(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: -)
العلل الواقعة في كتاب الجامع الصحيح للبخاري   (ابن المبرد)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: العلل الواقعة في كتاب الجامع الصحيح للبخاري

المؤلف: ابن المبرد، جمال الدين يوسف بن عبد الهادي الحنبلي (ت 909 هـ)

اعتنى به: دار الكمال المتحدة

الناشر: عطاءات العلم - موسوعة صحيح البخاري، https://bukhari-pedia.net

النشرة: الأولى، 1440 هـ

عدد أوراق المخطوط: 24

قدمه للشاملة: «عطاءات العلم» جزاهم الله خيرًا

عمل المعتني بالكتاب: تمت المقابلة على نسختي الكتاب الأصل نسخة المكتبة الظاهرية. والفرع نسخة دار الكتب المصرية.

[الكتاب مخطوط، وترقيمه موافق لأوراق المخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 26 صفر 1443

বুখারি শরিফের জামেউস সহিহ কিতাবে বিদ্যমান ত্রুটিসমূহ   (ইবনুল মুবাররিদ)

বিভাগ: হাদিসের ত্রুটি ও প্রশ্নাবলি


কিতাব: বুখারি শরিফের জামেউস সহিহ কিতাবে বিদ্যমান ত্রুটিসমূহ

লেখক: ইবনুল মুবাররিদ, জামালুদ্দিন ইউসুফ বিন আব্দুল হাদি আল-হানবালি (মৃত্যু ৯০৯ হিজরি)

সম্পাদনায়: দারুল কামাল আল-মুত্তাহিদা

প্রকাশক: আতায়াতুল ইলম - সহিহ বুখারি বিশ্বকোষ, https://bukhari-pedia.net

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি

পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠাসংখ্যা: ২৪

শামেলা লাইব্রেরিতে পেশ করেছেন: «আতায়াতুল ইলম» আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন

সম্পাদকের কাজ: কিতাবের মূল দুটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে—মূল পাণ্ডুলিপিটি হলো জাহিরিয়া লাইব্রেরির কপি এবং শাখা পাণ্ডুলিপিটি হলো মিশরীয় দারুল কুতুবের কপি।

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি হিসেবে আছে, এবং এর পৃষ্ঠাসংখ্যা পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠার সাথে মিল রাখা হয়েছে]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৬ সফর ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌ ‌‌المقدمة

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد للَّه ربِّ العالمين

العلل الواقعة في كتاب الجامع الصَّحيح للبخاريِّ

رواية أبي عبد اللَّه محمَّد بن يوسف الفربريِّ(1)، والنَّقلة عنه:

أبو عليٍّ سعيد بن عثمان بن السَّكن(2)، وأبو زيدٍ محمَّد بن أحمد، ومحمد بن محمد بن يوسف الجرجانيُّ(3)، وأبو إسحاق إبراهيم بن أحمد المستملي، وأبو محمَّدٍ عبد اللَّه بن أحمد الحموييُّ، وأبو الهيثم محمَّد بن مكي(4) الكُشْمِيهنيُّ، ومواضع وقعت من رواية أبي إسحاق إبراهيم بن مَعْقِل بن الحجَّاج النَّسفيِّ، عن أبي عبد اللَّه البخاريِّ.

 

‌‌ ‌‌كتاب الإيمان، قال في «باب في الصَّلاة من الإيمان» :

1 - حدَّثنا عَمرو بن خالدٍ قال: حدَّثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن البراء، وذكر بيان تحويل القبلة. [خ¦40]

وقع في نسخة أبي زيدٍ المروزيِّ: «حدَّثنا عُمر بن خالدٍ»، بضمِّ العين، كذا نقل عنه أبو الحسن القابسيُّ، وأبو الفرج عَبدوس بن محمَّدٍ الطُّليطليُّ، وهو وهم، وصوابه: «عَمرو» بفتح العين وسكون الميم، وهو عمرو بن خالدٍ الحرَّانيُّ الجزريُّ، وليس في شيوخ البخاريِّ من يقال له: عُمر بن خالدٍ، بضمِّ العين.

قلت: وعَمرو هذا هو عَمرو بن خالد بن فرُّوخ بن سعيد بن عبد الرَّحمن بن واقد بن ليث بن واقد بن عبد اللَّه، أبو الحسن التَّميميُّ الحنظليُّ الجزريُّ الحرَّانيُّ، نزيل مصر، روى ابن ماجه عن رجلٍ عنه، مات بمصر يوم الإثنين لتسعٍ خلون من شوَّالٍ، ويقال: في شعبان، سنة تسعٍ وعشرين ومائتين، واللَّه أعلم.

 

‌‌ في‌‌ كتاب العلم، في «باب تعليم الرَّجل أَمَتَهُ» :

2 - حدَّثنا محمَّد قال: حدَّثنا المحاربيُّ، عن صالح بن حيَّان… حديث: «ثلاثةٌ لهم أجران…» [خ¦97].

«محمَّد» في هذا الإسناد هو ابن سَلَامٍ، وصالح بن حَيَّان(5) هو: صالح بن صالح بن مسلم بن حيَّان، -ويقال: ابن حيٍّ- الثَّوريُّ الهَمْدانيُّ، ونسبه إلى جدِّه(6) فأوهم بذلك أنَّه يكون صالح بن حيَّان القرشيُّ صاحب ابن بُريدة، وهو ضعيف الرِّواية.

قال البخاريُّ في «تاريخه» : صالح بن حيَّان القرشيُّ ضعيفٌ فيه نظر.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وصالح بن حيَّان الَّذي روى عنه البخاريُّ في «الجامع» هو والد الحسن بن صالحٍ الفقيه، وأخيه عليُّ بن صالحٍ.

والمحاربيُّ في هذا الإسناد هو عبد الرَّحمن بن محمَّد المحاربي(7)، وقد نسبه بعضُ مَن لا علم له بهذا الَّشأن فأخطأ في نسبته خطئًا فاحشًا

 

‌‌ وفي ‌‌«باب ربَّ متعلِّم أوعى من سامعٍ» :

3 - حدَّثنا مسدَّد: حدَّثنا بشر، عن ابن عونٍ، عن ابن سيرين، عن عبد الرَّحمن بن أبي بَكرةَ، عن أبيه، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم

--------------------------------------------

العلل الواقعة في كتاب الجامع الصحيح للبخاري

المطبوع باسم الاختلاف بين رواة البخاريِّ عن الفربريِّ، وروايات عن إبراهيم بن معقلٍ النَّسفيِّ

تحرير وتعليق الحافظ جمال الدِّين يوسف بن عبد الهادي الحنبليِّ

المعروف بابن المِبْرَد 840 - 909

 

قابله: عبد الرحيم محمد يوسفان

 

(1) في هامش (ب) : الفربري بكسر الفاء وفتحها وفتح الراء وإسكان الباء الموحدة، نسبة إلى فربر وهي قرية من قرى بخارى على طرف جيحون.

(2) في هامش (ب) : السَّكن: بفتح السين.

(3) في (ب) وقع سقط سبب وهمًا وهو: أبو زيد محمد بن أحمد بن يوسف الجرجاني.

(4) في (ب) : «محمد بن مسلمة»، وهو تحريف، وفي هامشها: الكشميهني بضم الكاف وسكون الجيم المعجمة وفتح الميم وإسكان الياء التحتية وفتح الهاء.

(5) في هامش (ب) : هو بفتح الحاء وتشديد الياء التحتانية.

(6) أي: الأعلى.

(7) في هامش (ب) : قال في فتح الباري: وذكر أبو علي الجياني أن بعض أهل بلدهم صحف «المحاربي» فقال «البخاري» فأخطأ خطأً فاحشًا.
‌‌ ‌‌ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

বুখারীর আল-জামি আল-সহীহ গ্রন্থে সংঘটিত ত্রুটিসমূহ

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফারাব্রীর বর্ণনা(১), এবং তার থেকে যারা বর্ণনা করেছেন:

আবু আলী সাঈদ বিন উসমান বিন আল-সাকান(২), আবু যায়েদ মুহাম্মদ বিন আহমদ, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-জোরজানী(৩), আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আহমদ আল-মুস্তামলী, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হামুয়ী, এবং আবু হাইসাম মুহাম্মদ বিন মক্কী(৪) আল-কুশমীহানি। এছাড়াও আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারী থেকে আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মাকিল বিন হাজ্জাজ আল-নাসাফীর বর্ণনায় প্রাপ্ত কতিপয় স্থান।

 

‌‌ ‌‌ঈমান অধ্যায়, তিনি ‘সালাত ঈমানের অন্তর্ভুক্ত’ পরিচ্ছেদে বলেছেন :

১ - আমর বিন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-বারা থেকে; অতঃপর তিনি কিবলা পরিবর্তনের বর্ণনা উল্লেখ করেন। [বুখারী: ৪০]

আবু যায়েদ আল-মারওয়াযীর কপিতে ‘উমর বিন খালিদ’ এসেছে (আইন বর্ণে পেশ দিয়ে); আবু হাসান আল-কাবিসী এবং আবু আল-ফারাজ আবদুস বিন মুহাম্মদ আল-তুলাইতালী তার থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। এটি একটি বিভ্রম (ওয়াহম)। এর সঠিক রূপ হলো: ‘আমর’ (আইন বর্ণে জবর ও মীম বর্ণে সাকিন দিয়ে)। তিনি হলেন আমর বিন খালিদ আল-হাররানী আল-জাযারী। বুখারীর উস্তাদদের মধ্যে ‘উমর বিন খালিদ’ (আইন বর্ণে পেশ দিয়ে) নামে কেউ নেই।

আমি বলছি: এই আমর হলেন আমর বিন খালিদ বিন ফাররুখ বিন সাঈদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াকিদ বিন লাইস বিন ওয়াকিদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু আল-হাসান আল-তামিমী আল-হানজালী আল-জাযারী আল-হাররানী। তিনি মিসরে বসবাস করতেন। ইবনে মাজাহ একজন ব্যক্তির মাধ্যমে তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি মিসরে দুইশত উনত্রিশ হিজরীর শাওয়াল মাসের নয় তারিখ সোমবার মৃত্যুবরণ করেন; কেউ কেউ বলেন সাবান মাসে। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

 

‌‌ ‌‌ইলম (জ্ঞান) অধ্যায়, ‘ব্যক্তির তার দাসীকে শিক্ষা প্রদান’ পরিচ্ছেদে :

২ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুহারিবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন হাইয়ান থেকে... হাদীস: ‘তিন ব্যক্তি যাদের জন্য দ্বিগুণ প্রতিদান রয়েছে...’ [বুখারী: ৯৭]।

এই সনদে ‘মুহাম্মদ’ হলেন ইবনে সালাম। আর সালিহ বিন হাইয়ান(৫) হলেন: সালিহ বিন সালিহ বিন মুসলিম বিন হাইয়ান—তাকে ইবনে হাই-ও বলা হয়—আল-সাওরী আল-হামদানী। তাকে তার দাদার(৬) দিকে সম্বন্ধ করে উল্লেখ করা হয়েছে, যার ফলে এটি সালিহ বিন হাইয়ান আল-কুরাশী হওয়ার বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, যিনি ইবনে বুরাইদাহর সঙ্গী এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে দুর্বল।

বুখারী তার ‘তারিখ’ গ্রন্থে বলেছেন: সালিহ বিন হাইয়ান আল-কুরাশী দুর্বল এবং তার ব্যাপারে আপত্তি (ফিহি নাযার) রয়েছে।

আবু আলী আল-গাসসানী বলেছেন: সালিহ বিন হাইয়ান যার থেকে বুখারী ‘আল-জামি’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তিনি হলেন ফকীহ হাসান বিন সালিহ এবং তার ভাই আলী বিন সালিহ-এর পিতা।

আর এই সনদে আল-মুহারিবী হলেন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-মুহারিবী(৭)। এই বিষয়ের জ্ঞান নেই এমন কেউ কেউ তাকে ভুলভাবে সম্বন্ধ করেছেন এবং অত্যন্ত জঘন্য ভুল করেছেন।

 

‌‌ এবং ‌‌‘কখনও কখনও জ্ঞান অর্জনকারী শ্রোতার চেয়েও বেশি সংরক্ষণকারী হয়’ পরিচ্ছেদে :

৩ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আওন থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবু বকরাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে...

--------------------------------------------

বুখারীর আল-জামি আল-সহীহ গ্রন্থে সংঘটিত ত্রুটিসমূহ

ফারাব্রী থেকে বুখারীর বর্ণনাকারীদের মধ্যকার পার্থক্য এবং ইব্রাহিম বিন মাকিল আল-নাসাফীর বর্ণনাসমূহ নামে মুদ্রিত

হাফিজ জামালুদ্দীন ইউসুফ বিন আব্দুল হাদী আল-হাম্বলী কর্তৃক সম্পাদিত ও টীকাবদ্ধ

যিনি ইবনে আল-মিবরাদ (৮৪০ - ৯০৯ হিজরী) নামে পরিচিত

 

যাচাই করেছেন: আব্দুর রহীম মুহাম্মদ ইউসুফান

 

(১) (বা) পান্ডুলিপির হাশিয়ায়: আল-ফারাব্রী; ‘ফা’ বর্ণে কাসরা (জের) ও ফাতহা (জবর), ‘রা’ বর্ণে ফাতহা (জবর) এবং ‘বা’ বর্ণে সুকুন (জযম) দিয়ে। এটি ফারাবরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যা জাইহুন নদীর তীরে বুখারার একটি গ্রাম।

(২) (বা) পান্ডুলিপির হাশিয়ায়: আল-সাকান; ‘সীন’ বর্ণে ফাতহা (জবর) দিয়ে।

(৩) (বা) পান্ডুলিপিতে কিছু অংশ বাদ পড়ায় একটি বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, আর তা হলো: আবু যায়েদ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইউসুফ আল-জোরজানী।

(৪) (বা) পান্ডুলিপিতে: ‘মুহাম্মদ বিন মাসলামা’, যা একটি বিকৃতি (তাহরিফ)। এর হাশিয়ায় রয়েছে: আল-কুশমীহানি; ‘কাফ’ বর্ণে পেশ, ‘জীম’ বর্ণে সাকিন, ‘মীম’ বর্ণে জবর, ‘ইয়া’ বর্ণে সাকিন এবং ‘হা’ বর্ণে জবর দিয়ে।

(৫) (বা) পান্ডুলিপির হাশিয়ায়: এটি ‘হা’ বর্ণে জবর এবং ‘ইয়া’ বর্ণে তাশদীদ দিয়ে।

(৬) অর্থাৎ: ঊর্ধ্বতন দাদা।

(৭) (বা) পান্ডুলিপির হাশিয়ায়: ফাতহুল বারীতে বলা হয়েছে: আবু আলী আল-জাইয়ানী উল্লেখ করেছেন যে, তাদের অঞ্চলের কেউ কেউ ‘আল-মুহারিবী’ শব্দটিকে ‘আল-বুখারী’ হিসেবে পরিবর্তন (তাসহিফ) করেছে এবং অত্যন্ত জঘন্য ভুল করেছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১)
قال: «أيُّ يومٍ هذا؟ …» الحديث. [خ¦67]

وقال في «باب: ليبلغ العلمَ الشاهدُ الغائبَ» :

حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب قال: حدثنا حمَّاد، عن أيوب، عن محمد، عن ابن أبي بكرة، عن أبي بَكرة(1)، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «إنَّ دماؤكم وأموالكم عليكم حرام…» [خ¦105] الحديث بمثل إسناد ابن عون.

سقط في نسخة أبي ذرٍّ الهرويِّ عن أبي محمَّدٍ الحمويّي وأبي الهيثم الكشميهنيِّ عن الفربري في الحديث الثَّاني -أعني حديث عبد الله بن عبد الوهاب- ذِكْرُ «ابن أبي بكرة» بين محمد وأبي بكرة، والَّذي رواه أبو إسحاق المستملي وسائر رواة الفربري باثبات «ابن أبي بكرة» بين محمد وأبي بكرة.

ووقع هذا الحديث في (تفسير سورة براءة) من طريق عبد الله بن عبد الوهاب أيضًا عن حماد بن زيد [خ¦4662]، بإثبات «ابن أبي بكرة» بينهما.

ووقع في (كتاب بدء الخلق) عن محمد بن المثنى، عن عبد الوهاب، عن أيوب، عن محمد، عن أبي بكرة في نسخة الأصيلي عن أبي أحمد، ولم يذكر بين محمد بن سيرين وأبي بكرة أحدًا. [خ¦3197]

وسائر رواة الفربري يقولون فيه: عن محمد عن ابن أبي بكرة، عن أبي بكرة، في هذا الموضع.

ووقع لأبي الحسن القابسيِّ في هذا الموضع وَهمٌ فاحش، فقال: عن أيوب عن محمد بن أبي بكرة، عن أبي بكرة.

وصوابه عن محمد -هو ابن سيرين- عن ابن أبي بكرة عن أبي بكرة.

وذكر أبو الحسن القابسيُّ أنَّ في (باب حجَّة الوداع) من (كتاب المغازي) [خ:4406] في نسخة أبي زيدٍ: عن أيُّوب، عن محمَّدٍ بن أبي بكرة.

ووقع في نسخة الأصيليِّ هنا على الصَّواب فقال: عن أيُّوب، عن محمَّدٍ، عن ابن أبي بكرة، عن أبي بكرة.

وذكر أبو الحسن الدَّارقطنيُّ في (كتاب العلل) أنَّ ابن عُلَيَّة وعبد الوارث روياه عن أيُّوب، عن محمَّدٍ، عن أبي بكرة، لم يذكرا بينهما أحدًا.

وكذلك رواه يونس بن عبيدٍ، عن محمَّد بن سيرين، عن أبي بكرة، ورواه قرَّة أبو(2) خالدٍ، عن محمَّد بن سيرين، عن عبد الرَّحمن بن أبي بكرة ورجلٍ آخر أفضل في نفسي من عبد الرَّحمن -وسمَّاه أبو عامرٍ العقديُّ- عن قرَّة، فقال: وحميد بن عبد الرَّحمن،

--------------------------------------------

(1) قوله: «عن أبي بكرة» ليس في (ب)، وألحق فيها لفظة «بن» إلحاقًا.

(2) في (ب) : «بن» وكلاهما صواب، فهو قرة بن خالد أبو خالد.
তিনি বললেন: «এটি কোন দিন? ...» (হাদিস)। [বুখারি: ৬৭]

এবং তিনি ‘অনুচ্ছেদ: উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট ইলম পৌঁছে দেয়’-এ বলেছেন:

আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি ইবনে আবি বাকরা থেকে, তিনি আবু বাকরা(১) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত এবং তোমাদের সম্পদ তোমাদের জন্য হারাম...» [বুখারি: ১০৫] ইবনে আউনের সনদের অনুরূপ হাদিস।

আবু মুহাম্মাদ আল-হামুয়ী এবং আবু হাইসাম আল-কুশমিহানী কর্তৃক আল-ফারাবরী থেকে বর্ণিত আবু যার আল-হারাবীর পাণ্ডুলিপিতে দ্বিতীয় হাদিসটিতে—অর্থাৎ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের হাদিসে—মুহাম্মদ এবং আবু বকরার মাঝখানে ‘ইবনে আবি বাকরা’ এর উল্লেখ বাদ পড়েছে। অথচ আবু ইসহাক আল-মুস্তামলী এবং ফারাবরীর অন্যান্য সকল রাবি মুহাম্মদ এবং আবু বকরার মাঝখানে ‘ইবনে আবি বাকরা’ উল্লেখসহ এটি বর্ণনা করেছেন।

আর এই হাদিসটি (সূরা বারাআতের তাফসির) অধ্যায়েও আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের সূত্রে হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে [বুখারি: ৪৬৬২] তাদের দুজনের মাঝে ‘ইবনে আবি বাকরা’ উল্লেখসহ বর্ণিত হয়েছে।

এবং (সৃষ্টির সূচনা কিতাবে) মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহহাব থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে—এই সনদে আবু আহমাদ থেকে বর্ণিত আল-আসীলীর পাণ্ডুলিপিতে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে মুহাম্মদ বিন সিরিন এবং আবু বকরার মাঝে কাউকে উল্লেখ করা হয়নি। [বুখারি: ৩১৯৭]

এবং আল-ফারাবরীর অন্যান্য সকল রাবি এই স্থানে বলেন: মুহাম্মদ থেকে, তিনি ইবনে আবি বাকরা থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে।

এবং আবু হাসান আল-কাবিসী এই স্থানে এক মারাত্মক ভুলের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেছেন: আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আবি বাকরা থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে।

অথচ এর সঠিক রূপ হলো: মুহাম্মদ থেকে—তিনি হলেন ইবনে সিরিন—তিনি ইবনে আবি বাকরা থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে।

আবু হাসান আল-কাবিসী উল্লেখ করেছেন যে, (মাগাযী কিতাবের) (বিদায় হজের অনুচ্ছেদ)-এ [বুখারি: ৪৪০৬] আবু যায়েদের পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আবি বাকরা থেকে।

আর এখানে আল-আসীলীর পাণ্ডুলিপিতে সঠিকভাবেই এসেছে। তাতে বলা হয়েছে: আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি ইবনে আবি বাকরা থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে।

এবং আবু হাসান আদ-দারা কুতনী (কিতাবুল ইলাল)-এ উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে উলাইয়্যাহ এবং আব্দুল ওয়ারিস এটি আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে—এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তারা দুজনের মাঝে কাউকে উল্লেখ করেননি।

অনুরূপভাবে ইউনুস বিন উবাইদ এটি মুহাম্মদ বিন সিরিন থেকে, তিনি আবু বাকরা থেকে—এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর কুররা আবু(২) খালিদ এটি মুহাম্মদ বিন সিরিন থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরা এবং অন্য এক ব্যক্তি থেকে—যিনি আমার নিকট আব্দুর রহমানের চেয়েও উত্তম—বর্ণনা করেছেন। আবু আমির আল-আকাদী কুররা থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে সেই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে বলেছেন: এবং হুমায়দ বিন আব্দুর রহমান।

--------------------------------------------

(১) তাঁর কথা: "আবু বাকরা থেকে" (বা) পাণ্ডুলিপিতে নেই, এবং সেখানে "ইবনে" শব্দটি পরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

(২) (বা) পাণ্ডুলিপিতে আছে: "ইবনে"; আর উভয়টিই সঠিক, কারণ তিনি হলেন কুররা বিন খালিদ আবু খালিদ।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ২)
ولم يسمِّه يحيى القطَّان في روايته عن قرَّة.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وصواب اتِّصال هذا الإسناد أن يكون: عن محمَّد بن سيرين، عن عبد الرَّحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، وعن محمدِّ بن سيرين أيضًا، عن حميد بن عبد الرَّحمن الحميري، عن أبي بكرة.

 

‌‌ وفي‌‌ باب كتابة العلم

4 - حدَّثنا محمَّد بن سلَّامٍ: أخبرنا وكيع، عن سفيان، عن مُطرِّفٍ، عن الشَّعبيِّ، عن أبي جُحَيفة، قال: قلت لعليٍّ: هل عندكم كتاب؟ قال: «لا، إلَّا ما في كتاب اللَّه». [خ¦111]

قال أبو مسعودٍ: يقال: إنَّ حديث وكيعٍ عن سفيان هذا هو سفيان بن عيينة ولم يُنبِّه عليه البخاريُّ.

قال: وقد رواه يزيد العدني، عن الثَّوريِّ أيضًا.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وهذا الحديث محفوظ عن سفيان بن عيينة، وساقه بإسناده إليه، ووثَّق رجاله.

 

‌‌ وفي‌‌ آخر كتاب العلم

5 - حدَّثنا مُسَدَّد: حدَّثنا مُعْتمر قال: سمعت أبي قال: سمعت أنسًا أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال لمعاذٍ: «مَن لقي لا يشرك به من شيئًا…» الحديث(1). [خ¦129]

سقط في نسخة أبي زيد المروزيِّ ذكر «مسدَّدٍ» من هذا الإسناد. قال القابسيُّ وعبدوس: ولا يتَّصل السَّند إلَّا بذكره

 

‌‌ وفي‌‌ كتاب الوضوء في باب غسل المنيِّ وفركه

6 - حدَّثنا قتيبة بن سعيدٍ، عن يزيد، عن عمرٍو -هو ابن ميمونٍ- عن سليمان، عن عائشة، في المنيِّ يصيب الثَّوب… [خ¦230]

وقع «يزيد» في نسخة أبي زيدٍ وأبي أحمد: «يزيد» غير منسوبٍ.

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: وكذلك كان في كتاب الفربريِّ وحماد بن شاكرٍ، ونَسَبَهُ ابنُ السَّكن فقال: «يزيد، يعني ابن زُرَيعٍ» قال: وكذلك قال أبو نصرٍ الكلاباذيُّ في كتابه؛ يعني بقوله في ترجمته: عمرو بن ميمونٍ الجزريُّ: سمع عمروٌ سليمانَ بن يسارٍ، وروى عنه ابن المبارك وعبد الواحد بن زيادٍ ويزيد بن زريعٍ في الوضوء.

وقال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: يزيد بن هارون.

وكذلك نسبه أبو نصرٍ عُبيد الله بن سعيدٍ في «فوائد أبي الحسن بن صخرٍ». قال أبو نصرٍ السِّجزيُّ: خَرَّجه البخاريُّ عن قتيبة، عن يزيد بن هارون، والحديث محفوظ ليزيد بن هارون بهذا الإسناد عن عمرو بن ميمونٍ، عن سليمان بن يسارٍ، عن عائشة.

 

‌‌ وفي‌‌ باب من لم ير الوضوء إلَّا من المخرجين

7 - حدَّثنا سعيد بن حفصٍ، عن شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن عطاء بن يسارٍ، عن زيد بن خالدٍ(2)، أنَّه سأل عثمان. [خ¦179]

كذا وقع في نسخة أبي الحسن: سعيد بن حفصٍ، وهو وهم، وصوابه: «سَعْد» بسكون العين وهو: سعد بن حفصٍ الطَّلحيُّ الكوفيُّ من ولد طلحة بن عُبيد اللَّه.

ومثل هذا في «كتاب الجهاد» في «باب فضل النَّفقة في سبيل اللَّه»، في نسخة أبي الحسن القابسيِّ: «سعيد» بالياء بعد العين وليس بشيءٍ.

قلت:

--------------------------------------------

(1) في هامش (ب) : في باب من خص بالعلم قوم دون قوم كراهية أن لا يفهموا. انتهى. قلت: ولفظ الحديث: «من لقي الله لا يشرك به شيئًا».

(2) في (ب) : «يزيد بن خالد» وهو سبق قلم.
ইয়াহইয়া আল-কাত্তান কুররাহ থেকে বর্ণিত তাঁর বর্ণনায় তাঁর নাম উল্লেখ করেননি।

আবু আলী আল-গাসসানি বলেন: এই সনদের ধারাবাহিকতা সঠিক হওয়ার রূপটি হলো: মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে; এবং মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকেও বর্ণিত, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান আল-হিময়ারি থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে।

 

‌‌ এবং‌ ইলম লিখে রাখার অধ্যায়ে

৪ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে সাল্লাম: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি আবু জুহাইফাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনাদের নিকট কি কোনো কিতাব আছে? তিনি বললেন: «না, আল্লাহর কিতাবে যা আছে তা ব্যতীত»। [বুখারি: ১১১]

আবু মাসউদ বলেন: বলা হয় যে, সুফিয়ান থেকে ওয়াকির বর্ণিত এই হাদিসে সুফিয়ান হলেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আর বুখারি এ বিষয়ে কোনো সতর্কতা বা ইঙ্গিত প্রদান করেননি।

তিনি বলেন: ইয়াজিদ আল-আদানিও এটি সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু আলী আল-গাসসানি বলেন: এই হাদিসটি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে সংরক্ষিত, এবং তিনি তাঁর সনদে এটি তাঁর পর্যন্ত পৌঁছেছেন এবং এর বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌ এবং‌ ইলম অধ্যায়ের শেষে

৫ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুতামির, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আনাসকে বলতে শুনেছি যে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর উপর বর্ষিত হোক) মুয়াজকে বলেছিলেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমতাবস্থায় যে তাঁর সাথে কোনো কিছু শরিক করেনি…» হাদিস(১)। [বুখারি: ১২৯]

আবু জাইদ আল-মারওয়াজির কপিতে এই সনদ থেকে «মুসাদ্দাদ»-এর নাম বাদ পড়েছে। আল-কাবেসি এবং আবদুস বলেন: তাঁর উল্লেখ ব্যতীত এই সনদের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় না।

 

‌‌ এবং‌ অজু অধ্যায়ের বীর্য ধোয়া ও ঘষে পরিষ্কার করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদে

৬ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ ইবনে সাইদ, তিনি ইয়াজিদ থেকে, তিনি আমর—যিনি ইবনে মাইমুন—থেকে, তিনি সুলাইমান থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বীর্য কাপড়ে লাগার বিষয়ে... বর্ণনা করেছেন। [বুখারি: ২৩০]

আবু জাইদ এবং আবু আহমদের কপিতে «ইয়াজিদ» নামটি কোনো বংশপরিচয় উল্লেখ ছাড়াই এসেছে।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেন: ফিরবরির কিতাব এবং হাম্মাদ ইবনে শাকিরের কাছেও এটি এভাবেই ছিল, এবং ইবনুস সাকান তাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করে বলেছেন: «ইয়াজিদ, অর্থাৎ ইবনে জুরাই»। তিনি বলেন: আবু নাসর আল-কালাবাদিও তাঁর কিতাবে অনুরূপ বলেছেন; অর্থাৎ তাঁর জীবনীতে বলেছেন: আমর ইবনে মাইমুন আল-জাজারি: আমর সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে শুনেছেন এবং তাঁর থেকে ইবনুল মুবারক, আবদুল ওয়াহিদ ইবনে জিয়াদ এবং ইয়াজিদ ইবনে জুরাই অজু অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।

আর আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেছেন: ইয়াজিদ ইবনে হারুন।

এবং একইভাবে আবু নাসর উবাইদুল্লাহ ইবনে সাইদ «ফাওয়াইদ আবি আল-হাসান ইবনে সাখর»-এ তাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করেছেন। আবু নাসর আস-সিজজি বলেন: বুখারি এটি কুতাইবাহ থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং হাদিসটি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে এই সনদে আমর ইবনে মাইমুন থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনার মাধ্যমে সংরক্ষিত।

 

‌‌ এবং‌ যে ব্যক্তি দুই রাস্তা দিয়ে কিছু বের হওয়া ব্যতীত অজু ওয়াজিব মনে করেন না, সেই পরিচ্ছেদে

৭ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন সাইদ ইবনে হাফস, তিনি শাইবান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি জাইদ ইবনে খালিদ(২) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি উসমানকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। [বুখারি: ১৭৯]

আবুল হাসানের কপিতে এভাবেই «সাইদ ইবনে হাফস» এসেছে, তবে এটি একটি ভুল; এর সঠিক রূপ হলো: «সাদ» (আইন বর্ণে সুকুনসহ), আর তিনি হলেন সাদ ইবনে হাফস আত-তালহি আল-কুফি, যিনি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর বংশধর।

এবং অনুরূপ বিষয় «জিহাদ অধ্যায়ের» «আল্লাহর রাস্তায় ব্যয়ের ফজিলত» পরিচ্ছেদে আবু হাসান আল-কাবেসির কপিতেও এসেছে: «সাইদ» (আইন-এর পর ইয়া সহ), তবে এটি সঠিক নয়।

আমি বলছি:

--------------------------------------------

(১) (খ) এর হাশিয়ায় রয়েছে: কোনো কওমকে বাদ দিয়ে বিশেষ কিছু কওমকে ইলমের জন্য নির্দিষ্ট করা—এই ভয়ে যে অন্যরা হয়তো তা বুঝবে না। সমাপ্ত। আমি বলছি: হাদিসের শব্দ হলো: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমতাবস্থায় যে তাঁর সাথে কোনো কিছু শরিক করেনি»।

(২) (খ) কপিতে রয়েছে: «ইয়াজিদ ইবনে খালিদ», যা লেখনীর ভুল।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ২)
سعد بن حفصٍ أبو محمَّدٍ الطَّلحيُّ الكوفيُّ، يقال له: الضّخم(1) مولى آل طلحة، مات سنة خمس عشرة ومائتين واللَّه أعلم.

 

‌‌ ‌‌باب الغسل بالصَّاع

8 - حدَّثنا عبد اللَّه بن محمَّدٍ: حدَّثنا يحيى بن آدم، عن زهيرٍ، عن أبي إسحاق، عن أبي جعفرٍ، أنَّه كان عند جابر بن عبد اللَّه هو وأبوه… [خ¦252]

سقط من هذا الإسناد عند أبي محمَّدٍ الحموييُّ من شيوخ أبي ذرٍّ: «يحيى بن آدم»، ولا يتَّصل السَّند إلَّا بذكره وسقوطه وهم.

 

‌‌ ‌‌باب الجنب يخرج يمشي في السُّوق

9 - حدَّثنا عبد الأعلى، عن يزيد بن زُريعٍ، عن سعيدٍ، عن قتادة، عن أنس بن مالكٍ «أنَّ رسول اللَّه كان يطوف على نسائه». [خ¦284]

في نسخة أبي محمَّدٍ الأصيلي بدل «سعيدٍ» : «شعبة» بين: «ابن زريعٍ» و «قتادة»، والصَّواب: «سعيد» يعني ابن أبي عَروبة.

وكذلك رواه أبو عليِّ ابن السَّكن وغيره من رواة الفربريِّ.

 

‌‌ ‌‌باب الجنب يتوضَّأ ثمَّ ينام

10 - حدَّثنا عبد اللَّه بن يوسف، عن مالكٍ، عن عبد اللَّه بن دينارٍ، عن عبد اللَّه بن عمر، قال: ذكر عمر لرسول اللَّه أنَّه تصيبه جنابةً من اللَّيل.. الحديث. [خ¦290]

كذا رواه أبو زيدٍ المروزيُّ، وأسقط ابن السَّكن في روايته عن الفربريِّ، عن البخاريِّ: «عبد اللَّه بن دينارٍ»، بين: «مالكٍ»، و «ابن عمر»(2)، وزاد: «نافعًا» بعد «مالكٍ».

وكذلك كان في نسخة الأصيليِّ عن أبي أحمد، غير أنَّه ضرب على «نافعٍ» وكتب فوقه: «عبد اللَّه بن دينارٍ».

ورواية أبي ذرٍّ عن شيوخه الثَّلاثة كرواية أبي زيدٍ.

وكلا القولين صواب، والحديث محفوظ لمالكٍ عن نافعٍ وعبد اللَّه بن دينارٍ جميعًا، عن ابن عمر، وممَّن رواه عن مالكٍ عن نافعٍ: إسحاق بن الطَّبَّاع، وخالد بن مخلدٍ، وابن بكير، وسعيد بن عُفيرٍ، إلَّا أنَّه أشهر برواية عبد اللَّه بن دينارٍ.

ومثله: «أنَّ رسول اللَّه كان يأتي قباءً راكبًا وماشيًا».

ومثله: «أنَّ رجلًا نادى رسول اللَّه: ما ترى في الضَّبِّ؟ قال: «لست بآكله ولا محرِّمه».

وحديث: «مَن اقتنى كلبًا لا يغني عنه زرعًا ولا ضرعًا، نقص من عمله كلَّ يومٍ قيراطان».

كلُّ هذه الأحاديث قد رواها مالك عن عبد اللَّه بن دينارٍ وعن نافعٍ، وهي برواية عبد اللَّه بن دينارٍ أشهر.

 

‌‌ ‌‌كتاب الصَّلاة

باب المساجد في البيوت

11 - ذكر فيه حديث عِتبان بن مالكٍ: «وصلَّى النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم في

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «الطلحم» ولم يظهر لي وجهها، والمثبت من كتب التراجم.

(2) في النسختين: «وابن يوسف»، وهو سبق قلم.
সা'দ ইবন হাফস আবু মুহাম্মাদ আত-তালহি আল-কুফি, তাকে আদ-দখম (স্থূলকায়) বলা হয়(১), তিনি তালহা পরিবারের আযাদকৃত দাস, তিনি ২১৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন এবং আল্লাহই ভালো জানেন।

 

‌‌ ‌‌এক সা পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করার অধ্যায়

৮ - আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবন আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু জাফর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এবং তাঁর পিতা জাবির ইবন আবদুল্লাহর নিকট উপস্থিত ছিলেন... [বুখারি: ২৫২]

আবু যর-এর শায়খদের অন্যতম আবু মুহাম্মাদ আল-হামুয়ি-এর নিকট এই সনদ থেকে 'ইয়াহইয়া ইবন আদম' বাদ পড়েছেন; অথচ তাঁর উল্লেখ ছাড়া সনদটি সংযুক্ত হয় না এবং তাঁর বাদ পড়াটি একটি বিভ্রম।

 

‌‌ ‌‌জানাবাত (নাপাকি) অবস্থায় বাজারে গিয়ে চলাফেরা করার অধ্যায়

৯ - আবদ আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন যুরাই থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের নিকট পর্যায়ক্রমে গমন করতেন।" [বুখারি: ২৮৪]

আবু মুহাম্মাদ আল-আসিলির নুসখায় 'ইবন যুরাই' এবং 'কাতাদাহ'-এর মাঝে 'সাঈদ'-এর পরিবর্তে 'শু'বাহ' রয়েছে। তবে সঠিক হলো 'সাঈদ', অর্থাৎ ইবন আবি আরুবাহ।

আবু আলি ইবন আস-সাকান এবং আল-ফিরাবরির অন্যান্য বর্ণনাকারীগণও এভাবেই বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ ‌‌জানাবাত অবস্থায় অজু করে ঘুমানোর অধ্যায়

১০ - আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন দিনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর (রা.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করলেন যে, রাতে তাঁর জানাবাত (নাপাকি) অবস্থা ঘটে... হাদীস। [বুখারি: ২৯০]

আবু যাইদ আল-মারওয়াযি এভাবেই বর্ণনা করেছেন। তবে ইবন আস-সাকান আল-ফিরাবরির সূত্রে বুখারি থেকে তাঁর বর্ণনায় 'মালিক' এবং 'ইবন উমর'-এর মাঝখান থেকে 'আবদুল্লাহ ইবন দিনার'-কে বাদ দিয়েছেন(২), এবং 'মালিক'-এর পরে 'নাফি' শব্দটি যুক্ত করেছেন।

আবু আহমাদ থেকে বর্ণিত আল-আসিলির নুসখাতেও এরূপ ছিল, তবে তিনি 'নাফি' শব্দের ওপর দাগ টেনে কেটে দিয়ে তার ওপরে 'আবদুল্লাহ ইবন দিনার' লিখে দিয়েছিলেন।

তাঁর তিন শায়খের সূত্রে আবু যর-এর বর্ণনাটি আবু যাইদ-এর বর্ণনার মতোই।

উভয় বক্তব্যই সঠিক। হাদীসটি মালিক-এর সূত্রে নাফি এবং আবদুল্লাহ ইবন দিনার উভয়ের মাধ্যমেই ইবন উমর থেকে সংরক্ষিত। যারা মালিক থেকে নাফি-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইসহাক ইবনাত তুব্বা, খালিদ ইবন মাখলাদ, ইবন বুকাইর এবং সাঈদ ইবন উফাইর। তবে আবদুল্লাহ ইবন দিনার-এর বর্ণনার মাধ্যমেই এটি অধিক প্রসিদ্ধ।

এর অনুরূপ হলো: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ার হয়ে অথবা পায়ে হেঁটে কুবায় আসতেন।"

এর অনুরূপ আরেকটি হলো: "এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন: ধুইসাপ সম্পর্কে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: আমি এটি খাই না, আবার হারামও করি না।"

এবং এই হাদীসটি: "যে ব্যক্তি এমন কুকুর লালন-পালন করে যা শস্যক্ষেত বা গবাদিপশু পাহারার কাজে লাগে না, তার আমল থেকে প্রতিদিন দুই কিরাত পরিমাণ সাওয়াব হ্রাস পায়।"

এই সকল হাদীস ইমাম মালিক আবদুল্লাহ ইবন দিনার এবং নাফি—উভয় থেকেই বর্ণনা করেছেন। তবে আবদুল্লাহ ইবন দিনার-এর বর্ণনাটিই অধিক প্রসিদ্ধ।

 

‌‌ ‌‌নামাযের অধ্যায়

ঘরে নামাযের স্থান বা মসজিদ নির্ধারণের অধ্যায়

১১ - এতে ইতবান ইবন মালিক-এর হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে: "এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে নামায আদায় করেছেন...

--------------------------------------------

(১) (ব) পাণ্ডুলিপিতে 'আত-তালহাম' রয়েছে, যার কোনো কারণ আমার নিকট স্পষ্ট নয়। জীবনী গ্রন্থগুলো থেকে যা প্রমাণিত হয়েছে তা-ই এখানে বহাল রাখা হয়েছে।

(২) উভয় নুসখায় 'ওয়াবনু ইউসুফ' (এবং ইবন ইউসুফ) রয়েছে, যা অনিচ্ছাকৃত লিখন প্রমাদ মাত্র।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৩)
بيته».

وفي آخر الحديث: قال ابن شهاب(1) : ثمَّ سألت الحُصين بن محمَّدٍ الأنصاريَّ -وهو أحد بني سالمٍ- عن حديث محمودٍ فصدَّقه بذلك. [خ¦425]

كان القابسيُّ يقول: «الحُضين» بضادٍ معجمةٍ، ويذكر أنَّه ليس في الجامع «حُضين» بضادٍ معجمةٍ غير هذا، ولم يقل ذلك أحد سواه، وإنَّما هو «حُصين» بصادٍ مهملةٍ.

وكذلك جعله البخاريُّ في «تاريخه» في باب «حصينٍ»، وليس في رواة الحديث «حُضين» بضادٍ معجمةٍ غير واحدٍ، ولم يخرج البخاريُّ عنه شيئًا، وهو الحضين بن المنذر الرَّقاشيُّ أبو ساسان، روى له مسلم في «كتاب الحدود»، وذكرناه في «المختلف والمؤتلف».

 

‌‌ وفي‌‌ باب الخوخة والممرِّ في المسجد

12 - حدَّثنا محمَّد بن سنانٍ، عن فليحٍ، عن أبي النَّضر، عن عبيد بن حُنينٍ، عن أبي سعيدٍ الخدريِّ، فذكر حديث «أنَّ عبدًا خيَّره اللَّه بين الدُّنيا وبين ما عنده…» الحديث. [خ¦466]

هكذا هذا الإسناد عند أبي زيدٍ المروزيِّ، ووقع عند ابن السَّكن، وأبي أحمد الجرجاني: عن عبيد بن حنينٍ، عن بسر(2) بن سعيدٍ، عن أبي سعيدٍ الخدريِّ.

قال ابن السَّكن، عن الفربريِّ: قال البخاريُّ: هكذا رواه محمَّد بن سنانٍ، عن فليحٍ -يعني عن عبيد بن حنينٍ، عن بسرٍ عن أبي سعيدٍ- وهو خطأ، وإنما(3) هو عن عبيد بن حنينٍ وعن بسر؛ يعني بواو العطف.

وممَّن رواه عن فليحٍ، عن أبي النَّضر، عن عبيد بن حُنينٍ عن بسر بن سعيدٍ، عن أبي سعيدٍ: معافى بن سليمان، وأبو عامرٍ العقدي(4)، ذكره البخاريُّ في «مناقب أبي بكرٍ(5)».

ورواه يونس بن محمَّدٍ، وسعيد بن منصورٍ، عن فليحٍ، عن أبي النَّضر، عن عُبيد بن حُنينٍ وبسر بن سعيدٍ جميعًا، عن أبي سعيدٍ الخدريِّ.

وكذلك خرجه مسلم عن سعيد بن منصورٍ.

فهذه ثلاثة أوجهٍ مختلفةٍ عن فليحٍ، ولعلَّ فليحًا كان يُحدِّث به(6) مرَّةً عن عبيد بن حنينٍ، ومرَّةً عن بسر بن سعيدٍ، ومرَّةً يجمعهما، وكلٌّ صواب، والحديث محفوظ لسالمٍ أبي النَّضر، عن عبيد بن حنينٍ وبسر بن سعيدٍ جميعًا، عن أبي سعيدٍ.

ورواه مالك، عن أبي النَّضر، عن عبيد بن حنينٍ، عن أبي سعيدٍ الخدريِّ.

رواه القعنبيُّ، عن مالكٍ، قال أبو الحسن الدَّارقطنيُّ: وحديث مالكٍ هذا لم أره في «الموطَّأ» إلا في «كتاب الجامع» للقعنبيِّ، ولم يذكر في «الموطَّأ» غيره، قال: ومن تابعه عليه فإنَّما رواه في غير «الموطَّأ».

وأمَّا رواية محمَّد بن سنانٍ ومعافى بن سليمان عن فليحٍ فليست بمحفوظةً عن أبي النَّضر سالمٍ، قاله الغسَّانيُّ.

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «ابن نبهان» وهو تصحيف.

(2) في (ب) : «بشر» وهو تصحيف، وكذا المواضع القادمة.

(3) في (ب) : «وابن» وليس بشيء.

(4) في (ب) : «العبدي» وهو تصحيف.

(5) ليست واضحة في الأصل، والمثبت من الصحيح.

(6) في (ب) : «ابن»، وهو تصحيف.
তার ঘর।

হাদিসের শেষ অংশে: ইবনে শিহাব(১) বলেন: অতঃপর আমি হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারীকে—যিনি বনু সালিমের একজন—মাহমুদের বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা সত্যায়ন করেন। [বুখারি: ৪২৫]

আল-কাবিসি বলতেন: "হুদাইন" 'দাদ' (ض) বর্ণ সহকারে, এবং তিনি উল্লেখ করতেন যে 'জামি' (সহিহ বুখারি) গ্রন্থে এটি ছাড়া আর কোনো "হুদাইন" 'দাদ' (ض) বর্ণ সহকারে নেই। তবে তিনি ব্যতীত অন্য কেউ এমনটি বলেননি; বরং এটি হলো "হুসাইন" 'সাদ' (ص) বর্ণ সহকারে।

তেমনিভাবে ইমাম বুখারি তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে একে "হুসাইন" অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে "হুদাইন" 'দাদ' (ض) বর্ণ সহকারে একজন ব্যতীত আর কেউ নেই, এবং ইমাম বুখারি তাঁর থেকে কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি। তিনি হলেন হুদাইন ইবনুল মুনজির আর-রাকাশি আবু সাসান, ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে 'কিতাবুল হুদুদ'-এ বর্ণনা করেছেন এবং আমরা তাঁকে 'আল-মুখতালিফ ওয়াল মুতালিফ' গ্রন্থে উল্লেখ করেছি।

 

‌‌ এবং‌‌ মসজিদের জানালা ও যাতায়াতের পথ অধ্যায়

১২ - মুহাম্মদ ইবনে সিনান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ফুলইহ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন। অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ এক বান্দাকে দুনিয়া এবং তাঁর কাছে যা আছে তার মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন..."। [বুখারি: ৪৬৬]

আবু জাইদ আল-মারওয়াযির কাছে সনদটি এভাবেই রয়েছে। তবে ইবনে সাকান ও আবু আহমদ আল-জুরজানির বর্ণনায় এসেছে: উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি বুসর(২) ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে।

ইবনে সাকান আল-ফিরাবরি থেকে বর্ণনা করে বলেন: বুখারি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে সিনান ফুলইহ থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি বুসর থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে—কিন্তু এটি ভুল। বরং এটি(৩) হলো উবাইদ ইবনে হুনাইন এবং বুসর থেকে; অর্থাৎ সংযোজক অব্যয় 'ওয়াও' যোগে।

আর যারা ফুলইহ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি বুসর ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা হলেন: মুআফা ইবনে সুলাইমান এবং আবু আমির আল-আকাদি(৪)। বুখারি একে 'আবু বকরের মর্যাদা'(৫) অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন।

ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ এবং সাঈদ ইবনে মানসুর ফুলইহ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন ও বুসর ইবনে সাঈদ উভয়ের থেকে, তাঁরা আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

অনুরূপভাবে মুসলিম এটি সাঈদ ইবনে মানসুর থেকে উদ্ধৃত করেছেন।

ফুলইহ থেকে বর্ণিত এই তিনটি ভিন্ন রূপ পাওয়া যায়। সম্ভবত ফুলইহ এটি কখনও(৬) উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি বুসর ইবনে সাঈদ থেকে—এভাবে বর্ণনা করতেন, আবার কখনও তাঁদের উভয়কে একত্রে বর্ণনা করতেন। আর এর প্রতিটিই সঠিক। হাদিসটি সালিম আবু আন-নাদর থেকে সংরক্ষিত আছে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন ও বুসর ইবনে সাঈদ উভয়ের থেকে এবং তাঁরা আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

মালিক এটি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

আল-কায়নাবি এটি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু হাসান আদ-দারা কুতনি বলেন: মালিকের এই হাদিসটি আমি কায়নাবির 'কিতাবুল জামি' ব্যতীত 'মুয়াত্তা'-তে আর কোথাও দেখিনি। 'মুয়াত্তা'-তে এটি ছাড়া অন্য কোনো বর্ণনার উল্লেখ নেই। তিনি বলেন: যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন, তাঁরা এটি 'মুয়াত্তা' ছাড়া অন্য কিতাবে বর্ণনা করেছেন।

আর আবু আন-নাদর সালিম থেকে ফুলইহের মাধ্যমে মুহাম্মদ ইবনে সিনান এবং মুআফা ইবনে সুলাইমানের বর্ণনাটি সংরক্ষিত নয়। এটি আল-গাসসানি বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "ইবনে নাবহান", যা একটি অনুলিপিজনিত ভুল।

(২) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "বিশ্‌র", যা একটি অনুলিপিজনিত ভুল; পরবর্তী স্থানগুলোতেও একই রূপ।

(৩) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "ওয়াবনু", যা সঠিক নয়।

(৪) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-আবদি", যা একটি অনুলিপিজনিত ভুল।

(৫) মূল কপিতে এটি অস্পষ্ট, বুখারি শরীফ থেকে এটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

(৬) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "ইবনু", যা একটি অনুলিপিজনিত ভুল।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌ ومن‌‌ باب إذا أقيمت الصَّلاة فلا صلاة إلَّا المكتوبة

13 - حدَّثنا عبد العزيز بن عبد اللَّه: حدَّثنا إبراهيم بن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن حفص بن عاصمٍ، عن عبد اللَّه بن مالك ابن بُحينة قال: «مَرَّ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم برجلٍ…» وذكر الحديث. [خ¦663]

ثمَّ أردفه بحديث شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن حفص بن عاصمٍ قال: سمعت رجلًا من الأزد يقال له: مالك ابن بُحينة… فجعل الحديث لمالك ابن بُحينة والد عبد اللَّه.

هكذا رواه بهز بن أسدٍ، عن شعبة، وتابعه غندر ومعاذ بن معاذٍ العنبريُّ، عن شعبة.

وكذلك رواه يزيد بن زريعٍ وحجَّاج بن محمَّدٍ، عن شعبة.

ورواية عبد العزيز بن عبد اللَّه -وهو الأويسيُّ- عن إبراهيم بن سعدٍ، عن أبيه، عن حفص بن عاصمٍ(1)، عن عبد اللَّه بن مالك ابن بُحينة عندهم أصحُّ من رواية شعبة.

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: أهل العراق منهم: شعبة وحمَّاد بن زيدٍ وأبو عوانة(2) يقولون: عن سعدٍ، عن حفصٍ، عن مالك ابن بُحينة.

وأهل الحجاز يقولون في نسبته: عبد اللَّه بن مالك ابن بُحينة، وهو الأصحُّ.

وذكر مسلمٌ أنَّ القعنبيَّ قال في هذا الإسناد: عن حفص بن عاصمٍ، عن عبد اللَّه بن مالك ابن بُحينة، عن أبيه.

قال مسلم: وقوله في هذا الحديث: «عن أبيه» خطأ.

وأسقط مسلم في «مسنده» من هذا الإسناد قوله: «عن أبيه» من رواية القعنبيِّ، ولم يذكره، إلَّا أنَّه نبَّه عليه كما ترى.

وذكر البخاريُّ في «تاريخه» : عبد اللَّه بن مالك ابن بُحينة، ثمَّ قال: وقال بعضهم: مالك ابن بحينة، والأوَّل أصحُّ.

وقال يحيى بن معينٍ: عبد اللَّه بن مالك ابن بحينة هو الَّذي رأى النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم، وإنَّما يروى عن عبد اللَّه بن مالك ابن بُحينة، عن أبيه، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم: إبراهيم بن سعدٍ. قال: وهذا خطأ، ليس يروي أبوه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم شيئًا.

 

‌‌ وفي‌‌ باب: الرَّجل يأتمُّ بالإمام، ويأتمُّ النَّاس بالمأموم.

14 - حدَّثنا قتيبة بن سعيدٍ: حدَّثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت: «لمَّا ثقل النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم جاء بلال يُؤْذِنه بالصَّلاة». [خ¦713]

سقط من هذا الإسناد من أبي زيدٍ: «إبراهيم» بين «الأعمش» و «الأسود» حكاه أبو الحسن القابسيُّ وعبدوس، وهو وهم.

 

‌‌ ومن‌‌ كتاب الجمعة

15 - حدَّثنا سعيد بن أبي مريم، عن محمَّد بن جعفر بن أبي كثيرٍ، عن يحيى بن سعيدٍ، قال: أخبرني ابن أنسٍ أنَّه سمع جابر بن عبد اللَّه، قال: «كان جذع

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «حفص عن عاصم»، وهو تصحيف.

(2) في (ب) : «وأبو عوام»، وهو تصحيف.
এবং পরিচ্ছেদ: যখন সালাতের ইকামত প্রদান করা হয়, তখন ফরজ সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই

১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সা'দ ইবনে ইব্রাহিম, তার পিতা থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন...» এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন। [বুখারি: ৬৬৩]

অতঃপর তিনি এর পরপরই শু'বাহর হাদিসটি উল্লেখ করেছেন, যা সা'দ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (হাফস) বলেন: আমি আজদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি যাকে মালিক ইবনে বুহায়নাহ বলা হয়...। ফলে তিনি হাদিসটিকে আব্দুল্লাহর পিতা মালিক ইবনে বুহায়নাহ-এর বর্ণনা হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

অনুরূপভাবে বাহজ ইবনে আসাদ এটি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং গুন্দার ও মুআয ইবনে মুআয আল-আনবারি শু'বাহর অনুসরণ করেছেন।

তেমনিভাবে ইয়াজিদ ইবনে জুরাই' এবং হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ এটি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহর—যিনি আল-উয়াইসি—বর্ণনাটি, যা ইব্রাহিম ইবনে সা'দ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে(১), তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ থেকে বর্ণিত, তা তাদের (মুহাদ্দিসগণের) নিকট শু'বাহর বর্ণনার চেয়ে অধিকতর বিশুদ্ধ।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেন: ইরাকবাসীদের মধ্যে শু'বাহ, হাম্মাদ ইবনে যাইদ এবং আবু আওয়ানাহ(২) বলেন: সা'দ থেকে, তিনি হাফস থেকে, তিনি মালিক ইবনে বুহায়নাহ থেকে।

পক্ষান্তরে হিজাজবাসীরা তার বংশপরিচয়ের ক্ষেত্রে বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ, আর এটিই অধিকতর সঠিক।

মুসলিম উল্লেখ করেছেন যে, আল-কায়নাবি এই সনদে বলেছেন: হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে।

মুসলিম বলেন: এই হাদিসে তার কথা «তার পিতা থেকে» বলাটি ভুল।

মুসলিম তার «মুসনাদে» (সহিহ মুসলিমে) আল-কায়নাবির বর্ণনা থেকে এই সনদের «তার পিতা থেকে» অংশটি ফেলে দিয়েছেন এবং তা উল্লেখ করেননি, তবে তিনি এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন যেমনটি আপনি দেখছেন।

বুখারি তার «তারিখ» গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ, অতঃপর তিনি বলেন: কেউ কেউ বলেছেন: মালিক ইবনে বুহায়নাহ, তবে প্রথমটিই অধিকতর সঠিক।

ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ হলেন তিনি যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন। আর ইব্রাহিম ইবনে সা'দ কেবল আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহায়নাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: এটি ভুল, তার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছুই বর্ণনা করেননি।

 

এবং পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি ইমামের অনুসরণ করে এবং লোকজন মুক্তাদির অনুসরণ করে।

১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুআবিয়াহ, আল-আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শারীরিকভাবে দুর্বল (অসুস্থ) হয়ে পড়লেন, তখন বিলাল তাঁকে সালাতের সংবাদ দিতে আসলেন।» [বুখারি: ৭১৩]

আবু যাইদের বর্ণনায় এই সনদে «আল-আমাশ» ও «আল-আসওয়াদ»-এর মধ্য থেকে «ইব্রাহিম» নামটি পড়ে গেছে; যা আবু আল-হাসান আল-কাবেসি ও আব্দুস বর্ণনা করেছেন, আর এটি একটি ভ্রম।

 

এবং জুমুআ অধ্যায় হতে

১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি বলেন: ইবনে আনাস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: «একটি খেজুর গাছের কান্ড ছিল...»

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «হাফস আসিম থেকে», যা একটি লিখনপ্রমাদ।

(২) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আবু আওয়াম», যা একটি লিখনপ্রমাদ।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৪)
يقوم إليه النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم، فلمَّا وضع له المنبر سمعنا للجذع مثل أصوات العشار، حتَّى نزل إليه النَّبيُّ فوضع يده عليه…» وذكر الحديث بتمامه، ثمَّ قال: وقال سليمان، عن يحيى: حدَّثني حفص بن عبيد اللَّه بن أنسٍ، أنَّه سمع جابرًا. [خ¦918]

وخرَّجه في «باب علامات النُّبوَّة» : عن إسماعيل بن أبي أويسٍ، عن أخيه، عن سليمان بن بلالٍ، عن يحيى بن سعيدٍ، عن حفص بن عبيد اللَّه بن أنسٍ، أنَّه سمع جابرًا.

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: سليمان الَّذي استشهد به البخاريُّ في «الصَّلاة» هو ابن بلالٍ أيضًا، وقد رواه سليمان بن كثيرٍ العبديُّ، عن يحيى بن سعيدٍ، عن حفص بن عبيد اللَّه بن أنسٍ، عن جابرٍ، ولم يذكر سماع بعضهم من بعضٍ.

ومحمَّد بن جعفر بن أبي كثيرٍ يقول فيه: عن يحيى بن سعيدٍ، عن عبيد اللَّه بن حفص بن أنسٍ، ويخطئ في ذلك.

فجعله البخاريُّ عن ابن أنسٍ، ولم يسمِّه ليكون أقرب إلى الصَّواب.

قال الغسَّانيُّ: وقال البخاريُّ في «التَّاريخ» : قال بعضهم: عبيد اللَّه بن حفصٍ، ولا يصحُّ عبيد اللَّه بن حفصٍ.

وفي نسخة أبي ذرٍّ: حفص بن عبد اللَّه بن أنسٍ، وصوابه: حفص بن عبيد اللَّه بن أنسٍ.

 

‌‌ ومن‌‌ كتاب العيدين

في باب من خالف الطَّريق

16 - حدَّثنا محمَّد، عن أبي تميلة يحيى بن واضحٍ، عن فليحٍ، عن سعيد بن الحارث، عن جابر بن عبد اللَّه: «كان النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم إذا كان يوم عيدٍ خالف الطَّريق». [خ¦986]

تابعه يونس بن محمَّدٍ، عن فليحٍ. وحديث جابرٍ أصحُّ.

هكذا هو في الرِّواية عن أبي الحسن القابسيِّ، وأبي محمَّدٍ الأَصيليِّ، وأبي ذرٍّ الهرويُّ.

وعند ابن السَّكن بعد حديث أبي تميلة(1) : تابعه يونس بن محمَّدٍ، عن فليحٍ، عن سعيدٍ، عن أبي هريرة، وحديث جابرٍ أصحُّ.

ولم يزد النَّسفيُّ، عن البخاريِّ على قوله: تابعَه يونس بن محمَّدٍ، عن فليحٍ، قال: وقال محمَّد بن الصَّلت: عن فليحٍ، عن سعيدٍ، عن أبي هريرة. قال البخاريُّ: وحديث جابرٍ أصحُّ.

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: وإنَّما رواه يونس، عن فليحٍ، عن سعيدٍ، عن أبي هريرة، لا عن جابرٍ.

وكذلك رواه الهيثم بن جميلٍ ومحمَّد بن الصَّلت.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وهذا صريح منه في الرَّدِّ على البخاريِّ، وقول البخاريِّ صحيح، ومتابعة يونس لأبي تميلة(2) صحيحة.

وذكر أبو مسعودٍ في مسند أبي هريرة: قال البخاريُّ في «كتاب العيدين» : قال محمَّد بن الصَّلت، عن فليحٍ، عن سعيدٍ، عن أبي هريرة بنحوه؛ يعني بنحو

--------------------------------------------

(1) رسمت في (ب) : «أبي مثله».

(2) رسمت في (ب) : «لأبي مثله».
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে দাঁড়াতেন। অতঃপর যখন তাঁর জন্য মিম্বর স্থাপন করা হলো, তখন আমরা খেজুর কাণ্ড থেকে দশ মাসের গর্ভবতী উটনীর শব্দের মতো শব্দ শুনতে পেলাম। অবশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নেমে আসলেন এবং তার ওপর নিজের হাত রাখলেন…» এবং তিনি পূর্ণ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন: সুলাইমান ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি জাবিরকে (রা.) বলতে শুনেছেন। [বুখারী ৯১৮]

এবং তিনি এটি 'নবুওয়াতের নিদর্শনসমূহ' অধ্যায়ে বের করেছেন: ইসমাঈল ইবনে আবি উওয়াইস থেকে, তিনি তাঁর ভাই থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস থেকে যে, তিনি জাবিরকে (রা.) বলতে শুনেছেন।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেছেন: বুখারী 'নামাজ' অধ্যায়ে যে সুলাইমানকে দলিল হিসেবে পেশ করেছেন, তিনিও ইবনে বিলাল। আর সুলাইমান ইবনে কাসীর আল-আবদী এটি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি একে অপরের থেকে শোনার কথা উল্লেখ করেননি।

এবং মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসীর এতে বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস ইবনে আনাস থেকে; আর তিনি এতে ভুল করেছেন।

তাই বুখারী একে 'ইবনে আনাস' থেকে হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর নাম উল্লেখ করেননি যাতে তা সঠিকের নিকটবর্তী হয়।

আল-গাসসানী বলেন: আর বুখারী 'আত-তারিখ'-এ বলেছেন: তাদের কেউ কেউ বলেছেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস, অথচ উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস (নামটি) সঠিক নয়।

এবং আবু যরের পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আনাস, অথচ এর সঠিক রূপ হলো: হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস।

 

‌‌ এবং‌‌ দুই ঈদ কিতাব

যে ব্যক্তি রাস্তা পরিবর্তন করে সেই অনুচ্ছেদে

১৬ - মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু তামীলা ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াদিহ থেকে, তিনি ফুলইহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ঈদের দিন হতো, তখন রাস্তা পরিবর্তন করতেন (এক পথে যেতেন অন্য পথে ফিরতেন)»। [বুখারী ৯৮৬]

ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ফুলইহ থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন। আর জাবিরের হাদীসটি অধিক বিশুদ্ধ।

আবুল হাসান আল-কাবেসী, আবু মুহাম্মদ আল-আসীলী এবং আবু যর আল-হারাভীর বর্ণনাতে এভাবেই রয়েছে।

আর ইবনে আস-সাকানের নিকট আবু তামীলার হাদীসের পর রয়েছে(১): ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ফুলইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন, আর জাবিরের হাদীসটি অধিক বিশুদ্ধ।

আর আন-নাসাফী বুখারী থেকে এই কথার অতিরিক্ত বর্ণনা করেননি যে: ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ফুলইহ থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন; তিনি বলেন: আর মুহাম্মদ ইবনে আস-সালত বলেছেন: ফুলইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। বুখারী বলেন: আর জাবিরের হাদীসটি অধিক বিশুদ্ধ।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেন: ইউনুস এটি ফুলইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, জাবির থেকে নয়।

আর হাইসাম ইবনে জামীল ও মুহাম্মদ ইবনে আস-সালতও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আবু আলী আল-গাসসানী বলেন: এটি তাঁর পক্ষ থেকে বুখারীর ওপর সরাসরি খণ্ডন, অথচ বুখারীর কথাটিই সঠিক এবং আবু তামীলার প্রতি ইউনুসের অনুসরণটি বিশুদ্ধ।

আর আবু মাসউদ 'মুসনাদে আবু হুরায়রা'-তে উল্লেখ করেছেন: বুখারী 'ঈদাইন কিতাবে' বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আস-সালত ফুলইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; অর্থাৎ অনুরূপ...

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি (ব)-তে 'আবি মিসলিহি' লেখা হয়েছে।

(২) পাণ্ডুলিপি (ব)-তে 'লি-আবি মিসলিহি' লেখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৪)
جابرٍ.

قال أبو مسعودٍ: وكذلك قال يونس بن محمَّدٍ، والهيثم بن جميلٍ.

قال الغسَّانيُّ: ورواية يونس بن محمَّدٍ لهذا الحديث من طريق جابرٍ محفوظة صحيحة، ولم يقع في «الجامع» لنا حديث محمَّد بن الصَّلت إلَّا من طريق أبي مسعودٍ، ولا غنى في الباب عنه؛ لقول البخاريِّ: «وحديث جابرٍ أصحُّ».

ورواه أبو جعفرٍ محمَّد بن عمرٍو العقيليُّ، عن عليِّ بن عبد العزيز، عن محمَّد بن الصَّلت الكوفيِّ، عن فليحٍ، عن سعيدٍ، عن أبي هريرة.

وكذلك رواه أبو عيسى التِّرمذيُّ من رواية فليحٍ إلى أبي هريرة، ثمَّ قال: «وحديث أبي هريرة غريب»، ثمَّ ذكره من طريق أبي تميلة، ويونس، عن جابر بن عبد اللَّه.

وكذلك رواه أبو جعفرٍ العقيليُّ من طريق يونس بن محمَّدٍ، عن فليحٍ، عن سعيدٍ، عن جابرٍ.

قال الغسَّانيُّ: وما ذكرناه أوَّل الباب من رواية أبي عليِّ ابن السَّكن في «الجامع» فنرى أنَّه من إصلاحه.

قلت: محمَّد بن الصَّلت بن الحجَّاج أبو جعفرٍ الأسديُّ الأصمُّ، روى عنه البخاريُّ، وروى النسائي(1) عن رجلٍ عنه، مات سنة تسع عشرة ومائتين، ويقال: سنة ثمان عشرة ومائتين، وثَّقه أبو حاتمٍ، واللَّه أعلم

 

‌‌ وفي‌‌ باب الصَّلاة في كسوف القمر

17 – وقال أبو أسامة: حدَّثنا هشام: أخبرتني فاطمة بنت المنذر، عن أسماء، قالت: انصرف رسول اللَّه وقد تجلَّت الشَّمس، فخطب النَّاس فحمد اللَّه وأثنى عليه بما هو أهله، ثمَّ قال: «أمَّا بعد». [خ¦1061]

وقع لابن السَّكن وهم، فزاد في إسناد هذا الحديث بين «هشامٍ» و «فاطمة» : عروة بن الزُّبير، والصَّواب: هشام، عن فاطمة.

 

‌‌ وفي‌‌ باب إذا لم تطق الصَّلاة قاعدًا

18 - حدَّثنا عبدان، عن ابن المبارك، عن إبراهيم بن طهمان، عن حسينٍ المعلِّم، عن ابن بريدة، عن عمران بن حصينٍ، قال: «كانت بي بواسير». [خ¦1117]

أسقط أبو زيدٍ في نسخته ذكر «ابن المبارك» في هذا الإسناد، والصَّواب ذكره بعد «عبدان».

 

‌‌ وفي‌‌ باب: من نام عند السَّحور

عن خطِّ أبي عليٍّ الغسَّانيِّ أنَّ الَّذي في «صحيح البخاريِّ» عند السَّحر:

19 - حدَّثنا عبدان: أخبرنا أبي، عن شعبة، عن أشعث، سمعت أبي: سمعت مسروقًا: سألت عائشة: أيُّ العمل كان

--------------------------------------------

(1) في (ب) : إلى: «الغساني»، وهو تصحيف.
জাবির হতে।

আবু মাসউদ বলেন: ইউনুস বিন মুহাম্মাদ এবং হাইসাম বিন জামিলও অনুরূপ বলেছেন।

আল-গাসসানী বলেন: জাবির এর সূত্রে বর্ণিত ইউনুস বিন মুহাম্মাদের এই হাদিসটির বর্ণনা সংরক্ষিত ও সহীহ। আমাদের নিকট 'আল-জামি'-তে আবু মাসউদের সূত্র ব্যতীত মুহাম্মাদ বিন আস-সালত এর কোনো হাদিস পৌঁছেনি, আর এই অনুচ্ছেদে তার কোনো বিকল্প নেই; যেহেতু বুখারী বলেছেন: "জাবিরের হাদিসটি অধিক সহীহ।"

আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আমর আল-উকায়লী এটি বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ হতে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আস-সালত আল-কুফী হতে, তিনি ফুলাইহ হতে, তিনি সাঈদ হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে।

অনুরূপভাবে আবু ঈসা আত-তিরমিযী এটি ফুলাইহ হতে আবু হুরায়রা পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি বলেছেন: "আবু হুরায়রার হাদিসটি গরীব", এরপর তিনি আবু তামীলাহ ও ইউনুসের সূত্রে জাবির বিন আব্দুল্লাহ হতে এটি উল্লেখ করেছেন।

একইভাবে আবু জাফর আল-উকায়লী ইউনুস বিন মুহাম্মাদের সূত্রে, ফুলাইহ হতে, সাঈদ হতে, জাবির হতে এটি বর্ণনা করেছেন।

আল-গাসসানী বলেন: 'আল-জামি'-তে অনুচ্ছেদের শুরুতে আমরা আবু আলী ইবনুস সাকান এর যে বর্ণনাটি উল্লেখ করেছি, আমরা মনে করি সেটি তার নিজস্ব সংশোধনী হতে।

আমি বলি: মুহাম্মাদ বিন আস-সালত বিন হাজ্জাজ আবু জাফর আল-আসাদী আল-আসাম্ম; তাঁর হতে বুখারী বর্ণনা করেছেন এবং নাসায়ী(১) একজন ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২১৯ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন, এবং বলা হয়: ২১৮ হিজরি। আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

 

‌‌ এবং‌‌ চন্দ্রগ্রহণের সালাত বিষয়ক অনুচ্ছেদ

১৭ – এবং আবু উসামাহ বলেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ফাতিমা বিনতে মুনযির আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আসমা হতে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে এলেন যখন সূর্য গ্রহণমুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল, অতঃপর তিনি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং তাঁর যথাযথ গুণগান করলেন, তারপর বললেন: "অতঃপর" (আম্মা বা'দু)।

ইবনুস সাকান ভ্রমের শিকার হয়েছেন, ফলে তিনি এই হাদিসের সনদে 'হিশাম' ও 'ফাতিমা'র মাঝে 'উরওয়াহ বিন যুবায়ের'কে যুক্ত করেছেন। সঠিক হলো: হিশাম, ফাতিমা হতে।

 

‌‌ এবং‌‌ যদি বসে সালাত আদায় করতে সক্ষম না হয় সেই বিষয়ক অনুচ্ছেদ

১৮ - আবদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক হতে, তিনি ইব্রাহিম বিন তাহমান হতে, তিনি হুসাইন আল-মুয়াল্লিম হতে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ হতে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন হতে, তিনি বলেন: "আমার অর্শ রোগ ছিল।"

আবু যায়িদ তাঁর কপিতে এই সনদে 'ইবনুল মুবারক' এর নাম উল্লেখ করতে ছেড়ে দিয়েছেন, অথচ সঠিক হলো 'আবদান' এর পরে তাঁর উল্লেখ থাকা।

 

‌‌ এবং‌‌ অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি সাহরির সময় ঘুমিয়ে পড়ে

আবু আলী আল-গাসসানীর হাতের লেখা হতে জানা যায় যে, যা 'সহীহ বুখারী'তে আছে তা হলো 'সাহরির সময়':

১৯ - আবদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ হতে, তিনি আশ’আস হতে, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি মাসরুককে বলতে শুনেছি: আমি আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলাম: কোন আমল ছিল...

--------------------------------------------

(১) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-গাসসানী" পর্যন্ত, যা একটি অনুলিপিজনিত ভুল।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৫)
أحبَّ إلى رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم؟ قالت: الدَّائم.

ثمَّ قال: حدَّثنا محمَّد: حدَّثنا أبو الأحوص، عن الأشعث مثله.

هكذا قال البخاريُّ: «حدَّثنا محمَّد» غير منسوبٍ.

وقال ابن السَّكن وغيره: «حدَّثنا ابن سلامٍ». [خ¦1132]

وفي نسخة أبي ذرٍّ عن أبي محمَّدٍ الحَمُّوييِّ: حدَّثنا محمَّد بن سالمٍ.

قال أبو الوليد: سألت أبا ذرٍّ عنه فقال: هو فيما أُراه محمَّد بن سلامٍ، وسهى فيه أبو محمَّدٍ الحَمُّوييُّ، قلت: لم أر في شيوخ البخاريِّ محمَّد بن سالمٍ، واللَّه أعلم.

 

‌‌ ‌‌كتاب الجنائز

‌‌ في‌‌ باب من يدخل قبر المرأة

20 - حدَّثنا محمَّد بن سنانٍ، عن فليح بن سليمان، عن هلال بن عليٍّ، عن أنس بن مالكٍ قال: شهدت ابنة النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم… الحديث إلى أن قال: «هل فيكم من لم يقارف اللَّيلة؟». قال ابن المبارك: يعني الذَّنب. [خ¦1342]

هكذا في النُّسخ: «ابن المبارك» وفي أصل أبي الحسن القابسيِّ: «قال أبو المبارك» وقال: أبو المبارك هو محمَّد بن سنانٍ، يُكْنَى أبا المبارك.

وهذا وهم، وكان في نسخة أبي الفرج عبدوسٍ، عن أبي زيدٍ كما عند الكافَّة على الصَّواب.

قال الغسَّانيُّ: وكنية محمَّد بن سنانٍ: «أبو بكرٍ» لا أعلم بينهم في ذلك خلافًا.

وذكر البخاريُّ في «تاريخه الأوسط» هذا الحديث بإسناده وانتهى إلى قوله: «قال أبو طلحة: أنا، فنزل في قبرها» ولم يذكر التَّفسير الَّذي في «جامعه».

وروي في تفسير المقارفة غير هذا التَّفسير عن عبد الوارث بن سفيان، عن القاسم بن أصبغ، عن أحمد بن زهيرٍ، عن أبي سلمة -يعني موسى بن إسماعيل المنقريَّ التَّبوذكيَّ البصريَّ- والخزاعيُّ وهو منصور بن سلمة، قالا: حدَّثنا حمَّاد بن سلمة، عن ثابتٍ، عن أنسٍ قال: لمَّا ماتت رقيَّة بنت رسول اللَّه، قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم: «لا يدخل القبر رجل قارف(1) أهله»، فلم يدخل عثمان.

وفي «التَّاريخ الأوسط» للبخاريِّ: حدَّثنا عبد اللَّه بن محمَّدٍ المسنَديُّ، عن عفَّان، عن حمَّادٍ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ قال: لمَّا ماتت رقيَّة قال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم: «لا يدخل القبر رجل قارف أهله»؛ يعني اللَّيلة، فلم يدخل عثمان القبر.

قال البخاريُّ: لا أدري ما هذا، فإنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم لم يشهد رقيَّة.

 

‌‌ ‌‌باب هل يخرج الميِّت من القبر لعلَّةٍ؟

21 - حدَّثنا عليُّ بن عبد اللَّه -هو المدينيُّ-

--------------------------------------------

(1) رسمت في (ب) : «فارق»، وهو تصحيف، وكذا في المواضع الآتية.
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সবচেয়ে প্রিয় কোনটি? তিনি বললেন: যা নিয়মিত করা হয়।

অতঃপর তিনি বললেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবু আল-আহওয়াস বর্ণনা করেছেন, আশ'আসের সূত্রে এর অনুরূপ।

এভাবেই বুখারি বলেছেন: "আমাদের কাছে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন" কোনো বংশপরিচয় উল্লেখ ছাড়াই।

ইবনে আস-সাকান ও অন্যান্যরা বলেছেন: "আমাদের কাছে ইবনে সালাম বর্ণনা করেছেন।" [বুখারি: ১১৩২]

এবং আবু মুহাম্মাদ আল-হামুয়্যির সূত্রে আবু যারের পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সালিম বর্ণনা করেছেন।

আবু আল-ওয়ালিদ বলেন: আমি আবু যারকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমার মতে তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন সালাম, আর আবু মুহাম্মাদ আল-হামুয়্যি এতে ভুল করেছেন। আমি বললাম: আমি বুখারির শায়খদের মধ্যে মুহাম্মদ বিন সালিমকে দেখিনি, আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

 

‌‌ ‌‌জানাজা অধ্যায়

‌‌ ‌‌নারীর কবরে কে প্রবেশ করবে সেই পরিচ্ছেদ-এর মধ্যে

২০ - আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সিনান বর্ণনা করেছেন, তিনি ফুলইহ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি হিলাল বিন আলী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যার (দাফনে) উপস্থিত ছিলাম... হাদিসটির শেষ পর্যন্ত যেখানে তিনি বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে যে আজ রাতে স্ত্রী সহবাস করেনি?»। ইবনুল মুবারক বলেন: অর্থাৎ পাপ। [বুখারি: ১৩৪২]

পাণ্ডুলিপিগুলোতে এভাবেই আছে: «ইবনুল মুবারক»। তবে আবুল হাসান আল-কাবেসির মূল পাণ্ডুলিপিতে আছে: «আবু মুবারক বলেছেন» এবং তিনি বলেন: আবু মুবারক হলেন মুহাম্মদ বিন সিনান, যাঁকে আবু মুবারক উপনামে ডাকা হয়।

এটি একটি বিভ্রম, আর আবু যায়েদের সূত্রে আবু আল-ফারাজ আবদুসের পাণ্ডুলিপিতে সবার কাছে যেমন আছে তেমনই সঠিকরূপে ছিল।

আল-গাসসানি বলেন: মুহাম্মদ বিন সিনানের উপনাম হলো: «আবু বকর»; এ বিষয়ে তাদের মধ্যে কোনো মতভেদ আছে বলে আমার জানা নেই।

বুখারি তাঁর «তারিখ আল-আওসাত» গ্রন্থে এই হাদিসটি এর সনদসহ উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর কথা পর্যন্ত শেষ করেছেন যে: «আবু তালহা বললেন: আমি (প্রস্তুত), এরপর তিনি তার কবরে নামলেন» তবে তিনি তাঁর «জামে» গ্রন্থে থাকা ব্যাখ্যাটি এখানে উল্লেখ করেননি।

আর 'মুকারাফাহ' (সহবাস) শব্দের ব্যাখ্যায় এই ব্যাখ্যাটি ছাড়াও অন্য একটি ব্যাখ্যা আবদুল ওয়ারিস বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি কাসিম বিন আসবাগ থেকে, তিনি আহমদ বিন জুহাইর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে—অর্থাৎ মুসা বিন ইসমাইল আল-মানকারি আত-তাবুযাকি আল-বাসরি—এবং খুজাই থেকে, যিনি মানসুর বিন সালামাহ; তারা দুজন বলেন: আমাদের কাছে হাম্মাদ বিন সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন আল্লাহর রাসূলের কন্যা রুকাইয়াহ মৃত্যুবরণ করেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এমন কোনো ব্যক্তি কবরে প্রবেশ করবে না যে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস(১) করেছে», ফলে উসমান প্রবেশ করেননি।

এবং বুখারির «তারিখ আল-আওসাত» গ্রন্থে রয়েছে: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-মুসনাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি আফফান থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রুকাইয়াহ মৃত্যুবরণ করেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এমন কোনো ব্যক্তি কবরে প্রবেশ করবে না যে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছে»; অর্থাৎ গত রাতে। ফলে উসমান কবরে প্রবেশ করেননি।

বুখারি বলেন: আমি জানি না এটি কী, কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকাইয়াহর জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না।

 

‌‌ ‌‌পরিচ্ছেদ: কোনো সংগত কারণে কি মৃতকে কবর থেকে বের করা যাবে?

২১ - আমাদের কাছে আলী বিন আবদুল্লাহ—যিনি আল-মাদিনি—বর্ণনা করেছেন—

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি (বা)-তে এটি "ফারাগা" হিসেবে লিখিত হয়েছে, যা একটি লিপিপ্রমাদ, এবং পরবর্তী স্থানগুলোতেও অনুরূপ।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৫)
عن سعيد بن عامرٍ، عن شعبة، عن ابن أبي نجيحٍ، عن عطاءٍ، عن جابرٍ، قال: «دفن مع أبي رجل آخر» … الحديث. [خ¦1352]

هكذا روي هذا الحديث بهذا الإسناد عن البخاريِّ.

ووقع لأبي عليِّ ابن السَّكن وحده جَعَل «مجاهدًا» بين «ابن أبي نجيحٍ» و «جابرٍ» بدل «عطاءٍ»، وما رواه غيره أصحُّ ممَّا رواه، ورواه النَّسائيُّ عن ابن أبي نجيحٍ، عن عطاءٍ، عن جابرٍ، كما رواه ابن المدينيِّ، وإبراهيم بن مرزوقٍ.

 

‌‌ ومن‌‌ كتاب الزَّكاة

في أوَّل بابٍ منه

22 - حدَّثنا محمَّد بن عبد الرَّحيم، عن عفان(1) بن مسلمٍ، عن وهيبٍ، عن يحيى بن سعيد بن حيَّان، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، أنَّ أعرابيًّا أتى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال: «أخبرني بعملٍ يدخلني الجنَّة» … وذكر الحديث. [خ¦1397]

ووقع في نسخة الأصيليِّ عن أبي أحمد الجرجانيِّ في إسناد هذا الحديث تخليط ووهم؛ فإنَّه قال: حدَّثنا عفَّان، عن وُهَيبٍ، عن يحيى بن سعيد بن حبَّان(2)، أو عن يحيى بن سعيدٍ، عن أبي حيَّان، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة.

وذلك خطأ، إنَّما الحديث عن وهيبٍ، عن ابن حيَّان(3) التَّيميِّ، واسمه: يحيى بن سعيد بن حيَّان.

والَّذي رواه ابن السَّكن وأبو زيدٍ وسائر رواة الفربريِّ ما قدَّمناه

 

‌‌ وفي‌‌ الباب

23 - حدَّثنا حفص بن عمر، عن شعبة(4)، عن محمَّد بن عثمان بن مَوْهِبٍ، عن موسى بن طلحة، عن أبي أيُّوب، أنَّ رجلًا قال للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم: أخبرني بعملٍ يدخلني الجنَّة، قال: «ما له، ما له، أرب ما له». الحديث. [خ¦1396]

قال البخاريُّ: أخشى أن يكون «محمَّد» غير محفوظٍ، وإنَّما هو «عمرو بن عثمان».

قال الغسَّانيُّ: ما قاله صحيح، وهذا ممَّا عدَّ على شعبة أنَّه وهم في قوله: «محمَّد بن عثمان» وإنَّما هو: «عمرو بن عثمان»، وقد خرَّج مسلم هذا الحديث عن محمَّد بن عبد اللَّه بن نميرٍ، عن أبيه، عن عمرو بن عثمان، عن موسى بن طلحة، عن أبي أيُّوب.

وقد ذكر البخاريُّ هذا الحديث في «كتاب الأدب» من رواية شعبة فقال: حدَّثني عبد الرَّحمن قال: حدَّثنا بهز، عن شعبة قال: حدَّثنا ابن عثمان بن عبد اللَّه بن موهبٍ، هكذا أتى في هذا الباب غير مسمَّى؛ ليكون أقرب إلى الصَّواب

 

‌‌ وفي‌‌ باب من أدِّي زكاته فليس بكنزٍ

24 - حدَّثنا إسحاق بن يزيد، عن شعيب بن إسحاق، قال الأوزاعيُّ: حدَّثنا يحيى بن أبي كثيرٍ أنَّ عمرو بن يحيى أخبره، عن أبيه، يحيى(5) بن عُمارة بن أبي الحسن، أنَّه سمع أبا سعيدٍ الخدريَّ، يقول: قال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم: «ليس فيما دون خمس ذودٍ صدقة» … الحديث. [خ¦1405]

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ:

--------------------------------------------

(1) في الأصلين: «عثمان» وهو تصحيف، وسيأتي على الصواب بعد سطرين.

(2) هكذا في (أ) وفي (ب) : «حيان».

(3) في (ب) : «حبان»، وهو تصحيف، وأهمل نقطها في (أ).

(4) تصحفت في (ب) إلى: «معبد».

(5) في (ب) : «عن أبيه عن يحيى»، وهو تصحيف.
সাঈদ বিন আমির থেকে বর্ণিত, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: «আমার পিতার সাথে আরও একজন লোককে দাফন করা হয়েছে» … (হাদিস)। [বুখারি: ১৩৫২]

বুখারি থেকে এই হাদিসটি এই সনদে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।

তবে কেবল আবু আলী ইবনুস সাকানের বর্ণনায় 'আতা'-এর পরিবর্তে 'ইবনে আবি নাজিহ' এবং 'জাবির'-এর মাঝে 'মুজাহিদ'-কে রাখা হয়েছে। অন্যান্যদের বর্ণিত পাঠটি তার বর্ণিত পাঠ অপেক্ষা অধিক বিশুদ্ধ। নাসাঈ হাদিসটি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন; যেমনটি ইবনুল মাদিনি এবং ইব্রাহিম বিন মারজুক বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং‌‌ যাকাত অধ্যায় হতে

এর প্রথম পরিচ্ছেদে

২২ - মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আফফান(১) বিন মুসলিম থেকে, তিনি উহাইব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাইদ বিন হাইয়ান থেকে, তিনি আবু যুরআহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক গ্রাম্য ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: «আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলে দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে» … এবং তিনি পূর্ণ হাদিস উল্লেখ করেন। [বুখারি: ১৩৯৭]

আসিলির পাণ্ডুলিপিতে আবু আহমাদ আল-জুরজানি থেকে বর্ণিত এই হাদিসের সনদে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রম লক্ষ্য করা গেছে; কেননা তিনি বলেছেন: আফফান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি উহাইব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাইদ বিন হাব্বান(২) থেকে, অথবা ইয়াহইয়া বিন সাইদ থেকে, তিনি আবু হাইয়ান থেকে, তিনি আবু যুরআহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।

আর সেটি ভুল, হাদিসটি মূলত উহাইব থেকে, তিনি ইবনে হাইয়ান(৩) আত-তাইমি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার নাম হলো: ইয়াহইয়া বিন সাইদ বিন হাইয়ান।

ইবনুস সাকান, আবু যাইদ এবং আল-ফিরাবরির অন্যান্য সকল রাবিগণ যা বর্ণনা করেছেন তা-ই আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।

 

‌‌ এবং এই‌‌ পরিচ্ছেদে

২৩ - হাফস বিন উমর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি শু'বাহ(৪) থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন উসমান বিন মাওহাব থেকে, তিনি মুসা বিন তালহা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আমাকে এমন আমলের কথা বলুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। তিনি বললেন: «তার কী হলো, তার কী হলো? তার এক বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে»। (হাদিস)। [বুখারি: ১৩৯৬]

বুখারি বলেন: আমার আশঙ্কা হচ্ছে 'মুহাম্মদ' নামটি সংরক্ষিত (সঠিক) নয়, বরং এটি হবে 'আমর বিন উসমান'।

আল-গাসসানি বলেন: তিনি যা বলেছেন তা সঠিক। এটি শু'বাহর সেই ভুলগুলোর অন্তর্ভুক্ত যা তার ক্ষেত্রে ধরা হয়েছে যে, তিনি 'মুহাম্মদ বিন উসমান' বলেছেন, অথচ তা হবে 'আমর বিন উসমান'। ইমাম মুসলিম এই হাদিসটি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আমর বিন উসমান থেকে, তিনি মুসা বিন তালহা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বুখারি এই হাদিসটি 'কিতাবুল আদব'-এ শু'বাহর সূত্রে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আব্দুর রহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাহজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি ইবনে উসমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মাওহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। এভাবেই এই পরিচ্ছেদে নামটি অস্পষ্ট রাখা হয়েছে যাতে তা সত্যের অধিক নিকটবর্তী হয়।

 

‌‌ এবং‌‌ যার যাকাত আদায় করা হয় তা গুপ্তধন (কানয) নয় পরিচ্ছেদে

২৪ - ইসহাক বিন ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি শুআইব বিন ইসহাক থেকে, আওযায়ি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমর বিন ইয়াহইয়া তাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তার পিতা ইয়াহইয়া(৫) বিন উমারা বিন আবি হাসান থেকে, তিনি আবু সাইদ আল-খুদরিকে বলতে শুনেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «পাঁচটি উটের কম হলে তাতে কোনো সাদাকা (যাকাত) নেই» … (হাদিস)। [বুখারি: ১৪০৫]

আবু মাসুদ আদ-দিমাশকি বলেন:

--------------------------------------------

(১) উভয় মূলে: «উসমান» রয়েছে যা একটি লিখনগত প্রমাদ, এবং দুই লাইন পরেই এটি সঠিক রূপে আসবে।

(২) (ক) পাণ্ডুলিপিতে এরূপই আছে, আর (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «হাইয়ান»।

(৩) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «হাব্বান», যা একটি লিখনগত প্রমাদ, আর (ক) পাণ্ডুলিপিতে এটি নুকতাহীন অবস্থায় রয়েছে।

(৪) (খ) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে «মাবাদ» হয়ে গেছে।

(৫) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «তার পিতা থেকে তিনি ইয়াহইয়া থেকে», যা একটি লিখনগত প্রমাদ।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৬)
هكذا قال البخاريُّ: «عن الأوزاعيِّ، عن يحيى بن أبي كثيرٍ» فنسب «يحيى» إلى «أبي كثيرٍ»، ورواه داود بن رُشيدٍ، وهشام بن خالدٍ، عن شعيبٍ، عن الأوزاعيِّ، عن يحيى غير منسوبٍ.

ورواه عبد الوهَّاب بن نجدة، عن شعيبٍ، عن الأوزاعيِّ، عن يحيى بن سعيدٍ.

ورواه الوليد، عن الأوزاعيِّ، عن عبد الرَّحمن بن أبي اليمان، عن يحيى بن سعيدٍ…

 

‌‌ ‌‌كتاب الحجِّ

‌‌ في‌‌ باب تقبيل الحجر

25 - حدَّثنا مسدَّد، عن حمَّاد بن زيدٍ، عن الزُّبير بن عديٍّ قال: سأل رجل ابن عمر عن استلام الحجر. [خ¦1611]

وقع في نسخة أبي محمَّدٍ الأَصيليِّ: «الزُّبير بن عديٍّ» بدالٍ مهملةٍ، ثمَّ ياءٍ مشدَّدةٍ، وهو وهم، وصوابه: «ابن عربي» براء مهملة ثم موحدة بعدها ياء مشددة(1)، كما رواه سائرهم عن الفربريِّ.

 

‌‌ وفي‌‌ باب: مَن صلَّى ركعتي(2) الطَّواف خارج المسجد

26 - وحدَّثني محمَّد بن حربٍ، عن أبي مروان يحيى بن أبي زكريَّا الغسَّانيِّ، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أمِّ سلمة. [خ¦1626]

هكذا رواه ابن السَّكن، عن الفربريِّ، عن البخاريِّ مرسلًا، لم يذكر فيه بين «عروة» و «أمِّ سلمة» : «زينب».

وكذا وقع في نسخة عبدوسٍ الطُّليطليِّ، عن أبي زيدٍ المروزيِّ.

ووقع في نسخة الأصيليِّ: عن عروة، عن زينب، عن أمِّ سلمة، متَّصلًا.

ورواية ابن السَّكن المرسلة أصحُّ في هذا الإسناد، وهو المحفوظ.

وقد ذكر أبو الحسن الدَّارقطنيُّ في كتاب «الاستدراكات» أنَّ البخاريَّ رواه مرسلًا، قال: ووصله حفص بن غياثٍ، عن هشامٍ، عن أبيه، عن زينب، قال: ووصله مالك، عن أبي الأسود، عن عروة، عن زينب، عن أمِّ سلمة.

ووقع لأبي الحسن القابسيِّ تصحيف في إسناد هذا الحديث في نسب «يحيى بن أبي زكريَّا» فقال فيه: «العُشانيُّ» : بضمِّ العين وشينٍ معجمةٍ مثلثة، وصوابه: «الغَسَّانيُّ» بغينٍ معجمةٍ نسبةً إلى غسَّان.

وله أيضًا مثل هذا في هذا الإسناد بعينه في «كتاب التَّوحيد».

وقال في موضعٍ آخر وهو «باب الهديَّة» حيث قال البخاريُّ: وقال أبو مروان(3) عن هشام بن عروة: «كان النَّاس يتحرَّون بهداياهم يوم عائشة».

فقال أبو الحسن هو: «أبو مروان العثمانيُّ» بعينٍ مهملةٍ وثاءٍ مثلَّثةٍ، وصوابه: «الغسَّانيُّ» بغينٍ معجمةٍ وسينٍ مهملةٍ كما تقدَّم.

 

‌‌ ومن‌‌ باب ما جاء في السَّعي بين الصَّفا والمروة

--------------------------------------------

(1) قوله: «وهو وهم، وصوابه: ابن عربي، براء مهملة ثم موحدة بعدها ياء مشددة» ليس في (ب).

(2) في (ب) مكان: «ركعتي» : بياض وكلمة «يعني».

(3) رسمت في (أ) : «هريرة»، و (ب) : «حريرة» وسيأتي على الصواب بعد أسطر يسيرة.
ইমাম বুখারী এভাবেই বলেছেন: «আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে» অতঃপর তিনি «ইয়াহইয়া»-কে «আবি কাসীর»-এর দিকে সম্বন্ধ করেছেন। দাউদ বিন রুশাইদ এবং হিশাম বিন খালিদ এটি শুআইব থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে কোনো বংশীয় পরিচয় উল্লেখ না করে বর্ণনা করেছেন।

আর তা বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন নাজদা শুআইব থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে।

আর এটি বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ আওযাঈ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবিল ইয়ামান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে…

 

‌‌ ‌‌হজ অধ্যায়

‌‌ ‌‌হাজরে আসওয়াদ চুম্বন অনুচ্ছেদ

২৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, তিনি হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি জুবায়ের বিন আদি থেকে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ইবনে উমরকে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। [বুখারী ১৬১১]

আবু মুহাম্মদ আল-আসিলির কপিতে: «জুবায়ের বিন আদি» দাল বর্ণে নুকতাহীন এবং এরপর ইয়া বর্ণে তাশদীদসহ এসেছে, এটি ভুল। এর সঠিক হলো: «ইবনুল আরাবি» রা বর্ণে নুকতাহীন এবং এরপর বা বর্ণ আর তার পরে ইয়া বর্ণে তাশদীদসহ(১), যেমনটি ফিরবরী থেকে অন্য সকলে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং‌‌ অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি মসজিদের বাইরে তাওয়াফের দুই রাকাত(২) সালাত আদায় করেছেন

২৬ - আর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হারব, তিনি আবু মারওয়ান ইয়াহইয়া বিন আবি যাকারিয়া আল-গাসসানি থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে। [বুখারী ১৬২৬]

ইবনে সাকান ফিরবরী থেকে, তিনি বুখারী থেকে এভাবেই মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি «উরওয়া» এবং «উম্মে সালামাহ»-এর মাঝে «যয়নাব»-এর নাম উল্লেখ করেননি।

তদ্রূপ এটি আব্দুস আত-তুলাইতিলির কপিতে আবু যায়েদ আল-মারওয়াযি থেকে এসেছে।

আর আল-আসিলির কপিতে এসেছে: উরওয়া থেকে, তিনি যয়নাব থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে—মুত্তাসিল হিসেবে।

এই সনদে ইবনে সাকানের মুরসাল বর্ণনাটিই অধিক সহীহ এবং এটিই সংরক্ষিত।

আবু হাসান আদ-দারাকুতনি «আল-ইস্তিদরাকাত» গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, বুখারী এটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হাফস বিন গিয়াছ হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি যয়নাব থেকে এটি মুত্তাসিল করেছেন। তিনি আরও বলেন: মালিক আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি যয়নাব থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে এটি মুত্তাসিল করেছেন।

আবু হাসান আল-কাবিসির কাছে এই হাদিসের সনদে «ইয়াহইয়া বিন আবি যাকারিয়া»-এর বংশীয় পরিচয়ে বর্ণনা বিভ্রাট ঘটেছে; তিনি এতে বলেছেন: «আল-উশানি»: আইন বর্ণে পেশ এবং শীন বর্ণে তিন নুকতাহসহ। এর সঠিক রূপ হলো: «আল-গাসসানি» গাইন বর্ণে নুকতাহসহ, যা গাসসানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত।

«তাওহীদ অধ্যায়েও» হুবহু এই সনদে তার অনুরূপ ভুল হয়েছে।

তিনি অন্য এক স্থানে অর্থাৎ «উপহার অনুচ্ছেদে» বলেছেন, যেখানে বুখারী বলেছেন: আবু মারওয়ান(৩) হিশাম বিন উরওয়া থেকে বর্ণনা করেছেন: «লোকেরা আয়েশার দিনে তাদের উপহার প্রদানের জন্য প্রতীক্ষা করত»।

আবু হাসান সেখানে বলেছেন, তিনি হলেন: «আবু মারওয়ান আল-উসমানি» আইন বর্ণে নুকতাহহীন এবং ছা বর্ণে তিন নুকতাহসহ। এর সঠিক হলো: «আল-গাসসানি» গাইন বর্ণে নুকতাহসহ এবং সীন বর্ণে নুকতাহহীন, যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌ এবং‌‌ সাফা ও মারওয়ার মাঝে সায়ীর বর্ণনায় যা এসেছে সেই অনুচ্ছেদ থেকে

--------------------------------------------

(১) তার উক্তি: «এটি ভুল, সঠিক হলো: ইবনুল আরাবি, রা বর্ণে নুকতাহীন এবং এরপর বা বর্ণ আর তার পরে ইয়া বর্ণে তাশদীদসহ» এটি (বা) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) (বা) পাণ্ডুলিপিতে «দুই রাকাত» শব্দের স্থলে শূন্যস্থান রয়েছে এবং «অর্থাৎ» শব্দটি আছে।

(৩) (আলিফ) পাণ্ডুলিপিতে «হুরায়রা» এবং (বা) পাণ্ডুলিপিতে «হারীরা» লেখা হয়েছে, সামনে কয়েক লাইনের মধ্যে এর সঠিক রূপটি আসবে।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৬)
27 - حدَّثنا محمَّد بن عبيدٍ، عن عيسى بن يونس، عن عبيد اللَّه بن عمر، عن نافعٍ، عن ابن عمر، قال: كان رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم «إذا طاف الطَّواف الأوَّل خَبَّ ثلاثًا». [خ¦1644]

وقع في نسخة أبي محمَّدٍ الأصيليِّ بخطِّه: «حدَّثنا محمَّد بن عبيد بن حاتمٍ، عن عيسى بن يونس».

فزاد في نسب محمَّدٍ: «ابن حاتمٍ» وكتب عليه: «بغدادي». ولم يُر ذلك لغيره، وإنَّما هو محمَّد بن عبيد بن ميمونٍ، شيخ كوفيّ مولى هارون بن زيد بن مهاجر بن قنفدٍ التَّيميِّ.

وهكذا نسبه أبو نصرٍ الكلاباذيُّ، وأبو أحمد بن عديٍّ وغيرهما، وكذا نسبه البخاريُّ بعد هذا بأوراقٍ في «كتاب الحجِّ» فقال: حدَّثنا محمَّد بن عبيد بن ميمونٍ، قال: حدَّثنا عيسى بن يونس، في حديثٍ آخر.

 

‌‌ وفي‌‌ باب أمرِ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم بالسَّكينة عند الإفاضة

28 - حدَّثنا سعيد بن أبي مريم، عن إبراهيم بن سويدٍ، عن عمرو بن أبي عمرٍو، عن سعيد بن جبيرٍ، عن ابن عبَّاسٍ، أنَّه «دفع(1) مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يوم عرفة». [خ¦1671]

كتب الأصيليُّ بخطِّه في حاشية الكتاب: إبراهيم بن سويدٍ هو: ابن بولا، وذلك وهم منه، وإنما(2) هو ابن سويد بن حيَّان المدنيُّ، وإبراهيم بن سويدٍ هذا يروي عن ابن بولا فاختلط عليه.

ذكر البخاريُّ في «تاريخه» : هلال بن يسار بن بولا، سمع أنس بن مالكٍ، روى عنه: إبراهيم بن سويد بن حيَّان.

و «بولا» بباءٍ موحَّدةٍ مضمومةٍ.

 

‌‌ وفي‌‌ باب الحلق والتَّقصير عند الإحلال

29 - حدَّثنا عيَّاش بن الوليد، عن محمَّد بن فضيل، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «اللَّهمَّ اغفر للمحلِّقين». [خ¦1728]

هكذا هو عند أبي محمَّدٍ الأصيليِّ: «عيَّاش» بشينٍ معجمةٍ.

وعند ابن السَّكن: بسينٍ مهملةٍ وباءٍ موحدَّةٍ.

والصَّواب: بشينٍ معجمةٍ، وقد ذكرنا التَّفرقة بين عيَّاش بن الوليد، وعبَّاس بن الوليد في «تمييز المشكل».

 

‌‌ وفي‌‌ باب لبس الخفَّين إذا لم يجد النَّعلين

30 - حدَّثنا أحمد بن يونس، عن إبراهيم بن سعدٍ، عن ابن شهابٍ، عن سالمٍ، عن ابن عمر: «سئل رسول اللَّه: ما يلبس المحرم من الثِّياب؟». [خ¦1842]

وقع هذا الحديث مرسلًا في رواية أبي زيدٍ المروزيِّ وحدَّه، عن سالمٍ عن(3) عمر، ليس فيه: «ابن عمر».

والصَّواب ما رواه ابن السَّكن وأبو أحمد ومن تابعهما: الزُّهريُّ، عن سالمٍ، عن عبد اللَّه بن عمر، متَّصلًا مسندًا.

 

‌‌ ‌‌كتاب البيوع

‌‌ في‌‌ باب السَّلم في كيلٍ معلومٍ

31 - حدَّثنا عمرو بن زرارة، عن إسماعيل ابن عُلَيَّة، عن ابن أبي نجيحٍ، عن عبد اللَّه بن كثيرٍ،

--------------------------------------------

(1) رسمت في الأصلين: «وقع».

(2) في (ب) : «وابن» وليس بشيء.

(3) في (ب) : «سالم عن عمر» وهو سبق قلم.
২৭ - মুহাম্মদ বিন উবাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ঈসা বিন ইউনুস থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «যখন প্রথম তাওয়াফ করতেন, তখন তিন চক্কর রমল করতেন (দ্রুত হাঁটতেন)»। [বুখারি ১৬৪৪]

আবু মুহাম্মদ আল-আসিলির পাণ্ডুলিপিতে তার নিজ হাতে লেখা রয়েছে: «মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন হাতিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ঈসা বিন ইউনুস থেকে।»

ফলে তিনি মুহাম্মদের বংশপরিচয়ে «বিন হাতিম» যুক্ত করেছেন এবং তার ওপর «বাগদাদী» লিখেছেন। অন্য কারও বর্ণনায় এটি দেখা যায়নি। মূলত তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন মাইমুন, যিনি একজন কুফি শায়খ এবং হারুন বিন যাইদ বিন মুহাজির বিন কানফায আত-তাইমির আযাদকৃত দাস।

আবু নসর আল-কিলাবাযী, আবু আহমদ বিন আদি এবং অন্যান্যরাও তার বংশপরিচয় এভাবেই উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে ইমাম বুখারিও এর কয়েক পাতা পরে «হজ অধ্যায়»-এ তার বংশপরিচয় এভাবেই উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন মাইমুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা বিন ইউনুস অন্য একটি হাদিসে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং‌‌ প্রস্থান করার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশান্তি বজায় রাখার নির্দেশ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদে

২৮ - সাঈদ বিন আবি মারিয়াম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহিম বিন সুওয়াইদ থেকে, তিনি আমর বিন আবি আমর থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি «আরাফার দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে প্রস্থান(১) করেছিলেন»। [বুখারি ১৬৭১]

আল-আসিলি তার নিজ হাতে কিতাবের পার্শ্বটীকায় লিখেছেন: ইবরাহিম বিন সুওয়াইদ হলেন: ইবনে বাওলা। এটি তার পক্ষ থেকে একটি ভুল। মূলত তিনি হলেন(২) ইবনে সুওয়াইদ বিন হাইয়ান আল-মাদানি। আর এই ইবরাহিম বিন সুওয়াইদ ইবনে বাওলা থেকে বর্ণনা করেন, ফলে বিষয়টি তার কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে।

বুখারি তার «তারিখ» গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: হিলাল বিন ইয়াসার বিন বাওলা, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে শুনেছেন, তার থেকে ইবরাহিম বিন সুওয়াইদ বিন হাইয়ান বর্ণনা করেছেন।

এবং «বাওলা» শব্দটি পেশযুক্ত ‘বা’ (ب) দিয়ে।

 

‌‌ এবং‌‌ ইহরাম খোলার সময় মাথা মুণ্ডন করা ও চুল ছোট করা অনুচ্ছেদে

২৯ - আইয়াশ বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন ফুদাইল থেকে, তিনি আমারা থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «হে আল্লাহ, আপনি মাথা মুণ্ডনকারীদের ক্ষমা করুন»। [বুখারি ১৭২৮]

আবু মুহাম্মদ আল-আসিলির নিকট এটি এভাবেই আছে: নুকতাযুক্ত ‘শীন’ দিয়ে «আইয়াশ»।

আর ইবনুস সাকানের নিকট: নুকতাহীন ‘সীন’ এবং এক নুকতাযুক্ত ‘বা’ দিয়ে।

সঠিক হলো: নুকতাযুক্ত ‘শীন’ দিয়ে। আমরা «তাময়িযুল মুশকিল» গ্রন্থে আইয়াশ বিন আল-ওয়ালিদ এবং আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করেছি।

 

‌‌ এবং‌‌ জুতা না পেলে মোজা পরিধান করার অনুচ্ছেদে

৩০ - আহমদ বিন ইউনুস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহিম বিন সাদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: মুহরিম ব্যক্তি কী ধরনের পোশাক পরিধান করবে?»। [বুখারি ১৮৪২]

এই হাদিসটি কেবল আবু যাইদ আল-মারওয়াযীর বর্ণনায় মুরসাল হিসেবে এসেছে, সালিম থেকে, তিনি(৩) উমর থেকে, এতে «ইবনে উমর» কথাটি নেই।

সঠিক হলো সেটিই যা ইবনুস সাকান, আবু আহমদ এবং তাদের অনুসারীরা বর্ণনা করেছেন: যুহরি, তিনি সালিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, মুত্তাসিল ও মুসনাদ হিসেবে।

 

‌‌ ‌‌ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়

‌‌ ‌‌নির্ধারিত পরিমাপের ক্ষেত্রে সালাম (অগ্রিম ক্রয়) অনুচ্ছেদে

৩১ - আমর বিন যুরারা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যা থেকে, তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন কাসীর থেকে,

--------------------------------------------

(১) উভয় মূলে এটি «وقع» (পতিত হয়েছে/ঘটেছে) হিসেবে লেখা হয়েছে।

(২) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «وابن» (এবং ইবনে), যা সঠিক নয়।

(৩) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «সালিম উমর থেকে», যা লেখনীর ভুল।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৭)
عن أبي المنهال، عن ابن عبَّاسٍ: «قدم رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم المدينة وهم يُسلِفون في الثِّمار». الحديث. [خ¦2239]

كان أبو الحسن القابسيُّ وغيره يزعم: أنَّ عبد اللَّه بن كثيرٍ هنا هو: المقرئ المكِّيُّ.

قال أبو الحسن: وليس في «الجامع» رواية عن أحدٍ من القرَّاء السَّبعة إلا عبد اللَّه بن كثيرٍ، وفيه عن عاصم بن أبي النَّجود في المطابقة.

وما قاله ليس بصحيحٍ، وعبد اللَّه بن كثيرٍ في هذا الإسناد هو عبد اللَّه بن كثير بن المطَّلب القرشيُّ السَّهميُّ، هكذا يقول المحدِّثون، وأهل النَّسب الزُّبير بن بكَّارٍ وغيره.

وروي عن البخاريِّ أنَّه من بني عبد الدَّار، وليس بصحيحٍ، وهو أخو كثير(1) بن كثير بن المطَّلب، خرَّج له البخاريُّ في «الجامع» حديثًا واحدًا عن سعيد بن جبيرٍ، وإبراهيم بن نافعٍ، وليس لعبد اللَّه بن كثيرٍ أيضًا في «الجامع» إلا الحديث الواحد المتقدِّم.

وروى له مسلم حديثًا آخر في «كتاب الجنائز» في «صلاة النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم على أهل البقيع واستغفاره لهم».

ذكر البخاريُّ في «تاريخه» أنَّ وفاة عبد اللَّه بن كثيرٍ هذا في سنة عشرين ومائةٍ؛ أعني: عبد اللَّه بن كثير بن المطَّلب.

قال البخاريُّ: حدَّثنا الحميديُّ، عن سفيان، قال: سمعت مطرفًا أبا بكرٍ(2) في جنازة عبد اللَّه بن كثيرٍ وأنا(3) غلام سنة عشرين ومائةٍ.

ونقل أبو بكر بن مجاهدٍ المقرئ تاريخ هذه الوفاة إلى عبد اللَّه بن كثيرٍ المقرئ في كتاب «السَّبعة» من تأليفه، فقال: حدَّثنا بشر بن موسى، عن الحميديِّ، عن سفيان، قال: حدَّثنا قاسم الرَّحَّال في جنازة عبد اللَّه بن كثيرٍ.

وما ذكره أبو بكرٍ فوهم منه، وإنَّما حوَّله البخاريُّ لعبد اللَّه بن كثير بن المطَّلب القرشيِّ.

وعبد اللَّه بن كثيرٍ المقرئ من أبناء فارسٍ مولى عمرو بن علقمة الكنانيِّ.

 

‌‌ وفي‌‌ الكفالة (4)

‌‌ ‌‌باب جوار الرَّجل في عهد النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم

32 - حدَّثنا ابن بكيرٍ: حدَّثنا اللَّيث، عن عُقيلٍ، عن ابن شهابٍ، عن عروة، عن عائشة، قالت: «لم أعقل أبويَّ إلا وهما يدينان الدِّين». [خ¦2297]

وقال أبو صالحٍ: حدَّثني عبد اللَّه عن يونس، عن الزُّهريِّ، عن عروة.

هكذا في رواية أبي محمَّدٍ الأصيليِّ: أبو صالحٍ، حدَّثني عبد اللَّه، لم ينسب «أبا صالحٍ» ونسب عبد اللَّه فقال: «ابن وهبٍ».

وفي رواية ابن السَّكن: أبو صالحٍ سلمويه، عن عبد اللَّه بن المبارك، عن يونس.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وروايته أولى ونسبه أصحُّ، وأبو صالحٍ سلمويه اسمه: سليمان بن صالحٍ مروزيّ، قد روى البخاريُّ عن محمَّد بن عبد العزيز بن أبي رزمة عنه(5)، عن ابن المبارك، في تفسير {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ}.

--------------------------------------------

(1) تصحفت في (ب) : إلى: «كعب».

(2) في (أ) و (ب) : «أبو بكر».

(3) رسمت في (ب) : «غلاما» ولعله تصحيف.

(4) في (أ) : «وفي الكتاب»، والحديث في كتاب الكفالة.

(5) في (ب) : «محمد بن عبد العزيز عن أبي زرعة» والمثبت من الصحيح.
আবু মিনহাল থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সা.) মদিনায় আগমন করলেন এমতাবস্থায় যে তারা ফলের অগ্রিম কেনাবেচা (সালাম) করছিল।" (হাদিস)। [বুখারি: ২২৩৯]

আবুল হাসান আল-কাবেসি এবং অন্যান্যরা দাবি করতেন যে: এখানে আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির হলেন মক্কার ক্বারী।

আবুল হাসান বলেন: "আল-জামি" (সহিহ বুখারি)-তে সাত ক্বারীর মধ্য থেকে একমাত্র আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির ব্যতীত আর কারো বর্ণনা নেই, তবে এতে মুতাবাহাকাত (সমজাতীয় বর্ণনা) হিসেবে আসেম ইবনে আবি আল-নাজুদ থেকে বর্ণনা রয়েছে।

তিনি যা বলেছেন তা সঠিক নয়। এই সনদে আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির বিন আল-মুত্তালিব আল-কুরাশি আস-সাহমি। মুহাদ্দিসগণ এবং বংশবিদ জুবায়ের ইবনে বাক্কার ও অন্যান্যরা এমনই বলেন।

বুখারি থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বনু আবদুদ দার গোত্রের, কিন্তু এটি সঠিক নয়। তিনি হলেন কাসির(১) বিন কাসির বিন আল-মুত্তালিবের ভাই। বুখারি "আল-জামি"-তে সাঈদ ইবনে জুবায়ের ও ইবরাহিম ইবনে নাফে থেকে তাঁর সূত্রে একটি মাত্র হাদিস বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিরেরও "আল-জামি"-তে ইতিপূর্বে উল্লিখিত একটি হাদিস ছাড়া আর কোনো হাদিস নেই।

ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে "জানাজা অধ্যায়"-এ অন্য একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা হলো: "বাকিবাসীদের ওপর নবী (সা.)-এর জানাজা পাঠ এবং তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা।"

বুখারি তাঁর "তারিখ" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এই আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিরের মৃত্যু ১২০ হিজরি সনে হয়েছে; অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির বিন আল-মুত্তালিব।

বুখারি বলেন: হুমাইদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি বলেন: আমি মুতাররিফ আবু বকরকে(২) আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিরের জানাজায় বলতে শুনেছি, তখন আমি(৩) ১২০ হিজরি সনে কিশোর বালক ছিলাম।

ক্বারী আবু বকর ইবনে মুজাহিদ তাঁর রচিত "আস-সাবআ" গ্রন্থে এই মৃত্যুর তারিখটি ক্বারী আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিরের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। তিনি বলেন: বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি হুমাইদি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি বলেন: কাসিম আর-রাহহাল আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিরের জানাজার বিষয়ে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

আবু বকর যা উল্লেখ করেছেন তা তাঁর ভুল (ওয়াহম)। মূলত বুখারি একে আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির বিন আল-মুত্তালিব আল-কুরাশির মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আর ক্বারী আব্দুল্লাহ ইবনে কাসির ছিলেন পারস্য বংশোদ্ভূত এবং আমর ইবনে আলকামা আল-কিনানির মুক্তদাস।

 

‌‌ এবং ‌ কাফালাহ (জামিনদারিতা) অধ্যায়ে (৪)

‌‌ ‌‌পরিচ্ছেদ: নবী (সা.)-এর যুগে কোনো ব্যক্তির আশ্রয় লাভ

৩২ - ইবনে বুকাইর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: লাইস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি আমার পিতামাতাকে দ্বীন পালনরত অবস্থা ছাড়া চিনিনি (অর্থাৎ শৈশব থেকেই তাদের মুসলিম হিসেবে দেখেছি)।" [বুখারি: ২২৯৭]

আবু সালেহ বলেন: আব্দুল্লাহ ইউনুস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়া থেকে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন।

আবু মুহাম্মদ আল-আসিলির বর্ণনায় এভাবেই আছে: আবু সালেহ, আব্দুল্লাহ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি "আবু সালেহ"-এর বংশপরিচয় উল্লেখ করেননি, তবে আব্দুল্লাহর বংশপরিচয় উল্লেখ করে বলেছেন: "ইবনে ওয়াহাব"।

ইবনে আস-সাকানের বর্ণনায় আছে: আবু সালেহ সালামুয়াইহ, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইউনুস থেকে।

আবু আলি আল-গাসসানি বলেন: তাঁর বর্ণনাটি অধিকতর অগ্রগণ্য এবং বংশপরিচয় অধিক সঠিক। আবু সালেহ সালামুয়াইহ-এর নাম হলো সুলাইমান ইবনে সালেহ আল-মারওয়াজি। বুখারি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবি রিযমাহ-এর মাধ্যমে তাঁর থেকে(৫), তিনি ইবনুল মুবারক থেকে "ইকরা বি-ইসমি রাব্বিকা" সূরার তাফসিরে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে "কাব" হয়েছে।

(২) (ক) এবং (খ) পাণ্ডুলিপিতে: "আবু বকর"।

(৩) (খ) পাণ্ডুলিপিতে "গুলামা" লেখা হয়েছে, সম্ভবত এটি লিপিকারের ভুল।

(৪) (ক) পাণ্ডুলিপিতে: "এবং কিতাব-এ", আর হাদিসটি জামিনদারিতা (কাফালাহ) অধ্যায়ে রয়েছে।

(৫) (খ) পাণ্ডুলিপিতে: "মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ, আবু যুরআহ থেকে", তবে সঠিক পাঠ সহিহ বুখারি অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌ ‌‌كتاب المزارعة

‌‌ في‌‌ باب إذا زرع بمال قومٍ بغير إذنهم

33 - ذكر فيه حديث الثَّلاثة الَّذين أووا إلى الغار، من طريق أنس بن عياضٍ، عن موسى بن عقبة، عن نافعٍ، عن ابن عمر. [خ¦2333]

وقال في آخره: «وقال إسماعيل بن عقبة، عن نافعٍ: فسعيت».

هكذا رُوي، وفي نسخة أبي ذرٍّ: «قال إسماعيل، عن عقبة، عن نافعٍ: فسعيت». وهذا وهم، وإسماعيل بن إبراهيم بن عقبة ابنُ أخي موسى بن عقبة، يروي هذا الحديث عن نافعٍ أيضًا كما يرويه عمُّه.

ورواية إسماعيل عن نافعٍ في هذا الحديث ذكرها البخاريُّ في «الأدب» في «باب إجابة دعاء من برَّ والديه».

 

‌‌ وفي‌‌ باب مَن أحيا أرضًا مواتًا

34 - وقال عمر: مَن أحيا أرضًا ميتةً فهي له.

ويروى عن عُمر وابن عوفٍ، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم وقال: «في غير حقِّ مسلمٍ، وليس لعرق(1) ظالمٍ حقٌّ». [خ¦قبل 2335]

هكذا روي عن أبي زيدٍ المروزيِّ وأبي أحمد الجرجانيِّ: عن عُمر وابن عوفٍ.

وعند ابن السَّكن، وأبي ذرٍّ: عن عَمرو بن عوفٍ، عن أنسٍ، قال الغسَّانيُّ: وهو محفوظ لعمرو بن عوفٍ يرويه عنه ابن ابنه كثيرُ(2) بن عبد اللَّه بن عمرٍو، عن أبيه عبد اللَّه، عن جدِّه عمرو بن عوفٍ، عن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم.

 

‌‌ وفي‌‌ باب الهبة المقبوضة وغير المقبوضة

35 - وقال ثابت: حدَّثنا مِسْعَرٌ(3)، عن مُحارب بن دِثارٍ، عن جابرٍ قال: «أتيت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم في المسجد فقضاني وزادني». [خ¦2603]

في رواية أبي زيدٍ المروزيِّ لم يذكر فيه سماع البخاريِّ من ثابتٍ، وكذلك وقع في نسخةٍ عن النَّسفيِّ، وقال أبو عليِّ بن السَّكن في روايته عن الفربريِّ: حدَّثنا ثابت بن محمَّدٍ: حدَّثنا مِسْعَر.

وفي نسخة الأصيليِّ عن أبي أحمد الجرجانيِّ: قال البخاريُّ(4) : حدَّثنا محمَّد عن ثابتٍ. هكذا وقع: عن محمَّدٍ -غير منسوبٍ-، عن ثابتٍ.

وقد حدَّث البخاريُّ عن ثابتٍ في غير موضعٍ من «الجامع» في «كتاب التَّوحيد» و «بني إسرائيل»، عن مِسْعَر والثَّوريِّ، وهو ثابت بن محمَّدٍ العابد، أبو إسماعيل الشَّيبانيُّ الكوفيُّ.

ولم يُتَابع أبو أحمد على هذا.

 

‌‌ ومن‌‌ كتاب الوصايا

36 - ذكر في أوَّله: حدَّثنا عمرو بن زرارة، عن إسماعيل ابن عُلَيَّة، عن ابن عونٍ، عن إبراهيم، عن الأسود، قال: ذكروا عند عائشة أنَّ عليًّا كان وصيًّا(5). [خ¦2741]

وقع في رواية ابن السَّكن، عن الفربريِّ، عن البخاريِّ: حدَّثنا إسماعيل بن زرارة: أخبرنا إسماعيل ابن عليَّة، عن ابن عونٍ.

جعل مكان «عمرو بن زرارة» : «إسماعيل بن زرارة»،

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «بعرق».

(2) في (ب) : «ابن أبي كثير»، وهو تصحيف.

(3) في (ب) : «مسور»، وهو تصحيف، وكذا في المواضع الآتية، وصوبها في هامش الأصل في الموضع الثاني إلى المثبت.

(4) تكرر في (ب) قوله: «قال البخاري».

(5) في (أ) : «وصيًا في»، وفي (ب) : «وصاني».
‌ ‌‌বর্গাচাষ অধ্যায়

‌‌ অনুচ্ছেদ: ‌যখন কেউ অন্যদের অনুমতি ছাড়া তাদের সম্পদ দিয়ে চাষাবাদ করে

৩৩ - এখানে সেই তিন ব্যক্তির হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে যারা গুহায় আশ্রয় নিয়েছিল, আনাস বিন ইয়াদ-এর সূত্রে, তিনি মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে। [বুখারি: ২৩৩৩]

এবং এর শেষে বলা হয়েছে: "আর ইসমাইল বিন উকবা নাফি থেকে বর্ণনা করেছেন: 'অতঃপর আমি চেষ্টা করলাম'।"

এভাবেই বর্ণিত হয়েছে, আর আবু যর-এর পাণ্ডুলিপিতে আছে: "ইসমাইল উকবা থেকে, তিনি নাফি থেকে বর্ণনা করেছেন: 'অতঃপর আমি চেষ্টা করলাম'।" এটি একটি ভ্রম, কারণ ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন উকবা হলেন মুসা বিন উকবার ভ্রাতুষ্পুত্র, তিনিও তাঁর চাচার মতো নাফি থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেন।

এই হাদিসে নাফি থেকে ইসমাইলের বর্ণনাটি বুখারি তাঁর 'আল-আদাব' গ্রন্থে 'পিতা-মাতার প্রতি সদাচারকারীর দোয়া কবুল হওয়া' অনুচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌ অনুচ্ছেদ: ‌যে ব্যক্তি কোনো মৃত ভূমি আবাদ করে

৩৪ - উমর (রা.) বলেন: যে ব্যক্তি কোনো মৃত ভূমি আবাদ করবে, তা তারই হবে।

এটি উমর এবং ইবনে আউফ থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: "কোনো মুসলিমের হক নষ্ট না করে; আর যালিম মূলের (অবৈধ দখলদারের) কোনো অধিকার নেই।" [বুখারি: ২৩৩৫ এর পূর্বে]

আবু যায়েদ আল-মারওয়াযি এবং আবু আহমাদ আল-জুরজানি থেকে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে: উমর এবং ইবনে আউফ থেকে।

ইবনুস সাকান এবং আবু যর-এর নিকট রয়েছে: আমর বিন আউফ থেকে, তিনি আনাস থেকে। আল-গাসসানি বলেছেন: এটি আমর বিন আউফের বর্ণনা হিসেবেই সংরক্ষিত, তাঁর থেকে তাঁর নাতি কাসির বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বর্ণনা করেন, তিনি তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর দাদা আমর বিন আউফ থেকে, তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে।

 

‌‌ অনুচ্ছেদ: ‌হস্তগতকৃত এবং হস্তগত না হওয়া দান

৩৫ - সাবিত বলেন: মিসআর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহারিব বিন দিসার থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে, তিনি বলেন: "আমি মসজিদে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম, অতঃপর তিনি আমার পাওনা পরিশোধ করলেন এবং আমাকে বাড়িয়ে দিলেন।" [বুখারি: ২৬০৩]

আবু যায়েদ আল-মারওয়াযির বর্ণনায় এতে সাবিত থেকে বুখারির শোনার কথা উল্লিখিত নেই। নাসাফির পাণ্ডুলিপিতেও অনুরূপ রয়েছে। আবু আলি ইবনুস সাকান ফিরিবরি থেকে তাঁর বর্ণনায় বলেছেন: সাবিত বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মিসআর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আবু আহমাদ আল-জুরজানি থেকে আল-আসিলির পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: বুখারি বলেছেন: মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে। এভাবেই অচিহ্নিত 'মুহাম্মাদ' নাম এসেছে, যিনি সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন।

বুখারি তাঁর 'আল-জামি' (সহিহ বুখারি) গ্রন্থের 'তাওহিদ অধ্যায়' এবং 'বনি ইসরাইল' এর আলোচনায় বিভিন্ন স্থানে সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মিসআর এবং সাওরি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি হলেন ইবাদতগুজার সাবিত বিন মুহাম্মাদ আবু ইসমাইল আল-শাইবানি আল-কুফি।

এ বিষয়ে আবু আহমাদের অনুসরণ করা হয়নি।

 

‌‌ ‌অসিয়ত অধ্যায় থেকে

৩৬ - এর শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে: আমর বিন যুরারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে উলাইয়্যাহ থেকে, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি বলেন: আয়েশা (রা.)-এর সামনে আলোচনা করা হলো যে, আলী (রা.) অসি ছিলেন। [বুখারি: ২৭৪১]

ইবনুস সাকানের বর্ণনায় ফিরিবরি থেকে, তিনি বুখারি থেকে বর্ণনা করেছেন: ইসমাঈল বিন যুরারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের জানিয়েছেন ইবনে আউন থেকে।

এখানে 'আমর বিন যুরারা'-এর স্থলে 'ইসমাঈল বিন যুরারা' করা হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) 'বা' পাণ্ডুলিপিতে আছে: "মূল দ্বারা"।

(২) 'বা' পাণ্ডুলিপিতে আছে: "ইবনে আবি কাসির", যা একটি লিখনগত প্রমাদ।

(৩) 'বা' পাণ্ডুলিপিতে আছে: "মিসওয়ার", যা একটি লিখনগত প্রমাদ। পরবর্তী স্থানগুলোতেও একই রূপ হয়েছে। মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় দ্বিতীয় স্থানে এটিকে সঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

(৪) 'বা' পাণ্ডুলিপিতে "বুখারি বলেছেন" কথাটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে।

(৫) 'আলিফ' পাণ্ডুলিপিতে আছে: "অসি হিসেবে...", আর 'বা' পাণ্ডুলিপিতে আছে: "আমাকে অসিয়ত করেছেন"।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৮)
ولم نرَ ذلك لغير ابن السَّكن، وقد ذكر أبو الحسن الدَّارقطنيُّ وأبو عبد اللَّه الحاكم من شيوخ البخاريِّ: إسماعيل بن زُرارة الثَّغريَّ.

ولم يذكره أبو نصرٍ الكلاباذيُّ.

وأمَّا «عمرو بن زرارة» فمشهور من شيوخه، حدَّث عنه في غير موضعٍ من الكتاب، عن عبد العزيز بن أبي حازم، وهُشيم بن بشيرٍ، وزيادٍ البكَّائيِّ، والقاسم بن مالكٍ.

قلت: عمرو بن زرارة بن واقدٍ الكلابيُّ النَّيسابوريُّ روى عنه أيضًا مسلم والنَّسائيُّ، وقال: هو ثقة مات سنة ثمانٍ وثلاثين ومائتين. واللَّه أعلم.

 

‌‌ ومن‌‌ كتاب الجهاد

‌‌ في‌‌ باب درجات المجاهدين

37 - ذكر في المتابعة: وقال: محمَّد بن فليحٍ، عن أبيه: «وفوقه عرش الرَّحمن». [خ¦2790]

وقع في نسخة أبي الحسن القابسيِّ: حدَّثنا محمَّد بن فليحٍ، وهو وهم، والبخاريُّ لم يدرك محمَّد بن فليحٍ، إنَّما يروي عن إبراهيم بن المنذر، ومحمَّد بن بَّشارٍ عنه، والصَّواب: «وقال محمَّد بن فليحٍ» كما روت الجماعة مُعلَّقًا.

 

‌‌ وفي‌‌ باب فضل النَّفقة في سبيل اللَّه

38 - حدَّثنا سعد بن حفصٍ، عن الشَّيبانيِّ. [خ¦2841]

في نسخة أبي الحسن القابسيِّ: «سعيد بن حفصٍ» بزيادة ياءٍ في «سعدٍ»، والصَّواب: «سعد» بحذف الياءٍ.

 

‌‌ وفي‌‌ باب اسم الفرس والحمار

39 - حدَّثنا محمَّد بن أبي بكرٍ، عن فضيل بن سليمان، عن أبي حازمٍ، عن عبد اللَّه بن أبي قتادة، عن أبيه، «أنَّه ركب(1) فرسًا يقال له: الجرادة». [خ¦2845]

في نسخة أبي زيدٍ المروزيِّ: «حدَّثنا محمَّد بن بكرٍ» بدل: «محمَّد بن أبي بكرٍ» وهو خطأ.

والصَّواب: «ابن أبي بكرٍ»، وهو المُقَدَّمي، وليس في شيوخ البخاريِّ: «محمَّد بن بكرٍ».

 

‌‌ وفي‌‌ باب غزو المرأة في البحر

40 - حدَّثنا عبد اللَّه بن محمَّدٍ، عن معاوية بن عمرٍو، عن أبي إسحاق، عن عبد اللَّه بن عبد الرَّحمن الأنصاريِّ، عن أنسٍ، قال: دخل النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم على بنت ملحان فاتَّكأ عندها ثمَّ ضحك. [خ¦2877] [خ¦2878]

الحديث، وفيه: «ناس من أمَّتي يركبون البحر الأخضر». [خ¦2877] هكذا هو في جميع الطُّرق عن البخاريِّ.

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: هكذا هو في كتاب البخاريِّ: «أبو إسحاق، عن أبي طوالة»، وهو عبد اللَّه بن عبد الرَّحمن، وسقط عليه بينهما: «زائدة بن قدامة». هكذا قال أبو مسعودٍ ولم يزد.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وتأمَّلته في «سير أبي إسحاق الفزاريِّ» فوجدته فيها: عن أبي إسحاق، عن عبد اللَّه بن عبد الرَّحمن بن معمرٍ أبي طوالة، ليس بينهما: «زائدة بن قدامة».

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «تركت» وهو تصحيف.
আমরা ইবন আস-সাকান ব্যতীত অন্য কারো কাছে এটি দেখিনি। আবু আল-হাসান আদ-দারাকুতনী এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম বুখারীর উস্তাদদের মধ্যে ইসমাইল বিন যুরারা আস-সাগরীকে উল্লেখ করেছেন।

আবু নাসর আল-কালাবাদি তাকে উল্লেখ করেননি।

আর ‘আমর বিন যুরারা’ তার উস্তাদদের মধ্যে প্রসিদ্ধ; তিনি কিতাবের একাধিক স্থানে তার থেকে বর্ণনা করেছেন—আব্দুল আযীয বিন আবি হাযিম, হুশাইম বিন বাশির, যিয়াদ আল-বাক্কায়ি এবং কাসিম বিন মালিকের সূত্রে।

আমি বলছি: আমর বিন যুরারা বিন ওয়াকিদ আল-কিলাবি আন-নায়সাবুরি; তার থেকে মুসলিম এবং নাসায়িও বর্ণনা করেছেন। তিনি (নাসায়ি) বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত, ২৩৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

 

‌‌ জিহাদ‌ অধ্যায় থেকে

‌‌ মুজাহিদদের‌ মর্যাদাসমূহ অনুচ্ছেদে

৩৭ - মুতাবাআত (সমর্থনমূলক বর্ণনা) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে: মুহাম্মদ বিন ফুলাইহ তার পিতার সূত্রে বলেছেন: “এবং তার উপরে রয়েছে রাহমানের আরশ।” [বুখারী: ২৭৯০]

আবু আল-হাসান আল-কাবিসির পাণ্ডুলিপিতে ‘আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ফুলাইহ হাদীস বর্ণনা করেছেন’ এসেছে, যা একটি ভুল ধারণা। কারণ ইমাম বুখারী মুহাম্মদ বিন ফুলাইহকে সরাসরি পাননি; বরং তিনি তার থেকে ইব্রাহিম বিন আল-মুনযির এবং মুহাম্মদ বিন বাশারের মাধ্যমে বর্ণনা করেন। সঠিক হলো: “মুহাম্মদ বিন ফুলাইহ বলেছেন” যেভাবে জামাত (অধিকাংশ বর্ণনাকারী) মুআল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ আল্লাহর‌ পথে ব্যয় করার ফযীলত অনুচ্ছেদে

৩৮ - আমাদের নিকট সা’দ বিন হাফস শায়বানি থেকে বর্ণনা করেছেন। [বুখারী: ২৮৪১]

আবু আল-হাসান আল-কাবিসির পাণ্ডুলিপিতে ‘সা’দ’ শব্দের মধ্যে ‘ইয়া’ যোগ করে ‘সাঈদ বিন হাফস’ এসেছে; কিন্তু সঠিক হলো ‘ইয়া’ বিহীন ‘সা’দ’।

 

‌‌ ঘোড়া‌ ও গাধার নামকরণ অনুচ্ছেদে

৩৯ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আবি বকর ফুদাইল বিন সুলাইমান থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি কাতাদা থেকে, তিনি তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, “তিনি(১) ‘আল-জারাদাহ’ নামক একটি ঘোড়ায় আরোহণ করেছিলেন।” [বুখারী: ২৮৪৫]

আবু যায়েদ আল-মারওয়াযির পাণ্ডুলিপিতে ‘আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আবি বকর’ এর পরিবর্তে ‘আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন বকর’ এসেছে, যা একটি ভুল।

সঠিক হলো: ‘ইবন আবি বকর’, তিনি হলেন আল-মুকাদ্দামি। আর ইমাম বুখারীর উস্তাদদের মধ্যে ‘মুহাম্মদ বিন বকর’ নামক কেউ নেই।

 

‌‌ সমুদ্রে‌ নারীদের যুদ্ধের অনুচ্ছেদে

৪০ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ মুয়াবিয়া বিন আমর থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আনসারি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিনতে মিলহানের ঘরে প্রবেশ করলেন এবং সেখানে হেলান দিয়ে বসলেন, তারপর হাসলেন। [বুখারী: ২৮৭৭] [বুখারী: ২৮৭৮]

এটি পূর্ণ হাদীস; তাতে আছে: “আমার উম্মতের কিছু লোক এই সবুজ সমুদ্রে পাড়ি দেবে।” [বুখারী: ২৮৭৭] ইমাম বুখারী থেকে বর্ণিত সমস্ত সূত্রেই এমনটি রয়েছে।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেছেন: বুখারীর কিতাবে এভাবেই আছে: ‘আবু ইসহাক, আবু তাওয়ালা থেকে’, আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান। কিন্তু তাদের উভয়ের মাঝে ‘যাইদাহ বিন কুদামাহ’ শব্দটি বাদ পড়ে গেছে। আবু মাসউদ এতটুকুই বলেছেন এবং এর বেশি কিছু বলেননি।

আবু আলী আল-গাসসানি বলেছেন: আমি ‘আবু ইসহাক আল-ফাযারির সিয়ার’ গ্রন্থে এটি গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি এবং সেখানে এটি পেয়েছি: ‘আবু ইসহাক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মা’মার আবু তাওয়ালা থেকে’, তাদের মধ্যে ‘যাইদাহ বিন কুদামাহ’ নেই।

--------------------------------------------

(১) (ব) পাণ্ডুলিপিতে ‘তারাকতু’ (আমি ছেড়ে দিয়েছি) এসেছে, যা একটি লেখনীগত বিভ্রাট।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৮)
قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: والحديث محفوظ لزائدة، عن أبي طوالة، رواه عنه حسين بن عليٍّ الجعفيُّ وغيره، ورواه أيضًا عنه معاوية بن عمرٍو.

 

‌‌ ومن‌‌ باب من أراد غزوةً فورَّى بغيرها

41 – [حدثنا يحيى بن بكير](1) حدَّثنا اللَّيث، عن عقيلٍ، عن ابن شهابٍ، عن عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه بن كعب بن مالكٍ، عن أبيه، عن كعب بن مالكٍ. [خ¦2947]

ثمَّ أردف عليه فقال: حدَّثنا أحمد بن محمَّدٍ -يعني مَردويه- عن عبد اللَّه -يعني ابن المبارك- عن يونس -يعني ابن يزيد- عن الزُّهريِّ، عن عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه بن كعب بن مالكٍ، عن كعب بن مالكٍ، قال: «كان رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم قلَّما يريد غزوةً إلَّا ورَّى بغيرها».

هكذا رواه البخاريُّ في «جامعه» و «تاريخه الكبير» عن أحمد بن محمَّد مردويه، عن ابن المبارك، [عن يونس] عن الزُّهريِّ، عن عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه: سمعتُ كعبًا(2).

وكذلك رواية ابن السَّكن، وأبي زيدٍ، ومشايخ أبي ذرٍّ الثَّلاثة لهذا الحديث: الزُّهريُّ، عن عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه: سمع كعبًا.

وقال أبو الحسن الدَّارقطنيُّ في هذا الإسناد: إنَّه مرسل، ولم يلتفت إلى قوله في الحديث: «سمعت كعبًا»؛ لأنَّه عنده وهم، قال: وقد رواه سويد بن نصرٍ، عن ابن المبارك متَّصلًا، كما رواه اللَّيث وابن وهبٍ، عن يونس، عن الزُّهريِّ، عن عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه، عن عبد اللَّه بن كعبٍ، عن كعبٍ.

قال الغسَّانيُّ: وقد روي عن معمرٍ، عن الزُّهريِّ على نحو ما رواه أحمد بن محمَّدٍ، عن ابن المبارك من الإرسال، فلم يذكر فيه: «عبد اللَّه».

وممَّا يؤيد ما ذكره الدَّارقطنيُّ من إرساله ما ذكره محمَّد بن يحيى الذُّهليُّ في «علله» قال: سمع الزُّهريُّ من عبد الرَّحمن بن كعب بن مالكٍ، وسمع من عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه بن كعب بن مالكٍ، ومن أبيه عبد اللَّه بن كعبٍ، وكان قائد كعبٍ حين عمي، ولا أظنُّ عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه بن كعبٍ سمع من جدِّه شيئًا، وإنَّما يروي عن أبيه، وعن عمِّه عبيد اللَّه بن كعبٍ.

وذكر البخاريُّ في الباب نفسه بإسناد أحمد بن محمَّد مردويه(3)، عن ابن المبارك، عن يونس، عن الزُّهريِّ، عن عبد الرَّحمن بن كعب بن مالكٍ، أنَّ كعب بن مالكٍ كان يقول: «لقلَّما كان رسول اللَّه يخرج إذا خرج في سفرٍ إلا يوم الخميس».

وذكره أيضًا من حديث معمرٍ، عن الزُّهريِّ بهذا الإسناد.

--------------------------------------------

(1) ما بين معقوفتين سقط من الأصلين، ولا يحدث البخاري عن الليث.

(2) في (ب) : «مالكًا» وهو سبق قلم.

(3) في (ب) : «بن مردويه» وليس بشيء.
আবু আলী আল-গাসসানি বলেছেন: হাদিসটি যাইদাহ থেকে আবু তাওয়ালাহ্-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত। তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আলী আল-জুফী এবং অন্যরা। এছাড়া মুয়াবিয়া ইবনে আমরও তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং‌‌ অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি যুদ্ধের ইচ্ছা পোষণ করে তা গোপন রাখতে ভিন্ন কোনো কিছুর ইঙ্গিত দিল

৪১ – [আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর হাদিস বর্ণনা করেছেন](১) আমাদের কাছে লাইস হাদিস বর্ণনা করেছেন উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি কাব ইবনে মালিক থেকে। [বুখারি: ২৯৪৭]

এরপর তিনি এর সাথে যুক্ত করে বললেন: আমাদের কাছে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ —অর্থাৎ মারদুওয়াইহি— বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ —অর্থাৎ ইবনুল মুবারাক— থেকে, তিনি ইউনুস —অর্থাৎ ইবনে ইয়াযীদ— থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি কাব ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো যুদ্ধের ইচ্ছা পোষণ করতেন, খুব কমই এমন হতো যে তিনি অন্য কোনো বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়ে তা গোপন না রাখতেন।»

ইমাম বুখারি এভাবেই তাঁর «জামে» এবং «তারিখুল কাবীর» গ্রন্থে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ মারদুওয়াইহি থেকে, তিনি ইবনুল মুবারাক থেকে, [তিনি ইউনুস থেকে], তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি কাব থেকে শুনেছি(২)।

একইভাবে ইবনুস সাকান, আবু যাইদ এবং আবু যারের তিন শাইখও এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: যুহরি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি কাব থেকে শুনেছেন।

আবু হাসান আদ-দারা কুতনি এই সনদ সম্পর্কে বলেছেন: এটি মুরসাল। তিনি হাদিসের এই বক্তব্য—«আমি কাব থেকে শুনেছি»—এর দিকে মনোযোগ দেননি; কারণ তাঁর মতে এটি একটি ভুল ধারণা (ওয়াহম)। তিনি বলেন: সুয়াইদ ইবনে নাসর ইবনুল মুবারাক থেকে এটি মুত্তাসিল (সংযুক্ত) ভাবে বর্ণনা করেছেন, ঠিক যেমনটি লাইস এবং ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন ইউনুস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে কাব থেকে, তিনি কাব থেকে।

আল-গাসসানি বলেন: মা'মার থেকেও যুহরির মাধ্যমে একইভাবে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যেমনটি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুবারাক থেকে বর্ণনা করেছেন, যেখানে «আবদুল্লাহ» এর নাম উল্লেখ করা হয়নি।

আদ-দারা কুতনি কর্তৃক উল্লিখিত হাদিসটি মুরসাল হওয়ার বিষয়টি মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আজ-জুহলি তাঁর «ইলাল» গ্রন্থে যা উল্লেখ করেছেন তার দ্বারা সমর্থিত হয়। তিনি বলেন: যুহরি আবদুর রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে শুনেছেন, এবং তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে এবং তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনে কাব থেকে শুনেছেন; আর তিনি (আবদুল্লাহ) যখন কাব অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তখন তাঁর পথপ্রদর্শক ছিলেন। আমি মনে করি না যে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব তাঁর দাদা থেকে কিছু শুনেছেন, বরং তিনি তাঁর পিতা এবং চাচা উবায়দুল্লাহ ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন।

ইমাম বুখারি একই অনুচ্ছেদে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ মারদুওয়াইহি-এর সনদে(৩) ইবনুল মুবারাক থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, কাব ইবনে মালিক বলতেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো সফরে বের হতেন, খুব কমই বৃহস্পতিবার ছাড়া অন্য কোনো দিন বের হতেন।»

এবং তিনি এটি মা'মারের হাদিস থেকেও যুহরির মাধ্যমে এই সনদে উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) থার্ড ব্র্যাকেটের মধ্যবর্তী অংশটি উভয় মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে, আর ইমাম বুখারি সরাসরি লাইস থেকে হাদিস বর্ণনা করেন না।

(২) (ব) পাণ্ডুলিপিতে: «মালিকান» রয়েছে, যা একটি লিখনপ্রমাদ।

(৩) (ব) পাণ্ডুলিপিতে: «ইবনে মারদুওয়াইহি» রয়েছে, যা সঠিক নয়।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৯)
قال محمَّد بن يحيى: وهذا ممَّا سمع الزُّهريُّ من عبد الرَّحمن بن كعب بن مالكٍ، عن أبيه.

والغرض من هذا كلِّه الاستدراكُ على البخاريِّ في حديث مَرْدُويَه، عن ابن المبارك، عن يونس الَّذي في أوَّل الباب حيث أخرجه على الاتِّصال وهو مرسل.

 

‌‌ ومن‌‌ باب جوائز الوفد

42 - حدَّثنا قَبيصة، عن ابن عيينة، عن سليمان الأحول، عن سعيد بن جبيرٍ، عن ابن عبَّاسٍ قال: يوم الخميس، وما يوم الخميس.... [خ¦3053]

هكذا روي في إسناد هذا الحديث عن أبي زيدٍ المروزيِّ، وأبي أحمد، وكذلك في نسخةٍ عن النَّسفيِّ.

وجعل ابن السَّكن في روايته عن الفربريِّ مكان «قبيصة» : «قتيبة».

ووقع بهذا الإسناد في «بابُ مرضِ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم» من البخاريِّ، ولم يختلف الرُّواة في ذلك الباب أنَّه «قتيبة بن سعيدٍ» كما قال ابن السَّكن في هذا الباب -أعني: باب جوائز الوفد- ولعلَّ البخاريُّ سمع الحديث من قتيبة بن سعيدٍ، ومن قَبيصة بن عقبة.

قال الَّشيخ أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: غير أنِّي لا أحفظ لقَبيصة بن عقبة عن ابن عيينة شيئًا في «الجامع»، ولا ذكر أبو نصرٍ الكلاباذيُّ أنَّه روى عن غير الثَّوريِّ في الكتاب.

قلتُ: قَبيصة بن عقبة بن عامر بن صعصعة، أبو عامرٍ السُّوائيُّ الكوفيُّ، من بني عامر بن صعصعة، روى عنه البخاريُّ، وروى أبو داود والتِّرمذيُّ وابن ماجه عن رجلٍ عنه، مات في المحرَّم -ويقال: في صفرٍ- سنة خمس عشرة ومائتين، ويقال: سنة أربعٍ، ويقال: سنة ثلاث عشرة، واللَّه أعلم.

 

‌‌ ومن‌‌ كتاب فرض الخمس

43 - قال في حديثٍ: حدَّثنا إسحاق بن محمَّدٍ الفَرْويُّ، عن مالكٍ، عن ابن شهابٍ، عن مالك بن أوسٍ، وذكر حديث عمر بن الخطَّاب مع عليٍّ والعبَّاس. [خ¦3094]

وقع في نسخة أبي الحسن: حدَّثنا محمَّد بن إسحاق الفَرْويُّ، والصَّواب: إسحاق بن محمَّدٍ كما قدَّمناه.

وسبق في «باب قتال اليهود» من «كتاب الجهاد» : حدَّثنا إسحاق بن محمَّدٍ الفَرْويُّ، عن مالكٍ، عن نافعٍ، عن ابن عمر، أنَّ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم قال: «تقاتلون اليهود…» الحديث.

وقد حدَّث البخاريُّ عن محمَّد بن يحيى الذُّهليِّ، عن إسحاق بن محمَّدٍ هذا مقرونًا بعبد العزيز الأويسيِّ.

 

‌‌ من‌‌ كتاب الصلح

‌‌ وفي‌‌ باب نفقة نساء النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم

44 - حدَّثنا مسدَّد: حدَّثنا يحيى، عن سفيان، عن أبي إسحاق، سمعت عمرو بن الحارث قال: «ما ترك رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم إلا سلاحه». [خ¦3098]

سقط من هذا الإسناد في نسخة أبي الحسن القابسيِّ ذكر «مسدَّدٍ» وذلك وهمٌ.

 

‌‌ ومن‌‌ باب ما ذكر من درع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم وعصاه وسيفه

45 - حدَّثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن عاصمٍ، عن أنس بن مالكٍ، «أنَّ قدح النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم انكسر فاتَّخذ
মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া বলেন: এটি যুহরী আব্দুর রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে যা শুনেছেন তার অন্তর্ভুক্ত।

এই সবকিছুর উদ্দেশ্য হলো বুখারীর ওপর আপত্তি উত্থাপন করা (ইস্তিদরাক), যা মারদুইয়াহ-এর হাদিসে ইবনুল মুবারক থেকে ইউনুসের সূত্রে অধ্যায়ের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে; যেখানে তিনি এটিকে সংযুক্ত (মুত্তাসিল) হিসেবে বর্ণনা করেছেন অথচ তা মুরসাল।

 

‌‌ এবং‌‌ প্রতিনিধি দলের উপঢৌকন দান সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে

৪২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবীসাহ, তিনি ইবনে উয়ায়নাহ থেকে, তিনি সুলাইমান আল-আহওয়াল থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: বৃহস্পতিবার, আর বৃহস্পতিবার কী ছিল.... [বুখারী: ৩০৫৩]

এই হাদিসের সনদে আবু যায়েদ আল-মারওয়াযী এবং আবু আহমাদ থেকে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে এবং নাসাফীর একটি পাণ্ডুলিপিতেও অনুরূপ রয়েছে।

ইবনুস সাকান ফিরবরী থেকে তার বর্ণনায় 'কাবীসাহ'-এর স্থলে 'কুতাইবাহ' উল্লেখ করেছেন।

এই সনদটি বুখারীর 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসুস্থতা' অধ্যায়ে এসেছে। উক্ত অধ্যায়ে বর্ণনাকারীদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই যে তিনি হলেন 'কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ', যেমনটি ইবনুস সাকান এই অধ্যায়ে—অর্থাৎ: প্রতিনিধি দলের উপঢৌকন দান সংক্রান্ত অধ্যায়—বলেছেন। সম্ভবত বুখারী হাদিসটি কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ এবং কাবীসাহ ইবনে উকবাহ উভয়ের থেকেই শুনেছেন।

শায়খ আবু আলী আল-গাসসানী বলেন: তবে 'আল-জামি' (সহীহ বুখারী) গ্রন্থে কাবীসাহ ইবনে উকবাহ-এর সূত্রে ইবনে উয়ায়নাহ থেকে কোনো বর্ণনা আমার জানা নেই। এমনকি আবু নাসর আল-কালাবাযীও উল্লেখ করেননি যে তিনি এই কিতাবে সাওরী ছাড়া আর কারো থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: কাবীসাহ ইবনে উকবাহ ইবনে আমির ইবনে সা'সা'আহ, আবু আমির আস-সুওয়ায়ী আল-কুফী, বনু আমির ইবনে সা'সা'আহ গোত্রের। ইমাম বুখারী তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ, তিরমিযী এবং ইবনে মাজাহ একজন ব্যক্তির মাধ্যমে তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২১৫ হিজরীর মহররম মাসে মৃত্যুবরণ করেন—বলা হয়ে থাকে সফর মাসে। আবার বলা হয় ২০৪ হিজরী অথবা ২১৩ হিজরীতে। আল্লাহই ভালো জানেন।

 

‌‌ এবং‌‌ খুমুস ফরজ হওয়া সংক্রান্ত কিতাব থেকে

৪৩ - তিনি একটি হাদিসে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফারবী, তিনি মালেক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মালেক ইবনে আউস থেকে এবং উমর ইবনুল খাত্তাবের সাথে আলী ও আব্বাসের হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। [বুখারী: ৩০৯৪]

আবুল হাসানের পাণ্ডুলিপিতে 'মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-ফারবী' এসেছে, কিন্তু সঠিক হলো 'ইসহাক ইবনে মুহাম্মাদ', যেমনটি আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।

'জিহাদ' কিতাবের 'ইয়াহুদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ' অধ্যায়ে পূর্বে গত হয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফারবী, তিনি মালেক থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা ইয়াহুদীদের সাথে যুদ্ধ করবে..." হাদিস।

বুখারী মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আদ-যুহলী থেকে, তিনি এই ইসহাক ইবনে মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার সাথে আব্দুল আজীজ আল-উওয়াইসীকেও যুক্ত করেছেন।

 

‌‌ ‌‌সন্ধি সংক্রান্ত কিতাব থেকে

‌‌ এবং‌‌ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের ভরণপোষণ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে

৪৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, আমি আমর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অস্ত্রশস্ত্র ছাড়া আর কিছুই রেখে যাননি।" [বুখারী: ৩০৯৮]

আবুল হাসান আল-কাবেসীর পাণ্ডুলিপিতে এই সনদ থেকে 'মুসাদ্দাদ'-এর নাম বাদ পড়েছে এবং তা একটি ভুল।

 

‌‌ এবং‌‌ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ম, লাঠি ও তলোয়ার সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে সেই অধ্যায় থেকে

৪৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান, তিনি আবু হামزة থেকে, তিনি আসেম থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণনা করেন, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি পেয়ালা ভেঙে গিয়েছিল, তখন তিনি সেটি (মেরামতের জন্য) গ্রহণ করলেন..."
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ৯)
مكان الَّشعب سلسلةً من فضَّةٍ». [خ¦3109]

كذا هذا الإسناد عند أبي زيدٍ المروزيِّ.

ووقع عند ابن السَّكن، وأبي أحمد الجرجانيِّ، وغيرهما من الرُّواة: عاصم، عن ابن سيرين، عن أنس بن مالكٍ، وهو الصَّواب.

وكذلك ذكره أبو بكرٍ أحمد بن عمرٍو البزَّار في «مسنده»، عن البخاريِّ فقال: حدَّثنا محمَّد بن إسماعيل البخاريُّ قال: حدثنا عبد اللَّه بن عثمان بن جبلة -يعني به عبدان(1) - عن أبي حمزة السُّكَّريِّ، عن عاصمٍ، عن محمَّد بن سيرين قال: قال أنس: كان قدحٌ لأمِّ سُلَيمٍ فكان النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يشرب فيه، فانكسر فضُبِّب، وكان النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يشرب فيه.

قال أبو بكرٍ: لا نعلم أحدًا رواه عن عاصمٍ، عن ابن سيرين، عن أنسٍ إلَّا أبا حمزة السُّكَّريَّ، واسمه محمَّد بن ميمونٍ.

وقال أبو الحسن الدَّارقطنيُّ: اختلف في هذا الحديث على عاصمٍ الأحول فرواه أبو حمزة السُّكَّريُّ، عن عاصمٍ، عن ابن سيرين، عن أنسٍ، وخالفه شَريك فرواه عن عاصمٍ عن أنسٍ، والصَّحيح قول أبي حمزة.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: والَّذي عندي أنَّ بعض الحديث يرويه عاصم عن أنس بن مالكٍ، وبعضه يرويه عن ابن سيرين، عن أنسٍ، وهذا يتبيَّن في حديث أبي عوانة، عن عاصمٍ، فإنَّ البخاريَّ ذكر حديث أبي عوانة عن عاصمٍ في «باب الشُّرب من قدح النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم» فقال: حدَّثنا الحسن بن مدركٍ، [عن يحيى بن حماد] عن أبي عوانة، عن عاصمٍ الأحول قال: رأيتُ قَدَحَ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم عند أنسٍ، وكان قد انصدع فسَلْسَلَهُ بفضَّةٍ.

قال: وهو قدح جيِّد عريض من نُضارٍ.

قال أنس: لقد سقيتُ رسولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم في هذا القدح أكثر من كذا وكذا. قال: وقال ابن سيرين: إنَّه كان فيه حلْقة من حديدٍ، فأراد أنس أن يجعل مكانها حلقةً من فضَّةٍ، فقال أبو طلحة: لا تغيِّر منه شيئًا صنعه رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم، فتركه.

هكذا رواه أبو عوانة، وجوَّده(2)، ذكر أوَّله عن عاصمٍ، عن أنسٍ، وآخره عن عاصمٍ عن ابن سيرين، عن أنسٍ

 

‌‌ وفي‌‌ باب إذا بعث الإمام رسولًا في حاجةٍ

46 - حدَّثنا موسى بن إسماعيل، عن أبي عوانة، عن عثمان بن عبد اللَّه بن مَوْهَبٍ، عن ابن عمر قال: «أما تغيَّب عثمان عن بدرٍ…» وذكر الحديث. [خ¦3130]

هكذا رواه ابن السَّكن، وأبو زيدٍ المروزيُّ، وغيرهما.

وفي نسخة أبي محمَّدٍ، عن أبي أحمد: «موسى، عن أبي عوانة، عن عمرو بن عبد اللَّه»، وصوابه: عثمان بن عبد اللَّه كما تقدَّم.

وقد وقع هذا الحديث بهذا الإسناد على الصَّواب في «مناقب عثمان بن عفَّان» لجميع الرُّواة.

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «ابن عبدان» وليس بشيء.

(2) في (ب) : «وحول».
'ফাটলের স্থানে রুপার একটি শিকল।' [বুখারি: ৩১০৯]

আবু যাইদ আল-মারওয়াযীর নিকট এই সনদটি এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।

ইবনে আস-সাকান, আবু আহমাদ আল-জুরজানি এবং অন্যান্য বর্ণনাকারীর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে: আসিম, ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন; আর এটিই সঠিক।

একইভাবে আবু বকর আহমাদ ইবনে আমর আল-বাযযার তার 'মুসনাদ'-এ বুখারি থেকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে জাবালা—অর্থাৎ আবদান(১)—বর্ণনা করেছেন আবু হামযা আস-সুক্কারি থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি বলেন: আনাস বলেছেন: উম্মে সুলাইমের একটি পেয়ালা ছিল যাতে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করতেন। সেটি ভেঙে গেলে তা রুপার তার দিয়ে জোড়া দেওয়া হয় এবং নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে পান করতেন।

আবু বকর বলেন: আবু হামযা আস-সুক্কারি—তার নাম মুহাম্মাদ ইবনে মাইমুন—ব্যতীত আর কেউ আসিম থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আনাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।

আবু হাসান আদ-দারাকুতনি বলেন: আসিম আল-আহওয়াল থেকে এই হাদিসটি বর্ণনায় মতভেদ দেখা দিয়েছে। আবু হামযা আস-সুক্কারি আসিম থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু শারিক তার বিরোধিতা করেছেন এবং তিনি আসিম থেকে সরাসরি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে আবু হামযার বক্তব্যই সঠিক।

আবু আলি আল-গাসসানি বলেন: আমার নিকট যা স্পষ্ট তা হলো, হাদিসের কিছু অংশ আসিম সরাসরি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং কিছু অংশ ইবনে সিরিনের মাধ্যমে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি আবু আওয়ানা কর্তৃক আসিম থেকে বর্ণিত হাদিসে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। কারণ বুখারি 'নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেয়ালা থেকে পান করা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ'-এ আবু আওয়ানা কর্তৃক আসিম থেকে বর্ণিত হাদিসটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আমাদের নিকট হাসান ইবনে মুদরিক বর্ণনা করেছেন, [ইয়াহইয়া ইবনে হাম্মাদ থেকে], তিনি আবু আওয়ানা থেকে, তিনি আসিম আল-আহওয়াল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আনাসের নিকট নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেয়ালা দেখেছি, সেটি ফেটে গিয়েছিল বিধায় তিনি তাতে রুপার শিকল লাগিয়েছিলেন।

তিনি বলেন: এটি ছিল দামী কাঠের তৈরি একটি সুন্দর ও প্রশস্ত পেয়ালা।

আনাস বলেন: আমি এই পেয়ালায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এত এত বারের চেয়েও বেশি পান করিয়েছি। তিনি বলেন: ইবনে সিরিন বলেছেন: এতে লোহার একটি আংটা ছিল, আনাস তার পরিবর্তে রুপার একটি আংটা লাগাতে চেয়েছিলেন। তখন আবু তালহা বললেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন তার কোনো কিছুই পরিবর্তন করো না। ফলে তিনি তা ছেড়ে দেন।

আবু আওয়ানা এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে উত্তমরূপে বর্ণনা করেছেন(২)। এর প্রথমাংশ আসিম থেকে, তিনি আনাস থেকে; এবং শেষাংশ আসিম থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং ‌‌'ইমাম যখন কোনো প্রয়োজনে দূত পাঠান' অনুচ্ছেদে

৪৬ - আমাদের নিকট মুসা ইবনে ইসমাইল বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা থেকে, তিনি উসমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাওহাব থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: 'উসমান বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন কি না...' এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন। [বুখারি: ৩১৩০]

ইবনে আস-সাকান, আবু যাইদ আল-মারওয়াযি এবং অন্যরা এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু মুহাম্মাদ কর্তৃক আবু আহমাদ থেকে বর্ণিত পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'মুসা, আবু আওয়ানা থেকে, তিনি আমর ইবনে আবদুল্লাহ থেকে'। তবে সঠিক নাম হলো উসমান ইবনে আবদুল্লাহ, যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

আর এই হাদিসটি এই সনদসহ সকল বর্ণনাকারীর নিকট 'মানাকিব উসমান ইবনে আফফান' (উসমান ইবনে আফফানের মর্যাদা) অধ্যায়ে সঠিকভাবে বর্ণিত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'ইবনে আবদান', যা নির্ভরযোগ্য নয়।

(২) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'ওয়াহাউলা'।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১০)
ولعثمان بن عبد اللَّه بن مَوْهبٍ ابنٌ يُقال له: عمرو بن عثمان، وهو الَّذي سمَّاه شعبة: محمَّدًا، وقد تقدَّم ذكر ذلك في «كتاب الزَّكاة».

 

‌‌ وفي‌‌ باب ما كان النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يعطي المؤلَّفة

47 - حدَّثنا أبو النُّعمان، عن حمَّاد بن زيدٍ، عن أيُّوب، عن نافعٍ، أنَّ عمر بن الخطَّاب قال: «يا رسول اللَّه كان عليَّ اعتكاف يومٍ في الجاهليَّة…» [خ¦3144]

هكذا روي مرسلًا عن ابن السَّكن، وأبي زيدٍ، وعند أبي أحمد الجرجانيِّ: أيُّوب، عن نافعٍ، عن ابن عمر. وذلك وهم، والصَّواب: الإرسال في رواية حمَّاد بن زيدٍ.

وقد ذكر البخاريُّ الاختلاف فيه على أيُّوب، وأنَّ جرير بن حازمٍ وصله عن أيُّوب، عن نافعٍ، عن ابن عمر، وكذلك وصله أصحاب عبيد اللَّه بن عمر، عن نافعٍ، عن ابن عمر، إلَّا أنَّهم اختلفوا، فمنهم من قال: نافع، عن ابن عمر، عن عمر، فجعله من مسند عمر.

ومنهم من قال: عن ابن عمر أنَّ عمر بذلك، فجعله من مسند ابن عمر.

وقال أبو الحسن الدَّارقطنيُّ: اختُلف في هذا الحديث على أيوبَ فأرسله حماد بن زيد عن أيوب، ورُوي عن ابن عُلَيَّة عن أيوب عن نافع عن(1) ابن عمر عن عمر متَّصلًا، وكذلك روي عن ابن عيينة، عن أيُّوب متَّصلًا(2).

 

‌‌ ‌‌كتاب الجزية

باب مَن قتل معاهدًا بغير جرمٍ لم يرح رائحة الجنَّة

48 - حدَّثنا قيس بن حفصٍ، عن عبد الواحد، عن الحسن بن عَمرٍو -هو الفقيميُّ- عن مجاهدٍ، عن عبد اللَّه بن عمرٍو، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «مَن قتل مُعاهَِدًا لم يَرَِحْ رائحة الجنَّة». [خ¦3166]

هكذا روي هذا الحديث لعبد اللَّه بن عَمرو بن العاصي، وفي نسخة الأصيليِّ عن أبي أحمد، عن عبد اللَّه بن عُمر -يعني ابن الخطَّاب- ولم يذكر خلافًا بين أبي أحمد وأبي زيدٍ.

وتكرَّر هذا الحديث بهذا الإسناد في «كتاب القسامة» متَّصلًا لعبد اللَّه بن عَمرو بن العاصي.

وأخرج البخاريُّ في «كتاب الأدب» حديثًا من رواية الحسن بن عمرٍو الفقيميِّ، عن مجاهدٍ، عن عبد اللَّه بن عمرو بن العاصي، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «ليس الواصل بالمكافئ».

وفي هذا الحديث علَّة ذكرها النَّسويُّ، والدَّارقطنيُّ في كتاب «الاستدراكات»(3).

 

‌‌ ‌‌كتاب بدء الخلق

49 - ذكر في أوَّله حديث عِمران بن حصينٍ وطرقه، ثمَّ قال عقبه: وروى عيسى، عن رقبة، عن قيس بن مسلمٍ، عن طارق بن شهابٍ، قال: سمعت(4) ابن عمر يقول: «قام فينا رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم مقامًا فأخبر عن بدء الخلق…» الحديث. [خ¦3190]

هكذا هو في النُّسخ عن البخاريِّ: عن عيسى، عن رقبة.

وقال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: إنَّما رواه عيسى، عن أبي حمزة

--------------------------------------------

(1) قوله: «على أيوب فأرسله حماد بن زيد عن أيوب، وروي عن ابن علية عن أيوب عن نافع عن» سقط من (ب).

(2) في (ب) : نقص، لأن اختلافهم في أن بعضهم رواه مرسلًا ورواه بعضهم متصلًا.

(3) وهو كما في «الإلزامات والتتبع» (ص:154) : أخرج البخاري حديث عبد الواحد بن زياد عن الحسن بن عمرو عن مجاهد عن عبد الله بن عمرو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «من قتل معاهدًا لم يرح رائحة الجنة. وريحها يوجد من أربعين». قال: خالفه مروان بن معاوية فرواه عن الحسن بن عمرو عن مجاهد عن جنادة بن أبي أمية عن عبد الله بن عمرو وهو الصواب.

(4) في (ب) : «سهل بن عمر»، وهو تصحيف.
উসমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মাওহাবের একটি পুত্র ছিল, যাকে আমর বিন উসমান বলা হয়; আর তাকেই শু’বা ‘মুহাম্মদ’ নামকরণ করেছেন। এর উল্লেখ ‘যাকাত অধ্যায়’-এ ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌ এবং‌‌ অধ্যায়: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াল্লাফাতুল কুলুবকে (যাদের অন্তর জয় করা উদ্দেশ্য) যা দান করতেন

৪৭ - আবু নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর বিন খাত্তাব বলেছেন: «হে আল্লাহর রাসূল! জাহিলিয়াত যুগে আমার ওপর একদিনের ইতিকাফের মানত ছিল…» [বুখারী: ৩১৪৪]

ইবনে সাকান ও আবু যায়েদ থেকে এটি এভাবেই মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। আবু আহমদ আল-জুরজানীর নিকট রয়েছে: আইয়ুব, নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে। সেটি একটি ভ্রম; বরং সঠিক হলো হাম্মাদ বিন যায়েদের বর্ণনায় মুরসাল হওয়া।

ইমাম বুখারী আইয়ুবের ওপর এই মতভেদের কথা উল্লেখ করেছেন যে, জারীর বিন হাযিম একে আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একইভাবে উবাইদুল্লাহ বিন উমরের সাথীগণ একে নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মুত্তাসিল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তারা মতভেদ করেছেন; তাদের মধ্যে কেউ বলেছেন: নাফে’ ইবনে উমর থেকে, তিনি উমর থেকে—এভাবে তারা একে উমরের মুসনাদ হিসেবে গণ্য করেছেন।

আবার তাদের মধ্যে কেউ বলেছেন: ইবনে উমর থেকে যে, উমর এরূপ করেছেন—এভাবে তারা একে ইবনে উমরের মুসনাদ হিসেবে গণ্য করেছেন।

আবু হাসান আদ-দারাকুতনী বলেছেন: এই হাদিসে আইয়ুবের ওপর মতভেদ হয়েছে। হাম্মাদ বিন যায়েদ একে আইয়ুব থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আবার ইবনে উলাইয়্যা থেকে আইয়ুব, নাফে’, ইবনে উমর ও উমর সূত্রে মুত্তাসিল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। একইভাবে ইবনে উয়াইনাহ থেকেও আইয়ুব সূত্রে মুত্তাসিল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

 

‌‌ ‌‌জিযিয়া অধ্যায়

অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ ছাড়াই কোনো মুআহিদকে (চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম) হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না

৪৮ - কাইস বিন হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ থেকে, তিনি হাসান বিন আমর—যিনি আল-ফুকাইমী—থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো মুআহিদকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না।» [বুখারী: ৩১৬৬]

এই হাদিসটি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস-এর সূত্রে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। আল-আসীলীর কপিতে আবু আহমদ থেকে আব্দুল্লাহ বিন উমর—অর্থাৎ ইবনে খাত্তাব—এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে; সেখানে আবু আহমদ ও আবু যায়েদের মধ্যে কোনো মতভেদের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

এই সনদেই হাদিসটি ‘কাসামাহ অধ্যায়’-এ আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস-এর সূত্রে মুত্তাসিল হিসেবে পুনরাবৃত্ত হয়েছে।

ইমাম বুখারী ‘আদব অধ্যায়’-এ হাসান বিন আমর আল-ফুকাইমীর বর্ণনায় মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যে: «উপকার করলে বিনিময়ে উপকারকারী ব্যক্তি প্রকৃত আত্মীয়তা রক্ষাকারী নয়।»

এই হাদিসে একটি ত্রুটি (ইল্লত) রয়েছে যা নাসায়ী এবং দারাকুতনী ‘আল-ইসতিদরাত’ কিতাবে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌ ‌‌সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়

৪৯ - এর শুরুতে ইমরান বিন হুসাইনের হাদিস ও তার সনদসমূহ উল্লেখ করেছেন। এরপর তিনি বলেন: ঈসা বর্ণনা করেছেন রকাবাহ থেকে, তিনি কাইস বিন মুসলিম থেকে, তিনি তারিক বিন শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে এক স্থানে দাঁড়ালেন এবং সৃষ্টির সূচনা সম্পর্কে সংবাদ দিলেন…» শেষ পর্যন্ত। [বুখারী: ৩১৯০]

বুখারীর কপিগুলোতে এভাবেই রয়েছে: ঈসা থেকে, তিনি রকাবাহ থেকে।

আবু মাসুদ আদ-দিমাশকী বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে ঈসা এটি আবু হামযাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) তাঁর উক্তি: «আইয়ুবের ওপর মতভেদ হয়েছে, হাম্মাদ বিন যায়েদ আইয়ুব থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে উলাইয়্যা থেকে আইয়ুব, নাফে’ থেকে বর্ণিত হয়েছে»—এই অংশটি (খ) পাণ্ডুলিপি থেকে পড়ে গেছে।

(২) (খ) পাণ্ডুলিপিতে অপূর্ণতা রয়েছে; কেননা তাদের মতভেদ হলো যে, কেউ কেউ একে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং কেউ কেউ একে মুত্তাসিল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

(৩) এটি ‘আল-ইলযামাত ওয়াত তাতাব্বু’ (পৃষ্ঠা: ১৫৪)-এ যেমনটি রয়েছে: বুখারী আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ থেকে, তিনি হাসান বিন আমর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো মুআহিদকে হত্যা করবে সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না। অথচ এর ঘ্রাণ চল্লিশ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়।» তিনি বলেন: মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তিনি হাসান বিন আমর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি জুনাবাহ বিন আবি উমাইয়াহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটিই সঠিক।

(৪) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «সহল বিন উমর», যা মূলত একটি লিখন প্রমাদ।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১০)
يعني السُّكَّريَّ(1)، عن رقبة.

وعيسى هو غنجار، وهو أبو أحمد عيسى بن موسى البخاريُّ، شيخ شهير بخراسان.

قال ابن أبي حاتمٍ هو مولى التَّيميين، يحدِّث عن أبي حمزة السُّكَّريِّ، عن رقبة بن مصقلة بنسخةٍ، روى عنه محمَّد بن سلامٍ البيكنديُّ.

50 - قال البخاريُّ: حدَّثنا أحمد بن يونس، عن إبراهيم بن سعدٍ، عن ابن شهابٍ، عن أبي سلمة بن عبد الرَّحمن، والأغرِّ، عن أبي هريرة، قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم: «إذا كان يوم الجمعة كان على كلِّ بابٍ من أبواب المسجد ملائكة…» الحديث. [خ¦3211]

وقع عن أبي ذرٍّ من طريق أبي الهيثم: عن أبي سلمة بن عبد الرَّحمن والأعرج -بالجيم- بدل الأغرِّ، والصَّواب ما روته الجماعة عن البخاريِّ، عن أبي سلمة والأغرِّ، والحديث مشهور بأبي عبد اللَّه الأغرِّ، عن أبي هريرة.

ذكره مسلم من طريق يونس بن يزيد الأيليِّ، والنَّسائيُّ من حديث معمرٍ، كلاهما عن الزُّهريِّ، عن أبي عبد اللَّه الأغرِّ، عن أبي هريرة.

ويروى من حديث سعيد بن المسيِّب، عن أبي هريرة.

قال ابن السَّكن: ورواه يحيى بن سعيدٍ الأنصاريُّ، عن الزُّهريِّ، عن أبي سلمة وسعيدٍ وأبي عبد اللَّه الأغرِّ.

فصحَّ بذلك كلِّه أنَّه «الأغرُّ» لا «الأعرج».

 

‌‌ وفي‌‌ كتاب الأنبياء صلوات اللَّه وسلامه عليهم

‌‌ قال في‌‌ باب قوله {يَزِفُّونَ} [الصافات: 94] : النَّسلان(2).

51 - في ذكر إبراهيم: حدَّثنا أحمد بن سعيدٍ أبو عبد اللَّه قال: حدثنا وهب بن جريرٍ، عن أبيه، عن أيُّوب، عن عبد اللَّه بن سعيد بن جبيرٍ، عن أبيه، عن ابن عباس، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «يرحم اللَّه أمَّ إسماعيل لولا أنَّها عجلت لكان زمزم عينًا معينًا». [خ¦3362]

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: رأيت جماعةً قد اختلفوا في هذا الإسناد على «وهب بن جريرٍ».

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: وكأنَّه يغمز البخاريَّ حيث أخرجه في «الصَّحيح»، فإنَّ الحديث رواه حجَّاج بن يوسف الشاعر وهو ثقة، عن وهب بن جريرٍ، عن أبيه، عن ابن عبَّاسٍ، عن أبيِّ بن كعبٍ، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.

وكذلك رواه عن وهب بن جريرٍ بهذا الإسناد أحمدُ بن سعيدٍ الرِّباطيُّ، ذكره عنه البخاريُّ، إلَّا أنَّ البخاريَّ لم يذكر عنه في الإسناد: أبي(3) بن كعبٍ.

ورواه عليِّ ابن المدينيِّ عن وهب بن جريرٍ، عن أبيه، عن سعيد بن جبيرٍ، عن ابن عباس، عن أبيِّ بن كعبٍ.

وتابع علي ابن المديني(4) على هذا الإسناد: أحمد بن سعيدٍ الرِّباطيِّ أيضًا.

ذكره عنه أبو عبد الرَّحمن النَّسويُّ في كتاب «السُّنن».

ورواه حمَّاد بن زيدٍ، عن أيُّوب، عن عبد اللَّه بن سعيد بن جبيرٍ، عن أبيه، عن ابن عبَّاسٍ -قال أبو عليِّ ابن السَّكن:- وإسماعيل ابن عُلَيَّة، عن أيُّوب ولم يذكرا: أبيَّ بن كعبٍ.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ:

--------------------------------------------

(1) في الأصلين: «عن أبي حمزة السُّكَّريِّ، يعني السُّكَّريَّ».

(2) في (ب) : «السدان» وليس بشيء.

(3) رسمت في (ب) : «إلى».

(4) قوله: «عن وهب بن جريرٍ، عن أبيه، عن سعيد بن جبيرٍ، عن ابن عباس عن أبيِّ بن كعبٍ. وتابع علي ابن المديني» ليس في (ب).
অর্থাৎ সুক্কারী(১), রাকাবা থেকে বর্ণিত।

আর ঈসা হলেন গুঞ্জার, তিনি আবু আহমাদ ঈসা ইবনে মুসা আল-বুখারী, খুরাসানের একজন প্রসিদ্ধ শাইখ।

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন, তিনি তায়মি গোত্রের আযাদকৃত দাস, তিনি আবু হামযাহ আস-সুক্কারী থেকে, তিনি রাকাবা ইবনে মাসকালাহ থেকে একটি পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেন, তাঁর থেকে মুহাম্মাদ ইবনে সালাম আল-বাইকান্দী বর্ণনা করেছেন।

৫০ - বুখারী বলেছেন: আহমাদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহীম ইবনে সাদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান ও আল-আগার্র থেকে, তারা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন জুমার দিন আসে, মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন...» হাদীস। [বুখারী: ৩২১১]

আবু হাইসামের সূত্র ধরে আবু যার থেকে বর্ণিত হয়েছে: আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান এবং আল-আ’রাজ —‘জীম’ অক্ষর যোগে— আল-আগার্র-এর পরিবর্তে; অথচ সঠিক হলো যা জামাআত বুখারী থেকে বর্ণনা করেছেন, আবু সালামা ও আল-আগার্র থেকে। আর হাদীসটি আবু হুরায়রা থেকে আবু আবদুল্লাহ আল-আগার্র-এর বর্ণনায় প্রসিদ্ধ।

মুসলিম এটি ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ আল-আইলী’র সূত্রে এবং নাসাঈ মামারের হাদীস থেকে উল্লেখ করেছেন, উভয়েই যুহরী থেকে, তিনি আবু আবদুল্লাহ আল-আগার্র থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব-এর হাদীস থেকেও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হয়েছে।

ইবনুস সাকান বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারী এটি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামা, সাঈদ ও আবু আবদুল্লাহ আল-আগার্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

এর মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হলো যে শব্দটি «আল-আগার্র», «আল-আ’রাজ» নয়।

 

‌‌ এবং ‌‌আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম বিষয়ক অধ্যায়ে

‌‌ তিনি মহান আল্লাহর বাণী {يَزِفُّونَ} [আস-সাফফাত: ৯৪]-এর পরিচ্ছেদে বলেছেন: আন-নাসলান (দ্রুত চলা)(২)।

৫১ - ইবরাহীম (আ.)-এর আলোচনায়: আহমাদ ইবনে সাঈদ আবু আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আল্লাহ ইসমাঈলের মায়ের প্রতি দয়া করুন, তিনি যদি তাড়াহুড়ো না করতেন, তবে যমযম একটি প্রবহমান ঝরনা হতো।» [বুখারী: ৩৩৬২]

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেছেন: আমি একদলকে দেখেছি যারা «ওয়াহাব ইবনে জারীর»-এর এই সনদের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন।

আবু আলী আল-গাসসানী বলেছেন: মনে হচ্ছে তিনি বুখারীর প্রতি ইঙ্গিত করছেন যেহেতু তিনি এটি «সহীহ»-তে অন্তর্ভুক্ত করেছেন; কারণ হাদীসটি হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ আশ-শা’ইর বর্ণনা করেছেন —এবং তিনি নির্ভরযোগ্য— তিনি ওয়াহাব ইবনে জারীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।

অনুরূপভাবে এই সনদে ওয়াহাব ইবনে জারীর থেকে আহমাদ ইবনে সাঈদ আর-رিবাতী বর্ণনা করেছেন, বুখারী তাঁর থেকে এটি উল্লেখ করেছেন, তবে বুখারী তাঁর বর্ণনায় সনদে: উবাই(৩) ইবনে কাব-এর কথা উল্লেখ করেননি।

আর আলী ইবনুল মাদীনী এটি ওয়াহাব ইবনে জারীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এই সনদে আলী ইবনুল মাদীনীর(৪) অনুসরণ করেছেন: আহমাদ ইবনে সাঈদ আর-রিবাতীও।

আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ী তাঁর «সুনান» গ্রন্থে তাঁর থেকে এটি উল্লেখ করেছেন।

আর এটি হাম্মাদ ইবনে যাইদ আইয়ুব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন —আবু আলী ইবনুস সাকান বলেছেন:— এবং ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাও আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তারা উভয়েই উবাই ইবনে কাব-এর নাম উল্লেখ করেননি।

আবু আলী আল-গাসসানী বলেছেন:

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আবু হামযাহ আস-সুক্কারী থেকে, অর্থাৎ সুক্কারী»।

(২) (বা) পাণ্ডুলিপিতে: «আস-সাদ্দান» রয়েছে, যা সঠিক নয়।

(৩) (বা) পাণ্ডুলিপিতে «ইলা» রূপে লেখা হয়েছে।

(৪) তাঁর উক্তি: «ওয়াহাব ইবনে জারীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে। এবং আলী ইবনুল মাদীনীর অনুসরণ করেছেন» অংশটি (বা) পাণ্ডুলিপিতে নেই।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১১)
وكيف رجَّح إسناد هذا الحديث، وفيه من الخلاف ما تقدَّم؛ لأنَّ من الرُّواة من وقَّفه، ومنهم من أسقط من إسناده أبيَّ بن كعبٍ، ومنهم من ذكر فيه: عبد اللَّه بن سعيد بن جبيرٍ، ومنهم من لم يذكره.

وقال بعضهم فيه: عن أيوب عن عكرمة بن خالد.

قال: فنقول وباللَّه التَّوفيق: إنَّ هذا الخلاف إذا نظره المتبحر في الصنعة، وتأمله علم أنَّ الخلاف الظاهر فيه إنما يعود إلى وفاق؛ ولأنَّه لم يدفع بعضه بعضًا، ولأجل هذا حكم البخاريُّ بصحَّته، والمسندون له أئمَّة حفَّاظ والواقفون ثمَّ قليل.

وإسقاط «أبيِّ بن كعبٍ» من إسنادٍ لا يوهنه؛ لأنَّ اتِّصاله بابن عبَّاسٍ اتَّصال، ولا نبالي أسُمِّي لنا مَن رواه عنه ابن عبَّاسٍ أو لم يسمَّ؛ لأنَّا قد علمنا أنَّ أكثر رواية ابن عبَّاسٍ الحديث عن جلَّة الصَّحابة من المهاجرين والأنصار، وليس يعدُّ مرسل الصَّحابيِّ مرسلًا، فقد كان يأخذ بعضهم عن بعضٍ، ويروي بعضهم عن بعضٍ، هذا عمر بن الخطَّاب كان له جار من الأنصار يتناوب معه النُّزول إلى رسول اللَّه، وكلُّ واحدٍ منهما يخبر صاحبه في يوم نزوله بما يقع في ذلك اليوم من الوحي وغيره.

وقد روى عبد اللَّه بن أحمد، عن أبيه، عن وكيعٍ، عن الأعمش، عن أبي إسحاق السَّبيعيِّ، عن أنسٍ، أنَّه قال: «ما كلُّ ما نحدِّثكم به عن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم سمعناه من رسول اللَّه، ولكن سمعناه منه(1)، وحدَّثنا أصحابنا وكنَّا لا نكذب».

 

‌‌ وفي‌‌ الأنبياء أيضًا {وَاذْكُرْ فِي الْكِتَابِ مَرْيَمَ} [مريم: 16]

52 - قال البخاريُّ: حدَّثنا محمَّد بن كثيرٍ، عن إسرائيل، عن عثمان بن المغيرة، عن مجاهدٍ، عن ابن عمر قال: قال رسول اللَّه: «رأيت عيسى وموسى، وإبراهيم، فأمَّا عيسى فأحمر جعد عريض الصَّدر، وأمَّا موسى فآدم جسيم سبط كأنَّه من رجال الزُّطِّ…». [خ¦3438]

هكذا رواه البخاريُّ، عن مجاهدٍ، عن ابن عمر.

قال أبو عليٍّ الغسَّانيُّ: والمحفوظ فيه: مجاهد، عن ابن عبَّاسٍ.

وقال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: إنَّ البخاريَّ أخطأ في قوله: «ابن عمر»، وإنَّما رواه محمَّد بن كثيرٍ، وإسحاق بن منصورٍ السَّلوليُّ، وابن أبي زائدة، ويحيى بن آدم وغيرهم، عن إسرائيل، عن عثمان بن المغيرة، عن مجاهدٍ، عن ابن عبَّاسٍ.

وقد نبَّه أبو ذرٍّ في نسخته على ذلك.

وفي الحديث: قالوا له: وإبراهيم؟ قال: «انظروا إلى صاحبكم».

قال الغسَّانيُّ: وقد تقدَّم هذا الحديث في «كتاب الحجِّ»، وفي «كتاب الأنبياء» في قصة إبراهيم من رواية ابن عونٍ، عن مجاهدٍ، عن ابن عبَّاسٍ

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «سمعناه من رسول الله».
আর তিনি কীভাবে এই হাদীসের ইসনাদকে প্রাধান্য দিলেন, অথচ এতে পূর্বে বর্ণিত মতপার্থক্য বিদ্যমান; কারণ বর্ণনাকারীদের মধ্যে কেউ কেউ একে ‘মাওকুফ’ (সাহাবীর উক্তি) হিসেবে বর্ণনা করেছেন, কেউ কেউ এর ইসনাদ থেকে উবাই ইবনে কাব-কে বাদ দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ এতে আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে জুবায়ের-এর কথা উল্লেখ করেছেন, আর কেউ কেউ তা উল্লেখ করেননি।

তাদের কেউ কেউ এতে বলেছেন: আইয়ুব থেকে, তিনি ইকরিমাহ ইবনে খালিদ থেকে।

তিনি বলেন: আল্লাহর তাওফীকে আমরা বলি, এই বিদ্যায় পারদর্শী কোনো ব্যক্তি যখন এই মতপার্থক্য লক্ষ্য করবেন এবং এতে গভীর চিন্তা করবেন, তখন তিনি বুঝতে পারবেন যে, এর প্রকাশ্য মতভেদ মূলত ঐক্যের দিকেই ধাবিত হয়; কারণ এর একটি অন্যটিকে খণ্ডন করে না। আর এই কারণেই ইমাম বুখারী এর বিশুদ্ধতার ফয়সালা দিয়েছেন। যারা এটি ‘মুসনাদ’ (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণনা করেছেন তারা হাফেয ইমামগণ, আর যারা একে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তারা সংখ্যায় অল্প।

আর ইসনাদ থেকে ‘উবাই ইবনে কাব’-এর নাম বাদ পড়া একে দুর্বল করে না; কারণ ইবনে আব্বাসের সাথে এর সংযোগ অবিচ্ছিন্ন। ইবনে আব্বাস যার নিকট থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তার নাম আমাদের নিকট উল্লেখ করা হোক বা না হোক, তাতে আমরা পরোয়া করি না; কারণ আমরা জানি যে, ইবনে আব্বাসের অধিকাংশ বর্ণনা মুহাজির ও আনসারদের মধ্য থেকে প্রবীণ সাহাবীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত। আর সাহাবীর মুরসালকে মুরসাল হিসেবে গণ্য করা হয় না। কেননা তাঁরা একে অপরের নিকট থেকে গ্রহণ করতেন এবং একে অপরের থেকে বর্ণনা করতেন। যেমন ওমর ইবনুল খাত্তাবের একজন আনসারী প্রতিবেশী ছিলেন, যার সাথে তিনি পালাক্রমে রাসূলুল্লাহর নিকট যাতায়াত করতেন। তাঁদের প্রত্যেকেই যাতায়াতের দিন যা কিছু ওহী বা অন্য কিছু ঘটত, তা নিজ সঙ্গীকে জানিয়ে দিতেন।

আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ তাঁর পিতা থেকে, তিনি ওয়াকী’ থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু ইসহাক আস-সাবী’ঈ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমরা তোমাদের নিকট যা কিছু বর্ণনা করি তার সবকিছু আমরা সরাসরি রাসূলুল্লাহর নিকট থেকে শুনিনি, তবে আমরা তাঁর থেকেও শুনেছি(১) এবং আমাদের সাথীরাও আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর আমরা মিথ্যা বলতাম না।”

 

‌‌ এবং‌ আম্বিয়া অধ্যায়েও রয়েছে {আর এই কিতাবে মারইয়ামের কথা স্মরণ করো} [মারইয়াম: ১৬]

৫২ - বুখারী বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি উসমান ইবনুল মুগীরা থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: “আমি ঈসা, মুসা এবং ইবরাহীমকে দেখেছি। ঈসা ছিলেন লালচে বর্ণের, কোঁকড়া চুল ও প্রশস্ত বক্ষ বিশিষ্ট। আর মুসা ছিলেন বাদামী বর্ণের, সুঠামদেহী ও সোজা চুল বিশিষ্ট, যেন তিনি জুত গোত্রের লোকদের একজন...।” [বুখারী: ৩৪৩৮]

বুখারী এটি এভাবেই মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে—সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আবু আলী আল-গাসসানী বলেন: এতে সংরক্ষিত (সঠিক) হলো: মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেন: ইমাম বুখারী তাঁর “ইবনে ওমর” বলাতে ভুল করেছেন। মূলত মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর, ইসহাক ইবনে মানসূর আস-সালূলী, ইবনে আবি যায়দাহ, ইয়াহইয়া ইবনে আদম এবং অন্যান্যরা এটি ইসরাঈল থেকে, তিনি উসমান ইবনুল মুগীরা থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে—সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আবু যার তাঁর পাণ্ডুলিপিতে এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

আর হাদীসে রয়েছে: তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল: আর ইবরাহীম? তিনি বললেন: “তোমরা তোমাদের সঙ্গীর দিকে তাকাও।”

আল-গাসসানী বলেন: এই হাদীসটি পূর্বে ‘কিতাবুল হাজ্জ’ এবং ‘কিতাবুল আম্বিয়া’-তে ইবরাহীমের কাহিনীর বর্ণনায় ইবনে আওন থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে—সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: “আমরা রাসূলুল্লাহর নিকট থেকে শুনেছি”।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১১)
على الصَّواب.

فقال: حدَّثنا محمَّد بن المثنَّى قال: حدثنا ابن أبي عديٍّ، عن ابن عونٍ (ح).

وحدَّثنا بيان بن عمرو، عن النَّضر، عن ابن عونٍ، عن مجاهدٍ، أنَّه سمع ابن عبَّاسٍ وذكروا له: «الدَّجَّال، بين عينيه كافر، أو: ك ف ر». قال: لم أسمعه، ولكنَّه قال: «أما إبراهيم فانظروا إلى صاحبكم، وأمَّا موسى فجعد آدم على جملٍ أحمر مخطومٍ بخلبةٍ، كأنِّي أنظر إليه إذا انحدر في الوادي يلبِّي».

واللَّفظ لبيان بن عمرٍو.

 

‌‌ ومن‌‌ بني إسرائيل

53 - حدَّثنا مسدَّد: حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك(1) بن عميرٍ، عن ربعيِّ بن حراشٍ، قال: قال عقبة لحذيفة: ألا تحدِّثنا ما سمعت من رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم؟ قال: سمعته يقول: «إنَّ رجلًا حضره الموت» إلى قوله: «فذروها في يومٍ حارٍّ». ثمَّ قال: حدَّثنا مسدَّد، عن أبي عوانة، عن عبد الملك بن عميرٍ، قال: وقال: يومًا راحًا. [خ¦3450] [خ¦3451] [خ¦3452]

هكذا رويت هذه المتابعة، عن ابن السَّكن، وأبي زيدٍ المروزيِّ، وأبي أحمد الجرجانيِّ، وعن بعض شيوخ أبي ذرٍّ.

وفي نسخةٍ عن النَّسفيِّ، عن البخاريِّ: حدَّثنا موسى، عن أبي عوانة، عن عبد الملك، وقال: «يومًا براحًا». جعل «موسى» موضع «مسدَّدٍ».

وكذلك عن الحمويِّي، وهو موسى بن إسماعيل أبو سلمة، وهو الصَّواب؛ لأنَّه ساق الحديث أوَّلًا بكماله عن مسدَّدٍ، ثمَّ ساق الخلاف في لفظةٍ من المتن عن موسى بن إسماعيل، وكذلك قال أبو ذرٍّ، الصَّواب: موسى بن إسماعيل.

 

‌‌ ومن‌‌ باب كنية النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم

54 - حدَّثنا محمَّد بن كثيرٍ، عن شعبة، عن منصورٍ، عن سالمٍ، عن جابرٍ، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم: «تسمَّوا باسمي». [خ¦3538]

هكذا الإسناد في رواية أبي زيدٍ وأبي أحمد، وغيرهما.

وعند ابن السَّكن: حدثنا محمَّد بن كثيرٍ: أخبرنا سفيان، عن منصورٍ، عن سالمٍ، عن جابرٍ.

جعل «سفيان» بدل: «شعبة»، ومن حديث شعبة، عن منصورٍ، أخرجه مسلم.

 

‌‌ ‌‌كتاب المناقب

‌‌ قال في‌‌ آخر مناقب أبي بكرٍ:

55 - حدَّثنا محمَّد بن يزيد الكوفيُّ، عن الوليد بن مسلمٍ، عن الأوزاعيِّ، عن يحيى بن أبي كثيرٍ، عن محمَّد بن إبراهيم بن الحارث التَّيميِّ، عن عروة، سألت عبد اللَّه(2) بن عمرو عن أشدِّ ما صنعه المشركون برسول اللَّه… الحديث. [خ¦3678]

كذا هو في رواية أبي زيدٍ وأبي أحمد، عن الفربريِّ، عن البخاريِّ، عن محمَّد بن يزيد الكوفيِّ.

قال الكلاباذيُّ والحاكم: وليس هذا بأبي هشامٍ محمَّد بن يزيد بن رفاعة الرِّفاعيِّ.

وعند ابن السَّكن عن الفربريِّ،

--------------------------------------------

(1) في (ب) إلى: «عبد الله»، وهو تصحيف، وكذا في الموضع القادم.

(2) في الأصلين: «عبيد الله»، وهو تصحيف.
সঠিক মতানুসারে।

অতঃপর তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসান্না, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি আদি, ইবনে আউন থেকে (হ)।

এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বায়ান ইবনে আমর, নজর থেকে, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন—লোকেরা তাঁর নিকট উল্লেখ করল: "দাজ্জাল, তার দুই চোখের মাঝে 'কাফির' অথবা 'কা-ফা-রা' লেখা থাকবে।" তিনি বললেন: আমি তা (রাসূলুল্লাহ থেকে) শুনিনি, কিন্তু তিনি বলেছিলেন: "ইব্রাহিমের ব্যাপারে তোমরা তোমাদের সাথীকে (অর্থাৎ নবীজিকে) দেখো। আর মুসা ছিলেন কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট ও তামাটে বর্ণের; তিনি একটি লাল উটের পিঠে চড়েছিলেন যার লাগাম ছিল খেজুরের ছালের রশি দিয়ে তৈরি। আমি যেন তাঁর দিকে তাকিয়ে আছি যখন তিনি তালবিয়া পাঠ করতে করতে উপত্যকায় নামছেন।"

শব্দগুলো বায়ান ইবনে আমরের।

 

‌‌ এবং‌‌ বনী ইসরাঈল অধ্যায় থেকে

৫৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি রিবয়ী ইবনে হিরাশ থেকে, তিনি বলেন: উকবা হুযাইফাকে বললেন: আপনি কি আমাদের নিকট তা বর্ণনা করবেন না যা আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "এক ব্যক্তির মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো..." তাঁর এই কথা পর্যন্ত: "অতঃপর তা এক প্রখর উত্তপ্ত দিনে ছড়িয়ে দাও।" এরপর তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, আবু আওয়ানা থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি বলেন: এবং তিনি বলেছেন: "এক বাতাসময় দিনে।" [বুখারী: ৩৪৫০] [বুখারী: ৩৪৫১] [বুখারী: ৩৪৫২]

এই মুতাবায়াতটি (সমর্থনমূলক বর্ণনা) এভাবেই বর্ণিত হয়েছে ইবনুস সাকান, আবু যায়েদ আল-মারওয়াযী, আবু আহমাদ আল-জুরজানী এবং আবু যারের কোনো কোনো উস্তাদ থেকে।

আন-নাসাফীর সূত্রে বুখারী থেকে এক কপিতে রয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা, আবু আওয়ানা থেকে, তিনি আব্দুল মালিক থেকে, এবং তিনি বলেছেন: "এক পরিষ্কার দিনে।" এখানে 'মুসাদ্দাদ'-এর স্থলে 'মুসা' করা হয়েছে।

অনুরূপভাবে আল-হামুয়ী থেকেও বর্ণিত, আর তিনি হলেন মুসা ইবনে ইসমাঈল আবু সালামা, এবং এটিই সঠিক; কারণ তিনি প্রথমে পূর্ণ হাদিসটি মুসাদ্দাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর মতনের একটি শব্দে মতভেদটি মুসা ইবনে ইসমাঈলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবু যারও তেমনি বলেছেন যে, সঠিক হলো: মুসা ইবনে ইসমাঈল।

 

‌‌ এবং‌‌ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপনাম অধ্যায় থেকে

৫৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসীর, শুবা থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে: "তোমরা আমার নামে নাম রাখো।" [বুখারী: ৩৫৩৮]

আবু যায়েদ, আবু আহমাদ এবং অন্যান্যদের বর্ণনায় সনদটি এরূপই।

আর ইবনুস সাকানের নিকট রয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসীর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, মানসুর থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি জাবির থেকে।

তিনি 'শুবা'-এর স্থলে 'সুফিয়ান' উল্লেখ করেছেন। আর শুবার হাদিস থেকে মানসুরের সূত্রে মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ ‌‌মানাকিব (মর্যাদা) অধ্যায়

‌‌ তিনি‌‌ আবু বকরের মর্যাদার শেষে বলেছেন:

৫৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ আল-কুফী, ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল হারিস আত-তাইমী থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, (তিনি বলেন) আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যে সবচেয়ে কঠোর আচরণটি করেছিল সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম... (পুরো হাদিস)। [বুখারী: ৩৬৭৮]

আল-ফারাবরীর সূত্রে বুখারী থেকে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ আল-কুফীর বর্ণনায় আবু যায়েদ ও আবু আহমাদের বর্ণনায় এরূপই আছে।

কালাবাযী ও হাকেম বলেছেন: তিনি আবু হিশাম মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে রিফায়া আর-রিফায়ী নন।

আর ইবনুস সাকানের নিকট ফারাবরী থেকে বর্ণিত হয়েছে,

--------------------------------------------

(১) (ব) কপিতে: "আব্দুল্লাহ", যা মূলত লিখন প্রমাদ, আর পরবর্তী স্থলেও অনুরূপ হয়েছে।

(২) মূল দুই কপিতে রয়েছে: "উবাইদুল্লাহ", যা মূলত লিখন প্রমাদ।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১২)
عن البخاريِّ محمَّد بن كثيرٍ الكوفيِّ، جعل بدل «محمَّد بن يزيد» : محمَّد بن كثيرٍ.

وأُراه وهم، والصَّواب رواية أبي زيدٍ ومن تابعه.

 

‌‌ وفي‌‌ باب قوله صلى الله عليه وسلم: «لو كنت متَّخذًا خليلًا».

56 - حدَّثنا معلَّى بن أسدٍ وموسى بن إسماعيل، عن وُهَيبٍ، عن أيُّوب، عن عكرمة، عن ابن عبَّاسٍ: «لو كنت متَّخذًا…» الحديث. [خ¦3657]

في نسخة أبي ذرٍّ عن أبي إسحاق المستملي وحده: حدثنا معلَّى بن أسدٍ وموسى بن إسماعيل التَّنوخيُّ، وهذا خطأٌ، وإنَّما هو التَّبوذكيُّ.

 

‌‌ وفي‌‌ مناقب عمر بن الخطَّاب

57 - حدَّثنا عبدان، عن عبد اللَّه، عن عمر بن سعيدٍ، عن ابن أبي مليكة، سمع ابن عبَّاسٍ يقول: «وُضِع عمر على سريره…» الحديث. [خ¦3685]

وقع في نسخة أبي الحسن القابسيِّ: «عمر بن سعدٍ» بسكون العين وحذف الياء، والصَّواب: «ابن سعيدٍ» بإثبات الياء، وهو عمر بن سعيد بن أبي حسينٍ المكِّيُّ، وكذلك رواه الجماعة.

 

‌‌ وفي‌‌ مناقب أبي عبيدة

58 - حدَّثنا مسلم بن إبراهيم، عن شعبة، عن أبي إسحاق، عن صِلَة، عن حذيفة: قال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم لأهل نجران… الحديث. [خ¦3745]

في نسخة أبي الحسن القابسيِّ: «صلة بن حذيفة»، وإنَّما هو «صلة بن زفر العبسيُّ» يروي عن حذيفة بن اليمان.

 

‌‌ وفي‌‌ فضل عائشة رضي الله عنها

59 - حدَّثنا عبد اللَّه بن عبد الوهَّاب، عن حمَّاد بن زيدٍ، عن هشامٍ، عن أبيه، عن عائشة: «كان النَّاس يتحرَّون بهداياهم يوم عائشة». [خ¦3775]

في نسخة أبي زيدٍ: «حدَّثنا عبيد اللَّه بن عبد الوهَّاب»، وهو خطأ، وصوابه: «عبد اللَّه» على أنَّه مكبر، وهو: ابن عبد الوهَّاب الحجبيُّ، نقل ذلك عن أبي زيدٍ أبو الحسن وعبدوس.

 

‌‌ وفي‌‌ مناقب ابن عمر

60 - أوَّل الباب: حدَّثنا إسحاق بن نصرٍ، عن عبد الرَّزَّاق، عن معمرٍ، عن الزُّهريِّ، عن سالمٍ، عن ابن عمر. [خ¦4028]

في رواية أبي زيدٍ وأبي أحمد: حدَّثنا إسحاق بن نصرٍ.

وعند ابن السَّكن: ابن منصورٍ.

فمن قال: ابن نصرٍ، فهو إسحاق بن إبراهيم بن نصرٍ السَّعديُّ.

ومن قال: ابن منصورٍ، فهو إسحاق بن منصورٍ الكوسج.

وكلاهما يروي عن عبد الرَّزَّاق إلَّا أنَّ القلب أميل إلى رواية أبي زيدٍ ومن تابعه؛ يعني: ابن نصرٍ.

 

‌‌ وفي‌‌ مناقب الأنصار

في باب دور الأنصار

61 - حدَّثنا خالد بن مخلدٍ، عن سليمان، عن عمرو بن يحيى، عن عبَّاس بن سهلٍ، عن أبي حميدٍ، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «إنَّ خير دور الأنصار…» [خ¦3791]

كذا رواه ابن السَّكن، وأبو زيدٍ، والنَّسفيُّ.

وعند الأصيليِّ:
ইমাম বুখারি থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদ বিন কাসির আল-কুফি 'মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ'-এর পরিবর্তে 'মুহাম্মদ বিন কাসির' উল্লেখ করেছেন।

আমি মনে করি এটি একটি ভ্রম, এবং সঠিক হলো আবু যাইদ ও যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন তাদের বর্ণনা।

 

‌‌ এবং ‌নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী সম্পর্কিত অনুচ্ছেদে: "যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম..."।

৫৬ - মুআল্লা বিন আসাদ এবং মুসা বিন ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তারা উহাইব থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: "যদি আমি গ্রহণ করতাম..." হাদিস। [বুখারি: ৩৬৫৭]

আবু জার-এর পাণ্ডুলিপিতে কেবল আবু ইসহাক আল-মুস্তামলি থেকে বর্ণিত হয়েছে: মুআল্লা বিন আসাদ এবং মুসা বিন ইসমাইল আল-তানুখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কিন্তু এটি ভুল, মূলত তিনি হলেন আল-তাবুজাকি।

 

‌‌ এবং ‌উমর বিন আল-খাত্তাবের মর্যাদা সম্পর্কিত অধ্যায়ে

৫৭ - আবদান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি উমর বিন সাঈদ থেকে, তিনি ইবনে আবু মুলাইকাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন: "উমরকে তাঁর খাটিয়ার ওপর রাখা হলো..." হাদিস। [বুখারি: ৩৬৮৫]

আবুল হাসান আল-কাবেসির পাণ্ডুলিপিতে 'আইন' বর্ণে সুকুন এবং 'ইয়া' উহ্য রেখে "উমর বিন সাদ" এসেছে, কিন্তু সঠিক হলো 'ইয়া' সহকারে "ইবনে সাঈদ"। তিনি হলেন মক্কার উমর বিন সাঈদ বিন আবু হুসাইন, এবং জামাআত এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং ‌আবু উবাইদাহ-এর মর্যাদা সম্পর্কিত অধ্যায়ে

৫৮ - মুসলিম বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি সিলাহ থেকে, তিনি হুজাইফাহ থেকে বর্ণনা করেন: নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজরানবাসীদের বলেছিলেন... হাদিস। [বুখারি: ৩৭৪৫]

আবুল হাসান আল-কাবেসির পাণ্ডুলিপিতে "সিলাহ বিন হুজাইফাহ" এসেছে, অথচ তিনি হলেন "সিলাহ বিন জুফার আল-আবসি", যিনি হুজাইফাহ বিন আল-ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেন।

 

‌‌ এবং ‌আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কিত অধ্যায়ে

৫৯ - আবদুল্লাহ বিন আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হাম্মাদ বিন যাইদ থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন: "লোকেরা তাদের উপহার প্রদানের জন্য আয়েশার দিনের অপেক্ষা করত।" [বুখারি: ৩৭৭৫]

আবু যাইদ-এর পাণ্ডুলিপিতে "উবাইদুল্লাহ বিন আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন" এসেছে, যা ভুল। সঠিক হলো "আবদুল্লাহ" (মুকাব্বার তথা হ্রস্বতা ছাড়াই), আর তিনি হলেন ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আল-হাজাবি। আবুল হাসান এবং আবদুস এটি আবু যাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং ‌ইবনে উমরের মর্যাদা সম্পর্কিত অধ্যায়ে

৬০ - অনুচ্ছেদের শুরুতে: ইসহাক বিন নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন। [বুখারি: ৪০২৮]

আবু যাইদ এবং আবু আহমদের বর্ণনায় রয়েছে: ইসহাক বিন নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আর ইবনে আল-সাকানের বর্ণনায় রয়েছে: ইবনে মনসুর।

যারা ইবনে নাসর বলেছেন, তিনি হলেন ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন নাসর আল-সাদি।

যারা ইবনে মনসুর বলেছেন, তিনি হলেন ইসহাক বিন মনসুর আল-কাউসাজ।

তারা উভয়েই আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেন, তবে অন্তর আবু যাইদ ও যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন তাদের বর্ণনার প্রতি অধিক আশ্বস্ত; অর্থাৎ ইবনে নাসর।

 

‌‌ এবং ‌আনসারদের মর্যাদা সম্পর্কিত অধ্যায়ে

আনসারদের পাড়া বা বাড়িঘর সম্পর্কিত অনুচ্ছেদে

৬১ - খালিদ বিন মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুলাইমান থেকে, তিনি আমর বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আব্বাস বিন সাহল থেকে, তিনি আবু হুমাইদ থেকে, তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই আনসারদের শ্রেষ্ঠ বাড়িগুলো হলো..." [বুখারি: ৩৭৯১]

ইবনে আল-সাকান, আবু যাইদ এবং আল-নাসাফি এভাবেই বর্ণনা করেছেন।

আর আল-আসিলির বর্ণনায় রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১২)
عبَّاس بن سهلٍ، عن أبي أُسيدٍ أو أبي حميدٍ على الشَّكِّ.

وصوابه: «عن أبي حميدٍ» بلا شكٍّ، وكذلك لأبي ذرٍّ عن مشايخه، وكذلك تكرَّر في آخر غزوة تبوك بإسناد خالد بن مخلدٍ.

 

‌‌ وفي‌‌ باب هجرة الحبشة

62 - قال في آخر الباب:..... حدَّثنا صالح بن كيسان، عن ابن شهابٍ، عن أبي سلمة وسعيد بن المسيَّب، أنَّ أبا هريرة أخبرهما أنَّ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم نعى لهم النَّجاشيَّ في اليوم الَّذي مات فيه، وقال: «استغفروا لأخيكم».

63 - وعن صالحٍ، عن ابن شهابٍ، عن سعيد بن المسيَّب، أنَّ أبا هريرة أخبرهم أنَّ رسول اللَّه «صفَّ بهم في المصلَّى فصلَّى وكبَّر عليه أربعًا». [خ¦3880] [خ¦3881]

هكذا روى أبو زيدٍ وابن السَّكن في هذين الحديثين:

الأوَّل: عن سعيدٍ وأبي سلمة.

والثَّاني: رواه الزُّهريُّ عن سعيدٍ وحده.

وعند الأصيليِّ عن أبي أحمد في الحديث الثَّاني: ابن شهابٍ: حدَّثني سعيد وأبو سلمة مقرونين، عن أبي هريرة.

والمحفوظ في هذا أنَّ الأوَّل عن سعيدٍ وأبي سلمة، عن أبي هريرة، والثَّاني عن سعيدٍ وحده.

وكذلك خرَّجها أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ.

وقد خرَّج مسلم هذا الحديث من طريق عقيلٍ، عن ابن شهابٍ، عن سعيدٍ وأبي سلمة، عن أبي هريرة بمثل حديث صالح بن كيسان الأوَّل، ثمَّ قال عقيل: قال ابن شهابٍ: وحدَّثني سعيد بن المسيِّب أنَّ أبا هريرة بالحديث الثَّاني.

 

‌‌ وفي‌‌ باب ما لقي النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم وأصحابه من المشركين بمكَّة

64 - ذكر في أوله حديث عروة بن الزُّبير قال: سألت عبد اللَّه بن عمرو بن العاصي قلت: أخبرني بأشدِّ شيءٍ صنعه المشركون بالنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم؟ [خ¦3856]

وخرَّج الحديث عن عيَّاش بن الوليد، عن الوليد بن مسلمٍ، عن الأوزاعيِّ.

هكذا قال ابن السَّكن: «عيَّاش» بشينٍ معجمةٍ، وفي بعض النُّسخ: «عبَّاس» بموحَّدةٍ وسينٍ مهملةٍ، والصَّواب رواية ابن السَّكن ومن تابعه.

 

‌‌ وفي‌‌ باب إتيان اليهود إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.

65 - حدَّثنا أحمد أو محمَّد بن عبيد اللَّه الغُدَانيُّ، عن حمَّاد بن أسامة، عن أبي عُميسٍ، عن قيس بن مسلمٍ، عن طارق بن شهابٍ، عن أبي موسى، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم في يوم عاشوراء. [خ¦3942]

هكذا عن ابن السَّكن، وأبي زيدٍ، وأبي أحمد: حدَّثنا أحمد أو محمَّد على الشَّكِّ.

وفي نسخة
আব্বাস বিন সাহল, আবু উসাইদ অথবা আবু হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন (সন্দেহের সাথে)।

আর এর সঠিক রূপ হলো: কোনো সন্দেহ ছাড়াই "আবু হুমাইদ থেকে", আর অনুরূপভাবে আবু জার তাঁর উস্তাদদের থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং একইভাবে তাবুক যুদ্ধের শেষে খালেদ বিন মাখলাদ এর সনদে এটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে।

 

‌‌ এবং‌‌ হাবশায় হিজরত অধ্যায়ে

৬২ - তিনি অধ্যায়ের শেষে বলেছেন:..... সালেহ বিন কাইসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু সালামাহ ও সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু হুরায়রা তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজ্জাশীর মৃত্যুর দিনে তাঁদের কাছে তাঁর মৃত্যু সংবাদ ঘোষণা করেন এবং বলেন: "তোমরা তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো।"

৬৩ - এবং সালেহ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু হুরায়রা তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ "নামাজের স্থানে তাঁদের কাতারবদ্ধ করলেন এবং জানাজার নামাজ আদায় করলেন ও তাঁর ওপর চার তাকবীর দিলেন।" [বুখারী ৩৮৮০] [বুখারী ৩৮৮১]

আবু যায়েদ এবং ইবনুস সাকান এই দুটি হাদীসে এভাবেই বর্ণনা করেছেন:

প্রথমটি: সাঈদ ও আবু সালামাহ থেকে।

এবং দ্বিতীয়টি: ইমাম যুহরী এককভাবে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর আল-আসীলীর বর্ণনায় আবু আহমাদ থেকে দ্বিতীয় হাদীসটিতে রয়েছে: ইবনে শিহাব বলেছেন: সাঈদ ও আবু সালামাহ একত্রে আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আবু হুরায়রা থেকে।

আর এতে সংরক্ষিত (সঠিক) বিষয়টি হলো এই যে, প্রথমটি সাঈদ ও আবু সালামাহ থেকে, আবু হুরায়রার সূত্রে; আর দ্বিতীয়টি শুধুমাত্র সাঈদ থেকে।

এবং আবু মাসউদ আদ-দিমাশকীও এভাবেই হাদীসটি বের (উদ্ধৃত) করেছেন।

ইমাম মুসলিম এই হাদীসটি উকাইল এর সূত্রে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ও আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে সালেহ বিন কাইসানের প্রথম হাদীসের অনুরূপ বের করেছেন। অতঃপর উকাইল বলেন: ইবনে শিহাব বলেছেন: সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যাব আমাকে দ্বিতীয় হাদীসটি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং‌‌ মক্কায় মুশরিকদের পক্ষ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ যে কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিলেন সেই অধ্যায়ে

৬৪ - এর শুরুতে উরওয়াহ বিন আয-যুবাইরের হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আসকে জিজ্ঞাসা করলাম: মুশরিকরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সবচেয়ে কঠোর যে আচরণটি করেছিল সে সম্পর্কে আমাকে বলুন? [বুখারী ৩৮৫৬]

আর তিনি হাদীসটি আইয়াশ বিন আল-ওয়ালীদ থেকে, তিনি ওয়ালীদ বিন মুসলিম থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনুস সাকান এভাবেই বলেছেন: ‘আইয়াশ’—নুুুুক্তাযুক্ত ‘শীন’ দিয়ে। আর কিছু পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ‘আব্বাস’—এক নুুুুক্তাযুক্ত ‘বা’ এবং নুুুুক্তাহীন ‘সীন’ দিয়ে। সঠিক হলো ইবনুস সাকান ও যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন তাদের বর্ণনা।

 

‌‌ এবং‌‌ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ইহুদিদের আসা সংক্রান্ত অধ্যায়ে।

৬৫ - আহমাদ অথবা মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-গুদানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি হাম্মাদ বিন উসামাহ থেকে, তিনি আবু উমাইস থেকে, তিনি কায়েস বিন মুসলিম থেকে, তিনি তারিক বিন শিহাব থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে, তিনি আশুরার দিন সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। [বুখারী ৩৯৪২]

ইবনুস সাকান, আবু যায়েদ এবং আবু আহমাদ থেকে এভাবেই বর্ণিত: আহমাদ অথবা মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (সন্দেহের ভিত্তিতে)।

আর এক পাণ্ডুলিপিতে
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩)
أبي ذرٍّ عن المستملي وأبي الهيثم: حدَّثنا أحمد بن عبيد اللَّه، بلا شكٍّ.

قال الغسَّانيُّ: وهو الأشهر المحفوظ أنَّه أحمد، وإنَّما جاء هذا الشَّكُّ من اسمه من قِبل البخاريِّ، وقد ذكره في «التَّاريخ» في (باب أحمد) ولم يشكَّ، وذكر أباه أيضًا، وقال: روى عنه ابنه أحمد، ولم يشكَّ.

 

‌‌ ‌‌كتاب المغازي

‌‌ قال في‌‌ غزوة بدرٍ:

66 - حدَّثنا موسى بن إسماعيل، عن إبراهيم بن سعدٍ، عن ابن شهابٍ قال: أخبرني ابن أُسيد بن جارية الثَّقفيُّ، عن أبي هريرة، «بعث رسول اللَّه عشرةً عينًا، وأمَّر عليهم عاصمَ…» حديث قتل خُبيب بن عديٍّ. [خ¦3989]

هكذا روي عن أبي زيدٍ المروزيِّ، وفي نسخةٍ عن النَّسفيِّ، عن البخاريِّ: أخبرني ابن أسيدٍ غير مسمَّى.

وعند ابن السَّكن: عمر بن أُسيدٍ، يعني: بضمِّ العين.

وعند الأصيليِّ عن أبي أحمد: عمرو بن أسيدٍ، بفتح العين.

واختلف أصحاب الزُّهريِّ عليه في اسمه، فذكر محمَّد بن يحيى الذُّهليُّ، عن مَعْمرٍ وشعيب والزبيدي(1) وعقيلٍ، عن الزُّهريِّ: عمرو بن أبي سفيان بن أَسيدٍ، بفتح العين.

قال: وكذلك قال يونس بن يزيد في رواية ابن وهبٍ.

وكذلك قال محمَّد بن أبي عتيقٍ.

قال الذُّهليُّ: فهؤلاء تواطئوا على أنَّه: «عمرو بن أبي سفيان».

وقال يونس من رواية أبي صالحٍ، عن اللَّيث، عن يونس، وابن أخي الزُّهريِّ، وإبراهيم بن سعدٍ: «عمر بن أبي سفيان» بضمِّ العين، غير أنَّ إبراهيم بن سعدٍ نسبه إلى جدِّه فقال: عُمر بن أبي أُسيدٍ حليف بني زهرة.

فقول ابن السَّكن: «عُمر بن أُسيدٍ» هو ما حفظه عن إبراهيم بن سعدٍ، وكأنَّه أصلحه إن كان البخاريُّ أسقط اسمه.

والَّذي في رواية أبي أحمد هو ما قاله أكثرُ الرُّواة عن الزُّهريِّ، وهم أهل الثَّبت والإتقان: «عمرو»، إلَّا أنَّه ليس بصحيحٍ في الرِّواية عن إبراهيم بن سعدٍ، ومن لم يسمِّه من الرُّواة أسقط موضع الاختلاف ونسبه إلى أبيه أو جدِّه.

وقد خرَّج البخاريُّ في «غزوة الرَّجيع» و «كتاب التَّوحيد» عن مَعْمرٍ وشعيب عن الزُّهريِّ وقالا: «عمرو».

وكذلك جعله البخاريُّ في «تاريخه» في «باب عمرٍو».

وذكر هناك الاختلاف على الزُّهريِّ فيه، ثمَّ قال: وقال بعضهم: عُمر بن أَسيدٍ، والأوَّل أصحُّ.

 

‌‌ ‌‌باب تسمية من شهد بدرًا

67 - ذكر فيهم مسطح بن أثاثة(2) بن عبَّاد بن عبد المطَّلب، كذا وقع لأبي زيدٍ: عبَّاد بن عبد المطلب. [خ¦4141]

وصوابه: عبَّاد [بن المطلب] بن عبد منافٍ، وكذلك في نسخةٍ عن النَّسفيِّ.

 

‌‌ ‌‌باب غزوة ذات الرِّقاع

--------------------------------------------

(1) في (ب) «الترمذي»، وهو تصحيف.

(2) في (ب) : «أمامة»، وهو تصحيف.
আবু যার আল-মুস্তামলি এবং আবু হাইসাম থেকে বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আহমাদ বিন উবাইদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

আল-গাসসানি বলেছেন: এটিই সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং সংরক্ষিত যে তিনি আহমাদ। আর তাঁর নামের ব্যাপারে এই সন্দেহটি বুখারীর পক্ষ থেকে এসেছে। অথচ তিনি (বুখারী) এটি 'আত-তারিখ'-এ (আহমাদ অধ্যায়ে) উল্লেখ করেছেন এবং কোনো সন্দেহ করেননি। তিনি তাঁর পিতার কথাও উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর থেকে তাঁর ছেলে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, এবং সেখানেও তিনি কোনো সন্দেহ করেননি।

 

‌‌ ‌‌কিতাবুল মাগাযি (যুদ্ধাভিযান অধ্যায়)

‌‌ বদর যুদ্ধ সম্পর্কে তিনি বলেছেন:

৬৬ - মূসা বিন ইসমাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহিম বিন সাদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে ইবনে উসাইদ বিন জারিয়া আস-সাকাফি খবর দিয়েছেন, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, (তিনি বলেন:) "আল্লাহর রাসূল দশজন গুপ্তচর পাঠিয়েছিলেন এবং আসেমকে তাদের নেতা নিযুক্ত করেছিলেন..." এটি খুবাইব বিন আদি হত্যার হাদিস। [সহীহ বুখারী ৩৯৮৯]

আবু যায়েদ আল-মারওয়াযি থেকে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। আর নাসাফি-এর সূত্রে বুখারী থেকে প্রাপ্ত এক পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ইবনে উসাইদ আমাকে খবর দিয়েছেন, তবে নাম উল্লেখ করা হয়নি।

ইবনুস সাকানের বর্ণনায় রয়েছে: উমর বিন উসাইদ, অর্থাৎ 'আইন' বর্ণে পেশ দিয়ে।

আবু আহমাদের সূত্রে আল-আসিলির বর্ণনায় রয়েছে: আমর বিন উসাইদ, 'আইন' বর্ণে যবর দিয়ে।

যুহরির শাগরিদগণ তাঁর নামের ব্যাপারে তাঁর সাথে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আদ-যুহলি মা'মার, শুয়াইব, যুবায়দি এবং আকিল থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা যুহরি থেকে বর্ণনা করেন: আমর বিন আবু সুফিয়ান বিন আসাইদ, 'আইন' বর্ণে যবর দিয়ে।

তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাব-এর বর্ণনায় ইউনুস বিন ইয়াযিদও অনুরূপ বলেছেন।

মুহাম্মদ বিন আবু আতিকও একই কথা বলেছেন।

আদ-যুহলি বলেন: এই রাবিগণ এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে তাঁর নাম 'আমর বিন আবু সুফিয়ান'।

আর আবু সালেহ-এর বর্ণনায় লাইস থেকে, তিনি ইউনুস, যুহরির ভ্রাতুষ্পুত্র এবং ইবরাহিম বিন সাদ থেকে বর্ণনা করেন: 'উমর বিন আবু সুফিয়ান', 'আইন' বর্ণে পেশ দিয়ে। তবে ইবরাহিম বিন সাদ তাকে তাঁর দাদার দিকে সম্বোধন করে বলেছেন: বনু যুহরার মিত্র উমর বিন আবু উসাইদ।

সুতরাং ইবনুস সাকানের উক্তি 'উমর বিন উসাইদ' মূলত ইবরাহিম বিন সাদ থেকে তাঁর সংরক্ষিত বর্ণনা। আর সম্ভবত তিনি এটি সংশোধন করেছেন যদি বুখারী তাঁর নাম বাদ দিয়ে থাকেন।

আর আবু আহমাদের বর্ণনায় যা রয়েছে তা-ই যুহরির অধিকাংশ রাবি বলেছেন, এবং তাঁরা অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও নিখুঁত বর্ণনাকারী: 'আমর'। তবে ইবরাহিম বিন সাদ-এর বর্ণনার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। আর যে সকল বর্ণনাকারী তাঁর নাম উল্লেখ করেননি, তাঁরা মতভেদের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এবং তাকে তাঁর পিতা বা দাদার দিকে সম্বোধন করেছেন।

বুখারী 'গাযওয়াতুর রাজি' এবং 'কিতাবুত তাওহিদ'-এ মা'মার ও শুয়াইব থেকে যুহরির সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা উভয়ই 'আমর' বলেছেন।

অনুরূপভাবে বুখারী তাঁর 'তারিখ'-এ 'আমর অধ্যায়'-এ এটি অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

সেখানে তিনি যুহরির বর্ণনার ক্ষেত্রে এর মতভেদ উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন 'উমর বিন আসাইদ', তবে প্রথমটিই অধিকতর সঠিক।

 

‌‌ ‌‌বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের নামকরণের অধ্যায়

৬৭ - তাদের মধ্যে মিসতাহ বিন উসাসাহ বিন আব্বাদ বিন আব্দুল মুত্তালিবের কথা উল্লেখ করেছেন। আবু যায়েদের বর্ণনায় এভাবেই এসেছে: আব্বাদ বিন আব্দুল মুত্তালিব। [সহীহ বুখারী ৪১৪১]

আর এর সঠিক রূপ হলো: আব্বাদ [বিন আল-মুত্তালিব] বিন আব্দে মানাফ। নাসাফি-এর সূত্রে প্রাপ্ত এক পাণ্ডুলিপিতেও অনুরূপ রয়েছে।

 

‌‌ ‌‌যাতুর রিকা যুদ্ধের অধ্যায়

--------------------------------------------

(১) (ব) পাণ্ডুলিপিতে 'তিরমিজি' রয়েছে, যা একটি লিখনগত ত্রুটি।

(২) (ব) পাণ্ডুলিপিতে 'উমামাহ' রয়েছে, যা একটি লিখনগত ত্রুটি।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩)
68 - قال البخاريُّ: وهي غزوة محارب خَصَفَة من بني ثعلبة بن غطفان. [خ¦قبل 4125]

هكذا في نسخة الأصيليِّ عن أبي أحمد: محارب خصفة، من بني ثعلبة.

وفي رواية القابسيِّ: خَصَفَة، بني ثعلبة.

وكلا المقالين وهم، وصوابه: محارب خصفة وبني ثعلبة من غطفان، بواو العطف، وهم بنو ثعلبة بن سعد بن ذبيان بن بغيض بن ريث بن غطفان.

 

‌‌ وفي‌‌ باب عمرة الحديبية

69 - حدَّثنا الصَّلت بن محمَّد، عن يزيد بن زريعٍ، عن سعيد، عن قتادة قال: قلت لسعيد بن المسيَّب: بلغني أنَّ جابر(1) بن عبد اللَّه كان يقول: كانوا أربع عشرة مائةً، فقال له سعيد: حدَّثني جابر بن عبد اللَّه: كانوا خمس عشرة مائةً. [خ¦4153]

قال البخاريُّ: تابعه أبو داود، عن قرَّة، عن قتادة.

قال أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ: أمَّا حديث أبي داود فمشهور عنه، وأمَّا حديث سعيد بن أبي عَروبة فإنَّ العبَّاس بن الوليد بن مزيدٍ رواه عن يزيد بن زريعٍ، عن سعيدٍ، عن قتادة، وقال فيه: فقال سعيد: نسي جابر، كانوا خمس عشرة مائةً الَّذين بايعوا النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، ولم يقل فيه هو: حدَّثني جابر، جعله من قول سعيد بن المسيِّب.

وكذلك رواه أبو موسى وبندار، عن ابن أبي عديٍّ، عن سعيدٍ، كرواية العبَّاس عن يزيد بن زريعٍ، عن سعيدٍ.

وكذلك رواه غندر عن شعبة، ورواه معاذ عن قرَّة كرواية أبي داود.

 

‌‌ وفي‌‌ عمرة الحديبية أيضًا

70 - حدَّثنا إسحاق، عن يحيى بن صالحٍ، عن معاوية بن سلامٍ، عن يحيى -وهو ابن أبي كثيرٍ- عن أبي قلابة أنَّ ثابت بن الضَّحَّاك أخبره «أنَّه بايع النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم تحت الَّشجرة…» الحديث. [خ¦4171]

هكذا هو عن رواية الفربريِّ، وكذلك قال فيه النَّسفيُّ عن البخاريِّ.

وفي رواية أبي عليِّ بن السَّكن: حدَّثنا إسحاق، عن يحيى بن صالحٍ، عن معاوية بن سلَّامٍ، عن زيد بن سلَّامٍ، عن أبي قلابة.

فجعل بدل يحيى بن أبي كثيرٍ، عن أبي قلابة، عن ثابت بن الضَّحَّاك، كما روته الجماعة عن البخاريِّ، قال الغسَّانيُّ: وهو المحفوظ.

وقال بعده بيسيرٍ:

71 - حدَّثنا عبد اللَّه بن محمَّدٍ، عن أبي عامرٍ، عن إسرائيل، عن مَجْزَأة بن زاهرٍ، عن أبيه، وكان ممَّن شهد الَّشجرة، قال: إنِّي لأوقد تحت القدر… الحديث. [خ¦4173] [خ¦4174]

جعل ابن السَّكن مكان «أبي عامرٍ» : عثمان بن عمرٍو.

وأبو عامرٍ هو العقديُّ(2) واسمه

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «خالد»، وهو خطأ ظاهر.

(2) في (ب) : «العبدي».
৬৮ - ইমাম বুখারী বলেছেন: এটি বনু সালাবা ইবনে গাতফানের মুহারিব খাসাফাহর যুদ্ধ। [বুখারী, ৪১২৫ এর পূর্বে]

আউসিলির পাণ্ডুলিপিতে আবু আহমাদ থেকে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে: মুহারিব খাসাফাহ, বনু সালাবা থেকে।

এবং কাবিসির বর্ণনায় রয়েছে: খাসাফাহ, বনু সালাবা।

উভয় উক্তিই ভ্রমাত্মক, আর এর সঠিক পাঠ হলো: গাতফানের মুহারিব খাসাফাহ এবং বনু সালাবা, সংযোজক 'ওয়াও' সহকারে; আর তারা হলো বনু সালাবা ইবনে সাদ ইবনে জুবইয়ান ইবনে বাগিদ ইবনে রাইস ইবনে গাতফান।

 

‌‌ এবং‌‌ হুদায়বিয়ার উমরাহ অধ্যায়ে

৬৯ - সলত ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে জুরাই থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (কাতাদাহ) বলেন: আমি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে বললাম: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে জাবির(১) ইবনে আব্দুল্লাহ বলতেন: তারা চৌদ্দশত জন ছিল। সাঈদ তাকে বললেন: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে: তারা পনেরো শত জন ছিল। [বুখারী, ৪১৫৩]

ইমাম বুখারী বলেন: আবু দাউদ কুররাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে এর অনুসরণ করেছেন।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেন: আবু দাউদের হাদিসটি তার থেকে প্রসিদ্ধ, আর সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহর হাদিসটি আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে মজিদ ইয়াজিদ ইবনে জুরাই থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বলেছেন: সাঈদ বলেছেন: জাবির ভুলে গিয়েছিলেন, যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বায়আত হয়েছিল তারা ছিল পনেরো শত জন; তবে তিনি (আব্বাস) এতে 'জাবির আমার নিকট বর্ণনা করেছেন' কথাটি বলেননি, বরং একে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

একইভাবে আবু মুসা এবং বুন্দার ইবনে আবি আদি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আব্বাস ইয়াজিদ ইবনে জুরাই থেকে, তিনি সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

একইভাবে গুন্দার শুবা থেকে এবং মুয়াজ কুররাহ থেকে আবু দাউদের বর্ণনার ন্যায় বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং‌‌ হুদায়বিয়ার উমরাহ অধ্যায়ে আরও বর্ণিত হয়েছে

৭০ - ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে সালাম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে—যিনি ইবনে আবি কাসীর—তিনি আবু কিলাবাহ থেকে যে, সাবিত ইবনে আদ-দাহহাক তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, «তিনি গাছের নিচে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বায়আত হয়েছিলেন...» হাদিস। [বুখারী, ৪১৭১]

ফারাবরির বর্ণনায় এভাবেই রয়েছে, এবং ইমাম বুখারী থেকে নাসাফিও এমনই বলেছেন।

আবু আলী ইবনুল সাকানের বর্ণনায় রয়েছে: ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে সাল্লাম থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে সাল্লাম থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে।

এতে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর, আবু কিলাবাহ থেকে, সাবিত ইবনে আদ-দাহহাক থেকে—এর পরিবর্তে (যায়েদ ইবনে সাল্লামকে) রাখা হয়েছে, যেমনটি একদল রাবী বুখারী থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-গাসসানি বলেন: এটিই সংরক্ষিত।

এবং এর কিছুক্ষণ পরেই তিনি বলেছেন:

৭১ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি মাজজাহ ইবনে জাহির থেকে, তিনি তার পিতা থেকে—যিনি বৃক্ষের নিচে উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি বলেন: আমি ডেগের নিচে আগুন জ্বালাচ্ছিলাম... হাদিস। [বুখারী, ৪১৭৩] [বুখারী, ৪১৭৪]

ইবনুল সাকান 'আবু আমির'-এর স্থলে 'উসমান ইবনে আমর' উল্লেখ করেছেন।

আর আবু আমির হলেন আল-আকাদি(২) এবং তার নাম

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "খালিদ", যা স্পষ্ট ভুল।

(২) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-আবদি"।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪)
عبد الملك بن عمرٍو.

ورواه سائر رواة الفربريِّ، عن أبي عامرٍ كما ذكرناه أوَّلًا.

ووقع في نسخة أبي زيدٍ المروزيِّ: عن مجزأة بن زاهرٍ، عن أنسٍ.

هكذا رواه عنه أبو الحسن وعبدوس، وهو تصحيف، والصَّواب: مجزأة بن زاهرٍ، عن أبيه، وذِكْرُ أنسٍ في هذا الإسناد ليس بشيءٍ، والحديث محفوظ لزاهرٍ الأسلميِّ.

وقال بعده بيسيرٍ:

72 - حدَّثنا محمَّد بن حاتم بن بزيعٍ، عن شاذان، عن شعبة، عن أبي جمرة قال: سألت عائذ بن عمرٍو وكان(1) من أصحاب الشَّجرة. [خ¦4176]

وقع في نسخة أبي ذرٍّ، عن أبي الهيثم: شعبة، عن أبي حمزة؛ بالحاء والزَّاي، وهو وهم، وإنَّما هو بالجيم والرَّاء المهملة.

 

‌‌ وفي‌‌ غزوة خيبر

73 - حدَّثنا أبو اليمان، عن شعيب، عن الزُّهريِّ، عن سعيد بن المسيِّب، أنَّ أبا هريرة، قال: شهدنا خيبر، فقال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم لرجلٍ معه ممَّن يدَّعي الإسلام: «هذا من أهل النَّار» … الحديث إلى آخره، وقوله: «إنَّ اللَّه يؤيِّد هذا الدِّين بالرَّجل الفاجر».

ثمَّ قال: تابعه مَعْمر، عن الزُّهريِّ. [خ¦4203]

ثمَّ قال: وقال شبيب بن سعيدٍ، عن يونس، عن ابن شهابٍ: أخبرني ابن المسيِّب وعبد الرَّحمن بن عبد اللَّه بن كعبٍ أنَّ أبا هريرة قال: شهدنا مع رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم خيبر.

ثمَّ قال: تابعه صالح، عن الزُّهريِّ، به.

قال: وقال الزُّبيديُّ: أخبرني الزُّهريُّ أنَّ عبد الرَّحمن بن كعبٍ أخبره أنَّ عبيد اللَّه بن كعبٍ قال: حدَّثني مَن شهد مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم خيبر.

قال الزُّبيديُّ: قال الزُّهريُّ: وأخبرني عبد اللَّه بن عبد اللَّه وسعيد عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم. انتهى كلام البخاريِّ.

فما اختلف من أسانيد هذا الحديث والاختلاف فيها، وفي كلامه هذا اختصار شديد وحذف لا يفهم المراد منه، وفي بعضها وهم.

أمَّا قوله أخيرًا في متابعة الزُّبيديِّ: قال الزُّهريُّ: وأخبرني عبد اللَّه بن عبد اللَّه وسعيد، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، فلا ندري من عبيد اللَّه(2) بن عبد اللَّه هذا، وقال مثل هذا في «تاريخه الكبير» وفي إسناد هذا الحديث.

والصَّواب في ذلك قال: وأخبرني عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه وسعيد، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، وهو عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه بن كعب بن مالكٍ.

وأمَّا عبد اللَّه بن عبد اللَّه فلا دخول له في هذا الإسناد.

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «أكان» على الاستفهام، وليس بشيء.

(2) في الأصلين: «عبيد الله» بالتصغير، وما قبله وبعده بالتكبير.
আব্দুল মালিক বিন আমর।

এবং এটি ফিরাররির অন্যান্য সকল রাবী আবু আমির থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আমরা প্রথমে উল্লেখ করেছি।

আর আবু যাইদ আল-মারওয়াযীর পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: মাজযাআহ বিন যাহির থেকে, তিনি আনাস থেকে।

এভাবেই তার থেকে আবুল হাসান এবং আব্দুস বর্ণনা করেছেন, আর এটি একটি লিখনপ্রমাদ; সঠিক হলো: মাজযাআহ বিন যাহির তার পিতা থেকে; আর এই সনদে আনাসের উল্লেখ ধর্তব্য নয়, বরং হাদিসটি যাহির আল-আসলামীর নামে সংরক্ষিত।

এবং তিনি এর কিছুক্ষণ পরেই বলেছেন:

৭২ - মুহাম্মাদ বিন হাতিম বিন বাযী' আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শাযান থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু জামরাহ থেকে; তিনি বলেন: আমি আইয বিন আমরকে জিজ্ঞাসা করলাম, আর তিনি ছিলেন গাছের নিচে বাইয়াত গ্রহণকারী সাহাবীদের একজন। [বুখারী: ৪১৭৬]

আবু যারের পাণ্ডুলিপিতে আবুল হাইসামের সূত্রে এসেছে: শু'বাহ, আবু হামযাহ থেকে; ‘হা’ এবং ‘যা’ দিয়ে, এটি একটি ভ্রম; মূলত এটি ‘জিম’ এবং ‘রা’ (আবু জামরাহ) দিয়ে হবে।

 

‌‌ এবং‌‌ খায়বার যুদ্ধ অধ্যায়ে

৭৩ - আবুল ইয়ামান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শুআইব থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ বিন মুসাইয়্যিব থেকে যে, আবু হুরায়রা বলেন: আমরা খায়বারে উপস্থিত ছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাথে থাকা এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বললেন যে ইসলামের দাবি করত: «এ জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত» … হাদিসের শেষ পর্যন্ত, এবং তাঁর বাণী: «নিশ্চয়ই আল্লাহ এই দ্বীনকে কোনো পাপাচারী লোক দ্বারাও শক্তিশালী করেন।»

অতঃপর তিনি বলেন: মামার এটি যুহরী থেকে সমর্থনমূলক বর্ণনা করেছেন। [বুখারী: ৪২০৩]

অতঃপর তিনি বলেন: এবং শাবিব বিন সাঈদ ইউনুস থেকে এবং তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন: ইবনুল মুসাইয়্যিব এবং আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন কাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা বলেছেন: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে খায়বারে উপস্থিত ছিলাম।

অতঃপর তিনি বলেন: সালিহ এটি যুহরী থেকে তদ্রূপ সমর্থনমূলক বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন: এবং যুবাইদী বলেছেন: যুহরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুর রহমান বিন কাব তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উবাইদুল্লাহ বিন কাব বলেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে খায়বারে উপস্থিত ছিলেন এমন এক ব্যক্তি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন।

যুবাইদী বলেন: যুহরী বলেছেন: এবং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ ও সাঈদ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সংবাদ দিয়েছেন। ইমাম বুখারীর বক্তব্য এখানেই শেষ।

সুতরাং এই হাদিসের সনদসমূহে যে মতভেদ ঘটেছে এবং সেগুলোর মধ্যকার বৈচিত্র্য, আর তাঁর এই বক্তব্যে রয়েছে চরম সংক্ষিপ্তকরণ এবং কিছু বিষয় উহ্য রাখা, যা থেকে উদ্দেশ্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে এবং এগুলোর কোনো কোনোটিতে ভ্রম রয়েছে।

পরিশেষে যুবাইদীর সমর্থনমূলক বর্ণনায় তাঁর এই বক্তব্যের ব্যাপারে: যুহরী বলেছেন: "এবং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ ও সাঈদ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সংবাদ দিয়েছেন", আমরা জানি না এই উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ আসলে কে; আর তিনি তাঁর 'তারীখুল কাবীর'-এ এবং এই হাদিসের সনদে এমনই বলেছেন।

আর এ বিষয়ে সঠিক হলো এই যে, তিনি বলেছেন: "এবং আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ ও সাঈদ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সংবাদ দিয়েছেন", আর তিনি হলেন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন কাব বিন মালিক।

আর আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহর এই সনদে কোনো স্থান নেই।

--------------------------------------------

(১) (ব) পাণ্ডুলিপিতে প্রশ্নবোধক হিসেবে "আকান" এসেছে, যা ধর্তব্য নয়।

(২) মূল উভয় পাণ্ডুলিপিতে ক্ষুদ্রার্থক রূপ হিসেবে "উবাইদুল্লাহ" এসেছে, তবে এর আগে ও পরে মূল রূপ হিসেবে এসেছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪)
وفي غزوة خيبر:

74 - حدَّثنا عبيد بن إسماعيل، عن أبي أسامة، عن عبيد اللَّه، عن نافعٍ، عن ابن عمر أنَّ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن أكل الثَّوم». [خ¦4215]

وفي بعض النُّسخ في أوَّل هذا الإسناد: حدَّثنا عبيد اللَّه بن إسماعيل، عن أبي أسامة.

وهو عبيد بن إسماعيل أبو محمَّدٍ الهبَّاريُّ القرشيُّ الكوفيُّ صاحب أبي أسامة من(1) ولد هبَّار بن الأسود، ويقال: كان اسمه عبد اللَّه، فغلب عليه عبيد، حتَّى صار له كاللَّقب(2)، وقد حدَّث عنه محمَّد بن عبد السَّلام الخشنيُّ، فقال: حدَّثنا عبد اللَّه بن إسماعيل الهبَّاريُّ الكوفي.

قلت: قال البخاريُّ: مات الهبَّاريُّ في شهر ربيعٍ الأوَّل سنة خمسين ومائتين، واللَّه أعلم

 

‌‌ ‌‌غزوة الفتح

في باب أين ركز النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم الرَّاية يوم الفتح؟

75 - حدَّثنا إسحاق بن منصورٍ، عن عبد الصَّمد قال: حدَّثني أبي، عن أيُّوب، عن عكرمة، عن ابن عبَّاسٍ «أنَّ رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم لمَّا قَدِمَ مكَّة أبى أن يدخل البيت وفيه الآلهة». [خ¦4288]

سقط في نسخة أبي محمَّدٍ الأصيليِّ بين «عبد الصَّمد بن عبد الوارث»، وبين «أيُّوب» ذِكْرُ والد عبد الصَّمد، والصَّواب إثباته كما ذكرناه في الإسناد.

وفي غزوة الطَّائف

76 - حدَّثنا عليُّ بن عبد اللَّه، عن سفيان. [خ¦4325]

وفي «كتاب الأدب»(3) : حدَّثنا قتيبة، عن سفيان.

وفي «كتاب التَّوحيد» : حدَّثنا عبد اللَّه بن محمَّدٍ، عن ابن عيينة، عن عمرٍو، عن أبي العبَّاس الَّشاعر، عن عبد اللَّه بن عمر -يعني ابن الخطَّاب- قال: «لمَّا حاصر النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم الطَّائف…» الحديث.

هكذا أسند هذا الحديث ابن السكن وأبو زيدٍ المروزيُّ، عن عبد اللَّه بن عمر.

وقال أبو زيدٍ: كذا في أصل الشَّيخ -يعني الفربريَّ- عن عبد اللَّه بن عمر، يعني ابن الخطَّاب.

وفي نسخة أبي محمَّدٍ الأصيليِّ، عن أبي أحمد: عبد اللَّه بن عَمرٍو، يعني ابن العاص.

وكذلك في النُّسخة عن النَّسفيِّ، عن البخاريِّ.

وقال أبو محمَّدٍ: قرأته على أبي زيد: ابن عَمرٍو -بفتح العين، وسكون الميم- فردَّ عليَّ وقال: ابن عُمر، بضمِّ العين.

قال الشَّيخ أبو عليٍّ

--------------------------------------------

(1) في (ب) : «في».

(2) لعله يقصد «عبيد» بدون إضافة إلى اسم الجلالة كما هو مشهور به، لا كما أشار المؤلف.

(3) في (ب) : «الإذن»، وهو تصحيف.
খায়বার যুদ্ধে:

৭৪ - ওবায়দ ইবনে ইসমাঈল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু উসামা থেকে, তিনি ওবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের দিন রসুন খেতে নিষেধ করেছেন। [বুখারি ৪২১৫]

কিছু পাণ্ডুলিপিতে এই সনদের শুরুতে রয়েছে: ওবায়দুল্লাহ ইবনে ইসমাঈল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু উসামা থেকে।

তিনি হলেন ওবায়দ ইবনে ইসমাঈল আবু মুহাম্মদ আল-হাব্বারি আল-কুরাশি আল-কুফি, যিনি আবু উসামার ছাত্র এবং (১) হাব্বার ইবনুল আসওয়াদ-এর বংশধর। বলা হয়ে থাকে যে, তাঁর নাম ছিল আব্দুল্লাহ, কিন্তু ওবায়দ নামেই তিনি সমধিক পরিচিতি লাভ করেন, এমনকি এটি তাঁর উপাধির মতো হয়ে যায়। (২) তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-খুশানি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ ইবনে ইসমাঈল আল-হাব্বারি আল-কুফি বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: ইমাম বুখারি বলেছেন: আল-হাব্বারি ২৫০ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেছেন, আর আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

 

‌‌ ‌‌মক্কা বিজয়ের যুদ্ধ

মক্কা বিজয়ের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় পতাকা গেঁড়েছিলেন—সংক্রান্ত পরিচ্ছেদে:

৭৫ - ইসহাক ইবনে মানসুর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুস সামাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় আগমন করলেন, তখন তিনি কাবাঘরে প্রবেশ করতে অস্বীকার করলেন যেহেতু সেখানে দেব-দেবী ছিল।’ [বুখারি ৪২৮৮]

আবু মুহাম্মদ আল-আছিলির পাণ্ডুলিপিতে ‘আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস’ এবং ‘আইয়ুব’-এর মাঝখান থেকে আব্দুস সামাদের পিতার উল্লেখ বাদ পড়েছে। তবে সঠিক হলো সেটি সাব্যস্ত রাখা, যেমনটি আমরা সনদে উল্লেখ করেছি।

তায়েফ যুদ্ধে:

৭৬ - আলী ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে। [বুখারি ৪৩২৫]

এবং ‘আদব অধ্যায়ে’ (৩) বর্ণিত হয়েছে: কুতাইবা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে।

এবং ‘তাওহীদ অধ্যায়ে’ বর্ণিত হয়েছে: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে উয়াইনা থেকে, তিনি আমর থেকে, তিনি কবি আবু আব্বাস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (অর্থাৎ ইবনুল খাত্তাব) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ‘যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফ অবরোধ করলেন...’—পুরো হাদিস।

এভাবেই ইবনুস সাকান এবং আবু যায়েদ আল-মারওয়াযি এই হাদিসটিকে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু যায়েদ বলেন: শায়েখের মূলে অর্থাৎ আল-ফারাবরির কপিতে এভাবেই আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (অর্থাৎ ইবনুল খাত্তাব) থেকে বর্ণিত হয়েছে।

আর আবু মুহাম্মদ আল-আছিলির পাণ্ডুলিপিতে আবু আহমদ থেকে বর্ণিত হয়েছে: আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (অর্থাৎ ইবনুল আস)।

অনুরূপভাবে আন-নাসাফির পাণ্ডুলিপিতেও ইমাম বুখারি থেকে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।

আবু মুহাম্মদ বলেন: আমি এটি আবু যায়েদের নিকট ‘ইবনে আমর’ (আইন অক্ষরে জবর এবং মীম অক্ষরে সুকুন সহ) পাঠ করেছিলাম, কিন্তু তিনি আমার পাঠ সংশোধন করে বললেন: ‘ইবনে উমর’ (আইন অক্ষরে পেশ সহ)।

শায়েখ আবু আলী বলেন—

--------------------------------------------

(১) (বা) পাণ্ডুলিপিতে এখানে ‘ফি’ শব্দ রয়েছে।

(২) সম্ভবত তিনি ‘আল্লাহ’ নামের সাথে যুক্ত না করে কেবল ‘ওবায়দ’ নামটিকে বুঝিয়েছেন যেভাবে তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন, লেখক যেভাবে ইঙ্গিত করেছেন সেভাবে নয়।

(৩) (বা) পাণ্ডুলিপিতে ‘আল-ইযন’ রয়েছে, যা মূলত অনুলিখনের ভুল।
(খণ্ড: ১) আল ইলালুল ওয়াকিআহ ফী কিতাবিল জামিয়িস সহীহ লিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫)
الغسَّانيُّ: وهو الصَّواب، وقد غلط في هذا كثير من النَّاس منهم عليُّ ابن المدينيِّ، فقال: عبد اللَّه بن عَمرو، وخطَّأه في ذلك حامد بن يحيى البلخيُّ، ورجع إليه ابن المدينيِّ.

وذكر أبو الحسن الدَّارقطنيُّ القولين في هذا الإسناد في «كتاب العلل»، ثمَّ قال: إنَّ الصَّواب: ابن عُمر بن الخطَّاب.

وفي مسند عبد اللَّه بن عُمر خرَّجه أبو مسعودٍ الدِّمشقيُّ عن البخاريِّ في كتاب «الأطراف».

 

‌‌ وفي‌‌ باب بعث أبي موسى ومعاذٍ إلى اليمن

77 - حدَّثنا عبَّاس بن الوليد النَّرسيُّ، عن عبد الواحد، عن أيُّوب بن عائذٍ، عن قيس بن مسلمٍ، عن طارق بن شهابٍ، عن أبي موسى قال: بعثني رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم. الحديث. [خ¦4346]

هكذا عند أبي عليِّ بن السَّكن: عبَّاس بن الوليد منسوبًا.

وفي رواية أبي أحمد: عبَّاس غير منسوبٍ.

وكذلك كان في كتاب أبي زيدٍ إلَّا أنَّه قرأه عليهم: عيَّاش -بشينٍ معجمةٍ- وليس بشيءٍ، فإنَّه بالمعجمة عيَّاش بن الوليد الرّقام، والَّذي هنا بالمهملة، وليس له -أعني: عبَّاس بن الوليد النَّرْسَيَّ(1) - في «الجامع» رواية إلَّا في هذا الموضع، وفي «باب علامات النُّبوَّة» فقط(2).

 

‌‌ وفي‌‌ باب قدوم الأشعريِّين وأهل اليمن

78 - حدَّثنا عبد اللَّه بن محمَّدٍ وإسحاق بن نصرٍ، عن يحيى بن آدم، عن ابن أبي زائدة، عن أبيه، عن أبي إسحاق، عن الأسود بن يزيد، عن أبي موسى قال: «قدمت أنا وأخي من اليمن». [خ¦4384]

سقط في نسخة أبي زيدٍ: «عبد اللَّه بن محمَّدٍ وإسحاق بن نصرٍ» وابتدأ الإسناد بقوله: حدَّثنا يحيى بن آدم، وذلك(3) وهم.

 

‌‌ وفي‌‌ حجَّة الوداع

79 - حديث «إنَّ الزَّمان قد استدار». تقدَّم ما وقع في إسناده في نسخة أبي زيدٍ من الوهم في «كتاب العلم» في «باب ليبلِّغ العلم الشَّاهد الغائب». [خ¦4662]

 

‌‌ ‌‌كتاب التَّفسير

‌‌ في‌‌ تفسير سورة البقرة

‌‌ في‌‌ قوله تعالى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ} [البقرة: 183]

80 - حدَّثنا محمود بن غيلان، عن عبيد اللَّه بن موسى، عن إسرائيل، عن منصورٍ، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد اللَّه قال: دخل عليه الأشعث وهو يَطْعَمُ… الحديث. [خ¦4503]

في نسخة الأصيليِّ عن أبي أحمد: حدَّثنا محمَّد، عن عبيد اللَّه بن موسى، جعل «محمَّدًا» بدل: «محمودٍ»، وهو محمود بن غيلان المروزيُّ.

وذكر أبو نصرٍ الكلاباذيُّ أنَّ البخاريَّ حدَّث في «الجامع» عن محمود بن غيلان ومحمَّد بن يحيى الذُّهليِّ، كلاهما عن عبيد اللَّه بن

--------------------------------------------

(1) غير واضحة في (ب).

(2) في هامش الأصلين: «وفي المشارق: وذكر بعضهم عن أبي أحمد أنه كان يقوله بشين معجمة، ولم يحكه الأصيلي عنه وعن أبي زيد إلا بالمهملة. انتهى».

(3) في (ب) : «وهو».
গাসসানি বলেছেন: এটিই সঠিক, এবং এ বিষয়ে অনেক মানুষ ভুল করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন আলী ইবনুল মাদিনি। তিনি বলেছিলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আমর। হামিদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-বালখি তাকে এ ব্যাপারে ভুল সাব্যস্ত করেন এবং ইবনুল মাদিনি তার অভিমত থেকে ফিরে আসেন।

আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি 'কিতাবুল ইলাল'-এ এই সনদ সম্পর্কে দুটি অভিমত উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: সঠিক হলো— ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব।

আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি 'কিতাবুল আতরাফ'-এ বুখারি থেকে আবদুল্লাহ ইবনে উমরের মুসনাদে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌ এবং ইয়ামেনে আবু মুসা ও মুআযকে পাঠানোর অধ্যায়

৭৭ - আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আন-নারসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ থেকে, তিনি আইয়ুব ইবনে আইয থেকে, তিনি কায়স ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি তারিক ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠিয়েছেন... হাদীস। [বুখারি: ৪৩৪৬]

আবু আলী ইবনুস সাকানের নিকট এভাবে রয়েছে: আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ—বংশ পরিচয়সহ।

আর আবু আহমদের বর্ণনায় রয়েছে: আব্বাস—বংশ পরিচয় উল্লেখ ছাড়া।

তেমনিভাবে আবু যাইদের কিতাবেও ছিল, তবে তিনি তাদের কাছে এটি 'আইয়াশ' (নুক্তাযুক্ত শীন দিয়ে) পড়েছেন—এটি কোনো সঠিক বিষয় নয়; কেননা নুক্তাযুক্ত বর্ণের ক্ষেত্রে তিনি হলেন আইয়াশ ইবনুল ওয়ালিদ আর-রাক্কাম। আর এখানে যা আছে তা নুক্তাহীন (সীন দিয়ে), এবং 'আল-জামি'-এ তার—অর্থাৎ আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আন-নারসি(১)—কেবল এই স্থানটি এবং 'নবুওয়াতের নিদর্শনাদি অধ্যায়' ছাড়া আর কোনো বর্ণনা নেই(২)।

 

‌‌ এবং আশআরি ও ইয়ামেনবাসীদের আগমনের অধ্যায়

৭৮ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ও ইসহাক ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আদম থেকে, তিনি ইবনে আবি যাইদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি ও আমার ভাই ইয়ামেন থেকে এসেছি"। [বুখারি: ৪৩৮৪]

আবু যাইদের পাণ্ডুলিপিতে "আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ও ইসহাক ইবনে নাসর" বাদ পড়েছে এবং তিনি সনদের শুরুতে বলেছেন: "ইয়াহইয়া ইবনে আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন"—আর এটি একটি ভুল(৩)।

 

‌‌ এবং বিদায় হজ অধ্যায়

৭৯ - "নিশ্চয়ই সময় আবর্তিত হয়েছে" হাদীসটি। এর সনদে যা ঘটেছে তা আবু যাইদের পাণ্ডুলিপিতে একটি ভুল হিসেবে পূর্বে 'ইলম অধ্যায়'-এর 'উপস্থিত ব্যক্তির অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে ইলম পৌঁছে দেওয়া উচিত' পরিচ্ছেদে গত হয়েছে। [বুখারি: ৪৬৬২]

 

‌‌ ‌তাফসীর অধ্যায়

‌‌ সূরা বাকারার তাফসীর পরিচ্ছেদে

‌‌ আল্লাহ তাআলার বাণী: {হে মুমিনগণ, তোমাদের জন্য সিয়াম ফরজ করা হয়েছে} পরিচ্ছেদে [বাকারা: ১৮৩]

৮০ - মাহমুদ ইবনে গাইলান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল-আশআস তার নিকট প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তিনি খাচ্ছিলেন... হাদীস। [বুখারি: ৪৫০৩]

আল-আসিলির পাণ্ডুলিপিতে আবু আহমদ থেকে বর্ণিত: "মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে"—এখানে 'মাহমুদ'-এর স্থলে 'মুহাম্মদ' করা হয়েছে, অথচ তিনি হলেন মাহমুদ ইবনে গাইলান আল-মারওয়াযি।

আবু নাসর আল-কালাবাযি উল্লেখ করেছেন যে, বুখারি 'আল-জামি'-এ মাহমুদ ইবনে গাইলান ও মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আয-যুহলি—উভয় থেকে উবাইদুল্লাহ ইবনে... সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট।

(২) মূল উভয় পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় রয়েছে: "এবং 'আল-মাশারিক'-এ আছে: তাদের কেউ কেউ আবু আহমদ থেকে উল্লেখ করেছেন যে তিনি এটি নুক্তাযুক্ত 'শীন' দিয়ে বলতেন, তবে আল-আসিলি তার থেকে এবং আবু যাইদ থেকে এটি কেবল নুক্তাহীন 'সীন' দিয়েই বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।"

(৩) (খ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "এবং এটি"।