(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
الدرة البهية نظم الآجرومية   (العمريطي)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: الدرة البهية نظم الآجرومية

المؤلف: يحيى بن نور الدين أبي الخير بن موسى العمريطي الشافعي الأنصاري الأزهري، شرف الدين (ت بعد 989هـ)

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 33

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমু আল-আজরুমিয়্যাহ   (আল-ইমরিতী)

বিভাগ: নাহু ও সরফ (ব্যকরণ ও রূপতত্ত্ব)


কিতাব: আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমু আল-আজরুমিয়্যাহ

লেখক: ইয়াহইয়া ইবনে নূরুদ্দীন আবিল খাইর ইবনে মুসা আল-ইমরিতী আশ-শাফেয়ি আল-আনসারী আল-আযহারী, শরাফউদ্দীন (মৃত্যু ৯৮৯ হিজরির পর)

[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত করা হয়েছে, যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে হুবহু সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৩

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

**********‌‌نظم الأجرّومية للإمام العمريطي************

 

الحمد لله الّذِي قَدْ وَفَّقَا … لِلْعِلْمِ خَيْرَ خَلْقِهِ وَلِلْتُّقَى

حَتَّى نَحَتْ قُلُوبُهُمْ لِنَحْوِهِ … فَمِنْ عَظيمِ شَأْنِهِ لَمْ تَحْوِهِ

فَأُشْرِبَتْ مَعْنَى ضَمِيرِ الشَّانِ … فَأَعْرَبَتْ فِي ألحَانِ بِالأَلْحانِ

ثُمَّ الصَّلَاةُ مَعَ سَلَامٍ لَائِقِ … عَلَى النَّبِيِّ أَفْصَحِ الْخَلَائِقِ

مُحَمَّدٍ وَالآلِ وَالأَصْحابِ … مَنْ أَتْقَنُوا الْقُرْءَانَ بِالإعْرَابِ

وَبَعْدُ فَاعْلَمْ أَنَّهُ لَمَّا اقْتَصَرْ … جُلُّ الْوَرَى عَلَى الْكَلَامِ المَخْتَصَرْ

وَكَانَ مَطْلُوباً أَشَدَّ الطَّّلَبِ … مِنَ الْوَرَى حِفْظُ اللِّسَانِ الْعَرَبي

كَيْ يَفْهَمُوا مَعَانِيَ الْقُرْءَانِ … وَالسُّنَّةِ الدَّقِيقَةِ المَعَانِي

وَالنَّحْوُ أَوْلَى أَوَّلاً أَنْ يُعْلَمَا … إذِ الْكَلَامُ دونَهُ لَنْ يُفْهَمَا

وَكَانَ خَيْرُ كُتْبِهِ الصَّغِيْرَهْ … كرَّاسَةً لَطِيفَةً شَهِيرَهْ

في عُرْبِهَا وَعُجْمِهَا والرُّومِ … أَلَّفَهَا الْحَبْرُ (ابْنُءَاجُرُّومِ)

وَانْتَفَعََتْ أَجِلَّةٌ بِعِلْمِهَا … مَعْ ما تَرَاهُ مِنْ لَطِيفِ حَجْمِهَا

نَظَمْتُهَا نَظْماً بَدِيعاً مُقْتَدِي … بِالأَصْلِ في تَقْريبهِ لِلمُبْتَدِى

وَقَدْ حَذَفْتُ مِنْهُ ما عَنْهُ غِنَى … وَزِدْتُهُ فَوَائِداً بِهَا الغِنَى

مُتَمِّماً لِغَالِبِ الأَبْوَابِ … فَجَاءَ مِثْلَ الشَّرْحِ لِلْكِتَابِ

سُئِلْتُ فِيهِ مِنْ صَدِيقٍ صَادِقِ … يَفْهَمُ قَوْلِي لاِعْتِقَادٍ واثِقِ

إذِ الْفَتَى حَسْبَ اعْتِقَادِهِ رُفِعْ … وَكُلُّ مَنْ لَمْ يَعْتَقِدْ لَمْ يَنْتَفِعْ

فَنَسْأَلُ المَنَّانَ أَنْ يُجِيرَنَا … مِنَ الرِّيَا مُضَاعِفاً أُجُورَنَا

وَأَنْ يَكُونَ نَافِعاً بِعِلْمِهِ … مَنِ اعْتَنَى بِحِفْظِهِ وَفَهْمِهِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

**********‌‌ইমাম আল-ইমরিতি রচিত নাজমুল আজুররুমিয়্যাহ ************

 

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তৌফিক দান করেছেন … তাঁর সৃষ্টির সেরা ব্যক্তিদের ইলম ও তাকওয়া অর্জনের জন্য।

এমনকি তাদের অন্তরসমূহ তাঁর (নাহুর) দিকে ধাবিত হয়েছে … কিন্তু এর মহত্ত্বের কারণে তারা তা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারেনি।

ফলে তাদের অন্তরসমূহ শান-এর সর্বনামের অর্থে সিক্ত হয়েছে … এবং তারা চমৎকার সুরে তা সুন্দরভাবে ব্যক্ত করেছে।

অতঃপর নবীজির ওপর যথাযথ রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক … যিনি সৃষ্টির মাঝে সর্বাধিক বাকপটু।

মুহাম্মদ (সা.), তাঁর পরিবার ও সহচরগণের ওপর … যাঁরা ই’রাবসহ কুরআনকে সুনিপুণভাবে আয়ত্ত করেছেন।

অতঃপর জেনে রাখুন যে, যখন অধিকাংশ মানুষ … কেবল সংক্ষিপ্ত আলোচনার ওপর সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ল।

তখন মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়াল … আরবি ভাষার সুরক্ষা করা।

যাতে তারা কুরআনের অর্থসমূহ … এবং সূক্ষ্ম অর্থবোধক সুন্নাহ (سنة)-র মর্ম উপলব্ধি করতে পারে।

আর সবার আগে নাহু (ব্যাকরণ) শেখাই অধিক সমীচীন … কারণ এটি ছাড়া কোনো কথাই বোঝা সম্ভব নয়।

আর এ বিষয়ে ছোট কিতাবগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিল … একটি চমৎকার ও প্রসিদ্ধ পুস্তিকা।

আরব, অনারব এবং রোমীয়দের মাঝে (প্রসিদ্ধ) … যা বিজ্ঞ আলিম ইবনে আজুররুম রচনা করেছেন।

বিদগ্ধ পণ্ডিতগণ এর জ্ঞান দ্বারা উপকৃত হয়েছেন … যদিও আপনি এর আকার অত্যন্ত ক্ষুদ্রই দেখতে পাচ্ছেন।

আমি একে এক অপূর্ব কাব্যে গেঁথেছি … যা নবাগতদের জন্য সহজ করার ক্ষেত্রে মূল কিতাবেরই অনুসারী।

আমি তা থেকে অপ্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ বাদ দিয়েছি … এবং তাতে এমন কিছু ফায়দা যোগ করেছি যা একে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে।

অধিকাংশ অধ্যায় পূর্ণ করার মাধ্যমে … এটি যেন কিতাবটির একটি ব্যাখ্যায় পরিণত হয়েছে।

আমার এক অকৃত্রিম বন্ধু এটি রচনার অনুরোধ করেছিলেন … যিনি দৃঢ় বিশ্বাসের কারণে আমার কথা বুঝতে পারেন।

কেননা একজন ব্যক্তির মর্যাদা তার বিশ্বাসের গভীরতা অনুযায়ী বৃদ্ধি পায় … আর যে বিশ্বাস রাখে না সে উপকৃত হতে পারে না।

সুতরাং আমরা মহান দাতার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের রিয়া থেকে রক্ষা করেন … এবং আমাদের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।

আর যারা এটি মুখস্থ ও অনুধাবনে যত্নবান হবে … আল্লাহ যেন তাদের জন্য এই জ্ঞানকে কল্যাণকর করেন।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২)
*****‌‌باب الكلام*****

 

كَلَامُهُمْ لَفْظُ مُفِيدٌ مُسْنَدُ … وَالْكِلْمَةُ اللَّفْظُ المُفِيدُ المُفْرَدُ

لاِسْمٍ وَفِعْلٍ ثُمَّ حَرْفٍ تَنْقَسِمْ … وَهَذِهِ ثَلَاثَةٌ هِيَ الْكَلِمْ

وَالْقَوْلُ لَفْظٌ قَدْ أفَادَ مُطْلَقاً … كَقُمْ وَقَدْ وَإِنَّ زَيْداً ارْتَقَى

فَالاِسْمُ بِالتَّنْوِينِ والْخَفْضِ عُرِفْ … وحَرْفِ خَفْضٍ وَبِلَامٍ وَأَلِفْ

وَالْفِعْلُ مَعْرُوفٌ بِقَدْ وَالسِّينِ … وَتَاءِ تَأْنِيثٍ مَعَ التَّسْكِينِ

وَتَا فَعَلْتَ مُطْلَقاً كَجِئْتَ لِي … وَالنُّونِ وَالْيَا فِي افْعَلَنَّ وافْعَلِي

وَالْحَرْفُ لَمْ يَصْلُحْ لَهُ عَلَامَهْ … إلَاّ انْتِفَا قَبُولِهِ الْعَلَامَهْ
কালাম (كلام) পরিচ্ছেদ*****

 

তাদের নিকট কালাম (كلام) হলো অর্থবোধক (مفيد) ও অন্বিত (مسند) শব্দ … আর কালিমাহ (كلمة) হলো অর্থবোধক (مفيد) একক (مفرد) শব্দ

তা বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অব্যয় (حرف)—এই তিন ভাগে বিভক্ত … আর এই তিনটি মিলেই হলো কালিম (كلم)

কাওল (قول) হলো এমন শব্দ যা সাধারণভাবে অর্থ প্রকাশ করে … যেমন: কুম, কাদ এবং নিশ্চয়ই যায়েদ আরোহণ করেছে

বিশেষ্য (اسم) চেনা যায় তানভিন (تنوين), জের (خفض), জারের হরফ (حرف خفض) এবং আলিফ ও লাম (لام وألف) দ্বারা

ক্রিয়া (فعل) পরিচিত হয় ‘কাদ’ (قد), ‘সিন’ (سين) এবং সাকিনযুক্ত স্ত্রীলিঙ্গবাচক ‘তা’ (تاء تأنيث) দ্বারা

এবং ‘ফায়ালতা’ এর ‘তা’ (تاء) দ্বারা সাধারণভাবে যেমন ‘জি’তা লি’ … আর ‘নুন’ (نون) ও ‘ইয়া’ (ياء) দ্বারা যা ‘ইফআলান্না’ ও ‘ইফআলি’ শব্দে রয়েছে

আর অব্যয় (حرف) এর জন্য কোনো চিহ্ন উপযোগী নয় … কেবল কোনো চিহ্ন গ্রহণ না করাই হলো তার চিহ্ন
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
*****‌‌بَابُ الإعْرَابِ*****

 

إِعْرَابُهُمْ تَغْييرُ آخِرِ الْكَلِمْ … تَقْدِيراً أو لَفْظاً لِعَامِلٍ عُلِمْ

أَقْسَامُهُ أَرْبَعَةٌ فَلْتُعْتَبَرْ … رَفْعٌ وَنَصْبٌ وَكَذَا جَزْمٌ وَجرْ

وَالكُلُّ غَيْر الجَزمِ فِي الأَسمَا يَقَعْ … وَكُلُّهَا فِي الْفِعْلِ وَالْخَفْضُ امْتَنَعْ

وَسَائِرُ الأَسْمَاءِ حَيْثُ لَا شَبَهْ … قَرَّبَهَا مِنَ الحُرُوْفِ مُعْرَبَهْ

وَغَيْرُذِي الأَسْمَاء مَبْنِيُّ خَلَا … مُضَارِعٍ مِنْ كُلِّ نُونٍ قَدْ خَلَا
ই’রাব (إعراب) পরিচ্ছেদ

 

তাদের (বৈয়াকরণিকদের) নিকট ই’রাব (إعراب) হলো শব্দের শেষাবস্থার পরিবর্তন, যা কোনো জ্ঞাত আমিল (عامل) বা প্রভাবকের কারণে শাব্দিক (لفظاً) অথবা উহ্য (تقدِيراً) ভাবে হয়ে থাকে।

এর প্রকারভেদ চারটি যা স্মর্তব্য: রাফ’ (رفع), নাসব (نصب) এবং অনুরূপভাবে জাযম (جزم) ও জার (جر)।

জাযম (جزم) ব্যতীত প্রতিটি প্রকারই বিশেষ্য বা ইসমে (اسم) পরিলক্ষিত হয়; আর ক্রিয়া বা ফে’লে (فعل) জাযমসহ সবকটিই ঘটে, তবে সেখানে খাফদ (خفض) বা জার (جر) প্রবেশ নিষিদ্ধ।

আর অবশিষ্ট সকল বিশেষ্য বা ইসমে (اسم) যতক্ষণ অব্যয় বা হরফের (حروف) সাথে এমন কোনো সাদৃশ্য না থাকে যা তাকে হরফের নিকটবর্তী করে, ততক্ষণ সেগুলো মু’রাব (معرب) বা পরিবর্তনশীল হিসেবে গণ্য।

আর উল্লিখিত এই বিশেষ্যগুলো ব্যতীত অন্য সব শব্দই মাবনি (مبني) বা অপরিবর্তনীয়; তবে সেই মুদারি’ (مضارع) ক্রিয়া এর ব্যতিক্রম যা সব ধরনের ‘নূন’ থেকে মুক্ত।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
****‌‌بَابُ عَلَامَاتِ الإعْرَابِ****

 

لِلرَّفْعِ مِنْهَا ضّمَّةٌ وَاوٌ أَلِفْ … َكذَاكَ نُوْنٌ ثَابِتٌ لَا مُنْحَذِفْ

فَالضَّمُّ فِي اسْمٍ مُفْرَدٍ كَأَحْمَدِ … وَجَمْعِ تَكْسِيرٍ كَجَاءَ الأَعْبُدِ

وَجَمْعِ تَأْنِيثٍ كَمُسْلِمَاتٍ … وَكُلِّ فِعْلٍ مُعْرَبٍ كيَاتِي

وَالْوَاوُفِي جَمْعِ الذُّكُورِ السَّالِمِ … كَالصَّالِحُونَ هُمْ أُولُو المَكَارِمِ

كَمَاأَتَتْ فِي الخَمْسَةِ الأَسْمَاءِ … وَهْيَ الَّتِي تَأْتِي عَلَى الْوِلاءِ

أَبٌ أَخٌ حَمٌ وَفُوكَ ذُو جَرَى … كُلٌّ مُضَافاً مُفْرَداً مُكَبَّرَا

وَفِي مُثَنَّى نَحْوُ زَيْدَانِ الأَلِفْ … وَالنُّونُ فِي المُضَارعِ الَّذِي عُرِفْ

بِيَفْعَلَانِ تَفْعَلَانِ أَنْتُمَا … وَيَفْعَلُونَ تَفْعَلُونَ مَعْهُمَا

وَتَفْعَلِينَ تَرْحَمِينَ حَالِي … وَاشْتَهَرَتْ بِالْخَمْسَةِ الأَفْعَالِ
‌ই'রাবের চিহ্নসমূহের (علامات الإعراب) পরিচ্ছেদ (باب)

 

রফ'-এর (رفع) জন্য রয়েছে দম্মাহ (ضمة), ওয়াও (واو) ও আলিফ (ألف) … এবং একইভাবে স্থির নুন (نون), যা বিলুপ্ত হয় না।

সুতরাং দম্মাহ (ضمة) হয় একবচন বিশেষ্যে (اسم مفرد) যেমন আহমদ; … এবং ভগ্ন বহুবচনে (جمع تكسير) যেমন ‘দাসরা এসেছে’।

এবং স্ত্রীবাচক বহুবচনে (جمع تأنيث) যেমন মুসলিমাত; … এবং প্রত্যেক পরিবর্তনশীল ক্রিয়ায় (فعل معرب) যেমন ‘সে আসছে’।

আর ওয়াও (واو) হয় নিরাপদ পুংলিঙ্গ বহুবচনে (جمع الذكور السالم); … যেমন ‘সৎকর্মশীলরাই মহত্ত্বের অধিকারী’।

যেভাবে এটি পাঁচটি বিশেষ্যে (الخمسة الأسماء) আসে; … আর সেগুলো ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হয়।

পিতা, ভাই, শ্বশুর, তোমার মুখ এবং ‘জু’ (স্বত্বাধিকারী); … এই প্রতিটি যখন সম্বন্ধযুক্ত (مضاف), একবচন (مفرد) এবং মূল আকৃতিতে (مكبر) থাকে।

এবং দ্বিবচনের (مثنى) ক্ষেত্রে যেমন দুই জায়েদ, সেখানে আলিফ (ألف) আসে; … আর মুদারে (المضارع) ক্রিয়ায় নুন (نون) আসে যা পরিচিত—

ইয়াফ'আলানি, তোমরা দুজন তাফ'আলানি; … এবং তাদের সাথে ইয়াফ'আলুনা ও তাফ'আলুনা।

এবং তাফ'আলিনা যেমন ‘তুমি আমার অবস্থার প্রতি দয়া করো’; … আর এগুলো পাঁচটি ক্রিয়া (الخمسة الأفعال) হিসেবে প্রসিদ্ধ।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
****‌‌بَابُ عَلَامَاتِ النَّصْبِ****

 

لِلنَّصْبِ خَمْسٌ وَهْيَ فَتْحَةٌ أَلِفْ … كَسْرٌ وَيَاءٌ ثُمَّ نُونٌ تَنْحَذِفْ

فَانْصِبْ بِفَتْحٍ مَا بِضَمٍّ قَدْ رُفِعْ … إِلَاّ كَهِنْدَاتٍ فَفَتْحُهُ مُنِعْ

وَاجْعَلْ لِنَصْبِ الخَمْسَةِ الأسْمَا أَلِفٌ … وَانْصِبْ بِكَسْرٍ جَمْعَ تَأْنِيثٍ عُرِفْ

وَالنَّصْبُ فِي الاِسْمِ الَّذِي قَدْ ثُنِّيَا … وَجَمْعِ تَذْكِيرٍ مُصَحَّحٍ بِيَا

وَالْخَمْسَةُ الأفْعَالُ حَيْثُ تَنْتَصِبْ … فَحَذْفُ نُونِ الرَّفْعِ مُطْلَقاً يَجِبْ
****নসব (النصب)-এর আলামতসমূহের অধ্যায়****

 

নসব (نصب)-এর আলামত পাঁচটি, আর সেগুলো হলো ফাতহা (فتحة), আলিফ (ألف) … কাসরা (كسرة), ইয়া (ياء) এবং এরপর নুন (نون) যা বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সুতরাং যা দম্মাহ (ضمة) দ্বারা রফ (رفع) প্রাপ্ত হয়েছিল, তাকে ফাতহা (فتحة) দ্বারা নসব (نصب) প্রদান করো … তবে ‘হিন্দাত’-এর ন্যায় শব্দের (স্ত্রীবাচক বহুবচন) ক্ষেত্রে নয়, কারণ সেখানে ফাতহা (فتحة) গ্রহণ করা নিষিদ্ধ।

আসমাউল খামসাহ (الأسماء الخمسة) বা পাঁচটি বিশেষ্য পদের নসব (نصب)-এর আলামত হিসেবে আলিফ (ألف) নির্ধারণ করো … আর পরিচিত জমা মুয়ান্নাস (جمع تأنيث) বা স্ত্রীবাচক বহুবচনকে কাসরা (كسرة) দ্বারা নসব (نصب) প্রদান করো।

আর নসব (نصب) হয় সেই বিশেষ্য পদে যা দ্বিবচন (تثنية) করা হয়েছে … এবং জমা মুজাক্কার সালেম (جمع مذكر سالم) বা শুদ্ধ পুরুষবাচক বহুবচনের ক্ষেত্রে ইয়া (ياء) দ্বারা।

আর আফয়ালুল খামসাহ (الأفعال الخمسة) বা পাঁচটি ক্রিয়া যখন নসব (نصب) প্রাপ্ত হয় … তখন রফ (رفع)-এর নুন (نون) বিলুপ্ত করা নিরঙ্কুশভাবে আবশ্যক।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
****‌‌بَابُ عَلَامَاتِ الخَفْضِ****

 

عَلَامَةُ الخَفْضِ الَّتِي بِهَا انْضَبَطْ … كَسْرٌ وَيَاءٌ ثُمَّ فَتْحَةٌ فَقَطْ

فَاخْفِضْ بِكَسْرٍ مَا مِنَ الأَسْمَا عُرِفْ … فِي رَفْعِهِ بِالضَّمِّ حَيْثُ يَنْصَرِفْ

وَاخْفِضْ بِيَاءٍ كُلَّ مَا بِهَا نُصِبْ … وَالْخَمْسَةَ الأَسْمَا بِشَرْطِهَا تُصِبْ

وَاخْفِضْ بِفَتْحِ كُلَّ مَا لَمْ يَنْصَرِفْ … مِمَّا بِوَصْفِ الفِعْلِ صَارَ يَتَّصِفْ

بِأَنْ يَحُوزَ الاُِسْمُ عِلَّتَيْنِ … أَوْ عِلَّةً تُغْنِي عَنِ اثْنَتَيْنِ

فَأَلِفُ التَّأْنِيثِ أَغْنَتْ وَحْدَهَا … وَصِيغَةُ الجََمْعِ الَّذِي قَدِ انْتَهى

وَالْعِلَّتَانِ الْوَصْفُ مَعْ عَدْلٍ عُرِفْ … أَوْوَزْنِ فِعْلٍ أَوْ بِنُونٍ وَأَلِفْ

وَهَذِهِ الثَّلاِثُ تَمْنَعُ الْعَلَمْ … وَزَادَ تَرْكِيباً وَأَسْمَاءَ الْعَجَمْ

كَذَاكَ تَأْنِيثٌ بِمَا عَدَا الأَلِفْ … فَإِنْ يُضَفْ أَوْيَأْتِ بَعْدَ أَلْ صُرِفْ
****‌‌খাফদ (خَفْض)-এর চিহ্নসমূহের পরিচ্ছেদ****

 

খাফদ (خَفْض)-এর চিহ্নসমূহ যার দ্বারা তা সুসংবদ্ধ হয় … তা হলো কাসরাহ (كَسْرَة), ইয়া (يَاء) এবং কেবলমাত্র ফাতহা (فَتْحَة)।

সুতরাং কাসরাহ (كَسْرَة) দ্বারা সেই সকল বিশেষ্যকে খাফদ (خَفْض) করো যা পরিচিত … দাম্মাহ (ضَمَّة) দ্বারা রাফ' (رَفْع) হওয়ার ক্ষেত্রে, যেখানে তা রূপান্তরযোগ্য (مُنْصَرِف) হয়।

আর ইয়া (يَاء) দ্বারা সেই সমস্ত পদকে খাফদ (خَفْض) করো যা এর দ্বারা নাসব (নَصْب) প্রাপ্ত হয় … এবং শর্ত সাপেক্ষে পঞ্চ-বিশেষ্যকে (الأَسْمَاءُ الْخَمْسَةُ), তবেই তুমি সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাবে।

আর ফাতহা (فَتْحَة) দ্বারা খাফদ (خَفْض) করো সেই সকল পদকে যা রূপান্তরহীন (غَيْرُ مُنْصَرِف) … যা ক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে।

এই কারণে যে, বিশেষ্যটি দুটি কারণ (عِلَّتَيْنِ) ধারণ করে … অথবা এমন একটি কারণ (عِلَّة) যা দুটির স্থলাভিষিক্ত হয়।

সুতরাং স্ত্রীবাচক আলিফ (أَلِفُ التَّأْنِيثِ) একাই যথেষ্ট হয়েছে … এবং বহুবচনের সেই রূপ (صِيغَةُ الْجَمْعِ) যা চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছে।

আর দুটি কারণ হলো আদ্‌ল (عَدْل)-এর সাথে পরিচিত গুণ (وَصْف) … অথবা ক্রিয়ার ওজন (وَزْنُ الْفِعْلِ) কিংবা নুন ও আলিফ যোগে।

আর এই তিনটি বৈশিষ্ট্য সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যকে (عَلَم) রূপান্তরহীন করে … এবং এর সাথে যুক্ত হয় তারকিব (تَرْكِيب) ও অনারব (عَجَم) নামসমূহ।

তদ্রূপ আলিফ ব্যতীত অন্য উপায়ে স্ত্রীবাচকতা (تَأْنِيث) … তবে যদি তা সম্বন্ধ (إِضَافَة) করা হয় অথবা ‘আল’ (أَلْ) এর পরে আসে তবে তা রূপান্তরযোগ্য (مُنْصَرِف) হবে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
*****‌‌بَابُ عَلَامَاتِ الجَزْمِ*****

 

والجَزْمُ فِي الأَفْعَالِ بِالسُّكُونِ … أَوْحَذْفِ حَرْفِ عِلَّةٍ أَوْنُونِ

فَحَذْفُ نُونِ الرَّفْعِ قَطْعاً يَلْزَمُ … فِي الخَمْسَةِ الأَفْعَالِ حَيْثُ تُجْزَمُ

وَبِالسُّكُونِ اجْزِمْ مُضَارِعاً سَلِمْ … مِنْ كَوْنِهِ بِحَرْفِ عِلَّةٍ خُتِمْ

إمَّا بِوَاوٍ أَوْ بِيَاءٍ أَوْ أَلِفْ … وَجَزْمُ مُعْتَلٍّ بِهَا أَنْ تَنْحَذِفْ

وَنَصْبُ ذِي وَاوٍ وَيَاءٍ يَظْهَرُ … وَمَا سوَاهُ فِي الثَّّلَاثِ قَدَّرُوا

فَنَحْوُ يَغْزُو يَهْتَدِي يخْشى خُتِمْ … بِعِلَّةٍ وغَيْرُهُ مِنْهَا سَلِمْ

وَعِلَّةُ الأَسْمَاءِ يَاءٌ وَأَلِفْ … فَنَحْوُ قَاضٍ والْفَتَى بِهَا عُرِفْ

إِعْرَابُ كُلٍّ مِنْهُمَا مُقَدَّرَ … فِيهَا وَلكِنْ نَصْبُ قاضٍ يَظْهَرَ

وَقَدَّرُوا ثَلَاثَةَ الأَقْسَامِ … فِي الْمِيمِ قَبْلَ الْيَاءِ مِنْ غُلَامِي

وَالْوَاوُ فِي كَمُسْلِمِيَّ أُضْمِرَتْ … وَالنُّونُ في لَتُبْلَوُنَّ قُدِّرَتْ
জজমের (جزم) আলামতসমূহ সংক্রান্ত অধ্যায়

 

ক্রিয়ার ক্ষেত্রে জজম (جزم) হয় সুকুন (سكون) দ্বারা … অথবা ইল্লত বর্ণ (حرف علة) কিংবা নুন (نون) বিলোপের মাধ্যমে।

সুতরাং রফ (رفع) প্রদানকারী নুন (نون) বিলোপ করা নিশ্চিতভাবেই আবশ্যক … পঞ্চক্রিয়ার (الأفعال الخمسة) ক্ষেত্রে যখন তা জজম (جزم) অবস্থায় থাকে।

এবং সুকুন (سكون) দ্বারা সেই মুদারে (مضارع) ক্রিয়াকে জজম (جزم) করো যা সহিহ (سالم) … অর্থাৎ যার শেষে কোনো ইল্লত বর্ণ (حرف علة) যুক্ত হয়নি।

চাই তা ওয়াও (واو), ইয়া (ياء) অথবা আলিফ (ألف) দ্বারা হোক … আর ইল্লতযুক্ত (معتل) শব্দের জজম (جزم) হলো সেই বর্ণগুলো বিলোপ করা।

ওয়াও (واو) ও ইয়া (ياء) যুক্ত শব্দের নসব (نصب) প্রকাশ্য হয় … আর এই তিনটি অবস্থা ছাড়া অন্যগুলোতে ব্যাকরণবিদগণ তা উহ্য (قدروا) ধরেছেন।

যেমন ইয়াগজু, ইয়াহতাদি ও ইয়াখশা শব্দগুলো সমাপ্ত হয়েছে … ইল্লত (علة) দ্বারা, আর এগুলো ছাড়া অন্যান্য শব্দ তা থেকে মুক্ত (سالم)।

বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ইল্লত (علة) হলো ইয়া (ياء) ও আলিফ (ألف) … যেমন কাদি ও ফাতা শব্দের মাধ্যমে তা পরিচিত।

এদের প্রত্যেকটিরই ইরাব (إعراب) তাতে উহ্য (مقدر) থাকে … তবে কাদি শব্দের নসব (نصب) প্রকাশ পায়।

তারা তিন প্রকারের ইরাবই উহ্য (قدروا) ধরেছেন … গুলামি শব্দের ইয়ায়ের (ياء) পূর্ববর্তী মিম (ميم) বর্ণের ক্ষেত্রে।

আর মুসলিমিয়্যা এর ন্যায় শব্দে ওয়াও (واو) অনুক্ত (أضمرت) থাকে … এবং লাতুবলাউন্না শব্দে নুন (نون) উহ্য (قدرت) ধরা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
*****‌‌فَصْلٌ*****

 

المُعْرَبَاتُ كُلُّهَا قَدْ تُعْرَبُ … بِالْحَرَكَاتِ أَوْ حُرُوفٍ تَقْرُبُ

فَأَوَّلُ الْقِسْمَيْنِ مِنْهَا أَرْبَعُ … وَهْيَ الَّتِي مَرَّتْ بِضَمٍّ تُرْفَعُ

وَكُلُّ مَا بِضَمَّةٍ قَدِ ارْتَفَعْ … فَنَصْبُهُ بِلْفَتْحِ مُطْلَقاً يَقَعْ

وَخَفْضُ الاِسْمِ مِنْهُ بِالْكَسْرِ الْتُزِمْ … وَالْفِعْلُ مِنْهُ بِاالسُّكُونِ مَنْجَزِمْ

لكِنْ كَهِنْدَاتٍ لِنَصْبِهِ انْكَسَرْ … وَغَيْرُ مَصْرُوفٍ بِفَتْحَةٍ يُجَرّ

وَكُلُّ فِعْلٍ كَانَ مُعْتَلاٌّ جُزِمْ … بِحَذْفِ حَرْفِ عِلَّةٍ كَمَا عُلِمْ

وَالمُعْرَبَاتُ بِالحُرُوفِ أَرْبَعُ … وَهْيَ المُثَنَّى وَذُكُورٌ تُجْمَعُ

جَمْعاً صَحِيحاً كَالْمِثَالِ الخَالِي … وَخَمْسَةُ الأَسْمَاءِ وَالأَفْعَالِ

أَمَّا المُثَنَّى فَلِرَفْعِهِ الأَلِفْ … وَنَصْبُهُ وَجَرُّهُ بِالْيَا عُرفْ

وَكَالْمُثَنَّى الجَمْعُ فِي نَصْبٍ وَجَرّ … وَرَفْعُهُ بِالْوَاوِ مَرَّ وَاسْتَقَرّ

وَالْخَمْسَةُ الاسْمَا كَهَذَا الجَمْعِ فِي … رَفْعٍ وَخَفْضٍ وَانْصِبَنْ بِالأَلِفِ

وَالْخَمْسَةُ الأَفْعَالُ رَفْعُهَا عَرِفْ … بِِنونِهَا وَفِي سوَاهُ تَنْحَذِفْ
‌পরিচ্ছেদ (فصل)‌

 

সমস্ত রূপান্তরশীল শব্দ (المعربات) ই'রাব প্রাপ্ত হয় … হরকত (الحركات) অথবা বর্ণের (حروف) মাধ্যমে যা কাছাকাছি।

তাদের মধ্যে প্রথম প্রকারের শব্দ চারটি … আর এগুলি সেই শব্দ যা পেশ (ضمة) দ্বারা মারফু (رفع) হয় বলে ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

আর যা কিছু পেশ (ضمة) দ্বারা মারফু (رفع) হয় … সাধারণভাবে সেগুলোর নাসব (نصب) জবর (فتحة) দ্বারা হয়ে থাকে।

এর মধ্যে বিশেষ্যের ক্ষেত্রে জর (خفض) হওয়া যের (كسرة) দ্বারা আবশ্যক … এবং ক্রিয়ার ক্ষেত্রে সুকুন (سكون) দ্বারা জজম (جزم) প্রাপ্ত হয়।

তবে ‘হিন্দাত’ (جمع المؤنث السالم) এর মতো শব্দগুলোর নাসব (نصب) এর ক্ষেত্রে যের (كسرة) হয় … এবং পরিবর্তনহীন (غير مصروف) শব্দ জবর (فتحة) দ্বারা মাজরুর (جر) হয়।

আর প্রতিটি ত্রুটিপূর্ণ (معتل) ক্রিয়া জজম (جزم) প্রাপ্ত হয় … ইল্লত বর্ণ (حرف علة) বিলুপ্ত করার মাধ্যমে, যেমনটি জানা আছে।

আর বর্ণ (حروف) দ্বারা ই'রাব প্রাপ্ত শব্দসমূহ চারটি … সেগুলো হলো দ্বিবচন (مثنى) এবং পুরুষবাচক বহুবচন (جمع المذكر السالم)।

পূর্ববর্তী উদাহরণের ন্যায় সঠিক বহুবচন … এবং পঞ্চ বিশেষ্য (الأسماء الخمسة) ও পঞ্চ ক্রিয়া (الأفعال الخمسة)।

দ্বিবচন (مثنى) এর ক্ষেত্রে মারফু (رفع) হওয়ার আলামত হলো আলিফ (ألف) … আর তার নাসব (نصب) এবং জর (جر) ইয়া (ياء) দ্বারা হওয়া সুপরিচিত।

নাসব (نصب) এবং জর (جر) এর ক্ষেত্রে বহুবচন দ্বিবচনের মতোই … তবে তার মারফু (رفع) অবস্থা ওয়াও (واو) দ্বারা হওয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মারফু (رفع) এবং জর (خفض) এর ক্ষেত্রে পঞ্চ বিশেষ্য (الأسماء الخمسة) এই বহুবচনের মতোই … তবে সেগুলোকে আলিফ (ألف) দ্বারা নাসব (نصب) করবেন।

পঞ্চ ক্রিয়া (الأفعال الخمسة) এর মারফু (رفع) অবস্থা নুন (نون) এর মাধ্যমে জানা যায় … এবং অন্য অবস্থায় তা বিলুপ্ত হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
*****‌‌بَابُ المَعْرِفَةِ وَالنَّكِرةِ*****

 

وَإِنْ تُرِدْ تَعْرِيف الاِسْمِ النَّكِرَهْ … فَهْوَ الَّذي يَقْبَلُ أَلْ مَؤَثِّرَهْ

وَغَيرُهُ مَعَارِفٌ وتُحْصَرُ … فِي سِتَّةٍ فَالأَوَّلُ مُضْمَرُ

يُكْنَى بِهِ عَنْ ظَاهِرٍ فَيَنْتَمِي … لِلْغَيْبِ والْحُضُورِ والتَّكَلمِ

وَقَسَّمُوهُ ثَانياً لِمُتَّصِلْ … مُسْتَتِرٍ أَوْبَارِزٍ أَوْ مُنْفَصِلْ

ثَانِي المَعَارِفِ الشَّهِيرُ بِالْعَلَمْ … كَجَعْفَرٍ وَمَكَّةٍ وَكَالحَرَمْ

وَأُمُّ عَمْرٍو وَأَبي سَعِيدٍ … وَنَحْوِ كَهْفِ الظُّلْمِ وَالرَّشَيْدِ

فَمَا أَتَى مِنْهُ بِأُمٍّ أَوْ بِأَبْ … فَكُنْيَةٌ وَغَيْرُهُ اسْمٌ أَوْ لَقَبْ

فَمَا بِمَدْحٍ أَوْ بِذَمٍّ مُشْعِرُ … فَلَقَبٌ وَالاِسْمُ مَا لَا يُشْعِرُ

ثَالِثُهَا إِشَارَةٌ كَذَا وَذِي … رَابِعُهَا مَوْصُولُ الاِسْمِ كَالَّذِي

خَامِسُهَا مُعَرَّفٌ بِحَرْفِ أَلْ … كَمَا تَقُولُ فِي مَحَلِّ المَحَلْ

سَادِسُهَا مَا كَانَ مِنْ مُضَافِ … لِوَاحِدٍ مِن هذِهِ الأَصْنَافِ

كَقَوْلِكَ ابْنِي وَابْنُ زَيْدٍ وَابْنُ ذِي … وَابْنُ الَّذِي ضَرَبْتُهُ وَابْنُ الْبَذِي
নির্দিষ্ট (معرفة) ও অনির্দিষ্ট (نكرة) বিশেষ্যের পরিচ্ছেদ

 

যদি আপনি অনির্দিষ্ট (نكرة) বিশেষ্যকে সংজ্ঞায়িত করতে চান … তবে তা হলো এমন যা অর্থ-প্রভাবক ‘আল’ (ال) গ্রহণ করে।

আর এর বিপরীতগুলো হলো নির্দিষ্ট (معرفة) এবং এগুলো … ছয়টি প্রকারে সীমাবদ্ধ; যার প্রথমটি হলো সর্বনাম (مضمر)।

এর মাধ্যমে কোনো প্রকাশ্য বিশেষ্যের পরিবর্তে ইঙ্গিত করা হয়, যা … অনুপস্থিত (غيب), উপস্থিত (حضور) অথবা উত্তম পুরুষ (تكلم) এর পর্যায়ভুক্ত।

অতঃপর তারা একে পুনরায় বিভক্ত করেছেন সংযুক্ত (متصل), … উহ্য (مستتر), প্রকাশ্য (بارز) অথবা বিচ্ছিন্ন (منفصل) হিসেবে।

নির্দিষ্ট (معرفة) বিশেষ্যের দ্বিতীয় প্রকার হলো ‘আলাম’ (علم) বা নামবাচক হিসেবে প্রসিদ্ধ … যেমন: জাফর, মক্কা এবং হারাম-এর মতো।

এবং উম্মে আমর ও আবু সাঈদ … এবং কাহফে জুলম ও রশিদের মতো নামসমূহ।

এর মধ্যে যা ‘উম্ম’ (মা) বা ‘আবু’ (বাবা) শব্দ দ্বারা শুরু হয় … তা হলো উপনাম (كنية), আর অন্যগুলো হলো সাধারণ নাম (اسم) অথবা উপাধি (لقب)।

সুতরাং যা প্রশংসা বা নিন্দা জ্ঞাপন করে … তা হলো উপাধি (لقب), আর সাধারণ নাম (اسم) হলো যা এ জাতীয় অর্থ প্রকাশ করে না।

তৃতীয়টি হলো নির্দেশক (إشارة), যেমন: ‘জা’ ও ‘জি’; … চতুর্থটি হলো সম্বন্ধসূচক (موصول) বিশেষ্য, যেমন: ‘আল্লাজি’।

পঞ্চমটি হলো ‘আল’ (ال) বর্ণের মাধ্যমে নির্দিষ্টকৃত (معرف) … যেমন আপনি ‘মাহাল’ শব্দের ক্ষেত্রে বলেন ‘আল-মাহাল’।

ষষ্ঠটি হলো সেই বিশেষ্য যা সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হয় … এই প্রকারগুলোর কোনো একটির সাথে।

যেমন আপনার উক্তি: ‘আমার পুত্র’, ‘যাইদের পুত্র’ ও ‘এর পুত্র’ … এবং ‘সেই ব্যক্তির পুত্র যাকে আমি প্রহার করেছি’ ও ‘অশ্লীল ব্যক্তির পুত্র’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
*****‌‌بَابُ الأَفْعَالِ*****

 

أَفْعَالُهُمْ ثَلَاثَةٌ فِي الوَاقِعِ … مَاضٍ وَفِعْلُ الأَمْرِ وَالْمُضَارعِ

فَالْمَاضِ مَفْتُوحُ الأَخَيرِ إِنْ قُطِعْ … عَنْ مُضْمَرٍ مُحرَّكٍ بِهِ رُفِعْ

فَإنْ أَتى مَعْ ذَا الضَّمِيرُ سُكِّنَا … وَضَمُّهُ مَعْ وَاوِ جَمْعٍ عُيِّنَا

وَالاْمْرُ مَبْنِيٌّ عَلَى السُّكونِ … أَوْحَذْف حَرْفِ عِلَّةٍ أَوْ نُونٍ

وَافْتَتِحُوا مُضَارِعاً بِوَاحِدِ … مِنَ الحُرُوفِ الأَرْبَعِ الزَّوَائِدِ

هَمْزٌ وَنُونٌ وَكَذَا يَاءٌ وتَا … يَجْمَعُهَا قَوْلِي أَنَيْتُ يَافَتَى

وحَيْثُ كَانَتْ فِي رُبَاعِيٍّ تُضَمّ … وَفَتْحُهَا فِيما سِوَاهُ مُلْتَزَمْ
ক্রিয়াপদের অধ্যায়

 

বাস্তবে ক্রিয়াপদসমূহ তিন প্রকার … অতীতকালীন ক্রিয়া, আদেশবাচক ক্রিয়া এবং বর্তমান-ভবিষ্যতকালীন ক্রিয়া।

অতীতকালীন ক্রিয়ার শেষ বর্ণটি ফাতহাহ (যবর) বিশিষ্ট হয়, যদি তা … রাফা প্রদানকারী হরকতবিশিষ্ট সর্বনাম হতে বিচ্ছিন্ন থাকে।

আর যদি তা উক্ত সর্বনামের সাথে যুক্ত হয় তবে তা সুকুন (জযম) যুক্ত হবে … এবং বহুবচনের 'ওয়াও'-এর সাথে তার দাম্মাহ (পেশ) হওয়া নির্ধারিত।

আদেশবাচক ক্রিয়া সুকুন-এর উপর ভিত্তি করে গঠিত হয় … অথবা হরফে ইল্লাত কিংবা 'নূন' বিলুপ্ত হওয়ার মাধ্যমে।

বর্তমান-ভবিষ্যতকালীন ক্রিয়া শুরু করো … চারটি অতিরিক্ত বর্ণের যেকোনো একটি দ্বারা।

হামযাহ, নূন এবং একইভাবে ইয়া ও তা … হে যুবক! আমার বলা 'আনায়তু' শব্দটি এগুলিকে একত্রিত করেছে।

যখন তা চার অক্ষরবিশিষ্ট ক্রিয়ার ক্ষেত্রে হবে তখন তাকে দাম্মাহ (পেশ) প্রদান করা হবে … আর তা ছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে ফাতহাহ (যবর) হওয়া আবশ্যক।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
*****‌‌بَابُ إِعْرَابِ الْفِعْلِ*****

 

رَفْعُ المُضَارعِ الَّذِي تَجَرَّدَا … عَنْ نَاصِبٍ وَجَازِمٍ تَأَبَّدَا

فانْصِبْ بِعَشْرٍ وَهْيَ أَنْ وَلَنْ وَكَيْ … كَذَا إِذَنْ إِنْ صُدِّرَتْ وَلَامُ كَيْ

وَلَامْ جَحْدٍ وَكَذَا حَتَّى وَأَوْ … وَالْوَاوُ وَالْفَا فِي جَوَابٍ وَعَنَوْا

بِهِ جَوَاباً بَعْدَ نَفْيٍ أَوْ طَلَبْ … كَلَا تَرُمْ عِلْماً وتَتْرُكِ التَّعَبْ

وَجَزْمُهُ بِلَمْ وَلَمَّا قَدْ وَجَبْ … وَلَا وَلَامٍ دَلَّتَا عَلَى الطَّلَبْ

كَذَاكَ إِنْ ومَا وَمَنْ وَإِذَ مَا … أَيٌّ مَتَى أَيَّانَ أَيْنَ مَهْمَا

وَحَيْثُمَا وَكَيْفَمَا وَأَنَّى … كَإِنْ يَقُمْ زَيْدٌ وَعَمْرٌو قمْنَا

وَاجْزِمْ بِإِنْ وَمَا بِهَا قَدْ أُلْحِقَا … فِعْلَيْنِ لَفْظاً أَوْ مَحَلاًّ مُطْلَقَا

وَلْيَقْتَرِنْ بِالْفَا جَوَابٌ لَوْوَقَعْ … بَعْدَ الأَدَاةِ مَوْضِعَ الشَّرْطِ امْتَنَعْ
ক্রিয়ার ই'রাব সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

 

মুদারে ক্রিয়ার রাফা (পেশ) হওয়া সর্বদা কার্যকর থাকে, যখন তা নসবদানকারী (নাসেিব) এবং জযমদানকারী (জাযেম) অব্যয়সমূহ হতে মুক্ত থাকে।

সুতরাং দশটি অব্যয় দ্বারা একে নসব প্রদান করো, আর সেগুলো হলো: আন্ (أن), লান্ (لن) এবং কাই (كي); তদ্রূপ ইযান (إذن) যদি তা বাক্যের শুরুতে আসে এবং লামে কাই (লামু কাই);

লামে জুহুদ এবং তদ্রূপ হাত্তা ও আও; এবং উত্তরসূচক 'ওয়াও' ও 'ফা'—যা দ্বারা তারা (ব্যাকরণবিদগণ) উদ্দেশ্য নিয়েছেন—

না-বোধক বাক্য কিংবা তলব (আদেশ বা প্রার্থনা)-এর পরবর্তী উত্তরকে; যেমন: তুমি জ্ঞান অন্বেষণ করবে আর পরিশ্রম ত্যাগ করবে—তা হতে পারে না।

আর 'লাম' এবং 'লাম্মা' দ্বারা একে জযম প্রদান করা আবশ্যক হয়েছে; তদ্রূপ 'লা' এবং 'লাম' দ্বারাও, যা তলব (আদেশ বা নিষেধ) নির্দেশ করে।

একইভাবে ইন্, মা, মান এবং ইযা মা; আইয়ুন, মাতা, আইয়ানা, আইনা, মাহমা;

হাইসুমা, কাইফামা এবং আন্না; যেমন: যদি যায়েদ দাঁড়ায় এবং আমর দাঁড়ায়, তবে আমরা দাঁড়াব।

আর 'ইন্' এবং তার সাথে যা কিছু যুক্ত করা হয়েছে তা দ্বারা শব্দগতভাবে কিংবা স্থানগতভাবে নিঃশর্তভাবে দুটি ক্রিয়াকে জযম প্রদান করো।

আর জওয়াবের (শর্তের উত্তর) সাথে 'ফা' যুক্ত হওয়া আবশ্যক, যদি তা এমন স্থানে পতিত হয় যেখানে (সরাসরি) শর্ত হওয়া অসম্ভব।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
*****‌‌بَابُ مَرْفَوعَاتِ الأَسْمَاءِ*****

 

مَرْفُوعُ الاسْمَا سَبْعَةٌ نَأْتي بِهَا … مَعْلُومَةَ الأَسْمَاءِ مِنْ تَبْوِيبِهَا

فَالْفَاعِلُ اسْمٌ مُطْلَقاً قَدِ ارْتَفَعْ … بِفِعْلِهِ وَالْفِعْلُ قَبْلَهُ وَقَعْ

وَوَاجِبٌ فِي الْفِعْلِ أَنْ يُجَرَّدَا … إِذَا لِجَمْعٍ أَوْ مُثَنَّى أُسْنِدَا

فَقُلْ أَتَى الزَّيْدَانِ وَازَّيْدُونَا … كَجَاءَ زَيْدٌ وَيَجِي أَخُونَا

وَقَسَّمُوهُ ظَاهِراً وَمُضْمَرَاً … فَالظَّاهِرَ اللَّفْظُ الَّذِي قَدْ ذكِرَا

وَالمُضْمَرُ اثْنَا عَشَرَ نَوْعاً فُسِّمَا … كَقُمْتُ قُمْنا قُمْتَ قُمْتِ قُمْتُمَا

قُمْتُنَّ قُمْتُمْ قَامَ قَامَتْ قاما … قَامُوا وَقُمْنَ نَحْوُ صُمْتُمْ عَامَا

وَهَذِهِ ضَمَائرٌ مُتَّصِلَهْ … وَمِثْلُهَا الضَّمَائِرُ المُنْفَصِلَهْ

وَغَيْرُ ذَيْنِ بِالْقِيَاسِ يُعْلَمُ … كَلَمْ يٍقُمْ إِلَاّ أَنَا أَوْ أَنْتُمُ
বিশেষ্যের রফ’যুক্ত অবস্থাসমূহের অধ্যায়

 

বিশেষ্যের রফ’ বা পেশযুক্ত অবস্থা সাতটি যা আমরা এখানে উপস্থাপন করছি; এগুলোর নাম অধ্যায় বিন্যাসের মাধ্যমেই সুপরিচিত।

কর্তা হলো এমন বিশেষ্য যা সামগ্রিকভাবে রফ’ প্রাপ্ত হয়, যা তার ক্রিয়া দ্বারা সম্পন্ন হয় এবং ক্রিয়াটি তার পূর্বে ঘটে থাকে।

ক্রিয়াটিকে একবচন রাখা আবশ্যক, যখন তা দ্বিবচন বা বহুবচন কর্তার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়।

সুতরাং আপনি বলবেন: ‘দুই যায়দ এসেছে’ এবং ‘যায়দগণ এসেছে’, যেমন বলা হয়: ‘যায়দ এসেছে’ এবং ‘আমাদের ভাই আসছে’।

বিদ্বানগণ একে প্রকাশ্য ও সর্বনাম—এই দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন; প্রকাশ্য হলো সেই শব্দ যা ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।

আর সর্বনাম বারো প্রকারে বিভক্ত; যেমন: আমি দাঁড়িয়েছি, আমরা দাঁড়িয়েছি, তুমি (পুরুষ) দাঁড়িয়েছ, তুমি (নারী) দাঁড়িয়েছ, তোমরা দুইজন দাঁড়িয়েছ।

তোমরা সকল নারী দাঁড়িয়েছ, তোমরা সকল পুরুষ দাঁড়িয়েছ, সে দাঁড়িয়েছে, সে (নারী) দাঁড়িয়েছে, তারা দুইজন দাঁড়িয়েছে, তারা সকল পুরুষ দাঁড়িয়েছে এবং তারা সকল নারী দাঁড়িয়েছে; যেমন: ‘তোমরা এক বছর রোজা রেখেছ’।

এগুলো হলো সংযুক্ত সর্বনাম; আর অনুরুপভাবে পৃথক সর্বনামসমূহও রয়েছে।

এই দুই প্রকার ব্যতিরেকে অন্যান্য বিষয়গুলো কিয়াসের মাধ্যমে জানা যায়; যেমন: ‘আমি বা তোমরা ব্যতীত আর কেউ দাঁড়ায়নি’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
*****‌‌بَابُ نَائِبِ الْفَاعِلِ*****

 

أَقِمْ مَقَامَ الْفَاعِلِ الَّذِي حُذِفْ … مَفْعُولَهُ فِي كُلِّ مَالَهُ عُرِفْ

أَوْ مَصْدَراً أَوْ ظَرْفاً أَوْ مَجْرُورَا … إِنْ لَمْ تَجِدْ مَفْعُولَهُ المَذْكُورَا

وَأَوَّلُ الْفِعْلِ الَّذِي هُنَا يُضَمّ … وَكَسْرُ مَاقَبْلَ الأَخَيْرِ مُلْتَزَمْ

فِي كُلِّ مَاضٍ وَهْوَ فِي المُضَارعِ … مُنْفَتِحٌ كَيُدَّعَى وَكَادُّعِي

وَأَوَّلُ الفِعْلِ الَّذِي كَبَاعَا … مُنْكَسِرٌ وَهْوَ الَّذِي قَدْ شَاعَا

وَذَاكَ إِمَّا مُضْمَرٌ أَوْ مُظْهَرُ … ثَانِيهِمَا كَيُكْرَمُ المُبَشِّرُ

أَمَّا الضَّمِيْرُ فَهْوَ نَحْوُ قَوْلِنَا … دُعِيتُ أُدْعى مَادُعِي إِلَاّ أَنَا
*****‌‌উপ-কর্তা পরিচ্ছেদ*****

 

বিলুপ্ত কর্তার স্থলে তার কর্মকে স্থলাভিষিক্ত করো … তার পরিচিত সকল বিষয়ের ক্ষেত্রে।

অথবা কোনো ক্রিয়ামূল, ক্রিয়া-বিশেষণ কিংবা অব্যয়যুক্ত পদকে স্থলাভিষিক্ত করো … যদি তুমি উল্লিখিত কর্মটিকে খুঁজে না পাও।

আর এখানে ক্রিয়ার প্রথম বর্ণটি পেশযুক্ত হবে … এবং শেষ বর্ণের পূর্ববর্তী বর্ণে জের প্রদান করা আবশ্যক।

এটি প্রতিটি অতীতকালীন ক্রিয়ার ক্ষেত্রে; আর বর্তমান-ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়ার ক্ষেত্রে … তা জবরযুক্ত হবে যেমন: ‘য়ুদআ’ এবং ‘উদয়ি’।

আর ‘বা-আ’-এর ন্যায় ক্রিয়ার প্রথম বর্ণটি … জেরযুক্ত হবে এবং এটিই অধিক প্রচলিত।

আর সেই উপ-কর্তা হয় সর্বনাম হবে অথবা প্রকাশ্য বিশেষ্য হবে … দ্বিতীয়টির উদাহরণ যেমন: ‘সুসংবাদদাতাকে সম্মানিত করা হয়’।

আর সর্বনামের বিষয়টি আমাদের এই উক্তির ন্যায় … ‘আমাকে ডাকা হয়েছে’, ‘আমাকে ডাকা হচ্ছে’, ‘আমি ছাড়া কাউকে ডাকা হয়নি’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
*****‌‌بَابُ المُبْتَدَإ وَالْخَبَر*****

 

الْمُبْتُدَا اسْمٌ رَفْعُهُ مُؤَبَّدُ … عَنْ كَلِّ لَفْظٍ عَامِلٍ مُجَرَّدُ

وَالْخَبَرُ اسْمُ ذُو ارْتِفَاعٍ أُسْنِدَا … مُطَابِقاً فِي لَفْظِهِ لِلْمُبْتَدَا

كَقَوْلِنَا زَيْدٌ عَظَيمُ الشَّانِ … وَقَوْلِنَا الزَّيْدَانِ قائِمَانِ

وَمِثْلُهُ الزَّيْدُونَ قائِمُونَا … وَمِنْهُ أَيْضاً قَائِمٌ أَخُونَا

وَالْمُبْتَدَا اسْمٌ ظَاهِرٌ كَمَا مَضى … أَو مُضْمَرٌ كَأَنْتَ أَهْلٌ لِلقَضَا

وَلَا يَجُوزُ الاِبْتِدَا بِمَا اتَّصَلْ … مِنَ الضَّمِيرِ بَلْ بِكُلِّ مَا انْفَصَلْ

أَنَا وَنَحْنُ أَنْتَ أَنْتِ أَنْتُمَا … أَنْتُنَّ أَنْتُمْ وَهْوَ وَهْيَ هُمْ هُمَا

وَهُنَّ أَيْضاً فَالجَمِيعُ اثْنَا عَشَرْ … وَقَدْ مَضى مِنْهَا مِثَالٌ مُعْتَبَرْ

وَمُفْرَداً وَغَيْرُهُ يَأْتِي الخَبَرْ … فَالأَوَّلُ اللَّفْظُ الَّذِي فِي النَّظْمِ مَرّ

وَغَيْرُهُ فِي أَرْبَعٍ مَحْصُورُ … لَا غَيْرُ وَهْيَ الظَّرْفُ وَالْمَجْرُورُ

وَفَاعِلٌ مَعْ فِعْلِهِ الَّذِي صَدَرَ … وَالْمُبْتَدَا مَعْ مَالَهُ مِنَ الخَبَرْ

كَأَنْتَ عِنْدِي وَالْفَتَى بِدَارِي … وَابْنِي قَرَا وَذَا أَبُوهُ قَارِي
মুবতাদা ও খবর (خبر) অধ্যায়

 

মুবতাদা হলো একটি বিশেষ্য যার রাফা (পেশ) সর্বদা স্থায়ী … যা প্রতিটি শাব্দিক আমেল (প্রভাবক) থেকে মুক্ত।

আর খবর (خبر) হলো রাফা বিশিষ্ট বিশেষ্য যা সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে … এবং শব্দের ক্ষেত্রে যা মুবতাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

যেমন আমাদের কথা: 'জায়েদ মহান মর্যাদাবান' … এবং আমাদের কথা: 'দুই জায়েদ দণ্ডায়মান'।

তদ্রূপ 'জায়েদগণ দণ্ডায়মান' … এবং 'আমাদের ভাই দণ্ডায়মান' বাক্যটিও এরই অন্তর্ভুক্ত।

মুবতাদা প্রকাশ্য বিশেষ্য হয় যেমনটি অতিক্রান্ত হয়েছে … অথবা তা সর্বনাম হয় যেমন: 'আপনি বিচারের যোগ্য'।

সংযুক্ত সর্বনাম দিয়ে বাক্য শুরু করা বৈধ নয় … বরং প্রতিটি পৃথক সর্বনাম দিয়েই তা সম্ভব।

আমি, আমরা, আপনি (পুরুষ), আপনি (নারী), আপনারা দুজন … আপনারা সকল নারী, আপনারা সকল পুরুষ, সে (পুরুষ), সে (নারী), তারা সকল পুরুষ, তারা দুজন।

এবং তারা সকল নারীও; সুতরাং সর্বমোট বারোটি … আর এগুলোর মধ্য থেকে নির্ভরযোগ্য (معتبر) উদাহরণ ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

খবর (خبر) কখনো একক শব্দ হিসেবে আসে আবার কখনো ভিন্নভাবে আসে … প্রথম প্রকারটি হলো সেই শব্দ যা কবিতায় ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

আর দ্বিতীয় প্রকারটি চারটির মধ্যে সীমাবদ্ধ … অন্য কিছু নয়; সেগুলো হলো: যারফ (স্থান বা কালবাচক অব্যয়) এবং মাজরুর।

এবং ক্রিয়া তার থেকে নির্গত কর্তাসহ … আর মুবতাদা তার খবর (خبر)-সহ।

যেমন: 'আপনি আমার কাছে', 'যুবকটি আমার ঘরে' … 'আমার পুত্র পাঠ করেছে' এবং 'এই ব্যক্তি, যার পিতা একজন পাঠক'।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
*****‌‌كَانَ وَأَخَوَاتُهَا*****

 

إِرْفَعْ بِكَانَ المُبْتَدَا اسْماً وَالْخَبَرْ … بِهَا انْصِبَنْ كَكَانَ زَيْدٌ ذَا بَصَرْ

كَذَاكَ أَضْحى ظَلَّ بَاتَ أَمْسى … وَهَكَذَ أَصْبَحَ صَارَ لَيْسَا

فَتِىءَ وَانْفَكَّ وَزَالَ مَعْ بَرِحْ … أَرْبَعُهَا مِنْ بَعْدِ نَفْيٍ تَتَّضِحْ

كَذَاكَ دَامَ بَعْدَ مَا الظَّرْفِيَّهْ … وَهْيَ الَّتِي تَكُونُ مَصْدِرِيَّهْ

وَكُلُّ مَا صَرَّفْتَهُ مِمَّا سَبَقْ … مَنْ مَصْدَرٍ وَغَيْرِهِ بِهِ الْتَحَقْ

كَكُنْ صَدِيقاً لَا تَكُنْ مُجَافِياً … وَانْظُرْ لِكَوْنِي مُصْبِحاً مُوَافِيا
কান (كَانَ) এবং তার সংশ্লিষ্ট ক্রিয়াগুলো

 

‘কান’ (كَانَ) এর মাধ্যমে উদ্দেশ্য (مبتدأ)-কে বিশেষ্য (اسم) হিসেবে পেশ (رفع) প্রদান করো এবং বিধেয় (خبر)-কে … এর দ্বারা জবর (نصب) প্রদান করো; যেমন: ‘কান জাইদুন যা বাসারিন’ (জাইদ দৃষ্টিসম্পন্ন ছিল)।

একইভাবে আদ্বহা (أضحى), য্বাল্লা (ظلّ), বাতা (بات), আমসা (أمسى) … এবং একইভাবে আসবাহা (أصبح), সয়ারা (صار), লাইসা (ليس) ক্রিয়াগুলো আমল করে।

ফাতিয়া (فتئ), ইনফাক্কা (انفكّ), যালা (زال) এবং বারিহা (برح); … এই চারটি ক্রিয়া না-বোধক (نفي) অব্যয়ের পরে ব্যবহৃত হলে তাদের আমল স্পষ্ট হয়।

অনুরূপভাবে ‘দামা’ (دام) ক্রিয়াটিও কালবাচক (ظرفية) ‘মা’-এর পরে ব্যবহৃত হয়, … যা মূলত ক্রিয়ামূলীয় (مصدرية) অব্যয়।

এবং পূর্বে অতিক্রান্ত ক্রিয়াগুলো থেকে রূপান্তরিত (تصريف) সকল রূপ, … তা ক্রিয়ামূল (مصدر) হোক বা অন্য কোনো রূপ, সবই এই একই বিধানের অন্তর্ভুক্ত হবে।

যেমন: ‘কুন সদিকান’ (বন্ধু হও), ‘লা তাকুন মুজাফিয়ান’ (বিমুখ হয়ো না) … এবং লক্ষ্য করো ‘কাউনি মুসবিহান মুওয়াফিয়া’ (আমার সকালে উপস্থিত হওয়ার বিষয়ের প্রতি)।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
*****‌‌إِنَّ وَأَخَوَاتُهَا*****

 

تَنْصِبُ إِنَّ المُبْتَدَا اسْماً وَالْخَبَرْ … تَرْفَعُهُ كَإِنَّ زَيْداً ذُو نَظَرْ

وَمِثْلُ إِنَّ أَنَّ لَيْتَ فِي الْعَمَلْ … وَهَكَذَا كَأَنَّ لَكِنَّ لَعَلّ

وَأَكَّدُوا المَعْنَى بِإِنَّ أَنَّا … وَلَيْتَ مِنْ أَلْفَاظِ مَنْ تَمَنَّى

كَأّنَّ لِلتَّشْبِيهِ فِي المُُُحَاكِي … واسْتَعْمَلُوا لكِنَّ فِي اسْتِدْرَاكِي

وَلِتَرَجٍّ وَتَوَقُّعٍ لَعَلّ … كَقَوْلِهِمْ لَعَلَّ مَحْبُوبِي وَصَلْ
*****‌‌ইন্না এবং তার সমগোত্রীয় অব্যয়সমূহ (إِنَّ وَأَخَوَاتُهَا)*****

 

‘ইন্না’ (إِنَّ) তার মুক্তাদাকে (المبتدأ) নসব (نصب) প্রদান করে বিশেষ্য (اسم) হিসেবে এবং খবরকে (الخبر) … রফা (رفع) প্রদান করে; যেমন: ‘নিশ্চয়ই জায়েদ দূরদৃষ্টিসম্পন্ন’।

কার্যাবলির (عمل) ক্ষেত্রে ‘ইন্না’-র (إِنَّ) অনুরূপ হলো ‘আন্না’ (أَنَّ) ও ‘লায়তা’ (لَيْتَ) … এবং একইভাবে ‘কাআন্না’ (كَأَنَّ), ‘লাকিন্না’ (لَكِنَّ) ও ‘লাআল্লা’ (لَعَلَّ)।

তারা ‘ইন্না’ (إِنَّ) ও ‘আন্না’ (أَنَّ) দ্বারা অর্থকে তাকিদ (تأكيد) বা জোরালো করে থাকে … আর ‘লায়তা’ (لَيْتَ) হলো আকাঙ্ক্ষা (تمني) প্রকাশের শব্দাবলির অন্তর্ভুক্ত।

সাদৃশ্য (تشبيه) বুঝাতে ‘কাআন্না’ (كَأَنَّ) ব্যবহৃত হয় … আর তারা সংশয় নিরসন বা সংশোধনের (استدراك) জন্য ‘লাকিন্না’ (لَكِنَّ) ব্যবহার করেছে।

প্রত্যাশা (ترجي) এবং সম্ভাবনা বা প্রতীক্ষার (توقع) জন্য হলো ‘লাআল্লা’ (لَعَلَّ) … যেমন তাদের উক্তি: ‘সম্ভবত আমার প্রিয়তম পৌঁছেছেন’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
*****‌‌ظَنَّ وَأَخَوَاتُهَا*****

 

إِنْصِبْ بِظَنَّ المُبْتَدَا مَعَ الْخَبَرْ … وَكُلِّ فِعْلٍ بَعْدَهَا عَلَى الأَثَرْ

كَخِلْتُهُ حَسِبْتُهُ زَعَمْتُهُ … رَأَيْتُهُ وَجَدْتُهُ عَلِمْتُهُ

جَعَلْتُهُ اتَّخَذْتُهُ وَكُلِّ مَا … مِنْ هَذِهِ صَرَّفْتَهُ فَلْيُعْلَمَا

كَقَوْ لِهِمْ ظَنَنْتُ زَيْداً مُنْجِدَا … وَاجْعَلْ لَنَا هَذَا المَكَانَ مَسْجِدَا
*****‌‌যাল্লা এবং এর সমগোত্রীয় ক্রিয়াসমূহ (ظَنَّ وَأَخَوَاتُهَا)*****

 

তুমি ‘যাল্লা’ (ظَنَّ) এর মাধ্যমে উদ্দেশ্য (مبتدأ) ও বিধেয় (خبر)-কে নসব (نصب) প্রদান করো … এবং এর পরবর্তী প্রতিটি ক্রিয়াকেও একই পদাঙ্ক অনুসরণে নসব দাও।

যেমন: আমি তাকে মনে করেছি, আমি তাকে ধারণা করেছি, আমি তাকে দাবি করেছি … আমি তাকে দেখেছি, আমি তাকে পেয়েছি, আমি তাকে জেনেছি।

আমি তাকে তৈরি করেছি, আমি তাকে গ্রহণ করেছি; আর এগুলো থেকে তুমি যা কিছু … রূপান্তর (تصريف) করবে, তা যেন সবার জ্ঞাত থাকে।

যেমন তাদের উক্তি: ‘আমি জায়েদকে সাহায্যকারী মনে করেছি’ … এবং ‘আমাদের জন্য এই স্থানটিকে একটি মসজিদ বানিয়ে দাও’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
*****‌‌بَابُ النَّعْتِ*****

 

النَّعْتُ إِمَّارَافِعٌ لِمُضْمَرِ … يَعودُ لِلْمَنْعُوتِ أَوْ لِمُظْهَرِ

فَأَوَّلُ الْقِسْمَيْنِ مِنْهُ أَتْبِعِ … مَنْعُوتَهُ مِنْ عَشْرَةٍ لأَِرْبَعِ

فِي وَاحِدٍ مِنْ أَوْجُهِ الإِعْرَابِ … مِنْ رَفْعٍ أَوْخَفْضٍ أَوْ انْتِصَابِ

كَذَا مِنَ الإِفْرَادِ وَالتَّذْكِيرِ … وَالضِّدِّ وَالتَّعْرِيفِ وَالتَّنْكِيرِ

كَقَوْلِنَا جَاءَ الْغُلَامُ الفَاضِلُ … وَجَاءَ مَعْهُ نِسْوَةٌ حَوَامِلُ

وَثَانِي الْقِسْمَيْنِ مِنْهُ أَفْرِدِ … وَإِنْ جَرَى المَنْعُوتُ غَيْرَ مُفْرَدِ

واجْعَلْهُ فِي التَّأنِيثِ وَالتَّذْكِيرِ … مُطَابِقاً لِلْمُظْهَرِ المَذْكَورِ

مِثَالُهُ قَدْ جَاءَ حُرَّتَانِ … مَنْطَلِقٌ زَوْجَاهُمَا الْعَبْدَانِ

وَمِثْلُهُ أَتَى غُلَامٌ سَائِلَهْ … زَوْجَتُهُ عَنْ دَيْنِهَا المُحْتَاجِ لَهْ
বিশেষণের (النعت) পরিচ্ছেদ

 

বিশেষণ (النعت) হয় এমন যা বিশেষ্য (المنعوت)-এর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী প্রচ্ছন্ন সর্বনাম (مضمر)-কে রাফা প্রদান করে, অথবা কোনো প্রকাশ্য বিশেষ্য (مظهر)-কে রাফা প্রদান করে। …

অতঃপর এর মধ্যে প্রথম প্রকারটির ক্ষেত্রে, তাকে দশটি বিষয়ের মধ্য থেকে চারটি বিষয়ে তার বিশেষ্য (المنعوت)-এর অনুসারী করো। …

ইরাবের (الإعراب) পদ্ধতিসমূহের মধ্য থেকে যেকোনো একটিতে—যথা: রফ' (رفع), খফদ (خفض) অথবা নাসব (نصب)-এর ক্ষেত্রে। …

তদ্রূপ একবচন (الإفراد), পুংলিঙ্গ (التذكير) এবং এর বিপরীত (দ্বিবচন, বহুবচন ও স্ত্রীলিঙ্গ) এবং নির্দিষ্টতা (التعريف) ও অনির্দিষ্টতা (التنكير)-এর ক্ষেত্রেও। …

যেমন আমাদের উক্তি: 'ভদ্র বালকটি এসেছে' এবং 'তার সাথে গর্ভবতী মহিলারা এসেছে'। …

আর দ্বিতীয় প্রকারের ক্ষেত্রে বিশেষণটিকে সর্বদা একবচন (إفراد) হিসেবে ব্যবহার করো, যদিও বিশেষ্য (المنعوت) একবচন না হয়ে অন্য কিছু হয়। …

এবং স্ত্রীলিঙ্গ ও পুংলিঙ্গ হওয়ার ক্ষেত্রে একে উল্লিখিত প্রকাশ্য বিশেষ্য (المظهر)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করো। …

এর উদাহরণ: 'দুইজন স্বাধীন নারী এসেছে যাদের দুই ক্রীতদাস স্বামী প্রস্থানকারী'। …

অনুরূপ উদাহরণ: 'এমন এক বালক এসেছে যার স্ত্রী তার প্রয়োজনীয় ঋণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে'। …
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
*****‌‌بَابُ الْعَطْفِ*****

 

وَأَتْبَعوا المَعْطُوفَ بِالْمَعْطوفِ … عَلَيْهِ فِي إِعْرَابِهِ المَعْرُوفِ

وَتَسْتَوِي الأَسْمَاءُ وَالأَفْعَالُ فِي … إِتْبَاعِ كُلِّ مِثْلَهُ إِنْ يُعْطَفِ

بِالْوَاوِ وَالْفَا أَوْ وَأَمْ وَثُمَّ … حَتَّى وَبَلْ وَلَا وَلَكِنِ أَمَّا

كَجَاءَ زَيْدٌ ثُمَّ عَمْرٌو وَأَكْرِمِ … زَيْداً وَعَمْراً بِاللِّقَا وَالْمَطْعَمِ

وَفِئَةٌ لَمْ يَأْكُلُوا أَويَحْضُرُوا … حَتَّى يَفُوتَ أَوْيَزُولَ المُنْكَرُ
সংযোজন (عطف) পরিচ্ছেদ*****

 

তারা সংযোজিত পদকে (معطوف) তার পূর্ববর্তী পদের (معطوف عليه) অনুসারী করেছে … তার সুপরিচিত ব্যাকরণিক অবস্থার (إعراب) ক্ষেত্রে।

বিশেষ্য (اسم) এবং ক্রিয়া (فعل) উভয়ই সমমর্যাদাসম্পন্ন … প্রতিটি অনুরূপ পদের অনুগমন (إتباع) করার ক্ষেত্রে যদি তা সংযোজিত (عطف) হয়।

ওয়াও (واو), ফা (فاء), আও (أو), আম (أم), ছুম্মা (ثم), হাত্তা (حتى), বাল (بل), লা (لا), লাকিন (لكن) এবং আম্মা (أما) এর মাধ্যমে।

যেমন— ‘জায়েদ আসলো অতঃপর আমর আসলো’ এবং ‘সাক্ষাৎ ও আহার প্রদানের মাধ্যমে জায়েদ ও আমরকে সম্মানিত করো’।

এবং একদল লোক আহার করেনি কিংবা উপস্থিত হয়নি … যতক্ষণ না সেই অস্বীকৃত (منكر) বিষয়টি অতিবাহিত হলো বা অপসারিত হলো।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
*****‌‌بَابُ التَّوكِيدِ*****

 

وَجَائِزٌ فِي الاِسْمِ أَنْ يُؤَكَّدَا … فَيَتْبَعُ المُؤَكَّدُ المُؤَكَّدَا

فِي أَوْجُهِ الإِعْرَابِ وَالتَّعْرِيفِ لَا … مُنَكِّرٍ فَمَنْ مُؤَكَّدٍ خَلَا

وَلَفْظُهُ المَشْهُورُ فِيهِ أَرْبَعُ … نَفْسٌ وَعَيْنٌ ثُمَّ كُلُّ أَجْمَعُ

وَغَيْرُهَا تَوَابِعٌ لأَِجْمِعَا … مِنْ أَكْتَعٍ وَأَبْتَعٍِ وَأَبْصَعَا

كَجَاءَ زَيْدٌ نَفْسُهُ وَقُلْ أَرَى … جَيْشَ الأَمِيرِ كُلَّهُ تَأَخَّرَا

وَطفْتُ حَوْلَ الْقَوْمِ أَجْمَعينَا … مَتْبُوعَةً بِنَحْوِ أَكْتَعِينَا

وَإِنْ تُؤَكِّدْ كَلْمَةً أَعَدْتَهَا … بِلَفْظِهَا كَقَوْلِكَ انْتَهَى انْتَهَى
তাকিদ (التوكيد) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

 

বিশেষ্যের (اسم) ক্ষেত্রে তাকিদ (التوكيد) প্রদান করা বৈধ … এক্ষেত্রে তাকিদ প্রদানকারী শব্দটি (المؤكد) তাকিদকৃত শব্দটিকে (المؤكد) অনুসরণ করে থাকে;

ইরাব (الإعراب) বা বিভক্তি এবং নির্দিষ্টকরণের (التعريف) ক্ষেত্রে, কিন্তু অনির্দিষ্ট (منكر) শব্দের ক্ষেত্রে নয়; কেননা তাকিদকৃত শব্দ অনির্দিষ্টতা থেকে মুক্ত থাকে।

তাকিদ প্রদানের প্রসিদ্ধ শব্দ হলো চারটি … নাফস (نفس), আইন (عين), তারপর কুল্লু (كل) এবং আজমাউ (أجمع)।

অন্যান্য শব্দগুলো হলো আজমাউ (أجمع)-এর অনুগামী … যথা— আকতাউ (أكتع), আবতাউ (أبتع) এবং আবসাউ (أبصع)।

যেমন— ‘জায়েদ নিজেই এসেছে’ এবং বলো— ‘আমি দেখেছি … আমিরের পুরো বাহিনীটিই পিছিয়ে পড়েছে’।

‘আমি সকল লোকের চারদিকে তাওয়াফ করেছি’ … যার পরে আকতাইনা (أكتعين) জাতীয় শব্দ অনুসৃত হয়েছে।

যদি তুমি কোনো শব্দকে তাকিদ (التوكيد) দিতে চাও, তবে তা পুনরায় ব্যক্ত করো … হুবহু একই শব্দের মাধ্যমে, যেমন তোমার উক্তি— ‘সমাপ্ত হয়েছে, সমাপ্ত হয়েছে’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
*****‌‌بَابُ الْبَدَلِ*****

 

إِذَا اسمٌ أَوْ فِعْلٌ لِمِثْلِهِ تَلَا … وَالْحُكْمُ لِلثَّانِي وَعَنْ عَطْفٍ خَلَا

فَاجْعَلْهُ فِي إِعْرَابِهِ كَالأَوَّلِ … مُنَقِّباً لَهُ بِلَفْظِ الْبَدَلِ

كُلُّ وَبَعْضٌ وَاشْتِمَالٌ وَغَلَطْ … كَذَلِكَ إِضْرَابٌ فًبِالْخَمْسِ انْضَبَطْ

كَجَاءَنِي زَيْدٌ أَخوكَ وأَكَلْ … عِنْدِي رَغِيفاً نِصْفَهُ وَقَدْ وَصَلْ

إِلَيَّ زَيْدٌ عِلْمُهُ الَّذِي دَرَسْ … وَقَدْ رَكِبْتُ الْيَوْمَ بَكْراً الْفَرَسْ

إِنْ قُلْتَ بَكْراً دُونَ قَصْدٍ فَغَلَطْ … أَوْ قُلْتَهُ قَصْداً فَإِضْرَابٌ فَقَطْ

وَالْفِعْلُ مِنْ فِعْلٍ كَمَنْ يُؤْمِنْ يُثَبْ … يَدْخُلْ جِنَاناً لَمْ يَنَلْ فِيهَا تَعَبْ
বদল (البدل) পরিচ্ছেদ

 

যখন কোনো বিশেষ্য (اسم) অথবা ক্রিয়া (فعل) তার সমজাতীয় পদের অনুগামী হয় … এবং বিধানটি দ্বিতীয় পদের জন্য নির্ধারিত হয় ও তা সংযোজক অব্যয় (عطف) হতে মুক্ত থাকে।

তবে তাকে তার কারক বিভক্তির (إعراب) ক্ষেত্রে প্রথম পদের অনুসারী করো … এবং তাকে বদল (البدل) পরিভাষা দ্বারা চিহ্নিত করো।

সমগ্র (كل), আংশিক (بعض), অন্তর্ভুক্তিমূলক (اشتمال) এবং ভুলবশত (غلط) … অনুরূপভাবে বক্তব্য পরিবর্তন (إضراب); এই পাঁচটি প্রকারের মাধ্যমেই এটি সুসংজ্ঞায়িত।

যেমন: 'আমার নিকট তোমার ভাই জায়েদ এসেছে' এবং 'আমি রুটির অর্ধেকটা খেয়েছি' … আর আমার নিকট পৌঁছেছে-

'জায়েদের সেই জ্ঞান যা সে অর্জন করেছে' … এবং 'আজ আমি বকরের ঘোড়ায় চড়েছি'।

যদি তুমি উদ্দেশ্যহীনভাবে 'বকর' শব্দটি উচ্চারণ করে থাকো তবে তা ভুলবশত (غلط) বদল … আর যদি সচেতনভাবে বলে থাকো তবে তা কেবল বক্তব্য পরিবর্তন (إضراب) মূলক বদল।

আর ক্রিয়া থেকেও ক্রিয়ার বদল হতে পারে, যেমন: 'যে ঈমান আনবে ও প্রতিদান পাবে (يُثَبْ) … সে এমন জান্নাতে প্রবেশ করবে যেখানে সে কোনো ক্লান্তি অনুভব করবে না'।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
*****‌‌بَابُ مَنْصُوبَاتِ الأَسْمَاءِ*****

 

ثَلَاثَةٌ مِنْ سِائِرِ الأَسْمَا خَلَتْ … مَنْصُوبَةٌ وَهَذِهِ عَشْرٌ تَلَتْ

وَكُلُّهَا تَأْتِي عَلَى تَرْتِيبِهِ … أَوَّلُهَا فِي الذِّكْرِ مَفْعُولٌ بِهِ

وَذَلِكَ اسْمٌ جَاءَ مَنْصُوباً وَقَعْ … عَلَيْهِ فِعْلٌ كَاحْذَرُوا أَهْلَ الطَّمَعْ

فِي ظَاهِرٍ وَمَضْمَرٍ قَدِ انْحَصَرْ … وَقَدْ مَضى التَّمْثِيلُ لِلَّذِي ظَهَرْ

وَغَيْرُهُ قِسْمَانِ أَيْضاً مُتَّصِلْ … كَجَاءَنِي وَجَاءَنَا وَمُنْفَصِلْ

مِثَالُهُ إِيَّاي أَوْ إِيَّانَا … حَيَّيْتَ أَكْرِمْ بِالَّذِي حَيَّانَا

وَقِسْ بِذَيْنِ كُلَّ مُضْمَرٍ فُصِلْ … وَبِاللَّذَيْنِ قَبْلَ كُلٍّ مَتَّصِلْ

فَكُلُّ قِسْمٍ مِنْهُمَا قَدِ انْحَصَرْ … مَاجَاءَ مِنْ أَنْوَاعِهِ فِي اثنَيْ عَشَرْ
*****‌‌বিশেষ্যের নসবযুক্ত (منصوب) অবস্থাসমূহের অধ্যায়‌*****

 

বিশেষ্যের অন্যান্য অবস্থার মধ্যে তিনটি (রফা ও জর) অতিবাহিত হয়েছে … আর এগুলো হলো নসবযুক্ত (منصوب) দশটি অবস্থা যা পরবর্তীতে আসছে

আর এগুলোর প্রতিটিই তার নির্দিষ্ট বিন্যাস অনুযায়ী আসবে … আলোচনার ক্ষেত্রে সেগুলোর প্রথমটি হলো কর্মকারক (مفعول به)

আর তা হলো এমন এক বিশেষ্য যা নসবযুক্ত (منصوب) অবস্থায় আসে এবং যার ওপর … ক্রিয়া (فعل) সম্পাদিত হয়; যেমন: ‘তোমরা লোভীদের থেকে সতর্ক থাকো’

তা প্রকাশ্য (ظاهر) এবং সর্বনাম (مضمر) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ … আর প্রকাশ্য (ظاهر) রূপের উদাহরণ ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে

আর তা ছাড়া (অর্থাৎ সর্বনাম) আবারও দুই প্রকার: যুক্ত (متصل) … যেমন: ‘সে আমার নিকট এসেছে’ ও ‘সে আমাদের নিকট এসেছে’, এবং বিচ্ছিন্ন (منفصل)

এর উদাহরণ হলো ‘ইয়্যা-ইয়া’ অথবা ‘ইয়্যা-না’ … তুমি অভিবাদন জানিয়েছ, অতএব তাকে সম্মান করো যে আমাদের অভিবাদন জানিয়েছে

আর এই দুটির অনুরূপ প্রতিটি বিচ্ছিন্ন (منفصل) সর্বনামকে তুলনা করো … এবং পূর্বের দুটির অনুরূপ প্রতিটি যুক্ত (متصل) সর্বনামকে গণ্য করো

অতঃপর এদের প্রতিটি প্রকারই সীমাবদ্ধ হয়েছে … যা বারোটি শ্রেণিতে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
*****‌‌بَابُ المَصْدَرِ*****

 

وَإِنْ تُرِدْ تَصْرِيفَ نَحْوِ قامَا … فَقُلْ يَقُومُ ثُمَّ قُلْ قِيَامَا

فَمَا يَجِيءُ ثَالِثاً فَالْمَصْدَرُ … وَنَصْبُهُ بِفِعْلِهِ مُقَدَّرُ

فَإِنْ يُوَافِقْ فِعْلَهُ الَّذِي جَرَى … فِي اللَّفْظِ وَالْمَعْنَى فَلَفْظِيًّا يُرَى

أَوْ وَافَقَ المعْنَى فَقَطْ وَقَدْ رُوِيَ … بِغَيْرِ لَفْظِ الْفِعْلِ فَهْوَ مَعْنَوِي

فَقُمْ قِيَاماً مِنْ قَبِيلِ الأَوَّلِ … وَقُمْ وُقُوفاً مِنْ قَبِيلِ مَا يَلِي
ক্রিয়াধর্মী বিশেষ্য বা মাসদার (المصدر) পরিচ্ছেদ

 

আপনি যদি 'ক্বমা' এর ন্যায় শব্দরূপান্তর (تصريف) করতে চান … তবে বলুন 'ইয়াক্বূমু' অতঃপর বলুন 'ক্বিয়ামান'

অতঃপর যা তৃতীয় স্থানে আসে তা-ই ক্রিয়াধর্মী বিশেষ্য (المصدر) … এবং তার নসব (نصب) তার ক্রিয়া দ্বারা নির্ধারিত

যদি এটি তার প্রযুক্ত ক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় … শব্দ এবং অর্থের দিক থেকে, তবে তা আক্ষরিক (لفظي) হিসেবে গণ্য

অথবা যদি কেবল অর্থের মিল থাকে এবং বর্ণিত হয় … ক্রিয়ার মূল শব্দ ব্যতিরেকে ভিন্ন শব্দে, তবে তা অর্থগত (معنوي)

সুতরাং 'ক্বুম ক্বিয়ামান' প্রথম প্রকারের অন্তর্ভুক্ত … আর 'ক্বুম উকুফান' তার পরবর্তী প্রকারের অন্তর্ভুক্ত
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
*****‌‌بَاب الظَرْفِ*****

 

هُوَ اسْمُ وَقْتٍ أَوْ مَكَانٍ انْتَصَبْ … كُلُّ عَلَى تَقْدِيرِ فِي عِنْدَ العَرَبْ

إِذَا أَتَى ظَرْفُ المَكَانِ مُبْهَمَا … وَمُطْلَقاً فِي غَيْرِهِ فَلْيُعْلَمَا

وَالنَّصْبُ بِالْفِعْلِ الَّذِي بِهِ جَرَى … كَسِرْتُ مِيلاً واعْتَكَفْتُ أَشْهُرَا

أَوْ لَيْلَةً أَوْ يَوْماً أَوْ سِنِينَ … أَوْمُدَّةً أَوْ جُمْعَةً أَوْحِبنَا

أَوْ قُمْ صَبَاحاً أَوْ مَسَاءً أَوْسَحَرْ … أَو غُدْوَةً أَو بُكْرَةً إِلى السَّفَرْ

أَوْ لَيْلَةَ الإِْثْنَيْنِ أَوْ يَوْمَ الأَحَدْ … أَو صُمْ غَدَاً أَو سَرْمَدَاً أَو الأَبَدْ

واسْمُ المَكَانِ نَحْوُ سِرْ أَمَامَهْ … أَو خَلْفَهُ وَرَاءَهُ قُدَّامَهْ

يَمِينَهُ شِمَالَهُ تَلْقَاءَهُ … أَوْ فَوْقَهُ أَو تَحْتَهُ إِزَاءَهُ

أَوْ مَعْهُ أَوْ حِذَاءَهُ أَوْ عِنْدَهُ … أَو دُونَهُ أَو قَبْلَهُ أَو بَعْدَهُ

هُنَاكَ ثُمَّ فَرْسَخاً بَرِيدا … وَهَهُنَا قِفْ مَوْقِفاً سَعِيدا
আধার সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

 

এটি কালবাচক কিংবা স্থানবাচক বিশেষ্য যা নসবপ্রাপ্ত হয় … আরবদের রীতি অনুযায়ী যার প্রত্যেকটি ‘মধ্যে’ অব্যয়ের অর্থ বহন করে।

যখন স্থানের আধারটি অনির্দিষ্ট (مبهم) হিসেবে আসে … এবং সময়ের আধারের ক্ষেত্রে এটি শর্তহীনভাবে প্রযোজ্য হয়, তা জেনে রাখা উচিত।

আর এই নসব হওয়ার আমলটি সেই ক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হয় যার দ্বারা এটি সংঘটিত হয়েছে … যেমন: ‘আমি এক মাইল পথ চলেছি’ এবং ‘আমি কয়েক মাস ইতিকাফ করেছি’।

অথবা এক রাত, এক দিন কিংবা কয়েক বছর … অথবা কোনো নির্দিষ্ট সময়কাল, এক সপ্তাহ কিংবা কোনো এক মুহূর্ত।

অথবা সকালে দণ্ডায়মান হও, কিংবা সন্ধ্যায় অথবা শেষ রাতে … কিংবা ভোরে অথবা প্রত্যুষে সফর পর্যন্ত।

অথবা সোমবারের রাত, কিংবা রবিবারে … অথবা আগামীকাল রোজা রাখো, কিংবা চিরকাল অথবা অনন্তকাল।

আর স্থানের বিশেষ্য যেমন: ‘তার সামনে চলো’ … অথবা তার পেছনে, তার পশ্চাতে, তার সম্মুখে।

তার ডানে, তার বামে, তার মুখোমুখি … অথবা তার উপরে, তার নিচে, তার বিপরীতে।

অথবা তার সাথে, তার সমান্তরালে, তার কাছে … অথবা তার সান্নিধ্যে, তার পূর্বে কিংবা তার পরে।

সেখানে, অতঃপর এক ফরসাখ, এক বারিদ … এবং এখানে, একটি শুভ স্থানে অবস্থান করো।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
*****‌‌بَابُ الحَالِ*****

 

الحَالُ وَصْفٌ ذو انْتِصَابٍ آتِي … مُفَسِّراً لِمُبْهَمِ الْهَيْآتِ

وَإِنَّمَا يُؤْتَى بِهِ مُنْكَّرَا … وَغَالِباً يُؤْتَى بِهِ مُؤَخَّرا

كَجَاءَ زَيْدٌ رَاكِباً مَلْفُوفا … وَقَدْ ضَرَبْتُ عَبْدَهُ مَكْتوفا

وَقَدْ يَجِيءُ فِي الْكَلَامِ أَوَّلَا … وَقَدْ يَجِيءُ جَامِداً مُؤَوَّلا

وَصَاحِبُ الحَالِ الَّذِي تَقَرَّرا … مُعَرَّفٌ وَقَدْ يَجي مُنَكَّرَا
‌পরিচ্ছেদ: অবস্থা (الحال)*****

 

অবস্থা (الحال) হলো একটি নাসব-যুক্ত (انتصاب) গুণবাচক শব্দ যা আগত হয় … অস্পষ্ট রূপ বা অবস্থাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদানকারী হিসেবে।

এবং একে কেবল অনির্দিষ্ট (منكر) রূপেই আনা হয় … আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে একে পশ্চাদবর্তী বা শেষে (مؤخر) আনা হয়।

যেমন: ‘জায়েদ আরোহী ও আবৃত অবস্থায় এসেছে’ … এবং ‘আমি তার গোলামকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় প্রহার করেছি’।

কখনও কখনও এটি বাক্যের শুরুতে আসে … আবার কখনও এটি অপরিবর্তনীয় (جامد) হিসেবে আসে যা ব্যাখ্যাকৃত (مؤول) হওয়ার অর্থ বহন করে।

আর সাহেবুল হাল (صاحب الحال) যার নিয়ম নির্ধারিত হয়েছে … তা নির্দিষ্ট (معرفة) হয়, তবে কখনও কখনও অনির্দিষ্ট (منكر) রূপেও আসতে পারে।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
*****‌‌بَابُ التَّمْيِيزِ*****

 

تَعْرِيفُهُ آسْمٌ ذُو انْتِصَابٍ فَسَّرَا … لِنِسْبَةٍ أَوْ ذَاتِ جِنْسٍ قَدَّرَا

كَانْصَبَّ زَيْدٌ عَرَقاً وَقَدْ عَلَا … قَدْراً وَلَكِنْ أَنْتَ أَعْلَى مَنْزِلَا

وَكَاشْتَرَيْتُ أَرْبَعاً نِعَاجَا … أَو اشْتَرَيْتُ أَلْفَ رِطْلٍ سَاجَا

أَوْ بِعْتُهُ مَكِيلَةً أَرُزًّا … أَوْ قَدْرَ بَاعٍ أَوْ ذَرَاعٍ خَزًّا

وَوَاجِبُ التَّمْيِيزِ أَنْ يُنْكَّرَا … وَأَنْ يَكونَ مُطْلَقاً مُؤَخَّرَا
*****‌‌তাময়িজ (বিশেষায়ন) পরিচ্ছেদ*****

 

এর সংজ্ঞা হলো: এটি একটি নসবযুক্ত বিশেষ্য যা অস্পষ্টতা দূর করে … কোনো সম্বন্ধের ক্ষেত্রে কিংবা সত্তার প্রকারভেদের ক্ষেত্রে

যেমন: ‘জায়েদ ঘামে সিক্ত হলো’ এবং ‘সে মর্যাদায় উচ্চ হলো’ … তবে ‘আপনার অবস্থান সবার উপরে’

যেমন: ‘আমি চারটি ভেড়া ক্রয় করেছি’ … অথবা ‘আমি এক হাজার রতল সেগুন কাঠ ক্রয় করেছি’

অথবা ‘আমি তার কাছে এক পাত্র চাল বিক্রি করেছি’ … কিংবা ‘এক প্রসারিত হাত বা এক গজ রেশমি কাপড়’

তাময়িজের জন্য আবশ্যক হলো একে অনির্দিষ্ট হতে হবে … এবং একে সর্বাবস্থায় পরবর্তীকালে (শেষে) আসতে হবে
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
*****‌‌بَابُ الاُِسْتِثْنَاءِ*****

 

أَخْرِجْ بِهِ الْكَلَامِ مَا خَرَجْ … مِنْ حُكْمِهِ وَكَانَ فِي اللَّفْظِ انْدَرَجْ

وَلَفْظُ الاُِسْتِثْنَا الَّذِي قَدْ حَوَى … إِلَاّ وَغَيْراً وَسِوَى سُوىً سَوَا

خَلَا عَدَا حَاشَا فَمَعْ إِلَاّ انْصِبِ … مَا أَخْرَجَتْ مِنْ ذِي تَمَامٍ مُوجَبِ

كقَامَ كُلُّ الْقَوْمِ إِلَاّ وَاحِدَا … وَقَدْ رأَيْتُ الْقَوْمَ إِلَاّ خَالِدَا

وَإِنْ يَكُنْ مِنْ ذِي تَمَامٍ انْتَفَى … فَأَبْدِلَنْ وَالنَّصْبُ فِيهِ ضُعِّفَا

هَذَا إِذَا اسْتَثْنَيْهُ مِنْ جِنْسِهِ … وَمَا سِوَاهُ حُكْمُهُ بِعَكْسِهِ

كَلَنْ يَقُومَ القَوْمُ إِلَاّ جَعْفَرُ … وَانَّصْبُ فِي إِلَاّ بَعِيراً أَكْثَرُ

وَإِنْ يَكُنْ مِنْ ناقِصٍ فَإِلَاّ … قَدْ أُلْغِيَتْ وَالْعَامِلُ اسْتَقَلَاّ

كَلَمْ يَقُمْ إِلَاّ أَبوكَ أَوَّلَا … وَلَا أَرَى إِلَاّ أَخَاكَ مَقْبِلَا

وَخَفْضُ مُسْتَثْنىً عَلَى الإِطْلَاقِ … يَجُوزُ بَعْدَ السَّبْعَةِ الْبَوَاقِي

وَالنَّصْبُ أّيْضاً جَائِزٌ لِمَنْ يَشَا … بِمَا خَلَا ومَا عَدَا وَمَا حَشَا
‌‌ব্যতিক্রম (استثناء) এর অধ্যায়

 

এর মাধ্যমে বক্তব্যের সেই অংশকে বের করে দেওয়া হয় যা তার বিধান (حكم) থেকে বহির্ভূত, অথচ তা শব্দের কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ব্যতিক্রম (استثناء) এর শব্দসমূহ যা যা অন্তর্ভুক্ত করে তা হলো: ইল্লা (إلا), গয়রা (غير), সিওয়া (سوى), সুওয়া (سوى) এবং সাওয়া (سواء)।

রয়েছে খলা (خلا), আদা (عدا) এবং হাশা (حاشا); সুতরাং 'ইল্লা' (إلا) এর সাথে তাকে নসব (نصب) প্রদান করুন যা পূর্ণাঙ্গ ও ইতিবাচক (موجব) বাক্য হতে বাদ পড়েছে।

যেমন: "এক ব্যক্তি ব্যতীত সকল লোক দাঁড়িয়েছে" … এবং "আমি খালেদ ব্যতীত সকল লোককে দেখেছি"।

আর বাক্যটি যদি পূর্ণাঙ্গ ও নেতিবাচক (منفي) হয়, তবে তাকে স্থলাভিষিক্ত (بدل) করুন; আর সেখানে নসব (نصب) করাকে দুর্বল (ضعيف) গণ্য করা হয়েছে।

এটি তখনই যখন আপনি তাকে তার স্বজাতীয় (جنس) থেকে ব্যতিক্রম (استثناء) করবেন, আর এর বাইরে যা হবে তার বিধান হবে এর বিপরীত।

যেমন: "জাফর ব্যতীত অন্য কোনো লোক দাঁড়াবে না" … আর "একটি উট ব্যতীত" এর ক্ষেত্রে নসব (نصب) এর ব্যবহারই অধিক।

আর বাক্যটি যদি অসম্পূর্ণ (ناقص) হয়, তবে 'ইল্লা' (إلا) এর কার্যকারিতা বাতিল (الغاء) হয়ে যাবে এবং আমেল (عامل) স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

যেমন প্রথমত: "তোমার পিতা ব্যতীত কেউ দাঁড়ায়নি" … এবং "আমি তোমার ভাই ব্যতীত কাউকে আসতে দেখছি না"।

আর অবশিষ্ট সাতটি অব্যয়ের পরে সাধারণভাবে ব্যতিক্রমকৃত (مستثنى) পদের জর (خفض) প্রদান করা বৈধ।

এছাড়াও যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে তার জন্য 'মা খলা' (ما خلا), 'মা আদা' (ما عدا) এবং 'মা হাশা' (ما حشا) এর মাধ্যমে নসব (نصب) প্রদান করাও বৈধ।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
*****‌‌بَابُ لَا الْعَامِلَةِ عَمَلَ إِنَّ*****

 

وَحُكْمُ لَا كَحُكْمِ إِنَّ فِي الْعَمَلْ … فَانْصِبْ بِهَا مُنَكَّراً بِهَا اتَّصَلْ

مُضَافاً أَوْ مُشَابِهَ الْمُضَافِ … كَلَا غُلَامَ حَاضِرٌ مكَافِي

لَكِنْ إِذَا تَكَرَّرَتْ أَجْرَيْتَهَا … كَذَاكَ فِي الأَعْمَالِ أَوْ أَلْغَيْتَهَا

وَعِنْدَ إِفْرَادِ اسْمِهَا الْزَمِ الْبِنَا … مُرَكَّبَا أَوْ رفْعَهُ منَوِّنَا

كَلَا أَخٌ وَلَا أَبٌ وَانْصِبْ أَبَا … أَيْضاً وَإِنْ تَرِفَعْ أَخاً لَا تَنْصِبَا

وَحَيْثُ عَرَّفْتَ اسْمَهَا أَوْ فُصِلَا … فَارْفَعْ وَنَوِّن وَالْتَزِمْ تَكْرَارَ لَا

كَلَا عَلِيٌّ حَاضِرٌ وَلَا عُمَرْ … وَلَا لَنَا عَبْدٌ وَلَا مَا يُدَّخَرْ
‌পরিচ্ছেদ: ‘ইন্না’ (إِنَّ)-এর ন্যায় আমলকারী ‘লা’ (لَا)‌

 

আমল বা কার্যের ক্ষেত্রে ‘লা’ (لَا)-এর বিধান ‘ইন্না’ (إِنَّ)-এর বিধানের অনুরূপ … সুতরাং এর মাধ্যমে সেই অনির্দিষ্ট (منكر) বিশেষ্যকে নসব (نصب) প্রদান করো যা এর সাথে সরাসরি যুক্ত হয়েছে।

চাই তা সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হোক অথবা সম্বন্ধযুক্তের সদৃশ (مشابه المضاف) … যেমন: ‘উপস্থিত কোনো গোলামই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নয়’।

কিন্তু যখন এটি পুনরাবৃত্ত হবে, তখন তুমি চাইলে একে আমলযোগ্য রাখতে পারো … আমলের ক্ষেত্রে অনুরূপভাবে, অথবা তুমি একে আমলহীন (إلغاء) করে দিতে পারো।

আর যখন এর বিশেষ্যটি একক বা সম্বন্ধহীন (مفرد) হবে, তখন সেটিকে যৌগিক হিসেবে অপরিবর্তনীয় (بناء) রাখা আবশ্যক করো … অথবা তানউইনসহ সেটিকে রফ (رفع) প্রদান করো।

যেমন: ‘না কোনো ভাই আছে, না কোনো পিতা’; এবং তুমি পিতাকে নসব (نصب) করতে পারো … আবার যদি তুমি ভাইকে রফ (رفع) করো, তবে পিতাকে নসব করো না।

আর যখনই তুমি এর বিশেষ্যকে নির্দিষ্ট (معرفة) করবে অথবা ব্যবধান সৃষ্টি হবে … তখন রফ (رفع) ও তানউইন প্রদান করো এবং ‘লা’ (لَا) পুনরাবৃত্তি করা আবশ্যক করো।

যেমন: ‘আলীও উপস্থিত নেই এবং উমরও নেই’ … এবং ‘আমাদের কোনো দাস নেই এবং সঞ্চিত কিছুও নেই’।
(খণ্ড: ১) আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ নাজমুল আজরুমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
*****‌‌بَابُ النِّدَاءِ*****

 

خَمْسٌ تنَادَى وَهْيَ مَفْرَدٌ عَلَم … وَمُفْرَدٌ منَكَّرٌ قَصْداً يُؤَمّ

وَمُفْرَدٌ مُنَكَّرٌ سِوَاهُ … كَذَا المُضَافُ وَالَّذِي ضَاهَاهُ

فَالأَوَّلَانِ فِيهِمَا الْبِنَا لَزِمْ … عَلَى الَّذِي فِي رَفْعِ كُلِّ قَدْ عُلِمْ

مِنْ غِيرِ تَنْوِينٍ عَلَى الإِطْلَاقِ … وَالنَّصْبُ فِي الثَّلَاثَةِ الْبَوَاقِي

كَيَا عَلِيٌّ يَا غلَامِي بِي انْطَلِقْ … يَا غَافِلاً عَنْ ذِكْرِ رَبِّهِ أَفِقْ

يَا كَاشِفَ الْبَلْوَى وَيَا أَهْلَ الثَّنَا … وَيَا لَطِيفاً بِالْعبَادِ الْطُفْ بِنَا
সম্বোধন (نداء) অধ্যায়

 

আহ্বানকৃত শব্দ (منادى) পাঁচ প্রকার; তা হলো একক বিশিষ্ট বিশেষ্য (مفرد علم) … এবং এমন একক অনির্দিষ্ট শব্দ যা নির্দিষ্টভাবে সংকল্প করা হয়েছে (نكرة مقصودة)

এবং তা ব্যতীত অন্য একক অনির্দিষ্ট শব্দ (نكرة غير مقصودة) … তদ্রূপ সম্বন্ধযুক্ত শব্দ (مضاف) এবং যা তার সদৃশ (شبيه بالمضاف)

প্রথম দুই প্রকারের ক্ষেত্রে অপরিবর্তনীয় হওয়া (بناء) আবশ্যক … সেই চিহ্নের ওপর ভিত্তি করে যার মাধ্যমে তাদের রাফ (رفع) হওয়ার অবস্থা জানা যায়

কোনো অবস্থাতেই তানউইন (تنوين) গ্রহণ করা ব্যতিরেকে … আর অবশিষ্ট তিন প্রকারের ক্ষেত্রে নসব (نصب) প্রদান করা হবে

যেমন: হে আলী! হে আমার বালক! আমাকে নিয়ে চলো … হে আপন প্রতিপালকের স্মরণ থেকে বিমুখ ব্যক্তি! জাগ্রত হও

হে বিপদ দূরকারী এবং হে প্রশংসার উপযুক্তগণ! … এবং হে বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু! আমাদের প্রতি সদয় হোন।