(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: -)
أبنية الأسماء والأفعال والمصادر   (ابن القطاع الصقلي)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: أبنية الأسماء والأفعال والمصادر

المؤلف: ابن القَطَّاع الصقلي (ت 515 هـ)

تحقيق ودراسة: أحمد محمد عبد الدايم

(أستاذ النحو والصرف والعروض، كلية دار العلوم - جامعة القاهرة)

أصل التحقيق: أطروحة دكتوراة بكلية دار العلوم - جامعة القاهرة، 1980 م

الناشر: دار الكتب والوثائق القومية - القاهرة

عام النشر: 1999 م

أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 383

تاريخ النشر بالشاملة: 24 جُمادَى الآخرة 1438

বিশেষ্য, ক্রিয়া এবং ক্রিয়ামূলের গঠনসমূহ   (ইবনুল কাত্তাউ আস-সিকিল্লি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


বই: বিশেষ্য, ক্রিয়া এবং ক্রিয়ামূলের গঠনসমূহ

লেখক: ইবনুল কাত্তাউ আস-সিকিল্লি (মৃত্যু ৫১৫ হি.)

সম্পাদনা ও গবেষণা: আহমদ মুহাম্মদ আব্দুল দায়িম

(নাহু, সরফ ও ছন্দশাস্ত্রের অধ্যাপক, কুল্লিয়াতু দারিল উলুম - কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়)

সম্পাদনার উৎস: কুল্লিয়াতু দারিল উলুম - কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত পিএইচডি অভিসন্দর্ভ, ১৯৮০ খ্রি.

প্রকাশক: দারুল কুতুব ওয়াল ওয়াসাইকুল কওমিয়্যাহ - কায়রো

প্রকাশকাল: ১৯৯৯ খ্রি.

শামেলার জন্য প্রস্তুতকরণ: রাবিতাতুন নুসসাখ টিম, সৌজন্যে (মারকাযুন নুখাবিল ইলমিয়্যাহ)

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮৩

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৪ জমাদিউল আখিরাত ১৪৩৮

(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৮৯)
بسم الله الرحمن الرحيم وبه نستعين:

قال الإمام العلامة، أبو القاسم، على بن جعفر بن على السعدى، رحمه الله: الحمد لله على ما أولانا من نعمه ومنحنا من قسمه، وهدانا بعد الضلالة، وعلمنا بعد الجهالة، وصلواته على نبى الرحمة، وأفضل الأمة سيد المرسلين، محمد خاتم النبيين وعلى آله الطيبين وأصحابه المنتخبين، صلاة دائمة بلا نفاذ، باقية بعد المعاد.

أما بعد .. فإنني رأيت العلماء قد صنفوا في أبنية الأسماء والأفعال، وأكثروا فيها من المقال، وما منهم من استوعبها، ولا أتى على جملتها، واضطربوا في أبنيتها وخلطوا في رتبتها، على أن سيبويه أول من ذكرها، وأوفى من سطرها، فجميع ما ذكر منها في كتابه، ثلثمائة مثال وثمانية أمثلة، وعنده أنه ذكر جملتها، وكذلك أبو بكر بن السراج، ذكر منها ما ذكره سيبويه، وزاد عليه اثنين وعشرين مثالا، وزاد أبو عمر الجرمي عليه أمثلة يسيرة، ثم زاد ابن خالويه أيضا أمثلة يسيرة، وما منهم إلا ترك أضعاف ما ذكر، وكذلك فعلوا في مصادر الثلاثي، لم يذكر أحد منها أكثر من ستة وثلاثين مصدرا، وذكرت منها مائة مصدر. قال سيبويه: جميع ما ذكرت العرب للثلاثي الصحيح عشرة أمثلة، وللرباعي خمسة أمثلة، وللخماسي أربعة أمثلة وللمزيد من الثلاثي مائتا مثال وثمانية وعشرون مثالا. وللمزيدة من الخماسي أمثلة فلما رأيت ذلك أردت أن أستوعبها، وآتي على جملتها،
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে এবং তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি:

ইমাম আল্লামা আবু আল-কাসিম আলী বিন জাফর বিন আলী আস-সাদী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের ওপর তাঁর নেয়ামতসমূহ অর্পণ করেছেন এবং তাঁর পক্ষ হতে নির্ধারিত অংশ আমাদের দান করেছেন। পথভ্রষ্টতার পর তিনি আমাদের হেদায়েত করেছেন এবং অজ্ঞতার পর আমাদের জ্ঞান দান করেছেন। তাঁর সালাত বর্ষিত হোক রহমতের নবীর ওপর, উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, রাসুলদের সরদার, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)—যিনি শেষ নবী—তাঁর ওপর এবং তাঁর পবিত্র পরিবার ও মনোনীত সাহাবীগণের ওপর; এমন সালাত যা চিরস্থায়ী এবং পুনরুত্থান দিবসের পরেও অবশিষ্ট থাকবে।

অত:পর... আমি লক্ষ্য করেছি যে, আলেমগণ বিশেষ্য ও ক্রিয়ার শব্দকাঠামো (أبنية) বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং এ বিষয়ে প্রচুর আলোচনা করেছেন। কিন্তু তাঁদের কেউই বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে আয়ত্ত করতে পারেননি এবং এর সামগ্রিক রূপটি উপস্থাপন করতে পারেননি। তাঁরা এর শব্দকাঠামোর (أبنية) ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং এদের ক্রমবিন্যাসে বিশৃঙ্খলা করেছেন। যদিও সিবওয়াইহি সর্বপ্রথম এগুলো উল্লেখ করেছেন এবং সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে তা লিপিবদ্ধ করেছেন। তাঁর কিতাবে উল্লেখিত এসকল উদাহরণের মোট সংখ্যা তিনশত আটটি, এবং তাঁর ধারণা অনুযায়ী তিনি এর সামগ্রিক রূপটিই উল্লেখ করেছেন। একইভাবে আবু বকর ইবনুল সাররাজও সিবওয়াইহি যা উল্লেখ করেছেন তা উল্লেখ করেছেন এবং এর ওপর আরও বাইশটি উদাহরণ বৃদ্ধি করেছেন। আবু আমর আল-জারমি এর ওপর সামান্য কিছু উদাহরণ যোগ করেছেন, অতঃপর ইবনে খালওয়াইহি-ও সামান্য কিছু উদাহরণ যোগ করেছেন। কিন্তু তাঁরা প্রত্যেকেই যা উল্লেখ করেছেন তার বহুগুণ বেশি পরিহার করেছেন। একইভাবে তাঁরা তিন অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের মূল ধাতু বা মাসদারের (مصادر الثلاثي) ক্ষেত্রেও করেছেন; তাঁদের কেউই ছত্রিশটির বেশি মাসদার (مصدر) উল্লেখ করেননি, অথচ আমি এর মধ্য থেকে একশতটি মাসদার (مصدر) উল্লেখ করেছি। সিবওয়াইহি বলেছেন: আরবগণ সহিহ (صحيح) তিন অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের (الثلاثي) জন্য মোট দশটি উদাহরণ, চার অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের (الرباعي) জন্য পাঁচটি উদাহরণ, পাঁচ অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের (الخماسي) জন্য চারটি উদাহরণ এবং অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত তিন অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের (المزيد من الثلاثي) জন্য দুইশত আটাশটি উদাহরণ উল্লেখ করেছেন। আর অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত পাঁচ অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের (المزيدة من الخماسي) জন্যও কিছু উদাহরণ রয়েছে। যখন আমি এটি লক্ষ্য করলাম, তখন আমি এগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে আয়ত্ত করার এবং এর সামগ্রিক রূপটি উপস্থাপনের ইচ্ছা পোষণ করলাম।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯০)
حسب الطاقة والاجتهاد، فعولت في ذلك على ما ذكرته العلماء في كتبها، وفرقته في تواليفها، وسطرته في مصنفاتها، كأبي عمرو بن العلاء، ويونس بن حبيب، والخليل، وأبي زيد الأنصاري، وأبي عبيدة، وأبي محمد اليزيدي، والمفضل الضبي، والأصمعي، والكسائي، وأبي زياد الكلابي، وأبي عمرو الشيباني، وسيبويه، والأخفش، والنضر بن شميل، وخلف الأحمر، وابن الأعرابي، وأبي عمر الجرمي،
সামর্থ্য ও ইজতিহাদ অনুযায়ী, আমি এক্ষেত্রে আলেমগণ তাঁদের কিতাবসমূহে যা উল্লেখ করেছেন, তাঁদের সংকলনসমূহে যা ছড়িয়ে রেখেছেন এবং তাঁদের গ্রন্থাবলীতে যা লিপিবদ্ধ করেছেন তার ওপর নির্ভর করেছি; যেমন আবু আমর বিন আল-আলা, ইউনুস বিন হাবিব, আল-খলিল, আবু যায়েদ আল-আনসারি, আবু উবায়দাহ, আবু মুহাম্মদ আল-ইয়াযিদি, আল-মুফাদদাল আদ-দাব্বি, আল-আসমাঈ, আল-কিসাঈ, আবু যিয়াদ আল-কিলাবি, আবু আমর আশ-শায়বানি, সিবওয়াইহ, আল-আখফাশ, আন-নাদর বিন শুমাইল, খালাফ আল-আহমার, ইবনুল আরাবি এবং আবু উমর আল-জারমি,
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯১)
وأبي عبيد، والفراء، والليحاني، والمازني، (3/ 5) وأبى حاتم السجستاني، والرياشى، والأثرم، ومحمد بن حبيب، وقطرب، ويعقوب بن السكيت، وثعلب، والمبرد، وابن قتيبة، وأبي حنيفة الدينوري، وابن كيسان،
এবং আবু উবাইদ, আল-ফাররা, আল-লিহয়ানি, আল-মাজিনি, (৩/ ৫) এবং আবু হাতিম আল-সিজিস্তানি, আল-রিয়াশি, আল-আছরাম, মুহাম্মদ ইবনে হাবিব, কুতরুব, ইয়াকুব ইবনে আল-সিক্কিত, ছা’লাব, আল-মুবররাদ, ইবনে কুতাইবাহ, আবু হানিফা আল-দিনাওয়ারি এবং ইবনে কাইসান,
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯২)
وابن دريد، وأبي الحسن الهنائي، وأبي إسحق النجيرمي، والجوهرى، والأزهري، وابن فارس القزويني، وأبي الحسن المهلبي، والذي انتهى إليه وسعنا وبلغ إليه جهدنا بعد البحث والاجتهاد ألف مثال وخمسمائة مثال، للثنائى منها مائة مثال وسبعة وتسعون مثالا، وللثلاثي السالم سبعة عشر مثالا، وللمضاعف والمكرر منه أربعة وخمسون مثالا، وللمزيدة من الثلاثى ألف مثال (واثنان وعشرون) مثالا وللرباعة السالم خمسة عشر مثالا، وللمضاعف منه أربعة عشر مثالا، وللمزيدة من الرباعى مائة وستة وخمسون مثالا، وللخماسي السالم عشرة أمثلة، وللمزيدة من الخماسي خمسة عشر مثالا، واعلم أني توخيت (3/أ) الاختصار فيما ذكرت، ولم أكثر من الأمثلة فيما أوردت، ورجوت أن يكون هذا المختصر كافيا في بابه، شافيا لطلابه، وما أضمن الإحاطة، ولا أشرط أن لا يشذ عن كتابي هذا شيء، وكلام العرب واسع والشذوذ كثير. وحسبي أني أوردت في كتابي المستعمل من أقوال من ذكرت من القدماء، ومن بعدهم من العلماء. فمنهم القدوة الذين بهم تقتدي، والأئمة الذين بهم تهتدي، أسأل الله أن يوفقنا لكل صالحة، ويعيذنا من الخطل والزلل في القول والعمل، إنه قريب مجيب.

* * * * *
...এবং ইবনে দুরেদ, আবুল হাসান আল-হুনাঈ, আবু ইসহাক আল-নুজাইরিমি, আল-জাওহারি, আল-আজহারি, ইবনে ফারিস আল-কাযউইনি এবং আবুল হাসান আল-মুহাল্লাবি। অনুসন্ধান ও গবেষণার (الاجتهاد) পর আমাদের সাধ্য ও প্রচেষ্টা যতটুকু পৌঁছেছে, তাতে উদাহরণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার পাঁচশত। এর মধ্যে দ্বিমূলীয় (الثنائي) শব্দের উদাহরণ একশত সাতানব্বইটি, ত্রিমূলীয় সহীহ (الثلاثي السالم) শব্দের উদাহরণ সতেরোটি, দ্বিত্ব (المضاعف) ও পুনরাবৃত্ত (المكرر) শব্দের উদাহরণ চুয়ান্নটি, ত্রিমূলীয় অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত (المزيدة من الثلاثي) শব্দের উদাহরণ এক হাজার বাইশটি, চতুর্মূলীয় সহীহ (الرباعي السالم) শব্দের উদাহরণ পনেরোটি, দ্বিত্ব (المضاعف) শব্দের উদাহরণ চৌদ্দটি, চতুর্মূলীয় অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত (المزيدة من الرباعي) শব্দের উদাহরণ একশত ছাপান্নটি, পঞ্চমূলীয় সহীহ (الخماسي السالم) শব্দের উদাহরণ দশটি এবং পঞ্চমূলীয় অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত (المزيدة من الخماسي) শব্দের উদাহরণ পনেরোটি। জেনে রাখুন যে, আমি যা উল্লেখ করেছি তাতে (৩/আ) সংক্ষিপ্তকরণ (الاختصار) বজায় রাখার চেষ্টা করেছি এবং উপস্থাপিত উদাহরণগুলোতে বাহুল্য পরিহার করেছি। আমি আশা করি এই সংক্ষিপ্তসার (المختصر) তার স্বীয় বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত হবে এবং এর অন্বেষণকারীদের জন্য তৃপ্তিদায়ক হবে। আমি পূর্ণাঙ্গ ব্যাপ্তির নিশ্চয়তা দিচ্ছি না এবং এমন শর্তও আরোপ করছি না যে আমার এই কিতাব থেকে কোনো কিছুই বিচ্যুত বা বাদ পড়েনি; কারণ আরবদের ভাষা অত্যন্ত বিস্তৃত এবং সেখানে ব্যতিক্রম (الشذوذ) প্রচুর। আমার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, আমি আমার কিতাবে যাদের কথা উল্লেখ করেছি সেই প্রাচীন এবং উত্তরসূরি আলেমদের ব্যবহৃত বক্তব্যগুলো সংকলন করেছি। তাদের মধ্যে কেউ রয়েছেন আদর্শ (القدوة), যাদের অনুসরণ করা হয় এবং কেউ রয়েছেন ইমামগণ (الأئمة), যাদের মাধ্যমে সঠিক পথ প্রদর্শিত হয়। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সকল নেক কাজের তৌফিক দান করেন এবং আমাদের কথা ও কাজে ভুলভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে রক্ষা করেন। নিশ্চয়ই তিনি অতি নিকটবর্তী এবং দোয়া কবুলকারী।

* * * * *
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৩)
‌‌باب ذكر أقل أصول الأسماء وأكثر أصولها

اعلم أن الكلام كله ثلاثة أقسام: اسم وفعل وحرف جاء لمعنى، فالاسم ينقسم على قسمين، متمكن وغير متمكن، وأقل أصول الأسماء المتمكنة على ثلاثة أحرف، نحو صقر وحجر وجذع وبرد، وهذا البناء هو الأكثر في الكلام، ويجيء أيضا على (4/ 5) أربعة أحرف نحو جعفر، وزبرج، وبرتن، وهو أقل في الكلام من البناء الثلاثي، ويجئ على خمسة أحرف، نحو سفرجل، وجحمرش، وهى الأفعى العظيمة، وهو أقل من البناء الرباعي، ولا يجاوز الاسم هذا البناء إلا مزيدا، وأقصى ما ينتهي إليه الاسم الثنائي والثلاثي والرباعي بالزيادة سبعة أحرف، فمما جاء من الثنائي على سبعة أحرف، قولهم المطيطياء لمشية المتكبر والخصيصاء للخاصة. ومما جاء من الثلاثي على سبعة قولهم اشهيباب من الشهبة، واغديدان، وهو خضرة النبات وريه، وجاء منه على ثمانية، نحو قولهم كذبذيان، ويبلغ التسعة بها التأنيث، ومن الرباعي
বিশেষ্যের মূল অক্ষরের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সংখ্যার বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায়

জেনে রাখুন যে, বাক্য বা কালাম তিন প্রকার: বিশেষ্য, ক্রিয়া এবং নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত অব্যয়। বিশেষ্য দুই প্রকার: রূপান্তরশীল এবং অপরিবর্তনীয়। রূপান্তরশীল বিশেষ্যসমূহের মূল অক্ষরের সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো তিনটি, যেমন: সকর, হাজার, জিযউ এবং বারাদ। আর এই গঠনটিই ভাষার মধ্যে সর্বাধিক প্রচলিত। এটি চার অক্ষর বিশিষ্টও হয়ে থাকে (৪/ ৫), যেমন: জা'ফর, যিবারজ এবং বুরতুন। এটি ব্যবহারের দিক থেকে ত্রি-অক্ষর বিশিষ্ট গঠনের চেয়ে কম। এটি পাঁচ অক্ষর বিশিষ্টও হয়ে থাকে, যেমন: সাফারজাল এবং জাহমারিশ (যার অর্থ বিশাল সাপ)। এটি চতু-অক্ষর বিশিষ্ট গঠনের চেয়েও কম ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত হওয়া ব্যতীত বিশেষ্য এই গঠন কাঠামোকে অতিক্রম করে না। আর অতিরিক্ত অক্ষর যোগে দ্ব্যক্ষর, ত্রি-অক্ষর এবং চতু-অক্ষর বিশিষ্ট বিশেষ্যগুলো সর্বোচ্চ সাত অক্ষর পর্যন্ত হতে পারে। দ্ব্যক্ষর বিশিষ্ট বিশেষ্য থেকে সাত অক্ষরে পৌঁছানোর উদাহরণ হলো— অহংকারীর হাঁটার ভঙ্গি বোঝাতে তাদের উক্তি ‘আল-মুতাইতিয়া’ এবং বিশেষত্ব বা নির্দিষ্টতা বোঝাতে ‘আল-খাসিসা’। আর ত্রি-অক্ষর বিশিষ্ট থেকে সাত অক্ষরের উদাহরণ হলো— ধূসরতা থেকে তাদের উক্তি ‘ইশহীবাব’ এবং ‘ইগদীদান’, যার অর্থ উদ্ভিদের শ্যামলতা ও সজীবতা। এটি থেকে আট অক্ষরের শব্দও এসেছে, যেমন তাদের উক্তি ‘কাযিবাযিয়ান’। আর স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্নের মাধ্যমে তা নয় অক্ষর পর্যন্তও পৌঁছে থাকে। আর চতু-অক্ষর বিশিষ্ট থেকে...
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৪)
قولهم اعرنزام، يقال اعرنزم الشيء إذا اشتد وصلب، واحرنجام يقال: احرنجم النعم، إذا اجتمع في موضع واحد، ولا يبلغ السبعة إلا في هذين الموضعين، ونحوهما كالاستفعال والافعيلال وشبههما، ويبلغ الثمانية بهاء التأنيث، وأما الخماسي، فيبلغ الثمانية بهاء التأنيث، وأما الخماسي، فيبلغ بالزيادة إلى ستة أحرف نحو عظرفوط (كذا) (4/ب) لذكر العظاء، وخزعبيل للأحاديث المستطرفة، وربما بلغ إلى سبعة أحرف، وثمانية بهاء التأنيث، في نحو قولهم قرعبلانة، وهى دويبة عريضة، عظيمة البطن، وأصله قرعبل، زيدت فيه ثلاثة أحرف، وقد يجيء من الأسماء المتمكنة ما يكون على حرفين محذوفا من أصل بنائه، وليس هو بالكثير، نحو: يد ودم، فإذا لحقته هاء التأنيث كثر، لأنها تصير عوضا مما حف منه، وذلك نحو: ثبة وشفة ولثة. ولا يجيء اسم من الأسماء المتمكنة على حرف واحد أبدا. وأما الأسماء غير المتمكنة، فأقل أصولها أن يأتي الاسم منها على حرف واحد غير محذوف، ولا يكون إلا مكنيا متصلا، لأن المنفصل يلزمك ابتداء النطق به بالحركة، والسكوت عليه بالإسكان، ولا يكون هذا في حرف واحد، فلذلك لزم الاتصال وهو التاء في فعلت، والكاف في رأيتك، وقد جاء اسم واحد غير مكني على حرف واحد محذوفا، متصلا بما بعده، بالإضافة إلبه، لا نعلم غيره، لأنه ضارع ما يكون (5/أ) حرفا واحدا وهو قولك، ما لله لأفعلن، وزعموا أنه محذوف من أيم

তাদের বক্তব্য 'ই'রিনজাম' (اعرنزام) প্রসঙ্গে বলা হয়: কোনো বস্তু যখন অত্যন্ত কঠোর ও শক্ত হয় তখন 'ই'রিনজামা' (اعرنزم) বলা হয়। আর 'ইহ্‌রিনজাম' (احرنجام) সম্পর্কে বলা হয়: 'ইহ্‌রিনজামান না'আম' (احرنجم النعم) অর্থাৎ যখন পশুরা একস্থানে একত্রিত হয়। এই দুটি ক্ষেত্র এবং 'ইসতিফ'আল' (الاستفعال) ও 'ইফ'ঈলাল' (الافعيلال) এবং এ জাতীয় ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত কোনো শব্দ সাত অক্ষরে পৌঁছে না। আর স্ত্রীলিঙ্গবাচক হা (بهاء التأنيث) যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি আট অক্ষরে পৌঁছে। পক্ষান্তরে পঞ্চবর্ণের (الخماسي) শব্দসমূহ অতিরিক্ত বর্ণের (بالزيادة) মাধ্যমে ছয় অক্ষর পর্যন্ত পৌঁছে থাকে, যেমন: 'আজরাফুত' (عظرفوط) (এরূপই বর্ণিত) (৪/ব) যা পুরুষ গিরগিটি (العظاء) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়; এবং চিত্তাকর্ষক হাদিস সমূহের জন্য 'খুজআবীল' (خزعبيل) শব্দ ব্যবহৃত হয়। কখনও কখনও এটি সাত অক্ষরে পৌঁছে, আর স্ত্রীলিঙ্গবাচক হা (بهاء التأنيث) যুক্ত হলে আট অক্ষরে পৌঁছাতে পারে, যেমন তাদের বক্তব্য 'কার'আবুলানা' (قرعبلانة), এটি একটি প্রশস্ত ও বড় পেট বিশিষ্ট ক্ষুদ্র প্রাণি। এর মূল শব্দ হলো 'কার'আবুল' (قرعبل), যাতে তিনটি অতিরিক্ত বর্ণ (زيادة) যোগ করা হয়েছে। কখনও কখনও সুপ্রতিষ্ঠিত বিশেষ্য (الأسماء المتمكنة) তার মূল গঠন থেকে একটি বর্ণ বিলুপ্ত হয়ে দুই অক্ষরের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হতে পারে, তবে এমন শব্দের সংখ্যা খুব বেশি নয়। যেমন: ইয়াদ (يد) এবং দাম (دم)। যখন এতে স্ত্রীলিঙ্গবাচক হা (هاء التأنيث) যুক্ত হয়, তখন এর ব্যবহার বৃদ্ধি পায়; কারণ এটি বিলুপ্ত বর্ণের স্থলাভিষিক্ত হয়। যেমন: থুবাহ (ثبة), শাফাহ (شفة) এবং লুথাহ (لثة)। কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত বিশেষ্য (الأسماء المتمكنة) কখনোই এক অক্ষরের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয় না। তবে অপরিবর্তনশীল বিশেষ্য (الأسماء غير المتمكنة) সমূহের ক্ষেত্রে তাদের মূল রূপের ন্যূনতম অবস্থা হলো যে, কোনো বর্ণ বিলোপ ছাড়াই তা এক অক্ষরের হতে পারে। তবে এটি কেবল সংলগ্ন সর্বনাম (مكنيا متصلا) রূপেই হয়ে থাকে। কারণ পৃথক শব্দের ক্ষেত্রে উচ্চারণের শুরুতে হরকত এবং শেষে সাকিন প্রদান আবশ্যক হয়, যা এক অক্ষরের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। এই কারণেই এটি সংলগ্ন হওয়া আবশ্যক, আর তা হলো 'ফা'আলতু' (فعلت) শব্দের 'তা' (التاء) এবং 'রাআইতুকা' (رأيتك) শব্দের 'কাফ' (الكاف)। সর্বনাম নয় এমন একটি মাত্র বিশেষ্য পাওয়া যায় যা বিলুপ্ত বর্ণের কারণে এক অক্ষরের হয়েছে এবং পরবর্তী শব্দের সাথে সম্বন্ধ প্রদানের (بالإضافة) মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে; এটি ছাড়া অন্য কিছু আমাদের জানা নেই, কারণ এটি এমন শব্দের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়েছে যা (৫/আ) এক অক্ষরের হয়ে থাকে। আর তা হলো আপনার উক্তি: 'মা লিল্লাহে লা-আফ'আলান্না' (ما لله لأفعلن), তারা মনে করেন যে এটি 'আইম' (أيم) শব্দ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।

(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৫)
الله ضارع حرف القسم، وفي هذه الكلمة ستة عشر مثالا، وهي أيمن الله، وأيمن الله، وليمن الله، وليمن الله، ويمين الله، وأيم الله، وإيم الله، وإم الله بحذف الياء، وليم الله بالخفض، ومنِ الله، ومنَ الله، ومنُ الله، ومُ الله، ومَ الله، ومِ الله. وقد يجيء الاسم منها على حرفين محذوفا، وأصله الثلاثة، وذلك نحو قط ومذ، ووتبلغ أيضا بناء الثلاثة نحو أين وكيف، ولا نعلمها جاوزت الثلاثة إلا مزيدة، كقولك ألاء وأتى، وإنما قلنا: إن قط ومذ محذوفة، ولم تقل ذلك من كم ومن، لأن اشتقاق قط من القط وهو القطع، ومذ أصلها منذ، فإن قيل: إن كم ومن إذا سميت بهما، ثم صغرتهما قلت: كمي ومني، فزدت إليهما حرفا، كما فعلت ذلك في يد ودم حين صغرتهما. قلت: إن كم ومن لم يلحقهما تصغير في بابهما الذي وضعا له، كما لحق يدا ودما في بابهما (5/ب)، وإنما قلنا فيهما كمي ومني، كما كنت قائلا في من، التي هي حرف، لو سميت بها رجلا ثم صغرته لقلت من، لأنك أخرجتها من حدها إلى الأسماء، وكذلك فعلت في كم ومن، حين أخرجتهما من بابهما الذي لا يلحقهما التصغير فيه، إلى ما يلحقه التصغير، فلما اضطرك التصغير إلى ثلاثة أحرف، قدرت أنه حذف منهما.

* * * * *
আল্লাহ শব্দটি শপথের অব্যয়ের (حرف القسم) সাদৃশ্য রাখে এবং এই শব্দটিতে ১৬টি উদাহরণ রয়েছে। সেগুলো হলো: أيمن الله (আইমানুলাল্লাহ), أيمن الله (আইমুনুল্লাহ), ليمن الله (লাইমানুল্লাহ), ليمن الله (লাইমুনুল্লাহ), يمين الله (ইয়ামিনুল্লাহ), أيم الله (আইমুল্লাহ), إيم الله (ইমুল্লাহ), ইয়া বিলোপ করে إم الله (ইমুল্লাহ), জর বা জের যোগে ليم الله (লাইমুল্লাহ), منِ الله (মানিল্লাহ), منَ الله (মানাল্লাহ), منُ الله (মানুল্লাহ), مُ الله (মুল্লাহ), مَ الله (মাল্লাহ) এবং مِ الله (মিল্লাহ)। কখনো কখনো বিশেষ্য (اسم) বিলুপ্ত (محذوف) বর্ণসহ দুই অক্ষরের ভিত্তিতে গঠিত হয়, যদিও এর মূল ভিত্তি ছিল তিন অক্ষরবিশিষ্ট। যেমন 'قط' (কত্তু) এবং 'مذ' (মুদ)। এগুলো তিন অক্ষরের গঠনেও পৌঁছে থাকে, যেমন 'أين' (আইনা) এবং 'كيف' (কাইফা)। অতিরিক্ত বর্ণ (مزيدة) যুক্ত হওয়া ব্যতীত এগুলো তিন অক্ষর অতিক্রম করে বলে আমাদের জানা নেই, যেমন আপনার উক্তি 'ألاء' এবং 'أتى'। আমরা যে বলেছি 'قط' এবং 'মذ' শব্দদ্বয় থেকে বর্ণ বিলোপ করা হয়েছে (محذوفة), কিন্তু 'كم' এবং 'من' সম্পর্কে তা বলা হয়নি, এর কারণ হলো 'قط' শব্দটির বুৎপত্তিগত উৎস হলো 'القط' (আল-কাত্তু) যার অর্থ হলো বিচ্ছেদ বা কর্তন। আর 'مذ' এর মূল হলো 'منذ' (মুনজু)। যদি প্রশ্ন করা হয় যে: 'كم' এবং 'من' কে যখন নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলোর ক্ষুদ্রার্থবাচক (تصغير) রূপ গঠন করা হয়, তখন আপনি বলেন 'كمي' (কুমাইয়্যুন) এবং 'مني' (মুনাইয়্যুন); অর্থাৎ আপনি সেগুলোতে একটি বর্ণ বৃদ্ধি করেছেন, যেমনটি আপনি 'يد' (ইয়াদুন) এবং 'دم' (দামুন) এর ক্ষুদ্রার্থবাচক (تصغير) রূপ গঠনের ক্ষেত্রে করে থাকেন। আমি বলব: 'كم' এবং 'من' শব্দদ্বয়কে যে উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছে সেই প্রেক্ষাপটে সেগুলোতে ক্ষুদ্রার্থবাচক (تصغير) রূপের প্রয়োগ ঘটে না, যেভাবে 'يد' এবং 'دم' এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে (৫/খ)। বরং আমরা এগুলোতে 'كمي' এবং 'مني' বলি ঠিক যেমনটি আপনি 'من' এর ক্ষেত্রে বলতেন—যা একটি অব্যয় (حرف)—যদি আপনি একে কোনো ব্যক্তির নাম হিসেবে রাখতেন এবং এরপর তার ক্ষুদ্রার্থবাচক (تصغير) রূপ গঠন করতেন, তবে আপনি 'مني' (মুনাইয়্যুন) বলতেন। কারণ আপনি একে তার নিজস্ব সীমা বা ক্ষেত্র হতে বের করে বিশেষ্যসমূহের (أسماء) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অনুরূপভাবে আপনি 'كم' এবং 'من' এর ক্ষেত্রেও একই কাজ করেছেন যখন আপনি সেগুলোকে তাদের নিজস্ব ক্ষেত্র (যেখানে ক্ষুদ্রার্থবাচক রূপ গ্রহণ করে না) হতে বের করে এমন ক্ষেত্রে নিয়ে এসেছেন যেখানে তা ক্ষুদ্রার্থবাচক (تصغير) রূপ গ্রহণ করে। সুতরাং যখন ক্ষুদ্রার্থবাচক (تصغير) রূপ গঠন আপনাকে তিনটি বর্ণের প্রয়োজনীয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে, তখন আপনি ধারণা করে নিয়েছেন যে এগুলো থেকে বর্ণ বিলোপ করা হয়েছে।

* * * * *
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৬)
ما يكثر حذفه من الأسماء

وهما الواو والياء، وأعدل الكلام بناء ما كان ثلاثيا، حرف يبتدأ به، وحرف تحشى به الكلمة، وحرف يسكت عليه، والعرب لا تبتدئ بساكن، لأن اللسان لا يطوع ذلك، ولا تقف إلا على ساكن، ولا تجمع بين ساكنين في الدرج، وتجمع بينهما في الوقف، نحو مررت بزيد. فإن كان أحد الساكنين حرف مد ولين، صلح أن يجمع بينهما في الدرج، نحو دابة وشابة واشهوب الفرس، لأن المدة كأنها عوض عن الحركة، ومثلها ولا الضالين، والأصل ضاللين، أدغمت اللام في اللام، ولا تزيد العرب على أربع (6/أ) حركات في كلمة واحدة نحو جندل، للموضع الكثير الحجارة، وعرتن، لضرب من الشجر، وناقة علبطة، للضخمة، وأكل الذب من الشاة الحدلقة، يعني عينها، والأصل علايطة وحد الِقَة.
বিশেষ্য থেকে যা সচরাচর বিলুপ্ত হয়

আর তা হলো ‘ওয়াও’ এবং ‘ইয়া’। শব্দগঠনের দিক থেকে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ হলো তিন বর্ণবিশিষ্ট রূপ—একটি বর্ণ যার মাধ্যমে শুরু করা হয়, একটি বর্ণ যা শব্দের মাঝে যুক্ত থাকে এবং একটি বর্ণ যার ওপর বিরতি নেওয়া হয়। আরবরা কোনো স্থির বর্ণ দিয়ে বাক্য শুরু করে না, কারণ জিহ্বা তা উচ্চারণে সক্ষম হয় না; এবং তারা স্থির বর্ণ ছাড়া অন্য কিছুর ওপর থামে না। তারা শব্দের প্রবাহে দুটি স্থির বর্ণকে একত্রিত করে না, তবে বিরতিকালে উভয়কে একত্রিত করে; যেমন ‘মারারতু বি-যাইদ’। যদি দুটি স্থির বর্ণের একটি দীর্ঘস্বর অথবা কোমল স্বরের বর্ণ হয়, তবে শব্দের প্রবাহেও তাদের একত্রিত করা ব্যাকরণসিদ্ধ; যেমন ‘দাব্বাহ’, ‘শাব্বাহ’ এবং ঘোড়ার ক্ষেত্রে ‘আশহুব’। কেননা দীর্ঘস্বর এখানে স্বরচিহ্নের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এর উদাহরণ হলো ‘ওয়ালাদ-দাল্লিন’, যার মূল রূপ ছিল ‘দাল-লিলিন’; এখানে এক ‘লাম’ অন্য ‘লাম’-এর সাথে একীভূত করা হয়েছে। আর আরবরা একটি শব্দে চারটির (৬/ক) বেশি স্বরচিহ্ন ব্যবহার করে না; যেমন অধিক পাথরযুক্ত স্থানের জন্য ‘জানদাল’, এক প্রকার বৃক্ষের জন্য ‘ইরতিন’, স্থূলকায় উটনীর জন্য ‘নাকাতুন ইলাবিতাহ’ এবং বকরির ‘হিদলাক্বাহ’ অর্থাৎ তার চোখ নেকড়ে খেয়েছে; এগুলোর মূল রূপ ছিল ‘ইলায়িতাহ’ এবং ‘হিদালাক্বাহ’।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৭)
‌‌باب "ذكر أقل أصول الأفعال وأكثر أصولها"

أما الأفعال فتنقسم قسمين: تكون متصرفة، وغير متصرفة، فأما المتصرفة فهي المأخوذة من الحدث الذي يكون لها مضارعا، ويشنف من لفظها فاعل وأقل أصولها ثلاثة أحرف، نحو، ضرب وشمع وظرف، وتجيء على أربعة أحرف، نحو دحرج وهملج. وهذا البناء الرباعي أقل من الثلاثي، ولا يجاوز الفعل هذا البناء إلا مزيدا، وأقصي ما ينتهي إليه الفعل بالزيادة ستة أحرف، ثلاثيا كان أو رباعيا، فأما الثلاثي فقولم اشهاب، واستكبر، وأما الرباعي فاقشعر، واحرنجم، نقص الفعل حرفا عن بناء الاسم لأن (6/ب) الاسم أقوى منه، فمهما وجدنا فعلا على أكثر من أربع أحرف، فهو زائد، ومهما نقص من ثلاثة فهو ناقص، وذلك نحو كل وقل، وسل، وكِل، فإذا ارتفعت العلة عاد إلى أصله، وقد يعتل طرفاه فيكون على حرف واحد، وذلك نحو: عِ كلامي، وشِ ثوبك، والأصل وعي يعي، ووشي يشي، سقطت الياء للأمر، وذهبت الواو لوقوعها بين ياء وكسرة، فبقي على حرف واحد فإذا وقفت قلت، عِه وشه. ومنه قوله تعالى {قوا أنفسكم} [التحريم: 5] والأصل اوقيوا. استثقلوا الضمة على الياء، فنقلوها إلى القاف، وخزلوها بسكونها، وسكون واو الجمع، وذهبت الواو الجمع، وذهبت الواو لوقوعها بين كسرتين، فلما سقطت الواو، استغنى عن ألف وصل، فصارقوا. فإذا صرفنا الفعل قلنا وقي يقي وقيا فهو واق، والمفعول موقى والأمر للواحد ق، وللاثنبن قيا، وللجميع قوا،
পরিচ্ছেদ: "ক্রিয়ার মূল অক্ষরের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সংখ্যা প্রসঙ্গে"

ক্রিয়া (أفعال) দুই ভাগে বিভক্ত: রূপান্তরযোগ্য (متصرفة) এবং রূপান্তরঅযোগ্য (غير متصرفة)। রূপান্তরযোগ্য (متصرفة) ক্রিয়া হলো সেই সকল শব্দ যা এমন মূল ঘটনা বা ক্রিয়া (حدث) হতে গৃহীত, যার একটি বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন রূপ (مضارع) থাকে এবং যার শব্দমূল হতে কর্তা (فاعل) উদ্ভূত হয়। এর মূল বর্ণের (أصول) সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো তিনটি, যেমন: ضرب (প্রহার করা), سمع (শোনা) এবং ظرف (মার্জিত হওয়া)। আবার কোনোটি চার অক্ষরবিশিষ্ট (أربعة أحرف) হয়ে থাকে, যেমন: دحرج (গড়িয়ে দেওয়া) এবং هملج (দ্রুত চলা)। চার অক্ষরবিশিষ্ট (رباعي) এই গঠন তিন অক্ষরবিশিষ্ট (ثلاثي) গঠনের চেয়ে কম। অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত (مزيد) হওয়া ব্যতীত ক্রিয়া এই গঠন অতিক্রম করে না। বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ক্রিয়া সর্বোচ্চ যে পর্যায়ে পৌঁছে তা হলো ছয় অক্ষর (ستة أحرف), সেটি তিন অক্ষরবিশিষ্ট (ثلاثي) হোক বা চার অক্ষরবিশিষ্ট (رباعي)। তিন অক্ষরবিশিষ্টের (ثلاثي) উদাহরণ হলো اشهاب (ধূসর হওয়া) এবং استكبر (অহংকার করা)। আর চার অক্ষরবিশিষ্টের (رباعي) উদাহরণ হলো اقشعر (শিহরিত হওয়া) এবং احرنجم (একত্রিত হওয়া)। বিশেষ্যের (اسم) গঠনের তুলনায় ক্রিয়া হতে একটি অক্ষর হ্রাস পেয়েছে, কারণ বিশেষ্য (اسم) ক্রিয়া অপেক্ষা শক্তিশালী। সুতরাং আমরা যখনই চার অক্ষরের অধিক কোনো ক্রিয়া পাব, তবে তা অতিরিক্ত বর্ণযুক্ত (زائد) বলে গণ্য হবে। আর যখনই তিন অক্ষরের কম হবে, তখন তা অপূর্ণ (ناقص) হিসেবে গণ্য হবে; যেমন: كل (খাও), قل (বলো), سل (জিজ্ঞেস করো), এবং كِل (পরিমাপ করো)। যখন অসুস্থতা বা রূপান্তর হেতু (علة) দূরীভূত হয়, তখন তা পুনরায় তার মূলে (أصل) ফিরে যায়। কখনো কখনো শব্দের উভয় প্রান্ত রূপান্তরিত (يعتل) হয়, ফলে তা মাত্র একটি অক্ষরের ওপর অবশিষ্ট থাকে; যেমন: عِ (আমার কথা মনে রেখো/মনোযোগ দাও) এবং شِ (তোমার কাপড় বুনে দাও)। এর মূল হলো وعي-يعي এবং وشي-يشي। অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক (أمر) রূপের কারণে 'ইয়া' (ياء) বিলুপ্ত হয়েছে এবং 'ওয়াও' (واو) বর্ণটি 'ইয়া' এবং 'কাসরা'র (জের) মাঝে পড়ার কারণে চলে গেছে। ফলে তা একটি মাত্র অক্ষরের ওপর অবশিষ্ট রয়ে গেছে। যদি আপনি এখানে থামেন (وقفت), তবে বলবেন: عِه এবং شه। এরই অন্তর্ভুক্ত হলো মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা নিজেদের রক্ষা করো} [সূরা আত-তাহরিম: ৫], যার মূল ছিল اوقيوا। তারা 'ইয়া' (ياء) বর্ণের ওপর 'দম্মাহ' (পেশ) প্রদান করাকে কষ্টসাধ্য মনে করেছে, তাই তারা তা 'কাফ' (قاف) বর্ণে স্থানান্তরিত করেছে এবং একে সাকিন করে বিলুপ্ত করেছে। আর বহুবচনের 'ওয়াও' (واو الجمع) সাকিন হওয়ার কারণে এবং সেটি দুটি কাসরার মাঝে পড়ার কারণে 'ওয়াও' বিলুপ্ত হয়েছে। যখন 'ওয়াও' বিলুপ্ত হলো, তখন আর সংযোগকারী আলিফের (ألف وصل) প্রয়োজন থাকল না, ফলে তা قوا এ পরিণত হলো। আমরা যখন এই ক্রিয়াটির রূপান্তর (صرفنا) করি, তখন বলি: وقي يقي وقيا, সুতরাং সে হলো হিফাজতকারী (واق), আর যাকে হিফাজত করা হয় সে হলো موقى। এর অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক (أمر) রূপ একবচনের জন্য ق, দ্বিবচনের জন্য قيا এবং বহুবচনের জন্য قوا।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৮)
وللمرأة قى، وللاثنتين قيا وللنسوة قين. فأما الأفعال التي لا تتصرف، فهي تسع، وهي نعم، وبئس وليس، وعسي وفعل التعجب وويح زيد وويبه وويله وويسه (7/أ) إلا أن المازني ذكر أن الأربعة الأخيرة مصادر.

* * * * *

 

‌‌باب: "ذكر أقل أصول الحروف وأكثر أصولها"

حروف المعاني تكون على حرف واحد، كألف الاستفهام، وواو النسق، وكاف التشبيه، وعلى حرفين، نحو مِنْ، وعَنْ، وعلي ثلاثة، نحو أجل، وبجل، وعلى أربعة نحو، لكن مخفقة، وعلى خمسة، نحو لكن مشددة، هذا قول البصريين، والكسائي من الكوفيين، وقال الفراء، أقل الأصول حرفان نحو من وهل، وقال إذا سمي رجل بهل قلت: هذا هل قد جاء. مخفف اللام، والبصريون يقولون هل، مشدد اللام، ولا يرخمون اسما على ثلاثة أحرف، لأن أقل الأصول عندهم ثلاثة، والفراء يجيز ترخيم الاسم على ثلاثة أحرف إذا كان وسطه متحركا، كعمر وزفر، فيقول: يا عم أقبل، ويا زف تعال، وأبى البصريون ذلك.

* * * * *
একজন মহিলার জন্য হবে ‘কী’ (قى), দুইজনের জন্য ‘কীয়া’ (قيا) এবং মহিলাদের দলের জন্য হবে ‘কীনা’ (قين)। আর যেসব ক্রিয়া রূপান্তরযোগ্য নয় (الأفعال التي لا تتصرف), সেগুলো সংখ্যায় নয়টি; সেগুলো হলো: নি'মা (نعم), বি'সা (بئس), লাইসা (ليس), আসা (عسى), বিস্ময়সূচক ক্রিয়া (فعل التعجب) এবং ওয়াইহা যাইদ (ويح زيد), ওয়াইবাহু (ويبه), ওয়াইলাহু (ويله) ও ওয়াইসাহু (ويسه)। (৭/আ) তবে আল-মাজিনী উল্লেখ করেছেন যে, শেষের চারটি হলো মূলধাতু (مصادر)।

* * * * *

 

‌‌পরিচ্ছেদ: অব্যয়ের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল অক্ষর প্রসঙ্গে

অর্থবোধক অব্যয়সমূহ (حروف المعاني) কখনো এক অক্ষরবিশিষ্ট হয়, যেমন প্রশ্নবোধক আলিফ (ألف الاستفهام), সংযোজক ওয়াও (واو النسق), এবং উপমাবাচক কাফ (كاف التشبيه)। আবার কখনো দুই অক্ষরবিশিষ্ট হয়, যেমন ‘মিন’ (مِنْ) এবং ‘আন’ (عَنْ)। তিন অক্ষরবিশিষ্ট হয়, যেমন ‘আজাল’ (أجل) এবং ‘বাজাল’ (بجل)। চার অক্ষরবিশিষ্ট হয়, যেমন লঘু বা তাশদিদবিহীন (مخففة) ‘লাকিন’ (لكن)। আর পাঁচ অক্ষরবিশিষ্ট হয়, যেমন তাশদিদযুক্ত (مشددة) ‘লাকিন্না’ (لكن)। এটি বসরীয় (البصريين) এবং কুফীগণের মধ্যে আল-কিসায়ীর (الكسائي) মত। আল-ফাররা বলেন, মূল অক্ষরের সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো দুই, যেমন ‘মিন’ (من) এবং ‘হাল’ (هل)। তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তির নাম ‘হাল’ রাখা হয়, তবে আপনি বলবেন: ‘এই হাল (هل) এসেছে’, লাম অক্ষরটিকে হালকা বা তাশদিদবিহীন (مخفف اللام) উচ্চারণে। আর বসরীয়গণ বলেন ‘হাল্ল’ (هل), লাম অক্ষরটিকে দ্বিত্ব বা তাশদিদযুক্ত (مشدد اللام) করে। তাঁরা তিন অক্ষরবিশিষ্ট কোনো নামের সংক্ষেপণ বা তারখিম (ترخيم) করেন না, কারণ তাঁদের মতে মূল অক্ষরের সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো তিন। তবে আল-ফাররা তিন অক্ষরবিশিষ্ট নামের সংক্ষেপণ বা তারখিম (ترخيم) করা বৈধ মনে করেন যদি তার মধ্যাক্ষরটি স্বরযুক্ত বা হারাকাতবিশিষ্ট (متحرك) হয়, যেমন ‘উমর’ এবং ‘জুফার’। তখন তিনি বলেন: ‘হে উম (يا عم), এগিয়ে এসো’ এবং ‘হে জাফ (يا زف), এসো’। বসরীয়গণ এটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

* * * * *
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ৯৯)
‌‌باب "حروف زائدة"

وهي عشرة، يجمعها قولك: اليوم تنساه. وسنذكر مواقعها في الأسماء والأفعال

فالهمزة: تزاد أولا (7/ب) في الاسم والفعل، نحو أفعل وأحمر، وثانية في شأمل، وثالثة في شمأل، ورابعة في جرائض، وغرائز وضهيا، مقصورة، وخامسة في حمراء، ونفساء، وسادسة في حروراء، وسابعة في عاشوراء، وبربيطياء ثامنة، وهي ضرب من الثياب، ونحو ذلك في الفعل نحو أذهب وأعلم وأصرب وفي ابن. (كذا)

واللام: تلحق في الأسماء والأفعال، إلا أنها تلحق الاسم ثانية، في قلفع وهو ما تشقق من الطين، وثالثة في هملع للسريع، ورابعة في نحو عبدل ونهشل، وهنالك، وفي ذلك (كذا). وخامسة في خفنجل، وهو
পরিচ্ছেদ: "অতিরিক্ত অক্ষরসমূহ" (حروف زائدة)

এগুলো সংখ্যায় দশটি, যা তোমার এই উক্তিটিতে একত্রিত হয়েছে: "আল-ইয়াওমা তানসাহু"। আমরা বিশেষ্য ও ক্রিয়াগুলোর মধ্যে এগুলোর প্রয়োগস্থলসমূহ উল্লেখ করব।

হামযা: এটি প্রথমে (৭/খ) বিশেষ্য ও ক্রিয়ায় অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে যুক্ত হয়, যেমন ‘আফআল’ ও ‘আহমার’; দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে ‘শা’মাল’ শব্দে; তৃতীয় বর্ণ হিসেবে ‘শামআল’ শব্দে; চতুর্থ বর্ণ হিসেবে ‘জারাইদ’, ‘গারাইয’ এবং হ্রস্ব (مقصورة) ‘দাহিয়া’ শব্দে; পঞ্চম বর্ণ হিসেবে ‘হামরা’ ও ‘নাফাসা’ শব্দে; ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে ‘হারুরা’ শব্দে; সপ্তম বর্ণ হিসেবে ‘আশুরা’ শব্দে এবং অষ্টম বর্ণ হিসেবে ‘বারবিতিয়া’ শব্দে—যা এক প্রকার পোশাক; এবং ক্রিয়ার ক্ষেত্রে অনুরূপ উদাহরণ হলো ‘আযহাব’, ‘আ’লাম’, ‘আসরিব’ এবং ‘ইবন’ শব্দে (এরূপই মূল পাঠে আছে)।

লাম: এটি বিশেষ্য ও ক্রিয়া উভয় ক্ষেত্রে যুক্ত হয়, তবে এটি বিশেষ্যের দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয়, যেমন ‘কালফা’—যা শুকনো কাদা মাটির ফেটে যাওয়া অংশ; তৃতীয় বর্ণ হিসেবে দ্রুতগামী অর্থে ‘হামলা’ শব্দে; চতুর্থ বর্ণ হিসেবে যেমন ‘আবদাল’, ‘নাহশাল’, ‘হুনালিকা’ এবং ‘যালিকা’ শব্দে (এরূপই মূল পাঠে আছে)। এবং পঞ্চম বর্ণ হিসেবে ‘খাফানজাল’ শব্দে, যা...
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০০)
الأفحج، وسادسة في شراحيل. وتزاد في أول الاسم وتسمي لام الاسم، ولام الملك، ولام القسم، ومع همزة الوصل، في القوم والعبد ونحوهما، وفي الفعل نحو ليقم زيد.

والياء: تلحق أولا في الاسم والفعل، نحو يرمع للحجر الرخو، ويعملة للناقة السريغة، ويعسوب، وثانية في ضيغم، وجيأل للضبغ، وثالثة في عثير (8/أ) وهو الغبار، وعثيل وهو الأرض الخشنة، وسعيد، وجريب، ورابعة في نحو (خدرية) وهي الأرض الغليظة، وقطمير، وخامسة في سلحفية لواحدة السلاحف، وبلهنية، وسادسة في غشمشمية وألهانية، وسابعة في خنزوانية. وفي الفعل نحو يضرب ويسمع وفي بيطرت وجعبيت وقلسيت وتقلسيت واسلنقيا. وفي كل اسم صغرته أو نسبت إليه. نحو جعيفر وتميمي.
"আল-আফহাজ" শব্দে এবং "শারাহিল" শব্দে এটি ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে আসে। এটি বিশেষ্যের শুরুতে অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হয় এবং একে বিশেষ্যের লাম (لام الاسم), মালিকানা জ্ঞাপক লাম (لام الملك), এবং শপথের লাম (لام القسم) বলা হয়। এটি সংযোগকারী হামজা (همزة الوصل)-এর সাথেও যুক্ত হয়, যেমন: "আল-কাওম", "আল-আবদ" এবং অনুরূপ শব্দসমূহে। আর ক্রিয়াপদের ক্ষেত্রে যেমন: "লিইয়াকুম যাইদুন"।

এবং 'ইয়া': এটি বিশেষ্য ও ক্রিয়ার শুরুতে যুক্ত হয়, যেমন নরম পাথরের ক্ষেত্রে "ইয়ারমা", দ্রুতগামী উষ্ট্রীর ক্ষেত্রে "ইয়ামালা" এবং "ইয়াসুব"। দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন "দাইগাম" এবং হায়েনার জন্য "জাইআল"। তৃতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন "আসীর" (৮/অ), যা মূলত ধূলিকণা; এবং "আসিল", যা অমসৃণ ভূমি; এছাড়াও "সাঈদ" এবং "জারিব" শব্দে। চতুর্থ বর্ণ হিসেবে যেমন "খুদরিয়্যাহ" শব্দে, যা শক্ত ভূমি; এবং "কিতমির"। পঞ্চম বর্ণ হিসেবে যেমন একক কচ্ছপ বুঝাতে "সুলহাফিয়্যাহ" এবং "বালহানিয়্যাহ" শব্দে। ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে "গাশামশামিয়্যাহ" ও "আলহানিয়্যাহ" শব্দে এবং সপ্তম বর্ণ হিসেবে "খিনজুওয়ানিয়্যাহ" শব্দে। আর ক্রিয়াপদে যেমন "ইয়াদরিবু" ও "ইয়াসমাউ" এবং "বাইতরাতু", "জাবায়তু", "কালসাইতু", "তাকালসাইতু" ও "িসলানকিয়া" শব্দে। এছাড়া প্রত্যেক ঐ বিশেষ্যের ক্ষেত্রে যা ক্ষুদ্রার্থবোধক (تصغير) করা হয়েছে অথবা সম্বন্ধসূচক (نسبة) করা হয়েছে; যেমন "জুআইফার" ও "তামিমি"।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০১)
والواو: تلحق فى الاسم والفعل، إلا أنها لا تلحق أولا إلا في القسم البتة، وتلحق ثانية، فى كوثر وعوسج، وثالثة فى جدول وعجوز، ورابعة فى عرقوة وبهلول، وخامسة في قلنسوة وقمحدوة، وسادسة في أربعاوي ونحو ذلك، وفى الفعل نحو حوقل إذا أدبر عن النساء، وجهور إذا صوت.

والميم: تلحق أولا في منسج ومسلم ومدحرج، وثانية فى دملص، وثالثة فى دلمص، وهو البراق، ورابعة في زرقم وستهم، وخامسة فى ضبارم للأسد، وفى الفعل نحو تمدرعت، وتمسكنت.

والتاء: تزاد (8/ب) أولا في الأسماء والأفعال، نحو تنضب لضرب من الشجر، وتتفل لولد الثعلب، وتجفاف، وترعية، وتذنوب، وثانية في الختلعة وهي
ওয়াও: এটি বিশেষ্য ও ক্রিয়া উভয় ক্ষেত্রে যুক্ত হয়, তবে শপথের ক্ষেত্র ব্যতিরেকে এটি কখনোই শব্দের শুরুতে যুক্ত হয় না। এটি দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয়, যেমন: কাওসার ও আওসাজ শব্দে; তৃতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন: জাদওয়াল ও আজুজ শব্দে; চতুর্থ বর্ণ হিসেবে যেমন: ইরকুয়াহ ও বাহলুল শব্দে; পঞ্চম বর্ণ হিসেবে যেমন: কালানসুয়াহ ও কামহাদুয়াহ শব্দে; এবং ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে যেমন: আরবাআবি ও অনুরূপ শব্দে। আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন: হাওকালা—যখন কেউ স্ত্রী থেকে বিমুখ হয় এবং জাহওয়ারা—যখন কেউ উচ্চস্বরে শব্দ করে।

মীম: এটি শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়, যেমন: মানসাজ, মুসলিম ও মুদাহরাজ শব্দে; দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন: দুমলিস শব্দে; তৃতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন: দিলামিস শব্দে—যার অর্থ উজ্জ্বল; চতুর্থ বর্ণ হিসেবে যেমন: জুরকুম ও সাতহাম শব্দে; এবং পঞ্চম বর্ণ হিসেবে যেমন: দিবারিম—যা সিংহের অন্যতম নাম। আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন: তামাদরাআতু ও তামাসকানতু।

তা: এটি (৮/খ) বিশেষ্য ও ক্রিয়া উভয় ক্ষেত্রে শুরুতে অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হয়; যেমন: তানদুব—এক প্রকার বৃক্ষ, তুতফুল—শিয়ালের বাচ্চা, এবং তিজফাফ, তুরআইয়াহ ও তাদনুব শব্দে। এটি দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয় যেমন: খাতলাআহ শব্দে, যা হলো...
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০২)
الخروج إلى البادية، وثالثة في أخت، وبنت وهمقع لجني التنضب، ورابعة في طلحة وسنبتة وسنبة، وخامسة في عفريت، وسادسة في عنكبوت، وسابعة تاء في الوصل والوقف، وفي الفعل في تضرب وتذهب وفي تكلمت واستمتعن، وضربت، وقتلت. وتزاد مع الألف، في جماع المؤنث نحو تمرات ومسلمات.

والنون: تلحق أولا في الاسم والفعل، نحو نرجس، وثانية في جندب، وعنصر وثالثة في ألندد للبخيل، وألنجج للعود، وعفنجج للضخم الأخرق، ورابعة في ضيفن، وعرضنة، وهي مشية، وخامسة في سرحان، وعمران، وسادسة في سلامان، وسابعة في عبو ثران، وهو نبت طيب الرائحة وقرعبلانة. وفي الفعل في نفعل وفي (9/أ) تفعلين واضربن
মরুভূমিতে গমন; তৃতীয়ত ‘উখত’, ‘বিনত’ এবং তানদুব ফল সংগ্রহের পাত্র ‘হামকা’ শব্দের ক্ষেত্রে; চতুর্থত ‘তালহা’, ‘সানবাতাহ’ ও ‘সানবাহ’ শব্দের ক্ষেত্রে; পঞ্চমত ‘ইফরিত’ শব্দের ক্ষেত্রে; ষষ্ঠত ‘আনকাবুত’ শব্দের ক্ষেত্রে; এবং সপ্তমত ‘তা’ বর্ণটি সন্ধি ও বিরতির অবস্থায়, আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে ‘তাদরিবু’ ও ‘তাযহাবু’ এবং ‘তাকাল্লামতু’, ‘ইস্তামতা’না’, ‘দারাবতু’ ও ‘কাতালতু’ শব্দগুলোতে। এটি আলিফের সাথে যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচনের ক্ষেত্রে বর্ধিত হয়, যেমন ‘তামারাত’ ও ‘মুসলিমাত’।

আর নুন: এটি শব্দের শুরুতে বিশেষ্য ও ক্রিয়ায় যুক্ত হয়, যেমন ‘নারজিস’; দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন ‘জুনদুব’ ও ‘উনসুর’; তৃতীয় বর্ণ হিসেবে যেমন কৃপণের ক্ষেত্রে ‘আলান্দাদ’, আগর কাঠের ক্ষেত্রে ‘আলানজাজ’ এবং স্থূলকায় ও আনাড়ি ব্যক্তির ক্ষেত্রে ‘আফাঞ্জাজ’; চতুর্থ বর্ণ হিসেবে যেমন ‘দাইফান’ ও ‘আরদানাহ’ (যা এক প্রকার হাঁটার ভঙ্গি); পঞ্চম বর্ণ হিসেবে যেমন ‘সিরহান’ ও ‘উমরান’; ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে যেমন ‘সালামাত’; এবং সপ্তম বর্ণ হিসেবে ‘আবুতরান’ (যা একটি সুগন্ধি উদ্ভিদ) ও ‘কারাবুলানাহ’ শব্দের ক্ষেত্রে। আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে ‘নাফআলু’ এবং (৯/ক) ‘তাফআলিনা’ ও ‘ইদরিবান্না’ শব্দে।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৩)
واضربن. وفي فعل جماعة النساء نحو فعلن ويفعلن، وفي التثنية، والجمع، نحو مسلمان، ومسلمون، والتنوين أيضا يلحق الأسماء المتمكنة.

والسين: تلحق الأسماء والأفعال، إلا أنها تلحق الاسم ثالثة، في عبسور وهي الناقة السريعة، والغلسبة وهي انتزاعك الشيء غلبة، وثانية في الحسجلة وهو الصقل، والعسقفة وهي جمود العين عن البكاء، ورابع في دفنس، وخامسة في خلابس، وسادسة في خندريس، وفي الفعل في خلبس، وأسطاع، وفي استفعل وما تصرف منه.

والألف: لا تلحق أولا لسكونها، وتلحق ثانية في الاسم والفعل، نحو ضارب وقاتل، وثالثة في عذافر، ومسافر، ورابعة في حبلي وسكري، وخامسة في انطلاق وارتحال، وسادسة في قبعثري، للجمل الغليظ، واشهيباب، وسابعة في أربعاوي، وفي الفعل في قاتلت وضاربت.
এবং 'ইদরিবান্না' শব্দে। নারীবাচক বহুবচনের ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন 'ফায়ালনা' ও 'ইয়াফআলনা'; দ্বিবচন ও বহুবচনের ক্ষেত্রে যেমন 'মুসলিমানে' ও 'মুসলিমুনা'; আর তানউইনও সুদৃঢ় বিশেষ্যসমূহের সাথে যুক্ত হয়।

এবং সীন বর্ণটি: এটি বিশেষ্য ও ক্রিয়া উভয়ের সাথেই যুক্ত হয়, তবে বিশেষ্যের ক্ষেত্রে এটি তৃতীয় বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয় 'আবসূর' শব্দে—যার অর্থ দ্রুতগামী উটনী; এবং 'গালসাবাহ' শব্দে—যার অর্থ কোনো কিছু জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া। এটি দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয় 'হাসজালাহ' শব্দে—যার অর্থ মাজা বা পালিশ করা; এবং 'আসকাফাহ' শব্দে—যার অর্থ কান্নার সময় চোখের জড়তা বা অশ্রুহীনতা। এটি চতুর্থ বর্ণ হিসেবে 'দাফনাস' শব্দে, পঞ্চম বর্ণ হিসেবে 'খালাবিস' শব্দে এবং ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে 'খানদারীস' শব্দে যুক্ত হয়। আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে এটি 'খালাবাসা', 'আসতা'আ' এবং 'ইসতাফআলা' ও তা থেকে রূপান্তরিত শব্দসমূহে যুক্ত হয়।

এবং আলিফ বর্ণটি: এটি স্থির হওয়ার কারণে শব্দের শুরুতে আসতে পারে না। এটি বিশেষ্য ও ক্রিয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয়, যেমন 'দারিব' এবং 'কাতাল'। এটি তৃতীয় বর্ণ হিসেবে 'উযাফির' এবং 'মুসাফির' শব্দে; চতুর্থ বর্ণ হিসেবে 'হাবলা' এবং 'সাকরা' শব্দে; পঞ্চম বর্ণ হিসেবে 'ইনতিলাক' এবং 'ইরতিহাল' শব্দে; ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে 'কাবা’ছারা' শব্দে—যা স্থূলকায় উটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়—এবং 'ইশহিবাব' শব্দে; আর সপ্তম বর্ণ হিসেবে 'আরবাআওয়ী' শব্দে যুক্ত হয়। আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে এটি 'কাতালতু' এবং 'দারাবতু' শব্দে যুক্ত হয়।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৪)
والهاء: تزاد أولا في هبلع، وثانية في صهتم، للتام. وزهلق (9/ب) للذي ينزل قبل أن يجامع، وثالثة في سمهج، ورابعة في معلهج، وخامسة في ملكوه للملكوت، وسادسة في عمر ويه، وسابعة في خنفساءة، وثامنة في قرعبلانة، وتاسعة في كذبذبانة، وتزاد بعد ألف المد في الندبة، والنداء، كقولك: واعماه (معا) ويا زيداه (معا) وتزاد للتأنيث، ولبيان الحركة نحو حسابيه، وماهيه، وتزاد في المذكر نحو علامه ونسابه، وقد زيدت في الفعل في أهراق، وفي أمهات.

* * * * *
এবং ‘হা’ (الهاء) বর্ণটি: এটি প্রথম বর্ণ হিসেবে অতিরিক্ত (زيادة) হিসেবে ‘হাবলা’ (هبلع) শব্দে যুক্ত হয়, এবং দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে ‘সাহতাম’ (صهتم) শব্দে—পূর্ণাঙ্গ (تام) করার জন্য। আর ‘যাহলাক’ (زهلق) (৯/খ) ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যে সহবাসের পূর্বেই বীর্যপাত করে। এটি তৃতীয় বর্ণ হিসেবে ‘সামহাজ’ (سمهج) শব্দে, চতুর্থ বর্ণ হিসেবে ‘মু'লাহাজ’ (معلهج) শব্দে, পঞ্চম বর্ণ হিসেবে ‘মালাকূহ’ (ملكوه) শব্দে—যা ‘মালাকূত’ (ملكوت) এর অর্থে ব্যবহৃত হয়—ষষ্ঠ বর্ণ হিসেবে ‘আমরওয়াইহি’ (عمر ويه) শব্দে, সপ্তম বর্ণ হিসেবে ‘খুনফুসাআহ’ (خنفساءة) শব্দে, অষ্টম বর্ণ হিসেবে ‘কার'বালানাহ’ (قرعبلانة) শব্দে এবং নবম বর্ণ হিসেবে ‘কাযিবযাবানাহ’ (كذبذبانة) শব্দে যুক্ত হয়। এটি শোকপ্রকাশ (ندبة) ও আহ্বানের (نداء) ক্ষেত্রে মাদ্দ-এর আলিফের পরে যুক্ত হয়, যেমন আপনার উক্তি: ‘ওয়া-আমাহ’ (واعماه) (উভয় ক্ষেত্রে) এবং ‘ইয়া যায়েদাহ’ (ويا زيداه) (উভয় ক্ষেত্রে)। এটি স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) করার জন্য এবং হরকতের উচ্চারণ স্পষ্ট করার (بيان الحركة) জন্য যুক্ত হয়, যেমন: ‘হিসাবিয়াহ’ (حسابيه) ও ‘মাহিইয়াহ’ (ماهيه)। এটি পুরুষবাচক (مذكر) শব্দের ক্ষেত্রেও যুক্ত হয়, যেমন: ‘আল্লামাহ’ (علامه) ও ‘নাসসাবাহ’ (نسابه)। এটি ক্রিয়াপদেও অতিরিক্ত (زيادة) হিসেবে যুক্ত হয়েছে যেমন ‘আহরাকা’ (أهراق) শব্দে এবং ‘উম্মাহাত’ (أمهات) শব্দে।

* * * * *
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৫)
‌‌باب "حروف البدل"

وهي اثنا عشر حرفا .. يجمعها قولك (طال يوم أنجدته)

فالطاء: تبدل من التاء في افتعل إذا كانت بعد صاد، أو ضاد، أو طاء، أو ظاء، نحو اصطبر واضطهد واطلب واظطلم، وقد أبدلت التاء في فعلت، إذا كانت بعد هذه الحروف، وهي لغة قوم من بني تميم، يقولون حصط، وفحصط، يريد حصت وفحصت.

والألف: تبدل من الياء والواو في قام وصار ورمي وغزا. ومن الواو في ياجل. ومن التنوين في رأيت زيدا، ومن النون الخفيفة (10/أ) في اضربا وقالوا في الاس عاب في العيب، وجال البئر في الجول (هكذا)

واللام: من النون في أصيلال، وليس ذلك بمطرد.

والياء: تبدل من الواو (في قيل، وميزان، وكية، ولية، ويبجل و (من الواو) إذا صغرت بهلولا أو جمعته، ومن الألف إذا جمعت قرطاسا، وفي أفعى عند
পরিচ্ছেদ: "বিনিময়যোগ্য বর্ণসমূহ"

এগুলো হলো বারোটি বর্ণ। তোমার এই উক্তিটি সেগুলোকে একত্রিত করেছে: "ত্ব-লা ইয়াওমু আনজাদতাহু"।

সুতরাং 'ত্ব' বর্ণটি: এটি 'ইফতাআলা' ওজনের ক্ষেত্রে 'তা' বর্ণের পরিবর্তে আসে যখন তা সোয়াদ, দোয়াদ, ত্ব অথবা জো বর্ণের পরে অবস্থিত হয়। যেমন: ইস্ত্ববারা, ইদত্বহাদা, ইত্বত্বলাবা এবং ইজত্বলামা। আর 'তা' বর্ণটি 'ফাআলতু' ক্রিয়ার ক্ষেত্রেও পরিবর্তিত হয়ে 'ত্ব' হয় যখন তা এই বর্ণগুলোর পরে আসে; এটি বনু তামীম গোত্রের একটি দলের ভাষা, তারা 'হাসত্ব' এবং 'ফাহাসত্ব' বলে থাকে, যার দ্বারা তারা মূলত 'হাসাত' এবং 'ফাহাসাত' বুঝাতে চায়।

আর আলিফ: এটি 'ক্ব-মা', 'স্ব-রা', 'রমা' এবং 'গযা' শব্দগুলোতে 'ইয়া' এবং 'ওয়াও' থেকে পরিবর্তিত হয়ে আসে। আর 'ইয়া-জালু' শব্দে 'ওয়াও' থেকে। আর 'রাআইতু যায়দান' বাক্যে তানভীন থেকে এবং 'ইদ্বরিবান' শব্দে নূনে খাফীফাহ (১০/ক) থেকে আলিফ পরিবর্তিত হয়ে আসে। তারা 'আইব' (ত্রুটি) অর্থে 'আল-আস’আব' এবং 'জাওল' (কূপের বেষ্টনী) অর্থে 'জালুল বি’রি' শব্দদ্বয় ব্যবহার করেছে (এরূপই)।

আর লাম: এটি 'আসয়লাল' শব্দে 'নূন' থেকে পরিবর্তিত হয়ে আসে, তবে এটি নিয়মিত বা ব্যাপকভাবে প্রচলিত নয়।

আর ইয়া: এটি 'ক্বীলা', 'মীযান', 'কিয়্যাহ', 'লিইয়্যাহ' এবং 'ইয়াবজালু' শব্দগুলোতে 'ওয়াও' থেকে পরিবর্তিত হয়। এবং (ওয়াও থেকে পরিবর্তিত হয়) যখন তুমি 'বাহলুল' শব্দটিকে ক্ষুদ্রার্থবোধক করো অথবা তা বহুবচন করো। আর যখন তুমি 'ক্বিরত্বাস' শব্দটিকে বহুবচন করো তখন তা আলিফ থেকে পরিবর্তিত হয়। এছাড়া 'আফ’আ' শব্দের ক্ষেত্রে...
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৬)
الوقف لغة لطئ، وغيرهم، ومن الواو والألف فى، النصب، والجر، فى مُسلِمَين ومُسلِمِين، ومن الهمزة في قريت وأخطيت. ومن الحرف المدغم في قيراط ودينار، وسيد، وميت، لأن الأصل قراط ودنار وسيود وميوت وفى مغزى وملهى.

والواو: تبدل من الياء فى رحوى وعمرى وشرري وتقوي وطوبي، وكوسي. وتبدل في مثل فتو، وليس بمطرد. وتبدل من الألف في أفعو وحيلو، في الوقف في لغة طيء، وفي ضورب وتضورب وضوارب، ومن همزة التأنيث في حمراوان، ومن الهمزة المبدلة من الواو في كساوان وكساوى، وأبدلوا (الواو) من الهمزة إذا انفتحت، وهي (10/ب) مفتوحة. قالوا: الله وكبر، بواور محضة ليس فيها من الهمز شيء.

والميم: تبدل من النون إذا كانت قبل الياء، وكانت النون ساكنة، في نحو العمبر في العنبر، وشمباء في شنباء. وتبدل من الواو في فم، وليس بمطرد، لأن أصله فوه. والدليل علي ذلك قولهم في التصغير فويه، وفي الجمع أفواه، وزعم سيبويه أن الأصل فيه فوه بالإسكان.
ত্বায়ি (طئ) এবং অন্যদের নিকট বিরতি (وقف) একটি ভাষাগত পদ্ধতি। এটি নসব (النصب) ও জর (الجر) অবস্থায় ‘মুসলিমাইন’ এবং ‘মুসলিমিন’ শব্দদ্বয়ে ওয়াও এবং আলিফ থেকে পরিবর্তিত হয়ে আসে। তদ্রূপ ‘করাইতু’ এবং ‘আখতাইতু’ শব্দে হামযাহ থেকেও এটি পরিবর্তিত হয়। এছাড়া ‘ক্বীরাত’, ‘দীনার’, ‘সাইয়্যেদ’ এবং ‘মাইয়্যেত’ শব্দে ইদগামকৃত (مدغم) বর্ণ থেকেও এটি সৃষ্টি হয়; কারণ এগুলোর মূল রূপ ছিল ‘ক্বিরাত’, ‘দিনার’, ‘সাইউওয়াদ’ ও ‘মাইউওয়াত’। এটি ‘মাগযা’ এবং ‘মালহা’ শব্দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

ওয়াও বর্ণটি: ‘রাহওয়ি’, ‘উমরওয়ি’, ‘শারারি’, ‘তাকওয়া’, ‘তূবা’ এবং ‘কূসা’ শব্দগুলোতে ‘ইয়া’ থেকে পরিবর্তিত হয়। এটি ‘ফাতউ’-এর মতো শব্দেও পরিবর্তিত হয়, তবে এটি নিয়মিত (مطرد) কোনো নিয়ম নয়। ত্বায়ি গোত্রের ভাষায় বিরতি (وقف) প্রদানের সময় এটি আলিফ থেকে পরিবর্তিত হয়ে ‘আফউ’ ও ‘হায়লু’ রূপ ধারণ করে। এছাড়া এটি ‘দুরিবা’, ‘তাদুরিবা’ ও ‘দাওয়ারিব’ শব্দে এবং স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশক হামযাহ (همزة التأنيث) থেকে ‘হামরাওয়ান’ শব্দে পরিবর্তিত হয়। তদ্রূপ ওয়াও থেকে পরিবর্তিত হামযাহর ক্ষেত্রেও এটি ঘটে, যেমন: ‘কিসাওয়ান’ ও ‘কিসাওয়া’। তারা হামযাহ যখন যবরযুক্ত হয় তখন সেটিকে ওয়াও দ্বারা পরিবর্তন করত (১০/খ)। তারা বলত: ‘আল্লাহু আকবার’ (الله وكبر), যেখানে একদম খাঁটি ওয়াও উচ্চারিত হতো এবং তাতে হামযাহর কোনো রেশ থাকত না।

মীম বর্ণটি: নূন থেকে পরিবর্তিত হয় যখন তা ‘ইয়া’-এর পূর্বে আসে এবং নূনটি সাকিন (ساكنة) থাকে; যেমন ‘আল-আনবার’-এর স্থলে ‘আল-আমবার’ এবং ‘শানবা’-এর স্থলে ‘শামবা’। এটি ‘ফাম’ (মুখ) শব্দে ওয়াও থেকেও পরিবর্তিত হয়, তবে এটি নিয়মিত (مطرد) নয়; কারণ এর মূল রূপ হলো ‘ফূহ’। এর সপক্ষে প্রমাণ হলো ক্ষুদ্রার্থবোধক (تصغير) শব্দে ‘ফুইয়াহ’ এবং বহুবচনে ‘আফওয়াহ’ এর ব্যবহার। সিবওয়াইহি দাবি করেছেন যে, এর মূল রূপ হলো সাকিন (إسكان) যুক্ত ‘ফূহ’।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৭)
والهمزة: تبدل من الواو في قائم، ومن الياء في سائر، وسقاء، وغطاء، ومن الواو في أجوه، وقؤول، وإسادة وإعاء، ونحو ذلك، . وأبدلوها من الواو في وناة، ووحد، فقالوا أناة وأحد.

والنون: تبدل من الهمزة في فعلان فعلي نحو غضبان، وعطشان، وتبدل من اللام في رفل ولعل، وفي صنعاء، وبهواء إذا نسبت إليهما.

والجيم: تبدل من الياء المثددة، في علي وعوفي قال الراجز:

(عمي عويف وأبو علج

المطعمان اللحم بالعشج)

ومن الياء المخففة، أنشد أبو زيد (11/أ):

(يارب إن كنت قبلت حجتج

فلا يزال شاحج يأتيك بج)

والدال: تبدل من التاء، بعد الزاي في مزدجر، ومزدان، ومن قال: حصط قال في فزت وأخذت فزد وأخذد.
এবং হামযা: এটি 'কায়িম' শব্দে 'ওয়াও' থেকে, এবং 'সায়ির', 'সাক্কা' ও 'গিতা' শব্দে 'ইয়া' থেকে স্থলাভিষিক্ত হয়। অনুরূপভাবে এটি 'আজুহ', 'কাউল', 'ইসাদাহ', 'ইআ' এবং এই জাতীয় শব্দে 'ওয়াও' থেকে পরিবর্তিত হয়। তারা 'ওয়ানাহ' ও 'উহদ' শব্দের 'ওয়াও' এর পরিবর্তে 'আনাহ' ও 'আহাদ' শব্দদ্বয় ব্যবহার করেছে।

এবং নুন: এটি 'ফালান' ও 'ফা'লা' ওজনে 'হামযা' থেকে পরিবর্তিত হয়, যেমন 'গাদবান' ও 'আটশান'। এটি 'রাফাল' ও 'লাআল্লা' শব্দে 'লাম' থেকে পরিবর্তিত হয়। আর 'সানআ' ও 'বাহওয়া' শব্দদ্বয়ের সাথে যখন নিসবত করা হয়, তখন সেখানেও এটি ঘটে থাকে।

এবং জীম: এটি 'আলী' ও 'উওয়াইফি' শব্দে দ্বিত্ব 'ইয়া' এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। ছন্দকার (রাজেয) বলেছেন:

(আমার চাচা উওয়াইফ এবং আবু আলজ

যারা সন্ধ্যায় গোশত ভোজন করান)

এবং এটি হালকা 'ইয়া' থেকেও পরিবর্তিত হয়, আবু যায়েদ (১১/ক) আবৃত্তি করেছেন:

(হে প্রতিপালক! আপনি যদি আমার হজ্জ কবুল করে থাকেন

তবে সর্বদা এক আর্তনাদকারী আপনার নিকট আমাকে নিয়ে আসতেই থাকবে)

এবং দাল: এটি 'যা' বর্ণের পর 'তা' থেকে পরিবর্তিত হয়, যেমন 'মুযদাজার' ও 'মুযদান'। আর যারা 'হাসাত' বলে, তারা 'ফাযতু' ও 'আখাযতু' এর স্থলে 'ফাযদু' ও 'আখাযদু' বলে থাকে।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৮)
والتاء: تبدل من الواو في تراث، وتخمة، وتولج، واتلج، ومن السين في ست، ومن الياء في أسنت، وهذا لا يطرد، ولكن يطرد إبدالها من الياء في اتعد واتأس.

والهاء: تبدل من تاء طلحة في الوقف، وقد أبدلت من الياء في هذي، وذلك غير مطرد وتبدل من الهمزة في هرحت، وهياك. ولا يطرد أيضا. وفي ماء والأصل فيه ماه، والدليل على ذلك قولهم في التصغير مويه، وفي الجمع مياه، وأمواه.
এবং 'তা': এটি তুরাস, তুখমাহ, তাওলাজ এবং ইত্তালাজা শব্দে 'ওয়াও' থেকে পরিবর্তিত হয়; এবং 'সিত' শব্দে 'সীন' থেকে এবং 'আস্নাত' শব্দে 'ইয়া' থেকে পরিবর্তিত হয়। এটি নিয়মিত (مطرد) নয়, তবে 'ইত্তাআদা' এবং 'ইত্তাসাআ' শব্দে 'ইয়া' থেকে এর পরিবর্তনটি নিয়মিত (مطرد)।

এবং 'হা': এটি বিরতির (وقف) সময় 'তালহাহ' শব্দের 'তা' থেকে পরিবর্তিত হয়। এটি 'হাযী' শব্দে 'ইয়া' থেকে পরিবর্তিত হয়েছে, তবে তা নিয়মিত (مطرد) নয়। এটি 'হারাহতু' এবং 'হিয়্যাকা' শব্দে 'হামজা' থেকে পরিবর্তিত হয়, যা নিয়মিত (مطرد) নয়। 'মা'উন' শব্দের ক্ষেত্রে এর মূল (أصل) হলো 'মাহুন', যার প্রমাণ হলো এর ক্ষুদ্রার্থে 'মুওয়াইহুন' এবং বহুবচনে 'মিয়াহুন' ও 'আমওয়াহুন' শব্দের প্রয়োগ।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১০৯)
‌‌باب "ذكر أبنية الأسماء الثنائية والمزيدة منها"

اعلم أن أول ما يلزم الطالب لهذا العلم، معرفة الزائد والأصلي، ومعرفة ذلك أن تعلم أن العرب جعلت الفاء والعين واللام مثالا تزن به سائر كلامها (11/ب)، فما خفي تحت هذه الحروف، علم أنه أصلي، وما ظهر علم أنه زائد، مثال ذلك أن وزن حسن (فعل) فقد خفيت الحاء تحت الفاء، والسين تحت العين والنون تحت اللام، وأن وزن مستحسن (مستفعل) فظهرت الميم والسين والتاء، فعلم أنهن زوائد. وكذلك سائر الكلام.

فالثنائي: ما كان على حرفين من حروف السلامة، ولا تبال أن تتكرر فاؤه أو عينه، أو يلحق بالثلاثي، أو الرباعي، أو الخماسي، أو السداسي، أو السباعي، وينقسم ذلك على أقسام، منها:

ما يكون الحرفان أصله، نحو من وما. ومن الحروف نحو من وعن، ومنه ما يخفف من المضاعف نحو رب خفيفة الباء، وأصلها التشديد.

ومن الفعل ما كان مضاعفا نحو رد ومد وعد وعدد وتعدد. وإذا دخلته الزوادئ، نحو استعد واستمد وشبهه.

وإذا تكرر نحو بربر وجرجر.
পরিচ্ছেদ: "দ্বিমৌলিক (الثنائية) এবং অতিরিক্ত বর্ণবিশিষ্ট (المزيدة) বিশেষ্যের গঠন বর্ণনা"

জেনে রাখুন যে, এই শাস্ত্রের শিক্ষার্থীর জন্য সর্বপ্রথম যা আবশ্যক তা হলো অতিরিক্ত (الزائد) এবং মৌলিক (الأصلي) বর্ণ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। এর পদ্ধতি হলো এটি জানা যে, আরবরা ফা (الفاء), আইন (العين) এবং লাম (اللام)-কে একটি মানদণ্ড (مثالا) হিসেবে নির্ধারণ করেছে, যার মাধ্যমে তারা তাদের অবশিষ্ট শব্দাবলি পরিমাপ করে (১১/খ)। সুতরাং, যা এই বর্ণগুলোর নিচে প্রচ্ছন্ন থাকে, তা মৌলিক (أصلي) বলে গণ্য হয়; আর যা প্রকাশ পায়, তা অতিরিক্ত (زائد) হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, 'হাসান'-এর ওজন হলো 'ফা'আলা' (فعل); এখানে 'হা' বর্ণটি 'ফা'-এর নিচে, 'সীন' বর্ণটি 'আইন'-এর নিচে এবং 'নুন' বর্ণটি 'লাম'-এর নিচে প্রচ্ছন্ন রয়েছে। আবার 'মুস্তাহসান'-এর ওজন হলো 'মুস্তাফ'আলুন' (مستفعل); এখানে মীম, সীন এবং তা প্রকাশ পেয়েছে, ফলে জানা গেল যে এগুলো অতিরিক্ত (زوائد) বর্ণ। অবশিষ্ট শব্দাবলির ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনুরূপ।

সুতরাং দ্বিমৌলিক (الثنائي): যা সুস্থ বর্ণসমূহের (حروف السلامة) মধ্য হতে দুটি বর্ণের ওপর গঠিত হয়। এর 'ফা' বা 'আইন' বর্ণটি দ্বিত্ব হতে পারে, কিংবা এটি ত্রিমৌলিক (الثلاثي), চতুর্মৌলিক (الرباعي), পঞ্চমূলীয় (الخماسي), ষষ্ঠমূলীয় (السداسي) অথবা সপ্তমূলীয় (السباعي) শব্দের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে—তাতে কোনো সমস্যা নেই। এটি কয়েকটি প্রকারে বিভক্ত, যার মধ্যে রয়েছে:

যার মূলই হলো দুটি বর্ণ, যেমন: 'মান' এবং 'মা'। অব্যয়সমূহের (الحروف) মধ্যে যেমন: 'মিন' এবং 'আন'। আবার এর মধ্যে এমন শব্দও রয়েছে যা দ্বিত্বাক্ষর (المضاعف) থেকে হালকা করা হয়েছে, যেমন: হালকা 'বা' বিশিষ্ট 'রুব্বা', যার মূল ছিল তাশদীদ (التشديد) যুক্ত।

আর ক্রিয়াপদের (الفعل) মধ্যে যা দ্বিত্বাক্ষর (مضاعفا) হয়ে থাকে, যেমন: 'রাদ্দা', 'মাদ্দা', 'আদ্দা', 'আদদাদা' এবং 'তাআদদাদা'। আর যখন এতে অতিরিক্ত বর্ণসমূহ (الزوائد) যুক্ত হয়, যেমন: 'ইস্তাআদ্দা', 'ইস্তামাদ্দা' এবং এই জাতীয় শব্দসমূহ।

আর যখন বর্ণটি পুনরাবৃত্ত হয়, যেমন: 'বারবারা' এবং 'জারজারা'।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১০)
وفيما أظهر تضعيفه نحو العدد والمدد، ونحو شججي للعقعق وحطايط اسم رجل، ويلندد للبخيل (12/أ)، وقيتتي للنميمة، وفيقبان للشجر، وخصيصاء الخاصة والاختصاص. فهذا كله ثنائي.

وكذلك ما جاء على (فعفل) نحو ربرب، وسبب، وعلعل وهو اسم للذكر إذا أنعظ.

و(فعفل) نحو بلبل، وجلجل، وعلعل، للذكر من القنابر، والذكر إذا أنعظ.

و(فعفل) نحو نقنق اللظليم، وخمخم، وحمحم، بالخاء والحاء، لضرب من النبات، وجرجر للغول، وعلعل لرأس الرهابة من الفرس، وضئضئ للأصل، وضئضئ بالصاد.
এবং যার দ্বিত্বকরণ প্রকাশ করা হয়েছে, যেমন আল-আদাদ ও আল-মাদাদ, এবং মেগপাই পাখির ক্ষেত্রে শাজাজি, হাতায়িত একজন ব্যক্তির নাম, কৃপণের জন্য ইয়ালান্দাদ (১২/ক), পরনিন্দার জন্য কাইতাতি, বৃক্ষের জন্য ফাইকাবান এবং বৈশিষ্ট্য ও বিশেষত্বের ক্ষেত্রে খুসিসা। এই সবই দ্বিমূল বিশিষ্ট।

একইভাবে যা 'ফা'ফাল' ওজনে এসেছে যেমন রাবরাব, সাবসাব এবং আল'আল; যা উত্তেজিত পুরুষাঙ্গের একটি নাম।

এবং 'ফু'ফুল' ওজনে যেমন বুলবুল, জুলজুল এবং উল'উল; যা চড়ুইজাতীয় পুরুষ পাখি এবং উত্তেজিত পুরুষাঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

এবং 'ফি'ফিল' ওজনে যেমন পুরুষ উটপাখির ডাকের জন্য নিকনিক, এবং খিমখিম ও হিমহিম—'খা' ও 'হা' বর্ণযোগে—যা এক প্রকার উদ্ভিদের নাম, দানবের জন্য জিরজির, ঘোড়ার বুকের হাড়ের অগ্রভাগের জন্য ইল'ইল, উৎসের জন্য দি'দি এবং সোয়াদ বর্ণযোগে সি'সি।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১১)
وقد اختلف العلماء في وزن الثنائي المكرر من الاسم والفعل، فقال الخليل ومن تابعه، من البصريين والكوفيين، وزنه (فعفل) كما ذكرت لك، تكررت فاؤه، وهذا هو ظاهر اللفظ، وبه قال أبو اسحق الزجاج، وقطرب وأحد قولي ابن كبسان، وغيرهم من المتأخرين.

وقال سيبويه، وأصحابه، وبعض الكوفيين، وزنه (فعل) أصله رببب وسببب فلما اجتمعت ثلاثة (12/ب) أحرف، من جنس واحد، أبدلوا من الأوسط حرفا من جنس الحرف الأول، وهو الفاء.

وقال الفراء، وكثير من النحويين، وزنه (فعفع) تكررت فاؤه وعينه، وكذلك فعلوا في الفعل المكرر، نحو تمتم وبربر.

فأما (فعلل) من الرباعي، نحو جعفر و (فعلل) نحو قنفذ و (فعلل) نحو زئبر

ومن الفعل، نحو دحرج وقرطس فلا خلاف في وزنه عندهم.

ويجيء على (فعفال) نحو جرجار ورمرام وبسباس، وهي نبات. ودأداء وهي آخر الشهر، وغوغاء وضوضاء، فيمن صرفهما وفحفاح، وهو نهر في الجنة.

وعلى (فعفال) نحو عرعار لعبة للصبيان.
বিদ্বানগণ বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মধ্য হতে দ্বিত্ববিশিষ্ট দ্বিমূলীয় শব্দের ওজনের (وزن) ব্যাপারে মতভেদ করেছেন। আল-খলিল এবং বসরীয় ও কুফী ব্যাকরণবিদদের মধ্যে যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন, তাঁরা বলেছেন যে এর ওজন হলো (فعفل), যেমনটি আমি আপনার নিকট উল্লেখ করেছি। এতে 'ফা' বর্ণটির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে এবং শব্দের বাহ্যিক রূপটি এমনই। আবু ইসহাক আল-জাজ্জাজ, কুতরুব এবং ইবনে কাইসানের দুটি মতের একটি ও পরবর্তী যুগের অন্যান্য আলেমগণ এই মতটি পোষণ করেছেন।

সিবওয়াইহি, তাঁর অনুসারীগণ এবং কুফীদের কেউ কেউ বলেছেন, এর ওজন হলো (فعل)। এর মূল ছিল (رببب) এবং (سببب)। যখন সমগোত্রীয় তিনটি (১২/খ) বর্ণ একত্রিত হলো, তখন তারা মধ্যবর্তী বর্ণটিকে প্রথম বর্ণ অর্থাৎ 'ফা' (الفاء) বর্ণের সমজাতীয় বর্ণ দ্বারা পরিবর্তন করে দিলেন।

আল-ফাররা এবং অনেক ব্যাকরণবিদ বলেছেন, এর ওজন হলো (فعفع); এখানে এর 'ফা' এবং 'আইন' বর্ণদ্বয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। দ্বিত্ববিশিষ্ট ক্রিয়ার ক্ষেত্রেও তাঁরা অনুরূপ করেছেন, যেমন: 'তামতামা' (تمتم) এবং 'বারবারা' (بربر)।

চতুর্মূলীয় শব্দের ক্ষেত্রে (فعلل) যেমন: 'জাফর' (جعفر), এবং (فعلل) যেমন: 'কুনফুয' (قنفذ), এবং (فعلل) যেমন: 'যিবির' (زئبر) —

আর ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন: 'দাহরাজা' (دحرج) এবং 'কারতাসা' (قرطس); এগুলোর ওজনের ব্যাপারে তাঁদের মাঝে কোনো মতভেদ নেই।

এটি (فعفال) ওজনেও আসে, যেমন: 'জারজার' (جرجار), 'রামরাম' (رمرام) এবং 'বাসবাস' (بسباس) — এগুলো উদ্ভিদবিশেষ। এবং 'দাদআ' (دأداء), যা মাসের শেষ ভাগকে বোঝায়; এবং 'গাওগা' (غوغاء) ও 'দাওদা' (ضوضاء) — যারা শব্দদুটিকে রূপান্তরযোগ্য (صرفهما) মনে করেন তাদের মতে। আর 'ফাহফাহ' (فحفاح), যা জান্নাতের একটি নদী।

এবং (فعفال) ওজনে আসে, যেমন: 'আরআর' (عرعار), যা শিশুদের একটি খেলা।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১২)
وعلى (فعفال) نحو زلزال، وقلقال، ودئداء لآخر الشهر. ولا سبيل أن تكون الهمزة الواقعة بعد الألف منقلبة عن ياء، أو واو، فتكون كعلباء، لأنه كان يجيء فعفال من غير المضاعف، وهذا لا يجوز البتة.

ولم يأت للعرب اسم على (فعفال) من المضاعف.

وعلى (فعفولٍ) نحو (13/أ) قرقور للسفينة، وجرجور للعظام من الإبل.

وعلى (فعفيلٍ) نحو همهيم من الهمهمة، وجرجير وهو نبات.

وعلى (فعفيل) نحو جرجير، لغة

وعلى (فعفلانَ) نحو رحرحان، اسم موضع، ورقرقان للبراق.

وعلى (فعفلانٍ) نحو جلجلان، وقلقلان وهو نبت.

وعلى (فعفليلٍ) نحو قرقرير، لصوت القمري.

وعلى (فيفيعلٍ) نحو زيزيرم، وهو حكاية صوت الجن، قال الراجز:
এবং (ফাফ’আল - فعفال) ওজনে যেমন: যিলযাল, কালকাল এবং মাসের শেষ সময়ের জন্য দায়দা। আলিফের পরে অবস্থিত হামযাহটি ইয়া বা ওয়াও থেকে রূপান্তরিত হওয়ার কোনো অবকাশ নেই যে এটি ‘ইলবা’ এর মতো হবে; কারণ সেক্ষেত্রে ফাফ’আল ওজনটি দ্বিত্বহীন (غير المضاعف) ধাতু থেকে আসত, আর এটি কোনোভাবেই অনুমোদিত (جائز) নয়।

আর আরবদের নিকট দ্বিত্ব (مضاعف) বিশিষ্ট শব্দ থেকে ফাফ’আল (فعفال) ওজনে কোনো বিশেষ্য আসেনি।

এবং (ফাফ’উল - فعفول) ওজনে যেমন: (১৩/ক) নৌকার ক্ষেত্রে কারকুর, এবং বিশালাকার উটের ক্ষেত্রে জারজুর।

এবং (ফাফ’ইল - فعفيل) ওজনে যেমন: হামহামাহ (নিম্নস্বরে গুঞ্জন) থেকে হামহীম, এবং জারজীর যা একটি উদ্ভিদ।

এবং (ফাফ’ইল - فعفيل) ওজনে যেমন: জারজীর, এটি একটি ভাষাগত রূপ।

এবং (ফাফ’লান - فعفلان) ওজনে যেমন: রাহরাহান, একটি স্থানের নাম, এবং চিকচিক করা অর্থে রাকাকান।

এবং (ফাফ’লান - فعفلان) ওজনে যেমন: জুলজুলান এবং কালকালান যা একটি উদ্ভিদ।

এবং (ফাফ’লীল - فعفليل) ওজনে যেমন: কারকারীর, ঘুঘু পাখির ডাক বুঝাতে।

এবং (ফাইফায়’ইল - فيفيعل) ওজনে যেমন: যীযীরাম, যা জিনের কণ্ঠস্বরের অনুকরণ, রাজেয ছন্দকার বলেছেন:
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১৩)
* تسمع للجن به زيزيزما *

وعلى (فيفيعلٍ) نحو زيزيزم لغة.

وعلى (فعيفل) نحو بغيبغ، وهو التيس السمين من الظباء.

وعلى (فعفل) نحو (زلزل) لأسفل القميص، وخزخز، للبعير القوي، وضلضل للأرض الصلبة.

وعلى (فعفلٍ) نحو ضلضل، لغة، وزلزل للأثاث.

وعلى (فعنفلٍ) نحو كعنكع للغول، وزونزى للقصير.

وعلى (فعنفلٍ) نحو دحندح، اسم دويبة.

وعلى (فعلفل) نحو حباحب، وقباقب، وجلاجل، (13/ب) أسماء لمواضع، وقضاقض للأسد.
* যার মাধ্যমে জিনের গুঞ্জন জিজজমা শোনা যায় *

এবং এটি (ফায়ফায়িল - فيفيعلٍ) এর ওজনে, যেমন— জিজাইজাম (زيزيزم), যা একটি ভাষাগত রূপ।

এবং (ফুআইফিল - فعيفل) ওজনে যেমন— বুগাইবুগ (بغيبغ), আর এটি হলো হরিণের মধ্যকার হৃষ্টপুষ্ট পুরুষ হরিণ।

এবং (ফাফাল - فعفل) ওজনে যেমন— জামার নিচের অংশের জন্য জালজাল (زلزل), শক্তিশালী উটের জন্য খুজখুজ (خزخز) এবং শক্ত মাটির জন্য দালদাল (ضلضل)।

এবং (ফাফাল - فعفلٍ) ওজনে যেমন— দালদাল (ضلضل), যা একটি ভাষাগত রূপ এবং আসবাবপত্রের জন্য জালজাল (زلزل)।

এবং (ফায়ানফাল - فعنفلٍ) ওজনে যেমন— দৈত্য বা গোলের জন্য কাআনকা (كعنكع) এবং খাটো ব্যক্তির জন্য জাওয়ানজা (زونزى)।

এবং (ফুআনফাল - فعنفلٍ) ওজনে যেমন— দাহান্দাহ (دحندح), যা একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর নাম।

এবং (ফালাফাল - فعلفل) ওজনে যেমন— হাবা-হাব (حباحب), কাবাকিব (قباقب) ও জালাজিল (جلاجل), (১৩/খ) যা বিভিন্ন স্থানের নাম এবং সিংহের জন্য কাদাকাদ (قضاقض)।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১৪)
وعلى (فعافل) نحو رعارع الناس، لسفلتهم، والجزاجز للمذاكير، ولا واحد لها من لفظها.

وعلى (فعفلى) نحو قرقرى، للظهر.

وعلى (فعيفلان) نحو قعيقعان، لجيل بمكة.

وعلى (فعفلى) نحو قرقرى، اسم موضع.

وعلى (أفعفل) نحة ألملم، اسم موضع.

وعلي يفعفل، يلملم.

وعلى (فعفل) قال

* كأن مهواها على الكلكل *

وهو الصدر.

وعلى (فعفل) نحو قمقم، للعدد الكبير.

وعلى (فهعيل) نحو صهميم، وهو الخالص في الخير والشر، مثل الصمم.
এবং (ফা‘আফিল) ওজনে, যেমন নীচু স্তরের লোকদের ক্ষেত্রে ‘রাআরিউ’ এবং পুরুষাঙ্গের জন্য ‘জাজাজিজ’ শব্দ ব্যবহৃত হয়, এগুলোর নিজস্ব মূল রূপ থেকে কোনো একবচন নেই।

এবং (ফা‘ফালা) ওজনে, যেমন পিঠের জন্য ‘কারকারা’ শব্দ।

এবং (ফুআইইলান) ওজনে, যেমন মক্কার একটি পাহাড়ের নাম ‘কুআইকিআন’।

এবং (ফা‘ফালা) ওজনে, যেমন ‘কারকারা’, যা একটি স্থানের নাম।

এবং (আফ‘আফাল) ওজনে, যেমন ‘আলামলাম’, যা একটি স্থানের নাম।

এবং (ইয়াফ‘আফাল) ওজনে, ‘ইয়ালামলাম’।

এবং (ফা‘ফাল) ওজনে, কবি বলেছেন

* যেন তার পতনস্থল ছিল ‘কালকাল’-এর ওপর *

আর এটি হলো বক্ষদেশ।

এবং (ফু‘ফুল) ওজনে, যেমন ‘কুমকুম’, যা বিশাল সংখ্যার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

এবং (ফুহাইল) ওজনে, যেমন ‘সাহমিম’, যা কল্যাণ বা অকল্যাণের ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ হওয়াকে বোঝায়, যেমন ‘সামমাম’।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১৫)
وعلى (فنعيل) نحو صنديد، وصنتيت، للسيد الكريم

وعلى (فعفل) نحو جمجم، للحمام الوحشي.

وعلى (فعفل) نحو رورى، للمتحذلق، وهو مثل رونرى أيضا.

زيادة الهاء:

يجيء الاسم على (فَعْفَلَة) نحو امرأة رأرأة العين، إذا كانت سريعة الحركة

وتجيء على (فَعْفِلَةٍ) نحو غرغرة الجيل، وهي أعلاه.

وعلى (فِعفِلَةٍ) نحو (14/أ) كركرة الجمل

وعلى (فَعَفِلَةٍ) نحو ضلضلة للأرض الصلبة، ذات الحجارة.

وعلى (فعَفَالَةٍ) نحو كتيبة رجراجة، للتي تمخض، ولا تكاد تسير، لكثرتها

وعلى (فعُفُولَةٍ) نحو جرجيرة لواجد الجرجير.

وعلى (فُعَافِلةٍ) نحو قدور زؤازئة.
এবং (ফান্ঈল) ওজনে যেমন সানদীদ ও সানতীত, যা মহান নেতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

এবং (ফাফআল) ওজনে যেমন জামজাম, যা বন্য কবুতরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

এবং (ফাফআল) ওজনে যেমন রওরা, যা লোকদেখানো পাণ্ডিত্য প্রদর্শনকারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, আর এটি রওনারী-এর মতোই।

‘হা’ বর্ণ বৃদ্ধি পাওয়া:

বিশেষ্য পদ ‘ফাফআলাহ’ ওজনে আসে; যেমন দ্রুত চঞ্চল চোখের অধিকারিণী নারীর ক্ষেত্রে ‘রা’রাআতুল আইন’ বলা হয়, যখন সে অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়।

আর এটি ‘ফাফইলাহ’ ওজনেও আসে; যেমন পাহাড়ের চূড়াকে ‘গারগারাতুল জাবাল’ বলা হয়।

এবং ‘ফিফইলাহ’ ওজনে; যেমন (১৪/আ) উটের সিনা বা বুকের মাংসপিণ্ডকে ‘কারকারাতুল জামাল’ বলা হয়।

এবং ‘ফাআফিলাহ’ ওজনে; যেমন শক্ত ও পাথরযুক্ত ভূমির ক্ষেত্রে ‘দালদালাহ’ বলা হয়।

এবং ‘ফাআফালাহ’ ওজনে; যেমন বিশাল ও দোদুল্যমান সেনাদলের ক্ষেত্রে ‘রাজরাজাহ’ ব্যবহৃত হয়, যা সৈন্যের আধিক্যের কারণে মন্থর হয়ে পড়ে এবং প্রায় চলতেই পারে না।

এবং ‘ফাউফুলাহ’ ওজনে; যেমন ‘জারজিরাহ’ শব্দটি।

এবং ‘ফুআফিলাহ’ ওজনে; যেমন বিশাল বড় হাঁড়িপাতিলকে ‘যুআযুইয়াহ’ বলা হয়।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১৬)
وعلى فَعَافِلَةٍ نحو قدور زءازنة وسواسوة.

وعلى (فَعَافُلَةٍ) نحو سواسوة.

وعلى (فُعَيفِلَةٍ) نحو البغيبغة، ضيعة باليمن لآل جعفر، ودحيدحة للقصيرة.

وعلى (فُعفُلَانةَ) نحو القطقانة، اسم واد.

وعلى (فَعفَلَانَةٍ) نحو رَفْرقَانَة.

ومن المنسوب

نحو صرصراني، لضرب من السمك، والصرصرانيات، للنجاتي والإبل العراب، وسمساني، للرجل الخفيف، وفعفعي للراعي وفعفعاني للقصاب، وبهبهى (14/ب) للجرئ الجسيم، وقلقلاني، لطائر معروف.

فجميع ما ذكرته، تجوز فيه الأقوال الثلاثة، فيكون وزنه على ثلاثة أمثلة.
এবং ফা’আফিলা (فَعَافِلَةٍ) ছন্দের ওপর, যেমন: কুদুরে যা’আযিনাহ এবং সাওয়াসওয়াহ।

এবং ফা’আফুলা (فَعَافُلَةٍ) ছন্দের ওপর, যেমন: সাওয়াসওয়াহ।

এবং ফুয়াইফিলা (فُعَيفِلَةٍ) ছন্দের ওপর, যেমন: আল-বুগাইবুগাহ—যা ইয়েমেনে জা’ফর পরিবারের একটি ভূসম্পত্তি; এবং বেঁটে মহিলার ক্ষেত্রে দুহাইদাহাহ।

এবং ফু’ফুলানাহ (فُعفُلَانةَ) ছন্দের ওপর, যেমন: আল-ক্বাতক্বাতানাহ, যা একটি উপত্যকার নাম।

এবং ফা’ফালানাহ (فَعفَلَانَةٍ) ছন্দের ওপর, যেমন: রাফরাক্বানাহ।

এবং সম্বন্ধযুক্ত (المنسوب) বিশেষ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত—

যেমন: সারসারানি—এক প্রকার মাছের জন্য; এবং সারসারানিয়্যাত—নাজাতি ও আরব্য উটের জন্য; এবং সামসানি—চটপটে ব্যক্তির জন্য; এবং রাখালের জন্য ফা’ফা’য়ি ও কসাইয়ের জন্য ফা’ফা’আনি; এবং সাহসী ও স্থূলকায় ব্যক্তির জন্য বাহবাহী (১৪/খ); এবং একটি পরিচিত পাখির জন্য ক্বালক্বালানি।

সুতরাং আমি যা উল্লেখ করেছি, তার সবকটিতেই তিনটি অভিমত (الأقوال) গ্রহণযোগ্য, ফলে এর ছন্দ (وزنه) তিনটি উদাহরণের ভিত্তিতে হবে।
(খণ্ড: ১) আবনিইয়াতুল আসমা ওয়াল আফআল ওয়াল মাসাদির (পৃষ্ঠা: ১১৭)
‌‌أبنية المضاعف من الثنائي:

ويجيء الاسم على (فعل) نحو وعد وحظ، ومن العرب من يبدل من الظاء الساكنة نونا فيقول حنظ، وإنما يفعلون هذا في المضاعف المدغم، يقولون في إجاص، وإجانة، وأترج، إنجاصة، وأترنجة، فإذا تحركت لم يبدلوا.

وبين اسم بلد، وليس في كلام العرب اسم في أوله ياءان غيره.

وعلى (فِعلٍ) نحو طب، وخب.

وعلى (فُعلٍ) نحو دب، وحب وأد.

وعلى (فُعلَ) نحو فعلت ذاك من شب إلى دب، غير مصروف، أي من الشباب إلى أن دببت على العصا

وعلى (فَعلِ) نحو مض، وهي كلمة بمعنى لا.
দ্বিবর্ণবিশিষ্ট দ্বিত্ববর্ণের (مضاعف) শব্দের গঠনসমূহ:

বিশেষ্য 'ফাল' (فعل) ওজনে আসে, যেমন: ওয়াদ এবং হাজ্জ। আরবদের মধ্যে এমন কেউ আছেন যারা সাকিন (ساكنة) 'যা' বর্ণকে 'নুন' দ্বারা পরিবর্তন করেন এবং 'হান্জ' বলেন। তারা মূলত এটি ইদগামকৃত (مدغم) দ্বিত্ববর্ণের (مضاعف) ক্ষেত্রে করেন; তারা 'ইজ্জাস', 'ইজ্জানাহ' ও 'উতরুজ্জ'-এর ক্ষেত্রে 'ইনজাসাহ' ও 'উতরুনজাহ' বলেন। তবে যখন বর্ণটি হরকতযুক্ত হয়, তখন তারা তা পরিবর্তন করেন না।

বায়্যিন একটি শহরের নাম; আরবদের ভাষায় এটি ব্যতীত অন্য কোনো বিশেষ্য নেই যার শুরুতে দুটি 'ইয়া' রয়েছে।

এবং 'ফিল্লুন' (فعل) ওজনে আসে, যেমন: তিব্ব এবং খিব্ব।

এবং 'ফুল্লুন' (فعل) ওজনে আসে, যেমন: দুব্ব, হুব্ব এবং আদদ।

এবং 'ফুল্লা' (فعل) ওজনে আসে, যেমন: "আমি সেটি করেছি শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত"—যা অপরিবর্তনশীল (غير مصروف), অর্থাৎ যৌবনকাল থেকে লাঠিতে ভর দিয়ে চলা পর্যন্ত।

এবং 'ফালি' (فعل) ওজনে আসে, যেমন: 'মাদ্দি', যা 'না' অর্থবোধক একটি শব্দ।