(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: -)
تخريج أحاديث الإحياء = المغني عن حمل الأسفار القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: المغني عن حمل الأسفار في الأسفار، في تخريج ما في الإحياء من الأخبار (مطبوع بهامش إحياء علوم الدين)
المؤلف: أبو الفضل زين الدين عبد الرحيم بن الحسين بن عبد الرحمن بن أبي بكر بن إبراهيم العراقي (ت 806هـ)
الناشر: دار ابن حزم، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1426 هـ - 2005 م
عدد الصفحات: 1938
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ = আল-মুগনি আন হামলিল আসফার বিভাগ: তাখরিজ ও আতরাফ
গ্রন্থ: আল-মুগনি আন হামলিল আসফার ফিল আসফার, ফি তাখরিজি মা ফিল এহইয়া মিনাল আখবার (এহইয়াউ উলুমিদ্দীনের হাশিয়ায় মুদ্রিত)
লেখক: আবু আল-ফজল জাইন আল-দীন আব্দুল রহিম বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল রহমান বিন আবি বকর বিন ইব্রাহিম আল-ইরাকি (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি)
প্রকাশক: দার ইবনে হাজম, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯৩৮
[গ্রন্থের নম্বরকরণ মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৭)
المجلد الأول
প্রথম খণ্ড
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৭)
مقدمة المؤلف
গ্রন্থকারের ভূমিকা
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
الْحَمد لله الَّذِي أحيا علوم الدين فأينعت بعد اضمحلالها، وأعيا فهوم الملحدين عن دركها فرجعت بكلالها، أحمده وأستكين له من مظالم أنقضت الظهور بأثقالها؛ وأعبده وأستعين به لعصام الأمور وعضالها، وأشهد أَن لَا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا شريك لَهُ شهادة وافية بحصول الدرجات وظلالها، واقية من حلول الدركات وأهوالها، وَأشْهد أَن مُحَمَّدًا عَبده وَرَسُوله الذي أطلع به فجر الإيمان من ظلمة القلوب وضلالها، وأسمع به وقر الآذان وجلا به زين القلوب بصقالها، صَلَّى الله عَلَيْهِ وَعَلَى آله وَصَحبه وسلم صلاة لا قاطع لاتصالها. (وبعد) فلما وفق الله تعالى لإكمال الكلام على أحاديث «إحْيَاء عُلُوم الدَّين» في سنة إحدى وخمسين تعذر الوقوف على بعض أحاديثه فأخرت تبييضه إلى سنة ستين فظفرت بكثير مما عزب عني علمه ثم شرعت في تبييضه في مصنف متوسط حجمه وأنا مع ذلك متباطئ في إكماله غير معترض لتركه وإهماله إلى أن ظفرت بأكثر ما كنت لم أَقف عَلَيْهِ وتكرّر السؤال من جماعة في إكماله فأجبت وبادرت إليه ولكني اختصرته في غاية الاختصار ليسهل تحصيله وحمله في الأسفار فاقتصرت فيه على ذكر طرف الحديث وصحابيه ومخرجه وبيان صحته أو حسنه أو ضعف مخرجه فَإِن ذَلِك هُوَ المقصود الأعظم عند أبناء الآخرة بل وعند كثير من المحدثين عند المذاكرة والمناظرة وأبين مَا لَيْسَ لَهُ أصل في كتب الأصول والله أسأل أن ينفع به إنه خير مسؤول.
فإن كان الحديث في الصحيحين أو أحدهما اكتفيت بعزوه إليه وإلا عزوته إلى من خرجه من بقية الستة وحيث كان في أحد الستة لم أعزه إلى غيرها إلا لغرض صحيح بأن يكون في كتاب التزم مخرجه الصحة أو يكون أقرب إلى لفظه في الإحياء وحيث كرر المصنف ذكر الحديث، فإن كان في باب واحد منه اكتفيت بذكره أول مرة وربما ذكرته فيه ثانياً وثالثاً لغرض أو لذهول عن كونه تقدم، وإن كرره في باب آخر ذكرته ونبهت على أنه قد تقدم وربما لم أنبه على تقدمه لذهول عنه، وحيث عزوت الحديث لمن خرجه من الأئمة فلا أريد ذلك اللفظ بعينه بل قد يكون بلفظه وقد يكون بمعناه أو باختلاف على قاعدة المستخرجات، وحيث لم أجد ذلك الحديث ذكرت ما يغني عنه غالباً وربما لم أذكره. وسميته:
المغني عن حمل الأسفار في الأسفار: في تخريج ما في الإحياء من الأخبار
جعله الله خالصاً لوجهه الكريم ووسيلة إلى النعيم المقيم.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি দ্বীনি ইলমসমূহকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন, ফলে বিলুপ্ত হওয়ার পর সেগুলো প্রস্ফুটিত হয়েছে; এবং তিনি নাস্তিকদের বোধশক্তিকে এগুলো অনুধাবনে অক্ষম করে দিয়েছেন, ফলে তারা ক্লান্ত হয়ে ফিরে গিয়েছে। আমি তাঁর প্রশংসা করি এবং তাঁর নিকট সেই সমস্ত অবিচারের কারণে বিনয়াবনত হই যা নিজ ভারে পিঠ ভেঙে দিয়েছে; আমি তাঁর ইবাদত করি এবং কঠিন ও জটিল বিষয়সমূহের সমাধানের জন্য তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; এমন সাক্ষ্য যা সুউচ্চ মর্যাদা ও তার ছায়া লাভের জন্য পর্যাপ্ত এবং জাহান্নামের স্তরে পতন ও তার ভয়াবহতা থেকে রক্ষাকারী। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যাঁর মাধ্যমে তিনি অন্তরের অন্ধকার ও পথভ্রষ্টতা থেকে ঈমানের ঊষালোক উদিত করেছেন, যাঁর মাধ্যমে বধির কানে শোনার শক্তি দান করেছেন এবং অন্তরের মরিচা পরিষ্কার করে তা উজ্জ্বল করেছেন। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর এমন রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন যার ধারাবাহিকতা কখনও ছিন্ন হবে না। (অতঃপর) যখন মহান আল্লাহ একান্ন হিজরী সনে ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’-এর হাদিসসমূহের আলোচনার কাজ সমাপ্ত করার তাওফিক দান করলেন, তখন কিছু হাদিসের উৎস খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য ছিল। ফলে আমি এর পাণ্ডুলিপি চূড়ান্ত করার কাজ ষাট হিজরী পর্যন্ত বিলম্বিত করি। এরপর আমি পূর্বে অজানা অনেক হাদিস লাভে সমর্থ হই এবং একটি মাঝারি আয়তনের গ্রন্থে তা সংকলন শুরু করি। এর মাঝেও আমি এটি সম্পন্ন করতে কিছুটা ধীরগতি অবলম্বন করছিলাম এবং পুরোপুরি বর্জন না করলেও কিছুটা উদাসীন ছিলাম। অবশেষে যখন আমি এমন অনেক হাদিস পেয়ে গেলাম যা আগে পাইনি এবং একদল লোক এটি সম্পন্ন করার জন্য বারবার অনুরোধ করতে লাগলেন, তখন আমি তাদের ডাকে সাড়া দিলাম এবং দ্রুত কাজ শুরু করলাম। তবে আমি একে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত করেছি যাতে এটি সংগ্রহ করা এবং সফরে বহন করা সহজ হয়। আমি এতে হাদিসের একাংশ, বর্ণনাকারী সাহাবী, হাদিসের সংকলক এবং হাদিসটি সহিহ, হাসান নাকি দুর্বল তা বর্ণনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি। কেননা পরকাল প্রত্যাশীদের নিকট, এমনকি অনেক মুহাদ্দিসের নিকটও আলোচনা ও বিতর্কের সময় এটিই মূল উদ্দেশ্য থাকে। আর যেগুলোর কোনো ভিত্তি মূল কিতাবসমূহে নেই, তা-ও আমি স্পষ্ট করে দিচ্ছি। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এর দ্বারা উপকৃত করেন, নিশ্চয়ই তিনি সর্বোত্তম আবেদন গ্রহণকারী।
যদি হাদিসটি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম) অথবা এর যেকোনো একটিতে থাকে, তবে আমি শুধু তাদের উদ্ধৃতি দিয়েই ক্ষান্ত হয়েছি। অন্যথায় আমি সিত্তাহ-র (ছয়টি কিতাব) বাকি হাদিস গ্রন্থগুলোর উদ্ধৃতি দিয়েছি। যখন কোনো হাদিস সিত্তাহ-র কোনো একটিতে পাওয়া যায়, তখন বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া আমি অন্য কোনো গ্রন্থের উদ্ধৃতি দেইনি। বিশেষ উদ্দেশ্য বলতে—যদি এমন কোনো কিতাব হয় যা কেবল সহিহ হাদিস সংকলনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, অথবা যদি সেই কিতাবের শব্দ ‘এহইয়া’ গ্রন্থের শব্দের অধিক নিকটবর্তী হয়। যখন লেখক একই হাদিস বারবার উল্লেখ করেছেন, তখন সেটি যদি একই অধ্যায়ে হয় তবে আমি প্রথমবার উল্লেখ করাই যথেষ্ট মনে করেছি; তবে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে অথবা আগে অতিবাহিত হওয়ার বিষয়টি বিস্মৃত হওয়ার কারণে দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারও উল্লেখ করেছি। আর যদি হাদিসটি অন্য কোনো অধ্যায়ে পুনরায় আসে, তবে আমি তা উল্লেখ করেছি এবং আগে যে অতিবাহিত হয়েছে তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছি; কখনও বিস্মৃতিবশত আগে অতিবাহিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। আমি যখন কোনো ইমামের উদ্ধৃতি দেই, তখন সর্বদা সেই হুবহু শব্দগুলো উদ্দেশ্য থাকে না, বরং কখনও হুবহু শব্দে হয় আবার কখনও অর্থের ভিত্তিতে অথবা মুস্তাখরাজ গ্রন্থের মূলনীতি অনুযায়ী শব্দের ভিন্নতাসহ হয়ে থাকে। আর যখন আমি কোনো হাদিস খুঁজে পাইনি, তখন সাধারণত তার পরিবর্তে অন্য কোনো হাদিস উল্লেখ করেছি, আবার কখনও হয়ত কোনো কিছুই উল্লেখ করিনি। আমি এই কিতাবের নাম রেখেছি:
সফরে বড় গ্রন্থসমূহ বহন করা থেকে অমুখাপেক্ষীকারী: এহইয়া-র হাদিসসমূহের উৎস শনাক্তকরণ প্রসঙ্গে।
আল্লাহ একে তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত এবং চিরস্থায়ী নেয়ামত লাভের মাধ্যম হিসেবে কবুল করুন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৮)
أحاديث الخطبة
খুতবার হাদিসসমূহ
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৮)
1 - حَدِيث «أَشد النَّاس عذَابا يَوْم الْقِيَامَة عَالم لم يَنْفَعهُ الله بعلمه»
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير وَالْبَيْهَقِيّ فِي شعب الْإِيمَان من حَدِيث أبي هُرَيْرَة بِإِسْنَاد ضَعِيف.
১ - হাদিস: "কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন আযাব হবে সেই আলেমের, যাকে আল্লাহ তাঁর ইলম দ্বারা উপকৃত করেননি।"
তাবারানি এটি 'আল-সাগির' গ্রন্থে এবং বায়হাকি 'শুআবুল ইমান' গ্রন্থে আবু হুরায়রা থেকে একটি দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৮)
2 - حَدِيث «طلب الْعلم فَرِيضَة عَلَى كل مُسلم»
رَوَاهُ ابْن مَاجَه من حَدِيث أنس وَضَعفه أَحْمد وَالْبَيْهَقِيّ وَغَيرهمَا.
২ - হাদিস: «জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ»
এটি আনাস (রা.)-এর বর্ণিত হাদিস থেকে ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম আহমদ, বায়হাকী ও অন্যান্যরা একে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ৮)
3 - حَدِيث «نَعُوذ بِاللَّه من علم لَا ينفع»
رَوَاهُ ابْن مَاجَه من حَدِيث جَابر بِإِسْنَاد حسن.
৩ - হাদিস: «আমরা এমন জ্ঞান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি যা কোনো উপকারে আসে না»
ইবনে মাজাহ এটি জাবির (রা.)-এর বর্ণিত হাদিস থেকে হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১১)
كتاب العلم: الْبَاب الأول
জ্ঞান অধ্যায়: প্রথম পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
1 - حَدِيث «من يرد الله بِهِ خيرا يفقهه فِي الدَّين ويلهمه رشده»
مُتَّفق عَلَيْهِ من حَدِيث مُعَاوِيَة دون قَوْله «ويلهمه رشده» وَهَذِه الزِّيَادَة عِنْد الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير.
১ - হাদীস «আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর বুঝ দান করেন এবং তাকে তার সঠিক পথনির্দেশনা ইলহাম করেন»
মুয়াবিয়া (রা.)-এর হাদীস হতে এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি, তবে «এবং তাকে তার সঠিক পথনির্দেশনা ইলহাম করেন» উক্তিটি ব্যতীত। আর এই অতিরিক্ত অংশটি তাবারানীর আল-কাবীর গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
2 - حَدِيث «الْعلمَاء وَرَثَة الْأَنْبِيَاء»
أخرجه أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه وَابْن حبَان فِي صَحِيحه من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء.
2 - হাদিস: «আলেমগণ নবীদের উত্তরসূরি»
এটি আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ এবং ইবনে হিব্বান তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবু দর্দা (রা.)-এর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
3 - حَدِيث «يسْتَغْفر للْعَالم مَا فِي السَّمَاوَات وَالْأَرْض»
هُوَ بعض حَدِيث أبي الدَّرْدَاء الْمُتَقَدّم.
3 - হাদীস: “আলেম বা জ্ঞানীর জন্য আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব ক্ষমা প্রার্থনা করে।”
এটি পূর্বে বর্ণিত আবু দারদা (রা.)-এর হাদীসের একটি অংশ।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
4 - حَدِيث «الْحِكْمَة تزيد الشريف شرفا وترفع الْمَمْلُوك حَتَّى يدْرك مدارك الْمُلُوك»
أخرجه أَبُو نعيم فِي الْحِلْية وَابْن عبد الْبر فِي بَيَان الْعلم وَعبد الْغَنِيّ الْأَزْدِيّ فِي آدَاب الْمُحدث من حَدِيث أنس بِإِسْنَاد ضَعِيف.
৪ - হাদিস: "প্রজ্ঞা সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং ক্রীতদাসকে এতটাই উন্নীত করে যে সে রাজাদের সমপর্যায়ে পৌঁছে যায়।"
আবু নুয়াইম এটি 'আল-হিলয়াহ' গ্রন্থে, ইবনে আব্দুল বার 'বায়ানুল ইলম' গ্রন্থে এবং আব্দুল গনি আল-আজদি 'আদাবুল মুহাদ্দিস' গ্রন্থে আনাস (রা.)-এর বর্ণিত হাদিস থেকে উদ্ধৃত করেছেন, যার সনদটি দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
5 - حَدِيث «خصلتان لَا تجتمعان فِي مُنَافِق حسن سمت وَفقه فِي الدَّين»
أخرجه التِّرْمِذِيّ من حَدِيث أبي هُرَيْرَة وَقَالَ حَدِيث غَرِيب.
5 - হাদিস: «দুটি বৈশিষ্ট্য কোনো মুনাফিকের মধ্যে একত্রিত হয় না: উত্তম আচরণ এবং দীনের গভীর প্রজ্ঞা (ফকাহ)»
তিরমিজি এটি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং একে ‘গরিব’ হাদিস হিসেবে অভিহিত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
6 - حَدِيث «أفضل النَّاس الْمُؤمن الْعَالم الَّذِي إِن احْتِيجَ إِلَيْهِ نفع وَإِن استغني عَنهُ أَغْنَى نَفسه»
أخرجه الْبَيْهَقِيّ فِي شعب الْإِيمَان مَوْقُوفا عَلَى أبي الدَّرْدَاء بِإِسْنَاد ضَعِيف وَلم أره مَرْفُوعا.
6 - হাদিস: «মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম সেই মুমিন আলেম, যার নিকট প্রয়োজন পড়লে সে উপকার করে এবং তার থেকে অমুখাপেক্ষী থাকা হলে সে নিজেকেও অমুখাপেক্ষী রাখে।»
বায়হাকি একে 'শুআবুল ইমান'-এ আবু দারদা-এর ওপর মাওকুফ হিসেবে দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন এবং আমি একে মারফু হিসেবে দেখিনি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
7 - حَدِيث «الْإِيمَان عُرْيَان ولباسه التَّقْوَى وزينته الْحيَاء وثمرته الْعلم»
أخرجه الْحَاكِم فِي تَارِيخ نيسابور من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء بِإِسْنَاد ضَعِيف.
৭ - হাদীস: «ঈমান বিবস্ত্র, আর তার পোশাক হলো তাকওয়া, তার অলঙ্কার হলো লজ্জা এবং তার ফল হলো জ্ঞান»
আল-হাকিম এটি ‘তারীখে নিসাবুর’-এ আবু আদ-দারদা বর্ণিত হাদীস থেকে একটি দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
1 - حَدِيث "أقرب النَّاس من دَرَجَة النُّبُوَّة أهل الْعلم وَالْجهَاد: أما أهل الْعلم فدلوا النَّاس عَلَى مَا جَاءَت بِهِ الرُّسُل، وَأما أهل الْجِهَاد فجاهدوا بِأَسْيَافِهِمْ عَلَى مَا جَاءَت بِهِ الرُّسُل"
أخرجه أَبُو نعيم فِي فضل الْعَالم الْعَفِيف من حَدِيث ابْن عَبَّاس بِإِسْنَاد ضَعِيف.
১ - হাদীস: "নবুওয়াতের মর্যাদার সবচেয়ে নিকটবর্তী মানুষ হলেন ইলম ও জিহাদের অধিকারীগণ। ইলমের অধিকারীগণ রাসূলগণ যা নিয়ে এসেছেন সেদিকে মানুষকে পথ প্রদর্শন করেন, আর জিহাদের অধিকারীগণ রাসূলগণ যা নিয়ে এসেছেন তার ওপর নিজেদের তলোয়ার দ্বারা জিহাদ করেন।"
এটি আবু নুআইম 'ফাদলুল আলিমিল আফিফ' গ্রন্থে ইবনে আব্বাস থেকে একটি দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
2 - حَدِيث «لمَوْت قَبيلَة أيسر من موت عَالم»
أخرجه الطَّبَرَانِيّ وَابْن عبد الْبر من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء وأصل الحَدِيث عِنْد أبي الدَّرْدَاء.
2 - হাদিস: "একটি গোত্রের মৃত্যু একজন আলেমের মৃত্যুর চেয়ে সহজতর।"
আত-তাবারানি ও ইবনে আব্দুল বার এটি আবু আদ-দারদার হাদিস হতে বর্ণনা করেছেন এবং হাদিসের মূল সূত্রটি আবু আদ-দারদার নিকট বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১২)
3 - حَدِيث «النَّاس معادن كمعادن الذَّهَب وَالْفِضَّة، فخيارهم فِي الْجَاهِلِيَّة خيارهم فِي الْإِسْلَام إِذا فقهوا»
مُتَّفق عَلَيْهِ من حَدِيث أبي هُرَيْرَة.
৩ - হাদীস: "মানুষ স্বর্ণ ও রৌপ্যের খনির ন্যায় বিভিন্ন খনিবিশেষ; তাদের মধ্যে যারা জাহেলিয়াত যুগে শ্রেষ্ঠ ছিল, ইসলামেও তারা শ্রেষ্ঠ যদি তারা দ্বীনি প্রজ্ঞা (ফিকহ) লাভ করে।"
আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদীস হতে মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
4 - حَدِيث «يُوزن يَوْم الْقِيَامَة مداد الْعلمَاء وَدِمَاء الشُّهَدَاء»
أخرجه ابْن عبد الْبر من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء بِسَنَد ضَعِيف.
৪ - হাদিস: "কিয়ামতের দিন আলেমদের কালি এবং শহীদদের রক্ত ওজন করা হবে।"
ইবন আব্দুল বার এটি আবু দারদা (রা.)-এর হাদিস থেকে একটি দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
5 - حَدِيث «من حفظ عَلَى أمتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثا من السّنة حَتَّى يُؤَدِّيهَا إِلَيْهِم كنت لَهُ شَفِيعًا وشهيدا يَوْم الْقِيَامَة»
أخرجه ابْن عبد الْبر فِي الْعلم من حَدِيث ابْن عمر وَضَعفه.
৫ - হাদিস: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য সুন্নাহ থেকে চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ রাখবে যেন সে তা তাদের নিকট পৌঁছে দিতে পারে, কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী এবং সাক্ষী হব।"
ইবনে আব্দুল বার 'আল-ইলম' গ্রন্থে ইবনে উমরের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে দুর্বল বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
6 - حَدِيث «من حمل من أمتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثا لَقِي الله يَوْم الْقِيَامَة فَقِيها عَالما»
أخرجه ابْن عبد الْبر من حَدِيث أنس وَضَعفه.
6 - হাদিস: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের মধ্য থেকে চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, কিয়ামতের দিন সে আল্লাহর সাথে ফকিহ ও আলেম হিসেবে সাক্ষাৎ করবে।"
ইবনে আবদিল বার এটি আনাস (রা.)-এর বর্ণিত হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং একে দুর্বল বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
7 - حَدِيث «من تفقه فِي دين الله عز وجل كَفاهُ الله تَعَالَى مَا أهمه ورزقه من حَيْثُ لَا يحْتَسب»
رَوَاهُ الْخَطِيب فِي التَّارِيخ من حَدِيث عبد الله بن جُزْء الزبيدِيّ بِإِسْنَاد ضَعِيف.
৭ - হাদিস: "যে ব্যক্তি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর দ্বীনে গভীর জ্ঞান অর্জন করবে, আল্লাহ তাআলা তার সকল চিন্তার বিষয়ে তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।"
এটি খতীব (আল-বাগদাদী) তাঁর ‘তারীখ’ গ্রন্থে আবদুল্লাহ ইবনে জুয আল-জুবায়দী থেকে একটি দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
8 - حَدِيث «أوحى الله إِلَى إِبْرَاهِيم يَا إِبْرَاهِيم إِنِّي عليم أحب كل عليم»
ذكر ابْن عبد الْبر تَعْلِيقا وَلم أظفر لَهُ بِإِسْنَاد.
৮ - হাদিস: "আল্লাহ ইবরাহিমের প্রতি ওহি পাঠালেন: হে ইবরাহিম, নিশ্চয়ই আমি সর্বজ্ঞ, আমি প্রত্যেক জ্ঞানবানকে ভালোবাসি।"
ইবনে আবদিল বার এটি তায়ালিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং আমি এর কোনো সনদ খুঁজে পাইনি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
9 - حَدِيث «الْعَالم أَمِين الله فِي الأَرْض»
أخرجه ابْن عبد الْبر من حَدِيث معَاذ بِسَنَد ضَعِيف.
৯ - হাদীস: "আলেম পৃথিবীতে আল্লাহর আমানতদার।"
ইবনে আবদিল বার এটি মুয়াজ-এর হাদীস হতে দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
10 - حَدِيث "صنفان من أمتِي إِذا صلحوا صلح النَّاس وَإِذا فسدوا فسد النَّاس: الْأُمَرَاء وَالْفُقَهَاء"
أخرجه ابْن عبد الْبر وَأَبُو نعيم من حَدِيث ابْن عَبَّاس بِسَنَد ضَعِيف.
১০ - হাদীস: "আমার উম্মতের মধ্যে দুই শ্রেণী রয়েছে; তারা যদি সংশোধিত হয় তবে সাধারণ মানুষও সংশোধিত হয়, আর তারা যদি পথভ্রষ্ট হয় তবে সাধারণ মানুষও পথভ্রষ্ট হয়: তারা হলো শাসকবর্গ ও ফকীহগণ।"
ইবনে আবদিল বার এবং আবু নুয়াইম এটি ইবনে আব্বাসের হাদীস থেকে দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
11 - حَدِيث «إِذا أَتَى عَلّي يَوْم لَا أزداد فِيهِ علما يقربنِي إِلَى الله عز وجل فَلَا بورك لي فِي طُلُوع شمس ذَلِك الْيَوْم»
أخرجه الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَأَبُو نعيم فِي الْحِيلَة وَابْن عبد الْبر فِي الْعلم من حَدِيث عَائِشَة بِإِسْنَاد ضَعِيف.
১১ - হাদীস: "যদি আমার নিকট এমন কোনো দিন অতিবাহিত হয় যাতে আমি এমন কোনো জ্ঞান বৃদ্ধি করতে না পারি যা আমাকে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা-র নিকটবর্তী করবে, তবে সেই দিনের সূর্যোদয় আমার জন্য বরকতময় না হোক।"
এটি তাবারানি 'আল-আওসাত' গ্রন্থে, আবু নুয়াইম 'আল-হিলয়াহ' গ্রন্থে এবং ইবনে আবদিল বার 'আল-ইলম' গ্রন্থে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন; এর সনদ বা সূত্রটি দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدِيث «فضل الْعَالم عَلَى العابد كفضلي عَلَى أدنَى رجل من أَصْحَابِي»
أخرجه التِّرْمِذِيّ من حَدِيث أبي أُمَامَة وَقَالَ حسن صَحِيح.
১২ - হাদীস: “ইবাদতকারীর ওপর আলেমের শ্রেষ্ঠত্ব আমার সাহাবীদের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরের ব্যক্তির ওপর আমার শ্রেষ্ঠত্বের অনুরূপ।”
তিরমিযী এটি আবু উমামার হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন এটি হাসান সহীহ।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
13 - حَدِيث «فضل الْعَالم عَلَى العابد كفضل الْقَمَر لَيْلَة الْبَدْر عَلَى سَائِر الْكَوَاكِب»
أخرجه أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان، وَهُوَ قِطْعَة من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء الْمُتَقَدّم.
13 - হাদিস: "আবেদের ওপর আলেমের শ্রেষ্ঠত্ব পূর্ণিমার রাতের চাঁদের শ্রেষ্ঠত্বের ন্যায় সকল নক্ষত্রের ওপর।"
এটি আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ এবং ইবনে হিব্বান বর্ণনা করেছেন এবং এটি ইতিপূর্বে উল্লিখিত আবু দারদার হাদিসের একটি অংশ।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু আহাদীসিল ইহয়া - আল মুগনী আন হামলিল আসফার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
14 - حَدِيث «يشفع يَوْم الْقِيَامَة الْأَنْبِيَاء ثمَّ الْعلمَاء ثمَّ الشُّهَدَاء»
رَوَاهُ ابْن مَاجَه من حَدِيث عُثْمَان بن عَفَّان بِإِسْنَاد ضَعِيف.
১৪ - হাদিস: «কিয়ামতের দিন নবীগণ শাফাআত করবেন, অতঃপর আলিমগণ, অতঃপর শহীদগণ।»
এটি ইবনে মাজাহ উসমান ইবনে আফফানের হাদিস থেকে দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।