(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: -)
فوائت كتاب سيبويه القسم: النحو والصرف
الكتاب: فوائت كتاب سيبويه
المؤلف: أبو سعيد الحسن بن عبد الله السيرافي (ت 368 هـ)
المحقق: د. محمد عبد المطلب البكاء
الناشر: دار الشؤون الثقافية العامة «آفاق عربية» - بغداد
الطبعة: الأولى، 2000 م.
عدد الصفحات: 99
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 24 شعبان 1438
ফাওয়াইতু কিতাবি সিবওয়াইহ বিভাগ: নাহু ও সরফ
গ্রন্থ: ফাওয়াইতু কিতাবি সিবওয়াইহ
লেখক: আবু সাঈদ আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ আস-সিরাফি (মৃত্যু: ৩৬৮ হিজরি)
সম্পাদক: ড. মুহাম্মাদ আব্দুল মুত্তালিব আল-বাক্কা
প্রকাশক: দারুশ শুউনিল সাকাফিয়্যাহ আল-আম্মাহ «আফাক আরাবিয়্যাহ» - বাগদাদ
সংস্করণ: প্রথম, ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৯
শামেলার জন্য প্রস্তুতকরণ: রাবিতাতুন নাসসাখ দল, (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)-এর তত্ত্বাবধানে
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে মিল রয়েছে]
শামলায় প্রকাশের তারিখ: ২৪ শাবান ১৪৩৮
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
هذا باب ذكر فيه ما فات سيبويهمن أبنية كلام العربقال أبو سعيد رحمه الله: اعلم أن سيبويه سبق إلى حصر أبنية كلام العرب، ولم يحاول ذلك أحد قبله، ولا في عصره، وأظن ذلك لصعوبته، وبعُد تناوله، ولأن الحاصر يحتاج إلى الإحاطة بكلامها، والتخيل له كله،
وذكر أبو إسحاق إبراهيم بن السري الزجاج على ممارسة شديدة، وتصفح طويل:
إن الذي فات سيبويه من كلام العرب، ثلاثة أبنية، وهي: هُنْدَلِع: اسم بقلة.
এটি একটি অধ্যায় যাতে সিবওয়াইহ্-এর অগোচরে থাকাআরবি ভাষার শব্দকাঠামো (أبنية) সমূহ আলোচনা করা হয়েছে।আবু সাঈদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: জেনে রাখুন যে, সিবওয়াইহ্ আরবদের ভাষার শব্দকাঠামো (أبنية) নিরূপণের ক্ষেত্রে অগ্রগামী ছিলেন। তাঁর পূর্বে কিংবা তাঁর সমসাময়িক কালে কেউ এই বিষয়ের প্রয়াস পাননি। আমি মনে করি এর কারণ ছিল বিষয়টির দুরূহতা এবং এটি আয়ত্ত করা কঠিন হওয়া; কেননা যিনি ভাষার শব্দকাঠামো নিরূপণ করতে চান, তাঁর জন্য উক্ত ভাষা সম্পর্কে পূর্ণ ব্যুৎপত্তি এবং সামগ্রিক অনুধাবন প্রয়োজন।
আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনুল সাররি আল-যাজ্জাজ অত্যন্ত নিবিড় অনুশীলন এবং দীর্ঘ পর্যালোচনার পর উল্লেখ করেছেন:
সিবওয়াইহ্ আরবদের ভাষা থেকে যে তিনটি শব্দকাঠামো (أبنية) আলোচনা করতে পারেননি সেগুলো হলো: ‘হুনদালি’ (هُنْدَلِع); যা একটি শাকের নাম।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
ودُرْدَاقِس: وهو طَرَفُ العظم الناتئ فوق القفا، قال الأصمعي: وأظنها روميّة، وأنشد أبو زيد
(من (زال) عن قصد السبيل تزايلت
… بالسيف هامتُه عن الدرداقس)
ومثله (خُزرانِق): وهو ثياب ديباج، وأصله بالفارسية.
و(شمنصير): وهو اسم موضع، قال الهذلي:
(لعلك هالك إما غلامٌ
… تبوأ من شمنصيرٍ مُقاما)
ثم ذكر أبو بكر محمد بن السري، المعروف بابن السراج
দোরদাকিস: এটি হলো ঘাড়ের উপরিভাগের হাড়ের উঁচু প্রান্ত। আসমায়ি বলেন: আমার ধারণা এটি একটি রোমান শব্দ। আবু যায়িদ আবৃত্তি করেছেন:
(যে ব্যক্তি সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তলোয়ারের আঘাতে তার মস্তক
… দোরদাকিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়)
অনুরূপভাবে ‘খুজরানিক’: এটি রেশমি বস্ত্র, যার উৎস মূলত ফারসি ভাষা।
এবং ‘শামানসির’: এটি একটি স্থানের নাম। হুযালি বলেছেন:
(সম্ভবত তুমি ধ্বংস হবে, নতুবা এমন কোনো যুবক
… যে শামানসিরে আবাস গ্রহণ করেছে)
অতঃপর আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল সাররি, যিনি ইবনুস সাররাজ নামে পরিচিত, উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
أسماء، أنا أسوقها على ما ذكره في موضعه من كتاب الأصول التي ذكرها أبو بكر بن السراج من الفائت.
(تلقامة)، و (تلعابة)، و (فزناس)، و (فرانس)، و (تنوفى)، (ترجمان)، (شحم
নামসমূহ; আবু বকর ইবন আল-সাররাজ তার ‘কিতাবুল উসুল’-এর যথাস্থানে বাদ পড়া অংশসমূহ থেকে যা বর্ণনা করেছেন, আমি তা এখানে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপনা করছি।
(তিলকামাহ), এবং (তিলআবাহ), এবং (ফিজানাস), এবং (ফারানাস), এবং (তানূফা), (তারজুমান), (শাহাম
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭০)
أمهج)، و [مهوأن]، (عياهم)، (ترامز)، (تماضر)، (ينابعات)، (دحندح)، (فعلين):
আমহাজ), এবং [মাহওয়ান], (আয়াহুম), (তারামিজ), (তামাদুর), (ইয়ানাবি'আত), (দাহান্দাহ), (ফি'লিন):
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭১)
ليث عفرين، (ترعاية) (الصنبر)، (زيتون)، (كذبذب)، (هزنبران)، [عفزران]: اسم رجل،
লাইস ইফরিন, (তুরাইয়াহ) (আস-সানবার), (যাইতুন), (মিথ্যাবাদী (كذبذب)), (হাযানবারান), [আফযারান]: জনৈক ব্যক্তির নাম,
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭২)
(هيدكر): ضرب من المشية، (هندلع): بقلة، (درداقس)، (جزرانق).
قال أبو سعيد رحمه الله:
أكثر ما ذكره أبو بكر غير داخل على سبيويه، ولا مستدرك عليه فائت.
أما (تلقامة) و (تلعابة)، فقد ذكر سيبويه في (باب المصادر): (تحملت) (تحمالا)، وإذا أردنا الواحدة منه زدنا الهاء، فقلنا: (تحمالة)، ووزن (تلقامة) و (تلعابة) (تفعالة) مثل: (تحمالة).
وقد ذكر (فرناس) في الأبنية.
وأما (تنوفي) فما رأيت أحداً ذكره، وجاء في شعر امرئ القيس:
(হায়দাকার): এক প্রকার হাঁটার ভঙ্গি, (হিনদালা): এক প্রকার লতা-গুল্ম, (দারদাকিস), (জাযরানিক)।
আবু সাঈদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) বলেন:
আবু বকর যা উল্লেখ করেছেন তার অধিকাংশই সিবওয়াইহ-এর নিয়মের বহির্ভূত নয়, এবং এটি তাঁর ওপর কোনো বিলুপ্ত বিষয়ের সংশোধন (مستدرك) নয়।
আর (তিলক্বমাহ) এবং (তিল’আবাহ) সম্পর্কে সিবওয়াইহ (ক্রিয়ামূলের অধ্যায়)-এ উল্লেখ করেছেন: (তাহাম্মালতু) (তিহমালান); যখন আমরা তা থেকে একটি একক বিশেষ্য গঠন করতে চাই, তখন আমরা ‘হা’ যুক্ত করি, ফলে আমরা বলি: (তিহমালাহ)। আর (তিলক্বমাহ) ও (তিল’আবাহ)-এর ওজন হলো (তিফ’আলাহ), যা (তিহমালাহ)-এর অনুরূপ।
তিনি শব্দ কাঠামোর আলোচনায় (ফিরনাস) শব্দটিও উল্লেখ করেছেন।
আর (তুনুফি) সম্পর্কে আমি কাউকে তা উল্লেখ করতে দেখিনি, তবে ইমরুল কায়সের কবিতায় এটি এসেছে:
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
(كأن دِثاراً حلقت بلبُونه
… عُقاب تنوفى لا عُقابُ (القواعل))
وفي اللفظ خلاف، وروى أبو عمرو، وابن الأعرابي: (عُقاب تنوف)، وروى أبو عبيدة: (تنوفي)، والأصمعي، وأبو حاتم: (تنوفي)، وهي فيما قال أبو حاتم: ثنية [في
(যেন দিসারের দুগ্ধবতী উটগুলোর ওপর চক্কর দিচ্ছিল
… তানূফা-র ঈগল, কাওয়ায়িল-এর ঈগল নয়)
এবং শব্দবিন্যাসে মতভেদ রয়েছে; আবু আমর এবং ইবনুল আরাবী বর্ণনা করেছেন: (উক্বাব তানূফ), আবু উবাইদাহ বর্ণনা করেছেন: (তানূফি), এবং আসমাঈ ও আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন: (তানূফি)। আবু হাতিমের বর্ণনামতে এটি হলো একটি গিরিপথ [যা
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
جبال] طيئٍ مرتفعة، وتصير على رواية أبي عبيدة بناء آخر، ويحتمل أن يكون ممدوداً، فيكون (تنوفاء)، مثل: (جلولاء)، و (بروكاء) فقصره شاعره ضرورة.
وأما (ترجمان) فقد رأيت من ذكر أنه (تُرجمان) والتاء أصلية،
[তাই] গোত্রের পাহাড়সমূহ সুউচ্চ; আবু উবাইদাহর বর্ণনা (رواية) অনুযায়ী এটি ভিন্ন এক গঠন লাভ করে। এটি দীর্ঘায়িত (ممدود) হওয়ার সম্ভাবনাও রাখে, সেক্ষেত্রে শব্দটি হবে (তানূফা), যেমন: (জালূলা) এবং (বারূকা); তবে কবি কাব্যিক আবশ্যকতা (ضرورة) বশত একে হ্রস্ব করেছেন।
আর (তরজুমান) এর ক্ষেত্রে আমি এমন ব্যক্তির উল্লেখ দেখেছি যিনি একে (তুরুজুমান) বলেছেন এবং এর 'তা' বর্ণটি মৌলিক (أصلية)।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
فهو (فُعللان)، وقد ذكر سيبويه: (فُعللان) مثل: (عُقربان) ونحوه.
وأما قوله: (شحمٌ أمهجٌ) أي: رقيق، فوزن (أُمهج): (أُفعل)، وقد ذكر سيبويه: (أُفعل) في الأسماء دون الصفات، والاستدراك عليه: أن (أُمهج) صفة، فللمحتج عن سيبويه، أن يقول: ربما وصفوا بالأسماء، كما قالوا: (مررت بنسوةٍ أربع)، و (أربع) اسم، و (أُمهج) مأخوذ من (المُهجة) وهي دم القلب، فشبه الرقيق بدم القلب لأنه أرق الدم، وأصفاه، والمعروف المحفوظ: (أُمهجان)، أن يقال: لبن أُمهجان وماهِج، قال الراجز:
(وعرضوا المجلس محضاً ماهِجا
وأما (مُهوأن)، فقد ذكر سيبويه نظيره
এটি হলো (ফু’লালান) ছাঁচ, এবং সিবওয়াইহ (ফু’লালান) ওজনের উল্লেখ করেছেন যেমন: (উক’রাবান) এবং অনুরূপ শব্দ।
আর তাঁর উক্তি: (শাহমুন আমহাজুন) অর্থাৎ: পাতলা বা সূক্ষ্ম; এখানে (আমহাজ)-এর ওজন হলো: (উফ’আল)। সিবওয়াইহ বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে (উফ’আল) ওজনের কথা উল্লেখ করেছেন, গুণবাচক পদের ক্ষেত্রে নয়। তাঁর ওপর আপত্তি হলো এই যে: (আমহাজ) একটি গুণবাচক শব্দ। সিবওয়াইহ-এর পক্ষ অবলম্বনকারী বলতে পারেন যে: সম্ভবত তাঁরা বিশেষ্য পদের মাধ্যমে গুণ বর্ণনা করেছেন, যেমন তাঁরা বলেন: (মারারতু বি-নিসওয়াতিন আরবা’); এখানে (আরবা’) একটি বিশেষ্য। আর (আমহাজ) শব্দটি (আল-মুহজাহ) থেকে গৃহীত, যা হলো হৃদপিণ্ডের রক্ত। পাতলা বস্তুকে হৃদপিণ্ডের রক্তের সাথে তুলনা করা হয়েছে কারণ এটি রক্তের মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম ও স্বচ্ছ। আর সুপরিচিত ও সংরক্ষিত (المحفوظ) শব্দ হলো: (উমহাজান)। যেমন বলা হয়: (লাবানুন উমহাজানুন) এবং (মাহিজ)। রাজাজ ছন্দপ্রণেতা বলেছেন:
(এবং তারা মজলিসে খাঁটি ও পাতলা দুধ পেশ করল)
আর (মুহাওয়ান) প্রসঙ্গে সিবওয়াইহ এর অনুরূপ শব্দের উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
(مطمأن) و (مُعسعر) وهو (مُفعلل)، وأظن أبا بكر اعتقد أن الواو فيه زائدة، وأنه (مُفوعل)، لأن الواو يحكم عليها بالزيادة فيما جاوز ثلاثة أحرف، وليس ذلك في كل شيء، لأنه لا يحكم على (واو) (ضوضاة) و (غوغاء) بالزيادة (لأن) بناءه يمنع من ذلك، وكذلك (مُهوأن).
وأما (عُياهم) فإن الذي ذكره هو صاحب كتاب العين، وأظنه قاسه على (عيهم)، ووزنه (فُياعل)، وهو السريع من الإبل،
(মুতমায়ান) ও (মুয়াসআর) এবং এটি হলো (মুফঅলাল) ওজনে; আমার ধারণা আবু বকর মনে করেছিলেন যে এতে 'ওয়াও' বর্ণটি অতিরিক্ত, এবং এটি (মুফাওআল) ওজনে। কারণ তিন বর্ণের অধিক শব্দের ক্ষেত্রে 'ওয়াও' বর্ণটিকে অতিরিক্ত হওয়ার বিধান দেওয়া হয়, তবে সব ক্ষেত্রে এটি হয় না; কারণ (দাওদাহ্) ও (গাওগাহ্) শব্দের (ওয়াও)-কে অতিরিক্ত বলা হয় না, কেননা (কারণ) এগুলোর গঠনশৈলী এতে বাধা দেয়। অনুরূপভাবে (মুহাওয়ান) শব্দটিও।
আর (উইয়াহাম)-এর বিষয়টি এমন যে, 'কিতাবুল আইন'-এর লেখক এটি উল্লেখ করেছেন; আমার ধারণা তিনি একে (আইহাম)-এর সাথে তুলনা করেছেন এবং এর ওজন হলো (ফুইয়াআল)। এটি দ্রুতগামী উটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
وكثير مما في (كتاب العين) ينكر، وليس المؤلف له الخليل.
و(تُرامز) يقال: (بعير تُرامز) صلب شديد، قال الراجز:
(إذا أردت السير في المفاوز
… فاعمد لكل بازلٍ تُرامز)
ومثله (دُلامز)، قال رؤية:
(دُلامزٌ يُربي على الدِلَمز)
و(التاء) فيه أصلية، مثل (الدال)، وهو (فُعالل)، وجاء به أبو بكر على أن التاء زائدة من (الرمز)، وليس كذلك.
وأما (تُماضر): فاسم امرأة، يقال: تُماضر بنت الأصبع، وهي في الأصل: فِعلٌ سميت به، كما سمي بـ (تغلب)،
'কিতাবুল আইন'-এ যা রয়েছে তার অনেক কিছুই অস্বীকৃত (منكر), এবং আল-খলীল এর লেখক নন।
আর 'তুরামজ' সম্পর্কে বলা হয়: 'বায়ীরুন তুরামজ' অর্থ শক্ত ও শক্তিশালী উট। জনৈক রাজেজ বলেছেন:
(যখন তুমি মরুপ্রান্তরে পথ চলার ইচ্ছা করো
… তখন প্রত্যেক শক্তিশালী ও বয়স্ক উটের সংকল্প করো)
এরই অনুরূপ শব্দ হলো 'দুলামেজ'। রু’ইয়াহ বলেছেন:
(দুলামেজ যা দিলামেজ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে)
আর এতে 'তা' বর্ণটি মূল বর্ণ, যেমন 'দাল' বর্ণটি; এবং এটি 'ফুয়ালিল' ওজনের অন্তর্ভুক্ত। আবু বকর এটি এই ভিত্তিতে উল্লেখ করেছেন যে, 'তা' বর্ণটি 'রামজ' শব্দ থেকে অতিরিক্ত, অথচ বিষয়টি তেমন নয়।
আর 'তুমাযির' প্রসঙ্গে বলা যায়: এটি একজন মহিলার নাম; বলা হয়: তুমাযির বিনতে আসবা। এটি মূলত একটি ক্রিয়াপদ যা নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন 'তাগলিব' নাম রাখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
و (يزيد).
و(يَنابعات) هي جمع (يَنابع)، وقد ذكر سيبويه (يَفاعل)، وإن كان (يُنابعات) ففي الفعل على (يُفاعل) سمي به المكان ثم جمع.
وأما (دِحندح) فذكر أبو بكر بن دُريد: أنه يقال: (رحندح) موصول، و (دِحٍ دِحْ) بلا تنوين، فدل (دِحْ دِحْ) على أنه صوت أعيد، وأنه ليس بكلمة واحدة، وأن النون فيه (تنوين)، كقولنا: بِخٍ وبِخْ، وبخٍ بخْ، ومعناه فيما ذكر، قد أقررت
এবং (ইয়াজিদ)।
এবং (ইয়ানাবি’আত) হলো (ইয়ানাবি’)-এর বহুবচন (جمع); সিবওয়াইহি (ইয়াফা’য়িল) ওজনের কথা উল্লেখ করেছেন। আর যদি তা (ইউনাবি’আত) হয়, তবে তা ক্রিয়ার (الفعل) (ইউফা’য়িল) ওজনের অন্তর্ভুক্ত, যা দ্বারা কোনো স্থানের নামকরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে বহুবচন (جمع) করা হয়েছে।
আর (দিহানদাহ)-এর ব্যাপারে আবু বকর ইবন দুরেয়দ উল্লেখ করেছেন যে, একে সংযুক্তভাবে (موصول) (দিহানদাহ) বলা হয়, আবার তানবিন (تنوين) ব্যতীত (দিহ্ দিহ্) হিসেবেও উচ্চারিত হয়। (দিহ্ দিহ্)-এর ব্যবহার প্রমাণ করে যে, এটি একটি পুনরাবৃত্ত ধ্বনি এবং এটি কোনো একক শব্দ নয়; আর এর মধ্যকার ‘নুন’ মূলত তানবিন (تنوين), যেমনটি আমাদের উক্তি: (বিখিন) ও (বিখ), অথবা (বিখিন বিখ)-এর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। বর্ণিত তথ্যানুযায়ী এর অর্থ হলো—‘আমি স্বীকার করেছি’।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
فاسكت، وقال محمد بن حبيب، يقال: "هو أهونُ عليّ من دِحِنْدح"، وهي دويبة صغيرة.
وأما ليث (عِفرين) فأصله (عِفر) وهو مثل: (قلز) و (طمر)، ثم لحقته علامة الجمع، كما قالوا: (البرحين)
তিনি নীরব থাকলেন। মুহাম্মদ বিন হাবিব বলেন, বলা হয়ে থাকে: "সে আমার নিকট দিহিনদিহ-এর চেয়েও তুচ্ছ", যা একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গ।
আর লায়স (ইফরিন)-এর মূল রূপ হলো (ইফর), যা (কুলুয) ও (তুমুর)-এর ওযনের মতো; অতঃপর এর সাথে বহুবচনের চিহ্ন যুক্ত হয়েছে, যেমনটি তারা (আল-বারাহিন)-এর ক্ষেত্রে বলে থাকেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮০)
و (الفُتكرين) للدواهي.
ترعاية: (تِفعالة) جاء بها أبو بكر على أن (تِفعالة) لم يجئ صفة فيما ذكر سيبويه، لأنه قال بعد ذكر (تفاعيل) نحو: (التجافِيفُ) و (التماثيل)، ولا نعلمه جاء وصفا.
و(تِرعاية) و (تِرعية) في معنى واحد، ويجوز أن يكونوا قلبوا الياء الساكنة في (ترعية) ألفاً استثقالاً، كما قالوا في
এবং আল-ফুতকারিন (الفُتكرين) শব্দটি ঘোরতর বিপদসমূহের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
তির’আয়াহ (ترعاية): আবু বকর এটি তিফ’আলাহ (تفعالة) ছাঁদে বর্ণনা করেছেন; যদিও সিবাহওয়াইহ যা উল্লেখ করেছেন সেই অনুযায়ী তিফ’আলাহ (تفعالة) ওজনটি গুণবাচক (صفة) শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। কারণ তিনি তাকাঈল (تفاعيل)—যেমন: ‘আত-তাজাফিফ’ ও ‘আত-তামাছিল’—এর আলোচনার পর বলেছেন যে, এটি গুণবাচক (وصفا) হিসেবে আসার বিষয়টি আমাদের জানা নেই।
এবং তির’আয়াহ (ترعاية) ও তির’ইয়াহ (ترعية) একই অর্থ প্রকাশ করে। এটি সম্ভব যে, তারা উচ্চারণগত ভার (استثقالاً) পরিহার করার লক্ষ্যে ‘তির’ইয়াহ’ শব্দের সুকুনযুক্ত ‘ইয়া’ অক্ষরটিকে ‘আলিফ’ দ্বারা পরিবর্তন করেছেন, যেমনটি তারা নিম্নোক্ত শব্দের ক্ষেত্রে বলেছেন...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮১)
(ييجل) و (ييئس): (ياجل) و (يايس).
وقد ذكر سيبويه في مثل: (الصنبر) وهو: (العلكد) و (الهلقس)، وإن كان أبو بكر أراد (الصنبر) بكسر الباء، على ما جاء في شعر طرفة:
(بجفانٍ تعتري نادينا
… (وسديفٍ) حين هاج الصنبر)
فهذا يجوز أن يكون لما سكن الراء للوقف، كسر، كقولك:
(ইয়াইজালু (ييجل)) এবং (ইয়াইয়াসু (ييئস)): (ইয়াজালু (ياجل)) এবং (ইয়াইয়াসু (يايس))।
সিবওয়াইহ ‘আস-সিন্নাবার’ (الصنبر) সদৃশ শব্দের ক্ষেত্রে উল্লেখ করেছেন, যা হলো: ‘আল-ইলকাদ’ (العلكد) এবং ‘আল-হিলকাস’ (الهلقস); আর যদি আবু বকর ‘বা’ বর্ণে কাসরা বা জের প্রদানের মাধ্যমে ‘আস-সিন্নাবির’ (الصنبر) শব্দটিকে উদ্দেশ্য করে থাকেন, যেমনটি তরাফাহ-এর কবিতায় বর্ণিত হয়েছে:
(বিশাল পাত্রসমূহ যা আমাদের মজলিসে নিয়ে আসা হয়
… এবং উটের কুঁজের চর্বি (وسديفٍ) যখন তীব্র হাড়কাঁপানো শীত (الصنبر) প্রবাহিত হয়)
এটি জায়েজ হতে পারে যখন বিরতির (وقف) জন্য ‘রা’ বর্ণটি সাকিন করা হয়, তখন তা কাসরা বা জের গ্রহণ করে, যেমন আপনার উক্তি:
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮২)
(ضربته) و (قتلته) و (أغزه) و (أرعِة) في الوقف، وذلك كسر لالتقاء الساكنين.
وأما (هزنبران) و (عفزران) فهما في بعض نسخ كتاب سيبويه، و (الهزنبزان): السيئ الخُلق، قال الراجز:
(لقد) مُنيت بهزنبزان
(দরাবতুহু), (কাতালতুহু), (আগযুহু) এবং (আর-ইহি) বিরতি প্রদানের (ওয়াকফ) ক্ষেত্রে; আর এটি মূলত দুই সাকিন বা স্থির বর্ণ একত্রিত হওয়ার কারণে কাসরা (জের) প্রদান।
আর (হাজানবারান) এবং (আফযারান)-এর বিষয়টি হলো, এই শব্দ দুটি সিবওয়াইহ-র কিতাবের কিছু পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে; আর (আল-হাজানবাযান) অর্থ হলো: দুশ্চরিত্র, জনৈক রাজয ছন্দ রচয়িতা বলেছেন:
(অবশ্যই) আমি এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তির দ্বারা পরীক্ষায় নিপতিত হয়েছি।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
و (عفزران): اسم رجل.
وأما (هديكر) فإن المعروف المحفوظ (هيدكر)، يقال: تهدكرت المرأة، إذا (ترجرجت) في مشيتها تهدكراً، كما يقال: تدحرجت، ويقال للمرأة، إذا مشت، كذلك (هيدكر)، قال المرار:
(فهي بداءُ إذا ما أقبلت .. (ضخمةُ) الجِسمِ رداحٌ هيدكر)
وأصلها (هيدكور)، قال أبو بكر بن دريد، يقال: (رجل هيدكور)، من قولهم: يتهدكر على الناس، أي: يتنزى عليهم، والمعنى قريب من الأول، و (الهيدكور): رجل من العرب من كندة، وخفف،
এবং (আফজারান): এক ব্যক্তির নাম।
আর (হুদাইকার)-এর ক্ষেত্রে সুপরিচিত (معروف) ও সংরক্ষিত (محفوظ) রূপটি হলো (হায়দাকার)। বলা হয়ে থাকে: নারী 'তাহাদকারাত', যখন সে হাঁটার সময় (দুলতে থাকে), যেমনটি 'তাদাহরাজাত' এর ক্ষেত্রে বলা হয়। একইভাবে কোনো নারী যখন এভাবে হাঁটে তখন তাকে (হায়দাকার) বলা হয়। আল-মুররার বলেছেন:
(সে যখন সামনে আসে তখন সে সুঠাম... দেহ তার (বিশাল), নিতম্ব ভারী এবং সে হেলদুলে চলা নারী)
এর মূল রূপ হলো (হায়দাকুর)। আবু বকর ইবনে দুরাইদ বলেছেন: (হায়দাকুর ব্যক্তি) বলা হয় তাদের উক্তি 'ইয়াতাহাদকারু আলান নাস' থেকে, অর্থাৎ সে মানুষের ওপর চড়াও হয়; এবং এই অর্থটি প্রথমোক্ত অর্থের কাছাকাছি। আর (আল-হায়দাকুর) হলো কিনদাহ গোত্রের জনৈক আরব ব্যক্তি, যার নামকে লঘু বা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
كما قيل في (عزنتن) (عرتن)، وفي (عُلابط) (عُلبط). وقد ذكرنا في كلام الزجاج بعض ما ذكره أبو بكر بن السراج.
وقد خرج قوم في الفائت، ما لا يكون استداركاً عليه، مما يضطر إليه شاعراً، أو يراه سيبويه على وزن، ويراه غيره على غير ذلك الوزن، ورواه بعض العلماء، وأنكره غيره، أو شيئاً يحتمل تأويلاً غير الاستدراك، فمن ذلك (مَفعل)، قال سيبويه: ليس في الكلام (مَفعل) بغير الهاء. وذكر بعض الكوفيين: (مَكرم) و (مَعون) وأنشد قول الشاعر:
যেমনটি (আজনাতান) (আরতান) এবং (উলাবিত) (উলাবিত)-এর ক্ষেত্রে বলা হয়েছে। আয-যাজ্জাজের আলোচনার প্রেক্ষিতে আবু বকর ইবনুস সাররাজ যা উল্লেখ করেছেন, আমরা তার কিয়দংশ বর্ণনা করেছি।
একদল আলেম বাদ পড়া বিষয়ের মধ্য থেকে এমন কিছু বিষয় উপস্থাপনা করেছেন যা প্রকৃতপক্ষে কোনো সংশোধন বা পরিমার্জন নয়; বরং যা কবিকে ছন্দ রক্ষার্থে বাধ্য করে, অথবা সিবওয়াইহ একে একটি নির্দিষ্ট ওজনে দেখেন অথচ অন্য কেউ একে ভিন্ন ওজনে বিবেচনা করেন। কোনো কোনো আলেম এটি বর্ণনা করেছেন এবং অন্য কেউ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন, অথবা এটি এমন কিছু যা সংশোধন ব্যতিরেকে ভিন্ন ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে। এরই অন্তর্ভুক্ত হলো (মাফআল) ওজন; সিবওয়াইহ বলেন: আরবি ভাষায় ‘হা’ যুক্ত হওয়া ব্যতীত (মাফআল) ওজনের কোনো শব্দ নেই। তবে কূফী আলেমদের কেউ কেউ (মাকরাম) ও (মাউন) শব্দদ্বয় উল্লেখ করেছেন এবং জনৈক কবির পঙক্তি উদ্ধৃত করেছেন:
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
(ليؤم روعٍ أو فعالِ مَكرمِ)
وقوله:
(بُثين الزمي لا، إن لا إن لزمته
… على كثرة الواشين أي مغونِ)
وذكل أن (مَكرم) و (مَعون) جمع (مَكرمة) و (مَعونة)، وليس الأمر كذلك، لأنه لا يعرف في الكلام: (مكرم) و (معونة)، جمع: (مكرمة) و (معونة)، وإنما اضطر الشاعر فحذف الهاء كبعض
(যাতে তিনি কোনো ভয়াবহ পরিস্থিতি কিংবা মর্যাদাপূর্ণ কার্যের সংকল্প করেন)
এবং তাঁর উক্তি:
(হে বুথাইনা! তুমি ‘না’ কথাটিকে আঁকড়ে ধরো; নিশ্চয়ই তুমি যদি তা আঁকড়ে ধরো
… তবে তা হবে চোগলখোরদের আধিক্যের বিপরীতে পরম সাহায্যকারী)
আর এটি এই কারণে যে, (মাকরাম) ও (মাউন) হলো (মাকরামাহ) ও (মাউনাহ)-এর বহুবচন (جمع); কিন্তু বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে তেমন নয়, কারণ আরবী বাকরীতিতে (মাকরাম) ও (মাউন) শব্দ দুটিকে (মাকরামাহ) ও (মাউনাহ)-এর বহুবচন (جمع) হিসেবে চেনা যায় না। বরং কবি কাব্যিক ছন্দের প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে কোনো কোনো কবির ন্যায় ‘হা’ বর্ণটি বিলোপ (حذف) করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
ما يحذف في الضرورة.
ولعله شبهه بما يجوز بالهاء، وطرحها.
(مَوعِد) و (مَوعِدة) بمعنى واحد، ومنه قول رؤية:
(ما بال عيني كالشعيب العين)
والذي عليه أهل النظر، والتحصيل من النحويين: (العين) بكسر الياء، والذي يقول: (العَين) بفتح الياء يحمله على (فيَعل) في الصحيح، مثل: (جَيدر)، و (صيرف) بل في النحويين
যা কাব্যিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত করা হয়।
সম্ভবত তিনি একে সেই সব শব্দের সাথে তুলনা করেছেন যেখানে 'হা' বর্ণটি থাকা বৈধ এবং তা বর্জন করাও সম্ভব।
'মাও’ইদ' এবং 'মাও’ইদাহ' একই অর্থ প্রকাশ করে, এবং এরই দৃষ্টান্ত হলো রু’বাহ-এর উক্তি:
(আমার চোখের কী হলো যে এটি ছিদ্রযুক্ত মশকের ন্যায় অশ্রু ঝরাচ্ছে)
ব্যাকরণবিদদের মধ্যে যারা প্রাজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ, তাদের নিকট গৃহীত মত হলো: 'আল-আইন' শব্দটি 'ইয়া' বর্ণে কাসরা সহকারে উচ্চারিত হবে। আর যারা 'ইয়া' বর্ণে ফাতহাহ দিয়ে 'আল-আইন' বলেন, তারা একে সহিহ (صحيح) শব্দের ক্ষেত্রে 'ফায়’আল' ছাঁচের অনুগামী মনে করেন, যেমন: 'জাইদার' এবং 'সাইরাফ'। বরং ব্যাকরণবিদদের মধ্যে...
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
من يقول في: (ميت) و (هين) أصله (فيعل) كذا حكى سيبويه، فلعل الذي فتح ممن يعتقد هذا الرأي.
ومنه (جُلندا) وقد ذكره سيبويه مقصوراً [جُلندى] وقد أجازوا فيه المدّ، أنشدنا أبو بكر بن دريد:
(وجُلندا في عُمان مُقيما)
যারা (মায়্যিত) ও (হায়্যিন) শব্দদ্বয়ের ব্যাপারে বলেন যে, এগুলোর মূল রূপ হলো (ফাইয়িল)—সিবাহওয়াইহ এভাবেই বর্ণনা (حكى) করেছেন; সম্ভবত যিনি ফাতহা বা যবর প্রদান করেছেন, তিনি এই মত পোষণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
এবং এরই উদাহরণ হলো (জুলান্দা); সিবাহওয়াইহ এটিকে মাকসুর (مقصور) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তবে ভাষাবিদগণ এতে মামদুদ (ممدود) পড়ারও অনুমতি দিয়েছেন। আবু বকর ইবন দুরিদ আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:
(এবং ওমানে অবস্থানরত জুলান্দা)
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
وهذا كما أنشد في مدّ المقصود، نحو:
(عَلِمت أختُ بني السعلاء)
ومنه كسر اللام في: (طيلسان)، وقد أنكره الأصمعي، وذكره الأخفش، والمازني، ومحمد بن يزيد على تصريف مسائل النحو عليه بالرواية الضعيفة، لا على تحقيق الرواية فيه.
ومنه (دُئِل) في الأسماء، لم يذكره سيبويه، ويجوز أن يكون
এটি যেমন ‘মাদ-ই-মাকসুদ’ (সংক্ষিপ্ত আলিফকে দীর্ঘ করা) এর ক্ষেত্রে আবৃত্তি করা হয়েছে, যথা:
(আলিমাআত উখতু বানি আস-সা’লা)
আর এরই অন্তর্ভুক্ত হলো ‘ত্বায়লাসান’ শব্দে ‘লাম’ বর্ণে কাসরা (জের) প্রদান করা; যা আল-আসমাঈ অস্বীকার করেছেন। তবে আল-আখফাশ, আল-মাযিনী এবং মুহাম্মাদ বিন ইয়াযিদ ব্যাকরণিক মাসয়ালাসমূহের বিন্যাসে এটি উল্লেখ করেছেন দুর্বল বর্ণনা (الرواية الضعيفة) অনুযায়ী, বর্ণনার সত্যতা যাচাইয়ের ভিত্তিতে নয়।
আর নামসমূহের মধ্যে ‘দুয়িল’ শব্দটিও এর অন্তর্ভুক্ত, যা সিবওয়াইহ উল্লেখ করেননি এবং এটি হওয়া সম্ভব যে
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
أصله (فُعِل) سمي به، كما سمي ضرب من الطير بـ (تنوط)، لأنها تعلق عشها، ومعنى (تُنُوط): تُعلق. و (دُئل) من (الدألان): ضرب من المشي فيكون قد سمي من
এর মূল হলো (ফু‘ইলা), যা দ্বারা এর নামকরণ করা হয়েছে; যেমন এক প্রজাতির পাখিকে (তানুত্ব) নামে অভিহিত করা হয়, কারণ সেটি তার বাসা ঝুলিয়ে রাখে। আর (তানুত্ব) এর অর্থ হলো: ঝুলিয়ে রাখা। এবং (দুয়িল) শব্দটি (আদ-দালান) থেকে উদ্ভূত, যা এক প্রকারের হাঁটার ভঙ্গি; সুতরাং এর নামকরণ করা হয়েছে... থেকে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯০)
هذا.
ومن ذلك ما يجئ في الشعر من زيادة حرف المدّ كقولهم في: (أنظرُ) (أنظورُ)، وفي (يَنبعُ) (يَنباعُ)، قال الشاعر:
(من حيثما سلكوا أدنو فأنظورٌ)
وقول عنترة:
(ينباع من ذِفرى غضوبٍ جشرةٍ
… زيافةٍ مثل الفنيق المُكدمِ)
এটি।
এর অন্তর্ভুক্ত হলো কবিতায় মদের বর্ণ বা দীর্ঘ স্বরবর্ণের আধিক্য, যেমন তারা (আনজুরু) এর স্থলে (আনজুরুউ) এবং (ইয়ানবাউ) এর স্থলে (ইয়ানবাউউ) বলে থাকে। কবি বলেছেন:
(যেপথ দিয়েই তারা চলুক না কেন, আমি নিকটবর্তী হই এবং অবলোকন করি)
এবং আনতারা-র উক্তি:
(ক্রুদ্ধ ও সুঠামদেহী উষ্ট্রীর কানের পশ্চাৎদেশ হতে ঘাম নির্গত হয়
… যা দংশন-বিক্ষত বলিষ্ঠ উটের ন্যায় দর্পভরে দ্রুত পদক্ষেপে চলে)
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯১)
ومثله مما جاء في الشعر: (قرنفول) في (قرنفل)، قال الشاعر:
[(وابأبي ثغرك ذاك المعسول
… كأن في أنيابه القرنفول)
والآخر:
(خودٌ أناةٌ كالمَهاة عُطبول
… كأن في أنيابها القرنفول])
এবং কবিতার চরণে এর অনুরূপ যা বর্ণিত হয়েছে: (করণফুল) শব্দের স্থলে (করণফুল - ‘ওয়াও’ সহযোগে), কবি বলেছেন:
[(আমার পিতা আপনার সেই মধুময় ওষ্ঠাধরের প্রতি উৎসর্গিত হোন
… যেন তার সম্মুখ দন্তাবলীতে লবঙ্গ রয়েছে)
এবং অপরজন বলেছেন:
(এক লাবণ্যময়ী ও ধীরস্থির যুবতী, দীর্ঘ গ্রীবাবিশিষ্ট বন্য গাভীর ন্যায়
… যেন তার সম্মুখ দন্তাবলীতে লবঙ্গ রয়েছে])]
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯২)
فهو كقولهم: (دَراهم) و (دَراهِيم)، وفي (صَيارف) (صياريف). ومثله في الزيادة من جنس ما قبله قول الشعراء في (جَدب)، و (قُطن): (جِدَب) و (قُطُن)، ومنه (فعولى) مقصوراً، أنشدنا أبو بكر بن دريد عن أبي عثمان الأشنانداني للمرار:
(فأصبحت مهموماً كأن مطيتي
… (بجنب) مسولى، أو بوجرة (ظالع))
এটি তাদের উক্তির মতো: (দরাহিম) এবং (দরাহীম), এবং (সয়ারিফ)-এর ক্ষেত্রে (সয়ারীফ)। তদ্রূপ পূর্ববর্তী বর্ণের সমগোত্রীয় বৃদ্ধির উদাহরণ হলো (জাদব) এবং (কুতন) সম্পর্কে কবিদের উক্তি: (জিদাব) এবং (কুতুন)। এর অন্তর্ভুক্ত হলো হ্রস্ব (مقصور) ‘ফা’উলা’ (فعولى)। আবু বকর বিন দুরাইদ আমাদের নিকট আবু উসমান আল-আশনান্দানি থেকে আল-মুরার-এর নিম্নোক্ত কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:
(অতঃপর আমি এমন বিষণ্ণ হয়ে পড়লাম যেন আমার বাহনটি
… মাসউলা-র (পার্শ্বে), অথবা ওয়াজরাহ নামক স্থানে (খোঁড়া))
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
وأصله عندي: (مسولاء)، مثل: (دبوقاء)، و (جلولاء) وقصره للضرورة.
ومما رآه سيبويه على وزن، ورآه غيره على غير ذلك فيها، قال سيبويه: وهو (فَعلا) لأنهم قد يمدونها، فيقولون: (ضَهياء) كـ (حَمراء)، فيعلم أن (الهمزة) زائدة للتأنيث، وأن (الياء) لام الفعل، فإذا قصرت جعلت (الياء) لام الفعل أيضاً، و (الهمزة) زائدة، فصار (فَعلاء).
وأما أبو إسحاق الزجاج، فقال: هو (فَعيل) مأخوذ من قوله عز وجل على قراءة من همز: {يُضَاهِئُونَ قَوْلَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ
আমার মতে এর মূল হলো: (মাসুলাউ), যেমন: (দাবুক্বাউ) এবং (জালুলাউ); আর ছন্দ বা প্রয়োজনের খাতিরে একে হ্রস্ব (قصر) করা হয়েছে।
সিবওয়াইহি একে একটি নির্দিষ্ট ওজনের ওপর দেখেছেন, অথচ অন্যরা এক্ষেত্রে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। সিবওয়াইহি বলেন: এটি (ফা’লা) ওজনের, কারণ তারা কখনো একে দীর্ঘ (مد) করে থাকে, ফলে তারা (হামরা)-এর মতো (দাহইয়া) বলে থাকে; এর দ্বারা জানা যায় যে, ‘হামজাহ’ (الهمزة) বর্ণটি স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) বুঝাতে অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে এসেছে এবং ‘ইয়া’ (الياء) বর্ণটি ক্রিয়ামূলের শেষ বর্ণ (لام الفعل)। অতঃপর যখন একে হ্রস্ব (قصر) করা হয়, তখন ‘ইয়া’ বর্ণটিকেও ক্রিয়ামূলের শেষ বর্ণ (لام الفعل) হিসেবে গণ্য করা হয় এবং ‘হামজাহ’ অতিরিক্ত (زائدة) হয়, ফলে তা (فعلاء) ওজনে রূপান্তরিত হয়।
আর আবু ইসহাক আল-যাজ্জাজ বলেন: এটি (فعيل) ওজনের, যা মহান আল্লাহ তা’আলার বাণী থেকে গৃহীত—সেই সকল ক্বারীদের ক্বিরাআত অনুযায়ী যারা হামজাহ সহযোগে পাঠ করেন: {তারা কাফিরদের কথার সাথে সাদৃশ্য (يضاهئون) অবলম্বন করে...}
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
قَبْلُ} [التوبة: 30]، أي: يشابهون، و (الضهيا): التي لا تحيض، ولا ينبت لها ثدي، كأنها تشابه الرجل في ذلك، وقد حكى، وليس بثبت (ضهيد) وهو (فَعيل) والذي عليه أهل العلم أنه مصنوع.
ومن ذلك (يستعور)، قال سيبويه: هو (فَعللؤل) مثل: (عضرفوط)، والياء والتاء أصليتان، وقال أحمد بن يحيى ثعلب، وأبو بكر بن دريد: هو (يفتعول)، وليس ذلك بشيء.
وقال سيبويه في مثل: (شحشح)، و (رقرق)
পূর্বে} [আত-তাওবাহ: ৩০], অর্থাৎ: তারা সাদৃশ্য অবলম্বন করে; আর (আদ-দাহয়া): এমন নারী যার ঋতুস্রাব হয় না এবং স্তন উদগত হয় না, যেন সে এ বিষয়ে পুরুষের সাদৃশ্য রাখে। এটি বর্ণিত হয়েছে, তবে তা নির্ভরযোগ্য (ثبت) নয়; (দহীদ) শব্দটি (ফাঈল) ওজনের এবং আলেমগণের নিকট এটি জাল (مصنوع)।
আর এর অন্তর্ভুক্ত হলো (ইয়াস্তাউর); সিবওয়াইহি বলেছেন: এটি (ফাল্লাউল) ওজনের, যেমন: (আদ্বরফুত), যেখানে ইয়া ও তা বর্ণদ্বয় মূল বর্ণ। আহমদ বিন ইয়াহইয়া ছালাব এবং আবু বকর বিন দুরাইদ বলেছেন: এটি (ইয়াফতাউল) ওজনের, তবে এটি গ্রহণযোগ্য কিছু নয়।
আর সিবওয়াইহি (শাহশাহ) এবং (রাকরাক)-এর ন্যায় শব্দের ক্ষেত্রে বলেছেন-
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িতু কিতাবি সীবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
وما أشبه ذلك، (فَعلل)، وقال صاحب كتاب العين، وهو قول الزجاج، وهو (فَعْفل).
ومما جاء في شعر العرب أشياء للتوهم، منها أنها من غير كلام العرب، وإذا لم تكن من كلامها، فلا استدراك على سيبويه فيها، منها (السُّلَيْطِيط) وهو (فُعَيليل)، ومعناه من (المُسَلط)، قال أُمية:
(إن الأنام رعايا الله كلهم
… هو السُّليطيط فوق الارض مُستَطِير)
و(السُّليطيط) في البيت: القاهر، ومستطر: قادر.
و(خُرُنباش): نبت طيب الريح، قال الشاعر:
এবং তদ্রূপ আরও যা কিছু রয়েছে, (ফাল্লালা); এবং 'কিতাবুল আইন'-এর রচয়িতা বলেছেন—যা আয-যাজ্জাজ-এরও অভিমত—যে এটি হলো (ফাফালা)।
আরবদের কবিতায় এমন কিছু বিষয় বর্ণিত হয়েছে যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে; যার মধ্যে একটি হলো—সেগুলো আরবদের নিজস্ব ভাষা বহির্ভূত। আর যখন সেগুলো তাদের ভাষা নয়, তখন সেই বিষয়ে সিবওয়াইহ-এর ওপর কোনো সংশোধন (ইস্তিদরাক) করার অবকাশ থাকে না। তার মধ্যে একটি হলো (আস-সুলাইতীত), যা (ফুআইলীল) ওজনে গঠিত এবং এর অর্থ (আল-মুসাল্লাত) থেকে ব্যুৎপন্ন। উমাইয়্যাহ বলেছেন:
(নিশ্চয়ই সৃষ্টিজগত সকলেই আল্লাহর প্রজা
… জমিনের ওপর তিনিই সেই প্রবল পরাক্রমশালী (আস-সুলাইতীত), যাঁর প্রভাব সর্বত্র বিস্তৃত।)
আর এই চরণে (আস-সুলাইতীত) এর অর্থ: পরাক্রমশালী, এবং মুস্তাতীর: ক্ষমতাধর।
এবং (খুরুনবাশ) হলো: সুগন্ধিযুক্ত একটি উদ্ভিদ; কবি বলেছেন: