(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: -)
مسائل الإمام أحمد رواية أبي داود السجستاني   (أحمد بن حنبل)

القسم: الفقه الحنبلي


الكتاب: مسائل الإمام أحمد رواية أبي داود السجستاني

المؤلف: أبو داود سليمان بن الأشعث بن إسحاق بن بشير بن شداد بن عمرو الأزدي السَِّجِسْتاني (ت 275هـ)

تحقيق: أبي معاذ طارق بن عوض الله بن محمد

الناشر: مكتبة ابن تيمية، مصر

الطبعة: الأولى، 1420 هـ - 1999 م

عدد الصفحات: 455

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل بن هلال بن أسد الشيباني (ت 241هـ)

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইমাম আহমদের মাসআলাসমূহ - আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি কর্তৃক বর্ণিত   (আহমদ বিন হাম্বল)

বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ


কিতাব: ইমাম আহমদের মাসআলাসমূহ - আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি কর্তৃক বর্ণিত

লেখক: আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশ'আস ইবনে ইসহাক ইবনে বাশির ইবনে শাদ্দাদ ইবনে আমর আল-আজদি আস-সিজিস্তানি (মৃত্যু ২৭৫ হিজরি)

সম্পাদনা: আবু মুআয তারিক ইবনে আওয়াযুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ

প্রকাশক: মাকতাবাতু ইবনে তাইমিয়্যাহ, মিশর

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৫৫

[কিতাবের পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শাইবানি (মৃত্যু ২৪১ হিজরি)

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌بَابُ: اسْتِقْبَالُ الْقِبْلَةِ بِالْبَوْلِ

سَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ سُلَيْمَانَ بْنَ الْأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيَّ، قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ " اسْتِقْبَالُ الْقِبْلَةِ بِالْغَائِطِ وَالْبَوْلِ؟ قَالَ: يَنْحَرِفُ ".

مَا لَا يَنْجَسُ مِنَ الْمَاءِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ لَهُ الْوَرْكَانِيُّ: بِئْرٌ لَنَا وَقَعَتْ فِيهَا فَأْرَةٌ؟ فَقَالَ أَحْمَدُ: إِنْ لَمْ تُغَيِّرْ طَعْمَ الْمَاءِ وَرِيحَهُ فَلَا نَرَى لَهَا بَأْسًا.

فَقَالَ لَهُ الْوَرْكَانِيُّ: نَحْنُ نَزَحْنَا الْمَاءَ؟ قَالَ أَحْمَدُ: مَا بَقِيَ مِنَ الْمَاءِ، مَا تَصْنَعُ بِهِ؟ ثُمَّ قَالَ أَحْمَدُ: يَقَعُ فِي بِئْرِنَا مِثْلُ هَذَا كَثِيرٌ فَنُخْرِجُهُ، فَنَرْمِي بِهِ،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌অধ্যায়: প্রস্রাব করার সময় কিবলামুখী হওয়া

আমি আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআস আস-সিজিস্তানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বলকে বললাম, "মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলামুখী হওয়া প্রসঙ্গে?" তিনি বললেন: "অন্য দিকে ঘুরে যাবে।"

পানির যা অপবিত্র হয় না: আমি আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, আল-ওয়ারকানি তাঁকে বললেন: আমাদের একটি কূপে একটি ইঁদুর পড়ে গিয়েছে? আহমাদ বললেন: "যদি তা পানির স্বাদ ও গন্ধ পরিবর্তন না করে, তবে আমরা এতে কোনো সমস্যা দেখি না।"

অতঃপর আল-ওয়ারকানি তাঁকে বললেন: আমরা কি পানি সেচে ফেলব? আহমাদ বললেন: "অবশিষ্ট পানি দিয়ে তুমি কী করবে?" এরপর আহমাদ বললেন: "আমাদের কূপেও এমন অনেক কিছু পড়ে, তখন আমরা তা বের করে নিই এবং ফেলে দিই,"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৬)
ثُمّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا بَلَغَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ» ، قَالَ أَحْمَدُ: فَإِنْ تَغَيَّرَ طَعْمُهُ أَوْ رِيحُهُ نُزِحَ حَتَّى يَطِيبَ ، قَالَ لَهُ الْوَرْكَانِيُّ: مِنْ مَاءِ الْمَطَرِ قَدْ تَتَغَيَّرُ؟ يَعْنِي: الْبِئْرَ، قَالَ: لَيْسَ ذَاكَ تَنَجُّسَهُ، إِنَّمَا ذَاكَ تَغَيُّرُهُ مِمَّا أَصَابَهُ مِنَ الطِّينِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، وَقِيلَ لَهُ " فَأْرَةٌ وَقَعَتْ فِي بِئْرٍ؟ قَالَ: كَمْ فِيهَا مِنَ الْمَاءِ؟ قَالَ: قَدْرُ عَشْرِ قِرَبٍ.

قَالَ: إِذَا لَمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهُ وَلَا رِيحُهُ فَلَا بَأْسَ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: «فَإِذَا تَغَيَّرَ طَعْمُهُ أَوْ رِيحُهُ نُزِحَ مِنْهُ حَتَّى يَعُودَ كَمَا كَانَ» .

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولَ: قِيلَ لَهُ " بِئْرٌ فِيهَا بَوْلٌ؟ قَالَ: يُنْزَحُ حَتَّى يَغْلِبَهُمُ الْمَاءُ، قَالَ: وَمِنَ الْعَذِرَةِ إِذِ انْقَطَعَ فِيهَا أَيْضًا يُنْزَحُ حَتَّى يَغْلِبَهُمُ الْمَاءُ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: قِيلَ لَهُ " قَطِيفَةُ صَبِيٍّ يَنَامُ فِيهَا وَقَعَتْ فِي بِئْرٍ؟ قَالَ: يُنْزَحُ. . . . إِنْ كَانَ يَبُولُ فِي الْقَطِيفَةِ، قِيلَ لَهُ: فَإِنْ لَمْ يَكُنْ صَبِيٌّ يَبُولُ؟ قَالَ: فَلَا بَأْسَ «.
এরপর তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করতে পারে না।" আহমাদ বলেন: "যদি তার স্বাদ অথবা গন্ধ পরিবর্তিত হয়ে যায়, তবে তা পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তা থেকে পানি তোলা হবে।" ওয়ারকানি তাঁকে বললেন: "বৃষ্টির পানির কারণে কি তা পরিবর্তিত হতে পারে? অর্থাৎ কুপটি।" তিনি বললেন: "সেটি অপবিত্র হওয়া নয়, বরং সেটি হচ্ছে কাদা মাটি মিশ্রিত হওয়ার কারণে তার পরিবর্তন।" আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "একটি ইঁদুর কুপে পড়ে গেলে (করণীয় কী)?" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তাতে কতটুকু পানি আছে?" প্রশ্নকারী বললেন: "দশ মশক পরিমাণ।"

তিনি বললেন: "যদি তার স্বাদ এবং গন্ধ পরিবর্তিত না হয় তবে কোনো সমস্যা নেই।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: "অতঃপর যখন এর স্বাদ অথবা গন্ধ পরিবর্তিত হয়ে যায়, তখন তা থেকে পানি তোলা হবে যতক্ষণ না তা পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "এমন এক কুপ যাতে প্রস্রাব পড়েছে?" তিনি বললেন: "ততক্ষণ পর্যন্ত পানি তোলা হবে যতক্ষণ না পরিষ্কার পানি তার ওপর প্রবল হয়।" তিনি আরও বলেন: "বিষ্ঠার ক্ষেত্রেও, যখন তা কুপে পড়ে যায়, তখনও পানি তোলা হবে যতক্ষণ না পরিষ্কার পানি তার ওপর প্রবল হয়।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "একটি শিশুর চাদর যাতে সে ঘুমায়, তা যদি কুপে পড়ে যায়?" তিনি বললেন: "যদি শিশুটি ওই চাদরে প্রস্রাব করে থাকে তবে পানি তোলা হবে।" তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: "আর যদি শিশুটি তাতে প্রস্রাব না করে থাকে?" তিনি বললেন: "তবে কোনো সমস্যা নেই।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৭)
سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» الْبِئْرُ يَقَعُ فِيهَا الْفَأْرَةٌ وَالسِّنَّوْرُ؟ فَقَالَ: أَمَّا مِثْلُ هَذِهِ الْآبَارِ إِذَا كَانَ الْمَاءُ كَثِيرًا مَا لَمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمًا أَوْ رِيحًا فَأَرْجُو، إِلَّا مِنْ بَوْلٍ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ» حَمَّامَاتٌ بِالشَّامِ فِيهَا حِيَاضٌ تَمْتَلِئُ مَاءً، فَإِذَا أُخِذَ مِنْهُ أَوْ غُرِفَ زَادَ الْمَاءُ، حَتَّى يَنْتَهِيَ إِلَى حَيْثُ كَانَ، أَعْنِي: مِمَّا يُصَبُّ فِيهِ، يَدْخُلُهُ الْجُنُبُ؟ قَالَ: لَا، هَذَا مِثْلُ الْبِئْرِ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» فَالْبِئْرُ لَا يَدْخُلُهَا الْجُنُبُ؟ قَالَ: لَا، يُعْجِبُنِي أَنْ يَدْخُلَهَا، يَغْتَسِلُ فِيهَا ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: «لَا يُعْجِبُنَا أَنْ يَتَوَضَّأَ مِنْ مَاءٍ رَاكِدٍ، إِلَّا أَنْ يُكْثِرَ» .

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ " كَمِ الْقُلَّتَانِ؟ قَالَ: خَمْسُ قِرَبٍ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ جَرَّتَيْنِ، وَقَعَ فِي إِحْدَاهُمَا بَوْلٌ؟ قَالَ: الْبَوْلُ لَا يُتَوَضَّأُ بِهِ، يَعْنِي: أَنْ لَا يُتَوَضَّأَ بِوَاحِدَةٍ مِنْهُمَا «.

سُؤْرُ الدَّوَابِ وَفَضْلُ الْمَرْأَةِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ» أَكْرَهُ سُؤْرَ الْحِمَارِ وَالْبَغْلِ ".

سَمِعْتُهُ، قَالَ: " سُؤْرُ الْكَلْبِ، أَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِغَسْلِهِ سَبْعَ مَرَّاتٍ،
আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "কূপে যদি ইঁদুর বা বিড়াল পড়ে যায় (তবে তার বিধান কী)?" তিনি বললেন: "এই ধরনের কূপগুলোর ক্ষেত্রে পানি যদি প্রচুর হয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তার স্বাদ বা গন্ধ পরিবর্তিত না হয়, ততক্ষণ আমি (তার পবিত্রতার ব্যাপারে) আশা রাখি; তবে পেশাবের বিষয়টি ভিন্ন।"

আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বললাম: "সিরিয়ায় এমন কিছু গোসলখানা আছে যেখানে পানির হাউজ রয়েছে যা পানিতে পূর্ণ থাকে। সেখান থেকে যখন পানি নেওয়া হয় বা সেঁচা হয়, তখন পানি বৃদ্ধি পায় এবং আগের অবস্থায় ফিরে আসে—অর্থাৎ যা তাতে ঢালা হয় তার মাধ্যমে। অপবিত্র (জুনুবি) ব্যক্তি কি তাতে প্রবেশ করবে?" তিনি বললেন: "না, এটি কূপের মতোই।"

আমি আহমাদকে বললাম: "তাহলে কি অপবিত্র ব্যক্তি কূপে প্রবেশ করবে না?" তিনি বললেন: "না, সে তাতে প্রবেশ করে গোসল করবে—এটি আমার নিকট পছন্দনীয়।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "স্থির পানি থেকে ওজু করা আমরা অপছন্দ করি, যদি না তা প্রচুর পরিমাণে হয়।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "দুই কুল্লা কতটুকু?" তিনি বললেন: "পাঁচ মশক।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে দুটি কলস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যেগুলোর একটিতে পেশাব পড়েছে। তিনি বললেন: "পেশাব দিয়ে ওজু করা যায় না; অর্থাৎ সে দুটির কোনোটি দিয়েই ওজু করবে না।"

চতুষ্পদ প্রাণীর উচ্ছিষ্ট এবং নারীর বেঁচে যাওয়া পানি প্রসঙ্গে; আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "আমি গাধা ও খচ্চরের উচ্ছিষ্ট অপছন্দ করি।"

আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "কুকুরের উচ্ছিষ্টের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাত বার ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন,"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৮)
وَقَالَ بَعْضُهُمْ: ثَمَانِ مَرَّاتٍ، مَنْ ذَهَبَ إِلَى هَذَا أَوْ إِلَى هَذَا كِلَاهُمَا جَائِزٌ، وَسَبْعٌ عِنْدِي تُجْزِئُ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ عَنِ الْوُضُوءِ بِفَضْلِ وُضُوءِ الْمَرْأَةِ؟ قَالَ: إِنْ خَلَتْ بِهِ فَلَا.

قِيلَ: فَإِنْ لَمْ تَخْلُ؟ قَالَ: فَلَا بَأْسَ، «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَالْمَرْأَةُ مِنْ نِسَائِهِ يَغْتَسِلَانِ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ»
এবং তাঁদের কেউ কেউ বলেছেন: আট বার। যে ব্যক্তি এটি অথবা অন্যটি অনুসরণ করবে, উভয়ই জায়েজ। আর আমার মতে সাত বারই যথেষ্ট।"

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে মহিলার ওজুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওজু করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: যদি সে সেটি নিয়ে নির্জনে থাকে, তবে করা যাবে না।

জিজ্ঞাসা করা হলো: যদি সে নির্জনে না থাকে? তিনি বললেন: তবে কোনো সমস্যা নেই, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে কেউ একজন একই পাত্র থেকে গোসল করতেন।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৯)
الْإِنَاءُ الْمَكْشُوفُ 3 قُلْتُ لِأَحْمَدَ: الْمَاءُ الْمَكْشُوفُ يُتَوَضَّأُ مِنْهُ؟ قَالَ: " إِنَّمَا أَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُغَطَّى يَعْنِي: الْإِنَاءَ، لَمْ يَقُلْ: لَا يُتَوَضَّأُ بِهِ «يُدْخِلُ الرَّجُلُ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ قَبْلَ الْغَسْلِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، سُئِلَ» إِذَا نَامَ الرَّجُلُ وَعَلَيْهِ سَرَاوِيلُهُ يُدْخِلُ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا؟ قَالَ: السَّرَاوِيلُ وَغَيْرُ السَّرَاوِيلِ وَاحِدٌ، إِنَّمَا قَالَ: فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ ".

وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: «وَلَكِنَّهُ لَوْ نَامَ بِالنَّهَارِ لَا بَأْسَ أَنْ يُدْخِلَ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ، لِأَنَّ الْبَيْتُوتَةَ لَا تَكُونُ إِلَّا بِاللَّيْلِ» .

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، " سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ: يَقُومُ مِنْ نَوْمِهِ، فَيَمَسُّ الدَّلْوَ وَهُوَ رَطْبٌ؟ قَالَ: إِنَّمَا نَهَى أَنْ يُدْخِلَ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ ".

وَكَأَنَّهُ سَهَّلَ فِيهِ.

حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ «فِيمَنْ نَامَ وَعَلَيْهِ سَرَاوِيلُ، فَلَا بَأْسَ أَنْ يُدْخِلَ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا» .
উন্মুক্ত পাত্র ৩। আমি আহমদকে বললাম: উন্মুক্ত পানি থেকে কি অজু করা যাবে? তিনি বললেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কেবল পাত্রটি ঢেকে রাখার আদেশ দিয়েছেন; তিনি এমনটি বলেননি যে, তা দ্বারা অজু করা যাবে না।" হাত ধোয়ার আগে পাত্রে হাত প্রবেশ করানো সম্পর্কে আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি কোনো ব্যক্তি পায়জামা পরিহিত অবস্থায় ঘুমায়, তবে কি সে হাত ধোয়ার আগে পাত্রে হাত প্রবেশ করাতে পারবে? তিনি বললেন: "পায়জামা পরিহিত থাকা বা না থাকা উভয়ই সমান। তিনি (নবী ﷺ) কেবল এ কথা বলেছেন যে: 'কেননা সে জানে না তার হাত রাতে কোথায় ছিল'।"

এবং আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "তবে সে যদি দিনে ঘুমায়, তবে পাত্রে হাত প্রবেশ করাতে কোনো সমস্যা নেই, কারণ রাত যাপন (বাইতুতাহ) কেবল রাতের বেলাতেই হয়।"

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ঘুম থেকে উঠে ভেজা বালতি স্পর্শ করে। তিনি বললেন: "তিনি (নবী ﷺ) কেবল পাত্রের ভেতরে হাত প্রবেশ করাতে নিষেধ করেছেন।"

মনে হলো তিনি এ বিষয়ে শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন।

সাফওয়ান বিন সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ আমাদের আল-আওজায়ি থেকে বর্ণনা করেছেন: "যে ব্যক্তি পায়জামা পরিহিত অবস্থায় ঘুমায়, সে হাত ধোয়ার আগে পাত্রে হাত প্রবেশ করালে কোনো সমস্যা নেই।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১০)
سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ لِرَجُلٍ «إِذَا قُمْتَ مِنْ نَوْمِكَ، فَلَا تُدْخِلْ يَدَكَ فِي الْإِنَاءِ حَتَّى تَغْسِلَهَا ثَلَاثًا» .

الِاسْتِنْجَاءُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: «مَنْ لَمْ يَسْتَنْجِ بِالْحِجَارَةِ، وَلَا بِالْمَاءِ أَعَادَ الصَّلَاةَ» .

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، " سُئِلَ عَنِ الِاسْتِنْجَاءِ؟ قَالَ: بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ إِذَا أَنْقَى، فَأَمَّا إِذَا تَلَطَّخَ مَا حَوْلَ الْمَقْعَدَةِ، فَلَا بُدَّ مِنَ الْغَسْلِ، وَأَمَّا الْمَقْعَدَةُ فَيَكْفِيهِ ثَلَاثَةُ أَحْجَارٍ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ حَدِّ الِاسْتِنْجَاءِ؟ يَعْنِي: بِالْمَاءِ، قَالَ: يُنَقِّي «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» لَيْسَ فِي الرِّيحِ اسْتِنْجَاءٌ ".

أَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: أَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: أَنَا الْحِمَّانِيُّ، قَالَ: أَنَا يَحْيَى بْنُ الْيَمَانِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «لَيْسَ فِي الرِّيحِ الِاسْتِنْجَاءُ» .

النِّيَّةُ فِي الْوُضُوءِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، " سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ أَحْدَثَ بَعْدَ مَا صَلَّى الصُّبْحَ، ثُمَّ تَوَضَّأَ، ثُمَّ حَضَرَتِ الظُّهْرُ، أَيُصَلِّي بِذَلِكَ الْوُضُوءِ؟ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا كَانَ طَاهِرًا «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ تَوَضَّأَ، فَأَصَابَ رَأْسَهُ مَاءُ السَّمَاءِ، فَمَسَحَهُ بِيَدِهِ، أَيُجْزِئُهُ مِنْ مَسْحِهِ رَأْسَهُ؟ قَالَ: إِذَا نَوَى، أَخْشَى أَنْ لَا يُجْزِئَهُ حَتَّى يَنْوِيَ «.
আমি আহমাদকে (ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি, "যখন তুমি ঘুম থেকে উঠবে, তখন তোমার হাত পাত্রে প্রবেশ করিও না যতক্ষণ না তা তিনবার ধৌত করো।"

পবিত্রতা অর্জন (ইস্তিনজা) আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি পাথর বা পানি দ্বারা ইস্তিনজা করেনি, সে তার সালাত পুনরায় আদায় করবে।"

আমি আহমাদকে শুনেছি, যখন তাঁকে ইস্তিনজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন: "যদি পরিষ্কার হয়ে যায় তবে তিনটি পাথর দ্বারা। তবে যদি মলদ্বারের চারপাশ অপবিত্রতায় লিপ্ত হয়, তবে ধৌত করা আবশ্যক। আর মলদ্বারের জন্য তিনটি পাথরই যথেষ্ট।"

আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে পানির মাধ্যমে ইস্তিনজার সীমা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন: "যাতে পরিষ্কার হয়ে যায়।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি: "বায়ু নির্গমনের কারণে ইস্তিনজা নেই।"

আমি আবু দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হিম্মানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনুল ইয়ামান, সুফিয়ান থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "বায়ু নির্গমনের কারণে ইস্তিনজা নেই।"

ওজুতে নিয়ত আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে ফজরের সালাত আদায়ের পর অপবিত্র (হাদাস) হয়েছে, তারপর ওজু করেছে, এরপর জোহরের সময় উপস্থিত হয়েছে; সে কি সেই ওজু দিয়ে সালাত আদায় করবে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, যদি সে পবিত্র থাকে।"

আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে ওজু করছিল, এমতাবস্থায় তার মাথায় বৃষ্টির পানি পড়ল এবং সে তার হাত দিয়ে তা মুছে দিল (মাসেহ করল); এটি কি তার মাথা মাসেহ হিসেবে যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন: "যদি সে নিয়ত করে থাকে। আমি আশঙ্কা করি যে, নিয়ত না করা পর্যন্ত তা যথেষ্ট হবে না।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১১)
سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَمَّنِ اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ، وَلَمْ يَتَوَضَّأْ، أَيُجْزِئُهُ؟ قَالَ: إِذَا نَوَى الْوُضُوءَ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» وَقَعَ فِي مَاءٍ وَهُوَ جُنُبٌ، أَيُجْزِئُهُ مِنْ غُسْلِ الْجَنَابَةِ؟ قَالَ: إِذَا نَوَى ".

التَّسْمِيَةُ فِي الْوُضُوءِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: " إِذَا بَدَأَ يَتَوَضَّأُ، يَقُولُ: بِسْمِ اللَّهِ ".

قُلْتُ لِأَحْمَدَ: إِذَا نَسِيَ التَّسْمِيَةَ فِي الْوُضُوءِ؟ قَالَ: أَرْجُو أَنْ لَا يَكُونَ عَلَيْهِ شَيْءٌ، وَلَا يُعْجِبُنِي أَنْ يَتْرُكَهُ خَطَأً وَلَا عَمْدًا، وَلَيْسَ فِيهِ إِسْنَادٌ، يَعْنِي: لِحَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «لَا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يُسَمِّ» .

كَمِ الْوُضُوءُ مِنْ مَرَّةٍ سَمِعْتُ رَجُلًا، قَالَ لِأَحْمَدَ: عَلِّمْنِي الْوُضُوءَ، قَالَ " إِذَا قُمْتَ
আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করেছে কিন্তু ওযু করেনি, তা কি তার জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন: "যদি সে ওযুর নিয়ত করে থাকে।"

আমি আহমাদকে বললাম: "কেউ জানাবাত অবস্থায় পানিতে পড়ে গেলে তা কি তার জানাবাতের গোসলের জন্য যথেষ্ট হবে?" তিনি বললেন: "যদি সে নিয়ত করে।"

ওযুর শুরুতে তাসমিয়াহ (বিসমিল্লাহ বলা)। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "যখন কেউ ওযু শুরু করবে, তখন বলবে: বিসমিল্লাহ।"

আমি আহমাদকে বললাম: "যদি কেউ ওযুতে তাসমিয়াহ বলতে ভুলে যায়?" তিনি বললেন: "আমি আশা করি তার ওপর কোনো দায় থাকবে না, তবে ভুলবশত হোক কিংবা ইচ্ছাকৃত—এটি বর্জন করা আমার নিকট পছন্দনীয় নয়। আর এই বিষয়ে কোনো (সুদৃঢ়) সনদ নেই; অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই হাদিসটির ক্ষেত্রে: 'যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম নেয়নি তার ওযু হয়নি'।"

ওযুর অঙ্গসমূহ কতবার করে ধৌত করতে হয়। আমি এক ব্যক্তিকে আহমাদকে বলতে শুনলাম, সে বলল: "আমাকে ওযু শিক্ষা দিন।" তিনি বললেন: "যখন তুমি দাঁড়াবে...
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১২)
مِنْ نَوْمِكَ فَلَا تُدْخِلْ يَدَكَ فِي الْإِنَاءِ حَتَّى تَغْسِلَهَا ثَلَاثًا، وَتُمَضْمِضَ ثَلَاثًا، وَاسْتَنْشِقْ ثَلَاثًا، وَاغْسِلْ وَجْهَكَ ثَلَاثًا.

وَوَصَفَ غَسْلَ وَجْهِهِ، فَمَسَحَ الصُّدْغَيْنِ، ثُمَّ اغْسِلْ ذِرَاعَيْكَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا، ثُمَّ امْسَحْ بِرَأْسِكَ مَرَّةً، وَمَسَحَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ فَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى مُقَدَّمِ رَأْسِهِ، ثُمَّ جَرَّهُمَا إِلَى الْقَفَا، ثُمَّ رَدَّهُمَا إِلَى حَيْثُ بَدَأَ مِنْهُ، قَالَ: وَيَأْخُذُ لِأُذُنَيْهِ مَاءً جَدِيدًا «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» أُكْثِرُ الْوُضُوءَ ثَلَاثًا "، سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: «يَغْسِلُ رِجْلَيْهِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا» .

قَالَ: وَنَحْنُ نَغْسِلُ أَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثٍ.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، " سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ تَوَضَّأَ بَعْضَ وُضُوئِهِ ثَلَاثًا، وَبَعْضَهُ مَرَّتَيْنِ؟ قَالَ: أَرْجُو أَنْ يُجْزِئَهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ تَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً؟ قَالَ: جَائِزٌ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» فِيمَنْ شَكَّ فِي وُضُوئِهِ، فَلَمْ يَدْرِ ثِنْتَيْنِ تَوَضَّأَ أَوْ ثَلَاثًا؟ قَالَ: تُجْزِئُ ثِنْتَانِ «.

فِي الْمَضْمَضَةِ وَالِاسْتِنْشَاقِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْمَضْمَضَةِ وَالِاسْتِنْشَاقِ فَرِيضَةٌ؟ قَالَ:
তোমার ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর তোমার হাত পাত্রে প্রবেশ করিও না যতক্ষণ না তা তিনবার ধৌত করো। এরপর তিনবার কুলি করো, তিনবার নাকে পানি দাও এবং তিনবার তোমার মুখমণ্ডল ধৌত করো।

তিনি তার মুখমণ্ডল ধৌত করার বর্ণনা দিলেন; তিনি রগের দুই পাশ (কানের সম্মুখভাগ) মাসাহ করলেন। এরপর তোমার উভয় হাত (কনুই পর্যন্ত) তিন তিন বার ধৌত করো। তারপর একবার তোমার মাথা মাসাহ করো। আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) মাসাহ করলেন—তিনি তার উভয় হাত মাথার সম্মুখভাগে রাখলেন, অতঃপর তা ঘাড়ের পিছন পর্যন্ত টেনে নিলেন এবং পুনরায় সেখান থেকে ফিরিয়ে আনলেন যেখান থেকে শুরু করেছিলেন। তিনি বললেন: কানের জন্য নতুন পানি গ্রহণ করতে হবে।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "আমি অধিকাংশ ওযুতে (অঙ্গগুলো) তিনবার করে ধৌত করি।" আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি: "তিনি তার উভয় পা তিন তিন বার ধৌত করবেন।"

তিনি বললেন: আমরা তিনবারের অধিক ধৌত করি।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে ওযুর কোনো কোনো অঙ্গ তিনবার এবং কোনো কোনোটি দুইবার ধৌত করেছে। তিনি বললেন: "আমি আশা করি এটি তার জন্য যথেষ্ট হবে।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে একবার একবার করে ধৌত করে ওযু করেছে। তিনি বললেন: "এটি জায়েয।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার ওযুর ব্যাপারে সন্দেহে পতিত হয় এবং বুঝতে পারে না যে সে দুইবার নাকি তিনবার ধৌত করেছে, সে বিষয়ে তিনি বললেন: "দুইবার ধৌত করাই যথেষ্ট হবে।"

কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়ার প্রসঙ্গে আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া কি ফরয? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৩)
لَا أَقُولُ فَرِيضَةً إِلَّا مَا فِي الْكِتَابِ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَمَّنْ نَسِيَ الْمَضْمَضَةَ وَالِاسْتِنْشَاقَ حَتَّى صَلَّى؟ قَالَ: يَتَمَضْمَضُ وَيَسْتَنْشِقُ وَيُعِيدُ الصَّلَاةَ، قُلْتُ: وَلَا يُعِيدُ الْوُضُوءَ؟ قَالَ: لَا، لَيْسَ هَذَا مِنْ فَرْضِ الْوُضُوءِ «.

وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ مَرَّةً أُخْرَى،» سُئِلَ عَنْ هَذِهِ الْمَسْأَلَةِ؟ فَقَالَ أَحْمَدُ: أَجَفَّ وُضُوءُهُ؟ قَالَ السَّائِلُ: نَعَمْ.

قَالَ: يُمَضْمِضُ وَيَسْتَنْشِقُ وَيُعِيدُ صَلَاتَهُ «.

تَخْلِيلُ اللِّحْيَةِ قُلْتُ لِأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ» تَخْلِيلُ اللِّحْيَةِ؟ قَالَ: يُخَلِّلُهَا ".

وَقَدْ رُوِيَ فِيهِ أَحَادِيثُ، لَيْسَ يَثْبُتُ فِيهِ حَدِيثٌ، يَعْنِي: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

مَسْحُ الرَّأْسِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، قَالَ لَهُ رَجُلٌ شَعَرَانِيٌّ، شَعَرُهُ إِلَى مَنْكِبِهِ " كَيْفَ أَمْسَحُ، يَعْنِي: رَأْسِي فِي الْوُضُوءِ؟ فَأَقْبَلَ بِيَدَيْهِ عَلَى رَأْسِهِ مَرَّةً، فَقَالَ: هَكَذَا، كَرَاهِيَةَ أَنْ يَتَشَوَّشَ شَعَرُهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ» كَيْفَ تَمْسَحُ الْمَرْأَةُ رَأْسَهَا فِي الْوُضُوءِ؟
আমি কিতাবে (আল্লাহর কিতাবে) যা আছে তা ছাড়া অন্য কিছুকে ফরজ বলি না।

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয়া ভুলে গিয়ে নামায পড়ে ফেলেছে? তিনি বললেন: সে কুলি করবে, নাকে পানি দেবে এবং নামায পুনরায় পড়বে। আমি বললাম: সে কি ওযু পুনরায় করবে না? তিনি বললেন: না, এটি ওযুর ফরজের অন্তর্ভুক্ত নয়।

আমি আহমদকে অন্য এক সময়ে এই মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি। আহমদ বললেন: তার ওযুর অঙ্গসমূহ কি শুকিয়ে গিয়েছিল? প্রশ্নকারী বললেন: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: সে কুলি করবে, নাকে পানি দেবে এবং তার নামায পুনরায় পড়বে।

দাড়ি খিলাল করা: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বললাম, দাড়ি খিলাল করা সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: সে তা খিলাল করবে।

এই বিষয়ে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীসই সুসাব্যস্ত নয়।

মাথা মাসাহ করা: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, এক দীর্ঘ কেশধারী ব্যক্তি, যার চুল কাঁধ পর্যন্ত ছিল, তাকে জিজ্ঞাসা করল: ওযুতে আমি আমার মাথা কীভাবে মাসাহ করব? তখন তিনি তার দুই হাত দিয়ে মাথার সামনের দিক থেকে একবার মাসাহ করে দেখালেন এবং বললেন: এইভাবে, যাতে চুল এলোমেলো হয়ে না যায়।

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: নারী ওযুতে কীভাবে তার মাথা মাসাহ করবে?
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৪)
قَالَ: هَكَذَا، وَوَضَعَ عَلَى وَسَطِ رَأْسِهِ، ثُمَّ جَرَّهُمَا إِلَى مُقَدَّمِهِ، ثُمَّ رَفَعَهُمَا فَوَضَعَهُمَا حَيْثُ مِنْهُ بَدَأَ، ثُمَّ جَرَّهُمَا إِلَى مُؤَخِّرِهِ «.

مَسْحُ الْأُذُنَيْنِ» سَأَلْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ عَنْ مَسْحِ الْأُذُنَيْنِ؟ فَأَمَرَنِي أَنْ أَمْسَحَ دَاخِلَهُمَا وَخَارِجَهُمَا «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» الْأُذُنَانِ مِنَ الرَّأْسِ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قُلْتُ: يَأْخُذُ لَهُمَا مَاءً جَدِيدًا، أَوْ يَمْسَحُهُمَا بِمَاءِ الرَّأْسِ؟ قَالَ: يَأْخُذُ لَهُمَا مَاءً جَدِيدًا «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا تَرَكَ مَسْحَ أُذُنَيْهِ نَاسِيًا يُعِيدُ الْوُضُوءَ؟ قَالَ لَا، لِأَنَّ الْأُذُنَيْنِ مِنَ الرَّأْسِ، قُلْتُ: إِذَا تَرَكَهُ مُتَعَمِّدًا؟ قَالَ: هَذَا أَخْشَى أَنْ يَنْبَغِيَ لَهُ أَنْ يُعِيدَ «.
তিনি বললেন: এভাবে, এবং তিনি মাথার মাঝখানে (হাত) রাখলেন, অতঃপর সেগুলোকে সামনের দিকে টেনে নিলেন, তারপর সেগুলোকে উঠালেন এবং যেখান থেকে শুরু করেছিলেন সেখানে রাখলেন, অতঃপর সেগুলোকে পেছনের দিকে টেনে নিলেন।

কান মাসাহ করা: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে দুই কান মাসাহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে সেগুলোর ভেতর এবং বাইরে মাসাহ করার নির্দেশ দিলেন।

আমি আহমাদকে বললাম: কান দুটি কি মাথার অংশ? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

আমি বললাম: তিনি কি সেগুলোর জন্য নতুন পানি নেবেন, নাকি মাথার পানি দিয়ে সেগুলোকে মাসাহ করবেন? তিনি বললেন: তিনি সেগুলোর জন্য নতুন পানি নেবেন।

আমি আহমাদকে বললাম: যদি কেউ ভুলে কান মাসাহ করা ছেড়ে দেয়, তবে কি সে ওযু পুনরায় করবে? তিনি বললেন: না, কারণ কান দুটি মাথার অংশ। আমি বললাম: যদি সে তা ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয়? তিনি বললেন: এক্ষেত্রে আমি আশঙ্কা করি যে তার জন্য ওযু পুনরায় করা আবশ্যক হতে পারে।
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৫)
الْخَاتَمُ يُحَرَّكُ فِي الْوُضُوءِ وَتَخْلِيلُ الرِّجْلَيْنِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» يَتَوَضَّأُ، يُحَرِّكُ خَاتَمَهُ؟ قَالَ: إِذَا كَانَ ضَيِّقًا، فَلَابُدَّ مِنْ أَنْ يُخْرِجَهُ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا تَوَضَّأَ فَأَدْخَلَ رِجْلَهُ فِي الْمَاءِ، ثُمَّ أَخْرَجَهَا؟ قَالَ: يَنْبَغِي أَنْ يُمَرِّرَ يَدَهُ عَلَى رِجْلِهِ وَيُخَلِّلَ أَصَابِعَهُ، قُلْتُ: فَلَمْ يَفْعَلْ يُجْزِئُهُ؟ قَالَ: أَرْجُو، قُلْتُ: يُجْزِئُهُ مِنَ التَّخْلِيلِ أَنْ يُحَرِّكَ رِجْلَيْهِ فِي الْمَاءِ؟ قَالَ: أَرْجُو ".

قَالَ أَحْمَدُ: «رُبَّمَا زَلِقَ الْمَاءُ عَنِ الْجَسَدِ فِي الشِّتَاءِ» .

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، «سُئِلَ عَنِ الْكَعْبَيْنِ فِي الْوُضُوءِ؟ فَأَشَارَ إِلَى فَوْقِ الْعَقِبِ إِلَى الْعَظْمِ الَّذِي أَسْفَلُ السَّاقِ» .

مَسْحُ الْعِمَامَةِ وَعَلَى الْخُفِّ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ " كَمْ يُمْسَحُ عَلَى الْعِمَامَةِ؟ قَالَ: مِثْلُ الْخُفِّ سَوَاءٌ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا نَقَضَهَا، أَعْنِي الْعِمَامَةَ يُعِيدُ الْوُضُوءَ؟ قَالَ: نَعَمْ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ» كَيْفَ الْمَسْحُ؟ فَقَالَ: هَكَذَا، وَخَطَّ بِأَصَابِعِهِ
ওজুর সময় আংটি নাড়াচাড়া করা এবং দুই পা খিলাল করা। আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "কেউ ওজু করার সময় কি তার আংটি নাড়াচাড়া করবে?" তিনি বললেন: "যদি তা সংকীর্ণ হয়, তবে তা অবশ্যই সরাতে হবে।"

আমি আহমদকে বললাম: "যদি কেউ ওজু করার সময় তার পা পানির ভেতরে প্রবেশ করায়, তারপর তা বের করে নেয় (তবে কি তা যথেষ্ট)?" তিনি বললেন: "তার উচিত পায়ের ওপর হাত বুলিয়ে দেওয়া এবং আঙ্গুলগুলো খিলাল করা।" আমি বললাম: "সে যদি এমনটি না করে, তবে কি তা যথেষ্ট হবে?" তিনি বললেন: "আমি আশা করি (যথেষ্ট হবে)।" আমি বললাম: "খিলাল করার পরিবর্তে পানিতে দুই পা নাড়াচাড়া করা কি যথেষ্ট হবে?" তিনি বললেন: "আমি আশা করি (যথেষ্ট হবে)।"

আহমদ বলেছেন: "শীতকালে অনেক সময় শরীর থেকে পানি গড়িয়ে পড়ে যায় (শরীরে ঠিকমতো লাগে না)।"

আমি আহমদকে শুনেছি, তাকে ওজুর দুই টাখনু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তখন তিনি গোড়ালির ওপর থেকে পায়ের নলার নিচের হাড়ের দিকে ইশারা করলেন।

পাগড়ির ওপর এবং মোজার ওপর মাসাহ করা। আমি আহমদকে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "পাগড়ির ওপর কতদিন মাসাহ করা যাবে?" তিনি বললেন: "একেবারে মোজার মতোই সমান।"

আমি আহমদকে বললাম: "যদি কেউ তা খুলে ফেলে, অর্থাৎ পাগড়ি খুলে ফেলে, তবে কি সে ওজু পুনরায় করবে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

আমি আহমদকে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "মাসাহ কীভাবে করতে হয়?" তিনি বললেন: "এইভাবে", এবং তিনি তার আঙ্গুল দিয়ে রেখা টেনে দেখালেন।
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৬)
عَلَى ظَهْرِ رِجْلِهِ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» الْمَسْحُ فِي أَعْلَى الْخُفِّ وَأَسْفَلِهِ؟ قَالَ: أَرْجُو أَنْ يُجْزِئَهُ أَعْلَى الْخُفِّ " ، قَدْ رُوِيَ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ، وَقَدْ رُوِيَ فِي ذَلِكَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَالزُّهْرِيِّ، يَعْنِي: فِي أَعْلَى الْخُفِّ وَأَسْفَلِهِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، وَقَالَ لَهُ رَجُلٌ " الْمَسْحُ هَكَذَا، وَمَسَحَ الرَّجُلُ بِبَطْنِ كَفِّهِ عَلَى خُفِّهِ، ثُمَّ مَسَحَ بِأَصَابِعِهِ مَرَّةً؟ فَقَالَ أَحْمَدُ: هَكَذَا وَهَكَذَا جَائِزٌ ".

يَعْنِي: بِالْأَصَابِعِ وَبِالْكَفِّ.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ " إِذَا مَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، ثُمَّ نَزَعَهُمَا؟ قَالَ: يُعِيدُ الْوُضُوءَ، ثُمَّ قَالَ: الَّذِي يَغْسِلُ قَدَمَيْهِ بِأَيِّ شَيْءٍ يَحْتَجُّ، أَلَيْسَ حِينَ مَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ قَدْ طَهُرَتَا رِجْلَاهُ، فَحِينَ نَزَعَهُمَا نَقَضَ طَهُورَ رِجْلَيْهِ وَلَمْ يَنْقُضْ غَيْرَ ذَلِكَ، إِنْ كَانَ نَقَضَ بَعْضَ طَهُورِهِ فَقَدْ نَقَضَ كُلَّهُ، وَإِلَّا لَمْ يَنْقُضْ شَيْئًا «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» فِيمَنْ كَانَ عَلَيْهِ خُفٌّ فَوْقَ خُفٍّ فَمَسَحَ الْأَعْلَى، ثُمَّ نَزَعَهُ؟ قَالَ: يَنْزِعُ الْآخَرَ وَيَتَوَضَّأُ «.

الْخُفُّ الْمُخَرَّقُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْخُفِّ الْمُخَرَّقِ يَمْسَحُ عَلَيْهِ؟ قَالَ: إِذَا اسْتَبَانَتْ رِجْلُهُ فَإِنَّهُ لَا يُجْزِئُهُ، وَذَلِكَ أَنَّهُ وَجَبَ عَلَيْهِ غَسْلُهُمَا «.
তার পায়ের পিঠের ওপর। «.

আমি আহমাদকে বললাম: মোজার উপরের অংশে এবং নিচের অংশে মাসেহ করা সম্পর্কে কী? তিনি বললেন: "আমি আশা করি মোজার উপরের অংশে মাসেহ করাই তার জন্য যথেষ্ট হবে", এটি একাধিক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে ইবনে উমর ও যুহরী থেকেও বর্ণিত হয়েছে; অর্থাৎ: মোজার উপরের এবং নিচের অংশে মাসেহ করা সম্পর্কে। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যখন এক ব্যক্তি তাকে বললেন: "মাসেহ কি এভাবে?" এবং লোকটি তার হাতের তালু দিয়ে তার মোজার ওপর মাসেহ করলেন, অতঃপর একবার আঙ্গুলগুলো দিয়ে মাসেহ করলেন। তখন আহমাদ বললেন: "এভাবে এবং ওভাবে উভয়টিই জায়েজ।"

অর্থাৎ: আঙ্গুলগুলো দিয়ে এবং হাতের তালু দিয়ে।

আমি আহমাদকে জিজ্ঞেস করলাম: "যখন কেউ তার মোজাদ্বয়ের ওপর মাসেহ করে, তারপর সেগুলো খুলে ফেলে?" তিনি বললেন: "সে ওযু পুনরায় করবে।" অতঃপর তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি তার দুই পা ধৌত করে, সে কীসের মাধ্যমে দলিল পেশ করবে? যখন সে তার মোজাদ্বয়ের ওপর মাসেহ করেছিল, তখন কি তার পা দুটি পবিত্র হয়নি? অতএব, যখন সে সেগুলো খুলে ফেলল, তখন তার পা দুটির পবিত্রতা নষ্ট হয়ে গেল, কিন্তু এছাড়া অন্য কিছুর পবিত্রতা নষ্ট হয়নি। যদি তার পবিত্রতার একাংশ নষ্ট হয়, তবে তার পুরো পবিত্রতাই নষ্ট হয়ে গেল। অন্যথায় কিছুই নষ্ট হতো না।" «.

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যার এক মোজার ওপর অন্য মোজা ছিল এবং সে উপরের মোজাটির ওপর মাসেহ করেছে, অতঃপর সেটি খুলে ফেলেছে? তিনি বললেন: "সে অপরটিও খুলে ফেলবে এবং ওযু করবে।" «.

ছেঁড়া মোজা সম্পর্কে আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাকে ছেঁড়া মোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, তার ওপর কি মাসেহ করা যাবে? তিনি বললেন: "যদি তার পা দৃশ্যমান হয়ে যায়, তবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে না। আর তা এ কারণে যে, তখন তার ওপর পা ধৌত করা ওয়াজিব হয়ে যায়।" «.
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৭)
سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ» عَلَى أَيِّ خُفٍّ يَمْسَحُ الرَّجُلُ؟ قَالَ: الَّذِي يُوَارِي الْمَوْضِعَ الَّذِي يَجِبُ عَلَيْهِ الْغَسْلُ «.

وَقْتُ الْمَسْحِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، سُئِلَ» كَمْ يَمْسَحُ الْمُسَافِرُ؟ قَالَ: ثَلَاثَةً وَلَيَالِيَهُنَّ «.

وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفِّ؟ فَقَالَ: يَمْسَحُ مِنَ الْوَقْتِ الَّذِي مَسَحَ إِلَى مِثْلِهَا مِنَ الْغَدِ، قُلْتُ: إِنَّهُ يَدْخُلُ فِيهِ سِتُّ صَلَوَاتٍ؟ قَالَ: لَا بَأْسَ بِهِ، يَمْسَحُ مِنَ الْغَدِ إِلَى السَّاعَةِ الَّتِي مَسَحَ عَلَيْهَا ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ كَانَ يَتَدَيَّنُ بِحَدِيثِ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ عُمَرَ فِي الْمَسْحِ، فَكَانَ يَمْسَحُ أَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَةٍ وَلَيَالِيهِنَّ، ثُمَّ تَرَكَ ذَلِكَ فَقَالَ أَحْمَدُ: يُعِيدُ مَا كَانَ صَلَّى وَقَدْ مَسَحَ أَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَةٍ وَلَيَالِيهِنَّ.

فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ: احْتِيَاطًا ذَلِكَ يَحْتَاطُ لَهُ أَوْ هُوَ عَلَيْهِ وَاجِبٌ؟ فَقَالَ أَحْمَدُ: «لَا يَمْسَحُ عَلَى خُفَّيْهِ أَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَةٍ وَلَيَالِيهِنَّ» .

أَمْرُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْلَى أَنْ يُتَّبَعَ مِنْ قَوْلِ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ " فَرَجُلٌ لَا يَرَى مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ وُضُوءًا، أُصَلِّي
আমি আহমাদকে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, "একজন ব্যক্তি কোন ধরনের মোজার ওপর মাসেহ করবে?" তিনি বললেন: "যা ঐ স্থানকে আবৃত করে যা ধৌত করা ওয়াজিব।"

মাসেহ করার সময়সীমা। আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, "মুসাফির কতক্ষণ মাসেহ করবে?" তিনি বললেন: "তিন দিন এবং তিন রাত।"

আমি আহমাদকে শুনেছি, তাকে মোজার ওপর মাসেহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। তখন তিনি বললেন: "সে যে সময়ে মাসেহ করেছে, পরের দিন ঠিক সেই সময় পর্যন্ত সে মাসেহ করবে।" আমি বললাম: "এতে তো ছয় ওয়াক্ত সালাত অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়?" তিনি বললেন: "এতে কোনো অসুবিধা নেই, সে পরের দিন ঐ সময় পর্যন্ত মাসেহ করবে যে সময়ে সে মাসেহ করেছিল।"

আমি আহমাদকে শুনেছি, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত উকবা বিন আমেরের হাদিস অনুযায়ী আমল করত, ফলে সে তিন দিন ও তিন রাতের অধিক সময় মাসেহ করত। পরবর্তীতে সে তা বর্জন করে। তখন আহমাদ বললেন: "সে তিন দিন ও তিন রাতের বেশি সময় মাসেহ করে যে সালাতগুলো আদায় করেছে, তা পুনরায় আদায় করবে।"

তখন তাকে ঐ ব্যক্তি বলল: "এটি কি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নাকি এটি তার জন্য ওয়াজিব?" আহমাদ বললেন: "সে তার মোজাদ্বয়ের ওপর তিন দিন ও তিন রাতের বেশি মাসেহ করবে না।"

উকবা বিন আমেরের কথার চেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ অনুসরণ করা অধিকতর সমীচীন।

আমি আহমাদকে বললাম, "এক ব্যক্তি যে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে ওযু করা আবশ্যক মনে করে না, আমি কি সালাত আদায় করব..."
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৮)
خَلْفَهُ وَقَدْ عَلِمْتُ أَنَّهُ مَسَّ الذَّكَرَ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قُلْتُ: وَكَذَلِكَ إِنْ رَأَى أَنْ يَمْسَحَ بِلَا وَقْتٍ أُصلِّي خَلْفَهُ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قُلْتُ: وَلَا يَرَى فِي الرُّعَافِ وُضُوءًا أُصَلِّي خَلْفَهُ وَقَدْ رَعَفَ؟ قَالَ: نَعَمْ، تَأَوَّلَ شَيْئًا، فَهُوَ عِنْدَهُ جَائِزٌ «.

تَفْرِيقُ الْوُضُوءِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَمَّنْ نَسِيَ مَسْحَ الرَّأْسِ؟ قَالَ: جَفَّ وُضُوءُهُ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قَالَ: يُعِيدُ، يَعْنِي: الْوُضُوءَ، وَذَكَرَ أَنَّ عُمَرَ أَمَرَهُ أَنْ يُعِيدَ الْوُضُوءَ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» رَجُلٌ لَبِسَ خُفَّيْهِ عَلَى غَيْرِ وُضُوءٍ، ثُمَّ أَتَى النَّهْرَ فَتَوَضَّأَ، فَلَمَّا انْتَهَى إِلَى غَسْلِ رِجْلَيْهِ نَزَعَهُمَا، ثُمَّ غَسَلَهُمَا؟ قَالَ: لَا بَأْسَ بِذَلِكَ، إِلَّا أَنْ يَكُونَ جَفَّ وُضُوءُهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» إِذَا كَانَ حَرًّا أَوْ بَرْدًا، وَهُوَ يَتَوَضَّأُ فَيَجِفُّ بَعْضُ وُضُوئِهِ قَبْلَ أَنْ يَفْرُغَ؟ قَالَ: إِذَا كَانَ فِي عِلَاجِ الْوُضُوءِ، فَهُوَ جَائِزٌ، يَعْنِي: لَا بَأْسَ بِهِ ".

تَقْدِيمُ الْوُضُوءِ وَتَأْخِيرُهُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ: " إِذَا قَدَّمَ وُضُوءَهُ بَعْضَهُ قَبْلَ بَعْضٍ؟ قَالَ: لَا يَجُوزُ حَتَّى يَأْتِيَ بِهِ عَلَى الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ، قِيلَ: فَبَدَأَ بِالْيَسَارِ قَبْلَ الْيَمِينِ؟ قَالَ: لَا بَأْسَ، لِأَنَّ تَسْمِيَتَهُ هُوَ فِي الْكِتَابِ وَاحِدٌ، قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ
তাঁর পিছনে [সালাত আদায় করা যাবে কি], যখন আমি জানি যে তিনি লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

আমি বললাম: একইভাবে, তিনি যদি সময় নির্ধারণ ছাড়াই [মোজা] মাসেহ করাকে বৈধ মনে করেন, তবে কি আমি তাঁর পিছনে সালাত আদায় করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

আমি বললাম: আর তিনি যদি নাক দিয়ে রক্ত পড়লে (রুয়াফ) অজু করা আবশ্যক মনে না করেন, তবে কি আমি তাঁর পিছনে সালাত আদায় করব যখন তাঁর নাক দিয়ে রক্ত ঝরেছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি একটি ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন, তাই তাঁর কাছে এটি বৈধ।

অজুর অঙ্গসমূহ পৃথক করা। আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে মাথা মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। তিনি বললেন: তাঁর অজুর অঙ্গসমূহ কি শুকিয়ে গিয়েছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: সে পুনরায় করবে, অর্থাৎ: অজু। আর তিনি উল্লেখ করলেন যে, উমর তাকে পুনরায় অজু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আমি আহমাদকে বললাম: এক ব্যক্তি অজু ছাড়াই মোজা পরিধান করেছে, এরপর সে নদীর কাছে এসে অজু করল; যখন সে পা ধোয়ার পর্যায়ে পৌঁছাল তখন মোজা দুটি খুলে ফেলল এবং পা ধুয়ে নিল? তিনি বললেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি না তার অজুর অঙ্গসমূহ শুকিয়ে যায়।

আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে বলা হলো: প্রচণ্ড গরম বা শীতের কারণে যদি অজুরত অবস্থায় কাজ শেষ করার আগেই অজুর কিছু অঙ্গ শুকিয়ে যায়? তিনি বললেন: যদি সে অজু করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই থাকে, তবে তা জায়েজ, অর্থাৎ: এতে কোনো অসুবিধা নেই।

অজুর অঙ্গসমূহ আগে বা পরে করা। আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে বলা হলো: "যদি সে অজুর কোনো অংশ অন্যটির আগে করে ফেলে?" তিনি বললেন: "এটি জায়েজ নয় যতক্ষণ না সে কিতাব ও সুন্নাহ অনুযায়ী তা সম্পন্ন করে।" বলা হলো: "যদি ডানের আগে বাম অঙ্গ দিয়ে শুরু করে?" তিনি বললেন: "কোনো অসুবিধা নেই, কারণ কিতাবে এর উল্লেখ অভিন্নভাবে এসেছে, মহান আল্লাহ বলেছেন..."
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ১৯)
وَتَعَالَى: {فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ} [المائدة: 6] ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ: " أَفْتَى أَصْحَابُ الرَّأْيِ أَنَّهُ جَائِزٌ: أَنْ يُقَدِّمَ بَعْضَهَا قَبْلَ بَعْضٍ خِلَافَ كِتَابِ اللَّهِ وَسُنَّةِ رَسُولِهِ، ثُمَّ قَالَ: كَيْفَ تَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «.

وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ لَهُ رَجُلٌ» أَكُونُ فِي الطَّرِيقِ وَيَكُونُ بَرْدٌ، فَأَغْسِلُ رِجْلِي، ثُمَّ أَلْبَسُ خُفِّي، ثُمَّ أَتَوَضَّأُ إِلَّا رِجْلِي؟ فَقَالَ: لَا ".

سَأَلْتُ أَحْمَدَ: " عَمَّنْ يَغْسِلُ رِجْلَيْهِ وَيَلْبَسُ خُفَّيْهِ، ثُمَّ يَذْهَبُ لِحَاجَتِهِ فَيَتَوَضَّأُ، أَيُجْزِئُهُ غَسْلُ قَدَمَيْهِ؟ قَالَ: لَا يُجْزِئُهُ إِذَا قَدَّمَ أَوْ أَخَّرَ، يَعْنِي: فِي الْوُضُوءِ، فَقِيلَ لَهُ: حَدِيثُ عَلِيٍّ، يَعْنِي قَوْلَهُ: مَا أُبَالِي بِأَيِّ أَعْضَائِي بَدَأْتُ؟ ، فَقَالَ: ذَاكَ يَعْنِي: يَبْدَأُ بِالشِّمَالِ قَبْلَ الْيَمِينِ «.

الْمِنْدِيلُ قُلْتُ لِأَحْمَدَ» الْمِنْدِيلُ بَعْدَ الْوُضُوءِ؟ قَالَ: أَرْجُو أَنْ لَا يَكُونَ بِهِ بَأْسٌ، قُلْتُ: وَمِنَ الْغُسْلِ؟ قَالَ: نَعَمْ «.

مَنْ شَكَّ فِي وُضُوئِهِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ يَشُكُّ فِي وُضُوئِهِ؟ قَالَ: إِذَا تَوَضَّأَ فَهُوَ عَلَى وُضُوئِهِ حَتَّى يَسْتَيْقِنَ بِالْحَدَثِ، وَإِذَا أَحْدَثَ فَهُوَ مُحْدِثٌ
এবং মহান আল্লাহ বলেন: {তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও তোমাদের হাতগুলো কনুই পর্যন্ত ধৌত করো এবং তোমাদের মাথা মাসেহ করো ও তোমাদের পাগুলো (ধৌত করো)} [আল-মায়েদাহ: ৬]।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "আসহাবুর রায় ফতোয়া দিয়েছে যে এটি জায়েজ: আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাহর বিপরীতে অজুর অঙ্গগুলোর একটিকে অন্যটির আগে সম্পাদন করা। অতঃপর তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে অজু করতেন?"।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল: "আমি সফরে থাকাকালীন অনেক শীত অনুভূত হলে প্রথমে আমার পা ধুয়ে ফেলি এবং মোজা পরিধান করি, এরপর পা বাদে অজুর বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করি (তা কি হবে)?" তিনি বললেন: "না"।

আমি আহমাদকে জিজ্ঞাসা করলাম: "সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার দুই পা ধৌত করে মোজা পরিধান করে, অতঃপর নিজের প্রয়োজনে (প্রস্রাব-পায়খানায়) যায় এবং এরপর অজু করে, তার আগের সেই পা ধোয়া কি যথেষ্ট হবে?" তিনি বললেন: "অজুর ক্ষেত্রে আগে বা পরে করলে তা যথেষ্ট হবে না।" তাঁকে বলা হলো: আলীর (রা.) বর্ণিত সেই হাদিসটির কী হবে যেখানে তিনি বলেছেন: 'আমি পরোয়া করি না কোন অঙ্গ দিয়ে শুরু করলাম'? তিনি বললেন: "তার অর্থ হলো: ডান দিকের আগে বাম দিক দিয়ে শুরু করা।"।

রুমাল ব্যবহার সম্পর্কে: আমি আহমাদকে বললাম: "অজুর পর রুমাল ব্যবহার করা কি যাবে?" তিনি বললেন: "আমি আশা করি এতে কোনো অসুবিধা নেই।" আমি বললাম: "গোসলের পরেও কি?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ"।

যে ব্যক্তি তার অজুর ব্যাপারে সন্দেহ করে: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে তার অজুর ব্যাপারে সন্দেহ করে? তিনি বললেন: "যদি সে অজু করে থাকে তবে সে অজুর অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না সে নিশ্চিতভাবে অপবিত্র (অজু ভঙ্গ) হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়। আর যখন সে অপবিত্র হবে, তখন সে অপবিত্র হিসেবেই গণ্য হবে।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২০)
حَتَّى يَسْتَيْقِنَ أَنَّهُ تَوَضَّأَ «.

الْوُضُوءُ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ يُعِيدُ الْوُضُوءَ، وَلَيْسَ فِي مَسِّ الْأُنْثَيَيْنِ وُضُوءٌ حَتَّى يَمَسَّ الْقَضِيبَ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» الَّذِينَ قَالُوا: إِنَّمَا هُوَ عُضْوٌ مِنْهُ، إِنَّمَا قَالُوا بِالْقِيَاسِ، وَلَمْ يَقُولُوا بِشَيْءٍ سَمِعُوا فِيهِ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ: «أَصْحَابُ ابْنِ عَبَّاسٍ كُلُّهُمْ يُعِيدُونَ الْوُضُوءَ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ إِلَّا مُجَاهِدًا» .

وَذَكَرَ مِمَّنْ رَأَى الْوُضُوءَ مِنْهُ: عَطَاءٌ، وَطَاوُسٌ، وَجَابِرُ بْنُ زَيْدٍ.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ: " مِنَ النَّاسِ مَنْ يَحْتَجُّ فِي مَسِّ الذَّكَرِ بِحَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ: إِنَّهُ لَا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا مَسَّ ذَكَرَهُ بِظَهْرِ كَفِّهِ؟ قَالَ: يُعِيدُ الْوُضُوءَ، قُلْتُ: فَمَسَّهُ بِسَاعِدِهِ؟ قَالَ: بِكُلِّهِ يُعِيدُ الْوُضُوءَ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» فَرَجُلٌ لَا يَرَى مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ وُضُوءًا أُصَلِّي خَلْفَهُ وَقَدْ عَلِمْتُ أَنَّهُ مَسَّ؟ قَالَ: نَعَمْ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سَأَلَهُ رَجُلٌ، قَالَ» مَسُّ الذَّكَرِ الْمُتَعَمَّدُ وَالْخَطَأُ وَاحِدٌ؟ فَقَالَ: الْخَطَأُ وَالْمُتَعَمَّدُ فِي الصَّلَاةِ وَغَيْرِ الصَّلَاةِ وَاحِدٌ ".
যতক্ষণ না সে নিশ্চিত হয় যে সে অজু করেছে। «.

লিঙ্গ স্পর্শ করলে অজু। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: » যে ব্যক্তি তার লিঙ্গ স্পর্শ করবে সে অজু পুনরায় করবে, আর অণ্ডকোষদ্বয় স্পর্শ করলে অজু নেই যতক্ষণ না সে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে। «.

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: » যারা বলেছে যে এটি (লিঙ্গ) শরীরের একটি অঙ্গ মাত্র, তারা কেবল কিয়াসের (যৌক্তিক অনুমানের) ভিত্তিতে বলেছে; তারা এমন কোনো কিছুর ভিত্তিতে বলেনি যা তারা এ বিষয়ে (হাদিস হিসেবে) শুনেছে। ".

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «ইবনে আব্বাসের ছাত্রগণ সকলেই লিঙ্গ স্পর্শ করলে অজু পুনরায় করতেন, তবে মুজাহিদ ব্যতীত»।

যারা লিঙ্গ স্পর্শে অজু করার মত পোষণ করতেন তাদের মধ্য থেকে তিনি উল্লেখ করেছেন: আতা, তাউস এবং জাবির ইবনে যায়িদ।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: "মানুষের মধ্যে কেউ কেউ লিঙ্গ স্পর্শের বিষয়ে আবু হুরাইরার হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করে: নিশ্চয়ই সে জানে না তার হাত কোথায় রাত্রি যাপন করেছে «.

আমি আহমাদকে বললাম: » যদি সে তার হাতের পিঠ দিয়ে লিঙ্গ স্পর্শ করে? তিনি বললেন: সে অজু পুনরায় করবে। আমি বললাম: তবে যদি তার প্রকোষ্ঠ (কব্জির উপরের অংশ) দিয়ে স্পর্শ করে? তিনি বললেন: সব কিছুর মাধ্যমেই (স্পর্শ করলে) সে অজু পুনরায় করবে। «.

আমি আহমাদকে বললাম: » এক ব্যক্তি লিঙ্গ স্পর্শ করলে অজু করা আবশ্যক মনে করে না, আমি কি তার পেছনে নামাজ পড়ব অথচ আমি জানি যে সে তা স্পর্শ করেছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। «.

আমি আহমাদকে শুনেছি, এক ব্যক্তি তাকে প্রশ্ন করল: » ইচ্ছাকৃতভাবে লিঙ্গ স্পর্শ করা এবং ভুলবশত করা কি একই? তিনি বললেন: ভুলবশত এবং ইচ্ছাকৃতভাবে করা—নামাজে হোক বা নামাজের বাইরে—উভয়ই সমান। ".
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২১)
وَسُئِلَ: «عَمَّنْ مَسَّ ذَكَرَهُ مِنْ فَوْقِ الثِّيَابِ؟ فَلَمْ يَرَ فِيهِ وُضُوءًا» .

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ " عَمَّنْ مَسَّ إِبْطَهُ يَتَوَضَّأُ مِنْهُ؟ قَالَ: لَا «.

الْوُضُوءُ مِنَ الضَّحِكِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ» لَا يَرَى مِنَ الضَّحِكِ فِي الصَّلَاةِ وُضُوءًا، وَقَالَ: لَا أَدْرِي بِأَيِّ شَيْءٍ أَعَادُوا الْوُضُوءَ مِنَ الضَّحِكِ، أَرَأَيْتَ لَوْ سَبَّ رَجُلًا؟ ! «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الضَّحِكِ فِي الصَّلَاةِ؟ قَالَ: أَمَّا أَنَا، فَلَا أُوجِبُ فِيهِ وُضُوءًا «.

لَيْسَ تَصِحُّ الرِّوَايَةُ فِيهِ.

الْوُضُوءُ مِنْ قَصِّ الْأَظْفَارِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ» عَمَّنْ قَلَّمَ أَظْفَارَهُ وَهُوَ عَلَى وُضُوءٍ؟ قَالَ: أَرْجُو أَنْ لَا يُلْزِمَهُ شَيْءٌ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» قَصُّ الشَّعَرِ فِيهِ الْوُضُوءُ؟ قَالَ: أَرْجُو، أَيْ: لَيْسَ عَلَيْهِ شَيْءٌ «.
এবং তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: «যে ব্যক্তি কাপড়ের উপর দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে (তার হুকুম কী)? তিনি এতে ওজু করার আবশ্যকতা দেখেননি»।

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল "যে ব্যক্তি তার বগল স্পর্শ করে সে কি তার কারণে ওজু করবে? তিনি বললেন: না" ।

হাসির কারণে ওজু প্রসঙ্গে আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি সালাতের মধ্যে হাসির কারণে ওজু আবশ্যক মনে করেন না, এবং তিনি বলেছেন: "আমি জানি না তারা কিসের ভিত্তিতে হাসির কারণে ওজু পুনরায় করা আবশ্যক করেছেন। আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে গালি দেয় (তবে কি ওজু করতে হবে)?"।

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে সালাতের মধ্যে হাসি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল? তিনি বললেন: "আমার ক্ষেত্রে আমি এতে ওজু ওয়াজিব করি না"।

এ বিষয়ে কোনো বর্ণনা বিশুদ্ধ নয়।

নখ কাটার কারণে ওজু প্রসঙ্গে আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল «এমন ব্যক্তি সম্পর্কে যে ওজু থাকা অবস্থায় নিজের নখ কেটেছে? তিনি বললেন: আমি আশা করি তার ওপর কোনো কিছু আবশ্যক হবে না»।

আমি আহমদকে বললাম «চুল কাটলে কি ওজু করতে হবে? তিনি বললেন: আমি আশা করি (লাগবে না), অর্থাৎ: তার ওপর কোনো কিছু আবশ্যক নয়»।
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২২)
الْوُضُوءُ مِنَ النَّوْمِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» الْوُضُوءُ مِنَ النَّوْمِ؟ فَقَالَ: إِذَا أَطَالَ، إِنِّي لَأَفْزَعُ مِنْهُ، قِيلَ لَهُ: فَالسَّاجِدُ؟ قَالَ: إِذَا أَطَالَ، ثُمَّ قَالَ أَحْمَدُ: السَّاجِدُ يُخَافُ عَلَيْهِ الْحَدَثُ ".

قِيلَ لِأَحْمَدَ: " فَالْمُحْتَبِي يَتَوَضَّأُ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قِيلَ: فَالْمُتَّكِئُ؟ قَالَ: الِاتِّكَاءُ شَدِيدٌ، وَالتَّسَانُدُ كَأَنَّهُ أَشَدُّ مِنَ الِاحْتِبَاءِ، وَرَأْيِي فِيهَا كُلِّهَا: الْوُضُوءُ إِلَّا أَنْ يَغْفُوَ، يَعْنِي: قَلِيلًا.

وَاحْتَجَّ بِحَدِيثِ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ: «لَكِنْ مِنْ نَوْمٍ» قَالَ: وَلَمْ يُفَسِّرْ أَيَّ نَوْمٍ؟ " قِيلَ لِأَحْمَدَ: " فَالْمُتَعَمِّدُ؟ قَالَ: مَا أَدْرِي، مَا سَمِعْتُ فِي الْمُتَعَمِّدِ شَيْئًا «.

الْقُبْلَةُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ قَالَ» يُتَوَضَّأُ مِنَ الْقُبْلَةِ إِذَا كَانَتْ لِلشَّهْوَةِ، وَمِنْ قُبْلَةِ الصَّبِيِّ، فَلَمْ يَرَ فِيهَا وُضُوءًا «.

الدُّودُ وَالدَّمُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الدُّودِ؟ فَقَالَ: فِيهِ الْوُضُوءُ «.
ঘুম থেকে ওজু। আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: ঘুম থেকে ওজু সম্পর্কে? তিনি বললেন: যখন ঘুম দীর্ঘ হবে, নিশ্চয়ই আমি এ বিষয়ে বিচলিত বোধ করি। তাঁকে বলা হলো: সিজদাবনত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কী হবে? তিনি বললেন: যখন দীর্ঘ হবে। অতপর আহমদ বললেন: সিজদাবনত ব্যক্তির অপবিত্র (হাদাস) হয়ে পড়ার ভয় থাকে।

আহমদকে বলা হলো: হাঁটু গেড়ে বসা (এহতিবা কারী) ব্যক্তি কি ওজু করবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

জিজ্ঞাসা করা হলো: তবে হেলান দেওয়া ব্যক্তি? তিনি বললেন: হেলান দেওয়া একটি গুরুতর বিষয়, আর কোনো কিছুর ওপর ঠেস দিয়ে বসা যেন হাঁটু গেড়ে বসার চেয়েও অধিক গুরুতর। এসবের ক্ষেত্রে আমার অভিমত হলো: ওজু করা আবশ্যক, তবে তন্দ্রা বা সামান্য ঝিমুনির ক্ষেত্র ছাড়া। অর্থাৎ: খুব অল্প সময়।

এবং তিনি সাফওয়ান ইবন আসসাল-এর হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন: "কিন্তু ঘুমের কারণে"। তিনি বলেন: আর সেখানে কোনো বিশেষ ঘুমের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। আহমদকে জিজ্ঞাসা করা হলো: তবে ইচ্ছাকৃতভাবে শয়নকারীর কী হবে? তিনি বললেন: আমি জানি না, ইচ্ছাকৃতভাবে শয়নকারীর ব্যাপারে আমি কিছু শুনিনি।

চুম্বন। আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: কামভাবের সাথে চুম্বন করলে ওজু করতে হবে। তবে শিশুর চুম্বনের ক্ষেত্রে তিনি ওজু করার প্রয়োজন মনে করেননি।

কৃমি ও রক্ত। আমি আহমদকে শুনেছি, তাঁকে কৃমি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: এতে ওজু করতে হবে।
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৩)
سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» فِي الرُّعَافِ؟ قَالَ: إِذَا كَانَ كَثِيرًا يُعَادُ مِنْهُ الْوُضُوءُ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سَأَلَهُ رَجُلٌ، قَالَ: " بِي جُرْحٌ عِنْدَ الدُّبُرِ، لَا يَزَالُ يَخْرُجُ مِنْهُ النَّدَى بِقَدْرِ مَا يُلْزَقُ بِهِ الثَّوْبُ؟ قَالَ: إِذَا فَحَشَ فَأَعِدِ الْوُضُوءَ، وَإِنْ كَانَ يَخْرُجُ هَذَا مِنْ دَاخِلِ الدُّبُرِ قَلِيلًا كَانَ أَوْ كَثِيرًا فَأَعِدِ الْوُضُوءَ، قَالَ: فَإِنِّي أَعْصُرُهُ فَيَخْرُجُ الْقَيْحُ مِنَ الدُّبُرِ؟ قَالَ: إِذَا خَرَجَ مِنَ الدُّبُرِ فَأَعِدْ مِنْهُ الْوُضُوءَ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» تُرَى فِي الْحِجَامَةِ غُسْلٌ؟ فَأَشَارَ بِرَأْسِهِ، أَيْ: لَا «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» كُلُّ شَيْءٍ يَخْرُجُ مِنَ الْقُبُلِ وَالدُّبُرِ يُتَوَضَّأُ مِنْهُ «.

الْقَيْءُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» الْقَلَسُ؟ قَالَ: هُوَ مِثْلُ مَا خَرَجَ مِنَ السَّبِيلَيْنِ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» يُعِيدُ الْوُضُوءَ، يَعْنِي: مِنَ الْقَيْءِ؟ قَالَ: نَعَمْ «.

الْمَذْيُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَمَّنْ يَخْرُجُ مِنْ ذَكَرِهِ النَّدَى؟ قَالَ: يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ إِذَا دَخَلَ وَقْتُهَا، قَالَ: وَيَوْمُ الْجُمْعَةِ
আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি নাক দিয়ে রক্ত পড়া (রুআফ) সম্পর্কে বলেছেন: "যদি তা প্রচুর পরিমাণে হয়, তবে তা থেকে অযু পুনরায় করতে হবে।"

আমি আহমদকে শুনেছি, একজন ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: "আমার মলদ্বারের নিকট একটি ক্ষত আছে, যেখান থেকে অনবরত আর্দ্রতা নির্গত হয় এবং তা কাপড়ে লেগে যায়?" তিনি বললেন: "যদি তা মাত্রাধিক হয় তবে অযু পুনরায় করো। আর যদি তা মলদ্বারের ভেতর থেকে বের হয়, তবে তা অল্প হোক বা বেশি, অযু পুনরায় করো।" তিনি বললেন: "আমি যদি সেখানে চাপ প্রয়োগ করি আর মলদ্বার দিয়ে পুঁজ বের হয়?" তিনি বললেন: "যদি তা মলদ্বার দিয়ে বের হয়, তবে তা থেকে অযু পুনরায় করো।"

আমি আহমদকে বললাম: "শিঙা লাগানো (হিজামা)-র কারণে কি আপনি গোসল আবশ্যক মনে করেন?" তিনি তাঁর মাথা দিয়ে ইশারা করলেন, যার অর্থ: না।

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "সম্মুখপথ ও মলদ্বার দিয়ে যা কিছু নির্গত হয়, তা থেকে অযু করতে হবে।"

বমি। আমি আহমদকে শুনেছি, তাঁকে মুখভর্তি বমি (কালাস) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: "এটি দুই পথ (মলমূত্রের পথ) দিয়ে বের হওয়া বস্তুর ন্যায়।"

আমি আহমদকে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "সে কি বমির কারণে অযু পুনরায় করবে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

মযী। আমি আহমদকে শুনেছি, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যার লিঙ্গ থেকে আর্দ্রতা নির্গত হয়? তিনি বললেন: "ওয়াক্ত শুরু হলে সে প্রতিটি নামাজের জন্য অযু করবে।" তিনি আরও বললেন: "এবং জুমার দিন..."
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৪)
يَنْبَغِي أَنْ يَتَوَضَّأَ بَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا أَمْذَى يَجِبُ عَلَيْهِ غَسْلُ أُنْثَيَيْهِ؟ قَالَ: مَا قَالَ غَسْلَ الْأُنْثَيَيْنِ إِلَّا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، يَعْنِي: فِي حَدِيثِ عَلِيٍّ، فَأَمَّا الْأَحَادِيثُ كُلُّهَا فَلَيْسَ فِيهَا ذَا «.

الْوُضُوءُ مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْوُضُوءِ مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ؟ فَقَالَ: أَمَّا أَنَا، فَلَا أَتَوَضَّأُ «.

الْوُضُوءُ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» يُتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ؟ قَالَ: نَعَمْ «.

كَيْفَ التَّيَمُّمُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» التَّيَمُّمُ ضَرْبَةٌ «.

وَرَأَيْتُ أَحْمَدَ، عَلَّمَ رَجُلًا التَّيَمُّمَ،» فَضَرَبَ بِيَدَيْهِ عَلَى الْأَرْضِ ضَرْبَةً خَفِيفَةً، ثُمَّ مَسَحَ إِحْدَيْهِمَا بِالْأُخْرَى مَسْحًا خَفِيفًا، كَأَنَّهُ يَنْفُضُ مِنْهَا
সূর্য ঢলে যাওয়ার পর ওযু করা উচিত।

আমি আহমাদকে বললাম, "যখন কারো মযী নির্গত হয়, তখন কি তার জন্য অণ্ডকোষদ্বয় ধোয়া ওয়াজিব?" তিনি বললেন, "হিশাম বিন উরওয়াহ ব্যতীত কেউ অণ্ডকোষদ্বয় ধোয়ার কথা বলেননি, অর্থাৎ আলী (রা.)-এর বর্ণিত হাদীসের ক্ষেত্রে। তবে অন্য সকল হাদীসে এর উল্লেখ নেই।"

আগুন স্পর্শ করা বস্তু থেকে ওযু করার বিধান। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে যখন আগুন স্পর্শ করা বস্তু থেকে ওযু করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি বললেন: "আমি তো ওযু করি না।"

উটের মাংস থেকে ওযু করার বিধান। আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: "উটের মাংস আহার করলে কি ওযু করতে হবে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

তায়াম্মুমের পদ্ধতি। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "তায়াম্মুম হলো একবার মাটিতে হাত মারা।"

আমি আহমাদকে দেখেছি তিনি এক ব্যক্তিকে তায়াম্মুম শিক্ষা দিচ্ছেন। তিনি তাঁর দুই হাত দিয়ে মাটিতে হালকাভাবে একবার আঘাত করলেন, অতঃপর একটি হাত দিয়ে অপরটি হালকাভাবে মুছলেন, যেন তিনি হাত থেকে মাটি ঝেড়ে ফেলছেন।
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৫)
التُّرَابَ، ثُمَّ مَسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ مَرَّةً، ثُمَّ مَسَحَ كَفَّيْهِ إِحْدَاهُمَا بِالْأُخْرَى «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» يَنْفُضُ يَدَيْهِ إِذَا ضَرَبَ بِهِمَا الْأَرْضَ فِي التَّيَمُّمِ؟ قَالَ: لَا يَضُرُّهُ إِنْ فَعَلَ، أَوْ لَمْ يَفْعَلْ «.

التَّيَمُّمُ لِكُلِّ صَلَاةٍ قُلْتُ لِأَحْمَدَ» التَّيَمُّمُ لِكُلِّ صَلَاةٍ، أَمْ مِنْ حَدَثٍ إِلَى حَدَثٍ؟ قَالَ: لِكُلِّ صَلَاةٍ أَعْجَبُ إِلَيَّ ".

قُلْتُ: " فَإِنْ تَيَمَّمَ وَلَمْ يُصَلِّ فَمَرَّ بِمَاءٍ، فَرَأَى أَنْ يُعِيدَ التَّيَمُّمَ، يَعْنِي: مَرَّ بِمَاءٍ وَهُوَ مُتَيَمِّمٌ فَلَمْ يَتَوَضَّأْ، ثُمَّ حَضَرَتْهُ الصَّلَاةُ وَلَيْسَ عِنْدَهُ مَاءٌ «.

الْجُنُبُ يَتَيَمَّمُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» الْجُنُبُ مَعَهُ مِنَ الْمَاءِ مَا يَخَافُ مِنْهُ الْعَطَشَ؟ قَالَ: يَتَيَمَّمُ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» مَعَهُ مِنَ الْمَاءِ مَا يَتَوَضَّأُ بِهِ، وَلَا يَخَافُ الْعَطَشَ؟ قَالَ: يَتَوَضَّأُ وَيَتَيَمَّمُ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» فَإِنَّهُ فَعَلَ، ثُمَّ أَدْرَكَتْهُ صَلَاةٌ أُخْرَى، وَقَدَرَ عَلَى قَدْرِ ذَلِكَ الْمَاءِ؟ قَالَ: يَتَوَضَّأُ وَيَتَيَمَّمُ.

قُلْتُ: لَا يَزَالُ يَتَيَمَّمُ، وَإِنْ قَدَرَ مِنَ الْمَاءِ عَلَى قَدْرِ مَا يَتَوَضَّأُ حَتَّى يَغْتَسِلَ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قُلْتُ: إِذَا كَانَ الْمَاءُ مِنْهُ قَرِيبًا يَوْمَئِذٍ يَعْنِي: يَوْمَ الْمُغَارِ فِي بِلَادِ الْعَدُوِّ، وَلَا
মাটি, তারপর তা দ্বারা একবার তাঁর মুখমণ্ডল মাসাহ করলেন, তারপর তাঁর এক হাতের তালু অন্যটি দ্বারা মাসাহ করলেন।

আমি আহমাদকে বললাম: "তিনি কি তাঁর হাত ঝেড়ে ফেলবেন যখন তায়াম্মুমের জন্য তা দিয়ে মাটিতে আঘাত করবেন?" তিনি বললেন: "তিনি তা করলে বা না করলে কোনো ক্ষতি নেই।"

প্রত্যেক সালাতের জন্য তায়াম্মুম। আমি আহমাদকে বললাম: "প্রত্যেক সালাতের জন্য কি তায়াম্মুম করতে হবে, নাকি এক হাদাস (অজু ভঙ্গের কারণ) থেকে অন্য হাদাস পর্যন্ত?" তিনি বললেন: "প্রত্যেক সালাতের জন্য করাই আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়।"

আমি বললাম: "যদি কেউ তায়াম্মুম করে কিন্তু সালাত আদায় না করে পানির পাশ দিয়ে অতিক্রম করে, তবে সে কি তায়াম্মুম পুনরায় করা সমীচীন মনে করবে? অর্থাৎ: সে তায়াম্মুম করা অবস্থায় পানির পাশ দিয়ে গেল কিন্তু অজু করল না, তারপর সালাতের সময় হলো অথচ তখন তার কাছে পানি নেই।"

জানাবাতগ্রস্ত ব্যক্তি তায়াম্মুম করবে। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "জানাবাতগ্রস্ত ব্যক্তি যার কাছে এমন পরিমাণ পানি আছে যে সে পিপাসার ভয় করছে?" তিনি বললেন: "সে তায়াম্মুম করবে।"

আমি আহমাদকে বললাম: "তার কাছে কি এমন পরিমাণ পানি আছে যা দিয়ে সে অজু করতে পারে এবং পিপাসার ভয়ও নেই?" তিনি বললেন: "সে অজু করবে এবং তায়াম্মুম করবে।"

আমি আহমাদকে বললাম: "সে তা করল, তারপর অন্য সালাতের সময় হলো এবং সে পূর্বের ন্যায় পানির সংস্থান পেল?" তিনি বললেন: "সে অজু করবে এবং তায়াম্মুম করবে।"

আমি বললাম: "সে কি ধারাবাহিকভাবে তায়াম্মুম করতে থাকবে, যদিও সে অজু করার মতো পানির সংস্থান পায়, যতক্ষণ না সে গোসল করতে সক্ষম হয়?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

আমি বললাম: "যদি সেই দিন পানি তার নিকটবর্তী হয়, অর্থাৎ: শত্রু ভূখণ্ডে অভিযানের দিন, এবং না..."
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৬)
يُمْكِنَهُ الْوُضُوءُ وَذَهَبَ أَصْحَابُهُ؟ قَالَ: يَتَيَمَّمُ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» التَّيَمُّمُ بِالرَّمْلِ؟ قَالَ: كَأَنِّي أَتَوَقَّى التَّيَمُّمَ بِالزِّرْنِيخِ وَالنُّورَةِ وَالرَّمَادِ، وَالرَّمْلُ أَسْهَلُ مِنَ الرَّمَادِ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» فَالْجَصُّ؟ قَالَ: أَتَوَقَّاهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ التَّيَمُّمِ بِالسَّبِخَةِ؟ قَالَ: مِنَ النَّاسِ مَنْ يَتَوَقَّى ذَلِكَ، وَذَلِكَ أَنَّ السَّبِخَةَ تُشْبِهُ الْمِلْحَ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا لَمْ أَجِدْ مَاءً وَلَا تُرَابًا، كَيْفَ أَصْنَعُ؟ قَالَ: تُصَلِّي عَلَى حَالِكَ وَتُعِيدُ، وَإِنْ كَانَ فِي السَّرْجِ شَيْءٌ أَيْ: غُبَارٌ تَتَيَمَّمُ، قُلْتُ: قَدِ ابْتَلَّ السَّرْجُ، وَالْأَرْضُ كُلُّهَا ثَلْجٌ؟ قَالَ: تُصَلِّي وَتُعِيدُ «.

التَّيَمُّمُ فِي غَيْرِ سَفَرٍ وَيَؤُمُّ الْمُتَوَضِّئِينَ.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ» الْمَرْأَةُ تَكُونُ فِي الْقَرْيَةِ وَالْمَاءُ عِنْدَهُ مُجْتَمَعُ الْفُسَّاقِ، فَتَخَافُ أَنْ تَخْرُجَ، أَتَتَيَمَّمُ؟ قَالَ: لَا أَدْرِي «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» الَّذِي يَخَافُ أَنْ يَأْتِيَ الْمَاءَ، أَيَتَيَمَّمُ؟ قَالَ: مِمَّ يَخَافُ؟ قُلْتُ: مِنْ لَا شَيْءٍ، يَخَافُ هُوَ بِاللَّيْلِ.

قَالَ: رَجُلٌ يَخَافُ مِنَ السَّبُعِ؟ قُلْتُ: لَيْسَ سَبُعٌ، فَقَالَ أَحْمَدُ: لَابُدَّ مِنْ أَنْ يَتَوَضَّأَ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» إِذَا أَحْدَثَ فِي الْعِيدِ يَتَيَمَّمُ؟ قَالَ: مِنَ النَّاسِ
(সে কি) ওজু করতে সক্ষম কিন্তু তার সাথীরা চলে গেছে? তিনি বললেন: «সে তায়াম্মুম করবে।»

আমি আহমাদকে বললাম: «বালু দিয়ে তায়াম্মুম করা যাবে কি?» তিনি বললেন: «মনে হয় আমি হারতাল, চুন ও ছাই দিয়ে তায়াম্মুম করা থেকে বিরত থাকি, আর বালু ছাইয়ের চেয়ে সহজ।»

আমি আহমাদকে বললাম: «তাহলে জিপসাম?» তিনি বললেন: «আমি তা থেকে বিরত থাকি।»

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে লোনা মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: «মানুষের মধ্যে এমন লোক আছে যারা তা পরিহার করে, আর তা একারণে যে লোনা মাটি লবণের সদৃশ।»

আমি আহমাদকে বললাম: «আমি যদি পানি ও মাটি কোনোটিই না পাই, তবে কী করব?» তিনি বললেন: «আপনি আপনার অবস্থাতেই সালাত আদায় করবেন এবং পুনরায় তা আদায় করবেন। আর যদি ঘোড়ার জিনের ওপর কিছু থাকে অর্থাৎ ধূলিকণা, তবে তায়াম্মুম করবেন।» আমি বললাম: «জিন ভিজে গেছে এবং পুরো জমিন বরফে ঢাকা?» তিনি বললেন: «সালাত আদায় করবেন এবং পুনরায় আদায় করবেন।»

সফর ছাড়া অন্য অবস্থায় তায়াম্মুম করা এবং ওজুকারীদের ইমামতি করা।

আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বললাম: «কোনো নারী গ্রামে অবস্থান করছে এবং পানি যেখানে আছে সেখানে পাপিষ্ঠদের আড্ডা, ফলে সে বাইরে বের হতে ভয় পায়, সে কি তায়াম্মুম করবে?» তিনি বললেন: «আমি জানি না।»

আমি আহমাদকে বললাম: «যে ব্যক্তি পানির কাছে যেতে ভয় পায়, সে কি তায়াম্মুম করবে?» তিনি বললেন: «সে কিসের ভয় পায়?» আমি বললাম: «সুনির্দিষ্ট কোনো কিছুর ভয় নয়, সে রাতে ভয় পায়।»

তিনি বললেন: «এমন লোক যে কি হিংস্র পশুর ভয় পায়?» আমি বললাম: «সেখানে কোনো হিংস্র পশু নেই», তখন আহমাদ বললেন: «তাকে অবশ্যই ওজু করতে হবে।»

আমি আহমাদকে বললাম: «যদি ঈদের সালাতে ওজু ভেঙে যায়, তবে কি তায়াম্মুম করবে?» তিনি বললেন: «মানুষের মধ্যে...»
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৭)
مَنْ يَذْهَبُ إِلَيْهِ، وَفِي الْجِنَازَةِ سُنَّةٌ مِنَ التَّابِعِينَ، يَقُولُونَ: يَتَيَمَّمُ، يَعْنِي: فِي الْجِنَازَةِ، إِذَا خَافَ أَنْ تَفُوتَهُ الصَّلَاةُ عَلَيْهَا.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ: أَيُّ شَيْءٍ تَذْهَبُ؟ قَالَ: إِنِّي لَأَتَفَزَّعُهُ، أَيْ: أَنْ أَقُولَ: يَتَيَمَّمُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْمُتَيَمِّمِ يَؤُمُّ الْمُتَوَضِّئِينَ؟ قَالَ: أَرْجُو أَنْ لَا يَكُونَ بِهِ بَأْسٌ، وَاحْتَجَّ بِفِعْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» الرَّجُلُ يَخْرُجُ عَلَى الْمِيلَيْنِ وَالثَّلَاثَةِ وَالْأَكْثَرِ، فَتَحْضُرُهُ الصَّلَاةُ، أَيَتَيَمَّمُ؟ قَالَ: إِذَا خَافَ يَتَيَمَّمُ.

قُلْتُ، أَوْ قِيلَ لَهُ: يُعِيدُ؟ قَالَ: لَا «.

الرَّجُلُ يَنْتَبِهُ فَيَجِدُ الْبَلَّةَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» وَسُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ يَنْتَبِهُ فَيَجِدُ بَلَّةٍ؟ فَقَالَ: إِنْ كَانَ شَابًّا أَعْزَبَ يَغْتَسِلُ، وَإِنْ كَانَ لَهُ أَهْلٌ فَكَانَ لَاعَبَ أَهلَهُ مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ، فَلَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ انْتِشَارُهُ مِنْ ذَلِكَ فَسَهَّلَ فِيهِ «.

الْتِقَاءُ الْخِتَانَيْنِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْخَصِيِّ الَّذِي لَا يُولِجُ يُوَاقِعُ أَهْلَهُ، عَلَيْهِمَا الْغُسْلُ؟ قَالَ: إِذَا أَنْزَلَا.

قِيلَ: فَإِنْ لَمْ يُنْزِلْ، وَأَنْزَلَتْ هِيَ؟ قَالَ: فَلْتَغْتَسِلْ هِيَ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» إِذَا الْتَقَى الْخِتَانَانِ؟ قَالَ:
যাদের মতানুসারে এই বিধান, এবং জানাজার ক্ষেত্রে তাবিঈগণের একটি রীতি রয়েছে, তাঁরা বলেন: সে তায়াম্মুম করবে; অর্থাৎ: জানাজার ক্ষেত্রে, যখন সে সালাত ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা করবে।

আমি আহমাদকে বললাম: আপনি কোন মতের দিকে যাচ্ছেন? তিনি বললেন: আমি এটি বলতে শঙ্কিত বোধ করছি, অর্থাৎ: এই কথা বলতে যে, সে তায়াম্মুম করবে।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তায়াম্মুম করেছে, সে কি অজুকারীদের ইমামতি করতে পারবে? তিনি বললেন: আমি আশা করি এতে কোনো অসুবিধা নেই, এবং তিনি ইবনে আব্বাসের আমল দ্বারা দলিল পেশ করেন।

আমি আহমাদকে বললাম: এক ব্যক্তি দুই মাইল, তিন মাইল বা তার চেয়ে বেশি দূরত্বে বের হয়, এমতাবস্থায় সালাতের সময় উপস্থিত হয়, সে কি তায়াম্মুম করবে? তিনি বললেন: যদি সে (সময় পার হওয়ার) আশঙ্কা করে, তবে তায়াম্মুম করবে।

আমি বললাম, অথবা তাঁকে বলা হলো: সে কি সালাত পুনরায় পড়বে? তিনি বললেন: না।

এক ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে আর্দ্রতা দেখতে পায়। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে ঘুম থেকে জেগে আর্দ্রতা দেখতে পায়। তিনি বললেন: যদি সে যুবক ও অবিবাহিত হয় তবে সে গোসল করবে, আর যদি তার স্ত্রী থাকে এবং সে রাতের প্রথম ভাগে স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করে থাকে, তবে সম্ভবত তার উত্তেজনা সে কারণেই হয়েছে; তাই তিনি এ বিষয়ে শিথিলতা দিয়েছেন।

উভয় লিঙ্গাগ্রের মিলন। আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন পুরুষত্বহীন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে প্রবিষ্ট করায় না কিন্তু স্ত্রীর সাথে সহবাসের চেষ্টা করে, তাদের কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেন: যদি তারা বীর্যপাত করে।

বলা হলো: যদি সে বীর্যপাত না করে এবং স্ত্রী বীর্যপাত করে? তিনি বললেন: তবে স্ত্রী গোসল করবে।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে বলা হলো: যদি উভয় লিঙ্গাগ্র মিলিত হয়? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৮)
الْخِتَانُ الْمُدَوَّرَةُ، إِذَا غَابَتْ فَالْخِتَانُ بَعْدَهَا «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ» إِذَا أَتَى الْبِكْرَ فَمَسَّ فَرْجَهَا؟ قَالَ: إِذَا أَنْزَلَتِ اغْتَسَلَتْ، وَإِذَا لَمْ تُنْزِلْ لَمْ تَغْتَسِلْ «.

الْجُنُبُ يَأْكُلُ وَيَعُودُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْجُنُبِ يَأْكُلُ؟ قَالَ: إِذَا تَوَضَّأَ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قِيلَ لَهُ: " كَانَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ؟ قَالَ: يَتَوَضَّأُ كُلَّمَا أَرَادَ أَنْ يَعُودَ «الْمَجْنُونُ وَالْمُغْمَى عَلَيْهِ يَتَوَضَّآنِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ فِيمَنْ يُصْرَعُ» يَتَوَضَّأُ إِذَا أَفَاقَ إِلَّا أَنْ يَحْتَلِمَ.

قِيلَ لَهُ: وَمَا يُدْرِيهِ؟ قَالَ: يَجِدُ أَثَرَ الِاحْتِلَامِ.

قَالَ أَحْمَدُ: وَزَعَمُوا أَنْ رُبَّمَا احْتَلَمَ ".

قُلْتُ لِأَحْمَدَ: حَدِيثُ عَائِشَةَ " أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُغْمِيَ عَلَيْهِ، فَقَالَ: «اسْكُبُوا لِي مَاءً» ، فَاغْتَسَلَ؟ فَقَالَ: نَعَمْ، يَتَوَضَّأُ إِذَا أُغْمِيَ عَلَيْهِ ، قُلْتُ لِأَحْمَدَ: إِنَّ فِي الْحَدِيثِ: «اغْتَسَلَ» ؟ قَالَ: نَعَمْ، حَدِيثٌ صَحِيحٌ، فِي الْحَدِيثِ الْغُسْلُ، ثُمَّ قَالَ: قَالَ الْحَسَنُ: يَغْتَسِلُ ، قَالَ أَحْمَدُ: لِأَنَّهُ زَعَمُوا
গোলাকার খতনা করা স্থানটি, যখন তা অদৃশ্য হয়ে যায় তখন তার পরবর্তী খতনা সংশ্লিষ্ট বিধান কার্যকর হয়।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: "যদি কেউ কোনো কুমারীর নিকট আসে এবং তার গোপনাঙ্গ স্পর্শ করে?" তিনি বললেন: "যদি তার বীর্যপাত হয় তবে সে গোসল করবে, আর যদি বীর্যপাত না হয় তবে সে গোসল করবে না।"

নাপাক ব্যক্তির পানাহার এবং পুনরায় সঙ্গম। আমি আহমাদকে শুনেছি, তাঁকে নাপাক ব্যক্তির পানাহার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল? তিনি বললেন: "যখন সে অজু করবে তখন খাবে।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে বলা হলো: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি এক গোসলে তাঁর স্ত্রীদের নিকট গমনাগমন করতেন?" তিনি বললেন: "তিনি যখনই পুনরায় সঙ্গম করতে চাইতেন তখন অজু করে নিতেন।" পাগল ও অচেতন ব্যক্তি অজু করবে। আমি আহমাদকে মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনেছি: "সে যখন সুস্থ হবে তখন অজু করবে, যদি না তার স্বপ্নদোষ হয়।"

তাঁকে বলা হলো: "সে কীভাবে তা জানবে?" তিনি বললেন: "সে স্বপ্নদোষের চিহ্ন দেখতে পাবে।"

আহমাদ বলেন: "তারা মনে করে যে সম্ভবত তার স্বপ্নদোষ হয়েছে।"

আমি আহমাদকে বললাম: আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসটি— "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূর্ছিত হয়ে পড়েছিলেন, এরপর তিনি বললেন: 'আমার জন্য পানি ঢালো', অতঃপর তিনি গোসল করলেন"? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়লে সে অজু করবে।" আমি আহমাদকে বললাম: "হাদিসে তো 'গোসল করলেন' শব্দ রয়েছে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, হাদিসটি সহিহ, হাদিসে গোসলের কথা আছে।" অতঃপর তিনি বললেন: হাসান বসরি বলেছেন: "সে গোসল করবে।" আহমাদ বললেন: "কেননা তারা মনে করেছে যে..."
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ২৯)
إِذَا كَانَ ذَلِكَ، أَوْ قَلَّ مَا يَكُونُ ذَلِكَ، إِلَّا أَمْنَى «غُسْلُ الْجُنُبِ وَالْحَائِضِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ» تَنْقُضُ الْحَائِضُ رَأْسَهَا؟ قَالَ: نَعَمْ، وَتَبْلُغُ أُصُولَهُ «.

ذَكَرَ شَيْئًا ذَهَبَ عَلَيَّ.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَمَّنْ يَغْتَسِلُ مِنَ الْجَنَابَةِ يَغْسِلُ قَدَمَيْهِ؟ قَالَ: نَعَمْ.

قِيلَ لِأَحْمَدَ: قَبْلَ الْغُسْلِ؟ قَالَ: لَا ".

قِيلَ لِأَحْمَدَ: " يَمْسَحُ رَأْسَهُ، أَعْنِي: الْجُنُبَ إِذَا تَوَضَّأَ؟ قَالَ: أَيُّ شَيْءٍ يَمْسَحُ، وَهُوَ يُفِيضُ عَلَى رَأْسِهِ الْمَاءَ؟ ! «.

غُسْلُ الْجُمُعَةِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، قَالَ» إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ يَوْمَ بَرْدٍ، يَخَافُ الرَّجُلُ عَلَى نَفْسِهِ فَلَا يَغْتَسِلْ «.

قُلْتُ لِأَحْمَدَ» صِرْتُ فِي مَوْضِعٍ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَلَيْسَ مَعِي إِزَارٌ،
যখন এমন হয়, বা এমনটা খুব কমই ঘটে, তবে বীর্যপাত ছাড়া নয়। «জুনুবী ও ঋতুবতীর গোসল। আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: ঋতুবতী নারী কি তার মাথার বিনুনি খুলবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং সে যেন চুলের গোড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছায়।»

তিনি এমন কিছু উল্লেখ করেছিলেন যা আমি ভুলে গিয়েছি।

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে জনাবাত থেকে গোসল করছে, সে কি তার দুই পা ধৌত করবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

আহমদকে বলা হলো: গোসলের আগে? তিনি বললেন: না।

আহমদকে বলা হলো: "সে কি তার মাথা মাসেহ করবে—অর্থাৎ জুনুবী ব্যক্তি যখন ওজু করে? তিনি বললেন: সে কী মাসেহ করবে, যখন সে তার মাথার ওপর পানি প্রবাহিত করছে?!"

জুমার গোসল। আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "যখন জুমার দিন প্রচণ্ড শীতের দিন হয় এবং কোনো ব্যক্তি নিজের প্রাণের ব্যাপারে আশঙ্কা করে, তবে সে যেন গোসল না করে।"

আমি আহমদকে বললাম: "আমি জুমার দিনে এমন এক স্থানে ছিলাম যেখানে আমার সাথে কোনো লুঙ্গি ছিল না,
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৩০)
وَأَنَا عِنْدَ نَهْرٍ أَحَبُّ إِلَيْكَ أَنْ أَغْتَسِلَ أَوْ أَدَعَ؟ قَالَ: إِنْ لَمْ يَكُنْ يَرَاهُ أَحَدٌ ".

قُلْتُ: لَا يَرَاهُ؟ قَالَ: أَرْجُو، ثُمَّ قَالَ أَحْمَدُ: يُسْتَحَبُّ أَنْ لَا يَدْخُلَ الْمَاءَ إِلَّا بِمِئْزَرٍ «.

السَّيْفُ يُصِيبُهُ الدَّمُ قُلْتُ لِأَحْمَدَ» السَّيْفُ يُصِيبُهُ الدَّمُ فَيَمْسَحُهُ الرَّجُلُ، وَهُوَ حَارٌّ يُصَلِّي فِيهِ؟ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا لَمْ يَبْقَ فِيهِ أَثَرٌ.

قُلْتُ: فِيهِ أَثَرٌ، إِلَّا أَنَّهُ مَسَحَهُ؟ قَالَ: إِنْ لَمْ يَكُنْ فَاحِشًا فَلَا بَأْسَ ".

بَوْلُ الدَّابَّةِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ عَنْ بَوْلِ مَا أُكِلَ لَحْمُهُ؟ قَالَ: مَا أَدْرِي.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، " سُئِلَ عَنْ خِرَاءِ الدَّجَاجِ؟ قَالَ: هُوَ مِثْلُ بَوْلِ مَا أُكِلَ لَحْمُهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ سُؤْرِ الْحِمَارِ وَالْبَغْلِ؟ قَالَ: يُعْجِبُنِي أَنْ أَتَوَقَّاهُ «.

طِينُ الْمَطَرِ وَأَرْضُ النَّجَسَةِ سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ طِينِ الْمَطَرِ يُصِيبُ الثَّوْبَ؟ قَالَ: أَرْجُو
আর আমি যখন একটি নদীর কিনারে থাকি, তখন আপনার নিকট কোনটি অধিক পছন্দনীয়—আমি কি সেখানে গোসল করব নাকি তা পরিত্যাগ করব? তিনি বললেন: "যদি তাকে কেউ না দেখে থাকে।"

আমি বললাম: কেউ তাকে দেখবে না? তিনি বললেন: "আমি অনুরূপই আশা করি।" অতঃপর আহমাদ বললেন: "তহবন্দ বা লুঙ্গি ব্যতীত পানিতে না নামাই মুস্তাহাব।"

রক্তরঞ্জিত তলোয়ার: আমি আহমাদকে বললাম, তলোয়ারে রক্ত লাগার পর কোনো ব্যক্তি যদি তা মুছে ফেলে, তবে সেটি সাথে নিয়ে কি সে সালাত আদায় করতে পারবে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, যদি তাতে রক্তের কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট না থাকে।"

আমি বললাম: যদি তাতে চিহ্ন থেকে যায় কিন্তু সে তা মুছে ফেলে? তিনি বললেন: "যদি তা অত্যধিক না হয় তবে কোনো সমস্যা নেই।"

চতুষ্পদ পশুর প্রস্রাব: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে এমন প্রাণীর প্রস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যার গোশত খাওয়া হয়? তিনি বললেন: "আমি জানি না।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাঁকে মুরগির বিষ্ঠা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: "এটিও সেই পশুর প্রস্রাবের মতো যার গোশত খাওয়া হয়।"

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাকে গাধা ও খচ্চরের উচ্ছিষ্ট পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "এটি পরিহার করাটাই আমার নিকট পছন্দনীয়।"

বৃষ্টির কাদা ও অপবিত্র ভূমি: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তাকে কাপড়ে লাগা বৃষ্টির কাদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "আমি আশা করি (এতে কোনো অসুবিধা নেই)।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৩১)
أَنَّ كُلَّ شَيْءٍ أَصَابَهُ مَاءُ السَّمَاءِ فَلَا بَأْسَ بِهِ، إِلَّا أَنْ يَكُونَ قَذِرًا بِعَيْنِهِ.

قَالَ: فَأَفْرُكُهُ إِذَا جَفَّ؟ قَالَ: نَعَمْ «.

وَرَأَيْتُ أَحْمَدَ» احْتَجَّ فِي الرُّخْصَةِ فِي طِينِ الْمَطَرِ بِحَدِيثِ الْأَعْرَابِيِّ الَّذِي بَالَ فِي الْمَسْجِدِ، فَأَمَرَ أَنْ يُصَبَّ عَلَى بَوْلِهِ ذَنُوبًا مِنْ مَاءٍ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، سُئِلَ عَنِ الْبَوْلِ يُصِيبُهُ الْمَطَرُ قَالَ: " كُلُّ شَيْءٍ أَصَابَتْهُ السَّمَاءُ مِثْلُ الْأَعْرَابِيِّ الَّذِي بَالَ فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «صُبُّوا عَلَى بَوْلِهِ ذَنُوبًا» ، فَهُوَ طَهُورٌ، أَوْ قَالَ: أَرْجُو أَنَّهُ طَهُورٌ " قِيلَ لِأَحْمَدَ، وَأَنَا أَسْمَعُ: فَأَصَابَتْهُ الشَّمْسُ؟ قَالَ: مَا أَدْرِي مَا الشَّمْسُ.

 

147 - نَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: نَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، قَالَ: نَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: أُنْبِئْتُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ أَبِي سَعِيدٍ، حَدَّثَ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا وَطِئَ أَحَدُكُمْ بِنَعْلِهِ فِي الْأَذَى، فَإِنَّ التُّرَابَ لَهُ طَهُورٌ»
নিশ্চয়ই আকাশ থেকে নেমে আসা পানি (বৃষ্টির পানি) যা কিছুর ওপর পড়ে, তাতে কোনো অসুবিধা নেই, যতক্ষণ না সেই বস্তুটি বস্তুগতভাবে নাপাক হয়।

তিনি (জিজ্ঞাসাকারী) বললেন: এটি শুকিয়ে গেলে কি আমি তা ঘষে দেব? তিনি (ইমাম আহমাদ) বললেন: হ্যাঁ।

আমি আহমাদকে বৃষ্টির কর্দমাক্ত মাটির ক্ষেত্রে শিথিলতার সপক্ষে সেই বেদুইনের হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করতে দেখেছি, যে মসজিদে প্রস্রাব করেছিল এবং তার প্রস্রাবের ওপর এক বালতি পানি ঢেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে প্রস্রাবের ওপর বৃষ্টির পানি পড়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো, তিনি বললেন: "আকাশ থেকে যা (বৃষ্টির পানি) নাজাসাতের ওপর পতিত হয়, তা সেই বেদুইনের মতো যে মসজিদে প্রস্রাব করেছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন: 'তার প্রস্রাবের ওপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও'। সুতরাং তা পবিত্রকারী হবে।" অথবা তিনি বলেছিলেন: "আমি আশা করি তা পবিত্রকারী হবে।" আহমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো, আর আমি তা শুনছিলাম: যদি তার ওপর রোদ পড়ে? তিনি বললেন: রোদ সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই (অর্থাৎ রোদে পবিত্র হওয়ার সপক্ষে কোনো দলিল আমার কাছে নেই)।

 

১৪৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-মুগিরা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ী, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, সাঈদ বিন আবু সাঈদ তার পিতার সূত্রে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন তার জুতা দিয়ে কোনো অপবিত্র বস্তুর ওপর পা দেয়, তবে মাটিই তার জন্য পবিত্রকারী।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৩২)
فَرْكُ الْمَنِيِّ سَمِعْتُ أَحْمَدَ، " سُئِلَ عَنْ ثَوْبٍ أَصَابَتْهُ جَنَابَةٌ؟ فَقَالَ: يَفْرُكُهُ كُلَّهُ أَوْ يَغْسِلُهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ أَجْنَبَ فِي فَرْوٍ لَا يَعْرِفُ مَوْضِعَهُ؟ قَالَ: يَفْرُكُهُ «.

سَمِعْتُ أَحْمَدَ،» سُئِلَ عَنِ الْمَنِيِّ يَكُونُ فِي الثَّوْبِ لَا يَعْرِفُ مَوْضِعَهُ، أَيَنْضَحُهُ؟ قَالَ: لَا، النَّضْحُ أَيُّ شَيْءٍ يَنْفَعُ؟ ! ".

قَالَ أَبُو دَاوُدَ: هَذَا لِمَنْ أَيْقَنَ أَنَّ الْمَنِيَّ فِي الثَّوْبِ.

بَوْلُ الصَّبِيِّ قُلْتُ لِأَحْمَدَ " بَوْلُ الصَّبِيِّ؟ قَالَ: الْغُلَامُ يُرَشُّ مَا لَمْ يَطْعَمْ، وَالْجَارِيَةُ يُغْسَلُ ".
বীর্য ঘষে তোলা: আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, "তাকে এমন কাপড় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যাতে বীর্য লেগেছে? তিনি বললেন: সেটি সম্পূর্ণ ঘষে ফেলবে অথবা ধুয়ে ফেলবে।"

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, "তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে একটি পশমি পোশাকে অপবিত্র হয়েছে কিন্তু সেটির স্থান জানে না? তিনি বললেন: সে তা ঘষবে।"

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, "তাকে এমন বীর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যা কাপড়ে লেগে আছে কিন্তু তার সঠিক স্থান জানা নেই, সে কি সেখানে পানি ছিটাবে? তিনি বললেন: না, পানি ছিটানোতে কী লাভ হবে?!"

আবু দাউদ বলেন: এটি তার জন্য যে নিশ্চিত হয়েছে যে কাপড়ে বীর্য লেগেছে।

শিশুর প্রস্রাব: আমি আহমদকে বললাম "শিশুর প্রস্রাব?" তিনি বললেন: "ছেলে শিশু যতক্ষণ খাবার গ্রহণ না করবে ততক্ষণ পানি ছিটিয়ে দিলেই হবে, আর কন্যা শিশুর প্রস্রাব ধুয়ে ফেলতে হবে।"
(খণ্ড: ১) মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়ায়াতু আবী দাউদ আস সিজিস্তানী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
أَوَّلُ

 

‌‌كِتَابِ الْحَيْضِ

‌‌أَكْثَرُ الْحَيْضِ وَأَقَلُّهُ

سَمِعْتُ أَحْمَدَ، يَقُولُ: " أَكْثَرُ الْحَيْضِ خَمْسَ عَشْرَةَ وَلَا يَكُونُ أَكْثَرَ مِنْهُ، يُرْوَى عَنْ عَطَاءٍ، يَعْنِي ذَلِكَ، قَالَ: وَرُوِيَ عَنْهُ يَعْنِي: عَنْ عَطَاءٍ: أَدْنَاهُ يَوْمٌ ".

سَمِعْتُ أَحْمَدَ مَرَّةً أُخْرَى، يَقُولُ: «أَدْنَى الْحَيْضِ يَوْمٌ وَلَيْسَ هُوَ بِذَاكَ الثَّبْتِ، وَخَمْسَ عَشْرةَ حَيْضٌ، وَاجْبُنُ أَنْ أَقُولَ فِي أَكْثَرِ مِنْ خَمْسَ عَشْرَةَ شَيْئًا» .

الْبِكْرُ تُسْتَحَاضُ قَالَ الثَّوْرِيُّ «الْمَرْأَةُ أَوَّلُ مَا تَحِيضُ تَجْلِسُ فِي الْمِصْرِ نَحْوَ نِسَائِهَا» .

قُلْتُ لِأَحْمَدَ " الْبِكْرُ إِذَا اسْتُحِيضَتْ؟ قَالَ: عِنْدَنَا فِيهِ قَوْلَانِ: قَوْلٌ: أَنْ تَقْعُدَ أَدْنَى الْحَيْضِ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَصُومُ وَتُصَلِّي، أَوْ تَقْعُدَ أَكْثَرَ حَيْضِ النِّسَاءِ سِتًّا أَوْ سَبْعًا، فَإِذَا عَرَفَتْ أَيَّامَهَا وَاسْتَقَامَتْ عَلَيْهِ قَضَتْ مَا كَانَتْ صَامَتْ فِي هَذِهِ الْأَيَّامِ دُونَ أَيَّامِ حَيْضِهَا «.
প্রথম

 

‌‌ঋতুস্রাব অধ্যায়

‌‌ঋতুস্রাবের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সময়সীমা

আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "ঋতুস্রাবের সর্বোচ্চ মেয়াদ পনের দিন এবং এর বেশি হয় না। এটি আতা থেকেও বর্ণিত হয়েছে।" বর্ণনাকারী বলেন: "আতা থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে: এর সর্বনিম্ন মেয়াদ একদিন।"

আমি আহমদকে পুনরায় বলতে শুনেছি: "ঋতুস্রাবের সর্বনিম্ন মেয়াদ একদিন, তবে এটি অতটা সুদৃঢ় বর্ণনা নয়। আর পনের দিন হলো ঋতুস্রাব; পনের দিনের অতিরিক্ত সময়ের ব্যাপারে কোনো কিছু বলতে আমি সংকোচ বোধ করি।"

কুমারী মেয়ের ইস্তিহাযা (অতিরিক্ত রক্তস্রাব) হওয়া; সাওরী বলেছেন: "নারী যখন প্রথম ঋতুবতী হয়, তখন সে তার জনপদের নারীদের সাধারণ অভ্যাসের ন্যায় সময় অতিবাহিত করবে।"

আমি আহমদকে বললাম, "কুমারীর যদি ইস্তিহাযা হয়?" তিনি বললেন: "আমাদের নিকট এ বিষয়ে দুটি অভিমত রয়েছে: এক. সে ঋতুস্রাবের সর্বনিম্ন মেয়াদ পর্যন্ত অপেক্ষা করবে, অতঃপর গোসল করবে এবং রোজা রাখবে ও নামাজ পড়বে। অথবা দুই. নারীদের সাধারণ ঋতুস্রাব অনুযায়ী ছয় বা সাত দিন অপেক্ষা করবে। অতঃপর যখন সে তার দিনগুলো চিনে নেবে এবং তা নিয়মিত হয়ে যাবে, তখন সে ঐ দিনগুলোতে রাখা রোজাগুলোর কাজা করবে যা তার ঋতুস্রাবের দিন হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।"