(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: -)
معرفة الصحابة لابن منده القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: معرفة الصحابة لابن منده
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن مَنْدَه العبدي (ت 395هـ)
حققه وقدم له وعلق عليه: الأستاذ الدكتور/ عامر حسن صبري
الناشر: مطبوعات جامعة الإمارات العربية المتحدة
الطبعة: الأولى، 1426 هـ - 2005 م
عدد الصفحات: 985
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে মান্দাহ-এর মা’রিফাতুস সাহাবাহ বিভাগ: জীবনী এবং স্তরসমূহ
কিতাব: ইবনে মান্দাহ-এর মা’রিফাতুস সাহাবাহ
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন মান্দাহ আল-আবদী (মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি)
তাহকীক, ভূমিকা ও টীকা প্রদান: প্রফেসর ডক্টর/ আমের হাসান সাবরী
প্রকাশক: সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৮৫
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧٤)
باب الألف
الأحنف بن قيس الضحاك التميميأدرك النبي صلى الله عليه وسلم، ودعا، ولم يره.
أخبرنا أحمد بن محمد بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو حاتم الرازي، قال: حدثنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، قال: بينما أنا أطوف بالبيت في زمن عثمان، إذ لقيني رجل من بني ليث، فأخذ بيدي، فقال: ألا أبشرك؟ قلت: بلى، قال: أتذكر إذ بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم ساعيًا إلى بني سعد، فسألوني عن الإسلام، فجعلت أخبرهم وأدعوهم إلى الإسلام، فقلت: إنك تدعو إلى خير، وما أسمع إلا حسنًا، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: اللهم اغفر للأحنف.
فكان الأحنف يقول: فما شيء أرجى عندي من ذلك، يعني دعوة النبي صلى الله عليه وسلم.
আলিফ অধ্যায়আল-আহনাফ ইবন কায়স আদ-দাহহাক আত-তামিমিতিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমসাময়িক ছিলেন এবং তিনি (নবী) তাঁর জন্য দোয়া করেছেন, তবে তিনি তাঁকে দেখেননি।
আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাতিম আর-রাজি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান ইবন হারব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবন সালামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আলি ইবন যায়েদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আল-আহনাফ ইবন কায়স থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উসমানের খিলাফতকালে আমি যখন বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলাম, তখন বনু লাইস গোত্রের এক ব্যক্তির সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: আমি কি আপনাকে সুসংবাদ দেব না? আমি বললাম: অবশ্যই। তিনি বললেন: আপনার কি মনে আছে যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বনু সা’দ গোত্রের কাছে সদকা সংগ্রাহক হিসেবে পাঠিয়েছিলেন? তারা আমাকে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আমি তাদের নিকট তা বর্ণনা করতে লাগলাম এবং তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান জানাতে লাগলাম। তখন আপনি বলেছিলেন: ‘নিশ্চয়ই আপনি কল্যাণের দিকে আহ্বান করছেন এবং আমি কেবল উত্তম কথাই শুনছি।’ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: ‘হে আল্লাহ, আহনাফকে ক্ষমা করে দিন।’
আহনাফ বলতেন: আমার নিকট এর চেয়ে অধিক আশাপ্রদ আর কিছুই নেই, অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সেই দোয়া।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧٥)
أوسط بن عمرو البجليأدرك النبي صلى الله عليه وسلم ولم يره، قدم المدينة بعد وفاته بعام، يكنى أبا إسماعيل، وقيل: ابن إسماعيل، وقيل: ابن عامر.
أخبرنا أحمد بن محمد بن زياد، ومحمد بن يعقوب بن يوسف، قالا: حدثنا عباس بن محمد الدوري، قال: حدثنا زيد بن الحباب، عن معاوية بن صالح، عن سليم بن عامر، عن أوسط البجلي، قال: قدمت المدينة بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بعام.
هذا حديث مشهور عن معاوية بن صالح.
آبي اللحميقال: أنه كان يأبى يأكل اللحم، فسمي بذلك.
روى عنه: محمد بن زيد.
আওসাত ইবন আমর আল-বাজালিতিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ পেয়েছিলেন কিন্তু তাঁকে দেখেননি। তিনি তাঁর ইন্তেকালের এক বছর পর মদিনায় আসেন। তাঁর উপনাম (কুনিয়াহ) ছিল আবু ইসমাইল; আবার বলা হয়: ইবন ইসমাইল, এবং এও বলা হয়: ইবন আমির।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ এবং মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব ইবন ইউসুফ, তাঁরা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্বাস ইবন মুহাম্মদ আদ-দুরি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন যায়েদ ইবনুল হুবাব, মুয়াবিয়া ইবন সালিহ থেকে, তিনি সুলাইম ইবন আমির থেকে, তিনি আওসাত আল-বাজালি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের এক বছর পর মদিনায় এসেছি।
এটি মুয়াবিয়া ইবন সালিহ থেকে বর্ণিত একটি প্রসিদ্ধ হাদিস।
আবি আল-লাহমবলা হয় যে, তিনি গোশত খেতে অস্বীকার করতেন, তাই তাঁকে এই নামে নামকরণ করা হয়েছে।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবন যায়েদ।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧٦)
آزاذ مرد بن هرمز الفارسيمن أساورة كسرى، أدرك النبي صلى الله عليه وسلم، ولم يره.
روى عنه: جرير بن عبد الله.
أخبرنا عبد الله بن محمد بن الحارث البخاري، قال: حدثنا عبد الله بن حماد الآملي، قال: حدثنا محمد بن عبد العزيز بن محمد الواسطي الرملي، قال: حدثنا أبي عبد العزيز بن محمد، قال: حدثنا عكرمة بن إبراهيم الأزدي، قال: حدثني جرير بن يزيد بن جرير بن عبد الله البجلي، عن أبيه، عن جده جرير بن عبد الله، عن آزاذ مرد وكان من أساورة كسرى، قال: بينا نحن على باب كسرى ننتظر الإذن، فأبطأ عينا الإذن واشتد الحر، وضجرنا، فقال رجل من القوم: لا حول ولا قوة إلا بالله، ما شاء الله كان، وما لم يشأ لم يكن، فقال رجل من القوم: تدري ما قلت؟ قال: نعم، إن الله عز وجل يفرج عن صاحبها، فقال لي: ألا أحدثك بتفسير هذا؟ قال: قلت: حدثني، قال:
আযাদ মারদ বিন হুরমুজ আল-ফারিসিকিসরার অশ্বারোহী বাহিনীর (আসাবিরা) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ পেয়েছিলেন কিন্তু তাঁকে দেখেননি।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: জারির বিন আবদুল্লাহ।
আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হারিস আল-বুখারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন হাম্মাদ আল-আমুলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আবদুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ আল-ওয়াসিতি আল-রামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আবদুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইকরিমাহ বিন ইবরাহিম আল-আজদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারির বিন ইয়াজিদ বিন জারির বিন আবদুল্লাহ আল-বাজালি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি তাঁর দাদা জারির বিন আবদুল্লাহর সূত্রে, আযাদ মারদ থেকে বর্ণনা করেন—আর তিনি কিসরার অশ্বারোহী বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি বলেন: একদা আমরা কিসরার দরজায় প্রবেশের অনুমতির অপেক্ষায় ছিলাম। অনুমতি পেতে বিলম্ব হচ্ছিল এবং গরম অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল, ফলে আমরা বিরক্ত হয়ে পড়েছিলাম। তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল: আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই; আল্লাহ যা চান তা-ই হয়, আর যা তিনি চান না তা হয় না। তখন লোকদের মধ্য থেকে একজন লোক বলল: তুমি কি জানো তুমি কী বললে? সে বলল: হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী এর পাঠকারীর বিপদ দূর করে দেন। তখন সে আমাকে বলল: আমি কি তোমাকে এর ব্যাখ্যা বলব না? আমি বললাম: আমাকে বলুন। তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧٧)
كانت لي امرأة من أجمل النساء، فكنت إذا قدمت من سفري تهيأت لي كما تتهيأ العروس لزوجها، قال: فقدمت سفرة من ذلك، فإذا هي شعثة مغبرة وسخة، فقلت: فلانة، قالت: فلانة، قلت: مالك لم تتهيئي لي كما كنت تتهيئي لي فيما مضى؟ قالت: وبرحت؟ ! قلت: الساعة قدمت، قال: فنادت جارية لها، فقالت: يا فلانة، برح مولاك فلان، قالت: لا، قال: فسكتت، فبينا أنا أحدثها في حير، على باب خوخة، فلما توارت بالحجاب إذا رجل أومأ إلي، فخرجت إليه فإذا هو في صورتي، فقال: إني رجل من الجن وقد عشقت امرأتك، وقد كنت آتيها في صورتك فلا تنكر ذلك، واختر إما أن يكون لك ولي النهار، أو يكون لك النهار ولي الليل، قال: فلما قال الجني ذلك راعني وأفزعني، فقلت: لك الليل ولك النهار، فقال: لا، فلك علي أن لا أخيس بك، ولا ترى مني إلا ما تحب.
قال: فتفكرت في الليل ووحشته، قال: قلت: لي النهار، قال: ولك الليل، قال: فمكثت مع امرأتي ما شاء الله أن أمكث، يقف على باب الخوخة فيومئ إلي فأخرج أنا، فيدخل هو في صورتي وجميع حالاتي وكلامي التي كانت تعرفني المرأة به، فإذا دخل عليها ظنت أني أنا هو، قال: فمكثنا بذلك ما شاء الله أن نمكث، ثم أتاني ذات عشية، فأومأ إلي فخرجت إليه، فقال لي: فلان كن مع أهلك الليلة، قلت: لم؟ قال: خير، قال: قلت كيف
আমার এক স্ত্রী ছিল যে নারীদের মধ্যে অন্যতম সুন্দরী ছিল। আমি যখনই সফর থেকে ফিরে আসতাম, সে আমার জন্য সেজেগুজে থাকত যেমন একজন কনে তার স্বামীর জন্য সাজে। তিনি বললেন: এমনই এক সফর থেকে আমি ফিরে এলাম, কিন্তু হঠাৎ দেখলাম সে এলোমেলো চুলে ধুলোবালিমাখা ও নোংরা অবস্থায় আছে। আমি বললাম: ওহে অমুক, সে বলল: ওহে অমুক। আমি বললাম: তোমার কী হয়েছে যে আগে যেভাবে আমার জন্য সাজতে, এখন সেভাবে সাজোনি? সে বলল: আপনি কি তবে চলে গিয়েছিলেন?! আমি বললাম: আমি তো এইমাত্র এলাম। তিনি বললেন: এরপর সে তার এক দাসীকে ডাকল এবং বলল: ওহে অমুক, তোমার মনিব অমুক কি চলে গিয়েছিলেন? সে বলল: না। তিনি বললেন: এরপর সে চুপ হয়ে গেল। আমি যখন ঘরের একটি ছোট দরজার পাশে কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় তার সাথে কথা বলছিলাম, তখন সে যখন পর্দার আড়ালে চলে গেল, হঠাৎ একজন লোক আমাকে ইশারা করল। আমি তার দিকে বেরিয়ে গেলাম এবং দেখলাম সে হুবহু আমার আকৃতিতে। সে বলল: আমি জিনদের অন্তর্ভুক্ত একজন ব্যক্তি এবং আমি তোমার স্ত্রীর প্রেমে পড়েছি। আমি তোমার রূপ ধারণ করে তার কাছে আসতাম, তাই সে তা বুঝতে পারত না। এখন তুমি বেছে নাও—হয় তোমার ও আমার জন্য দিন হবে, অথবা তোমার জন্য দিন আর আমার জন্য রাত হবে। তিনি বললেন: জিনটি যখন এ কথা বলল, আমি আতঙ্কিত ও ভীত হয়ে পড়লাম। আমি বললাম: রাতও তোমার, দিনও তোমার। সে বলল: না, আমার পক্ষ থেকে তোমার জন্য প্রতিশ্রুতি রইল যে আমি তোমার সাথে কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করব না এবং আমার থেকে তুমি কেবল তা-ই দেখবে যা তুমি পছন্দ করো।
তিনি বললেন: আমি রাত এবং এর ভয়াবহতা নিয়ে চিন্তা করলাম। তিনি বললেন: আমি বললাম: দিন আমার জন্য। সে বলল: আর রাত তোমার জন্য (অর্থাৎ আমার জন্য)। তিনি বললেন: এরপর আমি আমার স্ত্রীর সাথে আল্লাহ যতদিন চাইলেন ততদিন অবস্থান করলাম। সে ছোট দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আমাকে ইশারা করত আর আমি বেরিয়ে আসতাম। এরপর সে আমার আকৃতিতে এবং আমার যাবতীয় অবস্থা ও বাচনভঙ্গি নিয়ে প্রবেশ করত যা দেখে স্ত্রী আমাকে চিনত। যখন সে তার কাছে প্রবেশ করত, সে মনে করত যে আমিই সেই ব্যক্তি। তিনি বললেন: আমরা এভাবেই আল্লাহ যতদিন চাইলেন ততদিন অতিবাহিত করলাম। এরপর একদিন সন্ধ্যায় সে আমার কাছে এলো এবং আমাকে ইশারা করল, ফলে আমি তার কাছে বেরিয়ে গেলাম। সে আমাকে বলল: ওহে অমুক, আজ রাতে তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে থাকো। আমি বললাম: কেন? সে বলল: কল্যাণ রয়েছে। আমি বললাম: কীভাবে?
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧٨)
هذه الليلة من بين الليالي كن مع أهلك؟ هل أنكرت مني شيئًا؟ قال: فقلت: ولم قلت لي؟ قال: إن هذه الليلة نوبتنا التي نخترق السمع من السماء، قال: قلت: أنتم تستطيعون أن تخترقوا السمع من السماء؟ قال: نعم فقلت: أنتم! فأعدت عليه، فقال لي: نعم، أتحب أن تجيء معي؟ قلت: نعم، قال: أخاف أن لا يقوى قلبك، قلت: والله ما بلغت منزلتي هذه من كسرى إلا بشجاعتي، فقال لي: أتحب ذلك؟ فقلت: نعم، قال: فحول وجهك، فحولت وجهي، فإذا هو في صورة خنزير له جناحان، فقال لي: أصعد، فصعدت على ظهره، ثم مر بين السماء والأرض، حتى انتهينا إلى شبيه بالسلم القائم، فكنت أنا في آخر درجة، فمكثنا هويًا من الليل، فإذا شهاب قد أحرق الأول، فصعد الذي كان تحت الأول، مقام الأول، فصعد هو، فقام مقام الذي هو قدامه، فصعد كل واحد قدام الذي كان قدامه لنقصان الأول، فمكثنا هويًا من الليل، فقال لي: تسمع صوتا؟ قلت: بلى، فإذا صوت من السماء السابعة يخرق سماء سماء حتى انتهى إلى سماء الدنيا، وهو يقول: لا حول ولا قوة إلا بالله، ما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن، فلم يبق منا والله أحد إلا صعق به، فوقعت أنا وهو في منقطع الترب فيما أرى، فنظرت فإذا هو إلى جانبي منجدل حين أضاء الفجر، فقعدت وأنا حزين، فقلت: بهذا الأمر
অন্য সব রাতের মাঝে এই রাতে তুমি তোমার পরিবারের সাথে কেন থাকবে? তুমি কি আমার থেকে কোনো মন্দ কিছু দেখেছো? তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: আমি বললাম, তুমি আমাকে কেন এমন বললে? সে বলল: নিশ্চয়ই আজ রাতে আমাদের সেই পালা যখন আমরা আকাশ থেকে সংবাদ চুরি করি। তিনি বললেন: আমি বললাম, তোমরা কি আকাশ থেকে সংবাদ চুরি করতে পারো? সে বলল: হ্যাঁ। আমি বললাম: তোমরা! আমি পুনরায় তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। সে আমাকে বলল: হ্যাঁ, তুমি কি আমার সাথে আসতে চাও? আমি বললাম: হ্যাঁ। সে বলল: আমি ভয় পাচ্ছি তোমার অন্তর হয়তো তা সহ্য করতে পারবে না। আমি বললাম: আল্লাহর শপথ, আমি পারস্য সম্রাটের (কিসরা) দরবারে এই মর্যাদা কেবল আমার সাহসিকতার গুণেই লাভ করেছি। সে আমাকে বলল: তুমি কি সত্যিই তা পছন্দ করো? আমি বললাম: হ্যাঁ। সে বলল: তোমার মুখ অন্য দিকে ফেরাও। আমি মুখ ফেরালাম, হঠাৎ দেখলাম সে ডানাযুক্ত এক শূকরের আকৃতি ধারণ করেছে। সে আমাকে বলল: উপরে আরোহণ করো। আমি তার পিঠে চড়ে বসলাম। অতঃপর সে আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানে চলতে লাগল, যতক্ষণ না আমরা একটি খাড়া সিঁড়ির মতো বস্তুর নিকট পৌঁছলাম। আমি ছিলাম সবার নিচের ধাপে। আমরা রাতের দীর্ঘ সময় সেখানে অতিবাহিত করলাম। হঠাৎ একটি উল্কাপিন্ড এসে প্রথমজনকে জ্বালিয়ে দিল, তখন প্রথমজনের ঠিক নিচে যে ছিল সে তার জায়গায় উঠে গেল। এরপর সেও উপরে উঠল এবং তার সামনে যে ছিল তার স্থান গ্রহণ করল। এভাবে প্রথমজনের বিলুপ্তির কারণে প্রত্যেকেই তার সামনের জনের জায়গায় উঠে যেতে লাগল। আমরা রাতের আরও কিছু সময় সেখানে অবস্থান করলাম। সে আমাকে বলল: তুমি কি কোনো আওয়ায শুনতে পাচ্ছো? আমি বললাম: হ্যাঁ। তখন সপ্তম আকাশ থেকে একটি আওয়ায প্রতিটি আকাশ ভেদ করে দুনিয়ার আকাশ পর্যন্ত পৌঁছল, যা বলছিল: আল্লাহর তৌফিক ছাড়া কোনো অনিষ্ট থেকে বাঁচার উপায় নেই এবং তাঁর সাহায্য ছাড়া ইবাদত করার কোনো শক্তি নেই; আল্লাহ যা চেয়েছেন তা হয়েছে এবং যা তিনি চাননি তা হয়নি। আল্লাহর শপথ, আমাদের কেউ বাকি রইল না যে সেই আওয়াযে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েনি। আমি ও সে একটি বালুময় নির্জন স্থানে গিয়ে পড়লাম। যখন ভোরের আলো প্রকাশিত হলো, আমি তাকিয়ে দেখলাম সে আমার পাশে মাটিতে কুপোকাত হয়ে পড়ে আছে। আমি বিষণ্ণ মনে বসে পড়লাম এবং বললাম: এই বিষয়ের মাধ্যমে...
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧٩)
الذي أراد بي أن يتركني في هذا الموضع، فيذهب ويخلو بامرأتي فيكون له الليل والنهار، فمكثت ساعة فإذا هو قد انتفض وقعد كأنه جان، فقال لي: يا فلان، ما رأيت ما لقينا الليلة؟ قلت: نعم، قال: إنك تفكرت في نفسك أن أذهب وأتركك ههنا وأخلو بامرأتك، قلت: نعم، قال: لك علي بالله أن لا أخيس بك، حول وجهك، فحولت وجهي، فإذا هو في صورة خنزير له جناحان، فقال لي: اصعد، فصعدت على ظهره، فما شعرت إلا وأنا على إجاري، قال: ولا تظن إلا أني بت عند جار لي، فدخلت البيت لا أعلمها بشيء من ذلك، فبينا أنا ذلك اليوم عشية قاعد في حيرتي ذلك، وأنا أحدثها عن ليلة دخلت عليها وهي عروس، فنحن في ألذ حديث يكون فيما بيننا.
فلما توارت بالحجاب، أومأ إلي فأبيت أن أبرح، فأومأ إلي فأبيت أن أبرح، حتى صارت عيناه كأنهما جمرتان تنقدان، فقلت في نفسي: إلى متى أنا في هذا الأمر، رجلا تؤتى امرأته فلا يستطيع أن يغير، قلت: والله لأقولن شيئًا سمعته من السماء، إما أن يقتلني، وإما أن أقتله وأستريح، فقلت: لا حول ولا قوة إلا بالله، ما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن، فلم يزل والله، يحترق حتى صار رمادًا.
যে ব্যক্তি আমার ব্যাপারে এই ইচ্ছা পোষণ করেছিল যে, সে আমাকে এই স্থানে পরিত্যাগ করবে এবং আমার স্ত্রীর সাথে নির্জনে অবস্থান করবে যাতে দিবা-রাত্র তার অধিকারে থাকে। আমি সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করলাম, হঠাৎ সে প্রকম্পিত হয়ে জিনের ন্যায় সোজা হয়ে বসে পড়ল। অতঃপর সে আমাকে বলল: হে অমুক! আজ রাতে আমরা যা কিছুর সম্মুখীন হয়েছি, তা কি তুমি প্রত্যক্ষ করেছ? আমি বললাম: হ্যাঁ। সে বলল: তুমি মনে মনে চিন্তা করছিলে যে, আমি চলে যাব এবং তোমাকে এখানে রেখে তোমার স্ত্রীর সাথে নির্জনে সময় কাটাব। আমি বললাম: হ্যাঁ। সে বলল: আল্লাহর নামে তোমার সাথে আমার অঙ্গীকার রইল যে, আমি তোমার সাথে কৃত বিশ্বাস ভঙ্গ করব না; তুমি তোমার মুখ অন্যদিকে ফেরাও। আমি আমার মুখ ফেরালাম, তখন দেখলাম সে ডানা বিশিষ্ট একটি শূকরের আকৃতি ধারণ করেছে। অতঃপর সে আমাকে বলল: উপরে আরোহণ করো। আমি তার পিঠে আরোহণ করলাম। মুহূর্তের মধ্যেই আমি নিজেকে আমার ঘরের ছাদে দেখতে পেলাম। সে বলল: তুমি কেবল এটাই ধারণা করবে যে, আমি আমার এক প্রতিবেশীর নিকট রাত্রিযাপন করেছি। আমি ঘরে প্রবেশ করলাম এবং তাকে এ বিষয়ে কিছুই অবগত করলাম না। এমতাবস্থায় সেদিন সন্ধ্যায় আমি আমার সেই বিভ্রান্তিকর অবস্থায় বসেছিলাম এবং তার সাথে আমাদের বাসর রাতের স্মৃতিচারণ করছিলাম যখন সে নববধূ ছিল; তখন আমরা আমাদের মধ্যকার অত্যন্ত চমৎকার আলাপচারিতায় মগ্ন ছিলাম।
যখন তা পর্দার আড়ালে প্রচ্ছন্ন হলো, তখন সে আমাকে ইশারা করল, কিন্তু আমি স্থান ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানালাম। সে পুনরায় ইশারা করল, কিন্তু আমি অটল থাকলাম, এমনকি তার চক্ষুদ্বয় প্রজ্বলিত অঙ্গারের ন্যায় হয়ে গেল। তখন আমি মনে মনে বললাম: কতকাল আমি এই পরিস্থিতির মধ্যে থাকব? এমন এক ব্যক্তি যার স্ত্রীর নিকট পরপুরুষ আসে অথচ সে তা প্রতিহত করার ক্ষমতা রাখে না। আমি বললাম: আল্লাহর শপথ! আমি আজ আসমান হতে শ্রুত এমন কিছু বলব যার ফলে হয় সে আমাকে হত্যা করবে, নতুবা আমি তাকে হত্যা করে নিষ্কৃতি লাভ করব। অতঃপর আমি বললাম: আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই; আল্লাহ যা ইচ্ছা করেছেন তা-ই হয়েছে এবং যা তিনি ইচ্ছা করেননি তা হয়নি। আল্লাহর শপথ! সে অনবরত পুড়তে থাকল যতক্ষণ না ভস্মে পরিণত হলো।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٠)
فمكثت بعد ذلك معها عشرين سنة، فولدت مني أولادًا، فما رأيت منها إلا ما أحب.
رواه موسى بن سهل، عن محمد بن عبد العزيز، وقال فيه: عن جرير، عن آزاذ مرد، وكان أدرك الإسلام.
أخبرنا عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم البغوي، قال: حدثنا أبو زيد أحمد بن محمد بن طريف، قال: حدثنا دحيم بن أبي معشر الرواسي، قال: حدثنا سليمان بن إبراهيم بن جرير بن عبد الله، عن أبيه، عن جده، قال: كنت بالقادسية، فسمعني فارسي وأنا أقول: لا حول ولا قوة إلا بالله، لا إله إلا الله وحده، لا شريك له، فقال: لقد سمعت هذا الكلام من السماء، ثم ذكر الحديث بطوله، ولم يسم آزاذ مرد.
حدثنا عبد الرحمن بن يحيى، قال: حدثنا إبراهيم بن فهد، قال: حدثنا حفص بن عمر أبو عمر الضرير، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن سماك بن حرب، عن جرير بن عبد الله، قال: خرجت إلى فارس، فمررت في بعض أسواقها، فقلت: ما شاء الله لا حول ولا قوة إلا بالله، قال: فسمعني رجل، فقال: ما هذا الكلام الذي لم أسمعه من أحد منذ سمعته من السماء؟ قال: فقلت له: ما أنت وخبر السماء؟ فقال: أني كنت مع كسرى، فكان إذا حزبه أمر لم يرسل فيه أحدًا غيري،
এরপর আমি তার সাথে বিশ বছর অবস্থান করি, সে আমার সন্তানদের জন্ম দেয় এবং আমি তার থেকে কেবল তা-ই দেখেছি যা আমি পছন্দ করি।
এটি মুসা ইবনে সাহল বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আযীয থেকে, তিনি এতে বলেছেন: জারীর থেকে, আযাদ মারদ থেকে; আর তিনি ইসলাম লাভ করেছিলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহীম আল-বাগাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যায়েদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে তরীফ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দুহাইম ইবনে আবি মা'শার আর-রাওয়াসী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে ইব্রাহীম ইবনে জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি বলেন: আমি কাদিসিয়াতে ছিলাম, তখন জনৈক পারসিক ব্যক্তি আমাকে বলতে শুনল: "আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই; আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই।" তখন সে বলল: নিশ্চয়ই আমি এই কথা আকাশ থেকে শুনেছি। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং এতে আযাদ মারদের নাম উল্লেখ করেননি।
আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহীম ইবনে ফাহদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফস ইবনে উমর আবু উমর আদ-দারীর আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি পারস্যে গিয়েছিলাম, সেখানে কোনো এক বাজারের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় আমি বললাম: "আল্লাহ যা চেয়েছেন (তা-ই হয়েছে), আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি নেই।" তখন এক ব্যক্তি আমাকে শুনতে পেল এবং বলল: এই কথাগুলো কী, যা আমি আকাশ থেকে শোনার পর আর কারো থেকে শুনিনি? তিনি বলেন: আমি তাকে বললাম: আকাশের খবরের সাথে তোমার কী সম্পর্ক? সে বলল: আমি কিসরার সাথে ছিলাম, যখনই কোনো বিষয় তাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করত, তখন সে আমাকে ছাড়া আর কাউকেও পাঠাত না।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨١)
فأرسلني في بعض أموره، فخرجت، ثم قدمت، فلم أر عند أهلي من الكرامة والبشاشة ما فعل بالغائب إذا قدم، فقلت: ما لي لا أرى عندكم من الأمر ما يفعل بالغائب إذا قدم؟ قالت: وهل برحت من عندنا، ما فارقتنا، فنظرت، فإذا شيطان قد خلف في أهلي على صورتي، فدخلت ذات يوم، فقال لي: يا هذا إما أن تشارطني على أن يكون لي يوم ولك يوم، وإلا أهلكتك، فرضيت بذلك، فلم نزل كذلك، وصار جليسي يحدثني وأحدثه، فقال لي ذات يوم: يا هذا إني أنا ممن يسترق السمع من السماء والليلة نوبتي، قلت: فهل لك أن أجيء معك؟ قال: وتقوى على ذلك؟ قلت: نعم، فتهيأ ثم أتاني، فقال: خذ بمعرفتي وإياك أن تتركها فتهلك، فأخذت بمعرفته، فعرج حتى لمست السماء، فإذا قائل يقول: ما شاء الله لا حول ولا قوة إلا بالله، فلبج بهم، حتى سقطوا لوجوههم، وسقطت إلى الأرض، فرجعت إلى أهلي، فإذا أنا به يدخل بعد أيام، فجعلت أقول: ما شاء الله لا حول ولا قوة إلا بالله، قال: فيذوب لذلك حتى يصير مثل الذباب، وقال لي: قد حفظته، فانقطع عنا.
هذا حديث غريب بهذا الإسناد، رواه أهل الشام، وأهل الكوفة والبصرة، إلا أن حديث جرير بن يزيد. ............
তিনি আমাকে তাঁর কোনো এক প্রয়োজনে পাঠালেন, ফলে আমি বের হলাম। এরপর আমি যখন ফিরে এলাম, তখন আমার পরিবারের কাছে সেই সমাদর ও প্রফুল্লতা দেখলাম না যা একজন অনুপস্থিত ব্যক্তি ফিরে এলে পাওয়া যায়। আমি বললাম, 'কী ব্যাপার, তোমাদের মধ্যে সেই আচরণ দেখছি না কেন যা একজন অনুপস্থিত ব্যক্তি ফিরে এলে করা হয়?' সে বলল, 'আপনি কি আমাদের ছেড়ে কোথাও গিয়েছিলেন? আপনি তো আমাদের ছেড়ে যাননি।' তখন আমি তাকিয়ে দেখলাম যে, এক শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করে আমার পরিবারের মধ্যে আমার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। একদিন আমি প্রবেশ করলাম, তখন সে আমাকে বলল, 'হে ব্যক্তি! হয় তুমি আমার সাথে এই শর্তে আপস করো যে একদিন আমার হবে আর একদিন তোমার, নতুবা আমি তোমাকে ধ্বংস করে দেব।' আমি তাতে রাজি হলাম। এরপর থেকে আমরা এভাবেই চলতে থাকলাম; সে আমার সঙ্গী হয়ে গেল, সে আমার সাথে কথা বলত আর আমি তার সাথে কথা বলতাম। একদিন সে আমাকে বলল, 'হে ব্যক্তি! আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা আকাশ থেকে সংবাদ চুরি করে শোনে এবং আজ রাতে আমার পালা।' আমি বললাম, 'আমি কি তোমার সাথে আসতে পারি?' সে বলল, 'তুমি কি তাতে সক্ষম হবে?' আমি বললাম, 'হ্যাঁ।' সে প্রস্তুত হলো এবং আমার কাছে এসে বলল, 'আমার ঘাড়ের পশম শক্ত করে ধরো এবং সাবধান, তা ছেড়ে দিও না, নতুবা তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।' আমি তার ঘাড়ের পশম ধরলাম, সে ওপরে আরোহণ করল এমনকি আমি আকাশ স্পর্শ করলাম। হঠাৎ একজন ঘোষণাকারী বলছিল, 'আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই হয়েছে, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।' তখন তাদের আছাড় দেওয়া হলো, এমনকি তারা উপুড় হয়ে পড়ে গেল এবং আমিও মাটিতে পড়ে গেলাম। এরপর আমি আমার পরিবারের কাছে ফিরে এলাম। কয়েক দিন পর দেখলাম সে প্রবেশ করছে, তখন আমি বলতে লাগলাম, 'আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই হয়েছে, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।' তখন সে এর কারণে গলতে শুরু করল এমনকি একটি মাছির মতো হয়ে গেল। সে আমাকে বলল, 'তুমি এটি মুখস্থ করে ফেলেছ।' এরপর সে আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।
এই সূত্রে এটি একটি গরিব হাদিস, যা সিরিয়াবাসী এবং কুফা ও বসরার অধিবাসীরা বর্ণনা করেছেন, তবে জারীর ইবনে ইয়াযীদের হাদিসটি............
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٢)
الأسود بن خلف بن عبد يغوث الزهري القرشيأدرك النبي صلى الله عليه وسلم، وسمع منه أحاديث.
أخبرنا عبد الرحمن بن يحيى بن مندة، قال: أخبرنا أبو مسعود، قال: أخبرنا عبد الرزاق، عن ابن جريج، قال: أخبرني عبد الله بن عثمان بن خثيم أن محمد بن الأسود بن خلف أخبره: أن أباه حضر النبي صلى الله عليه وسلم يبايع الناس عند قرن مصقلة، أو مسقلة، فرأيته قد جاء الصغار والكبار يبايعونه على الإسلام والشهادة.
هذا حديث مشهور عن ابن جريج.
আল-আসওয়াদ ইবন খালাফ ইবন আবদ ইয়াগুস আল-জুহরি আল-কুরাশিতিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবন ইয়াহইয়া ইবন মানদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মাসউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন ইবন জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আবদুল্লাহ ইবন উসমান ইবন খুসাইম সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহাম্মদ ইবনুল আসওয়াদ ইবন খালাফ তাকে জানিয়েছেন: তাঁর পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন যখন তিনি ‘কারনে মাসকালা’ বা ‘মাসকালা’ নামক স্থানে মানুষের নিকট থেকে বায়আত গ্রহণ করছিলেন। তখন আমি দেখলাম যে, ছোট-বড় সবাই তাঁর নিকট আসছে এবং ইসলাম ও শাহাদাতের ওপর তাঁর নিকট বায়আত হচ্ছে।
এটি ইবন জুরাইজ থেকে বর্ণিত একটি প্রসিদ্ধ হাদিস।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٣)
الأسود بن نوفل بن خويلد بن أسد بن عبد العزىهاجر إلى أرض الحبشة، وله ذكر في حديث.
أخبرنا محمد بن عمر بن حفص، قال: أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: حدثنا وهب بن جرير بن حازم: قال: حدثني أبي، عن محمد بن إسحاق: في تسمية من هاجر إلى أرض الحبشة من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم: الأسود بن نوفل بن خويلد بن أسد بن عبد العزى.
الأسود بن وهب، وقيل: وهب بن الأسودخال النبي صلى الله عليه وسلم.
أخبرنا غسان بن أبي غسان القلزمي بها، قال: حدثنا موسى بن عمر، قال: حدثنا محمد بن العباس بن خلف، قال: حدثنا عمرو بن أبي سلمة، قال: حدثنا صدقة بن عبد الله، عن أبي معيد حفص بن غيلان، عن زيد بن أسلم، قال: حدثني وهب بن الأسود، عن أبيه الأسود بن وهب، خال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
আল-আসওয়াদ বিন নাওফাল বিন খুওয়াইলিদ বিন আসাদ বিন আবদিল উজ্জাতিনি আবিসিনিয়া (হাবাশা) অভিমুখে হিজরত করেছিলেন এবং হাদীসে তাঁর উল্লেখ পাওয়া যায়।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন হাফস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব বিন জারীর বিন হাযিম, তিনি বলেন: আমার পিতা মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যে সকল সাহাবী আবিসিনিয়া অভিমুখে হিজরত করেছিলেন তাদের নাম প্রসঙ্গে: আল-আসওয়াদ বিন নাওফাল বিন খুওয়াইলিদ বিন আসাদ বিন আবদিল উজ্জা।
আল-আসওয়াদ বিন ওয়াহাব, এবং বলা হয়েছে: ওয়াহাব বিন আল-আসওয়াদনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মামা।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গাসসান বিন আবি গাসসান আল-কুলজুমি, সেখানে তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা বিন উমর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আল-আব্বাস বিন খালাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আবি সালামাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকাহ বিন আব্দুল্লাহ, আবু মুইদ হাফস বিন গাইলান থেকে, তিনি যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব বিন আল-আসওয়াদ, তাঁর পিতা আল-আসওয়াদ বিন ওয়াহাব থেকে, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মামা ছিলেন:
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٤)
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ألا أنبئك بشيء عسى الله أن ينفعك به؟ قال: قلت بلى فعلمني مما علمك الله، قال: إن الربا أبواب، الباب منه عدل سبعين حوبًا، أدناها فجرة كاضطجاع الرجل مع أمه، وإن أربى الربا استطالة المرء في عرض أخيه بغير حقه.
رواه أبو بكر الأعين، عن عمرو بن أبي سلمة، عن أبي معيد، عن الحكم الأبلي، عن زيد بن أسلم، عن وهب بن الأسود، قال النبي صلى الله عليه وسلم بهذا.
নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমি কি তোমাকে এমন কিছু জানাব না যার মাধ্যমে আল্লাহ সম্ভবত তোমাকে উপকৃত করবেন?" তিনি বললেন: আমি বললাম, "হ্যাঁ, অবশ্যই; সুতরাং আল্লাহ আপনাকে যা শিখিয়েছেন তা থেকে আমাকে শিক্ষা দিন।" তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই সুদের অনেকগুলো দরজা রয়েছে, যার একটি দরজা সত্তরটি পাপের সমান; আর তার মধ্যে নিম্নতমটি হলো কোনো ব্যক্তির স্বীয় মাতার সহিত ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ন্যায় জঘন্য। আর সবচেয়ে বড় সুদ হলো অন্যায়ভাবে কোনো ব্যক্তির নিজ ভাইয়ের সম্মানহানি করা।"
এটি আবু বকর আল-আ'ইয়ুন বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আবি সালামাহ থেকে, তিনি আবু মুঈদ থেকে, তিনি আল-হাকাম আল-আবালি থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি ওয়াহব ইবনে আসওয়াদ থেকে; নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই মর্মে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٥)
الأسود بن سريعوهو ابن حمير بن عبادة بن النزال، وقيل: ابن جبير بن عبادة بن النزال بن مرة بن عبيد السعدي، يكنى أبا عبد الله.
توفي سنة اثنتين وأربعين، في أيام الجمل.
وقال علي بن المديني: خرج الأسود من البصرة أيام علي قديما، وكان شاعرًا.
وهو أول من قص بالبصرة.
روى عنه: الحسن، وعبد الرحمن بن أبي بكرة، ولا يصح سماعهما منه.
আসওয়াদ বিন সারী‘তিনি হলেন হুমাইর বিন উবাদাহ বিন আন-নাজ্জাল-এর পুত্র; এবং বলা হয়: জুবাইর বিন উবাদাহ বিন আন-নাজ্জাল বিন মুররাহ বিন উবাইদ আস-সা‘দী-এর পুত্র। তাঁর উপনাম আবু আব্দুল্লাহ।
তিনি বিয়াল্লিশ হিজরি সনে, জঙ্গে জামালের (উটের যুদ্ধ) দিনগুলোতে ইন্তেকাল করেন।
আলী বিন আল-মাদীনী বলেছেন: আসওয়াদ অনেক আগে আলীর শাসনকালে বসরা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন এবং তিনি একজন কবি ছিলেন।
তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি বসরায় ধর্মীয় কাহিনী বা কিচ্ছা (কাসাস) বর্ণনা শুরু করেন।
তাঁর থেকে হাসান এবং আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরা বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁর থেকে তাঁদের শ্রুতি (সিমাহ) বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٦)
أخبرنا خيثمة بن سليمان، قال: حدثنا جعفر بن محمد بن شاكر، قال: حدثنا محمد بن عمر القصبي، قال: حدثنا عبد الوارث، عن يونس، عن الحسن، عن الأسود بن سريع: أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب، فقال: أما بعد.
أخبرنا خيثمة، قال: حدثنا عبيد بن محمد الكشوري، قال: حدثنا عبد الله بن أبي غسان، قال: حدثنا عبد السلام بن حرب، عن يونس بن عبيد، عن الحسن، عن الأسود بن سريع.
وعن عمرو بن عبيد، عن الحسن، عن الأسود بن سريع: أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: إني قد حمدت ربي عز وجل بمحامد، فقال: إن ربك يحب الحمد، واستنشده.
أخبرنا عبد الله بن عبد الرحمن العسكري، قال: حدثنا عبد الرحمن بن محمد الحارثي، قال: حدثنا معاذ بن هشام، قال: حدثني أبي، عن قتادة، عن الحسن، قال:
খাইসামাহ বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর বিন মুহাম্মদ বিন শাকির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন উমর আল-কাসাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আসওয়াদ বিন সারি’ থেকে বর্ণনা করেছেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিলেন এবং বললেন: আম্মা বাদ (অতঃপর)।
খাইসামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উবাইদ বিন মুহাম্মদ আল-কাশুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আবি গাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুস সালাম বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আসওয়াদ বিন সারি’ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আমর বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আসওয়াদ বিন সারি’ থেকে বর্ণিত যে: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: আমি আমার মহান রবের প্রশংসা সম্বলিত কিছু পংক্তি দ্বারা তাঁর প্রশংসা করেছি। তখন তিনি বললেন: নিশ্চয়ই তোমার রব প্রশংসা পছন্দ করেন, এবং তিনি তাঁকে সেগুলো আবৃত্তি করতে বললেন।
আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল-আসকারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-হারিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়ায বিন হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٧)
أول من قص في هذا المسجد الأسود بن سريع، وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فرأى فيما يرى النائم: أنه قيل له: ألا أخبرك بالقائلين عدلا؟ قال: من هم؟ قيل: أصحاب الأسود.
الأسود بن أصرم المحاربيعداده في أهل الشام.
روى عنه سليمان بن حبيب.
أخبرنا أحمد بن سليمان بن أيوب القاضي بدمشق، قال: حدثنا يزيد بن عبد الصمد، قال: حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، قال: حدثنا صدقة بن عبد الله، عن عبيد الله بن علي، عن سليمان بن حبيب، قال: وحدثني أسود بن أصرم المحاربي، قال: قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم، أوصني؟ قال: تملك يدك؟ قال: قلت: فماذا أملك إذا لم أملك يدي، قال: تملك لسانك؟ قلت: ماذا أملك إذا لم أملك لساني، قال: فلا تبسط يدك إلا إلى خير، وتقل بلسانك إلا معروفًا.
এই মসজিদে সর্বপ্রথম যিনি নসিহত প্রদান করেছেন তিনি আসওয়াদ বিন সারি' এবং তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একজন সাহাবী ছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, তাঁকে বলা হচ্ছে: "আমি কি আপনাকে ইনসাফপূর্ণ কথা বলা ব্যক্তিদের সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করব না?" তিনি বললেন: "তারা কারা?" বলা হলো: "আসওয়াদের সঙ্গীরা।"
আসওয়াদ বিন আসরাম আল-মুহারিবিতাঁর গণনা সিরিয়াবাসীদের অন্তর্ভুক্ত।
সুলায়মান বিন হাবীব তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন।
দামেস্কের বিচারক আহমাদ বিন সুলায়মান বিন আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ বিন আব্দুল সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাদাকাহ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন আলী থেকে, তিনি সুলায়মান বিন হাবীব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সুলায়মান) বলেন: আসওয়াদ বিন আসরাম আল-মুহারিবি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমাকে উপদেশ প্রদান করুন। তিনি বললেন: "তুমি কি তোমার হাতকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারো?" আমি বললাম: আমি যদি আমার হাতকেই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তবে আমি আর কিসের অধিকারী হলাম? তিনি বললেন: "তুমি কি তোমার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারো?" আমি বললাম: আমি যদি আমার জিহ্বাকেই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তবে আমি আর কিসের অধিকারী হলাম? তিনি বললেন: "তাহলে তুমি কল্যাণের কাজ ব্যতীত তোমার হাত প্রসারিত করো না এবং ভালো কথা ব্যতীত তোমার জিহ্বা দ্বারা কিছু বলো না।"
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٨)
رواه عمرو بن أبي سلمة، عن صدقة مثله.
أخبرنا أحمد بن محمد بن إبراهيم، قال: حدثنا خلف بن عمرو، قال: حدثنا المعافى بن سليمان، قال: حدثنا موسى بن أعين، عن أبي عبد الرحيم خالد بن أبي يزيد، عن عبد الوهاب بن بخت، عن سليمان بن حبيب، عن أسود بن أصرم، قال: قلت: يا رسول الله، أوصني، فذكر مثله.
الأسود بن خطامة الكنانيأدرك النبي صلى الله عليه وسلم، أخو زهير بن خطامة.
أخبرنا أحمد بن إبراهيم بن جامع بمصر، قال: حدثنا أحمد بن محمد بن الحجاج، قال: حدثنا إبراهيم بن المنذر، قال: حدثنا عبد الملك بن
আমর ইবনে আবু সালামা এটি সদকা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: খালাফ ইবনে আমর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুআফা ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুসা ইবনে আইউন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আব্দুর রহিম খালিদ ইবনে আবু ইয়াজিদ থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহাব ইবনে বাখত থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে হাবিব থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে আসরাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে অসিয়ত করুন, অতঃপর তিনি এর অনুরূপ উল্লেখ করলেন।
আসওয়াদ ইবনে খাতামাহ আল-কিনানিতিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ পেয়েছেন, তিনি জুহাইর ইবনে খাতামাহ-এর ভাই।
মিশরে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে জামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাজ্জাজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে আল-মুনজির আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনে
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨٩)
بجير، قال: حدثني إسماعيل بن النضر بن الأسود بن خطامة، من بني كنانة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج زهير بن خطامة وافدًا، حتى قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فآمن بالله ورسوله، ثم قال: إن لنا حمى كنا نحميها في الجاهلية، فاحم لنا، ثم ذكر إسلام الأسود بطوله.
الأسود بن خزاعي الأسلميحليف لهم، استأذن النبي صلى الله عليه وسلم في قتل ابن أبي الحقيق.
أخبرنا محمد بن يعقوب، قال: حدثنا أحمد بن عبد الجبار، قال: حدثنا يونس بن بكير، عن ابن إسحاق: في تسمية من استأذنوا رسول الله صلى الله عليه وسلم في قتل ابن أبي الحقيق، فأذن لهم، فخرج إليه، عبد الله بن عتيك، وعبد الله بن أنيس، والأسود بن خزاعي حليف لهم من أسلم.
أخبرنا أبو النضر محمد بن عبد الله بن المنذر البخاري، قال: حدثنا حماد بن أحمد بن حماد المروزي، قال: حدثنا عبد الكريم بن الحارث
বুজাইর বলেছেন: ইসমাঈল ইবনুন নাদর বিন আসওয়াদ বিন খাতামাহ, যিনি বানু কিনানাহ গোত্রীয় ছিলেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি (দাদা) বলেন: যুহাইর বিন খাতামাহ প্রতিনিধি হিসেবে বের হলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলেন। এরপর তিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনলেন। অতঃপর তিনি বললেন: জাহিলিয়াত যুগে আমাদের একটি চারণভূমি ছিল যা আমরা সংরক্ষিত রাখতাম, আপনি আমাদের জন্য তা সংরক্ষিত করে দিন। এরপর তিনি বিস্তারিতভাবে আসওয়াদের ইসলাম গ্রহণের বর্ণনা দিলেন।
আল-আসওয়াদ বিন খুযায়ী আল-আসলামিতাদের মিত্র; তিনি ইবনু আবিল হুকাইককে হত্যা করার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করেছিলেন।
মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আব্দুল জাব্বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন বুকাইর ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন: ইবনু আবিল হুকাইককে হত্যা করার জন্য যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন এবং তিনি তাদের অনুমতি দিয়েছিলেন, তাদের নামের বর্ণনায় রয়েছে—আব্দুল্লাহ বিন আতীক, আব্দুল্লাহ বিন আনিস এবং আসলাম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত তাদের মিত্র আল-আসওয়াদ বিন খুযায়ী।
আবু আন-নাদর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুনযির আল-বুখারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাম্মাদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কারীম বিন আল-হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٠)
المروزي، قال: حدثنا محمد بن عمر المدني، عن أسامة بن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عطاء بن يسار، عن أبي رافع، قال: لما وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب قال له امض ولا تلتفت، فقال علي: كيف أصنع يا رسول الله؟ قال: إذا نزلت ناحيتهم فلا تقاتلهم حتى يقاتلوكم، فذكر الحديث، وفيه: فبرز رجل من مذحج، وبرز إليه الأسود بن خزاعي، فقتله الأسود وأخذ سلبه.
أسود بن أبي الأسود النهديمجهول، أدرك النبي صلى الله عليه وسلم.
أخبرنا أحمد بن محمد بن زياد بمكة، ومحمد بن يعقوب، قالا: حدثنا أحمد بن عبد الجبار، قال: حدثنا يونس بن بكير، قال: حدثنا عنبسة بن الأزهر، عن ابن الأسود النهدي، عن أبيه، قال: ركب رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الغار، فأصيب إصبع رجله، قال: هل أنت إلا إصبع دميت وفي سبيل الله ما لقيت.
قال محمد بن يعقوب في حديثه: عن الأسود، وقال أحمد: عن ابن الأسود، وهو الصواب.
মারওয়াযী বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে উমর আল-মাদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি উসামাহ ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু রাফে থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলী ইবনে আবি তালিবকে প্রেরণ করলেন, তখন তাঁকে বললেন, "তুমি এগিয়ে যাও এবং পিছন ফিরে তাকাবে না।" আলী বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল, আমি কী করব?" তিনি বললেন, "যখন তুমি তাদের এলাকায় অবতীর্ণ হবে, তখন তারা তোমার সাথে লড়াই না করা পর্যন্ত তুমি তাদের সাথে লড়াই করবে না।" এরপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে: মাজহিজ গোত্রের এক ব্যক্তি সামনে এগিয়ে এল এবং তার মোকাবিলায় আসওয়াদ ইবনে খুযাঈ বেরিয়ে এলেন। অতঃপর আসওয়াদ তাকে হত্যা করলেন এবং তার যুদ্ধের সরঞ্জাম গ্রহণ করলেন।
আসওয়াদ ইবনে আবি আসওয়াদ আন-নাহদীঅপরিচিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ পেয়েছেন।
মক্কায় আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ এবং মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আব্দুল জব্বার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনবাসাহ ইবনে আল-আযহার আমাদের নিকট ইবনুল আসওয়াদ আন-নাহদী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গুহার অভিমুখে সওয়ার হলেন, এমতাবস্থায় তাঁর পায়ের আঙুলে আঘাত লাগল। তিনি বললেন: "তুমি তো কেবল একটি আঙুল যা রক্তাক্ত হয়েছ, আর তুমি যা কিছু কষ্ট পেয়েছ তা আল্লাহর পথেই।"
মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব তাঁর বর্ণনায় বলেছেন: 'আসওয়াদ থেকে', আর আহমদ বলেছেন: 'ইবনুল আসওয়াদ থেকে', আর এটিই সঠিক।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩١)
ورواه عبدان، عن إسحاق بن موسى الأنصاري، عن يونس بن بكير مثله.
الأسود بن عبد الله اليماميوفد على النبي صلى الله عليه وسلم مع بشير بن الخصاصية.
أخبرنا الهيثم بن كليب إجازة، قال: حدثنا ابن أبي خيثمة، قال: حدثنا أبو سلمة، عن الصعق بن حزن، قال: حدثنا قتادة بن دعامة، قال: هاجر من ربيعة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة رجال من سدوس: بشير بن الخصاصية، وأسود بن عبد الله، من اليمامة.
এবং আবদান এটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে মুসা আল-আনসারী থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে বুকাইর থেকে, অনুরূপ।
আল-আসওয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ইয়ামামীতিনি বাশির ইবনে আল-খাসাসিয়াহর সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন।
আল-হাইসাম ইবনে কুলাইব আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি খায়সামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আস-সা’ক ইবনে হাযন থেকে, তিনি বলেন: কাতাদাহ ইবনে দি’আমাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাবি’য়াহ থেকে সাদূস গোত্রের চারজন ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হিজরত করেছিলেন: বাশির ইবনে আল-খাসাসিয়াহ এবং ইয়ামামার আসওয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٢)
الأسود بن ربيعة بن الأسود اليشكريعداده في أعراب البصرة.
أخبرنا محمد بن أبي عمرو البخاري، قال: حدثنا عمران بن موسى الجرجاني، قال: حدثنا محمد بن محمد بن مرزوق، قال: حدثنا حفص الطفاوي، قال: حدثنا الحارث بن عبيد الإيادي، قال: حدثني عباية، أو ابن عباية رجل من بني ثعلبة، عن أسود بن ربيعة بن أسود اليشكري: أن النبي صلى الله عليه وسلم لما فتح مكة قام خطيبًا، فقال: ألا إن دماء الجاهلية وغيرها تحت قدمي، إلا السقاية والسدانة.
الأسود بن عوف بن عبد عوف بن عبد بن الحارث بن زهرة
আল-আসওয়াদ ইবনে রাবিআ ইবনে আল-আসওয়াদ আল-ইয়াশকারিতাকে বসরার মরুবাসীদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়।
মুহাম্মদ ইবনে আবি আমর আল-বুখারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইমরান ইবনে মুসা আল-জুরজানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারজুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফস আত-তাফাউই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হারিস ইবনে উবাইদ আল-ইয়াদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বনু সা’লাবা গোত্রের জনৈক ব্যক্তি আবায়া অথবা ইবনে আবায়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আসওয়াদ ইবনে রাবিআ ইবনে আসওয়াদ আল-ইয়াশকারি থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মক্কা বিজয় করলেন তখন তিনি ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন এবং বললেন: "জেনে রেখো, জাহেলিয়াত আমলের সমস্ত রক্ত এবং অন্যান্য সব কিছু আমার দুই পায়ের নিচে (বাতিল ঘোষিত হলো), তবে হাজীদের পানি পান করানো এবং কাবার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ব্যতীত।"
আল-আসওয়াদ ইবনে আউফ ইবনে আবদ আউফ ইবনে আবদ ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহরাহ
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٣)
أخو عبد الرحمن، أسلم يوم الفتح، هو وحصين، فمات بالمدينة، وله بها دار.
أخبرنا أحمد بن مهران، قال: حدثنا محمد بن منصور، قال: حدثنا محمد بن سعد الواقدي، قال: وعبد الله بن عوف بن عبد عوف، أخو عبد الرحمن أسلم في الفتح هو وأخوه الأسود وحصين، وله دار بالمدينة، فيها مات.
الأسود بن مالك الأسدي اليمانيأخو الحدرجان بن مالك، ولأخيه وفادة على النبي صلى الله عليه وسلم.
أخبرنا محمد بن نافع الخزاعي، والحسن بن أبي الحسن العسكري، قالا: حدثنا محمد بن أحمد بن حماد، قال: حدثنا إسحاق بن إبراهيم الرملي، قال: حدثنا هشام بن محمد بن هاشم بن جزء بن عبد الرحمن بن جزء بن الحدرجان بن مالك، قال: حدثني أبي، عن أبيه، عن جده، قال: حدثني أبي جزء بن الحدرجان، قال: قدمت أنا وأخي الأسود على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فآمنا به وصدقناه، وكان جزء والأسود قد خدما النبي صلى الله عليه وسلم وصحباه.
আব্দুর রহমানের ভাই, মক্কা বিজয়ের দিন তিনি ও হুসাইন ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানে তাঁর একটি ঘর ছিল।
আহমদ বিন মেহরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন মনসুর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন সাদ আল-ওয়াকিদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আর আব্দুল্লাহ বিন আউফ বিন আব্দ আউফ, যিনি আব্দুর রহমানের ভাই, তিনি এবং তাঁর ভাই আসওয়াদ ও হুসাইন মক্কা বিজয়ের সময় ইসলাম গ্রহণ করেন। মদিনায় তাঁর একটি ঘর ছিল এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আসওয়াদ বিন মালিক আল-আসাদি আল-ইয়ামানিতিনি আল-হাদরাজান বিন মালিকের ভাই। তাঁর ভাইয়ের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রতিনিধি হিসেবে আগমনের ঘটনা রয়েছে।
মুহাম্মদ বিন নাফে আল-খুজায়ি এবং আল-হাসান বিন আবিল হাসান আল-আসকারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাম্মাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-রামলি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হিশাম বিন মুহাম্মদ বিন হাশিম বিন জুজ বিন আব্দুর রহমান বিন জুজ বিন আল-হাদরাজান বিন মালিক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা তাঁর পিতার নিকট থেকে এবং তিনি তাঁর দাদার নিকট থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা জুজ বিন আল-হাদরাজান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এবং আমার ভাই আসওয়াদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলাম। এরপর আমরা তাঁর ওপর ঈমান আনলাম এবং তাঁকে সত্য বলে স্বীকার করলাম। জুজ এবং আসওয়াদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খিদমত করেছেন এবং তাঁর সাহচর্য লাভ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٤)
هذا حديث غريب، لا يعرف إلا بهذا الإسناد، تفرد به إسحاق الرملي.
الأسود بن عمران البكريمن بكر بن وائل، وقيل: عمران بن الأسود، قدم على النبي صلى الله عليه وسلم وافدًا،
أخبرنا محمد بن محمد بن يعقوب النيسابوري، قال: حدثنا محمد بن عبد الله الرازي، قال: حدثنا موسى بن نصر، قال: حدثنا حكام بن سلم، قال: حدثنا عمرو بن أبي قيس، عن ميسرة النهدي، عن أبي المحجل، عن عمران بن الأسود، أو الأسود بن عمران، قال: كنت رسول قومي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ووافدهم لما دخلوا في الإسلام وأقروا.
الأسود بن ثعلبة اليربوعي
এটি একটি গরীব হাদিস, এই সনদ ব্যতীত এটি পরিচিত নয়, ইসহাক আর-রামলি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
আসওয়াদ ইবন ইমরান আল-বাকরিতিনি বকর ইবন ওয়াইল গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, এবং বলা হয়: ইমরান ইবনুল আসওয়াদ, তিনি প্রতিনিধি হিসেবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসেছিলেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইয়াকুব আন-নিসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবন নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুক্কাম ইবন সালম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমর ইবন আবি কাইস, তিনি মাইসারা আন-নাহদি থেকে, তিনি আবু আল-মুহাজ্জাল থেকে, তিনি ইমরান ইবনুল আসওয়াদ অথবা আসওয়াদ ইবন ইমরান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আমার কওমের দূত ও প্রতিনিধি ছিলাম যখন তারা ইসলাম গ্রহণ করেছিল এবং তা স্বীকার করে নিয়েছিল।
আসওয়াদ ইবন সা’লাবা আল-ইয়ারবুয়ি
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٥)
شهد النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع، وسمعه يقول: لا يجني جان إلا على نفسه، ذكره محمد بن سعد الواقدي في الصحابة، فيمن نزل الكوفة.
الأسود الحبشيسأل النبي صلى الله عليه وسلم.
أخبرنا إسماعيل بن محمد الصفار، قال: حدثنا عبد الكريم بن الهيثم، قال: حدثنا عباس بن النرسي، قال: حدثنا عامر بن يساف، عن النضر بن عبيد، عن الحسن بن ذكوان، عن عطاء، عن ابن عمر، قال: جاء حبشي يقال له: الأسود الحبشي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا نبي الله، أخبرني عن الصور؟ فذكر الحديث.
الأسود بن البختري بن خويلد
তিনি বিদায় হজে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রত্যক্ষ করেছেন এবং তাঁকে বলতে শুনেছেন: কোনো অপরাধী নিজের ওপর ছাড়া অন্য কারো ওপর অপরাধ করে না। মুহাম্মদ ইবনে সাদ আল-ওয়াকিদি সাহাবীদের জীবনী গ্রন্থে কুফায় বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
আল-আসওয়াদ আল-হাবাশীতিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলেন।
ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আল-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল কারিম ইবনে আল-হাইসাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাস ইবনে আল-নারসি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমির ইবনে ইয়াসাফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, নজর ইবনে উবায়দ থেকে, তিনি হাসান ইবনে জাকওয়ান থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আসওয়াদ আল-হাবাশী নামক জনৈক হাবশী ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর নবী, আমাকে আকৃতিসমূহ সম্পর্কে অবহিত করুন। তারপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন।
আল-আসওয়াদ ইবনে আল-বাখতারি ইবনে খুওয়াইলিদ
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٦)
سأل النبي صلى الله عليه وسلم، ذكره البخاري في الصحابة.
روى البخاري، عن الحسن بن مدرك، عن يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن أبي مالك، قال: حدثني أبو حازم: أن
الأسود بن البختري قال: يا رسول الله، أعظم لأجري أن استغني عن قومي.
الأسود
سماه النبي صلى الله عليه وسلم أبيض.
أخبرنا محمد بن يعقوب بن يوسف، قال: حدثنا محمد بن إسحاق الصاغاني، قال: حدثنا عثمان بن صالح، قال: حدثنا ابن لهيعة، عن بكر بن سوادة، أن سهل بن سعد قال: كان رجل يسمى أسود، فسماه النبي صلى الله عليه وسلم أبيض.
رواه ابن وهب وغيره، عن ابن لهيعة.
তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলেন, বুখারী সাহাবীদের জীবনী গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন।
বুখারী হাসান ইবনে মুদরিক থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে হাম্মাদ থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে, তিনি আবু মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হাযিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে,
আসওয়াদ ইবনে বাখতারি বলেছেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমার কওমের নিকট থেকে অমুখাপেক্ষী থাকা কি আমার সওয়াবকে অধিক বৃদ্ধি করবে?
আসওয়াদ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নাম রেখেছিলেন আবইয়াদ।
মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহীআ বকর ইবনে সাওয়াদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, সাহল ইবনে সাদ বলেছেন: এক ব্যক্তির নাম ছিল আসওয়াদ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নাম রেখেছিলেন আবইয়াদ।
ইবনে ওয়াহাব এবং অন্যান্যরা এটি ইবনে লাহীআ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٧)
الأسود بن حازم بن صفوان بن عرارنزل بخارى.
أخبرنا سهل بن السري البخاري، قال: حدثنا طاهر بن محمد بن حمزة، ومحمد بن عبد الله بن إبراهيم، قالا: حدثنا أبو أحمد بحير بن النضر، قال: سمعت أبا جميل عباد بن هشام الشامي، يقول: رأيت رجلا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يقال له: الأسود بن حازم بن صفوان بن عرار، قال: وكنت آتيه مع أبي وأنا يومئذ ابن ست أو سبع سنين، وكان يأكل التمر مع السمن، ولم يكن في فمه أسنان، فكان يأخذ التمر مع السمن فيجعله في فمه فيبتلعه، وكان يجعل التمر في حجري، ويقول لي: كل، قال: فسمعته يقول: شهدت غزوة الحديبية مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ابن ثلاثين سنة، فسئل: وكم أتى لك؟ فقال: خمس وخمسون ومائة، وعقد على يديه.
قال: وأبو جميل هذا كان مؤذنا في قرية من قرى بخارى.
আল-আসওয়াদ বিন হাযেম বিন সাফওয়ান বিন আরারতিনি বুখারায় বসতি স্থাপন করেছিলেন।
সাহল বিন আস-সুররি আল-বুখারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: তাহের বিন মুহাম্মদ বিন হামযাহ এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু আহমাদ বুহায়র বিন আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু জামিল আব্বাদ বিন হিশাম আশ-শামিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে দেখেছি যাকে আল-আসওয়াদ বিন হাযেম বিন সাফওয়ান বিন আরার বলা হতো। তিনি বলেন: আমি আমার পিতার সাথে তাঁর নিকট যেতাম এবং সে সময় আমি ছয় বা সাত বছরের বালক ছিলাম। তিনি ঘি দিয়ে খেজুর খেতেন এবং তাঁর মুখে কোনো দাঁত ছিল না; তাই তিনি ঘি-সহ খেজুর নিতেন এবং তা মুখে দিয়ে গিলে ফেলতেন। তিনি আমার কোলে খেজুর রাখতেন এবং আমাকে বলতেন: খাও। তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হুদায়বিয়ার যুদ্ধে উপস্থিত ছিলাম যখন আমার বয়স ছিল ত্রিশ বছর। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনার বয়স কত হয়েছে? তিনি বললেন: একশত পঞ্চান্ন বছর, এবং তিনি তাঁর হাতের আঙুলে তা গণনা করে দেখালেন।
বর্ণনাকারী বলেন: এই আবু জামিল বুখারার গ্রামসমূহের একটি গ্রামের মুয়াজ্জিন ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٨)
الأسود بن عويم السدوسيروى حديثه علي بن قرين، عن حبيب بن حبيب بن عامر بن مسلم السدوسي، عن الأسود بن عويم، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الجمع بين الحرة والأمة، فقال: للحرة يومان، وللأمة يوم.
أسد بن كرز القسريمن بجيلة، عداده.
…
الأقرم بن زيد الخزاعي. ....
قال: حدثنا القعنبي، قال: حدثنا داود بن قيس، عن عبيد الله بن عبد الله بن أقرم، قال: حدثني أبي، أنه كان مع أبيه، يعني أقرم
আল-আসওয়াদ ইবনে উওয়াইম আস-সাদুসীতার হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে কুরীন, হাবীব ইবনে হাবীব ইবনে আমির ইবনে মুসলিম আস-সাদুসী থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ ইবনে উওয়াইম থেকে; তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বাধীন নারী ও দাসীকে (স্ত্রী হিসেবে) একত্র রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "স্বাধীন নারীর জন্য দুই দিন এবং দাসীর জন্য এক দিন।"
আসাদ ইবনে কারয আল-কাসরীবাজিলা গোত্রভুক্ত, তাদের মাঝেই তার গণনা।
... আল-আকরাম ইবনে যায়েদ আল-খুযাঈ. ....
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কায়নাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে কায়স, উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আকরাম থেকে, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তার পিতার সাথে ছিলেন, অর্থাৎ আকরাম।
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩٩)
بالقاع من نمرة، فمر بنا ركب، فقال أبي: أي بني، كن في بهمك حتى آتى هؤلاء القوم فأسألهم، فدنا ودنوت، فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي، فكأني أنظر إليه وهو ساجد.
رواه ابن مهدي، وأبو داود، وأبو خالد الأحمر، وصفوان بن عيسى وغيرهم، عن داود، عن عبيد الله بن أقرم.
وقال وكيع: عن داود، عن عبد الله بن عبد الله بن أقرم.
أصحمة النجاشي
নামিরার সমতল ভূমিতে থাকাকালীন একটি কাফেলা আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করল। তখন আমার পিতা বললেন: হে বৎস, তুমি তোমার গবাদি পশুর সাথেই থাকো, আমি এই কাফেলার লোকদের কাছে গিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করি। অতঃপর তিনি নিকটবর্তী হলেন এবং আমিও নিকটবর্তী হলাম। তখন দেখলাম আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত আদায় করছেন। আমি যেন এখনো তাঁর দিকে তাকিয়ে আছি এমতাবস্থায় যে তিনি সিজদাবনত ছিলেন।
এটি ইবন মাহদী, আবু দাউদ, আবু খালিদ আল-আহমার, সাফওয়ান ইবন ঈসা এবং অন্যান্যরা দাউদ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আকরাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
ওয়াকী বলেছেন: দাউদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আকরাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
আসহামা আন-নাজাশী
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠٠)
أسلم في عهد النبي صلى الله عليه وسلم، ومات قبل فتح مكة، وصلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم، عليه أربعًا.
روى عنه: جعفر بن أبي طالب، وعبد الله بن مسعود.
أخبرنا أحمد بن محمد بن زياد، قال: حدثنا محمد بن عبد الملك بن مروان، قال: حدثنا يزيد بن هارون، قال: أخبرنا سليم بن حيان، عن سعيد بن ميناء، عن جابر بن عبد الله: أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى على أصحمة النجاشي.
أعشى بن مازنوهو ابن مازن بن عمرو بن تميم، ويقال: اسمه عبد الله بن الأعور، وقيل: غير ذلك، له صحبة، سكن البصرة.
أخبرنا جعفر بن أحمد الخصاف، قال: حدثنا أحمد بن ميثم، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: ومن بني تميم ممن صحب النبي صلى الله عليه وسلم: أعشى بن مازن.
أخبرنا عمر بن محمد العطار بمصر، قال: حدثنا عبد الكريم بن الهيثم،
তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং মক্কা বিজয়ের পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ওপর (জানাজায়) চারটি তাকবীর পাঠ করেছিলেন।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: জাফর বিন আবি তালিব এবং আবদুল্লাহ বিন মাসউদ।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন হারুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইম বিন হাইয়ান, সাঈদ বিন মিনা থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসহামাহ আন-নাজাশীর জানাজার সালাত আদায় করেছেন।
আশশা বিন মাজিনতিনি হলেন মাজিন বিন আমর বিন তামিমের পুত্র, এবং বলা হয় তাঁর নাম আবদুল্লাহ বিন আল-আওয়ার, আবার কেউ কেউ অন্য কিছু বলেছেন। তাঁর সাহচর্য (সাহাবিয়াত) রয়েছে এবং তিনি বসরায় বসবাস করতেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর বিন আহমদ আল-খাসসাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মাইসাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেন: বনু তামিম গোত্রের মধ্য হতে যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছেন: আশশা বিন মাজিন।
মিশরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওমর বিন মুহাম্মদ আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল করিম বিন আল-হাইসাম,
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠١)
قال: حدثنا إبراهيم بن محمد بن عرعرة، قال: حدثنا أبو معشر، قال: حدثنا صدقة بن طيسلة، قال: حدثني معن بن ثعلبة، قال: حدثنا الأعشى المازني.
حدثنا يحيى بن عبد الله بن الحارث، ومحمد بن إبراهيم بن مروان الدمشقيان، قالا: حدثنا أحمد بن علي بن سعيد، قال: حدثنا إبراهيم بن محمد بن عرعرة، قال: حدثنا أبو معشر يوسف بن يزيد البراء، قال: حدثني طيسلة بن صدقة المازني، قال: حدثني أبي والحي، عن أعشى بني مازن، قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأنشدته:
يا مالك الناس وديان العرب
… إني تزوجت ذربة من الذرب
ذهبت أبغيها الطعام في رجب
… فخلقتني بنزاع وهرب
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আরআরাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাশার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকা বিন তায়সালাহ, তিনি বলেন: আমাকে জানিয়েছেন মা'ন বিন সা'লাবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আশা আল-মাজিনি।
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস এবং মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন মারওয়ান আদ-দিমাশকি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আলি বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আরআরাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাশার ইউসুফ বিন ইয়াজিদ আল-বাররা, তিনি বলেন: আমাকে জানিয়েছেন তায়সালাহ বিন সাদাকা আল-মাজিনি, তিনি বলেন: আমাকে জানিয়েছেন আমার পিতা এবং গোত্রবাসীগণ, বনু মাজিনের আশা থেকে, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে এই কবিতা আবৃত্তি করে শুনালাম:
হে মানুষের অধিপতি এবং আরবদের বিচারক
… আমি এক কটুভাষী নারীকে বিবাহ করেছি
আমি রজব মাসে তার জন্য খাদ্যের সন্ধানে বের হলাম
… অতঃপর সে ঝগড়া ও পলায়নের মাধ্যমে আমাকে নিঃস্ব করে দিল (ফেলে চলে গেল)
(খণ্ড: ১)
মারিফাতুস সাহাবা লি ইবনে মান্দাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠٢)
أخلفت العهد ولطت بالذنب
… وهن شر غالب لمن غلب
فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يقول: وهن شر غالب لمن غلب.
أسلع بن شريك بن عوف الأعرجيله صحبة، عداده في أعراب البصرة.
أخبرنا علي بن محمد بن نصر، قال: حدثنا هشام بن علي السيرافي، قال: حدثنا قيس بن حفص الدارمي، قال: سألت بعض بني عم الأسلع عن نسبته، فقال: هو الأسلع بن شريك بن عوف.
أخبرنا علي، قال: حدثنا هشام، قال: حدثنا قيس، قال: حدثنا الربيع
আমি অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছি এবং গুনাহে লিপ্ত হয়েছি
… আর তারা (নারীরা) হলো বিজয়ী ব্যক্তির ওপর এক নিকৃষ্ট বিজয়ী।
অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতে লাগলেন: আর তারা বিজয়ী ব্যক্তির ওপর এক নিকৃষ্ট বিজয়ী।
আসলা ইবনে শুরাইক ইবনে আউফ আল-আরাজিতাঁর সাহচর্য রয়েছে, তাঁকে বসরার বেদুঈনদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়।
আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে আলী আস-সিরাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: কায়স ইবনে হাফস আদ-দারিমি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আসলা-এর জনৈক চাচাতো ভাইকে তাঁর বংশ পরিচয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: তিনি হলেন আসলা ইবনে শুরাইক ইবনে আউফ।
আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিশাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: কায়স আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আর-রাবি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।