(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: -)
الوقف والابتداء في كتاب الله عز وجل القسم: التجويد والقراءات
الكتاب: الوقف والابتداء في كتاب الله عز وجل
المؤلف: أَبُو جَعْفَر مُحَمَّد بن سَعْدَان الكوفي النّحويّ المقرئ الضَّرِير (ت 231 هـ)
المحقق: أبو بشر محمد خليل الزروق
الناشر: مركز جمعة الماجد للثقافة والتراث - دبي
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م.
عدد الصفحات: 182
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 6 صفر 1437
মহান আল্লাহর কিতাবে ওয়াকফ ও ইবতিদা (বিরতি ও প্রারম্ভ) বিভাগ: তাজবিদ ও কিরাতসমূহ
বই: মহান আল্লাহর কিতাবে ওয়াকফ ও ইবতিদা (বিরতি ও প্রারম্ভ)
লেখক: আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন সাদান আল-কুফি ব্যাকরণবিদ ও কারী আদ-দারির (মৃত্যু ২৩১ হিজরি)
সম্পাদক: আবু বিশর মুহাম্মাদ খলিল আয-যারুক
প্রকাশক: জুমুআ আল-মাজিদ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কেন্দ্র - দুবাই
সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮২
শামেলার জন্য প্রস্তুতকরণ: রাবিতাতুন নুসসাখ দল, তত্ত্বাবধানে (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ছাপানো কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ সফর ১৪৩৭
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
(56/أ) بسم الله الرحمن الرحيم
ربّ يسرّ وأعِن
1 - أخبرنا أبو الحسن محمد بن أحمد بن رزقويه، قال: أخبرنا أبو بكر محمد ابن الحسن بن مقسم، قال: أخبرنا أبو بكر محمد بن يحيى بن سليمان المروزي، قراءة عليه، قال أخبرنا ابن سعدان، قال:
2 - إن الله عز وجل كرم هذا القرآن وشرفه وعظمه، وبيَّن فيه الفرائض والأحكام، والحلال والحرام، وفضله على كل كلام، ووعد على تلاوته والعمل بما فيه الثواب العظيم.
3 - أخبرنا أبو بكر محمد بن يحيى، قال: أخبرنا أبو جعفر محمد بن
(৫৬/ক) পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে প্রতিপালক, সহজ করে দিন এবং সাহায্য করুন।
১ - আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন রিজকওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান বিন মিকসাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন সুলায়মান আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: ইবনে সা’দান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:
২ - নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত, তিনি এই কুরআনকে সম্মানিত, মর্যাদাবান ও মহান করেছেন। তিনি এতে ফরয বিষয়সমূহ ও বিধিবিধান, হালাল ও হারাম বর্ণনা করেছেন এবং একে সকল বাণীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। আর তিনি এর তিলাওয়াত ও এতে যা রয়েছে সে অনুযায়ী আমল করার বিনিময়ে মহান প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
৩ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬০)
سعدان، قال: حدثنا عبد الوهاب بن عطاء الخفاف، عن سعيد بن [أبي] عرُوبة، عن قتادة، عن زُرارة بن أبي أوفى، عن سعد بن هشام، عن عائشة رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: الماهر بالقرآن
সাদান বলেন: আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আতা আল-খাফফাফ বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে [আবু] আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি জুরারাহ ইবনে আবি আওফা থেকে, তিনি সাদ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: কুরআনে দক্ষ ব্যক্তি
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬১)
يُكتب مع السفرة والأبرار، والذي يقرؤه ويتتعْتَعُ فيه، وهو عليه شاق، فله أجران اثنان.
4 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: [56/ب] حدثنا عبد الوهاب، عن بِشْر بن نُمير، عن القاسم مولى خال بن يزيد،
(সে) সম্মানিত ও পুণ্যবান লিপিকারদের সাথে লিপিবদ্ধ হবে; আর যে ব্যক্তি তা পাঠ করে এবং তাতে আটকে যায় এবং তা তার জন্য কষ্টসাধ্য হয়, তার জন্য রয়েছে দুটি প্রতিদান।
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সা’দান, তিনি বলেন: [৫৬/খ] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব, বিশর ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি কাসেম থেকে, যিনি খল ইবনে ইয়াজিদের মুক্তদাস,
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬২)
قال: أخبرنا أبو أمامة: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "من قرأ ثلث القرآن أعْطِيَ ثلث النبوة، ومن قرأ ثلثي القرآن أعطي ثلثي النبوة، ومن قرأ القرآن كله أعطي النبوة كلها، ويقال له يوم القيامة: اقرأ وارق بكل آية درجة، حتى ينجز ما معه من القرآن، ثم يقال له: اقبض، فيقبض بيده، ثم يقال له: اقبض، فيقبض بيده، ثم يقال له: هل تدري ما في يديك؟ فإذا في يده اليمنى الخلد، وفي الأخرى النعيم".
তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমামাহ বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করল, তাকে নবুওয়াতের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করা হলো; যে ব্যক্তি কুরআনের দুই-তৃতীয়াংশ পাঠ করল, তাকে নবুওয়াতের দুই-তৃতীয়াংশ প্রদান করা হলো; আর যে ব্যক্তি পূর্ণ কুরআন পাঠ করল, তাকে পূর্ণ নবুওয়াত প্রদান করা হলো। কিয়ামতের দিন তাকে বলা হবে: পাঠ করো এবং প্রতিটি আয়াতের বিনিময়ে এক স্তর উপরে আরোহণ করো, যতক্ষণ না সে তার সাথে থাকা কুরআনের সমাপ্তি ঘটাবে। এরপর তাকে বলা হবে: মুষ্টিবদ্ধ করো, তখন সে তার হাত দিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করবে; পুনরায় তাকে বলা হবে: মুষ্টিবদ্ধ করো, তখন সে তার হাত দিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করবে। তারপর তাকে বলা হবে: তুমি কি জানো তোমার দুই হাতে কী রয়েছে? তখন দেখা যাবে তার ডান হাতে রয়েছে চিরস্থায়িত্ব এবং অপর হাতে রয়েছে নেয়ামত।"
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
5 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: حدثنا أبو معاوية الضرير محمد بن خازم، عن الأعمش، عن يزيد الرقاشي، عن
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সাদআন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর মুহাম্মদ ইবনে খাযিম, আল-আমাশ থেকে, তিনি ইয়াযীদ আর-রাক্কাশি থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
الحسن، قال: قال رسول الله، صلى الله عليه وسلم: "من قرأ القرآن فهو غني، ولا فقر بعده، والأمانة غِنى".
হাসান বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে সে অভাবমুক্ত, এরপর আর কোনো দারিদ্র্য নেই; আর আমানতদারিতা হলো সচ্ছলতা।”
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
6 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: أخبرنا عبد الوهاب، عن عوْف، عن زياد بن مخراق، عن أبي كنانة، قال: سمعت أبا موسى [57/أ] يقول: "تعلموا القرآن واقرؤوه، واعلموا أنه كائن لكم أجراً، وكائن لكم ذكراً، وكائن عليكم وزراً، فاتبعوا القرآن، ولا يتبعنكُمُ القرآن، فإنه من اتبع القرآن هجم به على رياض الجنة، ومن اتبعه القرآن زخَّ في [قفاه] حتى يقذف به في النار".
৬ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে সাদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আওফ থেকে, তিনি যিয়াদ ইবনে মিখরাক থেকে, তিনি আবু কিনানাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু মুসাকে [৫৭/ক] বলতে শুনেছি: "তোমরা কুরআন শেখো এবং তা পাঠ করো। আর জেনে রাখো যে, এটি তোমাদের জন্য পুরস্কার হবে, তোমাদের জন্য সম্মান হবে এবং তোমাদের ওপর গুনাহের বোঝা হবে। সুতরাং তোমরা কুরআনের অনুসরণ করো, কুরআন যেন তোমাদের অনুসরণ না করে। কারণ যে ব্যক্তি কুরআনের অনুসরণ করে, কুরআন তাকে জান্নাতের বাগানে নিয়ে যায়; আর কুরআন যার অনুসরণ করে, সেটি তার ঘাড়ের পেছনে ধাক্কা দেয় যতক্ষণ না তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করে।"
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
7 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن خيثمة بن عبد الرحمن، قال: "مرت امرأة بعيسى ابن مريم عليه السلام فقالت: طوبى لبطن حملك، ولثدي أرضعك، فقال عيسى: بل طوبى لمن قرأ القرآن واتبع ما فيه".
8 - قال: أبو جعفر محمد بن سعدان: إن الله عز وجل أنزل هذا القرآن بأفصح اللغات وأعربا، وقال، تبارك وتعالى: (إنا جعلناه قرآنا عربيا)، وقال: (بلسان عربي مبين).
9 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: أخبرنا أبو معاوية الضرير، عن عبد الله بن سعيد المقبري، عن أبيه، عن جده، عن أبي
৭ - মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সা’দান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ থেকে, তিনি খাইসামা বিন আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালামের পাশ দিয়ে এক মহিলা অতিক্রম করছিলেন, তখন তিনি বললেন: ধন্য সেই গর্ভ যা আপনাকে ধারণ করেছে এবং ধন্য সেই স্তন যা আপনাকে দুগ্ধ পান করিয়েছে। তখন ঈসা বললেন: বরং ধন্য সেই ব্যক্তি যে কুরআন পাঠ করেছে এবং তাতে যা আছে তা অনুসরণ করেছে।"
৮ - আবু জাফর মুহাম্মদ বিন সা’দান বলেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এই কুরআনকে সর্বাধিক প্রাঞ্জল ও সুস্পষ্ট ভাষায় অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা’আলা বলেছেন: (নিশ্চয়ই আমি একে আরবি কুরআন করেছি), এবং তিনি বলেছেন: (সুস্পষ্ট আরবি ভাষায়)।
৯ - মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সা’দান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আবু...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
هريرة- رضي الله عنه: أن النبي - صلى [57/ب] الله عليه وسلم - قال: "أعربوا القرآن، والتمسوا [غرائبه].
10 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، حدثنا أبو
আবু হুরাইরাহ- রাদিয়াল্লাহু আনহু: নবী - সাল্লাল্লাহু [৫৭/খ] আলাইহি ওয়া সাল্লাম - বলেছেন: "তোমরা কুরআনের ই’রাব (যথাযথ ব্যাকরণগত উচ্চারণ) করো এবং এর বিরল শব্দাবলি অনুসন্ধান করো।"
১০ - মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সা’দান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু... আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
معاوية، [عن جويبر]، عن الضحاك، قال: قال عبد الله بن مسعود: "جردوا القرآن، وزينوه بأحسن [الـ] أصوات، وأعربوه؛ فإنه عربي، وإن الله عز وجل يحب أن يُعْرَبَ به.
11 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: حدثنا المعلي بن منصور الرازي، عن هُشَيْم، عن عبد الرحمن [بن عبد الله] بن
মুয়াবিয়া, [জুয়াইবির হতে], যাহহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ বলেছেন: "তোমরা কুরআনকে (অন্যান্য সংমিশ্রণ হতে) বিমুক্ত করো, একে সর্বোত্তম কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সুশোভিত করো এবং একে ইরাব (ব্যাকরণগত বিশুদ্ধতা) সহকারে পাঠ করো; কেননা এটি আরবি। আর নিশ্চয়ই মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ পছন্দ করেন যে, তাঁর কিতাব ইরাব সহকারে (বিশুদ্ধভাবে) পাঠ করা হোক।"
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন সা'দান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুয়াল্লা ইবন মানসুর আর-রাযী, হুশাইম হতে, তিনি আবদুর রহমান [ইবন আবদুল্লাহ] ইবন
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
كعب بن مالك، عن أبيه، عن جده، قال: كنت جالساً عند عمر بن الخطاب، فسمع رجلاً يقرأ: ليسجننه عتى حين، فقال عمر: من أقرأك هذه القراءة؟ قال: أقرأني عبد الله بن مسعود، قال: فكتب عمر إلى عبد الله بن مسعود، رضي الله عنهما: أما بعد، فإن الله عز وجل أنزل هذا القرآن وجعله قرآناً عربياً مبيناً، وأنزله بلغة هذا الحي من قريش، فلا تقرؤوه بلغة هذيل، والسلام. قال المعلى:
কাব ইবনে মালিক তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তিনি এক ব্যক্তিকে তিলাওয়াত করতে শুনলেন: "লাইয়াসজুনুন্নাহু আতা হীন" (অবশ্যই তারা তাকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কারারুদ্ধ করে রাখবে)। উমর বললেন: "তোমাকে এই কিরাত কে শিখিয়েছেন?" তিনি বললেন: "আমাকে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ শিখিয়েছেন।" তখন উমর আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা-এর নিকট লিখলেন: "অতঃপর, মহান আল্লাহ এই কুরআন অবতীর্ণ করেছেন এবং একে সুস্পষ্ট আরবি কুরআন বানিয়েছেন। আর তিনি একে কুরাইশের এই গোত্রের ভাষায় অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং তোমরা একে হুযাইল গোত্রের ভাষায় তিলাওয়াত করো না। ওয়াসসালাম।" মুআল্লা বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭০)
وكان هشيمٌ يقول: في إسناد هذا الحديث عبد الرحمن [58/أ] بن عبد الله.
12 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا أبو جعفر، قال: حدثنا عمار أبو اليقظان المستملي، عن محمد بن عبد العزيز، عن المدني أبي الزناد، عن خارجة بن زيد بن ثابت، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: نزل القرآن
হুশাইম বলতেন: এই হাদিসের সনদে আবদুর রহমান [৫৮/আ] বিন আবদুল্লাহ রয়েছেন।
১২ - মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আম্মার আবু আল-ইয়াকজান আল-মুস্তামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আবদুল আজিজ থেকে, আল-মাদানি আবু আয-যিনাদ থেকে, খারিজা বিন যাইদ বিন সাবিত থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: কুরআন নাজিল হয়েছে
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭১)
بالتفخيم. قال عمار: قال محمد بن عبد العزيز: قلت لأبي الزناد: ما التفخيم؟ قال: فأخبرني عن خارجة بن زيد، قال: هو مثل قول الله عز وجل: (عُذرا أو نذراً)، وما أشبهه.
13 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا أبو جعفر، قال: حدثنا أبو معاوية، ومحمد بن عبيد الطنافسي، وإسحاق الأزرق، عن عبيد الله بن
তাকফিম (মোটা স্বরে উচ্চারণ) সহকারে। আম্মার বলেন: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ বলেছেন: আমি আবুয যিনাদকে জিজ্ঞেস করলাম: তাফখীম কী? তিনি বললেন: তিনি আমাকে খারিজাহ বিন যাইদ থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এটি মহান আল্লাহর বাণীর মতো: (অজুহাত হিসেবে অথবা সতর্কবাণী হিসেবে), এবং এর সদৃশ বিষয়গুলো।
১৩ - মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া, মুহাম্মাদ বিন উবাইদ আত-তানাফিসি এবং ইসহাক আল-আযরাক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তারা উবায়দুল্লাহ বিন...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭২)
عمر، عن نافع: أن ابن عمر كان يضرب ولده على اللحن في كتاب الله، عز وجل.
14 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا أبو جعفر، قال: حدثنا أبو معاوية، عن رجل، عن مجاهد، قال: لأن أخطئ بالآية أحب إليَّ من أن ألحن في كتاب الله.
উমর, নাফে থেকে বর্ণনা করেন: ইবনে উমর মহান আল্লাহর কিতাবে ব্যাকরণগত ভুলের কারণে তাঁর সন্তানকে প্রহার করতেন।
১৪ - মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু মুয়াবিয়া এক ব্যক্তি থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহর কিতাবে ব্যাকরণগত ভুল করার চেয়ে কোনো আয়াত স্মরণে ভুল করা আমার কাছে অধিক প্রিয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
15 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: قال محمد: حدثنا صاحب لنا يقال له: عليّ، [عن] عيسى بن يونس بن أبي إسحاق، بإسناد، أنه قال: وقف أعرابي [58/ب] على رجل وهو يُعَلِّمُ آخر القرآن، وهو يقول: أن الله بريء من المشركين ورسوله، فقال له الأعرابي: والله ما أنزل هذا على محمد! قال: فوثب الرجل فلبب الأعرابي، ثم قال له: بيني وبينك عمر، فقال: يا أمير المؤمنين إني كنت أعلم رجلاً، فسمعني هذا وأنا أقول: أن الله بريء من المشركين ورسوله، فقال: والله ما أنزل هذا على محمد! فقال عمر: صدق الأعرابي، إنما هو: (ورسوله).
১৫ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বলেছেন: আমাদের এক সাথী যাকে আলী বলা হয় তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, [বর্ণনা সূত্রে] ঈসা ইবনে ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক থেকে, এক সনদে যে, তিনি বলেছেন: একজন বেদুঈন এক ব্যক্তির নিকট এসে দাঁড়ালেন [৫৮/খ], এমতাবস্থায় যে সে অন্য একজনকে কুরআন শিক্ষা দিচ্ছিল এবং বলছিল: “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুশরিকদের থেকে এবং তাঁর রাসূল থেকেও দায়মুক্ত।” তখন বেদুঈন তাকে বললেন: আল্লাহর কসম, মুহাম্মাদের ওপর এটি অবতীর্ণ হয়নি! বর্ণনাকারী বলেন: তখন লোকটি লাফিয়ে উঠে বেদুঈনের কাপড় টেনে ধরল, অতঃপর তাকে বলল: আমার ও তোমার মাঝে উমর ফয়সালা করবেন। সে বলল: হে আমিরুল মুমিনিন, আমি এক ব্যক্তিকে শিক্ষা দিচ্ছিলাম, তখন এই ব্যক্তি আমাকে এই বলতে শুনল যে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুশরিকদের থেকে এবং তাঁর রাসূল থেকেও দায়মুক্ত।” তখন সে বলল: আল্লাহর কসম, এটি মুহাম্মাদের ওপর অবতীর্ণ হয়নি! তখন উমর (রা.) বললেন: বেদুঈন সত্য বলেছে, এটি তো কেবল: “(এবং তাঁর রাসূলও)।”
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
16 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: حدثنا إسحاق بن [أبي] إسرائيل، عن حماد بن زيد، عن يزيد بن حازم، عن سليمان بن يسار، قال: خرج عمر رضي الله عنه على قوم في المسجد وهم
১৬ - মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সা’দান আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন [আবি] ইসরাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি ইয়াযিদ বিন হাযিম থেকে, তিনি সুলায়মান বিন ইয়াসার থেকে, তিনি বলেন: উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মসজিদে একদল লোকের নিকট বের হয়ে আসলেন যখন তারা...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
يقرئ بعضهم بعضاً، فقال: ما كنتم تُراجعون بينكم؟ قالوا: كنا يقرئ بعضنا بعضاً، قال: اقرؤوا ولا تلحنوا.
17 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: حدثنا إسحاب بن [أبي] إسرائيل، عن حماد بن زيد، عن واصل مولى أبي عيينة، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن [يعمر]: أن [أبا ذر]رضي الله عنه قال: تعلموا العربية في القرآن كما تعلمُو [ن] حفظه.
তারা একে অপরকে পাঠ করে শোনাচ্ছিল, তখন তিনি বললেন: "তোমরা নিজেদের মধ্যে কী আলোচনা করছিলে?" তারা বলল: "আমরা একে অপরকে পাঠ করে শোনাচ্ছিলাম।" তিনি বললেন: "তোমরা পাঠ করো এবং ভুল উচ্চারণ করো না।"
১৭ - মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সা'দান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে [আবি] ইসরাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি আবু উয়াইনার মুক্তদাস ওয়াসিল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আকীল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে [ইয়া'মার] থেকে বর্ণনা করেন যে, [আবু যার] (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: "তোমরা কুরআনের আরবি ভাষা শিক্ষা করো যেমনভাবে তোমরা এটি মুখস্থ করা শিক্ষা করো।"
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
18 - أخبرنا [59/أ] محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: حدثنا جرير بن عبد [الحميد] الرازي، عن إدريس، قال: قيل للحسن: إن لنا إماماً يلحن، قال: أخروه.
19 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: قال محمد بن سعدان: إن من تمام الإعراب معرفة الوقف والابتداء، بالوقف على التمام، وعلى غير التمام، وهو على التمام أحسن، وسأفسرهما جميعاً، إن شاء الله، تعالى.
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন [৫৯/ক] মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন সা’দান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর বিন আব্দুল [হামিদ] আর-রাজি, ইদরিস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হাসানকে বলা হলো: আমাদের একজন ইমাম আছেন যিনি (তিলাওয়াতে) ব্যাকরণগত ভুল করেন। তিনি বললেন: তাকে পেছনে সরিয়ে দাও।
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সা’দান বলেছেন: ইরাব বা ব্যাকরণগত শুদ্ধতার পূর্ণতা হলো ওয়াকফ (থামা) এবং ইবতিদা (শুরু করা) সম্পর্কে অবগত হওয়া; অর্থাৎ তাম (পূর্ণ) এবং গাইরে-তাম (অপূর্ণ) স্থানে থামা। আর তামের ওপর থামা অধিক উত্তম। ইনশাআল্লাহ তাআলা, আমি অচিরেই এ উভয় বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রদান করব।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
20 - فالوقف الحسن أن تقف على كل آية وآيتين، ولا بأٍ.
21 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا أبو جعفر، قال: حدثنا يحيى ابن سعيد الأموي، عن ابن جُريج، عن ابن أبي مُليكة، عن أم سلمة:
২০ - আল-ওয়াকফ আল-হাসান হলো প্রতিটি আয়াত বা প্রতি দুই আয়াতের শেষে থামা, আর এতে কোনো সমস্যা নেই।
২১ - মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-উমাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا قرأ قطع قراءته، ويقف على آية آية، يقول: (بسم الله الرحمن الرحيم)، ثم يقف، ثم يقول: (الحمد لله رب العالمين)، ثم يقف، ثم يقول: (الرحمن الرحيم. مالك يوم الدين).
নিশ্চয়ই নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) যখন তিলাওয়াত করতেন তখন তিনি তাঁর তিলাওয়াত বিচ্ছিন্ন করতেন এবং প্রতিটি আয়াতের শেষে থামতেন। তিনি বলতেন: (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে), অতঃপর থামতেন; এরপর বলতেন: (সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য), অতঃপর থামতেন; এরপর বলতেন: (তিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। বিচার দিবসের মালিক)।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
قال ابن سعدان: فقلنا ليحيى: هكذا قرأ النبي، عليه السلام؟ قال: هكذا قرأ، قال ابن جُريج.
22 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا محمد بن سعدان، قال: أخبرنا سُليم بن عيسى، عن حمزة: أنه كان [59/ب] إذا وقف على حرف لم يهمزه، وكان يقف على ما في الكتاب، ما خلا أحرفاً يخالف فيها الكتاب،
ইবনে সাদান বলেন: অতঃপর আমরা ইয়াহইয়াকে বললাম: নবী (আলাইহিস সালাম) কি এভাবেই পাঠ করেছেন? তিনি বললেন: তিনি এভাবেই পাঠ করেছেন; ইবনে জুরাইজ এরূপ বলেছেন।
২২ - মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সাদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইম বিন ঈসা হামজা থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে: তিনি [৫৯/খ] যখন কোনো বর্ণের ওপর বিরতি নিতেন তখন তাতে হামজা উচ্চারণ করতেন না, এবং তিনি কিতাবে যা রয়েছে সে অনুযায়ীই বিরতি নিতেন, কেবল এমন কয়েকটি বর্ণ ব্যতীত যেগুলোতে তিনি কিতাবের বিপরীত করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮০)
مثل: (الظنونا)، و (الرسولا)، و (السبيلا)، و (قواريرا) الأول، و (ثمودا)، يقف على هذه الأحرف بغير ألف، وهي في الكتاب بألف.
23 - قال أبو جعفر: أحب إليّ إذا وقفت أن أهمز.
যেমন: (আয-যুনুনা), (আর-রাসুলা), (আস-সাবিলা), প্রথম (কাওয়ারীরা) এবং (সামুদা); এই বর্ণগুলোর ওপর আলিফ ছাড়াই থামতে হয়, অথচ কিতাবে এগুলো আলিফসহ লিখিত রয়েছে।
২৩ - আবু জাফর বলেন: আমি যখন থামি, তখন হামযাহ উচ্চারণ করা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮১)
24 - أخبرنا محمد بن يحيى، قال: أخبرنا أبو جعفر، قال أخبرنا إسحاق [المُسيبي]، عن نافع: أنه كان يقف على الكتاب، وإذا وقف على حرف لم يدع الهمزة.
25 - وفي أم الكتاب إذا ابتدأ بما في أوله ألف ولام، فابتدئه بفتح الألف، وكذلك: (الطلاق مرتان)، وكذلك: (الطفل)، وكذلك: (الشر استعجالهم)، تبتدئ بهذا وما أشبهه بفتح الألف.
26 - وإذا وقفت على: (نستعين)، فابتدئ: (اهدنا)، بكسر الألف، وإنما ابتدأت بكسر الألف؛ لأنه من هدَى يهْدِي، فالألف ليست بأصلية، وثالث يفعَلُ منه مكسور.
২৪ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক [আল-মুসাইয়িবি] নাফে থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে: তিনি কিতাবের ওপর বিরতি দিতেন, এবং যখন কোনো অক্ষরের ওপর বিরতি দিতেন, তখন তিনি হামযাহ বর্জন করতেন না।
২৫ - আর উম্মুল কিতাবে (সূরা ফাতিহায়) যখন এমন শব্দ দিয়ে শুরু করবেন যার শুরুতে আলিফ এবং লাম রয়েছে, তখন আলিফের ফাতহা (যবর) দিয়ে তা শুরু করবেন। অনুরূপভাবে: (আত-তালাকু মাররাতান), অনুরূপভাবে: (আত-তিফলু), এবং অনুরূপভাবে: (আশ-শাররু ইস্তি’জালাহুম); আপনি এই শব্দগুলো এবং এর সদৃশ শব্দগুলো আলিফের ফাতহা দিয়ে শুরু করবেন।
২৬ - আর যখন আপনি (নাসতাঈন) শব্দের ওপর থামবেন, তখন (ইহদিনা) শব্দটি আলিফের কাসরা (যের) দিয়ে শুরু করবেন। আর আলিফের কাসরা দিয়ে শুরু করার কারণ হলো; এটি ‘হাদা-ইয়াহদি’ থেকে আগত, ফলে এখানে আলিফটি মৌলিক নয় এবং এর বর্তমানকালীন ক্রিয়া রূপের তৃতীয় অক্ষরটি কাসরাযুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮২)
27 - فإن قال لك قائل: لِمَ بُنِيَ على ثالث يفعل؟ وألا بنو" على أول يفعل، أو على ثانيه - فقل: لأن أول يفعل زائد، والزائد لا يُبْنَى عليه، والثاني ساكن، والساكن لا يُبْتدأ به، فبنوْهُ على [60/أ] حركة ثالث يفعل.
28 - فإن قال قائل: الألف في: (اهدنا)، ليست بأصلية، فَلِمَ جئتَ بها/ فقل: لأنها الهاء ساكنة، والساكن لا يبتدأ به، فأدخلت الألف ليكون الابتداء بحرف متحرك.
29 - وكذلك كل ما كان ثالث مكسوراً فابتدئه بالكسر، نحو: (اهبطوا)، (اضرب بعصاك البحر)، وما أشبهه.
30 - وفي البقرة: إن قال لك قائل: لِمَ كتَبْتَ: (ألم)، و (ألمص)، و (كهيعص)؟ لِمَ جمعْتَ هذه الحروف، وإنما هي هجاء؟ وألا كتَبْتَها مقطعة - أرأيت لو قال لك قائل: ما هجاء: أبوك؟ لقلت: ألِفْ، بَا، واوْ، كافْ،
২৭ - যদি কেউ আপনাকে জিজ্ঞেস করে: কেন একে 'ইয়াফ'আলু' (يفعل) এর তৃতীয় অক্ষরের হরাকতের ওপর ভিত্তি করে গঠন করা হয়েছে? এবং কেন প্রথম বা দ্বিতীয় অক্ষরের ওপর ভিত্তি করে গঠন করা হলো না? - তবে বলুন: কারণ 'ইয়াফ'আলু' এর প্রথম অক্ষরটি অতিরিক্ত (জায়েদ), আর অতিরিক্ত অক্ষরের ওপর ভিত্তি করে কোনো কিছু গঠিত হয় না; এবং দ্বিতীয় অক্ষরটি সাকিন (স্বরহীন), আর সাকিন বর্ণ দিয়ে কথা শুরু করা যায় না; তাই তারা একে 'ইয়াফ'আলু' এর তৃতীয় অক্ষরের হারাকাতের ওপর ভিত্তি করে গঠন করেছে।
২৮ - যদি কেউ জিজ্ঞেস করে: 'ইহদিনা' (اهدنا) শব্দের আলিফটি তো মূল বা আসল বর্ণ নয়, তবে কেন আপনি এটি নিয়ে আসলেন? তবে বলুন: কারণ এখানে ‘হা’ বর্ণটি সাকিন, আর সাকিন বর্ণ দিয়ে শব্দ শুরু করা যায় না। তাই আলিফ নিয়ে আসা হয়েছে যেন একটি হারাকাতযুক্ত (স্বরযুক্ত) বর্ণ দিয়ে শব্দ শুরু করা সম্ভব হয়।
২৯ - অনুরূপভাবে, যারই তৃতীয় বর্ণটি কাসরা (জের) যুক্ত হবে, সেটি কাসরা দিয়েই শুরু করবেন। যেমন: 'ইহবিতু' (اهبطوا), 'ইদ্বরিব বি-আসাকাল বাহরা' (اضرب بعصاك البحر) এবং এই জাতীয় শব্দসমূহ।
৩০ - আর সূরা বাকারায়: যদি কেউ আপনাকে জিজ্ঞেস করে: কেন আপনি 'আলিফ-লাম-মীম' (ألم), 'আলিফ-লাম-মীম-সোয়াদ' (ألمص), এবং 'কাফ-হা-ইয়া-আইন-সোয়াদ' (كهيعص) এভাবে লিখেছেন? কেন আপনি এই বর্ণগুলোকে একত্রে মিলিয়ে লিখেছেন, অথচ এগুলো তো কেবল পৃথক পৃথক বর্ণমালা? কেন আপনি এগুলোকে পৃথক পৃথক বা বিচ্ছিন্নভাবে লিখলেন না? - আপনি কি ভেবে দেখেছেন, যদি কেউ আপনাকে জিজ্ঞেস করে: তোমার পিতা (আবুকা) শব্দের বানান কী? তবে আপনি বলতেন: আলিফ, বা, ওয়াও, কাফ।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
فصيَّرتَ الهجاء حرفاً غير معرب، وقطعته - فقل: إن هجاء الأب هجاء اسم [معروف]، و (ألم] جُمِعَ؛ لأنه ليس بهجاء اسم [معروف]. ولو قطعته لكان جائزاً، كما كتبوا: (حم عسق)، فقطعوا (حم) عن (عسق). وإنما فصلوا (حم) مِنْ (عسق) لأنهم صَيَّرُوا (حم) أول كل سورة، وصيروا الابتداء بـ (عسق).
31 - والعرب تقول: آل حم، والحواميم، وقال الكميت:
আপনি বানানকে একটি অ-বিভক্তিযুক্ত বর্ণে পরিণত করেছেন এবং একে বিচ্ছিন্ন করেছেন—সুতরাং বলুন: 'আব' (পিতা) শব্দের বানান হলো একটি [পরিচিত] নামের বানান, আর 'আলিফ-লাম-মীম' কে একত্রিত করা হয়েছে; কারণ এটি কোনো [পরিচিত] নামের বানান নয়। আর যদি আপনি একে বিচ্ছিন্ন করতেন তবে তা বৈধ হতো, যেমন তারা লিখেছেন: (হা-মীম আইন-সীন-কাফ), যেখানে তারা (হা-মীম) কে (আইন-সীন-কাফ) থেকে বিচ্ছিন্ন করেছেন। তারা (হা-মীম) কে (আইন-সীন-কাফ) থেকে কেবল একারণেই পৃথক করেছেন যে, তারা (হা-মীম) কে প্রতিটি সূরার প্রারম্ভ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন এবং (আইন-সীন-কাফ) দ্বারা পুনরায় শুরু করেছেন।
৩১ - আর আরবরা বলে: 'আল-হা-মীম' এবং 'আল-হাওয়ামিম'। আর কুমাইত বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
وجدنا لكم في آل حم آية
… تأوْلها منا تقي ومُعْرِبُ
وهذا فيمن جعل (حم) حرفاً واحداً بمنزلة اسم، مثل قابيل وهابيل.
32 - وإنما قالوا: الطواسين [60/ب] ولم يقولوا: الطواسيم - لأنهم بنوا على (طس)، ثم جمعوا عليه.
আমরা তোমাদের জন্য হা-মীম সংশ্লিষ্ট সূরাসমূহে একটি আয়াত পেয়েছি
… যার ব্যাখ্যা আমাদের মধ্য হতে পরহেজগার ও বিজ্ঞ ব্যক্তিরা করেছেন।
আর এটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যারা (হা-মীম)-কে নামের ন্যায় একটি একক শব্দ হিসেবে গণ্য করেছেন, যেমন কাবিল ও হাবিল।
৩২ - তারা মূলত 'আত-তওয়াসীন' [৬০/খ] বলেছে এবং 'আত-তওয়াসীম' বলেনি - কারণ তারা (ত-সীন)-এর ওপর ভিত্তি করে শব্দটি গঠন করেছে, অতঃপর সেটির ভিত্তিতেই বহুবচন করেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
33 - فإذا أردت أن تصل (ألم) بشئ فانظر إلى الذي بعدها، كيف الابتداء فيه؟ إن كان مكسوراً فاكسر آخر حرف من (ألم)، وإن كان ما بعدها ابتدأته بالفتح فافتح، وإن كان ابتداؤه بالرفع فارفع.
34 - فمن ذلك أول آل عمران: (ألم الله)، فتحت (ألم) لفتحة الألف. ألا ترى أنك تقول: (الله)، فتبتدئ بالألف مفتوحة؟ فمن ثَمَّ فتحت الميم.
৩৩ - সুতরাং আপনি যদি (আলিফ-লাম-মীম)-কে পরবর্তী কোনো শব্দের সাথে যুক্ত করতে চান, তবে তার পরবর্তী শব্দটির দিকে লক্ষ্য করুন, সেটির প্রারম্ভিক অবস্থা কেমন? যদি তা কাসরা-যুক্ত হয়, তবে (আলিফ-লাম-মীম)-এর শেষ বর্ণটিকে কাসরা প্রদান করুন; আর যদি তার পরবর্তীটি ফাতহা দিয়ে শুরু হয়, তবে ফাতহা প্রদান করুন; আর যদি তার প্রারম্ভিক অবস্থা রাফা দিয়ে হয়, তবে রাফা প্রদান করুন।
৩৪ - এরই উদাহরণ হলো সূরা আলে ইমরানের শুরু: (আলিফ-লাম-মীম আল্লাহু), এখানে আলিফের ফাতহার কারণে (আলিফ-লাম-মীম)-কে ফাতহা প্রদান করা হয়েছে। আপনি কি দেখছেন না যে আপনি যখন বলেন: (আল্লাহু), তখন আলিফ-কে ফাতহা দিয়ে শুরু করেন? সেই কারণে মীম বর্ণটিকে ফাতহা প্রদান করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
35 - ولو وصلْتَ (ألم) بـ (اهبطوا مصراً) - لقلتْ: (ألم) (اهبطوا). كسرتَ (ألم)، أتبعْتَها ما بعدها. وإذا وصَلْتَ (ألم) بـ (ادخلوا) قلت: (ألم) (ادخلوا) فرفعت (الم) أتبعتها الرفعة التي بعدها، ألا ترى أنك تقول إذا ابتدأت: (ادخلوا)؟ فتُتْبِعُ الميمَ الضمةَ. وإذا جئت بعد الميم بألف أصلية ثقيلة فدع الميم ساكنة واهمز الألف. تقول: (ألمْ) (أكرمي مثواه)، وكذلك: (ألم) (أمسك عليك زوجك)، فدع الميم على حالها، وتقطعُ.
باب (لا)36 - اعلم أن (لا) إذا كانت تبرئة فالوقف على ما بعدها، ولا يجوز الوقف على (لا)، مثل: (لا ريب فيه)، الوقف على [91/أ] (لا ريب)؛ لأن (لا) فيه للتبرئة وما نُصِبَ بمنزلة الحرف الواحد، كما تقول: لا رجل لك، فتنصب الرجل بالتبرئة، ونصبه ليس بنصب صحيح، و (لا) والرجل بمنزلة حرف واحد، يشبه خمسة عشر.
৩৫ - আর আপনি যদি (আলিফ লাম মীম) কে (ইহবিতু মিসরান)-এর সাথে মিলিয়ে পড়েন—তবে আপনি বলবেন: (আলিফ লাম মীম) (ইহবিতু)। আপনি (আলিফ লাম মীম)-এর শেষে কাসরা (জের) দেবেন, তার পরবর্তী শব্দের অনুসরণে। আর আপনি যখন (আলিফ লাম মীম) কে (উদখুলু)-এর সাথে মেলাবেন, তখন বলবেন: (আলিফ লাম মীম) (উদখুলু); ফলে আপনি (আলিফ লাম মীম)-কে পেশযুক্ত (রফ্'আ) করবেন পরবর্তী শব্দের পেশের অনুসরণে। আপনি কি দেখেন না যে, আপনি যখন শুরু করেন তখন বলেন: (উদখুলু)? ফলে আপনি মীম বর্ণটিকে পেশের অনুগামী করেন। আর যদি মীম-এর পরে মূলীয় ও উচ্চারণে স্পষ্ট আলিফ (হামজায়ে কাতয়ী) আসে, তবে মীম-কে সাকিন অবস্থায় রেখে দিন এবং আলিফকে হামজা হিসেবে উচ্চারণ করুন। আপনি বলবেন: (আলাম) (আকরিমি মাছওয়াহু), তদ্রূপ: (আলাম) (আমসিক আলাইকা যাওজাকা)। সুতরাং মীম-কে তার পূর্বের অবস্থায় (সাকিন) রেখে দিন এবং হামজাটি আলাদাভাবে উচ্চারণ করুন।
(লা) এর পরিচ্ছেদ৩৬ - জেনে রাখুন যে, (লা) যখন নিঃশর্ত অস্বীকৃতি (তাবরিয়াহ) বুঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন বিরতি (ওয়াকফ) তার পরবর্তী শব্দের উপরে হবে। (লা)-এর উপরে থামা জায়েয নেই। যেমন: (লা রাইবা ফীহি), এখানে বিরতি হবে [৯১/ক] (লা রাইবা)-এর উপরে; কারণ এখানে (লা) হলো নিঃশর্ত অস্বীকৃতির (তাবরিয়াহ) জন্য এবং যা নসব (যবর) প্রাপ্ত হয়েছে তা একটি শব্দের ন্যায় গণ্য। যেমন আপনি বলেন: (লা রাজুলা লাকা), এখানে আপনি (রাজুলা) শব্দটিকে নিঃশর্ত অস্বীকৃতির কারণে নসব দিয়েছেন। আর এর নসব হওয়াটি সাধারণ নসবের মতো নয়। মূলত (লা) এবং (রাজুলা) মিলে একটি শব্দের স্থলাভিষিক্ত, যা ‘খামসাতা আশারা’ (পনেরো) শব্দের সদৃশ।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়াকফু ওয়াল ইবতিদাউ ফী কিতাবিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
37 - وكذلك: (فلا رفثٌ ولا فسوقُ ولا جدال)، فلا بأس بأن تقف على (لا)؛ لأنه قد أضمرَ فيما بين (لا) وبين الاسم ما رفعَهُ. أراد - والله أعلم - فلا ثَمَّ فسوقٌ، ولا ثَمَّ جدال. فمن ثَمَّ كان أن يقف على (لا)، والوقف على ما بعد (لا) أحسن، وإنما أردت أن أخبرك بما يجوز
৩৭ - এবং অনুরূপভাবে: (অশ্লীলতা নেই, পাপাচার নেই এবং কোনো ঝগড়া নেই), এখানে ‘না’ (লা)-এর ওপর থামা বা ওয়াকফ করায় কোনো দোষ নেই; কারণ ‘না’ এবং বিশেষ্যের (ইসিম) মধ্যবর্তী স্থানে এমন কিছু উহ্য রাখা হয়েছে যা তাকে রফ্ (পেশ) প্রদান করেছে। তিনি উদ্দেশ্য করেছেন—আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন—সেখানে কোনো পাপাচার নেই এবং সেখানে কোনো ঝগড়া নেই। এ কারণেই ‘না’-এর ওপর থামা সম্ভব হয়েছে, তবে ‘না’-এর পরবর্তী অংশের ওপর ওয়াকফ করা অধিকতর উত্তম। আমি কেবল আপনাকে তা জানাতে চেয়েছি যা জায়েজ বা অনুমোদিত।