(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: -)
المنتخب من معجم شيوخ السمعاني   (السمعاني)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: المنتخب من معجم شيوخ الحافظ أبي سعد عبد الكريم بن محمد بن منصور السمعاني (ت 562 هـ)

دراسة وتحقيق: موفق بن عبد الله بن عبد القادر

الناشر: دار عالم الكتب، الرياض

الطبعة: الأولى، 1417 هـ - 1996 م

عدد الأجزاء: 3 (متسلسة الترقيم، وجزء 4 فهارس)

[تنبيه]: هذه النسخة الإلكترونية متسلسة الترقيم دون تجزئة؛ فليُلحَظ ذلك

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাফিজ আস-সাম'আনীর উস্তাদগণের অভিধান থেকে নির্বাচিত সংকলন   (আস-সাম'আনী)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


বই: হাফিজ আবু সা'দ আব্দুল কারীম বিন মুহাম্মদ বিন মনসুর আস-সাম'আনী (মৃত্যু ৫৬২ হিজরী)-এর উস্তাদগণের অভিধান (মু'জামুশ শুয়ুখ) থেকে নির্বাচিত সংকলন

গবেষণা ও সম্পাদনা: মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কাদির

প্রকাশক: দারু আলামিল কুতুব, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৭ হিজরী - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৩ (ধারাবাহিক সংখ্যায়িত, এবং চতুর্থ খণ্ডটি সূচিপত্র)

[সতর্কতা]: এই ইলেকট্রনিক সংস্করণটি খণ্ড বিভাজন ছাড়াই ধারাবাহিক সংখ্যায়িত করা হয়েছে; বিষয়টি লক্ষ্য করুন

[বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٠٩)
بسم الله الرحمن الرحيم رب يسر ولا تعسر

أخبرنا الشيخ الإمام افتخار الدين أبو هاشم عبد المطلب بن الفضل بن عبد المطلب الهاشمي، قراءة عليه، قال: أبنا الإمام تاج الإسلام أبو سعد عبد الكريم بن محمد بن منصور السمعاني، إجازة إن لم يكن سماعا، أبنا أبو النجم طالب بن زيد بن علي بن شهريار البيع، بقراءتي عليه بأصبهان، أبنا أبو زيد أحمد بن علي بن شجاع المصقلي، أبنا أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن منده الحافظ، أخبرنا خيثمة بن سليمان، ثنا عبيد بن محمد الكشوري، أبنا عبد الله بن أبي
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে রব, সহজ করুন এবং কঠিন করবেন না।

আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন শাইখ ইমাম ইফতিখারুদ্দীন আবু হাশিম আব্দুল মুত্তালিব ইবনুল ফাদল ইবনে আব্দুল মুত্তালিব আল-হাশিমী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন ইমাম তাজুস ইসলাম আবু সাদ আব্দুল কারীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মানসুর আস-সামআনী, ইজাজতের মাধ্যমে যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু নাজম তালিব ইবনে যায়িদ ইবনে আলী ইবনে শাহরিয়ার আল-বাইয়্যি, আসবাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু যায়িদ আহমাদ ইবনে আলী ইবনে শুজা আল-মাসকালী, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মানদাহ আল-হাফিয, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন খাইসামাহ ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাশওয়ারী, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আবি
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٠)
غسان، ثنا عبد السلام بن حرب، عن يونس بن عبيد، عن الحسن، عن الأسود بن سريع، وعن عمرو بن عبيد، عن الأسود بن سريع رضي الله عنه، أنه أتى النبي، صلى الله عليه وسلم، فقال: إني حمدت ربي بمحامد، قال: «إن ربك يحب الحمد» ، واستنشده.

فالحمد لله الذي خلق كل زوج بهيج، وفلق كل أمر مريج، هو الرزاق يسقي فضله الواردين من أعذب مشرع، ويعطي كرمه الرائدين في أطيب منتجع، المثيب لا ينقص جزاء ما يفعل المحسنون، الحسيب لا يغفل عما يعمل الظالمون، المبدئ المعيد، منه ابتدأ كل شيء، وإليه انتهى كل حي، الغالب لا دعوى لأحد في ملكه، ولا يقوى أحد على ملكه، السميع البصير، لا يعزب عن علمه معلوم، ولا يغرب عن
গাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন—আবদুস সালাম বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আসওয়াদ বিন সারী' থেকে, এবং আমর বিন উবাইদ থেকে, তিনি আসওয়াদ বিন সারী' (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন: "আমি আমার রবের প্রশংসামূলক বাক্য দ্বারা তাঁর স্তবগান করেছি।" তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তোমার রব প্রশংসা পছন্দ করেন" এবং তিনি তা শুনতে চাইলেন।

সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি প্রতিটি নয়নাভিরাম জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং প্রতিটি সংশয়পূর্ণ বিষয়কে পৃথক করেছেন। তিনি রিযিকদাতা, তাঁর অনুগ্রহের বারিতে তিনি আগমনকারীদের সুমিষ্ট পানির আধার থেকে পান করান এবং তাঁর বদান্যতার মাধ্যমে অন্বেষণকারীদের সর্বোত্তম চারণভূমিতে দান করেন। তিনি প্রতিদানদাতা, সৎকর্মশীলদের কর্মের প্রতিদান তিনি হ্রাস করেন না। তিনি হিসাব গ্রহণকারী, যালিমরা যা করে সে বিষয়ে তিনি উদাসীন নন। তিনি আদি স্রষ্টা ও পুনর্বার সৃষ্টিকারী; তাঁর থেকেই প্রতিটি বস্তুর সূচনা এবং তাঁর নিকটই প্রতিটি প্রাণের সমাপ্তি। তিনি মহা পরাক্রমশালী, তাঁর রাজত্বে কারও কোনো দাবি নেই এবং তাঁর রাজত্বের ওপর কারও কোনো ক্ষমতা নেই। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা; কোনো জ্ঞাত বিষয় তাঁর জ্ঞান থেকে বিচ্যুত হয় না এবং কোনো কিছুই আড়ালে যায় না...
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١١)
حكمه موجود ولا معدوم، العلي العظيم، خضعت لعظمته الأشياء، وذلت لكبريائه الأرض والسماء، له الحمد على كل ما حكم وقضى، حمدا يقضي الحمد ويبلغ الرضا.

وإليه الرغبة في الصلاة على عبده ورسوله المبعوث بالحق والهدى، الباعث بحق على البر والتقى، الداعي إلى طاعته في أرضه، الآمر عباده بما كتب عليهم من فرضه، المقيم للناس واضح الدليل، المورد جميع الأنام نهج السبيل، الصادق في الرسالة والحجة، السابق إلى الوسيلة والدرجة، المرفود بمعجزات البراهين، المعضود بالصحابة الميامين الأخيار، صلى الله عليه، وعلى آله أجمعين

أخبرنا أبو القاسم زاهر بن طاهر الشحامي بمرو، أبنا أبو سعد محمد بن عبد الرحمن الكنجروذي الأديب بنيسابور، أبنا أبو عمرو محمد بن أحمد بن حمدان الحيري، أبنا حامد بن محمد بن شعيب، ثنا محمد بن بكار، ثنا الوليد بن أبي ثور، ثنا سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، رضي الله عنه، أن
তাঁর বিধান বিদ্যমান এবং বিলুপ্ত নয়, তিনি সুউচ্চ, মহান; তাঁর মহত্ত্বের নিকট সকল বস্তু নতি স্বীকার করেছে এবং তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কাছে অবনত হয়েছে পৃথিবী ও আকাশ। তিনি যা কিছু ফয়সালা ও নির্ধারণ করেছেন তার জন্য তাঁরই প্রশংসা; এমন প্রশংসা যা প্রশংসার দাবি পূর্ণ করে এবং সন্তুষ্টি পর্যন্ত পৌঁছায়।

এবং তাঁরই নিকট প্রার্থনা করছি তাঁর সেই বান্দা ও রাসূলের ওপর দরুদ বর্ষণের জন্য, যিনি সত্য ও হেদায়েতসহ প্রেরিত হয়েছেন, যিনি সত্যনিষ্ঠার সাথে পুণ্য ও তাকওয়ার দিকে উদ্বুদ্ধকারী, তাঁর জমিনে তাঁর আনুগত্যের দিকে আহ্বানকারী, তাঁর বান্দাদেরকে সেই সব বিষয়ের আদেশ দানকারী যা তিনি তাদের ওপর ফরজ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, মানুষের জন্য সুস্পষ্ট প্রমাণাদি প্রতিষ্ঠিতকারী, সমস্ত সৃষ্টিজগতকে সঠিক পথের দিশা দানকারী, রিসালাত ও দলীল-প্রমাণে সত্যবাদী, অসীলা ও উচ্চ মর্যাদার দিকে অগ্রগামী, অলৌকিক নিদর্শনের মাধ্যমে সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বরকতময় ও শ্রেষ্ঠ সাহাবীগণের মাধ্যমে শক্তিপ্রাপ্ত; আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর সকল পরিবার-পরিজনের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মার্ভে অবস্থানরত আবুল কাসিম জহির বিন তাহির আশ-শাহহামি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নিশাপুরের সাহিত্যিক আবু সাদ মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-কানজারুযি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হামদান আল-হিরি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামিদ বিন মুহাম্মাদ বিন শুয়াইব, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন বাক্কার, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ওয়ালিদ বিন আবি সাওর, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সিমাক বিন হারব, তিনি জাবির বিন সামুরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে,
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٢)
النبي، صلى الله عليه وسلم، خطبهم، فقال: «أما بعد»

فإني لما فرغت من كتاب العوالي لوالدي أبي المظفر، رعاه الله، في اثنين وثلاثين جزءا، وكنت قد جمعت معجم شيوخه في ثمانية عشر جزءا، وقع لي أن أجمع لنفسي معجما لشيوخي الذين سمعت منهم تحضرا وسفرا، وإن كنت قد جمعت مجموعا كبيرا، ورويت عن كل شيخ لقيته حديثا واحدا، أو حكاية، أو إنشادا،
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দানকালে বললেন: "অতঃপর"

আমি যখন আমার পিতা আবু আল-মুজাফ্ফর (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন)-এর জন্য বত্রিশ খণ্ডে 'আল-আওয়ালি' গ্রন্থটি সমাপ্ত করলাম, এবং ইতিপূর্বে তাঁর উস্তাদগণের জীবনী সংবলিত অভিধান আঠারো খণ্ডে সংকলন করেছিলাম, তখন আমার মনে এই সংকল্প উদিত হলো যে, আমি নিজের জন্য আমার সেই সকল উস্তাদগণের একটি অভিধান সংকলন করি যাদের নিকট থেকে আমি নিজ অবস্থানে থাকাকালীন এবং সফরকালীন সময়ে শ্রবণ করেছি। যদিও আমি ইতিপূর্বেই একটি বিশাল সংকলন তৈরি করেছিলাম এবং আমার সাক্ষাৎকৃত প্রত্যেক উস্তাদ থেকে একটি করে হাদিস, অথবা কোনো কাহিনী, কিংবা কোনো কবিতা আবৃত্তি বর্ণনা করেছি।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٣)
غير أني أعرضت فيه، وعن حال الشيوخ، ورويت عن كل أحد حسب ما سمعت منه، ولما وافيت بلخ في سنة ست وأربعين رأيت في الخزانة التي وضعها شيخنا الإمام أبو شجاع عمر بن أبي الحسين البسطامي، كتاب المعجم لشيوخ أبي محمد عبد العزيز بن محمد بن محمد النخشبي الحافظ، فاستحسنته لأنه يذكر شيخه، ونسبه، وبلده، وسيرته، وعمن أخذ العلم، وعمن سمع الحديث، وفاته، ويروي له حديثا أو حديثين، ثم جمع بعد ذلك شيخنا عمر بن أبي الحسن البسطامي، ذكره الله بالخير، مشيخة لنفسه جمع فيها شيوخه بسؤالي إياه، وقرأت بعضه ببلخ سنة ست وأربعين وتممت الباقي عليه ببخاري سنة تسع وأربعين، فأردت الاقتداء بهما، والاقتفاء لآثارهما؛ لأن الله تعالى جده، وتوالى جوده، قد كان حفيا بي، ووليا لي، حيث حبب إلي الحديث، وزينه في قلبي، ورزقني سماع كل سنة حسنة،

তবে আমি এতে সেই বিষয়গুলো এবং শায়খদের অবস্থা বর্ণনা করা থেকে বিরত থেকেছি; বরং আমি প্রত্যেকের নিকট থেকে যা শুনেছি সেই অনুযায়ী বর্ণনা করেছি। যখন আমি ৪৪৬ হিজরি সনে বালখ শহরে পৌঁছলাম, তখন আমাদের শায়খ ইমাম আবু শুজা উমর বিন আবিল হুসাইন আল-বিস্তামি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কুতুবখানায় হাফেজ আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আন-নাখশাবি-এর শায়খদের জীবনী সম্বলিত ‘আল-মুজাম’ গ্রন্থটি দেখতে পেলাম। আমি এটি পছন্দ করলাম কারণ এতে তিনি তাঁর শায়খ, তাঁর বংশপরিচয়, তাঁর শহর, তাঁর জীবনবৃত্তান্ত, কার নিকট থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছেন, কার নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন এবং তাঁর মৃত্যুর বিবরণ উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর সূত্রে একটি বা দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। এরপর আমাদের শায়খ উমর বিন আবিল হাসান আল-বিস্তামি—আল্লাহ তাঁকে কল্যাণের সাথে স্মরণ করুন—আমার অনুরোধে নিজের শায়খদের একটি সংকলন তৈরি করেন যেখানে তিনি তাঁর শিক্ষকদের একত্রিত করেন। আমি ৪৪৬ হিজরি সনে বালখে এর কিছু অংশ পাঠ করেছি এবং ৪৪৯ হিজরি সনে বুখারাতে তাঁর নিকট অবশিষ্ট অংশ সম্পন্ন করেছি। তাই আমি তাঁদের উভয়ের অনুসরণ করতে এবং তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে সংকল্প করলাম; কারণ মহান আল্লাহ—যাঁর মহিমা সুউচ্চ এবং যাঁর অনুগ্রহ নিরন্তর—আমার প্রতি অত্যন্ত দয়াবান ও আমার অভিভাবক ছিলেন, যেহেতু তিনি হাদিসকে আমার নিকট প্রিয় করে দিয়েছেন, আমার অন্তরে একে সুশোভিত করেছেন এবং আমাকে প্রতিটি উত্তম সুন্নাহ শোনার সৌভাগ্য দান করেছেন।

(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٤)
ووفقني لشد الرحال إلى محال الترحال، حتى رأيت الأفاضل، والمقانع قبل أن تصير الديار منهم بلاقع، واجتمع عندي من مكتوم الفوائد، ومختوم الزوائد، وفقر المسموعات، وبقر المجموعات، ما لا أعلمه اجتمع لواحد من أبناء العصر، إلا من شاء الله من أهل الدهر، وإذ حصل الإسناد لي بعلو، ولم آمن كون الأجل مني في دنو، اقتضى الحزم تأكيد العزم على تخريج كتب لطاف في أنواع وأصناف فسح بها الخاطر، وتحرك بطلبها الضرائر، فسارت في الأمصار، وانتشرت بعض الانتشار، ثم لما أعدت تصفح ما أعددت أردت أن أجمع شيوخي الذين لقيتهم حضرا وسفرا، ورتبت أسماءهم على الحروف المعجمة في أوائل أسمائهم، ثم عقبت ذلك بحديث النساء على الحروف أيضا، فأذكر الشيخ وأسوق نسبه حسب ما ذكر لي، وأذكر سيرته وأشرح حاله، وأذكر الكتب والأجزاء التي سمعتها منه، وأذكر أسماء الذين اتصل سماع الكتاب منهم مني إلى مصنفه، وأذكر شيوخه الذين سمع منهم، وأروي في ترجمته حديثا أو حديثين، وزيادة إلى العشرة على قدر علو سنده، وحكاية وإنشادا من أعلى ما وقع إلي منه من المنثورات، وأذكر الموضع الذي رأيته فيه، ووقت ولادته ووفاته إن كنت على علم منه أو بلغني ذلك.

والله تعالى يرحمهم حيا وميتا، ويغفر لهم، ويتجاوز عنا وعنهم بفضله وسعة
এবং তিনি আমাকে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের পাথেয় সংগ্রহের তাওফিক দিয়েছেন, ফলে আমি গুণীজন ও মহৎ ব্যক্তিদের সাক্ষাৎ লাভ করেছি, তাদের আবাসভূমিগুলো জনশূন্য হওয়ার পূর্বেই। আমার নিকট এমন সব গোপন জ্ঞানগর্ভ বিষয়, সংরক্ষিত তত্ত্ব, শ্রুত বিষয়ের সারনির্যাস এবং সংকলিত তথ্যের বিশাল ভাণ্ডার একত্রিত হয়েছে, যা বর্তমান যুগের অন্য কারো নিকট একত্রিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই, তবে মহাকালের অধিবাসীদের মধ্যে আল্লাহ যাদের তাওফিক দিয়েছেন তারা ব্যতীত। যেহেতু আমি উচ্চমানের সনদ লাভ করেছি এবং আমার মৃত্যু নিকটবর্তী হওয়া সম্পর্কে আমি নিশ্চিন্ত নই, তাই বিচক্ষণতার দাবি হলো বিভিন্ন প্রকার ও শ্রেণির সূক্ষ্ম ও চমৎকার গ্রন্থসমূহ সংকলনের সংকল্প দৃঢ় করা, যার দ্বারা চিত্ত প্রশান্ত হয় এবং যা অর্জনে মানুষের আগ্রহ জাগ্রত হয়। অতঃপর সেগুলো বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছুটা প্রসিদ্ধি লাভ করে। এরপর আমি যখন আমার প্রস্তুতকৃত পাণ্ডুলিপিগুলো পুনরায় পর্যবেক্ষণ করলাম, তখন আমি সেইসব শাইখদের বিবরণ একত্রিত করার ইচ্ছা পোষণ করলাম যাদের সাথে স্বদেশে কিংবা সফরে আমার সাক্ষাৎ ঘটেছে। আমি তাদের নামসমূহ বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি। অতঃপর একইভাবে বর্ণানুক্রমিকভাবে নারী বর্ণনাকারীদের হাদিসসমূহও উল্লেখ করেছি। আমি শাইখের নাম উল্লেখ করব এবং আমার নিকট যেভাবে বর্ণিত হয়েছে সেভাবে তাঁর বংশপরিচয় পেশ করব। তাঁর জীবনী ও অবস্থা বর্ণনা করব এবং তাঁর নিকট থেকে আমি যেসকল কিতাব ও অংশ বিশেষ (জুয) শ্রবণ করেছি তা উল্লেখ করব। সেই সাথে মূল গ্রন্থকার পর্যন্ত আমার থেকে শ্রবণের যে ধারাবাহিক সংযোগ রয়েছে তাদের নামও উল্লেখ করব। আর তাঁর সেইসব শাইখদের নামও উল্লেখ করব যাদের নিকট থেকে তিনি শ্রবণ করেছেন। তাঁর জীবনীর অধীনে আমি এক বা একাধিক হাদিস বর্ণনা করব, যা সনদের উচ্চমান অনুযায়ী দশটি পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া তাঁর থেকে প্রাপ্ত গদ্য ও পদ্যের মধ্যে যা আমার নিকট শ্রেষ্ঠ মনে হয়েছে, তা থেকে কিছু ঘটনা ও কবিতা উদ্ধৃত করব। আমি তাঁকে যে স্থানে দেখেছি এবং তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর সময়কালও উল্লেখ করব, যদি সে সম্পর্কে আমি অবগত থাকি কিংবা আমার নিকট তথ্য পৌঁছে থাকে।

আল্লাহ তাআলা জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায় তাদের প্রতি রহম করুন, তাদের ক্ষমা করুন এবং তাঁর অনুগ্রহ ও অসীম দয়ার মাধ্যমে আমাদের ও তাদের ভুলত্রুটি মার্জনা করুন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٥)
رحمته.

أَخْبَرَنَا أَبُو الصَّمْصَامِ ذُو الْفَقَارِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَلَوِيُّ الْوَاعِظُ بِالْمَوْصِلِ، أَبْنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِسْحَاقَ الْوَزِيرُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، أَبْنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصَّائِغُ، كِتَابَةً، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ تُرْكَانَ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهُ الشَّافِعِيُّ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهُوَيْهِ، يَقُولُ: قَالَ أَبِي، رضي الله عنه: قَلَّ لَيْلَةٌ، إِلا وَأَنَا أَدْعُو لِمَنْ كَتَبَ عَنَّا، وَلِمَنْ كَتَبْنَا عَنْهُ
তাঁর রহমত।

মোসেলের ওয়ায়েজ আবুস সামসাম যুলফিকার ইবনে মুহাম্মদ আল-আলাভি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে ইসহাক আল-ওয়াজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যা ইসফাহানে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে। তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সায়িগ আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল আব্বাস ইবনে তুরকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফকিহ আশ-শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে রাহুইয়্যাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: এমন খুব কম রাতই অতিবাহিত হয়, যখন আমি তাদের জন্য দুআ করি না যারা আমাদের নিকট থেকে (ইলম) লিখেছে এবং যাদের নিকট থেকে আমরা লিখেছি।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٦)
أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن أحمد بن عمر الحافظ ببغداد، سمعت أبا القاسم يوسف بن الحسن التفكري، سمعت أبا المظفر محمد بن أحمد الخراساني هو الروذي، يقول: رؤي أبو جعفر الكاغذي في المنام، فقيل له: ما فعل الله بك؟ قال: غفر لي ولم يحاسبني.

قيل: بماذا؟ قال: أما المغفرة، فإني كنت أقول في رواياتي لمشايخي: أخبرك رضي الله عنك فلان، ثم أقول: حدثني فلان رحمه الله.

وأما ترك المحاسبة، لأني كنت أقول في كل حديث: صلى الله عليه وسلم.

فاستخرت الله تعالى وشرعت في جمعه ضحوة يوم الأحد الثاني عشر من ذي الحجة سنة ثلاث وخمسين وخمس مائة، وقدم بعض أئمتنا من اسمه محمد في ابتداء مجموعه تبركا باسم نبينا المصطفى، صلى الله عليه وسلم.

وابتدأت أنا بأحمد، لأن محمدا وأحمد كلاهما من أسماء النبي، صلى الله عليه وسلم، قال الله تعالى: {مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ} [الفتح: 29] ، وقال عز من قائل: {وَمُبَشِّرًا بِرَسُولٍ يَأْتِي مِنْ بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ} [الصف: 6]
বাগদাদের হাফেজ আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আমাদের জানিয়েছেন, আমি আবুল কাসিম ইউসুফ ইবনে হাসান আত-তাফাকরিকে বলতে শুনেছি, আমি আবুল মুজাফফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-খুরাসানি আর-রুযিকে বলতে শুনেছি: আবু জাফর আল-কাগজিকে স্বপ্নে দেখা হয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমার হিসাব গ্রহণ করেননি।

জিজ্ঞাসা করা হলো: কিসের বিনিময়ে? তিনি বললেন: ক্ষমার বিষয়টি হলো, আমি আমার শিক্ষকদের নিকট থেকে বর্ণনার সময় বলতাম: ‘আল্লাহ আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হোন, অমুক ব্যক্তি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন’, এরপর বলতাম: ‘আল্লাহ অমুক ব্যক্তির ওপর দয়া করুন, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন’।

আর হিসাব না নেওয়ার কারণ হলো, আমি প্রতিটি হাদিসের ক্ষেত্রে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতাম।

অতঃপর আমি আল্লাহ তাআলার নিকট ইস্তিখারা করলাম এবং পাঁচশত তিপ্পান্ন হিজরি সনের জিলহজ মাসের বারো তারিখ রবিবার পূর্বাহ্নে এটি সংকলনের কাজ শুরু করলাম। আমাদের কিছু ইমাম তাদের সংকলনের শুরুতে আমাদের মনোনীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের বরকতের জন্য ‘মুহাম্মদ’ নামধারী ব্যক্তিদের আগে উল্লেখ করেছেন।

আমি ‘আহমদ’ দিয়ে শুরু করেছি, কারণ মুহাম্মদ এবং আহমদ উভয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল} [আল-ফাতহ: ২৯], এবং মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {এবং আমি এমন একজন রাসূলের সুসংবাদ দিচ্ছি যিনি আমার পরে আসবেন, যার নাম আহমদ} [আস-সাফ: ৬]
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٧)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ جَابِرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَابِرٍ الأَنْصَارِيُّ الْحَافِظُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْبَصْرَةِ، أبنا أَبُو طَاهِرٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ الْقُرَشِيُّ، أبنا أَبُو عُمَرَ الْقَاسِمُ بْنُ جَعْفَرٍ الْهَاشِمِيُّ، أَبْنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ الْبَخْتَرِيِّ الْمَادَرَائِيُّ، أبنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَنَا أَحْمَدُ، وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يَمْحُو الْكُفْرَ، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي يَحْشُرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَأَنَا الْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدِي نَبِيٌّ»

হাফেজ আবু মুহাম্মদ জাবির বিন মুহাম্মদ বিন জাবির আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বসরার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আবু তাহির জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-কুরাশী আমাদের জানিয়েছেন; আবু উমর আল-কাসিম বিন জাফর আল-হাশিমী আমাদের জানিয়েছেন; আবু আল-হাসান আলী বিন ইসহাক বিন আল-বাখতারী আল-মাদারায়ী আমাদের জানিয়েছেন; আবু আল-হাসান আলী বিন হারব আত-তাঈ আমাদের জানিয়েছেন; সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আমি মুহাম্মদ, আমি আহমদ, আমি আল-মাহী (বিদূরণকারী), যাঁর দ্বারা কুফরকে মিটিয়ে দেওয়া হয়; আমি আল-হাশির (একত্রিতকারী), যাঁর পশ্চাতে কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্রিত করা হবে; এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ আগমনকারী), যাঁর পরে আর কোনো নবী নেই।»

(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٨)
أخبرنا أبو محمد دعوان بن علي بن حماد بن صدقة الجبائي ببغداد، وأبو طاهر محمد بن محمد بن عبد الله السنجي بمرو، قال: أبنا أبو المعالي ثابت بن بندار بن إبراهيم البقال، أبنا أبو بكر أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب البرقاني الحافظ، سمعت الإمام أبا بكر أحمد بن إبراهيم الإسماعيلي، يقول: كان أبو محمد
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ দাওয়ান বিন আলি বিন হাম্মাদ বিন সাদাকাহ আল-জুব্বায়ী বাগদাদে এবং আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সাঞ্জি মার্ভে, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি সাবিত বিন বুন্দার বিন ইব্রাহিম আল-বাক্কাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন গালিব আল-বারকানি আল-হাফিয, আমি ইমাম আবু বকর আহমাদ বিন ইব্রাহিম আল-ইসমাঈলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ ছিলেন
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١١٩)
عبد الله بن محمد بن ناجية، يقول: أبنا أحمد بن الوليد البسري.

فأقول: محمد أيها الشيخ، فيقول: محمد وأحمد واحد.

ثم آتي على حرف حرف إلى آخر الحروف، وأراعي هذا الترتيب في آباء الشيوخ، فأقدم من اسمه أحمد بن أحمد على أحمد بن عمر، لتقدم الألف على العين، وأذكر في آخر الترجمة من اشتهر أبوه بالكنية، وما عرف له اسم، وأورد بعض الشيوخ الذين أجازوا لي على هذا الترتيب.

وأسأل الله تعالى أن ينفعني والسامع به، فإن خير العلم النافع

أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَخْضَرُ الْخَطِيبُ بِالأَنْبَارِ، أبنا أَبِي، أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ الْفَارِسِيُّ،
আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নাজিয়া বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনুল ওয়ালিদ আল-বুসরী।

অতঃপর আমি বলি: হে শাইখ, (তিনি কি) মুহাম্মাদ? তখন তিনি বলেন: মুহাম্মাদ এবং আহমদ একই ব্যক্তি।

এরপর আমি বর্ণমালার শেষ পর্যন্ত প্রতিটি বর্ণ ক্রমানুসারে উপস্থাপন করি এবং শাইখদের পিতাদের নামের ক্ষেত্রেও এই ক্রম বজায় রাখি। ফলে আমি 'আহমদ ইবনে আহমদ' নামধারী ব্যক্তিকে 'আহমদ ইবনে উমর' এর আগে স্থান দেই, যেহেতু 'আলিফ' বর্ণটি 'আইন' বর্ণের আগে আসে। আমি জীবনীর শেষে এমন ব্যক্তিদের উল্লেখ করি যাদের পিতা উপনাম (কুনিয়াত) দ্বারা প্রসিদ্ধ এবং যাদের নাম জানা নেই। এছাড়া যারা আমাকে ইজাযত প্রদান করেছেন এমন কিছু শাইখকেও আমি এই ক্রম অনুযায়ী উল্লেখ করেছি।

আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে এবং শ্রোতাকে এর দ্বারা উপকৃত করেন, কারণ সর্বোত্তম জ্ঞান হচ্ছে যা কল্যাণকর।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আখদার, যিনি আনবার শহরের খতিব। তিনি বলেন, আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাহদী আল-ফারিসী।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٠)
أبنا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، أبنا عُمَرُ بْنُ مُدْرَكٍ، ثنا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ عَطِيَّةَ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: " الْعِلْمُ عِلْمَانِ: عِلْمٌ فِي الْقَلْبِ فَذَاكَ الْعِلْمُ النَّافِعُ، وَعِلْمٌ عَلَى اللِّسَانِ فَذَاكَ حُجَّةٌ عَلَى ابْنِ آدَمَ "

وأسأله أن يجعل ما جمعته وسردته لوجهه خالصا، وأن يجعل سعينا له، وقصدنا، وإنه على ما يشاء قدير.

أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ وَجِيهُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيُّ بِنَيْسَابُورَ، أَبْنَا أَبُو صَالِحٍ أَحْمَدُ بْنُ
আবু আলী ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর বিন মুদরিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুস সালাম বিন সলিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ইলম বা জ্ঞান দুই প্রকার: অন্তরের জ্ঞান, আর সেটিই হলো উপকারী জ্ঞান; এবং জিহ্বার জ্ঞান, যা আদমসন্তানের বিরুদ্ধে প্রমাণস্বরূপ।"

এবং আমি তাঁর নিকট প্রার্থনা করি যেন আমি যা সংগ্রহ ও বর্ণনা করেছি তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন, আর আমাদের এই প্রচেষ্টাকে ও উদ্দেশ্যকে তাঁরই জন্য করেন; নিশ্চয়ই তিনি যা ইচ্ছা করেন তাতে সক্ষম।

নিশাপুরে আবু বকর ওয়াজিহ বিন তাহির আশ-শাহহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সলিহ আহমদ বিন... আমাদের জানিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢١)
عَبْدِ الْمَلِكِ الْمُؤَذِّنُ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّرَّاجُ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمُؤَمَّلِ، ثنا الْكُدَيْمِيُّ، قَالَ: قُلْتُ لِقَبِيصَةَ بْنِ عُقْبَةَ: يَا أَبَا عَامِرٍ، مَالَكَ لَمْ تُصَنِّفْ حَدِيثَ سُفْيَانَ؟ قَالَ: أَخَافُ أَنْ لا يَكُونَ لِلَّهِ تَعَالَى

 

‌‌حرف الألف

‌‌من اسمه أحمد

‌‌الشيخ الأول هو أبو القاسم أحمد بن أحمد بن إسحاق بن موسى الدندانقاني الصوفي.

 

أنا قدمته في الذكر لمعان منها: أن اسمه أحمد، واسم أبيه أحمد، وقدمته على الذي يليه لأن جده اسمه إسحاق، واسم جد الذي يليه علي، وإسحاق يقدم على علي في المعجم، ولأني سمعت عليه بمكة، ومن أشرف البلاد والبقاع.

وأبو
আবদুল মালিক আল-মুয়াযযিন আল-হাফিয, আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আস-সাররাজ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-মুআম্মাল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-কুদাইমি, তিনি বলেন: আমি কাবিছাহ বিন উকবাহকে বললাম: হে আবু আমির, আপনার কী হলো যে আপনি সুফিয়ানের হাদীস সংকলন করলেন না? তিনি বললেন: আমি ভয় করি যে, তা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হবে না।

 

‌আলিফ বর্ণ

‌যাদের নাম আহমাদ

‌প্রথম শায়খ হলেন আবুল কাসিম আহমাদ বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন মুসা আদ-দানদানকানি আস-সুফি।

 

আমি তাকে আলোচনার শুরুতে স্থান দিয়েছি কয়েকটি কারণে, তার মধ্যে রয়েছে: তার নাম আহমাদ এবং তার পিতার নামও আহমাদ। আর আমি তাকে তার পরবর্তী ব্যক্তির আগে উল্লেখ করেছি কারণ তার দাদার নাম ইসহাক, আর তার পরবর্তী ব্যক্তির দাদার নাম আলী; আর বর্ণনাক্রম অনুযায়ী আলী-এর আগে ইসহাক আসে। এছাড়া আমি মক্কায় তার থেকে শ্রবণ করেছি, যা অত্যন্ত সম্মানিত শহর ও ভূখণ্ডগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

এবং আবু
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٢)
القاسم هذا من أهل الدندانقان، بليدة على عشرة فراسخ من مرو، خربها الأتراك المعروفة بالغز في شوال سنة ثلاث وخمسين وخمس مائة، وقتل بعض أهلها، وتفرق عنها الباقون، لأن عسكر خراسان قد دخلها وتحصن بها.

وأبو القاسم هذا كان شيخا صالحا، عفيفا، متواضعا، حسن السيرة، جاور بمكة أربعين سنة، وكان قد صحب أبا طاهر أحمد بن محمد بن سلفه الأصبهاني الحافظ،
এই আবুল কাসিম দানদানকানের অধিবাসী ছিলেন; এটি মার্ভ থেকে দশ ফারসাখ দূরত্বে অবস্থিত একটি ছোট শহর। ৫৫৩ হিজরির শাওয়াল মাসে 'গুজ' নামে পরিচিত তুর্কিরা এটি ধ্বংস করে দেয়, এর কিছু অধিবাসীকে হত্যা করে এবং অবশিষ্টরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে; কারণ খোরাসানের বাহিনী সেখানে প্রবেশ করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

আর এই আবু কাসিম ছিলেন একজন নেককার শায়খ, পবিত্র চরিত্রের অধিকারী, বিনয়ী এবং উত্তম জীবনচরিত্রের অধিকারী। তিনি মক্কায় চল্লিশ বছর অবস্থান করেছিলেন এবং হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিলাফাহ আল-ইসফাহানির সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٣)
ورحل معه إلى الشام، وركب البحر إلى مصر، وسمع معه الحديث، وكتب بإفادته عن جماعة، ثم ورد مكة، وجاور بها وسكنها.

سمع بالإسكندرية: أبا الحسن علي بن المشرف بن المسلم بن حميد الأنماطي، وأبا عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي، وأبا بكر محمد بن الوليد الفهري الطرطوشي، وأحمد بن عبد الله بن هشام اللخمي، وبحلب: أبا عبد الله الحسين بن عبد الرحمن بن طاهر الحلبي، وبدمشق: أبا الحسن علي بن أحمد بن منصور بن محمد الغساني، وأبا الفتح نصر الله بن محمد بن عبد القوي اللاذقي، وبصور: أبا القاسم أحمد بن الحسين بن أحمد بن القاسم الصوري، وبمصر.

، وغيرهم.
তিনি তাঁর সাথে শামে সফর করেন, সমুদ্রপথে মিশরে যান, তাঁর সাথে হাদিস শ্রবণ করেন এবং তাঁর নির্দেশনায় একদল (শায়খ) থেকে লিপিবদ্ধ করেন। এরপর তিনি মক্কায় আগমন করেন এবং সেখানে প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস ও অবস্থান করেন।

তিনি আলেকজান্দ্রিয়ায় শ্রবণ করেছেন: আবুল হাসান আলী বিন আল-মুশাররাফ বিন আল-মুসলিম বিন হুমাইদ আল-আনমাতি, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম আল-রাজি, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ আল-ফিহরি আত-তুরতুশি, এবং আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন হিশাম আল-লাখমি থেকে। আর হালাবে: আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবদুর রহমান বিন তাহির আল-হালাবি থেকে। আর দামেস্কে: আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ বিন মনসুর বিন মুহাম্মদ আল-গাসসানি এবং আবু আল-ফাতহ নাসরুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল কাবি আল-লাজিকি থেকে। আর সূর শহরে: আবুল কাসিম আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন আল-কাসিম আস-সুরি থেকে এবং মিশরেও শ্রবণ করেছেন।

ও অন্যান্যদের নিকট থেকেও।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٤)
كتبت عنه بمكة في النوبة الأولى سنة اثنتين وثلاثين، وأظن أن أحدا لم يكتب عنه قبلي، وانتخبت عليه جزءا من مسموعاته عن شيوخه، وقرأت عليه المقصورة لابن دريد، وكان وهب أجزاءه وأصوله مني فرددتها عليه، وقلت له: ربما تحتاج إليها، ويرغب فيها من يقرؤها عليك.

وكانت ولادته قبل سنة تسعين وأربع مائة، وتوفي.

الرواية:

أخبرنا أبو القاسم الدندانقاني، قراءة عليه بمكة حرسها الله، أبنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي بالإسكندرية، أبنا محمد بن أحمد بن عبد الوهاب البغدادي بالفسطاط، أبنا موسى بن محمد بن جعفر بن عرفة السمسار، ثنا أبو عمرو أحمد بن الفضل البغوي، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيل بْنُ مُوسَى، ثَنَا عُمَرُ بْنُ شَاكِرٍ، ثنا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: «يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ الصَّابِرُ منهِمْ عَلَى دِينِهِ كَالْقَابِضِ عَلَى الْجَمْرِ» .

أخرجه أبو عيسى محمد بن عيسى الترمذي في جامعه، عن إسماعيل بن موسى، وهو ابْنُ بِنْتِ السُّدِّيِّ، كما أخرجناه، وهو حديث عزيز حسن
আমি তার নিকট থেকে মক্কায় প্রথমবার পাঁচশত বত্রিশ হিজরি সনে হাদিস লিখেছি, এবং আমার ধারণা যে আমার পূর্বে কেউ তার নিকট থেকে লিখেনি। আমি তার শায়খদের নিকট থেকে তার শ্রবণকৃত হাদিসসমূহ হতে একটি অংশ নির্বাচন করেছি এবং তার নিকট ইবনে দুরেয়দের 'আল-মাকসুরা' পাঠ করেছি। তিনি আমাকে তার পাণ্ডুলিপি ও মূল কপিগুলো দান করেছিলেন, কিন্তু আমি সেগুলো তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বললাম: সম্ভবত আপনার এগুলোর প্রয়োজন হবে এবং যারা আপনার নিকট পাঠ করবে তারা এগুলো পেতে আগ্রহী হবে।

তার জন্ম চারশত নব্বই হিজরি সনের পূর্বে হয়েছিল এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

বর্ণনা:

আমাদের নিকট আবু আল-কাসিম আদ-দানদানকানি সংবাদ প্রদান করেছেন, মক্কায় (আল্লাহ একে রক্ষা করুন) তার নিকট পাঠকালে; আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আর-রাজি ইসকান্দারিয়াতে সংবাদ প্রদান করেছেন; আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-বাগদাদি ফুসতাতে সংবাদ প্রদান করেছেন; আমাদের নিকট মুসা বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আরাফা আস-সিমসার সংবাদ প্রদান করেছেন; আমাদের নিকট আবু আমর আহমদ বিন আল-ফজল আল-বাগাউয়ি বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট ইসমাইল বিন মুসা বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট উমর বিন শাকির বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন তাদের মধ্যে নিজের দ্বীনের ওপর ধৈর্যধারণকারী ব্যক্তি জ্বলন্ত কয়লা মুষ্টিবদ্ধকারী ব্যক্তির ন্যায় হবে»।

এটি আবু ঈসা মুহাম্মদ বিন ঈসা আত-তিরমিযী তার 'জামে' গ্রন্থে ইসমাইল বিন মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন আস-সুদ্দীর দৌহিত্র, যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি; আর এটি একটি আযীয হাসান হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٥)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّنْدَانْقَانِيُّ بِمَكَّةَ، أَبْنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُشَرِّفِ بْنِ الْمُسْلِمِ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْمَاطِيُّ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ، أَبْنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الضَّرَّابُ بِمِصْرَ، ثَنَا أَبُي الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الضَّرَّابُ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ الْمَالِكِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثَنَا الزِّيَادِيُّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: أَوْصَى حُبَيْشُ بْنُ زُهَيْرٍ، النَّمِرَ بْنَ قَاسِطٍ، فَقَالَ: عَلَيْكَ بِالأَنَاةِ، فَإِنَّ بِهَا تُنَالُ الْفُرْصَةُ.

أنشدني أحمد بن أحمد بمكة، أنشدني أبو بكر محمد بن الوليد الطرطوشي بالإسكندرية، قال: أنشدني بعضهم:
মক্কায় আহমাদ বিন আহমাদ আদ-দানদানকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলেকজান্দ্রিয়ায় আবুল হাসান আলী বিন আল-মুশাররাফ বিন আল-মুসলিম বিন হুমাইদ বিন আবদ আল-মুনইম বিন আবদ আর-রহমান আল-আনমাতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মিশরে আবুল কাসিম আবদুল আজিজ বিন আল-হাসান বিন ইসমাইল আদ-দাররাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান বিন ইসমাইল আদ-দাররাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন মারওয়ান আল-মালিকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আয-যিয়াদি ইউনুস বিন হাবিব থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুবাইশ বিন জুহাইর নামির বিন কাসিতকে ওসিয়ত করে বলেছেন: তুমি ধীরস্থিরতা অবলম্বন করো, কারণ এর মাধ্যমেই সুযোগ লাভ করা যায়।

মক্কায় আহমাদ বিন আহমাদ আমাকে কবিতা শুনিয়েছেন, আলেকজান্দ্রিয়ায় আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ আত-তুর্তুশি আমাকে কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: তাদের কেউ আমাকে শুনিয়েছেন:
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٦)
يقولون ثكلى ومن لم تذق … فراق الأحبة لم تثكل

لقد جرعتني ليالي الفراق … شرابا أمر من الحنظل

 

‌‌شيخ آخر: هو أبو القاسم أحمد بن إبراهيم بن أحمد بن إبراهيم بن أحمد بن إبراهيم بن أحمد بن أيوب المقرئ الفزي

، من أهل نيسابور.

وفز إحدى مخالفها، يقال لها: بوز.

كان إماما فاضلا، ورعا، كثير العبادة، حسن السيرة، كان سكن أستوا من نواحي نيسابور، وكان يدخل البلد أحيانا، وينزل فز.

سمع أبا بكر محمد بن إسماعيل. . . . . . . . . . . . . . . . .
তারা বলে সে শোকাতুর, আর যে ব্যক্তি … প্রিয়জনদের বিচ্ছেদ আস্বাদন করেনি সে শোকাতুর হয়নি।

বিচ্ছেদের রজনীগুলো আমাকে … হানযাল অপেক্ষা অধিক তিক্ত পানীয় পান করিয়েছে।

 

‌‌অন্য একজন শায়খ: তিনি হলেন আবু আল-কাসিম আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন আইয়ুব আল-মুকরি আল-ফাজ্জি

নিসাবুরের অধিবাসী।

আর ফাজ হলো এর অন্যতম একটি প্রশাসনিক অঞ্চল, যাকে বলা হয়: বুজ।

তিনি ছিলেন একজন গুণী ইমাম, পরহেজগার, অত্যন্ত ইবাদতগুজার এবং সুন্দর চরিত্রের অধিকারী। তিনি নিসাবুরের পার্শ্ববর্তী ‘অস্তুয়া’ অঞ্চলে বসবাস করতেন এবং মাঝে মাঝে শহরে প্রবেশ করতেন ও ফাজে অবস্থান করতেন।

তিনি আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইসমাইলের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন। . . . . . . . . . . . . . . . .
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٧)
التفليسي، وأبا بكر أحمد بن علي الشيرازي، وفاطمة بنت أبي علي الدقاق، وأبا سعد عبد الرحمن بن منصور بن رامش الغازي، وغيرهم، كتب عنه بنيسابور بإفادة عبد الرزاق الطبسي، وسمعت منه، ومن أخيه أبي سعيد محمد بن إبراهيم كتاب آداب الصحبة لأبي عبد الرحمن السلمي، وبروايتهما عن التفليسي، عنه.

وكانت ولادته قبل سنة سبعين وأربع مائة، وكتبت عنه فِي شهر رمضان، سنة ثلاثين وخمس مائة وكانت وفاته بعد ذلك بسنتين أو ثلاث.

الرواية:

أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْفَزِّيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ، أَخْبَرَتْنَا أُمُّ الْبَنِينِ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الدَّقَّاقِ، أَبْنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ الأَزْهَرِيُّ، أبنا أَبُو عَوَانَةَ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، ثنا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، أَبْنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ يَزِيدَ، عَنْ عَطَاءٍ
আল-তাফলিসি, আবু বকর আহমদ বিন আলী আল-শিরাজি, ফাতিমা বিনত আবি আলী আদ-দাক্কাক, আবু সা’দ আব্দুর রহমান বিন মনসুর বিন রামেশ আল-গাজি এবং অন্যান্যরা; আব্দুর রাজ্জাক আত-তাবাসির দিকনির্দেশনায় নিশাপুরে তাঁর থেকে (হাদিস) লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আমি তাঁর থেকে এবং তাঁর ভাই আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিমের নিকট থেকে আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি রচিত 'আদাবু স-সুহবাহ' গ্রন্থটি শুনেছি, যা আল-তাফলিসির মাধ্যমে তাঁদের বর্ণনাসূত্রে প্রাপ্ত।

তাঁর জন্ম ৪৭০ হিজরি সালের পূর্বে হয়েছিল। আমি তাঁর নিকট থেকে ৫৩০ হিজরি সালের রমজান মাসে লিখেছি এবং এর দুই বা তিন বছর পর তাঁর মৃত্যু হয়।

বর্ণনা:

আবুল কাসিম আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আল-ফাজ্জি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—নিশাপুরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—উম্মুল বানিন ফাতিমা বিনত আবি আলি আল-হাসান বিন আলি আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান আল-আযহারি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাফিয আমাদের জানিয়েছেন, ইউনুস বিন আব্দুল আলা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের জানিয়েছেন, যুহরি থেকে, তিনি ইয়াজিদ থেকে, তিনি আতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٨)
اللَّيْثِيِّ، سَمِعَ أَبَا أَيُّوبَ الأَنْصَارِيَّ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَيْتُمُ الْغَائِطَ فَلا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلا بَوْلٍ، وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا» ، فَقَدِمْنَا الشام، فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ بُنِيَتْ نَحْوَ الْقِبْلَةِ، فَنَنْحَرِفُ عَنْهَا، وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ، عز وجل

أخبرنا أبو القاسم الفزي بقراءتي عليه، أبنا أبو بكر محمد بن إسماعيل بن السري التفليسي، أبنا أبو عبد الرحمن محمد بن الحسن السلمي، أنشدني أبو الحسن السلامي البغدادي، أنشدني نفطويه، أنشدني أحمد بن يحيى ثعلب:

ثلاث خلال للصديق جعلتها … مضارعة للصوم والصلوات

مواساته والصفح عن كل زلة … وترك ابتذال السر في الخلوات
লাইসী হতে বর্ণিত, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে শ্রবণ করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: "তোমরা যখন শৌচাগারে যাবে, তখন মলত্যাগ বা প্রস্রাবের সময় কিবলামুখী হবে না, বরং পূর্ব বা পশ্চিম দিকে মুখ করবে।" অতঃপর আমরা শাম দেশে আগমন করলাম এবং দেখলাম যে, সেখানকার শৌচাগারসমূহ কিবলার দিকে মুখ করে নির্মিত হয়েছে। ফলে আমরা কিবলা থেকে বিচ্যুত হয়ে (বাঁকা হয়ে) বসতাম এবং মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।

আবুল কাসিম আল-ফাযী তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আস-সারী আত-তিফলিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আস-সুলামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আস-সালামী আল-বাগদাদী আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন, নাফতাওয়াইহ আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন, আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ছা'লাব আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন:

বন্ধুর জন্য তিনটি বৈশিষ্ট্যকে আমি নির্ধারণ করেছি … যা সিয়াম ও সালাতের সদৃশ

তার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ এবং সকল বিচ্যুতি ক্ষমা করে দেওয়া … এবং নির্জনে গোপন বিষয় প্রকাশ করা বর্জন করা।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٢٩)
‌‌شيخ آخر: هو أبو مسعود أحمد بن إبراهيم بن محمد بن أحمد بن إبراهيم بن موسى بن عبد الله الجنزي

، من أهل أصبهان من جنزة، وهي بلدة بأقصى بلاد أذربيجان.

شيخ صالح من أولاد المحدثين، أحضره والده مجلس أبي عمرو عبد الوهاب بن أبي عبد الله بن منده الحافظ، وسمع منه شيئا، وسمع أبا القاسم إسماعيل بن مسعدة الإسماعيلي.

وكانت ولادته في حدود سنة تسعين وأربع مائة إن شاء الله.

ووفاته.

الرواية:

أَخْبَرَنَا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجَنْزِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ فِي جَامِعِهَا الْكَبِيرِ، أَبْنَا أَبُو عَمْرٍو عَبْدُ الْوَهَّابِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ، أبنا وَالِدِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَهْ الْحَافِظُ، أَبْنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْعَسْكَرِيُّ بِمِصْرَ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، ثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ
অন্য একজন শায়খ: তিনি হলেন আবু মাসউদ আহমদ বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন মুসা বিন আবদুল্লাহ আল-জানযি

। তিনি আসফাহানের অধিবাসী, জানযা নামক স্থান থেকে আগত; এটি আজারবাইজানের শেষ সীমান্তের একটি শহর।

তিনি মুহাদ্দিসদের বংশধরদের মধ্য থেকে একজন নেককার শায়খ। তাঁর পিতা তাঁকে হাফেজ আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব বিন আবু আব্দুল্লাহ বিন মান্দাহ-এর মজলিসে উপস্থিত করেছিলেন এবং তিনি তাঁর নিকট থেকে কিছু শ্রবণ করেছেন। এছাড়াও তিনি আবু কাসিম ইসমাইল বিন মাসআদা আল-ইসমাঈলির নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।

ইনশাআল্লাহ তাঁর জন্ম ছিল চারশ নব্বই হিজরি সালের কাছাকাছি সময়ে।

এবং তাঁর মৃত্যু।

বর্ণনা:

আবু মাসউদ আহমদ বিন ইবরাহিম আল-জানযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আসফাহানের জামে মসজিদে তাঁর নিকট পাঠকালে—তিনি বলেন: আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠকালে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম—তিনি বলেন: আমার পিতা হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মান্দাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-আসকারি মিসরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইউনুস বিন আব্দুল আ'লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু দামরা আনাস বিন ইয়াজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন... থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٠)
عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، رضي الله عنهما، أَنَّ النَّبِيَّ، صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ صَاحِبَ الْقُرْآنِ إِذَا قَامَ بِهِ فَقَرَأَهُ بِاللَّيْلِ والنهار ذَكَرَهُ وَإِنْ لَمْ يَقُمْ بِهِ نَسِيَهُ»

 

‌‌شيخ آخر: هو القاضي أبو الفضل أحمد بن إسماعيل بن أحمد الجرباذقاني الواعظ

، ويقال: أبو علي من أهل جرباذقان، بلدة بين أصبهان، وهمذان.

كان شيخا عالما، فاضلا، زاهدا، عفيفا، مليح الشيبة، حسن الوجه، يعتقد فيه السلطان وأهل العسكر بالعراق.

تفقه بأصبهان على أبي بكر الخجندي، وسمع الحديث من أبي عثمان إسماعيل بن أبي سعيد الواعظ المحتسب الأصبهاني وغيره.

وكانت ولادته في حدود سنة ستين وأربع مائة.

ووفاته في حدود سنة أربعين وخمس مائة.

الرواية:

أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْقَاضِي، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِجَرْبَاذْقَانَ، أَبْنَا أَبُو عُثْمَانَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْوَاعِظُ، أَبْنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِيذَةَ
উকবাহ থেকে বর্ণিত, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই কোরআনের সাথী যখন তা নিয়ে রাত ও দিনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে ও তিলাওয়াত করে, তখন সে তা মনে রাখে; আর যদি সে তা নিয়ে না দাঁড়ায়, তবে সে তা ভুলে যায়।"

 

অন্য একজন শায়খ: তিনি হলেন আল-কাজী আবুল ফজল আহমদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আহমদ আল-জারবাজাকানী আল-ওয়ায়েজ

এবং তাকে আবু আলীও বলা হয়; তিনি জারবাজাকান শহরের অধিবাসী, যা ইস্পাহান ও হামাদানের মধ্যবর্তী একটি শহর।

তিনি ছিলেন একজন আলেম শায়খ, গুণী, দুনিয়াবিমুখ, পবিত্রচরিত্র, সুন্দর শশ্রুমণ্ডিত এবং সুশ্রী চেহারার অধিকারী। ইরাকের সুলতান এবং সামরিক বাহিনীর লোকজন তার প্রতি অত্যন্ত আস্থাশীল ছিল।

তিনি ইস্পাহানে আবু বকর আল-খুজান্দীর নিকট ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন এবং আবু উসমান ইসমাইল ইবনে আবু সাঈদ আল-ওয়ায়েজ আল-মুহতাসিব আল-আসবাহানী ও অন্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন।

তার জন্ম হয়েছিল ৪৬০ হিজরি সালের কাছাকাছি সময়ে।

এবং তার ইন্তেকাল হয়েছিল ৫৪০ হিজরি সালের কাছাকাছি সময়ে।

বর্ণনা:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আহমদ ইবনে ইসমাইল আল-কাজী—জারবাজাকানে তার নিকট আমার কিরাত পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান ইসমাইল ইবনে আবু সাঈদ আল-ওয়ায়েজ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রিযাহ।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣١)
الضَّبِّيُّ، أبنا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حدثني مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَاشِمٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا أَبُو مَالِكٍ الأَشْجَعِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، يُعَلِّمُ مَنْ أَسْلَمَ، يَقُولُ: " قُلِ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَارْزُقْنِي " ثُمَّ قَالَ: «هَؤُلاءِ جَمَعْنَ خَيْرَ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ»

 

‌‌شيخ آخر: هو أبو عبد الله أحمد بن إسماعيل بن أحمد الفولوي، يعرف بباشة المؤذن

، من أهل نيسابور، وفولو إحدى محالها، ويقال لها: كولو.

كان شيخا، مستورا، صالحا.

سمع قطعة من أمالي أبي الحسن علي بن احمد المديني المؤذن، وأبو سعيد القشيري، عنهما.
আদ-দাব্বি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-মুকাদ্দামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন হাশিম আল-বাগাওয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মালিক আল-আশজায়ি, আমার নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শুনেছি, তিনি যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করত তাকে শিক্ষা দিতেন এবং বলতেন: "তুমি বলো: হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন এবং আমাকে রিজিক দান করুন।" অতঃপর তিনি বললেন: "এই শব্দগুলো দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণকে একত্র করেছে।"

 

‌‌অন্য একজন শাইখ: তিনি হলেন আবু আবদুল্লাহ আহমাদ বিন ইসমাইল বিন আহমাদ আল-ফুলুয়ি, যিনি বাশা আল-মুয়াযযিন নামে পরিচিত

তিনি নিশাপুরের অধিবাসী, আর ফুলু হলো তার একটি এলাকা, যেটিকে কুলু-ও বলা হয়।

তিনি একজন শাইখ, সদাচারী ও নেককার ব্যক্তি ছিলেন।

তিনি আবুল হাসান আলি বিন আহমাদ আল-মাদিনি আল-মুয়াযযিন এবং আবু সাঈদ আল-কুশায়রি হতে তাঁদের 'আমালি' (শ্রুতলিপি)-এর একটি অংশ শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٢)
الرواية:

أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْمُقْرِئُ الْفولويُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ الْكَرِيمِ بْنِ هَوَازِنَ الْقُشَيْرِيُّ، إِمْلاءً، أَبْنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الزَّاهِدِ الْبَلْخِيُّ، أَبْنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي صَالِحٍ الْبَغْدَادِيُّ، ثنا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا حَمَّادٌ، عَنْ عَمْرِو، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ جَابِرِ، رضي الله عنه، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم يَوْمَ خَيْبَرَ عَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الأَهْلِيَّةِ، وَأَذِنَ فِي لُحُومِ الْخَيْلِ»

 

‌‌شيخ آخر: هو أبو الفضل أحمد بن إسماعيل بن أبي سعد عبد الحميد بن محمد الجيزاباري العطار الصيدلاني

، ويقال له: أبو عبد الله، من أهل نيسابور.

كان من مستوري الشيوخ، ومن بيت الحديث وأهله.
বর্ণনা:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-মুকরি আল-ফাউলবি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-করিম বিন হাওয়াজিন আল-কুশাইরী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-জাহিদ আল-বালখি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আবি সালিহ আল-বাগদাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাজী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, আমর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আলী থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের যুদ্ধের দিন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশতের অনুমতি দিয়েছেন।»

 

‌‌অন্য একজন শায়খ: তিনি হলেন আবুল ফজল আহমাদ বিন ইসমাইল বিন আবি সাদ আব্দুল হামিদ বিন মুহাম্মাদ আল-জিজাবারি আল-আত্তার আস-সাইদালানি

، এবং তাঁকে আবু আব্দুল্লাহও বলা হয়, তিনি নিশাপুরের অধিবাসী ছিলেন।

তিনি সৎ ও মর্যাদাবান শায়খদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং হাদিস বিশারদ পরিবার ও হাদিস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٣)
سمع أبا بكر أحمد بن علي الشيرازي، وأبا محمد الحسن بن أحمد بن محمد السمرقندي الحافظ، وغيرهما.

سمعت منه الأربعين للحاكم أبي عبد الله الحافظ، بروايته عن ابن خلف، عنه.

 

‌‌شيخ آخر: هو السيد أبو الفتوح أحمد بن إسماعيل بن أميرك بن إسماعيل بن أميرك بن إسماعيل بن جعفر بن القاسم بن جعفر بن محمد بن زيد بن علي بن الحسين بن علي بن أبي طالب العلوي الحسيني

، من أهل هراة، من بيت الشرف والحديث.

سمع أبا الفضل أحمد بن أبي سعيد عبيد الله بن أبي سعيد المركب الأرزي.
তিনি আবু বকর আহমদ বিন আলী আশ-শিরাজী, হাফেজ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সামারকান্দী এবং আরও অনেকের নিকট থেকে শুনেছেন।

আমি তাঁর থেকে ইবন খালাফের বর্ণনায় হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিমের 'চল্লিশ হাদিস' (আল-আরবাঈন) গ্রন্থটি তাঁর বর্ণনাসূত্রে শুনেছি।

 

অন্য একজন শায়খ: তিনি হলেন আস-সাইয়্যেদ আবুল ফুতুহ আহমদ বিন ইসমাইল বিন আমিরক বিন ইসমাইল বিন আমিরক বিন ইসমাইল বিন জাফর বিন আল-কাসিম বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন যায়েদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আবু তালিব আল-আলাভি আল-হুসাইনি

তিনি হেরাতের অধিবাসী এবং এক সম্ভ্রান্ত ও হাদিসবেত্তা পরিবারের সন্তান।

তিনি আবুল ফজল আহমদ বিন আবু সাঈদ উবায়দুল্লাহ বিন আবু সাঈদ আল-মুরাক্কাব আল-আরযীর নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٤)
قرأت عليه وعل إخوته الأربعين لأبي الفضل الجارودي، بروايته عن أبي الفضل الأرزي عنه.

وكانت ولادته في حدود سنة سبعين وأربع مائة، ووفاته. . . . . . . . . . . . . . . . . . الرواية:

أَخْبَرَنَا السَّيِّدُ أَبُو الْفُتُوحِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحُسَيْنِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِهَرَاةَ فِي جَامِعِهَا، أَبْنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الأَرُزِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَبْنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَارُودِيُّ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو عَلِيٍّ حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّفَّاءُ، أَبْنَا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الأَشَجُّ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: «الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ، لا يَظْلِمُهُ، وَلا يَشْتِمُهُ، مَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ، كَانَ اللَّهُ فِي حَاجَتِهِ، وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِمٍ كُرْبَةً، فَرَّجَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ سَتَرَ
আমি তাঁর কাছে এবং তাঁর ভাইদের সামনে আবু আল-ফজল আল-জারুদীর 'চল্লিশ হাদিস' (আল-আরবাঈন) পাঠ করেছি, যা তিনি আবু আল-ফজল আল-আরুযী থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর জন্ম চারশত সত্তর হিজরি সালের কাছাকাছি সময়ে এবং তাঁর মৃত্যু . . . . . . . . . . . . . . . . . . বর্ণনা:

সাইয়্যেদ আবু আল-ফুতুহ আহমদ বিন ইসমাইল আল-হুসাইনী হেরাতের জামে মসজিদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল আহমদ বিন আবু সাঈদ আল-আরুযী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-জারুদী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আর-রাফ্ফা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-আশাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতায়বা বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «একজন মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই, সে তার ওপর জুলুম করে না এবং তাকে গালি দেয় না। যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণে নিয়োজিত থাকে, আল্লাহ তার প্রয়োজন পূরণ করে দেন। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের কোনো বিপদ দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিনের বিপদসমূহ থেকে তার একটি বিপদ দূর করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি গোপন রাখবে...»
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٥)
مُسْلِمًا، سَتَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»

 

‌‌شيخ آخر: هو أبو بكر أحمد بن إسماعيل الجوهري

، أظنه من أهل نيسابور، سكن غزنة.

سمع: الإمام أبا القاسم عبد الكريم بن هوازن القشيري.

وكتب إليَّ الإجازة بجميع مسموعاته ومجموعاته، قال: خصوصا من مسموعاتي رسالة الصوفية، تصنيف القشيري حسب سماعي منه، وكتب خطه بالإجازة لي في ذي الحجة من سنة ثلاث عشرة وخمس مائة، فتكون وفاته بعد هذه السنة.

 

‌‌شيخ آخر: هو الرئيس أبو الحسين أحمد بن جعفر بن أحمد بن مهدويه الأنباري الفراتي المهدوي

، من أهل الأنبار.
কোনো মুসলিমের (দোষ গোপন করবে), আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার (দোষ) গোপন রাখবেন।»

 

‌‌অন্য এক শায়খ: তিনি হলেন আবু বকর আহমদ বিন ইসমাইল আল-জাওহারি

। আমি মনে করি তিনি নিশাপুরের অধিবাসী ছিলেন, তিনি গজনায় বসবাস করতেন।

তিনি শ্রবণ করেছেন: ইমাম আবুল কাসেম আবদুল করিম বিন হাওয়াজিন আল-কুশাইরী থেকে।

তিনি আমার নিকট তার সকল শ্রবণকৃত ও সংকলিত বিষয়ের ইজাজত লিখে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: বিশেষ করে আমার শ্রবণকৃত বিষয়সমূহের মধ্যে রয়েছে রিসালাতুস সুফিয়্যাহ, যা কুশাইরীর সংকলিত এবং আমি তা তার নিকট থেকে শ্রবণ করেছি। তিনি পাঁচশত তেরো হিজরির জিলহজ মাসে আমার জন্য স্বহস্তে ইজাজত লিখে দিয়েছেন, সুতরাং তার মৃত্যু এই বছরের পরেই হয়ে থাকবে।

 

‌‌অন্য এক শায়খ: তিনি হলেন রঈস আবুল হোসেন আহমদ বিন জাফর বিন আহমদ বিন মাহদাউয়্যাহ আল-আনবারী আল-ফুরাতী আল-মাহদাবী

। তিনি আনবারের অধিবাসী।
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٦)
كان أحد الرؤساء بها، وكان شيخا بهيا ساكنا وقورا، ثابتا، أقعده الزمان في بيته، وضعف حاله.

سمع: أبا طاهر محمد بن أحمد بن محمد بن أبي الصقر المعدل، وأبا الحسن علي بن محمد بن الأخضر الشيباني الأنباريين.

وسألته عن مولده، فقال: ولدت في شهر ربيع الأول سنة اثنتين وستين وأربع مائة، وتوفي في سنة أربع أو خمس وثلاثين وخمس مائة بالأنبار.

الرواية:

أبنا أبو الحسين الأنباري، أنا أبو طاهر بن أبي الصقر، أبنا إسماعيل بن عمرو المقرئ، ثنا أبو الطيب العباس بن أحمد الشافعي، ثنا أبو بكر الزقاق،
তিনি সেখানকার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুশ্রী, শান্ত, গম্ভীর ও দৃঢ়চেতা একজন শায়খ। বার্ধক্য তাঁকে নিজ গৃহে আবদ্ধ করে ফেলেছিল এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা দুর্বল হয়ে গিয়েছিল।

তিনি হাদীস শ্রবণ করেছেন: আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবুস সাক্বর আল-মুআদ্দাল এবং আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-আখদার আশ-শায়বানী আল-আনবারীদ্বয়ের নিকট থেকে।

আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: আমি চারশত বাষট্টি হিজরী সনের রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেছি। আর তিনি পাঁচশত চৌত্রিশ অথবা পঁয়ত্রিশ হিজরী সনে আনবারে ইন্তেকাল করেন।

বর্ণনা:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-আনবারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বিন আবুস সাক্বর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন আমর আল-মুক্বরি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুত্তাইয়িব আব্বাস বিন আহমদ আশ-শাফিঈ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর আজ-জাক্কাক্ব,
(খণ্ড: ১) আল মুনতাখাব মিন মুজামু শুয়ুখিস সামআনী (পৃষ্ঠা: ١٣٧)
ثنا علي بن الموفق، أنه لما كمل ستين حجة، وقف على الصفا، فقال: اللهم هذه ستين حجة، اللهم إني أشهدك أن عشرة منها هدية مني إلى النبي، صلى الله عليه وسلم، وعشرة لأبي بكر، رضي الله عنه، وعشرة لعمر، رضي الله عنه، وعشرة لعثمان، رضي الله عنه، وعشرة لعلي، رضي الله عنه، وعشرة هدية مني لمن لم يحج من أمة محمد، صلى الله عليه وسلم، قال: فرأيت رب العزة، تبارك وتعالى، في المنام تلك الليلة، وهو يقول: يا علي تجود علي وأنا أجود الأجودين؟ أشهدك أني قد غفرت لأهل الأرض

 

‌‌شيخ آخر: هو أبو عبد الرحمن أحمد بن الحسن بن أحمد بن يحيى بن يحيى بن أحمد الكاتب، من أهل نيسابور.

كان فاضلا، عالما، واعظا، مليح الوعظ، فصالا، حسن اللهجة والعبارة، وله حظ من العربية والشعر، كثير المحفوظ من النكت، قيما لصنعة الشعر والنثر، مكثرا من الحديث.

سمع بإفادة أبي الفضل صالح بن أبي صالح المؤذن الحافظ، عن جماعة من القدماء.

سمع: أباه أبا أحمد، وأبا بكر أحمد بن خلف الشيرازي، وجدته فاطمة بنت أبي
আলী ইবনে মুয়াফফাক বর্ণনা করেছেন যে, যখন তিনি ষাটটি হজ্জ সম্পন্ন করলেন, তখন তিনি সাফা পাহাড়ে দাঁড়ালেন এবং বললেন: হে আল্লাহ, এই হলো ষাটটি হজ্জ। হে আল্লাহ, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি যে, এর মধ্যে দশটি আমার পক্ষ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি উপহার, দশটি আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুর জন্য, দশটি উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর জন্য, দশটি উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর জন্য, দশটি আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুর জন্য এবং দশটি আমার পক্ষ থেকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উম্মতের মধ্যে যারা হজ্জ করতে পারেনি তাদের জন্য উপহার। তিনি বললেন: অতঃপর সেই রাতে আমি স্বপ্নে মহিমান্বিত রব তাবারাকা ওয়া তাআলাকে দেখলাম, তিনি বলছিলেন: হে আলী, তুমি কি আমার সাথে বদান্যতা দেখাচ্ছ অথচ আমিই সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা? আমি তোমাকে সাক্ষী রাখছি যে, আমি জমিনবাসীদের ক্ষমা করে দিয়েছি।

 

‌‌অন্য একজন শায়খ: তিনি হলেন আবু আব্দুর রহমান আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বিন আহমদ আল-কাতিব, নিশাপুরের অধিবাসী.

তিনি ছিলেন গুণী, আলিম, চমৎকার মিষ্টভাষী উপদেশক, প্রাঞ্জলভাষী এবং সুন্দর বাচনভঙ্গি ও প্রকাশভঙ্গির অধিকারী। আরবি ভাষা ও কবিতায় তার বিশেষ বুৎপত্তি ছিল। তিনি প্রচুর সূক্ষ্ম জ্ঞানগর্ভ আলোচনা মুখস্থ রাখতেন এবং পদ্য ও গদ্য শিল্পে সুদক্ষ ছিলেন। তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন।

তিনি হাফেজ আবু আল-ফজল সালিহ বিন আবু সালিহ আল-মুয়াযযিন-এর দিকনির্দেশনায় প্রাচীন একদল শায়খের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।

তিনি শ্রবণ করেছেন: তার পিতা আবু আহমদ, আবু বকর আহমদ বিন খালাফ আল-শিরাজি এবং তার দাদি ফাতিমা বিনতে আবু-এর নিকট থেকে।