীব বারাসিমা; আল্লাহর নামে, যিনি জমিন ও আসমানের প্রতিপালক; আল্লাহর নামে, যাঁর নামের বরকতে জমিন ও আসমানের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।"