(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: -)
المسائل العسكريات في النحو العربي   (أبو علي الفارسي)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: المسائل العسكريات في النحو العربي

المؤلف: أبو علي النحوي

المحقق: د. علي جابر المنصوري (أستاذ النحو العربي ورئيس الدراسات العليا)

الناشر: (الدار العلمية الدولية للنشر والتوزيع ودار الثقافة للنشر والتوزيع) (عمان - الأردن)

عام النشر: 2002 م

عدد الصفحات: 131

أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 4 ربيع الآخر 1438

আল-মাসাইল আল-আসকারিয়্যাত ফিল নাহব আল-আরাবি   (আবু আলী আল-ফারিসি)

বিভাগ: নাহব ও সরফ


গ্রন্থ: আল-মাসাইল আল-আসকারিয়্যাত ফিল নাহব আল-আরাবি

লেখক: আবু আলী আন-নাহবি

গবেষক ও সম্পাদক: ড. আলী জাবের আল-মানসুরি (আরবি ব্যাকরণের অধ্যাপক এবং উচ্চতর গবেষণা বিভাগের প্রধান)

প্রকাশক: (আদ-দারুল ইলমিয়্যাহ আদ-দুওয়ালিয়্যাহ লিন-নাশর ওয়াত-তাওজি এবং দারুস সাকাফাহ লিন-নাশর ওয়াত-তাওজি) (আম্মান - জর্ডান)

প্রকাশকাল: ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩১

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছে: (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)-এর তত্ত্বাবধানে রাবিতাতুন নাসসাখ দল

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ রবিউস সানি ১৪৩৮

(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৩)
(1)

 

-‌‌ هذا باب علم (ما) الكلم من العربية -

2 أ/ أعلم أن الكلام يأتلف من ثلاثة أشياء: إسم، وفعل، وحرف. فالإسم: ما اقتصر سيبويه في تعريفه في أول الكتاب على المثال، وقفا كثير من أصحابنا أثره في ذلك.

وقد ذكر في الكتاب ما يخصصه من القبيلين الآخرين. وذلك أنه قسمه إلى المعرفة والنكرة. وقسم حروف المعرفة، وذلك مما يدل على معرفة الإسم، وعدد الحروف في أول الأبنية. وحد الفعل في أول الكتاب.

وإذا عرف من هذه الأشياء الثلاثة شيء على الوجه الذي ذكرنا، امتاز الثالث منهما ولم يستبهم.

وقد وصف الإسم أصحابنا بغير شيء. فالذي كان يعول عليه أبو العباس في تعريفه، وصفته المخصصة له: إنه ما جاز الأخبار عنه ومثال الأخبار عنه
(1)

 

-‌‌ এটি আরবি ভাষায় পদের (الكلم) পরিচয় সংক্রান্ত অধ্যায় -

২ অ/ জেনে রাখুন যে, বাক্য (الكلام) তিনটি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত হয়: বিশেষ্য (إسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অব্যয় (حرف)। বিশেষ্য (إسم) হলো: সিবওয়াইহি যার সংজ্ঞার ক্ষেত্রে কিতাবের শুরুতে কেবল উদাহরণের ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন এবং আমাদের অনেক অনুসারী এ বিষয়ে তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন।

কিতাবে তিনি এমন বিষয় উল্লেখ করেছেন যা একে অন্য দুটি শ্রেণি থেকে পৃথক করে। আর তা হলো তিনি একে নির্দিষ্ট (المعرفة) ও অনির্দিষ্ট (النكرة) ভাগে বিভক্ত করেছেন। এছাড়া তিনি নির্দিষ্টকারী হরফসমূহের (حروف المعرفة) বিভাগ আলোচনা করেছেন, যা বিশেষ্যের নির্দিষ্ট হওয়া নির্দেশ করে এবং শব্দ গঠনের প্রারম্ভে অক্ষরের সংখ্যা গণনা করেছেন। কিতাবের শুরুতে তিনি ক্রিয়ার (فعل) সংজ্ঞাও প্রদান করেছেন।

যদি এই তিনটি বিষয়ের মধ্য থেকে কোনোটি আমাদের বর্ণিত পদ্ধতিতে জানা যায়, তবে তৃতীয়টি স্বতন্ত্র হয়ে যায় এবং তা আর অস্পষ্ট থাকে না।

আমাদের বিজ্ঞ সহকর্মীগণ বিশেষ্যকে (إسم) বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। আবু আব্বাস তাঁর সংজ্ঞায় এবং এর স্বাতন্ত্র্যসূচক বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে যার ওপর নির্ভর করেছেন তা হলো: এটি এমন বিষয় যার সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করা (الأخبار عنه) বৈধ এবং এর সম্পর্কে সংবাদ প্রদানের উদাহরণ হলো...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৪)
كقولنا: قام زيد، وزيد منطلق، وهذا وصف يشمل عامَّة الأسماء. ولا يخرج منه إلا اليسير منها وذلك (مثل) إذ، وإذا لأنهما عند النحويين من الأسماء. ومع ذلك لا يجوز الإخبار عنهما. ويدل على أنهما إسمان قولنا: القتال إذا جاء زيد. فيكون خبرًا عن الحدث. كما تقول: القتال يوم الجمعة، فيكون خبرًا. وأما إذ. فإنه يضاف إليه الإسم في نحو: يومئذ. وحينئذ. ويقع خبرًا عن الحدث كاذا.

وهذه الأسماء التي تجريها على هذا الوصف الذي وصف به أبو العباس الإسم، إنها ليست متمكنة في الإسمية، ولا يكاد النحويون يطلقون عليها الإسم مطلقًا حتى يعتبروه بغيره. فكل ما جاز الإخبار عنه من الكلم فهو الإسم - وإن لم يكن كل إسم يجوز عنه الإخبار ومثل هذا الوصف في شموله علامة الأسماء، ما وصفه به أبو العباس من أنه ما دخل عليه حرف من حروف الجرّ -وهذا الوصف يشمل كثيرًا (من) الأسماء. وإن كان بعضها لا يدخل عليه حرف الجر (كيف)، لأنه إسم بدلالة أنه لا يتألف من إسم كان فيه كلام مفيد مستقل ولا يظن أنه فعل. ولا يجوز أن يكون حرفًا لما ذكرناه، مع ذلك فحرف الحرفّ لا يدخل عليه، كما لا يدخل على الأسماء التي (كيف) دال عليها، والأسماء المسمى بها الأفعال مثل: نزال، وتراك، وصه، ومع ونحو ذلك (فهي) أسماء عند النحويين، ولا يجوز دخول حرف الجرّ عليها، إلا أنَّ هذا الوصف يشمل أيضًا عامة الأسماء.

وأعلم أن الإسم يقع خبرًا كما يكون مخبرًا عنه وذلك نحو: زيد أخوك وعمرو منطلق. وهذا أيضًل معنى يختص به الإسم وليس كذلك الفعل، والحرف
যেমন আমাদের কথা: 'যায়েদ দাঁড়িয়েছে' এবং 'যায়েদ প্রস্থানকারী'; এটি এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা সাধারণ বিশেষ্যসমূহকে (الأسماء) অন্তর্ভুক্ত করে। এর মধ্য থেকে খুব সামান্যই বাদ পড়ে, আর তা হলো (مثل) 'ইয' এবং 'ইযা', কারণ ব্যাকরণবিদদের (النحويين) নিকট এগুলো বিশেষ্যের (الأسماء) অন্তর্ভুক্ত। তা সত্ত্বেও, এগুলোর ব্যাপারে সংবাদ প্রদান (الإخبار) করা বৈধ নয়। এই দুটি যে বিশেষ্য (إسمان), তার প্রমাণ হলো আমাদের কথা: 'যুদ্ধ হবে যখন যায়েদ আসবে'। ফলে এটি ঘটনা (الحدث) সম্পর্কে সংবাদ বা বিধেয় (خبر) হিসেবে গণ্য হয়। যেমন আপনি বলেন: 'যুদ্ধ হবে জুমুআর দিনে', তখন এটি সংবাদ (خبر) হিসেবে গণ্য হয়। আর 'ইয'-এর বিষয়টি হলো, এর সাথে বিশেষ্যকে সম্বন্ধযুক্ত (يضاف) করা হয়, যেমন: 'ইয়াওমাইযিন' এবং 'হিনাইযিন'। এটিও 'ইযা'-এর ন্যায় ঘটনা (الحدث) সম্পর্কে সংবাদ (خبر) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এবং এই বিশেষ্যসমূহ (الأسماء) যেগুলোকে আপনি সেই বর্ণনার ওপর প্রয়োগ করেন যার মাধ্যমে আবু আল-আব্বাস বিশেষ্যকে (الإسم) সংজ্ঞায়িত করেছেন—সেগুলো বিশেষ্য হওয়ার ক্ষেত্রে সুদৃঢ় (متمكنة) নয়। ব্যাকরণবিদগণ (النحويين) এগুলোর ওপর সাধারণভাবে বিশেষ্য (الإسم) শব্দটি প্রয়োগ করেন না যতক্ষণ না তারা সেটিকে অন্য কিছুর সাথে বিবেচনা করেন। সুতরাং শব্দের (الكلم) মধ্য থেকে যার সম্পর্কে সংবাদ প্রদান (الإخبار) করা বৈধ, তা-ই বিশেষ্য (الإسم) — যদিও প্রতিটি বিশেষ্যের (إسم) ক্ষেত্রে সংবাদ প্রদান (الإخبار) করা বৈধ হয় না। এই বৈশিষ্ট্যের ন্যায় ব্যাপকতার দিক থেকে বিশেষ্যের আলামত (علامة الأسماء) হলো যা আবু আল-আব্বাস বর্ণনা করেছেন: যার শুরুতে অব্যয় (حرف الجرّ) যুক্ত হতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যটি অনেক বিশেষ্যকে (الأسماء) অন্তর্ভুক্ত করে। যদিও কোনো কোনোটির শুরুতে অব্যয় (حرف الجرّ) যুক্ত হয় না যেমন: 'কায়ফা', কারণ এটি একটি বিশেষ্য (إسم) হওয়ার প্রমাণ এই যে, এটি এমন কোনো কিছু থেকে গঠিত নয় যা স্বাধীন ও অর্থবহ বক্তব্য ছিল এবং একে ক্রিয়া (فعل) বলেও মনে করা হয় না। আমরা যা উল্লেখ করেছি তার কারণে এটি অব্যয় (حرف) হওয়াও বৈধ নয়। তা সত্ত্বেও, এর শুরুতে অব্যয় (حرف الجرّ) যুক্ত হয় না, যেমনটি সেই বিশেষ্যগুলোর ক্ষেত্রেও হয় না যেগুলোকে 'কায়ফা' নির্দেশ করে। আর ক্রিয়া রূপী বিশেষ্যসমূহ (الأسماء المسمى بها الأفعال) যেমন: 'নাযালি', 'তারাকি', 'সাহ', 'মা'আ' এবং এই জাতীয় শব্দগুলো—ব্যাকরণবিদদের (النحويين) নিকট বিশেষ্য (أسماء), কিন্তু এগুলোর শুরুতে অব্যয় (حرف الجرّ) প্রবেশ করা বৈধ নয়। তবে এই বৈশিষ্ট্যটিও অধিকাংশ বিশেষ্যকে (الأسماء) অন্তর্ভুক্ত করে।

জেনে রাখুন যে, বিশেষ্য (الإسم) সংবাদ বা বিধেয় (خبر) হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেমনটি এটি উদ্দেশ্য বা যার সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করা হয় (مخبر عنه) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'যায়েদ তোমার ভাই' এবং 'আমর প্রস্থানকারী'। এটিও এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা বিশেষ্যের (الإسم) সাথেই নির্দিষ্ট, এবং ক্রিয়া (فعل) ও অব্যয়ের (الحرف) বিষয়টি এমন নয়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৫)
وقد وصف الإسم أيضًا: ما دل على معنى، وذلك المعنى يكون شخصًا، وغير شخص ففصل (ما دل على معنى) بينه وبين الفعل الذي يدل على معنيين. وبقوله: إن ما يدل عليه (يكون شخصًا، وغير شخص)، بين الإسم، والحرف، فصار ذلك وصفًا شاملاً لجمع الأسماء، مخصصًا لها من الفعل والحرف. فإن قلت: معنى أسماء الاستفهام مثل (من) و (ما) (تدل على معنى) (وعلى الاستفهام) (فمن) يدل على معنى، وعلى الاستفهام، وكذلك (ما) يدل على الأجناس، أو على صفات من ميز، وعلى الاستفهام فقد دل على معنيين، إذا قيل كذا أن هذه الأسماء تدل على هذه المعاني التي تحتها، وكان حدها أن تذكر معها حرفًا من الاستفهام، وإنما حذفت معها للدلالة، وما يحذف من اللفظ للدلالة، فبمنزلة المثبت فيه. ألا ترى أنك إذا -حذفت المبتدأ والخبر للدلالة، كان بمنزلة إثباتك إياه في اللفظ.

وكذلك إذا حذفت (أن) الناصبة للفعل مع الفاء، وما أشبه مما يلزم فيه الإضمار ولا يستعمل معه الإظهار، كان بمنزلة الثابت في اللفظ وفي تقديره، فكذلك هذه الأسماء لما حذف معها حرف الاستفهام لدلالة الكلام عليه، كان بمنزلة إثباته. كما أنها لما حذفت مما ذكرنا، كانت في تقدير الثبات وإن لم يستعمل معها إظهار. ألا ترى أنك إذا تعديت هذا الموضع، استعلمت معه حرف الاستفهام، فإذا كان (أن) التي يستعمل معها إظهار (كان) بمنزلة المثبت في اللفظ. يختص الإسم/ 2 ب من الصفات دخول الألف واللام وذلك نحو: الرجل، والفرس، والضرب، والأكل، والعلم، والجهل. فهذا الوصف يعرف به كثير من الأسماء وقد حكي.
বিশেষ্য (الإسم)-এর বৈশিষ্ট্য এভাবেও বর্ণনা করা হয়েছে: যা কোনো একটি অর্থের (معنى) ওপর নির্দেশ করে, এবং সেই অর্থটি কোনো ব্যক্তি (شخص) হতে পারে অথবা ব্যক্তি নয় এমন কিছু হতে পারে। সুতরাং 'যা কোনো অর্থের ওপর নির্দেশ করে'—এই অংশটি বিশেষ্য এবং ক্রিয়ার (الفعل) মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করে, যা মূলত দুটি অর্থের ওপর নির্দেশ করে। আর তাঁর উক্তি: 'যা প্রকাশ করে তা ব্যক্তি হতে পারে বা ব্যক্তিহীন হতে পারে'—এর মাধ্যমে বিশেষ্য (الإسم) এবং অব্যয়ের (الحرف) মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে এটি সমস্ত বিশেষ্যের (الأسماء) জন্য একটি ব্যাপক বৈশিষ্ট্য (وصفًا شاملاً) এবং ক্রিয়া (الفعل) ও অব্যয় (الحرف) থেকে সেগুলোকে পৃথককারী বিশেষত্বে পরিণত হয়েছে। আপনি যদি বলেন: প্রশ্নবোধক বিশেষ্যসমূহের (أسماء الاستفهام) অর্থ যেমন 'মান' (من) এবং 'মা' (ما) (কোনো অর্থের ওপর নির্দেশ করে) (এবং প্রশ্নের ওপরও নির্দেশ করে); সেক্ষেত্রে 'মান' (من) একটি নির্দিষ্ট অর্থ এবং প্রশ্নের ওপর নির্দেশ করছে। তেমনি 'মা' (ما) বিভিন্ন প্রকারের ওপর অথবা কোনো বুদ্ধিমান সত্তার গুণের ওপর এবং প্রশ্নের ওপর নির্দেশ করছে; তবে তা দুটি অর্থের ওপরই নির্দেশ করল। যখন এরূপ বলা হয়, তখন এর উদ্দেশ্য হলো এই যে, এই বিশেষ্যগুলো (الأسماء) তাদের অধীনে থাকা এই অর্থগুলোর ওপর নির্দেশ করে। আর এর নিয়ম (حدّ) ছিল যে, এর সাথে একটি প্রশ্নবোধক হরফ উল্লেখ করা হবে, কিন্তু অর্থগত ইঙ্গিতের (الدلالة) কারণে তা বিলুপ্ত করা হয়েছে। আর অর্থগত ইঙ্গিতের কারণে শব্দ (اللفظ) থেকে যা বিলুপ্ত করা হয়, তা মূলত সেখানে বিদ্যমান থাকার পর্যায়ভুক্ত। আপনি কি দেখেন না যে, যখন আপনি অর্থগত ইঙ্গিতের কারণে উদ্দেশ্য (المبتدأ) এবং বিধেয় (الخبر) বিলুপ্ত করেন, তখন তা শব্দের (اللفظ) মধ্যে বিদ্যমান থাকার মতোই গণ্য হয়?

অনুরূপভাবে, যখন আপনি 'ফা' (الفاء)-এর সাথে ক্রিয়াকে নসব প্রদানকারী 'আন' (أن الناصبة) বিলুপ্ত করেন, অথবা এর সদৃশ কিছু যেখানে গোপন রাখা (الإضমার) আবশ্যক এবং প্রকাশ করা (الإظهار) ব্যবহৃত হয় না, তখন তা শব্দে (اللفظ) এবং এর উজ্জ্ব অবস্থায় (تقديره) বিদ্যমান থাকার সমতুল্য। একইভাবে, এই বিশেষ্যগুলোর (الأسماء) সাথে যখন বাক্যের ইঙ্গিতের কারণে প্রশ্নবোধক হরফ বিলুপ্ত করা হয়, তখন তা বিদ্যমান থাকার পর্যায়ভুক্ত হয়। যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি যে, যখন তা বিলুপ্ত করা হয়, তখন তা বিদ্যমান থাকার হুকুমেই থাকে, যদিও তার প্রকাশ্য রূপ (إظهار) ব্যবহৃত হয় না। আপনি কি দেখেন না যে, আপনি যখন এই স্থানটি অতিক্রম করেন, তখন এর সাথে প্রশ্নবোধক হরফ ব্যবহার করেন? সুতরাং এটি যদি এমন 'আন' (أن) হয় যার সাথে প্রকাশ্য রূপ (إظهار) ব্যবহৃত হয়, তবে তা শব্দে (اللفظ) বিদ্যমান থাকার পর্যায়ভুক্ত হবে। বিশেষ্য (الإسم) / ২ খ- এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো আলিফ এবং লাম (الألف واللام) যুক্ত হওয়া, যেমন: 'আর-রাজুলু', 'আল-ফারাসু', 'আদ-দারবু', 'আল-আকলু', 'আল-ইলমু', 'আল-জাহলু'। এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমেই অনেক বিশেষ্যকে (الأسماء) চেনা যায় এবং এটি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৬)
1 - . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . اليجدع في أحرف آخر، فدخل الألف واللام على الفعل، وذلك نادر، ومن ذلك أيضًا جواز الكناية (عنه) نحو: ضربته: وأكرمته فالكناية على هذا الحد لا تكون إلا عن الأسماء. ومن ذلك دخول التنوين المصاحب للجر، وذلك كله يختص بعض الأسماء، ولا يشمل جميعها إلا أن ذلك مما يعين على معرفة الإسم.

وإما الفعل، فقد وصفه سيبويه: بأنه أمثلة أخذت من لفظ أحداث الأسماء، وبنيت لما مضى، ولما يكون ولم يقع وما هو كائن لم ينقطع ....

ومن أصحابنا من يقول في وصفه: أنه ما دل على حدث وزمان. ويدل على قولهم هذا، إنِّا نجد الأفعال تتعدى إلى جميع أقسام الأزمنة معرفتها ونكرتها، ومبهمها، ومخصوصها، كما نجدها تتعدى إلى جميع أقسام المصادر فلولا أنَّ فيها دلالة على مهمة اللفظ، ما كانت لتتعدى إلى جميع ضروب الأزمنة. كما لم يتعدَّ ما تتعدى الأفعال المتعدية إليه، فاستواؤه والمصدر في تعدى الفعل إليهما تعديا واحدًا، دلالة على ما ذكرنا من وقوع الدلالة عليه من اللفظ، وقد قيل لمن وصف الفعل بهذا الوصف. أرأيتهم قولكم: خلق الله الزمان. هل يدل هذا على زمان قلته؟ (فإن قلتم: لا) فسد الوصف. وأن قلتم يدل، فقد ثبتم زمانًا قبل. وذلك ممتنع لما يجيبون به عن ذلك. أن اللفظ فيه قد جرى عندهم مجرى الآن، وما يتخاطبون به، ويتعارفون. وهذا النحو غير ضيق في كلامهم. ألا ترى قوله عز وجل: " ..... إنك أنت العزيز الكريم"، وكذلك قوله:
1 - . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . অন্য কিছু অক্ষরে 'আল-ইয়াজদাউ' (اليجدع), ফলে ক্রিয়ার (الفعل) ওপর আলিফ এবং লাম যুক্ত হয়েছে, যা বিরল (نادر)। এর মধ্যে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে পরোক্ষ ইঙ্গিতের (الكناية) বৈধতা, যেমন: 'আমি তাকে প্রহার করেছি' এবং 'আমি তাকে সম্মানিত করেছি'; এই পর্যায়ের পরোক্ষ ইঙ্গিত কেবল বিশেষ্যসমূহের (الأسماء) ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এর অন্তর্ভুক্ত আরও রয়েছে জের বা বিভক্তি (الجر) যুক্ত তানউইনের প্রবেশ। এসবের প্রতিটিই কিছু বিশেষ্যের (الأسماء) সাথে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত, যা সকল বিশেষ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে না; তবে এগুলো বিশেষ্য (الإسم) শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

আর ক্রিয়া (الفعل) সম্পর্কে সিবওয়াইহ বর্ণনা করেছেন যে: এটি এমন কিছু রূপ বা কাঠামো যা বিশেষ্যসমূহের (الأسماء) ঘটনার (أحداث) শব্দ থেকে গৃহীত হয়েছে এবং যা অতীত (ماض), যা ভবিষ্যতে হবে অথচ এখনো ঘটেনি এবং যা বর্তমানে ঘটছে ও নিরবচ্ছিন্ন—এসবের জন্য গঠন করা হয়েছে।...

আমাদের সঙ্গীদের (বিদ্বানদের) মধ্যে কেউ কেউ এর সংজ্ঞায় বলেন: এটি যা কোনো ঘটনা (حدث) এবং কাল (زمان) প্রকাশ করে। তাদের এই বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ হলো, আমরা দেখি যে ক্রিয়াসমূহ (الأفعال) কালের (الأزمنة) সকল প্রকার—নির্দিষ্ট, অনির্দিষ্ট, অস্পষ্ট ও বিশেষ—সবগুলোর দিকেই ব্যাপ্ত হয়, যেমনটি আমরা দেখি যে এগুলো সকল প্রকার ক্রিয়ামূলের (المصادر) দিকে ব্যাপ্ত হয়। যদি শব্দের মধ্যে এর ওপর কোনো ইঙ্গিত না থাকত, তবে তা কালের (الأزمنة) সকল প্রকারের দিকে ব্যাপ্ত হতো না। যেমনটি অন্য কোনো বিষয় সেভাবে ব্যাপ্ত হয় না যেভাবে সকর্মক (المتعدية) ক্রিয়াসমূহ (الأفعال) ব্যাপ্ত হয়। সুতরাং ক্রিয়া এবং ক্রিয়ামূলের (المصدر) ক্ষেত্রে ক্রিয়ার এই সমান্তরাল ব্যাপ্তি আমাদের উল্লিখিত বিষয়ের প্রমাণ দেয় যে, শব্দ থেকেই এর ওপর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যারা ক্রিয়াকে (الفعل) এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে: আপনারা কি মনে করেন আপনাদের এই কথা—"আল্লাহ কাল (زمان) সৃষ্টি করেছেন", এটি কি কোনো কাল বা সময়ের ওপর প্রমাণ দেয় যা আপনারা বলেছেন? (যদি আপনারা বলেন: না) তবে এই সংজ্ঞাটি ত্রুটিপূর্ণ হবে। আর যদি বলেন এটি প্রমাণ দেয়, তবে আপনারা সময়ের পূর্বেও একটি সময় সাব্যস্ত করলেন। তাদের উত্তর অনুযায়ী এটি অসম্ভব। তাদের নিকট এখানে শব্দটি 'এখন' (الآن) এবং তারা যা দিয়ে পরস্পর সম্বোধন ও জানাশোনা করে, সেই ধারা অনুযায়ী প্রবাহিত হয়েছে। তাদের কথাবার্তায় এই পদ্ধতিটি সংকীর্ণ নয়। আপনি কি মহান আল্লাহর বাণী দেখেন না: "..... নিশ্চয়ই আপনি পরাক্রমশালী, সম্মানিত", এবং অনুরূপভাবে তাঁর বাণী:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৭)
2 - أبلغ كليبا، وأبلغ عنك شاعرها

إني الأغرُّ، وإني زهرة اليمن

فأجاب جرير.

3 - ألم تكن في رسوم قد رسمت بها

من حاز موعظًة يا زهرة اليمن

وكذلك قوله تعالى: "وأرسلناه إلى مائة ألف، أو يزيدون" إنما هو عند كثير من أصحابنا أنهم جميع إذا رأيتم مثلهم، قلتم فيهم هذا الضرب من الكلام. فكذلك قولهم: "خلق الله الزمان". يجوز على هذا لحد الذي تجري هذه الأمثلة (عليه) في كلامهم، وما يتعارفونه الآن والدليل على أن الفعل مأخوذ من المصدر إنّ هذه المصادر تقع دالةّ على جميع ما تحتها، ولا تختص شيئًا منه دون شيء. ألا ترى أنّ (الضرب) يشمل جميع هذا الحدث، ولا يخص ماضيًا منه من حاضر، ولا حاضرًا من الآتي. وإنّ هذه الأمثلة تدل على أحداث مخصوصة، وحكم الخاص أن يكون من العام، ويستحيل كون العام من الخاص، وهذه الأمثلة تدل أيضًا على معنيين، أحدهما يأتي من الآخر. والأحداث تدل على معان مجردة مفردة، والمفردة في الرتبة أسبق من المركبة. فأما اعتلال بعض هذه الأحداث لاعتلال الفعل، فلا يدل على أنها مشتقة من الأفعال. كما أنّ أسماء الفاعلين لما أعتلت بجريانها على الفعل، لم تدل (على) أنها مشتقة من
2 - কুলাইবকে সংবাদ পৌঁছে দাও, এবং তোমার পক্ষ থেকে তার কবিকে অবহিত করো

নিশ্চয়ই আমি উজ্জ্বল ললাট বিশিষ্ট, এবং আমি ইয়ামানের কুসুম (শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি)

অতঃপর জারীর উত্তর দিলেন।

3 - তুমি কি সেইসব স্মৃতিচিহ্নের মধ্যে ছিলে না যা দ্বারা তুমি অঙ্কিত হয়েছিলে

হে ইয়ামানের কুসুম, সেই ব্যক্তির ন্যায় যে উপদেশ অর্জন করেছে

অনুরূপভাবে মহান আল্লাহর বাণী: "এবং আমি তাকে এক লক্ষ বা তারও অধিক মানুষের নিকট প্রেরণ করেছি।" আমাদের অনেক সঙ্গীর (أصحاب) মতে এর অর্থ হলো তারা এমন এক জনসমষ্টি যে, তোমরা যদি তাদের সমরূপ কাউকে দেখতে, তবে তাদের সম্পর্কে এই ধরণের বাক্য ব্যবহার করতে। তদ্রূপ তাদের বক্তব্য: "আল্লাহ সময় সৃষ্টি করেছেন।" এটি সেই সীমা পর্যন্ত বৈধ (يجوز) যা তাদের কথাবার্তায় এই উদাহরণগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এবং বর্তমানে তারা যা প্রথা হিসেবে গ্রহণ করেছে। ক্রিয়া (فعل) যে ক্রিয়ামূল (مصدر) থেকে গৃহীত তার প্রমাণ হলো এই যে, এই ক্রিয়ামূলসমূহ (المصادر) তার অন্তর্গত সকল বিষয়ের ওপর নির্দেশক (دالة) হিসেবে নিপতিত হয় এবং কোনো একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটির সাথে নির্দিষ্ট হয় না। আপনি কি দেখছেন না যে, 'আদ-দারব' (الضرب) এই জাতীয় সকল ঘটনাকে শামিল (يشمل) করে, এবং তা অতীতকে বর্তমান থেকে কিংবা বর্তমানকে ভবিষ্যৎ থেকে বিশেষায়িত (يخص) করে না। আর এই উদাহরণগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু ঘটনার ওপর নির্দেশ করে। আর বিশেষ (خاص)-এর বিধান হলো তা সাধারণ (عام) থেকে নির্গত হওয়া, এবং সাধারণ (عام) বিষয়টি বিশেষ (خاص) থেকে হওয়া অসম্ভব। তদুপরি এই উদাহরণগুলো দুটি অর্থের ওপর নির্দেশ (تدل) করে, যার একটি অন্যটি থেকে আসে। আর ঘটনাবলী বিমূর্ত ও একক (المفردة) অর্থের ওপর নির্দেশ (تدل) করে, আর মর্যাদাগত বিন্যাসে একক (المفردة) বিষয়টি যৌগিক (المركبة) বিষয়ের চেয়ে অগ্রগণ্য। অতঃপর ক্রিয়ার রূপান্তরের (اعتلال) কারণে এই ঘটনাবলীর কোনো কোনোটির যে রূপান্তর ঘটে, তা এটি প্রমাণ করে না যে সেগুলো ক্রিয়া (فعل) থেকে ব্যুৎপন্ন (مشتق)। যেমনটি কর্তৃবাচক বিশেষ্যসমূহ (أسماء الفاعلين) যখন ক্রিয়ার ধারায় পরিচালিত হওয়ার কারণে রূপান্তরিত হয়, তখন তা এটি প্রমাণ করে না যে সেগুলো থেকে ব্যুৎপন্ন (مشتق) হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৮)
الأفعال، ولو كانت ألفاظ هذه الأحداث مشتقة من ألفاظ الأمثلة، لوجب أن تتضمن الدلالة في لفظها على ما أشتق منها، وعلى زيادة معنى آخر. لأن المشتقات لا تخلو من هذا، فإن لم تدل ألفاظ الأمثلة" ولو كان الأمر على ما قاله من خالفنا في ذلك، ما يأتي، ولم أر على الحاضر دلالًة على أنها لست مأخوذة من ألفاظ الأمثلة" ولو كان الأمر على ما قاله من خالفنا في ذلك، لكان على ما وصفت لك. ألا ترى أن المضرب لما كان مأخوذًا من (الضرب)، دلّ على مكانه. فكذلك كان ينبغي أن يكون سببًا لهذه المصادر من أن تكون دالةّ على ما تدل عليه الأمثلة من المعنيين. وهذا الوصف الذي وصف به سيبويه الفعل لا يدخل عليه السؤال الذي تقدم، وهو أيضًا يشمل جميع ضروب هذه الأمثلة، وليس كوصف من خصص فقال فيها لأنها تدل على حدث وزمان، لأن (من) هذه الأمثلة ما هو عند النحويين دال على زمن غير مقترن /3 آبحدث، وذلك نحو: كان المفتقرة إلى الخبر المنصوب وهو عندهم فعل، ومع ذلك فهو دال على الزمان مجردًا من الحدث، ومن ثم لزمه الخبر المنصوب، ولم يستعمل في الكلام إلا به، وصارت الجملة بلزوم الخبر -المنصوب- لها موازية للجملة التي من الفعل والفاعل نحو قام زيد. وضرب عمرو، والذي وصفه به، وينتظم جميع ذلك ألا ترى أن (كان) مثال مأخوذ من لفظ حدث دال على ما مضى.

كما أن (ضرب) كذلك، فهذا الوصف إذن أصح من غيره إذ لا دخل عليه، وكان منتظمًا جميع ما كان من هذه الأمثلة لا يدخل فيه ما ليس منه، ولا يخرج عنه ما هو منه، والذي تقدم من هذه الأزمان التي وصفت بها الأسماء مما هو كالحد الشامل لجميع ما كان يصفه به شيخنا أبو بكر. وهو ما دل على معنى وكان ذلك المعنى شخصًا، أو غير شخص. فهذا ينتظم جميع الأسماء
ক্রিয়াগুলো (الأفعال), যদি এই ঘটনাগুলোর (الأحداث) শব্দসমূহ উদাহরণগুলোর (الأمثلة) শব্দ থেকে ব্যুৎপন্ন (مشتقة) হতো, তবে শব্দগতভাবে তা যেখান থেকে ব্যুৎপন্ন হয়েছে তার নির্দেশনা (الدلالة) এবং অতিরিক্ত অন্য একটি অর্থ বহন করা আবশ্যক হতো। কারণ ব্যুৎপন্ন শব্দসমূহ (المشتقات) এই বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত নয়। আর বিষয়টি যদি আমাদের বিরোধীদের বক্তব্য অনুযায়ী হতো, তবে যা আসছে (তা-ই হতো); এবং আমি বর্তমানে এমন কোনো নির্দেশনা (دلالة) দেখতে পাচ্ছি না যা প্রমাণ করে যে এগুলো উদাহরণগুলোর (الأمثلة) শব্দ থেকে গৃহীত নয়। আর বিষয়টি যদি আমাদের বিরোধীদের বক্তব্য অনুযায়ী হতো, তবে তা তেমনই হতো যা আমি আপনার কাছে বর্ণনা করেছি। আপনি কি দেখছেন না যে, ‘মাযরাব’ (আঘাতের স্থান) যখন ‘যারব’ (الضرب) থেকে গৃহীত হয়েছে, তখন তা তার স্থানের নির্দেশনা প্রদান করেছে? একইভাবে এই ক্রিয়ামূলগুলোর (المصادر) ক্ষেত্রেও এমন হওয়া উচিত ছিল যে, এগুলো সেই দুটি অর্থের নির্দেশনা (دالة) প্রদান করবে যা উদাহরণগুলো (الأمثلة) প্রদান করে থাকে। সিবওয়াইহ ক্রিয়ার (الفعل) যে বর্ণনা দিয়েছেন, তার ওপর পূর্বোক্ত প্রশ্নটি উত্থাপিত হয় না; বরং এটি এই উদাহরণগুলোর (الأمثلة) সকল প্রকারকে শামিল করে। এটি সেই ব্যক্তির বর্ণনার মতো নয় যিনি একে সুনির্দিষ্ট করে বলেছেন যে, এগুলো কাজ (حدث) এবং সময়ের (زمان) নির্দেশনা দেয়। কারণ ব্যাকরণবিদদের (النحويين) নিকট এই উদাহরণগুলোর (الأمثلة) মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা কোনো কাজের (حدث) সাথে যুক্ত না হয়েই কেবল সময়ের (زمن) নির্দেশনা দেয়; যেমন: ‘কানা’ (كان), যা একটি মানসুব খবরের (الخبر المنصوب) মুখাপেক্ষী এবং তাদের কাছে এটি একটি ক্রিয়া (فعل)। তা সত্ত্বেও এটি কাজ (الحدث) থেকে মুক্ত হয়ে কেবল সময়ের (الزمان) নির্দেশনা দেয়, আর এই কারণেই এর জন্য মানসুব খবর (الخبر المنصوب) আবশ্যক হয়েছে। আর মানসুব খবরের (الخبر المنصوب) আবশ্যিকতার কারণে বাক্যটি এমন বাক্যের সমান্তরাল হয়ে যায় যা ক্রিয়া (الفعل) ও কর্তার (الفاعل) সমন্বয়ে গঠিত, যেমন: ‘কামা যাইদুন’ এবং ‘যারাবা আমরুন’। তিনি যা বর্ণনা করেছেন তা এই সবকিছুকে সুসংবদ্ধ করে; আপনি কি দেখছেন না যে, ‘কানা’ (كان) হলো এমন একটি উদাহরণ (مثال) যা অতীতকাল নির্দেশকারী কাজের (حدث) শব্দ থেকে গৃহীত?

ঠিক যেমন ‘যারাবা’ (ضرب) শব্দটিও অনুরূপ। সুতরাং এই বর্ণনাটি অন্যদের তুলনায় অধিকতর সঠিক, যেহেতু এর ওপর কোনো আপত্তি আসে না এবং এটি এই উদাহরণগুলোর (الأمثلة) অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয়কে সুসংবদ্ধ করে, ফলে যা এর অন্তর্ভুক্ত নয় তা এতে প্রবেশ করতে পারে না এবং যা এর অন্তর্ভুক্ত তা এর বাইরে যেতে পারে না। আর এই সময়ের (الأزمان) বিবরণ যা দ্বারা বিশেষ্যগুলোকে (الأسماء) বিশেষিত করা হয়েছে, তা আমাদের শাইখ আবু বকর কর্তৃক বর্ণিত সকল বিষয়ের জন্য একটি ব্যাপক সংজ্ঞার (الحد) মতো। আর তা হলো যা কোনো অর্থের নির্দেশনা দেয়, চাই সেই অর্থটি কোনো সত্তা (شخصًا) হোক বা সত্তা-বহির্ভূত হোক। এটি সকল বিশেষ্যকে (الأسماء) অন্তর্ভুক্ত করে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৫৯)
ولم يقتصر فيه على قوله: (ما دلّ على معنى) إذ لو اقتصر عليه، لا لتبس بالحرف. ألا ترى أن الحروف كلها تدل على معان، وإنّ المعاني التي تدل عليها تكون غير أشخاص. وقوله: يكون ما يدل عليه شخصًا، وغير شخص يخصص صفة (يكون) لا يشركه فيه الحرف، ولا يشركه فيه الفعل. ما يدل على حدث فيما مضى، وفيما هو كائن لم ينقطع، أو ما هو آت فقد اختصً الإسم بهذا الوصف من القبلين الآخرين، كما اختصّ الفعل منهما بوصف سيبويه له، فإن قال: فانّ الحرف أيضًا يدل على معنى، والمعنى الذي يدل عليه غير شخص فكيف ينفصل الإسم من الحرف بهذا الوصف مع هذا الإشتراك الموجود بينهما؟.

أعلم أن الفعل ينفسم بإنقسام الزمان، ماض وحاضر. وآت. فمثال الماضي، ما كان مبنيًا على الفتح نحو: ذهب. وسمع، وظرف، وضرب، ودحرج، واستخرج، ونحو ذلك. ومثال الحاضر نحو: يقوم، ويذهب، ويظرف، ويكتب، ويصلي، وهذا الضرب الذي وصفه سيبويه بأنه كائن لم ينقطع. فهذا الضرب وإن كان شيء منه قد مضى، وشيء منه لم يمض، فإنه عند العرب ضرب من ضروب لفعل غير الماضي، وغير المستقبل.

وعلى هذا عندهم حكم هذه الأفعال تتطاول أركانها، وتخرج إلى الوجود شيئَا فشيئًا، ويدلك على ذلك -من مذاهبهم- إنهم خصوه في النفي بـ (ما) فقالوا في نفيه: ما يصلي ولم ينفوه بـ (لن) كما نفوا المستقبل بها ولا بـ (لا) كما نفوا المستقبل الموجب بالقسم بها بـ (لم) كما نفوا الماضي بها، وأدخلوا لام الإبتداء على هذا المثال في نحو قوله عز وجل: " .... وإن ربك ليحكم بينهم .... " ولم يدخلوه على المثالين الأخيرين. فهذا ولفظه الأخص لفظ المضارع، وهو ما يلحقه الألف والنون، والتاء والياء في قولك: أفعل أنا، وتفعل أنت أو هي، ونفعل نحن، ويفعل ويتسع فيوقع على الآتي أيضًا، والأصل أن يكون
এখানে তিনি কেবল তার এই বক্তব্যের ওপর সীমাবদ্ধ থাকেননি যে: (যা কোনো অর্থের ওপর নির্দেশক), কারণ যদি তিনি এর ওপর সীমাবদ্ধ থাকতেন, তবে তা অব্যয়ের (حرف) সাথে অস্পষ্ট হয়ে যেত। আপনি কি দেখছেন না যে, সকল অব্যয়ই বিভিন্ন অর্থের ওপর নির্দেশ করে এবং তারা যেসব অর্থের ওপর নির্দেশ করে তা কোনো ব্যক্তি বা বস্তু-সত্তা নয়? আর তার কথা: "যার ওপর নির্দেশ করা হয় তা সত্তা কিংবা সত্তা বহির্ভূত হওয়া"—এটি 'হওয়া' (يكون)-এর এমন এক বৈশিষ্ট্যকে নির্দিষ্ট করে যাতে অব্যয় বা ক্রিয়া তার অংশীদার হয় না। যা অতীতকালে কিংবা বর্তমানে যা ঘটছে এবং নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে এমন কোনো ঘটনার ওপর নির্দেশ করে, তবে বিশেষ্য (اسم) অন্য দুটি প্রকার থেকে এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে পৃথক হয়েছে, যেমন ক্রিয়া (فعل) সিবওয়াইহ-এর বর্ণনা অনুযায়ী অন্য দুটি থেকে বিশেষিত হয়েছে। যদি প্রশ্ন করা হয়: অব্যয়ও তো অর্থের ওপর নির্দেশ করে এবং যে অর্থের ওপর তা নির্দেশ করে তা কোনো সত্তা নয়, তবে তাদের মধ্যে বিদ্যমান এই সাধারণ বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতিতে বিশেষ্য কীভাবে অব্যয় থেকে পৃথক হবে?

জেনে রাখুন যে, সময়ের বিভাজন অনুযায়ী ক্রিয়া (فعل) তিন ভাগে বিভক্ত: অতীত (ماض), বর্তমান (حاضر) এবং ভবিষ্যৎ (آت)। অতীতকালের উদাহরণ হলো যা ফাতহ-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত, যেমন: সে গেল (ذهب), সে শুনল (سمع), সে সুশ্রী হলো (ظرف), সে প্রহার করল (ضرب), সে গড়াল (دحرج), সে বের করল (استخرج) এবং এই জাতীয় শব্দ। বর্তমানের উদাহরণ হলো: সে দাঁড়াচ্ছে (يقوم), সে যাচ্ছে (يذهب), সে সুশ্রী হচ্ছে (يظرف), সে লিখছে (يكتب), সে সালাত আদায় করছে (يصلي)। এটি সেই প্রকার যাকে সিবওয়াইহ বর্ণনা করেছেন যে, তা ঘটছে এবং বিচ্ছিন্ন হয়নি। এই প্রকারটির কিছু অংশ যদিও অতিবাহিত হয়েছে এবং কিছু অংশ অতিবাহিত হয়নি, তথাপি আরবদের নিকট এটি অতীত (ماض) নয় এবং ভবিষ্যৎ (مستقبل) নয়—এমন এক প্রকারের ক্রিয়া।

তাদের নিকট এই ক্রিয়াগুলোর বিধান (حكم) এই যে, এগুলোর রুকনসমূহ দীর্ঘ হয় এবং তা ক্রমে ক্রমে অস্তিত্বে প্রকাশ পায়। তাদের রীতি থেকে এ বিষয়টি আপনার নিকট স্পষ্ট হবে যে, তারা বর্তমানের না-বোধক (نفي) করার জন্য 'মা' (ما) শব্দটিকে নির্দিষ্ট করেছে। তারা এর না-বোধক রূপে বলে: সে সালাত আদায় করছে না (ما يصلي)। তারা একে 'লান' (لن) দ্বারা না-বোধক করেনি, যেমনটি তারা ভবিষ্যৎকালকে না-বোধক করার জন্য করে থাকে। আবার 'লা' (لا) দ্বারাও করেনি, যেমনটি তারা শপথের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া ভবিষ্যৎকালকে না-বোধক করে। এমনকি 'লাম' (لم) দ্বারাও করেনি, যা দিয়ে তারা অতীতকালকে (ماضي) না-বোধক করে। তারা এই উদাহরণের শুরুতে 'লাম আল-ইবতিদা' যুক্ত করেছে, যেমনটি মহান আল্লাহর বাণী: ".... এবং আপনার পালনকর্তা অবশ্যই তাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন ...." অথচ তারা শেষোক্ত দুটি উদাহরণে এটি যুক্ত করেনি। এটি এবং এর বিশিষ্ট রূপ হলো মুদারি (مضارع)-এর শব্দ, যার শুরুতে আলিফ, নুন, তা এবং ইয়া যুক্ত হয়, যেমন আপনার বলা: আমি করছি (أفعل), তুমি করছ বা সে (স্ত্রী) করছে (تفعل), আমরা করছি (نفعل), সে করছে (يفعل)। এটি ব্যাপক অর্থ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতের (آت) ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়, আর এর মূল ভিত্তি হলো এটি হওয়া...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬০)
للحاضر، بدلالة أن موضع الضمير من المواضع التي ترد فيها الأشياء إلى أصولها، يدلك على ذلك قولهم: لزيد مال. فإذا أضمر، قيل: له مال، فرددت إلى الفتح الذي هو الأصل، ومن ثم فتحت هذه اللام في المنادي المستغاث به. ألا ترى أنه واقع موضع المضمر، ولذلك بنى المفرد منه نحو، "يوسف أعرض عن هذا … ". ومن ذلك أن عامة من يقول: أعطيتكم درهما، فيحذف الواو المتصلة بالميم إذا وصلها بالمضمر، قال: أعطيتكموه. كما قال: "أنلزمكموها". ومن ذلك أنك تقول: والله لأفعلنّ. فهذه (الواو) من (الباء) الجارة، فإذا وصله بالمضمر، رجعتها، فقلت: بك لأفعلنّ. ومثل ما أنشده أبو بكر.

4 - ألا نادت أمامة باحتمال

ليجزيني فلا بك ما أبالي

وأنشد أبو زيد:

5 - رأى برقا فأوضع فوق بكر

فلا بك ما أسال، ولا أغاما

فقد ردت هذه الأسماء مع المضمر إلى أصولها، فلما لم يقدموا الأبعدّ على الأقرب مع المضمر بل قدموا الأقرب على الأبعد، دل أن الأقرب الأول عندهم، الأولى من الأبعد وإذا كان اللفظ الذي هو الأول، ما هو عندهم أولى، ومثل ذلك لفظا المصدر الأول نحو: الضرب والحمل هو الأصل للشاهد الموجود/ 3 ب وإن يقع على غيره. فإن (أن) إذا وصلت بالفعل، لم تقع إلا على الماضي والمستقبل
উপস্থিত বা সম্মুখস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে, এর প্রমাণ হলো সর্বনামের (ضمير) স্থানটি এমন একটি স্থান যেখানে বিষয়সমূহকে তাদের মূল (أصل) রূপে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এর প্রমাণ হিসেবে তাদের এই উক্তিটি লক্ষণীয়: "যায়েদের জন্য সম্পদ রয়েছে (لزيد مال)"। যখন একে সর্বনামের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তখন বলা হয়: "তার সম্পদ রয়েছে (له مال)"। এখানে একে যবর (فتحة) বিশিষ্ট অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে যা মূলত এর মূল (أصل)। আর এই কারণেই সাহায্যের জন্য আহ্বানকৃত (مستغاث به) সম্বোধিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই 'লাম' অক্ষরটি যবরযুক্ত হয়। আপনি কি দেখছেন না যে এটি সর্বনামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে? এই কারণেই এর একবচন রূপটি অপরিবর্তনীয় (مبني) হয়েছে, যেমন: "হে ইউসুফ, তুমি এটি পরিহার করো … "। এর আরেকটি দৃষ্টান্ত হলো, যারা সাধারণত বলেন: "আমি তোমাদের একটি দিরহাম দিয়েছি (أعطيتكم درهما)", তারা যখন একে সর্বনামের সাথে যুক্ত করেন তখন 'মিম' অক্ষরের সাথে সংযুক্ত 'ওয়াও' অক্ষরটি বিলুপ্ত করে দেন এবং বলেন: "আমি তোমাদের তা দিয়েছি (أعطيتكموه)"। যেমনটি আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "আমি কি তোমাদের ওপর তা চাপিয়ে দেব (أنلزمكموها)?" এর আরেকটি উদাহরণ হলো আপনার উক্তি: "আল্লাহর শপথ, আমি অবশ্যই এটি করব (والله لأفعلنّ)"। এখানে এই 'ওয়াও' অক্ষরটি মূলত জার প্রদানকারী (جارة) 'বা' অক্ষরের স্থলাভিষিক্ত। সুতরাং যখন একে সর্বনামের সাথে যুক্ত করা হয়, তখন আপনি সেটিকে তার মূল রূপে ফিরিয়ে আনেন এবং বলেন: "তোমার শপথ, আমি অবশ্যই তা করব (بك لأفعلنّ)"। আবু বকর যা আবৃত্তি করেছেন এটি ঠিক তারই মতো।

৪ - সাবধান! উমামাহ প্রস্থানের ঘোষণা দিয়েছে

আমাকে প্রতিদান দেওয়ার জন্য, আর তোমার কারণে আমি কোনো পরোয়া করি না

আবু যায়েদ আবৃত্তি করেছেন:

৫ - সে বিজলী দেখল এবং উটের পিঠে দ্রুত অগ্রসর হলো

তোমার কারণে আমি বিচলিত নই, আর মেঘাচ্ছন্নও নই

ফলে এই বিশেষ্যগুলোকে সর্বনামের সাথে তাদের মূলে (أصل) ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যেহেতু তারা সর্বনামের ক্ষেত্রে দূরবর্তী বিষয়কে নিকটবর্তীর আগে স্থান দেননি, বরং নিকটবর্তীকে দূরবর্তীর আগে স্থান দিয়েছেন, তা প্রমাণ করে যে তাদের নিকট প্রথম নিকটবর্তী বিষয়টিই দূরবর্তী বিষয়ের চেয়ে অধিক অগ্রাধিকারযোগ্য (أولى)। আর যখন শব্দটি প্রথম হয়, তখন সেটিই তাদের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য। একইভাবে ক্রিয়ামূলের (مصدر) প্রথম শব্দ দুটি, যেমন: আঘাত করা (الضرب) এবং বহন করা (الحمل), বিদ্যমান প্রমাণের (شاهد) ক্ষেত্রে মূল (أصل) হিসেবে গণ্য হয় / ৩ খ, যদিও তা অন্য কোনো কিছুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। নিশ্চয়ই 'আন (أن)' যখন ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়, তখন তা কেবল অতীত (ماضي) ও ভবিষ্যৎ (مستقبل) কালের অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬১)
دون الحاضر، وكذلك ما كان دخل عليه السين، أو سوف مختصًا بالاستقبال (كأن) ما لم تدخل عليه، الزيادة بالحال أولى، كقولنا: يقوم. قج يقع على المستقبل، كما يقع على الحال، والمستقبل يختص بالسين وسوف. ومما يختص بالاستقبال من هذه الأمثلة لاعتلاله باعتلال الأمثلة، أن بعض هذه الأمثلة يعتل لاعتلال بعض. ألا ترى أن (تعدو) عدوًا يعتل لإعتلال (يعدو)، لوقوع الواو فيه بين الكسر والياء فتبعت الأمثلة الباقية، هذا المثال، وكذلك قالوا: أنا أكرم فحذفت الهمزة مع همزة المضارعة، ثم اتبع سائر الحروف الهمزة، وكذلك أعل (قام) و (باع)، فلما اعلا إتبعا مضارعهما، وإن كان ما قبل حروف العلة منهما ساكنًا، وكما لا يقول أحد. إن هذه الأمثلة مأخوذة من بعض لإعتلال بعضها من أجل، بعض، كذلك لا يجوز أن يكون المصدر مأخوذًا من الأمثلة لاعتلاله بعتلها في نحو، (القيام) و (زنة) و (عدة)، وصحتها في نحو: (اللواذ) بصحة الحرف في (لاوذ).

وأما الحرف، فما يدل على معنى في غيره وذلك (كالباء) الجارة، و (من) و (الواو العاطفة) وما أشبه ذلك، وهو أيضًا (ما) لا يكون خبراً. ويجوز أن يخبر عنه. ألا ترى أنك، لو قلت: زيد حتى. أو عمرو لعلّ فجعلتهما أخبارًا عن
বর্তমান (الحاضر) ব্যতিরেকে, একইভাবে যে শব্দে সীন (السين) বা সাওফা (سوف) যুক্ত হয়েছে তা ভবিষ্যৎকালের (الاستقبال) জন্য সুনির্দিষ্ট। আর যতক্ষণ পর্যন্ত এই অব্যয়গুলো যুক্ত না হয়, ততক্ষণ শব্দটি বর্তমানকাল (الحال) নির্দেশ করাই অধিক সমীচীন, যেমন আমাদের কথা: ইয়াকুমু। এটি কখনো ভবিষ্যৎকাল (المستقبل) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেমনটি বর্তমানকাল (الحال) বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়। আর ভবিষ্যৎকালকে (المستقبل) সীন (السين) এবং সাওফা (سوف) এর মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট করা হয়। এই উদাহরণগুলোর মধ্যে যা ভবিষ্যৎকালের (الاستقبال) জন্য সুনির্দিষ্ট তার কারণ হলো উদাহরণগুলোর একটির রূপান্তরের (اعتلال) ফলে অন্যটির রূপান্তর ঘটা; কারণ এদের কোনো কোনো উদাহরণ অপরগুলোর রূপান্তরের কারণে রূপান্তরিত হয়ে থাকে। আপনি কি দেখেন না যে, ‘তা’দু’ এর ক্ষেত্রে ‘আদওয়ান’ শব্দটি ‘ইয়া’দু’ এর রূপান্তরের কারণে রূপান্তরিত (يعتل) হয়? কারণ সেখানে ‘ওয়াও’ বর্ণটি কাসরা এবং ইয়া-এর মধ্যবর্তী স্থানে পড়েছে, ফলে অবশিষ্ট উদাহরণগুলো এই উদাহরণকে অনুসরণ করেছে। একইভাবে তারা বলে থাকে: ‘আনা উকরিমু’, এখানে মুদারিয়াহ বা বর্তমান-ভবিষ্যৎ নির্দেশক (المضارعة) হামযার কারণে মূল শব্দের হামযাকে বিলোপ করা হয়েছে। অতঃপর অন্যান্য বর্ণগুলোও সেই হামযাকে অনুসরণ করেছে। একইভাবে ‘ক্বামা’ এবং ‘বাআ’ শব্দদ্বয়কে রূপান্তরিত (أعل) করা হয়েছে। যখন এ দুটিতে রূপান্তর ঘটল, তখন এদের মুদারে বা বর্তমান-ভবিষ্যৎ রূপগুলোকেও (مضارع) অনুকরণ করা হলো, যদিও এদের হরফে ইল্লত বা দুর্বল বর্ণের পূর্ববর্তী বর্ণটি সাকিন ছিল। যেমন কেউ বলে না যে, এই উদাহরণগুলো একটি থেকে অন্যটি গ্রহণ করা হয়েছে কেবল একটির রূপান্তরের কারণে অন্যটির রূপান্তর ঘটার জন্য; তেমনিভাবে ক্রিয়ামূল বা মূল ধাতুও (المصدر) উদাহরণগুলো থেকে গ্রহণ করা জায়েজ নয়, যদিও উদাহরণের রূপান্তরের কারণে ক্রিয়ামূলেও রূপান্তর ঘটে, যেমন— ‘আল-ক্বিয়াম’, ‘যিনাতুন’ এবং ‘ইদাতুন’ শব্দগুলোতে; আবার এগুলো অপরিবর্তিত বা সহীহ থাকে যেমন— ‘আল-লিওয়ায’ শব্দে, কারণ ‘লাওয়াযা’ শব্দে বর্ণটি সহীহ বা অপরিবর্তিত রয়েছে।

আর অব্যয় (الحرف) হলো যা অন্য কোনো শব্দের সাথে মিলিত হওয়া ব্যতীত নিজের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না; যেমন— পদান্বয়ী (الجارة) ‘বা’ (الباء), ‘মিন’ (من), সংযোজক (العاطفة) ‘ওয়াও’ (الواو) এবং এজাতীয় শব্দসমূহ। এটি এমন শব্দ যা স্বয়ং বিধেয় বা সংবাদ (خبر) হয় না, তবে তার সম্পর্কে সংবাদ প্রদান (يخبر عنه) করা যেতে পারে। আপনি কি দেখেন না যে, আপনি যদি বলেন: ‘যায়দুন হাত্তা’ অথবা ‘আমরুন লাআল্লা’, তবে আপনি সেগুলোকে সংবাদ বা বিধেয় (خبر) হিসেবে সাব্যস্ত করলেন...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬২)
الإسم، لم يجز، وكذلك لو أخبرت عنهما، فقلت: حتى منطلق، أو حتى يقوم، فجعلت ما بعدهما خبرًا عنهما لم يستقم. فهذه جمل وستتبع ذلك زيارات في كتاب آخر إن شاء الله.
নাম (الإسم), এটি বৈধ নয় (لم يجز), এবং একইভাবে আপনি যদি সে দুটি সম্পর্কে সংবাদ (خبرًا) প্রদান করেন এবং বলেন: 'হাত্তি মুনতালিক' অথবা 'হাত্তি ইয়াকুম', অতঃপর তাদের পরবর্তী অংশকে সেগুলোর সংবাদ (خبرًا) হিসেবে সাব্যস্ত করেন, তবে তা সঠিক (لم يستقم) হবে না। এগুলো হলো কিছু সংক্ষিপ্ত বাক্য (جمل), এবং ইনশাআল্লাহ অন্য একটি কিতাবে এর পরবর্তী সংযোজনসমূহ আসবে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৩)
‌‌هذا باب ما ائتلف من هذه الألفاظ الثلاثة

كان كلاماً مستقلاً وهو الذي يسميه أهل العربية الجمل

أعلم أنّ الإسم يأتلف مع الإسم يكون منهما كلام، وذلك نحو: زيد أخوك. وعمرو ذاهب. والفعل مع الإسم: (نحو) قام زيد. وذهب عمرو. ويدخل الحرف على كل واحد من هاتين الجملتين، فيكون كلامًا. وذلك نحو: هل زيد أخوك؟ .. وإنّ زيد أخوك. وما عمرو منطلقًا. وكذلك يدخل الحرف على الفعل والإسم. كما دخل على الجملة المركبة من الإسمين، وذلك نحو: قام زيد. ويذهب عمرو. ولم يضرب زيد. فأما قولهم: زيد في الدار. والقتال في اليوم، فهو كلام مؤتلف من إسم وحرف، وليس هو على حد قولك: إنّ زيدًا منطلق، ولكنه من خبره الفعل والإسم، أو الإسم والإسم. ألا ترى أنّ قولك: (في الدار) ليس زيد، ولا القتال في اليوم، ولم يكونا إياهما، كان الكلام على غير هذا الظاهر، ويحتاج إلى ما يربطه بما قبله، ويعلقه، وأن يخلو ما يعلقه به من أن يكون إسمًا أو فعلاً، وكلاهما جائز، غير ممتنع تقديره، وإذا كان كذلك، كان داخلاً في جملة ما ذكرناه. وقد جعل أبو بكر هذا التأليف -في بعض كتبه- قسمًا برأسه وذلك مذهب حسن.

ألا ترى أن الكلام، وإن كان لا يخلو مما ذكرنا في الأصل، فقد صار له الآن حكم يخرج به عن ذلك الأصل يدلك على ذلك قولك: إنّ في الدار زيدًا، فلا يخلو ذلك المقدر المضمر من أن يكون إسمًا أو فعلاً -كما أعلمتك- فول كان فعلاً، لم
‌এটি এই তিনটি শব্দের সমন্বয়ে যা গঠিত হয় তার অধ্যায়

এটি ছিল একটি স্বতন্ত্র বক্তব্য এবং আরবি ভাষাবিদগণ একে বাক্য (جملة) নামে অভিহিত করেন।

জেনে রাখুন যে, বিশেষ্য (اسم) অন্য একটি বিশেষ্যের (اسم) সাথে মিলিত হয় এবং তাদের সমন্বয়ে বাক্য গঠিত হয়। যেমন: 'জায়েদ আপনার ভাই' এবং 'আমর প্রস্থানকারী'। আর ক্রিয়া (فعل) বিশেষ্যের (اسم) সাথে মিলিত হয়: (যেমন) 'জায়েদ দাঁড়িয়েছে' এবং 'আমর গিয়েছে'। আর অব্যয় (حرف) এই দুই প্রকার বাক্যের প্রত্যেকটির শুরুতে প্রবেশ করে এবং একটি পূর্ণ বক্তব্য বা বাক্য গঠিত হয়। যেমন: 'জায়েদ কি আপনার ভাই?', 'নিশ্চয়ই জায়েদ আপনার ভাই' এবং 'আমর প্রস্থানকারী নয়'। একইভাবে অব্যয় (حرف) ক্রিয়া (فعل) এবং বিশেষ্যের (اسم) ওপর প্রবেশ করে, যেমনটি তা দুটি বিশেষ্য (اسم) দ্বারা গঠিত বাক্যের ওপর প্রবেশ করেছিল। যেমন: 'জায়েদ দাঁড়িয়েছে', 'আমর যাচ্ছে' এবং 'জায়েদ প্রহার করেনি'। আর তাদের কথা: 'জায়েদ ঘরে' এবং 'যুদ্ধ আজ', এটি বিশেষ্য (اسم) ও অব্যয় (حرف) দ্বারা গঠিত একটি বাক্য। এটি আপনার সেই উক্তির মতো নয় যে: 'নিশ্চয়ই জায়েদ প্রস্থানকারী'। বরং এর বিধেয় (خبر) হলো ক্রিয়া (فعل) ও বিশেষ্য (اسم) অথবা বিশেষ্য (اسم) ও বিশেষ্য (اسم)। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, আপনার উক্তি 'ঘরে' শব্দটি জায়েদ নয়, আবার 'আজ' শব্দটি যুদ্ধ নয় এবং তারা উভয় অভিন্নও ছিল না। বাক্যটি এই বাহ্যিক রূপের বাইরে ছিল এবং একে তার পূর্ববর্তী পদের সাথে যুক্ত ও সম্পৃক্ত (تعليق) করার মতো কোনো বিষয়ের প্রয়োজন ছিল। আর যার সাথে একে সম্পৃক্ত (تعليق) করা হবে তা বিশেষ্য (اسم) বা ক্রিয়া (فعل) হওয়া থেকে মুক্ত নয়। এগুলোর উভয়টির অনুমান (تقدير) করা বৈধ এবং তা অসম্ভব নয়। আর যখন বিষয়টি এরূপ হয়, তখন তা আমাদের বর্ণিত আলোচনার অন্তর্ভুক্ত হবে। আবু বকর তার কোনো কোনো কিতাবে এই গঠনরীতিকে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে গণ্য করেছেন এবং এটি একটি উত্তম অভিমত।

আপনি কি দেখেন না যে, বাক্যটি মূলে আমাদের বর্ণিত বিষয়ের বাইরে না হলেও বর্তমানে তার এমন একটি বিধান সাব্যস্ত হয়েছে যা তাকে সেই মূল থেকে বের করে দেয়। এর প্রমাণ হিসেবে আপনার কথা: 'নিশ্চয়ই ঘরে জায়েদ আছে'। এখানে সেই ঊহ্য ও প্রচ্ছন্ন (مضمر) বিষয়টি বিশেষ্য (اسم) অথবা ক্রিয়া (فعل) হওয়ার বাইরে নয়—যেমনটি আমি আপনাকে জানিয়েছি। যদি তা ক্রিয়া (فعل) হতো, তবে তা...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৪)
يجز دخول (أنّ) في الكلام. ألا ترى أنّ (أنّ) مدخل لها في الأفعال، وكذلك أخوات (أنّ)، فإن قلت فقد أنشد أبو زيد:

6 - فليت دفعت الهم عني ساعة

فبتنا على ما خليِّلت ناعمي بال

وأنشد أبو عبيدة:

7 - فليت كفافا كان خيرك كلُّه

وشرُّك كان عني ما ارتوى الماء مرتوي

ومن أبيات الكتاب:

8 - فلو أنّ حقّ اليوم منكم إقامة

وإن كان سرج قد مضى فتسرعا

فإنَّ ذلك من الضرورات في الشعر للحاجة إلى إقامة الوزن، وهو يجيء على تقدير الحذف لاسم - (إنَّ) المنصوب. فأما الفعل، فلا مدخل لهذه الحروف عليه، لأنها مشبهة به، وعاملة عمله. وكما لا يدخل فعل على فعل بلا واسطة إسم، كذلك لا يدخل شيء من هذه الحروف على الفعل، فلا يجوز إذًا أن يكون الفعل مراداً هنا، ولا يجوز أيضًا أن يكون المراد الإسم، لأنَّ الإسم لو كان مرادًا،
বাক্যে (আন্না)-এর প্রবেশ বৈধ। আপনি কি দেখছেন না যে, ক্রিয়াপদগুলোতে (আন্না)-এর কোনো প্রবেশাধিকার নেই? একইভাবে (আন্না)-এর সমজাতীয় অব্যয়গুলোর ক্ষেত্রেও একই বিধান। আপনি যদি বলেন, তবে আবু যায়েদ আবৃত্তি করেছেন:

6 - হায়, যদি এক মুহূর্তের জন্য আমার থেকে দুশ্চিন্তা দূর হতো

তবে আমরা আমাদের প্রিয়তমার সান্নিধ্যে প্রশান্ত মনে রাত কাটাতে পারতাম।

আবু উবাইদাহ আবৃত্তি করেছেন:

7 - হায়, যদি তোমার কল্যাণটুকুই পর্যাপ্ত হতো

আর তোমার অনিষ্ট আমার থেকে ততটা দূরে থাকত যতটা তৃষ্ণা মিটিয়ে পানি পানকারী তৃপ্ত হয়।

কিতাবের কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

8 - আর যদি আজকের দিনে তোমাদের পক্ষ থেকে অবস্থান করা অবধারিত হতো

যদিও অশ্বারোহী চলে গেছে, তবে তারা দ্রুত আসত।

নিশ্চয়ই এগুলো কাব্যে ছন্দের ভারসাম্যের প্রয়োজনে কাব্যিক অপরিহার্যতার অন্তর্ভুক্ত। এটি (ইন্না)-এর নাসব-যুক্ত বিশেষ্যটি উহ্য থাকার ধারার ওপর ভিত্তি করে আসে। আর ক্রিয়াপদের ক্ষেত্রে, এই হরফগুলোর সেখানে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই; কারণ এগুলো ক্রিয়াপদ সদৃশ এবং ক্রিয়াপদের মতোই আমল করে। আর যেভাবে বিশেষ্যের মাধ্যম ছাড়া একটি ক্রিয়াপদ অন্য একটি ক্রিয়াপদের ওপর প্রবেশ করতে পারে না, তেমনিভাবে এই হরফগুলোর কোনোটিও ক্রিয়াপদের ওপর প্রবেশ করতে পারে না। অতএব, তখন ক্রিয়াপদ উদ্দেশ্য হওয়া বৈধ নয় এবং বিশেষ্য উদ্দেশ্য হওয়াও বৈধ নয়; কারণ বিশেষ্য যদি উদ্দেশ্য হতো,
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৫)
ما كان ليتخطى ذلك الإسم المراد، فيعمل في هذا المظهر. فإذا لم يخل هذا الكلام من هذين، لم يجز هذا، ثبت أن هذا قسم ونوع غير ما تقدم. من ها هنا أيضًا خالف حكمه حكم الفعل، فلم يجز تقديم ما إنتصب من الأحوال فيه عليه/ 4 آفي نحو: ما قائمًا في الدار زيد. ولو كان حكمه حكم الفعل، لجاز هذا التقديم معه كما جوز مع الفعل، ومن ثم جعله أبو الحسن عاملاً للإسم المحدث عنه، ومرتفعًا به، إذا تقدمه في كل موضع. كما ترفع سائر الأشياء الجارية مجرى الفعل من أسماء الفاعلية، والصفات المشبهة بها. فهذا ضرب آخر من تألف هذه الكلم. وأما قولهم في النداء: يا زيد، وإستقلال هذا الكلام مع أنه مؤتلف من إسم وحرف، فذلك لأن الفعل ها هنا مراد عندهم يدلك على ذلك ما حكاه سيبويه في قولهم: يا أثلا أفلا ترى أن الإسم المنتصب لا يخلو من أن يكون العامل فيه فعلاً، وما هو مشبه به، أو إسمًا، فلا يجوز أن يكون العامل ما شبه به الفعل في نحو: (أن) و (ما) لأن ذلك العامل ما شبه به الفعل في نحو: (أن) و (ما) لأن ذلك لا يعمل مضمرًا. ولا يكون العامل فيه نحو: عشرين وخمسة عشر وبابه، لأن ذلك لا يعمل مضمرًا. وهي أيضًا لا تعمل في المعارف، وهذا الإسم معرفة، لأنه مشمر،، فثبت أن العامل فيه الفعل إلا أن ذلك الفعل مختزل غير مستعمل الإظهار، لأنك لو أظهرته، لكان على الخبر، ومحتملاً للصدق والكذب، ولو كان كذلك، لبطل هذا القسم من الكلام، وهو أحد المعاني التي تجري عليها العبارات. فلما وجدنا في كلامهم أفعالاً مضمرةً غير مستعملة الإظهار، وقع أنه لو أظهرت، لم تقلب معنى، ولم تبطل شيئَا عن حقيقته، وذلك قولهم: "رأسك والسيف" و "شرًا ونفسك". كان ترك ما كان إذا أظهر، قلب المعنى، وإزالة عما كان

সেটি উদ্দিষ্ট বিশেষ্যকে (الإسم) অতিক্রম করার মতো ছিল না, ফলে তা এই বাহ্যিক রূপটিতে কাজ করত। যখন এই কথাটি উক্ত দুটি বিষয় থেকে মুক্ত নয়, তখন এটি আর বৈধ হয় না; ফলে প্রমাণিত হলো যে, এটি পূর্বোল্লিখিত বিষয় থেকে ভিন্ন একটি বিভাগ (قسم) ও প্রকার (نوع)। এখান থেকেও প্রমাণিত হয় যে, এর বিধান (حكم) ক্রিয়ার (الفعل) বিধানের পরিপন্থী হয়েছে। ফলে এতে হাল বা অবস্থা (الأحوال) হিসেবে যা নসবপ্রাপ্ত (إنتصب) হয়েছে, তাকে এর আগে আনা বৈধ নয়; পৃষ্ঠা ৪-ক, যেমন: 'মা কায়িমান ফিদ দারি যায়দুন'। যদি এর বিধান (حكم) ক্রিয়ার (الفعل) বিধানের অনুরূপ হতো, তবে ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমনটি জায়েজ, এখানেও সেভাবে আগে আনা জায়েজ হতো। এ কারণেই আবু আল-হাসান একে এমন একটি প্রভাবক (عاملاً) হিসেবে গণ্য করেছেন যা সেই বিশেষ্যকে (الإسم) রফা-প্রাপ্ত (مرتفعًا) করে যার সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয়, যখনই তা প্রতিটি স্থানে এর পূর্বে আসে; যেমনটি ক্রিয়ার (الفعل) অনুগামী অন্যান্য বিষয়গুলো রফা (ترفع) প্রদান করে থাকে, যেমন: কর্তৃবাচক বিশেষ্য (أسماء الفاعلية) এবং এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ গুণবাচক বিশেষণসমূহ (الصفات المشبهة)। সুতরাং এটি শব্দমালার বিন্যাসের অন্য একটি ধরন।

আর সম্বোধনের (النداء) ক্ষেত্রে তাদের বক্তব্য: 'ইয়া যায়দ', এবং এই বাক্যটির স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া—যদিও এটি বিশেষ্য (إسم) ও অব্যয় (حرف) দ্বারা গঠিত—এর কারণ হলো, তাদের নিকট এখানে একটি ক্রিয়া (الفعل) উহ্য হিসেবে উদ্দিষ্ট রয়েছে। সিবওয়াইহি যা বর্ণনা করেছেন তা আপনাকে সেদিকেই নির্দেশ করে, যেমন তাদের কথা: 'ইয়া আসলা'। আপনি কি দেখছেন না যে, নসবপ্রাপ্ত (المنتصب) বিশেষ্যটি (الإسم) এমন হওয়া থেকে খালি নয় যে, তার প্রভাবক (العامل) হয় কোনো ক্রিয়া (فعلاً) হবে, অথবা তার সদৃশ কিছু হবে, নতুবা কোনো বিশেষ্য (إسمًا) হবে। সুতরাং 'আন্না' এবং 'মা'-এর মতো শব্দে ক্রিয়ার সদৃশ কোনো কিছু প্রভাবক (العامل) হওয়া জায়েজ নয়; কারণ সেই প্রভাবকটি ক্রিয়ার সদৃশ হওয়ার কারণে 'আন্না' এবং 'মা'-এর ন্যায় শব্দে, যেহেতু সেই প্রভাবকটি ক্রিয়ার সদৃশ হওয়ার কারণে 'আন্না' এবং 'মা'-এর ন্যায় শব্দে উহ্য (مضمرًا) অবস্থায় কাজ করে না। তদ্রূপ 'ইশরীন' এবং 'খামসাতা আশারা' ও এর সমপর্যায়ভুক্ত শব্দগুলো প্রভাবক (العامل) হতে পারে না; কারণ সেগুলোও উহ্য (مضمرًا) অবস্থায় কাজ করে না। তদুপরি সেগুলো নির্দিষ্ট বিশেষ্যের (المعارف) ক্ষেত্রে কাজ করে না, অথচ এই বিশেষ্যটি (الإسم) হলো নির্দিষ্ট (معرفة); কারণ এটি সংকুচিত (مشمر)... অতএব প্রমাণিত হলো যে, এর প্রভাবক (العامل) হলো ক্রিয়া (الفعل), তবে সেই ক্রিয়াটি বিলুপ্ত এবং তা প্রকাশ করা অপ্রচলিত। কেননা আপনি যদি তা প্রকাশ করতেন, তবে তা সংবাদ (الخبر) হিসেবে গণ্য হতো এবং সত্য (الصدق) ও মিথ্যার (الكذب) সম্ভাবনা রাখত। আর যদি বিষয়টি তেমনই হতো, তবে বক্তব্যের এই বিভাগটি (القسم) বাতিল হয়ে যেত, যা মূলত সেই অর্থগুলোর অন্যতম যার ওপর বাক্যসমূহ পরিচালিত হয়। যখন আমরা তাদের বক্তব্যে এমন কিছু উহ্য (مضمرةً) ক্রিয়া (أفعالاً) পাই যা প্রকাশ করা প্রচলিত নয়, তখন এটি স্পষ্ট হয় যে, যদি সেগুলো প্রকাশ করা হতো, তবে তা অর্থের পরিবর্তন ঘটাত না এবং কোনো কিছুর প্রকৃত রূপকে (حقيقته) বাতিল করত না। যেমন তাদের কথা: 'রাসাকা ওয়াস সাইফ' এবং 'শাররান ওয়া নাফ্সাকা'। যা প্রকাশ করলে অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং যা ছিল তা থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, তা বর্জন করাই বিধেয়।

(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৬)
عليه، أجرى بحسن الإظهار مع ذلك، لأن المعتبر عنه لما كان من جنس النطق، قام مقام العبارة، ولست تجد كذلك سائر الأحداث المعبرة عنها، ومما يبين لك ترك هذا الإظهار، ومعاقبة هذا الحرف للفعل (إذ) تجده يصل تارة بحرف وتارة بغير حرف. فوصله بالحرف كقولك في الإستغاثة: يا للمسلمين، ويا لله ووصله بغير الحرف: يا زيد. ويا عبد الله، ويا رجل إقبل، فصار في هذا كقولك: (جئته، وجئت إليه) و "حشيت صدره، وبصدره"، ولهذا أيضًا، ولمكان الياء، حسن أمالة هذا الحرف مع إمتناع الأمالة في حروف المعاني في أكثر الأمر، وقد أقيمت مقام الأمثلة المخوذة من المصادر ألفاظ جعلوها إسمًا لها، فأعنت عنها، وسدت مسدها وصارت كأمثلة الأمر إذا احتملت ضمير الفاعلين، وذلك كقولهم: تراك، ونزال، ونعاء، وصه، ومه، ورويد وإيه، وما اشبه ذلك، وهذا إنما أخصَّ به الأمر، موضع يغلب فيه الفعل، ويختص به، فلا يستعمل فيه غيره، فلما قويت الدلالة على الفعل هنا، استجازوا أن يتسعوا بإقامة هذه الألفاظ مقامه، وهي في الحقيقة أسماء سميت بها هذه الأمثلة، وهذا مثل حذفهم الفعل حيث علم أنه لا يكون إلا به، وذلك قولهم: "هلا خيرا من ذلك" وعلى هذا قوله:

9 - تعدون عقر النيب أفضل مجدكم

بنى ضوطرى لولا الكمي المقنعا

فلم يستعمل الفعل بعدها للدلالة على الفعل، والعلم بأن هذا الموضع يختص به، ولم يجيء من هذا النحو في الخبر إلا أحرف قليلة من ذلك قولهم:
এর ওপর ভিত্তি করে, এটি স্পষ্ট প্রকাশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে, কারণ যার অর্থ প্রকাশ করা হচ্ছে তা যেহেতু উচ্চারণের শ্রেণিভুক্ত, তাই এটি বাচনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। আর আপনি অন্যান্য প্রকাশকৃত বিষয়ের ক্ষেত্রে এমনটি পাবেন না। এই প্রকাশ পরিহার করা এবং এই অব্যয়টি (حرف) যে ক্রিয়ার (فعل) স্থলাভিষিক্ত হয় তা যা থেকে স্পষ্ট হয় তা হলো, আপনি একে কখনো অব্যয় (حرف) সহ এবং কখনো অব্যয় (حرف) বিহীন অবস্থায় যুক্ত হতে দেখবেন। অব্যয় (حرف) সহ যুক্ত হওয়ার উদাহরণ যেমন সাহায্য প্রার্থনায় আপনার উক্তি: 'ইয়া লিল-মুসলিমিন' এবং 'ইয়া লিল্লাহ'; আর অব্যয় (حرف) বিহীন যুক্ত হওয়ার উদাহরণ: 'ইয়া যায়িদ', 'ইয়া আবদুল্লাহ', 'ইয়া রাজুলু আকবিল'। ফলে এটি আপনার এই উক্তির মতো হয়ে গেল: "আমি তার কাছে এসেছি" এবং "আমি তার দিকে এসেছি" এবং "আমি তার বক্ষ পূর্ণ করেছি" ও "তার বক্ষ দিয়ে"; আর এ কারণে এবং 'ইয়া' বর্ণের অবস্থানের ফলে, এই অব্যয়টির (حرف) ক্ষেত্রে ইমালা (إمالة) করা উত্তম হয়েছে, যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্থবোধক অব্যয়সমূহের (حروف المعاني) মধ্যে ইমালা (إمالة) নিষিদ্ধ। মূল ক্রিয়ামূল বা মাসদার (مصادر) থেকে গৃহীত রূপের পরিবর্তে এমন কিছু শব্দকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে যেগুলোকে তারা সেগুলোর জন্য বিশেষ্য (إسم) হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ফলে এগুলো সেগুলোর কাজ পূর্ণ করেছে এবং সেগুলোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। এগুলো আদেশবাচক (أمر) রূপের মতো হয়ে গিয়েছে যখন তা কর্তার সর্বনাম ধারণ করার সম্ভাবনা রাখে। যেমন তাদের উক্তি: তারাকি, নাযালি, না'য়ি, সাহ, মাহ, রুওয়াইদা, ইহ এবং এই জাতীয় শব্দসমূহ। এটি মূলত আদেশবাচক (أمر) বিষয়ের সাথেই নির্দিষ্ট, এমন একটি স্থান যেখানে ক্রিয়াই (فعل) প্রধান এবং এর জন্যই এটি বিশেষায়িত, তাই সেখানে অন্য কিছু ব্যবহৃত হয় না। যখন এখানে ক্রিয়ার (فعل) ওপর নির্দেশনাটি শক্তিশালী হলো, তখন তারা এই শব্দগুলোকে তার স্থলাভিষিক্ত করে ভাষাগত বিস্তৃতি ঘটানো বৈধ মনে করলেন। প্রকৃতপক্ষে এগুলো হলো বিশেষ্য (أسماء) যার মাধ্যমে এই উদাহরণগুলোকে নামকরণ করা হয়েছে। এটি তাদের ক্রিয়া (فعل) উহ্য রাখার মতো, যেখানে জানা থাকে যে সেই ক্রিয়া ব্যতীত বাক্যটি সম্পন্ন হয় না। যেমন তাদের উক্তি: "এর চেয়ে ভালো কিছু কেন নয়?" এবং এরই ভিত্তিতে কবির উক্তি:

9 - হে দ্বোতারা বংশীয়রা! তোমরা কি উটের পায়ের শিরা কাটাকে তোমাদের শ্রেষ্ঠ মর্যাদা মনে করো,

যদি না সেই শিরস্ত্রাণ পরিহিত বীর থাকত?

অতঃপর ক্রিয়ার (فعل) ওপর নির্দেশনার জন্য এরপর আর ক্রিয়া (فعل) ব্যবহার করা হয়নি, যেহেতু এই স্থানটি ক্রিয়ার জন্যই নির্দিষ্ট তা জানা আছে। আর বর্ণনা (خبر) এর ক্ষেত্রে এ ধরনের খুব কম অব্যয় (أحرف) এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে তাদের উক্তি:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৭)
هيهات زيد. وشتان عمرو. وقالوا في مثل: "سرعان ذي أهالة:، هذا قولهم عند التضجر: (أف). فأما (هيهات) في قولك: هيهات زيد وقوله:

10 - فهيهات هيهات العقيق وأهله

وهيهات خلّ بالعقيق نواصله

فبمنزلة قولك: بعد ذلك. وبعد العقيق. والفتحة فيه على هذا فتحة بناء، اتبعت الألف التي قبلها. وقياس من أعمل الثاني من الفعلين، وهذا الذي يختار أصحابنا، أن يكون العقيق مرتفعًا، (هيهات) الثاني. وقد أضمر في الأول على شريطة التفسير، كما تقول: قام وقعد زيد. ومن أعمل الأول، كان العقيق مرتفعا، (هيهات) الأول، ويضمر في (هيهات) الثاني. فأما قوله تعالى: (هيهات هيهات لما توعدون) فليس من هذا، ولكن الفاعل مضمر في كل واحد منهما، لتقدم الذكر، فالفاعل هو البعث، أو الحشر، أو النشر، وما أشبه ذلك مما يدل على البعث، لأن في قوله تعالى: "أسعدكم أنكم إذا متم وكنتم ترابًا وعظامًا إنكم مخرجون" دليلاً على ذلك، وتقريرًا لما ينكرونه من البعث فكأنهم قالوا: ذهابا عن قوله تعالى: "وضرب لنا مثلا ونسي خلقه .. " بعد (إخراجكم)، وبعد (نشركم) لتعلقه بهذا الوعد/ 4 ب وهذه الكلمة تستعمل على ضربين، مفتوحة، ومكسورة، فمن فتحها جعلها كلمة مفردة، والوقف عليها بالهاء ومن كسرها، فقال: هيهات، كان
জায়েদ অনেক দূরে। আমর অনেক পৃথক। তারা প্রবাদে বলে: "এই গলিত চর্বি কতই না দ্রুত!" এটি বিরক্তি প্রকাশের সময় তাদের উক্তি: (উফ)। আর আপনার উক্তি "জায়েদ অনেক দূরে" এবং কবির এই উক্তিতে 'হায়হাতা' (هيهات) শব্দের প্রয়োগ:

10 - আকিক ও তার অধিবাসীরা বহুদূরে, বহুদূরে।

আর আকিকের সেই প্রিয়জনও বহুদূরে, যার সাথে আমরা মিলিত হই।

এটি আপনার এই উক্তির সমপর্যায়ী: "তা অনেক দূরে" এবং "আকিক অনেক দূরে।" এমতাবস্থায় এর ওপর বিদ্যমান জবরটি মূলত একটি গাঠনিক জবর (فتحة بناء), যা তার পূর্ববর্তী আলিফকে অনুসরণ করেছে। আর যারা দুটি ক্রিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়টিকে কার্যকর (أعمل) করার পক্ষপাতী—এবং এটিই আমাদের সাথীগণ পছন্দ করেছেন—তাদের নিয়ম অনুযায়ী 'আকিক' শব্দটি পেশযুক্ত বা মারফু (مرتفع) হবে দ্বিতীয় 'হায়হাতা' (هيهات) শব্দের কারণে। আর প্রথমটিতে তা উহ্য বা প্রচ্ছন্ন (أضمر) রাখা হয়েছে ব্যাখ্যার শর্তে (شريطة التفسير), যেমন আপনি বলে থাকেন: "জায়েদ দাঁড়াল এবং বসল।" পক্ষান্তরে যারা প্রথমটিকে কার্যকর করেন, তাদের মতে 'আকিক' শব্দটি প্রথম 'হায়হাতা' (هيهات) দ্বারা মারফু (مرتفع) হবে এবং দ্বিতীয়টিতে তা প্রচ্ছন্ন (يضمر) থাকবে। তবে মহান আল্লাহর বাণী: (হায়হাতা হায়হাতা লিমা তুআদুন) অর্থাৎ "তোমাদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা কতই না সুদূরপরাহত", তা এই পর্যায়ের নয়। বরং এখানে প্রত্যেকটির মধ্যেই কর্তা বা ফায়েল (الفاعل) প্রচ্ছন্ন রয়েছে, যেহেতু পূর্বে তার উল্লেখ রয়েছে। সুতরাং এখানে কর্তা হলো পুনরুত্থান (البعث), হাশর (الحشر) কিংবা নশর (النشر), অথবা পুনরুত্থান নির্দেশক অনুরূপ কিছু। কেননা মহান আল্লাহর বাণী: "সে কি তোমাদের এই প্রতিশ্রুতি দেয় যে, যখন তোমরা মরে যাবে এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হবে, তখন তোমাদের বের করা হবে?"—এর মধ্যে তার প্রমাণ রয়েছে এবং তারা যে পুনরুত্থান অস্বীকার করে তার দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। যেন তারা মহান আল্লাহর বাণী: "সে আমার সম্পর্কে উপমা পেশ করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়..." থেকে বিমুখ হয়ে বলেছে: তোমাদের বের করা এবং পুনরুত্থিত করা অনেক দূরের বিষয়; কারণ এটি এই প্রতিশ্রুতির সাথে সংশ্লিষ্ট। এই শব্দটি দুইভাবে ব্যবহৃত হয়: জবরযুক্ত (مفتوحة) এবং জেরযুক্ত (مكسورة)। যিনি একে জবর দিয়ে পড়েন, তিনি একে একটি একক শব্দ হিসেবে গণ্য করেন এবং এর ওপর বিরতি (الوقف) দিলে 'হা' (هاء) ধ্বনি উচ্চারিত হয়। আর যিনি একে জের দিয়ে পড়েন, তিনি বলেন: 'হায়হাতি' (هيهات), এটি ছিল...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৮)
الوقف عليها بالتاء كما أنها في (أذرعات) في قول من نون، ولم ينو الوقف عليها بالتاء. ويحتمل أن يكون الفتح فيها في قول من فتح بالنصب، لأنه ظرف، ولم يدخله غير الفتح كما أن (سحرّ) إذا أريد (سحر يومك) و (ذات مرة) و (بعيدات بين) لم تستعمل إلا ظروفًا. وهو قول مقول. والأول جعلوه الأولى والأقيس، لأن هذه الأسماء الموقعة موقع الفعل يغلب عليها البناء، لوقوعها موقع المبني … ألا ترى أن (شتان) و (سرعان) مستقبلان وقد بنيا مع ذلك لوقوعهما موقع المبني، كذلك قسم ذلك ما كان واقعًا موقع الأمر، ومن هنا أيضًا بني المفرد في الواو، وعلى هذا إختار أبو عثمان، قوله تعالى: "قل لعبادي الذين آمنوا: يقيموا الصلاة .... " فإن (يقيموا) بني لما أقيم مقام (أقيموا) لأن المعنى إنما هو على الأمر. ألا ترى أنه ليس كل من قيل له (أقم) الصلاة أقامها ولا كل من قيل له قوله: "وقل … التي هي أحسن … " قالها. فإذا كان كذلك، توجه على الأمر،

والأسماء والأفعال المعرفة في الأصل إذا أوقعت موقع المبني، بنيت كما ترى في هذا الموضع (فهيهات) ونحوه من الأسماء المشابهة للحروف إذا وضعت موضع المبني، أجوز بالبناء وكذلك القول الآخر وجيه وهو أنّ هذه الأسماء المسمى بها الأفعال، بعضها ظروف كقولك: دونك، ووراءك، فكما جاز الظرف من أسمائها في الأمر، كذلك يجوز أن يكون في الخبر، فمن جعل الفتحة فتحة إعراب، كانت الكسرة في الجمع للإعراب أيضا والكسرة في الجمع نظير الفتحة في الواحد. ومن جعل الفتحة للبناء، كانت الكسرة في الجمع أيضًا للبناء، كما أنّ الفتحة في (ضرب) كالفتحة في (لن يضرب) فهذه جملة من القول في هذه الكلمة. وقد بسطناه بأكثر من هذا في غير هذا الموضع.
এর ওপর 'তা' (التاء) বর্ণযোগে থামা (الوقف) হবে, যেমনটি 'আদরিআত' শব্দে তানভীন ব্যবহারকারীদের মতে হয়ে থাকে, তবে তারা সেখানে 'তা' (التاء) দিয়ে থামার (الوقف) নিয়ত করেননি। আর এটিও সম্ভব যে, যারা জবর (الفتح) দিয়ে পড়েছেন তাদের মতে এটি নসব (النصب) হওয়ার কারণে হয়েছে, কারণ এটি একটি ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف)। আর এতে জবর (الفتح) ব্যতীত অন্য কিছু প্রবেশ করেনি, যেমনটি 'সাহার' শব্দে যখন 'আপনার দিনের শেষভাগ' বা 'একবার' অথবা 'অল্প ব্যবধানে' বোঝানো হয়, তখন তা কেবল ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রচলিত মত। তবে প্রথম মতটিকে তারা অধিকতর উত্তম ও নিয়মসিদ্ধ মনে করেছেন, কারণ ক্রিয়ার স্থানে ব্যবহৃত এই বিশেষ্যগুলোর ক্ষেত্রে অপরিবর্তনীয় গঠন (البناء) হওয়াটাই প্রবল থাকে, যেহেতু তা অপরিবর্তনীয় (المبني) শব্দের স্থানে ব্যবহৃত হয়েছে … আপনি কি দেখেন না যে, 'শাত্তানা' ও 'সারআনা' শব্দ দুটি ভবিষ্যৎকাল অর্থ প্রদান করে এবং তা সত্ত্বেও এগুলো অপরিবর্তনীয় (المبني) হিসেবে গঠিত হয়েছে যেহেতু তারা অপরিবর্তনীয় (المبني) শব্দের স্থানে বসেছে; একইভাবে সেই শব্দগুলোকেও বিন্যস্ত করা হয়েছে যা আদেশের (الأمر) স্থলে ব্যবহৃত হয়। এখান থেকেই 'ওয়াও' (الواو) এর ক্ষেত্রে একবচনকে অপরিবর্তনীয় (مبني) করা হয়েছে। আর এরই ভিত্তিতে আবু উসমান মহান আল্লাহর এই বাণীটি পছন্দ করেছেন: "আমার সেই বান্দাদের বলুন যারা ঈমান এনেছে: তারা যেন সালাত কায়েম করে..." কেননা 'ইউকিমু' শব্দটি অপরিবর্তনীয় (مبني) হয়েছে যেহেতু তা 'আকিমু' এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, কারণ এর অর্থ আদেশের (الأمر) ওপর ভিত্তি করে। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, যাকে 'সালাত কায়েম করো' বলা হয় তাদের প্রত্যেকেই তা কায়েম করে না, আর যাদের বলা হয়েছে: "আর বলুন... যা সর্বাপেক্ষা উত্তম..." তাদের প্রত্যেকেই তা বলেনি। সুতরাং বিষয়টি এমন হলে তা আদেশের (الأمر) দিকেই ধাবিত হয়।

মূলগতভাবে নির্দিষ্ট বিশেষ্য ও ক্রিয়া যখন অপরিবর্তনীয় (المبني) শব্দের স্থলে বসে, তখন সেগুলো অপরিবর্তনীয় (مبني) হয়ে যায় যেমনটি আপনি এই স্থানে দেখছেন। সুতরাং 'হায়হাতা' ও অব্যয় (الحروف) সদৃশ অনুরূপ বিশেষ্যগুলো যখন অপরিবর্তনীয় (المبني) স্থানে বসে, তখন তা অপরিবর্তনীয় গঠন (البناء) হওয়াই অধিক যুক্তিযুক্ত। একইভাবে অন্য মতটিও গ্রহণযোগ্য, আর তা হলো—যেসব বিশেষ্যকে ক্রিয়া হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে, সেগুলোর কিছু হলো ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف), যেমন আপনার বলা: 'তোমার সম্মুখে' এবং 'তোমার পেছনে'। সুতরাং আদেশের (الأمر) ক্ষেত্রে এ জাতীয় বিশেষ্যগুলোর মধ্যে ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) হওয়া যেমন বৈধ, তেমনি বর্ণনামূলক সংবাদের (الخبر) ক্ষেত্রেও তা হওয়া বৈধ। অতএব, যে ব্যক্তি জবরকে (الفتحة) রূপান্তরযোগ্য বিভক্তি (إعراب) হিসেবে গণ্য করেছেন, বহুবচনের ক্ষেত্রে জেরও (الكسرة) রূপান্তরযোগ্য বিভক্তি (الإعراب) হিসেবে গণ্য হবে এবং বহুবচনের জের (الكسرة) একবচনের জবরের (الفتحة) অনুরূপ হবে। আর যে ব্যক্তি জবরকে (الفتحة) অপরিবর্তনীয় গঠন (البناء) হিসেবে ধরেছেন, বহুবচনের ক্ষেত্রে জেরও (الكسرة) অপরিবর্তনীয় গঠন (البناء) হিসেবে গণ্য হবে; যেমনটি 'দ্বরাবা' শব্দের জবর (الفتحة) হলো 'লান ইয়াদ্বরিব' বাক্যাংশের জবরের (الفتحة) মতো। এই শব্দটির বিষয়ে এটিই হলো বক্তব্যের সারসংক্ষেপ। আর আমরা এই বিষয়টিকে অন্য স্থানে এর চেয়েও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৬৯)
وأما (شتان)، فموضوع موضع قولك: افترق، وتباين. وهو من قوله عز وجل "أن سعيكم لشتى" و ".أشتاتا … ". وهذا الباب إذا كان كذلك، اقتضى فاعلين فصاعدا فمن قال: شتان زيد وعمر. (أسند إلى فاعلين) وعلى هذا قول الأعشى.

11 - شتان ما يومي على كورها

ويوم حيان أخي جابر

فأسنده إلى فاعلين، معطوف أحدهما على الآخر، وأما قولك، شتان ما بينهما، فالقياس لا يمنعه إذا جعلت (ما) بمنزلة (الذي)، وجعلت (بين) صلًة. لأن (ما) لإبهامها قد على الكثرة. ألا ترى قوله "ويعبدون من دون الله ما لا يضرهم ولا ينفعهم .. ". ثم قال: ..... ويقولون .... ". فعلمت أن المراد به (جميع) وكذلك " … مالا يملك لهم رزقًا .... " ثم قال:

" … ولا يستطيعون"، وقد جاء في الشعر:
আর 'শাত্তানা' (شتان) প্রসঙ্গে বলা যায় যে, এটি আপনার বলা 'বিচ্ছিন্ন হওয়া' (افترق) এবং 'পৃথক হওয়া' (تباين) এর স্থলাভিষিক্ত হয়। এটি মহান আল্লাহ তাআলার বাণী "নিশ্চয় তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা বিভিন্ন (شتى)" এবং "ভিন্ন ভিন্ন দলে (أشتاتا) …" থেকে গৃহীত। এই বিষয়টি যখন এরূপ হয়, তখন এটি দুই বা ততোধিক কর্তার (فاعل) আবশ্যকতা রাখে। সুতরাং যারা বলে: 'জায়েদ ও উমর পৃথক হয়েছে', তারা একে দুইজন কর্তার দিকে সম্বন্ধযুক্ত (أسند) করে। আল-আ'শার পঙক্তিটি এর উপর ভিত্তি করেই রচিত।

11 - কতই না ব্যবধান উটের পিঠে অতিবাহিত আমার এই দিনের

এবং জাবিরের ভাই হাইয়ানের দিনের মাঝে

তিনি একে দুইজন কর্তার দিকে সম্বন্ধযুক্ত (أسند) করেছেন, যেখানে একটি অন্যটির ওপর সংযোজিত (معطوف)। আর আপনার উক্তি, 'তাদের উভয়ের মধ্যে কতই না ব্যবধান', এর ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত নিয়ম (القياس) এতে বাধা দেয় না যদি আপনি 'মা' (ما)-কে 'আল্লাজি' (الذي)-র স্থলাভিষিক্ত করেন এবং 'বাইনা' (بين)-কে সিলাহ (صلة) হিসেবে গণ্য করেন। কেননা 'মা' (ما) তার অস্পষ্টতার (إبهام) কারণে বহুত্ব (الكثرة) বোঝাতে পারে। আপনি কি মহান আল্লাহর এই বাণীটি লক্ষ্য করেননি: "এবং তারা আল্লাহ ব্যতীত এমন কিছুর উপাসনা করে যা তাদের ক্ষতি করতে পারে না এবং উপকারও করতে পারে না..."। অতঃপর তিনি বলেছেন: "...এবং তারা বলে..."। সুতরাং আপনি অবগত হলেন যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো 'সমুদয়' (جميع)। অনুরূপভাবে "… যা তাদের জন্য কোনো রিজিকের মালিকানা রাখে না …" অতঃপর তিনি বলেছেন:

"… এবং তারা সক্ষম নয়", আর কবিতায় এসেছে:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭০)
12 - لشتان (ما) بين اليزيدين. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . إلا أن الأصمعي طعن في فصاحة هذا الشاعر، وذهب إلى أنه غير محتج بقوله: ورأيت أبا عمرو قد أنشد هذا البيت على وجه القبول له، والإستشهاد به. وقد طعن الأصمعي على غير شاعر قد احتج بهم غيره كذي الرمة والكميت. فيكون هذا أيضًا مثلهم. وأما "سرعان ذي إهالة" فـ (ذي) ترفع بـ (سرعان) على حد إرتفاع الفاعل بالفعل، وما بعده منتصب على التمام على وجه الحال، (وفيه) مع ذلك بيين وتفسير للمشار إليه.

فأما (أف) ففيه لغات الحركات الثلاث بلا تنوين، ومع التنوين. وحكى أبو إسحاق مثل هذه لغة سابعًة ولم نعلم لفظه أخرى أقيمت مقام الفاعل في الخبر، وغير الأمر سوى ما ذكرت لك. فأما الإسم والفعل إذا ائتلف، وكذلك الإسم والإسم. فلم أعملهما غير مستقلين ولا مفتقرين إلى غيرهما إلا في الجزاء والقسم. ألا ترى أن الفعل والفاعل في الشرط لا يستغنى بهما، ولا يخلو
১২ - দুই ইয়াজিদের মধ্যে ব্যবধান কতই না প্রকট! . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . তবে আল-আসমাঈ এই কবির সাবলীলতার সমালোচনা করেছেন (طعن) এবং এই মত পোষণ করেছেন যে, তার বক্তব্য দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য (غير محتج) নয়। আমি আবু আমরকে দেখেছি যে, তিনি এই কাব্য পংক্তিটিকে গ্রহণযোগ্যতা (القبول) এবং প্রমাণ হিসেবে উদ্ধৃতি প্রদানের (الإستشهاد) ভিত্তিতে পাঠ করেছেন। আল-আসমাঈ এমন আরও অনেক কবির সমালোচনা করেছেন (طعن) যাদেরকে অন্যরা দলিল হিসেবে গ্রহণ (احتج) করেছেন, যেমন যুর রুম্মাহ এবং আল-কুমাইত। সুতরাং এই কবিও তাদের মতোই গণ্য হবেন। আর "সারআনা যী ইহাহলাহ" (سرعان ذي إهالة) এর ক্ষেত্রে 'যী' (ذي) শব্দটি 'সারআনা' এর প্রভাবে রফ’ বা পেশযুক্ত হয়েছে, ঠিক যেভাবে ক্রিয়া (فعل) দ্বারা কর্তা (فاعل) মারফু বা পেশযুক্ত হয়। আর এর পরবর্তী অংশটি 'হাল' হিসেবে নসব বা জবরযুক্ত হয়েছে; এর পাশাপাশি এতে নির্দেশিত বিষয়ের স্পষ্টীকরণ ও ব্যাখ্যা (تفسير) নিহিত রয়েছে।

আর 'উফ' (أف) শব্দের ক্ষেত্রে তানউইন ব্যতীত এবং তানউইনসহ তিনটি হরকতেই পড়ার রীতি রয়েছে। আবু ইসহাক এর অনুরূপ সপ্তম একটি ভাষারীতির কথা বর্ণনা করেছেন। খবর (الخبر) বা বিবৃতির ক্ষেত্রে কর্তা (الفاعل) এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে এমন আর কোনো শব্দ আমার জানা নেই, কেবল আমর বা আদেশসূচক ক্রিয়া এবং যা আমি আপনার কাছে উল্লেখ করেছি তা ব্যতীত। যখন বিশেষ্য (الإسم) ও ক্রিয়া (الفعل) অথবা বিশেষ্য ও বিশেষ্য পরস্পর মিলিত হয়, তখন আমি সেগুলোকে অন্য কিছুর মুখাপেক্ষী হওয়া বা অ-স্বতন্ত্র হওয়া ব্যতীত আমলযোগ্য করি না, কেবল জাযা (শর্তের প্রতিদান) এবং কাসাম (শপথ) এর ক্ষেত্র ছাড়া। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, শর্তযুক্ত বাক্যে ক্রিয়া (الفعل) এবং কর্তা (الفاعل) দ্বারা বাক্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় না এবং এটি তা থেকে মুক্তও থাকে না...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭১)
من أن تضم الجملة التي هي الخبر إليه. ولهذا المعنى حسن أن تعمل جملة الشرط مع الحرف الداخل عليها في الجزاء. وكذلك القسم لا يكون كلامًا مستقلاً دون أن تضم إليه المقسم عليه والمقسم. لأنه ضرب من الخبر يذكر ليؤكد به غيره جاء على حدّه النون، عليه الإخبار. فكما أن الجمل التي هي أخبار تكون من الفعل والفاعل، والمبتدأ والخبر، كذلك كانت الجملة التي هي قسم على هذين الوجهين. فما كان منه من فعل وفاعل، فقولك: (بالله لأفعلن). وهذه الجملة التي هي قولك: (بالله) متعلقة بها لا يستغنى بها عن المقسم عليه. ألا ترى أنك لو اقتصرت عليه، لم يجز ذلك، ولهذا، لم يجز الخليل في قوله تعالى: "والليل إذا يغشى" و "النهار إذا تجلى" وما عطف عليه من بعد أن تكون الواو جارة مبدلة من (الباء)، لأنك لو حملته على هذا الوجه، تركت القسم بغير مقسم عليه، فلما لم يسغ هذا، جعله عاطفا، وصار ما ذكر مشتركًا في الأول، ومثل به في الجملة التي هي من الفعل والفاعل، ما هي من المبتدأ والخبر، وذلك قولك: لعمرك لأفعلن وأيمن الله لأقومن فهذان الإسمان يرتفعان بالإبتداء، وخبرهما مضمر، والجملة بأسرها قسم ولا يستغنى بها حتى يضم إليها مّا اجتلبا لتأكيده من المقسم عليه /5 آفإن قلت فقد أقول: أحلف بالله، وحلف بالله، فيكون كلامًا مستغنى به غيره، فإن ذلك إنما جوز إذا أردت الإفادة لجنس حلف عليه، ولم ترد هنا القسم. ولو أردت القسم، ولم يسلم (لأقسمن) حتى تذكر ما يقسم عليه، وما عدا ما ذكرت لك من الجملة المتآلفة من جزئين: أحدهما

সংবাদ (خبر) হিসেবে আসা বাক্যটি এর সাথে যুক্ত হওয়া থেকে। এ কারণেই শর্তের (شرط) বাক্যটি তার সাথে যুক্ত হরফসহ জাযা বা ফলশ্রুতির (جزاء) ক্ষেত্রে কার্যকর হওয়া উত্তম হয়েছে। একইভাবে শপথও (قسم) স্বতন্ত্র বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না যতক্ষণ না যার মাধ্যমে শপথ করা হয় এবং যার ওপর শপথ করা হয়েছে (مقسم عليه) তা এর সাথে যুক্ত হয়। কেননা এটি এক ধরনের সংবাদ (خبر) যা অন্য কোনো বিষয়কে সুদৃঢ় করার জন্য উল্লেখ করা হয়; এটি সংবাদের সীমানায় এসেছে। যেহেতু সংবাদমূলক বাক্যগুলো ক্রিয়া (فعل) ও কর্তা (فاعل) অথবা মুক্তাদা (مبتدأ) ও খবর (خبر) দ্বারা গঠিত হয়, তাই শপথের (قسم) বাক্যগুলোও এই দুই প্রকারেই হয়ে থাকে। যা ক্রিয়া (فعل) ও কর্তা (فاعل) দ্বারা গঠিত, তার উদাহরণ হলো তোমার এই কথা: (আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই এটি করব)। আর এই বাক্যটি অর্থাৎ তোমার কথা (আল্লাহর কসম) এর সাথে সংশ্লিষ্ট, যা যার ওপর শপথ করা হয়েছে (مقسم عليه) তা ছাড়া অর্থপূর্ণ হয় না। তুমি কি দেখছ না যে, তুমি যদি কেবল এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে, তবে তা শুদ্ধ হতো না? এ কারণেই আল-খালিল মহান আল্লাহর বাণী: "শপথ রাতের যখন তা আচ্ছন্ন হয়" এবং "শপথ দিনের যখন তা উদ্ভাসিত হয়" এবং এর পরবর্তী আতফকৃত আয়াতগুলোতে 'ওয়াও' বর্ণটিকে 'বা' এর স্থলাভিষিক্ত (مبدلة) মাজরুরকারী অব্যয় হিসেবে গ্রহণ করেননি। কারণ তুমি যদি বিষয়টিকে এভাবে গ্রহণ করো, তবে শপথটি (قسم) এমন অবস্থায় থেকে যাবে যার ওপর শপথ করা হয়েছে (مقسم عليه) তা উল্লেখ নেই। যখন এটি সম্ভব হলো না, তখন তিনি এটিকে আতফকারী অব্যয় হিসেবে গণ্য করেছেন এবং যা উল্লেখ করা হয়েছে তা পূর্ববর্তী বিষয়ের সাথে অংশীদার হয়েছে। ক্রিয়া (فعل) ও কর্তা (فاعل) দ্বারা গঠিত বাক্যের অনুরূপ হলো মুক্তাদা (مبتدأ) ও খবর (خبر) দ্বারা গঠিত বাক্য, যেমন তোমার কথা: "তোমার জীবনের শপথ, আমি অবশ্যই এটি করব" এবং "আল্লাহর শপথ, আমি অবশ্যই দাঁড়াব"। এই দুটি বিশেষ্য মুক্তাদা (مبتدأ) হিসেবে পেশযুক্ত হয়েছে এবং এদের খবর (خبر) উহ্য রয়েছে। পুরো বাক্যটিই একটি শপথ (قسم) এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় না যতক্ষণ না এর সাথে সেই বিষয়টিকে যুক্ত করা হয় যাকে দৃঢ় করার জন্য একে আনা হয়েছে, অর্থাৎ যার ওপর শপথ করা হয়েছে (مقسم عليه)। যদি তুমি বলো: আমি আল্লাহর কসম করছি, অথবা সে আল্লাহর কসম করেছে—তবে তা অন্য বিষয় ছাড়াই একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য হবে। তবে এটি কেবল তখনই বৈধ হবে যখন তুমি কসমের ধরন সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে চাও, কিন্তু এখানে শপথ (قسم) করা উদ্দেশ্য নয়। আর যদি তুমি শপথ (قسم) করার ইচ্ছা করো, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি যার ওপর শপথ করা হয়েছে (مقسم عليه) তা উল্লেখ না করবে, ততক্ষণ (আমি অবশ্যই শপথ করব) বাক্যটি পূর্ণতা পাবে না। আর আমি তোমার কাছে যা উল্লেখ করেছি তা ব্যতীত বাক্যগুলো দুটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়: যার একটি হলো

(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭২)
خبر والآخر مخبر عنه، فهو مستقل مفيد مستغنى به عن غيره. وأعلم أن بعض الجمل قد تقوم مقام بعض، فمن ذلك قوله عز وجل: " … سواء عليكم أدعموتموهم أم أنتم صامتون" فهذه التي من الإبتداء والخبر موقعًة موقع التي هي من الفعل، والفاعل. ألا ترى أنها معادلة كما هو كذلك (وكذلك) قوله: " … فهل لنا من شفعاء فيشفعوا لنا أو نرد … ". فقوله: (أن نرد). معادلة التي من الإبتداء والخبر، كما كانت التي من الإبتداء والخبر معادلة للفعل والفاعل في الآية الأخرى. يدلك على ذلك دخولها في حيز الإستفهام بعطفها عليه، وعلى هذا يتجه ما أشنده أبو زيد:

13 - أقيس بن مسعود بن قيس بن خالد

أموف بادراع ابن ظبية أو تذم

فظاهر قوله: (أو تذم)، إنها معادلة لما قبله من الجملة التي هي إبتداء وخبر. وقد يحتمل أن يضمر، بينما يكون الفعل في موضع خبره. ومما وقع من بعض هذه الجمل موقع بعض قولهم: أتقى الله امرؤ فعل خيرا، يثبت عليه.

فاللفظ كما ترى لفظ الخبر، والمعنى معنى الأمر، يدلك علي ذلك جزمك للفعل بعده. وهذا الجزم جواب له، وهو في الحقيقة -عندنا- ينجزم، لأنه جواب لشرك محذوف، ونظير هذا من الإبتداء والخبر قولهم: حسبك ينم الناس (فحسبك) مرتفع بالإبتداء والخبر محذوف مراد. وحسن فيه الحذف لأمرين: أحدهما أن حسبك بمنزلة (أكفف). والآخر أنك لا تكاد تقول: ذلك عند معرفة المخاطب بالمراد، فحذف الخبر للعلم به، - وهذا تفسير أبي العباس- فهاتان جملتان ألفاظهما ألفاظ الخبر، ومعناها معنى الأمر. وجزمكّ لـ (ينام) بعد
সংবাদ (خبر) এবং অপরটি যার সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয় (مخبر عنه), ফলে তা একটি স্বতন্ত্র (مستقل), অর্থবোধক (مفيد) এবং অন্যের মুখাপেক্ষীহীন (مستغنى به عن غيره) বিষয়। জেনে রাখুন যে, কিছু বাক্য (جمل) অন্য কিছু বাক্যের স্থলাভিষিক্ত (مقام بعض) হতে পারে। এর উদাহরণ হলো মহান আল্লাহর বাণী: "… তোমাদের জন্য উভয়ই সমান, তোমরা তাদের ডাকো কিংবা তোমরা নীরব থাকো।" এখানে এই বাক্যটি উদ্দেশ্য ও বিধেয় (الإبتداء والخبر) দ্বারা গঠিত হওয়া সত্ত্বেও ক্রিয়া ও কর্তার (الفعل والفاعل) স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। আপনি কি দেখছেন না যে এটি সমতূল্য (معادلة), যেমনটি মহান আল্লাহর এই বাণীতে রয়েছে: "… তবে কি আমাদের জন্য কোনো সুপারিশকারী আছে যে তারা আমাদের জন্য সুপারিশ করবে অথবা আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে …"। সুতরাং তাঁর বাণী: (আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে) বাক্যটি উদ্দেশ্য ও বিধেয় (الإبتداء والخبر) ভিত্তিক বাক্যের সমতূল্য (معادلة), যেমনটি অন্য আয়াতে উদ্দেশ্য ও বিধেয় (الإبتداء والخبر) ভিত্তিক বাক্যটি ক্রিয়া ও কর্তার (الفعل والفاعل) সমতূল্য (معادلة) হয়েছিল। এর উপরে সংযোজক (عطف) হওয়ার মাধ্যমে প্রশ্নবোধক (إستفهام) কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হওয়া আপনার নিকট বিষয়টি স্পষ্ট করে তোলে। এর ওপর ভিত্তি করেই আবু যায়িদ যা বর্ণনা করেছেন তা পরিচালিত হয়:

১৩ - কায়িস ইবনে মাসউদ ইবনে কায়িস ইবনে খালিদ

সে কি ইবনে জাবিয়াহর বর্মগুলো পৌঁছে দেবে নাকি সে নিন্দিত হবে?

তাঁর উক্তি: (নিন্দিত হবে - أو تذم) এর বাহ্যিক রূপ হলো এটি তার পূর্ববর্তী বাক্য যা উদ্দেশ্য ও বিধেয় (إبتداء وخبر) দ্বারা গঠিত, তার সমতূল্য (معادلة)। এর সম্ভাবনা রয়েছে যে এখানে কোনো কিছু উহ্য (يضمر) আছে, যখন ক্রিয়াটি তার সংবাদের (خبر) স্থলে অবস্থিত হয়। কিছু বাক্য অন্য বাক্যের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার উদাহরণ হিসেবে তাদের এই কথাটি উল্লেখযোগ্য: "সেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করল যে ভালো কাজ করল, তা তার জন্য সাব্যস্ত হবে।"

এখানে শব্দগুলো আপনি যেমন দেখছেন তা সংবাদবাচক (الخبر), কিন্তু এর অর্থ হলো আদেশসূচক (الأمر)। এর পরবর্তী ক্রিয়াটিতে আপনার জজম বা সুকুন প্রদান (جزم) এর প্রমাণ বহন করে। আর এই জজম (الجزم) হলো তার উত্তর (جواب)। আমাদের নিকট এটি প্রকৃতপক্ষে জজম (ينجزم) যুক্ত হয়েছে কারণ এটি একটি উহ্য (محذوف) শর্তের (شرط) উত্তর (جواب)। উদ্দেশ্য ও বিধেয় (الإبتداء والخبر) থেকে এর সমরূপ উদাহরণ হলো তাদের কথা: "তোমার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে মানুষ ঘুমিয়ে পড়বে" (এখানে 'হাসবুকা' - حسبك) শব্দটি উদ্দেশ্য (الإبتداء) হিসেবে রাফা বা পেশযুক্ত (مرتفع) এবং বিধেয় (الخبر) এখানে উহ্য (محذوف) যা উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এখানে দুটি কারণে উহ্য (الحذف) রাখা সুন্দর হয়েছে: প্রথমত, 'হাসবুকা' (حسبك) শব্দটি 'তুমি বিরত হও' (أكفف) এর সমপর্যায়ের। দ্বিতীয়ত, যখন সম্বোধিত ব্যক্তি উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত থাকে তখন আপনি সাধারণত এমন কথা বলেন না। ফলে বিষয়টি জানা থাকার কারণে বিধেয়টি (الخبر) উহ্য (حذف) রাখা হয়েছে—এটি আবু আব্বাসের ব্যাখ্যা—এই দুটি এমন বাক্য যাদের শব্দগুলো সংবাদবাচক (الخبر) কিন্তু এদের অর্থ হলো আদেশসূচক (الأمر)। এর পরে 'ইয়ানাম' (ينام) শব্দে আপনার জজম (جزم) প্রদান...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৩)
(حسبك) يدلك على ذلك. وكما يوقع لفظ الخبر موقع لفظ الأمر في هذا، ونحوه، نحو قوله تعالى: " .... يتربصن بأنفسهن … " " … ولا تضار والدة … "، وما أشبه ذلك: فكذلك قد أوقع لفظ الأمر موقع الخبر، فمن ذلك قولهم في التعجب:

أكرم بزيد. وفي التنزيل "اسمع بهم وأبصر … " فهذا بمعنى (خبر)، لأنك تحدث عن زيد بأنه قد كرم وبالغ. ولست في ذلك آمر أحدًا بإيقاع فعل عليه، ومن ثم كان على هذا اللفظ في خطاب الواحد، والإثنين في المؤنث والجمع. فالجار مع المجرور على هذا في موضع رفع لكونهما في موضع الفاعل. ونظير قولهم: كفى بالله. وهذا في غير الخبر واسع فلا يعلم غير هذا في الفعل والفاعل. وقد جاء في المبتدأ موضع رفع بالإبتداء. وأنشد أبو زيد.

14 - تجانف رضوان عن ضيفه

ألم يأت رضوان عني النذر

بحسبك في الجمع أن يعلموا

بأنك فيهم عني مضر

وقد قال أبو الحسن في قوله تعالى: " … وجزاء سيئة بمثلها .... " أنه في موضع رفع لكونه خبرًا للمبتدأ ويدلك على ذلك قوله في الأخرى:

"وجزاء سيئة سيئة مثلها … " وهنا في الخبر مثله في الفاعل لأنَّ الخبر شبيه الفاعل. ألا ترى أنه لا يستقل إلا بالجزاء الذي قبله، كما أنَّ الفاعل كذلك.
(حسبك) আপনাকে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এবং যেভাবে খবরের (خبر) শব্দকে এই ক্ষেত্রে এবং এই জাতীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে আদেশের (أمر) শব্দের স্থলাভিষিক্ত করা হয়, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: "....তারা নিজেদের চার মাস দশ দিন প্রতীক্ষায় রাখবে … ", " … এবং কোনো মাতাকে (সন্তানের কারণে) ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না … ", এবং এর সদৃশ আয়াতসমূহ। তদ্রূপ আদেশের (أمر) শব্দকেও খবরের (خبر) স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। যেমন বিস্ময় প্রকাশের ক্ষেত্রে তাদের উক্তি:

জায়িদ কতই না সম্মানিত! এবং মহাগ্রন্থে (কুরআনে) এসেছে: "তারা কতই না চমৎকার শুনতে পায় এবং দেখতে পায় … "। এটি সংবাদ (خبر)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে; কারণ আপনি জায়িদ সম্পর্কে সংবাদ দিচ্ছেন যে সে সম্মানিত হয়েছে এবং তা চরম সীমায় পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে আপনি কাউকে কোনো কাজ করার আদেশ (أمر) দিচ্ছেন না। এই কারণেই একবচন, দ্বিবচন, স্ত্রীলিঙ্গ ও বহুবচনের সম্বোধনের ক্ষেত্রে এই শব্দটি অপরিবর্তিত থাকে। এমতাবস্থায় 'জার' ও 'মাজরুর' রফ (رفع)-এর স্থলাভিষিক্ত হয়, যেহেতু তারা কর্তা (فاعل)-এর স্থানে অবস্থিত। এর সদৃশ হলো তাদের উক্তি: "আল্লাহই যথেষ্ট।" এবং সংবাদ (خبر) ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ ব্যাপক; তবে ক্রিয়া ও কর্তার (فاعل) ক্ষেত্রে এটি ছাড়া আর কিছু জানা যায় না। এবং কখনও মুবতাদা (مبتدأ)-এর ক্ষেত্রেও তা রফ (رفع)-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে আসে। এ প্রসঙ্গে আবু জায়েদ কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

14 - রিদওয়ান তার মেহমান থেকে বিমুখ হলো

আমার পক্ষ থেকে কি রিদওয়ানের কাছে কোনো সতর্কবার্তা পৌঁছেনি?

সমাবেশে তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে তারা জানুক

তাদের মাঝে তুমি আমার পক্ষ থেকে মুদার গোত্রীয়

মহান আল্লাহর বাণী: " … মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ .... " সম্পর্কে আবুল হাসান বলেছেন যে, এটি মুবতাদার (مبتدأ) খবর (خبر) হওয়ার কারণে রফ (رفع)-এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। অন্য আয়াতে মহান আল্লাহর এই বাণীটি আপনাকে সেদিকেই নির্দেশ করবে:

"মন্দের প্রতিফল হলো তদ্রূপ মন্দ … "। এখানে খবরের (خبر) বিষয়টি কর্তার (فاعل) মতো; কেননা খবর (خبر) হলো কর্তার (فاعل) সদৃশ। আপনি কি দেখছেন না যে, খবর (خبر) তার পূর্ববর্তী 'জাযা' (প্রতিফল) ছাড়া স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় না, যেমনটি কর্তার (فاعل) ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৪)
فكما جاء ذلك في الفاعل، يجوز في خبر المبتدأ، ومن هذا قوله عزّ جّل " .... فليمدد له الرحمن

مدا … ". فاللفظ لفظ الأمر، والمعنى - والله أعلم - الخبر هذا نظير قولهم: أكرم بزيد. في أنَّ اللفظ لفظ الأمر، والمعنى يعني الخبر. وأما قولهم: لا هالله ذا.

(فذا) من جملة محلوف عليها. و (ذا) خبر مبتدأ محذوف، يدلك على ذلك أنه لا يخلو -إن كان جملة محلوفًا عليها- من أن يكون خبرا، أو مبتدأ. فلو كان مبتدأ، للزم أم يحلقه (واو) البناء، والقسم من (اللام) أو (أن) ونحوهما. فلا كان قولك (ذا) (مبتدأ، إنما هو خبر) وهذا ما يذهب إليه أبو الحسن

في نحو قوله تعالى: "يحلفون بالله لكم ليرضوكم … " و "ولتصغي إليه أفئدة الذين لا يؤمنون

بالآخرة … ". يذهب إلى أنَّ المعنى (ليرضيكم) و (لتصغي). وقد إعترض بعض النحاة على هذا التأويل. والدليل على ما يذهب إليه أبو الحسن ما أنشده هو وغيره لبعض القدماء:

15 - إذا قلت: قدني، قال بالله حلفة

لتغتني عني ذا أنائك أجمعا

أو هو قسم لكونه جوابًا، ولا جواب له. فلا يجوز أن يخلو من الجواب، لأنه مبتدأ به، وليس بمتوسط كلام كقولك: زيد - والله - منطلق. إذا كان كذلك، لم يخل من كونه جوابًا أولا، (وليس) في هذا الكلام، ولا في البيت الذي بعده ما يصح أن يكون جوابًا غير قوله: (لتغني عني) فقد ثبت أنه جواب، فهذا يسقط
যেমনটি কর্তা (الفاعل)-এর ক্ষেত্রে এসেছে, তেমনি এটি মুক্তাদার খবর (خبر المبتدأ)-এর ক্ষেত্রেও জায়েজ হতে পারে। আর এর উদাহরণ মহান আল্লাহর বাণী ".... দয়াময় (রহমান) তাকে দীর্ঘ অবকাশ দান করুন

ব্যাপকভাবে … "। এখানে শব্দরূপটি আদেশবাচক (الأمر), কিন্তু এর অর্থ—আল্লাহই ভালো জানেন—সংবাদবাচক (الخبر)। এটি তাদের "আকরিম বি জাইদিন" (জায়েদ কতই না সম্মানিত) কথাটির সদৃশ; যেখানে শব্দরূপটি আদেশবাচক (الأمر) হলেও অর্থ মূলত সংবাদবাচক (الخبر)। আর তাদের কথা: "না, আল্লাহর কসম, এটি (এমন)।"

এখানে (যা/ذا) হলো শপথকৃত বাক্যের (محلوف عليها) অংশ। আর (যা/ذا) হলো একটি উহ্য মুক্তাদার (مبتدأ محذوف) খবর (خبر)। এটি আপনাকে এ কথার দিকে নির্দেশ করে যে, এটি যদি শপথকৃত বাক্য (جملة محلوفًا عليها) হয়, তবে তা খবর (خبر) অথবা মুক্তাদা (مبتدأ) হওয়া থেকে মুক্ত নয়। এখন যদি তা মুক্তাদা (مبتدأ) হতো, তবে তার সাথে ওয়াও (واو), শপথের লাম (اللام) অথবা 'আন্না' (أن) ইত্যাদি যুক্ত হওয়া আবশ্যক হতো। সুতরাং আপনার উক্তি (যা/ذا) মুক্তাদা নয়, বরং তা কেবলই খবর (خبر)। আবুল হাসানও এমনটি মনে করেন

যেমন মহান আল্লাহর বাণী: "তারা তোমাদের সন্তুষ্ট করার জন্য তোমাদের কাছে আল্লাহর কসম খায় … " এবং "যাতে পরকালে যারা বিশ্বাস করে না তাদের অন্তর সেদিকে ধাবিত হয় … "। তিনি মনে করেন যে, এর অর্থ মূলত (যাতে তারা তোমাদের সন্তুষ্ট করে) এবং (যাতে তারা ধাবিত হয়)। কতিপয় ব্যাকরণবিদ এই ব্যাখ্যার (التأويل) ওপর আপত্তি জানিয়েছেন। তবে আবুল হাসান যে মত পোষণ করেন তার দলিল হলো যা তিনি এবং অন্যান্যরা প্রাচীন কবিদের থেকে উদ্ধৃত করেছেন:

১৫ - যখন আমি বললাম: আমার জন্য যথেষ্ট, তখন সে আল্লাহর কসম খেয়ে কড়া শপথ করে বলল

যেন তুমি আমার থেকে বিমুখ হতে পারো তোমার এই সমস্ত পাত্রাদি নিয়ে

অথবা এটি একটি শপথ (قسم) যেহেতু এটি জবাব (جواب) হিসেবে এসেছে, অথচ এর কোনো জবাব (جواب) নেই। আর এটি জবাব (جواب) বিহীন হওয়া বৈধ নয়, কারণ এর মাধ্যমেই বাক্য শুরু করা হয়েছে এবং এটি বাক্যের মাঝখানে আসেনি; যেমন আপনার কথা: 'জায়েদ—আল্লাহর কসম—প্রস্থানকারী'। যদি বিষয়টি এমন হয়, তবে এটি জবাব (جواب) হওয়া থেকে মুক্ত নয়। আর এই বক্তব্যে বা এর পরবর্তী চরণে 'যাতে তুমি আমার থেকে বিমুখ হতে পারো' কথাটি ছাড়া অন্য কিছুই জবাব (جواب) হওয়ার উপযুক্ত নেই। সুতরাং প্রমাণিত হলো যে এটিই জবাব (جواب), ফলে ওই (আপত্তিটি) বাতিল হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৫)
إعتراض من اعترض على هذا. فإن قالوا: إن المقسم عليه، إنما يكون جملة، وليس هذا الذي ذهب إليه أنه مقسم عليه بجملة. /5 ب لأن اللام في تقدير الدخول على (أن) و (الفعل) في تقدير - إسم مفرد، قيل: إن ذلك لا يمنع من وقوعه موقع الجملة التي يقسم عليها - وإن كان مفردًا- وذلك أن الفعل والفاعل اللذين وجدناهما في الصلة يسدان مسد الجملة فيصير المجموع بمنزلة الجملة، وسادًا مسدها، كما كانت في الجملة في نحو قوله تعالى: "أفحسب الناس أن يتركوا، أن يقولوا، آمنا … " وكقولهم: علمت أن زيدًا منطلق. ألا ترى أنَّ هذا الموضع من المواضع التي يقع فيها ما هو بجملة في المعنى، وقد صد ما ذكرناه مسدها، وكذلك قولهم: لو أنك جئتني، لأكرمتك. وكقولهم: أقائم زيد؟

هذه المواضع قد استغنى فيها عن الجملة بالمفرد. ما كان على الوصف الذي أعلمتك على إنكار هذا من هذا الوجه، لا يسوغ لمن قال منهم بقول الكسائي.

وذلك أنه يجيز على ما بلغنا منه: أعلم أنَّ زيدا منطلق. فيفتح (أن) و (ان) وما بعدها في تقدير مفرد كما أن (أن والفعل) كذلك، ووجه مجاز الجميع ما أعلمتك. وهذه جمل من القول على إئتلاف هذه الكلم.
যিনি এই বিষয়ের ওপর আপত্তি উত্থাপন করেছেন, এটি তাঁর আপত্তি। যদি তাঁরা বলেন যে: যার ওপর শপথ করা হয়, তা কেবল একটি পূর্ণ বাক্যই হতে পারে; অথচ তিনি যে মতটি গ্রহণ করেছেন সেখানে শপথের বিষয়টি কোনো পূর্ণ বাক্য নয়। /৫ খ কারণ এখানে 'লাম' বর্ণটি 'আন্' এবং 'ক্রিয়া'-এর ওপর প্রবেশের প্রাক-বিবেচনায় রয়েছে, যা একটি একক বিশেষ্য-এর সমতুল্য। এর উত্তরে বলা হয়েছে যে: এটি একক শব্দ হওয়া সত্ত্বেও বাক্যের স্থলাভিষিক্ত হতে কোনো বাধা সৃষ্টি করে না—যদিও তা একক শব্দ হয়। কারণ আমরা সম্বন্ধসূচক বাক্যাংশে যে ক্রিয়া ও কর্তা দেখতে পাই, তা বাক্যের শূন্যস্থান পূরণ করে দেয়। ফলে এই পুরো বিষয়টি একটি পূর্ণ বাক্যের মর্যাদায় উন্নীত হয় এবং তার স্থলাভিষিক্ত হয়; যেমনটি আল্লাহ তাআলার এই বাণীতে পূর্ণ বাক্যের ক্ষেত্রে হয়েছে: "মানুষ কি মনে করে যে, তাদের শুধু এই কথা বলায় ছেড়ে দেওয়া হবে যে, আমরা ঈমান এনেছি … " এবং তাদের উক্তির ন্যায়: "আমি জানলাম যে যায়েদ প্রস্থানকারী।" আপনি কি দেখছেন না যে, এটি এমন একটি স্থান যেখানে অর্থের বিচারে যা একটি পূর্ণ বাক্য, তা-ই অবস্থিত? আর আমরা যা বর্ণনা করেছি তা সেই বাক্যের অভাবই পূরণ করেছে। অনুরূপভাবে তাদের বক্তব্য: "তুমি যদি আমার নিকট আসতে, তবে আমি অবশ্যই তোমাকে সম্মানিত করতাম।" এবং তাদের উক্তি: "যায়েদ কি দণ্ডায়মান?"

এই সকল ক্ষেত্রে পূর্ণ বাক্যের পরিবর্তে একক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমেই উদ্দেশ্য সাধিত হয়েছে। আমি আপনাকে যে বিবরণ প্রদান করেছি, সেই অনুযায়ী যারা এই দিক থেকে বিষয়টি অস্বীকার করেন, তাদের ক্ষেত্রে কিসাঈ-এর মত অনুসরণ করা সমীচীন হবে না।

এর কারণ এই যে, আমাদের নিকট প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তিনি এটি বৈধ মনে করেন: "আমি জানি যে যায়েদ প্রস্থানকারী।" এক্ষেত্রে তিনি 'আন্' এবং 'ইন্' বর্ণে ফাতহা প্রদান করেন এবং 'আন্' ও তার পরবর্তী অংশটি একটি একক শব্দের পর্যায়ভুক্ত হয়, যেমনটি 'আন্ ও ক্রিয়া'-এর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এই সবকিছুর বৈধতার দিক আমি আপনাকে অবহিত করেছি। শব্দসমূহের এই পারস্পরিক অন্বয়ের ওপর এটি একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৬)
‌‌هذا باب معرفة ما كان شاذًا من كلامهم

أعلم أنَّ الشاذ في العربية على ثلاثة أضرب:

شاذ عن الاستعمال مطرد في القياس.

ومطرد في الاستعمال شاذ عن القياس.

وشاذ عنهما.

وهذا قول أبي بكر رحمه الله.

فأما الشاذ عن الاستعمال المطردّ في القياس، فكما في (يدع) و (يذر)، فماضي هذا لا يمنع منه القياس. ألا ترى أنه لا تجد في كلامهم مضارعًا لا يستعمل فيه الماضي، سوى هذا، فلهذا شذَّ عن قياس نظائره، فصار قول الذي يقول: (ودع) شاذًا عن الاستعمال. وقد حكى أبو العباس أنَّ بعضهم قرأ " … ما ودعك - ربك - وما قلا". ومثل هذا لا تستحب قراءته للشذوذ، ولرفضهم ذلك وإستغنائهم عنه بتركه. وكما رفض مثال الماضي منه، فكذلك رفض المصدر. وإسم الفاعل. فإنَّ بعض البغداديين (أنشد).
এটি তাদের কথাবার্তার মধ্যে যা কিছু ব্যতিক্রমী (شاذ), তা জানার পরিচ্ছেদ।

জেনে রাখুন যে, আরবি ভাষায় ব্যতিক্রমী (شاذ) বিষয়সমূহ তিন প্রকার:

ব্যবহারের দিক থেকে ব্যতিক্রমী (شاذ), কিন্তু পদ্ধতিগত নিয়মের (قياس) দিক থেকে নিয়মিত।

ব্যবহারের দিক থেকে নিয়মিত, কিন্তু পদ্ধতিগত নিয়মের (قياس) দিক থেকে ব্যতিক্রমী (شاذ)।

এবং উভয় দিক থেকেই ব্যতিক্রমী (شاذ)।

এটি আবু বকর (রহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্য।

ব্যবহারের দিক থেকে যা ব্যতিক্রমী (شاذ) কিন্তু পদ্ধতিগত নিয়মের (قياس) দিক থেকে নিয়মিত, তার উদাহরণ হলো (ইয়াদাউ) এবং (ইযহারু); এগুলোর অতীতকালীন রূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত নিয়ম (قياس) কোনো বাধা প্রদান করে না। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, তাদের কথাবার্তায় এমন কোনো বর্তমানকালীন ক্রিয়া পাওয়া যায় না যার অতীতকালীন রূপ ব্যবহৃত হয় না, কেবল এটি ছাড়া? এই কারণে এটি তার সমজাতীয় শব্দগুলোর পদ্ধতিগত নিয়মের (قياس) তুলনায় ব্যতিক্রমী (شاذ) হয়ে গেছে। ফলে যে ব্যক্তি (ওয়াদাআ) বলে, তার বক্তব্যটি ব্যবহারের দিক থেকে ব্যতিক্রমী (شاذ) হিসেবে গণ্য হয়। আবু আল-আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে, তাদের কেউ কেউ পাঠ করেছেন " … মা ওয়াদ্দাআকা - রাব্বুকা - ওয়ামা ক্বালা"। এই ধরণের কিরাত পাঠ করা ব্যতিক্রমী (شاذ) হওয়ার কারণে এবং তারা এটি বর্জন করায় ও এর ব্যবহার পরিহার করে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার কারণে পছন্দনীয় নয়। তারা যেভাবে এর অতীতকালীন রূপটি বর্জন করেছে, তেমনিভাবে এর ক্রিয়ামূল এবং কর্তৃবাচক বিশেষ্যকেও বর্জন করেছে। কেননা জনৈক বাগদাদী (কবিতা আবৃত্তি করেছেন)।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৭)
16 - . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . حزين على ترك الذي أنا وادع

وهذا في القلة كما تقدم، ومثل (يدع)، (يذر) غير أني لا أعرف ماضيه، وإسم فاعله استعمالاً في موضع. ومثل هذا في الشذوذ عن الاستعمال -وإن كان غير ممتنع في القياس- رفضهم وصل كاف التشبيه بعلامات الضمير، واستغني عنه بقولهم: أنا مثلك. وأنت مثلي. فصار قول الواصل له بهما شاذًا عما عليه استعمال لكثرة، والجمهور. فمن ذلك بيتا الكتاب:

17 - حيىّ الذنابات يمينًا كتبًا

وأم أو عال كها أو أقربا

وقال:

18 - فلا ترى بعلا ولا حلائلا

كه، ولا كهنً إلا حاظلا

وأجازه (عند) أصحابنا مجراه هذا المجرى.

ومن هذا الباب قولهم: أرأيتك زيدا ما فعل؟. وفي التثنية والجمع ارأيتكما،
16 - . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . আমি যা পরিত্যাগ করছি, তা ছেড়ে আসার কারণে আমি ব্যথিত।

পূর্বের আলোচনার ন্যায় এটিও ব্যবহারের দিক থেকে বিরল। যেমন: (يدع) ও (يذر); তবে আমি কোনো স্থানে এর অতীতকাল (ماضي) এবং কর্তৃবাচক বিশেষ্য (اسم فاعل) ব্যবহারের কথা জানি না। ব্যবহারের ক্ষেত্রে এরূপ অনিয়মিত (شذوذ) হওয়ার আরেকটি উদাহরণ হলো—যদিও ভাষাতাত্ত্বিক যুক্তি বা কিয়াস (قياس) অনুযায়ী তা অসম্ভব নয়—উপমার্থে ব্যবহৃত বর্ণ ‘কাফ’-কে সর্বনামের চিহ্নের সাথে যুক্ত করতে তাদের অস্বীকৃতি। এর পরিবর্তে তারা ‘আনা মিসলুকা’ (আমি তোমার মতো) এবং ‘আন্তা মিসলি’ (তুমি আমার মতো) বলার মাধ্যমে একে অপ্রয়োজনীয় করে দিয়েছে। ফলে এই বর্ণটিকে (কাফ) সর্বনামের সাথে যুক্ত করা ব্যক্তিগণের বক্তব্য অধিকাংশ তথা জমহুর (جمهور) ভাষাবিদদের ব্যবহারের বিপরীতে অনিয়মিত (شاذ) হিসেবে গণ্য হয়েছে। ‘আল-কিতাব’-এর পঙ্ক্তি দুটি এর অন্তর্ভুক্ত:

17 - যিনাবাতের ডানদিকের কুতুব নামক স্থানকে অভিবাদন জানাও,

অথবা উয়ালের জননীকে, তার মতো অথবা তার চেয়েও নিকটবর্তী কাউকে।

তিনি আরও বলেছেন:

18 - তুমি দেখবে না কোনো স্বামী কিংবা কোনো স্ত্রী,

তার মতো, কিংবা তাদের মতো, কেবল রক্ষাকারী ব্যতীত।

আমাদের আসহাব বা অনুসারীগণ একে এই নিয়মেই বৈধ (اجازة) সাব্যস্ত করেছেন।

এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত হলো তাদের বক্তব্য: 'আরাআইতাকা যাইদান মা ফায়ালা?' (যাইদ কী করেছে তা কি তুমি দেখেছ?)। আর দ্বিবচন ও বহুবচনের ক্ষেত্রে 'আরাআইতাকুমা',
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৮)
وأرأيتكم. والتاء هي ضمير الفاعل مفردة في جميع الأحوال (وإن) كان المخاطب واحدا مذكرا، أو مؤنثا، أو مجموعا، والقياس لا يمنع تثنية ذلك وجمعه، كما لم يمنع من ماضي (يدع) و (يذر) إلا أن الاستعمال لم يأت في ذلك، واستغنوا بما اتصل من حرف الخطاب بعلامة الضمير على أن يثنى ويجمع. وقد وجد كذلك أمثل في كلامهم كقوله: " … ذلك أدنى ألا تعولوا فجعل الخطاب للواحد من الجماعة فهذا مثل (أرأيتكم) في المعنى، وفي التنزيل: "قل أرأيتم أن أخذ الله سمعكم وأبصاركم … ". ولو قلت في نظيره في التثنية والجمع وتأنيث المؤنث، لكان مقيسا مستعملا.

فأما الكاف في (أرأيتك) و (أرأيتكم)، فقد اختلف فيها. فقال أصحابنا: إنها لا موضع لها من الإعراب. وقال بعضهم، موضعها (نصب)، وقال آخرون: موضعها (رفع). ولا يخلو القول فيها من أن يكون على أحد هذه الوجوه. فالذي يفسد قول من قال: إنها رفع أن التاء هي الفاعلة، وموضعها رفع، كما أنها في قولك: علمتك خارجا. ونحو ذلك في موضع رفع فيمتنع إذاً أن تكون الكاف مرفوعة لإستحالة كون فاعلين لفعل واحد في كلامهم على غير وجه الإشتراك. ألا ترى أنَّ الآخر يغير حرف العطف، فهذا القول بعيد جدًا، ويدلك على إمتناع الكاف من أن يكون في موضع (نصب) أنها لو كانت في موضع (نص) أو أنها المفعول الأول من المفعولين اللذين يقتضيهما (رأيت) - والمفعول الأول في المعنى هو المفعول الثاني - (لكانت بمعنى الغائب).

فأنت إذا قلت: أرأيتك زيدا هذا الذي أكرمته؟. لا يصح استعماله أن يكون المخاطب غائبًا، فما يكون إذن المفعول الأول، فإذا لم يكن إياه، علمت أنه لا موضع - هو - أن زيدا في موضع المفعول الثاني.
এবং ‘আরাআইতাকুম’ (أرأيتكم)। এখানে ‘তা’ (تاء) বর্ণটি হলো কর্তাবাচক সর্বনাম (ضمير الفاعل), যা সম্বোধিত ব্যক্তি একবচন পুরুষ, স্ত্রী অথবা বহুবচন—যাই হোক না কেন, সর্বাবস্থায় একবচন হিসেবেই থাকে। ভাষাগত কিয়াসের (যৌক্তিক নীতি) দাবি অনুযায়ী এর দ্বিবচন বা বহুবচন হওয়া অসম্ভব নয়, যেমনটি ‘ইয়াদা‘উ’ (يدع) এবং ‘ইয়াদারু’ (يذر)-এর অতীতকাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই; তবে প্রচলিত ভাষাগত প্রয়োগে এর ব্যবহার পরিলক্ষিত হয় না। আর তারা সর্বনামের চিহ্নের সাথে সম্বোধনসূচক বর্ণ যুক্ত করার মাধ্যমেই একে দ্বিবচন ও বহুবচন করার প্রয়োজনীয়তা থেকে অমুখাপেক্ষী হয়েছেন। তাদের (আরবদের) বাক্যে এর অনুরূপ উদাহরণ পাওয়া যায়, যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: “...এটিই অধিকতর উপযুক্ত যে তোমরা অন্যায়ে লিপ্ত হবে না (ألا تعولوا)”, এখানে সম্বোধনটি দলের একজনকে করা হয়েছে, যা অর্থের দিক থেকে ‘আরাআইতাকুম’ (أرأيتكم)-এর মতো। আর পবিত্র কোরআনে রয়েছে: “বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছো (أرأيتم), যদি আল্লাহ তোমাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নেন...”। যদি আপনি দ্বিবচন, বহুবচন এবং স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে এর অনুরূপ প্রয়োগ করতেন, তবে তা কিয়াস অনুযায়ী শুদ্ধ এবং প্রয়োগযোগ্য হতো।

তবে ‘আরাআইতাকা’ (أرأيتك) ও ‘আরাআইতাকুম’ (أرأيتكم)-এর অন্তর্ভুক্ত ‘কাফ’ (كاف) বর্ণটি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। আমাদের সাথীবর্গ (ব্যাকরণবিদগণ) বলেছেন: ব্যাকরণিক অবস্থানে (إعراب) এর কোনো স্থান নেই। তাদের কেউ কেউ বলেছেন: এর স্থান হলো নসব (نصب)। আবার অন্যেরা বলেছেন: এর স্থান হলো রফ (رفع)। এই বিষয়ে বক্তব্যসমূহ এই কয়েকটি অবস্থার বাইরে নয়। যারা একে রফ (رفع) বলেছেন, তাদের বক্তব্যটি যে কারণে ত্রুটিপূর্ণ তা হলো—এখানে ‘তা’ (تاء) বর্ণটিই হলো কর্তা (فاعل), আর তার অবস্থান হলো রফ (رفع); যেমনটি আপনার উক্তি ‘আল্লামতুকা খারিজান’ (علمتك خارجا)-এর ক্ষেত্রেও ‘তা’ রফ (رفع) এর অবস্থানে থাকে। সুতরাং এমতাবস্থায় ‘কাফ’ (كاف) বর্ণটি রফ (رفع) হওয়া অসম্ভব, কারণ আরবদের ভাষায় অংশীদারিত্বের প্রেক্ষিত ছাড়া একটি ক্রিয়ার জন্য দুইজন কর্তা (فاعلين) থাকা অসম্ভব। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, অপরটি সংযোজক অব্যয়কে পরিবর্তন করে দেয়? ফলে এই মতটি অত্যন্ত দূরবর্তী। আর ‘কাফ’ বর্ণটির অবস্থান নসব (نصب) হওয়া যে অসম্ভব, তার প্রমাণ হলো—যদি এটি নসব (نصب) এর স্থানে থাকত অথবা এটি ‘রাআইতু’ (رأيت) ক্রিয়ার প্রত্যাশিত দুটি কর্মের (مفعولين) মধ্যে প্রথম কর্ম (المفعول الأول) হতো—আর অর্থের দিক থেকে প্রথম কর্মই মূলত দ্বিতীয় কর্ম—তবে তা অনুপস্থিত বা পরোক্ষ ব্যক্তি (গায়েব) অর্থে ব্যবহৃত হতো।

সুতরাং আপনি যখন বলেন: ‘আরাআইতাকা জাইদান হাযাল্লাজি আকরামতাহু?’ (أرأيتك زيدا هذا الذي أكرمته), তখন সম্বোধিত ব্যক্তিকে অনুপস্থিত বা পরোক্ষ হিসেবে গণ্য করা শুদ্ধ নয়। তাহলে এমতাবস্থায় প্রথম কর্ম (المفعول الأول) কোনটি হবে? যেহেতু এটি প্রথম কর্ম নয়, সেহেতু আপনি নিশ্চিত হলেন যে এর কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান নেই এবং ‘জাইদান’ শব্দটি দ্বিতীয় কর্মের (المفعول الثاني) অবস্থানে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৭৯)
فإن قلت: فمن الأفعال ما يتعدى إلى ثلاث مفعولات، والمفعول الأول منها لا يكون الثاني. فلم لا يكون (أرأيتك) أيضًا؟، قيل: إنَّ هذا الفعل ليس من تلك الأفعال التي تتعدى إلى ثلاثة مفاعيل، ولو كان منها، جاز تعديه إليها في غير هذا الموضع، وإمتناعه من ذلك -فيما عدا هذا- يفسر هذا الإعراب (وإذا كان كذلك، فهو ملحق فلا يكون في) موضع الإعراب. وكثير في كلامهم، من ذلك إلحاقهم إياه في (ذلك وتلك وهولئك، وهنالك وأولئك). وقالوا: /6 آأبصرك. وحكى بعض البصرييين وصلها بـ (ليس) وفي مواضع آخر لم يحكها أصحابنا، فإذا إمتنع أن تكون في موضع نصب، أو رفع، علمت أنها لا موضع لها من الإعراب، وأنها في كونها للمخاطب فقط كتاء.

ويحكى عن عيسى أنه كان يحذف الهمزة من (أرأيتك التي بمعنى العلم. وهذا أيضًا ليس بمطرد في القياس. ألا ترى أن التخفيف القياسي في هذا أن تجعلها بين بين،، ولا تحذفها ولا تقلبها قلبا. وقد جاء قلب الهمزة في الشعر للضرورة. ولم يبلغ القلب -عندي- في هذا أن يكون سائغا عند الجميع مطردا. وقد سمع في بعض الأشعار، وقال الراجز:

19 - أريت أن جاءت به املودا

مرحلا ويلبس البرودا

ومن هذا الباب قولهم: ظننت زيدا منطلقا. وإمتناعهم من نقله بالهمزة ليتعدى إلى مفعول ثالث. وقد حكى أبو عثمان إجازته عن أبي الحسن وذهب هو إلى الإمتناع من إجازته، وأنِّه قد استغنى عنه، بقولهم جعلته يظن كذا، أو
আপনি যদি বলেন: কিছু ক্রিয়া (فعل) রয়েছে যা তিনটি কর্মের (مفعول) দিকে সকর্মক (متعدي) হয়, এবং সেগুলোর ক্ষেত্রে প্রথম কর্মটি (مفعول) দ্বিতীয়টির অনুরূপ হয় না। তাহলে 'আরায়াইতাকা' (أرأيتك) শব্দটিও কেন সেরকম হবে না? উত্তরে বলা হয়: নিশ্চয়ই এই ক্রিয়াটি (فعل) সেই সকল ক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয় যা তিনটি কর্মের (مفاعيل) দিকে সকর্মক (متعدي) হয়; যদি এটি তার অন্তর্ভুক্ত হতো, তবে এই স্থান ছাড়া অন্য ক্ষেত্রেও তার সকর্মক (متعدي) হওয়া বৈধ হতো। আর এই ক্ষেত্র ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যবহার না থাকা এই পদস্থিতির (إعراب) ব্যাখ্যা প্রদান করে। (আর যখন বিষয়টি এমন, তখন এটি একটি অতিরিক্ত অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে, ফলে এটি) পদস্থিতির (إعراب) স্থানে থাকবে না। আরবদের বক্তব্যে এই ধরনের ব্যবহার বহুল প্রচলিত, যেমন (ذلك, تلك, هؤلاء, هنالك এবং أولئك) শব্দগুলোতে সেগুলোর সংযুক্তি। এবং তারা বলত: /৬ 'আ-আবসারাকা' (آأبصرك)। কিছু বসরী ভাষাবিদ একে 'লায়সা' (ليس) এর সাথে যুক্ত করার কথা বর্ণনা করেছেন, তবে অন্যান্য স্থানে আমাদের সঙ্গীরা এটি বর্ণনা করেননি। সুতরাং, যখন এটি নসব (نصب) বা রফ’ (رفع) এর স্থানে হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ল, তখন আপনি জানলেন যে পদস্থিতির (إعراب) ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই, এবং এটি কেবল সম্বোধিত ব্যক্তির (مخاطب) জন্য ব্যবহৃত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি বর্ণের মতো (যেমন ‘তা’)।

ঈসা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ‘জ্ঞান’ অর্থে ব্যবহৃত ‘আরায়াইতাকা’ (أرأيتك) শব্দ থেকে হামযাহ বিলোপ (حذف) করতেন। এটিও নিয়মতান্ত্রিক অনুমানের (قيাস) ক্ষেত্রে নিয়মিত নয়। আপনি কি দেখছেন না যে, এক্ষেত্রে নিয়মতান্ত্রিক লঘুকরণ (تخفيف) হলো তাকে মধ্যবর্তী অবস্থায় রাখা; একে পুরোপুরি বিলোপ (حذف) করা যাবে না বা বর্ণ পরিবর্তন (قلب) করা যাবে না। কাব্যে ছন্দ বজায় রাখার বাধ্যবাধকতার (ضرورة) কারণে হামযাহর পরিবর্তন (قلب) পরিলক্ষিত হয়েছে। আমার মতে, এক্ষেত্রে পরিবর্তন (قلب) সবার কাছে নিয়মিতভাবে গ্রহণযোগ্য হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে কিছু কবিতায় তা শোনা গিয়েছে, এবং রাজেয (ছন্দকার) বলেছেন:

১৯ - তুমি কি দেখেছ যে তাকে নিয়ে আসা হয়েছে সুঠাম ও সুসজ্জিত অবস্থায়, এবং সে চাদর পরিধান করছে।

আর এই প্রসঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হলো তাদের কথা: ‘আমি জায়েদকে প্রস্থানকারী মনে করেছি’। তারা এটিকে হামযাহর মাধ্যমে পরিবর্তন করে তৃতীয় একটি কর্মের (مفعول) দিকে সকর্মক (متعدي) হতে বাধা দিয়েছে। আবু উসমান, আবুল হাসান থেকে এর বৈধতা বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি নিজেই এর বৈধতাকে অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে, তাদের উক্তি ‘আমি তাকে এমন ধারণা করতে বাধ্য করেছি’ এর মাধ্যমে এটি অনাবশ্যক হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৮০)
صيرته يظن. وقال أبو زيد يقال للجبان: مفؤود، ولا فعل له وقال: وقالوا: مدرهم، ولم يقولوا: درهم. وحكي عنه: أعين: بين العين. واشيم: بين الشيم، ولم يعرف له فعل. فإن قلت: كيف يكون قوله: " … بماء معين" على هذا، وإن لم يستعمل؟، فقلت: منه على هذا المعنى، فإنّ ذلك لقلته لا نحمله عليه، وإن كان في القياس غير ممتنع. ولكن نجعله معتلا. قال أبو الحسن: معن: بمعنى معانة. وقال أحمد بن يحيى: أمعن بحقه، وأذعن، وطابق. وحكي عنهم: سألتع معاناته. فواحد هذا في القياس (معين) -كقضيب وقضبان- وهو سائل الماء، وحكى أبو إسحاق عن الأصمعي في قوله:

20 - . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . فإن ضياع مالك غير معن

قال: غير سهل. فالمعنى على هذا وصف. والميم فاء الفعل. معناه: سهل غير معتاص، وأما المطرد في الاستعمال، الشاذ في القياس فنحو قولهم: (استحوذ) وإن كان في الاستعمال مطردًا، ومثله قولهم: القود. ورجل روع، وقال أبو زيد: طعام قضض. فيه حصى. وقالوا: قوم ضففوا الحال، ولا نعلم التصحيح في اللام جاء في شيء من كلامهم كما جاء العين في نحو (القود). ومن ذلك قولهم: القصوى. وقياس هذه الياء. ألا تراهم قالوا: الدنيا: والعليا. ومن ذلك
আমি তাকে ধারণাগ্রস্ত করলাম। আবু জায়েদ বলেন: কাপুরুষকে ‘মাফউউদ’ বলা হয়, তবে এর কোনো ক্রিয়া (فعل) ব্যবহৃত হয় না। তিনি আরও বলেন: তারা ‘মুদারাশহাম’ (দিরহাম বিশিষ্ট) বলত, কিন্তু ‘দারহামা’ (ক্রিয়া হিসেবে) বলত না। তাঁর থেকে বর্ণিত হয়েছে: ‘আ’ইয়ান’: চোখের স্পষ্টতা। ‘আশয়াম’: শরীরের চিহ্নের স্পষ্টতা, তবে এগুলোর কোনো ক্রিয়া (فعل) জানা নেই। আপনি যদি প্রশ্ন করেন: ‘...প্রবহমান পানির’ ক্ষেত্রে এই উক্তিটি কীভাবে প্রযোজ্য হবে, যদিও তা ব্যবহৃত হয় না? আমি বলব: এটি এই অর্থ থেকেই নির্গত, তবে এর স্বল্প ব্যবহারের কারণে আমরা একে সেই সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত করি না, যদিও ভাষাতাত্ত্বিক নিয়মে (قياس) তা অসম্ভব নয়। তবে আমরা একে ত্রুটিপূর্ণ (معتل) হিসেবে গণ্য করব। আবু আল-হাসান বলেন: ‘মা’ন’ শব্দটি ‘মা’আনাহ’ এর অর্থে ব্যবহৃত। আহমদ ইবনে ইয়াহিয়া বলেন: সে তার প্রাপ্য স্বীকার করেছে, অনুগত হয়েছে এবং সামঞ্জস্য রক্ষা করেছে। তাঁদের থেকে বর্ণিত হয়েছে: ‘আমি তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করেছি’। ভাষাতাত্ত্বিক নিয়মে (قياس) এর একবচন হলো ‘মায়ীন’ —যেমন কদিব ও কুদবান— যা প্রবাহিত পানিকে বোঝায়। আবু ইসহাক আল-আসমাঈ থেকে তাঁর এই উক্তিটি বর্ণনা করেছেন:

20 - . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . কেননা তোমার সম্পদের বিনাশ সহজ নয়

তিনি বলেন: সহজ নয়। সুতরাং এই প্রেক্ষাপটে অর্থটি বিশেষণ (وصف) হিসেবে গণ্য। এখানে ‘মীম’ হলো ক্রিয়ার প্রথম মূলবর্ণ (فاء الفعل)। এর অর্থ হলো: সহজ যা কঠিন নয়। আর ব্যবহারের ক্ষেত্রে যা নিয়মিত (مطرد) কিন্তু ভাষাতাত্ত্বিক নিয়মে (قياس) ব্যতিক্রম (شاذ), তা হলো তাঁদের উক্তি: ‘ইস্তাহওয়াজা’; যদিও তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়মিত (مطرد)। এর অনুরূপ তাঁদের উক্তি: ‘আল-কওয়াদ’। এবং ‘ভীতু ব্যক্তি’। আবু জায়েদ বলেন: ‘কাঁকরযুক্ত খাদ্য’, যাতে পাথর রয়েছে। তারা বলে: ‘এমন এক কওম যাদের জীবনযাত্রা সংকীর্ণ’। আমরা তাঁদের ভাষার কোনো ক্ষেত্রে শেষ বর্ণে রূপান্তরহীন শুদ্ধতা (تصحيح) বজায় থাকা দেখি না, যেমনটি মধ্য বর্ণের ক্ষেত্রে ‘আল-কওয়াদ’ এর মতো শব্দে এসেছে। এরই উদাহরণ হলো তাঁদের উক্তি: ‘আল-কাসওয়া’। অথচ ভাষাতাত্ত্বিক নিয়মে (قياس) এটি ‘ইয়া’ যোগে হওয়ার কথা ছিল। আপনি কি লক্ষ্য করেন না তাঁরা ‘আদ-দুনিয়া’ ও ‘আল-উলইয়া’ বলেছেন? এবং এরই মধ্য থেকে...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল আসকারিইয়্যাত ফিন নাহউিল আরাবি (পৃষ্ঠা: ৮১)
قولهم: عساكم تضربون. ومنه "كاد الغوير ابؤسا" ألا تراك لا تقول: كاد زيد قائمًا. وإنما المستعمل هنا (المضارع) و (أن) في (عسى). فأما إسم الفاعلين، فلم يجئ في هذا الباب فيما علمنا ألا في هذا المثل. وهذا يدلك على مشابهة هذا الضرب من الأفعال الموضوع للمقاربة كباب كاد وأخواتها، ومن ثم أجاز سيبويه كون فاعلها ضمير القصة والحديث المفسر بالجمل وعلى هذا قوله: " .... من بع ما كاد يزيغ قلوب فريق منهم .... ". فيزيغ على هذا في موضع نصب. وقد يحتمل أن يكون فاعل (كاد). في الآية ما تقدم ذكرهم. ألا أن الضمير عاد ذكر الواحد من حيث كان يعبر عنهم بالقبيل والفريق، وما أشبه ذلك من الأسماء العامة المفردة اللفظ. ومن هذا الباب تسكينهم الياءات التي هي لامات في موضع النصب في الشعر، وإنما ذكرناه في هذا الفصل، لأن أبا بكر حدثنا عن أبي العباس، أنه كان يقول: ل جاء هذا في الكلام، لكان عندي جائزا حسنا، فمن ذلك ما أنشدناه أبو بكر: عن أبي العباس عن أبي عثمان قال: أنشد يونس أحسبه لعروة بن الورد.

21 - أكاشر أقواما حياء وقد أرى

صدورهم باد على مراضها

তাদের উক্তি: 'সম্ভবত তোমরা প্রহার করবে'। এরই অন্তর্ভুক্ত একটি প্রবাদ হলো, 'গাওয়াইর বিপদের উপক্রম করেছিল'। আপনি কি লক্ষ্য করেছেন না যে, আপনি এমনটি বলেন না: 'জায়েদ দাঁড়ানোর উপক্রম করেছিল'। বরং এখানে বর্তমান বা ভবিষ্যৎকাল এবং 'আসা' (عسى) ক্রিয়ার ক্ষেত্রে 'আন' (أن) অব্যয়টি ব্যবহৃত হয়। আর কর্তাবাচক বিশেষ্য-এর ক্ষেত্রে আমাদের জানামতে এই পরিচ্ছেদে কেবল এই প্রবাদটি ছাড়া আর কিছু বর্ণিত হয়নি। এটি আপনাকে 'কাদা' ও তার সমজাতীয় ক্রিয়ার মতো আসন্নজ্ঞাপক ক্রিয়াগুলোর সাদৃশ্যের বিষয়টি নির্দেশ করে। সেই সূত্রেই সিবওয়াইহি এর কর্তা হিসেবে কাহিনী বা প্রসঙ্গের সর্বনাম হওয়া বৈধ বলেছেন যা পরবর্তী বাক্য দ্বারা ব্যাখ্যাত হয়। এরই ওপর ভিত্তি করে আল্লাহর বাণী: "...তাদের মধ্য থেকে একটি দলের অন্তর বিচ্যুত হওয়ার উপক্রম হওয়ার পর..."। এখানে 'যাইগু' শব্দটি নসব বা কর্মকারকের স্থানে রয়েছে। আবার এটিও সম্ভব যে 'কাদা' ক্রিয়ার কর্তা হলো তারা যাদের কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখানে সর্বনামটি একবচন হিসেবে ফিরে এসেছে কারণ তাদের বুঝাতে 'গোত্র' বা 'দল' অথবা এই জাতীয় একবচন শব্দরূপে ব্যবহৃত সাধারণ বিশেষ্য ব্যবহৃত হয়েছিল। এই পরিচ্ছেদেরই অন্তর্ভুক্ত হলো কবিতার পঙক্তিতে নসব বা কর্মকারকের স্থানে 'ইয়া' বর্ণকে সাকিন বা স্থির করা। আমরা এই পরিচ্ছেদে এটি উল্লেখ করেছি কারণ আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবুল আব্বাসের সূত্রে যে, তিনি বলতেন: যদি এটি সাধারণ কথাবার্তায় আসত, তবে তা আমার নিকট বৈধ ও সুন্দর হতো। এরই প্রেক্ষিতে আবু বকর আমাদের শুনিয়েছেন: আবুল আব্বাসের সূত্রে, তিনি আবু উসমানের সূত্রে, তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের শুনিয়েছেন, আমি মনে করি এটি উরওয়া বিন আল-ওয়ারদের কবিতা।

২১ - আমি লোকদের সাথে লজ্জাবশত হাসি মুখে দেখা করি, অথচ আমি তাদের অন্তরে লুকায়িত ব্যাধি ও বিদ্বেষ প্রত্যক্ষ করি।