(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: -)
طوالات الأخبار لأبي موسى المديني القسم: كتب السنة
الكتاب: طوالات الأخبار والقصص والآثار - مخطوط
المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 11
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু মুসা আল-মাদীনীর তাওয়ালাতুল আখবার বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: তাওয়ালাতুল আখবার ওয়াল কাসাস ওয়াল আসার - পাণ্ডুলিপি
লেখক: মুহাম্মদ বিন উমর বিন আহমদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-আসবাহানী আল-মাদীনি، আবু মুসা (মৃত্যু ৫৮১ হিজরি)
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরী
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: طوالات الأخبار والقصص والآثار - مخطوط
المؤلف: أبو موسى محمد بن أبي بكر بن أبي عيسى المديني الأصبهاني
المتوفى: 581 هـ
গ্রন্থ: দীর্ঘ সংবাদ, কাহিনী ও বর্ণনাসমূহ - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আবি ঈসা আল-মাদিনি আল-আসফাহানি
মৃত্যু: ৫৮১ হিজরি
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ১)
ق 158 (ب)
من كتاب طوالات الأخبار والقصص والآثار
حققه الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي مُوسَى مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي عِيسَى الْمَدِينِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ رضي الله عنه
رِوَايَةُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بن عبد الواحد بن أبي سعد المديني عَنْهُ
رِوَايَةُ صَاحِبِهِ أَبِي الْحُسَيْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْحُسَيْنِ الْيُونِينِيِّ كِتَابَةً عَنْهُ
ق 159 (أ)
(1) أخبرنا الشيخ الإمام اليونيني ، ثنا أَبُو عَبْد اللَّهِ مُحَمَّد بْن عَبْدِ الْوَاحِدِ بن أبي سعد المديني بأصبهان كتابة (2) إلينا من أصبهان سنة ست وعشرين (3) ، أن الْحَافِظَ أَبَا مُوسَى مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي عِيسَى الْمَدِينِيَّ الأَصْبَهَانِيَّ أَخْبَرَهُ فِي كِتَابِ الطُّوَالاتِ لَهُ قَالَ: وَمِنْ حَدِيثِ قَيْلَةَ بِنْتِ مَخْرَمَةَ رضي الله عنها
أَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ (ح) وَأَخْبَرَنَا أَبُو علي الحسن بن أحمد ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالا: حدثنا سليمان بن أحمد بن أيوب ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَخْرَمِيُّ ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ.
قَالَ سُلَيْمَانُ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا الغلابي ، حدثنا عبد الله بن رجاء العداني.
قَالَ سُلَيْمَانُ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامِ بْنِ أَبِي الدُّمَيْكِ الْمُسْتَمْلِي ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ محمد بن عائشة التيمي ، زاد (4)
--------------------------------------------
পোলিও ১৫৮ (খ)
'তিওয়ালাতুল আখবার ওয়াল কিসাস ওয়াল আসার' গ্রন্থ থেকে
এটি সম্পাদনা করেছেন ইমাম আল-হাফিজ আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আবি ঈসা আল-মাদিনি আল-আসবাহানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
তাঁর থেকে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আবি সা'দ আল-মাদিনির বর্ণনা
তাঁর থেকে তাঁর সঙ্গী আবু আল-হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আবি আল-হুসাইন আল-ইউনিনির লিখিত বর্ণনা
পোলিও ১৫৯ (ক)
(১) শাইখ ইমাম আল-ইউনিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আবি সা'দ আল-মাদিনি আসবাহানে আমাদের নিকট লিখিতভাবে বর্ণনা করেছেন (২), যা আসবাহান থেকে পাঁচশত ছাব্বিশ (৩) সালে আমাদের নিকট প্রেরিত হয়েছে যে, হাফিজ আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আবি ঈসা আল-মাদিনি আল-আসবাহানি তাঁকে তাঁর 'আত-তুওয়ালাত' গ্রন্থে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আর কাইলা বিনতে মাখরামাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর হাদিস থেকে
আবু গালিব আহমাদ বিন আল-আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (সনদান্তর) এবং আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুয়াইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই বলেন: সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-মাখরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান বিন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
সুলাইমান বলেন: এবং মুহাম্মদ বিন জাকারিয়া আল-গালাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন রাজা আল-আদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
সুলাইমান বলেন: এবং মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন আবি আদ-দুমাইক আল-মুস্তামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আইশাহ আত-তাইমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন (৪)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ২)
ق 159 (ب)
قال: (1) معاد بن المثنى وأبو خليفة قال: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَوَّارِ بْنِ قُدَامَةَ بْنِ عَنْزَةَ الْعَنْبَرِيُّ (ح) وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ ، حَدَّثَنَا أبو نعيم ، ثنا فَارُوقُ بْنُ عَبْدِ الْكَبِيرِ ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ الْحَوْضِيُّ.
قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وَحَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ الْحَوْضِيُّ ، وَعَلِيُّ بْنُ عُثْمَانَ اللَّاحِقِيُّ ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَوَّارٍ الْعَنْبَرِيُّ.
قَالَ أبو نعيم: وحدثنا أبو أحمد الغطريفي ، ثنا أبو خليفة ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَوَّارٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَسَّانٍ الْعَنْبَرِيُّ أَبُو الْجُنَيْدِ أَخُو بَنِي كَعْبِ بْنِ الْعَنْبَرِ ، قَالَ: حَدَّثَتْنِي جَدَّتَايَ صَفِيَّةُ ، وَدُحَيْبَةُ بِنْتَا عُلَيْبَةَ وَكَانَتَا رَبِيبَتَيْ قَيْلَةَ. هَذَا لَفْظُ رِوَايَةِ أَبِي غَالِبٍ ، وَفِي رِوَايَةِ الآخَرِ زاد وكانت
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১৫৯ (খ)
তিনি বলেছেন: (১) মুআয ইবনুল মুসান্না এবং আবু খলিফা বলেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে সাউওয়ার ইবনে কুদামাহ ইবনে আনযাহ আল-আনবারি বর্ণনা করেছেন (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, আমাদের নিকট আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ফারুক ইবনে আব্দুল কাবির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু মুসলিম আল-কাশশি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু উমর আল-হাওদি বর্ণনা করেছেন।
আবু নুআইম বলেছেন: আমাদের নিকট আল-কাজী আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু উমর আল-হাওদি, আলি ইবনে উসমান আল-লাহিকি এবং আবদুল্লাহ ইবনে সাউওয়ার আল-আনবারি বর্ণনা করেছেন।
আবু নুআইম বলেছেন: আমাদের নিকট আবু আহমাদ আল-গাতরিফি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু খলিফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে সাউওয়ার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বনু কাব ইবনুল আনবারের ভাই আবদুল্লাহ ইবনে হাসান আল-আনবারি আবুল জুনাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দুই নানী সাফিয়্যাহ এবং দুহাইবাহ বিনতে উলাইবাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁরা উভয়ে কাইলার পালিত কন্যা ছিলেন। এটি আবু গালিবের বর্ণনার শব্দাবলি, এবং অন্য বর্ণনায় তিনি অতিরিক্ত যোগ করেছেন "এবং তাঁরা ছিলেন"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৩)
ق 160 (أ)
(1) أن قَيْلَةُ بِنْتُ مَخْرَمَةَ حَدَّثَتْهُمَا أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ حَبِيبِ بْنِ أَزْهَرَ أَخِي بَنِي جُنَابٍ فَوَلَدَتْ له النساء ، ثم توفى فَانْتَزَعَ بَنَاتِهَا مِنْهَا أَثْوَبُ بْنُ أَزْهَرَ عَمُّهُنَّ فَخَرَجَتْ تَبْتَغِي الصَّحَابَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَوَّلِ الإِسْلامِ ، فَبَكَتْ جُوَيْرِيَةٌ مِنْهُنَّ حُدَيْبَاءُ قَدْ كَانَتْ أَخَذَتْهَا الْفَرْصَةُ وَهِيَ أَصْغَرُهُنَّ ، عَلَيْهَا سُبَيَّجٌ لَهَا مِنْ صُوفٍ فَرَحِمَتْهَا فَاحْتَمَلَتْهَا مَعَهَا ، فَبَيْنَا هُمَا تُرْتِكَانِ الْجَمَلَ إذا انْتَفَجَتِ الأَرْنَبُ ، فَقَالَتِ الْحُدَيْبَاءُ الْفَصْيَةُ: لا وَاللَّهِ لا يَزَالُ كَعْبُكِ أَعْلَى مِنْ كَعْبِ أَثْوَبَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ أَبَدًا ، ثُمَّ سَنَحَ الثَّعْلَبُ ، فَسَمَّتْهُ اسْمًا غَيْرَ الثَّعْلَبِ نَسِيَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَسَّانٍ ، ثُمَّ قَالَتْ مَا قَالَتْ فِي الأَرْنَبِ ، فَبَيْنَمَا هُمَا تُرْتِكَانِ إِذْ بَرَكَ الْجَمَلُ وأخذته رعدة فقالت الحديباء أدركتك
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১৬০ (ক)
(১) কায়লাহ বিনতে মাখরামাহ তাদের উভয়ের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বনু জুনাব গোত্রের ভাই হাবিব ইবনে আজহারের স্ত্রী ছিলেন এবং তিনি তার বেশ কিছু কন্যা সন্তান প্রসব করেছিলেন। এরপর তিনি (স্বামী) মৃত্যুবরণ করেন এবং তাদের চাচা আসওয়াব ইবনে আজহার তার কাছ থেকে তার কন্যাদের ছিনিয়ে নেন। ফলে ইসলামের প্রাথমিক যুগে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সাহায্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন। তখন তাদের মধ্যে হুদাইবা নামক এক কন্যা শিশু কাঁদতে লাগল, যে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিল এবং সে ছিল তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তার পরনে পশমের তৈরি একটি ছোট পোশাক ছিল। তিনি তার প্রতি দয়াপরবশ হলেন এবং তাকে সাথে তুলে নিলেন। এমতাবস্থায় যখন তারা উটকে দ্রুতগতিতে ছুটিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ একটি খরগোশ লাফিয়ে বের হলো। তখন স্পষ্টভাষী হুদাইবা বলল: "না, আল্লাহর কসম! এই বিষয়ে আপনার মর্যাদা আসওয়াবের মর্যাদার চেয়ে সর্বদা উঁচুই থাকবে।" এরপর একটি শিয়াল সামনে দিয়ে অতিক্রম করল, তখন সে শিয়ালকে এমন এক নামে ডাকল যা আব্দুল্লাহ ইবনে হাসসান ভুলে গেছেন এবং সে খরগোশের ক্ষেত্রে যা বলেছিল এখানেও তাই বলল। তারা যখন দ্রুতগতিতে পথ চলছিলেন, তখন হঠাৎ উটটি হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল এবং তা কাঁপতে শুরু করল। তখন হুদাইবা বলল: "আপনাকে ধরে ফেলেছে..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৪)
ق 160 (ب)
الفصية والله أحدة أثوب فقلت وَاضْطُرِرُتْ إِلَيْهَا وَيْحَكِ مَا أَصْنَعُ؟ قَالَتْ: قَلِّبِي ثِيَابَكِ ظُهُورَهَا لِبُطُونِهَا وَتَدَحْرَجِي ظَهْرَكِ لِبَطْنِكِ ، وَقَلِّبِي أحلاس جملك ثم خلعت سبيجتها فَقَلَبَتْهُ وَتَدَحْرَجَتْ ظَهْرَهَا لِبَطْنِهَا ، فَلَمَّا فَعَلْتُ مَا أَمَرَتْنِي انْتَفَضَ الْجَمَلُ ثُمَّ قَامَ وَتَفَاجَّ وَبَالَ ، فَقَالَتِ الْحُدَيْبَاءُ: أَعِيدِي عَلَيْهِ أَدَاتِكِ فَفَعَلْتُ مَا أَمَرَتْنِي بِهِ فَأَعَدْتُهَا ، ثُمَّ خَرَجْنَا نُرْتِكَ ، فَإِذَا أثوب يسعى على أثرنا بالسيف صلتاً فواألنا إلى حواء ضخم عظيم قداراه (1) حَتَّى أَلْقَى الْجَمَلَ إِلَى رُوَاقِ الْبَيْتِ الأَوْسَطِ جمل ذلول ، واقتحمت داخله بالجارية وأدركني السيف فَأَصَابَتْ ظُبَتُهُ طَائِفَةً مِنْ قُرُونِ رَأْسِي - وَفِي رواية ، بين قرون رأسيه - وقال: ألقي إلي بنت أخي يا دفار ، فرميت به إليه فجعلها على منكبه فذهب بِهَا وَكُنْتُ أَعْلَمُ بِهِ مِنْ أَهْلِ الْبَيْتِ ومضيت
--------------------------------------------
ফোলিও ১৬০ (খ)
আল-ফাসিয়্যাহ, আল্লাহর কসম, আসওয়াব ছিল এক ব্যক্তি। আমি বললাম এবং আমি এর জন্য নিরুপায় ছিলাম, তোমার দুর্ভোগ হোক, আমি কী করব? সে বলল: তোমার পোশাক উল্টে দাও, এর পিঠের দিক পেটের দিকে করো এবং তোমার পিঠ থেকে পেটের দিকে গড়াগড়ি দাও, আর তোমার উটের জিনের গদিগুলো উল্টে দাও। এরপর সে তার চাদর খুলে ফেলল এবং তা উল্টে দিল এবং পিঠ থেকে পেটের দিকে গড়াগড়ি দিল। সে আমাকে যা আদেশ করেছিল যখন আমি তা করলাম, তখন উটটি ঝাড়া দিয়ে কেঁপে উঠল, তারপর উঠে দাঁড়াল, দুই পা ফাঁক করল এবং প্রস্রাব করল। তখন হুদাইবা বলল: তোমার সরঞ্জামগুলো তার ওপর পুনরায় রাখো। সে আমাকে যা আদেশ করেছিল আমি তা-ই করলাম এবং সেগুলো পুনরায় রাখলাম। এরপর আমরা দ্রুতবেগে বেরিয়ে পড়লাম, হঠাৎ দেখলাম আসওয়াব উন্মুক্ত তলোয়ার হাতে আমাদের পিছু পিছু ধেয়ে আসছে। তখন আমরা একটি বিশাল ও সুবৃহৎ তাঁবুর আশ্রয়ে পৌঁছলাম যা সে দেখতে পাচ্ছিল (১), অবশেষে উটটি ঘরের মধ্যবর্তী বারান্দায় গিয়ে পৌঁছাল; এটি ছিল একটি অনুগত উট। আমি দাসীটিকে নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়লাম এবং তলোয়ারটি আমাকে পেয়ে ফেলল, ফলে এর অগ্রভাগ আমার মাথার চুলের একগুচ্ছকে স্পর্শ করল—অন্য বর্ণনায় আছে, তার দুই মাথার বেণীর মাঝখানে—এবং সে বলল: হে দুর্গন্ধময় নারী, আমার ভাতিজিকে আমার কাছে দাও। আমি তাকে তার দিকে ছুড়ে দিলাম, সে তাকে তার কাঁধে তুলে নিল এবং তাকে নিয়ে চলে গেল। আমি ঘরের লোকদের চেয়ে তার সম্পর্কে বেশি জানতাম। এবং আমি চলতে থাকলাম।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৫)
ق 161 (أ)
والأمانة إِلَى أُخْتٍ لِي نَاكِحٍ فِي بَنِي شَيْبَانَ أَبْتَغِي الصَّحَابَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوَّلَ الإِسْلامِ فَبَيْنَمَا أَنَا عِنْدَهَا ذَاتَ لَيْلَةٍ مِنَ اللَّيَالِي تَحْسَبُ عَنِّي نَائِمَةً جَاءَ زَوْجُهَا مِنَ السَّامِرِ ، فَقَالَ: وَأَبِيكِ لَقَدْ وَجَدْتُ لِقَيْلَةَ صَاحِبًا صَاحِبَ صِدْقٍ ، فَقَالَتْ أُخْتِي: مَنْ هُوَ؟ قَالَ: حُرَيْثُ بْنُ حَسَّانٍ الشَّيْبَانِيُّ وَافِدُ بَكْرِ بْنِ وَائِلٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَادِيًا ذَا صَبَاحٍ ، فَقَالَتْ أُخْتِي: الْوَيْلُ لا تُسْمِعْ بِهَذَا أُخْتِي فَتَخْرُجَ مَعَ أَخِي بَكْرِ بْنِ وَائِلٍ بَيْنَ سَمْعِ الأَرْضِ وَبَصَرِهَا لَيْسَ مَعَهَا مِنْ قَوْمِهَا رجل ، فقال: لا تذكرينه لَهَا فَإِنِّي غَيْرُ ذَاكِرِهِ لَهَا ، فَسَمِعْتُ مَا قَالا فَغَدَوْتُ فَشَدَدْتُ عَلَى جَمَلِي فَوَجَدْتُهُ غَيْرَ بعيد ، فسألته: أتصحبني؟ فَقَالَ: نَعَمْ وَكَرَامَةً ، وَرِكَابُهُ مُنَاخَةٌ عِنْدَهُ فَخَرَجْتُ معه صاحب صدقٍ حتى قدمنا على
ق 161 (ب)
عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وهو يصلي الناس صلاة الغداة وقد أقيمت حين شق الْفَجْرُ وَالنُّجُومُ شَابِكَةٌ فِي السَّمَاءِ وَالرِّجَالُ لا تَكَادُ تَعَارَفُ مِنْ ظُلْمَةِ اللَّيْلِ فَصَفَفْتُ مَعَ الرِّجَالِ امْرَأَةٌ حَدِيثَةُ عهدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ ، فَقَالَ لِي الرَّجُلُ الَّذِي يَلِينِي مِنَ الصَّفِّ امْرَأَةٌ أَنْتِ أَمْ رَجُلٌ؟ فَقُلْتُ: لا بَلِ امْرَأَةٌ ، فَقَالَ: إنك قد كدت تفتنيني ، فصلي في النساء وراءك وإذا صف النِّسَاءِ قَدْ حَدَثَ عِنْدَ الْحُجُرَاتِ لَمْ أَكُنْ رَأَيْتُهُ حِينَ دَخَلْتُ، فَكُنْتُ فِيهِنَّ حَتَّى إِذَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ دَنَوْتُ - وَفِي غَيْرِ هَذِهِ الرِّوَايَةِ - قَالَتْ: فَجَعَلْتُ إِذَا رَأَيْتُ رَجُلا ذَا رُوَاءٍ وَذَا قِشْرٍ طَمَحَ إِلَيْهِ بَصَرِي لأَرَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَوْقَ النَّاسِ - إلى هنا سقط من النسخة - قالت: فجاء رجل بعد ما ارتفعت الشمس ، فقال:
ق 162 (أ)
السَّلامُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: وَعَلَيْكَ السَّلامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ، وَعَلَيْهِ أَسْمَالٌ مُلَيَّتَيْنِ قَدْ كَانَتَا بزعفران وقد نفضتا وبيده عسيب نخلة مقشوء غَيْرُ خُوصَتَيْنِ مِنْ أَعْلاهُ قَاعِدًا الْقُرْفُصَاءَ ، فَلَمَّا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُتَخَشِّعَ فِي الْجِلْسَةِ أُرْعِدْتُ مِنَ الْفَرَقِ ، فَقَالَ لَهُ جَلِيسُهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أُرْعِدَتِ الْمِسْكِينَةُ ، فقال: ولم ينظر إلي (يَا مِسْكِينَةُ عَلَيْكِ السَّكِينَةُ) ، فَلَمَّا قَالَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَذْهَبَ اللَّهُ تَعَالَى مَا كَانَ دَخَلَ قَلْبِي مِنَ الرُّعْبِ ، وَتَقَدَّمَ صَاحِبِي أَوَّلَ رَجُلٍ حُرَيْثُ بْنُ حَسَّانٍ رضي الله عنه فَبَايَعَهُ عَلَى الإِسْلامِ وَعَلَى قَوْمِهِ ثُمَّ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ اكْتُبْ بيننا وبين تميم بالدهناء
পৃ. ১৬১ (ক)
এবং আমানত সোপর্দ করার উদ্দেশ্যে বনি শায়বানে আমার এক বিবাহিত বোনের কাছে গেলাম। আমি ইসলামের প্রথম যুগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাওয়ার জন্য সঙ্গী খুঁজছিলাম। এমতাবস্থায় একদিন রাতে আমি যখন তার কাছে ছিলাম, সে আমাকে ঘুমন্ত মনে করেছিল। তখন তার স্বামী রাতের মজলিস থেকে ফিরে এল এবং বলল: "তোমার পিতার শপথ! আমি কায়লার জন্য একজন সত্যনিষ্ঠ সঙ্গী খুঁজে পেয়েছি।" তখন আমার বোন জিজ্ঞাসা করল: "সে কে?" সে বলল: "হুরাইছ বিন হাসসান আশ-শায়বানী, যে বকর বিন ওয়ায়েলের প্রতিনিধি হয়ে আগামীকাল সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে যাবে।" তখন আমার বোন আক্ষেপ করে বলল: "দুর্ভোগ! আমার বোনকে এটি শুনিও না, অন্যথায় সে বকর বিন ওয়ায়েলের এই ভাইয়ের সাথে জনমানবহীন প্রান্তর পাড়ি দিয়ে বেরিয়ে পড়বে, অথচ তার সাথে তার গোত্রের কোনো পুরুষ থাকবে না।" তখন সে বলল: "তুমি তাকে এটি বলো না, আমিও তাকে এটি বলব না।" আমি তাদের কথাগুলো শুনে ফেললাম। অতঃপর ভোরে উঠে আমি আমার উটটি প্রস্তুত করলাম এবং তাকে (হুরাইছকে) অনতিদূরেই পেয়ে গেলাম। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম: "আপনি কি আমাকে আপনার সঙ্গী করবেন?" সে বলল: "হ্যাঁ, সানন্দে।" তার সওয়ারিগুলো তার কাছেই বসা অবস্থায় ছিল। আমি তার সাথে একজন সত্যনিষ্ঠ সঙ্গীর ন্যায় যাত্রা করলাম, শেষ পর্যন্ত আমরা উপস্থিত হলাম
পৃ. ১৬১ (খ)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট। তখন তিনি লোকেদের নিয়ে ফজরের নামায আদায় করছিলেন। নামাযের ইকামত এমন সময় হয়েছিল যখন ফজর কেবল উদিত হয়েছে এবং আকাশের তারকারাজি এখনো পুঞ্জীভূত হয়ে দৃশ্যমান ছিল। রাতের অন্ধকারের কারণে পুরুষরা একে অপরকে চিনতে পারছিল না। আমি পুরুষদের কাতারেই দাঁড়িয়ে গেলাম, কারণ আমি ছিলাম জাহেলিয়াত থেকে নতুন আসা এক নারী। কাতারে আমার পার্শ্ববর্তী এক ব্যক্তি আমাকে বলল: "তুমি নারী নাকি পুরুষ?" আমি বললাম: "না, বরং আমি একজন নারী।" সে বলল: "তুমি তো আমাকে প্রায় ফিতনায় ফেলে দিয়েছিলে! তুমি তোমার পেছনের নারীদের কাতারে গিয়ে নামায পড়ো।" তখন আমি কামরাগুলোর পাশে নারীদের একটি কাতার দেখতে পেলাম যা প্রবেশ করার সময় আমি দেখিনি। আমি তাদের সাথে শামিল হলাম। অবশেষে যখন সূর্য উদিত হলো, আমি কাছে গেলাম। (অন্য বর্ণনায় এসেছে) তিনি বলেন: "আমি যখনই কোনো সুন্দর অবয়ব ও সুন্দর পোশাকধারী ব্যক্তিকে দেখতাম, তখনই আমার দৃষ্টি তার দিকে নিবদ্ধ হতো এই ভেবে যে, হয়তো তিনিই সেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিনি অন্য মানুষের ঊর্ধ্বে।" —এখান থেকে মূল পাণ্ডুলিপির কিছু অংশ বিলুপ্ত হয়েছে— তিনি বলেন: সূর্য কিছুটা ওপরে উঠলে এক ব্যক্তি এল এবং বলল:
পৃ. ১৬২ (ক)
"আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ।" রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "ওয়া আলাইকাস সালামু ওয়া রাহমাতুল্লাহ।" তাঁর পরনে ছিল দুটি জীর্ণ বস্ত্র যা জাফরান দিয়ে রাঙানো ছিল এবং যার রং এখন হালকা হয়ে গেছে। তাঁর হাতে ছিল পাতা ও ছাল ছাড়ানো একটি খেজুরের ডাল। তিনি 'কুরফুসা' ভঙ্গিতে (দুই হাঁটু পেটের সাথে মিলিয়ে হাত দিয়ে জড়িয়ে) বসে ছিলেন। আমি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বসার ভঙ্গিতে অত্যন্ত বিনম্র অবস্থায় দেখলাম, তখন ভয়ে আমার শরীর কাঁপতে লাগল। তাঁর পাশে বসা এক ব্যক্তি বলল: "হে আল্লাহর রাসূল! এই অসহায় নারীটি তো ভয়ে কাঁপছে।" তখন তিনি আমার দিকে না তাকিয়েই বললেন: "হে অসহায়া নারী, শান্ত হও।" যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বললেন, তখন আল্লাহ তাআলা আমার অন্তর থেকে সেই ভয় দূর করে দিলেন। অতঃপর আমার সঙ্গী হুরাইছ বিন হাসসান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সবার আগে সামনে এগিয়ে গেলেন এবং ইসলাম গ্রহণ ও তাঁর গোত্রের পক্ষ থেকে বায়আত গ্রহণ করলেন। এরপর তিনি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের এবং তামীম গোত্রের মাঝে দাহনা নামক স্থানটির সীমানা লিখে দিন।"
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৬)
ق 162 (ب)
لا يُجَاوِزُهَا إِلَيْنَا مِنْهُمْ إِلا مُسَافِرٌ أَوْ مجاورز فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (اكتب بالدهناء يا غلام) فَلَمَّا أَمَرَ لَهُ بِهَا شُخِصَ بِي وَهِيَ وَطَنِي وَدَارِي ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ يسألك السوية ، من الآمن لَمْ يَسْأَلْكَ السَّوِيَّةَ ، مِنَ الأَمْرِ إِذْ سَأَلَكَ؟ إِنَّمَا هَذِهِ الدَّهْنَاءُ عِنْدَهُ مُقَيَّدُ الْجَمَلِ وَمَرْعَى البَهْم ونساء تميم وأبناءها وَرَاءَ ذَلِكَ ، فَقَالَ: (امْسِكْ يَا غُلامُ صَدَقَتِ الْمِسْكِينَةُ الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ يَسَعُهُمَا الْمَاءُ وَالشَّجَرُ وَيَتَعَاوَنَانِ عَلَى الفُتَّّان) ، فَلَمَّا رَأَى حُرَيْثٌ أَنْ قَدْ حِيلَ بَيْنَ كِتَابِهِ ضَرَبَ بِإِحْدَى يَدَيْهِ عَلَى الأُخْرَى ، ثُمَّ قَالَ: كُنْتُ أَنَا وَأَنْتِ كما قال: وحتفهما تَحْمِلُ ضَأْنٌ بِأَظْلافِهَا ، فَقَالَتْ: وَاللَّهِ مَا عَلِمْتُ إِنْ كُنْتَ لَدَلِيلا فِي الظَّلْمَاءِ بَذُولا لِذِي الرَّحْلِ عَفِيفًا عَنِ الرَّفِيقَةِ حَتَّى قَدِمْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَلَكِنْ لا تلمني على أن أسأل
163 (أ)
حَظِّي إِذْ سَأَلْتَ حَظَّكَ قَالَ: وَمَا حَظُّكِ فِي الدَّهْنَاءِ لا أَبَا لَكِ؟ قُلْتُ: مَقِيدُ جَمَلِي تَسْأَلُهُ لِجَمَلِ امْرَأَتِكَ ، قَالَ: لا جَرَمَ عَنِّي أُشْهِدُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنِّي لَكِ أَخٌ وَصَاحِبٌ مَا حَيِيتِ إذ أثنيت عليّ هذا عنده فعلت إِذْ بَدَأْتُهَا فَلَنْ أُضِيعَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (أَيُلامُ ابْنُ هَذِهِ أَنْ يَفْصِلَ الْخُطَّةَ وَيَنْتَصِرَ مِنْ وَرَاءِ الْحُجْزَةِ) ، فَبَكَيْتُ ثُمَّ قُلْتُ: قَدْ وَاللَّهِ كُنْتُ وَلَدْتُهُ يا رسول الهس حِزَامًا فَقَاتَلَ مَعَكَ يَوْمَ الرَّبَذَةِ ، ثُمَّ ذَهَبَ يُمِيرُنِي مِنْ خَيْبَرَ فَأَصَابَتْهُ حُمَّاهَا ، فَمَاتَ فَتَرَكَ عَلَيَّ النِّسَاءَ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ لَمْ تكوني مسكينة لجررناك على وجهك أولجررت عَلَى وَجْهِكِ - شَكَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَسَّانٍ أَيَّ الْحَرْفَيْنِ حَدَّثَتْهُ الْمَرْأَتَانِ - أَتُغْلَبُ إِحْدَاكُنَّ أَنْ تصاحب
পৃষ্ঠা ১৬২ (খ)
তাদের মধ্য থেকে কোনো মুসাফির বা প্রতিবেশী ব্যতীত কেউ তা অতিক্রম করে আমাদের নিকট আসতে পারে না। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: (হে কিশোর, দাহনা [অঞ্চলটি তার নামে] লিখে দাও)। যখন তিনি তার জন্য এর নির্দেশ দিলেন, তখন আমি বিচলিত হয়ে পড়লাম, অথচ এটি ছিল আমার স্বদেশ ও আমার ঘর। তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে যখন আপনার কাছে আবেদন করল তখন সে কি আপনার কাছে সঠিক বা ইনসাফপূর্ণ বিষয় প্রার্থনা করেছিল? এই দাহনা তার কাছে কেবল উট বাঁধার জায়গা এবং গবাদিপশুর চারণভূমি মাত্র, অথচ এর পেছনে তামীম গোত্রের নারী ও শিশুরা রয়েছে। তখন তিনি বললেন: (হে কিশোর, থামো। অসহায় নারীটি সত্য বলেছে। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। পানি ও বৃক্ষরাজিতে তাদের উভয়েরই সংকুলান হয় এবং তারা ফিতনাকারীর বিরুদ্ধে একে অপরকে সহযোগিতা করে)। যখন হুরাইস দেখলেন যে তার দলিলের মাঝে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, তখন তিনি তার এক হাতের ওপর অন্য হাত দিয়ে আঘাত করলেন। এরপর বললেন: আমি এবং আপনি সেই প্রবাদের মতোই হয়েছি যেমন বলা হয়েছে: "একটি ভেড়া তার খুর দিয়ে নিজেরই মৃত্যু বয়ে আনে।" তখন মহিলাটি বলল: আল্লাহর শপথ, আমি আপনার সম্পর্কে যতটুকু জানতাম তা হলো আপনি অন্ধকারে পথপ্রদর্শক, পথিকের প্রতি দানশীল এবং সঙ্গিনীর প্রতি পবিত্র চরিত্রের অধিকারী ছিলেন, যতক্ষণ না আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছালাম। তবে আমাকে আমার অংশ চাওয়ার জন্য তিরস্কার করবেন না,
১৬৩ (ক)
যেহেতু আপনি আপনার অংশ চেয়েছিলেন। তিনি বললেন: তোমার বিনাশ হোক, দাহনাতে তোমার আবার কী অংশ আছে? আমি বললাম: আমার উট বাঁধার জায়গাটি, যা আপনি আপনার স্ত্রীর উটের জন্য তাঁর কাছে প্রার্থনা করছেন। তিনি বললেন: অবশ্যই আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সাক্ষী রাখছি যে, আমি যতদিন বেঁচে থাকব আমি তোমার ভাই ও সাথী হয়ে থাকব। যেহেতু তুমি তাঁর সামনে আমার এমন প্রশংসা করলে, তাই আমি যা শুরু করেছিলাম তা আর নষ্ট করব না। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: (এই মহিলার সন্তানকে কি এজন্য নিন্দা করা যায় যে, সে বিবাদ মীমাংসা করেছে এবং পেছন থেকে সাহায্য করেছে?)। তখন আমি কেঁদে ফেললাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর শপথ, আমি তাকে অত্যন্ত বিচক্ষণ হিসেবেই জন্ম দিয়েছিলাম। সে রাবাযার দিনে আপনার সাথে যুদ্ধ করেছিল। এরপর সে খায়বার থেকে আমার জন্য খাদ্যদ্রব্য আনতে গিয়ে সেখানকার জ্বরে আক্রান্ত হলো এবং মৃত্যুবরণ করল। সে আমার ওপর তার নারীদের রেখে গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: (সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, যদি তুমি অসহায় না হতে তবে আমরা তোমাকে তোমার চেহারার ওপর হেঁচড়াতাম—বা তোমাকে তোমার মুখের ওপর টেনে নেওয়া হতো—আবদুল্লাহ ইবনে হাসসান সন্দেহ করেছেন যে দুই মহিলার মধ্যে কে এই কথাটি বর্ণনা করেছেন—তোমাদের কেউ কি এতে পরাজিত হবে যে সে সাথী হবে...
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৭)
ق 163 (ب)
في الدنيا معروفا فإذا حال بينه وبين من هو أولى به استرجع ثم قال: رب آسني ما ارحيت رواحتي عَلَى مَا أَبْقَيْتَ فَوَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ إِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَبْكِي فَيَسْتَعْبِرَ إِلَيْهِ صُوَيْحِبُهُ فَيَا عباد الله لا تعذبو مَوْتَاكُمْ - وَفِي رِوَايَةٍ - لا تُعَذِّبُوا إِخْوَانَكُمْ) ثُمَّ كَتَبَ لَهَا فِي قِطْعَةِ أَدِيمٍ أَحْمَرَ ، (لِقَيْلَةَ وَالنِّسْوَةِ مِنْ بَنَاتِ قَيْلَةَ أَنْ لا يُظْلَمْنَ حَقًّا وَلا يُكْرَهْنَ عَلَى مَنْكَحٍ وَكُلُّ مُؤْمِنٍ وَمُسْلِمٍ لَهُنَّ نَصِيرٌ وَأَحْسِنَّ وَلا تُسِئْنَ))
هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ حَسَنٌ يُعَدُّ فِي إِفْرَادِ أَهْلِ الْبَصْرَةِ لا أَعْلَمُ رَوَاهُ إِلا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَسَّانٍ وَرَوَاهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ جَمَاعَةٌ سوى من ذكرناهم وقع لنا بدلاً عَالِيًا فَقَدْ رَوَاهُ الإِمَامُ أَبُو الْفَضْلِ الرَّازِيُّ ، عن جعفر بن عبد الله الروياني ، عن مُحَمَّدِ بْنِ هَارُونَ الرُّويَانِيِّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سوارٍ ، وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ أَيْضًا ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إسحاق ، عن
ق 164 (أ)
(1) ورواه أصحاب الإِمَامُ أَبُو (2) عَبْدُ اللَّهِ (3) عَنْهُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بن أسعد الأبيوردني ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ (4) ، عَنْ أَبِي عُمَرَ الْحَوْضِيِّ ، وابن سوار ، واللاحقي جميعاً ، عن ابن حَسَّانٍ. فَكَأَنِّي رَوَيْتُهُ عَنْهُمْ ، وَفِي رِوَايَةِ الرُّويَانِيِّ (أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ رَجُلٍ مِنْ بَنِي عَدِيٍّ) ، وَفِي رِوَايَةٍ أُخْرَى (مِنْ بَنِي جُنَابٍ مِنْ بَنِي كَلْبٍ) .
وَقَوْلُهُ (وَلَدَتْ لَهُ نِسَاءً) يَعْنِي بَنَاتٍ ، وَالصَّحَابَةُ بِفَتْحِ الصَّادِ جَمْعُ صَاحِبٍ وَقَدْ تَكُونُ الصَّحَابَةُ مَصْدَرًا بِمَعْنَى الصُّحْبَةِ وَالْمَوْضِعُ يَحْتَمِلُهَا، وقلوها (فبكت جويرية منهن) ، وفي رواية (هُنِيَّةٌ مِنْهُنَّ) وَهِيَ تَصْغِيرُ هنةٍ كِنَايَةً عَنِ الْمَرْأَةِ ، وَالْحُدَيْبَاءُ تَصْغِيرُ الْحَدْبَاءِ وَالْحَدَبُ ارْتِفَاعُ الظَّهْرِ خِلْقَةً ، وَالْفَرْصَةُ رِيحُ الْحَدَبِ وَهِيَ أَوَّلُ تِلْكَ الْعِلَّةِ الَّتِي يَتَوَلَّدُ الْحَدَبُ مِنْهُ ، والسُبَيِّج قِيلَ هُوَ كِسَاءٌ مِنْ صُوفٍ أَسْوَدَ مَأْخُوذٌ مِنَ السُبَيِّج وَهُوَ خَرَزٌ أَسْوَدُ شَدِيدُ السَّوَادِ ، وَقَالَ ابْنُ السِّكِّيتِ: هُوَ تَعْرِيبُ شَيْءٍ يَعْنِي الْقَمِيصَ فعلى هذا يجوز أن يكون
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১৬৩ (খ)
দুনিয়াতে সদাচরণ করল। অতঃপর যখন তার এবং তার জন্য যে অধিক নিকটবর্তী ছিল তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে গেল, তখন সে ইন্নালিল্লাহ পাঠ করল। তারপর বলল: 'হে আমার রব, যা অবশিষ্ট রেখেছেন তার ওপর আমাকে সান্ত্বনা দান করুন'। সুতরাং যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ তাঁর শপথ, তোমাদের কেউ যখন কাঁদে তখন তার জন্য তার সাথীও অশ্রু বিসর্জন দেয়। হে আল্লাহর বান্দারা, তোমরা তোমাদের মৃতদের কষ্ট দিও না—অন্য এক বর্ণনায়—তোমরা তোমাদের ভাইদের কষ্ট দিও না। অতঃপর তিনি তার জন্য এক টুকরো লাল চামড়ায় লিখে দিলেন: "কাইলা এবং কাইলার কন্যাদের বংশধর নারীদের প্রতি যেন তাদের হকের ব্যাপারে জুলুম না করা হয় এবং তাদের বিবাহের ব্যাপারে বাধ্য না করা হয়। প্রত্যেক মুমিন ও মুসলিম তাদের সাহায্যকারী। তোমরা সদাচরণ করো এবং মন্দ আচরণ করো না।"
এটি একটি গরিব হাসান হাদিস। এটি বসরার অধিবাসীদের একক বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হয়। আব্দুল্লাহ বিন হাসসান ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই। আমাদের উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও একদল বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আমরা একটি উচ্চতর 'বদল' সনদ লাভ করেছি। ইমাম আবুল ফজল আল-রাজি এটি জাফর বিন আব্দুল্লাহ আল-রুয়ানি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন হারুন আল-রুয়ানি থেকে, তিনি আমর বিন আলী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সাওয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ বিন হারুনও এটি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি
পৃষ্ঠা ১৬৪ (ক)
(১) এবং ইমাম আবু (২) আব্দুল্লাহ (৩) এর সাথীবৃন্দ তাঁর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আস'আদ আল-আবিওয়ার্দি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন (৪) থেকে, তিনি আবু উমর আল-হাওজি, ইবনে সাওয়ার এবং আল-লাহিকি—তাঁরা সকলে ইবনে হাসসান থেকে বর্ণনা করেছেন। যেন আমি তাঁদের থেকেই এটি বর্ণনা করেছি। রুয়ানির বর্ণনায় রয়েছে: "তিনি বনু আদীর এক ব্যক্তির অধীনে ছিলেন।" অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: "বনু কালবের বনু জুনাব গোত্রের এক ব্যক্তির অধীনে।"
তাঁর উক্তি "তিনি তার জন্য নারী জন্ম দিয়েছেন" অর্থাৎ কন্যা সন্তান। 'সাহাবা' শব্দটি সদ-এর জবর যোগে, যা 'সাহিব'-এর বহুবচন। কখনো 'সাহাবা' শব্দটি 'সাহবাত' বা সান্নিধ্য অর্থে মাসদার (ক্রিয়ামূল) হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এবং প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এখানে উভয়টিই সম্ভব। তাদের উক্তি "তাদের মধ্যে থাকা এক বালিকা কেঁদে উঠল", অন্য বর্ণনায় 'হুনাইয়াহ' এসেছে, যা 'হানাহ' শব্দের ক্ষুদ্রার্থক রূপ এবং এটি নারী বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। 'হুদাইবা' হলো 'হাদবা' শব্দের ক্ষুদ্রার্থক রূপ, আর 'হাদাব' হলো সৃষ্টিগতভাবে পিঠ উঁচু হওয়া বা কুব্জতা। 'ফারসাহ' হলো কুব্জতার বায়ু (ব্যথা), যা সেই রোগের সূচনা যা থেকে কুব্জতা তৈরি হয়। 'সুবাইজ' সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এটি কালো পশমের একটি চাদর, যা 'সুবাইজ' থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি অত্যন্ত কালো রঙের পুঁতি। ইবনুস সিক্কিত বলেছেন: এটি একটি অনারবি শব্দের আরবিকরণ যার অর্থ কামিস বা জামা। সুতরাং এর ভিত্তিতে এটি হতে পারে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৮)
ق 164 (ب)
(1) أن غيره ويرتكان أي تسرعان يرتكان وهو من جنس عَدْوِ الْبَعِيرِ يُقَالُ: رَتَكَ الْبَعِيرُ إِذَا عَدَا ذلك العدو وارتكى (2) حمله عَلَيْهِ ، وَانْتَفَجَتْ أَيْ وَثَبَتْ وَخَرَجَتِ ، الْفَصْيَةُ الْفَرَجَ وَالتَّخَلُّصُ تَفَاءَلَتْ بِمَا رَأَتْ مِنْ خُرُوجِ الأَرْنَبِ مِنَ الضِّيقِ إِلَى السَّعَةِ وَالْعَرَبُ تَتَطَيَّرُ وَتَتَفَاءَلُ بِمَا تَرَى وَتَسْمَعُ عِنْدَ الْخُرُوجِ إِلَى أَمْرٍ يَعْرِضُ لَهُمْ ، وَقَوْلُهَا (لا يَزَالُ كَعْبُكِ أَعْلَى) أي كَعْبِ الفَتَاةِ يُكَنُّونَ بِذَلِكَ عَنِ الشَّرَفِ أَيْ لا تزالن أَشْرَفَ مِنْهُ وَأَمْرُكِ أَعْلَى مِنْ أَمْرِهِ ، وَقَوْلُهَا (سَنَحَ الثَّعْلَبُ) السَّانِحُ أَنْ يَقْطَعَ السَّبُعُ أَوِ الطير الطريق من تمين الرجل إلى شماله ، والبازح (3) ذَلِكَ وَقِيلَ عَلَى الْعَكْسِ فِيمَا يَتَطَيَّرُ الْعَرَبُ بأحدهما ويتفاءل بالآخر على اختلاف الأقوال فيه
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১৬৪ (খ)
(১) অন্য কেউ এবং 'য়ারতাকান' অর্থাৎ তারা দ্রুত চলছে। 'য়ারতাকান' শব্দটি উটের দৌড়ানোর প্রকৃতির অন্তর্ভুক্ত। বলা হয়ে থাকে: উট যখন সেই বিশেষ গতিতে দৌড়ায় তখন সে 'রাতাকা' করে এবং 'ইরতাকা' (২) তার বোঝা তার ওপর চাপিয়ে দেয়। এবং 'ইনতাফাজাত' অর্থাৎ সে লাফিয়ে উঠল এবং বেরিয়ে এল। 'আল-ফাসইয়াহ' মানে হলো মুক্তি ও নিষ্কৃতি। সংকীর্ণতা থেকে প্রশস্ততায় খরগোশের বের হয়ে আসা দেখে সে শুভলক্ষণ গ্রহণ করল। আর আরবরা যখন কোনো নতুন বিষয়ের সম্মুখীন হয়ে বের হতো, তখন তারা যা দেখত বা শুনত তা থেকে কুলক্ষণ বা শুভলক্ষণ গ্রহণ করত। এবং তার কথা (তোমার গোড়ালি যেন সর্বদা উঁচুতে থাকে), অর্থাৎ মেয়েটির গোড়ালি; তারা এর মাধ্যমে সম্মান ও মর্যাদাকে রূপক অর্থে ব্যবহার করে। অর্থাৎ তুমি যেন সর্বদা তার চেয়ে অধিক সম্মানিত থাক এবং তোমার অবস্থা যেন তার অবস্থার চেয়ে উন্নত থাকে। এবং তার উক্তি (শিয়ালটি ডান দিক দিয়ে অতিক্রম করল), 'সানিহ' হলো কোনো হিংস্র পশু বা পাখির ব্যক্তির ডান দিক থেকে বাম দিকে পথ অতিক্রম করা। আর 'বারিহ' (৩) হলো সেটিই, আবার বলা হয়ে থাকে যে এর বিপরীতটি। আরবরা এই দুইটির একটিতে কুলক্ষণ গ্রহণ করত এবং অন্যটিতে শুভলক্ষণ দেখত, এ বিষয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ৯)
ق 165 (أ)
(1) لأَنَّهَا تَفَاءَلَتْ بِشَيْئَيْنِ ثُمَّ كَانَ الأَمْرُ عَلَى خلاف ما علمته ، وقولها أدركتك والأمانة (2) والأمانة قسم أقسمت بها أي أدركتك (3) أثوب وتقلبت الثِّيَابِ أَرَادَتْ بِهِ التَّفَاؤُلَ أَيْضًا، وَالتَّدَحْرُجُ التَّقَلُّبُ وَهَذَا الْفِعْلُ لَهُ أَصْلٌ فِي الشَّرْعِ وَذَلِكَ عِنْدَ الاسْتِسْقَاءِ كَمَا رُوِيَ أَنَّهُ صلى الله عليه وسلم حَوَّلَ رِدَاءَهُ وَجَعَلَ أَعْلَاهُ أَسْفَلَهُ تَفَاؤُلا أَيْضًا ، وَانْتَفَضَ ارْتَعَدَ ، وَفَاجَّ وَتَفَاجَّ أَيْ بَاعَدَ مَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ كَمَا يَفْعَلُ الْبَائِلُ حِينَ يُرِيدُ الْبَوْلَ ، وَقَدْ كَانَتِ الْعَرَبُ تَصْنَعُ أَشْيَاءً مِنْ رُمُوزِ أَنْفُسِهِمْ فَيَكُونَ كَمَا يَظُنُّونَ ، والصلت المجرد، واألت أَيْ لَجَأَتْ وَالْحُوَاءُ الْبُيُوتُ الْمُجْتَمِعَةُ ، وَالضَّخْمُ الْعَظِيمُ
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১৬৫ (ক)
(১) কারণ তিনি দুটি বিষয় নিয়ে শুভলক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন, অতঃপর বিষয়টি তাঁর জানার বিপরীতে ঘটেছিল। আর তাঁর উক্তি "আমি তোমাকে পেয়েছি আর আমানতের কসম" (২); আর আমানত হলো একটি শপথ যা দ্বারা তিনি কসম করেছেন, অর্থাৎ আমি তোমাকে পেয়েছি (৩)। কাপড় পরিবর্তন ও উল্টে দেওয়া দ্বারাও তিনি শুভলক্ষণই উদ্দেশ্য করেছিলেন। আর গড়াগড়ি খাওয়া হলো উল্টে যাওয়া। শরীয়তে এই কার্যের ভিত্তি রয়েছে, আর তা বৃষ্টির প্রার্থনার সময়; যেমনটি বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদর উল্টে দিয়েছিলেন এবং শুভলক্ষণ হিসেবেই এর উপরের অংশ নিচে দিয়েছিলেন। আর 'ইনতাফাদা' অর্থ কেঁপে ওঠা। আর 'ফজিজা' ও 'তাফজিজা' অর্থ হলো দুই পায়ের মাঝে দূরত্ব তৈরি করা, যেমনটি প্রস্রাবকারী প্রস্রাব করার সময় করে থাকে। আর আরবরা তাদের নিজেদের মনগড়া কিছু প্রতীকী কাজ করত, ফলে তা তাদের ধারণা অনুযায়ীই হতো। 'সালত' অর্থ উন্মুক্ত। আর 'আলাত' অর্থ আশ্রয় গ্রহণ করা। আর 'হুওয়া' হলো একত্রিত ঘরসমূহ, এবং 'দাখম' হলো বিশাল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ১০)
ق 165 (ب)
(1) وهي صفة دون الصفة (2) ، واقتحمت أي دخلت بعنف ، وظبته أي جده ، وطائفه أي قطعه ، (3) الرأس جوانبه ، والقرنان ناحيتا (4) نوالها في رأسيه ما الْوَقْفُ عَلَى لُغَةِ قَوْلِهِ تبارك وتعالى "مَا أَغْنَى عَنِّي مَالِيَهْ * هَلَكَ عَنِّي سُلْطَانِيَهْ" ، وَقَوْلُهُ يَا دَفَارِ مَبْنِيٌّ عَلَى الْكَسْرِ أَيْ يَا منتنة ، وقولها تحسب عَنِّي نَائِمَةٌ الْعَيْنُ فِي عَنِّي مُبْدَلَةٌ مِنَ الْهَمْزَةِ وَهِيَ لُغَةُ بَنِي تَمِيمٍ تُسَمَّى الْعَنْعَنَةَ أعن ترسمت مزخرفاً منزلةً ، يريد أئن تَرَسَّمْتُ فَعَلَى هَذَا نَائِمَةٌ بِرَفْعِ الْهَاءِ خَبَرٌ لأن ، ورواه بعضهم جاهلاً بهذه اللغة (تحسب عيني نائمة) بنصب الهاء مفعولاً
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১৬৫ (খ)
(১) এটি একটি গুণ যা অন্য গুণের নিচে (২), এবং 'ইকতাহামাত' অর্থাৎ বলপ্রয়োগপূর্বক প্রবেশ করল, এবং 'জাবাতাহু' অর্থাৎ তার প্রচেষ্টা, এবং 'তয়িফুহু' অর্থাৎ তার অংশ, (৩) মাথার পার্শ্বসমূহ, এবং শিংদ্বয় বলতে দুই পাশ বোঝায় (৪) তার দুই মাথায় যা প্রাপ্তি; এটি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার এই বাণীর ভাষারীতি অনুযায়ী বিরতি (ওয়াকফ) প্রদানের সদৃশ: "আমার ধন-সম্পদ আমার কোনো উপকারে আসেনি, আমার ক্ষমতাও বিলুপ্ত হয়েছে", এবং তাঁর উক্তি 'ইয়া দাফারি' এটি কাসরা (জের) যোগে গঠিত যার অর্থ 'হে দুর্গন্ধময়ী', এবং তাঁর উক্তি 'তাহসাবুন আননি নাইমাহ'-তে 'আননি' শব্দের 'আইন' বর্ণটি 'হামজা' থেকে পরিবর্তিত হয়েছে; এটি বনু তামীম গোত্রের একটি ভাষারীতি যাকে 'আনআনা' বলা হয়। যেমন: 'আ-আন তারাসসামতা মুজাখরাফান মানযিলা', তিনি মূলত 'আ-ইন তারাসসামতু' বুঝিয়েছেন। এই নিয়মানুসারে 'নাইমাহ' শব্দটি 'হা' বর্ণের রফ্ (পেশ) সহকারে 'আন্না' এর খবর হবে। আর তাদের কেউ কেউ এই ভাষারীতি সম্পর্কে অজ্ঞতাবশত একে 'নাইমাতান' হিসেবে 'হা' বর্ণে নাসব (জবর) দিয়ে মফউল (কর্ম) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাওয়ালাতুল আখবার লিআবী মুসা আল-মাদীনী
(পৃষ্ঠা: ১১)
166 (أ)
(1) الواحد والجمع فيه سواء ، وهو (2) بجماعة يَجْتَمِعُونَ بِاللَّيْلِ يَتَحَدَّثُونَ ، وَقَوْلُهُ وَأَبِيكِ قَسَمٌ أَيْضًا عَلَى عَادَتِهِمْ ، وَغَادِيًا ذَا صَبَاحٍ أَيّ خَارِجَاً أَوَّلُ النَّهَارِ يَزِيدُونَ ذَا فِي أَلْفَاظٍ تَأْكِيدًا لَهَا كَمَا يَقُولُونَ ذَاتَ يَوْمٍ وَذَاتَ لَيْلَةٍ ، وثولها بَيْنَ سَمْعِ الأَرْضِ وَبَصَرِهَا قِيلَ فِيهِ أَقْوَالٌ ، قال أبوة عبيد: وجهه عندي أنها أرادت أن الجل يَخْلُو بِهَا لَيْسَ مَعَهَا أَحَدٌ يَسْمَعُ كَلامَهَا أو يُبْصِرُهَا دُونَ الأَشْيَاءِ وَالنَّاسِ ، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: أَيْ بَيْنَ طُولِهَا وَعَرْضِهَا ، وَفِي رِوَايَةٍ وَقَدْ سَمِعْتُ ما قالا فشددت عليه يعني عَلَى الْجَمَلِ الرَّحْلَ ثُمَّ سَأَلْتُ عَنْهُ ، وَفِي رِوَايَةٍ وَنَشَدْتُ عَنْهُ بِمَعْنَى سأَلْتُ ، وَقَوْلُهَا مُنَاخَةٌ عنده رِكَابِهِ أَيْ جِمَالَهُ ، وَفِي رِوَايَةٍ مُنَاخَهُ عِنْدَ ركابه. انتهى (3)
--------------------------------------------
১৬৬ (ক)
(১) এতে একবচন ও বহুবচন সমান, আর এটি (২) এমন একদল লোকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যারা রাতে একত্রিত হয়ে কথাবার্তা বলে। আর তাঁর উক্তি "তোমার পিতার শপথ" তাদের প্রথা অনুযায়ীও একটি শপথ। এবং "ভোরবেলা প্রাতঃকালে" অর্থাৎ দিনের শুরুতে বের হওয়া; তারা শব্দগুলোর গুরুত্বারোপের জন্য শব্দে "যা" (থা) বৃদ্ধি করে, যেমন তারা বলে থাকে "কোন একদিন" এবং "কোন এক রাতে"। আর তাঁর উক্তি "জমিনের শ্রবণ ও দর্শনের মাঝে", এই বিষয়ে বিভিন্ন মত বর্ণিত হয়েছে। আবু উবাইদ বলেন: আমার নিকট এর ব্যাখ্যা হলো, তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে লোকটি তাঁর সাথে নির্জনে ছিল, সেখানে অন্য কোনো বস্তু বা মানুষ ছিল না যে তাঁর কথা শুনবে বা তাঁকে দেখবে। আবার কেউ কেউ বলেছেন: অর্থাৎ জমিনের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের মাঝে। এক বর্ণনায় রয়েছে, "তারা যা বলেছিল আমি তা শুনেছিলাম, তাই আমি তার ওপর অর্থাৎ উটের ওপর হাওদা শক্ত করে বাঁধলাম, তারপর আমি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।" অন্য এক বর্ণনায় "আমি অন্বেষণ করলাম" শব্দটি "আমি জিজ্ঞাসা করলাম" অর্থে এসেছে। আর তাঁর উক্তি "তাঁর নিকট তাঁর সওয়ারিগুলো বসা ছিল" অর্থাৎ তাঁর উটসমূহ। অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে "তাঁর সওয়ারির নিকট তাঁর উট বসার স্থান"। সমাপ্ত (৩)
--------------------------------------------