(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: -)
النحو المصفى   (محمد عيد)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: النحو المصفى

المؤلف: محمد عيد

الناشر: مكتبة الشباب

الطبعة: الأولى، 1971 م

عدد الصفحات: 735

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আন-নাহভুল মুসাফফা   (মুহাম্মদ ঈদ)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: আন-নাহভুল মুসাফফা

লেখক: মুহাম্মদ ঈদ

প্রকাশক: মাকতাবাতুশ শাবাব

সংস্করণ: প্রথম، ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৩৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৩)
«إني رأيت النحويين - رحمة الله عليهم - قد وضعوا صناعة النحو لحفظ كلام العرب من اللحن وصيانته عن التغيير، فبلغوا من ذلك إلى الغاية التي أمُّوا، وانتهوا إلى المطلوب الذي ابتغوا، إلا أنهم التزموا ما لا يلزمهم، وتجاوزوا فيها القدر الكافي فيما أرادوه منها، فتوعَّرت مسالكُها، ووهَنَتْ مبانيها، وانحطَّت عن رُتْبَة الإقناع حججُها.

 

على أنها إذا أخذت المأخذ المبرَّأ من الفضول، المجرَّد عن المماحكات والتخييل، كانت من أوضح العلوم برهاناً، وأرجح المعارف عند الامتحان ميزاناً»

 

(من كتاب: الرد على النحاة)

لابن مضاء القرطبي
«আমি লক্ষ্য করেছি যে বৈয়াকরণগণ—আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন—আরবদের কালামকে ভুলভ্রান্তি থেকে রক্ষা করার জন্য এবং একে পরিবর্তনের হাত থেকে নিরাপদ রাখার উদ্দেশ্যে ব্যাকরণ শাস্ত্রটি প্রণয়ন করেছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা যে লক্ষ্য স্থির করেছিলেন তার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছেন এবং যা পেতে চেয়েছিলেন তা অর্জনে সফল হয়েছেন। তবে তাঁরা এমন কিছু বিষয়ের বাধ্যবাধকতা নিজেদের ওপর আরোপ করেছেন যা তাঁদের জন্য আবশ্যক ছিল না, এবং এর দ্বারা তাঁরা যা অর্জন করতে চেয়েছিলেন সে ক্ষেত্রে তাঁরা পরিমিত সীমা অতিক্রম করেছেন; ফলে এর পথসমূহ দুর্গম হয়ে পড়েছে, এর ভিত্তিপ্রস্তরসমূহ দুর্বল হয়ে গেছে এবং এর যুক্তিসমূহ মানুষকে আশ্বস্ত করার মান থেকে নিচে নেমে গেছে।

 

অথচ একে যদি এমন পন্থায় গ্রহণ করা হতো যা বাহুল্যবর্জিত এবং নিরর্থক বিতর্ক ও কাল্পনিক জটিলতা থেকে মুক্ত, তবে এটি প্রমাণের দিক থেকে স্পষ্টতম বিজ্ঞান এবং যাচাই-বাছাইয়ের মানদণ্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী জ্ঞান হিসেবে পরিগণিত হতো।»

 

(গ্রন্থসূত্র: আর-রাদ্দু আলান নুহাত হতে সংগৃহীত)

ইবনে মাদা আল-কুরতুবি
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة:

عاشت صورة هذا الكتاب في عقلي ووجداني زمنا طويلا، وكانت هناك مجموعة أسباب تعاونت جميعًا على هذه المعايشة الطويلة، ثم دفعتْ أخيرا إلى تنفيذه بعد أن هيّأتُ نفسي لأهلية تأليفه، ورسمت خطته التي التزمتها في كل أبوابه وأفكاره، وهذه المقدمة ينبغي أن توضح للقارئ -بإيجاز- الجانبين السابقين من دوافع التأليف والنهج الذي التزمته في تنفيذ هذا المؤلف.

من هذه الأسباب أن طول الصحبة لكتب مسائل النحو القديمة -مطولة ومختصرة، نثرا ونظما- تؤكد لدى كل منصف أن هذه الكتب صعبة الفهم على الشّادين في النحو، بل إن بعضها يتعذر استيعابه على الدارسين المتخصصين أنفسهم، وذلك لامتلائها بالحشو والفضول، أو كما يقول ابن مضاء: "بالمماحكات والتخييل" ففيها حشود من المجادلات الذهنية العقيمة وألوان من العلل والعوامل التي يسوغها منطق العقل لا منطق اللغة، يضاف لذلك كله تخريجات مجهدة واستطرادات شتى وفروع من المسائل متفرقة وغير ذلك، مما ينطمس معه وجه النحو الأصيل تحت ركام المزيف الدخيل.

لذلك أحسست -بعد طول الصحبة مع هذه المؤلفات- أن هذا الجهد المشكور للنحاة رحمهم الله بعضه مفيد للغة، وبعضه طفيلي معوق عن الوصول لما هو مفيد، بل إن هذا الأخير هو الغالب على مطولات النحو من مؤلفات المتأخرين، ورأيت أن الواجب بذل جهد مخلص لتخليص المفيد من الطفيلي المعوق والإبقاء على "نحو اللغة" لا "نحو الصنعة".

ومن هذه الأسباب أن تخصصي في الدراسات العليا هيأ لي -بكل ظروفه-
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

ভূমিকা:

এই বইটির একটি প্রতিচ্ছবি দীর্ঘকাল ধরে আমার চিন্তা ও মননে বিদ্যমান ছিল। বেশ কিছু কারণ একত্রিত হয়ে এই দীর্ঘকালীন উপলব্ধিতে সহযোগিতা করেছে এবং শেষ পর্যন্ত এটি বাস্তবায়নের দিকে ধাবিত করেছে; যখন আমি নিজেকে এটি রচনার যোগ্য হিসেবে প্রস্তুত করেছি এবং এমন এক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি যা আমি এর প্রতিটি অধ্যায় ও চিন্তাধারায় মেনে চলেছি। এই ভূমিকাটি পাঠকের নিকট সংক্ষেপে রচনার অনুপ্রেরণা এবং এই গ্রন্থটি বাস্তবায়নে আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি—এই উভয় দিক স্পষ্ট করবে।

এই কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রাচীন নাহু (ব্যাকরণ) বিষয়ক গ্রন্থগুলোর—তা বিস্তারিত হোক বা সংক্ষিপ্ত, গদ্য হোক বা পদ্য—দীর্ঘ সাহচর্য প্রত্যেক ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তির কাছে এটি নিশ্চিত করে যে, এই বইগুলো নাহু শাস্ত্রের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য বোঝা অত্যন্ত কঠিন। এমনকি খোদ বিশেষজ্ঞ গবেষকদের পক্ষেও এর কিছু কিছু অনুধাবন করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। কারণ এগুলো অপ্রাসঙ্গিক ও অসার বিষয়ে পরিপূর্ণ, অথবা ইবন মাযা যেমনটি বলেছেন: "তর্কবিতর্ক ও কাল্পনিক ধারণা" দ্বারা পূর্ণ। এতে রয়েছে নিষ্ফল মানসিক বিতর্কের আধিক্য এবং এমন সব কারণ (ইল্লাত) ও আমেল-এর বর্ণনা যা যুক্তির বিচারে সংগত হলেও ভাষার বিচারে নয়। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ক্লান্তিকর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, বিবিধ অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা এবং বিক্ষিপ্ত মাসআলার শাখা-প্রশাখা। এসবের ফলে কৃত্রিম ও বহিরাগত আবর্জনার স্তূপের নিচে নাহুর প্রকৃত রূপ ঢাকা পড়ে গেছে।

তাই এই রচনাগুলোর সাথে দীর্ঘ সাহচর্যের পর আমি অনুভব করেছি যে, বৈয়াকরণদের (আল্লাহ তাদের ওপর রহম করুন) এই প্রশংসনীয় প্রচেষ্টার কিছু অংশ ভাষার জন্য উপকারী, আর কিছু অংশ পরজীবী সদৃশ যা উপকারী বিষয়ে পৌঁছাতে বাধা দেয়। বরং পরবর্তী যুগের লেখকদের বিস্তারিত নাহু বিষয়ক গ্রন্থগুলোতে এই শেষোক্ত দিকটিই প্রবল। আমি মনে করি, পরজীবী প্রতিবন্ধকতা থেকে উপকারী অংশটুকুকে মুক্ত করা এবং "ভাষার নাহু" টিকিয়ে রাখা ও "যান্ত্রিক নাহু" বর্জন করার জন্য একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানো আবশ্যক।

অন্যতম কারণ হলো উচ্চতর গবেষণায় আমার বিশেষীকরণ আমাকে—তার সকল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে—
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৬)
أن أعايش القضية السابقة في وجهيها الأصيل والدخيل درسًا وتقويمًا وموازنة وكان مجال ذلك كله "منهج النحو العربي" أو بعبارة أخرى: الأسس التي أحكمته وتحكمت فيه، مما كشف لي بطريقة علمية محددة ما كنت أحس به من قبل غائمًا غير محدد، فتعرفت -على قدر جهدي واجتهادي- على مسار التفكير في النحو، وكيف نما وتعقد ثم كان لي من ذلك كله موقف علمي يستند إلى الدراسات اللغوية الحديثة أعانني على فهمه أستاذي العالم الجليل الدكتور "تمام حسان" ولم يكن قوام هذا الموقف النقد فقط، بل النقد والتصحيح، لم يكن قوامه تشخيص الداء وحده، بل تشخيص الداء والدواء جميعا، هذا مع التعاطف التام مع كل ما في كتاب النحو العربي من أصيل صحيح ورفض ما هو طفيلي مزيف.

صار الإحساس الغائم إذن حقيقة محددة، وأصبحت الشكوى الممرورة منهجًا مدروسًا، وانتهت مرحلة الرفض الانفعالي المهوّش، وبدأت مرحلة الفهم المتزن المدروس، وخرجت من دخان الظنون والتخمين إلى مناخ أقرب ما يكون إلى التحديد واليقين، فازددت اقتناعا بضرورة تصفية النحو من أوشابه وعلاجه من أوصابه والكشف عن وجهه الصحيح المشرق.

وفي أثناء ذلك كنت أعيش التجربة في صورة أخرى غير صورة الكتب القديمة والمنهج، كنت أعيشها مع الدارسين المتخصصين من طلاب اللغة الذين يجأرون بالشكوى كل حين من النحو وصعوباته التي تتمثل في تشتت أفكاره وكزازة عرضه، وتجمد أمثلته، وغرابة شواهده وتهافت الكثير منها، مما يترتب عليه تلقائيا التمزق والتململ والكراهية والشكوى المستمرة، مع أن هؤلاء الحانقين الشاكين هم الذين سيحملون -فيما بعد- أمانة تعليم اللغة للصغار والكبار في العالم العربي ومسئولية الكلمة المكتوبة والمنطوقة في حياتنا الأدبية والعلمية.

وفي هذا التصوير السابق للشكوى والتذمر كثير من الحق مع الأسف!! وهو أحد الأسباب التي دفعتني للخروج من الاقتناع الفكري المجرد إلى التصميم العملي على تأليف هذا المكتوب "النحو المصفى" ملتزما في تأليفه النهج التالي:
আমি পূর্বোক্ত বিষয়টি এর মূল এবং আগন্তুক—উভয় দিক থেকে অধ্যয়ন, মূল্যায়ন এবং তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীরভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছি। আর এই সবকিছুর ক্ষেত্র ছিল "আরবি ব্যাকরণ পদ্ধতি" বা অন্য কথায়: সেই সকল মূলনীতি যা একে সুসংবদ্ধ করেছে এবং একে নিয়ন্ত্রণ করেছে। এটি আমার সামনে বৈজ্ঞানিক ও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সেই বিষয়গুলো উন্মোচিত করেছে যা ইতিপূর্বে আমি অস্পষ্টভাবে অনুভব করতাম। আমি—আমার সাধ্য ও প্রচেষ্টা অনুযায়ী—ব্যাকরণ বিষয়ক চিন্তাধারার গতিপথ এবং এটি কীভাবে বিকশিত ও জটিল রূপ পরিগ্রহ করেছে তা অনুধাবন করেছি। অতঃপর আধুনিক ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার ভিত্তিতে আমার একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক অবস্থান তৈরি হয়, যা বুঝতে আমাকে সাহায্য করেছেন আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রাজ্ঞ আলিম ডক্টর "তাম্মাম হাসান"। এই অবস্থানের ভিত্তি কেবল সমালোচনা ছিল না, বরং তা ছিল সমালোচনা ও সংশোধন; এর ভিত্তি কেবল রোগ নির্ণয় ছিল না, বরং রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়—উভয়ই ছিল। এর পাশাপাশি আরবি ব্যাকরণের কিতাবসমূহের সকল মৌলিক ও সঠিক বিষয়ের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি এবং কৃত্রিম ও অনধিকারপ্রবেশকারী বিষয়গুলোর প্রতি প্রত্যাখ্যানও এতে বিদ্যমান ছিল।

ফলশ্রুতিতে সেই অস্পষ্ট অনুভূতি একটি সুনির্দিষ্ট সত্যে রূপ নিল এবং তিক্ত অভিযোগ একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে পরিণত হলো। আবেগপ্রসূত ও বিভ্রান্তিকর প্রত্যাখ্যানের পর্যায়ের সমাপ্তি ঘটল এবং শুরু হলো ভারসাম্যপূর্ণ ও সুচিন্তিত উপলব্ধির পর্যায়। আমি ধারণা ও অনুমানের ধোঁয়াশা থেকে বেরিয়ে এসে এমন এক পরিবেশে উপনীত হলাম যা সুনির্দিষ্টতা ও নিশ্চিত বিশ্বাসের অত্যন্ত নিকটবর্তী। ফলে ব্যাকরণকে এর আবর্জনা থেকে মুক্ত করার, এর ব্যাধিগুলোর চিকিৎসা করার এবং এর সঠিক ও উজ্জ্বল রূপটি উন্মোচন করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমার প্রত্যয় আরও দৃঢ় হলো।

এরই মাঝে আমি প্রাচীন কিতাব ও নির্দিষ্ট পদ্ধতির বাইরে ভিন্ন এক আঙ্গিকে এই অভিজ্ঞতা লাভ করছিলাম। আমি এটি প্রত্যক্ষ করছিলাম ভাষা শিক্ষার সেই সকল বিশেষায়িত শিক্ষার্থীদের মাঝে, যারা প্রতিনিয়ত ব্যাকরণ এবং এর জটিলতা নিয়ে উচ্চকণ্ঠে অভিযোগ করে। এই জটিলতাগুলো পরিলক্ষিত হয় এর ভাবনার বিক্ষিপ্ততা, উপস্থাপনার কঠোরতা, উদাহরণের স্থবিরতা এবং এর প্রমাণাদির অদ্ভুত ও দুর্বল প্রকৃতির মধ্যে। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয় মানসিক বিচ্ছিন্নতা, অস্থিরতা, ঘৃণা এবং অবিরাম অভিযোগ। অথচ এই ক্ষুব্ধ ও অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরাই পরবর্তীতে আরব বিশ্বে ছোট-বড় সবার কাছে ভাষা শিক্ষার আমানত এবং আমাদের সাহিত্যিক ও বৈজ্ঞানিক জীবনে লিখিত ও মৌখিক শব্দের দায়িত্ব বহন করবে।

অভিযোগ ও অসন্তোষের এই পূর্বোক্ত চিত্রায়নের মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত অনেক সত্য নিহিত রয়েছে!! আর এটিই অন্যতম কারণ যা আমাকে নিছক তাত্ত্বিক বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে এসে ব্যবহারিক সংকল্পের মাধ্যমে "আন-নাহবুল মুসাফ্ফা" (পরিশোধিত ব্যাকরণ) নামক এই গ্রন্থটি রচনায় উদ্বুদ্ধ করেছে। এটি রচনায় আমি নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করেছি:
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৭)
1 - قبل كتابة أي موضوع "كالحال مثلا" أراجع كثيرًا من كتب مسائل النحو القديمة كشروح الألفية ومؤلفات ابن هشام وغيرهما للإحاطة التامة بكل أفكار الباب كما عرضته هذه المصادر الأصيلة.

2 - أقوم -بعد ذلك- بتصفية ما لا فائدة فيه وما لا ضرر في تركه كالمجادلات الذهنية والاستطرادات الجانبية والتمارين غير العملية والمسائل المقحمة في غير موضعها وفلسفات العوامل والخلاف حولها والعلل والتعلات والتخريجات الظنية وغير ذلك مما لا يفيد نطقًا وأساء إلى كتاب النحو العربي، وعوق فهمه وأطال نصه، ليبقى بعد ذلك جوهر الموضوع وخطه الواضح الأصيل.

ولا حاجة بي إلى القول بأن هذه التصفية تتم في إطار منهج مدروس -وإن كان غير منظور- هو ما أفدته في دراستي العليا للماجستير والدكتوراه، فهي تصفية مضبوطة لا مندفعة، واعية لاعشوائية.

وسيجد القارئ في بعض الأحيان هزًّا لبعض المسائل التقليدية ونقضا لها مع ذكر الرأي فيها بعد عرضها في إيجاز شديد كما قررها النحاة رحمهم الله وهذا عمل متعمد وراءه منهج علمي مدروس، وهو في الوقت نفسه جانب من جوانب التصفية التي استهدفها هذا الكتاب ومؤلفه.

3 - نظمت الأفكار المصفاة للموضوع -كل موضوع- بطريقة تصل إلى الذهن متكاملة، ومن أقرب طريق، وقدمت هذه الأفكار المنظمة ملخصة في سطور قليلة عند بدايته لتقدم للقارئ بنظرة واحدة سريعة ما هو قادم عليه من دراسة الباب كله.

4 - عرضت الأفكار -بترتيبها في مقدمة الباب- بأسلوب سهل مساوٍ لا كزازة فيه ولا غموض ولا تزيّد، أسلوب مفهوم معاصر واضح لا يقف أبدًا حاجزا بين القارئ وفهم الأفكار، فلا يضيع منه أيّ جهد في غير الفهم نفسه.
১ - কোনো বিষয়—যেমন ‘হাল’ (অবস্থা)—লেখার পূর্বে আমি আলফিয়্যাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ, ইবনে হিশামের রচনাবলি এবং অন্যান্য প্রাচীন নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রীয় মাসআলার কিতাবসমূহ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করি, যাতে এই মূল উৎসগুলোতে বর্ণিত অধ্যায়ের সমস্ত ধারণার ওপর পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করা যায়।

২ - এরপর আমি যা নিষ্প্রয়োজন এবং যা বর্জন করলে কোনো ক্ষতি নেই, তা পরিমার্জন করি। যেমন: বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক, অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা, অবাস্তব অনুশীলন, অনুপযুক্ত স্থানে প্রবিষ্ট মাসআলাসমূহ, ‘আওয়ামিল’ (আমলকারী)-এর দর্শন ও সে সংক্রান্ত মতভেদ, হেতু ও অজুহাতসমূহ, অনুমাননির্ভর ব্যাখ্যা এবং এমন আরও অনেক কিছু যা কথ্য ভাষায় কোনো কাজে আসে না বরং আরবি নাহু শাস্ত্রের বইগুলোর মান ক্ষুণ্ণ করেছে, এর বোধগম্যতাকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং এর কলেবরকে দীর্ঘ করেছে। এটি করি যাতে বিষয়ের মূল নির্যাস এবং এর সুস্পষ্ট ও মৌলিক ধারাটি অবশিষ্ট থাকে।

এটি বলার প্রয়োজন নেই যে, এই পরিমার্জন প্রক্রিয়া একটি সুপরিকল্পিত মানদণ্ডের কাঠামোর মধ্যে সম্পন্ন হয়—যদিও তা দৃশ্যমান নয়—যা আমি আমার এম.এ ও পিএইচডি গবেষণার উচ্চতর শিক্ষা থেকে অর্জন করেছি। সুতরাং এটি একটি সুসংহত পরিমার্জন, আবেগতাড়িত নয়; এটি সচেতন প্রয়াস, উদ্দেশ্যহীন কোনো বিষয় নয়।

পাঠক কখনো কখনো কিছু প্রথাগত মাসআলার ক্ষেত্রে নাড়াচাড়া বা সেগুলোর খণ্ডন দেখতে পাবেন, যেখানে ব্যাকরণবিদগণ (রাহিমাহুমুল্লাহ) যেভাবে বিষয়গুলো নির্ধারণ করেছেন তা অত্যন্ত সংক্ষেপে উপস্থাপনের পর সে বিষয়ে নিজস্ব অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে। এটি একটি সুচিন্তিত কাজ যার পেছনে একটি পরিকল্পিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি রয়েছে। একই সাথে এটি সেই পরিমার্জন প্রক্রিয়ারই একটি অংশ, যা এই গ্রন্থ এবং এর লেখক লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।

৩ - আমি প্রতিটি বিষয়ের পরিমার্জিত ধারণাগুলোকে এমনভাবে বিন্যস্ত করেছি যা মস্তিষ্কে পূর্ণাঙ্গভাবে এবং সহজতম উপায়ে পৌঁছায়। অধ্যায়ের শুরুতে আমি এই সুবিন্যস্ত ধারণাগুলোকে সংক্ষেপে কয়েক লাইনে উপস্থাপন করেছি, যাতে পাঠক এক নজরেই পুরো অধ্যায়ের পঠনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে দ্রুত ধারণা পেতে পারেন।

৪ - আমি অধ্যায়ের ভূমিকায় ক্রমানুসারে ধারণাগুলোকে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছি, যেখানে কোনো জটিলতা, অস্পষ্টতা বা বাহুল্য নেই। এটি একটি সমকালীন ও প্রাঞ্জল উপস্থাপনা, যা পাঠকের চিন্তা ও উপলব্ধির মাঝে কখনো অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে না। ফলে বিষয়ের মূল উপলব্ধির বাইরে পাঠকের অন্য কোনো অতিরিক্ত শ্রম ব্যয় হবে না।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৮)
5 - استخدمت أمثلة حديثة "بدل زيد وعمرو" تنمي عقل الدارس وتصقل وجدانه وتزيد خبرته، وتقربه من لغة الحياة المعاصرة وما تعبر عنه من ثقافة وتجارب، بالإضافة إلى مهمتها الأساسية في إفهام القواعد دون تكلف أو صنعة وكثيرًا ما بدأت بتلك الأمثلة بين يدي الأفكار، لتكون وسيلة الاستقراء والاستنتاج، للتخفيف من منهج عرض النحو المعياريّ الجاف.

ومع ذلك التزمت -في أثناء عرض الأفكار- ذكر ثروة النحو من الشواهد نثرًا وشعرًا إلا ما تهافت نصه أو أدى إلى مجادلات لا طائل وراءها، وفي بعض الأحيان لا أقتصر على تقديم الشاهد يتيمًا ضائع المعنى، بل أقدمه ضمن مقطوعته التي توضح معناه، وتعطف الدارس إليه.

6 - وضعت بعد كل قسم مجموعة من النصوص للتدريب، اخترتها من الأدب العربي القديم نثرًا وشعرًا، ووراء هذا الاختيار مضمونها الراقي إنسانيا واجتماعيا ووضعت بعد كل منها أسئلة لم أقدم حلها، وهذه الأسئلة لتطبيق قواعد القسم الذي جاءت بعده على النص، ليكون حلها وسيلة الفهم والمراجعة والتطبيق.

وبعد: فقد يكون الكلام السابق أهون الأشياء إذا مر عليه القارئ مرًّا سريعًا وهو يتجشأ أو يتثاءب، ولكنه -في حقيقة الأمر- أصعب الأشياء إذا ما تصورنا أن خطاه تنقلت عبر أكثر من سبعمائة صفحة هي حجم هذا الكتاب، وأنه جشمني من الجهد والإجهاد ما أهبه خالصا لوجه الله .. والعلم.

وإني لأدعو الله أن ينتفع به القارئ قدر ما تعبت فيه!! وأن يتحقق المرجوّ منه بقدر نبل الهدف من تأليفه: {إِنْ أُرِيدُ إِلَّا الْأِصْلاحَ مَا اسْتَطَعْتُ وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّهِ}.

القاهرة في 20 أغسطس سنة 1971

محمد عيد
৫ - "যায়েদ এবং আমর"-এর পরিবর্তে এখানে আধুনিক কিছু উদাহরণ ব্যবহার করা হয়েছে যা শিক্ষার্থীর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটায়, তার অনুভূতিকে শাণিত করে, অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করে এবং তাকে সমসাময়িক জীবনের ভাষা ও তার সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতার নিগূঢ় অভিব্যক্তির কাছাকাছি নিয়ে আসে। এছাড়াও কোনো কৃত্রিমতা বা বাহুল্য ছাড়াই ব্যাকরণের নিয়মাবলি বুঝানোর ক্ষেত্রে এর মৌলিক ভূমিকা তো রয়েছেই। অনেক ক্ষেত্রেই আমি মূল ভাবনার পূর্বে এই উদাহরণগুলো উপস্থাপন করেছি, যাতে তা আরোহ ও অবরোহ পদ্ধতির মাধ্যম হতে পারে এবং শুষ্ক মানদণ্ডনির্ভর ব্যাকরণ উপস্থাপনা পদ্ধতির কঠোরতা লাঘব করা যায়।

তা সত্ত্বেও আমি—ভাবনাগুলো উপস্থাপনের সময়—গদ্য ও পদ্য থেকে ব্যাকরণের উদাহরণ বা প্রমাণসমূহের বিশাল ভাণ্ডার উল্লেখ করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম; তবে যেগুলোর পাঠ অত্যন্ত দুর্বল অথবা যা নিষ্ফল বিতর্কের দিকে ধাবিত করে সেগুলো ব্যতিরেকে। মাঝে মাঝে আমি কোনো প্রমাণকে কেবল বিচ্ছিন্ন ও অর্থহীনভাবে উপস্থাপন করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকিনি, বরং সেটিকে তার মূল প্রসঙ্গের মধ্যেই উপস্থাপন করেছি যা তার অর্থকে স্পষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীর আগ্রহকে সেদিকে আকৃষ্ট করে।

৬ - আমি প্রতিটি বিভাগের পরে অনুশীলনের জন্য একগুচ্ছ পাঠ্য যুক্ত করেছি, যা আমি প্রাচীন আরবি সাহিত্যের গদ্য ও পদ্য থেকে নির্বাচন করেছি। এই নির্বাচনের পেছনে মূল কারণ ছিল সেগুলোর উন্নত মানবিক ও সামাজিক বিষয়বস্তু। আমি এগুলোর প্রতিটির পরে এমন কিছু প্রশ্ন রেখেছি যেগুলোর সমাধান আমি প্রদান করিনি। এই প্রশ্নগুলো হলো পাঠ্যের উপর উক্ত বিভাগের ব্যাকরণগত নিয়মগুলো প্রয়োগ করার জন্য, যাতে এগুলোর সমাধান অনুধাবন, পুনরাবৃত্তি এবং প্রয়োগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

অতঃপর: পূর্বোক্ত কথাগুলো হয়তো খুবই সাধারণ মনে হতে পারে যদি পাঠক হাই তুলতে তুলতে বা অমনোযোগী অবস্থায় দ্রুত এতে চোখ বুলিয়ে যান। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি অত্যন্ত কঠিন একটি বিষয় যদি আমরা কল্পনা করি যে, এই বইয়ের সাতশত পৃষ্ঠারও বেশি পরিধি জুড়ে এর প্রতিটি পদক্ষেপ বিস্তৃত হয়েছে। এটি আমার ওপর যে শ্রম ও ক্লান্তির ভার চাপিয়েছে, তা আমি কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং জ্ঞানের প্রসারের নিমিত্তে উৎসর্গ করছি।

আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যাতে পাঠক এর মাধ্যমে ততটুকুই উপকৃত হন যতটুকু পরিশ্রম আমি এটি তৈরিতে করেছি!! এবং এর রচনার মহৎ উদ্দেশ্যের অনুপাতে যেন প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জিত হয়: "আমি তো কেবল আমার সাধ্যমতো সংশোধনই চাই। আর আমার সাফল্য তো কেবল আল্লাহর সাহায্যেই সম্ভব।"

কায়রো, ২০ আগস্ট, ১৯৭১

মুহাম্মদ ঈদ
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: -)
النحو المصفى   (محمد عيد)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: النحو المصفى

المؤلف: محمد عيد

الناشر: مكتبة الشباب

الطبعة: الأولى، 1971 م

عدد الصفحات: 735

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আন-নাহবুল মুসাফফা   (মুহাম্মদ ঈদ)

বিভাগ: নাহব ও সরফ


গ্রন্থ: আন-নাহবুল মুসাফফা

লেখক: মুহাম্মদ ঈদ

প্রকাশক: মাকতাবাতুশ শাবাব

সংস্করণ: প্রথম, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৩৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌الكلمة والكلام:

1 - المقصود بالكلمة لدى النحاة، وإطلاقها أحيانًا على الكلام

2 - صور الكلمة العربية "الاسم، الفعل، الحرف" معناها، علاماتها

3 - المقصود بالكلام لدى النحاة، والفرق بينه وبين الكَلِم

4 - صور الكلام العربي وحصرها في الجملتين الاسمية والفعلية

 

‌‌معنى الكلمة:

البُشْرى، اليُسْر، السُّهولة، العذْب، بَشَّر، يَسَّر، سَهُل، عَذُب، نَعَمْ، أجَلْ، مِنْ، لَيْتَ، لَعَلَّ.

كل من الألفاظ السابقة يطلق عليها "كلمة" سواء أكانت اسمًا أم فعلًا أم حرفًا.

لكن ينبغي قبل الفهم النظري للمقصود بالكلمة لدى النحاة التعرف على ما يقصد بالكلمات: "اللفظ، القول، المفرد".

فاللفظ: هو النطق المشتمل على بعض الحروف سواء أكان هذا المنطوق له معنى أم لم يكن.

فالكلمات "نبيه، رائع، المقْتَحِف، التَّرّان" كلها ألفاظ، ومن البيّن أن للأوليين معنى، أما الأخيرتان فلا معنى لهما.

والقول: هو النطق الدال على معني فقط، فالكلمتان "نبيه، رائع" قول، أما الكلمتان "المقْتَحِف، التَّرّان" فليستا من القول في شيء.

والمفرد: يقصد به هنا ما لا يدل جزؤه على جزء معناه، فمثلا كلمة
কালিমা (শব্দ) ও কালাম (বাক্য):

১ - ব্যাকরণবিদদের নিকট কালিমার উদ্দেশ্য এবং কখনো কখনো কালামের অর্থে এর প্রয়োগ।

২ - আরবি কালিমার রূপসমূহ: "ইসম (বিশেষ্য), ফে'ল (ক্রিয়া), হরফ (অব্যয়)", এগুলোর অর্থ ও চিহ্নসমূহ।

৩ - ব্যাকরণবিদদের নিকট কালামের উদ্দেশ্য এবং কালাম ও কালিমের মধ্যে পার্থক্য।

৪ - আরবি কালামের রূপসমূহ এবং ইসমিয়া ও ফে'লিয়া—এই দুই জুমলার (বাক্য) মধ্যে সেগুলোর সীমাবদ্ধতা।

 

‌‌কালিমার অর্থ:

সুসংবাদ, স্বাচ্ছন্দ্য, সহজতা, সুমিষ্ট, সুসংবাদ দিয়েছে, সহজ করেছে, সহজ হয়েছে, মিষ্টি হয়েছে, হ্যাঁ, অবশ্যই, থেকে, হায় যদি, সম্ভবত।

উপরের প্রতিটি শব্দকেই "কালিমা" বলা হয়, তা ইসম, ফে'ল বা হরফ যাই হোক না কেন।

তবে ব্যাকরণবিদদের নিকট কালিমার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাত্ত্বিক উপলব্ধির আগে "লফজ (উচ্চারণ), কওল (বক্তব্য) ও মুফরাদ (একক)" শব্দগুলো দ্বারা কী বোঝানো হয় তা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

লফজ: এটি এমন উচ্চারণ যা কিছু বর্ণের সমষ্টি, চাই সেই উচ্চারিত শব্দটির কোনো অর্থ থাকুক বা না থাকুক।

সুতরাং "নাবিহ (বুদ্ধিমান), রায়ে' (চমৎকার), আল-মুকতাহিফ, আত-তাররান" শব্দগুলোর সবই লফজ; এটা স্পষ্ট যে প্রথম দুটির অর্থ আছে, কিন্তু শেষ দুটির কোনো অর্থ নেই।

কওল: এটি এমন উচ্চারণ যা কেবল অর্থ নির্দেশ করে। সুতরাং "নাবিহ ও রায়ে'" শব্দ দুটি কওল, কিন্তু "আল-মুকতাহিফ ও আত-তাররান" শব্দ দুটি কওলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

মুফরাদ: এখানে মুফরাদ বলতে এমন শব্দকে বোঝানো হয়েছে যার অংশ তার অর্থের অংশকে নির্দেশ করে না। উদাহরণস্বরূপ-
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৬)
"عَذْب" مكونة من حروف ثلاثة هي "ع. ذ. ب" فلو أخذ كل منها مستفردا ما دل على شيء من العذوبة التي تفيدها الكلمة مجتمعة الحروف.

وعلى هذا: يمكن فهم التعريفين التاليين للكلمة، وهما يمثلان تحديد الكلمة لدى معظم النحاة.

جاء في ابن عقيل: الكلمة هي اللفظ الموضوع لمعنى مفرد. ا. هـ.

وجاء في قطر الندى: الكلمة قول مفرد. ا. هـ.

وهذان التحديدان متساويان تمامًا؛ لأن "اللفظ الموضوع لمعنى" تساوي تمامًا "القول".

والمهم من ذلك كله أن الكلمة -وستتردد كثيرا في دراستنا- تطلق على ما له الصفات التالية مجتمعة:

أ- النطق، فدراسة النحو كلها تقوم على النطق فعلا لا على الخط أو غيره من الأمور الدالة.

ب- أن يكون هذا النطق دالا على معنى، فلا علاقة لنا إذن بما لا معنى له من الهراء أو الألفاظ المشوهة.

ج- المفرد -كما حدد فيما سبق- فإن النطق المركب له موقف آخر سيأتي في الحديث عن الكلام.

هذا التحديد السابق هو المعنى المشهور "للكلمة" لغة ونحوا، لكنها قد تستخدم عن طريق المجاز البلاغي دالة على كلام كثير جملة أو عبارة أو قصيدة أو خطبة، فلنتأمل ما يلي:

- قول القرآن في حديث عن الكافر: {قَالَ رَبِّ ارْجِعُونِ، لَعَلِّي أَعْمَلُ صَالِحاً فِيمَا تَرَكْتُ كَلَّا إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا}(1)

--------------------------------------------

(1) من الآية 99 من سورة "المؤمنون".
"আযব" শব্দটি তিনটি বর্ণ 'আইন', 'যাল' ও 'বা' নিয়ে গঠিত। যদি এগুলোর প্রত্যেকটি বর্ণকে এককভাবে নেওয়া হয়, তবে তা সেই মিষ্টত্বের কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, যা এই বর্ণগুলো একত্রিত হয়ে শব্দটি গঠন করলে প্রকাশ পায়।

এর ওপর ভিত্তি করে, 'কালিমা' বা শব্দের নিম্নোক্ত দুটি সংজ্ঞা বোঝা যেতে পারে, যা অধিকাংশ ব্যাকরণবিদের নিকট শব্দের পরিচয় হিসেবে স্বীকৃত।

ইবনে আকীলে বর্ণিত হয়েছে: 'কালিমা' হলো এমন উচ্চারণ যা কোনো একক অর্থের জন্য নির্ধারিত। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

ক্বতরুন নাদাতে বর্ণিত হয়েছে: 'কালিমা' হলো একক কথা। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

আর এই দুটি সংজ্ঞাই পুরোপুরি অভিন্ন; কারণ "অর্থের জন্য নির্ধারিত উচ্চারণ" এবং "কথা" একই বিষয়কে নির্দেশ করে।

আর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই যে, 'কালিমা'—যা আমাদের পাঠে বারবার আসবে—তা এমন বিষয়ের ওপর প্রয়োগ করা হয় যার মধ্যে নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো একত্রে বিদ্যমান থাকে:

ক- উচ্চারণ: কারণ নাহু বা ব্যাকরণ শাস্ত্রের সম্পূর্ণ আলোচনা মূলত উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, লিখনের ওপর বা অন্য কোনো অর্থবোধক বিষয়ের ওপর নয়।

খ- এই উচ্চারণটি অর্থবোধক হওয়া: সুতরাং অর্থহীন প্রলাপ বা বিকৃত শব্দ যা কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তার সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

গ- একক হওয়া: যেমনটি পূর্বে নির্ধারিত হয়েছে। কেননা যৌগিক উচ্চারণের বিধান ভিন্ন, যা 'কালাম' বা বাক্য সংক্রান্ত আলোচনায় সামনে আসবে।

এই সংজ্ঞাটিই হলো ভাষা ও ব্যাকরণ শাস্ত্রে 'কালিমা' বা শব্দের প্রসিদ্ধ অর্থ। তবে এটি আলঙ্কারিক রূপক হিসেবে অনেক দীর্ঘ বক্তব্য, অনুচ্ছেদ, কবিতা বা ভাষণের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হতে পারে। নিচের উদাহরণটি লক্ষ করি:

- কাফির সম্পর্কে কুরআনের বর্ণনা: {সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে পুনরায় (দুনিয়াতে) পাঠিয়ে দিন, যাতে আমি যা ছেড়ে এসেছি তাতে সৎকাজ করতে পারি। কখনই নয়, এটি তো কেবল একটি কথা মাত্র যা সে বলছে।}(১)

--------------------------------------------

(১) সূরা "আল-মুমিনুন"-এর ৯৯ নং আয়াতের অংশ।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৭)
- قول القرآن: {وَتَمَّتْ كَلِمَةُ رَبِّكَ لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ}(1).

- ما روي عن الرسول من قوله: "أصدق كلمة قالها شاعر كلمة لبيد":

ألا كلُّ شيءٍ ما خلا اللهَ باطلُ … وكلُّ نعيمٍ لا محالةَ زائلُ(2)

- ويتردد بيننا كثيرًا قولنا: "بدأ الحفلُ وتوالى الخطباءُ يلقون كلماتِهم".

 

‌‌صور الكلمة العربية:

الإحْسَان، الجميل، الشُّكر، خيرٌ، محبةٌ، جمالٌ. "أسماء".

أحسَنَ، شكَرَ، يُجَامِل، يُواسِي، اصْنَع المعروف. "أفعال".

مِنْ، إلَى، في، ليت، لمْ، هلْ. "حروف".

الكلمة العربية تأتي في صور ثلاث "اسم، فعل، حرف".

 

جاء في قطر الندى: الدليل على انحصار‌‌ أنواع الكلمة في هذه الثلاثة "الاستقراء" فإن علماء هذا الفن تتبعوا كلام العرب، فلم يجدوا إلا ثلاثة أنواع، ولو كان ثمَّ نوع رابع لعثروا على شيء منه ا. هـ.

فالنظر في الكلام العربي وملاحظته وتصنيفه هو ما يطلق عليه "الاستقراء" والاستقراء هو الأساس الذي أدى إلى معرفة أن الكلمة العربية أنواع

--------------------------------------------

(1) من الآية 119 من سورة هود.

(2) صحيح مسلم، الجزاء الرابع، كتاب الشعر.

ومن البيّن أن حديث الرسول قد أطلق على هذا البيت أنه "كلمة صادقة" لما تضمنه من معنى ديني حكيم خلاصته: أن الله هو الحقيقة الباقية، وكل شيء غيره باطل، وكل نعيم في الحياة زائل.

والاستشهاد بالحديث كله -نثرًا وشعرًا- هو إطلاق "الكلمة" على بيت شعري كامل.
- কুরআনের বাণী: {আপনার রবের কথা পূর্ণ হয়েছে যে, আমি অবশ্যই জাহান্নামকে জিন ও মানুষ—উভয় দ্বারা পূর্ণ করব}(১)।

- রাসুল (সা.) থেকে বর্ণিত তাঁর বাণী: "কোনো কবির বলা সবচাইতে সত্য কথা (কালিমাহ) হলো লাবীদের কথা":

জেনে রেখো, আল্লাহ ব্যতীত সব কিছুই বাতিল … এবং সকল নেয়ামত অনিবার্যভাবে নশ্বর(২)

- আমাদের মধ্যে প্রায়ই প্রচলিত একটি কথা হলো: "অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে এবং বক্তারা একে একে তাঁদের বক্তব্য (কথা) প্রদান করছেন।"

 

‌‌আরবি শব্দের রূপসমূহ:

ইহসান (সদাচরণ), সুন্দর, কৃতজ্ঞতা, কল্যাণ, ভালোবাসা, সৌন্দর্য। "ইসিম (বিশেষ্য)"।

সে ভালো কাজ করেছে, সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, সে সৌজন্য প্রদর্শন করছে, সে সান্ত্বনা দিচ্ছে, তুমি সৎকাজ করো। "ফেয়েল (ক্রিয়া)"।

থেকে, দিকে, মধ্যে, যদি, না, কি। "হরফ (অব্যয়)"।

আরবি শব্দ তিনটি রূপে আসে "ইসিম, ফেয়েল ও হরফ"।

 

কাতরুন নাদা গ্রন্থে এসেছে: শব্দের প্রকারভেদ এই তিনটির মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ হলো "ইস্তিকরা" (পর্যবেক্ষণ বা আরোহ পদ্ধতি)। কেননা এই শাস্ত্রের পণ্ডিতগণ আরবদের ভাষা অনুসন্ধান করেছেন এবং তাঁরা মাত্র তিনটি প্রকারই পেয়েছেন। যদি সেখানে চতুর্থ কোনো প্রকার থাকত, তবে তাঁরা অবশ্যই তার কোনো সন্ধান পেতেন। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)

সুতরাং আরবি ভাষা পর্যবেক্ষণ করা, তা গভীরভাবে লক্ষ্য করা এবং বিন্যস্ত করাকেই "ইস্তিকরা" বলা হয়। আর এই ইস্তিকরা বা পর্যবেক্ষণই হলো সেই মূল ভিত্তি যা এই জ্ঞানের দিকে ধাবিত করেছে যে, আরবি শব্দ কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে।

--------------------------------------------

(১) সূরা হুদের ১১৯ নম্বর আয়াতের অংশ থেকে।

(২) সহীহ মুসলিম, চতুর্থ খণ্ড, কবিতার অধ্যায়।

এটি স্পষ্ট যে, রাসুল (সা.)-এর হাদীসে এই কাব্যিক পঙ্ক্তিটিকে "সত্য কথা" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, কারণ এতে এমন এক প্রজ্ঞাপূর্ণ ধর্মীয় অর্থ নিহিত রয়েছে যার সারসংক্ষেপ হলো: আল্লাহই হলেন একমাত্র চিরস্থায়ী সত্য, আর তিনি ব্যতীত অন্য সবকিছুই ভিত্তিহীন এবং জীবনের সকল নেয়ামত বিনাশী।

আর সম্পূর্ণ হাদীসটি—গদ্য ও কাব্য উভয় অংশসহ—উদ্ধৃত করার উদ্দেশ্য হলো এটি দেখানো যে, একটি পূর্ণ কাব্যিক পঙ্ক্তির ক্ষেত্রেও "কালিমাহ" (কথা) শব্দটি প্রয়োগ করা হয়।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৮)
ثلاثة اسم وفعل وحرف، وينبغي التعرف على كل من هذه الأنواع الثلاثة تعرفًا كاملًا من ناحيتين:

أ- تحديد معناه.

ب- علاماته التي يعرف بها.

 

‌‌الاسم:

يقصد به: ما دلَّ على معنى في نفسه، وليس الزمن جزءًا منه، مثل "محمد، خالد، النَّدى، الزرع، البهجة".

والعلامات التي يتميز بها الاسم عن كل من الفعل والحرف خمس هي:

1 - الجر: مثل قولنا "عَلَى البَاغِي تدورُ الدَّوائر".

2 - التنوين: مثل "قوةٌ خيرٌ من ضعف، وصراحةٌ خيرٌ من نفاق".

3 - النداء: مثل "يا محمد، يا خالد" ومن ذلك قول القرآن: {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ}(1) وقوله: {قِيلَ يَا نُوحُ اهْبِطْ بِسَلامٍ مِنَّا وَبَرَكَاتٍ}(2).

4 - أل: كما جاء في قول المتنبي:

الخيلُ والليلُ والبيداءُ تعرفني … والسيفُ والرمحُ والقرطاسُ والقلمُ(3)

5 - الإسناد للاسم: بمعنى أن يكون الاسم متحدثًا عنه، بأن يكون مثلا مبتدأ وله خبر يتحدث عنه به، أو أن يكون فاعلا أو نائب فاعل

--------------------------------------------

(1) من الآية الأولى من سورة "التحريم".

(2) من الآية 48 من سورة "هود".

(3) هذا البيت لأبي الطيب المتنبي، وليس شاهدًا من شواهد النحو؛ لأن المتنبي -فيما يراه النحاة- لا يستشهد بشعره، وإنما ذكر للتمثيل به فقط حيث ضم البيت سبع كلمات بها علامة الاسم "أل" وهي "الخيل، الليل، البيداء، السيف، الرمح، القرطاس، القلم".
তিনটি: ইসম, ফিল এবং হারফ। এই তিন প্রকারের প্রত্যেকটি সম্পর্কে দুটি দিক থেকে পূর্ণাঙ্গ পরিচয় লাভ করা আবশ্যক:

ক- এর অর্থ নির্ধারণ।

খ- এর আলামত বা চিহ্নসমূহ যা দ্বারা একে চেনা যায়।

 

‌‌ইসম (বিশেষ্য):

এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: যা নিজের সত্তাগত অর্থ প্রকাশ করে এবং কাল বা সময় যার অংশ নয়, যেমন "মুহাম্মদ, খালিদ, শিশির, শস্য, আনন্দ"।

আর যেসব আলামত দ্বারা ইসমকে ফিল এবং হারফ থেকে পৃথক করা যায় তা পাঁচটি:

১ - জার (বিভক্তি): যেমন আমাদের কথা "অনাচারীর ওপর বিপদ আবর্তিত হয়"।

২ - তানউইন: যেমন "শক্তি দুর্বলতার চেয়ে উত্তম, আর স্পষ্টবাদিতা কপটতার চেয়ে উত্তম"।

৩ - নিদা (আহ্বান): যেমন "হে মুহাম্মদ, হে খালিদ" এবং এরই অন্তর্ভুক্ত কুরআনের বাণী: {হে নবী}(১) এবং তাঁর বাণী: {বলা হলো: হে নূহ! আমাদের পক্ষ থেকে শান্তি ও বরকতসহ অবতরণ করো}(২)।

৪ - আল (আলিফ-লাম): যেমনটি মুতানাব্বির কবিতায় এসেছে:

ঘোড়া, রাত্রি এবং মরুভূমি আমাকে চেনে … আর তলোয়ার, বল্লম, কাগজ ও কলম(৩)

৫ - ইসমের প্রতি ইসনাদ করা: এর অর্থ হলো ইসম সম্পর্কে কোনো কিছু বলা, যেমন ইসমটি মুবতাদা হওয়া এবং তার একটি খবর থাকা যা দিয়ে তার সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয়, অথবা ফায়িল বা নায়েবে ফায়িল হওয়া।

--------------------------------------------

(১) সূরা "আত-তাহরীম"-এর প্রথম আয়াতের অংশ।

(২) সূরা "হুদ"-এর ৪৮ নং আয়াতের অংশ।

(৩) এই পঙক্তিটি আবু তাইয়্যিব আল-মুতানাব্বির, এটি নাহু শাস্ত্রের কোনো প্রামাণ্য দলিল নয়; কারণ বৈয়াকরণদের মতে মুতানাব্বির কবিতা থেকে দলিল গ্রহণ করা হয় না। এটি কেবল উদাহরণের জন্য উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ এই পঙক্তিতে সাতটি শব্দ রয়েছে যাতে ইসমের আলামত "আল" বিদ্যমান, সেগুলো হলো "ঘোড়া, রাত্রি, মরুভূমি, তলোয়ার, বল্লম, কাগজ, কলম"।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ৯)
ويتحدث عنه بالفعل، كقولنا "أخذتُ موضعي بين شَبابِ الوطنِ فنحن جميعًا مسئولون عن مستقبله" فالتاء في "أخذتُ" اسم، دل على ذلك إسناد الفعل "أخذ" إليها، والضمير "نحن" اسم، دل على ذلك أيضًا الإسناد إليه، حيث أكمله الخبر "مسئولون".

يقول ابن هشام: وهذه العلامة هي أنفع علامات الاسم، وبها تعرف اسميَّة "ما" في قوله تعالى:

{قُلْ مَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ مِنَ اللَّهْوِ وَمِنَ التِّجَارَةِ}(1)، {مَا عِنْدَكُمْ يَنْفَدُ وَمَا عِنْدَ اللَّهِ بَاقٍ}(2) ألا ترى أنها قد أسند إليها "الأخيرية" في الآية الأولى، و"النفاد" في الآية الثانية، و"البقاء" في الآية الثانية، فلهذا حكم بأنها فيهن اسم موصول ا. هـ.

تلك علامات الأسماء، وينبغي التنبه للملاحظتين الآتيتين:

الأولى: أنه ليس من اللازم أن تكون هذه العلامات أو واحدة منها موجودة فعلا في الاسم، بل المقصود أنه بالإمكان قبولها وإن لم توجد فيه بمعنى أن الاسم يمكن أن يقبلها أو واحدة منها وإن لم توجد فيه.

الثانية: لا يعني ذكر هذه العلامات الخمس أنه لا بد لكل اسم أن يقبلها جميعًا، ولكن يكفي أن يقبل واحدة منها فقط، ليعلم أنه اسم، فبعض الأسماء يقبل العلامات الخمس، مثل كلمة "رجل" وبعضها الآخر يقبل أربعا منها مثل "محمد" فإنه لا تدخل عليه "أل"، وبعضها الآخر يقبل واحدة فقط مثل بعض "الضمائر" فإنها لا تقبل إلا الإسناد، تقول "ظُلِمْتُ وأنتَ شاهِدٌ".

--------------------------------------------

(1) من الآية 11 من سورة الجمعة.

(2) من الآية 96 من سورة النحل.
এবং এটি সম্পর্কে ক্রিয়া দ্বারা আলোচনা করা হয়, যেমন আমাদের কথা: "আমি দেশের যুবকদের মাঝে আমার অবস্থান গ্রহণ করেছি, তাই আমরা সবাই এর ভবিষ্যতের জন্য দায়ী"। এখানে "আখাজতু" (আমি নিয়েছি) শব্দের "তু" একটি ইসম (বিশেষ্য); এর প্রমাণ হলো এর দিকে "আখাজা" (নেওয়া) ক্রিয়াটির সম্বন্ধ (ইসনাদ) হওয়া। আর "নাহনু" (আমরা) সর্বনামটিও একটি ইসম; এর প্রমাণও হলো এর দিকে সম্বন্ধ হওয়া, যেহেতু "মাসউলুন" (দায়বদ্ধ) খবরটি একে পূর্ণতা দান করেছে।

ইবনে হিশাম বলেন: এই চিহ্নটি ইসমের চিহ্নসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী। এর মাধ্যমেই মহান আল্লাহর বাণীতে "মা"-এর ইসম হওয়া চেনা যায়:

{বলুন, যা আল্লাহর কাছে আছে তা ক্রীড়া-কৌতুক ও ব্যবসা অপেক্ষা উত্তম}(১), {তোমাদের কাছে যা আছে তা নিঃশেষ হয়ে যাবে এবং আল্লাহর কাছে যা আছে তা স্থায়ী হবে}(২) আপনি কি দেখছেন না যে, প্রথম আয়াতে এর দিকে "উত্তম হওয়া"র সম্বন্ধ করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় আয়াতে "নিঃশেষ হওয়া" ও "স্থায়ী হওয়া"র সম্বন্ধ করা হয়েছে? এই কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, এগুলোতে এটি ইসম মাওসুল (সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য)। উদ্ধৃতি সমাপ্ত।

এগুলো হলো ইসমের চিহ্নসমূহ, এবং নিম্নলিখিত দুটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত:

প্রথমত: এটি আবশ্যক নয় যে, এই চিহ্নগুলো বা এর কোনো একটি ইসমের মধ্যে বাস্তবে বিদ্যমান থাকবেই। বরং উদ্দেশ্য হলো, এগুলো গ্রহণ করার যোগ্যতা থাকা, যদিও তা তাতে বিদ্যমান না থাকে। অর্থাৎ ইসম এগুলোকে বা এর কোনো একটিকে গ্রহণ করতে পারে, যদিও তা বর্তমানে তাতে না থাকে।

দ্বিতীয়ত: এই পাঁচটি চিহ্নের উল্লেখ করার অর্থ এই নয় যে, প্রতিটি ইসমকে এর সবগুলোই গ্রহণ করতে হবে। বরং সেটি যে ইসম তা জানার জন্য এর যেকোনো একটি গ্রহণ করাই যথেষ্ট। কিছু ইসম পাঁচটি চিহ্নই গ্রহণ করে, যেমন "রাজুল" (ব্যক্তি) শব্দটি। আবার কিছু ইসম এর চারটি গ্রহণ করে, যেমন "মুহাম্মাদ", কারণ এর শুরুতে "আল" যুক্ত হয় না। আবার কিছু ইসম কেবল একটি চিহ্নই গ্রহণ করে, যেমন কিছু "সর্বনাম", যা কেবল ইসনাদ (সম্বন্ধ) গ্রহণ করে। যেমন আপনি বলেন: "আমার প্রতি জুলুম করা হয়েছে এবং আপনি সাক্ষী"।

--------------------------------------------

(১) সূরা আল-জুমুআহ-এর ১১ নং আয়াতের অংশবিশেষ।

(২) সূরা আন-নাহল-এর ৯৬ নং আয়াতের অংশবিশেষ।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১০)
وخلاصة الأمر في ذلك أنه يكفي في تمييز الاسم مجرد قبول علامة من العلامات، كما أنه يكفي من ذلك علامة واحدة فأكثر.

 

‌‌الفعل:

يقصد به: ما دل على معنى في نفسه والزمن جزء منه، مثل: "ثَابَرَ، تَفَوَّقَ، يُثَابِرُ، يَتَفَوَّقُ، ثَابِرْ، تَفَوَّقْ".

والفعل يأتي في ثلاث صور هي: "الماضي، المضارع، الأمر" ولكل منها علامة تميزه.

فالماضي: علامته أحد أمرين:

1 - قبول تاء التأنيث الساكنة -وهي حرف- مثل: "من حقّ الأمّ التكريمُ والاحترامُ، فقد حملتْ ابنَها وغَذَّتْه ومنحتْه العطفَ والرعاية".

2 - تاء الفاعل -وهي اسم ضمير- سواء أكانت للمتكلم أم المخاطب تقول "أخلصتُ إليك فرَعيتَ إخلاصي ووفيتُ لك فاحترمتَ وفائي".

المضارع: علامته مجموع أمرين:

1 - قبول الحرف "لمْ" في أوله، كقول القرآن: {لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُواً أَحَدٌ}(1).

2 - أن يكون مبدوءًا بحرف من أربعة: "الهمزة، النون، الياء، التاء".

وهي ما يطلق عليها حروف "أَنَيْتُ"، وتسمى أيضًا "أحرف المضارعة" وهذه الحروف يبدأ بها المضارع، فتجيء مضمومة إذا كان عدد أحرف الماضى أربعة أحرف، مثل: "أُجاهد، أُقْدم، نُحرّر" وتكون مفتوحة فيما عدا ذلك مثل "تَهدِي، يَنْصَح، يَرْتَقِي، يَنْتَصِر، يَستمع".

--------------------------------------------

(1) الآية 3، 4 من سورة "الإخلاص".
এ বিষয়ের সারকথা হলো যে, বিশেষ্যকে (ইসম) পৃথক করার জন্য এর কোনো একটি চিহ্ন গ্রহণ করাই যথেষ্ট, যেমনটি একটি বা একাধিক চিহ্ন থাকাও যথেষ্ট হয়ে থাকে।

 

‌‌ক্রিয়া (ফেল):

এটি দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: যা নিজের সত্তাগত কোনো অর্থের ওপর নির্দেশ করে এবং সময় যার একটি অংশ, যেমন: "সে অবিচল ছিল, সে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল, সে অবিচল থাকছে, সে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে, তুমি অবিচল থাকো, তুমি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করো"।

ক্রিয়া তিনটি রূপে আসে: "অতীতকাল (মাজি), বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (মুদারি) এবং আদেশসূচক (আমর)" এবং এর প্রত্যেকটির জন্য পৃথককারী চিহ্ন রয়েছে।

অতীতকাল (মাজি): এর চিহ্ন হলো দুটি বিষয়ের যেকোনো একটি:

১ - সুকুনযুক্ত স্ত্রীলিঙ্গবাচক 'তা' (তা-এ তানিছ সাকিনাহ) গ্রহণ করা—যা একটি বর্ণ—যেমন: "মায়ের অধিকার হলো সম্মান ও শ্রদ্ধা লাভ করা, কেননা তিনি তার সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেছেন, তাকে লালন-পালন করেছেন এবং তাকে মায়া ও মমতা দান করেছেন"।

২ - কর্তৃবাচক 'তা' (তা-এ ফায়িল)—যা একটি সর্বনাম—চাই তা উত্তম পুরুষের (মুতাকাল্লিম) জন্য হোক বা মধ্যম পুরুষের (মুখাতাব) জন্য। আপনি বলবেন: "আমি তোমার প্রতি একনিষ্ঠ ছিলাম, অতঃপর তুমি আমার একনিষ্ঠতার মূল্যায়ন করেছ; আমি তোমার প্রতি বিশ্বস্ত ছিলাম, তাই তুমি আমার বিশ্বস্ততাকে সম্মান করেছ"।।

বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (মুদারি): এর চিহ্ন হলো দুটি বিষয়ের সমষ্টি:

১ - এর শুরুতে "লাম" (لم) হরফটি গ্রহণ করা, যেমন কুরআনের বাণী: {তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং জন্ম নেননি, আর তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই}(১)।

২ - এটি চারটি বর্ণের যেকোনো একটি দ্বারা শুরু হওয়া: "হামযা, নুন, ইয়া, তা" (আলিফ, নুন, ইয়া, তা)।

এগুলোকে "আনাইতু" (أَنَيْتُ) বর্ণ বলা হয় এবং এগুলোকে "মুদারি-র বর্ণসমূহ" (আহরুফুল মুদারা'আহ)-ও বলা হয়। মুদারি এই বর্ণগুলো দিয়ে শুরু হয়; অতীতকালীন (মাজি) ক্রিয়ার মূল বর্ণ সংখ্যা চারটি হলে এই বর্ণগুলো পেশযুক্ত (যম্মাহ) হয়, যেমন: "আমি সংগ্রাম করছি, আমি অগ্রসর হচ্ছি, আমরা মুক্ত করছি"। আর এছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে এগুলো জবরযুক্ত (ফাতহাহ) হয়, যেমন: "তুমি পথ প্রদর্শন করছ, সে উপদেশ দিচ্ছে, সে উন্নতি করছে, সে বিজয়ী হচ্ছে, সে শ্রবণ করছে"।।

--------------------------------------------

(১) সূরা "আল-ইখলাস"-এর ৩ ও ৪ নম্বর আয়াত।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১১)
والأمر: علامته مجموع أمرين:

1 - أن يدل على الطلب: بأن يكون معناه موجها للمخاطب يطالبه بفعل شيء ما، مثل "عامِل النَّاس بما تُحِبُّ أنْ يُعاملوك به" ومثل "استفْتِ قلبَك ولو أفتاك المُفْتُون".

2 - أن يقبل ياء المخاطبة، فالفعلان السابقان "عَامِلْ، استفْتِ" يمكن إسنادهما إلى ياء المخاطبة، كقول الطبيب مخاطبا إحدى الممرضات: "عامِلِي المرْضى برفْق، وخُذي رأيي قبل تنفيذِ العلاج"

 

‌‌الحرف:

هو ما لا يظهر معناه في نفسه، بل مع غيره.

فالحروف "الواو، الفاء، لا، بلْ، ليت، لعلَّ" لا يظهر معناها ولا يتضح إلا إذا انضم إليها غيرها من الأسماء والأفعال في الجمل، كأن تقول مثلا "ظهر الحقُّ والباطلُ فاتَّبعتُ الأوّل لا الأخيرَ".

وعلامة الحرف التي يتميز بها عن الاسم والفعل أنه لا يقبل شيئًا من علامات الأسماء ولا الأفعال، فالحرف "بلْ" مثلا -من حروف العطف- لا يتصور معه تنوين أو جر أو غيرهما من علامات الأسماء، كذلك لا يتصور معه تاء التأنيث أو تاء الفاعل أو "لمْ" أو ياء المخاطبة من علامات الأفعال.

هذا .. وفي نهاية هذا الموضوع ينبغي معرفة عدة أمور جانبية تتفرع على ما سبق من معرفة الأسماء والأفعال والحروف وهي:

أولا: من شعر الفرزدق يهجو أعرابيًّا من "بني عذرة" قدَّم إليه عبد الملك بن مروان الشعراء الثلاثة "جريرًا والفرزدق والأخطل"، ففضل جريرا على صاحبيه، قال:
এবং ‘আমর’ (আদেশসূচক ক্রিয়া): এর নিদর্শন হলো দুটি বিষয়ের সমষ্টি:

১ - তলব বা কোনো কিছু চাওয়ার ওপর দালালত করা (নির্দেশ করা): অর্থাৎ এর অর্থ সম্বোধিত ব্যক্তির প্রতি এমনভাবে নির্দেশিত হবে যা তার নিকট কোনো কাজ করার দাবি রাখে। যেমন- "লোকদের সাথে তেমন আচরণ করো যেমন আচরণ তুমি তাদের পক্ষ থেকে নিজের জন্য পছন্দ করো" এবং "তোমার হৃদয়ের কাছে ফতোয়া চাও, যদিও ফতোয়া প্রদানকারীরা তোমাকে ফতোয়া প্রদান করে"।"

২ - ইয়ায়ে মুখাতাবা (স্ত্রীবাচক সম্বোধনের ইয়া) গ্রহণ করা: সুতরাং পূর্বোক্ত দুটি ক্রিয়া "আ-মিল" এবং "ইস্তাফতি"-কে ইয়ায়ে মুখাতাবার সাথে যুক্ত করা সম্ভব। যেমন কোনো চিকিৎসক একজন সেবিকাকে সম্বোধন করে বললেন: "রোগীদের সাথে নম্রভাবে আচরণ করো এবং চিকিৎসা প্রদানের পূর্বে আমার পরামর্শ গ্রহণ করো।"

 

‌‌হরফ (অব্যয়):

হরফ হলো তা, যার অর্থ নিজের মধ্যে নিজে স্পষ্ট হয় না, বরং অন্য শব্দের সাথে মিলিত হয়ে প্রকাশ পায়।

সুতরাং "ওয়াও, ফা, লা, বাল, লাইতা, লা-আল্লা" ইত্যাদি হরফসমূহের অর্থ স্পষ্ট হয় না এবং তা ফুটে ওঠে না যতক্ষণ না বাক্যের মধ্যে এগুলোর সাথে অন্য কোনো ইসম (বিশেষ্য) বা ফেল (ক্রিয়া) যুক্ত হয়। যেমন আপনি বলতে পারেন— "সত্য ও মিথ্যা প্রকাশিত হলো, অতঃপর আমি প্রথমটিকে অনুসরণ করলাম, শেষটিকে নয়।"

আর হরফের নিদর্শন—যার মাধ্যমে এটি ইসম ও ফেল থেকে পৃথক হয়—তাহলো এটি ইসম বা ফেলের কোনো আলামত গ্রহণ করে না। উদাহরণস্বরূপ, হরফে আতফের অন্তর্ভুক্ত "বাল" হরফটির সাথে তানউইন, যার (জের) অথবা ইসমের অন্য কোনো আলামত কল্পনা করা যায় না। অনুরূপভাবে এর সাথে তা-এ তানিছ (স্ত্রীবাচক তা), তা-এ ফায়েল (কর্তৃবাচক তা), "লাম" অথবা ফেলের আলামত ইয়ায়ে মুখাতাবাও কল্পনা করা যায় না।

এই হলো মূল আলোচনা। এই প্রসঙ্গের শেষে ইসম, ফেল এবং হরফ সম্পর্কে পূর্বালোচিত জ্ঞানের শাখা হিসেবে কয়েকটি আনুষঙ্গিক বিষয় জেনে রাখা আবশ্যক, যেগুলো হলো:

প্রথমত: ফারাজদাকের একটি কবিতা থেকে; যেখানে তিনি "বনু উজরা" গোত্রের একজন বেদুইনকে বিদ্রূপ করেছেন। খলিফা আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান উক্ত বেদুইনের সামনে তিন প্রখ্যাত কবি "জারির, ফারাজদাক এবং আখতাল"-কে উপস্থিত করেছিলেন। অতঃপর সেই ব্যক্তি জারিরকে তার অপর দুই সঙ্গীর ওপর প্রাধান্য দিয়েছিল। ফারাজদাক বলেন:
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১২)
يا أَرْغَمَ اللهُ أنفًا أنت حامِلُه … يا ذا الخنَى ومقالِ الزُّورِ والخَطَلِ

ما أنتَ بالحكَم الترْضَى حكومَتُه … ولا الأصيلِ ولا ذي الرّأيِ والجدلِ(1)

ففي البيت الأول دخل حرف النداء على الفعل في "يا أرغم" وهي من علامات الأسماء، والرأي أن المنادى اسم محذوف، والتقدير "يا هذا أرغم الله" أو أن "يا" حرف للتنبيه لا للنداء، ومثل ذلك أيضا قول القرآن: {يَا لَيْتَ قَوْمِي يَعْلَمُونَ}(2)، وقول الرسول: "يا رُبَّ كاسيةٍ في الدُّنيا عاريةٌ يوم القيامة" حيث دخلت "يا" في الآية على الحرف "ليت" وفي الحديث على الحرف "رُبّ".

وفي البيت الثاني دخلت "أل" على الفعل في "التُرضَى"، وهي من علامات الأسماء.

وقد علق ابن هشام على هذا البيت الثاني بقوله: ذلك ضرورة قبيحة، وإن استعمال مثل ذلك في النثر خطأ بإجماع ا. هـ.

--------------------------------------------

(1) أرغم الله أنفا: الرغام هو التراب، ومعنى العبارة: عفر أنفه بالتراب والمقصود: الإذلال والإهانة. الخنى: الفحش. الخطل: سوء الرأي. الجدل: قوة الحجة في المناقشة.

ومعنى البيتين: إنك ذليل مهان فاحش، كلامك زور ورأيك فاسد، فلست كفئا للحكم بين الناس، فلا أنت شريف، ولا ذو رأي سليم أو حجة مقبولة.

والشاهد في البيتين: دخول بعض علامات الأسماء على الأفعال، إذ دخل حرف النداء "يا" على الفعل "أرغم" ودخلت "أل" على "ترضى".

والرد على ذلك أن "يا" لم تدخل على الفعل، بل دخلت على منادى محذوف وهو اسم، أو هي للتنبيه لا النداء، وأما دخول "أل" على الفعل فهو -كما قال ابن هشام- ضرورة قبيحة.

(2) من الآية 26 من سورة "يس".
হে, আল্লাহ সেই নাসিকাকে ধূলিধূসরিত (লাঞ্ছিত) করুন যা তুমি বহন করছ... হে অশ্লীলতা, মিথ্যা ভাষণ ও ভ্রষ্টতার অধিকারী।

তুমি এমন কোনো বিচারক নও যার বিচারকার্য পছন্দ করা যায়... না তুমি কোনো বংশীয় অভিজাত, আর না কোনো সঠিক মত ও যুক্তির অধিকারী।(১)

প্রথম চরণে আহ্বানের অব্যয় "ইয়া" (হে) "আরগামা" ক্রিয়ার পূর্বে প্রবেশ করেছে, অথচ এটি বিশেষ্যের আলামতসমূহের অন্তর্ভুক্ত। এ ক্ষেত্রে অভিমত হলো, যাকে আহ্বান করা হয়েছে (মুনাদা) সেই বিশেষ্যটি এখানে উহ্য রয়েছে; এর মূল রূপ হলো "হে ব্যক্তি, আল্লাহ লাঞ্ছিত করুন" অথবা এখানে "ইয়া" শব্দটি কেবল মনোযোগ আকর্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, আহ্বানের জন্য নয়। কুরআনের এই বাণীর উদাহরণও অনুরূপ: "হায়! আমার সম্প্রদায় যদি জানত!" এবং রাসূলের বাণী: "দুনিয়াতে কত পোশাক পরিহিতা নারী কিয়ামতের দিন উলঙ্গ থাকবে", যেখানে আয়াতে "ইয়া" অব্যয়টি "লাইতা" এবং হাদিসে "রুব্বা" অব্যয়ের পূর্বে এসেছে।

দ্বিতীয় চরণে "আল" যুক্ত হয়েছে "তুরদা" ক্রিয়ার সাথে, যা বিশেষ্যের আলামত।

ইবনে হিশাম এই দ্বিতীয় চরণের ওপর মন্তব্য করে বলেছেন: এটি একটি কদর্য কাব্যিক বাধ্যবাধকতা, এবং গদ্যে এই ধরনের ব্যবহার সর্বসম্মতিক্রমে ভুল।

--------------------------------------------

(১) আল্লাহ নাক ধূলিধূসরিত করুন: এর অর্থ হলো অপমানিত ও লাঞ্ছিত করা। খনা: অশ্লীলতা। খতাল: চিন্তার ভ্রষ্টতা। জাদাল: বিতর্কে প্রমাণের শক্তি।

দুই চরণের সারমর্ম: তুমি একজন লাঞ্ছিত, অশ্লীল ও জঘন্য ব্যক্তি, তোমার কথা মিথ্যা এবং তোমার মত ভ্রান্ত। তুমি মানুষের মাঝে বিচার করার যোগ্য নও; কারণ তুমি মর্যাদাবান নও, আর না তোমার কোনো সঠিক চিন্তা বা গ্রহণযোগ্য যুক্তি আছে।

এই দুই চরণের কাব্যিক প্রমাণ: ক্রিয়াপদের পূর্বে বিশেষ্যের কিছু আলামত প্রবেশ করা। যেমন "আরগামা" ক্রিয়ার পূর্বে "ইয়া" এবং "তুরদা" ক্রিয়ার পূর্বে "আল" এর প্রবেশ।

এর উত্তর হলো: "ইয়া" সরাসরি ক্রিয়ার ওপর প্রবেশ করেনি, বরং এটি একটি উহ্য বিশেষ্যের ওপর প্রবেশ করেছে, অথবা এটি কেবল সতর্ক করার জন্য। আর ক্রিয়ার ওপর "আল" এর প্রবেশ—যেমনটি ইবনে হিশাম বলেছেন—তা একটি কদর্য কাব্যিক বাধ্যবাধকতা।

(২) সূরা "ইয়াসিন"-এর ২৬ নম্বর আয়াত থেকে সংগৃহীত।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৩)
ثانيا: دخلت تاء التأنيث على حروف ثلاثة هي "رُبَّ، ثُمَّ، لا" فجاء في نصوص فصيحة قولهم "رُبَّتَ، ثُمَّتَ، لاتَ" والتاء علامة للفعل الماضي.

والرأي أن هذه التاء -كما ترى- محركة، بخلاف ما إذا جاءت مع الفعل فإنها تكون ساكنة، وهذه التاء -مع هذه الحروف- لا تفيد التأنيث الحقيقي، بل هي لتأنيث اللفظ فقط، بمعنى أنها تدل على أن لفظ هذه الحروف مؤنث دون أن تفيد معنى التأنيث بوجود شيء مؤنث.

ثالثا: الكلمات "لَيْسَ، عَسَى، نِعْمَ، بِئْسَ" أفعال ماضية -في أحسن الآراء- إذ تقبل علامة الماضي وهي تاء التأنيث، تقول: "ليستْ الآمالُ قريبةً، لكن عستْ أن تتحقَّق" وتقول "نعمت الأخلاقُ الفضائل وبئست الانحرافاتُ الرَّذائلُ" ومن ذلك قول الشاعر:

نعمتْ جزاء المتَّقين الجنَّة … دارُ الأمانِي والمُنَى والمِنَّة(1)

رابعا: الكلمتان "هاتِ، تعالَ" من أفعال الأمر -في أحسن الآراء- إذ تقبلان علامة فعل الأمر وهي الدلالة على الطلب مع قبول ياء المخاطبة، وتقول الطالبة لزميلتها "تَعَالَيْ إليَّ اليومَ وهاتِي معكِ المحاضراتِ والمراجع".

--------------------------------------------

(1) الأمانيّ: جمع أمنيّة -بتشديد الياء فيهما- والأمنية والمنى بمعنى واحد هو الرغبة الشديدة. المنة: العطية والهبة، فالجنة موضع الرغبة من الناس، وهي هبة من الله للناس.

وفي البيت دليل على أن كلمة "نعم" فعل ماضٍ لقبولها تاء التأنيث الساكنة في "نعمت".
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলিঙ্গসূচক ‘তা’ তিনটি বর্ণের ওপর প্রবেশ করেছে, সেগুলো হলো "রুব্বা, সুম্মা, লা"। ফলে বিশুদ্ধ ভাষ্যসমূহে তাদের প্রয়োগ "রুব্বাতা, সুম্মাতা, লাতা" হিসেবে এসেছে। আর এই ‘তা’ অতীতকালীন ক্রিয়ার চিহ্ন।

মতভেদ হলো এই যে, এই ‘তা’—যেমনটি আপনি দেখছেন—হরকতযুক্ত, যা ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার বিপরীত; কারণ ক্রিয়ার ক্ষেত্রে এটি সাকিন বা সুকুনযুক্ত হয়। এই বর্ণগুলোর সাথে যুক্ত এই ‘তা’ প্রকৃত স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া বোঝায় না, বরং এটি কেবল শাব্দিক স্ত্রীলিঙ্গ রূপ প্রদানের জন্য। এর অর্থ হলো, এটি নির্দেশ করে যে এই বর্ণগুলোর শব্দরূপ স্ত্রীলিঙ্গ, তবে এর দ্বারা কোনো স্ত্রীবাচক সত্তার অস্তিত্বের অর্থ বোঝায় না।

তৃতীয়ত: "লাইসা, আসা, নি'মা, বি'সা" শব্দগুলো—সর্বোত্তম মতানুসারে—অতীতকালীন ক্রিয়া; যেহেতু এগুলো অতীতকালীন ক্রিয়ার চিহ্ন গ্রহণ করে, আর তা হলো স্ত্রীলিঙ্গসূচক ‘তা’। আপনি বলেন: "আকাঙ্ক্ষাগুলো নিকটবর্তী নয়, তবে সম্ভবত সেগুলো বাস্তবায়িত হবে।" আপনি আরও বলেন: "সৎ চরিত্রসমূহ কতই না উত্তম এবং মন্দ বিচ্যুতিগুলো কতই না নিকৃষ্ট।" এ প্রসঙ্গে কবির উক্তি:

জান্নাত মুত্তাকীদের প্রতিদান হিসেবে কতই না উত্তম … তা আকাঙ্ক্ষা, কামনা এবং অনুগ্রহের আবাসস্থল।(১)

চতুর্থত: "হাতি" ও "তা'আলা" শব্দ দুটি—সর্বোত্তম মতানুসারে—আদেশসূচক ক্রিয়া; যেহেতু এ দুটির মধ্যে আদেশসূচক ক্রিয়ার চিহ্ন বিদ্যমান, আর তা হলো সম্বোধনসূচক ‘ইয়া’ গ্রহণের পাশাপাশি কোনো কিছুর প্রার্থনা বা তলব করা নির্দেশ করা। যেমন একজন ছাত্রী তার সহপাঠীকে বলে: "আজ আমার কাছে এসো এবং তোমার সাথে লেকচার ও তথ্যসূত্রগুলো নিয়ে এসো।"

--------------------------------------------

(১) আমানিয়্যি: ‘উমনিয়্যাহ’-এর বহুবচন—উভয় শব্দে ‘ইয়া’ বর্ণটি তাসদিদযুক্ত। ‘উমনিয়্যাহ’ এবং ‘মুনা’ একই অর্থ বহন করে, যার অর্থ তীব্র আকাঙ্ক্ষা। ‘মিন্না’ অর্থ হলো দান ও উপহার। সুতরাং জান্নাত হলো মানুষের আকাঙ্ক্ষার স্থল এবং এটি মানুষের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ বা উপহার।

আর এই কাব্যচরণে প্রমাণ রয়েছে যে, "নি'মা" শব্দটি একটি অতীতকালীন ক্রিয়া, কারণ এটি "নি'মাত" শব্দে সাকিনযুক্ত স্ত্রীলিঙ্গসূচক ‘তা’ গ্রহণ করেছে।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৪)
ومن ذلك قول امرئ القيس:

إذا قلتُ هاتِي نَوِّليني تمايَلَتْ … عليَّ هَضِيمَ الكَشْحِ رِيَّا المخلخل(1)

قال ابن هشام:

والعامة تقول: "تعالِي" بكسر اللام، وعليه قول بعض المحدثين: "أبو فِرَاس يخاطب حمامة":

أيا جارتَا ما أنصفَ الدَّهرُ بيننا … تعالِي أقاسِمْك الهمومَ تعالِي(2)

والصواب الفتح، كما يقال: "اخْشَيْ واسعيْ" ا. هـ.

معنى الكلام:

لاحظ الأمثلة الآتية:

الغِنى عفَّةُ النَّفس عما في أيدي الناس كلام

--------------------------------------------

(1) هضيم الكشح: نحيلة الخصر. ريا المخلخل: ممتلئة الساقين.

الشاهد في البيت: أن كلمة "هات" فعل أمر، إذ دلت على الطلب وقبلت ياء المخاطبة، فاستخدمها الشاعر "هاتي".

(2) ورد هذا البيت ضمن مقطوعة شعرية لأبي فراس الحمداني، أولها قوله:

أقول وقد ناحت بقربي حمامة … أيا جارتا لو تعلمين بحالي

وأبو فراس -في رأي النحاة- لا يحتج بشعره، وإنما جاء البيت للتمثيل به فقط، وموضع التمثيل: أن ابن هشام يرى أن أبا فراس قد استخدم نطق العامة إذ جاء بالفعل "تعالي" مكسور اللام حين إسناده لياء المخاطبة.

والذي أراه أن أبا فراس لم يستخدم لغة العامة، وإنما كسرت اللام في الكلمة الأولى بتحريف الرواية، وفي الكلمة الأخيرة من أجل القافية، إذ إن اللام فيها مكسورة.

هذا. وقد نقل عن أهل الحجاز أنهم ينطقون اللام مكسورة في هذا الفعل حين إسناده لياء المخاطبة.
এর মধ্যে ইমরুল কায়সের এই উক্তিটি অন্তর্ভুক্ত:

যখন আমি তাকে বলি: "দাও, আমাকে কিছু দান করো," তখন সে আমার দিকে ঝুঁকে পড়ে; সে কৃশ কটিবিশিষ্ট এবং তার পায়ের গোছ মাংসল।(১)

ইবনে হিশাম বলেন:

সাধারণ মানুষ 'লাম' অক্ষরে কাসরা (ই-কার) দিয়ে 'তাআলি' বলে থাকে। এর ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীকালের কোনো কোনো কবির উক্তি রয়েছে, যেমন আবু ফিরাস একটি ঘুঘু পাখিকে সম্বোধন করে বলেছেন:

হে আমার প্রতিবেশী! কালচক্র আমাদের মধ্যে সুবিচার করেনি; এসো, আমি তোমার সাথে দুঃখগুলো ভাগ করে নেই, এসো।(২)

অথচ সঠিক হলো 'ফাতহা' (আ-কার) দিয়ে বলা, যেমন বলা হয়: "ইখশাই" (ভয় করো) এবং "ইসআই" (প্রচেষ্টা চালাও)। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

বাক্যের অর্থ:

নিচের উদাহরণগুলো লক্ষ করো:

প্রাচুর্য হলো মানুষের হাতে যা আছে তা থেকে বিমুখ থাকা—এটি একটি বাক্য।

--------------------------------------------

(১) হাযিমুল কাশহ্: কৃশ কটিদেশ বা সরু কোমর। রাইয়াল মুখালখাল: মাংসল বা হৃষ্টপুষ্ট পায়ের নলা।

পঙক্তিটির দৃষ্টান্তমূলক বিষয়: 'হাত' শব্দটি একটি আদেশসূচক ক্রিয়া, কারণ এটি কোনো কিছুর দাবি বুঝিয়েছে এবং স্ত্রীলিঙ্গ সম্বোধনের 'ইয়া' গ্রহণ করেছে, তাই কবি এটি 'হাতি' হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

(২) এই পঙক্তিটি আবু ফিরাস আল-হামদানির একটি খণ্ড কবিতার অংশ, যার শুরু হলো:

আমি বলছি, যখন আমার পাশে একটি ঘুঘু বিলাপ করছিল; হে আমার প্রতিবেশী, তুমি যদি আমার অবস্থা জানতে!

ব্যাকরণবিদদের মতে, আবু ফিরাসের কবিতা দলিল হিসেবে পেশ করা হয় না; বরং এই পঙক্তিটি কেবল উদাহরণের জন্য আনা হয়েছে। উদাহরণের বিষয়টি হলো: ইবনে হিশাম মনে করেন যে, আবু ফিরাস সাধারণ মানুষের উচ্চারণ ব্যবহার করেছেন, কারণ তিনি স্ত্রীলিঙ্গ সম্বোধনের 'ইয়া' যুক্ত করার সময় 'তাআলি' শব্দটিতে 'লাম' অক্ষরে কাসরা ব্যবহার করেছেন।

আমার মতে, আবু ফিরাস সাধারণ মানুষের ভাষা ব্যবহার করেননি, বরং প্রথম শব্দটিতে 'লাম' অক্ষরের কাসরা হয়েছে বর্ণনার বিকৃতির কারণে এবং শেষ শব্দটিতে ছন্দের খাতিরে, যেহেতু সেখানে অন্ত্যমিলের কারণে 'লাম' অক্ষরে কাসরা প্রয়োজন ছিল।

উল্লেখ্য যে, হিজাজবাসীদের থেকেও বর্ণিত হয়েছে যে, তারা এই ক্রিয়াটিকে যখন স্ত্রীলিঙ্গ সম্বোধনের 'ইয়া'-এর সাথে যুক্ত করে, তখন 'লাম' অক্ষরে কাসরা দিয়ে উচ্চারণ করে।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৫)
إذا استغنيت عما في أيدي الناس فأنت أغنى الناس. "كلام".

إذا تطلعت لما في أيدى الناس. . . . . . . . . . . "كلام".

ينبغي أن نتذكر مرة أخرى هنا ما قلناه تمهيدًا لمعرفة "الكلمة" عن "اللفظ، القول" من أن "اللفظ" هو النطق المشتمل على بعض الحروف سواء أكان له معنى أم لم يكن، وأن "القول" هو النطق الدال على معنى فقط فلنصطحب مفهوم هاتين الكلمتين ابتداء قبل تحديد المقصود من الكلام.

جاء في ابن عقيل: الكلام المصطلح عليه عند النحاة عبارة عن "اللفظ المفيد فائدة يحسن السكوت عليها" ا. هـ.

وجاء في شذور الذهب "الكلام: قول مفيد" ا. هـ.

ومن البيّن أن هذين التعريفين متساويان تمامًا، فإن "اللفظ المفيد فائدة يحسن السكوت عليها" في الأول تساوي تمامًا "القول المفيد" في الثاني وتوضيح الأمر في ذلك أن "الكلام" في عرف النحاة هو ما توافرت له الصفات الآتية مجتمعة:

1 - النطق: لأن النطق هو أساس دراسة النحو، فلا شأن للنحو إذن بالكلام النفسي الذى يدور في خواطر الإنسان دون أن تنطقه الشفاه فعلا كما قال الأخطل:

إن الكلامَ لَفِي الفؤاد وإنَّما … جُعِل اللِّسان على الفؤاد دليلًا(1)

فالنحو لا شأن له بكلام الفؤاد، وإنما يوجه همَّه لما نطقه اللسان فقط

--------------------------------------------

(1) تضمن بيت الأخطل إطلاق الكلام على ما يتصوره الإنسان في نفسه من المعاني، وأن اللسان ترجمان النفس.

ولا شأن للنحو بكلام النفس، وإنما شأنه بما نطق به اللسان.
মানুষের হাতে যা আছে তা থেকে যদি আপনি অমুখাপেক্ষী হন, তবে আপনিই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ধনী। "কালাম"।

আপনি যদি মানুষের হাতের জিনিসের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন... "কালাম"।

'কালিমা' (শব্দ) সম্পর্কে জানার ভূমিকা হিসেবে 'লাফজ' (উচ্চারণ) ও 'কাওল' (কথা) সম্পর্কে আমরা আগে যা বলেছি তা এখানে আবারও স্মরণ করা উচিত যে, 'লাফজ' হলো এমন উচ্চারণ যা কিছু বর্ণ সম্বলিত, চাই তার কোনো অর্থ থাকুক বা না থাকুক। আর 'কাওল' হলো কেবল সেই উচ্চারণ যা কোনো অর্থের নির্দেশক। সুতরাং 'কালাম'-এর উদ্দেশ্য নির্ধারণ করার আগে শুরুতেই আমাদের এই দুটি শব্দের ধারণা সাথে রাখা উচিত।

ইবনে আকীলে এসেছে: ব্যাকরণবিদদের পরিভাষায় 'কালাম' বলতে বোঝায় "এমন অর্থবোধক উচ্চারণ যার ওপর নীরব থাকা সঠিক হয় (অর্থাৎ বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ হয়)।" (সমাপ্ত)

শুযূরুয যাহাবে এসেছে "কালাম: অর্থবোধক কথা" (সমাপ্ত)।

এটি স্পষ্ট যে এই দুটি সংজ্ঞাই পুরোপুরি সমার্থক। কারণ প্রথম সংজ্ঞার "এমন অর্থবোধক উচ্চারণ যার ওপর নীরব থাকা সঠিক হয়" কথাটি দ্বিতীয় সংজ্ঞার "অর্থবোধক কথা" এর পুরোপুরি সমান। এর স্পষ্টীকরণ হলো এই যে, ব্যাকরণবিদদের পরিভাষায় 'কালাম' হলো যাতে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো একত্রে বিদ্যমান থাকে:

১ - উচ্চারণ: কারণ উচ্চারণই হলো ব্যাকরণ আলোচনার ভিত্তি। সুতরাং মানুষের মনে যে মানসিক কথা (কালামে নাফসি) ঘোরে যা প্রকৃতপক্ষে ঠোঁট দিয়ে উচ্চারিত হয় না, তার সাথে ব্যাকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। যেমন আল-আখতাল বলেছেন:

নিশ্চয় কথা তো অন্তরেই থাকে, আর জিহ্বাকে তো … করা হয়েছে অন্তরের পরিচায়ক মাত্র।(১)

সুতরাং অন্তরের কথার সাথে ব্যাকরণের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং এটি কেবল জিহ্বা দিয়ে যা উচ্চারিত হয় তার প্রতিই মনোযোগ নিবদ্ধ করে।

--------------------------------------------

(১) আল-আখতালের পঙ্ক্তিটি মানুষের মনে যে অর্থগুলো কল্পনা করা হয় সেগুলোর ওপর 'কালাম' (কথা) শব্দের প্রয়োগ অন্তর্ভুক্ত করে, এবং এটি বুঝায় যে জিহ্বা হলো মনের অনুবাদক।

মানসিক কথার সাথে ব্যাকরণের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং এর সম্পর্ক হলো জিহ্বা দিয়ে যা উচ্চারিত হয় তার সাথে।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৬)
كما أنه لا شأن للنحو بالكلام الذي يفهم من الخط وحده دون أن ينطق وهو ما يفهم من النظر بالعين دون نطق اللسان، كقول العرب "القلمُ أحدُ اللِّسانين" وتسميتنا ما في المصحف "كلام الله".

كما أنه لا شأن للنحو أيضًا بالكلام الذي يفهم من الإشارة، أي بحركات العين أو اليدين أو الرأس أو غيرهما من أجزاء الجسم، وكذلك إضاءة علامات المرور باللون الأحمر أو الأخضر، فكل ذلك وإن كان يشير إلى كلام يفهم منه، كما قال عمر بن أبي ربيعة:

أشارتْ بطرْف العينِ خيفةَ أهلها … إشارةَ محزونٍ ولمْ تَتَكَلَّمِ(1)

فأيقنتُ أن الطَّرْفَ قد قال مرحبًا … وأهلا وسهلًا بالحبيبِ المُتَيَّم

لكنه كلام غير منطوق، ولذلك لا يدخل في الكلام الذي يعترف به النحو.

كما أنه لا شأن للنحو بالكلام الذي تدل عليه الحال، وفي الدلالة التي تفهم من المشهد دون نطق، كأن تنظر إلى مستشفى فتعرف أن "هنا مرضى" أو أن تمر على الجامعة، فتدلك على أن "حضارة الأمة تصنع هنا" وكما قال نصيب بن رباح يمدح سليمان بن عبد الملك:

فعاجُوا فأثْنَوا بالذي أنت أهلُه … ولو سكتوا أثنتْ عليك الحقائب(2)

--------------------------------------------

(1) تضمن البيتان إشارة بطرف العين دون نطق، وقد فهم من هذه الإشارة -كما قال ابن أبي ربيعة- مرحبا وأهلا وسهلا.

لكن هذا الفهم من الإشارة لا يعتد به في الكلام المصطلح عليه لدى النحاة لأنه ليس نطقا.

(2) عاجوا: انعطفوا ومالوا، أثنوا: الثناء: ذكر الخير.
ঠিক তেমনিভাবে, ব্যাকরণের (নাহু) সেই কথার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই যা উচ্চারণ করা ব্যতীত কেবল লিখনের মাধ্যমেই বোঝা যায়; অর্থাৎ যা জিহ্বার উচ্চারণ ছাড়াই কেবল চোখের দৃষ্টির মাধ্যমে অনুধাবন করা হয়। যেমন আরবদের প্রবাদ: "কলম হলো দুই জিহ্বার একটি" এবং মুসহাফের মধ্যকার বিষয়বস্তুকে আমাদের "আল্লাহর কালাম" নামকরণ করা।

ঠিক তেমনি ব্যাকরণের কোনো সম্পর্ক নেই সেই কথার সাথেও যা ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে বোঝা যায়, অর্থাৎ চোখ, হাত, মাথা বা শরীরের অন্য কোনো অঙ্গের নড়াচড়া দ্বারা; কিংবা ট্রাফিক সিগন্যালের লাল বা সবুজ বাতি জ্বলা। এসব কিছু যদিও এমন কোনো কথার প্রতি ইঙ্গিত করে যা থেকে অর্থ বোঝা যায়, যেমনটি উমর ইবনে আবি রাবিআহ বলেছেন:

তিনি তাঁর পরিবারের ভয়ে চোখের পলক দিয়ে ইশারা করলেন … এক ব্যথিতের ইশারা, অথচ তিনি কোনো কথা বলেননি।(১)

তখন আমি নিশ্চিত হলাম যে, চোখ যেন বলেছে 'স্বাগতম' … এবং সেই মোহাবিষ্ট প্রিয়জনকে সাদর সম্ভাষণ ও অভ্যর্থনা।

কিন্তু এটি একটি অনুচ্চারিত কথা, আর এই কারণেই ব্যাকরণবিদদের স্বীকৃত 'কালাম' বা কথার অন্তর্ভুক্ত এটি নয়।

ঠিক তেমনি ব্যাকরণের কোনো সম্পর্ক নেই সেই কথার সাথে যা পারিপার্শ্বিক অবস্থার (হাল) মাধ্যমে প্রকাশিত হয়, এবং যা কোনো উচ্চারণ ছাড়াই কেবল দৃশ্যপট থেকে বোঝা যায়। যেমন—আপনি একটি হাসপাতালের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলেন যে "এখানে রোগী রয়েছে", অথবা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেটি আপনাকে বুঝিয়ে দেয় যে "এখানেই জাতির সভ্যতা বিনির্মিত হয়"। যেমনটি নসীব ইবনে রাবাহ সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিকের প্রশংসা করে বলেছেন:

তারা ফিরে এলো এবং আপনার এমন প্রশংসা করল যার যোগ্য আপনি … আর তারা যদি চুপও থাকত, তবে তাদের (উপহার সামগ্রীতে পূর্ণ) ব্যাগগুলোই আপনার গুণগান করত।(২)

--------------------------------------------

(১) এই দুই চরণে কোনো উচ্চারণ ছাড়াই চোখের পলকের ইশারার কথা বলা হয়েছে। ইবনে আবি রাবিআহ যেমনটি বলেছেন, এই ইশারা থেকেই স্বাগতম ও অভ্যর্থনা বা সাদর সম্ভাষণ বোঝা গেছে।

কিন্তু ইশারা থেকে উদ্ভূত এই বুঝ ব্যাকরণবিদদের পরিভাষায় 'কালাম' হিসেবে গণ্য নয়, কারণ এটি উচ্চারণ নয়।

(২) আ-জু: তারা ফিরে এলো বা ঝুঁকে পড়ল। আসনাও: আস-সানা বা প্রশংসা করা, অর্থাৎ কল্যাণের কথা উল্লেখ করা।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৭)
"فثناء الحقائب" دلالة حال، لكنه ليس نطقا، فهو خارج عن مصطلح النحو في الكلام.

ب- أن يكون لهذا المنطوق معنى يفهم منه، فلا شأن لنا بالهراء اللغوي الذي لا معنى له.

ج- أن يكون هذا المنطوق مفيدا فائدة يحسن السكوت عليها، وذلك أن يتم بها معنى متكامل يتكون منه ومن أمثاله الفكرة أو الموضوع الذي يريد المتكلم نقله إلى السامع.

وبهذه الصفة الأخيرة يفرق بين الكلام وما يسمى "الكلم" -بفتح الكاف وكسر اللام- فإن هذا الأخير يطلق على ما تكون من ثلاث كلمات فأكثر، أفاد أم لم يفد، فلنتأمل الآتي:

- قولنا "الصحافةُ لسانُ الأمة" كلام، وهو في الوقت نفسه كلم.

- قولنا "الصحافة رسالة" كلام، لكن ليس كلمًا، لنقصه عن ثلاث كلمات.

- قولنا "إذا تحررت الصحافة" كلم، لكنه غير كلام لأنه غير مفيد، ولا شأن للنحو بدراسة "الكلم" وإنما شأنه أن يدرس "الكلام" سواء صح أن يطلق عليه أنه "كلم" أم لا.

 

‌‌صور الكلام:

ورد في بعض كتب النحو تقسيم الكلام إلى "خبر، إنشاء" فالأول مثل قولنا "صدرت الصحفُ اليومَ وهي تحملُ أنباء مثيرة" والثاني مثل "هل نشرت الصحف الخبر اليوم؟! ".
"মালপত্র গুছিয়ে রাখা" অবস্থার একটি নিদর্শন, তবে এটি কোনো উচ্চারণ নয়, তাই এটি কথোপকথনের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত পরিভাষার বহির্ভূত।

খ- এই উচ্চারিত বিষয়ের এমন একটি অর্থ থাকতে হবে যা বোধগম্য হয়, সুতরাং অর্থহীন প্রলাপের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

গ- এই উচ্চারিত বিষয়টি এমন একটি উপকারী অর্থ প্রদান করবে যার ওপর কথা শেষ করা সংগত হয়। আর তা হলো এর মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ সম্পন্ন হওয়া, যার দ্বারা এমন একটি ধারণা বা বিষয়বস্তু তৈরি হয় যা বক্তা শ্রোতার নিকট পৌঁছে দিতে চান।

এই শেষোক্ত বৈশিষ্ট্যের দ্বারাই 'কালাম' (বাক্য) এবং যা 'কালিম' (কাফ বর্ণে জবর ও লাম বর্ণে যের সহ) নামে পরিচিত, তার মধ্যে পার্থক্য করা হয়। কারণ 'কালিম' শব্দটি তিন বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, চাই তা পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রদান করুক বা না করুক। আসুন আমরা নিম্নোক্ত উদাহরণগুলো লক্ষ্য করি:

- আমাদের উক্তি "সংবাদমাধ্যম জাতির মুখপত্র" একটি কালাম, এবং একই সাথে এটি কালিম।

- আমাদের উক্তি "সংবাদমাধ্যম একটি মিশন" কালাম, কিন্তু কালিম নয়; কারণ এটি তিনটি শব্দের কম হওয়ায় অসম্পূর্ণ।

- আমাদের উক্তি "যদি সংবাদমাধ্যম স্বাধীন হয়" কালিম, কিন্তু এটি কালাম নয়; কারণ এটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রদান করে না। আর ব্যাকরণ শাস্ত্রের কাজ 'কালিম' নিয়ে গবেষণা করা নয়, বরং এর কাজ হলো 'কালাম' নিয়ে আলোচনা করা, চাই তাকে 'কালিম' বলা সংগত হোক বা না হোক।

 

‌‌কালামের রূপসমূহ:

ব্যাকরণ শাস্ত্রের কিছু গ্রন্থে কালামকে "খবর (বিবৃতি) ও ইনশা (অনুজ্ঞা/আকাঙ্ক্ষা)"—এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথমটির উদাহরণ হলো আমাদের উক্তি "আজকের সংবাদপত্রগুলো প্রকাশিত হয়েছে এবং সেগুলো চাঞ্চল্যকর সংবাদ বহন করছে" এবং দ্বিতীয়টির উদাহরণ হলো "সংবাদপত্রগুলো কি আজ খবরটি প্রকাশ করেছে?!"
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৮)
والحق أن هذا التقسيم بلاغي لا شأن للنحو به، وإنما هو من اهتمام دارسي الأدب، أما الصور التي يتكون منها الكلام -كما فهم فيما سبق- فإنها تنحصر في أمرين:

 

‌‌الجملة الاسمية: وهي ما تكونت من اسمين أسند أحدهما للآخر لإفادة المعنى، مثل "العلمُ حضارةٌ، والجهلُ تخلفٌ".

‌‌الجملة الفعلية: وهي ما تكونت من فعل واسم بحيث يتم بهما المعنى مثل "يصنعُ العلماءُ حضارة الأمة ويُعَوِّقُ الجُهَّالُ تقدمها".

هذا، ويتفرع على هذين الركنين الأساسيين للكلام صور كثيرة بدخول الحروف معهما، وكذلك في اختلاف الأسماء بين الجامدة والمشتقة وأيضا في اختلاف صور الأفعال بين الماضي والمضارع والأمر، وأيضا في وجود الفضلات -كالمفعول به وأمثاله- مع هذه الجمل، وأيضا دخول حروف الشرط -الجازمة وغير الجازمة- عليهما.

ومن أجل ذلك كله يمكن أن يتصور أن صور الكلام الذي تنطق به العربية لا يكاد يحيط به الحصر، وإن كان الأمر كله يرجع إلى الجملتين الاسمية والفعلية.

وخلاصة هذا الموضوع كله ونتيجته تتلخصان في الآتي:

أ- وحدة الجملة العربية هي "الكلمة" بمفهومها السابق تحديده.

ب- وحدة اللغة العربية هي "الكلام" بمفهومه السابق تحديده أو بعبارة أقرب: الجملتان الاسمية والفعلية.

ج- موضوع دراسة النحو العربي هو الجملتان الاسمية والفعلية وما يتعلق بكلتا الجملتين.
আর সত্য হলো এই যে, এই বিভাজনটি আলংকারিক (বালাগি), ব্যাকরণের (নাহু) সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি সাহিত্য গবেষকদের আগ্রহের বিষয়। তবে বাক্য (কালাম) যেসব রূপ নিয়ে গঠিত হয়—যা পূর্বে অনুধাবন করা হয়েছে—তা মূলত দুটি বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ:

 

‌‌নামবাচক বাক্য (আল-জুমলাতুল ইসমিয়্যাহ): এটি এমন বাক্য যা দুটি বিশেষ্য (ইসম) দ্বারা গঠিত হয়, যেখানে পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্য একটিকে অন্যটির সাথে সম্বন্ধযুক্ত (ইsnad) করা হয়। যেমন: "জ্ঞান হলো সভ্যতা, আর অজ্ঞতা হলো অনগ্রসরতা।"

‌‌ক্রিয়াবাচক বাক্য (আল-জুমলাতুল ফিলিইয়াহ): এটি এমন বাক্য যা একটি ক্রিয়া (ফেল) এবং একটি বিশেষ্য (ইসম) দ্বারা গঠিত হয়, যার মাধ্যমে অর্থ পূর্ণতা পায়। যেমন: "উলামাগণ জাতির সভ্যতা বিনির্মাণ করেন এবং মূর্খরা তার অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে।"

এ ছাড়া বাক্যের এই দুটি মূল স্তম্ভের সাথে অব্যয় পদ (হরফ) যুক্ত হয়ে অনেকগুলো শাখা-প্রশাখা তৈরি হয়। অনুরূপভাবে সংজ্ঞাবাচক (জামিড) ও ব্যুৎপন্ন (মুশতাক) বিশেষ্যের ভিন্নতা, অতীত (মাজি), বর্তমান-ভবিষ্যৎ (মুদারে) ও আদেশবাচক (আমর) ক্রিয়ার রূপভেদ এবং বাক্যে সম্পূরক অংশগুলোর (ফাদালাত)—যেমন কর্মপদ (মাফউল বিহি) ও এর সমজাতীয় বিষয়াদি—উপস্থিতি এবং শর্তবাচক অব্যয় (জাজিম ও গায়র জাজিম) যুক্ত হওয়ার মাধ্যমেও বাক্যের বিভিন্ন রূপ তৈরি হয়।

আর এই সমস্ত কারণে এটি ধারণা করা সম্ভব যে, আরবি ভাষায় উচ্চারিত বাক্যের রূপসমূহ প্রায় গণনার অতীত। যদিও সবকিছুর মূল ভিত্তি ওই দুটি বাক্য অর্থাৎ নামবাচক বাক্য (ইসমিয়্যাহ) এবং ক্রিয়াবাচক বাক্যের (ফিলিইয়াহ) দিকেই প্রত্যাবর্তন করে।

এই পুরো বিষয়ের সারসংক্ষেপ ও ফলাফল নিচের বিষয়গুলোতে নিহিত রয়েছে:

ক- আরবি বাক্যের একক হলো "কালিমা" (শব্দ), যার সংজ্ঞা পূর্বে নির্ধারণ করা হয়েছে।

খ- আরবি ভাষার একক হলো "কালাম" (বাক্য), যার সংজ্ঞা পূর্বে দেওয়া হয়েছে; অথবা আরও নিকটতর শব্দে: নামবাচক বাক্য ও ক্রিয়াবাচক বাক্য।

গ- আরবি ব্যাকরণ (নাহু) চর্চার মূল আলোচ্য বিষয় হলো নামবাচক বাক্য ও ক্রিয়াবাচক বাক্য এবং এই উভয় বাক্যের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌الإعراب والبناء:

‌‌أولا: الإعراب

‌‌تمهيد:

يحدد معنى الإعراب عبارة واحدة هي: "أثر ظاهر أو مقدَّر يجليه العامل في آخر الكلمة" ا. هـ قطر الندى.

يقول شوقي:

وللحرِّيَّةِ الحمراءِ بابٌ … بكلّ يدٍ مضرّجةٍ يُدَقُّ

فكلمات هذا البيت جميعا "الحرّيّة، الحمراء، كل، يد، مضرجة، يُدق" معربة، والإعراب في آخر الكلمات "الحريةِ، الحمراءِ، كلِّ، يدٍ، مضرجةٍ" -كما وردت في البيت- هو الكسرة التي هي شكل آخرها أما الإعراب في آخر الكلمتين "باب، يدق" -كما وردتا في البيت أيضا- فهو الضمة، والأولى اسم، والثانية فعل مضارع …

وينبغي قبل دراسة ما يتعلق بهذا الباب عرض التعليقات الآتية حول التعريف السابق:

أولا: أن الإعراب يقصد به شكل أواخر الكلمات فقط، فهو في قول "شوقي" السابق ضمة الباء في "بابٌ" وضمة القاف في "يدقُّ" وكسر التاء في كلمة "الحريةِ" والهمزة في "الحمراءِ" واللام في "كلِّ" والدال في "يدٍ" والتاء في "مضرجةٍ" أما بقية حروف الكلمة -غير الآخر- مما يطلق عليه علميًّا اسم "بقية الكلمة" فلا شأن للنحو بالبحث فيه، وإنما هو من اختصاص علم آخر هو "علم الصرف".
‌‌ইরাব ও বিনা (শব্দরূপের পরিবর্তন ও অপরিবর্তনীয়তা):

‌‌প্রথমত: ইরাব (শব্দরূপের পরিবর্তন)

‌‌ভূমিকা:

ইরাবের অর্থ একটি বাক্য দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়, আর তা হলো: "শব্দের শেষে আমিল বা প্রভাবকের মাধ্যমে প্রকাশিত বা অনুমিত প্রভাব।" সমাপ্ত— কত্রুন নাদা।

শাওকী বলেন:

রক্তিম স্বাধীনতার একটি দরজা আছে … যা প্রতিটি রক্তাক্ত হাত দিয়ে করাঘাত করা হয়

এই কাব্যপঙক্তির সকল শব্দ "হুররিয়্যাহ, হামরা, কুল্লু, ইয়াদ, মুদাররাজাহ, ইয়ুদাক্কু" হলো মু'রাব (পরিবর্তনশীল শব্দ), এবং শব্দগুলোর শেষে ইরাব—যেমনটি এই পঙক্তিতে এসেছে—"হুররিয়্যাতি, হামরা-ই, কুল্লি, ইয়াদিন, মুদাররাজাতিন" এর ক্ষেত্রে হলো কাসরা (জের), যা শব্দের শেষ অক্ষরের রূপ। পক্ষান্তরে "বাবুন" ও "ইয়ুদাক্কু" শব্দ দুটির শেষে ইরাব হলো দাম্মা (পেশ)—যেমনটি এখানে এসেছে। প্রথমটি ইসিম (বিশেষ্য) এবং দ্বিতীয়টি ফে'লে মুদারি (বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া) …

এই অধ্যায় সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যালোচনার পূর্বে উপরিউক্ত সংজ্ঞা সম্পর্কে নিম্নোক্ত মন্তব্যগুলো উপস্থাপন করা আবশ্যক:

প্রথমত: ইরাব বলতে কেবল শব্দের শেষাংশের রূপকে বোঝানো হয়। সুতরাং শাওকীর পূর্বোক্ত পঙক্তিতে এটি হলো "বাবুন" শব্দের 'বা' অক্ষরের ওপর দাম্মা, "ইয়ুদাক্কু" শব্দের 'ক্বাফ' অক্ষরের ওপর দাম্মা, "হুররিয়্যাহ" শব্দের 'তা' অক্ষরের নিচে কাসরা, "হামরা" শব্দের 'হামজা' অক্ষরের নিচে কাসরা, "কুল্লু" শব্দের 'লাম' অক্ষরের নিচে কাসরা, "ইয়াদ" শব্দের 'দাল' অক্ষরের নিচে কাসরা এবং "মুদাররাজাহ" শব্দের 'তা' অক্ষরের নিচে কাসরা। তবে শব্দের শেষ অক্ষর ব্যতীত বাকি বর্ণগুলো—যাকে শাস্ত্রীয় পরিভাষায় "শব্দের অবশিষ্টাংশ" বলা হয়—তা নিয়ে নাহু শাস্ত্রের কোনো আলোচনা নেই, বরং এটি অন্য একটি শাস্ত্রের বিষয়, যা হলো "ইলমুস সরফ" (শব্দ রূপান্তর বিদ্যা)।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২০)
ثانيا: الإعراب لا يتحقق إلا في جملة كاملة، فشكل أواخر الكلمات -الإعراب- لا يتحدد إلا بدخولها ضمن "الكلام" كما سبق تحديده، فالكلمات المفردة وحدها لا يعرف إن كانت معربة أو مبنية إلا بتصور دخولها في جملة مفيدة، وحيئنذٍ تأخذ وظيفة نحوية "مبتدأ، خبر، فاعل، مفعول .. إلخ" فيظهر عليها الشكل الذي هو الإعراب معبّرا عن هذه الوظيفة.

وهذا يفسر لنا جانبا من اهتمام النحو بدراسة كيفية تأليف الجملة العربية اسمية أم فعلية.

ثالثا: يترتب على الأمر السابق مباشرة أن نعرف أن الكلمة المعربة هي الكلمة التي تدخل جملا مختلفة، وحين تتغير وظيفتها النحوية من جملة لأخرى يتغير شكل آخرها أيضا، ومثال ذلك كلمة "الحرية" فهي كلمة معربة يدل على ذلك وضعها في الجمل الثلاث الآتية:

الحرِّيَّةُ أثمنُ شيءٍ في الحياة.

تعشقُ النفوسُ العاليةُ الحريةَ وتموتُ من أجلها راضيةً.

فقد الحريةِ يساوي فُقدَانَ الحياةِ.

فالكلمة في الجملة الأولى مبتدأ، وهي مُشَكَّلَةٌ بالضمة، وحين تغيرت وظيفتها في الجملة الثانية فصارت "مفعولا به" شكلت بالفتحة، وحين تغيرت وظيفتها في الجملة الثالثة فصارت "مضافة إليه" شكلت بالكسرة، هذه الكلمة "الحرية" معربة بتغير وظيفتها في الجمل المختلفة.

رابعا: إن الإعراب -فيما يرى النحاة- أثر لعامل يجلبه في آخر الكلمة من فعل أو غيره، والحق أن العامل موضوع ذهني شائك لا داعي
দ্বিতীয়ত: ই'রাব (শব্দ বিভক্তি) কেবল একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়; তাই শব্দের শেষের রূপ—যা ই'রাব—তা কেবল "কালাম" বা অর্থপূর্ণ বাক্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়, যেমনটি পূর্বে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সুতরাং একক শব্দগুলো মু'রাব (পরিবর্তনশীল) নাকি মাবনি (অপরিবর্তনশীল) তা কেবল একটি অর্থবোধক বাক্যে সেগুলোর ব্যবহারের কল্পনা ব্যতীত জানা সম্ভব নয়। তখনই সেগুলো কোনো না কোনো ব্যাকরণিক ভূমিকা (মুবতাদা, খবর, ফায়েল, মাফ'উল ইত্যাদি) গ্রহণ করে এবং সেই ভূমিকার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শব্দের শেষে ই'রাব বা নির্দিষ্ট রূপ প্রকাশিত হয়।

আর এটি আমাদের কাছে আরবি ব্যাকরণ শাস্ত্রের সেই বিশেষ দিকটি ব্যাখ্যা করে, যেখানে বিশেষ্যমূল (ইসমিয়াহ) বা ক্রিয়ামূল (ফেলিয়াহ) বাক্য গঠনের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তৃতীয়ত: পূর্বোক্ত বিষয়টি থেকে সরাসরি এটি অনুধাবন করা যায় যে, মু'রাব শব্দ হলো সেই শব্দ যা বিভিন্ন বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং যখন এক বাক্য থেকে অন্য বাক্যে তার ব্যাকরণিক ভূমিকা পরিবর্তিত হয়, তখন তার শব্দের শেষের রূপও পরিবর্তিত হয়। এর উদাহরণ হলো "স্বাধীনতা" শব্দটি; এটি একটি মু'রাব শব্দ, যার প্রমাণ নিচের তিনটি বাক্যে এর অবস্থান থেকে পাওয়া যায়:

স্বাধীনতা জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস।

মহৎ প্রাণগুলো স্বাধীনতাকে ভালোবাসে এবং এর জন্য সন্তুষ্টচিত্তে মৃত্যুবরণ করে।

স্বাধীনতা হারানো জীবন হারানোর সমতুল্য।

এখানে প্রথম বাক্যে শব্দটি মুবতাদা হিসেবে এসেছে এবং এটি যাম্মাহ (পেশ) যুক্ত হয়েছে। যখন দ্বিতীয় বাক্যে এর ভূমিকা পরিবর্তিত হয়ে "মাফ'উল বিহি" হয়েছে, তখন এটি ফাতহা (জবর) যুক্ত হয়েছে। আর যখন তৃতীয় বাক্যে এর ভূমিকা পরিবর্তিত হয়ে "মুদাফ ইলাইহি" হয়েছে, তখন এটি কাসরা (জের) যুক্ত হয়েছে। এই "স্বাধীনতা" শব্দটি বিভিন্ন বাক্যে তার ভূমিকা পরিবর্তনের কারণে মু'রাব হিসেবে গণ্য হয়েছে।

চতুর্থত: ব্যাকরণবিদদের মতে, ই'রাব হলো কোনো 'আমেল' বা প্রভাবকের প্রভাব যা শব্দের শেষে ক্রিয়া বা অন্য কিছুর মাধ্যমে পরিবর্তন ঘটায়। প্রকৃত সত্য হলো, আমেল বিষয়টি একটি জটিল তাত্ত্বিক বিষয় যা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২১)
مطلقا للإكثار فيه، وينبغي الاقتصار على القدر الضروري منه وفي أضيق الحدود، ويجب الانصراف عما دار حوله من مناقشات مجهدة لا طائل وراءها.

خامسا: الدراسة للإعراب تتكون من جوانب ثلاثة هي:

1 - ألقاب الإعراب وتوزيعها بين المعرب من الأسماء والأفعال.

2 - الإعراب الأصلي والفرعي.

3 - الإعراب الظاهر والمقدر.

وسنتناول كل واحد من هذه الثلاثة بالشرح المفصل.
এতে কোনোভাবেই আধিক্য কাম্য নয়, বরং এর যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুতে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত এবং তা হতে হবে অত্যন্ত সংকুচিত পরিসরে। এছাড়া একে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সেসব ক্লান্তিকর আলোচনা থেকে নিবৃত্ত থাকা আবশ্যক, যার পেছনে কোনো কার্যকর সুফল নেই।

পঞ্চম: ইরাব (শব্দবিভক্তি) সংক্রান্ত আলোচনা তিনটি দিক নিয়ে গঠিত, সেগুলো হলো:

১ - ইরাবের পরিভাষা বা প্রকারভেদ এবং বিশেষ্য ও ক্রিয়ার রূপান্তরযোগ্য (মু'রাব) শব্দসমূহের মাঝে সেগুলোর বিন্যাস।

২ - মূল এবং শাখাগত ইরাব।

৩ - দৃশ্যমান এবং উহ্য ইরাব।

আমরা এই তিনটির প্রত্যেকটি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা সহকারে আলোচনা করব।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌أنواع الإعراب:

لاحظ الأمثلة الآتية:

يستفيدُ الذكيُّ من أخطائه
يُكرِّرُ الغبيُّ الأخطاء نفسَها
رفع للاسمين (الذكي - الغبي) وللفعلين المضارعين (يستفيد - يكرر)
وإن الحياةَ لن تُخيِّبَ الأذكياء
ولكنّ الفرصةَ لن تنتظرَ الأغبياء
نصب للاسمين (الحياة - الفرصة) وللفعلين المضارعين (تخيب - تنتظر)
فليس من العيبِ أنْ تخطئَ
لكن إن تخطئ فاستفدْ من خطئك
جر
جزم
للاسم (العيب)
للفعل المضارع (تخطئ)

أنواع الإعراب أربعة هي:

 

‌‌1 - الرفع: ويوصف به الاسم المعرب والفعل المضارع المعرب، وذلك إذا أخذ كل منهما في الجملة وظيفة نحوية من وظائف الرفع كالمبتدأ أو الخبر أو الفاعل أو اسم كان للاسم، وكذلك تجرد الفعل من الناصب والجازم، تقول "يعرفُ العقلاءُ وهم صامتون ويتحدثُ الحمقى وهم جاهلون".

‌‌2 - النصب: ويوصف به أيضا الاسم المعرب والفعل المضارع المعرب وذلك أيضا إذا أخذ كل منهما في الجملة وظائف النصب كالمفعول به أو الظرف أو الحال بالنسبة للاسم، وكذلك إذا وقع الفعل المضارع بعد أداة من أدوات النصب، قال القرآن: {وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُضِلَّ قَوْماً بَعْدَ إِذْ هَدَاهُمْ}(1) فكلمة "يُضلُّ"

--------------------------------------------

(1) من الآية 115 من سورة التوبة.
ই’রাবের প্রকারভেদ:

নিচের উদাহরণগুলো লক্ষ করুন:

বুদ্ধিমান তার ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে
নির্বোধ একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করে
রাফ‘ দুটি বিশেষ্য (বুদ্ধিমান - নির্বোধ) এবং দুটি বর্তমানকালীন ক্রিয়ার (শিক্ষা গ্রহণ করা - পুনরাবৃত্তি করা) ক্ষেত্রে
নিশ্চয়ই জীবন বুদ্ধিমানদের হতাশ করবে না
কিন্তু সুযোগ নির্বোধদের জন্য অপেক্ষা করবে না
নাসব দুটি বিশেষ্য (জীবন - সুযোগ) এবং দুটি বর্তমানকালীন ক্রিয়ার (হতাশ করা - অপেক্ষা করা) ক্ষেত্রে
ভুল করা কোনো লজ্জার বিষয় নয়
কিন্তু যদি ভুল করো, তবে তোমার ভুল থেকে শিক্ষা নাও
জার
জাযম
বিশেষ্যের (লজ্জা/ত্রুটি) ক্ষেত্রে
বর্তমানকালীন ক্রিয়ার (ভুল করা) ক্ষেত্রে

ই’রাবের প্রকারভেদ চারটি, সেগুলো হলো:

 

‌‌১ - রাফ‘: এটি ইসম মু’রাব (রূপান্তরযোগ্য বিশেষ্য) এবং ফে’ল মুযারি‘ মু’রাব (বর্তমানকালীন ক্রিয়া)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যখন বাক্যে এগুলোর প্রতিটি রাফ‘-এর কোনো ব্যাকরণিক স্থান দখল করে, যেমন বিশেষ্যের ক্ষেত্রে: মুবতাদা (উদ্দেশ্য), খবর (বিধেয়), ফা’ইল (কর্তা) অথবা ‘কানা’-এর ইসম। তেমনিভাবে ফে’ল বা ক্রিয়া যখন নাসব প্রদানকারী ও জাযম প্রদানকারী অব্যয় থেকে মুক্ত থাকে। আপনি বলতে পারেন: "জ্ঞানীরা নীরব থাকা অবস্থায়ও সত্য অনুধাবন করে এবং মূর্খরা অজ্ঞ থাকা অবস্থায় কথা বলে।"

‌‌২ - নাসব: এটিও ইসম মু’রাব এবং ফে’ল মুযারি‘ মু’রাব-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যখন বাক্যে এগুলোর প্রতিটি নাসব-এর ব্যাকরণিক স্থান দখল করে, যেমন বিশেষ্যের ক্ষেত্রে: মাফ’উল বিহি (কর্ম), যরফ (অধিকরণ) বা হাল (অবস্থা); একইভাবে যখন বর্তমানকালীন ক্রিয়াটি কোনো নাসব প্রদানকারী অব্যয়ের পরে আসে। আল-কুরআনে বর্ণিত হয়েছে: {আল্লাহ কোনো সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করার পর পথভ্রষ্ট করেন না, যতক্ষণ না তাদের জন্য স্পষ্ট করে দেন যা থেকে তারা বেঁচে থাকবে।}(১) এখানে "ইুদিল্লা" শব্দটি

--------------------------------------------

(১) সূরা আত-তাওবাহ-এর ১১৫ নং আয়াতের অংশবিশেষ।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২৩)
فعل مضارع منصوب بعد لام الجحود، وكلمة "قوما" اسم منصوب مفعول به وكلمة "بعد" اسم منصوب ظرف مكان.

 

‌‌3 - الجر: ويوصف به الاسم المعرب فقط، فالجر من خصائص الأسماء وإنما يكون الاسم مجرورًا إذا جاء في جملته في إحدى وظائف الجر، وذلك بعد حرف من حروف الجر، أو وقع "مضافًا إليه" بعد اسم آخر، كقول الرسول: "مِنْ حُسْنِ إسلامِ المرءِ تركُه ما لا يَعنيه" فكلمة "حُسنِ" مجرورة بالحرف "من" وكلمة "إسلام" مجرورة "مضاف إليه" لكلمة "حسن" وكلمة "المرء" مجرورة أيضا "مضاف إليه" لكلمة "إسلام".

‌‌4 - الجزم: ويوصف به الفعل المضارع المعرب فقط، إذا جاء في موضع للجزم بعد حروفه أو بعد أدوات الشرط التي تجزمه، كقول القرآن: {لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُواً أَحَدٌ}(1).

والخلاصة أن ألقاب الإعراب أربعة، رفع ونصب ويوصف بهما الاسم المعرب والفعل المضارع المعرب، وجر ويكون في الاسم المعرب فقط، وجزم ويكون في الفعل المضارع المعرب فقط.

--------------------------------------------

(1) الآية 3 من سورة الإخلاص.

إعراب الآية: {لَمْ يَلِدْ} لَمْ: حرف نفي وجزم وقلب، يَلِدْ: فعل مضارع مجزوم بالحرف "لَمْ" وعلامة جزمه السكون، والفاعل ضمير مستتر تقديره "هو" يعود على "الله" السابق ذكره في السورة. {وَلَمْ يُولَدْ} الواو: حرف عطف، لَمْ: حرف نفي وجزم وقلب، يُولَدْ: فعل مضارع مجزوم بالحرف "لم" وعلامة جزمه السكون، ونائب الفاعل ضمير مستتر تقديره "هو" يعود على "الله"، والجملة "لم يولد" معطوفة على جملة "لَمْ يَلِدْ" بالواو. {وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُواً أَحَدٌ} الواو: حرف عطف، لَمْ: حرف نفي وجزم وقلب، يَكُنْ: فعل مضارع ناسخ يرفع المبتدأ وينصب الخبر مجزوم بالحرف "لَمْ" وعلامة جزمه السكون، له: جار ومجرور متعلق بكلمة "كُفُوًا" الآتي بعده، كُفُواً: خبر "يَكُنْ" مؤخر مرفوع بالضمة، وجملة: {لَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُواً أَحَدٌ} معطوفة بالواو على الجملة السابقة عليها.
লামুল জুহুদ-এর পরে মানসুব হওয়া মুদারে ক্রিয়া, এবং 'ক্বওমান' শব্দটি মানসুব ইসম যা মাফউল বিহি এবং 'বাদা' শব্দটি মানসুব ইসম যা যরফে মাকান।

 

‌‌৩ - জার: এটি দ্বারা শুধুমাত্র মু'রাব ইসমকে বিশেষিত করা হয়। সুতরাং জার হলো ইসম বা বিশেষ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কোনো ইসম কেবল তখনই মাজরুর হয় যখন সেটি বাক্যে জারের কোনো অবস্থানে আসে; আর তা হলো কোনো হারফে জার-এর পরে আসা, অথবা অন্য কোনো ইসমের পরে 'মুদাফ ইলাইহি' হিসেবে আসা। যেমন রাসূলুল্লাহর বাণী: "একজন ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্য হলো তার অনর্থক বিষয় ত্যাগ করা।" এখানে 'হুসনি' শব্দটি 'মিন' হরফ দ্বারা মাজরুর, 'ইসমলাম' শব্দটি 'হুসনি' শব্দের 'মুদাফ ইলাইহি' হিসেবে মাজরুর এবং 'আল-মারই' শব্দটিও 'ইসলাম' শব্দের 'মুদাফ ইলাইহি' হিসেবে মাজরুর।

‌‌৪ - জাযম: এটি দ্বারা শুধুমাত্র মু'রাব মুদারে ক্রিয়াকে বিশেষিত করা হয়, যখন সেটি জাযম দানকারী হরফসমূহের পরে অথবা জাযম প্রদানকারী শর্তবাচক অব্যয় (আদাওয়াতুশ শর্ত)-এর পরে জাযমের স্থানে আসে। যেমন কুরআনের বাণী: {তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি, এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই}(১)।

সারকথা হলো, ইরাবের উপাধি চারটি: রাফ' ও নাসব—যা দ্বারা মু'রাব ইসম এবং মু'রাব মুদারে ক্রিয়া উভয়কেই বিশেষিত করা হয়; জার—যা কেবল মু'রাব ইসমের ক্ষেত্রে হয়; এবং জাযম—যা কেবল মু'রাব মুদারে ক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়।

--------------------------------------------

(১) সূরা আল-ইখলাসের ৩ নম্বর আয়াত।

আয়াতের ইরাব: {লাম ইয়ালিদ} 'লাম': না-বোধক, জাযম দানকারী এবং অর্থ পরিবর্তনকারী অব্যয়। 'য়ালিদ': মুদারে ক্রিয়া যা 'লাম' হরফ দ্বারা মাজযুম এবং এর জাযমের আলামত হলো সুকুন; আর এর ফায়েল হলো একটি উহ্য সর্বনাম যার অনুমিত রূপ হলো 'হুয়া' (তিনি), যা সূরায় ইতিপূর্বে উল্লিখিত 'আল্লাহ'র দিকে ফিরছে। {ওয়া লাম য়ুলাদ} 'ওয়াও': আতিফাহ (সংযোজক অব্যয়), 'লাম': না-বোধক, জাযম দানকারী এবং অর্থ পরিবর্তনকারী অব্যয়। 'য়ুলাদ': মুদারে ক্রিয়া যা 'লাম' হরফ দ্বারা মাজযুম এবং এর জাযমের আলামত হলো সুকুন; আর এর নায়েবে ফায়েল হলো একটি উহ্য সর্বনাম যার অনুমিত রূপ হলো 'হুয়া', যা 'আল্লাহ'র দিকে ফিরছে। "লাম য়ুলাদ" বাক্যটি 'ওয়াও' দ্বারা "লাম য়ালিদ" বাক্যের উপর মা'তুফ। {ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু কুফুওয়ান আহাদুন} 'ওয়াও': আতিফাহ, 'লাম': না-বোধক, জাযম দানকারী এবং অর্থ পরিবর্তনকারী অব্যয়। 'য়াকুন': নাসিখ মুদারে ক্রিয়া যা মুবতাদাকে রাফ এবং খবরকে নাসব দেয়, এটি 'লাম' দ্বারা মাজযুম এবং এর জাযমের আলামত হলো সুকুন। 'লাহু': জার ও মাজরুর যা পরবর্তী 'কুফুওয়ান' শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট। 'কুফুওয়ান': 'ইয়াকুন'-এর খবর যা আগে এসেছে। 'আহাদুন': 'ইয়াকুন'-এর ইসম যা শেষে এসেছে এবং দাম্মা দ্বারা মারফু। এবং {লাম ইয়াকুন লাহু কুফুওয়ান আহাদুন} বাক্যটি 'ওয়াও' দ্বারা পূর্ববর্তী বাক্যের উপর মা'তুফ।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌‌‌الإعراب الأصلي والفرعي:

كان الرسولُ عظيمًا في رِضاهُ وغضبِه.

يتسامحُ في أذاه، لكن من أخلاقِهِ أن يغضبَ لمحارمِ الله.

ولم يؤثرْغيرُ ذلك من حياتِه الشَّريفة.

فسلوكُه قدوةٌ للمهتدين يستمدون منه الهُدَى.

سبق أن الإعراب هو الشكل الذي يكون في آخر الكلمات المعربة من الأسماء والأفعال، إذ تأتي في مواضع الإعراب الأربعة: الرفع والنصب والجر والجزم.

هذا الشكل يكون أصليًّا كما يكون فرعيًّا، وكل من الأصلي والفرعي -فيما أرى- مجرد مصطلحين دراسيين في النحو لحصر الشكل الذي يرد في آخر الكلمات المعربة دون أن يعني ما يتبادر إلى الذهن من هذه التسمية فلم يكن أحدهما أصلا للآخر في استعمال اللغة على الإطلاق.

فالإعراب الأصلي مظاهره أربعة هي:

 

‌‌1 - الضمة للرفع -في الأسماء والأفعال- كما هو واضح في الأمثلة السابقة في الكلمات "الرسول، يتسامح، غير، سلوك، قدوة".

‌‌2 - الفتحة للنصب -في الأسماء والأفعال- كما هو واضح في الأمثلة
‌‌‌মূল এবং গৌণ ই'রাব (বিভক্তি):

রাসূল তাঁর সন্তুষ্টি এবং ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই মহান ছিলেন।

তিনি নিজের কষ্টের ক্ষেত্রে সহনশীল ছিলেন, কিন্তু আল্লাহর পবিত্র বিধান লঙ্ঘিত হলে রাগান্বিত হওয়া ছিল তাঁর চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তাঁর সম্মানিত জীবন থেকে এর ব্যতিক্রম কিছু বর্ণিত হয়নি।

তাই তাঁর আচরণ হেদায়েতপ্রাপ্তদের জন্য এক আদর্শ, যেখান থেকে তারা সঠিক পথনির্দেশনা গ্রহণ করে।

ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ই'রাব হলো সেই রূপ যা বিশেষ্য (ইসম) ও ক্রিয়ার (ফেল) মতো রূপান্তরযোগ্য শব্দের শেষে পরিলক্ষিত হয়; কেননা এগুলো ই'রাবের চারটি অবস্থায় আসে: রাফ' (পেশ), নাসব (জবর), জার (জের) এবং জাযম (সুকুন)।

এই রূপটি মূল হতে পারে আবার গৌণও হতে পারে। আমার দৃষ্টিতে মূল এবং গৌণ—এই উভয়ই ব্যাকরণের নিছক দুটি শাস্ত্রীয় পরিভাষা মাত্র, যার উদ্দেশ্য হলো রূপান্তরযোগ্য শব্দের শেষে আসা রূপগুলোকে সীমাবদ্ধ করা। এই নামকরণ থেকে সাধারণ বুদ্ধিতে যা মনে হতে পারে বিষয়টি মোটেও তেমন নয়; কারণ ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এগুলোর একটি অন্যটির মূল হিসেবে কখনোই গণ্য ছিল না।

মূল ই'রাবের বাহ্যিক রূপ হলো চারটি, যা নিম্নরূপ:

 

‌‌১ - রাফ'-এর জন্য দম্মাহ —বিশেষ্য এবং ক্রিয়ার ক্ষেত্রে— যেমনটি পূর্ববর্তী উদাহরণগুলোতে "আর-রাসূলু", "ইয়াতাসামাহু", "গাইরু", "সুলুকুহু", "কুদওয়াতুন" শব্দগুলোর মধ্যে স্পষ্ট।

‌‌২ - নাসব-এর জন্য ফাতহাহ —বিশেষ্য এবং ক্রিয়ার ক্ষেত্রে— যেমনটি উদাহরণগুলোতে স্পষ্ট...
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২৫)
السابقة في الكلمات "عظيما، يغضب، الهدَى" والكلمة الأخيرة منصوبة بفتحة مقدرة على آخرها كما سيأتي شرح الإعراب المقدر فيما بعد.

 

‌‌3 - الكسرة للجر -في الأسماء فقط- كما وردت في الأمثلة في الكلمات "رِضَى، غضَب، أخلاق، محارم، الله، حياة، الشريفة" والكلمة الأولى مجرورة بكسرة مقدرة.

‌‌4 - السكون للجزم -في الأفعال فقط- كما هو واضح في الأمثلة في جزم الفعل "يؤثر" بعد الحرف "لم".

وخلاصة الأمر أن علامات الإعراب الأصلية هي الضمة للرفع والفتحة للنصب والكسرة للجر والسكون للجزم!

 

‌‌الإعراب الفرعي: يقصد به ما لم يكن واحدا من الأربعة السابقة فهو ما جاء شكلا في آخر الكلمات المعربة في حالة الرفع غير الضمة، وفي حالة النصب غير الفتحة، وفي حالة الجر غير الكسرة، وفي حالة الجزم غير السكون، فكلمة "المهتدين" -في الأمثلة السابقة- مجرورة بالياء لا بالكسرة أو بعبارة أخرى مجرورة بالياء نيابة عن الكسرة، وكلمة "يستمدون" في الأمثلة مرفوعة بثبوت النون، أو بعبارة أخرى مرفوعة بثبوت النون نيابة عن الضمة، وهكذا.

هذا، والأبواب التي فيها الإعراب الفرعي سبعة، إجمالها في الجدول الآتي:
পূর্বোক্ত "অত্যন্ত," "রাগান্বিত হওয়া," "হেদায়াত" শব্দগুলোতে এবং শেষোক্ত শব্দটি এর শেষে এক উহ্য ফাতাহ দ্বারা নাসবপ্রাপ্ত হয়েছে, যেমনটি পরবর্তীতে উহ্য ইরাবের বর্ণনায় বিস্তারিত আসবে।

 

‌‌৩ - জারের জন্য কাসরা -শুধুমাত্র বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে- যেমনটি উদাহরণগুলোতে "সন্তুষ্টি, রাগ, চরিত্র, হারামসমূহ, আল্লাহ, জীবন, সম্মানিত" শব্দগুলোতে এসেছে। আর প্রথম শব্দটি একটি উহ্য কাসরা দ্বারা জারপ্রাপ্ত হয়েছে।

‌‌৪ - জাযমের জন্য সুকুন -শুধুমাত্র ক্রিয়া পদের ক্ষেত্রে- যেমনটি উদাহরণে "লাম" হরফের পরে "প্রভাবিত হওয়া" ক্রিয়াটির জাযম হওয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্ট।

সারকথা এই যে, ইরাবের মূল চিহ্নগুলো হলো: রাফ-এর জন্য দাম্মা, নাসবের জন্য ফাতাহ, জারের জন্য কাসরা এবং জাযমের জন্য সুকুন!

 

‌‌শাখা ইরাব: এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পূর্বোক্ত চারটির বহির্ভূত চিহ্নসমূহ। অর্থাৎ, পরিবর্তনশীল শব্দসমূহের শেষে রাফ-এর অবস্থায় দাম্মা ব্যতীত যা আসে, নাসব-এর অবস্থায় ফাতাহ ব্যতীত যা আসে, জার-এর অবস্থায় কাসরা ব্যতীত যা আসে এবং জাযম-এর অবস্থায় সুকুন ব্যতীত যা আসে। সুতরাং পূর্বের উদাহরণগুলোতে "হেদায়াতপ্রাপ্তগণ" শব্দটি 'ইয়া' দ্বারা জারপ্রাপ্ত হয়েছে, কাসরা দ্বারা নয়। অথবা অন্য কথায়, এটি কাসরার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে 'ইয়া' দ্বারা জারপ্রাপ্ত হয়েছে। আর উদাহরণগুলোতে "তারা গ্রহণ করছে" শব্দটি 'নুন' স্থির থাকার মাধ্যমে রাফ-প্রাপ্ত হয়েছে, অথবা অন্য কথায়, দাম্মার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে 'নুন' স্থির থাকার মাধ্যমে রাফ-প্রাপ্ত হয়েছে। অনুরূপভাবে অন্যান্যগুলোও।

আর যেসব পরিচ্ছেদে শাখা ইরাব রয়েছে তা সাতটি; যার সংক্ষিপ্ত রূপ নিম্নোক্ত ছকে দেওয়া হলো:
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২৬)
اسم الباب كيفية إعرابه، والتمثيل له
(1) الأسماء الستة • ترفع بالواو: من كلام الرسول: المسلمُ أخو المسلم لا يظلمُه ولا يحقِرُه.
• تنصب بالألف: من كلام الرسول: انصُرْ أخاك ظالما أو مظلوما.
• تجر بالياء: من كلام الرسول: لا يُؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه ما يحبُّ لنفسه.
(2) ما لا ينصرف • يرفع بالضمة: كانت فاطمةُ بنت الرسول أحبَّ الناس إليه.
• ينصب بالفتحة: وظل يذكر خديجة بعد وفاتها وفاء وحبًّا.
• يجر بالفتحة: وذكر لعائشة من الأحاديث ما لم يروه عنه غيرها.
(3) المثنى • يرفع بالألف: يتنازع العالم الآن قوتان هائلتان.
• ينصب بالياء: ومن حسن حظ الإنسانية أن تبقيا متعادلتين.
• يجر بالياء: فذلك ضمان لمنع الحرب بعد مأساة الحربين الماضيتين.
অধ্যায়ের নাম এর ইরাব (বিভক্তি রূপান্তর) প্রদানের পদ্ধতি এবং উদাহরণ
(১) আসমায়ে সিত্তাহ (ছয়টি বিশেষ্য) • ‘ওয়াও’ দ্বারা রফ’ হয়: রাসূলুল্লাহর বাণী থেকে: মুসলিম হলো মুসলিমের ভাই; সে তার ওপর জুলুম করে না এবং তাকে তুচ্ছজ্ঞান করে না।
• ‘আলিফ’ দ্বারা নসব হয়: রাসূলুল্লাহর বাণী থেকে: তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক অথবা মজলুম।
• ‘ইয়া’ দ্বারা জর হয়: রাসূলুল্লাহর বাণী থেকে: তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।
(২) গাইরে মুনসারিফ (পরিবর্তনহীন বিশেষ্য) • ‘যম্মাহ’ দ্বারা রফ’ হয়: রাসূলুল্লাহর কন্যা ফাতিমা তাঁর নিকট মানুষের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিলেন।
• ‘ফাতহাহ’ দ্বারা নসব হয়: তিনি খাদিজার মৃত্যুর পর আনুগত্য ও ভালোবাসার কারণে তাঁর কথা স্মরণ করতে থাকতেন।
• ‘ফাতহাহ’ দ্বারা জর হয়: তিনি আয়িশার নিকট এমন অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন যা অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেনি।
(৩) মুসান্না (দ্বিবচন) • ‘আলিফ’ দ্বারা রফ’ হয়: বর্তমানে দুটি বিশাল শক্তি বিশ্বজুড়ে দ্বন্দ্বে লিপ্ত।
• ‘ইয়া’ দ্বারা নসব হয়: আর মানবতার সৌভাগ্য এই যে তারা যেন ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকে।
• ‘ইয়া’ দ্বারা জর হয়: বিগত দুটি যুদ্ধের বিয়োগান্তক ঘটনার পর যুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য এটিই নিশ্চয়তা।
(খণ্ড: ১) আন-নাহবুল মুসাফফা (পৃষ্ঠা: ২৭)
اسم الباب كيفية إعرابه، والتمثيل له
(4) جمع المذكر السالم يرفع بالواو: • لا يستوي في الحياة العاملون والعاطلون.
• ينصب بالياء: فإن العاملين يمنحون الأمة الخير والازدهار.
• يجر بالياء: ولكن مظهرَ العاطلين في الأمةِ ذلّ وعارٌ.
(5) جمع المؤنث السالم "ما جمع بألف وتاء" • يرفع بالضمة: من كلام الرسول: الظلمُ ظلماتٌ يوم القيامة.
• ينصب بالكسرة: من كلام الرسول: لعن الله المتشبهاتِ من النساء بالرجال.
• يجر بالكسرة: جاء في الحديث: نهى رسول الله عن الجلوس في الطرقات.
(6) الأفعال الخمسة • ترفع بثبوت النون: المنافقون يقولون ما لا يفعلون.
• تنصب بحذف النون: قال القرآن: كبُرَ مقتا عند الله أن تقولوا ما لا تفعلون.
• تجزم بحذف النون: من توجيهات الإسلامِ للمسلمين: لا تكذِبُوا ولا تُنافقوا.
অধ্যায়ের নাম এর ইরাব প্রদানের পদ্ধতি এবং তার উদাহরণ
(৪) জমা মুজাক্কার সালেম ওয়াও দ্বারা রফআ হয়: • জীবনে কর্মজীবী এবং অলস ব্যক্তিরা সমান হয় না।
• ইয়া দ্বারা নাসব হয়: নিশ্চয়ই কর্মজীবীরা জাতিকে কল্যাণ ও সমৃদ্ধি দান করে।
• ইয়া দ্বারা জর হয়: কিন্তু জাতির মধ্যে অলসদের অবস্থা হলো লাঞ্ছনা ও কলঙ্ক।
(৫) জমা মুয়ান্নাস সালেম (আলিফ ও তা সহযোগে গঠিত বহুবচন) • যম্মাহ দ্বারা রফআ হয়: রাসূলের বাণী থেকে: জুলুম কিয়ামতের দিন অনেক অন্ধকার হয়ে দেখা দিবে।
• কাসরাহ দ্বারা নাসব হয়: রাসূলের বাণী থেকে: আল্লাহ ঐসব নারীদের অভিশাপ দিয়েছেন যারা পুরুষদের সাদৃশ্য অবলম্বন করে।
• কাসরাহ দ্বারা জর হয়: হাদিসে এসেছে: আল্লাহর রাসূল রাস্তায় বসা থেকে নিষেধ করেছেন।
(৬) আল-আফআলুল খামসাহ (পাঁচটি ক্রিয়াপদ) • নূন বহাল থাকার মাধ্যমে রফআ হয়: মুনাফিকরা যা বলে তা তারা করে না।
• নূন বিলুপ্ত হওয়ার মাধ্যমে নাসব হয়: কুরআন বলেছে: তোমরা যা করো না তা বলা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত ঘৃণাযোগ্য।
• নূন বিলুপ্ত হওয়ার মাধ্যমে জযম হয়: মুসলমানদের প্রতি ইসলামের নির্দেশনাসমূহ থেকে: তোমরা মিথ্যা বলো না এবং মুনাফিকি করো না।