(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: -)
تجريد أحاديث عمدة الفقه القسم: كتب السنة
الكتاب: التجريد للأحاديث العمدة في الفقه للشيخ أبي محمد الموفق ابن قدامة (ت 620 هـ)
تخريج: عبد السلام بن محمد الشويعر
الناشر: ركائز للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1439 هـ - 2018 م
عدد الصفحات: 86
أهداه للشاملة: ركائز للنشر والتوزيع؛ جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 7 جُمادَى الأولى 1443
উমদাতুল ফিকহ-এর হাদীসসমূহের সংক্ষেপায়ন বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: শাইখ আবু মুহাম্মাদ আল-মুয়াফফাক ইবনে কুদামা (মৃত্যু ৬২০ হি.) রচিত ‘উমদাতুল ফিকহ’-এর হাদীসসমূহের সংক্ষেপায়ন
তাখরীজ: আবদুস সালাম বিন মুহাম্মাদ আল-শুওয়াইয়ির
প্রকাশক: রাকাতুয পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৯ হি. - ২০১৮ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৬
আল-শামেলায় উপহার দিয়েছেন: রাকাতুয পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন; আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
আল-শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৭ জুমাদাল উলা ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣)
«التَّجْرِيدُ»
«للأَحَادِيثِ العُمْدَةِ في الفِقْه»
«للشيخ أبي مُحمَّد المُوفَّقِ ابنِ قُدَامة»
تخريج/
عبدالسَّلام بن محمَّد الشُّويعر
«তাজরিদ»
«ফিকহ শাস্ত্রের মৌলিক হাদীসসমূহের»
«শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-মুয়াফফাক ইবনে কুদামার»
তাখরীজ/
আবদুস সালাম বিন মুহাম্মদ আশ-শুওয়াই'ইর
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله حمداً كثيراً طيباً مباركاً فيه كما يحب ربنا ويرضى، وأشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمداً عبده ورسوله صلى الله عليه وسلم .. أمّا بعد:
فهذا كتاب جَرَّدْتُ فيه الأحاديثَ التي أوردها الشيخ العلامة أبو محمد عبدُ الله بن أحمد ابن قدامة في كتابه «العُمدَة في الفقه»، فإنّه أورد في كُلِّ بابٍ أصولَه وما عليه المعوّلُ فيه، بقصد تقريبه للمتعلمين، وسهولة حفظه على الطالبين، فقال في ديباجه: (أودعته أحاديثَ صحيحةً، تبرُّكَاً بها، واعتماداً عليها، وجعلتها الصحاح لأستغني عن نسبتها إليها).
فجرّدتُ أحاديثَ الكتابِ، وبيّنتُ راويها ومَخرَجِها، وما لم يكن في الصحيحين أشيرُ لكلام الأصحابِ وعُلماءِ الفَنِّ عليه، ولم أغيِّر من ألفاظ الأحاديث التي رواها المؤلف إلا نَزْرَاً يَسيراً اُحتيج فيه لذلك، علماً أنّ الفقهاء يتساهلون في الرواية بالمعنى، وأوردتُ الأحاديث بترتيب المؤلف من غير تغيير، مع المحافظة على تبويبه كما هو، لكي ينتفع بهذا التجريد من يقرأ أصلَه.
দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এমন প্রশংসা যা অগণিত, পবিত্র ও বরকতময়, যেভাবে আমাদের প্রতিপালক পছন্দ করেন এবং যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর:
এটি একটি গ্রন্থ যেখানে আমি সেই হাদিসগুলোকে পৃথক করে সংকলন করেছি যা শাইখ আল্লামা আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে কুদামা তাঁর ‘আল-উমদাহ ফিল ফিকহ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। কারণ তিনি প্রত্যেক অধ্যায়ে তার মূল ভিত্তি এবং নির্ভরযোগ্য বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন, যাতে তা শিক্ষার্থীদের নিকট সহজবোধ্য হয় এবং জ্ঞানান্বেষণকারীদের জন্য মুখস্থ করা সহজ হয়। তিনি এর ভূমিকায় বলেছেন: (বরকত লাভের উদ্দেশ্যে এবং নির্ভরযোগ্য হওয়ার কারণে আমি এতে সহিহ হাদিসগুলো সন্নিবেশিত করেছি। আর এগুলোকে সহিহ গ্রন্থসমূহ থেকেই চয়ন করেছি যাতে সেগুলোর দিকে পৃথকভাবে সম্বন্ধ করার প্রয়োজন না পড়ে)।
আমি এই গ্রন্থের হাদিসগুলোকে পৃথক করেছি এবং সেগুলোর বর্ণনাকারী ও উৎস স্পষ্ট করেছি। আর যেসব হাদিস সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ নেই, সেগুলোর ব্যাপারে মাযহাবের ইমামগণ ও এই শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ আলেমদের মন্তব্য উল্লেখ করেছি। লেখক হাদিসের যে শব্দগুলো বর্ণনা করেছেন আমি তাতে অতি সামান্য প্রয়োজন ব্যতীত কোনো পরিবর্তন করিনি, যদিও এটি সুবিদিত যে ফকিহগণ ভাবানুবাদে বা অর্থগত বর্ণনার ক্ষেত্রে শিথিলতা প্রদর্শন করেন। আমি হাদিসগুলোকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই লেখকের বিন্যাস অনুযায়ী এবং তাঁর অধ্যায় বিন্যাস অপরিবর্তিত রেখে উপস্থাপন করেছি, যাতে মূল গ্রন্থটি পাঠকারীরা এই সংকলন থেকে উপকৃত হতে পারেন।
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٦)
والأحاديث التي في كتابه نوعان، ما صرّح برفعه للنبي عليه السلام، وما أورد نصّ الحديث من غير إشارةٍ للنبي عليه السلام فيه، فأذكره مسبوقاً بعلامة (*).
فأسأل الله أن ينفع به كاتبه وقارئه، وصلى الله وسلّم على نبينا محمد.
এবং তাঁর কিতাবের হাদিসসমূহ দুই প্রকার; এক প্রকার হলো যা তিনি স্পষ্টভাবে নবী আলাইহিস সালামের দিকে সম্বন্ধ করেছেন, এবং অন্যটি হলো যেখানে তিনি নবী আলাইহিস সালামের প্রতি কোনো ইঙ্গিত ছাড়াই হাদিসের মূল পাঠ উল্লেখ করেছেন, যা আমি (*) চিহ্নের মাধ্যমে উল্লেখ করছি।
আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর লেখক ও পাঠককে এর দ্বারা উপকৃত করেন, এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٧)
كتاب الطّهَارَة1 - * عَن عبدِ اللهِ بنِ عُمرَ رضي الله عنهما قَالَ: سَمِعتُ رَسولَ اللهِ عليه السلام يَقول: «إذَا بَلَغَ المَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ» رواه الإمام أحمد وابن ماجه
(1)، واحتجّ به أحمد
(2).
2 - عن أبي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أنَّ النَّبيَّ عليه السلام قال: «صُبُّوا عَلَى بَوْلِ الأَعْرَابيِّ ذَنُوْبَاً مِنْ مَاءٍ» رواه الإمام أحمد والبخاري
(3).
بَابُ الآنية3 - عَن حُذيفَةَ بنِ اليَمَانِ رضي الله عنه أن النَّبيَّ عليه السلام قَالَ: «لَا تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالفِضَّةِ وَلا تَأكُلُوا في صِحَافِها، فإنَّها لهُم في الدُّنْيَا وَلَكُمْ فِي الآخِرَةِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(4).
--------------------------------------------
পবিত্রতা অধ্যায়১ - আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম)-কে বলতে শুনেছি: «যখন পানির পরিমাণ দুই কুল্লায় পৌঁছে, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করতে পারে না» ইমাম আহমদ ও ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন এবং আহমদ এটি দ্বারা দলিল পেশ করেছেন।
২ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «মরুবাসী আরব লোকটির প্রস্রাবের ওপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও» ইমাম আহমদ ও বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন।
পাত্র অধ্যায়৩ - হুযাইফা ইবনে ইয়ামান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «তোমরা স্বর্ণ ও রূপার পাত্রে পান করো না এবং এগুলোর থালায় আহার করো না; কারণ এগুলো দুনিয়াতে তাদের (কাফিরদের) জন্য এবং আখেরাতে তোমাদের জন্য» ইমাম আহমদ এবং শাইখায়ন (বুখারি ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٨)
4 - عن جابرٍ رضي الله عنه أن النَّبيَّ عليه السلام قَالَ -في البَحْر-: «هُوَ الطَّهُورُ مَاؤُهُ، الحِلُّ مَيْتَتُهُ» رواه الإمام أحمدُ وَابنُ ماجه
(1).
بَابُ قَضَاِء الحَاجَة5 - عن أبي أَيُّوبَ الأَنصَارِي رضي الله عنه أن النَّبِيَّ عليه السلام قَالَ: «لَا تَسْتَقْبِلُوا القِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلَا بَوْلٍ، وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا» رواه الإمام أحمد والشيخان والترمذي واللفظ له
(2).
بَابُ الوُضوء6 - عن عُمَرَ بنِ الخَطَّابِ رضي الله عنه أن النَّبيَّ عليه السلام قَالَ: «إنَّمَا الأَعْمَالُ بالنِيَّاتِ وَإنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى» رَوَاه الإمام أحمد والشيخان
(3).
--------------------------------------------
৪ - জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) সমুদ্র সম্পর্কে বলেছেন: «এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত প্রাণী হালাল» এটি ইমাম আহমাদ ও ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন
(১).
শৌচকর্ম অধ্যায়৫ - আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «তোমরা মলত্যাগ বা প্রস্রাব করার সময় কিবলার দিকে মুখ করো না এবং তার দিকে পিঠও দিও না» এটি ইমাম আহমাদ, দুই শাইখ (বুখারী ও মুসলিম) এবং তিরমিযী বর্ণনা করেছেন, আর শব্দাবলী তিরমিযীর
(২).
ওযু অধ্যায়৬ - উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যার সে নিয়ত করবে» এটি ইমাম আহমাদ ও দুই শাইখ (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন
(৩).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٩)
7 - عن أبي هُريرَةَ رضي الله عنه أنَّ رَسولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
باب المَسْحِ على الخُفَّين8 - عَن عَلَيِّ بنِ أَبي طَالِبٍ رضي الله عنه أنّ رَسُولَ الله عليه السلام قال: «يَمْسَحُ المُسَافِرُ ثَلاثةَ أيام ولياليهن، والمُقيم يَومَاً وَلَيلَةً» رواه الإمام أحمد ومسلم
(2).
بَابُ نَوَاقِضِ الوُضُوء9 - عن جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رضي الله عنه أنَّ رسولَ الله عليه السلام قيل له: أَنَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الإِبِلِ؟ قال: «نَعَمْ تَوَضَّئُوا مِنْهَا»، قيل: أَفَنَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الغَنَمِ؟ قال: «إِنْ شِئْتَ فَتَوَضَّأْ، وَإِنْ شِئْتَ فَلَا» رواه الإمام أحمد ومسلم
(3).
--------------------------------------------
৭ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: «যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকতো, তবে আমি তাদেরকে প্রত্যেক নামাজের সময় মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম» এটি ইমাম আহমাদ ও শায়খাইন বর্ণনা করেছেন
(১)।
মোজার উপর মাসাহ করার অধ্যায়৮ - আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: «মুসাফির তিন দিন ও তিন রাত মাসাহ করবে এবং মুকীম এক দিন ও এক রাত» এটি ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(২)।
ওজু ভঙ্গের কারণসমূহের অধ্যায়৯ - জাবির ইবনে সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো: আমরা কি উটের গোশত খাওয়ার কারণে ওজু করব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, উটের গোশত খাওয়ার কারণে ওজু করো», জিজ্ঞাসা করা হলো: আমরা কি বকরির গোশত খাওয়ার কারণে ওজু করব? তিনি বললেন: «যদি চাও তবে ওজু করো, আর যদি না চাও তবে করো না» এটি ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
باب الغُسل من الجنابة10 - عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الحَارِثِ رضي الله عنها قَالت: «سَتَرْتُ النَّبِيَّ عليه السلام فاغتَسَلَ مِن الجَنَابَةِ، فَبَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيه، ثُمَّ صَبَّ بيَمينِهِ عَلَى شِمَالِهِ، فَغَسَلَ فَرْجَهُ وَمَا أَصَابَهُ، ثُمَّ ضَرَبَ بيدِهِ عَلَى الحَائِطِ وَالأَرْضِ، ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ للصَّلَاةِ، ثُمَّ أَفَاضَ المَاءَ عَلَى بَدَنِهِ، ثُمَّ تَنَحَّى فَغَسَلَ رِجْلَيْه» رواه الإمام أحمد والبخاري
(1).
بابُ التَّيَمّم11 - عن عَمَّارِ بن يَاسِرٍ رضي الله عنهما أنّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ لَهُ: «إِنَّمَا يَكْفِيكَ هَكَذَا»، وَضَرَبَ بيَدَيهِ عَلَى الأَرْضِ فَمَسَحَ بهمَا وَجْهَهُ وَكَفَّيه. رواه الإمامُ أحمدُ والنسائي
(2)، وصححه الإمام أحمد
(3).
--------------------------------------------
নাপাকি (জানাবাত) থেকে গোসলের অধ্যায়১০ - মায়মুনা বিনতে আল-হারিস (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমি নবী (আলাইহিস সালাম)-এর জন্য আড়াল তৈরি করলাম, তখন তিনি জানাবাত থেকে গোসল করলেন। তিনি শুরুতে তাঁর দুই হাত ধৌত করলেন, এরপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের ওপর পানি ঢাললেন এবং তাঁর লজ্জাস্থান ও তাতে যা লেগেছিল তা ধৌত করলেন। তারপর তিনি তাঁর হাত দেয়াল ও মাটিতে মারলেন (ঘষলেন), অতঃপর সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করলেন। এরপর তাঁর পুরো শরীরে পানি ঢাললেন, পরিশেষে তিনি সেখান থেকে সরে গিয়ে তাঁর দুই পা ধৌত করলেন।» এটি ইমাম আহমাদ ও বুখারি বর্ণনা করেছেন
(১)।
তায়াম্মুমের অধ্যায়১১ - আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) তাঁকে বলেছিলেন: «তোমার জন্য কেবল এটুকুই যথেষ্ট», এরপর তিনি তাঁর দুই হাত মাটিতে মারলেন এবং তা দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল ও দুই হাতের কবজি পর্যন্ত মাসাহ করলেন। এটি ইমাম আহমাদ ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন
(২), এবং ইমাম আহমাদ একে সহিহ বলেছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١١)
بَابُ الحَيْضِ12 - عَن أنسِ بنِ مَالكٍ رضي الله عنه أن النَّبيَّ عليه السلام قال: «اصْنَعُوا كُلَّ شَيْءٍ غَيْرَ النِّكَاحِ» رواه الإمامُ أحمدُ وأبو دَاودَ ومُسلم
(1).
--------------------------------------------
ঋতুস্রাব পরিচ্ছেদ১২ - আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «তোমরা সহবাস ব্যতীত সবকিছুই করতে পারো» ইমাম আহমাদ, আবু দাউদ এবং মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
كتَابُ الصَّلَاة13 - عن عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ عليه السلام يَقُولُ: «خَمْسُ صَلَوَاتٍ كَتَبَهُنَّ اللهُ عَلَى العِبَادِ مَنْ أَتَى بِهِنَّ لَمْ يُضَيِّعْ مِنْهُنَّ شَيْئاً اسْتِخْفَافاً بِحَقِّهِنَّ كَانَ لَهُ عِنْدَ اللهِ عَهْدٌ أَنْ يُدْخِلَهُ الجَنَّةَ، وَمَنْ لَمْ يَأْتِ بِهِنَّ فَلَيْسَ لَهُ عِنْدَ اللهِ عَهْدٌ إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ، وَإِنْ شَاءَ غَفَرَ لَهُ» رواه الإمام أحمد وأبو داود والنسائي
(1).
بَابُ الأذَانِ والإقَامَة14 - عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أن النَّبيَّ عليه السلام قَالَ: «إِنَّ بِلَالاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
--------------------------------------------
সালাতের অধ্যায়১৩ - উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «পাঁচটি সালাত আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ওপর ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি সেগুলোকে পালন করবে এবং সেগুলোর হকের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে তার কিছুমাত্র নষ্ট করবে না, আল্লাহর কাছে তার জন্য এই প্রতিশ্রুতি রয়েছে যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি তা পালন করবে না, আল্লাহর কাছে তার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই; তিনি চাইলে তাকে শাস্তি দেবেন এবং চাইলে তাকে ক্ষমা করবেন» ইমাম আহমাদ, আবু দাউদ এবং নাসায়ী এটি বর্ণনা করেছেন
(১).
আযান ও ইকামতের পরিচ্ছেদ১৪ - ইবনু উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই বিলাল রাতে আযান দেয়, সুতরাং তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না ইবনু উম্মু মাকতুম আযান দেন» ইমাম আহমাদ এবং শাইখাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(২).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
15 - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رضي الله عنه أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
بَابُ شَرائطِ الصَّلاة16 - عن أبي هُريرةَ رضي الله عنه أن النبيَّ عليه السلام قال: «لَا يَقْبَلُ اللهُ صَلَاةَ مَنْ أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
17 - عن أبي سَعيدٍ الخُدْرِيِّ رضي الله عنه أن النَّبِيَّ عليه السلام قال: «الْحَرِيرُ وَالذَّهَبُ حَرَامٌ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِي، وَحِلٌّ لِإِنَاثِهِمْ» رواه الإمام أحمد والترمذي والنسائي
(3)، واحتجّ به الإمام أحمد وَذَكَر أنّه أثبتُ مَا في الباب
(4).
--------------------------------------------
১৫ - আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «যখন তোমরা আযান শুনতে পাও, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তাই বলো» ইমাম আহমাদ ও শায়খাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(১).
সালাতের শর্তসমূহের অধ্যায়১৬ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী আলাইহিস সালাম বলেছেন: «আল্লাহ সেই ব্যক্তির সালাত কবুল করেন না যার ওযু ভেঙে গিয়েছে, যতক্ষণ না সে ওযু করে» ইমাম আহমাদ ও শায়খাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(২).
১৭ - আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী আলাইহিস সালাম বলেছেন: «রেশম ও স্বর্ণ আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম এবং তাদের নারীদের জন্য হালাল» ইমাম আহমাদ, তিরমিযী ও নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন
(৩), এবং ইমাম আহমাদ এর মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন ও উল্লেখ করেছেন যে, এটি এ অধ্যায়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বর্ণনা
(৪).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
بَابُ آداب المَشي إلى الصّلاة18 - عن أبي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أن رسولَ الله عليه السلام قال: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا تَأْتُوْهَا تَسْعَوْنَ، وَأْتُوْهَا تَمْشُونَ وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
بَابُ صفةِ الصّلاة19 - قال أنس رضي الله عنه: «صَلَّيتُ خَلْفَ النبيِّ عليه السلام وَأَبي بَكْرٍ وَعُمرَ وَعُثمَانَ فَلَمْ أسمَعْ أَحَدَاً مِنْهُمْ يجْهَرُ ببِسْمِ اللهِ الرَّحمَنِ الرَّحيمِ» رواه الإمام أحمد ومسلم
(2).
20 - عَنْ عَبْدِ اللهِ بن مسعود رضي الله عنه قَالَ: قَالَ لَنَا رَسُولُ اللهِ عليه السلام: «إِذَا قَعَدَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَلْيَقُلِ: التَّحِيَّاتُ للهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ
--------------------------------------------
নামাযের উদ্দেশ্যে গমনের আদব বা শিষ্টাচার পরিচ্ছেদ১৮ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল আলাইহিস সালাম বলেছেন: «যখন নামাযের ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা দৌড়ে নামাযে আসবে না; বরং হেঁটে নামাযে আসবে এবং তোমাদের ওপর যেন প্রশান্তি বজায় থাকে। অতঃপর তোমরা নামাযের যতটুকু অংশ পাবে তা আদায় করবে এবং যা তোমাদের থেকে ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নেবে» এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন
(১)।
নামাযের পদ্ধতি পরিচ্ছেদ১৯ - আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: «আমি নবী আলাইহিস সালাম, আবু বকর, উমর এবং উসমানের পিছনে নামায পড়েছি, কিন্তু আমি তাঁদের কাউকেই উচ্চস্বরে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পাঠ করতে শুনিনি» এটি ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(২)।
২০ - আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল আলাইহিস সালাম আমাদের বলেছেন: «যখন তোমাদের কেউ নামাযে (তাশাহহুদের জন্য) বসবে, সে যেন বলে: সমস্ত অভিবাদন আল্লাহর জন্য, সমস্ত সালাত বা ইবাদত এবং সমস্ত পবিত্রতা বা উত্তম দান আল্লাহরই প্রাপ্য। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। শান্তি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
قال أبو محمَّد ابن قدامة: (فهذا أَصَحُّ مَا رُوي عَنْ النَّبيِّ عليه السلام في التَّشهد).
بَابُ سجدتي السهو21 - عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام كَانَ يُصَلِّى وَهُوَ حَامِلٌ أُمَامَةَ بِنْتَ زَيْنَبَ بِنْتِ رَسُولِ اللهِ عليه السلام فَإِذَا قَامَ حَمَلَهَا وَإِذَا سَجَدَ وَضَعَهَا» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
22 - عَن عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: «اسْتَفْتَحْتُ وَرَسُولُ اللهِ عليه السلام يُصَلِّي، فَمَشَى حَتَّى فَتَحَ لِي، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى مَكَانِهِ الَّذِي كَانَ فِيهِ» رواه الإمام أحمد وأبو داود والترمذي والنسائي
(3)، واحتجّ به الإمام أحمد
(4).
--------------------------------------------
আমাদের ওপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের ওপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূল» ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(১).
আবু মুহাম্মদ ইবনে কুদামা বলেছেন: (তাসাহহুদ সম্পর্কে নবী আলাইহিস সালাম থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বিশুদ্ধ)।
সাহু সিজদার অধ্যায়২১ - আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: «রসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম সলাত আদায় করছিলেন এমতাবস্থায় যে, তিনি রসূলুল্লাহ আলাইহিস সালামের কন্যা যায়নাবের কন্যা উমামাহকে কোলে নিয়েছিলেন। যখন তিনি দাঁড়াতেন তখন তাকে তুলে নিতেন এবং যখন সিজদাহ করতেন তখন তাকে নামিয়ে রাখতেন» ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(২).
২২ - আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমি দরজা খোলার অনুমতি চাইলাম এমতাবস্থায় যে রসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম সলাত আদায় করছিলেন। এরপর তিনি হেঁটে এসে আমার জন্য দরজা খুলে দিলেন, তারপর তিনি যে স্থানে ছিলেন সেখানে ফিরে গেলেন» ইমাম আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযি এবং নাসায়ি এটি বর্ণনা করেছেন
(৩), এবং ইমাম আহমাদ এর দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন
(৪).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
بَابُ صلاة التطوّع23 - قال ابنُ عُمر رضي الله عنهما: «عَشْرُ رَكَعَاتٍ حَفِظْتُهُنَّ مِنْ رَسولِ الله عليه السلام؛ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الظُّهْرِ، وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا، وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ المَغْرِبِ فِي بَيْتِهِ، وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ العِشَاءِ فِي بَيْتِهِ، وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلَاةِ الفَجْرِ»
حَدَّثَتْنِي حَفْصَةُ: «أَنَّ رسولَ الله عليه السلام كَانَ إِذَا طَلَعَ الفَجْرُ وَأَذَّنَ المُؤَذِّنُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ» رواه الإمام أحمد والبخاري
(1).
24 - * عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أَنَّ النبي عليه السلام قال: «صَلَاةُ الليْلِ مَثْنَى مَثْنَى» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
25 - * عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما أن النبيَّ عليه السلام قال: «صَلَاةُ القَاعِدِ عَلَى نِصْفِ صَلَاةِ القَائِمِ» رواه الإمام أحمدُ ومسلم
(3).
--------------------------------------------
নফল সালাতের অধ্যায়২৩ - ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: «দশটি রাকাত আমি রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম থেকে মুখস্থ করেছি; জোহরের আগে দুই রাকাত, তার পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পর তাঁর ঘরে দুই রাকাত, এশার পর তাঁর ঘরে দুই রাকাত এবং ফজরের সালাতের আগে দুই রাকাত»
হাফসা আমাকে বর্ণনা করেছেন: «রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম যখন ফজর উদিত হতো এবং মুয়াজ্জিন আজান দিতেন, তখন তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন» ইমাম আহমদ ও বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন
(১)।
২৪ - * ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, নবী আলাইহিস সালাম বলেছেন: «রাতের সালাত দুই দুই রাকাত করে» ইমাম আহমদ এবং শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন
(২)।
২৫ - * আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, নবী আলাইহিস সালাম বলেছেন: «বসে থাকা ব্যক্তির সালাত দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তির সালাতের অর্ধেকের সমান» ইমাম আহমদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
بَابُ الإمَامَة26 - عن أبي مَسْعُودٍ البَدْرِيِّ رضي الله عنه أن النبي عليه السلام قال: «يَؤُمُّ القَوْمَ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللهِ فَإِنْ كَانُوا فِي القِرَاءَةِ سَوَاءً فَأَعْلَمُهُمْ بِالسُّنَّةِ فَإِنْ كَانُوا فِي السُّنَّةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ هِجْرَةً، فَإِنْ كَانُوا فِي الهِجْرَةِ سَوَاءً فَلْيَؤُمَّهُمْ أَكْبَرُهُمْ سِنًّا، وَلَا يَؤُمَّنَّ الرَّجُلُ الرَّجُلَ فِي سُلْطَانِهِ وَلَا يَقْعُدْ فِي بَيْتِهِ عَلَى تَكْرِمَتِهِ إِلاَّ بِإِذْنِهِ» رواه الإمام أحمد ومُسلم
(1).
27 - عَنْ مَالِكِ بْنِ الحُوَيْرِثِ رضي الله عنه قَالَ: قال رَسُولُ اللهِ عليه السلام: «إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَلْيُؤَذِّنْ أَحَدُكُمْ ولْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
--------------------------------------------
ইমামত অধ্যায়২৬ - আবু মাসউদ আল-বাদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: "লোকদের ইমামতি করবে তাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব পাঠে যে সর্বাধিক দক্ষ। যদি তারা কিরাআতের ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে তাদের মধ্যে সুন্নাহ সম্পর্কে যে সর্বাধিক অভিজ্ঞ। যদি তারা সুন্নাহর ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে তাদের মধ্যে যে হিজরতে অগ্রগামী। যদি তারা হিজরতের ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে তাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে যেন ইমামতি করে। কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীন স্থানে যেন তার ইমামতি না করে এবং তার ঘরে তার জন্য নির্ধারিত আসনে তার অনুমতি ছাড়া যেন না বসে।" এটি ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(১)।
২৭ - মালিক বিন হুওয়াইরিস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: "যখন সালাতের সময় উপস্থিত হবে, তখন তোমাদের মধ্য থেকে একজন যেন আযান দেয় এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে যেন তোমাদের ইমামতি করে।" এটি ইমাম আহমাদ এবং শাইখাইন বর্ণনা করেছেন
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
بَابُ صلاةِ المريض28 - عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رضي الله عنه أنّ النَّبيَّ عليه السلام قَالَ لَه: «صَلِّ قَائِمًا، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ» رواه الإمام أحمَدُ والبُخَاري
(1).
--------------------------------------------
অসুস্থ ব্যক্তির সালাত অধ্যায়২৮ - ইমরান ইবন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) তাঁকে বলেছেন: «তুমি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো; যদি সক্ষম না হও তবে বসে; আর যদি তাতেও সক্ষম না হও তবে পার্শ্বদেশে (কাত হয়ে) শুয়ে সালাত আদায় করো»। এটি ইমাম আহমাদ ও বুখারী বর্ণনা করেছেন
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
كِتَابُ الجَنَائِز29 - عَن سَعْدِ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه قَالَ: «الْحَدُوا لِي لَحْدَاً وَانْصِبُوا عَلَيَّ اللَّبِنَ نَصْبَاً كَمَا صُنِعَ بِرَسُولِ اللهِ عليه السلام» رواه الإمامُ أحمدُ ومسلم
(1).
--------------------------------------------
জানাযা অধ্যায়২৯ - সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: «তোমরা আমার জন্য লাহদ (বগলী কবর) খনন করো এবং আমার ওপর কাঁচা ইট খাড়া করে স্থাপন করো, যেমনটি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষেত্রে করা হয়েছিল»। এটি ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
كتابُ الزَّكَاة30 - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ عليه السلام: «لَيْسَ فِي حَبٍّ وَلَا ثَمَرٍ صَدَقَةٌ، حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسَاقٍ، وَلَا فِيْمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
بَابُ من يجوز دفع الزكاة إليه31 - عَنْ سَلَمَةَ بْنِ صَخْرٍ الأَنْصَارِيِّ رضي الله عنه: «أن النبي عليه السلام أَمَرَ بَنِي زُرَيْقٍ بدَفعِ صَدَقَتِهم إلَيهِ» رواه الإمام أحمد وأبو داود والترمذي وابن ماجه
(2).
32 - عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ مُخَارِقٍ الهِلَالِيِّ رضي الله عنه أن النبي عليه السلام قال له: «أَقِمْ يَا قَبِيصَةُ حَتَّى تَأْتِيَنَا الصَّدَقَةُ فَنَأْمُرَ لَكَ بِهَا» رواه الإمام أحمد ومسلم
(3).
--------------------------------------------
যাকাত অধ্যায়৩০ - আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «শস্য বা ফলের ক্ষেত্রে ততক্ষণ পর্যন্ত যাকাত নেই, যতক্ষণ না তা পাঁচ ওয়াসাক (পরিমাণ) পূর্ণ করে; এবং পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে কোনো যাকাত নেই এবং পাঁচ উকিয়ার কম (রূপার) ক্ষেত্রেও কোনো যাকাত নেই» ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন
(১)।
যাদেরকে যাকাত প্রদান করা বৈধ তাদের পরিচ্ছেদ৩১ - সালামাহ ইবনে সাখর আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: «নবী (আলাইহিস সালাম) বনু যুরাইককে তাদের যাকাত তাঁর (সালামাহ ইবনে সাখর) নিকট প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছিলেন» ইমাম আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযী এবং ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন
(২)।
৩২ - কাবিদাহ ইবনে মুখারিক আল-হিলালী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) তাঁকে বলেছিলেন: «হে কাবিদাহ! তুমি অবস্থান করো যতক্ষণ না আমাদের নিকট যাকাতের মাল আসে, তখন আমরা তোমাকে তা থেকে (কিছু) প্রদানের নির্দেশ দেব» ইমাম আহমাদ এবং মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
كتابُ الصِّيَام33 - * عَن عَبدِ اللهِ بنِ عَمْروٍ رضي الله عنهما أن النبيَّ عليه السلام قال: «أفضل الصيام صيام داود عليه السلام كان يصوم يوماً ويفطر يوماً» رواه الإمام أحمد والشيخان والنسائي
(1).
34 - * عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أن النبي عليه السلام قال: «أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ صِيَامُ شَهْرِ اللهِ المُحَرَّمِ». رواه الإمام أحمد ومسلم
(2).
35 - * عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما أن النبي عليه السلام قَالَ: «مَا مِنْ أَيَّامٍ العَمَلُ الصَّالِحُ فِيهَنَّ أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنْ عَشْرِ ذِي الحِجَّة» رواه الإمام أحمد والبخاري
(3).
36 - * عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَأَتْبَعَهُ سِتّاً مِنْ شَوَّالٍ فكَأنَّمَا صَامِ الدَّهْرَ» رواه الإمام أحمد ومسلم
(4).
--------------------------------------------
সাওম অধ্যায়৩৩ - * আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «সর্বোত্তম সাওম হলো দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর সাওম; তিনি একদিন সাওম পালন করতেন এবং একদিন ভঙ্গ করতেন (অর্থাৎ রাখতেন না)»। ইমাম আহমাদ, দুই শাইখ (বুখারি ও মুসলিম) এবং নাসায়ি এটি বর্ণনা করেছেন
(১)।
৩৪ - * আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «রমজান মাসের পর সর্বোত্তম সাওম হলো আল্লাহর মাস মহররমের সাওম»। ইমাম আহমাদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(২)।
৩৫ - * ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের তুলনায় এমন কোনো দিন নেই, যাতে নেক আমল আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়»। ইমাম আহমাদ ও বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন
(৩)।
৩৬ - * আবু আইয়ুব আনসারি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসুল (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি রমজানের সাওম পালন করল এবং এরপর শাওয়ালের ছয়টি সাওম রাখল, সে যেন সারা বছরই সাওম পালন করল»। ইমাম আহমাদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
37 - * عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «صَوْمُ يَوْمِ عَرَفَةَ كَفَّارَةُ سَنَتَيْنِ: سَنَةٍ مَاضِيَةٍ، وَسَنَةٍ مُسْتَقْبَلَةٍ، وَصَوْمُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ كَفَّارَةُ سَنَةٍ» رواه الإمام أحمد ومسلم
(1).
38 - * عَنْ أُمِّ هَانِئٍ رضي الله عنها أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «الصَّائِمُ المُتَطَوِّعُ أَمِيرُ نَفْسِهِ، إِنْ شَاءَ صَامَ، وَإِنْ شَاءَ أَفْطَرَ» رواه الإمام أحمد والترمذي
(2).
39 - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام نَهَى عَنْ صَوْمِ يَوْمَيْنِ: يَوْمِ الفِطْرِ وَيَومِ النَّحْرِ» رواه الإمام أحمد والبخاري
(3).
40 - عَنْ يُونُسَ بْنِ شَدَّادٍ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام نَهَى عَنْ صَوْمِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ» رواه الإمام أحمد
(4).
41 - * عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «تَحَرَّوْا لَيْلَةَ القَدْرِ فِي الوِتْرِ مِنَ العَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ» رواه البخاري
(5).
--------------------------------------------
৩৭ - * আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «আরাফাহর দিনের সিয়াম দুই বছরের (গুনাহের) কাফফারা: বিগত বছর এবং আগামী বছর। আর আশুরার দিনের সিয়াম এক বছরের কাফফারা» এটি ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(১)।
৩৮ - * উম্মু হানি রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «নফল সিয়াম পালনকারী নিজের বিষয়ের ওপর কর্তৃত্ববান; সে চাইলে সিয়াম পালন করবে, আর চাইলে সিয়াম ভঙ্গ করবে» এটি ইমাম আহমাদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন
(২)।
৩৯ - আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: «নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ আলাইহিস সালাম দুই দিন সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন: ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার (কুরবানির) দিন» এটি ইমাম আহমাদ ও বুখারী বর্ণনা করেছেন
(৩)।
৪০ - ইউনুস বিন শাদ্দাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: «নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তাশরীকের দিনগুলোতে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন» এটি ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন
(৪)।
৪১ - * আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করো» এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
كَتابُ الحَجّ42 - * عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: وَقَّتَ رَسُولُ اللهِ عليه السلام لأَهْلِ المَدِينَةِ ذَا الحُلَيْفَةِ، وَلأَهْلِ الشَّامِ الجُحْفَةَ، وَلأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنَ المَنَازِلِ، وَلأَهْلِ اليَمَنِ يَلَمْلَمَ، قَالَ «فَهُنَّ لَهُنَّ وَلِمَنْ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ مِمَّنْ أَرَادَ الحَجَّ وَالعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ دُونَهُنَّ فَمِنْ أَهْلِهِ وَكَذَا فَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ يُهِلُّونَ مِنْهَا» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
43 - عن عَطَاءٍ قال: «دَخَلَ النَّبِيُّ عليه السلام مِنْ بَابِ بَني شَيْبَةَ» قال البيهقي: (وهذا مرسلٌ جيِّد، ورُوي عن ابنِ عُمرَ مَرفُوعَاً وإسنادُه غيرُ محفوظ)
(2).
44 - * عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «وَقَفْتُ هَا هُنَا وَعَرَفَةُ كُلُّهَا مَوْقِفٌ» رواه الإمام أحمد ومسلم
(3).
--------------------------------------------
হজ্জ অধ্যায়৪২ - ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনাবাসীদের জন্য যুল-হুলাইফাহ, শামবাসীদের জন্য আল-জুহফাহ, নজদবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল এবং ইয়ামেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম মীকাত (ইহরামের স্থান) নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেন: "এই স্থানগুলো ঐ অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য এবং যারা হজ্জ ও উমরার উদ্দেশ্যে ঐ পথগুলো অতিক্রম করবে তাদের জন্য। আর যারা এই মীকাতগুলোর সীমানার ভেতরে অবস্থান করে, তারা নিজ নিজ ঘর হতেই ইহরাম বাঁধবে; এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা হতেই ইহরাম বাঁধবে।" ইমাম আহমদ এবং শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন।
(১)৪৩ - আতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী শায়বাহ দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছিলেন।" বায়হাকী বলেন: (এটি একটি উত্তম মুরসাল বর্ণনা। এটি ইবনে উমর হতে মারফু হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে, তবে এর সনদটি সংরক্ষিত নয়)।
(২)৪৪ - জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি এখানে অবস্থান করেছি, আর সমগ্র আরাফাহ প্রান্তরই অবস্থানের স্থান।" ইমাম আহমদ এবং মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।
(৩)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
45 - * وعن جَابِرٍ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام أَتَى المَوْقِفَ فَجَعَلَ بَطْنَ نَاقَتِهِ القَصْوَاءِ إِلَى الصَّخَرَاتِ وَجَعَلَ حَبْلَ المُشَاةِ بَيْنَ يَدَيْهِ وَاسْتَقْبَلَ القِبْلَةَ فَلَمْ يَزَلْ وَاقِفَاً حَتَّى غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَذَهَبَتِ الصُّفْرَةُ قَلِيلاً» رواه مسلم
(1).
بَابُ الهَدْي والأُضْحِيَة46 - * عَنِ البَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام سُئِلَ: مَاذَا يُتَّقَى مِنَ الضَّحَايَا؟ فَقَالَ: «أَرْبَعٌ لَا يَجُزْنَ: العَرْجَاءُ البَيِّنُ ظَلْعُهَا، وَالعَوْرَاءُ البَيِّنُ عَوَرُهَا، وَالمَرِيضَةُ البَيِّنُ مَرَضُهَا، وَالعَجْفَاءُ الَّتِي لَا تُنْقِي» رواه الإمام أحمد وأهل السنن
(2).
47 - عَنِ عَبدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: «نَحَرَ رَسُولُ اللهِ عليه السلام فِي الحَجِّ مِائَةَ بَدَنَةٍ، وَأَمَرَ مِنْ كُلِّ جَزُورٍ بِبَضْعَةٍ فَجُمِعَتْ فِي قِدْرٍ، فَأَكَلَ مِنْهَا، وَحَسَا مِنْ مَرَقِهَا» رواه الإمام أحمد وابن مَاجه
(3).
--------------------------------------------
৪৫ - জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত: "রাসূলুল্লাহ (সা.) অবস্থানস্থলে (মাওকিফে) আসলেন এবং তাঁর কাসওয়া নামক উটটির পেট পাথরের দিকে রাখলেন, পদযাত্রীদের পথটি নিজের সামনে রাখলেন এবং কিবলামুখী হলেন। সূর্য অস্ত যাওয়া এবং হলুদাভ আভা কিছুটা চলে যাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থানরত থাকলেন।" মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(১).
হাদি এবং উধহিয়া (কোরবানি) অধ্যায়৪৬ - বারা ইবনে আযিব (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "কোরবানির পশুদের মধ্যে কোনটি বর্জনীয়?" তিনি বললেন: "চারটি (পশু) বৈধ নয়: স্পষ্ট খোঁড়া যার খোঁড়ামি প্রকাশ্য, একচোখা যার একচোখ অন্ধ হওয়া প্রকাশ্য, অসুস্থ যার অসুস্থতা প্রকাশ্য এবং এমন দুর্বল পশু যার হাড়ে মজ্জা নেই।" ইমাম আহমাদ এবং সুনান গ্রন্থকারগণ এটি বর্ণনা করেছেন
(২).
৪৭ - আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সা.) হজের সময় একশতটি উট জবেহ করেছিলেন এবং প্রত্যেক উট থেকে এক টুকরো গোশত নেওয়ার নির্দেশ দিলেন। এরপর সেগুলো একটি পাত্রে একত্রিত করা হলো। তিনি সেখান থেকে খেলেন এবং তার ঝোল পান করলেন।" ইমাম আহমাদ এবং ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন
(৩).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
48 - عَنِ أُمِّ سلَمةَ رضي الله عنها: أنّ النبي عليه السلام قال: «مَنْ أَرَادَ أنْ يُضَحِّي فَدَخَلَ العَشْرُ فَلَا يَأخُذْ مِنْ شَعَرِهِ وَلَا مِنْ بَشَرَتِهِ شَيْئَاً حَتَّى يُضَحِّي» رواه الإمام أحمد ومسلم
(1).
بَابُ العقيقة49 - * عَنْ أُمِّ كُرْزٍ الكَعْبِيَّةِ رضي الله عنها أنَّ النَّبِيَّ عليه السلام قَالَ: «عَنِ الغُلَامِ شَاتَانِ مُكَافَأَتَانِ، وَعَنِ الجَارِيَةِ شَاةٌ» رواه الإمام أحمد والنسائي
(2).
--------------------------------------------
৪৮ - উম্মু সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত: নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কুরবানী করার ইচ্ছা পোষণ করে এবং (যিলহজ মাসের) দশ দিন উপস্থিত হয়, সে যেন তার চুল এবং চামড়া থেকে কিছুই গ্রহণ না করে (না কাটে) যতক্ষণ না সে কুরবানী সম্পন্ন করে» ইমাম আহমাদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(১).
আকীকা অধ্যায়৪৯ - * উম্মু কুরয আল-কাবিয়্যাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «ছেলে সন্তানের পক্ষ থেকে সমপর্যায়ের দু’টি ছাগল এবং মেয়ে সন্তানের পক্ষ থেকে একটি ছাগল» ইমাম আহমাদ ও নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন
(২).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
كِتَابُ البَيْعِ50 - عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام نَهَى عَنْ ثَمَنِ الكَلْبِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
51 - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ عليه السلام: «مَنِ اقْتَنَى كَلْباً إِلَّا كَلْبَ صَيْدٍ أَوْ مَاشِيَةٍ، نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
52 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام نَهَى عَنِ المُلَامَسَةِ وَالمُنَابَذَةِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(3).
53 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللهِ عليه السلام عَنْ بَيْعِ الحَصَاةِ، وَعَنْ بَيْعِ الغَرَرِ» رواه الإمام أحمد ومسلم
(4).
54 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أنّ رسولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «لَا يَبِيعُ الرَّجُلُ عَلَى بَيْعِ أَخِيهِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(5).
--------------------------------------------
ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়৫০ - আবু মাসউদ আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।" ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন
(১).
৫১ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি শিকারি কুকুর বা গবাদি পশু পাহারার কুকুর ব্যতীত অন্য কোনো কুকুর লালন-পালন করে, প্রতিদিন তার আমল থেকে দুই কিরাত করে নেকি হ্রাস পায়।" ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(২).
৫২ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) 'মুলামাসাহ' (স্পর্শ করার মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয়) এবং 'মুনাবাদাহ' (নিক্ষেপ করার মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয়) করতে নিষেধ করেছেন।" ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(৩).
৫৩ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কঙ্কড় নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এবং অনিশ্চয়তামূলক (ধোঁকাযুক্ত) ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।" ইমাম আহমাদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(৪).
৫৪ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কোনো ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের সওদার ওপর সওদা না করে।" ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন এটি বর্ণনা করেছেন
(৫).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
55 - عَنِ عبدِ اللهِ بنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللهِ عليه السلام أَنْ يُتَلَقَّى الرُّكْبَانُ، وَأَنْ يَبِيعَ حَاضِرٌ لِبَادٍ» قيلَ لِابْنِ عَبَّاسٍ: مَا قَوْلُهُ «حَاضِرٌ لِبَادٍ؟» قَالَ: (لَا يَكُونُ لَهُ سِمْسَاراً) رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
56 - عن عَبدِ اللهِ بن عُمَر رضي الله عنهما: «أنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام نَهَى عَنْ النَّجَش» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
57 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللهِ عليه السلام عَنْ بَيْعَتَيْنِ فِي بَيْعَةٍ» رواه الإمام أحمد والترمذي والنسائي
(3).
58 - عَنْ عَبْدِ اللهِ بنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ «لَا تَلَقَّوُا السِّلَعَ حَتَّى يُهْبَطَ بِهَا الأَسْوَاقَ» رواه الإمام أحمد والشيخان وأبو داود
(4).
59 - عَنِ عَبْدِ اللهِ بنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ «مَنِ
--------------------------------------------
৫৫ - আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) কাফেলার পথ রোধ করে তাদের সাথে আগেভাগে সাক্ষাৎ করতে এবং কোনো শহরবাসী কর্তৃক কোনো মরুবাসীর (গ্রামবাসীর) পণ্য বিক্রয় করে দিতে নিষেধ করেছেন।» ইবনে আব্বাসকে জিজ্ঞেস করা হলো: «শহরবাসী কর্তৃক মরুবাসীর পণ্য বিক্রয় করা»-র অর্থ কী? তিনি বললেন: (সে যেন তার জন্য দালালি না করে।) এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন
(১).
৫৬ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত: «রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) নাজা্শ (পণ্য কেনার ইচ্ছা ছাড়াই কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে দেওয়া) থেকে নিষেধ করেছেন।» এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন বর্ণনা করেছেন
(২).
৫৭ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) এক বিক্রয়ের মধ্যে দুই বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।» এটি ইমাম আহমাদ, তিরমিযী এবং নাসাঈ বর্ণনা করেছেন
(৩).
৫৮ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «তোমরা পণ্যের সাথে আগেভাগে (বাজারের বাইরে) সাক্ষাৎ করো না, যতক্ষণ না সেগুলো বাজারে নিয়ে আসা হয়।» এটি ইমাম আহমাদ, শায়খাইন এবং আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন
(৪).
৫৯ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
اشْتَرَى طَعَاماً فَلَا يَبِعْهُ حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
بَابُ الرِّبا60 - عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ رضي الله عنه قال: قَالَ رَسُولُ اللهِ عليه السلام: «الذَّهَبُ بِالذَّهَبِ وَالفِضَّةُ بِالْفِضَّةِ وَالبُرُّ بِالبُرِّ وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ وَالتَّمْرُ بِالتَّمْرِ وَالمِلْحُ بِالمِلْحِ مِثْلاً بِمِثْلٍ سَوَاءً بِسَوَاءٍ يَداً بِيَدٍ فَإِذَا اخْتَلَفَتْ هَذِهِ الأَصْنَافُ فَبِيعُوا كَيْفَ شِئْتُمْ إِذَا كَانَ يَداً بِيَدٍ، فَمَنْ زَادَ أَوْ اسْتَزَادَ فَقَدْ أَرْبَى» رواه الإمام أحمد ومسلم
(2).
61 - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رضي الله عنه: «أَنَّ النَّبِيَّ عليه السلام نَهَى عَنِ المُزَابَنَةِ» وَالمُزَابَنَةُ: اشْتِرَاءُ التَّمْرِ بِالتَّمْرِ فِي رُءُوسِ النَّخْلِ. رواه الإمام أحمد والشيخان
(3).
62 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه: «أَنَّ النَّبِيَّ عليه السلام أَرْخَصَ فِي بَيْعِ
--------------------------------------------
যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য ক্রয় করল, সে যেন তা পুরোপুরি হস্তগত না করা পর্যন্ত তা বিক্রি না করে।” এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন বর্ণনা করেছেন
(১).
সুদ অধ্যায়৬০ - উবাদাহ ইবনে সামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ, রূপার বিনিময়ে রূপা, গমের বিনিময়ে গম, যবের বিনিময়ে যব, খেজুরের বিনিময়ে খেজুর এবং লবণের বিনিময়ে লবণ; সমপরিমাণ, সমান সমান এবং হাতে হাতে (নগদ)। তবে যদি এই প্রকারগুলো ভিন্ন হয়, তবে তোমরা যেভাবে ইচ্ছা ক্রয়-বিক্রয় করো যদি তা হাতে হাতে (নগদ) হয়। অতএব যে ব্যক্তি বেশি দিল বা বেশি চাইল, সে সুদে লিপ্ত হলো।” এটি ইমাম আহমাদ এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(২).
৬১ - আবু সাঈদ খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: “নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাবানাহ থেকে নিষেধ করেছেন।” আর মুযাবানাহ হলো: খেজুর গাছের মাথায় থাকা কাঁচা খেজুর শুকনো খেজুরের বিনিময়ে ক্রয় করা। এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন বর্ণনা করেছেন
(৩).
৬২ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: “নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
العَرَايَا فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ أَوْ فِي خَمْسَةِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
بَابُ بَيعِ الأُصُولِ وَالثِّمَار63 - عَنْ عَبْدِ اللهِ بن عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ عليه السلام يَقُولُ: «مَنِ ابْتَاعَ نَخْلَاً بَعْدَ أَنْ تُؤَبَّرَ فَثَمَرَتُهَا لِلْبَائِعِ؛ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ المُبْتَاعُ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
64 - عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قال: «نَهَى رَسُولُ اللهِ عليه السلام عَنْ بَيْعِ الثَّمَرَةِ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا» رواه الإمام أحمد والشيخان
(3).
65 - عَنْ جَابِرِ بْنَ عَبْدِ اللهِ رضي الله عنهما أنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قال: «لَوْ بِعْتَ مِنْ أَخِيكَ ثَمَرَاً فَأَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ فَلَا يَحِلُّ لَكَ أَنْ تَأْخُذَ مِنْهُ شَيْئاً؛ بِمَ تَأْخُذُ مَالَ أَخِيكَ بِغَيْرِ حَقٍّ» رواه الإمام أحمد ومسلم
(4).
--------------------------------------------
আরাইয়া (বিক্রয়) পাঁচ ওয়াসাকের কম অথবা পাঁচ ওয়াসাক পরিমাণের ক্ষেত্রে [অনুমোদিত]। এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খায়ন (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন
(১)।
স্থাবর সম্পদ এবং ফলমূল বিক্রয় অধ্যায়৬৩ - আবদুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি পরাগায়ন করার পর খেজুর গাছ ক্রয় করে, তবে তার ফল বিক্রেতার প্রাপ্য হবে; যদি না ক্রেতা তা (নিজের জন্য) শর্ত করে নেয়»। এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খায়ন বর্ণনা করেছেন
(২)।
৬৪ - ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফল পরিপক্ক হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগে তা বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন»। এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খায়ন বর্ণনা করেছেন
(৩)।
৬৫ - জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যদি তুমি তোমার ভাইয়ের কাছে কোনো ফল বিক্রয় কর এবং তা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে তোমার জন্য তার থেকে কোনো কিছু গ্রহণ করা বৈধ নয়; তুমি কোন অধিকারে তোমার ভাইয়ের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ করবে?» এটি ইমাম আহমাদ এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
بَابُ الخيار66 - * عن حَكِيمِ بن حِزَامٍ، وابنِ عُمَرَ رضي الله عنهم أن النَّبِيَّ عليه السلام قَالَ: «الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
67 - * وعَنْ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أنَّ النَّبِيَّ عليه السلام قَالَ: «فَإِنْ تَفَرَّقَا بَعْدَ أَنْ تَبَايَعَا وَلَمْ يَتْرُكْ وَاحِدٌ مِنْهُمَا البَيْعَ فَقَدْ وَجَبَ البَيْعُ» رواه مسلم
(2).
68 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «لَا تُصَرُّوا الإِبِلَ وَالغَنَمَ فَمَنِ ابْتَاعَهَا بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ بِخَيْرِ النَّظَرَيْنِ بَعْدَ أَنْ يَحْلُبَهَا فَإِنْ رَضِيَهَا أَمْسَكَهَا وَإِنْ سَخِطَهَا رَدَّهَا وَصَاعَاً مِنْ تَمْرٍ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(3).
--------------------------------------------
খিয়ার (ক্রয়-বিক্রয় বাতিলের অধিকার) পরিচ্ছেদ৬৬ - * হাকিম ইবনে হিযাম এবং ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত যে, নবী আলাইহিস সালাম বলেছেন: «ক্রেতা ও বিক্রেতা যতক্ষণ একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন না হন, ততক্ষণ তাদের (চুক্তি বহাল রাখা বা বাতিলের) ইখতিয়ার থাকবে» এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন (বুখারি ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন
(১)।
৬৭ - * এবং ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, নবী আলাইহিস সালাম বলেছেন: «যদি তারা ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করার পর একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তাদের কেউ ক্রয়-বিক্রয় বাতিল না করে, তবে ক্রয়-বিক্রয় চূড়ান্ত বা আবশ্যক হয়ে গেল» এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন
(২)।
৬৮ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «তোমরা উট ও বকরির ওলানে দুধ জমিয়ে রেখো না। এরপর যদি কেউ এমন পশু ক্রয় করে, তবে দোহন করার পর সে দুটি উত্তম পন্থার ইখতিয়ার পাবে: যদি সে এতে সন্তুষ্ট হয় তবে তা রেখে দেবে, আর যদি অসন্তুষ্ট হয় তবে তা ফেরত দেবে এবং সাথে এক সা' খেজুর প্রদান করবে» এটি ইমাম আহমাদ এবং শায়খাইন বর্ণনা করেছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
بَابُ السَّلَم69 - عَنِ عَبدِ اللهِ بنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: قَدِمَ رسولُ الله عليه السلام المَدِينَةَ وَهُمْ يُسْلِفُونَ فِي الثِّمَارِ السَّنَةَ وَالسَّنَتَيْن، فَقَالَ: «مَنْ أَسْلَفَ فِي ثَمَرٍ
(1) فَلْيُسْلِفْ فِي كَيْلٍ مَعْلُومٍ وَوَزْنٍ مَعْلُومٍ إِلَى أَجَلٍ مَعْلُومٍ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
بَابُ القَرْضِ70 - عَنْ أَبِي رَافِعٍ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام اسْتَسْلَفَ مِنْ رَجُلٍ بَكْرَاً، فَقَدِمَتْ عَلَيْهِ إِبِلٌ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ، فَأَمَرَ أَبَا رَافِعٍ أَنْ يَقْضِيَ الرَّجُلَ بَكْرَهُ، فَرَجَعَ إِلَيْهِ أَبُو رَافِعٍ فَقَالَ: (لَمْ أَجِدْ فِيهَا إِلاَّ خِيَارَاً رَبَاعِيّاً)، فَقَالَ: «أَعْطُوهُ، فَإِنَّ خِيْرَ النَّاسِ أَحْسَنُهُمْ قَضَاءً» رواه الإمام أحمد ومسلم
(3).
--------------------------------------------
সালাম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) অধ্যায়৬৯ - আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম মদিনায় আগমন করলেন, এমতাবস্থায় যে তারা এক বছর বা দুই বছরের মেয়াদে ফলের ক্ষেত্রে অগ্রিম লেনদেন (সালাম) করছিল। অতঃপর তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি কোনো ফলের
(১) ক্ষেত্রে অগ্রিম লেনদেন করবে, সে যেন নির্ধারিত পরিমাপ, নির্ধারিত ওজন এবং নির্ধারিত সময়ের ভিত্তিতে অগ্রিম লেনদেন করে» ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন
(২)।
করয (ঋণ) অধ্যায়৭০ - আবু রাফে রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম এক ব্যক্তির নিকট থেকে একটি অল্প বয়স্ক উট ঋণ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর নিকট সাদাকার অনেকগুলো উট আসলো। তখন তিনি আবু রাফেকে সেই ব্যক্তির উটটি পরিশোধ করে দিতে নির্দেশ দিলেন। আবু রাফে তাঁর নিকট ফিরে এসে বললেন: (আমি এগুলোর মধ্যে উন্নত মানের ছয় বছর বয়সী উট ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছি না)। তিনি বললেন: «তাকে ওটাই দিয়ে দাও, কারণ মানুষের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠ যে ঋণ পরিশোধে সবচেয়ে উত্তম» ইমাম আহমাদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাজরীদু আহাদীসি উমদাতিল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
بَابُ أحكام الدَّيْن71 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «مَنْ أَدْرَكَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ إِنْسَانٍ قَدْ أَفْلَسَ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ مِنْ غَيْرِهِ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(1).
بَابُ الحوالة72 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ عليه السلام قَالَ: «إِذَا أُتْبِعَ أَحَدُكُمْ عَلَى مَلِيءٍ فَلْيَتْبَعْ» رواه الإمام أحمد والشيخان
(2).
بَابُ الشَّرِكَة73 - ورُوي عَن عبدِ اللهِ بن مَسعُودٍ رضي الله عنه قال: (اشْتَرَكْتُ أَنَا وَسَعْدٌ وَعَمَّارٌ فِيمَا نُصِيبُ يَوْمَ بَدْرٍ، فَجَاءَ سَعْدٌ بِأَسِيرَيْنِ وَلَمْ أَجِيء أَنَا وَعَمَّارٌ بِشَيءٍ) رواه أبو داود والنسائي وابن ماجه
(3).
--------------------------------------------
ঋণ সংক্রান্ত বিধানের অধ্যায়৭১ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার পণ্যদ্রব্য অবিকল এমন ব্যক্তির নিকট পায় যে দেউলিয়া হয়ে গেছে, তবে সে অন্যের তুলনায় তার বেশি হকদার» এটি ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন বর্ণনা করেছেন
(১)।
হাওয়ালা (ঋণ স্থানান্তর) সংক্রান্ত অধ্যায়৭২ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «তোমাদের কাউকে যদি কোনো সচ্ছল ব্যক্তির নিকট (ঋণ আদায়ের জন্য) সোপর্দ করা হয়, তবে সে যেন তা মেনে নেয়» এটি ইমাম আহমাদ ও শাইখাইন বর্ণনা করেছেন
(২)।
অংশীদারিত্বের (শিরকাত) অধ্যায়৭৩ - আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (আমি, সাদ এবং আম্মার বদর যুদ্ধের দিন যা গনিমত পাব তাতে অংশীদার হলাম। এরপর সাদ দুটি যুদ্ধবন্দী নিয়ে এলেন, কিন্তু আমি এবং আম্মার কিছুই আনতে পারলাম না) এটি আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন
(৩)।
--------------------------------------------