(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: -)
ذيل لسان الميزان   (حاتم العوني)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: ذيل لسان الميزان «رواة ضعفاء أو تكلم فيهم، لم يذكروا في كتب الضعفاء والمتكلم فيهم»

المؤلف: حاتم بن عارف بن ناصر الشريف العوني

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع، مكة المكرمة - المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولى، 1418 هـ

عدد الصفحات: 247

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

যাইলু লিসানিল মিজান   (হাতেম আল-আওনী)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


বই: যাইলু লিসানিল মিজান «এমন দুর্বল বর্ণনাকারীগণ অথবা যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে, যাদের নাম দুর্বল ও সমালোচিত বর্ণনাকারীদের গ্রন্থসমূহে ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়নি»

লেখক: হাতেম বিন আরিফ বিন নাসির আল-শরীফ আল-আওনী

প্রকাশক: দার আলম আল-ফাওয়ায়েদ প্রকাশনা ও বিতরণ, মক্কা আল-মুকাররামা - সৌদি আরব রাজ্য

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরী

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪৭

[বইটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৩)
ذَيْلُ لِسَانِ المِيْزَانِ

«رُوَاةٌ ضُعَفَاءُ أوْ تُكُلِّمَ فيهِم، لَمْ يُذكَرُوا فِي كُتُبِ الضُّعَفَاءِ وَالمتَكَلَّمِ فيهِم»
লিসানুল মিজানের পরিশিষ্ট

«দুর্বল বর্ণনাকারী অথবা যাদের ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে, যাদের নাম দুর্বল ও সমালোচিত বর্ণনাকারীদের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ করা হয়নি»
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৪)
(ح) دَارُ عَالم الْفَوَائِد للنَّشر وَالتَّوزيع، 1418 هـ

فهرسة مكتبة الْملك فَهد الوطنية أثْنَاء النشر

العوني، حَاتِم بن عَارِف

ذيل لِسَان الْمِيزَان - الرياض.

272 ص؛ 17 × 24 سم

ردمك: 5 - 6 - 9181 - 9960

1 - الحَدِيث - تراجم الروَاة.

2 - الحَدِيث - الْجرْح وَالتَّعْدِيل. أ- العنوان

ديوي 234.6 - 3209/ 18

 

رقم الْإِيدَاع: 3209/ 18

ردمك: 5 - 6 - 9181 - 9960

 

حُقُوق الطَّبْع مَحْفُوظَة

الطبعة الأولى

غرّة ذِي الْحجَّة 1418 هـ

 

دَارُ عَالم الْفَوَائِد

للنَّشر وَالتَّوزيع

مَكَّة المكرمة - ص ب: 2928

هَاتِف: 5457606 - فاكس: 5457610
(সি) দারু আলম আল-ফাওয়াইদ প্রকাশনী ও পরিবেশনী, ১৪১৮ হিজরি

প্রকাশনাকালে বাদশাহ ফাহাদ জাতীয় গ্রন্থাগারের ক্যাটালগিং

আল-আউনি, হাতিম বিন আরিফ

যাইল লিসান আল-মিজান - রিয়াদ।

২৭২ পৃষ্ঠা; ১৭ × ২৪ সেমি

আইএসবিএন: ৫ - ৬ - ৯১৮১ - ৯৯৬০

১ - হাদিস - বর্ণনাকারীদের জীবনী।

২ - হাদিস - আল-জারহ ওয়াত-তাদিল। ক- শিরোনাম

ডিউই ২৩৪.৬ - ৩২০৯/ ১৮

 

জমাদান নম্বর: ৩২০৯/ ১৮

আইএসবিএন: ৫ - ৬ - ৯১৮১ - ৯৯৬০

 

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১ যিলহজ ১৪১৮ হিজরি

 

দারু আলম আল-ফাওয়াইদ

প্রকাশনী ও পরিবেশনী

মক্কা মুকাররমা - পো.ব.: ২৯২৮

টেলিফোন: ৫৪৫৭৬০৬ - ফ্যাক্স: ৫৪৫৭৬১০
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌المقدمة

الحمد لله الذي لا إله إلا هو، ولا رب سواه.

أحمدك ربّي معترفًا بجحود حمدي عن شُكْر نعمة حَمْدِك، فأحمدك ربي مع يأسي عن حق حمدك طاعةً لأمرك. فما حُمِدْتَ إلا بحمدك، ولا قَبِلْتَ إلا بعَفْوك، ولا رضيتَ إلا بحلمك.

فلله الحمد كُلُّه، لطيفُه وجلُّه؛ ما رُفع منه في كُتُبِ الأتقياء، ودوّت به الملائكة في السماء، وتجلجل تقديسُه في صدور الأنبياء؛ وما لهجت به حقائقُ الوجود، وغيبتُه الغُيوب عن عوالم الشهود؛ وما حَمِدْتَ به نَفْسَك وأنزلته في كُتُبِك، وما حمدتَ به نَفْسَك واختصصتَ به نفسَك.

إلهي فتشفّعتُ إليك بعبوديّتي لك أن تقبل حَمْدي، وتوسّلتُ إليك -ربّي- بافتقار كُلّي إليك أن تقبل حمدي، واستغثتُ بك -خالقي- بتمام عجزي عن كُنْهِ حمدك أن تقبل حمدي، وتمسّحْتُ بأعتاب جودك -راحمي- أن تقبل حمدي.

وأصلّي وأسلّم على عبد الله ورسوله محمَّد سيد الأولين والآخرين، وإمام الأنبياء والمرسلين، صلاةً تنفعني في العُقْبى،
ভূমিকা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং তিনি ছাড়া কোনো প্রতিপালক নেই।

হে আমার রব, আমি আপনার প্রশংসা করছি এই স্বীকারোক্তি দিয়ে যে, আপনার প্রশংসার নিআমতের শুকরিয়া আদায়ে আমার প্রশংসা একান্তই তুচ্ছ; তাই হে আমার রব, আপনার নির্দেশের আনুগত্যস্বরূপ আপনার প্রশংসার হক আদায়ে আমার অপারগতা সত্ত্বেও আমি আপনার প্রশংসা করছি। আপনার প্রশংসা তো আপনারই দানকৃত প্রশংসার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে, আপনি কেবল আপনার ক্ষমার গুণেই তা কবুল করেছেন এবং আপনার সহনশীলতার গুণেই আপনি সন্তুষ্ট হয়েছেন।

সুতরাং সমস্ত প্রশংসা কেবল আল্লাহরই জন্য—তা সামান্য হোক কিংবা মহান; যা মুত্তাকীদের আমলনামায় উন্নীত হয়েছে, আসমানে ফেরেশতারা যার ধ্বনি তুলেছে এবং নবীদের অন্তরে যার পবিত্রতা বিঘোষিত হয়েছে; অস্তিত্বের যা কিছু আছে তার হাকীকতসমূহ যে প্রশংসায় মুখরিত হয়েছে এবং দৃশ্যমান জগতের আড়ালে অদৃশ্য জগতসমূহ যা লুকিয়ে রেখেছে; এবং যে প্রশংসার মাধ্যমে আপনি নিজের প্রশংসা করেছেন ও আপনার কিতাবসমূহে নাযিল করেছেন এবং যে প্রশংসার মাধ্যমে আপনি নিজের প্রশংসা করেছেন ও তা কেবল নিজের জন্যই নির্দিষ্ট করে রেখেছেন।

হে আমার ইলাহ, আমার প্রশংসা কবুল করার জন্য আপনার কাছে আপনার প্রতি আমার দাসত্বকে শাফাআতকারী হিসেবে পেশ করছি; হে আমার রব, আমার প্রশংসা কবুল করার জন্য আপনার প্রতি আমার চূড়ান্ত মুখাপেক্ষিতার মাধ্যমে আপনার ওসিলা প্রার্থনা করছি; হে আমার খালিক, আপনার প্রশংসার গূঢ় রহস্য উপলব্ধিতে আমার পূর্ণ অক্ষমতাকে তুলে ধরে আপনার কাছে আমার প্রশংসা কবুল করার জন্য ফরিয়াদ করছি; এবং হে আমার পরম দয়ালু, আপনার দানশীলতার দুয়ারে নিজেকে সঁপে দিচ্ছি যাতে আপনি আমার প্রশংসা কবুল করেন।

আর আমি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ—যিনি পূর্বাপর সকলের সরদার এবং নবী ও রাসূলগণের ইমাম—তাঁর প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করছি; এমন দরুদ যা পরকালে আমার উপকারে আসবে।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৬)
وأدّخرها ليوم الشفاعة العُظمى. فاللهم صَلِّ على عبدك ورسولك محمَّد أتمَّ الصلوات المباركات، وسلم اللهم عليه تسليمًا كثيرًا، وعلى آل بيته من ذريته وأزواجه أمهات المؤمنين، وعلى أصحابه أجمعين، وعلى مُقْتَفِي آثارهم إلى يوم الدين.

أما بعد: فقد جعل الله تعالى سنةَ النبي صلى الله عليه وسلم حِصْنَ دينه الحصين، ورُكنَ شرعه الرَّكين. ولذلك فإن الوَعْدَ الإلهي بحفظ كتابه الكريم، وبنُصرة دينه، وببقائه إلى يوم الدين؛ متضمن الوعدَ بحفظ السنة النبويّة المشرفة، وبنُصْرَتها، وببقائها؛ لأن السنة بيانُ الكتابِ، ولأنّها (معه) هي الدين والشريعة.

ولذلك فإن قول الله تعالى {إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ (9)} [الحجر: 9]، وَعْدٌ بحفظ القرآن الكريم والسنة المشرفة معًا.

غير أن الله عز وجل قد شاء بتقدير علمه ولطيف حكمته أن يُوكل حِفْظَ السنّةِ إلى النّاس، وأن يتكفّل هو بحفظ كلامه المنزّل (القرآن الكريم). لذلك فقد هيّأ الله تعالى في هذه الأمّة أئمةً أعلامًا، وسخّر فيها علماء عظامًا، لحفظ دينه، بحفظ السنة النبويّة المشرفة.

والحقُّ يقول، والتاريخُ يُخبر، والوجودُ يشهد، والبدائةُ لا تتردد: أن علوم السنة المشرفة التي أنشاها علماء هذه الأمّة معجزةٌ
এবং আমি একে মহান শাফায়াতের দিনের জন্য সঞ্চয় করে রাখছি। হে আল্লাহ! আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদের ওপর বর্ষণ করুন সর্বোত্তম ও বরকতময় রহমত, এবং হে আল্লাহ! তাঁর ওপর বর্ষণ করুন প্রচুর পরিমাণে শান্তি; আরও রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর বংশধর ও তাঁর স্ত্রীগণের ওপর যারা মুমিনদের জননী, এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর এবং কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যারা তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন তাঁদের ওপর।

অতঃপর: মহান আল্লাহ নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর সুন্নাহকে তাঁর দ্বীনের সুদৃঢ় দুর্গ এবং তাঁর শরীয়তের শক্তিশালী স্তম্ভ বানিয়েছেন। আর সেই কারণে তাঁর সম্মানিত কিতাব হিফাযত করার, তাঁর দ্বীনকে সাহায্য করার এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাকে টিকিয়ে রাখার যে ঐশ্বরিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে; তা সম্মানিত সুন্নাতে নববী হিফাযত করার, তাকে সাহায্য করার এবং তাকে টিকিয়ে রাখার প্রতিশ্রুতিকেও অন্তর্ভুক্ত করে; কারণ সুন্নাহ হলো কিতাবের ব্যাখ্যা, এবং এটিই (কুরআনের সাথে মিলে) দ্বীন ও শরীয়ত।

আর তাই মহান আল্লাহর বাণী {নিশ্চয় আমিই এই যিকর (উপদেশ) অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই তার হিফাযতকারী (৯)} [হিজর: ৯], এটি পবিত্র কুরআন এবং সম্মানিত সুন্নাহ উভয়কে একত্রে হিফাযত করার একটি প্রতিশ্রুতি।

তবে মহান আল্লাহ (তিনি মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাঁর জ্ঞানের ফয়সালা এবং তাঁর সূক্ষ্ম প্রজ্ঞার মাধ্যমে এটি চেয়েছেন যে, তিনি সুন্নাহ হিফাযতের দায়িত্ব মানুষের ওপর অর্পণ করবেন, আর তিনি স্বয়ং তাঁর অবতীর্ণ কালাম (পবািত্র কুরআন) হিফাযতের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এই কারণে মহান আল্লাহ এই উম্মতের মধ্যে বরেণ্য ইমামদের প্রস্তুত করেছেন এবং মহান আলেমদের নিয়োজিত করেছেন তাঁর দ্বীনকে হিফাযত করার জন্য, সম্মানিত সুন্নাতে নববী হিফাযত করার মাধ্যমে।

সত্য কথা এই যে, ইতিহাস সংবাদ দিচ্ছে, বাস্তবতা সাক্ষ্য দিচ্ছে এবং স্বতঃসিদ্ধ সত্য কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলছে: এই উম্মতের আলেমগণ সম্মানিত সুন্নাহর যে বিজ্ঞানসমূহ উদ্ভাবন করেছেন তা একটি অলৌকিক মুজিযা।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৭)
وخارقةٌ للعادات، ما كانت لتكون لولا قَدَرُ الله تعالى بتأييد هذا الدين!

ومن أجلّ علوم السنة وأعظمها خطرًا: علمُ الجرح والتعديل، ومعرفةُ مَن تُقبل روايته أو تُرَدُّ؛ حيث إنه العلم الذي به تم تمحيص النّقل، وعليه بُني نَقْدُ الأخبار، ومن أحكامه شعَّ نورُ السُّنةِ في صدور علماءِ السُّنةِ فميّزوا به السنّةَ من غيرها.

وقد بذل أئمةُ الحديثِ ونقّادُه في علم الجرح والتعديل قُصارى جهدهم، ونقّبوا عن أخبار الرواة، وبحثوا عن أحوالهم، وأرّخوا لهم، بما لا يُعرف بعضُه (ولا بعضُ بعضِه) لأمّةٍ من الأمم. فصنّفوا في ذلك كتب تراجم الرواة وتواريخهم، وأبدعوا في تنويع التصنيف، وأتقنوا ذلك الإبداع؛ حتى خرجت تلك الجهودُ وعليها نفحةُ التوفيق الإلهي، وتدل على التأييد الربّاني لأولئك العلماء.

يقول الإِمام الذهبي (ت 748 هـ) في مقدّمة كتابه ميزان الاعتدال في نقد الرجال (1/ 1 - 2): "وقد ألّف الحفاظُ مصنّفاتٍ جمةً في "الجرح والتعديل" ما بين اختصار وتطويل. فأوّل من جُمع كلامه في ذلك الإمامُ الذي قال في أحمد بن حنبل: ما رأيتُ بعينيَّ مثل يحيى بن سعيد القطان؛ وتكلم في ذلك بعده تلامذته: يحيى بن معين، وعلي بن المديني، وأحمد بن حنبل، وعَمرو بن علي الفلاس، وأبو خيثمة؛ وتلامذتُهم: كأبي زرعة، وأبي حاتم،
এবং এগুলো অলৌকিক বিষয়, যা মহান আল্লাহর এই দীনকে সাহায্যের ফয়সালা ব্যতীত হওয়া সম্ভব ছিল না!

সুন্নাহর শাস্ত্রসমূহের মধ্যে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো: আল-জারহ ওয়াত-তাদীল (বর্ণনাকারীদের দোষ-গুণ বিচার) শাস্ত্র এবং কার বর্ণনা গ্রহণ করা হবে বা বর্জন করা হবে তা জানার ইলম; কেননা এটি এমন এক বিদ্যা যার মাধ্যমে বর্ণিত বিষয়াবলি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং এর ওপরই সংবাদের সমালোচনা বা পর্যালোচনার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। এর বিধানগুলো থেকেই সুন্নাহর আলো সুন্নাহর আলেমদের অন্তরে উদ্ভাসিত হয়েছে, যার ফলে তারা সুন্নাহকে অন্য সব কিছু থেকে পৃথক করতে পেরেছেন।

হাদীসের ইমামগণ এবং এর সমালোচকগণ আল-জারহ ওয়াত-তাদীল শাস্ত্রে তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন। তারা বর্ণনাকারীদের সংবাদসমূহ অনুসন্ধান করেছেন, তাদের অবস্থা নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং তাদের জীবনী সংকলন করেছেন এমনভাবে যার সামান্য অংশও (এমনকি সেই সামান্যর সামান্য অংশও) অন্য কোনো জাতির মধ্যে পরিচিত নয়। এ বিষয়ে তারা বর্ণনাকারীদের জীবনী ও ইতিহাসের গ্রন্থাবলি রচনা করেছেন। তারা রচনার বৈচিত্র্যে সৃজনশীলতা প্রদর্শন করেছেন এবং সেই সৃজনশীলতাকে নিপুণভাবে সম্পন্ন করেছেন; এমনকি এই প্রচেষ্টাগুলো এমনভাবে প্রকাশিত হয়েছে যাতে ঐশী তাওফীকের সুবাস রয়েছে এবং তা ঐ সকল আলেমদের প্রতি রব্বানী সাহায্যের প্রমাণ বহন করে।

ইমাম আয-যাহাবী (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি) তার ‘মিযানুল ই’তিদাল ফী নাক্বদির রিজাল’ গ্রন্থের ভূমিকায় (১/১-২) বলেন: “হাফিযগণ ‘আল-জারহ ওয়াত-তাদীল’ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন। এ বিষয়ে প্রথম যার কথাগুলো সংকলিত হয়েছে তিনি হলেন সেই ইমাম যার সম্পর্কে আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: ‘আমি নিজ চোখে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানের মতো কাউকে দেখিনি’; তার পরে এ বিষয়ে কথা বলেছেন তার ছাত্ররা: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আলী ইবনুল মাদীনী, আহমাদ ইবনে হাম্বল, আমর ইবনে আলী আল-ফাল্লাস এবং আবু খাইসামাহ; আর তাদের ছাত্ররা: যেমন আবু যুরআহ ও আবু হাতিম,
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৮)
والبخاري، ومسلم، وأبي إسحاق الجوزجاني السعدي؛ وخلقٌ بعدهم، مثل: النسائي، وابن خزيمة، والترمذي، والدولابي، والعقيلي (وله مصنّفٌ مفيدٌ في معرفة الضعفاء)؛ ولأبي حاتم ابن حبان كتابٌ كبيرٌ عندي في ذلك؛ ولأبي أحمد ابن عدي كتاب الكامل، هو أكمل الكتب وأجلّها في ذلك؛ وكتابُ أبي الفتح الأزدي، وكتاب أبي محمَّد ابن أبي حاتم في "الجرح والتعديل" والضعفاء للدارقطني، والضعفاء للحاكم، وغير ذلك.

وقد ذيّل ابن طاهر المقدسي على (الكامل) لابن عدي بكتابٍ لم أره، وصنّف أبو الفرج ابن الجوزي كتابًا كبيرًا في ذلك … ".

ثم صنّف الإمامُ الذهبيُّ كتابه (ديوان الضعفاء)، ثمّ (ذيلَ ديوان الضعفاء)، ثم ضمَّ الذيلَ إلى الأصلِ مع زياداتٍ في (المغني في الضعفاء)؛ ثم خَتَمَ ذلك بكتابه العظيم (ميزان الاعتدال في نقد الرجال)، الذي شمل فيه ما هو على شرطه مما بلغه عِلْمُه؛ حيث إن الأمر أعظم من أن يُحاطَ به كلّه، كما قال الذهبي في ذيل ديوان الضعفاء (15): "وهذا شيءٌ لا سبيل إلى استيعابه، وإنما هو بحسب ما عرفت".

ولجليل قَدْر (الميزان)، ولعظيم شُمُولهِ، ولكونه ثمرةَ جهودٍ متواصلة من علماء الأمّة في تمييز الضعفاء ومعرفة المجروحين، من القرون الأولى إلى عصر الإِمام الذهبي؛ جعل العلماءُ (الميزانَ)
এবং বুখারী, মুসলিম ও আবু ইসহাক আল-জুযজানি আস-সাদি; এবং তাঁদের পরে আরও অনেকে রয়েছেন, যেমন: নাসায়ী, ইবনে খুযাইমা, তিরমিযি, দাউলাবি এবং উকাইলি (দুর্বল বর্ণনাকারীদের চেনার বিষয়ে তাঁর একটি উপকারী সংকলন রয়েছে); আর এই বিষয়ে আমার নিকট আবু হাতিম ইবনে হিব্বানের একটি বড় কিতাব রয়েছে; এবং আবু আহমদ ইবনে আদির কিতাব ‘আল-কামিল’, যা এই বিষয়ে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও মর্যাদাপূর্ণ কিতাব; এবং আবু আল-ফাতহ আল-আযদি’র কিতাব, ‘আল-জারহ ওয়াত-তা’দীল’ বিষয়ে আবু মুহাম্মদ ইবনে আবু হাতিমের কিতাব, দারা কুতনির ‘আদ-দুয়াফা’, হাকেমের ‘আদ-দুয়াফা’ এবং আরও অন্যান্য কিতাব।

এবং ইবনে তাহির আল-মাকদিসি ইবনে আদির ‘আল-কামিল’-এর ওপর একটি পরিশিষ্ট লিখেছেন যা আমি দেখিনি, এবং আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযি এই বিষয়ে একটি বৃহৎ কিতাব রচনা করেছেন … "।

এরপর ইমাম যাহাবি তাঁর কিতাব ‘দিওয়ান আদ-দুয়াফা’ রচনা করেন, এরপর ‘যাইল দিওয়ান আদ-দুয়াফা’, তারপর তিনি মূল কিতাবের সাথে পরিশিষ্ট এবং আরও বর্ধিত অংশ যোগ করে ‘আল-মুগনি ফিদ-দুয়াফা’ রচনা করেন; এরপর তিনি তাঁর মহান কিতাব ‘মিজানুল ইতিদাল ফি নাকদির রিজাল’-এর মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটান, যাতে তিনি তাঁর শর্তানুসারে তাঁর কাছে পৌঁছানো তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করেছেন; যেহেতু বিষয়টি এতই ব্যাপক যে তা সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত করা সম্ভব নয়, যেমনটি যাহাবি ‘যাইল দিওয়ান আদ-দুয়াফা’ (১৫) গ্রন্থে বলেছেন: "এটি এমন এক বিষয় যা সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত করার কোনো পথ নেই, বরং এটি আমার জানা অনুযায়ী।"

এবং ‘আল-মিজান’-এর সুমহান মর্যাদা, এর ব্যাপক ব্যাপ্তি এবং প্রথম শতাব্দীসমূহ থেকে ইমাম যাহাবির যুগ পর্যন্ত দুর্বল বর্ণনাকারীদের পৃথকীকরণ ও ত্রুটিযুক্তদের শনাক্তকরণে উম্মতের আলেমদের নিরলস প্রচেষ্টার ফল হওয়ার কারণে; আলেমগণ ‘আল-মিজান’-কে
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৯)
إمامَ كُتُبِ الضعفاء والمجروحين، وأصلًا أصيلًا لمعرفة المتكلَّم فيهم من الناقلين. بل بلغ الأمر إلى درجة أن اعتبر بعضُ أهل العلم عدمَ وجود راوٍ في (ميزان) الذهبي دليلًا على توثيقه! كما فعل الهيثمي (ت 807 هـ) في كتابه (مجمع الزوائد)، حيث قال فيه (1/ 8): "ومَن كان مِنْ مشايخ الطبراني في (الميزان) نبهت إلى ضعفه، ومن لم يكن في (الميزان) ألحقتُه بالثقات الذين بعده". وذلك منهم استرواحًا إلى استيعابِ (الميزان)، واطمئنانًا إلى عظيم إحاطته!!

لكن جَاء بعد الذهبي من ذيل على كتابه (الميزان)، من أمثال الحافظ أبي الفضل زين الدين عبد الرحيم بن الحسين العراقي (ت 806 هـ)، الذي صنّف (ذيل ميزان الاعتدال).

ثم انتهى الأمر إلى الحافظ ابن حجر العسقلاني (ت 852 هـ)، فضمّ (ذيل الميزان) لشيخه العراقي إلى أصله (الميزان)، مع زيادات كثيرات وتحريرات مفيدات، في كتابه الجليل (لسان الميزان).

إلا أن الحافظَ ابنَ حجر حَذَفَ من (اللسان) كُلَّ مَنْ تُكُلِّمَ فيه من رجال كتابه (تهذيب التهذيب) مِنْ رجال أصحاب الكُتُبِ الستة؛ لأنه لم يَرَ إعادةَ تراجمهم في (اللسان) بعد أن كان قد بَسَطَها في (التهذيب).
দুর্বল ও সমালোচিত বর্ণনাকারীদের বিষয়ক গ্রন্থসমূহের ইমাম এবং বর্ণনাকারীদের মধ্যে যাদের নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে তাদের চেনার ক্ষেত্রে একটি অকাট্য মূল ভিত্তি। বরং বিষয়টি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কোনো কোনো আলেম আয-যাহাবীর (মীযান) গ্রন্থে কোনো বর্ণনাকারীর অনুপস্থিতিকে তাঁর নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে গণ্য করেছেন! যেমনটি আল-হাইতামী (মৃত্যু ৮০৭ হিজরি) তাঁর (মাজমাউজ যাওয়াইদ) গ্রন্থে করেছেন; যেখানে তিনি বলেছেন (১/৮): "আত-তাবারানীর উস্তাদদের মধ্যে যারা (মীযান) গ্রন্থে রয়েছেন, আমি তাদের দুর্বলতার বিষয়ে সতর্ক করেছি। আর যারা (মীযান)-এ নেই, তাদের আমি পরবর্তী নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছি।" এটি তাদের পক্ষ থেকে (মীযান) গ্রন্থের ব্যাপকতা এবং এর বিশাল পরিবেষ্টনের ওপর আস্থার কারণে হয়েছে!!

কিন্তু আয-যাহাবীর পরে এমন অনেকে এসেছেন যারা তাঁর (মীযান) গ্রন্থের ওপর পরিশিষ্ট (যাইল) লিখেছেন; যেমন হাফিয আবুল ফযল যয়নুদ্দীন আব্দুর রহীম ইবনুল হুসাইন আল-ইরাকী (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি), যিনি (যাইলু মীযানিিল ই'তিদাল) সংকলন করেছেন।

এরপর বিষয়টি হাফিয ইবনে হাজার আল-আসকালানী (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি) পর্যন্ত গড়ায়। তিনি তাঁর উস্তাদ আল-ইরাকীর (যাইলুল মীযান)-কে এর মূলগ্রন্থ (মীযান)-এর সাথে একত্রিত করেন এবং সাথে অনেক সংযোজন ও উপকারী পরিমার্জন যুক্ত করে তাঁর মহান গ্রন্থ (লিসানুল মীযান) রচনা করেন।

তবে হাফিয ইবনে হাজার (লিসান) গ্রন্থ থেকে ঐ সমস্ত বর্ণনাকারীদের বাদ দিয়েছেন যাদের নিয়ে তাঁর (তাহযীবুত তাহযীব) গ্রন্থে সমালোচনা করা হয়েছে এবং যারা কুতুবে সিত্তাহর অন্তর্ভুক্ত। কারণ তিনি (তাহযীব)-এ তাদের জীবনী বিস্তারিত আলোচনা করার পর পুনরায় (লিসান)-এ তাদের পুনরাবৃত্তি করা প্রয়োজন মনে করেননি।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১০)
وقد أتقن الحافظُ تأليفَ (اللسان)، ووفَّرَ له غايةَ جُهْدِه وتحريرِه؛ حتى ذكر السخاويُّ في الجواهر والدرر في ترجمة شيخ الإِسلام ابن حجر (151 / ب) -ونقلته بواسطة كتاب: ابن حجر العسقلاني لشاكر محمود عبد المنعم (1/ 162) - عن شيخه الحافظ ابن حجر اعتزازَه بـ (اللسان)، في قول ابن حجر: "لستُ راضيًا عن شيء من تصانيفي؛ لأني عملتُها في ابتداءِ الأمْرِ، ثم لم يتهيّأ لي تحريرُها؛ سوى (شرح البخاري) و (مقدمته)، و (المشتبه)، و (التهذيب)، و (لسان الميزان)؛ ولو استقبلتُ من أمري ما استدبرتُ لم أتقيّد بالذهبي، ولجعلتُه كتابًا مُبْتَكرًا".

وبعد تلك الجُهود المتتابعةِ من علماء الأمّة عَبْر القرون، في محاولةِ حَصْرِ الضعفاء والمتكلَّم فيهم، وبعد ضَمِّ الإِمام الذهبي لتلك الجهود بعضِها إلى بعضٍ مع إضافاته العظيمة، مَرَّةً بعد مرَّة، إلى أن صنّف كتابه العظيم (الميزان)، وبعد (ذيله) للحافظ العراقي؛ بعد هذا كلِّه جاء الحافظُ ابن حجر -جامعًا عِلْمَه وجُهْدَه- ليُتَمِّم هذا البناءَ الشامخ، الذي تَنَاوبَ علي بنائه أئمةُ السُّنَّة ونُقَّادُ الحديث!! فما ظنُّك -بَعْدُ- بهذا البناء؟!!

ولئن كان الاسترواحُ بكتاب الذهبي والاطمئنانُ إلى استيعابه قد بلغ ذلك المبلغ المذكور آنفًا عن الإِمام الهيثمي وغيره، فما ظنك بالأمر بعد (لسان الميزان)؟!!
হাফেজ (ইবনে হাজার) 'লিসান' (লিসানুল মিজান) গ্রন্থের সংকলনকে অত্যন্ত নিপুণভাবে সম্পন্ন করেছেন এবং এতে তাঁর সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ও সম্পাদনা নিহিত করেছেন; এমনকি সাখাভী 'আল-জাওয়াহির ওয়াদ-দুরার' গ্রন্থে শাইখুল ইসলাম ইবনে হাজারের জীবনীতে (১৫১/খ) উল্লেখ করেছেন—এবং এটি আমি শাকের মাহমুদ আব্দুল মোনয়েমের লেখা 'ইবনে হাজার আল-আসকালানি' (১/১৬২) গ্রন্থের মাধ্যমে উদ্ধৃত করছি—তাঁর উস্তাদ হাফেজ ইবনে হাজার 'লিসান' গ্রন্থের প্রতি তাঁর গর্ববোধ সম্পর্কে বলেছেন: "আমি আমার কোনো রচনার প্রতিই সন্তুষ্ট নই; কারণ আমি সেগুলো শুরুর দিকে লিখেছিলাম, এরপর সেগুলো পুনরায় সম্পাদনা করার সুযোগ পাইনি; তবে 'শারহু বুখারি' (ফাতহুল বারি) ও এর 'মুকাদ্দিমা' (হাদইউস সারি), 'আল-মুশতাবিহ', 'আত-তাহজিব' এবং 'লিসানুল মিজান' ব্যতিরেকে। আর আমি যদি আমার পেছনের বিষয়গুলো আগে অনুধাবন করতে পারতাম, তবে আমি যাহাবীর গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকতাম না, বরং একে একটি অভিনব উদ্ভাবনী গ্রন্থ হিসেবে গড়ে তুলতাম।"

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে উম্মতের আলেমদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার পর—যাঁরা দুর্বল ও সমালোচিত বর্ণনাকারীদের তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন—এবং ইমাম যাহাবী তাঁর মহান সংযোজনগুলোর সাথে এই প্রচেষ্টাগুলোকে একে একে একত্রিত করার পর, যে পর্যন্ত না তিনি তাঁর মহান গ্রন্থ 'মিজান' (মিজানুল ইতিদাল) রচনা করেন, এবং হাফেজ ইরাকির 'যাইল' (পরিশিষ্ট)-এর পর; এসব কিছুর পরে হাফেজ ইবনে হাজার তাঁর জ্ঞান ও শ্রমের সমন্বয় ঘটিয়ে এই সুউচ্চ অট্টালিকাটি পূর্ণ করতে আসলেন, যা নির্মাণে সুন্নাহর ইমামগণ ও হাদিস সমালোচকগণ পর্যায়ক্রমে অবদান রেখেছিলেন!! তবে এখন এই অট্টালিকা সম্পর্কে আপনার ধারণা কী?!!

আর যদি ইমাম হাইসামি ও অন্যদের পক্ষ থেকে পূর্বে বর্ণিত যাহাবীর গ্রন্থের ওপর নির্ভরতা এবং এর ব্যাপকতার প্রতি নিশ্চিন্ততা সেই পর্যায়ে পৌঁছে থাকে, তবে 'লিসানুল মিজান'-এর পর বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ধারণা কী হবে?!!
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১১)
ولقد كنتُ أظن أن (اللسان) قد قطع لسانَ من أراد الزيادة عليه، وأنه لم يترك لمن بعده فيه مقالًا؛ وكنتُ أسمع نحو ذلك من أهل العلم وطلبته. حتى مَنَّ اللهُ تعالى عليّ بمشروع عظيم، أعيش معه من سنواتٍ طويلاتٍ، تزيد على عشر سنوات.

فكان من ثمرات هذا المشروع ما أُقدمه اليوم لأهل العلم وطلبته، وهي سبعٌ وثلاثون ومائتا ترجمةٍ على شرط (لسان الميزان) (1)، قد فاتت الحافظ ابن حجر أن يذكرها فيه.

وقد كنت خلال تلك السنوات وأثناء عملي في مشروعي المنوَّهِ به ألتقطُ تلك التراجم من بطون الكتب، ومن مناجم العلم، ومعادن السُّنن، ترجمةً ترجمةً، حتى بلغ العقد سبعًا وثلاثين ومائتي خرزة. وهو عددٌ كبير، مِنْ مناجمَ ما كان يُظَنُّ إلا أنها قد اسْتُنْفِدَتْ، ومعادنَ قد تَوَارَدَ عليه المُنَقِّبون حتى ما عاد يُحْسَبُ إلا أنهم قد أفقروها.

ثم إني خشيتُ ضياعَ ذلك الجُهْد، بموتٍ أو فَقْد؛ فسارعتُ إلى تأليف ذلك النظم، لأُزيّنَ به جِيدَ العلم. وإلا فإني ما زلتُ على مشروعي، ولا أشك أن بابَ الاستدراك والزيادة لم يزل مُشْرَعًا؛

--------------------------------------------

(1) وقد اعتمدت في مراجعة (لسان الميزان) الطبعة القديمة: المطبوعة بمجلس دائرة المعارف النظامية بالهند (سنة 1329 هـ). ثم دققت التراجم ومراجحتها على الطبعة الحديثة التي بتحقيق خليل محمَّد العربي وغيره، المطبوعة بمطبعة الفاروق الحديثة.
আমি মনে করতাম যে (লিসান) গ্রন্থটি তাতে কোনো কিছু যোগ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির জিহ্বা কর্তন করে দিয়েছে, এবং তা পরবর্তী কারো জন্য এতে কিছু বলার সুযোগ রাখেনি; আমি ইলমের অধিকারী ও এর অন্বেষণকারীদের নিকট থেকেও অনুরূপ কথা শুনতাম। অবশেষে মহান আল্লাহ আমার প্রতি একটি বিশাল প্রকল্পের মাধ্যমে অনুগ্রহ করলেন, যার সাথে আমি দীর্ঘ অনেক বছর ধরে অতিবাহিত করছি, যা দশ বছরেরও অধিক।

এই প্রকল্পের অন্যতম ফলশ্রুতি হলো যা আমি আজ ইলমের অধিকারী ও শিক্ষার্থীদের নিকট উপস্থাপন করছি, আর তা হলো (লিসানুল মিজান) (১)-এর শর্তানুযায়ী দুইশত সাঁইত্রিশটি জীবনী, যা হাফিজ ইবনে হাজার এতে উল্লেখ করতে সক্ষম হননি।

ঐ বছরগুলোতে এবং আমার উল্লিখিত প্রকল্পের কাজ চলাকালীন আমি গ্রন্থসমূহের গভীর থেকে, ইলমের খনি থেকে এবং সুন্নাহর উৎসস্থল থেকে সেই জীবনীগুলো একটি একটি করে সংগ্রহ করছিলাম, যতক্ষণ না এই মালার পুঁতি সংখ্যা দুইশত সাঁইত্রিশে পৌঁছাল। এটি একটি বিশাল সংখ্যা, এমন সব খনি থেকে সংগৃহীত যেগুলোকে নিঃশেষিত মনে করা হতো, এবং এমন সব আকর থেকে যেখানে অনুসন্ধানকারীরা বারবার গিয়েছেন এমনকি মনে করা হচ্ছিল তারা তা রিক্ত করে ফেলেছেন।

এরপর আমি মৃত্যু বা হারিয়ে যাওয়ার কারণে এই শ্রম নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করলাম; তাই আমি এই বিন্যাসটি রচনায় দ্রুততা দেখালাম, যাতে ইলমের গ্রীবাকে এর দ্বারা অলঙ্কৃত করতে পারি। নতুবা আমি এখনও আমার মূল প্রকল্পের কাজেই রত আছি, এবং আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে পর্যালোচনা ও সংযোজনের দুয়ার সবসময় উন্মুক্ত।

--------------------------------------------

(১) আমি (লিসানুল মিজান) পর্যালোচনার ক্ষেত্রে প্রাচীন মুদ্রণের ওপর নির্ভর করেছি: যা ভারতের মজলিস দায়েজাতুল মাআরিফ আন-নিজামিয়্যাহ হতে (১৩২৯ হিজরি সনে) মুদ্রিত হয়েছে। অতঃপর আমি জীবনীগুলো সূক্ষ্মভাবে যাচাই করেছি এবং খলীল মুহাম্মদ আল-আরাবী ও অন্যদের তাহকীককৃত আধুনিক মুদ্রণের সাথে তা মিলিয়ে দেখেছি, যা আল-ফারুক আল-হাদীসাহ ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১২)
لمن تعوَّدَ الوُلُوجَ من ثُقُوب الإبر، والتَّنْقِيبَ في رَمْل عالج؛ فكما سبق عن الذهبي: "هذا شيءٌ لا سبيل إلى استيعابه".

فهذا جُهدُ سنوات، وثمرةٌ من ثمار سهر الليالي، أُقدِّمُه لأُمّتي؛ عسى اللهُ تعالى أن يُثيب عليه صاحبَه والمنتفعَ به إلى قيام الساعة .. آمين.

ثم الحمد لله عودًا على بَدْء، حمدًا يُتِمُّ تعالى نَقْصَه بفضله، وينيله القَبولَ بعفوه، ويوازي به نِعَمَه برحمته وجُوده، ويزيدُني به آلاءً، يُتبع بها مني حمدًا جديدًا على مُتَجَدِّدِ إنعامه؛ فلا يزالُ الحَمْدُ يوفِّقني إلى الحمد، والآلاء تَرْدُفُها الآلاء؛ إلى أن ألقاك ربي وأنت عليَّ راضً، ولحمديَ شاكر، ولذنبيَ غافر، ولمعاصيَّ ساتر .. يا أرحم الراحمين!!

وصلِّ اللهم على عبدك ورسولك محمَّد، وعلى آله وأصحابه والتابعين، وسَلِّم تسليمًا كثيرًا.

وكتب

الشَّريف حاتم بن عارفٍ العوني

بمكة المكرمة / ص ب 10768

في ليلة الثلاثاء 13/ 6 / 1418 هـ
যারা সুঁইয়ের ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করতে এবং আলিজের বালুচরে অনুসন্ধান করতে অভ্যস্ত, তাদের জন্য; যেমনটি যাহাবি থেকে ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে: “এটি এমন এক বিষয় যা আয়ত্ত করার কোনো পথ নেই।”

এটি দীর্ঘ বছরের প্রচেষ্টা এবং বিনিদ্র রজনীর ফসলসমূহের একটি ফল, যা আমি আমার উম্মাহর নিকট পেশ করছি; আশা করি আল্লাহ তাআলা কিয়ামত পর্যন্ত এর লেখক এবং এর দ্বারা উপকৃত ব্যক্তিকে এর বিনিময় দান করবেন.. আমীন।

অতঃপর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যেমনটি শুরুতে ছিল, এমন প্রশংসা যার অপূর্ণতাকে আল্লাহ তাআলা তাঁর অনুগ্রহ দ্বারা পূর্ণ করেন, তাঁর ক্ষমার মাধ্যমে একে কবুলিয়াত দান করেন, তাঁর রহমত ও দানশীলতার মাধ্যমে একে তাঁর নেয়ামতসমূহের সমতুল্য করেন এবং এর মাধ্যমে আমার জন্য তাঁর অনুগ্রহরাজি বাড়িয়ে দেন, যার ফলে তাঁর ক্রমাগত নেয়ামতসমূহের ওপর আমার পক্ষ থেকে নতুন প্রশংসা যুক্ত হয়; সুতরাং প্রশংসা আমাকে প্রশংসার দিকেই তাওফিক দিতে থাকে এবং অনুগ্রহের পর অনুগ্রহ আসতে থাকে; যতক্ষণ না হে আমার রব! আমি আপনার সাথে সাক্ষাৎ করি এমন অবস্থায় যে আপনি আমার ওপর সন্তুষ্ট, আমার প্রশংসার স্বীকৃতিদানকারী, আমার পাপের ক্ষমাকারী এবং আমার অবাধ্যতাসমূহ গোপনকারী.. হে পরম দয়ালু!!

হে আল্লাহ! আপনি আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ ও তাবেয়ীদের ওপর রহমত ও প্রচুর শান্তি বর্ষণ করুন।

লিখেছেন

আশ-শরীফ হাতেম বিন আরিফ আল-আউনি

মক্কা আল-মুকাররামা / পোস্ট বক্স ১০৭৬৮

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১৩/ ০৬ / ১৪১৮ হিজরি
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌أسماء المُتَكَلَّم فيهم
যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে তাদের নামসমূহ
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌[1] إبراهيم بن أبي بكرة:

روى عن: أبان بن أبي عيّاش.

وروى عنه: مُنَبِّه بن عثمان الدمشقي، وصدقة بن عبد الله السمين.

قال عنه الخطيب في تالي تلخيص المتشابه (2/ 523 رقم 341): "غير مشهور".

 

‌‌[2] إبراهيم بن بكير:

روى عن: الحسن بن محمَّد الخراساني.

وروى عنه: محمَّد بن حزم.

قال ابن الفرضي في تاريخ علماء الأندلس (1/ 41 رقم 17): "مجهول ما أعرفه".

 

‌‌[3] إبراهيم بن حبيب بن سَلَّام المكّي:

روى عن: محمَّد بن إسماعيل بن مسلم بن أبي فُدَيْك.

وروى عنه: أحمد بن الحُسين بن أبي الحسن الأنصاري الأصبهاني الكُلَنْكِي، وأبو بكر محمَّد بن أحمد بن خالد البُوْرَاني القاضي، وأبو بكر محمَّد بن يعقوب بن أبي يعقوب إسحاق الأصبهاني.
[১] ইব্রাহিম বিন আবি বাকরাহ:

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবান বিন আবি আইয়্যাশের নিকট থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুনাব্বিহ বিন উসমান আদ-দিমাশকি এবং সাদাকা বিন আব্দুল্লাহ আস-সামিন।

আল-খাতিব তালি তালখিস আল-মুতাশাবিহ গ্রন্থে (২/৫২৩, নং ৩৪১) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি সুপরিচিত নন।"

 

[২] ইব্রাহিম বিন বুকাইর:

তিনি বর্ণনা করেছেন: হাসান বিন মুহাম্মাদ আল-খুরাসানির নিকট থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন হাযম।

ইবনুল ফারাদি তারিখু উলামাইল আন্দালুস গ্রন্থে (১/৪১, নং ১৭) বলেছেন: "তিনি অপরিচিত, আমি তাঁকে চিনি না।"

 

[৩] ইব্রাহিম বিন হাবিব বিন সাল্লাম আল-মাক্কি:

তিনি বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন মুসলিম বিন আবি ফুদাইকের নিকট থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আবিল হাসান আল-আনসারি আল-আসবাহানি আল-কুলানকি, আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন খালিদ আল-বুরানি আল-কাদি এবং আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব বিন আবি ইয়াকুব ইসহাক আল-আসবাহানি।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১৬)
روى الثلاثةُ السابقون (من الرواة عنه)، عنه، عن ابن أبي فُدَيْك، عن جعفر بن محمَّد، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: "النظرُ إلى الخُضرة يزيدُ في البصر، والنظر إلى المَرْأَة الحَسْناء يزيد في البصر".

أخرجه أبو الشيخ الأصبهاني في طبقات المحدّثين بأصبهان (3/ 478 رقم 637)، عن شيخه محمَّد بن يعقوب بن أبي يعقوب (ووثقه)، عنه.

وأخرجه أبو نعيم في حلية الأولياء (3/ 201 - 202)، وفي الطب النبوي (28 / أ - ب)؛ من طريق أحمد بن الحسين الكُلَنْكِي، وأبي بكر البوراني، عنه.

لكن سمّاه محمدُ بنُ يعقوب: إبراهيم بن سلام، فنسبه إلى جدّه.

قلت: والحديث موضوعٌ، في إسنادٍ ليس فيه إلا ثقة سوى إبراهيم ابن حبيب هذا. بل اتفق على روايته عنه ثلاثةٌ مِمّن يُحتجُّ بهم، يتابع بعضُهم بعضًا على سماع هذا الحديث المنكر من هذا الشيخ المنكر!

وقد حكم على الحديث بالوضع جماعةٌ من الأئمة، وخالفهم آخرون!!

فممن حكم عليه بالوضع: ابن الجوزي في الموضوعات (رقم 337 - 338)، والصاغاني في الموضوعات (رقم 65)، وشيخ الإِسلام ابن تيمية (انظر روضة المحبين لابن القيم: 123، والأسرار المرفوعة
পূর্বোক্ত তিনজন (তাঁর থেকে বর্ণনাকারীগণ) তাঁর থেকে, তিনি ইবনে আবি ফুদাইক থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "সবুজ প্রকৃতির দিকে তাকানো দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং সুন্দরী নারীর দিকে তাকানো দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।"

আবুশ শাইখ আল-আস বাহানি এটি 'তাবাকাতুল মুহাদ্দিসিন বি-আস বাহান' (৩/৪৭৮, নং ৬৩৭) গ্রন্থে তাঁর উস্তাদ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবি ইয়াকুব (যিনি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন) থেকে, তিনি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু নুয়াইম এটি 'হিলয়াতুল আউলিয়া' (৩/২০১-২০২) এবং 'আত-তিব্বুন নববী' (২৮/আ-বা) গ্রন্থে আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-কুলানকি এবং আবু বকর আল-বুরানির সূত্র ধরে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তবে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব তাঁকে ইবরাহিম ইবনে সালাম নামে অভিহিত করেছেন এবং তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করেছেন।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: হাদিসটি বানোয়াট, যার সনদে এই ইবরাহিম ইবনে হাবিব ছাড়া বাকি সবাই নির্ভরযোগ্য। বরং এমন তিনজন ব্যক্তি তাঁর থেকে হাদিসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন যাঁরা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য; তাঁরা একে অপরের অনুসরণ করেছেন এই অগ্রহণযোগ্য শাইখের নিকট থেকে এই অগ্রহণযোগ্য হাদিসটি শ্রবণের ক্ষেত্রে!

একদল ইমাম এই হাদিসটিকে বানোয়াট হওয়ার হুকুম দিয়েছেন, তবে অন্যান্যেরা তাঁদের বিরোধিতা করেছেন!!

যাঁরা এটি বানোয়াট হওয়ার হুকুম দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনুল জাওযি 'আল-মাওজুআত' গ্রন্থে (নং ৩৩৭-৩৩৮), আস-সাগানি 'আল-মাওজুআত' গ্রন্থে (নং ৬৫) এবং শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (দেখুন ইবনুল কাইয়্যিমের 'রাওদাতুল মুহিব্বিন': ১২৩ এবং 'আল-আসরারুল মারফুআহ')।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১৭)
للملا علي القاري 355 - 356 رقم 561)، والذهبي في الميزان (3/ 627 رقم 786)، وابن قيم الجوزية في المنار المنيف (61 - 62 رقم 97)، والشوكاني في الفوائد المجموعة (200 رقم 656، 657)، والألباني في السلسلة الضعيفة (رقم 132 - 134).

ونازعهم في الحكم عليه بالوضع -دون الضعف- السيوطيُّ في اللآليء المصنوعة (1/ 114 - 116)، وتابعه ابن عراق الكناني في تنزيه الشريعة المرفوعة (1/ 200 - 201)، والفَتَّنِي في تذكرة الموضوعات (162)، والملا علي القاري في الأسرار المرفوعة (رقم 561)، والعجلوني في كشف الخفاء (2/ 410 - 411 رقم2810).

وانظر: المقاصد الحسنة للسخاوي (رقم 358).

وحجّة المخالفين في الحكم عليه بالوضع، هي أن الحديث روي من طُرُقٍ ليس في بعضها من اتُّهِمَ بالوضع صراحة، نحو الإسناد الذي مَعَنَا هُنا.

وهذه الحُجَّة خطأٌ منهجيٌّ وقع فيه السيوطي كثيرًا في تعقباته على ابن الجوزي في الموضوعات؛ حيث إن هذه الحجة غَفِلَتْ عن الخُطةِ التي سار نُقّادُ الحديث عليها في سَبْرِ أحاديثِ الرواةِ للحُكم عليهم من خلال ذلك. فإنّه إذا روى مَنْ لا يُعرف (في الإسناد المعروف رواته بالثقة سواه) حديثًا شديدَ النكارة ظاهرَ الوضع، عرفناه هو بالوضع، وافتُضح عندنا بالكذب على النبي صلى الله عليه وسلم.
মোল্লা আলী আল-ক্বারী (৩৫৫-৩৫৬, নং ৫৬১), আয-যাহাবী ‘আল-মীযান’ গ্রন্থে (৩/৬২৭, নং ৭৮৬), ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ ‘আল-মানার আল-মুনিফ’ গ্রন্থে (৬১-৬২, নং ৯৭), আশ-শাওকানী ‘আল-ফাওয়াইদ আল-মাজমুআহ’ গ্রন্থে (২০০, নং ৬৫৬, ৬৫৭), এবং আল-আলবানী ‘আস-সিলসিলাতাদ দঈফাহ’ গ্রন্থে (নং ১৩২-১৩৪)।

ইমাম আস-সুয়ূতী ‘আল-লাআলি আল-মাসনুআহ’ গ্রন্থে (১/১১৪-১১৬) এটিকে জাল হিসেবে গণ্য করার বিষয়ে তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন—তবে দুর্বল হওয়ার ব্যাপারে নয়। তাঁর অনুসরণ করেছেন ইবনে ইরাক আল-কিনানী ‘তানযীহুশ শারীয়াহ আল-মারফুআহ’ গ্রন্থে (১/২০০-২০১), আল-ফাত্তানি ‘তাযকিরাত আল-মাওদুআত’ গ্রন্থে (১৬২), মোল্লা আলী আল-ক্বারী ‘আল-আসরার আল-মারফুআহ’ গ্রন্থে (নং ৫৬১), এবং আল-আজলুনী ‘কাশফুল খাফা’ গ্রন্থে (২/৪১০-৪১১, নং ২৮১০)।

এবং দেখুন: আস-সাখাবীর ‘আল-মাকাসিদ আল-হাসানাহ’ (নং ৩৫৮)।

হাদিসটিকে জাল হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে বিরোধিতাকারীদের দলিল হলো, হাদিসটি এমন কিছু সূত্র থেকে বর্ণিত হয়েছে যার কোনো কোনোটিতে এমন কেউ নেই যাকে স্পষ্টভাবে জাল করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা যায়, যেমন আমাদের সামনে থাকা এই সনদটি।

এই দলিলটি একটি পদ্ধতিগত ভুল, যা আস-সুয়ূতী ইবনুল জাওযীর ‘আল-মাওদুআত’ গ্রন্থের সমালোচনায় বারবার করেছেন। কারণ, এই দলিলটি সেই কর্মপন্থা সম্পর্কে উদাসীন যা হাদিস সমালোচকরা রাবীদের হাদিস বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এবং এর মাধ্যমে তাদের ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে অনুসরণ করেছেন। কেননা, কোনো অপরিচিত ব্যক্তি যদি (এমন এক সনদে যার বাকি সব রাবী নির্ভরযোগ্য হিসেবে পরিচিত) অত্যন্ত আপত্তিকর ও স্পষ্টত জাল কোনো হাদিস বর্ণনা করে, তবে আমরা তাকেই জালকারী হিসেবে চিহ্নিত করি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর মিথ্যারোপ করার কারণে আমাদের নিকট তার স্বরূপ উন্মোচিত হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১৮)
وقد اتبع الإمامُ الذهبيُّ هذا المنهج نفسَه مع راوٍ آخر روى هذا الحديث نفسَه، فأورده الذهبي في الميزان (3/ 627 رقم 7863)، لروايته هذا الحديثَ فقط، مقدمًا ترجمته بقوله: "أتى بخبر باطل".

وبمثل هذه الخُطَّةِ استحقَّ إبراهيمُ بن حبيب أن يُذكر في الرواة المتكلَّم فيهم، بل في الرواة المتهمين.

ومما قد يُشير إلى أنه معروفٌ بالضعف عند نُقّادِ الحديث: أن السهميَّ في سؤالاته (رقم 106، 110) سأل الدارقطني عن محمَّد ابن أحمد بن خالد البوراني [الراوي عن إبراهيم بن حبيب]، فقال الدارقطني: "لا بأس به، لكنه يحدّث عن شيوخ ضعفاء".

ولهذا الراوي حديثٌ منكرٌ آخر، بإسناد منكرٍ أيضًا.

فأخرج أبو نعيم الأصبهاني في ذكر أخبار أصبهان (2/ 239 - 240) عن شيخه أبي الشيخ الأصبهاني، عن محمَّد بن يعقوب بن أبي يعقوب، عن إبراهيم بن سلام المكي (نسبه إلى جده)، عن ابن أبي فُديك، عن جعفر بن محمَّد، عن أبيه، عن جدّه، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: "ليس للفاسقِ غيبة".

وهذا الحديث إنما اشتُهِر مرفوعًا من حديث بَهْز بن حكيم عن أبيه عن جده، ولا يصحُّ عن بَهْزٍ. حتى قال العُقَيلي في الضعفاء (1/ 202):
ইমাম যাহাবী এই একই হাদিস বর্ণনাকারী অপর একজন বর্ণনাকারীর ক্ষেত্রেও এই একই পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। যাহাবী তাকে কেবল এই হাদিসটি বর্ণনা করার কারণে 'আল-মিজান' (৩/৬২৭, নং ৭৮৬৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তার জীবনীর শুরুতে বলেছেন: "সে একটি বাতিল সংবাদ নিয়ে এসেছে।"

আর এই ধরণের কর্মপন্থার কারণেই ইব্রাহিম ইবনে হাবিব সমালোচিত বর্ণনাকারীদের তালিকায়, বরং অভিযুক্ত বর্ণনাকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য হয়েছেন।

হাদিস বিশারদদের নিকট তিনি যে দুর্বল হিসেবে পরিচিত, তার একটি ইঙ্গিত হলো: আস-সাহমি তার ‘সুআলাত’ (১০৬, ১১০ নং) গ্রন্থে আদ-দারা কুতনিকে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে খালিদ আল-বুরানি [ইব্রাহিম ইবনে হাবিব থেকে বর্ণনাকারী] সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন আদ-দারা কুতনি বলেছিলেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তবে সে দুর্বল শায়খদের থেকে হাদিস বর্ণনা করে।"

এই বর্ণনাকারীর আরেকটি মুনকার হাদিস রয়েছে এবং এর সনদটিও মুনকার।

আবু নুআইম আল-আসবাহানি 'যিকর আখবার আসবাহান' (২/২৩৯-২৪০) গ্রন্থে তার উস্তাদ আবুশ শায়খ আল-আসবাহানি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবি ইয়াকুব থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে সালাম আল-মাক্কি (তার দাদার দিকে নিসবতকৃত) থেকে, তিনি ইবনে আবি ফুদাইক থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "ফাসিকের (পাপাচারী) জন্য কোনো গিবত নেই।"

এই হাদিসটি মূলত বাহয ইবনে হাকিম, তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে মারফূ হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে, কিন্তু বাহয থেকে এটি সহিহ নয়। এমনকি আল-উকাইলি 'আদ-দুয়াফা' (১/২০২) গ্রন্থে বলেছেন:
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ১৯)
"ليس له من حديث بهز أصل، ولا من حديث غيره، ولا يتابع عليه".

وانظر المجروحين لابن حبان (1/ 220)، وتعليقات الدارقطني على المجروحين (68 رقم 44)، وشعب الإيمان للبيهقي (7/ 109 رقم 9665، 9666)، والعلل المتناهية لابن الجوزي (رقم 130)، والمقاصد الحسنة للسخاوي (رقم921).

فماذا نقول بعد هذا في راوٍ عرَّفَنا على نفسه برواية الموضوعات؟!!

تنبيه:

وفي لسان الميزان (1/ 64): إبراهيم بن سلام يروي عن الدراوردي ويروي عنه ابن صاعد، لكن لم أجد ما يدل على أنه هو إبراهيم بن حبيب بن سلام.

 

‌‌[4] إبراهيم بن حيّان الكوفي:

روى عن: عبد الله بن الحسين العلوي [كذا في المصدر،

وأحسبه عبد الله بن الحسن بن الحسن بن علي بن أبي طالب].

وروى عنه: المطلب بن زياد الكوفي.
"বহয-এর হাদিসে এর কোনো ভিত্তি নেই, অন্য কারো হাদিসেও নেই এবং এ বিষয়ে তাকে অনুসরণ করা হয় না"।"

আরও দেখুন ইবন হিব্বানের আল-মাজরুহীন (১/ ২২০), আল-মাজরুহীনের ওপর আদ-দারাকুতনীর টীকা (৬৮ নম্বর ৪৪), আল-বাইহাকীর শুআবুল ঈমান (৭/ ১০৯ নম্বর ৯৬৬৫, ৯৬৬৬), ইবনুল জাওযীর আল-ইলালুল মুতানাহিয়াহ (নম্বর ১৩০) এবং আস-সাখাভীর আল-মাকাসিদুল হাসানাহ (নম্বর ৯২১)।

সুতরাং এমন একজন বর্ণনাকারী সম্পর্কে আমরা এরপর কী বলতে পারি, যে জাল হাদিস বর্ণনার মাধ্যমে আমাদের কাছে নিজের পরিচয় দিয়েছে?!!

সতর্কবার্তা:

এবং লিসানুল মীযানে (১/ ৬৪) বর্ণিত হয়েছে: ইবরাহীম বিন সালাম আদ-দারাওয়ার্দী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন ইবন সাঈদ; কিন্তু তিনি যে ইবরাহীম বিন হাবীব বিন সালাম—এমনটি নির্দেশ করে এমন কিছু আমি পাইনি।

 

‌‌[৪] ইবরাহীম বিন হাইয়ান আল-কুফী:

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-আলাওয়ী থেকে [মূল উৎসে এভাবেই আছে,

আর আমার ধারণা তিনি হলেন আবদুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আবী তালিব]।

এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-মুত্তালিব বিন যিয়াদ আল-কুফী।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২০)
قال عنه الخطيب في تلخيص المتشابه في الرسم (1/ 225 رقم 353): "في عداد المجهولين".

قلت: وفي اللسان "إبراهيم بن حيان الكوفي الأسدي، نزيل واسط. ذكره الطوسي في رجال الشيعة". هذا كل ما في (اللسان). فيُحتمل أن يكون هو الذي ذكره الخطيب، ويحتمل أن يكون غيره؛ ولذلك استدركته.

 

‌‌[5] إبراهيم بن شعيب بن مِيْثَم الأسدي، التمّار، الكوفي:

روى عن: جعفر بن محمَّد بن علي بن الحسين بن علي بن أبي طالب المعروف بالصادق.

ذكره أبو جعفر محمَّد بن الحسن بن علي الطوسي في رجال الشيعة المسمى (اختيار معرفة الرجال) وقال عنه: (470 - 471): "كان واقفيًّا".

والواقفة عند الإماميّة الاثني عشرية هم الذين يقفون في الإمامة عند الإِمام السابع عندهم، وهو موسى الكاظم، ولا يرون إمامة بقيَّة أئمتهم المعصومين بزعمهم!!

وقال عنه الخطيب في تلخيص المتشابه في الرسم (1/ 218 رقم 342): "من شيوخ الشيعة".
আল-খতিব তার 'তালখিসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম' (১/ ২২৫ নং ৩৫৩) গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেছেন: "অজ্ঞাতপরিচয়দের অন্তর্ভুক্ত।"

আমি বলছি: আর 'আল-লিসান' গ্রন্থে রয়েছে, "ইব্রাহিম বিন হাইয়ান আল-কুফি আল-আসাদি, ওয়াসিতের বাসিন্দা। আত-তুসি তাকে শিয়াদের রিজাল শাস্ত্রে উল্লেখ করেছেন।" 'আল-লিসান' গ্রন্থে যা রয়েছে তা কেবল এটুকুই। ফলে সম্ভাবনা রয়েছে যে, ইনিই সেই ব্যক্তি যাকে আল-খতিব উল্লেখ করেছেন, আবার অন্য কেউ হওয়ারও সম্ভাবনা আছে; তাই আমি তাকে অতিরিক্ত হিসেবে সংযোজন করেছি।

 

‌‌[৫] ইব্রাহিম বিন শুআইব বিন মাইসাম আল-আসাদি, আত-তাম্মার, আল-কুফি:

তিনি বর্ণনা করেছেন: জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন আল-হুসাইন বিন আলি বিন আবি তালিব থেকে, যিনি আস-সাদিক নামে পরিচিত।

আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন আলি আত-তুসি তাকে 'ইখতিয়ারু মা'রিফাতির রিজাল' নামক শিয়াদের রিজাল গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তার সম্পর্কে (৪৭০-৪৭১) বলেছেন: "তিনি ওয়াকিফি ছিলেন।"

আর ইসনা আশারিয়া ইমামীয়াদের নিকট 'ওয়াকিফিয়া' হলো তারা, যারা তাদের সপ্তম ইমাম মুসা আল-কাজিমের নিকট ইমামতকে স্থগিত করে দেয় এবং তাদের দাবি অনুযায়ী বাকি 'নিষ্পাপ' ইমামদের ইমামত স্বীকার করে না!!

আল-খতিব তার 'তালখিসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম' (১/ ২১৮ নং ৩৪২) গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি শিয়া শাইখদের অন্তর্ভুক্ত।"
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২১)
وقد ذكر الحافظُ في (اللسان) أخاه إسماعيل، ولم يذكر فيه إلا أن الطوسي أورده في رجال الشيعة؛ وإبراهيم أخوه في نسبه وجَرْحَتِه.

 

‌‌[6] إبراهيم بن عميرة [أو عمير] الكوفي:

روى عن: عبد الله بن عمر رضي الله عنه، وشريح بن الحارث القاضي.

وروى عنه: إدريس بن يزيد الأودي.

قال ابن أبي شيبة في المصنف (7/ 185): "حدثنا وكيع، قال: حدثنا إدريس الأودي، عن إبراهيم بن عميرة، قال: سمعت ابن عمر يقول في الرهن: يترادّانِ الفضل".

ذكره ابن حبان في ثقات التابعين (4/ 14)، وفي ثقات أتباع التابعين (6/ 9). وسمّاه في التابعين: (إبراهيم بن عمير) وذكر روايته عن ابن عمر، وسمّاه في أتباع التابعين: (إبراهيم بن عميرة) وذكر روايته عن شريح.

وقال ابن حزم في المحلى (8/ 98): "مجهول".

وقال ابن عبد البر في التمهيد (6/ 436): "هو مجهول".
আল-হাফিজ 'আল-লিসান' গ্রন্থে তার ভাই ইসমাইলের উল্লেখ করেছেন, এবং সেখানে তিনি কেবল এটিই উল্লেখ করেছেন যে তুসী তাকে শিয়া বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন; আর ইব্রাহিম বংশগতভাবে এবং জারহ বা সমালোচনার ক্ষেত্রে তার ভাই।

 

‌‌[৬] ইব্রাহিম ইবনে উমাইরাহ [অথবা উমাইর] আল-কুফি:

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এবং শুরাইহ ইবনুল হারিস আল-কাদি থেকে।

আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন: ইদরিস ইবনে ইয়াজিদ আল-আওদি।

ইবনে আবি শায়বাহ 'আল-মুসান্নাফ' গ্রন্থে (৭/১৮৫) বলেছেন: "ওয়াকি' আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইদরিস আল-আওদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে উমাইরাহ থেকে, তিনি বলেছেন: আমি ইবনে ওমরকে বন্ধক সম্পর্কে বলতে শুনেছি: তারা একে অপরের অতিরিক্ত অংশ ফেরত দিবে।"

ইবনে হিব্বান তাকে 'সিকাতুত তাবিয়িন' (৪/১৪) এবং 'সিকাতু আতবায়িত তাবিয়িন' (৬/৯) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি তাবিয়িনদের অংশে তাকে: (ইব্রাহিম ইবনে উমাইর) নামে অভিহিত করেছেন এবং ইবনে ওমর থেকে তার বর্ণনার কথা উল্লেখ করেছেন; আর আতবাউত তাবিয়িনদের অংশে তাকে: (ইব্রাহিম ইবনে উমাইরাহ) নামে অভিহিত করেছেন এবং শুরাইহ থেকে তার বর্ণনার কথা উল্লেখ করেছেন।

আর ইবনে হাজম 'আল-মুহাল্লা' গ্রন্থে (৮/৯৮) বলেছেন: "তিনি অপরিচিত (মাজহুল)।"

আর ইবনে আব্দুল বার 'আত-তামহিদ' গ্রন্থে (৬/৪৩৬) বলেছেন: "তিনি অপরিচিত (মাজহুল)।"
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌[7] إبراهيم بن فرّوخ مولى عمر بن الخطاب رضي الله عنه:

روى عن: أبيه فروخ مولى عمر رضي الله عنه.

وروى عنه: علي بن يزيد الصُّدَائي.

قال أبو حاتم -كما في العلل لابنه (1/ 162 رقم 459) -: "مجهول".

 

‌‌[8] أثوب بن عتبة:

روى عن: النبي صلى الله عليه وسلم. أنه قال: "الدِّيكُ الأبيضُ صديقي".

وروى عنه: جابر بن مالك.

أورده ابن قانع في معجم الصحابة (رقم55).

فقال الخطيب في تلخيص المتشابه في الرسم (1/ 464 رقم 774): "أحد المجهولين. ذكره عبد الباقي بن قانع في جُملة الصحابة، وأورد له حديثًا منكرًا لا يصح إسناده".

 

‌‌[9] أحمد بن ساكن:

روى عن: أبيه، عن نافع مولى ابن عمر، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "اتقوا أبواب السلاطين، فإن عليها فتنًا مثل
[৭] ইব্রাহিম বিন ফাররুখ, ওমর বিন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর আযাদকৃত গোলাম:

বর্ণনা করেছেন: তাঁর পিতা ফাররুখ থেকে, যিনি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর আযাদকৃত গোলাম ছিলেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আলি বিন ইয়াযিদ আস-সুদাই।

আবু হাতিম বলেছেন - যেমনটি তাঁর পুত্রের আল-ইলাল গ্রন্থে (১/১৬২ নং ৪৫৯) বর্ণিত হয়েছে -: "অপরিচিত"।

 

[৮] আসওয়াব বিন উতবাহ:

বর্ণনা করেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে, তিনি বলেছেন: "সাদা মোরগ আমার বন্ধু"।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: জাবির বিন মালিক।

ইবনে কানি' তাকে মুজামুস সাহাবাহ গ্রন্থে (নং ৫৫) উল্লেখ করেছেন।

খতিব আল-বাগদাদী তালখিসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম গ্রন্থে (১/৪৬৪ নং ৭৭৪) বলেছেন: "অপরিচিত ব্যক্তিদের একজন। আব্দুল বাকি বিন কানি' তাকে সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর সূত্রে একটি মুনকার হাদিস বর্ণনা করেছেন যার সনদ সহিহ নয়"।

 

[৯] আহমাদ বিন সাকিন:

বর্ণনা করেছেন: তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে ওমরের আযাদকৃত গোলাম নাফে থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে, নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা সুলতানদের (শাসকদের) নিকট যাতায়াত থেকে সতর্ক থাকো, কেননা সেখানে ফিতনা রয়েছে যেমন..."
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৩)
مبارك الإبل، وإنكم لن تنالوا من دنياهم شيئًا إلا نالوا من دينكم أفضل منه" -يعني أئمة الجَوْر ..

وروى عنه: يحيى بن محمَّد البخاري.

قال عنه الخطيب في تلخيص المتشابه في الرسم (1/ 340 رقم 549): "شيخ في عداد المجهولين".

 

‌‌[10] إدريس بن علي:

روى عن: يحيى بن ضُرَيْس البجلي الرازي.

وروى عنه: محمَّد بن يوسف الضبي مولاهم أبو جعفر ابن التركي (ت 295 هـ) [وثقه الخطيب في تاريخ بغداد (3/ 395 - 396)].

قال أبو نعيم في حلية الأولياء (7/ 262): "حدثنا أحمد بن جعفر ابن سلم: حدثنا محمَّد بن يوسف التركي: حدثنا إدريس بن علي: حدثنا يحيى بن ضريس: حدثنا مسعر، عن قتادة، عن الحسن، عن عمران بن حصين، أنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "إن هذا الأمر لا يزداد إلا شدّة، ولا يزداد الناس إلا شُحًّا ولا تقوم الساعة إلا على شرار النّاس".

قال أبو نعيم عقبه: "تفرّد به إدريس عن يحيى".

قلت: وهذا إسنادٌ منكر؛ فانظر (المرسل الخفي وعلاقته بالتدليس) (2/ 808 - 809).
"উটের আস্তাবল। আর তোমরা তাদের দুনিয়া থেকে যা কিছু লাভ করবে, তারা তোমাদের দ্বীন থেকে তার চেয়েও উত্তম কিছু (ছিনিয়ে) নেবে" - অর্থাৎ যালিম শাসকগণ ..

আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ আল-বুখারি।

খতিব তাঁর সম্পর্কে 'তালখিসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম' (১/ ৩৪০, নং ৫৪৯) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি অপরিচিতদের (মাজহুলিন) অন্তর্ভুক্ত একজন শায়খ।"

 

‌‌[১০] ইদ্রিস ইবনে আলি:

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে দুরুয়াইস আল-বাজালি আর-রাজি থেকে।

আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আদ-দব্বি মাওলাহুম আবু জাফর ইবনে আত-তুর্কি (ওফাত ২৯৫ হি.) [খতিব তাঁকে 'তারিখু বাগদাদ' (৩/ ৩৯৫ - ৩৯৬) গ্রন্থে নির্ভরযোগ্য বলেছেন]।

আবু নুআইম 'হিলইয়াতুল আউলিয়া' (৭/ ২৬২) গ্রন্থে বলেছেন: "আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে সালাম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আত-তুর্কি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইদ্রিস ইবনে আলি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে দুরুয়াইস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর, কাতাদা থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই বিষয়টি (দ্বীন/খিলাফত) কেবল কঠোরতর হতে থাকবে, এবং মানুষের মধ্যে কেবল কৃপণতাই বৃদ্ধি পাবে, আর নিকৃষ্টতম লোকদের মাধ্যমেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।"

আবু নুআইম এরপর বলেছেন: "ইদ্রিস এককভাবে ইয়াহইয়া থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।"

আমি বলি: এটি একটি মুনকার (অস্বীকৃত) সনদ; সুতরাং দেখুন 'আল-মুরসাল আল-খাফি ওয়া আলাকাতুহু বিত-তাদলিস' (২/ ৮০৮ - ৮০৯)।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌[11] أزرق بن دريد:

يروي عن: عباس بن الفضل الرِّيَاشي، وأبي حاتم سهل بن محمَّد ابن عثمان، وعبد الرحمن بن عبد الله بن قُرَيْب ابن أخي الأصمعي.

وروى عنه: الإِمام أبو بكر محمَّد بن عبد الله بن محمَّد بن صالح الأبهري الفقيه المالكي (ت375 هـ).

قال حمزة السهمي في سؤالاته (رقم. 100): "سمعت أبا بكر الأبهري يقول: جلست إلى أزرق بن دريد، ومعه جزء فيه: (قال الأصمعي)، وهو يحدّث. فكان يقول في واحد: حدثنا الرياشي، وفي آخر: حدثنا أبو حاتم، وفي آخر: حدثنا ابن أخي الأصمعي، عن الأصمعي؛ كما يجيء على قلبه!! ".

 

‌‌[12] أسامة بن سهل:

روى عن: أبيه.

وروى عنه: محمَّد بن حمير.

قال عنه الخطيب في الموضح لأوهام الجمع والتفريق (1/ 362): "مجهول".
[১১] আজরাক বিন দুরাইদ:

তিনি বর্ণনা করেন: আব্বাস বিন ফাদল আর-রিয়াশি, আবু হাতিম সাহল বিন মুহাম্মদ ইবনে উসমান এবং আসমায়ীর ভ্রাতুষ্পুত্র আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন কুরাইব থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-আবহরি, যিনি মালিকি ফকিহ (মৃত্যু ৩৭৫ হিজরি)।

হামজা আস-সাহমি তাঁর সুয়ালাত (নং ১০০) গ্রন্থে বলেন: "আমি আবু বকর আল-আবহরিকে বলতে শুনেছি: আমি আজরাক বিন দুরাইদের কাছে বসেছিলাম, তাঁর কাছে একটি পাণ্ডুলিপি ছিল যাতে লেখা ছিল: (আসমায়ী বলেছেন), এবং তিনি বর্ণনা করছিলেন। তিনি একটির ক্ষেত্রে বলছিলেন: আমাদের নিকট রিয়াশি বর্ণনা করেছেন, অন্যটির ক্ষেত্রে বলছিলেন: আমাদের নিকট আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন, এবং অপরটির ক্ষেত্রে বলছিলেন: আসমায়ীর থেকে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; ঠিক যেমনটি তাঁর মনে আসছিল!!"।

 

[১২] উসামা বিন সাহল:

তিনি বর্ণনা করেছেন: তাঁর পিতা থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন হিমইয়ার।

আল-খতিব তাঁর আল-মুদিহ লি-আওহামিল জাময়ি ওয়াত তাফরিক (১/৩৬২) গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "অজ্ঞাত"।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌[13] إسحاق بن إبراهيم بن علي بن صباح:

روى عن: سوادة بن علي.

وروى عنه: الحافظ أبو محمَّد الحسن بن علي بن عَمرو البصري المعروف بابن غلام الزهريّ.

قال عنه أبو محمَّد ابن غلام الزهريّ -كما في سؤالات السهمي له (رقم 199) -: "كان كذابًا".

 

‌‌[14] إسحاق بن بُرَيْد الكوفي:

يروي عن: الهيثم بن جميل، وجعفر الأحمر، وهُرَيم البجلي، وعبد الله بن زبيد اليامي، وغيرهم من كبار الكوفيين.

وروى عنه: ابن ابنه إبراهيم بن محمَّد بن إسحاق بن بريد، والحسن بن سعيد بن عثمان الخزاز، ومحمد بن مروان القطان، وغيرهم.

قال عنه عبد الغني بن سعيد الأزدي المصري في المؤتلف والمختلف (14): "ليس بالقوي".

وانظر ترجمته في: المؤتلف والمختلف للدارقطني (1/ 174)، والإكمال لابن ماكولا (1/ 229)، وغيرها.
[১৩] ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আলি বিন সাবাহ:

তিনি বর্ণনা করেছেন: সাওয়াদা বিন আলি থেকে।

আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: হাফেজ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলি বিন আমর আল-বাসরি, যিনি ইবনে গুলাম আজ-জুহরি নামে পরিচিত।

আবু মুহাম্মদ ইবনে গুলাম আজ-জুহরি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন—যেমনটি তাঁর প্রতি আস-সাহমির জিজ্ঞাসাসমূহে (১৯৯ নং) রয়েছে—: "তিনি একজন চরম মিথ্যাবাদী ছিলেন।"

 

[১৪] ইসহাক বিন বুরাইদ আল-কুফি:

তিনি বর্ণনা করেন: আল-হাইসাম বিন জামিল, জাফর আল-আহমার, হুরয়িম আল-বাজালি, আবদুল্লাহ বিন জুবাইদ আল-ইয়ামি এবং কুফার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের থেকে।

আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: তাঁর নাতি ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন বুরাইদ, আল-হাসান বিন সাইদ বিন উসমান আল-খাজ্জাজ, মুহাম্মদ বিন মারওয়ান আল-কাত্তান এবং অন্যান্যরা।

আব্দুল গনি বিন সাইদ আল-আজদি আল-মিসরি 'আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ' (১৪) গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি শক্তিশালী নন।"

আর তাঁর জীবনী দেখুন: আদ-দারাকুতনির 'আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ' (১/১৭৪), ইবনে মাকুলার 'আল-ইকমাল' (১/২২৯) এবং অন্যান্য গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌[15] إسحاق بن راشد الرَّقِّي:

يروي عن: ميمون بن مهران، وعَمرو بن وابصة.

وروى عنه: سالم بن عبد الله الرقي أبو المهاجر، وسليمان بن صهيب القرشي العطار، ومُعَمَّر بن سليمان النخعي.

قال الحافظ أبو الحسن علي بن الحسن بن عَلَّان الحَرّاني (ت355 هـ)، صاحبُ (تاريخ الجزيرة)، فيما نقله عنه الخطيب في المتفق والمفترق (1/ 420 - 422 رقم 183 - 184): "ليس بمشهور".

وفارقه أبو الحسن ابن علان والخطيب عن إسحاق بن راشد الحراني المترجم في (التهذيب).

وأورد له الخطيب في المتفق والمفترق أثرًا (برقم 212).

بينما اعتبرهما المزي في تهذيب الكمال (2/ 419 - 423) واحدًا، وتبعه الحافظ في التهذيب (1/ 230 - 231).

ويؤيد الجمع أن البخاري وابن أبي حاتم لم يترجما إلا لواحدٍ هو إسحاق بن راشد.

ويؤيده أيضًا أن أبا علي محمَّد بن سعيد بن عبد الرحمن الحراني (ت 334 هـ)، أخرج في تاريخ الرقة (129 - 130) حديثًا وإسحاق بن راشد عن عَمرو بن وابصة، ويرويه عنه سليمان بن
[১৫] ইসহাক বিন রাশিদ আর-রাক্কি:

তিনি বর্ণনা করেছেন: মাইমুন বিন মিহরান এবং আমর বিন ওয়াবিসাহ থেকে।

এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: সালিম বিন আব্দুল্লাহ আর-রাক্কি আবুল মুহাজির, সুলাইমান বিন শুহাইব আল-কুরাশি আল-আত্তার এবং মুয়াম্মার বিন সুলাইমান আন-নাখয়ি।

হাফিজ আবুল হাসান আলী বিন হাসান বিন আল্লান আল-হাররানি (মৃত্যু ৩৫৫ হিজরি), 'তারিখুল জাজিরা' গ্রন্থের রচয়িতা—আল-খাতিব 'আল-মুত্তাফাক ওয়াল মুফতারাফ' (১/৪২০-৪২২, নং ১৮৩-১৮৪) গ্রন্থে তাঁর থেকে যা উদ্ধৃত করেছেন তাতে তিনি বলেছেন: "তিনি প্রসিদ্ধ নন।"

আবুল হাসান ইবন আল্লান এবং আল-খাতিব তাঁকে 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে জীবনী বর্ণিত ইসহাক বিন রাশিদ আল-হাররানি থেকে পৃথক ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করেছেন।

আল-খাতিব 'আল-মুত্তাফাক ওয়াল মুফতারাফ' গ্রন্থে তাঁর একটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন (নং ২১২)।

পক্ষান্তরে আল-মিযযি 'তাহজিবুল কামাল' (২/৪১৯-৪২৩) গ্রন্থে তাঁদের উভয়কে অভিন্ন ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করেছেন এবং হাফিজ 'আত-তাহজিব' (১/২৩০-২৩১) গ্রন্থে তাঁর অনুসরণ করেছেন।

এই একীকরণকে এটিও সমর্থন করে যে, ইমাম বুখারি এবং ইবন আবি হাতিম কেবল একজন ইসহাক বিন রাশিদেরই জীবনী উল্লেখ করেছেন।

এটি আরও সমর্থিত হয় যে, আবু আলী মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আব্দুর রহমান আল-হাররানি (মৃত্যু ৩৩৪ হিজরি) 'তারিখুর রাক্কাহ' (১২৯-১৩০) গ্রন্থে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যেখানে ইসহাক বিন রাশিদ আমর বিন ওয়াবিসাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে সেটি বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন...
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৭)
صهيب؛ فإذا هو حديث إسحاق بن راشد الحراني في الفتن الذي في سنن أبي داود.

 

‌‌[16] إسماعيل بن أبان بن محمَّد بن حُوَيّ السكسكي، البتلهي، أبو محمَّد الشامي:

يروي عن: أبي مُسْهِر عبد الأعلى بن مسهر، وأحمد بن حنبل، وأبي مصعب الزهريّ.

وروى عنه: أحمد بن المعلى، ومحمد بن جعفر بن محمَّد بن هشام ابن قَسِيم بن ملاس النميري، وأحمد بن عمير بن يوسف الكلابي ابن جَوْصَا، والعباس بن الوليد بن مزيد (وهو من أقرانه)، وغيرهم.

توفي سنة (263 هـ).

ذكره ابن الجوزي في الضعفاء للتمييز (رقم 346)، وقال: "ما عرفنا فيه طعنًا".

لكنه تفرّد برفع حديث من طريق مالك، كما في غرائب مالك لمحمد بن المظفّر (رقم 134)، والمتفق والمفترق للخطيب (1/ 390 - 391 رقم 166).

فإن كان له من هذا أخوات، فهو أهل بهذا الكتاب، وإلا فلا.

وانظر ترجمته في: تاريخ دمشق لابن عساكر (2/ 821).
সুহাইব; আর সেটি হলো ফিতনা সম্পর্কিত ইসহাক বিন রাশিদ আল-হাররানির সেই হাদিস যা সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।

 

‌‌[১৬] ইসমাঈল বিন আবান বিন মুহাম্মদ বিন হুওয়াই আস-সাকসুকি, আল-বাতলাহি, আবু মুহাম্মদ আশ-শামি:

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবু মুসহির আব্দুল আলা বিন মুসহির, আহমাদ বিন হাম্বল এবং আবু মুসআব আজ-জুহরি থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আহমাদ বিন আল-মুআল্লা, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন হিশাম ইবনে কাসিম বিন মালাদ আন-নুমাইরি, আহমাদ বিন উমাইর বিন ইউসুফ আল-কিলাবি ইবনে জাওসা, আল-আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ বিন মাজিদ (যিনি তাঁর সমসাময়িকদের একজন ছিলেন) এবং আরও অনেকে।

তিনি (২৬৩ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন।

ইবনুল জাওজি পার্থক্য করার উদ্দেশ্যে তাঁর কথা 'আদ-দুআফা' গ্রন্থে (নং ৩৪৬) উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আমরা তাঁর ব্যাপারে কোনো অভিযোগের কথা জানতে পারিনি।"

তবে তিনি মালিকের সূত্রে একটি হাদিস মারফু হিসেবে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক হয়ে পড়েছেন, যেমনটি মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফফরের 'গরাইবে মালিক' (নং ১৩৪) এবং খতিবের 'আল-মুত্তাফিক ওয়াল মুফতারিক' (১/৩৯০-৩৯১, নং ১৬৬) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

যদি তাঁর বর্ণনায় এ ধরনের আরও নজির থাকে, তবে তিনি এই বইতে স্থান পাওয়ার যোগ্য, অন্যথায় নয়।

তাঁর জীবনী দেখুন: ইবনে আসাকিরের 'তারিখে দিমাশক' (২/৮২১) গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌[17] إسماعيل بن إبراهيم التيمي، أبو يحيى، الرازي:

يروي عن: سهيل بن أبي صالح.

ويروي عنه: محمَّد بن عباد الرازي.

يشتبه به إسماعيل بن إبراهيم التيمي أبو يحيى الكوفي، وهو ضعيف من رجال (التهذيب).

فرَّق بينهما الدارقطني والخطيب، كما في المتفق والمفترق للخطيب (1/ 415 - 417 رقم180، 181).

وقال عنه الدارقطني في سننه (1/ 333): "ضعيف".

وقال عنه الخطيب في المتفق والمفترق: "ضعيف".

أمّا البيهقي فلم يفرّق بين الرازي والكوفي في كتابه القراءة خلف الإِمام (194 رقم 426).

 

‌‌[18] إسماعيل بن إبراهيم الهَمْداني:

يروي عن: أبي إسحاق السَّبِيعي.

وروى عنه: يحيى بن بشار الكندي.

أخرج الخطيب في تلخيص المتشابه في الرسم (1/ 308 - 309
[১৭] ইসমাঈল বিন ইবরাহীম আত-তাইমী, আবু ইয়াহইয়া, আর-রাযী:

যিনি বর্ণনা করেছেন: সুহাইল বিন আবু সালিহ থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ আর-রাযী।

তাঁকে ইসমাঈল বিন ইবরাহীম আত-তাইমী আবু ইয়াহইয়া আল-কুফী বলে বিভ্রান্তি হতে পারে, আর তিনি (তাহযীব)-এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত একজন দুর্বল বা যঈফ বর্ণনাকারী।

আদ-দারা কুতনী এবং আল-খাতীব উভয়ের মধ্যে পার্থক্য করেছেন, যেমনটি আল-খাতীবের ‘আল-মুত্তাফাক ওয়াল মুফতারাক’ (ঐক্যবদ্ধ ও বিভক্ত) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে (১/ ৪১৫ - ৪১৭, নং ১৮০, ১৮১)।

আদ-দারা কুতনী তাঁর ‘সুনান’ গ্রন্থে (১/ ৩৩৩) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "দুর্বল"।

আল-খাতীব তাঁর ‘আল-মুত্তাফাক ওয়াল মুফতারাক’ গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "দুর্বল"।

তবে আল-বায়হাকী তাঁর ‘আল-কিরাআতু খালাফাল ইমাম’ (ইমামের পেছনে কিরাত পাঠ) গ্রন্থে (১৯৪, নং ৪২৬) আর-রাযী এবং আল-কুফীর মধ্যে কোনো পার্থক্য করেননি।

 

[১৮] ইসমাঈল বিন ইবরাহীম আল-হামদানী:

যিনি বর্ণনা করেছেন: আবু ইসহাক আস-সাবিঈ থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন বাশার আল-কিনদী।

আল-খাতীব ‘তালখীসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম’ (অক্ষর বিন্যাসে সদৃশ বিষয়াবলির সারসংক্ষেপ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন (১/ ৩০৮ - ৩০৯)
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ২৯)
- رقم 485) حديثًا موضوعًا من طريقه، فيه فضل الشيعة! ثم قال الخطيب: "مجهول".

 

‌‌[19] إسماعيل بن إبراهيم:

روى عن: سعيد بن أبي سعيد المَقْبُرِي.

وروى عنه: أبو عَوَانة وضّاح اليَشْكُرِي.

ذكر الدارقطني في العلل (5/ 81 / ب-82 / أ)، أنّ أبا عوانة روى عن إسماعيل بن إبراهيم عن المقبري عن القعقاع بن حكيم عن عائشة رضي الله عنها: أنها سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الرجل يَطَأُ بنعليه الأذى، فقال صلى الله عليه وسلم: "التراب لهما طهور".

فقيل للدارقطني عن إسماعيل بن إبراهيم: "من هو؟ قال: مجهول".

 

‌‌[20] إسماعيل بن أبي الزناد (من أهل وادي القرى):

روى عن: إبراهيم بن أبي سفيان الشامي.

وروى عنه: الحسن بن جرير الصوري الزَّنْبَقي.

قال أبو نعيم في حلية الأولياء (6/ 145 - 146): "حدثنا
- নম্বর ৪ঠা৫) তাঁর সূত্রে বর্ণিত একটি জাল হাদিস, যাতে শিয়াদের ফজিলত রয়েছে! এরপর আল-খাতিব বলেছেন: "মাজহুল (অপরিচিত)"।

 

‌‌[১৯] ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম:

বর্ণনা করেছেন: সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে।

আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আওয়ানা ওয়াদদাহ আল-ইয়াশকুরি।

আদ-দারাকুতনি 'আল-ইলাল' গ্রন্থে (৫/ ৮১ / ব-৮২ / আ) উল্লেখ করেছেন যে, আবু আওয়ানা ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আল-মাকবুরি থেকে, তিনি ক্বাক্বাহ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তার জুতো দিয়ে অপবিত্রতা মাড়িয়ে ফেলে, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "মাটিই সেই দুটির জন্য পবিত্রকারী।"

অতঃপর আদ-দারাকুতনিকে ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো: "তিনি কে? তিনি বললেন: মাজহুল (অপরিচিত)।"

 

‌‌[২০] ইসমাইল ইবনে আবি আজ-জিনাদ (ওয়াদিউল ক্বুরার অধিবাসী):

বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে আবু সুফিয়ান আশ-শামি থেকে।

আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে জারির আস-সুরি আজ-জানবাকি।

আবু নুআইম 'হিলয়াতুল আউলিয়া' গ্রন্থে (৬/ ১৪৫ - ১৪৬) বলেছেন: "আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৩০)
سليمان بن أحمد: حدثنا الحسن بن جرير الصوري: حدثنا إسماعيل ابن أبي الزناد -من أهل وادي القرى-: حدثني إبراهيم -شيخ من أهل الشام-، عن الأوزاعي، قال: قدمت المدينة، فسألت محمَّد بن علي بن الحسين بن أبي طالب عن قوله تعالى: {يَمْحُو الله مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ وَعِنْدَهُ أُمُّ الْكِتَابِ (39)} [الرعد: 39]، فقال: نعم، حدثنيه أبي، عن جدّه علي بن أبي طالب (كرم الله وجهه)، قال: سألت عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: "لأبشرنك بها يا علي، فبشِّر بها أمَّتي من بعدي. الصدقة على وجهها، واصطناع المعروف، وبرُّ الوالدين، وصلة الرحم؛ تُحَوِّلُ الشقاء سعادة، وتزيد في العُمْر، وتقي مصارع السوء".

(قال أبو نعيم): غريب، تفرّد به إسماعيل بن أبي الزناد.

وإبراهيم بن أبي سفيان، قال أبو زرعة: سألت أبا مسهر عنه، فقال: من ثقات مشايخنا وقدمائهم".

قلت: وبعد هذا التوثيق لإبراهيم بن أبي سفيان (وهو توثيقٌ نادر لمن ليس له ترجمة) تنحصر تَبِعَةُ هذا الحديث المنكر في المتفرّد به، وهو إسماعيل بن أبي الزناد، الذي لم أجد له ذكرًا إلا في هذا الإسناد.

أمّا الحديث، فقد أخرجه ابن مردويه -كما في كنز العمال (رقم 4450) - من طريق محمَّد بن إسحاق العُكّاشي (وهو أحد الكذبة الوضّاعين)، عن الأوزاعي، عن محمَّد بن علي بن الحسين عن أبيه عن جدّه عن علي رضي الله عنه .. به.
সুলাইমান বিন আহমাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন জারীর আস-সূরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আবিয যিনাদ —যিনি ওয়াদিউল কুরার অধিবাসী—: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম —সিরিয়ার জনৈক শায়খ—, তিনি আওযাঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মদীনায় আগমন করলাম এবং মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আবী তালিবকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: {আল্লাহ যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা বহাল রাখেন, আর তাঁর কাছেই রয়েছে উম্মুল কিতাব (৩৯)} [আর-রাদ: ৩৯]। তখন তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমার পিতা তাঁর দাদা আলী বিন আবী তালিব (আল্লাহ তাঁর চেহারাকে সম্মানিত করুন) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এ সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছি, তখন তিনি বললেন: "হে আলী! আমি অবশ্যই তোমাকে এর মাধ্যমে সুসংবাদ দেব, সুতরাং আমার পরে তুমি আমার উম্মতকে এর সুসংবাদ দিও। যথাযথ পন্থায় দান-সাদাকাহ করা, নেক কাজ সম্পাদন করা, পিতামাতার প্রতি সদাচরণ এবং আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখা; এই কাজগুলো দুর্ভাগ্যকে সৌভাগ্যে রূপান্তরিত করে, আয়ু বৃদ্ধি করে এবং মন্দ মৃত্যু থেকে রক্ষা করে।"

(আবু নুআইম বলেন): এটি গরীব (সূত্রহীন বা একক বর্ণনা), ইসমাঈল ইবনে আবিয যিনাদ এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর ইব্রাহীম বিন আবী সুফিয়ান সম্পর্কে আবু যুরআহ বলেন: আমি আবু মুসহিরকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: "তিনি আমাদের নির্ভরযোগ্য ও প্রাচীন শায়খদের অন্তর্ভুক্ত।"

আমি বলছি: ইব্রাহীম বিন আবী সুফিয়ানের এই নির্ভরযোগ্যতার পর (যা এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এক বিরল প্রামাণ্যতা যার কোনো জীবনীগ্রন্থ নেই), এই মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) হাদীসের দায়ভার কেবল সেই ব্যক্তির ওপর সীমাবদ্ধ থাকে যে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছে, আর সে হলো ইসমাঈল ইবনে আবিয যিনাদ; এই সনদ ছাড়া আমি যার কোনো উল্লেখ খুঁজে পাইনি।

হাদীসটির ব্যাপারে কথা হলো, ইবনে মারদুওয়াইহ এটি বর্ণনা করেছেন—যেমনটি কানযুল উম্মাল (নং ৪৪৫০)-এ বর্ণিত হয়েছে—মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল-উক্কাশি (যিনি একজন মিথ্যাবাদী ও জালকারী)-এর সূত্রে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে... এই সূত্রে।
(খণ্ড: ১) যাইলু লিসানিল মীযান (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌[21] إسماعيل بن عامر الكوفي:

قال أبو عبد الرحمن السُّلَمي في سؤالاته للدارقطني (رقم 434): "وسئل عن عاصم بن عامر؟ فقال: هم ثلاثة إخوة: عاصم، وسهل، وإسماعيل، بنو عامر: كوفيون، وهم من شيوخ الشيعة".

 

‌‌[22] إسماعيل بن عبد الملك بن أبي محذورة:

روى عن: أبيه عبد الملك بن أبي محذورة.

ذكره المزّي في سياق الرواة عن أبيه، في تهذيب الكمال (18/ 397).

قال علي بن المديني -في سؤالات محمَّد بن عثمان بن أبي شيبة (رقم 142) -: "بنو محذورة الذين يُحدّثون عن جدِّهم كلهم ضعيف ليس بشيء".

قلت: لم أقف على روايته عن جدّه، فذكرته على الاحتمال.

 

‌‌[23] إسماعيل بن الفضل بن موسى بن مسمار بن هانئ البلخي، أبو بكر، سكن بغداد، ورحل إلى الشام، (ت 286 هـ):

روى عن: قتيبة بن سعيد، ومحمد بن الحسن البلخي، والحسن ابن عمر بن شقيق، وإسماعيل بن عيسى العطار، وعبد الوهاب بن نجدة، وأبي كريب محمَّد بن العلاء، وغيرهم.
‌‌[২১] ইসমাঈল ইবনে আমির আল-কুফি:

আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি আদ-দারা কুতনির প্রতি তার সুয়ালাত-এ (প্রশ্নোত্তর) (নং ৪৩৪) বলেছেন: "আসিম ইবনে আমির সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: তারা তিন ভাই: আসিম, সাহল এবং ইসমাঈল, আমিরের পুত্রগণ: তারা কুফাবাসী এবং তারা শিয়াদের শায়েখদের অন্তর্ভুক্ত।"

 

‌‌[২২] ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবি মাহজুরা:

বর্ণনা করেছেন: তার পিতা আব্দুল মালিক ইবনে আবি মাহজুরা থেকে।

আল-মিযযি তাহযিবুল কামাল-এ (১৮/৩৯৭) তার পিতার থেকে বর্ণনাকারীদের ধারাক্রমে তাকে উল্লেখ করেছেন।

আলি ইবনুল মাদিনি - মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শায়বার সুয়ালাত-এ (নং ১৪২) - বলেছেন: "বনু মাহজুরা যারা তাদের দাদার থেকে বর্ণনা করে তারা সবাই দুর্বল, তারা কিছুই নয়।"

আমি বলছি: আমি তার দাদার থেকে তার কোনো বর্ণনার সন্ধান পাইনি, তাই সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে তাকে উল্লেখ করেছি।

 

‌‌[২৩] ইসমাঈল ইবনুল ফজল ইবনে মুসা ইবনে মিসমার ইবনে হানি আল-বালখি, আবু বকর, বাগদাদে বসবাস করেছেন এবং শামে সফর করেছেন, (মৃত্যু ২৮৬ হিজরি):

বর্ণনা করেছেন: কুতাইবা ইবনে সাঈদ, মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-বালখি, হাসান ইবনে উমর ইবনে শাকিক, ইসমাঈল ইবনে ঈসা আল-আত্তার, আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ, আবু কুরাইব মুহাম্মদ ইবনুল আলা এবং অন্যান্যদের থেকে।