(খণ্ড: ১)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: -)
الجامع لعلوم الإمام أحمد - علوم الحديث القسم: علوم الحديث
الكتاب: الجامع لعلوم الإمام أحمد - علوم الحديث
الإمام: أبو عبد الله أحمد بن حنبل
المؤلف: إبراهيم النحاس
الناشر: دار الفلاح للبحث العلمي وتحقيق التراث، الفيوم - جمهورية مصر العربية
الطبعة: الأولى، 1430 هـ - 2009 م
عدد الأجزاء: 22 (هذا القسم من الجزء 15 من الكتاب)
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 21 جُمادَى الأولى 1438
ইমাম আহমাদের ইলমসমূহের সংকলন - হাদিস বিজ্ঞান বিভাগ: হাদিস বিজ্ঞান
বই: ইমাম আহমাদের ইলমসমূহের সংকলন - হাদিস বিজ্ঞান
ইমাম: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বল
লেখক: ইব্রাহিম আন-নাহহাস
প্রকাশক: দারুল ফালাহ লিল বাহসিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাস, ফায়্যুম - মিশর আরব প্রজাতন্ত্র
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩০ হিজরি - ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২২ (এই বিভাগটি বইটির ১৫তম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত)
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: রাবিতা আন-নুসসাখ দল, তত্ত্বাবধানে (মারকাজুন নুখাবিল ইলমিয়্যাহ)
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২১ জুমাদাল উলা ১৪৩৮
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৩)
كتاب علوم الحديث
976 -
فضل أهل الحديثقال موسى بن هارون: سمعت أحمد بن حنبل رحمه الله، وسئل عن معنى هذا الحديث (1)، فقال: إن لم تكن هذِه الطائفة المنصورة أصحاب الحديث فلا أدري من هم.
"معرفة علوم الحديث" (2)
977 -
من هو صاحب الحديث؟
قال أبو القاسم بن منيع: أردت الخروج إلى سويد بن سعيد، فقلت لأحمد بن حنبل يكتب لي إليه فكتب: وهذا رجل يكتب الحديث.
فقلت: يا أبا عبد اللَّه، خدمتي لك ولزومي، لو كتبت هذا رجلٌ من أصحاب الحديث؟
فقال: صاحب الحديث عندنا من يستعمل الحديث.
"المناقب" لابن الجوزي ص 268
--------------------------------------------
উলূমুল হাদীস গ্রন্থ
৯৭৬ -
আহলে হাদীসের মর্যাদামূসা বিন হারুন বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) এই হাদীসের (১) অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি, তখন তিনি বললেন: যদি এই বিজয়ী দলটি হাদীসের অনুসারী (আসহাবুল হাদীস) না হয়, তবে তারা কারা তা আমি জানি না।
"মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস" (২)
৯৭৭ -
হাদীসের অনুসারী কে?
আবু আল-কাসিম বিন মানী বলেন: আমি সুওয়াইদ বিন সাঈদের কাছে যেতে চেয়েছিলাম, তাই আমি আহমদ বিন হাম্বলকে আমার জন্য তাঁর কাছে একটি চিঠি লিখে দিতে বললাম। তিনি লিখলেন: "ইনি একজন ব্যক্তি যিনি হাদীস লিখে থাকেন।"
আমি বললাম: হে আবু আব্দুল্লাহ, আপনার প্রতি আমার সেবা ও সংশ্রবের খাতিরে, আপনি কি লিখে দিতেন না যে "ইনি হাদীসের অনুসারীদের (আসহাবুল হাদীস) অন্তর্ভুক্ত একজন ব্যক্তি"?
তিনি বললেন: আমাদের নিকট হাদীসের অনুসারী (সাহিবুল হাদীস) সেই ব্যক্তি, যে হাদীসের ওপর আমল করে।
ইবনুল জাওযী রচিত "আল-মানাকিবি", পৃষ্ঠা ২৬৮
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৪)
باب ما جاء في أقسام الحديث
978 - ما جاء في أصح الأسانيدقال أبو العباس أَحمد بن محمد بن يزيد البراثي: سمعت خلفا البزار يقول: سألت أحمد بن حنبل أي الأسانيد أثبت؟
قال: أيوب، عن نافع، عن ابن عمر. وإِن كان من حديث حماد بن زيد فيا لك.
"المناقب" لابن الجوزي 119
979 - الحديث الغريبوروى أبو إسحاق في تعاليقه عن أبي بكر النقاش، عن محمد بن سعيد، عن محمد بن سهل بن عسكر، سمعت أحمد بن حنبل رحمه الله يقول: إذا سمعت أصحاب الحديث يقولون: هذا حديث غريب أو فائدة، فاعلم أنه خطأ، وإذا سمعتهم يقولون: هذا حديث لا شيء، فاعلم أنه صحيح.
"العدة" 3/ 930، "شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 408
قال علي بن عثمان النفيلي: قال. أحمد: شر الحديث الغرائب التي لا يعمل بها ولا يعتمد عليها.
وقال المروذي سمعت أحمد يقول: تركوا الحديث وأقبلوا على الغرائب، ما أقل الفقه فيهم؟ !
وقال أحمد بن يحيى سمعت أحمد غير مرة يقول: لا تكتبوا هذِه الأحاديث الغرائب فإنها مناكير وعامتها عن الضعفاء.
"شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 408 - 409
হাদীসের প্রকারভেদ সংক্রান্ত অধ্যায়৯৭৮ - সবচেয়ে বিশুদ্ধতম সনদসমূহ প্রসঙ্গেআবু আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াযিদ আল-বুরাসী বলেন: আমি খালাফ আল-বাযযারকে বলতে শুনেছি: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন সনদটি সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য?
তিনি বললেন: আইয়ুব, নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে। আর যদি তা হাম্মাদ বিন যায়েদের হাদীস থেকে হয়, তবে তা অত্যন্ত চমৎকার।
ইবনুল জাওযী রচিত "আল-মানাকিব" ১১৯
৯৭৯ - গারীব হাদীসআবু ইসহাক তার তালীকাতসমূহে আবু বকর আন-নাক্কাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ বিন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন সাহল বিন আসকার থেকে: আমি আহমাদ বিন হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি: যখন তুমি হাদীস বিশারদদের বলতে শুনবে যে, "এই হাদীসটি গারীব (অপরিচিত)" অথবা "এটি একটি ফায়েদাহ (উপকারিতা)", তখন জেনে রেখো যে সেটি ভুল। আর যখন তাদের বলতে শুনবে যে, "এই হাদীসটি কিছুই নয়", তখন জেনে রেখো যে সেটি সহীহ।
"আল-উদ্দাহ" ৩/৯৩০, ইবনে রজব রচিত "শারহু ইলালিত তিরমিযী" ১/৪০৮
আলী বিন উসমান আন-নুফাইলী বলেন: আহমাদ বলেছেন: সবচেয়ে নিকৃষ্ট হাদীস হলো সেই অপরিচিত বর্ণনাগুলো (গারাইব), যেগুলোর ওপর আমল করা হয় না এবং যার ওপর নির্ভর করা যায় না।
আল-মারূযী বলেন, আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি: তারা হাদীস বর্জন করেছে এবং অপরিচিত বর্ণনার (গারাইব) দিকে ঝুঁকেছে; তাদের মধ্যে ফিকহ বা গভীর জ্ঞান কতই না নগণ্য?!
আহমাদ বিন ইয়াহইয়া বলেন, আমি আহমাদকে একাধিকবার বলতে শুনেছি: তোমরা এই সব অপরিচিত হাদীস (গারাইব) লিখো না, কারণ এগুলো মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) এবং এগুলোর অধিকাংশই দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণিত।
ইবনে রজব রচিত "শারহু ইলালিত তিরমিযী" ১/৪০৮-৪০৯
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৫)
980 - الحديث المعنعننقل أبو الحارث وعبد اللَّه عن الإمام أحمد، قال: ما رواه الأعمش عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد اللَّه، عن النبي صلى الله عليه وسلم فهو ثابت، وما رواه الزهري عن سالم، عن أبيه. وداود، عن الشعبي (1)، عن علقمة، عن عبد اللَّه، ثابت.
"العدة" 3/ 986
981 - هل الحديث المعنعن والمؤنن سواء؟
قال أبو داود: سمعت أحمد يقول: كان مالك -زعموا- يرى عن فلان وأن فلانا سواء، ذكر أحمد مثل حديث جابر أن سليكًا جاء والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب (2). أو عن جابر، عن سليك: أنه جاء.
سمعت أحمد قيل له: إن رجلًا قال: عروة أن عائشة، وعروة عن عائشة قالت: يا رسول اللَّه. .، وعن عروة عن عائشة؛ سواء؟ فقال: كيف هو سواء؟ ! أي: ليس هو بسواء.
"مسائل أبي داود" (1978)
--------------------------------------------
৯৮০ - মু'আন'আন হাদীসআবু আল-হারিস এবং আবদুল্লাহ ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-আ'মাশ যা ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলক্বামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন তা সাব্যস্ত (প্রমাণিত)। এবং যুহরী যা সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন তাও সাব্যস্ত। আর দাউদ যা আশ-শাবী (১) থেকে, তিনি আলক্বামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন তাও সাব্যস্ত।
"আল-উদ্দাহ" ৩/ ৯৮৬
৯৮১ - মু'আন'আন এবং মু'আন্নান হাদীস কি সমান?আবু দাউদ বলেছেন: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি: মালিক মনে করতেন—লোকেরা যেমনটি দাবি করে—'অমুক থেকে' (আন ফুলান) এবং 'নিশ্চয়ই অমুক' (আন্না ফুলানান) উভয়ই সমান। আহমাদ জাবির বর্ণিত হাদীসের মতো উদাহরণ উল্লেখ করেছেন যে, সুলাইক এসেছিলেন যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা দিচ্ছিলেন (২)। অথবা জাবির থেকে, সুলাইক থেকে: যে তিনি এসেছিলেন।
আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি যখন তাঁকে বলা হলো: এক ব্যক্তি বলেছে: 'উরওয়াহ যে আয়েশা' (আন্না আয়েশা), এবং 'উরওয়াহ আয়েশা থেকে' (আন আয়েশা) তিনি বলেছেন: হে আল্লাহর রাসূল..., এবং 'উরওয়াহ থেকে আয়েশা থেকে' (আন উরওয়াহ আন আয়েশা); এগুলো কি সমান? তখন তিনি বললেন: এগুলো সমান হয় কীভাবে?! অর্থাৎ: এগুলো সমান নয়।
"মাসায়িলে আবু দাউদ" (১৯৭৮)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৬)
982 - حكم زيادة الثقةقال أحمد بن القاسم: سألت أبا عبد اللَّه رحمه الله عن مسألة في فوات الحج، فقال: فيها روايتان: إحداهما: فيها زيادة دم، قال أبو عبد اللَّه: والزائد أولى أن يؤخذ به.
قال: ومذهبنا في الأحاديث: إذا كانت الزيادة في أحدهما، أخذنا بالزيادة.
ونقل الميموني عنه أنه قال: نقل أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة ولم يصل (1)، ونقل أنه صلى (2)، فهذا يشهد أنه صلى.
وابن عمر يقول: لم يقنت في الفجر (3)، وغيره يقول: قنت (4)، فهذِه شهادة عليه أنه قنت، وحديث أنس: لم يأن لرسول اللَّه صلى الله عليه وسلم أن يخضب (5)، وقوم يقولون: قد خضب (6)، فهذِه شهادة على الخضاب، فالذي يشهد على النبي صلى الله عليه وسلم، فهو أوكد.
--------------------------------------------
৯৮২ - নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর অতিরিক্ত বর্ণনার বিধানআহমদ ইবনুল কাসিম বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে (রাহিমাহুল্লাহ) হজ্জ ছুটে যাওয়া সংক্রান্ত একটি মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: এই বিষয়ে দুটি বর্ণনা রয়েছে: একটিতে অতিরিক্ত দমের (পশু কোরবানি) কথা আছে। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: অতিরিক্ত সংবলিত বর্ণনাটি গ্রহণ করাই অধিক শ্রেয়।
তিনি বলেন: হাদীসের ক্ষেত্রে আমাদের মাযহাব হলো: যখন দুটির মধ্যে একটিতে অতিরিক্ত অংশ থাকে, তখন আমরা সেই অতিরিক্ত অংশটিই গ্রহণ করি।
আল-মাইমুনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: বর্ণিত আছে যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবায় প্রবেশ করেছেন এবং সালাত আদায় করেননি (১), আবার বর্ণিত আছে যে তিনি সালাত আদায় করেছেন (২)। সুতরাং এটি সাক্ষ্য দেয় যে তিনি সালাত আদায় করেছেন।
ইবনে উমর বলেন: তিনি ফজরে কুনুত পড়েননি (৩), আবার অন্যরা বলেন: তিনি কুনুত পড়েছেন (৪)। সুতরাং এটি তাঁর কুনুত পড়ার সপক্ষে সাক্ষ্য। আনাসের হাদীস হলো: রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলপ লাগানোর সময় হয়নি (৫), কিন্তু একদল লোক বলছে: তিনি কলপ লাগিয়েছেন (৬)। এটি কলপ লাগানোর সপক্ষে সাক্ষ্য। সুতরাং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে যা (ইতিবাচক) সাক্ষ্য প্রদান করে, তা-ই অধিক সুদৃঢ়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৭)
نقل الأثرم وإبراهيم بن الحارث والمروذي: إذا تبايعا فخير أحدهما صاحبه بعد البيع، فهل يجب، فقال: هكذا في حديث ابن عمر (1).
قيل له: أتذهب إليه، قال: لا، أنا أذهب إلى الأحاديث الباقية، الخيار لهما ما لم يتفرقا، ليس فيها شيء من هذا.
وقال في رواية أبي طالب: كان الحجاج بن أرطاة من الحفاظ.
قيل له: فلم هو عند الناس ليس بذاك، قال: لأن في حديثه زيادة على حديث الناس، ما يكاد له حديث إلَّا فيه زيادة.
"العدة" 3/ 1004 - 1007، "المسودة" 1/ 590 - 592.
وقال -في رواية صالح-: قد أنكر على مالك هذا الحديث -يعني: زيادته: "من المسلمين" في حديث نافع عن ابن عمر قال: فرض رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم زكاة الفطر من رمضان على كل حر أو عبد أذكر أو أنثى من المسلمين صاعًا من تمر أو صاعًا من شعير- ومالك إذا انفرد بحديث هو ثقة، وما قال أحد ممن قال بالرأي أثبت منه -يعني: في الحديث.
"شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 422
--------------------------------------------
আল-আছরাম, ইব্রাহিম ইবনুল হারিস এবং আল-মারউজি বর্ণনা করেছেন: যখন দুই ব্যক্তি কেনা-বেচা করে এবং বিক্রির পর তাদের একজন অন্যজনকে (চুক্তি বহাল রাখা বা বাতিলের) এখতিয়ার দেয়, তবে কি তা আবশ্যক হবে? তিনি বললেন: ইবনে উমরের হাদিসে এভাবেই এসেছে (১)।
তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি কি এই মত গ্রহণ করেন? তিনি বললেন: না, আমি অন্যান্য হাদিস অনুসরণ করি; তাদের দুজনের জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত ইখতিয়ার থাকবে যতক্ষণ না তারা একে অপরের থেকে পৃথক হয়। সেই হাদিসগুলোতে এর কিছু নেই।
আবু তালিবের বর্ণনায় তিনি বলেছেন: হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তাঁকে বলা হলো: তবে মানুষের কাছে তিনি কেন তেমন (নির্ভরযোগ্য) নন? তিনি বললেন: কারণ তাঁর হাদিসসমূহে অন্য লোকেদের বর্ণিত হাদিসের তুলনায় অতিরিক্ত অংশ থাকে। তাঁর এমন কোনো হাদিস পাওয়া ভার যাতে অতিরিক্ত কিছু নেই।
"আল-উদ্দাহ" ৩/ ১০০৪ - ১০০৭, "আল-মুসাওয়াদাহ" ১/ ৫৯০ - ৫৯২।
সালেহের বর্ণনায় তিনি বলেছেন: ইমাম মালিকের এই হাদিসটি অস্বীকার করা হয়েছে—অর্থাৎ নাফে’র সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণিত হাদিসে তাঁর এই অতিরিক্ত অংশটি: "মুসলিমদের মধ্য থেকে"। তিনি (ইবনে উমর) বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের জাকাতুল ফিতর প্রত্যেক স্বাধীন বা ক্রীতদাস, পুরুষ বা নারীর ওপর—যারা মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত—এক সা’ খেজুর অথবা এক সা’ যব ফরজ করেছেন। আর মালিক যখন কোনো হাদিস একাকী বর্ণনা করেন, তখন তিনি নির্ভরযোগ্য, আর রায় (ব্যক্তিগত অভিমত) প্রদানকারীদের মধ্যে কেউই হাদিসের ক্ষেত্রে তাঁর চেয়ে বেশি সুদৃঢ় নয়।
"শারহু ইলালিত তিরমিজি" ইবনে রজব ১/ ৪২২
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৮)
983 - معرفة من يرجع إلى قوله عند اختلاف الثقات:نقل عنه المروذي أنه سئل -عن نافع وسالم- إذا اختلفا فلأيهما يقضي؛ فقال: كلاهما ثبت ولم ير أن يقضي لأحدهما على الآخر.
"شرح علل الترمذي" لابن رجب 2/ 472
984 - ترجيح المراسيل بعضها على بعضقال أحمد -في رواية أبي الحارث-: مرسلات سعيد بن المسيب صحاح، لا يُرى أصح من مرسلاته، فأما الحسن وعطاء، فليس بذلك، هو أضعف المرسلات، كأنهما كانا يأخذان من كلٍّ.
وقال أحمد في رواية الفضل بن زياد: أما مرسلات عطاء، ففيها شيء، وأما ابن سيرين فما أحسن مخرجه أيضًا. ومرسلات سعيد بن المسيب أصح المرسلات، ومرسلات إبراهيم النخعي لا بأس بها. وليس في المرسلات أضعف من مرسلات الحسن وعطاء بن أبي رباح؛ كأنهما كانا يأخذان من كلٍّ.
وقال أحمد في رواية مهنا وقد سأله عن مرسلات سعيد بن جبير أحب إليك أم مرسلات عطاء؟
قال: مرسلات سعيد بن جبير أقرب، وهي أحب إليّ من مرسلات عطاء.
وسأله: عن مرسلات سعيد بن جبير أحب إليك أم مرسلات مجاهد؟
فقال: مرسلات سعيد.
وسأله: عن مرسلات مجاهد أحب إليك أم مرسلات عطاء؟
৯৮৩ - নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের মতপার্থক্যের সময় কার বক্তব্য গ্রহণ করা হবে তা চেনা:তাঁর থেকে আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে নাফি ও সালিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—যখন তাঁরা মতপার্থক্য করেন তখন কার পক্ষে ফয়সালা দেওয়া হবে? তিনি বললেন: তাঁরা উভয়েই অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য, এবং তিনি একজনের ওপর অন্যজনকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।
ইবনে রজব কৃত "শারহু ইলালিত তিরমিযী" ২/ ৪৭২
৯৮৪ - মুরসাল বর্ণনাসমূহকে একে অপরের ওপর প্রাধান্য প্রদানআবু আল-হারিসের বর্ণনায় ইমাম আহমাদ বলেছেন: সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের মুরসালগুলো বিশুদ্ধ, তাঁর মুরসালের চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ আর কোনো মুরসাল দেখা যায় না। তবে হাসান এবং আতা-এর ব্যাপারে কথা হলো, তাঁদের মুরসালগুলো এমন নয়; সেগুলো সবচেয়ে দুর্বল মুরসাল, মনে হয় যেন তাঁরা উভয়ে সবার থেকেই বর্ণনা গ্রহণ করতেন।
ফযল ইবনে যিয়াদের বর্ণনায় ইমাম আহমাদ বলেছেন: আতার মুরসালগুলোর ব্যাপারে কিছুটা দুর্বলতা আছে, আর ইবনে সিরীনের মুরসালের সূত্রও কতই না চমৎকার! সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের মুরসালগুলো সবচেয়ে বিশুদ্ধ মুরসাল এবং ইবরাহীম নাখয়ীর মুরসালগুলোতে কোনো সমস্যা নেই। আর মুরসালগুলোর মধ্যে হাসান ও আতা ইবনে আবি রাবাহর মুরসালের চেয়ে দুর্বল আর কিছু নেই; মনে হয় যেন তাঁরা উভয়ে সবার থেকেই বর্ণনা গ্রহণ করতেন।
মুহান্নার বর্ণনায় ইমাম আহমাদ বলেছেন—যখন তাঁকে সাঈদ ইবনে জুবায়েরের মুরসাল এবং আতার মুরসাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, কোনটি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়?
তিনি বললেন: সাঈদ ইবনে জুবায়েরের মুরসালগুলো অধিক বিশুদ্ধতার নিকটবর্তী এবং সেগুলো আতার মুরসাল অপেক্ষা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।
তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: সাঈদ ইবনে জুবায়েরের মুরসাল আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয় নাকি মুজাহিদের মুরসাল?
তিনি বললেন: সাঈদের মুরসাল।
তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: মুজাহিদের মুরসাল আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয় নাকি আতার মুরসাল?
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪১৯)
فقال مرسلات مجاهد؛ لأن عطاء روى عمن هو دونه، ومجاهد لم يرو عمن هو دونه.
وقال أحمد في رواية أبي الحارث: مرسلات عطاء فيها شيء.
وقال أحمد في رواية مهنا وقد سأله عن مرسلات طاوس أحب إليك أو مرسلات أبي إسحاق؟
قال: مرسلات طاوس.
وسأله عن مرسلات إسماعيل بن أبي خالد أحب إليك أم مرسلات عمرو بن دينار؟
فقال: إسماعيل بن أبي خالد لا يبالي عمن حدث، عن أشعث بن سوار وعن مجاهد، وعمرو بن دينار لا يروي إلَّا عن ثقة، مرسلات عمرو أحب إليّ.
وسأله: أيما أحب إليك: إبراهيم عن عليّ، أو مجاهد عن عليّ؟
قال: إبراهيم عن عليّ؛ لأن هذا كان مقيمًا، وكان مجاهد إنما تقع إليهم الأخبار إلى الكوفة.
وقال أحمد في رواية أبي الحارث وقد سأله عن مرسلات النخعي؟
قال: ما أصلحها، ليس بها بأس، أصلح من مرسلات الحسن.
وسأله مهنا: لم كرهت مرسلات الأعمش؟
قال: كان الأعمش لا يبالي عمن حدث.
قيل له: فإن له رجلًا ضعيفًا غير إسماعيل بن مسلم ويزيد الرقاشي؟ قال: نعم، كان يحدث عن عتاب بن إبراهيم.
وسأله أيضًا: عن مرسلات الأعمش، وسليمان النخعي، ويحيى بن أبي كثير؟
তিনি বললেন: মুজাহিদের মুরসাল বর্ণনাগুলো (উত্তম); কারণ আতা তাঁর চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের থেকে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু মুজাহিদ তাঁর চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের কারো থেকে বর্ণনা করেননি।
আবু হারিসের বর্ণনায় আহমদ বলেছেন: আতার মুরসাল বর্ণনাগুলোর মধ্যে কিছু ত্রুটি আছে।
মুহান্নার বর্ণনায় আহমদ বলেছেন—যখন তাকে তাউসের মুরসাল বর্ণনাগুলো আপনার নিকট বেশি প্রিয় নাকি আবু ইসহাকের মুরসাল বর্ণনাগুলো সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—
তিনি বললেন: তাউসের মুরসাল বর্ণনাগুলো।
এবং তাকে ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদের মুরসাল বর্ণনাগুলো নাকি আমর ইবনে দিনারের মুরসাল বর্ণনাগুলো আপনার কাছে বেশি প্রিয় সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
অতঃপর তিনি বললেন: ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ কার থেকে বর্ণনা করছেন তা নিয়ে পরোয়া করতেন না, তিনি আশ'আস ইবনে সাওয়ার এবং মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; কিন্তু আমর ইবনে দিনার নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছাড়া কারো থেকে বর্ণনা করেন না। আমরের মুরসাল বর্ণনাগুলোই আমার নিকট অধিক প্রিয়।
তিনি তাকে আরও জিজ্ঞাসা করেছিলেন: আলীর সূত্রে ইব্রাহিমের বর্ণনা নাকি আলীর সূত্রে মুজাহিদের বর্ণনা আপনার নিকট অধিক প্রিয়?
তিনি বললেন: আলীর সূত্রে ইব্রাহিমের বর্ণনা; কারণ তিনি সেখানে বসবাসকারী ছিলেন, আর মুজাহিদের নিকট সংবাদগুলো কেবল কুফায় পৌঁছাত।
আবু হারিসের বর্ণনায় আহমদ বলেছেন—যখন তাকে নাখয়ীর মুরসাল বর্ণনাগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—
তিনি বললেন: সেগুলো কতই না শুদ্ধ, এতে কোনো সমস্যা নেই, এগুলো হাসানের মুরসাল বর্ণনা থেকে অধিক শুদ্ধ।
মুহান্না তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: কেন আপনি আমাশের মুরসাল বর্ণনাগুলোকে অপছন্দ করেছেন?
তিনি বললেন: আমাশ কার থেকে বর্ণনা করছেন তা নিয়ে পরোয়া করতেন না।
তাকে বলা হলো: তাঁর কি ইসমাঈল ইবনে মুসলিম এবং ইয়াজিদ আর-রাকাশি ব্যতীত অন্য কোনো দুর্বল বর্ণনাকারী আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি আত্তাব ইবনে ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করতেন।
তিনি তাকে আমাশ, সুলাইমান নাখয়ী এবং ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসিরের মুরসাল বর্ণনাগুলো সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২০)
قال: مرسلات يحيى بن كثير أحب إليّ.
وقال أحمد في رواية إسحاق بن إبراهيم، وقد سأله عن مراسيل يحيى بن أبي كثير؟
فقال: لا تعجبني؛ لأنه يروي عن رجال صغار ضعاف.
وقال أحمد في رواية أبي طالب، وقد سأله عن رجل ما قال الحسن، قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم، وجدناه من حديث أبي هريرة وعائشة وسَمُرة، قال: صدق.
وقال أحمد في رواية مهنا، وقد سأله: هل شيء يجيء عن الحسن. قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم؟ قال: هو صحيح، ما نكاد نجدها إلَّا صحيحة.
وقال أحمد في رواية أبي الحارث: مرسلات ابن سيرين صحاح حسنة المخرج.
وقال أحمد في رواية مهنا، وقد سأله عن مرسلات سفيان، فقال: كان سفيان لا يبالي عمن روى.
وسأله: عن مرسلات مالك بن أنس؟ قال: هي أحب إليّ.
"العدة" 3/ 920 - 921
وقال أحمد -في رواية أبي الحارث وعبد اللَّه-: ما رواه الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد اللَّه، عن النبي صلى الله عليه وسلم فهو ثابت، وما رواه الزهري، عن سالم، عن أبيه، وداود عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد اللَّه، عن النبي صلى الله عليه وسلم ثابت.
"المسودة" 1/ 518 - 519
وقال أحمد -في رواية الميموني وحنبل عنه-: مرسلات سعيد ابن المسيب صحاح لا نرى أصح من مرسلاته.
তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর-এর মুরসাল বর্ণনাগুলো আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।
এবং আহমদ ইসহাক ইবনে ইবরাহীমের বর্ণনায় বলেছেন, যখন তাঁকে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর-এর মুরসালসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল?
তখন তিনি বললেন: এগুলো আমাকে মুগ্ধ করে না; কারণ তিনি ছোট (স্তরের) দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনা করেন।
এবং আহমদ আবু তালিবের বর্ণনায় বলেছেন, যখন তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে হাসান (আল-বাসরী)-এর উক্তি উল্লেখ করেছিল—‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন’, অথচ আমরা তা আবু হুরায়রা, আয়েশা এবং সামুরা-এর হাদীস থেকে পেয়েছি—তখন তিনি (আহমদ) বললেন: সে সত্য বলেছে।
এবং আহমদ মুহান্নার বর্ণনায় বলেছেন, যখন তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: হাসান (আল-বাসরী) থেকে কি এমন কিছু বর্ণিত হয়েছে যা সরাসরি ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন’ এমন? তিনি বললেন: তা সহীহ, আমরা সেগুলোকে সহীহ ছাড়া অন্য কিছু হিসেবে পাই না বললেই চলে।
এবং আহমদ আবুল হারিসের বর্ণনায় বলেছেন: ইবনে সীরীন-এর মুরসাল বর্ণনাগুলো সহীহ এবং এগুলোর উৎস উত্তম।
এবং আহমদ মুহান্নার বর্ণনায় বলেছেন, যখন তিনি তাঁকে সুফিয়ানের মুরসালসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন তিনি বললেন: সুফিয়ান কার থেকে বর্ণনা করছেন সে বিষয়ে পরোয়া করতেন না।
এবং তিনি তাঁকে মালিক ইবনে আনাসের মুরসালসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: সেগুলো আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।
"আল-উদ্দাহ" ৩/ ৯২০ - ৯২১
এবং আহমদ—আবুল হারিস এবং আবদুল্লাহর বর্ণনায়—বলেছেন: আমাশ ইবরাহীম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা সুপ্রতিষ্ঠিত, এবং যুহরী সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং দাউদ শাবী থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা বর্ণনা করেছেন তাও সুপ্রতিষ্ঠিত।
"আল-মুসাউওয়াদাহ" ১/ ৫১৮ - ৫১৯
এবং আহমদ—মায়মুনী এবং হাম্বল-এর বর্ণনায় তাঁর থেকে—বলেছেন: সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব-এর মুরসালসমূহ সহীহ, তাঁর মুরসালগুলোর চেয়ে অধিক সহীহ আমরা আর কিছু দেখি না।
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২১)
زاد الميموني: وأما الحسن وعطاء فليس هي بذاك، هي أضعف المراسيل كلها، فإنهما كانا يأخذان عن كل.
"شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 290
985 - قول الصحابي: (من السنة) هل يقتضي سنة النبي صلى الله عليه وسلم ويكون بمنزلة المرفوع؟ وكذلك قول التابعي: (من السنة) هل يكون بمنزلة المرسل؟
نقل أبو النضر العجلي عن أحمد: في جراحات النساء مثل جراحات الرجال، حتى تبلغ الثلث، فإذا زاد فهو على النصف من جراحات الرجل، قال: هو قول زيد بن ثابت (1)، وقول على: كله على النصف (2).
قيل له: كيف لم تذهب إلى قول علي؟
قال: لأن هذا -يعني: قول زيد- ليس بقياس، قال سعيد بن المسيب: هو السنة (3).
ونقل عنه البرزاطي لما روي الحديث عن ابن عمر أنه قال: مضت
--------------------------------------------
মাইমুনি আরও বর্ণনা করেন: আর হাসান এবং আতা-এর ব্যাপারটি তেমন (উন্নত) নয়; তাদের মুরসাল বর্ণনাগুলো সবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল, কারণ তাঁরা প্রত্যেকের কাছ থেকেই (হাদিস) গ্রহণ করতেন।
ইবনে রজব প্রণীত "শারহু ইলালিত তিরমিজি" ১/ ২৯০
৯৮৫ - সাহাবির উক্তি: "(এটি) সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত" - এটি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহকে নির্দেশ করে এবং মারফু'র সমপর্যায়ভুক্ত হয়? একইভাবে তাবেয়ির উক্তি: "(এটি) সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত" - এটি কি মুরসালের সমপর্যায়ভুক্ত হবে?আবু আন-নাজর আল-ইজলি ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেন: নারীর জখমের (রক্তপণ) পুরুষের জখমের মতোই, যতক্ষণ না তা এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পৌঁছায়, আর যখন তা বৃদ্ধি পায় তখন তা পুরুষের জখমের অর্ধেক হয়ে যায়। তিনি বলেন: এটি যায়েদ ইবনে সাবিতের (১) অভিমত, আর আলীর অভিমত হলো: এর পুরোটাই অর্ধেক (২)।
তাঁকে বলা হলো: আপনি কেন আলীর অভিমত গ্রহণ করলেন না?
তিনি বললেন: কারণ এটি —অর্থাৎ যায়েদের উক্তি— কিয়াসের (যৌক্তিক অনুমানের) ভিত্তিতে নয়। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব বলেছেন: এটিই হলো সুন্নাহ (৩)।
আল-বারজাতি তাঁর থেকে বর্ণনা করেন যখন ইবনে উমর থেকে হাদিসটি বর্ণিত হয় যে তিনি বলেছিলেন: প্রচলিত হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২২)
السنة أن ما أدركت الصفقة حيًا مجموعًا فهو من مال المبتاع، فقال بعد هذا: صار الحديث مرفوعًا بقوله: مضت السنة، ويدخل في المسند (1).
"العدة في أصول الفقه" 3/ 993 - 994
986 - الحديث المدلسقال حرب: سألتُ أحمد عن التدليس في الحديث فكرهه، وقال: أقل شيء أنه يتزيد أو يتزين.
قال حرب: أنا أشك.
"مسائل حرب" ص 344
987 - الحديث المنكرقال ابن هانئ: قيل له: فهذِه الفوائد التي فيها المناكير، ترى أن يكتب الحديث المنكر؟
قال: المنكر أبدًا منكر.
"مسائل ابن هانئ" (1925).
--------------------------------------------
সুন্নাহ হলো এই যে, যতক্ষণ পর্যন্ত ক্রয়-বিক্রয় কার্যকর হওয়া অবস্থায় [পণ্যটি] জীবিত ও অক্ষত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা ক্রেতার সম্পদ বলে গণ্য হবে। এরপর তিনি বললেন: "সুন্নাহ গত হয়েছে" — এই উক্তির দ্বারা হাদীসটি মারফূ' হয়ে গিয়েছে এবং তা মুসনাদ হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হবে (১)।
"আল-উদ্দাহ ফী উসূলিল ফিকহ" ৩/ ৯৯৩ - ৯৯৪
৯৮৬ - তাদলীসকৃত হাদীসহারব বলেন: আমি আহমাদকে হাদীসে তাদলীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি তা অপছন্দ করেছেন এবং বলেছেন: এর সর্বনিম্ন স্তর হলো যে ব্যক্তি এটি করে সে বাড়াবাড়ি করছে অথবা নিজেকে সজ্জিত করছে।
হারব বলেন: আমি সন্দেহ করছি।
"মাসায়িলে হারব" পৃষ্ঠা ৩৪৪
৯৮৭ - মুনকার হাদীসইবনে হানি বলেন: তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: তাহলে এই ফাওয়ায়িদগুলো যাতে মুনকার বর্ণনা রয়েছে, আপনি কি মুনকার হাদীস লিখে রাখাকে সমীচীন মনে করেন?
তিনি বললেন: মুনকার সর্বদা মুনকারই।
"মাসায়িলে ইবনে হানি" (১৯২৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৩)
باب الإسناد
988 - الأمر بالتفتيش عن الأسانيد، وأن الإسناد من الدينقال محمد بن الحسين البغدادي: سمعت أحمد بن حنبل يقول: سمعت يحيى بن سعيد يقول: الإسناد من الدين. قال يحيى: وسمعت شعبة يقول: إنما تعلم صحة الحديث بصحة الإسناد.
"شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 58
989 - طلب علو الإسنادروى أبو بكر الخلال، عن حرب بن إسماعيل، قال: سئل أحمد عن الرجل يطلب الإسناد العالي، فقال: طلب الإسناد العالي سنة عمن سلف؛ لأن أصحاب عبد اللَّه كانوا يرحلون من الكوفة إلى المدينة فيتعلمون من عمر ويسمعون منه.
وقال عمار بن رجاء: سمعت أحمد بن حنبل يقول: طلب إسناد العلو من السنة.
"المناقب" ص 263
990 - رواية الأكابر عن الأصاغرقال ابن هانئ: وقال: أرى مروان قد روى وهو أصغر من مروان، وأصغر من وكيع.
"مسائل ابن هانئ" (2231)
ইসনাদ (সূত্র বর্ণনা) অধ্যায়৯৮৮ - সনদসমূহ অনুসন্ধান করার নির্দেশ এবং ইসনাদ যে দ্বীনের অংশমুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-বাগদাদী বলেছেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদকে বলতে শুনেছি: ইসনাদ দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত। ইয়াহইয়া বলেন: এবং আমি শু'বাহকে বলতে শুনেছি: হাদিসের বিশুদ্ধতা কেবল সনদের বিশুদ্ধতার মাধ্যমেই জানা যায়।
ইবনে রজব কৃত "শারহু ইলালিত তিরমিযী" ১/৫৮
৯৮৯ - উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করাআবু বকর আল-খাল্লাল হারব বিন ইসমাঈল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে উচ্চতর সনদ (ইসনাদ আলী) অন্বেষণ করে। তিনি বললেন: উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করা পূর্বসূরিদের অনুসৃত সুন্নত; কারণ আব্দুল্লাহর (ইবনে মাসউদ) সাথীরা কুফা থেকে মদিনায় সফর করতেন যাতে তারা উমরের নিকট থেকে শিখতে পারেন এবং তাঁর থেকে সরাসরি শ্রবণ করতে পারেন।
আম্মার বিন রাজা বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ২৬৩
৯৯০ - বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের নিকট থেকে বর্ণনা করাইবনে হানি বলেন: এবং তিনি বলেছেন: আমি দেখছি মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি মারওয়ানের চেয়ে ছোট এবং ওয়াকী’র চেয়েও ছোট।
"মাসাইল ইবনে হানি" (২২৩১)
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৪)
قال عبد اللَّه: قلت لأبي: إن يحيى بن معين يطعن علي عامر بن صالح هذا، قال: يقول ماذا؟
قلت: رآه يسمع من حجاج.
قال: قد رأيت أنا حجاج يسمع من هشيم، وهذا عيب يسمع الرجل ممّن هو أصغر منه وأكبر.
"فضائل الصحابة" 2/ 1078 (1589)
قال ابن الجوزي: أخبرنا أبو منصور القزاز، قال: أنا أبو بكر بن ثابت، قال: أنا أبو الفرج الطناجيري، قال: ثنا عمر بن أحمد الواعظ، قال: ثنا عبد اللَّه بن سليمان بن الأشعث، قال: ثنا أبي، قال: ثنا محمد بن عمرو الرازي، قال: ثنا عبد الرحمن بن قيس، عن حماد بن سلمة، عن أبي العشراء الدارمي، عن أبيه أن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم سئل عن العتير فحسنها (1)، قال: قال ابن أبي داود: قال أبي فذكرته لأحمد بن حنبل فاستحسنه وقال: هذا حديث غريب، وقال لي: اقعد، فدخل فأخرج محبرة وقلما وورقة وقال: أمله عليّ، فكتبه عني، ثم شهدته يومًا آخر وجاءه أبو جعفر بن أبي سمينة، فقال أحمد بن حنبل: يا أبا جعفر، عند أبي داود حديث غريب اكتبه عنه، فسألني فأمليته عليه.
"المناقب" ص 65 - 66
--------------------------------------------
আবদুল্লাহ বললেন: আমি আমার পিতাকে বললাম: ইয়াহইয়া ইবনে মাইন এই আমির বিন সালেহ-এর সমালোচনা করেন। তিনি বললেন: তিনি কী বলেন?
আমি বললাম: তিনি তাকে হাজ্জাজের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করতে দেখেছেন।
তিনি বললেন: আমি হাজ্জাজকে হুশাইমের নিকট থেকে শ্রবণ করতে দেখেছি। আর কোনো ব্যক্তি তার চেয়ে বয়সে ছোট কিংবা বড় কারও নিকট থেকে শ্রবণ করা কি কোনো দোষের বিষয়?
"ফাদাইলুস সাহাবা" ২/ ১০৭৮ (১৫৮৯)
ইবনুল জাওযী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আল-কাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন সাবিত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আত-তানাযীরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন আহমদ আল-ওয়ায়েজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সুলায়মান বিন আল-আশআস, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন কাইস, হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি আবুল আশরা আদ-দারিমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে 'আতীরা' (রজব মাসের কোরবানি) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সেটিকে উত্তম বলেছেন (১)। ইবনে আবি দাউদ বলেন: আমার পিতা বলেছেন, আমি বিষয়টি আহমাদ বিন হাম্বলের নিকট উল্লেখ করলাম, তিনি এটিকে উত্তম মনে করলেন এবং বললেন: এটি একটি বিরল (গরীব) হাদিস। এরপর তিনি আমাকে বললেন: বসুন। তারপর তিনি ভেতরে প্রবেশ করে একটি দোয়াত, কলম ও কাগজ নিয়ে বের হয়ে আসলেন এবং বললেন: এটি আমাকে লিখে দিন (ইমলা করুন)। তখন তিনি আমার নিকট থেকে সেটি লিখে নিলেন। এরপর অন্য একদিন আমি তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম এবং আবু জাফর বিন আবি সামিনাহ তাঁর নিকট আসলেন। তখন আহমাদ বিন হাম্বল বললেন: হে আবু জাফর, আবু দাউদের নিকট একটি বিরল হাদিস আছে, সেটি তাঁর নিকট থেকে লিখে নাও। তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং আমি তাঁকে সেটি লিখে দিলাম।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ৬৫ - ৬৬
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৫)
فصل: من حدَّث عن الإمام أحمد من مشايخه ومن الأكابر
991 - عبد الرزاق بن همام الصنعانيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن عبد الملك بن خيرون، قال: أَنبأَنا أَبو بكر أَحمد بن علي بن ثابت، قال: ثنا أَبو طالب يحيى بن علي بن الطيب العجلي، قال: أَنا أَبو يعقوب يوسف بن إبراهيم بن موسى السهمي، قال: ثنا عبد اللَّه بن محمد بن مسلم، قال: ثنا مهدي بن الحارث، قال: ثنا أَبو عبد اللَّه القصار، قال: أَنا عبد الرزاق، قال: أَنا أَحمد بن حنبل، عن الوليد -يعني: ابن مسلم- عن زيد بن واقد، قال: سمعت نافعا مولى ابن عمر، أن ابن عمر كان إِذا رأى مصليًا لا يرفع يديه في الصلاة حصبه وأَمره أن يرفع.
"المناقب لابن الجوزي" ص 115
992 - إسماعيل ابن عليةذكر أَبو بكر الخلال، أَنه روى عن أَحمد.
"المناقب" ص 115
993 - وكيع بن الجراحقال ابن الجوزي: وقد ذكرنا عنه أنه قال: نهاني أَحمد أَن أَحدث عن فلان.
"المناقب" ص 115
পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমদের শিক্ষকদের মধ্যে যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং প্রবীণ ব্যক্তিবর্গ৯৯১ - আবদুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম আস-সানআনীইবনুল জাওজি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক বিন খাইরুন আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আত-তৈয়িব আল-আজলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন ইব্রাহিম বিন মুসা আস-সাহমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন মুসলিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মাহদি বিন আল-হারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়ালিদ থেকে—অর্থাৎ ইবনে মুসলিম—তিনি যায়িদ বিন ওয়াকিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরের মুক্তদাস নাফি’কে বলতে শুনেছি যে, ইবনে উমর যখনই দেখতেন কোনো সালাত আদায়কারী সালাতে হাত তুলছেন না, তখন তিনি তাকে পাথরখণ্ড ছুড়ে মারতেন এবং তাকে হাত তোলার নির্দেশ দিতেন।
"আল-মানাকিব লি-ইবনিল জাওজি", পৃষ্ঠা ১১৫
৯৯২ - ইসমাইল ইবনে উলইয়াহআবু বকর আল-খাল্লাল উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আহমদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
"আল-মানাকিব", পৃষ্ঠা ১১৫
৯৯৩ - ওয়াকি’ বিন আল-জাররাহইবনুল জাওজি বলেন: আমরা তাঁর থেকে উল্লেখ করেছি যে তিনি বলেছেন: আহমদ আমাকে অমুক ব্যক্তির থেকে হাদিস বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন।
"আল-মানাকিব", পৃষ্ঠা ১১৫
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৬)
994 - عبد الرحمن بن مهديقال ابن الجوزي: أَخبرنا محمد بن أَبي منصور، قال: أَنا عبد القادر بن محمد، قال: أَنا إبراهيم بن عمر البَرْمَكي، قال: أَنا علي بن عبد العزيز بن مَرْدَك، قال: أَنا أَبو محمد بن أَبي حاتم، قال: ثنا أَحمد بن سنان الواسطي قال: سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول: كان أَحمد بن حنبل عندي. فقال: نظرنا فيما كان يخالفكم فيه وكيع أو فيما يخالف وكيع الناس، فإذا هي نيف وستون حرفًا.
"المناقب" ص 115 - 116
995 - محمد بن إدريس الشافعيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن أَبي طاهر البزاز، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي بن ثابت، قال: أَنا أَبو سعد إسماعيل بن علي بن الحسن بن بندار الإِستراباذي، قال: ثنا محمد بن عبد اللَّه الحافظ، قال: ثنا أَبو العباس محمد بن يعقوب، قال: أَنا الربيع، قال: أَنا الشافعي، قال: أَنا الثقة -وهو أَحمد ابن حنبل- عن عبد اللَّه بن الحارث، عن مالك بن أَنس، عن يزيد بن قسيط، عن سعيد بن المُسيَّب: أَن عمر وعثمان قضيا في المِلْطَاة بنصف دِيَةِ المُوضِحَة.
"المناقب" ص 116
قال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن عبد الملك بن خيرون، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي بن ثابت، قال: أَنا أَبو سعيد محمد بن موسى بن الفضل بن شاذان، قال: ثنا أَبو العباس محمد بن يعقوب الأصم، قال: أَنا الربيع بن
৯৯৪ - আব্দুর রহমান বিন মাহদীইবনুল জাওযী বলেন: মুহাম্মদ বিন আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম বিন উমর আল-বারমাকি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আব্দুল আজিজ বিন মারদাক আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ বিন আবি হাতেম আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন সিনান আল-ওয়াসিতি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান বিন মাহদীকে বলতে শুনেছি: আহমাদ বিন হাম্বল আমার কাছে ছিলেন। তিনি বললেন: ওকী' যে বিষয়গুলোতে আপনাদের বিরোধিতা করেছেন অথবা ওকী' যে বিষয়গুলোতে মানুষের বিরোধিতা করেছেন তা নিয়ে আমরা পর্যালোচনা করেছি, দেখা গেছে তা ষাটের কিছু বেশি বিষয় বা শব্দ।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৫ - ১১৬
৯৯৫ - মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফি'ঈইবনুল জাওযী বলেন: মুহাম্মদ বিন আবি তাহের আল-বাযযা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সা'দ ইসমাঈল বিন আলী বিন আল-হাসান বিন বুন্দার আল-ইস্তরবাদি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আর-রাবী' আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আশ-শাফি'ঈ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: এক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি -আর তিনি হলেন আহমাদ বিন হাম্বল- আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি মালেক বিন আনাস থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন কুসাইত থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন যে: উমর এবং উসমান 'মিলতাহ' (মাথার জখম যা হাড় পর্যন্ত পৌঁছায় কিন্তু হাড় উন্মুক্ত হয় না) এর ক্ষেত্রে 'মুদিহাহ' (যে জখমে হাড় দৃশ্যমান হয়) এর অর্ধেক দিয়ত বা রক্তপণ প্রদানের ফয়সালা করেছেন।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৬
ইবনুল জাওযী বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন খাইরুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফদল বিন শাযান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আর-রাবী' বিন
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৭)
سليمان، قال: أَنا الشافعي، قال: ثنا الثقة من أصحابنا، عن يحيى بن سعيد القطان، عن شعبة بن الحجاج، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، أَن عمر بن الخطاب قال: إِنما الغنيمة لمن شهد الوقعة. قال الخطيب: قال لي أَبو الفضل علي بن الحسين الفَلَكي الحافظ: الرجل الذي لم يسمه الشافعي هو أَحمد بن حنبل.
"المناقب" ص 116
996 - معروف الكرخيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا يحيى بن الحسن بن البنا، قال: أَنبأَنا أَبو يعلى محمد بن الحسين، عن أَبي الفرج محمد بن فارس الغُورِيّ، قال: ثنا أَحمد بن المنادي، قال: ثنا أَبو بكر عمر بن إبراهيم، قال: ثنا يحيى بن أَكثم القاضي، قال: سمعت معروفًا -وذكر عنده أَحمد بن حنبل- قال: رأَيت أَحمد بن حنبل فتى عليه آثار النسك، فسمعته يقول كلامًا جمع فيه الخير سمعته يقول: من علم أنه إذا مات نسي، أحسن ولم يسئ.
"المناقب" ص 117
997 - أسود بن عامر المعروف بـ (شاذان)قال ابن الجوزي: أَنبأَنا يحيى بن علي المُدِير، قال: أَنبأَنا أَبو بكر أَحمد بن علي الحافظ، قال: أَخبرني أَبو القاسم الأَزهري، قال: ثنا علي بن عمر الحافظ، قال: ثنا محمد بن مخلد، قال: ثنا أَبو بكر المَروذِي، قال: حدثني عبد الصمد بن يحيى، قال: سمعت شاذان
সুলায়মান বলেন: আমি শাফিঈ, তিনি বলেন: আমাদের সঙ্গীদের মধ্যে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ থেকে, তিনি কায়স ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি তারিক ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: "গণিমত কেবল তাদের জন্য যারা যুদ্ধে উপস্থিত ছিল।" আল-খাতীব বলেন: আবুল ফজল আলী ইবনুল হুসাইন আল-ফালাকি আল-হাফেজ আমাকে বলেছেন: শাফিঈ যে ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি তিনি হলেন আহমাদ ইবনে হাম্বল।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৬
৯৯৬ - মা’রুফ আল-কারখিইবনুল জাওজি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনুল হাসান ইবনুল বান্না, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন, তিনি আবুল ফরাজ মুহাম্মদ ইবনে ফারিস আল-গুরি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল মুনাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর উমর ইবনে ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক ইয়াহইয়া ইবনে আকসাম, তিনি বলেন: আমি মা’রুফকে বলতে শুনেছি—তার নিকট আহমাদ ইবনে হাম্বলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে এক যুবক হিসেবে দেখেছি যার ওপর ইবাদতের চিহ্ন বিদ্যমান ছিল; আমি তাকে এমন কথা বলতে শুনেছি যাতে সমস্ত কল্যাণ নিহিত ছিল। আমি তাকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি জানে যে সে মারা গেলে তাকে ভুলে যাওয়া হবে, সে ভালো কাজ করে এবং মন্দ কাজ করে না।"
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৭
৯৯৭ - আসওয়াদ ইবনে আমির, যিনি (শাজান) নামে পরিচিতইবনুল জাওজি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী আল-মুদির, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী আল-হাফেজ, তিনি বলেন: আমাকে অবহিত করেছেন আবুল কাসিম আল-আজহারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে উমর আল-হাফেজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-মাররুজি, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমি শাজানকে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৮)
يقول: أَرسلت إلى أَبي عبد اللَّه -يعني: أَحمد بن حنبل- أَستأذنه أَن أُحَدِّث بحديث حماد عن قَتَادَة، عن عِكْرِمة، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم "رأيت ربي عز وجل" (1) فقال: قل له قد حَدَّثَ به العلماء، حَدِّثْ به.
"المناقب" ص 117
998 - الحسن بن موسى الأشيبقال ابن الجوزي: أَنبأَنا أَحمد بن عبد الملك بن خيرون، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي الحافظ، قال: أَخبرني عبيد اللَّه بن أَبي الفتح الفارسي، قال: ثنا علي بن عمر الحافظ، قال: ثنا القاضي بن الحسين بن إسماعيل، قال: ثنا الفضل بن سهل الأَعرج، قال: ثنا الحسن الأشيب، قال: ثنا شيبان، عن ليث، عن عطاء، عن عائشة قالت: أَفْطَرَ الحاجمُ والمَحْجُومُ (2).
--------------------------------------------
তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ—অর্থাৎ আহমাদ ইবনে হাম্বল—এর নিকট এই অনুমতি চেয়ে পাঠালাম যে, আমি কি হাম্মাদ-এর সূত্রে কাতাদা, তিনি ইকরিমা, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি বর্ণনা করতে পারি: "আমি আমার মহান রবকে দেখেছি"? তিনি বললেন: তাকে বলো যে, ওলামাগণ এটি বর্ণনা করেছেন, তুমিও এটি বর্ণনা করো।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৭
৯৯৮ - আল-হাসান ইবনে মুসা আল-আশইয়াবইবনুল জাওজি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে খাইরুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আলী আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আবুল ফাতহ আল-ফারিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে উমর আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাদি ইবনুল হুসাইন ইবনে ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবনে সাহল আল-আ’রাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান আল-আশইয়াব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান, তিনি লাইস থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সিঙা দানকারী এবং যার সিঙা লাগানো হয়েছে উভয়ের রোজা ভেঙে গেছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪২৯)
قال الحسن الأشيب: وحدثني أَحمد بن حنبل، عن هاشم أَبي النضر، عن شيبان، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا.
"المناقب" ص 117 - 118
999 - داود بن عمرو الضبيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا يحيى بن علي المُدِير، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي الحافظ، قال: أَنا أَبو الفتح عبد الملك بن عمر بن خلف البزار، قال: أَنا علي بن عمر الحافظ، قال: ثنا محمد بن مخلد، قال: ثنا محمد بن علي بن معدان، قال: سمعت داود بن عمر، يقول: سمعت أَحمد بن حنبل يقول: سمعت سفيان بن عُيَيْنَة يقول: وأَنعما. قال: وأهلا. قلت: الإشارة إلى الحديث المعروف "وإن أبا بكر وعمر منهم وأَنْعمَا" (1).
"المناقب" ص 118
1000 - أَبو زكريا يحيى بن عبد الحميد الحِمَّانيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن عبد الملك قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي بن ثابت، قال: قرأت على محمد بن أَحمد بن يعقوب المعدل، عن محمد بن عبد اللَّه بن نعيم النيسابوري قال: ثنا أَبو سعيد أَحمد بن سليمان بن نوح قال: ثنا البُوشَنْجيّ محمد بن إبراهيم قال: ثنا الحِمَّاني قال: ثنا أَحمد بن حنبل قال: ثنا إسحاق الأَزرق، عن شَرِيكٍ، عن
--------------------------------------------
হাসান আল-আশইয়াব বলেন: আহমদ বিন হাম্বল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাশেম আবু আন-নজর থেকে, তিনি শায়বান থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই সূত্রে।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৭ - ১১৮
৯৯৯ - দাউদ বিন আমর আদ-দাব্বিইবনুল জাওজি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আলী আল-মুদির, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আব্দুল মালিক বিন উমর বিন খালাফ আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন উমর আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মা'দান, তিনি বলেন: আমি দাউদ বিন উমরকে বলতে শুনেছি: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: আমি সুফিয়ান বিন উয়াইনাকে বলতে শুনেছি: এবং তারা কতই না উত্তম। তিনি বললেন: এবং স্বাগতম। আমি বলছি: এটি সেই প্রসিদ্ধ হাদীসের দিকে ইঙ্গিত যেখানে বলা হয়েছে "আর নিশ্চয়ই আবু বকর ও উমর তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং তারা কতই না উত্তম" (১)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৮
১০০০ - আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ আল-হিম্মানিইবনুল জাওজি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী বিন সাবিত, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইয়াকুব আল-মুয়াদদাল-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নাঈম আন-নিশাপুরি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আহমদ বিন সুলায়মান বিন নূহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-বুশাঞ্জি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হিম্মানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক আল-আযরাক, তিনি শারীক থেকে, তিনি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩০)
بَيَانِ، عن قَيْسِ بن أَبي حازِمٍ، عن المُغِيرَةِ بن شُعْبَةَ، قال: كنا نصلي مع رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم الظهر بالهاجرة، فقال لنا: "أَبردوا بالصلاة فإن شدة الحر من فَيْحِ جهنم" (1).
"المناقب" ص 118 - 119
1001 - خلف بن هشام البزارقال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن أَبي طاهر البزار، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي الحافظ، قال: أَنبأَنا أَبو الحسن محمد بن رزق، قال: حدثني أَبو بكر محمد بن إسحاق المقرئ، قال: حدثني أَبو العباس أَحمد بن محمد بن يزيد البراثي، قال: سمعت خلفًا البزار يقول: سأَلت أَحمد بن حنبل أيُّ الأسانيد أثبت؟
قال: أَيوب، عن نافع، عن ابن عمر، وإِن كان من حديث حماد بن زيد فيا لك! !
"المناقب" ص 119
--------------------------------------------
বায়ান থেকে, তিনি কায়স ইবনে আবি হাযিম থেকে, তিনি মুগীরা ইবনে শু'বা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে দ্বিপ্রহরের প্রচণ্ড উত্তাপে যোহরের সালাত আদায় করতাম। তখন তিনি আমাদের বললেন: "তোমরা সালাতকে শীতল করে (বিলম্ব করে) আদায় করো, কারণ উত্তাপের তীব্রতা জাহান্নামের নিশ্বাসের অংশ" (১)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৮ - ১১৯
১০০১ - খালাফ ইবনে হিশাম আল-বাযযারইবনুল জাওযী বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আবি তাহির আল-বাযযার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফিয আহমাদ ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে রিযক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মুক্বরি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযীদ আল-বুরানী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি খালাফ আল-বাযযারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন সনদটি সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য?
তিনি বললেন: আইয়ুব, নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে; আর যদি তা হাম্মাদ ইবনে যায়েদের হাদীস থেকে হয়, তবে তো কতই না চমৎকার!
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১১৯
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩১)
1002 - قتيبة بن سعيدقال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن أَبي منصور، قال: أَنا محمد بن علي بن ميمون، قال: أَنا محمد بن علي بن عبد الرحمن الحسني، قال: ثنا محمد بن علي بن عبد اللَّه الهمذاني، قال: ثنا محمد بن عمار العطار، قال: ثنا عبيد اللَّه بن أَحمد المروزي، قال: ثنا عبدان بن محمد، قال: ثنا قتيبة، قال: ثنا أَحمد بن حنبل، قال: ثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن عبيد اللَّه بن طلحة، عن الحسن، عن عثمان بن أَبي العاصي: أَنه دُعِيَ إلى خِتان فأَبَى. وقال: كنا على عهد رسول اللَّه لا نأتي الخِتَانَ ولا نُدْعَى إِليه (1).
"المناقب" ص 119
1003 - علي بن المدينيقال ابن الجوزي: أَخبرنا يحيى بن ثابت بن بُنْدار، قال: أَنا أَبي، قال: أَنا أَبو بكر البَرْقاني، قال: أَنا أَحمد بن إبراهيم الإسماعيلي، قال: ثنا ابن عبد الكريم الوراق، قال: ثنا الحسن بن علي الأزدي، قال: ثنا علي بن المديني، قال: حدثني أَحمد بن حنبل، قال: ثنا علي بن عياش الحمصي، قال: ثنا شعيب بن أَبي حمزة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم "من قال حين يسمع
--------------------------------------------
১০০২ - কুতাইবা বিন সাঈদইবনুল জাওযী বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবী মানসুর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মাইমুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আব্দুর রহমান আল-হাসানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-হামাযানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আম্মার আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন আহমাদ আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সালামাহ, মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন তালহা থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি উসমান বিন আবিল আস থেকে বর্ণনা করেন: তাকে একটি খতনা অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া হয়েছিল কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এবং তিনি বললেন: আমরা রাসূলুল্লাহর যুগে খতনার অনুষ্ঠানে যেতাম না এবং আমাদের সেখানে দাওয়াতও দেয়া হতো না (১)।
"আল-মানাকি্ব" পৃষ্ঠা ১১৯
১০০৩ - আলী বিন আল-মাদীনীইবনুল জাওযী বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাবিত বিন বুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-বারকানী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন ইবরাহীম আল-ইসমাঈলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্দুল কারীম আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আলী আল-আযদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-মাদীনী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আইয়াশ আল-হিমসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুআইব বিন আবী হামযাহ, মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি শোনার সময় বলবে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩২)
النداء: اللهم ربَّ هذِه الدعوِة التامة والصلاة القائمة، آتِ محمدًا الوسيلةَ والفضيلةَ، وابعثه مقامًا محمودًا الذي وعدتَه، حَلَّتْ له الشفاعة" (1).
"المناقب" ص 120
قال ابن الجوزي: أَخبرنا عبد الملك بن أَبي القاسم، قال: أَنا عبد اللَّه ابن محمد الأَنصاري، قال: ثنا محمد بن أَحمد الجارودي، قال: سمعت محمد بن مالك السعدي، قال: سمعت صَعْصَعَة بن الحسين الرقي، قال: سمعت أبا شعيب الحراني، يقول: سمعت علي بن المديني، يقول: قال لي سيدي أَحمد بن حنبل: لا تحدث إلَّا من كتاب.
"المناقب" ص 120
صَعْصعَة بن الحسين الرقي قال: سمعت أبا شعيب الحراني يقول: سمعت علي بن المديني يقول: قال لي سيدي أَحمد بن حنبل: لا تحدث إلَّا من كتاب.
"المناقب" ص 120
قال ابن الجوزي: أَخبرنا عبد الملك بن أَبي القاسم، قال: أَنا عبد اللَّه بن محمد الأَنصاري، قال: أَنا أَبو يعقوب، قال: أَنا أبو بكر بن أَبي الفضل، قال: أَنا أَبو إسحاق البزاز، قال: ثنا عثمان بن سعيد الدَّارِمي، قال: سمعت علي بن المديني يقول: صح في "أَفطر الحاجم والمحجوم" حديث شداد وثوبان (2). وأَقول: أَفطر الحاجم والمحجوم.
--------------------------------------------
আহ্বান: "হে আল্লাহ, এই পূর্ণাঙ্গ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের রব, মুহাম্মদকে ওয়াসিলা ও ফযীলত দান করুন এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দিন যার ওয়াদা আপনি তাঁকে করেছেন, (তবেই) তাঁর জন্য সুপারিশ অবধারিত হবে" (১)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২০
ইবনুল জাওযী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক বিন আবিল কাসিম, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-জারুদী, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন মালিক আস-সাদী থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সা'সা'আ বিন আল-হুসাইন আর-রাক্কী থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু শুআইব আল-হাররানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আলী বিন আল-মাদীনীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমার সাইয়্যেদ আহমদ বিন হাম্বল আমাকে বলেছেন: কিতাব ছাড়া হাদিস বর্ণনা করো না।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২০
সা'সা'আ বিন আল-হুসাইন আর-রাক্কী বলেন: আমি আবু শুআইব আল-হাররানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আলী বিন আল-মাদীনীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমার সাইয়্যেদ আহমদ বিন হাম্বল আমাকে বলেছেন: কিতাব ছাড়া হাদিস বর্ণনা করো না।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২০
ইবনুল জাওযী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক বিন আবিল কাসিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবিল ফজল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান বিন সাঈদ আদ-দারিমী, তিনি বলেন: আমি আলী বিন আল-মাদীনীকে বলতে শুনেছি: "শিঙা প্রয়োগকারী এবং যার ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে উভয়ের রোজা ভেঙে যাবে" মর্মে শাদ্দাদ ও সাওবানের বর্ণিত হাদিসটি সহীহ (২)। আর আমি বলছি: শিঙা প্রয়োগকারী ও যার ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে উভয়ের রোজা ভেঙে যাবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৩)
قيل: فما عليه؟ قال: يقول أَبو عبد اللَّه -يعني: أَحمد بن حنبل: عليه قضاء يوم.
قال عثمان: وسمعت أَحمد يقول: عليه قضاء يوم قد صح عندنا فيه حديث ثوبان وشداد.
"المناقب" ص 120 - 121
1004 - الحارث بن سريج النقالقال ابن الجوزي: أَنبأَنا ابن خيرون، قال: أَنبأَنا أَبو بكر أَحمد بن علي ابن ثابت، قال: أَنبأَنا أَبو طاهر محمد بن الحسين بن سعدون المَوْصِلي، قال: أَنا علي بن عمر الحوضي، قال: ثنا أَحمد بن الحسين بن عبد الجبار الصوفي، قال: ثنا الحارث بن سُرَيْج، قال: ثنا أَحمد بن محمد بن حنبل، قال: أخبرني صاحب لي -قد سماه- قال: كنت عند ابن المبارك وهو بالرقة مريض فدخل عليه أَبو المليح يَعُوده. فقال له: يا أبا عبد الرحمن، إني دخلت أَنا وصالح بن مسمار على مريض نعوده، فسمعت صالحًا يقول: يا هذا، إن ربك يستعتبك فأعتبه.
"المناقب" ص 121
--------------------------------------------
জিজ্ঞাস করা হলো: তবে তার ওপর কী (আবশ্যক)? তিনি বললেন: আবু আব্দুল্লাহ—অর্থাৎ আহমাদ ইবনে হাম্বল—বলেন: তার ওপর একদিনের কাজা রয়েছে।
উসমান বলেন: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি: তার ওপর একদিনের কাজা রয়েছে, আমাদের কাছে এ বিষয়ে সাওবান ও শাদ্দাদের হাদিসটি সহিহ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২০ - ১২১
১০০৪ - আল-হারিস ইবনে সুরাইজ আল-নাক্কালইবনুল জাওজি বলেন: ইবনে খাইরুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমাদ ইবনে আলি ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে সাদুন আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলি ইবনে উমর আল-হাওজি আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুফি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হারিস ইবনে সুরাইজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার এক সাথী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তিনি তার নাম উল্লেখ করেছিলেন—তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারকের কাছে ছিলাম যখন তিনি রাক্কাহ-তে অসুস্থ ছিলেন, তখন আবুল মালিহ তাঁকে দেখতে আসলেন। তিনি তাঁকে বললেন: হে আবু আব্দুর রহমান, আমি এবং সালেহ ইবনে মিসমার এক অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়েছিলাম, তখন আমি সালেহকে বলতে শুনলাম: হে ব্যক্তি, নিশ্চয়ই তোমার রব তোমার নিকট অনুতাপ প্রত্যাশা করছেন, অতএব তুমি অনুতপ্ত হও (তাঁর সন্তুষ্টির দিকে ফিরে এসো)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২১
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৪)
1005 - أَبو جعفر محمد بن الحسين البرجلانيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا يحيى بن علي المُدِير، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي بن ثابت، قال: أَنا أَبو الحسين بن بِشْران، قال: أَنا أَبو علي الحسين بن صفوان، قال: ثنا أَبو بكر بن أَبي الدنيا، قال: ثنا محمد بن الحسين، قال: ثنا أَحمد بن حنبل، قال: ثنا إبراهيم بن خالد، قال: ثنا رباح بن زيد. أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لجبريل: "لم تأتني إلَّا وأَنت صارٌّ بين عينيك"؟ قال: إِني لم أضحك منذ خُلِقَت النار (1).
"المناقب" ص 121
1006 - محمد بن يحيى بن أَبي سمينةقال ابن الجوزي: أَنبأَنا أَبو بكر بن أَبي طاهر البزاز، قال: أَنبأَنا أَبو محمد الحسن بن علي الجوهري، قال: أَنا أَبو حفص عمر بن محمد بن علي الناقد، قال: ثنا محمد بن علي الحفار، قال: ثنا محمد بن يحيى بن أَبي سمينة، قال: ثنا أَحمد بن حنبل، قال: ثنا الوليد عن زيد بن واقد، عن نافع أن عمر كان إذا رأى من لا يرفع يديه في الصلاة حصبه.
"المناقب" ص 122
--------------------------------------------
১০০৫ - আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-বারজালানিইবনুল জাওযী বলেন: ইয়াহইয়া বিন আলী আল-মুদীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন বিন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন আবিদ দুনইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাবাহ বিন যায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরাঈলকে বললেন: "তুমি যখনই আমার কাছে আসো তখনই তোমাকে দুই চোখের মাঝে বিমর্ষ বা গম্ভীর দেখা যায় কেন?" তিনি বললেন: "জাহান্নাম সৃষ্টির পর থেকে আমি কখনো হাসিনি" (১)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২১
১০০৬ - মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি সামিনাইবনুল জাওযী বলেন: আবু বকর বিন আবি তাহের আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন আলী আন-নাকিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আলী আল-হাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি সামিনা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন ওয়াকিদ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রা.) যখন কাউকে সালাতে হাত তুলতে (রফউল ইয়াদাইন করতে) দেখতেন না, তখন তাকে কঙ্কর ছুড়ে মারতেন।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২২
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৫)
1007 - عبد اللَّه بن عمرو بن محمد بن أبان القرشي الكوفيقال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن عبد الملك قال: أَنبأَنا أَبو بكر بن ثابت قال: أَنا أَبو الحسن محمد بن عمر بن عيسى البلدي قال: ثنا الحسن بن سعيد بن الفضل الأَدَميّ قال: ثنا أَحمد بن يحيى بن المهنأ قال: ثنا عبد اللَّه بن عمر بن أَبان قال: ثنا أَحمد بن حنبل قال: ثنا عامر بن صالح بن عبد اللَّه بن عروة بن الزبير قال: ثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: أَنه أمر ببناء المساجد في الدور وأَمر بها أن تنظف وتُطَيَّب (1).
"المناقب" ص 122
1008 - محمد بن المصفىقال ابن الجوزي: أَخبرنا عبد اللَّه بن علي المقرئ قال: أَنا عبد الملك بن أَحمد قال: أَنا عبد العزيز بن علي بن أَحمد، قال: أَنا ابن مَرْدَك قال: ثنا ابن أَبي حاتم قال: ثنا أَبي قال: ثنا محمد بن مُصَفَّى قال: ثنا أَحمد بن حنبل قال: ثنا روح بن عبادة، عن شعبة، عن سيار، عن الشعبي، عن أَبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "لا تناجشوا ولا تصروا الإبل والبقر" (2).
"المناقب" ص 122 - 123
--------------------------------------------
১০০৭ - আবদুল্লাহ বিন আমর বিন মুহাম্মদ বিন আবান আল-কুরাশি আল-কুফিইবনুল জাওযী বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন সাবিত আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন উমর বিন ঈসা আল-বালাদি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন সাঈদ বিন ফজল আল-আদামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-মুহান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমির বিন সালিহ বিন আবদুল্লাহ বিন উরওয়াহ বিন আল-যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি পাড়ায় বা বাড়িতে মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ও সুগন্ধিযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন (১)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২২
১০০৮ - মুহাম্মদ বিন আল-মুসাফফাইবনুল জাওযী বলেন: আবদুল্লাহ বিন আলী আল-মুকরি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক বিন আহমদ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ বিন আলী বিন আহমদ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে মারদাক আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন মুসাফফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রওহ বিন উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ থেকে, তিনি সাইয়্যার থেকে, তিনি শাবী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে: "তোমরা (ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে) দাম বাড়াবে না এবং উট ও গরুর ওলানে দুধ জমিয়ে রাখবে না" (২)।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২২ - ১২৩
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৬)
1009 - أَحمد بن أَبي الحواريقال ابن الجوزي: أَخبرنا محمد بن أَبي منصور، قال: أَنا عبد القادر بن محمد، قال: أَنا إبراهيم بن عمر، قال: أَنا ابن مَرْدَك، قال: ثنا محمد بن أَبي حاتم، قال: ثنا أَبي، قال: ثنا ابن أبي الحواري، قال: أَشهد على أَحمد بن حنبل أَنه قال: الثبت عندنا بالعراق وكيع ويحيى بن سعيد.
"المناقب" ص 123
قال ابن الجوزي: أَنبأَنا ابن خيرون، قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي الحافظ، قال: كتب إلى عبد الرحمن بن عثمان الدمشقي. وحدثنا عبد العزيز بن أَبي طاهر عنه قال: أَنا أَبو الميمون البجلي، قال: ثنا أَبو زُرْعَة، قال: حدثني أَحمد بن أَبي الحواري، قال: قال لي أَحمد بن حنبل: متى مولدك؟ قلت: سنة أَربع وستين. قال: وهي مولدي.
"المناقب" ص 123
1010 - عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، المعروف بـ (دحيم)قال ابن الجوزي: أَنبأَنا محمد بن عبد الملك قال: أَنبأَنا أَحمد بن علي بن ثابت قال: كتب إليّ أَبو محمد عبد الرحمن بن عثمان بن القاسم الدمشقي. وحدثني عنه عبد العزيز بن أَبي طاهر الصوفي قال: أَنا أَبو الميمون عبد الرحمن بن عبد اللَّه بن عمر بن راشد البجلي، قال: ثنا أَبو زُرْعَة عبد الرحمن بن عمرو النَّصْرى قال: حدثني عبد الرحمن بن إبراهيم، عن أَحمد بن حنبل قال: لما مات الحسن جلس قتادة بعده،
১০০৯ - আহমাদ বিন আবিল হাওয়ারীইবনুল জাওযী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আবি মানসুর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন উমর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু মারদাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবি হাতিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনুল হাওয়ারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বল সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইরাকে নির্ভরযোগ্য হলেন ওয়াকী এবং ইয়াহইয়া বিন সাঈদ।
"আল-মানাকি্ব" পৃষ্ঠা ১২৩
ইবনুল জাওযী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু খাইরুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আহমাদ বিন আলী, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন উসমান আদ-দিমাশকী আমার নিকট লিখেছেন। এবং আব্দুল আযীয বিন আবি তাহির তাঁর সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল মাইমুন আল-বাজালী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু যুরআ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আবিল হাওয়ারী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল আমাকে বললেন: তোমার জন্ম কত সালে? আমি বললাম: চৌষট্টি (১৬৪) সালে। তিনি বললেন: এটিই আমার জন্মসাল।
"আল-মানাকি্ব" পৃষ্ঠা ১২৩
১০১০ - আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম আদ-দিমাশকী, (দুহাইম) নামে পরিচিতইবনুল জাওযী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন উসমান বিন আল-কাসিম আদ-দিমাশকী আমার নিকট লিখেছেন। এবং আব্দুল আযীয বিন আবি তাহির আস-সুফী তাঁর সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল মাইমুন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন রাশিদ আল-বাজালী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু যুরআ আব্দুর রহমান বিন আমর আন-নাসরী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম আমার নিকট আহমাদ বিন হাম্বল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন হাসান ইন্তেকাল করলেন, তখন কাতাদা তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে বসলেন,
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৭)
فأَقام ثمان سنين فمات سنة ثمان عشرة ومائة، ثم جلس بعده مَطَر، ثم جلس بعده سعيد بن أَبي عَرُوبَة، قلت لعبد الرحمن: أَحمد حكاه لك؟ قال: نعم.
"المناقب" ص 123 - 124
قال ابن الجوزي: وقد روى يحيى بن مَعِين أيضا عن أَحمد بن حنبل. وروى عنه أَبو بكر بن أَبي الدنيا. وروى البخاري عن رجل عنه. وقد أَخبرنا ابن أَبي منصور قال: أَنا عبد القادر بن محمد قال: ثنا إبراهيم بن عمر قال: ثنا ابن مَرْدَك قال: أَنا أَبو محمد بن أَبي حاتم قال: سمعت أَبي يقول: رأَيت في كتب إبراهيم بن موسى إلى أَحمد بن حنبل يسأَله عن مسأَلة.
"المناقب" ص 124
তিনি সেখানে আট বছর অবস্থান করেন এবং ১১৮ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন। এরপর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন মাতার, এরপর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন সাঈদ ইবন আবি আরুবাহ। আমি আবদুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করলাম: আহমদ কি এটি আপনার কাছে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২৩ - ১২৪
ইবনুল জাওজি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন মাঈনও আহমদ ইবন হাম্বল থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আবু বকর ইবন আবিদ দুনিয়া তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং বুখারি তাঁর উদ্ধৃতিতে এক ব্যক্তির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। এবং ইবন আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল কাদির ইবন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন মারদাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবন আবি হাতিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি ইবরাহিম ইবন মুসার পক্ষ থেকে আহমদ ইবন হাম্বলের নিকট পাঠানো চিঠিপত্রে দেখেছি যে, তিনি তাঁকে একটি মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন।
"আল-মানাকিব" পৃষ্ঠা ১২৪
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৮)
باب ما جاء في الجرح والتعديل
1011 - جواز الجرحقال أبو داود: سمعت أحمد، وعثمان بن أبي شيبة، والحسن بن علي، وهذا لفظه، كلهم يذكره عن عفان، عن يحيى بن سعيد قال: سألت سفيان الثوري، وسفيان بن عيينة، ومالك بن أنس، وشعبة بن الحجاج، عن الرجل يغلط في الحديث أو يكذب فيه؟ قالوا: بيِّن أمره، بيِّن أمره.
"سؤالات أبي داود" (134)
قال صالح: حدثنا أبي، قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: سألت شعبة وسفيان بن سعيد وسفيان بن عيينة ومالك بن أنس عن الرجل الذي لا يحفظ، أو يتهم في الحديث قالوا جميعًا: بيَّن أمره.
"العلل" رواية المروذي وغيره (311)
وقال عبد اللَّه: حدثني أبي، قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: سألت شعبة وسفيان بن سعيد وسفيان بن عيينة ومالك بن أنس عن الرجل لا يحفظ أو يتهم في الحديث، فقالوا لي جميعا: بيَّن أمره.
"العلل" رواية عبد اللَّه (4684)
قال أحمد بن مروان المالكي: ثنا عبد اللَّه بن أحمد بن حنبل، قال: جاء أبو تراب النخشبي إلى أبي، فجعل أبي يقول: فلان ضعيف وفلان ئقة، قال أبو تراب: يا شيخ لا تغتب العلماء.
قال: فالتفت أبي إليه قال: ويحك! هذا نصيحة، ليس هذا غيبة.
পরিচ্ছেদ: যারহ ও তা'দীল (সমালোচনা ও সংশোধন) সংক্রান্ত আলোচনা১০১১ - যারহ (সমালোচনা) করার বৈধতাআবু দাউদ বলেন: আমি আহমাদ, উসমান ইবনে আবু শায়বাহ এবং হাসান ইবনে আলীকে বলতে শুনেছি—এবং এটি তারই শব্দমালা—তাঁরা সকলেই এটি আফফান থেকে উল্লেখ করেছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফইয়ান আস-সাওরী, সুফইয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, মালিক ইবনে আনাস এবং শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে হাদীস বর্ণনায় ভুল করে অথবা তাতে মিথ্যা বলে? তাঁরা বললেন: তার বিষয়টি স্পষ্ট করে দাও, তার বিষয়টি স্পষ্ট করে দাও।
"সুয়ালাত আবি দাউদ" (১৩৪)
সালিহ বলেন: আমার পিতা (ইমাম আহমাদ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শু'বাহ, সুফইয়ান ইবনে সাঈদ, সুফইয়ান ইবনে উইয়াইনাহ এবং মালিক ইবনে আনাসকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে (হাদীস) মুখস্থ রাখতে পারে না অথবা হাদীসের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত; তাঁরা সকলেই বললেন: তার বিষয়টি স্পষ্ট করে দাও।
"আল-ইলাল" আল-মারওয়াযী ও অন্যদের বর্ণনা (৩১১)
এবং আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শু'বাহ, সুফইয়ান ইবনে সাঈদ, সুফইয়ান ইবনে উইয়াইনাহ এবং মালিক ইবনে আনাসকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে মুখস্থ রাখতে পারে না অথবা হাদীসের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত; তাঁরা সকলেই আমাকে বললেন: তার বিষয়টি স্পষ্ট করে দাও।
"আল-ইলাল" আবদুল্লাহর বর্ণনা (৪৬৮৪)
আহমাদ ইবনে মারওয়ান আল-মালিকী বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু তুরাব আন-নাখশাবী আমার পিতার নিকট আসলেন, তখন আমার পিতা বলতে লাগলেন: অমুক ব্যক্তি দুর্বল এবং অমুক ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য। আবু তুরাব বললেন: হে শায়খ! আলেমদের গীবত (পরনিন্দা) করবেন না।
তিনি বলেন: তখন আমার পিতা তার দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: আফসোস তোমার জন্য! এটি তো নসীহত (উপদেশ), এটি গীবত নয়।
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৩৯)
وقال محمد بن بندار السباك الجرجاني: قلت لأحمد بن حنبل: إنه ليشتد عليّ أن أقول: فلان ضعيف فلان كذاب.
قال أحمد: إذا سكتَّ أنت وسكتُّ أنا فمتى يعرف الجاهل الصحيح من السقيم؟ !
وقال إسماعيل الخطبي: ثنا عبد اللَّه بن أحمد، قلت لأبي: ما يقول في أصحاب الحديث يأتون الشيخ لعله أن يكون مرجئًا أو شيعيًا أو فيه شيء من خلاف السنة، أيسعني أن اسكت عنه أم أحذر عنه؟
فقال أبي: إن كان يدعو إلى بدعة وهو إمام فيها ويدعو إليها، قال: نعم تحذر عنه.
"شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 46
قال الحسن بن علي بن الحسن الإسكافي: سألت أبا عبد اللَّه عن معنى الغيبة؟
قال: إذا لم ترد عيب الرجل.
قلت: فالرجل يقول: فلان لا يسمع، وفلان يخطئ، قال: لو ترك الناس هذا لم يعرف الصحيح من غيره.
"المسودة" 1/ 556، "شرح علل الترمذي" لابن رجب 1/ 47
1012 - ما جاء في أن الصحابة كلهم عدولقال الأثرم: قلت لأبي عبد اللَّه أحمد بن حنبل: إذا قال رجل من التابعين: حدثني رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، ولم يسمه فالحديث صحيح؟ قال: نعم.
"التمهيد" لابن عبد البر 16/ 477
মুহাম্মদ বিন বুন্দার আস-সাব্বাক আল-জুরজানি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বললাম: আমার জন্য এটা বলা অত্যন্ত কঠিন মনে হয় যে, অমুক দুর্বল অথবা অমুক মিথ্যুক।
আহমাদ বললেন: যদি আপনি চুপ থাকেন আর আমিও চুপ থাকি, তবে অজ্ঞ ব্যক্তি কখন সহিহ ও সাকিম-এর (বিশুদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ) মধ্যে পার্থক্য বুঝবে?!
ইসমাইল আল-খাতাবি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বললাম: হাদিসের অন্বেষণকারীরা এমন শাইখের নিকট গমন করেন যিনি সম্ভবত মুরজিআ অথবা শিয়া অথবা তাঁর মধ্যে সুন্নাহর পরিপন্থী কিছু রয়েছে; এমতাবস্থায় আমি কি তাঁর সম্পর্কে চুপ থাকব নাকি তাঁর থেকে সতর্ক করব?
আমার পিতা বললেন: যদি তিনি বিদআতের দিকে আহ্বান করেন এবং তিনি সেই বিদআতের ক্ষেত্রে ইমাম হন ও সেদিকে ডাকেন, তবে হ্যাঁ, আপনি তাঁর থেকে সতর্ক করবেন।
ইবনে রজব প্রণীত "শারহু ইলালিত তিরমিজি" ১/৪৬
হাসান বিন আলি বিন হাসান আল-ইস্কাফি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে গিবতের (পরনিন্দা) অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম?
তিনি বললেন: যখন আপনি লোকটির দোষ বর্ণনা করার ইচ্ছা করেন না (বরং সত্য প্রকাশ উদ্দেশ্য হয়)।
আমি বললাম: তবে কোনো লোক যদি বলে: অমুক (হাদিস) শোনে না, এবং অমুক ভুল করে; তিনি বললেন: মানুষ যদি এটা ছেড়ে দিত, তবে কোনটি বিশুদ্ধ আর কোনটি নয় তা চেনা যেত না।
"আল-মুসাউওয়াদা" ১/৫৫৬, ইবনে রজব প্রণীত "শারহু ইলালিত তিরমিজি" ১/৪৭
১০১২ - সকল সাহাবী ন্যায়পরায়ণ হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছেআল-আছরাম বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বলকে বললাম: যদি কোনো তাবেয়ি বলেন, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একজন সাহাবী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন" এবং তাঁর নাম উল্লেখ না করেন, তবে কি সেই হাদিসটি সহিহ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
ইবনে আব্দুল বার প্রণীত "আত-তামহিদ" ১৬/৪৭৭
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৪০)
1013 - حد الصحبةقال إسحاق بن منصور: قُلْتُ لأحمد: هل للصحبةِ حدُّ تحدده؟
قَالَ: لا، ومَن صحبَ النبي صلى الله عليه وسلم ولو ساعة، فهو مِن أصحابِ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم.
قال إسحاق: كمَا قَالَ.
"مسائل الكوسج" (3282).
قال في رواية عبدوس بن مالك العطار: أفضل الناس بعد أهل بدر القرن الذي بعث فيهم، كل من صحبه سنة أو شهرًا أو يومًا أو ساعة أو رآه، فهو من أصحابه، له من الصحبة على قدر ما صحبه.
"العدة" 3/ 987، "المسودة" 1/ 575 - 576.
১০১৩ - সাহচর্যের সীমাইসহাক ইবনে মানসুর বলেন: আমি আহমদকে বললাম: সাহচর্যের কি কোনো নির্দিষ্ট সীমা আছে যা আপনি নির্ধারণ করেন?
তিনি বললেন: না, এবং যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছেন—এমনকি তা এক মুহূর্তের জন্যও হয়—তিনিই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত।
ইসহাক বলেন: তিনি যেমনটি বলেছেন (তদ্রূপই)।
"মাসায়েলুল কাউসাজ" (৩২৮২)।
আবদুস ইবনে মালিক আল-আত্তারের বর্ণনায় তিনি বলেন: বদরবাসীদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হলো সেই প্রজন্ম যাদের মাঝে তিনি প্রেরিত হয়েছেন; যে ব্যক্তি তাঁর সাহচর্য লাভ করেছেন এক বছর বা এক মাস বা এক দিন বা এক মুহূর্ত অথবা তাঁকে দেখেছেন, তিনি তাঁর সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি যতটুকু সাহচর্য লাভ করেছেন সেই পরিমাণ অনুযায়ী তাঁর জন্য সাহচর্যের মর্যাদা সাব্যস্ত হবে।
"আল-উদ্দাহ" ৩/ ৯৮৭, "আল-মুসাউওয়াদাহ" ১/ ৫৭৫ - ৫৭৬।
(খণ্ড: ১৫)
আল-জামে লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উলুমুল হাদীস
(পৃষ্ঠা: ৪৪১)
فصل: ما جاء في شروط الجرح والتعديل
1014 - لا يقبل الجرح إلَّا مفسرًاسأل المروذي يحيى بن معين عن الصائم يحتجم، فقال: لا شيء عليه، ليس يثبت فيها خبر. فقال أبو عبد اللَّه: هذا كلام مجازفة.
وقال مهنا لأحمد: حديث خديجة: كان أبوها ما يرغب أن يزوجه (1)، فقال أحمد رحمه الله: الحديث معروف سمعته من غير واحد.
قلت: إن الناس ينكرون هذا. قال: ليس هو منكر.
ونقل عنه المروذي: قرئ على أبي عبد اللَّه رحمه الله: حديث عائشة كانت تلبى: لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك (2).
--------------------------------------------
পরিচ্ছেদ: জারহ ও তা'দীল (সমালোচনা ও গুণকীর্তন)-এর শর্তাবলি প্রসঙ্গে১০১৪ - কারণ দর্শানো ছাড়া জারহ (সমালোচনা) গ্রহণযোগ্য নয়আল-মারওয়াযী ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে সেই রোযাদার ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যে শিঙা (হিজামা) লাগায়। তিনি (ইয়াহইয়া) বললেন: "তার কোনো সমস্যা নেই, এ বিষয়ে কোনো বর্ণনা সাব্যস্ত নেই।" আবু আবদুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) বললেন: "এটি একটি অতিরঞ্জিত কথা।"
মুহান্না ইমাম আহমাদকে বললেন: খাদিজাহ (রাযিআল্লাহু আনহা) সংক্রান্ত হাদীসটি হলো: "তাঁর পিতা তাঁকে (রাসূলুল্লাহর সাথে) বিবাহ দিতে আগ্রহী ছিলেন না" (১)। আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বললেন: "হাদীসটি পরিচিত, আমি একাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে এটি শুনেছি।"
আমি বললাম: "মানুষ তো এটি অস্বীকার করে।" তিনি বললেন: "এটি মুনকার (অস্বীকারযোগ্য) নয়।"
আল-মারওয়াযী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আবদুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট আয়েশা (রাযিআল্লাহু আনহা)-এর হাদীসটি পাঠ করা হলো যে, তিনি তালবিয়াহ পাঠ করতেন: "আমি আপনার দরবারে হাজির, হে আল্লাহ, আমি হাজির। আমি হাজির, আপনার কোনো শরীক নেই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা ও নেয়ামত আপনারই" (২)।
--------------------------------------------