(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
الرواة الأربعة عشر - الضياء المقدسي القسم: كتب السنة
الكتاب: الرواة الأربعة عشر - مخطوط
المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 50
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
চোদ্দজন বর্ণনাকারী - আদ-দিয়া আল-মাকদিসি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-রুওয়াত আল-আরবাআতা আশারা (চোদ্দজন বর্ণনাকারী) - পাণ্ডুলিপি
লেখক: দিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬৪৩ হি.)
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: الرواة الأربعة عشر - مخطوط
المؤلف: الضياء المقدسي
المتوفى: 643 هـ
ق 2 (ب)
الرُّوَاةُ الأَرْبَعَةَ عَشَرَ (1)
1. عَبْدُ اللَّهِ الْقَعْنَبِيُّ
2. وَابْنُ أسماء
3. وابو معمر
4. والحميدي
5. وعبد الله بن يوسف
6. والمقرئ
7. وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانٍ
8. وَعَبْدُ الله بن جعفر البرمكي (2)
9. وعبد الله بن عون
10. والسمرقندي
11. والأشج
12. وابن الرومي
13. وعبد الله بن عامر بن زرارة
14. وعبد الله بن هاشم
--------------------------------------------
বই: আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা (চৌদ্দজন বর্ণনাকারী) - পাণ্ডুলিপি
লেখক: আদ-দিয়া আল-মাকদিসি
মৃত্যু: ৬৪৩ হিজরি
পৃষ্ঠা ২ (খ)
চৌদ্দজন বর্ণনাকারী (১)
১. আবদুল্লাহ আল-কা'নাবি
২. এবং ইবনে আসমা
৩. এবং আবু মা'মার
৪. এবং আল-হুমাইদি
৫. এবং আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ
৬. এবং আল-মুকরি
৭. এবং আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আবান
৮. এবং আবদুল্লাহ বিন জাফর আল-বারমাকি (২)
৯. এবং আবদুল্লাহ বিন আউন
১০. এবং আস-সামারকান্দি
১১. এবং আল-আশাজ্জ
১২. এবং ইবনুর রুমি
১৩. এবং আবদুল্লাহ বিন আমির বিন জুরারা
১৪. এবং আবদুল্লাহ বিন হাশিম
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢)
ق 3 (أ)
الأول: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ الْقَعْنَبِيُّ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَارِثِيُّ الْمَدَنِيُّ نَزِيلُ الْبَصْرَةِ توفي سنة (1)
1- أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ القَاسِمِ بن الفضل بن عبد الواحد بن {} بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ الصيدلاني بقرائتي عَلَيْهِ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلُ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الأخْشِيدِ السَّرَّاجُ وَأَنْتَ تَسْمَعُ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أنبا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّد بن فورك القباب، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْخُزَاعِيُّ إِمْلاءً، ثنا القعنبي، ثَنَا مَالِكٌ بن أنس، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ) . أَخْرَجَاهُ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ.
2- أَخْبَرَنَا أَبُو جفعر مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ سِبْطُ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَنْدَهِ الصَّيْدَلانِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أبو منصور محمد بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّيْرَفِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ حَاضِرٌ، أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ فَاذشَاهْ، أنبا أبو القاسم سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، وَحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التُّسْتَرِىُّ، عَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِى مُلَيْكَةَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: (تَلَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَذِهِ الآيَةَ "هُوَ الَّذِى أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ "الآية، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: فَإِذَا رَأَيْتَ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ، فَأُولَئِكَ الَّذِينَ سَمَّى اللَّهُ، فَاحْذَرُوهُمْ) . أخرجاه عن القعنبي
3- أبو القاسم بن عبد الرحمن العمري، وعبد الرحمن بن أبي الكرم الملاح، أنبأ عبد الله بن محمد، أنبأ أبو طاهر محمد {} ، ثنا القعنبي، حَدَّثَنَا أَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - قَالَتْ: (فَتَلْتُ قَلَائِدَ هَدْىِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ أَشْعَرَهَا وَقَلَّدَهَا - أَوْ قَلَّدْتُهَا - ثُمَّ بَعَثَ بِهَا إِلَى الْبَيْتِ، وَأَقَامَ بِالْمَدِينَةِ، فَمَا حَرُمَ عَلَيْهِ شَىْءٌ كَانَ لَهُ حِلال) . خ م عنه. (2)
--------------------------------------------
পৃঃ ৩ (ক)
প্রথম ব্যক্তি: আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ ইবনে কানাব আল-কানাবি আবু আবদুর রহমান আল-হারিসি আল-মাদানি, যিনি বসরায় বসবাস করতেন। তিনি মৃত্যুবরণ করেন (১) সালে।
১- আবুল কাসেম আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল কাসেম ইবনুল ফজল ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে {} ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আহমদ ইবনে ইউসুফ আস-সাইদালানি আমাকে পড়ে শুনিয়েছেন। আমি তাকে বললাম: আবুল ফাতহ ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে আল-আখশিদ আস-সাররাজ আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আপনি তা শুনেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবদুর রহমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ফুরাক আল-কাব্বাব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-খুজাই শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লাইসি থেকে, তিনি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া লাভের জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।" তারা উভয়েই এটি আল-কানাবি থেকে বর্ণনা করেছেন।
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর ইবনে আবিল ফাতহ, যিনি সিবত হুসাইন ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মান্দাহ আস-সাইদালানি হিসেবে পরিচিত, তাকে পড়ে শোনানোর মাধ্যমে। তাকে বলা হলো: আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাইরাফি আপনাকে পড়ে শুনিয়েছেন এবং আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে ফাদশাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি এবং হাজ্জাজ ইবনে মিনহাল, তারা বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে ইব্রাহিম আত-তুস্তারি, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি কাসেম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই আয়াতটি পাঠ করলেন: "তিনিই সেই সত্তা যিনি আপনার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, তার কিছু আয়াত সুস্পষ্ট, যা কিতাবের মূল ভিত্তি এবং অন্যগুলো অস্পষ্ট..." আয়াত শেষ পর্যন্ত। তিনি (আয়িশা) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন তোমরা তাদের দেখবে যারা অস্পষ্ট (মুতাশাবিহ) আয়াতগুলোর অনুসরণ করে, তারাই সেই লোক যাদের নাম আল্লাহ উল্লেখ করেছেন; সুতরাং তাদের থেকে সতর্ক থাকো।" তারা উভয়েই এটি আল-কানাবি থেকে বর্ণনা করেছেন।
৩- আবুল কাসেম ইবনে আবদুর রহমান আল-উমারি এবং আবদুর রহমান ইবনে আবিল কারাম আল-মাল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের মুহাম্মদ {} আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আফলাহ ইবনে হুমাইদ, তিনি কাসেম থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কুরবানির পশুর জন্য মালা পাকিয়েছি, এরপর তিনি সেগুলোকে চিহ্নিত করেছেন এবং সেগুলোর গলায় মালা পরিয়েছেন - অথবা আমি পরিয়েছি - এরপর তিনি সেগুলো আল্লাহর ঘরের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন এবং মদিনায় অবস্থান করলেন। এমতাবস্থায় তাঁর জন্য হালাল এমন কোনো কিছুই তাঁর ওপর হারাম হয়ে যায়নি।" বুখারি ও মুসলিম তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٣)
ق 3 (ب)
4- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الصَّيْدَلَانِيُّ، أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ الجزدانية، أنبا أَبُو بَكْرِ بْنُ رِيذَةَ، أنبا الطَّبَرَانِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَأَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ، قَالا: ثنا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ عَامَ حَجَّ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ، أَيْنَ عُلَمَاؤُكُمْ؟ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: (إِنَّ هَذَا اليَوْمُ يَوْمُ عَاشُورَاءَ، وَلَمْ يُكْتَبْ عَلَيْكُمْ صِيَامُهُ، وَأَنَا صَائِمٌ، فَمَنْ شَاءَ فَلْيَصُمْ وَمَنْ شَاءَ فَلْيُفْطِرْ) . خ عَنِ الْقَعْنَبِيُّ.
5- أنبا بِهِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ علي، أنبأ مرشد بْنُ يَحْيَى قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ الْقَاضِي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ صَخْرٍ الأَزْدِيُّ، ثنا يوسف بن يعقوب البحيري، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكَشِّيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، عَنْ مالك بن أنس، مثله
পৃষ্ঠা ৩ (খ)
৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সাইদালানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা আল-জুজদানিয়্যাহ, সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন রিযাহ, সংবাদ দিয়েছেন আত-তাবারানি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আলি বিন আব্দুল আজিজ এবং আবু মুসলিম আল-কাশশি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-কা'নাবি, মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমায়দ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মুয়াবিয়াকে হজের বছরে আশুরার দিনে মিম্বরে থাকা অবস্থায় বলতে শুনেছেন: হে মদীনার অধিবাসীগণ, তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: (নিশ্চয়ই এই দিনটি আশুরার দিন, তোমাদের ওপর এর সিয়াম ফরজ করা হয়নি, আর আমি সিয়াম পালন করছি; সুতরাং যার ইচ্ছা সে সিয়াম পালন করুক এবং যার ইচ্ছা সে সিয়াম ভঙ্গ করুক)। বুখারি এটি আল-কা'নাবি থেকে বর্ণনা করেছেন।
৫- হিবাতুল্লাহ বিন আলি এটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুর্শিদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং বলেছেন: কাজী মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন সাখর আল-আজদি আমার নিকট লিখেছেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-বুহাইরি, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাশশি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মাসলামাহ বিন কা'নাব, মালিক বিন আনাস থেকে, পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٤)
6- وبه أخبرنا الطبراني، ثنا علي بن عبد الْعَزِيزِ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِى بَكْرٍ، أَخْبَرَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ قَوْمَكِ حين بَنَوُا الْكَعْبَةَ اقْتَصَرُوا عَلى قَوَاعِدِ إِبْرَاهِيمَ. قَالَ: فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَولَا تَرُدُّهَا عَلَى قَوَاعِدِ إِبْرَاهِيمَ. قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَوْلَا حِدْثَانُ قَوْمِكِ بِالْكُفْرِ لَفَعَلْتُ. قَالَ: فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بنُ عُمَرَ: لَئِنْ كَانَتْ عَائِشَةُ سَمِعَتْ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا أُرَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَرَكَ اسْتِلَامَ الرُّكْنَيْنِ اللَّذَيْنِ يَلِيَانِ الْحِجْرَ، إِلَاّ أَنَّ الْبَيْتَ لَمْ يُتَمَّمْ عَلَى قَوَاعِدِ إِبْرَاهِيمَ) خ عَنْهُ.
৬- এবং এর মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কানাবি, মালেক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে যে, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি বকর আব্দুল্লাহ বিন উমরকে সংবাদ দিয়েছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (তুমি কি দেখনি যে, তোমার সম্প্রদায় যখন কাবা নির্মাণ করেছিল, তখন তারা ইবরাহিমের ভিত্তিসমূহ থেকে সংক্ষিপ্ত করেছিল?) তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তা পুনরায় ইবরাহিমের ভিত্তিসমূহের ওপর ফিরিয়ে দেবেন না? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (যদি তোমার সম্প্রদায় কুফরি থেকে নতুন (ইসলামে আসা) না হতো, তবে আমি অবশ্যই তা করতাম)। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর আব্দুল্লাহ বিন উমর বললেন: যদি আয়েশা এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনে থাকেন, তবে আমি মনে করি না যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজর সংলগ্ন রুকনদ্বয় (কোণদ্বয়) স্পর্শ করা বর্জন করেছেন কেবল এ কারণেই যে, ঘরটি ইবরাহিমের ভিত্তিসমূহের ওপর পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। বুখারি এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٥)
7- أخبرنا محمد بن أحمد الصيدلاني بقرائتي عَلَيْهِ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ الله الجزدانية قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَنْبَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أنبا سليمان بن أحمد، ثنا علي بن عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ بْنِ أَنَسٍ (ح) قَالَ سُلَيْمَانُ: وَحَدَّثَنَا بكر بن سهل الدمياطي، ثنا عبد الله بن يوسف، أنبأ مالك. وقال: وحدثنا علي بن المبارك الصنعاني، ثنا إسماعيل بن أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْماً، فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْماً وَهْوَ بِالْكُوفَةِ، فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الأَنْصَارِىُّ فَقَالَ: يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ: بِهَذَا أُمِرْتُ. فَقَالَ عُمَرُ لِعُرْوَةَ اعْلَمْ مَا تُحَدِّثُ أَوَإِنَّ جِبْرِيلَ هُوَ أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلَاةِ. قَالَ عُرْوَةُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِى مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَن أَبِيهِ) . خ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ وَهُوَ أَتَمَّ مِنْ هَذَا.
8- (1) ثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِىُّ، عَنِ عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ - مِثْلَ حَدِيثٍ قَبْلَهُ (2) - قَالَ: (رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُسْتَلْقِياً فِى الْمَسْجِدِ، وَاضِعاً إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى) خ عنه
--------------------------------------------
৭- মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আস-সাইদালানী আমাদের নিকট তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জাজদানিয়্যাহ তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ক্বানাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক ইবনে আনাস-এর নিকট পাঠ করেছেন (হা) সুলাইমান বলেন: এবং বকর ইবনে সাহল আদ-দিময়াতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং তিনি বলেন: আলী ইবনে আল-মুবারক আস-সানআনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে শিহাব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ একদিন সালাত বিলম্বিত করেছিলেন, তখন উরওয়াহ ইবনে আয-যুবাইর তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন এবং তাঁকে সংবাদ দিলেন যে, আল-মুগীরাহ ইবনে শু'বাহ একদিন কুফায় থাকাকালীন সালাত বিলম্বিত করেছিলেন, তখন আবু মাসউদ আল-আনসারী তাঁর নিকট প্রবেশ করে বললেন: হে মুগীরাহ, আপনি কি জানেন না যে জিবরাঈল অবতীর্ণ হয়ে সালাত আদায় করেছিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন, এরপর তিনি বললেন: 'আমি এভাবেই আদিষ্ট হয়েছি'। উমর উরওয়াহকে বললেন, 'তুমি যা বর্ণনা করছ তা যাচাই করে নাও, জিবরাঈল কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য সালাতের ওয়াক্ত নির্ধারণ করেছিলেন?' উরওয়াহ বললেন, 'বাশীর ইবনে আবি মাসউদ তাঁর পিতা থেকে এভাবেই বর্ণনা করতেন'। বুখারী এটি আল-ক্বানাবী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি অপেক্ষা সেটি অধিক পূর্ণাঙ্গ।
৮- (১) আল-ক্বানাবী আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আব্বাদ ইবনে তামীম থেকে, তিনি তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেছেন—যা পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ (২)—তিনি বলেন: (আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি, তিনি তাঁর এক পা অপর পায়ের উপর রেখেছিলেন)। বুখারী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٦)
ق 4 (أ)
9- أخبرنا محمد بن أحمد بن نصر، أنبا أبو علي الحداد وأنا حاضر، أنبا أبو نعيم ،ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِىِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ (أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنَ اثْنَتَيْنِ، فَقَالَ لَهُ ذُو الْيَدَيْنِ أَقَصُرَتِ الصَّلَاةُ أَمْ نَسِيتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ. فَقَالَ النَّاسُ: نَعَمْ. فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي فَصَلَّى اثْنَتَيْنِ أُخْرَيَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسُهُ، ثُمَّ كَبَّرَ، فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ) خ عنه.
পৃষ্ঠা ৪ (ক)
৯- মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে নাসর আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাত নামাজ আদায় করে ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন যুল-ইয়াদাইন তাকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! নামাজ কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে নাকি আপনি ভুলে গেছেন? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: যুল-ইয়াদাইন কি সত্য বলেছে? লোকজন বলল: হ্যাঁ। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন অর্থাৎ আরও দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেন, তারপর সালাম ফিরালেন। এরপর তিনি তাকবীর দিলেন এবং স্বীয় সিজদার ন্যায় বা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদা করলেন। এরপর তিনি তার মাথা তুললেন, পুনরায় তাকবীর দিলেন এবং স্বীয় সিজদার ন্যায় বা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদা করলেন। এরপর তিনি মাথা তুললেন।) ইমাম বুখারী তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٧)
10- أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ له: أخبرتكم فاطمة الجزدانية (1) ، أنبا أبو بكر محمد بن عبد الله بن ريذة، أنبا سليمان بن أحمد الطبراني، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّبَرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ. قَالَ سُلَيْمَانُ: وَحَدَّثَنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، كِلاهُمَا: عَنْ مَالِكٍ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ كُرَيْبٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ (أَنَّهُ بَاتَ عِنْدَ خَالَتُهُ مَيْمُونَةَ قَالَ: فَاضْطَجَعْتُ فِى عَرْضِ الوِسَادَة، وَاضْطَجَعَ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم وَأَهْلُهُ فِى طُولِهَا، فَنَامَ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى انْتَصَفَ اللَّيْلُ أَوْ قَبله بِقَلِيلٍ، أو بعده بقليل، ثم اسْتَيْقَظَ فجلس يَمْسَحُ النَّوْمَ عَنْ وَجْهِهِ بِيَدَيْهِ، ثُمَّ قَرَأَ العَشْرَ الآيَاتٍ الْخَوَاتِمَ مِنْ سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ، ثُمَّ قَامَ إِلَى شَنٍّ مُعَلَّقٍَ، فَتَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءه، ثُمَّ قَامَ يُصَلِّى فَصَنَعْتُ مِثْلَما صَنَعَ ثُمَّ ذَهَبْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى رَأْسِى، وَأَخَذَ بِأُذُنِى يَفْتِلُهَا، فصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ أَوْتَرَ، واضْطَجَعَ حَتَّى جَاءَهُ الْمُؤَذِّنُ فَقَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ خفيفتين ثُمَّ، خَرَجَ فَصَلَّى الصُّبْحَ) .خ عن القعنبي.
--------------------------------------------
১০- আবু জাফর আস-সায়দালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার তার নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা আল-জাযদানিয়া (১) আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রীযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আদ-দাবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক থেকে। সুলাইমান বলেন: এবং আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কা'নাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই: মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি মাখরামাহ ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি কুরায়ব থেকে যে, ইবনে আব্বাস তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন (যে, তিনি তাঁর খালা মায়মুনার নিকট এক রাত অতিবাহিত করেন। তিনি বলেন: আমি বালিশের প্রস্থের দিকে শুয়ে পড়লাম, আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর স্ত্রী সেটির দৈর্ঘ্যের দিকে শুলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমালেন মধ্যরাত পর্যন্ত, অথবা তার কিছু আগে বা কিছু পরে। তারপর তিনি জাগ্রত হলেন এবং বসে তাঁর দুই হাত দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল থেকে ঘুমের আবেশ মুছতে লাগলেন। অতঃপর তিনি সূরা আলে-ইমরানের শেষ দশটি আয়াত পাঠ করলেন। তারপর তিনি একটি ঝুলন্ত মশকের দিকে এগিয়ে গেলেন এবং উত্তমরূপে ওযু করলেন। এরপর তিনি সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন, তখন আমিও তিনি যা করেছেন তা-ই করলাম। অতঃপর আমি গিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়ালাম, তিনি আমার মাথার উপর তাঁর হাত রাখলেন এবং আমার কান ধরে তা মর্দন করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, তারপর দুই রাকাত, তারপর দুই রাকাত, তারপর দুই রাকাত, অতঃপর তিনি বিতর আদায় করলেন। এরপর তিনি শুয়ে থাকলেন যতক্ষণ না মুয়াজ্জিন তাঁর নিকট আসলেন, তখন তিনি উঠে দুই রাকাত হালকা সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বের হলেন এবং সুবহে (ফজর) সালাত আদায় করলেন)। বুখারী এটি আল-কা'নাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٨)
ق 4 (ب)
11- أَخْبَرَنَا الإِمَامُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الجروي، أنبا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، أنبا الْقَاضِي طَاهِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا محمد بن أحمد، ثنا أبو خليفة، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثَنَا مَالِكٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ (أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَكَلَ كَتِفَ شَاةٍ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ) . م عَنْهُ.
12- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الصَّيْدَلانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ وَأَنْتَ حَاضِرٌ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْخُزَاعِيُّ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثَنَا مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِى طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ (أَنَّ أَعْرَابِيًّا قَالَ يَا رَسُول اللَّهِ، مَتَى السَّاعَةُ؟ فقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟ . قَالَ حُبَّ اللَّهِ وَرَسُولِهِ. قَالَ: أَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ) . م الْقَعْنَبِيّ.
পৃষ্ঠা ৪ (খ)
১১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম ইসমাঈল বিন আলী বিন ইব্রাহিম আল-জারওয়ী, তিনি সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন কাজী তাহির বিন আবদুল্লাহ থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ক্বায়নাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বকরির কাঁধের গোশত খেয়েছেন, অতঃপর সালাত আদায় করেছেন এবং নতুন করে ওযু করেননি)। মুসলিম তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শ্রদ্ধেয় শাইখ আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সাইদালানী, ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ এবং আপনি তখন উপস্থিত ছিলেন, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আবদুল্লাহ থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আলী আল-খুজায়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ক্বায়নাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবু তালহা থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, (একজন বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল, কিয়ামত কখন হবে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ? সে বলল: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ভালোবাসা। তিনি বললেন: তুমি যাকে ভালোবাসো তার সাথেই থাকবে)। মুসলিম আল-ক্বায়নাবীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٩)
13- أخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد، أنبا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ وأنا حَاضِرٌ، أنبا أَبُو نُعَيْمٍ الأَصْبَهَانِيُّ، ثنا فَارُوقٌ، ثنا أَبُو مسلم الكشي، ثنا القعنبي (ح) وَأَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ هَذَا، أَخْبَرَتْنَا أُمُّ إِبْرَاهِيمَ فاطمة بنت عبد الله، أنبا محمد بن عبد الله، أنبا سليمان بن أحمد الطبراني، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَأَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ، قَالا: ثنا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِى أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ (أَنَّهُ دَخَلَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الحَارِثَ، فَأُتِىَ بِضَبٍّ مَحْنُوذٍ، فَأَهْوَى إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ فَقَالَ بَعْضُ النِّسْوَةِ اللَّاتِي فِي بَيْتِ مَيْمُونَةَ: أَخْبِرُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عن مَا يُرِيدُ أَنْ يَأْكُلَ مِنْهُ. فَقَالُوا هُوَ ضَبٌّ. فَرَفَعَ يَدَهُ، فَقُلْتُ: أَحَرَامٌ هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ: لَا، وَلَكِنه لَمْ يَكُنْ بِأَرْضِ قَوْمِى فَأَجِدُنِى أَعَافُهُ. قَالَ خَالِدٌ: فَاجْتَرَرْتُهُ فَأَكَلْتُهُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْظُرُ) خ عن القعنبي (1)
--------------------------------------------
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ এবং আমি উপস্থিত ছিলাম, আমাদের অবহিত করেছেন আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ফারুক, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুসলিম আল-কাশশি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-কা'নাবি (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এই আবু জাফর, আমাদের অবহিত করেছেন উম্মে ইবরাহিম ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ, আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, আমাদের অবহিত করেছেন সুলাইমান বিন আহমদ আত-তাবারানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ এবং আবু মুসলিম আল-কাশশি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-কা'নাবি, মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু উমামা বিন সাহল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, (তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে মাইমুনা বিনতে আল-হারিসের ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন একটি ঝলসানো গুঁইসাপ আনা হলো। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেটির দিকে নিজের হাত বাড়ালেন। তখন মাইমুনার ঘরে উপস্থিত জনৈক মহিলা বললেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা খেতে চাচ্ছেন সে সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করো। তারা বললেন: এটি হলো গুঁইসাপ। তখন তিনি নিজের হাত সরিয়ে নিলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, এটি কি হারাম? তিনি বললেন: না, তবে এটি আমার কওমের জমিতে ছিল না, তাই আমি এতে অরুচি বোধ করছি। খালিদ বললেন: এরপর আমি সেটি নিজের কাছে টেনে নিলাম এবং তা আহার করলাম, এমতাবস্থায় আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকিয়ে দেখছিলেন।) বুখারি এটি আল-কা'নাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
ق 5 (أ)
14- وَبِهِ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيز، ثنا الْقَعْنَبِيُّ. قَالَ الطَّبَرَانِيُّ: وَثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ. وَقَالَ: وَثَنَا بكر بن سهل، ثنا عبد الله بن يُوسُفَ. وَقَالَ: وَثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ الصَّنْعَانِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، كُلُّهُمْ: عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَدِىِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْخَطْمِيِّ، عَنَّ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِىَّ أَخْبَرَهُ (أَنَّهُ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِى حَجَّةِ الْوَدَاعِ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُزْدَلِفَةِ جَمِيعاً) . واللفظ حديث مُطَرِّفٍ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ بِمَعْنَاهُ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ.
15- وَبِهِ أنبا الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ عُتْبَةَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ بْنِ مُطْعَمٍ، عَنْ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ (أَنَّ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم حَرَّمَ مَا بَيْنَ لَابَتَيْ الْمَدِينَةَ) . م عنه
16- ثنا محمد، أنبأ الصيرفي وأنا حاضر، ثنا ابن فاذشاه، أنبا الطبراني، ثنا علي بن عبد العزيز، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثنا الْمُغِيرَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِزَامِيُّ (1)
17-. وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ بِقِرَاءَتِي عليهن قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ وَأَنْتَ حاضر، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أنبا عبد الله بن جعفر بن فارس، ثنا أَبُو بِشْرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، ثَنَا الْمُغِيرَةُ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِى الزِّنَادِ، عَنْ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ، عَنْ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم (لَلَّهُ أَفَرَح بِتَوْبَةِ أَحَدِكُمْ بِضَالَّتِهِ (2) إِذَا وَجَدَهَا) . م عَنْهُ.
18- وَبِهِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الأَنْصَارِي، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ، عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: (لَا تُنْكَحُ الْعَمَّةُ عَلَى ابْنَةُ الْخَال (3) وَلَا ابْنَةُ الأُخْتِ عَلَى الْخَالَةِ) خ بمعناه عنه.
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ৫ (ক)
১৪- এবং তার মাধ্যমে আমাদের নিকট আলী ইবন আব্দুল আযীয বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-কা'নাবী বর্ণনা করেছেন। আত-তাবারানী বলেন: এবং আমাদের নিকট বিশর ইবন মূসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুতাররিফ ইবন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট বকর ইবন সাহল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট আলী ইবনুল মুবারক আস-সান'আনী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন আবী উওয়াইস বর্ণনা করেছেন, তারা সকলেই: মালিক থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি আদী ইবন সাবিত থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ আল-খাতমী থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন (তিনি বিদায় হজ্জে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা উভয় সালাত একত্রে আদায় করেছেন)। আর শব্দাবলী মুতাররিফের বর্ণিত হাদীসের, ইমাম বুখারী এর সমার্থবোধক হাদীস আল-কা'নাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
১৫- এবং তার মাধ্যমে আত-তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুয়ায ইবনুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-কা'নাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুলায়মান ইবন বিলাল বর্ণনা করেছেন, তিনি উতবাহ ইবন মুসলিম থেকে, তিনি নাফে' ইবন জুবায়র ইবন মুত'ইম থেকে, তিনি রাফে' ইবন খাদীজ থেকে বর্ণনা করেছেন (নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার দুই কঙ্করময় ভূমির মধ্যবর্তী অঞ্চলকে হারাম বা নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করেছেন)। ইমাম মুসলিম তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
১৬- আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের আস-সায়রাফী সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আমি উপস্থিত ছিলাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবন ফাযশাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের আত-তাবারানী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী ইবন আব্দুল আযীয বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-কা'নাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুগীরাহ ইবন আব্দুর রহমান আল-হিযামী বর্ণনা করেছেন (১)।
১৭- এবং আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন নাসর আমার পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাকে বললাম: আবু আলী আল-হাদ্দাদ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আপনি উপস্থিত ছিলেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু নুয়াইম আহমদ ইবন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের আব্দুল্লাহ ইবন জাফর ইবন ফারিস সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু বিশর ইসমাঈল ইবন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুগীরাহ ইবন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন (আল্লাহ তোমাদের কোনো ব্যক্তির তাওবায় তার হারানো বস্তু খুঁজে পাওয়ার আনন্দের চেয়েও বেশি আনন্দিত হন (২))। ইমাম মুসলিম তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
১৮- এবং তার মাধ্যমে আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবন শিহাব থেকে, তিনি কাবীসাহ ইবন যুয়ায়ব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: (ফুফুকে তার মামাতো বোনের সাথে (৩) এবং ভাগ্নিকে তার খালার সাথে একত্রে বিবাহ করা যাবে না)। ইমাম বুখারী এর সমার্থবোধক হাদীস তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١)
19- وَبِهِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِى صَالِحٍ، عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (بَيْنَا رَجُلٌ يَمْشِي فِي ِطَرِيقٍ، اشْتَدَّ عَلَيْهِ الْعَطَشُ فَوَجَدَ بِئْراً فَنَزَلَ فِيهَا فَشَرِبَ، ثُمَّ خَرَجَ، فَإِذَا كَلْبٌ يَلْهَثُ يَأْكُلُ الثَّرَى مِنَ الْعَطَشِ، فَنَزَلَ فَمَلأَ خُفَّهُ، فأمسك بفيه حتى سَقَى الْكَلْبَ، فَشَكَرَ اللَّهُ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ. قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَإِنَّ لَنَا فِى الْبَهَائِمِ لأَجْراً؟ فَقَالَ: فِى كُلِّ ذَاتِ كَبِدٍ رَطْبَةٍ أَجْرٌ)
ق 5 (ب)
20- وَبِهِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ، عَنْ أَبِى حُمَيْدٍ قَالَ: (خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزْوَةَ تَبُوكَ فَأَتَيْنَا وَادِىَ الْقُرَى عَلَى حَدِيقَةٍ لاِمْرَأَةٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: اخْرُصُوهَا. فَخَرَصْنَاهَا وَخَرَصَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشْرَةَ أَوْسُقٍ فَقَالَ: أَحْصِيهَا حَتَّى نَرْجِعَ إِلَيْكِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ. وَانْطَلَقْنَا حَتَّى قَدِمْنَا تَبُوكَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّهَا سَتَهُبُّ عَلَيْكُمُ اللَّيْلَةَ رِيحٌ شَدِيدَةٌوَلَا يَقُومُ فِيهَا أَحَدٌ مِنْكُمْ وَمَنْ كَانَ لَهُ بَعِيرٌ فَلْيَشُدَّ عِقَالَهُ» . فَهَبَّتْ رِيحٌ شَدِيدَةٌ فَقَامَ رَجُلٌ فَحَمَلَتْهُ الرِّيحُ حَتَّى أَلْقَتْهُ في جَبَل طَيِّئٍ وَجَاءَ رَسُولُ ابْنِ الْعَلْمَاءِ بِكِتَابٍ وَأَهْدَى لَهُ بُرْداً (1) ثُمَّ أَقْبَلْنَا حَتَّى قَدِمْنَا وَادِىَ الْقُرَى فَسَأَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَرْأَةَ عَنْ حَدِيقَتِهَا: كَمْ بَلَغَ ثَمَرُهَا. قَالَتْ: بَلَغَ عَشَرَةَ أَوْسُقٍ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنِّى مُسْرِعٌ فَمَنْ شَاءَ فَلْيُسْرِعْ مَعِىَ وَمَنْ شَاءَ يَمْكُثْ. فَخَرَجْنَا حَتَّى أَشْرَفْنَا عَلَى الْمَدِينَةِ فَقَالَ: هَذِهِ طَابَةُ وَهَذَا أُحُدٌ وَهُوَ جَبَلٌ يُحِبُّنَا وَنُحِبُّهُ. ثُمَّ قَالَ: إِنَّ خَيْرَ دُورِ الأَنْصَارِ دَارُ بَنِى النَّجَّارِ ثُمَّ دَارُ بَنِى عَبْدِ الأَشْهَلِ ثُمَّ دَارُ بَنِى عَبْدِ الْحَارِثِ ثُمَّ دَارُ بَنِى سَاعِدَةَ وَفِى كُلِّ دُورِ الأَنْصَارِ خَيْرٌ» . فَلَحِقَنَا سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ فَقَالَ أَبُو أُسَيْدٍ: أَلَمْ
--------------------------------------------
১৯- এবং তাঁর সূত্রেই আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি সুমায়্যি থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "এক ব্যক্তি পথ চলছিল, এমতাবস্থায় তার প্রচণ্ড পিপাসা লাগল। সে একটি কূপ খুঁজে পেল এবং তাতে নেমে পানি পান করল। অতঃপর সে বের হয়ে দেখল একটি কুকুর পিপাসায় কাতর হয়ে জিহ্বা বের করে ভিজা মাটি চাটছে। তখন সে পুনরায় কূপে নামল এবং নিজের মোজা পূর্ণ করে পানি ভরে তা মুখে কামড়ে ধরে উপরে উঠে এল এবং কুকুরটিকে পানি পান করাল। আল্লাহ তার এই কাজ কবুল করলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সাহাবীগণ আরজ করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! পশুপাখির সেবাতেও কি আমাদের জন্য নেকি রয়েছে? তিনি বললেন: প্রত্যেক প্রাণবিশিষ্ট জীবের সেবাতেই নেকি রয়েছে।"
পৃষ্ঠা ৫ (খ)
২০- এবং তাঁর সূত্রেই আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে সুলায়মান ইবনে বিলাল বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আব্বাস ইবনে সাহল থেকে এবং তিনি আবু হুমায়দ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তাবুক যুদ্ধে বের হলাম। আমরা ওয়াদি আল-কুরায় এক মহিলার বাগানে পৌঁছলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: তোমরা এর ফলন অনুমান করো। আমরা তা অনুমান করলাম এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশ ওয়াসাক অনুমান করলেন। তারপর তিনি মহিলাকে বললেন: আমরা তোমার কাছে ফিরে আসা পর্যন্ত এর হিসাব রেখো, ইনশাআল্লাহ। এরপর আমরা রওয়ানা হলাম এবং তাবুক পৌঁছলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আজ রাতে তোমাদের উপর প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া বইবে, সুতরাং তোমাদের কেউ যেন দাঁড়িয়ে না থাকে। আর যার উট আছে সে যেন তা শক্ত করে বেঁধে রাখে। এরপর প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া বইল। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে গেল, ফলে বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে তাই গোত্রের পাহাড়ে নিক্ষেপ করল। এদিকে ইবনে আল-আলামার দূত একটি পত্র নিয়ে এল এবং তাকে একটি চাদর উপহার দিল (১)। এরপর আমরা ফিরে চললাম এবং ওয়াদি আল-কুরায় পৌঁছলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই মহিলাকে তার বাগানের ফলন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যে, কতটুকু হয়েছে। সে বলল: দশ ওয়াসাক হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমি দ্রুত পৌঁছাতে চাই, সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে চায় সে আমার সাথে দ্রুত চলতে পারে, আর যে চায় সে অবস্থান করতে পারে। এরপর আমরা বের হলাম এবং যখন মদিনার নিকটবর্তী হলাম তখন তিনি বললেন: এটি তাবাহ এবং এটি ওহুদ পাহাড়, যা আমাদের ভালোবাসে এবং আমরাও তাকে ভালোবাসি। এরপর তিনি বললেন: আনসারদের ঘরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো বনু নাজ্জারের ঘর, তারপর বনু আব্দুল আশহালের ঘর, তারপর বনু আব্দুল হারিসের ঘর, তারপর বনু সাঈদার ঘর। তবে আনসারদের সকল ঘরের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। অতঃপর সাদ ইবনে উবাদাহ আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন, তখন আবু উসায়দ বললেন: আপনি কি দেখেননি..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
تَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيَّرَ دُورَ الأَنْصَارِ فَجَعَلَنَا آخِراً. فَأَدْرَكَ سَعْدٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ خَيَّرْتَ دُورَ الأَنْصَارِ فَجَعَلْتَنَا آخِراً. فَقَالَ: أَوَلَيْسَ بِحَسْبِكُمْ أَنْ تَكُونُوا مِنَ الأخيَارِ) م عَنْهُ بِمَعْنَاهُ.
21- وحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، عَنْ جَعْفَرٍ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِى رَبَاحٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ تَقُولُ: (كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ يَوْمُ الرِّيحِ
ق 6 (أ)
وَالْغَيْمِ عُرِفَ ذَلِكَ فِى وَجْهِهِ وأَقْبَلَ وَأَدْبَرَ فَإِذَا مَطَرَتْ سُرَّ بِهِ وَذَهَبَ عَنْهُ ذَلِكَ. فقَالَتْ عَائِشَةُ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: إِنِّى خَشِيتُ أَنْ يَكُونَ عَذَاباً سُلِّطَ عَلَى أُمَّتِى. وَيَقُولُ إِذَا رَأَى الْمَطَرَ: رَحْمَةٌ) . م عنه بمعناه ولفظه.
আপনি লক্ষ্য করেছেন যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসারদের ঘরগুলোকে বিন্যস্ত করেছেন এবং আমাদের সবার শেষে রেখেছেন। অতঃপর সাদ আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আনসারদের ঘরগুলোকে বিন্যস্ত করেছেন এবং আমাদের শেষে রেখেছেন। তিনি বললেন: তোমাদের জন্য কি এটিই যথেষ্ট নয় যে তোমরা শ্রেষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হবে? মুসলিম তাঁর নিকট থেকে এটি একই অর্থে বর্ণনা করেছেন।
২১- এবং আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুলায়মান বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আয়েশাকে (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবস্থা এমন হতো যে যখন বায়ুপ্রবাহের দিন আসত
পৃষ্ঠা ৬ (ক)
এবং মেঘাচ্ছন্ন আকাশ হতো, তখন তাঁর চেহারায় তা ফুটে উঠত এবং তিনি অস্থিরভাবে সামনে-পিছনে পায়চারি করতেন; অতঃপর যখন বৃষ্টি হতো তখন তিনি এতে আনন্দিত হতেন এবং তাঁর থেকে সেই অস্থিরতা চলে যেত। আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, অতঃপর আমি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে এটি হয়তো এমন কোনো আযাব যা আমার উম্মতের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর তিনি যখন বৃষ্টি দেখতেন তখন বলতেন: এটি রহমত। মুসলিম তাঁর নিকট থেকে একই শব্দে ও অর্থে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
22- قرأت على أبي جعفر محمد بن أحمد بن نصر، أَخْبَرَتْنَا أُمُّ إِبْرَاهِيمَ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ، أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ سليمان بن أحمد، ثنا علي بن عبد العزيز، ثنا القعنبي، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنَ بِلَالٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، أَنَّ نَجْدَةَ كَتَبَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنْ خَمْسِ خِلَالٍ. فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَوْلَا أَنْ أَكْتُمَ عِلْماً مَا كَتَبْتُ إِلَيْهِ. فكَتَبَ إِلَيْهِ نَجْدَةُ: أَمَّا بَعْدُ، فَأَخْبِرْنِى هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْزُو بِالنِّسَاءِ؟ وَهَلْ كَانَ يَضْرِبُ لَهُنَّ بِسَهْمٍ؟ وَهَلْ كَانَ يَقْتُلُ الصِّبْيَانَ؟ وَمَتَى يَنْقَضِى يُتْمُ الْيَتِيمِ؟ وَعَنِ الْخُمْسِ لِمَنْ هُوَ؟ فَكَتَبَ إِلَيْهِ ابْنُ عَبَّاسٍ: كَتَبْتَ تَسْأَلُنِى هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْزُو بِالنِّسَاءِ؟ وَقَدْ كَانَ يَغْزُو بِهِنَّ فَيُدَاوِينَ الْجَرْحَى وَيُحْذَيْنَ مِنَ الْغَنِيمَةِ وَأَمَّا بِسَهْمٍ فَلَمْ يَضْرِبْ لَهُنَّ، وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَقْتُلُ الصِّبْيَانَ، وَكَتَبْتَ مَتَى يَنْقَضِى يُتْمُ الْيَتِيمِ؟ وَلَعَمْرِى إِنَّ الرَّجُلَ تَشِيبُ لِحْيَتُهُ (1) وَإِنَّهُ لَضَعِيفُ الأَخْذِ لِنَفْسِهِ ضَعِيفُ الْعَطَاءِ مِنْهَا فَإِذَا أَخَذَ لِنَفْسِهِ مِنْ أصْلَح مَا يَأْخُذُ النَّاسُ فَقَدْ ذَهَبَ عَنْهُ الْيُتْمُ، وَكَتَبْتَ تَسْأَلُنِى عَنِ الْخُمْسِ لِمَنْ هُوَ؟ وَإِنَّا كُنَّا نَقُولُ هُوَ لَنَا. فَأَبَى عَلَيْنَا قَوْمُنَا ذَاكَ) م عَنْهُ بِمَعْنَاهُ.
23- وَبِهِ حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِى سُفْيَانَ، عَامَ حَجَّ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ، وَتَنَاوَلَ قُصَّةً مِنْ شَعَرٍ وَكَانَتْ فِى يَدَىْ حَرَسِىٍّ وَهو يَقُولُ يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ، أَيْنَ عُلَمَاؤُكُمْ سَمِعْتُ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْ مِثْلِ هَذِهِ، وَيَقُولُ: (إِنَّمَا هَلَكَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ حِينَ اتَّخَذَ هَذه نِسَاؤُهُمْ) . خ عنه.
--------------------------------------------
২২- আমি আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নসর-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উম্মু ইবরাহিম ফাতিমা বিনতু আব্দুল্লাহ পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলি বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-কা'নাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন বিলাল, জাফর বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন হুরমুজ থেকে বর্ণনা করেন যে, নাজদাহ ইবনে আব্বাস-এর নিকট একটি চিঠি লিখে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। ইবনে আব্বাস বললেন: যদি ইলম গোপন করার ভয় না থাকত, তবে আমি তাঁর নিকট লিখতাম না। অতঃপর নাজদাহ তাঁর নিকট লিখলেন: আম্মা বাদ, আমাকে জানান যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মহিলাদের সাথে নিয়ে যুদ্ধে যেতেন? তিনি কি তাদের জন্য গণিমতের কোনো অংশ নির্ধারণ করতেন? তিনি কি শিশুদের হত্যা করতেন? ইয়াতিমের ইয়াতিমি দশা কখন শেষ হয়? এবং খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) কাদের জন্য? ইবনে আব্বাস তাঁর উত্তরে লিখলেন: তুমি আমাকে লিখেছ যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মহিলাদের সাথে নিয়ে যুদ্ধে যেতেন? তিনি তাদের সাথে নিয়ে যুদ্ধে যেতেন, ফলে তারা আহতদের চিকিৎসা করত এবং তাদের গণিমত থেকে সামান্য কিছু উপঢৌকন দেওয়া হতো। তবে তিনি তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো অংশ নির্ধারণ করেননি। আর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিশুদের হত্যা করতেন না। তুমি লিখেছ ইয়াতিমের ইয়াতিমি দশা কখন শেষ হয়? আমার জীবনের কসম, কোনো ব্যক্তির দাড়ি পেকে যায় (১) অথচ সে নিজের জন্য গ্রহণ করা বা দান করার ক্ষেত্রে দুর্বল থেকে যায়; অতঃপর যখন সে সাধারণ মানুষের মতো নিজের কল্যাণের বিষয়গুলো গ্রহণ করতে সক্ষম হয়, তখন তার ইয়াতিমি দশা দূর হয়ে যায়। আর তুমি আমাকে খুমুস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছ যে তা কার জন্য? আমরা বলতাম যে এটি আমাদের জন্য, কিন্তু আমাদের সম্প্রদায় আমাদের নিকট তা দিতে অস্বীকার করেছে। ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে অনুরূপ অর্থে এটি বর্ণনা করেছেন।
২৩- এবং তাঁর সূত্রেই আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-কা'নাবি, মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মুয়াবিয়া বিন আবি সুফিয়ানকে তাঁর হজের বছর মিম্বরে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন; তিনি জনৈক প্রহরীর হাতে থাকা এক গুচ্ছ চুল হাতে নিয়ে বলছিলেন: হে মদিনাবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এই জাতীয় জিনিস থেকে নিষেধ করতে শুনেছি এবং তিনি বলতেন: "বনী ইসরাঈল তখনই ধ্বংস হয়েছিল যখন তাদের মহিলারা এই কৃত্রিম চুল গ্রহণ করেছিল।" ইমাম বুখারি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
ق 6 (ب)
24- (1) محمد بن محمود بن ماهان، و (2) محمد بن عبد الرحيم، أنبأ أحمد بن طاهر، ثنا أبو سعيد، ثنا عبد الله بن محمد، ثنا (3)
25- (4) محمد بن محمد (5) ، أنبأ أحمد بْنِ طَاهِرٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ الرَّازِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ الرَّازِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ القعنبي، وأبو الربيع الزهراني، قالا: ثَنَا المُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَقَبَةَ، عَنْ أَبِى إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (إِنَّ الْغُلَامَ الَّذِى قَتَلَهُ الْخَضِرُ طُبِعَ كَافِراً وَلَوْ أَدْرَكَ لأَرْهَقَ أَبَوَيْهِ طُغْيَاناً وَكُفْراً) . م عَنِ الْقَعْنَبِيِّ.
26- أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ صَالِحِ بن ياسين بن عمران الشارعي، والشارع بَيْنَ مِصْرَ وَالْقَاهِرَةِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الرَّازِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ الْحَكِيمِيُّ الْوَرَّاقُ بِمِصْرَ، أنبا أبو الطاهر أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرٍ الذُّهْلِيُّ، ثنا أَبُو عُثْمَانَ مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أبي سويد الزارع، ثَنَا القعنبي، ثنا مَالِكٍ بن أنس، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ (أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُسْتَلْقِياً فِى الْمَسْجِدِ، وَاضِعاً إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى) . خ عَنْهُ.
27- أَخْبَرَنَا أَبُو القاسم عبد الرحمن بن أحمد القاضي العمري، وأبو الفتوح عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْكَرَمِ الْمَلاحُ وَاللَّفْظُ لَهُ، أنبا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، أنبا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ محمد بن إبراهيم، ثنا محمد {بن مخلد أبو عبد الله، أنبأ إسحاق بن الحسن الحربي} (6) ، ثنا القعنبي، ثَنَا مَالِكٍ بن أنس، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم (أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا اشْتَرَتْ نُمْرُقَةً فِيهَا تَصَاوِيرُ، فَلَمَّا رَآهَا النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَامَ عَلَى الْبَابِ فَلَمْ يَدْخُلْ، فَعَرَفَتْ فِى وَجْهِهِ الْكَرَاهِيَةَ وقُلت: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُوبُ إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ، مَاذَا أَذْنَبْتُ فقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَا بَالُ هَذِهِ النُّمْرُقَةِ. فَقَالَتِ اشْتَرَيْتُهَا لِتَقْعُدَ عَلَيْهَا وَتَوَسَّدَهَا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَيُقَالُ لَهُمْ أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ - وَقَالَ - إِنَّ الْبَيْتَ الَّذِى فِيهِ الصُّوَرُ لَا تَدْخُلُهُ الْمَلَائِكَةُ) (7)
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ৬ (খ)
২৪- (১) মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন মাহান এবং (২) মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম [জানিয়েছেন], আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন তাহির, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সাঈদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (৩)
২৫- (৪) মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ (৫), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন তাহির, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সাঈদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব আল-রাযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব আল-রাযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মাসলামা আল-কা'নাবী এবং আবু রাবী' আল-যাহরানী, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মু'তামির বিন সুলাইমান, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি রকাবাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি উবাই বিন কা'ব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (খিজির যে বালকটিকে হত্যা করেছিলেন, তাকে কাফির হিসেবেই সৃষ্টি করা হয়েছিল। সে যদি জীবিত থাকত, তবে সে তার অবাধ্যতা ও কুফরি দিয়ে তার পিতা-মাতাকে অতিষ্ঠ করে তুলত)। ইমাম মুসলিম এটি আল-কা'নাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
২৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির ইসমাইল বিন সালিহ বিন ইয়াসিন বিন ইমরান আল-শারেয়ী—শারে' হলো মিসর ও কায়রোর মধ্যবর্তী স্থান—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম আল-রাযী কি পাঠের মাধ্যমে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? [তিনি বললেন: হ্যাঁ], আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাতহ আল-হাকিমী আল-ওয়াররাক মিসরে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন নাসর আদ-দুহলী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু উসমান মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবু সুওয়াইদ আল-যারে', আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-কা'নাবী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক বিন আনাস, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আব্বাদ বিন তামীম থেকে, তিনি তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে, (তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মসজিদে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছেন, তিনি তাঁর এক পা অপর পায়ের ওপর রেখেছিলেন)। ইমাম বুখারী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
২৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন আহমদ আল-কাজী আল-উমরী এবং আবু আল-ফুতুহ আবদুর রহমান বিন আবিল কারাম আল-মাল্লাহ—শব্দাবলী তাঁর—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ {বিন মাখলাদ আবু আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন আল-হাসান আল-হারবী} (৬), আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-কা'নাবী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক বিন আনাস, তিনি নাফি' থেকে, তিনি কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, (তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ছবিযুক্ত একটি ছোট গদি বা বালিশ কিনেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটি দেখলেন, তখন তিনি দরজায় দাঁড়িয়ে রইলেন এবং ভেতরে প্রবেশ করলেন না। তখন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাঁর চেহারায় অপছন্দের চিহ্ন দেখতে পেলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কাছে তাওবা করছি, আমি কী গুনাহ করেছি? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: এই গদিটির ব্যাপার কী? তিনি বললেন: আমি এটি আপনার বসার ও হেলান দেওয়ার জন্য কিনেছি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: নিশ্চয়ই এই সব ছবির নির্মাতাদের কিয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে এবং তাদের বলা হবে—তোমরা যা সৃষ্টি করেছ তাতে প্রাণ সঞ্চার করো। এবং তিনি আরও বললেন—নিশ্চয়ই যে ঘরে ছবি থাকে, সেখানে ফেরেশতারা প্রবেশ করে না)। (৭)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
ق 7 (أ)
28- أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ له: أخبرتكم فاطمة بن عبد الله بقراءتك عَلَيْهَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ رِيذَةَ، أنبا سُلَيْمَانُ الطَّبَرَانِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ العزيز، ثنا القعنبي، عن مالك (ح) وقال الطبراني: وحدثنا بكر بن سهل، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أنبا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: (كَانَ الْفَضْلُ بْنِ عَبَّاسٍ رَدِيفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَته امْرَأَةٌ مِنْ خَثْعَمَ تَسْتَفْتِيهِ، فَجَعَلَ الْفَضْلُ يَنْظُرُ إِلَيْهَا وَتَنْظُرُ إِلَيْهِ، فَجَعَلَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْرِفُ وَجْهَ الْفَضْلِ إِلَى الشِّقِّ الآخَرِ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ فَرِيضَةَ اللَّهِ عَلَى عِبَادِهِ فِى الْحَجِّ أَدْرَكَتْ أَبِى شَيْخاً كَبِيراً، لَا يَسْتَطِيعُ أن يَثْبُتُ عَلَى الرَّاحِلَةِ، أَفَأَحُجُّ عَنْهُ؟ قَالَ: نَعَمْ. وَذَلِكَ فِى حَجَّةِ الْوَدَاعِ) . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ، وَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ
ق 7 (ب)
29- أخبرنا عبد الرحمن بن أحمد العمري، عبد الرحمن بن أبي الكرم بن أبي ياسر وَاللَّفْظُ لَهُ، قَالا: أنبا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا الْقَعْنَبِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثَنَا أَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ: (طَيَّبْتُ
30- رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِى لِحُرْمِهِ حِينَ أَحْرَمَ وَلِحِلِّهِ حِينَ أَحَلَّ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ) . م عَنِ الْقَعْنَبِيِّ
পৃষ্ঠা ৭ (ক)
২৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আস-সাইদালানি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: ফাতেমা বিনতে আব্দুল্লাহ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আপনার পাঠের মাধ্যমে আর আপনি তা শুনছিলেন, সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন রিদাহ, সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান আত-তাবারানি, বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, বর্ণনা করেছেন আল-কা'নাবি, মালিক থেকে (হ) এবং তাবারানি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন বকর বিন সাহল, বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ, সংবাদ দিয়েছেন মালিক, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সুলায়মান বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (ফজল বিন আব্বাস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাহনের পেছনে বসা ছিলেন, তখন খাশ'আম গোত্রের এক মহিলা তাঁর কাছে ফতোয়া জিজ্ঞাসা করতে আসলেন। ফজল সেই মহিলার দিকে তাকাতে লাগলেন এবং মহিলাটি ফজলের দিকে তাকাতে লাগলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজলের মুখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে লাগলেন। মহিলাটি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর বান্দাদের উপর হজের যে ফরজ বিধান রয়েছে তা আমার বাবার উপর এমন অবস্থায় উপনীত হয়েছে যখন তিনি অতি বৃদ্ধ, তিনি বাহনের ওপর স্থির হয়ে বসে থাকতে পারেন না। আমি কি তাঁর পক্ষ থেকে হজ আদায় করতে পারি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আর এটি ছিল বিদায় হজের ঘটনা।) এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি ও আবু দাউদ আল-কা'নাবি থেকে এবং বুখারি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ থেকে।
পৃষ্ঠা ৭ (খ)
২৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আল-উমারি এবং আব্দুর রহমান বিন আবুল কারাম বিন আবি ইয়াসির—এবং শব্দাবলি তাঁরই—তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম, সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, বর্ণনা করেছেন মুয়ায বিন আল-মুসান্না, বর্ণনা করেছেন আল-কা'নাবি আব্দুল্লাহ বিন মাসলামা আবু আব্দুর রহমান, বর্ণনা করেছেন আফলাহ বিন হুমাইদ, আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্ত্রী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমি সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছি
৩০- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার নিজের হাতে তাঁর ইহরামের জন্য যখন তিনি ইহরাম বাঁধলেন, এবং তাঁর ইহরাম খোলার জন্য যখন তিনি তা থেকে হালাল হলেন—বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করার আগে।) এটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম আল-কা'নাবি থেকে।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
31- وبه أخبرنا معاذ، ثنا القعنبي، حَدَّثَنَا أَفْلَحُ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: (كُنَّا نَتَخَوَّفُ أَنْ تَحِيضَ صَفِيَّةُ، قَالَتْ: فَجَاءَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: أَحَابِسَتُنَا صَفِيَّةُ. قُلْنَا قَدْ أَفَاضَتْ. قَالَ: فَلَا إِذًا) . م عَنْهُ.
32- وَبِهِ ثنا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثَنَا أَفْلَحُ - يَعْنِى ابْنَ حُمَيْدٍ -، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتِ: (اسْتَأْذَنَتْ سَوْدَةُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ تَدْفَعُ قَبْلَهُ وَقَبْلَ حَطْمَةِ النَّاسِ وَكَانَتِ امْرَأَةً ثَبِطَةً - يَقُولُ الْقَاسِمُ وَالثَّبِطَةُ الثَّقِيلَةُ - قَالَ فَأَذِنَ لَهَا فَخَرَجَتْ قَبْلَ دَفْعِة الناس وَجَلَسَنَا حَتَّى أَصْبَحْنَا فَدَفَعْنَا بِدَفْعِهِ، وَلأَنْ أَكُونَ اسْتَأْذَنْتُ - تعني - كَمَا اسْتَأْذَنَتْهُ سَوْدَةُ فَأَكُونَ أَدْفَعُ بِإِذْنِهِ قَبْلَ النَّاسِ أَحَبُّ إِلَىَّ مِنْ مَفْرُوحٍ بِهِ) . م عنه.
ق 8 (أ)
الثاني: عبد الله بن محمد بن أَسْمَاءَ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ مُخَارِقٍ أَبُو عَبْدِ الرحمن الضبعي البصري سنة ستون ووتوفي سنة إحدى وثلاثين ومائتين
৩১- এবং এর মাধ্যমে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মুয়াজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফলাহ, তিনি কাসিম হতে, তিনি আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমরা আশঙ্কা করছিলাম যে সাফিয়া ঋতুবতী হয়ে পড়বেন। তিনি বলেন: অত:পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন এবং বললেন: সাফিয়া কি আমাদের আটকে রাখবে? আমরা বললাম: তিনি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছেন। তিনি বললেন: তবে তো আর সমস্যা নেই)। মুসলিম তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৩২- এবং এর মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াজ বিন আল-মুসান্না, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফলাহ—অর্থাৎ ইবনে হুমাইদ—তিনি কাসিম হতে, তিনি আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (সাওদা মুজদালিফার রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর আগে এবং লোকজনের ভিড় হওয়ার আগেই রওনা হওয়ার অনুমতি চাইলেন। তিনি ছিলেন একজন মন্থর গতির মহিলা—কাসিম বলেন: 'সাবিতা' অর্থ ভারী শরীরবিশিষ্ট—তিনি বলেন: অত:পর তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন এবং তিনি লোকজনের রওনা হওয়ার আগেই বেরিয়ে গেলেন। আর আমরা সকাল হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করলাম এবং তাঁর রওনা হওয়ার সাথে রওনা হলাম। সাওদা যেভাবে অনুমতি নিয়েছিলেন, আমিও যদি তেমন অনুমতি নিয়ে তাঁর সম্মতিক্রমে লোকজনের আগেই রওনা হতাম, তবে তা আমার কাছে যেকোনো খুশির বিষয়ের চেয়েও অধিক প্রিয় হতো)। মুসলিম তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
পৃষ্ঠা ৮ (ক)
দ্বিতীয়: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা বিন উবাইদ বিন মুখারিক আবু আবদুর রহমান আদ-দুবায়ি আল-বাসরি। জন্ম ষাট সাল এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন দুইশত একত্রিশ হিজরি সালে।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
33- أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حامد الثقفي (1) بقراءتي عليه قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيُّ قراءةً عليه، أنبأ أبو سعيد الكنجروذي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أنبا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، أَنبا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، وَأَبُو يَعْلَى المَوْصِليُّ قَالا: ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ هُوَ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (عُذِّبَتِ امْرَأَةٌ فِى هِرَّةٍ سَجَنَتْهَا حَتَّى مَاتَتْ، فَدَخَلَتْ فِيهَا النَّارَ، لَا هِىَ أَطْعَمَتْهَا وَسَقَتْهَا إِذْ حَبَسَتْهَا، وَلَا هِىَ تَرَكَتْهَا تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الأَرْضِ) خ وم عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ.
34- أنبا أَبُو طالب (2) بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الله بن طاوس سنة سبع وسبعين وستمائة بِدِمَشْقَ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكُم أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ (3) قال: قرئ على القاضي أبو بَكْرٍ يُوسُفَ بْنِ القَاسِمِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ فارس الكتاني وأنا حاضر أسمع قيل له: أخبركم (4) قراءة عليه قال: ثنا عبد الله بن مخارق (5) عبد الله بن محمد بن أسماء، ثنا جويرية، عن نافع، عن ابن عمر
35- وأخبرتنا أُمُّ حَبِيبَةَ عَائِشَةُ بِنْتُ مَعْمَرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْفَاخِرِ قِرَاءَةً عَلَيْهَا قِيلَ لَهَا: أَخْبَرَكُم سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ، ثنا أبو نصر إبراهيم بن محمد الكسائي، أنبأ أبو بكر محمد بن إبراهيم، أنبأ أبو يعلى الموصلي، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ بْنِ مُخَارِقٍ الضُّبَعِيُّ، ثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: (نَادَى فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الانْصرَافَ مَنِ الأَحْزَابِ: أَنْ لَا يُصَلِّيَنَّ أَحَدٌ الظُّهْرَ إِلَاّ فِى بَنِى قُرَيْظَةَ. قَالَ: فَتَخَوَّفَ نَاسٌ فَوْتَ الْوَقْتِ فَصَلُّوا دُونَ بَنِى قُرَيْظَةَ. وَقَالَ آخَرُونَ لَا نُصَلِّى إِلَاّ حَيْثُ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَإِنْ فَاتَنَا الْوَقْتُ قَالَ فَمَا عَنَّفَ وَاحِداً مِنَ الْفَرِيقَيْنِ) خ م عنه. اللفظ (6)
36- أخبرنا زاهر بْنُ أَبِي طَاهِرٍ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الملك الخلال، أنبأ إبراهيم بن منصور، ثنا أبو بكر بن الْمُقْرِئُ، ثنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِىِّ، عَنْ أَبِى عُبَيْدٍ أَخْبَرَاهُ عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (يَرْحَمُ اللَّهُ لُوطاً، لَقَدْ كَانَ يَأْوِى إِلَى رُكْنٍ شَدِيدٍ، وَلَوْ لَبِثْتُ فِى السِّجْنِ مَا لَبِثَ يُوسُفُ ثُمَّ أَتَانِى الدَّاعِى لأَجَبْتُهُ) . أخرجاه جميعاً عنه (7)
--------------------------------------------
৩৩- আবু আল-মাজদ জহির ইবন আহমাদ ইবন হামিদ আস-সাকাফী (১) আমার নিকট তাঁর কাছে পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁকে বললাম: জহির ইবন তাহির আশ-শাহহামী তাঁর কাছে পাঠকালে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু সাঈদ আল-কানজারুযী মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান আমাদের জানিয়েছেন, আবু আমর ইবন হামদান আমাদের জানিয়েছেন, আল-হাসান ইবন সুফিয়ান এবং আবু ইয়ালা আল-মাওসিলী বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আসমা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়াহ ইবন আসমা নাফে থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (একটি বিড়ালের কারণে এক মহিলাকে আযাব দেওয়া হয়েছে, যাকে সে বন্দি করে রেখেছিল যতক্ষণ না সেটি মারা যায়। ফলে সে কারণে সে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে যখন তাকে বন্দি করেছিল, তখন সে তাকে খাবার ও পানীয় দেয়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি যাতে সে জমিনের পোকামাকড় খেতে পারে।) বুখারী ও মুসলিম আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৩৪- আবু তালিব (২) ইবন হিবাতুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন তাউস ছয়শ ৭৭ হিজরীতে দামেস্কে আমাদের জানিয়েছেন। তাঁকে বলা হলো: আবু আল-হাসান আলী (৩) আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কাযী আবু বকর ইউসুফ ইবন কাসিম ইবন ইউসুফ ইবন ফারিস আল-কাত্তানী-এর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম। তাঁকে বলা হলো: তাঁর কাছে পাঠকালে তিনি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন মুখারিক (৫) আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আসমা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়াহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নাফে থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে...
৩৫- এবং উম্মু হাবিবা আয়িশা বিনতে মা’মার ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আল-ফাখির তাঁর কাছে পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁকে বলা হয়েছে: সাঈদ ইবন আবিল রাজা আল-সাইরাফী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মাদ আল-কিসায়ী আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহিম আমাদের জানিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলী আমাদের জানিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আসমা ইবন মুখারিক আদ-দুবায়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়াহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নাফে থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (আহযাব যুদ্ধ থেকে ফেরার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে ঘোষণা করলেন: কেউ যেন বনী কুরাইযায় পৌঁছানোর আগে যোহরের নামায না পড়ে। বর্ণনাকারী বলেন: কিছু লোক ওয়াক্ত চলে যাওয়ার ভয় করল এবং বনী কুরাইযায় পৌঁছানোর আগেই নামায পড়ে নিল। আর অন্যদল বলল: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেখানে আমাদের আদেশ করেছেন সেখানেই নামায পড়ব, যদিও ওয়াক্ত পার হয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি দুই দলের কোনোটিকেই তিরস্কার করেননি।) বুখারী ও মুসলিম তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। শব্দাবলী তাঁর (৬)।
৩৬- জহির ইবন আবি তাহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হুসাইন ইবন আব্দুল মালিক আল-খাল্লাল আমাদের জানিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবন মনসুর আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর ইবনুল মুকরি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আসমা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়াহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মালিক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু উবাইদ থেকে, তাঁরা উভয়ে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (আল্লাহ লুত আলাইহিস সালাম-এর প্রতি রহম করুন, তিনি এক শক্তিশালী স্তম্ভের আশ্রয় নিতে চেয়েছিলেন। আর ইউসুফ আলাইহিস সালাম যতকাল কারাগারে কাটিয়েছেন, আমি যদি ততকাল কাটাতাম এবং এরপর আহ্বানকারী আমার কাছে আসত, তবে আমি অবশ্যই তাতে সাড়া দিতাম।) তাঁরা উভয়ে এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
ق 8 (ب)
37- أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ المهتدي، أنبا طَاهِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الطَّبَرِيُّ، ثنا محمد بن أحمد، ثنا أبو خليفة، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، عَنْ جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِىِّ، عَنْ مَالِكَ بْنَ أَوْسٍ بْنِ الْحَدَثَانِ، عَنْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقِ عليهما السلام، عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (لا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ) . أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ عبد الله بن محمد بن أَسْمَاءَ
38- أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ الثقفي، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدُ الْمَلِكِ الْخَلَّالُ، أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إبراهيم بن المقرئ، أَنْبَا أَبُو يَعْلَى، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، حَدَّثَني مَهْدِىُّ، أَنْبَا وَاصِلٌ مَوْلَى أَبِى عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ أَبِى الأَسْوَدِ الدِّيلِىِّ، عَنْ أَبِى ذَرٍّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (عُرِضَتْ عَلَىَّ أَعْمَالُ أُمَّتِى حَسَنُهَا وَسَيِّئُهَا فَوَجَدْتُ فِى مَحَاسِنِ أَعْمَالِهَا إِمَاطَةَ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ وَوَجَدْتُ فِى مَسَاوِى أَعْمَالِهَا النُّخَاعَةَ تَكُونُ فِى الْمَسْجِدِ لَا تُدْفَنُ) . م عَنْهُ.
39- أَخْبَرَنَا أَسْعَدُ بْنُ رَوْحٍ، أَخْبَرَتْنَا فاطمة الجردانية، أنبا ابْنُ رِيذَةُ، أنبا الطَّبَرَانِيُّ، ثنا أَبُو خليفة، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِىِّ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جُبَيْرِ أَخْبَرَهُ، أَنَّ أَبَاهُ أَخْبَرَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَاطِعُ رَحِمٍ) . خ بمعناه عن عبد الله.
প ৮ (খ)
৩৭- আবু তাহের আল-মুবারক ইবনে আবিল মাআলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুহতাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহের ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জুওয়াইরিয়াহ থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মালিক ইবনে আউস ইবনুল হাদাসান থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে, তিনি আবু বকর আস-সিদ্দিক (তাদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: (আমাদের কোনো উত্তরাধিকারী হয় না, আমরা যা রেখে যাই তা সদকা)। ইমাম মুসলিম তার সহীহ গ্রন্থে এটি আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসমা থেকে বর্ণনা করেছেন।
৩৮- আবুল মাজদ যাহির ইবনে আহমদ আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবনে আব্দুল মালিক আল-খাল্লাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনুল মুকরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়ালা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাহদী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উয়াইনার মুক্ত দাস ওয়াসিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আকীল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামার থেকে, তিনি আবুল আসওয়াদ আদ-দীলি থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (আমার উম্মতের ভালো ও মন্দ সকল আমল আমার সামনে পেশ করা হয়েছে। আমি তাদের ভালো আমলগুলোর মধ্যে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলাকে পেয়েছি এবং মন্দ আমলগুলোর মধ্যে মসজিদে কফ বা থুতু ফেলাকে পেয়েছি যা দাফন বা মাটিচাপা দেওয়া হয়নি)। ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।
৩৯- আসআদ ইবনে রাওহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ফাতিমা আল-জারদানিয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে রীযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জুওয়াইরিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তার পিতা তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না)। ইমাম বুখারী এটি আব্দুল্লাহর সূত্রে এর সমার্থবোধক বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
40- حَدَّثَنَا بِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بن أبو الحسن الثقفي، ثنا أحمد بن عبد الله بن {} ، ثنا علي بن محمد بن خلف القاضي، ثنا الحسن بن علي بن محمد، ثنا أبو خليفة الفضل بن الحباب (1)
41- أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ ثَابِتٍ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، أنبا عَلِيُّ بْنُ كَيْسَانَ، أنبا يوسف، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا مَهْدِىّ بْنُ مَيْمُونٍ، ثَنَا غَيْلَانُ بْنُ جَرِيرٍ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ أَوْ قَالَ لِرَجُلٍ وَهُوَ يَسْمَعُ: (يَا فُلَانُ أَصُمْتَ مِنْ سُرَّةِ هَذَا الشَّهْرِ. قَالَ لَا. قَالَ: فَإِذَا أَفْطَرْتَ فَصُمْ يَوْمَيْنِ) .
42- (2) ثنا ابن الْمُقْرِئُ، ثنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثنا عَبْدُ الله بن محمد بن أسماء
ق 9 (أ)
43- أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عبد الله، أنبا محمد بن عبد الله، ثنا منصور، ثنا يُوسُفُ الْقَاضِي، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِىِّ، أَنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ أَخْبَرَهُ وَسَأَلَهُ عَنْ كِرَى الْمَزَارِعِ، فقَالَ: أَخْبَرَ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ، عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ عَمَّيْهِ وَكَانَا شَهِدَا بَدْراً حدثَاهُ (أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ. فترك عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كِرَاءِها وقد كان يُكْرِيهَا قبل ذلك)
--------------------------------------------
40- আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবুল হাসান আস-সাকাফি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে {}, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খালাফ আল-কাজী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা আল-ফাদল ইবনুল হুবাব (১)
41- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে সাবিত, আমি বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করেছি, আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল বাকি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে কায়সান, তিনি সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আসমা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহদি ইবনে মাইমুন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন গাইলান ইবনে জারির, মুতাররিফ থেকে বর্ণিত, ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন অথবা জনৈক ব্যক্তিকে বললেন যখন তিনি তা শুনছিলেন: (হে অমুক, তুমি কি এই মাসের মাঝখানের দিনগুলোর (সুররাহ) রোজা রেখেছ? সে বলল: না। তিনি বললেন: তবে যখন তুমি (রমজানের) রোজা শেষ করবে তখন দুই দিন রোজা রাখ।)
42- (২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুকরি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আসমা
পৃষ্ঠা ৯ (ক)
43- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আস-সাইদালানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ, তিনি সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ আল-কাজী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আসমা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুওয়াইরিয়া, মালিক ইবনে আনাস থেকে বর্ণিত, আয-যুহরি থেকে বর্ণিত যে, সালিম ইবনে আবদুল্লাহ তাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাকে চাষাবাদের জমি ভাড়া দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন, তখন তিনি বললেন: রাফি ইবনে খাদিজ আবদুল্লাহ ইবনে উমরকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর দুই চাচা যারা বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন তারা তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাষাবাদের জমি ভাড়া দেওয়া নিষেধ করেছেন। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে উমর জমি ভাড়া দেওয়া বর্জন করেন, অথচ এর পূর্বে তিনি তা ভাড়া দিতেন)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
44- أنبأ زاهر بن أحمد، ثنا الخلال، أنبأ إبراهيم بن منصور، أنبا ابْنُ الْمُقْرِئُ، أنبا أَبُو يَعْلَى (ح) وأَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ، أنبا محمد بن عبد الباقي، أنبأ الحسن بن علي، ثنا علي بن محمد، أنبأ يوسف، قالا: - قال يوسف -: ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا مَهْدِىُّ بْنُ مَيْمُونٍ، ثَنَا وَاصِلٌ مَوْلَى أَبِى عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ أَبِى الأَسْوَدِ الدِّيلِىِّ، عَنْ أَبِى ذَرٍّ (أَنَّ نَاساً مِنْ أَصْحَابِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالُوا لِلنَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم: يَا رَسُولَ اللَّهِ، ذَهَبَ أَهْلُ الدُّثُورِ بِالأُجُورِ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّى وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَيَتَصَدَّقُونَ بِفُضُولِ أَمْوَالِهِمْ. قَالَ: أَوَلَيْسَ قَدْ جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ مَا تَصَّدَّقُونَ إِنَّ بِكُلِّ تَسْبِيحَةٍ صَدَقَةً وَكُلِّ تَهْلِيلَةٍ صَدَقَةٌ وَأَمْرٌ بِالْمَعْرُوفِ صَدَقَةٌ وَنَهْىٌ عَنْ المُنْكَرٍ صَدَقَةٌ) (1) . م عَنْهُ بِمَعْنَاهُ.
45- أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ عَبْدُ الله بن مسلم بْنِ ثَابِتٍ، أَنْبَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي، أَنْبَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنْبَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّحْوِيُّ، ثَنَا يُوسُفُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ، وَبِهِ عَنْ أَبِى ذَرٍّ عَنِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: (يُصْبِحُ عَلَى كُلِّ سُلَامَى مِنْ أَحَدِكُمْ صَدَقَةٌ فَكُلُّ تَسْبِيحَةٍ صَدَقَةٌ وَكُلُّ تَحْمِيدَةٍ صَدَقَةٌ وَكُلُّ تَهْلِيلَةٍ صَدَقَةٌ وَكُلُّ تَكْبِيرَةٍ صَدَقَةٌ وَأَمْرٌ بِالْمَعْرُوفِ صَدَقَةٌ وَنَهْىٌ عَنِ الْمُنْكَرِ صَدَقَةٌ وَيُجْزِئُ مِنْ ذَلِكَ رَكْعَتَانِ يَرْكَعُهُمَا مِنَ الضُّحَى) . م عنه.
46- (2) ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا مَهْدِىُّ بْنُ مَيْمُونٍ، ثَنَا وَاصِلٌ مَوْلَى أَبِى عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ أَبِى الأَسْوَدِ الدِّيلِىِّ، عَنْ أَبِى ذَرٍّ (3) أمر بمعروف صدقة ونهي عن منكر
--------------------------------------------
৪৪- জহির বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খাল্লাল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম বিন মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ) এবং উমর বিন মুহাম্মদ বিন মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: — ইউসুফ বলেছেন —: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মাহদী বিন মাইমুন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু উয়াইনার মুক্তদাস ওয়াসিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন উকাইল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন ইয়ামার থেকে, তিনি আবুল আসওয়াদ আদ-দীলি থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, বিত্তবানরা সওয়াব নিয়ে চলে গেছেন; তাঁরা সালাত আদায় করেন যেমন আমরা সালাত আদায় করি, তাঁরা সিয়াম পালন করেন যেমন আমরা সিয়াম পালন করি এবং তাঁরা তাঁদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থেকে দান-সদকা করেন। তিনি বললেন: আল্লাহ কি তোমাদের জন্য এমন কিছু নির্ধারণ করেননি যা তোমরা সদকা করতে পার? নিশ্চয়ই প্রতিটি তাসবীহ একটি সদকা, প্রতিটি তাহলীল একটি সদকা, সৎ কাজের আদেশ দেওয়া একটি সদকা এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা একটি সদকা।) (১)। মুসলিম তাঁর থেকে একই অর্থে বর্ণনা করেছেন।
৪৫- আবু হামিদ আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ হাসান বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন মুহাম্মদ আন-নাহবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, এবং এর মাধ্যমে আবু যার (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (তোমাদের প্রত্যেকের শরীরের প্রতিটি জোড়ার বিপরীতে প্রতিদিন সকালে একটি সদকা দেওয়া আবশ্যক। অতএব প্রতিটি তাসবীহ একটি সদকা, প্রতিটি তাহমীদ একটি সদকা, প্রতিটি তাহলীল একটি সদকা, প্রতিটি তাকবীর একটি সদকা, সৎ কাজের আদেশ দেওয়া একটি সদকা এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা একটি সদকা। আর এসবের পক্ষ থেকে চাশতের দুই রাকাত সালাত আদায় করাই যথেষ্ট হয়।) মুসলিম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
৪৬- (২) আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মাহদী বিন মাইমুন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু উয়াইনার মুক্তদাস ওয়াসিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন উকাইল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন ইয়ামার থেকে, তিনি আবুল আসওয়াদ আদ-দীলি থেকে, তিনি আবু যার (৩) থেকে বর্ণনা করেন যে: সৎ কাজের আদেশ দেওয়া একটি সদকা এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
ق 9 (ب)
47- قُرِئَ عَلَى أَبِي جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيُّ وَأَنَا أَسْمَعُ، أخبركم أبو علي الحداد وأنت حاضر، ثنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أَنْبَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقَبَّابُ، أَنْبَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي عَاصِمٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا مَهْدِىّ بْنُ مَيْمُونٍ ، عَنْ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِى يَعْقُوبَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ: (أَسَرَّ إِلَىَّ رَسُولُ
48- اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثاً لَا أُخبر بِهِ أَحَداً) . م عَنْهُ.
কাফ ৯ (খ)
৪৭- আবু জাফর আস-সাইদালানীর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, [তিনি বলেন] আবু আলী আল-হাদ্দাদ তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তুমি তখন উপস্থিত ছিলে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহীম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কাব্বাব; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আবু আসিম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহদী বিন মাইমুন; মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু ইয়াকুব থেকে বর্ণিত; তিনি হাসান বিন সাদ থেকে; তিনি আব্দুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ
৪৮- (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকট গোপনে একটি কথা ব্যক্ত করেছেন যা আমি কাউকে বলব না। ইমাম মুসলিম এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
49- أَخْبَرَنَا الصَّيْدَلانِيُّ، أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ، أنبا محمد بن عبد الله، أنبا سليمان بن أحمد الطبري، ثنا معاذ بن المثنى، عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا مَهْدِىّ بْنُ مَيْمُونٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِى يَعْقُوبَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ: (أَرْدَفَنِى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَأَسَرَّ إِلَىَّ حَدِيثاً لَا أُحَدِّثُ بِهِ أَحَداً مِنَ النَّاسِ، قَالَ: وَكَانَ أَحَبَّ مَا اسْتَتَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِحَاجَتِهِ هَدَفٌ أَوْ حَائِشُ نَخْلٍ) . إلى هنا أخرجه مسلم عنه
50- (فَدَخَلَ حَائِط رَجُل مِنَ الأَنْصَارِ فَإِذَا جَمَلٌ فَلَمَّا رَأَى النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم حَنَّ وَذَرَفَتْ عَيْنَاهُ، فَأَتَاهُ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم فَمَسَحَ سراته وذِفْرَاهُ فَسَكَن، ثم قَالَ: لِمَنْ هَذَا الْجَمَلُ؟ فَجَاءَ فَتًى مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ: هُوَ لِى يَا رَسُولَ اللَّهِ. فَقَالَ: أَفَلَا تَتَّقِى اللَّهَ فِى هَذِهِ الْبَهِيمَةِ الَّتِى مَلَّكَكَ اللَّهُ إِيَّاهَا، فَإِنَّهُ شَكَاك إِلَىَّ أَنَّكَ تُجِيعُهُ وَتُدْئِبُهُ)
51- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ، أَنْبَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ وَأَنَا حَاضِرٌ، أَنْبَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ، وَمُحَمَّدُ بن إبراهيم بن علي، قالا: أبنأ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَنْبَا أَبُو يَعْلَى، وَابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، قَالا: ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا مَهْدِىّ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ وَاصِلٌ، عَنْ أَبِى وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: (لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ نَمَّامٌ)
৪৯- আস-সাইদালানি আমাদের জানিয়েছেন, ফাতিমা বিনত আব্দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আমাদের খবর দিয়েছেন, সুলাইমান ইবন আহমদ আত-তাবারানি আমাদের খবর দিয়েছেন, মুয়াজ ইবনুল মুসান্না আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আসমা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মাহদি ইবন মাইমুন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আবি ইয়াকুব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাসান ইবন সাদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাঁর সওয়ারির পেছনে বসালেন এবং চুপিচুপি আমাকে একটি কথা বললেন যা আমি মানুষের মধ্য থেকে কাউকে বলব না। তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজনে আড়াল হওয়ার জন্য কোনো উঁচু স্থান অথবা খেজুর বাগান সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন)। মুসলিম তাঁর থেকে এ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।
৫০- (অতঃপর তিনি এক আনসারী ব্যক্তির বাগানে প্রবেশ করলেন। সেখানে একটি উট ছিল। যখন সেটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখল, তখন সেটি করুণ শব্দ করল এবং তার দুচোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে গেলেন এবং তার পিঠের উপরিভাগ ও কানের পেছনের অংশে হাত বুলিয়ে দিলেন, ফলে সেটি শান্ত হলো। এরপর তিনি বললেন: এই উটটি কার? তখন এক আনসারী যুবক এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, এটি আমার। তিনি বললেন: তুমি কি এই চতুষ্পদ জন্তুটির বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করো না, যার মালিক আল্লাহ তোমাকে বানিয়েছেন? কেননা সে আমার কাছে অভিযোগ করেছে যে, তুমি তাকে ক্ষুধার্ত রাখো এবং তাকে দিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করাও।)
৫১- মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন নাসর আমাদের জানিয়েছেন, হাসান ইবন আহমদ আল-হাদ্দাদ আমাদের খবর দিয়েছেন—এমতাবস্থায় যে আমি উপস্থিত ছিলাম—হাফিজ আবু নুয়াইম এবং মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম ইবন আলি আমাদের খবর দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন জাফর আমাদের খবর দিয়েছেন, আবু ইয়ালা এবং ইবন আবি আসিম আমাদের খবর দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আসমা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মাহদি ইবন মাইমুন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ওয়াসিল থেকে, তিনি আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি হুজাইফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: (চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না)।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
52- أخبرنا محمد بن أحمد، أنبأ فَاطِمَةُ، أَنْبَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنْبَا الطبراني، ثنا موسى بن هارون، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، ثَنَا جُوَيْرِيَةُ بْنِ أَسْمَاءَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أَبَا لُبَابَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ قَتْلِ الْحيَّاتِ الَّتِى تكون فِى الْبُيُوتِ)
ق 10 (أ)
53- أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخَطَّاطُ الجيرباذتان بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ غَانِمُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ التَّاجِرُ قِرَاءَةً عليه، أنبأ عبد الرزاق، عمر بن موسى بن شمة، أبنأ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَاصِمٍ، ثَنَا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عبَدَ اللَّهِ، وَسَالِمَ أَخْبَرَاهُ أَنَّهُمَا سَمَعَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ رضي الله عنهما يَقُولُ: (كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَالَ كُفَّارُ قُرَيْشٍ دُونَ الْبَيْتِ، فَنَحَرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَدْيَهُ، وَحَلَقَ رَأْسَهُ، قَالَ: فَأُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ أَوْجَبْتُ عُمْرَةَ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْطَلِقُ، فَإِنْ خُلِّىَ بَيْنِى وَبَيْنَ الْبَيْتِ طُفْتُ، وَإِنْ حِيلَ بَيْنِى وَبَيْنَهُ فَعَلْتُ كَمَا فَعَلَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَعَهُ. فَأَهَلَّ بِالْعُمْرَةِ بذِى الْحُلَيْفَةِ، ثُمَّ سَارَ سَاعَةً، ثُمَّ قَالَ: إِنَّمَا شَأْنُهُمَا وَاحِدٌ، أُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ أَوْجَبْتُ حَجَّةً مَعَ عُمْرَتِى. فَلَمْ يَحِلَّ مِنْهُمَا حَتَّى حَلَّ يَوْمَ النَّحْرِ،، وَكَانَ يَقُولُ: مَنْ جَمَعَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَأَهَلَّ بِهِمَا فَإِنَّهُ لَا يَحِلُّ حَتَّى يَحِلَّ مِنْهُمَا جَمِيعًا يَوْمَ النَّحْرِ ويَطُوفَ
৫২- মুহাম্মদ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ফাতিমা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, আত-তাবারানী আমাদের জানিয়েছেন, মূসা বিন হারুন আমাদের বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা আমাদের বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়া বিন আসমা আমাদের বর্ণনা করেছেন নাফে' থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু লুবাবা তাকে জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরের মধ্যে বসবাসকারী সাপ মারতে নিষেধ করেছেন।
পৃষ্ঠা ১০ (ক)
৫৩- আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-খাত্তাত আল-জিরবাযানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: গানিম বিন খালিদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আত-তাজির আপনার নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রাজ্জাক উমর বিন মূসা বিন শাম্মাহ আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলী বিন আসিম আমাদের জানিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলী আমাদের বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা আমাদের বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়া আমাদের বর্ণনা করেছেন নাফে' থেকে যে, আব্দুল্লাহ এবং সালিম তাঁকে জানিয়েছেন যে তাঁরা আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম এবং কুরাইশ কাফেররা আল্লাহর ঘরের (কাবা) পথে বাধা সৃষ্টি করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাদী (কুরবানির পশু) জবেহ করলেন এবং মাথা মুণ্ডন করলেন।" তিনি (ইবনে উমর) বললেন: "আমি আপনাদের সাক্ষী রাখছি যে আমি নিজের ওপর উমরাহ ওয়াজিব করে নিয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমি রওনা হব। যদি আমার ও বাইতুল্লাহর মাঝখানের পথ ছেড়ে দেওয়া হয় তবে আমি তাওয়াফ করব, আর যদি আমার ও এর মাঝে বাধা দেওয়া হয় তবে আমি তেমনই করব যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) করেছিলেন যখন আমি তাঁর সাথে ছিলাম।" অতঃপর তিনি যুল-হুলাইফা থেকে উমরার ইহরাম বাঁধলেন। এরপর কিছুক্ষণ পথ চললেন এবং বললেন: "উভয়টির (হজ ও উমরাহ) হুকুম তো একই। আমি আপনাদের সাক্ষী রাখছি যে আমি উমরার সাথে হজও ওয়াজিব করে নিয়েছি।" অতঃপর তিনি কুরবানির দিন পর্যন্ত এ দুটি থেকে হালাল (ইহরাম মুক্ত) হননি। তিনি বলতেন: "যে ব্যক্তি হজ ও উমরাহ একত্রে পালন করে এবং উভয়ের ইহরাম বাঁধে, সে কুরবানির দিন উভয়টি থেকে একত্রে হালাল হওয়ার আগে এবং তাওয়াফ করার আগে হালাল হবে না।"
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
طَوَافاً وَاحِداً بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ يَوْمَ يَدْخُلُ مَكَّةَ) . خ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ
54- وَأَنْبَا بِهِ زاهر بن أحمد، أبنأ الحسين بن عبد الملك، أنبا إبراهيم بن منصور، أَنْبَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ أَخْبَرَاهُ أَنَّهُمَا كَلَّمَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ رضي الله عنهما لَيَالِىَ نَزَلَ الْجَيْشُ بِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقَالَا لَا يَضُرُّكَ أَنْ لَا تَحُجَّ الْعَامَ، وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ يُحَالَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْبَيْتِ. فَقَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَالَ كُفَّارُ قُرَيْشٍ دُونَ الْبَيْتِ، فَنَحَرَ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم هَدْيَهُ، وَحَلَقَ رَأْسَهُ، وَأُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ أَوْجَبْتُ الْعُمْرَةَ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْطَلِقُ، فَإِنْ خُلِّىَ بَيْنِى وَبَيْنَ الْبَيْتِ طُفْتُ، وَإِنْ حِيلَ بَيْنِى وَبَيْنَهُ فَعَلْتُ كَمَا فَعَلَ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَعَهُ. فَأَهَلَّ بِالْعُمْرَةِ مِنْ ذِى الْحُلَيْفَةِ، ثُمَّ سَارَ سَاعَةً، ثُمَّ قَالَ «إِنَّمَا شَأْنُهُمَا وَاحِدٌ، أُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ أَوْجَبْتُ حَجَّةً مَعَ عُمْرَتِى» . فَلَمْ يَحِلَّ مِنْهُمَا حَتَّى حَلَّ يَوْمَ النَّحْرِ، وَأَهْدَى، وَكَانَ يَقُولُ لَا يَحِلُّ حَتَّى يَطُوفَ طَوَافاً وَاحِداً يَوْمَ يَدْخُلُ مَكَّةَ) (1)
ق 10 (ب)
الثالث: عبد الله بن عمرو أبو معمر
--------------------------------------------
(মক্কায় প্রবেশের দিনে বাইতুল্লাহ এবং সাফা ও মারওয়ায় একবার তাওয়াফ।) [বুখারি, আব্দুল্লাহ থেকে]
৫৪- জাহির ইবনে আহমদ আমাদের এই সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন ইবনে আব্দুল মালিক তাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে মনসুর তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে আলী তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসমা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, জুওয়াইরিয়াহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে যে, উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ এবং সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ তাকে জানিয়েছেন যে, তারা উভয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে সেই রাতগুলোতে কথা বলেছিলেন যখন ইবনে যুবায়রের (বিরুদ্ধে) সৈন্যদল অবতরণ করেছিল। তারা বললেন, ‘এই বছর আপনি হজ্জ না করলে আপনার কোনো ক্ষতি হবে না। আমরা আশঙ্কা করছি যে, আপনার এবং বাইতুল্লাহর মাঝে বাধা সৃষ্টি করা হবে।’ তখন তিনি বললেন, ‘আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বের হয়েছিলাম, তখন কুরাইশ কাফিররা বাইতুল্লাহর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাদঈ (কুরবানির পশু) যবেহ করলেন এবং মাথা মুণ্ডন করলেন। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি উমরাহ নিজের ওপর আবশ্যক করে নিলাম। ইনশাআল্লাহ আমি রওয়ানা হবো; যদি আমার এবং বাইতুল্লাহর মাঝে পথ খোলা রাখা হয় তবে আমি তাওয়াফ করব, আর যদি আমার এবং তার মাঝে বাধা সৃষ্টি করা হয় তবে আমি তেমনই করব যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন যখন আমি তাঁর সাথে ছিলাম।’ অতঃপর তিনি যুল-হুলাইফা থেকে উমরার ইহরাম বাঁধলেন। কিছুক্ষণ পথ চলার পর তিনি বললেন, ‘এই দুইটির বিধান তো একই। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি উমরার সাথে হজ্জও আবশ্যক করে নিলাম।’ এরপর কুরবানির দিন না আসা পর্যন্ত তিনি ইহরাম মুক্ত হননি এবং তিনি হাদঈ পেশ করেছিলেন। তিনি বলতেন, ‘মক্কায় প্রবেশের দিনে একবার তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ ইহরাম মুক্ত হবে না।’
পাতা ১০ (খ)
তৃতীয়: আব্দুল্লাহ ইবনে আমর আবু মা’মার
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
55- أخبرنا أبو جعفر محمد بن جعفر الصَّيْدَلانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الحَدَادُ وأنت حاضر، أنبا أبو نعيم أحمد بن عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَنْبَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جعفر بن فارس، ثنا أبو بشر إسماعيل بن عبد الله سَمُّوَيْهِ، ثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، ثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ الحُسَيْنٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِى كَثِيرٍ، حَدَّثِنِى مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ حَدَّثَهُ: أَنَّهُ كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أُنَاسٍ خُصُومَةٌ فِي أَرْضٍ وَأَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها، فَذَكَرت ذَلِكَ لَهَا فَقَالَتْ: يَا أَبَا سَلَمَةَ اجْتَنِبِ الأَرْضَ، فَإِنَّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (مَنْ ظَلَمَ قِيدَ شِبْرٍ مِنَ الأَرْضِ طُوِّقَهُ اللَّهُ مِنْ سَبْعِ أَرَضِينَ) . خ عَنْهُ مِثْلَهُ بِمَعْنَاهُ
56- أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ هَذَا بقراءتي عليه قلت له: أخبركم أُمُّ إِبْرَاهِيمَ الْجَوْزِدَانِيَّةُ قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَنْبَا مُحَمَّدُ بن عبد الله، أنبا سليمان بن أحمد، ثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الرَّقِّيُّ، ثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ الْمُقْعَدُ، ثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ حُسَيْنِ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ بُريدة، عَنْ عَبْدُ اللَّهِ الْمُزَنِىُّ أَنَّ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (صَلُّوا قَبْلَ صَلَاةِ الْمَغْرِبِ ثم قَالَ: لِمَنْ شَاءَ. خشية أَنْ يَحسبهَا النَّاسُ سُنَّةً) خ عَنْهُ
57- وَبِهِ أَنْبَا سُلَيْمَانُ بن أحمد، ثنا علي بن عبد العزيز، ثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ الْمُقْعَدُ، ثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنِ الْحُسَيْنِ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُريدة، عَنْ عَبْدُ اللَّهِ بن مغفل قَالَ: قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (لا تقولوا (1) للعشاء العتمة لَا تَغْلِبَنَّكُمُ الأَعْرَابُ فتسمي العشاء العتمة) . خ عنه.
58- أخبرنا (2) الْمَعَالِي قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ قِيلَ لَهُ: أخبركم محمد بن (3) الحسن (4) ثنا محمد بن غالب، ثنا أبو معمر (5)
--------------------------------------------
৫৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জাফর আস-সাইদালানী, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হাসান আল-হাদ্দাদ এবং আপনি উপস্থিত ছিলেন, সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাফিজ, সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে ফারিস, বর্ণনা করেছেন আবু বিশর ইসমাইল ইবনে আবদুল্লাহ সাম্মুওয়াইহ, বর্ণনা করেছেন আবু মা’মার আবদুল্লাহ ইবনে আমর, বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়ারিস, হুসাইন থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, যে আবু সালামাহ তাকে বর্ণনা করেছেন: তাঁর এবং কিছু লোকের মাঝে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল, তখন তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলেন এবং তাঁর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন। আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বললেন: হে আবু সালামাহ, জমি (অন্যায়ভাবে দখল) থেকে বেঁচে থাকো, কেননা রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: "যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করবে, আল্লাহ তাকে সাত স্তবক জমিন দ্বারা বেড়ি পরিয়ে দেবেন।" বুখারী তাঁর থেকে অনুরূপ অর্থসহ এটি বর্ণনা করেছেন।
৫৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এই আবু জাফর, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মু ইবরাহিম আল-জাওযিদানিয়াহ তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ, সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমাদ, বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে উমর আর-রাক্কী, বর্ণনা করেছেন আবু মা’মার আল-মুকা’দ, বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়ারিস, হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ আল-মুযানী থেকে যে, নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: "তোমরা মাগরিবের সালাতের পূর্বে সালাত আদায় করো।" অতঃপর তিনি বললেন: "যার ইচ্ছা—এই ভয়ে যে মানুষ একে সুন্নাত (অপরিহার্য নিয়ম) হিসেবে গণ্য করে নেবে।" বুখারী এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
৫৭- এবং তাঁর সূত্রেই সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমাদ, বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আবদুল আজীজ, বর্ণনা করেছেন আবু মা’মার আল-মুকা’দ, বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়ারিস, হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: "তোমরা এশার সালাতকে ‘আতামাহ’ বলো না। বেদুঈনরা যেন তোমাদের ওপর প্রবল হয়ে এই নামটির পরিবর্তন না ঘটায়, ফলে তারা এশাকে ‘আতামাহ’ বলে ডাকবে।" বুখারী এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
৫৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মাআলী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমরা শুনছিলাম, তাঁকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে (৩) আল-হাসান (৪), বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে গালিব, বর্ণনা করেছেন আবু মা’মার (৫)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
ق 11 (ب)
الرابع: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْحُمَيْدِيُّ
59- أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَخْرِ أَسْعَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ رَوْحٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنْبَا أَبُو بَكْرِ بن رِيذَةَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنْبَا الطَّبَرَانِيُّ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الْحُمَيْدِىُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، ومَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلُ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ جَرِيرٍ قَالَ: (كُنَّا عِنْدَ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم لَيْلَة أَرْبَعَ عَشْرَةَ مِنَ الشَّهْرِ، فَقَالَ: أَتَرَوْنَ هَذَا الْقَمَرَ فإِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا الْقَمَرَ لَا تُضَامُّونَ فِى رُؤْيَتِهِ، فَمنِ اسْتَطَاع مِنْكُمْ فلَا يُغْلَبُن عَلَى صَلَاةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا) . أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ بمعناه عن الحميدي عن مروان (1) .
60- أَخْبَرَنَا أَسْعَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ رَوْحٍ، أَنْبَا فاطمة الجوزدانية، أنبا أبو بكر بن ريذة، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الْحُمَيْدِىُّ، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ: سَمِعْتُ الزُّهْرِىَّ يُحَدِّثُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ (أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِى الْمَغْرِبِ بِالطُّورِ) . خ عن الحميدي.
--------------------------------------------
পৃষ্ঠা ১১ (খ)
চতুর্থ: আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর আল-হুমাইদি
৫৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাখর আস'আদ বিন সাঈদ বিন মাহমুদ বিন রাওহ, আসফাহানে তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁকে বলা হলো: আপনাদের অবহিত করেছেন ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ, (তিনি বলেন) আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর বিন রীজাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ, (তিনি বলেন) আমাদের অবহিত করেছেন আত-তাবারানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-হুমাইদি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান এবং মারওয়ান বিন মুআবিয়া আল-ফাজারি, ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়স থেকে, তিনি জারির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (আমরা মাসের চৌদ্দ তারিখের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম। তখন তিনি বললেন: তোমরা কি এই চাঁদটিকে দেখছ? নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে যেমন তোমরা এই চাঁদকে দেখছ; তাঁকে দেখার ক্ষেত্রে তোমরা কোনো ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্যাস্তের আগের সালাতে পরাজিত না হতে সক্ষম হয়, সে যেন তা করে।) এটি বুখারি আল-হুমাইদি থেকে মারওয়ানের সূত্রে সমার্থে বর্ণনা করেছেন।
৬০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস'আদ বিন সাঈদ বিন রাওহ, আমাদের অবহিত করেছেন ফাতিমা আল-জাওজদানিয়া, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর বিন রীজাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুলায়মান বিন আহমদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-হুমাইদি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, তিনি বলেন: আমি আয-যুহরিকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবায়ের বিন মুত'ইম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, (তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের সালাতে সূরা আত-তুর পাঠ করতে শুনেছেন।) ইমাম বুখারি এটি আল-হুমাইদি থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
61- أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرِ سِبْطِ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ أُمُّ إِبْرَاهِيمَ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَنْبَا محمد بن عبد الله، أنبا الطبراني، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الْحُمَيْدِىُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِى خَالِدٍ، عَنْ قَيْسٌ بْنِ أَبِي حَازِمٍ قَالَ: أتيْنَا خَبَّاباً نَعُودُهُ وَقَدِ اكْتَوَى فِى بَطْنِهِ سَبْعاً، فَقَالَ: (لَوَلَا أَنَّ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ نَدْعُوَ بِالْمَوْتِ لَدَعَوْتُ بِهِ ثُمَّ ذَكَرَ مَنْ مَضَى مِنْ أَصْحَابِهِ أَنَّهُمْ مَضَوْا وَلَمْ يَأْكُلُوا مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَإِنَّا بَقِينَا بَعْدَهُمْ حَتَّى نِلْنَا مِنَ الدُّنْيَا مَا لَا يَدْرِى أَحَدُنَا
ق12 (أ)
مَا يَصْنَعُ بِهِ إِلَاّ أَنْ يُنْفِقُهُ فِى التُّرَابِ وَإِنَّ الْمُسْلِمَ ليُؤْجَرُ فِى كُلِّ شَىْءٍ أنفقه إِلَاّ فِيمَا أَنْفَقَه فِى التُّرَابِ) أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْهُ بِمَعْنَاهُ.
৬১- আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নাসর সিবত হুসাইন বিন আব্দুল মালিক ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁকে বলেছি: উম্মু ইবরাহিম ফাতিমা বিনতু আব্দুল্লাহ তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুমাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন আবি খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাইস বিন আবি হাজিম থেকে, তিনি বলেন: আমরা খাব্বাবকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে গেলাম, এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর পেটে সাতটি দাগ (চিকিৎসার সেঁক) লাগিয়েছিলেন। তিনি বললেন: (যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মৃত্যুর জন্য দোয়া করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি অবশ্যই তা করতাম। অতঃপর তিনি তাঁর সেই সকল সঙ্গীদের কথা উল্লেখ করলেন যারা গত হয়ে গেছেন এবং তাঁরা তাঁদের প্রতিদানের কিছুই দুনিয়াতে ভোগ করেননি। আর আমরা তাঁদের পরে অবশিষ্ট রয়েছি এবং দুনিয়া থেকে এত কিছু লাভ করেছি যা আমাদের কেউ জানে না
পৃষ্ঠা ১২ (ক)
সে তা নিয়ে কী করবে, কেবল তা মাটিতে (নির্মাণ কাজে) ব্যয় করা ছাড়া। আর নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তি তার প্রতিটি ব্যয়ের জন্য প্রতিদান লাভ করে, কেবল যা সে মাটিতে ব্যয় করে তা ছাড়া।) ইমাম বুখারী এটি তাঁর থেকে সমার্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
62- أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، أَنْبَا مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّيْرَفِيُّ وَأَنَا حَاضِرٌ، أَنْبَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فَاذشَاهْ، أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الْحُمَيْدِىُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، ثَنَا عَمْرٌو بْنُ دِينَارٍ قَالَ: سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يُحَدِّثُ، إِنَّ نَبِىَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (إِذَا قَضَى اللَّهُ الأَمْرَ فِى السَّمَاءِ ضَرَبَتِ الْمَلَائِكَةُ بِأَجْنِحَتِهِا تَصْدِيقًا لِقَوْلِهِ كَأَنَّهُ سِلْسِلَةٌ عَلَى صَفْوَانٍ فَإِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ قَالُوا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ، قَالُوا الْحَقَّ وَهُوَ الْعَلِىُّ الْكَبِيرُ فَيَشْهَدُهَا مُسْتَرِقُ السَّمْعِ، وَمُسْتَرِقي السَّمْعِ هَكَذَا بَعْضُهُم فَوْقَ بَعْضٍ، قَالَ: فَيَسْمَعُ الْكَلِمَةَ، فَيُلْقِيهَا إِلَى مَنْ تَحْتَهُ ثُمَّ يُلْقِيهَا الآخَرُ إِلَى مَنْ تَحْتَهُ، حَتَّى يُلْقِيَهَا عَلَى لِسَانِ السَّاحِرِ أَوِ الْكَاهِنِ، فَرُبَّمَا أَدْرَكَ الشِّهَابُ قَبْلَ أَنْ يُلْقِيَهَا، وَرُبَّمَا أَلْقَاهَا قَبْلَ أَنْ يُدْرِكَهُ، فَيَكْذِبُ مَعَهَا مِائَةَ كَذْبَةٍ، فَيُقَالُ أَلَيْسَ قَدْ قَالَ لَنَا يَوْمَ كَذَا وَكَذَا كَذَا وَكَذَا للْكَلِمَةِ الَّتِى سُمِعَت مِنَ السَّمَاءِ) .خ عن الحميدي
63- وبه ثنا الْحُمَيْدِىُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ عَمْرٌو بْنُ دِينَارٍ، عَنِ عَطَاءً، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: (إِنَّمَا سَعَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِيُرِىَ الْمُشْرِكِينَ قُوَّتَهُ) . خ عن الحميدي
৬২- আবু জাফর আস-সায়দালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, মাহমুদ বিন ইসমাঈল আস-সাইরাফি আমাদের জানিয়েছেন এবং আমি উপস্থিত ছিলাম, আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ফাদশাহ আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুমাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দিনার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইকরিমাহকে বলতে শুনেছি: আমি আবু হুরাইরাহকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (যখন আল্লাহ আকাশে কোনো ফয়সালা করেন, তখন ফেরেশতাগণ তাঁর নির্দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে নিজেদের ডানা ঝাপটান, যা মসৃণ পাথরের ওপর শেকলের আওয়াজের মতো মনে হয়। যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় দূর করা হয়, তখন তারা একে অপরকে জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের প্রতিপালক কী বলেছেন? তারা বলেন, সত্য বলেছেন এবং তিনি সুউচ্চ, সুমহান। তখন আড়িপাতা শয়তানরা তা শোনে, আর আড়িপাতা শয়তানরা একে অপরের ওপর এভাবে স্তরে স্তরে থাকে। বর্ণনাকারী বলেন: সে একটি কথা শোনে এবং তার নিচের জনকে পৌঁছে দেয়, অতঃপর পরবর্তী জন তার নিচের জনকে পৌঁছে দেয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো জাদুকর বা গণকের মুখে পৌঁছে যায়। কখনও কথাটি পৌঁছে দেওয়ার আগেই অগ্নিপিণ্ড তাকে ধরে ফেলে, আবার কখনও তাকে ধরার আগেই সে তা পৌঁছে দেয়; অতঃপর সে তার সাথে শতটি মিথ্যা যুক্ত করে। তখন বলা হয়, সে কি অমুক অমুক দিন আমাদের এই এই কথা বলেনি? ফলে আকাশ থেকে শোনা সেই সত্য কথাটির কারণে মানুষ তার ওপর আস্থা রাখে)। বুখারি, আল-হুমাইদি থেকে।
৬৩- এবং একই সূত্রে আল-হুমাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল মুশরিকদের নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য সাফা ও মারওয়ার মাঝে দ্রুতপদে চলেছেন)। বুখারি, আল-হুমাইদি থেকে।
(খণ্ড: ১)
আর-রুওয়াতুল আরবাআতা আশারা - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
64- أخبرنا أبو جعفر، أنبأ محمود، أنبأ أحمد، أَنْبَا سُلَيْمَانُ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الْحُمَيْدِىُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، أَخْبَرَنِى أَبِى، أَنه سَمِعَ أَسْمَاءُ بِنْتَ أَبِى بَكْرٍ أَنَّهَا قَالَتْ: (يا رسول الله أَتَتْنِى أُمِّى رَاغِبَةً مُشْرِكَةٌ فِى عَهْدِ قُرَيْشٍ فَقَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: صِلِيها) . خ عنه.
حديث من حديث عبد الله بن (1) أظن أن هذا من حديث عبد الله بن (2)
وحديث في عبد الله بن زمعة
65- وَبِهِ ثَنَا سُلَيْمَانُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، ثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنَ زَمْعَةَ، أَنَّ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (لَا يَجْلِدُ أَحَدُكُمُ امْرَأَتَهُ جَلْدَ الْعَبْدِ، ثُمَّ يُجَامِعُهَا فِى آخِرِ الْيَوْمِ)
66- وبه ثنا سليمان، بشر بن موسى، ثنا الحميدي، ثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عبد الله بن زمعة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله. رواه خ عن الحميدي.
ق 12 (ب)
الخامس: عبد الله بن يوسف شيخ البخاري
--------------------------------------------
৬৪- আবু জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মাহমুদ আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ আমাদের জানিয়েছেন, সুলায়মান আমাদের জানিয়েছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হুমায়দী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি আসমা বিনতে আবু বকর-কে বলতে শুনেছেন: (হে আল্লাহর রাসূল, কুরাইশদের [চুক্তি] চলাকালীন সময়ে আমার মা মুশরিকা অবস্থায় কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমার নিকট এসেছেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি তাঁর সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখো)। ইমাম বুখারী এটি তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
আবদুল্লাহ বিন (১)-এর হাদীস হতে, আমি মনে করি এটি আবদুল্লাহ বিন (২)-এর হাদীস হতে।
এবং একটি হাদীস আবদুল্লাহ বিন জামআ সম্পর্কে।
৬৫- এবং একই সূত্রে সুলায়মান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আবি মারিয়াম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন জামআ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (তোমাদের কেউ যেন তার স্ত্রীকে দাসের ন্যায় বেত্রাঘাত না করে, অতঃপর দিনের শেষে তার সাথে সহবাস করে)।
৬৬- এবং একই সূত্রে সুলায়মান, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হুমায়দী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল আজিজ বিন আবি হাযিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন জামআ থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এটি আল-হুমায়দী থেকে বর্ণনা করেছেন।
পৃষ্ঠা ১২ (খ)
পঞ্চম: আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ, ইমাম বুখারীর উস্তাদ।
--------------------------------------------