(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
المخارج في الحيل - من الأصل لمحمد بن الحسن - ط الثقافة الدينية القسم: الفقه الحنفي
الكتاب: المخارج في الحيل
المؤلف: محمد بن الحسن الشيباني (ت 189 هـ).
الناشر: مكتبة الثقافة الدينية، القاهرة
عام النشر: 1419 هـ - 1999 م
عدد الصفحات: 141
أصل هذه الطبعة: إعادة صف بحرف جديد لتحقيق المستشرق جوزيف شاخت في لايبزيغ سنة 1930 م
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 24 شعبان 1438
আল-মাখারিজি ফিল হিয়াল - মুহাম্মাদ ইবনুল হাসানের আল-আসল থেকে - আস-সাকাফাতুদ দ্বীনিয়াহ সংস্করণ বিভাগ: হানাফি ফিকহ
বই: আল-মাখারিজি ফিল হিয়াল
লেখক: মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শায়বানি (মৃত্যু ১৮৯ হিজরি)।
প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাকাফাতুদ দ্বীনিয়াহ, কায়রো
প্রকাশকাল: ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪১
এই সংস্করণের মূলভিত্তি: ১৯৩০ সালে লাইপজিগে প্রাচ্যবিদ জোসেফ শাখতের সম্পাদিত সংস্করণটির নতুন হরফে পুনর্মুদ্রণ
শামেলা সংস্করণের প্রস্তুতি: রাবিতাতুন নুসসাখ দল, তত্ত্বাবধানে (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৪ শাবান ১৪৩৮
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
باب الحيل في الطلاق والاسنثناءقال حدثنا يعقوب بن يوسف عن أبي حنيفة قال: قلت: أرأيت رجلاً طلق امرأته ثلاثاً أو واحدة يقول لها أنتِ طالق فهل في ذلك حيلة حتى لا يقع عليها الطلاق وترجع إليه فتكون على حالها؟
قال: نعم.
قلت: فما الحيلة في ذلك؟
قال: إذا قال أنتِ طالق ثلاثاً أو واحدة فقال إن شاء الله فوصل يمينه بالاستثناء.
قلت: وكذلك إن قال لعبده أنت حر إن شاء الله؟ قال نعم.
قلت: ويقول هذا غيركم؟ قال نعم، قد جاءت به الأحاديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال ح دثنا أبو يوسف قال حدثنا أبو حنيفة عن الحكم بن عتيبة عن عبد الله وعلي بن أبي طالب أنهما قالا من حلف بطلاق أو عتاق فاستثنى فله استثناءه، وقال شريح إن قدّم الطلاق وأخّر الاستثناء وقع الطلاق وإن قدّم الاستثناء وأخّر الطلاق لم يقع، قال أبو يوسف ولسنا نأخذ بحديث شريح إنما نأخذ بقول علي وعبد الله قال حدثنا يعقوب قال حدثنا محمد بن عبيد الله العرزمي عن عطاء بن أبي رباح عن عبد الله بن عباس أنه قال من حلف بطلاق أو عتاق فقال إن شاء الله لم يقع طلاق ولا عتاق- وقال أ [ويوسف حدثنا الحسن بن عمارة عن الحكم عن إبراهيم مثله- قال حدثنا يعقوب قال حدثنا أبو حنيفة عن حماد عن إبراهيم أنه قال من حلف بطلاق أو عتاق فقال إن شاء
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
তালাক ও ইস্তিসনা (ব্যতিক্রম) সংক্রান্ত কৌশলের অধ্যায়তিনি বলেন, ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট ইমাম আবু হানিফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, আপনি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে কী মনে করেন যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক অথবা এক তালাক প্রদান করে বলল 'তুমি তালাকপ্রাপ্তা'; তবে এর মধ্যে কি এমন কোনো কৌশল আছে যাতে তার উপর তালাক পতিত না হয় এবং স্ত্রী তার নিকট ফিরে আসে ও তারা পূর্বাবস্থায় বহাল থাকে?
তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: তবে তাতে কৌশলটি কী?
তিনি বললেন: যখন সে বলবে 'তুমি তিন তালাক' অথবা 'এক তালাক' এবং এরপর বলবে 'যদি আল্লাহ চান' (ইনশাআল্লাহ), তবে সে তার শপথের সাথে ইস্তিসনা (ব্যতিক্রম) যুক্ত করল।
আমি বললাম: একইভাবে যদি সে তার দাসের উদ্দেশ্যে বলে 'তুমি মুক্ত, যদি আল্লাহ চান'? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনাদের ব্যতীত অন্যরাও কি এ কথা বলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিসসমূহ বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আবু ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু হানিফা আমাদের নিকট হাকাম ইবনে উতাইবা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ এবং আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: যে ব্যক্তি তালাক বা দাসমুক্তির শপথ করল এবং ইস্তিসনা করল, তবে তার ইস্তিসনা কার্যকর হবে। এবং শুরাইহ বলেন, যদি সে তালাক আগে প্রদান করে এবং ইস্তিসনা পরে করে, তবে তালাক পতিত হবে; আর যদি সে ইস্তিসনা আগে করে এবং তালাক পরে দেয়, তবে তা পতিত হবে না। আবু ইউসুফ বলেন, আমরা শুরাইহ-এর হাদিস গ্রহণ করি না, বরং আমরা আলী এবং আব্দুল্লাহ-এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-আরযামি আমাদের নিকট আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি তালাক বা দাসমুক্তির শপথ করল এবং বলল 'যদি আল্লাহ চান', তবে কোনো তালাক বা দাসমুক্তি পতিত হবে না। এবং আবু ইউসুফ বলেন, হাসান ইবনে আমারা আমাদের নিকট হাকাম থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু হানিফা আমাদের নিকট হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি তালাক বা দাসমুক্তির শপথ করল এবং বলল 'যদি আল্লাহ...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
الله لم يقع طلاق ولا عتاق، فمن حلف بشيء من هذه الأيمان فقال إن شاء الله فقد برّ ولم يحنث ولا يقع عليه شيء، ومن حلف بنذر أو غير ذلك من الأيمان المغلظة فقال إن شاء الله فقد بر وخرج من يمينه.
وقال أبو يوسف فقد حدثنا أبو بكر النهشلي عن الحسن البصري ومحمد ابن سيرين أنهما قالا في ذلك يقع الطلاق لأن الله قد شاء الطلاق قال فقد بلغنا حديث الحسن عن ابن سيرين في ذلك ولسنا نأخذ به.
قال يعقوب حدثنا معروف بن واصل عن محارب بن دثار رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم أنه أتاه رجل فسأله النبي صلى الله عليه وسلم أتزوجت؟ قال: نعم، قال: ثم ماذا؟ قال: طلقتها، قال له النبي صلى الله عليه وسلم من ريبة؟ قال: لا، قال له النبي صلى الله عليه وسلم قد يكون ذلك، ثم جاءه بعد ذلك فقال له النبي صلى الله عليه وسلم أتزوجت؟ قال: نعم، قال ثم ماذا؟ قال: طلقتها، قال من ريبة؟ قال لا، قال قد يكون ذلك، ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم ف يالمرة الثالثة ما من شيء أحله الله أكره إلى الله من الطلاق.
وقد جاء عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما من بيت يُبنى في الإسلام أحب إلى الله من النكاح، ولا شيء أحله الله أكره إليه من الطلاق.
قال: حدثنا إسماعيل بن عياش العبسي عن حميد اللخمي عن مكحول عن معاذ بن جبل قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا معاذ ما خلق الله شيئاً على وجه الأرض أحب إليه من العتاق ولا خلق الله شيئاً على وجه الأرض أبغض إليه من لاطلاق.
فإذا قال الرجل لمملوكه أنت حر إن شاء الله فقد بر والاستثناء له، وإذا قال لامرأته أنت طالق إن شاء الله فله الاستثناء ولا طلاق عليه؛ فكيف نأخذ بحديث الحسن وابن سيرين مع حديث النبي صلى الله عليه وسلم ثم أصحابه ثم التابعين من بعدهم، ثم الأحاديث في الاستثناء في غير الطلاق.
حدثنا يعقوب قال حدثنا عبد الله بن عمرو الجهني عن ليث بن أبي سليم عن طاوس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين فقال إن شاء الله
আল্লাহর ইচ্ছাধীন কোনো তালাক বা দাসমুক্তি পতিত হয় না। সুতরাং যে ব্যক্তি এই সব শপথের কোনোটির মাধ্যমে কসম করল এবং বলল "যদি আল্লাহ চান", তবে সে তার শপথ পূর্ণ করল এবং শপথ ভঙ্গকারী হলো না, আর তার ওপর কিছুই পতিত হলো না। আর যে ব্যক্তি মানত বা এই জাতীয় অন্য কোনো কঠোর শপথ করল এবং বলল "যদি আল্লাহ চান", তবে সে তার শপথ পূর্ণ করল এবং তার শপথের দায় থেকে মুক্ত হয়ে গেল।
আবু ইউসুফ বলেন, আবু বকর আন-নাহশালি হাসান বসরি ও মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা এ বিষয়ে বলেছেন—তালাক পতিত হবে, কেননা আল্লাহ তালাক হওয়ার ইচ্ছা করেছেন। তিনি (আবু ইউসুফ) বলেন, হাসান ও ইবনে সিরিনের সেই বর্ণনা আমাদের নিকট পৌঁছেছে, তবে আমরা তা গ্রহণ করি না।
ইয়াকুব বলেন, মা'রুফ ইবনে ওয়াসিল মুহারিব ইবনে দিসার থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত উন্নীত করেছেন যে—এক ব্যক্তি তাঁর নিকট আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি বিয়ে করেছ?" সে বলল, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "তারপর কী হলো?" সে বলল, "আমি তাকে তালাক দিয়েছি।" নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "কোনো অসন্তোষ বা সন্দেহের কারণে?" সে বলল, "না।" নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, "এমনটি হতে পারে।" অতঃপর সে ব্যক্তি আবারও তাঁর নিকট আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি বিয়ে করেছ?" সে বলল, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "তারপর কী হলো?" সে বলল, "আমি তাকে তালাক দিয়েছি।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "কোনো অসন্তোষ বা সন্দেহের কারণে?" সে বলল, "না।" তিনি বললেন, "এমনটি হতে পারে।" এরপর তৃতীয়বার নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, "আল্লাহ যা কিছু হালাল করেছেন, তার মধ্যে তালাকের চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আল্লাহর নিকট আর কিছু নেই।"
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন, "ইসলামে বিয়ের মাধ্যমে এমন কোনো গৃহ নির্মিত হয় না যা আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়, আর আল্লাহ যা হালাল করেছেন তার মধ্যে তালাকের চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় তাঁর নিকট আর কিছু নেই।"
তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ আল-আবসি হুমাইদ আল-লাখমি থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "হে মুয়াজ, আল্লাহ জমিনের বুকে দাসমুক্তির চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো কিছু সৃষ্টি করেননি এবং আল্লাহ জমিনের বুকে তালাকের চেয়ে অধিক ঘৃণ্য কোনো কিছু সৃষ্টি করেননি।"
সুতরাং কোনো ব্যক্তি যদি তার দাসের উদ্দেশ্যে বলে, "তুমি মুক্ত, যদি আল্লাহ চান", তবে সে তার শপথ পূর্ণ করল এবং এই শর্তারোপ তার জন্য কার্যকর হবে। আর যদি সে তার স্ত্রীকে বলে, "তুমি তালাকপ্রাপ্তা, যদি আল্লাহ চান", তবে তার জন্য শর্তারোপ প্রযোজ্য হবে এবং তার ওপর তালাক পতিত হবে না। এমতাবস্থায় আমরা কীভাবে হাসান ও ইবনে সিরিনের বর্ণনা গ্রহণ করতে পারি, যেখানে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), তাঁর সাহাবীগণ এবং তাঁদের পরবর্তী তাবেয়িগণের বর্ণনা বিদ্যমান রয়েছে, এবং তালাক ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শর্তারোপ সংক্রান্ত হাদিসসমূহও বর্তমান?
ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-জুহানি লাইস ইবনে আবি সুলাইম থেকে, তিনি তাউস থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে শপথ করল এবং বলল—যদি আল্লাহ চান..."
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
فقد خرج من يمينه؛ قال ليث فقلت لطاوس وفي الطلاق والعتاق قال نعم، وفي الطلاق والعتاق إلا أنه ما يرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم في الطلاق والعتاق.
قال حدثنا يعقوب قال حدثنا الحسن بن عمارة عن الحكم عن مجاهد عن عبد الله بن عباس أنه قال من حلف على يمين فقال إن شاء الله فلا حنث عليه ولا كفارة.
قال حدثنا يعقوب قال حدثنا أبو يحيى عن أبيه عن البراء بن عازب عن علي بن أبي طالب قال من استثنى فلا حنث عليه.
قال حدثنا أبو يوسف عن أبي حنيفة عن القاسم بن عبد الرحمن عن عبد الله بن مسعود أنه قال من حلف على يمين فقال إن شاء الله فقد استثنى ولا حنث عليه.
قال حدثنا يعقوب عن أبي حنيفة عن حماد عن إبراهيم أنه قال في ذلك خرج من يمينه.
قلت أرأيت الرجل يُستحلف فيريد أن يحلف وهو يريد أن ينوي شيئاً آخر ظالماً كان أو مظلوماً فكيف يصنع قال حدثنا يعقوب قال حدثنا أبو حنيفة عن حماد عن إبراهيم أنه قال إذا استُحلف الرجل وهو مظلوم فيمينه على ما نوى، وإذا استُحلف وهو ظالم فيمينه على نية الذي استحلفه.
قال حدثني أبو مالك عبد الرحمن بن مالك بن مغول البجلي حدثنا سعيد بن أبي سعيد المقري عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم "يمينك على ما صدقك عليه صاحبك" قال عبد الرحمن فلم أدر ما تفسير هذا الحديث فلقيت سفيان الثوري وقد كان شهد الحديث معنا فسألته فقال يا ناعس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينك على ما صدقك عليه صاحبك إذا كنت ظالماً، فاليمين على ما استُحلفت عليه وإذا كنت مظلوماً فاليمين على ما نويت، قلت فما ترى في هذا الأيمان التي يحلف بها الرجل فيئول يمينه من سلطان أو غيره فلا يريد بذلك أن يذهب بحق أحد ولا يظلم أحداً؛ قال لا بأس به.
সে তার কসম থেকে মুক্ত হলো; লাইস বলেন, আমি তাউসকে বললাম, তালাক ও দাসমুক্তির ক্ষেত্রেও কি একই কথা? তিনি বললেন, হ্যাঁ; তালাক ও দাসমুক্তির ক্ষেত্রেও, তবে তিনি তালাক ও দাসমুক্তির বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেননি।
তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাসান ইবনে উমারা আমাদের নিকট হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো কসম করল এবং বলল ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চান), তবে তার কসম ভঙ্গ হবে না এবং তার ওপর কোনো কাফফারাও নেই।
তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু ইয়াহইয়া তার পিতা থেকে, তিনি বারা ইবনে আযিব থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি ইস্তিসনা করল (ইনশাআল্লাহ বলল), তার কোনো কসম ভঙ্গ হবে না।
তিনি বলেন, আবু ইউসুফ আমাদের নিকট আবু হানিফা থেকে, তিনি কাসিম ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো কসম করল এবং বলল ইনশাআল্লাহ, তবে সে ইস্তিসনা করল এবং তার কসম ভঙ্গ হবে না।
তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট আবু হানিফা থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এ বিষয়ে বলেছেন: সে তার কসম থেকে মুক্ত হয়ে গেছে।
আমি বললাম, আপনি কি সেই ব্যক্তি সম্পর্কে ভেবে দেখেছেন যাকে কসম করানো হয়, আর সে কসম করার সংকল্প করে কিন্তু মনে মনে অন্য কিছু নিয়ত করার ইচ্ছা রাখে—সে অত্যাচারী হোক বা অত্যাচারিত—সে ক্ষেত্রে সে কী করবে? তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু হানিফা আমাদের নিকট হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যখন কোনো ব্যক্তিকে কসম করানো হয় এবং সে অত্যাচারিত হয়, তবে তার কসম হবে তার নিয়ত অনুযায়ী; আর যখন তাকে কসম করানো হয় এবং সে অত্যাচারী হয়, তবে তার কসম হবে সেই ব্যক্তির নিয়ত অনুযায়ী যে তাকে কসম করিয়েছে।
তিনি বলেন, আবু মালিক আব্দুর রহমান ইবনে মালিক ইবনে মিগওয়াল আল-বাজালি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি আমাদের নিকট তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমার কসম হবে সেই বিষয়ের ওপর যার ওপর তোমার সাথী তোমাকে সত্যবাদী মনে করে।" আব্দুর রহমান বলেন, আমি এই হাদিসের ব্যাখ্যা বুঝতে পারিনি, তাই আমি সুফিয়ান সাওরির সাথে সাক্ষাৎ করলাম—যিনি আমাদের সাথে এই হাদিসের মজলিসে উপস্থিত ছিলেন—আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: হে তন্দ্রাচ্ছন্ন ব্যক্তি! আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমার কসম হবে সেই বিষয়ের ওপর যার ওপর তোমার সাথী তোমাকে সত্যবাদী মনে করে" এটি তখন যখন তুমি অত্যাচারী হবে; এমতাবস্থায় কসম হবে সেই বিষয়ের ওপর যার ওপর তোমাকে কসম করানো হয়েছে। আর যখন তুমি অত্যাচারিত হবে, তখন কসম হবে তোমার নিয়ত অনুযায়ী। আমি বললাম, ঐসব কসম সম্পর্কে আপনার অভিমত কী যা মানুষ শাসক বা অন্যদের চাপে পড়ে করে থাকে এবং সে তার কসমের উদ্দেশ্য ঘুরিয়ে নেয়, অথচ সে এর মাধ্যমে কারো হক নষ্ট করার বা কারো ওপর জুলুম করার ইচ্ছা রাখে না? তিনি বললেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
قال حدثنا سلمة بن صالح عن يزيد الواسطي عن عبد الكريم عن عبد الله ابن بريدة قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن آية من كتاب الله وهو في المسجد فقال لا أخرج حتى أخبرك بها فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم من مجلسه ذلك فلما أخرج إحدى رجليه من باب المسجد أخبره بالآية قبل أن يُخرج رجله الأخرى.
قال حدثنا يعقوب قال حدثنا قيس بن الربيع عن سليمان التيمي عن أبي عثمان النهدي عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه أنه قال إن في معاريض الكلام لما يُغني المرء المسلم عن الكذب.
وحدثنا يحيى أبو بكر قال أخبرنا الحارث بن عبيد عن معمر عن الزهري أن عبد الله بن رواحة وقع على جارية له فقالت له امرأته فعلت كذا وكذا؟ قال لا، قالت فاقرأ إذاً، قال:
شهدت بأن وعد الله حقٌّ
… وأن النار مثوى الكافرينا
وأن العرش فوق المساء طاف
… وفوق العرش رب العالمينا
ويحمله ملائكةٌ كرامٌ
… ملائكة الإله مقربينا
قال فقلت تستقرئيني القرآن؟ وأنشد الشعر، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقصصت عليه القصة وأنشدته الأبيات فقال لا بأس.
قال حدثني قيس بن موسى بن يزيد بن عمرو الكتاني أن عبد الله بن رواحة ابتاع جارية وكتم ذلك امرأته فبلغها ذلك فقالت ذات يوم إنه بلغني أنك ابتعت جارية، قال ما فعلت، قالت بلى، وبلغني أنك كنت عندها ولا أحسبك إلا جنباً، فإن كنت صادقاً فاقرأ عليَّ آيات من القرآن فقال:
شهدت بأن وعد الله حقٌّ
… وأن النار مثوى الكافرينا
তিনি বলেন, সালামাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট ইয়াজিদ আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি আব্দুল কারিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে থাকাকালীন আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, “আমি তোমাকে সেটি না জানানো পর্যন্ত বের হবো না।” অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সেই মজলিস থেকে উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি মসজিদের দরজা দিয়ে তাঁর এক পা বের করলেন, তখন অন্য পা বের করার আগেই তাকে সেই আয়াতটি জানিয়ে দিলেন।
তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, কাইস ইবনুর রাবি আমাদের নিকট সুলায়মান আত-তায়মি থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদি থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, “নিশ্চয়ই কথার পরোক্ষ ইশারার মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা একজন মুসলিম ব্যক্তিকে মিথ্যা বলা থেকে বিমুখ রাখে।”
আমাদের নিকট ইয়াহইয়া আবু বকর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-হারিস ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট মা'মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা তাঁর এক দাসীর সাথে মিলিত হয়েছিলেন। তখন তাঁর স্ত্রী তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনি কি অমুক অমুক কাজ করেছেন?” তিনি বললেন, “না।” স্ত্রী বললেন, “তাহলে কুরআন পাঠ করুন।” তখন তিনি বললেন:
আমি সাক্ষ্য দিয়েছি যে আল্লাহর ওয়াদা সত্য
… এবং জাহান্নাম হলো কাফিরদের আবাসস্থল
আর আরশ আকাশের উপরে ভাসমান
… এবং আরশের উপরে রয়েছেন বিশ্বজগতের প্রতিপালক
সম্মানিত ফেরেশতারা একে বহন করেন
… যারা ইলাহের নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা
তিনি বলেন, আমি বললাম, “তুমি কি আমার কাছে কুরআন তিলাওয়াত শুনতে চাচ্ছো?” এরপর তিনি কবিতা আবৃত্তি করলেন। তারপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে ঘটনাটি খুলে বললাম এবং তাঁকে কবিতাগুলো পাঠ করে শুনালাম। তখন তিনি বললেন, “এতে কোনো সমস্যা নেই।”
তিনি বলেন, কাইস ইবনে মুসা ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আমর আল-কাত্তানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা একটি দাসী ক্রয় করেছিলেন এবং তাঁর স্ত্রীর কাছে বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। পরবর্তীতে স্ত্রীর নিকট সংবাদটি পৌঁছালে তিনি একদিন বললেন, “আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনি একটি দাসী ক্রয় করেছেন।” তিনি বললেন, “আমি এমনটি করিনি।” স্ত্রী বললেন, “অবশ্যই করেছেন, আর আমার কাছে এও সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনি তাঁর নিকট ছিলেন এবং আমি আপনাকে অপবিত্র (জানাবাত অবস্থায়) ছাড়া অন্য কিছু মনে করছি না। আপনি যদি সত্যবাদী হন, তবে আমার সামনে কুরআনের আয়াত পাঠ করুন।” তখন তিনি বললেন:
আমি সাক্ষ্য দিয়েছি যে আল্লাহর ওয়াদা সত্য
… এবং জাহান্নাম হলো কাফিরদের আবাসস্থল
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
فقالت: زدني، فقال:
وأن العرش فوق السماء طافٍ
… وفوق العرش رب العالمينا
فقالت زدني فقال:
ويحمله ملائكة كرام
… ملائكة الإله مقرَّبينا
فقالت أما إذ قرأت القرآن فإني أعلم أنك مكذوب عليك ثم افتقدته ذات يوم فلم تصبه فلما قدرت عليه قال الآن صدق قولي فجحدها فقالت إن كنت صادقاً فاقرأ ثلاث آيات من كتاب الله، فقال:
وفينا رسول الله يتلو كتابه
… إذا شق يُعرف به الصبح ساطع
يبيت يجافي جنبه عن فراشه
… إذا استثقلت بالكافرين المضاجع
فقال زدني فقال:
أتانا الهدى بعد العَمى فقلوبنا
… له موقنات أن ما قال واقع
فقال زدني فقال:
وأعلم علماً ليس بالظن أنني
… إلى الله محثور هناك وراجع
قال فحدث ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستضحك حتى رأيت التهلل في وجهه ثم قال هذا لعمر الله من معاريض الكلام؛ يغفر الله لك يا بن رواحة، إن خيركم خيركم لنسائه؛ فأخبرني ماذا ردت عليك حيث قلت الذي قلت؟ قال قالت: الله بيني وبينك، أما إذ قرأت القرآن فإني أتهم ظني وأصدقك قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لقد وجدتها ذات فقه في الدين.
قال وحدثنا يعقوب عن قيس بن الربيع عن حماد عن إبراهيم أنه سئل عن
তিনি বললেন: আমাকে আরও শুনিয়ে দাও। তিনি বললেন:
আর নিশ্চয়ই আরশ আসমানের উপরে ভাসমান
... আর আরশের উপরে বিশ্বজগতের প্রতিপালক।
তিনি বললেন, আরও শোনাও। তিনি বললেন:
এবং তা বহন করছে সম্মানিত ফেরেশতারা
... তারা ইলাহ-এর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা।
তিনি বললেন, যেহেতু তুমি কুরআন পাঠ করেছ, তাই আমি নিশ্চিত হলাম যে তোমার ব্যাপারে আমাকে মিথ্যা বলা হয়েছে। এরপর একদিন তিনি তাকে (স্বামীকে) খুঁজে পেলেন না এবং তাকে (দাসীটির সাথে) পেলেন না। যখন তিনি তাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হলেন, তখন তিনি (স্বামী) বললেন, এখন আমার কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু তিনি (স্ত্রী) তা অস্বীকার করলেন এবং বললেন, যদি তুমি সত্যবাদী হও তবে আল্লাহর কিতাব থেকে তিনটি আয়াত পাঠ করো। তখন তিনি (ইবনে রাওয়াহা) বললেন:
আমাদের মাঝে আল্লাহর রাসূল রয়েছেন যিনি তাঁর কিতাব তিলাওয়াত করেন
... যখন সুবহে সাদিক উদিত হয়, তখন তার মাধ্যমে উজ্জ্বল সকালের পরিচয় পাওয়া যায়।
তিনি রাত অতিবাহিত করেন তাঁর পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা রেখে
... যখন কাফিরদের শয্যাগুলো তাদের নিকট ভারী মনে হয়।
তিনি বললেন, আরও শোনাও। তিনি বললেন:
অন্ধত্বের পর আমাদের কাছে হিদায়াত এসেছে, তাই আমাদের অন্তরসমূহ
... এ বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাসী যে, তিনি যা বলেছেন তা অবশ্যই ঘটবে।
তিনি বললেন, আরও শোনাও। তিনি বললেন:
এবং আমি নিশ্চিতভাবে জানি, যা কোনো ধারণা নয় যে, আমি
... আল্লাহর দিকে সেখানে সমবেত হব এবং তাঁরই কাছে ফিরে যাব।
বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এই ঘটনা বর্ণনা করা হলো। তিনি হেসে উঠলেন, এমনকি আমি তাঁর চেহারায় আনন্দের আভা দেখতে পেলাম। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! এটি ছিল দ্ব্যর্থবোধক কথা (মা'আরিদুল কালাম)। হে ইবনে রাওয়াহা! আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুন। তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর নিকট সর্বোত্তম। এরপর তিনি বললেন, আমাকে বলো তো, তুমি যখন ওগুলো বললে তখন সে কী উত্তর দিয়েছিল? তিনি (ইবনে রাওয়াহা) বললেন, সে বলেছিল: আমার ও তোমার মাঝে আল্লাহই ফয়সালাকারী; যেহেতু তুমি কুরআন পাঠ করেছ, তাই আমি আমার ধারণাকেই অভিযুক্ত করছি এবং তোমাকে সত্যবাদী বলে মেনে নিচ্ছি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তাকে দ্বীনের গভীর সমঝদার হিসেবে পেলাম।
বর্ণনাকারী বলেন, ইয়াকুব আমাদের কাছে কাইস বিন রাবী থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে এবং তিনি ইব্রাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
رجل ادعى عليه رجل دعوى وهو ظالم له فقال احلف بالمشي إلى بيت الله كيف الحلة في ذلك؟ قال له إبراهيم احلف بالمشي إلى بيت الله وأعن مسجد حيك فإنك لا تحنث.
قال وحدثنا يعقوب عن قيس بن الربيع عن الأعمش عن إبراهيم أنه قال له رجل إن فلاناً يأمرني أن آتي مكان كذا وكذا وأنا لا أقدر على ذلك فكيف الحيلة لي قال له إبراهيم قل له والله ما أبصر إلا ما سددني غيري، وأعن إلا ما بصرني ربي.
قال حدثنا يعقوب عن قيس عن هشام بن حسان عن ابن سيرين قال كان رجل من باهلة عيوناً فرأى بغلة لشريح فأعجبته فرأى شريح ذلك فقال له شريح أما إنها إذا ربضت لا تقوم حتى تقام فقال له الرجل أف زف، حدثنا يعقوب عن مسعر بن كدام عن عبد الملك بن ميسرة عن النزال بن سيرة قال جعل حذيفة يحلف لعثمان بن عفان في أشياء بالله ما قالها وقد سمعناه قالها فقلت يا عبد الله سمعناك تحلف لعثمان على أشياء ما قلتها وقد سمعناك قلتها فقال إني أشتري ديني بعضه ببعض مخافة أن يذهب كله.
حدثنا يعقوب قال حدثنا مسعر بن كدام عن وبرة عن عبد الله بن عمر قال لأن أحلف بالله كاذباً أحب إليَّ من أن أحلف بغيره صادقاً.
حدثنا يعقوب قال حدثنا قيس بن الربيع عن الأعمش عن إبراهيم قال قال رجل لإبراهيم إني ذكرت من رجل شيئاً فبلغه ذلك فكيف الحيلة في ذلك وكيف أعتذر إليه فقال له إبراهيم قل والله إن الله يعلم ما قلت لك من ذلك من شيء فإن الله قد علم حين قلت ما قلت خيراً قلت أو شراً قال أو لم تقل.
حدثنا يعقوب قال حدثنا الحسن بن عمارة عن الحكم عن مجاهد عن عبد الله بن عباس أنه قال ما يسرني بمعاريض الكلام حمر النعم وسودها.
حدث بعض أصحابنا عن عمر بن الخطاب أنه قال إن في معاريض الكلام لمندوحة عن الكذب.
حدثنا يعقوب قال حدثنا عقبة بن أبي العيزار قال كنا نأتي إبراهيم النخعي
এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করল অথচ সে ছিল তার প্রতি জুলুমকারী। তখন সে বলল, "আমি আল্লাহর ঘরের (কাবার) দিকে হেঁটে যাওয়ার শপথ করছি।" এক্ষেত্রে বাঁচার উপায় কী? ইব্রাহিম তাকে বললেন, "তুমি আল্লাহর ঘরের দিকে হেঁটে যাওয়ার শপথ করো এবং মনে মনে তোমার মহল্লার মসজিদের নিয়ত করো; তাহলে তুমি শপথ ভঙ্গকারী হবে না।"
তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট কায়স বিন রাবি থেকে, তিনি আমাশ থেকে এবং তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, "অমুক ব্যক্তি আমাকে এই এই স্থানে যাওয়ার আদেশ দিচ্ছে অথচ আমি তা করতে সক্ষম নই। এক্ষেত্রে আমার কৌশল কী হতে পারে?" ইব্রাহিম তাকে বললেন, "তাকে বলো— আল্লাহর কসম, অন্য কেউ আমাকে পরিচালিত করা ছাড়া আমি দেখি না। আর তুমি মনে মনে নিয়ত করো— আমার রব আমাকে যা দেখিয়েছেন তা ছাড়া আমি দেখি না।"
তিনি বলেন, ইয়াকুব আমাদের নিকট কায়স থেকে, তিনি হিশাম বিন হাসসান থেকে এবং তিনি ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বাহিলা গোত্রের এক ব্যক্তি কুনজরসম্পন্ন ছিল। সে শুরাইহর একটি খচ্চর দেখে মুগ্ধ হলো। শুরাইহ তা বুঝতে পেরে তাকে বললেন, "জেনে রাখো, এটি যখন বসে পড়ে, তখন একে দাঁড় না করানো পর্যন্ত আর উঠে না।" তখন লোকটি বলল, "উফ, ধুর!" ইয়াকুব আমাদের নিকট মিসআর বিন কিদাম থেকে, তিনি আব্দুল মালিক বিন মায়সারা থেকে এবং তিনি নাজ্জাল বিন সিরা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, হুজায়ফা (রা.) উসমান বিন আফফান (রা.)-এর নিকট আল্লাহর নামে এমন কিছু বিষয়ে শপথ করছিলেন যা তিনি বলেননি, অথচ আমরা তাঁকে তা বলতে শুনেছিলাম। আমি বললাম, "হে আব্দুল্লাহ! আমরা আপনাকে উসমানের কাছে এমন কিছু বিষয়ে শপথ করতে শুনলাম যা আপনি বলেননি অথচ আমরা আপনাকে তা বলতে শুনেছি।" তিনি বললেন, "আমি আমার দ্বীনের একাংশ দিয়ে অপর অংশ রক্ষা করছি এই ভয়ে যে, পাছে আমার পুরো দ্বীনই চলে যায়।"
ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মিসআর বিন কিদাম আমাদের নিকট ওয়াবরা থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, "আল্লাহর নামে মিথ্যা শপথ করা আমার নিকট আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে সত্য শপথ করার চেয়ে অধিক প্রিয়।"
ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, কায়স বিন রাবি আমাদের নিকট আমাশ থেকে এবং তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইব্রাহিমকে বলল, "আমি এক ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু বলেছিলাম যা তার কাছে পৌঁছে গেছে। এখন এক্ষেত্রে কৌশল কী এবং আমি তার কাছে কীভাবে ওজর পেশ করব?" ইব্রাহিম তাকে বললেন, "তাকে গিয়ে বলো— আল্লাহর কসম, আল্লাহ জানেন যে আমি তোমার ব্যাপারে তেমন কিছুই (মন্দ) বলিনি। কারণ তুমি যখন যা বলেছিলে, আল্লাহ তো জানতেনই যে তুমি ভালো কিছু বলেছ নাকি মন্দ, নাকি তুমি কিছুই বলোনি।"
ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, হাসান বিন আম্মারা আমাদের নিকট হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, "কথার দ্ব্যর্থবোধক ইশারা বা পরোক্ষ প্রকাশের (মা’আরিজ) বিনিময়ে লাল ও কালো উটের পালের মালিক হওয়াও আমাকে আনন্দিত করবে না।"
আমাদের কতিপয় সঙ্গী উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, "নিশ্চয়ই দ্ব্যর্থবোধক বা পরোক্ষ কথার মধ্যে মিথ্যা থেকে বাঁচার প্রশস্ত সুযোগ রয়েছে।"
ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, উকবা বিন আবু আইজার আমাদের নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা ইব্রাহিম নাখায়ির নিকট আসতাম...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
وهو متغيب خائف من الحجاج بن يوسف فكنا إذا خرجنا من عنده يقول لنا إن أنتم سئلتم عني وحلفتم فاحلفوا بالله ما تدرون أين أنا ولا لنا به علم ولا في أي موضع هو واعنوا أنكم لا تدرون في أي موضع أنا فيه قائم أو قاعد أو نائم فتكونوا قد صدقتم، لا تدرون أين أنا قائم أو قاعد أو نائم.
قال عقبة وأتاه رجل فقال يا أبا عمران إن رزقي في الديوان وإني اعترضت على دابة وإن دابتي نفقت وإنهم يريدون أن يُحلفوني بالله إنها الدابة التي اعترضت عليها، فكيف الحيلة في ذلك؟ قال له إبراهيم اذهب فاركب دابة واعترض عليها على بطنك اعتراضاً ثم احلف بالله إنها الدابة التي اعترضت عليها وانو بها الدابة التي اعترضت عليها على بطنك.
حدثنا يعقوب قال حدثنا عقبة وأتاه رجل فقال يا أبا عمران إن الأمير يريد أن يضرب على البعث وقد خبرته أني لا أبصر وأنا أبصر قليلاً فإنه يريد أن يُحلفني بالله ما تبصر، فما الحيلة في ذلك؟ قال له إبراهيم احلف بالله ما تبصر إلا ما سُددت وسددك غيرك واعن أن الله هو الذي يسددك.
حدثنا ابن عُليّة عن ابن عون عن أنس بن سيرين قال كنت عند ابن عمر فجاءه رجل فيه ضعف فقال له ابن عمر ما هممت أن أجلدك بآية، قال لمَ أصلحك الله؟ قال إنك ما علمك بحب الفتنة والفتنة قوله: (إنما أموالكم وأولادكم فتنة).
ابن عُليّة عن ابن عون عن محمد بن سيرين قال قال الوليد عقبة ابن اعزم عليَّ أول من سماسر.
حدثنا أبو يوسف عن الحسن بن عمارة عن أبيه عن عكرمة عن ابن عباس في قوله: (لا تؤاخذني بما نسيت) قال: لم ينس ولكنه من معاريض الكلام.
حدثني أبو سعيد سعد بن مالك المزني عن أبي حاتم البجلي أن إبراهيم دخل على الحجّاج فعاتبه في أشياء فقال النخعي إن الخاصرة قد لزمتني ما تفارقني وإن الدم كثير وأنا صاحب فراش، فقال الحجّاج إن في خصلة من هذه لشغلا.
তিনি হাজ্জাজ বিন ইউসুফের ভয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। আমরা যখন তাঁর কাছ থেকে বের হতাম, তিনি আমাদের বলতেন, "যদি তোমাদের আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় এবং তোমরা শপথ করো, তবে আল্লাহর নামে এই শপথ করো যে, আমি কোথায় আছি তা তোমরা জানো না, আর এ সম্পর্কে আমাদের কোনো জ্ঞান নেই এবং তিনি কোন স্থানে আছেন তাও জানি না। এর মাধ্যমে তোমরা নিয়ত করবে যে, আমি কোন অবস্থায় আছি—দাঁড়িয়ে, বসা নাকি ঘুমন্ত—তা তোমরা জানো না। তাহলে তোমরা সত্যবাদী বলে গণ্য হবে; (কারণ) আমি দাঁড়িয়ে, বসা নাকি ঘুমন্ত অবস্থায় আছি, তা তোমরা জানো না।"
উকবা বলেন, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, "হে আবু ইমরান, সরকারি দপ্তরে আমার জীবিকা বরাদ্দ রয়েছে। আমি একটি পশুর পিঠে চড়ে পরিদর্শনের জন্য পেশ করেছিলাম, কিন্তু আমার পশুটি মারা গেছে। এখন তারা আমাকে আল্লাহর নামে শপথ করাতে চায় যে, এটিই সেই পশু যা আমি পেশ করেছিলাম। এমতাবস্থায় এর কৌশল কী?" ইব্রাহিম তাকে বললেন, "যাও, একটি পশুর ওপর চড়ো এবং তোমার পেটের ওপর সেটি আড়াআড়িভাবে স্থাপন করো, তারপর আল্লাহর নামে শপথ করো যে এটিই সেই পশু যা তুমি আড়াআড়িভাবে পেশ করেছ। আর এর দ্বারা তুমি সেই পশুর নিয়ত করবে যা তুমি তোমার পেটের ওপর আড়াআড়িভাবে স্থাপন করেছিলে।"
ইয়াকুব আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উকবা আমাদের বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, "হে আবু ইমরান, আমির আমাকে যুদ্ধে পাঠাতে চাচ্ছেন। আমি তাঁকে জানিয়েছি যে আমি চোখে দেখি না, অথচ আমি সামান্য দেখতে পাই। এখন তিনি আমাকে আল্লাহর নামে শপথ করাতে চান যে আমি দেখি না। এর কৌশল কী?" ইব্রাহিম তাকে বললেন, "আল্লাহর নামে শপথ করো যে, আল্লাহ যাকে পরিচালিত করেন এবং অন্য কেউ যাকে পথ দেখায় তা ছাড়া তুমি কিছু দেখো না। আর মনে মনে নিয়ত করো যে, আল্লাহই তোমাকে পরিচালিত করেন।"
ইবনুল উলাইয়্যাহ ইবনে আউন থেকে, তিনি আনাস ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ইবনে উমরের কাছে ছিলাম। তখন এক দুর্বল ব্যক্তি তাঁর কাছে এল। ইবনে উমর তাকে বললেন, "আমি একটি আয়াতের কারণে তোমাকে চাবুক মারার সংকল্প করেছিলাম।" সে বলল, "কেন? আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।" তিনি বললেন, "ফিতনার প্রতি তোমার ভালোবাসা সম্পর্কে তোমার কী জ্ঞান আছে? অথচ ফিতনা সম্পর্কে আল্লাহর বাণী হলো: (তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের সন্তান-সন্ততি তো কেবল এক পরীক্ষা বা ফিতনা)।"
ইবনুল উলাইয়্যাহ ইবনে আউন থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ওয়ালিদ বিন উকবা ইবনে আজম বলেছেন: আমিই প্রথম ব্যক্তি যে দালালি প্রথা চালু করেছিলাম।
আবু ইউসুফ হাসান ইবনে আমারা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে আল্লাহর এই বাণী— (আমি যা ভুলে গিয়েছি তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না) —সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: "তিনি প্রকৃতপক্ষে ভুলে যাননি, বরং এটি ছিল কথার মারপ্যাঁচ বা দ্ব্যর্থবোধক কথা।"
আবু সাঈদ সাদ ইবনে মালিক আল-মুজানি আবু হাতিম আল-বাজালি থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, ইব্রাহিম হাজ্জাজের দরবারে প্রবেশ করলেন। হাজ্জাজ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁকে তিরস্কার করলেন। তখন নাখয়ি বললেন, "আমার পাঁজরের ব্যথা আমাকে আঁকড়ে ধরেছে যা আমাকে ছেড়ে যায় না, আমার রক্তক্ষরণও প্রচুর এবং আমি শয্যাশায়ী।" তখন হাজ্জাজ বললেন, "এসব লক্ষণের একটিই তো মানুষকে ব্যতিব্যস্ত রাখার জন্য যথেষ্ট।"
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
حدثنا وكيع عن الأعمش عن خيثمة بن عبد الرحمن عن سويد بن غفلة قال قال علي بن أبي طالب إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فهو كما حدثتكم، فوالله لأن أخر من السماء أحب إليّ من أن أكذب على رسول الله وإذا سمعتم أني حدثتكم فيما بيني وبينكم فإن الحرب خدعة.
قال حدثنا محمد ب ن الحسن عن سفيان عن عمرو عن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الحرب خدعة.
قال وحدثنا يزيد بن هارون عن عبد الله بن عون قال ذُكر عند محمد بن سيرين أنه يصلح الكذب في الحرب فأنكر ذلك فقال ما أعلم الكذب إلا حراماً، قال ابن عون فغزونا فخطبنا معاوية بن هشام فقال اللهم انصرنا على عمورية، وهو يريد غيرها، فلما قدمت ذكرت ذلك لمحمد فقال أما هذا فلا بأس به، قال يزيد ليس كل العلم جمعه محمد.
قال وحدثنا داود بن أبي هند عن شهر بن حوشب رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال: كل الكذب مكتوب لا محالة إ لا الرجل بامرأته وولده، والرجل يُصلح بين اثنين، والحرب فإن الحرب خدعة.
قال وحدثنا إسماعيل بن عياش العبسي عن ابن جريج عن عطاء قال لا بأس بالنية والكذب في إصلاح بين الناس.
قال وحدثنا أبو نصر عبد الوهاب بن عطاء العجلي قال أخبرني سعيد بن أبي عروبة العدوي وأبو العطوف عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن عن أمه أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط وكانت من المهاجرات التي هاجرت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت سمعته يقول ليس بالكذاب الذي يُصلح بين الناس فينمى خيراً وينوي خيراً وليس يُرخَص في شيء مما يقول الناس أنه حدث إلا في ثلاث إصلاح بين الناس وحديث الرجل امرأته وحديث المرأة زوجها.
حدثنا جريج بن عبد الحميد الصبغي عن منصور عن إبراهيم قال كان لهم كلام يدرءون به عن أنفسهم العقوبة والبلاء في والكذب.
ওয়াকী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি খাইসামা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি সুওয়াইদ বিন গাফালা থেকে। তিনি বলেন, আলী বিন আবি তালিব বলেছেন: "আমি যখন তোমাদের কাছে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কোনো বর্ণনা প্রদান করি, তখন তা তেমনই হয় যেমন আমি তোমাদের বলেছি। আল্লাহর শপথ! আকাশ থেকে নিচে পড়ে যাওয়া আমার কাছে আল্লাহর রাসূলের ওপর মিথ্যা আরোপ করার চেয়ে অধিক প্রিয়। আর যখন আমি তোমাদের সাথে আমার ও তোমাদের মধ্যকার বিষয় সম্পর্কে কথা বলি, তবে জেনে রেখো যুদ্ধ হলো একটি কৌশল।"
তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আমর থেকে, তিনি জাবির থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যুদ্ধ হলো কৌশল।"
তিনি বলেন, ইয়াযীদ বিন হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আউন থেকে। তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন সিরীনের নিকট উল্লেখ করা হলো যে, যুদ্ধে মিথ্যা বলা বৈধ। তিনি তা অস্বীকার করলেন এবং বললেন, "আমি মিথ্যাকে হারাম ছাড়া আর কিছু জানি না।" ইবনে আউন বলেন, অতঃপর আমরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম এবং মুয়াবিয়া বিন হিশাম আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! আম্মুরিয়াহর বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন", অথচ তিনি অন্য কোনো স্থানের ইচ্ছা পোষণ করছিলেন। আমি যখন ফিরে আসলাম তখন মুহাম্মদের (ইবনে সিরীন) নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, "এতে কোনো দোষ নেই।" ইয়াযীদ বলেন, "মুহাম্মদ সকল জ্ঞান একত্রিত করতে পারেননি।"
তিনি বলেন, দাউদ বিন আবি হিন্দ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত উন্নীত করে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "অবশ্যই প্রতিটি মিথ্যা লিপিবদ্ধ করা হয়, তবে কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রী ও সন্তানের সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে, দুই ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসাকারী ব্যক্তি এবং যুদ্ধের ক্ষেত্র ব্যতীত। কেননা যুদ্ধ হলো কৌশল।"
তিনি বলেন, ইসমাঈল বিন আইয়াশ আল-আবসি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে। তিনি বলেন: "মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য এবং মিথ্যায় কোনো দোষ নেই।"
তিনি বলেন, আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতা আল-ইজলি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, সাঈদ বিন আবি আরুবাহ আল-আদাওয়ী ও আবু আল-আতুফ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন জুহরী থেকে, তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তার মা উম্মে কুলসুম বিনতে উকবাহ বিন আবি মুআইত থেকে—যিনি আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথে হিজরতকারী মুহাজির নারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তাকে বলতে শুনেছি: "সেই ব্যক্তি মিথ্যাবাদী নয় যে মানুষের মধ্যে মীমাংসা করে, ফলে সে কল্যাণের কথা পৌঁছে দেয় এবং কল্যাণের ইচ্ছা পোষণ করে। আর মানুষ যা বলে (মিথ্যা) তার কোনো কিছুতেই অনুমতি দেওয়া হয়নি কেবল তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত: মানুষের মধ্যে মীমাংসা করা, স্বামীর তার স্ত্রীর সাথে কথা বলা এবং স্ত্রীর তার স্বামীর সাথে কথা বলা।"
জুরাইজ বিন আব্দুল হামিদ আস-সাবগি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মনসুর থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে। তিনি বলেন: "তাদের এমন কিছু কথা ছিল যার মাধ্যমে তারা নিজেদের থেকে শাস্তি ও বিপদ দূর করতেন এবং মিথ্যার আশ্রয় এড়িয়ে চলতেন।"
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
باب الحيل في إجازة الدورقلت: أرأيت رجلاً استأجر من رجل داراً سنين معلومة فخاف أن يعذر له صاحب الدار قال فليسم لكل سنة من أول هذه السنين أجراً قليلاً ويجعل للسنة الآخرة أجراً كثيراً فيكون ذلك ثقة للمستأجر.
قلت: أرأيت إن كان رب الدار هو الذي يخاف عذر المستأجر وخاف أن يسكن بعض السنين ويعطل الدار بعد ذلك؟ قال فليؤاجرها إياه سنين مسماة ويجعل عظم أجر هذه السنين أجر السنة الأولى ويجعل ما بقي من الأجر لما بقي بعد ذلك من السنين.
قلت: هذا ثقة عندكم لرب الدار؟ قال نعم؟
قلت: أرأيت رجلاً أراد أن يؤاجر رجلاً داره فخاف رب الدار أن يغيب المستأجر ويحتاج رب الدار إلى داره فلا يدفعها إليه أهل المستأجر الغائب هل في ذلك حيلة؟ قال: نعم، يؤاجرها رب الدار من امرأة الذي يخاف غيبته ويضمن الزوج أن يرد عليه الدار متى ما شاء واحتاج إليها إن احتجبت المرأة وأنكرت الإجارة، قلت: ويجوز هذا؟ قال: نعم، قلت: فإن غاب الزوج أخرج المؤاجر المرأة وعيال الغائب من الدار؟ قال: نعم، إذا أراد ذلك، قلت: وكذلك إن مات الزوج؟ قال نعم، قلت: أرأيت إن ماتت المرأة أو جحدت الإجارة وادعت أن الدار دارها أيضمن الزوج للمؤاجر أن يسلم إليه داره كما اشترط رب الدار؟ قال: إذا قامت عليه البينة بالضمان كما وصفت، قلت أرأيت إن كان المستأجر ليس بملئ بأجر الدار كيف يصنع رب الدار؟ قال يأخذ منه كفيلاً بأجر الدار ما سكنها أبداً ويسمى أجر كل شهر للضمين ويشهد به عليه.
قلت: أرأيت رجلاً استأجر داراً وليس فيها بناء وأذن له رب الدار أن يبنيها
বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে হিলা (কৌশল) সংক্রান্ত অধ্যায়আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির নিকট থেকে নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নেয়, আর সে (ভাড়াটিয়া) আশঙ্কা করে যে বাড়ির মালিক তাকে উচ্ছেদ করবে? তিনি বললেন: সে যেন এই বছরগুলোর শুরুর দিকের প্রতি বছরের জন্য সামান্য ভাড়া নির্ধারণ করে এবং শেষ বছরের জন্য অনেক বেশি ভাড়া নির্ধারণ করে। ফলে এটি ভাড়াটিয়ার জন্য একটি নিশ্চয়তা হবে।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি বাড়ির মালিক নিজেই ভাড়াটিয়ার পক্ষ থেকে চুক্তি ভঙ্গের আশঙ্কা করে এবং ভয় পায় যে সে (ভাড়াটিয়া) কয়েক বছর বসবাস করার পর বাড়িটি অব্যবহৃত ফেলে রাখবে? তিনি বললেন: সে যেন নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য সেটি তার কাছে ভাড়া দেয় এবং এই বছরগুলোর ভাড়ার সিংহভাগ প্রথম বছরের ভাড়া হিসেবে নির্ধারণ করে, আর অবশিষ্ট ভাড়া পরবর্তী বছরগুলোর জন্য ধার্য করে।
আমি বললাম: এটি কি আপনাদের নিকট বাড়ির মালিকের জন্য একটি নিশ্চয়তা? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে তার বাড়ি ভাড়া দিতে চায়, কিন্তু বাড়ির মালিক আশঙ্কা করে যে ভাড়াটিয়া নিখোঁজ হয়ে যেতে পারে এবং বাড়ির মালিকের নিজের বাড়ির প্রয়োজন হতে পারে, অথচ অনুপস্থিত ভাড়াটিয়ার পরিবার তাকে বাড়িটি ফিরিয়ে দেবে না—এক্ষেত্রে কি কোনো কৌশল আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, বাড়ির মালিক যার নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কা করছে তার স্ত্রীর কাছে সেটি ভাড়া দেবে, আর স্বামী এই মর্মে জামিন হবে যে, বাড়ির মালিক যখনই চাইবে এবং যখনই তার প্রয়োজন হবে তখনই তাকে বাড়িটি ফিরিয়ে দেবে—যদি স্ত্রী পর্দার আড়ালে চলে যায় এবং ভাড়ার চুক্তি অস্বীকার করে। আমি বললাম: এটি কি জায়েজ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি স্বামী অনুপস্থিত হয়, তবে কি ভাড়া প্রদানকারী (মালিক) সেই স্ত্রী ও অনুপস্থিত ব্যক্তির পরিবারকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যদি সে তা চায়। আমি বললাম: তদ্রূপ যদি স্বামী মারা যায়? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি স্ত্রী মারা যায় অথবা ভাড়ার চুক্তি অস্বীকার করে এবং দাবি করে যে বাড়িটি তারই, তবে কি স্বামী বাড়ির মালিকের কাছে তার বাড়িটি হস্তান্তর করার জন্য জামিনদার থাকবে—যেমনটি বাড়ির মালিক শর্ত দিয়েছিল? তিনি বললেন: যদি তার জামিনদার হওয়ার বিষয়ে প্রমাণাদি প্রতিষ্ঠিত হয় যেমনটি আমি বর্ণনা করেছি। আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি ভাড়াটিয়া বাড়ির ভাড়া পরিশোধে সচ্ছল না হয়, তবে বাড়ির মালিক কী করবে? তিনি বললেন: সে তার নিকট থেকে এমন একজন জামিনদার গ্রহণ করবে যে ভাড়াটিয়া যতদিন সেখানে বসবাস করবে ততদিন তার ভাড়ার দায়িত্ব নেবে, এবং জামিনদারের বিপরীতে প্রতি মাসের ভাড়া নির্দিষ্ট করবে এবং এর ওপর তাকে সাক্ষী রাখবে।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেয় যাতে কোনো স্থাপনা নেই এবং বাড়ির মালিক তাকে সেখানে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেয়...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
ويحسب له ما أنفق في البناء من أجر الدار ما بينه وبين كذا درهماً أيجوز ذلك؟ قال نعم، قلت فإن أنفق المستأجر وبنى الدار فقال أنفقت كذا وكذا درهماً وأنكر ذلك رب الدار وقال بل أنفقت أقل من ذلك قال القول قول رب الدار مع يمينه، قلت فإن كان رب الدار قد أشهد أن المستأجر مصدق على ما قال أنه أنفقه قال ليس ذلك بشيء ولا يصدق المستأجر أنه أنفق شيئاً إلا ببينة والقول قول رب الدار، قلت أرأيت إن جحد رب الدار أن يكون المستأجر بنى فيها شيئاً وقال آجرته داري على حالها وبنائها قال القول قوله ولا يصدق المستأجر إلا ببينة، قلت فكيف يستوثق المستأجر حتى يصدق فيما قال إني قد أنفقته ولا يُلتفت إلى قول رب الدار قال يسلف المستأجر رب الدار من أجرته بقدر ما يكتفى به من نفقة الدار ويُشهد على رب الدار بقبضه ذلك من أجر الدار ثم يدفع رب الدار إلى المستأجر ما أخذ منه ويوكله بالنفقة في داره، قلت ويصدق المستأجر حينئذ على أنه قد أنفق ما دفع إليه من الدراهم على الدار قال نعم إذا كان ذلك نفقة قصد، قلت فإن قال المستأجر قد ضاعت الدراهم التي دفعت إلى وأمرتني أن أنفقها؟ قال يصدق مع يمينه.
قلت أرأيت رجلاً أراد أن يؤاجر داره من رجل سنة وخاف رب الدار أن يطلب أجر داره فلا يدفعه المستأجر إليه ويشعب عليه فيه كيف يحتال؟ قال يؤاجرها إياه سنة من يومه على أن أجر كل يوم بعد مضي السنة دينار أو أكثر من ذلك إن شاء رب الدار، قلت ويجوز هذا على هذا الشرط؟ قال نعم، وهو ثقة لرب الدار فيما أراد.
قلت أرأيت رجلاً استأجر من رجل داراً وأخذ رب الدار من المستأجر كفيلاً بأجر ما سكن الدار فاجتمع على المستأجر من أجر الدار مال كثير فأخذ الطالب الكفيل بالأجر فأراد الكفيل مصالحة رب الدار على بعض الأجر فأعطاه بعض الأجر وحط عنه وعن المستأجر ما بقي أيجوز ذلك؟ قال نعم، قلت فإن أراد رب الدار أن يكون ما حط من ذلك على المستأجر ويبرأ منه الكفيل كيف
আর গৃহ নির্মাণে তিনি যা ব্যয় করেছেন তা ঘরের ভাড়া থেকে এতো এতো দিরহাম হিসেবে গণ্য করা হবে, এটি কি জায়েজ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, যদি ভাড়াটিয়া ব্যয় করে এবং ঘর নির্মাণ করে এবং বলে যে, আমি এতো এতো দিরহাম ব্যয় করেছি, কিন্তু ঘরের মালিক তা অস্বীকার করে এবং বলে যে, বরং আপনি এর চেয়ে কম ব্যয় করেছেন? তিনি বললেন, শপথসহ ঘরের মালিকের কথা গ্রহণযোগ্য হবে। আমি বললাম, যদি ঘরের মালিক এই মর্মে সাক্ষী রাখে যে, ভাড়াটিয়া তার ব্যয়ের দাবির ব্যাপারে সত্যবাদী বলে গণ্য হবে? তিনি বললেন, এর কোনো ভিত্তি নেই এবং ভাড়াটিয়া কোনো কিছু ব্যয় করেছে বলে ততক্ষণ পর্যন্ত সত্য বলে গৃহীত হবে না যতক্ষণ না সে প্রমাণ (বাইয়িনাহ) উপস্থাপন করে; এক্ষেত্রেও ঘরের মালিকের কথাই গ্রহণযোগ্য হবে। আমি বললাম, আপনার অভিমত কী যদি ঘরের মালিক ভাড়াটিয়া কর্তৃক কোনো কিছু নির্মাণের বিষয়টিই অস্বীকার করে এবং বলে যে, আমি তাকে আমার ঘরটি তার বর্তমান অবস্থা ও নির্মাণের ওপরই ভাড়া দিয়েছি? তিনি বললেন, তার কথাই গ্রহণযোগ্য হবে এবং প্রমাণ ব্যতীত ভাড়াটিয়ার কথা সত্য বলে গণ্য হবে না। আমি বললাম, তবে ভাড়াটিয়া কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত করবে যাতে তার ব্যয়ের দাবি সত্য বলে গণ্য হয় এবং ঘরের মালিকের কথার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করা না হয়? তিনি বললেন, ভাড়াটিয়া তার ভাড়ার মধ্য থেকে ঘরের ব্যয়ের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ঘরের মালিককে অগ্রিম প্রদান করবে এবং তা ভাড়ার টাকা থেকে উসুল করা হয়েছে মর্মে ঘরের মালিকের ওপর সাক্ষী রাখবে। অতঃপর ঘরের মালিক যা গ্রহণ করেছেন তা ভাড়াটিয়াকে প্রদান করবেন এবং তাকে নিজের ঘরে ব্যয় করার জন্য উকিল (প্রতিনিধি) নিযুক্ত করবেন। আমি বললাম, এমতাবস্থায় কি ভাড়াটিয়ার কথা সত্য বলে গণ্য হবে যে, তাকে যে দিরহামগুলো প্রদান করা হয়েছিল তা সে ঘরের কাজে ব্যয় করেছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি তা পরিমিত ও স্বাভাবিক ব্যয় হয়। আমি বললাম, যদি ভাড়াটিয়া বলে যে, আমাকে যে দিরহামগুলো দেয়া হয়েছিল এবং আপনি আমাকে যা ব্যয় করতে বলেছিলেন তা হারিয়ে গেছে? তিনি বললেন, শপথসহ তার কথা সত্য বলে গণ্য হবে।
আমি বললাম, আপনার অভিমত কী যদি কোনো ব্যক্তি তার ঘর এক বছরের জন্য অন্য কারো কাছে ভাড়া দিতে চায় এবং ঘরের মালিক এই আশঙ্কা করে যে, সে ভাড়ার টাকা চাইলে ভাড়াটিয়া তা দেবে না এবং এ নিয়ে তার সাথে টালবাহানা করবে, তবে সে কী কৌশল অবলম্বন করবে? তিনি বললেন, সে ঘরটি আজ থেকে এক বছরের জন্য এই শর্তে ভাড়া দেবে যে, বছর শেষ হওয়ার পর প্রতিদিনের ভাড়া এক দিনার বা ঘরের মালিক চাইলে তার চেয়েও বেশি হবে। আমি বললাম, এই শর্তে কি এটি জায়েজ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এবং এটি ঘরের মালিকের উদ্দেশ্যের ক্ষেত্রে একটি নির্ভরযোগ্য অবলম্বন।
আমি বললাম, আপনার অভিমত কী যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো কাছ থেকে একটি ঘর ভাড়া নেয় এবং ঘরের মালিক ভাড়াটিয়ার অবস্থানের ভাড়ার জন্য একজন জামিনদার (কাফিল) গ্রহণ করে, অতঃপর ভাড়াটিয়ার জিম্মায় ভাড়ার অনেক টাকা জমা হয়ে যায়? এরপর পাওনাদার ভাড়ার জন্য জামিনদারকে পাকড়াও করে এবং জামিনদার ভাড়ার কিছু অংশের বিনিময়ে ঘরের মালিকের সাথে আপস করতে চায়; ফলে সে কিছু অংশ আদায় করে এবং মালিক অবশিষ্ট টাকা তার এবং ভাড়াটিয়ার পক্ষ থেকে মওকুফ করে দেয়, তবে কি তা জায়েজ হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, যদি ঘরের মালিক চান যে, যতটুকু মওকুফ করা হয়েছে তা ভাড়াটিয়ার ওপর বহাল থাকবে এবং জামিনদার কেবল তা থেকে অব্যাহতি পাবে, তবে কীভাবে...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
يحتال في ذلك؟ قال يصالح على ما ذكرت من الدراهم على أن يبرأ الكفيل خاصة من الذي بقي من أجر الدار وأن الذي يبقى لرب الدار على المستأجر على حاله، قلت ويجوز هذا؟ قال نعم، قلت فإن كان الكفيل هو الذي أراد أن يعطي بعض ما ضمن ويبرأ هو وصاحبه المستأجر وأراد أن يرجع على المستأجر بما أعطى عنه وما حط عنه هل في ذلك حيلة؟ قال نعم، يعطي الكفيل رب الدار بما وجب له من أجرة الدار ديناراً ويغلي له رب الدار بالدنانير فيكون للكفيل جميع ما وجب من أجر الدار على المستأجر دراهم يأخذه بجميعها، قلت فيطيب ذلك للكفيل ويسعه فيما بينه وبين الله؟ قال نعم.
قلت وكذلك لو كان الكفيل إنما ضمن عنه شيئاً سوى أجر الدار من دين أو صداق أو غير ذلك فهو سواء قال نعم.
قلت أرأيت إن كان استأجر المستأجر الدار كل سنة بكر حنطة فأخذ الكفيل المستأجر بما ضمن عنه فأدى إليه على وجه الاستقضاء كر حنطة فباعه الكفيل وأعطى رب الدار دراهم وهي أقل من ثمن الكر بالكر وقبل ذلك من المؤاجر قال ذلك جائز والفضل يطيب للكفيل، ولو كان الكفيل إنما أخذ الكر على وجه الرسالة فباع الكر ثم رخص الطعام فاشترى للرب طعاماً مثله فقضاه إياه لم يطب الفضل للكفيل وعليه أن يتصدق به؛ ولو كان الكفيل حيث أخذ الكر على وجه الرسالة فباعه في حال الغلاء ورخص الطعام أعطى الكفيل رب الدار بالكر الذي وجب له عليه دراهم أقل من ثمن الكر الذي باعه الوكيل جاز ذلك وبرئ الكفيل من ضمان الكر الذي باعه قلت فإن كان استفضل من ثمن الكر شيئاً أيطيب ذلك له قال لا لأنه غاصب له حيث باعه ولم يؤمر ببيعه، قلت وكذلك إن كان آجر الدار بدراهم فاقتضاها هذا الكفيل من المستأجر ثم اشترى بها وباع وربح أيطيب له الفضل؟ قال نعم، قلت فإن كان الكفيل إنما أخذ الدراهم على وجه الرسالة فباع بها واشترى فربح قال يتصدق بالفضل في قول أبي حنيفة، وأما أبو يوسف فقال الربح له طيب، قلت هل عندك حيلة
এর জন্য কি কোনো কৌশল আছে? তিনি বললেন: উল্লিখিত দিরহামের বিনিময়ে এই শর্তে আপস করা যাবে যে, ঘর ভাড়ার অবশিষ্টাংশ থেকে কেবল জামিনদার বিশেষভাবে দায়মুক্ত হবে, আর বাড়িওয়ালার প্রাপ্য পাওনা ভাড়াটিয়ার ওপর আগের মতোই বহাল থাকবে। আমি বললাম: এটা কি বৈধ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি জামিনদার যা সে জিম্মায় নিয়েছিল তার কিছু অংশ পরিশোধ করতে চায় এবং এর মাধ্যমে সে নিজে ও তার সঙ্গী ভাড়াটিয়া উভয়ই দায়মুক্ত হতে চায়, আর সে যা পরিশোধ করেছে এবং যা মওকুফ করা হয়েছে তার সবটুকুই ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে উসুল করতে চায়, তবে কি এর কোনো কৌশল আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, বাড়িওয়ালার প্রাপ্য ঘর ভাড়ার বিনিময়ে জামিনদার তাকে একটি দিনার প্রদান করবে এবং বাড়িওয়ালা দিনারের বিনিময়ে তার মূল্য বাড়িয়ে দিবে, ফলে ভাড়াটিয়ার ওপর ধার্যকৃত পুরো ঘর ভাড়া দিরহাম হিসেবে জামিনদারের প্রাপ্য হয়ে যাবে এবং সে তার পুরোটা গ্রহণ করবে। আমি বললাম: এটা কি জামিনদারের জন্য পবিত্র হবে এবং আল্লাহ ও তার মাঝে কি তা বৈধ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: একইভাবে যদি জামিনদার ঘর ভাড়া ব্যতীত অন্য কোনো ঋণ, মোহর বা অন্য কিছুর জিম্মাদার হতো, তবে কি তা একই হতো? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী যদি ভাড়াটিয়া প্রতি বছর এক ‘কুর’ (পরিমাপ বিশেষ) গমের বিনিময়ে ঘর ভাড়া নেয়, আর জামিনদার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে তার জামিনকৃত পাওনা তলব করে এবং ভাড়াটিয়া তাকে পাওনা পরিশোধের উদ্দেশ্যে এক ‘কুর’ গম প্রদান করে, এরপর জামিনদার তা বিক্রি করে বাড়িওয়ালাকে দিরহাম প্রদান করে যা সেই গমের বাজারমূল্যের চেয়ে কম ছিল এবং বাড়িওয়ালা তা গ্রহণ করে? তিনি বললেন: তা বৈধ এবং অতিরিক্ত অংশটি জামিনদারের জন্য পবিত্র হবে। কিন্তু যদি জামিনদার গমের সেই ‘কুর’ কেবল বার্তা বাহক বা প্রতিনিধি হিসেবে গ্রহণ করে থাকে, অতঃপর তা বিক্রি করার পর খাদ্যের দাম কমে যায় এবং সে বাড়িওয়ালার জন্য অনুরূপ খাদ্য ক্রয় করে তাকে পরিশোধ করে, তবে অতিরিক্ত অংশটি জামিনদারের জন্য পবিত্র হবে না এবং তা তাকে সদকা করে দিতে হবে। আর যদি জামিনদার প্রতিনিধি হিসেবে ‘কুর’ গ্রহণ করার পর তা চড়া মূল্যের সময় বিক্রি করে এবং পরে খাদ্যের দাম কমে যায়, অতঃপর জামিনদার বাড়িওয়ালাকে তার প্রাপ্য গমের বিনিময়ে দিরহাম প্রদান করে যা প্রতিনিধির বিক্রয়কৃত গমের মূল্যের চেয়ে কম ছিল, তবে তা বৈধ হবে এবং জামিনদার তার বিক্রয়কৃত গমের দায় থেকে মুক্ত হবে। আমি বললাম: যদি গমের মূল্য থেকে কিছু অবশিষ্ট থেকে যায়, তবে কি তা তার জন্য পবিত্র হবে? তিনি বললেন: না, কারণ সে তা বিক্রি করার ক্ষেত্রে জবরদখলকারী হিসেবে গণ্য হবে, যেহেতু তাকে তা বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আমি বললাম: অনুরূপভাবে যদি ঘরটি দিরহামের বিনিময়ে ভাড়া দেওয়া হয় এবং এই জামিনদার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে তা উসুল করে, এরপর তা দিয়ে কেনাবেচা করে মুনাফা অর্জন করে, তবে কি সেই অতিরিক্ত অংশ তার জন্য পবিত্র হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি জামিনদার দিরহামগুলো কেবল প্রতিনিধি হিসেবে গ্রহণ করে থাকে এবং তা দিয়ে কেনাবেচা করে মুনাফা অর্জন করে? তিনি বললেন: ইমাম আবু হানিফার মতে সে অতিরিক্ত অংশ সদকা করে দিবে, আর ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন যে, সেই মুনাফা তার জন্য পবিত্র। আমি বললাম: আপনার কাছে কি কোনো কৌশল আছে-
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
في أن يطيب ربح الأجر الذي أرسل به مع الكفيل؟ قال نعم يشتري الكفيل متاعاً لا ينوي أن يعطي ثمنه من أجر الدار، فإن أعطاه بعد ذلك لم يُفسد ذلك عليه ربح متاعه ولم يحرمه عليه، قلت ويستقيم هذا؟ قال نعم.
قال أبو يوسف سألت أبا حنيفة عن الحيلة في نحو هذا فأجابني بما وصفت لك، قلت هل في هذا وجه غير هذا؟ قال نعم، يعطي الكفيل بأجر الدار دنانير بما كان عليه، قلت فيشتري الكفيل بذلك؟ قال نعم يشتري الكفيل بمال نفسه متاعاً فيطيب له فضل مال نفسه.
قلت أرأيت رجلاً تكارى داراً ولم يرها أيكون له الخيار إذا رآها؟ قال نعم، قلت فإن رآها ورضي بها ثم أصاب بها عيباً ألهُ أن ينقض الإجارة قال لا إلا أن يكون العيب ينقص من سكنها.
قلت أرأيت رجلاً أراد أن يكترى إبلاً لمتاع له إلى مصر بمائة دينار فإن قصر عنها إلى الرملة فكرى الجمال سبعون ديناراً فإن قصر عن الرملة إلى أذرعات فالكرى خمسون ديناراً، فاستأجر على هذا الشرط قال الإجارة على هذا الشرط فاسدة، فإن حمل الجمال إلى مصر فإني أستحسن أن أجعل له أجر مثله لا أجاوز به المائة، قلت فكيف الثقة للجمَّال وللمستأجر حتى يصح ذلك على هذا الشرط وحتى لا يفسد ما أخذ؟ قال يستأجر رب المتاع من الجمال إلى أذرعات بخمسين ديناراً ويستأجر منه من أذرعات إلى الرملة بعشرين ديناراً ويستأجر منه من الرملة إلى مصر بثلاثين ديناراً، فإذا فعل هذا جاز على ما سميناً ولم يفسد هذا الشرط أحد، قلت أرأيت أن أراد صاحب المتاع ألا يحمل من أذرعات إلى الرملة؟ قال ذلك له وليس لصاحب الإبل إن أراد صاحب المتاع أن يحمل إلى الرملة من أذرعات أن يمتنع من ذلك.
জামিনদারের মাধ্যমে প্রেরিত পারিশ্রমিকের মুনাফা পবিত্র বা বৈধ হওয়া সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জামিনদার এমন কোনো পণ্য ক্রয় করবে যা ক্রয় করার সময় সে বাড়ির ভাড়া থেকে তার মূল্য পরিশোধ করার নিয়ত করবে না। এরপর যদি সে তা থেকে মূল্য পরিশোধ করে, তবে তা তার পণ্যের মুনাফাকে নষ্ট করবে না এবং তা তার জন্য হারামও হবে না। আমি বললাম, এটি কি সঠিক হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
আবু ইউসুফ বলেন, আমি ইমাম আবু হানিফাকে এই ধরণের বিষয়ে বৈধ কৌশল (হিলা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি আমাকে তা-ই উত্তর দিয়েছিলেন যা আমি আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। আমি বললাম, এতে কি এটি ছাড়া অন্য কোনো দিক আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জামিনদার তার নিকট থাকা বাড়ির ভাড়ার দিরহামসমূহ থেকে পরিশোধ করবে। আমি বললাম, তবে কি জামিনদার তা দিয়ে ক্রয় করবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জামিনদার নিজের সম্পদ দিয়ে পণ্য ক্রয় করবে, ফলে তার নিজের সম্পদের অতিরিক্ত অংশ (মুনাফা) তার জন্য বৈধ হবে।
আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেয় যা সে দেখেনি, তবে তা দেখার পর কি তার ইখতিয়ার (পছন্দ বা বাতিলের অধিকার) থাকবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, যদি সে তা দেখে এবং তাতে সন্তুষ্ট হয়, অতঃপর তাতে কোনো ত্রুটি দেখতে পায়, তবে কি তার জন্য ইজারা (ভাড়ার চুক্তি) ভঙ্গ করার অধিকার থাকবে? তিনি বললেন, না; তবে যদি ত্রুটিটি এমন হয় যা সেখানে বসবাসের উপযোগিতা কমিয়ে দেয় (তবে সে পারবে)।
আমি বললাম, আপনার রায় কী যদি কোনো ব্যক্তি তার পণ্যের জন্য মিশরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একশ দিনারে উট ভাড়া করতে চায়, কিন্তু শর্ত থাকে যে যদি সে এর আগেই রামলায় থেমে যায় তবে উটচালকের ভাড়া হবে সত্তর দিনার, আর যদি সে রামলার আগে আজরিয়াতে থেমে যায় তবে ভাড়া হবে পঞ্চাশ দিনার—এই শর্তে যদি সে ভাড়া করে (তবে তা কেমন হবে)? তিনি বললেন, এই শর্তে ইজারা ফাসেদ (ত্রুটিপূর্ণ বা বাতিলযোগ্য)। তবে উটচালক যদি পণ্যটি মিশরে নিয়ে যায়, তবে আমি 'এহসান' বা উত্তম মনে করি যে তাকে 'আজর-ই মিছল' (প্রচলিত নায্য পারিশ্রমিক) দেওয়া হবে, যা একশ দিনারের বেশি হবে না। আমি বললাম, তবে উটচালক ও ভাড়াটিয়ার জন্য নির্ভরযোগ্য উপায় কী যাতে এই শর্তটি সহিহ হয় এবং যা গ্রহণ করা হয়েছে তা নষ্ট না হয়? তিনি বললেন, পণ্যের মালিক আজরিয়াত পর্যন্ত পঞ্চাশ দিনারে উট ভাড়া করবে, আজরিয়াত থেকে রামলা পর্যন্ত বিশ দিনারে এবং রামলা থেকে মিশর পর্যন্ত ত্রিশ দিনারে পৃথকভাবে ভাড়া করবে। সে যদি এমনটি করে, তবে আমাদের বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তা জায়েজ হবে এবং এই শর্ত কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমি বললাম, পণ্যের মালিক যদি আজরিয়াত থেকে রামলায় আর নিতে না চায়? তিনি বললেন, তা করার অধিকার তার আছে। আর যদি পণ্যের মালিক আজরিয়াত থেকে রামলায় পণ্য নিতে চায়, তবে উটচালকের তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
باب الحيل في الهبةولو أن رجلاً وهب لرجل هبة فقبضها قبل أن يتفرقا والواهب ساكت ولم يأمره بالقبض قال الهبة جائزة، وكذلك لو أمره الواهب بقبضها وقال قد خليت بينك وبينها ثم انصرف الواهب وتركها عند الموهوب له فإنه قبض، ولو أن رجلاً وهب لأخيه من الرضاع ثم أراد أن يرجع في هبته فذلك له ولا يشبه الرضاع النسب.
ولو أن غلاماً صغيراً وهب له هبة فقبضته الأم والغلام في عيالها كان ذلك جائزاً لأنها بمنزلة الأب لو كان حياً.
وكذلك لو كان الصبي في حجر رجل أجنبي وهو يعوله فوهب للصبي هبة فقبضه الذي يعوله فذلك جائز.
وإذا وهب للصبي الذي يعقل ومثله يقبض هبة وقبضها فإني أستحسن أن أُجيز ذلك، ولو كان هذا الصبي جارية قد تزوجت يجامع مثلها إلا أنها لم تدرك فوهب لها هبة فقبضها زوجها أو أبوها أو هي بنفسها فذلك جائز، وإن كان التي دخل بها فلا يجوز قبضه لها.
ولا يجوز هبة الرجل لابنه الكبير الذي في عياله إلا أن يقبضها، فإذا كان أبو الصبي غائباً غيبة منقطعة وهو في حجر أمه فإن قبضتها له جازت، وإن كان الأب حاضراً لم تجز، ولو كان الأب غائباً غيبة منقطعة والصبي في حجر رجل أجنبي وعمه حاضر فوهب له هبة فإن قبض الرجل الأجنبي الذي يعوله جائز ولا يجوز قبض العم له.
وإذا وهب رجل لرجل نصف دار ثم وهب لآخر النصف الباقي ودفعها إليهما معاً لم يجز في قول أبي حنيفة، ولو وهب لأحدهما الثلث وللآخر الثلثين لم يجز إلا مقسوماً، وهو جائز في قول أبي يوسف.
দান (হেবা) সংক্রান্ত কৌশল ও বিধানের অধ্যায়যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে কিছু দান করে এবং তারা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই গ্রহীতা তা দখল করে নেয়, এমতাবস্থায় দাতা নীরব থাকেন এবং তাকে দখল নেওয়ার নির্দেশ না দেন, তবে সেই দান বৈধ হবে। একইভাবে, যদি দাতা তাকে তা দখল করার নির্দেশ দেন এবং বলেন যে, "আমি তোমার ও এই বস্তুর মধ্যবর্তী বাধা অপসারণ করলাম (অর্থাৎ দখল বুঝিয়ে দিলাম)", অতঃপর দাতা চলে যান এবং বস্তুটি গ্রহীতার নিকট রেখে যান, তবে তা দখল করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। আর যদি কোনো ব্যক্তি তার দুধ-ভাইকে কিছু দান করে এবং পরবর্তীতে তার দান ফেরত নিতে চায়, তবে সে তা করতে পারবে; কেননা দুগ্ধপানজনিত ভ্রাতৃত্ব রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়তার সমতুল্য নয়।
যদি কোনো নাবালক শিশুকে কিছু দান করা হয় এবং তার মা তা দখল করেন, আর শিশুটি তার মায়ের লালন-পালনে থাকে, তবে তা বৈধ হবে। কারণ পিতা জীবিত না থাকলে মা পিতার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে গণ্য হন।
অনুরূপভাবে, যদি শিশুটি কোনো অনাত্মীয় ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে এবং সেই ব্যক্তিই তার ভরণপোষণ করে, এমতাবস্থায় শিশুটিকে কিছু দান করা হলে এবং সেই লালনপালনকারী ব্যক্তি তা গ্রহণ করলে তা বৈধ হবে।
আর যখন এমন কোনো বুদ্ধিমান শিশুকে কিছু দান করা হয় যে নিজে দখল বুঝে নিতে সক্ষম এবং সে তা দখল করে নেয়, তবে আমি সেটি অনুমোদন করাকে উত্তম মনে করি। যদি এই শিশুটি এমন এক মেয়ে হয় যার বিবাহ হয়ে গেছে এবং যে সহবাসের উপযুক্ত হয়েছে কিন্তু এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি, এমতাবস্থায় তাকে কিছু দান করা হলে এবং তার স্বামী অথবা পিতা অথবা সে নিজে তা দখল করে নেয়, তবে তা বৈধ হবে। কিন্তু যদি তার স্বামী তার সাথে বাসর সম্পন্ন করে থাকে, তবে (পিতার পরিবর্তে) স্বামীর দখল গ্রহণ তার জন্য বৈধ হবে না।
কোনো ব্যক্তি তার প্রাপ্তবয়স্ক পুত্রকে—যে তার পরিবারের অন্তর্ভুক্ত—কোনো কিছু দান করলে তা বৈধ হবে না যতক্ষণ না পুত্র তা নিজ দখলে নেয়। যদি শিশুর পিতা এমনভাবে নিখোঁজ বা অনুপস্থিত থাকেন যার কোনো সংবাদ নেই এবং শিশুটি তার মায়ের তত্ত্বাবধানে থাকে, তবে মা তার পক্ষ থেকে দখল গ্রহণ করলে তা বৈধ হবে। কিন্তু পিতা উপস্থিত থাকলে মায়ের দখল গ্রহণ বৈধ হবে না। আবার যদি পিতা নিখোঁজ থাকেন এবং শিশুটি কোনো অনাত্মীয় ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে অথচ তার চাচা উপস্থিত থাকেন, এমতাবস্থায় শিশুটিকে কিছু দান করা হলে সেই লালনপালনকারী অনাত্মীয় ব্যক্তির দখল গ্রহণ করা বৈধ হবে, কিন্তু চাচার দখল গ্রহণ বৈধ হবে না।
যদি কোনো ব্যক্তি একজনকে একটি বাড়ির অর্ধেক দান করে এবং অন্য একজনকে বাকি অর্ধেক দান করে এবং উভয়ের নিকট তা একত্রে সমর্পণ করে, তবে ইমাম আবু হানিফার মতানুযায়ী তা বৈধ হবে না। একইভাবে যদি একজনকে এক-তৃতীয়াংশ এবং অন্যজনকে দুই-তৃতীয়াংশ দান করে, তবে তা বণ্টিত হওয়া ছাড়া বৈধ হবে না। তবে ইমাম আবু ইউসুফের মতে এটি বৈধ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ولو أن رجلاً له على رجل دين دراهم أو دنانير فوهبها لرجل أجنبي ووكله بقبضه فقبضه فإن ذلك جائز.
ولو أن رجلاً اغتصب من رجل عبداً ورهنه عند رجل ثم إن مولى العبد وهب العبد لابن له صغير فإن ذلك لا يجوز.
ولو أن رجلاً مكاتباً أعتق عبداً له أو وهب رقبته لرجل فأجاز ذلك مولاه فإن ذلك لا يجوز، وكذلك العبد المأذون له إذا كان عليه دين فأجاز ذلك مولاه والغرماء فإن ذلك لا يجوز، ولو لم يكن عليه فأجاز ذلك مولاه فإن ذلك جائز.
ولو أن رجلاً أعتق ما في بطن أمته أو وهبها وهي حبلى فإن الهبة جائزة ولا يشبه هذا البيع.
وإذا وهب لرجل ما في ضروع غنمه وأمره أن يقبض فحلبها وقبض فإني أستحسن أن أجيزه.
ولا يجوز هبة نصيب الرجل من عبد ما لم يسم النصيب حتى يسميه ويدفعه.
وإذا وهب رجل لرجل هبة ودفعها إليه فله أن يرجع فيها ما لم تزد أو يعوض منها، فإن عوضه أجنبي بغير أمره جاز العوض وليس له أن يرجع في هبته.
وإذا وهب رجل لرجل ألف درهم فعوضه درهماً من غيرها فهو عوض، وكذلك إن وهب مائة دينار فعوضه ديناراً منها أو أقل فهو جائز، ولو أنه وهب لرجل داراً ودفعها إليه ثم استحق نصف الدار فإن الهبة تنتقض في النصف الباقي إن كان النصف المستحق غير مقسوم، فإذا قال الموهوب له قد تصدقت عليك أيها الواهب بهذه الدراهم عوضاً لك عن هبتك فذلك عوض وليس بصدقة.
وإذا وهب الرجل فعوض منها فهلك العوض في يده ثم استحق الهبة فإنه
যদি কোনো ব্যক্তির কাছে অন্য এক ব্যক্তির দিরহাম বা দিনার ঋণ পাওনা থাকে, আর সেই ব্যক্তি তা কোনো অপরিচিত ব্যক্তিকে দান করে এবং তাকে তা হস্তগত করার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে, অতঃপর সে তা গ্রহণ করে, তবে তা বৈধ।
যদি কোনো ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির থেকে কোনো দাস জবরদস্তি ছিনিয়ে নেয় এবং তা অন্য এক ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখে, এরপর দাসের মালিক সেই দাসকে তার এক নাবালক পুত্রের নিকট দান করে, তবে তা বৈধ হবে না।
যদি কোনো মুকাতাব দাস তার নিজের কোনো দাসকে মুক্ত করে দেয় অথবা তার মালিকানা কোনো ব্যক্তিকে দান করে এবং তার মনিব তাতে অনুমতি প্রদান করে, তবে তা বৈধ হবে না। অনুরূপভাবে অনুমতিপ্রাপ্ত দাসের ক্ষেত্রেও, যদি তার ওপর ঋণ থাকে এবং তার মনিব ও পাওনাদাররা তাতে অনুমতি দেয়, তবে তাও বৈধ হবে না। আর যদি তার ওপর কোনো ঋণ না থাকে এবং তার মনিব তাতে অনুমতি দেয়, তবে তা বৈধ।
যদি কোনো ব্যক্তি তার দাসীর গর্ভস্থিত সন্তানকে মুক্ত করে দেয় অথবা গর্ভবতী থাকা অবস্থায় তাকে দান করে, তবে সেই দান বৈধ হবে এবং এটি বিক্রয়ের সাদৃশ্যপূর্ণ হবে না।
যদি কেউ কোনো ব্যক্তিকে তার ছাগলের ওলানে থাকা দুধ দান করে এবং তাকে তা হস্তগত করার আদেশ দেয়, অতঃপর সে তা দোহন করে হস্তগত করে, তবে আমি ইহাকে উত্তম মনে করি যে আমি একে বৈধতা দেব।
কোনো দাসের মধ্যে কোনো ব্যক্তির অংশ দান করা ততক্ষণ পর্যন্ত বৈধ নয় যতক্ষণ না সেই অংশ নির্দিষ্ট করা হয় এবং তা হস্তান্তর করা হয়।
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে কিছু দান করে এবং তা তাকে হস্তান্তর করে, তবে তার জন্য তা ফেরত নেওয়ার অধিকার থাকে যতক্ষণ না সেই বস্তুটিতে কোনো বৃদ্ধি ঘটে অথবা তার বিনিময়ে কিছু প্রদান করা হয়। যদি কোনো অপরিচিত ব্যক্তি তার আদেশ ছাড়াই কোনো বিনিময় প্রদান করে, তবে সেই বিনিময় বৈধ হবে এবং দাতার জন্য তার দান ফেরত নেওয়ার অধিকার থাকবে না।
যদি কোনো ব্যক্তি অন্যকে এক হাজার দিরহাম দান করে এবং বিনিময়ে সে অন্য উৎস থেকে একটি দিরহাম প্রদান করে, তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে। অনুরূপভাবে যদি সে একশত দিনার দান করে এবং গ্রহীতা তার মধ্য থেকে একটি দিনার বা তার কম বিনিময় দেয়, তবে তাও বৈধ। আর যদি সে কোনো ব্যক্তিকে একটি ঘর দান করে এবং তা হস্তান্তর করে, অতঃপর ঘরের অর্ধেকের ওপর অন্যের মালিকানা সাব্যস্ত হয়, তবে অবশিষ্ট অর্ধেকের ক্ষেত্রেও দান বাতিল হয়ে যাবে যদি সেই মালিকানা সাব্যস্ত হওয়া অংশটি অবিভক্ত থাকে। অতঃপর যদি গ্রহীতা বলে, "হে দাতা! আমি আপনার দানের বিনিময়ে এই দিরহামগুলো আপনাকে সদকা করলাম," তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে, সদকা হিসেবে নয়।
যদি কোনো ব্যক্তি দান করে এবং তার বিনিময় গ্রহণ করে, এরপর সেই বিনিময়টি তার হাতে ধ্বংস হয়ে যায় এবং মূল দানকৃত বস্তুটি অন্যের মালিকানা সাব্যস্ত হওয়ার কারণে হাতছাড়া হয়ে যায়, তবে সে...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
ضامن لقيمة العوض، ولو هلك الهبة في يد الموهوب له ثم استحق العوض لم يضمن الموهوب له للواهب شيئاً، وإذا استحق الهبة فأجاز المستحق الهبة وقد عوض الموهوب له الواهب من الهبة عوضاً فإن العوض باطل وله أن يرجع فيه ما لم يُجز الهبة بقيمته وليس للواهب أن يرجع في الهبة.
ولو أراد المستحق الذي أجاز الهبة أن يرجع في الهبة ولم تزد ولم يعوض فذلك له، وأما الواهب فلا يرجع لأنه لا يملك، ولو أن رجلاً وهب لرجل ثوبين في صفقتين مختلفتين فعوضه أحدهما من الآخر فذلك عوض وهو جائز، ولو كان وهب له ثوبين في صفقة واحدة لم يكن ذلك عوضاً، وإذا وهب الموهوب له للواهب شيئاً ولم يقل هذا مكان هبتك فليس يكون ذلك عوضاً، ولو قال هذا مكان هبتك أو هذه مكان ما وهبت لي كان ذلك كله عوضاً، وإذا استحق نصف العوض فقال الواهب أنا أرد النصف الباقي وأرجع في هبتي فله ذلك، وإذا قال الواهب قد رجعت في هبتي وأبي الموهوب له أن يردها فتتبع الموهوب له في الحكم ما لم يكن القاضي قد أبطل الهبة وقضى عليه بردها.
وإذا وهب رجل لرجل داراً فبنى الموهوب له فيها حائطاً في قطعة منها فليس للواهب أن يرجع في شيء من الدار سواء كان حائطاً صغيراً أو كبيراً.
ولو أن رجلاً وهب لعبد هبة ثم أراد أن يرجع فيها فذلك له وهو بمنزلة الحر، وكذلك لو وهب للمكاتب فعجز المكاتب أو أدى فعتق فله أن يرجع.
ولو أن رجلاً وهب لرجل هبة فوهبها الموهوب له لرجل آخر ثم إن الموهوب له رجع في هبته فأخذها فأراد الواهب الأول أن يرجع في هبته تلك فذلك له، ولو لم يرجع الواهب الثاني في هبته ولكن الموهوب له الثالث وهبها للموهوب له الأول وهو الثاني لم يكن للواهب الأول أن يرجع فيها لأنه غير المالك الأول، فإن قال الواهب وهبت لك هذا الثوب فأنا ارجع فيه وقال الآخر تصدقت به عليَّ فإن القول قول الواهب وله أن يرجع، ولو كانت الهبة
বিনিময়ের মূল্যের জন্য সে দায়ী থাকবে। যদি গ্রহীতার হাতে দানকৃত বস্তুটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং এরপর বিনিময়ের ওপর অন্য কারও অধিকার সাব্যস্ত হয়, তবে গ্রহীতা দাতার জন্য কোনো কিছুর জিম্মাদার হবে না। আর যদি দানকৃত বস্তুটির ওপর অন্য কারও অধিকার সাব্যস্ত হয় এবং হকদার ব্যক্তি দানটি অনুমোদন করে, আর ইতিমধ্যে গ্রহীতা দাতাকে উপহারের বিপরীতে কোনো বিনিময় প্রদান করে থাকে, তবে সেই বিনিময় বাতিল বলে গণ্য হবে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত সে দানটিকে তার মূল্যের বিনিময়ে অনুমোদন না করবে, ততক্ষণ সে তা ফেরত নেওয়ার অধিকার রাখবে; এমতাবস্থায় দাতার জন্য দানটি ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো অধিকার নেই।
আর যদি দান অনুমোদনকারী হকদার ব্যক্তি দানটি ফেরত নিতে চান, এমতাবস্থায় যে দানকৃত বস্তুটি বৃদ্ধি পায়নি এবং এর কোনো বিনিময়ও দেওয়া হয়নি, তবে তা করার অধিকার তার আছে। কিন্তু দাতার ক্ষেত্রে তা ফেরত নেওয়ার অধিকার নেই, কারণ তিনি তখন আর সেটির মালিক নন। যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে দুটি ভিন্ন চুক্তিতে দুটি কাপড় দান করেন এবং গ্রহীতা একটিকে অপরটির বিনিময় হিসেবে প্রদান করেন, তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে এবং এটি বৈধ। কিন্তু যদি তিনি এক চুক্তিতেই তাকে দুটি কাপড় দান করতেন, তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হতো না। যদি গ্রহীতা দাতাকে কিছু দান করে এবং সে এটি না বলে যে, "এটি আপনার দেওয়া দানের পরিবর্তে", তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না। আর যদি সে বলে, "এটি আপনার দেওয়া দানের পরিবর্তে" অথবা "এটি আপনি আমাকে যা দান করেছেন তার পরিবর্তে", তবে সে সবই বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে। যদি বিনিময়ের অর্ধেক অংশের ওপর অন্য কারও অধিকার সাব্যস্ত হয়, তবে দাতা যদি বলেন, "আমি অবশিষ্ট অর্ধেক ফিরিয়ে দিচ্ছি এবং আমার দানটি প্রত্যাহার করছি", তবে তার জন্য সেই অধিকার থাকবে। আর যদি দাতা বলেন, "আমি আমার দান প্রত্যাহার করলাম" এবং গ্রহীতা তা ফেরত দিতে অস্বীকার করে, তবে গ্রহীতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, যতক্ষণ না বিচারক দানটি বাতিল ঘোষণা করেন এবং তাকে তা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে একটি বাড়ি দান করেন এবং গ্রহীতা তার কোনো অংশে একটি দেয়াল নির্মাণ করেন, তবে দাতার জন্য সেই বাড়ির কোনো কিছু ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার থাকবে না, দেয়ালটি ছোট হোক বা বড়।
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো দাসকে কোনো কিছু দান করেন এবং পরে তা প্রত্যাহার করতে চান, তবে তার সেই অধিকার থাকবে এবং এক্ষেত্রে সে মুক্ত মানুষের সমপর্যায়ভুক্ত হবে। অনুরূপভাবে, যদি কোনো মুকাতাব দাসকে দান করা হয় এবং অতঃপর মুকাতাব দাসটি তার মুক্তিপণ পরিশোধে অক্ষম হয়ে দাসে ফিরে যায় অথবা মুক্তিপণ আদায় করে মুক্ত হয়ে যায়, তবে দাতার জন্য দানটি ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার থাকবে।
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে কিছু দান করেন এবং গ্রহীতা তা অন্য ব্যক্তিকে দান করেন, অতঃপর (প্রথম) গ্রহীতা তার দানটি প্রত্যাহার করে তা ফেরত নেন, তবে প্রথম দাতার জন্য তার সেই দানটি প্রত্যাহার করার অধিকার পুনরায় ফিরে আসবে। কিন্তু যদি দ্বিতীয় দাতা তার দানটি প্রত্যাহার না করেন, বরং তৃতীয় গ্রহীতা সেটি প্রথম গ্রহীতাকে (যিনি দ্বিতীয় পক্ষ) দান করেন, তবে প্রথম দাতার জন্য সেটি প্রত্যাহার করার অধিকার থাকবে না; কারণ সেটি প্রথম মালিকানার অধীনে নেই। দাতা যদি বলেন, "আমি তোমাকে এই কাপড়টি দান করেছি এবং আমি তা ফিরিয়ে নিচ্ছি", আর অপরজন বলে, "আপনি এটি আমাকে সদকা হিসেবে দিয়েছেন", তবে দাতার কথা গ্রহণযোগ্য হবে এবং তার জন্য তা ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার থাকবে। এমনকি যদি দানটি...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
سويقاً فقال الموهوب له أنا لتّه وأنكر الواهب وقال بل كان ملتوتاً فإن الموهوب له مصدق ولا يرجع الواهب.
ولو أن رجلاً وهب لرجل سائل فليس له أن يرجع فيه.
وإذا قال الرجل لرجل قد حملتك على دابتي هذه وأخدمتك خادمي هذا فإن ذلك كله عارية إلا أن يقول أردت الهبة.
ولو قال أعطيتك هذه الدابة أو هذه الجارية كانت هبة.
ولو أن رجلاً قال لرجل قد أطعمتك هذا الطعام فاقبضه فهو هبة، وإذا قال له هذا الطعام لك فهو جائز إن قبض فهو هبة، وكذلك لو قال هذا لك ولعقبك من بعدك كانت هبة جائزة.
ولو أن رجلاً مريضاً وهب عبداً في مرضه من رجل فقبضه فأعتقه وعلى المريض دين أو باعه وهو معسر فلا سبيل للمريض ولا لورثته على العبد والموهوب له ضامن بقيمة العبد وإن كان معسراً، وإذا وهب المريض عبداً له لذي رحم فليس له أن يرجع فيه، وإن مات المريض ولا مال له غيره فإن ورثته يرجعون في ثلثي العبد.
ولو أن رجلاً وهب لرجل نخلة بأصلها فقطعها فأراد الواهب أن يرجع ف يهبته فذلك له، وكذلك لو وهب شاة فذبحها فله أن يرجع، وكذلك لو وهب له ثوباً فقطع بعضه وخاطه فله أن يرجع فيما بقي من الثوب، وكذلك لو وهب له جذوعاً يجعلها حطباً فله أن يرجع فيها.
ولو أن رجلاً وهب لرجل تخيخا فجعله خلاً فليس له أن يرجع فيه، ولو أن رجلاً وهب لرجل داراً فعوض على بيت منها فليس له أن يرجع فيها، ولو أن رجلاً وهب لرجل لبناً فكسر فله أن يرجع فيه، فإن أعاده الموهوب له لبناً فليس له أن يرجع فيه، ولو أن رجلاً مريضاً وهب في مرضه هبة فعوض منها قدر ثلثيها فليس لورثته أن يرجعوا في شيء من الهبة؛ ولو كان عوض بقدر نصفها كان لهم أن يرجعوا بسدس الهبة إن كان العوض قائماً بعينه يوم موت المريض.
ছাতু দান করা হলো, এরপর দানগ্রহীতা বলল, 'আমি এটি (ঘি বা তেল দিয়ে) মিশিয়েছি', আর দাতা তা অস্বীকার করে বলল, 'বরং এটি পূর্ব থেকেই মিশ্রিত ছিল'; এমতাবস্থায় দানগ্রহীতার কথাই সত্য বলে গণ্য হবে এবং দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত নিতে পারবে না।
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো যাঞ্চাকারী বা ভিক্ষুককে কিছু দান করে, তবে তার জন্য তা ফেরত নেওয়ার অধিকার নেই।
যখন কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে বলে, 'আমি তোমাকে আমার এই পশুর ওপর সওয়ার করালাম' অথবা 'আমার এই খাদেমকে তোমার সেবায় নিয়োজিত করলাম', তবে এ সবই ধার (আরিয়াহ) হিসেবে গণ্য হবে, যদি না সে বলে যে, 'আমি এর দ্বারা হেবা বা দান করার ইচ্ছা করেছি'।
আর যদি সে বলে, 'আমি তোমাকে এই পশুটি দিলাম' অথবা 'এই দাসীটি দিলাম', তবে তা হেবা বা দান হিসেবে গণ্য হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলে, 'আমি তোমাকে এই খাবারটি খাওয়ালাম, তুমি এটি গ্রহণ করো', তবে তা হেবা। আর যদি তাকে বলে, 'এই খাবারটি তোমার জন্য', তবে তা বৈধ এবং যদি সে তা হস্তগত করে তবে তা হেবা হিসেবে গণ্য হবে। অনুরূপভাবে, যদি সে বলে, 'এটি তোমার জন্য এবং তোমার পরবর্তী বংশধরদের জন্য', তবে তাও বৈধ হেবা হিসেবে গণ্য হবে।
যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তি তার অসুস্থ অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে একটি দাস দান করে এবং দানগ্রহীতা সেটি হস্তগত করার পর মুক্ত করে দেয়, অথচ অসুস্থ ব্যক্তির ওপর ঋণ রয়েছে, অথবা সে সেটি বিক্রি করে দেয় এমতাবস্থায় যে সে নিঃস্ব, তবে অসুস্থ ব্যক্তির বা তার উত্তরাধিকারীদের জন্য ঐ দাসের ওপর কোনো অধিকার থাকবে না; বরং দানগ্রহীতা ঐ দাসের মূল্যের জিম্মাদার হবে যদিও সে নিঃস্ব হয়। আর যখন অসুস্থ ব্যক্তি তার কোনো রক্ত সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয়কে কোনো দাস দান করে, তখন তা ফেরত নেওয়ার অধিকার তার থাকে না। আর যদি অসুস্থ ব্যক্তি মারা যায় এবং ঐ দাস ব্যতীত তার অন্য কোনো সম্পদ না থাকে, তবে তার উত্তরাধিকারীরা ঐ দাসের দুই-তৃতীয়াংশ ফেরত পাবে।
যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে মূলসহ একটি খেজুর গাছ দান করে এবং দানগ্রহীতা তা কেটে ফেলে, এরপর দাতা তার দান ফেরত নিতে চায়, তবে তার জন্য সেই অধিকার রয়েছে। অনুরূপভাবে যদি সে একটি ছাগল দান করে এবং দানগ্রহীতা তা জবেহ করে, তবেও দাতা তা ফেরত নিতে পারে। একইভাবে যদি সে তাকে একটি কাপড় দান করে এবং সে তার কিছু অংশ কেটে সেলাই করে, তবে কাপড়ের অবশিষ্ট অংশে দাতা ফেরত নেওয়ার অধিকার রাখে। তেমনিভাবে যদি তাকে কতগুলো কড়িকাঠ দান করে যা সে জ্বালানি কাঠে পরিণত করে, তবে তাতেও দাতা তা ফেরত নেওয়ার অধিকার রাখে।
যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে ফলের রস বা নির্যাস দান করে এবং সে তা সিরকায় পরিণত করে, তবে দাতার জন্য তা ফেরত নেওয়ার অধিকার নেই। যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে একটি বাড়ি দান করে এবং ঐ বাড়ির একটি কক্ষের বিনিময়ে প্রতিদান (আওয়াজ) গ্রহণ করা হয়, তবে দাতা পুরো বাড়িটি ফেরত নিতে পারবে না। যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে কাঁচা ইট দান করে এবং তা ভেঙে ফেলা হয়, তবে দাতা তা ফেরত নেওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু যদি দানগ্রহীতা তা পুনরায় ইটে পরিণত করে, তবে দাতা তা আর ফেরত নিতে পারবে না। যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তি তার অসুস্থ অবস্থায় কোনো কিছু দান করে এবং তার বিনিময়ে দানকৃত বস্তুর দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণ প্রতিদান পায়, তবে তার উত্তরাধিকারীদের জন্য ঐ দানের কোনো কিছু ফেরত নেওয়ার অধিকার থাকবে না। আর যদি প্রতিদান অর্ধেক পরিমাণ হয়, তবে উত্তরাধিকারীদের জন্য ঐ দানের ছয় ভাগের এক ভাগ ফেরত নেওয়ার অধিকার থাকবে, যদি প্রতিদানটি অসুস্থ ব্যক্তির মৃত্যুর দিন হুবহু বিদ্যমান থাকে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
ولو أن رجلاً مريضاً وهب في مرضه داراً لرجل فلم يقبضها حتى مات المريض فالهبة باطلة، ولو قبضها حيث وهبت له غير أن شقصاً فيها غير مقسوم واستحق بطل الهبة، ولو لم يستحق منها شيء ولم يكن للواهب مال غيرها جاز للموهوب له ثلثها.
ولو أن رجلاً مريضاً وهب في مرضه عبداً لرجل ثم مات المريض في مرضه ولا مال له غيره ثم باعه الموهوب له بعد موت الواهب أو كاتبه فإنه لا يُنقص شيء من ذلك ولا سبيل لورثة الواهب على المشتري ولا على المكاتب ولكنَّ على الموهوب له ثلثي قيمته للورثة، ولو كان الموهوب له إنما جعل ذلك بعدما قضى عليه برد ثلثي العبد لم تجز الكتابة ولم يجز ثلثا العبد في البيع، ولو كان أعتقه بعدما قضى لهم عليه برد الثلثين قبل أن يقبضوه فإن ذلك بمنزلة عبد بين رجلين لأحدهما ثلثه وللآخر ثلثاه، ولو لم يكن قُضي عليه بشيء حتى أعتقه فإنه يضمن ثلثي قيمته يوم أعتقه إلا أن يكون يوم قبضه قيمته أكثر فيلزمه الأكثر.
قلت رجل اشترى عبداً وبه عيب فأعتقه ثم وجد بذلك العبد عيباً قال يرجع به على البائع، وكذلك إن مات ودبره، وأما إذا كان كاتبه فوجد به ذلك العيب فإنه لا يرجع عليه، لكنه إن عجز رجع عليه، وإذا اشترى رجل جارية ثم وهبها ثم وجد بها عيباً فإنه لا يرجع عليه، ولكن إن وهب له الموهوب له فإنه يرجع عليه، وإن كان به عيب لم يرجع عليه إذا باعه.
وإذا وهب الذمي للذمي هبة فعوضه منها خمراً فليس للواهب أن يرجع في هبته، ولو كان عوضه ميتة أو دماً لم يكن ذلك عوضاً وله أن يرجع في هبته، ولو كان الواهب والموهوب له أحدهما مسلماً والآخر ذمياً فعوض أحدهما صاحبه خمراً من هبته لم يكن ذلك عوضاً، ولو صارت الخمر بعد ذلك خلا فإنها لا تكون عوضاً.
ولو أن رجلاً وهب للمرتد هبة فعوضه المرتد من هبته ثم قتل المرتد على
যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তি তার অসুস্থতার অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে একটি ঘর দান করে, আর দানগ্রহীতা তা গ্রহণ করার আগেই অসুস্থ ব্যক্তি মারা যায়, তবে সেই দান বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি সে তা এমন অবস্থায় গ্রহণ করে যেখানে তাকে দান করা হয়েছিল, কিন্তু তাতে এমন একটি অবিভক্ত অংশ থাকে যার ওপর অন্য কারো অধিকার প্রমাণিত হয়, তবে সেই দান বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি তাতে অন্য কারো কোনো অধিকার প্রমাণিত না হয় এবং দাতার ওই ঘর ছাড়া অন্য কোনো সম্পদ না থাকে, তবে দানগ্রহীতার জন্য তার এক-তৃতীয়াংশ বৈধ হবে।
আর যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তি তার অসুস্থতার অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে একটি দাস দান করে, অতঃপর দাতা ওই অসুস্থতাতেই মারা যায় এবং তার ওই দাস ছাড়া অন্য কোনো সম্পদ না থাকে, এরপর দাতার মৃত্যুর পর দানগ্রহীতা তাকে বিক্রি করে দেয় অথবা তার সাথে মুক্তিপণ চুক্তিবদ্ধ (মুকাতাব) করে, তবে এর কোনো কিছুই রদ হবে না। ক্রেতা বা মুক্তিপণ চুক্তিবদ্ধ দাসের ওপর দাতার উত্তরাধিকারীদের কোনো অধিকার থাকবে না। তবে দানগ্রহীতাকে উত্তরাধিকারীদের জন্য ওই দাসের মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশ প্রদান করতে হবে। আর যদি দানগ্রহীতা এই চুক্তিটি তখনই করে যখন তার বিরুদ্ধে দাসের দুই-তৃতীয়াংশ ফিরিয়ে দেওয়ার ফয়সালা হয়ে গেছে, তবে মুক্তিপণ চুক্তি বৈধ হবে না এবং বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও দাসের দুই-তৃতীয়াংশ বৈধ হবে না। আর যদি উত্তরাধিকারীরা তা হস্তগত করার আগেই তার বিরুদ্ধে দুই-তৃতীয়াংশ ফিরিয়ে দেওয়ার ফয়সালা হওয়ার পর সে তাকে মুক্ত করে দেয়, তবে সেটি এমন এক দাসের মতো গণ্য হবে যা দুই ব্যক্তির মধ্যে অংশীদারিত্বে রয়েছে—একজনের এক-তৃতীয়াংশ এবং অন্যজনের দুই-তৃতীয়াংশ। আর যদি তার বিরুদ্ধে কোনো ফয়সালা হওয়ার আগেই সে তাকে মুক্ত করে দেয়, তবে সে তাকে মুক্ত করার দিনের মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশের জামিনদার হবে; তবে যদি গ্রহণের দিনের মূল্য বেশি হয়, তবে তাকে সেই বর্ধিত মূল্যই দিতে হবে।
আমি বললাম, যদি কোনো ব্যক্তি একটি দাস ক্রয় করে আর তাতে কোনো ত্রুটি থাকে, অতঃপর সে তাকে মুক্ত করে দেয় এবং এরপর ওই দাসের মাঝে কোনো ত্রুটি পায়? তিনি বললেন, সে বিক্রেতার নিকট বিনিময় দাবি করবে। তেমনিভাবে যদি সে মারা যায় এবং তাকে মুদাব্বার করে থাকে। তবে যদি সে তাকে মুক্তিপণ চুক্তিবদ্ধ (মুকাতাব) করে থাকে এবং এরপর তাতে ওই ত্রুটি পায়, তবে সে তার কাছে দাবি করতে পারবে না; কিন্তু যদি সে (দাসটি কিস্তি দিতে) অক্ষম হয়ে ফিরে আসে, তবে সে দাবি করতে পারবে। আর যখন কোনো ব্যক্তি একটি দাসী ক্রয় করার পর তাকে দান করে দেয় এবং এরপর তাতে কোনো ত্রুটি পায়, তবে সে বিক্রেতার কাছে দাবি করতে পারবে না। কিন্তু যদি দানগ্রহীতা তাকে পুনরায় দান করে দেয়, তবে সে দাবি করতে পারবে। আর যদি তাতে ত্রুটি থাকে, তবে সে তা বিক্রি করে দিলে আর দাবি করতে পারবে না।
যদি কোনো জিম্মি অপর কোনো জিম্মিকে কিছু দান করে এবং সে তার বিনিময়ে মদ প্রদান করে, তবে দাতার জন্য তার দানে ফিরে যাওয়ার অধিকার নেই। আর যদি সে বিনিময়ে মৃত প্রাণী বা রক্ত দেয়, তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না এবং তার জন্য নিজ দানে ফিরে যাওয়ার অধিকার থাকবে। আর যদি দাতা ও দানগ্রহীতার একজন মুসলিম এবং অন্যজন জিম্মি হয়, অতঃপর তাদের একজন অপরজনকে তার দানের বিনিময়ে মদ প্রদান করে, তবে তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না। এমনকি যদি ওই মদ পরে সিরকায় পরিণত হয়, তবুও তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না।
আর যদি কোনো ব্যক্তি কোনো মুরতাদকে কিছু দান করে এবং মুরতাদ তাকে সেই দানের বিনিময় দেয়, এরপর মুরতাদকে হত্যা করা হয়...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
ردته لم يجز العوض وجازت الهبة في قول أبي حنيفة، وذلك كله جائز فيقول أبي يوسف.
ولو كان المرتد في قول أبي حنيفة هو الواهب فعوض ثم قُتل على ردته بطل هبته وأخذ ورثته الهبة ورد العوض على صاحبه، ولو كانت الهبة قد استهلكت قال قيمة الهبة دين على المرتد في ماله.
وإذا وهب المسلم لحربي في دار الإسلام هبة ثم رجع الحربي مع الهبة إلى دار الحرب ثم تسبى الهبة معه فليس للواهب أن يرجع في هبته قُسمت أو لم تُقسم.
ولو أن حربياً وهب لحربي هبة في أرض الحرب ثم أسلما ودخلا إلينا وأسلم أهل الدار فإن للواهب أن يرجع في هبته إن لم تزدد ولم يكن أخذ عوضاً.
ولو أن رجلاً قال مالي في المساكين صدقة فإنه يتصدق بكل شيء يملك مما يجب في مثله الزكاة ولا يتصدق بغير ذلك من العقار والخدم وشبه ذلك.
ولو أن رجلاً قال جميع ما ملكت في المساكين صدقة فإنه يتصدق بجميع ما يملك من عقار أو غيره ويمسك قوته، فإذا أصاب شيئاً تصدق بقدر ما أمسك.
ولو أن رجلاً وهب زرعاً نابتاً لرجل ودفعه إليه فلا يكون ذلك قبضاً حتى يحرزه الموهوب له.
وإذا ارتدت الجارية بعد الهبة ثم عوض الموهوب الواهب من هبته لم يكن ذلك عوضاً، وكذلك لو نقضت الجارية بعد ذلك لم يكن ذلك عوضاً وكان للواهب أن يرجع في هبته وللآخر أن يأخذ عوضه متى ما أحب أو قيمته إن كان استهلك، وكذلك لو أن رجلاً وهب لرجل جارية أو غلاماً ثم أبق ثم عوض الموهوب له الواهب من هبته عوضاً فإن ذلك لا يكون عوضاً، ولو رجع الغلام أو الجارية لم يكن ذلك عوضاً وكان للواهب أن يرجع في هبته وكان للآخر أن يأخذ عوضه متى شاء أو قيمته إن كان استهلكه.
তার মুরতাদ হওয়া অবস্থায় বিনিময় বৈধ হবে না এবং ইমাম আবু হানিফার মতে দানটি বৈধ হবে, আর ইমাম আবু ইউসুফের মতে এই পুরো বিষয়টিই বৈধ।
ইমাম আবু হানিফার মতে যদি দাতা ব্যক্তি মুরতাদ হয় এবং বিনিময় প্রদান করা হয়, অতঃপর মুরতাদ অবস্থায় তাকে হত্যা করা হয়, তবে তার দানটি বাতিল হয়ে যাবে এবং তার উত্তরাধিকারীরা দানকৃত বস্তুটি গ্রহণ করবে এবং বিনিময়টি তার মালিকের নিকট ফেরত প্রদান করবে। যদি দানকৃত বস্তুটি নিঃশেষ হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তিনি বলেছেন: দানকৃত বস্তুর মূল্য উক্ত মুরতাদ ব্যক্তির সম্পদের ওপর ঋণ হিসেবে গণ্য হবে।
যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তি ইসলামী ভূখণ্ডে কোনো হারবীকে কোনো বস্তু দান করেন, অতঃপর সেই হারবী দানকৃত বস্তুটিসহ যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যায় এবং তারপর দানকৃত বস্তুটি তার সাথে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হিসেবে ধৃত হয়, তবে দাতা ব্যক্তির জন্য সেই দান প্রত্যাহার করার অধিকার থাকবে না, তা বণ্টিত হোক বা না হোক।
আর যদি কোনো হারবী যুদ্ধক্ষেত্রে অন্য কোনো হারবীকে কোনো বস্তু দান করে, অতঃপর তারা উভয়েই ইসলাম গ্রহণ করে আমাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে অথবা সেই দেশের অধিবাসীরা ইসলাম গ্রহণ করে, তবে দাতা ব্যক্তির জন্য তার দান প্রত্যাহার করার অধিকার থাকবে—যদি তাতে কোনো বৃদ্ধি না ঘটে এবং সে কোনো বিনিময় গ্রহণ না করে থাকে।
যদি কোনো ব্যক্তি বলে, "আমার সম্পদ মিসকিনদের জন্য সদকা," তবে সে তার মালিকানাধীন এমন প্রতিটি বস্তু সদকা করবে যে জাতীয় বস্তুর ওপর জাকাত ওয়াজিব হয়। এ ছাড়া অন্য কিছু যেমন স্থাবর সম্পত্তি, সেবক এবং এই জাতীয় বস্তু সে সদকা করবে না।
আর যদি কোনো ব্যক্তি বলে, "আমার মালিকানাধীন সবকিছু মিসকিনদের জন্য সদকা," তবে সে তার মালিকানাধীন স্থাবর সম্পত্তি বা অন্য যা কিছু আছে তার সবকিছুই সদকা করবে এবং কেবল নিজের জীবনধারণের খোরাকিটুকু রেখে দেবে। অতঃপর যখন সে নতুন কোনো কিছু লাভ করবে, তখন সে যতটুকু রেখে দিয়েছিল সেই পরিমাণ সদকা করে দেবে।
যদি কোনো ব্যক্তি গজিয়ে ওঠা শস্য অন্য কাউকে দান করে এবং তার নিকট সমর্পণ করে, তবে গ্রহীতা তা সংরক্ষণ বা আয়ত্তে না আনা পর্যন্ত সেটি হস্তগত হিসেবে গণ্য হবে না।
যদি কোনো দাসী দান করার পর মুরতাদ হয়ে যায়, অতঃপর গ্রহীতা দাতাকে সেই দানের জন্য কোনো বিনিময় প্রদান করে, তবে সেটি বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না। একইভাবে যদি দাসীটি এরপরে (ইসলামে) ফিরে আসে, তবুও সেটি বিনিময় হবে না এবং দাতার জন্য তার দান প্রত্যাহার করার সুযোগ থাকবে। আর অপর পক্ষ (গ্রহীতা) যখন ইচ্ছা তার বিনিময়টি অথবা তা নিঃশেষ হয়ে গিয়ে থাকলে তার মূল্য ফেরত নিতে পারবে। অনুরূপভাবে, কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে কোনো দাসী বা দাস দান করে এবং সে পলায়ন করে, অতঃপর গ্রহীতা দাতাকে সেই দানের পরিবর্তে কোনো বিনিময় দান করে, তবে তাও বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না। সেই দাস বা দাসী ফিরে আসলেও তা বিনিময় হিসেবে গণ্য হবে না এবং দাতার জন্য তার দান প্রত্যাহার করার সুযোগ থাকবে এবং অপর পক্ষ যখন ইচ্ছা তার বিনিময়টি অথবা তা নিঃশেষ হয়ে গিয়ে থাকলে তার মূল্য ফেরত পাওয়ার অধিকার রাখবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
باب الحيل في إجارة الأرضينقلت: أرأيت رجلاً إن أراد أن يؤاجر أرضاً له فيها زرع هل في ذلك حيلة؟ قال لا، إلا خصلة واحدة أن يبيعه رب الزرع الزرع ثم يؤاجره الأرض ما أحب من السنين، قلت ويكون ذلك جائزاً؟ قال نعم.
قلت: أرأيت إن كان الزرع إنما هو لغير رب الأرض ولا يقدر رب الأرض على أن يسلم للمستأجر الزرع؟ قال فليؤاجره الأرض كل سنة بكذا وكذا كذا وكذا سنة بعد مضي السنة التي فيها الزرع فيجوز ذلك.
قلت: أرأيت إن أراد رب الأرض أن يشرط على المستأجر أن عليه خراج الأرض مع أجرها قال لا يجوز ذلك، قلت فهل في ذلك حيلة حتى يجوز ولا يفسد الإجارة؟ قال نعم يؤاجرها إياه بأجر يزيد فيه قدر ما يرى أنه يلزم الأرض من الخراج ويشهد للمستأجر أنه قد أذن له أن يؤدي مما عليه من أجر الأرض في خراجها كذا وكذا درهماً، قلت فهل في هذا شيء أوثق من هذا قال نعم يدفع المستأجر إلى رب الأرض جميع أجر الأرض ثم يدفع ذلك رب الأرض إلى المستأجر ويوكله أن يؤديه عنه إلى ولاة الخراج فيكون المستأجر في ذلك أميناً مصدقاً أنه قد أداه بغير بينة ينيلها إياه.
قلت: أرأيت إجارة النخل والشجر هل تجوز؟ قال لا، كان أبو حنيفة وغيره يكرهون ذلك، قلت فهل في ذلك حيلة حتى يجوز ويستقيم؟ قال نعم، يؤاجر أحدهما أرضه من صاحبه بكذا وكذا درهماً ثم يستأجر المؤاجر أرض صاحبه بمثل تلك الدراهم فيجوز
ভূমি ইজারার ক্ষেত্রে কৌশলসমূহ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদআমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি কোন ব্যক্তি তার এমন ভূমি ইজারা দিতে চায় যাতে ফসল রয়েছে, তবে তার জন্য কি কোন কৌশল আছে? তিনি বললেন: না, তবে একটি পদ্ধতি ছাড়া; তা হলো ফসলের মালিক (ক্রেতার কাছে) ফসলটি বিক্রি করবে, অতঃপর সে যত বছরের জন্য চায় ভূমিটি তাকে ইজারা দিবে। আমি বললাম: এটি কি বৈধ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি ফসলটি ভূমির মালিক ব্যতীত অন্য কারো হয় এবং ভূমির মালিক ইজারাগ্রহীতাকে ফসলটি বুঝিয়ে দিতে সক্ষম না হয় (তবে কী হবে)? তিনি বললেন: সেক্ষেত্রে সে ফসল থাকা বছরটি অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী নির্দিষ্ট সংখ্যক বছরের জন্য প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে ভূমিটি ইজারা দিবে; তবে তা বৈধ হবে।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি ভূমির মালিক ইজারাগ্রহীতার ওপর এই শর্ত আরোপ করতে চায় যে, ভূমির ভাড়ার সাথে সাথে ভূমির খরাজ (ভূমি কর) পরিশোধের দায়িত্বও তার ওপর থাকবে? তিনি বললেন: তা বৈধ হবে না। আমি বললাম: তবে কি এর কোন কৌশল আছে যাতে তা বৈধ হয় এবং ইজারা নষ্ট না হয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ, সে তাকে এমন বর্ধিত ভাড়ায় ভূমিটি ইজারা দিবে যাতে ভূমির সম্ভাব্য খরাজের পরিমাণটি অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং সে ইজারাগ্রহীতাকে এই মর্মে অনুমতি প্রদান করবে যে, সে তার প্রদেয় ভূমি ভাড়া থেকে এত এত দিরহাম খরাজ বাবদ পরিশোধ করতে পারবে। আমি বললাম: এর চেয়েও কি অধিক নির্ভরযোগ্য কোন পদ্ধতি আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইজারাগ্রহীতা ভূমির মালিককে ইজারার সম্পূর্ণ অর্থ প্রদান করবে, অতঃপর ভূমির মালিক সেই অর্থ ইজারাগ্রহীতাকে পুনরায় ফেরত দিবে এবং তাকে তার পক্ষ থেকে খরাজ কর্মকর্তাদের নিকট তা পরিশোধ করার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করবে। এমতাবস্থায় ইজারাগ্রহীতা উক্ত বিষয়ে আমানতদার হিসেবে গণ্য হবে এবং কোন প্রকার প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই তার পরিশোধের দাবি সত্য বলে গৃহীত হবে।
আমি বললাম: খেজুর গাছ এবং বৃক্ষ ইজারা দেওয়া সম্পর্কে আপনি কি মনে করেন, তা কি বৈধ? তিনি বললেন: না, ইমাম আবু হানিফা এবং অন্যান্যগণ একে অপছন্দ করতেন। আমি বললাম: তবে কি এর এমন কোন কৌশল আছে যাতে তা বৈধ ও সঠিক হয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তাদের একজন তার ভূমিটি অন্যজনের নিকট নির্দিষ্ট দিরহামের বিনিময়ে ইজারা দিবে, অতঃপর ইজারা প্রদানকারী ব্যক্তি তার সাথীর ভূমিটি সমপরিমাণ দিরহামের বিনিময়ে পুনরায় ইজারা নিবে; তবে তা বৈধ হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ذلك ويصير ما وجب لكل واحد منهما من الأجر قصاصاً مما عليه لصاحبه، قلت وكذلك لو كان مكان الأرض داران أو دابتان قال نعم.
قلت فلو كان لأحدهما أرض وللآخر عبد فأراد صاحب الأرض أن يؤاجر أرضه سنة من صاحب العبد بخدمته سنة؟ قال هذا جائز لا بأس به.
قلت: أرأيت الرجل يستأجر الأرض بالدراهم سنة فأراد المستأجر أن يجعل لرب الأرض دنانير بالأجر أيجوز ذلك قال نعم، حدثنا مالك بن مغول عن القسم بن صفوان قال أكريت عبد الله بن عمر إبلا بورق فأرسل معي رسولاً بذهب وقال له اعرضه على السوق فإذا قام على ثمن فإن شاء فأعطه إياه بالأجر وإن شاء فبعه وأعطه ورقه، قلت يا أبا عبد الرحمن ويصلح هذا؟ قال نعم ولدت وأنت صغير.
باب الحيل في الخدمة وفضول أجورهم وإجاراتهمقال حدثنا سعيد بن الحجاج عن حماد عن إبراهيم في رجل استأجر داراً فآجرها بأكثر من أجرها أنه قال ذلك ربا، وقال أبو حنيفة إذا استأجر الرجل عبداً يخدمه فأراد أن يؤاجره من غيره للخدمة أن ذلك له ولا يكون مخالفاً؛ وإن كان استفضل في أجره شيئاً لم يكن له الفضل إلا أن يعينه ببعض متاعه أو يعينه المستأجر الأول من عمله شيء قليل بنفسه أو ببعض أجزائه، فإن فعل ذلك كان له الفضل.
قلت أرأيت إن استأجر دابة فأسرجها المستأجر من عنده بسرج أو أوكفها ثم آجرها أيطيب ذلك له قال نعم إلا أن يكون استأجر الدابة ليركبها هو ورجل غيره بعينه، فإن كان كذلك لم يطب له الفضل لأنه ليس له أن يؤاجرها من غيره.
قلت أرأيت رجلاً تكارى داراً ولم يرها أيكون له الخيار إذا رآها؟ قال نعم، قلت فإن رآها فرضي بها ثم أصاب بها عيباً أله أن ينقض الإجارة؟ قال لا إلا أن يكون العيب ينقص من يسكنها.
এর ফলে তাদের প্রত্যেকের জন্য যা পারিশ্রমিক বা ভাড়া আবশ্যক হয়েছে, তা অপরের নিকট তার পাওনার বিপরীতে প্রতিবিধান হিসেবে গণ্য হবে। আমি বললাম: একইভাবে যদি জমির পরিবর্তে দুটি বাড়ি বা দুটি পশু হয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: যদি একজনের জমি থাকে এবং অন্যজনের একজন দাস থাকে, আর জমির মালিক দাসের মালিকের নিকট তার জমি এক বছরের জন্য এই শর্তে ভাড়া দিতে চায় যে, বিনিময়ে সে তাকে এক বছর দাসের সেবা প্রদান করবে? তিনি বললেন: এটি বৈধ, এতে কোনো অসুবিধা নেই।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি দিরহামের বিনিময়ে এক বছরের জন্য জমি ভাড়া নেয়, অতঃপর ভাড়াটিয়া জমির মালিককে ভাড়ার বিনিময়ে দিনার দিতে চায়, তবে কি তা জায়েজ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। মালিক ইবনে মিগওয়াল কাসিম ইবনে সাফওয়ান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে উমরের নিকট রূপার মুদ্রার বিনিময়ে কিছু উট ভাড়া দিয়েছিলাম। অতঃপর তিনি আমার নিকট স্বর্ণমুদ্রাসহ এক দূত পাঠালেন এবং তাকে বললেন: এগুলো বাজারে যাচাই করো, যদি কোনো মূল্যে স্থির হয়, তবে সে যদি চায় তবে তাকে ভাড়ার বিনিময়ে এটি দিয়ে দাও, আর সে চাইলে তা বিক্রি করে তাকে রূপার মুদ্রা দিয়ে দাও। আমি বললাম: হে আবু আবদুর রহমান, এটি কি সঠিক হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি তোমার জন্মের সময় থেকেই এটি হতে দেখেছি।
পরিচ্ছেদ: সেবা এবং অতিরিক্ত ভাড়া ও ইজারার ক্ষেত্রে কৌশলসমূহতিনি বলেন, সাঈদ ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি একটি বাড়ি ভাড়া নিল, অতঃপর সে তা তার ভাড়ার চেয়ে বেশি মূল্যে ভাড়া দিল; এই বিষয়ে তিনি বললেন: সেটি সুদ। আবু হানিফা বলেন: যদি কোনো ব্যক্তি তাকে সেবা করার জন্য একজন দাস ভাড়া নেয় এবং সে তাকে সেবার জন্য অন্যের নিকট ভাড়া দিতে চায়, তবে তার জন্য তা বৈধ এবং এটি চুক্তি পরিপন্থী হবে না; তবে যদি সে ভাড়ার ক্ষেত্রে কিছু অতিরিক্ত লাভ করে, তবে সেই অতিরিক্ত অংশ তার জন্য বৈধ হবে না, যদি না সে তাকে তার নিজের কোনো আসবাবপত্র দিয়ে সহায়তা করে অথবা প্রথম ভাড়াটিয়া নিজে বা তার কোনো শ্রম দিয়ে সামান্য কাজ করে তাকে সাহায্য করে। যদি সে তা করে, তবে তার জন্য অতিরিক্ত লাভ করা বৈধ হবে।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি কেউ একটি পশু ভাড়া নেয়, অতঃপর ভাড়াটিয়া নিজের পক্ষ থেকে তাতে জিন বা পালান লাগায় এবং এরপর তা ভাড়া দেয়, তবে কি তা তার জন্য বৈধ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তবে যদি সে পশুটি কেবল নিজের এবং নির্দিষ্ট অন্য একজন ব্যক্তির আরোহণের জন্য ভাড়া করে থাকে, তবে ভিন্ন কথা। যদি বিষয়টি এমন হয়, তবে তার জন্য অতিরিক্ত অংশ গ্রহণ করা বৈধ হবে না, কারণ তার জন্য তা অন্যের নিকট ভাড়া দেওয়ার অধিকার নেই।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি একটি বাড়ি ভাড়া নেয় এবং সে তা না দেখে থাকে, তবে সেটি দেখার পর কি তার গ্রহণ বা বর্জনের অধিকার থাকবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি সে তা দেখে এবং তাতে সন্তুষ্ট হয়, অতঃপর তাতে কোনো ত্রুটি খুঁজে পায়, তবে কি তার জন্য ভাড়া চুক্তিটি বাতিল করার অধিকার আছে? তিনি বললেন: না, তবে যদি ত্রুটিটি এমন হয় যা সেখানে বসবাসকারীর উপযোগিতা কমিয়ে দেয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قلت: أرأيت رجلاً استأجر داراً فكنها من التراب ثم آجرها بأكثر من ذلك أيطيب له الفضل؟ قال لا، قلت فإن طين سطوحها أيطيب له الفضل؟ قال نعم، بلغنا ذلك عن إبراهيم.
قلت: أرأيت إن استأجر الرجل الدابة بكذا وكذا درهماً إلى بغداد على أن علفها على المستأجر أيجوز ذلك؟ قال لا، قلت فكيف الحيلة في ذلك؟ قال يسمى قدر علف الدابة ويزيد ذلك في الأجر ثم يوكل رب الدابة بأن يعلفها بتلك الزيادة.
قلت: وكذلك لو استأجر أجيراً يخدمه بكذا وكذا درهماً وطعامه لم يجز إلا على ما ذكرت؟ قال نعم، غير أن أبا حنيفة كان يستحسن أن يجيز ذلك في المرضع خاصة أن يستأجرها الرجل ترضع صبيه في كل شهر بكذا وكذا درهماً وطعامها.
قلت أرأيت رجلاً استأجر داراً أو عبداً أو أمة كل شهر بكذا وكذا درهماً فسكنها شهراً ثم مضى من الشهر الداخل يوم أو يومان أو أكثر من ذلك ثم أراد التحول إلى دار له أخرى فأبى صاحب الدار أن يدعه حتى يستوفى ذلك الشهر؟ قال ذلك لصاحب الدار، قلت فهل في ذلك حيلة حتى يكون المستأجر متى ما أحب خرج ولا يلزمه إجارة بقية الشهر؟ قال نعم، يستأجرها منه كل يوم بأجر معلوم فيكون له أن يخرج متى ما أحب وينقض الإجارة متى أحب.
باب الحيل في الوكالةقلت: أرأيت رجلاً وكل رجلاً يشتري له جارية بعينها بكذا وكذا فلما أن رآها الوكيل أراد أن يشتريها لنفسه ولا يدخل عليه إثم من ذلك فيما بينه وبين الله؟ قال يشتريها الوكيل لنفسه بدنانير فتكون له ولا شيء للآمر فيها، قلت فإن كان إنما اشتراها بما سمى الآمر من الدراهم أو أقل من ذلك غير أن الوكيل نوى أن يكون الشرى لنفسه [فتكون له ولا شيء للآمر فيها] قال نيته باطلة
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে একটি ঘর ভাড়া নিল এবং তাতে কেবল ধুলোবালি পরিষ্কার করল, অতঃপর তা এর চেয়ে বেশি মূল্যে ভাড়া দিল, তার জন্য কি সেই অতিরিক্ত অংশ ভোগ করা বৈধ হবে? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: যদি সে তার ছাদ লেপন করে (মেরামত করে), তবে কি অতিরিক্ত অংশ বৈধ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইবরাহীম নাখয়ী থেকে আমাদের কাছে এ কথাই পৌঁছেছে।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি বাগদাদ পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিরহামের বিনিময়ে এই শর্তে একটি পশু ভাড়া নেয় যে, পশুর খাদ্য ভাড়াটিয়া বহন করবে, তবে কি তা জায়েজ হবে? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: তবে এর বৈধ কৌশল কী? তিনি বললেন: পশুর খাদ্যের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে এবং তা ভাড়ার সাথে যোগ করতে হবে, অতঃপর পশুর মালিককে সেই অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে খাদ্য খাওয়ানোর জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হবে।
আমি বললাম: একইভাবে যদি কেউ নির্দিষ্ট দিরহাম এবং খাবারের বিনিময়ে কোনো সেবক নিয়োগ করে, তবে কি আপনি যা উল্লেখ করেছেন তা ছাড়া বৈধ হবে না? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তবে ইমাম আবু হানিফা রহ. বিশেষভাবে ধাত্রীর ক্ষেত্রে এটিকে 'ইসতিহসান' হিসেবে বৈধ মনে করতেন যে, কোনো ব্যক্তি তার সন্তানকে দুধ পান করানোর জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ দিরহাম ও তার খাবারের বিনিময়ে তাকে নিয়োগ করবে।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ দিরহামের বিনিময়ে একটি ঘর বা গোলাম বা দাসী ভাড়া নিল এবং এক মাস সেখানে অবস্থান করল, অতঃপর পরবর্তী মাসের একদিন বা দুই দিন বা তার বেশি অতিবাহিত হওয়ার পর সে তার অন্য কোনো ঘরে চলে যেতে চাইল, কিন্তু ঘরের মালিক তাকে পুরো মাস পূর্ণ না করা পর্যন্ত ছাড়তে অস্বীকার করল? তিনি বললেন: ঘরের মালিকের সেই অধিকার আছে। আমি বললাম: তবে এর কি কোনো কৌশল আছে যাতে ভাড়াটিয়া যখন ইচ্ছা চলে যেতে পারে এবং অবশিষ্ট মাসের ভাড়া তার ওপর আবশ্যক না হয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ, সে প্রতিদিনের জন্য নির্দিষ্ট ভাড়ায় তা ভাড়া নেবে, ফলে সে যখন ইচ্ছা চলে যেতে পারবে এবং যখন ইচ্ছা ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে পারবে।
ওকালত বা প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে বৈধ কৌশলের অধ্যায়আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে অন্য একজনকে নির্দিষ্ট মূল্যে একটি নির্দিষ্ট দাসী কেনার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করল, কিন্তু যখন প্রতিনিধি তাকে দেখল, সে তা নিজের জন্য কেনার ইচ্ছা করল এবং এর ফলে আল্লাহ ও তার মাঝে কোনো গুনাহও হবে না (এমন কোনো উপায় আছে কি)? তিনি বললেন: প্রতিনিধি তা দিনারের বিনিময়ে নিজের জন্য ক্রয় করবে, ফলে তা তার হবে এবং আদেশদাতার এতে কোনো অধিকার থাকবে না। আমি বললাম: যদি সে তা আদেশদাতার উল্লেখ করা দিরহামের বিনিময়ে অথবা তার চেয়ে কম মূল্যে ক্রয় করে এবং প্রতিনিধি মনে মনে নিজের জন্য কেনার নিয়ত করে [তবে কি তা তার হবে এবং আদেশদাতার কোনো অধিকার থাকবে না]? তিনি বললেন: তার নিয়ত বাতিল গণ্য হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
والجارية للآمر، قلت فإن كان أشهد على ذلك قبل أن يشتريها وقال إني لست أبتاعها لفلان وإنما أشتريها لنفسي فاشهدوا واشتراها ساعتئذٍ؟ قال الجارية للآمر وما صنع الوكيل لا يجوز، قلت أرأيت إن اشتراها بدراهم أكثر مما سمى الآمر؟ قال الجارية للوكيل ولا شيء للآمر فيها، قلت أرأيت إن كان الآمر قال للوكيل اشتر لي هذه الجارية ولم يسم له ثمناً، فاشتراها الوكيل بحنطة بعينها أو بغير عينها؟ قال الوكيل مخالف والشرى للوكيل ولا يلزم الآمر، قلت أرأيت إن وكله يشتري هذه الجارية فأمر الوكيل رجلاً غيره يشتريها للوكيل الأول فاشتراها الوكيل الثاني بغير محضر من الوكيل الأول؟ قال الشرى للوكيل الأول دون الآمر الأول، قلت أرأيت إن كان الآمر الأول أمر الوكيل الأول أن يعمل في ذلك برأيه فوكل الوكيل الأول هذا الوكيل الثاني فاشتراها؟ قال الشرى للآمر الأول، قلت أرأيت إن كان الوكيل الأول قد اشترى الجارية وقبضها ووجد بها عيباً قبل أن يدفعها إلى الآمر فردها الوكيل على البائع بقضاء قاض بالعيب ثم أراد الوكيل أن يشتري هذه الجارية بعد ذلك لنفسه قال يكون الشرى للآمر إلا أن يشتريها الوكيل بعرض من العروض بعينه أو بغير عينه سوى الدراهم والدنانير، فإن اشتراها بعرض من العروض كان الشرى للوكيل خاصة ولا يكون للآمر.
قلت: أرأيت الرجل يوكل ببيع الجارية أو عرض من العروض فأراد الوكيل أن يشتري ذلك لنفسه من نفسه كيف يصنع؟ قال يبيع ذلك الوكيل بما يساوي من رجل يشق به ثم يدفعه إلى المشتري ثم يشتريه الوكيل بعد ذلك لنفسه، قلت أرأيت إن كان اشتراها من المشتري قبل أن يقبضها المشتري أو استقاله الوكيل البيع أو سأله أن يوليه إياه ففعل ذلك المشتري وذلك كله من قبل أن يقبض المشتري المبيع أيجوز ذلك للوكيل؟ قال نعم والبيع في ذلك كله للوكيل ولا يكون للآمر.
قلت أرأيت إن كان المشتري وجد بالمبيع عيباً قبل أن يقبضه فرده على
এবং দাসীটি আদেশদাতার জন্য গণ্য হবে। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি সে ক্রয় করার আগেই এ বিষয়ে সাক্ষ্য রাখে এবং বলে যে, ‘আমি এটি অমুক ব্যক্তির জন্য ক্রয় করছি না, বরং আমি এটি নিজের জন্যই ক্রয় করছি, সুতরাং আপনারা সাক্ষী থাকুন’ এবং সেই মুহূর্তেই সে তা ক্রয় করে? তিনি বললেন: দাসীটি আদেশদাতার জন্যই হবে এবং প্রতিনিধি যা করেছে তা গ্রাহ্য হবে না। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি সে আদেশদাতার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দিরহাম দিয়ে তা ক্রয় করে? তিনি বললেন: দাসীটি প্রতিনিধির হবে এবং এতে আদেশদাতার কোনো অধিকার থাকবে না। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি আদেশদাতা প্রতিনিধিকে বলে, ‘আমার জন্য এই দাসীটি ক্রয় করো’ এবং তার জন্য কোনো মূল্য নির্দিষ্ট করে না দেয়, অতঃপর প্রতিনিধি তা নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট গমের বিনিময়ে ক্রয় করে? তিনি বললেন: প্রতিনিধি এখানে নির্দেশ লঙ্ঘনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং ক্রয়টি প্রতিনিধির জন্যই হবে, তা আদেশদাতার জন্য আবশ্যক হবে না। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি সে তাকে এই দাসীটি ক্রয়ের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করে, আর প্রথম প্রতিনিধি অন্য এক ব্যক্তিকে আদেশ দেয় যেন সে প্রথম প্রতিনিধির জন্য তা ক্রয় করে এবং দ্বিতীয় প্রতিনিধি প্রথম প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে তা ক্রয় করে? তিনি বললেন: ক্রয়টি প্রথম প্রতিনিধির জন্য হবে, প্রথম আদেশদাতার জন্য নয়। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি প্রথম আদেশদাতা প্রথম প্রতিনিধিকে এই নির্দেশ প্রদান করে যে সে যেন এ বিষয়ে নিজের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী কাজ করে, অতঃপর প্রথম প্রতিনিধি এই দ্বিতীয় ব্যক্তিকে প্রতিনিধি নিয়োগ করে এবং সে তা ক্রয় করে? তিনি বললেন: ক্রয়টি প্রথম আদেশদাতার জন্যই হবে। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি প্রথম প্রতিনিধি দাসীটি ক্রয় করে তা হস্তগত করে এবং আদেশদাতার নিকট হস্তান্তরের আগেই তাতে কোনো ত্রুটি দেখতে পায়, অতঃপর প্রতিনিধি ত্রুটির কারণে বিচারকের ফয়সালা অনুযায়ী তা বিক্রেতার নিকট ফেরত দেয়, এরপর প্রতিনিধি পুনরায় সেই দাসীটি নিজের জন্য ক্রয় করতে চায়? তিনি বললেন: ক্রয়টি আদেশদাতার জন্যই হবে, তবে যদি প্রতিনিধি তা দিরহাম ও দিনার ব্যতীত নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট অন্য কোনো পণ্যসামগ্রীর বিনিময়ে ক্রয় করে, তবে সেক্ষেত্রে ক্রয়টি বিশেষভাবে প্রতিনিধির জন্যই হবে এবং তা আদেশদাতার জন্য হবে না।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তিকে একটি দাসী বা কোনো পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করা হয় এবং প্রতিনিধি সেই পণ্যটি নিজের জন্য নিজের কাছ থেকে ক্রয় করতে চায়, তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: প্রতিনিধি সেই পণ্যটি সমমূল্যে এমন কোনো ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করবে যার ওপর সে ভরসা করে, অতঃপর তা ক্রেতার নিকট হস্তান্তর করবে এবং এরপর প্রতিনিধি তা নিজের জন্য ক্রয় করে নেবে। আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি সে ক্রেতার নিকট থেকে তা ক্রয় করে ক্রেতা তা হস্তগত করার পূর্বেই, অথবা প্রতিনিধি বিক্রয়টি রদ করার অনুরোধ করে, কিংবা সে তাকে অনুরোধ করে যেন তাকে এটি সমমূল্যে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ক্রেতা তা পালন করে, আর এই সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্রেতা পণ্যটি হস্তগত করার আগেই—তবে কি তা প্রতিনিধির জন্য বৈধ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং এই সমস্ত অবস্থায় বিক্রয়টি প্রতিনিধির জন্যই কার্যকর হবে, তা আদেশদাতার জন্য হবে না।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি ক্রেতা বিক্রিত পণ্যে কোনো ত্রুটি দেখতে পায় তা হস্তগত করার পূর্বে এবং সে তা ফেরত দেয়...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
الوكيل بغير قضاء قاض لمن يكون البيع؟ قال للآمر ولا يكون للوكيل، قلت فإن كان المشتري قد قبض المبيع ثم رده بهذا العيب بغير قضاء قاض قال يكون للوكيل ولا يكون للآمر قلت أرأيت إن أراد الوكيل أن يعود إلى ملك الآمر ولا يلزمه وإنما أراد ذلك بعدما قبل الجارية بالعيب بغير قضاء قاض هل في ذلك حيلة؟ قال لا.
قلت أرأيت الوكيل إذا باع المبيع ثم أراد المشتري أن يحط عنه الوكيل فخاف الوكيل أن لا يجوز ذلك له كيف يصنع قال يهب الوكيل للمشتري دراهم أو دنانير فإذا قبضها المشتري قضاها البائع من ثمن المبيع فيكون ذلك بمنزلة الحط، قلت أرأيت لو أن الوكيل حط عن المشتري من الثمن شيئاً قبل أن يقبض الثمن هل يجوز ذلك؟ قال أما أبو حنيفة فإنه اكن يجيز الحط ما لم يقبض الوكيل الثمن وكان يضمن الوكيل ما حط ويبرئ المشتري منه، وإن كان إنما حط عن المشتري بعد قبض الثمن لم يجزه؛ وأما أبو يوسف فلا يجيز الحط قبل القبض ولا بعده؛ والذي وصفت لك حيلة في قول من لا يجيز الحط.
قلت: أرأيت الوصي هل له أن يشتري من ميراث الميت شيئاً من نفسه لنفسه؟ قال لا، قلت فالحيلة في ذلك مثل الحيلة في أمر الوكيل؟ قال نعم.
قلت: أرأيت الأب هو بمنزلة الوصي في متاع ابنه الصغير إذا أراد أن يشتريه لنفسه؟ قال لا، الأب له أن يشتري لنفسه من نفسه متاع ابنه الصغير، وكذلك الجد أبو الأب إذا كان الأب ميتاً ولم يكن له وصي، ولا يشبه هذا الوكيل ولا الوصي في قول أبي حنيفة وقول أبي يوسف.
قلت: أرأيت الرجل إذا أراد أن يحتاط حتى لا يدخل عليه شيء في قول كل واحد إذا اشترى متاع ابنه الصغير كيف يصنع قال يفعل مثل الذي وصفت لك من أمر الوصي والوكيل.
قلت: أفيكره للرجل إذا أمر أن يبيع شيئاً مما ذكرت لك فباعه على ما
বিচারকের রায় ব্যতীত উকীলের (প্রতিনিধির) ক্ষেত্রে বিক্রয়টি কার জন্য গণ্য হবে? তিনি বললেন: তা আদেশদাতার জন্য হবে, উকীলের জন্য নয়। আমি বললাম: যদি ক্রেতা বিক্রিত বস্তু হস্তগত করে এবং পরবর্তীতে কোনো বিচারকের ফয়সালা ছাড়াই এই ত্রুটির কারণে তা ফেরত দেয়? তিনি বললেন: তবে তা উকীলের জন্য হবে, আদেশদাতার জন্য নয়। আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, উকীল যদি চায় যে বস্তুটি পুনরায় আদেশদাতার মালিকানায় ফিরে যাক এবং এটি তার ওপর আবশ্যক না হোক, আর সে বিচারকের রায় ছাড়াই ত্রুটির কারণে দাসীটিকে গ্রহণ করার পর এই ইচ্ছা পোষণ করে, তবে কি এর কোনো বৈধ কৌশল আছে? তিনি বললেন: না।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন, উকীল যখন বিক্রিত বস্তু বিক্রি করে এবং পরবর্তীতে ক্রেতা চায় যে উকীল তার জন্য মূল্য হ্রাস করুক, কিন্তু উকীল ভয় পায় যে এটি তার জন্য বৈধ হবে না, তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: উকীল ক্রেতাকে কিছু দিরহাম বা দিনার দান করবে। যখন ক্রেতা তা হস্তগত করবে, তখন সে বিক্রেতাকে তা বিক্রিত পণ্যের মূল্য বাবদ পরিশোধ করবে, ফলে এটি মূল্য হ্রাসের স্থলাভিষিক্ত হবে। আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি উকীল মূল্য হস্তগত করার আগেই ক্রেতার জন্য মূল্যের কিছু অংশ হ্রাস করে দেয়, তবে কি তা জায়েয হবে? তিনি বললেন: ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর মতে, যতক্ষণ পর্যন্ত উকীল মূল্য হস্তগত না করবে, ততক্ষণ তিনি মূল্য হ্রাস করা জায়েয মনে করতেন এবং উকীল যতটুকু হ্রাস করেছে তার জন্য সে নিজেই দায়ী থাকবে, আর ক্রেতা তা থেকে অব্যাহতি পাবে। আর যদি মূল্য হস্তগত করার পর ক্রেতার জন্য মূল্য হ্রাস করে, তবে তা জায়েয হবে না। আর ইমাম আবু ইউসুফ রহ.-এর মতে, মূল্য হস্তগত করার আগে বা পরে কোনো অবস্থাতেই মূল্য হ্রাস করা জায়েয নেই। আমি আপনার কাছে যা বর্ণনা করেছি তা হলো তাদের মতানুযায়ী একটি কৌশল যারা মূল্য হ্রাস করাকে জায়েয মনে করেন না।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন, ওয়াসীর (অছি) জন্য কি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পদ থেকে নিজের জন্য নিজের কাছ থেকে কোনো কিছু ক্রয় করা বৈধ? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: তবে এই বিষয়ের কৌশল কি উকীলের বিষয়ের কৌশলের মতোই? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন, পিতা কি তার নাবালেগ সন্তানের আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে ওয়াসীর স্থলাভিষিক্ত, যখন সে তা নিজের জন্য ক্রয় করতে চায়? তিনি বললেন: না, পিতার জন্য তার নাবালেগ সন্তানের আসবাবপত্র নিজের জন্য নিজের কাছ থেকে ক্রয় করা বৈধ। অনুরূপভাবে পিতামহ (পিতার পিতা) যদি পিতা মৃত হন এবং তার কোনো ওয়াসী না থাকে। ইমাম আবু হানিফা রহ. এবং ইমাম আবু ইউসুফ রহ.-এর মতে এটি উকীল বা ওয়াসীর সদৃশ নয়।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, কোনো ব্যক্তি যদি সতর্কতা অবলম্বন করতে চায় যাতে তার নাবালেগ সন্তানের আসবাবপত্র ক্রয় করার ক্ষেত্রে সবার মতেই কোনো আপত্তি না থাকে, তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: সে তা-ই করবে যা আমি আপনার কাছে ওয়াসী ও উকীলের ব্যাপারে বর্ণনা করেছি।
আমি বললাম: কোনো ব্যক্তিকে যদি আপনি যা উল্লেখ করেছেন তার মধ্য থেকে কোনো কিছু বিক্রি করার আদেশ দেওয়া হয় এবং সে তা বিক্রি করে সেই অনুযায়ী যা...
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وصفت ثم اشتراه لنفسه قال لا لست أكرهه، قلت وإن كان نوى حين باع المتاع أن يشتريه لنفسه؟ قال وإن نوى ذلك، ما لم يشترط عند البيع أن يشتريه لنفسه، فإن اشترط على المشتري أن يبيعه منه فذلك لا يجوز والبيع فاسد مردود.
قلت: أرأيت ما وصفت من أمر الوكيل إذا أمر أن يشتري جارية بعينها فيوكل بذلك ثم أراد بعد ذلك أن يشتري الجارية لنفسه فاحتال ببعض ما وصفت أيسعه ذلك؟ قال يسعه ذلك فيما ينه وبين الله، ولولا أن ذلك واسع لم يكن ذلك الذي وصفت حيلة، لأن من احتال بأمر يدخل عليه في دينه مكروه لم يحتل ولم يعد ذلك منه حيلة؛ إنما الحيلة في أن يأخذ بالحلال ويحتال ليترك الحرام فتلك الحيلة.
قلت: رجل وكل رجلاً ببيع جارية له ووكله آخر أن يشتري له هذه الجارية فقبل ذلك كله هل يجوز أن يبيعها من نفسه للذي وكله بالشرى؟ قال لا يجوز ذلك قلت فكيف يصنع؟ قال يبيعها ممن يثق به بما يساوي ثم يبتاعها بعدما يدفعها للذي وكله أن يشتريها له فيجوز ذلك للذي أمره.
قلت: أرأيت إن وكلت امرأة رجلاً أن يزوجها ووكل رجل هذا الوكيل أن يزوجه امرأة، للوكيل أن يزوج هذه المرأة هذا الرجل الذي وكله ويكون هو المتكلم وحده لهما؟ قال نعم، ذلك جائز عندنا ولا يشبه النكاح البيع، ألا ترى أن الرجل قد يجوز له أن يزوج ابنه الصغير ابنة أخيه اليتيمة وهو وحده الخاطب المتكلم لهما، قلت وكذلك المرأة توكل ابن عمها أن يزوجها من نفسه فزوجها من نفسه بشهادة الشهود وبمهر مسمى؟ قال نعم، ذلك جائز لا بأس به.
قلت: أرأيت المرأة توكل رجلاً يخلعها من زوجها أيجوز ذلك؟ قال نعم، قلت فإن لم يكن للوكيل بينة يشهدون له بالوكالة وأراد الزوج أن يستوثق مما أدركه كيف يصنع؟ قال يضمن الوكيل أو غيره إذا أدركه من ذلك فيما شرط له
আপনি যা বর্ণনা করেছেন, এরপর তিনি যদি তা নিজের জন্য কিনে নেন, তবে তিনি (ইমাম) বললেন, না, আমি এতে কোনো দোষ দেখি না। আমি বললাম, যদি তিনি পণ্যটি বিক্রির সময় মনে মনে নিয়ত করে থাকেন যে তিনি এটি নিজের জন্য কিনবেন? তিনি বললেন, যদিও তিনি তা নিয়ত করেন, যতক্ষণ না বিক্রির সময় শর্তারোপ করা হয় যে তিনি এটি নিজের জন্য কিনবেন। যদি তিনি ক্রেতার ওপর শর্তারোপ করেন যে ক্রেতা তা পুনরায় তার কাছেই বিক্রি করবে, তবে তা জায়েয নেই এবং এই ক্রয়-বিক্রয় বাতিল ও প্রত্যাখ্যাত।
আমি বললাম: আপনি যে প্রতিনিধির (ওয়াকিল) বিষয়টি বর্ণনা করেছেন, যখন তাকে নির্দিষ্ট কোনো দাসী কেনার আদেশ দেওয়া হয় এবং তাকে তার দায়িত্ব দেওয়া হয়, এরপর সে যদি সেই দাসীকে নিজের জন্য কেনার ইচ্ছা করে এবং আপনি যা বর্ণনা করেছেন সে অনুযায়ী কোনো কৌশলের আশ্রয় নেয়, তবে কি তার জন্য তা করা বৈধ হবে? তিনি বললেন: তার ও আল্লাহর মাঝখানে এটি করার অবকাশ রয়েছে। আর যদি এতে অবকাশ না থাকত, তবে আপনি যা বর্ণনা করেছেন তা কৌশল (হিলা) হতো না। কারণ যে ব্যক্তি এমন বিষয়ে কৌশলের আশ্রয় নেয় যা তার দ্বীনের ক্ষেত্রে অপছন্দনীয় কোনো কিছু নিয়ে আসে, সে প্রকৃতপক্ষে কৌশল অবলম্বন করেনি এবং তা তার পক্ষ থেকে কৌশল হিসেবে গণ্যও হবে না। কৌশল তো কেবল হালাল বিষয় গ্রহণ করা এবং হারাম বর্জনের জন্য ন্যায়সঙ্গত উপায় বের করার নাম; সেটিই প্রকৃত কৌশল।
আমি বললাম: এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে তার দাসী বিক্রির দায়িত্ব দিল, আবার অন্য এক ব্যক্তি তাকে সেই দাসীটি কেনার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করল। সে এই উভয় দায়িত্বই গ্রহণ করল। এমতাবস্থায় সে কি নিজের পক্ষ থেকে সেই ক্রেতার কাছে তা বিক্রি করতে পারবে যে তাকে কেনার দায়িত্ব দিয়েছে? তিনি বললেন: এটি জায়েয নয়। আমি বললাম: তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: সে এমন কোনো বিশ্বস্ত ব্যক্তির কাছে সমমূল্যে সেটি বিক্রি করবে, এরপর সে যখন দাসীটি তাকে বুঝিয়ে দেবে তখন সে তা সেই ব্যক্তির জন্য কিনবে যে তাকে কেনার আদেশ দিয়েছিল। তাহলে যে ব্যক্তি তাকে আদেশ দিয়েছিল তার জন্য এটি জায়েয হবে।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন, যদি কোনো নারী এক ব্যক্তিকে তার বিবাহের জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে এবং কোনো পুরুষও সেই প্রতিনিধিকে কোনো নারীকে তার সাথে বিবাহ দেওয়ার জন্য দায়িত্ব দেয়, তবে কি সেই প্রতিনিধির জন্য জায়েয হবে এই নারীকে সেই পুরুষের সাথে বিবাহ দেওয়া যে তাকে প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছে এবং সে একাই উভয় পক্ষের মুখপাত্র হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমাদের নিকট এটি জায়েয। বিবাহ ক্রয়-বিক্রয়ের মতো নয়। আপনি কি দেখেন না যে, কোনো ব্যক্তির জন্য তার নাবালক ছেলেকে তার এতিম ভ্রাতুষ্পুত্রীর সাথে বিবাহ দেওয়া জায়েয এবং সে একাই উভয় পক্ষের প্রস্তাবকারী ও মুখপাত্র হয়ে থাকে? আমি বললাম: একইভাবে কোনো নারী যদি তার চাচাতো ভাইকে তাকে নিজের সাথে বিবাহ দেওয়ার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে এবং সে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ও নির্দিষ্ট মোহরানার বিনিময়ে তাকে নিজের সাথে বিবাহ দেয়, তবে কি তা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তা জায়েয এবং এতে কোনো সমস্যা নেই।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন, কোনো নারী যদি এক ব্যক্তিকে তার স্বামীর কাছ থেকে খুলা করার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে, তবে কি তা জায়েয হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি প্রতিনিধির কাছে এমন কোনো প্রমাণ না থাকে যারা তার প্রতিনিধিত্বের সাক্ষ্য দেবে এবং স্বামী যদি তার প্রাপ্য বিষয়ে নিশ্চিত হতে চায় তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: প্রতিনিধি বা অন্য কেউ তার জন্য নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী জামিনদার হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
عليه وكيل المرأة، قلت أرأيت إن لم تكن المرأة وكلت أحداً بأن يخلعها من زوجها ولكن أبا المرأة أراد أن يخلعها أيجوز ذلك؟ قال لا يجوز إلا أن يخلعها الأب من زوجها بشيء من مال نفسه، قلت فإن خلعها بما على الزوج من صداق البنت؟ قال لا يجوز ذلك ولا تطلق البنت إلا برضا إذا بلغها، قلت فكيف يصنع حتى يقوم الطلاق وتبين المرأة؟ قال يضمن الأب أو غيره ما أدرك من درك فيما خلعها به من الصداق، قلت فإذا فعل ذلك جاز الخلع ووقع الطلاق؟ قال نعم، قلت وسواء كانت البنت صغيرة أو كبيرة فلا يجوز الخلع حتى يضمن الأب أو غيره الدرك؟ قال نعم.
قلت: أرأيت الوكيل يوكل بشرى المتاع من بلد من البلدان فخاف الوكيل أن يبعث بالمتاع من غيره فيضمن أو خاف أن يستودع المتاع غيره فيضمن، كيف الحيلة في ذلك؟ قال يستأذن رب المال في أن يعمل برأيه فإن أذن له في العمل برأيه جاز له أن يصنع ما ذكرت، قلت فإذا قال له اعمل برأيك أيجوز للوكيل أن يوكل بالشرى غيره ويدفع المال إليه فقال نعم.
قلت: أرأيت الوكيل إذا وكل بالبيع فخاف أن يرد عليه بعيب كيف يصنع حتى لا يرد عليه البيع بعيب قال يكون الذي يتولى البيع غيره وهو حاضر ويضمن الوكيل ما أدرك المشتري من درك، قلت فإذا ضمن ما أدرك المشتري من درك لم يكن خصماً في عيب قال لا، قلت فإن رد على البائع بعيب أيرجع المشتري على الضامن للدرك بالثمن قال لا.
قلت أرأيت رجلاً مسلماً أوصى إليه ذمي وقد ترك خمراً كيف يصنع المسلم بالخمر وهو يخاف عليها الفساد إن لم تُبَعْ؟ قال يوكل الوصي المسلم رجلاً من أهل الذمة ببيعها من أهل الذمة، قلت إذا فعل ذلك جاز ذلك للوصي؟ قال نعم.
قلت: فإن كانت الخمر للنصراني فأسلم وهي عنده كيف يصنع؟ قال يخللها ولا يسعه أن يبيعها ولا يهبها لأحد، وقد بلغنا عن إبراهيم أنه قال لا
নারীর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি; আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি কোনো নারী কাউকে তার স্বামীর থেকে খুলা (তালাক) গ্রহণের জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত না করে, কিন্তু নারীর পিতা তাকে তার স্বামীর থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চান, তবে কি তা জায়েজ হবে? তিনি বললেন: এটি জায়েজ নয়, তবে পিতা যদি নিজের সম্পদ থেকে কোনো কিছুর বিনিময়ে তাকে তার স্বামীর থেকে ছাড়িয়ে নেন (তবে তা জায়েজ হবে)। আমি বললাম: পিতা যদি কন্যার সেই মোহরের বিনিময়ে খুলা করান যা স্বামীর জিম্মায় রয়ে গেছে? তিনি বললেন: তা জায়েজ নয় এবং কন্যাটি ততক্ষণ পর্যন্ত তালাকপ্রাপ্তা হবে না যতক্ষণ না তার কাছে সংবাদ পৌঁছায় এবং সে তাতে সম্মতি প্রদান করে। আমি বললাম: তবে তালাক কার্যকর হওয়া এবং নারীটি বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য তিনি কী করবেন? তিনি বললেন: পিতা বা অন্য কেউ মোহর বাবদ যা দিয়ে খুলা করিয়েছেন, তাতে উদ্ভূত কোনো দায়ের (দারাখ) জামিনদার হবেন। আমি বললাম: যদি তিনি তা করেন, তবে কি খুলা জায়েজ হবে এবং তালাক কার্যকর হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: কন্যাটি অপ্রাপ্তবয়স্ক হোক বা প্রাপ্তবয়স্ক, পিতা বা অন্য কেউ দায়ের জামিন না হওয়া পর্যন্ত কি খুলা জায়েজ হবে না? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, কোনো প্রতিনিধিকে যখন কোনো শহর থেকে পণ্য ক্রয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, আর প্রতিনিধি যদি ভয় পায় যে সে অন্য কাউকে দিয়ে পণ্যটি পাঠালে তাকে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে, অথবা সে ভয় পায় যে অন্য কারো কাছে পণ্যটি আমানত রাখলে তাকে দায়ী হতে হবে, তবে এই ক্ষেত্রে কৌশল কী? তিনি বললেন: সে মালিকের কাছে তার নিজ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করার অনুমতি চাইবে। যদি মালিক তাকে নিজ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করার অনুমতি প্রদান করে, তবে তার জন্য আপনি যা উল্লেখ করেছেন তা করা জায়েজ হবে। আমি বললাম: মালিক যদি তাকে বলে, 'তুমি তোমার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করো', তবে কি প্রতিনিধির জন্য অন্য কাউকে ক্রয়ের প্রতিনিধি নিযুক্ত করা এবং তার হাতে অর্থ সোপর্দ করা জায়েজ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, কোনো প্রতিনিধিকে যখন বিক্রয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং সে যদি ভয় পায় যে ত্রুটির কারণে পণ্যটি তার কাছে ফেরত আসবে, তবে সে কী করবে যাতে পণ্যটি ত্রুটির কারণে তার নিকট ফেরত না আসে? তিনি বললেন: বিক্রয় প্রক্রিয়াটি অন্য কেউ সম্পন্ন করবে এবং সে নিজে সেখানে উপস্থিত থাকবে, আর প্রতিনিধি ক্রেতার পক্ষ থেকে উদ্ভূত যেকোনো দায়ের জামিনদার হবে। আমি বললাম: যদি সে দায়ের জামিনদার হয়, তবে কি সে ত্রুটির বিষয়ে বিবাদী হবে না? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: যদি পণ্যটি ত্রুটির কারণে বিক্রেতার নিকট ফেরত দেওয়া হয়, তবে কি ক্রেতা মূল্যের জন্য দায়ের জামিনদারের কাছে ফিরে আসতে পারবে? তিনি বললেন: না।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী, যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে কোনো জিম্মি (অমুসলিম নাগরিক) অসি (উত্তরাধিকার নির্বাহক) নিযুক্ত করে এবং সে মদ রেখে যায়, তবে সেই মুসলিম ব্যক্তি সেই মদের ক্ষেত্রে কী করবে? অথচ সে ভয় পায় যে তা বিক্রি না করলে নষ্ট হয়ে যাবে। তিনি বললেন: মুসলিম অসি কোনো জিম্মি ব্যক্তিকে প্রতিনিধি নিযুক্ত করবেন যাতে সে অন্য জিম্মিদের নিকট তা বিক্রি করে দেয়। আমি বললাম: তিনি যদি তা করেন, তবে কি তা সেই অসি-এর জন্য জায়েজ হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আমি বললাম: যদি মদটি কোনো খ্রিস্টান ব্যক্তির হয় এবং এমতাবস্থায় সে ইসলাম গ্রহণ করে যে মদটি তার কাছেই রয়েছে, তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: সে তা সিরকায় রূপান্তরিত করবে। তার জন্য এটি বিক্রি করা বা কাউকে দান করা জায়েজ হবে না। আমাদের নিকট ইব্রাহিম (নাখয়ি) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: না।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
تهدين إلى اليهودي الميتة، وبلغنا عن عائشة أنها سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن أكل شيء فنهى عنه فذهبت لتصدق به، فقال يا عائشة لا تطعميهم ما لا تأكلين.
قلت: فإذا أراد الذمي أن يسلم وعنده خمر كثيرة فباعها من رجل من أهل الذمة ثم أسلم أيجوز له ما يصنع من ذلك؟ فقال نعم، قلت وكذلك عصير يخاف أن يصير خمراً بعد إسلامه فباعها من رجل من أهل الذمة ثم أسلم؟ قال نعم، لا بأس بذلك، إنما فر من الإثم وأحرز دينه.
باب الصلحقلت: أرأيت رجلاً له على رجل ألف درهم فصالحه منها على مائة درهم يؤديها إليه في هلال شهر كذا من سنة كذا فإن هو لم يفعل فعليه مائتا درهم؟ قال ذلك جائز عندنا وهو جائز في قول أبي يوسف، قلت فهل يبطل هذا الصلح غيركم؟ قال نعم، قلت فكيف الحيلة في ذلك حتى يكون هذا في قولكم وفي قول غيركم ولا يفسدونه؟ قال يعجل رب المال حط ثماني مائة لأنه قد حطها على كل حال فإذا هو حط الثماني مائة صالح المطلوب من المائتين الباقيتين على مائة درهم يؤديها ما بينه وبين هلال شهر كذا وكذا من سنة كذا على أنه إن أخرها عن هذا الوقت فلا صلح بينهما، قلت فإذا فعل هذا فقد استوثق في قول كل أحد؟ قال نعم ليس يبطل هذا الصلح والشرط أحد.
قلت أرأيت رجلاً أراد أن يكاتب عبداً له على ألف درهم على أن يؤديها إليه في سنة فإن لم يفعل فعليه ألف أخرى فكاتبه على هذه الصفة هل يجوز ذلك؟ قال لا، قلت فكيف يستوثق حتى يكون ذلك جائزاً؟ قال يكاتب عبده على ألفي درهم ويكتب بذلك كتاباً ثم إنه بعد ذلك يصالح عبده مما كاتب عليه على ألف يؤديها إليه في سنة فإن لم يفعل فلا صلح بينهما، قلت فإذا فعل هذا فقد استوثق السيد من العبد واستوثق المكاتب من السيد؟ قال نعم،
আপনি কি ইহুদিকে মৃত প্রাণীর গোশত উপহার দেন? আমাদের নিকট আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোনো কিছু খাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি তা থেকে তাকে নিষেধ করেন। অতঃপর তিনি তা সদকা করতে চাইলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আয়েশা! যা তুমি নিজে খাও না, তা তাদেরও আহার করিও না।
আমি বললাম: যদি কোনো জিম্মি ইসলাম গ্রহণ করতে চায় এবং তার নিকট প্রচুর মদ থাকে, অতঃপর সে তা কোনো জিম্মি ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করে দেয় এবং এরপর ইসলাম গ্রহণ করে, তবে সে যা করেছে তা কি তার জন্য জায়েজ হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম: অনুরূপভাবে আঙ্গুরের রস যা ইসলাম গ্রহণের পর মদ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, সে তা কোনো জিম্মি ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করে দিল এবং এরপর ইসলাম গ্রহণ করল? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এতে কোনো অসুবিধা নেই। সে তো কেবল গোনাহ থেকে পলায়ন করেছে এবং নিজের দ্বীনকে রক্ষা করেছে।
সন্ধি বা মীমাংসা অধ্যায়আমি বললাম: আপনার অভিমত কী—যদি কোনো ব্যক্তির অন্য ব্যক্তির নিকট এক হাজার দিরহাম পাওনা থাকে, অতঃপর সে তার সাথে একশত দিরহামের বিনিময়ে এই শর্তে সন্ধি করল যে, সে তা অমুক বছরের অমুক মাসের শুরুতে তাকে পরিশোধ করবে; আর যদি সে তা না করে তবে তার ওপর দুইশত দিরহাম আবশ্যক হবে? তিনি বললেন, এটি আমাদের নিকট জায়েজ এবং আবু ইউসুফের অভিমত অনুযায়ীও জায়েজ। আমি বললাম: আপনাদের ছাড়া অন্য কেউ কি এই সন্ধিকে বাতিল বলে গণ্য করেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম: তবে এর কৌশল কী হতে পারে যাতে এটি আপনাদের এবং অন্যদের অভিমত অনুযায়ীও সঠিক হয় এবং তারা একে ফাসিদ না করেন? তিনি বললেন, সম্পদের মালিক আটশত দিরহাম মওকুফ করার বিষয়টি অগ্রিম করে দেবে, কেননা সে তো সর্বাবস্থায় তা মওকুফ করেছে। যখন সে আটশত দিরহাম মওকুফ করে দিল, তখন সে বাকি দুইশত দিরহাম থেকে একশত দিরহামের ওপর দেনাদারের সাথে সন্ধি করবে যে, সে তা অমুক বছরের অমুক মাসের শুরুর সময়ের মধ্যে পরিশোধ করবে। তবে শর্ত এই যে, যদি সে এই সময়ের চেয়ে বিলম্ব করে তবে তাদের মধ্যে কোনো সন্ধি থাকবে না। আমি বললাম: যদি সে এটি করে তবে কি প্রত্যেকের মতেই বিষয়টি সুদৃঢ় হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এই সন্ধি এবং শর্ত কেউ বাতিল করবে না।
আমি বললাম: আপনার অভিমত কী—যদি কোনো ব্যক্তি তার দাসের সাথে এক হাজার দিরহামের বিনিময়ে এই শর্তে মুকাতাবাত চুক্তি করতে চায় যে, সে তা এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করবে; আর যদি সে তা না করে তবে তার ওপর আরও এক হাজার দিরহাম আবশ্যক হবে। এই বৈশিষ্ট্যের ওপর তার সাথে মুকাতাবাত করা কি জায়েজ হবে? তিনি বললেন, না। আমি বললাম: তবে কীভাবে সুদৃঢ় করা যাবে যাতে তা জায়েজ হয়? তিনি বললেন, সে তার দাসের সাথে দুই হাজার দিরহামের বিনিময়ে মুকাতাবাত করবে এবং এ বিষয়ে একটি দলিল লিখবে। অতঃপর সে তার দাসের সাথে চুক্তিকৃত অর্থের মধ্য হতে এক হাজার দিরহামের ওপর এই শর্তে সন্ধি করবে যে, সে তা এক বছরের মধ্যে তাকে প্রদান করবে। আর যদি সে তা না করে তবে তাদের মধ্যে কোনো সন্ধি থাকবে না। আমি বললাম: যখন সে এটি করবে তখন কি মালিক দাসের নিকট থেকে এবং মুকাতাব দাস মালিকের নিকট থেকে নিশ্চয়তা লাভ করবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
قلت أرأيت إن كان السيد قد كاتب عبده على ألفي درهم إلى سنة فأراد العبد أن يصالح سيده على النصف يعجله له أيجوز ذلك؟ قال نعم ذلك جائز عندنا ولست آمن أن يبطل ذلك غيرنا، قلت فهل في ذلك حيلة حتى يجوز في قولكم وقول غيركم؟ قال نعم، يأخذ السيد من المكاتب بجميع ما له عليه ثلاثين ديناراً، أو يأخذ به منه عروضاً من البر أو غير ذلك ويغلى في ثمنه، قلت فإذا فعل ذلك جاز في قولكم وقول غيركم؟ قال نعم.
قلت أرأيت رجلاً اشترى من رجل داراً بألف درهم فجاء الشفيع يطلب الدار بالشفعة فصالحه المشتري على أن أعطاه نصف الدار بنصف الثمن فهل يجوز ذلك؟ قال نعم، قلت فإن صالحه على بيت من الدار بعينه بحصته من الثمن قال لا يجوز ذلك لأنه صالحه على شيء مجهول لأن حصة البيت من الثمن لا تعرف إلا بالظن والحرز، قلت أرأيت إن أرادا أن يستوثقا جميعاً ويسلم البيت للشفيع ويسلم ما بقي من الدار للمشتري كيف التوثق في ذلك؟ قال يشتري الشفيع هذا البيت من المشتري بثمن مسمى ثم يسلم الشفيع للمشتري ما بقي من الدار، قلت أرأيت إن اشترى منه هذا البيت أليس ذلك منه تسليماً لجميع الدار؟ قال بلى، نعم ومساومته إياه تسليم منه للشفعة، قلت فكيف الحيلة حتى يأخذ منه البيت بهذا الثمن المسمى من غير أن يكون مسلماً للشفعة حتى يجب؟ قال يبدأ المشتري فيقول للشفيع يا فلان هذا البيت لك بكذا وكذا درهماً، فيقول الشفيع قد رضيت واستوجبت، قلت فإذا فعل ذلك فقد وجب له البيع وسلمت شفعته لبقية الدار للمشتري؟ قال نعم.
قلت: أرأيت رجلاً ادعى على رجل دعوى من قبل ميراث أو غير ذلك فصالحه المدعى عليه من دعواه على دراهم ولم يقر الذي في يده الدار بما ادعى المدعي؟ قال ذلك جائز في قول أبي حنيفة وأبي يوسف، وقد كان بعض الفقهاء يبطل كل صلح ليس فيه إقرار بدعوى المدعي، قلت فكيف يستوثق الذي في يده الدار حتى يبرأ من دعوى هذا المدعي ولا يقر له بشيء
আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন যদি একজন মালিক তার দাসের সাথে এক বছরের জন্য দুই হাজার দিরহামের বিনিময়ে মুক্তিচুক্তি (মুকাতাবাত) করে, আর দাসটি তার মালিকের সাথে এর অর্ধেক পরিমাণ দ্রুত পরিশোধের শর্তে আপস করতে চায়, তবে কি তা জায়েজ হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এটি আমাদের মতে জায়েজ। তবে আমি নিশ্চিত নই যে অন্যরা এটিকে বাতিল বলবে কি না। আমি বললাম, তবে এর কি কোনো কৌশল আছে যাতে এটি আপনাদের মতে এবং অন্যদের মতেও জায়েজ হয়? তিনি বললেন, হ্যাঁ। মালিক সেই মুকাতাব দাসের কাছে পাওনা সবকিছুর বিপরীতে তার কাছ থেকে ত্রিশ দিনার গ্রহণ করবে, অথবা এর বদলে তার কাছ থেকে পণ্য হিসেবে গম বা অন্য কিছু গ্রহণ করবে এবং সেটির দাম বাড়িয়ে ধরবে। আমি বললাম, যদি সে এমনটি করে তবে কি তা আপনাদের ও অন্যদের মতেও জায়েজ হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন যদি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে এক হাজার দিরহামে একটি বাড়ি ক্রয় করে এবং এরপর শাফি (অগ্রক্রয়াধিকারপ্রার্থী) এসে শাফআ-এর ভিত্তিতে বাড়িটি দাবি করে, তখন ক্রেতা তার সাথে এই মর্মে আপস করে যে সে তাকে অর্ধেক মূল্যের বিনিময়ে বাড়ির অর্ধেক অংশ দিয়ে দেবে, তবে কি তা জায়েজ হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, যদি সে বাড়ির নির্দিষ্ট একটি কক্ষের বিনিময়ে তার আনুপাতিক মূল্যের ওপর আপস করে? তিনি বললেন, তা জায়েজ হবে না। কারণ সে একটি অজ্ঞাত বিষয়ের ওপর আপস করেছে; কেননা মূল্যের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কক্ষের অংশ অনুমান ও ধারণা ছাড়া জানা সম্ভব নয়। আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন যদি তারা দুজনেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে চায় এবং কক্ষটি শাফির জন্য ছেড়ে দিতে চায় এবং বাড়ির বাকি অংশ ক্রেতার জন্য ছেড়ে দিতে চায়, তবে সে ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা পাওয়ার উপায় কী? তিনি বললেন, শাফি ক্রেতার কাছ থেকে এই নির্দিষ্ট কক্ষটি একটি নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রয় করবে, এরপর শাফি ক্রেতার অনুকূলে বাড়ির অবশিষ্ট অংশের অধিকার ছেড়ে দেবে। আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন যদি সে তার কাছ থেকে এই কক্ষটি ক্রয় করে, তবে কি তার এই কাজ পুরো বাড়ির ওপর অধিকার ছেড়ে দেওয়া (তাসলীম) হিসেবে গণ্য হবে না? তিনি বললেন, অবশ্যই হবে। হ্যাঁ, তার সাথে দরাদরি করাই হচ্ছে শাফআ-এর অধিকার ছেড়ে দেওয়া। আমি বললাম, তবে কৌশল কী হতে পারে যাতে সে নির্ধারিত মূল্যে কক্ষটি গ্রহণ করতে পারে এবং শাফআ-এর অধিকার ছেড়ে দেওয়াও সাব্যস্ত না হয় যতক্ষণ না তা আবশ্যক হয়? তিনি বললেন, ক্রেতা শুরু করবে এবং শাফিকে বলবে, হে অমুক, এই কক্ষটি আপনার জন্য এত এত দিরহামে। তখন শাফি বলবে, আমি সন্তুষ্ট হলাম এবং তা গ্রহণ করলাম। আমি বললাম, সে যদি তা করে তবে কি বিক্রয়টি আবশ্যক হয়ে যাবে এবং বাড়ির অবশিষ্ট অংশের ওপর তার শাফআ-এর অধিকার ক্রেতার অনুকূলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
আমি বললাম: আপনি কি মনে করেন যদি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্তরাধিকার বা অন্য কোনো বিষয়ে কোনো দাবি করে, আর বিবাদী সেই দাবির বিপরীতে কিছু দিরহামের বিনিময়ে তার সাথে আপস করে, অথচ যার দখলে বাড়িটি আছে সে বাদীর দাবির বিষয়ে কোনো স্বীকৃতি দেয়নি? তিনি বললেন, এটি ইমাম আবু হানিফা এবং ইমাম আবু ইউসুফের মতে জায়েজ। তবে কিছু ফকিহ এমন প্রতিটি আপসকে বাতিল বলতেন যাতে বাদীর দাবির কোনো স্বীকৃতি নেই। আমি বললাম, যার দখলে বাড়িটি আছে সে কীভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারে যাতে সে এই বাদীর দাবি থেকে দায়মুক্ত হতে পারে অথচ কোনো কিছু স্বীকারও করতে হবে না?
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
من دعواه لأنه يخاف أن يقر بشيء فيجيء شريك هذا المدعي فيأخذ الذي في يده الدار بإقراره أو يخاف الذي في يده الدار أن يكون المدعي قد باع نصيبه من هذه الدار من رجل وأشهد على نفسه بذلك ثم يصالحه بعد ذلك وبعدما يقر له بحقه وبدعواه فيجيء المشتري فيأخذ الذي في يده الدار حتى يسلم ما أقر به من الدار لأنه قد اشتراه قبل الصلح؟ قال الثقة في ذلك أن يصالح عن الذي في يده الدار رجل أجنبي ويقر له الأجنبي بما ادعى من الدار ويكتب عليه بذلك كتاباً ويضمن المصالح ما أدرك الذي في يده الدار من درك فيها صالحه عليه، قلت أرأيت إن صالح هذا الأجنبي عن الذي في يده الدار المدعي من دعواه في هذه الدار وهو النصف من جميع الدار على مائة درهم بعد الإقرار من الأجنبي بدعوى المدعي ثم استحق بعد ذلك نصف الدار هل يرجع هذا الأجنبي الذي صالح عن الذي في يده الدار على المدعي بشيء؟ قال لا، قلت وكذلك لو استحق ثلث الدار أو ربعها لم يرجع الأجنبي المصالح على المدعي من المائة درهم بشيء؟ قال لا يرجع عليه بشيء، قلت فهل في هذا حيلة حتى لا يستحق من الدار شيء إلا رجع المصالح من المائة درهم بقدر ما استحق؟ قال نعم، يقر المدعي أن له نصف هذه الدار وأن لفلان الذي في يده الدار النصف الباقي ويصالحه على هذا الإقرار ويكتب هذا الإقرار في كتاب الصلح، قلت فإذا كتب هذا على ما وصفته ثم استحق من الدار نصفها أيرجع الأجنبي المصالح على المدعي بشيء؟ قال يرجع عليه بنصف المائة، قلت فإذا استحق ربع الدار رجع المصالح على المدعي بربع المائة قال نعم، قلت أرأيت الأجنبي لو أنه كان صالح المدعي من دعواه نصف هذه الدار على مائة درهم بعد إقرار الأجنبي بدعوى المدعي ولم يقر المدعي في الكتاب أن للذي في يده الدار النصف الباقي فاستحق بعد ذلك ثلاثة أخماس الدار هل يرجع المصالح على المدعي بشيء من المائة؟ قال نعم يرجع عليه بخمس المائة، قلت فإن استُحق الثلثان؟ قال يرجع عليه بثلث
তার দাবি থেকে, কারণ সে ভয় পায় যে সে কোনো কিছুর স্বীকৃতি দিয়ে দিলে এই দাবিদারের কোনো অংশীদার এসে উপস্থিত হতে পারে এবং তার স্বীকৃতির কারণে যার হাতে ঘরটি আছে তার কাছ থেকে তা নিয়ে নিতে পারে। অথবা যার হাতে ঘরটি আছে সে ভয় পায় যে, হতে পারে দাবিদার এই ঘরে তার অংশটি অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছে এবং সে বিষয়ে নিজেকে সাক্ষী রেখেছে, এরপর সে তার (দখলদারের) সাথে আপস করছে; আর দাবিদারের অধিকার ও দাবির স্বীকৃতির পর সেই ক্রেতা এসে পড়বে এবং যার হাতে ঘরটি আছে তার কাছ থেকে তা নিয়ে নেবে, যাতে সে ঘরের যতটুকু বিষয়ের স্বীকৃতি দিয়েছে তা উদ্ধার করে নেয়, কারণ সে তা আপসের আগেই ক্রয় করেছে। নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি এ বিষয়ে বলেছেন যে, যার হাতে ঘরটি আছে তার পক্ষ থেকে একজন অজনবী (তৃতীয় পক্ষ) ব্যক্তি আপস করবে এবং সেই অজনবী ব্যক্তি দাবিদারের দাবিকৃত ঘরের অংশের স্বীকৃতি দেবে এবং এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে একটি দলিল লিখবে। আর আপসকারী ব্যক্তি সেই দায়ভার গ্রহণ করবে যা সেই ঘর থেকে দখলদারের ওপর বর্তাবে যে বিষয়ে সে আপস করেছে। আমি বললাম, আপনার কী অভিমত যদি এই অজনবী ব্যক্তিটি দখলদারের পক্ষ থেকে দাবিদারের সাথে এই ঘরে তার দাবির বিষয়ে—যা পুরো ঘরের অর্ধেক—একশ দিরহামের বিনিময়ে আপস করে, অজনবী ব্যক্তি কর্তৃক দাবিদারের দাবির স্বীকৃতির পর, এরপর যদি ঘরের অর্ধেক অংশ অন্যের পাওনা হিসেবে সাব্যস্ত হয়, তবে কি এই অজনবী ব্যক্তি যে দখলদারের পক্ষ থেকে আপস করেছে, দাবিদারের কাছ থেকে কিছু ফেরত পাবে? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, একইভাবে যদি ঘরের এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ অন্যের পাওনা হিসেবে সাব্যস্ত হয়, তবে কি আপসকারী অজনবী ব্যক্তি দাবিদারের কাছ থেকে একশ দিরহামের কোনো অংশ ফেরত পাবে না? তিনি বললেন, সে তার কাছ থেকে কিছুই ফেরত পাবে না। আমি বললাম, তবে এ ক্ষেত্রে কি এমন কোনো কৌশল আছে যাতে ঘরের যতটুকু অংশ অন্যের পাওনা হিসেবে সাব্যস্ত হবে, আপসকারী সেই অনুপাতে একশ দিরহাম থেকে ফেরত পাবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ; দাবিদার স্বীকৃতি দেবে যে এই ঘরের অর্ধেক তার এবং বাকি অর্ধেক সেই ব্যক্তির যার হাতে ঘরটি রয়েছে। সে এই স্বীকৃতির ভিত্তিতে তার সাথে আপস করবে এবং এই স্বীকৃতিটি আপসনামায় লিপিবদ্ধ করবে। আমি বললাম, যখন আমি যেভাবে বর্ণনা করেছি সেভাবে এটি লেখা হবে, এরপর যদি ঘরের অর্ধেক অন্যের পাওনা হিসেবে সাব্যস্ত হয়, তবে কি আপসকারী অজনবী ব্যক্তি দাবিদারের কাছ থেকে কিছু ফেরত পাবে? তিনি বললেন, সে তার কাছ থেকে একশ দিরহামের অর্ধেক ফেরত পাবে। আমি বললাম, যদি ঘরের এক-চতুর্থাংশ অন্যের পাওনা সাব্যস্ত হয়, তবে আপসকারী কি দাবিদারের কাছ থেকে একশ দিরহামের এক-চতুর্থাংশ ফেরত পাবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, আপনার কী অভিমত যদি অজনবী ব্যক্তিটি দাবিদারের সাথে এই ঘরের অর্ধেক দাবির বিষয়ে একশ দিরহামের বিনিময়ে আপস করে থাকে অজনবী কর্তৃক দাবিদারের দাবির স্বীকৃতির পর, কিন্তু দাবিদার দলিলে এই স্বীকৃতি দেয়নি যে বাকি অর্ধেক ঘর দখলদারের, অতঃপর ঘরের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ অন্যের পাওনা সাব্যস্ত হয়, তবে কি আপসকারী একশ দিরহামের কোনো অংশ দাবিদারের কাছ থেকে ফেরত পাবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে তার কাছ থেকে একশ দিরহামের পাঁচ ভাগের এক ভাগ ফেরত পাবে। আমি বললাম, যদি দুই-তৃতীয়াংশ অন্যের পাওনা সাব্যস্ত হয়? তিনি বললেন, তবে সে তার কাছ থেকে এক-তৃতীয়াংশ ফেরত পাবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাখারিজ ফিল হিয়াল - মিনাল আসল লি-মুহাম্মাদ বিন হাসান - ত থাকাফাতুদ দীনিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
المائة التي أخذها المدعي، قلت فإن استحق النصف أو أقل من النصف ولم يقر المدعي أن للذي في يده الدار من الدار شيئاً حيث صالحه الآخر لم يرجع الأجنبي المصالح على المدعي بشيء قال لا يرجع حتى يكون ما استحق من الدار أكثر من النصف، قلت أرأيت إن كانت هذه الدار في يد رجل فمات وتركها في يد ابنه وامرأته فادعى رجل هذه الدار أنها له فصالح ابن الميت وامرأته هذا المدعي على غير إقرار منهما على مائة درهم ودفعاها إليه كيف يكون المائة ما يلزم الابن منها وما يلزم المرأة؟ قال يلزم المرأة الثمن من هذه المائة درهم إذا كان الصلح من غير إقرار منهما ويكون الدار بين الابن والمرأة على ميراثهما من الميت، قلت أرأيت إن كانا صالحاه بعد إقرار منهما وأراد بالإقرار تصحيح الصلح فصالحاه على مائة درهم كم على المرأة وكم على الابن من هذه المائة درهم؟ قال المائة درهم في هذه الحال على المرأة وعلى الابن نصفان والدار بين المرأة والابن نصفان لأنهما حيث أقرا للمدعي بالدار في الصلح فصالحاه بعد الإقرار فكأنهما اشتريا الدار منه لأنفسهما، قلت كيف الحيلة حتى يكون الدار بين المرأة والابن على ميراثهما من الميت ويكون غرم المائة عليهما على قدر ذلك؟ قال يصالح على الابن والمرأة هذا المدعي رجل أجنبي على ما سميت من الدراهم بعد إقراره للمدعي بالدار على أن يسلم للمرأة ثمن جميع الدار وعلى أن يسلم للابن سبعة أثمان الدار، فإذا صالحه على ما سميت كان ذلك ثقة وكانت الدار بين المرأة والابن على مواريثهما من الميت.
قلت أرأيت رجلاً مات وترك دنانير ودراهم وعروضاً فأراد ورثة الزوج أن يصالحوا المرأة من ميراثها من زوجها على دراهم مسماة، وما ترك الميت من الدراهم لا يدري ما وزنها؟ قال لا يجوز الصلح، قلت وكذلك لو صالحوها على دنانير ولا يدري ما وزنها؟ قال نعم، قلت أرأيت إن صالحوها من جميع ما يصيبها من الذهب والفضة والعروض على دينار واحد ودرهم واحد أيجوز
সেই একশত দিরহাম যা বাদী গ্রহণ করেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি অর্ধেক বা অর্ধেকের কম অংশের মালিকানা অন্য কেউ সাব্যস্ত করে এবং বাদী যখন অপর ব্যক্তির সাথে আপস করল তখন সে স্বীকার করল না যে, যার দখলে ঘরটি রয়েছে সেই ঘরের কোনো অংশের মালিকানা তার আছে, তবে যে বহিরাগত ব্যক্তি আপস করল সে কি বাদীর কাছ থেকে কোনো কিছু ফেরত পাবে? তিনি বললেন, না, সে কোনো কিছু ফেরত পাবে না যতক্ষণ না ঘরের দাবিকৃত অংশ অর্ধেকের বেশি হয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনার রায় কী যদি এই ঘরটি এক ব্যক্তির দখলে থাকে এবং সে মারা যাওয়ার পর তা তার ছেলে ও স্ত্রীর দখলে থাকে, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি দাবি করল যে এই ঘরটি তার। তখন মৃত ব্যক্তির ছেলে ও স্ত্রী তাদের পক্ষ থেকে কোনো স্বীকৃতি প্রদান ছাড়াই বাদীর সাথে একশত দিরহামের বিনিময়ে আপস করল এবং তা তাকে পরিশোধ করল। তবে এই একশত দিরহামের দায়ভার কীভাবে বণ্টিত হবে—ছেলের ওপর কতটুকু এবং স্ত্রীর ওপর কতটুকু বর্তাবে? তিনি বললেন, যদি তাদের পক্ষ থেকে কোনো স্বীকৃতি ছাড়া এই আপস সম্পন্ন হয়, তবে স্ত্রীকে এই একশত দিরহামের আট ভাগের এক ভাগ বহন করতে হবে। আর ঘরটি মৃত ব্যক্তির মিরাস অনুযায়ী ছেলে ও স্ত্রীর মধ্যে বণ্টিত থাকবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনার রায় কী যদি তারা স্বীকৃতি প্রদানের পর তার সাথে আপস করে এবং স্বীকৃতির মাধ্যমে আপসকে বৈধ করতে চায়, এমতাবস্থায় তারা যদি একশত দিরহামের বিনিময়ে আপস করে, তবে এই একশত দিরহামের মধ্যে স্ত্রীর ওপর কতটুকু এবং ছেলের ওপর কতটুকু দায় থাকবে? তিনি বললেন, এই অবস্থায় একশত দিরহাম স্ত্রী ও ছেলের মধ্যে সমান দুই ভাগে বিভক্ত হবে এবং ঘরটিও তাদের দুজনের মধ্যে অর্ধেক অর্ধেক করে বণ্টিত হবে। কারণ, যেহেতু তারা আপসের সময় বাদীর অনুকূলে ঘরের মালিকানার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং স্বীকৃতির পর আপস করেছে, তাই বিষয়টি এমন দাঁড়াল যে তারা যেন নিজেদের জন্য তার কাছ থেকে ঘরটি ক্রয় করেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এর কৌশল কী হতে পারে যাতে ঘরটি মৃত ব্যক্তির মিরাস অনুযায়ীই স্ত্রী ও ছেলের মধ্যে বহাল থাকে এবং একশত দিরহামের দায়ভারও সেই অনুপাতে তাদের ওপর ন্যস্ত হয়? তিনি বললেন, কোনো এক বহিরাগত ব্যক্তি ছেলে ও স্ত্রীর পক্ষ থেকে উক্ত পরিমাণ দিরহামের বিনিময়ে বাদীর সাথে এই শর্তে আপস করবে—বাদীর অনুকূলে ঘরের মালিকানা স্বীকার করার পর—যেন সে স্ত্রীর কাছে পুরো ঘরের আট ভাগের এক ভাগ এবং ছেলের কাছে ঘরের আট ভাগের সাত ভাগ সোপর্দ করে। যখন সে নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে আপস করবে, তখন তা নির্ভরযোগ্য হবে এবং ঘরটি মৃত ব্যক্তির মিরাস অনুযায়ীই স্ত্রী ও ছেলের মধ্যে বণ্টিত থাকবে।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনার রায় কী যদি কোনো ব্যক্তি মারা যায় এবং সে দিনার, দিরহাম ও আসবাবপত্র রেখে যায়, এমতাবস্থায় স্বামীর উত্তরাধিকারীরা স্ত্রীর সাথে তার প্রাপ্য মিরাসের বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ দিরহামের মাধ্যমে আপস করতে চায়, অথচ মৃত ব্যক্তি যে পরিমাণ দিরহাম রেখে গেছে তার ওজন জানা নেই? তিনি বললেন, এই আপস জায়েজ হবে না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, একইভাবে যদি তারা দিনারের বিনিময়ে আপস করে এবং তার ওজন জানা না থাকে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনার রায় কী যদি তারা স্বর্ণ, রৌপ্য ও আসবাবপত্রের মধ্য থেকে তার প্রাপ্য সকল অংশের বিনিময়ে একটি দিনার ও একটি দিরহামের মাধ্যমে আপস করে, তবে কি তা জায়েজ হবে?