(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: -)
الأحكام الوسطى القسم: كتب السنة
الكتاب: الأحكام الوسطى من حديث النبي - صلى الله عليه وسلم -
المؤلف: عبد الحق بن عبد الرحمن بن عبد الله بن الحسين بن سعيد إبراهيم الأزدي، الأندلسي الأشبيلي، المعروف بابن الخراط (ت 581 هـ)
تحقيق: حمدي السلفي [ت 1433 هـ]- صبحي السامرائي [ت 1434 هـ]
الناشر: مكتبة الرشد للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية
عام النشر: 1416 هـ - 1995 م
عدد الأجزاء: 4
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 23 صفر 1437
আল-আহকামুল উসতা বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: নবী -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর হাদীস হতে আল-আহকামুল উসতা
লেখক: আব্দুল হক বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন সাঈদ ইবরাহীম আল-আযদি, আল-আন্দালুসি আল-ইশবিলি, যিনি ইবনুল খরাত নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৮১ হি.)
তাহকীক: হামদী আস-সালাফী [মৃত্যু ১৪৩৩ হি.]- সুবহী আস-সামাররাঈ [মৃত্যু ১৪৩৪ হি.]
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, রিয়াদ - সৌদি আরব সাম্রাজ্য
প্রকাশকাল: ১৪১৬ হি. - ১৯৯৫ খ্রি.
খণ্ড সংখ্যা: ৪
[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৩ সফর ১৪৩৭
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: -)
الأحكام الوسطى من حديث النبي صلى الله عليه وسلم
تأليف
الإمام الحافظ المحدث أبي محمد عبد الحق بن عبد الرحمن ابن عبد الله الأزدي الأشبيلي
«ابن الخراط»
(510 هـ - 582 هـ)
تحقيق
حمدي السلفي - صبحي السامرائي
مكتبة الرشد
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস হতে আল-আহকামুল ওয়াসতা (মধ্যম বিধানাবলি)
গ্রন্থনায়
ইমাম হাফেয মুহাদ্দিস আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হক বিন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযদি আল-ইশবিলি
«ইবনুল খরাত»
(৫১০ হিজরি - ৫৮২ হিজরি)
তাহকীক ও সম্পাদনা
হামদি আস-সালাফি - সুবহি আস-সামাররাঈ
মাকতাবাতুর রুশদ
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২)
جَمِيع الحُقُوق مَحْفُوظَة
1416 هـ - 1995 م
الناشر
مكتبة الرشد للنشر والتوزيع
المملكة الْعَرَبيَّة السعودية - الرياض - طَرِيق الْحجاز
ص. ب: 17522، الرياض: 11494، هَاتِف: 4583712
تلكس: 405798، فاكس ملي: 4573381
فرع القصيم بُرَيْدَة حَيّ الصَّفْرَاء
ص. ب: 2376، هَاتِف وفاكس ملي: 3818919
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
১৪১৬ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশক
মাকতাবাতুর রুশদ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সৌদি আরব রাজতন্ত্র - রিয়াদ - হিজাজ রোড
পি.ও. বক্স: ১৭৫২২, রিয়াদ: ১১৪৯৪, টেলিফোন: ৪৫৮৩৭১২
টেলেক্স: ৪০৫৭৯৮, ফ্যাক্স: ৪৫৭৩৩৮১
কাসিম শাখা, বুরাইদাহ, আস-সাফরা এলাকা
পি.ও. বক্স: ২৩৭৬, টেলিফোন ও ফ্যাক্স: ৩৮১৮৯১৯
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৩)
الْأَحْكَامِ الْوُسْطَى مِن حَدْيثِ النَّبِي صلى الله عليه وسلم
[1]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস থেকে সংগৃহীত মধ্যম বিধানসমূহ
[1]
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৫)
نص رسالة رد الذهبي على ابن القطانوهي من مخطوطات المكتبة الظاهرية
بسم الله الرحمن الرحيم
إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستهديه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهد الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، أما بعد فإن أصدق الكلام كلام الله، وخير الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم وشر الأمور محدثاتها، وكل بدعة ضلالة وبعد: فقد رأينا نشر رسالة رد الإمام الناقد الحافظ أبو عبد الله شمس الدين محمد بن أحمد بن قايماز الذهبي المتوفى سنة 748 هـ. على كتاب الوهم والإيهام الواقعين في كتاب الأحكام لمؤلفه الحافظ الناقد أبي الحسن علي بن عبد الملك الكناني الفاسي المتوفى سنة
628 هـ. وكتاب الأحكام للحافظ عبد الحق بن عبد الرحمن الأزدي الإشبيلي (كتابنا).
وقد ذكر الذهبي في مقدمة الرسالة سبب تأليفه لها أن ابن القطان لم يصب في كثير من تعقيباته وأسرف في المحاققة والتعنت للحافظ عبد الحق الإشبيلي، فرد وعقب عليه. وذكر الإمام الذهبي أن ابن القطان أصاب في كثير من تعقيباته. وهذه الرسالة منقولة من اختصار الذهبي لكتاب الوهم والإيهام.
ইবনে আল-কাত্তানের বিরুদ্ধে আয-যাহাবীর খণ্ডনমূলক পত্রের মূলপাঠআর এটি যাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপিগুলোর একটি।
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই সাহায্য চাই, তাঁরই নিকট হেদায়েত প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলের মন্দতা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। অতঃপর, নিশ্চয়ই সবচেয়ে সত্য বাণী হলো আল্লাহর বাণী এবং সর্বোত্তম পথনির্দেশ হলো মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পথনির্দেশ। আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো দ্বীনের মধ্যে নব উদ্ভাবিত বিষয়াদি এবং প্রত্যেক বিদআতই হলো পথভ্রষ্টতা। এরপর: আমরা সমালোচক ইমাম, হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে কায়মায আয-যাহাবী (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি)-এর খণ্ডনমূলক পত্রটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা তিনি হাফিজ সমালোচক আবু হাসান আলী ইবনে আব্দুল মালিক আল-কিনানি আল-ফাসি রচিত ‘আল-ওয়াহমু ওয়াল ইহোম আল-ওয়াকিইনা ফি কিতাবিল আহকাম’ নামক গ্রন্থের জবাবে লিখেছিলেন, যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন
৬২৮ হিজরিতে। আর ‘কিতাবুল আহকাম’ হলো হাফিজ আব্দুল হক ইবনে আব্দুর রহমান আল-আযদি আল-ইশবিলির (আমাদের কিতাব)।
আয-যাহাবী এই পত্রের ভূমিকায় এটি রচনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে আল-কাত্তান তাঁর অনেক সমালোচনায় সঠিক ছিলেন না এবং তিনি হাফিজ আব্দুল হক ইশবিলির প্রতি বিতর্কে লিপ্ত হওয়া ও কঠোরতা প্রদর্শনে বাড়াবাড়ি করেছেন। তাই তিনি এর প্রতিবাদ ও জবাব দিয়েছেন। ইমাম আয-যাহাবী আরও উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে আল-কাত্তান তাঁর অনেক সমালোচনায় সঠিকও ছিলেন। এই পত্রটি ‘আল-ওয়াহমু ওয়াল ইহোম’ গ্রন্থের আয-যাহাবী কর্তৃক কৃত সারসংক্ষেপ থেকে উদ্ধৃত।
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৬)
انظر ترجمة ابن القطان في التكملة للمنذري (3/ 686)، وتذكرة الحفاظ (4/ 1407)، وجذوة المقتبس 298.
وترجمة الإمام الذهبي في ذيل تذكرة الحفاظ ص 34. والإعلام للزركلي وقد تمّ نشر الرسالة على نسخة مخطوطة فريدة وهي من مخطوطات المكتبة الظاهرية بدمشق مجموع 70 في 11 ورقة (من ورقة 15 - 26) وهي بخط كما جاء في آخرها (فرغ من كتابته العبد الفقير إلى الله تعالى محمد بن عبد الله بن منجا الحنبلي). وعلى أول ورقة من المخطوط قراءة على العلامة يوسف بن عبد الهادي تاريخها يوم الثلاثاء سابع عشر من شهر جمادى الآخرة سنة سبع وتسع وثمان مائة. وعلى النسخة تصحيح في حواشيها، ويظهر أن النسخة منقولة عن نسخة المؤلف علمًا بأن صديقنا الدكتور فاروق حمادة قد نشر الرسالة في إحدى المجلات جزاه الله خيرًا.
المحققان
আল-মুনজিরি রচিত 'আত-তাকমিলাহ' (৩/ ৬৮৬), 'তাযকিরাতুল হুফফাজ' (৪/ ১৪০৭) এবং 'জাযওয়াতুল মুকতাবিস' (২৯৮)-এ ইবনুল কাত্তানের জীবনী দেখুন।
ইমাম আয-যাহাবির জীবনী পাওয়া যাবে 'যাইলু তাযকিরাতিল হুফফাজ'-এর ৩৪ পৃষ্ঠায় এবং আয-যিরিকলি রচিত 'আল-আলাম'-এ। এই রিসালাটি একটি অনন্য পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে, যা দামেস্কের আল-মাকতাবাতুজ জাহিরিয়ার পাণ্ডুলিপিসমূহের (মাজমু' ৭০) অন্তর্ভুক্ত, এটি ১১টি পাতায় (১৫ থেকে ২৬ নং পাতা পর্যন্ত) বিস্তৃত। এর শেষে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, এটি (আল্লাহ তাআলার মুখাপেক্ষী বান্দা মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মানজা আল-হাম্বলি)-র হস্তাক্ষরে লিখিত। পাণ্ডুলিপিটির প্রথম পাতায় আল্লামা ইউসুফ বিন আব্দুল হাদি-র উপস্থিতিতে এটি পাঠ করার একটি টীকা রয়েছে, যার তারিখ মঙ্গলবার, ১৭ই জমাদিউল আখিরা, ৮৯৭ হিজরি। পাণ্ডুলিপিটির হাশিয়া বা পার্শ্বটীকায় সংশোধন বিদ্যমান এবং এটি প্রতীয়মান হয় যে, অনুলিপিটি লেখকের মূল পাণ্ডুলিপি থেকেই অনুলিপি করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, আমাদের বন্ধু ডক্টর ফারুক হামাদাহ এই রিসালাটি একটি সাময়িকীতে প্রকাশ করেছেন, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
সম্পাদকদ্বয়
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين،
قال الشيخ الإمام الحافظ أبو عبد الله الذهبي رحمه الله تعالى في كتاب مختصر كتاب الوهم والإيهام لابن القطان:
قال الحافظ العلامة أبو الحسن علي بن محمد بن عبد الملك بن يحيى بن إبراهيم بن يحيى الكناني الحميري الفاسي المغربي -عرف بابن القطان- المتوفى سنة 628 هـ:
الحمد لله كما يحق له ويجب، والصلاة على نبيه محمد المنتخب، فذكر خطبة ابن القطان، وكتب الذهبي أيضًا على ظاهر الكتاب ناقلًا عن ابن القطان لقد أسرف في المحاققة والتعنت للحافظ أبي محمد، وبالغ في ذلك، وأصاب في كثير من ذلك ولم يصب في أماكن، وغلط فيها، وألزم أبا محمد بتطويل الكلام عن الأصل بما لا يناسب الأحكام المختصرة التي بلا أسانيد وعمد إلى رواة لهم جلالة وجلادة في العلم، وحديثهم في معظم دواوين الإسلام فغمزهم بكون أن أحدًا من القدماء ما نص على توثيقهم بحسب ما اطلع هو عليه، وقاعدته كابن حزم، وأهل الأصول، يقبل ما روى الثقة سواء خولف أو رفع الموقوف أو وصل المرسل.
والرجل محافظ في الجملة له اطلاع عظيم، وتوسع في الرجال، ويقظة وفطنة قل من يجاريه في زمانه، أخذ الفن من المطالعة.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
শায়খ, ইমাম, হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ আয-যাহাবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) ইবনুল কাত্তানের 'কিতাবুল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম' গ্রন্থের সংক্ষিপ্তসারে বলেছেন:
হাফেজ, আল্লামা আবু হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইয়াহইয়া আল-কিনানি আল-হিময়ারি আল-ফাসি আল-মাগরিবী—যিনি ইবনুল কাত্তান নামে পরিচিত—মৃত্যু ৬২৮ হিজরি, বলেছেন:
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যেভাবে তাঁর জন্য সমীচীন ও আবশ্যক, এবং দরুদ বর্ষিত হোক তাঁর মনোনীত নবী মুহাম্মাদের ওপর। অতঃপর তিনি ইবনুল কাত্তানের খুতবা উল্লেখ করলেন এবং আয-যাহাবী কিতাবের প্রচ্ছদেও ইবনুল কাত্তান থেকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন: তিনি হাফেজ আবু মুহাম্মাদের প্রতি সূক্ষ্ম বিচার ও কঠোরতা প্রদর্শনে সীমালঙ্ঘন করেছেন এবং এতে বাড়াবাড়ি করেছেন। এর অনেক ক্ষেত্রে তিনি সঠিক ছিলেন, আবার কিছু স্থানে তিনি সঠিক হতে পারেননি এবং সেখানে ভুল করেছেন। তিনি আবু মুহাম্মাদকে মূল বিষয়ের ওপর দীর্ঘ আলোচনা করতে বাধ্য করেছেন যা সনদবিহীন সংক্ষিপ্ত আহকামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এবং তিনি এমন সব বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করেছেন যাঁদের ইলমের ক্ষেত্রে মর্যাদা ও দৃঢ়তা রয়েছে এবং ইসলামের অধিকাংশ কিতাবে যাঁদের হাদিস বিদ্যমান। তিনি তাঁদের সম্পর্কে এই অভিযোগ তুলেছেন যে, তাঁর জানামতে প্রাচীনদের কেউ তাঁদের নির্ভরযোগ্যতা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেননি। তাঁর মূলনীতি হলো ইবনে হাযম ও উসূলবিদদের মতো; নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যা বর্ণনা করেন তিনি তা গ্রহণ করেন, চাই তা (অন্যের) বিপরীত হোক কিংবা মাওকুফকে মারফু করা হোক অথবা মুরসালকে মুত্তাসিল করা হোক।
সামগ্রিকভাবে এই ব্যক্তি একজন হাফেজ (সংরক্ষক), তাঁর গভীর জ্ঞান রয়েছে এবং বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে তাঁর ব্যাপক জানাশোনা আছে। তাঁর সচেতনতা ও প্রখর মেধা এমন ছিল যে তাঁর যুগে খুব কম লোকই তাঁর সমকক্ষ হতে পারত; তিনি অধ্যয়নের মাধ্যমেই এই বিদ্যা আয়ত্ত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৮)
1 - حديث الدارقطني، من رواية القاسم بن محمد العمري "لَا يَقْضِي القَاضِي إِلَّا وَهُوَ شَبْعَانُ رَيّانُ".
قال: فالقاسم متروك.
قلت: الصواب القاسم بن عبد الله (1).
2 - حديث عصمة بن مالك وعبد الله بن الحارث بن أبي ربيعة "أَنَّ مَمْلُوكًا سَرَقَ فَعَفَا عَنْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ سَرَقَ فَعَفَا عَنْهُ، فَلَمّا رُفعَ إِلَيْهِ فِي الخَامِسة قُطعَ".
الحديث لا يصح لإرساله وضعف إسناده (فهذا تعبيره) فقال: رواه النسائي، وما هو في النسائي هكذا بل فيه حماد بن سلمة عن يونس، وذكر على الحاشية.
قلت: صوابه يوسف بن سعد بدل يونس عن الحارث بن حاطب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي بلص فقال: "اقْتُلُوهُ"، قالوا: إنما سرق، قال: "اقْطَعُوا
--------------------------------------------
১ - আদ-দারাকুতনী-র হাদিস, আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ আল-উমারীর বর্ণনা থেকে: "বিচারক যেন কেবল পূর্ণ পরিতৃপ্ত ও তৃষ্ণা নিবারিত অবস্থায় ফয়সালা না করেন।"
তিনি বলেন: আল-কাসিম পরিত্যক্ত (মাতরুক)।
আমি বলি: সঠিক হলো আল-কাসিম ইবনে আব্দুল্লাহ (১)।
২ - ইসমাহ ইবনে মালিক এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে আবি রাবিআহ থেকে বর্ণিত হাদিস: "এক ক্রীতদাস চুরি করলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ক্ষমা করে দিলেন, এরপর সে আবারও চুরি করলে তিনি তাকে ক্ষমা করে দিলেন; অবশেষে যখন পঞ্চমবার তাকে তাঁর নিকট আনা হলো, তখন তার হাত কাটা হলো।"
হাদিসটি এর ইরসাল (মুরসাল হওয়া) এবং সনদের দুর্বলতার কারণে সহিহ নয় (এটিই তাঁর অভিব্যক্তি)। তিনি বললেন: এটি আন-নাসায়ী বর্ণনা করেছেন। অথচ আন-নাসায়ীতে এটি এভাবে নেই, বরং তাতে ইউনুস থেকে হাম্মাদ ইবনে সালামাহ-এর বর্ণনা রয়েছে, যা পার্শ্বটীকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আমি বলি: ইউনুসের স্থলে সঠিক হলো ইউসুফ ইবনে সাদ, তিনি আল-হারিস ইবনে হাতিব থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক চোরকে আনা হলো, তিনি বললেন: "তাকে হত্যা করো।" তারা বলল: সে তো কেবল চুরি করেছে। তিনি বললেন: "কাটো..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৯)
يَدَهُ"، ثم سرق، فقطعت رجله، ثم سرق على عهد أبي بكر حتى قطعت قوائمه، ثم سرق فقتله (1).
فنسبة المؤلف الخبر إلى النسائي، وإلى عصمة بن مالك وعبد الله بن الحارث، وهم.
3 - حديث عائشة في قيامه عليه السلام في الناس في رمضان ليلة بالناس، زاد في طريق "وَلَوْ كُتِبَ عَلَيْكُمْ مَا قُمْتُمْ بِهِ".
فهذا من حديث زيد بن ثابت، وما هو في مسلم، وإنما هو بلفظ آخر.
قلت: بل هو في مسلم.
4 - حديث: روى إبراهيم بن زيد بن فديد عن الأوزاعي عن يحيى عن أبي سلمة عن أبي هريرة مرفوعًا "إِذَا دَخلَ أَحدكُمُ المَسجدَ فَلا يَجلس حَتَّى يَرْكَعَ رِكْعَتَينِ وإِذَا دَخَل بَيْتَهُ كَذَلِكَ" قال: وهذه الزيادة لا أصل لها، قاله: (البخاري) وإنما يصح في ذلك حديث أبي قتادة (1).
فهذا من كتاب ابن عدي، حدثنا حذيفة وغيره قالوا: ثنا أبو أمية ثنا سعد بن عبد الحميد بن جعفر ثنا إبراهيم بن زيد بن فديد.
قال ابن عدي: وإبراهيم لا يحضرني له غير هذا وهو منكر (2).
قال ابن القطان: سعد مجهول الحال.
--------------------------------------------
তার হাত", এরপর সে চুরি করল, ফলে তার পা কাটা হল। এরপর সে আবু বকরের যুগে চুরি করল এমনকি তার চার হাত-পা কেটে ফেলা হল। এরপর সে পুনরায় চুরি করলে তাকে হত্যা করা হল (১)।
সুতরাং লেখক কর্তৃক এই বর্ণনাটিকে নাসায়ীর দিকে এবং ইসমাহ বিন মালিক ও আব্দুল্লাহ বিন হারিসের দিকে সম্পৃক্ত করাটা একটি ভ্রম।
৩ - রমজানে এক রাতে মানুষের সাথে তাঁর (সা.) দাঁড়িয়ে (সালাত আদায়ের) ব্যাপারে আয়েশার বর্ণিত হাদিস। এক সূত্রে এই অংশটুকু অতিরিক্ত এসেছে: "আর যদি তা তোমাদের ওপর ফরজ করা হতো, তবে তোমরা তা পালন করতে পারতে না।"
এটি জায়েদ বিন সাবিতের হাদিস থেকে এবং এটি মুসলিমে নেই, বরং সেখানে ভিন্ন শব্দে রয়েছে।
আমি বলি: বরং এটি মুসলিমে রয়েছে।
৪ - হাদিস: ইবরাহিম বিন জায়েদ বিন ফাদিদ বর্ণনা করেছেন আওজায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে: "তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে, তখন সে যেন দুই রাকাত সালাত আদায় না করে না বসে, আর যখন সে তার ঘরে প্রবেশ করে তখনও তেমনি করবে।" তিনি (বুখারি) বলেন: এই অতিরিক্ত অংশটির কোনো ভিত্তি নেই। এ ক্ষেত্রে কেবল আবু কাতাদাহর (১) হাদিসটিই বিশুদ্ধ।
এটি ইবনে আদির কিতাব থেকে গৃহীত। হুজাইফা ও অন্যরা আমাদের বলেছেন যে: আবু উমাইয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাদ বিন আব্দুল হামিদ বিন জাফর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম বিন জায়েদ বিন ফাদিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।
ইবনে আদি বলেন: ইবরাহিমের এই একটি বর্ণনা ছাড়া অন্য কোনো বর্ণনা আমার জানা নেই এবং এটি মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) (২)।
ইবনে আল-কাত্তান বলেন: সাদের অবস্থা অজ্ঞাত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১০)
قلت: بل روى عنه جماعة (3)، وقال ابن معين: ليس له بأس (4)، (ت، س، ق).
5 - حديث: "طَعامُ البَخيلِ دَاءٌ" لم نعرفه وهو عند أبي أحمد بإسناد آخر رواه أبو يعلى الصدفي: ثنا أبو العباس العذري، ثنا محمد بن نوح الأصبهاني بمكة ثنا الطرافي ثنا المقدام بن داود ثنا عبد الله بن يونس عن مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم "طَعَامُ البَخيلِ دَاءٌ وَطَعامُ السَّخِيِّ شِفَاءٌ".
قال أبو علي: غريب عجيب ورجاله ثقات.
قال المؤلف: مقدام قال فيه الدارقطني: ضعيف.
6 - "لَا يَسْمَعُ بِي أَحَدٌ مِنْ هَذهِ الأُمَّةِ لَا يَهُودِيٌّ وَلا نَصْرَانِيٌّ"، من كتاب عبد الرزاق عن معمر عن همام عن أبي هريرة هو في مسلم دون (ولا).
قال المؤلف: فابن أبي شيبة قد ذكر من حديث أبي موسى صحيحًا ذلك المعنى بعينه فقال حدثنا عفان حدثنا شعبة ثنا أبو شمر، سمعت سعيد بن جبير عن أبي موسى مرفوعًا:
--------------------------------------------
আমি বললাম: বরং তাঁর থেকে একদল রাবী বর্ণনা করেছেন (৩), এবং ইবনে মাঈন বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (৪), (তিরমিজি, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ)।
৫ - হাদিস: "কৃপণের খাবার হলো রোগ" - এটি আমাদের পরিচিত নয়। তবে এটি আবু আহমদের নিকট অন্য সনদে রয়েছে, যা আবু ইয়ালা আস-সাফাদি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-উজরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন নূহ আল-আসফাহানি মক্কায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আত-তারাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিকদাম বিন দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস, মালেক থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: "কৃপণের খাবার হলো রোগ এবং দানবীরের খাবার হলো প্রতিষেধক।"
আবু আলী বলেছেন: এটি অত্যন্ত বিরল ও বিস্ময়কর এবং এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য।
লেখক বলেন: মিকদাম সম্পর্কে আদ-দারা কুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল।
৬ - "এই উম্মতের কেউ—চাই সে ইহুদি হোক বা খ্রিস্টান—আমার কথা শুনবে (অথচ ঈমান আনবে না)...", এটি আব্দুর রাজ্জাকের কিতাব থেকে মা’মার-এর সূত্রে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন; এটি মুসলিমে 'এবং' শব্দ ব্যতিরেকে বর্ণিত হয়েছে।
লেখক বলেন: ইবনে আবি শায়বা আবু মুসার হাদিস থেকে সহীহ সনদে হুবহু এই অর্থটি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু শিমর, আমি সাঈদ বিন জুবায়েরকে আবু মুসা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করতে শুনেছি:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১১)
"مَنْ سَمِعَ بِي مِنْ أُمَّتِي أَوْ يَهودِي أَوْ نَصْرَانِي ثُمَّ لَمْ يُؤْمِنْ بِي دَخَل النَّارَ".
قال ابن القطان: هذا حديث صحيح الإسناد فاعلمه، كذا قال، ولم يتفطن إلى أن سعيدًا لم يلق أبا موسى، وأنه منقطع، وأبو شمر الضبعي ما سمي روى له مسلم.
7 - حديث في قضاء صوم التطوع ضعفه وما ذكر أن مجاهدًا ما سمع من عائشة.
قلت: في ذا خلاف.
8 - حديث بنت أبي حبيش كانت تستحاض فقال لها: "إِذَا كَانَ دَمُ الحَيضِ فَإنَّهُ أَسْوَدُ يُعْرَفُ".
انفرد بلفظه محمد بن عمرو عن الزهري عن عروة عن فاطمة بنت أبي حبيش فهذا منقطع لأنه حدث به مرة فقال: عن عروة عن عائشة عن فاطمة، وقال الليث: عن يزيد بن أبي حبيب عن بكر بن عبد الله عن المنذر أبي المغيرة عن عروة أن فاطمة حدثته.
فالمنذر مجهول، قاله أبو حاتم (1).
وكذلك حديث سهيل بن أبي صالح عن الزهري عن عروة حدثتني فاطمة أنها أمرت أسماء، أو حدثتني أسماء أنها أمرت فاطمة بنت أبي حبيش أن تسأل لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فهذا شك فيه سهيل وقد ساء حفظه، وفيه أنه أحالها على
الأيام فأمرها أن تقعد الأيام التي كانت تقعد، والمعروف في قصة فاطمة الإحالة على الدم والقرء (2).
--------------------------------------------
"আমার উম্মতের যে কেউ আমার কথা শুনেছে, অথবা কোনো ইহুদি কিংবা খ্রিস্টান, অতঃপর সে আমার ওপর ঈমান আনেনি, তবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।"
ইবনুল কাত্তান বলেছেন: এটি একটি সহিহ সনদের হাদিস, সুতরাং তা জেনে রাখুন। তিনি এমনই বলেছিলেন, তবে তিনি এটি খেয়াল করেননি যে সাঈদ আবু মুসার সাথে সাক্ষাৎ করেননি, আর এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন সনদ)। আর আবু শামার আদ-দুবায়ী, যার নাম উল্লেখ করা হয়নি, তার সূত্রে মুসলিম হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৭ - নফল রোজা কাযা করা সংক্রান্ত হাদিস, যা তিনি দুর্বল বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে মুজাহিদ আয়েশা (রা.) থেকে শ্রবণ করেননি।
আমি বলছি: এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।
৮ - বিনতে আবি হুবাইশ-এর হাদিস; তিনি ইস্তিহাজা-গ্রস্ত (অস্বাভাবিক রক্তস্রাব) ছিলেন। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: "যখন ঋতুর রক্ত হবে, তখন তা কালো বর্ণের হবে যা চেনা যায়।"
মুহাম্মাদ বিন আমর এই শব্দে একাকী বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি ফাতিমা বিনতে আবি হুবাইশ থেকে; সুতরাং এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন), কারণ তিনি একদা এটি বর্ণনা করার সময় বলেছিলেন: উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে এবং তিনি ফাতিমা থেকে। লাইস বলেছেন: ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব থেকে, তিনি বকর বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি মুনজির আবু আল-মুগিরা থেকে এবং তিনি উরওয়াহ থেকে যে, ফাতিমা তাকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং মুনজির হচ্ছেন মাজহুল (অপরিচিত), আবু হাতিম (১) এমনটিই বলেছেন।
অনুরূপভাবে সুহাইল বিন আবি সালিহ-এর হাদিস; যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে; ফাতিমা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি আসমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, অথবা আসমা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি ফাতিমা বিনতে আবি হুবাইশকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তিনি তার পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন। এ বিষয়ে সুহাইল সন্দেহ করেছেন এবং তার হেফজ (স্মৃতিশক্তি) দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। এতে আরও উল্লেখ আছে যে, তিনি তাকে দিনগুলোর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন,
অতঃপর তিনি তাকে সেই দিনগুলোতে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন যে দিনগুলোতে তিনি (ঋতুকালে) বিরত থাকতেন। আর ফাতিমার ঘটনায় পরিচিত বর্ণনা হলো রক্ত এবং ঋতুচক্রের অবস্থার (২) ওপর ভিত্তি করা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১২)
وقال علي بن عاصم عن سهيل وفيه أن التي حدثته أسماء ولم يشك.
9 - وقال أبو داود ثنا وهب بن بقية أنا خالد عن سهيل عن الزهري عن عروة عن أسماء بنت عميس (قالت) قلت: يا رسول الله إن فاطمة استحيضت فقال: "لِتَغْتسلَ الظُّهرَ وَالعَصرَ غُسْلًا وَاحِدًا". . الحديث.
وفاطمة أسدية، قال ابن حزم: أدركها عروة، ولم يبعد أنه سمع من خالته عائشة ومن ابن عمه.
قال المؤلف: هذا عندي غير صحيح وفاطمة في تعدد زبير لأنها بنت أبي حبيش بن المطلب بن أسد ولا يعرف لها سوى هذا الحديث، ولم يتبين منه أن عروة أخذه عنها.
قلت: ما أبدى ابن القطان في رده على ابن حزم طائلًا.
10 - حديث المسيب بن حزن، لما حضرت أبا طالب الوفاة.
فالمسيب من مسلمة الفتح، ولم يشاهد القصة.
قلت: مراسيل الصحابة حجة وذكر على الحاشية.
قلت: عامة ما في هذا الباب أحاديث علقها الأئمة فقال: منقطع.
11 - حديث ابن عباس "لَيْسَ عَلى النِّساءِ حَلْقٌ" سكت عنه، وهو ضعيف منقطع، ابن جريج قال: بلغني عن صفية بنت شيبة، أخبرتني أم عثمان بنت أبي سفيان أن ابن عباس قال مرفوعًا.
وأم عثمان لا يعرف لها حال.
قلت: هي زوجة شيبة لها صحبة ورواية في مسند أحمد (1).
--------------------------------------------
এবং আলি বিন আসিম সুহাইল থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাকে আসমা বর্ণনা করেছেন—এ বিষয়ে তিনি কোনো সন্দেহ করেননি।
৯ - এবং আবু দাউদ বলেন, আমাদের কাছে ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট খালিদ বর্ণনা করেছেন সুহাইল থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আসমা বিনতে উমাইস থেকে (তিনি বলেন), আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! ফাতিমার ইস্তিহাজা (অস্বাভাবিক রক্তস্রাব) হয়েছে। তখন তিনি বললেন: "সে যেন যোহর ও আসরের জন্য একবার গোসল করে।" ... (অতঃপর বাকি) হাদিস।
আর ফাতিমা ছিলেন আসাদিয়া বংশের, ইবনে হাযম বলেন: উরওয়াহ তাকে পেয়েছেন, এবং এটি অসম্ভব নয় যে তিনি তার খালা আয়েশা এবং তার চাচাতো ভাই থেকে শুনেছেন।
গ্রন্থকার বলেন: এটি আমার কাছে সঠিক নয় এবং ফাতিমা যুবাইরের বংশধারার অন্তর্ভুক্ত, কারণ তিনি আবু হুবাইশ বিন আল-মুত্তালিব বিন আসাদের কন্যা এবং এই হাদিসটি ছাড়া তার অন্য কোনো হাদিস জানা নেই, আর এটিও স্পষ্ট নয় যে উরওয়াহ এটি তার থেকে গ্রহণ করেছেন।
আমি বলি: ইবনুল কাত্তান ইবনে হাযমের খণ্ডন করতে গিয়ে যা প্রকাশ করেছেন তাতে বিশেষ কোনো লাভ নেই।
১০ - মুসাইয়িব বিন হাযনের হাদিস, যখন আবু তালিবের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়েছিল।
মুসাইয়িব মক্কা বিজয়ের দিন ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, আর তিনি এই ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেননি।
আমি বলি: সাহাবীদের মুরসাল হাদিসসমূহ দলিল হিসেবে গণ্য এবং এটি পার্শ্বটীকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আমি বলি: এই অধ্যায়ের অধিকাংশ হাদিসই ইমামগণ মুআল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।
১১ - ইবনে আব্বাসের হাদিস "নারীদের মাথা মুণ্ডন করা নেই" (এটির বর্ণনার পর) তিনি চুপ থেকেছেন, অথচ এটি দুর্বল ও মুনকাতি। ইবনে জুরাইজ বলেন: সাফিয়্যাহ বিনতে শায়বাহ থেকে আমার নিকট পৌঁছেছে, আমাকে উম্মে উসমান বিনতে আবু সুফিয়ান সংবাদ দিয়েছেন যে ইবনে আব্বাস মারফূ হিসেবে বলেছেন।
আর উম্মে উসমানের অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা নেই।
আমি বলি: তিনি শায়বাহর স্ত্রী, তার সাহাবিয়্যা হওয়ার মর্যাদা রয়েছে এবং মুসনাদে আহমাদে তার বর্ণনা রয়েছে (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حديث ابن عباس وقت العقيق فهو من طريق يزيد بن أبي زياد، وقد نبّه عليه عن محمد بن علي بن عبد الله بن عباس عن جده.
فأقول: إنما يعرف محمد بالرواية عن أبيه عن ابن عباس، وخرج له بذلك مسلم في قيام الليل فأخاف انقطاعه مع قول مسلم: لا نعلم أنه لقي جده.
قلت: مولده سنة أربع وستين، وأدرك جده وهو ابن أربع سنين.
13 - حديث من مسند ابن أبي شيبة عن سعد في الحج "فَمنَّا مَنْ رَمَى بِستٍ، وَمنَّا مَنْ رَمَى بِسَبعٍ".
قال: في إسناده حجاج بن أرطأة.
قلت: وهو عن مجاهد عن سعد، ولا نعلمه سمع منه، وممكن.
14 - حديث عن أبي رافع "فَأمَرَنِي رَسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَنزِلَ الأَبطحَ، وَلكنْ جِئتُ فَضَربتُ قِبَّتَهُ، فَجَاءَ فَنَزِلَ"، فسكت عنه لكونه في (م) وهو عن سليمان بن يسار، قال: قال أبو رافع.
قال ابن عبد البر: ولد سليمان سنة أربع وثلاثين - وقيل: سنة سبع وعشرين ومات أبو رافع أثر قتل عثمان.
قلت: يبعد سماعه منه.
قال: وذكر ابن أبي خيثمة: ثنا حامد بن يحيى ثنا سفيان قال: كان عمرو يحدثنا عن صالح بن كيسان أنه سمع سليمان بن يسار يقول: أخبرني أبو رافع، وكان على ثقل رسول الله فضرب قبته بالأبطح.
--------------------------------------------
১২ - ইবনে আব্বাসের হাদীস এবং আকীকের ওয়াক্ত নির্ধারণের বিষয়টি ইয়াযীদ বিন আবি যিয়াদের সূত্রে মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে তার দাদার বরাতে বর্ণিত হয়েছে।
আমি বলছি: মুহাম্মাদ সাধারণত তার পিতার মাধ্যমে ইবনে আব্বাসের নিকট থেকে বর্ণনার জন্য পরিচিত, এবং ইমাম মুসলিম 'কিয়ামুল লাইল' অধ্যায়ে তার মাধ্যমে বর্ণনা গ্রহণ করেছেন। তবে আমি এর বর্ণনাসূত্রে বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা করছি, বিশেষ করে ইমাম মুসলিমের এই উক্তির কারণে যে: তিনি তার দাদার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।
আমি বলছি: তার জন্ম চৌষট্টি হিজরীতে, এবং তিনি চার বছর বয়সে তার দাদাকে পেয়েছেন।
১৩ - ইবনে আবি শাইবাহর মুসনাদে বর্ণিত সা'দ থেকে হজ সংক্রান্ত হাদীস: "আমাদের মধ্যে কেউ ছয়টি কঙ্কর নিক্ষেপ করেছিল, আর কেউ সাতটি।"
তিনি বলেন: এর বর্ণনাসূত্রে হাজ্জাজ বিন আরতাহ রয়েছেন।
আমি বলছি: এটি মুজাহিদ থেকে সা'দের সূত্রে বর্ণিত, এবং আমরা জানি না যে তিনি তার থেকে সরাসরি শুনেছেন কি না, তবে সেটি সম্ভব।
১৪ - আবু রাফি' থেকে বর্ণিত হাদীস: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে আবতাহ নামক স্থানে অবতরণ করার আদেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু আমি এসে তাঁর তাবু স্থাপন করলাম, অতঃপর তিনি এসে সেখানে অবতরণ করলেন।" তিনি এ সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন কারণ এটি ইমাম মুসলিমের গ্রন্থে রয়েছে এবং এটি সুলাইমান বিন ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু রাফি' বলেছেন।
ইবনে আব্দুল বার বলেন: সুলাইমানের জন্ম চৌত্রিশ হিজরীতে—মতান্তরে সাতাশ হিজরীতে—আর আবু রাফি' উসমানের হত্যাকাণ্ডের পরপরই মৃত্যুবরণ করেন।
আমি বলছি: তাঁর থেকে সরাসরি শ্রবণ করা সুদূরপরাহত।
তিনি বলেন: ইবনে আবি খাইসামাহ উল্লেখ করেছেন: হামিদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর আমাদের নিকট সালিহ বিন কায়সানের বরাতে বর্ণনা করতেন যে, তিনি সুলাইমান বিন ইয়াসারকে বলতে শুনেছেন: আবু রাফি' আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আসবাবপত্রের দায়িত্বে ছিলেন এবং আবতাহ নামক স্থানে তাঁর তাবু স্থাপন করেছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
15 - حديث الموطأ عن عبد الله الصنابحي في فضيلة الوضوء، فقال عبد الله: لم يلق النبي صلى الله عليه وسلم، ويقال: أبو عبد الله وهو الصواب، واسمه عبد الرحمن فصدق، فقد ذكر مالك الصنابحي أحاديث سماه فيها عبد الله فيزعمون أنه وهم، أو سمَّاهُ عبد الله لأنا كلنا عبيد لله، قال (البخاري) وهم مالك، هو أبو عبد الله عبد الرحمن بن عسيلة حديثه مرسل (1).
والصنابحي الأحمسي صحابي له حديثان، نقله الترمذي في العلل.
قال المؤلف: لكن التكهن بأنه المراد، لا نقول عطاء بن يسار عن عبد الله الصنابحي ونسبة الوهم إلى مالك فيه خطأ ودعوى، ومالك ما انفرد بذلك، تابعه أبو غسان محمد بن مطرف عن زيد بن أسلم عن عطاء عن عبد الله الصنابحي عن عبادة في الوتر وتابعهما زهير بن محمد عن زيد، وقال سعيد: حدثنا حفص بن ميسرة عن زيد عن عطاء عن عبد الله الصنابحي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "إِنَّ الشَمْسَ تَطْلُعُ مَعَ قَرْنِ الشَّيْطَانِ". رواه ابن السكن وترجم باسم عبد الله في الصحابة، ثم قال: وأبو عبد الله الصنابحي أيضًا مشهور يروي عن عبادة وأبي بكر، ليست له صحبة.
قال: ويقال أيضًا إن عبد الله غير معروف في الصحابة.
وقال عباس عن ابن معين: عبد الله الصنابحي يشبه أن تكون له صحبة.
قال المؤلف: المتحصل أنهما اثنان عبد الرحمن ليست له صحبة يروي عن أبي بكر وعبادة.
والآخر عبد الله الصنابحي أيضًا عن أبي بكر وعبادة والظاهر منه أن له صحبة ولا أبت ذلك ولا أيضًا أجعل عبد الله عبد الرحمن.
قال الذهبي: من أبعد الأشياء أن يكون رجلان صنابحيان كل منهما
--------------------------------------------
১৫ - ওযুর ফযিলত সম্পর্কে আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহী হতে বর্ণিত মুওয়াত্তার হাদিস। আবদুল্লাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাক্ষাৎ পাননি। বলা হয়: তিনি আবু আবদুল্লাহ, আর এটিই সঠিক। তার নাম আবদুর রহমান—এই কথাটি সত্য। ইমাম মালিক আস-সুনাবিহী থেকে এমন কিছু হাদিস উল্লেখ করেছেন যেখানে তিনি তাকে আবদুল্লাহ নামে অভিহিত করেছেন, তাই অনেকে দাবি করেন যে এটি মালিকের ভুল, অথবা তিনি তাকে আবদুল্লাহ নাম দিয়েছেন কারণ আমরা সবাই আল্লাহর বান্দা। (বুখারি) বলেছেন: মালিক ভুল করেছেন, তিনি হলেন আবু আবদুল্লাহ আবদুর রহমান ইবনে উসাইলা, তার বর্ণিত হাদিস মুরসাল (১)।
আর আস-সুনাবিহী আল-আহমাসী একজন সাহাবী, তার থেকে বর্ণিত দুটি হাদিস রয়েছে, যা তিরমিযী ‘আল-ইলাল’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
লেখক বলেছেন: কিন্তু তিনিই যে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি—এমন অনুমান করার বিষয়ে আমরা আতা ইবনে ইয়াসার থেকে আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহী—এভাবে বর্ণনা করি না। মালিকের প্রতি ভুলের নিসবত করা একটি ত্রুটি ও নিছক দাবি। মালিক এই বর্ণনায় একা নন; আবু গাসসান মুহাম্মদ ইবনে মুতাররিফ—যাইদ ইবনে আসলাম থেকে—আতা থেকে—আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহী থেকে—উবাদাহ থেকে বিতর সম্পর্কে তার অনুসরণ করেছেন। যুহাইর ইবনে মুহাম্মদও যাইদ থেকে তাদের অনুসরণ করেছেন। সাঈদ বলেছেন: হাফস ইবনে মাইসারা—যাইদ থেকে—আতা থেকে—আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহী থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "সূর্য শয়তানের শিং-এর সাথে উদিত হয়।" ইবনে আস-সাকান এটি বর্ণনা করেছেন এবং সাহাবীদের জীবনীতে ‘আবদুল্লাহ’ নামে তার পরিচ্ছেদ রচনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন: আবু আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহীও প্রসিদ্ধ, যিনি উবাদাহ ও আবু বকর থেকে বর্ণনা করেন, তবে তার সাহচর্য নেই।
তিনি বলেছেন: আরও বলা হয়ে থাকে যে, আবদুল্লাহ সাহাবীদের মধ্যে পরিচিত নন।
আব্বাস ইবনে মুঈন থেকে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহীর সাহচর্য থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
লেখক বলেছেন: লব্ধ কথা হলো তারা দুইজন। আবদুর রহমান—যার সাহচর্য নেই—তিনি আবু বকর ও উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেন।
আর অন্যজন হলেন আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহী, তিনিও আবু বকর ও উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেন এবং বাহ্যত তার সাহচর্য রয়েছে। তবে আমি এটি নিশ্চিতভাবে বলছি না, আবার আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমানকে একই ব্যক্তি হিসেবেও গণ্য করছি না।
ইমাম যাহাবী বলেছেন: এটি অত্যন্ত দূরহ বিষয় যে দুইজনই সুনাবিহী ব্যক্তি হবেন যাদের প্রত্যেকেই...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
يروي عن أبي بكر وعبادة أحدهما أبو عبد الله ما له صحبة، والآخر عبد الله له صحبة، مع جعلهما واحدًا عند البخاري، والترمذي وأبي حاتم وابنه وابن عبد البر، وغيرهم، بل القوي أنه واحد مشهور بالنسبة مختلف في اسمه كاد أن يكون صحابيًا لقدومه المدينة بعد وفاة المصطفى بليال صلى الله عليه وسلم، وما رأيناه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا في حديث واحد، تفرد بلفظ سمعت سويد بن سعيد عن حفص، وسويد فيه مقال، وما هو بالحجة، أضر بآخره وشاخ وربما يلقن.
16 - وذكر في الباب الذي قبله حديث معاذ في زكاة البقر لمسروق عنه، ولم يلقه.
وذكر ذلك عن ابن عبد البر، فما قال ابن عبد البر، إلا أنه متصل، والذي رماه بالانقطاع ابن حزم ثم استدرك بعد وقال: فمسروق بلا شك أدرك معاذًا وشاهد أحكامه نقيبًا، وتفتى زمن عمر، فيقول بعد: إن مسروقًا سمع من معاذ، وإنما أقول ليس في حديث المتعاصرين إلا رأيان، الحمل على الوصل كرأي مسلم والجمهور، أو القول لم يثبت سماع هذا من هذا كرأي ابن المديني والبخاري، ولا يقولون إنه منقطع، قلت: بل رأيهما دال على انقطاع.
17 - حديث ستر وجه المرأة، فيه خالد بن دُريك ما سمع من عائشة.
قلت: وخالد مجهول وعنه سعيد بن بشير.
--------------------------------------------
তিনি আবু বকর এবং উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেন। তাঁদের একজন হলেন আবু আবদুল্লাহ যার সাহচর্য (সাহাবী হওয়া) নেই, এবং অপরজন হলেন আবদুল্লাহ যার সাহচর্য রয়েছে। ইমাম বুখারী, তিরমিযী, আবু হাতিম ও তাঁর পুত্র, ইবনে আবদিল বার এবং অন্যদের নিকট তাঁরা একই ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও শক্তিশালী অভিমত হলো তিনি একজনই, যিনি সম্পর্কের (নিসবত) দিক থেকে প্রসিদ্ধ কিন্তু তাঁর নামের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের মাত্র কয়েক রাত পর মদিনায় আগমনের কারণে তিনি প্রায় সাহাবী হওয়ার কাছাকাছি ছিলেন। আমরা তাঁকে কেবল একটি হাদিস ছাড়া আর কোথাও 'আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি' বলতে দেখিনি। সুওয়াইদ বিন সাঈদ হাফস থেকে 'শুনেছি' শব্দযোগে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তবে সুওয়াইদ-এর ব্যাপারে সমালোচনা আছে এবং তিনি নির্ভরযোগ্য দলিল নন। তিনি শেষ বয়সে দৃষ্টিশক্তি হারান, বৃদ্ধ হয়ে যান এবং সম্ভবত তাঁকে তালকিন করা হতো (স্মৃতিভ্রমের কারণে অন্যের শিখিয়ে দেওয়া শব্দ গ্রহণ করতেন)।
১৬ - এবং এর আগের অধ্যায়ে মাসরুকের সূত্রে মুয়াজ থেকে গরুর জাকাত সংক্রান্ত হাদিসটি উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ তিনি তাঁর সাক্ষাৎ পাননি।
এটি ইবনে আবদিল বার-এর সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে; তবে ইবনে আবদিল বার কেবল এটুকুই বলেছেন যে এটি মুত্তাসিল (সংযুক্ত)। আর যিনি একে ইনকিতা (বিচ্ছিন্নতা) বলে অভিহিত করেছেন তিনি হলেন ইবনে হাজম। পরবর্তীতে তিনি তাঁর মত সংশোধন করে বলেন: মাসরুক নিঃসন্দেহে মুয়াজ-এর সময়কাল পেয়েছেন এবং নকিব (প্রতিনিধি) হিসেবে তাঁর বিচারিক কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছেন এবং উমরের যুগে ফতোয়া দিয়েছেন। এরপর তিনি বলেন: মাসরুক মুয়াজ থেকে শুনেছেন। আমি কেবল এটাই বলব যে, সমসাময়িক বর্ণনাকারীদের হাদিসের ক্ষেত্রে কেবল দুটি মত রয়েছে: ইমাম মুসলিম ও জমহুর (সংখ্যাগরিষ্ঠ) ওলামায়ে কেরামের মত অনুযায়ী একে সংযুক্ত বলে গণ্য করা, অথবা ইবনে আল-মাদিনী ও বুখারীর মতানুযায়ী এটি বলা যে, 'একজনের থেকে অপরের শোনার বিষয়টি প্রমাণিত নয়'। তাঁরা একে 'বিচ্ছিন্ন' (মুনকাতি) বলেন না। আমি বলব: বরং তাঁদের মতামত হাদিসটি বিচ্ছিন্ন হওয়ারই প্রমাণ দেয়।
১৭ - নারীর মুখমণ্ডল আবৃত করা সংক্রান্ত হাদিস; এতে খালিদ বিন দুরিইক রয়েছেন যিনি আয়েশা থেকে শ্রবণ করেননি।
আমি বলব: খালিদ মাজহুল (অপরিচিত) এবং তাঁর থেকে সাঈদ বিন বাশীর বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
18 - حديث عبد الله بن محمد بن عمر عن أبيه، رش على قبر إبراهيم.
فعبد الله لا يعرف.
قلت: ذا ابن علي بن أبي طالب تُكلِّم فيه.
19 - حديث جابر "كَانَ لَا يَأْذَنْ لِمَنْ لَا يَبدأ بِالسَّلامِ" ضعف إبراهيم بن يزيد الخوزي، ولم يُبيِّن أنه عن أبي الزبير.
قلت: هذا وكثير مما هنا قلته مسمع، حديث جابر في ذلك مشكوك في اتصاله ثم ساق المؤلف أحاديث مضعفة لناس معهم من يهل حاله فأعرضت عن ذلك لكثرته.
20 - حديث الدارقطني عن ابن عمر: "مَنْ صَلَّى وَحْدَهُ ثُمَّ أَدْركَ الجَماعَةَ فَلْيُصلِّ إِلَّا الفَجرَ وَالعَصرَ".
تفرد به سهيل بن أبي صالح رفعه عن القطان عن عبيد الله عن نافع.
وخالفه الفلاس ذو قفه، وكذا رواه أبو أسامة وابن نمير عن عبيد الله، وكذا مالك والليث عن نافع.
فتعليق المؤلف بأنه لا يعرف شيوخ الدارقطني، وهذا لا شيء.
21 - حديث الدارقطني عن عفيف بن سالم عن الثوري "لَا يحصنُ المُشركُ شَيْئًا".
قال: وهم عفيف في رفعه، والصحيح من قول ابن عمر، فهذا غير علة، ثقتين الثقة عفيف (1)، فرفع الثقة لا يضر.
--------------------------------------------
১৮ - আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত হাদীস: ইবরাহীমের কবরে পানি ছিটিয়েছিলেন।
আব্দুল্লাহ পরিচিত নন।
আমি বলছি: ইনি আলী বিন আবী তালিবের বংশধর, যাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে।
১৯ - জাবের (রা.)-এর হাদীস: "যে সালাম দিয়ে শুরু করত না তাকে তিনি অনুমতি দিতেন না।" ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ আল-খাওযী দুর্বল, আর এটি যে আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত তা স্পষ্ট করা হয়নি।
আমি বলছি: এটি এবং এখানে বর্ণিত আরও অনেক কিছুই আমি মুসমা'কে বলেছি; এ বিষয়ে জাবেরের হাদীসের ধারাবাহিকতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এরপর লেখক এমন কিছু লোকদের জন্য দুর্বল হাদীস বর্ণনা করেছেন যাদের অবস্থা অজ্ঞাত, তাই এর আধিক্যের কারণে আমি তা এড়িয়ে গেছি।
২০ - ইবনে উমর থেকে আদ-দারাকুতনীর হাদীস: "যে ব্যক্তি একা সালাত আদায় করল, তারপর জামাত পেল, সে যেন পুনরায় সালাত আদায় করে, ফজর ও আসর ব্যতীত।"
সুহাইল বিন আবী সালিহ আল-কাত্তান থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে এটি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক হয়ে পড়েছেন এবং একে রাসূলুল্লাহ (সা.) পর্যন্ত উন্নীত করেছেন।
আল-ফাল্লাস তাঁর বিরোধিতা করে একে স্থগিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে আবু উসামা এবং ইবনে নুমাইর উবায়দুল্লাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং মালিক ও লাইস একে নাফে’ থেকে বর্ণনা করেছেন।
লেখকের মন্তব্য যে তিনি দারাকুতনীর উস্তাদদের চেনেন না—এটি কোনো ধর্তব্য বিষয় নয়।
২১ - আফীফ বিন সালিম থেকে সাওরী’র সূত্রে বর্ণিত আদ-দারাকুতনীর হাদীস: "মুশরিক কোনো কিছুই সুরক্ষিত করে না।"
তিনি বলেন: আফীফ এটি মারফু হিসেবে বর্ণনায় ভুল করেছেন, আর সঠিক হলো এটি ইবনে উমরের বক্তব্য। এটি কোনো ত্রুটি নয়; যেহেতু আফীফ একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, আর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর মারফু বর্ণনা কোনো ক্ষতি করে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
قلت: بل يضر لمخالفته ثقتين فأكثر؛ لأنه يلوح بذلك أما أن الثقة قد غلط.
قال: إنما علته أنه من رواية أحمد بن أبي نافع عن نافع عن عفيف.
قال أبو يعلى: لم يكن موضعًا للحديث، ثم ذكر ابن عدي لأحمد هذا الحديث، وقال هو منكر (2).
22 - حديث جابر "مَنْ لَمْ يَقرأْ بِأُمِّ القُرآنِ" رده لمخالفة الناس يحيى بن سلام في رفعه وليس ذلك له بعلة لو كان يحيى معتمدًا.
قلت: مع عدم اعتماده تفرد بالرفع آكد في الوهن.
23 - حديث في قضاء صوم التطوع، علله بتعليل الدارقطني.
وإنما علته رواية (النسائي) عن أحمد بن عيسى المصري.
قلت: أخطأت في قولك: إنه (الخشاب)؟ قال: عن ابن وهب وأحمد يتكلم فيه ويذكر عليه، يروي بواطيل، قلت: قد احتج به (البخاري ومسلم) وفيه تضعيف لا ينهض.
وأما الخشاب، فضعيف، ولم يرو عنه النسائي شيئًا، ولا هو روى عن ابن وهب، بل إنما لحق عمرو بن أبي سلمة، وأقرانه بالشك.
24 - حديث الدارقطني عن ابن عمر. . "لَا تَحُجُّ إِلَّا بإِذنِ زَوجِها".
فيه محمد بن أبي يعقوب الكرماني عن حسان بن إبراهيم.
--------------------------------------------
আমি বললাম: বরং এটি ক্ষতিকর, কারণ এটি দুইজন বা তার বেশি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বিরোধিতা করে; কারণ এর মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, সেই নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ভুল করেছেন।
তিনি বললেন: এর ত্রুটি মূলত এই যে, এটি নাফি'র সূত্রে আফিফ থেকে আহমাদ বিন আবি নাফি'র বর্ণনা।
আবু ইয়ালা বলেন: তিনি হাদিস বর্ণনার যোগ্য ছিলেন না। এরপর ইবন আদি আহমাদ বর্ণিত এই হাদিসটি উল্লেখ করে বলেন: এটি মুনকার (অস্বীকৃত) (২)।
২২ - জাবির (রা.) বর্ণিত হাদিস "যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সুরা ফাতিহা) পাঠ করল না", ইয়াহইয়া বিন সাল্লাম কর্তৃক এটিকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করে অন্যদের বিরোধিতা করায় তিনি এটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইয়াহইয়া যদি নির্ভরযোগ্য হতেন তবে এটি কোনো ত্রুটি বলে গণ্য হতো না।
আমি বললাম: তিনি নির্ভরযোগ্য না হওয়ার পাশাপাশি এককভাবে মারফু হিসেবে বর্ণনা করায় এর দুর্বলতা আরও জোরালো হয়েছে।
২৩ - নফল রোজা কাজা করা সংক্রান্ত একটি হাদিস, যা তিনি দারাকুতনির নির্দেশিত ত্রুটির মাধ্যমে চিহ্নিত করেছেন।
এর ত্রুটি হলো আহমাদ বিন ঈসা আল-মিসরি থেকে (নাসায়ি)-র বর্ণনা।
আমি বললাম: আপনি কি তাকে (আল-খাশশাব) মনে করে ভুল করেছেন? তিনি বললেন: ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণিত এবং আহমাদকে নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে ও তার নামে কথা ছড়ানো হয়েছে; তিনি ভিত্তিহীন বিষয় বর্ণনা করেন। আমি বললাম: (বুখারি ও মুসলিম) তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং তার ব্যাপারে যে দুর্বলতার কথা বলা হয়েছে তা ধোপে টিকে না।
আর খাশশাব প্রসঙ্গে বলা যায়, তিনি দুর্বল; নাসায়ি তার থেকে কিছুই বর্ণনা করেননি এবং তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকেও বর্ণনা করেননি, বরং তিনি আমর বিন আবি সালামা ও তার সমসাময়িকদের সাথে সাক্ষাত করেছেন বলে সন্দেহ রয়েছে।
২৪ - ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত দারাকুতনির হাদিস . . "স্বামী অনুমতি ছাড়া স্ত্রী হজ করবে না"।
এতে হাসান বিন ইব্রাহিমের সূত্রে মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াকুব আল-কিরমানি রয়েছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
فالكرماني هو ابن إسحق، وثقه ابن معين، وروى له (البخاري)، وإنما علته راويه عن العباس بن محمد بن مجاشع، ولا يعرف خلله.
قلت: وحسان رواه عن إبراهيم الصائغ وفيه مقال، ولم يذكر أنه سمعه من نافع بل قال: وقال نافع.
25 - حديث حَرَام بن حكيم عن عمه عبد الله بن سعد مرفوعًا في غسل الانثيين من المذي، قال: لا يصح، وحرام ضعيف.
قال المؤلف: مجهول، قال كاتبه: وثقه دحيم ورواه معاوية بن صالح عن العلاء بن الحارث عنه.
26 - حديث "لَا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يُسَمِّ".
قال أحمد: لا أعلم له إسنادًا جيدًا.
وقال (البخاري)، أحسن شيء فيه حديث رباح.
فقول: (البخاري) أحسن لا يقتضي تحسينه، فما هو إلا ضعيف.
بشر بن المفضل عن عبد الرحمن عن حرملة عن أبي ثقال عن رباح بن عبد الرحمن عن أبي سفيان بن حويطب عن جدته عن أبيها مرفوعًا.
قال (الترمذي): أبوها سعيد بن زيد، وأبو ثقال ثمامة بن حصين.
قال المؤلف: رباح وجدّته وأبو ثقال مجاهيل.
قال كاتبه، أعني الذهبي: بل أبو ثقال قال البخاري في حديثه نظر، نقله العقيلي عن آدم عنه (1).
--------------------------------------------
আল-কিরমানি হলেন ইবনে ইসহাক, ইবনে মাইন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং (বুখারি) তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার ত্রুটি কেবল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুজাশির থেকে বর্ণনাকারীর মধ্যে, এবং তার দুর্বলতা জানা যায় না।
আমি বলছি: হাসসান এটি ইব্রাহিম আস-সাইগ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার ব্যাপারে আপত্তি আছে। তিনি নাফে' থেকে এটি শোনার কথা উল্লেখ করেননি, বরং বলেছেন: নাফে' বলেছেন।
২৫ - হারাম ইবনে হাকিম কর্তৃক তার চাচা আবদুল্লাহ ইবনে সা'দ থেকে বর্ণিত মারফু হাদিস—মযি বের হওয়ার কারণে অণ্ডকোষ ধোয়ার ব্যাপারে। তিনি বলেছেন: এটি সহিহ নয় এবং হারাম দুর্বল।
লেখক বলেছেন: (তিনি) মাজহুল (অজ্ঞাত)। এর লেখক বলেছেন: দুহাইম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ এটি আ'লা ইবনে হারিস থেকে তার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
২৬ - হাদিস: "যে ব্যক্তি (অজুর শুরুতে) বিসমিল্লাহ বলেনি তার অজু হবে না।"
আহমাদ বলেছেন: এই হাদিসের কোনো উত্তম (জায়্যিদ) সনদ আমার জানা নেই।
এবং (বুখারি) বলেছেন: এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে রাবাহ বর্ণিত হাদিসটি।
সুতরাং (বুখারি)-এর 'সবচেয়ে ভালো' বলা দ্বারা এটি হাসান হওয়া বোঝায় না, বরং এটি কেবল একটি দুর্বল হাদিস।
বিশর ইবনে মুফাদ্দাল, আবদুর রহমান থেকে, তিনি হারমালা থেকে, তিনি আবু সাকাল থেকে, তিনি রাবাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান ইবনে হুয়াইতিব থেকে, তিনি তার দাদি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(তিরমিযি) বলেছেন: তার পিতা হলেন সাঈদ ইবনে যায়েদ এবং আবু সাকাল হলেন সুমামা ইবনে হুসাইন।
লেখক বলেছেন: রাবাহ, তার দাদি এবং আবু সাকাল—সবাই মাজহুল (অজ্ঞাত)।
এর লেখক—অর্থাৎ আয-যাহাবি—বলেছেন: বরং আবু সাকাল সম্পর্কে বুখারি বলেছেন যে তার হাদিসের ব্যাপারে আপত্তি আছে, উকায়লি এটি আদম থেকে তার সূত্রে বর্ণনা করেছেন (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
27 - حديث: "نَهَى أَنْ يُسْتَقَادَ فِي المَسْجِدِ".
لمحمد بن عبد الله الشعيثي عن زفر بن وثيمة، عن حكيم بن حزام. وزفر مجهول، ورواه وكيع عن الشعيثي فقال: عن العباس بن عبد الكريم عن حكيم ذكره الدارقطني.
قلت: وذا في أطراف المزي عن الشعبي عن القاسم بن عبد الرحمن المزني عن حكيم فتحقق هذا.
28 - حديث ابن جريج عن محمد بن عمر بن علي بن عباس بن عبد الله بن عباس عن الفضل بن عباس.
قال المؤلف: هو محمد بن عمر بن علي بن الحسين بن علي مجهول الحال.
قلت: لا بل ذا ابن عم علي بن الحسين.
29 - حديث الدارقطني "إِذَا تَوَضَّأَ عَرَكَ عَارِضَيْهِ" قال: الصحيح أنه فعل ابن عمر، رواه أبو المغيرة عن الأوزاعي عن عبد الواحد بن (قيس) عن نافع عن ابن عمر.
ورواه عبد الحميد بن أبي العشرين عن الأوزاعي فرفعه (1).
--------------------------------------------
২৭ - হাদিস: "মসজিদে কিসাস গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।"
মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শুআইসি থেকে, জুফার বিন ওয়াসিমা থেকে, হাকিম বিন হিজাম থেকে বর্ণিত। জুফার অপরিচিত, এবং ওয়াকি একে শুআইসি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আব্বাস বিন আব্দুল কারিম থেকে, হাকিম থেকে—এটি দারা কুতনী উল্লেখ করেছেন।
আমি বলছি: এটি আতরাফ আল-মিযযি-তে আশ-শাবি থেকে, আল-কাসিম বিন আব্দুর রহমান আল-মুজানি থেকে, হাকিম থেকে বর্ণিত হয়েছে; বিষয়টি যাচাই করে নিন।
২৮ - ইবনে জুরাইজের হাদিস, মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে, ফজল বিন আব্বাস থেকে বর্ণিত।
লেখক বলেন: তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী, যার অবস্থা অজ্ঞাত।
আমি বলছি: না, বরং তিনি আলী বিন আল-হুসাইনের চাচাতো ভাই।
২৯ - দারা কুতনীর হাদিস: "যখন তিনি ওজু করতেন, তখন তিনি তাঁর গালের দুই পাশ কচলাতেন।" তিনি বলেন: সঠিক হলো এটি ইবনে উমরের আমল, এটি আবু আল-মুগিরা আল-আওজায়ি থেকে, আব্দুল ওয়াহিদ বিন (কায়েস) থেকে, নাফে থেকে, ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর আব্দুল হামিদ বিন আবিল ইশরিন একে আল-আওজায়ি থেকে বর্ণনা করে রাসূলুল্লাহর দিকে সম্বন্ধ (মারফু) করেছেন (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২০)
قال المؤلف: كلاهما ثقة. قلت: بل الثقة من وقفه فقد قال القضاعي: عبد الحميد ليس بالقوي قال: وقال ابن معين: عبد الواحد (سنده) لا شيء قلت: المعروف أن قائل هذا يحيى بن سعيد، ورواه عنه ابن المديني.
35 - حديث الدارقطني، حدثنا محمد بن أحمد بن محمد الآدمي ثنا أحمد بن منصور، ثنا سعيد بن عفير، حدثني يحيى بن أيوب عن يحيى بن سعيد عن عمرة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الركعتين التي يتر بعدهما بسبح وقل يا أيها الكافرون، ويقرأ في الوتر: قل هو الله أحد والمعوذتين. وحدثنا الحسين بن إسماعيل ثنا أبو إسماعيل الترمذي ثنا ابن أبي مريم حدثنا يحيى بن أيوب فذكره.
قلت: يحيى فيه مقال (1).
31 - حديث (أبو داود) ثنا الحسن بن الصبَّاح البزار ثنا إسماعيل بن عبد الكريم ثنا إبراهيم بن عقيل عن أبيه عن وهب عن جابر مرفوعًا "إِذَا تُوفِّيَ أَحَدُكُمْ فَوَجَدَ شيئًا فَلْيُكَفنُ فِي ثَوبِ حُبْرَةٍ"، قال: إسماعيل لا يعرف.
--------------------------------------------
লেখক বলেছেন: তাঁরা উভয়েই নির্ভরযোগ্য। আমি বলছি: বরং নির্ভরযোগ্য তিনি, যিনি একে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কারণ কুদায়ী বলেছেন: আব্দুল হামিদ শক্তিশালী নন। তিনি বলেছেন: ইবনে মাঈন বলেছেন: আব্দুল ওয়াহিদের (সনদ) কিছুই নয়। আমি বলছি: সুপরিচিত বিষয় হলো যে, এটি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের উক্তি এবং ইবনুল মাদীনী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৩৫ - আদ-দারাকুতনীর হাদীস: মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আদামী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে মানসুর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে উফাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতরের পূর্বের দুই রাকাতে ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা’ এবং ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন’ পাঠ করতেন এবং বিতরে ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ ও মুআউবিজাতাইন (সুরা ফালাক ও নাস) পাঠ করতেন। হুসাইন ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু ইসমাইল আত-তিরমিযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবু মারিয়াম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব এটি বর্ণনা করেছেন।
আমি বলছি: ইয়াহইয়া সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে (১)।
৩১ - হাদীস (আবু দাউদ): হাসান ইবনুল সাব্বাহ আল-বাযযার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আব্দুল কারীম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবনে আকীল তাঁর পিতা থেকে, তিনি ওয়াহব থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মারা যায় এবং সক্ষম হয়, তখন সে যেন হিবরাহ (এক ধরণের ইয়ামানী চাদর) কাপড়ে কাফন লাভ করে।" তিনি বলেছেন: ইসমাঈল অপরিচিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২১)
قلت: هو من شيوخ أحمد، وقال النسائي لا بأس به (1).
32 - حديث قال لعائشة وحفصة "صُومًا يَومًا مَكَانَهُ".
خطاب بن القاسم عن خصيف عن ابن عباس. خصيف سيئ الحفظ، ووثق خطابًا.
قلت: روى البرذعي عن أبي زرعة، هو منكر الحديث، يقال: اختلط.
33 - حديث الحرث عن علي "مَنْ ملكَ زَادًا وَرَاحِلَةً وَلَمْ يَحُجَّ. .".
قال (الترمذي) حسن وفي إسناده مقال، رواه هلال بن عبد الله مولى ربيعة عن أبي إسحق عنه (1).
قلت: قال (البخاري) هلال منكر الحديث.
34 - حديث "كُنَّا إِذَا حَجَجنَا مَعَ رَسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَكُنَّا نُلَبِّي عَنِ النِّساءِ وَنَرْمِي عَنِ الصِّبْيَانِ".
رواه محمد بن إسماعيل الواسطي، سمعت ابن نمير عن أشعث بن سوّار عن أبي الزبير عن جابر.
--------------------------------------------
আমি বলছি: তিনি আহমদের শাইখদের একজন, এবং নাসায়ি বলেছেন তাতে কোনো সমস্যা নেই (১)।
৩২ - হাদিস: তিনি আয়েশা ও হাফসাকে বললেন, "এর পরিবর্তে অন্য একদিন রোজা রেখো।"
খাত্তাব ইবনুল কাসিম খুসাইফ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। খুসাইফ দুর্বল মুখস্থশক্তির অধিকারী, তবে খাত্তাবকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে।
আমি বলছি: বারযাঈ আবু জুরআ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুনকারুল হাদিস, বলা হয় যে: তার স্মৃতিভ্রম ঘটেছিল।
৩৩ - হারিস থেকে বর্ণিত হাদিস, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, "যার পাথেয় ও বাহনের মালিকানা আছে অথচ সে হজ করল না..."।
(তিরমিজি) বলেছেন হাদিসটি হাসান কিন্তু এর সনদে আপত্তি আছে, এটি বর্ণনা করেছেন রাবিয়ার মুক্তদাস হিলাল ইবনে আব্দুল্লাহ, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি তার (আলী) থেকে (১)।
আমি বলছি: (বুখারি) বলেছেন হিলাল মুনকারুল হাদিস।
৩৪ - হাদিস: "যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হজ করতাম, তখন আমরা নারীদের পক্ষ থেকে তালবিয়াহ পাঠ করতাম এবং শিশুদের পক্ষ থেকে কঙ্কর নিক্ষেপ করতাম।"
এটি মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, আমি ইবনে নুমাইর থেকে শুনেছি আশআস ইবনে সাওয়ার থেকে, তিনি আবু জুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২২)
قال (الترمذي): أَجمع أهل العلم أَنَّ المرأة لا يُلبي عنها غيرها (1).
فهذا خالفه أبو بكر بن أبي شيبة في مصنفه.
ثنا ابن نمير، ولفظه "حَجَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَمَعَنَا النِّسَاء وَالصِّبيَان فَلَبّينَا عَنِ الصِّبْيَانِ وَرَمَيْنَا عَنْهُمْ".
قلت: تبين أن الحق مع أبي بكر.
35 - حديث "مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ".
قال عبد الله بن المؤمل: عن أبي الزبير عن جابر.
وقال الدارقطني: ثنا عمر بن الحسن بن علي، حدثنا محمد بن هشام المروزي -يعني ابن أبي الدُّمَيْك، ثنا محمد بن حبيب الجارودي، ثنا ابن عيينة عن ابن أبي نجيح عن مجاهد عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ، إِنْ شَرِبتُهُ تَسْتَشْفِي بِهِ شَفَاكَ اللهُ، وَإِنْ شَربتهُ لِشَبَعِكِ أَشْبَعَكَ اللهُ، وَإِنْ شَربتهُ لِظَمَئِكَ قَطَعَهُ اللهُ وَهِيَ هزمةُ جِبْرِيل، وَسُقْيَا إِلَهِ إِسْمَاعِيل" (1).
--------------------------------------------
(তিরমিযী) বলেছেন: আহলুল ইলমগণ এ ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, নারীর পক্ষ থেকে অন্য কেউ তালবিয়া পাঠ করবে না (১)।
আবু বকর ইবনে আবি শায়বা তাঁর মুসান্নাফ গ্রন্থে এর বিরোধিতা করেছেন।
ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, যার শব্দগুলো হলো: "আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হজ করেছি এবং আমাদের সাথে নারী ও শিশুরা ছিল। অতঃপর আমরা শিশুদের পক্ষ থেকে তালবিয়া পাঠ করেছি এবং তাদের পক্ষ থেকে রমি (পাথর নিক্ষেপ) করেছি।"
আমি বলি: এটা স্পষ্ট হয়েছে যে সত্য আবু বকরের পক্ষেই রয়েছে।
৩৫ - হাদিস: "যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তার জন্যই তা কার্যকরী হয়।"
আবদুল্লাহ ইবনুল মুআম্মিল আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং দারাকুতনী বলেছেন: উমর ইবনুল হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হিশাম আল-মারওয়াযী—অর্থাৎ ইবনে আবিদ দুমাইক—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাবীব আল-জারুদী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইবনে উয়াইনা ইবনে আবি নাজীহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তার জন্যই তা কার্যকরী হয়। যদি তুমি এটি আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে পান করো, তবে আল্লাহ তোমাকে সুস্থতা দান করবেন। আর যদি এটি তোমার ক্ষুধা নিবারণের জন্য পান করো, তবে আল্লাহ তোমার ক্ষুধা মিটিয়ে দেবেন। আর যদি এটি পিপাসা মেটানোর জন্য পান করো, তবে আল্লাহ তোমার পিপাসা দূর করবেন। এটি জিবরীলের খননকৃত প্রস্রবণ এবং ইসমাঈলের ইলাহ প্রদত্ত পানীয়।" (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قلت: هؤلاء ثقات سوى عمر الاشناني إني أتهمه بوضعه (2).
36 - حديث "أَسْلَمْتُ وَتَحْتِي أُخْتَانِ" يحيى بن أيوب عن يزيد بن أبي حبيب عن أبي وهب الحساني، عن الضحاك بن فيروز الديلمي عن أبيه (حسنه الترمذي).
قال المؤلف: وعندي أنه ضعيف لجهالة حال ضحاك، وأبي وهب، ديلم. وقد قال (البخاري) في إسناده نظر.
قلت: لأنه في مناكير يحيى.
37 - حديث معمر عن الزهري عن سالم عن أبيه أن غيلان بن سلمة الثقفي أسلم وله عشر نسوة، فأسلمن معه، فأمر أن يختار منهن أربعًا.
فعن البخاري ليس بمحفوظ، والصحيح شعيب وغيره عن الزهري.
38 - حديث عن محمد بن سويد الثقفي أن غيلان بن سلمة أسلم.
قال المؤلف: ليس هذا عندي بصلة، وقد رواه ابن وهب عن يونس عن الزهري عن عثمان بن محمد بن أبي سويد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لغيلان حين أسلم. . ورواه الليث عن يونس عن الزهري، قال: بلغني عن عثمان بن أبي سويد.
وحديث معمر المذكور عن سعيد بن أبي عروبة، ويزيد بن زريع
--------------------------------------------
আমি বলি: উমর আল-আশনানি ব্যতীত এরা সকলেই নির্ভরযোগ্য, আমি তাকে হাদিস জাল করার দায়ে অভিযুক্ত করি (২)।
৩৬ - হাদিস: "আমি ইসলাম কবুল করেছি এমতাবস্থায় যে আমার অধীনে দুই বোন ছিল।" ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবু ওয়াহাব আল-হাসানি থেকে, তিনি দাহহাক ইবনে ফিরোজ আদ-দাইলামি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে (তিরমিজি একে হাসান বলেছেন)।
লেখক বলেন: আমার কাছে এটি দাহহাক, আবু ওয়াহাব এবং দাইলামের অবস্থা অজ্ঞাত হওয়ার কারণে দুর্বল। আর ইমাম বুখারি এর সনদের ব্যাপারে বলেছেন যে এতে পর্যবেক্ষণ রয়েছে।
আমি বলি: কারণ এটি ইয়াহইয়ার মুনকার বা অস্বাভাবিক হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
৩৭ - মা'মার থেকে বর্ণিত হাদিস, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, গায়লান ইবনে সালামা আস-সাকাফি যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তার দশজন স্ত্রী ছিল এবং তারাও তার সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। তখন তাকে তাদের মধ্য থেকে চারজনকে বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইমাম বুখারির বর্ণনা মতে এটি সংরক্ষিত নয়, বরং সঠিক হলো শুআইব এবং অন্যদের বর্ণনা যা তারা জুহরি থেকে করেছেন।
৩৮ - মুহাম্মদ ইবনে সুওয়াইদ আস-সাকাফি থেকে বর্ণিত হাদিস যে, গায়লান ইবনে সালামা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
লেখক বলেন: এটি আমার কাছে সুসংগত নয়। ইবনে ওয়াহাব এটি ইউনুস থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সুওয়াইদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়লানকে তার ইসলাম গ্রহণের সময় বলেছিলেন...। আর লায়স এটি ইউনুস থেকে, তিনি জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উসমান ইবনে আবি সুওয়াইদ থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে।
এবং সাঈদ ইবনে আবি আরুবা ও ইয়াজিদ ইবনে জুরাই' থেকে বর্ণিত মা'মারের উল্লিখিত হাদিসটি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وهارون بن معاوية عنه، وروي عن الثوري عن معمر كذلك.
39 - الدارقطني، ثنا محمد بن نوح الجلديسابوري، ثنا عبد القدوس بن محمد ثنا ابن مخلد، ثنا حفص بن عمر بن يزيد، قالا: ثنا سيف بن عبد الله الجرمي، ثنا سوار (ابن مجشر) عن أيوب، عن نافع وسالم عن ابن عمر أن غيلان الثقفي أسلم وعنده عشر نسوة، فأمره النبي صلى الله عليه وسلم، أن يمسك منهن أربعًا، فلما كان زمن عمر طلقهن، فقال له عمر: راجعهن وإلا
ورثتهن مالك وأمرت بغيرك.
زاد ابن نوح: فأسلم واسلمن معه، فسلم أربعة.
قلت: وكذا سيف، وهو غريب جدًا.
40 - حديث: "لَا تُطَلَّقُ النِّسَاءُ إِلَّا مِنْ رَيبةٍ، إِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ الذّوَاقِينَ".
ليس إسناده بقوي.
فهذا يرويه البزار عن الفلاس، ثنا أبو معاوية، ثنا محمد بن شيبة بن نعامة عن عبد الله بن عيسى، عمن حدثه، عن أبي موسى الأشعري: فهذا منقطع (1).
ورواه قاسم بن أصبغ: حدثنا أبو بكر بن أبي العوام، ثنا أبي، حدثنا حفص بن عمر البرجمي عن عبد الله بن عيسى بن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن عمارة بن رائد عن عبادة بن نسي، عن أبي موسى: والآخر منقطع، وعمارة يجهل.
--------------------------------------------
এবং হারুন ইবনে মুআবিয়াহ তার থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং সাওরি থেকে মামার সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩৯ - দারাকুতনি: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে নুহ আল-জুনদাইসাবুরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল কুদ্দুস ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে মাখলাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাফস ইবনে উমর ইবনে ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট সাইফ ইবনে আবদুল্লাহ আল-জারমি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাওয়ার (ইবনে মুজাশশির) আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে ও সালেম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, গাইলান আস-সাকাফি যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তার দশজন স্ত্রী ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে তাদের মধ্য থেকে চারজনকে রাখার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর যখন উমরের যুগ এল, তখন তিনি (গাইলান) তাদের তালাক দিয়ে দিলেন। উমর তাকে বললেন: তুমি তাদের ফিরিয়ে নাও, অন্যথায় আমি তোমার সম্পদে তাদের উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেব এবং তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে (সম্পদ বণ্টনের) নির্দেশ দেব।
ইবনে নুহ আরও বর্ণনা করেছেন: অতঃপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন এবং তার সাথে তারাও ইসলাম গ্রহণ করলেন, ফলে চারজন টিকে থাকল।
আমি বলছি: সাইফও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, আর এটি অত্যন্ত গরিব (একক সূত্রে বর্ণিত)।
৪০ - হাদিস: "সন্দেহজনক কোনো কারণ ব্যতীত নারীদের তালাক দেওয়া হবে না, নিশ্চয়ই আল্লাহ স্বাদগ্রহণকারীদের পছন্দ করেন না।"
এর সনদ শক্তিশালী নয়।
এটি বাজ্জার ফাল্লাস থেকে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু মুআবিয়াহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে শায়বাহ ইবনে নুয়ামাহ আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা থেকে, তিনি তার নিকট বর্ণনাকারীর থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেছেন: আর এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন সনদবিশিষ্ট) (১)।
এবং কাসেম ইবনে আসবাগ এটি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে আবিল আওয়াম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাফস ইবনে উমর আল-বুরজুমি আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি উমারাহ ইবনে রায়েদ থেকে, তিনি উবাদাহ ইবনে নুসাই থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন: আর অন্যটিও মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন), আর উমারাহ অপরিচিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قلت: وعبادة لم يلحق أبا موسى.
41 - حديث "ثَلَاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ". حسنه (الترمذي).
رواه عبد الرحمن بن حبيب بن أدرك عن عطاء عن يونس بن ماهك عن أبي هريرة، فابن أدرك لا يعرف حاله.
قلت: قد قال (النسائي) منكر الحديث (1).
42 - حديث النهي عن الكلب إلا كلب الصيد، واهي الطرق.
وقال الدارقطني: ثنا محمد بن إسماعيل الفارسي ثنا عبيد بن محمد الصنعاني ثنا محمد بن عمر بن أبي أسلم، ثنا محمد بن الصنعاني، ثنا نافع بن عمر عن الوليد بن عبد الله بن أبي رباح عن عمه عطاء، عن أبي هريرة مرفوعًا "ثَلَاثٌ كُلَّهُنَّ سُحْتٌ كَسْبُ الحَجَّامِ وَمَهْرُ البَغْيِ، وَثَمْنُ الكَلْبِ إِلّا الكَلْبِ الضَّارِي" (1).
الوليد ضعيف، قاله الدارقطني، قال المؤلف: رواته مجاهيل.
قلت: عبيد هو الكنسوري معروف، والصنعاني فلا أعرفه والإسناد مظلم.
43 - حديث "إِذَا اخْتَلَفَ البَيِّعَانِ، وَلَيْسَ بَيِّنَة؟ فَهُوَ مَا يَقُولُ رَبُّ السّلْعَةِ أَوْ يَتَنَاكَرَانِ".
فيه انقطاع قاله ابن عبد البر، فهذا رواه أبو العميس المسعودي.
--------------------------------------------
আমি বলছি: উবাদাহ আবু মুসা (রা.)-এর সাক্ষাৎ পাননি।
৪১ - হাদিস: "তিনটি বিষয় এমন, যার গুরুত্বের সাথে করাও গুরুতর (হিসেবে গণ্য)।" একে হাসান বলেছেন (তিরমিযী)।
এটি আবদুর রহমান বিন হাবিব বিন আদরাক বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি ইউনুস বিন মাহাক থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে। ইবনে আদরাকের অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় না।
আমি বলছি: (নাসায়ী) বলেছেন, তিনি মুনকারুল হাদিস (১)।
৪২ - শিকারি কুকুর ছাড়া অন্য কুকুর রাখা নিষিদ্ধ হওয়া সংক্রান্ত হাদিসটি বর্ণনার সূত্রগুলোর দিক থেকে অত্যন্ত দুর্বল।
আদ-দারাকুতনী বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ফারিসি, তিনি বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন মুহাম্মদ আস-সানআনি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন উমর বিন আবি আসলাম থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আস-সানআনি থেকে, তিনি নাফি বিন উমর থেকে, তিনি ওয়ালিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি রাবাহ থেকে, তিনি তার চাচা আতা থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন: "তিনটি বিষয়ই অবৈধ (সুহ্ত): রক্তমোক্ষণকারীর (শৃঙ্গা লাগানো) উপার্জন, ব্যভিচারিণীর পারিশ্রমিক এবং কুকুরের মূল্য, তবে শিকারি কুকুর ব্যতীত" (১)।
ওয়ালিদ দুর্বল, কথাটি আদ-দারাকুতনী বলেছেন। লেখক বলেছেন: এর বর্ণনাকারীরা অজ্ঞাত।
আমি বলছি: উবাইদ হলেন আল-কানসুরি, তিনি পরিচিত। তবে আস-সানআনিকে আমি চিনি না এবং এই সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন।
৪৩ - হাদিস: "যখন ক্রেতা-বিক্রেতা দ্বিমত করে আর কোনো প্রমাণ না থাকে, তখন পণ্যের মালিক যা বলে তাই গণ্য হবে অথবা তারা একে অপরকে প্রত্যাখ্যান করবে (চুক্তি বাতিল করবে)।"
এতে বিচ্ছিন্নতা (ইনকিতা) রয়েছে, যা ইবনে আব্দুল বার বলেছেন। এটি আবু আল-উমাইস আল-মাসউদি বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
حدثني عبد الرحمن بن محمد الأشعث عن أبيه عن جده عن ابن مسعود، وإنما عبد الرحمن هذا ابن قيس بن محمد بن الأشعث، روى عنه مجاهد والشعبي، وسليمان بن يسار والزهري. له عن عائشة.
فأما روايته عن ابن مسعود فمنقطعة.
قلت: هو كبير، ولقيه ممكن، وهذا الحديث فرد رواه (أبو داود) عن الذهلي و (النسائي) عن أبي حاتم جميعًا عن عمر بن حفص بن غياث عن أبيه عن أبي العميس (1).
44 - حديث (أبي داود) ثنا أحمد بن صالح، ثنا يحيى بن محمد المديني حدثني عبد الله بن خالد بن سعيد بن أبي مريم عن أبيه عن سعيد بن عبد الرحمن بن قيس أنه سمع شيوخًا من بني عمرو بن عوف (ومن) خاله عبد الله بن أبي أحمد، قال: قال علي: حفظت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم: "لَا يُتْمَ بَعْدَ احْتِلامٍ، وَلا صُمَاتَ يَوْمٍ إِلَى اللَّيْلِ".
قال أبو محمد: المحفوظ موقوف، قال المؤلف: خالد وأبيه مجهولان، وأبوه ثقة، ويحيى إما ضعيف أو مجهول، لعله ابن هانئ.
قل: أرى أنه أبو زكير، ويجوز أن يكون الجاري.
قال: وعبد الله بن أبي أحمد ابن جحش مجهول الحال، وما هو بوالد بكير بن عبد الله بن الأشج كما توهم ابن حاتم.
45 - حديث "الخَالُ وَارِثُ مَنْ لَا وَارِثَ لَهُ".
--------------------------------------------
আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-আশআদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তার পিতার সূত্রে, তিনি তার দাদার সূত্রে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে। আর এই আবদুর রহমান হলেন কায়েস বিন মুহাম্মদ বিন আল-আশআদের পুত্র। মুজাহিদ, শাবি, সুলাইমান বিন ইয়াসার এবং জুহরি তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আয়িশার সূত্রেও তার বর্ণনা রয়েছে।
তবে ইবনে মাসউদ থেকে তার বর্ণনাটি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি)।
আমি বলি: তিনি প্রবীণ এবং তার সাথে সাক্ষাৎ সম্ভব। এই হাদিসটি একক (ফারদ), যা (আবু দাউদ) যুহলি থেকে এবং (নাসাঈ) আবু হাতিম থেকে—উভয়েই উমর বিন হাফস বিন গিয়াস থেকে, তিনি তার পিতার সূত্রে, তিনি আবুল উমাইস থেকে বর্ণনা করেছেন (১)।
৪৪ - (আবু দাউদ)-এর হাদিস: আহমদ বিন সালিহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ আল-মাদিনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন খালিদ বিন সাঈদ বিন আবি মারইয়াম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন তার পিতার সূত্রে, তিনি সাঈদ বিন আবদুর রহমান বিন কায়েস থেকে, তিনি বনু আমর বিন আউফের একদল শায়খ থেকে (এবং) তার মামা আবদুল্লাহ বিন আবি আহমদ থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: আলী বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুখস্থ করেছি: "স্বপ্নদোষের (প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার) পর আর কোনো পিতৃহীনতা (ইয়াতীমি) নেই, এবং রাত পর্যন্ত সারাদিন মৌনতা অবলম্বন করা (কথা না বলে থাকা) বৈধ নয়।"
আবু মুহাম্মদ বলেন: সংরক্ষিত (মাহফুজ) বর্ণনাটি মাওকুফ। লেখক বলেন: খালিদ ও তার পিতা অজ্ঞাত (মাজহুল), তবে তার পিতা নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), আর ইয়াহইয়া হয় দুর্বল অথবা অজ্ঞাত, সম্ভবত তিনি ইবনে হানি।
আমি বলি: আমি মনে করি তিনি আবু জুকাইর, এবং তিনি আল-জারিও হতে পারেন।
তিনি বলেন: আর আবদুল্লাহ বিন আবি আহমদ ইবনে জাহশ অজ্ঞাত পরিচয়ের (মাজহুলুল হাল), এবং তিনি বুকাইর বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আশাজ-এর পিতা নন, যেমনটি ইবনে হাতিম ভুল ধারণা করেছেন।
৪৫ - হাদিস: "মামা তার উত্তরাধিকারী যার কোনো উত্তরাধিকারী নেই।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
حسنه (ت)، الثوري عن عبد الرحمن بن الحارث عن حكيم بن حكيم بن عباد بن حنيف عن أبي أمامة عن عمر.
قال المؤلف: حكيم لا تعرف عدالته.
قلت: وقال (ابن) سعد: لا يحتجون به (1).
46 - حديث أن مولى النبي صلى الله عليه وسلم وقع من نخلة فمات، فقال (النبي صلى الله عليه وسلم): "انْظُرُوا هَلْ مِنْ وَارِثٍ؟ ".
حسنه (الترمذي).
قال المؤلف: لا أدري لم لم يصححه، فإن رجاله ثقات ولا اختلاف فيه ولا انقطاع، قال: ثنا بندار، ثنا يزيد، أنبأنا سفيان عن عبد الرحمن بن الأصبهاني عن مجاهد بن وردان عن عروة عن عائشة.
فمجاهد ثقة، وإن لم يعرفه ابن معين، فقد عرفه أبو حاتم ووثقه، وحدث عنه شعبة، وابن الأصبهاني فثقة.
قال كاتبه: بالجهد أن يكون حسنًا لأمور، أحدها أنه معنعن، وثانيها أن مجاهدًا هذا شيخ محله الصدق مثل ما هو كالزهري وهشام بن عروة في التثبت، فتفرده بالجهد أن يكون صحيحًا غريبًا ولو استنكر حديثه هذا لصاغ.
وثالثهما أن عبد الرحمن الأصبهاني اثنان أحدهما حديثه في الكتب الستة وهو قديم الموت، من أقران منصور والأعمش، وثقة لا نزاع فيه والثاني عبد الرحمن بن سليمان الأصبهاني، يروي عن عكرمة والشعبي، وتأخر إلى زمن هارون الرشيد، فما أبعد أن يكون هو صاحب الحديث. روى عنه محمد بن سعيد الأصبهاني، ومحمد بن سليمان بن الأصبهاني وجماعة، قال
--------------------------------------------
তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন; সওরী বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি হাকিম ইবনে হাকিম ইবনে আব্বাদ ইবনে হুনায়ফ থেকে, তিনি আবু উমামা থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে।
লেখক বলেছেন: হাকিম নামক বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা পরিচিত নয়।
আমি বলছি: (ইবনে) সাদ বলেছেন: তারা তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেন না (১)।
৪৬ - হাদিস: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন মুক্তদাস খেজুর গাছ থেকে পড়ে মারা যান। তখন (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "দেখো তো তার কোনো উত্তরাধিকারী আছে কি না?"
তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন।
লেখক বলেছেন: আমি জানি না কেন তিনি এটিকে সহিহ বলেননি, কারণ এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য এবং এতে কোনো মতভেদ বা বিচ্ছিন্নতা নেই। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বুন্দার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, তিনি আবদুর রহমান ইবনুল আসবাহানি থেকে, তিনি মুজাহিদ ইবনে ওয়ারদান থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে।
সুতরাং মুজাহিদ নির্ভরযোগ্য, যদিও ইবনে মাঈন তাকে চিনতেন না, তবে আবু হাতিম তাকে চিনেছেন এবং নির্ভরযোগ্য বলেছেন, আর শু'বাহ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনুল আসবাহানিও নির্ভরযোগ্য।
এর লেখক বলেছেন: বেশ কিছু কারণে এটি অনেক কষ্টে হাসান স্তরে উন্নীত হতে পারে। প্রথমত, এটি আনআনা (পরম্পরায় ‘থেকে’ শব্দ যোগে) সূত্রে বর্ণিত। দ্বিতীয়ত, এই মুজাহিদ একজন শায়খ যার অবস্থান সততার স্তরে; তবে তিনি নির্ভরযোগ্যতা ও দৃঢ়তার ক্ষেত্রে যুহরী বা হিশাম ইবনে উরওয়াহর মতো নন। তাই তার একক বর্ণনা কষ্টে সহিহ-গরীব হতে পারে; আর যদি তার এই হাদিসটিকে প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবে সেটিও সংগত হতে পারে।
তৃতীয়ত, আবদুর রহমান আসবাহানি নামক ব্যক্তি দুইজন। একজন হলেন তিনি যার হাদিস কুতুবে সিত্তাহতে (ছয়টি প্রসিদ্ধ কিতাবে) রয়েছে এবং তিনি অনেক আগে ইন্তেকাল করেছেন, তিনি মানসুর ও আমাশের সমসাময়িক ছিলেন এবং তার নির্ভরযোগ্যতার বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই। দ্বিতীয় জন হলেন আবদুর রহমান ইবনে সুলাইমান আল-আসবাহানি, যিনি ইকরিমা ও শা'বী থেকে বর্ণনা করেন এবং হারুনুর রশিদের যুগ পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। সুতরাং তিনিই এই হাদিসের বর্ণনাকারী হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তার থেকে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-আসবাহানি, মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-আসবাহানি এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৮)
أبو حاتم: هو صالح الحديث، وقال ابن معين: ليس بشيء، وروى الكويج عن ابن معين توثيقه، فهو كما ترى مختلف فيه ليس بالثقة مطلقًا، والحديث في السنن الأربعة.
47 - حديث تميم "مَنْ أَسلمَ عَلى يدِ رَجل فَهُو أَولَى النَّاسِ. .".
قال (البخاري): اختلفوا في صحته، فهذا ليحيى بن حمزة عن عبد العزيز بن عمر بن عبد العزيز سمعت عبد الله بن موهب يحدث أبي عن قبيصة بن ذؤيب عن تميم.
وعلته الجهل لحال ابن موهب قاضي فلسطين.
فقلت: ذا قد روى عنه الزهري والكبار، ولكن علة الحديث أنه مرة أرسله عن تميم فأسقط قبيصة، ومرة قال: عن قبيصة أن تميمًا قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم.
48 - حديث "عَلَى كُلِّ بَيْتٍ فِي العَامِ أُضْحِيَةٍ وَعَتِيرَةٍ". ابن عون عن عامر أبي رملة عن محْنف بن سُليم. إسناده ضعيف، فصدق لجهالة عامر.
قلت: رواه الأربعة من طرق عن عون وحسنه (الترمذي).
49 - حديث نهى عن لبس الذهب إلا مُقطعًا، ثُم قال: جاء المنع من
--------------------------------------------
আবু হাতিম বলেছেন: তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য (সালিহুল হাদিস)। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কেউ নন। আল-কুওয়াইজ ইবনে মাঈন থেকে তার বিশ্বস্ততার কথা বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আপনি দেখতেই পাচ্ছেন, তিনি বিতর্কিত এবং শর্তহীনভাবে নির্ভরযোগ্য নন। হাদিসটি চার সুনান গ্রন্থে বিদ্যমান।
৪৭ - তামীমের হাদিস: "যে ব্যক্তি কোনো লোকের হাতে ইসলাম গ্রহণ করে, সে-ই তার (উত্তরাধিকারের) জন্য সবচেয়ে বেশি হকদার..."।
(বুখারি) বলেছেন: তারা এর বিশুদ্ধতা নিয়ে মতভেদ করেছেন। এটি ইয়াহইয়া ইবনে হামজাহ, আব্দুল আজিজ ইবনে উমর ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে মাওহাবকে আমার পিতার নিকট ক্ববিসাহ ইবনে জুয়াইব থেকে, তিনি তামীম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি।
এর ত্রুটি (ইল্লাত) হলো ফিলিস্তিনের বিচারক ইবনে মাওহাবের অবস্থা অজ্ঞাত থাকা।
আমি বললাম: তার থেকে তো যুহরি এবং বড় বড় ইমামগণ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদিসটির ত্রুটি হলো, কখনো তিনি তা মুরসাল হিসেবে তামীম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ক্ববিসাহকে বাদ দিয়েছেন; আবার কখনো বলেছেন: ক্ববিসাহ থেকে যে, তামীম আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছেন।
৪৮ - হাদিস: "প্রত্যেক পরিবারে প্রতি বছর একটি কুরবানি ও একটি আতিরাহ (রজব মাসের পশু জবাই) প্রযোজ্য।" ইবনে আউন, আমির আবু রামলাহ থেকে, তিনি মিহনাফ ইবনে সুলাইম থেকে বর্ণনা করেছেন। এর সনদটি দুর্বল, কেননা আমিরের অবস্থা অজ্ঞাত হওয়ায় কথাটি সত্য।
আমি বললাম: চার ইমাম (সুনান প্রণেতা) আউন থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন এবং (তিরমিজি) এটিকে হাসান বলেছেন।
৪৯ - হাদিস: খণ্ডাকৃতির (সামান্য পরিমাণ) সোনা ব্যতীত অন্য সোনা পরিধানে নিষেধ করা হয়েছে। এরপর তিনি বললেন: নিষেধ করার বিষয়টি এসেছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ২৯)
تحلي النساء به عن ثوبان وحذيفة وأسماء بنت يزيد وأبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم، والصحيح الإباحة. ولا ينبغي أن يضعف خبر ثوبان، أبلغ ما فيه يحيى بن أبي كثير عن زيد بن سلام وفيه انقطاع، فقوله عن حذيفة خطأ صوابه عن أخت حذيفة وحديث أسماء رواه ابن العطار، ثنا يحيى أن محمود بن عمرو الأنصاري حدثه أنها حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "أَيَّما امرَأَةٍ تَقَلَّدَتْ ذَهَبًا قُلِّدَتْ فِي عُنُقِهَا ضله منَ النَّارِ. وَأَيّما امْرَأَةٍ جَعْلَتْ فِي أُذُنَيْهَا خِرصًا فَكَذَلِكَ".
ورواه الدستوائي عن يحيى، محمود مجهول.
قلت: أسماء عمته وقد وثق، ولكن المتن منكر.
50 - حديث: "أَهْلُ الجَنَّةِ عِشْرُونَ وَمِائَةِ صَفٍّ". حسنه (الترمذي) لضرار بن مرة عن محارب بن دينار عن ابن بريدة عن أبيه. علله برواية علقمة بن مرثد عن سليمان بن بريدة مرسلًا، ويروى عن سليمان عن أبيه. قال المؤلف: لا ينبغي تعليله بذلك.
قلت: ما هذا بتعليل بل حكاية الواقع، وإنما لم يصححه الترمذي لغرابة خبر ضِرار.
51 - حديث البزار "أَوّلُ مَا خَلقَ اللهُ القَلَمَ، فقالَ لَهُ: اجرِ فَجَرى بِمَا هُوَ كَائِنٌ" حسنه البزار، فهذا لزيد بن الحباب عن معاوية بن صالح حدثني
--------------------------------------------
নারীদের অলঙ্কার পরিধান বিষয়ে সাওবান, হুযায়ফাহ, আসমা বিনতে ইয়াযীদ এবং আবু হুরাইরাহ (রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে এর বৈধতাই সঠিক মত। সাওবানের হাদীসটিকে দুর্বল বলা সমীচীন নয়, এর সূত্রের সবচেয়ে বড় ত্রুটি হলো ইয়াহইয়া ইবনে আবী কাসীর যায়িদ ইবনে সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে ইনকিতা (সূত্রবিচ্ছিন্নতা) রয়েছে। আর হুযায়ফাহ থেকে বর্ণিত বলাটি ভুল, সঠিক হলো এটি হুযায়ফাহর বোন থেকে বর্ণিত। আসমার হাদীসটি ইবনুল আত্তার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মাহমুদ ইবনে আমর আল-আনসারী তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে আসমা তাঁকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে নারী স্বর্ণের হার পরিধান করবে, তার গলায় আগুনের হার পরিয়ে দেওয়া হবে। আর যে নারী তার কানে দুল পরবে, তার ক্ষেত্রেও অনুরূপ হবে।"
আদ-দাস্তুওয়ায়ী এটি ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, যেখানে মাহমুদ মাজহুল (অপরিচিত)।
আমি বলছি: আসমা তাঁর ফুফু এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে, কিন্তু এর মতন (মূল পাঠ) মুনকার (অগ্রহণযোগ্য)।
৫০ - হাদীস: "জান্নাতবাসীরা একশত বিশটি কাতারে বিভক্ত হবে।" দিরার ইবনে মুররাহ থেকে মুহারিব ইবনে দীনারের সূত্রে ইবনে বুরাইদাহ তাঁর পিতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী একে হাসান বলেছেন। তিনি আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে সুলাইমান ইবনে বুরাইদাহর মুরসাল বর্ণনা দ্বারা একে ত্রুটিযুক্ত প্রতিপন্ন করেছেন; তবে এটি সুলাইমান থেকে তাঁর পিতার সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। লেখক বলেছেন: এই কারণে এটিকে ত্রুটিযুক্ত বলা ঠিক নয়।
আমি বলছি: এটি কোনো ত্রুটি বর্ণনা নয় বরং বাস্তবতার বর্ণনা মাত্র। মূলত দিরার-এর বর্ণনায় সূত্রগত ভিন্নতা (গারাবাত) থাকার কারণে তিরমিযী একে সহীহ বলেননি।
৫১ - আল-বায্যারের হাদীস: "আল্লাহ প্রথম যা সৃষ্টি করেছেন তা হলো কলম, অতঃপর তাকে বললেন: লেখো। তখন যা কিছু ঘটবে সে অনুযায়ী কলম চলতে লাগল।" বায্যার একে হাসান বলেছেন। এটি যায়িদ ইবনে হুবাব থেকে মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ এর বর্ণনায়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহকামুল ওস্তা
(পৃষ্ঠা: ৩০)
أيوب بن أبي زيد عن عبادة بن الوليد بن عبادة عن أبيه عن جده، فالوليد لا يعرف حاله.
قلت: حديثه في الصحيحين. قال: وأيوب كذلك وقد روى عنه زيد بن أبي أُنيسة ويزيد بن سنان.
قلت: حمصي مقل.
وقال (الترمذي): حدثنا يحيى بن موسى، ثنا أبو داود، حدثنا عبد الواحد بن سليم سمع عطاء بن أبي رباح سمع الوليد بن عُبادة قال: دعاني أبي فقال: اتق الله، ولن تتقي حتى تؤمن بالقدر كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "أَوْلُ مَا خَلَقَ اللهُ القَلمَ، فقالَ: اكتُبْ، قاَلَ: مَا أَكْتُبُ؟ قَال: اكتُبِ القَدَرَ، مَا كَانَ وَمَا يَكُونُ إِلَى الأَبَدِ"، قال: غريب، عبد الواحد واه (1).
52 - حديث أبي رزين يا رسول الله، أين كان ربنا؟ قال: "كَانَ فِي المَاءِ. .".
حسنة (الترمذي) لحماد بن سلمة عن يعلى بن عطاء عن وكيع بن حدس عنه. فوكيع لا يعرف، وتفرد عنه يحيى وكان شعبة وهشيم وأبو عوانة يقولون: ابن عدس وقد صحح الترمذي حديث "الرُّؤْيَا عَلى رِجْلِ طَائِرٍ" قلت: لكونه لشعبة عن يعلى (1).
53 - حديث عبد الله بن عمرو: أخبرنا عن ثياب الجنة، أتنسج؟
وهذا ضعيف رواه محمد بن عبد الله بن علاثة، ثنا العلاء بن عبد الله أن
--------------------------------------------
আইয়ুব ইবনে আবি যায়েদ বর্ণনা করেছেন উবাদাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে উবাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে; তবে আল-ওয়ালিদ এর অবস্থা (হালাত) অজ্ঞাত।
আমি বললাম: তাঁর হাদিস সহীহাইন-এ রয়েছে। তিনি বললেন: আইয়ুবও তেমনি, আর তাঁর থেকে যায়েদ ইবনে আবি উনাইসা এবং ইয়াযীদ ইবনে সিনান বর্ণনা করেছেন।
আমি বললাম: তিনি হিমসের অধিবাসী এবং অল্প হাদিস বর্ণনাকারী।
এবং (তিরমিযী) বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে সুলাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে শুনেছেন, তিনি ওয়ালিদ ইবনে উবাদাহ থেকে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে ডাকলেন এবং বললেন: আল্লাহকে ভয় করো, আর তুমি ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকী হতে পারবে না যতক্ষণ না তাকদীরের ওপর ঈমান আনবে, যেমনটি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ সর্বপ্রথম যা সৃষ্টি করেছেন তা হলো কলম, অতঃপর তিনি বললেন: লেখো। কলম বলল: আমি কী লিখব? তিনি বললেন: তাকদীর লেখো, যা হয়েছে এবং যা অনন্তকাল ধরে হতে থাকবে।" তিনি (তিরমিযী) বললেন: এটি গরীব হাদিস, আব্দুল ওয়াহিদ অত্যন্ত দুর্বল (১)।
৫২ - আবু রাযীনের হাদিস: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের রব কোথায় ছিলেন? তিনি বললেন: "তিনি পানিতে ছিলেন..."
তিরমিযী একে হাসান বলেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ-এর সূত্রে, তিনি ইয়ালা ইবনে আতা থেকে, তিনি ওয়াকি' ইবনে হুদাস থেকে, তিনি তাঁর থেকে। ওয়াকি' পরিচিত নন, এবং তাঁর থেকে কেবল ইয়াহইয়া এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর শু'বাহ, হুশাইম এবং আবু আওয়ানাহ বলতেন: ইবনে আদাস। ইমাম তিরমিযী "স্বপ্ন পাখির পায়ের ওপর থাকে" হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন। আমি বললাম: কারণ এটি শু'বাহ এর সূত্রে ইয়ালা থেকে বর্ণিত (১)।
৫৩ - আব্দুল্লাহ ইবনে আমরের হাদিস: আমাদের জান্নাতের পোশাক সম্পর্কে সংবাদ দিন, তা কি বোনা হয়?
এটি দুর্বল; মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উলাসাহ এটি বর্ণনা করেছেন, আল-আলা ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে
--------------------------------------------