(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: -)
تلخيص السفسطة   (ابن رشد الحفيد)

القسم: علوم أخرى


الكتاب: تلخيص السفسطة

المؤلف: أبو الوليد محمد بن أحمد بن محمد بن أحمد بن رشد القرطبي الشهير بابن رشد الحفيد (ت 595هـ)

تحقيق: محمد سليم سالم

الناشر: مطبعة دار الكتب، القاهرة

عام النشر: 1972 م

عدد الصفحات: 180

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

সফিসতাক (কূতার্কিকতা) এর সারসংক্ষেপ   (ইবনে রুশদ আল-হাফিদ)

বিভাগ: অন্যান্য শাস্ত্র


গ্রন্থ: সফিসতাক (কূতার্কিকতা) এর সারসংক্ষেপ

লেখক: আবুল ওয়ালিদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে রুশদ আল-কুরতুবি, যিনি ইবনে রুশদ আল-হাফিদ নামে সমধিক পরিচিত (ওফাত ৫৯৫ হিজরি)

তাহকীক: মুহাম্মাদ সেলিম সালিম

প্রকাশক: মাতবাআত দারুল কুতুব, কায়রো

প্রকাশকাল: ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮০

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলাহ্-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم صلى الله على محمد وآله

 

‌‌الغرض من الكتاب

قال: الغرض فى هذا الكتاب هو القول في التبكيتات السوفسطائية التي يظن بها أنها تبكيتات حقيقية، وإنما هي مضللات.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।

 

বইটির উদ্দেশ্য

তিনি বলেছেন: এই বইটির উদ্দেশ্য হলো সেই সকল সোফিস্টিক (তর্কছলপূর্ণ) খণ্ডনসমূহ নিয়ে আলোচনা করা যেগুলোকে প্রকৃত খণ্ডন বলে মনে করা হয়, অথচ সেগুলো কেবলই বিভ্রান্তিকর।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২)
ونحن مبتدئون بالنظر في ذلك من المقدمات المعروفة بالطبع في هذا الجنس، فنقول: إن من المعلوم أن من القياسات ما هو قياس في الحقيقة، ومنه ما يغلط، فيظن به أنه قياس، من غير أن يكون كذلك في الحقيقة.

وما عرض في القياس من ذلك هو شبيه بما عرض في سائر الأشياء المتنفسة وغير المتنفسة، وذلك أنه كما أن من الناس من هو عابد بالحقيقة، ومن يظن
আমরা এই বিষয়ের আলোচনা শুরু করছি এই শাস্ত্রের ক্ষেত্রে স্বভাবজাতভাবে পরিচিত ভূমিকাগুলোর মাধ্যমে। অতএব আমরা বলছি: এটি সুবিদিত যে, যুক্তি পদ্ধতিসমূহের মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা প্রকৃতপক্ষেই যুক্তি, আবার এমন কিছু রয়েছে যা ভ্রান্তিপূর্ণ, ফলে তাকে যুক্তি বলে মনে করা হয় অথচ বাস্তবে তা সেরূপ নয়।

আর যুক্তির ক্ষেত্রে যা ঘটে তা অন্যান্য সকল প্রাণবান ও প্রাণহীন বস্তুর ক্ষেত্রে যা ঘটে তার সদৃশ। আর তা এ কারণে যে, মানুষের মধ্যে যেমন কেউ প্রকৃতপক্ষে ইবাদতকারী হয়, আবার কাউকে তেমন মনে করা হয়।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
به أنه عابد، وهو مرائى؛ ومنهم من هو جميل بالحقيقة، ومنهم من يظن به أنه جميل لمكان الزى واللباس، وليس هو في الحقيقة جميلا؛ ومن الفضة أيضاً
তার সম্পর্কে এমন ধারণা করা হয় যে সে একজন ইবাদতকারী, অথচ সে লোকদেখানো ইবাদতকারী; তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকৃতপক্ষে সুন্দর, আবার তাদের মধ্যে এমনও কেউ আছে যাকে তার পোশাক ও পরিচ্ছদের কারণে সুন্দর মনে করা হয়, অথচ সে প্রকৃতপক্ষে সুন্দর নয়; এবং রৌপ্যের মধ্য থেকেও অনুরূপ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
والذهب ما هو في الحقيقة وذهب، ومنه ما يظن به أنه ذهب وفضة، كذلك الأمر في القياسات.

وإنما يخفى هذا الصنف من القياس، أعنى الذي يوهم أنه قياس، وليس بقياس، على من لم يجرب الأقاويل، ولا اختبرها؛ لأن من لم يجرب الأشياء يشبه الذي ينظر إلى الأشياء من بعد.

فأما القياس بإطلاق، فقد قيل فيه إنه قول، إذا وضعت فيه أشياء أكثر من واحد، لزم عنها بذاتها، لابالعرض، شيء آخر غيرها اضطراراً.
স্বর্ণের ক্ষেত্রে যেমন কিছু হলো প্রকৃত স্বর্ণ, আবার কিছু এমন যা দেখলে স্বর্ণ বা রূপা বলে ভ্রম হয়; যুক্তিনির্ভর অনুমানের (কিয়াস) ক্ষেত্রেও বিষয়টি তদ্রূপ।

এই প্রকারের অনুমান—অর্থাৎ যা অনুমানের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে অথচ আসলে তা অনুমান নয়—কেবল তাদের নিকটই অস্পষ্ট থাকে যারা তাত্ত্বিক বাক্যসমূহের চর্চা বা সেগুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেনি। কারণ, যে ব্যক্তি বিষয়াশয় নিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেনি, সে সেই ব্যক্তির ন্যায় যে দূর থেকে কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকে।

পক্ষান্তরে, সাধারণ অর্থে অনুমানের (কিয়াস) সংজ্ঞা হলো—এটি এমন এক বক্তব্য যাতে যখন একাধিক বিষয় উপস্থাপন করা হয়, তখন সেই উপস্থাপিত বিষয়গুলোর নিজস্ব সত্তার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে (আকস্মিকভাবে নয়) অপরিহার্যভাবে অন্য একটি বিষয় সাব্যস্ত হয়।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
وأما القياس المبكت فهو القياس الذي يلزم عنه نتيجة هي نقيض النتيجة التي وضعها المخاطب. وذلك أنه إذا لزمت عن المقدمات التي اعترف بها المخاطب، فيلزمه عن ذلك أن يكون الشيء بعينه موجوداً كذا، وغير موجود كذا.

والتبكيت السوفسطائى هو القياس الذي يوهم أنه بهذه الصفة، من غير أن يكون كذلك.

وقد يقع مثل هذا القياس لأسباب نذكرها بعد. وأشهر هذه الأسباب هو ما يعرض للمعانى من قبل الألفاظ. وذلك أنه لما لم تكن مخاطبة إلا بألفاظ، أقيمت الألفاظ مقام المعانى، فأوهم ما يعرض في الألفاظ أنه يعرض في المعانى مثل ما يعرض للحساب من الغلط في العدد، في حين إقامتهم
আর খণ্ডনমূলক যুক্তি হলো সেই যুক্তি যার ফলে এমন একটি ফলাফল অবধারিত হয় যা আলাপকারীর উপস্থাপিত ফলাফলের বিপরীত। আর তা এজন্য যে, যখন আলাপকারীর স্বীকৃত যুক্তিপ্রস্তাবসমূহ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত অনিবার্য হয়, তখন তার জন্য এটি মেনে নেওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে যে, একই বস্তু নির্দিষ্ট একভাবে বিদ্যমান এবং আবার সেই একইভাবে বিদ্যমান নয়।

আর সফিস্টিক (কুতার্কিক) খণ্ডন হলো সেই যুক্তি যা এই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হওয়ার বিভ্রম তৈরি করে, অথচ প্রকৃতপক্ষে তা তেমন নয়।

এই ধরনের যুক্তি এমন কিছু কারণে ঘটে থাকে যা আমরা পরে আলোচনা করব। এই কারণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো শব্দের মাধ্যমে অর্থের ক্ষেত্রে যা প্রকাশ পায়। যেহেতু শব্দ ছাড়া কোনো সম্বোধন বা আলাপ সম্ভব নয়, তাই শব্দকে অর্থের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে; ফলে শব্দের ক্ষেত্রে যা ঘটে, তা অর্থের ক্ষেত্রেও ঘটে বলে ভ্রম তৈরি হয়, যেমনটি গণনাকারীদের ক্ষেত্রে সংখ্যার হিসেবে ভুল করার সময় ঘটে থাকে, যখন তারা তাদের...
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
العقد في الأصابع مقام العدد، فيظنون أن ما عرض في العقد في الأصابع هو شىء عرض في العدد.

وإنما عرض ذلك للمعانى مع الألفاظ، لأن الألفاظ ليس يمكن أن تجعل مساوية للمعانى، ومتعددة بتعددها، إذ كانت المعانى تكاد أن تكون غير متناهية، والألفاظ متناهية. فلو جعلت الألفاظ معادة للمعانى، لعسر ذلك عند النطق بها، أو الحفظ لها، أو لم يمكن. ولذلك اضطر الواضع أن يضع الكلمة الواحدة دالة على معان كثيرة.

وكما أن من كان من الحساب ليست عنده الجملة التى تسمى طرح الحساب
আঙুলের গিঁট হলো সংখ্যার স্থলাভিষিক্ত, তাই তারা ধারণা করে যে আঙুলের গিঁটে যা প্রকাশিত হয় তা মূলত সংখ্যার মধ্যেই প্রকাশিত কোনো বিষয়।

আর এটি শব্দের সাথে অর্থের ক্ষেত্রেও ঘটে থাকে, কারণ শব্দকে অর্থের সমান করা সম্ভব নয় এবং অর্থের আধিক্যের ন্যায় শব্দের আধিক্য ঘটানোও সম্ভব নয়; কেননা অর্থসমূহ প্রায় অসীম, পক্ষান্তরে শব্দসমূহ সসীম। যদি শব্দকে প্রতিটি অর্থের জন্য আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হতো, তবে তা উচ্চারণ করা কিংবা মুখস্থ রাখা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ত, অথবা তা অসম্ভব হতো। এজন্যই শব্দ-প্রণেতা একটি শব্দকে বহু অর্থের নির্দেশক হিসেবে নির্ধারণ করতে বাধ্য হয়েছেন।

এবং যেমন গণনাকারীদের মধ্যে যার নিকট 'তারহুল হিসাব' (হিসাব বিয়োজন বা শুদ্ধতা যাচাইয়ের পদ্ধতি) নামক বিষয়টি নেই...
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
فليس يمكنه الوقوف على الصواب من الخطأ في المسائل العددية، كذلك مَنْ لم تكن عنده معرفة بطبائع الألفاظ فهو جدير أن يغلط إن هو تكلم بشىء، وإن هو أيضاً سمعه.

فلهذا السبب ولغيره من الأسباب عرض أن يكون القياس والتبكيت السوفسطائى شيئاً موجوداً بالطبع.
সংখ্যাতাত্ত্বিক বিষয়াবলীতে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করা যেমন তার পক্ষে সম্ভব নয়, তেমনই যার শব্দের প্রকৃতি সম্পর্কে জ্ঞান নেই, সে কথা বলা বা শোনার ক্ষেত্রে ভুল করাটাই স্বাভাবিক।

এই কারণে এবং অন্যান্য কারণে এটি প্রতীয়মান হয় যে, যুক্তি ও সফিস্টিক কূটতর্ক প্রকৃতিগতভাবেই বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
ولأن كثيراً من الناس أيضاً يحبون أن يوصفوا بالحكمة ويعظموا بتعظيمها من غير كلفة ولا تعب، أو من غير أن يكونوا أهلا لذلك، إذا كانوا ممن لا يمكن فيهم تعلم الحكمة، كان ذلك سبباً لأن يعتمد هذا الجنس من القول كثير من الناس يراءون به، ويوهمون أنهم حكماء، من غير أن يكونوا في الحقيقة حكماء، ولذلك سموا باسم الحكمة المرائية وهو الذي يعنى باسم السفسطة والسوفسطائيين فى لسان اليونانيين. وبين أن هؤلاء حرصهم إنما هو أن يظن بهم أنهم يعملون عمل الحكماء، من غير أن يعملوا عملهم.

যেহেতু অনেক মানুষ কোনো প্রকার কষ্ট বা পরিশ্রম ব্যতিরেকে, অথবা এর যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও প্রজ্ঞার গুণে গুণান্বিত হতে এবং এর মাহাত্ম্যের মাধ্যমে সম্মানিত হতে পছন্দ করে; বিশেষ করে যদি তারা এমন শ্রেণির হয় যাদের পক্ষে প্রজ্ঞা অর্জন করা সম্ভব নয়, তবে এটিই অনেক মানুষের জন্য এই ধরনের বক্তব্য অবলম্বন করার কারণ হয়ে দাঁড়ায় যার মাধ্যমে তারা লোকদেখানো প্রদর্শন করে এবং অন্যদের মনে এই বিভ্রান্তিকর ধারণা দেয় যে তারা প্রজ্ঞাবান, অথচ বাস্তবে তারা প্রজ্ঞাবান নয়। একারণেই একে 'লোকদেখানো প্রজ্ঞা' নামে অভিহিত করা হয়, গ্রিক ভাষায় যার অর্থ হলো 'সফিস্ট্রি' এবং 'সফিস্ট'। আর এটি সুস্পষ্ট যে, তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা কেবল এটিই যেন মানুষ তাদের সম্পর্কে এমন ধারণা পোষণ করে যে তারা প্রজ্ঞাবানদের ন্যায় কাজ করছে, যদিও তারা তাদের ন্যায় কাজ করে না।

(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
وعمل الحكيم بالحقيقة هو أن يكون، إذا قال، قال صواباً، وإذا سمع كلام غيره ميز الكذب منه من الصواب. وهاتان الخصلتان الموجودتان فى الحكيم إحداهما هى فيما يقوله، والآخرى فيما يسمعه.

ومن اللازم لمن أراد السوفسطائية طلب معرفة هذا الجنس من الكلام. فان بذلك يقوون على أن يراءون أنهم حكماء من غير أن يكونوا كذلك. إلا بحسب هواهم.
প্রকৃতপক্ষে একজন প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির কর্ম হলো এই যে, তিনি যখন কথা বলেন, তখন সঠিক কথা বলেন; আর যখন অন্যের কথা শুনবেন, তখন তা থেকে মিথ্যা ও সত্যকে পৃথক করতে পারেন। প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির মধ্যে বিদ্যমান এই বৈশিষ্ট্য দুটির একটি হলো তার বক্তব্যের ক্ষেত্রে এবং অন্যটি তার শ্রবণের ক্ষেত্রে।

আর যারা সফিস্তিক (কূটতর্ক) পন্থা অবলম্বন করতে চায়, তাদের জন্য এ জাতীয় বাচনভঙ্গি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক। কেননা, এর মাধ্যমে তারা প্রকৃতপক্ষে প্রজ্ঞাবান না হয়েও নিজেদের প্রজ্ঞাবান হিসেবে জাহির করার সক্ষমতা অর্জন করে, যা কেবল তাদের খেয়ালখুশি অনুযায়ী হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
فأما أن هذا الجنس من الكلام شىء موجود، فمعروف بنفسه. وإنما الذى يفحص عنه هنا كم أنواع هذا الكلام السوفسطائى، وبكم من شىء تحصل هذه الملكة، وبالجملة: كم أجزاء هذه الصناعة، وما الأشياء التى تتم بها هذه الصناعة. وهذا هو قصد الذى قصد الفحص عنه هاهنا فنقول:

 

‌‌أجناس المخاطبات

إن أجناس المخاطبات الصناعية التى يمكن أن تتعلم بقول أربعة أجناس: المخاطبة البرهانية.
এই প্রকারের কথা বা বক্তব্যের অস্তিত্ব একটি সুপরিচিত বিষয়। তবে এখানে যা অনুসন্ধান করা হচ্ছে তা হলো, এই কুতার্কিক বক্তব্যের প্রকারভেদ কতটি, কী কী বিষয়ের মাধ্যমে এই সক্ষমতা অর্জিত হয় এবং সামগ্রিকভাবে এই শিল্পের অংশ কয়টি এবং কোন বিষয়গুলোর মাধ্যমে এই শিল্প পূর্ণতা লাভ করে। আর এটাই হলো সেই উদ্দেশ্য যা এখানে অন্বেষণ করা হচ্ছে; সুতরাং আমরা বলছি:

 

‌‌সম্বোধনের প্রকারভেদ

কথার মাধ্যমে শেখা সম্ভব এমন শিল্পগত সম্বোধনের প্রকারভেদ হলো চার প্রকার: প্রমাণনির্ভর সম্বোধন।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
والمخاطبة الجدلية.

والمخاطبة الخطبية.

والمخاطبة السوفسطائية.

وهذه المخاطبة إذا بها مستعملها بالحكماء خصت بهذا الاسم، وإذا تشبه بها بالجدليين، سميت مشاغبية.

فالمخاطبة البرهانية هى التى تكون من المبادىء الأول الخاصة بكل تعليم، وهى التى تكون بين عالم ومتعلم بشأن أن يقبل ما يلقى إليه المعلم، لا أن يفكر فيما يبطل قول المعلم، مثل ما يفعله السوفسطائيون.
এবং তর্কমূলক সম্বোধন।

এবং বক্তৃতাধর্মী সম্বোধন।

এবং কুতর্কমূলক সম্বোধন।

এই সম্বোধনের ব্যবহারকারী যখন এর মাধ্যমে প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের সদৃশ হয়, তখন একে এই নামেই বিশেষিত করা হয়; আর যখন সে এর মাধ্যমে তার্কিকদের সদৃশ হয়, তখন তাকে কলহমূলক সম্বোধন বলা হয়।

অকাট্য প্রমাণমূলক সম্বোধন হলো সেটি যা প্রতিটি শিক্ষার সুনির্দিষ্ট মৌলিক নীতিসমূহ থেকে উৎপন্ন হয়, এবং যা একজন জ্ঞানী ও শিক্ষার্থীর মাঝে এমনভাবে সম্পন্ন হয় যাতে শিক্ষার্থী শিক্ষকের পক্ষ থেকে যা প্রদান করা হয় তা গ্রহণ করে; শিক্ষকের বক্তব্যকে বাতিল বা খণ্ডন করার চিন্তা নিয়ে নয়, যেমনটি কুতর্ককারীরা করে থাকে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
والمخاطبة الجدلية هى التى تأتلف من المقدمات المشهورة المحمودة عند الجميع أو الأكثر.

والمخاطبة الخطبية هى التىتكون من المقدمات المظنونة التى فى بادىء الرأى.

والمخاطبة المشاغبية هى المخاطبة التى توهم أنها جدلية من مقدمات محمودة، من غير أن تكون كذلك فى الحقيقة.

فأما المخاطبة البرهانية فقد قيل فى كتاب البرهان؛ وكذلك الجدلية قد قيل فيها فى كتاب الجدل؛ والخطبية فى كتاب الخطابة.

والتى يقال فيها ها هنا هى المخاطبة المشاغبية، أى المغلطة.
দ্বান্দ্বিক সম্বোধন হলো তা, যা সকলের নিকট অথবা অধিকাংশের নিকট সুপরিচিত ও প্রশংসিত হেতুবাক্য দ্বারা গঠিত হয়।

আলঙ্কারিক সম্বোধন হলো তা, যা প্রাথমিক দৃষ্টিতে প্রতীয়মান ধারণামূলক হেতুবাক্যসমূহ দ্বারা গঠিত হয়।

কূটাভাসমূলক সম্বোধন হলো সেই সম্বোধন, যা প্রশংসিত হেতুবাক্য দ্বারা গঠিত হওয়ার মাধ্যমে দ্বান্দ্বিক হওয়ার ভ্রম সৃষ্টি করে, অথচ বাস্তবে তা তেমন নয়।

আর প্রমাণমূলক সম্বোধন সম্পর্কে 'কিতাবুল বুরহান'-এ আলোচনা করা হয়েছে; অনুরূপভাবে দ্বান্দ্বিক সম্বোধন সম্পর্কে 'কিতাবুল জাদাল'-এ এবং আলঙ্কারিক সম্বোধন সম্পর্কে 'কিতাবুল খিত্বাবাহ'-এ আলোচনা করা হয়েছে।

আর এখানে যা আলোচনা করা হচ্ছে তা হলো কূটাভাসমূলক সম্বোধন, অর্থাৎ বিভ্রান্তিকর বা হেত্বাভাসমূলক আলোচনা।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
فلنقل أولا فى أغراض هذه المخاطبة، فنقول: إن مقصد هذا الجنس من الكلام هو أحد خمسة مقاصد: إما أن يبكت المخاطب.

وإما أن يلزمه شنعة وأمراً هو فى المشهور كاذب.

وإما أن يشككه.

وإما أن يصيره بحيث يأتى بكلام مستحيل المفهوم.
প্রথমে আমরা এই কথোপকথনের উদ্দেশ্যসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করি, অতঃপর বলি: এই জাতীয় বক্তব্যের লক্ষ্য হলো পাঁচটি উদ্দেশ্যের মধ্যে একটি: হয় সম্বোধনকারীকে নিরুত্তর করা।

অথবা তাকে এমন কোনো জঘন্য বিষয়ের প্রবক্তা বানানো যা সর্বজনবিদিতভাবে মিথ্যা।

অথবা তাকে সংশয়াচ্ছন্ন করা।

অথবা তাকে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া যাতে সে এমন কথা বলে যার অর্থ অনুধাবন করা অসম্ভব।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
وإما أن يصيره إلى أن يأتى بهذر من القول يلزم عنه مستحيل من المفهوم بحسب الظن.

فهذه الأغراض الخمسة هى التى يؤمها السوفسطائيون.

وأشهر هذه الأغراض الخمسة إليهم، وأكثرها مقصوداً عندهم هو التبكيت، ثم يتلو ذلك التشنيع على المخاطب، ثم يتلو ذلك التشكيك، ثم يتلو ذلك استغلاق الكلام واستحالته، ثم يتلو ذلك سوقه إلى الهذر والتكلم بالهذيان.

والتبكيت والتغليط منه ما يكون من قبل الألفاظ من خارج، ومنه ما يكون من قبل المعانى.
অথবা এটি তাকে এমন প্রলাপ বকতে বাধ্য করতে পারে, যার ফলে ধারণা অনুযায়ী এক অসম্ভব বোধগম্য বিষয়ের অবতারণা ঘটে।

এই পাঁচটি উদ্দেশ্যই হলো সফিস্টদের লক্ষ্য।

তাদের নিকট এই পাঁচটি উদ্দেশ্যের মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ এবং তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো নিরুত্তর করা, এরপর শ্রোতাকে অপদস্থ করা, তারপর সংশয় সৃষ্টি করা, এরপর বক্তব্যকে দুর্বোধ্য ও অসম্ভব করে তোলা এবং সবশেষে তাকে প্রলাপ ও অসংলগ্ন কথাবার্তার দিকে ধাবিত করা।

নিরুত্তর করা এবং বিভ্রান্ত করার বিষয়টি কখনো বাহ্যিক শব্দের মাধ্যমে ঘটে, আবার কখনো অর্থের মাধ্যমে ঘটে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
والذي يكون من قبل الألفاظ ستة أصناف: أحدها اشتراك اللفظ المفرد، والثانى اشتراك التأليف، والثالث الذي من قبل الإفراد، والرابع الذي من قبل القسمة، والخامس اشتراك شكل الألفاظ، والسادس من قبل الإعجام.
এবং শব্দগত কারণে যা সংঘটিত হয় তা ছয় প্রকার: প্রথমটি একক শব্দের দ্ব্যর্থকতা, দ্বিতীয়টি বাক্য রচনার দ্ব্যর্থকতা, তৃতীয়টি যা পৃথকীকরণের কারণে ঘটে, চতুর্থটি যা বিভাজনের কারণে ঘটে, পঞ্চমটি শব্দের রূপগত সাদৃশ্য এবং ষষ্ঠটি হলো নুকতা বা স্বরচিহ্নের পার্থক্যের কারণে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
وهذه القسمة تعرف من القياس والاستقراء.

فمثال اشتراك الاسم المفرد قول القائل: المتعلم عالم، لأن المتعلم يعلم، والذي يعلم عالم، فالمتعلم عالم.

ووجه المغالطة فى هذا أن لفظة (يعلم) تقال على الزمان المستقبل، وتقال على الحاضر، فهى تصدق على العالم فى الحاضر، وعلى المتعلم فى المستقبل.
এই বিভাজনটি কিয়াস (অনুমান) ও ইস্তিকরা (পর্যবেক্ষণ) থেকে জানা যায়।

একবচন বিশেষ্যের অংশীদারিত্বের উদাহরণ হলো কোনো বক্তার এই উক্তি: "শিক্ষানবিশ হলো আলেম (জ্ঞানী), কারণ শিক্ষানবিশ জ্ঞান অর্জন করে, আর যে জ্ঞান অর্জন করে সে-ই আলেম; অতএব শিক্ষানবিশ হলো আলেম।"

এই যুক্তির বিভ্রান্তিকর দিকটি হলো এই যে, 'জ্ঞান অর্জন করা' বা 'জানা' শব্দটি ভবিষ্যৎ কালের জন্যও বলা হয় এবং বর্তমান কালের জন্যও বলা হয়। সুতরাং এটি বর্তমান সময়ে আলেমের ক্ষেত্রে সত্য হয়, আর ভবিষ্যতে শিক্ষানবিশের ক্ষেত্রে সত্য হয়।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
وكذلك قول القائل أيضاً: بعض الشر واجب، والواجب خير، فبعض الشر خير.

والمغالطة فى هذا أن اسم) الواجب (دل فى قولنا:) بعض الشر واجب (على ما يدل عليه اسم) الضرورى (، ودل فى قولنا:) والواجب خير (على ما يدل عليه) المؤثر والشىء الذى ينبغى (.

وأما اشتراك التأليف فهو أصناف، وذلك أنه قد يكون من قبل التقديم والتأخير، كمن يقول: الشريف هو العالم، إذا أراد أن العالم هو الشريف،
একইভাবে কোনো প্রবক্তার এই কথাটিও: কিছু মন্দ হলো আবশ্যক, আর যা আবশ্যক তা কল্যাণকর, সুতরাং কিছু মন্দ হলো কল্যাণকর।

এই যুক্তির বিভ্রান্তিটি হলো এই যে, আমাদের বক্তব্য "কিছু মন্দ হলো আবশ্যক"-এর মধ্যে "আবশ্যক" শব্দটি সেই অর্থ প্রকাশ করে যা "অপরিহার্য" শব্দ দ্বারা বুঝানো হয়; আর আমাদের বক্তব্য "যা আবশ্যক তা কল্যাণকর"-এর মধ্যে তা সেই অর্থ প্রকাশ করে যা "পছন্দনীয় এবং যা হওয়া উচিত" এমন বিষয়কে বুঝায়।

আর রচনার দ্ব্যর্থবোধকতা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে; আর তা এই কারণে যে, এটি শব্দের আগে-পিছে ব্যবহারের কারণে হতে পারে। যেমন কেউ বলে: "মর্যাদাবানই হলেন আলেম", যেখানে সে মূলত বুঝাতে চেয়েছে যে "আলেমই হলেন মর্যাদাবান",
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
فيوهم بتقديم الشريف وتأخير العالم أن المحمول فى هذا القول هو العالم، والشريف هو الموضوع.

وقد يكون اشتراك التركيب من قبل تردد الضمير بين معنى أكثر من واحد. مثل قول القائل: ما يعرف الإنسان فهو يعرف، والإنسان الحجر، فالحجر إذن يعرف.

وإنما وقعت هذه المغالطة، لأن لفظ) يعرف (قد يقع على العارف والمعروف.

ومثل قول القائل: ما قال الإنسان إنه كذلك، فهو كذلك، وقال الإنسان صخرة، فالإنسان صخرة.
ফলে শরিফকে আগে উপস্থাপন এবং আলিমকে পরে রাখার মাধ্যমে এই বিভ্রম সৃষ্টি করে যে, এই উক্তিতে বিধেয় হলো আলিম এবং শরিফ হলো উদ্দেশ্য।

আর বাক্যের গঠনগত দ্ব্যর্থতা কখনো একাধিক অর্থের মাঝে সর্বনামের দোলাচলের কারণে হতে পারে। যেমন কোনো বক্তার উক্তি: মানুষ যা জানে, সে তা জানে; আর মানুষ হলো পাথর, সুতরাং পাথর জানে।

এই ভ্রান্তিটি মূলত একারণে ঘটেছে যে, 'জানে' শব্দটি কখনো জ্ঞাতা এবং কখনো জ্ঞাত—উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হতে পারে।

এবং কোনো বক্তার এই উক্তির মতো: মানুষ যা সম্পর্কে বলেছে যে তা এমন, তবে তা তেমনই; আর মানুষ বলেছে 'পাথর', সুতরাং মানুষ হলো পাথর।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
والسبب فى ذلك أن لفظة) هو (مرة تعود على الإنسان، ومرة تعود على القول.

وقد يكون الاشتراك من قبل الإضافة مثل قولك: أعجبنى ضرب زيد. فإنه يحتمل أن يكون زيد مضروباً وضارباً.
এর কারণ হলো যে, 'সে' শব্দটি কখনো মানুষের দিকে প্রত্যাবর্তন করে, এবং কখনো কথার দিকে প্রত্যাবর্তন করে।

আর কখনো দ্ব্যর্থকতা সম্বন্ধের (ইজাফাত) দিক থেকে হয়ে থাকে, যেমন আপনার বক্তব্য: "যায়েদের প্রহার আমাকে বিস্মিত করেছে।" কেননা এতে যায়েদ প্রহারকারী অথবা প্রহারকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
وقد يكون من قبل الحذف والنقصان، مثال ذلك أن يقول القائل: إن الذى لا يمشى، يستطيع أن يمشى. والذى لا يكتب، يستطيع أن يكتب. فيكون ذلك صادقاً. فإذا حذفت لفظة) يستطيع (فقال: الذى لا يمشى، يمشى؛ والذى لا يكتب، يكتب، أوهم أن الذي ليس بماش ماش، والجاهل بالكتابة كاتب. ويشبه أن يعد هذا فى باب الإفراد والتركيب. وذلك أن النقصان هو تصير المركب مفرداً.

এবং এটি বিলোপ ও হ্রাসের দিক থেকেও হতে পারে। এর উদাহরণ হলো যেমন কোনো বক্তা বলল: নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি হাঁটছে না, সে হাঁটতে সক্ষম; আর যে ব্যক্তি লিখছে না, সে লিখতে সক্ষম। এমতাবস্থায় কথাটি সত্য হবে। কিন্তু যদি 'সক্ষম' শব্দটি বিলুপ্ত করা হয় এবং এভাবে বলা হয়: যে ব্যক্তি হাঁটছে না সে হাঁটছে, এবং যে লিখছে না সে লিখছে—তবে তা এই ভ্রম সৃষ্টি করবে যে, যে ব্যক্তি প্রবজমান নয় সে মূলত প্রবজমান, এবং লিখনশৈলীতে অজ্ঞ ব্যক্তি একজন লেখক। আর এটি এককীকরণ ও যৌগিকীকরণের অধ্যায়ে গণ্য হওয়ার সদৃশ। কারণ হ্রাসকরণ হলো মূলত যৌগিক অবস্থাকে এককে পরিণত করা।

(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
وأما الموضع الذي يكون من قبل إفراد اللفظ المركب، فمثل قولك: سقراط عالم بالطب، فسقراط إذن عالم.

وذلك أنه قد يصدق على سقراط أن عالم بالطب، وليس يصدق عليه أنه عالم بإطلاق. وإنما كان ذلك كذلك، أنه ليس يلزم إذا صدق القول المركب على شىء أن تصدق أجزاؤه مفردة على ذلك الشىء.

وأما الموضع الذي من القسمة: فهو أن تكون أشياء إذا حملت مفردة على أجزاء الشىء صدقت، أو على الشىء بأسره صدقت. فإذا ركب بعضها إلى بعض، كذبت. فيوهم المغالط أنها إذا صدقت مفردة أنه يلزم أن تصدق مركبة. وهو عكس الموضع الأول.
যৌগিক শব্দকে পৃথকীকরণের মাধ্যমে সৃষ্ট বিভ্রান্তির স্থানটি হলো এমন, যেমন তোমার উক্তি: "সক্রেটিস চিকিৎসাবিজ্ঞানে পণ্ডিত", সুতরাং "সক্রেটিস একজন পণ্ডিত"।

এর কারণ হলো, সক্রেটিসের ক্ষেত্রে এটি সত্য হতে পারে যে তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে পণ্ডিত, কিন্তু নিঃশর্তভাবে তিনি একজন পণ্ডিত—এটি তার ওপর সত্য না-ও হতে পারে। আর বিষয়টি এমন হওয়ার কারণ হলো, কোনো বিষয়ের ওপর একটি যৌগিক বক্তব্য সত্য হলে এটি আবশ্যক হয় না যে, সেই বিষয়ের ওপর তার পৃথক অংশগুলোও এককভাবে সত্য হবে।

আর বিভাজনজনিত বিভ্রান্তির স্থানটি হলো: এমন কিছু বিষয় যা কোনো বস্তুর অংশসমূহের ওপর পৃথকভাবে আরোপ করলে সত্য হয়, অথবা সমগ্র বস্তুটির ওপর (পৃথকভাবে) আরোপ করলে সত্য হয়; কিন্তু যখন সেগুলোকে একে অপরের সাথে সংয়োজন করা হয়, তখন তা মিথ্যা হয়ে যায়। এমতাবস্থায় বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী ব্যক্তি এই ভ্রম সৃষ্টি করে যে, যেহেতু বিষয়গুলো পৃথকভাবে সত্য, তাই যৌগিক অবস্থায়ও সেগুলো সত্য হওয়া আবশ্যক। আর এটি হলো প্রথম প্রকারের বিপরীত।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
فمثال التى تصدق على أجزاء الشىء مفردة، ولا تصدق على كلمه مجموعة، قول القائل: الخمسة منها زوج، والخمسة منها فرد، فالخمسة إذن زوج وفرد.

وذلك كذب. فإن الزوجية والفردية إنما صدق كل واحد منهما على جزء من الخمسة غير الجزء الذي صدق عليه الآخر. فإذا حمل على الكل، كان كذباً.

ومثال المحمولات التى تصدق مفردة على كل الشىء، ولا تصدق عليه مركبة، قول القائل: أنت عبد، وأنت لى، فأنت عبد لى.

وذلك مما قد يكذب.
যেসব বিষয় কোনো বস্তুর পৃথক পৃথক অংশের ওপর এককভাবে প্রযোজ্য হয়, কিন্তু তার সামগ্রিক রূপের ওপর প্রযোজ্য হয় না, তার উদাহরণ হলো কারো এই উক্তি: "পাঁচের একটি অংশ জোড় এবং পাঁচের একটি অংশ বিজোড়; সুতরাং পাঁচ হলো জোড় ও বিজোড়।"

এটি একটি মিথ্যা দাবি। কেননা জোড় হওয়া এবং বিজোড় হওয়া—এদের প্রতিটি পাঁচ-এর এমন একটি পৃথক অংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে যা অন্য অংশটি থেকে ভিন্ন। সুতরাং যখন একে সামগ্রিক সত্তার ওপর আরোপ করা হয়, তখন তা মিথ্যা হয়ে যায়।

আর সেইসব বিধেয়ের উদাহরণ যা কোনো বিষয়ের ওপর পৃথকভাবে সত্য হলেও সম্মিলিত অবস্থায় সত্য হয় না, তা হলো কোনো ব্যক্তির এই কথা: "তুমি একজন দাস, এবং তুমি আমার (অধীন), সুতরাং তুমি আমার দাস।"

এটি এমন একটি বিষয় যা অনেক সময় মিথ্যা হতে পারে।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
وأما الموضع الذى من الإعجام فمثل أن يتغير إعراب اللفظ، فيتغير مفهومه، أو يغير من المد إلى القصر، أو من التشديد إلى التخفيف، أو من الوصل إلى الوقف، أو يهمل إعرابه، أو يبدل لفظه وإعجامه.

والذي يكون من قبل النقط إنما يكون من قبل المكتوب فقط، مثل ما يعتذر به جالينوس عن أبقراط فى مواضع انتقدت عليه.

وأمثلة تغير المفهوم بتغير الإعراب، أو لإهماله كثيرة موجودة، مثل قول القائل: ضرب زيد عمراً. إذا كان زيد هو المضروب، وعمرو هو الضارب. وذلك كثير. وكذلك ما يعرض عند تغير النقط أو إهماله، وهو الذي يسمى التصحيف.
আর ই’জামের (লৈখিক চিহ্নের) কারণে ভুলের বিষয়টি এমন যে, শব্দের ই’রাব (ব্যাকরণিক বিভক্তি) পরিবর্তিত হয়ে যায়, ফলে তার অর্থ বদলে যায়; অথবা দীর্ঘস্বর (মাদ) থেকে হ্রস্বস্বরে (কাসর) পরিবর্তন, কিংবা দ্বিত্ব উচ্চারণ (তাশদীদ) থেকে লঘু উচ্চারণে (তাখফীফ) রূপান্তর, অথবা সন্ধি (ওয়াসল) থেকে বিরতিতে (ওয়াকফ) পরিবর্তন, অথবা ই’রাবকে উপেক্ষা করা, কিংবা শব্দ ও তার লৈখিক রূপকে বদলে দেওয়া।

আর যা নুকতাহর (বিন্দুর) কারণে ঘটে, তা কেবল লিখিত পাঠের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে; যেমন জালিনুস (গ্যালেন) হিপোক্রেটিসের (আবুরাত) পক্ষ থেকে এমন কিছু স্থানে ওজর পেশ করেছেন যেখানে তাঁর সমালোচনা করা হয়েছিল।

ই’রাব পরিবর্তন বা তা উপেক্ষা করার কারণে অর্থ বদলে যাওয়ার দৃষ্টান্ত প্রচুর রয়েছে; যেমন কারো কথা: ‘যাইদ আমরকে প্রহার করেছে’, যেখানে প্রকৃতপক্ষে যাইদ হলো প্রহৃত এবং আমর হলো প্রহারকারী। আর এরূপ অহরহ ঘটে থাকে। একইভাবে নুকতাহর পরিবর্তন বা তা উপেক্ষা করার ফলে যা ঘটে, তাকেই ‘তাসহীফ’ (লৈখিক বিকৃতি) বলা হয়।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
وأما الموضع الذى من شكل الألفاظ فمثل أن تكون صيغة لفظ المذكر صيغة لفظ المؤنث، أو صيغة لفظ المفعول صيغة لفظ الفاعل، فيوهم أن المذكر مؤنث، مثل قول القائل: عاصم بمعنى معصوم.

قال: فهذه هي المضللات التي تكون من قبل الألفاظ، وقد يظهر أنها ستة بطريق القسمة. وذلك أن اللفظ إنما يغلط إذا لم يطابق المعنى. وإذا لم يطابق المعنى: فظاهر أنه دل على معنى أكثر من واحد. لأنه لا يخلو أن يدل على
আর শব্দের রূপ বা গঠন সংক্রান্ত বিষয়টি হলো এমন যে, পুংলিঙ্গ শব্দের রূপ স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের রূপের মতো হওয়া, অথবা কর্মবাচ্যের রূপ কর্তৃবাচ্যের রূপের মতো হওয়া, ফলে এটি এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে যে পুংলিঙ্গটি স্ত্রীলিঙ্গ; যেমন কোনো বক্তার উক্তি: ‘আসিম’ (রক্ষাকারী) যা ‘মাসুম’ (রক্ষিত) অর্থে ব্যবহৃত হয়।

তিনি বলেন: এগুলিই হলো শব্দজাত বিভ্রান্তিসমূহ, এবং শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয় যে এগুলি ছয়টি। আর তা এই কারণে যে, শব্দ তখনই ভ্রান্তির উদ্রেক করে যখন তা অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না। আর যখন তা অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না, তখন এটি স্পষ্ট যে তা একের অধিক অর্থের দিকে নির্দেশ করছে। কেননা এটি এমন নয় যে তা কোনো অর্থের দিকে নির্দেশ করা থেকে মুক্ত থাকবে...
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
ذلك المعنى وعلى معنى زائد عليه، أو على ذلك المعنى وعلى معنى ناقص عنه. وإذا كان ذلك كذلك، فقد دل على معنى أكثر من واحد إما بزيادة منه على المعنى، أو نقصان منه. وإذا كان ذلك كذلك، فلا تخلو دلالته على معنى أكثر من واحد إما من قبل ما يؤخذ مفرداً، وإما من قبل ما يؤخذ مضموماً إلى غيره. ثم إذا كان من جهة ما هو مفرد، فلا يخلو ذلك من ثلاثة أقسام: إما أن يكون ذلك لا من قبل صيغته الأولى الموضوعة، وهذا هو الاسم المشترك.

وإما أن يكون ذلك له من قبل زيادة أو نقصان فى حروفه، أو تبدل ترتيبها. وهو التغليط الذي قيل فيه إنه من قبل الشكل.

وإما أن يكون فى أحواله الخارجة وهو التغليط الذى يعرض من قبل الإعراب، والتثقيل، والتشديد، وغير ذلك من الأشياء التى جرت بها العادة فى الألسنة.

وإذا عرض له ذلك من قبل ما هو مضموم إلى غيره. فلا يخلو أن يعرض
সেই অর্থ এবং তার অতিরিক্ত কোনো অর্থের ওপর, অথবা সেই অর্থ এবং তার থেকে কম কোনো অর্থের ওপর। আর যখন বিষয়টি এরূপ হয়, তখন তা একের অধিক অর্থের প্রতি নির্দেশ করে; হয় মূল অর্থের ওপর কোনো বৃদ্ধির মাধ্যমে, অথবা তা থেকে কোনো হ্রাসের মাধ্যমে। আর যখন বিষয়টি এরূপ হয়, তখন একের অধিক অর্থের প্রতি এর নির্দেশক হওয়া দুই অবস্থার বাইরে নয়: হয় শব্দটি এককভাবে গ্রহণের কারণে, অথবা অন্য কিছুর সাথে যুক্ত অবস্থায় গ্রহণের কারণে। অতঃপর যদি তা একক হওয়ার দিক থেকে হয়, তবে তা তিনটি প্রকারের বাইরে নয়: হয় এটি তার মূল নির্ধারিত রূপের কারণে নয়, আর এটিই হলো সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।

অথবা এটি শব্দটির অক্ষরসমূহের বৃদ্ধি বা হ্রাসের কারণে ঘটে, অথবা সেগুলোর বিন্যাস পরিবর্তনের কারণে। আর এটি হলো সেই বিভ্রান্তি যার সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এটি গঠনের কারণে ঘটে থাকে।

অথবা এটি তার বাহ্যিক অবস্থার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, আর এটি সেই বিভ্রান্তি যা ব্যাকরণিক স্বরচিহ্ন (ইরাব), শব্দের উচ্চারণগত ভার বা লঘুতা, তাশদীদ এবং বিভিন্ন ভাষায় প্রচলিত অন্যান্য বিষয় থেকে সৃষ্টি হয়।

আর যদি অন্য কিছুর সাথে যুক্ত হওয়ার কারণে এটি ঘটে থাকে, তবে তা ঘটার অবস্থা...
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
له ذلك فى نفس التركيب؛ وإما أن يعرض له عند تغيره من إفراد إلى تركيب، وهو موضع القسمة، وإما من تركيب إلى إفراد وهو موضع التركيب.

وإذا كان من المعروف بنفسه أن ليس هاهنا قسمة سابعة للفظ يدل بها على أكثر من معنى واحد من جهة ما هو مغلط بذاته، لا من جهة ما هو مغلط بالعرض، مثل التغليط الذي يعرض عنه عند الإبدال، أعنى إبدال لفظ مكان لفظ. فظاهر أن المواضع المغلطة من الألفاظ هى هذه الستة.
এটি হয় স্বয়ং সেই বিন্যাসের মধ্যেই; অথবা তা একক অবস্থা থেকে বিন্যস্ত অবস্থায় পরিবর্তনের সময় দেখা দেয়, আর তা হলো বিভাজনের ক্ষেত্র; আবার কখনো বিন্যস্ত অবস্থা থেকে একক অবস্থায় পরিবর্তনের সময় দেখা দেয়, আর তা হলো সংযোজনের ক্ষেত্র।

যেহেতু এটি স্বতঃসিদ্ধ যে, শব্দের এমন সপ্তম কোনো বিভাগ নেই যার মাধ্যমে তা তার নিজস্ব বিভ্রান্তিকর প্রকৃতির কারণে একাধিক অর্থের ওপর নির্দেশ করে—কোনো আপতিক বা বাহ্যিক কারণে নয়, যেমন শব্দের স্থলাভিষিক্তকরণের ফলে সৃষ্ট বিভ্রান্তি, অর্থাৎ এক শব্দের স্থলে অন্য শব্দের ব্যবহার—সেহেতু এটি স্পষ্ট যে, শব্দের বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী ক্ষেত্রসমূহ হলো এই ছয়টি।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌القول من المغلطات من المعاني

قال: والمواضع المغلطة من المعاني سبعة مواضع: أحدها: إجراء ما بالعرض مجرى ما بالذات؛ والثانى: أخذ المقيد مطلقاً، بأن يؤخذ ما سبيله أن يصدق مقيداً فقط، على أنه صادق بإطلاق. وأعنى ما كان مقيداً بصفة، أعنى بصفة ما، إما بزمان، أو بمكان، أو غير ذلك من أنواع التقييدات؛ والثالث: الغلط الذي يقع من قلة العلم بشروط التبكيت، وإنتاج مقابل ما اعترف الخصم بوجوده؛ والرابع: موضع اللاحق؛ والخامس: المصادرة على المطلوب؛ والسادس: أخذ ما ليس بسبب على أنه سبب؛ والسابع: أخذ المسائل الكثيرة على أنها مسألة واحدة.
অর্থগত বিভ্রমসমূহের বর্ণনা

তিনি বলেন: অর্থগত বিভ্রম বা ভ্রান্তি সৃষ্টির ক্ষেত্রগুলো সাতটি: প্রথমটি: যা আকস্মিক বা আনুষঙ্গিক তাকে সারগত বা অত্যাবশ্যকীয় বিষয়ের ন্যায় গণ্য করা; দ্বিতীয়টি: শর্তযুক্ত বিষয়কে শর্তহীন বা নিরঙ্কুশ হিসেবে গ্রহণ করা, অর্থাৎ যা কেবল শর্তযুক্ত অবস্থায় সত্য হওয়ার যোগ্য তাকে শর্তহীনভাবে সত্য হিসেবে গ্রহণ করা। আর শর্তযুক্ত বলতে আমি কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের সাথে যুক্ত হওয়াকে বোঝাচ্ছি, তা হতে পারে সময়ের সাথে, কিংবা স্থানের সাথে, অথবা এ জাতীয় অন্য কোনো শর্তের সাথে যুক্ত হওয়া; তৃতীয়টি: সেই ভ্রান্তি যা যুক্তি খণ্ডনের শর্তাবলি সম্পর্কে জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে ঘটে থাকে এবং প্রতিপক্ষ যা স্বীকার করেছে তার বিপরীত ফলাফল উৎপন্ন করে; চতুর্থটি: অনুষঙ্গ বা অনুবর্তী বিষয়ের ভ্রান্তি; পঞ্চমটি: যা প্রমাণ করতে হবে তাকেই প্রমাণের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা; ষষ্ঠটি: যা প্রকৃত কারণ নয় তাকে কারণ হিসেবে গণ্য করা; এবং সপ্তমটি: একাধিক প্রশ্ন বা বিষয়কে একটি একক প্রশ্ন বা বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা।
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
فالمغلطات التى تكون مما بالعرض تقع متى اتفق أن يحمل شىء على شىء بالذات، ويتفق لأحد الشيئين أمر بالعرض، فإنه يظن أن ما بالعرض يوجد لأحد ذينك الشيئين بالذات.

ومثال ذلك قول القائل: زيد المشار إليه غير الإنسان، وزيد إنسان، فالإنسان غير الإنسان.

وذلك أن حمل الإنسانية على زيد هو بالذات. وعرض لزيد من جهة ما هو شخص أن كان غير الإنسان الذي هو نوع كلى، فظن لذلك أنه يلز
আকস্মিক বিষয় (বিল-আরদ) সংক্রান্ত বিভ্রান্তিগুলো তখন ঘটে, যখন কোনো বিষয়কে অন্য কোনো বিষয়ের ওপর সত্তাগতভাবে (বিজ-জাত) আরোপ করা হয় এবং ওই দুই বিষয়ের কোনো একটির ক্ষেত্রে কোনো বিষয় আকস্মিকভাবে ঘটে যায়; তখন ধারণা করা হয় যে, যা আকস্মিক তা ওই দুই বিষয়ের কোনো একটির জন্য সত্তাগতভাবে বিদ্যমান।

এর উদাহরণ হলো কোনো বক্তার এই কথা: "ইঙ্গিতকৃত যায়েদ ‘মানুষ’ থেকে ভিন্ন, আবার যায়েদ একজন ‘মানুষ’; সুতরাং ‘মানুষ’ হলো ‘মানুষ’ থেকে ভিন্ন।"

আর এটি এই কারণে যে, যায়েদের ওপর ‘মানুষ্যত্ব’ আরোপ করা হলো সত্তাগত। আর যায়েদ একজন ব্যক্তি হওয়ার দিক থেকে এটি তার জন্য একটি আকস্মিক বিষয় যে সে ওই ‘মানুষ’ থেকে ভিন্ন যা একটি সামগ্রিক প্রজাতি; ফলে ধারণা করা হয়েছে যে এর ফলে এটি অপরিহার্য হয়ে পড়ে...
(খণ্ড: ১) তালখীসুস সাফসা ত্বাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
ومثال ذلك أيضاً قول القائل: زيد غير عمرو، وعمرو إنسان، فزيد غير إنسان.
এর আরও একটি উদাহরণ হলো কোনো বক্তার এই উক্তি: যায়েদ আমর নয়, এবং আমর একজন মানুষ, সুতরাং যায়েদ মানুষ নয়।