(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: -)
المحصول للرازي القسم: أصول الفقه
الكتاب: المحصول
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن عمر بن الحسن بن الحسين التيمي الرازي الملقب بفخر الدين الرازي خطيب الري (ت 606 هـ)
دراسة وتحقيق: الدكتور طه جابر فياض العلواني
الناشر: مؤسسة الرسالة
الطبعة: الثالثة، 1418 هـ - 1997 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আর-রাজির আল-মাহসুল বিভাগ: উসুলুল ফিকহ
গ্রন্থ: আল-মাহসুল
লেখক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আত-তাইমি আর-রাজি, ফখরুদ্দীন আর-রাজি উপাধিতে পরিচিত, রাই-এর খতিব (মৃত্যু ৬০৬ হিজরি)
গবেষণা ও সম্পাদনা: ডক্টর ত্বহা জাবির ফায়্যাদ আল-আলওয়ানি
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ
সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ
[গ্রন্থের নম্বরকরণ মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২)
ـ[المحصول]ـ
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن عمر بن الحسن بن الحسين التيمي الرازي الملقب بفخر الدين الرازي خطيب الري (المتوفى: 606هـ)
دراسة وتحقيق: الدكتور طه جابر فياض العلواني
الناشر: مؤسسة الرسالة
الطبعة: الثالثة، 1418 هـ - 1997 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
--------------------------------------------
[আল-মাহসুল]
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আত-তাইমি আর-রাজি, ফখরুদ্দিন আর-রাজি উপাধিতে ভূষিত, রাইয়ের খতিব (মৃত্যু: ৬০৬ হিজরি)
গবেষণা ও সম্পাদনা: ডক্টর ত্বহা জাবির ফায়াদ আল-আলওয়ানি
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ
সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৫)
عنوان الكتاب من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ل)
দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহর পাণ্ডুলিপি হতে কিতাবের শিরোনাম, যাকে (ল) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৬)
الصفحة الاولى من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ل)
দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-এর পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা, যা (ল) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৭)
الصفحة الثانية من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ل)
দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-এর পাণ্ডুলিপির দ্বিতীয় পৃষ্ঠা, যা (ল) চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৮)
الصفحة الاخيرة من الجزء الاول من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ل)
দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-এর অনুলিপির প্রথম খণ্ডের শেষ পৃষ্ঠা, যা (লাম) দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৯)
عنوان الكتاب من نسخة أحمد الثالث - استنابول والمرموز لها ب (آ)
ইস্তাম্বুলের তৃতীয় আহমদ পাণ্ডুলিপি থেকে গ্রন্থের শিরোনাম, যা ‘আ’ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১০)
الورقة الاولى من نسخة أحمد الثالث - استنابول المرموز لها ب (آ)
আহমেদ ৩য় পাণ্ডুলিপির প্রথম পাতা - ইস্তাম্বুল, যা (আ) চিহ্ন দ্বারা নির্দেশিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১১)
الورقة الاولى من نسخة أحمد الثالث - استنابول المرموز لها ب (آ)
আহমদ আল-সালিদ (তৃতীয় আহমদ) পাণ্ডুলিপির প্রথম পত্র - ইস্তাম্বুল, যা (আ) দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১২)
الورقة الاخيرة من الجزء الاول من نسخة أحمد الثالث - استنابول المرموز لها ب (آ)
আহমদ ৩য় পাণ্ডুলিপির প্রথম খণ্ডের শেষ পাতা - ইস্তাম্বুল, যা (আ) সংকেত দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
عنوان الكتاب من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ي)
মিশরীয় দারুল কুতুব-এর পাণ্ডুলিপি হতে প্রাপ্ত গ্রন্থের শিরোনাম, যা (ইয়া) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৪)
الصفحة الاولى من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ي)
মিশরীয় দারুল কুতুবের অনুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা, যা 'ইয়া' প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الصفحة الاولى من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ي)
দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহর পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা, যা (ইয়া) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৬)
الصفحة الاخيرة من الجزء الاول من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ي) الجزء الاول
মিশরীয় দারুল কুতুবের পাণ্ডুলিপির প্রথম খণ্ডের সর্বশেষ পৃষ্ঠা, যা (ই) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত, প্রথম খণ্ড।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৭)
نموذج من النسخة اليمنية المرموز لها ب " ص "
ইয়েমেনি পাণ্ডুলিপির একটি নমুনা যা "সদ" প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৮)
نموذج من النسخة اليمنية المرموز لها ب " ص)
ইয়ামানি পাণ্ডুলিপির একটি নমুনা যা "সদ" সংকেত দ্বারা চিহ্নিত)
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ১৯)
آخر النسخة اليمنية المرموز لها ب " ص "
“স” প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত ইয়েমেনি পাণ্ডুলিপির সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২০)
عنوان الكتاب من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ن)
মিশরীয় দারুল কুতুব-এর পাণ্ডুলিপি থেকে গ্রন্থের শিরোনাম, যা (ন) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২১)
الصفحة الاولى من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ن)
মিশরীয় দারুল কুতুব-এর পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা, যা (ন) দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২২)
الصفحة الثانية من نسخة دار الكتب المصرية المرموز لها ب (ن)
মিশরীয় দারুল কুতুবের পাণ্ডুলিপির দ্বিতীয় পৃষ্ঠা, যা (ন) প্রতীক দ্বারা নির্দেশিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الورقة الاولى من نسخة الاحمدية - حلب المرموز لها ب (ح)
আহমাদিয়া পাণ্ডুলিপি - আলেপ্পো এর প্রথম পৃষ্ঠা, যা (হ) সংকেত দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الصفحة الثانية من نسخة الاحمدية - حلب المرموز لها ب (ح)
আহমাদিয়া পাণ্ডুলিপি - আলেপ্পো-এর দ্বিতীয় পৃষ্ঠা, যা (হা) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الورقة الاخيرة من نسخة الاحمدية - حلب المرموز لها ب (ح)
আহমাদিয়াহ - আলেপ্পো পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা, যা (হা) সংকেত দ্বারা চিহ্নিত।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة المحققالحمد لله الذي خلق السماوات والأرض، وجعل الظلمات والنور ثم الذين كفروا بربهم يعدلون.
أحمده حمدا ينبغي لجلال وجهه وعظيم سلطانه.
وأستعينه استعانة من لا حول له ولا قوة إلا به..وأستهديه بهداه الذي لا يضل من أنعم به عليه، وأستغفره لما قدمت وأخرت استغفار من أقر بعبوديته، وعلم أنه لا يغفر ذنبه ولا ينجيه منه إلا هو سبحانه.
وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبد الله ورسوله أنقذنا الله - تعالى - به من الهلكة، وأنجانا من الضلال، وجعلنا في خير أمة أخرجت للناس.
فصلى الله - تعالى - عليه في الاولين والاخرين أفضل وأكثر وأزكى ما صلى على أحد من خلقه، وعلى آله وأصحابه، ومن تبعه، ودعا بدعوته إلى يوم لقاه.
أما بعد: فإن من أهم العلوم الموصلة إلى معرفة أحكام الله - تعالى - في كتابه وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم علم " أصول الفقه "، فهو " العلم الذي ازدوج فيه العقل والسمع، واصطحب فيه الرأي والشرع، فأخذ من صفو الشرع والعقل سواء السبيل، فلا هو تصرف بمحض العقول - الذي لا يتلقاه الشرع بالقبول - ولا هو مبني على محض التقليد الذي لا يشهد له القعل بالتسديد والتأييد ".
كما يقول اللامام الغزالي.
وإن من أهم ماكتب في هذا العلم - بعد رسالة الامام الشافعي رحمه الله كتاب " البرهان " لامام الحرمين الجويني " والمستصفى " لحجة الاسلام
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সম্পাদকের ভূমিকাসকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন এবং অন্ধকার ও আলো তৈরি করেছেন; এরপরও যারা কুফরি করে, তারা তাদের রবের সমকক্ষ দাঁড় করায়।
আমি তাঁর এমন প্রশংসা করছি যা তাঁর চেহারার মহিমা এবং তাঁর মহান কর্তৃত্বের জন্য উপযুক্ত।
এবং আমি তাঁর নিকট এমনভাবে সাহায্য প্রার্থনা করছি, যার কোনো উপায় ও শক্তি নেই তিনি ছাড়া। এবং আমি তাঁর হিদায়াতের মাধ্যমে তাঁর নিকট হিদায়াত প্রার্থনা করছি, যা তিনি যাকে দান করেন সে পথভ্রষ্ট হয় না। এবং আমি আমার পূর্বাপর সকল গুনাহের জন্য তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এমন ব্যক্তির মতো যে নিজের দাসত্ব স্বীকার করে এবং জানে যে তিনি (পবিত্র মহান) ছাড়া আর কেউ তার গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না এবং তা থেকে মুক্তি দিতে পারে না।
আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাআলা তাঁর মাধ্যমে আমাদেরকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করেছেন, গোমরাহি থেকে মুক্তি দিয়েছেন এবং আমাদেরকে মানবজাতির জন্য শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করেছেন।
সুতরাং আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণের মধ্যে সর্বোত্তম, সর্বাধিক এবং সবচেয়ে পবিত্র রহমত বর্ষণ করুন, যা তিনি তাঁর সৃষ্টির মধ্য হতে কারো ওপর বর্ষণ করেছেন। এবং তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সাহাবীগণ এবং যারা তাঁর অনুসরণ করে ও তাঁর সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত তাঁর দাওয়াতের দিকে আহ্বান করে, তাদের ওপরও রহমত বর্ষিত হোক।
অতঃপর: মহান আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ থেকে আল্লাহর বিধানসমূহ জানার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ‘উসূলে ফিকহ’ (ফিকহের মূলনীতি) শাস্ত্র। এটি এমন এক বিদ্যা যাতে ‘আকল’ (বিবেক) ও ‘সাম’ (শ্রুত দলিল)-এর সমন্বয় ঘটেছে এবং রায় (মতামত) ও শরয়ি বিধানের সহাবস্থান হয়েছে; যা শরিয়ত ও বিবেকের নির্যাস থেকে সঠিক পথ গ্রহণ করেছে। ফলে এটি না কেবল বিবেকের ওপর নির্ভরশীল—যা শরিয়ত কবুল করে না—আর না এটি কেবল অন্ধ অনুকরণের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যাকে বিবেক সঠিক বলে সমর্থন ও সাক্ষ্য দেয় না।
যেমনটি ইমাম গাজালি বলেছেন।
আর এই শাস্ত্রে ইমাম শাফেয়ি রহ.-এর ‘আর-রিসালা’-এর পর রচিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কিতাব হলো ইমামুল হারামাইন আল-জুওয়াইনি-এর ‘আল-বুরহান’ এবং হুজ্জাতুল ইসলামের ‘আল-মুস্তাসফা’।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
الغزالي - من أهل السنة - و " العهد " للقاضي عبد الجبار الهمداني " والمعتمد "
لأبي الحسين البصري - من المعتزلة فإن هذه الكتب الاربعة قد ضمت جملة المباحث الاصولية، فتناولت جميع مسائل هذا العلم - الخطير الشأن - بعد تكامله حتى أصبحت هذه الكتب الاربعة - مراجع هذا العلم ومنابع قواعده.
ولما اتصفت به هذه الكتب الاربعة من صفات - قد تحد من مجال الاستفادة منها، وتقلل من عدد المنتفعين بها من طلاب علوم الشريعة - ظهرت الحاجة إلى كتاب جامع لمزاياها، محيط بمباحثها مجرد عما أخذ عليها.
فتصدي لهذه المهمة الامام فخر الدين الرازي فألف كتابه " المحصول في علم أصول الفقه " ليكون الجامع لما في هذه الامهات الاربعة من مسائل الاصول، المجرد عن جميع المآخذ التي أخذت عليها، وأضاف إلى ذلك من علمه الغزير ودقته في التعبير وحسن الاسلوب، وسلاسة العبارة ما جعل " المحصول " مطم آمال طلاب " أصول الفقه " ومعقد رجائهم، فأقبلوا عليه، واستغنوا به عما سبقه.
فمن هو الامام فخر الدين الرازي وما هو كتابه " المحصول "؟ ! هذا ما سنوضحه في السطور التالية:
1 - عصر الامام الرازي: لقد عاش الامام " فخر الدين الرازي " النصف الثاني من القرن السادس الهجري كله مع ست أو سبع سنين من النصف الاول منه - هي سنوات طفولته - كما عاش السنين الست الاولى من القرن السابع.
وقد كانت هذه الحقبة من الزمن من أحرج الفتران في حياة الامة الاسلامية: فالحملات الصليبية التي بدأت سنة " 494 هـ) كانت متتالية منذ ذلك التاريخ إلى أن توقف بعدما يقرب من مائتي عام منه.
وكانت بلاد الاسلام خلالها هدفا لمختلف ضروب التوحش والهمجية التي جاء بها الغزاة.
وفي الوقت ذاته كان على التخوم الشرقية لديار الاسلام أعداء أكثر توحشا وهمجية يعدون أيام الضعف والتدهور التي
يعيشها المسلمون يوما يوما لينقضوا عليهم في أنسب فرصة تساعدهم على استئصال
আল-গাযালী - আহলুস সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত - এবং কাজী আব্দুল জব্বার আল-হামাদানির "আল-আহদ" ও আবুল হুসাইন আল-বসরির "আল-মুতামাদ" - মুতাযিলাদের অন্তর্ভুক্ত - এই চারটি গ্রন্থ উসুল সংক্রান্ত আলোচনার সারসংক্ষেপকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে এগুলো এই শাস্ত্রের—যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—পূর্ণতা লাভের পর এর সকল মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেছে, এমনকি এই চারটি গ্রন্থই এই ইলমের মূল রেফারেন্স এবং এর নিয়মাবলীর উৎসে পরিণত হয়েছে।
যেহেতু এই চারটি গ্রন্থ এমন কিছু বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিল—যা এ থেকে উপকৃত হওয়ার ক্ষেত্রকে সীমিত করে দিতে পারে এবং শরীআহ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ থেকে লাভবান হওয়ার সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে—তাই এমন একটি গ্রন্থের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় যা এগুলোর বৈশিষ্ট্যসমূহকে একত্রিত করবে, এর সকল আলোচনাকে পরিবেষ্টন করবে এবং এর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সমালোচনাগুলো থেকে মুক্ত হবে।
সুতরাং ইমাম ফখরুদ্দিন আল-রাযী এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তাঁর গ্রন্থ "আল-মাহসুল ফী ইলমি উসুলিল ফিকহ" রচনা করেন, যাতে এটি এই চারটি মূল গ্রন্থে বিদ্যমান উসুলের মাসআলাগুলোর সংকলক এবং সেগুলোর ওপর করা যাবতীয় আপত্তি থেকে মুক্ত হয়। তিনি এতে তাঁর অগাধ জ্ঞান, প্রকাশের সূক্ষ্মতা, চমৎকার উপস্থাপনা এবং ভাষার প্রাঞ্জলতা যুক্ত করেছেন, যা "আল-মাহসুল" গ্রন্থটিকে "উসুলুল ফিকহ"-এর শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। ফলে তারা এর প্রতি ধাবিত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী গ্রন্থগুলো থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে গেছে।
তাহলে ইমাম ফখরুদ্দিন আল-রাযী কে এবং তাঁর গ্রন্থ "আল-মাহসুল" কী?! পরবর্তী পঙক্তিগুলোতে আমরা তা-ই স্পষ্ট করব:
১ - ইমাম রাযীর যুগ: ইমাম "ফখরুদ্দিন আল-রাযী" ষষ্ঠ হিজরি শতাব্দীর পুরো দ্বিতীয়ার্ধ এবং প্রথমার্ধের ছয় বা সাত বছর—যা ছিল তাঁর শৈশবকাল—বেঁচে ছিলেন। এছাড়াও তিনি সপ্তম শতাব্দীর প্রথম ছয় বছর জীবিত ছিলেন।
সময়ের এই পর্যায়টি ছিল মুসলিম উম্মাহর জীবনের অন্যতম সংকটময় সময়: ক্রুসেড যুদ্ধ যা ৪৯৪ হিজরিতে শুরু হয়েছিল, তা সেই সময় থেকে প্রায় দুইশ বছর পর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে।
এই সময়ে মুসলিম ভূখণ্ডগুলো আক্রমণকারীদের দ্বারা আনীত বিভিন্ন ধরণের বর্বরতা ও পাশবিকতার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
একই সময়ে মুসলিম ভূখণ্ডের পূর্ব সীমান্তে আরও বেশি হিংস্র ও বর্বর শত্রুরা ওত পেতে ছিল, যারা মুসলমানদের দুর্বলতা ও অধঃপতনের দিনগুলো একে একে গণনা করছিল, যাতে উপযুক্ত সুযোগ পেলেই তাদের সমূলে উৎপাটন করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ২৯)
شأفة المسلمين وتدمير كيانهم.
وأما في داخل ديار الاسلام: فقد كانت الخلافة العباسية قد بلغت دور الشيخوخة، ووصل ضعفها إلى مداه، ولم يعد للخليفة من سلطان إلا في بعض المظاهر التي تضعف وتقوى تبعا لضعف شخصية الخليفة وقوتها.
أما السلطان الحقيقي، والتصرف الفعلي بمقاليد الامور: فقد استبد به قادة عسكريون، أو رؤساء قبائل كانوا ينصبون أنفسهم ملوكا وسلاطين وشاهات على ما تت أيديهم.
بدأ ذلك بالسلاجقة ثم الخوارز مشاهية والغورية، وكان هؤلاء الملوك متناحرين على السلطان، هدفهم تحقيق مأربهم السياسية، وبسط سلطانهم على ما تحت يد الاخرين من أبناء ملتهم، غافلين أو متغافلين عما يدور حولهم، وما يدبر لهم جميعا، وكل منهم يظن أنه الاصلح للبلاد والعباد من سواه.
وإذا كانت الاحوال السياسية للمسلمين في هذا الدرك الهابط، فإن الاحوال الاجتماعية والاقتصادية لم تكن تقل عنها سواء.
ولا نريد الدخول في تفصيل ما حدث في ذلك العصر لانه يبعدنا عن موضوعنا، ولانه وصف بإسهاب في مختلف الكتب التاريخية القديمة، والحديثة، ولكن الامر يختلف تمام الاختلاف من الناحية الفكرية والثقافية فلقد كانت العناية في العلوم، والثقافات، والفكر كبيرة.
يقول ابن خلدون - وهو يتحدث عن العلوم العقلية وأصنافها والامم التي اعتنت بها أو أهملتها -: " ويبلغنا عن أهل المشرق أن بضائع هذه العلوم لم تزل عندهم موفورة وخصوصا في عراق العجم وما بعده فيما وراء النهر، وأنهم على (ثبج من العلوم العقلية لتوفر عمرانهم، واستحكام الحضارة فيهم ".
كما عقد فصلا خاصا لبيان - أن حملة العلم في الاسلام أكثرهم من
মুসলিমদের মূল উৎপাটন এবং তাদের অস্তিত্ব ধ্বংস করা।
আর ইসলামি ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে: আব্বাসীয় খিলাফত তখন বার্ধক্যে উপনীত হয়েছিল এবং এর দুর্বলতা চরম সীমায় পৌঁছেছিল। খলিফার ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা ও সবলতার ওপর নির্ভর করে রাজত্বের কিছু বাহ্যিক প্রকাশ ছাড়া খলিফার হাতে আর কোনো প্রকৃত ক্ষমতা অবশিষ্ট ছিল না।
অন্যদিকে প্রকৃত ক্ষমতা এবং শাসনকার্য পরিচালনার চাবিকাঠি কুক্ষিগত করে নিয়েছিল সামরিক নেতাগণ অথবা গোত্র প্রধানরা, যারা তাদের হস্তগত অঞ্চলের ওপর নিজেদেরকে বাদশাহ, সুলতান এবং শাহ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।
এর সূচনা হয়েছিল সেলজুকদের মাধ্যমে, এরপর খাওয়ারিজমশাহি এবং ঘুরি বংশ। এই রাজারা ক্ষমতার লোভে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল; তাদের লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা এবং নিজ মিল্লাতের অন্তর্ভুক্ত অন্যদের অধিকৃত অঞ্চলে নিজেদের শাসন বিস্তার করা। তারা তাদের চারপাশে যা ঘটছে এবং সবার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে সে ব্যাপারে উদাসীন বা উদাসীনতার ভান করে থাকতো। তাদের প্রত্যেকেই মনে করত যে, সে অন্য সবার চেয়ে দেশ ও জাতির জন্য অধিক যোগ্য।
মুসলিমদের রাজনৈতিক অবস্থা যখন এই পতনোন্মুখ স্তরে ছিল, তখন তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থাও এর চেয়ে কম শোচনীয় ছিল না।
আমরা সেই যুগে যা ঘটেছিল তার বিস্তারিত বিবরণে প্রবেশ করতে চাই না, কারণ এটি আমাদের মূল বিষয় থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে এবং বিভিন্ন প্রাচীন ও আধুনিক ইতিহাস গ্রন্থে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। তবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন; কারণ বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং চিন্তাধারার প্রতি তখন বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছিল।
ইবনে খালদুন—যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক বিজ্ঞান, এর শ্রেণিবিভাগ এবং যে জাতিসমূহ এর যত্ন নিয়েছে বা অবহেলা করেছে সে সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে—বলেন: "প্রাচ্যের অধিবাসীদের সম্পর্কে আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, এই বিজ্ঞানের সমাহার এখনও তাদের কাছে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে, বিশেষ করে ইরাকে আজম (অনারব ইরাক) এবং এর পরবর্তী ট্রান্সঅক্সিয়ানা (মা-ওয়ারাউন নহর) অঞ্চলে। তাদের জনপদ সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে এবং সেখানে সভ্যতার সুদৃঢ় ভিত্তির ফলে তারা বুদ্ধিবৃত্তিক বিজ্ঞানের মূল প্রবাহের ওপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।"
এছাড়াও তিনি এটি বর্ণনার জন্য একটি বিশেষ পরিচ্ছেদ বরাদ্দ করেছেন যে—ইসলামে ইলমের ধারক-বাহকদের অধিকাংশই ছিলেন
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
العجم - وبعد أن قرر هذا قال: " وإن كان منهم العربي في نسبته فهو عجمي في لغته ومرباه ومشيخته ".
ويقول ول ديورانت في كتابه " قصة الحضارة " - بعد أن تحدث عن الكثيرين من الحكام المسلمين وخصائصهم، وقارنهم بأمثالهم من حكام الافرنج: " وجرى هؤلاء الحكام المسلمون جميعهم، بل وصغار الملوك أنفسهم على سنة الخلفاء العباسيين: في مناصرة الاداب والفنون
… ثم ذكر حواضر الاسلام كبغداد ودمشق، والري، وهراة وسواها، وبين ازهار العلوم فيها، وقرر أنها كانت أكثر مدن العالم ثقافة وجمالا، وقصارى القول: إن هذا العصر كان عصر اضمحلال متلالئا ساطعا ".
وأما " الري " المحيط الصغير للفخر - الذي ولد فيه وترعرع: - فالناظر في تاريخا يجدها مسرحا لمختلف الاراء والافكار والمذاهب حتى ليخيل إليه أن هذه المدينة معرض واسع، يشتمل على نماذج من كل ما كان في البيئة الاسلامية الكبرى من الاراء والمذاهب إضافة إلى العلوم المختلفة وكلها تتعايش في هذه البيئة الصغيرة بشكل يدعو إلى العجب.
ولا شئ يوضح هذه الحقيقة مثل موقف الامام ابن فارس اللغوي: أبى الحسين الرازي الفقيه الشافعي الذي تحول إلى مذهب الامام مالك رضي الله عنهما وقوله في سبب تحوله هذا: " دخلتني الحمية لهذا الامام المقبول على جميع الالسنة، أن يخلو مثل هذا البلد عن مذهبه، فعمرت مشهد الانتساب إليه، حتى يكمل لهذا البلد فخره وفإن الري أجمع البلاد للمقالات والاختلافات في المذاهب على تضادها وكثرتها.
অনারব - এবং তিনি এটি সাব্যস্ত করার পর বললেন: "যদি তাদের মধ্যে কেউ বংশগতভাবে আরবও হয়, তবুও সে তার ভাষা, লালন-পালন এবং শাইখদের সান্নিধ্যের দিক থেকে অনারব।"
উইল ডিউরান্ট তার 'সভ্যতার ইতিহাস' গ্রন্থে—মুসলিম শাসকদের অনেকের সম্পর্কে ও তাঁদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনার পর এবং ইউরোপীয় শাসকদের সাথে তাঁদের তুলনা করার পর—বলেন: "এই সকল মুসলিম শাসকরা, এমনকি ক্ষুদ্র রাজন্যবর্গও সাহিত্য ও শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতার ক্ষেত্রে আব্বাসীয় খলিফাদের রীতি অনুসরণ করেছিলেন
… অতঃপর তিনি বাগদাদ, দামেস্ক, রায়, হেরাত ও অন্যান্য ইসলামী নগরীগুলোর উল্লেখ করেন এবং সেখানে বিজ্ঞানের উৎকর্ষ বর্ণনা করেন। তিনি সাব্যস্ত করেন যে, এগুলি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে সংস্কৃতিবান ও সুন্দর শহর। সংক্ষেপে বলতে গেলে: এই যুগটি ছিল এক উজ্জ্বল ও দেদীপ্যমান পতনের যুগ।"
আর ফখরুদ্দিন রাযীর সেই ক্ষুদ্র পরিমণ্ডল 'রায়' শহর সম্পর্কে—যেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন ও বেড়ে উঠেছেন—তার ইতিহাসের প্রতি দৃষ্টিপাতকারী একে বিভিন্ন মত, চিন্তা ও মাযহাবের একটি চারণভূমি হিসেবে দেখতে পাবেন। এমনকি একজনের মনে হতে পারে যে, এই শহরটি একটি বিশাল প্রদর্শনী কেন্দ্র, যা বৃহত্তর ইসলামী পরিবেশে বিদ্যমান সকল প্রকার মতবাদ ও মাযহাবের নমুনাসমূহকে ধারণ করত। এর সাথে যুক্ত হয়েছিল বিভিন্ন শাস্ত্রীয় জ্ঞান, যার সবই এই ক্ষুদ্র পরিবেশে এমনভাবে সহাবস্থান করত যা বিস্ময়ের উদ্রেক করে।
ভাষাবিদ ইমাম ইবনে ফারিসের অবস্থান ব্যতিরেকে অন্য কোনো কিছুই এই সত্যকে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে না: আবুল হুসাইন আর-রাযী, যিনি শাফেয়ী ফকীহ ছিলেন এবং পরবর্তীতে ইমাম মালিক (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর মাযহাবে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। তাঁর এই রূপান্তরের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন: "সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য এই ইমামের প্রতি আমার অন্তরে এই প্রবল অনুরাগ ও আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত হলো যে, এই শহরের মতো একটি জনপদ তাঁর মাযহাব থেকে শূন্য থাকবে? তাই আমি তাঁর মাযহাবের সাথে সম্পৃক্ততার ভিত্তিটি আবাদ করলাম, যাতে এই শহরের গৌরব পূর্ণতা পায়। কেননা 'রায়' শহরটি মতবাদের ভিন্নতা ও মাযহাবের বৈচিত্র্য সত্ত্বেও বিভিন্ন মতের সর্বাধিক সমাবেশস্থল ছিল।"
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৩১)
ولعله قد اتضح الان أن الحركة الفكرية والثقافية في عصر الفخر كانت قوية ونشطة، وأن الحياة العلمية كانت على جانب كبير من الازدهار لعوامل كثيرة من أهمها: تنافس الامراء والحكام في تشجيع العلماء وبناء المدارس، واقتناء المدارس، واقتناء التآليف.
2 - اسمه ونسبه: هو: محمد بن عمر بن الحسين بن الحسن بن علي، الملقب بفخر الدين والمكنى بأبي عبد الله الرازي المولد الطبرستاني، القرشي.
এবং সম্ভবত এখন এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে ফখরের যুগে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন শক্তিশালী ও সক্রিয় ছিল এবং জ্ঞানতাত্ত্বিক জীবন বহুমুখী কারণে চরম উন্নতির শিখরে ছিল, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: উলামায়ে কিরামকে উৎসাহিত করতে এবং মাদ্রাসা নির্মাণ ও গ্রন্থাবলি সংগ্রহে আমির ও শাসকদের প্রতিযোগিতা।
২ - তাঁর নাম ও বংশপরিচয়: তিনি হলেন: মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন আলী, যিনি ফখরুদ্দীন উপাধিতে ভূষিত এবং আবু আব্দুল্লাহ উপনামে পরিচিত, জন্মসূত্রে রাজী, তাবারিস্থানি ও বংশগতভাবে কুরাইশী।
(খণ্ড: ১)
আল মাহসুল লির রাযী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
التيمي البكري.
3 - مولده: ولد الامام الرازي في شهر رمضان من سنة أربع وأربعين وخمسمائة - على أصح القولين في تاريخ مولده، فقد بلغ رحمه الله في سنة هـ إحدى وستمائة سبعة وخمسين عاما، حيث قال - في تفسيره لسورة يوسف، وهو يتحدث عن التوكل على الله تعالى: " فهذه التجربة قد استمرت لي من أول عمري إلى هذا الوقت الذي بلغت فيه إلى السابع والخمسين ".
আল-তাইমি আল-বাকরি।
৩ - তাঁর জন্ম: ইমাম আল-রাজি ৫৪৪ হিজরি সালের রমজান মাসে জন্মগ্রহণ করেন—তাঁর জন্ম তারিখ সংক্রান্ত অধিকতর বিশুদ্ধ অভিমত অনুযায়ী। ফলে তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) ৬০১ হিজরি সালে সাতান্ন বছর বয়সে উপনীত হয়েছিলেন; যেহেতু তিনি সূরা ইউসুফের তাফসিরে মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতা সম্পর্কে আলোচনা করার সময় বলেছেন: "এই অভিজ্ঞতাটি আমার জীবনের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে, যখন আমি সাতান্ন বছর বয়সে পদার্পণ করেছি।"