(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: -)
المسائل الحلبيات   (أبو علي الفارسي)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: المسائل الحلبيات

المؤلف: أبو علي الفارسيّ (المتوفى 377 هـ)

المحقق: د. حسن هنداوي، الأستاذ المشارك في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية فرع القصيم

الناشر: دار القلم للطباعة والنشر والتوزيع، دمشق - دار المنارة للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت

الطبعة: الأولى، 1407 هـ - 1987 م.

عدد الصفحات: 382

أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 5 ربيع الآخر 1438

আল-মাসায়িল আল-হালাবিয়্যাত   (আবু আলী আল-ফারিসি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: আল-মাসায়িল আল-হালাবিয়্যাত

লেখক: আবু আলী আল-ফারিসি (মৃত্যু ৩৭৭ হিজরি)

সম্পাদক: ড. হাসান হিন্দাউয়ি, সহযোগী অধ্যাপক, ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাসিম শাখা

প্রকাশক: দারুল কলাম প্রকাশনী, দামেস্ক - দারুল মানারা প্রকাশনী, বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭ হিজরি - ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮২

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবেতাতুন নুসসাখ টিম (মার্কাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)-এর তত্ত্বাবধানে

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৫ রবিউস সানি ১৪৩৮

(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم (1)

الاستعانة بالله، هذه المسائل الحلبية لأبي علي الفارسي مخروم منها نحو كراسين، وقفها مالكها محمد محمود بن التلاميد على عصبته بعده وقفاً مؤبدا، فمن بدله فإثمه عليه. وكتبه محمود بن التلاميد التركزي غرة المحرم سنة 1301.

…

"ملقى واحف" والمعنى: أي بمكان إلقاء واحف، وهذا اتساع، وإنما يريد بمنقطعه؛ لأنه أراد: انقطع عنه، فكأنه قد ألقاه؛ ألا ترى أن الشيء المنقطع من الشيء مباين له، كما أن الملقى مفارق للملقي، وليس "الملقى" باسم مكان هنا، ولكنه كـ "المجرى" و "المرسى" في من قرأ

--------------------------------------------

(1) البسملة ليست في الأصل.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (১)

আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি। এটি আবু আলী আল-ফারিসির আল-মাসায়েল আল-হালাবিয়্যাহ, যেখান থেকে প্রায় দুই কুরাস (পাণ্ডুলিপির অংশ) বিলুপ্ত হয়েছে। এর মালিক মুহাম্মদ মাহমুদ ইবনে আত-তালামিদ এটি তাঁর পরবর্তী রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়দের জন্য চিরস্থায়ী ওয়াকফ (وقف) করেছেন; সুতরাং যে ব্যক্তি এটি পরিবর্তন করবে, তার পাপ তার ওপরই বর্তাবে। এটি লিখেছেন মাহমুদ ইবনে আত-তালামিদ আত-তুর্কিজি, ১৩০১ হিজরি সনের মহররম মাসের শুরুতে।

…

"মুলকা ওয়াহিফ" এবং এর অর্থ হলো: ওয়াহিফ নিক্ষিপ্ত হওয়ার স্থান। এটি ভাষার প্রশস্ততা (রূপক প্রয়োগ)। মূলত তিনি এর দ্বারা বিচ্ছিন্ন (منقطع) অংশই বুঝিয়েছেন; কারণ তিনি উদ্দেশ্য করেছেন যে এটি তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, ফলে এটি যেন নিক্ষেপ করার মতো। আপনি কি দেখছেন না যে, কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া অংশটি তার মূল থেকে পৃথক হয়, ঠিক যেমন নিক্ষিপ্ত বস্তু নিক্ষেপকারীর থেকে পৃথক হয়ে যায়। এখানে "মুলকা" কোনো স্থানবাচক নাম নয়, বরং যারা পাঠ করেছেন তাদের নিকট এটি "মাজরা" ও "মারসা" এর মতো।

--------------------------------------------

(১) বিসমিল্লাহ মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৬)
"باسم الله مجراها ومرساها" وقول النابغة:

كأن مجر الرامسات ذيولها … عليه قضيم نمقته الصوانع

قالوا: القضيم: ما كان من أدم خريز نحو الإداوة، والقربة، والمزادة.
"আল্লাহর নামেই এর গতি এবং এর স্থিতি" এবং নাবিগাহ-এর উক্তি:

যেন ধূলি-আচ্ছাদনকারী বায়ুর লেজ টেনে নেওয়ার চিহ্নসমূহ … তার ওপর রয়েছে সেই চর্মখন্ড (القضيم) যা নিপুণ কারিগররা সুশোভিত করেছে।

তারা বলেছেন: চর্মখন্ড (القضيم) হলো: সেলাইকৃত চামড়া দ্বারা নির্মিত বস্তু, যেমন— ছোট পানির পাত্র (الإداوة), মশক (القربة) এবং বড় মশক (المزادة)।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌مسألة القول في حروف "يدٍ" وما تصرّف منها

قولهم "يدٌ" كلمة نادرة لا نعرف لها نظيراً في كلامهم، وذلك أن الفاء منه ياء، والعين دال، واللام أيضاً ياء، يدل على ذلك قولهم: "يديت إليه يداً"، فظهرت اللام الساقطة من "يدٍ" في اشتقاق الفعل منه، كما ظهرت الواو المحذوفة من "غدٍ" في قوله {وإذا غدوت من أهلك}، وهذا مثل قولهم "شعَّرت الجنين" و" استحجر الطين" في أنه مأخوذ من اسم ليس بعبارة عن حدث، وليس مثل "دمٍ" لأن دماً من قولك "دمي يدمى دماً" الذي يجوز أن يكون فعلاً مثل "الفرق" لمجيء الماضي على "فَعِل"؛ "فَعَلاً" في مصدر "فَعِل" مطرد، وليس في مصدر "فعلت" من الياء كذلك. ويدل على أن "دماً" مصدرٌ إنشادهم هذا البيت:
‌‌"ইয়াদ" (يد) শব্দের বর্ণমালা এবং এর রূপান্তর সংক্রান্ত আলোচনা

তাদের উক্তি "ইয়াদ" (يد) একটি বিরল (نادر) শব্দ, আমাদের জানামতে আরবদের ভাষায় এর কোনো নজির নেই। এর কারণ হলো, শব্দটির ফা-কালিমা হলো 'ইয়া', আইন-কালিমা হলো 'দাল' এবং লাম-কালিমাও হলো 'ইয়া'। তাদের প্রচলিত বাক্য "ইয়াদাইতু ইলাইহি ইয়াদান" (আমি তার প্রতি হাত প্রসারিত করলাম) এর প্রমাণ বহন করে; ফলে "ইয়াদ" (يد) শব্দ থেকে যখন ক্রিয়া (فعل) গঠন করা হয়েছে, তখন শব্দটির বিলুপ্ত লাম-কালিমাটি প্রকাশ পেয়েছে। যেমনটি "গাদিন" (غد) শব্দ থেকে বিলুপ্ত 'ওয়াও' বর্ণটি আল্লাহর এই বাণীতে প্রকাশ পেয়েছে: {এবং যখন আপনি আপনার পরিবার থেকে প্রত্যুষে (غدوت) বের হলেন}। এটি তাদের উক্তি "শা'আরাতুল জানিন" এবং "আসতাহজারাত তীন" এর মতো; এই অর্থে যে, এটি এমন একটি বিশেষ্য (اسم) থেকে গৃহীত যা কোনো ঘটনা বা কর্ম (حدث) বুঝায় না। এটি "দামুন" (دم) এর মতো নয়। কারণ "দামুন" আপনার উক্তি "দামিইয়া ইয়াদমা দামান" থেকে আগত, যা "আল-ফারাক" এর ন্যায় একটি ক্রিয়া (فعل) হওয়া সম্ভব; কারণ অতীতকাল "ফা-ই-লা" (فَعِلَ) ওজনে আসলে তার ক্রীড়ামূল (مصدر) হিসেবে "ফা-আ-লান" (فَعَلاً) আসা একটি সুপ্রতিষ্ঠিত নিয়ম। কিন্তু 'ইয়া' যুক্ত "ফা-আলতু" (فعلت) ওজনের ক্রীড়ামূলে (مصدر) এমনটি হয় না। আর "দামুন" (دم) যে একটি ক্রীড়ামূল (مصدر), তার প্রমাণ হলো তাদের এই কবিতাটি আবৃত্তি করা:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৮)
(فلسنا على الأعقاب تدمى كلومنا … ولكن على أقدامنا يقطر الدما)

فـ "يدٌ" من باب "سلس" و"قلق"، ولا يُعلم ف يالواو مثل هذا في الفعل؛ ألا ترى أنه لم يوجيء مثل "وعوت"، وقد جاء في اسم واحد، وهو قولهم "واوٌ" والقياس في الألف منها أن تكون منقلبة عن ياء. وجاءت الهمزة أيضاً فاء ولاماً في أحرف، وذلك قولهم "أجأ". وحكى ابن حبيب "أتأة" وهو اسم مخصوص. وقالوا "آءة" وفي جمعها: "آءٌ". وذهب سيبويه في "آلاءة" و"أشاءة" إلى أنه من هذا البا. فأما "الأَباء"
(আমরা এমন নই যে পলায়নপর অবস্থায় আমাদের গোড়ালিতে ক্ষত থেকে রক্ত ঝরবে … বরং সম্মুখ সমরে আমাদের রক্ত ঝরে আমাদের পদতলে)

মূলত "ইয়াদ" (يد) শব্দটি "সালাস" (سلس) এবং "কালাক্ব" (قلق) এর অধ্যায় (باب) থেকে আগত, আর ক্রিয়ার (الفعل) ক্ষেত্রে 'ওয়াও' (الواو) বর্ণে এই ধরণের কোনো প্রয়োগ জানা নেই; আপনি কি দেখছেন না যে, "ওয়া'আউতু" (وعوت) এর মতো কোনো শব্দ আসেনি, অথচ এটি একটিমাত্র বিশেষ্যে (اسم) এসেছে, আর তা হলো তাদের ব্যবহৃত "ওয়াও" (واو) শব্দটি। আর এতে বিদ্যমান 'আলিফ' (الألف) এর ক্ষেত্রে কিয়াস (القياس) হলো এটি 'ইয়া' (ياء) থেকে পরিবর্তিত (منقلبة) হয়েছে। কিছু শব্দের ক্ষেত্রে হামযাহ (الهمزة) বর্ণটি 'ফা' এবং 'লাম' (فاء ولاماً) কালিমা হিসেবেও এসেছে, যেমন তাদের ব্যবহৃত "আজা" (أجأ) শব্দটি। ইবনে হাবীব "আতা'আহ" (أتأة) শব্দটি বর্ণনা করেছেন যা একটি সুনির্দিষ্ট বিশেষ্য (اسم)। তারা "আ-আহ" (آءة) বলে থাকে এবং এর বহুবচন (جمع) হলো "আ-উন" (آءٌ)। সিবওয়াইহি "আ-লা-আহ" (آلاءة) এবং "আশা-আহ" (أشاءة) শব্দ দুটির ক্ষেত্রে অভিমত দিয়েছেন যে, এগুলোও এই প্রকারের (الباب) অন্তর্ভুক্ত। আর "আল-আবা" (الأَباء) এর ক্ষেত্রে...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৯)
فكان محمد بن السري يذهب إلى أن الهمزة فيها منقلبة عن الياء. وقالوا في اسم علم "أجأ".

وجاء الفاء والعين واوين، وهو قولهم "أول"، ولم يجئ مثل ذلك في الياء. وجاءت الياء والواو جميعاً في باب "رددت"، فالواو نحو "قوة" و"حوّة" و "صوّة" و "الجوّ" و "التوّ". وفي التاء: "حيي" و"عيي بأمره" و "تئية" و"إيا الشمس" و"إياؤها".

ولم تجئ العين ياء واللام واواً / في اسم ولا فعل، وأما "حيوة" للاسم ال علم، و"الحيوان" فالواو فيه بدل. وقد جاء عكس هذا كثير، نحو "طويت" و"لويت" و"زويت" و"رويت". وجاء الواو فاء والياء عيناً في
মুহাম্মদ ইবনে আস-সারী এই মত পোষণ করতেন যে, এতে বিদ্যমান হামযাহটি মূলত ইয়া থেকে পরিবর্তিত (منقلبة)। তারা বিশেষ্য (اسم علم) হিসেবে 'আজা' শব্দটি উল্লেখ করেছেন।

আর শব্দের ফা এবং আইন কালিমা উভয় বর্ণই ওয়াও হিসেবে এসেছে, যেমন তাদের প্রযুক্ত শব্দ 'আউয়াল'; তবে ইয়ার ক্ষেত্রে অনুরূপ কিছু আসেনি। ইয়া এবং ওয়াও উভয়ই 'রাদাদতু' অধ্যায়ে (باب) এসেছে। ওয়াও-এর উদাহরণ হলো: 'কুওয়াহ', 'হুওয়াহ', 'সুওয়াহ', 'আল-জাও' এবং 'আত-তাও'। আর ইয়ার ক্ষেত্রে: 'হাইয়ি', 'আইয়ি বি-আমরিহি', 'তাইয়াহ', 'ইয়াস শামস' এবং 'ইয়াহউহা'।

কোনো বিশেষ্য (اسم) বা ক্রিয়ায় (فعل) আইন কালিমা ইয়া এবং লাম কালিমা ওয়াও হিসেবে আসেনি। তবে বিশেষ্য (اسم علم) হিসেবে 'হায়ওয়াহ' এবং 'আল-হায়ওয়ান' শব্দের ক্ষেত্রে ওয়াও বর্ণটি মূলত স্থলাভিষিক্ত (بدل) হিসেবে এসেছে। এর বিপরীত উদাহরণ প্রচুর পাওয়া যায়, যেমন 'তয়াইতু', 'লাওয়াইতু', 'যাওয়াইতু' এবং 'রাওয়াইতু'। আর ফা কালিমা ওয়াও এবং আইন কালিমা ইয়া হিসেবে এসেছে...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১০)
"ويل" و"ويح" و"ويس". وعكس هذا قولهم "يوم". وقرأت بخط محمد بن يزيد "يُوح" في اسم الشمس.

فأما الهمزة فإنها قد جاءت في باب "سلس" و"قلق" في الح روف التي تقدمت، ولم تجئ في باب "رددت" ولا باب "ددنٍ" و"كوكب" لما كان يلزم من إبدالها وقلبها إلى حرف اللين، كما يلزم ذلك إذا دخلت همزة زائدة أو مبدلة على أخرى أصل أو زائدة نحو "آدم" و"آمن" و"جاءٍ" و"خطايا"، فإذا لم يتواليا في كلمة وإحداهما زائدة، فألا يتواليا وكلاهما أصل أجدر.

قال التوزي: "ثوبٌ يديٌّ: إذا كان ضيق الكم، وإذا كان واسعه"، وأنشد:

بالدهر إذ ثوب الصبا يديُّ
"ওয়াইল", "ওয়াইহ" এবং "ওয়াইস"। এর বিপরীত হলো তাদের বক্তব্য "ইয়াওম"। আমি মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদের হস্তাক্ষরে সূর্যের নাম হিসেবে "ইউহ" শব্দটি পড়েছি।

আর হামযাহ (همزة) এর বিষয়টি হলো, এটি ইতিপূর্বে বর্ণিত বর্ণসমূহের মধ্যে "সালাস" এবং "কালাক" এর পরিচ্ছেদে এসেছে। কিন্তু এটি "রাদাততু" কিংবা "দাদান" এবং "কাওকাব" এর পরিচ্ছেদে আসেনি; কারণ সেক্ষেত্রে একে পরিবর্তন করে কোমল বর্ণে (حرف اللين) রূপান্তর করা আবশ্যক হয়ে পড়ত। যেমনটি আবশ্যক হয় যখন কোনো অতিরিক্ত (زائدة) বা রূপান্তরিত হামযাহ অন্য কোনো মূল (أصل) বা অতিরিক্ত (زائدة) হামযাহর ওপর আপতিত হয়; যেমন: "আদম", "আমানা", "জায়িন" এবং "খাতায়া"। সুতরাং যদি কোনো শব্দে একটি হামযাহ অতিরিক্ত (زائدة) হওয়া সত্ত্বেও তারা পরষ্পর না আসে, তবে উভয়টি মূল (أصل) হওয়া অবস্থায় তারা পরষ্পর না আসাটাই অধিক সমীচীন বা যুক্তিযুক্ত।

তুযি বলেছেন: "সাওবুন ইয়াদিয়্যুন" তখনই বলা হয় যখন জামার হাতা সংকীর্ণ হয়, আবার যখন তা প্রশস্ত হয়। তিনি আবৃত্তি করেছেন:

সেই মহাকালের কসম, যখন যৌবনের পরিচ্ছদ ছিল প্রশস্ত।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১১)
وحكى يعقوب أن بعضهم قال في اليد: "أديٌ"، فأبدل الهمزة من الياء، وأظهر اللام. قال أبو علي: فهذا ينبغي أن يكون لغة في "اليد" كما كان "أكدت" و "كدت" و "آصدت" و "أصدرت"، وما حكاه أبو زيد من قولهم "يفعة" و "وفعة" لغات في هذا الكلم؛ لأن الهمزة لم تبدل من الياء المفتوحة في هذا النحو، كما أن هذا يحمل على أنه لغتان، وليس ببدل من الفاء. وكذلك "أسروع" و "يسروع"، فـ"أسروع" مثل "أخدود" و"يسروع" مثل "يعفور"، إلا أن الياء ضمت لضمة الفاء كقولهم "مغلوق".

ومثل "يدٍ" و "أدي" قولهم:

(............................ … طاف والركب بصحراء أسر)

ويروى: "يُسُر".

وقال النوزي: "يقول أهل الحجاز: آدِني عليه، أي: أعِنِّي عليه، ويقولون: استأديته يريدون: استعديته" فقولهم "آدِني عليه" يحتمل ثلاثة أوجه:
ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন (حكى) যে, তাদের কেউ কেউ 'ইয়াদ' (হাত) শব্দের ক্ষেত্রে 'আদিয়্যুন' বলেছেন; এখানে ইয়ায়ের স্থলে হামযাহকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে এবং 'লাম' বর্ণটি প্রকাশ করা হয়েছে। আবু আলী বলেন: এটি 'ইয়াদ' শব্দের একটি উপভাষা (لغة) হওয়া উচিত, যেমনটি 'আকাদতু', 'কাদতু', 'আসাদতু' এবং 'আসদারতু' শব্দগুলোতে ঘটেছে। আবু যায়েদ 'ইয়াফাআহ' ও 'ওয়াফাআহ' সম্পর্কে যা বর্ণনা করেছেন (حكاه), তা এই শব্দেরই বিভিন্ন উপভাষা (لغات); কারণ এ জাতীয় শব্দে জবরযুক্ত 'ইয়া' থেকে হামযাহ পরিবর্তিত হয়ে আসে না। বরং একে দুটি স্বতন্ত্র উপভাষা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি 'ফা' বর্ণের স্থলাভিষিক্ত (بدل) নয়। তদ্রূপ 'আসরু' এবং 'ইয়াসরু'; এখানে 'আসরু' শব্দটি 'উখদুদ' এর ওজনে এবং 'ইয়াসরু' শব্দটি 'ইয়া'ফুর' এর ওজনে। তবে পার্থক্য হলো, 'ফা' বর্ণের পেশের কারণে 'ইয়া' বর্ণটি পেশযুক্ত হয়েছে, যেমনটি তারা 'মাগলুক' বলার ক্ষেত্রে করে থাকে।

আর 'ইয়াদ' ও 'আদি' এর দৃষ্টান্ত হলো তাদের উক্তি:

(............................ … তিনি এবং আরোহী দলটি আসর প্রান্তরে পরিভ্রমণ করলেন)

এবং এটি বর্ণিত হয়েছে (يروى): "ইউসুর" হিসেবে।

নাওযী বলেন: "হিজাযবাসীরা বলে: 'আদিনি আলাইহি', অর্থাৎ: এর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো। তারা আরও বলে: 'আস্তাদাইতুহু', যা দ্বারা তারা 'আস্তাদাইতুহু' (সাহায্য প্রার্থনা) উদ্দেশ্য করে।" সুতরাং তাদের উক্তি 'আদিনি আলাইহি' তিনটি দিকের (وجه) সম্ভাবনা রাখে:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১২)
يجوز أن يكون أبدلت من العين التي هي فاء الهمزة، وكان الأصل "أعدني": "قوني"، وأنشد يعقوب:

(ولقد أضاء لك الطريق وأنهجت … سبل المسالك، والهدي تعدي)

قال: "يقول: إبصارك الهدى يقويك". وكأن معنى قول الرعية لسلطانها: أعدني على خصمي: قوِّني.

ويجوز أن تكون الهمزة غير بدل، ولكنها من الأداة، والمعنى قريب من المعونة، كأن إعانته كالأداة التي يتقوى بها عليه. ومثل بدل الهمزة من العين في "أعدني" إبدالها من الهاء في "آلٍ".

ويجوز في "آدني" أن يكون / "أفعلني" من "اليد" في من أبدل من الياء التي هي فاء همزة، كأنه أراد: اجعلني ذا يدٍ وقوة عليه.

وذكر محمد بن يزيد "آدني" في كتابه في "إعراب القرآن"، وأجاز فيه الوجه الأول، وهو إبدال الهمزة من العين، وأجاز فيه أن يكون "أفعلني" من "الأيد"، وهو القوة.

قال أبو علي: فأما الوجه الأول فسائغ، وأما الوجه الآخر فشبيه بالسهو؛ لأن "الأيد" و "الآد" المراد بهما القوة، الهمزة منه فاء والياء عين، فلو بنيت من هذا "أفعلني" للزم أن تقول "أيدني"، فتبدل من الهمزة التي هي فاء الألف،
হতে পারে যে, 'আইন' (العين) অক্ষরটি যেটি 'ফা' (فاء) কালেমা ছিল, তা হামযাহ (الهمزة) দ্বারা স্থলাভিষিক্ত (بدل) করা হয়েছে। মূল শব্দটি ছিল "অইদনি" (أعدني): যার অর্থ "আমাকে শক্তি দান করুন (قوني)"। ইয়াকুব আবৃত্তি করেছেন:

(নিশ্চয়ই তোমার জন্য পথ আলোকিত হয়েছে এবং স্পষ্ট হয়ে গেছে … চলাচলের পথগুলো, আর সঠিক পথনির্দেশ শক্তি প্রদান করে (تعدي))

তিনি বলেন: "এর অর্থ হলো: তোমার হিদায়াত প্রত্যক্ষ করা তোমাকে শক্তিশালী করে"। যেন প্রজাসাধারণের তাদের সুলতানকে বলা— "আমার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন (أعدني)" এর অর্থ হলো: "আমাকে শক্তিশালী করুন (قوِّني)"।

এটাও সম্ভব যে, হামযাহটি (الهمزة) স্থলাভিষিক্ত (بدل) নয়, বরং এটি 'আদাত' (الأداة) শব্দ থেকে উদ্ভূত, এবং এর অর্থ সাহায্যের নিকটবর্তী; যেন তার সাহায্য করাটা একটি উপকরণের (আদাত) মতো যার মাধ্যমে সে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শক্তি অর্জন করে। "অইদনি" (أعدনি) শব্দে 'আইন' (العين) অক্ষরের পরিবর্তে হামযাহর (الهمزة) স্থলাভিষিক্ত (بدل) হওয়া ঠিক তেমনই যেমন "আল" (آلٍ) শব্দে 'হা' (الهاء) অক্ষরের পরিবর্তে হামযাহর স্থলাভিষিক্ত (بدل) হওয়া।

"আদনি" (آدني) শব্দের ক্ষেত্রে এটিও সম্ভব যে, এটি / "আফআলানি" (أفعلني) ওজনে "আল-ইয়াদ" (اليد) থেকে গঠিত, যারা 'ইয়া' (الياء) বর্ণকে—যা 'ফা' (فاء) কালেমা ছিল—হামযাহ (الهمزة) দ্বারা স্থলাভিষিক্ত (بدل) করেন। যেন তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: "আমাকে তার বিরুদ্ধে হাত (ক্ষমতা) ও শক্তির অধিকারী করুন"।

মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ তার "ইরাবুল কুরআন" কিতাবে "আদনি" (آدني) শব্দটি উল্লেখ করেছেন এবং এতে প্রথম সম্ভাবনাটি অর্থাৎ 'আইন' (العين) অক্ষরের পরিবর্তে হামযাহর (الهمزة) স্থলাভিষিক্ত (بدل) হওয়াকে বৈধ বলেছেন। তিনি একে "আল-আইদ" (الأيد) থেকে "আফআলানি" (أفعلني) ওজনে হওয়ার সম্ভাবনাকেও বৈধ বলেছেন, যার অর্থ হলো শক্তি।

আবু আলী বলেন: প্রথম সম্ভাবনাটি গ্রহণযোগ্য, কিন্তু দ্বিতীয় সম্ভাবনাটি ভুলের (السهو) সদৃশ; কারণ "আল-আইদ" (الأيد) এবং "আল-আদ" (الآد) উভয় শব্দ দ্বারা শক্তি বোঝানো হয়, যার হামযাহ (الهمزة) হলো 'ফা' (فاء) কালেমা এবং 'ইয়া' (الياء) হলো 'আইন' (العين) কালেমা। সুতরাং আপনি যদি এই মূল থেকে "আফআলানি" (أفعلني) গঠন করেন, তবে আবশ্যিকভাবে আপনাকে "আইয়িদনি" (أيدني) বলতে হতো, যেখানে 'ফা' (فاء) কালেমা হিসেবে থাকা হামযাহটি (الهمزة) আলিফ দ্বারা পরিবর্তিত হতো।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৩)
كما تبدل منها في "آمن"، وتصحح الياء، ولا يجوز غير ذلك إذ قالوا "أطيب" و "أجودت"، صححوا مع انتفاء توالي الإعلال فيهما، فلما صححوا ذلك وجب أن يلزم التصحيح ما توالى فيه إعلالان؛ الا ترى أنهم بنوا الماضي من "الود" على "فعلت" ليلزم في المضارع "أفعل"، فلا يتوالى إعلالان، فكذلك لزم أن يصحح العين من الفعل من "أفعل" في "الأيد"، وهكذا تكلم به من آثر أن يجعله على "أفعل"، دون "فعلني"، وعلى هذا قوله:

(يبني تجاليدي وأوتادها … ناوٍ كرأس الفدن المؤيد)

وكأن الأكثر تكلم به على "فعل" لئلا يلزمه تصحيح العين لما ذكرنا، وتصحيح هذه العين مكروه عندهم، فقالوا "أيدتك"، وفي التنزيل {إذ أيدتك بروح القدس}؛ لأن العين على هذا لم يلزمها التصحيح في موضع يكره فيه التصحيح.

فإن قلت: فاجعل "آدِني" الذي قال أبو العباس فيه "أفعلني" من "الأيد" على ما ذكره على القلب، كأنه قلب العين إلى موضع اللام.

قيل: هذا ممكن في القياس وإن لم يكن بسهل في التأويل؛ لأنا
যেমনটি 'আমান' (آمن) শব্দে তা পরিবর্তিত হয়, এবং 'ইয়া' (ياء) বর্ণটি মূল রূপে বজায় রাখা (تصحيح) হয়। এছাড়া অন্য কিছু জায়েজ নয়, কারণ তারা 'আতিয়াব' (أطيب) এবং 'আজওয়াদাতু' (أجودت) শব্দদ্বয়ে বর্ণ-পরিবর্তনের (إعلال) অনুপস্থিতি সত্ত্বেও অক্ষরগুলোকে মূল রূপে বজায় রেখেছে (تصحيح)। সুতরাং যখন তারা সেখানে মূল রূপ বজায় রাখা (تصحيح) আবশ্যক করেছে, তখন যেখানে পরপর দুটি বর্ণ-পরিবর্তন (إعلال) ঘটে সেখানেও মূল রূপ বজায় রাখা (تصحيح) আবশ্যক হবে। আপনি কি লক্ষ্য করেননি যে, তারা 'আল-ওয়াদ' (الود) এর অতীতকালীন (الماضي) রূপ 'ফা'আলতু' (فعلت) ওজনে গঠন করেছে যাতে এর বর্তমানকালীন (المضارع) রূপে 'আফ'আলু' (أفعل) ওজন আসে? ফলে সেখানে দুটি বর্ণ-পরিবর্তন (إعلال) পরপর ঘটে না। একইভাবে 'আল-আইদ' (الأيد) থেকে গঠিত 'আফ'আলা' (أفعل) ওজনের ক্রিয়ায় 'আইন' (العين) বর্ণটিকে মূল রূপে রাখা (تصحيح) আবশ্যক। যারা একে 'ফা'আলানি' (فعلني) এর পরিবর্তে 'আফ'আলা' (أفعل) ওজনে গঠন করতে পছন্দ করেছেন, তারা এভাবেই ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে কবির উক্তি:

(সে আমার অবয়ব এবং তার খুঁটিগুলো নির্মাণ করছে … যা সুউচ্চ প্রাসাদের শীর্ষদেশের ন্যায় দৃঢ়)

অধিকাংশ ভাষাবিদ সম্ভবত একে 'ফা'আলা' (فعل) ওজনে ব্যক্ত করেছেন যাতে ইতিপূর্বে বর্ণিত কারণে 'আইন' (العين) বর্ণটির মূল রূপ বজায় রাখা (تصحيح) আবশ্যক না হয়। কারণ তাদের নিকট এই 'আইন' (العিন) বর্ণটির মূল রূপ বজায় রাখা (تصحيح) অপছন্দনীয়। তাই তারা বলেছেন 'আইয়্যাদতুকা' (أيدتك)। পবিত্র ঐশীবাণীতে (التنزيل) এসেছে: {যখন আমি তোমাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা শক্তিশালী করেছিলাম (أيدتك)}; কারণ এই ওজনে 'আইন' (العين) বর্ণটি এমন স্থানে আসেনি যেখানে তার মূল রূপ বজায় রাখা (تصحيح) অপছন্দনীয়।

যদি আপনি বলেন: আবু আল-আব্বাস 'আল-আইদ' (الأيد) থেকে যে 'আদানি' (آدني) শব্দটিকে 'আফ'আলানি' (أفعلني) ওজনের বলেছেন, তাকে তার বর্ণনা অনুযায়ী বর্ণ-বিপর্যয় (القلب) হিসেবে গণ্য করুন; যেন তিনি 'আইন' (العين) বর্ণটিকে 'লাম' (اللام) বর্ণের স্থানে স্থানান্তর (قلب) করেছেন।

বলা হয়: শাস্ত্রীয় অনুমান (القياس) অনুযায়ী এটি সম্ভব, যদিও ব্যাখ্যার (التأويل) ক্ষেত্রে এটি সহজ নয়; কারণ আমরা
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৪)
لم نعلمه استعمل مقلوباً، ولم يقل هو أيضاً ذلك، فلذلك قلنا: إنه شبيه بالسهو.

وفي "الأيد" الذي هو القوة لغتان: "أيدٌ" و "آدٌ" كـ "العيب" و "العاب"، قال:

(من أن تبدلت بأيدي آدا … لم يك ينآد، فأمسى انآد)

ينآد: مطاوع "أدته"، وفي التنزيل {ولا يؤوده حفظهما}، قال قتادة: لا يكرثه. وقال حسان:

(وقامت تراعيك مغدودنا … إذا ما تنوء به آدها)

أي: اثقلها. وقال التوزي: "رجل مودٍ: إذا هلك، ورجل مودٍ: إذا كان ذا سلاح / قوياً". ولم ينبغ أن يذكر ذلك في الأضداد؛ لأن اللفظين وإن اتفقا، فليسا من أصل واحد؛ ألا ترى أن "المودي" الذي يراد
আমরা তাকে এটি বিপরীত (مقلوباً) হিসেবে ব্যবহার করতে দেখিনি এবং তিনিও সেটি বলেননি; তাই আমরা বলেছি যে: এটি ভুলবশত ভ্রান্তির (السهو) সদৃশ।

আর "আল-আইদ" শব্দটির ক্ষেত্রে, যার অর্থ শক্তি, দুটি আভিধানিক রূপ রয়েছে: "আইদুন" এবং "আদুন", যেমন "আল-আইব" এবং "আল-আব"। কবি বলেছেন:

(আমার শক্তির বদলে দুর্বলতা আসার কারণে … যা আগে অবনত হতো না, তা এখন অবনত হয়ে পড়েছে)

"ইয়ান-আদু" (ينآد) হলো "আদাত-হু" এর অনুগামী রূপ। আল-কুরআনে এসেছে: {আর সেই দুটির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না}। কাতাদাহ বলেছেন: এটি তাঁকে ভারাক্রান্ত করে না। হাসসান বলেছেন:

(সে তোমার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে দাঁড়াল অত্যন্ত কমনীয় ভঙ্গিতে … যখন সে এটি বহন করতে চাইল, তখন এটি তাকে নুইয়ে দিল)

অর্থাৎ: তাকে ভারাক্রান্ত করেছে। আত-তাওজি বলেছেন: "রাজুলুন মুদিন" (رجل مودٍ): যখন সে ধ্বংস হয়ে যায়, আবার "রাজুলুন মুদিন" (رجل مودٍ): যখন সে অস্ত্রধারী বা শক্তিশালী হয়। একে বিপরীতার্থক শব্দের (الأضداد) অন্তর্ভুক্ত করা সমীচীন নয়; কারণ শব্দ দুটি বাহ্যিকভাবে এক হলেও এদের মূল উৎস এক নয়। আপনি কি দেখছেন না যে, "আল-মুদি" (المودي) যা দিয়ে উদ্দেশ্য...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৫)
به "الهالك" الفاء منه واو، يقال: أودى الرجل: إذا هلك، كما قالوا: فاضت نفسه، ومنه "الوادي" إنما هو "فاعلٌ" من ذلك إلا أنه اسم بمنزلة "الغارب" و"الكاهل"، قال:

(............................. … عوم السفين تفيض منه الأنفس)

ومن ذلك قولهم: ودى الرجل، وقال:

كأن عرق أيره إذا ودى … حبل عجوزٍ ضفرت خمس قوى

وقال:

(يدي لك، إن ركبت - فلا تلمني - … أتان الحي، عير بني تميم)

وأنشد ابن حبيب:

كيف السبيل .............. … ...............

قال: "يوديهم: يهلكهم"، فهذا "أفعل" و"فعلته".

وقولهم لصغار النخل: "الودي" يشبه أن يكون لضرب عروقه في الثرى
এতে "বিনাশপ্রাপ্ত (الهالك)" শব্দটি রয়েছে যার প্রথম বর্ণ (الفاء) হলো 'ওয়াও'; বলা হয়ে থাকে: "ব্যক্তিটি মারা গেছে", যখন সে বিনাশপ্রাপ্ত (هلك) হয়; যেমন ভাষাবিদগণ বলেন: "তার প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়েছে"। আর এ থেকেই "উপত্যকা (الوادي)" শব্দটি এসেছে, যা মূলত একটি "কর্তৃবাচক রূপ (فاعل)", তবে এটি "উটের কুঁজের অগ্রভাগ (الغارب)" এবং "দুই কাঁধের মধ্যবর্তী স্থান (الكاهল)"-এর ন্যায় একটি বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কবি বলেছেন:

(............................. … নৌকার ভেসে চলা, যাতে প্রাণসমূহ ওষ্ঠাগত হয়)

আর এরই অন্তর্ভুক্ত হলো তাদের উক্তি: "ব্যক্তিটি হতে তরল নির্গত হয়েছে", এবং কবি বলেছেন:

যেন তার পুংলিঙ্গের শিরাটি যখন তা হতে তরল নির্গত হয় … কোনো বৃদ্ধার দড়ির ন্যায় যা পাঁচটি খেই দিয়ে পাকানো হয়েছে

এবং তিনি বলেছেন:

(তোমার বিনাশ (يدي) অনিবার্য, যদি তুমি আরোহণ করো - তবে আমাকে তিরস্কার করো না - … গোত্রের মাদি গাধা, বনী তামীমের গাধা)

এবং ইবনে হাবীব আবৃত্তি করেছেন:

কী সেই উপায় .............. … ...............

তিনি বলেছেন: "ইউদিহিম (يوديهم): এর অর্থ সে তাদের ধ্বংস করে (يهلكهم)", সুতরাং এটি "আফআলা (أفعل)" এবং "ফাআলতুহু (فعلته)" রূপের অন্তর্ভুক্ত।

আর ছোট খেজুর গাছকে "আল-ওয়াদি" বলা হয়, যা সম্ভবত মাটিতে এর শিকড় গেঁথে যাওয়ার ধরনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার কারণে এই নামকরণ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৬)
وذهابها وغرسها. قال: أهل المدينة يسمون الفسيل "الودي" ثم "الجعل" ثم "الجبار" ثم "الطريق" ثم "العيدان" ثم "الخصاب" الواحدة: خصبة.

فأما قولهم "المؤدي" لذي السلاح القوي، فليس من باب "أودى"، ولكن الأوجه أنه ذو أداة، فالفاء منه همزة كما أنها من "الأداة" كذلك، والسلاح وجميع ما يتقوى به العامل على عمله.
এবং এর প্রস্থান ও রোপণ। তিনি বলেন: মদিনাবাসীগণ খেজুরের চারাকে 'ওয়াদি', অতঃপর 'জা'ল', এরপর 'জাব্বার', তারপর 'তারিক', এরপর 'ইদান' এবং সবশেষে 'খিসাব' নামে অভিহিত করেন। এর একবচন হলো: খিসবাহ।

আর শক্তিশালী অস্ত্রধারীর ক্ষেত্রে তাদের 'মুয়াদ্দী' বলার বিষয়টি 'আওদা' মূলধাতু থেকে নির্গত নয়; বরং অধিকতর সঠিক মত হলো এটি সরঞ্জাম বা 'আদাত' বিশিষ্ট ব্যক্তি। সুতরাং এর আদি বর্ণ বা 'ফা-কালিমা' হলো হামজা, যেমনটি 'আদাত' শব্দের ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। আর অস্ত্র এবং ঐ সকল বস্তু যার দ্বারা একজন কর্মী তার কর্ম সম্পাদনে শক্তি লাভ করে, তা-ই সরঞ্জাম।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌القول على قوله تعالى (في سبيل الله)

السبيل في اللغة: الطريق الذي هو ممر ومدرج، والدليل على ذلك ما أنشده سيبويه:

(فما كنت ضفافاً، ولكن طالباً … أناخ، فأغفى فوق ظهر سبيل)

فالإناخة والإغفاء لا يكونان إلا على مستقر، ولهذا قالوا للذين يسلكونه "سبل، وقياس واحده "سابل"، قال العجاج أو رؤبة:

(منهرت الأشداق غضب مؤكل … في الآهلين واخترام السبل)

وهذا اسم على معنى النسب، وليس جارياً على الفعل، كما أن
মহান আল্লাহর বাণী "আল্লাহর পথে" (في سبيل الله) সংক্রান্ত আলোচনা

অভিধানে 'সাবিল' (السبيل) অর্থ হলো: এমন পথ যা অতিক্রমের রাস্তা এবং যাতায়াতের মাধ্যম; এর প্রমাণ হলো সিবাওয়াইহ কর্তৃক উদ্ধৃত কবিতাটি:

(আমি নদীর তীরের অধিবাসী ছিলাম না, বরং ছিলাম একজন অন্বেষণকারী … সে উট বসাল, অতঃপর পথের (سبيل) ওপর তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল)

উট বসানো এবং তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া কেবল কোনো স্থির বা দৃঢ় অবস্থানের ওপরই সম্ভব। এই কারণেই তারা পথচারীদের "সুবুল" (سبل) বলে থাকে, যার একবচন কিয়াস (قياس) অনুযায়ী "সাবিল" (سابل) হয়। আল-আজজাজ অথবা রু'বা বলেছেন:

(প্রশস্ত গালবিশিষ্ট ক্রুদ্ধ গ্রাসকারী … লোকালয়ে এবং পথিকদের (السبل) বিনাশ সাধনে)

এটি মূলত সম্বন্ধের (نسب) অর্থবোধক একটি বিশেষ্য এবং এটি ক্রিয়া (فعل) অনুযায়ী গঠিত নয়, যেমনটি
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৮)
"دارعاً" و "عطاراً" و "بواباً" كذلك، فكأن المعنى: أصحاب السبيل، ومن ثم قالوا للمسافر البعيد عن بلده وماله "ابن سبيل"، فنسب إلى الطريق لممارسته له وعلاجه إياه، وهم أحد الأصناف الثمانية الذين هم موضع الصدقة، فقولهم منه "ابن" مثل "صاحب"، وقد استعملوا في هذا المعنى "الابن" و"الأخ"، فقولوا "هو ابن بجدتها" للخبير بالبلدة وغيرها، وأنشد أحمد بن يحيى:

(بينا أنازعهم ثوبي وأمنعهم … إذا بنو صحفٍ بالحق قد وردوا)

بنو صحف: الشهود الذي يشهدون عليه بدين.

والأخ في هذا الباب كأنه أوسع في استعمالهم، قال ذو الرمة:

(ويشبح بالكفين ضاحٍ كأنه … أخو فجرةٍ أعلى به الجذع صالبه)

وأنشد سيبويه:

(أخا الحرب لباساً إليها جلالها … وليس بولاج الخوالف أعقلا)
"বর্মধারী", "সুগন্ধি বিক্রেতা" এবং "দ্বাররক্ষী" শব্দগুলোর প্রয়োগও তদ্রূপ। যেন এর মর্মার্থ হলো: পথের সাথী। আর এ কারণেই তারা নিজ দেশ ও সম্পদ থেকে দূরবর্তী মুসাফিরকে "পথিক" বলে অভিহিত করেছেন। পথের সাথে তার নিরন্তর সংশ্লিষ্টতা ও তা নিয়ে ব্যাপৃত থাকার কারণে তাকে পথের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে। তারা সেই আটটি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যারা সদকা বা জাকাত লাভের উপযুক্ত ক্ষেত্র। এক্ষেত্রে তাদের "পুত্র" বলা মূলত "সাথী" সদৃশ। তারা এই অর্থে "পুত্র" এবং "ভ্রাতা" উভয় শব্দই ব্যবহার করেছেন। কোনো জনপদ বা অন্য বিষয়ে সম্যক অভিজ্ঞ ব্যক্তির ক্ষেত্রে তারা বলেন, "তিনি এর সম্যক অভিজ্ঞ"। আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আবৃত্তি করেছেন:

(যখন আমি তাদের সাথে আমার বস্ত্র নিয়ে বিবাদ করছিলাম এবং তাদের বাধা দিচ্ছিলাম … তখন দলিলের সন্তানগণ সত্য নিয়ে উপস্থিত হলো)

দলিলের সন্তানগণ: সেই সব সাক্ষী যারা ঋণের বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে।

এই পরিপ্রক্ষিতে "ভ্রাতা" শব্দের ব্যবহার তাদের নিকট অধিকতর ব্যাপক বলে মনে হয়। যু-রুম্মাহ বলেন:

(সে দুই হাত প্রসারিত করে রৌদ্রে উন্মুক্ত হয়ে আছে, যেন সে ভোরের আলোর ভ্রাতা, যাকে শূলে চড়ানো ব্যক্তি খেজুর কাষ্ঠের উপরে তুলে ধরেছে)

সিবওয়াইহি আবৃত্তি করেছেন:

(যুদ্ধের ভ্রাতা, যে যুদ্ধের পোশাকে সুসজ্জিত; সে অন্তঃপুরবাসিনীদের তাঁবুতে প্রবেশকারী বা অলস নয় এবং সে বিবেকহীনও নয়)
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ১৯)
وقد جاءت "أم" في هذا المعنى أيضاً، أنشد أحمد بن يحيى:

(خوت نجوم بني شكس لقد علقت … أظفارهم بعقابٍ أمها أحد)

وقال أوس:

(وجارت على وحشيها أم جابرٍ … على حين أن نالوا الربيع وأمرعوا)

قالوا: أم جابر: إياد، فسماهم "أم جابر" من حيث كانوا أصحاب حراثة، قال أبو زيد: قالوا للخبز "جابر بن حبة" معرفة غير مصروفة. وفي الحديث "أم مثواي" يريد به صاحبة منزله. فإذا جازم تسمية صاحب الشيء بملابسته أماً، جاز أن يكون قوله {فأمه هاويةٌ} على هذا كما قال {مأواكم النار} أي: أمه نار هاوية، أي: هي مثواه، وقد تكون {فأمه هاويةٌ} على قول الشاعر:
‘উম্ম (أم)’ শব্দটি এই অর্থেই এসেছে, আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আবৃত্তি করেছেন:

(বনু শাকস-এর নক্ষত্রসমূহ অস্তমিত হয়েছে, তাদের নখরাঘাত এমন এক ঈগলকে বিদ্ধ করেছে যার মা (أم) বা মূল আশ্রয় হলো ওহুদ পাহাড়)

এবং আউস বলেছেন:

(আর উম্মে জাবির তার বন্য পশুদের ওপর চড়াও হলো, এমন সময়ে যখন তারা বসন্তের সজীবতা ও প্রাচুর্য লাভ করেছিল)

তারা বলেছেন: উম্মে জাবির বলতে ইয়াদ গোত্রকে বোঝানো হয়েছে; তিনি তাদের ‘উম্মে জাবির’ নামকরণ করেছেন যেহেতু তারা ছিল চাষাবাদ বা কৃষিকাজের সাথে জড়িত। আবু জায়েদ বলেছেন: তারা রুটিকে ‘জাবির ইবনে হাব্বাহ’ বলত যা একটি অপরিবর্তনীয় (غير مصروف) নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة)। হাদিসে ব্যবহৃত ‘উম্মু মাছওয়ায়’ (أم مثواي) বাক্যাংশ দ্বারা তিনি তাঁর গৃহকর্ত্রীকে বুঝিয়েছেন। সুতরাং যদি কোনো বস্তুর সঙ্গীকে তার সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে ‘মা (أم)’ নামে অভিহিত করা বৈধ হয়, তবে মহান আল্লাহর বাণী {তার মা হবে হাবিয়া} এই প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে হওয়াও সম্ভব, যেমনটি তিনি বলেছেন {তোমাদের আশ্রয়স্থল হলো আগুন}। অর্থাৎ: তার মা হলো হাবিয়ার আগুন, যার অর্থ হলো এটিই তার ঠিকানা (مثوى)। আর {তার মা হবে হাবিয়া} উক্তিটি কবির পঙক্তি অনুযায়ীও হতে পারে:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২০)
(هوت أمه! ما يبعث الصبح غادياً … وماذا يؤدي الليل حين يؤوب)

وجاء "أبٌ" في هذا المعنى أيضاً، قال أوس:

(على العمر واصطادت فؤاداً كأنه … أبو علقٍ في ليلتين مؤجل)

قيل: المعنى: كأنه صاحب رهن غلق في ليلتين.

ومثل "السبيل" في أنه المدرج والطريق قولهم "الصراط"، يدل على ذلك قوله تعالى {ولا تقعدوا بكل صراطٍ توعدون}، فلم يتعد إليه الفعل الذي لا يتعدى إلى المفعول حيث كان مخصوماً، كما لم يتعد إلى غيره من الأسماء التي هي عبارة عن الأشخاص والجثث المخصوصة، ثم اتسع فيه فجاء في قولهم "سبيل" حتى قيل في المعتقدات والآراء في الديانات وغيرها، وذلك نحو قوله تعالى: {وإن يروا سبيل الرشد لا يتخذوه سبيلاً وإن يروا سبيل الغي يتخذوه سبيلاً} وقال {قل هذه سبيل أدعو إلى الله على بصيرةٍ أنا ومن اتبعني}، ففسر السبيل بقوله {أدعو}. فالسبيل في هذه المواضع كالمعتقد؛ لأن هذه الأشياء ليست بذوات جثث، فيجوز أن يكون لها طرق ومسالك. وأما قوله {يهدي به الله من اتبع رضوانه سبل
(হোট উম্মুহু! সকাল যখন প্রত্যুষে বের হয় তখন সে কী বয়ে আনে … আর রাত যখন ফিরে আসে তখন সে কী অর্পণ করে)

এই অর্থে "পিতা (أب)" শব্দটিও এসেছে, আওস বলেছেন:

(জীবনের বিনিময়ে, এবং সে এমন এক হৃদয় শিকার করল যেন সেটি … দুই রাতের জন্য স্থগিত কোনো বন্ধকী বস্তুর অধিকারী (أبو علق))

বলা হয়েছে: এর অর্থ হলো: যেন সে দুই রাতের জন্য অবরুদ্ধ এক বন্ধকের মালিক।

চলার পথ ও রাস্তার অর্থে "সাবিল (السبيل)"-এর ন্যায় তাদের "সিরাত (الصراط)" শব্দটিও ব্যবহৃত হয়, মহান আল্লাহর এই বাণী এর প্রমাণ দেয়: {আর তোমরা প্রতিটি পথে (صراط) বসে থেকো না ভয় দেখানোর জন্য}। সুতরাং যে ক্রিয়া কর্মপদ (مفعول) গ্রহণ করে না, তা এর দিকে ধাবিত হয়নি যখন তা নির্দিষ্ট ছিল; যেমন তা ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট দেহের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অন্যান্য বিশেষ্যের দিকে ধাবিত হয় না। অতঃপর এতে প্রশস্ততা আসে এবং তাদের বক্তব্যে "পথ (سبيل)" শব্দটি প্রচলিত হয়, এমনকি ধর্ম ও অন্যান্য বিষয়ের বিশ্বাস (معتقدات) ও মতামতের ক্ষেত্রেও এটি বলা হতে থাকে। এটি মহান আল্লাহর এই বাণীর অনুরূপ: {আর যদি তারা সঠিক পথ (سبيل الرشد) দেখে তবে তাকে পথ (سبيل) হিসেবে গ্রহণ করে না, আর যদি তারা ভ্রান্ত পথ (سبيل الغي) দেখে তবে তাকে পথ (سبيل) হিসেবে গ্রহণ করে} এবং তিনি বলেছেন: {বলুন, এটিই আমার পথ (سبيل), আমি আল্লাহর দিকে আহ্বান করি সুনিশ্চিত প্রমাণের ভিত্তিতে, আমি এবং যারা আমার অনুসরণ করেছে তারা}। এখানে "পথ (السبيل)"-এর ব্যাখ্যা তাঁর "আমি আহ্বান করি" (أدعو) কথাটি দ্বারা করা হয়েছে। সুতরাং এসব স্থানে "পথ (السبيل)" বিষয়টি বিশ্বাসের (معتقد) মতো; কারণ এই বিষয়গুলোর কোনো দৈহিক অবয়ব নেই, ফলে এগুলোর জন্য পথ ও পন্থা থাকা সম্ভব। আর তাঁর বাণী: {এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদের হিদায়াত দেন যারা তাঁর সন্তুষ্টির অনুসরণ করে, শান্তির পথে (سبل) ...
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২১)
السلام} فهو - والله أعلم - أن يراد به طرق الجنة؛ لأن من اتبع رضوانه فقد أوتي الهداية التي هي الاستدلال، فقد هدي إلى صراط مستقيم، فتكون الهداية في هذه الآية مثل الذي في قوله {والذين قتلوا في سبيل الله فلن يَضل أعمالهم * سيهديهم ويصلح بالهم} في أنه ليس بهداية الاستدلال، ولكنه الهداية إلى طرق الجنة للثواب. وقوله {سبل السلام} يجوز أن يكون على حذف المضاف، كأنه: سبل دار السلام، كما قال {فهم دار السلام عند ربهم}. ويجوز {سبل السلام}: طرق السلام التي يسلم سالكها من أن يعذب أو يعاقب. ويجوز أن يكون {السلام} اسم الله تعالى كما جاء {سبيل الله} و {صراط الله}، فإذا كان على هذا الوجه بعد أن يكون المراد به الطريق الذي هو ممر؛ لأن هذا التقييد قد صار فيه كالأمارة للإيضاح، ويكون المعنى حينئذ كقوله تعالى {والذين اهتدوا زادهم هدىً}.

وكما قالوا للغريب "ابن سبيل" فنسبوه إلى الطريق، قالوا فيه "ابن أرض"؛ لأن الطريق ضرب منها، وأنشد أبو زيد:

(دعاني ابن أرضٍ يبتغي الزاد بعدما … ترامى حلاماتٌ به وأجارد)
{আস-সালাম (السلام)} - আল্লাহই ভালো জানেন - এর দ্বারা জান্নাতের পথসমূহ উদ্দেশ্য হওয়া সম্ভব; কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করে, তাকে পথপ্রদর্শন (هداية) দান করা হয়েছে যা হলো দলীল ভিত্তিক পথনির্দেশনা (استدلال), ফলে তাকে সরল পথের (صراط مستقيم) দিকে পরিচালিত করা হয়েছে। সুতরাং এই আয়াতের পথপ্রদর্শন (هداية) সেই আয়াতের মতো যা মহান আল্লাহর বাণীতে রয়েছে: {আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়, তিনি কখনও তাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করবেন না। অচিরেই তিনি তাদের পথপ্রদর্শন করবেন এবং তাদের অবস্থা সংশোধন করবেন}। এখানে এটি দলীল ভিত্তিক পথনির্দেশনা (استدلال) নয়, বরং সওয়াব বা প্রতিদানের (ثواب) উদ্দেশ্যে জান্নাতের পথের দিকে পরিচালিত করা। আর তাঁর বাণী {সুুবুলুস সালাম} এর ক্ষেত্রে সম্বন্ধযুক্ত পদের (مضاف) বিলুপ্তি হওয়া সম্ভব, যেন বিষয়টি এমন: শান্তির আবাসের (دار السلام) পথসমূহ; যেমনটি তিনি বলেছেন: {তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে শান্তির আবাস (دار السلام)}। আবার {সুুবুলুস সালাম} এর অর্থ নিরাপত্তার পথসমূহ হওয়াও সম্ভব, যার অনুসারী ব্যক্তি আযাব বা শাস্তি থেকে নিরাপদ থাকে। আর এটিও সম্ভব যে, {আস-সালাম} হলো মহান আল্লাহর একটি নাম, যেমনটি "আল্লাহর পথ" এবং "আল্লাহর সরল পথ" এর ক্ষেত্রে এসেছে। যদি বিষয়টি এই অর্থ অনুযায়ী হয়, তবে এখানে 'পথ' দ্বারা এমন রাস্তা উদ্দেশ্য হবে যা অতিক্রমযোগ্য; কারণ এই সীমাবদ্ধতাটি এখানে স্পষ্টীকরণের জন্য চিহ্নের ন্যায় কাজ করে। তখন এর অর্থ হবে মহান আল্লাহর এই বাণীর মতো: {এবং যারা সৎপথ অবলম্বন করেছে, তিনি তাদের পথনির্দেশনা (هدىً) বাড়িয়ে দিয়েছেন}।

আর যেমনটি তারা আগন্তুক বা মুসাফিরকে "পথের সন্তান" বলে পথের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করে, তেমনি তারা তাকে "জমিনের সন্তান"ও বলে থাকে; কেননা পথ হলো জমিনেরই একটি অংশ। আবু যায়িদ কবিতা পাঠ করেছেন:

(জনৈক মুসাফির আমাকে খাদ্যের সন্ধানে আহ্বান করল যখন ... জনশূন্য প্রান্তর ও কঙ্করময় ভূমি তাকে বেষ্টন করে নিল)
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২২)
ومثل ذلك قول طرفة:

(رأيت بني غبراء لا ينكرونني … ولا أهل هذاك الطراف الممدد)

فقوله "بني غبراء" كقوله "ابن أرض"؛ لأن الغبراء: الأرض، وكأنهم نسبوا إليها على هذه اللفظة العامة لما لم يعرفوا الموضع الذي أتوا منه مخصوصاً، وأراد بهم الفقراء؛ لأن "الطراف": بيوت الأدم، وإنما تكون للأغنيات، فكأن المعنى: لا ينكرني الفقراء ولا الأغنياء لإعطائي الفقراء وإخراجي في الحقوق التي يخرج فيها الأغنياء.
এবং এর উদাহরণ হলো ত্বরাফাহ-এর উক্তি:

(আমি ধুলিময় মাটির সন্তানদের দেখেছি যে তারা আমাকে অস্বীকার করে না … আর না সেই সুদূর বিস্তৃত চর্ম-তাঁবুর অধিবাসীরা)

এখানে তাঁর উক্তি "ধুলিময় মাটির সন্তানগণ (بني غبراء)" হলো "জমিনের সন্তান (ابن أرض)" বলার মতো; কারণ "আল-গাবরা (الغبراء)" অর্থ হলো জমিন (الأرض)। আর তারা নির্দিষ্ট কোন স্থান থেকে এসেছে তা স্পষ্টভাবে জানা না থাকায় যেন এই সাধারণ শব্দের মাধ্যমে তাদের সেদিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে। এর দ্বারা তিনি দরিদ্রদের (الفقراء) বুঝিয়েছেন; কারণ "আত-ত্বিরাফ (الطراف)" হলো চামড়ার তৈরি ঘর (بيوت الأدم), যা কেবল ধনীদের (الأغنياء) জন্যই হয়ে থাকে। সুতরাং বক্তব্যটির অর্থ দাঁড়ায়: দরিদ্র বা ধনী কেউই আমাকে অস্বীকার করে না; কারণ আমি দরিদ্রদের দান করি এবং ধনীদের মতো সেই সব হক বা অধিকার আদায় করি যা ধনীরা আদায় করে থাকে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৩)
مسألة

وقفت - أدام الله عزك - على ما ذكرته من استفصال محمد بين قولهم للعبد "رقبتك حُرٌّ" و"رأسك حُرٌّ" و"فرجك حُرٌّ" وبين قولهم "يدك حرٌُّ".

قالقول في ذلك إن "الرقبة" قد جرى لفظها في اللغة والعرف مجراها، فأجرى عليها حكمها، و"اليد" لم تجر مجراه في العرف ولا في اللغة، فأما إجزاؤهم "الرقبة" على ما ذكرته فظاهر واضح، وذلك أنه قد جاء في التنزيل: {أو كسوتهم أو تحرير رقبةٍ}، وقال: {فتحرير رقبةٍ من قبل أن يتماسا}، وقال: {ومن قتل مؤمناً خطأً فتحرير رقبةٍ مؤمنةٍ}، وقال: {والمؤلفة قلوبهم وفي الرقاب}، والمعنى - والله أعلم- في تحرير الرقاب، أي: إعانتهم على أداء مكاتبتهم، أو: في فك الرقاب، كما قال في موضع آخر {فك رقبةٍ} أي: فكها من الرق. وجاء عن علي رضي الله عنه: "جناية العبد في الرقبة". وروي "احبس رقبتها". فكما أن "الرقبة"
মাসআলা

আমি অবগত হয়েছি—আল্লাহ আপনার মর্যাদা দীর্ঘস্থায়ী করুন—মোহাম্মদ দাসের উদ্দেশে বলা "তোমার ঘাড় (رقبة) মুক্ত (حر)", "তোমার মাথা (رأس) মুক্ত (حر)" এবং "তোমার গুপ্তাঙ্গ (فرج) মুক্ত (حر)" এবং তাদের "তোমার হাত (يد) মুক্ত (حر)" বলার মধ্যবর্তী যে বিস্তারিত পার্থক্যের কথা উল্লেখ করেছেন সে বিষয়ে।

এই বিষয়ে বক্তব্য হলো, "ঘাড়" (رقبة) শব্দটি ভাষা ও প্রচলিত প্রথায় সেভাবেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে, তাই এর ওপর সংশ্লিষ্ট বিধান প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু "হাত" (يد) শব্দটি প্রথা বা ভাষায় সেভাবে প্রচলিত হয়নি। আপনি যা উল্লেখ করেছেন সে অনুযায়ী "ঘাড়" (رقبة) শব্দটির ব্যবহার সিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্ট। কারণ পবিত্র ওহিতে এসেছে: {অথবা তাদের বস্ত্র দান করা কিংবা একজন দাস (رقبة) মুক্তি প্রদান}, এবং তিনি বলেছেন: {তবে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একজন দাস (رقبة) মুক্তি প্রদান করতে হবে}, এবং তিনি বলেছেন: {আর যে ব্যক্তি ভুলবশত কোনো মুমিনকে হত্যা করবে, তাকে একজন মুমিন দাস (رقبة) মুক্ত করতে হবে}, এবং তিনি বলেছেন: {যাদের অন্তর জয় করা উদ্দেশ্য তাদের জন্য এবং দাস (رقاب) মুক্তিতে}। আর এর অর্থ—আল্লাহই সর্বজ্ঞ—দাস (رقبة) মুক্ত করার ক্ষেত্রে, অর্থাৎ: তাদের মুকাতাবাহ (مكاتبة) আদায় করতে সাহায্য করা; অথবা: দাসত্ব মোচনের ক্ষেত্রে, যেমনটি তিনি অন্য স্থানে বলেছেন: {দাস (رقبة) মুক্তি}, অর্থাৎ: তাকে দাসত্ব (رق) থেকে মুক্ত করা। আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হয়েছে: "দাসের অপরাধের (جناية) দায়ভার তার ঘাড়ের (رقبة) ওপর।" আরও বর্ণিত (روي) হয়েছে: "তার ঘাড় (رقبة) আটকে রাখো।" সুতরাং যেমনটি "ঘাড়" (رقبة) 📑
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৪)
في هذه المواضع في الرقبة قد جرى مجرى الجملة والجميع، فصار قوله (وفي الرقاب) كقوله: وفي المكاتبين، كذلك قوله (فتحرير رقبةٍ) في الآي الأخر بمنزلة: تحرير نسمة، أو نفس، أو نحو ذلك مما يكون عبارة عن جملة الشخص وجميعه.

ومما يمكن أن تكون "الرقبة" قد أجريت فيه مجرى الجملة، قول أبي كبير أو غيره من الهذليين:

(فليس كعهد الدار يا أم مالكٍ … ولكن أحاطت بالرقاب السلاسل)

فـ "الرقاب" يريد بها الأشخاص لا هذه الأعضاء منها، والمعنى أن الإسلام لما جاء منعت شرائعه وزواجره عما لم يكن منه منعٌ قبله، وهذا المنع شائع في جميع الشخص، وليس في الرقبة دون غيرها؛ ألا ترى أن بعد هذا البيت:

(وعاد الفتى كالكهل، ليس بقائلٍ … سوى الحق شيئاً، واستراح العواذل)

وقد قالوا "نسأل الله فكاك رقابنا". ذكره أبو عثمان. وليس يريدون بذلك الرقبة دون سائر الشخص. ولما كانت الرقبة قد عني بها جملة الشخص، حتى صار ذكرها بمنزلة ذكره، اتسعوا في ذلك حتى قال الشاعر:

(إن لي حاجةً إليك، فقالت … بين أذني وعاتقي ما تريد)
এই স্থানগুলোতে ‘ঘাড়’ (الرقبة) শব্দটি পূর্ণ সত্তা ও সামগ্রিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে তাঁর বাণী ‘এবং দাসমুক্তির জন্য’ (وفي الرقاب) কথাটি ‘এবং মুকাতাবদের (চুক্তিবদ্ধ দাস) (وفي المكاتبين) ক্ষেত্রে’ বলার মতোই হয়েছে। একইভাবে অন্য আয়াতে বর্ণিত তাঁর বাণী ‘এক জন দাস মুক্ত করা’ (فتحرير رقبةٍ) কথাটি এক জন ব্যক্তি (نسمة), অথবা এক জন প্রাণ (نفس), অথবা এই জাতীয় কোনো কিছুকে মুক্ত করার সমপর্যায়ে গণ্য হবে, যা মূলত ব্যক্তির পূর্ণ অস্তিত্ব বা সামগ্রিক সত্তার বহিঃপ্রকাশ।

‘ঘাড়’ (الرقبة) শব্দটি যে পূর্ণ সত্তার অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে তার একটি উদাহরণ হলো আবু কাবীর বা হুযাইল গোত্রের অন্য কোনো কবির পঙক্তি:

(হে উম্মে মালিক! বিষয়টি গৃহের সেই পরিচিত সময়ের মতো নয় … বরং শৃঙ্খলসমূহ ঘাড়সমূহকে (الرقاب) বেষ্টন করে নিয়েছে)

এখানে ‘ঘাড়সমূহ’ (الرقاب) বলতে তিনি ব্যক্তিদের বুঝিয়েছেন, শরীরের নির্দিষ্ট ওই অঙ্গটিকে নয়। এর অর্থ হলো, ইসলাম যখন এলো তখন এর বিধান ও নিষেধাজ্ঞাগুলো এমন সব বিষয় থেকে বিরত রাখল যা আগে নিষিদ্ধ ছিল না। আর এই নিষেধাজ্ঞা ব্যক্তির পূর্ণ সত্তার ওপর কার্যকর হয়, শুধু ঘাড়ের ওপর নয়। আপনি কি লক্ষ্য করেননি যে, এই পঙক্তির পরেই বলা হয়েছে:

(আর যুবক বৃদ্ধের মতো হয়ে গেল, সে সত্য ব্যতীত অন্য কিছু বলে না … এবং তিরস্কারকারীরা শান্ত হলো)

আর তারা বলে থাকে ‘আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের ঘাড়ের (رقابنا) মুক্তি প্রার্থনা করি’। আবু উসমান এটি উল্লেখ করেছেন। এর মাধ্যমে তারা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ বাদ দিয়ে শুধু ঘাড়কে উদ্দেশ্য করেন না। যেহেতু ‘ঘাড়’ (الرقبة) দ্বারা ব্যক্তির পূর্ণ সত্তাকে বোঝানো হয়েছে এবং এর উল্লেখ ব্যক্তির উল্লেখেরই সমপর্যায়ে গণ্য হয়েছে, তাই তারা এর প্রয়োগে প্রশস্ততা এনেছেন, এমনকি কবি বলেছেন:

(তোমার কাছে আমার একটি প্রয়োজন আছে, সে বলল … আমার কান ও কাঁধের মাঝখানে যা চাও তা উপস্থিত আছে)
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৫)
كأنه قال: قد ضمنته لك في رقبتي وفي عنقي. وعلى هذا تأويل الحديث، وهو قوله "فليخفف الرداء" لما كان موضعه العاتق. وإذا كانت بمعنى الشخص في هذه المواضع وجب أن تكون في العتاق والطلاق بمنزلتها، واشتهار العرف في هذا كاشتهاره في اللغة.

فأما "الرأس و "الفرج" فقد جرى ذكرهما في تعارف الناس ومقاصدهم مجرى جملة الشخص وجميعه، وذلك أنهم يقولون: عنده كذا وكذا رأساً من الرقيق، وفي إصطبله عشرون رأساً من الدواب، وعشرة أرؤس من البغال. وكذلك: ملك كذا وكذا فرجاً، ووطئ عشرين فرجاً، كما يقولون: وطئ عشرين جارية، وهو مقيم على فرجٍ حرام. فإذا جرى ذلك في تعارفهم ومقاصدهم مجرى ما ذكرناه من جملة الأنفس والأشخاص، وجب أن يكون لفظه بكل واحد من ذلك كلفظه بالشخص نفسه ونحوه مما يكون عبارة عن الجملة.

ومثل قولهم "الرقبة"، وقولهم "الفرج" و "الرأس" في أن "الرقبة" وقعت على الشخص في اللغة، فألحق بها "الفرج" و "الرأس"، وأجريا مجراها لاشتهارهما بمعنى "الرقبة" في مقاصد الناس وعرفهم، قولهم "البدنة"،
যেন তিনি বলছেন: আমি এটি আমার ঘাড় ও স্কন্ধের উপর আপনার জন্য জিম্মাদার হলাম। আর এরই ভিত্তিতে হাদিসটির ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যা হলো তাঁর বাণী "সে যেন চাদর হালকা করে", কারণ এর স্থান হলো কাঁধ। আর এই স্থানগুলোতে যদি এর দ্বারা ব্যক্তি (شخص) উদ্দেশ্য হয়, তবে দাসমুক্তি ও তালাকের ক্ষেত্রেও তা একই মর্যাদাপ্রাপ্ত হওয়া আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রথার (عرف) প্রসিদ্ধি ভাষার প্রসিদ্ধির মতোই।

পক্ষান্তরে "মস্তক" (رأس) এবং "লজ্জাস্থান" (فرج) এর ব্যবহার মানুষের প্রচলিত পরিভাষা ও উদ্দেশ্যে পূর্ণ ব্যক্তি (شخص) বা সামগ্রিক সত্তার পর্যায়ভুক্ত হয়েছে। আর তা এ কারণে যে, তারা বলে: তার নিকট ক্রীতদাসের এত এতটি মাথা বা মস্তক (رأس) আছে, তার আস্তাবলে বিশটি চতুষ্পদ জন্তুর মাথা (رأس) এবং দশটি খচ্চরের মাথা (رأس) আছে। অনুরূপভাবে: সে এত এতটি লজ্জাস্থানের (فرج) মালিক হয়েছে, অথবা সে বিশটি লজ্জাস্থানের (فرج) সাথে সহবাস করেছে, যেমন তারা বলে থাকে: সে বিশজন দাসীর সাথে সহবাস করেছে, অথবা সে নিষিদ্ধ লজ্জাস্থানের (فرج) ওপর লিপ্ত রয়েছে। সুতরাং যখন তাদের প্রচলিত পরিভাষা ও উদ্দেশ্যে বিষয়টি আমাদের উল্লিখিত সামগ্রিক প্রাণ বা ব্যক্তির (شخص) পর্যায়ভুক্ত হয়েছে, তখন এগুলোর প্রতিটি শব্দই স্বয়ং ব্যক্তি (شخص) বা ওই জাতীয় শব্দের মতো হওয়া আবশ্যক যা সামগ্রিক সত্তাকে প্রকাশ করে।

তাদের উক্তি "ঘাড়" (رقبة), "লজ্জাস্থান" (فرج) ও "মস্তক" (رأس) এর দৃষ্টান্ত হলো—ভাষাগতভাবে "ঘাড়" (رقبة) শব্দটি যেমন ব্যক্তির (شخص) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তেমনি "লজ্জাস্থান" (فرج) ও "মস্তক" (رأس) শব্দকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এ দুটিকে সেটির অনুগামী করা হয়েছে। কারণ মানুষের উদ্দেশ্য ও প্রচলিত প্রথায় (عرف) এ দুটি শব্দ "ঘাড়" (رقبة) এর অর্থেই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে; যেমন তাদের উক্তি "কুরবানির পশু" (بدنة)।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৬)
وفي جمعها "البدن"، وقالوا "البدن" مثل "ثمرة" و "ثمرة"، فإن ذلك وقع في اللغة على الإبل، ثم أجري البقر مجراها، حيث ساواها في الحكم، كما ساوى الفرج والرأس في العرف الرقبة التي صارت في اللغة كالشخص. يدل على أن "البدن" في اللغة من الإبل قوله تعالى: {والبدن جعلناها لكم من شعائر الله لكم فيها خيرٌ فاذكروا اسم الله عليها صواف}، قال أبو عبيدة: "مصطفَّه". ثم قال {فإذا وجبت جنوبها فكلوا منها}، فدل قوله (فإذا وجبت جنوبها) على أن المعنى بها الإبل؛ لأنها توجأ في نحورها وهي قائمة، كما قال (صوافَّ) و (صوافن)، ثم تجب، أي: تسقط وتقع على الأرض، كما يقال: وجب الحائط والبيت إذا سقطا. فهذا يختص به الإبل في نحرها، ثم أجري البقر مجراها لما اجتمع معها في الإجزاء عما تجزئ عنه، كما اجتمع الفرج والرأس مع الرقبة في أن عُني بهما ما عُني بها.

فأما "اليد" فلم تجر في العرف ولا في اللغة مجرى الشخص ولا جميعه، فأما ما ذكره من قوله تعالى: {ذلك بما قدمت يداك} و {بما قدمت أيديكم}، فلا يشبه أن تكون "اليد" فيه عبارة عن الجارحة،
এবং এর বহুবচনে 'বদন' (البدن) শব্দটি ব্যবহৃত হয়। তারা বলেন, 'বদন' শব্দটি 'সামারাহ' (ثمرة) ও 'সামারাহ' (ثمرة)-এর মতো। এটি ভাষাগতভাবে উটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, অতঃপর গাভীকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেহেতু এটি বিধান (حكم)-এর ক্ষেত্রে উটের সমতুল্য। ঠিক যেমন প্রচলিত ব্যবহারে লজ্জাস্থান ও মস্তককে 'ঘাড়' (رقبة)-এর সমতুল্য গণ্য করা হয়, যা ভাষায় পূর্ণ সত্তা (شخص) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রমাণ করে যে, ভাষাগতভাবে 'বদন' (البدن) দ্বারা উটই উদ্দেশ্য, মহান আল্লাহর এই বাণী অনুযায়ী: {আর কোরবানিযোগ্য উটগুলোকে আমরা তোমাদের জন্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত করেছি, তোমাদের জন্য তাতে কল্যাণ রয়েছে; সুতরাং সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান অবস্থায় সেগুলোর ওপর আল্লাহর নাম স্মরণ করো}। আবু উবায়দাহ বলেন: "সারিবদ্ধভাবে (مصطفَّه)"। এরপর আল্লাহ বলেন: {অতঃপর যখন সেগুলো পার্শ্বদেশে পড়ে যায়, তখন তোমরা তা থেকে আহার করো}। সুতরাং তাঁর বাণী (অতঃপর যখন সেগুলো পার্শ্বদেশে পড়ে যায়) প্রমাণ করে যে, এর দ্বারা উটই উদ্দেশ্য; কারণ উট দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সেগুলোর বক্ষস্থলে আঘাত করে জবাই করা হয়, যেমনটি বলা হয়েছে 'সাওয়াফ' (صوافَّ) ও 'সাওয়াফিন' (صوافن)। এরপর তা 'ওয়াজাবাত' হয়, অর্থাৎ মাটিতে পড়ে যায় এবং লুটিয়ে পড়ে, যেমন বলা হয়ে থাকে: প্রাচীর বা ঘর 'ওয়াজাবাত' হয়েছে যখন তা পড়ে যায়। সুতরাং এটি উটের জবাই পদ্ধতির সাথে সুনির্দিষ্ট। অতঃপর গাভীকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যেহেতু পর্যাপ্ত হওয়ার (الإجزاء) ক্ষেত্রে তা উটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেমন লজ্জাস্থান ও মস্তককে 'ঘাড়' (رقبة)-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই অর্থে যে, এগুলো দ্বারা যা উদ্দেশ্য, ঘাড় দ্বারাও তাই উদ্দেশ্য।

পক্ষান্তরে 'হাত' (اليد) শব্দটি না প্রচলিত ব্যবহারে, আর না ভাষাগতভাবে পূর্ণ সত্তা (شخص) বা সমগ্র সত্তা হিসেবে গণ্য হয়েছে। আর মহান আল্লাহর এই বাণী থেকে যা উল্লেখ করা হয়েছে: {তা তোমাদের দুই হাত যা আগে পাঠিয়েছে তার কারণে} এবং {তোমাদের হাত যা আগে পাঠিয়েছে তার কারণে}, সেখানে 'হাত' (اليد) শব্দটি শারীরিক অঙ্গ (الجارحة) অর্থে হওয়া সম্ভবপর নয়,
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৭)
ولكن المراد بها القوة والقدرة. فهذا بمنزلة قوله: {اصلوها اليوم بما كنتم تكفرون}؛ لأن قوله: {ونقول ذوقوا عذاب الحريق} بمنزلة قوله: {اصلوها} و {بما كنتم تكفرون} مثل {بما قدمت يداك}، فكان معنى (بما قدمت يداك) بمنزلة: ما كسبته، أي: هذا العذاب عقوبة على ما اجترمته واكتسبته. يقول: ليس بشيء أجبرناك عليه ولا أكرهناك. و"اليد" بمنزلة "القوة"، بدلالة قولهم "لا يد لي بفلان"، أي: لا طاقة لي به ولا قوة عليه. وكما قال أهل الطائف لما قرأ عليهم عتاب بن أسيد {فإن لم تفعلوا فأذنوا بحربٍ من الله ورسوله}: لا يد لنا أن نكون حرباً لله ورسوله. وقال سيبويه في هذا المعنى "لا يدين بها لك". على أن "اليد" في الآي ليس يرلاد بها الجارحة، وإنما يراد بها القوة، كما ذكرنا / أن فيما يعاقب عليه الإنسان مما كسبه واختاره ما لا عمل لليد التي هي الجارحة فيه، وذلك نحو الاعتقادات وغير ذلك مما لا عمل لهذه الجارحة فيه، وأن الموبخ بقوله (ذلك بما قدمت يداك) موبخٌ بهذا الضرب توبيخه على ما هو فعل هذه الجارحة التي هي اليد، فدل ذلك على أن "اليد" في الآية ليس يعني بها الجارحة، وإذا لم يعن بها لم يجز أن يكون استغنى بها عن ذلك الشخص كالرقبة والرأس والفرج.

فإن قلت: فإن اليد إنما استعملت بمعنى القوة إذا أفرد اللفظ بها، كقول القائل: لا يد لي بهذا الأمر ولا قوة، وما في الآي من ذكرها مثنى ومجموع.
তবে এর দ্বারা শক্তি (القوة) ও সামর্থ্য (القدرة) উদ্দেশ্য। এটি তাঁর বাণীর সমতুল্য: {আজ তোমরা এতে দগ্ধ হও যেহেতু তোমরা কুফরি করতে}; কারণ তাঁর বাণী: {এবং আমরা বলব, তোমরা দহন-যন্ত্রণা আস্বাদন করো} হলো {তোমরা এতে দগ্ধ হও}-এর সমতুল্য এবং {যেহেতু তোমরা কুফরি করতে} হলো {তোমার হস্তদ্বয় যা পূর্বে প্রেরণ করেছে}-এর অনুরূপ। সুতরাং (তোমার হস্তদ্বয় যা পূর্বে প্রেরণ করেছে) এর অর্থ হলো: তুমি যা অর্জন করেছ; অর্থাৎ এই আজাব হলো তোমার কৃত অপরাধ ও অর্জনের শাস্তি। তিনি বলছেন: এটি এমন কোনো বিষয় নয় যার ওপর আমরা তোমাকে বাধ্য করেছি বা বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছি। আর 'হাত' হলো 'শক্তি' (القوة)-এর সমতুল্য, যার প্রমাণ হলো তাদের উক্তি 'অমুকের বিরুদ্ধে আমার কোনো হাত নেই', অর্থাৎ তার বিরুদ্ধে আমার কোনো সাধ্য বা শক্তি নেই। ঠিক যেমন তায়েফবাসী বলেছিল যখন আত্তাব ইবনে আসিদ তাদের কাছে পাঠ করেছিলেন: {অতঃপর যদি তোমরা তা না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও}: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার মতো শক্তি আমাদের নেই। সিবওয়াইহি এই অর্থে বলেছেন, 'এ ব্যাপারে তোমার কোনো সাধ্য নেই'। বস্তুত আয়াতসমূহে 'হাত' দ্বারা শারীরিক অঙ্গ উদ্দেশ্য নয়, বরং এর দ্বারা শক্তি উদ্দেশ্য; যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি যে, মানুষ তার কৃতকর্ম ও পছন্দের কারণে যা দ্বারা শাস্তাপ্রাপ্ত হয়, তার মধ্যে এমন বিষয়ও রয়েছে যাতে হাত নামক শারীরিক অঙ্গের কোনো ভূমিকা নেই। যেমন বিশ্বাস ও অন্যান্য বিষয় যাতে এই অঙ্গের কোনো কাজ নেই। আর যাকে এই বাণীর মাধ্যমে তিরস্কার করা হয়েছে যে, (তা তোমার হস্তদ্বয় যা অগ্রে প্রেরণ করেছে তার কারণে), তাকে এই প্রকারের মাধ্যমে তিরস্কার করা হয়েছে ঠিক যেমন সেই কাজের জন্য তিরস্কার করা হয় যা হাত নামক এই অঙ্গের কাজ। এটি প্রমাণ করে যে, আয়াতে 'হাত' দ্বারা শারীরিক অঙ্গ বোঝানো হয়নি। আর যখন এর দ্বারা অঙ্গ উদ্দেশ্য হবে না, তখন একে ঐ ব্যক্তির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ব্যবহার করা বৈধ হবে না, যেমন ঘাড়, মাথা ও লজ্জাস্থানের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

যদি আপনি বলেন: হাত শব্দটি কেবল তখনই শক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয় যখন শব্দটি এককভাবে আসে, যেমন কোনো বক্তার উক্তি: এই বিষয়ে আমার কোনো হাত বা শক্তি নেই; অথচ আয়াতে একে দ্বিবচন ও বহুবচন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৮)
فالقول في ذلك: إنها تستعمل مثنى ومجموعاً في هذا المعنى، كما تستعمل فيه في الإفراد؛ ألا ترى أن ما ذكرناه عن سيببويه في هذا المعنى تثنية، وأن الأصمعي قد أنشد فيما جاء "اليد" فيه على التثنية، والمراد بها القوة، وذلك فيما قاله علي بن الغدير الغنوي:

(وإذا رأيت المرء يشعب أمره … شعب العصا، ويلج في العصيان)

(فاعمد لما تعلو فما لك بالذي … لا تستطيع من الأمور يدان)

وفي التنزيل: {مما عملت أيدينا أنعاماً}، كما قال: {لما خلقت بيدي}. فالتثنية والجمع في هذا بمنزلةٍ كالإفراد في هذا المعنى. والتقدير: لما خلقت بقوتي، كقوله: {والسماء بنيناها بأيدٍ} أي: بقوة، ألا ترى أن الأيد والآد: القوة. وإن شئت جعلت قوله (بأيدٍ) جمع
এ বিষয়ে বক্তব্য হলো: এই অর্থে শব্দটি দ্বিবচন (مثنى) এবং বহুবচন (مجموع) উভয়ভাবেই ব্যবহৃত হয়, ঠিক যেমন এটি একবচন (إفراد) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, সিবওয়াইহ থেকে এই অর্থে আমরা যা উল্লেখ করেছি তা দ্বিবচন (تثنية) হিসেবে এসেছে? এবং আসমাঈ এমন কাব্য বর্ণনা করেছেন যেখানে 'হাত' শব্দটি দ্বিবচন রূপে এসেছে এবং তা দ্বারা শক্তি (قوة) উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে। আর এটি আলী ইবনুল গাদির আল-গানাওয়ীর উক্তিতে লক্ষ্য করা যায়:

(যখন তুমি দেখবে কোনো ব্যক্তি তার বিষয়সমূহকে ছিন্নভিন্ন করছে … লাঠি দ্বিখণ্ডিত করার ন্যায়, এবং সে অবাধ্যতায় অবিচল থাকছে)

(তখন তুমি সেই বিষয়ের সংকল্প করো যা তুমি জয় করতে সক্ষম, কেননা যে বিষয় তোমার সাধ্যাতীত … তাতে তোমার কোনো শক্তি বা হাত (يدان) নেই)

পবিত্র অবতীর্ণ কিতাবে রয়েছে: {আমি নিজ হাতে যা সৃষ্টি করেছি তা হতে তাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তুসমূহ...}, যেমন তিনি বলেছেন: {যাকে আমি আমার দুই হাতে সৃষ্টি করেছি}। সুতরাং এই প্রেক্ষাপটে দ্বিবচন (تثنية) ও বহুবচন (جمع) এই অর্থে একবচনেরই (إفراد) সমতুল্য। এর ব্যাখ্যা হলো: ‘যাকে আমি আমার শক্তি (قوة) দিয়ে সৃষ্টি করেছি’, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {আর আকাশ, আমি তা নির্মাণ করেছি শক্তি (أيد) দিয়ে} অর্থাৎ: শক্তি (قوة) দ্বারা। আপনি কি দেখেন না যে, ‘আল-আইদ’ (الأيد) এবং ‘আল-আদ’ (الآد) অর্থ হলো শক্তি (قوة)। আর আপনি চাইলে তাঁর বাণী ‘বি-আইদিন’ (بأيدٍ) শব্দটিকে বহুবচন (جمع) হিসেবেও গণ্য করতে পারেন।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ২৯)
"يدٍ"، كما قال "مما عملت أيدينا"، والمعنى فيه: القوة. ومعنى التثنية التأكيد والتقرير.

ومثل "اليد" في أنه أريد بها القوة قولهم "اليمين"، يعنون بها ذلك وعلى هذا قوله:

(...................... … تلقاها عرابة باليمين)

وقوله: {والسموات مطوياتٌ بيمينه}، وقد فسر قوله: {فراغ عليهم ضرباً باليمين} أنه بالقوة، وقيل: باليمين التي حلفها في قوله: {وتالله لأكيدن أصنامكم}، وقيل: الجارحة.

ومما جاء "اليد" فيه يراد بها القوة نحو قولهم "في يد فلان ضيعة"، يراد بها فيما حازه، فأمكنه بذلك تصرفه فيها. ومن ذلك ما أنشده أبو زيد:
'হাত' (يد), যেমনটি বলা হয়েছে "যা আমাদের হাতসমূহ তৈরি করেছে", আর এতে এর অর্থ হলো: শক্তি (القوة)। আর দ্বিবচন (التثنية) ব্যবহারের অর্থ হলো গুরুত্বারোপ (التأكيد) ও দৃঢ়করণ (التقرير)।

'হাত' (اليد) শব্দটি যেমন শক্তি (القوة) অর্থে ব্যবহৃত হয়, তেমনি তাদের উক্তি 'ডান হাত' (اليمين)-ও এর সদৃশ, তারা এর মাধ্যমে ওই শক্তিকেই উদ্দেশ্য করে থাকে। এর ভিত্তিতেই কবির এই উক্তিটি:

(...................... … উরাবাহ একে ডান হাত (باليمين) দিয়ে গ্রহণ করেছেন)

এবং মহান আল্লাহর বাণী: {আর আকাশমন্ডলী তাঁর ডান হাতে (بيمينه) ভাঁজ করা থাকবে}। আর তাঁর এই বাণী: {অতঃপর তিনি তাদের ওপর ডান হাত (باليمين) দিয়ে আঘাত হানলেন} -এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, এটি শক্তি (بالقوة) দিয়ে করা হয়েছে; আবার বলা হয়েছে, এটি সেই শপথের (باليمين) কারণে যা তিনি করেছিলেন তাঁর এই বাণীতে: {আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই তোমাদের মূর্তিগুলোর বিরুদ্ধে কৌশল অবলম্বন করব}; আবার কেউ বলেছেন, এর দ্বারা অঙ্গ (الجارحة) উদ্দেশ্য।

যেসব ক্ষেত্রে 'হাত' (اليد) শব্দটি দ্বারা শক্তি (القوة) উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে, তার একটি উদাহরণ হলো তাদের এই কথা: "অমুকের হাতে (في يد) একটি ভূসম্পত্তি রয়েছে", যার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যা সে করায়ত্ত করেছে, যার ফলে সে তাতে হস্তক্ষেপ করার সামর্থ্য লাভ করেছে। আবু যায়িদ যা আবৃত্তি করেছেন তা এর অন্তর্ভুক্ত:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৩০)
(لهم حبقٌ، والسود بيني وبينهم … يدي لكم والعاديات المحسبا)

وقد اسعملت "اليد" في الكلام على غير وجه، ما علمت أن شيئاً منه أريد به جملة الشخص وجميعه في عرف ولا أصل لغة، كما كانت "الرقبة" و "الرأس" و "الفرج" كذلك. فمن ذلك ما يراد به النصرة، كما روي من قوله عليه السلام: "المسلمون تتكافأ دماؤهم، وهم يدٌ على من سواهم"، أي: هم أهل كلمة واحدة ونصرة على من شق عصاهم. وجاءت حيث يراد بهم اللزوم، كما روي "لصاحب الحق اليد واللسان". ومن ذلك ما يراد به النعمة نحو ما أنشده أبو زيد:

(فلن أذكر النعمان إلا بصالحٍ … فإن له عندي يدياً وأنعما)

ومن ذلك قوله: {وقالت اليهود يد الله مغلولةٌ غلت أيديهم}، وقال
(তাদের জন্য রয়েছে দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু, আর আমার ও তাদের মাঝে রয়েছে কৃষ্ণাঙ্গরা … আমার হাত তোমাদের জন্য এবং দ্রুতগামী গণনাকারী অশ্বসমূহ)

কথাবার্তায় "হাত" (اليد) শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে; আমি এমন কোনো প্রয়োগ সম্পর্কে অবগত নই যা দ্বারা প্রচলিত ব্যবহার (عرف) কিংবা ভাষার মূলনীতি অনুযায়ী পূর্ণ ব্যক্তি বা তার সমষ্টিকে বোঝানো হয়েছে, যেমনটি "ঘাড়" (الرقبة), "মাথা" (الرأس) এবং "লজ্জাস্থান" (الفرج)-এর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি প্রয়োগ হলো যেখানে সাহায্য (النصرة) উদ্দেশ্য থাকে, যেমনটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী থেকে বর্ণিত (روي) হয়েছে: "মুসলিমদের রক্ত সমান বা সমমর্যাদার, আর তারা তাদের বহির্ভূত শত্রুদের বিরুদ্ধে এক হাত স্বরূপ", অর্থাৎ: তারা অভিন্ন মতাদর্শী এবং যারা তাদের ঐক্য বিনষ্ট করে তাদের বিরুদ্ধে একে অপরের সাহায্যকারী। আবার এটি সেই ক্ষেত্রেও এসেছে যেখানে কোনো কিছু সাব্যস্ত হওয়া বা অধিকার (اللزوم) বোঝানো হয়েছে, যেমন বর্ণিত (روي) হয়েছে: "হকের (অধিকারের) মালিকের জন্য রয়েছে হাত ও জবান।" এর মধ্যে এমন প্রয়োগও রয়েছে যেখানে নেয়ামত বা অনুগ্রহ (النعمة) বোঝানো হয়, যেমন আবু যায়েদ আবৃত্তি করেছেন:

(আমি নুমানকে কেবল কল্যাণকর কথার মাধ্যমেই স্মরণ করব … কেননা আমার প্রতি তার অনেক অনুগ্রহ (يدياً) ও নেয়ামত রয়েছে)

আর এর অন্তর্ভুক্ত হলো মহান আল্লাহর বাণী: {আর ইহুদিরা বলে, আল্লাহর হাত (يد) শৃঙ্খলিত, বরং তাদের হাতই (أيديهم) শৃঙ্খলিত হয়েছে}, এবং তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৩১)
ابن عباس: "المعنى: نعمه مقبوضة، وليس يعنون أنها موثقة". ويدل على صحة ما فسره قوله: {بل يداه مبسوطتان ينفق كيف يشاء}. وقد روي أن اليهود أبخل قوم لقوله {غلت أيديهم}. ولما استعمل البسط في اليد حيث يراد بها السعة في الإعطاء والإنفاق، وضعت بخلاف البسط حيث أريد بها البخل والمنع، فمن ثم قال:

(مناتين أبرامٌ، كأن أكفهم … أكف ضبابٍ أشنقت في الحبائل)

فشبه أيديهم بأيدي الضباب لأنها توصف بالصغر والقصر، كقول الآخر، أنشده أبو الحسن:

(إنا وجدنا بني جلان كلهم … كساعد الضب لا طولٍ ولا قصر)

فلم يقتصر الأول بتشبيهه إياها بأيدي الضباب حتى جعلها أيدي ضباب
ইবনে আব্বাস: "এর অর্থ: তাঁর নেয়ামতসমূহ সংকুচিত, তারা এ কথা বোঝাতে চায়নি যে তাঁর হাত শৃঙ্খলিত।" তাঁর এই ব্যাখ্যার সঠিকতা (صحة) নির্দেশ করে মহান আল্লাহর এই বাণী: {বরং তাঁর উভয় হাত প্রসারিত, তিনি যেভাবে ইচ্ছা ব্যয় করেন}। বর্ণিত হয়েছে (روي) যে, ইহুদিরা সর্বাধিক কৃপণ জাতি; কেননা আল্লাহ তাআলা বলেছেন {তাদের হাত অবরুদ্ধ হোক}। যেহেতু হাত প্রসারণের বিষয়টি দান ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রশস্ততা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই কৃপণতা ও বখিলতা বোঝাতে হস্ত-প্রসারণের বিপরীত অবস্থাটি ব্যবহৃত হয়েছে। এ কারণেই কবি বলেছেন:

(তারা কৃপণ ও হীনমনা, তাদের হাতের তালু যেন … গুই সাপের হাতের তালু যা ফাঁদে আটকে সংকুচিত হয়ে গেছে)

তিনি তাদের হাতকে গুই সাপের হাতের সাথে তুলনা করেছেন কারণ তা ছোট ও খাটো হওয়ার বৈশিষ্ট্যে বর্ণিত। যেমন অন্য একজন বলেছেন, যা আবুল হাসান আবৃত্তি করেছেন:

(নিশ্চয়ই আমরা বনী জুল্লান গোত্রের সকলকে পেয়েছি … গুই সাপের বাহুর মতো; যা লম্বা নয় এবং অতিরিক্ত খাটোও নয়)

প্রথম কবি কেবল তাদের হাতকে গুই সাপের হাতের সাথে তুলনাই করেননি, বরং তিনি সেগুলোকে সরাসরি গুই সাপের হাত হিসেবেই গণ্য করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৩২)
قد أشنقت بالحبائر، أي: نشبت فكتفت لذلك، فاجتمعت وتقبضت على ما كان قبل من الصغر والتقبض. فهذه جملة من القول في "اليد" وما استعملت فيه، ولم أجدها استعملت في موضع حيث يراد جملة الشخص وجميعه، فيجوز أن تجري مجرى تلك الكلم التي استعملت هذا الاستعمال.

فإن قلت: فقد قالوا "يداك أوكتا"، وإنما المراد: أنت أوكيت فهذا يدل أن "اليد" قد قامت مقام الجملة كـ"الرقابة" وأخواتها؛ لأن فعل الفاعل قد نسب إلى بعضه.

فإن هذا لا دلالة فيه؛ لأن الإيكاء لما كان باليد نسب إليها، وإن كان الفاعل الجملة، كما جاز أن يقال: كتبت يدي، ورأت عيني، وفي التنزيل: {فويلٌ لهم مما كتبت أيديهم}، فنسب الفعل إلى الجارحة التي بها فعل الفاعل، وإن كان للجملة، فـ "اليد" على هذا عبارة عن العضو المخصوص، ليس يراد بها الجملة. وعلى هذا قالوا "وفوك نفخ"، فنسب النفخ إلى الفم لما كان به يكون، وإن كان الفاعل في الحقيقة جملة الإنسان. فكما أن "الفم" لا يقع ولا يكون عبارة عن جملة الإنسان كقوهم "يداك أوكتا"، والوكاء: الخيط الذي يشد به القربة، والعصام: حبلها، وأوكيت السقاء والقربة: شددتهما بالوكاء.
এটি রশি বা ফাঁসে আটকে গেছে, অর্থাৎ: এটি এমনভাবে আটকে গেছে যে তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা হয়েছে, ফলে এটি আগের মতোই ক্ষুদ্রতা ও সঙ্কোচনের ওপর ভিত্তি করে একত্রিত ও সংকুচিত হয়েছে। সুতরাং এটি "হাত" শব্দ এবং এর ব্যবহারের ক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনার সারসংক্ষেপ। আমি একে এমন কোনো স্থানে ব্যবহৃত হতে দেখিনি যেখানে ব্যক্তির পূর্ণ সত্তা (جملة) বা তার সামগ্রিক অস্তিত্বকে বোঝানো হয়েছে; ফলে এটি ওই শব্দগুলোর পর্যায়ভুক্ত হতে পারে যা এই অর্থে ব্যবহৃত হয়।

আপনি যদি বলেন: তারা তো প্রবাদ হিসেবে বলে থাকে "তোমার দুই হাত গিঁট দিয়েছে", অথচ এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: "তুমি নিজে গিঁট দিয়েছ"। সুতরাং এটি প্রমাণ করে যে, "হাত" শব্দটি পূর্ণ সত্তার (جملة) স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, যেমনটি "ঘাড়" (رقبة) এবং এর সমজাতীয় শব্দগুলোর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে; কারণ এখানে কর্তা (فاعل)-এর কাজকে তার একটি অংশের দিকে নিসবত (نسبة) করা হয়েছে।

নিশ্চয়ই এর মধ্যে কোনো দলিল বা প্রমাণ (دلالة) নেই; কারণ গিঁট দেওয়ার কাজটি যেহেতু হাতের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়, তাই একে হাতের দিকেই নিসবত (نسبة) করা হয়েছে, যদিও এর মূল কর্তা (فاعل) হলো পূর্ণ সত্তা। যেমনটি বলা জায়েজ: "আমার হাত লিখেছে", "আমার চোখ দেখেছে"। আর পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে: {তাদের হাত যা লিখেছে তার পরিণামে তাদের জন্য দুর্ভোগ}, এখানে কাজটিকে ওই নির্দিষ্ট অঙ্গের (جارحة) দিকে নিসবত (نسبة) করা হয়েছে যার মাধ্যমে কর্তা (فاعل) কাজটি সম্পাদন করেছেন, যদিও তা মূলত পূর্ণ সত্তারই কাজ। সুতরাং, এই প্রেক্ষাপটে "হাত" বলতে নির্দিষ্ট একটি অঙ্গকেই বোঝানো হয়েছে, এর দ্বারা পূর্ণ সত্তা (جملة) উদ্দেশ্য নয়। ঠিক একইভাবে তারা বলে থাকে, "তোমার মুখ ফুঁ দিয়েছে", এখানে ফুঁ দেওয়ার কাজটিকে মুখের দিকে নিসবত (نسبة) করা হয়েছে যেহেতু এর মাধ্যমেই তা সম্পাদিত হয়, যদিও প্রকৃতপক্ষে কাজটির সম্পাদনকারী হলো মানুষটি নিজেই। সুতরাং "মুখ" শব্দটি যেমন মানুষের পূর্ণ সত্তা (جملة) হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, তেমনি তাদের উক্তি "তোমার দুই হাত গিঁট দিয়েছে"-এর ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনুরূপ। আর 'উকা' হলো সেই সুতা যা দিয়ে মশক বা চামড়ার থলি বাঁধা হয় এবং 'ইসাম' হলো এর রশি। আর আমি মশক ও চামড়ার পাত্রটি সুতা দিয়ে মজবুতভাবে বেঁধেছি বোঝাতে 'আওকাইতু' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসাইলুল হালাবিয়্যাত (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌مسألة القول في "الدّاء" و "الدّواء"

ولغة ذلك، وتصرّفه، جَمْعه

قال قيس بن الخطيم:

(وبعض خلائق الأقوام داءٌ … كداء البطن ليس له دواء)

(وبعض القول ليس له عناجٌ … كمخض الماء ليس له إتاء)

ليس له عناج: ليس بثقة ولا معقود. إتاء: زبد. القول على لغة ذلك: قال أحمد بن يحيى عن ابن سلاّم: "داء الرجل يداء داءً" قال: هكذا سمعت ابن سلام يقول. قال: وقال غيره: أداءت الرحم فهي مدئية: صار بها الداء. قال: وحدثنا ابن سلام قال: كحل كحالٌ أعربياً، فقال: حلتني بالمكحال الذي تكحل به العيون الداءة. وقال أبو زيد: "يقال للرجل إذا اتهموه: قد أدأت يا فلان إداءةً مهموز" مثل أجدت إجادة. قال: "وقال رجل من بني كلاب: أدوأت يا فلان، فأنت مدوئٌ، واتهمت فأنت متهمٌ، وهما واحد، أي: في جوفك الداء والغش". وقال أبو زيد: "لجل دوىً،
"ব্যাধি" এবং "প্রতিষেধক" সংক্রান্ত আলোচনার পরিচ্ছেদ

এর ভাষাতাত্ত্বিক প্রয়োগ, রূপান্তর এবং এর বহুবচন সংক্রান্ত আলোচনা

কায়স ইবনুল খাতীম বলেছেন:

(কিছু মানুষের চরিত্র হলো ব্যাধি … উদরের ব্যাধির ন্যায় যার কোনো প্রতিষেধক নেই)

(কিছু কথার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই … পানি মন্থন করার মতো যা থেকে কোনো মাখন উৎপন্ন হয় না)

যার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই: তা নির্ভরযোগ্য (ثقة) বা সুসংবদ্ধ নয়। ইতা: মাখন। ভাষাতাত্ত্বিক প্রয়োগ: আহমাদ বিন ইয়াহইয়া ইবনে সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "ব্যক্তিটি ব্যাধিগ্রস্ত হয়েছে।" তিনি বলেন: আমি ইবনে সাল্লামকে এভাবেই বলতে শুনেছি। তিনি বলেন: অন্যেরা বলেছেন: "জরায়ু ব্যাধিগ্রস্ত হয়েছে: অর্থাৎ তাতে ব্যাধি সৃষ্টি হয়েছে।" তিনি বলেন: ইবনে সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: এক সুরমা বিক্রেতা এক বেদুইনকে সুরমা পরিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন সে বলল: তুমি আমাকে সেই শলাকা দিয়ে সুরমা পরিয়েছ যা দিয়ে ব্যাধিগ্রস্ত চোখে সুরমা লাগানো হয়। আবু যায়েদ বলেছেন: "কাউকে অভিযুক্ত করা হলে বলা হয়: হে অমুক, তুমি ব্যাধিগ্রস্ত/সন্দেহজনক কাজ করেছ (হামজাহ যুক্ত করে)" যেমন বলা হয় "তুমি উৎকৃষ্ট কাজ করেছ।" তিনি বলেন: "বনু কিলাব গোত্রের এক ব্যক্তি বলেছেন: হে অমুক, তুমি ব্যাধিগ্রস্ত বা অসাধু হয়েছ, আর তুমি অভিযুক্ত হয়েছ, উভয়টি একই অর্থ প্রকাশ করে। অর্থাৎ: তোমার অভ্যন্তরে ব্যাধি ও কপটতা রয়েছে।" আবু যায়েদ বলেছেন: "ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি,"