(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: -)
المنتقى من مسموعات الضياء المقدسي بمرو - مخطوط   (ضياء الدين المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المنتقى من مسموعات مرو - مخطوط

المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 423

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মার্ভে দিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসীর শ্রবণকৃত সংকলন হতে নির্বাচিত অংশ - পাণ্ডুলিপি   (দিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মার্ভের শ্রবণকৃত হাদিস হতে নির্বাচিত অংশ - পাণ্ডুলিপি

লেখক: দিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী (মৃ. ৬৪৩ হি.)

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খিদরি

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪২৩

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: المنتقى من مسموعات مرو - مخطوط

المؤلف: الضياء المقدسي

المتوفى: 643 هـ
গ্রন্থ: মার্ভের শ্রবণকৃত বর্ণনাসমূহের নির্বাচিত সংকলন - পাণ্ডুলিপি

গ্রন্থকার: আদ-দিয়া আল-মাকদিসি

মৃত্যু: ৬৪৩ হিজরি
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١)
ق 1305 (ب)

جزء منتقى مما سمعناه بمرو وهو مما سمعه شيخنا ببخارى

• كتب شيخنا الإمام أبو المظفر السمعاني، قال: أنشدنا الإمام الأديب محمود بن علي النسفي يقول: سمعت بعض الخبازين قرأ علي هذه الأبيات ليصححها فأعجبتني فحفظتها

لقد أمضيت بالطغوى شبابك ولم تجعل إلى التقوى مآبك

ألا لا تجمع الذهب المصفر ولا لا تجمعن واذكر ذهابك

تدنس عرضك الزاهي فجوراً وتغسل كل أسبوع ثيابك

ستسأل عن معاص يوم حشر فإن صدقتني هيئ جوابك

ولا تنم الليالي خوف يوم يقول الله فيه اقرأ كتابك

• وأنشدنا شيخنا أبي المظفر، قال: أنشدنا محمود النسفي، قال: وأنشدني طاهر بن الحسين الألمعي الكشي لنفسه

ما للبرية للدنيا بواطنهم أما دروا أن أجدلنا مواطنهم

كم أمة عاهدوها ما وفت لهم فأهلكوا لا ترى إلا مساكنهم

ق 1306 (أ)

بسم الله الرحمن الرحيم، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم، رب يسر وأعن ووفق يا كريم
পৃষ্ঠা ১৩০৫ (খ)

মার্ভে আমরা যা শ্রবণ করেছি তার মধ্য থেকে একটি নির্বাচিত অংশ, আর এটি সেই সবেরই অন্তর্ভুক্ত যা আমাদের শাইখ বুখারায় শ্রবণ করেছেন।

• আমাদের শাইখ ইমাম আবু আল-মুজাফফর আল-সামআনী লিখেছেন, তিনি বলেন: সাহিত্যিক ইমাম মাহমুদ ইবনে আলী আল-নাসাফী আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আমি জনৈক রুটি প্রস্তুতকারককে এই পঙক্তিগুলো আমার সামনে পাঠ করতে শুনেছি যাতে আমি তা সংশোধন করে দিই, তখন সেগুলো আমার নিকট চমৎকার মনে হয়েছিল এবং আমি তা মুখস্থ করে নিয়েছিলাম।

তুমি তোমার যৌবনকে অবাধ্যতার মধ্যে অতিবাহিত করেছ এবং তাকওয়ার দিকে তোমার প্রত্যাবর্তনস্থল সাব্যস্ত করোনি।

সাবধান! তুমি পীত স্বর্ণ পুঞ্জীভূত করো না, খবরদার! তুমি তা জমা করো না এবং তোমার প্রস্থানের কথা স্মরণ রেখো।

তুমি পাপাচারের মাধ্যমে তোমার উজ্জ্বল সম্মানকে কলঙ্কিত করছ, অথচ প্রতি সপ্তাহে তুমি তোমার পোশাক ধৌত করছ।

হাশরের ময়দানে তোমাকে তোমার পাপাচার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে; অতএব তুমি যদি আমাকে সত্য মনে করো, তবে তোমার উত্তর প্রস্তুত করো।

সেই দিনের ভয়ে রাতগুলোতে ঘুমিয়ে থেকো না, যেদিন আল্লাহ বলবেন: ‘তোমার আমলনামা পাঠ করো’।

• আমাদের শাইখ আবু আল-মুজাফফর আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: মাহমুদ আল-নাসাফী আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: তাহির ইবনুল হুসাইন আল-আলমাঈ আল-কাশশী তার নিজের রচিত কবিতা আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন:

সৃষ্টিজগতের কী হলো যে তাদের অন্তরসমূহ দুনিয়ার প্রতি আসক্ত! তারা কি জানে না যে আমাদের কবরগুলোই তাদের আবাসস্থল?

কত জাতিই না এর সাথে অঙ্গীকার করেছিল কিন্তু তা তাদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকেনি, ফলে তারা ধ্বংস হয়ে গেল; এখন তুমি তাদের জনপদ ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবে না।

পৃষ্ঠা ১৩০৬ (ক)

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। মহান ও শ্রেষ্ঠ আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই। হে রব! আপনি সহজ করে দিন, সাহায্য করুন এবং তাওফিক দান করুন, হে মহানুভব।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أخبرنا الشيخ الإمام العالم أبو المظفر عبد الرحيم بن عبد الكريم بن محمد بن منصور السمعاني بقراءتي بمرو، قلت له: أخبركم أبو عمرو عثمان بن علي بن محمد بن علي البيكندي قراءةً عليه ببخارى، ثنا الشيخ الإمام الزاهد أبو بكر محمد بن نصر بن الحسين بن عبد الرحمن بن علي الجميلي الخطيب إملاءً، ثنا شمس الأئمة أبو محمد عبد العزيز بن أحمد، ثنا أبو سعد شعيب بن أحمد بن عبد الرحيم الفارسي، ثنا أبو الفتح محمد بن الحسين، ثنا أحمد بن الحسين بن عبد الصمد، ثنا عباد بن الوليد، ثنا بشر بن بكر بن الحكم، ثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من كثرت ذنوبه فليكثر أن يقول استغفر الله، ومن كثرت عليه نعم الله فليكثر أن يقول الحمد لله، ومن أبطأ عليه الرزق فليكثر من قول لا حول ولا قوة إلا بالله)

2 - حدثنا القاضي الإمام أبو علي النسفي، أنبأ أبو الفضل عبد الله وصوابه عبيد الله بن عبد الرحمن بن محمد الزهري ببغداد، ثنا محمد بن هارون(1) ، ثنا محمد بن حميد الرازي، ثنا عبد الرحمن بن مغراء، عن مجالد، عن الشعبي قال: سألت عبد الله بن عباس رضي الله عنهما من أول من أسلم؟ قال: أبو بكر رضي الله عنه، أما سمعت قول حسان بن ثابت وهو يقول:

إذا تذكرت شجواً من أخي ثقة فاذكر أخاك أبا بكر بما فعل خير البرية أتقاها وأعدلها

بعد النبي وأوفاه بما حملا والثاني التالي المحمود ومشهده وأول الناس منهم صدق الرسلا

--------------------------------------------

(1) بالأصل "محمد بن حميد" مكررة ومصححة بالهامش "ابن هارون"
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম আলিম আবু আল-মুজাফফর আবদুর রহিম বিন আবদুল কারিম বিন মুহাম্মাদ বিন মনসুর আস-সামআনি, মার্ভে আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আল-বাইকান্দি বুখারায় তার নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শায়খ ইমাম যাহিদ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন নাসর বিন আল-হুসাইন বিন আবদুর রহমান বিন আলি আল-জুমাইলি আল-খতিব শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শামসুল আইম্মা আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজিজ বিন আহমাদ; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু সাদ শুআইব বিন আহমাদ বিন আবদুর রহিম আল-ফারিসি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুস সামাদ; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্বাদ বিন আল-ওয়ালিদ; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন বিশর বিন বকর বিন আল-হাকাম; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (যার গুনাহ অনেক বেড়ে গেছে সে যেন অধিক পরিমাণে 'আস্তাগফিরুল্লাহ' (আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাই) বলে, আর যার ওপর আল্লাহর নিয়ামত প্রচুর হয়েছে সে যেন অধিক পরিমাণে 'আলহামদুলিল্লাহ' (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য) বলে, এবং যার রিযিক আসতে বিলম্ব হয় সে যেন অধিক পরিমাণে 'লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' (আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো পরিবর্তন বা শক্তি নেই) বলে।)

২ - আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন কাযি ইমাম আবু আলি আন-নাসাফি, সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাযল আবদুল্লাহ — আর সঠিক হলো উবাইদুল্লাহ — বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আজ-জুহরি বাগদাদে; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন হারুন(১); আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ আর-রাজি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান বিন মাগরা, মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা'বি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, সর্বপ্রথম কে ইসলাম গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু), আপনি কি হাসসান বিন সাবিতের কথা শোনেননি যখন তিনি বলছিলেন:

যখন তুমি কোনো বিশ্বস্ত ভাইয়ের বিয়োগব্যথা স্মরণ করো, তখন তোমার ভাই আবু বকর ও তার কার্যাবলি স্মরণ করো। তিনি সৃষ্টির সেরা, তাদের মধ্যে সবচেয়ে আল্লাহভীরু এবং সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ—

নবীর পরে, এবং তার ওপর অর্পিত আমানত রক্ষায় তিনি সবচেয়ে বিশ্বস্ত। তিনি ছিলেন দ্বিতীয় এবং পরবর্তী প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব ও তার উপস্থিতিও ছিল প্রশংসিত, আর তিনিই মানুষের মধ্যে প্রথম রাসূলগণের সত্যয়ন করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূলে "মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ" শব্দটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং পার্শ্বটীকায় "ইবন হারুন" লিখে তা সংশোধন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٣)
3 - حدثنا القاضي أبو علي الحسين بن الخضر بن محمد النسفي، أنبأ أبو بكر أحمد بن علي بن لال الهمذاني بها، ثنا أبو سهل أحمد بن محمد بن زياد المتوثي، ثنا أحمد بن عبد الجبار بن محمد بن العلاء التميمي، ثنا يونس بن بكير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة رضي الله عنها قالت: كَانَتْ أمِّي تُعَالِجُنِي تريد أن أسمن بعض السمن لتُدْخِلَنِي عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَمَا اسْتَقَامَ لَهَا ذَلِكَ حَتَّى اكَلْتُ التمر الْقِثَّاءَ. فَسَمِنْتُ عليه أحسن ما يكون من السمن)

4 - حدثنا أبو إسحاق إبراهيم بن سلم الشكاني، أنبأ أبو حفص عمر بن إبراهيم بن أحمد الكتاني ببغداد، ثنا أبو حامد أحمد بن عبد الله الحذاء، أنبأ أحمد بن مسلم المزني(1) ، وأبو بكر المروزي، قالا: ثنا محمد بن نوح رفيق أحمد بن أحمد بن حنبل، ثنا إسحاق الأزرق، عن عبد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضي الله عنهما، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (كل أمة بعضها في الجنة وبعضها في النار، إلا هذه الأمة فإن كلها في الجنة)

5 - رواه ابن المهتدي محمد بن علي بن محمد أبو الحسين، عن الكتاني، عن أبي حامد الحذاء ويعرف بابن أسد الوراق، عن أحمد بن أصرم، وأبي بكر المروزي، عن محمد بن نوح، عن إسحاق، عن عبيد الله

--------------------------------------------

(1) هكذا بالأصل والراجح عندي "أحمد بن أصرم أبو العباس المزني"
৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাজী আবু আলী আল-হুসাইন বিন আল-খিজর বিন মুহাম্মদ আন-নাসাফি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন লাল আল-হামাযানি সেখানে, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু সাহল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আল-মুতাওয়াসি, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ বিন আব্দুল জাব্বার বিন মুহাম্মদ বিন আল-আলা আত-তামিমি, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইউনুস বিন বুকাইর, হিশাম বিন উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার মা আমাকে হৃষ্টপুষ্ট করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছিলেন যাতে তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘরে পাঠাতে পারেন, কিন্তু তা সফল হচ্ছিল না যতক্ষণ না আমি শসার সাথে খেজুর খেলাম। এরপর আমি অত্যন্ত সুন্দরভাবে হৃষ্টপুষ্ট হলাম।

৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন সালাম আশ-শাকানি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন ইবরাহীম বিন আহমদ আল-কাত্তানি বাগদাদে, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু হামিদ আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদ্দা, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুসলিম আল-মুজানি(১) এবং আবু বকর আল-মারওয়াযি; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন নূহ, যিনি আহমদ বিন হাম্বলের সফরসঙ্গী ছিলেন, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসহাক আল-আযরাক, উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (প্রত্যেক উম্মতের একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে যাবে, কেবল এই উম্মত ব্যতীত; কেননা এর সকলেই জান্নাতে যাবে।)

৫ - এটি বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুহতাদি মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আবু আল-হুসাইন, আল-কাত্তানি থেকে, তিনি আবু হামিদ আল-হাদ্দা থেকে—যিনি ইবনে আসাদ আল-ওয়াররাক নামে পরিচিত—তিনি আহমদ বিন আসরাম ও আবু বকর আল-মারওয়াযি থেকে, তাঁরা মুহাম্মদ বিন নূহ থেকে, তিনি ইসহাক থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ থেকে।

--------------------------------------------

(১) মূল নুসখায় এভাবেই রয়েছে, তবে আমার নিকট অগ্রগণ্য হলো "আহমদ বিন আসরাম আবু আল-আব্বাস আল-মুজানি"।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٤)
ق 1306 (ب)

6- حدثنا الفقيه أبو إسحاق هو إبراهيم بن سلم الشكاني، ثنا الإمام أبو بكر هو محمد بن الفضل، ثنا عبد الله بن محمد بن يعقوب، ثنا محمد بن عبد بن خالد البلخي، ثنا يحيى بن المثنى المروزي، ثنا عثمان بن عفان السجزي، ثنا محمد بن عباد البصري وكان من العباد وكان من رؤساء العشراء قال عثمان: قال لي محمد بن عباد: يا سجزي أحدثك بأعجب حديث سمعته، قال: قلت: حدثني رحمك الله، قال: كان في جواري ها هنا رجل من الصالحين، فبينما هو ذات ليلة نائم، فرأى في منامه كأن القيامة قد قامت وحشر الخلائق إلى الحساب وقربت إلى الصراط، فلما جزنا الصراط إذا أنا بالنبي صلى الله عليه وسلم جالس على شفير الحوض، والحسن والحسين يسقيان الناس من الحوض، فقلت: اسقياني، فأبيا علي، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله، قل للحسن والحسين أن يسقياني، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: لا يسقيانك، فقلت: ولم ذاك يا رسول الله؟ قال: لأن في جوارك رجلاً يلعن علياً رضي الله عنه وينتقصه فلم تمنعه، قلت: يا رسول الله إني خشيت على نفسي ولم أستطع ذلك، قال: فأخد النبي صلى الله عليه وسلم سكيناً مسلولاً فدفعه إلي، وقال لي: اذهب واذبحه فذهبت فذبحته في منامي ثم رجعت، فقلت: بأبي أنت وأمي يا رسول الله قد فعلت ما أمرتني به وذبحته، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: ناولني السكين، فناولته، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: يا حسن اسقه فسقاني فتناولت فلا أدري شربت أم لا، ثم انتبهت من نومي فإذا بي من الرعب غير قليل، فقمت إلى صلاتي فلم أزل أصلي حتى انفجر عمود الصبح فإذا بولولة قوم، وإذا قوم يتنادون ألا إن فلاناً ذبح على فراشه، فإذا أنا بحرس والشرط يأخذون البريء والجيران، فقلت: سبحان الله العظيم، هذا شيء رأيته في المنام فحققه الله تعالى فما ذنبي وذنب هؤلاء؟ فقصصت عليهم القصة والرؤيا، فقال الأمير: جزاك الله خيراً، أنت بريء والقوم برآء) قال يحيى بن المثنى: قال عثمان بن عفان: هذا أعجب حديث سمعته.
পৃষ্ঠা ১৩০৬ (খ)

৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু ইসহাক, তিনি হলেন ইব্রাহিম ইবনে সালাম আশ-শাকানি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু বকর, তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনুল ফজল। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদ ইবনে খালিদ আল-বালখি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনুল মুসান্না আল-মারওয়াযি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আফফান আস-সিজযি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল-বাসরি, যিনি ছিলেন একজন ইবাদতগুজার ব্যক্তি এবং আশারা-প্রধানদের অন্তর্ভুক্ত। উসমান বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আমাকে বললেন: হে সিজযি, আমি কি আপনাকে আমার শোনা সবচেয়ে বিস্ময়কর কথাটি বলব? তিনি (উসমান) বলেন: আমি বললাম: আল্লাহ আপনার ওপর রহম করুন, আমাকে বলুন। তিনি বললেন: এখানে আমার প্রতিবেশী হিসেবে এক নেককার লোক ছিলেন। এক রাতে তিনি ঘুমানোর সময় স্বপ্নে দেখলেন যেন কিয়ামত কায়েম হয়েছে, হিসাব-নিকাশের জন্য মাখলুকাতকে সমবেত করা হয়েছে এবং পুলসিরাতের নিকটবর্তী করা হয়েছে। যখন আমরা পুলসিরাত পার হলাম, হঠাৎ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাউজের পাড়ে বসা অবস্থায় দেখতে পেলাম। হাসান এবং হুসাইন লোকজনকে হাউজ থেকে পানি পান করাচ্ছিলেন। আমি বললাম: আমাকে পান করাও। তারা আমাকে পান করাতে অস্বীকার করলেন। তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, হাসান ও হুসাইনকে বলুন যেন তারা আমাকে পান করায়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তারা তোমাকে পান করাবে না। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কেন এমন হলো? তিনি বললেন: কারণ তোমার প্রতিবেশে এমন এক ব্যক্তি আছে যে আলীকে (রাযিয়াল্লাহু আনহু) অভিশাপ দেয় এবং তার মানহানি করে, অথচ তুমি তাকে বাধা দাওনি। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি নিজের জীবনের ভয় পেয়েছিলাম এবং তা করতে সক্ষম ছিলাম না। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি উন্মুক্ত ছুরি নিলেন এবং তা আমাকে দিলেন। এরপর আমাকে বললেন: যাও এবং তাকে জবেহ করো। আমি গেলাম এবং স্বপ্নেই তাকে জবেহ করলাম, তারপর ফিরে এলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গ হোক, আপনি আমাকে যা আদেশ করেছেন আমি তা পালন করেছি এবং তাকে জবেহ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ছুরিটি আমাকে দাও। আমি তা তাকে দিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হে হাসান, তাকে পান করাও। ফলে তিনি আমাকে পান করালেন এবং আমি তা গ্রহণ করলাম; তবে আমি জানি না যে আমি পান করেছিলাম কি না। তারপর আমার ঘুম ভেঙে গেল এবং আমি অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়লাম। এরপর আমি সালাতে দাঁড়িয়ে গেলাম এবং সুবহে সাদিক উদিত হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতে থাকলাম। হঠাৎ একদল লোকের কান্নাকাটি ও শোরগোল শুনতে পেলাম এবং লোকেরা একে অপরকে ডেকে বলছে, 'সাবধান! অমুক ব্যক্তি তো তার বিছানায় জবেহ হয়েছে।' এরপর আমি দেখলাম পাহারাদার ও পুলিশ বাহিনী নিরপরাধ লোক ও প্রতিবেশীদের পাকড়াও করছে। আমি বললাম: সুবহানাল্লাহিল আযিম, এটা তো আমি স্বপ্নে দেখেছি এবং আল্লাহ তাআলা তা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন; তাহলে আমার এবং এই লোকেদের অপরাধ কী? অতঃপর আমি তাদের কাছে ঘটনা ও স্বপ্নটি বর্ণনা করলাম। তখন আমির বললেন: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, আপনিও নির্দোষ এবং এই লোকগুলোও নির্দোষ। ইয়াহইয়া ইবনুল মুসান্না বলেন: উসমান ইবনে আফফান বলেছেন: এটিই আমার শোনা সবচেয়ে বিস্ময়কর কথা।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٥)
7 - وأخبرنا بهذا المنام شيخنا أبو المظفر بقراءتي عليه قلت له: أخبركم أبو عمرو البيكندي قال: أنبأ الإمام أبو محمد عبد الكريم بن زكريا بن سعيد البزار الحافظ، حدثنا الفقيه أبو إسحاق إبراهيم بن سلم الشكاني ثنا(1) مثله وقال فيه: قلت له حدثني وفيه (حجزت إلى الصراط فإذا أنا)(2) وقال (يسقيان الناس عن الحوض) وقال (بالحرس) وفيه (فقال الأمير: فجزاك الله خيراً) والباقي مثله.

• أخبرنا الجميلي، ثنا الإمام أبو محمد عبد العزيز بن أحمد الحلواني، ثنا القاضي الإمام الأستاذ أبو علي النسفي، ثنا جعفر بن عبد الله بن فناكي بالري، ثنا علي بن الحسن الرازي، ثنا إبراهيم بن يوسف قال: بلغني عن أبي عبد الله الزاهد، ثنا أبو عمر العمري، ثنا عبد الله بن صدقة، عن أبيه قال: نظرت إلى ثلاثة أقبر على شرف من الأرض فإذا على أحدها مكتوب

فكيف يلذ العيش من هو عالم بأن إله الخلق لا بد سائله فيأخذ منه ظلمه لعباده ويحرمه بالخير الذي هو فاعله

--------------------------------------------

(1) كلمة غير مفهومة والراجح عندي أنها: ثنا محمد بن الفضل" والله أعلم

(2) بالهامش "وقربت إلى الصراط فلما"
৭ - আমাদের শাইখ আবুল মুজাফফর আমাদের এই স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন, আমি তাঁর নিকট এটি পাঠ করেছি, আমি তাঁকে বলেছি: আবু আমর আল-বাইকান্দি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল কারিম বিন জাকারিয়া বিন সাইদ আল-বাযযার আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফকিহ আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন সালাম আল-শাকানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন(১) অনুরূপ বর্ণনা, আর তাতে তিনি বলেছেন: আমি তাঁকে বললাম, আপনি আমাকে বর্ণনা করুন, এবং তাতে আছে (আমাকে পুলসিরাতের নিকট উপস্থিত করা হলো, এমতাবস্থায় আমি)(২) এবং তিনি বলেছেন (তারা দুজন হাওয থেকে মানুষকে পানি পান করাবেন) এবং তিনি বলেছেন (প্রহরীদের সাথে) এবং তাতে রয়েছে (অতঃপর আমির বললেন: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন) এবং অবশিষ্টাংশ এর অনুরূপ।

• আল-জুমাইলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমদ আল-হালওয়ানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, বিচারক ইমাম উস্তাদ আবু আলি আন-নাসাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, রয় নগরে জাফর বিন আব্দুল্লাহ বিন ফানাকি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আলি বিন হাসান আর-রাজি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহিম বিন ইউসুফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আয-যাহিদ থেকে আমার নিকট পৌঁছেছে, আবু উমর আল-উমরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন সাদাকা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যমিনের একটি উঁচু স্থানে তিনটি কবরের দিকে তাকালাম, দেখলাম তাদের একটির উপর লেখা আছে:

সেই ব্যক্তির নিকট জীবন কীভাবে আনন্দদায়ক হতে পারে যে জানে/ সৃষ্টির ইলাহ অবশ্যই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন/ অতঃপর তিনি বান্দাদের প্রতি তার কৃত যুলুমের প্রতিশোধ নেবেন/ এবং তিনি তাকে তার কৃত নেক আমল থেকে বঞ্চিত করবেন।

--------------------------------------------

(১) শব্দটি বোধগম্য নয়, তবে আমার নিকট প্রবল ধারণা এই যে তা হলো: "মুহাম্মদ বিন ফাদল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন" এবং আল্লাহই ভালো জানেন।

(২) পার্শ্বটীকায় রয়েছে "এবং আমাকে পুলসিরাতের নিকটবর্তী করা হলো, অতঃপর যখন"
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٦)
ق 1307 (أ)

فإذا على القبر الثاني مكتوب

وكيف يلذ العيش من هو موقن بأن المنايا بغتة ستعاجله فتسلبه مالاً عظيما ونحوه وتسكنه البيت الذي هو أهله

فإذا على القبر الثالث مكتوب

وكيف يلذ العيش من صابر إلى حدث يبلي الشباب منازله

ويذهب رسم الوجه من بعد صونه ويبلى منه جميعا جسمه ومفاصله
পৃষ্ঠা ১৩০৭ (ক)

অতঃপর দ্বিতীয় কবরের উপর লিখিত ছিল

আর কীভাবে সেই ব্যক্তির নিকট জীবন আনন্দদায়ক হতে পারে, যে নিশ্চিতভাবে জানে যে মৃত্যু আকস্মিকভাবে তাকে গ্রাস করবে, অতঃপর তার থেকে বিপুল সম্পদ ও অনুরূপ দ্রব্যাদি ছিনিয়ে নিবে এবং তাকে সেই ঘরে বসবাস করতে বাধ্য করবে যা তার প্রকৃত আবাস

অতঃপর তৃতীয় কবরের উপর লিখিত ছিল

আর কীভাবে সেই ব্যক্তির নিকট জীবন আনন্দদায়ক হতে পারে, যে এমন এক ঘটনার প্রতীক্ষায় ধৈর্য ধারণ করে আছে যা তার যৌবন ও আবাসস্থলকে জীর্ণ করে দেবে?

এবং মুখমণ্ডলের লাবণ্য সংরক্ষণের পর তা বিলীন হয়ে যাবে এবং তার সমগ্র দেহ ও অস্থিসন্ধিগুলো পচে ক্ষয়ে যাবে
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٧)
8- حدثنا القاضي الإمام أبو علي النسفي، ثنا أبو عمرو محمد بن محمد بن صابر، ثنا أبو عبد الرحمن حمدان بن الشاه البخاري، ثنا أبو داود سليمان بن معبد السنجي، ثنا موسى بن إسماعيل، ثنا خلف بن المنذر، ثنا بكر بن عبد الله، عن أنس بن مالك رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (من قال إذا آوى إلي فراشه الحمد لله الذي كفاني وآواني، الحمد لله الذي أطعمني وسقاني، الحمد لله الذي من علي وأفضل، أسألك بعزتك أن تنجيني من النار، فقد حمد الله تعالى بجميع محامد الخلق كلهم)

9- حدثنا أبو إسحاق إبراهيم بن سلم ين محمد الشكاني، ثنا أبو صالح خلف بن محمد بن إسماعيل، ثنا أبو حفص أحمد بن حاتم، ثنا خالد بن أبي كرامة، بحير، أنبأ عيسى بن موسى، عن إبراهيم بن طهمان، عن أبي الزبير، عن طاووس، عن أبي ذر رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (الصلاة مائة جزء، الصلاة خمسة وسبعون جزءاً، الصلاة خمسون جزءاً، الصلاة خمسة وعشرون جزءاً، قال أبو ذر: فقلت: فداك أبي وأمي يا نبي الله، ألا تفسرها لي؟ قال لي: يا أبا ذر الصلاة خمسة وعشرون جزءاً، فمن صلى في الجماعة فالصلاة خمسون جزءاً، ومن صلى في الصف الأول فالصلاة خمسة وسبعون جزءاً، ومن صلى عن يمين الإمام فالصلاة مائة جزء، قال: قلت: بأبي وأمي يا نبي الله، فكيف صار أوفر الفضل مع من صلى مع الإمام؟ قال: يا أبا ذر أما علمت أن الله تعالى إذا قسم الرحمة يبدأ بالإمام ثم بالذي يليه ثم يأخذ الرحمة يميناً وشمالاً على صف صف وعلى رجل رجل حتى لا يبقى في المسجد أحداً إلا غفر الله له)
৮- আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কাজী ইমাম আবু আলী আন-নাসাফী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আমর মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাবির, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান হামদান বিন আশ-শাহ আল-বুখারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ সুলাইমান বিন মা'বাদ আস-সাঞ্জী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসা বিন ইসমাইল, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন আল-মুনজির, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বকর বিন আবদুল্লাহ, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (যে ব্যক্তি তার বিছানায় আশ্রয় নেওয়ার সময় বলে: 'সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে যথেষ্ট হয়েছেন এবং আমাকে আশ্রয় দান করেছেন, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে আহার দান করেছেন এবং পান করিয়েছেন, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন; আমি আপনার সম্মানের উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যেন আপনি আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন', তবে সে আল্লাহ তাআলাকে সমস্ত সৃষ্টির সকল প্রশংসার মাধ্যমে প্রশংসা করল।)

৯- আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন সালাম বিন মুহাম্মাদ আশ-শাকানী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ খালাফ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু হাফস আহমাদ বিন হাতিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন আবি কারামা, বুহাইর থেকে, তিনি ঈসা বিন মুসা থেকে অবহিত করেছেন, তিনি ইবরাহিম বিন তাহমান থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: (সালাত হলো একশ অংশ, সালাত পঁচাত্তর অংশ, সালাত পঞ্চাশ অংশ, সালাত পঁচিশ অংশ। আবু যার বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গ হোক, আপনি কি আমার জন্য এর ব্যাখ্যা করবেন না? তিনি আমাকে বললেন: হে আবু যার, সালাত হলো পঁচিশ অংশ, সুতরাং যে ব্যক্তি জামাতে সালাত আদায় করল তার সালাত হলো পঞ্চাশ অংশ, আর যে ব্যক্তি প্রথম কাতারে সালাত আদায় করল তার সালাত হলো পঁচাত্তর অংশ, আর যে ব্যক্তি ইমামের ডান দিকে সালাত আদায় করল তার সালাত হলো একশ অংশ। তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গ হোক, ইমামের সাথে সালাত আদায়কারীর ফযিলত কীভাবে এত অধিক পূর্ণাঙ্গ হলো? তিনি বললেন: হে আবু যার, তুমি কি জান না যে আল্লাহ তাআলা যখন রহমত বণ্টন করেন, তখন তিনি ইমামকে দিয়ে শুরু করেন, এরপর যে তার নিকটবর্তী থাকে তাকে দিয়ে, এরপর তিনি রহমত ডান দিকে ও বাম দিকে কাতার অনুযায়ী এবং প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর বণ্টন করেন, যতক্ষণ না মসজিদে এমন কেউ বাকি থাকে যাকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন।)
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٨)
10 - حدثنا الفقيه أبو الحسين أحمد بن محمد بن القاسم بن بشر الفارسي، ثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن خنب، ثنا محمد بن يونس أبو العباس الكديمي، ثنا أبو حذيفة، ثنا عكرمة، عن شعيب بن أبي منيع، عن عيسى بن خثيم العدوي قال: أتيت أنا وأبو القنو(1) ابن عمر رضي الله عنهما، فقلنا: إن عندنا أقواماً إذا قريء عليهم القرآن ينتفض أحدهم من خشية الله تعالى، فقال: كذبت ثلاث مرات، فقال: بلى ورب هذه البنية، قال لئن كنت صادقاً إن الشيطان ليدخل في جوف أحدهم ما كان هكذا أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم.

11 - حدثنا أبو محمد عبد العزيز بن أحمد الحلواني، ثنا أبو عبد الله

--------------------------------------------

(1) هكذا بالأصل
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-কাসিম ইবন বিশর আল-ফারিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন খুনুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইউনুস আবু আল-আব্বাস আল-কুদিমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুজাইফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ, তিনি শুআইব ইবন আবি মানি‘ থেকে, তিনি ঈসা ইবন খুসাইম আল-আদাউই থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এবং আবু আল-কানু(১) ইবনে উমরের (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নিকট আসলাম। আমরা বললাম: আমাদের নিকট এমন কিছু লোক রয়েছে যাদের সামনে যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তাদের কেউ আল্লাহর ভয়ে প্রকম্পিত হয়ে পড়ে। তিনি বললেন: তুমি মিথ্যা বলেছ—তিনি তিনবার এ কথা বললেন। তিনি (ঈসা) বললেন: অবশ্যই, এই গৃহের (কাবার) রবের কসম। তিনি (ইবনে উমর) বললেন: যদি তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে শয়তান তাদের পেটের ভেতর প্রবেশ করে; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ এমন ছিলেন না।

১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইবন আহমদ আল-হালওয়ানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٩)
ق 1307 (ب)

محمد بن أحمد الحافظ، ثنا أبو أحمد عبد الرحمن بن عبد الله بن يزداد الرازي، ثنا أبو بكر عبد الرحمن بن محمد الغساني بدمشق، أنبأ وزيرة بن محمد، حدثني محمد بن عبد الله، حدثني محمد بن عبد الله بن حفص، عن أبيه، عن عبد الله بن عبد الرحمن قال: قال طاووس: دخلت الحجر في جوف الليل فإذا علي بن الحسين رضي الله عنهما، فقلت: رجل صالح من أهل بيت النبوة لأسمعن دعاءه، فكان يقول في سجوده: عبيدك بفنائك، مسكينك بفنائك، فقيرك بفنائك، سائلك بفنائك، قال طاووس: ما دعوت به في كرب قط إلا فرج الله عني)

12- حدثنا الإمام أبو علي النسفي، ثنا الإمام أبو بكر أحمد بن محمد بن إسماعيل، ثنا عبد الله بن محمد بن يعقوب، ثنا أحمد بن أبي صالح البلخي، ثنا جعفر بن محمد البصري، ثنا عبيد الله بن عائشة، ثنا الهيثم بن عدي قال: قلت لأبي حنيفة: العلوم كثيرة ذات قبول فكيف وقع اختيارك على هذا الفن الذي أنت فيه؟ وكيف وفقت له وليس علم أشرب منه؟ قال: أخبرك أما التوفيق فكان من الله تعالى عز وجل وله الحمد كما هو أهله ومستحقه وأني لما أردت تعلم العلم جعلت العلوم كلها نصب عيني فناً فناً وتفكرت عاقبته وموقع نفسه: فقلت: آخذ في الكلام ثم نظرت فإذا عاقبته عاقبة سوء ونفعه قليل، وإذا كمل الإنسان واحتيج إليه لا يقدر أن يتكلم جهاراً ورمي بكل سوء ويقال صاحب هوى، ثم تتبعت أمر الأدب والنحو فإذا عاقبة أمره صبي يجلس عندي مع صبي يطلبان النحو والأدب، ثم تتبعت أمر الشعر فوجدت عاقبته المدح والهجاء وقول الهجر والكذب، ثم تفكرت في القرآن، فقلت: إذا بلغت الغاية اجتمع علي أحداث يقرئون على والكلام في القرآن ومعانيه صعب، ثم قلت: أطلب الحديث فقلت: إذا جمعت منه الكثير أحتاج إلى عمر طويل حتى يحتاج الناس إلي، ثم قلت: الفقه فكلما قلبته أو أدرته لم يزدد إلا جلالة ولم أجد فيه عيباً ورأيت أولاً أن الجلوس يكون مع العلماء والفقهاء والمشايخ والبصراء والتخلق بأخلاقهم ورأيت أنه لا يستقيم أداء الفرائض وإقامة الدين والتعبد إلا بمعرفته وطلب الدنيا والآخرة إلا به فاشتغلت به)
পৃ ১৩০৭ (খ)

মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-হাফিয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আহমদ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন ইযদাদ আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, দামেস্কে আবু বকর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-গাসসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ওয়াযীরা বিন মুহাম্মদ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাফস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাউস বলেছেন: আমি গভীর রাতে হিজর (কা'বার অংশ)-এ প্রবেশ করলাম, সেখানে আলী বিন আল-হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) উপস্থিত ছিলেন। আমি মনে মনে বললাম: নবুওয়াতের পরিবারভুক্ত একজন নেককার ব্যক্তি, আমি অবশ্যই তার দোয়া শুনব। তিনি সিজদায় বলছিলেন: "আপনার ক্ষুদ্র দাস আপনার দুয়ারে উপস্থিত, আপনার নিঃস্ব আপনার দুয়ারে উপস্থিত, আপনার অভাবী আপনার দুয়ারে উপস্থিত, আপনার সওয়ালকারী আপনার দুয়ারে উপস্থিত।" তাউস বলেন: আমি যখনই কোনো বিপদে এই দোয়ার মাধ্যমে প্রার্থনা করেছি, আল্লাহ আমার সেই বিপদ দূর করে দিয়েছেন।

১২- ইমাম আবু আলী আন-নাসাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইমাম আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমদ বিন আবি সালেহ আল-বালখী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উবাইদুল্লাহ বিন আইশা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হায়সাম বিন আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হানিফাকে বললাম: "জ্ঞান তো অনেক প্রকার এবং তা গ্রহণযোগ্যও বটে, কিন্তু আপনার পছন্দ কেন এই বিষয়ের (ফিকহ) ওপর পড়ল যাতে আপনি এখন রয়েছেন? এবং আপনি কীভাবে এর জন্য তাওফীক পেলেন অথচ এটি এমন জ্ঞান নয় যা কেবল পান করা যায়?" তিনি বললেন: আমি তোমাকে জানিয়ে রাখছি। তাওফীকের ব্যাপারে বলতে গেলে তা ছিল আল্লাহ তাআলা আযযা ওয়া জাল্লার পক্ষ থেকে, আর সমস্ত প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য যেমনটা তিনি তার যোগ্য ও হকদার। আমি যখন ইলম অর্জন করতে চাইলাম, তখন সমস্ত জ্ঞানকে একটি একটি করে আমার চোখের সামনে রাখলাম এবং সেগুলোর পরিণাম ও অবস্থান নিয়ে চিন্তা করলাম। আমি বললাম: আমি 'কালাম' শাস্ত্র (ধর্মতত্ত্ব) গ্রহণ করব। তারপর লক্ষ্য করলাম যে, এর পরিণাম হলো মন্দ পরিণাম এবং এর উপকারিতা সামান্য। আর মানুষ যখন এতে পূর্ণতা লাভ করে এবং তার প্রয়োজন দেখা দেয়, তখন সে স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারে না এবং তাকে সব ধরণের মন্দের অপবাদ দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে সে প্রবৃত্তির অনুসারী। এরপর আমি আদব (সাহিত্য) ও নাহু (ব্যাকরণ)-এর বিষয় নিয়ে চিন্তা করলাম। দেখলাম এর পরিণাম হলো আমার কাছে একজন বালক বসবে এবং তার সাথে আরেকজন বালক বসে নাহু ও আদব শিখবে। তারপর আমি কবিতার বিষয় নিয়ে চিন্তা করলাম। দেখলাম এর পরিণাম হলো প্রশংসা ও নিন্দা এবং অশ্লীল কথা ও মিথ্যা বলা। তারপর আমি কুরআন নিয়ে চিন্তা করলাম। বললাম: আমি যদি এতে চরম সীমায় পৌঁছি, তবে অল্পবয়সীরা আমার কাছে কুরআন পড়ার জন্য সমবেত হবে, অথচ কুরআন ও এর মর্মার্থ নিয়ে কথা বলা কঠিন কাজ। এরপর বললাম: আমি হাদিস অন্বেষণ করব। বললাম: যদি আমি এর অনেক সংগ্রহ করি, তবে মানুষের আমার কাছে আসার প্রয়োজন হওয়ার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ আয়ুর প্রয়োজন হবে। তারপর আমি বললাম: ফিকহ (আইনশাস্ত্র)। আমি যখনই এটিকে উল্টেপাল্টে দেখলাম বা এটি নিয়ে চিন্তা করলাম, এটি কেবল মর্যাদাই বৃদ্ধি করল এবং আমি এতে কোনো দোষ খুঁজে পেলাম না। আমি প্রথমে দেখলাম যে, এতে আলেম, ফকীহ, মাশায়েখ ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে বসা হয় এবং তাদের চরিত্রে চরিত্রবান হওয়া যায়। আমি আরও দেখলাম যে, ফরযসমূহ আদায় করা, দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা এবং ইবাদত করা এর জ্ঞান ছাড়া সঠিক হতে পারে না, আর দুনিয়া ও আখিরাত অন্বেষণও এটি ছাড়া সম্ভব নয়। তাই আমি এতেই আত্মনিয়োগ করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٠)
13 - حدثنا الإمام أبو أحمد عبد الصمد بن عبد الرحمن المطوعي، ثنا الإمام أبو بكر محمد بن الفضل، ثنا عبد الله بن محمد بن يعقوب، ثنا أبو الفضل محمد بن داود، ثنا محمد بن عيسى، ثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار قال: كان رجل ينادي لا تظلموا عباد الله واتقوا دعوة المظلوم، قال: فقيل له: ما قصتك، قال: كنت رجلاً شرطياً فمررت بصياد يصيد السمك فساومته، فأبى(1)

ق 1308 (أ)

أن يبيعها مني فضربته وأخذت منه السمكة، فبينما هي معلقة إذ وثبت فعضت على أصبعي، فلما بلغت المنزل إذا فيها قرحة منكرة، وكان لنا جار ينظر في القروح فأريتها إياه، فقال: اقطعها من المفصل وإلا دبت في يدي فإنها آكله، قال: فقطعتها فدبت في ظهر الكف، قال: اقطعه فقطعته، فدبت في ساعدي، قال: اقطعها فقطعتها من المرفق، فدبت في العضد، فأتاني آت في منامي، فقال لي: دواءك عند من ظلمته، فأتيت الصياد فجلست بين يديه وأنا أبكي، فقلت له: حللني فقد أصابني من أجلك هذا، قال: فأخذ الرجل يبكي، وقال: اللهم إني جعلته في حل، قال: فرأيت الدود يتناثر من يدي ثم قال لابن له: احفر زاوية البيت، قال: فحفر فأخرج منها جرة فيها عشرة آلاف درهم، قال: فخذها أنفقها على نفسك وعيالك، قال: فأخذتها وعوفيت، فقلت له: هل دعوت علي حين أوجعتك فأخذت السمكة منك، قال: قلت: يا رب خلقت هذا قوياً وخلقتني ضعيفاً فأحل به عقوبة في الدنيا تكون نكالاً فهو ما رأيت.

--------------------------------------------

(1) بالهامش: بلغ عبد الله عثمان قراءة على شيخه أبي المظفر
১৩ - ইমাম আবু আহমদ আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুতাউয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ফযল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল ফযল মুহাম্মদ ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি এই বলে উচ্চস্বরে ডাকছিল যে, তোমরা আল্লাহর বান্দাদের ওপর জুলুম করো না এবং মাজলুমের (নিপীড়িতের) বদদোয়াকে ভয় করো। বর্ণনাকারী বলেন: তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: তোমার কাহিনী কী? সে বলল: আমি একজন প্রহরী ছিলাম। আমি একজন জেলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম যে মাছ ধরছিল। আমি তার কাছে মাছের দামাদামি করলাম, কিন্তু সে অস্বীকার করল(১)

পৃষ্ঠা ১৩০৮ (ক)

আমার কাছে সেটি বিক্রি করতে। তখন আমি তাকে প্রহার করলাম এবং তার কাছ থেকে মাছটি ছিনিয়ে নিলাম। মাছটি যখন ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল, হঠাৎ সেটি লাফিয়ে উঠল এবং আমার আঙুলে কামড় দিল। আমি যখন বাড়িতে পৌঁছালাম, তখন সেখানে একটি মারাত্মক ক্ষত দেখা দিল। আমাদের এক প্রতিবেশী ছিল যে ক্ষত চিকিৎসায় পারদর্শী ছিল, আমি তাকে সেটি দেখালাম। সে বলল: এটি গাঁট থেকে কেটে ফেলো, অন্যথায় এটি হাতে ছড়িয়ে পড়বে; কেননা এটি পচনশীল ব্যাধি (গ্যাংগ্রিন)। সে বলল: আমি সেটি কেটে ফেললাম, কিন্তু পচন হাতের তালুর উপরিভাগে ছড়িয়ে পড়ল। সে বলল: এটিও কেটে ফেলো। আমি সেটিও কাটলাম, কিন্তু তা আমার কবজি থেকে কনুই পর্যন্ত অংশে ছড়িয়ে পড়ল। সে বলল: এটি কেটে ফেলো। আমি কনুই পর্যন্ত কেটে ফেললাম, কিন্তু তা বাহুতে ছড়িয়ে পড়ল। অতঃপর স্বপ্নে এক আগন্তুক আমার নিকট এল এবং আমাকে বলল: তোমার ঔষধ সেই ব্যক্তির কাছে যার ওপর তুমি জুলুম করেছ। এরপর আমি সেই জেলের কাছে গেলাম এবং কাঁদতে কাঁদতে তার সামনে বসলাম। আমি তাকে বললাম: আমাকে ক্ষমা করে দিন, কেননা আপনার কারণেই আমার এই দশা হয়েছে। তিনি বলেন: তখন লোকটি কাঁদতে শুরু করল এবং বলল: হে আল্লাহ! আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম। তিনি বলেন: তখন আমি দেখলাম আমার হাত থেকে পোকা ঝরে পড়ছে। তারপর তিনি তার এক ছেলেকে বললেন: ঘরের কোণাটি খনন করো। সে বলল: সে খনন করল এবং সেখান থেকে একটি কলস বের করল যাতে দশ হাজার দিরহাম ছিল। তিনি বললেন: এগুলো গ্রহণ করো এবং নিজের ও নিজের পরিবারের জন্য ব্যয় করো। সে বলল: আমি সেগুলো নিলাম এবং সুস্থ হয়ে গেলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম: আমি যখন আপনাকে কষ্ট দিয়ে মাছটি কেড়ে নিয়েছিলাম, তখন কি আপনি আমার বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছিলেন? সে বলল: আমি বলেছিলাম: হে আমার রব! আপনি তাকে শক্তিশালী সৃষ্টি করেছেন আর আমাকে সৃষ্টি করেছেন দুর্বল। সুতরাং দুনিয়াতেই তার ওপর এমন শাস্তি কার্যকর করুন যা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। আর এটিই তা যা তুমি দেখলে।

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায়: আব্দুল্লাহ উসমান এটি তার শায়খ আবু মুযাফফরের নিকট পাঠের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١١)
14- حدثنا الإمام أبو محمد الحلواني، ثنا أبو عبد الله محمد بن أحمد الحافظ، ثنا أبو أحمد محمد بن أحمد الحنفي القاضي، ثنا أحمد بن محمد بن عمر القرشي، ثنا يحيى بن عثمان بن صالح السهمي، ثنا سليمان بن أيوب الصنابحي، حدثني أبي، عن جدي، عن موسى بن طلحة، عن طلحة بن عبيد الله رضي الله عنه قال: كانت أم الخير أم أبي بكر الصديق رضي الله عنه لا يولد لها ولد ذكر إلا مات فلما ولد لها أبو بكر استقبلت به الكعبة وقالت: يا رب هذا ابني فاعتقه من الموت، فنوديت أنا فعلنا، فبهذا سمي عتيقاً رضي الله عنه.

15- وبه، ثنا أبو عبد الله الحافظ، ثنا خلف بن محمد بن إسماعيل، ثنا صالح بن محمد، سمعت بندار بن بشار يقول: سمعت عبد الله بن داود يقول: سمعت الأعمش يقول: قال خيثمة: بلغني أن سليمان بن داود عليهما السلام كان في مجلسه إذ دخل عليه ملك الموت عليه السلام زائراً فأبصر في السماطين رجلاً فجعل ملك الموت ينظر إليه نظر المتعجب المتفكر فما عرج إلى السماء، قال سليمان للرجل: إن ملك الموت وجدته ينظر إليك نظر المتعجب المتفكر فما تخال؟ قال: أخاله أمر يقبض روحي عن قريب فأسألك بوجه الله تعالى أن تأمر الريح فتحملني إلى أقصى الهند فإن الحياة حببت إلي وإن كان ملك الموت مرصاد كل حي، فقال له سليمان عليه السلام: من جاء أجله لا يتقدم ولا يتأخر، فقال: حاجتي إليك أن تأمر الريح فتقذفني حيث التمست، ففعل فإذا هو في أقصى الهند على شط وادٍ تحت شجرة تظله فما استقر تحت ظلها حتى قبض روحه فما عاد ملك الموت
১৪- ইমাম আবু মুহাম্মদ আল-হালওয়ানি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-হাফিজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-হানাফি আল-কাদি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ওমর আল-কুরাইশি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন উসমান বিন সালিহ আস-সাহমি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলায়মান বিন আইয়ুব আস-সানাবিহি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি মুসা বিন তালহা থেকে, তিনি তালহা বিন উবায়দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উম্মুল খায়ের—যিনি আবু বকর সিদ্দিকের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) মাতা ছিলেন—তার যত পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করত তারা সবাই মারা যেত। যখন আবু বকর জন্মগ্রহণ করলেন, তখন তিনি তাকে নিয়ে কাবার দিকে মুখ করলেন এবং বললেন: হে রব! এটি আমার পুত্র, সুতরাং আপনি তাকে মৃত্যু থেকে মুক্তি দিন। তখন ঘোষণা করা হলো যে, আমরা তা করলাম। এই কারণেই তাঁর নাম 'আতিক' (মুক্ত) রাখা হয়েছিল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।

১৫- এবং একই সূত্রে, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খালাফ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সালিহ বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমি বুন্দার বিন বাশারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন দাউদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমাশকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: খায়সামা বলেছেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, সুলায়মান বিন দাউদ (আলাইহিমাস সালাম) তাঁর মজলিসে ছিলেন, এমতাবস্থায় মালাকুল মাউত (আলাইহিস সালাম) সাক্ষাৎকারী হিসেবে তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন। তিনি উপস্থিত লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তির দিকে অত্যন্ত বিস্ময় ও চিন্তার দৃষ্টিতে তাকাতে লাগলেন। এরপর যখন তিনি আকাশে ফিরে গেলেন, সুলায়মান (আলাইহিস সালাম) ওই ব্যক্তিকে বললেন: আমি দেখলাম মালাকুল মাউত তোমার দিকে বিস্ময় ও চিন্তার দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলেন, এ ব্যাপারে তোমার কী মনে হয়? সে বলল: আমার মনে হয় তাকে শীঘ্রই আমার রূহ কবজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই আমি মহান আল্লাহর চেহারার উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যে, আপনি বাতাসকে নির্দেশ দিন যেন সে আমাকে ভারতের দূরতম প্রান্তে পৌঁছে দেয়; কেননা জীবন আমার নিকট অত্যন্ত প্রিয়, যদিও মালাকুল মাউত প্রতিটি জীবের জন্য প্রতীক্ষায় থাকেন। সুলায়মান (আলাইহিস সালাম) তাকে বললেন: যার নির্ধারিত সময় উপস্থিত হয়, তা এক মুহূর্ত এগিয়ে আসে না এবং পিছিয়েও যায় না। সে বলল: আপনার কাছে আমার আরজি এই যে, আপনি বাতাসকে নির্দেশ দিন যেন সে আমাকে আমার কাঙ্ক্ষিত স্থানে নিক্ষেপ করে। তিনি তা-ই করলেন। দেখা গেল, সে ভারতের দূরতম প্রান্তে একটি উপত্যকার তীরে একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান করছে যা তাকে ছায়া দিচ্ছিল। সে সেই ছায়াতলে স্থির হতে না হতেই মালাকুল মাউত তার রূহ কবজ করলেন। এরপর মালাকুল মাউত আর ফিরে আসেননি।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٢)
ق 1308 (ب)

زائراً كلمه سليمان عليه السلام في الرجل، قال: كنت أديم أنظر إليه لأني كنت أمرت بقبض روحه عن قريب من صفة حاله أن يكون تحت ظل شجرة كذا على شط كذا بأقصى الهند فلما أبصرته في مجلسك تأملت فيه ثم إني قبضته حيث صادفته في اللوح عشية ذلك اليوم في الزمان الذي هو أمده وأجله، فتعجب لذلك سليمان عليه السلام، فقال: سبحانه وتعالى يفعل ما يشاء ويحكم ما يريد.

16- أخبرنا أبو محمد عبد العزيز الحلواني، ثنا الإمام أبو جعفر محمد بن عمرو بن الشعبي، أنبأ أبو الفضل محمد بن نعيم بن علي، ثنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن محمد بن أحمد بن الحسين بن أحمد بن مالك، ثنا جدي، ثنا محمد بن إسماعيل الصائغ، يحيى بن أبي بكير، ثنا عبد الله بن الفضل التميمي قال: أحسن خطبة خطبها عمر بن عبد العزيز صعد المنبر فحمد الله تعالى وأثنى عليه ثم قال: إن ما في أيديكم من هذه الدنيا أسلاب الهالكين وسيتركها الباقون كما تركها الماضون، أما ترون أنكم في كل يوم وليلة تشيعون غادياً أو رائحاً إلى الله عز وجل ثم تغيبونه في صدع من الأرض ثم في بطن صدع غير ممهد ولا موسد، قد خلع الأنساب وفارق الأحباب وسكن التراب وواجه الحساب، فقير إلى ما قدم أمامه غني عن ما ترك بعده، أما والله إني لأقول لكم هذه الحالة وما أحد من الناس أعرف منه أكثر مما أعرف من نفسي، ثم وضع ثوبه على وجهه، ثم بكى، ثم نزل فما خرج حتى أخرج إلى حفرته.
পৃষ্ঠা ১৩০৮ (খ)

একজন আগন্তুক হিসেবে সুলায়মান আলাইহিস সালাম তাঁর সাথে সেই লোকটির ব্যাপারে কথা বললেন। তিনি (মৃত্যুদূত) বললেন: আমি একদৃষ্টে তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলাম, কারণ আমাকে শীঘ্রই তাঁর জান কবজ করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর অবস্থা এমন ছিল যে, তাঁর জান কবজের স্থান হওয়ার কথা ছিল ভারতের দূরতম প্রান্তের অমুক তীরের অমুক গাছের ছায়ার নিচে। কিন্তু যখন আমি তাঁকে আপনার মজলিসে দেখলাম, তখন আমি তাঁর ব্যাপারে বিস্ময়ে চিন্তা করতে লাগলাম। অতঃপর আমি তাঁর জান কবজ করলাম যেখানে তাঁর সাথে আমার সাক্ষাতের কথা ছিল—সেই দিন সন্ধ্যায় লাওহ-এ (তকদিরে) নির্ধারিত সময়ে, যা ছিল তাঁর আয়ুষ্কাল ও মৃত্যুক্ষণ। এতে সুলায়মান আলাইহিস সালাম আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন: আল্লাহ অতি পবিত্র ও সুউচ্চ, তিনি যা ইচ্ছা তা-ই করেন এবং যা চান সেই ফয়সালাই দেন।

১৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ আল-হালওয়ানি, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আশ-শা’বি, তিনি বলেন আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-ফাদল মুহাম্মাদ বিন নাঈম বিন আলী, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মালিক, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আমার দাদা, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সায়েগ ও ইয়াহইয়া বিন আবু বুকাইর, তাঁরা বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-ফাদল আত-তামিমি, তিনি বলেন: উমর বিন আব্দুল আজিজ যতগুলো খুতবা প্রদান করেছেন তার মধ্যে সর্বোত্তম খুতবাটি প্রদানের সময় তিনি মিম্বারে আরোহণ করলেন। অতঃপর তিনি মহান আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান বর্ণনা করলেন। এরপর বললেন: এই দুনিয়ার যা কিছু তোমাদের হাতে আছে তা হচ্ছে ধ্বংসপ্রাপ্তদের পরিত্যক্ত সম্পদ, আর যারা এখন অবশিষ্ট আছে তারাও অচিরেই তা ছেড়ে চলে যাবে যেমনটা তাদের পূর্ববর্তীরা ছেড়ে গেছে। তোমরা কি দেখছ না যে, তোমরা প্রতিদিন দিবা-রাত্রিতে আল্লাহর আজ্জা ওয়া জাল্লার দিকে কোনো না কোনো প্রস্থানকারী বা প্রত্যাবর্তনকারীকে বিদায় জানাচ্ছ? অতঃপর তোমরা তাকে জমিনের এক বিদীর্ণ অংশে (কবরে) লুকিয়ে রাখছ, এমন এক গর্তের অভ্যন্তরে যা শয্যাযুক্ত নয় এবং যেখানে কোনো বালিশও নেই। সে তার বংশীয় সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, প্রিয়জনদের ছেড়ে এসেছে, মাটিতে বসবাস শুরু করেছে এবং হিসাব-নিকাশের সম্মুখীন হয়েছে। সে যা আগে পাঠিয়েছে তার জন্য সে মুখাপেক্ষী, আর যা পেছনে ছেড়ে এসেছে তা থেকে সে অমুখাপেক্ষী। আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের কাছে এই অবস্থার কথা বলছি অথচ মানুষের মধ্যে আমার নিজের চেয়ে বেশি দোষী আমি আর কাউকে জানি না। অতঃপর তিনি তাঁর কাপড় চেহারার ওপর রাখলেন এবং কাঁদতে লাগলেন। এরপর তিনি মিম্বার থেকে নামলেন এবং পুনরায় বের হওয়ার আগেই তাঁর জানাজা বের করা হলো।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٣)
17- أخبرنا الفقيه أبو الفضل محمد بن محمد بن أحمد بن سعيد الطرواخي، أنبأ أبو الحارث علي بن القاسم بن أحمد الخطابي المروزي ببخارى، حدثني إبراهيم بن عاصم صاحب صدقة بن الفضل، أخبرنا الحسين بن يحيى، أنبأ المؤمل بن إسماعيل، عن عبد العزيز بن أبي رواد: أن رجلاً لقى لقمان رضي الله عنه، فقال: ألست عبد بني فلان، قال: بلى، قال: فما بلغ بك ما أرى؟ قال: قدر الله، وصدق الحديث، وأداء الأمانة، قال: وكان من شأنه أنه كان له بيت مال فكان لا يستقرض منه إنسان من مائة درهم إلى عشرة آلاف درهم إلا أقرضه وكان لا يتقاضاه حتى يوسر، فأقرض رجلاً في قرية أخرى، فبلغه أنه قد أيسر ولم يرد عليه حقه، فقال: يا بني اذهب إلى قرية كذا وكذا وقل لفلان: إن أبي يقرئك السلام ويقول: بلغني أنك قد أيسرت فلم ترد علينا حقنا، ويا بني انظر أن لا تنزل تحت شجرة كذا وكذا ولا تدخل قرية كذا وكذا وإذا كان معك صاحبك
১৭- ফকিহ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সাঈদ আত-তারওয়াখি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হারিস আলী বিন কাসিম বিন আহমদ আল-খাত্তাবি আল-মারওয়াযি বুখারায় আমাদের অবহিত করেছেন, সাদাকা বিন ফদলের সঙ্গী ইব্রাহিম বিন আসিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, হুসাইন বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুয়াম্মিল বিন ইসমাইল আমাদের অবহিত করেছেন, আব্দুল আজিজ বিন আবি রাওয়াদ থেকে বর্ণিত: এক ব্যক্তি লোকমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন: আপনি কি অমুক বংশের ক্রীতদাস ছিলেন না? তিনি বললেন: হ্যাঁ। সে বলল: আমি আপনার যে বর্তমান অবস্থা (মর্যাদা) দেখছি, তা কীসের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে? তিনি বললেন: আল্লাহর তকদির, সত্য কথা বলা এবং আমানত রক্ষা করা। বর্ণনাকারী বলেন: তাঁর অবস্থা এমন ছিল যে, তাঁর একটি বায়তুল মাল (তহবিল) ছিল। সেখান থেকে ১০০ দিরহাম থেকে শুরু করে ১০,০০০ দিরহাম পর্যন্ত কেউ ঋণ চাইলে তিনি তাকে ঋণ দিতেন। আর যতক্ষণ না সে ব্যক্তি সচ্ছল হতো, ততক্ষণ তিনি তা পরিশোধের জন্য তাগাদা দিতেন না। তিনি অন্য গ্রামের এক ব্যক্তিকে ঋণ দিলেন। এরপর তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছাল যে সে ব্যক্তি সচ্ছল হয়েছে, কিন্তু তাঁর প্রাপ্য অধিকার (ঋণ) ফেরত দেয়নি। তখন তিনি বললেন: হে বৎস! অমুক অমুক গ্রামে যাও এবং অমুক ব্যক্তিকে বলো: আমার পিতা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন: আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে আপনি সচ্ছল হয়েছেন, অথচ আমাদের পাওনা ফেরত দেননি। আর হে বৎস! খেয়াল রেখো যেন তুমি অমুক অমুক গাছের নিচে না নামো এবং অমুক অমুক গ্রামে প্রবেশ না করো। আর যখন তোমার সাথে তোমার সঙ্গী থাকবে...
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٤)
ق 1309 (أ)

فلا تعصه اذهب فأنت وديعة الله تعالى، قال: فلما كان في طرف القرية إذا هو برجل، قال: أين تريد؟ قال: أريد قرية كذا وكذا، قال: الصحبة، قال: نعم، فانطلقا فلما انتهيا إلى الشجرة، قال: إن أبي قد نهاني أن أنزلها، قال: وما قال لك؟ قال: قال لي والصاحب فلا تعصه، قال: أنا صاحبك فلا تعصني، فعدل معه وكان تحت الشجرة حية إذا نزل المسافر ونام خرجت الحية فقتلت المسافر، قال: فقال صاحبه لابن لقمان ضع رأسك، قال: فنام فخرجت الحية ورصده صاحبه فقتلها وأخذ شحمها، فلما أصبحوا إذا هو صحيح سوي، فانطلقا حتى انتهيا إلى القرية، فقال صاحبه: اعدل بنا ندخل هذه القرية، فقال: إن أبي قد نهاني أن أدخلها، قال: فما قال لك؟ قال: قال والصاحب لا تعصه، قال: أنا صاحبك فلا تعصني فدخلوا وإذا في القرية بنت ملك يدخل عليها كل ليلة فتى شاب فيصبح ميتاً، فلما رأوا ابن لقمان، قال: هلموا نفتدي الليلة من شبابنا بهذا الشاب الواحد، قالوا: هلم نزوجك ابنة الملك، قال: لا حاجة لي فيها، قال صاحبه: افعل، قال: لا حاجة لي فيها، قال: أليس أمرك أبوك أن لا تعصيني؟ ففعل، فقال: إنك إذا دخلت عليها فإنها تواثبك فعانقها وقبلها وعللها ولا تجامعها، فإذا نامت فاخرج فأنا لك بالباب، فلما دخل عليها واثبته فعانقها وقبلها وعللها ولم يجامعها، فلما نامت خرج إلى الباب، فإذا صاحبه على الباب معه مجمرٌ فيها نار وشحم تلك الحية التي قتلها، قال: اذهب فدخن بهذا الشحم فإن في قبلها حية فإذا خرجت الحية من قبلها فاقتلها ثم شأنك بها، قال: ففعل فخرجت الحية من قبلها فقتلها ثم صنع بها ما بدا له، فلما أصبح إذا هو صحيح سوي، قال: فانطلقوا إلى قرية غريم أبيه، فقال: إن أبي يقرئك السلام، ويقول: بلغني أنك قد أيسرت فلم ترد علينا حقنا، قال: تبيت عندي الليلة فإذا أصبحت أعطيتك، فقال صاحبه: افعل، قال: وكانت له غرفة
পৃষ্ঠা ১৩০৯ (ক)

অতএব তার অবাধ্য হয়ো না। যাও, তুমি মহান আল্লাহর আমানত। তিনি বললেন: অতঃপর তিনি যখন গ্রামের প্রান্তে পৌঁছালেন, হঠাৎ এক ব্যক্তির সাথে তার সাক্ষাৎ হলো। সে বলল: তুমি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করেছ? তিনি বললেন: আমি অমুক অমুক গ্রামে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। সে বলল: সাথী হবে কি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তারা চলতে লাগলেন। যখন তারা একটি গাছের নিকট পৌঁছালেন, তিনি বললেন: আমার পিতা আমাকে এর নিচে অবস্থান করতে নিষেধ করেছেন। সে বলল: তিনি তোমাকে কী বলেছিলেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে বলেছিলেন, সাথীর অবাধ্য হয়ো না। সে বলল: আমি তোমার সাথী, সুতরাং আমার অবাধ্য হয়ো না। ফলে তিনি তার সাথে মোড় নিলেন। সেই গাছের নিচে একটি সাপ ছিল; যখনই কোনো মুসাফির সেখানে নামত এবং ঘুমাত, সাপটি বের হয়ে আসত এবং মুসাফিরকে হত্যা করত। বর্ণনাকারী বলেন: তার সাথী লোকমান-পুত্রকে বলল, তুমি তোমার মাথা রাখো। তিনি বললেন: অতঃপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন এবং সাপটি বের হলো। তার সাথী সেটির জন্য ওত পেতে ছিল এবং সেটিকে হত্যা করে তার চর্বি সংগ্রহ করল। যখন সকাল হলো, দেখা গেল তিনি সুস্থ ও নিরোগ অবস্থায় আছেন। তারা চলতে থাকলেন যতক্ষণ না সেই গ্রামে পৌঁছালেন। তখন তার সাথী বলল: আমাদের নিয়ে মোড় নাও, আমরা এই গ্রামে প্রবেশ করি। তিনি বললেন: আমার পিতা আমাকে এখানে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন। সে বলল: তিনি তোমাকে কী বলেছিলেন? তিনি বললেন: তিনি বলেছিলেন, সাথীর অবাধ্য হয়ো না। সে বলল: আমি তোমার সাথী, সুতরাং আমার অবাধ্য হয়ো না। অতঃপর তারা প্রবেশ করলেন। সেই গ্রামে রাজার এক কন্যা ছিল, যার নিকট প্রতি রাতে একজন যুবক প্রবেশ করত এবং ভোরে সে মৃত অবস্থায় পাওয়া যেত। যখন তারা লোকমানের পুত্রকে দেখল, তারা বলল: এসো, আজ রাতে আমাদের যুবকদের পরিবর্তে এই একজন যুবককে দিয়ে মুক্তিপণ দিই। তারা বলল: এসো, আমরা রাজার কন্যার সাথে তোমার বিয়ে দিই। তিনি বললেন: আমার এর কোনো প্রয়োজন নেই। তার সাথী বলল: বিয়ে করো। তিনি বললেন: আমার এর কোনো প্রয়োজন নেই। সে বলল: তোমার পিতা কি তোমাকে আমার অবাধ্য না হতে নির্দেশ দেননি? ফলে তিনি তা করলেন। সে বলল: তুমি যখন তার নিকট প্রবেশ করবে, সে তোমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে; তখন তুমি তাকে আলিঙ্গন করবে, চুম্বন করবে এবং তাকে ব্যস্ত রাখবে, কিন্তু তার সাথে সহবাস করবে না। যখন সে ঘুমিয়ে পড়বে, তখন তুমি বাইরে চলে আসবে, আমি তোমার জন্য দরজায় অপেক্ষা করব। তিনি যখন তার নিকট প্রবেশ করলেন, সে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। তিনি তাকে আলিঙ্গন করলেন, চুম্বন করলেন এবং ব্যস্ত রাখলেন কিন্তু সহবাস করলেন না। যখন সে ঘুমিয়ে পড়ল, তিনি দরজার দিকে বেরিয়ে এলেন। দেখা গেল তার সাথী দরজায় একটি ধুনুচি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যাতে আগুন এবং তার হত্যা করা সেই সাপের চর্বি ছিল। সে বলল: যাও, এই চর্বি দিয়ে ধোঁয়া দাও, কারণ তার লজ্জাস্থানে একটি সাপ আছে। যখন তার লজ্জাস্থান থেকে সাপটি বের হবে, তখন সেটিকে হত্যা করো, এরপর তুমি তার সাথে যা ইচ্ছা করতে পারো। তিনি বললেন: অতঃপর তিনি তাই করলেন এবং তার লজ্জাস্থান থেকে সাপটি বের হয়ে এল। তিনি সেটিকে হত্যা করলেন এবং এরপর তার সাথে যা ইচ্ছা করলেন। যখন সকাল হলো, দেখা গেল তিনি সুস্থ ও নিরোগ অবস্থায় আছেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তারা তার পিতার ঋণদাতার গ্রামের দিকে রওনা হলেন। তিনি বললেন: আমার পিতা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন: আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে আপনি সচ্ছল হয়েছেন, কিন্তু আমাদের পাওনা ফেরত দেননি। সে বলল: আজ রাতে আমার কাছে অবস্থান করো, সকাল হলে আমি তোমাকে তা দিয়ে দেব। তার সাথী বলল: রাজি হও। তিনি বললেন: তার একটি কক্ষ ছিল।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٥)
لها بابان باب من قبل البر وباب من قبل البحر، قال: فوضع سريراً من قبل البر وسريراً من قبل البحر، فأنام ابن لقمان على السرير الذي من قبل البحر وأنام ابنه على السرير الذي من قبل البر، فجاء صاحبه فأخذ ابن لقمان فأنامه على سرير ابنه وأنام ابنه على سرير ابن لقمان، فجاء الرجل بالليل فأخذ السرير فألقاه في البحر، فلما أصبح إذا ابنه قد هلك وابن لقمان صحيح، فأعطاه حقه فرجع، فلما كان في الموضع الذي اجتمعا

ق 1309 (ب)

قال: أقرئ أباك مني السلام، قال: لا ولكن وجدتك خير صاحب، قال: أنا الأمانة حيث قال أبوك اذهب فأنت وديعة الله بعثني الله تعالى إليك لأحفظك.

18- حدثنا القاضي أبو علي النسفي، ثنا الحاكم أبو أحمد محمد بن محمد بن الحسن، ثنا نبهان بن إسحاق، ثنا الربيع، ثنا عبد الله بن وهب، ثنا زيد، عن أبيه قال: بلغنا أنا عيسى بن مريم عليهما السلام كان يوما في أصحابه إذ مر به رجل، فقال: يرجع هذا عليكم ميتاً فرجع يحمل حزمة حطب، فقالوا: يا نبي الله ما من شيء حدثتناه قط إلا كان كما حدثتناه إلا هذا، فقال للرجل: ما أحدثت من العمل، قال: لا شيء إلا أنه كان معي قرصان فتصدقت بأحدهما على مسكين، فقال: ضع حزمتك فوضعها، فقال: اكشفها فإذا فيها أسود مقطع بنصفين، فقال: لولا القرص الذي تصدقت به لقتلك هذا الأسود، ولكن الصدقة تدفع ميتة السوء.
এটার দুটি দরজা ছিল, একটি স্থলভাগের দিকে এবং একটি সমুদ্রের দিকে। তিনি বললেন: এরপর তিনি স্থলভাগের দিকে একটি পালঙ্ক এবং সমুদ্রের দিকে একটি পালঙ্ক স্থাপন করলেন। তিনি লোকমানের পুত্রকে সমুদ্রের দিকের পালঙ্কে শুইয়ে দিলেন এবং নিজের পুত্রকে স্থলভাগের দিকের পালঙ্কে শুইয়ে দিলেন। এরপর তার সাথী এসে লোকমানের পুত্রকে নিল এবং তাকে নিজের পুত্রের পালঙ্কে শুইয়ে দিল, আর নিজের পুত্রকে লোকমানের পুত্রের পালঙ্কে শুইয়ে দিল। রাতে লোকটি এসে পালঙ্কটি ধরে সমুদ্রে ফেলে দিল। সকালে যখন সে উঠল, দেখল তার নিজের পুত্র মারা গেছে এবং লোকমানের পুত্র অক্ষত আছে। এরপর সে তাকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিল এবং সে ফিরে গেল। তারা যখন সেই স্থানে পৌঁছাল যেখানে তারা মিলিত হয়েছিল

কাফ ১৩০৯ (খ)

সে বলল: তোমার পিতাকে আমার পক্ষ থেকে সালাম দিও। সে বলল: না, বরং আমি তোমাকে সর্বোত্তম সাথী হিসেবে পেয়েছি। সে বলল: আমিই হলাম সেই 'আমানত', যখন তোমার পিতা বলেছিলেন, "যাও, তুমি আল্লাহর কাছে গচ্ছিত সম্পদ", তখন আল্লাহ তাআলা আমাকে তোমার কাছে পাঠিয়েছেন তোমাকে রক্ষা করার জন্য।

১৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজি আবু আলী আন-নাসাফি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাবহান ইবন ইসহাক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন ওয়াহাব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জায়েদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, ঈসা ইবন মারইয়াম আলাইহিমাস সালাম একদিন তাঁর সাথীদের মধ্যে ছিলেন, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর পাশ দিয়ে অতিক্রম করল। তিনি বললেন: এই ব্যক্তি তোমাদের কাছে মৃত অবস্থায় ফিরে আসবে। এরপর লোকটি এক বোঝা কাঠ বহন করে ফিরে এল। তারা বলল: হে আল্লাহর নবী, আপনি আমাদের কাছে ইতিপূর্বে যা কিছু বর্ণনা করেছেন তা সর্বদা তেমনই হয়েছে যেমনটি আপনি বলেছেন, কেবল এই বিষয়টি ছাড়া। তখন তিনি লোকটিকে বললেন: তুমি কী আমল করেছ? সে বলল: বিশেষ কিছুই না, কেবল আমার সাথে দুটি রুটি ছিল এবং আমি তাদের একটি এক অভাবীকে দান করেছি। তিনি বললেন: তোমার কাঠের বোঝাটি নামিয়ে রাখো। সে তা রাখল। তিনি বললেন: এটি খোলো। দেখা গেল তার ভেতরে একটি কালো সাপ দুই টুকরো হয়ে পড়ে আছে। তিনি বললেন: যদি তুমি ওই রুটিটি দান না করতে, তবে এই কালো সাপটি তোমাকে মেরে ফেলত। কিন্তু দান-সদকা অপমৃত্যুকে প্রতিহত করে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٦)
19 - حدثنا أبو الفضل محمد بن محمد بن أحمد بن سعيد الطرواخي، أنبأ أبو الحارث علي بن القاسم بن أحمد الخطابي ببخارى، أنبأ نصر بن العلاء، ثنا سعيد بن عامر، ثنا حسن أبو جعفر، عن خالد الربعي قال: كان لقمان عبداً فجاء به مولاه إلى السوق يبيعه، فكان إذا أراد رجل أن يشتريه، فيقول له: أشتريك؟ يقول: لأي صنعة تريدني؟ فيقول: لصنعة كذا وكذا، فيقول: لا، فجاء رجل فقال: لأي صنعة تريدني؟ قال: أجعلك بواباً على باب داري، فقال: نعم، قال: فاشتراه فانطلق به إلى داره، فقال له: لا تدخلن هذه الدار أحد ولا تخرجن إلا بإذني، قال: فأغلق الباب وجعل يصلي خلف الباب، قال: وكان لرب الدار بنات لهن أخلاء، فقام لقمان خلف الباب يصلي، فجاء أخلائهن فاستفتحوا، فقال: ارجعوا بارك الله فيكم فإن مولاي قد نهاني أن يدخل أحد إلا بإذنه، قال: فيجيء الأخلاء من خارج يؤذونه، ويجيء البنات من داخل يضربنه، فيقول: نهاني مولاي، قال: فقال بعضهن: يوماً جعل الله هذا العبد الحبشي أحق بالصلاة منا فقامت خلفه ثم جاءت أخرى حتى تتابعن حتى ما في بني إسرائيل جوارٍ أعبد منهن.

20 - حدثنا الفقيه أبو العباس أحمد بن محمد البزناني(1) ، ثنا أبو نصر محمد بن علي بن حسنويه الكربنتي(2) ، ثنا أبو حفص البجيري، ثنا الفضل بن سهل، ثنا يحيى بن معين، ثنا هشيم، عن مجالد، عن الشعبي: أن رجلا استهوته الجن واختطفته، فقال: علموني، فقال: علموني لحمى الربع، فقالوا: خذ ذباب الماء تعقد في خيط فتشد في عضدك الأيسر فتبرأ

--------------------------------------------

(1) مرسومة هكذا بالأصل ويأتي باسم "أبو العباس محمد بن محمد البزناني" في الورقة 1310 (ب)

(2) مرسومة هكذا بالأصل
১৯ - আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সাঈদ আত-তারওয়াখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আল-হারিস আলী বিন আল-কাসিম বিন আহমদ আল-খাত্তাবি বুখারায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নাসর বিন আল-আলা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ বিন আমির আমাদের বর্ণনা করেছেন, হাসান আবু জাফর আমাদের বর্ণনা করেছেন, খালিদ আর-রাব’ঈ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: লুকমান একজন দাস ছিলেন। তাঁর মালিক তাঁকে বিক্রয় করার জন্য বাজারে নিয়ে এল। যখনই কোনো ব্যক্তি তাঁকে ক্রয় করতে চাইত, সে তাঁকে বলত: ‘আমি কি তোমাকে ক্রয় করব?’ তিনি বলতেন: ‘আপনি আমাকে কোন কাজের জন্য চান?’ সে বলত: ‘এই এই কাজের জন্য।’ তিনি বলতেন: ‘না।’ অতঃপর এক ব্যক্তি এসে বলল: ‘তুমি আমাকে কোন কাজের জন্য চাও?’ সে বলল: ‘আমি তোমাকে আমার ঘরের দরজায় দারোয়ান হিসেবে নিযুক্ত করব।’ তিনি বললেন: ‘হ্যাঁ।’ বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর সে তাঁকে ক্রয় করল এবং নিজের বাড়িতে নিয়ে গেল। সে তাঁকে বলল: ‘আমার অনুমতি ব্যতীত এই ঘরে কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না এবং কাউকে বের হতে দেবে না।’ তিনি বললেন: এরপর তিনি দরজা বন্ধ করে দিলেন এবং দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে লাগলেন। তিনি বলেন: গৃহকর্তার কন্যারা ছিল এবং তাদের কিছু বন্ধু ছিল। লুকমান দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ছিলেন, এমতাবস্থায় তাদের বন্ধুরা এসে দরজা খুলতে চাইল। তিনি বললেন: ‘আপনারা ফিরে যান, আল্লাহ আপনাদের বরকত দিন, কারণ আমার মালিক আমাকে অনুমতি ব্যতীত কাউকে প্রবেশ করতে দিতে নিষেধ করেছেন।’ তিনি বলেন: ফলে বন্ধুরা বাহির থেকে তাঁকে কষ্ট দিতে লাগল এবং কন্যারা ভেতর থেকে তাঁকে মারধর করতে লাগল। তিনি বলতেন: ‘আমার মালিক আমাকে নিষেধ করেছেন।’ বর্ণনাকারী বলেন: তখন তাদের একজন বলল: ‘একদিন আল্লাহ এই হাবশী গোলামকে আমাদের চেয়ে নামাজের অধিক হকদার বানিয়ে দিয়েছেন।’ অতঃপর সে তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে লাগল। এরপর অন্যজন এল, এভাবে তারা একের পর এক অনুসরণ করতে লাগল, এমনকি বনী ইসরাঈলে তাদের চেয়ে অধিক ইবাদতগুজার কোনো যুবতী আর অবশিষ্ট রইল না।

২০ - ফকিহ আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বাযনানি(১) আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আলী বিন হাসনুয়াহ আল-কারবান্তি(২) আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু হাফস আল-বুজাইরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-ফজল বিন সাহল আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন মাইন আমাদের বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে বর্ণনা করেন: এক ব্যক্তিকে জিনেরা মোহাচ্ছন্ন করে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল। সে বলল: ‘আমাকে কিছু শেখাও।’ তারা বলল: ‘আমরা কি তোমাকে চতুর্থ দিনের জ্বরের চিকিৎসা শেখাব?’ তারা বলল: ‘একটি পানিপোকা ধরো এবং তা একটি সুতো দিয়ে গেঁথে তোমার বাম বাহুতে বেঁধে রাখো, তাহলে তুমি আরোগ্য লাভ করবে।’

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই লিখিত আছে, তবে ১৩১০ (খ) পৃষ্ঠায় "আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাযনানি" নামে এসেছে।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই লিখিত আছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٧)
ق 1310 (أ)

21- حدثنا الفقيه أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن سلم الشكاني إملاءً في جامع بخارى، ثنا أبو عمرو محمد بن محمد بن صابر، ثنا عبد الله بن يحيى القاضي، ثنا علي بن حجر، ثنا حماد بن عمرو، عن عبد الله بن محمد القرشي، عن يحيى بن أبي كثير عن سعيد الأودي قال: شهدت أبا أمامة الباهلي رضي الله عنه يقول وهو في النزع فقال لي: يا سعيد إذا أنا مت فاصنعوا بي كما أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: (إذا مات أحد من أخوانكم وسويتم التراب على قبره فليقم بعضكم على رأس قبره ثم ليقل: يا فلان بن فلانة، فإنه يسمع ولا يجيب، ثم ليقل يا فلان بن فلانة فإنه يستوي قاعداً، ثم ليقل يا فلان بن فلانة فإنه يقول: أرشدنا يرحمك الله ولكن لا تسمعون، فليقل أذكر ما خرجت من الدنيا شهادة أن لا أله إلا الله وأن محمداً رسول الله، وأنك رضيت بالله ربا، وبالإسلام دينا، ومحمد صلى الله عليه وسلم نبياً، وبالقرآن إماماً فإن منكراً ونكيراً عليهما السلام يأخذ كل واحد منهما بيد صاحبه ثم يقول انطلق بنا ما يقعدنا عند هذا فقد لقن حجته ويكون الله تعالى حجيجهما دونه، فقال رجل: يا رسول الله، فإن لم يعرف اسم أمه، قال: فلتنسبه إلى حواء)

22- حدثنا الفقيه أبو أسحاق إبراهيم بن سلم، ثنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسماعيل، ثنا سعيد بن محمد بن خزيمة، ثنا أبو النضر عبد الله بن محمد النهاوندي، ثنا أحمد بن الخليل، ثنا جندل بن والق، ثنا مندل بن علي قال: قال جعفر بن محمد الصادق: المروءة مروءتان، مروءة في الحضر ومروءة في السفر، فأما مروءة الحضر، فحضور المساجد وقراءة القرآن والنظر في الفقه ومجالسة أهل الخير، وأما مروءة السفر، فبذل الزاد وقلة الخلاف على من يصحبك والمزاح في غير ما يسخط الله وإذا فارقتهم أن ينشر عنهم الجميل.
পৃষ্ঠা ১৩১০ (ক)

২১- ফকিহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সালাম আল-শাক্কানি বুখারা জামে মসজিদে আমাদের কাছে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সাবির, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-কাদি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলি বিন হুজর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন আমর, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কুরাশি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবু কাসির থেকে, তিনি সাঈদ আল-আওদি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু উমামা আল-বাহিলি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে মুমূর্ষু অবস্থায় বলতে শুনেছি, তিনি আমাকে বললেন: হে সাঈদ, আমি যখন মারা যাব, তখন তোমরা আমার সাথে তেমন আচরণ করো যেমনটি করার নির্দেশ আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়েছেন। তিনি বলেছেন: (যখন তোমাদের কোনো ভাই মারা যায় এবং তোমরা তার কবরের ওপর মাটি সমান করে দাও, তখন তোমাদের কেউ যেন তার কবরের মাথার পাশে দাঁড়ায় এবং বলে: হে অমুকের পুত্র অমুক! নিশ্চয়ই সে শুনতে পায় কিন্তু উত্তর দেয় না। এরপর সে যেন পুনরায় বলে: হে অমুকের পুত্র অমুক! তখন সে সোজা হয়ে উঠে বসে। এরপর সে যেন পুনরায় বলে: হে অমুকের পুত্র অমুক! তখন সে (মৃত ব্যক্তি) বলে: আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করো, আল্লাহ তোমার ওপর দয়া করুন; কিন্তু তোমরা তা শুনতে পাও না। তখন সে যেন বলে: তুমি যে বিশ্বাস নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছ তা স্মরণ করো; আর তা হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, আর তুমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নবী হিসেবে এবং কুরআনকে ইমাম হিসেবে গ্রহণ করে সন্তুষ্ট ছিলে। তখন মুনকার ও নাকির (আলাইহিমাস সালাম) একে অপরের হাত ধরেন এবং বলেন: আমাদের নিয়ে চলো, এর কাছে বসে থাকার আর প্রয়োজন নেই, কারণ একে তার প্রমাণ শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর আল্লাহ তাআলা তাদের বিপরীতে তার পক্ষে দলিলদাতা হবেন। এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল: হে আল্লাহর রাসূল, যদি তার মায়ের নাম জানা না থাকে? তিনি বললেন: তবে তাকে হাওয়া-এর দিকে সম্পর্কিত করবে।)

২২- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন সালাম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন মুহাম্মদ বিন খুজাইমা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল নাদর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-নাহাওয়ান্দি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আল-খালিল, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জানদাল বিন ওয়ালিক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মানদাল বিন আলি, তিনি বলেন: জাফর বিন মুহাম্মদ আল-সাদিক বলেছেন: মুরূআত (পৌরুষ ও সৌজন্য) হলো দুই প্রকার; স্বদেশে থাকাকালীন মুরূআত এবং সফরে থাকাকালীন মুরূআত। স্বদেশে থাকাকালীন মুরূআত হলো: মসজিদে নিয়মিত উপস্থিতি, কুরআন পাঠ করা, ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করা এবং সৎ ব্যক্তিদের মজলিসে বসা। আর সফরে থাকাকালীন মুরূআত হলো: নিজের পাথেয় বা খাদ্যসামগ্রী বিলিয়ে দেওয়া, সঙ্গীদের সাথে মতবিরোধ কম করা, আল্লাহর অসন্তুষ্টি নেই এমন বিষয়ে রসিকতা করা এবং সঙ্গীদের থেকে পৃথক হওয়ার পর তাদের ভালো দিকগুলো প্রচার করা।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٨)
23- أخبرنا أبو الفضل محمد بن محمد بن أحمد بن سعيد الطرواخي، ثنا أبو الحارث علي بن القاسم بن أحمد الخطابي ببخارى، ثنا محمد بن عمر، أنبأ نصر بن حاجب، أنبأ أبو غانم، عن حوشب، عن الحسن: أنه لما دخل على الحجاج فأراد قتله دعا بهذا الدعاء فأنجاه الله تعالى: يا عدتي عند شدتي ويا صاحبي عند وحدتي ويا ولي نعمتي ويا إلهي وإله آبائي من قبل إبراهيم وإسماعيل وإسحاق ويعقوب أغثني يا رب بحق كهيعص ويا رب طه ويس والقرآن الحكيم ارزقني رأفة الرجل وعطفه واصرف عني أذاه ومعرته.

ق 1310 (ب)

24- حدثنا الطرواخي، أنبأ أبو الحارث الخطابي، أخبرني يحيى، ثنا حبان بن موسى، عبد الرحمن بن زيد، عن أبيه، عن وهب بن منبه قال: سئل لقمان من أعدل الناس وأجود الناس وأعقل وأحمق الناس، قال: أعدل الناس من نصف الناس من نفسه في غير حكم ولا عدل، وأعقل الناس من تأهب للأمر قبل نزوله، وأجود الناس من يرى جوده عدلاً، وأحمق الناس من يحدث بحديث أو يأمر بأمر يعلم أنه باطل.

25- أخبرنا الطرواخي، أنبأ الخطابي ببخارى، حدثني شاذان بن أحمد، ثنا أحمد بن عبد الله الهروي، ثنا عبد المنعم بن إدريس، عن أبيه، عن وهب بن منبه قال: قال لقمان الحكيم لابنه: يا بني جالس الناس بالموافقة لهم تكن عندهم محموداً وفي صدورهم مودوداً، إن أنت جالستهم بغير موافقتهم اعتزلك خيارهم ولم تأمن شرارهم، وإذا كانت لك عندهم منزلة فلا تستطل عليهم تكن عندهم مقيتاً وتكن على نفسك معيباً، يا بني لئن كان الكلام من فضة فإن الصمت من ذهب، ولقد ندمت على الكلام مراراً وما ندمت على الصمت.
২৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সাঈদ আল-তারওয়াখি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হারিস আলী বিন আল-কাসিম বিন আহমদ আল-খাত্তাবি বুখারায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উমর, তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন নাসর বিন হাজিব, তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু গানিম, হাওশাব থেকে, হাসান (বাসরি) থেকে বর্ণিত: তিনি যখন হাজ্জাজের নিকট প্রবেশ করলেন এবং হাজ্জাজ তাকে হত্যা করতে চাইল, তখন তিনি এই দুআটি পাঠ করলেন, ফলে আল্লাহ তাআলা তাকে মুক্তি দিলেন: হে আমার বিপদের সময়ের সম্বল, হে আমার একাকীত্বের সঙ্গী, হে আমার নিয়ামতের অধিপতি, এবং হে আমার ইলাহ ও ইব্রাহিম, ইসমাইল, ইসহাক ও ইয়াকুবের পূর্বে আমার পিতৃপুরুষদের ইলাহ; হে রব, কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ-এর উসিলায় আমাকে সাহায্য করুন; এবং হে তাহা, ইয়াসিন ও প্রজ্ঞাময় কুরআনের রব, আমাকে এই লোকটির দয়া ও মমতা দান করুন এবং আমার থেকে তার কষ্ট ও অনিষ্ট দূর করে দিন।

পৃ ১৩১০ (খ)

২৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-তারওয়াখি, তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হারিস আল-খাত্তাবি, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিব্বান বিন মুসা, আব্দুর রহমান বিন যায়েদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: লুকমানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ, সবচেয়ে দানশীল, সবচেয়ে বুদ্ধিমান এবং সবচেয়ে নির্বোধ কে? তিনি বললেন: সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি সে, যে বিচার বা শাসন ছাড়াই নিজের পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি ইনসাফ করে; সবচেয়ে বুদ্ধিমান সে, যে কোনো বিষয় ঘটার আগেই তার প্রস্তুতি গ্রহণ করে; সবচেয়ে দানশীল সে, যে নিজের দানকে ন্যায়বিচার হিসেবে দেখে; আর সবচেয়ে নির্বোধ সে, যে এমন কোনো কথা বলে বা এমন কোনো কাজের আদেশ দেয় যা সে মিথ্যা বলে জানে।

২৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-তারওয়াখি, তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আল-খাত্তাবি বুখারায়, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন শাযান বিন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হারাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মুনইম বিন ইদ্রিস, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: লুকমান হাকিম তার পুত্রকে বলেছিলেন: হে বৎস, মানুষের সাথে তাদের সাথে একমত হয়ে ওঠাবসা করো, তবে তুমি তাদের নিকট প্রশংসিত হবে এবং তাদের অন্তরে প্রিয় হবে। যদি তুমি তাদের সাথে একমত না হয়ে ওঠাবসা করো, তবে তাদের মধ্যে যারা উত্তম তারা তোমার থেকে আলাদা হয়ে যাবে এবং তুমি তাদের মধ্যে যারা মন্দ তাদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকবে না। যখন তাদের নিকট তোমার কোনো মর্যাদা তৈরি হবে, তখন তাদের ওপর অহংকার করো না, অন্যথায় তুমি তাদের নিকট ঘৃণিত হবে এবং নিজের জন্য ত্রুটিযুক্ত হবে। হে বৎস, যদি কথা বলা রূপা হয়, তবে নীরব থাকা স্বর্ণ। আমি বহুবার কথা বলার জন্য অনুতপ্ত হয়েছি, কিন্তু নীরব থাকার জন্য কখনো অনুতপ্ত হইনি।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ١٩)
26 - حدثنا أبو العباس محمد بن محمد البزناني إملاءً ببخارى، أنبأ الإمام أبو الفضل محمد بن الحسين المروزي، ثنا أبو بشر الفضل بن أحمد الأخرم المروزي، ثنا أحمد بن عبد الله بن حكيم الفرناناني، ثنا لبيد بن محمد الكلبي، ثنا محمد بن الحسن الأسدي، عن عمر بن ذر قال: دخل رجاء بن حيوة على عمر بن عبد العزيز وهو مغتم، فقال: يا رجاء ابتلينا بما ترى فهل عندك فرع(1) ، فقال: يا أمير المؤمنين إن الله تعالى لم يرضى لأحد من خلقه أن يكون فوقك في الدنيا، فلا ترضى لنفسك أن يكون أحد من خلقه أطوع منك، اجعل الناس أصنافاً ثلاثة، اجعل الشيخ بمنزلة الأب والأوسط بمنزلة الأخ والصغير بمنزلة الولد، فبر أباك وصل رحمك واعطف على رحمك، واعلم أنك أو خليفة تموت.

27 - حدثنا الإمام عبد العزيز الحلواني، ثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن محمد بن أبي عمرو الحذاء المقرئ، ثنا أبو حامد الهمذاني، ثنا محمد بن الطيب، ثنا الأنصاري، عبد الله الجعفري هو ابن قسيم، عن مجالد، عن الشعبي قال: مر عمر بن الخطاب رضي الله عنه في بعض طرق المدينة فسمع امرأة تقول:

دعتني النفس بعد خروج عمرو إلى اللذات تطلع اطلاعا

فقلت لها عجلت فلن تطاعي ولو طالت اقامته رباعا

أحاذر أن أطيعك سب نفسي ومخزاة تحللني قناعا

فقال عمر رضي الله عنه بعد ما أتى بالمرأة: أي شيء منعك عن اللذات، قالت: الحياء، إكرام عرضي، فقال عمر رضي الله عنه: إن الحياء أبدل علي هنات ذات ألوان من استحيا استخفى، ومن استخفى اتقى، ومن اتقى وقى، فكتب عمر بن الخطاب رضي الله عنه إلى صاحب زوجها فأقفله إليها.

--------------------------------------------

(1) مرسومة هكذا وتحتمل أن تكون "منع أو فرغ" فالله أعلم
২৬ - আবু আব্বাস মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-বিজনানি আমাদের নিকট বুখারায় শ্রুতিলিখন হিসেবে বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবু ফযল মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-মারওয়াযি আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বিশর আল-ফযল ইবন আহমাদ আল-আখরাম আল-মারওয়াযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন হাকিম আল-ফারনানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাবিদ ইবন মুহাম্মাদ আল-কালবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-আসাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর ইবন যার থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাজা ইবন হাইওয়াহ উমর ইবন আব্দুল আজিজের নিকট প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তিনি চিন্তিত ছিলেন। তিনি বললেন: হে রাজা, আমরা সেই বিপদে পড়েছি যা আপনি দেখছেন, আপনার কাছে কি কোনো সমাধান(১) আছে? তখন তিনি বললেন: হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টির কাউকে দুনিয়াতে আপনার উপরে রাখতে পছন্দ করেননি, তাই আপনি নিজের জন্য এটা পছন্দ করবেন না যে, তাঁর সৃষ্টির কেউ আপনার চেয়ে আল্লাহর বেশি অনুগত হবে। মানুষকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করুন; বয়োজ্যেষ্ঠকে পিতার মর্যাদায় রাখুন, সমবয়সীকে ভাইয়ের মর্যাদায় এবং কনিষ্ঠকে সন্তানের মর্যাদায় রাখুন। সুতরাং আপনার পিতার সাথে সদাচরণ করুন, আপনার ভাইয়ের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন এবং আপনার সন্তানের প্রতি দয়া প্রদর্শন করুন; আর জেনে রাখুন যে, আপনি একজন খলিফা যিনি মৃত্যুবরণ করবেন।

২৭ - ইমাম আব্দুল আজিজ আল-হালওয়ানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবি আমর আল-হাদ্দা আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হামিদ আল-হামাদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুত তাইয়িব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তিনি হলেন আব্দুল্লাহ আল-জাফরি ইবন কাসিম—তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি শা'বি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু মদিনার কোনো এক পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি এক নারীকে বলতে শুনলেন:

আমর চলে যাওয়ার পর নফস আমাকে ভোগের লালসায় লিপ্ত হতে ডাকছে প্রবলভাবে,

আমি তাকে বললাম, তুমি তাড়াহুড়ো করেছ, তোমার কথা মানা হবে না, যদিও তার প্রবাস জীবন দীর্ঘ হয় চার মাস কিংবা চার ঋতু।

আমি ভয় করি পাছে তোমার আনুগত্য করে নিজের সত্তাকে গালি দিই এবং এমন লাঞ্ছনায় পড়ি যা আমার লজ্জার আবরণ উন্মোচন করে দেবে।

অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সেই নারীকে উপস্থিত করার পর বললেন: কোন জিনিস তোমাকে লালসা থেকে বিরত রেখেছে? সে বলল: লজ্জা ও আমার সম্মান রক্ষা করা। তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: নিশ্চয়ই লজ্জা আমার নিকট নানাবিধ কল্যাণের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে; যে লজ্জা পায় সে আত্মগোপন করে, যে আত্মগোপন করে সে তাকওয়া অবলম্বন করে, আর যে তাকওয়া অবলম্বন করে আল্লাহ তাকে রক্ষা করেন। অতঃপর উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু মহিলার স্বামীর সেনাপতির নিকট চিঠি লিখলেন এবং তাকে স্ত্রীর কাছে ফেরত পাঠালেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই লেখা হয়েছে, তবে এর অর্থ "প্রতিবন্ধকতা" বা "অবকাশ" হওয়ার সম্ভাবনাও রাখে, আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٠)
ق 1311 (أ)

28- حدثنا أبو العباس البزناني، ثنا الحاكم أبو أحمد محمد بن محمد بن الحسن، ثنا محمد بن علي البلخي، ثنا أبو القاسم مجاهد بن الحاكم قال: قال لي أحمد بن محمد، حدثني أبوك حاكم بن مجاهد البرمكي قال: دخلت مكة وبها هارون الرشيد وقد ربطوا حبلاً حول البيت وأمير المؤمنين هارون يطوف دون الحبل والناس يطوفون من وراء الحبل فرأيت شيخاً طويلاً ارتقى السارية الحمراء، فقال: ثنا أيمن بن نابل ورفع صوته، عن قدامة بن عبد الله رضي الله عنه قال: (رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يرمي العقبة لا صرف ولا طرد ولا إليك إليك) قال: فأمر هارون أن يرفع الحبل فطاف مع الناس، فقيل هذا الشيخ الطويل سفيان الثوري.

• حدثنا الإمام أبو محمد عبد العزيز بن أحمد الحلواني، ثنا الرئيس أبو عامر عدنان بن محمد، أنبأ أبو علي الحسين بن أحمد بن محمد القاضي، ثنا ابن الأنباري، ثنا محمد بن المرزبان، ثنا عبد الله بن أبي عبد الله قال: دخل رجل على بعض القضاة، فقال له: عظني بشيء انتفع به، فأنشأ يقول:

ماذا تقول وليس عندك حيلة لو قد أتاك منغص اللذات ماذا تقول إذا دعيت فلا تجب وإذا سئلت وأنت في الغمرات

ما تقول وليس حكمك جائزاً فيما تخلفه من التركات ماذا تقول إذا حللت محلة ليس التقات لأهلها بثقات

• سمعت أبا إسحاق إبراهيم بن سلم الشكاني يقول: أن أبا تمام قال: وفدت على خليفة فحبست عن الاتصال إليه فأنشأت أقول:

ماذا أقول إذا انصرفت وقيل لي ماذا أصبت من الجواد المفضل

إن قلت أعطاني كذبت وإن أقل ضن الجواد بماله لم تجمل

فاختر لنفسك ما تحب فأنني لابد أخبرهم وإن لم أسأل

فأمر له بعدد أبياته ألفاً وكان أقام خمساً وعشرين يوماً وكتب له بيتين يعتذر

عاجلتنا فأتاك عاجل برنا نزراً ولو أمهلتنا لم نقلل فخذ القليل وكن كأنك لم تسأل ونكون نحن كأننا لم نفعل
পৃষ্ঠা ১৩১১ (ক)

২৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-বাজনানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আলী আল-বালখি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম মুজাহিদ ইবন আল-হাকিম, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আমাকে বলেছেন, তোমার পিতা হাকিম ইবন মুজাহিদ আল-বারমাকি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মক্কায় প্রবেশ করলাম তখন হারুনুর রশিদ সেখানে অবস্থান করছিলেন। তারা কাবার চারপাশে একটি দড়ি বেঁধে দিয়েছিল এবং আমিরুল মুমিনীন হারুন সেই দড়ির ভেতর দিয়ে তাওয়াফ করছিলেন আর সাধারণ মানুষ দড়ির বাইরে থেকে তাওয়াফ করছিল। তখন আমি এক দীর্ঘকায় বৃদ্ধকে লাল স্তম্ভের ওপর আরোহণ করতে দেখলাম। তিনি উচ্চস্বরে বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইমান ইবন নাবিল, কুদামা ইবন আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি, সেখানে (মানুষকে) সরিয়ে দেওয়া, তাড়িয়ে দেওয়া বা 'সরে যাও, সরে যাও' বলার মতো কোনো কঠোরতা ছিল না।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন হারুন দড়িটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং সাধারণ মানুষের সাথে তাওয়াফ করলেন। বলা হলো, এই দীর্ঘকায় বৃদ্ধ ছিলেন সুফিয়ান আস-সাওরি।

• আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজিজ ইবন আহমাদ আল-হালওয়ানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-রাইস আবু আমির আদনান ইবন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-কাদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল আম্বারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনুল মারজুবান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আবি আবদুল্লাহ, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি এক বিচারকের কাছে প্রবেশ করে বললেন, আমাকে এমন কিছু উপদেশ দিন যা দ্বারা আমি উপকৃত হব। তখন তিনি আবৃত্তি করে বললেন:

তুমি কী বলবে যখন তোমার কোনো উপায় থাকবে না, যদি তোমার নিকট স্বাদ বিনষ্টকারী (মৃত্যু) উপস্থিত হয়? তুমি কী বলবে যখন তোমাকে ডাকা হবে কিন্তু তুমি উত্তর দিতে পারবে না, আর যখন তোমাকে প্রশ্ন করা হবে অথচ তুমি সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকবে?

তুমি কী বলবে যখন তোমার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে তোমার হুকুম আর কার্যকর থাকবে না? তুমি কী বলবে যখন তুমি এমন এক স্থানে অবতরণ করবে যেখানে বিশ্বস্ত ব্যক্তিরা তার অধিবাসীদের কাছে নির্ভরযোগ্য নয়?

• আমি আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন সালাম আল-শাকানিকে বলতে শুনেছি যে, আবু তাম্মাম বলেছেন: আমি জনৈক খলিফার কাছে প্রতিনিধি হিসেবে গেলাম, কিন্তু তার সাথে সাক্ষাতে বাধা দেওয়া হলো। তখন আমি আবৃত্তি করে বললাম:

আমি যখন ফিরে যাব আর আমাকে জিজ্ঞেস করা হবে যে, সেই শ্রেষ্ঠ দানবীর থেকে তুমি কী পেয়েছ, তখন আমি কী বলব?

যদি বলি তিনি আমাকে দান করেছেন, তবে আমি মিথ্যা বলব; আর যদি বলি সেই দানবীর তার সম্পদ দিতে কার্পণ্য করেছেন, তবে তা শোভন হবে না।

সুতরাং আপনি নিজের জন্য যা পছন্দ করেন তা বেছে নিন, কেননা আমাকে অবশ্যই তাদের সংবাদ দিতে হবে, যদিও আমাকে প্রশ্ন না করা হয়।

এরপর খলিফা তার কবিতার চরণের সংখ্যা অনুযায়ী তাকে এক হাজার (মুদ্রা) দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি পঁচিশ দিন সেখানে অবস্থান করেছিলেন। খলিফা তাকে ক্ষমা চেয়ে দুটি কবিতা লিখে দিলেন:

তুমি আমাদের নিকট তাড়াহুড়ো করেছ, তাই আমাদের তাৎক্ষণিক অনুগ্রহ তোমার নিকট যৎসামান্য হিসেবে পৌঁছেছে; যদি তুমি আমাদের সময় দিতে তবে আমরা কার্পণ্য করতাম না। সুতরাং এই সামান্যটুকু গ্রহণ করো এবং এমন হয়ে যাও যেন তুমি কিছুই চাওনি, আর আমরাও যেন এমন হয়ে যাই যেন আমরা কিছুই করিনি।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢١)
29 - حدثنا القاضي أبو علي النسفي، ثنا أبو سعيد الخليل بن أحمد القاضي، ثنا أبو العباس السراج، ثنا الحسن بن محمد الزعفراني، ثنا محمد بن يزيد قال: قال وهيب بن الورد: كان داود النبي صلى الله عليه وسلم قد جعل الليل كله عليه وعلى أهل بيته دولاً لا تمر ساعة من ليل إلا وفي بيته لله تعالى ساجد وذاكر، فلما كانت نوبة داود عليه السلام قام يصلي في نوبته فكأنه دخل قلبه ما هو منه وأهل بيته من العبادة، قال: فاطلع الله تعالى على قلبه بعجبه بما هو فيه وأهل بيته من العبادة وكان

ق 1311 (ب)

بين يديه نهر، فأنطق الله تعالى ضفدعاً من ذلك النهر، فنادته: يا داود ما يعجبك ما أنت فيه وأهل بيتك من العبادة، فوالذي أكرمك بالنبوة إني لقائمة لله تعالى على رجل واحد وما استراحت أوداجي من تسبيح منذ خلقني الله تعالى إلى هذه الساعة، فما الذي يعجبك ما أنت فيه، قال: فتصاغرت إلى داود عليه السلام ما هو فيه وأهل بيته من العبادة.

• حدثنا الفقيه أبو إبراهيم إسماعيل بن محمد المستملي، ثنا السيد أبو الحسن محمد بن علي بن الحسين العلوي الهمذاني، ثنا خيثمة بن سليمان القرشي، ثنا الحارث بن محمد التميمي، ثنا عيسى بن عبد الله ثقة قال: قال الفضيل بن عياض:

يموت الخلفاء والملوك وينسى ذكرهم ويموت العلماء ويبقى ذكرهم.

• أنشدنا أبو إبراهيم إسماعيل، أنشدنا السيد أبو الحسن هذا لنفسه:

يا رب أنت على الأمور قدير وما نتي حم(1) الذنوب خبير يسر لعبدك من نوالك توبة فعليك تيسير العسير يسير

--------------------------------------------

(1) مرسومة هكذا بالأصل
২৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আবু আলী আন-নাসাফী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-খালীল ইবনে আহমাদ আল-কাজী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস আস-সাররাজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুহাম্মদ আজ-জাফরানী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ, তিনি বলেন: উহাইব ইবনুল ওয়ারদ বলেছেন: নবী দাউদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পুরো রাতকে নিজের এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পালাক্রমে ভাগ করে দিয়েছিলেন। রাতের এমন কোনো মুহূর্ত অতিবাহিত হতো না যখন তাঁর ঘরে মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে কেউ সিজদাবনত বা যিকিররত থাকত না। যখন দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর পালা আসলো, তিনি তাঁর পালায় সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। এমতাবস্থায় তাঁর মনে তাঁর নিজের এবং পরিবারের ইবাদত সম্পর্কে এক প্রকার আত্মতৃপ্তি বা আভিজাত্যবোধ প্রবেশ করল। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ইবাদতের কারণে তাঁর অন্তরে যে আত্মতৃপ্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তা অবলোকন করলেন। তাঁর

পৃষ্ঠা ১৩১১ (খ)

সামনে একটি নদী ছিল। আল্লাহ তাআলা সেই নদীর একটি ব্যাঙকে বাকশক্তি দান করলেন। সে তাঁকে ডেকে বলল: হে দাউদ! আপনি এবং আপনার পরিবার যে ইবাদত করছেন, তা আপনাকে কেন বিমুগ্ধ করছে? সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে নবুওয়াত দিয়ে সম্মানিত করেছেন, নিশ্চয়ই আমি মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছি এবং আল্লাহ আমাকে সৃষ্টির পর থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত তাসবীহ পাঠ করা থেকে আমার কণ্ঠনালী একটুও বিশ্রাম পায়নি। সুতরাং আপনি যে অবস্থায় আছেন তা আপনাকে কেন বিমুগ্ধ করছে? বর্ণনাকারী বলেন: তখন দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর কাছে তাঁর নিজের ও তাঁর পরিবারের ইবাদত অত্যন্ত নগণ্য মনে হলো।

• আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকীহ আবু ইবরাহীম ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আল-মুস্তামলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সায়্যিদ আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন আল-আলাউয়ী আল-হামাযানী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাইসামাহ ইবনে সুলাইমান আল-কুরাশী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে মুহাম্মদ আত-তামীমী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে আবদুল্লাহ—যিনি নির্ভরযোগ্য—তিনি বলেন: ফুযাইল ইবনে ইয়াদ বলেছেন:

খলীফা ও রাজন্যবর্গ মৃত্যুবরণ করেন এবং তাদের নাম মুছে যায়, কিন্তু আলিমগণ মৃত্যুবরণ করলেও তাদের স্মৃতি অম্লান থাকে।

• আমাদের নিকট পাঠ করেছেন আবু ইবরাহীম ইসমাঈল, তিনি বলেন আমাদের নিকট সায়্যিদ আবু আল-হাসান নিজের রচিত এই কবিতাটি পাঠ করেছেন:

হে প্রভু! আপনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান, আর আমার গুনাহসমূহ সম্পর্কে আপনি সম্যক অবগত।(১) আপনার দান থেকে আপনার বান্দার জন্য তাওবাকে সহজ করে দিন, কারণ আপনার পক্ষে কঠিনকে সহজ করা অতি সহজ।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই লিখিত আছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٢)
30 - أخبرنا أبو طاهر إبراهيم بن أحمد بن سعيد المستملي، أنبأ أبو بكر عبد الله بن محمد الفازديزي(1) ، أنبأ عبد بن حميد، ثنا إبراهيم بن الحكم، عن أبيه، عن عكرمة في قوله تعالى {لها سبعة أبواب لكل باب منهم جزء مقسوم} قال: على كل باب منهم سبعون ألف سرادق من نار، في كل سرادق منها سبعون ألف قبة من نار، في كل قبة منها سبعون ألف تنور من نار، في كل تنور منها سبعون ألف كوة من نار، في كل كوة منها سبعون ألف صخرة من نار، على كل صخرة منها سبعون ألف حجر من نار، في كل حجر منها سبعون ألف عقرب من نار، لكل عقرب منها سبعون ألف قفارة من نار، في كل قفارة منها سبعون قلة ثم وسبعون ألف موقد من نار يوقدون ذلك الباب.

آخر ما انتخب من أمالي الجميل ولله الحمد والمنة.

ومن أمالي السرخسي

31 - وأخبرنا شيخنا الإمام أبو المظفر بقراءتي عليه قلت له: أخبركم البيكندي، ثنا الإمام أبو بكر هو محمد بن أبي سهل بن محمد السرخسي، ثنا الإمام أبو نصر أحمد بن عبد الله بن الفضل، ثنا إبراهيم بن محمد بن عبد الله، أنبأ عبد الرحمن بن أبي حاتم، ثنا أبو سلمة المنقري، ثنا صدقة بن موسى، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (أفضل الصدقة صدقة في رمضان)

• أنشدنا عبد الله بن أحمد الحلواني قال: أنشدنا أبو سهل إسحاق بن محمد الأمين قال: أنشدوني لبعضهم

إذا ما انجلى الرأي فاحكم به ولا تحكم بما يشتبه ونبه فؤادك عن رقدة فإن الموفق من ينتبه

فإن كنت لم أنتبه بالذي وعظت به فانتبه

--------------------------------------------

(1) مرسومة هكذا بالأصل
৩০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন সাইদ আল-মুস্তামলি, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-ফাযদিযি(১), আমাদের জানিয়েছেন আবদ বিন হুমাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আল-হাকাম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে মহান আল্লাহর বাণী: {তার সাতটি দরজা রয়েছে, তাদের প্রত্যেক দরজার জন্য নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে} প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: তাদের প্রত্যেকটি দরজার ওপর আগুনের সত্তর হাজার শামিয়ানা রয়েছে, প্রত্যেক শামিয়ানাতে সত্তর হাজার আগুনের গম্বুজ রয়েছে, প্রত্যেক গম্বুজে সত্তর হাজার আগুনের তন্দুর রয়েছে, প্রত্যেক তন্দুরে সত্তর হাজার আগুনের কুলুঙ্গি রয়েছে, প্রত্যেক কুলুঙ্গিতে সত্তর হাজার আগুনের শিলা রয়েছে, প্রত্যেক শিলার ওপর সত্তর হাজার আগুনের পাথর রয়েছে, প্রত্যেক পাথরে সত্তর হাজার আগুনের বিচ্ছু রয়েছে, প্রত্যেক বিচ্ছুর সত্তর হাজার আগুনের বিষের থলি রয়েছে, প্রত্যেক বিষের থলিতে সত্তরটি কলস রয়েছে, অতঃপর সত্তর হাজার আগুনের চুলা রয়েছে যা সেই দরজাকে প্রজ্বলিত করে।

আমালি আল-জামিল থেকে নির্বাচিত অংশের সমাপ্তি, আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ।

এবং আমালি আস-সারখাসি থেকে

৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের শায়খ ইমাম আবু আল-মুজাফ্ফর, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-বাইকান্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু বকর—যিনি মুহাম্মদ বিন আবি সাহল বিন মুহাম্মদ আস-সারখাসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু নাসর আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-ফজল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আবি হাতিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামা আল-মানকারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকা বিন মুসা, সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: (সর্বোত্তম সদকা হলো রমজান মাসের সদকা)।

• আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হালওয়ানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন আবু সাহল ইসহাক বিন মুহাম্মদ আল-আমিন, তিনি বলেন: তারা আমার উদ্দেশ্যে কারও এই কবিতাটি পাঠ করেছেন—

যখন সঠিক সিদ্ধান্ত সুস্পষ্ট হয়ে যায় তখন সেটি দ্বারাই ফয়সালা করো, আর যা অস্পষ্ট বা সন্দেহযুক্ত তা দিয়ে ফয়সালা করো না। তোমার অন্তরকে তন্দ্রা থেকে জাগ্রত করো, কেননা সফল সেই ব্যক্তি যে সজাগ হয়।

আমি যদি সেই উপদেশের মাধ্যমে সজাগ না হই যার দ্বারা উপদেশ দেওয়া হয়েছে, তবে তুমি সজাগ হও।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই লিখিত আছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٣)
ق 1312 (أ)

• أنشدنا الإمام أبو نصر أحمد بن عبد الله الخيراخري قال: أنشدنا أبو محمد إسماعيل بن الحسين قال: أنشدونا لعلي بن أبي طالب:

إني وجدت وفي الأيام تجربةً للصبر عاقبة محمودة الأثر وقل من جد في شيء يطالبه فاستصحب الصبر إلا فاز بالظفر

• أنشدنا الأستاذ عبد العزيز الحلواني قال أنشدوني لبعضهم:

لا تجزعن عن العزال فربما ذبح السمين وعد في المهزول واجعل فؤادك للتواضع منزلاً إن التواضع بالشريف جميل

وإذا حملت إلى القبور جنازة فاعلم بأنك بعدها محمول لا يعجبنك ملكهم ونعيمهم فالملك يفنى والنعيم يزول

• أنشدنا أبو سعد ثابت بن أحمد بن عبدوس الرازي، أنشدنا أبو حاتم أحمد بن الحسن، سمعت محمد بن عبد الله المقرئ يقول: سمعت أبا سعيد الصوفي ينشد:

يا قارع الباب رب مدلج قد أدمن القرع ثم لم يلج ورب مستولج على مهل لم يشق في قرعة ولم يهج

فاطو علي الهم كشح مصطبر فأول الهم آخر الفرج.

• سمعت أبا نصر أحمد بن إسماعيل الأيبنكتي يقول: سمعت أبا عبد الله طاهر بن محمد الحدادي يقول: سمعت أحمد بن سنحور يقول: سمعت محمد بن الحسين الجوزجاني يقول: كان ابن كيسان المجنون لا يستقر مع الناس قط وأنه ذهب حاجاً إلى بيت الله الحرام فرفع رأسه إلى السماء وأنشأ يقول:

يا حبيب القلوب من لي سواكا أكرم اليوم زائراً قد أتاكا

أنت سولي ومنيتي وسروري كذب القلب إن يحب سواكا

يا عزيزي وسيدي ورجائي طال شوقي متى يكون لقاكا

ليس همي من الجنان نعيم غير أني أريدها لأراكا

32- وأخبرنا الإمام أبو المظفر، انبأ البيكندي، ثنا أبو محمد عبد الكريم بن زكريا بن سعيد، ثنا أبو نصر أحمد بن الحسن بن الحسين المراجلي، أنبأ أبو بكر أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن محمد بن شاذان البغدادي، ثنا أبو العباس محمد بن موسى بن علي، ثنا عمر بن شبة، ثنا عمرو بن علي، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة رضي الله عنها، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (من أحدث وهو في الصلاة فليضع يده على أنفه وليخرج)
১৩১২ (ক)

• ইমাম আবু নাসর আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-খাইরাখরি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ ইসমাইল বিন আল-হুসাইন আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: তারা আমাদের জন্য আলী বিন আবি তালিবের কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

আমি দিনগুলোর অভিজ্ঞতায় পেয়েছি যে, ধৈর্যের পরিণাম প্রশংসনীয় প্রভাব বিস্তার করে। খুব কমই এমন ব্যক্তি আছে যে কোনো কিছু অর্জনে সচেষ্ট হয়েছে এবং ধৈর্যের সঙ্গ নিয়েছে, অথচ বিজয়ী হয়নি।

• উস্তায আব্দুল আজিজ আল-হালওয়ানি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: তারা আমাদের জন্য জনৈক কবির কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

তুমি দুঃখ-কষ্টে ঘাবড়ে যেও না; কারণ অনেক সময় মোটাতাজা প্রাণীকে যবেহ করা হয় আর কৃশকায় প্রাণীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তোমার অন্তরকে বিনয়ের আবাসে পরিণত করো; কেননা উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিনয়ই সুন্দর।

যখন তুমি কবরের দিকে কোনো জানাজা বয়ে নিয়ে যাও, তখন জেনে রেখো যে এরপর তোমাকেও বয়ে নেওয়া হবে। তাদের রাজত্ব ও নেয়ামত যেন তোমাকে মুগ্ধ না করে; কারণ রাজত্ব শেষ হয়ে যায় আর নেয়ামত বিলীন হয়ে যায়।

• আবু সা’দ সাবিত বিন আহমাদ বিন আব্দুস আর-রাজি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, আবু হাতিম আহমাদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, আমি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুকরিকে বলতে শুনেছি: আমি আবু সা’ঈদ আস-সুফিকে আবৃত্তি করতে শুনেছি:

হে কপাটে আঘাতকারী! অনেক রাত্রিতে পথচলা পথচারী আছে যে অনবরত আঘাত করার পরও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। আবার অনেকে ধীরস্থিরভাবে ভেতরে প্রবেশকারী, তাকে কপাটে আঘাতের কষ্ট সহ্য করতে হয়নি এবং সে উত্তেজিতও হয়নি।

সুতরাং ধৈর্যশীলের ন্যায় দুশ্চিন্তাকে নিজের পাঁজরে গুটিয়ে রাখো; কারণ দুশ্চিন্তার শুরুটাই হলো মুক্তির শেষ সীমা।

• আমি আবু নাসর আহমাদ বিন ইসমাইল আল-আইবুনাক্তিকে বলতে শুনেছি: আমি আবু আব্দুল্লাহ তাহির বিন মুহাম্মাদ আল-হাদ্দাদিকে বলতে শুনেছি: আমি আহমাদ বিন সানহুরকে বলতে শুনেছি: আমি মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আল-জাওযাজানিকে বলতে শুনেছি: ইবন কাইসান আল-মাজনুন কখনই মানুষের মাঝে স্থির থাকতেন না। তিনি হাজি হিসেবে আল্লাহর পবিত্র ঘরের দিকে গমন করলেন, অতঃপর আকাশের দিকে নিজের মাথা তুললেন এবং বলতে লাগলেন:

হে হৃদয়ের প্রিয়তম! আপনি ছাড়া আমার আর কে আছে? আজ আগত আপনার এই যিয়ারতকারীকে সম্মানিত করুন।

আপনিই আমার অন্বেষা, আমার আকাঙ্ক্ষা ও আমার আনন্দ; অন্তর মিথ্যা বলছে যদি সে আপনি ছাড়া অন্য কাউকে ভালোবাসে।

হে আমার প্রিয়তম, আমার মালিক ও আমার আশা! আপনার প্রতি আমার ব্যাকুলতা দীর্ঘ হয়েছে, আপনার সাথে সাক্ষাৎ কবে হবে?

জান্নাতের নেয়ামত ভোগ করা আমার মূল লক্ষ্য নয়, বরং আমি কেবল আপনাকে দেখার জন্যই তা চাই।

৩২- এবং ইমাম আবু আল-মুজাফফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-বাইকান্দি আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মাদ আব্দুল কারিম বিন যাকারিয়া বিন সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু নাসর আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-মারাজিলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন শাযান আল-বাগদাদী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ বিন মুসা বিন আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উমর বিন শাব্বাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমর বিন আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যার সালাতরত অবস্থায় ওযু ভেঙে যায়, সে যেন তার নাকের ওপর হাত রাখে এবং বেরিয়ে যায়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٤)
33 - حدثنا أبو طاهر إبراهيم بن أحمد بن سعيد المستملي، ثنا أبو ذر عمار بن محمد بن مخلد، ثنا محمد بن هارون الحضرمي، ثنا يحي بن حكيم، عن الحسن بن حبيب، ثنا روح بن القاسم، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (إذا كان النصف من شعبان فأفطروا حتى يجيء رمضان)(1) . هذان من حديث عبد الكريم ومن حديثه أيضاً

34 - حدثنا الشيخ الفقيه أبو نصر محمد بن محمد بن إسحاق المزكى رحمه الله، أنبأ أبو شجاع الفضل بن العباس بن الحصيب، ثنا محمد بن علي الهروي، ثنا جعفر بن محمد بن هارون المصيصي، ثنا هشام بن زياد أبو المقدام، عن الحسن، عن أنس

--------------------------------------------

(1) هذا الحديث مكررة في الهامش الأيمن بطريق آخر:
৩৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু তাহির ইবরাহিম ইবনে আহমাদ ইবনে সাঈদ আল-মুস্তামলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু যার আম্মার ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে হারুন আল-হাদরামি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে হাকিম, হাসান ইবনে হাবিব থেকে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রুহ ইবনে আল-কাসিম, আল-আলা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (যখন শাবান মাসের অর্ধেক উপস্থিত হবে, তখন তোমরা রোজা রাখা বন্ধ করো যতক্ষণ না রমজান আসে)(১)। এই দুটি আব্দুল করিমের হাদিস থেকে এবং তাঁর হাদিস হতে এটিও

৩৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শায়খ আল-ফকিহ আবু নাসর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মুযাক্কি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শুজা আল-ফাদল ইবনে আল-আব্বাস ইবনে আল-হুসাইব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-হারাউই, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হারুন আল-মাসসিসি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে যিয়াদ আবু আল-মিকদাম, হাসান থেকে, তিনি আনাস থেকে

--------------------------------------------

(১) এই হাদিসটি ডান পার্শ্বস্থ হাশিয়ায় অন্য সূত্রে পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে:
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٥)
35 - أخبرنا أبو المظفر، أنبأ البيكندي، أنبأ الحسن بن عبد الملك النسفي، أنبأ الحسين بن الخضر النسفي، ثنا أبو عمرو عثمان بن محمد بن القاسم الأدمي، ثنا عبد الله بن إسحاق المدائني، ثنا يحيى بن حكيم، عن الحسن بن حبيب بن ندبة، ثنا روح بن القاسم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (إذا كان النصف في شعبان فأفطروا حتى يجيء رمضان) وقد رواه عن العلاء، مسلم بن خالد.

ق 1312 (ب)

قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: (من قرأ يس في ليلة أصبح مغفوراً له، ومن قرأ سورة الدخان أصبح مغفور(1) )

36 - حدثنا الشيخ الرئيس أبو بكر محمد بن عمر بن حمدان، ثنا أبو العباس أحمد بن سعيد بن معدان المروزي بمرو، ثنا عبد الله بن محمود، ثنا محمد بن يعقوب الزبيري، ثنا عبد الله بن وهب المصري، عن خالد بن حميد(2) ، عن سلمة بن شريح الأنصاري، عن يحيى بن محمد بن بشير الأنصاري، عن أبيه رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (إذا أراد الله تعالى هواناً أنفق ماله في البنيان)

--------------------------------------------

(1) سواد بالأصل والراجح عندي "مغفوراً له"

(2) مرسومة بالأصل "خالد بن عبد" والصحيح ما أثبت
৩৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুজাফফর, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-বাইকান্দি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আব্দুল মালিক আন-নাসাফি থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে আল-খিদর আন-নাসাফি থেকে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম আল-আদামি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইসহাক আল-মাদায়িনি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে হাকিম, তিনি হাসান ইবনে হাবিব ইবনে নুদবাহ থেকে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন রাওহ ইবনে আল-কাসিম, তিনি আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (যখন শাবান মাসের অর্ধেক সময় পার হবে, তখন তোমরা রোজা রাখা বন্ধ করো যতক্ষণ না রমজান আসে)। আর আল-আলা থেকে এটি মুসলিম ইবনে খালিদও বর্ণনা করেছেন।

পৃষ্ঠা ১৩১২ (খ)

তিনি বলেন: নবী (সা.) বলেছেন: (যে ব্যক্তি রাতে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে, সে ক্ষমা প্রাপ্ত অবস্থায় সকাল করবে। আর যে ব্যক্তি সূরা আদ-দুখান পাঠ করবে, সে ক্ষমা প্রাপ্ত(১) অবস্থায় সকাল করবে)

৩৬ - আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শায়খ আর-রাইস আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হামদান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে মা'দান আল-মারওয়াযি মার্ভ শহরে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আজ-যুবাইরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আল-মিসরি, তিনি খালিদ ইবনে হুমাইদ(২) থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে শুরাইহ আল-আনসারি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বশীর আল-আনসারি থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (যখন আল্লাহ তাআলা কারো লাঞ্ছনা বা অপমান চান, তখন তার সম্পদ অট্টালিকা বা দালানকোঠা নির্মাণে ব্যয় করিয়ে দেন।)

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে অস্পষ্টতা রয়েছে, তবে আমার মতে এটি "তার জন্য ক্ষমা করা হবে" হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি "খালিদ ইবনে আব্দ" হিসেবে লিখিত আছে, কিন্তু সঠিক হলো যা আমি এখানে সাব্যস্ত করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٦)
37- حدثنا الشيخ أبو نصر الحسين بن عبد الواحد الشيرازي، أنبأ السيد أبو الحسن محمد بن علي بن الحسين الحسني الواعظ، أنبأ أبو بكر محمد بن الحسين بن صالح السبيعي بحلب، ثنا أحمد بن الصقر بن ثوبان، يحيى بن حزام، ثنا أبو سلمة محمد بن عبد الله الأنصاري، ثنا مالك بن دينار، عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (أخبرني جبريل صلوات الله عليه، عن الله عز وجل، أن الله تعالى قال: وعزتي وجلالي ووحدانيتي وفاقة خلقي إلي واستوائي على عرشي وارتفاع مكاني إني لأستحيي من عبدي وأمتي يشيبان في الإسلام أعذبهما، فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يبكي عند ذلك، فقلت: يا رسول ما يبكيك، فقال: فكيف لم يستحيي الله منه ولا يستحيي من الله تعالى)

38- حدثنا الشيخ الفقيه أبو إسحاق إبراهيم بن سلم بن محمد الشكاني، ثنا الشيخ أبو صالح خلف بن محمد الخيام إملاءً، ثنا أبو بكر محمد بن سعيد بن عامر البخاري، ثنا الحسن بن نصر التنوخي، ثنا تميم بن محمد الطوسي، ثنا أحمد بن صالح، ثنا عمر بن حفص العسقلاني، ثنا محمد بن جابر قال: سمعت هبيرة يحدث، عن أبي إسحاق، عن عطاء بن أبي رباح، عن عبد الله بن عباس أنه قال: (خرج من المدينة أربعون رجلاً من اليهود، فقالوا: انطلقوا إلى هذا الكاهن الكذاب حتى نوبخه في وجهه ونكذبه، فإنه يقول: إني رسول رب العالمين، وكيف يكون رسول رب العالمين وآدم صلوات الله عليه خير منه، ونوح صلوات الله عليه خير منه، وهم يذكرون الأنبياء عليهم السلام، وذكر حديثاً طويلاً كأنه غير صحيح، والله أعلم.
৩৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ আবু নাসর আল-হুসাইন বিন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শিরাজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাইয়্যেদ আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন আল-হাসানি আল-ওয়ায়েজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন সালিহ আস-সুবাই’ই হালবে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আস-সাকার বিন সাওবান এবং ইয়াহইয়া বিন হিজাম, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামা মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক বিন দিনার, আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আমাকে মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহ সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন যে, মহান আল্লাহ বলেছেন: আমার ইজ্জত, আমার মহিমা, আমার একত্ববাদ, আমার প্রতি আমার সৃষ্টির মুখাপেক্ষিতা, আরশের উপর আমার উঠা এবং আমার অবস্থানের উচ্চতার শপথ, নিশ্চয়ই আমি আমার সেই দাস ও দাসীর ব্যাপারে লজ্জাবোধ করি যারা ইসলামের মধ্যে থেকে বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে, তাদের আজাব দিতে আমি লজ্জা পাই। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কাঁদতে দেখলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কিসে আপনাকে কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন: আল্লাহ তাদের থেকে লজ্জাবোধ করেন অথচ তারা মহান আল্লাহ থেকে লজ্জা পায় না, এই কারণে।)

৩৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ ফকিহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন সালম বিন মুহাম্মদ আশ-শাক্কানি, আমাদের নিকট শাইখ আবু সালিহ খালাফ বিন মুহাম্মদ আল-খাইয়াম শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আমির আল-বুখারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন নাসর আত-তানুখি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তামীম বিন মুহাম্মদ আত-তুসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন হাফস আল-আসকালানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জাবির, তিনি বলেন: আমি হুবায়রাকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আতা বিন আবি রাবাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: (মদিনা থেকে ইহুদিদের চল্লিশজন লোক বের হলো। তারা বলল: চলো আমরা এই চরম মিথ্যাবাদী গণকের কাছে যাই যাতে তাকে সরাসরি তিরস্কার করতে পারি এবং মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে পারি। কেননা সে বলে: আমি রাব্বুল আলামীনের রাসূল। অথচ কীভাবে সে রাব্বুল আলামীনের রাসূল হতে পারে যেখানে আদম (আলাইহিস সালাম) তার চেয়ে উত্তম এবং নূহ (আলাইহিস সালাম) তার চেয়ে উত্তম? এভাবে তারা নবীদের (আলাইহিমুস সালাম) কথা উল্লেখ করতে লাগল)। এবং তিনি একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণনা করেছেন যা সহিহ নয় বলে মনে হয়, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٧)
39 - حدثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن موسى بن الخضر المروزي إملاءً، أنبأ أبو الصخر محمد بن مالك بن الحسن السعدي بمرو، ثنا عبد الله بن محمود السعدي، ثنا محمد بن مرزوق، ثنا محمد بن عبدة، ثنا عبد الله بن محمد القرشي، ثنا منصور بن أبي منصور، عن جريج ولعله عن ابن جريج، عن عطاء، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن أبي بن كعب، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (خير سليمان بن داود صلوات الله عليه بين العلم والمال والملك فاختار العلم، فأعطاه الله تعالى الملك والمال والعلم لاختياره العلم)

40 - وأخبرنا به شيخنا أبو المظفر بقراءتي عليه قلت له: أخبركم أبو إسحاق إبراهيم بن يعقوب الكشاني، أنبأ الخطيب أبو القاسم عبد الله بن عمر الكشاني، ثنا السيد أبو شجاع محمد بن أحمد بن حمزة العلوي، ثنا الحافظ علي بن محمد بن إسحاق، ثنا أبو صخر محمد بن مالك المروزي، ثنا عبد الله بن سليمان السعدي، ثنا محمد بن مرزوق، ثنا محمد بن عبدة، ثنا عبد الله بن محمد القرشي، ثنا منصور بن أبي منصور، عن عبد الملك بن جريج. بإسناده مثله سواء

--------------------------------------------

• بالهامش الأيسر مكتوب " الإمامين العالم العامل أبو أحمد الورع شمس الدين " ثم سواد ثم " الصالح الدمشقي بإجازة الأول" ثم سواد ثم "فيه بخطه عبد الله".وفي الهامش أسفل الوجه جملة غير مفهومة
৩৯ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুসা বিন আল-খিজির আল-মারওয়াযী শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মার্ভে আবু আস-সাখর মুহাম্মদ বিন মালিক বিন আল-হাসান আস-সা’দী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মাহমুদ আস-সা’দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর বিন আবি মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জুরাইজ থেকে—সম্ভবত তিনি ইবনে জুরাইজ—তিনি আতা থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, আর তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (দাউদ-পুত্র সুলাইমান আলাইহিস সালামকে জ্ঞান, সম্পদ ও রাজত্বের মধ্যে কোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল; তিনি জ্ঞানকেই বেছে নিলেন। ফলে জ্ঞান বেছে নেওয়ার কারণে আল্লাহ তাআলা তাঁকে রাজত্ব, সম্পদ এবং জ্ঞান—সবই দান করলেন।)

৪০ - আমাদের শাইখ আবুল মুজাফফর তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের এ সংবাদটি দিয়েছেন; আমি তাঁকে বললাম: আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন ইয়াকুব আল-কাশানি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন: খতিব আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন উমর আল-কাশানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সায়্যিদ আবু শুজা মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামজা আল-আলাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফিজ আলী বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আস-সাখর মুহাম্মদ বিন মালিক আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আস-সা’দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর বিন আবি মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক বিন জুরাইজ থেকে। তিনি তাঁর সনদে হুবহু একই রূপ বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

• বাম পাশের মার্জিনে লেখা আছে "উভয় ইমাম, আলেম, আমলকারী, আবু আহমদ, ধর্মভীরু শামসুদ্দিন", এরপর কিছু অস্পষ্ট কালি, এরপর "আস-সালিহ আদ-দিমাশকী, প্রথমজনের অনুমতি (ইজাযত) ক্রমে", এরপর পুনরায় অস্পষ্ট অংশ, এরপর "এতে তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে রয়েছে— আবদুল্লাহ"। এবং পৃষ্ঠার নিচের মার্জিনে একটি অবোধ্য বাক্য রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুন্তাকা মিন মাসমুআতিদ দিয়া আল-মাকদিসী বি-মারওয়িন - মাখতুত (পৃষ্ঠা: ٢٨)
ق 1313 (أ)

الإسناد الأول

41- ثنا الفقيه أبو إبراهيم إسماعيل بن محمد بن عبد الله إملاءً، ثنا الحاكم أبو نصر أحمد بن محمد بن أحمد الحربي، ثنا أبو الوليد عبد الرحمن بن عبد الله بن محمد بن الحارث بحمص، ثنا عبد الله بن عبيدة، ثنا محمد بن عبد البصري، ثنا معتمر بن سليمان، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله البجلي رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (شهر رمضان معلق بين السماء والأرض لا يرفع إلا بزكاة الفطر)

• حدثنا الشيخ أبو سهل عبد الكريم بن عبد الرحمن الكلاباذي، أنبأ أبو الفضل أحمد بن علي بن عمرو الحافظ، ثنا الحسين بن إسماعيل، ثنا محمد بن عبد بن حميد، ثنا أبي، ثنا عمرو بن عاصم، ثنا بكر بن عبد السلام، عن أبي بكر الهذلي قال: سألت الزهري عن حديث، فقال: يا هذيلي أيعجبك الحديث، قلت: بلى، قال: أما إنه يعجب ذكور الرجال ويكرهه مؤنثوهم.

• وبه ثنا أبو الفضل أحمد بن علي بن عمرو السليماني، ثنا أبو بكر محمد بن عثمان الهروي، ثنا أبو علي البلخي، ثنا حمد بن سهل البلخي قال: قال أبو الوليد الطيالسي: لو كنت قاضياً لحبست كلا الفريقين، صاحب حديث لا يتفقه وصاحب فقه لا يطلب الحديث.

42- حدثنا أبو حفص أحمد بن محمد المقرئ، أنبأ الفقيه أبو عثمان سعيد بن موسى الخوارزمي، ثنا أبو الحسن عبد الصمد بن علي بن مكرم، ثنا أبو زيد أحمد بن داود بن زيد السجستاني أخي أبي مطيع، ثنا الحسن بن سوار البغوي، ثنا عمر بن موسى بن وجيه القرشي، عن محمد بن المنكدر ، عن جابر بن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من مات يوم الجمعه أو ليلة الجمعة أجير من عذاب القبر ، وجاء يوم القيامة عليه طابع الشهداء)
পৃষ্ঠা ১৩১৩ (ক)

প্রথম সনদ

৪১- ফকীহ আবু ইব্রাহিম ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাকিম আবু নাসর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হারবী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু ওয়ালিদ আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হারিস হিমসে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে উবায়দাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাসরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুতামির ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়েস ইবনে আবি হাযিম থেকে, তিনি জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাজালী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (রমজান মাস আসমান ও জমিনের মাঝে ঝুলে থাকে, ফিতরা বা যাকাতুল ফিতর আদায় না করা পর্যন্ত তা উপরে উঠানো হয় না)।

• শায়খ আবু সাহল আব্দুল কারীম ইবনে আব্দুর রহমান আল-কিলাবাযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাফিয আবু ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদ ইবনে হুমাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বকর ইবনে আব্দুস সালাম আবু বকর আল-হুযালী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যুহরীকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: হে হুযালী, হাদীস কি তোমাকে আনন্দিত করে? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: জেনে রেখো, এটি পুরুষোচিত ব্যক্তিদের আনন্দিত করে আর নারীসুলভ স্বভাবের ব্যক্তিরা এটিকে অপছন্দ করে।

• এবং এই সনদেই আবু ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে আমর আস-সুলাইমানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-হারাবী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আলী আল-বালখী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হামদ ইবনে সাহল আল-বালখী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ওয়ালিদ আত-তায়ালিসী বলেছেন: আমি যদি বিচারক হতাম তবে উভয় দলকেই বন্দি করতাম; সেই হাদীস বিশারদকে যে ফিকহ (গভীর জ্ঞান) অর্জন করে না এবং সেই ফকীহকে যে হাদীস অন্বেষণ করে না।

৪২- আবু হাফস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুকরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফকীহ আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুসা আল-খাওয়ারিজমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হাসান আব্দুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে মাকরাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু মুতি’-এর ভাই আবু যায়েদ আহমদ ইবনে দাউদ ইবনে যায়েদ আস-সিজিস্তানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে সাওয়ার আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে মুসা ইবনে ওয়াজিহ আল-কুরাশী মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (যে ব্যক্তি জুমার দিনে অথবা জুমার রাতে মৃত্যুবরণ করে, তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করা হয় এবং কিয়ামতের দিন সে শহীদদের সিলমোহর নিয়ে উপস্থিত হবে)।