(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث القدسية الأربعينية ت الحويني القسم: كتب السنة
الكتاب: الأحاديث القدسية الأربعينية
المؤلف: علي بن (سلطان) محمد، أبو الحسن نور الدين الملا الهروي القاري (ت 1014هـ)
خرَّجَ أحاديثهُ: أبو إسحاق الحويني الأَثَرِيُّ
الناشر: مكتبة الصحابة، جدة - الشرفية، مكتبة التابعين، سليم الأول - الزيتون
عدد الصفحات: 101
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 28 ذو القعدة 1432
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ (তাহকিক: আল-হুওয়াইনি) বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ (চল্লিশটি হাদিসে কুদসি)
লেখক: আলী বিন (সুলতান) মুহাম্মদ, আবুল হাসান নুর উদ্দিন মোল্লা আল-হারাউয়ি আল-কারী (মৃত্যু ১০১৪ হিজরি)
হাদিস সমূহের তাখরিজ করেছেন: আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনি আল-আসারি
প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাহাবাহ, জেদ্দা - আশ-শারাফিয়্যাহ, মাকতাবাতুত তাবিঈন, সেলিম আল-আউয়াল - আয-যাইতুন
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০১
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৮ যিলকদ ১৪৩২
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: -)
كتاب الأحاديث القدسية الأربعينية
للشيخ العلَاّمة مُلَاّ عُلَى القارِي (ت 1014) رحمه الله تعالى
خرَّجَ أحاديثهُ: أبو إسحاق الحويني الأَثَرِيُّ، عفا الله عنه
مكتبة الصحابة
جدة - الشرفية
فاكس: 6534489
هاتف: 6521060
مكتبة التابعين
سليم الأول - الزيتون
تليفون: 2427144
চল্লিশটি কুদসি হাদিসের সংকলন
আল্লামা শায়খ মোল্লা আলী আল-কারী (মৃত্যু ১০১৪ হি.) রচিত, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন
হাদিসগুলোর তাখরিজ করেছেন: আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনি আল-আসারি, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন
মাকতাবাতুস সাহাবাহ
জেদ্দা - আশ-শারাফিয়্যাহ
ফ্যাক্স: ৬৫৩৪৪৮৯
ফোন: ৬৫২১০৬০
মাকতাবাতুত তাবিঈন
সেলিম আল-আউয়াল - আজ-জাইতুন
টেলিফোন: ২৪২৭১৪৪
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢)
بسم الله الرحمن الرحيم
حقوق الطبع محفوظة للناشر
مكتبة الصحابة
جدة - الشرفية
فاكس: 6534489
هاتف: 6521060
مكتبة التابعين
سليم الأول - الزيتون
تليفون: 2427144
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সর্বস্বত্ব প্রকাশকের নিকট সংরক্ষিত।
মাকতাবাতুস সাহাবাহ
জেদ্দা - আশ-শারফিয়্যাহ
ফ্যাক্স: ৬৫৩৪৪৮৯
টেলিফোন: ৬৫২১০৬০
মাকতাবাতুত তাবেয়ীন
সেলিম আল-আউয়াল - আয-যাইতুন
টেলিফোন: ২৪২৭১৪৪
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٣)
كتاب الأحاديث القدسية الأربعينية
للشيخ العلَاّمة مُلَاّ عُلَى القارِي
(ت - 1014)
رحمه الله تعالى
خرَّجَ أحاديثهُ
أبو إسحاق الحويني الأَثَرِيُّ
عفا الله عنه
চল্লিশ হাদিসে কুদসি সংকলন
শাইখ আল্লামা মোল্লা আলী আল-কারী রচিত
(মৃত্যু - ১০১৪ হিজরি)
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন
হাদিসসমূহের তাখরিজ করেছেন
আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনি আল-আসারী
আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٤)
[مقدمة الشيخ الحويني حفظه الله]بسم الله الرحمن الرحيم
إنَّ الحمد لله تعالى نحمده، ونستعينُ به ونستغفره، ونعوذ بالله تعالى من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا. من يهد الله فلا مضل لَهُ، ومن يضلل فلا هادي له. وأشهدُ أنّ لا إله إلا الله وحده لا شريك لَهُ وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
أمَّا بعد ..
فإن أصدق الحديث كتابُ الله تعالى، وأحسن الهدي هديُ محمدٍ صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها، وكل محدثةٍ بدعةٌ، وكل بدعة ضلالة، وكل ضلالة في النار.
فقد صحبتُ كتاب "الأربعين" للشيخ مُلَاّ على القاري منذ أكثر من عشر سنوات، وكنت أرجو تحقيقه ونشره، فرغبتُ -في الحصول على بعض نسخه المخطوطة- إلى بعض إخواننا، وكنت على علمٍ أن إحدى نسخه موجودة في مكتبة شيخ الإسلام عارف حكمت بالمدينة المشرفة، وتقع ضمن مجموع رقم (85) وتتكون من خَمس ورقات، ولم تصلني هذه النسخة ولا غيرها، فشُغلت عن الكتاب، ولكن اختمرت عندي فكرة جمع صحيح الأحاديث القدسية، مع اختيار أوعب الروايات، فأثبتُها وأذكر الزيادات الأخرى في أثناء تخريجي. وظللت طوال هذه السنواتُ أجمع -على نوبات متفرقات- ما يقع تحت يدي من هذه الأحاديث حتى قاربت المائتين بدون تكرار، مع نقد الروايات وتوثيقها نقدًا علميًا دقيقًا، ولكن من شأني، إننى لا أطبع كتابًا لي قطُّ، حتى تمر عليه عدة شهور،
[শাইখ আল-হুওয়াইনী (হাফিযাহুল্লাহ)-এর ভূমিকা]পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শনকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
অতঃপর..
নিশ্চয়ই সবচেয়ে সত্য বাণী আল্লাহর কিতাব, আর সর্বোত্তম পথনির্দেশ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পথনির্দেশ। আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, প্রতিটি নব উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, প্রতিটি বিদআত ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।
আমি দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে শাইখ মোল্লা আলী আল-কারীর "আল-আরবাঈন" বইটির সাহচর্যে ছিলাম। আমি এটি তাহকীক (সম্পাদনা) ও প্রকাশের আশা পোষণ করতাম। তাই আমি আমাদের কিছু ভাইয়ের কাছে এর কিছু পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম। আমি জানতাম যে, এর একটি অনুলিপি মদিনা মুনাওয়ারার শাইখুল ইসলাম আরিফ হিকমত লাইব্রেরিতে ৮৫ নম্বর সংগ্রহের (মাজমুআ) অধীনে রয়েছে এবং তা পাঁচ পৃষ্ঠা সম্বলিত। কিন্তু সেই অনুলিপি বা অন্য কোনো কপি আমার কাছে পৌঁছেনি, ফলে আমি কিতাবটি নিয়ে কাজ করা থেকে বিরত ছিলাম। তবে আমার মনে সহীহ হাদিসে কুদসীগুলো একত্রিত করার একটি ধারণা দানা বাঁধে, যাতে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ বর্ণনাগুলো নির্বাচন করা হবে; আমি সেগুলো সাব্যস্ত করব এবং আমার তাখরীজের (উৎস নির্দেশ) সময় অন্যান্য অতিরিক্ত অংশগুলো উল্লেখ করব। দীর্ঘ এই বছরগুলোতে আমি বিভিন্ন বিরতিতে আমার হাতে আসা এই হাদিসগুলো সংগ্রহ করতে থাকি, যতক্ষণ না পুনরাবৃত্তি ছাড়াই এগুলোর সংখ্যা প্রায় দুইশতের কাছাকাছি পৌঁছায়। এক্ষেত্রে বর্ণনাগুলোর বৈজ্ঞানিক ও সূক্ষ্ম সমালোচনা ও প্রামাণিকতা যাচাই করা হয়েছে। তবে আমার একটি বৈশিষ্ট্য হলো, আমি আমার কোনো কিতাবই কয়েক মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কখনো ছাপাই না,
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٥)
وأحيانًا سنوات أراجعه فيها، وأقدم وأُؤخر، وأبسط وأختصر، وألحق ما أجده من الزيادات التي استخرجها من مطالعتي الدائمة على مصنفات العلماء، حتى بلغني عن بعض الأحباب وقد قرأ اسم جزء لي في بعض الكتب، قال ما معناه: عهدنا من أبي إسحاق أنه ينشر عنوان الكتاب فقط، ويظل سنوات لا ينشره، مما يزهدنا في متابعة مشاريعه!. وضرب لذلك مثلاً بـ "بذل الإِحسان" وقال: نسمع عنه منذ عشر سنوات ولم نره حتى الآن!
ولعله رأى الجزء الأول منه، والثاني في المرحلة الأخيرة من الطبع ويظهر قريبًا إن شاء الله. وأقول لهذا الحبيب: إن الفن الذي نشتغل به، من أدق فنون العلم، بل أدقها على الإطلاق لتشعُّب مادته جدّاً، وكثرة الكتب والأجزاء المسندة، وهذا العلم دين، وإذا كان من القبيح عند العلماء أن تنسب القول لغير قائله كأنْ تقول مثلاً: إنَّ ابن حزم ممن يحتجُّ بالقياس، لما عُلم عنه غير ذلك، فكيف إذا نسبت إلى النبي صلى الله عليه وسلم قولاً لم يقله، فلا شك أن صاحبه داخل في جملة الكاذبين عليه وإن لم يقصد ذلك، فلأن الدخول في هذا العلم بغير بصرٍ مرتع وخيمٌ، وجب على المرء الطالب السلامة لنفسه أن يبذل الوسع قبل أن يصدر الحكم، فهذا هو الدافعُ الذي يجعلني أؤخر بعض مصنفاتي التي أنهيتُها من قديم.
وكان كتابي في "صحيح الأحاديث القدسية" من هذا القبيل.
فلما هممت أن أنشره، جعلت أراجعه مرةً أخرى -بقدر المُكْنة- فتأخر أيضًا، فرأيتُ أكثر من كتاب طبع في "صحيح الأحاديث القدسية". وهي وإن كان يشوبها عيبٌ، إما من قلة
কখনো কখনো আমি কয়েক বছর ধরে তা পর্যালোচনা করি, কোনো বিষয় আগে আনি বা পিছিয়ে দেই, বিস্তারিত করি বা সংক্ষেপ করি এবং ওলামায়ে কেরামের রচনাবলী নিয়মিত অধ্যয়নের মাধ্যমে অর্জিত বাড়তি তথ্যগুলো তাতে যোগ করি। এমনকি কোনো এক প্রিয়জনের পক্ষ থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছাল—যিনি কোনো কিতাবে আমার একটি খণ্ডের নাম পড়েছেন—তিনি এর মর্মার্থ হিসেবে বললেন: "আমরা আবু ইসহাক সম্পর্কে জানি যে তিনি কেবল বইয়ের শিরোনাম প্রকাশ করেন এবং বছরের পর বছর তা আর প্রকাশ করেন না, যা আমাদের তার প্রজেক্টগুলোর অনুসরণ করার ব্যাপারে অনাগ্রহী করে তোলে!" তিনি এর উদাহরণ হিসেবে "বাযলুল ইহসান" কিতাবের কথা উল্লেখ করে বললেন: "আমরা দশ বছর যাবৎ এর কথা শুনছি কিন্তু এখন পর্যন্ত তা দেখতে পেলাম না!"
সম্ভবত তিনি এর প্রথম খণ্ডটি দেখেছেন, আর দ্বিতীয় খণ্ডটি মুদ্রণের শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। আমি এই প্রিয়জনকে বলি: আমরা যে শাস্ত্র নিয়ে কাজ করছি, তা ইলমের অন্যতম সূক্ষ্ম একটি শাখা, বরং এর বিষয়ের ব্যাপকতা এবং মুসনাদ কিতাব ও খণ্ডসমূহের আধিক্যের কারণে এটি সবচাইতে সূক্ষ্ম শাস্ত্র। আর এই ইলম হলো দ্বীন। ওলামায়ে কেরামের নিকট যদি কোনো কথাকে তার বক্তা ছাড়া অন্য কারো দিকে নিসবত করা আপত্তিকর হয়—যেমন উদাহরণস্বরূপ বলা যে ইবনে হাজম কিয়াসের মাধ্যমে দলিল গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত, অথচ তার সম্পর্কে এর বিপরীতটিই জানা—তবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে এমন কোনো কথা নিসবত করার বিষয়টি কেমন হবে যা তিনি বলেননি? নিঃসন্দেহে এর বক্তা তার ওপর মিথ্যারোপকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, যদিও সে এমনটা করার ইচ্ছা না করে। কেননা পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া এই ইলমে প্রবেশ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক, তাই নিজের নিরাপত্তা কামনাকারী ব্যক্তির ওপর আবশ্যক হলো কোনো হুকুম প্রদানের আগে নিজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করা। এটিই সেই প্রেরণা যা আমাকে আমার এমন কিছু রচনা প্রকাশে বিলম্ব করতে বাধ্য করে যা আমি অনেক আগেই শেষ করেছি।
"সহীহুল আহাদিসিল কুদসিয়্যাহ" বিষয়ক আমার কিতাবটিও ছিল এই পর্যায়ের।
এরপর যখন আমি এটি প্রকাশের সংকল্প করলাম, তখন আমি সাধ্যমতো পুনরায় তা পর্যালোচনা করতে শুরু করলাম—ফলে এটি আবারও বিলম্বিত হলো। তখন আমি "সহীহুল আহাদিসিল কুদসিয়্যাহ" বিষয়ে একাধিক মুদ্রিত কিতাব দেখলাম। যদিও সেগুলোতে ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়, হয় তা স্বল্পতার কারণে...
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٦)
استيعابها، أو من ضعفٍ في مادتها، فرأيتُ أن إخراج كتابي على صورته التي صنفته عليه قد لا يفيد كثيرًا.
وكانت لي رغبةٌ قديمة أن أشرح هذه الأحاديث، فرأيتُ أن أخرج الكتاب - مُخرَّجًا ومشروحًا فتكون الفائدة منه أعم، وسميته "الهدية بشرح صحيح الأحاديث القدسية" وقد نجز منه مجلدٌ إلا قليلاً، وأُقدِّرُ الشَّرْح بنحو خمسة مجلدات. والله الموفق.
وكتاب: "الأربعون القدسية" لمُلَاّ في القارئ، والذي أقدمه اليوم إلى القراء الكرام، قصد به مؤلفه جمع أربعين حديثًا إلهيًا، سيرًا على سَنَن من تقدمه من العلماء المصنفين في هذا الباب، وهم كثيرون جدّاً، ومصنفاتهم متنوعة، ولكن ليس لمجرد الجمع على وفق هذا العدد منقبة خاصة، لاسيما إذا علمنا أن الحديث الوارد فيها ضعيفٌ، أو رواهٍ وهو "من حفظ على أمتي أربعين حديثًا من أمر دينها، بعثه الله فقيهًا، وكنت له يوم القيامة شافعًا وشهيدًا".
وله ألفاظٌ متعددة ..
وقد قال الإمام أحمد: "هذا متنٌ مشهورٌ بين الناس، وليس له إسناد صحيحٌ".
وقال الدارقطنيُّ: "كل طرق هذا الحديث ضعاف، ولا يثبت منها شىء".
وكذا قال ابن السكن، وابن الجوزيّ، والنووي، وابن حجر وغيرهُمُ.
فالمستغربُ أن يحسنه المصنف رحمه الله في "مرقاة المفاتيح" (1/ 253)، وقد تبيّن لي من خلال عملي في هذا الكتاب أن المصنف
সেগুলোকে অনুধাবন করা, অথবা এর উপাদানের দুর্বলতার কারণে; তাই আমি মনে করেছি যে, আমার কিতাবটিকে যেভাবে আমি সংকলন করেছি সেই রূপেই প্রকাশ করা খুব একটা ফলপ্রসূ নাও হতে পারে।
এই হাদিসগুলোর ব্যাখ্যা করার ব্যাপারে আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল, তাই আমি বইটিকে তাহকীক ও ব্যাখ্যাসহ বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাতে এর উপকারিতা আরও ব্যাপক হয়। আমি এর নাম দিয়েছি "আল-হাদিয়্যাহ বি-শারহি সহীহিল আহাদিসিল কুদসিয়্যাহ"। এর একটি খণ্ডের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে, আর আমি ধারণা করছি পূর্ণ ব্যাখ্যাগ্রন্থটি প্রায় পাঁচ খণ্ডে হবে। আল্লাহই তাওফীকদাতা।
আর মোল্লা আলী কারীর কিতাব: "আল-আরবাউনাল কুদসিয়্যাহ", যা আজ আমি সম্মানিত পাঠকদের সামনে পেশ করছি, এর মাধ্যমে লেখক চল্লিশটি হাদিসে ইলাহী (কুদসি) একত্রিত করার সংকল্প করেছেন। তিনি এই বিষয়ে পূর্ববর্তী আলেমদের রীতির অনুসরণ করেছেন, যারা এই শাখায় অনেক কিতাব রচনা করেছেন এবং তাদের সংকলনগুলোও বৈচিত্র্যময়। কিন্তু কেবল এই সংখ্যা অনুযায়ী একত্রিত করার মধ্যে বিশেষ কোনো মর্যাদা নেই, বিশেষ করে যখন আমরা জানি যে এই বিষয়ে বর্ণিত হাদিসটি দুর্বল, যা বর্ণিত হয়েছে এভাবে: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের দ্বীনি বিষয়ে চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ রাখবে, আল্লাহ তাকে ফকীহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন এবং কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী ও সাক্ষী হব।"
এর বিভিন্ন শব্দ বা বর্ণনা রয়েছে..
ইমাম আহমাদ বলেছেন: "এটি মানুষের মধ্যে অত্যন্ত পরিচিত একটি মতন (মূল পাঠ), তবে এর কোনো সহীহ সনদ নেই।"
আদ-দারা কুতনী বলেছেন: "এই হাদিসের সকল সূত্রই দুর্বল এবং এর কোনোটিই সাব্যস্ত নয়।"
তেমনিভাবে ইবনুল সাকান, ইবনুল জাওযী, আন-নববী, ইবনে হাজার এবং আরও অনেকেই একই কথা বলেছেন।
আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, লেখক (রহিমাহুল্লাহ) তার "মিরকাতুল মাফাতিহ" (১/ ২৫৩) গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন। আর এই কিতাবটি নিয়ে কাজ করার সময় আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে লেখক...
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٧)
ليس له ذوق المحدثين، ولا نقد الحفاظ المبرزين، بل هو في هذا الباب ناقلٌ وجماعٌ. ونظرتُ إلى بعض تصانيفه الأخرى في هذا الباب مثل الموضوعات الكبرى والصغرى، فظهر لي ما قُلته جليًا.
ومن العجيب أن الأحاديث القدسية الصحيحة مع كثرتها، فقد ذكر المصنف في كتابه هذا مع وجازته أحد عشر حديثًا ضعيفًا من مجموج أربعين، وهذا يدلُّك على درجة نقده، لاسيما وقد صحح أكثرها، مع وضوح عللها.
كما أنك تراه في تخريجه يقول: "رواه أحمد بسندٍ صحيحٍ والحاكم"، فهذا يدُلُّك على أن الحكم بالصحة إنما هو للطريق الذي رواه أحمد دون الحاكم، وإلا فلو كان الطريق واحدًا لكان الأولى أن يقال: "رواه أحمد والحاكم بسندٍ صحيح"، وهذا واضحٌ. ورغم ذلك فإنك ترى أن الطريق واحدٍ، وقد صنع هذا في أحاديث شتى، فانظر منها (رقم 25، 26، 28، 29، 30، 32).
وقد سبق أن نُشر هذا الكتاب باسطنبول، في مطبعة عارف أفندي سنة (1324 هـ) ثمَّ أعاد نشره الشيخ محمد راغب الطباخ في حلب سنة (1345 هـ). وقد ضبطت نصّهُ وخرجتُ أحاديثه تخريجًا وسطًا.
والله أسأل أن يتجاوز لي عما طغى فيه القلم، وما جرى مني على الوهم، إنه ولي ذلك والقادر عليه.
وكتبه
أبو إسحاق الحويني الأثري
عفا الله عنه
ربيع الأول/ 1412 هـ
তাঁর মুহাদ্দিসগণের সূক্ষ্ম রুচি নেই, এবং শ্রেষ্ঠ হাফেজগণের সমালোচনামূলক অন্তর্দৃষ্টিও নেই; বরং এই বিষয়ে তিনি কেবল একজন বর্ণনাকারী ও সংকলক মাত্র। আমি এই বিষয়ে তাঁর অন্যান্য কিছু রচনার দিকে দৃষ্টিপাত করেছি, যেমন 'আল-মাওদু'আত আল-কুবরা' এবং 'আল-সুগরা'; ফলে আমি যা বলেছি তা আমার কাছে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
এটি বিস্ময়কর যে, সহিহ হাদিসে কুদসির আধিক্য থাকা সত্ত্বেও, লেখক তাঁর এই সংক্ষিপ্ত বইটিতে মোট চল্লিশটি হাদিসের মধ্যে এগারোটি দুর্বল হাদিস উল্লেখ করেছেন। এটি আপনাকে তাঁর সমালোচনামূলক মান সম্পর্কে ধারণা দেয়, বিশেষ করে যখন তিনি এগুলোর ত্রুটি স্পষ্ট থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশকেই সহিহ বলে অভিহিত করেছেন।
অনুরূপভাবে, আপনি তাঁকে হাদিসের উৎস বর্ণনায় বলতে দেখবেন: "আহমদ এটি একটি সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন এবং হাকেমও", এটি আপনাকে নির্দেশ করে যে, সহিহ হওয়ার হুকুমটি কেবল আহমদের বর্ণিত সূত্রের জন্য, হাকেমের জন্য নয়। অন্যথায়, যদি সূত্রটি একই হতো, তবে এভাবে বলাই অধিকতর সঙ্গত ছিল: "আহমদ ও হাকেম এটি একটি সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন", এবং এটি একটি স্পষ্ট বিষয়। তা সত্ত্বেও, আপনি দেখবেন যে সূত্রটি অভিন্ন, এবং তিনি বিভিন্ন হাদিসের ক্ষেত্রে এমনটি করেছেন; এর উদাহরণ হিসেবে দেখুন (হাদিস নম্বর ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩২)।
এই বইটি ইতিপূর্বে ইস্তাম্বুলের আরিফ এফেন্দি প্রেসে ১৩২৪ হিজরিতে প্রকাশিত হয়েছে, অতঃপর শেখ মুহাম্মদ রাগিব আত-তাব্বাখ ১৩৪৫ হিজরিতে আলেপ্পোতে এটি পুনরায় প্রকাশ করেন। আমি এর পাঠ্য সংশোধন করেছি এবং এর হাদিসগুলোর একটি পরিমিত উৎস বিশ্লেষণ সম্পন্ন করেছি।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমার কলমের স্খলন এবং আমার অবচেতনে ঘটে যাওয়া ভুলত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।
এটি লিখেছেন
আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনি আল-আসারি
আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন
রবিউল আউয়াল/ ১৪১২ হিজরি
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٨)
ترجمة المصنفهو الشيخ، الإِمام، العلامة، أبو الحسن، نور الدين علي بن سلطان القاري الهروي، الحنفي، الشهير بـ "مُلَاّ علي القاري".
وكلمة "مُلَاّ" كلمة فارسية -ويقال: هي عربية مأخوذةٌ من المولى- ومعناها العالم الكبير.
و"القاري" إنما أطلقوه عليه لأنَّه كان يقرأ القرآن بمكة، ووصل إلي درجة عالية من الحفظ والاتقان، فاشتهر به لذلك.
وقد ولد بهراة -ولم أقف على سنة مولده- وقد يكون في حدود سنة (930) أو بعدها بقليل، فبعد هذه السنة بنحو عشر سنوات هاجر بعض العلماء من هراة إلى مكة بعد ظهور مذهب الرافضة، وكان منهم أسرة مُلَاّ علي القاري.
وتتلمذ القاري لشيوخ مكة المشهورين، ومنهم ابن ججر الهيتمي الفقيه (ت 973) ومكث في مكة مدة طويلة، وكان يكتب الخط الرائق البديع، وذكروا في ترجمته أنَّهُ كان يكتب في كل عام مصحفًا، وعليه نتفٌ من القراءات والتفسير فيبيعُهُ ويقتات بثمنه من العام إلى العام. وقيل: كان يكتب مصحفين.
وكان مالكي المذهب، ثُمَّ حنفيًا، وقد عاب بعضهم عليه التعصب لاسيما ضد الشافعية، ولكني لم أر هذا واضحًا في مصنفات القاري التي اطلعت عليها فيحتمل أنه كان أحيانًا يصدر منه ذلك كرد
গ্রন্থকারের জীবনীতিনি হলেন শাইখ, ইমাম, আল্লামা, আবুল হাসান, নূরুদ্দিন আলী বিন সুলতান আল-কারি আল-হারাউয়ি, আল-হানাফি; যিনি "মোল্লা আলী কারি" নামে প্রসিদ্ধ।
"মোল্লা" শব্দটি ফারসি—বলা হয়ে থাকে যে, এটি আরবি শব্দ "মাওলা" থেকে গৃহীত—এর অর্থ হলো বড় আলেম।
আর তাঁকে "কারি" বলা হতো কারণ তিনি মক্কায় কুরআন পাঠ করতেন এবং হিফজ ও বিশুদ্ধতায় এক উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন, ফলে এই নামেই তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
তিনি হেরাতে জন্মগ্রহণ করেন—তবে আমি তাঁর জন্মসাল সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারিনি—সম্ভবত তা ৯৩০ হিজরির কাছাকাছি বা তার সামান্য পরে হবে। এই সালের প্রায় দশ বছর পর রাফেজি মতবাদের আবির্ভাবের ফলে হেরাত থেকে কিছু আলেম মক্কায় হিজরত করেন, যাদের মধ্যে মোল্লা আলী কারির পরিবারও ছিল।
আল-কারি মক্কার প্রখ্যাত শাইখদের নিকট শিক্ষাগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ফকিহ ইবনে হাজার আল-হাইতামি (মৃত্যু: ৯৭৩ হি.) অন্যতম। তিনি মক্কায় দীর্ঘকাল অবস্থান করেন এবং অত্যন্ত চমৎকার ও নিখুঁত ক্যালিগ্রাফিতে লিখতেন। তাঁর জীবনীর বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, তিনি প্রতি বছর একটি করে মুসহাফ লিখতেন, যাতে কিরাত ও তাফসিরের কিছু টীকাও থাকত। অতঃপর তিনি তা বিক্রয় করতেন এবং সেই অর্থ দিয়ে পুরো বছর জীবিকা নির্বাহ করতেন। বলা হয়ে থাকে যে, তিনি বছরে দুটি মুসহাফ লিখতেন।
তিনি প্রথমে মালিকি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন, পরে হানাফি হন। কেউ কেউ তাঁর ওপর গোঁড়ামির অভিযোগ এনেছেন, বিশেষ করে শাফেয়ি মাজহাবের বিরুদ্ধে। তবে আল-কারির যেসব রচনাবলি আমি দেখেছি, তাতে বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়নি। সম্ভবত মাঝেমধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে এমন কিছু প্রকাশ পেয়ে থাকতে পারে যা কোনো প্রতিক্রিয়াস্বরূপ...
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٩)
فعل لبعض متعصبي الشافعية، وبين الفريقين ما يطول به المقال إلى حدِّ الإِملال، والحمد لله. الذي عافانا.
وكان القاري رحمه الله من المكثرين من التأليف، وتصانيفه تجاوزت المائة.
قال أبو الحسنات اللكنوي:
"وكلُّ مؤلفاته نفيسة في بابها، فريدة ومفيدة، بلَّغَتْهُ إلى مرتبة المجددية على رأس الألف من الهجرة".
توفي رحمه الله في شوال سنة (1014 هـ) بمكة المشرفة، ودفن بمقبرة المعلاة وترجمته تحتمل البسط، وفيما ذكرتُه كفاية.
والله الموفق.
এটি কিছু গোঁড়া শাফেয়ীর কাজ ছিল এবং উভয় পক্ষের মধ্যকার আলোচনা এতোটাই দীর্ঘ যে তা বিরক্তি উৎপাদনকারী। আল্লাহর প্রশংসা, যিনি আমাদের নিরাপদ রেখেছেন।
মোল্লা আলী আল-ক্বারী (রহিমাহুল্লাহ) প্রচুর গ্রন্থ রচয়িতা ছিলেন এবং তাঁর রচনাবলি একশ অতিক্রম করেছে।
আবুল হাসানাত আল-লাখনবী বলেন:
"তাঁর সকল রচনাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে অমূল্য, অনন্য এবং উপকারী, যা তাঁকে হিজরি এক হাজার বছরের সন্ধিক্ষণে মুজাদ্দিদ বা সংস্কারকের মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে।"
তিনি ১০১৪ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে মক্কাতুল মুকাররামায় ইন্তেকাল করেন এবং জান্নাতুল মুয়াল্লা কবরস্থানে সমাহিত হন। তাঁর জীবনী বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে, তবে যা উল্লেখ করেছি তা-ই যথেষ্ট।
আর আল্লাহই তাওফিক দাতা।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
[مقدمة المصنف]بسم الله الرحمن الرحيم
ْالحَمْدُ لله العَلِيِّ العَظِيْم وَالبَرِّ الكَرِيْمِ وَالصَّلَاةُ والسَّلَامُ الأتَمَّانِ الأكْمَلَانِ عَلَى سَيِّد وَلَدِ عَدْنَانَ وَعَلَى آلِهِ وَأصْحَابِهِ حَمَلَةُ عُلُوْمِهِ وَآدَابِهِ وَعَلَى التَّابِعِيْنَ وَأتْبَاعِهِمْ إلىَ يَوْم الدِّيْنِ. أمَّا بَعْدُ فَقَدْ سَنَحَ فِي خَاطِرِ المُفْتَقِرِ إِلىَ رَحْمَةِ رَبِّهِ البَارِي عَليِّ بْنِ سُلْطَانٍ مُحَمَّدِ القَارِي أنْ أجْمَعَ مِنَ الأحَادِيْثِ القُدُسِيَّة وَالكَلِمَاتِ الأنسِيَّة أرْبَعِيْنَ حَدِيثا يَرْوِيْه صَدْرُ الرُّوَاة وَبَدْرُ الثِّقَاتِ عَلَيْهِ أفْضَلُ الصَّلواتُ وَأكْمَلُ التَّحِيَّاتُ عَنِ الله تبارك وتعالى تَارَةً بِوَاسِطَةِ جِبْرِيْلَ عليه الصلاة والسلام وَتَارَةً بِالوَحْيِ وَالإِلْهَامَ وَالمَنَام مُفَوَّضًا إِلَيْهِ التَّعْبِيْرُ بِأيِّ عِبَارَة شَاْءَ مِنْ أنْوَاعِ الكَلَام وَهِي تُغَايِرُ القُرْآنَ الحَمِيْدَ وَالفُرْقَانَ المَجِيْدَ بِأنَّ نُزُوْلَهُ لَا يَكُوْنُ إِلَّا بِوَاسِطَةِ الرُّوْحِ الأمِيْنِ وَيَكُوْنُ مُقَيَّدًا بِاللَّفْظِ المُنَزَّلِ مِن اللَّوْحِ المَحْفُوْظِ عَلَى وَجْهِ التَعْيِيْنِ ثُمَّ يَكُوْنُ نَقْلُهُ مُتَوَاتِرًا قَطْعِيَّا فِي كُل طَبَقَةٍ وَعَصْرٍ وَحِيْنٍ وَيَتَفَرَّعُ عَلَيْهِ فُرُوْعٌ كَثِيْرَةٌ عِنْدَ العُلَمَاءِ بِهَا شَهِيْرَةٌ مِنْهَا عَدَمُ صِحَّةِ الصَّلاةِ بِقرَاءَةِ الأحَادِيْثِ القُدُسِيَّة وَمِنْهَا عَدَمُ حُرْمَةِ مَسِّهَا وَقِرَاءَتِهَا لِلجُنُبِ وَالحَائِضِ وَالنُفَسَاءِ وَمِنْهَا عَدَمُ كُفْرِ جَاحِدِهَا وَمِنْهَا عَدَمُ تَعَلُّقِ الإِعْجَازِ بِهَا رَجَاءَ أن أَكُوْنَ فِي الدُّنيَا دَاخِلاً تَحْتَ شَرْطِيَّةِ مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أربَعِيْنَ حَدِيثًا مِنَ السُّنَّةِ وَفِي الآخِرَةِ أسْلُكُ فِي جَزَاءِ كُنْتُ لَهُ شَهِيْدًا وَشَفِيْعًا يَوْمَ القِيَامَةِ (1).
--------------------------------------------
[লেখকের ভূমিকা]পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
সকল প্রশংসা মহান ও শ্রেষ্ঠ আল্লাহর জন্য, যিনি পরম কল্যাণকামী ও মহিমান্বিত। এবং আদনান-সন্তানদের সরদার (মুহাম্মাদ ﷺ)-এর প্রতি পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের প্রতি, যারা তাঁর জ্ঞান ও শিষ্টাচারের বাহক এবং তাবিঈন ও কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাঁদের অনুসারীদের প্রতি। অতঃপর, স্বীয় রবের করুণার ভিখারি আলী বিন সুলতান মুহাম্মদ আল-কারী-র মনে এই ইচ্ছা উদিত হলো যে, আমি হাদীসে কুদসী ও আধ্যাত্মিক বাণীসমূহ থেকে চল্লিশটি হাদীস সংকলন করব, যা বর্ণনাকারীদের প্রধান এবং বিশ্বস্তদের পূর্ণচন্দ্র (রাসূলুল্লাহ ﷺ)—যাঁর প্রতি সর্বোত্তম সালাত ও পূর্ণাঙ্গ সালাম—বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন; কখনো জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম)-এর মধ্যস্থতায়, আবার কখনো ওহী, ইলহাম ও স্বপ্নের মাধ্যমে, যাতে তাঁর (রাসূলের) ওপর এই এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে যে, তিনি যে কোনো শব্দের মাধ্যমে তা প্রকাশ করতে পারেন। আর এগুলো প্রশংসিত কুরআন ও মহিমান্বিত ফুরকান থেকে ভিন্ন; কেননা কুরআনের অবতরণ কেবল রুহুল আমীন (জিবরাঈল)-এর মাধ্যমেই হয় এবং তা লওহে মাহফুজ থেকে অবতীর্ণ সুনির্দিষ্ট শব্দের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ। অতঃপর প্রতিটি স্তরে, যুগে ও সময়ে এর বর্ণনা মুতাওয়াতির বা অকাট্যভাবে প্রমাণিত। এবং আলেমদের নিকট এ থেকে অনেক শাখা-প্রশাখা (মাসয়ালা) উদ্ভাবিত হয়েছে যা সুপরিচিত; যেমন: হাদীসে কুদসী পাঠের মাধ্যমে সালাত শুদ্ধ না হওয়া, অপবিত্র ব্যক্তি, ঋতুবতী ও নেফাসগ্রস্ত নারীর জন্য তা স্পর্শ করা বা পাঠ করা হারাম না হওয়া, এর অস্বীকারকারী কাফির না হওয়া এবং এর সাথে অলৌকিকতার (মুজিযা) চ্যালেঞ্জ সংশ্লিষ্ট না থাকা। এ আশায় যে, দুনিয়াতে আমি ওই হাদীসের শর্তের অন্তর্ভুক্ত হব— "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য সুন্নাহ থেকে চল্লিশটি হাদীস সংরক্ষণ করবে", এবং আখিরাতে আমি এর বিনিময়ে শামিল হব— "কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সাক্ষী ও সুপারিশকারী হব"। (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١١)
الحديث الأولْعَن أبِي هُرَيرةَ رضي الله عنه عَنْ رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم قَالَ: "قَالَ الله تَعَالَى: قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيني وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ وَلِعَبدِي مَا سَأَلَ فإِذا قَالَ العَبْدُ الحَمْدُ لله رَبِّ العَالمِيْنَ قَالَ الله حَمِدَنِي عَبْدِي فإِذا قَالَ الرّحْمَنِ الرّحِيمِ قَالَ الله أثنَى عَليَّ عَبْدِي فإِذا قَالَ مَالِكِ يَوْمِ الدِّيْنِ قَالَ مَجَّدَنِي عَبْدِي فإِذا قَالَ إِيّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ قَالَ هَذا بَيْني وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِيَ مَا سَأل فإِذا قَالَ اهْدِنَا الصِّرَاط المُسْتَقِيْمَ صِرَاطَ الَّذِيْنَ أنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ المَغْضُوْبِ عَلَيْهِمِ وَلَا الضَّالِّيْنَ قَال هَذَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِيَ مَا سَأل".
[رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأصْحَابُ السِّتِّ مَا عَدَا البُخَارِيّ]
ــ
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيْحٌ.
أخرجه البخاري في "خلق أفعال العباد" (132) مسلمٌ (1/ 296 - عبد الباقي)، وأبو عوانة (2/ 126)، وأبو داود (821)، والنسائيُّ (2/ 135 - 136)، وأحمد (2/ 460)، وعبد الرزاق في "المصنَّف" (2768)، وابن خزيمة (ج 1/رقم 502)، وابنُ حبان (3/ 205 - 206/ 1775) والطحاوي في "الشرح" (2158)، وفي "المشكل" (2/ 23)، والبيهقيُّ (2/ 39، 166 - 167) وفي "الشعب" (ج 5/ رقم 2146)، وابن الجوزيّ في "التحقيق" (رقم 493) وابن النحاس في "القطع والائتناف" (ص 101 - 102)، والبغويُّ في "شرح السُّنة" (3/ 47)، وفي "تفسيره" (1/ 43) والأصبهاني في "الترغيب" (800) جميعا من طريق مالكٍ، وهو في "موطئه" (1/ 84 - 85/ 39) من طريق العلاء بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا السائب مولى هشام بن زهرة، يقول: سمعتُ أبا هريرة =
প্রথম হাদীসআবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা বলেন: আমি সালাতকে (সূরা ফাতিহাকে) আমার ও আমার বান্দার মাঝে দুই ভাগে বিভক্ত করেছি এবং আমার বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে যা সে প্রার্থনা করে। অতঃপর বান্দা যখন বলে: 'সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল'। যখন সে বলে: 'যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা আমার গুণগান করল'। যখন সে বলে: 'বিচার দিবসের অধিপতি', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা আমাকে মহিমান্বিত করল'। যখন সে বলে: 'আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই নিকট সাহায্য চাই', তখন আল্লাহ বলেন: 'এটি আমার ও আমার বান্দার মাঝে, আর আমার বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে যা সে প্রার্থনা করল'। অতঃপর যখন সে বলে: 'আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন, তাদের পথ যাদেরকে আপনি নিআমত দান করেছেন, তাদের পথ নয় যারা আপনার ক্রোধের শিকার এবং যারা পথভ্রষ্ট', তখন আল্লাহ বলেন: 'এটি আমার বান্দার জন্য, আর আমার বান্দার জন্য রয়েছে তা-ই যা সে প্রার্থনা করল'।"
[এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ এবং বুখারী ব্যতীত সুনানে সিত্তাহ-এর সংকলকগণ]
—
এটি একটি সহীহ হাদীস।
এটি ইমাম বুখারী তার 'খালকু আফআলিল ইবাদ' (১৩২), মুসলিম (১/২৯৬ - আবদুল বাকী), আবু আওয়ানা (২/১২৬), আবু দাউদ (৮২১), নাসাঈ (২/১৩৫-১৩৬), আহমদ (২/৪৬০), আবদুর রাজ্জাক তার 'মুসান্নাফ' (২৭৬৮), ইবনে খুযাইমা (১/নং ৫০২), ইবনে হিব্বান (৩/২০৫-২০৬/১৭৭৫), তাহাবী তার 'শারহ' (২১৫৮) ও 'মুশকিল' (২/২৩) গ্রন্থে, বায়হাকী (২/৩৯, ১৬৬-১৬৭) ও তার 'শুআবুল ঈমান' (৫/নং ২১৪৬) গ্রন্থে, ইবনুল জাওযী তার 'তাহকীক' (নং ৪৯৩), ইবনুন্নাহাস তার 'আল-কাতউ ওয়াল ইতিলাফ' (পৃ. ১০১-১০২), বাগাবী তার 'শারহুস সুন্নাহ' (৩/৪৭) ও তার 'তাফসীর' (১/৪৩) গ্রন্থে এবং আসবাহানী 'আত-তারগীব' (৮০০) গ্রন্থে সকলেই ইমাম মালিকের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আর এটি ইমাম মালিকের 'মুয়াত্তা' (১/৮৪-৮৫/৩৯) গ্রন্থে আলা ইবনে আবদুর রহমানের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তিনি হিশাম ইবনে যুহরার মুক্তদাস আবু সায়িবকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন—
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= يقول: قَالَ رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأمِّ القرآن، فهي خداج، هي خداج. هي خداج -غير تمام-.".
فقلت: يا أبا هريرة! إني أحيانًا أكونُ وراء الإمام، فغمز ذراعي، وقال: اقرأ بها يا فارسيُّ في نفسك! إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "يقولُ الله عز وجل: قسمتُ الصلاة بيني وبين عبدي .. الحديث".
ْوتابع مالكًا عليه ابنُ جريج، أخبرني العلاءُ به.
أخرجه البخاريُّ في "جزء القراءة" (75)، ومسلم (1/ 297)، وأبو عوانة (2/ 127)، وابنُ ماجة (838)، وأحمدُ (2/ 285) وابن خزيمة (ج 1/ رقم 489)، والحكيم الترمذي في "النوادر" (ج 3/ ق 201/ 2)، وعبد الرزاق (2767)، وابن أبي شيبة (1/ 360) وتابعه محمد بن إسحاق بن يسار، عن العلاء.
أخرجه البخاريُّ في. "جزء القراءة" (73)، وابن جرير (1/ 86) والبيهقيُّ في "القراءة" (57) وكذلك تابعهم الوليد بن كثير.
أخرجه ابن جرير (1/ 86)، والبيهقي (2/ 166 - 167)، وفي "جزء القراءة" (54) ولكن خالفهم جماعةٌ، منهم: "سفيان بن عيينة، وعبد العزيز بن محمد الوراورديّ، والعمري وإسماعيل بن جعفر، ومحمد بن يزيد البصريّ، وجهضم بن عبد الله، فرووه عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة به. فصار شيخ العلاء هو "أباه" بدل "أبي السائب".
أخرجه مسلم (395)، وأبو عوانة (2/ 127)، والترمذيُّ (2953)، وأحمد (1/ 242)، والحميديُّ (973، 974)، وابنُ أبي حاتم في "تفسيره" (23) مختصراً، وابنُ حبان (3/ 214)، والحكيم الترمذي في "نوادر الأصول" (ج 3/ ق 201/ 1 - 2)، والبيهقيُّ (2/ 38، 166 - =
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি এমন কোনো সালাত আদায় করল যাতে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করা হয়নি, তবে তা অসম্পূর্ণ, তা অসম্পূর্ণ, তা অসম্পূর্ণ—অপূর্ণাঙ্গ।।"
আমি বললাম: হে আবু হুরায়রা! আমি কখনো কখনো ইমামের পিছনে থাকি। তখন তিনি আমার বাহুতে চাপ দিলেন এবং বললেন: হে ফারসি! তুমি তা নিজের মনে মনে পাঠ করো। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন: আমি সালাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে বিভক্ত করেছি... (হাদীস)।"
আর ইবনে জুরাইজ এই বর্ণনায় মালিকের অনুসরণ করেছেন, আলা আমাকে এই সংবাদ দিয়েছেন।
এটি ইমাম বুখারী "জুযউল কিরাত"-এ (৭৫), মুসলিম (১/ ২৯৭), আবু আওয়ানা (২/ ১২৭), ইবনে মাজাহ (৮৩৮), আহমাদ (২/ ২৮৫), ইবনে খুজাইমা (১ম খণ্ড/ নং ৪৮৯), হাকীম তিরমিযী "নাওয়াদির"-এ (৩য় খণ্ড/ ২০১ পৃষ্ঠা/ ২), আবদুর রাজ্জাক (২৭৬৭), ইবনে আবি শাইবা (১/ ৩৬০) বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার আলার সূত্রে তাঁর অনুসরণ করেছেন।
এটি ইমাম বুখারী "জুযউল কিরাত"-এ (৭৩), ইবনে জারীর (১/ ৮৬) এবং বায়হাকী "আল-কিরাত"-এ (৫৭) বর্ণনা করেছেন এবং তেমনিভাবে ওয়ালীদ ইবনে কাসীরও তাদের অনুসরণ করেছেন।
এটি ইবনে জারীর (১/ ৮৬), বায়হাকী (২/ ১৬৬-১৬৭) এবং "জুযউল কিরাত"-এ (৫৪) বর্ণনা করেছেন। তবে একদল রাবী তাদের বিরোধিতা করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা, আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ারদী, আল-উমারী, ইসমাইল ইবনে জাফর, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ আল-বাসরী এবং জাহদাম ইবনে আব্দুল্লাহ। তাঁরা এটি আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আলার উস্তাদ (শাইখ) "আবু সাইব"-এর পরিবর্তে তাঁর "পিতা" হয়ে গিয়েছেন।
এটি মুসলিম (৩৯৫), আবু আওয়ানা (২/ ১২৭), তিরমিযী (২৯৫৩), আহমাদ (১/ ২৪২), হুমাইদী (৯৭৩, ৯৭৪), ইবনে আবি হাতেম তাঁর "তাফসীর"-এ (২৩) সংক্ষেপে, ইবনে হিব্বান (৩/ ২১৪), হাকীম তিরমিযী "নাওয়াদিরুল উসুল"-এ (৩য় খণ্ড/ ২০১ পৃষ্ঠা/ ১-২), বায়হাকী (২/ ৩৮, ১৬৬- =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= 167) من طرقٍ عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه، عن أبي هريرة.
قَالَ الترمذي: "هذا حديثٌ حسنٌ".
وتابعهم ابنُ سمعان، فرواه عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة فذكره بمثل حديث مالكٍ، لكن قَالَ فيه:
"قَالَ الله عز وجل: إني قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين، فنصفُها له، يقول عبدي: إذا افتتح الصلاة بسم الله الرحمن الرحيم فيذكرني عبدي، ثم يقول: الحمد لله رب العالمين، فأقولُ: حمدني عبدي .. الحديث". أخرجه الدارقطني (1/ 312) وقال:
"روى هذا الحديث جماعةٌ من الثقات عن العلاء بن عبد الرحمن، منهم: مالك بن أنس، وابن جريج، وروح بن القاسم، وابنُ عيينة، وابن عجلان، والحسن بن الحر، وأبو أويس وغيرُهم على اختلافٍ منهم في الإسناد، واتفاقٍ منهم على المتن.، فلم يذكر أحدٌ منهم في حديثه: "بسم الله الرحمن الرحيم"، واتفاقهم على خلاف ما روى ابن سمعان أولى بالصواب .. وابن سمعان هو عبد الله بن زياد بن سمعان، متروكُ الحديث". اهـ.
*قُلْتُ: واختلافُ مالك وابن عيينة في إسناده ليس بقادح بل هو اختلافُ تنوعٍ، وقد جمعهما إسماعيل بن أبي أُويس في نسقٍ واحدٍ لكنه اختصر الحديث.
أخرجه مسلمٌ (1/ 297 - عبد الباقي)، وأبو عوانة (1/ 127)، والترمذىُّ (5/ 202 حلبي)، والبيهقيُّ (2/ 38، 375) من طريق إسماعيل بن أبي أويس، عن أبيه، عن العلاء بن عبد الرحمن، قَالَ: حدثني أبي وأبو السائب مولى هشام بن زهرة، وكانا جليسين لأبي هريرة، عن أبي هريرة مرفوعاً: "من صلى صلاةً لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج غير تمام". وليس في حديث إسماعيل أكثر من هذا. =
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= ১৬৭) আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে তার পিতার সূত্রে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বিভিন্ন পথে বর্ণনা করেছেন।
তিরমিযী বলেছেন: "এই হাদীসটি হাসান।"
ইবনে সামআন তাঁদের অনুসরণ করেছেন এবং তিনি আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি মালিকের হাদীসের মতোই এটি উল্লেখ করেছেন, তবে তাতে বলেছেন:
"আল্লাহ আজ্জা ওয়াজাল্লা বলেছেন: আমি সালাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করেছি, যার অর্ধেক তার জন্য। আমার বান্দা যখন 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' বলে সালাত শুরু করে, তখন সে আমাকে স্মরণ করে। তারপর যখন সে বলে: 'আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন', তখন আমি বলি: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে... (হাদীসের শেষ পর্যন্ত)"। এটি দারা কুতনী (১/৩১২) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন:
"একদল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: মালিক ইবনে আনাস, ইবনে জুরায়জ, রাওহ ইবনুল কাসিম, ইবনে উয়াইনা, ইবনে আজলান, হাসান ইবনুল হুর্র, আবু উওয়াইস এবং আরও অনেকে। তাঁদের বর্ণনায় সনদে কিছু পার্থক্য থাকলেও মূল পাঠে (মতন) ঐক্যমত রয়েছে। তবে তাঁদের কেউই হাদীসে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' উল্লেখ করেননি। ইবনে সামআন যা বর্ণনা করেছেন তার বিপরীতে তাঁদের ঐক্যমতই সঠিক হওয়ার অধিক নিকটবর্তী... আর ইবনে সামআন হলেন আবদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ ইবনে সামআন, যার হাদীস পরিত্যক্ত।" সমাপ্ত।
*আমি বলছি: মালিক এবং ইবনে উয়াইনার সনদে যে পার্থক্য রয়েছে তা কোনো দোষের নয়, বরং এটি বৈচিত্র্যগত পার্থক্য। ইসমাঈল ইবনে আবু উওয়াইস তাঁদের উভয়কে এক সূত্রে একত্রিত করেছেন, তবে তিনি হাদীসটি সংক্ষিপ্ত করেছেন।
এটি মুসলিম (১/২৯৭ - আব্দুল বাকী), আবু আওয়ানা (১/১২৭), তিরমিযী (৫/২০২ হালাবী) এবং বায়হাকী (২/৩৮, ৩৭৫) ইসমাঈল ইবনে আবু উওয়াইস থেকে তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা এবং হিশাম ইবনে যুহরার মুক্তদাস আবু সায়িব আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন—তাঁরা উভয়ই আবু হুরায়রার সঙ্গী ছিলেন—তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেন: "যে ব্যক্তি এমন কোনো সালাত আদায় করল যাতে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করেনি, তবে তা অপূর্ণাঙ্গ, অসম্পূর্ণ।" ইসমাঈলের হাদীসে এর চেয়ে বেশি কিছু নেই। =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= قَالَ الترمذيُّ: "سألتُ أبا زرعة عن هذا الحديث فقال: كلا الحديثين صحيحٌ، واحتج بحديث ابن أبي أويس، عن أبيه، عن العلاء." وكذا قَالَ أحمد - كما في "مسائل أبي داود" (ص 312).
وقال الحكيم الترمذيّ في "نوادر الأصول" (ج 3/ ق 201/ 2): "فالحديث صحيحٌ من كلا الوجهين، كأن العلاء سمعه من أبيه عن أبي هريرة، وسمعه من أبي السائب وهو عبد الله بن السائب الجهني عن أبي هريرة. فمرة رواه عن أبيه ومرة رواه عن أبي السائب" اهـ.
وفي الباب عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما:-
أخرجه الطبريُّ في "تفسيره" (1/ 86) والَّفُظْ لَهُ، وابنُ أبي حاتم (رقم 19)، والإسماعيلي في "معجمه" (ج 2/ ق/80/ 1 - 2)، وعن السهميّ في "تاريخ جرجان" (ص 185) والحكيم الترمذي في "نوادر الأصول" (ج 3/ ق 201/ 2 - 202/ 1) من طريق زيد بن الحباب، قَالَ: حدثنا عنبسة بن سعيد، عن مطرف بن طريف، عن سعد بن إسحاق بن عجرة، عن جابر بن عبد الله مرفوعاً: "قَالَ الله عز وجل: قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين، وله ما سأل." فإذا قَالَ العبد: الحمدُ لله رب العالمين، قَالَ الله: "حمدني عبدي".
وإذا قَالَ: الرحمن الرحيم. قَالَ: "أثنى عليَّ عبدي".
وإذا قَالَ: مالك يوم الدين. قَالَ: "مجدني عبدي".
قَالَ: هذا لي، وله ما بقى".
ووقع عند الإسماعيلي: "وإذا قَالَ: إياك نعبد وإياك نستعين. قَالَ: "مجدني عبدي، وله ما سأل وله ما بقى".
وعزاه ابنُ كثير لأحمدٍ وقال (1/ 13). =
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= তিরমিজি বলেন: "আমি আবু যুরআকে এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: উভয় হাদিসই সহিহ, এবং তিনি ইবনে আবি উওয়াইস-এর হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন, যা তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আলা থেকে বর্ণনা করেছেন।" অনুরুপভাবে আহমদও বলেছেন—যেমনটি 'মাসায়েলু আবি দাউদ' (পৃষ্ঠা ৩১২)-এ রয়েছে।
আল-হাকিম তিরমিজি 'নাওয়াদিরুল উসুল' (খণ্ড ৩/ পৃষ্ঠা ২০১/ ২)-এ বলেছেন: "হাদিসটি উভয় সূত্রেই সহিহ, মনে হচ্ছে আলা এটি তার পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে শুনেছেন, আবার তিনি এটি আবু সায়েব—যিনি আব্দুল্লাহ বিন সায়েব আল-জুহানি—তার থেকেও আবু হুরায়রার সূত্রে শুনেছেন। তাই কখনো তিনি এটি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, আবার কখনো আবু সায়েব থেকে বর্ণনা করেছেন।" সমাপ্ত।
আর এই অনুচ্ছেদে জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত হয়েছে:-
তাবারী এটি তার 'তাফসির' (১/ ৮৬)-এ বর্ণনা করেছেন এবং শব্দসমূহ তার, ইবনে আবি হাতেম (নং ১৯), ইসমাঈলি তার 'মু'জাম' (খণ্ড ২/ পৃষ্ঠা ৮০/ ১ - ২)-এ, এবং আস-সাহমি 'তারিখু জুরজান' (পৃষ্ঠা ১৮৫)-এ এবং হাকিম তিরমিজি 'নাওয়াদিরুল উসুল' (খণ্ড ৩/ পৃষ্ঠা ২০১/ ২ - ২০২/ ১)-এ জাইদ বিন হুবাব-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আনবাসাহ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন মুতাররিফ বিন তারিফ থেকে, তিনি সাদ বিন ইসহাক বিন উজরাহ থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেছেন: আমি নামাজকে (সুরা ফাতিহাকে) আমার ও আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করেছি, আর আমার বান্দা যা চাইবে তা-ই তার জন্য।" সুতরাং যখন বান্দা বলে: 'আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন' (সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য), তখন আল্লাহ বলেন: "আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল।"
আর যখন সে বলে: 'আর-রাহমানির রাহিম' (পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু), তখন তিনি বলেন: "আমার বান্দা আমার গুণগান বর্ণনা করল।"
আর যখন সে বলে: 'মালিকি ইয়াউমিদ দীন' (বিচার দিবসের মালিক), তখন তিনি বলেন: "আমার বান্দা আমার মর্যাদা ঘোষণা করল।"
তিনি বললেন: "এটি আমার জন্য, আর যা বাকি আছে তা তার (বান্দার) জন্য।"
ইসমাঈলির বর্ণনায় এসেছে: "আর যখন সে বলে: 'ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন' (আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য চাই), তখন তিনি বলেন: 'আমার বান্দা আমার মর্যাদা ঘোষণা করল, এবং সে যা চেয়েছে তা তার জন্য এবং যা বাকি আছে তা-ও তার জন্য'।"
ইবনে কাসির এটিকে আহমদের দিকে নিসবত করেছেন এবং বলেছেন (১/ ১৩)। =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= "غريبٌ من هذا الوجه".
قَالَ الشيخ أبو الأشبال رحمه الله في تعليقه على "تفسير الطبري" (1/ 201): "هذا إسنادٌ جيدٌ صحيحٌ" ثم نقل قول ابن كثير وقال: "ولعله يريد أنه لم يروه أحدٌ من حديث جابر إلا بهذا الإسناد، وليس من ذلك بأسٌ، وقد ثبت معناه من حديث أبي هريرة، فهو شاهدٌ قويٌ لصحته." اهـ.
وفي الباب عن ابن عباس،
أخرجه البيهقي في "الشعب" (ج 5/ رقم 2147) بسندٍ ضعيفٍ جدّاً ذكرتُه في "النافلة" (210) والحمد لله.
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= "এই সূত্রে এটি একটি গরিব (একক) হাদিস।"
শায়খ আবু আল-আশবাল (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) 'তাফসিরে তাবারী' (১/২০১)-এর ওপর তার টিকায় বলেছেন: "এটি একটি উত্তম ও সহীহ সনদ।" অতঃপর তিনি ইবনে কাসীরের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন: "সম্ভবত তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, জাবির (রা.)-এর বর্ণিত হাদিস হিসেবে এই সনদটি ছাড়া আর কেউ তা বর্ণনা করেনি, আর এতে কোনো সমস্যা নেই; এবং এর অর্থ আবু হুরায়রা (রা.)-এর হাদিস থেকে প্রমাণিত, সুতরাং এটি এর বিশুদ্ধতার জন্য একটি শক্তিশালী সাক্ষী।" সমাপ্ত।
আর এই বিষয়ে ইবনে আব্বাস (রা.) থেকেও বর্ণিত হয়েছে,
বাইহাকী এটি 'শুআবুল ঈমান' (খণ্ড ৫/ নম্বর ২১৪৭)-এ একটি অত্যন্ত দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন, যা আমি 'আন-নাফিলা' (২১০)-তে উল্লেখ করেছি। আর সকল প্রশংসা আল্লাহর।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الحديث الثانيعَنْ أبي هُرَيرةَ رضي الله عنه قَال: قَال رَسُوْلُ الله صلى الله عليه وسلم: "قَال الله تَعَالى كَذَّبَني ابْنُ آدَمَ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ ذَلِكَ وَشَتَمَنِي وَلَمْ يكُنْ لَهُ ذَلِكَ فَأمَّا تَكْذِيبُهُ إيَايَ فَقَوْلُهُ لَنْ يُعِيْدَنِي كَمَا بَدَأنِي وَلَيْسَ أَوَّلُ الخَلْقِ بِأهْوَنَ عَلَيَّ مِنْ إِعَادَتِهِ وَأمَّا شَتْمُهُ إيَايَ فَقَوْلُهُ اَّتخَذَ الله وَلَدًا وَأنَا الأحَدُ الصَّمَدُ لَمْ ألِدْ وَلَمْ أُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لِي كُفْوًا أحَدٌ".
[رَوَاهُ البُخَارِيُّ]
ــ
هَذَا حَدِيْثْ صَحِيْحٌ
أخرجه البخاريُّ (8/ 739 - فتح)، والنسائي (4/ 112)، وأحمدُ (2/ 393 - 394)، وابن أبي عاصم في "السنة" (693)، من طرق عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة مرفوعاً به.
ورواه عن أبي الزناد: "سفيان، وابن عجلان، وشعيب بن أبي حمزة".
وأخرجه البخاريُّ (8/ 739)، وأحمد (2/ 317) والأصبهاني في "الترغيب" (84) والبغوي في "شرح السنة" (1/ 81) من طريق عبد الرزاق وهو في "تفسيره" (ق 113/ 1)، عن معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة به.
وأخرجه أحمد (2/ 350 - 351) من طريق ابن لهيعة، حدثنا أبو يونس، عن أبي هريرة به. وسنده حسنٌ في المتابعات.
وله شاهدٌ من حديث ابن عباس بنحوه.
أخرجه البخاريُّ (8/ 168)، والطبرانيُّ في "الكبير" (ج 10/ رقم 10751) من طريق شعيب بن أبي حمزة، عن ابن أبي حسين، عن نافع بن جبير، عن ابن عباس.
দ্বিতীয় হাদীসআবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মহান আল্লাহ বলেছেন: আদমের সন্তান আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, অথচ তার এমনটি করার অধিকার ছিল না। সে আমাকে গালি দিয়েছে, অথচ তার এমনটি করার অধিকার ছিল না। আমাকে তার মিথ্যা প্রতিপন্ন করার বিষয়টি হলো তার এই উক্তি: 'তিনি আমাকে পুনরায় জীবিত করবেন না যেভাবে আমাকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলেন', অথচ প্রথমবার সৃষ্টি করা আমার নিকট তাকে পুনরায় সৃষ্টি করার চেয়ে সহজ নয়। আর আমাকে তার গালি দেওয়ার বিষয়টি হলো তার এই উক্তি: 'আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন', অথচ আমি একক, অমুখাপেক্ষী; আমি কাউকে জন্ম দিইনি এবং আমাকেও জন্ম দেওয়া হয়নি, আর আমার সমতুল্য কেউ নেই।"
[বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন]
--
এটি একটি সহীহ হাদীস।
ইমাম বুখারী (৮/৭৩৯ - ফাতহ), নাসায়ী (৪/১১২), আহমাদ (২/৩৯৩ - ৩৯৪), এবং ইবনে আবি আসিম 'আস-সুন্নাহ' (৬৯৩) গ্রন্থে আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
আর আবুয যিনাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান, ইবনে আজলান এবং শুয়াইব বিন আবি হামযাহ।
ইমাম বুখারী (৮/৭৩৯), আহমাদ (২/৩১৭), আল-আসবাহানী 'আত-তারগীব' (৮৪) গ্রন্থে এবং আল-বাগাভী 'শারহুস সুন্নাহ' (১/৮১) গ্রন্থে এটি আব্দুর রাজ্জাকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যা তাঁর 'তাফসীর' (পৃষ্ঠা ১১৩/১) গ্রন্থেও বিদ্যমান; তিনি মা'মার থেকে, তিনি হাম্মাম বিন মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আহমাদ (২/৩৫০ - ৩৫১) ইবনে লাহী'আহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইউনুস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। মুতাবাহাত বা সমর্থক বর্ণনার ক্ষেত্রে এর সনদ হাসান।
ইবনে আব্বাস থেকে অনুরূপ অর্থে এর একটি শাহেদ বা সাক্ষী বর্ণনা রয়েছে।
ইমাম বুখারী (৮/১৬৮) এবং তাবারানী 'আল-মু'জামুল কাবীর' (খণ্ড ১০/ নং ১০৭৫১) গ্রন্থে শুয়াইব বিন আবি হামযাহর সূত্রে, তিনি ইবনে আবি হুসাইন থেকে, তিনি নাফে' বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
الحديثُ الثَّالِثُعَنْ أبِي هُرَيرةَ رضي الله عنه قَال: قَال رَسُوْلُ الله صلى الله عليه وسلم: "قَال الله تَعَالَى يُؤذِيْنِي ابْنُ آدَمَ يَسُبُّ الدَّهْرَ وَأنَا الدَّهْرُ بِيَدي الأمْرُ أُقَلِّبُ اللَّيلَ وَالنَّهَارَ". [مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَرَوَاهُ البخَارِيُّ وَأحْمَدُ]
ــ
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيْحٌ
أخرجه البخاريُّ (8/ 574 و10/ 564 و13/ 464 فتح) وفي "الأدب" (769، 770)، ومسلم (2246/ 2) -، وأبو داود (5274)، وأحمد (2/ 238، 272، 275، 318)، والحميدي (1096) والطبريُّ في "تفسيره" (25/ 92)، وابنُ حبان (7/ 488)، وابنُ أبي عاصم في "السنة" (598)، والخطابي في "الغريب" (1/ 490)، والحاكم (2/ 453) وابن عدي في "الكامل" (6/ 2077)، والبيهقي في "الكبرى" (3/ 365)، وفي "الأسماء" (321)، والبغويُّ في "شرح السنة" (12/ 359)، والقضاعي في "مسند الشهاب" (921) من طرق عن أبي هريرة بألفاظٍ متنوعة،
وقد فصلتُ أسانيده وبينت ألفاظه في "الهدية بشرح صحيح الأحاديث القدسية" يسر الله إتمامه بخير.
তৃতীয় হাদিসআবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা বলেন: আদম সন্তান আমাকে কষ্ট দেয়, সে কালকে গালি দেয়, অথচ আমিই কাল; আমার হাতেই সকল বিষয়, আমিই রাত ও দিনের আবর্তন ঘটাই।" [মুত্তাফাকুন আলাইহি এবং এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি ও আহমদ]
ــ
এটি একটি সহিহ হাদিস
এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি (৮/ ৫৭৪, ১০/ ৫৬৪ এবং ১৩/ ৪৬৪ ফাতহ) এবং "আল-আদাব"-এ (৭৬৯, ৭৭০), মুসলিম (২২৪৬/ ২), আবু দাউদ (৫২৭৪), আহমদ (২/ ২৩৮, ২৭২, ২৭৫, ৩১৮), হুমায়দি (১০৯৬), তবারি তার "তাফসির"-এ (২৫/ ৯২), ইবনে হিব্বান (৭/ ৪৮৮), ইবনে আবি আসিম "আস-সুন্নাহ"-তে (৫৯৮), খাত্তাবি "আল-গারিব"-এ (১/ ৪৯০), হাকেম (২/ ৪৫৩), ইবনে আদি "আল-কামিল"-এ (৬/ ২০৭৭), বায়হাকি "আল-কুবরা"-তে (৩/ ৩৬৫) ও "আল-আসমা"-তে (৩২১), বাগাওয়ি "শারহুস সুন্নাহ"-তে (১২/ ৩৫৯) এবং কুদায়ি "মুসনাদুশ শিহাব"-এ (৯২১); বিভিন্ন সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে নানাবিধ শব্দে এটি বর্ণিত হয়েছে।
আর আমি এর সনদসমূহ বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করেছি এবং এর শব্দবিন্যাস ব্যাখ্যা করেছি "আল-হাদিয়্যাহ বি-শারহি সহিহ আল-আহাদিস আল-কুদসিয়্যাহ" গ্রন্থে, আল্লাহ যেন কল্যাণের সাথে এটি সম্পন্ন করা সহজ করে দেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
الحدِيْثُ الرابِعُعَن أبي هُرَيرةَ رضي الله عنه قَال: قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: "إنَّ الله تَعَالَى يَقُوْلُ يَوْمَ القِيَامَةِ. يَا ابنَ آدَمَ مَرِضْتُ فَلَمْ تَعُدْني قَال يَارَبِّ! كيفَ أعُوْدُكَ وَأنْتَ رَبُّ العَالَمِيْنَ. قَال أمَا عَلِمْتَ أنَّ عَبْدِي فُلَانًا مَرِضَ فَلَمْ تَعُدْهُ أمَا عَلِمْتَ أنَّكَ لَو عُدْتَهُ لَوَجَدتَنِي عِنْدَهُ؟ يَا ابْنَ آدَمَ اسْتَطْعَمْتُكَ فَلَمْ تُطْعِمْنِي قَال يَارَبِّ! كَيْفَ أُطْعِمُكَ وَأنْتَ رَبُّ العَالَمِيْنَ؟ قَال أمَّا عَلِمْتَ أَنَّهُ اسْتَطْعَمَكَ عَبْدِي فُلَانٌ فَلَمْ تُطْعِمْهُ أمَا عَلِمْت أَنَّكَ لَو أطعَمْتَهُ لَوَجَدْتَ ذَلِكَ عِنْدِي؟ يَا ابْنَ آدَمَ اسْتَسْقَيْتُكَ فَلَم تَسْقِني قَال يَارَب! كَيْفَ أسْقِيْكَ وَأنتَ رَبُّ العَالَمِيْن قَال اسْتَسْقَاكَ عَبْدِي فُلَانٌ فَلَم تَسْقِهِ أمَا عَلِمْتَ أنَكَ لَوْ سَقَيْتَهُ لَوَجَدتَ ذَلِكَ عِنْدَي".
[رواه مسلمٌ]
ــ
هَذَا حَدِيْثْ صحِيْحٌ
أخرجه البخاري في "الأدب" (517) وفي "خلق الأفعال" (431) ومسلمٌ (2569/ 24) وابن حبان (ج 9/رقم 7322)، وأبو عوانه في "البر والصلة" من طريقِ حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة مرفوعًا به.
وأخرجه أحمد (2/ 404) من طريق ابن لهيعة، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبيّ صلى الله عليه وسلم عن الله عز وجل أنَّه قَالَ: مرضتُ فلم يعدني ابنُ آدم، وظمئتُ فلم يسقني ابنُ آدم. فقلتُ: أتمرض ياربِّ؟! قَالَ: يمرضُ العبد من عبادي ممن في الأرض، فلا يُعاد. فلو عاده كان ما يعوده لي، ويظمأ في الأرض، فلا يسقى، فلو سقى كان ما سقاه لي.
চতুর্থ হাদিসআবু হুরাইরা (আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন: হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমাকে দেখতে আসনি। সে বলবে: হে আমার রব! আমি আপনাকে কীভাবে দেখতে আসতাম অথচ আপনি তো সকল জগতের প্রতিপালক! তিনি বলবেন: তুমি কি জানতে না যে আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়েছিল কিন্তু তুমি তাকে দেখতে যাওনি? তুমি কি জানতে না যে যদি তুমি তাকে দেখতে যেতে তবে আমাকে তার কাছেই পেতে? হে আদম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমাকে খাওয়াওনি। সে বলবে: হে আমার রব! আমি আপনাকে কীভাবে খাওয়াতাম অথচ আপনি তো সকল জগতের প্রতিপালক? তিনি বলবেন: তুমি কি জানতে না যে আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে খাবার চেয়েছিল কিন্তু তুমি তাকে খাওয়াওনি? তুমি কি জানতে না যে যদি তুমি তাকে খাওয়াতে তবে তা আমার কাছে পেতে? হে আদম সন্তান! আমি তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমাকে পান করাওনি। সে বলবে: হে আমার রব! আমি আপনাকে কীভাবে পান করাতাম অথচ আপনি তো সকল জগতের প্রতিপালক? তিনি বলবেন: আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিল কিন্তু তুমি তাকে পান করাওনি। তুমি কি জানতে না যে যদি তুমি তাকে পান করাতে তবে তা আমার কাছে পেতে?"
[মুসলিম বর্ণনা করেছেন]
--
এটি একটি সহিহ হাদিস
ইমাম বুখারি একে 'আল-আদাব' (৫১৭) এবং 'খালকুল আফআল' (৪৩১) গ্রন্থে, মুসলিম (২৫৬৯/ ২৪), ইবনে হিব্বান (৯ম খণ্ড/ ৭৩২২ নং) এবং আবু আওয়ানা 'আল-বিরর ওয়াস সিলাহ' গ্রন্থে হাম্মাদ বিন সালামাহ-এর সূত্রে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে মারফূ (নবী পর্যন্ত পৌঁছানো) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আহমদ (২/ ৪০৪) একে ইবনে লাহিয়া-এর সূত্রে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আবু জাফর থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবু সাঈদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে, তিনি মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আমি অসুস্থ হয়েছিলাম কিন্তু আদম সন্তান আমাকে দেখতে আসেনি, এবং আমি তৃষ্ণার্ত হয়েছিলাম কিন্তু আদম সন্তান আমাকে পান করায়নি।" আমি (নবী) বললাম: "হে আমার রব! আপনি কি অসুস্থ হন?!" তিনি বললেন: "জমিনে আমার বান্দাদের মধ্য থেকে একজন বান্দা অসুস্থ হয় কিন্তু তাকে দেখতে যাওয়া হয় না। যদি সে তাকে দেখতে যেত তবে তাকে দেখাটা আমার জন্যই হতো। আর সে জমিনে তৃষ্ণার্ত হয় কিন্তু তাকে পান করানো হয় না, যদি তাকে পান করানো হতো তবে তাকে পান করানোটা আমার জন্যই হতো।"
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
الحديث الخامسعَنْ أنَسٍ رضي الله عنه قَالَ سَمِعْتُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: "قَالَ الله سبحانه وتعالى إذَا ابْتَلَيْتُ عَبْدِي بِحَبيبَتَيْهِ فَصَبَرَ عَوَّضتُهُ مِنْهُمَا الجَنَّةَ يُرِيْدُ عَيْنَيْهِ". [رَوَاهُ أحْمَدٌ وَالبُخَارِيُّ]
ــ
هَذَا حَدِيْثٌ صَحِيْحٌ
أخرجه البخاريُّ (10/ 116 - فتح) وفي "الأدب المفرد" (534)، والترمذيُّ (2400)، وأحمد (43/ 144، 156، 283)، وعبد بن حميد في "المنتخب" (1227، 1228)، وأبو يعلى (6/ 375) (7/ 215، 268)، والطبرانيُّ في "الأوسط" (252)، وفي "الصغير" (398)، وابنُ عديّ في "الكامل" (3/ 1238)، والبيهقيُّ (3/ 375)، والبغويُّ في "شرح السنة" (5/ 238) من طرق عن أنسٍ.
وفي الباب عن جماعة من الصحابة، منهم:
1 - أبو هريرة رضي الله عنه.
أخرجه النسائي في الأطراف" (911/ 372) الترمذي (2401) وصححه، والدراميُّ (2/ 231 - 232)، وأحمد (2/ 265)، والطبراني في "الأوسط" (179) وابن حبان (707)، وابن عدي في "الكامل" (2/ 711)، وأبو نعيم في "أخبار أصبهان" (2/ 281) وفي "الحلية" (6/ 103).
2 - العرباض بن سارية رضي الله عنه.
أخرجه ابنُ حبان (رقم 706)، والبخاريُّ في "التاريخ الكبير" (4/ 2/412 - 413)، ويعقوب بن سفيان في "التاريخ" (2/ 348) =
পঞ্চম হাদিসআনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন: যখন আমি আমার বান্দাকে তার প্রিয় দুটি বস্তু দ্বারা পরীক্ষায় ফেলি, আর সে ধৈর্য ধারণ করে, তবে আমি তার বিনিময়ে তাকে জান্নাত দান করি। এখানে 'প্রিয় দুটি বস্তু' দ্বারা তাঁর চোখ দুটি বোঝানো হয়েছে।" [আহমাদ ও বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন]
ــ
এটি একটি সহিহ হাদিস
এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি (১০/ ১১৬ - ফাতহুল বারি) এবং "আল-আদাবুল মুফরাদ" (৫৩৪), তিরমিযি (২৪০০), আহমাদ (৪৩/ ১৪৪, ১৫৬, ২৮৩), আবদ ইবনে হুমাইদ তার "আল-মুনতাখাব" (১২২৭, ১২২৮)-এ, আবু ইয়ালা (৬/ ৩৭৫) (৭/ ২১৫, ২৬৮), তাবারানি "আল-আওসাত" (২৫২) ও "আস-সাগির" (৩৯৮)-এ, ইবনে আদি "আল-কামিল" (৩/ ১২৩৮)-এ, বায়হাকি (৩/ ৩৭৫) এবং বাগাভি "শারহুস সুন্নাহ" (৫/ ২৩৮) গ্রন্থে বিভিন্ন সূত্রে আনাস (রা.) থেকে।
এই অনুচ্ছেদে একদল সাহাবী থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন:
১ - আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
নাসায়ি এটি "আল-আতরাফ" (৯১১/ ৩৭২)-এ, তিরমিযি (২৪০১) এবং তিনি একে সহিহ বলেছেন, দারেমি (২/ ২৩১ - ২৩২), আহমাদ (২/ ২৬৫), তাবারানি "আল-আওসাত" (১৭৯)-এ, ইবনে হিব্বান (৭০৭), ইবনে আদি "আল-কামিল" (২/ ৭১১)-এ, আবু নুয়াইম "আখবারু আসবাহান" (২/ ২৮১) ও "আল-হিলইয়া" (৬/ ১০৩) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
২ - ইরবাদ ইবনে সারিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে হিব্বান (নং ৭০৬), বুখারি তার "আত-তারিখুল কাবির" (৪/ ২/৪১২ - ৪১৩)-এ এবং ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান তার "আত-তারিখ" (২/ ৩৪৮)-এ =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= والبزار (771)، والطبراني في "مسند الشاميين" (ق 229، 251)، وأبو نعيم في "الحلية" (6/ 103).
3 - أبو أمامة رضي الله عنه.
أخرجه أحمد (5/ 258 - 259) والبخاريُّ في "الأدب المفرد" (535)، والطبرانيُّ في "الكبير" (8/ 123، 225، 226) وانظر "المجمع" (2/ 208).
4 - شداد بن أوس رضي الله عنه.
أخرجه أحمد (4/ 23).
5 - ابن عباس رضي الله عنهما.
أخرجه ابن حبان (4/ 257)، والطبراني في "الكبير" (12/ 54)، وأبو يعلى (4/ 252).
6 - جرير بن عبد الله رضي الله عنه.
أخرجه الطبراني في "الكبير"، و"الأوسط" - كما في "المجمع" (2/ 309).
7 - زيد بن أرقم رضي الله عنه.
أخرجه البخاريُّ في "الأدب المفرد" (532) والبزار (770). وأخرجه أحمد (3/ 155 - 156 - 160 - 161) عن أنسٍ وفيه عيادة النبي صلى الله عليه وسلم لزيد بن أرقم.
8 - بريدة بن الحصيب. رضي الله عنه.
أخرجه البزار (769) بسندٍ واهٍ، فيه جابر الجعفيّ.
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= এবং আল-বাযযার (৭৭১), এবং আত-তাবারানি "মুসনাদুশ শামিয়্যিন"-এ (পৃষ্ঠা ২২৯, ২৫১), এবং আবু নুয়াইম "আল-হিলইয়া"-তে (৬/ ১০৩)।
৩ - আবু উমামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৫/ ২৫৮ - ২৫৯), আল-বুখারি "আল-আদাবুল মুফরাদ"-এ (৫৩৫), এবং আত-তাবারানি "আল-কাবির"-এ (৮/ ১২৩, ২২৫, ২২৬)। দেখুন "আল-মাজমা" (২/ ২০৮)।
৪ - শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৪/ ২৩)।
৫ - ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)।
এটি বর্ণনা করেছেন ইবনু হিব্বান (৪/ ২৫৭), আত-তাবারানি "আল-কাবির"-এ (১২/ ৫৪), এবং আবু ইয়ালা (৪/ ২৫২)।
৬ - জারির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
এটি বর্ণনা করেছেন আত-তাবারানি "আল-কাবির" ও "আল-আওসাত"-এ - যেমনটি "আল-মাজমা"-তে (২/ ৩০৯) রয়েছে।
৭ - যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারি "আল-আদাবুল মুফরাদ"-এ (৫৩২) এবং আল-বাযযার (৭৭০)। আর এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৩/ ১৫৫ - ১৫৬ - ১৬০ - ১৬১) আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, আর এতে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক যায়দ ইবনু আরকামকে দেখতে যাওয়ার উল্লেখ রয়েছে।
৮ - বুরাইদাহ ইবনুল হুসাইব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
এটি বর্ণনা করেছেন আল-বাযযার (৭৬৯) একটি দুর্বল সনদে, যাতে জাবির আল-জু'ফি রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الحديث السادسعَنْ شَدَّادِ بْنِ أوْسٍ رضي الله عنه سَمِعْتُ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: "إن الله عز وجل يَقُوْلُ إذَا ابتلَيْتُ عَبْدًا مِنْ عِبَادي مُؤْمِنًا فَحَمِدَنِي وَصَبَرَ عَلَى مَا ابتلَيْتُهُ فَإِنَّهُ يَقُوْمُ مِنْ مَضْجَعِهِ ذَلِكَ كَيَوْمَ وَلَدَتْهُ أمُّهُ مِنَ الخَطَايَا وَيَقُوْلُ الرَّبُّ تبارك وتعالى لِلحَفَظَةِ إِنِّي قَدْ قيَّدتُ عَبْدِي هَذَا وَابْتَلَيْتُهُ فَأَجْرُوا لَهُ مَا كُنْتُمْ تُجْرُوْنَ لَهُ وَهُوَ صَحِيْحٌ"
[رَوَاهُ أحْمَدُ]
ــ
هَذَا حَدِيْثٌ صَحِيْحٌ
أخرجه أحمد (4/ 123)، والطبرانيُّ في "الكبير" (ج 7/رقم 7136)، وفي "مسند الشاميين" (ق 166)، وأبو نعيم في "الحلية" (9/ 309 - 310) من طرقٍ عن إسماعيل بن عياش، عن راشد بن داود الصنعاني، عن أبي الأشعث، أنَّه راح إلى مسجد دمشق، وهجَّر بالرواح، فلقى شداد بن أوس والصُنابحيُّ معه. قلت: أين تريدان ورحمكما الله؟ قالا: نريد ههنا إلى أخٍ لنا مريضٍ نعوده. فانطلقتُ معهما حتى دخلا عليه، فقالا له: كيف أصبحت؟ قَالَ: أصبحتُ بنعمة وفضلٍ، فقال له شداد: أبشر بكفارات السيئات وحط الخطايا، إني سمعتُ رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول .. فذكره.
*قُلْت: وهذا سندٌ جيِّدٌ.
وإسماعيل بن عياش إذا روى عن أهل الشام فصحيح كما قَالَ أحمد والبخاريُّ وغيرُهما، وهذا منها.
وراشد بن داود لا بأس به وهو من صنعاء "دمشق" لا "اليمن"، وكأن الهيثميَّ رحمه الله لم يفطن إلى هذا فقال في "المجمع" (2/ 303 - 304): =
ষষ্ঠ হাদীসশাদ্দাদ বিন আউস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ বলেন, যখন আমি আমার মুমিন বান্দাদের মধ্য থেকে কোনো বান্দাকে পরীক্ষায় ফেলি, অতঃপর সে আমার প্রশংসা করে এবং আমি তাকে যে পরীক্ষায় ফেলেছি তাতে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সে তার সেই শয্যা থেকে গুনাহমুক্ত হয়ে এমনভাবে ওঠে যেন তার মা তাকে আজই প্রসব করেছে। আর বরকতময় ও সুউচ্চ প্রভু (ফেরেশতা) লেখকদের বলেন, আমি আমার এই বান্দাকে আবদ্ধ করেছি এবং তাকে পরীক্ষায় ফেলেছি; সুতরাং সে সুস্থ থাকাবস্থায় তোমরা তার জন্য যে আমল জারি রাখতে, এখন তার জন্যও তা-ই জারি রাখো।"
[আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন]
—
এটি একটি সহীহ হাদীস।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৪/১২৩), তাবারানী তার 'আল-কাবীর' (৭ম খণ্ড/হা. নং ৭১৩৬) এবং 'মুসনাদুশ শামিয়্যীন' (পৃ. ১৬৬)-এ, আর আবু নুআইম 'আল-হিলয়াহ' (৯/৩০৯-৩১০)-এ; ইসমাঈল বিন আইয়াশ থেকে একাধিক সূত্রে, তিনি রাশিদ বিন দাউদ আস-সানআনী থেকে, তিনি আবুল আশআছ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি দামেস্কের মসজিদের দিকে রওয়ানা হলেন এবং দ্বিপ্রহরের সময় দ্রুত হাঁটছিলেন, পথিমধ্যে শাদ্দাদ বিন আউস এবং তার সাথে সুনাবেহীর দেখা হলো। আমি বললাম: "আপনারা কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করেছেন, আল্লাহ আপনাদের ওপর রহম করুন?" তারা বললেন: "আমরা আমাদের এক অসুস্থ ভাইকে দেখতে এখানে যাওয়ার ইচ্ছা করেছি।" অতঃপর আমি তাদের সাথে চললাম যতক্ষণ না তারা তার নিকট প্রবেশ করলেন। তারা তাকে বললেন: "কেমন বোধ করছেন?" তিনি বললেন: "(আল্লাহর) নেয়ামত ও অনুগ্রহের সাথে রয়েছি।" তখন শাদ্দাদ তাকে বললেন: "পাপের কাফফারা এবং গুনাহ মোচনের সুসংবাদ নিন। কেননা আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি..." অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেন।
*আমি বলছি: এটি একটি উত্তম (জায়্যিদ) সনদ।
আর ইসমাঈল বিন আইয়াশ যখন শামবাসীদের থেকে বর্ণনা করেন তখন তা সহীহ, যেমনটি আহমাদ, বুখারী ও অন্যান্য ইমামগণ বলেছেন; আর এই বর্ণনাটি সেই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
আর রাশিদ বিন দাউদ বর্ণনাকারী হিসেবে মন্দ নন, তিনি দামেস্কের "সানআ" অঞ্চলের বাসিন্দা, ইয়ামানের নয়। সম্ভবত হাইতামী (রহ.) এ বিষয়টি লক্ষ্য করেননি, তাই তিনি "আল-মাজমা" (২/৩০৩-৩০৪)-এ বলেছেন: =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= "رواه أحمد والطبراني في "الكبير" و"الأوسط" كلهم من رواية إسماعيل بن عياش عن راشد الصنعاني وهو ضعيف في غير الشاميين" اهـ.
والحديث عزاه الزبيدي في "شرح الإحياء" للحاكم وأبي يعلى وللحديث شواهدُ ذكرتها في "الهدية".
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= "এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ এবং তাবারানি তাঁর 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থে; তাঁরা সকলেই এটি রাশিদ আস-সানআনি থেকে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি (ইসমাঈল) শামি বর্ণনাকারীদের ব্যতীত অন্যদের ক্ষেত্রে দুর্বল।" সমাপ্ত।
আর জুবাইদি 'শারহুল ইহয়া' গ্রন্থে হাদিসটিকে আল-হাকিম এবং আবু ইয়ালা-এর দিকে সম্বন্ধিত করেছেন এবং হাদিসটির আরও কিছু সমর্থক বর্ণনা (শাওয়াহিদ) রয়েছে যা আমি 'আল-হাদিয়্যা' গ্রন্থে উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
الحديثُ السابععَنْ أبِي هُرَيرةَ رضي الله عنه قَال: إنَّ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم عَاْدَ مَرِيْضًا فَقَال: "أبْشِرْ فَإنَّ الله تَعَالَى يَقُوْلُ: هِي نَارِي أُسَلِّطُهَا عَلَى عَبْدِي المُؤمِنِ فِي الدُّنيا لِتَكُوْنَ حَظَّهُ مِنَ النَّارِ يَوْمَ القِيَامَةِ".
[رَوَاهُ أحْمَدُ وَابْنُ مَاجَةَ وَالبَيْهَقِي فِي "شُعَبِ الإيْمَانِ"]
ــ
إسنَادُهُ ضعِيْفٌ
أخرجه الترمذيُّ (2088)، وابنُ ماجة (3470)، وأحمد (2/ 440) وابن أبي شيبة في "المصنف" (3/ 229) وهناد في "الزهد" (391)، وابنُ أبي الدنيا في "المرض والكفارات" (ق 159/ 2)، والطبرانيُّ في "مسند الشاميين" (ق 78)، وابنُ السني في "اليوم والليلة" (546)، والأصبهاني في "الترغيب" (547)، والحاكم (1/ 345) والبيهقي في "الشعب" (9844)، وأبو نعيم في "الحلية" (6/ 86) وابن بلبان في "المقاصد" (رقم 85)، من طرقٍ عن أبي أسامة عن عبد الرحمن بن يزيد، عن إسماعيل بن عبيد الله، عن أبي صالحٍ الأشعريّ، عن أبي هريرة .. فذكره.
قَالَ الحاكم:
"هذا حديثٌ صحيح الإسناد" ووافقه الذهبي.
*قُلْتُ: كذا، وظاهر الإسناد الصحة، ولكنه مُعلٌ، ولم ينتبه شيخنا - أيده الله- لها، فصححه في "الصحيحة" (557).
وهذه العلة تتلخص في أنَّ أبا أسامة إنما يروي عن عبد الرحمن بن يزيد بن تميم وهو ضعيفٌ، فكان يخطئ فيقول: عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر ولم يلقه كما نصوا على ذلك. =
সপ্তম হাদিসআবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একজন রোগীকে দেখতে গেলেন এবং বললেন: "সুসংবাদ গ্রহণ করো, কেননা মহান আল্লাহ বলেন: এটি আমার আগুন, যা আমি দুনিয়াতে আমার মুমিন বান্দার ওপর চাপিয়ে দিই, যাতে কিয়ামতের দিন এটি তার জাহান্নামের আগুনের অংশ (বিনিময়) হয়ে যায়।"
[এটি আহমাদ, ইবনে মাজাহ এবং বায়হাকী 'শুআবুল ঈমান'-এ বর্ণনা করেছেন]
--
এর সনদ দুর্বল
এটি তিরমিযী (২০৮৮), ইবনে মাজাহ (৩৪৭০), আহমাদ (২/৪৪০), ইবনে আবি শাইবাহ 'আল-মুসান্নাফ'-এ (৩/২২৯), হান্নাদ 'আয-যুহদ'-এ (৩৯১), ইবনে আবিদ দুনিয়া 'আল-মারাদ ওয়াল কাফফারাত'-এ (পৃ. ১৫৯/২), তাবারানী 'মুসনাদুশ শামিয়্যীন'-এ (পৃ. ৭৮), ইবনুস সুন্নী 'আল-ইয়াউম ওয়াল লাইলাহ'-তে (৫৪৬), আসবাহানী 'আত-তারগীব'-এ (৫৪৭), হাকেম (১/৩৪৫), বায়হাকী 'আশ-শুআব'-এ (৯৮৪৪), আবু নুয়াইম 'আল-হিলইয়া'-তে (৬/৮৬) এবং ইবনে বালবান 'আল-মাকাসিদ'-এ (নং ৮৫) একাধিক সূত্রে আবু উসামা থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি ইসমাইল বিন উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু সালিহ আল-আশআরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে... এই সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
হাকেম বলেন:
"এই হাদিসের সনদটি সহীহ" এবং আয-যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।
*আমি বলি: বিষয়টি এমনই, এবং বাহ্যিকভাবে সনদটি সহীহ মনে হয়, কিন্তু এটি ত্রুটিপূর্ণ (মুআল্লাল)। আমাদের শাইখ - আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করুন - এই ত্রুটির প্রতি লক্ষ্য করেননি, তাই তিনি 'আস-সহীহাহ' (৫৫৭) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন।
এই ত্রুটির সারসংক্ষেপ হলো এই যে, আবু উসামা মূলত আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামিম থেকে বর্ণনা করেন, আর তিনি দুর্বল বর্ণনাকারী। ফলে তিনি ভুল করতেন এবং বলতেন: আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন জাবির থেকে; অথচ তাঁর সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেননি, যেমনটি মুহাদ্দিসগণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= قَالَ موسى بن هارون:
"روى أبو أسامة عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، وكان ذلك وهما منه، هو لم يلق ابن جابر، وإنما لقى ابن تميم فظنَّ أنه ابن جابر، وابنُ جابرٍ ثقةٌ، وابنُ تميم ضعيفٌ".
وقال يعقوب بن سفيان:
"قَالَ محمد بن عبد الله بن نمير: روى أبو أسامة عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، ونرى أنه ليس بابن جابر المعروف، وذكر لي أنه رجل يُسمى باسمه".
قَالَ يعقوب:
"صدق، هو ابنُ تميم. قَالَ يعقوبُ: وكأني رأيتُ ابن نمير يتهم أبا أسامة أنه علم ذلك وتغافل".
وقال ابنُ أبي حاتم في "الجرح والتعديل" (2/ 2/300): "سألت محمد بن عبد الرحمن ابن أخي حسين الجعفي عن عبد الرحمن بن يزيد فقال: قدم الكوفة عبد الرحمن بن يزيد بن تميم، وعبد الرحمن بن يزيد بن جابر بعد ذلك بدهرٍ، فالذى يحدثُ عنه أبو أسامة ليس هو ابن جابر، هو عبد الرحمن بن يزيد بن تميم".
وقال أبو داود:
"عبد الرحمن بن يزيد بن تميم متروكٌ، حدَّث عنه أبو أسامة، وغلط في أسمه، وكلما جاء: عن أبي أسامة عن عبد الرحمن بن يزيد، فإنما هو ابنُ تميم". =
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= মুসা বিন হারুন বলেন:
"আবু উসামা আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, আর এটি ছিল তার পক্ষ থেকে একটি ভ্রম। তিনি ইবন জাবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেননি, বরং তিনি ইবন তামীমের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং মনে করেছিলেন যে তিনি ইবন জাবির। আর ইবন জাবির নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), কিন্তু ইবন তামীম দুর্বল (যয়ীফ)।"
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন:
"মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর বলেন: আবু উসামা আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং আমরা মনে করি যে তিনি সেই প্রসিদ্ধ ইবন জাবির নন। তিনি আমার নিকট উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একই নামের অন্য এক ব্যক্তি।"
ইয়াকুব বলেন:
"তিনি সত্য বলেছেন, তিনি হলেন ইবন তামীম। ইয়াকুব বলেন: যেন আমি দেখলাম ইবন নুমাইর আবু উসামাকে অভিযুক্ত করছেন যে, তিনি বিষয়টি জানতেন কিন্তু তা উপেক্ষা করেছেন।"
ইবন আবি হাতিম ‘আল-জারহ ওয়াত তা’দীল’ (২/২/৩০০) গ্রন্থে বলেন: "আমি হুসাইন আল-জু’ফির ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমানকে আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামীম কুফায় এসেছিলেন, আর আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন জাবির তার অনেক কাল পরে এসেছিলেন। সুতরাং আবু উসামা যার থেকে বর্ণনা করেন তিনি ইবন জাবির নন, তিনি হলেন আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামীম।"
আবু দাউদ বলেন:
"আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামীম বর্জনীয় (মাতরুক)। আবু উসামা তার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার নামের ক্ষেত্রে ভুল করেছেন। যখনই এমন বর্ণনা আসে: ‘আবু উসামা থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ থেকে’, তবে তিনি নিশ্চিতভাবেই ইবন তামীম।" =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= وقال أبو بكر بن أبي داود:
"سمعتُ أبا أسامة عن ابن المبارك، عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر الدمشقي، عن مكحولٍ، فلما قدم ابن تميم الكوفة، قَالَ: أنا عبد الرحمن بن يزيد الدمشقي، وحدَّث عن مكحولٍ، فظنَّ أبو أسامة أنه ابنُ جابرٍ، وابنُ جابرٍ ثقةٌ مأمونٌ، وابن تميم ضعيفٌ". اهـ.
*قُلْتُ: فظاهر من كلام هؤلاء النقاد أن الواقع في السند هو "عبد الرحمن بن يزيد بن تميم"، وإن وقع في السند "ابن جابر"، فلا يعتد بذلك لوهم أبي أسامة فيه.
ومما يدلُّ على ذلك أنَّ أبا المغيرة رواه عن عبد الرحمن بن يزيد بن تميم، عن إسماعيل بن عبيد، عن أبي صالح الأشعريّ، عن أبي هريرة به.
أخرجه ابن جرير في "تفسيره" (16/ 83 - 84)، وابنُ السُّني (547)، وابنُ عساكر وفي "تاريخه" (19/ 40/1) - كما في "الصحيحة".
وأبو المغيرة هو عبد القدوس بن الحجاج الخولاني، وهو ثقةٌ مأمونٌ.
وقد ساق ابنُ عساكر وفي ترجمة ابن تميم (10/ 242 - 245) نقولاً أخرى تدلُّ على وهم أبي أسامة فيه.
ولذلك قَالَ الحافظ ابن كثير في "تفسيره" (5/ 250): "غريبٌ".
وقد اختُلف في إسناده ومتنه.
فرواه محمد بن مطرف أبو غسان، عن أبي حصينٍ، عن أبي صالح الأشعريّ، عن أبي أمامة، مرفوعاً: "الحمى من كير جهنم، فما أصاب المؤمن منها كان حظهُ من النار". =
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= এবং আবু বকর বিন আবি দাউদ বলেছেন:
"আমি আবু উসামাকে ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন জাবির আদ-দিমাশকি থেকে, তিনি মাকহুল থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি। অতঃপর যখন ইবনে তামিম কুফায় আসলেন, তিনি বললেন: আমি আবদুর রহমান বিন ইয়াজিদ আদ-দিমাশকি, এবং তিনি মাকহুল থেকে হাদিস বর্ণনা করলেন। তখন আবু উসামা ধারণা করেছিলেন যে তিনি ইবনে জাবির। অথচ ইবনে জাবির নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, আর ইবনে তামিম দুর্বল।" সমাপ্ত।
*আমি বলছি: এই সমালোচকদের বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে, সনদে প্রকৃতপক্ষে যিনি রয়েছেন তিনি হলেন "আবদুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামিম"। যদিও সনদে "ইবনে জাবির" উল্লেখ করা হয়েছে, তবে আবু উসামার বিভ্রমের কারণে এটি ধর্তব্য নয়।
এর স্বপক্ষে একটি প্রমাণ হলো এই যে, আবু মুগিরা হাদিসটি আবদুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামিম থেকে, তিনি ইসমাইল বিন উবাইদ থেকে, তিনি আবু সালিহ আল-আশআরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
এটি ইবনে জারির তাঁর "তাফসির" (১৬/ ৮৩ - ৮৪), ইবনুস সুন্নি (৫৪৭) এবং ইবনে আসাকির তাঁর "তারিখ" (১৯/ ৪০/১)-এ বর্ণনা করেছেন - যেমনটি "আস-সহিহা"-তে রয়েছে।
আর আবু মুগিরা হলেন আবদুল কুদ্দুস বিন হাজ্জাজ আল-খাওলানি, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত।
ইবনে আসাকির ইবনে তামিমের জীবনীতে (১০/ ২৪২ - ২৪৫) আরও কিছু বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন যা এতে আবু উসামার বিভ্রম হওয়ার প্রমাণ দেয়।
এই কারণেই হাফিজ ইবনে কাসির তাঁর "তাফসির" (৫/ ২৫০)-এ বলেছেন: "এটি গরিব।"
এর সনদ ও মতনে মতভেদ করা হয়েছে।
মুহাম্মদ বিন মুতাররিফ আবু গাসসান এটি বর্ণনা করেছেন আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু সালিহ আল-আশআরি থেকে, তিনি আবু উমামা থেকে মারফু হিসেবে: "জ্বর হলো জাহান্নামের হাপরের উত্তাপের অংশ, সুতরাং মুমিনের যে অংশ এতে আক্রান্ত হয় তা-ই তার জন্য জাহান্নামের আগুনের নির্ধারিত অংশ।" =
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= أخرجهُ أحمدُ (5/ 252، 264)، وابنُ أبي الدنيا في "المرض والكفارات" (ق 162/ 2) والطبراني في "الكبير" (ج 8/رقم 7468)، والطحاويُّ في "المشكل" (3/ 68)، وأبو بكر الشافعيُّ في "الغيلانيات" (ق 112/ 2).
قَالَ المنذريُّ في "الترغيب" (4/ 300):
"رواه أحمد بإسناد لا بأس به"!
كذا! وفيه نظر، لأن أبا حصين هو الفلسطيني، قَالَ الحافظ ابن حجر: "مجهولٌ" وهو كذلك، فلم يرو عنه إلا أبو غسان كما صرَّح بذلك الذهبي في "الميزان"، والهيثميُّ في "المجمع" (2/ 305).
وقال الحافظ العراقي رحمه الله في "تخريج الإحياء" (4/ 148): "أخرجهُ أحمد من رواية أبي صالح الأشعري عن أبي أمامة، وأبو صالحٍ لا يُعرف، ولا يعرف اسمه". اهـ.
كذا! ويظهر أنه فرق بين أبي صالح الأشعري الشامي، وأبي صالح الأشعري ويقال الأنصاري، وهما واحد، وقد قَالَ فيه أبو حاتم الرازي: "لا بأس به" كما في "الجرح والتعديل" (4/ 2/392).
ولكن الحديث أبي أمامة شواهد أخرى صحيحة، فالذي يصح هو نسبة الحديث إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وأما لله عز وجل ففيه نظَر. والله أعلمُ.
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= এটি আহমাদ (৫/ ২৫২, ২৬৪), 'আল-মারাদ ওয়াল কাফফারাত' গ্রন্থে ইবনে আবিদ দুনিয়া (পৃ. ১৬২/ ২), 'আল-কাবীর' গ্রন্থে তাবারানি (৮ম খণ্ড/ হাদীস নং ৭৪৬৮), 'আল-মুশকিলে' ত্বহাবি (৩/ ৬৮) এবং 'আল-গাইলানিয়াত' গ্রন্থে আবু বকর শাফেয়ী (পৃ. ১১২/ ২) বর্ণনা করেছেন।
মুনজিরি 'আত-তারগীব' গ্রন্থে (৪/ ৩০০) বলেছেন:
"আহমাদ এটি এমন এক সনদে বর্ণনা করেছেন যাতে কোনো সমস্যা নেই"!
এমনই! তবে এটি পর্যালোচনার দাবি রাখে, কারণ আবু হুসাইন হলেন ফিলিস্তিনি; হাফেজ ইবনে হাজার বলেছেন: "তিনি মাজহুল (অপরিচিত)" এবং বিষয়টি তেমনই; কেননা আবু গাসসান ব্যতীত আর কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি, যেমনটি জাহাবি 'আল-মিজান' গ্রন্থে এবং হাইসামি 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (২/ ৩০৫) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
হাফেজ ইরাকি (রহিমাহুল্লাহ) 'তাখরিজুল ইহয়া' গ্রন্থে (৪/ ১৪৮) বলেছেন: "আহমাদ এটি আবু উমামা থেকে আবু সালিহ আল-আশআরির বর্ণনায় উদ্ধৃত করেছেন; অথচ আবু সালিহ পরিচিত নন এবং তার নামও জানা যায় না।" (সমাপ্ত)
এমনই! প্রতীয়মান হয় যে, তিনি শামি আবু সালিহ আল-আশআরি এবং আবু সালিহ আল-আশআরি—যাকে আনসারিও বলা হয়—এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য করেছেন; অথচ তারা মূলত একই ব্যক্তি। আর আবু হাতিম আল-রাজি তার সম্পর্কে বলেছেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই", যেমনটি 'আল-জারহ ওয়াত তাদীল' গ্রন্থে (৪/ ২/৩৯২) বর্ণিত হয়েছে।
কিন্তু আবু উমামার হাদীসটির অন্যান্য সহীহ শাহিদ (সমর্থনকারী বর্ণনা) রয়েছে। সুতরাং যা সঠিক তা হলো হাদীসটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দিকে সম্বন্ধ করা; তবে মহান আল্লাহর দিকে এর সম্বন্ধের বিষয়ে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
الحديث الثامنْعَنْ أنَسٍ رضي الله عنه أنَّ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم قَال: "إنَّ الرَّبَّ سبحانه وتعالى يَقُوْلُ وَعِزَّتِي وَجَلَالِي لَا أُخْرِجُ أحَدًا مِنَ الدُّنيا أُرِيْدُ أنْ أغفِرَ لَهُ حَتَّى أسْتَوْفِيَ كُلَّ خَطِيآتِهِ فِي عُنُقِهِ بِسُقْمٍ فِي بَدَنِهِ وإقْتَارٍ فِي رِزْقِهِ". [رواه رَزِيْنٌ]
ــ
قَالَ المنذريُّ في "الترغيب" (4/ 297): "ذكره رزينٌ، ولم أره".
*قُلْتُ: ويغلبُ عليه عدمُ الصحة، ورزين هو ابنُ معاوية العبدري، جمع كتاباً سماه "تجريد الصحاح الستة" وهي الكتب الستة إلا ابن ماجة فإنه جعل بدلها "موطأ مالك".
وقد زاد أحاديث كثيرة ليست في هذه الكتب لا تعرف.
قَالَ الشوكاني في "الفوائد المجموعة" (ص 49) عند كلامه على حديث صلاة الرغائب: "ومما أوجب طول الكلام عليها وقوعها في كتاب رزين بن معاوية العبدري، ولقد أدخل في "كتابه" الذي جمع فيه بين دواوين الإسلام بلايا وموضوعات لا تعرف، ولا يُدرى من أين جاء بها، وذلك خيانة للمسلمين، وقد أخطأ ابنُ الأثير خطأ بيناً بذكر ما زاده رزين في "جامع الأصول" ولم ينبه على صحته في نفسه إلا نادراً، كقوله بعد ذكر هذه الصلاة ما لفظه: هذا الحديث مما وجدتُه في كتاب رزين، ولم أجده في واحدٍ من الكتب الستة. والحديث مطعون فيه." اهـ
ولم يُحسن المصنِّف بوضعه هذا الحديث في كتابه.
অষ্টম হাদিসআনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই মহান প্রতিপালক সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন: আমার মর্যাদা ও মহিমার কসম, আমি যাকে ক্ষমা করার ইচ্ছা করি, তাকে দুনিয়া থেকে ততক্ষণ বের করি না যতক্ষণ না তার শরীরের অসুস্থতা এবং রিযিকের সংকীর্ণতার মাধ্যমে তার ঘাড়ের উপর থাকা প্রতিটি গুনাহের পূর্ণ বিনিময় গ্রহণ না করি।" [রাযীন এটি বর্ণনা করেছেন]
—
আল-মুনযিরি 'আত-তারগীব' (৪/২৯৭) গ্রন্থে বলেছেন: "রাযীন এটি উল্লেখ করেছেন, তবে আমি এটি দেখিনি।"
*আমি বলছি: এটি সহীহ না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আর রাযীন হলেন ইবনে মুআবিয়াহ আল-আবদারি। তিনি একটি গ্রন্থ সংকলন করেছিলেন যার নাম দিয়েছিলেন 'তাজরীদ আস-সিহাহ আস-সিত্তাহ'। এটি ইবনে মাজাহ ব্যতীত বাকি ছয়টি কিতাবের সমষ্টি, কারণ তিনি ইবনে মাজাহ-এর পরিবর্তে 'মুওয়াত্তা মালিক' অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।
তিনি এতে এমন অনেক হাদিস অতিরিক্ত যোগ করেছেন যা এই মূল কিতাবগুলোতে নেই এবং সেগুলো অপরিচিত।
আশ-শাওকানি 'আল-ফাওয়ায়েদ আল-মাজমুআহ' (পৃ. ৪৯) গ্রন্থে সালাত আল-রাগায়েব-এর হাদিস সম্পর্কে আলোচনার সময় বলেছেন: "এর উপর দীর্ঘ আলোচনার আবশ্যকতা তৈরি হয়েছে রাযীন বিন মুআবিয়াহ আল-আবদারির কিতাবে এটি থাকার কারণে। তিনি তার সেই 'কিতাবে'—যেখানে তিনি ইসলামের সংকলনসমূহ একত্রিত করেছিলেন—এমন সব মুসিবত ও জাল বিষয় ঢুকিয়েছেন যা অপরিচিত এবং সেগুলো তিনি কোত্থেকে পেয়েছেন তা-ও জানা যায় না। এটি মুসলিমদের সাথে একটি খিয়ানত। আর ইবনুল আসীর 'জামি আল-উসুল' গ্রন্থে রাযীন যা কিছু অতিরিক্ত যোগ করেছেন তা উল্লেখ করে একটি সুস্পষ্ট ভুল করেছেন। তিনি কদাচিৎ ছাড়া সেগুলোর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে সতর্কতা প্রদান করেননি। যেমন এই সালাতের বর্ণনার পর তার উক্তি: 'এই হাদিসটি আমি রাযীনের কিতাবে পেয়েছি এবং ছয়টি কিতাবের কোনোটিতে এটি পাইনি।' আর হাদিসটি ত্রুটিপূর্ণ।" সমাপ্ত।
আর গ্রন্থকার এই হাদিসটি তার কিতাবে স্থান দিয়ে ভালো করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
الحديثُ التاسععَنْ وَاثِلَةَ رضي الله عنه أنْ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم قَال: "قَال الله تَعَالَى أنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بيِ فَلْيَظُنَّ بيِ مَا شَاْءَ".
[رواه الطَّبَرَانيُّ وَالحَاكِمُ بِسَندٍ صَحِيْحٍٍ]
ــ
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيْحٌ
أخرجه الدارميُّ (2/ 214 - 215)، وأحمد (3/ 491، 4/ 106)، وابنُ المبارك في "الزهد" (909)، وابنُ حبان (717، 718، 2393، 2468)، والطبرانيُّ في "الكبير" (ج 22/رقم 210)، وفي "مسند الشاميين" (ق 242 - 243)، والدولابي في "الكنى" (2/ 137 - 138)، والحاكم (4/ 240)، وابنُ أبي الدنيا في "حسن الظن بالله" (2)، وعنه البيهقيُّ في "الأربعون الصغرى" (124 - بتحقيقي) من طرقٍ عن هشام بن الغاز، ثنا حيان أبو النضر، قَالَ: قَالَ لي واثلة بنُ الأسقع: قلت إلى يزيد بن الأسود، فإنه قد بلغني أنَّ ألماً به. قَالَ فقُدْتُه، فدخل عليه وهو ثقيلٌ، قد وجه -يعني نحو القبلة- وقد ذهب عقلهُ.
قَالَ: نادوه.
فقلت: إنَّ هذا واثلة أخوك.
قَالَ: فأبقى الله من عقله أنَّ واثلة قد جاء. قَالَ: فمدَّ يده فجعل يلتمسُ بها، فعرفتُ ما ريدُ، فأخذتُ كفَّ واثلة فجعلتها في كفِّه، وإنما أراد أنْ يضع يده في يد واثلة، وذلك لموضع يد واثلة من رسول الله صلى الله عليه وسلم. فجعل يضعها مرةً على صدره، ومرةً على وجهه، ومرةً على فيه. فقال واثلةُ: ألا تخبرُني عن شىء أسألك عنه، كيف ظنُّك بالله؟ =
নবম হাদিসওয়াসিলা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'আমি আমার বান্দার আমার প্রতি ধারণার নিকটেই থাকি; সুতরাং সে আমার প্রতি যা ইচ্ছা ধারণা পোষণ করুক'।"
[তাবারানি ও হাকেম এটি সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন]
--
এটি একটি সহিহ হাদিস
দারেমী (২/ ২১৪-২১৫), আহমাদ (৩/ ৪৯১, ৪/ ১০৬), ইবনুল মুবারক তাঁর 'আয-যুহদ' (৯০৯) গ্রন্থে, ইবনে হিব্বান (৭১৭, ৭১৮, ২৩৯৩, ২৪৬৮), তাবারানি তাঁর 'আল-কাবীর' (খণ্ড ২২/ হাদিস নং ২১০) ও 'মুসনাদুশ শামিয়্যীন' (পৃষ্ঠা ২৪২-২৪৩) গ্রন্থে, আদ-দুলাবি তাঁর 'আল-কুনা' (২/ ১৩৭-১৩৮) গ্রন্থে, হাকেম (৪/ ২৪০), ইবনে আবিদ দুনইয়া তাঁর 'হুসনুল যন বিল্লাহ' (২) গ্রন্থে এবং তাঁর সূত্রে বায়হাকি 'আল-আরবাউন আস-সুগরা' (১২৪ - আমার তাহকীকসহ) গ্রন্থে হিশাম বিন আল-গায-এর বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। হাইয়ান আবু আন-নাদর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াসিলা বিন আল-আসকা আমাকে বললেন: আমি ইয়াযিদ ইবনুল আসওয়াদের কাছে গেলাম, কেননা আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছিল যে তিনি অসুস্থতায় কষ্ট পাচ্ছেন। তিনি বলেন: আমি তাঁকে (ওয়াসিলাকে) পথ দেখিয়ে নিয়ে গেলাম। অতঃপর তিনি তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তিনি অতিশয় অসুস্থ এবং তাঁকে কিবলার দিকে মুখ করে রাখা হয়েছে, আর তিনি সংজ্ঞা হারিয়েছিলেন।
তিনি (ওয়াসিলা) বললেন: তাঁকে ডাকো।
আমি বললাম: এই যে আপনার ভাই ওয়াসিলা এসেছেন।
তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আল্লাহ তাঁর বিবেক-বুদ্ধি এতটুকু অবশিষ্ট রেখেছিলেন যে তিনি বুঝতে পারলেন ওয়াসিলা এসেছেন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর হাত প্রসারিত করলেন এবং হাত দিয়ে কিছু খুঁজতে লাগলেন। আমি বুঝতে পারলাম তিনি কী চাইছেন; তাই আমি ওয়াসিলার হাতের তালু নিয়ে তাঁর হাতের তালুর উপর রাখলাম। তিনি ওয়াসিলার হাতে নিজের হাত রাখতে চেয়েছিলেন মূলত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ওয়াসিলার হাতের সংস্পর্শের মর্যাদার কারণে। তিনি সেই হাতটি একবার তাঁর বুকে, একবার তাঁর চেহারায় এবং একবার তাঁর মুখে রাখতে লাগলেন। অতঃপর ওয়াসিলা বললেন: আমি আপনাকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছি, সে সম্পর্কে কি আমাকে কিছু বলবেন? আল্লাহর প্রতি আপনার ধারণা কেমন?
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল কুদসিয়্যাহ আল-আরবাঈনিয়্যাহ তা. হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ــ
= قَالَ أغرقتني ذنوب لي، أشفيتُ على هلكةٍ، ولكن أرجو رحمة الله فكبَّر واثلةُ، وكبَّر أهل البيت بتكبيره، وقال: الله كبرُ، سمعتُ رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول
… فذكره.
والسياق لابن أبي الدنيا، وهو عند بعضهم مختصرٌ.
قَالَ الحاكمُ:
"صحيح الإسناد".
ووافقه الذهبيُّ، وزاد. "على شرط مسلمٍ"!
كذا! وهو صحيحٌ فقط، كما قَالَ الحاكم. والله أعلمُ وحيان أبو النضر، وثقه ابن معين، وابنُ حبان (3/ 48) وقال ابن أبي حاتم في "الجرح" (1/ 2/245) عن أبيه:
"صالحٌ".
*ويرويه أيضاً يزيد بن عبيدة، عن حيان أبي النضر، قَالَ: خرجتُ عائدًا ليزيد بن الأسود، فلقيتُ واثلة بن الأسقع، وهو يريدُ عيادته، فدخلنا عليه، فلمَّا رأى واثلة بسط يده، وجعل يشير إليه، فأقبل واثلةُ حتى جلس، فأخذ يزيد بكفي واثلة، فجعلهما على وجهه. فقال له واثلةُ: كيف ظنُّك بالله؟
قَالَ: ظنى بالله -والله! - حسنٌ.
قَالَ: فأبشر، فإن سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: قَالَ الله جلَّ وعلا: أنا عند ظنِّ عبدي بي، إن ظنَّ بي خيراً له، وإنْ ظنَّ شراً لَهُ".
أخرجه ابنُ حبان (716) والَّلْفظُ لَهُ، والطبرانيُّ في "الكبير" (ج 22/ رقم 209)، وفي "مسند الشاميين" (ق 219) من طريق محمد بن المهاجر، وهذا سندٌ صحيحٌ، رجاله ثقات. =
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
—
= তিনি বললেন: "আমার পাপসমূহ আমাকে ডুবিয়ে দিয়েছে, আমি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছি, কিন্তু আমি আল্লাহর রহমতের আশা করি।" তখন ওয়াসিলা তাকবির দিলেন এবং তাঁর তাকবিরের সাথে বাড়ির লোকেরাও তাকবির দিল। তিনি বললেন: "আল্লাহু আকবার, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি..." এরপর তিনি তা উল্লেখ করলেন।
এই বর্ণনাভঙ্গি ইবনে আবিদ দুনইয়ার, আর কারো কারো নিকট এটি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণিত হয়েছে।
হাকেম বলেন:
"এর সনদ সহিহ।"
যাহাবি তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন এবং অতিরিক্ত বলেছেন: "মুসলিম-এর শর্তানুযায়ী"!
এই তো! তবে হাকেম যেমনটি বলেছেন, এটি কেবল সহিহ। আর আল্লাহই ভালো জানেন। হাইয়ান আবু আন-নাজরকে ইবনে মাঈন এবং ইবনে হিব্বান (৩/৪৮) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহু ওয়াত-তাদিল' গ্রন্থে (১/২/২৪৫) তাঁর পিতার সূত্রে বলেছেন:
"তিনি সৎ (সালিহ)।"
*ইয়াজিদ বিন উবাইদাহ এটি হাইয়ান আবু আন-নাজরের সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: "আমি ইয়াজিদ বিন আসওয়াদকে দেখতে (রোগশয্যায়) বের হলাম, পথে ওয়াসিলা বিন আসকা'র সাথে দেখা হলো, তিনিও তাঁকে দেখতে যাচ্ছিলেন। আমরা তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। যখন তিনি ওয়াসিলাকে দেখলেন, তখন তিনি নিজের হাত প্রসারিত করলেন এবং তাঁকে ইশারা করতে লাগলেন। ওয়াসিলা এগিয়ে এসে বসলেন। তখন ইয়াজিদ ওয়াসিলার দুই হাতের তালু ধরলেন এবং তা নিজের মুখে রাখলেন। তখন ওয়াসিলা তাঁকে বললেন: 'আল্লাহর প্রতি আপনার ধারণা কেমন?'
তিনি বললেন: 'আল্লাহর শপথ! আল্লাহর প্রতি আমার ধারণা উত্তম।'
তিনি বললেন: 'তবে সুসংবাদ গ্রহণ করুন, কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ জাল্লা ওয়া আলা বলেন: আমি আমার বান্দার ধারণার নিকটেই থাকি যেমন সে আমার প্রতি পোষণ করে। যদি সে আমার প্রতি ভালো ধারণা রাখে তবে তা তারই জন্য, আর যদি সে মন্দ ধারণা রাখে তবে তাও তারই জন্য'।"
এটি ইবনে হিব্বান (৭১৬) বর্ণনা করেছেন এবং শব্দসমূহ তাঁরই। এছাড়া তাবারানি তাঁর 'আল-মুজামুল কাবির' (খণ্ড ২২/ নং ২০৯) এবং 'মুসনাদুশ শামিয়্যিন' (পৃষ্ঠা ২১৯) গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন আল-মুহাজিরের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। এটি একটি সহিহ সনদ, এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। =