(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعون لابن المقرئ (ابن المقرئ)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الأربعون لابن المقرئ (مطبوع ضمن جمهرة الأجزاء الحديثية)
المؤلف: أبو بكر بن المقرئ (ت 381هـ)
اعتناء وتخريج: محمد زياد عمر تكلة
الناشر: مكتبة العبيكان، السعودية
الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2001 م
عدد الصفحات: 128
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আল-মুকরির আল-আরবাউন (ইবনে আল-মুকরি)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
বই: ইবনে আল-মুকরির আল-আরবাউন (জমহারাতুল আজজা আল-হাদিসিয়্যাহ-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত)
লেখক: আবু বকর বিন আল-মুকরি (মৃত্যু ৩৮১ হিজরি)
সম্পাদনা ও তাখরিজ: মুহাম্মদ যিয়াদ উমর তকলাহ
প্রকাশক: মাকতাবাতুল উবাইকান, সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
ذِكْرُ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»1 - أَخْبَرَنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُذَيْلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجُمَّانِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: «জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ» এর বর্ণনা১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমাদ ইবন আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুযাইল ইবন ইব্রাহিম আল-জুম্মানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবন ইব্রাহিম আয-যুহরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন আবি সুলাইমান, তিনি শাকিক থেকে, আর তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
2 - وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نُصَيْرٍ الْمَدِينِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرٍو الْبَجَلِيُّ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ.ح وَحَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ أَبُو التَّقِيِّ، حَدَّثَنَا الْمُعَافَى بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ الأَيْلِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
২ - এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন নুসায়র আল-মাদিনী আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইসমাঈল ইবন আমর আল-বাজালি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবন সুলাইমান, কাসীর ইবন শিনজীর থেকে, তিনি ইবন সীরীন থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান আল-জাওনি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন আব্দুল মালিক আবু আত-তাকি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআফা ইবন ইমরান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবন আইয়াশ, ইউনুস ইবন ইয়াযীদ আল-আইলি থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে; তারা উভয়ই বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ইলম বা জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ বা আবশ্যকীয় কর্তব্য।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
3 - أَخْبَرَنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي حَازِمٍ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَبْتَغِي فِيهِ عِلْمًا، سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ فِيهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ»
৩ - মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবু হাযিম আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমর ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণের উদ্দেশ্যে কোনো পথ অবলম্বন করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেবেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫০)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْحَكَمِ مَوْلَى الأَقْرَعِ بْنِ السَّائِبِ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّفَاوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو هَارُونَ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: كُنَّا إِذَا جِئْنَا إِلَى أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قُلْنَا: وَمَا وَصِيَّةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: قَالَ لِأَصْحَابِهِ: «إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ، وَسَيَأْتِيكُمْ نَاسٌ مِنْ أَقْطَارِ الْأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ، فَإِذَا أَتَوْكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا، وَعَلِّمُوهُمْ مِمَّا عَلَّمَكُمُ اللَّهُ عز وجل»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন ইয়াহইয়া ইবনুল হাকাম, যিনি আকরা ইবন আস-সাইবের আযাদকৃত গোলাম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবন ইবরাহীম আদ-দাওরাকী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান আত-তুফাবী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হারুন আল-আবদী, তিনি বলেন: আমরা যখন আবু সাঈদ আল-খুদরী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর নিকট আসতাম, তখন তিনি বলতেন: রাসুলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর অসিয়তকৃতদের প্রতি স্বাগতম। আমরা বললাম: রাসুলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর অসিয়তটি কী? তিনি বললেন: তিনি (রাসূলুল্লাহ) তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: «নিশ্চয়ই মানুষ তোমাদের অনুসারী, আর অচিরেই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তোমাদের কাছে দ্বীনের গভীর জ্ঞান অর্জন করতে আসবে। সুতরাং যখন তারা তোমাদের কাছে আসবে, তখন তোমরা তাদের সাথে কল্যাণকর আচরণের উপদেশ গ্রহণ করবে এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তোমাদের যা শিখিয়েছেন তা থেকে তাদের শিক্ষা দান করবে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫২)
قَوْلُهُ صلى الله عليه وسلم: «رَحِمَ اللَّهُ امْرَءًا سَمِعَ مَقَالَتِي فَحَفِظَهَا»5 - أَخْبَرَنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ الْمَفْلُوجُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدَةُ بْنُ الْأَسْوَدِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ، عَنِ الْحَارِثِ الْعُكْلِيِّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نَضَّرَ اللَّهُ امْرَءًا سَمِعَ مَقَالَتِي فَحَفِظَهَا، فَإِنَّهُ رُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرُ فَقِيهٍ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ»
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: «আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রতি রহম করুন যে আমার কথা শুনল এবং তা মুখস্থ রাখল»৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন সালিম আল-মাফলুজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ ইবন আল-আসওয়াদ, আল-কাসিম ইবন আল-ওয়ালিদ থেকে, আল-হারিস আল-উকিলী থেকে, ইব্রাহিম থেকে, আল-আসওয়াদ থেকে, আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সতেজ ও প্রফুল্ল রাখুন যে আমার কথা শুনল এবং তা মুখস্থ রাখল; কেননা অনেক ইলম বহনকারী এমন আছে যে নিজে ফকীহ (গভীর সমঝদার) নয়, আবার অনেক ইলম বহনকারী এমন ব্যক্তির নিকট ইলম পৌঁছে দেয় যে তার চেয়েও অধিক ফকীহ»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
قَوْلُهُ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَ مِنْ أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا»6 - أَخْبَرَنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْحُصَيْنِ، حَدَّثَنَا ابْنُ عِلَاثَةَ، حَدَّثَنَا خَصِيفٌ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فِيمَا يَنْفَعُهُمْ مِنْ أَمْرِ دِينِهِمْ، بُعِثَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنَ الْعُلَمَاءِ، وَفَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ سَبْعُونَ دَرَجَةً، اللَّهُ أَعْلَمُ مَا بَيْنَ كُلِّ دَرَجَتَيْنِ»
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের বাণী: «যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করবে»৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু ইলাসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাসিফ, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার উম্মতের উপকারের জন্য তাদের দ্বীনি বিষয় সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করবে, কিয়ামতের দিন তাকে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করে পুনরুত্থিত করা হবে। আর আবেদের তুলনায় আলেমের মর্যাদা সত্তর স্তর বেশি, প্রতি দুই স্তরের মধ্যবর্তী ব্যবধান সম্পর্কে আল্লাহ-ই সর্বাধিক অবগত।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
قَوْلُهُ صلى الله عليه وسلم: «بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ»7- أَخْبَرَنا أَبُو بِشْرٍ الدُّولابِيُّ، وَالْوَلِيدُ بْنُ بَنَانٍ الْوَاسِطِيُّ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدُ بْنِ عِمْرَانَ الْمُعَدَّلُ، قَالُوا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونٍ الْخَيَّاطُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مِسْعَرِ بْنِ كِدَامٍ، وَسُعَيْرِ بْنِ الْخِمْسِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ، وَحَجِّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا "
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী: "ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত"৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বিশর আদ-দুলাবি, ওয়ালিদ ইবনে বান্নান আল-ওয়াসিতি এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইমরান আল-মুয়াদ্দাল। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাইমুন আল-খাইয়াত, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ, তিনি মিসআর ইবনে কিদাম ও সুআইর ইবনে আল-খিমস থেকে, তাঁরা হাবিব ইবনে আবু সাবিত থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: "ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল; সালাত কায়েম করা; জাকাত প্রদান করা; রমজানের সিয়াম পালন করা এবং যার সামর্থ্য আছে তার বায়তুল্লাহর হজ করা।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
الْإِيمَانُ بِالْقَدَرِ8 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدُ بْنِ بَدْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَاهِلِيُّ الْبَغْدَادِيُّ بِمِصْرَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ حَمَّادٍ سَجَّادَةُ، حَدَّثَنَا الْمُطَّلِبُ بْنُ زِيَادٍ الثَّقَفِيُّ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: أَتَاهُ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، إِنَّا نُسَافِرُ، فَمَرَرْنَا بِأَقْوَامٍ يَقُولُونَ: لَا قَدَرَ، قَالَ: فَإِذَا لَقِيتَ أُولَئِكَ، فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رضي الله عنه مِنْهُمْ بِرئٌ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَجَاءَ رَجُلٌ حَسَنُ الْوَجْهِ طَيِّبُ الرِّيحِ نَقِيُّ الثَّوْبِ، فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: وَعَلَيْكَ السَّلَامُ، ادْنُ، فَدَنَا دُنُوَّةً، ثُمَّ قَالَ: ادْنُ، فَدَنَا دُنُوَّةً، ثُمَّ قَالَ: ادْنُ، فَدَنَا دُنُوَّةً، حَتَّى قَارَبَ رُكْبَتَيِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: فَقُلْنَا: مَا رَأَيْنَا كَالْيَوْمِ رَجُلًا أَحْسَنَ وَجْهًا، وَلَا أَطْيَبَ رِيحًا، وَلَا أَنْقَى ثَوْبًا، وَلَا أَشَدَّ تَوْقِيرًا لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا الْإِسْلَامُ؟ قَالَ: «تَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامُ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَصِيَامُ رَمَضَانَ، وَحَجُّ الْبَيْتِ،
তাকদীরের ওপর ঈমান8 - মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বদর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাহিলী আল-বাগদাদী মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে হাম্মাদ সাজ্জাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুত্তালিব ইবনে যিয়াদ আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মনসুর থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললেন: হে আবু আব্দুর রহমান, আমরা সফর করি, এমতাবস্থায় আমরা এমন কিছু সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে অতিক্রান্ত হই যারা বলে: তাকদীর বলতে কিছু নেই। তিনি (ইবনে উমর) বললেন: তুমি যখন তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাদের জানিয়ে দিয়ো যে, ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের থেকে মুক্ত (সম্পর্কহীন)। তিনি বললেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম, এমতাবস্থায় সুন্দর চেহারা সম্পন্ন, সুগন্ধিযুক্ত এবং পরিষ্কার পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তি এলেন। তিনি বললেন: আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি (নবী) বললেন: ওয়া আলাইকাস সালাম, নিকটে এসো। তখন তিনি কিছুটা নিকটে এলেন। এরপর তিনি বললেন: নিকটে এসো, তখন তিনি আরও কিছুটা নিকটে এলেন। এরপর তিনি বললেন: নিকটে এসো, তখন তিনি আরও নিকটে এলেন, এমনকি তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুই হাঁটুর সন্নিকটে পৌঁছলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন আমরা বললাম: আমরা আজকের দিনের মতো এত সুন্দর চেহারার, এত সুগন্ধিযুক্ত, এত পরিষ্কার পোশাক পরিহিত এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এত অধিক সম্মান প্রদর্শনকারী কোনো ব্যক্তিকে আর দেখিনি। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, ইসলাম কী? তিনি বললেন: «তুমি সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো (সত্য) উপাস্য নেই এবং নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে, রমজানের রোজা রাখবে এবং বায়তুল্লাহর হজ করবে,
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
وَالْغُسْلُ مِنَ الْجَنَابَةِ» .قَالَ: فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَنَا مُسْلِمٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ» .قَالَ: صَدَقْتَ، قَالَ: فَمَا الْإِيمَانُ؟ قَالَ: «تُؤْمِنَ بِاللَّهِ، وَمَلَائِكَتِهِ، وَكُتُبِهِ، وَرُسُلِهِ، وَالْجَنَّةِ وَالنَّارِ، وَالْقِيَامَةِ وَالْبَعْثِ، وَالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ، وَحُلْوِهِ وَمُرِّهِ مِنَ اللَّهِ عز وجل» .قَالَ: فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَنَا مُؤْمِنٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ» .قَالَ: صَدَقْتَ، قَالَ: فَمَا الْإِحْسَانُ؟ قَالَ: " تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ، فَإِنَّهُ يَرَاكَ.قَالَ: فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَنَا مُحْسِنٌ "، قَالَ: «نَعَمْ» .قَالَ: صَدَقْتَ، قَالَ: ثُمَّ قَامَ الرَّجُلُ فَذَهَبَ، قَالَ: فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «عَلَيَّ بِالرَّجُلِ» .قَالَ: فَخَرَجْنَا فِي طَلَبِهِ فِي طَرِيقٍ مِنْ طُرُقِ الْمَدِينَةِ فَلَمْ نَجِدْهُ، قَالَ: فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «هَذَا جِبْرِيلُ عليه السلام جَاءَكُمْ يُعَلِّمُكُمْ مَنَاسِكَ دِينِكُمْ، فَمَا أَتَانِي فِي صُورَةٍ قَطُّ إِلَّا عَرَفْتُهُ، إِلَّا هَذِهِ الصُّورَةَ»
এবং জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করা।"তিনি বললেন: "আমি যদি তা করি তবে কি আমি মুসলিম?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"তিনি বললেন: "আপনি সত্য বলেছেন।" তিনি বললেন: "তাহলে ঈমান কী?" তিনি বললেন: "তুমি বিশ্বাস স্থাপন করবে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর রাসূলগণের প্রতি, জান্নাত ও জাহান্নামের প্রতি, কিয়ামত ও পুনরুত্থানের প্রতি এবং ভাগ্যের ভালো-মন্দের প্রতি, আর এর মিষ্টতা ও তিক্ততা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে হওয়ার প্রতি।"তিনি বললেন: "আমি যদি তা করি তবে কি আমি মুমিন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"তিনি বললেন: "আপনি সত্য বলেছেন।" তিনি বললেন: "তাহলে ইহসান কী?" তিনি বললেন: "তুমি আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করবে যেন তুমি তাঁকে দেখছ, আর যদি তুমি তাঁকে না দেখো, তবে নিশ্চয়ই তিনি তোমাকে দেখছেন।"তিনি বললেন: "আমি যদি তা করি তবে কি আমি মুহসিন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"তিনি বললেন: "আপনি সত্য বলেছেন।" বর্ণনাকারী বলেন: তারপর লোকটি উঠে চলে গেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "লোকটিকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো।"বর্ণনাকারী বলেন: আমরা মদীনার কোনো এক পথে তাঁর সন্ধানে বের হলাম কিন্তু তাঁকে পেলাম না। বর্ণনাকারী বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "ইনি জিবরীল আলাইহিস সালাম, তিনি তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীনের বিধিবিধান শিক্ষা দিতে এসেছিলেন। তিনি ইতিপূর্বে আমার কাছে যে কোনো আকৃতিতেই এসেছেন আমি তাঁকে চিনতে পেরেছি, কেবল এই আকৃতিটি ব্যতীত।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
أَبْوَابُ الْوُضُوءِذِكْرُ الْمَوَاضِعِ الَّذِي نُهِيَ عَنِ التَّخَلِّي فِيهَا9- حَدَّثَنَا أَبُو عَرْوَبَةَ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُنْبُورٍ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنا الْعَلَاءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «اتَّقُوا اللَّعَّانِينَ» .قَالُوا: وَمَا اللَّعَّانُونَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «الَّذِي يَتَخَلَّى فِي طَرِيقِ النَّاسِ وَفِي ظِلِّهِمْ»
ওযুর অধ্যায়সমূহসে সমস্ত স্থানের বর্ণনা যেখানে মলমূত্র ত্যাগ করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে৯- আমাদের নিকট আবু আরুবাহ আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে যুনবুর আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনে জাফর আল-মাদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা অভিশাপ বয়ে আনে এমন দুটি কাজ থেকে বেঁচে থাকো»।তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! অভিশাপ বয়ে আনা কাজ দুটি কী? তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি মানুষের চলাচলের পথে এবং তাদের বিশ্রামের ছায়াযুক্ত স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করে»।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬০)
بَابُ: كَرَاهِيَةِ الْكَلَامِ عَلَى الْغَائِطِ10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُنْذِرِ الْفَقِيهُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ هِلَالِ بْنِ عِيَاضٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ رضي الله عنه، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «لَا يَخْرُجِان الرَّجُلَانِ يَضْرِبَانِ الْغَائِطَ كَاشِفَانِ عَنْ عَوْرَتِهِمَا يَتَحَدَّثَانِ، فَإِنَّ اللَّهَ يَمْقُتُ ذَلِكَ»
পরিচ্ছেদ: শৌচকার্য সম্পাদনকালে কথা বলার অপছন্দনীয়তা১০ - মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-ফকীহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমা ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবু কাসীর থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াদ থেকে, তিনি বলেন: আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «দুইজন লোক যেন তাদের লজ্জাস্থান উন্মুক্ত রেখে এবং একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে শৌচকার্য করতে না যায়; কেননা আল্লাহ এতে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হন।’»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬১)
بَابُ: كَرَاهِيَةِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ لِلْغَائِطِ وَالْبَوْلِ فِي الصَّحَارِي11 - أَخْبَرَنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُنْذِرِ الْفَقِيهُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ رَافِعِ بْنِ إِسْحَاقَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيَّ رضي الله عنه، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ، أَوِ الْبَوْلَ، فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ بِفَرْجِهِ، وَلَا يَسْتَدْبِرْهَا»
পরিচ্ছেদ: উন্মুক্ত প্রান্তরে মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করার অপছন্দনীয়তা১১ - আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-ফকীহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাকে অবহিত করেছেন ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি রাফে‘ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মলমূত্র ত্যাগের জন্য যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬২)
بَابُ: مَا يُقَالُ عِنْدَ دُخُولِ الْخَلاءِ12 - أَخْبَرَنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنا شُعْبَةُ، وَهُشَيْمٌ، وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ الْخَلاءَ، قَالَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ»
পরিচ্ছেদ: শৌচাগারে প্রবেশের সময় যা বলতে হয়১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আজিজ; তাঁরা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনুল জাদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, হুশাইম এবং হাম্মাদ ইবনে সালামাহ; আবদুল আজিজ ইবনে সুহাইব থেকে বর্ণিত; তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি অপবিত্র পুরুষ ও নারী জিনদের থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
بَابُ: النَّهْيِ عَنْ مَسِّ الْفَرْجِ بِالْيَمِينِ13 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ النَّفْخِ فِي السِّقَاءِ، وَأَنْ يَمَسَّ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ، وَيَسْتَطِيبَ بِيَمِينِهِ»
পরিচ্ছেদ: ডান হাত দিয়ে লজ্জাস্থান স্পর্শ করার নিষেধাজ্ঞা১৩ - আবদান ইবনে আহমাদ আল-কাজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আ’লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা’মার আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানির পাত্রে ফুঁ দিতে, ডান হাত দিয়ে লজ্জাস্থান স্পর্শ করতে এবং ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করতে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
بَابُ: اسْتِحْبَابِ الْوَتْرِ فِي الِاسْتِنْجَاءِ14 - أَخْبَرَنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ رَزِينٍ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارِ بْنِ نُصَيْرٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ، وَمَنِ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ»
পরিচ্ছেদ: ইস্তিনজায় বিজোড় সংখ্যা মুস্তাহাব হওয়া১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে রাজিন আল-আত্তার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম ইবনে আম্মার ইবনে নুসাইর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু ইদরিস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ওযু করবে সে যেন নাক ঝাড়ে এবং যে ব্যক্তি পাথর ব্যবহার (ইস্তিজমার) করবে সে যেন বিজোড় সংখ্যা অবলম্বন করে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
بَابُ: ذِكْرِ مَا يُسْتَنْجَى بِهِ وَمَا لَا يُسْتَنْجى بِهِ15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ الْعَسْقَلانِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهِبٍ أَبُو خَالِدٍ الرَّمْلِيُّ.ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَبَّانَ بْنِ حَبِيبِ بْنِ زَبَّانِ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ وَرْدَانَ بْنِ نَافِعٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى كَاتِبُ الْعُمَرِيِّ، قَالَا: حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ خُزَيْمَةَ الْمَدَنِيَّ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عِمَارَةَ بْنَ خُزَيْمَةَ الْأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُ، عَنْ أَبِيهِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيَّ رضي الله عنه، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فِي الِاسْتِطَابَةِ، قَالَ: بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ لَيْسَ فِيهَا رَجِيعٌ "
পরিচ্ছেদ: যা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা যাবে এবং যা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা যাবে না তার বর্ণনা১৫ - মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতাইবা আল-আসকালানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবনে মাওহিব আবু খালিদ আর-রামলি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন।(হাওলা) এবং মুহাম্মাদ ইবনে যাব্বান ইবনে হাবিব ইবনে যাব্বান ও ইসমাঈল ইবনে দাউদ ইবনে ওয়ারদান ইবনে নাফি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া কাতিবুল উমারি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: মুফাদ্দাল ইবনে ফাদালা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, আমর ইবনে খুযাইমা আল-মাদানি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমারা ইবনে খুযাইমা আল-আনসারি তাকে সংবাদ দিয়েছেন তার পিতা খুযাইমা ইবনে সাবিত আল-আনসারি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শৌচকার্য বা পবিত্রতা অর্জন সম্পর্কে বলেছেন: "তিনটি পাথর দ্বারা (ইস্তিঞ্জা করতে হবে), যার মধ্যে কোনো গোবর থাকবে না।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
16 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَافِعٍ الْخُزَاعِيُّ إِمَامُ الْحَرَمَيْنِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ الْعَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ» .يَعْنِي: أَنْ يُسْتَنْجَى بِهِمَا.قَالَ سُفْيَانُ: الرِّمَّةُ: الْعِظَامُ
১৬ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে আহমদ ইবনে নাফি আল-খুজায়ি—হারামাইনের ইমাম—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর আল-আদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সুফইয়ান ইবনে উয়াইনা বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আজলান থেকে, তিনি আল-কাকা ইবনে হাকিম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গোবর এবং জীর্ণ হাড় ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।»অর্থাৎ: এই দুটি বস্তু দ্বারা শৌচকার্য সম্পাদন করা।সুফইয়ান বলেন: ‘রিম্মাহ’ অর্থ হলো হাড়।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
بَابُ: ذِكْرِ الِاسْتِنْجَاءِ بِالْمَاءِ17 - أَخْبَرَنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُعَاذَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ: «مُرْنَ أَزْوَاجَكُنَّ أَنْ يَغْسِلُوا عَنْهُمْ أَثَرَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ، فَإِنِّي اسْتَحِي أَنْ آمُرَهُمْ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُهُ»
পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইস্তিনজা (পবিত্রতা অর্জন) করার বিবরণ১৭ - আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন হুদবাহ ইবনে খালিদ আল-কায়সী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি মু'আযাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা তোমাদের স্বামীদের নির্দেশ দাও যেন তারা তাদের মল ও মূত্রের চিহ্ন ধুয়ে ফেলে; কারণ আমি তাদের এ কথা বলতে লজ্জা বোধ করছি। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটি করতেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
بَابُ: مَا يُقَالُ عِنْدَ الْفَرَاغِ مِنَ الْخَلاءِ18 - أَخْبَرَنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُنْذِرِ الْفَقِيهُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَرَجَ مِنَ الْخَلاءِ، قَالَ: غُفْرَانَكَ "
পরিচ্ছেদ: শৌচাগার থেকে বের হওয়ার সময় যা বলতে হয়১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-ফকীহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আন-নাযর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল, ইউসুফ ইবনে আবু বুরদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন, তখন বলতেন: আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
بَابُ: النِّيَّةِ عِنْدَ الْوُضُوءِ19 - حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ سَهْلِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْجَوْنِيُّ، وَكَهْمَسُ بْنُ مَعْمَرٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، قَالَ: أَخْبَرَنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ هَاجَرَ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، فَقَدْ هَاجَرَ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ هَاجَرَ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةِ يَتَزَوَّجُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ»
পরিচ্ছেদ: ওযুর সময় নিয়ত১৯ - আবু ইমরান মুসা ইবনে সাহল ইবনে আব্দুল হামিদ আল-জাওনি এবং কাহমাস ইবনে মামার আল-জাওহারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে রুমহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: লাইস ইবনে সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লাইসি থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করবে, তাই সে পাবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য কিংবা কোনো মহিলাকে বিবাহ করার জন্য হবে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭২)
بَابُ: التَّسْمِيَةِ عِنْدَ الْوُضُوءِ20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُنْذِرِ الْفَقِيهُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَرْمَلَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا ثِفَالٍ الْمُرِّيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَبَاحَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ حُوَيْطِبٍ، يَقُولُ: حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي، أَنَّهَا سَمِعَتْ أَبَاهَا، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَا وُضُوءَ لَهُ، وَلَا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ»
পরিচ্ছেদ: ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা২০ - মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির আল-ফাকিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, উহাইব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে হারমালা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু সিফাল আল-মুররীকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি রাবাহ ইবনে আব্দুর রহমান আবু সুফিয়ান ইবনে হুওয়াইতিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার দাদী আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «যার ওযু নেই তার সালাত নেই, আর যে ব্যক্তি তার (ওযুর) ওপর আল্লাহর নাম স্মরণ করেনি তার ওযু নেই।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
بَابُ: صِفَةِ وُضُوءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم21 - أَخْبَرَنا مُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْجُنْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ زِيَادٍ اللَّحْجِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو قُرَّةَ مُوسَى بْنُ طَارِقٍ السَّكْسَكِيُّ، قَالَ: ذَكَرَ ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي شَيْبَةُ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ أَخْبَرَهُ، أَنَّ حُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ أَخْبَرَهُ، قَالَ: دَعَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ بِوُضُوءٍ، فَقَرَّبْتُهُ إِلَيْهِ، فَغَسَلَ كَفَّيْهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ قَبْلَ أَنْ يُدْخِلَهُمَا فِي وُضُوءٍ، ثُمَّ مَضْمَضَ ثَلاثًا، وَاسْتَنْشَقَ ثَلاثًا، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، وَغَسَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى إِلَى الْمِرْفَقِ ثَلاثًا، ثُمَّ الْيُسْرَى ثَلاثًا كَذَلِكَ، وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ وَاحِدَةً، ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَهُ الْيُمْنَى إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثَلاثًا، ثُمَّ الْيُسْرَى ثَلاثًا، ثُمَّ قَامَ، ثُمَّ قَالَ: نَاوِلْنِي، فَنَاوَلْتُهُ الإِنَاءَ الَّذِي فِيهِ فَضْلُ وُضُوئِهِ، فَشَرِبَ مِنْ فَضْلِ وُضُوئِهِ قَائِمًا، فَتَعَجَّبْتُ! قَالَ: لَا تَعْجَبْ، فَإِنِّي رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ هَكَذَا، وَشَرِبَ فَضْلَ وُضُوئِهِ قَائِمًا "
পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওযুর বিবরণ২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুফায্যাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আল-জুন্দী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে যিয়াদ আল-লাহজী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু কুররাহ মুসা ইবনে তারিক আস-সাকসাকী, তিনি বলেন: ইবনে জুরায়জ উল্লেখ করেছেন, আমাকে শায়বাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মাদ ইবনে আলী তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হুসাইন ইবনে আলী তাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিব ওযুর পানি চাইলেন, তখন আমি তা তাঁর নিকট নিয়ে আসলাম। এরপর তিনি ওযুর পাত্রে হাত প্রবেশ করানোর পূর্বে তাঁর দুই হাতের কবজি তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি তিনবার কুলি করলেন এবং তিনবার নাকে পানি টেনে নিলেন। এরপর তিনি তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করলেন এবং তাঁর ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন, তারপর বাম হাতও অনুরূপ তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি তাঁর মাথা একবার মাসাহ করলেন। এরপর তাঁর ডান পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন, তারপর বাম পা তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি দাঁড়ালেন এবং বললেন: আমাকে দাও। তখন আমি তাঁকে সেই পাত্রটি দিলাম যাতে তাঁর ওযুর অবশিষ্ট পানি ছিল। তিনি দাঁড়িয়ে তাঁর ওযুর সেই অবশিষ্ট পানি পান করলেন। এতে আমি বিস্মিত হলাম! তিনি বললেন: বিস্মিত হয়ো না, কারণ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এভাবেই ওযু করতে এবং দাঁড়িয়ে তাঁর ওযুর অবশিষ্ট পানি পান করতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
بَابُ: فِي الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ22 - حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ الْقَاسِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ الطُّوسِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ، قَالَ: " سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، فَقَالَ: لِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ، وَلِلْمُقِيمِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ "
পরিচ্ছেদ: মোজার ওপর মাসেহ করা প্রসঙ্গে২২ - আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে ইসমাঈল আল-মাহামিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসলিম আত-তুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবনুল কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে আসসাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মোজার ওপর মাসেহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: মুসাফিরের জন্য তিন দিন ও তিন রাত এবং মুকিমের জন্য এক দিন ও এক রাত।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
بَابُ: ذِكْرِ لَا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلَاةً إِلَّا بِطُهُورٍ23 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَالِمٍ الضَّرَّابُ الرَّقِّيُّ، وَبَكْرُ بْنُ بُنْدَارِ بْنِ شُعَيْبٍ الْمَتُّوثِيُّ الْفَقِيرُ بِالرِّقَّةِ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَزَّانُ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا غَسَّانُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلَاةً إِلَّا بِطُهُورٍ، وَلا صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ»
পরিচ্ছেদ: আল্লাহ পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করেন না- এর আলোচনা২৩ - মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সালিম আদ-দাররাব আর-রাক্কি এবং বকর ইবনে বুন্দার ইবনে শুআইব আল-মাততুসি আল-ফাকির আর-রাক্কায় আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আইয়ুব ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াজ্জান আর-রাক্কি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, গাসসান ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইকরিমা ইবনে আম্মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করেন না এবং আত্মসাৎকৃত মাল থেকে সদকাও কবুল করেন না।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
بَابُ: الِاغْتِسَالِ مِنَ الْجَنَابَةِ24 - أَخْبَرَنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَمِيلٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: «كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ، ثُمَّ يُفْرِغُ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ فَيَغْسِلُ فَرْجَهُ، ثُمَّ يَضْرِبُ بِيَدِهِ عَلَى الْأَرْضِ فَيَمْسَحُهَا، ثُمَّ يَغْسِلُهَا، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ يُفْرِغُ عَلَى رَأْسِهِ وَسَائِرِ جَسَدِهِ، ثُمَّ تَنَّحَى، فَيَغْسِلُ رِجْلَيْهِ»
পরিচ্ছেদ: জানাবাত থেকে গোসল করা২৪ - ইসহাক ইবনু ইবরাহিম ইবনু জামিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনু মানি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম ইবনু আবিল জা'দ থেকে, তিনি কুরায়ব থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে, তিনি নবী—তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—এর স্ত্রী মাইমুনাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «তিনি যখন জানাবাত থেকে গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর দুই হাত ধোয়ার মাধ্যমে শুরু করতেন। তারপর তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের ওপর পানি ঢালতেন এবং তাঁর লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। এরপর তিনি মাটির ওপর তাঁর হাত মারতেন এবং তা ঘষতেন, অতঃপর তা ধুয়ে ফেলতেন। তারপর তিনি নামাজের ওজুর ন্যায় ওজু করতেন। এরপর তিনি তাঁর মাথায় ও সারা শরীরে পানি ঢালতেন। অতঃপর তিনি সরে গিয়ে তাঁর দুই পা ধৌত করতেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
بَابُ: مَا يُجْزِئُ مِنَ الْمَاءِ فِي الْوُضُوءِ وَالْغُسْلِ25 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَطَرٍ السُّكَّرِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رَشِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُهَاجِرِ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ رضي الله عنها، أَنَّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم «كَانَ يَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ، وَيَتَوَضَّأُ بِالْمُدِّ»
পরিচ্ছেদ: ওজু ও গোসলের ক্ষেত্রে যতটুকু পানি যথেষ্ট হয়২৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মাতার আস-সুক্কারী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রশীদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনে আওয়াম, তিনি ইব্রাহিম ইবনুল মুহাজির থেকে, তিনি সাফিয়্যাহ বিনতে শাইবাহ থেকে, তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সা’ পানি দ্বারা গোসল করতেন এবং এক মুদ পানি দ্বারা ওজু করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
بَابُ: الْمُحَافَظَةِ عَلَى الْوُضُوءِ26 - أَخْبَرَنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ الْعَسْقَلانِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ ثَوْبَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «اسْتَقِيمُوا وَلَنْ تُحْصُوا، وَخْيُر أَعْمَالِكُمُ الصَّلَاةُ، وَلَا يُحَافِظُ عَلَى الْوُضُوءِ إِلَّا مُؤْمِنٌ»
পরিচ্ছেদ: ওযুর প্রতি যত্নশীল হওয়া২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে হাসান ইবনে কুতাইবা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবিস সারী আল-আসকালানী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুযাইল ইবনে ইয়াদ, তিনি সুলাইমান আল-আ’মাশ থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জাদ থেকে, তিনি সাওবান থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তোমরা অবিচল থাকো, তবে তোমরা (এর সকল পুণ্য) গণনা করে শেষ করতে পারবে না। তোমাদের সর্বোত্তম আমল হলো সালাত। আর মুমিন ব্যতীত অন্য কেউ ওযুর প্রতি নিয়মিত যত্নশীল হয় না।»
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৮০)
بَابُ: إِيجَابِ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ27 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْحَكَمِ مَوْلَى الأَقْرَعِ بْنِ السَّائِبِ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ الدُّورِيُّ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَنِيُّ، عَنْ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ رضي الله عنه: " أَنَّ أَعْرَابِيًّا جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَائِرَ الرَّأْسِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي مَاذَا فَرَضَ اللَّهُ عز وجل عَلَيَّ مِنَ الصَّلَوَاتِ؟ قَالَ: «الصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ» ، إِلَّا أَنْ تَطَوَّعَ شَيْئًا.قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي مَاذَا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الصِّيَامِ؟ قَالَ: «صِيَامُ رَمَضَانَ، إِلَّا أَنْ تَطَوَّعَ شَيْئًا» .قَالَ: أَخْبِرْنِي مَاذَا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الزَّكَاةِ؟ قَالَ: فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِشَرَائِعِ الْإِسْلَامِ، فَقَالَ: وَالَّذِي أَكْرَمَكَ، لَا أَتَطَوَّعُ شَيْئًا، وَلَا أَنْتَقِصُ شَيْئًا مِمَّا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَفْلَحَ وَأَبِيهِ إِنْ صَدَقَ، دَخَلَ الْجَنَّةَ وَأَبِيهِ إِنْ صَدَقَ "
পরিচ্ছেদ: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়া২৭ - মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-হাকাম আল-আকরা ইবনে আল-সাইবের মুক্তদাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমর আদ-দুরি আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে জাফর আল-মাদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সুহাইল ইবনে মালিক থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: "এক গ্রাম্য ব্যক্তি উষ্কখুষ্ক চুলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে বলুন, আল্লাহ তাআলা আমার ওপর কোন কোন নামাজ ফরজ করেছেন? তিনি বললেন: «পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে অতিরিক্ত কিছু আদায় করো (তা ভিন্ন কথা)»।সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে বলুন, আল্লাহ আমার ওপর কোন রোজা ফরজ করেছেন? তিনি বললেন: «রমজান মাসের রোজা, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে অতিরিক্ত কিছু পালন করো»।সে বলল: আমাকে বলুন, আল্লাহ আমার ওপর জাকাত বাবদ কী ফরজ করেছেন? বর্ণনাকারী বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ইসলামের অন্যান্য বিধিবিধান সম্পর্কে অবহিত করলেন। অতঃপর সে বলল: সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন! আমি নফল হিসেবে অতিরিক্ত কিছু করব না এবং আল্লাহ আমার ওপর যা ফরজ করেছেন তা থেকে সামান্য কিছু কমাবও না। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «সে সফলকাম হবে—তার পিতার কসম—যদি সে সত্য বলে থাকে; সে জান্নাতে প্রবেশ করবে—তার পিতার কসম—যদি সে সত্য বলে থাকে»।"
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাঊন লিবনিল মুকরি
(পৃষ্ঠা: ৮২)
بَابُ: مَوَاقِيتِ الصَّلَاةِ28 - حَدَّثَنَا أَبُو عَرْوَبَةَ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ بِشْرٍ الْحَارِثِيُّ أَبُو الرَّدَّادِ، حَدَّثَنَا بُرْدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما: " أَنَّ جِبْرِيلَ عليه السلام أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُعَلِّمُهُ الصَّلَاةَ، فَجَاءَ جِبْرِيلُ عليه السلام حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ، فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ عليه السلام، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ، وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَصَلَّى الظُّهْرَ، ثُمَّ جَاءَهُ حِينَ صَارَ الظِّلُّ كَأَنَّهُ مِثْلُ شَخْصِ الرَّجُلِ، فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ عليه السلام، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ، وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَصَلَّى الْعَصْرَ، ثُمَّ جَاءَهُ جِبْرِيلُ عليه السلام حِينَ وَجَبَتِ الشَّمْسُ، فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ عليه السلام، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ، وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَصَلَّى الْمَغْرِبَ، ثُمَّ جَاءَهُ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ، فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ عليه السلام، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ، وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَصَلَّى الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ، ثُمَّ جَاءَهُ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ، فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ عليه السلام، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ، وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَصَلَّى الْغَدَاةَ،
পরিচ্ছেদ: সালাতের ওয়াক্তসমূহ২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আরূবাহ আল-হুসাইন ইবনে আবি মা'শার আল-হাররানী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আস-সাওয়াফ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে বিশর আল-হারিসী আবুুর রাদ্দাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুরদ ইবনে সিনান, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণিত, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে: "জিবরাঈল আলাইহিস সালাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলেন তাঁকে সালাত শিক্ষা দেওয়ার জন্য। জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আসলেন যখন সূর্য ঢলে পড়ল, তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পেছনে দাঁড়ালেন আর লোকসকল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে দাঁড়ালেন; অতঃপর তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি তাঁর নিকট আসলেন যখন ব্যক্তির ছায়া তার দৈর্ঘ্যের সমান হলো, তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পেছনে দাঁড়ালেন আর লোকসকল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে দাঁড়ালেন; অতঃপর তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। এরপর জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তাঁর নিকট আসলেন যখন সূর্য অস্তমিত হলো, তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পেছনে দাঁড়ালেন আর লোকসকল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে দাঁড়ালেন; অতঃপর তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি তাঁর নিকট আসলেন যখন গোধূলির লালিমা অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পেছনে দাঁড়ালেন আর লোকসকল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে দাঁড়ালেন; অতঃপর তিনি শেষ এশার সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি তাঁর নিকট আসলেন যখন ফজর উদিত হলো, তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পেছনে দাঁড়ালেন আর লোকসকল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে দাঁড়ালেন; অতঃপর তিনি সকালের (ফজরের) সালাত আদায় করলেন।"