(খণ্ড: ১)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: -)
صفة الجنة لأبي نعيم الأصبهاني (أبو نعيم الأصبهاني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: صفة الجنة
المؤلف: أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى بن مهران الأصبهاني (ت 430هـ)
المحقق: علي رضا عبد الله
الناشر: دار المأمون للتراث - دمشق / سوريا
عدد الأجزاء: 3×2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু নুআইম আল-আসবাহানী রচিত জান্নাতের বিবরণ (আবু নুআইম আল-আসবাহানী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: জান্নাতের বিবরণ
লেখক: আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন মুসা বিন মিহরান আল-আসবাহানী (মৃত্যু ৪৩০ হিজরী)
মুহাক্কিক: আলী রেজা আব্দুল্লাহ
প্রকাশক: দারুল মামুন লিত-তুরাহ - দামেস্ক / সিরিয়া
খণ্ড সংখ্যা: ৩×২
[কিতাবের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
صِفَةُ الْجَنَّةِ لِأَبِي نُعَيْمٍ الْأَصْبهَانِيِّبِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَامِلُ بَقِيَّةُ السَّلَفِ طِرَازُ الْخَلَفِ مُسْنِدُ الشَّامِ رِحْلَةُ الْوَقْتِ فَخْرُ الدِّينِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَقْدُوسِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ اللَّبَّانُ فِي كِتَابِهِ إِلَيْنَا مِنْ أَصْبَهَانَ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ وَفِيهَا مَاتَ أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ الْحَسَنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادَ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي صَفَرٍ سَنَةَ عَشْرٍ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْتَمِعُ سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الْمَشْكُورِ عَلَى مَا أَعْطَى، وَالْمُجَابِ إِلَى مَا دَعَا، وَالْمَرْغُوبِ فِيمَا رَغَّبَ فِيهِ وَمَنَّى، أَعْطَانَا التَّوْحِيدَ بِتَعَرُّفِهِ إِلَيْنَا، وَأَجَبْنَا إِلَى طَاعَتِهِ بِتَوْفِيقِهِ لَنَا، وَرَغَّبَنَا فِي كَرَامَتِهِ وَجَنَّتِهِ بَعْدَ أَنْ حَلَّاهَا لَنَا وَرَغَّبَنَا فِيهَا، فَهُوَ السَّلَامُ، وَدَارُهُ دَارُ السَّلَامِ، وَالسَّلَامُ مَنْ سَارَعَ إِلَى طَاعَتِهِ، وَسَابَقَ إِلَى مَرْضَاتِهِ لِيَحْظَى بِدُخُولِ دَارِهِ الَّتِي يٌؤْمَنُ فِيهَا مِنَ الْآفَاتِ، وَيُسْلَمُ فِيهَا مِنَ الْعَاهَاتِ، الَّتِي مَنْ دَخَلَهَا أَمِنْ مِنَ الْبَوَارِ، وَسَلِمَ مِنَ الدَّمَارِ، وَحَظِيَ بِجِوَارِ الْمُنْعِمِ الْجَبَّارِ،
আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি রচিত জান্নাতের বিবরণপরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, আমলকারী, পূর্বসূরিদের অবশিষ্টাংশ, উত্তরসূরিদের অলঙ্কার, সিরিয়ার মুসনিদ, সমসাময়িক পর্যটক, ফখরুদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমদ আল-মাকদিসি, ৬৮৮ হিজরি সালে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু আল-মাকারিম আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-লাব্বান, ৫৯৭ হিজরি সালে আসফাহান থেকে আমাদের কাছে লিখিত পত্রে—এবং সেই বছরই তিনি ইন্তেকাল করেন—নিশ্চয়ই আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ ৫১০ হিজরি সালের সফর মাসে তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইসহাক, ৪২৬ হিজরি সালে তাঁর সামনে পাঠকালে আমরা তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি যা দান করেছেন তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতাভাজন, যাঁর আহ্বানে সাড়া দেওয়া হয়েছে, এবং তিনি যাতে আগ্রহী করেছেন ও আকাঙ্ক্ষা জাগিয়েছেন তাতে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আমাদের নিকট তাঁর পরিচয় প্রদানের মাধ্যমে আমাদের তাওহীদ দান করেছেন, এবং আমাদের তাওফিক প্রদানের মাধ্যমে আমরা তাঁর আনুগত্যের ডাকে সাড়া দিয়েছি। তিনি আমাদের নিকট তাঁর জান্নাত ও সম্মানকে সুশোভিত করার পর তাতে আমাদের আগ্রহী ও উৎসাহিত করেছেন। সুতরাং তিনিই শান্তি (আস-সালাম), এবং তাঁর গৃহই শান্তির গৃহ (দারুস সালাম); আর শান্তি তার জন্য, যে তাঁর আনুগত্যের দিকে দ্রুত ধাবিত হয় এবং তাঁর সন্তুষ্টির দিকে প্রতিযোগিতা করে যাতে সে তাঁর সেই গৃহে প্রবেশের সৌভাগ্য লাভ করতে পারে, যেখানে সকল বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায় এবং সকল প্রকার রোগ-ব্যাধি ও ত্রুটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যে ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করবে সে ধ্বংস থেকে নিরাপদ থাকবে, বিনাশ থেকে রক্ষা পাবে এবং নিআমতদাতা পরাক্রমশালী আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য অর্জন করবে।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
ذِكْرُ تَحْثِيثِ اللَّهِ تَعَالَى عَلَى الْمُسَابِقِينَ إِلَى جَنَّتِهِ الْعَرِيضَةِ، وَسَاحَتِهِ الْفَسِيحَةِ، الَّتِي خَلَقَهَا عُدَّةً لِمَنْ وَحَّدَهُ، وَأَلْقَى الشِّرْكَ وَعَبَدَهُ" قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {وَسَارِعُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ} [سورة:] ، وَقَالَ: {سَابِقُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أُعِدَّتْ لِلَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ} [الحديد: 21]
মহান আল্লাহ তাঁর প্রশস্ত জান্নাত ও উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের দিকে যারা অগ্রগামী হয়, তাদের প্রতি তাঁর উৎসাহ প্রদানের বিবরণ; যা তিনি তাদের জন্য পাথেয় হিসেবে সৃষ্টি করেছেন যারা তাঁর একত্ববাদে বিশ্বাস করেছে, শিরক বর্জন করেছে এবং তাঁর ইবাদত করেছে।" মহান আল্লাহ বলেন: {আর তোমরা তোমাদের রবের ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে দ্রুত ধাবিত হও যার প্রশস্ততা আসমান ও জমিনসমূহের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে} [সূরা:], এবং তিনি বলেন: {তোমরা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং এমন এক জান্নাতের দিকে অগ্রগামী হও যার প্রশস্ততা আসমান ও জমিনের প্রশস্ততার মতো, যা প্রস্তুত করা হয়েছে তাদের জন্য যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন} [আল-হাদিদ: ২১]
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
1 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَا: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلَّامٍ الطَّرْسُوسِيُّ، وَحَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْيَقْطِينِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، ثنا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، ثنا رَيْحَانُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا عَبَّادُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ عَطِيَّةَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَبِيعَةَ الْجُرَشِيَّ، يَقُولُ: أُتِيَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم فَقِيلَ لَهُ: لِتَنَمْ عَيْنَاكَ وَلْتَسْمَعْ أُذُنَاكَ، وَلْيَعْقِلْ قَلْبُكَ، فَنَامَتْ عَيْنَايَ، وَسَمِعَتْ أُذُنَايَ، وَعَقَلَ قَلْبِي فَقِيلَ: إِنَّ سَيِّدًا بَنَى دَارًا وَصَنَعَ مَأْدُبَةً، وَأَرْسَلَ دَاعِيًا، فَمَنْ أَجَابَ ⦗ص: 31⦘ الدَّاعِيَ دَخَلَ الدَّارَ، وَأَكَلَ مِنَ الْمَأْدُبَةِ وَرَضِيَ عَنْهُ السَّيِّدُ، وَمَنْ لَمْ يُجِبِ الدَّاعِيَ، لَمْ يَدْخُلِ الدَّارَ، وَلَمْ يَطْعَمْ مِنَ الْمَأْدُبَةِ، وَسَخِطَ عَلَيْهِ السَّيِّدُ، فَاللَّهُ السَّيِّدُ، وَمُحَمَّدٌ الدَّاعِي، وَالدَّارُ الْإِسْلَامُ، وَالْمَأْدُبَةُ الْجَنَّةُ
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ এবং সুলাইমান ইবনে আহমদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে সাল্লাম আত-তারসুসি; এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-ইয়াকতিনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল হামিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুজাহিদ ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাইহান ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনে মনসুর, আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাবিয়াহ আল-জুরাশিকে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসা হলো এবং তাঁকে বলা হলো: "আপনার চক্ষুদ্বয় ঘুমাক, আপনার কর্ণদ্বয় শ্রবণ করুক এবং আপনার অন্তর অনুধাবন করুক।" সুতরাং আমার চক্ষুদ্বয় ঘুমালো, আমার কর্ণদ্বয় শুনলো এবং আমার অন্তর অনুধাবন করলো। অতঃপর বলা হলো: "নিশ্চয়ই এক মালিক একটি ঘর নির্মাণ করেছেন এবং একটি ভোজের আয়োজন করেছেন, আর তিনি একজন আহ্বানকারী পাঠিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিল ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ সে ঘরে প্রবেশ করলো, ভোজ হতে আহার করলো এবং মালিক তার প্রতি সন্তুষ্ট হলেন। আর যে ব্যক্তি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিল না, সে ঘরে প্রবেশ করলো না, ভোজ হতে আহার করলো না এবং মালিক তার প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন। এখানে আল্লাহ হলেন সেই মালিক, মুহাম্মদ হলেন সেই আহ্বানকারী, ঘর হলো ইসলাম এবং ভোজ হলো জান্নাত।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
2 - حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ الْإِسْتِرَابَاذِيُّ، ثنا أَبُو نُعَيْمِ بْنُ عَدِيٍّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَنَاجِرِ، ثنا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: إِنَّ سَيِّدًا بَنَى دَارًا وَاتَّخَذَ مَأْدُبَةً وَبَعَثَ دَاعِيًا فَمَنْ أَجَابَ الدَّاعِيَ دَخَلَ الدَّارَ، وَأَكَلَ مِنَ الْمَأْدُبَةِ، وَأَرْضَى السَّيِّدَ، فَالسَّيِّدُ اللَّهُ، وَالدَّارُ الْإِسْلَامُ، وَالْمَأْدُبَةُ الْجَنَّةُ، وَالدَّاعِي مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাতিম আবদুস সামাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম আল-খতিব আল-ইসতিরাবাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম ইবন আদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আল-খানাজির, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবন দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই এক সর্দার একটি ঘর নির্মাণ করেছেন এবং ভোজের আয়োজন করেছেন এবং একজন আহ্বানকারী প্রেরণ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি আহ্বানকারীর আহ্বানে সাড়া দিল, সে ঘরে প্রবেশ করল, ভোজ হতে আহার করল এবং সর্দারকে সন্তুষ্ট করল। সেই সর্দার হলেন আল্লাহ, ঘর হলো ইসলাম, ভোজ হলো জান্নাত এবং আহ্বানকারী হলেন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম।”
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
قَوْلُهُ تَعَالَى: {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: 25]
আল্লাহ তাআলার বাণী: {এবং আল্লাহ শান্তির আবাসের দিকে আহ্বান করেন} [ইউনুস: ২৫]
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا إِسْحَاقُ الْحَرْبِيُّ، ثنا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ ثنا شَيْبَانُ ، عَنْ قَتَادَةَ، {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: 25] قَالَ: ذُكِرَ لَنَا أَنَّ فِي التَّوْرَاةِ مَكْتُوبًا: يَا بَاغِيَ الْخَيْرِ هَلُمَّ، وَيَا فَاعِلَ الشَّرِّ أَمْسِكْ
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবন আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক আল-হারবী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান, তিনি কাতাদাহ হতে বর্ণনা করেন, {আর আল্লাহ শান্তির আবাসের দিকে আহ্বান করেন} [ইউনুস: ২৫] তিনি বলেন: আমাদের নিকট উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাওরাতে লিখিত রয়েছে: হে কল্যাণের অন্বেষী, এগিয়ে এসো; আর হে মন্দের কর্তা, বিরত থাকো।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا عَبْدُ ⦗ص: 35⦘ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ قَتَادَةَ: {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: 25] قَالَ: اللَّهُ هُوَ السَّلَامُ وَدَارُهُ الْجَنَّةُ
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ রাজ্জাক, মা’মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন: {আর আল্লাহ শান্তির আবাসের দিকে আহ্বান করেন} [ইউনুস: ২৫]। তিনি বলেন: আল্লাহই হলেন আস-সালাম (শান্তি) এবং তাঁর আবাস হলো জান্নাত।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ أَبَانَ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ الْإِيَادِيُّ ، حَدَّثَنِي أَبُو عَقِيلٍ بَشِيرُ بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ: كَانَ الْحَسَنُ إِذَا قَرَأَ {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: 25] قَالَ: لِسَيِّدِي رَبَّنَا وَسَعْدَيْكَ
৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ বিন আবান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল বিন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন নাসর বিন আলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর বিন উসমান আল-ইয়াদী, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আকীল বশীর বিন উকবাহ, তিনি বলেন: হাসান যখন পাঠ করতেন {আর আল্লাহ শান্তির আবাসের দিকে আহ্বান করেন} [ইউনুস: ২৫], তখন তিনি বলতেন: "হে আমার মনিব, আমাদের প্রতিপালক! আমি আপনারই সমীপে উপস্থিত ও আপনার আদেশ পালনে সদা প্রস্তুত।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
6 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ فَرَجٍ، ثنا أَبُو عُمَرَ حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ، عَنِ الْكَلْبِيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: 25] يَقُولُ: يَدْعُو إِلَى عَمَلِ الْجَنَّةِ، وَاللَّهُ السَّلَامُ، وَالْجَنَّةُ دَارُهُ
৬ - ইবরাহীম ইবনে আহমদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে ফরাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু উমর হাফস ইবনে উমর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি কালবী থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: {আর আল্লাহ শান্তির আবাসের দিকে আহ্বান করেন} [ইউনুস: ২৫]; তিনি বলেন: তিনি জান্নাতের আমলের দিকে আহ্বান করেন, আর আল্লাহ হলেন আস-সালাম (শান্তি), এবং জান্নাত হলো তাঁর আবাস।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
7 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ، ثنا عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ ⦗ص: 36⦘ سَعِيدٍ، ثنا مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَنْ مُقَاتِلٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَوْلُهُ: {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: 25] يُرِيدُ الْجَنَّةَ
৭ - আমাদের নিকট সুলায়মান বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বাকর বিন সাহল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুল গানি বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মূসা বিন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে জুরাইজ হতে, তিনি আতা হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে; এবং মুকাতিল হতে, তিনি দাহহাক হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর বাণী: {আর আল্লাহ শান্তির আবাসের দিকে আহ্বান করেন} [ইউনুস: ২৫], এর দ্বারা জান্নাতকে বোঝানো হয়েছে।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
ذِكْرُ جَنَّاتِ عَدْنٍ وَأَنَّهَا دَارُ الرَّحْمَنِ وَالْجِنَانُ حَوْلَهَا
আদন জান্নাতসমূহের বর্ণনা এবং তা যে রহমানের আবাসস্থল এবং অন্যান্য জান্নাতসমূহ এর চারপাশে অবস্থিত তার বিবরণ
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، وَثَنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَخْلَدٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْهَيْثَمِ، ثنا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسَ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا مُطَّلِبُ بْنُ شُعَيْبٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي زِيَادَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ، ح وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَبُو الزِّنْبَاعِ، ثنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَهْلٍ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ شَاكِرٍ الْغَافِقِيُّ، ثنا عَلَّانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، ثنا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسَ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زِيَادَةَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ، يَنْزِلُ اللَّهُ تَعَالَى فِي السَّاعَةِ الثَّانِيَةِ مِنَ اللَّيْلِ إِلَى عَدْنٍ، وَهِيَ دَارُهُ الَّتِي ⦗ص: 37⦘ لَمْ تَرَهَا عَيْنٌ وَلَمْ يَخْطُرْ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ، وَهِيَ مَسْكَنُهُ وَلَا يَسْكُنُهَا مَعَهُ مِنْ بَنِي آدَمَ غَيْرُ ثَلَاثَةٍ، النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ ثُمَّ يَقُولُ: طُوبَى لِمَنْ دَخَلَكِ لَفْظُ آدَمَ
৮ - আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের বলেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের বলেছেন, এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে মাখলাদ আমাদের বলেছেন, ইবরাহীম ইবনুল হাইসাম আমাদের বলেছেন, আদম ইবনে আবি ইয়াস আমাদের বলেছেন, লাইস আমাকে বর্ণনা করেছেন; (এবং অন্য সূত্রে) সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুত্তালিব ইবনে শুআইব আমাদের বলেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের বলেছেন, লাইস ইবনে সাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, যিয়াদাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারী আমাকে বর্ণনা করেছেন; (এবং অন্য সূত্রে) সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যিনবা আমাদের বলেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের বলেছেন; (এবং অন্য সূত্রে) মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে শাকির আল-গাফেকি আমাদের বলেছেন, আল্লান ইবনুল মুগীরা আমাদের বলেছেন, আদম ইবনে আবি ইয়াস আমাদের বলেছেন, লাইস ইবনে সাদ যিয়াদাহ ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কাব আল-কুরাযী থেকে, তিনি ফাদালা ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহ রাতের দ্বিতীয় প্রহরে আদন-এ নেমে আসেন, আর এটি তাঁর এমন এক আলয় যা ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ কোনো চক্ষু দেখেনি এবং কোনো মানুষের হৃদয়ে তার কল্পনাও উদয় হয়নি; এটি তাঁর আবাসস্থল এবং আদম সন্তানদের মধ্য থেকে নবীগণ, সিদ্দীকগণ ও শহীদগণ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর সাথে সেখানে বসবাস করবে না। অতঃপর তিনি বলেন: যে তোমার মধ্যে প্রবেশ করেছে তার জন্য সুসংবাদ। এটি আদমের বর্ণিত শব্দ।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ الضُّرَيْسِ، عَنْ مِنْدَلٍ، عَنِ الْكَلْبِيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {جَنَّاتِ عَدْنٍ} [التوبة: 72] قَالَ: دَارُ الرَّحْمَنِ وَالْجَنَّاتُ حَوْلَهَا
৯ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আদ-দুরাইস মিন্দাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-কালবী থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: {আদন-এর জান্নাতসমূহ} [আত-তাওবাহ: ৭২] সম্পর্কে তিনি বলেছেন: এটি রহমানের আবাস এবং জান্নাতসমূহ এর চারপাশে অবস্থিত।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ الرَّازِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ دَاوُدَ، ثنا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، ثنا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي صَخْرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: " الْفِرْدَوْسُ مَنْزِلُ الْجَبَّارِ تَعَالَى، فَإِذَا نَظَرَ إِلَيْهَا قَرَأَ {قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ} [المؤمنون: 1] إِلَى قَوْلِهِ {الْوَارِثُونَ} [المؤمنون: 10] وَقَالَ: الرَّحْمَنُ تبارك وتعالى يَتْلُو ذَلِكَ كُلَّمَا نَظَرَ إِلَيْهَا مُذْ خَلَقَهَا
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আর-রাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি মারিয়াম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিআ, আবু সাখর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ফিরদাউস হলো পরাক্রমশালী মহান আল্লাহর আবাসস্থল। যখন তিনি তার দিকে দৃষ্টিপাত করেন, তখন তিনি পাঠ করেন {নিশ্চয় মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে} [মুমিনূন: ১] থেকে তাঁর এই কথা পর্যন্ত {উত্তরাধিকারীগণ} [মুমিনূন: ১০]। তিনি বলেন: দয়াময় বরকতময় ও মহান আল্লাহ যখন থেকে এটি সৃষ্টি করেছেন, যখনই এর দিকে দৃষ্টিপাত করেন তখনই এটি তিলাওয়াত করেন।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
11 - حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ بَشِيرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ سَمُرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: الْفِرْدَوْسُ رَبْوَةُ الْجَنَّةِ، وَهِيَ أَوْسَطُهَا وَأَحْسَنُهَا
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাকাম ইবনে মূসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম, তিনি সাঈদ ইবনে বাশীর হতে, তিনি কাতাদাহ হতে, তিনি হাসান হতে, তিনি সামুরাহ (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ফিরদাউস হলো জান্নাতের উচ্চভূমি, আর এটি তার মধ্যবর্তী ও সর্বোত্তম অংশ।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَاسِيٍّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدَانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ عَمْرٍو الْأَوْدِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ الْخَفَّافِ، عَنِ الْأَصْبَغِ بْنِ نُبَاتَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا، رضي الله عنه يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم:، جَنَّةُ عَدْنٍ، قَضِيبٌ غَرَسَهُ اللَّهُ عز وجل بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ: كُنْ فَكَانَ
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মাসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে যাইদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে আমর আল-আওদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সিনান, আবু আল-আলা আল-খাফফাফ থেকে, তিনি আসবাঘ ইবনে নুবাতাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: জান্নাতে আদন হলো একটি চারা যা আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা আল্লাহর হাত দিয়ে রোপণ করেছেন, অতঃপর তিনি বললেন: হও, আর তা হয়ে গেল।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
ذِكْرُ الْأَرْضِ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لِلصَّالِحِينَ مِنْ عَبِيدِهِ مِيرَاثًا وَمَآبًا
সেই ভূমির আলোচনা যা আল্লাহ তাঁর পুণ্যবান বান্দাদের জন্য উত্তরাধিকার ও আবাসস্থল হিসেবে নির্ধারিত করেছেন
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
13 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ، ثنا عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَنْ مُقَاتِلٍ، وَعَنِ الضَّحَّاكِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: قَوْلُهُ عز وجل {أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ} [الأنبياء: 105] يَعْنِي، أَرْضَ الْجَنَّةِ
১৩ - আমাদের নিকট সুলায়মান ইবনে আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বকর ইবনে সহল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল গনি ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুসা ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে; এবং মুকাতিল থেকে, এবং দাহহাক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর বাণী {নিশ্চয়ই জমিনের উত্তরাধিকারী হবে আমার সৎকর্মশীল বান্দারা} [আল-আম্বিয়া: ১০৫] এর অর্থ হলো, জান্নাতের জমিন।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
14 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ، ثنا جَعْفَرٌ الْفِرْيَابِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، {أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ} [الأنبياء: 105] قَالَ: أَرْضُ الْجَنَّةِ
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর আল-ফিরইয়াবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, তিনি মানসুর থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে (বর্ণনা করেন), {নিশ্চয়ই যমীনের উত্তরাধিকারী হবে আমার সৎকর্মশীল বান্দারা} [আল-আম্বিয়া: ১০৫] এ বিষয়ে তিনি বলেন: (এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো) জান্নাতের ভূমি।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤١)
15 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، ثنا أَبُو يَحْيَى الرَّازِيُّ، ثنا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، {أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ} [الأنبياء: 105] قَالَ: أَرْضُ الْجَنَّةِ
১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, ইসমাইল হতে, তিনি আবু সালিহ হতে বর্ণনা করেন: {নিশ্চয়ই জমিনের উত্তরাধিকারী হবে আমার নেককার বান্দারা} [আল-আম্বিয়া: ১০৫]। তিনি বলেন: এটি হলো জান্নাতের জমিন।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤١)
ذِكْرُ خَلْقِ الْجَنَّةِ وَأَمْرِ اللَّهِ عز وجل إِيَّاهَا بَعْدَ الْخَلْقِ بِالْكَلَامِ
জান্নাত সৃষ্টির বর্ণনা এবং সৃষ্টির পর তাকে মহান আল্লাহর কথা বলার মাধ্যমে নির্দেশ প্রদানের বিবরণ
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤١)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ح وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْأَبَّارُ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الْيَقْطِينِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ الْمَنْبِجِيُّ، قَالُوا: ثنا هِشَامُ بْنُ خَالِدٍ الْأَزْرَقُ، ثنا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: ⦗ص: 42⦘ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَمَّا خَلَقَ جَنَّةَ عَدْنٍ، خَلَقَ فِيهَا مَالَا عَيْنٌ رَأَتْ وَلَا أُذُنٌ سَمِعَتْ، وَلَا خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ، ثُمَّ قَالَ لَهَا: تَكَلَّمِي، فَقَالَتْ {قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ} [المؤمنون: 1]
১৬ - আবু আমর ইবনে হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (অন্য সূত্রে) আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (অন্য সূত্রে) সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ ইবনে আলী আল-আব্বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (অন্য সূত্রে) আবু জাফর আল-ইয়াকতিনী মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ওমর ইবনে সাঈদ আল-মানবিজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে বলেছেন: হিশাম ইবনে খালিদ আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবনে জুরাইজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আতা-এর সূত্রে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘ নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন আদন জান্নাত সৃষ্টি করলেন, তখন তাতে এমন কিছু সৃষ্টি করলেন যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের হৃদয়ে যার কল্পনাও উদিত হয়নি। এরপর তিনি তাকে (জান্নাতকে) বললেন: কথা বলো। তখন সে বলল: {অবশ্যই মুমিনরা সফলকাম হয়েছে} [আল-মুমিনুন: ১]
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُعَاذٍ الْمُعَدِّلُ الْفَقِيهُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَمْدَانَ، ثنا يَحْيَى بْنُ مُعَلَّى بْنِ مَنْصُورٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادِ بْنِ ⦗ص: 44⦘ زبار الْكَلْبِيُّ، ثنا بِشْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: " لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ الْجَنَّةَ قَالَ لَهَا: انْطِقِي، فَقَالَتْ {قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ} [المؤمنون: 1]
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুয়াজ আল-মুয়াদ্দিল আল-ফকিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুআল্লা ইবনে মানসুর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ জাবার আল-কালবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনুল হুসাইন, সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "যখন আল্লাহ জান্নাত সৃষ্টি করলেন, তখন তাকে বললেন: কথা বলো। তখন সেটি বলল: {মুমিনগণ অবশ্যই সফলকাম হয়েছে} [সূরা আল-মুমিনুন: ১]।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَسَنٍ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى الْأَشْيَبُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بِزَّةَ ، عَنْ مُجَاهِدٍ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ عز وجل غَرَسَ جَنَّةَ عَدْنٍ بِيَدِهِ، ثُمَّ قَالَ حِينَ فَرَغَ مِنْهَا {قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ} [المؤمنون: 1] ثُمَّ أَغْلَقَهُ فَلَمْ يَدْخُلْهَا أَحَدٌ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَأْذَنَ فِي دُخُولِهَا، فَإِذَا كَانَ كُلَّ سَحَرٍ، فُتِحَتْ مَرَّةً ثُمَّ يُقَالُ عِنْدَ ذَلِكَ: {قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ} [المؤمنون: 1]
১৮ - মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে মুসা আল-আশইয়াব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনে আবি বাজযাহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী আদন জান্নাত আল্লাহর হাতে রোপণ করেছেন। অতঃপর যখন তিনি তা নির্মাণ সম্পন্ন করলেন, তখন বললেন: {অবশ্যই মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে} [আল-মুমিনুন: ১]। এরপর তিনি তা বন্ধ করে দিলেন, ফলে আল্লাহ যাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার ইচ্ছা করেন সে ব্যতীত আর কেউ তাতে প্রবেশ করতে পারেনি। অতঃপর প্রতি শেষ রাতে তা একবার খোলা হয় এবং তখন বলা হয়: {অবশ্যই মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে} [আল-মুমিনুন: ১]।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
19 - حَدَّثَنَا الطَّلْحِيُّ، ثنا حُسَيْنُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَتَّاتُ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ يَعِيشَ، ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ سَعْدٍ الطَّائِيِّ، قَالَ: أُخْبِرْتُ، أَنَّ اللَّهَ عز وجل لَمَّا خَلَقَ الْجَنَّةَ قَالَ لَهَا: تَزَيَّنِي، فَتَزَيَّنَتْ، ثُمَّ قَالَ لَهَا: تَكَلَّمِي فَقَالَتْ: طُوبَى لِمَنْ رَضِيتَ عَنْهُ
১৯ - আত-তালহী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন বিন জাফর আল-কাত্তাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদ বিন ইয়ায়িশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু নুমাইর এবং আবু উসামা ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সা'দ আত-তাঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে জানানো হয়েছে যে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ যখন জান্নাত সৃষ্টি করলেন, তখন তাকে বললেন: তুমি সুশোভিত হও, ফলে সে সুশোভিত হলো। এরপর তিনি তাকে বললেন: কথা বলো; তখন সে বলল: সেই ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ যার প্রতি আপনি সন্তুষ্ট হয়েছেন।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
20 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ نَازِكٍ التُّسْتَرِيُّ، ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى أَبُو غَسَّانَ السُّكَّرِيُّ الرَّازِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ عَبْدِ الْغَفَّارِ الْفُقَيْمِيُّ، ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ⦗ص: 46⦘ " يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى لِلْجَنَّةِ كُلَّ يَوْمٍ: طِيبِي لِأَهْلِكِ فَتَزْدَادُ طِيبًا فَذَلِكَ الْبَرْدُ الَّذِي يَجِدُهُ النَّاسُ بِالسَّحَرِ مِنْ ذَلِكَ
২০ - সুলাইমান ইবন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবন নাযিক আত-তুস্তারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবন মুসা আবু গাসসান আস-সুক্কারি আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবন আব্দুল গাফফার আল-ফুকাইমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ আবু সুফিয়ান হতে এবং তিনি জাবির হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ "মহান আল্লাহ প্রতিদিন জান্নাতকে বলেন: তোমার অধিবাসীদের জন্য সুগন্ধময় হয়ে ওঠো, ফলে তার সুগন্ধ আরও বৃদ্ধি পায়। শেষ রাতে মানুষ যে শীতলতা অনুভব করে, তা এরই অংশ।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى الْأَشْيَبُ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ كَعْبٍ، أَنَّهُ قَالَ: " مَا نَظَرَ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى الْجَنَّةِ قَطُّ إِلَّا قَالَ: طِيبِي لِأَهْلِكِ، قَالَ: فَزَادَتْ طِيبًا عَلَى مَا كَانَتْ حَتَّى يَدْخُلَهَا أَهْلُهَا
২১ - আবু আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবন মূসা আল-আশয়াব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবন আবি যিয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি কা'ব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "মহান আল্লাহ যখনই জান্নাতের দিকে দৃষ্টিপাত করেন, তখনই বলেন: 'তোমার অধিবাসীদের জন্য সুগন্ধময় হয়ে যাও'। তিনি বলেন: ফলে তা আগের তুলনায় আরও সুগন্ধময় হয়ে ওঠে, যতক্ষণ না তার অধিবাসীরা তাতে প্রবেশ করে।"
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
22 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا مُصْعَبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَمْزَةَ الزُّبَيْرِيُّ، ثنا أَبِي، ثنا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عِيسَى بْنِ مَاهَانَ، عَنِ ⦗ص: 47⦘ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم أَنَّهُ قَالَ: " سِرْتُ وَسَارَ مَعِي جِبْرِيلُ عليه السلام، فَأَتَيْنَا عَلَى وَادٍ، فَوَجَدْتُ رِيحًا طَيِّبَةً وَوَجَدْتُ رِيحَ الْمِسْكِ، وَسَمِعْتُ صَوْتًا فَقُلْتُ: يَا جِبْرِيلُ مَا هَذِهِ الرِّيحُ الْبَارِدَةُ الطَّيِّبَةُ ، وَرِيحُ الْمِسْكِ؟ ومَا هَذَا الصَّوْتُ؟ قَالَ: هَذَا صَوْتُ الْجَنَّةِ تَقُولُ: يَا رَبِّ أَهْنِنِي بِأَهْلِي وَمَا وَعَدْتَنِي فَقَدْ كَثُرَ حَرِيرِي، وَسُنْدُسِي، وَإِسْتَبْرَقِي، وَعَبْقَرِيِّي، وَلُؤْلُؤِي، وَمَرْجَانِي، وَفِضَّتِي، وَذَهَبِي وَأَبَارِيقِي، وَفَوَاكِهِي، وَعَسَلِي، وَمَائِي، فَآتِنِي مَا وَعَدْتَنِي قَالَ: لَكِ كُلُّ مُسْلِمٍ وَمُسْلِمَةٍ وَمُؤْمِنٍ وَمُؤْمِنَةٍ وَمَنْ آمَنَ بِي وَبِرُسُلِي وَعَمِلَ صَالِحًا، وَلَمْ يُشْرِكْ بِي شَيْئًا وَلَمْ يَتَّخِذْ مِنْ دُونِي أَنْدَادًا وَمَنْ خَشِيَنِي، وَمَنْ سَأَلَنِي أَعْطَيْتُهُ وَمَنْ أَقْرَضَنِي جَزَيْتُهُ، وَمَنْ تَوَكَّلَ عَلَيَّ كَفَيْتُهُ، أَنَا اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا، لَا أُخْلِفُ الْمِيعَادَ قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ، قَالَتْ: قَدْ رَضِيتُ وَرَوَاهُ يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ مِثْلَهُ
২২ - আমাদের নিকট সুলায়মান বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসআব বিন ইব্রাহিম বিন হামযাহ আল-যুবাইরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাতিম বিন ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি ঈসা বিন মাহান থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ রাবী' বিন আনাস থেকে, তিনি আবুল আলিয়াহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আমি চলছিলাম এবং জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আমার সাথে চলছিলেন। এরপর আমরা একটি উপত্যকায় উপস্থিত হলাম। সেখানে আমি উত্তম সুগন্ধি ও মিশকের ঘ্রাণ পেলাম এবং একটি শব্দ শুনতে পেলাম। তখন আমি বললাম: হে জিবরাঈল, এই শীতল ও উত্তম ঘ্রাণ এবং মিশকের ঘ্রাণ কিসের? আর এই শব্দটিই বা কিসের? তিনি বললেন: এটি জান্নাতের শব্দ। সে বলছে: হে আমার রব, আপনি আমার অধিবাসী ও আমার সাথে কৃত আপনার ওয়াদা দিয়ে আমাকে সম্মানিত করুন। কেননা আমার রেশম, চিকন রেশম, মোটা রেশম, কার্পেট, মুক্তা, প্রবাল, রূপা, সোনা, পানপাত্র, ফলমূল, মধু ও পানি অনেক হয়ে গিয়েছে। সুতরাং আমাকে যা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা দান করুন। তিনি (আল্লাহ) বললেন: প্রত্যেক মুসলিম পুরুষ ও নারী, মুমিন পুরুষ ও নারী, এবং যে ব্যক্তি আমার প্রতি ও আমার রাসুলগণের প্রতি ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, আর আমার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করেনি এবং আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে সমকক্ষ হিসেবে গ্রহণ করেনি, আর যে আমাকে ভয় করেছে—তাদের সবার জন্যই তোমার অধিকার। যে আমার কাছে প্রার্থনা করেছে আমি তাকে দান করেছি, আর যে আমাকে ঋণ দিয়েছে আমি তাকে প্রতিফল দিয়েছি, আর যে আমার ওপর ভরসা করেছে আমি তার জন্য যথেষ্ট হয়েছি। আমিই আল্লাহ, আমি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই, আমি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করি না। মুমিনরা অবশ্যই সফলকাম হয়েছে, আল্লাহ বরকতময়, যিনি শ্রেষ্ঠতম স্রষ্টা। সে (জান্নাত) বলল: আমি সন্তুষ্ট হলাম।" এবং ইউনুস বিন বুকাইর আবু জাফর আল-রাযী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
সিফাতুল জান্নাহ লি-আবী নুআইম আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَخِيهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم:، خَلَقَ اللَّهُ عز وجل ثَلَاثَةَ أَشْيَاءَ بِيَدِهِ، خَلَقَ آدَمَ عليه السلام بِيَدِهِ، وَكَتَبَ التَّوْرَاةَ بِيَدِهِ، وَغَرَسَ الْفِرْدَوْسَ بِيَدِهِ
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি মা'শার, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আউন বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি তার ভাই থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তিনটি জিনিস তাঁর হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন; তিনি আদমকে (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) তাঁর হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তাওরাত তাঁর হাত দিয়ে লিখেছেন এবং ফেরদাউস তাঁর হাত দিয়ে রোপণ করেছেন।