(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: -)
تحقيق إزالة الدهش والوله   (القادري)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: إزالة الدهش والوله عن المتحير في صحة حديث ماء زمزم لما شرب له

المؤلف: محمد بن إدريس، أبو عبد الله القادري الحسيني الفاسي (ت 1350 هـ)

الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت

الطبعة: الأولى - 1414

تحقيق وتخريج: محمد ناصر الدين الألباني [ت 1420 هـ]- زهير الشاويش [ت 1434 هـ]

عدد الصفحات: 180

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইযালাতুদ দাহাশ ওয়াল ওয়ালাহ-এর তাহকীক   (আল-কাদরী)

বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ


কিতাব: যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা সফল হয়—এই হাদীসের বিশুদ্ধতা বিষয়ে সংশয়িত ব্যক্তির বিস্ময় ও ব্যাকুলতা দূরীকরণ

লেখক: মুহাম্মদ বিন ইদরীস, আবু আব্দুল্লাহ আল-কাদরী আল-হুসাইনী আল-ফাসী (মৃত্যু ১৩৫০ হি.)

প্রকাশক: আল-মাকতাব আল-ইসলামী - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম - ১৪১৪

তাহকীক ও তাখরীজ: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী [মৃত্যু ১৪২০ হি.]- যুহাইর আল-শাউইশ [মৃত্যু ১৪৩৪ হি.]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮০

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌إزالة الدهش والوله

عن المتحير في صحة حديث

ماء زمزم لما شرب له

لمحمد بن إدريس القادري

تحقيق: زهير الشاويش

تخريج: محمد ناصر الدين الألباني

طبعة: المكتب الإسلامي - بيروت الطبعة الأولى / 1414 هـ - 1993 م
বিস্ময় ও বিভ্রান্তি দূরীকরণ

হাদিসের বিশুদ্ধতা নিয়ে সংশয়ীদের বিভ্রান্তি নিরসনকল্পে

যমজমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তা পূর্ণ হয়

মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আল-কাদরি কর্তৃক রচিত

তাহকিক (সম্পাদনা): জুহাইর আল-শাউইশ

তাখরিজ (হাদিস যাচাই): মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি

সংস্করণ: আল-মাকতাবুল ইসলামি - বৈরুত প্রথম সংস্করণ / ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৮)
(ضعيف)

قال النبي صلى الله عليه وسلم: إن الماء لا ينجسه شيء إلا ما غلب على ريحه وطعمه ولونه

[8]
(যঈফ)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই পানিকে কোনো কিছু অপবিত্র করে না, কেবল তা ব্যতীত যা তার ঘ্রাণ, স্বাদ ও রঙের ওপর প্রবল হয়

[৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৮)
(صحيح)

عن عائشة مرفوعا: الماء لا ينجسه شيء
(সহিহ)

আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত মারফু হাদীস: পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না।
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৯)
(ضعيف)

الماء طهور إلا ما غلب على ريحه وطعمه

[9]
(যঈফ)

পানি পবিত্র, তবে যা তার ঘ্রাণ ও স্বাদের ওপর প্রবল হয়ে যায় তা ব্যতিরেকে।

[৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১০)
(إسناده ضعيف)

عن ابن عباس مرفوعا في شأن الحجر الأسود: وكان أبيض كالماء

[10]
(এর সনদ দুর্বল)

ইবনে আব্বাস থেকে মারফু হিসেবে হাজরে আসওয়াদের বর্ণনায়: তা পানির ন্যায় সাদা ছিল।

[10]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১১)
(إسناده ضعيف)

أخرج أحمد في مسنده عن أبي هريرة أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إني إذا رأيتك طابت نفسي وقرت عيني فأنبئني عن كل شيء قال: كل شيء خلق الله عز وجل من الماء

[11]
(এর সনদ দুর্বল)

ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই আমি যখন আপনাকে দেখি, তখন আমার প্রাণ জুড়ায় এবং আমার চোখ শীতল হয়। সুতরাং আমাকে প্রতিটি বস্তু সম্পর্কে সংবাদ দিন।" তিনি বললেন: "মহান আল্লাহ প্রতিটি বস্তু পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন।"

[১১]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
(ضعيف)

قوله صلى الله عليه وسلم: الحجر الأسود من حجارة الجنة وما في الأرض من الجنة غيره وكان أبيض كالماء)

[13]
(দুর্বল)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: হাজরে আসওয়াদ জান্নাতের পাথরসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং পৃথিবীতে এটি ব্যতীত জান্নাতের আর কিছুই নেই; আর এটি পানির ন্যায় সাদা ছিল।

[১৩]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
(ضعيف)

عن ابن عباس: الحجر الأسود من الجنة وكان أشد بياضا من الثلج حتى سودته خطايا أهل الشرك

[14]
(দুর্বল)

ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত: হাজরে আসওয়াদ জান্নাত থেকে এসেছে এবং এটি বরফের চেয়েও বেশি সাদা ছিল, পরিশেষে শিরককারীদের পাপরাশি একে কালো করে দিয়েছে।

[১৪]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
(إسناده صحيح)

عن عائشة - رضي الله عن ها - أنها قالت: إن كنا آل محمد نمكث شهرا ما نستوقد بنار إن هو إلا الأسودان: التمر والماء

[15]
(এর সনদ সহীহ)

আয়েশা - রাযিয়াল্লাহু আনহা - থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: আমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারবর্গ এক মাস অতিবাহিত করতাম এমতাবস্থায় যে, কোনো আগুন জ্বালাতাম না; তা কেবল দুটি কালো বস্তু: খেজুর এবং পানি ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

[15]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
(صحيح)

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: رحم الله أم إسماعيل لولا أنها عجلت لكانت زمزم عينا معينا

[25]
(সহীহ)

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ ইসমাঈলের মাতার প্রতি রহম করুন, তিনি যদি তাড়াহুড়ো না করতেন, তবে যমজম একটি প্রবহমান প্রস্রবণ হতো।

[২৫]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৩৮)
(ضعيف)

عن يحيى بن سعيد قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا وقبر يحفر بالمدينة فاطلع رجل في القبر فقال: بئس مضجع المؤمن. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: بئس ما قلت

فقال الرجل: لم أرد هذا يا رسول الله إنما أردت القتل في سبيل الله. فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: (لا مثل للقتل في سبيل الله ما على الأرض بقعة من الأرض هي أحب إلي أن يكون قبري بها منها)

ثلاث مرات

[38]
(দুর্বল)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসে ছিলেন এবং মদীনায় একটি কবর খনন করা হচ্ছিল। তখন এক ব্যক্তি কবরের দিকে তাকিয়ে বলল: মুমিনের শয়নস্থল হিসেবে এটি কতই না মন্দ! তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তুমি কতই না মন্দ কথা বললে।

তখন লোকটি বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটি বোঝাতে চাইনি, বরং আমি আল্লাহর পথে শাহাদাত বরণ করাকেই উদ্দেশ্য করেছি। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: আল্লাহর পথে শাহাদাত বরণের কোনো তুলনা নেই। তবে যমীনের ওপর এমন কোনো ভূখণ্ড নেই যেখানে আমার কবর হওয়াটা আমার কাছে এর (মদীনার) চেয়ে অধিক প্রিয়।

তিনবার

[৩৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৫১)
(ضعيف)

عن ابن سابط مرفوعا: كان النبي إذا هلك قومه ونجا هو والصالحون أتى هو ومن معه فيعبدون الله بمكة حتى يموتوا فيها وإن قبر نوح وهود وصالح وشعيب بين الركن وبين زمزم والمقام

[51]
(দুর্বল)

ইবনে সাবিত থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণিত: কোনো নবী যখন তাঁর সম্প্রদায় ধ্বংস হওয়ার পর নিজে ও নেককার লোকেরা মুক্তি পেতেন, তখন তিনি এবং তাঁর সাথে যারা থাকতেন তারা মক্কায় চলে আসতেন এবং সেখানে মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহর ইবাদত করতেন। আর নিশ্চয়ই নূহ, হূদ, সালিহ ও শুআইব-এর কবর রুকন, যমযম ও মাকামের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

[৫১]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৬৬)
(ضعيف)

قوله صلى الله عليه وسلم: ليس من الجنة في الأرض شيء إلا ثلاثة أشياء: غرس العجوة والحجر وأوراق تنزل في الفرات كل يوم بركة من الجنة

[66]
(দুর্বল)

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: পৃথিবীতে জান্নাতের কোনো কিছুই নেই কেবল তিনটি বস্তু ব্যতীত: আজওয়া খেজুরের চারা, পাথর এবং জান্নাতের বরকত হিসেবে প্রতিদিন ফোরাত নদীতে যে পত্র-পল্লব অবতীর্ণ হয়।

[৬৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৬৯)
(إسناده حسن)

خير ماء على وجه الأرض ماء زمزم فيه طعام من الطعم وشفاء من السقم

[69]
(এর সনদ হাসান)

ভূপৃষ্ঠের সর্বোত্তম পানি হলো যমযমের পানি। এতে রয়েছে খাদ্যের তৃপ্তি এবং ব্যাধির আরোগ্য।

[৬৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৭৩)
(موضوع)

عن عمر بن الحكم مرسلا وهو: نعم البئر بئر غرس هو من عيون الجنة وماؤها أطيب المياه

[73]
(জাল)

উমর ইবনুল হাকাম থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত, আর তা হলো: গারস কূপটি কতই না চমৎকার কূপ! এটি জান্নাতের ঝর্ণাসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি সবচেয়ে উৎকৃষ্ট পানি।

[73]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৮২)
(موضوع)

عن ابن عباس مرفوعا: أنزل الله من الجنة خمسة أنهار: سيحون: وهو نهر الهند وجيحون: وهو نهر بلخ ودجلة والفرات: وهما نهرا العراق والنيل: وهو نهر مصر أنزلها الله من عين واحدة من عيون الجنة

[82]
(বানোয়াট)

ইবনে আব্বাস থেকে মারফূ’ হিসেবে বর্ণিত: আল্লাহ জান্নাত থেকে পাঁচটি নদী অবতীর্ণ করেছেন: সাইহুন: যা ভারতের নদী, জাইহুন: যা বলখের নদী, দজলা ও ফরাত: এ দুটি ইরাকের নদী এবং নীল: যা মিশরের নদী। আল্লাহ এগুলোকে জান্নাতের ঝর্ণাসমূহের মধ্য হতে একটিমাত্র ঝর্ণা থেকে অবতীর্ণ করেছেন।

[৮২]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৮৬)
(ضعيف)

عن أنس رفعه: الحجر الأسود من حجارة الجنة وزمزم حفنة من جناح جبريل

[86]
(দুর্বল)

আনাস (রা.) হতে মারফু সূত্রে বর্ণিত: হাজরে আসওয়াদ জান্নাতের পাথরসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং যমজম হলো জিবরাঈলের ডানার এক মুষ্টি।

[৮৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৯৮)
(ضعيف)

عن ابن عباس رفعه بزيادة: إن شربته تستشفى شفاك الله وأن شربته لشبعك أشبعك الله وإن شربته لقطع ظمئك قطعه الله وهي هزمة جبريل وسقيا إسماعيل

[98]
(দুর্বল)

ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মারফূ সূত্রে অতিরিক্ত এই অংশসহ বর্ণিত হয়েছে: "যদি তুমি আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে তা পান করো, তবে আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করবেন; যদি তুমি তৃপ্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে তা পান করো, তবে আল্লাহ তোমাকে তৃপ্ত করবেন এবং যদি তুমি তোমার পিপাসা মেটানোর জন্য তা পান করো, তবে আল্লাহ তোমার পিপাসা মিটিয়ে দেবেন। আর এটি জিবরাঈলের পদাঘাত (দ্বারা সৃষ্ট কূপ) এবং ইসমাঈলের পানীয়।"

[৯৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ৯৮)
(إسناده ضعيف جدا)

ماء زمزم شفاء من كل داء

عن صفية مرفوعا
(এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল)

যমযমের পানি সকল রোগের নিরাময়স্বরূপ

সফিয়্যা হতে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১০৬)
(حسن)

خير ماء على وجه الأرض ماء زمزم فيه طعام من الطعم وشفاء من السقم

[106]
(হাসান)

ভূপৃষ্ঠের সর্বোত্তম পানি হলো যমযমের পানি; এতে রয়েছে খাদ্যের পুষ্টি এবং রোগের আরোগ্য।

[১০৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১১৭)
(إسناده ضعيف)

آية ما بيننا وبين المنافقين أنهم لا يتضلعون من زمزم

[117]
(এর সনদ দুর্বল)

আমাদের এবং মুনাফিকদের মাঝে পার্থক্যের নিদর্শন হলো এই যে, তারা পেট ভরে জমজমের পানি পান করে না।

[১১৭]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৩৮)
(ضعيف)

الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد

[138]
(দুর্বল)

শয়তান একজনের সাথে থাকে এবং সে দুইজন থেকে অধিক দূরে থাকে

[১৩৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৩৯)
(صحيح)

لا نكاح إلا بولي

[139]
(সহিহ)

অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ নেই

[১৩৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৬৬)
(صحيح)

عن عائشة - رضي الله عن ها - أنها كانت تحمل ماء زمزم وتخبر أنه عليه الصلاة والسلام كان يحمله

[166]
(সহিহ)

আয়েশা — আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন — থেকে বর্ণিত যে, তিনি জমজমের পানি বহন করতেন এবং সংবাদ দিতেন যে, নবী — তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক — তা বহন করতেন।

[১৬৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৬৮)
(ضعيف)

كان صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يتحف الرجل بتحفة سقاه من ماء زمزم. عن ابن عباس - رضي الله عن هما

[168]
(দুর্বল)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো উপহার দিতে চাইতেন, তখন তাকে জমজমের পানি পান করাতেন। ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত।

[১৬৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৬৯)
(ضعيف)

التضلع من ماء زمزم براءة من النفاق

[169]
(দুর্বল)

তৃপ্তিভরে যমজমের পানি পান করা নিফাক হতে মুক্তি

[১৬৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৭২)
(ضعيف)

خمس من العبادات: النظر إلى المصحف والنظر إلى الكعبة والنظر إلى الوالدين والنظر إلى زمزم وهي تحط الخطايا والنظر إلى وجه العالم

[172]
(যঈফ)

পাঁচটি বিষয় ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত: মুসহাফের দিকে তাকানো, কাবার দিকে তাকানো, পিতা-মাতার দিকে তাকানো, যমযমের দিকে তাকানো—যা পাপসমূহ মোচন করে দেয়—এবং আলেমের চেহারার দিকে তাকানো।

[১৭২]
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৭২)
(ضعيف)

عن ابن عمر عنه عليه الصلاة والسلام أنه قال: إن هذه القلوب أوعية فخيرها أوعاها فإذا سألتم الله فاسألوه وأنتم واثقون بالإجابة فإن الله تعالى لا يستجيب دعاء من دعا عن ظهر قلب غافل
(দুর্বল)

ইবনে উমর (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয় এই অন্তরসমূহ হলো পাত্রস্বরূপ, আর এগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো সেটি যা অধিক ধারণক্ষম। সুতরাং তোমরা যখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবে, তখন কবুল হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় নিশ্চিত হয়ে প্রার্থনা করবে। কেননা মহান আল্লাহ এমন কোনো ব্যক্তির দুআ কবুল করেন না যে উদাসীন হৃদয়ে প্রার্থনা করে।
(খণ্ড: ১) তাহকীকু ইযালাতিদ দাহশি ওয়াল ওয়ালিহ (পৃষ্ঠা: ১৭২)
(ضعيف جدا)

عن ابن عباس مرفوعا: إذا نزل بكم كرب أو جهد أو بلاء فقولوا: الله ربنا لا شريك له
(অত্যন্ত দুর্বল)

ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত: যখন তোমাদের ওপর কোনো কষ্ট, ক্লেশ বা বিপদ আপতিত হয়, তখন তোমরা বলো: আল্লাহ আমাদের প্রতিপালক, তাঁর কোনো শরিক নেই।