(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: -)
أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله عز وجل في الفقه الإسلامي   (مرعي الشهري)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله عز وجل في الفقه الإسلامي

المؤلف: مرعي بن عبد الله بن مرعي الجبيهي الشهري

المحقق:

الناشر: مكتبة العلوم والحكم، المدينة المنورة، دار العلوم والحكم، سوريا

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2003 م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইসলামী ফিকহশাস্ত্রে মহান আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদকারীর বিধানাবলি   (মারয়ি আল-শাহরি)

বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ


বই: ইসলামী ফিকহশাস্ত্রে মহান আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদকারীর বিধানাবলি

লেখক: মারয়ি বিন আব্দুল্লাহ বিন মারয়ি আল-জুবাইহি আল-শাহরি

সম্পাদক:

প্রকাশক: মাকতাবাতুল উলূম ওয়াল হিকাম, মদিনা মুনাওয়ারা, দারুল উলূম ওয়াল হিকাম, সিরিয়া

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: -)
أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله عز وجل في الفقه الإسلامي

 

تأليف

الدكتور مرعي بن عبد الله بن مرعي

الأستاذ المساعد بقسم الدرسات الإسلامية في كلية المعلمين، بأبها
ইসলামী ফিকহশাস্ত্রে মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গকারী মুজাহিদের বিধানাবলি

 

রচনা

ডক্টর মারঈ বিন আবদুল্লাহ বিন মারঈ

সহকারী অধ্যাপক, ইসলামী শিক্ষা বিভাগ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, আবহা
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৪)
أصل هذا الكتاب رسالة علمية تقدم بها الباحث لنيل درجة العالمية العالية "الدكتوراه" من المعهد العالي للقضاء بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
এই গ্রন্থের মূল হলো একটি গবেষণাপত্র যা গবেষক ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ বিচার বিভাগীয় ইনস্টিটিউট থেকে উচ্চতর আন্তর্জাতিক ডিগ্রি "ডক্টরেট" অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌مقدمة

إن الحمد لله، نحمده ونستعينه ونستغفره ونستهديه ونتوب إليه، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، القائل سبحانه في محكم الآيات {انْفِرُوا خِفَافًا وَثِقَالا وَجَاهِدُوا بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ} [التوبة: 41] والقائل صلى الله عليه وسلم {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ} [التوبة: 123] .

وأشهد أن محمدًا عبد الله ورسوله، أفضل الرسل وخاتمهم، وأفضل من جاهد في سبيل الله بنفسه حتى كسرت رباعيته وشج وجهه الكريم، القائل صلى الله عليه وسلم «بعثت بين يدي الساعة بالسيف حتى يعبد الله وحده لا شريك له، وجعل رزقي تحت ظل رمحي» (1) .

فصلاة ربي وسلامه عليه ما تعاقب الليل والنهار، وعلى آله الأطهار، وصحابته الأخيار الذين جاهدوا في سبيل الله بأنفسهم فسجلوا على جبين التاريخ أعظم الانتصارات، وعلى التابعين لهم بإحسان إلى يوم الدين وسلم تسليما أما بعد:

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري في صحيحه مع الفتح تعليقا، كتاب الجهاد والسير، باب ما قيل في الرماح (6/122) وأخرجه الإمام أحمد في المسند ح (4/515) ورقم (5115) عن ابن عمر رضي الله عنهما وأخرجه ابن أبي شيبه في المصنف، «كتاب الجهاد» ، «باب ما ذكر في فضل الجهاد والحث عليه» ، ح رقم (134) قال ابن حجر في «الفتح» : مرسل بإسناد حسن، انظر: فتح الباري شرح صحيح البخاري (6/122) .
ভূমিকা

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাই, তাঁরই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, তাঁরই কাছে হেদায়েত চাই এবং তাঁরই কাছে তওবা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি তাঁর সুদৃঢ় আয়াতসমূহে বলেন: {তোমরা অভিযানে বের হও হালকা অবস্থায় এবং ভারী অবস্থায় এবং আল্লাহর পথে তোমাদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করো। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে।} [আত-তাওবা: ৪১]। এবং যাঁর বাণী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম): {হে ঈমানদারগণ...} [আত-তাওবা: ১২৩]।

আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যিনি সকল রাসূলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও তাঁদের সমাপ্তিকারী এবং আল্লাহর পথে জিহাদকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, এমনকি তাঁর সামনের দাঁত ভেঙে গিয়েছিল এবং তাঁর সম্মানিত চেহারা যখম হয়েছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি কিয়ামতের প্রাক্কালে তলোয়ারসহ প্রেরিত হয়েছি যতক্ষণ না এক আল্লাহর ইবাদত করা হয় যাঁর কোনো শরিক নেই, আর আমার রিজিক রাখা হয়েছে আমার বর্শার ছায়ার নিচে।" (১)।

দিন ও রাতের আবর্তনের সাথে সাথে আমার রবের রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর উপর, তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গের উপর এবং তাঁর সর্বোত্তম সাহাবীগণের উপর—যাঁরা আল্লাহর পথে নিজেদের জীবন দিয়ে জিহাদ করেছেন এবং ইতিহাসের পাতায় মহান বিজয়সমূহ লিপিবদ্ধ করেছেন; আর কিয়ামত পর্যন্ত তাঁদের একনিষ্ঠ অনুসারীদের উপর প্রচুর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর:

--------------------------------------------

(১) ইমাম বুখারী তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে 'ফাতহুল বারী'র সাথে মুয়াল্লাক (সনদহীনভাবে) বর্ণনা করেছেন, জিহাদ ও সিয়ার অধ্যায়, বর্শা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ (৬/১২২); এবং ইমাম আহমদ এটি বর্ণনা করেছেন 'মুসনাদ'-এ (৪/৫১৫) এবং হাদিস নম্বর (৫১১৫), ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে; এবং ইবনে আবি শায়বা এটি বর্ণনা করেছেন তাঁর 'মুসান্নাফ'-এ, 'জিহাদ অধ্যায়', 'জিহাদের ফজিলত ও এর প্রতি উৎসাহ প্রদান অনুচ্ছেদ', হাদিস নম্বর (১৩৪)। হাফেজ ইবনে হাজার 'ফাতহুল বারী'-তে বলেছেন: এটি হাসান সনদে মুরসাল, দেখুন: ফাতহুল বারী শরহু সহীহিল বুখারী (৬/১২২)।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৬)
فإن الجهاد في سبيل الله ذروة سنام الإسلام، ومن أفضل الأعمال التي تقرب العبد إلى الملك العلام. به يحفظ الدين وينشر نور الإسلام في بقاع المعمورة، وبه يعز أولياء الرحمن ويذل أولياء الشيطان، وبه يدفع العدوان ويرفع الظلم عن المظلومين ويحكم شرع الله في الأرض، فينتشر العدل، ويسود الأمان، ويعم الرخاء، به تسود الأمة، وتسمع الكلمة وتصان الكرامة.

ولما كان باب الجهاد واسعا فهو يشمل جهاد الكفار بالنفس، وبالمال، وباللسان، وبالقلب، ويشمل جهاد البغاة من المسلمين، وجهاد العصاة بالأمر بالمعروف والنهي عن المنكر، ويشمل كذلك جهاد النفس على طاعة الله وجهاد الشيطان، ولما كان كذلك، قصرت البحث على أشرف هذه الأنواع وهو الجهاد بالنفس للكفار وبينت أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله في أبواب الفقه تحت عنوان:

(أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله في الفقه الإسلامي)

والسبب في اختيار هذا الموضوع يعود إلى أمور منها:

1- انحراف الجهاد بالنفس عن معناه الحقيقي وباعثه عند بعض المسلمين اليوم إلى قتال لشهوة دنيا، أو منصب، أو وطن، أو قومية على أساس من النظم الوضعية المستوردة، فأردت بيان المجاهد الحق الذي يجاهد بنفسه في سبيل الله يرجو نصرة دينه، وعلو كلمته في أي مكان وفي أي زمان، وبيان أحكامه.

2- لم أجد حسب علمي من أفرد المجاهد بالنفس في سبيل الله ببحث مستقل يبين أحكامه في أبواب الفقه، ويكشف هدفه وغايته من الجهاد، فلعلي أسهم بجهد المقل في بيان ذلك.

3- وجود مباحثه في أكثر أبواب الفقه مما يفيد الباحث ويوسع اطلاعه.

4- البحث العلمي لذاته، فهو مقصد نبيل يقصده العلماء.
নিশ্চয়ই আল্লাহর পথে জিহাদ হলো ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া এবং বান্দাকে মহাজ্ঞানী অধিপতির নৈকট্য দানকারী সর্বোত্তম আমলসমূহের অন্যতম। এর মাধ্যমে দ্বীন সংরক্ষিত হয় এবং পৃথিবীর সর্বত্র ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ে; এর মাধ্যমে রহমানের বন্ধুদের সম্মানিত করা হয় এবং শয়তানের বন্ধুদের অপদস্থ করা হয়; এর মাধ্যমে শত্রুতা প্রতিহত করা হয়, মজলুমের ওপর থেকে জুলুম দূর করা হয় এবং জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে ন্যায়বিচার ছড়িয়ে পড়ে, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ব্যাপকতা লাভ করে। এর মাধ্যমেই উম্মাহর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়, তাদের কথা শ্রুত হয় এবং মর্যাদা সংরক্ষিত থাকে।

যেহেতু জিহাদের ক্ষেত্রটি অত্যন্ত প্রশস্ত, তাই এর অন্তর্ভুক্ত হলো জান, মাল, জবান এবং অন্তরের মাধ্যমে কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ; মুসলমানদের মধ্য থেকে বিদ্রোহকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ; সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের মাধ্যমে পাপাচারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ; এবং আল্লাহর আনুগত্যে নফসের সাথে জিহাদ ও শয়তানের সাথে জিহাদ। বিষয়টি যেহেতু এইরকম, তাই আমি আমার গবেষণাকে এই প্রকারগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম প্রকারটির ওপর সীমাবদ্ধ করেছি—তা হলো কাফেরদের বিরুদ্ধে সশরীরে জিহাদ। আর আমি ফিকহের অধ্যায়গুলোতে আল্লাহর পথে সশরীরে জিহাদকারী ব্যক্তির বিধিবিধান স্পষ্ট করেছি এই শিরোনামে:

(ইসলামী ফিকহে আল্লাহর পথে সশরীরে জিহাদকারীর বিধিবিধান)

এই বিষয়টি নির্বাচনের পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো:

১- বর্তমান যুগে কিছু মুসলমানের নিকট সশরীরে জিহাদ তার প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে বৈষয়িক আকাঙ্ক্ষা, পদমর্যাদা, দেশপ্রেম কিংবা আমদানিকৃত মানব রচিত মতাদর্শের ভিত্তিতে জাতীয়তাবাদের লড়াইয়ে পর্যবসিত হয়েছে। তাই আমি প্রকৃত মুজাহিদের পরিচয় স্পষ্ট করতে চেয়েছি, যিনি যেকোনো স্থানে ও যেকোনো সময়ে আল্লাহর দ্বীনের বিজয় এবং তাঁর বাণীকে সমুন্নত করার উদ্দেশ্যে সশরীরে আল্লাহর পথে জিহাদ করেন, এবং তাঁর সাথে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানগুলো তুলে ধরতে চেয়েছি।

২- আমার জানামতে আমি এমন কাউকে পাইনি যিনি আল্লাহর পথে সশরীরে জিহাদকারী মুজাহিদের বিষয়ে ফিকহের অধ্যায়সমূহে তাঁর আহকাম বর্ণনা করে এবং জিহাদে তাঁর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উন্মোচন করে একটি স্বতন্ত্র গবেষণা করেছেন। তাই আমি হয়তো আমার এই নগণ্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে তা স্পষ্ট করতে অবদান রাখতে পারি।

৩- ফিকহের অধিকাংশ অধ্যায়ে এর সাথে সংশ্লিষ্ট আলোচনা বিদ্যমান থাকা, যা গবেষককে উপকৃত করে এবং তাঁর জ্ঞানের পরিধিকে বিস্তৃত করে।

৪- জ্ঞানতাত্ত্বিক গবেষণার নিজস্ব গুরুত্ব, কারণ এটি একটি মহৎ উদ্দেশ্য যা আলেমগণ অন্বেষণ করেন।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৭)
أما أهمية الموضوع فيمكن بيانها فيما يلي:

1- الحديث عن المجاهد بالنفس وبيان أحكامه في كل تصرفاته في جهاد العدو يكشف زيف المغرضين وادعاءات المبطلين الذين يصفون المجاهد في سبيل الله بأنه سفاك دماء ومفسد في الأرض وظالم لحقوق الإنسان.

2- بيان أحكام المجاهد فيما يجوز له قتاله ومن لا يجوز له قتاله من العدو يبرز رحمة الإسلام بالإنسان، ودعوته لاحترام النفس الإنسانية، ومعاملتها بما يليق بها، وأن هدف الجهاد تحرير الإنسان من عبادة غير الله إلى عبادة الله وحده، وتحكيم شريعته في الأرض.

3- في بيان أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله يظهر الفرق بين من يجاهد في سبيل الله ومن جاهد في سبيل غيره.

4- بيان أحكام المجاهد بالنفس في سبيل الله في أبواب الفقه في مؤلف واحد يسهل على المجاهد مراجعة ما يحتاج إليه من الأحكام فيما يخصه.

وقد نهجت في كتابة هذا البحث المنهج الآتي:

1-أذكر أقوال الفقهاء في مسائل الخلاف على المذاهب الأربعة، ومذهب ابن حزم مع ذكر الأدلة ومناقشتها ما أمكن، ثم الترجيح حسب الدليل دون تعصب لقول معين أو مذهب معين.

2- في الغالب أضع القول الراجح في الأول.

3- إذا قلت: اتفق الفقهاء فالمقصود الأئمة الأربعة، وقد يكون اتفاقا لجميع العلماء والفقهاء دون استثناء.

4- الأمانة العلمية في نقل المعلومات والأقوال والأدلة من المصادر والمراجع، والاعتماد في نقل المعلومات على المراجع والمصادر المعتمدة في كل مذهب ونقل الأقوال منها.
এই বিষয়ের গুরুত্ব নিম্নরূপভাবে বর্ণনা করা যেতে পারে:

1- মুজাহিদে নাফস (জীবন দিয়ে জিহাদকারী) সম্পর্কে আলোচনা এবং শত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদে তার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের বিধান বর্ণনা করা সেইসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তিদের মিথ্যাচার এবং বাতিলপন্থীদের দাবিকে উন্মোচিত করে, যারা আল্লাহর পথের মুজাহিদকে রক্তপিপাসু, পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী এবং মানবাধিকারের লঙ্ঘনকারী হিসেবে অভিহিত করে।

2- শত্রুপক্ষের মধ্যে কার সাথে যুদ্ধ করা জায়েজ এবং কার সাথে যুদ্ধ করা জায়েজ নয় সে সম্পর্কে মুজাহিদের বিধানাবলি বর্ণনা করা মানুষের প্রতি ইসলামের করুণা এবং মানবাত্মাকে সম্মান জানানোর আহ্বানকে ফুটিয়ে তোলে। এছাড়া মানুষের সাথে উপযুক্ত আচরণ করা এবং জিহাদের লক্ষ্য যে মানুষকে গায়রুল্লাহর ইবাদত থেকে মুক্ত করে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দিকে নিয়ে আসা এবং পৃথিবীতে তাঁর শরীয়ত কার্যকর করা, তা স্পষ্ট করে।

3- আল্লাহর পথে জীবন দিয়ে জিহাদকারীর বিধানাবলি বর্ণনার মাধ্যমে আল্লাহর পথে জিহাদকারী এবং আল্লাহর পথ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে জিহাদকারীর মধ্যকার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

4- ফিকহশাস্ত্রের বিভিন্ন অধ্যায় থেকে আল্লাহর পথে জীবন দিয়ে জিহাদকারীর বিধানাবলি একটি একক গ্রন্থে সংকলন করা একজন মুজাহিদের জন্য তার সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় বিধানসমূহ যাচাই করা সহজ করে দেয়।

এই গবেষণাটি রচনার ক্ষেত্রে আমি নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করেছি:

1-আমি মতপার্থক্যপূর্ণ মাসআলাসমূহে চার মাযহাব এবং ইবনে হাজমের মাযহাব অনুযায়ী ফকিহগণের মতামত উল্লেখ করেছি, পাশাপাশি দলিলসমূহ উল্লেখ করে সাধ্যমতো তা নিয়ে আলোচনা করেছি। অতঃপর কোনো নির্দিষ্ট মত বা মাযহাবের প্রতি অন্ধ পক্ষপাতিত্ব না করে দলিলের ভিত্তিতে প্রাধান্য (তারজিহ) দিয়েছি।

2- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমি রাজেহ বা অগ্রগণ্য মতটিকে প্রথমে উল্লেখ করেছি।

3- যখন আমি বলি: "ফকিহগণ একমত হয়েছেন", তখন এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো চার ইমাম। তবে কখনো কখনো এটি ব্যতিক্রম ছাড়াই সমস্ত আলেম ও ফকিহগণের ঐকমত্যও হতে পারে।

4- মূল উৎস ও তথ্যসূত্র থেকে তথ্য, উক্তি এবং দলিলসমূহ বর্ণনার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক আমানতদারিতা রক্ষা করা হয়েছে। প্রতিটি মাযহাবের নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ও মূল গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে সেখান থেকে তথ্য ও মতামতসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৮)
5- استعنت ببعض ما كتب حديثا عن الجهاد وخاصة فيما لم يتعرض له الفقهاء القدماء.

6-إذا نقلت المعلومات من المراجع بالنص جعلتها بين قوسين تمييزا لها.

7- التعريف بما يحتاج إلى تعريف من مفردات غامضة، وأسماء أماكن وردت في البحث، وعناوين البحث، وكل ذلك في الهامش.

8- مراعاة قواعد اللغة في كتابة البحث.

9- عزو الآيات الواردة في البحث إلى السور وبيان أرقامها.

10- تخريج الأحاديث والآثار من كتب السنة المعتمدة، ونقل أقوال أهل العلم في صحتها أو ضعفها ما استطعت إلى ذلك سبيلا، إلا ما كان في صحيح البخاري ومسلم أو أحدهما فاكتفى بتخريجه منهما أو من أحدهما فقط.

11- الترجمة للأعلام الواردة في البحث عند الحاجة إلى ذلك بشيء من الاختصار.

12- وضع الفهارس العامة المتعارف عليها في البحث، فهرس الآيات القرآنية، فهرس الأحاديث والآثار، فهرس التعريفات والمفردات الغامضة، فهرس الأماكن، فهرس الأعلام، فهرس المراجع، فهرس الموضوعات.

خطة البحث:

اقتضت خطة البحث في هذا الموضوع أن تكون في مقدمة، وتمهيد، وأربعة أبواب وخاتمة، وذلك على النحو الآتي:

المقدمة:

وتشمل ما يلي:

-سبب اختيار الموضوع.

- أهمية الموضوع.

-المنهج في كتابة البحث.

- خطة البحث.
৫- জিহাদ সম্পর্কে রচিত আধুনিক কিছু লেখা থেকে আমি সাহায্য নিয়েছি, বিশেষ করে ঐ সকল বিষয়ে যেগুলোর ব্যাপারে পূর্ববর্তী ফকিহগণ আলোচনা করেননি।

৬-যখন আমি তথ্যসূত্র থেকে কোনো তথ্য হুবহু উদ্ধৃত করেছি, তখন তা আলাদা করার জন্য বন্ধনীভুক্ত করেছি।

৭- অস্পষ্ট শব্দাবলি, গবেষণায় উল্লিখিত স্থানের নাম এবং গবেষণার শিরোনামসমূহ—যেসবের সংজ্ঞায়নের প্রয়োজন রয়েছে, তার পরিচয় প্রদান করা হয়েছে; আর এ সব কিছুই পাদটীকায় রাখা হয়েছে।

৮- গবেষণাটি রচনায় ভাষার ব্যাকরণগত নিয়মাবলি অনুসরণ করা হয়েছে।

৯- গবেষণায় ব্যবহৃত আয়াতসমূহকে সংশ্লিষ্ট সূরার সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলোর আয়াত নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।

১০- নির্ভরযোগ্য সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ থেকে হাদিস ও আসারগুলোর তাখরিজ করা হয়েছে এবং সাধ্যানুযায়ী সেগুলোর বিশুদ্ধতা বা দুর্বলতা সম্পর্কে আলেমদের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। তবে যে হাদিস সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম অথবা এ দুটির যেকোনো একটিতে রয়েছে, সেটির ক্ষেত্রে কেবল তা থেকে তাখরিজ করাই যথেষ্ট মনে করা হয়েছে।

১১- প্রয়োজনবোধে গবেষণায় উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রদান করা হয়েছে।

১২- গবেষণায় প্রচলিত সাধারণ নির্ঘণ্টসমূহ বা সূচিপত্র যুক্ত করা হয়েছে: কুরআনের আয়াতের নির্ঘণ্ট, হাদিস ও আসারের নির্ঘণ্ট, সংজ্ঞা ও অস্পষ্ট শব্দাবলির নির্ঘণ্ট, স্থানের নির্ঘণ্ট, ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট, তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট এবং বিষয়সূচি।

গবেষণা পরিকল্পনা:

এই বিষয়ের গবেষণা পরিকল্পনা একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমণিকা, চারটি অধ্যায় এবং একটি উপসংহারের দাবি রাখে, যা নিম্নরূপ:

ভূমিকা:

যা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:

- বিষয় নির্বাচনের কারণ।

- বিষয়ের গুরুত্ব।

- গবেষণা রচনার পদ্ধতি।

- গবেষণা পরিকল্পনা।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌التمهيد:

ويشمل خمسة مباحث:

المبحث الأول: تعريف الجهاد وبيان أنواعه، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تعريف الجهاد.

المطلب الثاني: بيان أنواعه.

المبحث الثاني: مشروعية الجهاد بالنفس في سبيل الله ومراحله، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: مشروعية الجهاد بالنفس في سبيل الله.

المطلب الثاني: مراحل تشريع الجهاد بالنفس في سبيل الله.

المبحث الثالث: فضل الجهاد والمجاهدين في سبيل الله.

المبحث الرابع: هدف الجهاد بالنفس في سبيل الله.

المبحث الخامس: التعريف بالمجاهد وشروطه وحكم الجهاد في حقه، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: التعريف بالمجاهد.

المطلب الثاني: شروط المجاهد.

المطلب الثالث: حكم الجهاد في حقه.

الباب الأول

أحكام المجاهد بالنفس في العبادات، وفيه أربعة فصول:

الفصل الأول: أحكام المجاهد في الطهارة، وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: طهارة المجاهد بالماء وهو جريح.
ভূমিকা:

এটি পাঁচটি আলোচনার অন্তর্ভুক্ত:

প্রথম আলোচনা: জিহাদের সংজ্ঞা ও এর প্রকারভেদ বর্ণনা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: জিহাদের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এর প্রকারভেদ বর্ণনা।

দ্বিতীয় আলোচনা: আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের বিধান ও এর পর্যায়সমূহ, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের বিধান।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের বিধান প্রবর্তনের পর্যায়সমূহ।

তৃতীয় আলোচনা: আল্লাহর পথে জিহাদ ও মুজাহিদদের ফজিলত।

চতুর্থ আলোচনা: আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের লক্ষ্য।

পঞ্চম আলোচনা: মুজাহিদের পরিচয়, তার শর্তাবলি এবং তার ক্ষেত্রে জিহাদের বিধান, এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের শর্তাবলি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: তার ক্ষেত্রে জিহাদের বিধান।

প্রথম অধ্যায়

ইবাদতের ক্ষেত্রে সশরীরে জিহাদকারীর বিধানাবলি, এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: পবিত্রতার ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে চারটি আলোচনা রয়েছে:

প্রথম আলোচনা: আহত অবস্থায় পানি দিয়ে মুজাহিদের পবিত্রতা অর্জন।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১০)
المبحث الثاني: طهارة أعضاء المجاهد المقطوعة.

المبحث الثالث: تيمم المجاهد، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: تيمم المجاهد لخوفه من العدو.

المطلب الثاني: تيمم المجاهد في الأسر إذا منعه العدو من الماء

المطلب الثالث: تيمم المجاهد بالغبار.

المطلب الرابع: تيمم المجاهد بغير التراب مما هو من جنس الأرض كالرمل والحصي ونحو ذلك

المبحث الرابع: مسح المجاهد وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: المسح على الخفين ونحوهما وفيه أربعة فروع:

الفرع الأول: المراد بالخف في اللغة والشرع.

الفرع الثاني: جواز المسح على الخفين للمجاهد.

الفرع الثالث: مسح المجاهد على الخف المصنوع من غير الجلود

الفرع الرابع: توقيت المسح على الخفين للمجاهد في سبيل الله.

المطلب الثاني: المسح على الجبيرة، وفيه فرعان:

الفرع الأول: مشروعية المسح على الجبيرة.

الفرع الثاني: كيفية المسح على الجبيرة وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: المسح على جميع أجزاء الجبيرة.

المسألة الثانية: الجمع بين المسح على الجبيرة والتيمم.

المطلب الثالث: في مسح المجاهد على ما يوضع على الرأس.

الفصل الثاني: أحكام المجاهد في الصلاة، وفيه ثلاثة مباحث:

المبحث الأول: أحكام المجاهد في صلاة الخوف، وفيه ثمانية عشر مطلبا:
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের বিচ্ছিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পবিত্রতা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের তায়াম্মুম, এবং এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: শত্রুর ভয়ে মুজাহিদের তায়াম্মুম।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বন্দিদশায় মুজাহিদের তায়াম্মুম যখন শত্রু তাকে পানি ব্যবহারে বাধা দেয়

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ধুলাবালির মাধ্যমে মুজাহিদের তায়াম্মুম।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: মাটি ছাড়া ভূমিজাত অন্যান্য বস্তু যেমন বালু, পাথরকুচি এবং এই জাতীয় জিনিসের মাধ্যমে মুজাহিদের তায়াম্মুম

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের মাসেহ এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মোজা (খুফফাইন) ও অনুরূপ বস্তুর ওপর মাসেহ এবং এতে চারটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: আভিধানিক ও শরয়ি পরিভাষায় মোজার (খুফ) অর্থ।

দ্বিতীয় শাখা: মুজাহিদের জন্য মোজার ওপর মাসেহ করার বৈধতা।

তৃতীয় শাখা: চামড়া ব্যতীত অন্য কিছু দিয়ে তৈরি মোজার ওপর মুজাহিদের মাসেহ।

চতুর্থ শাখা: আল্লাহর পথে জিহাদরত মুজাহিদের জন্য মোজার ওপর মাসেহ করার সময়সীমা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জাবীরা (ক্ষতস্থানের পট্টি)-র ওপর মাসেহ, এতে দুটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: জাবীরার ওপর মাসেহ করার শরয়ি বিধান।

দ্বিতীয় শাখা: জাবীরার ওপর মাসেহ করার পদ্ধতি এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: জাবীরার সমস্ত অংশের ওপর মাসেহ করা।

দ্বিতীয় মাসআলা: জাবীরার ওপর মাসেহ এবং তায়াম্মুম উভয়টি একত্রে করা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: মাথায় পরিধানকৃত বস্তুর ওপর মুজাহিদের মাসেহ করা প্রসঙ্গে।

দ্বিতীয় অধ্যায়: সালাতে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে (ভীতি অবস্থায় সালাত) মুজাহিদের বিধানসমূহ, এতে আঠারোটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১১)
المطلب الأول: مشروعية صلاة الخوف.

المطلب الثاني: شروط صلاة الخوف.

المطلب الثالث: وقت صلاة الخوف.

المطلب الرابع: كيفية صلاة الخوف.

المطلب الخامس: الصلاة على الدواب والآليات إيماء.

المطلب السادس: ترك التوجه إلى القبلة في صلاة الخوف.

المطلب السابع: اشتراط الجماعة لصلاة الخوف.

المطلب الثامن: كيفية قراءة الإمام في صلاة الخوف، وفيه فرعان:

الفرع الأول: كيفية قراءة الإمام في صلاة الخوف من حيث السر والجهر.

الفرع الثاني: التخفيف في القراءة.

المطلب التاسع: سهو الإمام في صلاة الخوف.

المطلب العاشر: قطع الصلاة لسماع صفارات الإنذار.

المطلب الحادي عشر: هجوم العدو أثناء الصلاة.

المطلب الثاني عشر: المشي في صلاة الخوف.

المطلب الثالث عشر: المتلطخ بالدم في صلاة الخوف

المطلب الرابع عشر: حمل السلاح في صلاة الخوف.

المطلب الخامس عشر: حمل السلاح المتنجس في صلاة الخوف.

المطلب السادس عشر: حصول الأمن أثناء صلاة الخوف.

المطلب السابع عشر: حصول الآمن بعد صلاة الخوف.

المطلب الثامن عشر: الصلاة لخوف ثبت توهمه.

المبحث الثاني: أحكام المجاهد في قصر الصلاة وجمعها، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: قصر الصلاة للمجاهد، وفيه أربعة فروع:
প্রথম অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফের (ভয়ের নামায) বৈধতা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফের শর্তাবলি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফের সময়।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফের পদ্ধতি।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: আরোহী পশু ও যানবাহনের ওপর ইশারায় সালাত আদায়।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে কিবলামুখী হওয়া পরিহার করা।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফের জন্য জামাতবদ্ধ হওয়ার শর্ত।

অষ্টম অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে ইমামের ক্বিরাত পাঠের পদ্ধতি, এতে দুটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: সরব ও নীরব পাঠের দিক থেকে সালাতুল খাওফে ইমামের ক্বিরাত পাঠের পদ্ধতি।

দ্বিতীয় শাখা: ক্বিরাত সংক্ষিপ্ত করা।

নবম অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে ইমামের ভুল (সাহু)।

দশম অনুচ্ছেদ: বিপদসংকেত (সাইরেন) শোনার কারণে সালাত ভঙ্গ করা।

একাদশ অনুচ্ছেদ: সালাত চলাকালীন শত্রুর আক্রমণ।

দ্বাদশ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে হাঁটাচলা করা।

ত্রয়োদশ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে রক্তরঞ্জিত হওয়া।

চতুর্দশ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে অস্ত্র বহন করা।

পঞ্চদশ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফে নাপাক অস্ত্র বহন করা।

ষোড়শ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফ চলাকালীন নিরাপত্তা অর্জিত হওয়া।

সপ্তদশ অনুচ্ছেদ: সালাতুল খাওফের পর নিরাপত্তা লাভ করা।

অষ্টাদশ অনুচ্ছেদ: অমূলক প্রমাণিত ভয়ের কারণে সালাত আদায় করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের সালাত কসর ও জমা করার বিধানাবলি, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের জন্য সালাত কসর করা, এতে চারটি শাখা রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১২)
الفرع الأول: قصر الصلاة للطيارين الذين يقومون بدوريات على الثغور.

الفرع الثاني: قصر الصلاة في السفن الحربية الثابتة في البحر.

الفرع الثالث: قصر الصلاة في السفن الحربية المتحركة في البحر.

الفرع الرابع: قصر الصلاة للمجاهد في الأسر.

المطلب الثاني: الجمع بين الصلاتين في وقت إحداهما للمجاهد.

المبحث الثالث: أحكام المجاهد في الجنائز، وفيه خمسة مطالب.

المطلب الأول: ما يستحق به المجاهد وصف الشهادة وفيه سبعة فروع.

الفرع الأول: التعريف بالشهيد.

الفرع الثاني: موت المجاهد بعد خروجه للجهاد وقبل المعركة.

الفرع الثالث: موت المجاهد في الأسر.

الفرع الرابع: موت المجاهد بعد انتهاء المعركة.

الفرع الخامس: موت المجاهد متأثر بإصابته في المعركة.

الفرع السادس: قتله خطأ من قبل مسلم.

الفرع السابع: قتل المجاهد نفسه خطأ.

المطلب الثاني: غسل الشهيد، وفيه خمسة فروع:

الفرع الأول: غسل الشهيد إذا قتل في ميدان المعركة.

الفرع الثاني: غسل الشهيد إذا قتل جنبا.

الفرع الثالث: غسل الشهيد يحمل وفيه رمق حياة ثم يموت.

الفرع الرابع: غسل الشهيد يحمل ويبقى أياما ثم يموت.

الفرع الخامس: غسل الشهيد الملوث بالمواد الكيميائية.

المطلب الثالث: تكفين الشهيد، وفيه أربعة فروع:
প্রথম শাখা: সীমান্তে টহলরত বৈমানিকদের জন্য সালাত কসর করা।

দ্বিতীয় শাখা: সমুদ্রে স্থির যুদ্ধজাহাজে সালাত কসর করা।

তৃতীয় শাখা: সমুদ্রে চলমান যুদ্ধজাহাজে সালাত কসর করা।

চতুর্থ শাখা: বন্দি অবস্থায় মুজাহিদের সালাত কসর করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের জন্য যেকোনো এক সালাতের ওয়াক্তে দুই সালাত একত্র করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: জানাযার ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম অনুচ্ছেদ: যা দ্বারা মুজাহিদ শহীদের গুণাবলি অর্জনের যোগ্য হন, এতে সাতটি শাখা রয়েছে।

প্রথম শাখা: শহীদের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় শাখা: জিহাদে বের হওয়ার পর এবং যুদ্ধের আগে মুজাহিদের মৃত্যু।

তৃতীয় শাখা: বন্দি অবস্থায় মুজাহিদের মৃত্যু।

চতুর্থ শাখা: যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মুজাহিদের মৃত্যু।

পঞ্চম শাখা: যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাপ্ত আঘাতের প্রভাবে মুজাহিদের মৃত্যু।

ষষ্ঠ শাখা: কোনো মুসলিমের হাতে ভুলবশত নিহত হওয়া।

সপ্তম শাখা: মুজাহিদ কর্তৃক ভুলবশত নিজেকে হত্যা করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: শহীদের গোসল, এতে পাঁচটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হলে শহীদের গোসল।

দ্বিতীয় শাখা: জানাবাত অবস্থায় নিহত হলে শহীদের গোসল।

তৃতীয় শাখা: আহত অবস্থায় বহনকৃত এবং প্রাণের স্পন্দন অবশিষ্ট থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী শহীদের গোসল।

চতুর্থ শাখা: আহত অবস্থায় বহনকৃত এবং কয়েক দিন বেঁচে থাকার পর মৃত্যুবরণকারী শহীদের গোসল।

পঞ্চম শাখা: রাসায়নিক পদার্থে রঞ্জিত শহীদের গোসল।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: শহীদের কাফন, এতে চারটি শাখা রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৩)
الفرع الأول: فيما يكفن فيه.

الفرع الثاني: في نزع الدروع والحديد والخفاف ونحو ذلك منه.

الفرع الثالث: في كيفية تكفين الشهيد.

الفرع الرابع: في تكفين المجاهد الملوث بالمواد الكيمائية.

المطلب الرابع: الصلاة على الشهيد. وفيه خمسة فروع:

الفرع الأول: الصلاة عليه إذا قتل في ميدان المعركة.

الفرع الثاني: الصلاة عليه إذا حمل وفيه رمق حياة ثم مات.

الفرع الثالث: الصلاة عليه يبقى أياما بعد الإصابة ثم يموت.

الفرع الرابع: الصلاة على من رجع عليه سلاحه فقتله.

الفرع الخامس: الصلاة على من اختلط بموتى الكفار.

المطلب الخامس: دفن الشهيد. وفيه خمسة فروع:

الفرع الأول: دفنه وعليه شيء من السلاح والحديد ونحو ذلك.

الفرع الثاني: دفن أكثر من شهيد في قبر واحد.

الفرع الثالث: نبش قبر الشهيد.

الفرع الرابع: إبقاء الشهيد في الثلاجة مدة طويلة.

الفرع الخامس: كتابة اسم المجاهد وفصيلة دمه وتعليقها في العنق أو في اليد حتى يعرف.

الفصل الثالث: أحكام المجاهد في الزكاة والصوم والحج، وفيه ثلاثة مباحث:

المبحث الأول: أحكام المجاهد في الزكاة وفيه مطلبان:

المطلب الأول: أخذ المجاهد من الزكاة.

المطلب الثاني: إخراج الزكاة من مال المجاهد في غيبته.

المبحث الثاني: أحكام المجاهد في الصوم، وفيه مطلبان:
প্রথম উপ-শাখা: যাতে কাফন পরানো হবে সে সম্পর্কে।

দ্বিতীয় উপ-শাখা: তার থেকে বর্ম, লোহা, চামড়ার মোজা এবং এই জাতীয় বস্তু খুলে ফেলা সম্পর্কে।

তৃতীয় উপ-শাখা: শহীদের কাফন পরানোর পদ্ধতি সম্পর্কে।

চতুর্থ উপ-শাখা: রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে আক্রান্ত মুজাহিদকে কাফন পরানো সম্পর্কে।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: শহীদের জানাজার সালাত। এতে পাঁচটি উপ-শাখা রয়েছে:

প্রথম উপ-শাখা: যদি সে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হয় তবে তার ওপর জানাজার সালাত।

দ্বিতীয় উপ-শাখা: যদি তাকে এমতাবস্থায় বহন করা হয় যে তার মধ্যে প্রাণের সামান্য রেশ অবশিষ্ট ছিল এবং পরে সে মারা যায়, তবে তার ওপর জানাজার সালাত।

তৃতীয় উপ-শাখা: আহত হওয়ার পর কয়েক দিন জীবিত থেকে যদি পরে মারা যায়, তবে তার ওপর জানাজার সালাত।

চতুর্থ উপ-শাখা: যার নিজের অস্ত্র নিজের দিকে ফিরে আসার ফলে সে নিহত হয়েছে, তার ওপর জানাজার সালাত।

পঞ্চম উপ-শাখা: যে কাফিরদের লাশের সাথে মিশে গেছে তার ওপর জানাজার সালাত।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: শহীদকে দাফন করা। এতে পাঁচটি উপ-শাখা রয়েছে:

প্রথম উপ-শাখা: তার সাথে কোনো অস্ত্র, লোহা এবং এই জাতীয় কিছু থাকা অবস্থায় তাকে দাফন করা।

দ্বিতীয় উপ-শাখা: এক কবরে একাধিক শহীদকে দাফন করা।

তৃতীয় উপ-শাখা: শহীদের কবর পুনরায় খনন করা।

চতুর্থ উপ-শাখা: দীর্ঘ সময় হিমঘরে শহীদকে রেখে দেওয়া।

পঞ্চম উপ-শাখা: মুজাহিদের নাম ও তার রক্তের গ্রুপ লিখে তা গলায় বা হাতে ঝুলিয়ে রাখা যাতে তাকে চেনা যায়।

তৃতীয় অধ্যায়: জাকাত, সিয়াম ও হজের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলী; এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: জাকাতের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলী; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের জাকাত গ্রহণ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের অনুপস্থিতিতে তার সম্পদ থেকে জাকাত প্রদান।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সিয়ামের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলী; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৪)
المطلب الأول: إفطار المجاهد في رمضان، وفيه ثلاثة فروع:

الفرع الأول: إفطار المجاهد المسافر للجهاد.

الفرع الثاني: إفطار المجاهد المقيم.

الفرع الثالث: إجبار المجاهد على الإفطار في رمضان.

المطلب الثاني: صوم الأسير إذا لم يعرف بدء الشهر.

المبحث الثالث: أحكام المجاهد في الحج، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: فضل الجهاد على الحج.

المطلب الثاني: ترك الجهاد للحج بأهله.

الفصل الرابع: أحكام المجاهد في باب الجهاد، وفيه ستة مباحث:

المبحث الأول: في خروج المجاهد للجهاد، وفيه سبعة مطالب.

المطلب الأول: إذن الإمام في خروجه للجهاد.

المطلب الثاني: إذن الوالدين في خروجه للجهاد.

المطلب الثالث: إذن الدائن في خروجه للجهاد.

المطلب الرابع: إذن القائد في الخروج من المعسكر.

المطلب الخامس: خروج المجاهد مع القائد الفاجر.

المطلب السادس: خروج النساء مع المجاهد.

المطلب السابع: خروج المجاهد بالقرآن إلى أرض العدو.

المبحث الثاني: أحكام المجاهد في مواجهة العدو، وفيه مطلبان.

المطلب الأول: ما قبل بدء المعركة والالتحام بالعدو وفيه ستة فروع:

الفرع الأول: دعوة العدو قبل القتال.

الفرع الثاني: الإنذار بالهجومِِِِِ.
প্রথম অনুচ্ছেদ: রমজানে মুজাহিদের ইফতার (রোজা ভঙ্গ করা), এবং এতে তিনটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: জিহাদের জন্য সফররত মুজাহিদের ইফতার।

দ্বিতীয় শাখা: মুকীম (অবস্থানরত) মুজাহিদের ইফতার।

তৃতীয় শাখা: রমজানে মুজাহিদকে ইফতার করতে বাধ্য করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বন্দীর রোজা যখন সে মাসের শুরু জানতে পারে না।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: হজের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: হজের ওপর জিহাদের শ্রেষ্ঠত্ব।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: পরিবার নিয়ে হজের উদ্দেশ্যে জিহাদ বর্জন করা।

চতুর্থ অধ্যায়: জিহাদ অধ্যায়ে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে ছয়টি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: জিহাদের উদ্দেশ্যে মুজাহিদের বহির্গমন প্রসঙ্গে, এবং এতে সাতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম অনুচ্ছেদ: জিহাদে বের হওয়ার ক্ষেত্রে ইমামের অনুমতি।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জিহাদে বের হওয়ার ক্ষেত্রে পিতা-মাতার অনুমতি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: জিহাদে বের হওয়ার ক্ষেত্রে পাওনাদারের অনুমতি।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: সামরিক ক্যাম্প থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে কমান্ডারের অনুমতি।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: পাপাচারী কমান্ডারের সাথে মুজাহিদের বের হওয়া।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের সাথে নারীদের বের হওয়া।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: শত্রুর ভূখণ্ডে মুজাহিদের কুরআন নিয়ে যাওয়া।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম অনুচ্ছেদ: যুদ্ধ শুরু এবং শত্রুর সাথে সংঘাতের পূর্ববর্তী বিষয়াদি, এবং এতে ছয়টি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: যুদ্ধের পূর্বে শত্রুকে দাওয়াত প্রদান।

দ্বিতীয় শাখা: আক্রমণের সতর্কতা প্রদান।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৫)
الفرع الثالث: معرفة مواقع العدو وقدارته عن طريق الاستطلاع للأخبار وإرسال العيون.

الفرع الرابع: تبييت العدو في الليل.

الفرع الخامس: الحرب النفسية والخديعة بالعدو، وفيه أربعة مسائل:

المسألة الأولى: الإعلام.

المسألة الثانية: إشاعة الفرقة وبث الرعب بين الأعداء.

المسألة الثالثة: إظهار القوة.

المسألة الرابعة: مخادعة العدو.

الفرع السادس: الاستعانة بالكفار في قتال العدو.

المطلب الثاني: في بدء المعركة والالتحام مع العدو، وفيه أحد عشر فرعا:

الفرع الأول: الدعاء والتكبير.

الفرع الثاني: علاقة القادة بالجند واتباع الخطط المرسومة.

الفرع الثالث: الفرار من الزحف.

الفرع الرابع: قتل المشارك في الحرب من العدو.

الفرع الخامس: قتل من لم يشارك في الحرب من العدو.

الفرع السادس: قتل المجاهد قريبه الكافر.

الفرع السابع: قتل العدو إذا تترسوا بالنساء والأطفال أو بأسرى الحرب من المسلمين.

الفرع الثامن: الاعتداء على أعراض العدو.

الفرع التاسع: المثلة بموتى العدو.

الفرع العاشر: إقحام المجاهد نفسه فيما يغلب على ظنه أن فيه الهلكة.

الفرع الحادي عشر: استسلام المجاهد للأسر.
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সংবাদ অনুসন্ধান এবং গোয়েন্দা প্রেরণের মাধ্যমে শত্রুর অবস্থান ও সক্ষমতা সম্পর্কে অবগত হওয়া।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: রাতে শত্রুর ওপর অতর্কিত আক্রমণ পরিচালনা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং শত্রুর সাথে প্রতারণা, আর এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: প্রচার মাধ্যম।

দ্বিতীয় মাসআলা: শত্রুদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়া।

তৃতীয় মাসআলা: শক্তি প্রদর্শন।

চতুর্থ মাসআলা: শত্রুকে প্রতারিত করা।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: শত্রু মোকাবিলায় কাফিরদের সাহায্য গ্রহণ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যুদ্ধ শুরু এবং শত্রুর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে, এতে এগারোটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: দুআ ও তাকবীর।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সৈন্যদের সাথে সেনাপতির সম্পর্ক এবং পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুসরণ করা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: রণক্ষেত্র থেকে পলায়ন।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: শত্রুপক্ষের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের হত্যা করা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: শত্রুপক্ষের যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি তাদের হত্যা করা।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের নিজ কাফির আত্মীয়কে হত্যা করা।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: শত্রু যখন নারী, শিশু অথবা মুসলিম যুদ্ধবন্দীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তখন তাদের হত্যা করা।

অষ্টম অনুচ্ছেদ: শত্রুর ইজ্জত-আব্রুর ওপর হস্তক্ষেপ করা।

নবম অনুচ্ছেদ: শত্রুর মৃতদেহ বিকৃত করা।

দশম অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের নিজেকে এমন বিপদে লিপ্ত করা যা তার প্রবল ধারণা অনুযায়ী ধ্বংসের কারণ হতে পারে।

একাদশ অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের বন্দিত্ব বরণ করা।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৬)
المبحث الثالث: فيما يستخدمه المجاهد من الأسلحة في مواجهة العدو، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: التحريق بالنار.

المطلب الثاني: التغريق بالماء.

المطلب الثالث: الرمي وفيه أربعة فروع.

الفرع الأول: الرمي بالمنجنيق.

الفرع الثاني: الرمي بالمدافع والدبابات والطائرات.

الفرع الثالث: الرمي بالسهام والنبال المسمومة.

الفرع الرابع: الرمي بالأسلحة ذات الدمار الشامل، وفيه مسألتان.

المسألة الأولى: الرمي بالأسلحة النووية.

المسألة الثانية: الرمي بالأسلحة الكيمائية والجرثومية.

المطلب الرابع: التحصينات لردع العدو، وفيه أربعة فروع.

الفرع الأول: حفر الخنادق.

الفرع الثاني: وضع الأسلاك الشائكة.

الفرع الثالث: زراعة الألغام.

الفرع الرابع: نصب الصواريخ.

المبحث الرابع: إتلاف المجاهد لأموال العدو، وفيه سبعة مطالب:

المطلب الأول: إتلاف مال العدو إذا خشي أن يسترده.

المطلب الثاني: إتلاف مال العدو إذا لم يخش استرداده.

المطلب الثالث: إحراق المدن والزرع وقطع الأشجار ونحو ذلك.

المطلب الرابع: إتلاف الكتب وفيه فرعان:
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: শত্রুর মোকাবিলায় মুজাহিদ যে সকল অস্ত্র ব্যবহার করবেন, এতে চারটি আলোচ্য বিষয় রয়েছে:

প্রথম আলোচ্য বিষয়: অগ্নি সংযোগের মাধ্যমে দহন করা।

দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয়: পানিতে ডুবিয়ে মারা।

তৃতীয় আলোচ্য বিষয়: নিক্ষেপ করা, এতে চারটি শাখা রয়েছে।

প্রথম শাখা: মানজানিক (পাথর নিক্ষেপক যন্ত্র) দিয়ে নিক্ষেপ করা।

দ্বিতীয় শাখা: কামান, ট্যাংক ও বিমান থেকে নিক্ষেপ করা।

তৃতীয় শাখা: তীর ও বিষাক্ত বাণ নিক্ষেপ করা।

চতুর্থ শাখা: ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র দ্বারা নিক্ষেপ করা, এতে দুটি মাসআলা রয়েছে।

প্রথম মাসআলা: পারমাণবিক অস্ত্র দ্বারা নিক্ষেপ করা।

দ্বিতীয় মাসআলা: রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্র দ্বারা নিক্ষেপ করা।

চতুর্থ আলোচ্য বিষয়: শত্রুকে প্রতিহত করার জন্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এতে চারটি শাখা রয়েছে।

প্রথম শাখা: পরিখা খনন করা।

দ্বিতীয় শাখা: কাঁটাতার স্থাপন করা।

তৃতীয় শাখা: মাইন স্থাপন করা।

চতুর্থ শাখা: ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: মুজাহিদ কর্তৃক শত্রুর সম্পদ বিনষ্ট করা, এতে সাতটি আলোচ্য বিষয় রয়েছে:

প্রথম আলোচ্য বিষয়: শত্রুর সম্পদ বিনষ্ট করা যখন তা শত্রুর পুনরায় হস্তগত করার আশঙ্কা থাকে।

দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয়: শত্রুর সম্পদ বিনষ্ট করা যখন তা পুনরায় হস্তগত করার আশঙ্কা থাকে না।

তৃতীয় আলোচ্য বিষয়: শহর ও শস্যক্ষেত্রে অগ্নিসংযোগ, বৃক্ষ নিধন এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিষয়।

চতুর্থ আলোচ্য বিষয়: কিতাবাদি বিনষ্ট করা, এতে দুটি শাখা রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৭)
الفرع الأول: إتلاف الكتب الضارة.

الفرع الثاني: إتلاف الكتب النافعة.

المطلب الخامس: قتل الحيوانات.

المطلب السادس: إراقة الخمور ونحو ذلك.

المطلب السابع: إتلاف سلاح العدو.

المبحث الخامس: في إطلاق المجاهد من الأسر، وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: فداء الأسرى.

المطلب الثاني: قتل أسرى العدو إذا قتلوا أسرى المسلمين.

المطلب الثالث: هرب المجاهد من الأسر بعد قتل العدو وأخذه ماله.

المطلب الرابع إذا أطلقه العدو على أن يبقى في ديارهم.

المطلب الخامس: إذا أطلقه العدو على أن ينفذ لهم في دار الإسلام ما يريدون وفيه فرعان.

الفرع الأول: إذا أطلقه العدو على أن يحمل له من بلاد الإسلام الفداء.

الفرع الثاني: إذا أطلقه العدو ليكون جاسوسًا لهم على المجاهدين.

المبحث السادس: في أحكام الغنيمة والفيء والنفل، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: في أحكام الغنيمة وفيه أربعة فروع:

الفرع الأول: الغلول في الغنيمة، وفيه ثلاث مسائل.

المسألة الأولى: المراد بالغلول.

المسألة الثانية: حكم الغلول.

المسألة الثالثة: عقوبة الغال.

الفرع الثاني: ما يجوز للمجاهد أخذه من الغنيمة قبل القسمة، وفيه أربعة مسائل:
প্রথম শাখা: ক্ষতিকর কিতাবসমূহ ধ্বংস করা।

দ্বিতীয় শাখা: উপকারী কিতাবসমূহ ধ্বংস করা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: পশুপাখি হত্যা করা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: মদ ও অনুরূপ বস্তু ঢেলে ফেলা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: শত্রুর অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস করা।

পঞ্চম আলোচনা: বন্দিদশা থেকে মুজাহিদকে মুক্ত করা প্রসঙ্গে, এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: বন্দিদের মুক্তিপণ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শত্রুপক্ষের বন্দিদের হত্যা করা যদি তারা মুসলিম বন্দিদের হত্যা করে।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: শত্রুকে হত্যা করার পর এবং তার সম্পদ গ্রহণ করার পর বন্দিদশা থেকে মুজাহিদের পলায়ন।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: শত্রু যদি তাকে তাদের ভূখণ্ডে অবস্থান করার শর্তে মুক্তি দেয়।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: শত্রু যদি তাকে এই শর্তে মুক্তি দেয় যে সে দারুল ইসলামে তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করবে, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে।

প্রথম শাখা: শত্রু যদি তাকে এই শর্তে মুক্তি দেয় যে সে মুসলিম দেশ থেকে তাদের জন্য মুক্তিপণ নিয়ে আসবে।

দ্বিতীয় শাখা: শত্রু যদি তাকে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করার জন্য মুক্তি দেয়।

ষষ্ঠ আলোচনা: গনিমত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ), ফাই ও নফল এর বিধান প্রসঙ্গে, এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: গনিমতের বিধান প্রসঙ্গে, এতে চারটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: গনিমতের মাল আত্মসাৎ করা, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে।

প্রথম মাসআলা: গনিমতের মাল আত্মসাতের অর্থ।

দ্বিতীয় মাসআলা: গনিমতের মাল আত্মসাৎ করার বিধান।

第三 মাসআলা: আত্মসাতকারীর শাস্তি।

দ্বিতীয় শাখা: বণ্টনের পূর্বে গনিমত থেকে মুজাহিদের জন্য যা গ্রহণ করা বৈধ, এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৮)
المسألة الأولى: استعمال سلاح العدو.

المسألة الثانية: الأكل بقدر الحاجة.

المسألة الثالثة: تموين المركوب في أرض العدو.

المسألة الرابعة: استعمال الأدوية للعلاج.

الفرع الثالث: قسمة الغنيمة قبل أن يكون للجند راتب من الدولة، وفيه ثلاث مسائل.

المسألة الأولى: تخميس الغنيمة.

المسألة الثانية: سهم الفارس.

المسألة الثالثة: سهم الراجل.

الفرع الرابع: قسمة الغنيمة بعد أن أصبح للجند راتب.

المطلب الثاني: في أحكام الفيء، وفيه فرعان:

الفرع الأول: حكم أخذ الفيء

الفرع الثاني: قسمة الفيء على الجنود في الماضي والحاضر.

المطلب الثالث: في أحكام النفل للمجاهد، وفيه ثلاثة فروع.

الفرع الأول: حكم النفل.

الفرع الثاني: فائدة النفل.

الفرع الثالث: النفل في الماضي والحاضر.

الباب الثاني

أحكام المجاهد في المعاملات، وفيه ثلاثة فصول:

الفصل الأول: أحكام المجاهد في البيع، وفيه ستة مباحث:

المبحث الأول: بيع المجاهد السلاح على العدو
প্রথম মাসআলা: শত্রুর অস্ত্র ব্যবহার করা।

দ্বিতীয় মাসআলা: প্রয়োজন অনুযায়ী আহার করা।

তৃতীয় মাসআলা: শত্রুর ভূখণ্ডে সওয়ারির রসদ যোগানো।

চতুর্থ মাসআলা: চিকিৎসার জন্য ঔষধ ব্যবহার করা।

তৃতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: সৈন্যদের রাষ্ট্রীয় বেতন নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে গনিমতের মাল বণ্টন, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে।

প্রথম মাসআলা: গনিমতের মালের খুমুস (পঞ্চমাংশ) করা।

দ্বিতীয় মাসআলা: অশ্বারোহীর অংশ।

তৃতীয় মাসআলা: পদাতিক সৈন্যের অংশ।

চতুর্থ উপ-অনুচ্ছেদ: সৈন্যদের বেতন নির্ধারিত হওয়ার পর গনিমতের মাল বণ্টন।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ফায়-এর বিধানাবলি প্রসঙ্গে, এতে দুটি উপ-অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: ফায় গ্রহণের বিধান

দ্বিতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: অতীতে ও বর্তমানে সৈন্যদের মাঝে ফায় বণ্টন।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: মুজাহিদের জন্য ‘নফল’-এর (অতিরিক্ত পুরস্কার) বিধানাবলি প্রসঙ্গে, এতে তিনটি উপ-অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: নফলের বিধান।

দ্বিতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: নফলের উপকারিতা।

তৃতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: অতীতে ও বর্তমানে নফল।

দ্বিতীয় অধ্যায়

লেনদেনের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে ছয়টি আলোচ্য বিষয় রয়েছে:

প্রথম আলোচ্য বিষয়: মুজাহিদ কর্তৃক শত্রুর নিকট অস্ত্র বিক্রয় করা
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ১৯)
المبحث الثاني: شراء المجاهد السلاح من العدو.

المبحث الثالث: شراء المجاهد ما يحتاجه من تجار العدو غير السلاح.

المبحث الرابع: التعامل بالربا بين المجاهد والحربي في أرض العدو.

المبحث الخامس: تصرف المجاهد ببيع شيء من الغنيمة.

المبحث السادس: بيع الحربي ولده على المجاهد في دار الحرب.

الفصل الثاني: أحكام المجاهد في الإجارة والجعالة والعارية واللقطة، وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: في الإجارة وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: أخذ الأجرة على الجهاد.

المطلب الثاني: استئجار من ينوب عنه في الجهاد.

المطلب الثالث: استئجار آلات الحرب.

المطلب الرابع: استئجار كافر لمساعدته.

المبحث الثاني: في الجعالة وفيه مطلبان:

المطلب الأول: أخذ الجعل على الجهاد.

المطلب الثاني: وقت استحقاق الجعل على الجهاد.

المبحث الثالث: استعارة المجاهد آلات الحرب.

المبحث الرابع: أخذ المجاهد لقطة دار الحرب.

الفصل الثالث: أحكام المجاهد في الرهن والضمان، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: رهن المجاهد سلاحه للعدو في شراء الطعام ونحوه.

المبحث الثاني: في الضمان وفيه مطلبان:

المطلب الأول: ضمان المجاهد السلاح المستعار إذا تلف.

المطلب الثاني: ضمان لقطة دار الحرب.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শত্রুর নিকট থেকে মুজাহিদের অস্ত্র ক্রয়।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: শত্রুপক্ষের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মুজাহিদের প্রয়োজনীয় (অস্ত্র ব্যতীত) অন্যান্য দ্রব্যাদি ক্রয়।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: শত্রুর ভূখণ্ডে মুজাহিদ ও হারবির মধ্যে সুদি কারবার।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: গনিমতের কোনো কিছু বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধিবিধান।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: দারুল হারবে হারবি কর্তৃক মুজাহিদের নিকট তার সন্তান বিক্রয়।

দ্বিতীয় অধ্যায়: ইজারা (মজুরি), জুআলাহ (পুরস্কার), আরিয়াত (ধার) ও লুকাতাহ (কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু) সংক্রান্ত মুজাহিদের বিধানাবলি; এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইজারা প্রসঙ্গে, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: জিহাদের বিনিময়ে মজুরি গ্রহণ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জিহাদে নিজের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য কাউকে ভাড়ায় নিযুক্ত করা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: যুদ্ধের সরঞ্জাম ভাড়ায় গ্রহণ।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: সাহায্যের জন্য কোনো কাফিরকে ভাড়ায় নিযুক্ত করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জুআলাহ (পুরস্কার) প্রসঙ্গে, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: জিহাদের বিনিময়ে পুরস্কার গ্রহণ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জিহাদের পুরস্কার লাভের যোগ্য হওয়ার সময়।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের যুদ্ধের সরঞ্জাম ধার নেওয়া।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: দারুল হারবে মুজাহিদের কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু গ্রহণ।

তৃতীয় অধ্যায়: বন্ধক ও জামানত (ক্ষতিপূরণ) সংক্রান্ত মুজাহিদের বিধানাবলি; এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: খাদ্যদ্রব্য বা অনুরূপ কিছু ক্রয়ের জন্য শত্রুর নিকট মুজাহিদের অস্ত্র বন্ধক রাখা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জামানত (ক্ষতিপূরণ) প্রসঙ্গে, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ধারকৃত অস্ত্র নষ্ট হয়ে গেলে মুজাহিদের দায়বদ্ধতা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: দারুল হারবে কুড়িয়ে পাওয়া বস্তুর ক্ষতিপূরণ প্রদানের দায়বদ্ধতা।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২০)
الباب الثالث

أحكام المجاهد في فقه الأسرة، وفيه أربعة فصول:

الفصل الأول: أحكام المجاهد في الوقف والهبة والوصية والميراث، وفيه ثلاثة مباحث:

المبحث الأول: في الوقف، وفيه مطلبان.

المطلب الأول: وقف المجاهد ماله على المجاهدين في سبيل الله.

المطلب الثاني: نفقة الفرس الموقوف على الجهاد في سبيل الله.

المبحث الثاني: قبول المجاهد الهبة على الجهاد.

المبحث الثالث: في الوصية والميراث، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: في الوصية وفيه فرعان:

الفرع الأول: وصية المجاهد قبل الخروج للجهاد.

الفرع الثاني: الوصية للمجاهد.

المطلب الثاني: في الميراث وفيه فرعان:

الفرع الأول: قسمة مال المفقود في المعركة.

الفرع الثاني: إرث المفقود قبل حكم الحاكم بموته.

الفصل الثاني: أحكام المجاهد في النكاح، وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: نكاح المجاهد في دار الحرب.

المبحث الثاني: نكاح الأسير في الأسر.

المبحث الثالث: وطء الأسير زوجته أو أمته في أرض العدو.

المبحث الرابع: أطول مدة يغيب فيها المجاهد عن زوجته.
তৃতীয় অধ্যায়

পারিবারিক ফিকহে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এতে রয়েছে চারটি পরিচ্ছেদ:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ওয়াকফ, হেবা, অসিয়ত ও উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এতে রয়েছে তিনটি অনুচ্ছেদ:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ওয়াকফ প্রসঙ্গে, এতে রয়েছে দুটি উপ-অনুচ্ছেদ।

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের জন্য মুজাহিদের নিজ সম্পদ ওয়াকফ করা।

দ্বিতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ওয়াকফকৃত ঘোড়ার ভরণপোষণ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জিহাদের উদ্দেশ্যে মুজাহিদের হেবা (দান) গ্রহণ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: অসিয়ত ও উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে, এতে রয়েছে দুটি উপ-অনুচ্ছেদ:

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: অসিয়ত প্রসঙ্গে, এতে রয়েছে দুটি শাখা:

প্রথম শাখা: জিহাদে বের হওয়ার আগে মুজাহিদের অসিয়ত।

দ্বিতীয় শাখা: মুজাহিদের অনুকূলে অসিয়ত।

দ্বিতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে, এতে রয়েছে দুটি শাখা:

প্রথম শাখা: রণক্ষেত্রে নিখোঁজ ব্যক্তির সম্পদ বণ্টন।

দ্বিতীয় শাখা: বিচারক কর্তৃক নিখোঁজ ব্যক্তির মৃত্যুর ফয়সালা প্রদানের পূর্বে তার উত্তরাধিকার।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়ে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এতে রয়েছে চারটি অনুচ্ছেদ:

প্রথম অনুচ্ছেদ: দারুল হারবে মুজাহিদের বিবাহ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বন্দিদশায় বন্দির বিবাহ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: শত্রুর ভূখণ্ডে বন্দি কর্তৃক তার স্ত্রী বা দাসীর সাথে সহবাস।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: মুজাহিদ তার স্ত্রী থেকে সর্বোচ্চ যে সময় পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকতে পারে।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২১)
الفصل الثالث: أحكام المجاهد في الإيلاء والرجعة وفيه مبحثان:

المبحث الأول: في الإيلاء وفيه مطلبان:

المطلب الأول: مدة الإيلاء.

المطلب الثاني: آلى من زوجته ثم خرج للجهاد ولم يفيء حتى انتهت مدة الإيلاء.

المبحث الثاني: في الرجعة، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: مراجعة المجاهد زوجته وهو في المعركة.

المطلب الثاني: إذا لم تعلم الزوجة بمراجعته لها فاعتدت ثم تزوجت.

الفصل الرابع: في أحكام المجاهد في العدة والنفقات، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: في العدة، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: عدة زوجة المجاهد إذا قتل في سبيل الله.

المطلب الثاني: عدة زوجة المجاهد إذا فقد في المعركة، وفيه فرعان:

الفرع الأول: مدة الانتظار قبل أن تعتد.

الفرع الثاني: عدة زوجة المجاهد بعد مدة الانتظار.

المبحث الثاني: في النفقات وفيه مطلبان.

المطلب الأول: في نفقة زوجة المجاهد ونفقة أولاده.

المطلب الثاني: فضل كفالة أولاد المجاهد وزوجته.

الباب الرابع

أحكام المجاهد في الجنايات والديات والحدود والقضاء، وفيه فصلان:

الفصل الأول: أحكام المجاهد في الجنايات والديات والحدود، وفيه ثلاثة مباحث:

المبحث الأول: أحكام المجاهد في الجنايات، وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: أحكام المجاهد في القصاص وفيه فرعان:
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ঈলা এবং রাজআ'র (স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনা) ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ঈলা প্রসঙ্গে, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে:

প্রথম বিষয়: ঈলার সময়সীমা।

দ্বিতীয় বিষয়: যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ঈলা করেছে, অতঃপর জিহাদে বের হয়েছে এবং ঈলার সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফিরে আসেনি।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: রাজআ' (স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়া) প্রসঙ্গে, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে:

প্রথম বিষয়: মুজাহিদ কর্তৃক রণক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়া।

দ্বিতীয় বিষয়: স্ত্রী যদি তাকে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি না জানে এবং ইদ্দত পালন শেষে পুনরায় বিবাহ করে।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইদ্দত এবং ভরণপোষণের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইদ্দত প্রসঙ্গে, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে:

প্রথম বিষয়: আল্লাহর পথে জিহাদে মুজাহিদ শহীদ হলে তার স্ত্রীর ইদ্দত।

দ্বিতীয় বিষয়: মুজাহিদ রণক্ষেত্রে নিখোঁজ হলে তার স্ত্রীর ইদ্দত, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: ইদ্দত পালনের পূর্বে অপেক্ষার সময়সীমা।

দ্বিতীয় শাখা: অপেক্ষার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মুজাহিদের স্ত্রীর ইদ্দত।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভরণপোষণ প্রসঙ্গে, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে।

প্রথম বিষয়: মুজাহিদের স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণ প্রসঙ্গে।

দ্বিতীয় বিষয়: মুজাহিদের সন্তান ও স্ত্রীর তত্ত্বাবধানের মর্যাদা।

চতুর্থ অধ্যায়

অপরাধ, রক্তপণ, দণ্ডবিধি এবং বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: অপরাধ, রক্তপণ এবং দণ্ডবিধির ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: অপরাধের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে পাঁচটি বিষয় রয়েছে:

প্রথম বিষয়: কিসাসের ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানসমূহ, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২২)
الفرع الأول: القصاص من المجاهد في النفس.

الفرع الثاني: القصاص من المجاهد فيما دون النفس.

المطلب الثاني: قتل المجاهد نفسه في المعركة.

المطلب الثالث: قتل المجاهد نفسه في الأسر.

المبحث الثاني: في أحكام المجاهد في الديات، وفيه أربعة مطالب.

المطلب الأول: في دية الشهيد.

المطلب الثاني: دية المقتول خطأ في المعركة.

المطلب الثالث: ضمان المجاهد قتل من تترس به العدو من المسلمين.

المطلب الرابع: ضمان المجاهد من قتله خطأ أو عمدا من لا يجوز له قتلهم من العدو.

المبحث الثالث: في أحكام المجاهد في الحدود، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: إقامة الحدود على المجاهد في أرض العدو.

المطلب الثاني: إقامة الحدود على المجاهد في الثغور.

الفصل الثاني: أحكام المجاهد في القضاء، وفيه خمسة مباحث:

المبحث الأول: خروج القاضي للجهاد.

المبحث الثاني: مطالبة المجاهد بالدين الحال.

المبحث الثالث: مطالبة المرأة له بالطلاق.

المبحث الرابع: قبول شهادة المجاهد على غير المجاهد.

المبحث الخامس: قبول شهادة المجاهدين بعضهم لبعض.

الخاتمة: وتشمل:

1- أهم نتائج البحث. … 2- الفهارس.
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: প্রাণের ক্ষেত্রে মুজাহিদের নিকট থেকে কিসাস গ্রহণ।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: প্রাণ অপেক্ষা কম (জখম) এর ক্ষেত্রে মুজাহিদের নিকট থেকে কিসাস গ্রহণ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: যুদ্ধক্ষেত্রে মুজাহিদের নিজের প্রাণ সংহার করা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: বন্দি অবস্থায় মুজাহিদের নিজের প্রাণ সংহার করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: দিয়াতের (রক্তপণ) ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম অনুচ্ছেদ: শহীদের দিয়াতের বর্ণনায়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: যুদ্ধক্ষেত্রে ভুলবশত নিহত ব্যক্তির দিয়াত।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: শত্রু পক্ষ যে মুসলিমদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে তাদের হত্যার ক্ষেত্রে মুজাহিদের দায়বদ্ধতা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: শত্রু পক্ষের যাদের হত্যা করা বৈধ নয়, তাদের ভুলবশত বা ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার ক্ষেত্রে মুজাহিদের দায়বদ্ধতা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: হদ বা নির্ধারিত দণ্ডবিধির ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: শত্রু ভূখণ্ডে মুজাহিদের ওপর হদ কার্যকর করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সীমান্ত এলাকায় মুজাহিদের ওপর হদ কার্যকর করা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে মুজাহিদের বিধানাবলি, এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: বিচারকের জিহাদে গমন।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের নিকট তাৎক্ষণিক ঋণ পরিশোধের দাবি করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: স্ত্রীর পক্ষ থেকে মুজাহিদের নিকট তালাক প্রার্থনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: অ-মুজাহিদের বিপক্ষে মুজাহিদের সাক্ষ্য গ্রহণ।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: মুজাহিদদের একে অপরের সপক্ষে সাক্ষ্য গ্রহণ।

উপসংহার: এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

১- গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলসমূহ। … ২- নির্ঘণ্টসমূহ।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৩)
هذا وحسبي أني بذلت غاية جهدي في إخراج هذا البحث على الوجه الذي رجوت فيه السداد والصواب من الله عز وجل ما استطعت، مع العلم بأن الكمال لا يكون إلا لله وحده، والخطأ والنقص والتقصير من طبيعة البشر، فلا يمكن الكمال وما كتب أحد كتابا في يومه إلا رأى في غده أنه لو قدم أو أخر أو زاد أو نقص لكان أفضل.

فما كان من توفيق في هذا البحث إلى الصواب فهو من الله وحده، وما كان من خطأ ونقص وتقصير فهو مني ومن الشيطان، واستغفر الله وأتوب إليه من خطئي وتقصيري وأسأله إخلاص النية في القول والعمل في السر والعلن.

ثم إني هنا بعد شكر الله عز وجل، أتقدم بالشكر الجزيل وخالص التقدير وخالص الدعاء لشيخي وأستاذي الوالد الفاضل الدكتور/ عبد الرحمن بن عبد الله الدرويش، حفظه الله ورعاه، الذي أشرف على هذه الرسالة، فنلت من بحر علمه وسديد توجيهاته، ونقده الهادف المبني على العلم والدراية ما كان خير معين لي، بعد توفيق الله، في إخراج هذا البحث بهذه الصورة مع ما أسبغه عليَّ من جميل أخلاقه، وحسن مقابلته، وسعة صدره، وحلمه، فجزاه الله عني وعن جميع طلبة العلم وعن جميع المسلمين خير الجزاء، وأجزل له الأجر والمثوبة، والشكر موصول لجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية ممثلة في المعهد العالي للقضاء، هذا الصرح الشامخ الذي تخرج منه جهابذة العلم والفقه والقضاء والسياسة، وأخص بالشكر عميده ووكيله ورئيس قسم الفقه المقارن وجميع أعضاء هيئة التدريس بالمعهد الذين يولون العلم وأهله جل اهتمامهم ووقتهم وجهدهم.

ولا يفوتني هنا أن أشكر وزارة المعارف ممثلة في كلية المعلمين في أبها التي منحتني الفرصة لمواصلة دراستي العليا فجزاهم الله خير الجزاء.

ثم إني أشكر لجنة المناقشة التي تكرمت بدراسة الرسالة ومناقشتها وإبداء الملاحظات القيمة التي ستؤخذ بعين الاعتبار، وهما فضيلة الأستاذ الدكتور عبد الله بن محمد المطلق، وفضيلة الدكتور محمد فضل المراد، فجزاهما الله خير الجزاء.

والحمد لله رب العالمين وصلى الله على نبينا الأمين وعلى آله وصحبه أجمعين.

المؤلف/

د. مرعي بن عبد الله الشهري
এটাই এবং আমার জন্য এতটুকু জানাই যথেষ্ট যে, আমি আমার সাধ্যমতো এই গবেষণাকে এমন এক রূপে উপস্থাপন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে আমি মহান আল্লাহর কাছে সঠিকতা ও নির্ভুলতা কামনা করেছি, এ কথা জেনে যে পূর্ণতা কেবল এককভাবে আল্লাহর জন্যই নির্দিষ্ট, আর ভুল, ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। তাই পূর্ণতা সম্ভব নয় এবং কেউ আজ কোনো বই লিখলে আগামীকালই সে দেখতে পায় যে যদি সে কিছু আগে-পিছে করত অথবা বৃদ্ধি বা হ্রাস করত তবে তা আরও উত্তম হতো।

সুতরাং এই গবেষণায় সঠিকতা অর্জনে যা কিছু তৌফিক হয়েছে তা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যা কিছু ভুল, ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা হয়েছে তা আমার নিজের পক্ষ থেকে এবং শয়তানের পক্ষ থেকে। আমি আমার ভুল ও ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছে তওবা করছি। আমি তাঁর কাছে কথা ও কাজে, গোপনে ও প্রকাশ্যে নিয়তের একনিষ্ঠতা প্রার্থনা করছি।

অতঃপর আমি এখানে মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের পর, আমার শায়খ ও উস্তাদ শ্রদ্ধেয় পিতা ডক্টর আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আদ-দারউইশ (আল্লাহ তাঁকে হেফাজত ও রক্ষা করুন)-এর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং নিরেট দোয়া পেশ করছি, যিনি এই অভিসন্দর্ভটির তত্ত্বাবধান করেছেন। তাঁর জ্ঞানের সমুদ্র, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং জ্ঞান ও প্রজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে তাঁর গঠনমূলক সমালোচনা থেকে আমি যা কিছু অর্জন করেছি, তা আল্লাহর তৌফিকের পর এই গবেষণাকে এই রূপে প্রকাশ করতে আমার জন্য সর্বোত্তম সহায়ক ছিল। সাথে সাথে তাঁর সুন্দর চরিত্র, অমায়িক ব্যবহার, উদারতা ও সহনশীলতা যা তিনি আমার প্রতি প্রদর্শন করেছেন তার জন্যও আমি কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তাঁকে আমার পক্ষ থেকে, সমস্ত ইলম অন্বেষণকারী এবং সকল মুসলিমের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তাঁকে প্রচুর সওয়াব ও পুরস্কারে ভূষিত করুন। আর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে, বিশেষ করে উচ্চতর বিচার বিভাগীয় ইনস্টিটিউটকে, যা একটি সুউচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং যেখান থেকে ইলম, ফিকহ, বিচার ব্যবস্থা ও রাজনীতির দিকপালগণ শিক্ষা সমাপন করেছেন। আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এর ডিন, ডেপুটি ডিন, তুলনামূলক ফিকহ বিভাগের প্রধান এবং ইনস্টিটিউটের সকল শিক্ষক মণ্ডলীর প্রতি, যারা ইলম এবং এর ধারক-বাহকদের প্রতি তাদের পূর্ণ মনোযোগ, সময় এবং শ্রম উৎসর্গ করেন।

আর আমি এখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা আবহার শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলছি না, যারা আমাকে উচ্চতর শিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আল্লাহ তাদের সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।

অতঃপর আমি সেই পরীক্ষক কমিটিকে ধন্যবাদ জানাই যারা মেহেরবানি করে এই অভিসন্দর্ভটি অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করেছেন এবং মূল্যবান মন্তব্য প্রদান করেছেন যা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। তাঁরা হলেন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক ডক্টর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-মুতলাক এবং শ্রদ্ধেয় ডক্টর মুহাম্মদ ফদল আল-মুরাদ। আল্লাহ তাঁদের উভয়কে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক আমাদের বিশ্বস্ত নবী, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর।

লেখক/

ডক্টর মারঈ বিন আবদুল্লাহ আশ-শেহরী
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌تمهيد

ويشتمل على خمسة مباحث:

المبحث الأول: تعريف الجهاد، وبيان أنواعه.

المبحث الثاني: مشروعية الجهاد بالنفس في سبيل الله، ومراحله.

المبحث الثالث: فضل الجهاد والمجاهدين في سبيل الله.

المبحث الرابع: هدف الجهاد بالنفس في سبيل الله.

المبحث الخامس: التعريف بالمجاهد، وشروطه وحكم الجهاد في حقه.
ভূমিকা

এটি পাঁচটি পরিচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:

প্রথম পরিচ্ছেদ: জিহাদের সংজ্ঞা এবং এর প্রকারসমূহের বর্ণনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জীবন দিয়ে জিহাদ করার বিধান এবং এর স্তরসমূহ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জিহাদ এবং মুজাহিদদের মর্যাদা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জীবন দিয়ে জিহাদ করার উদ্দেশ্য।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: মুজাহিদের পরিচয়, তার শর্তাবলি এবং তার ক্ষেত্রে জিহাদের বিধান।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌المبحث الأول

تعريف الجهاد، وبيان أنواعه

وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تعريف الجهاد.

المطلب الثاني: بيان أنواعه.
প্রথম পরিচ্ছেদ

জিহাদের সংজ্ঞা এবং এর প্রকারভেদের বর্ণনা

এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: জিহাদের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এর প্রকারভেদের বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌المطلب الأول

تعريف الجهاد

أولا: تعريفه في اللغة:

الجهاد: مصدر جاهد جهاد ومجاهدة، قاتل العدو وجاهد في سبيل الله، وهو من الجهد، أي: المشقة والطاقة.

يقال: أجهد دابته إذا حمل عليها في السير فوق طاقتها.

والجهد - بالضم- الوسع والطاقة (1) .

ففي الجهاد مشقة، وتعب ومبالغة في بذل الوسع في قتال الكفار أو غيرهم، فهو عام يشمل الأقوال والأفعال.

جاء في لسان العرب: (الجهاد: المبالغة واستفراغ الوسع في الحرب، أو اللسان أو ما أطاق من شيء) (2) .

ثانيا: عند الفقهاء:

عرفه الحنفية بأنه: بذل الوسع والطاقة بالقتال في سبيل الله عز وجل بالنفس، والمال، واللسان، أو غير ذلك، أو المبالغة في ذلك (3) .

أو بأنه: الدعاء إلى الدين الحق، وقتال من لم يقبله (4) .

--------------------------------------------

(1) «لسان العرب» لابن منظور (3/134) مادة (جهد) و «المحيط» في اللغة لابن عباد (3/369) و «المصباح المنير» للفيومي ص 112 مادة (جهد) .

(2) «لسان العرب» (3/135) مادة (جهد) .

(3) «بدائع الصنائع» للكاساني (6/57) .

(4) «اللباب في شرح الكتاب» لعبد الغني الميداني (/114) و «تحفة الفقهاء» لعلاء الدين السمرقندي (3/293) .
প্রথম পরিচ্ছেদ

জিহাদের সংজ্ঞা

প্রথমত: আভিধানিক সংজ্ঞা:

জিহাদ: এটি জাহিদা, জিহাদ ও মুজাহাদাহ শব্দের মাসদার বা ক্রিয়ামূল; এর অর্থ শত্রুর সাথে লড়াই করা এবং আল্লাহর পথে সংগ্রাম করা। এটি 'জুহদ' শব্দ থেকে গৃহীত, যার অর্থ: কষ্ট ও সক্ষমতা।

বলা হয়: 'সে তার পশুকে ক্লান্ত করে ফেলেছে', যখন সে তার ওপর ভ্রমণে তার ক্ষমতার অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেয়।

আর জুহদ —পেশ যোগে— অর্থ হলো সাধ্য ও সক্ষমতা (১)।

সুতরাং জিহাদের মধ্যে কষ্ট, ক্লান্তি এবং কাফের বা অন্যদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাধ্যমতো প্রচেষ্টা ব্যয়ের আধিক্য বিদ্যমান। এটি একটি ব্যাপক পরিভাষা যা কথা ও কাজ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।

'লিসানুল আরব' গ্রন্থে এসেছে: (জিহাদ হলো: যুদ্ধে, অথবা জিহ্বায় অথবা কোনো বিষয়ে সাধ্যানুযায়ী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ও শক্তি ব্যয় করা) (২)।

দ্বিতীয়ত: ফকীহগণের নিকট:

হানাফীগণ এর সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে: জান, মাল, জিহ্বা বা অন্য কিছুর মাধ্যমে মহান আল্লাহর পথে লড়াইয়ে নিজের সাধ্য ও সক্ষমতা বিলিয়ে দেওয়া, অথবা এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালানো (৩)।

অথবা এভাবে: সত্য দ্বীনের দিকে আহ্বান করা এবং যে তা গ্রহণ করে না তার বিরুদ্ধে লড়াই করা (৪)।

--------------------------------------------

(১) ইবনে মনজুরের ‘লিসানুল আরব’ (৩/১৩৪), মূলশব্দ: (জহদ); ইবনে আব্বাদের ‘আল-মুহিত ফিল লুগাহ’ (৩/৩৬৯) এবং আল-ফাইয়ুমির ‘আল-মিসবাহুল মুনির’, পৃষ্ঠা ১১২, মূলশব্দ: (জহদ)।

(২) ‘লিসানুল আরব’ (৩/১৩৫), মূলশব্দ: (জহদ)।

(৩) আল-কাসানির ‘বাদায়েউস সানায়ে’ (৬/৫৭)।

(৪) আব্দুল গনি আল-মাইদানির ‘আল-লুবাব ফি শারহিল কিতাব’ (১/১১৪) এবং আলাউদ্দিন আস-সামারকান্দির ‘তুহফাতুল ফুকাহা’ (৩/২৯৩)।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৭)
وعرفه المالكية بأنه: قتال مسلم كافرا غير ذي عهد، لإعلاء كلمة الله تعالى، أو حضوره له، أو دخوله أرضه (1) .

وعرفه الشافعية، والحنابلة بأنه: بذل الجهد في قتال الكفار (2) .

ونخلص من هذه التعريفات إلى أن الجهاد يأتي بمعنيين:

الأول: معنى عام يشمل قتال الكفار بالنفس والمال واللسان، وغير ذلك كما عرفه به الحنفية استنادا على المعنى اللغوي للجهاد، وما جاء في بعض النصوص الشرعية من إطلاق الجهاد على غير قتال الكفار بالنفس كقوله صلى الله عليه وسلم «المجاهد من جاهد نفسه في طاعة الله (3) » «جاهدوا المشركين بأموالكم وأنفسكم وألسنتكم» (4) .

--------------------------------------------

(1) «بلغة السالك» للصاوي (1/354) ومعنى حضوره له أي: حضوره القتال، أو دخوله أرضه، أي: أرض الكفار.

(2) «فتح الباري شرح صحيح البخاري» لابن حجر (6/3) والمهذب للشيرازي مع تكملة المجموع (21/121) و «شرح منتهى الإرادات» لمنصور البهوتي (1/617) والروض المربع للبهوتي ص (295) .

(3) أخرجه الإمام أحمد في المسند (مسند فضالة بن عبيد) ح رقم (23840) وصححه ابن حبان، انظر: «الإحسان بترتيب صحيح ابن حبان» ، «باب الهجرة» ، ح رقم (4842) وصححه الحاكم في «المستدرك» كتاب الإيمان، ح رقم (24) وسكت عنه الذهبي في التلخيص بهامش المستدرك وصححه الألباني: أنظر سلسلة الأحاديث الصحيحة، ح رقم (549) .

(4) أخرجه أبو داود في سننه، «كتاب الجهاد» باب كراهية ترك الغزو، ح رقم (2504) والنسائي في سننه مع شرح السيوطي، كتاب الجهاد، باب وجوب الجهاد، ح رقم … (3096) والإمام أحمد في «المسند» (10/398) ح رقم (12186) وأخرجه الدارمي في سننه، كتاب الجهاد باب في جهاد المشركين باللسان واليد (2/213) والحاكم في «المستدرك» ، كتاب الجهاد، ح رقم (2427) وقال: هذا حديث صحيح على شرط مسلم ولم يخرجاه، ووافقه الذهبي. انظر التلخيص بهامش المستدرك (2/91) وصححه ابن حبان. انظر: «الإحسان بترتيب صحيح ابن حبان» ، باب الجهاد، ح رقم (4688) .
মালিকীগণ এর সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে যে: মহান আল্লাহর বাণীকে সমুন্নত করার জন্য কোনো মুসলিমের এমন কাফিরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যার সাথে কোনো নিরাপত্তা চুক্তি নেই, অথবা যুদ্ধে উপস্থিত হওয়া, কিংবা তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করা (১)।

শাফিঈ এবং হাম্বলীগণ এর সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে যে: কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রচেষ্টা ব্যয় করা (২)।

এই সংজ্ঞাগুলো থেকে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, জিহাদ দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়:

প্রথম: সাধারণ অর্থ, যা কাফিরদের বিরুদ্ধে জান, মাল, জবান এবং অন্যান্য কিছুর মাধ্যমে যুদ্ধ করাকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেমনটি হানাফীগণ জিহাদের শাব্দিক অর্থের ওপর ভিত্তি করে এর সংজ্ঞা দিয়েছেন। এছাড়া কিছু শরয়ী দলিলে জানের মাধ্যমে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে জিহাদ শব্দের প্রয়োগ এসেছে, যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী: «মুজাহিদ সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর আনুগত্যে নিজের নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করে (৩)» এবং «তোমরা তোমাদের সম্পদ, প্রাণ ও জবানের মাধ্যমে মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করো» (৪)।

--------------------------------------------

(১) সাভী রচিত «বুলগাতুস সালিক» (১/৩৫৪), আর ‘যুদ্ধে তার উপস্থিত হওয়া’ এর অর্থ হলো: যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা, অথবা ‘তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করা’ অর্থাৎ: কাফিরদের ভূখণ্ডে।

(২) ইবনে হাজার রচিত «ফাতহুল বারী শারহু সহীহিল বুখারী» (৬/৩) এবং আশ-শিরাজী রচিত «আল-মুহাজ্জাব» সাথে «তাকমিলাতুল মাজমূ’» (২১/১২১) এবং মানসূর আল-বাহূতী রচিত «শারহু মুনতাহাল ইরাদাত» (১/৬১৭) এবং আল-বাহূতী রচিত «আর-রাওদুল মুরবি’» পৃ. (২৯৫)।

(৩) ইমাম আহমাদ এটি মুসনাদে (মুসনাদে ফাদালা বিন উবাইদ) বর্ণনা করেছেন, হাদীস নং (২৩৮৪০) এবং ইবনে হিব্বান একে সহীহ বলেছেন, দেখুন: «আল-ইহসান বি তারতীবি সহীহি ইবনি হিব্বান», «হিজরত অধ্যায়», হাদীস নং (৪৮৪২) এবং হাকেম এটি «আল-মুস্তাদরাক» ঈমান অধ্যায়ে সহীহ বলেছেন, হাদীস নং (২৪), আর যাহাবী মুস্তাদরাকের টীকা আত-তালখীস-এ এ বিষয়ে নীরবতা অবলম্বন করেছেন এবং আলবানী একে সহীহ বলেছেন: দেখুন সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সহীহা, হাদীস নং (৫৪৯)।

(৪) আবু দাউদ তাঁর সুনানে বর্ণনা করেছেন, «জিহাদ অধ্যায়» যুদ্ধ ত্যাগ করার অপছন্দনীয়তা অনুচ্ছেদ, হাদীস নং (২৫০৪) এবং নাসাঈ তাঁর সুনানে সুয়ূতী-র ব্যাখ্যাসহ বর্ণনা করেছেন, জিহাদ অধ্যায়, জিহাদ ওয়াজিব হওয়া অনুচ্ছেদ, হাদীস নং … (৩০৯৬) এবং ইমাম আহমাদ «মুসনাদে» (১০/৩৯৮) হাদীস নং (১২১৮৬) এবং দারেমী তাঁর সুনানে বর্ণনা করেছেন, জিহাদ অধ্যায়, জবান ও হাত দিয়ে মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ অনুচ্ছেদ (২/২১৩) এবং হাকেম তাঁর «আল-মুস্তাদরাক»-এ বর্ণনা করেছেন, জিহাদ অধ্যায়, হাদীস নং (২৪২৭) এবং তিনি বলেছেন: এটি মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ হাদীস তবে তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি, এবং যাহাবী তাঁর সাথে একমত হয়েছেন। দেখুন মুস্তাদরাকের টীকা আত-তালখীস (২/৯১) এবং ইবনে হিব্বান একে সহীহ বলেছেন। দেখুন: «আল-ইহসান বি তারতীবি সহীহি ইবনি হিব্বান», জিহাদ অধ্যায়, হাদীস নং (৪৬৮৮)।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৮)
الثاني: معنى خاص وهو: قتال الكفار بالنفس وهذا ما عرفه به الجمهور، وهذا المعنى للجهاد هو المراد عند الإطلاق ولا ينصرف إلى غير قتال الكفار بالنفس إلا بقرينة.

جاء في المقدمات الممهدات: (فكل من أتعب نفسه في ذات الله فقد جاهد في سبيله، إلا أن الجهاد في سبيل الله إذا أطلق فلا يقع إلا على مجاهدة الكفار بالسيف حتى يدخلوا في الإسلام، أو يعطوا الجزية عن يد وهم صاغرون) (1) . وهذا المعنى الخاص هو الذي يدور عليه بحثنا إن شاء الله.

‌‌المطلب الثاني

أنواع الجهاد

من خلال تعريف الجهاد في اللغة وعند الفقهاء اتضح أن الجهاد بالمعنى العام يشمل عدة أنواع حصرها بعض العلماء في أربعة أنواع (2) :

النوع الأول: جهاد النفس:

وهو: أن يجاهد النفس على تعلم أمور الدين وعلى العمل بما تعلم، ثم الدعوة إليه، والصبر على مشاق الدعوة.

--------------------------------------------

(1) «المقدمات الممهدات» لابن رشد (1/342) .

(2) «زاد المعاد» لابن القيم (3/9-11) «وفتح الباري» (6/3) و «حاشية الروض المربع» لابن قاسم النجدي (4/253) .
দ্বিতীয়ত: বিশেষ অর্থ, আর তা হলো: সরাসরি যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করা। জমহুর (অধিকাংশ আলেম) একে এভাবেই সংজ্ঞায়িত করেছেন। জিহাদের এই অর্থটিই নিঃশর্ত ব্যবহারের সময় উদ্দেশ্য থাকে এবং কোনো প্রমাণ (কারিনা) ছাড়া সরাসরি লড়াই ব্যতীত অন্য কোনো অর্থে এটি ব্যবহৃত হয় না।

‘আল-মুকাদ্দামাতুল মুমাহহাদাত’-এ এসেছে: (যে ব্যক্তিই আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে নিজেকে পরিশ্রান্ত করে, সে তাঁর পথেই জিহাদ করেছে। তবে আল্লাহর পথে জিহাদ শব্দটি যখন নিঃশর্তভাবে ব্যবহৃত হয়, তখন তা তলোয়ারের মাধ্যমে কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছাড়া অন্য কিছুর ওপর প্রযুক্ত হয় না—যতক্ষণ না তারা ইসলাম গ্রহণ করে অথবা বশ্যতা স্বীকার করে নিজ হাতে জিজিয়া প্রদান করে।) (১)। আর এই বিশেষ অর্থটিকে কেন্দ্র করেই আমাদের আলোচনা আবর্তিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

‌‌দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

জিহাদের প্রকারভেদ

আভিধানিক এবং ফকিহগণের দেওয়া জিহাদের সংজ্ঞা থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, ব্যাপক অর্থে জিহাদ বেশ কয়েকটি প্রকারকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা কিছু আলেম চারটি প্রকারে সীমাবদ্ধ করেছেন (২):

প্রথম প্রকার: নফসের (প্রবৃত্তির) বিরুদ্ধে জিহাদ:

আর তা হলো: দ্বীনের বিষয়াবলি শিক্ষা করা, যা শিখেছে সে অনুযায়ী আমল করা, এরপর সেই দিকে দাওয়াত দেওয়া এবং দাওয়াতের কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণ করার ক্ষেত্রে নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করা।

--------------------------------------------

(১) ইবনে রুশদ প্রণীত ‘আল-মুকাদ্দামাতুল মুমাহহাদাত’ (১/৩৪২)।

(২) ইবনুল কাইয়্যিম প্রণীত ‘যাদুল মাআদ’ (৩/৯-১১), ‘ফাতহুল বারী’ (৬/৩) এবং ইবনে কাসিম আন-নাজদি প্রণীত ‘হাশিয়াতুর রওদিল মুরব্বি’ (৪/২৫৩)।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ২৯)
عن فضالة بن عبيد (1) رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع: «المجاهد من جاهد نفسه في طاعة الله، والمهاجر من هجر الخطايا والذنوب» (2) .

النوع الثاني: جهاد الشيطان:

وهو: مجاهدة الشيطان على دفع ما يأتي به من شبهات، وذلك باليقين، ودفع ما يزينه من الشهوات، وذلك بالصبر عن الشهوات.

قال تعالى: {وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا وَكَانُوا بِآَيَاتِنَا يُوقِنُونَ} [السجدة: 24] .

النوع الثالث: جهاد البغاة، وأرباب الظلم والبدع، والمنكرات:

ويكون ذلك باليد إذا قدر، فإن عجز فباللسان، فإن عجز جاهد بقلبه.

عن أبي سعيد الخدري (3) رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رأى منكم منكرا فليغيره بيده، فإن لم يستطع فبلسانه، فإن لم يستطع فبقلبه وذلك أضعف الإيمان» (4) .

--------------------------------------------

(1) هو فضالة بن عبيد بن نافذ بن قيس الأنصاري الأوسي أسلم قديما، لم يشهد بدرا، وشهد أحدا فما بعدها سكن الشام، ووولاه معاوية قضاء دمشق، وتوفي في خلافة معاوية سنة 53 هـ. انظر: «الإصابة في تمييز الصحابة» لابن حجر (5/283) ت رقم (7007) وأسد الغابة في معرفة الصحابة لابن الأثير (4/63) ت رقم (4226) .

(2) سبق تخريجه ص (27) .

(3) هو: سعد بن مالك بن سنان، الأنصاري الخزرجي، كنيته أبو سعيد الخدري، من أعيان الصحابة وفقهائهم شهد الخندق وبيعة الرضوان، وغيرهما، توفي سنة 74هـ، وقيل غير ذلك، انظر: «الإصابة في تمييز الصحابة» (3/56) ت رقم (3204) «وشذارات الذهب» لابن عماد الحنبلي (1/81) .

(4) «صحيح مسلم» مع شرح النووي كتاب الإيمان، باب كون النهي عن المنكر من الإيمان، ح رقم (49) .
ফাদালাহ বিন উবাইদ (১) রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জে বলেছেন: «মুজাহিদ সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর আনুগত্যে নিজের নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করে, আর মুহাজির সেই ব্যক্তি, যে অপরাধ ও পাপসমূহ বর্জন করে» (২)।

দ্বিতীয় প্রকার: শয়তানের বিরুদ্ধে জিহাদ:

আর তা হলো: শয়তান যেসব সন্দেহ (শুবুহাত) নিয়ে আসে তা প্রতিহত করার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে জিহাদ করা, আর তা ইয়াকীন বা দৃঢ় বিশ্বাসের মাধ্যমে অর্জিত হয়; এবং শয়তান যেসব কুপ্রবৃত্তি (শাহওয়াত) শোভনীয় করে তোলে তা প্রতিহত করা, আর তা কুপ্রবৃত্তির ব্যাপারে সবর বা ধৈর্যের মাধ্যমে অর্জিত হয়।

মহান আল্লাহ বলেন: {আর আমি তাদের মধ্য থেকে নেতা মনোনীত করেছিলাম, যারা আমার নির্দেশে পথ প্রদর্শন করত; যেহেতু তারা সবর করেছিল এবং তারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখত} [আস-সাজদাহ: ২৪] ।

তৃতীয় প্রকার: বিদ্রোহী, যালিম, বিদআতকারী এবং অন্যায়-অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ:

আর সামর্থ্য থাকলে এটি হাতের মাধ্যমে হবে, যদি তাতে অক্ষম হয় তবে জিহ্বার মাধ্যমে, আর যদি তাতেও অক্ষম হয় তবে নিজ অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ করবে।

আবু সাঈদ খুদরী (৩) রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোনো অন্যায় হতে দেখবে, সে যেন তা নিজ হাতের মাধ্যমে পরিবর্তন করে দেয়। যদি সে তাতে সক্ষম না হয়, তবে যেন নিজ জিহ্বার মাধ্যমে তা করে। আর যদি তাতেও সক্ষম না হয়, তবে যেন নিজ অন্তরের মাধ্যমে (তা ঘৃণা করে); আর এটি হলো ঈমানের দুর্বলতম স্তর» (৪)।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন ফাদালাহ বিন উবাইদ বিন নাফিজ বিন কায়স আল-আনসারী আল-আওসী। তিনি প্রাচীনকালেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বদর যুদ্ধে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে উহুদ ও পরবর্তী যুদ্ধসমূহে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি সিরিয়ায় বসবাস করতেন এবং মুয়াবিয়া তাঁকে দামেস্কের বিচারক (কাজী) নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি ৫৩ হিজরিতে মুয়াবিয়ার খেলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ইবনে হাজারের «আল-ইসাবাহ ফী তাময়ীযিস সাহাবাহ» (৫/২৮৩), জীবনী নং (৭০০৭) এবং ইবনুল আসীরের «উসদুল গাবাহ ফী মা'রিফাতিস সাহাবাহ» (৪/৬৩), জীবনী নং (৪২২৬)।

(২) এর তাখরীজ পূর্বে ২৭ পৃষ্ঠায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

(৩) তিনি হলেন: সা'দ বিন মালিক বিন সিনান, আল-আনসারী আল-খাযরাজী, তাঁর উপনাম আবু সাঈদ আল-খুদরী। তিনি সাহাবায়ে কিরামের অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ফকীহগণের অন্তর্ভুক্ত। তিনি খন্দকের যুদ্ধ, বাইআতে রিদওয়ান এবং অন্যান্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ৭৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, এ ছাড়া অন্যান্য মতও বর্ণিত হয়েছে। দেখুন: «আল-ইসাবাহ ফী তাময়ীযিস সাহাবাহ» (৩/৫৬), জীবনী নং (৩২০৪) এবং ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলীর «শাযারাতুয যাহাব» (১/৮১)।

(৪) ইমাম নববীর ব্যাখ্যাসহ «সহীহ মুসলিম», ঈমান অধ্যায়, অন্যায় প্রতিরোধ ঈমানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ, হাদীস নং (৪৯)।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৩০)
النوع الرابع: جهاد الكفار والمنافقين (1) :

ويكون بالسيف وبالمال، وباللسان، وبالقلب، وجهاد الكفار أخص باليد، وجهاد المنافقين أخص باللسان (2) .

قال تعالى: {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ} [التوبة: 73] .

وقال تعالى: {وَجَاهِدُوا بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ} [التوبة: 41] .

وعن أنس بن مالك (3) رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «جاهدوا المشركين بأموالكم وأنفسكم وألسنتكم» (4) .

وقد قصرت البحث كما في عنوان الكتاب على جهاد الكفار بالنفس والأحكام المتعلقة بالمجاهد بالنفس في سبيل الله فخرجت الأنواع الأخرى من إطار البحث.

--------------------------------------------

(1) المراد النفاق الاعتقادي المخرج من الدين، وهو إظهار الإسلام وإبطان الكفر والشر. انظر: «كتاب التوحيد» د/ صالح الفوزان ص 18.

(2) «زاد المعاد» (3/11) «وفتح الباري» (6/3) «وحاشية الروض المربع» (4/253) .

(3) هو أنس بن مالك بن النضر، الأنصاري الخزرجي خادم رسول الله صلى الله عليه وسلم شهد ثمان غزوات مع النبي صلى الله عليه وسلم وشهد الفتوح في عهد الخلفاء، دعا له النبي صلى الله عليه وسلم بالبركة في العمر والمال والولد، توفي بالبصرة سنة 93 هـ على الأرجح، وقيل: هو آخر من مات من الصحابة بالبصرة. انظر: «الإصابة» (1/275) ت رقم (277) «وأسد الغابة» لابن الأثير (1/151) ت رقم (258) .

(4) سبق تخريجه ص (27) .
চতুর্থ প্রকার: কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ (১):

আর তা হয়ে থাকে তলোয়ারের মাধ্যমে, সম্পদের মাধ্যমে, জবানের (জিহ্বার) মাধ্যমে এবং অন্তরের মাধ্যমে। কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ বিশেষভাবে হাতের (শক্তির) মাধ্যমে হয় এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ বিশেষভাবে জবানের মাধ্যমে হয় (২)।

আল্লাহ তাআলা বলেন: {হে নবী, আপনি কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন} [আত-তাওবাহ: ৭৩]।

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: {এবং তোমরা আল্লাহর পথে তোমাদের সম্পদ ও জান দিয়ে জিহাদ করো} [আত-তাওবাহ: ৪১]।

আনাস ইবনে মালিক (৩) রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে তোমাদের সম্পদ, জান এবং জবানের মাধ্যমে জিহাদ করো" (৪)।

আমি এই গবেষণাকে বইয়ের শিরোনাম অনুযায়ী সশরীরে (জান দিয়ে) কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ এবং আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের মাঝে সীমাবদ্ধ রেখেছি। ফলে অন্যান্য প্রকারগুলো আলোচনার পরিমণ্ডল থেকে বের হয়ে গেছে।

--------------------------------------------

(১) এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো বিশ্বাসগত নিফাক (মুনাফিকি) যা দ্বীন থেকে বের করে দেয়; আর তা হলো ইসলাম প্রকাশ করা এবং কুফর ও শিরককে অন্তরে গোপন রাখা। দেখুন: ড. সালিহ আল-ফাওজান লিখিত 'কিতাবুত তাওহীদ' পৃষ্ঠা: ১৮।

(২) 'যাদুল মাআদ' (৩/১১), 'ফাতহুল বারী' (৬/৩) এবং 'হাশিয়াতুর রওযিল মুরবি' (৪/২৫৩)।

(৩) তিনি হলেন আনাস ইবনে মালিক ইবনে নযর, আল-আনসারী আল-খাজরাজী; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাদেম। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আটটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং খলিফাদের যুগে বিভিন্ন বিজয়াভিযানে উপস্থিত ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হায়াত, সম্পদ ও সন্তানের বরকতের জন্য দোয়া করেছিলেন। তিনি বসরার মাটিতে সম্ভবতঃ ৯৩ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। বলা হয়ে থাকে যে, তিনিই বসরায় মৃত্যুবরণকারী সর্বশেষ সাহাবী। দেখুন: 'আল-ইসাবাহ' (১/২৭৫), ক্রমিক নং ২৭৭; এবং ইবনুল আসীরের 'উসদুল গাবাহ' (১/১৫১), ক্রমিক নং ২৫৮।

(৪) ইতিপূর্বে ২৭ পৃষ্ঠায় এর উৎস (তাখরীজ) উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আহকামুল মুজাহিদি বিন নাফসি ফী সাবীলিল্লাহি আজ্জা ওয়া জাল্লা ফিল ফিক্বহিল ইসলামী (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌المبحث الثاني

مشروعية الجهاد بالنفس في سبيل الله ومراحله

وفيه مطلبان:

‌‌المطلب الأول: مشروعية الجهاد بالنفس في سبيل الله.

المطلب الثاني: مراحل تشريع الجهاد بالنفس في سبيل الله.

المطلب الأول

مشروعية الجهاد بالنفس في سبيل الله

الجهاد بالنفس في سبيل الله مشروع بالكتاب، والسنة، وإجماع الأمة.

أولا: من الكتاب.

الآيات الدالة على مشروعية الجهاد من القرآن الكريم كثيرة منها:

1- قوله تعالى: {أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَاتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا وَإِنَّ اللَّهَ عَلَى نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ} [الحج: 39] .

2- قوله تعالى: {كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ} [البقرة: 216] .

3- قوله تعالى: {انْفِرُوا خِفَافًا وَثِقَالا وَجَاهِدُوا بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ} [التوبة: 41] .

4- وقوله تعالى: {إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا كَأَنَّهُمْ بُنْيَانٌ مَرْصُوصٌ} [الصف: 4] .
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের বৈধতা ও এর পর্যায়সমূহ

এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের বৈধতা.

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদ বিধিবদ্ধ হওয়ার পর্যায়সমূহ।

প্রথম অনুচ্ছেদ

আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদের বৈধতা

আল্লাহর পথে জান দিয়ে জিহাদ করা কুরআন, সুন্নাহ এবং উম্মতের ঐকমত্য (ইজমা) দ্বারা বৈধ ও প্রমাণিত।

প্রথমত: কুরআন থেকে।

মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে জিহাদের বৈধতা নির্দেশকারী আয়াত অনেক রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১- মহান আল্লাহর বাণী: {যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হলো, কারণ তারা নির্যাতিত। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের সাহায্য করতে পূর্ণ সক্ষম।} [আল-হাজ্জ: ৩৯] ।

২- মহান আল্লাহর বাণী: {তোমাদের ওপর যুদ্ধ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। হতে পারে তোমরা কোনো কিছু অপছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর।} [আল-বাকারাহ: ২১৬] ।

৩- মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা অভিযানে বের হও হালকা অবস্থায় কিংবা ভারী অবস্থায় এবং আল্লাহর পথে তোমাদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করো। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে।} [আত-তাওবাহ: ৪১] ।

৪- এবং মহান আল্লাহর বাণী: {নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করে, যেন তারা সীসাঢালা প্রাচীর।} [আস-সাফ: ৪] ।