(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: -)
الإلزامات والتتبع للدارقطني القسم: علوم الحديث
الكتاب: الإلزامات والتتبع للدارقطني
المؤلف: أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود بن النعمان بن دينار البغدادي الدارقطني (ت 385هـ)
دراسة وتحقيق: الشيخ أبو عبد الرحمن مقبل بن هادي الوداعي
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الثانية، 1405 هـ - 1985 م
عدد الصفحات: 379
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু’ লিদ দারা কুতনী বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র (علوم الحديث)
গ্রন্থ: আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু’ লিদ দারা কুতনী
লেখক: আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আহমাদ বিন মাহদী বিন মাসউদ বিন আন-নুমান বিন দীনার আল-বাগদাদী আদ-দারা কুতনী (মৃ. ৩৮৫ হি.)
গবেষণা ও সম্পাদনা (تحقيق): শায়খ আবু আবদুর রহমান মুকবিল বিন হাদী আল-ওয়াদি’য়ী
প্রকাশক: দার আল-কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ، বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: দ্বিতীয়، ১৪০৫ হি. - ১৯৮৫ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: -)
"الإلزامات"
للإمام الحافظ
أبي الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي
الشهير بالدارقطني
(306 - 385 هـ)
"আল-ইলযামাত"
ইমাম আল-হাফিজ (الحافظ)
আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনে মাহদী
যিনি আদ-দারা কুতনী নামে সুপরিচিত
(৩০৬ - ৩৮৫ হিজরি)
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
أخبرنا الإمام الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني قراءة عليه وأنا أسمع في ذي القعدة سنة ثلاث وسبعين وخمسمائة بثغر الأسكندرية أنبأ الشيخ أبو الحسين المبارك بن عبد الجبار الصيرفي قرأت ببغداد من أصل سماعه في صفر في سنة خمس وتسعين وأربعمائة أنبأ أبو طالب محمد ابن علي بن الفتح بن محمد بن الفتح الحربي الزاهد بقراءة أبي محمد بن عبد العزيز بن محمد النخشبي عليه قال: أخبركم أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد ابن مهدي الدارقطني الحافظ في كتابه. وقال: ذكرنا مما أخرجه البخاري ومسلم أو أحدهما من حديث بعض التابعين وتركا من حديثه شبيهاً به، ولم يخرجاه، أو من حديث نظير له من التابعين الثقات ما يلزم إخراحه على شرطهما ومذهبهما، فيما نذكره إن شاء الله تعالى. وبالله التوفيق.
ইমাম হাফিজ (الحافظ) আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় ৫৭৩ হিজরি সনের যুল-ক্বাদাহ মাসে আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে তাঁর সামনে তা পাঠ করা হয়। শায়খ আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফি আমাদের জানিয়েছেন; আমি বোগদাদে তাঁর মূল শ্রুত পাণ্ডুলিপি থেকে ৪৯৫ হিজরি সনের সফর মাসে তা পাঠ করেছি। আবু মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাখশাবির পাঠের মাধ্যমে আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনুল ফাতহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফাতহ আল-হারবি আয-যাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফিজ (الحافظ) আবুল হাসান আলি ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনে মাহদি আদ-দারাকুতনি তাঁর কিতাবে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: বুখারি ও মুসলিম অথবা তাঁদের মধ্যে কোনো একজন কিছু তাবিঈর (التابعين) যে সকল হাদিস বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাঁরা সেগুলোর অনুরূপ হাদিস বর্জন করেছেন এবং বর্ণনা করেননি; অথবা তাঁদের সমপর্যায়ের নির্ভরযোগ্য (الثقات) তাবিঈদের (التابعين) এমন হাদিস যা তাঁদের শর্ত (شرط) ও পদ্ধতি অনুযায়ী বর্ণনা করা আবশ্যক ছিল, আমরা ইনশাআল্লাহ তা এখানে উল্লেখ করব। আর আল্লাহর নিকটই যাবতীয় তাওফিক।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
1) أخرج البخاري من حديث قيس بن أبي خازم عن مرداس الأسلمي: "يذهب الصالحون" عن يحيى بن عباد عن مرداس عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
وأخرجه عن إبراهيم بن أبي موسى عن عيسى بن يونس عن إسماعيل عن قيس عن مرداس موقوفاً.
وقد رفعه حفص بن غياث عن إسماعيل.
2) وأخرج مسلم حديث قيس عن عدي بن عميرة: "من استعملناه
1) ইমাম বুখারি কায়েস ইবনে আবি হাযিমের সূত্রে মিরদাস আল-আসলামি থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: "নেককার ব্যক্তিগণ বিদায় নেবেন"; এটি ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদের সূত্রে মিরদাস থেকে এবং তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং তিনি এটি ইব্রাহিম ইবনে আবি মুসা সূত্রে ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে, তিনি ইসমাইল থেকে, তিনি কায়েস থেকে এবং তিনি মিরদাস থেকে স্থগিত (موقوفاً) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আর হাফস ইবনে গিয়াস একে ইসমাইল থেকে মারফু বা নবি পর্যন্ত উন্নীত (رفعه) করেছেন।
২) এবং ইমাম মুসলিম আদি ইবনে আমিরাহ থেকে কায়েসের সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: "যাকে আমরা নিযুক্ত করেছি..."
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
على عمل" من حديث وكيع وابن نمير وابن بشر وأبي أسامة وفضل بن موسى عن إسماعيل عن قيس عن عدي بن عميرة عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
وقال مسلم بن الحجاج في كتاب الوحدان وعدي بن عميرة والصنابح بن الأعسر ودكين بن سعيد الزني ومرداس بن مالك الأسلمي وأبو شهم وأبو حازم، ولم يرو عنهم غير قيس بن أبي حازم.
فيلزم على مذهبهما جميعاً إخراج حديث الصنابح بن الأعسر،
ودكين بن سعيد،
"আমলের ওপর" ওয়াকি‘, ইবনে নুমাইর, ইবনে বিশর, আবু উসামাহ এবং ফদল বিন মুসা বর্ণিত হাদিস, যা তারা ইসমাঈল থেকে, তিনি কায়স থেকে এবং তিনি আদী বিন আমিরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
মুসলিম বিন হাজ্জাজ তাঁর 'কিতাব আল-উহদান' গ্রন্থে বলেছেন, আদী বিন আমিরাহ, আল-সুনাবিহ বিন আল-আসার, দুকাইন বিন সাঈদ আল-জানি, মিরদাস বিন মালিক আল-আসলামি, আবু শাহম এবং আবু হাজিম—তাদের থেকে কায়স বিন আবি হাজিম ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা (روى) করেননি।
সুতরাং তাঁদের উভয়েরই মাযহাব (مذهب) অনুযায়ী আল-সুনাবিহ বিন আল-আসার এর হাদিসটি উদ্ধৃত (إخراج) করা আবশ্যক হয়ে পড়ে,
এবং দুকাইন বিন সাঈদ এর হাদিসটিও।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
وأبي حازم والد قيس، إذ كانت أحاديثهم مشهورة محفوظة رواها جماعة من الثقات عن إسماعيل بن أبي خالد عن الصنابح عن دكين وعن أبيه كل واحد منهم.
ويلزم أيضاً إخراج حَدِيثِ قَيْسٍ عَنْ أَبِي شَهْم مِنْ رِوَايَةِ أَسْوَدَ بْنِ
এবং কাইসের পিতা আবু হাজেম, কেননা তাঁদের হাদিসসমূহ ছিল সুপ্রসিদ্ধ (مشهور) ও সংরক্ষিত (محفوظ); একদল নির্ভরযোগ্য (ثقات) বর্ণনাকারী ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি আস-সুনাবেহ থেকে, তিনি দুকাইন থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে—তাঁদের প্রত্যেকের সূত্রে তা বর্ণনা করেছেন।
তদ্রূপ আসওয়াদ ইবনে...-এর বর্ণনা থেকে আবু শাহম থেকে কাইসের বর্ণিত হাদিসটিও সংকলন করা আবশ্যক।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
عَامِر عَنْ هُرَيْم عَنْ بَيَان عَنْ قَيْس عَنْ أَبِي شَهْمٍ عَنِ النبي صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ أَتَاهُ يُبَايِعُهُ فَقَالَ: أَلَسْتَ صَاحِبَ الْجُبَيْذَةِ بِالأَمْسِ، إِذْ كَانَ مِنْ شَرْطِهِمَا أَسْوُدُ بْنُ عَامِرٍ وَقَدْ أَخْرَجَ الْبُخَارِيُّ عَنْ هُرَيْمِ بْنِ سُفْيَانَ. وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ.
وموضع الإلزام أن البخاري أخرج حديث مرداس ولم يرو عنه غير قيس بن أبي حازم، وأخرج مسلم حديث عدي بن عميرة ولم يرو عنه غير قيس وأخرجا جميعاً عن أبي مالك الأشجعي وعن مجزأة بن زاهر الأسلمي وانفرد البخاري بحديث مجزأة بن زاهر عن أبيه في النهي عن لحوم الحمر عن عبد الله بن محمد عن عثمان بن عمر عن إسرائيل عن مجزأة.
আমির, হুরেইম থেকে, তিনি বায়ান থেকে, তিনি কায়েস থেকে, তিনি আবু শাহম থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (আবু শাহম) তাঁর নিকট বাইয়াত হতে আসলেন। তখন তিনি (নবীজী) বললেন: "তুমি কি গতকালের সেই 'জুবাইজাহ' ওয়ালা নও?" যেহেতু আসওয়াদ ইবনে আমির তাদের উভয়ের শর্ত (شرط) অনুযায়ী ছিলেন। আর বুখারি হুরেইম ইবনে সুফিয়ান থেকে (হাদিস) বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহর মাধ্যমেই তাওফিক লাভ হয়।
আর বাধ্যবাধকতার (الإلزام) বিষয়টি হলো এই যে, বুখারি মিরদাসের হাদিস বর্ণনা করেছেন, অথচ তাঁর থেকে কায়েস ইবনে আবি হাজিম ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। আর মুসলিম আদি ইবনে আমিরাহ এর হাদিস বর্ণনা করেছেন, অথচ তাঁর থেকে কায়েস ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। তাঁরা উভয়েই আবু মালিক আল-আশজায়ি এবং মাজযাহ ইবনে যাহির আল-আসলামি থেকে (হাদিস) বর্ণনা করেছেন। আর বুখারি মাজযাহ ইবনে যাহির থেকে, তাঁর পিতার সূত্রে গাধার গোশত নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে হাদিস বর্ণনায় একক (انفرد) ছিলেন; যা আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, উসমান ইবনে উমর থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি মাজযাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
وأخرج مسلم أحاديث أبو مالك الأشجعي عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم ولم يخرجها البخاري.
فيلزم على شرطهما إخراج حديث أبي مالك الأشجعي عن نبيط بن شريط عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم من رواية أبي ومن تابعه من الثقات إلى أبي مالك.
ইমাম মুসলিম আবু মালিক আল-আশজা'য়ি থেকে তাঁর পিতার সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদিসসমূহ বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম বুখারি তা বর্ণনা করেননি।
সুতরাং তাঁদের শর্ত (شرط) অনুযায়ী নুবাইত ইবনে শারিত-এর সূত্রে আবু মালিক আল-আশজা'য়ি বর্ণিত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদিসটি বর্ণনা করা আবশ্যক হয়, যা তাঁর পিতা এবং তাঁর অনুসারী অন্যান্য নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীদের বর্ণনার মাধ্যমে আবু মালিক পর্যন্ত পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٠)
وسيلزم إخراج حديث محمد بن حاطب عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم من رواية أبي مالك الأشجعي عنه وقد رواه عنه أيضاً سماك بن حرب وغير واحد، منهم ابن عون ويوسف بن سعد وغيرهما، وموضع الإزام أن زاهر ابن الأسود لم يرو عنه غير ابنه مجزأة، وقد اخرج البخاريحديثه وأن طارق بن الأشيم لم يرو عنه غير ابنه ابي مالك وقد أخرج مسلم أحاديثه عنه.
وأخرجا جميعاً عن أبي المليح بن أسامة ولم يخرجا من أحاديث عن أبيه شيئاً.
وانفرد البخاري بإخراج حديثه عن بريدة عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم في صلاة العصر.
মুহাম্মদ ইবনে হাতিব কর্তৃক নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিসটি আবু মালিক আল-আশজায়ির বর্ণনা (رواية) হিসেবে সঙ্কলন (إخراج) করা আবশ্যক হয়ে পড়বে; অথচ তার থেকে সিমাক ইবনে হারবসহ আরও একাধিক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে ইবনে আউন, ইউসুফ ইবনে সাদ এবং অন্যান্যরা রয়েছেন। এ বাধ্যবাধকতার প্রেক্ষিত হলো এই যে, জাহির ইবনে আল-আসওয়াদ থেকে তার পুত্র মাজযাহ ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি, অথচ বুখারি তার হাদিস সঙ্কলন (أخرج) করেছেন। তদ্রূপ তারিক ইবনে আল-আশয়াম থেকে তার পুত্র আবু মালিক ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি, অথচ মুসলিম তার থেকে হাদিসসমূহ সঙ্কলন (أخرج) করেছেন।
তারা উভয়ই আবুল মালিহ ইবনে উসামাহ থেকে হাদিস সঙ্কলন করেছেন, কিন্তু তার পিতার সূত্রে বর্ণিত হাদিসসমূহের কোনো কিছুই তারা সঙ্কলন (أخرجا) করেননি।
এবং বুখারি এককভাবে (انفرد) আসরের নামাজ অনুচ্ছেদে বুরাইদাহ কর্তৃক নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিসটি সঙ্কলন (إخراج) করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧١)
وإنفراد مسلم بإخراج حديث أبي المليح عن نبيشة.
وبإخراج حديث أبي المليح عن معقل بن يسار من رواية قتادة عنه فيلزم على مذهبهما إخراج حديث أبي المليح ن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم من رواية قتادة وخالد الحذاء وأبي قلابة عن أبي المليح عن أبيه.
وإخراج حدث أبي المليح عن أبي عزة يسار بن عبد عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم من حديث أيوب السختياني عنه.
এবং নুবাশাহ থেকে আবু আল-মালিহ বর্ণিত হাদিসটি ইমাম মুসলিম কর্তৃক এককভাবে (انفراد) সংকলন করা।
তদ্রূপ কাতাদাহর বর্ণনা (رواية) অনুযায়ী মা'কিল ইবনে ইয়াসার থেকে আবু আল-মালিহ বর্ণিত হাদিসটি সংকলন করার কারণে, তাদের উভয়ের অনুসৃত নীতিমালা (مذهب) অনুযায়ী কাতাদাহ, খালিদ আল-হাদ্দী এবং আবু কিলাবাহর বর্ণনা (رواية) থেকে আবু আল-মালিহ কর্তৃক তাঁর পিতার বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিসটিও সংকলন করা আবশ্যক হয়ে পড়ে।
এবং আইয়ুব আল-সাখতিয়ানির বর্ণনা থেকে আবু আজ্জাহ ইয়াসার ইবনে আবদ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আবু আল-মালিহ বর্ণিত হাদিসটিও সংকলন করা আবশ্যক।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٢)
ويلزم مسلماً إخراج أبي الأحوص عوف بي مالك عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم ، إذ كانت طرقها صحاحاً رواها أبو إسحاق السبيعي وأبو الزعراء وعبد الملك بن عمر وغيرهم عن أبي الأحوص عن أبيه.
ولأن مسلماً قد أخرج حديث عبد الله بن مطيع بن الأسود عن أبيه من رواية الشعبي عنه ولم يرو عن مطيع غير ابنه عبد الله من وجه يصح مثله.
وانفرد البخاري بإخراج حديث حزن بن أبي وهب أخرج عنه
ইমাম মুসলিমের জন্য আবুল আহওয়াস আউফ ইবনে মালিকের তাঁর পিতার সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিসটি গ্রহণ করা আবশ্যক ছিল, যেহেতু এর সূত্রসমূহ (طرق) ছিল সহিহ (صحاح)। এটি আবুল আহওয়াস থেকে তাঁর পিতার সূত্রে আবু ইসহাক আল-সাবিঈ, আবু আজ-জাওরা, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন।
আর যেহেতু ইমাম মুসলিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুতি' ইবনে আল-আসওয়াদের হাদিসটি তাঁর পিতার সূত্রে আশ-শা'বির বর্ণনা থেকে সংকলন করেছেন, অথচ মুতি' থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে বর্ণনা করেননি যা এর সমতুল্য সহিহ (يصح) হতে পারে।
এবং ইমাম বুখারি এককভাবে (انفرد) হাজন ইবনে আবি ওয়াহবের হাদিস সংকলন করেছেন এবং তিনি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٣)
حديثين ولم يرو عنه غير ابنه المسيب ولا عن المسيب غير ابنه سعيد.
واتفقا على إخراج حديث المسيب بن حزن في وفاة أبي طالب عم النبي صلى الله عليه وسلم ولم يرو عنه غير ابنه سعيد ولا رواه عن سعيد غير الزهري.
وأخرج حديثين عن زهرة بن معبد عن جده عبد الله بن
দুটি হাদিস; তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মুসাইয়্যিব ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা (روى) করেননি এবং মুসাইয়্যিব থেকে তাঁর পুত্র সাঈদ ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা (روى) করেননি।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচা আবু তালিবের ওফাত সংক্রান্ত মুসাইয়্যিব ইবনে হাযন-এর হাদিসটি সংকলন (إخراج) করার বিষয়ে তাঁরা উভয়েই একমত হয়েছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র সাঈদ ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা (روى) করেননি এবং সাঈদ থেকে আয-যুহরী ব্যতীত অন্য কেউ তা বর্ণনা (رواه) করেননি।
এবং তিনি যুহরা ইবনে মা’বাদ থেকে তাঁর দাদা আবদুল্লাহ ইবনে... এর সূত্রে দুটি হাদিস সংকলন (أخرج) করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
هاشم بن زهرة عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، ولم يرو عن عبد الله بن هشام غير زهرة بن معبد.
وأخرج البخاري عن الزهري عن عبد الله بن ثعلبة بن صغير: مسح النبي صلى الله عليه وسلم وجهه. ولم يرو عنه غير الزهري.
وأخرج البخاري عن الحسن عن عمرو بن تغلب ولم يرو عنه غير الحسن.
হাশেম ইবনে জুহরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং আবদুল্লাহ ইবনে হাশেম থেকে জুহরা ইবনে মাবাদ ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
এবং বুখারি জুহরি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ছালাবা ইবনে সুগাইর থেকে বর্ণনা করেছেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মুখমণ্ডল মাসাহ করেছিলেন। আর তাঁর থেকে জুহরি ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।
এবং বুখারি হাসান থেকে, তিনি আমর ইবনে তাগলিব থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে হাসান ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
ويلزم إخراج حديث الحسن عن أحمر بن جزء إن كنا لنأوي لرسول الله صلى الله عليه وسلم مما يجافي من حديث عباد راشد عن الحسن.
عن معقل أن أخته طلقت.
وَقَدْ أَخْرَجَ الْبُخَارِيُّ حَدِيثَ أَبِي الأَسْوَدِ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاش
আহমার বিন জায্-এর সূত্রে হাসান-এর এই হাদিসটি উদ্ধৃত করা (إخراج) আবশ্যক যে, "আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্থান দিতাম কারণ তিনি (সেজদাতে তাঁর উভয় হাত পার্শ্বদেশ থেকে) দূরে রাখতেন"; যা হাসান-এর সূত্রে আব্বাদ বিন রাশিদ-এর বর্ণিত হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
মা’কিল থেকে বর্ণিত যে, তাঁর বোন তালাকপ্রাপ্তা হয়েছিলেন।
আর ইমাম বুখারি নু’মান বিন আবি আইয়াশ-এর সূত্রে আবু আল-আসওয়াদ-এর হাদিসটি সংকলন করেছেন (أخرج)।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
عَنْ خَوْلَةَ بِنْتِ ثَامِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أن رجلاً يَتَخَوَّضُونَ فِي مَالِ اللَّهِ عز وجل. ولا تعرف خولة بنت ثامر إلا في هذا الحديث ولم يرو عنها غير النعمان بن أبي عياش وهذا اللفظ يشبه لفظ عبيد سنوظا عن خولة بنت قيس بن قهد مرأة حمزة عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فإن كانت هي التي روى عنها النعمان ونسبها إلى ثامر فالحديث، مشهور وإن كانتا امرأتين فإبنة ثامر لم يرو عنها فير النعمان بن أبي عياش.
1-وأخرج البخاري حديث سويد بن النعمان عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ولم يرو عن سويد فير بشير بن يسار.
2-وأخرج أيضاً حديث أبي سعيد بن المعلي عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم في فضل فاتحة الكتاب ولم يرو عنه فير حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب ولا عنه غير خبيب بن عبد بن يساف.
খাওলা বিনতে সামির থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) হতে যে, কিছু লোক মহান আল্লাহর সম্পদে অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করে। খাওলা বিনতে সামির এই হাদিসটি ব্যতীত অন্য কোনো সূত্রে পরিচিত নন এবং নোমান ইবনে আবি আইয়াশ ব্যতীত আর কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি। এই বর্ণনাটি উবাইদ সানুজা কর্তৃক হামজার স্ত্রী খাওলা বিনতে কায়স ইবনে ক্বাহদ-এর সূত্রে নবী (সা.) হতে বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ। যদি তিনিই সেই নারী হন যার থেকে নোমান বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে সামিরের কন্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তবে হাদিসটি প্রসিদ্ধ (مشهور)। আর যদি তাঁরা দুইজন পৃথক নারী হন, তবে সামিরের কন্যার থেকে নোমান ইবনে আবি আইয়াশ ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
1-এবং বুখারি সুয়াইদ ইবনে নোমানের হাদিস নবী (সা.) হতে সংকলন করেছেন, অথচ সুয়াইদ থেকে বশীর ইবনে ইয়াসার ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
2-তিনি আরও আবু সাঈদ ইবনে আল-মুআল্লার হাদিস নবী (সা.) হতে সূরা ফাতিহার ফজিলত সম্পর্কে সংকলন করেছেন, অথচ তাঁর থেকে হাফস ইবনে আসিম ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি এবং হাফস থেকে খুবাইব ইবনে আবদ ইবনে ইয়াসাফ ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
وأخرج مسلم حديث أبي عثمان النهدي زهير بن عمرو مضموماً مع قبيصة بن لمخارق، ولم يروعن زهير غير أبي عثمان.
وأخرج مسلم بحديث أبي الأسود عن عروة عن عائشة عن جدامة بنت
ইমাম মুসলিম আবু উসমান আন-নাহদি সূত্রে যুহাইর ইবনে আমরের হাদিসটি কাবিসাহ ইবনে মুখারিকের সাথে সম্মিলিতভাবে বর্ণনা (رواية) করেছেন; আর আবু উসমান ব্যতীত অন্য কেউ যুহাইর থেকে বর্ণনা (رواية) করেননি।
এবং ইমাম মুসলিম আবু আল-আসওয়াদ হতে, তিনি উরওয়াহ হতে, তিনি আয়েশা (রা) হতে এবং তিনি জুদামাহ বিনতে... এর সূত্রে বর্ণিত হাদিসটিও বর্ণনা (رواية) করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
وهب عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم في الغيلة، ولم يرو عن غير عائشة ولا رواه غير أبي الأسود عن عروة.
وانفرد مسلم بحديث سعيد عن قتادة عن سنان بن سلمة عن ابن عباس عن ذؤيب غير أبي قبيصة عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم في البدن ولم يرو عن ذؤيب غير ابن عباس ولا روى حديثه غير قتارد عن سنان وقيل إن قتادة لم يسمع من سنان.
واتفقا على إخراج حديث عتبان بن مالك ولم يرو عنه غير محمود بن الربيع.
ওয়াহাব নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে 'আল-গিলাহ' (দুগ্ধদানকালীন সহবাস) প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন; এটি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) ব্যতীত অন্য কারো থেকে বর্ণিত হয়নি এবং আবু আল-আসওয়াদ ব্যতীত অন্য কেউ এটি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা (رواه) করেননি।
এবং ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন (انفرد) সাঈদের হাদিস—যা কাতাদাহ থেকে, তিনি সিনান বিন সালামাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি (আবু কাবিযাহ ব্যতীত অন্য) যুইয়াব থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সূত্রে কুরবানির উট সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। যুইয়াব থেকে ইবনে আব্বাস ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি এবং সিনান থেকে কাতাদাহ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর হাদিসটি বর্ণনা করেননি; আর বলা হয়ে থাকে যে, কাতাদাহ সিনান থেকে সরাসরি শ্রবণ করেননি (سمع)।
এবং তাঁরা উভয়ে ইতবান বিন মালিকের হাদিসটি সংকলনে উদ্ধৃত করার (إخراج) ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন (اتفقا), যদিও মাহমুদ বিন আল-রবি' ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٧٩)
واتفقا على إخراج حديث عمرو بن عوف البدري حليف بني عامر اين اؤي ولم يرو عنه غير المسور بن مخرمة.
واتفقا على إخراج حديث مالك بن صعصعة في المعراج ولم يرو عن غير أنس بن مالك ولا رواه عنه غير قتادة.
واتفقا على إخراج حديث معيقب ولم يرو عنه غير أبي سلمة من وجه يصح مثله.
এবং তাঁরা উভয়ে বনু আমির ইবনে লুয়াই-এর মিত্র আমর ইবনে আউফ আল-বদরীর হাদিস সংকলন করার (إخراج) বিষয়ে একমত হয়েছেন, অথচ আল-মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।
এবং তাঁরা উভয়ে মেরাজ সংক্রান্ত মালিক ইবনে সা’সা’আহ-এর হাদিস সংকলন করার (إخراج) বিষয়ে একমত হয়েছেন; অথচ আনাস ইবনে মালিক ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি এবং কাতাদাহ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে তা বর্ণনা করেননি।
এবং তাঁরা উভয়ে মুআইকিব-এর হাদিস সংকলন করার (إخراج) বিষয়ে একমত হয়েছেন এবং আবু সালামাহ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি এমন একটি সূত্রের মাধ্যমে যা বিশুদ্ধ (صحيح) হওয়ার উপযোগী।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٠)
وانفرد البخاري بحديث سنين أبي جميلة ولم يرو عنه غير الزهري من وجه يصح مثله.
وانفرد البخاري بحديث شيبة بن عثمان ولم يرو عنه غير أبي وائل من وجه يصح مثله، فهذا حديث الثوري والشيبني عن واصل عن أبي وائل.
وانفرد مسلم بحديث الأغر المزني ولم يروه عنه غير أبي بردة بن أبي موسى من وجه يصح مثله.
وانفرد مسلم بحديث أبي رفاعة العدوي، ولم يرو عنه غير حميد بن هلال العدوي من وجه يصح مثله.
ইমাম বুখারি সিনিন আবু জামিলার হাদিস বর্ণনায় একক (انفرد) ছিলেন এবং তাঁর থেকে যুহরি ব্যতীত অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে বর্ণনা করেননি যা সহিহ (يصح) হওয়ার যোগ্য।
ইমাম বুখারি শায়বাহ ইবনে উসমানের হাদিস বর্ণনায় একক (انفرد) ছিলেন এবং তাঁর থেকে আবু ওয়ায়েল ব্যতীত অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে বর্ণনা করেননি যা সহিহ (يصح) হওয়ার যোগ্য; এটি আবু ওয়ায়েল থেকে ওয়াসিল, এবং তাঁর সূত্রে সাওরি ও শায়বানি বর্ণিত হাদিস।
ইমাম মুসলিম আল-আগার আল-মুজানির হাদিস বর্ণনায় একক (انفرد) ছিলেন এবং তাঁর থেকে আবু বুর্দাহ ইবনে আবু মুসা ব্যতীত অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে বর্ণনা করেননি যা সহিহ (يصح) হওয়ার যোগ্য।
ইমাম মুসলিম আবু রিফায়া আল-আদাবির হাদিস বর্ণনায় একক (انفرد) ছিলেন এবং তাঁর থেকে হুমায়দ ইবনে হিলাল আল-আদাবি ব্যতীত অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে বর্ণনা করেননি যা সহিহ (يصح) হওয়ার যোগ্য।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨١)
1- وانفرد مسلم برافع بن عمرو الغفاري أخي الحكم بن عمرو ولم يرو غير عنه عبد الله بن الصامت من وجه صح مثله.
2- وانفرد مسلم بحديث ربيعة بن كعب الأسلمي، ولم يرو عنه غير أبي سلمة بن عبد الرحمن من وجه يصح مثله.
3- وانفرد البخاري بحديث أبي عبسبن جبر: (من اغبرت قدماه فيسبيل الله) من رواية عباية بن رفاعة، ولم يرو عنه من وجه يصح مثله غيره.
وانفرد مسلم بحديث زياد بن علاقة عن قطبة بن مالك: (والنخل باسقات) ولم يرو عنه غير زياد.
1- এবং ইমাম মুসলিম এককভাবে রাফি ইবন আমর আল-গিফারি থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, যিনি আল-হাকাম ইবন আমরের ভাই; এবং তার থেকে আবদুল্লাহ ইবন আস-সামিত ব্যতীত অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে বর্ণনা করেননি যা এ ধরনের সহিহ (صح) পর্যায়ের।
2- এবং ইমাম মুসলিম এককভাবে রাবিআহ ইবন কাব আল-আসলামির হাদিস বর্ণনা করেছেন, এবং আবু সালামাহ ইবন আবদুর রহমান ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে এমন সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেননি যা এ ধরনের সহিহ (يصح) পর্যায়ের।
3- এবং ইমাম বুখারি এককভাবে আবু আবস ইবন জাবর বর্ণিত হাদিস: (যাঁর দুই পা আল্লাহর পথে ধূলিমলিন হয়েছে...) আবায়াহ ইবন রিফায়ার সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং তার থেকে অন্য কেউ এমন কোনো সূত্রে এটি বর্ণনা করেননি যা এ ধরনের সহিহ (يصح) পর্যায়ের।
এবং ইমাম মুসলিম এককভাবে কুতবাহ ইবন মালিকের সূত্রে জিয়াদ ইবন ইলাকাহ থেকে বর্ণিত হাদিস: (এবং দীর্ঘ ও উন্নত খেজুর গাছসমূহ...) বর্ণনা করেছেন, আর জিয়াদ ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٢)
وانفرد مسلم بحديث نافع بن عتبة بن أبي وقاص عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : (يغزون جزيرة العرب) ولم يرو عنه غير جابر بن سمرة.
وانفرد البخاري بحديث أم العلاء الأنصارية ولميرو عنها غير خارجة ابن زيد بنثابت تفرد الزهري عنه.
وانفرد مسلم بحديث أم مبشر ولم يرو عنها غير جابر بن عبد الله من وجه يصح مثله.
ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন (انفرد) নাফি ইবনে উতবাহ ইবনে আবি ওয়াক্কাস কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিস: (তারা আরব উপদ্বীপের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে) এবং জাবির ইবনে সামুরাহ ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি।
ইমাম বুখারি এককভাবে বর্ণনা করেছেন (انفرد) উম্মুল আলা আল-আনসারিয়ার হাদিস এবং খারিজা ইবনে যাইদ ইবনে সাবিত ব্যতীত তার থেকে অন্য কেউ বর্ণনা করেননি, যুহরি তার থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন (تفرد)।
ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন (انفرد) উম্মু মুবাশশিরের হাদিস এবং জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ব্যতীত তার থেকে অন্য কেউ বর্ণনা করেননি এমন একটি সূত্রে যা বিশুদ্ধ (صحيح) হওয়ার যোগ্য।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
ذكر أحاديث رجال من الصحابة رضي الله عنهم رووا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رويت أحاديثهم من وجوه لا مطعن في ناقليها ولم يخرجا من أحاديثهم شيئاً فيلزم إخراجها على مذهبهما وعلى ما قدمنا ذكره وما أخرجاه أو أحدهما. وبالله التوفيق
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস বর্ণনাকারী এমন কিছু সাহাবী (صحابة) (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর হাদিসসমূহের উল্লেখ, যাদের হাদিসসমূহ এমন সব সূত্র (وجوه) থেকে বর্ণিত হয়েছে যেগুলোর বর্ণনাকারীদের (ناقل) ব্যাপারে কোনো প্রকার সমালোচনা (مطعن) নেই। অথচ তাঁরা (ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম) তাঁদের বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে কিছুই সংকলন করেননি; ফলে তাঁদের উভয়ের অনুসৃত নীতিমালা (مذهب) এবং ইতিপূর্বে আমাদের বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী এই হাদিসগুলো সংকলন করা আবশ্যক। এছাড়া তাঁরা উভয়ে বা তাঁদের কোনো একজন যা সংকলন করেছেন তার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। আর আল্লাহর তাওফীকেই সকল কাজ সফল হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٤)
قد بدأنا أول الورقة بحديث قيس بن أبي حازم عن دكين بن سعيد.
وحديثه عن الصنابح بن الأعسر.
وحديثه عن أبيه أبي حازم.
وحديثه عَنْ أَبِي شَهْمٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
وحديث نبيط بن شريط من رواية أبي مالك الأشجعي.
وحديث محمد بن حاطب من رواية سماك بن حرب.
وحديثه أيضاً من رواية أبي مالك الأشجعي.
وحديث قتادة عن أبي المليحبن أسامة بن عمير عن أبيه.
وحديث أبي المليح عن أبي عزة يسار بن عبد رواه أيوب عنه.
وحديث أبي الأحوص الجشمي عن أبيه من رواية أبي إسحاق وأبي الزعراء وعبد الملك بن عمير عنه.
وحديث الحسن عن أحمر بن جزء السدوسي من رواية عباد بن راشد عنه.
وحديث الشعبي عروة بن مضرس رواه عن لشعبي جماعة من أهل الكوفة منهم إسماعيل بن أبي خالد وعبد الله بن أبي السفر وزكريا ويسار وغيرهم.
আমরা কাগজের শুরুতে দুকাইন ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণিত কাইস ইবনে আবি হাজিমের হাদিস দিয়ে শুরু করেছি।
এবং আস-সুনাবিহ ইবনুল আসআর থেকে তার হাদিস।
এবং তার পিতা আবু হাজিম থেকে তার হাদিস।
এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবু শাহমের সূত্রে বর্ণিত তার হাদিস।
এবং আবু মালিক আল-আশজায়ি-এর বর্ণনা (رواية) থেকে প্রাপ্ত নাবিত ইবনে শারিত-এর হাদিস।
এবং সিমাক ইবনে হারব-এর বর্ণনা (رواية) থেকে প্রাপ্ত মুহাম্মদ ইবনে হাতিব-এর হাদিস।
এবং আবু মালিক আল-আশজায়ি-এর বর্ণনা (رواية) থেকে প্রাপ্ত তার আরও একটি হাদিস।
এবং আবু আল-মালিহ ইবনে উসামাহ ইবনে উমাইর তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এমন ক্বাতাদাহর হাদিস।
এবং আবু আযযাহ ইয়াসার ইবনে আবদ থেকে আবু আল-মালিহর হাদিস, যা আইয়ুব তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আবু আল-আহওয়াস আল-জুশামি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এমন হাদিস, যা আবু ইসহাক, আবু যা’রা এবং আবদুল মালিক ইবনে উমাইর-এর বর্ণনা (رواية) থেকে বর্ণিত।
এবং আহমার ইবনে জায আল-সাদুসি থেকে আল-হাসানের হাদিস, যা আব্বাদ ইবনে রাশিদ-এর বর্ণনা (رواية) থেকে বর্ণিত।
এবং আশ-শা’বি কর্তৃক উরওয়াহ ইবনে মুদাররিস থেকে বর্ণিত হাদিস; কুফাবাসীদের একটি জামাত এটি আশ-শা’বি থেকে বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ, আবদুল্লাহ ইবনে আবি আল-সাফার, জাকারিয়া, ইয়াসার এবং অন্যান্যরা।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٥)
وقد روى عن عروة بن مضرس حميدبن منهب بن الزبير، في روايتهما نظر.
الشعبي عن وهب بن خنبش من رواية الثوري عن بيان وغيره.
الشعبي عن عامر بن شهر، وراه إسماعيل وبيان ومالك بن مغول وغير واحد.
উরওয়াহ ইবনে মুদাররিস থেকে হুমাইদ ইবনে মুনহিব ইবনে আয-যুবাইর বর্ণনা করেছেন; তাদের উভয়ের বর্ণনার (رواية) ব্যাপারে সংশয় (نظر) রয়েছে।
আশ-শা’বী ওয়াহাব ইবনে খানবাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, যা বায়ান ও অন্যদের সূত্রে আস-সাওরীর বর্ণনা (رواية)।
আশ-শা’বী আমির ইবনে শাহর থেকে বর্ণনা করেছেন; যা ইসমাঈল, বায়ান, মালিক ইবনে মিগওয়াল এবং আরও অনেকে বর্ণনা (رواية) করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٦)
الشعبي عن أبي سريحة حذيفة بن أسيد (حملني أهلي على الجفاء بعد أن علمت السنة) في حديث مطرف وبيان وسعيد بن مسروق وغيرهم.
আশ-শা'বী আবু সারিহাহ হুযায়ফাহ ইবনে আসিদ থেকে বর্ণনা করেন: (সুন্নাহ (السنة) অবগত হওয়ার পর আমার পরিবার আমাকে রূঢ় আচরণের দিকে প্ররোচিত করেছিল), যা মুতাররিফ, বায়ান, সা'ঈদ ইবনে মাসরুক এবং অন্যদের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٧)
الشعبي عن محمد بن صيفي الأنصاري في عاشوراء من حديث حصين ابن عبد الرحمن عنه.
الشعبي عن الحرث بن الرصاء رواه زكريا بن أبي زائدة عن الشعبي وروى عن الحارث بن البرصاء أيضاً حديثاً مسنداً عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عبيد بن جريح قال إسماعيل بن أمية عن عمر بن عطاء ابن أبي الخوار عن عبيد بن حريح عن الحارث بن البرصاء.
আশ-শা’বী মুহাম্মদ বিন সাইফি আল-আনসারী থেকে আশুরা প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন, যা হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান তাঁর সূত্রে বর্ণিত হাদিসের অন্তর্ভুক্ত।
আশ-শা’বী হারিস বিন আর-রাস্সা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা জাকারিয়া ইবনে আবি জাইদাহ আশ-শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া তিনি হারিস বিন আল-বারসা থেকেও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে একটি মুসনাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন। উবাইদ বিন জুরাইহ; ইসমাইল ইবনে উমাইয়াহ উমর বিন আতা ইবনে আবিল খাওয়ার থেকে, তিনি উবাইদ বিন হুরিহ থেকে এবং তিনি হারিস বিন আল-বারসা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٨)
عطية القرظي روى عنه مجاهد وعبد الملك بن عمير، قاله ابن وهب عن أبي جريج وابن عيينة عن ابن أبي نجيح عن مجاهد.
رفاعة بن عرابة الجهني عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم روى حديثه يحيى بن أبي كثير عن هلال بن أبي ميمونة عن عطاء بن يسار عنه.
আতিয়্যাহ আল-কুরাজি, তাঁর থেকে মুজাহিদ এবং আবদুল মালিক বিন উমায়ের বর্ণনা করেছেন (روى عنه); ইবনে ওয়াহাব এটি আবু জুরাইজ থেকে এবং ইবনে উয়ায়নাহ ইবনে আবি নাজিহ-এর সূত্রে মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
রিফাহ বিন আরাবাহ আল-জুহানি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির হিলাল বিন আবি মাইমুনাহ থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে এবং তিনি তাঁর থেকে তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন (روى)।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٨٩)
أبو رمثة التميمي رفاعة بن يثربي، واختلف في اسمه روى عنه أياد اين لقيط وقد أخرجا عن إياد.
قيس بن النعمان روى عنه إياد بن لقيط قاله عبيد الله بن إياد عن أبي. وقد أخرد مسلم عن إياد أحاديثه، روى حديثة شعبة والثوري ومسعر وزهير وإسرائيل والناس بعد.
আবু রিমসা আল-তামিমি রিফাআহ বিন ইয়াসরিবি, তাঁর নামের ব্যাপারে মতভেদ (اختلاف) রয়েছে। তাঁর নিকট থেকে ইয়াদ ইবনে লাকিত বর্ণনা (روى) করেছেন এবং তাঁরা উভয়ই ইয়াদ থেকে বর্ণনা উদ্ধৃত (أخرجا) করেছেন।
কাইস ইবনে নুমান, তাঁর নিকট থেকে ইয়াদ ইবনে লাকিত বর্ণনা (روى) করেছেন—একথা উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াদ তাঁর পিতার সূত্রে উল্লেখ করেছেন। মুসলিম ইয়াদ থেকে তাঁর হাদিসসমূহ বর্ণনা উদ্ধৃত (أخرج) করেছেন; তাঁর হাদিস বর্ণনা (روى) করেছেন শু'বাহ, সাওরি, মিসআর, জুহাইর, ইসরাঈল এবং পরবর্তী ব্যক্তিবর্গ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٩٠)
زياد عن أسامة وروى عن أسامة أيضاً علي بن الأقمر ومجاهد وفي روايتهما عنه نظر.
إياس بن عبد المزني نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع
যিয়াদ উসামা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আলী ইবনে আল-আকমর ও মুজাহিদও উসামা থেকে বর্ণনা (رواية) করেছেন; তবে উসামা থেকে তাঁদের উভয়ের বর্ণনার (رواية) ক্ষেত্রে সংশয় (نظر) রয়েছে।
ইয়াস ইবনে আবদ আল-মুজানি; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু লিদ-দারাকুতনী
(পৃষ্ঠা: ٩١)
الماء. روى عنه أبو المنهال عبد الرحمن بن مطعم.
وقد أخرجا عنه حديث البراء وزيد بن أرقم.
بشر بن سحيم روى عنه يافع بن جبير قاله عنه عمرو بن دينار وحبيب بن أبي ثابت.
ثابت بن يزيد بن وديعة روى عنه البراء بن عازب وعمر بن سعد
পানি। তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন (روى عنه) আবু আল-মিনহাল আবদুর রহমান ইবনে মুতয়িম।
আর তাঁরা উভয়ই তাঁর সূত্রে আল-বারা এবং যায়িদ ইবনে আরকামের হাদিস সংকলন করেছেন (أخرجا)।
বিশর ইবনে সুহাইম; তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন (روى عنه) ইয়াফি ইবনে জুবাইর। তাঁর সম্পর্কে এ কথা বলেছেন আমর ইবনে দিনার এবং হাবিব ইবনে আবি সাবিত।
সাবিত ইবনে ইয়াজিদ ইবনে ওয়াদিয়া; তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন (روى عنه) আল-বারা ইবনে আজিব এবং উমর ইবনে সাদ।