(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: -)
تعجيل الندى بشرح قطر الندى القسم: النحو والصرف
الكتاب: تعجيل الندى بشرح قطر الندى
المؤلف: عبد الله بن صالح بن عبد الله الفوزان
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 310
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
কাতরুন্দার ব্যাখ্যা তা’জীলুন নাদা বিভাগ: নাহু ও সরফ
গ্রন্থ: কাতরুন্দার ব্যাখ্যা তা’জীলুন নাদা
লেখক: আবদুল্লাহ বিন সালিহ বিন আবদুল্লাহ আল-ফাওজান
[বইটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৩১০
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১)
تعجيل الندى بشرح قطر الندى
تأليف
عبد الله بن صالح الفوزان
الأستاذ في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
فرع القصيم
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد خاتم النبيين، وعلى آله وأصحابه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين.
أما بعد
…فهذا شرح لطيف في كتاب (قطر الندى) للعلامة أبي محمد عبد الله بن هشام الأنصاري المتوفى سنة 761هـ. كتبته بعد تدريس (القطر) للطلاب في المسجد (1) . وسلكت في تحريره المنهج الآتي: -
1-كتابة الشرح بأسلوب سهل يستفيد منه الطالب المبتدئ. ويكون بعد دراسة متن الآجَرّوميّة.
2-الإعراض عن الخلاف، والاكتفاء بالقول الراجح، إلا ما نص عليه ابن هشام في القطر وهو قليل جداً.
3-الإعراض عن التعليل النحوي الذي لا يستفيد منه الطالب لا سيما المبتدئ (2) .
4-العناية بإعراب الأمثلة، ولا سيما الآيات القرآنية والشواهد الشعرية التي ذكرها ابن هشام. وقد أترك ما أرى وضوحه في ذهن القارئ.
5-وضعت عناوين للأبواب كما في كتب النحو (3) الأخرى لتقريب المعلومات وجمعها.
وهذا الشرح حصيلة معلومات عامة. إضافة إلى الرجوع إلى بعض كتب النحو مثل: أوضح المسالك، وشرح ابن عقيل، والنحو الوافي، وشرح الفاكهي على القطر، وكتاب النحو الواضح وغيرها.
وقد شرح ابن هشام رحمه الله متن القطر شرحاً وافياً، لكن لاحظت فيه أثناء تدريسه قبل تدريس (متن القطر) أمرين: -
--------------------------------------------
কাতরুন্ নাদা-র ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘তা‘জীলুন নাদা’
রচনা
আবদুল্লাহ বিন সালিহ আল-ফাওজান
ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক
কাসিম শাখা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকা
সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর, যিনি সর্বশেষ নবী, এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ এবং যারা কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন, সকলের ওপর।
অতঃপর
...এটি ৭৬১ হিজরি সালে ইন্তেকাল করা আল্লামা আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন হিশাম আল-আনসারির ‘কাতরুন্ নাদা’ কিতাবের একটি সাবলীল ব্যাখ্যাগ্রন্থ। মসজিদে শিক্ষার্থীদের ‘কাতর’ পড়ানোর পর আমি এটি লিখেছি (১)। এটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমি নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করেছি: -
১-ব্যাখ্যাটি সহজ শৈলীতে লেখা যাতে নবিশ শিক্ষার্থী উপকৃত হতে পারে। এটি হবে ‘মাতনুল আজুররুমিয়্যাহ’ পড়ার পরবর্তী ধাপের জন্য।
২-মতভেদ পরিহার করা এবং অধিকতর বিশুদ্ধ মতের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা; তবে ‘কাতর’ গ্রন্থে ইবনে হিশাম যা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন তা ভিন্ন কথা, আর এর পরিমাণও খুবই সামান্য।
৩-নাহু শাস্ত্রের এমন সব সূক্ষ্ম কারণ দর্শানো (তাহলীল) বর্জন করা, যা থেকে শিক্ষার্থী, বিশেষ করে নবিশরা খুব একটা উপকৃত হয় না (২)।
৪-উদাহরণসমূহের ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের (ই’রাব) প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা, বিশেষ করে ইবনে হিশাম উল্লেখিত কুরআনের আয়াত ও কাব্যিক প্রমাণসমূহের ক্ষেত্রে। তবে যা পাঠকের কাছে স্পষ্ট মনে হয়েছে তা অনেক ক্ষেত্রে আমি বাদ দিয়েছি।
৫-তথ্যাবলিকে সহজবোধ্য করতে এবং বিষয়গুলোকে গুছিয়ে আনতে অন্যান্য নাহু শাস্ত্রের (৩) কিতাবের ন্যায় পরিচ্ছেদগুলোর শিরোনাম যুক্ত করেছি।
এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি সাধারণ তথ্যাবলির একটি নির্যাস। এর সাথে ‘আওদাহুল মাসালিক’, ‘শারহু ইবনু আকীল’, ‘আন-নাহবুল ওয়াফি’, ‘কাতর’-এর ওপর ফাকিহীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ এবং ‘আন-নাহবুল ওয়াদিহ’ ইত্যাদি কিছু নাহু কিতাবের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে।
ইবনে হিশাম (রাহিমাহুল্লাহ) কাতরের মূল পাঠের একটি পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, তবে ‘মাতনুল কাতর’ পড়ানোর সময় আমি তাতে দুটি বিষয় লক্ষ্য করেছি: -
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২)
الأول: أنه فَصَّل القول في بعض المسائل تفصيلاً لا يوجد في الكتب المطولة كأوضح المسالك. ومثل هذا التفصيل أو عرض الخلاف في مسائل ليس للخلاف فيها كبير فائدة لا يناسب عبارة القطر من جهة. ولا يستوعبه الطالب المبتدئ من جهة أخرى.
الأمر الثاني: أنه سقط من الشرح مسائل وردت في (متن القطر) ومن ذلك:
1-عالمون: أحد ملحقات جمع المذكر السالم.
2-أولات: ملحق بجمع المؤنث السالم.
3-تقديم المفعول في مثل: ضربت زيداً.
4-فاعل (نعم) المعرف بـ (ال) الجنسية.
5-ذكر في متن القطر أن مفسر فاعل (نعم) إذا كان ضميراً لابد أن يكون مطابقاً للمخصوص. ولم يتكلم في الشرح على المطابقة.
6-بعض أحكام اسم الفعل ذكرها في القطر ولم يتعرض لها في الشرح.
7-في ص (260) من شرح ابن هشام - تحقيق محمد عبد الحميد - ورد في متن القطر شاهد نحوي، والمشروح بيت آخر.
8-في باب (التنازع) أورد شاهداً ولم يتكلم عليه في الشرح.
فقد يكون ابن هشام أغفل هذه الأشياء. أو أنها سقطت من بعض النسخ، فالله أعلم.
وقد سميت هذا الشرح (تعجيل النَّدى بشرح قطر النَّدى) (1) أسأل الله تعالى أن ينفع به كما نفع بالأصل، وأن يجعل العمل خالصاً لوجهه الكريم، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
كتبه
عبد الله بن صالح الفوزان
بريدة/ عصر الثلاثاء 1/5/1418هـ
ص ب (12117)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الطبعة الثانيةالحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين..
أما بعد
…--------------------------------------------
প্রথমত: তিনি কিছু মাসআলায় এমন বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন যা 'আওদাহুল মাসালিক'-এর মতো দীর্ঘ কিতাবসমূহেও পাওয়া যায় না। এ ধরণের বিশদ বিবরণ অথবা এমন মাসআলাসমূহে মতভেদ উপস্থাপন করা যাতে কোনো বিশেষ উপকার নেই, তা একদিকে যেমন 'কাতার'-এর ইবারত বা শৈলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, অন্যদিকে কোনো শিক্ষানবিশ ছাত্রের পক্ষে তা আয়ত্ত করাও সম্ভব নয়।
দ্বিতীয় বিষয়: ব্যাখ্যাগ্রন্থটি থেকে এমন কিছু মাসআলা বাদ পড়েছে যা 'মাতনুল কাতার'-এ বর্ণিত হয়েছে। যেমন:
১-আলামুন: এটি জাম-ই মুযাক্কার সালিম-এর পরিশিষ্টসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ।
২-উলাতু: এটি জাম-ই মুয়ান্নাস সালিম-এর পরিশিষ্ট।
৩-'দরাবতু যায়দান'-এর মতো বাক্যে মাফউলের অগ্রগামিতা।
৪-জাতিবাচক 'আলিফ-লাম' দ্বারা পরিচিত 'নি'মা'-এর ফায়েল বা কর্তা।
৫-'মাতনুল কাতার'-এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'নি'মা'-এর ফায়েল যখন সর্বনাম হয়, তখন তার ব্যাখ্যাকারী শব্দকে অবশ্যই 'মাখসুস' বা উদ্দিষ্ট বিশেষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। তবে ব্যাখ্যাগ্রন্থে তিনি এই সামঞ্জস্য বিধান সম্পর্কে কোনো আলোচনা করেননি।
৬-ইসমুল ফে’ল-এর কিছু বিধান তিনি 'কাতার'-এ উল্লেখ করেছেন, কিন্তু ব্যাখ্যাগ্রন্থে সেগুলোর অবতারণা করেননি।
৭-ইবনে হিশামের শারহ-এর ২৬০ পৃষ্ঠায়—মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদের তাহকীক অনুসারে—'মাতনুল কাতার'-এ একটি নাহু সংক্রান্ত কাব্যিক প্রমাণ উদ্ধৃত হয়েছে, অথচ সেখানে অন্য একটি কাব্যিক পঙক্তি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
৮-'তানাযু' অধ্যায়ে তিনি একটি কাব্যিক প্রমাণ উল্লেখ করেছেন কিন্তু ব্যাখ্যাগ্রন্থে সে সম্পর্কে কিছু বলেননি।
হয়তো ইবনে হিশাম এই বিষয়গুলো উপেক্ষা করেছেন, অথবা কোনো কোনো পাণ্ডুলিপি থেকে এগুলো বাদ পড়ে গেছে। আল্লাহই ভালো জানেন।
আমি এই ব্যাখ্যাগ্রন্থের নামকরণ করেছি 'তা'জীলুন নাদা বিশারহি কাতারিন নাদা' (১)। আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে তেমনিভাবে উপকার করেন যেমনটি মূল কিতাবের মাধ্যমে করেছেন, এবং এই কাজটিকে কেবল তাঁরই মহান সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কবুল করেন। আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
এটি লিখেছেন
আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-ফাওযান
বুরাইদা/ মঙ্গলবার বিকেল, ১/৫/১৪১৮ হিজরি
পোস্ট বক্স (১২১১৭)
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাসকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর ওপর।
অতঃপর
…--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৩)
فهذه الطبعة الثانية لكتابي: (تعجيل الندى، بشرح قطر الندى) . بعد نفاد الطبعة الأولى. وقد راجعت الكتاب وزدت عليه بعض الفوائد والتعليقات. وصححت ما فيه من أخطاء، وأسأل الله تعالى أن يجعله خالصاً لوجهه الكريم نافعاً لمن أراد الاستفادة منه، وأن يوفقنا جميعاً لعلم نافع وعمل صالح، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه.
وكتبه
عبد الله بن صالح الفوزان
مساء السبت 19/8/1420هـ
الكلمة وأقسامهاقوله: (الْكَلِمَةُ قَوْلٌ مُفْرَدٌ) بدأ المصنف - رحمه الله تعالى - بتعريف الكلمة. لأنها موضوع هذا العلم، ولأن الكلمة جزء الكلام، والجزء مقدم على الكل.
والقول: هو اللفظ الدال على معنى مفيدٍ أو غير مفيد، مفرداً كان أم مركباً نحو: خالد، ونحو: خرج الغلام. ونحو: إن خرج.
وخرج بقوله: (مفرد) الجملة، لأنها وإن كانت قولاً إلا أنها من المركب، وليست من المفرد. فـ (الكلمة) : لفظة واحدة تدل على معنى مفرد. مثل: باب. كتاب. وقد تستعمل أحياناً بمعنى: الكلام المفيد نحو: ألقيت في المسجد كلمة. قال تعالى: {كَلَّا إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا} (1) إشارة إلى قوله: {رَبِّ ارْجِعُون..} ، وقال صلى الله عليه وسلم (الكلمة الطيبة صدقة) متفق عليه.
قوله: (وهِيَ اسْمٌ وفِعْلٌ وحَرْفٌ) لما عَرَّف الكلمة. ذكر أنواعها وأنها ثلاثة: الاسم، والفعل. والحرف. والدليل على انحصار أنواعها في هذه الثلاثة:
1-الاستقراء والتتبع لكلام العرب.
الحصر، فإن الكلمة إما أن تدل على معنى في نفسها أو في غيرها. فإن دلت على معنى في نفسها فإما أن تشعر بهيئتها (2)
--------------------------------------------
এটি আমার গ্রন্থ: (তাজীলুন নাদা, বিশারহি কাত্রিন নাদা)-এর দ্বিতীয় সংস্করণ। প্রথম সংস্করণ শেষ হওয়ার পর এটি প্রকাশিত হলো। আমি গ্রন্থটি পর্যালোচনা করেছি এবং এতে কিছু বিশেষ ফায়দা ও টীকা যুক্ত করেছি। এতে বিদ্যমান ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করেছি। আমি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করি যে, তিনি একে তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য একনিষ্ঠ করুন এবং যারা এর থেকে উপকৃত হতে চায় তাদের জন্য একে ফলপ্রসূ করুন। তিনি আমাদের সকলকে উপকারী জ্ঞান এবং নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
লিখেছেন
আবদুল্লাহ বিন সালিহ আল-ফাউজান
শনিবার সন্ধ্যা, ১৯/৮/১৪২০ হিজরি
কালিমা এবং এর প্রকারভেদতাঁর বক্তব্য: (কালিমা হলো একক শব্দ)। গ্রন্থকার -রহিমাহুল্লাহু তাআলা- কালিমার সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করেছেন। কারণ এটি এই শাস্ত্রের আলোচ্য বিষয় এবং যেহেতু কালিমা হলো কালাম (বাক্য)-এর অংশ, আর অংশ পূর্ণের চেয়ে অগ্রগণ্য।
কওল (উক্তি): এটি এমন শব্দ যা কোনো অর্থ প্রকাশ করে, চাই তা পূর্ণ অর্থবোধক হোক বা না হোক, একক হোক কিংবা যৌগিক। যেমন: খালিদ, এবং যেমন: বালকটি বের হয়েছে। এবং যেমন: যদি সে বের হয়।
তাঁর ‘মুফরাদ’ (একক) বলার দ্বারা জুমলা (বাক্য) বাদ পড়ে গেছে, কারণ জুমলা যদিও কওল (উক্তি), কিন্তু তা যৌগিক (মুরাক্কাব), একক নয়। সুতরাং ‘কালিমা’ হলো একটি একক শব্দ যা একটি একক অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: দরজা, বই। কখনো কখনো কালিমা শব্দটি পূর্ণ বাক্য (কালামুল মুফিদ) অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন: আমি মসজিদে একটি কালিমা (বক্তব্য) প্রদান করেছি। আল্লাহ তাআলা বলেন: {কখনোই নয়, এটি একটি কথা যা সে বলছে} (১), যা তাঁর এই কথার দিকে ইঙ্গিত করছে: {হে আমার রব! আমাকে ফিরিয়ে দিন...}। এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (উত্তম কথা সদকা স্বরূপ)। এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি।
তাঁর বক্তব্য: (আর তা হলো ইসম, ফিল এবং হরফ)। যখন তিনি কালিমার সংজ্ঞা দিলেন, তখন এর প্রকারগুলো উল্লেখ করলেন যে তা তিনটি: ইসম (বিশেষ্য), ফিল (ক্রিয়া) ও হরফ (অব্যয়)। এই তিন প্রকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ হলো:
১-আরবদের ভাষা নিয়ে সূক্ষ্ম গবেষণা ও অনুসন্ধান।
সীমাবদ্ধতা হলো, কালিমা হয় তার নিজস্ব সত্তায় কোনো অর্থ প্রকাশ করে অথবা অন্য কিছুর মাধ্যমে। যদি তা নিজস্ব সত্তায় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা হয় তার গঠনের (হায়আত) মাধ্যমে সময় নির্দেশ করবে (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৪)
بأحد الأزمنة الثلاثة فهي الفعل: كقام، أو لاتشعر بزمن فهي الاسم مثل: عاصم. وإن دلت على معنى في غيرها فهي الحرف. نحو (في) فإنه لا يفيد معنى يستقل بالمفهومية بل لابد من من وضعه في جملة.
قوله: (فَأَمَّا الاسْمُ فَيُعْرَفُ باَلْ كَالرَّجُلِ، وبالتَّنْوِينِ كَرَجُلٍ وبالحَدِيثِ عَنْهُ كَتَاءِ ضَرَبْتُ) .
اقتصر المصنف على علامات الاسم دون تعريفه. لأن هذا هو الذي يفيد الطالب المبتدئ. ليميز بين الأسماء والأفعال، واتضاح ذلك بالعلامات أكثر من اتضاحه بالتعاريف.
وقوله: (باَلْ) (1) أي من علامات الاسم التي تميزه على الفعل والحرف دخول (ال) عليه. مثل: قدم المسافر. فكلمة (مسافر) اسم بدليل دخول (ال) عليها.
وقوله: (وَبالتَّنْوِينِ) هذه العلامة الثانية وهي التنوين. وهو: نون زائدة ساكنة تلحق الآخر لفظاً لا خطاً لغير توكيد، مثل: جاء خالدٌ، رأيت خالداً. مررت بخالدٍ. ومعنى (زائدة) : أي ليست من أصل بنية الكلمة ولا من حروفها الأصلية.
وقولنا: (لفظاً لاخطاً) أي للاستغناء عن النون بتكرار الحركة، فيكون آخر الاسم ضمتين أو فتحتين أو كسرتين.
قوله: (بالحدِيثِ عَنْهُ) أي تتحدث عن الاسم وتضم إليه ما تتم به الفائدة، كقولك: دخل عاصم. فـ (عاصم) اسم لأنك قد حدثت عنه بالدخول. فأي كلمة تتحدث عنها فهي اسم. وهو معنى قولهم: (الإسناد إليه) بمعنى أن تنسب إليه ما تحصل به الفائدة.
وهذه العلامة من أنفع العلامات للاسم وبها اسْتُدِلَّ على اسمية الضمائر كالتاء في نحو: قمتُ، لأن الضمائر لا تقبل أيَّ علامة من علامات الاسم الأخرى.
--------------------------------------------
(তিনটি কালের কোনো একটির সাথে সংশ্লিষ্ট হলে তা হলো ক্রিয়া (ফেল): যেমন 'সে দাঁড়িয়েছে', অথবা যদি কালের কোনো ধারণা না দেয় তবে তা হলো বিশেষ্য (ইসম): যেমন 'আসিম'। আর যদি তা অন্য শব্দের মাধ্যমে অর্থ প্রকাশ করে তবে তা অব্যয় (হরফ)। যেমন 'মধ্যে', কেননা এটি স্বতন্ত্রভাবে কোনো বোধগম্য অর্থ প্রদান করে না, বরং একে কোনো বাক্যে স্থাপন করা আবশ্যক।
তাঁর কথা: (অতঃপর বিশেষ্যকে 'আলিফ-লাম' দ্বারা চেনা যায় যেমন 'ব্যক্তিটি', তানভীন দ্বারা যেমন 'একজন ব্যক্তি' এবং তার সম্পর্কে সংবাদ প্রদানের দ্বারা যেমন 'আমি প্রহার করেছি' এর 'তু' [তা] বর্ণটি)।
গ্রন্থকার বিশেষ্যের সংজ্ঞার পরিবর্তে এর চিহ্নগুলোর বর্ণনার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন। কারণ এটিই একজন শিক্ষানবিশ শিক্ষার্থীর জন্য অধিক উপকারী, যেন সে বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। আর সংজ্ঞার চেয়ে চিহ্নের মাধ্যমে বিষয়টি অধিক স্পষ্ট হয়।
এবং তাঁর কথা: ('আলিফ-লাম' দ্বারা) (১) অর্থাৎ বিশেষ্যের চিহ্নসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি চিহ্ন যা একে ক্রিয়া ও অব্যয় থেকে পৃথক করে, তা হলো এর শুরুতে 'আলিফ-লাম' যুক্ত হওয়া। যেমন: 'মুসাফির ব্যক্তিটি এসেছে'। এখানে 'মুসাফির' শব্দটি একটি বিশেষ্য, যেহেতু এর শুরুতে 'আলিফ-লাম' প্রবেশ করেছে।
এবং তাঁর কথা: (এবং তানভীন দ্বারা) এটি দ্বিতীয় চিহ্ন, আর তা হলো তানভীন। এটি হলো একটি অতিরিক্ত সাকিনযুক্ত 'নূন', যা শব্দের শেষে উচ্চারণে আসে কিন্তু লেখায় আসে না এবং তা তাকিদ বা গুরুত্ব প্রদানের জন্য নয়। যেমন: 'খালিদ এসেছে', 'আমি খালিদকে দেখেছি', 'আমি খালিদের পাশ দিয়ে গিয়েছি'। আর 'অতিরিক্ত' শব্দের অর্থ হলো: এটি শব্দের মূল কাঠামোর অংশ নয় এবং এর মূল বর্ণগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়।
আর আমাদের কথা: (উচ্চারণে, লেখায় নয়) এর অর্থ হলো হরকতের দ্বিত্ব ব্যবহারের মাধ্যমে 'নূন' লেখার প্রয়োজনীয়তা দূর করা হয়েছে। ফলে বিশেষ্যের শেষে দুটি পেশ, দুটি জবর অথবা দুটি জের ব্যবহৃত হয়।
তাঁর কথা: (তার সম্পর্কে সংবাদ প্রদানের দ্বারা) অর্থাৎ আপনি বিশেষ্যটি সম্পর্কে কোনো সংবাদ প্রদান করবেন এবং তার সাথে এমন কিছু যুক্ত করবেন যার দ্বারা একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ পায়। যেমন আপনার কথা: 'আসিম প্রবেশ করেছে'। এখানে 'আসিম' একটি বিশেষ্য, কারণ আপনি তার প্রবেশ করা সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন। সুতরাং যে শব্দ সম্পর্কেই কোনো সংবাদ প্রদান করা হয়, সেটিই বিশেষ্য। আর এটিই ব্যাকরণবিদদের পরিভাষায় 'ইসনাদ ইলাইহি' বা তার দিকে সম্বন্ধ করা। এর অর্থ হলো তার দিকে এমন কিছুকে সম্বন্ধযুক্ত করা যার মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ বা ফায়দা হাসিল হয়।
আর এই চিহ্নটি বিশেষ্যের চিহ্নসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী। এর মাধ্যমেই সর্বনামগুলোর বিশেষ্য হওয়ার প্রমাণ পেশ করা হয়, যেমন 'আমি দাঁড়িয়েছি' বাক্যের 'তু' (তা) বর্ণটি। কারণ সর্বনামসমূহ বিশেষ্যের অন্য কোনো চিহ্ন গ্রহণ করে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৫)
وقد اقتصر المصنف رحمه الله على هذه العلامات الثلاث لأنها أشهر وأوضح من غيرها. (1)
قوله: (وهُوَ ضَرْبَانِ: مُعْربٌ وهُوَ ما يَتَغَيَّرُ آخِرُهُ بِسَبَبِ الْعَوَامِلِ الدَّاخِلَةِ عَلَيْهِ كَزَيْدٍ ومَبْنِيِّ وهُوَ بِخلافِهِ) .
لما ذكر علامات الاسم ذكر أقسامه من الناحية الإعرابية. فذكر أنه ضربان:
الأول: الاسم المعرب: وهو ما يتغير آخره بسبب العوامل (2) الداخلة عليه نحو: قدم الضيفُ، رأيت الضيفَ، سلمت على الضيفِ، فآخر الكلمة تغير بالضمة والفتحة والكسرة، بسبب ما دخل عليه من العوامل، وهي: (قدم) و (رأى) و (على) الجارة.
وقوله: (ما يَتَغَيَّرُ آخِرُهُ) احتراز من تغير أوله أو وسطه فليس إعراباً، كقولك في تصغير (فلس) : فُليس، وفي (درهم) : دُريهم.
الثاني:الاسم المبني وأشار إليه بقوله: (وَمَبْنيٌ وهُوَ بِخلافِهِ) أي: أن المبني - وهو الضرب الثاني - ضد المعرب. فإذا كان المعرب يتغير آخره فإن المبني يلزم حالة واحدة، فلا يتغير آخره بسبب العوامل. نحو: حضر الذي فاز في المسابقة، هنأت الذي فاز في المسابقة، سلمت على الذي فاز في المسابقة، فـ (الذي) اسم موصول مبني على السكون، لم يتغير آخره مع عامل الرفع أو النصب أو الجر.
قوله: (كَهؤُلاءِ في لُزُومِ الكَسْرِ، وكَذلِكَ حَذامِ وأَمْسِ في لُغَةِ الحِجَازِييّنَ) .
--------------------------------------------
লেখক (রহিমাহুল্লাহ) এই তিনটি চিহ্নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন, কারণ এগুলো অন্য চিহ্নের তুলনায় অধিক প্রসিদ্ধ ও স্পষ্ট। (১)
তাঁর বক্তব্য: (আর তা দুই প্রকার: মু'রাব—যা এর শুরুতে আসা আমেলগুলোর কারণে শেষাংশ পরিবর্তিত হয়, যেমন: যাইদ; এবং মাবনি—যা এর বিপরীত)।
যখন তিনি ইসমের চিহ্নগুলো উল্লেখ করলেন, তখন তিনি এর ইরাব বা রূপান্তরের দিক থেকে এর প্রকারগুলো উল্লেখ করলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি দুই প্রকার:
প্রথমটি: আল-ইসমুল মু'রাব (পরিবর্তনশীল বিশেষ্য): এটি এমন শব্দ যার শেষাংশ এতে প্রবেশকারী আমেলসমূহের (২) কারণে পরিবর্তিত হয়। যেমন: মেহমান এসেছে, আমি মেহমানকে দেখেছি, আমি মেহমানকে সালাম দিয়েছি। এখানে শব্দের শেষাংশ দম্মাহ, ফাতহাহ এবং কাসরাহ দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে, কারণ এতে প্রবেশকারী আমেলগুলো হলো: 'ক্বাদিমা' (আসা), 'রাআ' (দেখা) এবং অব্যয় 'আলা' (প্রতি/উপরে)।
আর তাঁর উক্তি: (যার শেষাংশ পরিবর্তিত হয়) এর মাধ্যমে শব্দের শুরু বা মাঝখানের পরিবর্তনকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কারণ তা ইরাব নয়। যেমন আপনার উক্তি 'ফালস' শব্দের তাসগীর (ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ) করার ক্ষেত্রে: 'ফুলাইস', এবং 'দিরহাম' এর ক্ষেত্রে: 'দুরাইহিম'।
দ্বিতীয়টি: আল-ইসমুল মাবনি (অপরিবর্তনীয় বিশেষ্য), যা তিনি তাঁর এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইঙ্গিত করেছেন: (এবং মাবনি যা এর বিপরীত)। অর্থাৎ মাবনি—যা দ্বিতীয় প্রকার—তা মু'রাবের বিপরীত। মু'রাবের শেষাংশ যদি পরিবর্তিত হয়, তবে মাবনি সর্বদা এক অবস্থায় থাকে, আমেলসমূহের কারণে এর শেষাংশ পরিবর্তিত হয় না। যেমন: যে প্রতিযোগিতায় জিতেছে সে উপস্থিত হয়েছে, যে প্রতিযোগিতায় জিতেছে তাকে আমি অভিনন্দন জানিয়েছি, যে প্রতিযোগিতায় জিতেছে তাকে আমি সালাম দিয়েছি। এখানে 'আল্লাজি' (যে) একটি ইসমে মাওসুল যা সুকুনের ওপর মাবনি, রাফা, নাসব বা জার দানকারী আমেল থাকা সত্ত্বেও এর শেষাংশ পরিবর্তিত হয়নি।
তাঁর উক্তি: (সর্বদা কাসরাহ বা যের বিশিষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে 'হাউলাই' এর মতো, তেমনি হিজাজীদের ভাষায় 'হাজামি' এবং 'আমসি' এর মতো)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৬)
ذكر أن المبني أربعة أقسام: مبني على الكسر، ومبني على الفتح، ومبني على السكون، ومبني على الضم، وبدأ بالمبني على الكسر ومثل بهذه الأمثلة ليبين أن المبني على الكسر نوعان:
1-نوع متفق على بنائه، مثل اسم الإشارة (هؤلاء) فإن جمع العرب يكسرون آخره في جميع الأحوال، تقول هؤلاءِ الطلاب (1) مجدون، ورأيت هؤلاءِ، ومررت بهؤلاءِ. فـ (ها) للتنبيه حرف مبني على السكون لا محل له من الإعراب و (أولاءِ) اسم إشارة مبني على الكسر في محل رفع مبتدأ في الأول. وفي محل نصب مفعول به في الثاني، وفي محل جر في الثالث.
2-نوع مختلف في بنائه. وذكر له مثالين: -
الأول: كل علم لمؤنث على وزن (فَعالِ) كحذام وسَجاحٍ ورَقاشِ، فهذا مبني على الكسر عند الحجازيين مطلقاً - رَفعاً ونصباً وجراً - سواء كان آخره راءً أم لا، تشبيهاً له بنزال (2) - اسم فعل أمر - تقول: هذه حذام، ورأيت حذامِ، ومررت بحذَامِ.
وأما بنو تميم فبعضهم يعربه إعراب ما لا ينصرف. فيقولون: هذه حذامُ، رأيت حذامَ، ومررت بحذامَ. فهو مرفوع بالضمة، ومنصوب بالفتحة، ومجرور بالفتحة، نيابة عن الكسرة لأنه ممنوع من الصرف.
وأكثرهم يفرق بين ما كان مختوماً بالراء فيبنيه على الكسر كالحجازيين، مثل ظفارِ - اسم بلد يمني - وما ليس آخره راء فيعربه إعراب ما لا ينصرف كما تقدم.
--------------------------------------------
উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাবনি (অপরিবর্তনীয় পদ) চার প্রকার: কাসরা (জের)-এর ওপর মাবনি, ফাতহা (জবর)-এর ওপর মাবনি, সুকুন (জম)-এর ওপর মাবনি এবং যম্মাহ (পেশ)-এর ওপর মাবনি। তিনি কাসরা-এর ওপর মাবনি দ্বারা আলোচনা শুরু করেছেন এবং এই উদাহরণগুলো দিয়েছেন এটা স্পষ্ট করার জন্য যে, কাসরা-এর ওপর মাবনি শব্দ দুই প্রকার:
১-এমন প্রকার যার মাবনি হওয়ার ব্যাপারে সকলে একমত, যেমন ইশমুল ইশারা (হা-উলা-ই)। সমস্ত আরবগণ সকল অবস্থায় এর শেষে কাসরা প্রদান করেন। আপনি বলবেন: হা-উলা-ইত তুল্লাবু (১) মুজতাহিদুনা (এই ছাত্ররা পরিশ্রমী), এবং রাইতু হা-উলা-ই (আমি এদের দেখেছি), এবং মারারতু বি-হা-উলা-ই (আমি এদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি)। এখানে (হা) হলো সতর্কীকরণের জন্য একটি হরফ যা সুকুন-এর ওপর মাবনি এবং এর কোনো ইরাবি অবস্থান নেই। আর (উলা-ই) হলো ইশমুল ইশারা যা কাসরা-এর ওপর মাবনি; প্রথম বাক্যে এটি মুবতাদা হিসেবে রফ-এর স্থলাভিষিক্ত, দ্বিতীয় বাক্যে মাফউলে বিহি হিসেবে নাসব-এর স্থলাভিষিক্ত এবং তৃতীয় বাক্যে জার-এর স্থলাভিষিক্ত।
২-এমন প্রকার যার মাবনি হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। তিনি এর দুটি উদাহরণ উল্লেখ করেছেন: -
প্রথমটি: (ফা'আলি) ওজনে স্ত্রীলিঙ্গের প্রতিটি আলম (সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য), যেমন হাযামি, সাজাহি এবং রাকাশি। হিজাযীদের নিকট এটি সর্বাবস্থায় কাসরা-এর ওপর মাবনি—চাই তা রফ, নাসব বা জার যে কোনো অবস্থায় হোক না কেন—চাই এর শেষে 'রা' থাকুক বা না থাকুক। একে নাযালি (২)—যা একটি আমর বা আদেশবাচক ইশমে ফিল—এর সাথে সাদৃশ্য দেওয়ার কারণে এমনটি করা হয়। আপনি বলবেন: হাযিহি হাযামি, এবং রাইতু হাযামি, এবং মারারতু বি-হাযামি।
পক্ষান্তরে বনু তামীম গোত্রের কেউ কেউ একে গাইরে মুনসারিফ-এর মতো ইরাব প্রদান করে। তারা বলে: হাযিহি হাযামু, রাইতু হাযামা, এবং মারারতু বি-হাযামা। ফলে এটি যম্মাহ দ্বারা মারফু, ফাতহা দ্বারা মানসুব এবং কাসরা-এর পরিবর্তে ফাতহা দ্বারা মাজরুর হয়, কারণ এটি গাইরে মুনসারিফ।
তাদের অধিকাংশ লোক সেই শব্দের মধ্যে পার্থক্য করে যার শেষে 'রা' রয়েছে; ফলে তারা সেটিকে হিজাযীদের মতো কাসরা-এর ওপর মাবনি ধরে থাকে, যেমন যাফারি—এটি ইয়েমেনের একটি শহরের নাম। আর যার শেষে 'রা' নেই, সেটিকে তারা পূর্বে উল্লেখিত নিয়মে গাইরে মুনসারিফ-এর মতো ইরাব প্রদান করে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৭)
الثاني: (أمس) فالحجازيون يبنونه على الكسر في جميع أحوال إعرابه. بشرط أن يكون غير ظرف، وأن يكون خالياً من "أل". والإضافة، وأن يكون علماً على اليوم الذي قبل يومك مباشرة فيقولون: مضى أمس بما فيه، وتأملت أمس وما فيه، ما رأيته مذ أمسِ. فهو مبني على الكسر في محل رفع أو نصب أو جر.
وأما بنو تميم فبعضهم يعربه إعراب ما لا ينصرف. فيرفعه بالضمة وينصبه ويجره بالفتحة من غير تنوين، نحو: مَرَّ أمسُ بما فيه، قضيت أمسَ في المكتبة. انتهيت من عملي مذ أمسَ.
وأكثرهم يمنعه من الصرف في حالة الرفع. ويبنيه على الكسر في حالتي النصب والجر فلا يدخله في باب الممنوع من الصرف. فيقول: مَرَّ أمسُ بما فيه. قضيت أمسِ في المكتبة. انتهيت من عملي مذ أمسِ.
وهذا إذا لم يكن ظرفاً - كما تقدم - فإن كان ظرفاً بمعنى (في) ، نحو: سرتني زيارتك أمسِ. فهو مبني على الكسر عند الفريقين. وإن أُريد به يومٌ ما من الأيام الماضية، أو كان مضافاً أو ملحى بال أُعرب. نحو: قضينا أمساً في نزهة، أمسُنا كان جميلاً. إن الأمسَ كان جميلاً.
قوله: (وكَأحَدَ عَشَرَ وأخَوَاتِهِ في لُزُوم الْفَتْحِ) .
هذا النوع الثاني من الأسماء المبنية وهو ما يبنى على الفتح. ومثل له بـ (أحد عشر) وأخواته. أي إلى تسعة عشر، بتذكير العشرة مع المذكر، وتأنيثها مع المؤنث، فهذه الأعداد مبنية على فتح الجزأين. فلا تتغير بالعوامل.
تقول: جاء ثلاثةَ عشرَ طالباً، رأيت ثلاثةَ عشرَ طالباَ. ومررت بثلاثةَ عشرَ طالباً. فـ (ثلاثةَ عشرَ) : فاعل مبني على فتح الجزأين في محل رفع. والمثال الثاني: مفعول به في محل نصب. والثالث: في محل جر.
দ্বিতীয়: (গতকাল)। হিজাযবাসীরা একে এর ই’রাবের সকল অবস্থায় 'কাসরা' বা যের-এর ওপর 'মাবনি' বা অপরিবর্তনীয় হিসেবে গণ্য করেন। তবে শর্ত হলো—একে 'জরফ' বা ক্রিয়া-বিশেষণ হওয়া চলবে না, এটি 'আল' (নির্ধারক অব্যয়) যুক্ত হতে পারবে না, 'ইদাফাত' বা সম্বন্ধযুক্ত হতে পারবে না এবং এর দ্বারা বর্তমান দিনের ঠিক আগের দিনটিকে সুনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে হবে। যেমন তারা বলেন: 'মদা আমসি বিমা ফীহি' (যা কিছু ছিল তা নিয়ে গতকাল গত হয়েছে), 'তাআম্মালতু আমসি ওয়া মা ফীহি' (আমি গতকাল এবং তাতে যা ছিল তা নিয়ে চিন্তা করেছি), 'মা রাইতুহু মুয আমসি' (আমি গতকাল থেকে তাকে দেখিনি)। সুতরাং এটি রাফা, নাসব কিংবা জার—সব অবস্থাতেই কাসরার ওপর মাবনি।
আর বনু তামীম গোত্রের কেউ কেউ একে 'গাইরে মুনসারিফ' (তানভীনহীন পরিবর্তনশীল) হিসেবে ই’রাব প্রদান করেন। ফলে তারা একে তানভীন ব্যতীত 'দম্মা' বা পেশ দিয়ে 'রাফা' এবং 'ফাতহা' বা যবর দিয়ে 'নাসব' ও 'জার' প্রদান করেন। যেমন: 'মার্রা আমসু বিমা ফীহি', 'কদাইতু আমসা ফিল মাকতাবাতি', 'ইনতাহাইতু মিন আমালি মুয আমসা'।
তাদের অধিকাংশ একে কেবল 'রাফা'-এর অবস্থায় 'গাইরে মুনসারিফ' গণ্য করেন, কিন্তু 'নাসব' ও 'জার'-এর অবস্থায় কাসরার ওপর মাবনি হিসেবে ব্যবহার করেন; ফলে একে তারা পূর্ণাঙ্গভাবে 'গাইরে মুনসারিফ'-এর অন্তর্ভুক্ত করেন না। তারা বলেন: 'মার্রা আমসু বিমা ফীহি', 'কদাইতু আমসি ফিল মাকতাবাতি', 'ইনতাহাইতু মিন আমালি মুয আমসি'।
আর এটি তখনই প্রযোজ্য যখন তা 'জরফ' হিসেবে ব্যবহৃত না হয়—যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু যদি তা 'ফী' (মধ্যে) অর্থে জরফ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: 'সাররাতনি যিয়ারাতুকা আমসি' (গতকাল তোমার সাক্ষাৎ আমাকে আনন্দিত করেছে), তবে উভয় দলের নিকটেই তা কাসরার ওপর মাবনি হবে। আর যদি এর দ্বারা অতীত দিনগুলোর মধ্য থেকে কোনো সাধারণ দিন বোঝানো হয়, অথবা যদি এটি 'মুদাফ' (সম্বন্ধযুক্ত) হয় কিংবা 'আল' যুক্ত হয়, তবে এটি 'মু'রাব' বা পরিবর্তনশীল হবে। যেমন: 'কদাইনা আমসান ফী নুযহাতিন', 'আমসুনা কানা জামিলান', 'ইন্নাল আমসা কানা জামিলান'।
লেখকের বক্তব্য: (যেমন এগারো এবং এর সমজাতীয় সংখ্যাগুলো 'ফাতহা' বা যবর অপরিহার্য হওয়ার ক্ষেত্রে)।
এটি 'মাবনি ইসিম' বা অপরিবর্তনীয় বিশেষ্যসমূহের দ্বিতীয় প্রকার, যা ফাতহার ওপর মাবনি হয়। লেখক এর উদাহরণ হিসেবে 'আহাদা আশারা' (এগারো) ও এর সমজাতীয় সংখ্যাগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ এগারো থেকে উনিশ পর্যন্ত; যেখানে পুরুষবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে 'আশারা' (দশ) শব্দটিকে পুরুষবাচক এবং স্ত্রীবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই সংখ্যাগুলো উভয় অংশে ফাতহার ওপর মাবনি থাকে এবং আমিল বা প্রভাবকের কারণে এদের রূপ পরিবর্তিত হয় না।
আপনি বলবেন: 'জা-আ সালাসাতা আশারা ত্বলিুবান', 'রাআইতু সালাসাতা আশারা ত্বলিুবান' এবং 'মারারতু বি-সালাসাতা আশারা ত্বলিুবান'। এখানে 'সালাসাতা আশারা' (তেরো) হলো উভয় অংশে ফাতহার ওপর মাবনি হয়ে প্রথম উদাহরণে 'ফায়েল' বা কর্তা হিসেবে 'রাফা'-এর স্থলাভিষিক্ত। দ্বিতীয় উদাহরণে এটি 'মাফউলে বিহ' বা কর্ম হিসেবে 'নাসব'-এর স্থলাভিষিক্ত এবং তৃতীয় উদাহরণে এটি 'জার'-এর স্থলাভিষিক্ত।
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৮)
ويستثنى من ذلك (اثنا عشر) فإن صدره يعرب إعراب المثنى بالألف رفعاً وبالياء نصباً وجراً. لأنه ملحق بالمثنى - كما سيأتي إن شاء الله - ويبقى جزؤه الثاني مبنيّاً على الفتح لا محل له، لوقوعه موقع نون المثنى التي هي حرف. نحو: جاء اثنا عشر طالباً، رأيت اثني عشر طالباً، ومررت باثني عشر طالباً. فـ (اثنا) فاعل مرفوع بالألف لأنه ملحق بالمثنى. (عشر) اسم مبني على الفتح لا محل له من الإعراب.
قوله: (وكَقَبْلُ وبَعْدُ وأَخَوَاتِهِما في لُزُوم الضم إِذَا حُذِفَ المُضَافُ إِلَيْه ونُوِىَ مَعْنَاهُ) .
هذا النوع الثالث من الأسماء المبنية وهو ما يبنى على الضم. مثل (قبل وبعد) وهما ظرفان. (وأخواتهما) كأسماء الجهات الست مثل (فوق) و (تحت) وغيرهما، ونحو (دون) و (أول) فهذه تبنى على الضم، بشرط أن يحذف المضاف إليه وينوى معناه. ومعنى ذلك: أنك لا تقصد أن المضاف إليه لفظ معين، بل أي لفظ يؤدي المعنى. كقوله تعالى: {لِلَّهِ الْأَمْرُ مِنْ قَبْلُ وَمِنْ بَعْدُ} (1) فـ (قبل) و (بعد) مبنيان على الضم - لما ذُكِرَ - في محل جر، وقال تعالى: {آَلْآَنَ وَقَدْ عَصَيْتَ قَبْلُ وَكُنْتَ مِنَ الْمُفْسِدِينَ} (2) . وقال تعالى: {فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِالدِّينِ} (3) فـ (قبل) و (بعد) ظرفان مبنيان على الضم في محل نصب على الظرفية، أما إذا ذكر المضاف إليه فإنها تعرب ولا تبنى فتقول: جلست تحتَ الشجرة، فـ (تحت) ظرف مكان منصوب بالفتحة. وتقول: (جئت من قبلِ زيد) . فـ (قبل) اسم مجرور بمن وعلامة جره الكسرة.
قوله: (وكمَنْ وكَمْ في لُزُومِ السُّكُونِ وهُوَ أصْلُ الْبِنَاءِ) .
--------------------------------------------
এ থেকে (বারো) শব্দটিকে ব্যতিক্রম ধরা হয়। কারণ এর প্রথম অংশ দ্বিবচনের (মুসান্না) মতো রফার অবস্থায় আলিফ দ্বারা এবং নসব ও জরের অবস্থায় ইয়া দ্বারা গঠিত (ই'রাব প্রাপ্ত) হয়। যেহেতু এটি দ্বিবচনের অনুগামী—যেমনটি ইনশাআল্লাহ সামনে আসবে—এবং এর দ্বিতীয় অংশটি ফাতহার (যবর) ওপর অপরিবর্তনীয় (মাবনি) থাকে যার কোনো স্থানগত অবস্থান নেই; কারণ এটি দ্বিবচনের নুন-এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে যা একটি বর্ণ (হরফ)। যেমন: "বারোজন ছাত্র এসেছে", "আমি বারোজন ছাত্রকে দেখেছি", এবং "আমি বারোজন ছাত্রের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি"। এখানে (বারো-এর প্রথম অংশ) হলো কর্তা (ফায়েল), যা আলিফ দ্বারা রফা প্রাপ্ত হয়েছে যেহেতু এটি দ্বিবচনের অনুগামী। আর (দশ) শব্দটি ফাতহার ওপর মাবনি, যার ই'রাবের কোনো স্থান নেই।
তাঁর বক্তব্য: (এবং 'আগে' ও 'পরে' এবং তাদের সমজাতীয় শব্দসমূহের ন্যায় যম্মাহর [পেশ] ওপর অপরিবর্তনীয় হওয়া, যখন মুদাফ ইলাইহিকে বিলুপ্ত করা হয় এবং এর অর্থকে মনে মনে রাখা হয়)।
এটি অপরিবর্তনীয় (মাবনি) বিশেষ্যগুলোর (ইসম) তৃতীয় প্রকার যা যম্মাহর ওপর মাবনি হয়। যেমন (আগে ও পরে) এবং এই দুটি হলো কাল বা স্থানবাচক শব্দ (যরফ)। (এবং তাদের সমজাতীয় শব্দসমূহ) যেমন ছয়টি দিকের নাম—যথা (উপরে) ও (নিচে) এবং অন্যগুলো; আবার (ব্যতীত) ও (প্রথম)-এর মতো। এগুলো যম্মাহর ওপর মাবনি হয়, শর্ত হলো যখন মুদাফ ইলাইহি বিলুপ্ত হয় এবং এর অর্থ মনে মনে রাখা হয়। এর অর্থ হলো: আপনি মুদাফ ইলাইহি হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট শব্দকে উদ্দেশ্য করছেন না, বরং এমন যেকোনো শব্দ যা কাঙ্ক্ষিত অর্থ প্রকাশ করে। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {পূর্বের ও পরের সকল বিষয় আল্লাহরই নিয়ন্ত্রণে} (১)। এখানে (আগে) এবং (পরে) শব্দ দুটি উল্লেখিত কারণে যম্মাহর ওপর মাবনি হয়েছে জরের স্থানে। মহান আল্লাহ আরও বলেন: {এখন? অথচ তুমি ইতিপূর্বে নাফরমানি করেছিলে এবং তুমি ফাসাদকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে} (২)। মহান আল্লাহ আরও বলেন: {অতঃপর কিসে তোমাকে এরপরও দীন সম্পর্কে অস্বীকার করতে বাধ্য করে?} (৩)। এখানে (আগে) এবং (পরে) শব্দ দুটি যরফ হিসেবে নসবের স্থানে যম্মাহর ওপর মাবনি। পক্ষান্তরে যদি মুদাফ ইলাইহি উল্লেখ করা হয়, তবে সেগুলো রূপান্তরযোগ্য (মু'রাব) হবে, মাবনি হবে না। যেমন আপনি বললেন: "আমি গাছের নিচে বসেছি", এখানে (নিচে) শব্দটি ফাতহার মাধ্যমে নসব প্রাপ্ত স্থানবাচক শব্দ। আর আপনি বললেন: "আমি যায়েদের আসার আগে এসেছি"। এখানে (আগে) শব্দটি 'হতে' (মিন) দ্বারা জর প্রাপ্ত ইসম এবং এর জরের চিহ্ন হলো কাসরা (যের)।
তাঁর বক্তব্য: (এবং 'কে' ও 'কত' এর ন্যায় সুকুনের ওপর অপরিবর্তনীয় হওয়া, আর এটিই হলো মাবনি হওয়ার মূল রূপ)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ৯)
هذا النوع الرابع من الأسماء المبنية. وهو ما يبنى على السكون، والسكون: قطع الحركة عن الحرف، فـ (من) اسم مبني على السكون. سواء كانت شرطية نحو: من يتصدقْ يُثَبْ. أو موصولة نحو: حضر من قام بواجبه، أو استفهامية نحو: من عندك؟ فهي ملازمة للسكون.
وقوله: (وكم) أي سواء كانت استفهامية بمعنى: أيِّ عدد. نحو: كم كتاباً عندك؟ أو خبرية بمعنى: عدد كثير. نحو كم بائسٍ مات جوعاً. فهي اسم مبني على السكون في محل رفع مبتدأ في المثالين (1) . وقوله: (وُهوَ أَصْلُ الْبِنَاءِ) أي أن أصل البناء أن يكون بالسكون، لأنه أخف من الحركة. ولذا دخل في الاسم والفعل والحرف مثل: كَمْ، اكتبْ، مَنْ.
الفعل
أقسامه، علاماته، إعرابه
قوله: (وأَمّا الْفِعْلُ فَثَلَاثةُ أَقْسَامٍ: ماضٍ ويُعْرَفُ بِتَاءِ التَأنِيثِ السَّاكِنَةِ) .
لما أنهى الحديث عن الاسم، وبين المعرب منه والمبني. شرع في الكلام على الفعل فذكر أنه ثلاثة أقسام: ماض ومضارع وأمر.
وقوله: (ماض) بدل من (ثلاث) مرفوع بضمة مقدرة على الياء المحذوفة لالتقاء الساكنين منع من ظهورها الثقل (2) .
والفعل الماضي: كلمة تدل على حدث وزمن انقضى، نحو: سافر: الضيف، فـ (سافر) كلمة تدل على حدث وهو (السفر) ، وزمنٍ انقضى قبل النطق بهذه الكلمة (3) .
--------------------------------------------
এটি মাবনি বা অপরিবর্তনীয় বিশেষ্যসমূহের চতুর্থ প্রকার। আর তা হলো যা সুকুনের ওপর মাবনি হয়। সুকুন হলো: হরফ থেকে হরকত বা স্বরচিহ্ন বিচ্ছিন্ন করা। সুতরাং 'মান' হলো সুকুনের ওপর মাবনি একটি বিশেষ্য। চাই তা শর্তবাচক হোক, যেমন: 'যে ব্যক্তি দান করবে সে সওয়াব পাবে'; অথবা সম্বন্ধবাচক হোক, যেমন: 'সে উপস্থিত হয়েছে যে তার দায়িত্ব পালন করেছে'; অথবা প্রশ্নবোধক হোক, যেমন: 'তোমার কাছে কে?' এটি সর্বদা সুকুনযুক্ত থাকে।
এবং লেখকের কথা: (ও কাম—এবং কত), অর্থাৎ চাই তা প্রশ্নবোধক হোক যার অর্থ: 'কত সংখ্যা', যেমন: 'তোমার কাছে কয়টি বই আছে?'; অথবা সংবাদবাচক হোক যার অর্থ: 'অসংখ্য', যেমন: 'কত হতভাগা ব্যক্তি ক্ষুধায় মারা গেছে'। এই উভয় উদাহরণেই এটি মুবতাদা হিসেবে রফ-এর স্থানে সুকুনের ওপর মাবনি একটি বিশেষ্য (১)। এবং লেখকের কথা: (এটিই বিনার মূল ভিত্তি), অর্থাৎ মাবনি হওয়ার মূল নীতি হলো সুকুন হওয়া, কারণ এটি হরকতের চেয়ে হালকা। এ কারণেই এটি বিশেষ্য, ক্রিয়া এবং অব্যয়ে প্রবেশ করে, যেমন: 'কাম' (কত), 'উকতুব' (লেখো), 'মান' (কে/যে)।
ক্রিয়া
এর প্রকারভেদ, আলামতসমূহ এবং ইরাব
লেখকের কথা: (আর ক্রিয়া হলো তিন প্রকার: মাযি বা অতীতকাল, যা সাকিনযুক্ত তায়ে তানিস বা স্ত্রীলিঙ্গবাচক 'তা' দ্বারা চেনা যায়)।
যখন তিনি বিশেষ্য সংক্রান্ত আলোচনা শেষ করলেন এবং এর মুরাব ও মাবনি অংশ স্পষ্ট করলেন, তখন তিনি ক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা শুরু করলেন। তিনি উল্লেখ করলেন যে এটি তিন প্রকার: মাযি (অতীতকাল), মুযারে (বর্তমান ও ভবিষ্যৎকাল) এবং আমর (আদেশসূচক)।
এবং লেখকের কথা: (মাযিন) শব্দটি (সালাস) থেকে বদল হয়েছে এবং দুই সাকিন একত্রিত হওয়ার কারণে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া 'ইয়া'-এর ওপর উহ্য যম্মাহ দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়েছে, যা প্রকাশ পেতে ভারাক্রান্ত হওয়া বাধা দিয়েছে (২)।
অতীতকালীন ক্রিয়া বা মাযি হলো: এমন শব্দ যা কোনো কাজ এবং অতিক্রান্ত সময়ের ওপর দলালত করে। যেমন: 'অতিথি সফর করেছেন'। এখানে 'সাফারা' (সফর করেছেন) শব্দটি একটি কাজ তথা 'সফর' এবং এই শব্দটি উচ্চারণের পূর্ববর্তী সময়ের ওপর দলালত করছে (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১০)
وقد ذكر المصنف للفعل الماضي علامةً تميزه عن المضارع والأمر وهي (تَاءُ التَأنِيثِ السَّاكِنَةِ) ومعنى هذا: أن أيَّ فعل يقبل تاء التأنيث الساكنة فهو فعل ماضٍ قطعاً، نحو: جلس، فتقول: جلستْ هند.
وقوله (السَّاكِنَةِ) أي الساكنة أصالةً فلا يضر تحركها لعارض كالتقاء الساكنين كقوله تعالى: {قَالَتِ امْرَأَةُ الْعَزِيزِ} (1) .
وخرج بقوله (الساكنة) : التاءُ المحركة أصالة، فإن كانت حركتها حركة إعراب اختصت بالاسم كقائمة وفاطمة. وإن كانت حركتها غير حركة إعراب فإنها تكون في الاسم كما في قولك (لا حولَ ولا قوةَ إلا بالله) فإن حركة التاء حركة بناء (2) . وتكون في الفعل نحو: هند تقوم، وفي الحرف نحو: رُبَّتَ، وثُمَّتَ. نحو: رُبَّتَ كلمةٍ فتحت باب شر ثُمَّتَ جلبت لصاحبها بلاء.
كما يعرف الفعل الماضي بـ (تاء الفاعل) المتحركة بالضم للمتكلم، أو الفتح للمخاطب، أو الكسر للمخاطبة. نحو: أعطيتُك كتاباً فرحتَ به. ونحو: أنَتِ قمتِ بالواجب.
قوله: (وبِنَاؤُهُ عَلَى الْفتْح كَضَرَبَ إلَاّ مَعَ وَاو الجَمَاعَةِ فَيُضَمُّ كَضَرَبُوا والضَّمِيرِ المَرْفُوع المُتَحَرِّكِ فَيُسَكَّنُ كَضَرَبْتُ) .
هذه أحوال بناء الفعل الماضي وهي ثلاثة:
الأولى: أن يكون مبنيًا على الفتح. وهذا هو الأصل. سواء كان الفتح ظاهراً نحو: تكلم الخطيب. أو مقدار نحو: دعا المسلم ربه.
فـ (دعا) فعل ماض مبني على فتح مقدر على الألف منع من ظهوره التعذر.
فيبنى على الفتح إذا لم يتصل به شيء كما مُثِّل، أو اتصلت به تاء التأنيث الساكنة نحو: نَصَحَتْ فاطمة أختها، أو ألف التثنية نحو: الشاهدان قالا الحق.
--------------------------------------------
লেখক অতীতকালীন ক্রিয়ার (মাযী) জন্য এমন একটি চিহ্ন উল্লেখ করেছেন যা একে বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (মুদারে) এবং আদেশবাচক ক্রিয়া (আমর) থেকে পৃথক করে, আর তা হলো (স্থির স্ত্রীলিঙ্গবাচক তা)। এর অর্থ হলো: যে কোনো ক্রিয়া যা স্থির স্ত্রীলিঙ্গবাচক 'তা' গ্রহণ করে, তা নিশ্চিতভাবেই অতীতকালীন ক্রিয়া, যেমন: সে বসল, আপনি বলবেন: হিন্দ বসল।
আর তাঁর উক্তি (স্থির) এর অর্থ হলো যা মূলত স্থির বা সাকিন। সুতরাং দু’টি স্থির অক্ষর একত্রিত হওয়ার মতো কোনো আগন্তুক কারণে যদি এটি হরকতযুক্ত (স্বরচিহ্নযুক্ত) হয় তবে তা কোনো ক্ষতি করবে না, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {আযীযের স্ত্রী বলল} (১)।
আর 'স্থির' বলার দ্বারা সেই 'তা' বাদ পড়ে গেছে যা মূলত হরকতযুক্ত। যদি এর হরকত ব্যাকরণিক পরিবর্তনের (ই’রাব) হরকত হয়, তবে তা বিশেষ্যের (ইসম) সাথে খাস হবে, যেমন: দণ্ডায়মান এবং ফাতিমা। আর যদি এর হরকত ব্যাকরণিক পরিবর্তনের হরকত না হয়, তবে তা বিশেষ্যের মধ্যে হতে পারে যেমন আপনার উক্তি (আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় ও শক্তি নেই) এর মধ্যে, কারণ এখানে 'তা'-এর হরকত হলো গঠনের (বিনা) হরকত (২)। আর এটি ক্রিয়ার মধ্যেও হয় যেমন: হিন্দ দণ্ডায়মান হচ্ছে, এবং অব্যয়ের (হরফ) মধ্যেও হয় যেমন: রুব্বাতা এবং ছুম্মাতা। যেমন: অনেক সময় এমন কথা যা মন্দের দরজা খুলে দেয়, অতঃপর তা তার অধিকারীর জন্য বিপদ ডেকে আনে।
একইভাবে অতীতকালীন ক্রিয়া (মাযী) 'কর্তৃবাচক তা' (তা-উল ফায়িল) দ্বারা চেনা যায়, যা উত্তম পুরুষের জন্য পেশযুক্ত, উপস্থিত পুরুষ বাচকের জন্য যবরযুক্ত, অথবা উপস্থিত স্ত্রীবাচকের জন্য যেরযুক্ত হয়। যেমন: আমি তোমাকে একটি বই দিয়েছি যাতে তুমি আনন্দিত হয়েছ। এবং যেমন: তুমি (স্ত্রী) দায়িত্ব পালন করেছ।
তাঁর উক্তি: (এবং এর গঠন যবরের ওপর হয় যেমন: সে প্রহার করল; তবে বহুবচনবাচক ওয়াও যুক্ত হলে পেশযুক্ত হয় যেমন: তারা প্রহার করল, এবং হরকতযুক্ত মারফু সর্বনাম যুক্ত হলে স্থির বা সাকিন হয় যেমন: আমি প্রহার করলাম)।
এগুলো হলো অতীতকালীন ক্রিয়ার গঠনের অবস্থা এবং তা তিনটি:
প্রথম: যবর বা ফাতাহর ওপর গঠিত হওয়া। আর এটাই হলো মূল নিয়ম। চাই সেই যবর প্রকাশ্য হোক যেমন: বক্তা কথা বললেন; অথবা উহ্য হোক যেমন: মুসলিম তার রবের কাছে দু’আ করল।
সুতরাং (দু’আ করল) হলো এমন একটি অতীতকালীন ক্রিয়া যা আলিফের ওপর উহ্য যবরের ভিত্তিতে গঠিত, যা প্রকাশ পেতে অক্ষমতা বাধা প্রদান করেছে।
অতএব এটি যবরের ওপর গঠিত হবে যখন এর শেষে কিছু যুক্ত হবে না যেমন উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, অথবা এর সাথে স্থির স্ত্রীলিঙ্গবাচক 'তা' যুক্ত হবে যেমন: ফাতিমা তার বোনকে উপদেশ দিল, অথবা দ্বিবচনবাচক আলিফ যুক্ত হবে যেমন: সাক্ষীদ্বয় সত্য বলল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১১)
الثانية: أن يكون مبنيًا على الضم، وذلك إذا اتصلت به واو الجماعة، نحو: المجاهدون حضروا (1) .
الثانية: أن يكون مبنيًا على السكون، وذلك إذا اتصل به الضمير المرفوع المتحرك كتاء الفاعل نحو: كتبتُ الحديث. أو (نا) التي هي فاعل نحو: استمعنا المحاضرة، أو نون الإناث نحو: البنات جلسْنَ في المنزل.
وقوله: (الضَّمِيرِ المَرْفُوعِ المُتَحَرِّكِ) يُخْرج ضمير النصب نحو: أكرمك، فالفعل معه مبني على الفتح. ويُخرج واو الجماعة. لأنها ضمير رفع ساكن. فلا يبنى الماضي معها على السكون. بل على الضم كما مضى. ويخرج ألف الاثنين، فإنها ضمير رفع ساكن. والماضي معها مبني على الفتح كما تقدم.
قوله: (ومِنْهُ نِعْمَ وبِئْسَ وعَسى ولَيْسَ في الأَصَحِّ) :
هذا فيه بيان أن هذه الكلمات الأربع اختلف في كونها أفعالاً ماضية؛ والأصح أنها أفعال (2)
--------------------------------------------
দ্বিতীয় অবস্থা: এটি দম্মা-র ওপর মাবনি (অপরিবর্তনীয়) হওয়া, আর তা তখনই হয় যখন এর সাথে ওয়াউ আল-জামাআহ (কর্তৃবাচক বহুবচনের ওয়াউ) যুক্ত হয়, যেমন: মুজাহিদগণ উপস্থিত হয়েছেন (১)।
দ্বিতীয় অবস্থা: এটি সুকুন-এর ওপর মাবনি হওয়া, আর তা তখনই হয় যখন এর সাথে স্বরযুক্ত কর্তৃবাচক সর্বনাম (যমিরে মারফু মুতাহাররিক) যুক্ত হয় যেমন ফায়িলের 'তা' (তাউল ফায়িল): আমি হাদিসটি লিখেছি। অথবা 'না' যা ফায়িল হিসেবে আসে যেমন: আমরা লেকচারটি শুনেছি, অথবা স্ত্রীবাচক বহুবচনের 'নূন' (নূনুল ইনাস) যেমন: মেয়েরা বাড়িতে বসেছে।
আর তাঁর উক্তি: (স্বরযুক্ত কর্তৃবাচক সর্বনাম) - এর মাধ্যমে কর্মবাচক সর্বনাম (যমিরে নাসব) বাদ যায় যেমন: সে তোমাকে সম্মানিত করেছে; এক্ষেত্রে ক্রিয়াটি ফাতাহ-র ওপর মাবনি থাকে। এর মাধ্যমে ওয়াউ আল-জামাআহ-ও বাদ যায়, কারণ এটি একটি স্থির কর্তৃবাচক সর্বনাম (যমিরে রাফ সাকিন)। ফলে এর উপস্থিতিতে অতীতকালীন ক্রিয়া (মাজি) সুকুন-এর ওপর মাবনি হয় না, বরং পূর্বের আলোচনা অনুযায়ী দম্মা-র ওপর মাবনি হয়। আর এর মাধ্যমে দ্বিবচনের আলিফও বাদ যায়, কারণ সেটিও একটি স্থির কর্তৃবাচক সর্বনাম। আর এর উপস্থিতিতে অতীতকালীন ক্রিয়া ফাতাহ-র ওপর মাবনি থাকে যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর উক্তি: (এবং বিশুদ্ধতম মতানুসারে নি'মা, বি'সা, 'আসা এবং লাইসা এর অন্তর্ভুক্ত) :
এটি স্পষ্ট করে যে, এই চারটি শব্দ অতীতকালীন ক্রিয়া হওয়া নিয়ে মতভেদ রয়েছে; তবে বিশুদ্ধতম মত হলো এগুলো ক্রিয়া (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১২)
بدليل دخول (تاء) التأنيث عليها. وهي علامة الفعل الماضي - كما تقدم - فتقول: نِعْمَتِ المرأة فاطمة، بئْسَتِ المرأة هند فـ (نعم) فعل ماضٍ جامد لإنشاء المدح مبني على الفتح لا محل له من الإعراب. والتاء للتأنيث. و (المرأة) فاعل لـ (نعم) والجملة خبر مقدم. و (فاطمة) مبتدأ مؤخر، والمثال الثاني مثله.
وتقول: عست هند أن تقوم. ليست المؤمنة متبرجة، فـ (عسى) فعل ماض ناقص مبني على الفتح. والتاء للتأنيث. (هند) اسمها مرفوع بالضمة (أن) حرف مصدري ونصب. (تقوم) فعل مضارع منصوب بـ (أن) والفاعل ضمير مستتر. والمصدر المؤول من (أن) والفعل خبر (عسى) . و (ليس) فعل ماض ناقص مبني على الفتح. (والتاء) للتأنيث (المؤمنة) اسمها (متبرجة) خبرها منصوب بالفتحة.
قوله: (وَأَمْرٌ ويُعْرَفُ بِدِلَالَتِهِ عَلَى الطَّلَبِ مَعَ قَبُوِلِهِ يَاءَ المُخَاطَبَةِ) هذا القسم الثاني من أقسام الفعل، وقوله: (وأمْرٌ) معطوف على قوله (ماض) والمعطوف على المرفوع مرفوع، التقدير: وأما الفعل فثلاثة أقسام: ماضِ وأمر ومضارع، وفعل الأمر له علامتان متلازمتان:-
1-دلالة صيغته على طلب الفعل.
2-قبوله ياء المخاطبة.
نحو: أطع أباك، فـ (أطع) فعل أمر. لدلالته على طلب الطاعة. ولأنه يقبل (ياء) المخاطبة، فتقول: يا نجلاءُ أطيعي أباك.
فإن دلت الكلمة على الطلب ولم تقبل (ياء) المخاطبة نحو: صه إذا تكلم غيرك، لم تكن فعل أمر، بل هي اسم فعل أمر، وإن قبلت (ياء) المخاطبة ولم تدل على الطلب لم تكن فعل أمر بل هي فعل مضارع نحو: أنت - يا هند - تهذبين الأطفال.
قوله: (وبِنَاؤُهُ عَلَى السُّكُونِ كاضْربْ إِلَاّ المُعْتَلَّ فَعَلَى حَذْفِ آخِرِهَِ كاغْزُ و (اخْشَ) (وارْمِ) ونَحْوَ (قُومَا) و (قومُوا) وقُومِي فَعَلَى حَذْفِ النُّونِ) .
ذكر أن فعل الأمر كالماضي له ثلاث حالات:
এর প্রমাণ হলো এতে স্ত্রীলিঙ্গবোধক 'তা' (তা-য়ে তানিছ) যুক্ত হওয়া। আর এটি অতীতকালীন ক্রিয়ার (ফেল মাদী) চিহ্ন—যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে—সুতরাং আপনি বলবেন: 'নি’মাতিল মারআতু ফাতিমাতু' (ফাতিমা কতই না উত্তম নারী), 'বি’সাতিল মারআতু হিন্দা' (হিন্দ কতই না মন্দ নারী)। এখানে 'নি’মা' হলো প্রশংসা প্রকাশের জন্য একটি অপরিবর্তনশীল অতীতকালীন ক্রিয়া (ফেল মাদী জামিদ), যা 'ফাতহা'র ওপর ভিত্তি করে গঠিত (মাবনি আলাল ফাতহ) এবং এর কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান (মাহাল্লুন মিনাল ই'রাব) নেই। আর 'তা' বর্ণটি স্ত্রীলিঙ্গ বুঝানোর জন্য। 'আল-মারআতু' হলো 'নি’মা' এর কর্তা (ফায়েল) এবং এই বাক্যটি 'খবর মুকাদ্দাম' (অগ্রবর্তী সংবাদ)। 'ফাতিমাতু' হলো 'মুবতাদা মুআখখার' (পরবর্তী উদ্দেশ্য), এবং দ্বিতীয় উদাহরণটিও অনুরূপ।
এবং আপনি বলবেন: 'আসাত হিন্দা আন তাকুমা' (আশা করা যায় যে হিন্দ দাঁড়াবে)। 'লাইসাতিল মু’মিনাতু মুতাবাররিজাহ' (মু’মিন নারী পর্দাহীন নয়)। এখানে 'আসা' হলো একটি অসম্পূর্ণ অতীতকালীন ক্রিয়া (ফেল মাদী নাকিস) যা 'ফাতহা'র ওপর ভিত্তি করে গঠিত। আর 'তা' স্ত্রীলিঙ্গ বুঝানোর জন্য। 'হিন্দ' হলো এর বিশেষ্য (ইসম), যা 'দাম্মা' দ্বারা 'মারফু' (পেশযুক্ত)। 'أن' (আন) হলো 'হারফে মাসদারিয়া' ও 'নাসব' প্রদানকারী বর্ণ। 'তাকুমা' হলো 'আন' দ্বারা 'মানসুব' (যবরযুক্ত) হওয়া বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (ফেল মুদারি) এবং এর কর্তা (ফায়েল) একটি উহ্য সর্বনাম। 'আন' এবং ক্রিয়াটি মিলে গঠিত 'মাসদারে মুআউওয়াল' হলো 'আসা' এর 'খবর'। 'লাইসা' হলো 'ফাতহা'র ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি অসম্পূর্ণ অতীতকালীন ক্রিয়া। 'তা' স্ত্রীলিঙ্গ বুঝানোর জন্য। 'আল-মু’মিনাতু' হলো এর বিশেষ্য (ইসম) এবং 'মুতাবাররিজাতুন' হলো এর 'খবর' যা 'ফাতহা' দ্বারা 'মানসুব'।
গ্রন্থকারের উক্তি: (এবং আদেশসূচক ক্রিয়া, যা চেনা যায় যাচনা বা অনুরোধ বুঝানোর পাশাপাশি এতে সম্বোধনসূচক 'ইয়া' বা ইয়া-য়ে মুখাতাব গ্রহণ করার যোগ্যতা থাকার মাধ্যমে)। এটি ক্রিয়ার প্রকারভেদসমূহের মধ্যে দ্বিতীয় প্রকার। তাঁর উক্তি 'আম্র' (আদেশসূচক ক্রিয়া) শব্দটি 'মাদী' (অতীতকালীন ক্রিয়া) শব্দের ওপর 'আতফ' বা সংযোজিত হয়েছে, আর 'মারফু' শব্দের ওপর সংযোজিত শব্দ 'মারফু' হয়। এর বিশ্লেষণ হলো: 'আর ক্রিয়া তিন প্রকার: অতীতকালীন, আদেশসূচক ও বর্তমান-ভবিষ্যৎকালীন'। আদেশসূচক ক্রিয়ার (ফেল আম্র) দুটি অবিচ্ছেদ্য চিহ্ন রয়েছে:-
১-এর রূপ বা গঠনের মাধ্যমে কোনো কাজ সম্পাদনের অনুরোধ বা যাচনা বুঝানো।
২-এতে সম্বোধনসূচক 'ইয়া' (ইয়া-য়ে মুখাতাব) গ্রহণ করা।
যেমন: 'আতি’ আবাকা' (তোমার পিতাকে মান্য করো)। এখানে 'আতি’' হলো আদেশসূচক ক্রিয়া; কারণ এটি আনুগত্যের যাচনা বুঝাচ্ছে এবং এটি সম্বোধনসূচক 'ইয়া' গ্রহণ করে। যেমন আপনি বলতে পারেন: 'ইয়া নাজলাউ আতিয়ী আবাকি' (হে নাজলা, তোমার পিতাকে মান্য করো)।
যদি কোনো শব্দ যাচনা বা অনুরোধ বুঝায় কিন্তু সম্বোধনসূচক 'ইয়া' গ্রহণ না করে, যেমন: 'সাহ' (চুপ করো) যখন অন্য কেউ কথা বলে; তবে সেটি আদেশসূচক ক্রিয়া হবে না, বরং সেটি 'ইসমু ফেলিল আম্র' (আদেশসূচক ক্রিয়ার অর্থবোধক বিশেষ্য)। আর যদি শব্দটি সম্বোধনসূচক 'ইয়া' গ্রহণ করে কিন্তু যাচনা বা অনুরোধ না বুঝায়, তবে সেটি আদেশসূচক ক্রিয়া হবে না, বরং সেটি বর্তমান-ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (ফেল মুদারি) হবে। যেমন: 'আন্তি - ইয়া হিন্দু - তুহাযযিবিনাল আতফাল' (তুমি - হে হিন্দ - শিশুদের শিষ্টাচার শেখাচ্ছ)।
গ্রন্থকারের উক্তি: (এবং এটি সুকুন বা স্থিরতার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়—যেমন 'ইদরিব'—তবে দুর্বল বর্ণযুক্ত বা মু’তাল ক্রিয়া ব্যতীত; সেটি তার শেষ বর্ণ বিলুপ্ত হওয়ার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়—যেমন 'উগজু', 'ইখশা' ও 'ইরমী'। আর 'কুমা', 'কুমু' এবং 'কুমী' এর মতো শব্দগুলোর ক্ষেত্রে 'নুন' বর্ণ বিলুপ্ত হওয়ার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়)। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আদেশসূচক ক্রিয়া (ফেল আম্র) অতীতকালীন ক্রিয়ার ন্যায় তিনটি অবস্থায় থাকে:
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الأولى: البناء على السكون، وذلك إذا كان صحيح الآخر ولم يتصل به شيء، نحو: احرص على ما ينفعك. أو اتصلت به نون الإناث نحو: اتركْنَ الجدال.
الثانية: البناء على حذف حرف العلة، وذلك إذا كان معتل الآخر بالواو نحو: ادعُ إلى الله بالحكمة، أو الألف نحو: تحرَّ الصدق فيما تقول، أو الياء نحو: أَهْدِ إلى أقربائك. فـ (ادع) فعل أمر مبني على حذف حرف العلة وهو الواو. والثاني: الألف، والثالث: الياء.
الثالثة: البناء على حذف النون. وذلك إذا اتصلت به ألف الاثنين نحو: أكرما ضيوفكما. أو واو الجماعة نحو: تصدقوا على الفقراء. أو ياء المخاطبة نحو: أحسني الحجاب، فـ (أكرما) فعل أمر مبني على حذف النون، والألف فاعل. وكذا ما بعده.
وبقي حالة رابعة لم يذكرها المصنف. وهي البناء على الفتح وذلك إذا اتصلت به نون التوكيد نحو: عاشرَنَّ إخوانك بالمعروف. فـ (عاشر) فعل أمر مبني على الفتح. ونون التوكيد حرف مبني على الفتح.
قوله: (ومِنْهُ هَلُمّ في لُغَةِ تَمِيم وهَاتِ وتَعَالَ في الأَصَحِّ) .
هذا فيه بيان أن هذه الكلمات الثلاث أفعال أمر في أصح الأقوال. فأما (هلم) فلها معنيان:
1-بمعنى (أقبل) نحو: هَلُمَّ إلى حلقات العلم. قال تعالى: {وَالْقَائِلِينَ لِإِخْوَانِهِمْ هَلُمَّ إِلَيْنَا} (1) أي: أقبلوا.
2-بمعنى (أحضر) نحو: هَلُمَّ زميلك أي: أحضره، قال تعالى: {قُلْ هَلُمَّ شُهَدَاءَكُمُ} (2) أي أحضروا شهداءكم.
--------------------------------------------
প্রথমত: সুকুন-এর উপর ভিত্তি করে গঠিত হওয়া (মাবনি হওয়া)। এটি তখন হয় যখন ক্রিয়াটির শেষ বর্ণটি সঠিক (সহীহ) হয় এবং এর সাথে অন্য কিছু যুক্ত না হয়, যেমন: "তুমি তোমার জন্য যা উপকারী তাতে আগ্রহী হও।" অথবা যখন এর সাথে স্ত্রীবাচক বহুবচনের 'নুন' যুক্ত হয়, যেমন: "তোমরা ঝগড়া ছেড়ে দাও।"
দ্বিতীয়ত: 'ইল্লত' বা দুর্বল বর্ণ বিলুপ্ত হওয়ার উপর ভিত্তি করে গঠিত হওয়া। এটি তখন হয় যখন ক্রিয়াটির শেষ বর্ণটি 'ওয়াও' দ্বারা দুর্বল হয়, যেমন: "তুমি হিকমতের সাথে আল্লাহর পথে আহ্বান করো", অথবা 'আলিফ' দ্বারা দুর্বল হয়, যেমন: "তুমি যা বলো তাতে সত্য অন্বেষণ করো", অথবা 'ইয়া' দ্বারা দুর্বল হয়, যেমন: "তোমার নিকটাত্মীয়দের উপহার দাও (বা পথপ্রদর্শন করো)"। এখানে (আহ্বান করো) শব্দটি একটি আমর ক্রিয়া যা দুর্বল বর্ণ 'ওয়াও' বিলুপ্ত হওয়ার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় উদাহরণটি আলিফ এবং তৃতীয়টি ইয়া বিলুপ্ত হওয়ার উদাহরণ।
তৃতীয়ত: 'নুন' বিলুপ্ত হওয়ার উপর ভিত্তি করে গঠিত হওয়া। এটি তখন হয় যখন এর সাথে দ্বিবচনের 'আলিফ' যুক্ত হয়, যেমন: "তোমরা দুজন তোমাদের মেহমানকে সম্মান করো।" অথবা বহুবচনের 'ওয়াও' যুক্ত হয়, যেমন: "তোমরা দরিদ্রদের দান করো।" অথবা স্ত্রীবাচক একবচনের 'ইয়া' যুক্ত হয়, যেমন: "তুমি উত্তমরূপে পর্দা করো।" এখানে (সম্মান করো) শব্দটি একটি আমর ক্রিয়া যা 'নুন' বিলুপ্ত হওয়ার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে এবং 'আলিফ' হলো এর কর্তা (ফায়েল)। পরবর্তী উদাহরণগুলোও তদ্রূপ।
এখানে চতুর্থ একটি অবস্থা বাকি রয়ে গেছে যা লেখক উল্লেখ করেননি। সেটি হলো 'ফাতহা'র উপর ভিত্তি করে গঠিত হওয়া; এটি তখন হয় যখন এর সাথে গুরুত্ব প্রদানকারী 'নুন' (নুনুত তাওকিদ) যুক্ত হয়, যেমন: "তুমি অবশ্যই তোমার ভাইদের সাথে সদ্ব্যবহার করো।" এখানে (সদ্ব্যবহার করো) শব্দটি একটি আমর ক্রিয়া যা 'ফাতহা'র উপর ভিত্তি করে গঠিত। আর 'নুনুত তাওকিদ' হলো একটি বর্ণ যা 'ফাতহা'র উপর ভিত্তি করে গঠিত।
তার বক্তব্য: (এবং তামীম গোত্রের ভাষায় 'হালুম্মা' এবং অধিকতর সঠিক মতানুসারে 'হাতি' ও 'তাআলা' এর অন্তর্ভুক্ত)।
এর মধ্যে এই স্পষ্টীকরণ রয়েছে যে, এই তিনটি শব্দ সর্বাধিক সঠিক মত অনুযায়ী আমর (আদেশসূচক) ক্রিয়া। আর 'হালুম্মা' শব্দের দুটি অর্থ রয়েছে:
১- 'আসো' অর্থে, যেমন: "জ্ঞানের মজলিসের দিকে এসো।" আল্লাহ তাআলা বলেন: {এবং যারা তাদের ভাইদেরকে বলে: আমাদের দিকে এসো} (১) অর্থাৎ: তোমরা আসো।
২- 'উপস্থিত করো' অর্থে, যেমন: "তোমার সহপাঠীকে উপস্থিত করো" অর্থাৎ: তাকে নিয়ে আসো। আল্লাহ তাআলা বলেন: {বলো, তোমাদের সাক্ষীদের উপস্থিত করো} (২) অর্থাৎ: তোমাদের সাক্ষীদের হাজির করো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وهي فعل أمر على لغة تميم لدلالتها على الطلب وقبولها ياء المخاطبة. وتلحقها الضمائر البارزة بحسب من هي مسندة إليه. فتقول: هلم يا صالح. وهلمي يا عائشة. وهلما يا محمدان. وهلموا يا عليون. ويا هندات هَلْمُمْنَ (بفك الإدغام وسكون اللام) (1) .
وأما عند الحجازيين فتلزم طريقة واحدة فلا تلحقها الضمائر. فتقول: هلم يا صالح، وهلم يا عائشة، وهلم يا محمدان، وهلم يا عليون، وهلم يا هندات، وبلغتهم جاء التنزيل قال تعالى: {وَالْقَائِلِينَ لِإِخْوَانِهِمْ هَلُمَّ إِلَيْنَا} (2) . وقال تعالى: {قُلْ هَلُمَّ شُهَدَاءَكُمُ} (3) وهي عندهم اسم فعل أمر، لا فعل أمر، لأنها وإن كانت دالة على الطلب لكنها لا تقبل ياء المخاطبة.
وأما (هات وتعال) فعدهما جماعة من النحويين في أسماء الأفعال، والأصح أنهما فعلا أمر، لدلالتهما عل الطلب، وقبولهما ياء المخاطبة نحو: يا فاطمة هاتي المصحف، يا عائشة تعالي.
و (هات) ملازم للكسر دائماً إلا إذا كان لجماعة المذكرين فإنه يضم تقول: ياخالد هات الكتاب. ويا محمدون هاتُوا كتبكم. قال تعالى: {قُلْ هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ} (4) فـ (هاتِ) فعل أمر مبني على حذف الياء، و (هاتوا) فعل أمر مبني على حذف النون، والواو فاعل.
وأما (تعال) فهو مفتوح الآخر في جميع أحواله من غير استثناء تقول: تعالَ يا محمد، وتعالَي يا رابعة. وتعالَيا يا محمدان. وتعالَوا يا محمدون. وتعالَين يا هندات. كل ذلك بفتح اللام.
--------------------------------------------
তামীম গোত্রের ভাষা অনুযায়ী এটি একটি আদেশসূচক ক্রিয়া (ফেলে আমর), কারণ এটি নির্দেশ প্রদান করে এবং এটি স্ত্রীবাচক ‘ইয়া’ গ্রহণ করে। যাকে সম্বোধন করা হচ্ছে সেই অনুযায়ী এতে প্রকাশ্য সর্বনাম যুক্ত হয়। তাই আপনি বলবেন: হে সালেহ, আসো। হে আয়েশা, আসো। হে দুই মুহাম্মদ, আসো। হে আলীগণ, আসো। আর হে হিন্দগণ, তোমরা আসো (ইদগাম পৃথক করে এবং লাম বর্ণে সুকুন দিয়ে)। (১)।
পক্ষান্তরে হিজাযবাসীদের নিকট এটি একটি নির্দিষ্ট রীতিতে থাকে, তাই এতে কোনো সর্বনাম যুক্ত হয় না। ফলে আপনি বলবেন: হে সালেহ, আসো; হে আয়েশা, আসো; হে দুই মুহাম্মদ, আসো; হে আলীগণ, আসো; হে হিন্দগণ, আসো। তাদের ভাষা অনুযায়ীই পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, আল্লাহ তাআলা বলেন: {এবং যারা তাদের ভাইদের বলে, আমাদের কাছে আসো} (২)। আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: {বলুন, তোমাদের সাক্ষীদের নিয়ে আসো} (৩)। তাদের নিকট এটি ‘ইসমু ফেলে আমর’ (ক্রিয়া বিশেষ্য), আদেশসূচক ক্রিয়া নয়; কারণ এটি নির্দেশের অর্থ প্রদান করলেও স্ত্রীবাচক ‘ইয়া’ গ্রহণ করে না।
আর ‘হাতি’ এবং ‘তাআলা’ সম্পর্কে একদল ব্যাকরণবিদ মনে করেন যে এগুলো ‘আসমাউল আফআল’ (ক্রিয়া বিশেষ্য), তবে অধিকতর সঠিক মত হলো এগুলো আদেশসূচক ক্রিয়া। কারণ এগুলো নির্দেশ প্রদান করে এবং স্ত্রীবাচক ‘ইয়া’ গ্রহণ করে। যেমন: হে ফাতেমা, কুরআন মাজিদটি দাও; হে আয়েশা, আসো।
‘হাতি’ শব্দটির শেষ বর্ণ সর্বদা কাসরা (জের) যুক্ত থাকে, তবে পুরুষবাচক বহুবচনের ক্ষেত্রে এটি যম্মাহ (পেশ) যুক্ত হয়। আপনি বলবেন: হে খালেদ, বইটি দাও। হে মুহাম্মদগণ, তোমাদের বইগুলো দাও। আল্লাহ তাআলা বলেন: {বলুন, তোমরা তোমাদের প্রমাণ উপস্থাপন করো} (৪)। সুতরাং ‘হাতি’ হলো ‘ইয়া’ বিলুপ্ত হওয়ার ভিত্তিতে গঠিত আদেশসূচক ক্রিয়া এবং ‘হাতু’ হলো ‘নুন’ বিলুপ্ত হওয়ার ভিত্তিতে গঠিত আদেশসূচক ক্রিয়া, আর এখানে ‘ওয়াও’ হলো কর্তা।
অন্যদিকে ‘তাআলা’ শব্দটির শেষ বর্ণ সব অবস্থায় কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই ফাতহা (জবর) যুক্ত থাকে। আপনি বলবেন: হে মুহাম্মদ, আসো। হে রাবেয়া, আসো। হে দুই মুহাম্মদ, আসো। হে মুহাম্মদগণ, আসো। হে হিন্দগণ, আসো। এই সব ক্ষেত্রেই ‘লাম’ বর্ণে ফাতহা হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قال الله تعالى: {قُلْ تَعَالَوْا أَتْلُ} (1) . فـ (تعالوا) فعل أمر مبني على حذف النون، لاتصاله بواو الجماعة. والواو فاعل، وقال تعالى: {فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ} (2) فـ (تعالين) فعل أمر مبني على السكون بنون الإناث. ونون الإناث فاعل.
قوله: (وَمضارعٌ ويُعْرَفُ بِلَمْ وافْتِتَاحُهُ بِحرْفٍ مِنَ نَأَيْتُ نَحْوُ نَقُومُ وأَقُومُ ويَقُومُ وتَقُومُ) .
هذا القسم الثالث من أقسام الفعل، وهو الفعل المضارع، وقوله: (ومضَارعٌ) معطوف على قوله (ماض) كما تقدم.
والفعل المضارع: كلمة تدل على حدث وزمن صالح للحال والاستقبال نحو: يفهم المجد الدرس، فـ (يفهم) كلمة تدل على معنى وهو (الفهم) وعلى زمن صالح للحال والاستقبال.
والفعل المضارع له علامة واحدة (3) تميزه عن الماضي والأمر وهي صحة دخول (لم) عليه. نحو: لم أقصر بواجبي.
وقوله: (وافْتِتَاحُهُ بحرْفٍ مِنَ نَأَيْتُ) هذا بيان أن المضارع يبدأ بأحد هذه الأحرف الأربعة، وليس المقصود أن هذه علامة ثانية للمضارع؛ لأن هذه الأحرف توجد في الفعل الماضي. فيكون قوله: (افتتاحه) مبتدأ. و (بحرف) خبره. ومعنى نأيتُ: بَعُدتُ.
--------------------------------------------
মহান আল্লাহ বলেছেন: {বলুন, তোমরা এসো, আমি পাঠ করি} (১)। এখানে (তা‘আলাও) শব্দটি একটি আদেশসূচক ক্রিয়া (ফে’লে আমর), যা ‘নূন’ বিলুপ্ত হওয়ার ওপর ভিত্তি করে গঠিত, কারণ এটি বহুবচনসূচক ‘ওয়াউ’ (ওয়াউ আল-জামাআহ)-এর সাথে যুক্ত হয়েছে। আর এই ‘ওয়াউ’ হলো কর্তা (ফায়েল)। এবং মহান আল্লাহ বলেন: {তবে তোমরা এসো, আমি তোমাদের ভোগ-সামগ্রী প্রদান করি} (২)। এখানে (তা‘আলাইনা) শব্দটি একটি আদেশসূচক ক্রিয়া (ফে’লে আমর), যা স্ত্রীলিঙ্গবাচক ‘নূন’ (নূনুল ইনাস)-এর কারণে ‘সুকুনে’র ওপর ভিত্তি করে গঠিত। আর এই স্ত্রীলিঙ্গবাচক নূনটি হলো কর্তা (ফায়েল)।
তাঁর উক্তি: (এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া বা ফে’লে মুদারে’, আর তা ‘লাম’ (لم) দ্বারা চেনা যায় এবং এর সূচনা হয় ‘নাআইতু’ (نأيت) শব্দটির অন্তর্ভুক্ত বর্ণগুলোর কোনো একটির মাধ্যমে, যেমন: নাকুমু (نقوم), আকুমু (أقوم), ইয়াকুমু (يقوم) এবং তাকুমু (تقوم))।
এটি ক্রিয়ার প্রকারভেদের মধ্যে তৃতীয় প্রকার, আর তা হলো ফে’লে মুদারে’। তাঁর উক্তি ‘ওয়া মুদারেউন’ (ومضارع) শব্দটি পূর্বোল্লিখিত ‘মাদিন’ (ماض) শব্দের ওপর আতফ (সংযুক্ত) হয়েছে, যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
ফে’লে মুদারে’ হলো এমন একটি শব্দ যা কোনো কাজ এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের উপযোগী সময়ের ওপর অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: ‘পরিশ্রমী ছাত্রটি পাঠটি বুঝছে’, এখানে ‘ইয়াফহামু’ (يفهم) শব্দটি একটি অর্থের (অর্থাৎ ‘বোঝা’) ওপর এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের উপযোগী সময়ের ওপর নির্দেশনা প্রদান করছে।
ফে’লে মুদারে’-এর একটিমাত্র চিহ্ন রয়েছে (৩) যা একে অতীতকালীন ক্রিয়া (মাদি) ও আদেশসূচক ক্রিয়া (আমর) থেকে পৃথক করে, আর তা হলো এর শুরুতে ‘লাম’ (لم) যুক্ত হওয়া শুদ্ধ হওয়া। যেমন: ‘আমি আমার কর্তব্যে অবহেলা করিনি’ (লাম উকাসসির বি-ওয়াজিবী)।
তাঁর উক্তি: (এবং এর সূচনা হয় ‘নাআইতু’ শব্দটির অন্তর্ভুক্ত বর্ণগুলোর কোনো একটির মাধ্যমে)—এটি একথার বর্ণনা যে, মুদারে’ এই চারটি বর্ণের কোনো একটির মাধ্যমে শুরু হয়। এর উদ্দেশ্য এটি নয় যে, এটি মুদারে’-এর দ্বিতীয় কোনো চিহ্ন; কারণ এই বর্ণগুলো অতীতকালীন ক্রিয়া বা ফে’লে মাদি-তেও পাওয়া যায়। সুতরাং তাঁর উক্তি ‘ইফতিতাহুহু’ (افتتاحه) শব্দটি হবে উদ্দেশ্য (মুবতাদা) এবং ‘বি-হারফিন’ (بحرف) হবে তার বিধেয় (খবর)। আর ‘নাআইতু’ (نأيتُ) শব্দের অর্থ হলো: ‘আমি দূরে সরে গেলাম’।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وشرط دخولها على المضارع أن تكون الهمزة للمتكلم (1) نحو: أقوم، بخلاف همزة: أَكرمَ. فليست للمتكلم بل هي للتعدية. فالفعل ماض. وأن تكون النون للمتكلم ومعه غيره، أو المعظم نفسه نحو: نقوم، بخلال نون (نَرْجَسَ) فإنها ليست بزائدة، ولا تدل على معنى في المضارع، تقول: نرجس خالد الدواء، أي: جعل فيها نِرْجساً، (وهو نبت له رائحة ذكية) . وأن تكون الياء للغائب نحو: يقوم، بخلاف ياء (يرنأ) فإنها لا تدل على الغيبة، تقول: يرنأتُ الشيب باليرناء، إذا خضبته بالحناء، وأن تكون التاء للمخاطب نحو: تقوم، بخلاف تاء (تَعَلَّم) فإنها للمطاوعة (2) تقول: علمت عليًّا النحو فتعلمه. فهذه كلها أفعال ماضية، ولا عبرة بالزيادة في أولها، لما تقدم.
قوله: (ويُضَمُّ أَوّلُهُ إِنْ كانَ ماضِيهِ رُباعيًَّا كيُدَحْرِجُ ويُكْرِمُ، ويُفْتَحُ في غَيْرِهِ كَيَضْرِبُ ويَسْتَخْرِجُ) .
اعلم أن الفعل المضارع فيه بحثان:
1-بحث في أوله. وهذا بحث صرفي.
2-بحث في آخره. وهذا بحث إعرابي.
أما الأول فإن الفعل المضارع يُشْكَلُ أوله بالضمة أوبالفتحة. فيشكل بالضمة إذا كان ماضيه رباعياً. نحو: أرسل ويُرسل، وقد مثل المؤلف بمثالين وهما: يُدحرج، ويُكرم. لبيان أنه لا فرق بين أن يكون الرباعي صحيح الحروف، مثل: يدحرج. فإن ماضيه (دحرج) وحروفه أصليه، أو مزيداً مثل: يكرم. فإن ماضيه (أكرم) والهمزة زائدة لأن أصله (كَرُمَ) .
--------------------------------------------
এবং মুদারে (বর্তমান-ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া)-এর শুরুতে এই বর্ণগুলো প্রবেশের শর্ত হলো, হামযাহ্ হবে উত্তম পুরুষের (মুতাকাল্লিম) জন্য (১), যেমন: ‘আক্বুমু’ (আমি দাঁড়াচ্ছি/দাঁড়াব)। এর ব্যতিক্রম হলো ‘আকরামা’-এর হামযাহ্; যা মুতাকাল্লিমের জন্য নয়, বরং এটি তায়দিয়াহ্ (সকর্মক করার) জন্য। ফলে এটি মাদি (অতীতকালীন) ক্রিয়া। এবং নুন হতে হবে উত্তম পুরুষ ও তার সাথে অন্য কারো জন্য, অথবা নিজের বড়ত্ব প্রকাশকারীর জন্য, যেমন: ‘নাক্বুমু’ (আমরা দাঁড়াচ্ছি/দাঁড়াব)। এর বিপরীতে ‘নারজাসা’ এর নুন; এটি অতিরিক্ত নয় এবং মুদারে-এর কোনো অর্থও প্রদান করে না। আপনি বলবেন: ‘নারজাসা খালিদুন আদ-দাওয়াআ’ অর্থাৎ সে তাতে নারজাস (এটি একটি সুগন্ধযুক্ত উদ্ভিদ) মিশিয়েছে। এবং ইয়া হতে হবে নাম পুরুষের (গায়েব) জন্য, যেমন: ‘ইয়াক্বুমু’ (সে দাঁড়াচ্ছে/দাঁড়াবে)। এর বিপরীতে ‘ইয়ারনাআ’ এর ইয়া; এটি গায়েবের অর্থ প্রদান করে না। আপনি বলবেন: ‘ইয়ারনা’তুশ শাইবা বিল-ইয়ারনায়ি’ যখন আপনি মেহেদি দিয়ে চুল বা দাড়ি রাঙাবেন। এবং তা হতে হবে মধ্যম পুরুষের (মুখাতাব) জন্য, যেমন: ‘তাক্বুমু’ (তুমি দাঁড়াচ্ছ/দাঁড়াবে)। এর বিপরীতে ‘তাআল্লামা’ এর তা; যা মুতাওয়াআত (প্রভাব গ্রহণ)-এর জন্য (২)। আপনি বলবেন: ‘আল্লামতু আলিয়্যান আন-নাহওয়া ফাতাআল্লামাহু’ (আমি আলীকে নাহু শিক্ষা দিয়েছি, ফলে সে তা শিখেছে)। এগুলো সবই মাদি (অতীতকালীন) ক্রিয়া, আর এদের শুরুতে অতিরিক্ত বর্ণ থাকার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই উপরে বর্ণিত কারণে।
তাঁর বাণী: (এবং এর প্রথম বর্ণে পেশ হবে যদি এর মাদি চার অক্ষরবিশিষ্ট হয়, যেমন: ‘ইউদাহরিজু’ ও ‘ইউকরিমু’। আর চার অক্ষর ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে যবর হবে, যেমন: ‘ইয়াদরিবু’ ও ‘ইয়াসতাখরিজু’)।
জেনে রাখুন যে, মুদারে ক্রিয়া সম্পর্কে দুইটি আলোচনা রয়েছে:
১-এর প্রথম বর্ণের আলোচনা। এটি একটি সরফী (রূপতাত্ত্বিক) আলোচনা।
২-এর শেষ বর্ণের আলোচনা। এটি একটি ইরাবী (ব্যাকরণিক অবস্থানগত) আলোচনা।
প্রথমটির ক্ষেত্রে মুদারে ক্রিয়ার শুরুতে পেশ অথবা যবর হয়। যদি এর মাদি (অতীতকাল) চার অক্ষরবিশিষ্ট হয়, তবে পেশ হবে। যেমন: ‘আরসালা’ থেকে ‘ইউরসিলু’। লেখক দুটি উদাহরণ দিয়েছেন, সেগুলো হলো: ‘ইউদাহরিজু’ ও ‘ইউকরিমু’। এটি স্পষ্ট করার জন্য যে, চার অক্ষরবিশিষ্ট ক্রিয়াটি বর্ণগুলো মূল হওয়ার ক্ষেত্রে (সলিহুল হুরুফ) যেমন: ‘ইউদাহরিজু’—এর মাদি হলো ‘দাহরাজা’ যার সবগুলো বর্ণই মূল, অথবা অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত (মাযীদ) হওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যেমন: ‘ইউকরিমু’—এর মাদি হলো ‘আকরামা’ যেখানে হামযাহ্ অতিরিক্ত, কারণ এর মূল হলো ‘কারুমা’।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ويُشْكَلُ بالفتحة إن كان ماضيه أقل من الأربعة وهو الثلاثي مثل: عَلِمَ، يَعْلَمُ، أو أكثر منها، كالخماسي. نحو: انطلق. ينطلق، والسداسي. نحو: استخرج، يستخرج. وهذا إذا كان مبنياً للمعلوم. فإن كان مبنيًا للمجهول ضم أوله كما سيأتي إن شاء الله في نائب الفاعل.
قوله: (ويُسَكَّنُ آخِرُهُ مَعَ نُونِ النِّسْوةِ نَحْوُ {يَتَرَبَّصْنَ} (1) و {إِلَّا أَنْ يَعْفُونَ} (2) وَيُفْتَحُ مَعَ نُونِ التَّوْكِيدِ المُبَاشِرةِ لَفْظًا وَتَقْدِيراً نَحْوُ: {لَيُنْبَذَنَّ} (3) ، ويُعْرَبُ فِيمَا عَدَا ذَلكَ نَحْوُ: يَقُومُ زَيْدٌ، {وَلَا تَتَّبِعَانِّ} (4) ، {لَتُبْلَوُنَّ} (5) ، {فَإِمَّا تَرَيِنَّ} (6) ، {وَلَا يَصُدُّنَّكَ} (7) .
هذا المبحث الثاني في الفعل المضارع وهو البحث في حكمه الإعرابي.
فالفعل المضارع له حالتان: حالة بناء، وحالة إعراب. وهو ينفرد عن الماضي والأمر بذلك؛ لأنهما ملازمان للبناء فيبنى المضارع في مسألتين:
--------------------------------------------
এবং এটি ফাতহা (জবর) দ্বারা গঠিত হবে যদি তার মাদি (অতীতকাল) চার অক্ষরের কম হয় এবং তা হলো সুলাসি (তিন অক্ষরবিশিষ্ট), যেমন: আলিমা, ইয়া'লামু; অথবা চার অক্ষরের বেশি হয়, যেমন খুমাসি (পাঁচ অক্ষরবিশিষ্ট), উদাহরণস্বরূপ: ইনতালাকা, ইয়ানতালিকু; এবং সুদাসি (ছয় অক্ষরবিশিষ্ট), উদাহরণস্বরূপ: ইস্তাকরাজা, ইয়াস্তাকরিজু। আর এটি তখনই হবে যখন তা মাবনি লিল মা'লুম (সক্রিয় বাচ্য) হবে। কিন্তু যদি তা মাবনি লিল মাজহুল (নিষ্ক্রিয় বাচ্য) হয়, তবে এর প্রথম অক্ষরে যম্মাহ (পেশ) দেওয়া হবে, যেমনটি ইনশাআল্লাহ নায়েবে ফায়েল অধ্যায়ে সামনে আসবে।
তাঁর কথা: (এবং এর শেষাক্ষর সাকিন হবে নুনে নিসওয়াহ (স্ত্রীবাচক নুন)-এর সাথে, যেমন: {তারা প্রতীক্ষা করবে} (১) এবং {যদি না তারা ক্ষমা করে দেয়} (২); এবং এটি ফাতহা (জবর) যুক্ত হবে নুনে তাকিদ মুবাশিরাহ (সরাসরি যুক্ত তাকিদসূচক নুন)-এর সাথে শব্দগত ও অনুমানগতভাবে, যেমন: {তাকে অবশ্যই নিক্ষেপ করা হবে} (৩); এবং এ ছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে তা মু'রাব হবে, যেমন: যায়েদ দাঁড়াচ্ছে, {তোমরা উভয়ে অবশ্যই অনুসরণ করবে না} (৪), {তোমরা অবশ্যই পরীক্ষিত হবে} (৫), {যদি তুমি অবশ্যই দেখ} (৬), {তারা যেন তোমাকে অবশ্যই বাধা না দেয়} (৭)।
এটি ফে'লে মুদারি (বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল) সংক্রান্ত দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, আর তা হলো এর ই'রাবগত বিধানের আলোচনা।
ফে'লে মুদারির দুটি অবস্থা রয়েছে: মাবনি (অপরিবর্তনীয়) হওয়ার অবস্থা এবং মু'রাব (পরিবর্তনশীল) হওয়ার অবস্থা। এ দিক থেকে এটি মাদি (অতীতকাল) ও আমর (আদেশসূচক) থেকে স্বতন্ত্র; কারণ সেই দুটি সর্বদা মাবনি থাকে। সুতরাং মুদারি দুটি ক্ষেত্রে মাবনি হয়:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
(10) الأولى: أن تتصل به نون الإناث. فيبنى على السكون نحو: الأمهات العاقلات يهذِّبْنَ أولادهن. فـ (يهذبن) فعل مضارع مبني على السكون، ونون الإناث ضمير متصل مبني على الفتح في محل رفع فاعل. قال تعالى: {وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ} (1) وقال تعالى: {إِلَّا أَنْ يَعْفُونَ} (2) فـ (يعفون) فعل مضارع مبني على السكون في محل نصب بـ (أن) ، ونون الإناث فاعل (3) .
الثانية: أن تتصل به نون التوكيد المباشرة لفظاً وتقديراً. والمباشرة: هي التي لم يفصل بينها وبين الفعل فاصل. وضابط ذلك: أنه إذا كان الفعل المضارع قبل دخول النون مرفوعاً بالضمة. فنون التوكيد مباشرة، والفعل معها مبني، وإذا كان المضارع قبل دخول النون مرفوعاً بثبوت النون لاتصاله بألف الاثنين، أو واو الجماعة، أو ياء المخاطبة، فنون التوكيد غير مباشرة. والفعل معها معرب.
--------------------------------------------
(১০) প্রথমটি: তার সাথে স্ত্রীবাচক নুন (নুনুল ইনাস) যুক্ত হওয়া। তখন এটি সুকুনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত (মাবনি) হয়, যেমন: বুদ্ধিমতী মায়েরা তাদের সন্তানদের সুশিক্ষিত করেন। এখানে (সুশিক্ষিত করেন) বর্তমানকালীন ক্রিয়াটি সুকুনের ওপর মাবনি, এবং স্ত্রীবাচক নুনটি একটি সংযুক্ত সর্বনাম যা ফাতহাহ-র ওপর মাবনি হয়ে কর্তার (ফায়িল) স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {আর তালাকপ্রাপ্তা নারীরা অপেক্ষা করবে} (১) এবং আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {তবে তারা যদি ক্ষমা করে দেয়} (২)। এখানে (তারা ক্ষমা করে দেয়) ক্রিয়াটি সুকুনের ওপর মাবনি যা (আন) এর কারণে নাসব-এর স্থানে রয়েছে, আর স্ত্রীবাচক নুনটি হলো কর্তা (ফায়িল) (৩)।
দ্বিতীয়টি: তার সাথে সরাসরি গুরুত্বজ্ঞাপক নুন (নুনুত তাকিদ) শব্দগত ও অর্থগতভাবে যুক্ত হওয়া। 'সরাসরি' বলতে বুঝায় যা ক্রিয়া এবং নুনের মাঝে কোনো ব্যবধান সৃষ্টি করে না। এর নিয়ম হলো: যদি বর্তমানকালীন ক্রিয়াটি নুন যুক্ত হওয়ার আগে পেশ (দাম্মাহ) দ্বারা মারফু হয়ে থাকে, তবে সেই গুরুত্বজ্ঞাপক নুনটি সরাসরি যুক্ত এবং ক্রিয়াটি তার সাথে মাবনি হবে। আর যদি বর্তমানকালীন ক্রিয়াটি নুন যুক্ত হওয়ার আগে দ্বিবচনের আলিফ (আলিফুল ইসনাইন), বহুবচনের ওয়াও (ওয়াওুল জামাআত) অথবা সম্বোধনের ইয়া (ইয়াউল মুখাতাবাহ) যুক্ত হওয়ার কারণে নুন স্থির থাকার (সুবুতুন নুন) মাধ্যমে মারফু হয়ে থাকে, তবে সেই গুরুত্বজ্ঞাপক নুনটি সরাসরি নয়; এমতাবস্থায় ক্রিয়াটি তার সাথে পরিবর্তনশীল (মু'রাব) হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
فمثلاً: الفعل (أسمعُ) مرفوع بالضمة، فإذا دخلت عليه نون التوكيد نحو: لأسمعَنَّ النصيحة. فهي مباشرة، لأنه لا يفصل بينها وبين الفعل فاصل لا لفظاً ولا تقديراً. فـ (أسمعَنَّ) فعل مضارع مبني على الفتح لاتصاله بنون التوكيد.
ومنه قوله تعالى: {كَلَّا لَيُنْبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ (4) } (1) فـ (كلا) حرف ردع وزجر و (اللام) واقعة في جواب القسم المقدر. و (ينبذن) فعل مضارع مبني للمجهول مبني على الفتح لاتصاله بنون التوكيد. ونائب الفاعل ضمير مستتر تقديره (هو) .
والفعل (تُكْثران) - مثلاً - مرفوع بثبوت النون، لاتصاله بألف الاثنين. إذا دخلت عليه نون التوكيد نحو: لا تكثرانِّ من الضحك. فهي غير مباشرة؛ لأنه فصل بينها وبين الفعل فاصل، وهو ألف الاثنين. وهذا الفاصل ملفوظ به.
ومنه قوله تعالى: {وَلَا تَتَّبِعَانِّ سَبِيلَ الَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ} (2) فالمضارع (تتبعان) أصله مرفوع بالنون المقدّرة لتوالي النونات (3) ؛ لاتصاله بالألف. ونون التوكيد معه غير مباشرة. لوجود الفاصل الظاهر وهو ألف الاثنين. فالفعل معرب. فـ (لا) ناهية. و (تتبعان) فعل مضارع مجزوم بـ (لا) وعلامة جزمه حذف النون، لأنه من الأمثلة الخمسة، والألف فاعل. ونون التوكيد: حرف مبني على الكسر لا محل له.
--------------------------------------------
উদাহরণস্বরূপ: ‘আসমাউ’ ক্রিয়াটি দম্মা দ্বারা মারফু, অতঃপর যখন এতে নুন-এ-তাকিদ যুক্ত হয় যেমন: ‘লা-আসমাআন্না’ (অবশ্যই আমি উপদেশ শুনব)। তখন এটি সরাসরি যুক্ত হয়, কারণ ক্রিয়া ও নুনের মাঝে শব্দগত বা অনুমিত কোনো বিচ্ছেদকারী নেই। সুতরাং ‘আসমাআন্না’ ফাতাহ-এর ওপর মাবনি মুদারে ক্রিয়া, কারণ এটি নুন-এ-তাকিদের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়েছে।
এরই অন্তর্ভুক্ত মহান আল্লাহর বাণী: {কখনোই নয়, সে অবশ্যই হুতামাহ্-তে নিক্ষিপ্ত হবে (৪)} (১)। এখানে ‘কাল্লা’ শব্দটি ধমক ও বারণকারী অব্যয় এবং ‘লাম’ শব্দটি উহ্য শপথের উত্তরে এসেছে। আর ‘ইউনবাযান্না’ শব্দটি ফাতাহ-এর ওপর মাবনি মজহুল মুদারে ক্রিয়া, যেহেতু এটি নুন-এ-তাকিদের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়েছে। আর নায়েবে ফায়িল হলো ‘হুয়া’ (সে) এর অনুরূপ একটি উহ্য সর্বনাম।
এবং ‘তুখসিরানি’ ক্রিয়াটি—উদাহরণস্বরূপ—নুন বিদ্যমান থাকার মাধ্যমে মারফু, কারণ এটি দ্বিবচনের আলিফের সাথে যুক্ত। যখন এতে নুন-এ-তাকিদ প্রবেশ করে যেমন: ‘লা তুখসিরান্নি’ (তোমরা হাসাহাসি করো না)। তখন এটি পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়; কারণ নুন এবং ক্রিয়ার মাঝে একটি বিচ্ছেদকারী রয়েছে, আর সেটি হলো দ্বিবচনের আলিফ। আর এই বিচ্ছেদকারীটি উচ্চারিত।
এরই অন্তর্ভুক্ত মহান আল্লাহর বাণী: {এবং তোমরা উভয়ে তাদের পথ অনুসরণ করো না যারা জানে না} (২)। এখানে মুদারে ক্রিয়া ‘তাত্তাবিআন্নি’ মূলত অনুমিত নুন দ্বারা মারফু ছিল পর পর কয়েকটি নুন আসার কারণে; কারণ এটি আলিফের সাথে যুক্ত। আর এখানে নুন-এ-তাকিদ পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়েছে, যেহেতু এখানে ‘দ্বিবচনের আলিফ’ নামক প্রকাশ্য বিচ্ছেদকারী বিদ্যমান। সুতরাং ক্রিয়াটি মু’রাব। এখানে ‘লা’ হলো নিষেধবাচক। আর ‘তাত্তাবিআন্নি’ হলো ‘লা’ এর কারণে মাজযুম মুদারে ক্রিয়া এবং এর জযমের চিহ্ন হলো নুন বিলুপ্ত হওয়া, কারণ এটি ‘আমসিলাতুল খামসাহ’ (পাঁচটি উদাহরণ)-এর অন্তর্ভুক্ত এবং আলিফ হলো ফায়িল (কর্তা)। আর নুন-এ-তাকিদ হলো কাসরা-এর ওপর মাবনি একটি হরফ যার কোনো এ’রাবি স্থান নেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২০)
والفعل (تقومون) - مثلاً - مرفوع بثبوت النون، لاتصاله بواو الجماعة. إذا دخلت عليه نون التوكيد نحو: هل تقومُنَّ بواجبكم؟ فهي غير مباشرة، لأنه فصل بينها وبين الفعل فاصل مقدر، وهو واو الجماعة؛ لأن الأصل: تقومونَنَّ، فحذفت نون الرفع لتوالي الأمثال (نون الرفع ونون التوكيد) فصار (تقومُونَّ) فالتقى ساكنان (واو الجماعة والنون الأولى من نون التوكيد المشددة) فحذفت الواو للتخلص من التقاء الساكنين، ولأن الضمة قبلها دليل عليها، فصار (تقومُنَّ) فهو فعل مضارع مرفوع وعلامة رفعه ثبوت النون المقدّرة، والواو المقدرة لالتقاء الساكنين في محل رفع فاعل.
ومنه قوله تعالى: {* لَتُبْلَوُنَّ فِي أَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ وَلَتَسْمَعُنَّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا أَذًى كَثِيرًا} (1) فالمضارع (لتبلون) ومثله (لتسمعن) مرفوع بالنون المحذوفة، لأن نون التوكيد لم تباشر الفعل فيبنى، لأن واو الجماعة فَصَلَتْ بين الفعل ونون التوكيد، لأن أصله: (تُبلوننَّ) تحركت الواو وانفتح ما قبلها فقلبت ألفاً. ثم حذفت الألف للتقائها ساكنة مع واو الجماعة. ثم حذفت نون الرفع. فالتقى ساكنان (واو الجماعة والنون الأولى من نون التوكيد المشددة) . فحركت واو الجماعة بالضمة تخلصاً من التقاء الساكنين، ولم تحذف لعدم ما يدل عليها، ولم تحذف نون التوكيد لأنه أُتي بها لغرض.
أما في قوله تعالى: (ولتسْمَعُنَّ) فإن واو الجماعة حذفت لالتقاء الساكنين. والضمة قبلها دليل عليها. ومثله قوله تعالى: {وَلَا يَصُدُّنَّكَ عَنْ آَيَاتِ اللَّهِ} (2) . فهما معربان لا مبنيان؛ لأن النون وإن كانت مباشرة للفعل في اللفظ لكنها منفصلة عنه في التقدير.
--------------------------------------------
এবং ক্রিয়া 'তাকুমুনা' (تقومون) - উদাহরণস্বরূপ - নুন-এর স্থায়িত্বের মাধ্যমে মারফূ, কারণ এটি ওয়াও আল-জামাআহ-র সাথে যুক্ত হয়েছে। যখন এতে তাকিদ-এর নুন যুক্ত হয়, যেমন: 'হাল তাকুমুন্না' (هل تقومُنَّ - তোমরা কি অবশ্যই তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে?), তখন এটি সরাসরি যুক্ত হয় না। কারণ এর এবং ক্রিয়াটির মাঝে একটি প্রাক্কলিত ব্যবধানকারী রয়েছে, আর সেটি হলো ওয়াও আল-জামাআহ। কারণ মূল রূপটি ছিল 'তাকুমুনান্না' (تقومونَنَّ), অতঃপর পর্যায়ক্রমিক সদৃশ বর্ণের (রাফ-এর নুন এবং তাকিদ-এর নুন) সমাবেশের কারণে রাফ-এর নুনটি বিলুপ্ত হয়েছে। ফলে তা 'তাকুমুউন্না' (تقومُونَّ) হয়েছে। তখন দুই সাকিন অক্ষর (ওয়াও আল-জামাআহ এবং তাকিদ-এর নুন-এর প্রথম অক্ষর) একত্রিত হয়েছে। তাই দুই সাকিনের একত্র হওয়া থেকে বাঁচার জন্য ওয়াও-টি বিলুপ্ত হয়েছে, আর তার পূর্বের পেশ (যাম্মাহ) সেই ওয়াও-এর অস্তিত্বের প্রমাণ দিচ্ছে। ফলে তা হয়েছে 'তাকুমুন্না' (تقومُنَّ)। সুতরাং এটি একটি ফে'লে মুদারি' মারফূ এবং এর রাফ-এর আলামত হলো উহ্য থাকা নুন, আর প্রাক্কলিত ওয়াও-টি দুই সাকিনের মিলনের কারণে উহ্য এবং তা ফায়িল (কর্তা) হিসেবে রাফ-এর স্থলাভিষিক্ত।
এবং এরই অন্তর্ভুক্ত হলো মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা অবশ্যই তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন নিয়ে পরীক্ষিত হবে এবং তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তী কিতাবধারীদের থেকে ও মুশরিকদের থেকে অনেক কষ্টদায়ক কথা শুনবে।} (১)। এখানে মুদারি' ক্রিয়া 'লা-তুবলাউন্না' (لتبلون) এবং অনুরূপভাবে 'লা-তাসমাউন্না' (لتسمعن) বিলুপ্ত নুন-এর মাধ্যমে মারফূ। কারণ তাকিদ-এর নুন সরাসরি ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়নি যে এটি মাবনি হবে, কেননা ওয়াও আল-জামাআহ ক্রিয়া এবং তাকিদ-এর নুন-এর মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি করেছে। কারণ এর মূল রূপ ছিল: 'তুবলাউনান্না' (تُبلوننَّ); এখানে ওয়াও-টি হরকতযুক্ত এবং তার পূর্বের বর্ণ ফাতহা (যবর) বিশিষ্ট হওয়ায় তা আলিফে রূপান্তরিত হয়েছিল। এরপর ওয়াও আল-জামাআহ-র সাথে সাকিন অবস্থায় মিলিত হওয়ার কারণে আলিফটি বিলুপ্ত হয়েছে। এরপর রাফ-এর নুনটি বিলুপ্ত হয়েছে। ফলে দুই সাকিন অক্ষর (ওয়াও আল-জামাআহ এবং তাকিদ-এর নুন-এর প্রথম অক্ষর) একত্রিত হয়েছে। তাই ওয়াও আল-জামাআহ-কে পেশ (যাম্মাহ) দিয়ে হরকতযুক্ত করা হয়েছে দুই সাকিনের একত্র হওয়া থেকে বাঁচতে, এবং একে বিলুপ্ত করা হয়নি কারণ একে নির্দেশ করার মতো (অন্য কোনো চিহ্ন) অবশিষ্ট ছিল না। আর তাকিদ-এর নুন বিলুপ্ত করা হয়নি কারণ তা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে।
আর মহান আল্লাহর বাণী: 'ওয়া-লা-তাসমাউন্না' (ولتسْمَعُنَّ)-এর ক্ষেত্রে, ওয়াও আল-জামাআহ দুই সাকিনের মিলনের কারণে বিলুপ্ত হয়েছে। আর তার পূর্বের পেশটি তার (ওয়াও-এর) প্রমাণ। অনুরূপ উদাহরণ মহান আল্লাহর বাণী: {এবং তারা যেন তোমাকে আল্লাহর আয়াতসমূহ থেকে বিচ্যুত না করে} (২)। এই দুটিই মু'রাব, মাবনি নয়; কারণ নুন-টি যদিও উচ্চারণে ক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত বলে মনে হয়, কিন্তু প্রাক্কলিত বিচারে তা ক্রিয়া থেকে পৃথক বা ব্যবহিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২১)
وقد تبين من هذه الأمثلة أن ألف الاثنين لا تكون إلا ظاهرة، أما واو الجماعة فقد تكون ظاهرة إذا تعذر تحريك ما قبلها بالضم، وقد تكون مقدرة إذا أمكن حذفها وتحريك ما قبلها بالضم دليلاً عليها.
وأما ياء المخاطبة فنحو: (تقومينَ) فهو مرفوع بثبوت النون؛ لأنه من الأمثلة الخمسة. إذا دخلت عليه نون التوكيد نحو: هل تقومِنَّ بواجبك؟ فهي غير مباشرة؛ لأنه فصل بينها وبين الفعل فاصل مقدر. وهو ياء المخاطبة، لأن الأصل: تقومِينَنَّ فحذفت نون الرفع. فالتقى ساكنان (ياء المخاطبة والنون الأولى المدغمة في نظيرتها) فحذفت الياء للتخلص من التقاء الساكنين، ولوجود كسرة قبلها تدل عليها. فصار (تقومِنَّ) فهو فعل مضارع مرفوع وعلامة رفعه النون المقدّرة لتوالي الأمثال (1) ، وياء المخاطبة المحذوفة للتقاء الساكنين فاعل.
--------------------------------------------
এই উদাহরণগুলো থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, দ্বিবচনের আলিফ সর্বদা প্রকাশ্য থাকে। পক্ষান্তরে বহুবচনের ওয়াও প্রকাশ্য হতে পারে যখন তার পূর্ববর্তী অক্ষরকে দম্মাহ (পেশ) দিয়ে হরকত প্রদান করা অসম্ভব হয়, আর এটি উহ্য হতে পারে যদি একে বিলোপ করা সম্ভব হয় এবং এর প্রমাণ হিসেবে পূর্বের অক্ষরকে দম্মাহ দিয়ে হরকত দেওয়া যায়।
আর সম্বোধিত স্ত্রীলিঙ্গের ইয়া-এর উদাহরণ হলো: (তাকুমিনা)। এটি নুন স্থির থাকার মাধ্যমে মারফু হয়েছে; কারণ এটি 'আল-আমসিলাতুল খামসাহ' (পঞ্চ উদাহরণ)-এর অন্তর্ভুক্ত। যখন এতে তাকিদের নুন যুক্ত হয়, যেমন: 'হাল তাকুমিন্না বি-ওয়াজিবিক?' (তুমি কি অবশ্যই তোমার দায়িত্ব পালন করবে?), তখন এটি সরাসরি ক্রিয়ার সাথে যুক্ত নয়; কারণ নুন এবং ক্রিয়ার মাঝখানে একটি উহ্য ব্যবধানকারী রয়েছে। আর সেটি হলো সম্বোধিত স্ত্রীলিঙ্গের ইয়া, কারণ এর মূল রূপ ছিল: 'তাকুমিনান্না'। অতঃপর রাফ্-এর নুনটিকে বিলোপ করা হয়েছে। ফলে দু’টি সাকিন একত্রিত হয়েছে (সম্বোধিত স্ত্রীলিঙ্গের ইয়া এবং প্রথম নুন যা তার সমজাতীয় নুনের সাথে সন্ধি বা ইদগাম করা হয়েছে)। সুতরাং দু’টি সাকিন একত্রিত হওয়া থেকে বাঁচতে ইয়া-টিকে বিলোপ করা হয়েছে, এবং এর পূর্বে একটি কাসরাহ (জের) বিদ্যমান থাকায় যা সেই ইয়া-এর প্রতি ইঙ্গিত করে। ফলে শব্দটি হয়েছে (তাকুমিন্না)। সুতরাং এটি একটি মারফু বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর মারফু হওয়ার চিহ্ন হলো সমজাতীয় অক্ষরের আধিক্যের কারণে (১) উহ্য নুন, আর দুই সাকিন একত্রিত হওয়ার কারণে বিলুপ্ত হওয়া সম্বোধিত স্ত্রীলিঙ্গের ইয়া হলো এর ফায়েল (কর্তা)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২২)
ومنه قوله تعالى: {فَإِمَّا تَرَيِنَّ مِنَ الْبَشَرِ أَحَدًا فَقُولِي إِنِّي نَذَرْتُ لِلرَّحْمَنِ صَوْمًا} (1) فالمضارع (ترين) أصله: تَرْأيينَنَّ. فنقلت حركة الهمزة إلى الراء بعد حذف السكون. وحذفت الهمزة تخفيفاً فصار: تَرَيينَنَّ. ثم حذفت نون الرفع للجازم وهو (أن الشرطية المدغمة في (ما) الزائدة) فصار: تريينَّ. ثم قلبت الياء الأولى ألفاً لتحركها وانفتاح ما قبلها فصال: ترايْنَّ. فالتقى ساكنان (الألف وياء المخاطبة) فحذفت الألف فصار: تَرَيْنَّ. فالتقى ساكنان. (ياء المخاطبة ونون التوكيد) فحركت الياء بالكسرة إذ لا يجوز حذفها لعدم وجود كسرة قبلها تدل عليها. فصار: تَرَيِنَّ، فهو فعل مضارع مجزوم وعلامة جزمه حذف النون. وياء المخاطبة فاعل، والنون للتوكيد، ومن المثالين تبين أن ياء المخاطبة قد تكون ظاهرة إذا تعذر تحريك ما قبلها بالكسر، وقد تكون مقدرة إذا أمكن حذفها وتحريك ما قبلها بالكسر.
الحالة الثانية من أحوال المضارع: الإعراب. وإليها أشار بقوله: (ويعرب فيما عدا ذلك) . فيعرب المضارع في مسألتين: -
الأولى: ألا تتصل به نون الإناث ولا نون التوكيد نحو: العاقل يسمع النصيحة. فـ (يسمع) فعل مضارع مرفوع لتجرده من الناصب والجازم (2) . وعلامة رفعه الضمة الظاهرة. وسيأتي تفصيل الكلام في إعراب المضارع إن شاء الله.
الثانية: أن تتصل به نون التوكيد غير المباشرة. نحو. أنتم تسمعُنَّ النصيحة. وتقدم إعراب ذلك وبيانه.
(الحرف وما يتعلق به)
قوله: (وأَمَّا الحَرْف فَيُعْرَفُ بَأَنْ لَا يَقْبَلَ شَيئاً مِنْ عَلَامَاتِ الاسْمِ والْفِعْلِ نَحْوُ هَلْ وَبَلْ) .
--------------------------------------------
এবং এর উদাহরণ হলো মহান আল্লাহর বাণী: {সুতরাং তুমি যদি মানুষের মধ্য থেকে কাউকে দেখ, তবে বলো: আমি দয়াময় আল্লাহর জন্য রোজা মানত করেছি} (১)। এখানে বর্তমানকালীন ক্রিয়া (তারায়িন্না) এর মূল রূপ হলো: তার-আয়ীনান্না। অতঃপর সুকুন বিলুপ্ত করার পর হামযাহ-এর হরকতকে রা-এর দিকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আর উচ্চারণের সহজতার জন্য হামযাহকে বিলুপ্ত করা হয়েছে, ফলে তা হয়েছে: তারায়ীনান্না। অতঃপর জাযেম-এর কারণে মারফু হওয়ার নুনটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, আর এখানে জাযেম হলো (মা যায়েদাহ বা অতিরিক্ত 'মা'-এর সাথে সন্ধিযুক্ত শর্তবাচক 'ইন'), ফলে তা হয়েছে: তারায়িন্না। এরপর প্রথম ইয়া-টি আলিফে রূপান্তরিত হয়েছে তার হরকতযুক্ত হওয়া এবং তার পূর্ববর্তী বর্ণে ফাতহা থাকার কারণে, ফলে তা হয়েছে: তারা-ইন্না। তখন দুটি সাকিন বর্ণ (আলিফ এবং সম্বোধনের ইয়া) একত্রিত হয়েছে, ফলে আলিফটি বিলুপ্ত হয়ে হয়েছে: তারা-ইন্না। এরপর পুনরায় দুটি সাকিন বর্ণ একত্রিত হয়েছে (সম্বোধনের ইয়া এবং তাকিদের নুন)। তখন ইয়া-কে কাসরা (জের) দিয়ে হরকতযুক্ত করা হয়েছে, কারণ তার পূর্বে কোনো কাসরা না থাকায় তা বিলুপ্ত করা বৈধ ছিল না। তাই এটি হয়েছে: তারায়িন্না। সুতরাং এটি একটি মাজযুম বর্তমানকালীন ক্রিয়া এবং এর জাযম-এর চিহ্ন হলো নুন বিলুপ্ত হওয়া। আর সম্বোধনের ইয়া-টি হলো কর্তা, এবং নুন-টি তাকিদের জন্য। এই দুটি উদাহরণ থেকে স্পষ্ট হলো যে, সম্বোধনের ইয়া প্রকাশ্য হতে পারে যদি তার পূর্ববর্তী বর্ণকে কাসরা দিয়ে হরকতযুক্ত করা অসম্ভব হয়, আর তা উহ্য হতে পারে যদি তাকে বিলুপ্ত করা এবং তার পূর্ববর্তী বর্ণকে কাসরা দ্বারা হরকতযুক্ত করা সম্ভব হয়।
বর্তমানকালীন ক্রিয়ার অবস্থাসমূহের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থা: রূপান্তরশীলতা (ইরাব)। লেখক তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে সেদিকেই ইঙ্গিত করেছেন: (এবং এগুলো ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে তা রূপান্তরশীল হয়)। সুতরাং দুটি ক্ষেত্রে বর্তমানকালীন ক্রিয়া রূপান্তরশীল হয়: -
প্রথমত: যখন তার সাথে স্ত্রীবাচক বহুবচনের নুন বা তাকিদের নুন যুক্ত হয় না। যেমন: বুদ্ধিমান ব্যক্তি উপদেশ শ্রবণ করে। এখানে (শ্রবণ করে) শব্দটি মারফু বর্তমানকালীন ক্রিয়া, কারণ তা নসব প্রদানকারী এবং জাযম প্রদানকারী আমেল থেকে মুক্ত (২)। আর এর রাফার চিহ্ন হলো প্রকাশ্য পেশ। ইনশাআল্লাহ বর্তমানকালীন ক্রিয়ার রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসবে।
দ্বিতীয়ত: যখন তার সাথে পরোক্ষ তাকিদের নুন যুক্ত হয়। যেমন: তোমরা অবশ্যই উপদেশ শ্রবণ করবে। এর রূপান্তর এবং ব্যাখ্যা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(হরফ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ)
লেখকের বক্তব্য: (আর হরফ বা অব্যয় চেনা যায় এই বৈশিষ্ট্যের দ্বারা যে, এটি বিশেষ্য কিংবা ক্রিয়ার কোনো চিহ্ন গ্রহণ করে না, যেমন: হাল এবং বাল)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
لما فرغ المصنف من القول في الاسم والفعل، شرع في الكلام على الحرف، فذكر أنه يعرف بأنه لا يقبل شيئاً من علامات الاسم ولا علامات الفعل، نحو: (هل) و (بل) . فعلامة الحرف عدمية. وهي كونه لا يقبل شيئاً من علامات الاسم ولا شيئاً من علامات الفعل.
قوله: (ولَيْسَ مِنْهُ (مَهْمَا) و (إِذْ ما) ، بَلْ (ما) المَصْدَرِيَّةُ و (لَمَّا) الرَّابِطَة في الأَصَحِّ) .
هذا في بيان أن هذه الكلمات الأربع مختلف في اسميتها وحرفيتها.
فأما (مهما) فهي اسم شرط جازم على الأرجح. والدليل على اسميتها قوله تعالى: {وَقَالُوا مَهْمَا تَأْتِنَا بِهِ مِنْ آَيَةٍ} (1) فـ (الهاء) من (به) عائدة على (مهما) . والضمير لا يعود إلا على الأسماء. (2)
وأما (إذ ما) فهي اسم شرط جازم - كذلك - على ما رجحه المصنف. وتفيد الزمان مثل: (متى) لأنها قبل دخول (ما) اسم. والأصل بقاء الشيء على ما كان عليه. نحو: إذ ما تقم أقم.
وقيل: إنها حرف بمنزلة (إن) الشرطية وهذا هو الأصح، كما ذكر المصنف نفسه في (أوضح المسالك) . وسنذكر ذلك - إن شاء الله - في جوازم المضارع.
--------------------------------------------
যখন গ্রন্থকার ইসম (বিশেষ্য) এবং ফিল (ক্রিয়া) সম্পর্কে আলোচনা শেষ করলেন, তখন তিনি হরফ (অব্যয়) নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, হরফকে এভাবে চেনা যায় যে, এটি ইসমের কোনো আলামত (চিহ্ন) বা ফিলের কোনো আলামত গ্রহণ করে না। যেমন: (হাল) এবং (বাল)। সুতরাং হরফের আলামত হলো অভাবাত্মক; আর তা হলো ইসম বা ফিলের কোনো আলামতই গ্রহণ না করা।
তাঁর উক্তি: "(মাহমা) এবং (ইজ মা) এর অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অধিকতর বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী (মা) মাসদারিইয়াহ এবং (লাম্মা) রাবিতাহ এর অন্তর্ভুক্ত।"
এটি এই বর্ণনায় যে, এই চারটি শব্দের ইসম হওয়া বা হরফ হওয়া সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে।
তবে (মাহমা) এর ক্ষেত্রে কথা হলো, এটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য মত অনুযায়ী 'ইসম শর্ত জাযিম' (শর্তবাচক বিশেষ্য যা পরবর্তী শব্দকে জযম প্রদান করে)। এর ইসম হওয়ার দলিল হলো মহান আল্লাহর বাণী: {এবং তারা বলল, তুমি আমাদের কাছে তা নিয়ে যে কোনো নিদর্শনই নিয়ে আসো...} (১)। এখানে (বিহি) এর 'হা' যমীরটি (সর্বনাম) (মাহমা) এর দিকে ফিরেছে। আর যমীর কেবল ইসমের দিকেই ফিরে থাকে। (২)
আর (ইজ মা) এর ব্যাপারে কথা হলো, গ্রন্থকারের প্রাধান্য দেয়া মত অনুযায়ী এটিও 'ইসম শর্ত জাযিম'। এটি (মাতা) এর মতো সময়ের অর্থ প্রদান করে; কারণ (মা) যুক্ত হওয়ার আগে এটি ইসম ছিল। আর মূল নিয়ম হলো কোনো বিষয় যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় তা অবশিষ্ট থাকা। উদাহরণ: 'ইজ মা তাকুম আকুম' (যখনই তুমি দাঁড়াবে, আমি দাঁড়াব)।
আর বলা হয়েছে যে: এটি 'ইন' শর্তিইয়ার ন্যায় একটি হরফ এবং এটিই অধিকতর বিশুদ্ধ মত, যেমনটি গ্রন্থকার নিজে 'আওদাহুল মাসালিক' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইনশাআল্লাহ আমরা এটি মুদারে-কে জযম প্রদানকারী বিষয়সমূহের আলোচনায় উল্লেখ করব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وأما (ما) المصدرية: فهي التي تسبك مع ما بعدها بمصدر، نحو: سرني ما فعلت. أي: سرني فعلك. وهي حرف على الأصح بمنزلة (أن) المصدرية. (1)
وأما (لما) فإن كانت نافية فهي حرف جزم بمنزلة (لم) وإن كانت إيجابية فهي بمنزلة (إلا) وهي في هذين المعنيين حرف باتفاق.
مثال النافية: لما تشرق الشمس، أي: لم تشرق الشمس. ومثال الإيجابية قوله تعالى: {إِنْ كُلُّ نَفْسٍ لَمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ (4) } (2) أي: إلا عليها حافظ. فَ (إِنْ) نافية و (كل) مبتدأ و (لما) حرف للحصر مبني على السكون (عليها) خبر مقدم (حافظ) مبتدأ مؤخر. والجملة خبر (كل) .
وأما (لما) الرابطة التي بمعنى: حين أو إذا. وتفيد وجود شيء لوجود آخر. فهي حرف على الأصح. نحو: لما جاءني أكرمته. والدليل على حرفيتها جواز أن يقال: لما أكرمتني أمس أكرمتك اليوم. لأنها إذا قدرت ظرفاً - كما يقول بعض النحاة - فلابد لها من عامل يعمل في محلها النصب. وكون العامل (أكرمتني) مردود بأن القائلين بأنها اسم يزعمون أنها مضافة إلى ما يليها، والمضاف إليه لا يعمل في المضاف. وكون العامل (أكرمتك) مردود - أيضاً - لأن الواقع في اليوم لا يكون في الأمس.
والقول الثاني: أن (لما) الرابطة اسم، وهي ظرف زمان. والناصب لها جوابها. (3)
--------------------------------------------
আর মাসদারিয়া (মা) সম্পর্কে কথা হলো: এটি তার পরবর্তী অংশের সাথে মিলিত হয়ে একটি মাসদার (ক্রিয়ামূল) হিসেবে গঠিত হয়। যেমন: ‘তুমি যা করেছো তা আমাকে আনন্দিত করেছে’। অর্থাৎ: ‘তোমার কাজ আমাকে আনন্দিত করেছে’। বিশুদ্ধতম মতানুসারে এটি মাসদারিয়া ‘আন’-এর ন্যায় একটি হরফ (অব্যয়)। (১)
আর ‘লাম্মা’ সম্পর্কে কথা হলো, যদি এটি না-বাচক (নাফিয়্যাহ) হয়, তবে তা ‘লাম’-এর ন্যায় একটি জযম প্রদানকারী হরফ। আর যদি এটি ইতিবাচক বা সাব্যস্তকারী (ঈজাবিয়্যাহ) হয়, তবে তা ‘ইল্লা’-এর ন্যায়। এই উভয় অর্থে এটি সর্বসম্মতভাবে একটি হরফ।
না-বাচকের উদাহরণ: ‘সূর্য এখনো উদিত হয়নি’, অর্থাৎ: ‘সূর্য উদিত হয়নি’। আর ইতিবাচক বা সাব্যস্তকারীর উদাহরণ হলো মহান আল্লাহর বাণী: {প্রত্যেক সত্তার ওপর অবশ্যই একজন সংরক্ষণকারী রয়েছে (৪)} (২) অর্থাৎ: ‘ইল্লা আলাইহা হাফিজ’ (কেবলমাত্র তার উপর একজন সংরক্ষণকারী রয়েছে)। এখানে ‘ইন’ হলো না-বাচক, ‘কুল্লু’ হলো মুবতাদা (উদ্দেশ্য), ‘লাম্মা’ হলো হসর বা সীমাবদ্ধকরণের হরফ যা সুকুনযুক্ত, ‘আলাইহা’ হলো খবর মুকাদ্দাম (পূর্ববর্তী বিধেয়) এবং ‘হাফিজ’ হলো মুবতাদা মুয়াখখার (পরবর্তী উদ্দেশ্য)। আর পুরো বাক্যটি ‘কুল্লু’-এর খবর।
আর রাবিতা (সংযোজক) ‘লাম্মা’ যা ‘হীনা’ বা ‘ইযা’ (যখন) অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একটি বিষয়ের উপস্থিতির কারণে অন্য একটি বিষয়ের উপস্থিতি বুঝায়, তা বিশুদ্ধতম মতানুসারে একটি হরফ। যেমন: ‘সে যখন আমার নিকট এলো, আমি তাকে সম্মান করলাম’। এটি হরফ হওয়ার দলিল হলো এ কথা বলা বৈধ হওয়া: ‘তুমি গতকাল যখন আমাকে সম্মান করেছিলে, আমি আজ তোমাকে সম্মান করছি’। কেননা যদি একে যরফ (ক্রিয়া বিশেষণ) ধরা হয়—যেমনটি কোনো কোনো বৈয়াকরণ বলেন—তবে এর নসব (নصب) প্রদান করার জন্য অবশ্যই একটি আমেল বা প্রভাবকের প্রয়োজন হবে। আর ‘আকরামতানি’ (তুমি আমাকে সম্মান করেছিলে) আমেল হওয়া প্রত্যাখ্যাত, কারণ যারা একে ইসম বা বিশেষ্য বলেন তারা দাবি করেন যে এটি তার পরবর্তী অংশের দিকে মুদাফ (সম্বন্ধযুক্ত) হয়, আর মুদাফ ইলাইহি (সম্বন্ধপদ) কখনো মুদাফ-এর ওপর আমল (প্রভাব বিস্তার) করতে পারে না। আবার ‘আকরামতুকা’ (আমি তোমাকে সম্মান করছি) আমেল হওয়াও প্রত্যাখ্যাত—কারণ আজকের ঘটনা গতকালের মধ্যে সংঘটিত হতে পারে না।
দ্বিতীয় মতটি হলো: রাবিতা ‘লাম্মা’ একটি ইসম বা বিশেষ্য এবং এটি যরফে জামান (কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ)। আর এর নসব প্রদানকারী হলো এর জবাব বা উত্তর অংশ। (৩)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قوله: (وجمِيعُ الحُرُوفِ مَبْنِيَّةٌ) هذا في بيان حكم الحرف. وهو أن الحرف مبني لاستغنائه عن الإعراب. لأن الحرف لا يتوارد عليه معانٍ (1) يحتاج في التمييز بينها إلى إعراب، كما في الاسم. فالتبعيض مستفاد من الحرف (من) في مثل: أخذت من الدراهم. بدون حاجة إلى إعراب.
تعريف الكلام
قوله: (وَالْكَلَامُ لَفْظٌ مُفِيدٌ) لما أنهى المصنف رحمه الله القول في الكلمة وأقسامها، شرع في تفسير الكلام، وقدم الكلمة لأنها جزء والجزء مقدم على الكل. ومن يبدأ بتفسير الكلام فلأنه المقصود بالذات، ولأنه الذي يقع به التفاهم والتخاطب بخلاف الكلمة.
وعرف الكلام بقوله: (لفظ مفيد) واللفظ هو: الصوت المشتمل على بعض الحروف الهجائية تحقيقاً كـ (زيد) فإنه لفظ، لأنه صوت مشتمل على بعض الحروف وهي الزاي والياء والدال. أو تقديراً كالضمير المستتر في نحو: اكتب. المقدر بقولك: أنت. ويخرج بـ (اللفظ) الكتابة والإشارة ونحوهما فإنها ليست كلاماً عند النحاة.
وقوله (مُفِيدٌ) أي يصح الاكتفاء به. نحو: القراءة مفيدة. فهذا كلام. لأنه لفظ يصح الاكتفاء به. لأن السامع لا ينتظر شيئاً آخر يتوقف عليه تمام الكلام. ويحسن - أيضًا - سكوت المتكلم. والمفيد بهذا المعنى يستلزم التركيب. (2)
ويخرج بذلك غير المفيد نحو: كتاب خالد. من غير إسناد شيء إليه، ونحو: إن حضر صالح، فإن تمام الفائدة فيه يتوقف على ذكر الخبر في الأول وجواب الشرط في الثاني، فكل واحد من المثالين لا يسمى كلاماً عند النحاة.
--------------------------------------------
তাঁর উক্তি: (এবং সকল হরফ মাবনি) এটি হরফ বা অব্যয়ের বিধান বর্ণনা প্রসঙ্গে। তা হলো, হরফ মাবনি হয়, কারণ এর ই’রাবের (বিভক্তি) প্রয়োজন নেই। কেননা হরফের ক্ষেত্রে এমন কোনো অর্থ (১) আসে না যার পার্থক্যের জন্য ই’রাবের প্রয়োজন হয়, যেমনটি বিশেষ্যের (ইসম) ক্ষেত্রে হয়। উদাহরণস্বরূপ: 'আমি কিছু দিরহাম গ্রহণ করেছি' বাক্যে 'মিন' হরফটি থেকে আংশিকতার অর্থ বোঝা যায় কোনো ই’রাবের প্রয়োজন ছাড়াই।
কালামের সংজ্ঞা
তাঁর উক্তি: (কালাম হলো অর্থপূর্ণ লফজ) লেখক (রহিমাহুল্লাহ) যখন কালিমা ও তার প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা শেষ করলেন, তখন তিনি কালামের ব্যাখ্যা শুরু করলেন। তিনি কালিমাকে আগে এনেছেন কারণ কালিমা হলো অংশ, আর অংশ পূর্ণের চেয়ে অগ্রগণ্য। আর যারা কালামের ব্যাখ্যা দিয়ে শুরু করেন, তাদের যুক্তি হলো যে এটিই মূলত উদ্দেশ্য, এবং এর মাধ্যমেই পারস্পরিক বুঝাপড়া ও কথোপকথন সম্পন্ন হয়, যা কালিমার ক্ষেত্রে হয় না।
তিনি কালামের সংজ্ঞা দিয়ে বলেছেন: (অর্থপূর্ণ লফজ)। আর লফজ হলো: এমন শব্দ যা প্রকৃতপক্ষে কিছু বর্ণমালার অক্ষরকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেমন: 'যায়েদ'। এটি একটি লফজ, কারণ এটি এমন একটি শব্দ যা যা, ইয়া এবং দাল অক্ষরের সমন্বয়ে গঠিত। অথবা উহ্যভাবে অন্তর্ভুক্ত করে, যেমন: 'লেখ' (উক্তুব) ক্রিয়ার মধ্যে উহ্য থাকা সর্বনাম, যা 'তুমি' (আনতা) হিসেবে ধরা হয়। 'লফজ' শব্দটির মাধ্যমে লিখনী, ইশারা এবং এ জাতীয় বিষয়গুলো বাদ পড়ে যায়, কারণ ব্যাকরণবিদদের নিকট সেগুলো কালাম নয়।
এবং তাঁর উক্তি (অর্থপূর্ণ) অর্থাৎ যার দ্বারা ক্ষান্ত হওয়া সঠিক হয়। যেমন: 'পড়া উপকারী'। এটি একটি কালাম। কারণ এটি এমন একটি লফজ যা দ্বারা ক্ষান্ত হওয়া সঠিক। কেননা শ্রোতা অন্য কোনো কিছুর জন্য অপেক্ষা করে না যার ওপর বাক্যের পূর্ণতা নির্ভর করে। এক্ষেত্রে বক্তার চুপ থাকাও সমীচীন হয়। আর এই অর্থের অর্থপূর্ণ হওয়ার জন্য বাক্যটি গঠিত হওয়া আবশ্যক। (২)
এর মাধ্যমে অর্থহীন বা অসম্পূর্ণ বিষয়গুলো বাদ পড়ে যায়, যেমন: 'খালেদের বই'। এখানে কোনো কিছুর সম্বন্ধ করা হয়নি। অথবা যেমন: 'যদি সালেহ উপস্থিত হয়'। কারণ প্রথম উদাহরণের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পাওয়া খবরের ওপর এবং দ্বিতীয়টির অর্থ শর্তের জবাবের ওপর নির্ভর করে। তাই ব্যাকরণবিদদের নিকট এই উদাহরণ দুটির কোনোটিকেই কালাম বলা হয় না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
قوله: (وَأقَلُّ ائِتِلافِهِ مِنَ اسْمَيْنِ كَـ (زَيْدٌ قائمٌ) أَوْ فِعْلِ واسْمِ كَـ (قَامَ زَيْدٌ)) .
لما ذكر أن التركيب الذي يفيد فائدة تامة يسمى (كلامًا) ذكر أن أقل ما يتألف منه الكلام المفيد هو: اسمان، أو فعل واسم، نحو: الحياة متاع. فهذا التركيب تألف من اسمين أحدهما: (الحياة) والثاني (متاع) ، ولو أخذنا كل كلمة على حدة لم نفهم إلا معنى مفرداً لا يكفي للتخاطب.
ونحو: استفاد الطالب. تركيب مولَّف من فعل وهو (استفاد) واسم وهو (الطالب) ، وقد يتألف الكلام من أكثر من ذلك. (1)
أنواع الإعراب وعلاماتهقوله: ((فَصْلٌ) أَنْوَاعُ الإِعْرَابِ أَرْبَعَةٌ: رفْعٌ ونَصْبٌ في اسْمِ وفِعْلٍ نَحْوُ زَيْدٌ يَقُومُ، وإِنَّ زَيْداً لَنْ يَقُومَ، وجَرٌّ في اسْمٍ نحْوُ بِزَيْدٍ، وجَزْمٌ في فِعْلٍ نَحْوُ لَمْ يَقُمْ، فَيُرْفَعُ بضَمَّةٍ ويُنْصَبُ بِفَتْحَةٍ ويُجَرُّ بِكَسْرَةٍ ويُجْزَمُ بَحَذْفِ حَرَكَة) .
قوله: (فَصْلٌ) الفصل: قطعة من الباب مستقلة بنفسها منفصلة عما سواها تشتمل على مسائل - غالباً - والباب أعم من الفصل؛ لأنه اسم لجملة مختصة من العلم تشتمل على فصول ومسائل أيضاً.
وقوله: (أَنْوَاعُ الإِعْرَابِ أَرْبَعَةٌ) : الإعراب أثر ظاهر أو مقدر، يجلبه العامل في آخر الكلمة.
والمراد بالأثر: الحركة من ضمة أوفتحة أو كسرة. أو حذفها وهو السكون.
وقولنا: (ظاهر أو مقدر) يبين أن الإعراب نوعان:
--------------------------------------------
তাঁর কথা: (আর এর ন্যূনতম গঠন হচ্ছে দুটি বিশেষ্য দ্বারা গঠিত হওয়া, যেমন— (জায়েদ দণ্ডায়মান), অথবা একটি ক্রিয়া ও একটি বিশেষ্য দ্বারা, যেমন— (জায়েদ দাঁড়ালো))।
যখন তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যে শব্দগঠন পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে তাকে (কালাম) বলা হয়, তখন তিনি এও উল্লেখ করেছেন যে, অর্থবহ কালাম গঠিত হওয়ার ন্যূনতম উপকরণ হলো: দুটি বিশেষ্য, অথবা একটি ক্রিয়া ও একটি বিশেষ্য। উদাহরণস্বরূপ: জীবন হলো সম্বল। এই গঠনটি দুটি বিশেষ্য দ্বারা গঠিত হয়েছে, যার একটি হলো (জীবন) এবং দ্বিতীয়টি হলো (সম্বল)। আমরা যদি প্রতিটি শব্দকে আলাদাভাবে গ্রহণ করি, তবে আমরা কেবল একক অর্থই বুঝতে পারব, যা ভাব বিনিময়ের জন্য যথেষ্ট নয়।
উদাহরণস্বরূপ: ছাত্রটি উপকৃত হয়েছে। এটি একটি ক্রিয়া—যা হলো (উপকৃত হয়েছে) এবং একটি বিশেষ্য—যা হলো (ছাত্রটি) দ্বারা গঠিত একটি বাক্য। আর কালাম বা বাক্য এর চেয়ে অধিক শব্দ দ্বারাও গঠিত হতে পারে। (১)
ই’রাবের প্রকারভেদ ও এর চিহ্নসমূহতাঁর কথা: ((পরিচ্ছেদ) ই’রাবের প্রকার চারটি: রাফ’ ও নাসাব—বিশেষ্য ও ক্রিয়া উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন— জায়েদ দাঁড়াচ্ছে এবং নিশ্চয়ই জায়েদ কখনোই দাঁড়াবে না; এবং জার—বিশেষ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন— জায়েদ দ্বারা; এবং জাযম—ক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন— সে দাঁড়ায়নি। সুতরাং পেশ দ্বারা রাফ’ প্রদান করা হয়, যবর দ্বারা নাসাব প্রদান করা হয়, যের দ্বারা জার প্রদান করা হয় এবং হরকত বিলোপের দ্বারা জাযম প্রদান করা হয়)।
তাঁর কথা: (পরিচ্ছেদ) পরিচ্ছেদ হলো: কোনো অধ্যায়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ যা নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং অন্য অংশ থেকে পৃথক, যা সাধারণত বিভিন্ন মাসআলা বা বিষয়বস্তুকে অন্তর্ভুক্ত করে। আর অধ্যায় পরিচ্ছেদ অপেক্ষা ব্যাপকতর; কারণ এটি ইলমের এমন এক বিশেষ সমষ্টির নাম যা পরিচ্ছেদ ও মাসআলাসমূহকেও অন্তর্ভুক্ত করে।
এবং তাঁর কথা: (ই’রাবের প্রকার চারটি): ই’রাব হলো এমন এক প্রকাশ্য বা উহ্য প্রভাব, যা আমেল বা প্রভাবক শব্দের শেষে আনয়ন করে।
আর প্রভাব দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: পেশ, যবর অথবা যের রূপী হরকত; অথবা তা বিলোপ করা যা হলো সুকুন।
আর আমাদের কথা: (প্রকাশ্য বা উহ্য) এটি স্পষ্ট করে যে ই’রাব দুই প্রকার:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
1- الإعراب الظاهر: وهو الأصل نحو: يفوز المؤمن بثواب الله. فـ (يفوز) فعل مضارع مرفوع بضمة ظاهرة. و (المؤمن) فاعل مرفوع بضمة ظاهرة و (ثواب) مجرور بكسرة ظاهرة.
2-الإعراب التقديري: نحو: الفوضى مفسدة للأعمال. فـ (الفوضى) مبتدأ مرفوع بضمة مقدرة على الألف منع من ظهورها التعذر (1) . و (مفسدة) خبر، وسيأتي إن شاء الله تفصيل ذلك.
وأنواع الإعراب أربعة: الرفع والنصب والجر والجزم. وهي بالنسبة للأسماء والأفعال ثلاثة أقسام:
1-قسم تشترك فيه الأسماء والأفعال (2) ، وهو الرفع والنصب نحو: إن المؤمنَ لن يخونَ، العاقلُ يطيعُ أمَّهُ.
2-قسم تختص به الأسماء وهو الجر نحو: نظرت إلى الكعبة.
3-قسم تختص به الأفعال. وهو الجزم نحو: لم يحضر أحد.
وقوله: (فَيُرْفَعُ بضَمَّةٍ ويُنْصَبُ بِفَتْحَةٍ ويُجَرُّ بِكَسْرَةٍ ويُجْزَمُ بِحَذْفِ حَرَكَة) .
أي: أن هذه الأنواع الأربعة للإعراب لها علامات تدل عليها وهي ضربان:
1-علامات أصلية.
2-علامة فرعية.
فذكر هنا العلامات الأصلية وهي أربعة: -
1-الضمة للرفع.
2-الفتحة للنصب.
3-الكسرة للجر.
4-حذف الحركة للجزم، ويقال: السكون. أو الوقف. (3) وأمثلتها واضحة.
الإعراب بالعلامات الفرعية
1-الأسماء الستة
--------------------------------------------
১- প্রকাশ্য ই'রাব (বিশ্লেষণ): আর এটিই হলো মূল ভিত্তি, যেমন: "ইয়াফুযুল মু'মিনু বি-সাওয়াবিল্লাহ" (ঈমানদার আল্লাহর পুরস্কারের মাধ্যমে সফল হয়)। এখানে (ইয়াফুযু) শব্দটি প্রকাশ্য যম্মাহ (পেশ) দ্বারা মারফু' মুদারি' (বর্তমান/ভবিষ্যৎকাল) ক্রিয়া। আর (আল-মু'মিনু) শব্দটি প্রকাশ্য যম্মাহ দ্বারা মারফু' কর্তা (ফায়েল) এবং (সাওয়াব) শব্দটি প্রকাশ্য কাসরাহ (যের) দ্বারা মাজরুর।
২-উহ্য ই'রাব: যেমন: "আল-ফাওদা মুফসিদাতুন লিল-আ'মাল" (বিশৃঙ্খলা কর্মের জন্য ধ্বংসাত্মক)। এখানে (আল-ফাওদা) শব্দটি আলিফের ওপর উহ্য যম্মাহ দ্বারা মারফু' মুবতাদা (উদ্দেশ্য), যা প্রকাশ পেতে বাধা দিয়েছে 'তা'আযযুর' বা অক্ষমতা (১)। আর (মুফসিদাতুন) শব্দটি হলো খবর (বিধেয়), এবং ইনশাআল্লাহ এর বিস্তারিত বর্ণনা সামনে আসবে।
ই'রাবের প্রকারভেদ চারটি: রাফ' (পেশ), নাসব (যবর), জার (যের) এবং জাযম (সুকুন)। বিশেষ্য (ইসম) ও ক্রিয়ার (ফেল) ক্ষেত্রে এগুলো তিনভাগে বিভক্ত:
১-এমন একটি ভাগ যাতে বিশেষ্য ও ক্রিয়া উভয়ই অংশীদার (২), আর তা হলো রাফ' ও নাসব। যেমন: "ইন্নাল মু'মিনা লান ইয়াখুনা" (নিশ্চয়ই ঈমানদার কখনো বিশ্বাসভঙ্গ করবে না), "আল-আকিলু ইউতিউ উম্মাহু" (বিচক্ষণ ব্যক্তি তার মায়ের আনুগত্য করে)।
২-এমন একটি ভাগ যা বিশেষ্যের জন্য নির্দিষ্ট, আর তা হলো জার। যেমন: "নাযারতু ইলাল কাবাতি" (আমি কাবার দিকে তাকালাম)।
৩-এমন একটি ভাগ যা ক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট, আর তা হলো জাযম। যেমন: "লাম ইয়াহদুর আহাদুন" (কেউ উপস্থিত হয়নি)।
এবং লেখকের কথা: (সুতরাং যম্মাহর মাধ্যমে রাফ' করা হবে, ফাতহার মাধ্যমে নাসব করা হবে, কাসরাহর মাধ্যমে জার করা হবে এবং হরকত বিলুপ্তির মাধ্যমে জাযম করা হবে)।
অর্থাৎ: ই'রাবের এই চারটি প্রকারের জন্য এমন কিছু চিহ্ন রয়েছে যা এগুলোর ওপর নির্দেশ করে, আর সেগুলো দুই প্রকার:
১-মূল চিহ্নসমূহ।
২-শাখা চিহ্নসমূহ।
তিনি এখানে মূল চিহ্নসমূহ উল্লেখ করেছেন এবং তা চারটি: -
১-রাফ'-এর জন্য যম্মাহ (পেশ)।
২-নাসব-এর জন্য ফাতহা (যবর)।
৩-জার-এর জন্য কাসরাহ (যের)।
৪-জাযম-এর জন্য হরকত বিলুপ্তি, যাকে সুকুন বা ওয়াকফও বলা হয়। (৩) এগুলোর উদাহরণ সুস্পষ্ট।
শাখা চিহ্নসমূহের মাধ্যমে ই'রাব
১-ছয়টি বিশেষ্য (আসমায়ে সিত্তা)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৮)
قوله: (إلا الأسمَاءَ السِّتَّةَ وهِيَ أَبُوهُ وأَخُوهُ وحَمُوهَا وهَنُوهُ وفُوهُ وذُو مَالٍ، فتُرْفَعُ بِالْوَاوِ وتُنْصَبُ بِالألِفِ وتُجَرُّ بِالْيَاءِ، والأَفَصَحُ اسْتِعْمَالُ (هَنٍ) كَغَدٍ) .
شرع المصنف رحمه الله في الكلام على الضرب الثاني من علامات الإعراب. وهي العلامات الفرعية. وهي واقعة في سبعة أبواب:
1-الأسماء.
2-المثنى.
3-جمع المذكر السالم.
4-جمع المؤنث السالم.
5-ما لا ينصرف.
6-الأمثلة الخمسة.
7-الفعل المضارع المعتل الآخر.
وقوله: (الأسماءَ الستةَ) بالنصب على الاستثناء. وكذا ما عطف عليه من المثنى وغيره مما سيذكره بعد ذلك.
وبدأ بالأسماء الستة (1) فذكر أنها ترفع بالواو نيابة عن الضمة كقوله تعالى: {وَأَبُونَا شَيْخٌ كَبِيرٌ} (2) فـ (أبو) مبتدأ مرفوع بالابتداء وعلامة رفعه الواو نيابة عن الضمة و (نا) مضاف إليه. و (شيخ) خبر المبتدأ مرفوع بالمبتدأ (كبير) صفة.
وتنصب بالألف نيابة عن الفتحة كقوله تعالى: {أَلَمْ تَعْلَمُوا أَن أَبَاكُمْ قَدْ أَخَذَ عَلَيْكُمْ مَوْثِقًا مِنَ اللَّهِ} (3) . فـ (أبا) اسم (أنَّ) منصوب وعلامة نصبه الألف نيابة عن الفتحة لأنه من الأسماء الستة. و (الكاف) مضاف إليه و (الميم) علامة الجمع. وجملة (قد أخذ) خبر (أنَّ) . وتجر بالياء نيابة عن الكسرة، كقوله تعالى: {ارْجِعُوا إِلَى أَبِيكُمْ} (4) فـ (أبي) مجرورة بإلى وعلامة جره الياء لأنه من الأسماء الستة و (الكاف) مضاف إليه و (الميم) علامة الجمع.
ولا تعرب بالحروف إلا بشروط أربعة:
--------------------------------------------
তাঁর কথা: (ছয়টি বিশেষ্য ব্যতীত; আর সেগুলো হলো: তার পিতা, তার ভাই, তার শ্বশুর/দেবর, তার লজ্জাস্থান/অশোভন বস্তু, তার মুখ এবং সম্পদশালী; এগুলো ‘ওয়াও’ দ্বারা রফ্ (পেশ) হয়, ‘আলিফ’ দ্বারা নসব (জবর) হয় এবং ‘ইয়া’ দ্বারা জর (যের) হয়। আর ‘হানুন’ শব্দটিকে ‘গাদুন’ এর ন্যায় হরকত দ্বারা ব্যবহার করাই অধিক বিশুদ্ধ)।
গ্রন্থকার (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) ই’রাবের আলামতসমূহের দ্বিতীয় প্রকার নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। আর তা হলো গৌণ বা শাখাগত আলামত। এটি সাতটি অধ্যায়ে সংঘটিত হয়:
১-ছয়টি বিশেষ্যসমূহ।
২-দ্বিবচন।
৩-পুংলিঙ্গীয় পূর্ণ বহুবচন।
৪-স্ত্রীলিঙ্গীয় পূর্ণ বহুবচন।
৫-রূপান্তরহীন বিশেষ্য (গায়রে মুনসারিফ)।
৬-পাঁচটি ক্রিয়া (আল-আমসিলাতুল খামসাহ)।
৭-শেষে অসুস্থ বর্ণযুক্ত বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া।
তাঁর কথা: (ছয়টি বিশেষ্য) শব্দটি ‘ইস্তিসনা’ (ব্যতিক্রম) হওয়ার কারণে নসব (জবর) প্রাপ্ত হয়েছে। অনুরূপভাবে এর ওপর যা যা আতফ (সংযুক্ত) হয়েছে—যেমন দ্বিবচন ও অন্যান্য যা তিনি পরবর্তীতে উল্লেখ করবেন।
তিনি ছয়টি বিশেষ্য (১) দিয়ে শুরু করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এগুলো যম্মাহ বা পেশের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ‘ওয়াও’ দ্বারা রফ্ প্রাপ্ত হয়। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: {আর আমাদের পিতা একজন অতি বৃদ্ধ লোক} (২)। এখানে (আবু) শব্দটি ইবতিদা (বাক্যের শুরুতে আসা) এর কারণে মুবতাদা হিসেবে রফ্ প্রাপ্ত হয়েছে এবং এর রফ্ হওয়ার আলামত হলো যম্মাহর পরিবর্তে ‘ওয়াও’। আর (না) হলো মোযাফ ইলাইহি। (শাইখুন) হলো মুবতাদার খবর যা মুবতাদার কারণে রফ্ প্রাপ্ত এবং (কাবীরুন) হলো সিফাত বা গুণবাচক শব্দ।
আর এগুলো ফাতহা বা জবর এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ‘আলিফ’ দ্বারা নসব প্রাপ্ত হয়। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: {তোমরা কি জানো না যে, তোমাদের পিতা তোমাদের থেকে আল্লাহর নামে অঙ্গীকার নিয়েছেন?} (৩)। এখানে (আবা) শব্দটি (আন্না) এর ইসিম হওয়ার কারণে নসব প্রাপ্ত এবং এর নসব হওয়ার আলামত হলো ফাতহার পরিবর্তে ‘আলিফ’, কারণ এটি ছয়টি বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত। (কাফ) হলো মোযাফ ইলাইহি এবং (মীম) বহুবচনের আলামত। আর (ক্বাদ আখাযা) বাক্যটি হলো (আন্না) এর খবর। এবং এগুলো কাসরাহ বা যের এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ‘ইয়া’ দ্বারা জর প্রাপ্ত হয়। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: {তোমরা তোমাদের পিতার কাছে ফিরে যাও} (৪)। এখানে (আবী) শব্দটি (ইলা) এর কারণে মাজরুর হয়েছে এবং এর জর হওয়ার আলামত হলো ‘ইয়া’, কারণ এটি ছয়টি বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত। (কাফ) হলো মোযাফ ইলাইহি এবং (মীম) বহুবচনের আলামত।
আর এগুলো চারটি শর্ত ব্যতীত অক্ষর দ্বারা ই’রাব প্রাপ্ত হয় না:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজীলুন নাদা বিশরহী কাতারিন নাদা
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الأول: أن تكون مفردة. كما في الأمثلة. فإن كانت مثناة أعربت إعراب المثنى - بالألف رفعاً وبالياء نصباً وجراً - كقوله تعالى: {وَرَفَعَ أَبَوَيْهِ عَلَى الْعَرْشِ} (1) فـ (أبويه) مفعول به منصوب وعلامة نصبه الياء؛ لأنه مثنى. والهاء مضاف إليه. وإن كانت مجموعة جمع تكسير أعربت بالحركات. كقوله تعالى: {آَبَاؤُكُمْ وَأَبْنَاؤُكُمْ لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًا فَرِيضَةً مِنَ اللَّهِ} (2) فـ (آباء) مبتدأ مرفوع بالابتداء وعلامة رفعه الضمة الظاهرة. وهو مضاف و (الكاف) مضاف إليه. و (الميم) علامة الجمع (لا تدرون) خبر.
الثاني: أن تكون مكبرة كما في الأمثلة. فإن كانت مصغرة أعربت بالحركات نحو: جاء أُخَيُّ زيد. فـ (أُخَيُّ) فاعل مرفوع بالضمة الظاهرة، وهو مضاف و (زيد) مضاف إليه.
الثالث: أن تكون مضافة كما في الأمثلة. فإن لم تضف أعربت بالحركات قال تعالى: {إِنَّ لَهُ أَبًا شَيْخًا كَبِيرًا} (3) فـ (أبا) اسم (إن) مؤخر منصوب وعلامة نصبه الفتحة الظاهرة (له) خبر (إن) مقدم وتقول: هذا أبٌ عطوفٌ. وسلمت على أبٍ عطوفٍ.
الرابع: أن تكون الإضافة لغير (ياء) المتكلم كما في الأمثلة. فإن أضيفت لياء المتكلم أعربت بالحركات المقدرة كقوله تعالى عن موسى عليه الصلاة والسلام: {وَأَخِي هَارُونُ هُوَ أَفْصَحُ مِنِّي لِسَانًا} (4) فـ (أخي) مبتدأ مرفوع بضمة مقدرة على ما قبل ياء المتكلم منع من ظهورها اشتغل المحل بحركة المناسبة و (أخ) مضاف والياء مضاف إليه، والخبر (هو أفصح مني) و (هارون) عطف بيان مرفوع.
وهذه الشروط تفهم من كلام المصنف؛ فإنه ذكر الأسماء الستة مفردة مكبرة مضافة لغير (ياء) المتكلم.
--------------------------------------------
প্রথম: এগুলো একবচন হতে হবে, যেমনটি উদাহরণগুলোতে রয়েছে। যদি এগুলো দ্বিবচন হয়, তবে দ্বিবচনের নিয়মে ই'রাব হবে—রফা অবস্থায় আলিফ দ্বারা এবং নাসব ও যার অবস্থায় ইয়া দ্বারা—যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: "এবং তিনি তাঁর পিতামাতাকে আরশের উপর উঠালেন।" এখানে (পিতামাতাকে) শব্দটি মাফউলে বিহি হিসেবে নাসব হয়েছে এবং এর নাসবের আলামত হলো ইয়া; কারণ এটি দ্বিবচন। আর 'হা' সর্বনামটি মুদাফ ইলাইহি। আর যদি এগুলো ভগ্ন বহুবচন হয়, তবে হরকতের মাধ্যমে ই'রাব হবে। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: "তোমাদের পিতাগণ ও তোমাদের পুত্রগণ, তোমরা জানো না উপকারের দিক থেকে তাদের মধ্যে কে তোমাদের নিকটতর; এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিধান।" এখানে (পিতাগণ) শব্দটি ইবতিদা-র কারণে মুবতাদা হিসেবে রফা হয়েছে এবং এর রফার আলামত হলো স্পষ্ট দম্মা। এটি মুদাফ এবং (কাফ) মুদাফ ইলাইহি। আর (মীম) বহুবচনের আলামত। (তোমরা জানো না) অংশটি খবর।
দ্বিতীয়: এগুলোকে মূলরূপে হতে হবে (ক্ষুদ্রত্ববোধক নয়), যেমনটি উদাহরণগুলোতে রয়েছে। যদি এগুলো ক্ষুদ্রত্ববোধক রূপে আসে, তবে হরকতের মাধ্যমে ই'রাব হবে। যেমন: "যায়েদের ছোট ভাই এসেছে।" এখানে (ছোট ভাই) শব্দটি স্পষ্ট দম্মা দ্বারা রফা প্রাপ্ত ফায়েল, এটি মুদাফ এবং (যায়েদ) মুদাফ ইলাইহি।
তৃতীয়: এগুলোকে মুদাফ বা সম্বন্ধযুক্ত হতে হবে, যেমনটি উদাহরণগুলোতে রয়েছে। যদি মুদাফ না হয়, তবে হরকতের মাধ্যমে ই'রাব হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন: "নিশ্চয়ই তাঁর এক অতি বৃদ্ধ পিতা রয়েছেন।" এখানে (পিতা) শব্দটি 'ইন্না'-র পরবর্তী ইসমে মুয়াখ্খার হিসেবে নাসব হয়েছে এবং এর নাসবের আলামত স্পষ্ট ফাতহা। (তাঁর জন্য) অংশটি 'ইন্না'-র পূর্ববর্তী খবরে মুকাদ্দাম। আপনি আরও বলবেন: "ইনি একজন দয়ালু পিতা।" এবং "আমি একজন দয়ালু পিতাকে সালাম করেছি।"
চতুর্থ: এই সম্বন্ধটি ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম বা উত্তম পুরুষের সর্বনাম ব্যতীত অন্য কিছুর সাথে হতে হবে, যেমনটি উদাহরণগুলোতে রয়েছে। যদি ইয়ায়ে মুতাকাল্লিমের দিকে মুদাফ হয়, তবে ঊহ্য হরকতের মাধ্যমে ই'রাব হবে। যেমন মূসা আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম সম্পর্কে আল্লাহ তাআলার বাণী: "এবং আমার ভাই হারুন, সে কথা বলায় আমার চেয়ে বেশি প্রাঞ্জল।" এখানে (আমার ভাই) শব্দটি মুবতাদা হিসেবে ঊহ্য দম্মা দ্বারা রফা হয়েছে, যা ইয়ায়ে মুতাকাল্লিমের পূর্ববর্তী অক্ষরে অবস্থিত। ইয়ায়ে মুতাকাল্লিমের উপযুক্ত হরকতের উপস্থিতির কারণে এই দম্মাটি প্রকাশ পেতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। (ভাই) শব্দটি মুদাফ এবং 'ইয়া' মুদাফ ইলাইহি। আর খবর হলো (সে আমার চেয়ে বেশি প্রাঞ্জল) এবং (হারুন) শব্দটি আতফে বায়ান হিসেবে রফা হয়েছে।
এই শর্তগুলো গ্রন্থকারের আলোচনা থেকেই বোঝা যায়; কেননা তিনি আসমায়ে সিত্তাহকে একবচন, মূলরূপ এবং ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম ব্যতীত অন্য কিছুর দিকে মুদাফ অবস্থায় উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------