(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: -)
نبذ في الصيام (ابن عثيمين)
القسم: الفقه العام
الكتاب: نُبَذٌ في الصيام
المؤلف: محمد بن صالح بن محمد العثيمين (ت 1421هـ)
عدد الصفحات: 6
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع (مطوية) ]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সিয়াম বিষয়ক সংক্ষিপ্ত আলোচনা (ইবনে উসাইমীন)
বিভাগ: সাধারণ ফিকহ
কিতাব: সিয়াম বিষয়ক সংক্ষিপ্ত আলোচনা
লেখক: মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন মুহাম্মদ আল-উসাইমীন (মৃত্যু ১৪২১ হিজরি)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ (লিফলেট) ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: ১)
نُبَذٌ في الصياملفضيلة الشيخ العلامةمحمد بن صالح العثيمينرحمه الله تعالى
সিয়াম বিষয়ক সংক্ষিপ্ত আলোচনাবিশিষ্ট শায়খ আল্লামামুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীনআল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন
(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيمالحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين، وبعد:فهذه نبذ في الصيام وحكمه وأقسام الناس فيه، والمفطرات، وفوائد أخرى على وجه الإيجاز.1- الصيام وهو التعبد لله تعالى بترك المفطرات من طلوع الفجر إلى غروب الشمس.2- صيام رمضان أحد أركان الإسلام العظيمة؛ لقول النبي صلى الله عليه وسلم: "بني الإسلام على خمس: شهادة أن لا إله إلا الله، وأن محمد رسول الله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، وصوم رمضان، وحج البيت الحرام" [متفق عليه] . الناس في الصيام1- الصوم واجب على كل مسلم بالغ عاقل قادر مقيم.2- الكافر لا يصوم، ولا يجب عليه قضاء الصوم إذا أسلم.3- الصغير الذي لم يبلغ لا يجب عليه الصوم، لكن يؤمر به ليعتاده.4- المجنون لا يجب عليه الصوم ولا الإطعام عنه وإن كان كبيراً، ومثله المعتوه الذي لا تمييز له، والكبير المهذري الذي لا تمييز له.5- العاجز عن الصوم لسبب دائم كالكبير والمريض مرضاً لا يرجى برؤه، يطعم عن كل يوم مسكيناً.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর। অতঃপর:সিয়াম, এর বিধান, এতে মানুষের প্রকারভেদ, সিয়াম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে এটি একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা।১- সিয়াম হলো সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সিয়াম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ বর্জনের মাধ্যমে মহান আল্লাহর ইবাদত করা।২- রমজানের সিয়াম ইসলামের অন্যতম মহান রুকন; যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, রমজানের সিয়াম পালন করা এবং বায়তুল্লাহর হজ করা।" [ঐক্যমতে বর্ণিত (متفق عليه)] । সিয়ামের ক্ষেত্রে মানুষের অবস্থা১- প্রত্যেক মুসলিম, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিস্ক সম্পন্ন, সক্ষম এবং মুকিমের ওপর সিয়াম পালন করা আবশ্যক।২- কাফিরের ওপর সিয়াম নেই এবং সে ইসলাম গ্রহণ করলে পূর্বের সিয়ামের কাজা করা তার ওপর আবশ্যক নয়।৩- অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর ওপর সিয়াম ফরজ নয়, তবে তাকে অভ্যস্ত করার জন্য সিয়ামের নির্দেশ দেওয়া হবে।৪- উন্মাদ ব্যক্তির ওপর সিয়াম পালন কিংবা তার পক্ষ থেকে ফিদিয়া প্রদান করা আবশ্যক নয়, যদিও সে প্রাপ্তবয়স্ক হয়। অনুরূপভাবে বোধশক্তিহীন নির্বোধ এবং বার্ধক্যের কারণে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য বৃদ্ধের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য।৫- স্থায়ী কোনো কারণে সিয়াম পালনে অক্ষম ব্যক্তি, যেমন অতি বৃদ্ধ এবং এমন রোগী যার আরোগ্য লাভের আশা নেই, সে প্রত্যেক দিনের বিনিময়ে একজন মিসকিনকে অন্নদান করবে।
(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: ৩)
6- المريض مرضاً طارئاً ينتظر برؤه يفطر إن شق عليه الصوم، ويقضي بعد برئه.7- الحامل والمرضع إذا شق عليهما الصوم من أجل الحمل أو الرضاع، أو خافتا على ولديهما، تفطران وتقضيان الصوم إذا سهل عليهما وزال الخوف.8- الحائض والنفساء لا تصومان حال الحيض والنفاس، وتقضيان ما فاتهما.9- المضطر للفطر لإنقاذ معصوم من غرق أو حريق يفطر لينقذه ويقضي.10- المسافر إن شاء صام وإن شاء أفطر وقضى ما أفطره، سواء كان سفره طارئاً كسفر العمرة أم دائماً كأصحاب سيارات الأجرة (التكاسي والمرسيدس) فيفطرون إن شاءوا ما داموا في غير بلدهم. مفطرات الصائم* لا يفطر الصائم إذا تناول شيئاً من المفطرات ناسياً أو جاهلاً أو مكرهاً، لقول الله تعالى: {رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا} [البقرة: 286] .وقوله: {إِلَّا مَنْ أُكْرِهَ وَقَلْبُهُ مُطْمَئِنٌّ} [النحل: 106] وقوله: {وَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ فِيمَا أَخْطَأْتُمْ بِهِ وَلَكِنْ مَا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُمْ} [الأحزاب: 5] .* فإذا نسي الصائم فأكل أو شرب لم يفسد صومه؛ لأنه ناس.* ولو أكل أو شرب يعتقد أن الشمس قد غربت أو
6- এমন রোগী যার রোগটি সাময়িক এবং সুস্থতা প্রত্যাশিত, যদি রোজা রাখা তার জন্য কষ্টকর হয় তবে সে রোজা ভাঙবে এবং সুস্থ হওয়ার পর তা কাজা (قضاء) করবে।7- গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারী যদি গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের কারণে রোজা রাখা কষ্টকর মনে করেন, অথবা তাদের সন্তানদের ব্যাপারে আশঙ্কা করেন, তবে তারা রোজা ভাঙবেন এবং যখন সহজ হবে ও শঙ্কা দূর হবে তখন রোজা কাজা (قضاء) করবেন।8- ঋতুবতী (حائض) এবং প্রসূতি (نفساء) নারী ঋতুস্রাব ও প্রসব-পরবর্তী রক্তস্রাব অবস্থায় রোজা রাখবেন না এবং তাদের ছুটে যাওয়া রোজাগুলো কাজা (قضاء) করবেন।9- কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে ডুবে যাওয়া বা অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচানোর জন্য যাকে রোজা ভাঙতে বাধ্য হতে হয়, সে তাকে বাঁচানোর জন্য রোজা ভাঙবে এবং পরবর্তীতে তা কাজা (قضاء) করবে।10- মুসাফির (مسافر) চাইলে রোজা রাখতে পারেন এবং চাইলে রোজা ভাঙতে পারেন, আর যা ভেঙেছেন তা কাজা (قضاء) করবেন; তার সফর সাময়িক হোক যেমন উমরাহর সফর, কিংবা স্থায়ী হোক যেমন ভাড়ায় চালিত গাড়ির (ট্যাক্সি ও মার্সিডিজ) চালকগণ; তারা যতদিন নিজ শহরের বাইরে থাকবেন ততদিন চাইলে রোজা ভাঙতে পারবেন। রোজার ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ (مفطرات الصائم)* রোজাদার যদি রোজা ভঙ্গকারী কোনো বিষয় ভুলবশত (ناسيا), না জেনে (جاهلا) বা বাধ্য হয়ে (مكرها) করে ফেলে তবে তার রোজা ভাঙবে না; কারণ মহান আল্লাহর বাণী: {হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা বিস্মৃত হই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না} [বাকারা: ২৮৬]।এবং তাঁর বাণী: {সে ব্যক্তি ব্যতীত যাকে বাধ্য করা হয়েছে (أكره), অথচ তার অন্তর ঈমানে অটল} [নাহল: ১০৬] এবং তাঁর বাণী: {তোমরা ভুলবশত যা করেছ সে বিষয়ে তোমাদের কোনো গুনাহ নেই, কিন্তু তোমাদের অন্তর যা সংকল্প করে (তাতে গুনাহ রয়েছে)} [আহযাব: ৫]।* সুতরাং রোজাদার যদি ভুলে গিয়ে পানাহার করে তবে তার রোজা নষ্ট হবে না; কারণ সে বিস্মৃত (ناس)।* আর যদি সে এই বিশ্বাসে পানাহার করে যে সূর্য ডুবে গেছে অথবা
(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: ৪)
أن الفجر لم يطلع يفسد صومه؛ لأنه جاهل.* ولو تمضمض فدخل الماء إلى حلقه بدون قصد، لم يفسد صومه؛ لأنه غير متعمد.* ولو احتلم في نومه، لم يفسد صومه؛ لأنه غير مختار. * المفطرات ثمانية وهي:أ- الجماع: وإذا وقع في نهار رمضان من صائم يجب عليه الصوم، فعليه مع القضاء كفارة مغلطة وهي عتق رقبة، فإن لم يجد فصيام شهرين متتابعين، فإن لم يستطع فإطعام ستين مسكيناً.ب- إنزال المني يقظة باستمناء أو مباشرة أو تقبيل أو ضم أو نحو ذلك.ج- الأكل أو الشرب سواء كان نافعاً أم ضاراً كالدخان.د- حقن الإبر المغذية التي يستغني بها عن الطعام؛ لأنها بمعنى الأكل والشرب. فأما الإبر التي لا تغذي فلا تفطر سواء استعملها في العضلات أم في الوريد، وسواء وجد طعمها في حلقه أم لم يجده.هـ- حقن الدم مثل أن يحصل للصائم نزيف فيحقن به دم تعويضاً عما نزف منه.وخروج دم الحيض والنفاس.ز- إخراج الدم بالحجامة ونحوها. فأما خروج الدم بنفسه كالرعاف أو خروجه بقلع سن أو نحوه فلا يفطر؛ لأنه ليس حجامة ولا بمعنى الحجامة.ح- القيء إن تقصده، فإن قاء بغير قصد لم يفطر.
সুবহে সাদিক উদিত হয়নি ভেবে পানাহার করলে তার রোজা নষ্ট হয়ে যাবে; কারণ সে অজ্ঞ।* আর যদি সে কুলি করে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে পানি তার গলায় প্রবেশ করে, তবে তার রোজা নষ্ট হবে না; কারণ সে এটি ইচ্ছাকৃতভাবে (غير متعمد) করেনি।* আর যদি ঘুমের ঘোরে তার স্বপ্নদোষ হয়, তবে তার রোজা নষ্ট হবে না; কারণ এক্ষেত্রে তার কোনো ইখতিয়ার বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না। * রোজা ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ আটটি, আর সেগুলো হলো:ক- সহবাস: যদি রমজানের দিনে এমন কোনো রোজাদারের পক্ষ থেকে এটি সংঘটিত হয় যার ওপর রোজা রাখা আবশ্যক, তবে তার ওপর কাজা পালনের পাশাপাশি কঠোর কাফফারা (كفارة مغلطة) ওয়াজিব হবে; আর তা হলো একজন দাস মুক্ত করা (عتق رقبة)। যদি সে তা না পায়, তবে একাধারে (متتابعين) দুই মাস রোজা রাখা। যদি সে তাতেও সামর্থ্য না রাখে, তবে ষাটজন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো।খ- জাগ্রত অবস্থায় হস্তমৈথুন, সরাসরি স্পর্শ, চুম্বন, আলিঙ্গন বা এই জাতীয় কোনো কাজের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানো।গ- পানাহার করা, চাই তা উপকারী হোক কিংবা ক্ষতিকর— যেমন ধূমপান।ঘ- পুষ্টিবর্ধক ইনজেকশন গ্রহণ করা যা খাদ্যের বিকল্প হিসেবে কাজ করে; কারণ এটি পানাহারের সমপর্যায়ে পড়ে। তবে যে সকল ইনজেকশন পুষ্টিবর্ধক নয়, সেগুলো রোজা ভঙ্গ করে না— চাই তা মাংসে দেওয়া হোক বা রগে, এবং গলায় তার স্বাদ অনুভূত হোক বা না হোক।ঙ- শরীরে রক্ত গ্রহণ করা; যেমন কোনো রোজাদারের রক্তক্ষরণ হলে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে শরীরে রক্ত প্রবেশ করানো।এবং ঋতুস্রাব (حيض) ও প্রসবোত্তর রক্তস্রাব (نفاس) নির্গত হওয়া।চ- সিঙা (حجامة) বা এই জাতীয় কোনো উপায়ে রক্ত বের করা। তবে যদি নিজে থেকেই রক্ত বের হয় যেমন নাক দিয়ে রক্ত পড়া (رعاف), কিংবা দাঁত তোলা বা অনুরূপ কোনো কারণে রক্ত বের হওয়া, তবে রোজা ভঙ্গ হবে না; কারণ এটি সিঙা নয় এবং সিঙার (حجامة) সমপর্যায়ভুক্তও নয়।ছ- ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করা। আর যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হয়, তবে রোজা ভঙ্গ হবে না।
(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: ৫)
فوائد1- يجوز للصائم أن ينوي الصيام وهو جنب ثم يغتسل بعد طلوع الفجر.2- يجب على المرأة إذا ظهرت في رمضان من الحيض أو النفاس قبل الفجر أن تصوم وإن لم تغتسل إلا بعد طلوع الفجر.3- يجوز للصائم قلع ضرسه أو سنّه ومداوات جرحه والتقطير في عينيه أو أذنيه، ولا يفطر بذلك ولو أحسّ بطعم القطور في حلقه.4- يجوز للصائم أن يتسوَّك في أول النهار وآخره، وهو سنة في حقِّه كالمفطرين.5- يجوز للصائم أن يفعل ما يخفف عنه شدة الحر والعطش كالتبرد بالماء والمكيف.6- يجوز للصائم أن يبخ في فمه ما يخفف عنه ضيق التنفس الحاصل من الضغط أو غيره.7- يجوز للصائم أن يبل بالماء شفتيه إذا يبستا، وأن يتمضض إذا نشف فمه من غير أن يتغرغر بالماء.8- يسن للصائم تأخير السحور قبيل الفجر، وتعجيل الفطور بعد غروب الشمس، ويفطر على رطب، فإن لم يجد فعلى تمر، فإن لم يجد فعلى ماء، فإن لم يجد فعلى أي طعام حلال، فإن لم يجد نوى الفطر بقلبه حتى يجد.9- يسن للصائم أن يكثر من الطاعات ويجتنب جميع المنهيات.
উপকারিতা1- রোজা পালনকারীর জন্য অপবিত্র (جنب) অবস্থায় রোজার নিয়ত করা বৈধ (جائز) এবং ফজর উদয়ের পর গোসল করা জায়েজ।2- রমজান মাসে ফজরের আগে যদি কোনো নারী ঋতুস্রাব (حيض) বা নেফাস (نفاس) থেকে পবিত্র হয়, তবে তার জন্য রোজা রাখা ওয়াজিব (واجب); যদিও সে ফজর উদয়ের আগে গোসল না করে ফজর হওয়ার পর গোসল করে।3- রোজা পালনকারীর জন্য মাড়ির দাঁত বা সাধারণ দাঁত তোলা, ক্ষত চিকিৎসা করা এবং চোখে বা কানে ড্রপ দেওয়া বৈধ (جائز); এতে রোজা ভঙ্গ হয় না, যদিও সে গলায় ড্রপের স্বাদ অনুভব করে।4- রোজা পালনকারীর জন্য দিনের শুরুতে বা শেষে মেসওয়াক করা বৈধ (جائز); আর এটি তার জন্য সুন্নাহ (سنة), যেমনটি রোজা না রাখা ব্যক্তিদের জন্য।5- রোজা পালনকারীর জন্য এমন কাজ করা বৈধ (جائز) যা তীব্র গরম ও তৃষ্ণা লাঘব করে, যেমন পানি দিয়ে শরীর শীতল করা বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহার করা।6- অ্যাজমা বা অন্য কারণে সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট লাঘবে রোজা পালনকারীর জন্য মুখে স্প্রে বা ইনহেলার ব্যবহার করা বৈধ (جائز)।7- ঠোঁট শুকিয়ে গেলে রোজা পালনকারীর জন্য তা পানি দিয়ে ভেজানো এবং মুখ শুষ্ক হয়ে গেলে কুলি করা বৈধ (جائز), তবে গড়গড়া করা যাবে না।8- রোজা পালনকারীর জন্য ফজরের ঠিক আগে সেহরি বিলম্ব করা এবং সূর্যাস্তের পর দ্রুত ইফতার করা সুন্নাহ (سنة)। সে আধাপাকা খেজুর (رطب) দিয়ে ইফতার করবে; তা না পেলে শুকনো খেজুর (تمر) দিয়ে, আর তা-ও না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করবে। যদি কোনো কিছুই না পায় তবে যেকোনো হালাল খাদ্য দিয়ে ইফতার করবে, আর তাও সম্ভব না হলে খাবার না পাওয়া পর্যন্ত মনে মনে ইফতারের নিয়ত করবে।9- রোজা পালনকারীর জন্য বেশি বেশি ইবাদত বা আনুগত্যমূলক কাজ (طاعة) করা এবং সকল নিষিদ্ধ (منهي عنه) বিষয় বর্জন করা সুন্নাহ (سنة)।
(খণ্ড: ১)
নাবযুন ফীস সিয়াম
(পৃষ্ঠা: ৬)
10- يجب على الصائم المحافظة على الواجبات والبعد عن المحرمات؛ فيصلي الصلوات الخمس في أوقاتها، ويؤديها مع الجماعة إن كان من أهل الجماعة، ويترك الكذب والغيبة والغش والمعاملات الربوبية، وكل قول أو فعل محرم. قال النبي صلى الله عليه وسلم: "من لم يدع قول الزور والعمل به والجهل فليس لله حاجة في أن يدع طعامه وشرابه". [رواه البخاري] .والحمد لله رب العالمين، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعينكتبه الفقير إلى الله تعالى محمد الصالح العثيمينفي 16 شعبان سنة 1401 هـالمملكة العربية السعودية - القصيم - عنيزة 51911 ص ب: 1929 هاتف 13642107 - جوال: 553642107 - فاكس: 063642009
১০- একজন রোজাদারের জন্য আবশ্যিক কার্যাবলি (واجبات) যথাযথভাবে পালন করা এবং নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ (محرمات) থেকে দূরে থাকা আবশ্যক; সুতরাং সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তার নির্ধারিত সময়ে আদায় করবে এবং যদি জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের উপযুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হয় তবে তা জামাতের সাথেই সম্পন্ন করবে। আর সে মিথ্যা, গীবত (পরনিন্দা), প্রতারণা, সুদী লেনদেন এবং সকল প্রকার নিষিদ্ধ (محرم) কথা ও কাজ বর্জন করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা, তদনুযায়ী আমল করা এবং মূর্খতা বর্জন করে না, তার পানাহার বর্জন করার মধ্যে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।" [বুখারি এটি বর্ণনা (رواه) করেছেন]।সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীদের ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।এটি লিখেছেন আল্লাহর মুখাপেক্ষী মুহাম্মদ সালেহ আল-উসাইমিন১৬ই শাবান, ১৪০১ হিজরি সালেসৌদি আরব রাজতন্ত্র - আল-কাসিম - উনাইজাহ ৫১৯১১, পিও বক্স: ১৯২৯, ফোন: ১৩৬৪২১০৭ - মোবাইল: ৫৫৩৬৪২১০৭ - ফ্যাক্স: ০৬৩৬৪২০০৯