(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: -)
شرح كتاب سيبويه للرماني - جزء منه   (أبو الحسن الرماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: شرح كتاب سيبويه [جزء من الكتاب (من باب الندبة إلى نهاية باب الأفعال) حُقِّق كرسالة دكتوراه]

المؤلف: أبو الحسن علي بن عيسى الرماني (296 - 384 هـ)

أطروحة دكتوراة لـ: سيف بن عبد الرحمن بن ناصر العريفي

إشراف: د تركي بن سهو العتيبي، الأستاذ المشارك في قسم النحو والصرف وفقه اللغة، كلية اللغة العربية، جامعة الإمام

جامعة: الإمام محمد بن سعود الإسلامية - الرياض - المملكة العربية السعودية

عام: 1418 هـ - 1998 م

عدد الصفحات: 1073

أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 24 شعبان 1438

রুম্মানী রচিত কিতাব সিবওয়াইহ-এর ব্যাখ্যা - এর একটি অংশ   (আবুল হাসান আল-রুম্মানী)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: সিবওয়াইহ-এর কিতাবের ব্যাখ্যা [গ্রন্থের অংশ (নুদবাহ অধ্যায় হতে ক্রিয়া অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত) যা পিএইচডি থিসিস হিসেবে সম্পাদিত হয়েছে]

লেখক: আবুল হাসান আলী বিন ঈসা আল-রুম্মানী (২৯৬ - ৩৮৪ হিজরি)

পিএইচডি থিসিস: সাইফ বিন আব্দুর রহমান বিন নাসের আল-আরিফী

তত্ত্বাবধানে: ড. তুর্কি বিন সাহু আল-উতাইবি, সহযোগী অধ্যাপক, নাহু, সরফ ও ভাষাতত্ত্ব বিভাগ, আরবি ভাষা অনুষদ, ইমাম বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয়: ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় - রিয়াদ - সৌদি আরব রাজত্ব

বছর: ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৭৩

শামেলার জন্য প্রস্তুতকারী: রাবিতাতুন নুসসাখ দল, সৌজন্যে (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৪ শাবান ১৪৩৮

(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৬৬)
‌‌باب الندبة

الغرض فيه:

أن يبين [ما يجوز] في الندبة مما لا يجوز.

مسائل هذا الباب:

ما الذي يجوز في الندبة؟ وما الذي لا يجوز؟ ولم ذلك؟

ولم لا يجوز فيها حرف النداء كما يجوز في غيرها؟

ولم جاز لحاق ألف الندبة في آخر الاسم، وحذفها؟

ولم جازت الندبة بيا أو وا، ولم تجز بغير ذلك من حروف النداء؟

ولم تبع ما قبل ألف الندبة الألف في الاسم الظاهر، ولم يتبعه في المضمر؟

وهل ذلك لأنه في الظاهر لا يلبس كما يلبس في المضمر؟
নুদবাহ (শোকসূচক আহ্বান) পরিচ্ছেদ

এর উদ্দেশ্য হলো:

নুদবাহ-র ক্ষেত্রে কোনটি বৈধ এবং কোনটি বৈধ নয় তা বর্ণনা করা।

এই পরিচ্ছেদের মাসআলাসমূহ:

নুদবাহ-র ক্ষেত্রে কোনটি বৈধ? কোনটি বৈধ নয়? এবং কেন?

অন্যান্য ক্ষেত্রে যেভাবে সম্বোধন অব্যয় ব্যবহার করা যায়, এখানে কেন সেভাবে তা বৈধ নয়?

বিশেষ্যের শেষে ‘নুদবাহ-র আলিফ’ যুক্ত করা এবং তা বিলুপ্ত করা কেন বৈধ হলো?

কেন ‘ইয়া’ অথবা ‘ওয়া’ এর মাধ্যমে নুদবাহ করা বৈধ হলো, কিন্তু অন্যান্য সম্বোধন অব্যয়ের মাধ্যমে তা বৈধ হলো না?

কেন প্রকাশ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে নুদবাহ-র আলিফের পূর্ববর্তী অংশ আলিফ-এর অনুগামী হয়, কিন্তু সর্বনামের ক্ষেত্রে তা অনুগামী হয় না?

এর কারণ কি এই যে, প্রকাশ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা তৈরি হয় না, যেমনটি সর্বনামের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৬৭)
وما حكم: وازيداه، في الندبة؟ ولم زيدت فيه الألف؟ ولم زيدت فيه الهاء؟

وما حكمه إذا كان مضافا إلى المتكلم؟ ولم جاز فيه؟ وازيداه، على إذهاب علامة الإضافة؟ وهل ذلك لأن الألف ما قبلها في الاسم الظاهر، وكان قبل الإضافة: وازيد، ففتحت المكسور كما تفتح المضموم في: وازيد؟

وما قيل ذلك على مذهب من أثبت الياء ساكنة، فقال: يا غلامي، وقرأ: {يَا عِبَادِيَ}؟ ولم جاز فيه على هذا المذهب وجهان: الحذف، والإثبات؟
নুদবা বা বিলাপের ক্ষেত্রে "ওয়া যায়দাহ" (হায় যায়দ)-এর বিধান কী? কেন এতে আলিফ বৃদ্ধি করা হয়েছে? আর কেনই বা এতে 'হা' বর্ণটি বৃদ্ধি করা হয়েছে?

আর এটি যখন মুতাকাল্লিম বা উত্তম পুরুষের দিকে ইযাফাত (সম্বন্ধ) করা হয়, তখন এর বিধান কী? ইযাফাতের চিহ্ন বিলুপ্ত করে "ওয়া যায়দাহ" বলা কেন বৈধ হয়েছে? এটি কি এই কারণে যে, আলিফের পূর্ববর্তী বর্ণটি ইসম যাহির (প্রকাশ্য বিশেষ্য)-এর অন্তর্ভুক্ত, আর ইযাফাতের পূর্বে তা ছিল "ওয়া যায়দ", ফলে আপনি কাসরাযুক্ত (জের বিশিষ্ট) বর্ণকে ফাতহা (যবর) প্রদান করেছেন, যেভাবে আপনি "ওয়া যায়দ" এর ক্ষেত্রে দম্মা (পেশ)-কে ফাতহা করেছিলেন?

আর যারা 'ইয়া' বর্ণটিকে সাকিন (স্বরবর্ণহীন) হিসেবে বহাল রাখেন এবং "হে আমার গোলাম" (ইয়া গোলামি) বলেন ও "হে আমার বান্দাগণ" (ইয়া ইবাদিয়া) পাঠ করেন, তাদের মতানুসারে এই বিষয়ে কী বলা হয়েছে? এবং এই মতানুসারে এতে কেন দুটি পদ্ধতি—অর্থাৎ বিলোপ করা এবং বহাল রাখা—বৈধ হয়েছে?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৬৮)
وهلا وجب الإثبات لئلا يلتبس بغير المضاف؟ وهل ذلك لأنه موضع يرتفع فيه اللبس بشهرة حال المندوب حتى جاز في وازيد: وازيداه؟

وما قياس ذلك على مذهب من يقول: يا غلامي أقبل؟ ولم وجب فيه إثبات الياء لا غير؟

وهل يجوز/ 193 ب: واغلاميه، بحذف ألف الندبة؟ ولم جاز؟ ولم لحقت الهاء في الوقف؟

وما الشاهد في قول ابن قيس الرقيات:

(تبكيهم دهماء معولة … وتقول سلمى وارزيتيه؟ )
এবং মুদাফ (সম্বন্ধপদ) ব্যতীত অন্য কিছুর সাথে যাতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য কি (অক্ষরটি) সাব্যস্ত রাখা অপরিহার্য ছিল না? আর তা কি এজন্য যে, এটি এমন একটি স্থান যেখানে মানদুব বা শোকগাথার পাত্রের অবস্থার প্রসিদ্ধির কারণে বিভ্রান্তি দূর হয়ে যায়, যার ফলে 'ওয়া যায়েদ'-এর ক্ষেত্রে 'ওয়া যায়েদাহ' বলা বৈধ হয়েছে?

এবং যারা 'হে আমার দাস, এগিয়ে এসো' বলেন, তাদের মতবাদ অনুযায়ী এর উপমা কী? এবং কেন সেখানে কেবল 'ইয়া' অক্ষরটিই রাখা আবশ্যক হলো?

আর শোকসূচক আলিফ বিলুপ্ত করে কি 'হায় আমার দাস' (ওয়া গুলামিয়াহ) বলা বৈধ / ১৯৩ খ? এবং কেন তা বৈধ হলো? আর কেনই বা বিরতির স্থলে 'হা' যুক্ত হলো?

এবং ইবনে কায়স আল-রুকাইয়াতের এই উক্তিতে কাব্যিক প্রমাণটি কী:

(দাহমা তাদের জন্য বিলাপ করে কাঁদছে ... আর সালমা বলছে, হায় আমার মুসিবত!)
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৬৯)
ولم جاز في الندبة: وازيد، ووازيد، ووازيدي، بإثبات الياء. ولم حسن الإثبات في الندبة بما لم يحسن في غيره من النداء؟ وهل ذلك لأنه موضع زيادة وتفخيم؟

وما حكم: وانقطاع ظهرياه؟ ولم قوي فيه إثبات ياء الإضافة في: وانقطاع ظهري؟ وهل ذلك لأنه غير منادي؟

ولم ذهبت الهاء في الوصل؟

وما حكم: واغلام زيداه؟ ولم ذهب التنوين فيه؟ وهلا حرك لالتقاء الساكنين؟ وهل ذلك لأجل الزيادة التي لحقت للندبة مع طلب الاستخفاف في النداء فصارت معاقبة؟
নুদবার (শোকসূচক সম্বোধন) ক্ষেত্রে কেন: ওয়া যায়দা, ওয়া যায়দাহ এবং ইয়া বহাল রেখে ওয়া যায়দি বলা বৈধ হয়েছে? এবং সাধারণ নিদার (আহ্বান) তুলনায় নুদবার ক্ষেত্রে কেন ইয়া বহাল রাখা উত্তম গণ্য হয়েছে, যা অন্য ক্ষেত্রে হয় না? আর এটি কি এজন্য যে, এটি আধিক্য এবং মহিমা প্রকাশের স্থান?

এবং 'ওয়া ইনক্বিতা-আ যাহরিয়াহ' (হায় আমার পিঠ ভেঙে গেল)-এর বিধান কী? এবং 'ওয়া ইনক্বিতা-আ যাহরি' বাক্যে সম্বন্ধসূচক ইয়া (ইয়া-এ-ইযাফাত) বহাল রাখা কেন শক্তিশালী মত হিসেবে গণ্য হয়েছে? আর তা কি এজন্য যে, এটি কোনো মুনাদা (যাকে আহ্বান করা হয়েছে) নয়?

এবং মিলিয়ে পড়ার সময় 'হা' কেন বিলুপ্ত হয়ে যায়?

এবং 'ওয়া গুলামা যায়দাহ' (হায় যায়দের গোলাম)-এর বিধান কী? এবং এতে তানউইন কেন বিলুপ্ত হয়েছে? আর দুই সাকিন একত্রিত হওয়ার কারণে কেন একে হরকত প্রদান করা হয়নি? আর এটি কি নুদবার সাথে যুক্ত অতিরিক্ত অংশের কারণে হয়েছে, যা নিদার ক্ষেত্রে সহজীকরণের চাহিদার সাথে মিলে একে অপরের স্থলাভিষিক্ত (মুআকাবাহ) হয়েছে?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭০)
وهل يجوز: واغلام زيد؟ ولم جاز؟

وما الشاهد في قول رؤبة: (فهي ترثى يا أبي وابنيما؟ )

ولم جاز:
এবং ‘ওয়া গোলামা যায়দ’ বলা কি বৈধ? আর কেন তা বৈধ হয়েছে?

এবং রু’বার উক্তি: (সে বিলাপ করছে হে আমার পিতা ও আমার দুই পুত্র)—এর মধ্যে ব্যাকরণিক প্রমাণ (শাহেদ) কী?

এবং কেন তা বৈধ হয়েছে:
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭১)
( … يا أبا وابناما)

مع اختلاف ذلك في القافية، وقد منع منه أبو العباس؟ فما وجه قول سيبويه فيه؟ وهل ذلك على أن من العرب من ينشده بالياء، ومنهم من ينشده بالألف على طريق التمثل من غير أن يذكر شيئا من القصيدة التي هو فيها، ولا يدري كيف هو في القصيدة، فينشه على ما يجوز في لغته؟ وما وجه الحكاية فيه؟ .
(... হে পিতা এবং তাঁর দুই পুত্র)

ছন্দোমিলে (কাফিয়া) এর ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও, অথচ আবুল আব্বাস এটি করতে নিষেধ করেছেন? এমতাবস্থায় এ বিষয়ে সিবওয়াইহের বক্তব্যের যৌক্তিক ভিত্তি কী? আর এটি কি এই কারণে যে, আরবদের মধ্যে এমন কেউ আছেন যারা একে 'ইয়া' দিয়ে পাঠ করেন, আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ মূল কবিতার কোনো অংশ উল্লেখ না করে কেবল উদাহরণের খাতিরে একে 'আলিফ' দিয়ে পাঠ করেন, এমতাবস্থায় যে তিনি জানেন না কবিতায় এটি প্রকৃতপক্ষে কী অবস্থায় আছে, ফলে তিনি নিজের ভাষায় যা বৈধ সেই অনুযায়ী এটি পাঠ করেন? আর এতে হিকাহ (যথাশব্দ বর্ণনা) এর স্বরূপ কী?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭২)
وما حكم ياء الإضافة إذا كان قبلها ياء ساكنة في الندبة؟ ولم وجب فيه: واغلامياه، وواقاضياه، وواغلامي، وواقاضي؟

ولم لابد من تحريك ياء الإضافة في: وامثناياه؟ وهلا حذفت كما تحذف ألف (مثنى) إذا دخلت عليها ألف الندبة؟ وهل ذلك لأنها تثبت في (مثناي) قبل لحاق ألف الندبة؟

الجواب:

الذي يجوز في الندبة لحاق ألف الندبة في آخر الاسم مع الهاء في الوقوف، وحذفها في الوصل.
নুদবাহ-এর ক্ষেত্রে ইয়ায়ে ইদাফাত (সম্বন্ধসূচক ইয়া)-এর বিধান কী যখন তার পূর্বে একটি সাকিন যুক্ত ইয়া থাকে? এবং কেন তাতে ‘ওয়াগুলামিয়াহ’, ‘ওয়াকাদিয়াহ’, ‘ওয়াগুলামি’ ও ‘ওয়াকাদি’ রূপগুলো আবশ্যক হয়?

এবং কেন ‘ওয়ামুসান্নায়াহ’ শব্দটিতে ইয়ায়ে ইদাফাতকে হরকত প্রদান করা আবশ্যক? আর কেন একে বিলুপ্ত করা হয়নি যেভাবে ‘মুসান্না’ (দ্বিবচন)-এর আলিফকে বিলুপ্ত করা হয় যখন তার উপর আলিফে নুদবাহ যুক্ত হয়? আর এটা কি এই কারণে যে, আলিফে নুদবাহ যুক্ত হওয়ার আগে এটি (মুসান্নায়া) শব্দে স্থির থাকে?

উত্তর:

নুদবাহ-এর ক্ষেত্রে যা বৈধ তা হলো নামের শেষে আলিফে নুদবাহ যুক্ত করা এবং থামার সময় তার সাথে ‘হা’ বর্ণটি যুক্ত করা, আর মিলিয়ে পড়ার সময় তা বিলুপ্ত করা।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৩)
ولا يجوز حذف حرف النداء في الندبة كما يجوز في غيره؛ لأنه موضع مد الصوت، مع أن الندبة فرع على باب النداء، فلا يقوي قيه الحذف.

ولا يجوز أن يلحق من أدوات النداء إلا: لأنها أم حروف النداء، أو وا؛ لأنها لباب الندبة خاصة؟ .

وما قبل ألف الندبة يتبع الألف بالفتح في الاسم الظاهر؛ لأنه لا يلتبس، ولا يتبعه في المضمر؛ لأنه يلتبس المذكر بالمؤنث، والتثنية بالجمع.

وتقول: وازيداه، فتحلق: وا، لأنها تخص الندبة، والألف؛ لأنها علامة الندبة مع مد الصوت بها، وتلحق الهاء في الوقف؛ لبيان الألف، فإذا وصلت أسقطتها؛ للاستغناء عنها بحرف الوصل.
নুদবাহ (বিলাপ)-এর ক্ষেত্রে সম্বোধনসূচক অব্যয় বিলোপ করা বৈধ নয়, যেমনটি অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈধ; কারণ এটি হলো আওয়ায দীর্ঘায়িত করার স্থান। অধিকন্তু নুদবাহ হলো নিদা (সম্বোধন) অধ্যায়ের একটি শাখা, তাই এতে বিলোপের বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতা পায় না।

সম্বোধনসূচক অব্যয়সমূহের মধ্য থেকে কেবল 'ইয়া' যুক্ত হতে পারে, যেহেতু এটি সম্বোধনসূচক বর্ণসমূহের মূল; অথবা 'ওয়া' যুক্ত হবে, যেহেতু এটি বিশেষভাবে নুদবাহ অধ্যায়ের জন্য নির্দিষ্ট।

নুদবাহ-এর আলিফের পূর্ববর্তী বর্ণটি প্রকাশ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ফাতহাহ (যবর)-এর মাধ্যমে আলিফকে অনুসরণ করবে; কারণ এতে কোনো প্রকার সংশয় বা অস্পষ্টতা তৈরি হয় না। তবে সর্বনামের ক্ষেত্রে এটি আলিফকে অনুসরণ করবে না; কারণ তাতে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গের মধ্যে এবং দ্বিবচন ও বহুবচনের মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হয়।

আপনি বলবেন: 'ওয়া যায়দাহ' (হায় যায়েদ); এখানে আপনি 'ওয়া' যুক্ত করবেন কারণ এটি নুদবাহ-এর জন্য নির্দিষ্ট, এবং আলিফ যুক্ত করবেন কারণ এটি আওয়ায দীর্ঘ করার সাথে সাথে নুদবাহ-এর চিহ্ন। আর বিরামের অবস্থায় আলিফকে স্পষ্ট করার জন্য 'হা' যুক্ত করা হয়; তবে মিলিয়ে পড়ার সময় আপনি তা বিলোপ করবেন, কারণ তখন পরবর্তী বর্ণের সংযোগের ফলে এর আর প্রয়োজন থাকে না।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৪)
وإذا كان المندوب مضافا إلى المتكلم جاز/ 194 فيه وجهان: وازيداه، ووازيدياه.

أما: وازيداه، على أن الأصل: وازيد؛ فلأن الألف تفتح المكسور كما تفتح المضموم. وأما على مذهب من يثبت الياء ساكنة؛ فيجوز فيه وجهان: الحذف، والإثبات.

أما الإثبات فلأنها ردت عند الحاجة إلى حركتها إلى أصلها، وأما الحذف فلالتقاء الساكنين في موضع لا يلبس، وهو موضع استخفاف؛ لذلك جاز في وازيد: وازيداه، لأن المندوب من شأنه أن يشتهر حاله.

ومن أثبت الياء متحركة لم يجز على مذهبه إلا إثباتها في الندبة.
যখন শোকপ্রকাশকৃত ব্যক্তি (মানদুব) বক্তার (মুতাকাল্লিম) দিকে সম্বন্ধিত হয়, তখন তাতে দুটি রূপ বৈধ: 'ওয়াযায়দাহ' এবং 'ওয়াযায়দিয়াহ'।

আর 'ওয়াযায়দাহ'-এর বিষয়টি এই যে, এর মূল রূপ হলো 'ওয়াযায়দি'; কেননা আলিফ জেরযুক্ত বর্ণকে যবর করে দেয়, ঠিক যেভাবে তা পেশযুক্ত বর্ণকে যবর করে দেয়। আর যারা ইয়া-কে সাকিন হিসেবে স্থির রাখেন, তাদের মাযহাব অনুযায়ী এক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতি জায়েয: বিলুপ্তি এবং বহাল রাখা।

বহাল রাখার কারণ হলো, প্রয়োজনে ইয়া-কে তার হারাকাতের আদি রূপের দিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আর বিলুপ্ত করার কারণ হলো এমন এক স্থানে দুটি সাকিন বর্ণের মিলন ঘটেছে যেখানে কোনো প্রকার অস্পষ্টতা তৈরি হয় না এবং এটি উচ্চারণ সহজ করার একটি স্থান; একারণেই 'ওয়াযায়দি'-এর ক্ষেত্রে 'ওয়াযায়দাহ' বলা বৈধ হয়েছে, কারণ শোকপ্রকাশকৃত ব্যক্তির অবস্থা সাধারণত প্রসিদ্ধ হওয়াই সংগত।

আর যারা ইয়া-কে হারাকাতযুক্ত হিসেবে গণ্য করেন, তাদের মতে শোকপ্রকাশের ক্ষেত্রে ইয়া-টিকে বহাল রাখা ব্যতীত অন্য কিছু বৈধ নয়।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৫)
وقال ابن قيس الرقيات:

(تبكيهم دهماء معولة … وتقول سلمى وارزيتيه)

فألحق الهاء في الوقف لبيان الحركة

ويجوز في الندبة: وازيد، ووازيدي، ووازيدي، بفتح الياء، كل ذلك جائز حسن؛ لأن الندبة موضع تفخيم، ومد الصوت.

وتقول: وانقطاع ظهرياه، فتثبت الياء؛ لأنه غير منادي، وإنما هو مضاف إليه،
এবং ইবনে কায়েস আল-রুকাইয়াত বলেছেন:

(দাহমা বিলাপ করতে করতে তাদের জন্য কাঁদছে … এবং সালমা বলছে, হায় আমার বিপদ!)

ফলে তিনি হারাকাত (স্বরধ্বনি) স্পষ্ট করার জন্য ওয়াকফের (বিরতি) সময় ‘হা’ যুক্ত করেছেন।

আর নুদবাহর (শোকপ্রকাশ) ক্ষেত্রে ‘ওয়া জাইদ’, ‘ওয়া জাইদি’ এবং ‘ইয়া’ বর্ণে ফাতহাহ প্রদান করে ‘ওয়া জাইদিয়া’ বলা বৈধ; এর সবই জায়েজ ও উত্তম; কারণ নুদবাহ হলো গুরুত্বারোপ এবং আওয়াযকে দীর্ঘ করার স্থান।

এবং আপনি বলবেন: ‘ওয়া ইন্‌কিতাআ জাহরিয়াহ’ (হায় আমার পিঠ ভেঙে যাওয়া), এতে ‘ইয়া’ স্থির বা বহাল থাকবে; কারণ এটি মুনাদা (আহ্বানকৃত শব্দ) নয়, বরং এটি মুদাফ ইলাইহি (সম্বন্ধপদ)।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৬)
فتثبت فيه الياء كما تثبت في غيره من الكلام.

وتقول: واغلام زيداه، فتحذف التنوين؛ لأن علامة الندبة صارت معاقبة له؛ لأنها على حرف واحد كما أنه على حرف واحد، وهي زيادة في آخر الاسم كما أن التنوين كذلك، مع الاستخفاف الذي فيه.

كما أن التنوين كذلك، مع الاستخفاف الذي فيه.

وتقول: واغلام زيد، فتسقط ألف الندبة كما تسقطها من المندوب إذا قلت: وازيد.

وقال رؤبة.

(فهي ترثى يا أبي وابنيما)
সুতরাং এতে ইয়া স্থির থাকবে যেভাবে কথাবার্তার অন্যান্য ক্ষেত্রে তা স্থির থাকে।

এবং আপনি বলবেন: ওয়া গুলামা যায়দাহ, তখন আপনি তানউইন বিলুপ্ত করবেন; কারণ শোকসূচক চিহ্ন তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে; কারণ এটি একটি বর্ণের ওপর ভিত্তি করে যেমন তানউইনও একটি বর্ণের ওপর ভিত্তি করে। আর এটি বিশেষ্যের শেষে একটি অতিরিক্ত অংশ যেমন তানউইনও তদ্রূপ, সাথে এতে যে লঘুতা রয়েছে।

যেমন তানউইনও তদ্রূপ, সাথে এতে যে লঘুতা রয়েছে।

এবং আপনি বলবেন: ওয়া গুলামা যায়দ, তখন আপনি শোকসূচক আলিফ বিলুপ্ত করবেন যেভাবে আপনি শোক-সম্বোধিত পদ থেকে তা বিলুপ্ত করেন যখন আপনি বলেন: ওয়া যায়দ।

আর রু'বাহ বলেছেন।

(অতঃপর সে বিলাপ করছে: হায় আমার পিতা এবং আমার দুই পুত্র)
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৭)
/فأثبت ياء الإضافة في الندبة، ويجوز

( … يا أبا وابناما)

حكاه سيبويه على أنه مسموع على الوجهين، ولم يجز أبو العباس إلا:

( … يا أبي وابنيما)

لأجل القافية؛ وذلك أن الياء ردف، والميم حرف الروي، والألف وصل، ولا يجوز مع الياء الألف في الردف، ولكن قد يجوز الواو مع الياء.
সুতরাং তিনি নুদবা (শোকসূচক আহ্বান)-তে ইয়া-এ-ইজাফাতকে বহাল রেখেছেন, এবং এটি জায়েজ।

( … হে আমার পিতা এবং হে আমার দুই পুত্র)

সিবওয়াইহ এটি বর্ণনা করেছেন যে এটি উভয় পদ্ধতিতেই শ্রুত, তবে আবুল আব্বাস কেবল এটিই জায়েজ বলেছেন:

( … হে আমার পিতা এবং হে আমার দুই পুত্র)

কাফিয়া বা অন্ত্যমিলের কারণে; আর তা এই জন্য যে ‘ইয়া’ হলো রিদফ, ‘মীম’ হলো রাওয়ী বর্ণ এবং ‘আলিফ’ হলো ওয়াসল। রিদফ-এ ‘ইয়া’-এর সাথে ‘আলিফ’ আসা জায়েজ নয়, তবে ‘ইয়া’-এর সাথে ‘ওয়াও’ আসা জায়েজ হতে পারে।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৮)
وهذا كما قال أبو العباس، إلا أن وجه قول سيبويه على أن الذي روى:

( … وابنيما)

عرف القصيدة، فأنشده على ما توجبه القافية، ومن روى:

( … وابناما)

فإنه تمثل به، ولم يعلم كيف هو في القصيدة؛ لأنه رواه وحده على ما توجبه لغته.

وحكم ياء الإضافة إذا [كان] قبلها ياء ساكنة أن تثبت في الندبة، فتقول: واغلامياه، وواقاضياه؛ لأنها كانت ثابتة قبل الندبة، فجرت على ذلك، وكذلك /194 ب إذا كان قبلها ألف في قولك: وامثناياه، ولم يجز أن تحذف في هذا الموضع؛ لأنها بمنزلتها في غير الندبة، فأما ألف مثنى؛ فيحذف في الندبة؛ لالتقاء الساكينين، ولا يقلب إلى الياء المتحركة؛ لاستثقال ذلك، مع أنه موضع يرتفع فيه الإلباس.
এটি আবু আব্বাসের উক্তির অনুরূপ, তবে সিবওয়াইহ-এর উক্তির অভিমত এই যে, যিনি বর্ণনা করেছেন:

( … এবং আমার দুই পুত্র)

তিনি কবিতাটি চিনতেন, ফলে তিনি অন্ত্যমিলের (কাফিয়া) চাহিদানুযায়ী তা আবৃত্তি করেছেন। আর যিনি বর্ণনা করেছেন:

( … এবং দুই পুত্র)

তিনি এটিকে দৃষ্টান্ত হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং কবিতাটিতে এর অবস্থা কেমন তা জানতেন না; কারণ তিনি তাঁর নিজস্ব ভাষার চাহিদানুযায়ী এটি পৃথকভাবে বর্ণনা করেছেন।

আর সম্বন্ধবাচক ‘ইয়া’ (ইয়াউল ইদাফাহ)-এর বিধান হলো, যখন এর আগে একটি সাকিন ‘ইয়া’ থাকে, তখন শোকসূচক সম্বোধনের (নুদবাহ) ক্ষেত্রে তা বহাল থাকে। তাই আপনি বলবেন: ‘হায় আমার গোলাম!’, এবং ‘হায় আমার বিচারক!’; কারণ নুদবাহ-এর পূর্বে এটি স্থির ছিল, ফলে সেই অনুযায়ীই তা পরিচালিত হয়েছে। একইভাবে /১৯৪ খ যখন আপনার উক্তিতে এর পূর্বে আলিফ থাকে: ‘হায় আমার সামনের দাঁতগুলো!’, তখন এই স্থানে তা বিলুপ্ত করা বৈধ নয়; কারণ এটি নুদবাহ ব্যতীত অন্য অবস্থায় যে অবস্থানে থাকে এখানেও সেই অবস্থানেই থাকে। পক্ষান্তরে দ্বিবচনের আলিফ নুদবাহ-এর ক্ষেত্রে বিলুপ্ত হয়; দুই সাকিন বর্ণ একত্রিত হওয়ার কারণে। আর উচ্চারণের ভারাক্রান্ততার কারণে একে হরকতযুক্ত ‘ইয়া’ বর্ণে রূপান্তরিত করা হয় না, তদুপরি এটি এমন এক স্থান যেখানে অস্পষ্টতা দূর হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৭৯)
‌‌باب ألف الندبة التي تتبع ما قبلها

الغرض فيه:

أن يبين ما يجوز في ألف الندبة التابعة لما قلبها مما لا يجوز؟

مسائل هذا الباب:

ما الذي يجوز في ألف الندبة التابعة لما قبلها؟ وما الذي لا يجوز؟ ولم ذلك.

ولم لا يجوز إلا أن تتبع في المضمر دون المظهر؟ وهل ذلك لما يلزم من الالتباس في المذكر والمؤنث، والتثنية والجمع؟

وما الندبة في: ظهره؟ ولم وجب: واظهرهوه، وفي المؤنث: واظهرهاه؟

وما الندبة إلى: ظهرهم؟ ولم وجب: واظهرهموه، وفي التثنية: واظهرهماه؟ ولم حذفت الألف منه؟ وما قياسه من: وامثناه؟ .

وما الندبة في: غلامك؟ ولم وجب: واغلامكيه، وفي المذكر: واغلامكاه؟
পূর্ববর্তী ধ্বনির অনুগামী নুদবার আলিফ সংক্রান্ত অধ্যায়

এর উদ্দেশ্য:

পূর্ববর্তী ধ্বনির অনুগামী নুদবার আলিফের ক্ষেত্রে যা বৈধ এবং যা বৈধ নয় তা স্পষ্ট করা।

এই অধ্যায়ের মাসআলাসমূহ:

পূর্ববর্তী ধ্বনির অনুগামী নুদবার আলিফের ক্ষেত্রে কোনটি বৈধ? কোনটি বৈধ নয়? এবং কেন তা বৈধ নয়?

প্রকাশ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে না হয়ে কেবল সর্বনামের ক্ষেত্রেই কেন অনুগামী হওয়া আবশ্যক? আর এটি কি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ এবং দ্বিবচন ও বহুবচনের মধ্যে অস্পষ্টতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কারণে?

'জহরুহু' (তার পিঠ) শব্দে নুদবা কীরূপ হবে? কেন 'ওয়া জহরুহুহু' বলা আবশ্যক হলো এবং স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে 'ওয়া জহরুহাহাহ' কেন হলো?

'জহরুহুম' (তাদের পিঠ) শব্দের নুদবা কী? কেন 'ওয়া জহরুহুমুহু' বলা আবশ্যক হলো এবং দ্বিবচনের ক্ষেত্রে কেন 'ওয়া জহরুহুমাহু' হলো? কেন সেখান থেকে আলিফ বিলুপ্ত হলো? আর 'ওয়া মাসনাহু' এর সাথে এর তুলনা কীরূপ?

'গুলামুকি' (তোমার গোলাম - স্ত্রীলিঙ্গ) শব্দে নুদবা কী? কেন 'ওয়া গুলামুকিহি' বলা আবশ্যক হলো এবং পুংলিঙ্গের ক্ষেত্রে কেন 'ওয়া গুলামুকাহ' হলো?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮০)
وما الندبة في: انقطاع ظهره؟ ولم وجب: وانقطاع ظهرهوه، أو واانفطاع ظهرهيه؟

وما الندبة في قولك: أبو عمري؟ ولم وجب/ واأبا عمرياه، على لحاق العلامة في عمرو، مع أن المندوب هو الأب؟ فلم جاز ذلك؟ وهل ذلك؛ لأن المضاف والمضاف إليه بمنزلة شيء واحد، فلم يصح أن تلحق العلامة إلا في آخر الاسم؟ ولم جاز: أبو عمري، على لحاق الياء في عمرو، وإنما المضاف إليك هو الأب؟ وهل ذلك؛ لأنه لما كان عمرو تمام الاسم؛ صار كأنه لك، كما تقول: يا أبا عمري؟

وما في امتناع: هذا أبو النضرك، وهذه ثلاثة الأثوابك، من الدليل على أن الثاني كأنه المضاف إلى المخاطب في الحقيقة؟ وهل ذلك من جهة أنه يعترف به؟ ولو كانت إضافة لفظية؛ لم يتعرف، ولجاز: هذا أبو النضرك، وهذه ثلاثة الأثوابك؟ .
'ইনক্বিতা-আ যাহরিহি' (তার পিঠ ভেঙে যাওয়া) এর ক্ষেত্রে বিলাপসূচক ডাক (নুদবাহ) কী হবে? এবং কেন 'ওয়া-ইনক্বিতা-আ যাহরিহুহু' অথবা 'ওয়া-ইনক্বিতা-আ যাহরিহিহী' হওয়া আবশ্যক হলো?

আপনার উক্তি 'আবু আমরি' (আমরের পিতা)-এর ক্ষেত্রে বিলাপসূচক ডাক কী হবে? আর কেন 'ওয়া-আবা আমরিয়াহ' বলা আবশ্যক হলো, যেখানে বিলাপের চিহ্নটি 'আমর' শব্দের শেষে যুক্ত হয়েছে, অথচ বিলাপের মূল উদ্দিষ্ট বিষয় হলো 'পিতা'? কেন এটি বৈধ হলো? এটি কি এই কারণে যে, মুদাফ (সম্বন্ধিত শব্দ) এবং মুদাফ ইলাইহি (যার সাথে সম্বন্ধ করা হয়েছে) উভয়ে মিলে একটি একক বিষয়ের স্থলাভিষিক্ত হয়, ফলে নামের শেষ ভাগ ব্যতীত অন্য কোথাও চিহ্ন যুক্ত করা সঠিক নয়? আর কেন 'আবু আমরি' (আমার আমরের পিতা) বলা বৈধ হলো, যেখানে 'ইয়া' (আমার) সর্বনামটি 'আমর' শব্দের সাথে যুক্ত হয়েছে, অথচ আপনার সাথে সম্বন্ধযুক্ত পদটি হলো 'পিতা'? এটি কি এজন্য যে, 'আমর' শব্দটি যখন পূর্ণ নাম হিসেবে গণ্য হয়েছে, তখন তা যেন আপনারই নিজস্ব হয়ে গিয়েছে, যেমনটি আপনি বলেন: হে আমার আমরের পিতা?

'হাযা আবু আন-নাদরিক' (এই তোমার আবু আন-নাদর) এবং 'হাযিহি সালাসাতুল আসওয়াবিক' (এই তোমার তিনটি কাপড়)—এই প্রয়োগগুলো নিষিদ্ধ হওয়ার মধ্যে এমন কী প্রমাণ রয়েছে যা নির্দেশ করে যে, দ্বিতীয় পদটিই প্রকৃতপক্ষে সম্বোধনকৃত ব্যক্তির দিকে সম্বন্ধযুক্ত? এটি কি এজন্য যে, এর মাধ্যমে তা নির্দিষ্টতা লাভ করে? যদি এটি কেবল শব্দগত সম্বন্ধ (ইদাফাহ লাফজিয়্যাহ) হতো, তবে তা নির্দিষ্ট হতো না এবং 'হাযা আবু আন-নাদরিক' ও 'হাযিহি সালাসাতুল আসওয়াবিক' বলা বৈধ হতো?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮১)
‌‌باب ما يمتنع فيه ألف الندبة

الغرض فيه:

أن يبين ما يمتنع فيه ألف الندبة مما لا يمتنع.

مسائل هذا الباب:

ما الذي يمتنع فيه ألف الندبة؟ وما الذي لا يمتنع؟ ولم / 195 أذلك؟

ولم امتنعت من الصفة، ولم تمتنع من المضاف إليه؟

ولم جاز: وازيد الظريف، والظريف، بالرفع، والنصب مع لحاق ألف الندبة الموصوف دون الصفة؟ . وهل ذلك لأن (الظريف) ليس بمنادي، ولا داخل في اسم المنادي على معاقبة حرف منه، فيجب له مثل حكمه؟
পরিচ্ছেদ: যে ক্ষেত্রে আলিফে নুদবাহ (শোকসূচক আলিফ) ব্যবহার করা নিষিদ্ধ

এর উদ্দেশ্য:

যে বিষয়গুলোতে আলিফে নুদবাহ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ এবং যেগুলোতে নিষিদ্ধ নয় তা স্পষ্ট করা।

এই পরিচ্ছেদের মাসআলাসমূহ:

কোন কোন ক্ষেত্রে আলিফে নুদবাহ নিষিদ্ধ? কোন ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ নয়? এবং কেন / ১৯৫ সেটি এমন হয়েছে?

কেন এটি সিফাত (গুণবাচক শব্দ) থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, অথচ মুদাফ ইলাইহি (সম্বন্ধপদ) থেকে নিষিদ্ধ করা হয়নি?

কেন 'ওয়া যায়দাহুয যারীফু' এবং 'আয যারীফা' (রফ্ এবং নাসব উভয় অবস্থায়) বলা বৈধ হয়েছে, যেখানে আলিফে নুদবাহ মাওসুফের (যাকে গুণান্বিত করা হয়েছে) শেষে যুক্ত হয়েছে কিন্তু সিফাতের শেষে যুক্ত হয়নি? এবং এটি কি এই কারণে যে, '(আয-যারীফ)' শব্দটি মুনাদা (আহ্বানকৃত শব্দ) নয় এবং এটি মুনাদার নামের এমন কোনো অংশও নয় যা কোনো অক্ষরের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে এসেছে, যাতে করে তার ওপরও একই বিধান প্রযোজ্য হবে?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮২)
وهل يلزم من أحلق الصفة علامة الندبة أن يقول: وازيدا أنت الفارس البطلاه؟ وهل وجه هذا الإلزام أن الثاني هو الأول مع أنه غير منادي، ولا داخل في اسم المنادي؟ وهلا انفصل ذلك من جهة أن الصفة والموصوف بمنزلة اسم

আর যে ব্যক্তি গুণের শেষে বিলাপসূচক চিহ্ন যুক্ত করেন, তার জন্য কি এমন বলা আবশ্যক: "হায় যায়দ! আপনি বীর অশ্বারোহী-আহ"? আর এই আবশ্যকতা কি এই কারণে যে, দ্বিতীয় বিষয়টি প্রথমটির অনুরূপ, যদিও তা সরাসরি সম্বোধিত ব্যক্তি নয় এবং সম্বোধিত নামের অন্তর্ভুক্তও নয়? আর এটি কি এই দিক থেকে পৃথক করা যায় না যে, গুণ এবং গুণান্বিত সত্তা একটি নামের স্থলাভিষিক্ত?

(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৩)
واحد، وليس كذلك الجملة مع الاسم المنادى؟ وهل يرد إلى الإلزام أن الثاني هو الأول، وإن انفصل من جهة أنه في الجملة، كما أن الثاني في الصفة هو الأول مع جواز الانفصال بالخبر، فجواز الانفصال بالخبر يقتضي المنع من لحاق العلامة كما أن الانفصال بالاسم المخبر عنه يقتضي المنع من لحاق العلامة، وإن كان أحدهما أوكد من الآخر كما يكون ذم الظالم بالقتل أوكد من ذم الظالم بالغضب، وأحدهما لازم من الآخر، لأن المقتضي فيهما واحد، فمن أعطى ذم الظالم بالفتل؛ لزمه ذم الظالم بغضب المال؟

وما الندبة في: أمير المؤمنين؟ ولم جاز: واأمير المؤمنيناه، وفي (عبد القيس) واعبد قيساه، وواعبد القيساه؟ وما في أنه لا يجوز (عبد) أو (أمير) مع إرادة الإضافة، ويجوز (زيد) مع إرادة الصفة، وإن لم تذكر؛ من الدليل؟ وهل ذلك لأنه إذا نون الأول بطلت نية الإضافة، وليس كذلك في الصفة، فهذا دليل على
একক, এবং সম্বোধিত বিশেষ্যের (মুনাদা) সাথে বাক্যটির বিষয়টি কি ভিন্ন নয়? আর এ বিষয়ে কি এই বাধ্যবাধকতা ফিরে আসে যে, দ্বিতীয়টিই প্রথমটি, যদিও তা বাক্যের অংশ হওয়ার দিক থেকে পৃথক হয়ে যায়, যেমনটি গুণের (সিফাত) ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি প্রথমটিই হয়ে থাকে খবরে (সংবাদে) পৃথক হওয়ার অবকাশ থাকা সত্ত্বেও? সুতরাং খবরের মাধ্যমে পৃথক হওয়ার বৈধতা চিহ্ন যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকাকে আবশ্যক করে, যেমনটি যার সম্পর্কে খবর দেওয়া হচ্ছে সেই বিশেষ্যের মাধ্যমে পৃথক হওয়া চিহ্ন যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকাকে আবশ্যক করে। যদিও তাদের একটি অন্যটির তুলনায় অধিক জোরালো হয়, যেমন হত্যার মাধ্যমে জালিমের নিন্দা করা রাগের মাধ্যমে জালিমের নিন্দা করার চেয়ে অধিক জোরালো হয়ে থাকে। আর তাদের একটি অন্যটির জন্য আবশ্যক, কারণ উভয়ের ক্ষেত্রে দাবি বা কারণ একই। সুতরাং যে ব্যক্তি হত্যার মাধ্যমে জালিমের নিন্দা করার বিষয়টি প্রদান করল, তার জন্য কি সম্পদ আত্মসাতের কারণে জালিমের নিন্দা করা আবশ্যক হবে না?

আর 'আমীরুল মুমিনীন'-এর ক্ষেত্রে বিলাপসূচক সম্বোধন (নুদবাহ) কী? কেন 'ওয়া-আমীরাল মুমিনীনা' বলা জায়েজ হলো? আর 'আবদু কায়স'-এর ক্ষেত্রে কেন 'ওয়া-আবদা কায়সাহ' এবং 'ওয়া-আবদাল কায়সাহ' বলা জায়েজ হলো? আর ইজাফাত (সম্বন্ধ) করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও 'আবদ' বা 'আমীর' ব্যবহার করা জায়েজ না হওয়া এবং সিফাত বা গুণের ইচ্ছা থাকলে 'যায়েদ' ব্যবহার করা জায়েজ হওয়া (যদিও তা উল্লেখ করা না হয়)—এর সপক্ষে দলিল কী? এটা কি এ কারণে যে, প্রথম শব্দটিতে তানভীন দিলে ইজাফাতের উদ্দেশ্য বাতিল হয়ে যায়, যা সিফাতের ক্ষেত্রে হয় না? সুতরাং এটি প্রমাণ করে যে-
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৪)
المعاقبة لما هو حرف من الاسم، فألف الندبة لآخر الاسم، وآخر الاسم المضاف إليه؟

وما وجه قول يونس: وازيد الظريفاه؟ وهل ذلك لأنه رأى الصفة والموصوف بمنزلة اسم واحد؟

ولم زعم الخليل أن هذا خطأ؟ وهل ذلك لأنه ليس بآخر الاسم، وإنما تلحق ألف الندبة في آخر الاسم، وإنما تشبه آخر الاسم من وجه لا يقوي به الحكم كحكم آخر الاسم كما يقوي المضاف إليه؟

وما الندبة في: قنسرين: ؟ ولم وجب فيه: واقنشروناه؟

وما الندبة في رجل اسمه: اثنا عشر؟ ولم وجب فيه: واثنا عشراه؟ وهل
বিশেষ্যের বর্ণের ক্ষেত্রে স্থলাভিষিক্ত হওয়া; সুতরাং নুদবার আলিফ কি বিশেষ্যের শেষে যুক্ত হয়, নাকি মুদাফ ইলাইহি হওয়া বিশেষ্যের শেষেও যুক্ত হয়?

ইউনুসের উক্তি: 'ওয়া যায়দা-য-যরীফাহ' (হায় সুন্দর যায়দ!) - এর ভিত্তি কী? এটি কি এই কারণে যে, তিনি সিফাত ও মাওসুফকে একটি একক বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত মনে করেছেন?

খলীল কেন একে ভুল বলে দাবি করেছেন? এটি কি এই কারণে যে, এটি বিশেষ্যের শেষ অংশ নয়? আর নুদবার আলিফ তো কেবল বিশেষ্যের শেষেই যুক্ত হয়; আর এটি কেবল একটি দিক থেকে বিশেষ্যের শেষের সদৃশ হয় যা দ্বারা বিধানটি বিশেষ্যের শেষের বিধানের ন্যায় শক্তিশালী হয় না, যেমনটি মুদাফ ইলাইহির ক্ষেত্রে শক্তিশালী হয়?

'কিননাসরীন' শব্দের নুদবা কী হবে? এবং কেন এতে 'ওয়া কিননাসরূনাহ' বলা আবশ্যক হয়েছে?

'ইছনা আশারা' (বারো) নামক ব্যক্তির নুদবা কী হবে? কেন এতে 'ওয়া ইছনা আশারাহ' বলা আবশ্যক হয়েছে? এবং এটি কি...
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৫)
ذلك واجب مما هو أوكد في المضاف إليه؛ لأنه أشد اتصالا بالأول من المضاف إليه؟

وما الندبة في رجل سمي: ضربوا؟ /195 ب ولم وجب فيه: واضربوه، وفي (ضربا): واضرباه، وفي (غلامهم) إذا سمي به: واغلامهموه وفي (غلامهما): واغلامهماه؟

فلم وجب أن تكون ألف الندبة تابعة في التسمية كما تتبع في غيره؟ وهل ذلك ليظهر ما سمي به من تثنية، أو جمع، أو مذكر، أو مؤنث؟
এটি এমন একটি বিষয় যা মুদাফ ইলাইহির ক্ষেত্রে অধিকতর সুনিশ্চিত; কারণ এটি মুদাফ ইলাইহির তুলনায় প্রথম পদের সাথে অধিকতর নিবিড়ভাবে যুক্ত?

আর যে ব্যক্তির নাম 'দারাবু' রাখা হয়েছে, তার ক্ষেত্রে নুদবা (বিলাপধ্বনি) কী হবে? /১৯৫ খ। আর কেন সেখানে 'ওয়া-দারাবুহু' বলা আবশ্যক হলো, এবং 'দারাবা' নামের ক্ষেত্রে 'ওয়া-দারাবাহ', এবং যখন 'গুলামুহুম' নাম রাখা হয় তখন 'ওয়া-গুলামুহুমুহ', আর 'গুলামুহুমা' এর ক্ষেত্রে 'ওয়া-গুলামুহুমাহ' বলা কেন আবশ্যক হলো?

কেন নামকরণের ক্ষেত্রে নুদবার আলিফকে পূর্ববর্তী শব্দের অনুসারী হওয়া আবশ্যক করা হলো, যেভাবে এটি অন্যান্য ক্ষেত্রে অনুসারী হয়ে থাকে? আর এটি কি এজন্য যাতে যার নামকরণ করা হয়েছে তার দ্বিবচন, বহুবচন, পুংলিঙ্গ অথবা স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া স্পষ্ট হয়ে ওঠে?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৬)
‌‌الجواب عن باب ألف الندبة التي تتبع ما قبلها:

الذي يجوز في ألف الندبة أن تتبع حركة المضمر؛ للفرق بين المذكر والمؤنث، والتثنية والجمع، ولا يجوز أن تتبع حركة المظهر؛ لأن المظهر بالبيان الذي فيه من جهة ظهوره لا يقع فيه التباس؛ لقوة بيانه.

والندبة في (ظهره) واظهرهوه، وفي المؤنث: واظهرهاه، وفي (ظهرهم): واظهرهموه، فيمن قال: رأيت ظهرهم قبل، ومن قال: رأيت ظهرهم قبل؛ لأنك ترد الضمة كما تردها في: رأيت ظهرهم اليوم.

وتقول في التثنية: واظهرهماه، فتحذف الألف كما تحذفها من: وامثناه؛
‌শোকসূচক আলিফ (আলিফ আল-নুদ্-বা) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ যা তার পূর্ববর্তী হরকতের অনুসারী হয়—তার উত্তর:

শোকসূচক আলিফের ক্ষেত্রে নিয়ম হলো এটি সর্বনামের হরকতকে অনুসরণ করবে; যেন পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ এবং দ্বিবচন ও বহুবচনের মধ্যে পার্থক্য করা যায়। তবে এটি প্রকাশ্য বিশেষ্যের (মাজহার) হরকতকে অনুসরণ করা বৈধ নয়; কারণ প্রকাশ্য বিশেষ্য তার প্রকাশমান হওয়ার কারণে যে স্পষ্টতা রাখে, তাতে কোনো প্রকার অস্পষ্টতা তৈরি হয় না; তার বর্ণনার শক্তির কারণে।

আর ‘যহরাহু’ (তার পিঠ) শব্দের শোকসূচক সম্বোধন হলো ‘ওয়াযহরাহুওয়াহ’, এবং স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে হবে ‘ওয়াযহরাহাহ’। আর ‘যহরাহুম’ (তাদের পিঠ) শব্দের ক্ষেত্রে শোকসূচক রূপ হবে ‘ওয়াযহরাহুমুওয়াহ’—সেই ব্যক্তির নিকট যে বলে: ‘রাইতু যহরাহুমু ক্ববলা’ (আমি ইতিপূর্বে তাদের পিঠ দেখেছি), এবং যে বলে: ‘রাইতু যহরাহুম ক্ববলা’; কারণ আপনি এখানে দম্মাহ (পেশ) ফিরিয়ে আনবেন যেমনটি আপনি ‘রাইতু যহরাহুমুল ইয়াওমা’ (আমি আজ তাদের পিঠ দেখেছি) বাক্যে ফিরিয়ে আনেন।

আর আপনি দ্বিবচনের ক্ষেত্রে বলবেন: ‘ওয়াযহরাহুমাহ’; এখানে আপনি আলিফটি বিলুপ্ত করবেন যেভাবে আপনি ‘ওয়ামুসন্নাহ’ থেকে আলিফ বিলুপ্ত করেন;
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৭)
للمعاقبة مع [التقاء] الساكنين.

والندبة في (غلامك) للمؤنث: واغلامكيه، وفي المذكر/: واغلامكاه، ز

والندبر في (انقطاع ظهره): وا انقطاع ظهرهوه، ووا انقطاع ظهرهيه، على المذهبين في: مررت بظهره قبل، و: مرت بظهره قبل.

والندبة في (أبي عمري): وا أبا عمرياه، على لحاق العلامة في (عمري)، وإن كان المندوب هو الأول؛ لأن المضاف إليه داخل في الاسم الأول، ولا يجوز أن يفصل بألف الندبة كما لا يفصل بالظرف، والخبر، وكذلك تقول: يا أبا عمري، فتلحق الياء في: عمرو، والمضاف في المعنى هو الأول، وفي امتناع: هذا أبو النضرك، وهذه ثلاثة الأثوابك، دليل على أن الثاني كأنه المضاف إلى المخاطب في
দুই সাকিন বা স্থির বর্ণের [একত্রিত হওয়া] তথা ইলতিকায়ে সাকিনাইনের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমের জন্য।

স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে ‘গুলামাকি’ (তোমার দাস) শব্দের নুদবাহ্ বা বিলাপসূচক ডাক হবে: ‘ওয়া গুলামাকিহ্’, এবং পুংলিঙ্গের ক্ষেত্রে: ‘ওয়া গুলামাকাহ্’।

‘ইনকিতাউ জাহরিহি’ (তার পিঠ ভেঙে যাওয়া) এর নুদবাহ্ হবে: ‘ওয়া ইনকিতাআ জাহরাহূহ্’ এবং ‘ওয়া ইনকিতাআ জাহরাহীহ্’। এটি ‘মারারতু বি-জাহরিহি কব্লু’ এবং ‘মারারতু বি-জাহরিহু কব্লু’ সংক্রান্ত দুটি মতের ওপর ভিত্তি করে।

‘আবি আমরি’ এর নুদবাহ্ হলো ‘ওয়া আবা আমরিয়াহ্’। এখানে চিহ্নটি ‘আমরি’ শব্দের শেষে যুক্ত হয়েছে, যদিও নুদবাহ্-এর লক্ষ্যবস্তু হলো প্রথম শব্দটি। কারণ মোদাফ ইলাইহি প্রথম বিশেষ্যের (ইসম) অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। আর নুদবাহ্-এর আলিফ দ্বারা এ দুটির মাঝে বিচ্ছেদ ঘটানো জায়েয নয়, যেমনটি জরফ বা খবরের মাধ্যমেও বিচ্ছেদ ঘটানো সম্ভব নয়। অনুরূপভাবে আপনি বলবেন: ‘ইয়া আবা আমরি’। এখানে ‘ইয়া’ অক্ষরটি ‘আমর’ এর সাথে যুক্ত হয়েছে, যদিও অর্থের বিচারে প্রথম শব্দটিই মোদাফ। আর ‘হাযা আবু আন-নাদরিক’ এবং ‘হাযিহি সালাসাতু আল-আসবাবিক’—এরূপ বলা নিষিদ্ধ হওয়া একথার প্রমাণ যে, দ্বিতীয় শব্দটিই যেন সম্বোধনকৃত ব্যক্তির দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৮)
الحقيقية من جهة أنه يتعرف به، إذا لو لم يتعرف به؛ لجازت الألف واللام، وليست إضافة لفظية؛ لأنها لو كانت لفظية؛ لاجتمعت مع الألف واللام كما تجتمع في: الحسن والوجه، والضارب الرجل.
এটি প্রকৃত (ইদাফাত) এ দিক থেকে যে, এর মাধ্যমে এটি পরিচিতি লাভ করে; কেননা যদি এর মাধ্যমে এটি পরিচিতি লাভ না করত, তবে আলিফ ও লাম (সংযুক্ত হওয়া) বৈধ হতো। আর এটি শাব্দিক সম্বন্ধ (ইদাফাতে লাফযী) নয়; কারণ যদি এটি শাব্দিক হতো, তবে তা আলিফ ও লামের সাথে একত্রিত হতো, যেমনটি ‘আল-হাসানু ওয়াল ওয়াজহু’ এবং ‘আদ-দারিবুর রাজুলু’-এর ক্ষেত্রে একত্রিত হয়।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৮৯)
‌‌الجواب عن باب ما يمتنع فيه ألف الندبة؟

الذي يجوز فيه امتناع ألف الندبة من كل منفصل من الأول بما يصلح أن يقع بينه وبينه من ظرف، أو خبر، فلا يلحق الصفة لهذه العلة، ولا ما الثاني فيه هو الأول إذا بني على مخبر عنه.

ولا يمتنع من المضاف إليه، ومن المركب؛ لأنه لا يصلح أن ينفصل بظرف، أو خبر.

وتقول: وازيدا الظريف، والظريف، فتلحق ألف الندبة الاسم، ولا تلحقها الصفة، وتجري الصفة على حكم اللفظ- إن شئت- أو /196 أالموضع؛ لأن
নুদ্বাহ-এর আলিফ (আক্ষেপসূচক আলিফ) যেখানে নিষিদ্ধ হয় সেই অধ্যায়ের উত্তর?

যেসব ক্ষেত্রে নুদ্বাহ-এর আলিফ নিষিদ্ধ হওয়া জায়েয, তা হলো এমন প্রতিটি শব্দ যা প্রথম অংশ থেকে এমন কিছুর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হতে পারে যা তাদের উভয়ের মাঝখানে আসার উপযোগিতা রাখে, যেমন কোনো যরফ (ক্রিয়া বিশেষণ) অথবা খবর (বিধেয়)। সুতরাং এই কারণে সিফাত (গুণবাচক শব্দ) এর সাথে এটি যুক্ত হয় না, আর এমন ক্ষেত্রেও নয় যেখানে দ্বিতীয় অংশটিই মূলত প্রথম অংশ, যখন তা কোনো সংবাদদাতার খবরের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়।

এটি মুদাফ ইলায়হি (সম্বন্ধ পদ) এবং মুরাক্কাব (যৌগিক শব্দ) এর ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ হয় না; কারণ যরফ বা খবর দ্বারা এগুলো বিচ্ছিন্ন হওয়া সম্ভব নয়।

আপনি বলবেন: "ওয়া যায়দা আয-যরীফ" এবং "আয-যরীফ", এখানে নুদ্বাহ-এর আলিফটি বিশেষ্যের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু গুণের সাথে যুক্ত হয় না। আর সিফাত বা গুণবাচক শব্দটি শব্দের (লফয) বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়—আপনি চাইলে—অথবা স্থানের (মাওযি‘) বিধান অনুযায়ী; কারণ
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৯০)
اللفظ في حكم المضموم، وإن انفتح لألف الندبة.

ويلزم من ألحق الصفة علامة الندبة أن يقول: وازيدا أنت الفارس البطلاه؛ لأنه ألحق العلامة الثاني الذي هو الأول مع جواز الانفصال بغيره من الكلام، ولا يعصم من ذلك أن الصفة والموصوف بمنزلة اسم واحد، فأمرها أوكد؛ لأن العلة الصحيحة من جواز الانفصال بالظرف والخبر تقتضي استواء الحكم فيهما في الجواز والامتناع، وإن كان أحدهما أوكد.

والندبة في (أمير المؤمنين): وا أميرا المؤمنيناه، وفي (عبد القيس): واعبد القيساه، وإذا امتنع (عبد) أو (أمير) مع إرادة الإضافة، ولم يمتنع مع إرادة الصفة؛ ففي ذلك دليل على دخول المضاف إليه في الاسم المضاف الأول من وجهين:

أحدهما: أن ذكر التنوين قد أبطل الإضافة؛ لبطلان المعاقبة.
শব্দটি দম্মাহর (পেশ) হুকুমে গণ্য, যদিও নুদবাহর আলিফের কারণে তা ফাতহা (যবর) প্রাপ্ত হয়।

যিনি সিফাতের (গুণ) সাথে নুদবাহর চিহ্ন যুক্ত করেন, তাঁর জন্য এটি বলা আবশ্যক হয়ে পড়ে যে: "ওয়া যায়দা আন্তাল ফারিসুল বাতালাহ"; কারণ তিনি দ্বিতীয়টির সাথে চিহ্নটি যুক্ত করেছেন যা মূলত প্রথমটির স্থলাভিষিক্ত, যেখানে অন্য কোনো কালাম বা কথার মাধ্যমে বিচ্ছেদ ঘটানো বৈধ ছিল। সিফাত ও মাওসূফ (গুণ ও গুণান্বিত) এক নামের মর্যাদায় হওয়া একে এ থেকে রক্ষা করতে পারে না, বরং এর বিষয়টি আরও তাকিদপূর্ণ বা সুদৃঢ় হয়; কারণ যরফ (অধিকরণ) ও খবর দ্বারা বিচ্ছেদ বৈধ হওয়ার সঠিক কারণটি বৈধতা ও অবৈধতার ক্ষেত্রে উভয়ের বিধানের সমতা দাবি করে, যদিও তাদের একটি অধিকতর তাকিদপূর্ণ বা সুদৃঢ়।

আর "আমীরুল মুমিনীন"-এর ক্ষেত্রে নুদবাহ হলো: "ওয়া আমীরাল মুমিনীনাহ", এবং "আবদ কায়স"-এর ক্ষেত্রে: "ওয়া আবদ কায়সাহ"। যখন ইদাফাতের (সম্বন্ধ) সংকল্পসহ "আবদ" বা "আমীর" ব্যবহার করা নিষিদ্ধ হয়, অথচ সিফাতের সংকল্পে তা নিষিদ্ধ হয় না; তখন এটি দু’টি দিক থেকে প্রথম মুদাফকৃত ইসম বা নামের মধ্যে মুদাফ ইলাইহি-র প্রবেশের দলিল পেশ করে:

তার একটি হলো: তানভীনের উল্লেখ ইদাফাতকে বাতিল করে দিয়েছে; কারণ পর্যায়ক্রমিকতা বা মুআকাবাত বাতিল হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৯১)
والوجه الآخر: أن فيه الإيذان بأنه لا يذكر المضاف إليه، فلو ذكر؛ لناقض ذلك، وليس كذلك الصفة، فألف الندبة لآخر الاسم، وآخر الاسم المضاف إليه بمعاقبته حرفا منه يمنع أن يفصل عنه.

ويونس يقول: وازيد الظريفاه، فليحص ألف الندبة في الصفة، وهو خطأ عند الخليل، لما بينا، ووجه ذلك أن الصفة والموصوف بمنزلة اسم واحد، إلا أنه- وإن كان هكذا- فإنه مما لا يمنع ألف الندبة أن تلحق الأول، كما لا يمنع من الفصل بالظرف، والخبر.
অন্য দিকটি হলো: এতে এই ইঙ্গিত রয়েছে যে, মুদাফ ইলাইহি (সম্বন্ধপদ) উল্লেখ করা হবে না। যদি তা উল্লেখ করা হতো, তবে তা এর পরিপন্থী হতো; কিন্তু সিফাতের (গুণবাচক শব্দ) ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়। সুতরাং 'নুদবা' এর আলিফ শব্দের শেষে যুক্ত হয়, আর মুদাফ ইলাইহি-যুক্ত শব্দের শেষ অংশটি এর একটি অক্ষরের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে প্রতিরোধ করে।

ইউনুস বলেন: 'ওয়া যায়দা আয-যারিফাহ', অর্থাৎ তিনি সিফাতের সাথে নুদবা-র আলিফকে যুক্ত করেন। আমরা যা ব্যাখ্যা করেছি সেই অনুযায়ী খলিলের নিকট এটি একটি ভুল। এর কারণ হলো, সিফাত ও মাওসুফ একটি একক শব্দের ন্যায়; তবে বিষয়টি এমন হওয়া সত্ত্বেও, এটি নুদবা-র আলিফকে প্রথম শব্দের সাথে যুক্ত হতে বাধা দেয় না, যেমনটি যরফ ও খবরের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে বাধা দেয় না।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৯২)
والندبة في (قنسرين): واقنسروناه، وفي رجل اسمه [اثنا عشر: وا] اثنا عشراه، وهو في هذا أوكد من المضاف إليه؛ لأنه- مع معاقبته التنوين- مبني معه، حتى يكون كبعض حروفه.

والندبة في رجل يسمى (ضربوا): واضربوه، وفي (ضربا): واضرباه، وفي (غلامهم) - إذا سمي به-: واغلامهموم، وفي (غلامهما): واغلامهماه، تتبع ألف الندبة في التسمية كما تتبع في غيرها؛ ليظهر ما سمي به من تثنية، أو جمع، أو مذكر، أو مؤنث.
কিন্নাসরীন (স্থানের নাম)-এর নুদবাহ (বিলাপসূচক আহ্বান) হলো: ওয়াকিন্নাসরুনাহ; আর যদি কারো নাম ইছনা আশারা (বারো) হয়, তবে তার নুদবাহ হবে: ওয়াইছনা আশারাহ। এটি এই ক্ষেত্রে মুদাফ ইলাইহির (সম্বন্ধ পদ) চেয়েও অধিক সুদৃঢ়; কারণ এটি তানভীনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পাশাপাশি এর সাথে এমনভাবে মাবনী (অপরিবর্তনীয় রূপে গঠিত) যে, এটি যেন তার কোনো একটি বর্ণের মতো হয়ে গেছে।

আর যে ব্যক্তির নাম দারাবূ রাখা হয়েছে তার নুদবাহ হবে: ওয়াদারাবূ-হ; দারাবা নামের ক্ষেত্রে হবে: ওয়াদারাবা-হ; এবং যদি কারো নাম গুলামুহুম রাখা হয় তবে তার নুদবাহ হবে: ওয়াকুলামুহুমূম; আর গুলামুহূমা নামের ক্ষেত্রে হবে: ওয়াকুলামুহূমাহ। নামকরণের ক্ষেত্রে নুদবাহ-র আলিফ অন্যান্য ক্ষেত্রের মতোই পূর্ববর্তী অবস্থাকে অনুসরণ করে; যাতে নামকরণে ব্যবহৃত দ্বিবচন, বহুবচন, পুংলিঙ্গ কিংবা স্ত্রীলিঙ্গ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৯৩)
‌‌باب ما تمتنع فيه الندبة

الغرض فيه:

أن يبين ما يمتنع فيه الندبة مما لا يمتنع.

مسائل هذا الباب:

ما الذي يمتنع فيه الندبة؟ وما الذي لا يمتنع؟ ولم ذلك.

ولم امتنعت من المبهم الذي هو معرفة؟ وهلا كان التعريف الذي فيه قد أظهره إظهار العلم الذي تجوز فيه الندبة؟ ولم جاز أن يجتمع الإبهام مع التعريف؟ وهل الإبهام فيه من جهة/ 196 ب أنه لا يقوي بنفسه في البيان عن معناه، والتعريف من جهة ما صحبه من الإشارة إلى الشيء بعينه؟

ولم لا يجوز: واهذاه، إذا كان (هذا) معرفة؟ وهل ذلك لأنه ليس فيه بيان عن معنى يعذر من أجله المتفجع عليه؟

ولم جاز: وازيداه، مع أنه ليس فيه معنى من معاني الصفات يعذر لأجله بالتفجع عليه؟ وهل ذلك لأن العلم يدل على معاني الصفات كما يدل: محمد
নুদবাহ (বিলাপসূচক সম্বোধন) যেখানে নিষিদ্ধ সেই প্রসঙ্গের পরিচ্ছেদ

এর উদ্দেশ্য:

নুদবাহ (বিলাপসূচক সম্বোধন) কোথায় নিষিদ্ধ এবং কোথায় নিষিদ্ধ নয়, তা স্পষ্ট করা।

এই পরিচ্ছেদের মাসআলাসমূহ:

কোন ক্ষেত্রে নুদবাহ নিষিদ্ধ? আর কোন ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ নয়? এবং কেন তা নিষিদ্ধ?

ইসম মুবহাম (অস্পষ্ট বিশেষ্য) যা মারেফা (নির্দিষ্ট), তাতে কেন নুদবাহ নিষিদ্ধ হলো? আর এর মধ্যে বিদ্যমান নির্দিষ্টতা কেন তাকে ইসম আল্লাম-এর (নামবাচক বিশেষ্য) মতো সুস্পষ্ট করল না, যে ইসম আল্লাম-এ নুদবাহ জায়েয? এবং অস্পষ্টতা ও নির্দিষ্টতা একত্রে থাকা কেন বৈধ হলো? আর এতে অস্পষ্টতা কি এই দিক থেকে—/১৯৬ খ—যে এটি তার অর্থের বর্ণনায় নিজে শক্তিশালী নয়, আর নির্দিষ্টতা কি এই দিক থেকে যে এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর দিকে সরাসরি ইঙ্গিত করার সাথে সংশ্লিষ্ট?

‘ওয়া হাজাহ’ (হায় এই ব্যক্তি!) বলা কেন জায়েয নয়, যখন ‘হাজা’ (এই) একটি মারেফা (নির্দিষ্ট বিশেষ্য)? আর এটি কি এই কারণে যে, এতে এমন কোনো অর্থের বর্ণনা নেই যার ভিত্তিতে শোকাতুর ব্যক্তির শোক প্রকাশ করা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে?

আর ‘ওয়া যায়দাহ’ (হায় যায়েদ!) বলা কেন জায়েয হলো, যদিও এর মধ্যে গুণবাচক সিফাতের কোনো অর্থ নেই যার ভিত্তিতে তার জন্য শোক প্রকাশ করা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে? আর এটি কি এই কারণে যে, ইসম আল্লাম গুণবাচক অর্থের প্রতি নির্দেশ করে, যেমনটি ‘মুহাম্মদ’ নামটি নির্দেশ করে?
(খণ্ড: ১) শারহু কিতাবি সীবওয়াইহি লির রুমমানি - জুজউন মিনহু (পৃষ্ঠা: ১৯৪)
ابن عبد الله، على معنى النبي، وكما يدل: موسى بن عمران، على معنى: رسول الله؟

ولم لا يجوز: وارجلا ظريفاً، مع أن فيه معنى يعذر بالتفجع عليه، وإن كان؟ وهل ذلك لأنه لا يعذر بالتفجع على ما هو نكرة لم يوجه التفجع إليه بعينه فيما يدل عليه اسمه؛ لأنه خلطه بغيره يضعف التفجع عليه، حتى لا يعتد به، واختصاصه بعينه يقوي التفجع عليه، كما أن ذم إنسان بطريق النكرة على أنه واحد من جملة الناس يضعف الذم حتى يصير بمنزلة ما لم يقع؛ إذ لا يلحقه بذلك غم، ولا عيب يوجه إليه، ولا معنى يصرف الوجوه عنه، فهو بمنزلة ما لم يقع؟

ولم لابد في كل ندبة من شيئين: تعريف للشيء بعينه، ومعنى يحسن أن ينفجع لأجله في دلالة اسمه؟

وهل الندبة إظهار مصيبة قد وقع صاحبها في عظيم، وأصابه جسيم؟

وهل يجوز: وامن في الداراه؟ ولم لا يجوز هذا كما جاز: وامن حفر زمزماه؟
ইবনে আব্দুল্লাহ, নবী অর্থে, এবং যেভাবে নির্দেশ করে: মূসা ইবনে ইমরান, অর্থ: আল্লাহর রাসূল?

কেন "হায় একজন মার্জিত ব্যক্তি" বলা জায়েয নয়, যদিও এতে এমন অর্থ রয়েছে যা তার জন্য বিলাপ করার কারণ হতে পারে? আর এটি কি এই জন্য যে, কোনো অনির্দিষ্ট (নাকিরাহ) সত্তার ওপর বিলাপ করা সংগত নয় যার প্রতি তার নামের মাধ্যমে নির্দিষ্টভাবে বিলাপের লক্ষ্য নিবদ্ধ করা হয়নি; কেননা তাকে অন্যদের সাথে গুলিয়ে ফেলা তার ওপর বিলাপের আবেদনকে দুর্বল করে দেয়, এমনকি তা আর গণ্য হওয়ার মতো থাকে না; অথচ তাকে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা তার ওপর বিলাপের বিষয়টিকে জোরালো করে তোলে, ঠিক যেভাবে অনির্দিষ্টভাবে কোনো মানুষকে সাধারণ মানুষের ভিড়ে একজন গণ্য করে নিন্দা করা নিন্দার প্রভাবকে এতটাই দুর্বল করে দেয় যে তা প্রায় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে; কারণ এর মাধ্যমে তাকে কোনো দুঃখ স্পর্শ করে না, তার প্রতি কোনো সুনির্দিষ্ট দোষও আরোপিত হয় না, কিংবা এমন কোনো অর্থও তৈরি হয় না যা অন্যদের দৃষ্টি তার থেকে ফিরিয়ে নেয়, ফলে তা যেন ঘটেইনি এমন অবস্থায় পর্যবসিত হয়?

কেন প্রত্যেক বিলাপে (নুদ্বাহ) দুটি বিষয় থাকা আবশ্যক: সত্তাটিকে নির্দিষ্টভাবে পরিচিত করা এবং এমন এক অর্থ থাকা যার কারণে তার নামের মাধ্যমে বিলাপ করা সংগত হয়?

আর বিলাপ কি এমন এক বিপদের বহিঃপ্রকাশ যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি চরম সংকটে নিপতিত হয়েছে এবং তাকে গুরুতর কিছু আঘাত করেছে?

"হায় যে ঘরে আছে" বলা কি জায়েয? এবং এটি কেন জায়েয নয়, যেমনটি "হায় যে যমযম খনন করেছে" বলার ক্ষেত্রে জায়েয হয়েছে?