(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعين من رواية المحمدين المخرج ذلك من صحيح البخاري القسم: كتب السنة
الكتاب: الأربعين من رواية المحمدين المخرج ذلك من صحيح البخاري
المؤلف: أبو بكر محمد بن علي بن ياسر الجياني (ت 563 هـ)
اعتنى به: دار الكمال المتحدة
الناشر: عطاءات العلم - موسوعة صحيح البخاري، https://bukhari-pedia.net
الطبعة: الأولى
عدد أوراق المخطوط: 7
قدمه للشاملة: «عطاءات العلم» جزاهم الله خيرًا
عمل المعتني بالكتاب: تم تنضيد الكتاب عن نسخة دار الكتب المصرية 1/ 88، مع العزو إلى مكان الحديث في صحيح الإمام البخاري رحمه الله، وللكتاب نسخة أخرى في المكتبة الوطنية بباريس لم نتمكن من الحصول عليها.
[الكتاب مخطوط، وترقيمه موافق لأوراق المخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 26 صفر 1443
সহীহ আল-বুখারী থেকে চয়নকৃত মুহাম্মাদ নামের বর্ণনাকারীদের রেওয়ায়েত সম্বলিত চল্লিশটি হাদীস বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: সহীহ আল-বুখারী থেকে চয়নকৃত মুহাম্মাদ নামের বর্ণনাকারীদের রেওয়ায়েত সম্বলিত চল্লিশটি হাদীস
লেখক: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আলী বিন ইয়াসির আল-জায়ইয়ানি (মৃত্যু ৫৬৩ হিজরী)
তত্ত্বাবধানে: দার আল-কামাল আল-মুত্তাহিদা
প্রকাশক: আতাআত আল-ইলম - সহীহ বুখারী বিশ্বকোষ, https://bukhari-pedia.net
সংস্করণ: প্রথম
পাণ্ডুলিপির পত্র সংখ্যা: ৭
শামেলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছেন: «আতাআত আল-ইলম» আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন
সম্পাদকের কাজ: গ্রন্থটি মিশরের জাতীয় গ্রন্থাগার (দারুল কুতুব আল-মিসরীয়্যাহ) ১/৮৮-এর অনুলিপি থেকে বিন্যস্ত করা হয়েছে এবং ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সহীহ গ্রন্থে হাদীসের অবস্থান নির্দেশ করা হয়েছে। প্যারিসের ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে এই গ্রন্থের আরেকটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে যা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি এবং এর নম্বর বিন্যাস পাণ্ডুলিপির পাতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা হয়েছে]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৬ সফর ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ১)
كتاب الأَرْبَعِيْنَ مِنْ رِوَايَةِ المُحَمَّدِيْنَ
المُخَرَّجِ ذَلِكَ مِنْ صَحِيْحِ البُخَارِيِّ
تَخْرِيْجُ الإِمَامِ الحَافِظِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ يَاسِرٍ الجِيَانِيِّ الأَنْصَارِيِّ.
رِوَايَةُ أَبِي المُظَفَّرِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلْوَانَ بْنِ مُهَاجِرٍ المَوْصِلِيِّ عَنْهُ.
رِوَايَةُ أَبِي عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَيْدَرِ ابْنِ الطَّحَّانِ الصُّوْفِيِّ عَنْهُ.
رِوَايَةُ أَبِي أَحْمَدَ إِبْرَاهِيْمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيِّ عَنْهُ.
رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ البَشَاوَرِيِّ عَنْهُ إِجَازَةً.
رِوَايَةُ أُمِّ هَانِئ مَرْيَمِ ابْنَةِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الهُوْرِيْنِيَّةُ عَنْهُ سَمَاعًا.
رِوَايَةُ أَبِي الفَضْلِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيْلَ بْنِ القَلْقَشَنْدِيِّ عَنْها.
--------------------------------------------
'মুহাম্মদ' নামধারী বর্ণনাকারীদের বর্ণিত চল্লিশ হাদিসের কিতাব
যা সহীহ বুখারী থেকে সংকলিত
সংকলন: ইমাম হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইয়াসির আল-জিয়ানী আল-আনসারী।
তাঁর থেকে আবু আল-মুজাফফর মুহাম্মদ বিন আলওয়ান বিন মুহাজির আল-মাওসিলীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হায়দার ইবনে আত-তাহহান আস-সুফীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু আহমদ ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আবু বকর আত-তাবারীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে অনুমতি সূত্রে আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-পেশাওয়ারীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে শ্রবণ সূত্রে উম্মে হানি মরিয়ম বিনতে আলী বিন আব্দুর রহমান আল-হুরিনিয়্যাহর বর্ণনা।
তাঁর থেকে আবু আল-ফজল আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন ইসমাইল বিন আল-কালকাশান্দীর বর্ণনা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ১)
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِ
رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا
قَرَأتُ عَلَى الشَّيْخَةِ الصَّالِحَةِ الكَاتِبَةِ المُعَمِّرَةِ الأَصْيِلَةِ البَصِيْرَةِ: أُمِّ هَانِي مَرْيَمِ ابْنَةِ الشَّيْخِ نُوْرِ الدِّيْنِ عَلِيِّ بْنِ القَاضِي تَقِيِّ الدِّيْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ المُؤْمِنِ الهُوْرِيْنِيَّةِ، نَحْوَ سَمَاعِهَا مِنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ النَّشَاوَرِيِّ ثُمَّ المَكِيِّ، قَالَ:
أَخْبَرَنَا إِمَامُ المَقَامِ رَضِيُّ الدِّيْنِ أَبُوْ أَحْمَدَ إِبْرَاهِيْمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَريُّ ثُمَّ المَكِيُّ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا:
أَخْبَرَنَا أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَيْدَرَةَ ابْنِ الطَّحَّانِ الصُّوْفِيِّ اللَّوْرَشَانِيِّ سَمَاعًا عَلَيْهِ، لِتِسْعِ لَيَالٍ بَقِيْنَ مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِيْنَ وَسِتِّمِائَةٍ:
أَخْبَرَنَا أَبُوْ المُظَفَّرِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلْوَانَ بْنِ مُهَاجِرٍ المَوْصِلِيُّ سَمَاعًا فِي الثَّامِنِ عَشَرَ مِنْ صَفَرٍ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَسِتِّمِائَةٍ:
أَخْبَرَنَا مُخْرِجُهُ الإِمَامُ الحَافِظُ أَبُوْ بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَاسِرٍ الأَنْصَارِيُّ الجِّيَانِيُّ، سَنَةَ سَبْعٍ وَخَمْسِيْنَ وَخَمْسِمَائَةٍ؛ قَالَ:
وَالحَمْدُ للهِ عَلَى سَوَابِغِ آلَائِهِ وَتَرَادُفِ نَعْمَائِهِ، حَمْدًا يَكُوْنُ لِلْحَقِّ قَاضِيًا وَلِلْمَزِيْدِ مُتَقَاضِيًا، وَنَسْأَلُهُ الصَّلَاةَ عَلَى مُحَمَّدٍ نَبِيِّهِ أَفْضَلَ صَلَاةٍ وَأَعْلَاهَا، وَأَقْضَاهَا لِلْحَقِّ وَأَزْكَاهَا، وَأَنْ يَجْعَلَنَا بِالْعِلْمِ عُمَلةً، كَمَا جَعَلَنَا لَهُ حَمَلَةً بِمَنِّهِ وَفَضْلِهِ:
أَخْبَرَنَا الشَيْخُ الإِمَامُ العَالِمُ الزَّاهِدُ شَيْخُ وَقْتِهِ وَنَسِيْجُ وَحْدِهِ: أَبُوْ يَعْقُوْبَ يُوْسُفُ بْنُ أَيُّوْبَ بْنِ يُوْسُفَ الهَمَدَانِيُّ -نَوَّرَ اللهُ مَضْجَعَهُ- قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الشَّرِيْفِ العَالِمِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَسِتِّيْنَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ: أَخْبَرَكُمْ الحَافِظُ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ الحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ بَكِيْرٍ الحَافِظِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الفَتْحِ: أَخْبَرَنَا جَدِّي لِأُمِّي أَبُوْ العَبَّاسِ صَدَقَةُ بْنُ مُوْسَى بْنِ تَمِيْمِ بْنِ رَبِيْعَةَ بْنِ ضَمُرَةَ الغَنَوِيُّ -مَوْلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَال: حَدَّثَنَا أَبِي: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيْلُ:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يُوْقَفُ عَبْدَانِ بَيْنَ يَدَي اللهِ تَعَالَى، فَيَأْمُرُ بِهِمَا إِلَى الجَّنَّةِ، فَيَقُوْلَانِ: رَبَّنَا بِمَ اسْتَأْهَلْنَا الجَّنَّةَ، وَلَمْ نَعْمَلْ عَمَلاً تُجَازِيْنَا بِهِ الجَّنَّةَ؟! فَيَقُوْلُ اللهُ تَعَالَى لَهُمَا: عَبْدِي اّْدْخُلَا؛ فَإِنِّي آلَيْتُ عَلَى نَفْسِي أَنْ لَا يَدْخُلَ النَّارَ مَنْ اسْمُهُ أَحْمَدُ وَلَا مُحَمَّدٌ».
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।
আমি পুণ্যবতী, লেখিকা, দীর্ঘায়ুপ্রাপ্তা, উচ্চবংশীয় ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন শায়খা: উম্মু হানি মারয়াম বিনতে শায়খ নূরুদ্দীন আলী বিন কাজি তাকিউদ্দীন আবদুর রহমান বিন আবদুল মুমিন আল-হুরিনিয়ার নিকট পাঠ করেছি; যা তিনি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান আন-নাশা ওয়ারী অতঃপর আল-মাক্কীর নিকট শ্রবণ করেছেন, তিনি বলেন:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাকামের ইমাম রাজিউদ্দীন আবু আহমদ ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবি বকর আত-তাবারী অতঃপর আল-মাক্কী, যদি শ্রবণ না হয়ে থাকে তবে ইজাজতসূত্রে:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হায়দারা ইবনুত তাহহান আস-সুফি আল-লাওরশানী, তাঁর নিকট পাঠ শ্রবণকালে, ৬৪৪ হিজরির শাওয়াল মাসের নয় দিন অবশিষ্ট থাকতে:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুজাফফর মুহাম্মদ বিন আলওয়ান বিন মুহাজির আল-মাওসিলী, শ্রবণ মারফত, ৬০৩ হিজরির ১৮ই সফর:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এর সংকলক ইমাম হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইয়াসির আল-আনসারী আল-জিয়ানী, ৫৫৭ হিজরিতে; তিনি বলেন:
আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য তাঁর অঢেল অনুগ্রহ এবং নিরবচ্ছিন্ন নেয়ামতের ওপর; এমন প্রশংসা যা হকের দাবি পূরণকারী এবং আরও বৃদ্ধির তলবকারী। আর আমরা তাঁর নিকট তাঁর নবী মুহাম্মদের ওপর দরুদ প্রার্থনা করছি—সর্বোত্তম ও সুউচ্চ দরুদ, যা হকের সর্বোত্তম আদায়কারী ও অত্যন্ত পবিত্র। আর তিনি যেন তাঁর করুণা ও অনুগ্রহে আমাদের ইলমের আমলকারী বানান, যেমনটি তিনি আমাদের ইলমের বাহক বানিয়েছেন:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, আলেম, দুনিয়াবিমুখ, স্বীয় সময়ের শায়খ এবং অনন্য ব্যক্তিত্ব: আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন আইয়ুব বিন ইউসুফ আল-হামাদানী—আল্লাহ তাঁর শয্যাকে নূরময় করুন—তিনি বলেন: আমি ৪Check৬৩ হিজরির রমজান মাসে শরীফ আলেম মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন বাকীর আল-হাফিজ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন ফাতহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার মাতামহ আবুল আব্বাস সাদাকা বিন মুসা বিন তামিম বিন রাবিয়াহ বিন জামুরা আল-গানাভী—আলী বিন আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন)-এর মুক্তদাস—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তাবীল:
আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «দুজন বান্দাকে আল্লাহ তায়ালার দুই হাতের সামনে দাঁড় করানো হবে, অতঃপর তিনি তাদের জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেবেন। তখন তারা বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক! কিসের বিনিময়ে আমরা জান্নাতের যোগ্য হলাম, অথচ আমরা এমন কোনো আমল করিনি যার বিনিময়ে আপনি আমাদের জান্নাত দেবেন?! তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের বলবেন: হে আমার বান্দাগণ! তোমরা প্রবেশ করো; কেননা আমি নিজের ওপর শপথ করেছি যে, যার নাম আহমদ বা মুহাম্মদ, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।»
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ২)
أَخْبَرَنَا شَرَفُ الإِسْلَامِ أَبُوْ حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ المَرْوَزِيُّ بِهَا، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُوْ ذَرٍّ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ السَّرَخْسِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُوْ مَنْصُوْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الوَهَابِ: حَدَّثَنَا الحَافِظُ أَبُوْ إِسْحَاقَ حَمْزَةُ بْنُ أَحْمَدَ بنِ هَارُوْنَ: حَدَّثَنَا أَبُوْ العَبَّاسِ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الخَطِيْبُ: حَدَّثَنَا أَبُوْ عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ السَّرَخْسِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُوْ الحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عِمْرَانَ بْنِ مُوْسَى الأَشْنَانِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شُعَيْبٍ القَطَّانُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ آبَائِهِ:
عَنْ ابْنِ العَبَّاسِ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُنَادِي مُنَادٍ فِي المَوْقِفِ: أَلَا مَنْ كَانَ اسْمُهُ مُحَمَّدٌ فَلَيَدْخُلِ الجَّنَّةَ بِلَا حِسَابٍ؛ لِكَرَامَةِ سَمِيِّهِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم».
أَخْبَرَنَا الإِمَامُ العَالِمُ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ الفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ، أَنَّ الشَّيْخَ أَبَا سَعِيْدٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ الخَشَّابَ أَخْبَرَهُ: أَخْبَرَنَا الأُسْتَاذُ أَبُوْ عَمْرٍو أَحْمَدُ بْنُ أُبَيٍّ الفُرَاتِيُّ الزَّاهِدُ-قِرَاءَةً عَلَيْهِ- قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ الخَطِيْبُ بِالمَدِيْنَةِ، فِي حَانُوْتِهِ فِي صَفِّ العَطَّارِيْنَ، مُقَابِلُ مَسْجِدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَحِذَاءَ قَبْرِهِ، يَقُوْلُ: سَمِعْتُ جَدِّي مُحَمَّدُ بْنُ سُهَيْلُ بْنُ إِسْحَاقَ الفَرَائِضِيُّ، يَقُوْلُ:
أَخْبَرَنَا أَبِي وَيَرْفَعُ الحَدِيْثَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَة يُنَادِي مُنَادٍ: يَا مُحَمَّدُ، قُمْ فَاّْدْخُلِ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ حِسَابٍ. فَيَقُومُ كُلُّ مَن اسْمُهُ مُحَمَّدٌ فَيَتَوَهَّمُ أَنَّ النِّدَاءَ لَهُ؛ فَلِكَرَامَةِ مُحَمَّدٍ لَا يُمْنَعُونَ»
(1).
فَجَمَعْتُ فِي هَذِهِ الأَوْرَاقِ أَرْبَعِيْنَ حَدِيْثًا مِنْ صَحِيْحِ البُخَارِيِّ-رحمه الله تعالى- مِنْ رِوَايَةِ المُحَمَّدِيْنَ؛ رَجَاءً لِمَا فِي الأَثَرِ الذِي رَوَيْنَاهُ، نَفَعَنَا اللهُ وَإِيَّاكُمْ بِالعِلْمِ، وَلَا جَعَلَهُ عَلَيْنَا حُجَّةً وَوَبَالاً بِفَضْلِهِ وَسِعَةِ رَحْمَتِهِ، إِنَّهُ قَرِيْبٌ مُجِيْبٌ.
فَالحَدِيْثُ الأَوَّلُ مِنْهَا:
1 - مَا أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ، قالا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ:
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي بَيْتِهَا جَارِيَةً فِي وَجْهِهَا سَفْعَةٌ، فَقَالَ: «اسْتَرْقُوا لَهَا؛ فَإِنَّ بِهَا النَّظْرَةَ». [خ¦5739]
فَالأَوَّلُ مِنَ المَشَايِخِ هُوَ: الإِمَامُ العَالِمُ الزَّاهِدُ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ الفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ، نَزِيْلُ نَيْسَابُوْرَ.
وَالثَّانِي هُوَ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الحُسَيْنِ الخَبَّازِيُّ الجُرْجَانِيُّ، إِمَامُ القُرَّاءِ بِنَيْسَابُوْرَ، وَشَيْخُ القُرَّاءِ فِي عَصْرِهِ، وَقَرِيْنُهُ الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُوْ سَهْلٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ حَفْصٍ الحَفْصَوِيُّ
--------------------------------------------
শরাফুল ইসলাম আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সেখানে বলেছেন: আবু যার আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সারাখসী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাফিজ আবু ইসহাক হামযাহ ইবনে আহমদ ইবনে হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবুল আব্বাস জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু আলী যাহির ইবনে আহমদ আস-সারাখসী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু হাসান আহমদ ইবনে ইমরান ইবনে মুসা আল-আশনানী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে শুয়াইব আল-কত্তান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, খালিদ থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতৃপুরুষদের থেকে:
ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন কিয়ামতের দিন আসবে, তখন হাশরের ময়দানে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন: সাবধান! যার নাম মুহাম্মদ, সে যেন হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করে; তাঁর সমনামধারী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সম্মানে।»
ইমাম আলিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ফজল ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, শায়খ আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-খাশশব তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন: উস্তাদ আবু আমর আহমদ ইবনে উবাই আল-ফুরাতী আয-যাহিদ—তাঁকে পড়ে শোনানো হয়েছে—তিনি বলেন: আমি মদিনায় আতর বিক্রেতাদের সারিতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মসজিদের বিপরীতে এবং তাঁর কবরের সন্নিকটে তাঁর দোকানে আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার দাদা মুহাম্মদ ইবনে সুহাইল ইবনে ইসহাক আল-ফারায়েযীকে বলতে শুনেছি:
আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি হাদিসটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «যখন কিয়ামতের দিন আসবে তখন একজন ঘোষণাকারী ডাকবেন: হে মুহাম্মদ, উঠুন এবং হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করুন। তখন মুহাম্মদ নামের প্রত্যেকেই দাঁড়িয়ে যাবে এই ধারণায় যে ঘোষণাটি তাঁর জন্যই করা হয়েছে; মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সম্মানে তাঁদেরকে বাধা দেওয়া হবে না»
(১)।
তাই আমি এই পৃষ্ঠাগুলোতে ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা)-এর সহীহ গ্রন্থ থেকে মুহাম্মদ নামধারী ব্যক্তিদের বর্ণনায় চল্লিশটি হাদিস সংকলন করেছি; আমরা যে রেওয়ায়েতটি বর্ণনা করেছি তার বরকতের আশায়। আল্লাহ যেন আমাদের এবং আপনাদের এই ইলমের দ্বারা উপকৃত করেন এবং তাঁর অনুগ্রহ ও প্রশস্ত রহমতের মাধ্যমে একে আমাদের বিরুদ্ধে কোনো দলিল বা বিপদের কারণ না করেন; নিশ্চয়ই তিনি অতি নিকটে ও দুআ কবুলকারী।
তন্মধ্যে প্রথম হাদিসটি হলো:
১ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: উরওয়াহ ইবনে যুবাইর থেকে, তিনি যয়নব বিনতে আবি সালামাহ থেকে:
উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ঘরে একটি ছোট মেয়েকে দেখলেন যার চেহারায় কালচে দাগ ছিল। তখন তিনি বললেন: «তোমরা তাঁর জন্য ঝাড়ফুঁকের ব্যবস্থা করো; কেননা সে বদনজরে আক্রান্ত হয়েছে।» [বুখারী: ৫৭৩৯]
মাশায়েখদের মধ্যে প্রথমজন হলেন: ইমাম আলিম যাহেদ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ফজল ইবনে আহমদ, যিনি নিশাপুরে বসবাস করতেন।
আর দ্বিতীয়জন হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হুসাইন আল-খাব্বাযী আল-জুরজানী, নিশাপুরের ক্বারীগণের ইমাম এবং তাঁর সময়ের প্রধান ক্বারী, এবং তাঁর সমসাময়িক হলেন শায়খ ইমাম আবু সাহল মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস আল-হাফসাভী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ২)
المَرْوَزِيُّ، قَدِمَ نَيْسَابُوْرَ، وَنَزَلَ المَدْرَسَةَ النِّظَامِيَّةَ، وَقُرِئَ عَلَيْهِ الصَّحِيْحُ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى مَوْلِدِهِ بِمَرْوَ، وَمَاتَ هُنَاكَ رحمه الله.
وَشَيْخُهُ
(1) هُوَ: الثِّقَةُ أَبُوْ الهَيْثَمِ مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيٍّ ابْنِ زَرَّاعٍ الكُشْمِيْهَنِيُّ الأَدِيْبِ.
وَشَيْخُهُ: هُوَ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوْسُفَ بْنِ مَطَرِ بْنِ صَالِحِ بْنِ بِشْرٍ الفِرَبْرِيُّ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيْلَ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ بْنِ المُغِيْرَةِ الجُعْفِيُّ البُخَارِيُّ رحمه الله، حُكِيَ عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ: صَنَّفْتُ الجَّامِعَ فِي المَسْجِدِ الحَرَامِ، فَمَا كَتَبْتُ فِيْهِ حَدِيْثًا حَتَّى أسْتَيْقِنَ بِصِحَّتِهِ، وَاسْتَخَرْتُ اللهَ تَعالى لِكُلِّ حَدِيْثٍ، وَصَلَّيْتُ خَلْفَ المَقَامِ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ كَتَبْتُهُ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ الذُّهْلِيُّ، أَخْرَجَ عَنْهُ فِي كِتَابِ الطِّبِّ، وَنَسَبَهُ إِلَى جَدِّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ خَالِدٍ الذُّهْلِيُّ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبِ بْنِ عَطِيَّةَ الدِّمَشْقِيِّ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ الخَوْلَانِيُّ، يُعْرَفُ بِالأَبْرَشِ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: أَبُوْ الهُذَيْلِ مُحَمَّدُ بْنُ الوَلِيْدِ بْنِ عَامِرٍ الزَّبِيْدِيُّ الحِمْصِيُّ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ شِهَابِ بْنِ الحَارِثِ بْنِ زُهْرَةَ بْنِ كِلَابِ بْنِ مُرَّةَ بْنِ كَعْبِ بْنِ لُؤَيِّ بْنِ غَالِبٍ الزُّهْرِيُّ.
وَأَخْبَرَنِي بِهِ أَيْضًا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ:
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي بَيْتِهَا جَارِيَةً فِي وَجْهِهَا سَفْعَةٌ، فَقَالَ: «اسْتَرْقُوا لَهَا؛ فَإِنَّ بِهَا النَّظْرَةَ». [خ¦5739]
فَالأَوَّلُ مِنَ المَشَايِخِ: الإِمَامُ الزَّاهِدُ البَرَكَةُ شَيْخُ الصُّوْفِيَّةِ فِي وَقْتِهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الخَطِيْبُ الكُشْمِيْهَنِيُّ رحمه الله.
والثَّانِي: شَيْخُ الزَّمَانِ فِي وَقْتِهِ زُهْدًا وَعِلْمًا وَوَرَعًا أَبُوْ الخَيْرِ مُحَمَّدُ بْنُ مُوْسَى بْنِ عَبْدِ اللهِ الصَّفَّارُ.
وَالثَّالِثُ هُوَ: الإِمَامُ أَبُوْ الهَيْثَمِ مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ زَرَّاعٍ الكُشْمِيْهَنِيُّ.
وَالرَّابِعُ: مُحَمَّدُ بْنُ يُوْسُفَ بْنِ مَطَرٍ.
وَالخَامِسُ: الإِمَامُ المُقَدَّمُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيْلَ.
وَالسَّادِسُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ خَالِدِ.
(2) وَالسَّابِعُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبِ بْنِ عَطِيَّةَ.
وَالثَّامِنُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ.
وَالتَّاسِعُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ الوَلِيْدِ بْنِ عَامِرٍ.
وَالعَاشِرُ هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ الزُّهْرِيُّ.
2 -
الحَدِيْثُ الثَّانِي:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ يُحَدِّثُ:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: لَمَّا أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَكْتُبَ كِتَابًا إِلَى الرُّومِ
--------------------------------------------
আল-মারওয়াযি; তিনি নিশাপুরে আগমন করেন, মাদরাসা আন-নিযামিয়্যাহতে অবস্থান করেন এবং তাঁর নিকট (সহীহ বুখারী) পাঠ করা হয়। অতঃপর তিনি তাঁর জন্মস্থান মার্ভে ফিরে যান এবং সেখানেই ইন্তেকাল করেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
এবং তাঁর উস্তাদ
(১) হলেন: নির্ভরযোগ্য আবু আল-হাইসাম মুহাম্মদ ইবনে মাক্কী ইবনে যাররা আল-কুশমিহানি আল-আদিব।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মাতার ইবনে সালিহ ইবনে বিশর আল-ফিরাবরি।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-মুগিরা আল-জু'ফি আল-বুখারি, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। তাঁর সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: আমি মসজিদে হারামে এই জামি' (সহীহ বুখারী) সংকলন করেছি; আমি এতে কোনো হাদিসই লিখিনি যতক্ষণ না এর বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আমি নিশ্চিত হয়েছি। আমি প্রতিটি হাদিসের জন্য মহান আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করেছি এবং মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে দুই রাকাত সালাত আদায় করেছি, অতঃপর তা লিখেছি।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আদ-দুহলি। তিনি তাঁর থেকে 'কিতাবুত তিব্ব' (চিকিৎসা অধ্যায়)-এ হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে তাঁর দাদা মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদ আদ-দুহলির দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহাব ইবনে আতিয়্যাহ আদ-দিমাশকি।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: মুহাম্মদ ইবনে হারব আল-খাওলানি, যিনি আল-আবরাশ নামে পরিচিত।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: আবু আল-হুযাইল মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে আমির আয-যাবিদি আল-হিমসি।
এবং তাঁর উস্তাদ হলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম ইবনে শিহাব ইবনে আল-হারিস ইবনে যুহরাহ ইবনে কিলাব ইবনে মুররাহ ইবনে কা'ব ইবনে লুআই ইবনে গালিব আয-যুহরি।
এবং মুহাম্মদ আমাকে আরও সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি যায়নাব বিনতে আবি সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন:
উম্মু সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ঘরে একটি ছোট মেয়েকে দেখলেন যার চেহারায় কালচে ছোপ ছিল। তখন তিনি বললেন: "তার জন্য রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) করাও; কারণ তাকে বদনজর লেগেছে।" [বুখারি: ৫৭৩৯]
উস্তাদগণের মধ্যে প্রথমজন হলেন: ইমাম, যাহেদ, বরকতময় ব্যক্তিত্ব, তাঁর সময়ের সুফিগণের শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবি বকর আল-খতিব আল-কুশমিহানি, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
দ্বিতীয়জন: তাঁর সময়ের জ্ঞান, যুহদ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে যুগের শ্রেষ্ঠ শায়খ আবু আল-খাইর মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাফফার।
তৃতীয়জন হলেন: ইমাম আবু আল-হাইসাম মুহাম্মদ ইবনে মাক্কী ইবনে যাররা আল-কুশমিহানি।
চতুর্থজন: মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মাতার।
পঞ্চমজন: ইমামুল মুকাদ্দাম মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল।
ষষ্ঠজন হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদ।
(২) সপ্তমজন হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহাব ইবনে আতিয়্যাহ।
অষ্টমজন হলেন: মুহাম্মদ ইবনে হারব।
নবমজন হলেন: মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে আমির।
দশমজন হলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম ইবনে উবাইদুল্লাহ আয-যুহরি।
২ -
দ্বিতীয় হাদিস:
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: শু'বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বর্ণনা করতে শুনেছি:
আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রোমকদের নিকট একটি পত্র লিখতে চাইলেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৩)
قَالَ: إِنَّهُمْ لَا يَقْرَؤُوْنَ كِتَابًا إِلَّا مَخْتُومًا، فَاتَّخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَاتَماً مِنْ فِضَّةٍ، كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِهِ، وَنَقْشُهُ: مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ. [خ¦7162]
فَالأَوَّلُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ الفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّاعِدِيُّ، أَوْحَدُ عَصْرِهِ فِي التَّفْسِيْرِ وَالمَذْهَبِ وَالمُنَاظَرَةِ.
وَالثَّانِي هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الحَسَنِ الخَبَّازِيُّ، وَقَرِيْنُهُ: أَبُوْ سَهْلٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ حَفْصٍ.
وَالثَّالِثُ: الثِّقَةُ أَبُوْ الهَيْثَمِ مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيٍّ الأَدِيْبُ.
وَالرَّابِعُ هُوَ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوْسُفَ بْنِ مَطَرٍ.
وَالخَامِسُ: إِمَامُ الأَئِمَّةِ فِي صَنْعَةِ الحَدِيْثِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيْلَ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ بْنِ المُغِيْرَةِ الجُعْفِيُّ.
وَالسَّادِسُ هُوَ: أَبُوْ بَكْرِ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ دَاوُدَ بْنِ كَيْسَانَ العَبْدِيُّ البَصْرِيُّ، يُلَقَّبُ بِبُنْدَارٍ.
وَالسَّابِعُ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الهُذْلِيُّ، مَوْلَاهُمْ البَصْرِيُّ صَاحِبُ الكَرَابِيْسِ المُلَقَّبُ بغُنْدَرٍ.
فَجَمِيْعُ مَا يَرِدُ هُوَ بِرِوَايَةِ هَؤُلَاءِ الأَئِمَّةِ المَذْكُوْرَةِ، فَإِنْ اتَّفَقَ فِي شُيُوْخِ البُخَارِيِّ اّْخْتِلَافٌ فِي آخِرِ الجُزْءِ أَذْكُرُهُ وَأُبَيِّنُهُ إنْ شاءَ اللهُ.
3 -
الحَدِيْثُ الثَّالِثُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ ثَابِتٍ، قال:
سَمِعْتُ أَنَسًا رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الصَّبْرُ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الأُوْلَى». [خ¦1302]
4 -
الحَدِيْثُ الرَّابِعُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنِ المَعْرُورِ، قَالَ:
سَمِعْتُ أَبَا ذَرٍّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَتَانِي جِبْرِيلُ عليه السلام فَبَشَّرَنِي أَنَّهُ مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئاً دَخَلَ الجَنَّةَ». قُلْتُ: وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ؟ قَالَ: «وَإِنْ زَنَى، وَإِنْ سَرَقَ». [خ¦7487]
5 -
الحَدِيْثُ الخَامِسُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ:
سَمِعْتُ البَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ رضي الله عنه، قالَ: قَرَأَ رَجُلٌ الكَهْفَ، وَفِي الدَّارِ دَابَّةُ
(1)، فَجَعَلَتْ تَنْفِرُ، فَسَلَّمَ، فَإِذَا ضَبَابَةٌ أَوْ سَحَابَةٌ غَشِيَتْهُ، فَذَكَر ذَلِكَ لِرَسُوْلِ الله صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «تِلْكَ السَّكِينَةُ نَزَلَتْ -أَوْ: تَنَزَّلَتْ- لِلْقُرْآنِ». [خ¦3614]
أَبُوْ إِسْحَاقَ اسْمُهُ عَمْرُو بْنُ عَبْدِ اللهِ السَّبِيْعِيُّ.
6 -
الحَدِيْثُ السَّادِسُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ وَالأَشْعَثِ بْنِ سُلَيْمٍ، سَمِعَا الأَسْوَدَ بْنَ هِلَالٍ:
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا مُعَاذُ أَتَدْرِي مَا حَقُّ اللهِ عَلَى العِبَادِ؟». قُلْتُ:
--------------------------------------------
তিনি বললেন: নিশ্চয়ই তারা মোহরহীন কোনো পত্র পাঠ করে না। তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপার একটি আংটি তৈরি করলেন। আমি যেন এখনো তার উজ্জ্বলতার দিকে তাকিয়ে আছি, আর তাতে খোদাই করা ছিল: মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। [বুখারি ৭১৬২]
প্রথমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন ফজল বিন আহমদ আল-সাঈদী, তিনি তার যুগে তাফসির, মাযহাব এবং বিতর্কে অনন্য ছিলেন।
দ্বিতীয়জন হলেন: মুহাম্মদ বিন আলী বিন হাসান আল-খাব্বাজি, এবং তার সমপর্যায়ের হলেন: আবু সাহল মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন হাফস।
তৃতীয়জন: নির্ভরযোগ্য আবু হাইসাম মুহাম্মদ বিন মাক্কী আল-আদিব।
চতুর্থজন হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মাতার।
পঞ্চমজন: হাদিস শাস্ত্রে ইমামদের ইমাম মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন মুগীরা আল-জু’ফী।
ষষ্ঠজন হলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন বাশার বিন উসমান বিন দাউদ বিন কায়সান আল-আবদী আল-বসরী, তাকে 'বুন্দার' উপাধিতে ডাকা হতো।
সপ্তমজন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন জাফর আল-হুযালী, তাদের আযাদকৃত দাস, বসরী, কাপড়ের ব্যবসায়ী, যার উপাধি 'গুনদার'।
বর্ণিত যা কিছু আসছে তার সবই এই উল্লেখিত ইমামদের বর্ণনায়। যদি বুখারীর উস্তাদদের মধ্যে কোনো অংশে মতভেদ দেখা দেয় তবে ইনশাআল্লাহ আমি তা খণ্ডের শেষে উল্লেখ করব এবং ব্যাখ্যা করব।
৩ -
৩য় হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু’বা, সাবিত থেকে, তিনি বলেন:
আমি আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহুকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: «ধৈর্য হলো বিপদের প্রথম আঘাতে (মুহূর্তে)»। [বুখারি ১৩০২]
৪ -
৪র্থ হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু’বা, ওয়াসিল থেকে, তিনি মা’রুর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি আবু যর রাযিয়াল্লাহু আনহুকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: «আমার কাছে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আসলেন এবং আমাকে সুসংবাদ দিলেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করে মারা যাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»। আমি বললাম: যদিও সে ব্যভিচার করে এবং যদিও সে চুরি করে? তিনি বললেন: «যদিও সে ব্যভিচার করে এবং যদিও সে চুরি করে»। [বুখারি ৭৪৮৭]
৫ -
৫ম হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু’বা, আবু ইসহাক থেকে, তিনি বলেন:
আমি বারা বিন আযিব রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি: এক ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করছিল, আর বাড়িতে একটি জন্তু ছিল
(১), সেটি লাফালাফি শুরু করল। অতঃপর তিনি সালাম ফিরালেন। হঠাৎ একখণ্ড মেঘমালা বা কুয়াশা তাকে ঢেকে ফেলল। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: «এটি ছিল সাকিনাহ (প্রশান্তি) যা কুরআন পাঠের কারণে অবতীর্ণ হয়েছে -অথবা: নাজিল হয়েছে-»। [বুখারি ৩৬১৪]
আবু ইসহাকের নাম হলো আমর বিন আব্দুল্লাহ আস-সাবিঈ।
৬ -
৬ষ্ঠ হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু’বা, আবু হাসীন ও আশআস বিন সুলাইম থেকে, তারা উভয়ে আসওয়াদ বিন হিলাল থেকে শুনেছেন:
মুআয বিন জাবাল রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হে মুআয! তুমি কি জানো বান্দার ওপর আল্লাহর হক কী?»। আমি বললাম:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৩)
اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «أَنْ يَعْبُدُوهُ وَلا يُشْرِكُوا بِهِ شَيْئاً، أَتَدْرِي مَا حَقُّهُمْ عَلَيْهِ؟». قُلْتُ: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «أَنْ لَا يُعَذِّبَهُمْ». [خ¦7373]
أَبُوْ حُصَيْنٍ هُوَ عُثْمانُ بْنُ عَاصِمٍ الأَسْدِيُّ، وَهُوَ كُوْفِيٌّ.
7 -
الحَدِيْثُ السَّابِعُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ:
عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «رُؤْيَا المُؤْمِنِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ». [خ¦6987]
8 -
الحديث الثامن:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ زَيْدٍ:
عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه أَنَّ يَهُودِيًّا قَتَلَ جَارِيَةً عَلَى أَوْضَاحٍ لَهَا، قَتَلَهَا بِحَجَرٍ، فَجِيءَ بِهَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَبِهَا رَمَقٌ، فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَقَتَلَكِ فُلَانٌ؟» فَأَشَارَتْ
(1) أَنْ لَا، ثُمَّ قَالَ الثَّانِيَةَ، فَأَشَارَتْ بِرَأْسِهَا أَنْ لَا، ثُمَّ سَأَلَهَا الثَّالِثَةَ، فَأَشَارَتْ بِرَأْسِهَا أَيْ نَعَمْ. فَقَتَلَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِحَجَرَيْنِ. [خ¦6879]
9 -
الحَدِيْثُ التَّاسِعُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، قَالَ:
سَمِعْتُ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيْرٍ رضي الله عنه: سَمِعْتُ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ أَهْوَنَ أَهْلِ النَّارِ عَذَاباً يَوْمَ القِيَامَةِ لَرَجُلٌ تُوضَعُ فِي أَخْمَصِ قَدَمَيْهِ جَمْرَةٌ، يَغْلِي مِنْهَا دِمَاغُهُ». [خ¦6561]
أَبُوْ إِسْحَاقَ قَدْ تَقَدَّمَ ذِكْرُهُ.
10 -
الحَدِيْثُ العَاشِرُ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ
(2)، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ:
عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ: «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي». [خ¦4293]
أَبُوْ الضُّحَى هُوَ مُسْلِمُ بْنُ صُبَيْحٍ
(3) الكُوْفِيُّ.
11 -
الحَدِيْثُ الحَادِيَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ:
سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الأَنْصَارِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَخَلَا بِهَا، وقالَ: «إِنَّكُم لَأَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ». [خ¦5234]
12 -
الحَدِيْثُ الثَّانِيَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ»، وَكَانَ يُعْجِبُهُ الفَأْلُ، قَالُوا: وَمَا الفَأْلُ؟ قَالَ: «كَلِمَةٌ طَيِّبَةٌ». [خ¦5776]
13 -
الحَدِيْثُ الثَّالِثَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ:
--------------------------------------------
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। তিনি বললেন: «যাতে তারা তাঁর ইবাদত করে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করে। তুমি কি জানো তাদের ওপর আল্লাহর কী হক রয়েছে? »। আমি বললাম: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। তিনি বললেন: «যাতে তিনি তাদের শাস্তি না দেন»। [বুখারি: ৭৩৭৩]
আবু হুসাইন হলেন উসমান ইবনে আসিম আল-আসাদি, তিনি কুফাবাসী।
৭ -
সপ্তম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, কাতাদাহ থেকে, আনাস ইবনে মালিক থেকে:
উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মুমিনের স্বপ্ন নবুওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ»। [বুখারি: ৬৯৮৭]
৮ -
অষ্টম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, হিশাম ইবনে যাইদ থেকে:
আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, এক ইহুদি এক বালিকাকে তার রূপার অলংকারের লোভে হত্যা করেছিল; সে তাকে পাথর দিয়ে হত্যা করে। এরপর বালিকাটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হয় এমতাবস্থায় যে তার প্রাণ ওষ্ঠাগত ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন: «অমুক কি তোমাকে হত্যা করেছে?» সে ইশারায়
(১) না বলল। দ্বিতীয়বার তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে মাথার ইশারায় না বলল। অতঃপর তিনি তৃতীয়বার তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তখন সে মাথার ইশারায় হ্যাঁ বলল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (ইহুদিকে) দুটি পাথরের আঘাতে হত্যা করেন। [বুখারি: ৬৮৭৯]
৯ -
নবম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, তিনি বলেন: আমি আবু ইসহাককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন:
আমি নুমান ইবনে বাশির (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আজাব হবে সেই ব্যক্তির, যার দুই পায়ের তালুর নিচে একটি আগুনের অঙ্গার রাখা হবে, যার ফলে তার মস্তিষ্ক টগবগ করে ফুটতে থাকবে»। [বুখারি: ৬৫6১]
আবু ইসহাকের উল্লেখ পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
১০ -
দশম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা
(২), আবু আদ-দুহা থেকে, মাসরুক থেকে:
আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রুকু ও সিজদায় বলতেন: «হে আল্লাহ, আমাদের রব! আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন»। [বুখারি: ৪২৯৩]
আবু আদ-দুহা হলেন মুসলিম ইবনে সুবাইহ
(৩) আল-কুফি।
১১ -
একাদশ হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, হিশাম থেকে, তিনি বলেন:
আমি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আনসারদের এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন। তিনি তার সাথে নির্জনে কথা বললেন এবং বললেন: «নিশ্চয়ই তোমরা মানুষের মাঝে আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়»। [বুখারি: ৫২৩৪]
১২ -
দ্বাদশ হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বলতে শুনেছি:
আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «রোগের কোনো সংক্রামকতা নেই এবং কোনো কুলক্ষণ নেই», তবে তিনি 'ফাল' (তথা শুভলক্ষণ) পছন্দ করতেন। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: 'ফাল' কী? তিনি বললেন: «উত্তম কথা»। [বুখারি: ৫৭৭৬]
১৩ -
ত্রয়োদশ হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৪)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَس بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه:
عَنْ أُمِّ سُلَيْمٍ رضي الله عنها أَنَّهَا قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللهِ، أَنَسٌ خَادِمُكَ، فَادْعُ اللهَ لَهُ. قَالَ: «اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ، وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ». [خ¦6378]
14 -
الحَدِيْثُ الرَّابِعَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ العَزِيزِ:
عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: «أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ وَرَجُلٌ يُنَاجِي رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَمَا زَالَ يُنَاجِيهِ حَتَّى نَامَ أَصْحَابُهُ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى». [خ¦6292]
15 -
الْحَدِيثُ الْخَامِسَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ:
سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ رضي الله عنه، قَالَ: دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَرِيضٌ، فَتَوَضَّأَ، فَصَبَّ عَلَيَّ، أَوْ قَالَ: «صُبُّوْهُ عَلَيْهِ»، فَعَقَلْتُ. فَقُلْتُ: لَا يَرِثُنِي إِلَّا كَلَالَةٌ، فَكَيْفَ المِيرَاثُ؟ فَنَزَلَتْ آيَةُ الفَرَائِضِ. [خ¦5676]
مُحَمَّدٌ هَذَا المَذْكُوْرُ بَعْدَ شُعْبَةَ هُو أَبُو عَبْدِ اللهِ -ويُقالُ: أبوْ بَكْرٍ- مُحَمَّدُ بْنُ المُنْكَدِرِ.
16 -
الْحَدِيثُ السَّادِسَ عَشْرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُدْرِكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ قَالَ:
سَمِعْتُ جَرِيْرًا رضي الله عنه، يَقُوْلُ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الوَدَاعِ: «اسْتَنْصِتِ النَّاسَ، لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّاراً يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ». [خ¦6869]
أَبُوْ زُرْعَةَ اسْمُهُ: هَرِمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ، وَقِيْلَ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيْرٍ البِجْلِيُّ، رَوَى عَنْ جَرِيْرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ.
17 -
الْحَدِيثُ السَّابِعَ عَشْرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ فِرَاسٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ:
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنه، عَنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الكَبَائِرُ: الإِشْرَاكُ بِاللهِ، وَعُقُوقُ الوَالِدَيْنِ». أَوْ قَالَ: «اليَمِينُ الغَمُوس». شَكَّ شُعْبَةُ. [خ¦6870]
الشَّعْبِيُّ اسْمُهُ: عَامِرُ بْنُ شَرَاحِيْلَ.
18 -
الْحَدِيثُ الثَّامِنَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْد رضي الله عنه:
عَنِ البَرَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: أَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِإِبْرَارِ المُقْسِمِ. [خ¦6654]
19 -
الْحَدِيثُ التَّاسِعَ عَشَرَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه قَالَ: سُئِلَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَوْلَادِ المُشْرِكِينَ،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহ থেকে শুনেছি, তিনি আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন:
উম্মু সুলায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আনাস আপনার খাদেম, তার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করুন। তিনি বললেন: «হে আল্লাহ, আপনি তার সম্পদ ও সন্তান বাড়িয়ে দিন এবং তাকে যা দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন।» [বুখারী: ৬৩৭৮]
১৪ -
চতুর্দশ হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, আব্দুল আযীয থেকে:
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «সালাতের ইকামত দেওয়া হলো এমতাবস্থায় যে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কানে কানে কথা বলছিলেন। তিনি অনবরত তাঁর সাথে কথা বলতে থাকলেন এমনকি তাঁর সাহাবীগণ ঘুমিয়ে পড়লেন, এরপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন।» [বুখারী: ৬২৯২]
১৫ -
পঞ্চদশ হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, মুহাম্মদ থেকে, তিনি বলেন:
আমি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসলেন যখন আমি অসুস্থ ছিলাম। তিনি ওযু করলেন এবং আমার ওপর (ওযুর পানি) ঢেলে দিলেন, অথবা তিনি বললেন: «তার ওপর এটি ঢেলে দাও», ফলে আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম। আমি বললাম: কালালাহ (পিতামাতা ও সন্তানহীন) ব্যতীত তো আমার কেউ উত্তরাধিকারী হবে না, তাহলে মীরাস কীভাবে হবে? তখন মীরাসের আয়াত নাযিল হলো। [বুখারী: ৫৬৭৬]
শু'বাহর পরে উল্লিখিত এই মুহাম্মদ হলেন আবু আব্দুল্লাহ -এবং বলা হয়: আবু বকর- মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির।
১৬ -
ষোড়শ হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, আলী ইবন মুদরিক থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু যুরআহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন:
আমি জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জে বললেন: «লোকদের নীরব করো। আমার পরে তোমরা কাফির হয়ে ফিরে যেও না যে, একে অপরের গর্দান কাটবে।» [বুখারী: ৬৮৬৯]
আবু যুরআর নাম হলো: হারিম ইবন আব্দুল্লাহ, আর বলা হয়: আব্দুর রহমান ইবন আমর ইবন জারীর আল-বিজলী; তিনি জারীর ও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
১৭ -
সপ্তদশ হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, ফিরাাস থেকে, শাবী থেকে:
আব্দুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি বলেন: «কবিরা গুনাহসমূহ হলো: আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং পিতামাতার অবাধ্য হওয়া।» অথবা তিনি বললেন: «ইয়ামিনে গামুস (মিথ্যা শপথ)»—শু'বাহ এখানে সন্দেহ করেছেন। [বুখারী: ৬৮৭০]
শাবীর নাম হলো: আমির ইবন শারাহীল।
১৮ -
অষ্টাদশ হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, আশ'আস থেকে, মুয়াবিয়া ইবন সুওয়াইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে:
বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের শপথকারীর শপথ পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। [বুখারী: ৬৬৫৪]
১৯ -
ঊনবিংশ হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, আবু বিশর থেকে, সাঈদ ইবন জুবায়ের থেকে:
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো,
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৪)
فَقَالَ: «اللهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا عَامِلِينَ». [خ¦6597]
أَبُوْ بِشْرٍ هَذَا اسْمُهُ: جَعْفَرُ بْنُ إِيَاسِ بْنِ أَبِي وَحْشِيَّةَ.
20 -
الْحَدِيثُ العُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ، قَالَ:
سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رضي الله عنه يَقُوْلُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «يَقُولُ اللهُ تبارك وتعالى: لِأَهْوَنِ أَهْلِ النَّارِ عَذَاباً يَوْمَ القِيَامَةِ: لَوْ أَنَّ لَكَ مَا فِي الأَرْضِ مِنْ شَيْءٍ أَكُنْتَ تَفْتَدِي بِهِ؟ فَيَقُولُ: نَعَمْ. فَيَقُولُ: أَرَدْتُ مِنْكَ أَهْوَنَ مِنْ هَذَا وَأَنْتَ فِي صُلْبِ آدَمَ: أَنْ لَا تُشْرِكَ بِي شَيْئاً، فَأَبَيْتَ إِلَّا أَنْ تُشْرِكَ بِي». [خ¦6557]
أَبُوْ عِمْرَانَ اسْمُهُ: عَبْدُ المَلِكِ بْنُ حَبِيْبٍ الجَوْنِيُّ البَصْرِيُّ.
21 -
الْحَدِيثُ الحَادِيَ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي إِبْرَاهِيمَ بْنَ سَعْدٍ:
عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِعَلِيٍّ رضي الله عنه: «أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى». [خ¦3706]
22 -
الْحَدِيثُ الثَّانِي والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الحَكَمِ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ:
حَدَّثَنَا عَلِيٌّ رضي الله عنه أَنَّ فَاطِمَةَ رضي الله عنها شَكَتْ إِلَىَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا تَلْقَى مِنْ أَثَرِ الرَّحَى، فَأُتِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِسَبْيٍ، فَانْطَلَقَتْ فَوَجَدَتْ عَائِشَةَ رضي الله عنها فَأَخْبَرَتْهَا، فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ بِمَجِيءِ فَاطِمَةَ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَيْنَا وَقَدْ أَخَذْنَا مَضَاجِعَنَا، فَذَهَبْتُ لِأَقُومَ، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: «عَلَى مَكَانِكُمَا». فَقَعَدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْنَنَا حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى صَدْرِي، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: «أَلَا أُعَلِّمُكُمَا خَيْرًا مِمَّا سَأَلْتُمَا؟ إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا فَكَبِّرَا أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ، وَسَبِّحَا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، وَاحْمَدَا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِمَّا سَأَلْتُمَاهُ». [خ¦3705]
23 -
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الحَكَمِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، قَالَ:
لَمَّا بَعَثَ عَلِيٌّ رضي الله عنه عَمَّاراً وَالحَسَنَ رضي الله عنه إِلَى الكُوفَةِ لِيَسْتَنْفِرَهُمْ خَطَبَ عَمَّارٌ فَقَالَ: وَاللهِ إِنِّي لَأَعْلَمُ أَنَّهَا
তিনি বললেন: «তারা যা করত সে সম্পর্কে আল্লাহই সম্যক অবগত।» [বুখারি: ৬৫৯৭]
এই আবু বিশরের নাম হলো: জাফর ইবনে ইয়াস ইবনে আবি ওয়াহশিয়্যাহ।
২০ -
বিংশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আবু ইমরান থেকে, তিনি বলেন:
আমি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বলবেন: যদি তোমার কাছে জমিনের সব সম্পদ থাকত, তবে কি তুমি তা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতে? সে বলবে: হ্যাঁ। তখন আল্লাহ বলবেন: আমি তো তোমার কাছে এর চেয়েও সহজ কিছু চেয়েছিলাম যখন তুমি আদমের পৃষ্ঠদেশে ছিলে; তা হলো— তুমি আমার সাথে কোনো কিছু শরিক করবে না। কিন্তু তুমি শিরক করা ছাড়া আর কিছুই মানতে রাজি হওনি।» [বুখারি: ৬৫৫৭]
আবু ইমরানের নাম হলো: আব্দুল মালিক ইবনে হাবীব আল-জাওনী আল-বাসরী।
২১ -
একবিংশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, সা'দ থেকে, তিনি বলেন: আমি আমার পিতা ইব্রাহিম ইবনে সা'দকে বলতে শুনেছি:
তাঁর পিতা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বললেন: «তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার কাছে তোমার মর্যাদা ঠিক তেমনি, যেমন মূসার কাছে হারূনের ছিল?» [বুখারি: ৩৭০৬]
২২ -
দ্বাবিংশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাকাম থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি লাইলাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন:
আমাদের নিকট আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেছেন যে, ফাতিমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) যাতাকল চালানোর ফলে তাঁর হাতে যে কষ্ট হতো সে সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে অভিযোগ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে কিছু যুদ্ধবন্দি আনা হলে ফাতিমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) নবীজির কাছে গেলেন কিন্তু তাঁকে পেলেন না। তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে পেয়ে তাঁকে বিষয়টি জানালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ফিরে এলেন, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তাঁকে ফাতিমার আসার খবর দিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে এলেন যখন আমরা বিছানায় শুয়ে পড়েছিলাম। আমি উঠতে উদ্যত হলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «তোমরা নিজ নিজ স্থানেই থাকো।’ এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝখানে বসলেন, এমনকি আমি আমার বুকের ওপর তাঁর দুই পায়ের শীতলতা অনুভব করলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আমি কি তোমাদের তোমরা যা চেয়েছ তার চেয়ে উত্তম কিছু শিখিয়ে দেব না? যখন তোমরা বিছানায় যাবে তখন ৩৪ বার আল্লাহু আকবার বলবে, ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ বলবে এবং ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ বলবে। এটা তোমাদের জন্য তোমরা যা চেয়েছ তার চেয়েও অনেক উত্তম।» [বুখারি: ৩৭০৫]
২৩ -
ত্রয়োবিংশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাকাম থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু ওয়ায়েলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন:
আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) যখন আম্মার এবং হাসান (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে কুফাবাসীদের যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করার জন্য পাঠালেন, তখন আম্মার ভাষণ দিলেন এবং বললেন: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই জানি যে তিনি...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৫)
زَوْجَتُهُ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، وَلَكِنَّ اللهَ ابْتَلَاكُمْ لِتَتَّبِعُوهُ أَوْ إِيَّاهَا. [خ¦3772]
أَبُوْ وَائِلٍ هُوَ: شَقِيْقُ بْنُ سَلَمَةَ الكُوْفِيُّ.
24 -
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَمْزَةَ:
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَم رضي الله عنه قَالَ: قَالَتِ الأَنْصَارُ: يَا رَسُولَ اللهِ، لِكُلِّ نَبِيٍّ أَتْبَاعٌ، وَإِنَّا قَدْ اتَّبَعْنَاكَ، فَادْعُ اللهَ أَنْ يَجْعَلَ أَتْبَاعَنَا مِنَّا. فَدَعَا بِهِ. فَنَمَيْتُ ذَلِكَ إِلَى ابْنِ أَبِي لَيْلَى، فَقَالَ: قَدْ زَعَمَ ذَلِكَ زَيْدٌ. [خ¦3787]
أَبُوْ حَمْزَةَ اسْمُهُ: مُحَمَّدُ بْنُ كَعْبٍ القُرَظِيُّ.
25 -
الْحَدِيثُ الخَامِسُ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه:
عَنْ أَبِي أُسَيْدٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «خَيْرُ دُورِ الأَنْصَارِ، بَنُو النَّجَّارِ، ثُمَّ بَنُو عَبْدِ الأَشْهَلِ، ثُمَّ بَنُو الحَارِثِ بْنِ خَزْرَجٍ، ثُمَّ بَنُو سَاعِدَةَ، وَفِي كُلِّ دُورِ الأَنْصَارِ خَيْرٌ». فَقَالَ سَعْدٌ: مَا أَرَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِلَّا وَقَدْ فَضَّلَ عَلَيْنَا؟ فَقِيلَ: قَدْ فَضَّلَكُمْ عَلَى كَثِيرٍ. [خ¦3789]
أَبُو أُسَيْدٍ اسْمُهُ: مَالِكُ بْنُ رَبِيْعَةَ الأَنْصَارِيُّ.
26 -
الْحَدِيثُ السَّادِسُ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ:
عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ رضي الله عنه أَنَّ رَجُلًا مِنَ الأَنْصَارِ قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، أَلَا تَسْتَعْمِلُنِي كَمَا اسْتَعْمَلْتَ فُلَانًا؟ قَالَ: «سَتَلْقَوْنَ بَعْدِي أُثْرَةً، فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي عَلَى الحَوْضِ». [خ¦3792]
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ:
سَمِعْتُ أَنَسًا يَقُولُ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْأَنْصَارِ: «إِنَّكُمْ سَتَلْقَوْنَ بَعْدِي أَثَرَةً، فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي وَمَوْعِدُكُمُ عَلَى الحَوْضِ». [خ¦3793]
27 -
الْحَدِيثُ السَّابِعُ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الأَنْصَارُ كَرِشِي وَعَيْبَتِي، وَالنَّاسُ يَكْثُرُوْنَ وَيَقِلُّوْنَ، فَاقْبَلُوا مِنْ مُحْسِنِهِمْ، وَتَجَاوَزُوْا عَنْ مُسِيئِهِمْ». [خ¦3801]
28 -
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ والعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ
তিনি দুনিয়া ও আখেরাতে তাঁর স্ত্রী, কিন্তু আল্লাহ তোমাদের পরীক্ষা করছেন যে তোমরা তাঁকে (রাসূলকে) অনুসরণ করো নাকি তাঁকে (আয়েশাকে)। [বুখারি: ৩৭৭২]
আবু ওয়ায়েল হলেন: শাকীক ইবনে সালামাহ আল-কুফি।
২৪ -
চব্বিশতম হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বললেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আমর থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু হামজাকে বলতে শুনেছি:
যায়দ ইবনে আরকাম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আনসারগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, প্রত্যেক নবীরই অনুসারী থাকে, আর আমরা আপনাকে অনুসরণ করেছি, তাই আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের অনুসারীদের আমাদের মধ্য থেকেই করে দেন। ফলে তিনি সেই দোয়া করলেন। আমি বিষয়টি ইবনে আবি লাইলার কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেন: যায়দ এমনই দাবি করেছেন। [বুখারি: ৩৭৮৭]
আবু হামজার নাম হলো: মুহাম্মদ ইবনে কাব আল-কুরাযি।
২৫ -
পঁচিশতম হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বললেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বলতে শুনেছি:
আবু উসাইদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আনসারদের ঘরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো বনু নাজ্জার, এরপর বনু আবদিল আশহাল, এরপর বনু হারিস ইবনে খাযরাজ, এরপর বনু সায়েদাহ; আর আনসারদের প্রতিটি ঘরেই কল্যাণ রয়েছে।’ তখন সাদ বললেন: আমি তো দেখছি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যদের আমাদের ওপর প্রাধান্য দিলেন? উত্তরে বলা হলো: তিনি তোমাদের অনেকের ওপরেই তো শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। [বুখারি: ৩৭৮৯]
আবু উসাইদের নাম হলো: মালিক ইবনে রাবিআহ আল-আনসারি।
২৬ -
ছাব্বিশতম হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বললেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে আনাস ইবনে মালিক থেকে বলতে শুনেছি:
উসাইদ ইবনে হুযাইর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, আনসারদের জনৈক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি আমাকে কোনো কাজে নিয়োগ করবেন না যেমন অমুককে নিয়োগ করেছেন? তিনি বললেন: «তোমরা আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্য দেখতে পাবে, সুতরাং ধৈর্য ধরো যতক্ষণ না হাওযের পাড়ে আমার সাথে সাক্ষাৎ করো।’ [বুখারি: ৩৭৯২]
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বললেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হিশাম থেকে, তিনি বলেন:
আমি আনাসকে বলতে শুনেছি: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমরা আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও অধিকার হরণ দেখতে পাবে, সুতরাং ধৈর্য ধরো যতক্ষণ না আমার সাথে সাক্ষাৎ করো; আর তোমাদের সাথে সাক্ষাতের নির্ধারিত স্থান হলো হাওযের পাড়ে।’ [বুখারি: ৩৭৯৩]
২৭ -
সাতাশতম হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা বললেন: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বলতে শুনেছি:
আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আনসারগণ হলো আমার অন্তরঙ্গ ও বিশ্বস্ত আধার স্বরূপ। মানুষ সংখ্যায় বৃদ্ধি পাবে এবং তারা (আনসাররা) কমতে থাকবে। অতএব তোমরা তাদের নেককারদের থেকে গ্রহণ করো এবং তাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দাও।’ [বুখারি: ৩৮০১]
২৮ -
আঠাশতম হাদিস:
আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৫)
قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ رضي الله عنه: «إِنَّ اللهَ أَمَرَنِي أَنْ أَقْرَأَ عَلَيْكَ: {لَمْ يَكُنِ الَّذِينَ كَفَرُوا} [سورة البينة] قَالَ: وَسَمَّانِي؟ قَالَ: «نَعَمْ». فَبَكَى. [خ¦3809]
29 -
الْحَدِيثُ التَّاسِعُ وَالعُشْرُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ:
سَمِعْتُ البَرَاءَ رضي الله عنه قَالَ: لَمَّا أَقْبَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى المَدِينَةِ تَبِعَهُ سُرَاقَةُ بْنُ مَالِكٍ، فَدَعَا عَلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَاخَتْ بِهِ فَرَسُهُ، فَقَالَ: ادْعُ اللهَ لِي وَلَا أَضُرُّكَ. فَدَعَا لَهُ، قَالَ: فَعَطِشَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَمَرَّ بِرَاعٍ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيْقُ رضي الله عنه: فَأَخَذْتُ قَدَحاً فَحَلَبْتُ فِيهِ كُثْبَةً
(1) مِنْ لَبَنٍ، فَأَتَيْتُهُ فَشَرِبَ حَتَّى رَضِيَ
(2) صلى الله عليه وسلم. [خ¦3908]
أَبُوْ إِسْحَاقَ اسْمُهُ عَمْرُو بْنُ عَبْدِ اللهِ الهَمْدَانِيُّ السَّبِيْعِيُّ.
30 -
الْحَدِيْثُ الثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: جَمَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم نَاساً مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ: «إِنَّ قُرَيْشاً حَدِيثُ عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ وَمُصِيبَةٍ، وَإِنِّي أَرَدْتُ أَنْ أَتَأَلَّفَهُمْ أَوْ أَجْبُرَهُمْ، أَمَا تَرْضَوْنَ أَنْ يَرْجِعَ النَّاسُ بِالدُّنْيَا، وَتَرْجِعُونَ بِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى بُيُوتِكُمْ؟». قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «لَوْ سَلَكَ النَّاسُ وَادِيًا وَسَلَكَتِ الأَنْصَارُ شِعْبًا، لَسَلَكْتُ وَادِيَ الأَنْصَارِ، أَوْ شِعْبَ الأَنْصَارِ». [خ¦4334]
31 -
الْحَدِيْثُ الحَادِيَ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه قَالَ: قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم المَدِينَةَ وَاليَهُودُ تَصُومُ عَاشُورَاءَ، فَقَالُوا: هَذَا يَوْمٌ ظَهَرَ فِيهِ مُوسَى عَلَى فِرْعَوْنَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَنْتُمْ أَحَقُّ بِمُوسَى مِنْهُمْ فَصُومُوْا». [خ¦4680]
أَبُوْ بِشْرٍ هُوَ جَعْفَرُ بْنُ إِيَاسِ بْنِ أَبِي وَحْشِيَّةَ.
32 -
الْحَدِيْثُ الثَّانِي وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا
--------------------------------------------
তারা উভয়ই বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বলতে শুনেছি:
আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবনে কা'ব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি আপনার নিকট পাঠ করি: {লাম ইয়াকুনিল-লাযীনা কাফারূ} [সূরা আল-বাইয়্যিনাহ] তিনি (উবাই) বললেন: তিনি (আল্লাহ) কি আমার নাম নিয়েছেন? তিনি (নবী) বললেন: «হ্যাঁ।» তখন তিনি (উবাই) কেঁদে ফেললেন। [বুখারী ৩৮০৯]
২৯ -
ঊনত্রিশতম হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়েই বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আবু ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আমি বারা ইবনে আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার দিকে আসছিলেন, তখন সুরাকাহ ইবনে মালিক তাঁর অনুসরণ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বিরুদ্ধে দুআ করলেন, ফলে তার ঘোড়া তাকে নিয়ে মাটিতে দেবে গেল। তখন সে বলল: আল্লাহর নিকট আমার জন্য দুআ করুন, আমি আপনাদের কোনো ক্ষতি করব না। তিনি তার জন্য দুআ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃষ্ণার্ত হলেন এবং একজন রাখালের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তখন আমি একটি পাত্র নিলাম এবং তাতে সামান্য পরিমাণ (কুথবাহ) দুধ দোহন করলাম। আমি তা নিয়ে তাঁর নিকট আসলাম এবং তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পান করলেন, এমনকি তিনি সন্তুষ্ট হলেন। [বুখারী ৩৯০৮]
আবু ইসহাক-এর নাম হলো আমর ইবনে আবদুল্লাহ আল-হামদানী আস-সাবিঈ।
৩০ -
ত্রিশতম হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়েই বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বলতে শুনেছি:
আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের কিছু লোককে একত্রিত করলেন এবং বললেন: «নিশ্চয়ই কুরাইশগণ জাহেলিয়াত ও বিপদের নিকটবর্তী সময়ের (অর্থাৎ তারা নতুন মুসলিম), তাই আমি চেয়েছি তাদের অন্তর জয় করতে অথবা তাদের অভাব মোচন করতে। তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, মানুষ দুনিয়া নিয়ে ফিরে যাবে আর তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে তোমাদের ঘরে ফিরে যাবে?» তারা বললেন: হ্যাঁ (আমরা সন্তুষ্ট)। তিনি বললেন: «যদি মানুষ কোনো উপত্যকা দিয়ে চলে আর আনসারগণ অন্য কোনো গিরিপথ দিয়ে চলে, তবে আমি আনসারদের উপত্যকা অথবা আনসারদের গিরিপথ দিয়েই চলব।» [বুখারী ৪৩৩৪]
৩১ -
একত্রিশতম হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়েই বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আবু বিশর হতে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে বর্ণনা করেন:
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আগমন করলেন এবং দেখলেন ইহুদীরা আশুরার সিয়াম পালন করছে। তারা বলল: এটি এমন এক দিন যাতে মূসা ফেরাউনের উপর বিজয় লাভ করেছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমাদের চেয়ে আমরাই মূসার (অনুসরণের) অধিক হকদার, সুতরাং তোমরা সিয়াম পালন করো।» [বুখারী ৪৬৮০]
আবু বিশর হলেন জাফর ইবনে ইয়াস ইবনে আবি ওয়াহশিয়্যাহ।
৩২ -
বত্রিশতম হাদীস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়েই বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৬)
مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي نُعْمٍ يَقُوْلُ:
سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ رضي الله عنه، يَقُوْلُ: وَسَأَلَهُ رَجُلٌ عَنِ المُحْرِمِ؟ قَالَ شُعْبَةُ: أَحْسِبُهُ يَقْتُلُ الذُّبَابَ، فَقَالَ: أَهْلُ العِرَاقِ يَسْأَلُونِي عَنِ قَتْل الذُّبَابِ، وَقَدْ قَتَلُوا ابْنَ بِنْتِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «هُمَا رَيْحَانَتَايَ مِنَ الدُّنْيَا». [خ¦3753]
مُحَمَّدٌ هَذَا الذِي بَعْدَ شُعْبَةَ هُوَ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوْبٍ الضَّبِيُّ البَصْرِيُّ، وَهُوَ ابْنُ أَخِي مِيْثَمٍ.
(1) وابْنَ أَبِي نُعْمٍ؛ هُوَ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ شَيْخُهُ، وَرَوَى عَنْهُ شُعْبَةُ وَمَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُوْنَ.
33 -
الْحَدِيْثُ الثَّالِثُ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم -أَوْ قَالَ أَبُو القَاسِمِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ أَنَّ الأَنْصَارَ سَلَكُوا وَادِياً -أَوْ: شِعْباً- لَسَلَكْتُ فِي وَادِي الأَنْصَارِ، وَلَوْلَا الهِجْرَةُ لَكُنْتُ امْرَأً مِنَ الأَنْصَارِ». [خ¦3779]
34 -
الْحَدِيْثُ الرَّابِعُ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «عَجِبَ اللهُ مِنْ قَوْمٍ يَدْخُلُونَ الجَنَّةَ فِي السَّلَاسِلِ». [خ¦3010]
35 -
الْحَدِيْثُ الخَامِسُ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ:
سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَأَذُودَنَّ رِجَالاً عَنْ حَوْضِي كَمَا تُذَادُ الغَرِيبَةُ مِنَ الإِبِلِ عَنِ الحَوْضِ». [خ¦2367]
36 -
الْحَدِيْثُ السَّادِسُ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ الحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ رضي الله عنهما أَخَذَ تَمْرَةً مِنْ تَمْرِ الصَّدَقَةِ، فَجَعَلَهَا فِي فِيهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «كِخْ كِخْ؛ أَمَا تَعْرِفُ أَنَّا لَا نَأْكُلُ الصَّدَقَةَ». [خ¦3072]
مُحَمَّدٌ هَذَا
--------------------------------------------
মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মুহাম্মাদ থেকে: আমি ইবনে আবি নু'আইমকে বলতে শুনেছি:
আমি ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, এক ব্যক্তি তাঁকে মুহরিম ব্যক্তি (শিকার বা কীটপতঙ্গ মারা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। শু'বাহ বলেন: আমার ধারণা সে মাছি মারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল। তখন তিনি (ইবনে উমর) বললেন: ইরাকবাসীরা আমাকে মাছি মারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে, অথচ তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দৌহিত্রকে হত্যা করেছে! অথচ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তারা দুজন ইহকালে আমার দুটি সুগন্ধি ফুল।" [বুখারি: ৩৭৫৩]
শু'বাহর পরের এই মুহাম্মাদ হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি ইয়াকুব আদ-দাব্বি আল-বাসরি, তিনি মায়সামের ভ্রাতুষ্পুত্র।
(১) আর ইবনে আবি নু'আইম হলেন: আব্দুর রহমান ইবনে আবি বকর, তিনি তাঁর (মুহাম্মাদের) উস্তাদ; তাঁর থেকে শু'বাহ ও মাহদি ইবনে মাইমুন বর্ণনা করেছেন।
৩৩ -
তেত্রিশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মুহাম্মাদ থেকে:
আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে—অথবা তিনি বলেছেন আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে: "যদি আনসাররা কোনো উপত্যকায় বা গিরিপথে পথ চলে, তবে আমি আনসারদের উপত্যকায় পথ চলব। আর যদি হিজরত না থাকত, তবে আমি আনসারদেরই একজন লোক হতাম।" [বুখারি: ৩৭৭৯]
৩৪ -
চৌত্রিশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মুহাম্মাদ থেকে:
আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা এমন এক কওমের প্রতি বিস্মিত হন, যারা শিকলবদ্ধ অবস্থায় জান্নাতে প্রবেশ করবে।" [বুখারি: ৩০১০]
৩৫ -
পঁয়ত্রিশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মুহাম্মাদ থেকে, তিনি বলেন:
আমি আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহুকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, আমি অবশ্যই অনেক মানুষকে আমার হাউজ (কাউসার) থেকে তাড়িয়ে দেব, যেমন করে অপরিচিত উটকে হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।" [বুখারি: ২৩৬৭]
৩৬ -
ছত্রিশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মুহাম্মাদ থেকে:
আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, হাসান ইবনে আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুমা সদকার খেজুর থেকে একটি খেজুর নিয়ে তাঁর মুখে দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "কিখ কিখ (ছিঃ ছিঃ)! তুমি কি জানো না যে আমরা সদকা খাই না।" [বুখারি: ৩০৭২]
এই মুহাম্মাদ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৬)
الذِي بَعْدَ شُعْبَةَ فِي هَذِهِ الثَّلَاثَةِ الأَحَادِيْثِ هُوَ: أَبُوْ الحَارِثِ مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ، مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُوْنٍ، القُرَشِيُّ الجُمَحِيُّ البَصْرِيُّ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، رَوَى عَنْهُ شُعْبَةَ وَإِبْرَاهِيْمُ بْنُ طَهْمَانَ وَغَيْرُهُمَا.
37 -
الْحَدِيْثُ السَّابِعُ والثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ عُمَارَةَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ:
سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «قَالَ اللهُ تَعَالَى: وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ كَخَلْقِي، فَلْيَخْلُقُوا ذَرَّةً وَلِيَخْلُقُوا حَبَّةً أَوْ شَعِيرَةً». [خ¦7559]
شَيْخُ البُخَارِيِّ فِي هَذَا الحَدِيْثِ هُوَ أَبُوْ كُرَيْبٍ مُحَمَّدُ بْنُ العَلَاءِ بْنِ كُرَيْبٍ الهَمْدَانِيُّ الكُوْفِيُّ، مَاتَ يُوْمَ الثُّلَاثَاءِ لِأَرْبَعٍ بَقِيْنَ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِيْنَ وَمِائَتَيْنِ، وَشَيْخُهُ هُوَ أَبُوْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلِ بْنِ غَزْوَانَ الضَّبِيُّ مَوْلَاهُمْ الكُوْفِيُّ، مَاتَ سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِيْنَ وَمِائَةٍ.
38 -
الْحَدِيْثُ الثَّامِنُ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ المَلِكِ:
سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «يَكُونُ اثْنَا عَشَرَ أَمِيراً»، ثُمَّ قَالَ كَلِمَةً لَمْ أَسْمَعَهَا
(1). فَسَأَلْتُ أَبِي: مَا قَالَ؟ فَقَالَ: إِنَّهُ قَالَ: «كُلُّهُمْ مِنْ قُرَيْشٍ». [خ¦7222]
39 -
الْحَدِيْثُ التَّاسِعُ وَالثَّلَاثُونَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ المَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَصْدَقُ بَيْتٍ قَالَهُ الشَّاعِرُ:
كُلُّ شَيْءٍ مَا خَلَا اللهَ بَاطِلُ». [خ¦6489]
شَيْخُ البُخَارِيِّ فِي هَذَيْنِ الحَدِيْثَيْنِ هُوَ: أَبُوْ مُوْسَى مَحُمَّدُ بْنُ المُثَنَّى الزَّمِنُ البَصْرِيُّ العَنْزِيُّ، مَاتَ بَعْدَ بُنْدَارٍ بِأَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ، وَشَيْخُهُ هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، غُنْدَرٌ، كُنْيَتُهُ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ الهُذَلِيُّ مِنْ أَهْلِ البَصْرَةِ، يَرْوِي عَنْ شُعْبَةَ وَمَعْمَرٍ، رَوَى عَنْهُ أَحْمَدُ ابْنُ حَنْبَلٍ وَغَيْرُهُ، مَاتَ فِي النِّصْفِ مِنْ ذِي القِعْدَةِ، سَنَةَ ثَلَاثٍ وَتِسْعِيْنَ وَمِائَةٍ، وَكَانَ ابْنَ امْرَأَةِ شُعْبَةَ.
--------------------------------------------
এই তিনটি হাদিসে শু’বার পরে যিনি রয়েছেন তিনি হলেন: আবু আল-হারিস মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ, উসমান ইবনে মাজউনের মুক্তদাস, কুরায়শী জুমাহি বসরী। তিনি আবু হুরায়রা থেকে শুনেছেন। তাঁর থেকে শু’বা, ইব্রাহিম ইবনে তাহমান এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন।
৩৭ -
সাঁইত্রিশতম হাদিস:
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমারা থেকে, তিনি আবু জুরআ থেকে:
তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ তাআলা বলেন: ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় জালেম আর কে হতে পারে, যে আমার সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করতে চায়? তবে তারা একটি অণু সৃষ্টি করুক, অথবা তারা একটি শস্যদানা কিংবা একটি যব সৃষ্টি করুক।" [বুখারী: ৭৫৫৯]
এই হাদিসে বুখারীর শাইখ হলেন আবু কুরায়ব মুহাম্মদ ইবনে আল-আলা ইবনে কুরায়ব হামদানী কুফী। তিনি দুইশ আটচল্লিশ হিজরির জমাদিউল আখিরা মাসের চার দিন অবশিষ্ট থাকতে মঙ্গলবার দিন ইন্তেকাল করেন। আর তাঁর শাইখ হলেন আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল ইবনে গাজওয়ান দাব্বী, তাঁদের মুক্তদাস, কুফী। তিনি একশ পঁচানব্বই হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
৩৮ -
আটত্রিশতম হাদিস:
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: শু’বা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল মালিক থেকে:
আমি জাবির ইবনে সামুরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "বারোজন আমীর হবে।" এরপর তিনি এমন একটি কথা বললেন যা আমি শুনতে পাইনি। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি কী বললেন? তিনি বললেন: তিনি বলেছেন: "তারা সবাই কুরায়শ বংশ থেকে হবে।" [বুখারী: ৭২২২]
৩৯ -
উনচল্লিশতম হাদিস:
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: শু’বা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে:
আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কবিদের বলা সবচেয়ে সত্য পঙ্ক্তি হলো:
আল্লাহ ছাড়া প্রতিটি জিনিসই অসার।" [বুখারী: ৬৪৮৯]
এই দুটি হাদিসে বুখারীর শাইখ হলেন: আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে আল-মুসান্না আল-জামিন আল-বসরী আল-আনাযী। তিনি বুন্দারের চার মাস পর ইন্তেকাল করেন। আর তাঁর শাইখ হলেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুনদার, তাঁর উপনাম আবু আব্দুল্লাহ আল-হুযালী, বসরার অধিবাসী। তিনি শু’বা এবং মা’মার থেকে বর্ণনা করেন। তাঁর থেকে আহমাদ ইবনে হাম্বল ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি একশ তিয়ানব্বই হিজরির যিলকদ মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি শু’বার স্ত্রীর পুত্র ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৭)
40 -
الْحَدِيْثُ الأَرْبَعُوْنَ:
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ تَوْبَةَ العَنْبَرِيِّ قَالَ: قَالَ لِي الشَّعْبِيُّ: أَرَأَيْتَ حَدِيثَ الحَسَنِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَاعَدْتُ ابْنَ عُمَرَ قَرِيبًا مِنْ سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةٍ وَنِصْفٍ فَلَمْ أَسْمَعْهُ رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غَيْرَ هَذَا؛ قَالَ: كَانَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيهِمْ سَعْدٌ، فَذَهَبُوا يَأْكُلُونَ مِنْ لَحْمٍ، فَنَادَتْهُمُ امْرَأَةٌ مِنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: إِنَّهُ لَحْمُ ضَبٍّ. فَأَمْسَكُوا، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «كُلُوا أَوِ اطْعَمُوا، فَإِنَّهُ حَلَالٌ - أَوْ قَالَ: لَا بَأْسَ بِهِ شَكَّ فِيهِ- وَلَكِنَّهُ لَيْسَ مِنْ طَعَامِي». [خ¦7267]
فَشَيْخُ البُخَارِيِّ فِي هَذَا الحَدِيْثِ هُوَ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ الوَلِيْدِ بْنِ عَبْدِ الحَمِيْدِ البُسْرِيُّ.
وَشَيْخُهُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، غُنْدَرٌ، يَرْوِي عَنْ شُعْبَةَ.
آخِرُ الأَرْبَعِيْنَ.
الزِّيَادَةُ المُلْحَقَةُ عَلَى الأَرْبَعِيْنَ:1 -
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ:
عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لِلْقُرَشِيِّ مِثْلَ قُوَّةِ الرِّجْلَيْنِ مِنْ غَيْرِ قُرَيْشٍ».
(1) 2 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا سَمِعْتُمُ الْإِقَامَةَ فَامْشُوا وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ، فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوْا».
(2)
شَرْحُ أَسَامِي الأَئِمَّةِ فِي الحَدِيْثَيْنِ:فَالأَوَّلُ هُوَ: الإِمَامُ الزَّاهِدُ شَيْخُ وَقْتِهِ أَبُوْ الفَتحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الخَطِيْبُ الكُشْمِيْهَنِيُّ المَرْوَزِيُّ.
وَالثَّانِي هُوَ: الإِمَامُ المُقَدَّمُ فِي عَصْرِهِ، أَبُوْ الفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ العَارِفُ.
وَالثَّالِثُ هُوَ: الإِمَامُ العَالِمُ أَبُوْ سَعِيْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوْسَى بْنِ الفَضْلِ الصَّيْرَفِيُّ.
وَالرَّابِعُ هُوَ: أَبُوْ القَاسِمِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوْبَ الأُمَوِيُّ.
وَالخَامِسُ هُوَ: الإِمَامُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ [أَبِي يَعْقُوْبَ]
(3) البَصْرِيُّ.
وَالسَّادِسُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيْلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ.
وَالسَّابِعُ هُوَ: الإِمَامُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذِئْبٍ.
وَالثَّامِنُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الزُّهْرِيُّ.
--------------------------------------------
৪০ -
চল্লিশতম হাদিস:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তাওবাহ আল-আনবারী থেকে, তিনি বলেন: আশ-শা'বী আমাকে বলেছেন: তুমি কি হাসান বর্ণিত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিসটি দেখেছ? আমি ইবনে উমরের সাথে প্রায় দুই বছর বা দেড় বছর বসেছি, কিন্তু আমি তাঁকে এটি ছাড়া নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অন্য কোনো হাদিস বর্ণনা করতে শুনিনি; তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের মধ্যে কিছু লোক ছিলেন, যাঁদের মাঝে সা'দও ছিলেন। তাঁরা গোশত খেতে যাচ্ছিলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈকা স্ত্রী তাঁদের ডেকে বললেন: এটি গুঁইসাপের গোশত। তখন তাঁরা বিরত থাকলেন। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তোমরা খাও, কারণ এটি হালাল - অথবা তিনি বলেছেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই (বর্ণনাকারী শব্দে সন্দেহ করেছেন) - তবে এটি আমার খাবার নয়»। [বুখারি: ৭২৬৭]
এই হাদিসে বুখারির শায়খ হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ বিন আব্দুল হামিদ আল-বুসরী।
এবং তাঁর শায়খ হলেন: মুহাম্মদ বিন জাফর, গুন্দার, তিনি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেন।
চল্লিশের সমাপ্তি।
চল্লিশের সাথে সংযুক্ত অতিরিক্ত অংশ:১ -
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তালহা বিন আব্দুল্লাহ বিন আওফ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আযহার থেকে:
জুবাইর বিন মুত'ইম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «একজন কুরাইশীর শক্তি কুরাইশ বহির্ভূত দুইজন ব্যক্তির শক্তির সমান»।
(১) ২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব এবং আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে:
আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা ইকামত শুনতে পাও, তখন ধীরস্থিরভাবে হেঁটে (নামাজের দিকে) এসো। নামাজের যতটুকু পাও তা আদায় করো আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করো»।
(২)
দুই হাদিসে ইমামগণের নামের ব্যাখ্যা:প্রথমজন হলেন: ইমাম যাহেদ, স্বীয় সময়ের শায়খ আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-খতীব আল-কুশমিহানী আল-মারওয়াযী।
দ্বিতীয়জন হলেন: তাঁর সময়ের অগ্রগণ্য ইমাম, আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আরিফ।
তৃতীয়জন হলেন: ইমাম আলিম আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফাদল আস-সাইরাফী।
চতুর্থজন হলেন: আবু আল-কাসিম মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-উমাবী।
পঞ্চমজন হলেন: ইমাম মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন [আবু ইয়াকুব]
(৩) আল-বসরী।
ষষ্ঠজন হলেন: মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আবু ফুদাইক।
সপ্তমজন হলেন: ইমাম মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবু যিব।
অষ্টমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন মুসলিম আজ-জুহরী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঈনা মিন রিওয়ায়াতিল মুহাম্মাদীন আল মুখরাজ যালিকা মিন সহীহিল বুখারী
(পৃষ্ঠা: ৭)
3 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ:
عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّ النِّدَاءَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ كَانَ أَوَّلُهُ إِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ فِي زَمَانِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وَفِي زَمَانِ أَبِي بَكْرٍ وَفِي زَمَانِ عُمَرَ رضي الله عنه إِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ وَإِذَا قَامَتِ الصَّلَاةُ، حَتَّى كَانَ زَمَانُ عُثْمَانَ رضي الله عنه وَكَثُرَ النَّاسُ، فَزَادَ النِّدَاءُ الثَّالِثُ عَلَى الزَّوْرَاءِ.
فَالأَوُّلُ مِنَ المَشَايِخِ هُوَ: الإِمَامُ الخَطِيْبُ أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ المَرْوَزِيُّ.
وَالثَّانِي هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ مَأْمُوْنَ بْنِ عَلِيٍّ.
وَالثَّالِثُ: أَبُوْ سَعِيْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوْسَى بْنِ الفَضْلِ الصَّيْرَفِيُّ.
وَالرَّابِعُ هُوَ: أَبُوْ العَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ.
وَالخَامِسُ هُوَ: الإِمَامُ العَالِمُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَكَمِ المِصْرِيُّ.
وَالسَّادِسُ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيْلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ.
وَالسَّابِعُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذِئْبٍ.
وَالثَّامِنُ هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ.
الحَدِيْثُ الذِي عَلَى ظَهْرِ الجُّزْءِ:
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ ومُحَمَّدٌ قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «تُحَرَّمُ النَّارُ عَلَى كُلِّ هَيِّنٍ لَيِّنٍ سَهْلٍ قَرِيبٍ».
فَالأَوَّلُ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الجِّيَانِيُّ.
وَالثَّانِي: الإِمَامُ الحَافِظُ أَبُوْ بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَاصِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ.
وَالثَّالِثُ: الإِمَامُ صَدْرُ الحُفَّاظِ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الواحد [المديني]
(1) الأَصْبَهَانِيُّ.
والرَّابِعُ: الإِمَامُ
… بْنُ عَلِيٍّ.
والخَامِسُ: الإِمَامُ العَالِمُ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ المُقْرِئُ.
وَالسَّادِسُ: أَبُوْ عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ منده الحَافِظُ.
وَالسَّابِعُ: مُحَمَّدُ بْنُ حَمْزَةَ بن عمارة وَمُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنُ البَخْتَرِيِّ.
وَالثَّامِنُ: مُحَمَّدُ بْنُ عِيْسَى بْنِ حِيَّانَ.
وَالتَّاسِعُ: مُحَمَّدُ بْنُ الفَضْلِ.
وَالعَاشِرُ: مُحَمَّدُ بْنُ وَاسِعٍ.
وَالحَادِي عَشَرَ هُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ سِيْرِيْنَ، وَاللهُ أَعْلَمُ، آخِرُ الجُّزْءِ.
آخِرُ الجُّزْءِ
الحَمْدُ للهِ أَوَّلًا وَآخِرًا.
سُمِعَ جَمِيْعُ هَذَا الجُّزْءِ عَلَى الشَّيْخِ أَبِي المُظَفَّرِ مُحَمَّدُ بْنُ عُلْوَانَ بْنِ مُهَاجِرٍ المَوْصِلِيُّ بِسِمَاعِهِ مِنْ مُخْرِّجِهِ الفَقِيْهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَيْدَرَ الصُّوْفِيُّ الكُوْرَشَانِيِّ وآخرون فِي ثَامِنِ عَشَرَ صَفَرٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسِتِّمَائِةٍ.
وَسَمِعَهُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَيْدَرَ، يُعْرَفُ بِابْنِ الطَّحَّانِ الصُّوْفِيِّ بِسِمَاعِهِ قَرَاءَةً فِي لابْنِ مُهَاجِرٍ..
مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ الطَّبَرِيُّ وَأَوْلَادُهُ الثَّلَاثَةُ أَحْمَدُ وَإبْرَاهِيْمُ وَعَلِيٌّ، وَأَحْمَدُ وَإِبْرَاهِيْمُ ابْنَا يَعْقُوْبَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيِّ، وَعَبْدُ اللهِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ ابْنَا مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الطَّبَرِيِّ وآخرونَ، وَصَحَّ لِتِسْعِ لَيَالٍ بَقِيْنَ مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعَ
…--------------------------------------------
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ:
সায়েব ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এবং আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর যুগে জুমার দিনের আজানের সূচনা হতো যখন ইমাম (মিম্বারে) বের হতেন এবং যখন সালাত শুরু হতো। অতঃপর যখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর যুগ এলো এবং মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল, তখন তিনি জাওরা নামক স্থানে তৃতীয় আজানটি বৃদ্ধি করলেন।
শাইখদের মধ্যে প্রথমজন হলেন: ইমাম খতিব আবু তাহের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ আল-মারওয়াজি।
দ্বিতীয়জন হলেন: মুহাম্মদ বিন মামুন বিন আলী।
তৃতীয়জন হলেন: আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন ফজল আস-সাইরাফি।
চতুর্থজন হলেন: আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম।
পঞ্চমজন হলেন: ইমাম আলিম মুহাম্মদ বিন আব্দুল হাকাম আল-মিসরি।
ষষ্ঠজন হলেন: মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আবু ফুদাইক।
সপ্তমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবু জিব।
অষ্টমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন শিহাব আজ-জুহরি।
জুয-এর পৃষ্ঠদেশে বিদ্যমান হাদিস:
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদ, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ:
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "জাহান্নাম হারাম করা হয়েছে প্রত্যেক এমন ব্যক্তির জন্য যে নম্র, কোমল, সহজ-সরল এবং মানুষের নিকটবর্তী।"
প্রথমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন আলী আল-জিয়ানি।
দ্বিতীয়জন হলেন: ইমাম হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবু আসিম বিন মুহাম্মদ।
তৃতীয়জন হলেন: ইমাম হাফেজদের অগ্রগণ্য আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ [আল-মাদিনি]
(১) আল-আসবাহানি।
চতুর্থজন হলেন: ইমাম... বিন আলী।
পঞ্চমজন হলেন: ইমাম আলিম মুহাম্মদ বিন আলী আল-মুকরি।
ষষ্ঠজন হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মানদাহ আল-হাফেজ।
সপ্তমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন হামজাহ বিন উমারাহ এবং মুহাম্মদ বিন আমর বিন বাখতারি।
অষ্টমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন হিয়ান।
নবমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন ফজল।
দশমজন হলেন: মুহাম্মদ বিন ওয়াসি।
একাদশতম জন হলেন: মুহাম্মদ বিন সিরিন, আল্লাহই ভালো জানেন, এটিই জুয-এর সমাপ্তি।
জুয-এর সমাপ্তি
শুরুতে এবং শেষে আল্লাহরই সকল প্রশংসা।
এই পূর্ণ জুযটি শাইখ আবু মুজাফফর মুহাম্মদ বিন উলওয়ান বিন মুহাজির আল-মাওসিলির নিকট শোনা হয়েছে। তিনি এটি শ্রবণ করেছেন এর সংকলক ফকিহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হায়দার আস-সুফি আল-কুরশানি এবং অন্যদের নিকট থেকে, ১৮ই সফর, ৬০৩ হিজরি সনে।
এবং এটি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হায়দার (যিনি ইবনুত তাহহান আস-সুফি নামে পরিচিত) এর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে শোনা হয়েছে ইবনে মুহাজিরের উপস্থিতিতে...
মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাবারী এবং তার তিন পুত্র আহমদ, ইব্রাহিম ও আলী; এবং আহমদ ও ইব্রাহিম যারা ইয়াকুব বিন আবু বকর আত-তাবারীর পুত্র; এবং আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান যারা মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আত-তাবারীর পুত্র এবং আরও অনেকে। আর এটি শুদ্ধ হয়েছে ৪৪৪ হিজরির শাওয়াল মাসের নয় দিন অবশিষ্ট থাকতে...
--------------------------------------------