(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: -)
مختصر سنن أبي داود للمنذري ت حلاق القسم: كتب السنة
الكتاب: مختصر سنن أبي داود
المؤلف: الحافظ عبد العظيم بن عبد القوي المنذري (ت 656 هـ)
خرّج أحاديثه وضبط نصه وعلّق عليه: أبو مصعب محمد صبحي بن حسن حلّاق [ت 1438 هـ]
ووضَع حكم المحدث الألباني على الأحاديث
الناشر: مكتبة المعارف للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1431 هـ - 2010 م
عدد الأجزاء: 3
تنبيه: اعتمدَتْ هذه الطبعة في نصها على طبعة أنصار السنة ت شاكر والفقي
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 3 جُمادَى الآخرة 1438
মুখতাসার সুনান আবি দাউদ - মুনজিরি, তাহকিক: হাল্লাক বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মুখতাসার সুনান আবি দাউদ
লেখক: আল-হাফিজ আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কাবি আল-মুনজিরি (মৃত্যু ৬৫৬ হিজরি)
হাদিস তাখরিজ, পাঠ্য সংশোধন ও টীকা প্রদান: আবু মুসআব মুহাম্মদ সুবহি বিন হাসান হাল্লাক [মৃত্যু ১৪৩৮ হিজরি]
এবং হাদিসগুলোর ওপর মুহাদ্দিস আলবানীর হুকুম সংযোজন করা হয়েছে
প্রকাশক: মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন، রিয়াদ - সৌদি আরব রাজ্য
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৩
সতর্কবার্তা: এই সংস্করণটি তার পাঠ্যের ক্ষেত্রে আনসারুস সুন্নাহ সংস্করণ (তাহকিক: শাকির ও আল-ফিকি) এর ওপর নির্ভর করেছে
শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছে: রাবিতাতুন নুসসাখ টিম, তত্ত্বাবধানে: (মারকাজুন নুখাবিল ইলমিয়্যাহ)
[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৩ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৮
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: -)
مختصر سنن أبي داود
تأليف
الحافظ عبد العظيم بن عبد القوي المنذري (المتوفى سنة 656 هـ)
خرج أحاديثه وضبط نصه وعلق عليه ورقم كتبه وأحاديثه وقارن أبوابه مع المعجم المفهرس لألفاظ الحديث النبوي الشريف «ووضع حكم المحدث الألباني على الأحاديث» «بطلب من صاحب مكتبة المعارف - الرياض حيث أنه صاحب الحق في ذلك»
محمد صبحي بن حسن حلاق (أبو مصعب)
[الجزء الأول]
মুখতাসারু সুনানে আবি দাউদ
রচনা করেছেন
আল-হাফিজ আব্দুল আজিম বিন আব্দুল ক্বাউয়ি আল-মুনযিরি (মৃত্যু ৬৫৬ হিজরি)
হাদিসসমূহ তাখরিজ করেছেন, পাঠ যাচাই ও সম্পাদনা করেছেন, টীকা প্রদান করেছেন, এর কিতাব ও হাদিসসমূহ নম্বরযুক্ত করেছেন এবং এর অধ্যায়সমূহকে ‘আল-মু‘জাম আল-মুফাহরাস লি আলফাজ আল-হাদিস আন-নাবাবি আশ-শরিফ’-এর সাথে তুলনা করেছেন এবং «হাদিসসমূহের ওপর মুহাদ্দিস আলবানীর সিদ্ধান্ত সংযোজন করেছেন» «মাকতাবাতুল মাআরিফ - রিয়াদ-এর স্বত্বাধিকারীর অনুরোধে, যেহেতু তিনি এর স্বত্বাধিকারী»
মুহাম্মদ সুবহি বিন হাসান হাল্লাক (আবু মুসআব)
[প্রথম খণ্ড]
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৩)
مُخْتَصر سنَن أبي دَاوُد
[1]
সংক্ষিপ্ত সুনানে আবু দাউদ
[1]
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৪)
جَمِيع الْحُقُوق مَحْفُوظَة للناشر، فَلَا يجوز نشر أَي جُزْء من هَذَا الْكتاب، أَو تخزينه أَو تسجيله بأية وَسِيلَة، أَو تَصْوِيره أَو تَرْجَمته دون مُوَافقَة خطية مسبقة من الناشر.
الطبعة الأولى
1431 هـ - 2010 م
(ح) مكتبة المعارف للنشر والتوزيع، 1431 هـ
فهرسة مكتبة الْملك فَهد الوطنية أثْنَاء النشر
الْمُنْذِرِيّ، زكي الدّين عبد الْعَظِيم بن عبد الْقوي
مُخْتَصر سنَن أبي دَاوُد / زكي الدّين عبد الْعَظِيم بن عبد الْقوي الْمُنْذِرِيّ، مُحَمَّد صبحي حسن حلاق - الرياض، 1431 هـ
3 مج.
ردمك:
5 - 31 - 8028 - 603 - 978 (مجموعة)
2 - 32 - 8028 - 603 - 978 (ج 1)
1 - الحَدِيث - سنَن.
2 - الحَدِيث - شرح:
أ. حلاق، مُحَمَّد صبحي حسن (مُحَقّق) - ب. العنوان
ديوي
… 235.4
رقم الْإِيدَاع: 5716/ 1431
ردمك:
5 - 31 - 8028 - 603 - 978 (مجموعة)
2 - 32 - 8028 - 603 - 978 (ج 1)
مكتبة المعارف للنشر والتوزيع
هَاتِف: 4114535 - 4113350
فاكس: 4112932 - ص. ب: 3281
الرياض - الرَّمْز البريدي: 11471
সকল স্বত্ব প্রকাশকের সংরক্ষিত, তাই প্রকাশকের পূর্বতন লিখিত অনুমতি ব্যতীত এই গ্রন্থের কোনো অংশ প্রকাশ করা, কোনো উপায়ে তা সংরক্ষণ বা নথিবদ্ধ করা, অথবা এর অনুলিপি তৈরি করা বা অনুবাদ করা অনুমতিযোগ্য নয়।
প্রথম সংস্করণ
১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
(স্বত্ব) মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, ১৪৩১ হিজরি
প্রকাশকালীন কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি ক্যাটালগিং
আল-মুনজিরি, জাকিউদ্দীন আবদুল আজিম ইবনে আবদুল কাবি
মুখতাসারু সুনানে আবি দাউদ / জাকিউদ্দীন আবদুল আজিম ইবনে আবদুল কাবি আল-মুনজিরি, মুহাম্মাদ সুবহি হাসান হাল্লাক - রিয়াদ, ১৪৩১ হিজরি
৩ খণ্ড।
আইএসবিএন (ISBN):
5 - 31 - 8028 - 603 - 978 (সমষ্টি)
2 - 32 - 8028 - 603 - 978 (১ম খণ্ড)
১ - হাদিস - সুনান।
২ - হাদিস - ব্যাখ্যা:
ক. হাল্লাক, মুহাম্মাদ সুবহি হাসান (সম্পাদক) - খ. শিরোনাম
ডিউই
… 235.4
জমা নম্বর: 5716/ 1431
আইএসবিএন (ISBN):
5 - 31 - 8028 - 603 - 978 (সমষ্টি)
2 - 32 - 8028 - 603 - 978 (১ম খণ্ড)
মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
ফোন: 4114535 - 4113350
ফ্যাক্স: 4112932 - পি.ও. বক্স: 3281
রিয়াদ - পোস্টাল কোড: 11471
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة
إن الحمد للَّه نحمده، ونستعينه ونستغفره، ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده اللَّه فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللَّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102)} [آل عمران: 102]
{يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا (1)} [النساء: 1].
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71)} [الأحزاب: 70 - 71].
أما بعد:
أولاً: ترجمة المصنف أبو داود:
1 -
عصره:ولد المؤلف رحمه الله في مطلع القرن الثالث الهجري، وتوفي في أواخر. والقرن الثالث هو العصر العلمي الذهبي في تاريخنا كله، وقد أتيح لأبي داود رحمه الله أن يشهد نضج الحضارة الإسلامية في هذا القرن، كما أتيح له أن يعيش هذا العصر الذي ازدحم بالعبقريات والموهوبين الأفذاذ في شتى شئون الفكر.
ويكفينا للدلالة على ذلك أن نذكر من أعلام هذا القرن الأسماء الآتية:
ففي الحديث:
ভূমিকা
নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
{হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (১০২)} [আল-ইমরান: ১০২]
{হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের সেই রবকে ভয় করো যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের উভয় থেকে বহু পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। (১)} [আন-নিসা: ১]।
{হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই এক মহা সাফল্য অর্জন করল। (৭১)} [আল-আহযাব: ৭০ - ৭১]।
অতঃপর:
প্রথমত: গ্রন্থকার আবু দাউদের পরিচিতি:
১ -
তাঁর যুগ:লেখক -আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন- হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর শুরুতে জন্মগ্রহণ করেন এবং এর শেষ ভাগে মৃত্যুবরণ করেন। আর তৃতীয় শতাব্দী হলো আমাদের সমগ্র ইতিহাসে জ্ঞানের স্বর্ণযুগ। আবু দাউদ -আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন- এই শতাব্দীতে ইসলামি সভ্যতার পূর্ণতা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছিলেন, যেমনটি তিনি এমন এক যুগে বেঁচে থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন যা চিন্তাধারার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ মেধা ও প্রতিভাধর ব্যক্তিত্বদের দ্বারা পরিপূর্ণ ছিল।
এর প্রমাণ হিসেবে এই শতাব্দীর নিম্নোক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নাম উল্লেখ করাই আমাদের জন্য যথেষ্ট:
হাদিস শাস্ত্রে:
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৬)
كان البخاري، ومسلم، ويحيى بن معين، وأحمد بن حنبل، والترمذي، والنسائي.
وفي الفقه:
كان الربيع والمزني صاحبا الشافعي، وداود الظاهري وغيرهم.
وفي الشعر:
كان علي بن الجهم، وابن الرومي، والبحتري، وابن المعتز.
وفي العلم والأدب:
كان المبرد، وابن قتيبة، والجاحظ، وثعلب، والفراء، وغيرهم كثير. وهكذا. . .
ولا شك أن أبا داود كان واحدًا من هؤلاء العمالقة الأفذاذ في هذا العصر.
2 -
اسمه ونسبه ونسبته:هو أبو داود سليمان بن الأشعث بن إسحاق بن بشير بن شداد بن عمرو، ابن عمران الأزدي السجستاني.
وأبو داود عربي صميم من الأزد، والأزد قبيلة في اليمن.
والسجستاني نسبة إلى بلد بسجستان، وهي في القسم الجنوبي من بلاد الأفغان.
3 -
نشأته:ولد أبو داود سنة (202 هـ)، وتلقى العلم في بلده، ثم ارتحل وطوف في البلاد في طلب العلم وتحصيل الرواية، فزار العراق والجزيرة والشام ومصر وكتب من علماء هذه البلاد جميعًا.
والبلاد التي سكنها كثيرة، نذكر منها:
سجستان التي كانت بلده، والتي نسب إليها، وخراسان، والري، وهراة، والكوفة، وبغداد، وطرسوس التي أقام بها عشرين سنة، ودمشق التي سمع الحديث فيها، كما يذكر ابن عساكر، ومصر، والبصرة. . .
বুখারি, মুসলিম, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আহমাদ ইবনে হাম্বল, তিরমিযী এবং নাসাঈ ছিলেন।
এবং ফিকহ শাস্ত্রে:
শাফেয়ীর দুই সাথী রাবী ও মুযানী, দাউদ জাহেরী এবং আরও অনেকে ছিলেন।
এবং কবিতায়:
আলী ইবনে জাহম, ইবনুর রুমী, বুহতরী এবং ইবনুল মুতায ছিলেন।
এবং জ্ঞান ও সাহিত্যে:
মুবাররাদ, ইবনে কুতায়বা, জাহিজ, ছা'লাব, ফাররা এবং আরও অনেকে ছিলেন। এভাবেই...
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, আবু দাউদ ছিলেন এই যুগের সেই অনন্য সাধারণ মহীরুহদের একজন।
২ -
তাঁর নাম, বংশপরিচয় ও নিসবত (অধিভুক্তি):তিনি হলেন আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে আশআস ইবনে ইসহাক ইবনে বাশির ইবনে শাদ্দাদ ইবনে আমর ইবনে ইমরান আল-আযদি আস-সিজিস্তানি।
আবু দাউদ আযদ গোত্রের একজন খাঁটি আরব, আর আযদ হলো ইয়ামানের একটি গোত্র।
'সিজিস্তানি' হলো সিজিস্তানের একটি শহরের দিকে নিসবত, যা আফগান ভূখণ্ডের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।
৩ -
তাঁর বেড়ে ওঠা:আবু দাউদ ২০২ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং নিজ শহরে জ্ঞান অর্জন করেন। অতঃপর তিনি জ্ঞান অন্বেষণ ও রেওয়ায়েত সংগ্রহের উদ্দেশ্যে দেশ-দেশান্তরে ভ্রমণ করেন। তিনি ইরাক, জাযিরা, শাম ও মিশর সফর করেন এবং এই সকল অঞ্চলের আলেমদের কাছ থেকে (হাদিস) লিপিবদ্ধ করেন।
তিনি অনেক শহরে বসবাস করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
সিজিস্তান—যা ছিল তাঁর নিজ শহর এবং যার দিকে তাঁকে নিসবত করা হয়, খোরাসান, রায়, হেরাত, কুফা, বাগদাদ, তারসুস—যেখানে তিনি বিশ বছর অবস্থান করেছিলেন, দামেস্ক—যেখানে তিনি হাদিস শ্রবণ করেছিলেন—যেমনটি ইবনে আসাকির উল্লেখ করেছেন, মিশর এবং বসরা...
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৭)
4 -
ثناء العلماء عليه:لقد كان رحمه الله مثلًا عاليًا في صفتي المحدث القوي، وهما: العدالة، والضبط.
- قال أبو بكر الخلال: أبو داود سليمان بن الأشعث، الإمام القدم في زمانه رجل لم يسبقه إلى معرفته بتخريج العلوم، وبصره بمواضعها أحدٌ في زمانه، رجل ورع مقدم.
- وقال أحمد بن محمد بن ياسين الهروي: سليمان بن الأشعث، أبو داود السجزي، كان أحد حفاظ الإسلام لحديث رسول اللَّه، وعلمه وعلله وسنده في أعلى درجات النسك والعفاف والصلاح والورع، كان من فرسان الحديث.
- وقال إبراهيم الحربي: ألين لأبي داود الحديث، كما ألين لداود النبي عليه السلام الحديد.
- وغيرهم كثير. . .
5 -
مشايخه: إن شيوخه كثر نورد بعضًا منهم:أحمد بن حنبل، يحيى بن معين، عثمان بن أبي شيبة، وسليمان بن حرب، وأبو الوليد الطيالسي، وموسى بن إسماعيل المنقري البتوذكي، وعبد اللَّه بن مسلمة القعنبي، وهناد بن السري، ومخلد بن خالد، وقتيبة بن سعيد، ومسدد بن مسرهد، ومحمد بن بشار، وزهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعمرو بن محمد الناقد، وسعيد بن منصور، وحميد بن مسعدة، وحفص بن عمرو وهو أبو عمرو الضرير، وتميم بن المنتصر، وحامد بن يحيى، وإسحاق بن إسماعيل الطالقاني. . .
6 -
تلامذته:روى عنه خلق كثير من العلماء الأئمة، نذكر منهم من أمثال الإمام أحمد بن حنبل، الذي روى عنه حديثًا واحدًا كان أبو داود يعتز بذلك جدًا.
ومن الإمام أبو عيسى محمد بن عيسى الترمذي، والإمام أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي، والإمام أبو بكر أحمد بن محمد بن هارون الخلال. . .
৪ -
আলেমদের প্রশংসা:তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) একজন শক্তিশালী হাদিস বিশারদের দুটি গুণ—তথা ন্যায়পরায়ণতা ও নির্ভুলতার ক্ষেত্রে এক উচ্চাঙ্গের দৃষ্টান্ত ছিলেন।
- আবু বকর আল-খল্লাল বলেছেন: আবু দাউদ সুলায়মান ইবনুল আশআসা তাঁর সময়ের অগ্রগণ্য ইমাম ছিলেন; ইলমের বিশ্লেষণ ও এর উৎসসমূহ শনাক্তকরণে তাঁর যুগে তাঁর চেয়ে অগ্রগামী আর কেউ ছিল না। তিনি ছিলেন একজন মুত্তাকী ও শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব।
- আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াসিন আল-হারাউই বলেছেন: সুলায়মান ইবনুল আশআসা আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি ছিলেন আল্লাহর রাসূলের হাদিসের ক্ষেত্রে ইসলামের অন্যতম হাফেজ। তাঁর জ্ঞান, হাদিসের সূক্ষ্ম ত্রুটি ও সনদ বিষয়ক পাণ্ডিত্য এবং ইবাদত, পবিত্রতা, নেক আমল ও আল্লাহভীতি ছিল সর্বোচ্চ স্তরের; তিনি ছিলেন হাদিস শাস্ত্রের বীর অশ্বারোহীদের (বিশারদদের) একজন।
- ইব্রাহিম আল-হারবি বলেছেন: আবু দাউদের জন্য হাদিসকে তেমনি নরম করে দেওয়া হয়েছিল, যেমন নবী দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর জন্য লোহাকে নরম করে দেওয়া হয়েছিল।
- এবং আরও অনেকে...
৫ -
তাঁর শিক্ষকবৃন্দ: তাঁর শিক্ষকদের সংখ্যা অনেক, আমরা তাঁদের কয়েকজনকে উল্লেখ করছি:আহমদ ইবনে হাম্বল, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, উসমান ইবনে আবি শায়বাহ, সুলায়মান ইবনে হারব, আবু আল-ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি, মুসা ইবনে ইসমাইল আল-মানকারি আল-তাবুযাকি, আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আল-কআনাবি, হান্নাদ ইবনে আস-সাররি, মাখলাদ ইবনে খালিদ, কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ, মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ, মুহাম্মদ ইবনে বাশশার, যুহাইর ইবনে হারব, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না, আমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাকিদ, সাঈদ ইবনে মানসুর, হুমাইদ ইবনে মাসআদাহ, হাফস ইবনে আমর—যিনি আবু আমর আদ-দারির নামে পরিচিত, তামীম ইবনুল মুনতাসির, হামিদ ইবনে ইয়াহইয়া এবং ইসহাক ইবনে ইসমাইল আত-তালিকানি...
৬ -
তাঁর ছাত্রবৃন্দ:অসংখ্য আলেম ও ইমামগণ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁদের মধ্যে আমরা ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের মতো ব্যক্তিত্বদের নাম উল্লেখ করছি, যিনি তাঁর থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং আবু দাউদ এতে অত্যন্ত গর্ববোধ করতেন।
এছাড়াও রয়েছেন ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিযি, ইমাম আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ি এবং ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-খল্লাল...
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৮)
ومنهم: إسماعيل بن محمد الصفار، وأبو بكر بن داود الأصفهاني، وحرب بن إسماعيل الكرماني، وأبو عوانة الإسفراييني، وزكريا الساجي، وأبو بشر محمد بن أحمد الدولابي، ومحمد بن نصر المروزي، وأبو بكر محمد بن يحيى الصولي. . .
7 -
كتبه:
1 - المراسيل.
2 - مسائل الإمام أحمد.
3 - إجاباته على سؤالات أبي عبيد محمد بن علي بن عثمان الآجري.
4 - رسالته في وصف كتاب السنن.
وغيرها من الكتب التي لا تزال مخطوطة.
8 -
أقسام سنن أبي داود وتبويبه:
1 - خلا الكتاب من المقدمة. إلا أن رسالته إلى أهل مكة في وصف سننه تسدّ مسدّ المقدمة.
2 - ينقسم كتاب "السنن" إلى كتب كبيرة بلغت (36) كتابًا.
وكل كتاب ينقسم إلى أبواب، باستثناء ثلاثة كتب لم نجد فيها أبوابًا هي: كتاب اللقطة، وكتاب الحروف والقراءات، وكتاب المهدي. ولا يستوي عدد أبواب الكتب.
9 -
خصائص سنن أبي داود:
1 - تعدد الطرق لبعض الأحاديث.
2 - تكرار الحديث الواحد في أكثر من مكان بحسب المعنى الوارد في الحديث.
3 - الدقة في إيراد الروايات.
4 - عناوين أبي داود هي رءوس مسائل فقهية بحثها الفقهاء.
كما أنها تغري قارئها وسامعها بقراءة أحاديث الباب التي تندرج تحته.
وكذلك يأتي بالعنوان بصيغة الإثبات، والحديث يدل على النفي.
وقد يأتي بالعنوان بصيغة استفهام. . . إلخ.
তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, আবু বকর ইবনে দাউদ আল-আসফাহানি, হারব ইবনে ইসমাইল আল-কিরমানি, আবু আওয়ানা আল-ইসফরাইনি, যাকারিয়া আস-সাজি, আবু বিশর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আদ-দুলাবি, মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-মারওয়াযি এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুলি...
৭ -
তাঁর রচনাবলি:
১ - আল-মারাসিল।
২ - মাসাইলুল ইমাম আহমদ।
৩ - আবু উবাইদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে উসমান আল-আজুরি-এর প্রশ্নের জবাবে তাঁর উত্তরসমূহ।
৪ - কিতাবুস সুনান-এর বর্ণনায় তাঁর পত্র।
এছাড়াও অন্যান্য বই যা এখনও পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে।
৮ -
সুনানে আবু দাউদ-এর ভাগসমূহ ও এর অধ্যায় বিন্যাস:
১ - গ্রন্থটিতে কোনো ভূমিকা নেই। তবে মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে লেখা তাঁর পত্রটি, যাতে তিনি তাঁর সুনান-এর বর্ণনা দিয়েছেন, তা ভূমিকার স্থলাভিষিক্ত হয়।
২ - "সুনান" গ্রন্থটি ৩৬টি বড় অধ্যায়ে (কিতাব) বিভক্ত।
এবং প্রতিটি বড় অধ্যায় কয়েকটি পরিচ্ছেদে (বাব) বিভক্ত, তবে তিনটি বড় অধ্যায় ব্যতীত যেখানে আমরা কোনো পরিচ্ছেদ পাইনি, সেগুলো হলো: কিতাবুল লুক্তাহ (কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু), কিতাবুল হুরুফ ওয়াল ক্বিরাআত এবং কিতাবুল মাহদি। বড় অধ্যায়গুলোর পরিচ্ছেদ সংখ্যা সমান নয়।
৯ -
সুনানে আবু দাউদ-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১ - কিছু হাদিসের একাধিক সূত্র থাকা।
২ - হাদিসের অর্থের প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী একই হাদিস একাধিক স্থানে পুনরাবৃত্তি করা।
৩ - বর্ণনা উপস্থাপনে নির্ভুলতা।
৪ - আবু দাউদ-এর শিরোনামগুলো মূলত ফিকহি মাসয়ালার মূল ভিত্তি, যা ফকিহগণ আলোচনা করেছেন।
এছাড়াও এটি এর পাঠক ও শ্রোতাকে ঐ পরিচ্ছেদের অধীনে আসা হাদিসগুলো পড়তে উৎসাহিত করে।
একইভাবে তিনি ইতিবাচক ভঙ্গিতে শিরোনাম আনেন অথচ হাদিসটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
আবার কখনো শিরোনামটি প্রশ্নবোধক আকারেও নিয়ে আসেন... ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ৯)
5 - كلامه في الرجال على ضربين: إما للتعريف بهم، وإما لجرحهم أو تعديلهم، وقد يورد الحكم على الرجل من قوله فيه، وينقل الحكم عليه من غيره.
10 -
شروح ومختصرات سنن أبي داود:
أولًا: الشروح:
1 - شرح الخطابي: من أنفع الشروح وأقدمها وعنوانه (معالم السنن) لأبي سليمان حمد بن محمد بن إبراهيم بن خطاب البستي الخطابي، المتوفي سنة (388 هـ)، وهو منسوب إلى زيد بن الخطاب.
وهو يشرح المفردات الغريبة، والكلمات التي تحتاج إلى شرحها شرحًا لغويًا واسعًا يدل على معرفة متبحرة باللغة، وقد يستشهد لشرحه بأبيات أو جمل مأثورة عند العرب.
ويشرح المراد من الجملة، ثم يشرح الحديث ويوفق بينه وبين ما روي على وجه قد يُظن أن فيه خلافًا.
ثم يتحدث عن فقه الحديث ويذكر آراء العلماء في موضوع الحديث، ويرجح الرأي الذي يرتضيه من هذه الآراء.
ثم يذكر ما في الحديث من الفوائد والاستنباطات الأخرى مما قد لا يتصل بعنوان الباب.
وقد طبع عدة طبعات.
2 - شرح بدر الدين العيني: شرح منه قطعة حتى نهاية الجنائز: محمود بن أحمد العيني الحنفي المتوفي سنة (855 هـ). ط: مكتبة الرشد - الرياض.
3 - شرح السهارنفوري: شرح العلامة الشيخ خليل أحمد السهارنفوري المتوفي سنة (1346 هـ). وعنوانه: (بذل المجهود في حل أبي داود).
ط: دار الكتب العلمية - بيروت.
৫ - বর্ণনাকারীদের (রিজাল) সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য দুই প্রকারের: হয় তাদের পরিচয় প্রদানের জন্য, অথবা তাদের জরাহ (দোষারোপ) বা তাদিল (প্রশংসা) করার জন্য। কখনো কোনো বর্ণনাকারী সম্পর্কে তিনি নিজের পক্ষ থেকে হুকুম বা মন্তব্য পেশ করেন, আবার কখনো অন্যের উদ্ধৃতি থেকে তাঁর সম্পর্কে মন্তব্যটি বর্ণনা করেন।
১০ - সুনানে আবু দাউদের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ও সারসংক্ষেপসমূহ:প্রথমত: ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ:১ - খাত্তাবীর শারহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ): এটি অন্যতম উপকারী ও প্রাচীনতম ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এর শিরোনাম হলো (মাআলিমুস সুনান)। এর লেখক আবু সুলাইমান হামদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে খাত্তাব আল-বুস্তি আল-খাত্তাবী, যিনি ৩৮৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি যায়িদ ইবনুল খাত্তাবের বংশধর হিসেবে পরিচিত।
এতে তিনি অপ্রচলিত শব্দাবলী এবং যেসব শব্দের ভাষাগত বিস্তারিত ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়, তা ব্যাখ্যা করেছেন। এটি ভাষার ওপর তাঁর গভীর পাণ্ডিত্যকে নির্দেশ করে। তিনি স্বীয় ব্যাখ্যার স্বপক্ষে আরবদের প্রচলিত বিভিন্ন কবিতা বা প্রবাদ বাক্যও উদ্ধৃত করেন।
তিনি বাক্যের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন, অতঃপর হাদিসটি ব্যাখ্যা করেন এবং আপাতদৃষ্টিতে বিরোধী মনে হওয়া রেওয়ায়েতসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন।
এরপর তিনি হাদিসের ফিকহ নিয়ে আলোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলেমদের মতভেদগুলো উল্লেখ করেন। অতঃপর ওই সকল মতামতের মধ্য থেকে তিনি যে মতটিকে সঠিক বলে মনে করেন, তাকে প্রাধান্য দেন।
এছাড়া তিনি হাদিস থেকে অন্যান্য উপকারিতা ও মাসআলা উদঘাটন করে উল্লেখ করেন, যা কখনো কখনো অধ্যায়ের শিরোনামের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নাও হতে পারে।
এটি একাধিকবার মুদ্রিত হয়েছে।
২ - বদরুদ্দিন আইনীর শারহ: তিনি এর একটি অংশ অর্থাৎ জানাজা পর্বের শেষ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করেছেন। লেখক: মাহমুদ ইবনে আহমদ আল-আইনী আল-হানাফী, যিনি ৮৫৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। প্রকাশনা: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ।
৩ - সাহারানপুরীর শারহ: আল্লামা শায়খ খলিল আহমদ সাহারানপুরীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যিনি ১৩৪৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এর শিরোনাম হলো: (বাযলুল মাজহুদ ফি হাল্লি আবি দাউদ)।
প্রকাশনা: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১০)
4 - شرح العلامة الشيخ شمس الحق العظيم آبادي، وعنوانه: (عون المعبود شرح سنن أبي داود)، طبع عدة طبعات.
أما شرحه فهو من أفضل الشروح وأكثرها استيعابًا لما قاله العلماء من قبله.
5 - شرح الشيخ محمود محمد خطاب السبكي. وعنوانه: (المنهل العذب المورد شرح سنن الإمام أبي دود). وقد توفي المؤلف رحمه الله سنة (1352 هـ)، وكان وصل إلى باب الهدي من مناسك الحج ولم يكمل الكتاب.
وقد قام (مصطفى علي البيومي) بوضع مفتاح لهذه الأجزاء العشرة.
كما قام ابن المؤلف الشيخ: أمين محمود خطاب السبكي بمحاولة إكمال الكتاب، فأصدر منه أربعة أجزاء وسماه (فتح الملك المعبود تكملة: المنهل العذب المورود شرح سنن أبي داود)، وانتهى بباب في تعظيم الزنا.
ثانيًا: المختصرات:
1 - مختصر المنذري: وهو أهم المختصرات التي اختصرت سنن أبي داود، والمنذري هو زكي الدين عبد العظيم بن عبد القوي المنذري، المتوفي سنة (656 هـ)، وعرف مختصره باسم "مختصر سنن أبي داود" للمنذري.
وذكر المنذري عقب كل حديث من وافق أبا داود من الأئمة الخمسة على تخريجه بلفظه أو نحوه.
والحق أن كتاب المنذري له وجهان: وجه يلحقه بالمختصرات، ووجه يلحقه بالشروح، فهو مختصر وشرح بآن واحد، وهو كتابنا هذا.
1 - تهذيب ابن القيم:
وابن القيم هو محمد بن أبي بكر بن أيوب بن سعد الزرعي الدمشقي المتوفي سنة (751 هـ)، وتهذيبه أشبه بالحاشية منه بالتهذيب. فهو قد يسكت عن أحاديث عديدة.
৪ - আল্লামা শাইখ শামসুল হক আজিমাবাদীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যার শিরোনাম: (আউনুল মাবুদ শারহু সুনানি আবি দাউদ), এটি বিভিন্ন সংস্করণে মুদ্রিত হয়েছে।
তাঁর এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি পূর্ববর্তী আলেমদের বক্তব্যের সবচেয়ে উত্তম এবং বিস্তৃত সংকলনগুলোর অন্যতম।
৫ - শাইখ মাহমুদ মুহাম্মাদ খাত্তাব আস-সুবকীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ। যার শিরোনাম: (আল-মানহালুল আজবুল মাওরুদ শারহু সুনানি আল-ইমাম আবি দাউদ)। লেখক—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—১৩৫২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তিনি হজ্জের মাসায়েলের 'হাদি' (কুরবানির পশু) পরিচ্ছেদ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন কিন্তু কিতাবটি শেষ করতে পারেননি।
আর (মুস্তফা আলি আল-বাইউমি) এই দশ খণ্ডের জন্য একটি নির্দেশিকা তৈরি করেছেন।
অনুরূপভাবে লেখকের পুত্র শাইখ আমিন মাহমুদ খাত্তাব আস-সুবকী কিতাবটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন, তিনি এর চারটি খণ্ড প্রকাশ করেন এবং এর নামকরণ করেন (ফাতহুল মালিকিল মাবুদ তাকমিলাতু: আল-মানহালিল আজবিল মাওরুদ শারহু সুনানি আবি দাউদ), এবং এটি ব্যভিচারের ভয়াবহতা বিষয়ক পরিচ্ছেদে গিয়ে সমাপ্ত হয়েছে।
দ্বিতীয়ত: সংক্ষিপ্তসারসমূহ:
১ - মুখতাসার আল-মুনজিরি: এটি সুনানে আবি দাউদের সংক্ষিপ্তসারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মুনজিরি হলেন জাকিউদ্দীন আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কাবি আল-মুনজিরি, যিনি ৬৫৬ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তাঁর এই সংক্ষিপ্তসারটি মুনজিরির "মুখতাসার সুনানে আবি দাউদ" নামে পরিচিত।
মুনজিরি প্রতিটি হাদিসের শেষে পাঁচজন ইমামের মধ্যে কে আবু দাউদের সাথে ওই হাদিসটি একই শব্দে বা কাছাকাছি শব্দে বর্ণনায় একমত হয়েছেন, তা উল্লেখ করেছেন।
প্রকৃতপক্ষে মুনজিরির কিতাবটির দুটি দিক রয়েছে: একদিক থেকে এটি সংক্ষিপ্তসারগুলোর অন্তর্ভুক্ত, আর অন্যদিক থেকে এটি ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোর অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এটি একই সাথে সংক্ষিপ্তসার এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থ, আর এটিই আমাদের এই কিতাব।
১ - তাহজিব ইবনুল কাইয়্যিম:
আর ইবনুল কাইয়্যিম হলেন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর বিন আইয়ুব বিন সাদ আজ-জুরায়ি আদ-দিমাশকি, যিনি ৭৫১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তাঁর তাহজিব গ্রন্থটি সংস্কারের চেয়ে টীকাগ্রন্থের (হাশিয়া) সাথেই বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনি এখানে অনেক হাদিসের ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১১)
ثم تراه يفصل القول في شرح حديث وبيان فقهه، وقد يفصل تفضيلًا لا تراه في المطولات. [أبو داود حياته وسنته: تأليف: د. محمد بن لطفي الصباغ].
1 - سنن أبي داود، وخرَّج أحاديثه مطولًا، وتكلم على أسانيده ورجاله مفصلًا، تعديلًا وتجريحًا، تصحيحًا وتضعيفًا، وعلى النحو الذي انتهجه رحمه الله في السلسلتين "الصحيحة" و"الضعيفة" إلا أنه لم يكمله رحمه الله ووصل إلى آخر الجنائز.
2 - قسم المحدث الألباني رحمه الله سنن أبي داود إلى صحيح وضعيف وبين درجة أحاديثها.
অতঃপর আপনি তাঁকে একটি হাদিসের ব্যাখ্যা এবং এর ফিকহ বর্ণনার ক্ষেত্রে বিস্তারিত আলোচনা করতে দেখবেন; তিনি কখনো এমন বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করেন যা দীর্ঘ কলেবরের কিতাবসমূহেও দেখা যায় না। [আবু দাউদ: তাঁর জীবন ও সুন্নাহ: রচনা: ড. মুহাম্মদ বিন লুতফী আস-সাব্বাগ]।
১ - সুনানে আবু দাউদ; তিনি এর হাদিসসমূহের বিস্তারিত তাখরিজ করেছেন এবং এর সনদ ও বর্ণনাকারীদের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন—তাদিল ও তাজরিহ এবং সহিহ ও জয়িফ নির্ধারণের ক্ষেত্রে—আর এটি সেই পদ্ধতির আলোকেই যা তিনি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর "আস-সিলসিলাতুস সহিহা" এবং "আদ-দঈফা" গ্রন্থদ্বয়ে অনুসরণ করেছেন। তবে তিনি (রহিমাহুল্লাহ) এটি সম্পন্ন করতে পারেননি এবং জানাজা অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছেন।
২ - মুহাদ্দিস আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) সুনানে আবু দাউদকে সহিহ ও জয়িফ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন এবং এর হাদিসসমূহের মান স্পষ্ট করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১২)
ثانيًا: ترجمة الحافظ عبد العظيم بن عبد القوي المنذري:مصنف مختصر سنن أبي داود.
1 -
اسمه ونسبه ومولده:الإمام الحافظ زكي الدين أبو محمد عبد العظيم بن عبد القوي بن عبد اللَّه بن سلامة بن سعد المنذري الشامي الأصل، المصري، الشافعي، ولد في غُرّةِ شعبانَ سنة إحدى وثمانين وخمسمائةٍ (581 هـ).
2 -
نشأته وحياته:نشأ عبد العظيم في رعاية والده عبد القوي، الذي كانت له مشاركة علمية، وله بعض السماعات في الحديث، وظهرت عناية الأب بابنه منذ طفولته، فأسمعه الحديث من حفظه، وكان يرغبه فيه -بعد أن أتم حفظ القرآن الكريم- وحضه على الاشتغال بالحديث وعلومه.
مات أبوه وعبد العظيم لا يزال في ريعان الصبا، لا يزيد عمره عن (11) سنة، فذاق مرارة اليتم وهمومه.
واستجابة لتوجيهات والده ثابر على حضوره مجالس العلم، والدأب على السماع من العلماء، وأخذ عنهم، حتى أصبح من العلماء الذين يشار إليهم.
وأول منصب تقلده المنذري هو الإمامة بالمدرسة الصاجية، بعد أن قدَّمه شيخه أبو الحسن المقدسي للوزير صفي الدين بن شكر باني المدرسة.
ثم وليَ التدريس بالجامع الظافري بالقاهرة، وتولى بعدها مشيخة دار الحديث الكاملية، واستمر فيه (20) سنة، لا يغادرها إلا إلى صلاة الجمعة حتى مات.
3 -
مكانته العلمية (1):
--------------------------------------------
দ্বিতীয়: হাফেজ আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কাবি আল-মুনজিরি-এর জীবনী:মুখতাসার সুনান আবি দাউদ-এর সংকলক।
১ -তাঁর নাম, বংশপরিচয় ও জন্ম:ইমাম, হাফেজ জাকিউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কাবি বিন আব্দুল্লাহ বিন সালামা বিন সাদ আল-মুনজিরি; তিনি মূলত সিরীয় বংশোদ্ভূত, মিসরীয় এবং শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। তিনি ৫৮১ হিজরি সালের পহেলা শাবানে জন্মগ্রহণ করেন।
২ -তাঁর বেড়ে ওঠা ও জীবন:আব্দুল আজিম তাঁর পিতা আব্দুল কাবির তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠেন, যাঁর ইলমি অঙ্গনে অবদান ছিল এবং হাদিস শাস্ত্রের কিছু শ্রুতলব্ধ বর্ণনা ছিল। শৈশব থেকেই পুত্রের প্রতি পিতার যত্ন প্রকাশ পায়; তিনি তাঁকে নিজের মুখস্থ থেকে হাদিস শোনাতেন এবং পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার পর তাঁকে হাদিস শাস্ত্রের প্রতি আগ্রহী করে তোলেন এবং হাদিস ও এর সংশ্লিষ্ট জ্ঞানার্জনে নিয়োজিত হওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন।
তাঁর পিতা যখন মারা যান, আব্দুল আজিম তখনো কিশোর; তাঁর বয়স ১১ বছরের বেশি ছিল না। ফলে তিনি এতিম হওয়ার তিক্ততা ও দুশ্চিন্তার স্বাদ আস্বাদন করেন।
পিতার নির্দেশনার প্রতি সাড়া দিয়ে তিনি ইলমি মজলিসগুলোতে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ধৈর্যশীল ছিলেন এবং ওলামায়ে কেরামের কাছ থেকে হাদিস শ্রবণে নিরলস পরিশ্রম করেন এবং তাঁদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেন, এমনকি একসময় তিনি এমন আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হলেন যাঁদের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করা হতো।
মুনজিরি সর্বপ্রথম যে পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন তা হলো মাদরাসা সাজিয়া-এর ইমামতি। তাঁর উস্তাদ আবু হাসান আল-মাকদিসি মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা উজির সাফিউদ্দিন বিন শুকর-এর নিকট তাঁর নাম পেশ করার পর তিনি এ দায়িত্ব পান।
এরপর তিনি কায়রোর আল-জামে আয-জাফিরিতে অধ্যাপনার দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর তিনি ‘দারুল হাদিস আল-কামিলিয়্যাহ’-এর প্রধান শায়খ বা শায়খুল হাদিসের দায়িত্ব লাভ করেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ বছর এই পদে বহাল থাকেন। জুমার নামাজ ব্যতীত অন্য কোনো প্রয়োজনে তিনি সেখান থেকে বের হতেন না।
৩ -তাঁর ইলমি মর্যাদা (১):
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৩)
لقد اهتم بالحديث والرحلة في طلبه، حتى أصبح المنذري علمًا من أعلامه الكبار، واستحق ألقاب: حافظ الوقت، ومحدِّث مصر وحافظها، قبل ثلاثين سنة من وفاته.
وظهرت مكانة المنذري واضحة جليلة في تراجم العلماء له، سواء كانوا أقرانًا أو تلاميذ. وعبارات الإجلال والتقدير لتفصح عن إعجاب وحب حتى بأقلام المخالفين والأخصام.
4 -
زهده وورعه وأقوال العلماء فيه:اتسمت حياة الحافظ المنذري بالتواضع والزهد والتقلل من متاع الحياة الدنيا، والورع، والتدين، والتقوى، لقد أعطى العلم اهتمامه، بل كل حياته.
- قال التاج السبكي في "الطبقات الكبرى" (1) عن أبيه صورًا من حياته، وهو شيخ المدرسة الكاملية بلا منازع، تُظهر انقطاعه للعلم، وورعه عن الشبهات. قال: "وأما ورعه، فأشهر من أن يُحْكى، وقد درَّس بأخرة في دار الحديث الكاملية، وكان لا يخرج منها إلا لصلاة الجمعة، حتى أنه كان له ولد نجيب مُحدِّث فاضل، توفاه اللَّه تعالى في حياته؛ ليضاعف له في حسناته، فصلى عليه الشيخ داخل المدرسة، وشيَّعه إلى بابها، ثم دمعت عيناه وقال: "أودعتك يا ولدي اللَّه".
- وقال ابن دقيق العيد، تلميذه -وكان زاهدًا متحريًا يخاف اللَّه عز وجل: "كان أدين مني، وأنا أعلمَ به" (2).
- وقال الشيخ محمد بن أحمد بن سراقة الشاطبي، تلميذه: "الشيخ الإمام العالم العامل، الحافظ، فخر الحفاظ، قدوة المحدثين. . " (3).
--------------------------------------------
তিনি হাদিস শাস্ত্র এবং এর অন্বেষণে ভ্রমণের প্রতি গভীর মনোনিবেশ করেছিলেন, যার ফলে আল-মুনযিরি এই শাস্ত্রের অন্যতম এক মহান ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। তাঁর মৃত্যুর ত্রিশ বছর পূর্বেই তিনি 'হাফিজুল ওয়াক্ত' (সময়ের হাফিজ), মিশরের মুহাদ্দিস ও মিশরের হাফিজ উপাধি লাভের যোগ্য হন।
আলেমদের রচিত তাঁর জীবনীগুলোতে আল-মুনযিরির সুউচ্চ মর্যাদা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে, তারা তাঁর সমসাময়িক হোন কিংবা ছাত্র। সম্মান ও শ্রদ্ধার এই অভিব্যক্তিগুলো এমনকি তাঁর বিরোধী ও শত্রুদের কলমেও মুগ্ধতা এবং ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
৪ -
তাঁর যুহদ (সংসারবিরাগ), পরহেজগারি এবং তাঁর সম্পর্কে আলেমদের উক্তি:হাফিজ আল-মুনযিরির জীবন বিনয়, যুহদ (পার্থিব অনাসক্তি), পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি বিমুখতা, পরহেজগারি, ধর্মপ্রাণতা এবং তাকওয়ার বৈশিষ্ট্যমন্ডিত ছিল। তিনি ইলম বা জ্ঞানের প্রতি গভীর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছিলেন, বরং বলা যায় তাঁর পুরো জীবনই এর পেছনে উৎসর্গ করেছিলেন।
- তাজ আস-সুবকী তাঁর 'তাবাকাতুল কুবরা' (১) গ্রন্থে তাঁর পিতার বরাতে আল-মুনযিরির জীবনের এমন কিছু চিত্র বর্ণনা করেছেন—যখন তিনি আল-মাদরাসাতুল কামিলিয়্যাহ-র অবিসংবাদিত শায়খ ছিলেন—যা ইলমের প্রতি তাঁর মগ্নতা এবং সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে তাঁর পরহেজগারির প্রমাণ দেয়। তিনি বলেন: "আর তাঁর পরহেজগারির বিষয়টি বর্ণনার চেয়েও বেশি প্রসিদ্ধ। জীবনের শেষ ভাগে তিনি দারুল হাদিস আল-কামিলিয়্যাহ-তে শিক্ষকতা করেছেন। জুমার নামাজ ব্যতীত তিনি সেখান থেকে বের হতেন না। এমনকি তাঁর একজন মেধাবী, মুহাদ্দিস ও গুণী পুত্র ছিল, যে তাঁর জীবদ্দশাতেই ইন্তেকাল করে; যাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর নেকি বাড়িয়ে দেন। শায়খ মাদরাসার অভ্যন্তরেই তাঁর জানাজা পড়ান এবং মাদরাসার দরজা পর্যন্ত তাকে বিদায় জানান। অতঃপর তাঁর চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়ে এবং তিনি বলেন: 'হে আমার পুত্র! আমি তোমাকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করলাম'।"
- তাঁর ছাত্র ইবনে দাকীকুল ঈদ—যিনি নিজে একজন দুনিয়াবিমুখ ও সতর্ক ব্যক্তি ছিলেন এবং আল্লাহ তাআলাকে ভয় করতেন—বলেছেন: "তিনি আমার চেয়েও বেশি দ্বীনদার ছিলেন এবং আমি তাঁর সম্পর্কে সম্যক অবগত" (২)।
- তাঁর ছাত্র শায়খ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সুরাকা আশ-শাতিবি বলেছেন: "তিনি হলেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, আমলকারী হাফিজ, হাফিজদের গৌরব এবং মুহাদ্দিসদের আদর্শ... " (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৪)
- وقال الذهبي مؤرخ الإسلام في "سير أعلام النبلاء" (1): "الإمام العلامة الحافظ المحقق شيخ الإسلام. . . وكان متين الديانة، ذا نسك متورع، وسمعة وجلالة".
- قال الشيخ أبو الحسن الشاذلي: "ما على وجه الأرض مجلس في الحديث أبهى من مجلس الشيخ زكي الدين عبد العظيم" (2).
- ووصفه تلميذه شمس الدين ابن خلكان المتوفي سنة (681 هـ) في وفيات الأعيان (3) بأنه "حافظ مصر".
- وقال ابن دقماق: "حافظ الوقت" (4).
5 -
شيوخه وتلاميذه:
أ- شيوخه:كان المنذري حسن القراءة جيِّدها، يختاره الشيوخ ليقرأ بين أيديهم ويُسمع الطلبة، وقد رحل مدة، وسمع من جماعة كثيرة جدًا، لقيهم بالحرمين ومصر والشام والجزيرة، وأجاز له العلماء من مختلف البلاد، حتى بلغ معجم شيوخه الذي خرَّجه لنفسه ثمانين عشر جزءًا، وهو ما يعادل ثلث كتابه "التكملة".
ومن أبرز مشايخه الذين سمع منهم:
أ- أبو عبد اللَّه محمد بن حمد الأَرْتاحيّ، وهو أول شيخ لقيه، وذلك في سنة (591 هـ)، وسمع منه الحديث بإفادة والده، وتوفي سنة (601 هـ) (5).
--------------------------------------------
এবং ইসলামের ইতিহাসবিদ আয-যাহাবী ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (১) গ্রন্থে বলেছেন: “ইমাম, আল্লামা, হাফিজ, মুহাক্কিক, শায়খুল ইসলাম... তিনি দ্বীনদারিতে সুদৃঢ়, অত্যন্ত ধর্মনিষ্ঠ ও পরহেযগার এবং সুখ্যাতি ও মহত্ত্বের অধিকারী ছিলেন।”
- শায়খ আবুল হাসান আশ-শাযিলী বলেছেন: “হাদীসের এমন কোনো মজলিস যমীনে নেই যা শায়খ যাকিউদ্দীন আবদুল আযীমের মজলিসের চেয়ে অধিক উজ্জ্বল।” (২)।
- তাঁর ছাত্র শামসুদ্দীন ইবনে খাল্লিকান (মৃত্যু ৬৮১ হিজরী) ‘ওয়াফায়াতুল আইয়ান’ (৩) গ্রন্থে তাঁকে “মিসরের হাফিজ” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
- এবং ইবনে দুকমাক বলেছেন: “সময়ের হাফিজ” (৪)।
৫ -
তাঁর উস্তাদ ও ছাত্রগণ:
ক- তাঁর উস্তাদগণ:আল-মুনযিরী সুন্দর ও উত্তম কিরাআত সম্পন্ন ছিলেন; উস্তাদগণ তাঁকে তাঁদের সামনে পাঠ করার জন্য নির্বাচন করতেন যাতে তিনি ছাত্রদের শোনান। তিনি দীর্ঘ সময় সফর করেছেন এবং এক বিশাল জামাতের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন, যাঁদের সাথে তিনি হারামাইন, মিসর, শাম ও জাযিরায় সাক্ষাত করেছেন। বিভিন্ন দেশের আলিমগণ তাঁকে ইজাযত দিয়েছেন, এমনকি তাঁর উস্তাদদের তালিকা (মুজাম), যা তিনি নিজের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন, তা আঠারো খণ্ডে পৌঁছেছে; যা তাঁর ‘আত-তাকমিলা’ গ্রন্থের এক-তৃতীয়াংশের সমতুল্য।
তাঁর বিশিষ্ট উস্তাদদের মধ্যে যাঁদের নিকট থেকে তিনি হাদীস শ্রবণ করেছেন:
ক- আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন হামদ আল-আরতাহি; তিনি ছিলেন প্রথম উস্তাদ যাঁর সাথে তাঁর সাক্ষাত হয়েছিল ৫৯১ হিজরী সালে। তিনি তাঁর পিতার নির্দেশনায় তাঁর নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেন এবং তিনি ৬০১ হিজরী সালে ইন্তেকাল করেন (৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৫)
2 - عمر بن طَبَرْزد، وهو أعلى شيخ له، أبو حفص، المؤدِّب، البغدادي، الدارقزِّيّ، المتوفي سنة (607 هـ)، قرأ عليه "الغيلانيات" وسمع منه بدمشق كثيرًا من الكتب والأجزاء (1).
3 - ستّ الكتبة نعمة بنت عليّ بن الطَّرَّاح، توفيت بدمشق سنة (604 هـ). لقيها الحافظ بدمشق وسمع منها، وقال عنها: شيختنا (2).
4 - يونس بن يحيى الهاشمي، لقيه بمكة وسمع منه، توفي بمكة سنة (608 هـ) (3).
5 - جعفر بن محمد بن آموسان، أملى عليه بالمدينة، وقال: لقيته بمكة والمدينة -شرفهما اللَّه تعالى- وسمعت منه، واستمليت عليه. توفي بالمدينة، ودفن بالبقيع سنة (607 هـ) (4).
6 - الإمام علي بن المفضل الحافظ، ولازمه مدَّه، وبه تخرّج، وقال الحافظ المنذري: قرأتُ عليه الكثير، وكتبتُ عنه جملة صالحة، وانتفعت به انتفاعًا كثيرًا. توفي سنة (611 هـ) (5).
7 - عبد المجيب بن زهير الحربي، أبو محمد، توفي في حماه سنة (604 هـ)، حدث ببغداد والشام ومصر والإسكندرية، وسمع منه المنذري (6).
8 - إبراهيم بن هبة اللَّه، المعروف بابن البُتَيت المتوفي سنة (605 هـ).
قال الحافظ المنذري: حدَّث في مصر وسمعتُ منه (7).
--------------------------------------------
২ - উমর বিন তাবারজাদ, আর তিনি তার সর্বোচ্চ স্তরের শাইখ, আবু হাফস, আল-মুআদ্দিব, আল-বাগদাদি, আদ-দারাকাজ্জি, মৃত্যু সন (৬০৭ হিজরি), তিনি তার কাছে "আল-গাইলানিয়্যাত" পাঠ করেছেন এবং দামেস্কে তার নিকট থেকে বহু কিতাব ও আজজা (পুস্তিকা) শ্রবণ করেছেন (১)।
৩ - সিত্তুল কাতাবাহ নি'মাহ বিনতে আলি বিন আত-তাররাহ, তিনি দামেস্কে (৬০৪ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। হাফিজ দামেস্কে তার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন, আর তার সম্পর্কে বলেছেন: আমাদের শাইখা (২)।
৪ - ইউনুস বিন ইয়াহইয়া আল-হাশেমি, তিনি মক্কায় তার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার নিকট থেকে শ্রবণ করেন, তিনি (৬০৮ হিজরি) সনে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন (৩)।
৫ - জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আমুসান, তিনি মদিনায় তাকে ইমলা (শ্রুতিলিপি) করিয়েছেন এবং বলেছেন: আমি তার সাথে মক্কা ও মদিনায়—আল্লাহ তাআলা এ দুই শহরকে সম্মানিত করুন—সাক্ষাৎ করেছি, তার থেকে শ্রবণ করেছি এবং তার নিকট থেকে ইমলা গ্রহণ করেছি। তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন এবং (৬০৭ হিজরি) সনে বাকিতে সমাহিত হন (৪)।
৬ - ইমাম আলি বিন আল-মুফাদদাল আল-হাফিজ, তিনি দীর্ঘকাল তার সান্নিধ্যে ছিলেন এবং তার নিকট থেকেই শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন (তাকহাররুজ)। হাফিজ আল-মুনজিরি বলেছেন: আমি তার নিকট প্রচুর পাঠ করেছি, তার নিকট থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিষয় লিখেছি এবং তার দ্বারা প্রভূত উপকৃত হয়েছি। তিনি (৬১১ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন (৫)।
৭ - আবদুল মুজিব বিন জুহাইর আল-হারবি, আবু মুহাম্মদ, তিনি (৬০৪ হিজরি) সনে হামায় মৃত্যুবরণ করেন, তিনি বাগদাদ, শাম, মিসর ও আলেকজান্দ্রিয়ায় হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং আল-মুনজিরি তার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন (৬)।
৮ - ইব্রাহিম বিন হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবনে আল-বুতাইত নামে পরিচিত, মৃত্যু সন (৬০৫ হিজরি)।
হাফিজ আল-মুনজিরি বলেন: তিনি মিসরে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং আমি তার নিকট থেকে শ্রবণ করেছি (৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৬)
9 - أبو عبد اللَّه محمد بن أبي المعالي بن البنّاء الصوفي، توفي في دمشق سنة (612 هـ)، سمع منه الحافظ المنذري بمكة سنة (606 هـ)، وسمع منه بمصر سنة (607 هـ) (1).
10 - أبو المعالي محمد بن الزَّنِف، المتوفي سنة (606 هـ) حدَّث ببغداد ودمشق، لقيه الحافظ المنذري، وسمع منه بها (2).
11 - أبو اليُمن زيد بن الحسن الكِندي، المتوفي سنة (613 هـ)، سمع منه بدمشق، وكان أحد البارعين في علم الأدب، وانتهى التقدم فيه إليه (3).
12 - الشيخ أبو الفضل، أحمد بن محمد سيدهم الأنصاري المعروف والده بالهرَّاس، توفي سنة (616 هـ). قال الحافظ المنذري: لقيته بدمشق وسمعت منه (4).
13 - الفقيه الحافظ، أبو نزار ربيعة بن الحسن الحضرميّ اليمانيّ، توفي في مصر سنة (609 هـ). قال المنذري: سمعتُ منه كثيرًا، وكتبت عنه قطعة صالحة، وكانت أصولها أكثرها باليمن (5).
14 - الإمام أبو محمد عبد اللَّه بن أحمد، موفق الدين بن قدامة، توفي في دمشق سنة (620 هـ). قال الحافظ المنذري: لقيته بدمشق، وسمعتُ منه (6).
15 - أبو محمد عبد اللَّه بن عبد الجبار العثماني، توفي بمكة سنة (614 هـ).
--------------------------------------------
৯ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-মাআলি বিন আল-বান্না আস-সুফি, (৬১২ হিজরি) সালে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। হাফেজ আল-মুনজিরি ৬০৬ হিজরি সালে মক্কায় তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন এবং ৬০৭ হিজরি সালে মিসরে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন (১)।
১০ - আবু আল-মাআলি মুহাম্মদ বিন আজ-জানিফ, ৬০৬ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাগদাদ ও দামেস্কে হাদিস বর্ণনা করেছেন। হাফেজ আল-মুনজিরি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং সেখানে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন (২)।
১১ - আবু আল-ইয়ামান জাইদ বিন আল-হাসান আল-কিন্দি, ৬১৩ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। দামেস্কে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন। তিনি সাহিত্যশাস্ত্রে (আদব) পারদর্শীদের অন্যতম ছিলেন এবং এতে শ্রেষ্ঠত্ব ও নেতৃত্ব তাঁর মাধ্যমেই পূর্ণতা লাভ করে (৩)।
১২ - শেখ আবু আল-ফজল, আহমদ বিন মুহাম্মদ সাইয়িদুহুম আল-আনসারি, যাঁর পিতা আল-হাররাস নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি ৬১৬ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। হাফেজ আল-মুনজিরি বলেন: দামেস্কে তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে এবং আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি (৪)।
১৩ - ফকিহ ও হাফেজ, আবু নিজার রবিআহ বিন আল-হাসান আল-হাদরামি আল-ইয়ামানি, ৬০৯ হিজরি সালে মিসরে মৃত্যুবরণ করেন। মুনজিরি বলেন: আমি তাঁর নিকট থেকে অনেক শুনেছি এবং তাঁর থেকে একটি বড় অংশ লিখে নিয়েছি, আর এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলোর অধিকাংশ ছিল ইয়ামেনে (৫)।
১৪ - ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ, মুওয়াফফাকুদ্দিন বিন কুদামা, ৬২০ হিজরি সালে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। হাফেজ আল-মুনজিরি বলেন: দামেস্কে তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে এবং আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি (৬)।
১৫ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল জব্বার আল-উসমানি, ৬১৪ হিজরি সালে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৭)
قال الحافظ المنذري: سمعتُ منه كثيرًا بمصر، وبـ (قُوص) من صعيد مصر الأعلى (1).
16 - موسى بن عبد القادر الجيلي، أبو نصر، توفي في دمشق سنة (618 هـ).
قال المنذري: حدَّث بدمشق، لقيته بها وسمعتُ منه (2).
17 - العلامة أبو محمد عبد اللَّه بن نَجْم بن شاسٍ المالكي. توفي غازيًا بثغر دمياط سنة (616 هـ)، حدّث في مصر، وسمع منه الحافظ المنذري (3).
18 - القاضي أبو محمد عبد اللَّه بن محمد بن عبد الله بن مُجَلِّي، توفي في مصر سنة (613 هـ). حدَّث بمصر، وسمع منه الحافظ المنذري، وقال: وسمع منه جماعة من شيوخنا ورفقائنا (4).
19 - عبد الجليل بن مندويه الأصبهاني، توفي في دمشق سنة (610 هـ).
قال الحافظ المنذري: حدَّث بدمشق، لقيته بها، وسمعت منه (5).
20 - نجيب بن بَشارة بن محُرز بن رحمة السعدي، المقرئ، سمع منه الحديث وكتاب "العنوان"، توفي سنة (613 هـ) (6).
21 - عبد العزيز بن باقا، أبو بكر السِّيبيّ الأصل، البغدادي المولد، توفي بالقاهرة سنة (630 هـ). حدَّث بالكثير، وسمع منه الحافظ المنذري (7).
--------------------------------------------
হাফেজ মুনজিরি বলেন: আমি তাঁর নিকট থেকে মিশরে এবং উচ্চ মিশরের (কুস)-এ অনেক শুনেছি (১)।
১৬ - মুসা ইবনে আব্দুল কাদির আল-জিলি, আবু নাসর, তিনি (৬১৮ হিজরি) সনে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন।
মুনজিরি বলেন: তিনি দামেস্কে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমি সেখানে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছি এবং তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছি (২)।
১৭ - আল্লামা আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে নাজমু ইবনে শাস আল-মালিকি। তিনি (৬১৬ হিজরি) সনে দমিয়্যাত সীমান্তে যোদ্ধা হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন, তিনি মিশরে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং হাফেজ মুনজিরি তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছেন (৩)।
১৮ - কাজি আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুজাল্লি, তিনি (৬১৩ হিজরি) সনে মিশরে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মিশরে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং হাফেজ মুনজিরি তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছেন, আর তিনি বলেছেন: আমাদের একদল শিক্ষক ও সহকর্মী তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছেন (৪)।
১৯ - আব্দুল জলিল ইবনে মানদুওয়াহ আল-আসবাহানি, তিনি (৬১০ হিজরি) সনে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন।
হাফেজ মুনজিরি বলেন: তিনি দামেস্কে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমি সেখানে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছি এবং তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছি (৫)।
২০ - নাজিব ইবনে বাশারা ইবনে মুহরিজ ইবনে রাহমাহ আস-সা'দি, আল-মুকরি, তাঁর নিকট থেকে হাদিস এবং "আল-উনওয়ান" গ্রন্থটি শ্রবণ করা হয়েছে, তিনি (৬১৩ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন (৬)।
২১ - আব্দুল আজিজ ইবনে বাকা, আবু বকর আস-সিবি বংশোদ্ভূত, বাগদাদে জন্মগ্রহণকারী, তিনি (৬৩০ হিজরি) সনে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং হাফেজ মুনজিরি তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছেন (৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৮)
22 - محمد بن عماد، الشيخ المسند، المتوفي سنة (632 هـ). سمع منه بثغر الإسكندرية، وكان يُرْحَلُ إليه لأجل سماعه كتاب فوائد "الخِلْعِيّ" (1).
ب- تلاميذه (2):
ولا ريب أن المرتبة العلمية العالية التي بلغها الإمام زكيّ الدين في علم الحديث رواية ودراية، والمشيخة لدار الحديث الكاملية عشرين سنة متصلة؛ جعلت منه قبلة طلاب العلم، ومقصد التلاميذ النجباء، الذين أصبحوا فيما بعد مهوى القلوب ومحط الأنظار.
ولم يقتصر الأمر على من هم أصغر سنًا منه، بل سمع منه جماعة من شيوخه وأقرانه، فيهم المحدثون الثقات، كابن القصار المتوفي سنة (613 هـ)، والإمام ابن نقطة المتوفي سنة (629 هـ)، والبِرْزاليّ المتوفي سنة (636 هـ).
وتقدم حضورُ سلطان العلماء العز بن عبد السلام مجلسه وسماع الحديث منه. وقد أظهر الحافظ المنذري إزاء هذا التواضع تواضعًا واحترامًا أعظم، فكان يمتنع عن الفتيا، ويقول: حيث دخل الشيخ عز الدين لا حاجة بالناس إليَّ (3).
ومن أشهر تلاميذه الذين تخرجوا به، وأصبحوا من أعلام الثقافة الإسلامية:
1 - الشريف عز الدين أحمد بن محمد الحسيني، المتوفي سنة (695 هـ).
2 - الإمام شرف الدين عبد المؤمن بن خلف الدمياطي، المتوفي سنة (705 هـ).
3 - الشيخ العلامة، قاضي القضاة، تقي الدين أبو الفتح، محمد بن علي بن دقيق العيد، المتوفي سنة (702 هـ).
--------------------------------------------
২২ - মুহাম্মদ বিন ইমাদ, শায়খুল মুসনিদ, মৃত্যু (৬৩২ হিজরী)। আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে তাঁর থেকে হাদীস শ্রবণ করা হয়েছে, এবং "আল-খিলয়ী"-এর ফাওয়াইদ গ্রন্থটি শোনার জন্য তাঁর কাছে সফর করা হতো (১)।
খ- তাঁর ছাত্রবৃন্দ (২):
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, হাদীস শাস্ত্রের রিওয়ায়াত ও দিরায়াত উভয় ক্ষেত্রেই ইমাম যাকিউদ্দীন যে উচ্চতর ইলমী মাকাম অর্জন করেছিলেন এবং দীর্ঘ বিশ বছর যাবত দারুল হাদীস আল-কামিলিয়্যাহ-এর মাশায়েখ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন; তা তাঁকে ইলম অন্বেষণকারীদের কিবলা এবং মেধাবী ছাত্রদের গন্তব্যে পরিণত করেছিল, যারা পরবর্তীতে মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ও আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিলেন।
বিষয়টি কেবল তাঁর চেয়ে বয়সে ছোটদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তাঁর একদল শিক্ষক ও সমসাময়িক ব্যক্তিবর্গও তাঁর থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন, যাদের মধ্যে বিশ্বস্ত মুহাদ্দিসগণও ছিলেন। যেমন— ইবনুল কাসসার মৃত্যু (৬১৩ হিজরী), ইমাম ইবনে নুকতাহ মৃত্যু (৬২৯ হিজরী), এবং আল-বিরযালী মৃত্যু (৬৩৬ হিজরী)।
ইতিপূর্বে সুলতানুল উলামা ইয ইবনে আবদুস সালামের তাঁর মজলিসে উপস্থিতি এবং তাঁর থেকে হাদীস শোনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হাফেয মুনযিরী এই বিনয়ের প্রতিদানস্বরূপ আরও মহান বিনয় ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতেন; তিনি ফতোয়া প্রদান থেকে বিরত থাকতেন এবং বলতেন: যেখানে শায়খ ইযউদ্দীন প্রবেশ করেছেন, সেখানে মানুষের আমার কোনো প্রয়োজন নেই (৩)।
তাঁর প্রখ্যাত ছাত্রদের মধ্যে যারা তাঁর অধীনে শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন এবং ইসলামী সংস্কৃতির অন্যতম ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন, তারা হলেন:
১ - শরীফ ইযউদ্দীন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হুসাইনী, মৃত্যু (৬৯৫ হিজরী)।
২ - ইমাম শরফউদ্দীন আবদুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দামিয়াতী, মৃত্যু (৭০৫ হিজরী)।
৩ - শায়খুল আল্লামা, কাযীউল কুযাত, তাকিউদ্দীন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন দাকীকুল ঈদ, মৃত্যু (৭০২ হিজরী)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ১৯)
6 -
كتبه (1):
صنَّف الحافظ المنذريّ في فترة اعتكافه بدار الحديث الكاملية كتبًا قيمة، فخلف للأمة الإسلامية بعد وفاته علمًا مسطورًا خالدًا، وثقافة مؤثرة فاعلة، تُسهم في إيجاد المسلم الكامل، الصالح للاستخلاف والبناء، المسلم المتوازن الذي يعمل لدنياه وآخرته، ويحيا بروحه وعقله وجسمه، وتجلت عبقرية المنذريّ في ثلاث مجالات وهي: الحديث، والفقه، والتاريخ، وقد طبعت أهم كتبه، ولا يزال الباقي في عالم الغيب والمجهول.
أولًا: كتب الحديث:
1 - أربعون حديثًا في الأحكام "الأربعون الأحكامية" ذكره حاجي الخليفة في كشف الظنون (1/ 54 - 55) "خ".
2 - أربعون حديثًا في اصطناع المعروف بين المسلمين، وقضاء حوائجهم، طبع في دمشق عام (1306 هـ).
3 - أربعون حديثًا في فضل العلم والقرآن والذكر والكلام والسلام والمصافحة. ذكر بروكلمن نسخًا منه (الذيل 1/ 627) باللغة الألمانية (2).
4 - أربعون حديثًا في قضاء الحوائج "خ".
5 - أربعون حديثًا في هداية الإنسان لفضل طاعة الإمام والعدل والإحسان "خ".
6 - الترغيب والترهيب.
7 - جزء المنذري، جمع فيه ما ورد من الحديث فيمن غفر اللَّه له ما تقدم من ذنبه وما تأخر "خ" ذكره حاجي خليفة في كشف الظنون (1/ 589).
8 - جزء فيه حديث "الطهور شطر الإيمان" "خ". ذكره الحافظ المنذي في كتابه "الترغيب والترهيب".
--------------------------------------------
6 - তাঁর কিতাবসমূহ (১):
হাফেজ আল-মুনজিরি দারুল হাদিস আল-কামিলিয়াতে তাঁর অবস্থানকালীন সময়ে কিছু মূল্যবান কিতাব রচনা করেন। ফলে তিনি তাঁর মৃত্যুর পর মুসলিম উম্মাহর জন্য লিখিত ও চিরস্থায়ী জ্ঞান এবং এক প্রভাবশালী ও কার্যকর সংস্কৃতি রেখে গেছেন, যা একজন পূর্ণাঙ্গ মুসলিম গঠনে অবদান রাখে, যে খিলাফত ও বিনির্মাণের যোগ্য, এক ভারসাম্যপূর্ণ মুসলিম যে তার দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ের জন্য কাজ করে এবং তার রুহ, আকল ও শরীর নিয়ে বেঁচে থাকে। মুনজিরির প্রতিভা তিনটি ক্ষেত্রে প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলো হলো: হাদিস, ফিকহ এবং ইতিহাস। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কিতাবগুলো মুদ্রিত হয়েছে, তবে অবশিষ্টগুলো এখনও অপ্রকাশিত ও অজানার অন্তরালে রয়ে গেছে।
প্রথমত: হাদিস শাস্ত্রের কিতাবসমূহ:১ - আহকাম (বিধান) বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস "আল-আরবাউন আল-আহকামিয়াহ", হাজি খলিফা এটি কাশফ উজ-জুনুন (১/ ৫৪ - ৫৫) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন "পাণ্ডুলিপি"।
২ - মুসলিমদের মধ্যে পরোপকার এবং তাদের প্রয়োজন পূরণ সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদিস, এটি ১৩০৬ হিজরিতে দামেস্কে মুদ্রিত হয়েছে।
৩ - ইলম, কুরআন, জিকর, কালাম, সালাম ও মুসাফাহার ফজিলত বিষয়ক চল্লিশটি হাদিস। ব্রোকলম্যান এর পাণ্ডুলিপির কথা (আয-জাইল ১/ ৬২৭) জার্মান ভাষায় উল্লেখ করেছেন (২)।
৪ - প্রয়োজন পূরণ সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদিস "পাণ্ডুলিপি"।
৫ - ইমামের আনুগত্য, ন্যায়বিচার এবং ইহসানের ফজিলতের দিকে মানুষের হিদায়াত সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদিস "পাণ্ডুলিপি"।
৬ - আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব।
৭ - জুজউ আল-মুনজিরি, এতে তিনি সেইসব হাদিস সংগ্রহ করেছেন যাতে এমন ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ আছে যাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন "পাণ্ডুলিপি", হাজি খলিফা এটি কাশফ উজ-জুনুন (১/ ৫৮৯) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
৮ - একটি জুজ (পুস্তিকা) যাতে "পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক" হাদিসটি রয়েছে "পাণ্ডুলিপি"। হাফেজ আল-মুনজিরি তাঁর কিতাব "আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব"-এ এটি উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২০)
9 - الجمع بين الصحيحين "خ".
10 - زوال الظمأ في ذكر من استغاث برسول اللَّه صلى الله عليه وسلم من الشدة والعمى "خ". ذكره البغدادي في إيضاح المكنون (1/ 614).
11 - صحيح المنذري "خ".
12 - عمل اليوم والليلة "خ" ذكره حاجي خليفة في كشف الظنون (2/ 1172 - 1173).
13 - كفاية المتعبد وتحفة المتزهد "خ".
14 - مجالس في صوم يوم عاشوراء "خ".
15 - مختصر سنن أبي داود. طبع في القاهرة لأول مرة سنة
16 - مختصر سنن الخطيب البغدادي. "خ".
17 - مختصر صحيح مسلم. طبع في القاهرة لأول مرة سنة
18 - الموافقات. ذكره الذهبي في سير أعلام النبلاء (23/ 321) وقال: إنه في مجلد من أضرب الإسناد العالي النسبي، وهي الوصول إلى شيخ أحد المصنفين من غير طريقة. . .
ثانيًا: كتب الفقه:
1 - الخلافيات ومذاهب السلف "خ". ذكره المنذري في مقدمة "الترغيب والترهيب".
2 - شرح التنبيه، لأبي إسحاق الشيرازي "خ". ذكره اليونيني في ذيل مرآه الزمان (1/ 249)، وذكره الذهبي في السير (23/ 321).
ثالثًا: كتب التاريخ (علم الرجال):
1 - الإعلام بأخبار شيخ البخاري محمد بن سلام. ذكره حاجي خليفة في كشف الظنون (1/ 128).
2 - تاريخ من دخل مصر "خ". ذكره السيوطي في مقدمة كتابه "بغية الوعاة" (1/ 4).
৯ - আল-জামউ বাইনাস সাহিহাইন (সহিহাইনদ্বয়ের সমন্বয়) "পাণ্ডুলিপি"।
১০ - জাওয়ালুজ জামা ফি জিকর মান ইস্তাগাছা বি-রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনাশ শিদ্দতি ওয়াল আমা (কঠিন বিপদ ও অন্ধত্ব থেকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সাহায্য প্রার্থনাকারীদের আলোচনায় তৃষ্ণা নিবারণ) "পাণ্ডুলিপি"। আল-বাগদাদি এটি 'ইজাহুল মাকনুন' গ্রন্থে (১/৬১৪) উল্লেখ করেছেন।
১১ - সহিহুল মুনজিরি "পাণ্ডুলিপি"।
১২ - আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ (দিন ও রাতের আমল) "পাণ্ডুলিপি"। হাজি খলিফা এটি 'কাশফুজ জুনুন' গ্রন্থে (২/১১৭২ - ১১৭৩) উল্লেখ করেছেন।
১৩ - কিফায়াতুল মুতাআব্বিদ ওয়া তুহফাতুল মুতাযাহহিদ "পাণ্ডুলিপি"।
১৪ - মাজালিস ফি সাওমি ইয়াওমি আশুরা (আশুরার দিনের রোজা বিষয়ক মজলিসসমূহ) "পাণ্ডুলিপি"।
১৫ - মুখতাসার সুনানে আবু দাউদ। এটি সর্বপ্রথম কায়রোতে ... সালে মুদ্রিত হয়েছে।
১৬ - মুখতাসার সুনানে খতিব বাগদাদি "পাণ্ডুলিপি"।
১৭ - মুখতাসার সহিহ মুসলিম। এটি সর্বপ্রথম কায়রোতে ... সালে মুদ্রিত হয়েছে।
১৮ - আল-মুওয়াফাকাত। আল-জাহাবি এটি 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' গ্রন্থে (২৩/৩২১) উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: এটি এক খণ্ডে বিন্যস্ত উচ্চস্তরের আপেক্ষিক ইসনাদ (ইসনান আল-আলি আন-নিসবি) সম্বলিত একটি গ্রন্থ, আর তা হলো কোনো গ্রন্থকারের উস্তাদের নিকট ভিন্ন পথে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া...
দ্বিতীয়ত: ফিকহ শাস্ত্রের গ্রন্থাবলি:১ - আল-খিলাফিয়াত ওয়া মাজাহিবুস সালাফ (সালাফদের মতপার্থক্য ও মাযহাবসমূহ) "পাণ্ডুলিপি"। আল-মুনজিরি এটি 'আত-তারগিব ওয়াত তারহিব' গ্রন্থের ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন।
২ - আবু ইসহাক আশ-শিরাজির 'আত-তানবিহ' গ্রন্থের ব্যাখ্যাগ্রন্থ "পাণ্ডুলিপি"। আল-ইউনিনি এটি 'জাইলু মিরআতিল জামান' গ্রন্থে (১/২৪৯) উল্লেখ করেছেন এবং আল-জাহাবি এটি 'সিয়ার' গ্রন্থে (২৩/৩২১) উল্লেখ করেছেন।
তৃতীয়ত: ইতিহাস শাস্ত্রের গ্রন্থাবলি (ইলমুর রিজাল):১ - আল-ইলাম বি-আখবারি শায়খিল বুখারি মুহাম্মদ বিন সালাম। হাজি খলিফা এটি 'কাশফুজ জুনুন' গ্রন্থে (১/১২৮) উল্লেখ করেছেন।
২ - তারিখু মান দাখালা মিসর (মিসরে প্রবেশকারীদের ইতিহাস) "পাণ্ডুলিপি"। আস-সুয়ুতি এটি তার 'বুগয়াতুল উয়াত' (১/৪) গ্রন্থের ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২১)
3 - ترجمة أبي بكر محمد بن الوليد القرشي الفهري الأندلسي الطرطوشي المتوفي سنة (520 هـ) "خ". ذكره ابن خلكان في "وفيات الأعيان" (4/ 263).
4 - التكملة لوفيات النقلة. طبع في أربع مجلدات، طبعة مؤسسة الرسالة في بيروت، بتحقيق المؤرخ الدكتور/ بشار عواد.
5 - المعجم المترجم "خ". ذكره الذهبي في السير (23/ 321).
رابعًا:الفوائد السفرية "خ". ذكره ابن خلكان في وفيات الأعيان (2/ 163).
وقال: جمعها الشيخ الحافظ زكي الدين، ومن خطة نُقِلت. . هذا ولا نستطيع أن نجزم أن هذه الكتب هي كتب الحافظ المنذري حصرًا، وإنما ذكرنا ما أورده المترجمون له، وهم يقتصرون غالبًا على المهم من كتبه.
7 -
وفاته (1):
وفي يوم السبت رابع ذي القعدة سنة (656 هـ) بلغ الكتاب أجله، وحل القضاء المحتوم، وتوفي الإمام المنذري، وقد بلغ من العمر (75) سنة، وقد صُلِّيَ عليه يوم الأحد في دار الحديث الكاملية حيث تُوفّيَ، ثم صُلِّيَ عليه مرة ثانية تحت القلعة، ودفن بسفح المقطم، في مقبرة الأسرة الخاصة، ورثاه أكثر من شاعر، منهم: عبد اللَّه بن عمر الأنصاري، المتوفي سنة (677 هـ)، ومما قال فيه:
بالصحيحين مُذْ فقدتَ صِحَاحُ
… صحَّ معنَى ولفظُه آلامُ
درستْ بعدَكَ الدروسُ وصارتْ
… نكراتٍ لفقدِكَ الأعلامُ
والمواعيدُ بعدما غِبْتَ عنها
… ليست فيها كما عهدتَ ازدحامُ
--------------------------------------------
৩ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ আল-কুরাশি আল-ফিহরি আল-আন্দালুসি আল-তুর্তুশি (মৃত্যু ৫২০ হিজরী) এর জীবনী 'পাণ্ডুলিপি'। ইবনে খাল্লিকান একে "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (৪/ ২৬৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
৪ - আল-তাকমিলা লি-ওয়াফায়াতিন নাক্বালা। এটি বৈরুতের মুয়াসসাসাতুর রিসালা থেকে চার খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে, যা ঐতিহাসিক ডক্টর বাশার আওয়াদ সম্পাদনা করেছেন।
৫ - আল-মু'জামুল মুতারজাম 'পাণ্ডুলিপি'। যাহাবি একে "আস-সিয়ার" (২৩/ ৩২১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
চতুর্থত:আল-ফাওয়ায়িদুস সাফারিইয়াহ 'পাণ্ডুলিপি'। ইবনে খাল্লিকান একে "ওয়াফায়াতুল আইয়ান" (২/ ১৬৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন: হাফিজ জাকিউদ্দিন এটি সংগ্রহ করেছেন এবং তার পাণ্ডুলিপি থেকেই এটি অনুলিপি করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে এই গ্রন্থগুলো এককভাবে হাফিজ মুনজিরিরই গ্রন্থ, বরং জীবনীকাররা তার সম্পর্কে যা বর্ণনা করেছেন আমরা তাই উল্লেখ করেছি; আর তারা সাধারণত তার গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলোর আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন।
৭ -
তার মৃত্যু (১):
৬৫৬ হিজরীর ৪ঠা জিলকদ শনিবার তার মৃত্যুর নির্ধারিত সময় উপস্থিত হলো এবং অমোঘ ফয়সালা অবতীর্ণ হলো। ইমাম মুনজিরি ৭৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। রবিবার দারুল হাদিস আল-কামিলিয়্যাহ-তে তার জানাজা পড়া হয় যেখানে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। এরপর কেল্লার নিচে দ্বিতীয়বার তার জানাজা পড়া হয় এবং মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। একাধিক কবি তার বিয়োগে শোকগাঁথা রচনা করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-আনসারি (মৃত্যু ৬৭৭ হিজরী); তিনি তার সম্পর্কে যা বলেছেন তার কিছু অংশ নিম্নরূপ:
সহিহাইনকে হারানোর পর থেকে সুস্থতা বিদায় নিয়েছে... যন্ত্রণায় শব্দ ও অর্থ ব্যথাতুর হয়ে পড়েছে।
আপনার পরে পাঠদান স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং আপনার মতো মণীষীদের হারানোর ফলে পরিচিত বিষয়গুলো অপরিচিত হয়ে গেছে।
আপনার প্রস্থানের পর ওয়াজ-নসিহতের মাহফিলগুলো আর আগের মতো জনাকীর্ণ নেই, যেমনটি আপনার উপস্থিতিতে থাকত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২২)
وكان مما قاله شاعر آخر:
مصابُ زكيّ الدين ليسَ يهونُ
… لقد سكبتْ فيه العيونُ عيونُ
مصابٌ، به الأجفانُ قرحى من البُكى
… وكلُّ كلامِ فيه فهو أنينُ
لقد اقفرت منه المدارسُ وانقضتْ
… مجالسُ منها للحديث شجونُ
ورحم اللَّه الحافظ المنذريّ، وجمعنا به تحت لواء رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم، إنه سبحانه وتعالى أكرم مسئول.
অন্য এক কবির পংক্তির মাঝে ছিল:
জাকি উদ্দিনের বিপত্তি হালকা কোনো বিষয় নয়
… তাতে চোখের প্রস্রবণগুলো অঝোরে অশ্রু ঝরিয়েছে।
এমন এক মুসিবত, যাতে কান্নার চোটে চোখের পাতাগুলো ক্ষতবিক্ষত
… আর এ নিয়ে উচ্চারিত প্রতিটি শব্দই কেবলই বিলাপ।
তাঁর বিদায়ে মাদরাসাগুলো জনশূন্য হয়ে পড়েছে এবং সমাপ্ত হয়েছে
… হাদিসের এমন সব মজলিস যা ছিল গভীর ও বৈচিত্র্যময়।
আল্লাহ হাফেজ মুনজিরীর প্রতি রহম করুন এবং আমাদের তাঁর সাথে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পতাকাতলে সমবেত করুন; নিশ্চয়ই তিনি পবিত্র ও মহান এবং তিনি সর্বোত্তম যাচ্ঞাযোগ্য সত্তা।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৩)
1 -
كتاب الطهارة1/ 1 -
باب التخلي عند قضاء الحاجة [1: 5]
1/ 1 - عن المُغيرَة بن شُعْبة رضي الله عنه "أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كان إذا ذهب المَذهبَ أَبعَدَ".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه أيضًا الترمذي (20) والنسائي (17) وابن ماجة (331). وقال الترمذي: حسن صحيح.
2/ 2 - وعن جابرِ بنِ عبدِ اللَّهِ رضي الله عنه "أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كان إذا أرَاد البرازَ انْطلقَ حتى لا يراهُ أحدٌ".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه ابن ماجة (335) أيضًا، وفي إسناده: إسماعيل بن عبد الملك الكوفي، نزيل مكة شرفها اللَّه تعالى. وقد تكلم فيه غير واحد.
2/ 2 -
باب الرجل يَتبوأ لبوله [1: 5]
3/ 3 - عن أبي التَّيَّاح قال: حدثني شيخ قال: "لما قَدِمَ عبدُ اللَّه بنُ عباس البَصْرَةَ، فكان يحَدَّثُ عن أبي موسى، فكتبَ عبد اللَّه إلى أبي موسى، يسأله عن أشياء. فكتب إليه أبو موسى: إنى كنتُ مع رسولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم ذاتَ يوم، فأرادَ أنْ يَبُولَ، فأتَى دَمِثًا في أصْلِ جِدَارٍ، فبال، ثم قال صلى الله عليه وسلم: إذا أراد أحدُكم أَن يبولَ فَلْيرْتدْ لبوله".
[حكم الألباني: ضعيف: ضعيف الجامع الصغير (319)، المشكاة (345)].
• فيه مجهول.
3/ 3 -
باب ما يقول الرجل إذا دخل الخلاء [1: 5]
4/ 4 - عن أَنسِ بنِ مالك رضي الله عنه قال: "كان رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخَلاء -قال عن حَمَّاد: قال- اللَّهُم إنِّي أَعُوذُ بِكَ. -وقال عن عَبْدِ الوارِثِ قال-: أعُوذ باللَّه مِنَ الخُبْثِ والخَبائِثِ".
[حكم الألباني: صحيح: ق]
১ -
পবিত্রতা অধ্যায়১/ ১ -
প্রয়োজন পূরণের সময় নির্জনে যাওয়া পরিচ্ছেদ [১: ৫]
১/ ১ - মুগীরাহ ইবনু শু'বাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে যেতেন তখন অনেক দূরে চলে যেতেন।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]
• তিরমিযী (২০), নাসাঈ (১৭) এবং ইবনু মাজাহ (৩৩১)-ও এটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেছেন: হাসান সহীহ।
২/ ২ - জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগের ইচ্ছা করতেন, তখন অনেক দূরে চলে যেতেন যতক্ষণ না কেউ তাঁকে দেখতে পেত।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]
• ইবনু মাজাহ (৩৩৫)-ও এটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদ বা বর্ণনাসূত্রে রয়েছেন: ইসমাইল ইবনু আব্দুল মালিক আল-কূফী, যিনি মক্কায় বসবাস করতেন, আল্লাহ তাআলা শহরটিকে সম্মানিত করুন। তাঁর ব্যাপারে একাধিক বিশেষজ্ঞ সমালোচনা করেছেন।
২/ ২ -
প্রস্রাবের জন্য উপযুক্ত স্থান বেছে নেওয়া পরিচ্ছেদ [১: ৫]
৩/ ৩ - আবুল তায়্যাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: একজন প্রবীণ ব্যক্তি আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, "যখন আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু বসরায় আসলেন, তখন তিনি আবু মুসা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে হাদীস বর্ণনা করতেন। এরপর আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস আবু মুসা রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে কিছু বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলেন। উত্তরে আবু মুসা রাযিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে লিখলেন: আমি একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, তখন তিনি প্রস্রাব করার ইচ্ছা করলেন। তিনি একটি দেয়ালের পাদদেশে নরম মাটির কাছে আসলেন এবং প্রস্রাব করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করার ইচ্ছা করে, সে যেন প্রস্রাবের জন্য (উপযুক্ত) স্থান খুঁজে নেয়।"
[আলবানীর হুকুম: যঈফ: যঈফুল জামি আস-সগীর (৩১৯), মিশকাত (৩৪৫)]।
• এর বর্ণনাসূত্রে একজন অজ্ঞাত (মাজহুল) রাবী রয়েছেন।
৩/ ৩ -
শৌচাগারে প্রবেশের সময় যা বলতে হয় সেই পরিচ্ছেদ [১: ৫]
৪/ ৪ - আনাস ইবনু মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন —হাম্মাদ বর্ণিত সূত্রে বলা হয়েছে যে, তিনি বলতেন— হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। —আব্দুল ওয়ারিস বর্ণিত সূত্রে বলা হয়েছে— আমি আল্লাহ্র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি অপবিত্র নর শয়তান ও নারী শয়তানদের অনিষ্ট হতে।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: বুখারী ও মুসলিম]
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৪)
• وأخرجه أيضًا البخاري (142) ومسلم (375) والترمذي (5)، (6) والنسائي (19) وابن ماجة (298).
6/ 5 - عن زَيْدِ بن أرْقم عن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم قال: "إنّ هذه الحُشُوش مُحْتَضَرَةٌ فإذَا أتى أحدُكم الخَلاءَ فَلْيَقُلْ: أعُوذُ باللَّهِ من الخُبْثِ والخَبَائِثِ".
[حكم الألباني: صحيح].
• وأخرجه أيضًا النسائي "في الكبرى رقم (9820) و (9821) " وابن ماجة (296). وقال الترمذي "بإثر الحديث رقم (5) ": حديث أنس أصح شيء في هذا الباب وأحسن. وحديث زيد بن أرقم: في إسناده اضطراب. وأشار إلى اختلاف الرواية فيه.
4/ 4 -
باب كراهية استقبال القبلة عند قضاء الحاجة [1: 6]
7/ 6 - عن سَلْمان رضي الله عنه قال: قيل لهُ: "لقد عَلَّمَكُم نَبِيكم صلى الله عليه وسلم كلَّ شيْء حتى الخِرَاءةَ؟ قال: أجَلْ، لقد نهانا صلى الله عليه وسلم أنْ نَستقبلَ القِبْلَةَ بِغائِطٍ أو بوْلٍ، وأنْ لا نَستنجِيَ باليَمِين، وأن لا يسْتَنْجِيَ أحدنا بأقلَّ من ثلاثةِ أحجارٍ، أو نَستنجِيَ برَجيع، أو عَظْم".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه أيضًا مسلم (262) والترمذي (16) والنسائي (41) وابن ماجة (316).
8/ 7 - عن أبي هُريرة رضي الله عنه قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم: "إنَّمَا أنا لكم بِمَنْزِلةِ الوالد، أُعلِّمكم، فإذا أتى أحدكم الغَائطَ فلا يَستقبِلِ القِبْلَةَ، ولا يَسْتَدْبِرْها، ولا يَسْتَطِبْ بيمينه، وكان يأمر بِثلاثة أحجارٍ، ويَنْهَى عن الرَّوْثِ والرِّمَّةِ".
[حكم الألباني: حسن: م ببعضه]
• وأخرجه أيضًا مسلم (265) مختصرًا، والنسائي (40) وابن ماجة (313) تامًا.
9/ 8 - وعن أبي أَيُّوبَ رِوايةً، قال: "إذا أتيتمُ الغَائِطَ فلا تَستقبِلوا القِبلَة بغَائِطٍ ولا بَوْلٍ، ولكِنْ شَرِّقوا أو غَرِّبُوا. فَقَدِمْنَا الشَّامَ فَوَجَدْنا مَراحيضَ قَدْ بُنِيَتْ قِبَل القِبْلَة، فكنا ننْحَرِفُ عنها، ونستغفر اللَّه".
[حكم الألباني: صحيح: ق]
• وأخرجه البخاري (394) ومسلم (264) والترمذي (8) والنسائي (2220) وابن ماجة (318).
• এটি বুখারি (১৪২), মুসলিম (৩৭৫), তিরমিজি (৫, ৬), নাসাঈ (১৯) এবং ইবনে মাজাহ (২৯৮) বর্ণনা করেছেন।
৫/ ৬ - যায়েদ বিন আরকাম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলো (জ্বিন ও শয়তানের) উপস্থিতির স্থান। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যাবে, সে যেন বলে: আমি আল্লাহর কাছে অপবিত্র পুরুষ ও নারী শয়তান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]।
• এটি নাসাঈ "আল-কুবরা" গ্রন্থে (৯৮২০ ও ৯৮২১) এবং ইবনে মাজাহ (২৯৬) বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিজি (৫ নং হাদিসের পরে) বলেছেন: "আনাস (রা.)-এর হাদিসটি এই অনুচ্ছেদে সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও উত্তম। আর যায়েদ বিন আরকাম (রা.)-এর হাদিসটির সনদে ইজতিরাব (অসংগতি) রয়েছে।" তিনি এর বর্ণনার মতভেদের প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন।
৪/ ৪ -
অনুচ্ছেদ: হাজত পূরণ করার সময় কিবলার দিকে মুখ করা অপছন্দনীয় হওয়া [১: ৬]
৬/ ৭ - সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তাঁকে বলা হলো, "তোমাদের নবী (সা.) কি তোমাদের সবকিছুই শিখিয়েছেন, এমনকি মলত্যাগের পদ্ধতিও?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন যেন আমরা মল বা মূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ না করি, ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য সম্পাদন না করি, আমাদের কেউ যেন তিনটির কম পাথর দিয়ে কুলুখ না নেয় এবং গোবর বা হাড় দিয়ে যেন শৌচকার্য না করি।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]
• এটি মুসলিম (২৬২), তিরমিজি (১৬), নাসাঈ (৪১) এবং ইবনে মাজাহ (৩১৬) বর্ণনা করেছেন।
৭/ ৮ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য কেবল একজন পিতার সমতুল্য, আমি তোমাদের শিক্ষা দিই। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন মলত্যাগ করতে যায়, সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়। আর সে যেন ডান হাত দিয়ে পবিত্রতা অর্জন না করে।" তিনি তিনটি পাথর ব্যবহার করার নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও পচা হাড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।
[আলবানীর হুকুম: হাসান: মুসলিমের বর্ণনায় এর কিছু অংশ রয়েছে]
• এটি মুসলিম (২৬৫) সংক্ষেপে এবং নাসাঈ (৪০) ও ইবনে মাজাহ (৩১৩) পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন।
৮/ ৯ - আবু আইয়ুব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "যখন তোমরা মলত্যাগ করতে যাবে, তখন মল বা মূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করো না; বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ করো।" (আবু আইয়ুব বলেন:) অতঃপর আমরা শামে (সিরিয়া) আসলাম এবং সেখানে এমন কিছু শৌচাগার পেলাম যা কিবলার দিকে মুখ করে তৈরি করা হয়েছে। ফলে আমরা সেগুলোতে বসার সময় ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: বুখারি ও মুসলিম]
• এটি বুখারি (৩৯৪), মুসলিম (২৬৪), তিরমিজি (৮), নাসাঈ (২২২০) এবং ইবনে মাজাহ (৩১৮) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৫)
10/ 9 - وعن مَعْقِل بن أبي مَعْقِل الأسَدِيِّ قال: "نَهَى رسول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أنْ نستقبِلَ القِبْلَتَينِ بِبولٍ أو غائِطٍ".
[حكم الألباني: منكر: ضعيف الجامع الصغير (6001)]
• وأخرجه ابن ماجة (319) أيضًا.
11/ 10 - وعن مَرْوانَ الأصفرَ قال: "رَأيْتُ ابنَ عُمَرَ أناخَ راحلته مستقبلَ القِبْلَة، ثم جلسَ يبول إليها، فقلت: أبا عبْدِ الرحمن، أليْسَ قد نُهِيَ عن هذا؟ قال: بَلَى. إنما نهِيَ عن ذَلِك في الفَضاء. فإذا كان بينك وبين القِبْلَةِ شَيءٌ يَسْتُرك فلا بأس".
[حكم الألباني: حسن]
باب الرخصة في ذلك [1: 7]
12/ 11 - عن عبد اللَّه بن عُمر رضي الله عنه قال: "لقد ارْتَقَيْتُ على ظهرِ البيت، فرأيت رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم على لَبِنَتَينِ، مستقبِلَ بَيْتِ المَقْدِسِ لحِاجَتِهِ".
[حكم الألباني: صحيح: ق]
• وأخرجه البخاري (145) ومسلم (266) والترمذي (11) والنسائي (23) وابن ماجة (322).
13/ 12 - وعن جابر بن عبد اللَّه رضي الله عنه قال: "نَهَى نَبيُّ اللَّه صلى الله عليه وسلم أن نستقبلَ القِبْلَة بِبَوْلٍ، فرَأيتهُ قبلَ أنْ يُقبَضَ بِعَامٍ يَستقبِلها".
[حكم الألباني: حسن]
• وأخرجه الترمذي (9) وابن ماجة (325). وقال الترمذي: حديث حسن غريب.
باب كيف التكشف عند الحاجة [1: 7]
14/ 13 - عن الأعمش عن رجل عن ابن عمر: "أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أرادَ حاجَةً لا يَرفعُ ثوبهُ حتى يَدْنُوَ منَ الأرضِ". قال أبو داود: عبد السلام بن حَرْب رواه عن الأعمش عن أنس بن مالك. وهو ضعيف.
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه الترمذي (14) من حديث الأعمش عن أنس. وأشار إلى حديث الأعمش عن ابن عمر، وقال: وكلا الحديثين مرسل، ويقال: لم يسمع الأعمش من أنس بن مالك، ولا من أحد من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم. وقد نظر إلى أنس بن مالك، قال: رأيته يصلي -فذكر عنه
১০/ ৯ - মা’কিল ইবনে আবি মা’কিল আল-আসাদী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব বা পায়খানার সময় উভয় কিবলার দিকে মুখ করতে নিষেধ করেছেন।"
[আলবানীর হুকুম: মুনকার: যঈফ আল-জামি আস-সাগীর (৬০০১)]
• এটি ইবনে মাজাহ (৩১৯)-ও বর্ণনা করেছেন।
১১/ ১০ - মারওয়ান আল-আসফার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি ইবনে উমরকে দেখলাম যে তিনি তাঁর উটটিকে কিবলার দিকে মুখ করে বসালেন, তারপর তার দিকে মুখ করে পেশাব করতে বসলেন। আমি বললাম: হে আবু আব্দুর রহমান, এটি কি নিষেধ করা হয়নি? তিনি বললেন: অবশ্যই। এটি কেবল খোলা ময়দানের ক্ষেত্রে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু যখন তোমার ও কিবলার মাঝে এমন কোনো কিছু থাকে যা তোমাকে আড়াল করে, তবে তাতে কোনো সমস্যা নেই।"
[আলবানীর হুকুম: হাসান]
এ বিষয়ে অনুমতির অধ্যায় [১: ৭]
১২/ ১১ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি একবার ঘরের ছাদে উঠলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুটি ইটের উপর বসে বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে প্রয়োজন (শৌচকার্য) সারতে দেখলাম।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: বুখারী ও মুসলিম]
• এটি বুখারী (১৪৫), মুসলিম (২৬৬), তিরমিজি (১১), নাসাঈ (২৩) এবং ইবনে মাজাহ (৩২২) বর্ণনা করেছেন।
১৩/ ১২ - জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব করার সময় কিবলার দিকে মুখ করতে নিষেধ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের এক বছর আগে আমি তাঁকে কিবলার দিকে মুখ করে তা করতে দেখেছি।"
[আলবানীর হুকুম: হাসান]
• এটি তিরমিজি (৯) ও ইবনে মাজাহ (৩২৫) বর্ণনা করেছেন। তিরমিজি বলেছেন: হাদীসটি হাসান গরীব।
প্রয়োজন সারার সময় কীভাবে সতর উন্মুক্ত করতে হয় তার অধ্যায় [১: ৭]
১৪/ ১৩ - আ’মাশ থেকে, তিনি একজন ব্যক্তি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচকার্য করার ইচ্ছা করতেন, তখন মাটির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত তাঁর কাপড় তুলতেন না।" আবু দাউদ বলেন: আবদুস সালাম ইবনে হারব এটি আ’মাশ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এটি যঈফ (দুর্বল)।
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]
• এটি তিরমিজি (১৪) আনাস থেকে আ’মাশের বর্ণিত হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি ইবনে উমর থেকে আ’মাশের বর্ণিত হাদীসটির প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছেন: উভয় হাদীসই মুরসাল। বলা হয় যে: আ’মাশ আনাস ইবনে মালিক বা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সাহাবীর থেকে সরাসরি শোনেননি। যদিও তিনি আনাস ইবনে মালিককে দেখেছেন। তিনি বলেন: আমি তাঁকে নামাজ পড়তে দেখেছি - এরপর তিনি তাঁর সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন...
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৬)
حكاية في الصلاة- وذكر أبو نعيم الأصبهاني: أن الأعمش رأى أنس بن مالك وابنَ أبي أوفى، وسمع منهما. والذي قاله الترمذي هو المشهور.
5/ 7 -
باب كراهية الكلام عند الخلاء [1: 7]
15/ 14 - عن أبي سعيد رضي الله عنه قال: "سمعتُ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم يقول: لا يَخْرُجِ الرجلانِ يَضرِبانِ الغائِطَ كاشَفْ بِن عن عَورتِهَما يَتحدثانِ، فإن اللَّه عز وجل يَمْقُتُ على ذلك".
[حكم الألباني: صحيح لغيره - صحيح الترغيب والترهيب (155، 156) - الصحيحة رقم (3120)]
• وأخرجه ابن ماجة (342) أيضًا. وقال أبو داود: لم يسنده إلا عكرمة. وعكرمة هذا -الذي أشار إليه أبو داود- هو أبو عمار عكرمة بن عمار العجلي اليمامي، وقد احتج به مسلم في صحيحه، وضعف بعض الحفاظ حديث عكرمة هذا عن يحيى بن أبي كثير، وقد أخرج مسلم حديثه عن يحيى بن أبي كثير، واستشهد البخاري بحديثه عن يحيى بن أبي كثير.
6/ 8 -
باب في الرجل يردَّ السلام وهو يبول [1: 8]
16/ 15 - عن ابن عمر رضي الله عنه قال: "مَرَّ رجلٌ على النبي صلى الله عليه وسلم هو يبولُ- فسَلَّمَ عليه، فلم يَرُدَّ عليه".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه مسلم (370) والترمذي (90) والنسائي (37) وابن ماجة (353).
قال أبو داود: وروى عن ابن عمر وغيره: "أن النبي صلى الله عليه وسلم تيَمَّمَ، ثم رَد على الرجلِ السلام".
17/ 16 - عن المُهاجِرِ بن قُنْفُذٍ: "أنه أتى النبيَّ صلى الله عليه وسلم وهُوَ يبولُ- فسَلَّمَ عليهِ، فلم يردَّ عليهِ حتى تَوَضَّأ، ثمَّ اعْتَذَرَ إليه، فقال: إنِّي كَرِهْتُ أَنْ أَذْكرَ اللَّهَ تعالى إلا على طُهْرٍ، أو قال: على طَهَارَةٍ".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه النسائي (38) وابن ماجة (350).
সালাত সংক্রান্ত একটি বর্ণনা- আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি উল্লেখ করেছেন: আল-আ’মাশ আনাস ইবনে মালিক এবং ইবনে আবি আউফাকে দেখেছেন এবং তাদের থেকে শুনেছেন। আর ইমাম তিরমিজি যা বলেছেন সেটিই প্রসিদ্ধ।
৫/ ৭ -
পরিচ্ছেদ: মলমূত্র ত্যাগের সময় কথা বলা মাকরূহ [১: ৭]
১৫/ ১৪ - আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: দু’জন লোক যেন মলত্যাগের উদ্দেশ্যে বের হয়ে একে অপরের সামনে সতর উন্মুক্ত রেখে কথা না বলে, কেননা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এতে রাগান্বিত হন।"
[আলবানীর হুকুম: সহিহ লি-গাইরিহি - সহিহ আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব (১৫৫, ১৫৬) - আস-সহিহাহ নম্বর (৩১২০)]
• এটি ইবনে মাজাহ (৩৪২) ও বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ বলেন: ইকরিমা ব্যতীত আর কেউ এটিকে মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করেননি। এই ইকরিমা—যার দিকে আবু দাউদ ইঙ্গিত করেছেন—তিনি হলেন আবু আম্মার ইকরিমা ইবনে আম্মার আল-ইজলি আল-ইয়ামামি। ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে তাঁকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তবে কিছু হাফিযে হাদিস ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসিরের সূত্রে বর্ণিত ইকরিমার এই হাদিসটিকে দুর্বল বলেছেন। অবশ্য ইমাম মুসলিম ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসিরের সূত্রে তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম বুখারি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসিরের সূত্রে তাঁর হাদিসকে সাক্ষী (শাহিদ) হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
৬/ ৮ -
পরিচ্ছেদ: প্রস্রাব করা অবস্থায় কারো সালামের উত্তর দেয়া প্রসঙ্গে [১: ৮]
১৬/ ১৫ - ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তিনি প্রস্রাব করছিলেন; লোকটি তাঁকে সালাম দিলে তিনি তার উত্তর দেননি।"
[আলবানীর হুকুম: সহিহ]
• এটি মুসলিম (৩৭০), তিরমিজি (৯০), নাসায়ি (৩৭) এবং ইবনে মাজাহ (৩৫৩) বর্ণনা করেছেন।
আবু দাউদ বলেন: ইবনে উমর ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত হয়েছে যে: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়াম্মুম করলেন, অতঃপর লোকটির সালামের উত্তর দিলেন।"
১৭/ ১৬ - মুহাজির ইবনে কুনফুয থেকে বর্ণিত: "তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন যখন তিনি প্রস্রাব করছিলেন; তিনি তাঁকে সালাম দিলেন, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অযু না করা পর্যন্ত তাঁর উত্তর দেননি। অতঃপর তিনি তাঁর কাছে ওজর পেশ করে বললেন: আমি পবিত্রতা অর্জন ব্যতীত মহান আল্লাহর জিকির করা অপছন্দ করেছি (অথবা তিনি বলেছিলেন: পবিত্র অবস্থায়)।"
[আলবানীর হুকুম: সহিহ]
• এটি নাসায়ি (৩৮) এবং ইবনে মাজাহ (৩৫০) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৭)
باب في الرجل يذكر اللَّه على غير طهر [1: 8]
18/ 17 - عن عائشة رضي الله عنها قالت: "كان رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم يذْكُر اللَّهَ على كلِّ أحْيانِهِ".
[حكم الألباني: صحيح: م]
• وأخرجه مسلم (373) والترمذي (3384) وابن ماجة (302). وقال الترمذي: هذا حديث حسن غريب.
باب الخاتم يكون فيه ذكر اللَّه يدخل به الخلاء [1: 8]
19/ 18 - عن أنس قالى: "كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دَخَلَ الخَلَاءَ وَضَعَ خاتَمهُ".
[حكم الألباني: منكر: ضعيف الجامع الصغير (4390) المشكاة (343)]
• وأخرجه الترمذي (1746) والنسائي (5213) وابن ماجة (303).
قال أبو داود: هذا حديث منكر، وإنما يُعرف عن ابن جريج عن زياد بن سعد عن الزهري عن أنس: "أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ خاتمًا من وَرِق ثم ألقاه". والوهم فيه من همام، ولم يروه إلا همام.
وقال النسائي: وهذا الحديث غير محفوظ. وقال الترمذي: هذا حديث حسن غريب. هذا آخر كلامه. وهمام هذا، هو: أبو عبد اللَّه همام بن يحيى بن دينار الأزدي العوذي مولاهم البصري، وإن كان قد تكلم فيه بعضهم، فقد اتفق البخاري ومسلم على الاحتجاج بحديثه، وقال يزيد بن هارون: همام قوي في الحديث، وقالى يحيى بن معين: ثقة صالح، وقال أحمد بن حنبل: همام ثبت في كل المشايخ، وقال ابن عدي الجرجاني: وهمام أشهر وأصدق من أن يذكر له حديث منكر، أوله حديث منكر، وأحاديثه مستقيمة عن قتادة، وهو مقدم أيضًا في يحيى بن أبي كثير، وعامة ما يرويه مستقيم. هذا آخر كلامه.
وإذا كان حال همام كذلك فيترجح ما قاله الترمذي. وتفرده به لا يوهن الحديث. وإنما يكون غريبًا، كما قال الترمذي. واللَّه عز وجل أعلم.
অপবিত্র অবস্থায় আল্লাহর যিকির করা সম্পর্কিত অধ্যায় [১: ৮]
১৮/ ১৭ - আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবনের সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির করতেন।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: মুসলিম]
• এটি মুসলিম (৩৭৩), তিরমিযী (৩৩৮৪) এবং ইবনে মাজাহ (৩০২) বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী বলেন: এই হাদীসটি হাসান গরীব।
আল্লাহর নাম খোদাই করা আংটি পরিহিত অবস্থায় শৌচাগারে প্রবেশ করা সম্পর্কিত অধ্যায় [১: ৮]
১৯/ ১৮ - আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন তাঁর আংটিটি খুলে রাখতেন।"
[আলবানীর হুকুম: মুনকার: যঈফুল জামি আস-সগীর (৪৩৯০), আল-মিশকাত (৩৪৩)]
• এটি তিরমিযী (১৭৪৬), নাসাঈ (৫২১৩) এবং ইবনে মাজাহ (৩০৩) বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবু দাউদ বলেন: এই হাদীসটি মুনকার। এটি মূলত ইবনে জুরাইজ সূত্রে যিয়াদ ইবনে সাদ হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি আনাস হতে বর্ণনা করেছেন যে: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুপার একটি আংটি তৈরি করেছিলেন, অতঃপর তিনি তা ত্যাগ করেছিলেন।" আর এতে বিভ্রম ঘটেছে হাম্মামের পক্ষ থেকে, এবং হাম্মাম ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
ইমাম নাসাঈ বলেন: এই হাদীসটি সংরক্ষিত নয়। ইমাম তিরমিযী বলেন: এই হাদীসটি হাসান গরীব। এটি তাঁর কথার শেষ অংশ। আর এই হাম্মাম হলেন: আবু আব্দুল্লাহ হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দীনার আল-আযদি আল-আওযি, তাঁদের আযাদকৃত দাস, বসরী। যদিও তাঁর ব্যাপারে কেউ কেউ সমালোচনা করেছেন, তবুও বুখারী ও মুসলিম তাঁর হাদীস দলিল হিসেবে গ্রহণের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। ইয়াজিদ ইবনে হারুন বলেন: হাম্মাম হাদীসের ক্ষেত্রে শক্তিশালী। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও নেককার। আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেন: হাম্মাম তাঁর সকল শায়েখদের নিকট সুপ্রতিষ্ঠিত। ইবনে আদি আল-জোরজানী বলেন: হাম্মাম এতই প্রসিদ্ধ এবং সত্যবাদী যে তাঁর কোনো হাদীসকে মুনকার বলা হবে কিংবা তাঁর শুরুতে কোনো মুনকার হাদীস থাকবে—এর ঊর্ধ্বে তিনি। কাতাদাহ হতে তাঁর বর্ণিত হাদীসসমূহ সঠিক এবং তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীরের ক্ষেত্রেও অগ্রগণ্য; তাঁর বর্ণিত অধিকাংশ হাদীসই সঠিক। এটি তাঁর কথার শেষ অংশ।
আর হাম্মামের অবস্থা যদি এরূপই হয়, তবে তিরমিযী যা বলেছেন তা-ই অগ্রগণ্য হবে। তাঁর একক বর্ণনা হাদীসটিকে দুর্বল করে না, বরং এটি কেবল গরীব হবে, যেমনটি ইমাম তিরমিযী বলেছেন। আর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সবচাইতে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৮)
7/ 11 -
باب الاستبراء من البول [1: 9]
20/ 19 - عنِ ابنِ عباسٍ رضي الله عنهما قال: "مَرَّ النبيُّ صلى الله عليه وسلم على قَبْرَينِ، فقال: إنهُما يُعَذَّبانِ، وما يعذبانِ في كَبِيرٍ، أمَّا هذا فكان لَا يَسْتَنْزِهُ مِنَ البَوْلِ، وأمَّا هذا فكان يمْشيِ بالنَّمِيْمَةِ. ثمَّ دَعا بعَسِيبٍ رَطْبٍ فشَقَّهُ باثْنَينِ، ثم غَرس على هذا واحدًا وعلى هذا واحدًا، وقال: لعلهُ يخفَّف عنهما، ما لم ييْبَسا". وفي رواية: "لا يَسْتَتِر مِن بَوْلهِ".
[حكم الألباني: صحيح: ق]
• وأخرجه البخاري (216) ومسلم (292) والترمذي (70) والنسائي (31) وابن ماجة (347).
22/ 20 - وعن عبد الرحمن بن حَسَنَةَ قال: "انْطَلَقْتُ أنا وعمْرُو بن العاصِ إلى النبي صلى الله عليه وسلم. فخرج ومعه دَرقَةٌ، ثمَّ اسْتَتَرَ بِها، ثم بالَ، فقُلْنَا: انْظُرُوا إليه، يَبولُ كما تبولُ المرأَةُ. فسَمِعَ ذلك، فقال: أَلمْ تَعلموا ما لَقِيَ صاحبُ بَنِي إسرائيلَ؟ كانوا إذا أصابهم البَوْلُ قَطَعُوا ما أصابه البَوْلُ منهم، فَنَهاهُمْ، فَعُذِّبَ في قبره".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه النسائي (30) وابن ماجة (346).
وقال أبو داود: وقال عاصم: عن أبي وائل عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "جسد أحدهم".
8/ 12 -
باب البول قائمًا [1: 10]
23/ 21 - عن حُذَيْفَةَ رضي الله عنه قال: "أتى رسولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم سُبَاطَة قومٍ، فبالَ قائمًا، ثم دعا بماءٍ، فمسَحَ على خُفَّيْهِ".
قال أبو داود: قال مُسَدَّدٌ: قال: فذهبتُ أتَباعَدُ، فدَعاني، حتى كنتُ عند عَقِبِه.
[حكم الألباني: صحيح: ق]
• وأخرجه البخاري (224) ومسلم (273) والترمذي (13) والنسائي (18) وابن ماجة (305).
৭/ ১১ -
প্রস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ [১: ৯]
২০/ ১৯ - ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: এদেরকে আযাব দেওয়া হচ্ছে, তবে কোনো বড় (কঠিন) বিষয়ের জন্য তাদের আযাব দেওয়া হচ্ছে না। তাদের একজন প্রস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জন করত না, আর অন্যজন চোগলখুরি করে বেড়াত। তারপর তিনি একটি তাজা খেজুরের ডাল আনতে বললেন এবং তা ফেড়ে দুই ভাগ করলেন। এরপর প্রত্যেকের কবরে একটি করে অংশ গেড়ে দিলেন এবং বললেন: আশা করা যায় যতক্ষণ এই ডাল দুটি শুকিয়ে না যাবে, ততক্ষণ তাদের আযাব লাঘব করা হবে।" অন্য বর্ণনায় রয়েছে: "সে প্রস্রাব থেকে আড়াল করত না।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: বুখারী ও মুসলিম]
• এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী (২১৬), মুসলিম (২৯২), তিরমিযী (৭০), নাসাঈ (৩১) এবং ইবনে মাজাহ (৩৪৭)।
২২/ ২০ - আব্দুর রহমান ইবনে হাসানা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি এবং আমর ইবনুল আস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তিনি একটি চামড়ার ঢাল নিয়ে বেরিয়ে আসলেন এবং সেটির আড়ালে প্রস্রাব করলেন। তখন আমরা (পরস্পর) বললাম: তাঁর দিকে তাকাও, তিনি নারীদের মতো বসে প্রস্রাব করছেন। তিনি তা শুনতে পেলেন এবং বললেন: তোমরা কি জানো না বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি কীসের সম্মুখীন হয়েছিল? তাদের কারো গায়ে প্রস্রাব লাগলে তারা প্রস্রাব লাগা অংশটি কেটে ফেলত। সে তাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করেছিল, ফলে তাকে কবরে আযাব দেওয়া হয়েছিল।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]
• এটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ (৩০) এবং ইবনে মাজাহ (৩৪৬)।
আবু দাউদ বলেন: আসিম আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আবু মূসা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "তাদের একজনের শরীর।"
৮/ ১২ -
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ [১: ১০]
২৩/ ২১ - হুযাইফা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি গোত্রের ময়লা ফেলার স্থানে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন। এরপর তিনি পানি চাইলেন এবং তাঁর মোজা দুটির ওপর মাসেহ করলেন।"
আবু দাউদ বলেন: মুসাদ্দাদ বলেছেন: (হুযাইফা বলেন) আমি দূরে সরে যাচ্ছিলাম, কিন্তু তিনি আমাকে ডাকলেন, ফলে আমি তাঁর পায়ের গোড়ালির কাছে দাঁড়ালাম।
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: বুখারী ও মুসলিম]
• এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী (২২৪), মুসলিম (২৭৩), তিরমিযী (১৩), নাসাঈ (১৮) এবং ইবনে মাজাহ (৩০৫)।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু সুনানি আবী দাউদ লিল-মুনযিরী ত হাল্লাক
(পৃষ্ঠা: ২৯)
باب في الرجل يبول بالليل في الإناء ثم يضعه عنده [1: 11]
24/ 22 - عن أُمَيْمَةَ بِنْتِ رُقَيْقَةَ أنها قالت: "كانَ للنبيِّ صلى الله عليه وسلم قدَحٌ مِنْ عَيْدَانٍ تحتَ سَرِيرِهِ يَبُولُ فِيهِ بالليلِ".
[حكم الألباني: حسن صحيح]
• وأخرجه النسائي (32).
9/ 14 -
باب المواضع التي نُهي عن البول فيها [1: 11]
25/ 23 - عن أبي هريرة رضي الله عنه أنَّ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم قال: "اتَّقوا اللاعِنَيْنِ، قالوا: وما اللاعِنَانِ يا رسول اللَّه؟ قال: الذي يَتخلَّى في طَرِيقِ النَّاسِ أو ظِلِّهِمْ".
[حكم الألباني: صحيح: م]
• وأخرجه مسلم (269).
26/ 24 - وعن مُعاذِ بن جبلٍ رضي الله عنه قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم: "اتَّقوا المَلاعِنَ الثلاثةَ: البَرَازَ فِي المَواردِ، وقارِعَةِ الطريقِ، والظِّلِّ".
[حكم الألباني: حسن]
• وأخرجه ابن ماجة (328).
27/ 25 - وعن عبدِ اللَّهِ بن مُغَفَّلٍ رضي الله عنه قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم: "لَا يبولنَّ أحدكُم في مُسْتَحَمِّهِ ثم يَغْتسِلُ فيه". قال أحمد -يعني ابنَ حنبل-: "ثم يَتَوضَّأ فيه، فإنَّ عامَّةَ الوَسوَاسِ منه ".
[حكم الألباني: صحيح]
• وأخرجه الترمذي (21) والنسائي (36) وابن ماجة (304). وقال الترمذي: هذا حديث غريب. "انظر (خ) (4842) "
28/ 26 - وعن حُمَيْدٍ الحِمْيَري -وهو ابنُ عبد الرحمن- قال: "لقِيتُ رَجُلًا صحِبَ النبي صلى الله عليه وسلم كما صَحِبَهُ أبو هريرة، قال: نهَى رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم أنْ يَمْتشِطَ أحَدُنا كلَّ يوم، أو يَبولَ في مُغْتَسَلِهِ".
[حكم الألباني: صحيح: م]
• وأخرجه النسائي (238).
পরিচ্ছেদ: রাতে পাত্রে প্রস্রাব করা এবং তা নিজের কাছে রাখা [1: 11]
24/ 22 - উমাইমাহ বিনতে রুফাইকাহ থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাটের নিচে কাঠের তৈরি একটি পাত্র ছিল, যাতে তিনি রাতে প্রস্রাব করতেন।"
[আলবানীর হুকুম: হাসান সহীহ]
• এবং নাসায়ী (৩২) এটি বর্ণনা করেছেন।
9/ 14 -
পরিচ্ছেদ: যেসব স্থানে প্রস্রাব করতে নিষেধ করা হয়েছে [1: 11]
25/ 23 - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা অভিশপ্ত হওয়ার দুটি কাজ থেকে বেঁচে থাকো। তারা (সাহাবীগণ) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! অভিশপ্ত হওয়ার দুটি কাজ কী? তিনি বললেন: যে মানুষের চলাচলের পথে অথবা তাদের ছায়াযুক্ত স্থানে মলত্যাগ করে।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: মুসলিম]
• এবং মুসলিম (২৬৯) এটি বর্ণনা করেছেন।
26/ 24 - মুআয ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা অভিশাপের তিনটি কাজ থেকে বেঁচে থাকো: পানির ঘাটে, রাস্তার মাঝখানে এবং ছায়ায় মলত্যাগ করা।"
[আলবানীর হুকুম: হাসান]
• এবং ইবনে মাজাহ (৩২৮) এটি বর্ণনা করেছেন।
27/ 25 - আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন তার গোসলখানায় প্রস্রাব না করে, অতপর সেখানেই যেন গোসল না করে।" আহমাদ—অর্থাৎ ইবনে হাম্বল—বলেন: "অতপর সেখানেই যেন ওযু না করে, কেননা অধিকাংশ কু-চিন্তা (ওয়াসওয়াসা) তা থেকেই সৃষ্টি হয়।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ]
• এবং তিরমিযী (২১), নাসায়ী (৩৬) এবং ইবনে মাজাহ (৩০৪) এটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেন: এই হাদীসটি গরীব। "দেখুন (বুখারী) (৪৮৪২)"
28/ 26 - হুমাইদ আল-হিমইয়ারী—যিনি ইবনে আব্দুর রহমান—থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি এমন একজন ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করেছি যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন যেমনটি আবু হুরায়রা করেছিলেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রতিদিন চুল আঁচড়াতে অথবা গোসলের স্থানে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন।"
[আলবানীর হুকুম: সহীহ: মুসলিম]
• এবং নাসায়ী (২৩৮) এটি বর্ণনা করেছেন।