(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: -)
مسند الموطأ للجوهري (الجوهري، أبو القاسم)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مسند الموطأ للجوهري
المؤلف: أَبُو القَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ عَبْدِ اللهِ بنِ مُحَمَّدٍ الغَافِقِيُّ، الجَوْهَرِيُّ المالكي (ت 381هـ)
تحقيق: لطفي بن محمد الصغير، طه بن علي بُو سريح
الناشر: دار الغرب الإسلامي، بيروت
الطبعة: الأولى، 1997 م
عدد الصفحات: 631
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 22 محرم 1433
মুসনাদুল মুয়াত্তা লি জাওহারী (আল-জাওহারী, আবুল কাসেম)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মুসনাদুল মুয়াত্তা লি জাওহারী
লেখক: আবুল কাসেম আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-গাফেকি, আল-জাওহারী আল-মালিকি (মৃত্যু ৩৮১ হিজরী)
তাহকিক: লুৎফি বিন মুহাম্মদ আস-সাগির, ত্বহা বিন আলি বু সারিহ
প্রকাশনী: দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৩১
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২২ মুহররম ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
الْجُزْءُ الأَوْل مِنْ مُسْنَدِ حَدِيثِ مُوَطَّأِ مَالِكٍ1 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ خَالَوَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ بَحْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ قُرَّةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «كُلُّ أَمْرٍ ذِي بَالٍ لا يُبْدَأُ بِحَمْدِ اللَّهِ فَهُوَ أَقْطَعُ» 2 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الأُصْبُعِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ: أَرَأَيْتَ قَوْلَ اللَّهِ عز وجل:
মুওয়াত্তা মালিকের মুসনাদ হাদিসের প্রথম অংশ১ - আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আয-যুহলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে খালাওয়াইহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে বাহর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওযাঈ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুররাহ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা শুরু না হওয়া প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ অপূর্ণাঙ্গ বা বরকতহীন হয়» ২ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবিল আসবা’ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসাদ ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারককে বললাম: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী সম্পর্কে আপনি কি ভেবেছেন:
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮২)
{قُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَسَلامٌ عَلَى عِبَادِهِ الَّذِينَ اصْطَفَى} [النمل: 59] من هؤلاء؟ فَحَدَّثَنِي، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، قَالَ: هُمْ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " 3 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّاءَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو الْجَزَرِيُّ، قَالَ: قَالَ لِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ صَالِحٍ " مَنْ آلُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم؟ قُلْتُ: أَهْلُ الاتِّبَاعِ لَهُ ".قَالَ: صَدَقْتَ، هَكَذَا قَالَ لِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ4 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الحُمَيْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه يُخْبِرُ بِذَلِكَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لامْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ»
"বলুন, সকল প্রশংসা আল্লাহর এবং সালাম তাঁর সেই বান্দাদের ওপর যাদের তিনি মনোনীত করেছেন" [আন-নামল: ৫৯]। এরা কারা? তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি বলেন: "তারা হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ।" ৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নায়সাবুরি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আব্দুল আ'লা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মাবাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর আল-জাজারি, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনে সালিহ আমাকে বললেন: "মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবার (আল) কারা? আমি বললাম: তাঁরা হলেন তাঁর অনুসারীগণ।"তিনি বললেন: "তুমি সত্য বলেছ, মালিক ইবনে আনাসও আমাকে এমনটাই বলেছিলেন।"৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আবদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুমায়দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি যে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লায়সিকে বলতে শুনেছেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে এ কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য হবে, তবে তার হিজরত সেদিকেই গণ্য হবে যেদিকে সে হিজরত করেছে।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
بَابُ: مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ لِقَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {نَرْفَعُ دَرَجَاتٍ مَنْ نَشَاءُ} [الأنعام: 83]5 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي مَطَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ زَنَبْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، فِي قَوْلِ اللَّهِ جَلَّ وَعَزّ " {نَرْفَعُ دَرَجَاتٍ مَنْ نَشَاءُ} [الأنعام: 83]، قَالَ: بِالْعِلْمِ "
পরিচ্ছেদ: ইলমের (জ্ঞানের) শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে মহান আল্লাহর এই বাণীর প্রেক্ষিতে: {আমি যাকে ইচ্ছা তাকে মর্যাদায় উন্নীত করি} [আল-আনআম: ৮৩]৫ - আবুল হাসান আলি ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি মাতার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে জানবার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে—"{আমি যাকে ইচ্ছা তাকে মর্যাদায় উন্নীত করি} [আল-আনআম: ৮৩]", তিনি বলেন: "ইলমের (জ্ঞানের) মাধ্যমে।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
6 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ، يَقُولُ فِي قَوْلِ اللَّهِ جَلَّ وَعَزَّ " {رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً} [البقرة: 201] الآيَةَ، قَالَ: الْحَسَنَةُ فِي الدُّنْيَا الْعِلْمُ وَالرِّزْقُ الطَّيِّبُ، وَفِي الآخِرَةِ: الْجَنَّةُ " 7 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ فِي قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {وَجَعَلَنِي مُبَارَكًا أَيْنَ مَا كُنْتُ} [مريم: 31]، قَالَ: مُعَلِّمُ الْخَيْرِ الْخَيْرِ " بَابُ: الْعِلْمِ قَبْلَ الْعَمَلِ لِقَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {فَاعْلَمْ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ} [محمد: 19]8 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مَطَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: أنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الرَّقِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُوَيْدٍ، قَالَ " تَعَبَّدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُطَرِّفٍ، فَقَالَ لَهُ مُطَرِّفٌ: يَا عَبْدَ اللَّهِ
৬ - আমাদের কাছে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মাদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান আস-সাওরিকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী "{হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান করুন}" [আল-বাকারা: ২০১] আয়াতটি সম্পর্কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: দুনিয়ার কল্যাণ হলো ইলম (জ্ঞান) এবং পবিত্র রিযিক, আর আখেরাতে হলো জান্নাত। ৭ - আমাদের আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মাদানি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী: {আর তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন যেখানেই আমি থাকি} [মারইয়াম: ৩১] সম্পর্কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: (এর অর্থ হলো) কল্যাণের শিক্ষক। পরিচ্ছেদ: আমলের পূর্বে ইলম (জ্ঞান) অর্জন করা, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণীর কারণে: {সুতরাং জেনে রাখুন যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই} [মুহাম্মাদ: ১৯]৮ - আমাদের কাছে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি মাতার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আর-রাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইবনে উলাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইসহাক ইবনে সুওয়াইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আব্দুল্লাহ ইবনে মুতাররিফ ইবাদতে মগ্ন হলেন, তখন মুতাররিফ তাকে বললেন: হে আব্দুল্লাহ"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
الْعِلْمُ أَفْضَلُ مِنَ الْعَمَلِ، وَالْحَسَنَةُ بَيْنَ السَّيِّئَتَيْنِ، وَخَيْرُ الأُمُورِ أَوْسَاطُهَا، وَشَرُّ السَّيْرِ الْحَقْحَقَةُ ".يَعْنِي: الإِتْعَابُ.قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: قَوْلُهُ: الْحَسَنَةُ بَيْنَ السَّيِّئَتَيْنِ أَرَادَ: الْغُلُوُّ فِي الْعَمَلِ سَيِّئَةٌ، وَالتَّقْصِيرُ عَنْهُ سَيِّئَةٌ، وَالْحَسَنَةُ بَيْنَهُمَا، وَهُوَ الْقَصْدُ، وَالْغُلُوُّ: التَّعَمُّقُ.وَقَوْلُهُ: وَشَرُّ السَّيْرِ الْحَقْحَقَةُ: وَهُوَ أَنْ يُلِحَّ فِي شِدَّةِ السَّيْرِ حَتَّى يَقُومَ عَلَى رَاحِلَتِهِ، أَوْ تَعْطَبَ فَيَبْقَى مُنْقَطِعًا بِهِ.وَهَذَا مَثَلٌ ضَرَبهُ لِلْمُجْتَهِدِ فِي الْعِبَادَةِ حَتَّى يُحْسَرَ9 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ رَاشِدَ بْنَ أَبِي سُكَيْنَةَ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ، يَقُولُ: إِنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ»
আমলের চেয়ে জ্ঞান শ্রেষ্ঠ, এবং দুটি মন্দের মাঝে একটি নেক কাজ অবস্থান করে, আর সর্বোত্তম বিষয় হলো তার মধ্যপন্থা, এবং নিকৃষ্টতম পথচলা হলো হাকহাকাহ।"অর্থাৎ: ক্লান্ত করে ফেলা।আবু উবাইদ বলেন: তাঁর বাণী ‘দুটি মন্দের মাঝে একটি নেক কাজ’ দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন যে: আমলে বাড়াবাড়ি করা একটি মন্দ কাজ, এবং তাতে শিথিলতা প্রদর্শন করা একটি মন্দ কাজ, আর এ দুয়ের মাঝে যা রয়েছে তা-ই হলো নেক কাজ, আর তা হলো মধ্যপন্থা; এবং ‘গুলু’ (বাড়াবাড়ি) হলো অতিগভীরতা বা চরমপন্থা অবলম্বন করা।এবং তাঁর বাণী ‘নিকৃষ্টতম পথচলা হলো হাকহাকাহ’: আর তা হলো পথ চলায় এমন তীব্রতা ও কঠোরতা অবলম্বন করা যাতে সওয়ারি বাহনটি ক্লান্ত হয়ে থেমে যায় অথবা ধ্বংস হয়ে যায়, ফলে সে পথিমধ্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে।আর এটি একটি উদাহরণ যা তিনি ইবাদতে ঐ কঠোর পরিশ্রমকারীর জন্য পেশ করেছেন, যে শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত-অবসন্ন হয়ে পড়ে।৯ - আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর বিন আল-হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাশিদ বিন আবি সুকায়নাহ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মুয়াবিয়া বিন আবি সুফিয়ানকে মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান (ফেকাহ) দান করেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
10 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي كَرِيمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِسْوَرِ، أَنَّ رَجُلا أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «أَتَيْتُكَ لِتُعَلِّمَنِي مِنْ غَرَائِبِ الْعِلْمِ».فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا صَنَعْتَ فِي رَأْسِ الْعِلْمِ؟» قَالَ: وَمَا رَأْسُ الْعِلْمِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: هَلْ عَرَفْتَ الرَّبَّ عز وجل؟ قَالَ: نَعَمْ.قَالَ: فَمَا صَنَعْتَ فِي حَقِّهِ؟ قَالَ: مَا شَاءَ اللَّهُ.قَالَ: هَلْ عَرَفْتَ المَوْتَ؟ قَالَ: نَعَمْ.قَالَ: فَمَا أَعْدَدْتَ لَهُ؟ قَالَ: مَا شَاءَ اللَّهُ.قَالَ: فَاذْهَبْ فَأَحْكِمْ مَا هُنَالِكَ، وَتَعَالَ نُعَلِّمْكَ مِنْ غَرَائِبِ الْعِلْمِ " 11 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دِيزِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ: سُئِلَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، فَقِيلَ لَهُ " يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، أَيُّ
১০ - আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-মাদানি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবন আবি কারিমাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আল-মিসওয়ার থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললেন: «আমি আপনার নিকট এসেছি যেন আপনি আমাকে ইলমের বিরল বিষয়সমূহ শিক্ষা দেন।»তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: «তুমি ইলমের মূল বিষয়ে কী করেছ?» তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ইলমের মূল বিষয় কী? তিনি বললেন: «তুমি কি মহান ও প্রতাপশালী রবকে চিনেছ?» তিনি বললেন: হ্যাঁ।তিনি বললেন: «তাহলে তাঁর হকের ব্যাপারে তুমি কী করেছ?» তিনি বললেন: আল্লাহ যা চেয়েছেন।তিনি বললেন: «তুমি কি মৃত্যুকে চিনেছ?» তিনি বললেন: হ্যাঁ।তিনি বললেন: «তাহলে তার জন্য তুমি কী প্রস্তুতি নিয়েছ?» তিনি বললেন: আল্লাহ যা চেয়েছেন।তিনি বললেন: «তাহলে যাও এবং সেখানে যা আছে তা সুদৃঢ় করো, অতঃপর এসো, আমি তোমাকে ইলমের বিরল বিষয়সমূহ শিক্ষা দেব।» ১১ - আবু আলী আল-হাসান ইবন আলী ইবন শাবান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন মারওয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবন দিজিল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন আবি উওয়াইস আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবন আনাস জিজ্ঞাসিত হলেন, তাকে বলা হলো: «হে আবু আবদুল্লাহ, কোন্...»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
شَيْءٍ أَفْضَلُ مَا يَصْنَعُهُ الْعَبْدُ؟ قَالَ: طَلَبُ الْعِلْمِ وَالْفِقْهِ، أَمَا سَمِعْتَ قَوْلَهُ عز وجل: {لِيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنْذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ} [التوبة: 122] " 12 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ نَسْمَعُ مِنْهُ، فَقُلْنَا: نُرِيدُ الْغَزْوَ فَلَوْ حَدَّثْتَنَا؟ فَقَالَ «مُقَامُكُمْ عَلَى الْعِلْمِ أَفْضَلُ مِنَ الْغَزْوِ» 13 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِصَامُ بْنُ غِيَاثٍ قَالَ: سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ أَخْزَمَ الطَّائِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دَاوُدَ، يَقُولُ: " إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ عَزَلَ اللَّهُ عز وجل الْعُلَمَاءَ عَنِ الْحِسَابِ، وَيَقُولُ: ادْخُلُوا الْجَنَّةَ عَلَى مَا كَانَ فِيكُمْ إِنِّي لَمْ أَجْعَلْ حُكْمِيَ فِيكُمْ إِلا لِخَيْرٍ أُرِيدُهُ بِكُمْ " 14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّجِيرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُرَيْقٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَارِثُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكًا،
...কোন কাজ একজন বান্দার জন্য সর্বোত্তম? তিনি বললেন: ইলম ও ফিকহ অন্বেষণ করা। তুমি কি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী শোনোনি: {যাতে তারা দ্বীন সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করতে পারে এবং তাদের সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে আসার পর তাদেরকে সতর্ক করতে পারে} [আত-তাওবা: ১২২] ১২ - আবু ইসহাক মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম ইবনে শাবান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে উসমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনে আবদুর রহমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমরা মালিক ইবনে আনাসের নিকট উপস্থিত ছিলাম এবং তাঁর নিকট থেকে পাঠ গ্রহণ করছিলাম। তখন আমরা বললাম: আমরা যুদ্ধে যেতে চাই, আপনি যদি আমাদের নিকট কিছু বর্ণনা করতেন? তিনি বললেন, "তোমাদের ইলম অর্জনে নিমগ্ন থাকা যুদ্ধের চেয়েও উত্তম।" ১৩ - আবুল কাসিম হামযা ইবনে মুহাম্মদ আল-কিনানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসাম ইবনে গিয়াস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি যায়েদ ইবনে আখযাম আত-তাঈকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে দাউদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে, তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আলেমদের হিসাব থেকে আলাদা করে রাখবেন এবং বলবেন: তোমাদের মাঝে যা (ইলম) ছিল তার ভিত্তিতে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মাঝে আমার প্রজ্ঞা কেবল সেই কল্যাণের উদ্দেশ্যেই ন্যস্ত করেছি যা আমি তোমাদের জন্য চেয়েছিলাম।" ১৪ - আহমাদ ইবনুল হাসান আন-নাজীরামী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে যুরাইক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনুল কাসিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মালিককে বলতে শুনেছি,
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
يَقُولُ: " لَيْسَ الْعِلْمُ بِكَثْرَةِ الرِّوَايَةِ، إِنَّمَا الْعِلْمُ نُورٌ يَضَعُهُ اللَّهُ عز وجل فِي الْقُلُوبِ 15 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ «الْعِلْمُ مَخَافَةُ اللَّهِ عز وجل»16 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الكِنَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الإِمَامِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَائِدَةُ وَهُوَ ابْنُ قُدَامَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ رَجُلٍ يَسْلُكُ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا إِلا سَلَكَ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَبْطَأَ بِهِ عَمَلُهُ لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ»17 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مَطَرٍ الْمَعَافِرِيُّ
তিনি বলেন: "অধিক রেওয়ায়েত বা বর্ণনার নাম জ্ঞান নয়, বরং জ্ঞান হলো এমন এক নূর (আলো), যা মহান আল্লাহ অন্তরে স্থাপন করেন।" ১৫ - আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন উইয়াইনা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন, "আল্লাহর ভয়ই হলো প্রকৃত জ্ঞান।"১৬ - আবুল কাসিম হামজাহ বিন মুহাম্মদ আল-কিনানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন জাফর বিন ইমাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: যাইদাহ (যিনি ইবনে কুদামা) আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণের জন্য কোনো পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। আর যার আমল তাকে পিছিয়ে দেয়, তার বংশমর্যাদা তাকে এগিয়ে নিতে পারে না।"১৭ - আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু মাতার আল-মা'আফিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُرْشِيِّ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَوْفُ بْنُ مَالِكٍ الأَشْجَعِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَظَرَ إِلَى السَّمَاءِ، فَقَالَ: «هَذَا أَوَانُ يُرْفَعُ الْعِلْمُ»! فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ، يُقَالُ لَهُ لَبِيدُ بْنُ زِيَادٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، يُرْفَعُ العِلْمُ وَقَدْ ثَبَتَ وَوَعَتْهُ القُلُوبُ؟ ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنْ كُنْتُ لأَحْسَبُكَ مِنْ أَفْقَهِ أَهْلِ المَدِينَةِ».ثُمَّ ذَكَرَ لَهُ ضَلالَةَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى عَلَى مَا فِي أَيْدِيِهِمْ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ.قَالَ: فَلَقِيتُ شَدَّادَ بْنَ أَوْسٍ: فَحَدَّثْتُهُ بِحَدِيثِ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، فَقَالَ: صَدَقَ عَوْفٌ أَلا أُخْبِرُكَ بِأَوَّلِ ذَلِكَ يُرْفَعُ الْخُشُوعُ حَتَّى لا تَرَى خَاشِعًا، يُقَالُ: الْخُشُوعُ خَوْفُ اللَّهِ عز وجل18 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَلادٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: «تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ قَبْلَ أَنْ يُقْبَضَ، فَإِنَّ قَبْضَ الْعِلْمِ قَبْضُ الْعُلَمَاءِ، وَإِنَّ الْمُتَعَلِّمَ وَالْمُعَلِّمَ فِي الأَجْرِ سَوَاءٌ»
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রবী ইবনে সুলায়মান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমি লাইস ইবনে সাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলা, ওয়ালিদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-জুরশি থেকে, তিনি জুবাইর ইবনে নুফাইর থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আউফ ইবনে মালিক আল-আশজায়ি, যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকাশের দিকে তাকালেন এবং বললেন: «এটি সেই সময় যখন জ্ঞান উঠিয়ে নেওয়া হবে»! তখন আনসারদের জনৈক ব্যক্তি, যাকে লাবিদ ইবনে জিয়াদ বলা হয়, তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, জ্ঞান কীভাবে উঠিয়ে নেওয়া হবে অথচ তা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অন্তরসমূহ তা ধারণ করেছে? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: «আমি তো তোমাকে মদিনাবাসীদের মধ্যে অন্যতম বিজ্ঞ ফকিহ মনে করতাম»।অতঃপর তিনি তাঁর নিকট ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের পথভ্রষ্টতার কথা উল্লেখ করলেন যে, তাদের নিকট আল্লাহর কিতাব থাকা সত্ত্বেও (তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে)।তিনি বলেন: অতঃপর আমি শাদ্দাদ ইবনে আউসের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে আউফ ইবনে মালিকের হাদিসটি শোনালাম। তখন তিনি বললেন: আউফ সত্য বলেছে। আমি কি তোমাকে প্রথম যা উঠিয়ে নেওয়া হবে সে সম্পর্কে সংবাদ দেব না? তা হলো খুশু (বিনয়), এমনকি তুমি কোনো বিনয়ী ব্যক্তি দেখতে পাবে না। বলা হয়: খুশু হলো মহান আল্লাহর ভয়।১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আল-আবদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাল্লাদ, মিসআর থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুররাহ, সালিম ইবনে আবিল জাদ থেকে, তিনি বলেন: আবু দারদা (রা.) বলেছেন: «তোমরা জ্ঞান অর্জন করো তা উঠিয়ে নেওয়ার আগে, কেননা জ্ঞান উঠিয়ে নেওয়া হলো আলেমদের বিদায় বা মৃত্যু। আর শিক্ষার্থী ও শিক্ষক পুরস্কারের ক্ষেত্রে সমান»।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯০)
19 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ السَّرِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: " خُذُوا عَنِّي هَؤُلاءِ الْكَلِمَاتِ، فَلَوْ رَحَّلْتُمْ فِيهِنَّ الْمَطِيَّ حَتَّى تُنْضُوهُ لَمْ تَبْلُغُوهُ: لا يَرْجُ الْعَبْدُ إِلا رَبَّهُ، وَلا يَخْشَ إِلا ذَنْبَهُ، وَلا يَسْتَحِي إِذَا كَانَ لا يَعْلَمُ أَنْ يَتَعَلَّمَ، وَلا يَسْتَحِي إِذَا سُئِلَ عَمَّا لا يَعْلَمُ، أَنْ يَقُولَ: لا أَعْلَمُ.وَاعْلَمُوا أَنَّ الصَّبْرَ مِنَ الإِيمَانِ بِمَنْزِلَةِ الرَّأْسِ مِنَ الْجَسَدِ، وَلا خَيْرَ فِي جَسَدٍ لا رَأْسَ لَهُ " 20 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكًا، يَقُولُ: «حَقٌّ عَلَى مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ أَنْ يَكُونَ عَلَيْهِ وَقَارٌ وَسَكِينَةٌ، وَيَكُونَ مُتَّبِعًا لآثَارِ مَنْ مَضَى»21 - حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى الْقَزْوِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَرِيكٍ الأَسَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا شِهَابُ بْنُ عَبَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَبِي هَارُونَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهُ سَيَأْتِيكُمْ قَوْمٌ يَطْلُبُونَ الْفِقْهَ، فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ، فَلَوْ كُنْتُ كَاتِبًا لأِحَدٍ لَكَتَبْتُهُ لَكُمْ»
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাদানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আস-সারী ইবনে ইসমাইল থেকে, তিনি আশ-শা’বী থেকে, যে আলী ইবনে আবী তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: "তোমরা আমার থেকে এই কথাগুলো গ্রহণ করো, যদি তোমরা এই কথাগুলোর সন্ধানে সওয়ারী উটগুলোকে ক্লান্ত করে ফেলো তবুও তোমরা এগুলোর সমতুল্য কিছু পাবে না: বান্দা যেন তার রব ছাড়া আর কারো আশা না করে, তার গুনাহ ছাড়া আর কিছুকে ভয় না করে, যে জানে না সে যেন শিখতে লজ্জা না পায়, এবং যাকে এমন কিছু জিজ্ঞাসা করা হয় যা সে জানে না সে যেন 'আমি জানি না' বলতে লজ্জা না পায়।আর জেনে রাখো যে, ঈমানের ক্ষেত্রে সবর বা ধৈর্যের স্থান হলো দেহের মস্তকের ন্যায়, আর যার মস্তক নেই এমন দেহের কোনো কল্যাণ নেই।" ২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনুল ওয়ারদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রাবী’, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমি মালিককে বলতে শুনেছি: "ইলম অন্বেষণকারীর জন্য আবশ্যক হলো তার মধ্যে গাম্ভীর্য ও প্রশান্তি থাকা এবং পূর্ববর্তীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা।"২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-কাযউইনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম ইবনে শারীক আল-আসাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শিহাব ইবনে আব্বাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, আবু হারুন থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট এমন এক জাতি আসবে যারা ফিকহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অন্বেষণ করবে, সুতরাং তোমরা তাদের ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত গ্রহণ করো; আমি যদি কারো জন্য কিছু লিখে যেতাম তবে তা তোমাদের জন্যই লিখতাম।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯১)
22 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عُمَرَ بْنِ سَلِيطٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَجْمُ بْنُ فَرْقَدٍ العَطَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو هَارُونَ، قَالَ: كُنْتُ إِذَا دَخَلْتُ عَلَى أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، يَقُولُ: مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لَنَا: «إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ، وَسَيَأْتِيكُمْ أَوْ سَيَأْتُونَكُمْ، قَوْمٌ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ، فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا وَعَلِّمُوهُمْ مِمَّا عَلَّمَكُمُ اللَّهُ عز وجل»23 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَنْبَأَنِي عُمَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَفْصِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبَانِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: " نَضَّرَ اللَّهُ امْرَءًا سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا، فَبَلَّغَهُ عَنَّا كَمَا سَمِعَهُ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرِ فَقِيهٍ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ، ثَلاثٌ لا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُسْلِمٍ أَبَدًا: إِخْلاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ عز وجل، وَمُنَاصَحَةُ أُولِي الأَمْرِ،
22 - মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আয-যুহলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মূসা ইবনে হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে উমর ইবনে সালীত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: নাজম ইবনে ফারকাদ আল-আত্তার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি যখনই আবু সাঈদ আল-খুদরীর নিকট প্রবেশ করতাম, তিনি বলতেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই মানুষ তোমাদের অনুসারী হবে, আর অচিরেই তোমাদের নিকট পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এমন লোক আসবে যারা দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করবে। সুতরাং যখন তোমরা তাদের দেখবে, তখন তাদের সাথে সদাচরণের অসিয়ত গ্রহণ করবে এবং আল্লাহ তায়ালা তোমাদের যা শিক্ষা দিয়েছেন তা থেকে তাদের শিক্ষা দেবে।" 23 - আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে আহমাদ ইবনে আমর ইবনে আস-সারহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি আস-সারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকীয়্যাহ ইবনুল ওয়ালীদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে সুলাইমান ইবনে হাফস ইবনে জাফর ইবনে আসিম ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে আবান ইবনে উসমান তাঁর পিতার সূত্রে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি যায়িদ ইবনে সাবিতকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো হাদিস শুনলো, অতঃপর তা আমাদের পক্ষ থেকে ঠিক সেভাবেই পৌঁছে দিলো যেভাবে সে তা শুনেছে। কেননা অনেক ফিকহ (জ্ঞান) বহনকারী নিজে ফকীহ নয়, আবার অনেক ফিকহ বহনকারী এমন ব্যক্তির কাছে জ্ঞান পৌঁছে দেয় যে তার চেয়েও অধিক ফকীহ। তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যাতে কোনো মুসলিমের অন্তর কখনো বিদ্বেষ বা খিয়ানত পোষণ করে না: আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে আমল করা, এবং উলুল আমর বা দায়িত্বশীলদের কল্যাণ কামনা করা..."
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯২)
وَلُزُومُ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ، مَنْ كَانَتِ الدُّنْيَا هَمَّهُ فَرَّقَ اللَّهُ عَلَيْهِ شَمْلَهُ، وَبَثَّ ضَيْعَتَهُ، وَلَمْ يَأْتِهِ مِنَ الدُّنْيَا إِلا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَهُ، وَمَنْ كَانَتِ الآَخِرَةُ هَمَّهُ: جَمَعَ اللَّهُ عَلَيْهِ شَمْلَهُ، وَضَمَّ إِلَيْهِ ضَيْعَتَهُ، وَجَاءَتْهُ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ "24 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدُوسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً، وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلا حَرَجَ، وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
এবং মুসলিমদের জামাআতের সাথে লেগে থাকা আবশ্যক; কেননা তাদের দাওয়াত তাদের পেছন থেকে তাদের বেষ্টন করে রাখে। যার লক্ষ্য হবে দুনিয়া, আল্লাহ তার যাবতীয় বিষয়কে বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং তার দারিদ্র্যকে তার সামনে ছড়িয়ে দেন; আর দুনিয়া থেকে সে কেবল ততটুকুই পায় যা আল্লাহ তার জন্য লিখে রেখেছেন। আর যার লক্ষ্য হবে আখিরাত, আল্লাহ তার যাবতীয় বিষয়কে গুছিয়ে দেন, তার দারিদ্র্যকে দূর করে সচ্ছলতা দান করেন এবং দুনিয়া তার নিকট লাঞ্ছিত হয়ে উপস্থিত হয়। ২৪ - মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-যুহলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আবদুস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: যুহাইর বিন হারব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-আওযায়ী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসসান বিন আতিয়্যাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু কাবশাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ বিন আমর তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও যদিও তা একটি আয়াত হয়, আর বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো এতে কোনো দোষ নেই, আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
25 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمَذَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبِيبٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَدَّثَ حَدِيثًا وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ كَذِبٌ فَهُوَ أَحَدُ الْكَاذِبِينَ»27 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ النَّسَائِيُّ،
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-মাদানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়»২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-হামাদানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রবি বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসাদ বিন মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাইস বিন আর-রবি, হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি মাইমুন বিন আবি শাবিব থেকে, তিনি মুগিরা বিন শুবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি এমন কোনো হাদিস বর্ণনা করে যা সে মিথ্যা বলে জানে, তবে সে মিথ্যাবাদীদের একজন»২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আন-নাসায়ি,
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ الْمُخَرَّمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْمٍ الأَنْطَاكِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لأَعْرِفَنَّ الرَّجُلَ يَأْتِيهِ الأَمْرُ مِنْ أَمْرِي: إِمَّا أَمَرْتُ بِهِ، وَإِمَّا نَهَيْتُ عَنْهُ، فَيَقُولُ: مَا نَدْرِي مَا هَذَا؟ عِنْدَنَا كِتَابُ اللَّهِ لَيْسَ هَذَا فِيهِ "28 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبُرُوجِرْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الطُّوسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ حَنَانٍ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ حَمَلَ مِنْ أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فَهُوَ مِنَ الْعُلَمَاءِ»
তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমাদের নিকট আহমদ বিন হারব আল-মুখাররামী বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন সাহম আল-আন্তাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক আল-ফাজারী বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি আবু আন-নাজর থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আবি রাফে থেকে, তিনি আবু রাফে থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমি যেন অবশ্যই এমন ব্যক্তিকে না পাই যার কাছে আমার পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ পৌঁছাবে—চাই আমি তা করার আদেশ দিই অথবা তা থেকে নিষেধ করি—অতঃপর সে বলবে: 'আমরা জানি না এটি কী? আমাদের কাছে আল্লাহর কিতাব রয়েছে, আমরা তাতে এটি পাচ্ছি না'।"২৮ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-বুরুজিরদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বললেন: আমাদের নিকট আল-হাসান বিন আলী বিন নাসর বিন মনসুর আত-তুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আমর বিন হানান আল-হিমসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমাদের নিকট বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক বিন আবদুল আজিজ থেকে, তিনি বললেন: আমাদের নিকট আতা বর্ণনা করেছেন, ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করবে, সে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
بَابُ: فَضْلِ الْمَدِينَةِ وَعَالِمِهَا وَقَوْلِ الْعُلَمَاءِ فِي مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رحمه الله29 - أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ الأَعْرَجُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَخْزُومِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «افْتُتِحَتِ الْقُرَى بِالسَّيْفِ، وافْتُتِحَتِ الْمَدِينَةُ بِالْقُرْآنِ»30 - أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا
পরিচ্ছেদ: মদিনার মর্যাদা, সেখানকার আলিম এবং মালিক ইবনে আনাস (রাহিমাহুল্লাহ) সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য২৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আয-যুহলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ —যিনি আল-ফিরইয়াবী নামে পরিচিত— তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-ফজল ইবনে সাহল আল-আ’রাজ, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-মাখজুমী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "জনপদসমূহ তরবারির মাধ্যমে বিজিত হয়েছে, আর মদিনা বিজিত হয়েছে কুরআনের মাধ্যমে।"৩০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম ইবনে শা’বান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ رَدَّادٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَتْ: " تَكَلَّمَ مَرْوَانُ يَوْمًا عَلَى الْمِنْبَرِ فَذَكَرَ مَكَّةَ، فَأَطْنَبَ فِي ذِكْرِهَا وَلَمْ يَذْكُرِ الْمَدِينَةَ، فَقَامَ إِلَيْهِ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ، فَقَالَ: مَا لَكَ يَا هَذَا، ذَكَرْتَ مَكَّةَ فَأَطْنَبْتَ فِي ذِكْرِهَا وَلَمْ تَذْكُرِ الْمَدِينَةَ؟ وَأَشْهَدُ لَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الْمَدِينَةُ خَيْرٌ مِنْ مَكَّةَ»31 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُرَادٌ أَبُو نُوحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، يَقُولُ: أَهْلُ الْمَدِينَةِ يُكْرِمُونَ ويَبَرُّونَ وَلا يُرَوِّعُونَ وَلا يَظْلِمُونَ وَلا يَخَافُونَ إِكْرَامًا لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.قَالَ مَالِكٌ: وَلَقَدْ وَقَفَ الْقَرَّاظُ عَلَى يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، وَقَالَ: أَنْتَ يَزِيدُ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: مَا أَشْبَهَكَ بِأَبِيكَ، سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ
আলী ইবনে সাঈদ আর-রাজী বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে হুমায়দ ইবনে কাসিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে রাদ্দাদ, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আমরা বিনতে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "একদিন মারওয়ান মিম্বরে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি মক্কার উল্লেখ করলেন এবং এর বর্ণনায় দীর্ঘ আলোচনা করলেন, কিন্তু মদিনার কথা উল্লেখ করলেন না। তখন রাফে ইবনে খাদীজ তাঁর দিকে দাঁড়িয়ে বললেন: হে লোক, তোমার কী হলো! তুমি মক্কার কথা উল্লেখ করলে এবং এর বর্ণনায় দীর্ঘ আলোচনা করলে, অথচ মদিনার কথা উল্লেখ করলে না? আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‘মদিনা মক্কার চেয়ে উত্তম।’"৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান ইবনে আলী ইবনে শাবান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মারওয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুরাদ আবু নূহ, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসকে বলতে শুনেছি: মদিনাবাসীদের সম্মান করা হবে এবং তাদের সাথে সদাচরণ করা হবে; তাদের আতঙ্কিত করা হবে না, তাদের ওপর জুলুম করা হবে না এবং তাদের ভীত করা হবে না—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সম্মানে।মালিক বলেন: আল-কাররাজ ইয়াজিদ ইবনে আবদুল মালিকের নিকট দাঁড়ালেন এবং বললেন: আপনিই কি ইয়াজিদ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আপনি আপনার পিতার কতই না সদৃশ! আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৭)
رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «مَنْ أَرَادَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ بِسُوءٍ أَذَابَهُ اللَّهُ كَمَا يَذُوبُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ».فَقَالَ يَزِيدُ: «أَمَجْنُونٌ هَذَا؟».فَقَالُوا: مَا هُوَ مَجْنُونٌ وَلَكِنْ هُوَ رَجُلٌ صَالِحٌ جَلِيسٌ لأَبِي هُرَيْرَةَ ".قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَرَّاظُ اسْمُهُ دِينَارٌ32 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ يَعْنِي ابْنَ يَعْقُوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سِمَاكٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ} [آل عمران: 110]، قَالَ: الَّذِينَ هَاجَرُوا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمَدِينَةِ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছিলেন: «যে ব্যক্তি মদিনাবাসীদের সাথে কোনো মন্দের ইচ্ছা করবে, আল্লাহ তাকে সেভাবেই গলিয়ে দেবেন যেভাবে লবণ পানিতে গলে যায়।»তখন ইয়াজিদ বলল: «এ কি পাগল?»তারা বলল: «সে পাগল নয়, বরং সে একজন নেককার লোক এবং আবু হুরায়রার সঙ্গী।»ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-কাররাজ-এর নাম হলো দিনার।৩২ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আয-যুহলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ অর্থাৎ ইবনে ইয়াকুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসরাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সিমাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত যাদের মানুষের (কল্যাণের) জন্য আবির্ভূত করা হয়েছে} [আলে ইমরান: ১১০] সম্পর্কে তিনি বলেন: তারা হলেন সেই সব লোক যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মদিনায় হিজরত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৮)
33 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الأُصْبُعِ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ مَرْثَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يُوشِكُ أَنْ يَضْرِبَ النَّاسُ أَكْبَادَ الإِبِلِ يَطْلُبُونَ الْعِلْمَ فَلا يَجِدُونَ عَالِمًا مِنْ عَالِمِ الْمَدِينَةِ» 34 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الأُصْبُعِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جَنَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ: قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ،: نَرَى أنَّهُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ.قَالَ مُصْعَبٌ: وَكُنْتُ إِذَا لَقِيتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ سَأَلَنِي عَنْ أَخْبَارِ مَالِكٍ 35 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ يَعْنِي: الْفِرْيَابِيَّ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الأَصْمَعِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ «مَنْ أَرَادَ الإِسْنَادَ وَالْحَدِيثَ الْمَعْرُوفَ
৩৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবিল আসবা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাশিম বিন মারসাদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির আল-হিযামি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «অচিরেই মানুষ জ্ঞান অন্বেষণে উটের কলিজায় আঘাত করবে (অর্থাৎ দ্রুতগতিতে উট ছুটিয়ে সফর করবে), কিন্তু তারা মদীনার আলেমের চেয়ে অধিক জ্ঞানী আর কাউকে পাবে না।» ৩৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আল-আসবাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে জান্নাদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসআব বিন আব্দুল্লাহ আজ-যুবাইরি, তিনি বলেন: সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ বলেছেন: আমরা মনে করি তিনি হলেন মালিক বিন আনাস।মুসআব বলেন: যখনই আমি সুফইয়ান বিন উয়াইনাহর সাথে সাক্ষাৎ করতাম, তিনি আমার নিকট মালিকের খবরাখবর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। ৩৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আজ-যুহলি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর বিন মুহাম্মদ—অর্থাৎ আল-ফিরইয়াবি—তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন নাসর বিন আলী আল-হিমসি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আসমাঈ, সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি সনদ এবং সুপরিচিত হাদিস অন্বেষণ করতে চায়...
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ৯৯)
الَّذِي تَسْكُنُ إِلَيْهِ الْقُلُوبُ، فَعَلَيْهِ بِحَدِيثِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ» 36 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ قُدَامَةَ الْبَلْخِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ «إِنَّ هَذَا الْعِلْمَ دِينٌ، فَانْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَهُ» 37 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أُوَيْسٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ خَالِيَ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، يَقُولُ: " إنَّ هَذَا الْعِلْمَ دِينٌ، فَانْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَهُ، لَقَدْ أَدْرَكْتُ سَبْعِينَ مِمَّنْ يَقُولُ: قَالَ فُلانٌ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ هَذِهِ الأَسَاطِينِ: أَشَارَ إِلَى مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَمَا أَخَذْتُ عَنْهُمْ شَيْئًا، وَإِنَّ أَحَدَهُمْ لَوِ ائْتُمِنَ عَلَى بَيْتِ مَالٍ لَكَانَ بِهِ أَمِينًا، لأَنَّهُمْ لَمْ يَكُونُوا مِنْ أَهْلِ هَذَا الشَّأْنِ، وقَدِمَ عَلَيْنَا ابْنُ شِهَابٍ فَنَزْدَحِمُ عَلَى بَابِهِ " 38 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِشَامُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي خَلِيفَةَ الرُّعَيْنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمَّادٍ الدَّوْلابِيُّ،
যার প্রতি অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে, সুতরাং তার উচিত মদিনাবাসীদের হাদিস গ্রহণ করা। ৩৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আজ-জুহলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন কুদামা আল-বালখী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন আবদুল্লাহ আত-তিরমিযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নিশ্চয় এই ইলম (জ্ঞান) হলো দ্বীন, সুতরাং তোমরা লক্ষ্য করো কার নিকট থেকে তোমরা তোমাদের দ্বীন গ্রহণ করছ।" ৩৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আজ-জুহলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি উওয়াইসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার মামা মালিক বিন আনাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "নিশ্চয় এই ইলম হলো দ্বীন, সুতরাং তোমরা লক্ষ্য করো কার নিকট থেকে তা গ্রহণ করছ। আমি এই স্তম্ভগুলোর নিকট এমন সত্তর জন ব্যক্তিকে পেয়েছি যারা বলতেন: 'অমুক ব্যক্তি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন'—তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদের দিকে ইশারা করলেন—কিন্তু আমি তাদের নিকট থেকে কিছুই গ্রহণ করিনি। অথচ তাদের কাউকে যদি বায়তুল মালের আমানতদার বানানো হতো, তবে সে অবশ্যই বিশ্বস্ত প্রমাণিত হতো। কিন্তু তারা এই বিষয়ের (ইলমে হাদিসের) উপযুক্ত লোক ছিলেন না। আর যখন ইবনে শিহাব আমাদের নিকট আসলেন, তখন আমরা তাঁর দরজায় ভিড় জমাতাম।" ৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিশাম বিন মুহাম্মদ বিন আবি খলিফা আর-রুয়াইনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাম্মাদ আদ-দাওলাবী,
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০০)
قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ بِنْتِ سَعْدٍ، فَاسْتَضْعَفْتُهَا، فَلَمْ آخُذْ عَنْهَا إِلا قَوْلَهَا «كَانَ لأَبِي مِرْكَنٌ يَتَوَضَّأُ هُوَ وَجَمِيعُ أَهْلِهِ مِنْهُ» 39 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِشَامُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي خَلِيفَةَ الرُّعَيْنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ إِسْمَاعِيلَ بْنَ إِسْحَاقَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ، يَقُولُ: قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ «رَحِمَ اللَّهُ مَالِكًا، مَا كَانَ أَشَدَّ انْتِقَادِ مَالِكٍ للرِّجَالِ» 40 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الرُّعَيْنِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بِشْرٍ، قَالَ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي خَيْثَمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ، يَقُولُ: قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ «مَنْ نَحْنُ عِنْدَ مَالِكٍ! إِنَّمَا كُنَّا نَتَّبِعُ آثَارَ مَالِكٍ وَنَنْظُرُ الشَّيْخَ إِنْ كَانَ مَالِكٌ كَتَبَ عَنْهُ وَإِلا تَرَكْنَاهُ» 41 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: قَالَ لِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيُّ «إِذَا وَجَدْتَ مُتَقَدِّمِي أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَلَى شَيْءٍ فَلا يَدْخُلْ فِي قَلْبِكَ شَيْءٌ أَنَّهُ الْحَقُّ، وَكُلُّ مَا جَاءَكَ مِنْ غَيْرِ ذَلِكَ فَلا تَلْتَفِتْ
তিনি বললেন: ইউনুস ইবনে আব্দুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম মালিক থেকে, তিনি বললেন: আমি আয়েশা বিনতে সা'দ-এর নিকট প্রবেশ করলাম, তবে আমি তাকে দুর্বল (স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন) পেয়েছি। তাই আমি তাঁর নিকট থেকে কেবল এই কথাটিই গ্রহণ করেছি: "আমার পিতার একটি ওজুর পাত্র ছিল, যা থেকে তিনি এবং তাঁর পরিবারের সকলে ওজু করতেন।" ৩৯ - আবুল কাসিম হিশাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি খলিফা আর-রুআইনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বললেন: আবু বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমি ইসমাইল ইবনে ইসহাককে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: আমি আলী ইবনুল মাদিনিকে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না বলেছেন: "আল্লাহ মালিকের ওপর রহম করুন, বর্ণনাকারীদের যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মালিক কতই না কঠোর ছিলেন।" ৪০ - আবুল কাসিম আর-রুআইনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বললেন: আবু বিশর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বললেন: এবং ইবনে আবি খাইসামা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বললেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না বলেছেন: "মালিকের তুলনায় আমরা কে! আমরা কেবল মালিকের পদাঙ্ক অনুসরণ করতাম। আমরা কোনো শায়খের (বর্ণনাকারী) অবস্থা দেখতাম; মালিক যদি তাঁর থেকে হাদীস লিখে থাকতেন তবে আমরাও লিখতাম, অন্যথায় আমরা তাকে ছেড়ে দিতাম।" ৪১ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বললেন: ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফিঈ আমাকে বলেছেন: "যখন তুমি মদিনাবাসীদের পূর্বসূরিদের কোনো বিষয়ের ওপর ঐক্যবদ্ধ পাবে, তখন তোমার অন্তরে এই সত্যতা নিয়ে কোনো সন্দেহ পোষণ করো না যে সেটিই সত্য। আর এর বাইরে তোমার নিকট যা-ই আসুক না কেন, তুমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করো না।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০১)
إِلَيْهِ، وَلا تَعْبَأْ بِهِ، فَقَدْ وَقَعْتَ فِي اللُّجَجِ وَوَقَعْتَ فِي الْبِحَارِ» 42 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّجِيرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعُتْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: «إِذَا جَاوَزَ الْحَدِيثُ الْحَرَمَيْنِ ضَعُفَ نُخَاعُهُ» 43 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعُتْبِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ الرَّبِيعَ، يَقُولُ: وَسَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: «لَوْلا مَالِكٌ وَابْنُ عُيَيْنَةَ ذَهَبَ عِلْمُ الْحِجَازِ» 44 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي، قَالَ: سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ عَبْدِ الأَعْلَى، وَالرَّبِيعَ بْنَ سُلَيْمَانَ، يَقُولانِ قَالَ الشَّافِعِيُّ «إِذَا جَاءَ الأَثَرُ فَمَالِكٌ النَّجْمُ» 45 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي، قَالَ: سَمِعْتُ الرَّبِيعَ يَقُولُ: قَالَ: وَسَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: «إِذَا جَاءَ الْحَدِيثُ عَنْ مَالِكٍ فَشُدَّ يَدَكَ بِهِ»
তার প্রতি (ভ্রুক্ষেপ করো না), আর তাকে গ্রাহ্য করো না; নিশ্চয়ই তুমি গভীর জলরাশি ও সমুদ্রে পতিত হয়েছ। ৪২ - আহমাদ বিন আল-হাসান আন-নাজিরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-উতবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আর-রাবি বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আশ-শাফিয়িকে বলতে শুনেছি: "যখন হাদিস দুই হারাম (মক্কা ও মদিনা) অতিক্রম করে, তখন তার মূল শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।" ৪৩ - আহমাদ বিন আল-হাসান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-উতবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আর-রাবিকে বলতে শুনেছি এবং আমি আশ-শাফিয়িকে বলতে শুনেছি: "যদি মালিক ও ইবনে উয়াইনা না থাকতেন, তবে হিজাজের ইলম বিলুপ্ত হয়ে যেত।" ৪৪ - আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আন-নাইসাবুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইউনুস বিন আব্দুল আলা ও আর-রাবি বিন সুলাইমানকে বলতে শুনেছি, তারা বলেন, আশ-শাফিয়ি বলেছেন: "যখন আসার (বর্ণনা) উপস্থাপিত হয়, তখন মালিক হলেন উজ্জ্বল নক্ষত্র।" ৪৫ - মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আর-রাবিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এবং আমি আশ-শাফিয়িকে বলতে শুনেছি: "যখন মালিকের পক্ষ থেকে হাদিস বর্ণিত হয়, তখন তা তোমার হাত দিয়ে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০২)
46 - أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّجِيرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعُتْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ قَالَ: سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: «كَانَ مَالِكٌ إِذَا شَكَّ فِي بَعْضِ الْحَدِيثِ طَرَحَهُ كَلَّهُ» 47 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ مَعْنَ بْنَ عِيسَى الْقَزَّازَ، يَقُولُ: «كَانَ مَالِكٌ يَتَّقِي فِي حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبَاءَ والتَّاءَ وَنَحْوَهُمَا» 48 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، يَقُولُ: «أَمَّا حَدِيثُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأُحِبُّ أَنْ يُؤْتَى بِهِ عَلَى أَلْفَاظِهِ». 49 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ: وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ: قَالَ لِي مَالِكٌ " يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ وَهْبٍ، أَدِّ مَا سَمِعْتَ وَحَسْبُكَ، وَلا تَحْمِلْ لأَحَدٍ عَلَى ظَهْرِكَ، فَقَدْ كَانَ يُقَالُ: أَخَسُّ النَّاسِ مَنْ بَاعَ آَخِرَتَهُ بِدُنْيَاهُ، وَأَخَسُّ مِنْهُ مَنْ بَاعَ آَخِرَتَهُ بِدُنْيَا غَيْرِهِ ".
৪৬ - আহমদ বিন হাসান আল-নাজিরমি আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আল-উতবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আর-রাবি‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শাফিঈকে বলতে শুনেছি: "মালিক যখন কোনো হাদিসের কিছু অংশে সন্দেহ করতেন, তখন তিনি তা সম্পূর্ণ বর্জন করতেন।" ৪৭ - মুহাম্মদ বিন আহমদ আদ-দুহলি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন মুসা আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মা‘ন বিন ঈসা আল-কাযযাযকে বলতে শুনেছি: "মালিক আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিসের ক্ষেত্রে ‘বা’ (ب), ‘তা’ (ت) এবং এই জাতীয় অক্ষরের ব্যাপারেও অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতেন।" ৪৮ - আবু ইসহাক বিন শাবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন উসমান আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন উফাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক বিন আনাসকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিসের ব্যাপারে আমি এটিই পছন্দ করি যে, তা যেন হুবহু শব্দেই বর্ণনা করা হয়।" ৪৯ - আবু ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ আমার নিকট ইউনুস থেকে, তিনি ইবনুল ওয়াহব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমাকে বললেন, "হে আবদুল্লাহ বিন ওয়াহব! তুমি যা শুনেছ তাই পৌঁছে দাও এবং এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট। তুমি কারো (পাপের বোঝা) নিজের পিঠে বহন করো না। কেননা বলা হয়ে থাকে: সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ সেই যে তার আখেরাতকে দুনিয়ার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়, আর তার চেয়েও নিকৃষ্ট সে ব্যক্তি যে অন্যের দুনিয়ার জন্য নিজের আখেরাত বিক্রি করে দেয়।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৩)
50 - حَدَّثَنَا أَبُو طَالِبٍ عُمَرُ بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْخَشَّابُ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلْمٌ الْخَوَّاصُ، يُقَالُ «يُقْتَدَى مِنْ قَوْلِ الْعَالِمِ مَا لا يُقْتَدَى مِنْ فِعْلِهِ». 51 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ يَعْنِي ابْنَ سَلامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَنَدِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا مُصْعَبٍ، يَقُولُ: «كَانَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ لا يُحَدِّثُ بِحَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا وَهُوَ عَلَى وُضُوءٍ إِجْلالا مِنْهُ لِحَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» 52 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَيْرُ بْنُ مِرْدَاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ «كَانَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ إِذَا حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَطَيَّبَ وَلَبِسَ ثِيَابًا جُدُدًا ثُمَّ يُحَدِّثُ» 53 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّائِغُ، قَالَ: أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ " كَانَ مَالِكٌ إِذَا جَلَسَ لِلْحَدِيثِ، يَقُولُ: لِيَلِنِي مِنْكُمْ أُولُو الأَحْلامِ وَالنُّهَيِ فَرُبَّمَا جَلَسَ الْقَعْنَبِيُّ عَنْ يَمِينِهِ " 54 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ
৫০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তালিব উমর বিন আল-রাবী বিন সুলাইমান আল-খাশশব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাশিম বিন আবি সালিহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন কাসীর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালম আল-খাওওয়াস, বলা হয়ে থাকে: "একজন আলেমের কথা থেকে যা অনুসরণ করা হয়, তা তার কর্ম থেকে (সব সময়) অনুসরণ করা হয় না।" ৫১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক বিন শা'বান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ অর্থাৎ ইবনে সালাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মদ আল-জানাদি, তিনি বলেন: আমি আবু মুসআবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "মালিক বিন আনাস আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস বর্ণনা করতেন না ওযু ছাড়া, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসের প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে।" ৫২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আলী বিন শা'বান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মারওয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমাইর বিন মিরদাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতাররিফ বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: "মালিক বিন আনাস যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন তিনি সুগন্ধি ব্যবহার করতেন এবং নতুন কাপড় পরিধান করতেন, অতঃপর হাদীস বর্ণনা করতেন।" ৫৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আলী বিন শা'বান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মারওয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল আল-সাইগ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস, তিনি বলেন: "মালিক যখন হাদীস বর্ণনার জন্য বসতেন, তখন বলতেন: 'তোমাদের মধ্যে যারা বিবেকবান ও বুদ্ধিমান তারা যেন আমার নিকটবর্তী হয়ে বসে।' অনেক সময় আল-কা'নাবি তাঁর ডান পাশে বসতেন।" ৫৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আয-যুহলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন মুসা আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন...
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৪)
قُرَيْمٍ قَاضِي الْمَدِينَةِ، قَالَ: مَرَّ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَلَى أَبِي حَازِمٍ وَهُوَ يُحَدِّثُ، فَجَاوَزَهُ، فَقِيلَ لَهُ «إِنِّي لَمْ أَجِدْ مَوْضِعًا أَجْلِسُ فِيهِ، فَكَرِهْتُ أَنْ آخُذَ حَدِيثَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا قَائِمٌ» 55 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، قَالَ: أَنَا أَبُو قُدَامَةَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: «مَا أَدْرَكْتُ أَحَدًا إِلا وَهُوَ يَخَافُ هَذَا الْحَدِيثَ، إِلا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ فإِنَّهُمَا كَانَا يَجْعَلانِهِ مِنْ أَعْمَالِ الْبِرِّ». 56 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو قُدَامَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ «السُّنَّةُ الْمُتَقَدِّمَةُ مِنْ سُنَّةِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ خَيْرٌ مِنَ الْحَدِيثِ».57 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّجِيرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْخَفَّافُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ «مَالِكٌ إِمَامٌ». 58 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْخَفَّافُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا، قَالَ: قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ «مَالِكٌ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ فِي الْحَدِيثِ، رَوَى عَنْهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ». 59 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ الْعَائِذِيُّ الْمَخْزُومِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الضَّحَّاكِ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، قَالَ " كَلَّمَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ، فَكَتَبْتُ لَهُ أَحَادِيثَ مِنْ
মদীনার কাযী কুরাইম বলেন: মালিক ইবন আনাস আবু হাযিমের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তিনি হাদীস বর্ণনা করছিলেন। তিনি তাঁকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, "আমি বসার কোনো জায়গা পাইনি, তাই দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস গ্রহণ করাকে আমি অপছন্দ করেছি।" ৫৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আয-যুহলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কুদামা আব্দুল্লাহ ইবন সাঈদ, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবন মাহদীকে বলতে শুনেছি: "আমি মালিক ইবন আনাস এবং হাম্মাদ ইবন সালামাহ ব্যতীত এমন কাউকে পাইনি যিনি এই হাদীসগুলোকে ভয় পেতেন না; বরং তাঁরা উভয়ই একে নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত মনে করতেন।" ৫৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আয-যুহলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুদামা, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবন মাহদী বলেছেন, "মদীনার অধিবাসীদের প্রাচীন সুন্নাহ হাদীস অপেক্ষা উত্তম।"৫৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল হাসান আন-নাজীরমী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-খাফফাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল মাদীনী, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "মালিক একজন ইমাম।" ৫৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-খাফফাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী, তিনি বলেন: আমি আলীকে বলতে শুনেছি, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান বলেছেন: "মালিক হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন; তাঁর থেকে ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন।" ৫৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন যাকারিয়া আল-আইযী আল-মাখযুমী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুবাইর ইবন বাক্কার, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল দাহহাক, তিনি মালিক ইবন আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী আমার সাথে কথা বলেছিলেন, তাই আমি তাঁর জন্য কিছু হাদীস লিখেছিলাম..."
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৫)
أَحَادِيثِ ابْنِ شِهَابٍ، فَقَالَ قَائِلٌ لِمَالِكٍ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، سَمِعَهَا مِنْكَ؟ قَالَ: «هُوَ كَانَ أَفْقَهَ مِنْ ذَلِكَ» 60 - أَخْبَرَنَا حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي جَعْفَرٍ يَعْنِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدٍ، عَنْ أَبِي ضَمْرَةَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ، يُقَالُ لَهُ: ابْنُ أَبِي الْوَزِيرِ، فَتَخَطَّى النَّاسَ حَتَّى جَلَسَ بَيْنَ يَدَيْ مَالِكٍ، فَقَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، إِنَّ هُشَيْمًا، حَدَّثَنَا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْكَ قُلْنَا: أَوَهِمَ هُشَيْمٌ؟ قَالَ «لَمْ يَهِمْ هُشَيْمٌ، وَلَكِنَّ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ لَمَّا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ إِلَى هَؤُلاءِ الْقَوْمِ سَأَلَنِي أَنْ أَكْتُبَ لَهُ أَحَادِيثَ، فَكَتَبْتُهَا لَهُ». 61 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: أَنَا فَهْدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، وَسُئِلَ، قِيلَ لَهُ: الْعَرْضُ أَحَبُّ إِلَيْكَ أَمِ السَّمَاعُ؟.قَالَ: بَلِ الْعَرْضُ.قِيلَ: فَنَقُولُ فِي الْعَرْضِ حَدَّثَنَا.قَالَ: نَعَمْ. 62 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَيُّونٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ وَهْبٍ، يَقُولُ: قُلْتُ لِمَالِكٍ: إِذَا سَمِعْتُ الأَحَادِيثَ مِنْكَ، تَقْرَأُ عَلَيَّ وَأَقْرَأُ عَلَيْكَ كَيْفَ نَقُولُ؟ قَالَ: إِنْ شِئْتَ، فَقُلْ حَدَّثَنَا وَإِنْ شِئْتَ فَقُلْ أَخْبَرَنَا. 63 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَيُّونٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا
ইবনে শিহাবের হাদিসসমূহ সম্পর্কে মালেককে একজন প্রশ্নকারী জিজ্ঞেস করলেন: হে আবু আব্দুল্লাহ, তিনি কি আপনার থেকে এগুলো শুনেছেন? তিনি বললেন: «তিনি এর চেয়েও বেশি বিজ্ঞ ছিলেন» ৬০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামজা বিন মুহাম্মদ আল-কিনানি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ বিন হাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে আবি জাফর অর্থাৎ আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন আলী বিন মাবাদ, আবু দামরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইরাকবাসী এক ব্যক্তি, যাকে ইবনে আবি আল-ওয়াজির বলা হয়, তিনি আসলেন এবং লোকদের অতিক্রম করে মালেকের সামনে এসে বসলেন। এরপর তিনি বললেন: হে আবু আব্দুল্লাহ, নিশ্চয়ই হুশাইম আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন সাঈদের সূত্রে আপনার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমরা বললাম: হুশাইম কি ভুল করেছেন? তিনি বললেন: «হুশাইম ভুল করেননি, তবে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ যখন ঐ লোকদের কাছে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি আমাকে তার জন্য কিছু হাদিস লিখে দিতে অনুরোধ করলেন, আর আমি তার জন্য সেগুলো লিখে দিয়েছিলাম»। ৬১ - আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ বিন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাহদ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ, তিনি বলেন: আমি মালেক বিন আনাসকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: আপনার নিকট 'আরদ' (উপস্থাপন করা) কি অধিক পছন্দনীয় নাকি 'সামা' (শ্রবণ করা)?তিনি বললেন: বরং 'আরদ'।জিজ্ঞেস করা হলো: তবে কি আমরা 'আরদ'-এর ক্ষেত্রে 'হাদ্দাসানা' (তিনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন) বলতে পারি?তিনি বললেন: হ্যাঁ। ৬২ - আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ বিন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী বিন হাইয়ুন, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমর বিন সাওয়াদ, তিনি বলেন: আমি ইবনে ওয়াহবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি মালেককে বললাম: যখন আমি আপনার কাছ থেকে হাদিস শুনি, আপনি আমার সামনে পাঠ করেন অথবা আমি আপনার সামনে পাঠ করি, তবে আমরা কীভাবে বলব? তিনি বললেন: যদি তুমি চাও তবে বলতে পার 'হাদ্দাসানা' (তিনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন), আর যদি চাও তবে বলতে পার 'আখবারানা' (তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন)। ৬৩ - আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ বিন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু হাইয়ুন, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৬)
حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ وَهْبٍ، يَقُولُ: قَالَ مَالِكٌ: خَبَّرَنِي وَحَدَّثَنِي سَوَاءٌ.قَالَ: وَسَمِعْتُ ابْنَ وَهْبٍ، يَقُولُ: لَوْلا مَالِكٌ وَاللَّيْثُ لهلكنا. 64 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْعُتْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: قَدِمَ عَلَيْنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَعْنِي: أَبَا الأَسْوَدِ يَتِيمَ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاثِينَ وَمِائَةٍ، فَقُلْتُ لَهُ " مَنْ لِلرَّأْيِ بَعْدَ رَبِيعَةَ بِالْحِجَازِ؟.فَقَالَ: الْغُلامُ الأَصْبَحِيُّ. 65 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعُتْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ بْنُ السَّرْحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَنْ يُصَدَّقُ، عَنْ رَبِيعَةَ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا رَأَى مَالِكًا، يَقُولُ: قَدْ جَاءَ الْعَاقِلُ. 66 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ نَافِعٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ نُعَيْمَ بْنَ حَمَّادٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ ابْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: «مَا أُقَدِّمُ عَلَى مَالِكٍ فِي صِحَّةِ الْحَدِيثِ أَحَدًا». 67 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو قُدَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: «مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ
হারমালা বিন ইয়াহইয়া বলেন, আমি ইবনে ওয়াহাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, মালিক বলেছেন: ‘খব্বরনি’ (তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন) এবং ‘হাদ্দাসানি’ (তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন) উভয়ই সমান।তিনি বলেন, আমি ইবনে ওয়াহাবকে বলতে শুনেছি: যদি মালিক এবং লাইস না থাকতেন, তবে আমরা ধ্বংস হয়ে যেতাম। ৬৪ - আহমাদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আল-উতবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একশত একত্রিশ হিজরি সনে মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান—অর্থাৎ আবু আল-আসওয়াদ, যিনি উরওয়াহ বিন আল-যুবাইরের ইয়াতীম ছিলেন—আমাদের নিকট আগমন করেন। তখন আমি তাকে বললাম, "হিজাজে রাবিআহর পর ফিকহী মতামতের (রায়) জন্য কে আছেন?"তিনি বললেন: "সেই আসবাহী যুবক" (মালিক বিন আনাস)। ৬৫ - আহমাদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-উতবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু তাহের বিন আস-সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব বিন সুওয়াইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি রাবিআহ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যখনই মালিককে দেখতেন, বলতেন: "বিচক্ষণ ব্যক্তিটি এসেছে।" ৬৬ - আহমাদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন আমর বিন নাফি'কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নুআইম বিন হাম্মাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "হাদিসের বিশুদ্ধতার ক্ষেত্রে আমি মালিকের ওপর কাউকে প্রাধান্য দেই না।" ৬৭ - মুহাম্মদ বিন আহমাদ আয-যুহলী আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু কুদামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান বিন মাহদীকে বলতে শুনেছি: "মালিক বিন আনাস...
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
أَثْبَتُ فِي نَافِعٍ».وَقَالَ أَبُو قُدَامَةَ: «وَكَانَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ أَحْفَظَ أَهْلِ زَمَانِهِ». 68 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ الْقَطَّانَ، وَذَكَرَ أَصْحَابَ نَافِعٍ، فَقَالَ «مَالِكٌ وَعُبَيْدُ اللَّهِ وَأَيُّوبُ»، فَبَدَأَ بِمَالِكٍ. 69 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعُثْمَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ السِّنْدِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ الْقَطَّانَ، يَقُولُ: «مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ فِي الْحَدِيثِ».قَالَ: وَسَمِعْتُ عَلِيًّا، يَقُولُ: «إِذَا أَتَاكَ بِهِ عَنْ رَجُلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ سُفْيَانَ عَنْ رَجُلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، فَإِنَّ مَالِكًا لَمْ يَكُنْ يَرْوِي إِلا عَنْ ثِقَةٍ، وَلَوْ كَانَ صَاحِبُ سُفْيَانَ فِيهِ شَيْءٌ لَصَاحَ بِهِ صِيَاحًا». 70 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، يَقُولُ: «مَالِكٌ أَتْبَعُ مِنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ».
নাফে'-এর বর্ণনায় সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য।"আবু কুদামা বলেছেন: "মালিক ইবনে আনাস তাঁর সময়ের লোকদের মধ্যে অধিক হিফযের (স্মৃতিশক্তি) অধিকারী ছিলেন।" ৬৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে শাবান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মারওয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল হাসান আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানকে নাফে'-এর ছাত্রদের আলোচনা করতে শুনেছি, তখন তিনি বলেন "মালিক, উবায়দুল্লাহ এবং আইয়ুব", এবং তিনি মালিককে দিয়ে শুরু করেন। ৬৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-উসমানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে আস-সিন্দি, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনুল মাদিনীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানকে বলতে শুনেছি: "মালিক ইবনে আনাস হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন।"তিনি (আব্বাস) বলেন: এবং আমি আলীকে বলতে শুনেছি: "তিনি (মালিক) যখন কোনো ব্যক্তির সূত্রে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করেন, তা সুফিয়ানের কোনো ব্যক্তির সূত্রে ইব্রাহিম থেকে বর্ণিত হাদীসের চেয়ে আমার কাছে অধিক প্রিয়। কারণ মালিক কেবল নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো থেকে বর্ণনা করতেন না; আর যদি সুফিয়ানের বর্ণনাকারীর মধ্যে কোনো ত্রুটি থাকতো তবে তিনি তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে দিতেন।" ৭০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবনে শাবান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: "মালিক (সুন্নাহ অনুসরণে) সুফিয়ান আস-সাওরীর চেয়েও বেশি অগ্রগামী।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
71 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: قِيلَ لِيَحْيَى بْنِ مَعِينٍ " أَرَأَيْتَ حَدِيثَ مَالِكٍ: اللِّقَاحُ وَاحِدٌ؟ لَيْسَ يَرْوِيهِ أَحَدٌ غَيْرُهُ؟.قَالَ: دَعْ مَالِكًا، مَالِكٌ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ فِي الْحَدِيثِ ".قَالَ يَحْيَى: وَقَدْ رَوَاهُ ابْنُ جُرَيْجٍ.قَالَ قُلْتُ لِيَحْيَى بْنِ مَعِينٍ: اللَّيْثُ أَرْفَعُ عِنْدَكَ أَوْ مَالِكٌ؟.قَالَ لِي: مَالِكٌ، فَقُلْتُ لَهُ: أَلَيْسَ أَعْلَى أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ؟، قَالَ: نَعَمْ.قِيلَ لَهُ: فَعُبَيْدُ اللَّهِ فِي نَافِعٍ أَثْبَتُ أَوْ مَالِكٌ؟.قَالَ: مَالِكٌ أثَبْتُ النَّاسِ. 72 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِشَامُ بْنُ أَبِي خَلِيفَةَ الرُّعَيْنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمَّادٍ الدَّوْلابِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ أَبِي خَيْثَمَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ، يَقُولُ: «مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ أَثْبَتُ فِي نَافِعٍ عِنْدِي مِنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وأَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ». 73 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ الضَّحَّاكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلْمٍ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ وَسَأَلَهُ رَجُلٌ، فَقَالَ " يَا أَبَا سَعِيدٍ، بَلَغَنِي أَنَّكَ قُلْتَ: مَالِكٌ أَفْقَهُ مِنْ أَبِي حَنِيفَةَ ".فَقَالَ: قُلْتُ هَذَا،
৭১ - আবুল হাসান আন-নাইসাবুরী আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আহমাদ ইবনে সালমান আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে সাঈদ আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে জিজ্ঞাসা করা হলো, "মালিকের বর্ণিত এই হাদীসটি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী: 'আল-লিকাহ ওয়াহিদ' (টিকা বা প্রজনন এক)? এটি কি তিনি ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি?"তিনি বললেন: "মালিককে ছাড়ুন (অর্থাৎ তাঁর মর্যাদা প্রশ্নাতীত), মালিক হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন।"ইয়াহইয়া বললেন: "এটি ইবনে জুরাইজও বর্ণনা করেছেন।"বর্ণনাকারী বলেন, আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: "আপনার কাছে আল-লাইস শ্রেষ্ঠ নাকি মালিক?"তিনি আমাকে বললেন: "মালিক।" আমি তাঁকে বললাম: "তিনি কি যুহরীর সঙ্গীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "নাফে'র বর্ণনার ক্ষেত্রে উবায়দুল্লাহ কি অধিক নির্ভরযোগ্য নাকি মালিক?"তিনি বললেন: "মালিক মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য।" ৭২ - আবুল কাসিম হিশাম ইবনে আবি খালীফা আর-রুআইনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বিশর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্মাদ আদ-দাওলাবী আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকর ইবনে আবি খাইসামাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আমার নিকট নাফে'র বর্ণনার ক্ষেত্রে মালিক ইবনে আনাস উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর এবং আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী অপেক্ষা অধিক নির্ভরযোগ্য।" ৭৩ - আহমাদ ইবনে সালামা ইবনে আদ-দাহহাক আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে মূসা আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে সালম আর-রাযী আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে আমর আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি—এমতাবস্থায় যে এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল—তিনি বললেন, "হে আবু সাঈদ, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনি বলেছেন: মালিক আবু হানীফার চেয়ে বড় ফকীহ।"অতঃপর তিনি বললেন: "আমি এটি বলেছি,"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুল মুয়াত্তা লিল জাওহারী
(পৃষ্ঠা: ১০৯)
وَلَكِنِّي أَقُولُ: كَانَ أَعْلَمَ مِنْ أُسْتَاذِ أَبِي حَنِيفَةَ ".يَعْنِي: حَمَّادًا. 74 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ شَعْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْقُرَشِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: «مَا رَأَيْتُ أَعْقَلَ مِنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رحمه الله». 75 - حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ الْمُفَسِّرِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ زَنْجُوَيْهِ، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَهْدِيٍّ: مَا رَأَيْتُ أَعْقَلَ مِنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ ". 76 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ الضَّحَّاكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ عَاصِمٍ، قَالَ: قُلْتُ لأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ «الرَّجُلُ يُرِيدُ حِفْظَ الْحَدِيثِ فَحَدِيثُ مَنْ يَحْفَظُ؟» قَالَ: حَدِيثُ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ.قُلْتُ: الرَّجُلُ يُرِيدُ أَنْ يَقْرَأَ بِقِرَاءَةِ مَنْ يَقْرَأُ؟ ".قَالَ: بِقِرَاءَةِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، قَالَ: قُلْتُ: الرَّجُلُ يُرِيدُ أَنْ يَنْظُرَ فِي الرَّأْيِ، فَبِرَأْيِ مَنْ؟.قَالَ: بِرَأْيِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ ". 77 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَارُونُ
কিন্তু আমি বলি: তিনি আবু হানিফার শিক্ষকের চেয়েও বেশি জ্ঞানী ছিলেন।অর্থাৎ: হাম্মাদকে বুঝিয়েছেন। ৭৪ - আবু ইসহাক ইবনে শাবান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে ইসমাঈল আল-কুরাশী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনুল মাদীনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি: "আমি মালিক ইবনে আনাস (রাহিমাহুল্লাহ)-এর চেয়ে অধিক বুদ্ধিমান কাউকে দেখিনি।" ৭৫ - আবু আহমদ ইবনুল মুফাসসির আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে জানজুওয়াইহ বলেছেন, ইবনে মাহদী বলেছেন: "আমি মালিক ইবনে আনাস-এর চেয়ে অধিক বুদ্ধিমান কাউকে দেখিনি।" ৭৬ - আহমদ ইবনে সালামাহ ইবনে যাহহাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুস সালাম ইবনে আসিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বললাম, "কোনো ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চাইলে সে কার হাদীস মুখস্থ করবে?" তিনি বললেন, "মালিক ইবনে আনাসের হাদীস।"আমি বললাম, "কোনো ব্যক্তি কিরাত পড়তে চাইলে কার কিরাত অনুযায়ী পড়বে?"তিনি বললেন, "মদীনার অধিবাসীদের কিরাত অনুযায়ী।" তিনি বলেন, আমি বললাম, "কোনো ব্যক্তি যদি রা’য় (ফিকহী মতামত) দেখতে চায়, তবে কার রা’য় দেখবে?"তিনি বললেন, "মালিক ইবনে আনাসের রা’য়।" ৭৭ - আহমদ ইবনুল হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হারুন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন...