(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: -)
تلخيص المتشابه في الرسم (الخطيب البغدادي)
القسم: علوم الحديث
الكتاب: تلخيص المتشابه في الرسم
المؤلف: أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت بن أحمد بن مهدي الخطيب البغدادي (ت 463 هـ)
تحقيق: سُكينة الشهابي [ت 1427 هـ]
الناشر: طلاس للدراسات والترجمة والنشر، دمشق
الطبعة: الأولى، 1985 م
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
লিপি বিন্যাসে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়ের সারসংক্ষেপ (তালখিসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম) (খতিব আল-বাগদাদি)
বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র
বই: লিপি বিন্যাসে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়ের সারসংক্ষেপ (তালখিসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম)
লেখক: আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত ইবনে আহমদ ইবনে মাহদি খতিব আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি)
সম্পাদনা: সুকায়না আল-শিহাবি [মৃত্যু ১৪২৭ হিজরি]
প্রকাশক: তলাস স্টাডিজ, ট্রান্সলেশন অ্যান্ড পাবলিশিং, দামেস্ক
সংস্করণ: প্রথম, ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[تلخيص المتشابه في الرسم]ـالمؤلف: أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت بن أحمد بن مهدي الخطيب البغدادي (المتوفى: 463هـ)تحقيق: سُكينة الشهابيالناشر: طلاس للدراسات والترجمة والنشر، دمشقالطبعة: الأولى، 1985 معدد الأجزاء: 2[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع وهو ضمن خدمة التراجم]
[লিখনরীতিতে সদৃশ বিষয়াবলির সারসংক্ষেপ]লেখক: আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত বিন আহমদ বিন মাহদী আল-খতিব আল-বাগদাদী (মৃত্যু: ৪৬৩ হিজরি)সম্পাদনা: সুকাইনা আশ-শিহাবীপ্রকাশক: তলাস ফর স্টাডিজ, ট্রান্সলেশন অ্যান্ড পাবলিশিং, দামেস্কসংস্করণ: প্রথম, ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দখণ্ড সংখ্যা: ২[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ এবং এটি জীবনী সেবার অন্তর্ভুক্ত]
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيموصلى الله على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه وسلم تسليما حدثنا الشيخ الإمام الحافظ أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب البغدادي رضي الله عنه من لفظه، قال: الحمد لله الذي بفضله ونعمته تتم الصالحات، ولا إله إلا الله المحيط علما بكل المعلومات، وصلى الله على نبينا محمد أفضل البريات، وعلى إخوانه وأصحابه أجمعين وأزواجه الطاهرات، وتابعيهم بإحسان، وعليه من الله أعظم البركات.ثم إني رسمت في هذا الكتاب، بتوفيق الله وعونه من أسماء المحدثين وأنسابهم، ومن الأسماء والأنساب التي يدونونها في كتبهم ما تشتبه صورته في الخطأ دون اللفظ، مفردا عما يقع الإتفاق فيه حال النطق به، والكتب له، إذ كنا قد فرغنا قبل من ذلك النوع في كتابنا الذي ألفناه في " المتفق والمفترق ".وقد جعلت هذا المرسوم فصولا خمسة، كل فصل منها يشتمل على أبواب عدة، يتضمن كل باب تراجم كثيرة في الفصل الأول ما تشتبه صورته في الخط وتتفق حروفه في الهجاء، وفي الفصل الثاني ما يشتبه في الخط وهجاء بعض حروفه مختلف؛ وفي الفصل الثالث ما كان في بعض حروفه تقديم على بعض مع اتفاقها في الصورة؛ وفي الفصل الرابع ما يتقارب لإشتباهه وبعض حروفه مختلف في الصورة؛ وذكرت في
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদের ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীদের ওপর দরুদ ও পরিপূর্ণ সালাম বর্ষণ করুন। শায়খ, ইমাম, হাফেজ আবু বকর আহমাদ বিন আলি বিন সাবিত আল-খতিব আল-বাগদাদি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) স্বীয় জবানিতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহ ও নিয়ামতে সকল নেক কাজ পূর্ণতা পায়। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি তাঁর জ্ঞান দ্বারা সমস্ত জ্ঞাত বিষয়কে পরিবেষ্টন করে আছেন। আমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, যিনি সৃষ্টিজগতসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, এবং তাঁর সকল ভাই ও সঙ্গীগণ এবং তাঁর পবিত্র স্ত্রীগণের ওপর এবং নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসারীদের ওপর; আর তাঁর প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুমহান বরকতসমূহ নাযিল হোক।অতঃপর আমি আল্লাহর তাওফিক ও সাহায্যে এই কিতাবে মুহাদ্দিসগণের নাম ও তাঁদের বংশ পরিচয় এবং তাঁরা তাঁদের কিতাবসমূহে যেসব নাম ও বংশ পরিচয় লিপিবদ্ধ করেছেন তার মধ্য থেকে এমন বিষয়গুলো সংকলন করেছি যেগুলোর আকৃতি লিপিতে সাদৃশ্যপূর্ণ কিন্তু উচ্চারণে ভিন্ন। আমি এগুলোকে ঐসব নাম থেকে পৃথক রেখেছি যেগুলোর উচ্চারণ ও লিখন উভয় ক্ষেত্রেই মিল রয়েছে; কারণ আমরা ইতিপূর্বে আমাদের রচিত "আল-মুত্তাফিক ওয়াল-মুফতারিক" কিতাবে সে প্রকারের আলোচনা সমাপ্ত করেছি।আমি এই সংকলনটিকে পাঁচটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছি, যার প্রতিটি পরিচ্ছেদ কয়েকটি অধ্যায় সংবলিত এবং প্রতিটি অধ্যায় অনেক জীবনীর বর্ণনা ধারণ করে। প্রথম পরিচ্ছেদে রয়েছে যা লিপিতে সাদৃশ্যপূর্ণ এবং বানানে অভিন্ন; দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে যা লিপিতে সাদৃশ্যপূর্ণ কিন্তু কিছু বর্ণের বানান ভিন্ন; তৃতীয় পরিচ্ছেদে যা লিপিতে অভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও কোনো কোনো বর্ণের অগ্র-পশ্চাৎ বিন্যাস রয়েছে; চতুর্থ পরিচ্ছেদে যা সাদৃশ্যের কারণে কাছাকাছি কিন্তু কিছু বর্ণের লিপিতে ভিন্নতা রয়েছে; আর আমি উল্লেখ করেছি...
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২)
الفصل الخامس نوادر هذا الكتاب، ولخصت جميع ذلك وقيدته بذكر لفظ حروفه وشكلها، وتسمية شيوخ المذكورين الذين سمعوا منهم، وخالفيهم الذين صحبوهم، ونقلوا عنهم، وسياق بعض رواياتهم وأخبارهم.والله تعالى أسأل التوفيق لما يحظى عنده، ويزلف لديه إنه سميع قريب.أخبرنا القاضي أبو محمد الحسن بن الحسين بن رامين الأستراباذي، ثنا محمد بن أبي سعيد السرخسي، ثنا أحمد بن محمد المنكدري، ثنا محمد بن إسماعيل بن يوسف السلمي، ثنا إبراهيم بن عبد الله بن المنذر قال: كان وكيع بن الجراح كثيراً ما يتمثل بهذا البيت:خلق الله للحديث رجالا … ورجالا لآفة التصحيفأنا محمد بن الحسن بن أحمد الأهوازي، أنا أبو احمد الحسن بن عبد الله بن سعيد العسكري اللغوي، أنا يحيى بن محمد بن صاعد، عن الحسن بن يحيى الأرزي قال: سمعت على بن المديني يقول: أشد التصحيف التصحيف في الأسماء.أخبرني علي بن أحمد بن علي المؤدب، ثنا أحمد بن إسحق النهاوندي بالبصرة أنا الحسن بن عبد الرحمن بن خلاد، قال: حدثني محمد بن محمد بن يحيى القراب السجستاني، ثنا عثمان بن سعيد الدارمي السمسار، قال: كنا عند سعيد بن أبي مريم بمصر فأتاه رجل فسأله كتابا ينظر فيه، أو سأله أن يحدثه بأحاديث فأمتنع عليه وسأله رجل آخر في ذلك فأجابه فقال له الأول سألتك فلم تجبني وسأل هذا فأجبته وليس هذا حق العلم، أو نحوه من الكلام. قال فقال ابن أبي مريم إن كنت تعرف الشيباني من السيباني، وأبا حمزة من أبي حمزة كلاهما عن ابن عباس حدثناك وخصصناك كما خصصنا هذا.أخبرنا محمد بن الحسن الأهوازي، أنا أبو أحمد العسكري قال وجدت بخط عسل بن ذكوان: حدثني الحسن بن يحيى قال سمعت علي بن المديني يقول: كنا في مجلس الحديث فمر بنا أبو عبد الله الجماز فقال: يا صبيان إنكم لا
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: এই কিতাবের দুর্লভ বিষয়সমূহ। আমি এই সবকিছুর সারসংক্ষেপ করেছি এবং সেগুলোকে তাদের অক্ষরের উচ্চারণ ও রূপের বর্ণনা দ্বারা লিপিবদ্ধ করেছি। এছাড়া এখানে উল্লিখিত শাইখদের নাম উল্লেখ করেছি যাঁদের নিকট থেকে তাঁরা শ্রবণ করেছেন, এবং তাঁদের সেই সহযাত্রীদের নামও দিয়েছি যাঁরা তাঁদের সাথে ছিলেন ও তাঁদের থেকে বর্ণনা করেছেন। সেইসাথে তাঁদের কিছু বর্ণনা ও সংবাদও এখানে উপস্থাপন করেছি।আমি মহান আল্লাহর নিকট সেই তাওফীক প্রার্থনা করছি যা তাঁর নিকট পছন্দনীয় এবং যা তাঁর নৈকট্য লাভ করায়। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও অতি নিকটবর্তী।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনুল হুসাইন ইবনে রামিন আল-আস্তারাবাদী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি সাঈদ আস-সারখাসি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুনকাদারি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইউসুফ আস-সুলামি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুনযির। তিনি বলেন: অকি' ইবনুল জাররাহ প্রায়শই এই কবিতাটি আওড়াতেন:আল্লাহ হাদিসের জন্য কিছু বীরপুরুষ সৃষ্টি করেছেন … আর কিছু লোককে সৃষ্টি করেছেন তাসহিফের (ভুল উচ্চারণের) বিপত্তির জন্য।আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ আল-আহওয়াযি। তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ আল-হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-আসকারি আল-লুগাভি। তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ, তিনি আল-হাসান ইবনে ইয়াহইয়া আল-আরযি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি আলি ইবনুল মাদিনিকে বলতে শুনেছি: সবচেয়ে কঠিন তাসহিফ (ভুল উচ্চারণ) হলো নামের ক্ষেত্রে তাসহিফ করা।আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আলি ইবনে আহমদ ইবনে আলি আল-মুয়াদ্দিব। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইসহাক আন-নাহাওয়ান্দি বসরায়। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে খাল্লাদ। তিনি বলেন: আমাকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-ক্বাররাব আস-সিজিস্তানি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি আস-সিমসার। তিনি বলেন: আমরা মিসরে সাঈদ ইবনে আবি মারইয়ামের নিকট ছিলাম। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে একটি কিতাব চাইল যেন সে তা দেখতে পারে, অথবা তাঁকে হাদিস শোনানোর আবেদন করল। তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। এরপর অন্য এক ব্যক্তি একই আবেদন করলে তিনি তাকে সাড়া দিলেন। তখন প্রথম ব্যক্তিটি তাঁকে বলল, আমি আপনার নিকট আবেদন করলাম কিন্তু আপনি আমাকে দিলেন না, অথচ এই ব্যক্তি চাইল আর আপনি তাকে দিলেন; এটা তো ইলমের হক নয়, বা এই জাতীয় কোনো কথা। তিনি বলেন, তখন ইবনে আবি মারইয়াম বললেন: তুমি যদি আশ-শাইবানি এবং আস-সাইবানির মধ্যে পার্থক্য করতে পারো, এবং আবু হামযাহ ও আবু জুমরাহ-এর মধ্যে (উভয়ই ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন) পার্থক্য করতে পারো, তবেই আমি তোমাকে হাদিস শোনাব এবং তোমাকে সেই বিশেষ মর্যাদা দেব যেমনটি এই ব্যক্তিকে দিয়েছি।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-আহওয়াযি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ আল-আসকারি। তিনি বলেন, আমি আসাল ইবনে যাকওয়ানের হস্তলিপিতে পেয়েছি: আমাকে হাসান ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমি আলি ইবনুল মাদিনিকে বলতে শুনেছি: আমরা হাদিসের মজলিসে ছিলাম, তখন আমাদের পাশ দিয়ে আবু আব্দুল্লাহ আল-জাম্মায যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন: হে বালকেরা, তোমরা তো...
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ৩)
تحسنون أن تكتبوا الحديث، كيف تكتبون أُسَيداً، وأَسِيداً، وأُسَيِّداً. فكان ذلك أول ما عرفت التقييد وأخذت فيه.أخبرنا أبو حازم عمر بن أحمد بن إبراهيم العبدوي الحافظ النيسابوري، قال سمعت عبد الرحمن بن محمد بن محمود يقول سمعت أحمد بن العباس يقول سمعت أحمد بن حفص يقول سمعت أبي يقول قال إبراهيم بن طهمان: يا أبا عمر لولا التقييد لافتضحنا!أخبرنا أبو الحسين محمد بن الحسين بن محمد بن الفضل القطان، أنا عبد الله بن جعفر بن درستويه الفارسي النحوي، ثنا يعقوب بن سفيان قال: قال الفضل بن زياد: سمعت أبا عبد الله - يعني أحمد بن حنبل - يقول: كان يحيى بن سعيد يشكل الحرف إذا كان شديداً، أو غير ذلك فلا.أخبرني علي بن أحمد المؤدب، ثنا أحمد بن إسحاق النهاوندي، أنا الحسن بن عبد الرحمن، قال: قال أصحابنا: أما النقط فلا بد منه، لأنك لا تضبط الأسامي المشكلة إلا به. وقال: إنما يُشكَل ما يُشْكِل، ولا حاجة إلى الشَّكل مع عدم الإشكال. وقال الآخرون: الأولى أن يشكل الجميع.
তোমরা হাদিস সুন্দরভাবে লিখতে জানো, তবে তোমরা উসাইদ, আসিদ এবং উসাইয়িদ কীভাবে লেখো? সেটিই ছিল প্রথম বিষয় যখন আমি বর্ণ সুনির্দিষ্টকরণের গুরুত্ব অনুধাবন করি এবং তাতে মনোনিবেশ করি।আবু হাযিম উমর বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আল-আবদুওয়ি আল-হাফিজ আন-নিশাপুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমি আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আহমদ বিন আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আহমদ বিন হাফসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ইবরাহিম বিন তাহমান বলেছেন: হে আবু উমর, যদি এই সুনির্দিষ্টকরণ না থাকত, তবে আমরা লাঞ্ছিত হতাম!আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফদল আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন দুরুসতাওয়াইহ আল-ফারিসি আন-নাহবি আমাদের অবহিত করেছেন, ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ফদল বিন যিয়াদ বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে—অর্থাৎ আহমদ বিন হাম্বলকে—বলতে শুনেছি: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ কোনো বর্ণে তখনই স্বরচিহ্ন বা হরকত প্রদান করতেন যখন তা কঠিন বা জটিল মনে হতো, অন্যথায় করতেন না।আলি বিন আহমদ আল-মুয়াদ্দিব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন ইসহাক আন-নাহাওয়ান্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সাথীবর্গ বলেছেন: আর নুকতা বা বিন্দুর বিষয়টি তো অপরিহার্য, কারণ আপনি এর মাধ্যম ছাড়া অস্পষ্ট নামসমূহ সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে পারবেন না। তিনি আরও বলেন: কেবল যা অস্পষ্ট বা দুর্বোধ্য তাতে স্বরচিহ্ন প্রদান করা উচিত, অস্পষ্টতা না থাকলে স্বরচিহ্ন প্রদানের প্রয়োজন নেই। অন্যরা বলেছেন: বরং সবকিছুতেই স্বরচিহ্ন প্রদান করা উত্তম।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ৫)
ذكر الفصل الأولوهو ما يتفق في الهجاءويختلف في حركات الحروف
প্রথম পরিচ্ছেদের আলোচনাআর তা হলো যা বানানরীতির ক্ষেত্রে একরূপএবং অক্ষরের স্বরচিহ্নের (হরকত) ক্ষেত্রে ভিন্ন
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ৬)
بَابُ الْمُتَّفِقِينَ فِي أَسْمَائِهِمْ وَالْخِلافُ فِي آبَائِهِمْعَمْرُو بْنُ سَلِمَةَ، وَعَمْرُو بْنُ سَلَمَةَأَمَّا الأَوَّلُ بِكَسْرِ اللامِ فَهُوَ: عَمْرُو بْنُ سَلِمَةَ بْنِ لأْمِ بْنِ قُدَامَةَ بْنِ جَرْمٍأَبُو بُرَيْدٍ الْجَرْمِيُّ أَدْرَكَ زَمَانَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَلْقَهُ، وَهُوَ مَعْدُودٌ فِيمَنْ نَزَلَ الْبَصْرَةَ رَوَى عَنْهُ: أَبُو قِلابَةَ، وَأَيُّوبُ السَّخْتِيَانِيُّ، وَعَاصِمُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَحْوَلُ، وَمِسْعَرُ بْنُ حَبِيبٍأَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، بِأَصْبَهَانَ، ثَنَا عبدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ، ثَنَا مِسْعَرُ بْنُ حَبِيبٍ، ثَنَا عَمْرُو بْنُ سَلِمَةَ الْجَرْمِيُّ،
যাদের নাম অভিন্ন কিন্তু পিতার নামে ভিন্নতা রয়েছে তাদের পরিচ্ছেদআমর ইবনে সালিমা এবং আমর ইবনে সালামাহপ্রথমজন ‘লাম’ বর্ণে কাসরা (ই-কার) যোগে, তিনি হলেন: আমর ইবনে সালিima ইবনে লাম ইবনে কুদামা ইবনে জার্মআবু বুরাইদ আল-জার্মি; তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ পেয়েছেন কিন্তু তাঁর সাথে সাক্ষাৎ ঘটেনি। তিনি বসরার অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু কিলাবা, আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি, আসিম ইবনে সুলাইমান আল-আহওয়াল এবং মিসআর ইবনে হাবিব।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিয, আসবাহানে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারিস; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস ইবনে হাবিব; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু দাউদ; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মিসআর ইবনে হাবিব; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর ইবনে সালিমা আল-জার্মি।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ৭)
أَنَّ أَبَاهُ وَنَفَرًا مِنْ قَوْمِهِ أَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ يُصَلِّي بِنَا، أَوْ مَنْ يُصَلِّي لَنَا؟ فَقَالَ: «يُصَلِّي لَكُمْ، أَوْ يُصَلِّي بِكُمْ، أَكْثَرُكُمْ أَخْذًا لِلْقُرْآنِ، أَوْ أَكْثَرُكُمْ جَمْعًا لِلْقُرْآنِ»، قَالَ: فَقَدِمُوا، فَمَا وَجَدُوا أَحَدًا مَعَهُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا مَعِي، فَقَدَّمُونِي، فَصَلَّيْتُ بِهِمْ، وَأَنَا غُلامٌ عَلَيَّ شَمْلَةٌ لِي، قَالَ مِسْعَرٌ: فَأَنَا أَدْرَكْتُهُ يُصَلِّي بِهِمْ، وَيُصَلِّي عَلَى جَنَائِزِهِمْ لا يُنَازِعُهُ أَحَدٌ حَتَّى مَضَىأَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْحَفَّارُ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الدَّقِيقِيُّ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنَا عَاصِمٌ يَعْنِي الأَحْوَلَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ، قَالَ: لَمَّا رَجَعَ قَوْمِي مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالُوا: إِنَّهُ قَالَ لَنَا: «لِيَؤُمَّكُمْ أَكْثَرُكُمْ قِرَاءَةً لِلْقُرْآنِ»، قَالَ: فَدَعَوْنِي، فَعَلَّمُونِي الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ، فَكُنْتُ أُصَلِّي بِهِمْ وَأَنَا غُلامٌ وَعَلَيَّ بُرْدَةٌ مَفْتُوقَةٌ، فَكَانُوا يَقُولُونَ لأَبِي: أَلا تُغَطِّي عَنَّا اسْتَ ابْنِكَ؟ وَعَمْرُو بْنُ سَلِمَةَ بْنِ الْخَرِبِ الْهَمْدَانِيُّكُوفِيٌّ سَمِعَ: عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، وَسَلْمَانَ بْنَ رَبِيعَةَ رَوَى عَنْهُ: ابْنُهُ يَحْيَى بْنُ عَمْرٍو، وَالشَّعْبِيُّ وَتُوُفِّيَ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَمَانِينَ، وَهُوَ وَعَمْرُو بْنُ حُرَيْثٍ الْمَخْزُومِيُّ، وَدُفِنَا فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ، هَكَذَا ذَكَرَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، وَقَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: عَمْرُو بْنُ سَلِمَةَ بْنِ خَرِبٍ لَيْسَ هُوَ وَالِدَ يَحْيَى بْنِ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ، هُمَا اثْنَانِ كُوفِيَّانِأَخْبَرَنِي أَبُو الْقَاسِمِ الأَزْهَرِيُّ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَنَّاطُ، ثَنَا
যে, তার পিতা এবং তার কওমের একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, কে আমাদের সালাতে ইমামতি করবে? অথবা কে আমাদের জন্য সালাত আদায় করবে? তিনি বললেন: «তোমাদের মধ্যে যে কুরআনের অধিক অংশ গ্রহণ করেছে অথবা কুরআনের অধিক অংশ জমা করেছে, সে-ই তোমাদের সালাতে ইমামতি করবে অথবা তোমাদের জন্য সালাত আদায় করবে।» তিনি বলেন: অতঃপর তারা ফিরে এলেন এবং আমার কাছে যতটুকু কুরআন ছিল, তেমনটি তারা আর কারো কাছে পেলেন না। ফলে তারা আমাকেই সামনে এগিয়ে দিলেন এবং আমি তাদের সালাতে ইমামতি করলাম, তখন আমি ছিলাম এক কিশোর ছেলে এবং আমার গায়ে ছিল আমার একটি ছোট চাদর। মিসআর বলেন: আমি তাকে তাদের সালাতে ইমামতি করতে এবং তাদের জানাজায় ইমামতি করতে দেখেছি; তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কেউ তার সাথে এ ব্যাপারে বিতর্ক করেনি।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-হাফফার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক আদ-দাকীকী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আসিম অর্থাৎ আল-আহওয়াল, আমর ইবনে সালামাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন আমার কওম আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে ফিরে আসলেন, তারা বললেন: তিনি আমাদের বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে কুরআনের অধিক তিলাওয়াতকারী যেন তোমাদের ইমামতি করে।» তিনি বলেন: অতঃপর তারা আমাকে ডাকলেন এবং আমাকে রুকু ও সাজদাহ শেখালেন। তখন আমি তাদের সালাতে ইমামতি করতাম অথচ আমি ছিলাম এক কিশোর এবং আমার গায়ে ছিল এক ছেঁড়া চাদর। ফলে তারা আমার পিতাকে বলতেন: আপনি কি আপনার ছেলের নিতম্ব আমাদের থেকে ঢেকে রাখবেন না? এবং আমর ইবনে সালামাহ ইবনুল খারিব আল-হামদানীতিনি কুফাবাসী; শ্রবণ করেছেন: আলী ইবনে আবু তালিব, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ এবং সালমান ইবনে রাবিয়া থেকে। তার থেকে বর্ণনা করেছেন: তার পুত্র ইয়াহইয়া ইবনে আমর এবং আশ-শা'বী। তিনি পঁচাশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এবং আমর ইবনে হুরাইস আল-মাখজুমী একই দিনে সমাহিত হন। মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী এভাবেই উল্লেখ করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: আমর ইবনে সালামাহ ইবনে খারিব তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আমর ইবনে সালামাহর পিতা নন; তারা দুইজনই কুফাবাসী।আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-আযহারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে উমর আল-হাফিয, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হান্নাত, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ৮)
إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْرَائِيلَ، ثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ بْنِ الْخَرِبِ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: «مَنْ آلَى مِنَ امْرَأَتِهِ فَمَضَتْ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ فَإِنَّهُ يُوقَفُ حَتَّى تَبِينَ رَجْعَةً أَوْ طَلاقًا»أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُقْرِئُ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدَانَ، ثَنَا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ، ثَنَا مِسْعَرٌ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «مَنْ قَرَأَ الثَّلاثَ الأَوَاخِرَ مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ، فَقَدْ أَكْثَرَ وَأَطَابَ، وَصِيَامُ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ يُذْهِبُ كَثِيرًا مِنْ وَحَرِ الصَّدْرِ»قَدْ رَوَى يَزِيدُ، عَنْ أَبِي زِيَادٍ أَيْضًا، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ:أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْعَلاءِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ الْوَاسِطِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ، يَقُولُ: " مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ إِلا بَيْنَهُمَا سِتْرٌ مِنَ اللَّهِ تَعَالَى، فَإِذَا قَالَ أَحَدُهُمَا لِصَاحِبِهِ كَلِمَةَ هُجْرٍ خَرَقَ سِتْرَ اللَّهِ تَعَالَى، وَإِذَا قَالَ: أَنْتَ كَافِرٌ فَقَدْ كَفَرَ أَحَدُهُمَا "وَأَمَّا الثَّانِي بِفَتْحِ اللامِ فَهُوَ: عَمْرُو بْنُ سَلَمَةَ الْهُذَلِيُّحَدَّثَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ رَوَى عَنْهُ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْوَاقِدِيُّأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الأَزْهَرِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْخَزَّازُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَعْرُوفٍ الْخَشَّابُ، ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ سَلَمَةَ الْهُذَلِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعَمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «مَاتَ الْقَاسِمُ، يَعْنِي ابْنَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ ابْنُ سَنَتَيْنِ»
ইসহাক ইবনে আবি ইসরাঈল আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি শায়বানি থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি আমর ইবনে সালামাহ ইবনুল খারিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ঈলা করে এবং চার মাস অতিবাহিত হয়, তবে তাকে স্থগিত রাখা হবে যতক্ষণ না সে ফিরিয়ে নেয় অথবা তালাক স্পষ্ট হয়ে যায়।"হাফেজ আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মুকরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে সাদান আমাদের বর্ণনা করেছেন, বকর ইবনে বাক্কার আমাদের বর্ণনা করেছেন, মিসআর আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আমর ইবনে সালামাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বলেছেন: "যে ব্যক্তি সূরা বাকারার শেষ তিনটি আয়াত পাঠ করে, সে অনেক এবং উত্তম কিছু অর্জন করল। আর তিন দিনের রোজা অন্তরের অধিকাংশ সংকীর্ণতা বা বিদ্বেষ দূর করে দেয়।"ইয়াজিদও আবু জিয়াদ থেকে, তিনি আমর ইবনে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন:কাজী আবুল আলা মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াকুব আল-ওয়াসিতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান আমাদের জানিয়েছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া ইবনে আমর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদ থেকে, তিনি আমর ইবনে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদকে বলতে শুনেছি: "এমন কোনো দুইজন মুসলিম নেই যাদের মাঝখানে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পর্দা নেই। কিন্তু যখন তাদের একজন তার সাথীকে কোনো অশ্লীল কথা বলে, সে মহান আল্লাহর পর্দা ছিন্ন করে ফেলে। আর যখন সে বলে: 'তুমি কাফের', তখন তাদের একজনের ওপর কুফরি আপতিত হয়।"আর দ্বিতীয় ব্যক্তি, 'লাম' অক্ষরে ফাতহা যোগে, তিনি হলেন: আমর ইবনে সালামাহ আল-হুজালিতিনি সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর ইবনে মুতয়িম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিদি বর্ণনা করেছেন।আবুল কাসিম আল-আজহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্বাস আল-খাযযায আমাদের বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মারুফ আল-খাশ্শাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারিস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমর ইবনে সালামাহ আল-হুজালি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর ইবনে মুতয়িম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "কাসিম—অর্থাৎ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুত্র—ইন্তেকাল করেন যখন তার বয়স ছিল দুই বছর।"
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ৯)
وَعَمْرُو بْنُ سَلَمَةَأَبُو سَعِيدٍ الْجُعْفِيُّ الْقَزْوِينِيُّ سَمِعَ: مُحَمَّدَ بْنَ سَعِيدِ بْنِ سَابِقٍ، وَدَاوُدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ الْعُقَيْلِيَّ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْجَرَّاحِ الْقُوهُسْتَانِيَّ، وَأَبَا حُجْرٍ عَمْرَو بْنَ رَافِعٍ، وَالْحَسَنَ بْنَ مُحَمَّدٍ الطَّنَافِسِيَّ رَوَى عَنْهُ: عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْرَوَيْهِ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ فَرُّوخٍ، وَعَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَلَمَةَ الْقَزْوِينِيُّونَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْقَزْوِينِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَلَمَةَ الْقَطَّانُ، ثَنَا عَمْرُو بْنُ سَلَمَةَ الْجُعْفِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سَابِقٍ، ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ: كُنَّا إِذَا دَخَلْنَا عَلَى أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ، وَإِنَّهُ سَيَكُونُ مِنْ بَعْدِي أَقْوَامٌ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا أَتَوْكُمْ فَعَلِّمُوهُمْ» عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَأَمَّا الأَوَّلُ بِكَسْرِ اللامِ فَهُوَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ الْجَدِّ أَبُو الْحَارِثِ أَحَدُ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، مَنْ بَنِي الْعَجْلانِ، وَكَانُوا حُلَفَاءَ الأَنْصَارِ، شَهِدَ بَدْرًا، وَذَكَرَهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ يَسَارٍ صَاحِبُ الْمَغَازِي فِيمَنِ اسْتُشْهِدَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَوْمَ أُحُدٍ
এবং আমর ইবনে সালামাহআবু সাঈদ আল-জু'ফী আল-কাজভিনী; তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে সাবিক, দাউদ ইবনে ইবরাহীম আল-উকায়লী, আবদুল্লাহ ইবনে আল-জাররাহ আল-কুহুস্তানী, আবু হুজর আমর ইবনে রাফি এবং আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ আত-তানাফিসী থেকে হাদিস শুনেছেন। তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাহরাওয়াইহ, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-ফারাজ ইবনে ফাররুখ এবং আলী ইবনে ইবরাহীম ইবনে সালামাহ আল-কাজভিনীগণ।আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহীম আল-কাজভিনী, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে ইবরাহীম ইবনে সালামাহ আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে সালামাহ আল-জু'ফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে সাবিক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আর-রাযী, আবু হারুন আল-আবদী থেকে, তিনি বলেন: আমরা যখন আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট যেতাম, তিনি বলতেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওসিয়্যত বা নির্দেশ অনুযায়ী তোমাদের স্বাগতম। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "নিশ্চয়ই মানুষ তোমাদের অনুসারী হবে, আর অচিরেই আমার পরে এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা দ্বীনের সঠিক বুঝ বা জ্ঞান অর্জন করবে; সুতরাং তারা যখন তোমাদের কাছে আসবে, তখন তোমরা তাদের শিক্ষা দিও।" আবদুল্লাহ ইবনে সালিমাহ এবং আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহপ্রথমজন ‘লাম’ অক্ষরে কাসরা (জের) সহকারে, তিনি হলেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালিমাহ ইবনে মালিক ইবনে আল-হারিস ইবনে আদি ইবনে আল-জাদ্দ আবু আল-হারিস; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী। তিনি বনু আল-আজলান গোত্রের লোক ছিলেন, যারা আনসারদের মিত্র ছিল। তিনি বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। মাগাযী বা যুদ্ধাভিযান বিষয়ক গ্রন্থের রচয়িতা মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার তাঁকে উহুদ যুদ্ধের দিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১০)
أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ ، ثَنَا حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَزَّازُ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيُّوبَ ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ بِذَلِكَوَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَتَّابٍ الْعَبْدِيُّ ، نَا الْقَاسِمُ بْنُ الْمُغِيرَةِ الْجَوْهَرِيُّ ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ ، عَنْ عَمِّهِ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ ، فِي تَسْمِيَةِ مَنْ شَهِدَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَدْرًا مِنْ بَنِي الْعَجْلانِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ الْمُرَادِيُّ الْكُوفِيُّحَدَّثَ عَنْ: عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، وَعَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ ، وَصَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ رَوَى عَنْهُ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَأَخْبَرَنِي هِلالُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَفَّارُ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ النَّجَّادُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّقَاشِيُّ أَبُو قِلابَةَ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، وَاللَّفْظُ لَهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلِمَةَ ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ الْعَسَّالِ: أَنَّ يَهُودِيًّا قَالَ لِصَاحِبِهِ: تَعَالَ حَتَّى نَسْأَلَ هَذَا النَّبِيَّ، فَقَالَ الآخَرُ: لا تَقُلْ لَهُ نَبِيًّا، فَإِنَّهُ لَوْ سَمِعَ صَارَتْ لَهُ أَرْبَعُ أَعْيُنٍ، فَأَتَاهُ فَسَأَلَهُ عَنْ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى {وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى تِسْعَ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ} [الإسراء: 101]، فَقَالَ: «لا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا ، وَلا تَقْتُلُوا النَّفْسَ ، وَلا تَسْرِقُوا ، وَلا تَسْحَرُوا ، وَلا تَأْكُلُوا الرِّبَا ، وَلا تَمْشُوا بِبَرِئٍ إِلَى السُّلْطَانِ لِيَقْتُلَهُ، وَلا تَقْذِفُوا الْمُحْصَنَاتِ، وَلا تَفِرُّوا مِنَ الزَّحْفِ ، وَعَلَيْكُمْ خَاصَّةَ يَهُودَ لا تَعْدُوا فِي السَّبْتِ»، قَالَ: فَقَبَّلُوا يَدَهُ، وَقَالُوا: نَشْهَدُ أَنَّكَ نَبِيٌّ، قَالَ: «فَمَا يَمْنَعُكُمْ أَنْ تَتَّبِعُونِي؟» قَالُوا: إِنَّ دَاوُدَ دَعَا أَنْ لا يَزَالَ مِنْ ذُرِّيَّتِهِ نَبِيٌّ، وَإِنَّا نَخْشَى إِنِ اتَّبَعْنَاكَ أَنْ تَقْتُلَنَا يَهُودُ
আমি আবু নুআইম আল-হাফিজ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবনুল হাসান আল-কাযযায, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সাদ, ইবনে ইসহাকের সূত্রে সেই অনুরূপ।এবং আমি মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আত্তাব আল-আবদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম ইবনুল মুগিরা আল-জাওহারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম ইবনে উকবা, তাঁর চাচা মুসা ইবনে উকবা থেকে; বনু আজলান গোত্রের যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বদরে উপস্থিত ছিলেন তাদের নাম প্রসঙ্গে: আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ। وআব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-মুরাদি আল-কুফিতিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন: আলী ইবনে আবি তালিব, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আম্মার ইবনে ইয়াসির এবং সাফওয়ান ইবনে আসসাল থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুররাহ।আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হিলাল ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাফফার, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে সালমান আন-নাজ্জাদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মাদ আর-রাকাশি আবু কিলাবাহ এবং ইসমাইল ইবনে ইসহাক—শব্দাবলি তাঁর—তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে আসসাল থেকে বর্ণনা করেন যে: এক ইহুদি তার সাথীকে বলল: চলো, আমরা এই নবীর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করি। অন্যজন বলল: তাকে নবী বলো না, কারণ সে যদি তা শুনতে পায় তবে তার চারটি চোখ হয়ে যাবে। অতঃপর সে তাঁর কাছে এল এবং মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল: {আর আমি অবশ্যই মূসাকে নয়টি স্পষ্ট নিদর্শন দান করেছিলাম} [আল-ইসরা: ১০১]। তখন তিনি বললেন: «তোমরা আল্লাহর সাথে কোনোকিছুকে শরিক করো না, প্রাণ হত্যা করো না, চুরি করো না, জাদু করো না, সুদ খেয়ো না, নিরপরাধ ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে শাসকের কাছে নিয়ে যেয়ো না, সতী-সাধ্বী নারীদের অপবাদ দিয়ো না, রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যেয়ো না এবং বিশেষভাবে তোমাদের ইহুদিদের জন্য নির্দেশ: তোমরা শনিবারের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করো না», বর্ণনাকারী বলেন: তখন তারা তাঁর হাত চুম্বন করল এবং বলল: আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি অবশ্যই নবী। তিনি বললেন: «তবে আমার অনুসরণ করতে তোমাদের কিসে বাধা দিচ্ছে?» তারা বলল: দাউদ দোয়া করেছিলেন যেন তাঁর বংশধরদের মধ্যে নবী থাকা অব্যাহত থাকে, আর আমরা ভয় করি যে যদি আমরা আপনার অনুসরণ করি তবে ইহুদিরা আমাদের হত্যা করবে।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১১)
أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْقَاسِمِ الشَّاهِدُ ، بِالْبَصْرَةِ ، نَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَادَرَائِيُّ ، نَا أَبُو الأَحْوَصِ ، أَوْ ذَكَرَهُ ، قَالَ: نَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الصَّلْتِ الْكُوفِيُّ وَأَنَا أَبُو جَعْفَرِ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ عِلانَ الْوَرَّاقُ ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَلالُ ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَدَائِنِيُّ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقُرَشِيُّ ، وَاللَّفْظُ لِحَدِيثِهِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الصَّلْتِ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلِمَةَ ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا يُنَادِي عَلَى الْمِنْبَرِ: " أَلا إِنَّ خَيْرَ هَذِهِ الأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّنَا: أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ ، ثُمَّ اللَّهُ أَعْلَمُ " وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَأَبُو الْعَالِيَةِ الْهَمْدَانِيُّ كُوفِيٌّ أَيْضًا، رَوَى عَنْهُ أَبُو إِسْحَاقَ السَّبِيعِيُّ قَوْلَهُ ، وَزَعَمَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ أَنَّهُ الأَوَّلُ الَّذِي رَوَى عَنْهُ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ: لَيْسَ بِهِ ، هُوَ رَجُلٌ آخَرُ، وَكَانَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ قَالَ مِثْلَ قَوْلِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثُمَّ رَجَعَ عَنْهُأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الأَزْهَرِيُّ ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، ثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى، وَهُوَ ابْنَ مَعِينٍ، يَقُولُ: «عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، وَكُنْيَتُهُ أَبُو الْعَالِيَةِ، قَدْ رَوَى عَنْهُ أَبُو إِسْحَاقَ أَيْضًا» قَالَ عَبَّاسٌ: وَسَمِعْتُ يَحْيَى مَرَّةً أُخْرَى، يَقُولُ: أَبُو الْعَالِيَةِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ ، يَرْوِي عَنْهُ ابْنُ إِسْحَاقَ السَّبِيعِيُّ ، لَيْسَ هُوَ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الأَكْبَرُ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْخَزَّازُ ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ مَرَابَا ، نَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى، يَقُولُ:
আবু হাসান আলী ইবনুল কাসিম আশ-শাহিদ বসরার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে ইসহাক আল-মাদারাই আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবুল আহওয়াস আমাদের বর্ণনা করেছেন, অথবা তিনি তা উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আবিস সালত আল-কুফি আমাদের বর্ণনা করেছেন, এবং আমি আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে ইলান আল-ওয়াররাক, আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক আল-মাদাইনি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-কুরাশি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং শব্দগুলো তার হাদিসের, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আবিস সালত আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে মুররাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সালিমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে মিম্বরের ওপর ঘোষণা করতে শুনেছি: "সাবধান! আমাদের নবীর পরে এই উম্মতের সর্বোত্তম ব্যক্তি হলেন: আবু বকর এবং ওমর, এরপর আল্লাহই ভালো জানেন।" এবং আবদুল্লাহ ইবনে সালিমাআবু আল-আলিয়া আল-হামদানিও একজন কুফি, আবু ইসহাক আস-সাবিঈ তার উক্তি বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ইবনে হাম্বল দাবি করেছেন যে, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যার থেকে আমর ইবনে মুররাহ বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নুমায়র বলেছেন: তিনি সেই ব্যক্তি নন, তিনি অন্য একজন লোক। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনও আহমাদ ইবনে হাম্বলের মতের মতো বলেছিলেন, অতঃপর তিনি তা থেকে ফিরে আসেন।আবুল কাসিম আল-আজহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে উমর আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়াকে—যিনি ইবনে মাঈন—বলতে শুনেছি: "আবদুল্লাহ ইবনে সালিমা, যার থেকে আমর ইবনে মুররাহ বর্ণনা করেন এবং তার উপনাম আবু আল-আলিয়া, তার থেকে আবু ইসহাকও বর্ণনা করেছেন।" আব্বাস বলেন: আমি ইয়াহইয়াকে অন্য এক সময় বলতে শুনেছি: আবু আল-আলিয়া আবদুল্লাহ ইবনে সালিমা, যার থেকে ইবনে ইসহাক আস-সাবিঈ বর্ণনা করেন, তিনি সেই ব্যক্তি নন যার থেকে আমর ইবনে মুররাহ বর্ণনা করেন।মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-আকবার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাস আল-খাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে মারাবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১২)
«وَأَبُو الْعَالِيَةِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ يَرْوِي عَنْهُ أَبُو إِسْحَاقَ، وَلَيْسَ هُوَ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ»أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَضْلِ الْقَطَّانُ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمُسْتَمْلِي، ثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ فَارِسٍ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، قَالَ: وَقَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلِمَةَ الَّذِي رَوَى عَنْهُ أَبُو إِسْحَاقَ، غَيْرُ الَّذِي رَوَى عَنْهُ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ وَأمَّا الثَّانِي بِفَتْحِ اللامِ فَهُوَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيُّحَدَّثَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَوَى عَنْهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْمُهَاجِرِأَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ الْبَزَّازُ، أَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نُصَيْرٍ الْخُلْدِيُّ، نَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْرُوقٍ الطُّوسِيُّ، ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْمُهَاجِرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَفْلَحَ مَنْ أَسْلَمَ وَكَانَ رِزْقُهُ كَفَافًا ثُمَّ صَبَرَ عَلَيْهِ» وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيُّحَدَّثَ عَنْ أَبِيهِ رَوَى عَنْهُ ابْنُهُ سَلَمَةُأَخْبَرَنِي أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدَّلُ، أَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ الْبَزَّازُ، نَا أَحْمَدُ بْنُ الْخَلِيلِ، نَا الْوَاقِدِيُّ، ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ الصَّيَّادُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ، ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْوَاقِدِيُّ،
«এবং আবুল আলিয়া আব্দুল্লাহ ইবনে সালিমা, যাঁর থেকে আবু ইসহাক বর্ণনা করেছেন; তিনি সেই ব্যক্তি নন যাঁর থেকে আমর ইবনে মুররা বর্ণনা করেছেন।»আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফজল আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ইব্রাহিম আল-মুস্তামলি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে ফারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি, তিনি বলেন: এবং ইবনে নুমাইর বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সালিমা, যাঁর থেকে আবু ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি সেই ব্যক্তি থেকে ভিন্ন যাঁর থেকে আমর ইবনে মুররা বর্ণনা করেছেন। আর দ্বিতীয় জন—লাম বর্ণে ফাতহা (জবর) যোগে—তিনি হলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-মাখজুমিতিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবুল মুহাজির।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিজকুয়াইহ আল-বাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নুসায়র আল-খুলদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাসরুক আত-তুসি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুয়াবিয়া, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবু কায়স, তিনি ইসমাইল ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবুল মুহাজির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-মাখজুমি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সেই ব্যক্তি সফলকাম হয়েছে যে ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং যার জীবিকা হয়েছে পরিমিত (প্রয়োজনমাফিক), অতঃপর সে তার ওপর ধৈর্য ধারণ করেছে (সন্তুষ্ট থেকেছে)» এবং আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে আবু সালামাহ আল-মাখজুমিতিনি তাঁর পিতা থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর পুত্র সালামাহ বর্ণনা করেছেন।আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আল-মুয়াদদিল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি আল-বাযযায, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে খলিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়াকিদি; (অন্য সূত্রে) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইউসুফ আস-সাইয়াদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে মুহাম্মদ আত-তামিমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ওমর আল-ওয়াকিদি,
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৩)
ثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ الْمَخْزُومِيُّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا خَطَبَ أُمَّ سَلَمَةَ، قَالَ: " مُرِي ابْنَكِ أَنْ يُزَوِّجَكِ، أَوْ قَالَ: يُزَوِّجُنَا ابْنُهَا "، وَهُوَ يَوْمَئِذٍ صَغِيرٌ لَمْ يَبْلُغْ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنُ أَسْلَمَ الرَّبَعِيُّوَقِيلَ: الْجُهَنِيُّ الْمُرِّيُّ حَدَّثَ عَنْ: أَبِيهِ، وَعَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ رَوَى عَنْهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجَعْفَرِيُّأَنْبَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ الْخُوَارَزْمِيُّ الْبَرْقَانِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الإِسْمَاعِيلِيُّ، أَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمُقْرِئُ الصَّائِغُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، بِمَدِينَةِ الرَّسُولِ صلى الله عليه وسلم، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ أَسْلَمَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: " بَعَثَ فَرْوَةُ بْنُ عَامِرٍ الْجُذَامِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِإِسْلامِهِ، وَأَهْدَى لَهُ بَغْلَةً بَيْضَاءَ، وَكَانَ فَرْوَةُ عَامِلا لِقَيْصَرَ مَلِكِ الرُّومِ عَلَى مَنْ يَلِيهِ مِنَ الْعَرَبِ، وَكَانَ مَنْزِلُهُ عُمَانُ وَمَا حَوْلَهَا، فَلَمَّا بَلَغَ الرُّومَ ذَلِكَ مِنْ أَمْرِهِ حَبَسُوهُ، فَقَالَ فِي حَبْسِهِ:طَرَقَتْ سُلَيْمَى مَوْهِنًا أَصْحَابِي … وَالرُّومُ بَيْنَ الْبَابِ وَالْقِرْوَانِصَدَّ الْخَيَالُ وَسَاءَنِي مَا قَدْ أَرَى … فَهَمَمْتُ أَنْ أُغْفِي، وَقَدْ أَبْكَانِيوَلَقَدْ عَلِمْتَ أَبَا كُبَيْشَةَ أَنَّنِي … وَسْطُ الأَعِزَّةِ لا يُحَسُّ بِشَانِي
আমর ইবনে উসমান আল-মাখজুমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালামা ইবনে আবু সালামা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন উম্মে সালামাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন, তখন তিনি বললেন: "তোমার ছেলেকে নির্দেশ দাও সে যেন তোমার বিয়ে দেয়", অথবা তিনি বললেন: "তাঁর ছেলে আমাদের সাথে বিয়ে দিক", অথচ সেই দিন সে ছোট ছিল এবং তখনো সাবালক হয়নি। وআবদুল্লাহ ইবনে সালামা ইবনে আসলাম আর-রাবায়িএবং বলা হয়েছে: আল-জুহানি আল-মুররি। তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং ইবনে শিহাব আজ-জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-জাফরি।আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গালিব আল-খাওয়ারিজমি আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে মনসুর আল-মুকরি আস-সায়িগ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে জাফর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর শহরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালামা ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ফারওয়া ইবনে আমির আল-জুজামি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট তাঁর ইসলাম গ্রহণের বার্তা পাঠালেন এবং তাঁকে একটি সাদা খচ্চর উপহার দিলেন। ফারওয়া রোম সম্রাট কায়সারের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী আরবদের গভর্নর নিযুক্ত ছিলেন এবং তাঁর আবাসস্থল ছিল আম্মান ও এর আশপাশে। যখন রোমানরা তাঁর এই বিষয়টি জানতে পারল, তখন তারা তাঁকে বন্দী করল। তিনি তাঁর বন্দী অবস্থায় বললেন:সুলাইমা রাতের শেষ প্রহরে আমার সঙ্গীদের নিকট উপস্থিত হলো... অথচ রোমানরা তখন ফটক ও সেনাদলের মাঝখানে।সেই কল্পনা ফিরে গেল এবং যা আমি দেখছি তা আমাকে ব্যথিত করল... আমি ঘুমানোর চেষ্টা করলাম, অথচ সেই চিন্তা আমাকে কাঁদিয়ে দিল।হে আবু কুবাইশাহ! আপনি অবশ্যই জানেন যে আমি... উচ্চমর্যাদাবানদের মাঝে থাকা সত্ত্বেও এখন আমার অবস্থা কেউ অনুভব করছে না।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৪)
فَلَئِنْ هَلَكْتُ لَتَفْقِدُنَّ أَخَاكُمُ … وَلَئِنْ أُصِبْتُ لَتَعْرِفُنَّ مَكَانِيوَلَقَدْ عَرَفْتُ بِكُلِّ مَا جَمَعَ الْفَتَى … مِنْ رَأْيِهِ، وَبِنَجْدَةٍ وَبَيَانِ قَالَ: فَلَمَّا أَجْمَعُوا صَلْبَهُ صَلَبُوهُ عَلَى مَاءٍ يُقَالُ لَهُ: عَفْرَاءُ بِفِلَسْطِينَ، فَلَمَّا رُفِعَ، قَالَ:أَلا هَلْ أَتَى سَلْمَى بِأَنَّ حَلِيلَهَا … عَلَى مَاءِ عَفْرَا فَوْقَ إِحْدَى الرَّوَاحِلِعَلَى نَاقَةٍ لَمْ يَضْرِبِ الْفَحْلُ أُمَّهَا … مُشَذَّبَةٍ أَطْرَافُهَا بِالْمَنَاجِلِوَقَالَ:بَلِّغْ سُرَاةَ الْمُسْلِمِينَ بِأَنَّنِي … سَلْمٌ لِرَبِّي أَعْظُمِي وَبَنَانِي" وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ الأَسَدِيُّ الْمَدَنِيُّحَدَّثَ عَنْ أَبِيهِ، رَوَى عَنْ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الزُّهْرِيِّأَخْبَرَنَا أَبُو الْغَنَائِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْمَأْمُونِ الْهَاشِمِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، نَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ صَالِحٍ الأَوْدِيُّ، ثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ، حَدَّثَنِي أَبُو يَحْيَى هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّهْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، عَنْ أَبِيهِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: أَكْثَرُ مَا نَالَتْ قُرَيْشٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ رَأَيْتُهُ يَوْمًا، قَالَ عَمْرٌو: فَرَأَيْتُ عَيْنَيْ عُثْمَانَ ذَرَفَتَا مِنْ تَذَكُّرِ ذَلِكَ، قَالَ عُثْمَانُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَطُوفُ بِالْبَيْتِ، وَيَدُهُ فِي يَدِ أَبِي بَكْرٍ، وَفِي الْحِجْرِ ثَلاثَةُ نَفَرٍ جُلُوسٌ: عُقْبَةُ بْنُ أَبِي مُعَيْطٍ، وَأَبُو جَهْلِ بْنِ هِشَامٍ، وَأُمَيَّةُ بْنُ خَلَفٍ، فَمَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا حَاذَاهُمْ أَسْمَعُوهُ بَعْضَ مَا يَكْرَهُ، فَعُرِفَ ذَلِكَ فِي وَجْهِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَدَنَوْتُ مِنْهُ حَتَّى
যদি আমি ধ্বংস হয়ে যাই, তবে তোমরা তোমাদের ভাইকে হারাবে … আর যদি আমি বিপদগ্রস্ত হই, তবে তোমরা অবশ্যই আমার স্থান জানতে পারবে।নিশ্চয়ই আমি জেনেছি যা কিছু একজন যুবক অর্জন করে … তার প্রজ্ঞা, বীরত্ব এবং স্পষ্টবাদিতা থেকে। তিনি বলেন: অতঃপর যখন তারা তাকে ক্রুশবিদ্ধ করার ব্যাপারে একমত হলো, তখন তারা তাকে ফিলিস্তিনের ‘আফরা’ নামক এক জলাধারের কাছে ক্রুশবিদ্ধ করল। যখন তাকে উপরে তোলা হলো, তখন তিনি বললেন:ওহে! সালমার কাছে কি এই সংবাদ পৌঁছেছে যে, তার স্বামী … আফরার জলাধারের কিনারে এক বাহনের ওপর আছে?এমন এক উষ্ট্রীর ওপর যার মা’কে কোনো পুরুষ উট স্পর্শ করেনি … যার প্রান্তভাগগুলো কাস্তে দিয়ে ছেঁটে দেওয়া হয়েছে।এবং তিনি বললেন:মুসলিমদের নেতৃবৃন্দকে জানিয়ে দাও যে, আমি … আমার রবের প্রতি সমর্পিত, আমার হাড়সমূহ এবং আঙ্গুলের অগ্রভাগসহ।" এবং আবদুল্লাহ বিন সালামাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উরওয়াহ বিন আল-যুবাইর বিন আল-আওয়াম আল-আসাদী আল-মাদানীতিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, হারুন বিন আবদুল্লাহ আল-জুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন।আবুল গানায়েম আবদুল সামাদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-মামুন আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল হাসান আলী বিন উমর আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সালিহ আল-আওদী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-যুবাইর বিন বাক্কার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াহইয়া হারুন বিন আবদুল্লাহ আল-জুহরী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন সালামাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উরওয়াহ বিন আল-যুবাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, উরওয়াহ বিন আল-যুবাইর থেকে, তিনি বলেন: আমর বিন উসমান বিন আফফান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা উসমান বিন আফফান থেকে, তিনি বলেন: কুরাইশরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সবচেয়ে বেশি যা (অন্যায়) করেছিল—আমি তাঁকে একদিন দেখেছিলাম, আমর বলেন: আমি উসমানের দুই চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে দেখলাম যখন তিনি তা স্মরণ করছিলেন, উসমান বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন এবং তাঁর হাত ছিল আবু বকরের হাতের মধ্যে। হিজর-এ তিনজন লোক বসে ছিল: উকবাহ বিন আবু মুআইত, আবু জাহল বিন হিশাম এবং উমাইয়াহ বিন খালাফ। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। যখন তিনি তাদের বরাবর হলেন, তখন তারা তাঁকে এমন কিছু শুনাল যা তিনি অপছন্দ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারায় তা ফুটে উঠল। অতঃপর আমি তাঁর কাছে এগিয়ে গেলাম যতক্ষণ না...
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وَسَّطْتُهُ فَكَانَ بَيْنِي وَبَيْنَ أَبِي بَكْرٍ، وَأَدْخَلَ أَصَابِعَهُ فِي أَصَابِعِي حَتَّى طُفْنَا جَمِيعًا، فَلَمَّا حَاذَاهُمْ، قَالَ أَبُو جَهْلٍ: وَاللَّهِ لا نُصَالِحُكَ مَا بَلَّ نَحْرٌ صُوفَهُ، وَأَنْتَ تَنْهَانَا أَنْ نَعْبُدَ مَا كَانَ يَعْبُدُ آبَاؤُنَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَتَى ذَلِكَ» ثُمَّ مَضَى عَنْهُمْ، فَصَنَعُوا بِهِ فِي الشَّوْطِ الثَّالِثِ مِثْلَ ذَلِكَ، حَتَّى إِذَا كَانَ الشَّوْطُ الرَّابِعُ نَاهَضُوهُ، وَوَثَبَ أَبُو جَهْلٍ يُرِيدُ أَنْ يَأْخُذَ بِمَجْمَعِ ثَوْبِهِ، فَدَفَعْتُ فِي صَدْرِهِ، فَوَقَعَ عَلَى اسْتِهِ، وَدَفَعَ أَبُو بَكْرٍ أُمَيَّةَ بْنَ خَلَفٍ، وَدَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عُقْبَةَ بْنَ أَبِي مُعَيْطٍ، ثُمَّ انْفَرَجُوا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ وَاقِفٌ، ثُمَّ قَالَ لَهُمْ: «أَمَا وَاللَّهِ لا تَنْتَهُونَ حَتَّى يَحِلَّ بِكُمْ عِقَابُهُ آجِلا»، قَالَ عُثْمَانُ: فَوَاللَّهِ مَا مِنْهُمْ رَجُلٌ إِلا وَقَدْ أَخَذَهُ أَفْكَلٌ، وَهُوَ يَرْتَعِدُ، فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «فَبِئْسَ الْقَوْمُ أَنْتُمْ لِنَبِيِّكُمْ»، ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى بَيْتِهِ، وَتَبِعْنَاهُ خَلْفَهُ حَتَّى انْتَهَى إِلَى بَابِ بَيْتِهِ، وَقَفَ عَلَى السُّدَّةِ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، فَقَالَ: «أَبْشِرُوا، فَإِنَّ اللَّهَ مُظْهِرٌ دِينَهُ، وَمُتِمٌّ كَلِمَتَهُ، وَنَاصِرٌ دِينَهُ، إِنَّ هَؤُلاءِ الَّذِينَ تَرَوْنَ مِمَّنْ يَذْبَحُ اللَّهُ بِأَيْدِيكُمْ عَاجِلا»، ثُمَّ انْصَرَفْنَا إِلَى بُيُوتِنَا، فَوَاللَّهِ لَقَدْ رَأَيْتُهُمْ قَدْ ذَبَحَهُمُ اللَّهُ بِأَيْدِينَا وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَضْرَمِيُّ الأَفْطَسُ الْبَصْرِيُّحَدَّثَ عَنْ: مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، وَعُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ، وَأَبِي جَعْفَرٍ الْخَطْمِيِّ، وَعَمْرِو بْنِ عُبَيْدٍ، وَصَدَقَةَ بْنِ الْمُثَنَّى، وَجَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ رَوَى عَنْهُ: بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبَانٍ السُّكَّرِيُّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الْفَرَّاءُ، وَغَيْرُهُمَا أَنَا ابْنُ الْفَضْلِ الْقَطَّانُ، أَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ، أَنَا سَهْلُ بْنُ أَبِي سَهْلٍ الْوَاسِطِيُّ، قَالَ: قَالَ أَبُو حَفْصٍ عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ: وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الأَفْطَسُ يُكَنَّى بِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلًى لِلْحَضَارِمَةِ، مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: حَدَّثَنيِ مُوسَى، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ فِي كِرَاءِ
আমি তাঁকে (রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে) মাঝখানে রাখলাম, ফলে তিনি আমার এবং আবু বকরের মাঝখানে থাকলেন। তিনি তাঁর আঙ্গুলসমূহ আমার আঙ্গুলসমূহের মাঝে প্রবেশ করালেন এবং আমরা একত্রে তাওয়াফ করলাম। যখন তিনি তাদের সমান্তরালে পৌঁছালেন, তখন আবু জাহল বলল: "আল্লাহর কসম, যতক্ষণ উটের গর্দান তার পশম ভেজাবে (অর্থাৎ চিরকাল), ততক্ষণ আমরা তোমার সাথে সন্ধি করব না। তুমি আমাদেরকে সেই সবের ইবাদত করতে নিষেধ করছ যার ইবাদত আমাদের পিতৃপুরুষরা করত।" তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন: "তা তো এসে গেছে।" অতঃপর তিনি তাদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন। তৃতীয় চক্করেও তারা তাঁর সাথে অনুরূপ আচরণ করল। অবশেষে যখন চতুর্থ চক্কর শুরু হলো, তখন তারা তাঁর ওপর চড়াও হলো। আবু জাহল লাফিয়ে উঠে তাঁর কাপড়ের প্রান্ত ধরতে চাইল। তখন আমি তার বুকে ধাক্কা দিলাম এবং সে তার পশ্চাদ্দেশের ওপর পড়ে গেল। আবু বকর উমাইয়্যাহ ইবনে খালাফকে ধাক্কা দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ উকবা ইবনে আবি মুআইতকে ধাক্কা দিলেন। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চারপাশ থেকে সরে গেল। তিনি তখন দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বললেন: "শোনো, আল্লাহর কসম! তোমরা বিরত হবে না যতক্ষণ না শীঘ্রই তোমাদের ওপর তাঁর (আল্লাহর) শাস্তি আপতিত হয়।" উসমান (রা.) বলেন: আল্লাহর কসম, তাদের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি ছিল না যাকে কাঁপুনী ধরেনি এবং সে থরথর করে কাঁপছিল। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলতে লাগলেন: "তোমরা তোমাদের নবীর জন্য কতই না নিকৃষ্ট কওম!" এরপর তিনি নিজের ঘরের দিকে ফিরে গেলেন এবং আমরাও তাঁর পেছনে পেছনে অনুসরণ করলাম, এমনকি তিনি তাঁর ঘরের দরজায় পৌঁছালেন। তিনি চৌকাঠে দাঁড়ালেন, এরপর আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: "তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করবেন, তাঁর কালিমাকে পূর্ণ করবেন এবং তাঁর দ্বীনকে সাহায্য করবেন। তোমরা যাদের দেখছ, আল্লাহ শীঘ্রই তোমাদের হাতের মাধ্যমেই এদেরকে হত্যা করবেন।" অতঃপর আমরা আমাদের ঘরের দিকে ফিরে গেলাম। আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই দেখেছি যে আল্লাহ আমাদের হাতের মাধ্যমেই তাদের হত্যা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ আবু আবদুর রহমান আল-হাদরামি আল-আফতাস আল-বাসরিতিনি বর্ণনা করেছেন: মুসা ইবনে উকবা, উসমান ইবনে হাকিম, আবু জাফর আল-খাতমি, আমর ইবনে উবাইদ, সাদাকা ইবনে আল-মুসান্না এবং জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলি থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: বিশর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবান আস-সুক্কারি, ইব্রাহিম ইবনে মুসা আল-ফাররা এবং অন্যান্যরা। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল ফাদল আল-কাত্তান, তিনি বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আহমদ আদ-দাক্কাক থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে আবি সাহল আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি বলেন: আবু হাফস আমর ইবনে আলি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-আফতাস, যাঁর কুনিয়াত আবু আবদুর রহমান, তিনি হাজরামিদের আযাদকৃত দাস; তিনি মাতরুকুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদীস বর্ণনাকারী)। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: মুসা আমাকে বর্ণনা করেছেন সালেম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে ভাড়া প্রসঙ্গে...
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৬)
الأَرْضِ، فَذَكَرْتُهُ لِيَحْيَى، فَقَالَ: قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ سَنَةَ ثِنْتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ، وَقَدْ مَاتَ مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ قَبْلَ ذَلِكَ عَامًا لَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ قَالَ أَبُو حَفْصٍ: وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ، فَذَكَرْتُهُ لِيَحْيَى، فَقَالَ: قَدِمْنَا الْكُوفَةَ وَقَدْ مَاتَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ مَعْبَدٍ الْفَرَّاءُأَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُعَدَّلُ، أَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ عُصْمٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ مَعْبَدٍ الْفَرَّاءُ، قَالَ: " حَضَرَتْ رَجُلا الْوَفَاةُ فِي فَلاةٍ مِنَ الأَرْضِ، فَحَضَرَهُ نَاسٌ مِنَ الأَعْرَابِ، فَلَمَّا أَحَسَّ بِالْمَوْتِ جَعَلَ يَقُولُ لَهُمْ: وَجِّهُونِي، وَجِّهُونِي، فَجَعَلُوا لا يَدْرُونَ مَا يُرِيدُ، فَلَمَّا خَافَ أَنْ يَعْجِلَهُ الْمَوْتُ عَنِ التَّوْجِيهِ، قَالَ: يَا هَؤُلاءِ، وَجِّهُونِي؟ قَالُوا: أَيْنَ نُوَجِّهُكَ؟ فَبَكَى ثُمَّ قَالَ:إِلَى الْبَيْتِ الَّذِي مِنْ كُلِّ فَجٍّ … إِلَيْهِ وُجُوهُ أَصْحَابِ الْقُبُورِ، قَالَ: فَبَكَى وَاللَّهِ الْقَوْمُ جَمِيعًا، ثُمَّ وَجَّهُوهُ إِلَى الْقِبْلَةِ، فَمَاتَ " وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الْحَارِثِيُّحَدَّثَ عَنْ خَالِدِ بْنِ إِلْيَاسَ رَوَى عَنْهُ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّأَنَا أَبُو الْبَرَكَاتِ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمُؤَدِّبُ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّيْبَانِيُّ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَعْيَنَ، نَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ الْخَلالُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الْحَارِثِيُّ، نَا خَالِدُ بْنُ إِلْيَاسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أُمِّهِ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَخِيهَا عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ
জমিন, আমি এটি ইয়াহইয়ার কাছে উল্লেখ করেছি, তখন তিনি বললেন: আমরা বিয়াল্লিশ হিজরি সনে মদীনায় এসেছি, অথচ মূসা ইবনে উকবা তার এক বছর পূর্বেই মারা গিয়েছেন, তিনি তার থেকে শোনেননি। আবু হাফস বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: উসমান ইবনে হাকিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তখন আমি এটি ইয়াহইয়ার কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেন: আমরা কুফায় এসেছি এবং ইতিমধ্যে তিনি মারা গেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে মাবাদ আল-ফাররাআলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুয়াদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারযাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আইয়াশ ইবনে আসম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে মাবাদ আল-ফাররা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "এক ব্যক্তি মরুপ্রান্তরে মৃত্যুশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন সেখানে কিছু গ্রাম্য লোক উপস্থিত হলো। যখন তিনি মৃত্যু অনুভব করলেন, তখন তিনি তাদের বলতে লাগলেন: 'আমাকে অভিমুখী করো, আমাকে অভিমুখী করো'। কিন্তু তারা বুঝতে পারছিল না তিনি কী চাইছেন। যখন তিনি আশঙ্কা করলেন যে অভিমুখী করার পূর্বেই মৃত্যু তাকে গ্রাস করবে, তখন তিনি বললেন: 'ওহে লোকসকল, আমাকে কি তোমরা অভিমুখী করবে?' তারা বলল: 'আমরা আপনাকে কোন দিকে অভিমুখী করব?' তখন তিনি কাঁদলেন এবং বললেন:সেই ঘরের দিকে, যার দিকে প্রতিটি দূরবর্তী পথ থেকে... কবরবাসীদের মুখ ফেরানো থাকেবর্ণনাকারী বলেন: আল্লাহর কসম, তখন উপস্থিত সকল লোক কেঁদে ফেললেন। অতঃপর তারা তাকে কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলেন এবং তিনি ইন্তেকাল করলেন।" আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-হারিসিতিনি খালিদ ইবনে ইলিয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং হাসান ইবনে আলী আল-হুলওয়ানি তার থেকে বর্ণনা করেছেন।আবুল বারাকাত ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আল-মুয়াদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাইবানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আয়ান আমাদের বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে আলী আল-হুলওয়ানি আল-খাল্লাল আমাদের বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-হারিসি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে ইলিয়াস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে, তিনি তার মা ফাতিমা বিনতে আল-হুসাইন থেকে, তিনি তার ভাই আলী ইবনে আল-হুসাইন থেকে, তিনি তার পিতা হুসাইন ইবনে আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বলেন:
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৭)
رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يُحِبُّ مَعَالِيَ الأَخْلاقِ وَيَكْرَهُ سَفَاسِفَهَا» وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْعَوْصِيُّ الْحِمْصِيُّحَدَّثَ عَنْ أَبِيهِ رَوَى عَنْهُ ابْنُهُ مُحَمَّدٌأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمَانَ الْعَطَّارُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَبْهَرِيُّ الْفَقِيهُ، ثَنَا أَبُو عَمْرٍو عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو الْقَاضِيُّ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْعَوْصِيُّ، أَخْبَرَنِي أَبِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ، أَنَّ أَبَاهُ سَلَمَةَ حَدَّثَهُ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مَوْهِبٍ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ أَمَّ النَّاسَ فَلْيُخَفِّفْ، فَإِنَّ فِيهِمُ الْكَبِيرَ، وَالصَّغِيرَ، وَالْمَرِيضَ، وَذَا الْحَاجَةِ» وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ عَيَّاشٍ الْبَصْرِيُّحَدَّثَ عَنْ: أَشْعَثَ بْنِ بَرَازٍ الْهُجَيْمِيِّ، وَعِمْرَانَ بْنِ خَالِدٍ الْخُزَاعِيِّ رَوَى عَنْهُ: مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنْبَرِيُّ، وَحَمْدُونُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمٍ السِّمْسَارُ الْبَغْدَادِيُّ، وَأَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمَوْصِلِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رُبَيِّعَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَبِيعَةَأَمَّا الأَوَّلُ بِضَمِّ الرَّاءِ وَفَتْحِ الْبَاءِ وَكَسْرِ الْيَاءِ الْمُشَدَّدَةِ فَهُوَ:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ উন্নত চরিত্র পছন্দ করেন এবং নিচ বা তুচ্ছ চরিত্র অপছন্দ করেন» এবং আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে আবদুল মালিক আল-আওসী আল-হিমসীতিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন।আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালমান আল-আত্তার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আভহারী আল-ফকিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আবদুর রহমান ইবনে আমর আল-কাদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে আবদুল মালিক আল-আওসী, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ, যে তাঁর পিতা সালামাহ তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন, হাসান ইবনে সালিহ থেকে, তিনি উসমান ইবনে মাওহিব থেকে, তিনি ফাতিমা বিনতে কায়স থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি মানুষের ইমামতি করে সে যেন সংক্ষিপ্ত করে, কেননা তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, শিশু, অসুস্থ এবং প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষ থাকে» এবং আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে আইয়্যাশ আল-বসরীতিনি বর্ণনা করেছেন: আশআছ ইবনে বারাজ আল-হুজাইমী এবং ইমরান ইবনে খালিদ আল-খুজাঈ থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুয়ায ইবনুল মুছান্না আল-আনবারী, হামদুন ইবনে আহমাদ ইবনে সালম আস-সিমসার আল-বাগদাদী এবং আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী আল-মাওসিলী। আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়্যাহ এবং আবদুল্লাহ ইবনে রাবীআহপ্রথমজন 'রা' অক্ষরে পেশ, 'বা' অক্ষরে যবর এবং তাশদীদযুক্ত 'ইয়া' অক্ষরে যেরসহ, তিনি হলেন:
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৮)
عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رُبَيِّعَةَ السُّلَمِيُّلَهُ صُحْبَةٌ وَرِوَايَةٌ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَرَوَى أَيْضًا عَنْ عُبَيْدِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَدَّثَ عَنْهُ: عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ الأَوْدِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي لَيْلَى، وَمَالِكُ بْنُ الْحَارِثِ، وَعَلِيُّ بْنُ الأَقْمَرِ، وَمَنْصُورُ بْنُ الْمُعْتَمِرِ، وَعَطَاءُ بْنُ السَّائِبِأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَصْبَهَانِيُّ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ بْنِ الْحَسَنِ النَّحَّادُ الْفَقِيهُ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نَا عَفَّانُ، ثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي الْحَكَمُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، قَالَ: كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ، فَسَمِعَ رَجُلا يُؤَذِّنُ، فَجَعَلَ يَقُولُ مِثْلَمَا يَقُولُ، فَلَمَّا بَلَغَ: أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، قَالَ: «إِنَّ هَذَا لَرَاعِي غَنَمٍ أَوْ رَجُلٌ عَازِبٌ عَنْ أَهْلِهِ»، فَلَمَّا هَبَطْنَا الْوَادِي فَإِذَا رَاعِي غَنَمٍ، وَإِذَا شَاةٌ مَيِّتَةٌ، فَقَالَ: «تَرَوْنَ هَذِهِ هَانَتْ عَلَى أَهْلِهَا؟» قَالُوا: مِنْ هَوَانِهَا أَلْقَوْهَا، قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَلدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ مِنْ هَذِهِ عَلَى أَهْلِهَا»أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُعَدَّلُ، أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، نَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، قَالَ: ثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ الأَوْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ السُّلَمِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدٍ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: آخَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ رَجُلَيْنِ، فَقُتِلَ أَحَدُهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَعَاشَ الآخَرُ بَعْدَهُ سَنَةً ثُمَّ مَاتَ، فَلَمَّا جِئْنَا مِنْ دَفْنِهِ جَعَلْنَا نَتَكَلَّمُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا قُلْتُمْ؟» قَالَ: قُلْنَا: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ، اللَّهُمَّ أَلْحِقْهُ بِصَاحِبِهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «فَأَيْنَ صَلاتُهُ بَعْدَ صَلاتِهِ، وَأَيْنَ صِيَامُهُ بَعْدَ صِيَامِهِ؟! الَّذِي بَيْنَهُمَا أَبْعَدُ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ»
আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ আস-সুলামিতিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছেন এবং তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি উবাইদ ইবনে খালিদের সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে মাইমুন আল-আওদি, আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা, মালিক ইবনুল হারিস, আলী ইবনুল আকমার, মানসুর ইবনুল মুতামির এবং আতা ইবনুস সাইব।আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ ইবনে সালমান ইবনুল হাসান আন-নাহহাদ আল-ফকিহ শ্রুতিলিখন হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে মুকরাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-হাকাম আমাকে আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এক সফরে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে আজান দিতে শুনলেন, তখন তিনি মুয়াজ্জিন যা বলছিল ঠিক তা-ই বলতে লাগলেন। যখন মুয়াজ্জিন ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ পর্যন্ত পৌঁছাল, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই এ ব্যক্তি একজন মেষপালক অথবা এমন একজন ব্যক্তি যে তার পরিবার থেকে দূরে নির্জনে অবস্থান করছে।" যখন আমরা উপত্যকায় নামলাম, তখন সেখানে একজন মেষপালক এবং একটি মৃত বকরী দেখতে পেলাম। তিনি বললেন: "তোমরা কি মনে করো যে, এটি তার মালিকের কাছে তুচ্ছ হয়ে গেছে?" তারা বলল: তুচ্ছ হওয়ার কারণেই তারা একে ফেলে দিয়েছে। তিনি বললেন: "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই দুনিয়া আল্লাহর নিকট তার মালিকের কাছে এই বকরীটি যতটা তুচ্ছ, তার চেয়েও অধিক তুচ্ছ।"আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুআদ্দাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের জানিয়েছেন, আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শাবাবাহ ইবনে সাওয়ার আমাদের বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে মাইমুন আল-আওদি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ আস-সুলামি থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে খালিদ থেকে বর্ণনা করেন—যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম সাহাবী ছিলেন—তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজন ব্যক্তির মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করে দিয়েছিলেন। তাদের একজন আল্লাহর পথে শহীদ হন এবং অপরজন তার পর আরও এক বছর জীবিত ছিলেন, অতঃপর তিনি ইন্তেকাল করেন। যখন আমরা তাকে দাফন করে ফিরলাম, তখন আমরা আলোচনা করতে লাগলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন: "তোমরা কী বলছিলে?" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন; হে আল্লাহ, তার ওপর দয়া করুন; হে আল্লাহ, তাকে তার সাথীর (শহীদের) মর্যাদায় পৌঁছে দিন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তাহলে সেই শহীদের নামাজের পর এই ব্যক্তির পরবর্তী এক বছরের নামাজের মর্যাদা কোথায়? আর তার রোজার পর এই ব্যক্তির পরবর্তী এক বছরের রোজার মর্যাদা কোথায়? এই দুইজনের আমলের মধ্যবর্তী ব্যবধান আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী দূরত্বের চেয়েও বেশি।"
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ১৯)
قَالَ شُبَابَةُ: قَالَ شُعْبَةُ، قَالَ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ: فَأَعْجَبَنِي هَذَا الْحَدِيثُ لإِسْنَادِهِأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ دُرُسْتُوَيْهِ، ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، قَالَ: " كَانَ جَالِسًا مَعَ عُتْبَةَ بْنِ فَرْقَدٍ، فَقَالَ عُتْبَةُ: يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الرُّبَيِّعَةِ، أَلا تُعِينُنِي عَلَى ابْنِ أَخِيكَ عَمْرِو بْنِ عُتْبَةَ يُعِينُنِي عَلَى مَا أَنَا فِيهِ مِنْ عَمَلٍ؟ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الرُّبَيِّعَةِ: أَطِعْ أَبَاكَ! فَنَظَرَ عَمْرٌو إِلَى مِعْضَدٍ الْعَجَلِيِّ، فَقَالَ: مَا تَقُولُ؟ قَالَ: لا تُطِعْهُمْ، {وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبْ} [العلق: 19]، قَالَ عَمْرٌو: يَا أَبَهْ إِنَّمَا أَنَا عَبْدٌ أَعْمَلُ فِي فِكَاكِ رَقَبَتِي، فَبَكَى عُتْبَةُ، فَقَالَ: يَا بُنَيَّ، إِنِّي لَأُحِبُّكَ حُبَّيْنِ: حُبَّ الْوَالِدِ وَلَدَهُ، وَحُبًّا لِلَّهِ، فَقَالَ: يَا أَبَهْ، إِنَّكَ كُنْتَ آتَيْتَنِي مَالا فَبَلَغَ سَبْعِينَ أَلْفًا، فَإِنْ كُنْتَ سَائِلِي عَنْهُ فَهُوَ هَذَا فَخُذْهُ لا حَاجَةَ لِي فِيهِ، قَالَ: يَا بُنَيَّ أَمْضِهِ، قَالَ: فَأَمْضَاهُ حَتَّى مَا بَقِيَ مِنْهُ دِرْهَمٌ "أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَزْدَادَ الْقَارِئُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الأَصْبَهَانِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْفَرْقَدِيُّ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرٍو، ثَنَا خَالِدٌ، يَعْنِي بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، قَالَ: قَالَ سَلْمَانُ: «لا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا بَقِيَ الأَوَّلُ حَتَّى يَتَعَلَّمَ مِنْهُ الآخَرُ، فَإِنْ مَاتَ الأَوَّلُ قَبْلَ أَنْ يَتَعَلَّمَ مِنْهُ الآخَرُ هَلَكَ النَّاسُ»وَأَمَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَبِيعَةَ، بِفَتْحِ الرَّاءِ وَكَسْرِ الْبَاءِ وَسُكُونِ الْيَاءِ، فَجَمَاعَةٌ ذَكَرْنَاهُمْ فِي كِتَابِ: الْمُتَّفِقِ وَالْمُفْتَرِقِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزَّبِيرِ
শুবা-বাহ বলেছেন: শু'বাহ বলেছেন, আমর ইবনে মুররাহ বলেছেন: এই হাদিসটি এর সনদের কারণে আমার নিকট চমৎকার লেগেছে।মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে দুরুসতুওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াকুব ইবনে সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি মালিক ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তিনি (আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ) উতবাহ ইবনে ফারকাদ-এর সাথে বসা ছিলেন। তখন উতবাহ বললেন: হে আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ, আপনি কি আপনার ভ্রাতুষ্পুত্র আমর ইবনে উতবাহ-এর ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করবেন না, যাতে সে আমার বর্তমান কর্মভার পালনে আমাকে সহযোগিতা করে? তখন আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ (আমরকে) বললেন: তোমার পিতার আনুগত্য করো! আমর তখন মি'দাদ আল-আজালি-র দিকে তাকালেন এবং বললেন: আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: তাদের আনুগত্য করো না, (বরং) {সিজদা করো ও নিকটবর্তী হও} [আল-আলাক: ১৯]। আমর বললেন: হে আব্বাজান, আমি তো কেবল একজন দাস যে নিজের গর্দান আযাদ করার চেষ্টায় আমল করছে। তখন উতবাহ কেঁদে দিলেন এবং বললেন: হে বৎস, আমি তোমাকে দুই ধরনের ভালোবাসায় ভালোবাসি; এক পিতার সন্তানকে ভালোবাসার ভালোবাসা, আর অন্যটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসা। আমর বললেন: হে আব্বাজান, আপনি আমাকে কিছু সম্পদ দিয়েছিলেন যা সত্তর হাজারে পৌঁছেছিল; আপনি যদি সে সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন তবে তা এই যে, এটি নিন, এতে আমার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বললেন: হে বৎস, তুমি এটি খরচ করো। বর্ণনাকারী বলেন: তারপর তিনি (আমর) তা দান করে দিলেন এমনকি তার নিকট একটি দিরহামও অবশিষ্ট রইল না।"আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াজদাদ আল-কারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবদুল মালিক আল-আসফাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-ফারকাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ অর্থাৎ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা ইবনুস সাইব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রুবাইয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সালমান বলেছেন: "মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ প্রথম স্তরের লোকরা অবশিষ্ট থাকবে এবং পরবর্তী স্তরের লোকরা তাদের নিকট থেকে শিখতে থাকবে। কিন্তু পরবর্তী স্তরের লোকরা শেখার আগেই যদি প্রথম স্তরের লোকরা মারা যায়, তবে মানুষ ধ্বংস হয়ে যাবে।"আর আবদুল্লাহ ইবনে রাবিয়াহ (র-এর ওপর ফাতহাহ, ব-এর নিচে কাসরাহ এবং ইয়া-এর ওপর সুকুন সহকারে)—এই নামের একদল লোক রয়েছেন যাদের কথা আমরা আমাদের 'আল-মুত্তাফিক ওয়াল মুফাতারিক' কিতাবে উল্লেখ করেছি; যেমন—আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর এবং আবদুল্লাহ ইবনুয জাবাইর।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২০)
أَمَّا الأَوَّلُ بِضَمِّ الزَّايِ وَفَتْحِ الْبَاءِ فَجَمَاعَةٌ مِنْهُمْ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ الأَسَدِيُّيُكَنَّى أَبَا بَكْرٍ وَأَبَا خُبَيْبٍ وَهُوَ أَوَّلُ مَوْلُودٍ وُلِدَ فِي الْهِجْرَةِ بِالْمَدِينَةِ، وَحَفِظَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا، رَوَاهُ عَنْهُ أَبُو الزُّبَيْرِ الْمَكِّيُّ، وَقَدْ كَانَ أَهْلُ الْحِجَازِ بَايَعُوا لَهُ بِالْخِلافَةِ بَعْدَ مَوْتِ يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ فِي سَنَةِ أَرْبَعَةٍ وَسِتِّينَ، فَمَكَثَ عَلَى ذَلِكَ تِسْعَ سِنِينَ حَتَّى قَتَلَهُ الْحَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ. أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ دُرُسْتُوَيْهِ، نَا يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: قَالَ ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ اللَّيْثُ: وَفِي سَنَةِ ثَلاثٍ وَسَبْعِينَ قُتِلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الأَسَدِيُّمَوْلاهُمْ وَهُوَ وَالِدُ أَبِي أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، وَأَخُو فُضَيْلٍ الرَّسَّانُ، أَحَدُ شُيُوخِ الشِّيعَةِ كُوفِيٌّ، حَدَّثَ عَنْ: أَبِي الْجَارُودِ زِيَادِ بْنِ الْمُنْذِرِ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَرِيكٍ الْعَامِرِيِّ، وَصَالِحِ بْنِ مِيثَمٍ، رَوَى عَنْهُ: مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ الْقَطَّانُ، وَعَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ الرَّوَاجِنِيُّ، وَغَيْرُهُمَاأَنَا أَبُو الْفَرَجِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ شَهْرَيَارَ الأَصْبَهَانِيُّ، قَالَ: أَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، نَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَالِكٍ الْفَزَارِيُّ الْكُوفِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ الْقَطَّانُ، قَالَ: ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الأَسَدِيُّ أَبُو أَبِي أَحْمَدَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ زَاذَانَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
প্রথমজন যা ‘যা’ (ز) বর্ণে পেশ এবং ‘বা’ (ب) বর্ণে জবর যোগে উচ্চারিত হয়, তাদের একটি দল হলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আজ-জুবাইর ইবনুল আওয়াম আল-আসাদীতার উপনাম (কুনিয়া) আবু বকর ও আবু খুবাইব। তিনি হিজরতের পর মদীনায় জন্মগ্রহণকারী প্রথম নবজাতক। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস মুখস্থ করেছেন, যা তার থেকে আবু আজ-জুবাইর আল-মাক্কী বর্ণনা করেছেন। ৬৪ হিজরীতে ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর হিজাজবাসী তার খিলাফতের বাইয়াত গ্রহণ করেছিল। তিনি এই অবস্থায় নয় বছর অবস্থান করেন যতক্ষণ না হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ তাকে হত্যা করে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে দুরুসতুওয়াইহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান, তিনি বলেন: ইবনে বুকাইর বলেছেন, লাইস বলেছেন: ৭৩ হিজরীর জুমাদাল আখিরা মাসে আবদুল্লাহ ইবনে আজ-জুবাইর নিহত হন। وআবদুল্লাহ ইবনে আজ-জুবাইর আল-আসাদীতিনি তাদের আযাদকৃত দাস (মাওলা), তিনি আবু আহমদ আজ-জুবাইরীর পিতা এবং ফুদাইল আর-রাসসানের ভাই। তিনি শিয়াদের অন্যতম শায়খ এবং কুফাবাসী। তিনি আবু আল-জারুদ জিয়াদ ইবনুল মুনজির, আবদুল্লাহ ইবনে শারীক আল-আমিরী এবং সালিহ ইবনে মাইসাম থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান আল-কাত্তান, আব্বাদ ইবনে ইয়াকুব আর-রাওয়াজিনী এবং আরও অনেকে।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে শাহরিয়ার আল-আসবাহানী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মালিক আল-ফাজারী আল-কুফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আজ-জুবাইর আল-আসাদী আবু আবি আহমাদ, তিনি জিয়াদ ইবনুল মুনজির থেকে, তিনি হাবীব ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি জাযান থেকে, তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২১)
" إِنَّ اللَّهَ يَقُولُ: إِنَّ الْعِزَّةَ إِزَارِي، وَالْكِبْرِيَاءَ رِدَائِي، فَمَنْ نَازَعَنِيهُمَا عَذَّبْتُهُ " قَالَ سُلَيْمَانُ: لا يُرْوَى عَنْ عَلِيٍّ إِلا بِهَذَا الإِسْنَادِ، تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ بْنِ مَعْبَدٍ أَبُو الْعَوَّامِ، وَقِيلَ: أَبُو الزُّبَيْرِ الْبَاهِلِيُّ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَ عَنْ: ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، وَأَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، وَخَالِدٍ الْحَذَّاءِ، وَمَطَرٍ الْوَرَّاقِ رَوَى عَنْهُ: نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَزَيْدُ بْنُ الْحَرِيشِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْحَرَشِيُّ، وَغَيْرُهُمْأَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقٍ الْبَزَّازُ، أَنَا عُمَرُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي السَّرِيِّ الْحَافِظُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدَانَ، ثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحَرِيشِ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْبَاهِلِيُّ، ثَنَا أَيُّوبُ السَّخْتِيَانِيُّ، ثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي الْفُرَاتِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ، عَنْ أَبِي مُسْلِمٍ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَالْخِمَارِ»قَالَ عُمَرُ: لا أَعْلَمُ حَدَّثَ عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي الْفُرَاتِ غَيْرَ هَذَا، وَلَمْ يُحَدِّثْ بِهِ فِي مَا أَعْلَمُ إِلا عَبْدَانُ عَنْ زَيْدِ بْنِ الْحَرِيشِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِحَدَّثَ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ رَوَى عَنْهُ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْوَاسِطِيُّ
"নিশ্চয়ই আল্লাহ বলেন: সম্মান হলো আমার ইজার (লুঙ্গি), এবং অহংকার হলো আমার রিদা (চাদর)। সুতরাং যে এই দুটির কোনো একটি নিয়ে আমার সাথে ঝগড়া করবে, আমি তাকে শাস্তি দেব।" সুলায়মান বলেন: আলী থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি, আব্দুল্লাহ এটি বর্ণনায় একক। এবং আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের বিন মাবাদ আবু আল-আওয়াম। বলা হয়েছে: তিনি আবু আল-যুবায়ের আল-বাহিলি আল-বাসরি। তিনি বর্ণনা করেছেন: সাবিত আল-বুনানি, আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি, খালিদ আল-হাজ্জা এবং মাতার আল-ওয়াররাক থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: নাসর বিন আলী আল-জাহদামি, যায়েদ বিন আল-হারিশ, মুহাম্মদ বিন মুসা আল-হারাশি এবং অন্যান্যরা।আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন রিজক আল-বাজ্জাজ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওমর বিন জাফর বিন আবু আস-সারিয়্যি আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আবদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন আল-হারিশ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের আল-বাহিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন আবুল ফুরাত, মুহাম্মদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি আবু শুরাইহ থেকে, তিনি আবু মুসলিম থেকে, তিনি সালমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মোজা এবং মাথার ওড়নার (খিমার) ওপর মাসেহ করতে দেখেছি»ওমর বলেন: আইয়ুবের সূত্রে দাউদ বিন আবুল ফুরাত থেকে এটি ছাড়া অন্য কোনো হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই, এবং আমার জানামতে এটি কেবল আবদান যায়েদ বিন আল-হারিশ থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আব্দুল্লাহ বিন যুবায়েরইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁর থেকে জাফর বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২২)
أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ الأَزْرَقُ، أَنَا دَعْلَجُ بْنُ أَحْمَدَ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَبَّارُ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ يُوسُفَ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، ثَنَا ابْنُ جُرَيْحٍ، قَالَ: سَأَلْتُ عَطَاءَ عَنِ الْحُدَاءِ وَالشِّعْرِ، وَالْغِنَاءِ غِنَاءِ الرُّكْبَانِ لِلْمُحْرِمِ، فَقَالَ: «لا بَأْسَ بِهِ مَا لَمْ يَكُنْ فُحْشًا» وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ بْنِ عِيسَى أَبُو بَكْرٍ الْقُرَشِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْحُمَيْدِيِّمِنْ أَهْلِ مَكَّةَ، سَمِعَ: عَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيَّ، وَفُضَيْلَ بْنَ عِيَاضٍ، وَسُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، وَالْوَلِيدَ بْنَ مُسْلِمٍ الدِّمَشْقِيَّ، وَمُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيَّ، وَكَانَ يَقُولُ: إِنَّهُ جَالَسَ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ سَنَةً، أَوْ نَحْوَهَا رَوَى عَنْهُ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، وَحَنْبَلُ بْنُ إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيُّ، وَيَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ الْفَسَوِيُّ، وَأَبُو إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ، وَبِشْرُ بْنُ مُوسَى الأَسَدِيُّ، وَغَيْرُهُمْ، وَكَانَ ثِقَةً ثَبْتًا حُجَّةً، تَوُفِّيَ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَمِائَتَيْنِ، وَحَدِيثُهُ كَثِيرٌ مَشْهُورٌ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الزُّبَيْرِ أَبُو عَمْرٍو الْبَصْرِيُّحَدَّثَ عَنْ أَبِيهِ رَوَى عَنْهُ أَبُو بَكْرٍ الْبَرْدِيجِيُّأَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الصَّوَّافُ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَرْدِيجِيُّ أَحْمَدُ بْنُ
আমি মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম আল-আযরাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দালাজ বিন আহমদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী আল-আব্বারা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইউসুফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-যুবাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ, তিনি বলেন: আমি আতা-কে হুদা (উট চালকের গান), কবিতা এবং ইহরামকারী আরোহীর গান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: «এতে কোনো দোষ নেই যতক্ষণ না তাতে অশ্লীলতা থাকে» এবং আবদুল্লাহ বিন আল-যুবাইর বিন ঈসা আবু বকর আল-কুরাশি, যিনি আল-হুমাইদি নামে পরিচিততিনি মক্কাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি শুনেছেন: আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ার্দি, ফুযাইল বিন ইয়াদ, সুফিয়ান বিন উয়াইনা, ওয়ালিদ বিন মুসলিম আদ-দিমাশকি এবং মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আশ-শাফেয়ীর নিকট থেকে। তিনি বলতেন যে, তিনি সুফিয়ান বিন উয়াইনার মজলিসে উনিশ বছর বা এর কাছাকাছি সময় অবস্থান করেছেন। তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী, হানবাল বিন ইসহাক আশ-শায়বানি, ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাউয়ি, আবু ইসমাইল আত-তিরমিজি, বিশর বিন মুসা আল-আসাদি এবং আরও অনেকে। তিনি অত্যন্ত বিশ্বস্ত, সুদৃঢ় ও দলিল হিসেবে গণ্য ছিলেন। তিনি দুইশ উনিশ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বর্ণিত হাদিস প্রচুর ও সুপ্রসিদ্ধ। এবং আবদুল্লাহ বিন আল-যুবাইর বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-যুবাইর আবু আমর আল-বাসরিতিনি তাঁর পিতা থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন; তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-বারদিজি।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আবু বকর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আস-সাউওয়াফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-বারদিজি আহমদ বিন...
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৩)
هَارُونَ بْنِ رَوْحٍ، حَدَّثَنِي أَبُو عَمْرٍو عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الزُّبَيْرِ الْبَصْرِيُّ، وَكَانَ ثِقَةً، ثَنَا أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: " أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم، بِثَلاثٍ: الْوِتْرُ قَبْلَ النَّوْمِ، وَصَوْمُ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ، وَرَكْعَتَيِ الضُّحَى " وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ دِينَارٍ أَبُو الْقَاسِمِ الأُمَوِيُّ الرُّهَاوِيُّحَدَّثَ عَنْ: أَبِيهِ، وَعَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ الْمُكْتِبِ رَوَى عَنْهُ: الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْقَطَّانُ الرَّقِّيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ سِرَاجٍ الْمِصْرِيُّ، وَغَيْرُهُمَا، وَقَدْ ذَكَرْنَا لَهُ حَدِيثًا فِي كِتَابِ: الْمُتَّفِقُ وَالْمُفْتَرِقُ، فِي تَرْجَمَةِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ وَأَمَّا الثَّانِي بِفَتْحِ الزَّايِ وَكَسْرِ الْبَاءِ فَهُوَ: شَاعِرٌ كَانَ فِي أَيَّامِ بَنِي أُمَيَّةَ يُقَالُ لَهُ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزَّبِيرِ بْنِ الأَشْيَمِ بْنِ الأَعْشَى بْنِ بَجَرَةَ الأَسَدِيُّوَلَهُ أَخْبَارٌ مَعْرُوفَةٌ ذُكِرَتْ فِي كِتَابِ النَّسَبِ، وَغَيْرِهِأَخْبَرَنِي أَبُو الْقَاسِمِ الأَزْهَرِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الطُّوسِيُّ، ثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ، حَدَّثَنِي فُلَيْحُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: دَخَلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزَّبِيرِ الأَسَدِيُّ عَلَى مُصْعَبِ بْنِ الزُّبَيْرِ بِالْعِرَاقِ، فَقَالَ لَهُ مُصْعَبٌ: أَنْتَ الَّذِي تَقُولُ:إِلَى رَجَبٍ وَغُرَّةِ الشَّهْرِ بَعْدَهُ … تُوَافِيكُمُ بِيضُ الْمَنَايَا وَسُودُهَا
হারুন ইবনে রাওহ্ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু আমর আবদুল্লাহ ইবনে আল-জুবাইর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আল-জুবাইর আল-বাসরি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমার খলিল (বন্ধু) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন: ঘুমানোর আগে বিতর পাঠ করা, প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা এবং চাশতের (দুহা) দুই রাকাত নামাজ।" এবং আবদুল্লাহ ইবনে আল-জুবাইর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-জুবাইর ইবনে দিনার আবুল কাসিম আল-উমাউয়ি আল-রুহাউয়িতিনি বর্ণনা করেছেন: তাঁর পিতা থেকে এবং ইব্রাহিম ইবনে ইয়াজিদ আল-মুকতিব থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাত্তান আল-রাক্কি, আলি ইবনে সিরাজ আল-মিসরি এবং অন্যান্যরা। আমরা তাঁর একটি হাদিস 'আল-মুত্তাফিক ওয়াল মুফতারিক' কিতাবে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াজিদের জীবনী অংশে উল্লেখ করেছি। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি, যার নামের 'যা' বর্ণে ফাতহা এবং 'বা' বর্ণে কাসরা (অর্থাৎ আয-যাবীর), তিনি উমাইয়া বংশের সমসাময়িক একজন কবি ছিলেন। তাঁকে বলা হতো: আবদুল্লাহ ইবনে আয-যাবীর ইবনে আল-আশয়াম ইবনে আল-আ'শা ইবনে বাজারা আল-আসাদিতাঁর সম্পর্কে কিছু সুপরিচিত সংবাদ রয়েছে যা বংশলতিকা সংক্রান্ত কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।আবুল কাসিম আল-আজহারি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে সুলাইমান আল-তুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জুবাইর ইবনে বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফুলাইহ ইবনে ইসমাইল ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসির আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আয-যাবীর আল-আসাদি ইরাকে মুসআব ইবনে আল-জুবাইরের নিকট প্রবেশ করলেন। তখন মুসআব তাঁকে বললেন: আপনিই কি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:রজব এবং তার পরবর্তী মাসের প্রথম ভাগ পর্যন্ত … তোমাদের নিকট সাদা ও কালো মৃত্যু উপস্থিত হবে।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ثَمَانُونَ أَلْفًا دِينُ عُثْمَانَ دِينُهَا … مُسَوَّمَةٌ جِبْرِيلُ فِيهَا يَقُودُهَافَفَزِعَ ابْنُ الزَّبِيرِ، ثُمَّ قَالَ: نَعَمْ أَمْتَعَ اللَّهُ بِكَ، فَعَفَا عَنْهُ، وَأَعْظَمَ جَائِزَتَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنِ حُكَيْمٍأَمَّا الأَوَّلُ بِفَتْحِ الْحَاءِ وَكَسْرِ الْكَافِ فَهُوَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الْعَامِرِيُّ الْكُوفِيُّحَدَّثَ عَنْ أَبِي وَائِلٍ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ رَوَى عَنْهُ: مِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ مردانبهْ الْكُوفِيُّ أَنَا ابْنُ الْفَضْلِ الْقَطَّانُ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمُسْتَمْلِي، ثَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ فَارِسٍ، ثَنَا الْبُخَارِيُّ، قَالَ: قَالَهُ لَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ مردانبهْ الْكُوفِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الْعَامِرِيُّ، سَمِعَ أَبَا وَائِلٍ فِي سُؤْرِ الْهِرِّ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ الأَسَدِيُّكُوفِيٌّ أَيْضًا، حَدَّثَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ رَوَى عَنْهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الصِّينِيُّأَنْبَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ، أَنَا أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُعَدَّلُ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ
আশি হাজার, উসমানের ঋণই তার ঋণ … চিহ্নিত, জিবরাঈল সেখানে সেটিকে পরিচালনা করছেন।অতঃপর ইবনুল জুবাইর আতঙ্কিত হলেন, তারপর বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহ আপনার মাধ্যমে আমাদের উপকৃত করুন, অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করে দিলেন এবং তার পুরস্কারকে মহান করলেন। আবদুল্লাহ ইবনে হাকিম এবং আবদুল্লাহ ইবনে হুকাইমপ্রথম ব্যক্তিটির নাম 'হা' বর্ণে ফাতহাহ এবং 'কাফ' বর্ণে কাসরাহ যোগে, আর তিনি হলেন: আবদুল্লাহ ইবনে হাকিম আল-আমিরি আল-কুফিতিনি আবু ওয়াইল শাকীক ইবনে সালামাহ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন: মিসআর ইবনে কিদাম এবং ইবরাহিম ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মারদানবাহ আল-কুফি। ইবনুল ফাদল আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে ইবরাহিম আল-মুস্তামলি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আহমদ ইবনে ফারিস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-বুখারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইউসুফ আমাদের কাছে এটি বলেছেন, ইবরাহিম ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মারদানবাহ আল-কুফি আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে হাকিম আল-আমিরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বিড়ালের উচ্ছিষ্ট সম্পর্কে আবু ওয়াইলকে বলতে শুনেছেন। এবং আবদুল্লাহ ইবনে হাকিম ইবনে জুবায়ের আল-আসাদিতিনিও কুফাবাসী, তিনি আসিম ইবনে বাহদালাহ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবরাহিম ইবনে ইসহাক আস-সিনি বর্ণনা করেছেন।আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে রিজকওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফাদল জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুআদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যিনি ইবনে... নামে পরিচিত।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بِنْتِ حَاتِمِ بْنِ مَيْمُونٍ، ثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَمَّادٍ الدَّلالُ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الصيِّنِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَذْهَبُ الدُّنْيَا حَتَّى يَمْلِكَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ بَيْتِي يُوَاطِئُ اسْمُهُ اسْمِي» وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الْمُزَنِيُّحَدَّثَ عَنْ: هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، وَعَاصِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ الْعُمَرِيِّ، وَزَيْدٍ أَبِي أُسَامَةَ رَوَى عَنْهُ: سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ الْجَوْهَرِيُّ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ عِيسَى الْقَنَادِيلِيُّ، وَهِشَامُ بْنُ بَهْرَامَ الْمَدَائِنِيُّأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الْمُزَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي زَيْدٌ أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ: رَأَيْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَسْتَبْطِنُ الْوَادِيَ، ثُمَّ رَمَى الْجَمْرَةَ بِسَبْعِ حَصَيَاتٍ، يُكَبِّرُ مَعَ كُلِّ حَصَاةٍ: اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ حَجًّا مَبْرُورًا، وَذَنْبًا مَغْفُورًا، وَعَمَلا مَشْكُورًا "، فَسَأَلْتُهُ عَمَّا صَنَعَ، فَقَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْمِي الْجَمْرَةَ مِنْ هَذَا الْمَكَانِ، وَيَقُولُ كُلَّمَا رَمَى بِحَصَاةٍ مِثْلَ مَا قُلْتُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ أَبُو بَكْرٍ الدَّاهِرِيُّحَدَّثَ عَنْ: يُوسُفَ بْنِ صُهَيْبٍ، وَهِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، وَشَبِيبِ بْنِ بِشْرٍ، وَحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَأَةَ، وَسُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ رَوَى عَنْهُ: مُوسَى بْنُ دَاوُدَ الضَّبِّيُّ، وَسَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَعَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، الْوَاسِطِيَّانِ، وَجُبَارَةُ بْنُ مُغَلِّسٍ الْحِمَّانِيُّ
বিনতে হাতেম ইবনে মাইমুন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-কাসেম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাদ আদ-দাল্লাল, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক আস-সিনি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হাকিম ইবনে জুবায়ের, আসেম থেকে, তিনি জির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "দুনিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত শেষ হবে না যতক্ষণ না আমার আহলে বাইত থেকে এমন একজন ব্যক্তি মালিক (শাসক) হবেন যার নাম আমার নামের অনুরূপ হবে।" এবং আব্দুল্লাহ ইবনে হাকিম আল-মুজানিতিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন: হিশাম ইবনে উরওয়াহ, আসেম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যায়েদ আল-উমরি এবং যায়েদ আবু উসামাহ থেকে। তার থেকে বর্ণনা করেছেন: সুরিজ ইবনে নুমান আল-জাওহারি, ইসমাইল ইবনে ঈসা আল-কানাদিলি এবং হিশাম ইবনে বাহরাম আল-মাদায়িনি।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিজকওয়াইহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিয়ি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুরিজ ইবনে নুমান, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হাকিম আল-মুজানি, তিনি বলেন: আমাকে যায়েদ আবু উসামাহ হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সালেম ইবনে আব্দুল্লাহকে উপত্যকার তলদেশ দিয়ে যেতে দেখেছি, তারপর তিনি জামরায় সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন, প্রতিটি কঙ্করের সাথে তিনি তাকবির দিচ্ছিলেন: "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, হে আল্লাহ, একে একটি মকবুল হজ, ক্ষমাপ্রাপ্ত গুনাহ এবং কবুলযোগ্য নেক আমল হিসেবে গণ্য করুন।" অতঃপর আমি তিনি যা করেছেন সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই স্থান থেকেই জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন এবং প্রতিবার কঙ্কর নিক্ষেপের সময় আমি যা বলেছি তার অনুরূপ বলতেন। এবং আব্দুল্লাহ ইবনে হাকিম আবু বকর আদ-দাহিরিতিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইউসুফ ইবনে সুহাইব, হিশাম ইবনে উরওয়াহ, শাবিব ইবনে বিশর, হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ এবং সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে। তার থেকে বর্ণনা করেছেন: মুসা ইবনে দাউদ আদ-দব্বি, সাঈদ ইবনে সুলাইমান, আমর ইবনে আউন—উভয়ই ওয়াসিতি—এবং জাবারাহ ইবনে মুগাল্লিস আল-হিমমানি।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৬)
أَخْبَرَنِي الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْهَاشِمِيُّ، ثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدَّقَّاقُ، ثَنَا حَنْبَلُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، نَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الدَّاهِرِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عُرَيْنَةَ الْعُرَنِيِّ، عَنْ جُفَيْنَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَتَبَ إِلَيْهِ كِتَابًا، فَرَقَّعَ بِهِ دَلْوَهُ، فَقَالَتْ لَهُ ابْنَتُهُ: عَمِدْتَ إِلَى كِتَابِ سَيِّدِ الْعَرَبِ فَرَقَّعْتَ بِهِ دَلْوَكَ، لَيُصِيبَنَّكَ بَلاءٌ، قَالَ: فَأَغَارَتْ عَلَيْهِ خَيْلُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَهَرَبَ، وَأَخَذَ كُلَّ قَلِيلٍ وَكَثِيرٍ هُوَ لَهُ، ثُمَّ جَاءَ بَعْدُ مُسْلِمًا، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «انْظُرْ مَا وَجَدْتَ مِنْ مَتَاعِكَ قَبْلَ قِسْمَةِ السِّهَامِ فَخُذْهُ»أَخْبَرَنِي الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الصَّيْمَرِيُّ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الرَّازِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ الْكَرَجِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خِرَاشٍ، قَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الدَّاهِرِيُّ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمِ بْنِ الْحَكَمِحَدَّثَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي النَّضْرِ هَاشِمِ بْنِ الْقَاسِمِ رَوَى عَنْهُ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَاغَنْدِيُّأَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْمَاطِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمِ بْنِ الْحَكَمِ، ثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي النَّضْرِ، ثَنَا أَبُو النَّضْرِ، ثَنَا الأَشْجَعِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:
বিচারক আবু আল-হাসান আলী বিন আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-হাশিমী আমাকে অবহিত করেছেন, উসমান বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ আদ-দাক্কাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্বল বিন ইসহাক বিন হাম্বল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমর বিন আউন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ বিন হাকিম আদ-দাহিরি আমাদের কাছে সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি উরাইনাহ আল-উরানি থেকে, তিনি জুফাইনা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে একটি পত্র লিখেছিলেন, তিনি তা দিয়ে তার বালতি তালি দিয়েছিলেন। তখন তার কন্যা তাকে বলেছিল: "আপনি আরবের সরদারের পত্রের প্রতি লক্ষ্য করলেন এবং তা দিয়ে আপনার বালতি তালি দিলেন! অবশ্যই আপনার ওপর কোনো বিপদ আপতিত হবে।" বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অশ্বারোহী বাহিনী তার ওপর আক্রমণ করল, ফলে সে পালিয়ে গেল এবং তার ছোট-বড় যা কিছু ছিল সব নিয়ে নেওয়া হলো। এরপর সে মুসলিম হয়ে ফিরে এলো, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: "বণ্টনের আগে তোমার আসবাবপত্রের যা কিছু পাও তা দেখে নাও এবং গ্রহণ করো।"বিচারক আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী আস-সাইমারী আমাকে অবহিত করেছেন, আলী বিন আল-হাসান আর-রাজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন দাউদ আল-কারাজি আমাদের অবহিত করেছেন, আবদুর রহমান বিন ইউসুফ বিন খিরাশ বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন হাকিম আদ-দাহিরি ত্যাজ্য বর্ণনাকারী (মাতরুকুল হাদিস)। এবং আবদুল্লাহ বিন হাকিম বিন আল-হাকামতিনি আবু বকর বিন আবি আন-নদর হাশিম বিন আল-কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাঘান্দি বর্ণনা করেছেন।আবু আল-হাসান আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-আনমাতি আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফফর আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-বাঘান্দি আমাদের অবহিত করেছেন, আবদুল্লাহ বিন হাকিম বিন আল-হাকাম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আবি আন-নদর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আন-নদর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আশজায়ি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আল-মা'রুর বিন সুয়াইদ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৭)
«لا يَمُوتُ رَجُلٌ فَيَدَعُ بَقَرًا، أَوْ غَنَمًا، أَوْ إِبِلا لا يُؤَدِّي زَكَاتَهَا إِلا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمُ مَا كَانَتْ، وَأَسْمَنُهُ تَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا، وَتَطَؤُهُ بِأَظْلافِهَا، كُلَّمَا ذَهَبَ أُخْرَاهَا عَادَتْ عَلَيْهِ أُولاهَا حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ» وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الدَّقَّاقُوَأَظُنُّهُ جُنَيْدُ بْنُ حَكِيمٍ غَيَّرَ الرَّاوِي اسْمَهُ حَدَّثَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْفُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ رَوَى عَنْهُ أَبُو الطَّيِّبِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أُخْتِ الْعَبَّاسِيِّ، وَقَدْ حَدَّثَ صَالِحُ بْنُ أَبِي مُقَاتِلٍ، عَنْ جُنَيْدِ بْنِ حَكِيمٍ، فَسَمَّاهُ عَبْدَ اللَّهِأَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، نَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ الْمُقْرِئُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ابْنُ أُخْتِ الْعَبَّاسِيِّ أَبُو الطَّيِّبِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَكِيمٍ الدَّقَّاقُ، ثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْفُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي السَّفَرِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَافَرَ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى مَنْزِلِهِ»وَأَمَّا الثَّانِي بِضَمِّ الْحَاءِ وَفَتْحِ الْكَافِ فَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُكَيْمٍ الْكِنَانِيُّمَوْلاهُمْ، مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ، حَدَّثَ عَنْ بِشْرِ بْنِ قُدَامَةَ الضَّبَابِيِّ، رَوَى عَنْهُ سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ الْقُرَشِيُّ الْمِصْرِيُّ،
"কোনো ব্যক্তি যদি গাভী, বকরি অথবা উট রেখে মারা যায় যার জাকাত সে আদায় করেনি, তবে কিয়ামতের দিন সেগুলো দুনিয়ার অবস্থার চেয়েও বিশাল এবং স্থূলকায় হয়ে উপস্থিত হবে। সেগুলো তাকে শিং দিয়ে গুঁতো দেবে এবং খুর দিয়ে পদদলিত করবে। যখনই তাদের শেষটি চলে যাবে, তখনই প্রথমটি আবার ফিরে আসবে। মানুষের বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত এমনটা চলতে থাকবে।" আবদুল্লাহ বিন হাকিম আদ-দাক্কাকআমি মনে করি তিনি হলেন জুনাইদ বিন হাকিম, বর্ণনাকারী তার নাম পরিবর্তন করেছেন। তিনি আবু উবাইদাহ বিন আল-ফুদাইল বিন ইয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু তাইয়্যেব বর্ণনা করেছেন, যিনি ইবনে উখতিল আব্বাসি নামে পরিচিত। সালেহ বিন আবি মুকাতিল জুনাইদ বিন হাকিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাকে আবদুল্লাহ নামে অভিহিত করেছেন।আবু হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আমাকে অবহিত করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইয়াকুব আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ—যিনি ইবনে উখতিল আব্বাসি আবু তাইয়্যেব নামে পরিচিত—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন হাকিম আদ-দাক্কাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবাইদাহ বিন আল-ফুদাইল বিন ইয়াজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বনু হাশিমের মুক্তদাস আবু সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবিস সাফার থেকে, তিনি শাবি থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সফরে থাকতেন, তখন স্বীয় বাসস্থানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাত (কসর) সালাত আদায় করতেন।"আর দ্বিতীয় ব্যক্তিটি—যা 'হা' বর্ণের উপর পেশ এবং 'কাফ' বর্ণের উপর জবর সহযোগে গঠিত—তিনি হলেন: আবদুল্লাহ বিন হুকাইম আল-কিনানিতিনি তাদের মুক্তদাস এবং ইয়েমেনের অধিবাসী ছিলেন। তিনি বিশর বিন কুদামাহ আদ-দাবাবি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং সাঈদ বিন বশির আল-কুরাশি আল-মিসরি তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৮)
أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَرَشِيُّ، وَأَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ بْنِ شَاذَانَ الصَّيْرَفِيُّ، جَمِيعًا بِنَيْسَابُورَ، قَالا: نَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الأَصَمُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُكَيْمٍ الْكِنَانِيُّ، رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ مِنْ مَوَالِيهِمْ، عَنْ بِشْرِ بْنِ قُدَامَةَ الضَّبَابِيِّ، قَالَ: أَبْصَرَتْ عَيْنَايَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَاتٍ وَاقِفًا عَلَى نَاقَةٍ لَهُ حَمْرَاءَ قَصْوَاءَ، تَحْتَهُ قَطِيفَةٌ بَوْلانِيَّةٌ، وَهُوَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا حَجَّةً غَيْرَ رِيَاءٍ، وَلا هَبَاءٍ، وَلا سُمْعَةٍ»، وَالنَّاسُ يَقُولُونَ: هَذَا رَسُولُ اللَّهِقَالَ سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ حُكَيْمٍ: مَا الْقَصْوَاءُ؟ قَالَ أَحْسَبُهَا الْمُبْتَرَةَ الآذَانَ؟ فَإِنَّ النُّوقَ تُبْتَرُ آذَانُهَا لِتَسْمَعَ وَالْحَدِيثُ عَلَى لَفْظِ الْحَرَشِيِّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍأَمَّا الأَوَّلُ بِتَخْفِيفِ اللامِ فَهُوَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامِ بْنِ الْحَارِثِأَبُو يُوسُفَ الإِسْرَائِيلِيُّ حَلِيفُ الْخَزْرَجِ مِنَ الأَنْصَارِ، كَانَ يَهُودِيًّا فَأَسْلَمَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ، وَشَهِدَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْجَنَّةِ، وَيُقَالُ: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى إِيَّاهُ عَنَى فِي قَوْلِهِ: {وَشَهِدَ شَاهِدٌ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَى مِثْلِهِ} [الأحقاف: 10]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান ইবনু আহমাদ আল-হারশি এবং আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনু মুসা ইবনুল ফাদল ইবনু শাযান আস-সাইরাফি—তাঁরা উভয়েই নিশাপুরে ছিলেন। তাঁরা বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনু ইয়াকুব ইবনু ইউসুফ আল-আসাম্ম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল হাকাম; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনু বাশির আল-কুরাশি; তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনু হুকাইম আল-কিনানি, যিনি ইয়ামেনের অধিবাসী এবং তাদেরই একজন মুক্তদাস; তিনি বিশর ইবনু কুদামাহ আদ-দাবাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার দুই চোখ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছে যখন তিনি আরাফাতের ময়দানে তাঁর কাসওয়া নামক একটি লাল উটনীর ওপর দাঁড়ানো ছিলেন। তাঁর নিচে একটি বাওলানি চাদর ছিল এবং তিনি বলছিলেন: "হে আল্লাহ, একে এমন এক হজ বানিয়ে দিন যাতে রিয়া (লোক-দেখানো মনোভাব) নেই, যা নিষ্ফল নয় এবং যাতে লোক-শোনানোর উদ্দেশ্য নেই।" আর মানুষ বলছিল: "ইনিই আল্লাহর রাসূল।"সাঈদ ইবনু বাশির বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনু হুকাইমকে জিজ্ঞেস করলাম, 'কাসওয়া' কী? তিনি বললেন: আমি মনে করি এটি কান-কাটা উটনী। কেননা উটনীগুলোর কান কেটে দেওয়া হতো যেন তারা ভালোভাবে শুনতে পায়। আর এই হাদীসের শব্দগুলো আল-হারশির বর্ণনা অনুযায়ী। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম এবং আবদুল্লাহ ইবনু সালামপ্রথমজন, যাঁর নামের 'লাম' বর্ণটি তাশদীদহীন (হালকা), তিনি হলেন: আবদুল্লাহ ইবনু সালাম ইবনুল হারিসআবু ইউসুফ আল-ইসরাঈলি, যিনি আনসারদের খাযরাজ গোত্রের মিত্র ছিলেন। তিনি ইয়াহুদি ছিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জান্নাতের সাক্ষ্য দিয়েছেন। এবং বলা হয় যে, মহান আল্লাহ তাঁর এই বাণীতে তাঁকেই বুঝিয়েছেন: {এবং বনী ইসরাঈলের একজন সাক্ষী এর সমগোত্রীয় বিষয়ের ওপর সাক্ষ্য দিয়েছে} [সূরা আল-আহকাফ: ১০]
(খণ্ড: ১)
তালখীসুল মুতাশাবিহি ফীর রাসম
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وَأَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ الْحِيرِيُّ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، نَا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ الدِّمَشْقِيُّ، بِدِمَشْقَ، فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةِ سَبْعٍ وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ، ثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «مَا سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَشْهَدُ لِرَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ إِلا لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ»وَأَمَّا الثَّانِي بِتَشْدِيدِ اللامِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ أَبُو هُرَيْرَةَمِنْ شُيُوخِ الشِّيعَةِ يَرْوِي عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ ذَكَرَهُ الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْجِعَابِيُّ فِي كِتَابِ: الْمَوَالِي الَّذِي: أَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الصَّيْمَرِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الصَّيْرَفِيُّ، ثَنَا الْجِعَابِيُّ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ الشَّاشِيُّحَدَّثَ عَنْ: حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، وَمُعَاوِيَةَ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ الضَّالِّ، وَأَغْلَبَ بْنِ سَعِيدٍ الْبَصْرِيِّ، وَعَمْرِو بْنِ الأَزْهَرِ الْوَاسِطِيِّ، وَهُشَيْمِ بْنِ بَشِيرٍ، وَغَيْرِهِمْ رَوَى عَنْهُ الْفَتْحُ بْنُ عُبَيْدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ، وَذَكَرَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ السَّمَرْقَنْدِيُّ أَنَّهُ مَاتَ بِالشَّاشِ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ وَثَلاثِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَخَالَفَهُ مُحَمَّدُ بْنُ حِبَّانَ بْنِ أَحْمَدَ الْبُسْتِيُّ، فَقَالَ: مَاتَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَثَلاثِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَقِيلَ: إِنَّ الصَّحِيحَ قَوْلُ الدَّارِمِيِّ، وَاللَّهُ أَعْلَمُأَنْبَأَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْمَالِينِيُّ، أَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الإِدْرِيسِيُّ، حَدَّثَنِي مُعْتَمِرُ بْنُ جِبْرِيلَ الْمُؤَدِّبُ الْكَرْمِينِيُّ بِسَمَرْقَنْدَ، نَا الْفَتْحُ بْنُ عُبَيْدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ، أَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ، قَالَ: سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ يَقُولُ:
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর আল-হীরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব আল-আসাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুস সামাদ আদ-দিমাশকী, দামেশকে, দুইশত সাতষট্টি হিজরী সালের মুহাররম মাসে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসহির, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন আনাস, উমর ইবন উবায়দুল্লাহর মুক্তদাস আবু নাযর থেকে, তিনি আমির ইবন সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আবদুল্লাহ ইবন সালাম ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির জান্নাতি হওয়ার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিতে শুনিনি।"আর দ্বিতীয়টি হলো ‘লাম’ বর্ণে তাশদীদ (দ্বিত্ব উচ্চারণ) সহকারে আবদুল্লাহ ইবন সাল্লাম আবু হুরায়রাতিনি শিয়াদের শায়খদের অন্তর্ভুক্ত, তিনি জাফর ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন আল-হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন। বিচারক আবু বকর মুহাম্মদ ইবন উমর আল-জিয়াবী তাঁর ‘আল-মাওয়ালী’ নামক গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন, যা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবন আলী আস-সাইমারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আস-সাইরাফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-জিয়াবী। এবং আবদুল্লাহ ইবন সাল্লাম আশ-শাশীতিনি হাম্মাদ ইবন যায়দ, মুআবিয়া ইবন আব্দুল কারীম আদ-দাল, আগলাব ইবন সাঈদ আল-বাসরী, আমর ইবনুল আযহার আল-ওয়াসিতী, হুশাইম ইবন বাশীর এবং অন্যদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ফাতহ ইবন উবাইদ আস-সামারকান্দী বর্ণনা করেছেন। ইবরাহীম ইবন আবদুর রহমান আদ-দারিমি আস-সামারকান্দী উল্লেখ করেছেন যে, তিনি দুইশত তেত্রিশ হিজরী সালের জিলহজ মাসে শাশ নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন। তবে মুহাম্মদ ইবন হিব্বান ইবন আহমদ আল-বুসতী তাঁর বিরোধিতা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন সাল্লাম দুইশত আটত্রিশ হিজরী সালে মৃত্যুবরণ করেছেন। আর বলা হয়ে থাকে যে, দারিমি’র বক্তব্যই সঠিক, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-মালিনী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আল-ইদরিসী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবন জিবরীল আল-মুআদ্দিব আল-কারমীনী সামারকান্দে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফাতহ ইবন উবাইদ আস-সামারকান্দী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন সাল্লাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুআবিয়া ইবন আব্দুল কারীম, তিনি বলেন: আমি মুআবিয়া ইবন কুররাকে বলতে শুনেছি: