(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: -)
مختصر تنزيه المسجد الحرام عن بدع الجهلة العوام القسم: الفرق والردود
الكتاب: مختصر تنزيه المسجد الحرام عن بدع الجهلة العوام - سلسلة لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (4)
المؤلف: محمد بن أحمد بن الضياء محمد القرشي العمري المكي الحنفي، بهاء الدين أبو البقاء، المعروف بابن الضياء (ت 854 هـ)
اعتنى به: نظام محمد صالح يعقوبي
الناشر: دار البشائر الإسلامية للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1420 هـ - 1999 م
عدد الصفحات: 35
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 26 ذو القعدة 1436
সাধারণ মূর্খদের বিদআত হতে মসজিদে হারামকে পবিত্র রাখার সংক্ষিপ্তসার বিভাগ: উপদল ও খণ্ডন
গ্রন্থ: সাধারণ মূর্খদের বিদআত হতে মসজিদে হারামকে পবিত্র রাখার সংক্ষিপ্তসার - মসজিদে হারামে শেষ দশকের ধারাবাহিক আলোচনা (৪)
লেখক: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আদ-জিয়া মুহাম্মদ আল-কুরাশি আল-উমরি আল-মাক্কি আল-হানাফি, বাহাউদ্দীন আবুল বাকা, ইবনুল জিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ৮৫৪ হিজরি)
সম্পাদনা: নিজাম মুহাম্মদ সালেহ ইয়াকুবি
প্রকাশক: দার আল-বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ মুদ্রণ ও প্রকাশনা, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৬ জিলকদ ১৪৩৬
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: -)
لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (4)
مختصر تنزيه المسجد الحرام عن بدع الجهلة العوام
تأليف
الإمام أبي البقاء أحمد بن الضياء القرشي العدوي الحنفي المتوفى سنة 854 هـ
اعتنى به
نظام محمد صالح يعقوبي
ساهم بطبعه بعض أهل الخير بالمدينة المنورة
دار البشائر الإسلامية
মসজিদুল হারামে রমজানের শেষ দশকের বৈঠক (৪)
অজ্ঞ জনসাধারণের বিদআত হতে মসজিদুল হারামকে পবিত্র রাখার সংক্ষিপ্ত বিবরণী
রচনা করেছেন
ইমাম আবুল বাকা আহমাদ বিন আয-যিয়া আল-কুরাশি আল-আদাউয়ি আল-হানাফি (মৃত্যু ৮৫৪ হিজরি)
তদারকি ও সম্পাদনায়
নিজাম মুহাম্মদ সালিহ ইয়াকুবি
মদিনা মুনাওয়ারার কতিপয় পুণ্যবান ব্যক্তির সহযোগিতায় মুদ্রিত
দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২)
مختصرُ تنزيه المسجد الحرام عَنْ بِدَعِ الجهلة العوامِ
মূর্খ সাধারণ জনগণের উদ্ভাবিত বিদআতসমূহ হতে মাসজিদুল হারামের পবিত্রতা রক্ষার সংক্ষিপ্ত সার
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৩)
حُقوُق الطبع محفُوظة
الطبعة الأولى
1420 هـ - 1999 م
دار البشائر الإسلامية للطباعة والنشر والتوزيع
هاتف: 702857 - فاكس: 704963/ 009611
بيروت - لبنان ص ب: 5955/ 14
e-mail: bashaer@cyberia.net.lb
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
দারুল বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ
টেলিফোন: ৭০২৮৫৭ - ফ্যাক্স: ০০৯৬১১ / ৭০৪৯৬৩
বৈরুত - লেবানন, ডাকবক্স: ১৪ / ৫৯৫৫
ই-মেইল: bashaer@cyberia.net.lb
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة المحققالحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، سيدنا محمَّد وعلى آله وصحبه أجمعين، وبعد:
فإن لهذا الكتاب قصةً لطيفةً؛ فقد اتصل بي هاتفيًّا الأخ الحبيب في الله، البحَّاثة المحقِّق، والعالم والخبير المدقِّق، الشيخ محمَّد بن ناصر العجمي من الكويت المحروسة في أواخر شعبان 1419 هـ، وطلب إليَّ اصطحاب بعض المصوَّرات والمخطوطات لمدارستها -كعادتنا- في المسجد الحرام، ليالي العشر الأواخر المباركة من شهر رمضان، وانتقاء ما يصلح، منها للنشر والتحقيق، والمقابلة والتدقيق. وفي ذلك اليوم -الذي هاتفني فيه الشيخ العجمي- ذاتِه، وبَيْنَا أنا في خزانة كتبي العامرة -حرسها الله تعالى- وقعتُ على مخطوطة أصلية (1)، وهي أصل هذا الكتاب الذي أتشرَّف بتقديمه هنا وأخرجه من قبور المخطوطات إلى حياة المطبوعات!! وقد سُرِرْتُ أيَّما سرور عندما وجدت هذا الكتاب، لمناسبة موضوعه المكان الشريف الذي نجتمع فيه، أعني بيت الله الحرام.
وهذه الرسالة "مختصر تنزيه المسجد الحرام عن بدع جهلة العوام" فريدة في بابها، نفيسة في موضوعها، كيف لا ومؤلفها إمامٌ جليلٌ من أئمةِ عصره، وفقيه من كبار فقهائه، وإليك ترجمته باختصار:
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
মুহাক্কিকের (সম্পাদকের) ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসুলগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, আমাদের নেতা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সঙ্গীর ওপর। অতপর:
এই বইটির একটি চমৎকার নেপথ্য কাহিনী রয়েছে। ১৪১৯ হিজরি সালের শাবান মাসের শেষের দিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আমার প্রিয় ভাই, বিশিষ্ট গবেষক ও মুহাক্কিক এবং বিজ্ঞ ও সূক্ষ্মদর্শী আলেম শায়খ মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-আজমি (আল্লাহ কুয়েতকে রক্ষা করুন) আমাকে টেলিফোন করেন। তিনি আমাদের পূর্বের অভ্যাস অনুযায়ী রমজান মাসের বরকতময় শেষ দশ রাতে মসজিদে হারামে বসে আলোচনার জন্য কিছু পাণ্ডুলিপির ছায়ালিপি ও মূল পাণ্ডুলিপি সাথে নেওয়ার অনুরোধ জানান, যাতে সেগুলোর মধ্য থেকে প্রকাশনা, সম্পাদনা, পাঠ-পর্যালোচনা ও গবেষণার উপযুক্তগুলো নির্বাচন করা যায়। শায়খ আজমি যেদিন আমাকে ফোন করেছিলেন ঠিক সেই দিনই, যখন আমি আমার সমৃদ্ধ কুতুবখানায় (আল্লাহ একে হিফাজত করুন) অবস্থান করছিলাম, তখন হঠাৎ একটি মূল পাণ্ডুলিপির (১) সন্ধান পাই। এটিই সেই কিতাবের মূল পাণ্ডুলিপি যা এখানে উপস্থাপন করতে পেরে আমি গর্বিত এবং যা আজ পাণ্ডুলিপির আঁধার থেকে মুদ্রণ জগতের আলোতে নিয়ে আসছি!! এই কিতাবটি খুঁজে পাওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলাম, কারণ এর আলোচ্য বিষয়টি আমাদের মিলনস্থল অর্থাৎ পবিত্র বায়তুল্লাহর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল।
“মুখতাসারু তানজিহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদা‘ই জাহালাতিল আওয়াম” (সাধারণ অজ্ঞ লোকদের উদ্ভাবিত বিদআত থেকে মসজিদে হারামের পবিত্রতা রক্ষা করার সংক্ষিপ্ত রূপরেখা) নামক এই পুস্তিকাটি তার নিজ বিষয়ে অনন্য এবং অত্যন্ত মূল্যবান। কেনই বা হবে না, অথচ এর রচয়িতা হলেন তাঁর যুগের একজন মহান ইমাম এবং প্রথিতযশা ফকিহগণের অন্যতম। নিম্নে তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলো:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৬)
ترجمة مؤلف الرسالة
اسمه ونسبه:هو محمَّد بن أحمد بن الضياء محمَّد، القرشي، العمري، المكي، بهاء الدين أبو البقاء، المعروف بابن الضياء (1).
ولادته ووفاته:وُلد في ليلة تاسع المحرم سنة 789 هـ بمكة، ونشأ بها. وتوفي في ذي القعدة سنة 854 هـ بمكة أيضًا رحمه الله (2).
ذِكْر بعض شيوخه:أُحضر على الجمال الأَمْيوطي، وسمع والده، والمحب أحمد بن أبي الفضل، وعلي بن أحمد، النويريين. وارتحل غير مرة إلى القاهرة فقرأ بها على الشرف بن الكُوَيْك، والجمال الحنبلي، والحافظ ابن حجر العسقلاني وغيرهم. وأجاز له أبو هريرة بن الذهبي، والعلائي، والبلقيني، وابن الملقن، والعراقي، والهيثمي وغيرهم من أعلام عصره رحمهم الله (3).
بعض مناصبه:ناب في القضاء بمكة عن أبيه، ثم استقل به بعده، ثم أضيف إليه نظر الحرم والحسبة (4)، ثم انفصل عنهما خاصة.
--------------------------------------------
রিসালাহ্র (পুস্তিকার) লেখকের জীবনীতাঁর নাম ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আদ-দিয়া মুহাম্মদ, আল-কুরাশি, আল-উমরি, আল-মাক্কি, বাহাউদ্দিন আবুল বাকা, যিনি ইবনুদ দিয়া নামে পরিচিত (১)।
তাঁর জন্ম ও মৃত্যু:তিনি ৭৮৯ হিজরির ৯ই মুহাররম দিবাগত রাতে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি ৮৫৪ হিজরির জিলকদ মাসে মক্কাতেই মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন (২)।
তাঁর কতিপয় শিক্ষকের বিবরণ:তাঁকে জামাল আল-আমিউতির মজলিসে উপস্থিত করা হয়েছিল, এবং তিনি তাঁর পিতা, মুহিব্ব আহমদ বিন আবু আল-ফজল এবং আলী বিন আহমদ আন-নুওয়াইরিদ্বয়ের নিকট থেকে পাঠ শ্রবণ করেন। তিনি একাধিকবার কায়রো সফর করেন এবং সেখানে আশ-শারাফ বিন আল-কুওয়াইক, আল-জামাল আল-হাম্বলি, হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি এবং অন্যদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেন। আবু হুরায়রা বিন আজ-জাহাবি, আল-আলাই, আল-বুলকিনি, ইবনুল মুলাক্কিন, আল-ইরাকি, আল-হাইতামি এবং তাঁর যুগের অন্যান্য বরেণ্য উলামায়ে কেরাম তাঁকে (হাদিস বর্ণনার) অনুমতি প্রদান করেন, আল্লাহ তাঁদের ওপর রহম করুন (৩)।
তাঁর কতিপয় পদমর্যাদা:তিনি মক্কায় তাঁর পিতার পক্ষ থেকে বিচারকের (কাজির) দায়িত্ব পালন করেন, অতঃপর পিতার পর তিনি স্বতন্ত্রভাবে সেই পদে আসীন হন। এরপর তাঁর ওপর হারামাইনের তত্ত্বাবধান এবং হিসবাহ্ (৪) এর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়, পরবর্তীতে তিনি বিশেষভাবে এ দুটি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি লাভ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৭)
بعض فضائله ومناقبه وثناء العلماء عليه:قال السخاوي: كان إمامًا علَّامةً متقدمًا في الفقه والأصلين (1) والعربية، مشاركًا في فنون، حسن الكتابة والتقييد، عظيم الرغبة في المطالعة والانتقاء، بحيث بلغني عن أبي الخير ابن عبد القوي أنه قال: أعرفه أزيدَ من خمسينَ سنة، وما دخلت إليه قطُّ إلَّا ووجدته يطالعُ أو يكتبُ (2)!!
وقال ابن أبي عذيبة: قاضي مكة المشرفة، وعالم تلك البلاد ومفتيها -على مذهبه-، مع الجودة والخير والخبرة بدنياه. سافر وطَوَّف البلاد، ومع ذلك لم تَفُتْهُ وقفةٌ بعرفة منذ احتلم إلى أن مات! ودخل بيت المقدس مرتين (3).
مصنفاته:1 - المَشْرَع في شرح المجمع (4) (أربع مجلدات).
2 - البحر العميق في مناسك حج البيت العتيق. (أخبرني الدكتور عبد الوهاب أبو سليمان حفظه الله أنه قيد التحقيق من قبل أحد الدكاترة).
3 - تنزيه المسجد الحرام عن بدع جهلة العوام (في مجلد).
قلت: وهو أصل هذه الرسالة المختصرة منه. ولم أقف له على نسخة حتى الآن فيما اطلعت عليه من فهارس الكتب الخطية في مكتبات
--------------------------------------------
তাঁর কিছু শ্রেষ্ঠত্ব, গুণাবলি এবং তাঁর প্রতি উলামায়ে কেরামের প্রশংসা:সাখাবী বলেন: তিনি ছিলেন একজন ইমাম ও প্রাজ্ঞ আলেম, যিনি ফিকহ, উসুলাইন (১) ও আরবি ভাষায় অগ্রগণ্য ছিলেন। বিভিন্ন শাস্ত্রে তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল, তাঁর লিখনশৈলী ও তথ্য সংরক্ষণ ছিল চমৎকার এবং অধ্যয়ন ও তথ্য চয়নের প্রতি ছিল তাঁর গভীর অনুরাগ। এমনকি আবুল খায়ের ইবনে আব্দুল কায়ি থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে তিনি বলেছেন: "আমি তাঁকে পঞ্চাশ বছরেরও অধিক সময় ধরে চিনি, আমি যখনই তাঁর নিকট গিয়েছি, তাঁকে হয় অধ্যয়নরত অথবা লিপিীবদ্ধ করতে দেখেছি (২)!!"
ইবনে আবি উযাইবাহ বলেন: তিনি মক্কাতুল মোকাররমার বিচারক (কাজী), সেই জনপদের আলেম এবং তাঁর মাযহাব অনুযায়ী সেখানকার মুফতি ছিলেন; সেই সাথে তিনি ছিলেন অত্যন্ত দক্ষ, পুণ্যবান এবং বৈষয়িক বিষয়ে অভিজ্ঞ। তিনি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করেছেন, তা সত্ত্বেও বালেগ হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান (উকূফ) একবারও তাঁর বাদ পড়েনি! এবং তিনি দুইবার বায়তুল মোকাদ্দাসে প্রবেশ করেছেন (৩)।
তাঁর রচনাবলি:১ - আল-মাশরা' ফি শারহিল মাজমা' (৪) (চার খণ্ড)।
২ - আল-বাহরুল আমীক ফি মানাসিকি হাজ্জিল বাইতিল আতীক। (ডক্টর আব্দুল ওয়াহহাব আবু সুলাইমান হাফিজাহুল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন যে, এটি বর্তমানে একজন ডক্টরের তত্ত্বাবধানে সম্পাদনাধীন রয়েছে)।
৩ - তানযীহুল মাসজিদিল হারাম আন বিদাঈ জাহালাতিল আওয়াম (এক খণ্ডে)।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এটিই এই সংক্ষিপ্ত পুস্তিকাটির মূল উৎস। আমি পাঠাগারসমূহের যে সব পাণ্ডুলিপি তালিকা দেখেছি, তাতে এখন পর্যন্ত এর কোনো অনুলিপির সন্ধান পাইনি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৮)
العالم، وهي كثيرة، يسَّر الله تعالى لنا ذلك بمنَّة وجُوده وكرمه .. آمين.
4 - شرح الوافي (له شرحان مطول ومختصر).
5 - شرح مقدمة الغزنوي في العبادات وسماه: الضياء المعنوي.
له نسخة في مكتبة مكة برقم 539 في الفهرس (1) (ص 193) بعنوان: ضياء المعنوية على المقدمة الغزنوية في 428 ورقة [تحت رقم 17 فقه حنفي].
6 - شرح للبزدوي (لم يكمل).
7 - المتدارك على المدارك في التفسير (لم يكمل وصل فيه إلى آخر سورة هود، وذكر السخاوي أن والده أكمله).
8 - النكت على الصحيح (في الحديث)، ذكره الزركلي في "الأعلام".
9 - تاريخ مكة المشرفة والمسجد الحرام والمدينة الشريفة والقبر الشريف. منه نسخة مخطوطة في دار الكتب المصرية (2). وقد ذكره بروكلمان في "تاريخ التراث العربي" وغير ذلك.
* * *
--------------------------------------------
বিশ্বজগত, আর সেগুলো অনেক; মহান আল্লাহ তাঁর বিশেষ অনুগ্রহ, অনুকম্পা ও বদান্যতায় আমাদের জন্য তা সহজ করে দিন.. আমীন।
৪ - শারহুল ওয়াফি (এর দুটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে: দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত)।
৫ - ইবাদত বিষয়ক মুকাদ্দিমাতুল গজনভির ব্যাখ্যাগ্রন্থ, তিনি এর নামকরণ করেছেন: আদ-দিয়াউল মানাউয়ি।
মক্কা লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে যার ক্যাটালগ নম্বর ৫৩৯ (১) (পৃষ্ঠা ১৯৩); শিরোনাম: দিয়াউল মানাউয়িয়াহ আলাল মুকাদ্দিমাতিল গজনবিয়াহ, যা ৪২৮টি পত্রে সমাপ্ত [১৭ নম্বর হানাফি ফিকহ-এর অধীনে]।
৬ - বাযদাওয়ির একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ (অসম্পূর্ণ)।
৭ - তাফসির বিষয়ক আল-মুতাদারাক আলাল মাদারিক (অসম্পূর্ণ, তিনি এতে সূরা হুদ-এর শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন; সাখাভি উল্লেখ করেছেন যে তাঁর পিতা এটি সম্পন্ন করেছিলেন)।
৮ - আন-নুকাউ আলাস সহিহ (হাদিস বিষয়ক), যিরিকলি তাঁর ‘আল-আলাম’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।
৯ - মক্কা মোকাররমা, মাসজিদুল হারাম, মদিনা মুনাওয়ারা এবং পবিত্র রওজা শরিফের ইতিহাস। এর একটি পাণ্ডুলিপি মিসরের ‘দারুল কুতুব’ (২)-এ সংরক্ষিত আছে। ব্রোকলম্যান তাঁর ‘তারিখুত তুরাসিল আরাবি’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং আরও অনেকে।
* * *
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৯)
وصف النسخ الخطيةاعتمدت في إخراج هذه النشرة على نسختين مخطوطتين هما:
1 - نسخة أصلية في خزانة كتبي الخاصة -حرسها الله- تقع في 7 ورقات. تاريخ نسخها في يوم الثلاثاء 2 شعبان سنة 1006 هـ. في القسطنطينية. (وهي التي أشير إليها بالأصل).
2 - نسخة مكتبة مكة المكرمة المحفوظة في بيت المولد النبوي.
وهي برقم 376 في فهرس مخطوطات مكتبة مكة المكرمة (ص 142).
وتقع في 8 ورقات ومسطرتها 19 س، ضمن مجموع. كتبت بالمدادين الأسود والأحمر. كتبت بخط التعليق. وهي غير مؤرخة، ورجح المفهرس أنها تعود للقرن 12 هـ.
شكر وتقدير:
ولا يفوتني هنا أن أتقدم بجزيل الشكر وخالص التقدير إلى شيخنا العلَّامة الفقيه الأصولي، الدكتور عبد الوهاب أبو سليمان، عضو هيئة كبار العلماء بالمملكة العربية السعودية، حفظه الله؛ فهو الذي أرشدنا إلى هذه النسخة، ثم يسر لي الاطلاع عليها، وزاد في إفضاله بتصويرها لي في يوم واحد. وليست هذه بأولى أفضاله وأياديه الكثيرة على طلبة
হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণএই সংস্করণটি সম্পাদনায় আমি দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, সেগুলো হলো:
১ - আমার ব্যক্তিগত কুতুবখানায় সংরক্ষিত একটি মূল পাণ্ডুলিপি—আল্লাহ তা রক্ষা করুন—যা ৭টি পত্র বা পৃষ্ঠার সমন্বয়ে গঠিত। এটি মঙ্গলবার, ২রা শাবান, ১০০৬ হিজরি সনে কনস্টান্টিনোপলে প্রতিলিপি করা হয়েছে। (আমি এটিকে 'মূল পাণ্ডুলিপি' হিসেবে অভিহিত করেছি)।
২ - মক্কা মুকাররমা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি যা 'বাইতুল মাওলিদ আন-নাবাউয়ি'তে সংরক্ষিত রয়েছে।
এটি মক্কা মুকাররমা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি তালিকার ৩৭৬ নম্বর অধীনে (পৃষ্ঠা ১৪২) নিবন্ধিত।
এটি ৮টি পত্রের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর প্রতি পৃষ্ঠায় ১৯টি করে লাইন রয়েছে; এটি একটি সংকলনের (মাজমুআ) অন্তর্ভুক্ত। এটি কালো ও লাল কালিতে এবং 'তালিক' লিপিতে লিখিত। এটি তারিখবিহীন, তবে ক্যাটালগার বা তালিকা প্রস্তুতকারক মত প্রকাশ করেছেন যে এটি দ্বাদশ হিজরি শতাব্দীর হতে পারে।
কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি:
এ পর্যায়ে আমাদের শায়খ, প্রাজ্ঞ আলিম, ফকিহ ও উসুলবিদ, ডক্টর আব্দুল ওয়াহহাব আবু সুলাইমান—সৌদি আরবের 'হাইআতু কিবারিল উলামা'র সদস্য, আল্লাহ তাঁকে হিফাজত করুন—তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা আমি আবশ্যক মনে করি; কারণ তিনিই আমাদের এই পাণ্ডুলিপিটির সন্ধান দিয়েছেন, অতঃপর আমার জন্য এটি দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন এবং পরম অনুগ্রহ করে একদিনের মধ্যেই আমাকে এর একটি অনুলিপি সংগ্রহের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি এটিই তাঁর প্রথম অনুগ্রহ নয়, বরং তাদের ওপর তাঁর বহু বদান্যতা ও অবদান রয়েছে...
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১০)
العلم وأهله. زاده الله علمًا، ونفع به، وأطال في الخير والصلاح عمره .. آمين.
منهج التحقيقاتخذت نسختي الخاصة أصلًا لقِدَمها، ووجود التاريخ فيها، ثم هي أولى النسختين وجودًا عندي. وقابلت منسوختي على أصل نسخة مكة في مكتبة مكة، كما يتبين من تاريخ المقابلة في آخر الرسالة. وأَثْبَتُّ أهمَّ الفروق بينَ النُّسْخَتَيْن.
ولم أتكلف إثقال الحواشي بما لا يُجدي، واكتفيت بإخراج الكتاب في أقرب صورة لنص المؤلف رحمه الله تعالى، مع تعليقات يسيرة اقتضاها توضيح النص والتعريف ببعض الأَعلام.
وصلَّى الله على سيدنا محمَّد وعلى آله وصحبه وسلم.
قاله وكتبه
خادم العلم والعلماء بدولة البحرين
نظام محمد صالح يعقوبي
3 شعبان 1420 هـ
জ্ঞান ও এর ধারকগণ। আল্লাহ তাঁর জ্ঞান বৃদ্ধি করুন, তাঁকে দিয়ে উম্মাহর উপকার করুন এবং কল্যাণ ও নেককাজে তাঁর হায়াত দীর্ঘ করুন। আমীন।
সম্পাদনা পদ্ধতিআমি আমার ব্যক্তিগত পাণ্ডুলিপিটিকে এর প্রাচীনত্ব এবং এতে তারিখের উল্লেখ থাকার কারণে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি; তদুপরি এটি আমার নিকট থাকা দুটি পাণ্ডুলিপির মধ্যে প্রথম প্রাপ্ত। আমি আমার অনুলিপিটি মক্কা লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত মক্কা পাণ্ডুলিপির মূল কপির সাথে মিলিয়ে দেখেছি, যা এই পুস্তিকার শেষে উল্লিখিত পাঠান্তরের তারিখ থেকে স্পষ্ট হয়। আর আমি উভয় পাণ্ডুলিপির মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যসমূহ লিপিবদ্ধ করেছি।
আমি অপ্রয়োজনীয় বিষয় দ্বারা টীকাকে ভারাক্রান্ত করার প্রয়াস করিনি, বরং লেখক (আল্লাহ তা'আলা তাঁর ওপর রহম করুন)-এর মূল পাঠের নিকটতম রূপে বইটি উপস্থাপন করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি। এর সাথে মূল পাঠের ব্যাখ্যা এবং কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়ের প্রয়োজনে কিছু সংক্ষিপ্ত টীকা যোগ করেছি।
আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
এটি বলেছেন এবং লিখেছেন
বাহরাইন রাষ্ট্রের ইলম ও উলামায়ে কিরামের সেবক
নিযাম মুহাম্মদ সালেহ ইয়াকুবী
৩ শাবান ১৪২০ হিজরি
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১১)
الورقة الأولى من نسخة الأصل
মূল পাণ্ডুলিপির প্রথম পত্র
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১২)
الورقة الأخيرة من نسخة الأصل
মূল পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الورقة الأولى من النسخة المكية
মক্কী পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৪)
الورقة الأخيرة من النسخة المكية
মক্কী পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
وبه نستعين
قال الشيخُ الإمامُ العلَّامة الهُمامُ، قاضي القُضاة، شيخُ الإِسلام أبو البقاء أحمد بن الضياء القُرشيُّ العدوي، الحنفي، رحمةُ اللهِ عليه:
الحمد لله رَبِّ العالمين، وصلَّى الله على سَيِّدِنا مُحَمَّد خاتمِ النبيينَ، وعلى آله وَصَحْبِه أجمعين، وبعدُ: فهذه وُرَيْقاتٌ اخْتَصَرْتُها من كتابي المُسَمَّى بـ: (تَنْزِيه المَسْجِدِ الحرامِ عن بِدَعِ جَهَلَةِ العَوَامّ)، وأَسْأَلُ الله تعالى أن يَنْفَعَ بِه، إنَّهُ قريبٌ مُجيبٌ، وما توفيقي إلَّا بالله، عليه تَوَكَّلْتُ وإِلَيْهِ أُنيبُ:
اعْلَمْ أَنَّ رَفْعَ الصَّوْتِ في المسجد الحرامِ بِذِكْرٍ، أو بتلاوةٍ، أو غَيْرِ ذلكَ: مَنْهِيٌّ عَنْهُ، والجَهْرَ بالذِّكْرِ والأَدْعيةِ بِدْعةٌ، والتَّشْويشَ (1) على الطائفينَ والمُصَلِّينَ وغيرهم، حَرَامٌ.
دَلَّ على ذلك: الكتابُ، والسُّنَّةُ، وأقوال (2) الصحابةِ والسَّلَفِ الصَّالحِ رضي الله عنهم. واتَّفَقَ (3) الأَئِمَّةُ الأَرْبعةُ وأصحابُهُمْ على إنكارِ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।
শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ পণ্ডিত, প্রধান বিচারপতি, শাইখুল ইসলাম আবুল বাকা আহমদ বিন আদ-দিয়া আল-কুরাশি আল-আদাউই আল-হানাফি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) বলেছেন:
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর। অতঃপর: এগুলো কিছু সংক্ষিপ্ত পৃষ্ঠা যা আমি আমার ‘মূর্খ সাধারণ মানুষের উদ্ভাবিত বিদআত থেকে মাসজিদুল হারামের পবিত্রতা রক্ষা’ নামক গ্রন্থ থেকে সংক্ষেপিত করেছি। আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে উপকার সাধন করেন; নিশ্চয়ই তিনি অতি নিকটে ও দুআ কবুলকারী। আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর সাহায্যেই; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই।
জেনে রাখুন যে, মাসজিদুল হারামে জিকির, তিলাওয়াত বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে শব্দ করা নিষিদ্ধ। উচ্চৈঃস্বরে জিকির ও দোয়া করা একটি বিদআত। আর তাওয়াফকারী, নামাজি ও অন্যান্যদের কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করা (১) হারাম।
কুরআন, সুন্নাহ এবং সাহাবী ও পূর্বসূরি পুণ্যবানগণের (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বাণী (২) এর প্রমাণ বহন করে। চার ইমাম এবং তাঁদের অনুসারীগণ এর অস্বীকৃতি ও খণ্ডনের ব্যাপারে একমত (৩) হয়েছেন—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ذلكَ. وغالبُ البِدَع والمُنكرَاتِ بالمَسْجِدِ الحرامِ، تَشْتَمِلُ على رَفْعِ الصَّوْتِ وتَنْشَأ عَنْهُ، أَو تكون (1) من جملة مفاسِدِها.
بيانُ ذلكَ:
أَنَّ مِنَ البدَعِ والمُنكراتِ: إنشادُ الأَشْعارِ والقصائِدِ بالمَسْجِدِ الحرامِ، وَفَوْقَ المآذنِ (2) بِرَفْعِ الصَّوْتِ بقُرْبِ الطائفينَ والمُتَعَبِّدينَ.
ومنها (3): قراءة القُرآنِ جُوقاتٍ بِرَفْعِ الأَصْواتِ المُشَوِّشَةِ على المُتَعَبِّدينَ.
ومنها: بِدْعةُ الخُطَبِ فَوْقَ المَنَابِرِ ليالي الختمِ في شَهْرِ رَمَضَانَ بِرَفْعِ الأصواتِ.
ومنها: بِدْعةُ البَيع والشِّراءِ في المسْجِدِ الحرام، خُصوصًا أيَّامَ المَوْسِمِ، يَجْتَمعُ فيهِ النَّاسُ مِنْ كُلِّ فَجٍّ عميقٍ، ويُؤَدّي ذلكَ إلى رَفْعِ الأَصْواتِ بطريق الضَّرُورَةِ.
ومنها: بِدْعَةُ نَصْبِ الخيامِ في المَسْجِدِ الحرامِ أَيَّامَ المَوْسِمِ، يَجْتَمِعُ فيهِ الحُجَّاجُ مِنَ الرجالِ والنساءِ والأَطفالِ والغِلْمان والعكَّامة (4)، ويُؤَدِّي ذلك إلى رَفْعِ الأَصْوَاتِ بطريقِ الضرورةِ.
--------------------------------------------
এটি এমনই। মসজিদুল হারামে সংঘটিত অধিকাংশ বিদআত ও অপকর্ম উচ্চৈঃস্বরে শব্দ করার অন্তর্ভুক্ত এবং তা থেকেই উদ্ভূত হয়, অথবা তা (১) এসবের অনিষ্টের সমষ্টির অংশ।
এর ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
বিদআত ও অপকর্মসমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো: মসজিদুল হারামে এবং মিনারের (২) ওপর উচ্চৈঃস্বরে কবিতা ও কাসিদা পাঠ করা, যা তাওয়াফকারী ও ইবাদতকারীদের সন্নিকটে সংঘটিত হয়।
আরও অন্তর্ভুক্ত (৩): ইবাদতকারীদের মাঝে বিভ্রান্তি ও বিঘ্ন সৃষ্টিকারী উচ্চৈঃস্বরে সম্মিলিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে কুরআন তিলাওয়াত করা।
আরও অন্তর্ভুক্ত: রমজান মাসে কুরআন খতমের রাতগুলোতে মিম্বরসমূহের ওপর উচ্চৈঃস্বরে খুতবা প্রদানের বিদআত।
আরও অন্তর্ভুক্ত: মসজিদুল হারামে কেনা-বেচার বিদআত, বিশেষ করে হজের মৌসুমের দিনগুলোতে যখন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সমবেত হয় এবং এর ফলে অনিবার্যভাবে উচ্চৈঃস্বরে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
আরও অন্তর্ভুক্ত: মৌসুমের দিনগুলোতে মসজিদুল হারামে তাবু খাটানোর বিদআত, যেখানে পুরুষ, নারী, শিশু, কিশোর ও আসবাবপত্র বহনকারী শ্রমিকরা (৪) সমবেত হয় এবং এর ফলে অনিবার্যভাবে উচ্চৈঃস্বরে শোরগোল ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ومنها: أَنّه إذا وَقَعَ المَطَرُ بمكة (1) يَخْرُجُ من البُيُوتِ الكِبارُ والصِّغارُ والإِماءُ، إلى المسجد الحرام، حُفاةً، يَدْخُلُونَ الطَّوافَ الشَّريفَ، والحِجْرَ المُكَرَّمَ، ومَعَهُم القِرَبُ والدَّوارقُ والكِيزانُ، يَمْلَؤُنها مِنَ المطافِ ومِنَ الحِجْرِ تحتَ الميزابِ، ويحصلُ حينَئِذٍ في المطافِ الشَّريفِ غوغاءُ وجَلَبَةٌ ولَعِبٌ بالماءِ، وإساءةُ أدبٍ، ورَفْعُ أصواتٍ!
ومنها: تَعْلِيمُ الصبيانِ في المَسْجِدِ الحرامِ، وَرَفْعُ أَصْوَاتِهِمُ المُشَوِّشةُ.
ومنها: صلاةُ الرَّغائِبِ؛ يَجْتَمِعُ بِسَبَبِها الرجالُ والنِّساءُ في المَسْجِدِ الحرام، ويَكْثُرُ فيه رَفْعُ الأَصْواتِ.
ومنها: ما أَحْدَثُوه في لَيْلَةِ النِّصْفِ من شعبان؛ يَجْتَمِعُ في تِلْكَ اللَّيْلَةِ في المَسْجِدِ الحَرَامِ خَلْقٌ لا يُحْصَوْنَ (2)، ويَقَعُ مِنْهم جُملَةٌ مِنَ المُنكراتِ ذكرناها في كتابنا: (تنزيه المسجدِ الحرام عَنْ بِدَعِ جَهَلَةِ العَوامِّ)، ويُؤدِّي ذلك إلى رَفْعِ الأَصْواتِ.
ومنها: ما أَحْدَثُوهُ في ليلة مَوْلِدِ النبي صلى الله عليه وسلم وهي الثانية عَشَرَ من ربيع الأول، يجتمع تلكَ الليلةَ الفَرَّاشون بالشُّمُوعِ والفوانيسِ في المسجدِ الحرامِ ويزفّونَ الخطيبَ مِنَ المَسْجِدِ إلى مولد النبي عليه السلام
--------------------------------------------
এর মধ্যে একটি হলো: যখন মক্কায় বৃষ্টি হয় (১), তখন ছোট-বড় এবং দাসীরা বাড়ি থেকে খালি পায়ে মাসজিদুল হারামের দিকে বেরিয়ে আসে। তারা সম্মানিত তাওয়াফ প্রাঙ্গণ এবং সম্মানিত হিজরে প্রবেশ করে। তাদের সাথে থাকে মশক, কলস ও ঘটি; তারা তাওয়াফ এলাকা এবং মিজাবের নিচে হিজর থেকে সেগুলো পূর্ণ করে নেয়। তখন সম্মানিত তাওয়াফ প্রাঙ্গণে হট্টগোল, শোরগোল, পানি নিয়ে খেলাধুলা, শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ এবং উচ্চবাচ্যের সৃষ্টি হয়!
আরেকটি হলো: মাসজিদুল হারামে বালকদের শিক্ষা দান এবং তাদের শোরগোলপূর্ণ উচ্চ শব্দ।
অন্যতম হলো: সালাতুর রাগায়িব; যার কারণে মাসজিদুল হারামে নারী ও পুরুষেরা একত্রিত হয় এবং সেখানে উচ্চ স্বরে শোরগোল বৃদ্ধি পায়।
এর মধ্যে আরও অন্তর্ভুক্ত: যা তারা শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে উদ্ভাবন করেছে; সেই রাতে মাসজিদুল হারামে অগণিত মানুষের (২) সমাগম ঘটে এবং তাদের পক্ষ থেকে অনেক গর্হিত কাজ সংঘটিত হয় যা আমরা আমাদের ‘তানিজিহুল মাসজিদিল হারাম আন বিদাঈ জাহালাতিল আওয়াম’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছি। এটিও উচ্চবাচ্যের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অন্যতম হলো: যা তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মলগ্নের রাতে (১২ই রবিউল আউয়াল) উদ্ভাবন করেছে। সেই রাতে খাদেমরা মোমবাতি ও লণ্ঠন নিয়ে মাসজিদুল হারামে সমবেত হয় এবং খতীবকে মসজিদ থেকে নবীর (আলাইহিস সালাম) জন্মস্থান পর্যন্ত মিছিল সহকারে নিয়ে যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৮)
بالشموع والمغرعات (1) والمنجنيقات، وبين يَدَيْهِ جوقات المعرّبين (2)، ويختلط حينئذٍ الرجالُ والنِّساءُ والصبيانُ، ويكثُرُ اللغطُ والزعيق والخصومات ورفع الأصوات بالمسجد الحرام وفي مسجد المَوْلِدِ. ويحصل في تلك الليلةِ مِنَ المفاسدِ ما لا يُحْصيه إلَّا الله تعالى.
ومنها: رفْعُ أَصْواتِ المُصَلِّينَ للتراويحِ في شَهْر رمضان في حاشيةِ المطافِ، وفي صَحْنِ المَسْجدِ. وجَهْرِ بعضهم على بعض بالقراءة، ورَفْعِ أصواتِ المُكَبِّرينَ خلفهم.
ومنها: بدعةُ الوقيد على المقاماتِ الأربعة في الليالي الفاضلة، وكثرةُ إيقادِ الشُّموعِ والقناديل في ليالي الختم في رمضان؛ لأنه ينجرُّ بسبب ذلك مفاسدُ كثيرةٌ، برَفْعِ الأَصْواتِ المُشَوِّشَةِ والألفاظ، واللغو، والضَّحِكِ، والمزاحِ، والخُصومات، والزعقاتِ واللَّغَطِ، وغير ذلك من المفاسد التي لا تُحصى.
ومنها: خروجُ نساءِ أهل مكة إلى المسجد والمطافِ الشريفِ واجتماعُهُم (3) هناك في ليالي الجُمَع والأعياد والليالي الفاضِلَةِ في السَّنَةِ، ويكْثُرُ إذْ ذاكَ لَعِبُهُنَّ وَرَفْعُ أصواتِهِن، ويكونُ ذلكَ سببًا لوقوعِ الفتنةِ بينَ الرجال والنِّساء.
ومنها: سؤالُ الفقراءِ النَّاسَ في المسجدِ الحرامِ وفي حاشيةِ المطافِ، وتشويشُهم على الناس، بِرَفْعِ أصواتهم بالسؤال.
--------------------------------------------
মোমবাতি, মাগরাআত (১) এবং মিনজানিকের মাধ্যমে এবং তার সম্মুখে সমবেত গায়কদলের (২) উপস্থিতিতে; তখন পুরুষ, নারী ও শিশুরা একত্রে মিশে যায় এবং শোরগোল, চিৎকার, বিবাদ ও উচ্চবাচ্য বৃদ্ধি পায় মাসজিদুল হারামে ও মাসজিদুল মাওলিদে। সেই রাতে এমন সব অনিষ্ট সাধিত হয় যা মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ গণনা করতে সক্ষম নয়।
এর মধ্যে আরও রয়েছে: রমজান মাসে মাতাফের প্রান্তে এবং মসজিদের আঙিনায় তারাবিহ নামাজ আদায়কারীদের কণ্ঠস্বর উচ্চ করা। তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে একে অপরের ওপর আওয়াজ চড়ানো এবং তাদের পেছনে মুকাব্বিরদের (তাকবির পুনারাবৃত্তিকারী) উচ্চকণ্ঠে আওয়াজ করা।
এর মধ্যে আরও রয়েছে: ফজিলতপূর্ণ রাতগুলোতে চার মাকামে প্রদীপ প্রজ্বলনের বিদআত এবং রমজানে খতমের রাতগুলোতে মোমবাতি ও প্রদীপের অত্যধিক ব্যবহার; কারণ এর ফলে বিভ্রান্তিকর উচ্চবাচ্য, অসার কথাবার্তা, হাসি, ঠাট্টা, বিবাদ, চিৎকার ও শোরগোলসহ অসংখ্য অনিষ্টের সৃষ্টি হয় যা গণনা করা সম্ভব নয়।
এর মধ্যে আরও রয়েছে: মক্কাবাসী নারীদের মসজিদে এবং সম্মানিত মাতাফে বের হওয়া এবং জুমার রাত, দুই ঈদ ও বছরের অন্যান্য ফজিলতপূর্ণ রাতগুলোতে সেখানে তাদের সমবেত হওয়া (৩); তখন তাদের খেলাধুলা ও উচ্চস্বরে কথা বলা বৃদ্ধি পায়, যা পুরুষ ও নারীদের মধ্যে ফিতনা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এর মধ্যে আরও রয়েছে: মাসজিদুল হারামে এবং মাতাফের প্রান্তে দরিদ্রদের মানুষের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং উচ্চস্বরে সাহায্য চাওয়ার মাধ্যমে মানুষের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ১৯)
ومنها: اجتماعُ الرجال في المسجد حَلْقاتٍ ذاكرين، وقُرَّاء يَذْكُرُون ويَقْرؤون بِرَفْعِ الأصوات المشوشة على الطائفين والمُصَلّين.
ومنها: الدُّعَاء بعد الختمِ في آخر شهر رمضانَ بِرَفْعِ الأَصْواتِ، ويجتمع بسبب ذلك خَلْقٌ لا يُحْصَوْن مِنَ الرجال والنساء، وينجر ذلك إلى مفاسد جمة.
ومنها: اجتماعُ الرجال جوقات يقرؤون عُقيبُ جلوسِ الخطيب في أثناء الخطبةِ في شَهْرِ رمضان، برفع الأصواتِ المشوشة.
ومنها: إنشادهم الأشعار والقَصائِدَ عُقَيْبَ الخَتْمِ بِرَفْع الأَصْواتِ المُزْعِجَةِ جوقاتٍ جوقاتٍ.
ومنها: رفعُ أصْواتهم على المآذن (1) بالتسبيح آخر الليل ويشَوِّشونَ بذلك على المُتَعَبِّدينَ والطائفين في المسجد، ويخلطون عليهم ما هم فيه.
ومنها: رَفْعُ أصواتِ السَّقَّائِينَ الّذين يَسْقُون الناس في المسجد الحرامِ.
ومنها: كثرة المؤذنين في المسجد وعلى المآذن، وعلى سطح المسجد وأبوابه بِرَفْعِ الأصواتِ المُزْعِجَةِ حتى لا يقْدِرَ أَحَدٌ أن يُجيبَ مُؤَذِّنًا مُعَيَّنًا.
ومنها: التسحير (2) المُحْدثُ في شَهْر رمضانَ فوقَ المآذنِ، وعلى الرُّباع والبُيُوت والجبالِ، بِرَفْعِ الأَصواتِ المُشَوِّشةِ على المُتَعَبِّدينَ في المسجد.
--------------------------------------------
এর মধ্যে রয়েছে: মসজিদে পুরুষদের চক্রাকারে সমবেত হয়ে যিকির করা এবং ক্বারীদের উচ্চৈঃস্বরে যিকির ও কিরাআত পাঠ করা, যা তাওয়াফকারী ও সালাত আদায়কারীদের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
এর মধ্যে রয়েছে: রমজান মাসের শেষে কুরআন খতমের পর উচ্চৈঃস্বরে দোয়া করা; এর ফলে অগণিত পুরুষ ও নারীর সমাগম ঘটে, যা নানাবিধ অনিষ্টের দিকে ধাবিত করে।
এর মধ্যে রয়েছে: রমজান মাসে খুতবা চলাকালীন খতীব (মিম্বরে) বসার পর পুরুষদের দলে দলে বিভক্ত হয়ে উচ্চৈঃস্বরে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী কিরাআত পাঠ করা।
এর মধ্যে রয়েছে: কুরআন খতমের পর দলে দলে বিভক্ত হয়ে উচ্চ ও বিরক্তিকর স্বরে কবিতা ও কাসিদা আবৃত্তি করা।
এর মধ্যে রয়েছে: রাতের শেষাংশে মিনারের (১) ওপর থেকে উচ্চৈঃস্বরে তাসবীহ পাঠ করা, যার ফলে মসজিদে ইবাদতকারী ও তাওয়াফকারীদের একাগ্রতায় বিঘ্ন ঘটে এবং তারা যে ইবাদতে লিপ্ত আছেন তাতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
এর মধ্যে রয়েছে: মসজিদে হারামে পানি সরবরাহকারী পানিবাহকদের উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার করা।
এর মধ্যে রয়েছে: মসজিদের ভেতরে, মিনারসমূহে এবং মসজিদের ছাদ ও দরজাসমূহে মুয়াজ্জিনদের আধিক্য এবং তাদের বিরক্তিকর উচ্চস্বর, যার ফলে কেউ নির্দিষ্ট কোনো মুয়াজ্জিনের আজানের উত্তর দিতে সক্ষম হয় না।
এর মধ্যে রয়েছে: রমজান মাসে প্রবর্তিত নতুন প্রথা 'তাসহীর' (২) বা সেহরির আহ্বান, যা মিনারসমূহ, সুউচ্চ ভবন, ঘরবাড়ি ও পাহাড়ের ওপর থেকে করা হয়; এটি উচ্চৈঃস্বরে মসজিদে ইবাদতকারীদের ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২০)
ومنها: التذكير يومَ الجُمُعَةِ بِرَفْعِ الأصْواتِ.
ومنها: جُلُوس الخياطين في المَسْجِدِ -[و] يكثرون في جوانبِ المسجد- ويَكْثُرُ منهمُ اللَّغَطُ واللَّعِبُ ورَفْعُ الأصْواتِ، والقيل والقالُ.
ومنها: رَفْعُ أصْواتِ الأخْصَام (1) عند الحاكم الذي يحكمُ في المَسْجِد.
ومنها: مرورُ الحمَّالينَ بالأمتعة والطعامات (2) في المسجد، ورفعُ أصواتهم بالألفاظ التي تُعْهَدُ مِنْهُم في بيعِ المَتاعِ.
ومنها: اتخاذُ المسجدِ طريقًا فَيَدْخُلُهُ الجمُّ الغفيرُ مِنَ الرجال، والنساء، والعبيد الذين لا يحترزونَ عن النجاساتِ، [والصغار] (3) والإماءِ حُفاةً وأقدامهن منجسة، ويؤدي ذلك إلى اللَّغَطِ واللغو.
[ومنها] (4): نشد الضالة والبيع والشراء وَرَفْعُ الأصوات.
ومنها: اشتغالُ بعض الطائفين بما لا يعنيهم من الكلام في أحاديث الدُّنيا، واللغط والقهقهة، ورفع الأصوات.
ومنها: دعاؤهم في الطوافِ بأدعيةٍ متكلفة ملحونة مُحَرَّفة (5) -غير مأثورة (6) - بِرَفْع أصواتهم.
--------------------------------------------
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: জুমার দিনে উচ্চৈঃস্বরে (নসিহতের মাধ্যমে) স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: মসজিদে দর্জিদের উপবেশন—তারা মসজিদের বিভিন্ন কোণে ভিড় জমায়—এবং তাদের পক্ষ থেকে প্রচুর হট্টগোল, খেল-তামাশা, উচ্চকণ্ঠ এবং অনর্থক বাকবিতণ্ডা প্রকাশ পায়।
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: মসজিদে বিচারকার্য পরিচালনাকারী বিচারকের সম্মুখে বিবাদমান পক্ষসমূহের (১) উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার করা।
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: আসবাবপত্র ও খাদ্যদ্রব্য (২) নিয়ে কুলি বা বাহকদের মসজিদের ভেতর দিয়ে যাতায়াত করা এবং পণ্য বিক্রির সময় তাদের চিরাচরিত বুলিতে উচ্চৈঃস্বরে আওয়াজ করা।
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: মসজিদকে চলাচলের পথ হিসেবে গ্রহণ করা, যার ফলে বিপুল সংখ্যক পুরুষ, নারী এবং এমন দাসরা সেখানে প্রবেশ করে যারা নাপাকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করে না; এবং [শিশু] (৩) ও দাসীরা নগ্নপদে প্রবেশ করে অথচ তাদের পা থাকে অপবিত্র, যা হট্টগোল ও অনর্থক আচরণের উদ্রেক করে।
[এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো] (৪): হারানো বস্তু খোঁজা, ক্রয়-বিক্রয় এবং উচ্চৈঃস্বরে আওয়াজ করা।
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: তাওয়াফকারীদের কারো কারো দুনিয়াবি আলাপচারিতা, শোরগোল, অট্টহাসি এবং উচ্চকণ্ঠের মতো অনর্থক কাজে লিপ্ত হওয়া।
এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো: তাওয়াফের সময় উচ্চৈঃস্বরে কৃত্রিম, ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ ও বিকৃত (৫)—যা মা’সুর বা বর্ণিত নয় (৬)—এমন দুআর মাধ্যমে প্রার্থনা করা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২১)
ومنها: وقوفُهم في الطوافِ حِلَقًا حِلَقًا حول الأَرْكانِ مُسْتدبِرين القِبْلَة، مشيرين بالسبَّابةِ نحو الأَرْكان، ويبالغونَ برفعِ الأصوات المُشَوِّشةِ.
ومنها: وسْوَستُهم في النيةِ، وتشكُّكُهم (1) حالةَ الشروعِ في الطواف، رافعينَ أصواتَهم.
ومنها: تَقْبيلُهم الحجرَ الأسودَ بِصَوتٍ مُرْتَفِعٍ عالٍ.
ومنها: طوافُ النساءِ مختلطينَ بالرجال، خصوصًا أيَّامَ المَوْسِمِ، فتقَعُ الزَّحْمَةُ بينهم، ويكثر رَفْعُ الأصوات.
ومنها: وقوفُهم في فتحتَيَ الحجْرِ مُسْتقبلين جهةَ النبي (2) عليه السلام، ويدعونَ بِرَفْعِ الأصوات.
ومنها: دخولُهم البيتَ الشريف بالزحمة الشديدةِ، ورفعِ الأصواتِ، وإيذاءِ بعضهم بعضًا.
فَهذِهِ خَمْسَةٌ وثلاثونَ منكرًا من جُملةِ المنكراتِ التي تشتملُ على رَفْعِ الأصوات وهي أكثرُ مما ذكرنا، لكن اقتصرنا على ذكر هذا القَدر مخافةَ التطويل، وكثيرٌ مما ذكرنا مذكرر في كتابنا (تنزيه المسجد الحرام).
رجعنا إلى ما نحنُ فيه من الأَدِلَّةِ:
أما الأدلةُ من الكتاب العزيزِ على مَنْعِ رَفْع الأصوات، وفضيلة الإخفاء بالتلاوة والذِّكْرِ والدُّعاء، فكثيرةٌ، ذكرناها في كتابنا المذكور، ونذكرُ بعضها:
--------------------------------------------
এগুলোর মধ্যে রয়েছে: তাওয়াফের সময় কাবাঘরের কোণগুলোর (আরকান) চারদিকে বৃত্তাকারে দাঁড়িয়ে থাকা এমতাবস্থায় যে তাদের পিঠ থাকে কিবলার দিকে, এবং তর্জনী আঙুল দিয়ে কোণগুলোর দিকে ইশারা করা এবং উচ্চস্বরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী আওয়ায করা।
এগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে: নিয়তের ব্যাপারে তাদের সংশয় (ওয়াসওয়াসা) এবং তাওয়াফ শুরু করার সময় সন্দেহ পোষণ করা, এবং তা করতে গিয়ে উচ্চস্বরে আওয়ায করা।
আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করার সময় উচ্চ ও বিকট শব্দ করা।
এগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে: পুরুষদের সাথে মিশ্রিত হয়ে নারীদের তাওয়াফ করা, বিশেষ করে হজের মৌসুমের দিনগুলোতে; ফলে তাদের মধ্যে প্রচণ্ড ভিড়ের সৃষ্টি হয় এবং উচ্চৈঃস্বরে শোরগোল বৃদ্ধি পায়।
এগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে: হাতিমে কা’বার (হিজর) দুই প্রবেশমুখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের (জন্মস্থানের) দিকে মুখ করে দাঁড়ানো এবং উচ্চস্বরে দুআ করা।
আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: প্রচণ্ড ভিড় ঠেলে পবিত্র কাবাঘরে প্রবেশ করা, উচ্চৈঃস্বরে আওয়ায করা এবং একে অপরকে কষ্ট দেওয়া।
এগুলো হলো সেই সকল অপছন্দনীয় বা গর্হিত কার্যাবলীর (মুনকারাত) অন্তর্ভুক্ত পঁয়ত্রিশটি বিষয় যেগুলোতে উচ্চস্বরে আওয়ায করা হয়। প্রকৃতপক্ষে এ জাতীয় গর্হিত কাজের সংখ্যা আমাদের উল্লিখিত তালিকার চেয়েও অনেক বেশি; কিন্তু দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার ভয়ে আমরা কেবল এইটুকুই উল্লেখ করেছি। আমাদের আলোচিত এই বিষয়গুলোর অনেক কিছুই আমাদের রচিত ‘তানযীহুল মাসজিদিল হারাম’ নামক গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
আমরা এখন আমাদের মূল আলোচ্য দলীল-প্রমাণাদির দিকে ফিরে আসছি:
উচ্চস্বরে আওয়ায করার নিষেধাজ্ঞা এবং তিলাওয়াত, যিকর ও দুআর ক্ষেত্রে তা গোপনে বা অনুচ্চস্বরে করার ফযীলত সম্পর্কে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের দলীলসমূহ অসংখ্য। আমরা আমাদের উল্লিখিত গ্রন্থে সেগুলো আলোচনা করেছি, এখানে তার কিয়দাংশ উল্লেখ করছি:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২২)
الأول: قوله تعالى: {وَاقْصِدْ فِي مَشْيِكَ وَاغْضُضْ مِنْ صَوْتِكَ إِنَّ أَنْكَرَ الْأَصْوَاتِ لَصَوْتُ الْحَمِيرِ} [لقمان: 19].
الثاني: قوله تعالى: {ادْعُوا رَبَّكُمْ تَضَرُّعًا وَخُفْيَةً إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ} [الأعراف: 55].
الثالث: قوله تعالى: {كهيعص (1) ذِكْرُ رَحْمَتِ رَبِّكَ عَبْدَهُ زَكَرِيَّا (2) إِذْ نَادَى رَبَّهُ نِدَاءً خَفِيًّا} [مريم: 1 - 3].
الرابع: قوله تعالى: {وَاذْكُرْ رَبَّكَ فِي نَفْسِكَ تَضَرُّعًا وَخِيفَةً وَدُونَ الْجَهْرِ مِنَ الْقَوْلِ بِالْغُدُوِّ وَالْآصَالِ وَلَا تَكُنْ مِنَ الْغَافِلِينَ} [الأعراف: 205].
الخامس: قوله تعالى: {وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا وَابْتَغِ بَيْنَ ذَلِكَ سَبِيلًا} [الإسراء: 110].
السادس: قوله تعالى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ وَلَا تَجْهَرُوا لَهُ بِالْقَوْلِ كَجَهْرِ بَعْضِكُمْ لِبَعْضٍ أَنْ تَحْبَطَ أَعْمَالُكُمْ وَأَنْتُمْ لَا تَشْعُرُونَ (2) إِنَّ الَّذِينَ يَغُضُّونَ أَصْوَاتَهُمْ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ أُولَئِكَ الَّذِينَ امْتَحَنَ اللَّهُ قُلُوبَهُمْ لِلتَّقْوَى لَهُمْ مَغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ (3)} [الحجرات: 2، 3]
* وأمَّا الأحاديثُ الواردةُ عن النبي صلى الله عليه وسلم فكثيرةٌ، قدَّمناها في كتابنا المذكورِ مَعْزُوَّةً إلى مُخَرِّجيها فليُنْظرْ ثَمَّةَ.
* وأمَّا أقوالُ الصحابةِ والتابعينَ رضوانُ الله تعالى عليهم أجمعين.
فمِمَّن ورد عنهم ذلك:
1 - أمُّ المؤمنينَ عائشةُ رضي الله عنها
و 2 - ابن عباس
و 3 - ابن سيرين رضي الله عنهم.
প্রথমত: মহান আল্লাহর বাণী: {তোমার চলাফেরায় মধ্যপন্থা অবলম্বন করো এবং তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করো; নিশ্চয়ই কণ্ঠস্বরের মধ্যে গাধার কণ্ঠস্বরই সবচেয়ে অপ্রীতিকর।} [লুকমান: ১৯]।
দ্বিতীয়ত: মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে বিনীতভাবে ও সংগোপনে ডাকো; নিশ্চয়ই তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।} [আল-আরাফ: ৫৫]।
তৃতীয়ত: মহান আল্লাহর বাণী: {কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ। (এতে) তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের বিবরণ তাঁর বান্দা জাকারিয়ার প্রতি, যখন সে তার প্রতিপালককে সংগোপনে আহ্বান করেছিল।} [মারইয়াম: ১ - ৩]।
চতুর্থত: মহান আল্লাহর বাণী: {আর তুমি তোমার প্রতিপালককে মনে মনে বিনীতভাবে ও শঙ্কাভরে অনুচ্চস্বরে স্মরণ করো সকালে ও সন্ধ্যায়; এবং তুমি উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।} [আল-আরাফ: ২০৫]।
পঞ্চমত: মহান আল্লাহর বাণী: {তুমি তোমার সালাতে অতি উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করো না এবং অতি ক্ষীণস্বরেও পাঠ করো না, বরং এ দুইয়ের মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন করো।} [আল-ইসরা: ১১০]।
ষষ্ঠত: মহান আল্লাহর বাণী: {হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের কণ্ঠস্বর নবীর কণ্ঠস্বরের উপরে তুলো না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো, তাঁর সাথে সেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না; পাছে তোমাদের আমলসমূহ নিষ্ফল হয়ে যায় অথচ তোমরা উপলব্ধিও করতে পারবে না। যারা আল্লাহর রাসূলের সামনে নিজেদের কণ্ঠস্বর নিচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরগুলোকে তাকওয়ার জন্য পরীক্ষা করে নিয়েছেন; তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।} [আল-হুজুরাত: ২, ৩]
* আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহ অনেক; আমরা আমাদের উল্লিখিত গ্রন্থে সেগুলো মূল সূত্রের বরাতে উপস্থাপন করেছি, সুতরাং সেখান থেকে দেখে নেওয়া যেতে পারে।
* আর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীনদের (আল্লাহ তাআলা তাদের সকলের ওপর সন্তুষ্ট হোন) বক্তব্যসমূহ:
যাদের থেকে এ বিষয়ক বর্ণনা এসেছে তারা হলেন:
১ - উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)
এবং ২ - ইবনে আব্বাস
এবং ৩ - ইবনে সিরিন (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৩)
كما نقله القُرطبيُّ (1) في تفسير قوله تعالى: {وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا} [الإسراء: 110]. ومنهم:
4 - عبد الله بن مسعود رضي الله عنه كما رواه عنه الطبرانيُّ في "المعجم الكبير". ومنهم:
5 - عمر بن الخطاب
و 6 - علي بن أبي طالب رضي الله عنهما.
كما ذكره القرطبيُّ وابنُ عطيةَ في تفسير قوله تعالى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ
…} الآية. رواه الإِمامُ مالكُ بن أنس رضي الله عنه في "الموطأ" عن عُمَرَ بن الخطَّاب رضي الله عنه، ورواه البخاري في صحيحه عن عمر بن الخطاب أيضًا في كتاب الجهاد، ورواه البغويُّ في "شرح السُّنةِ" عن عمر أيضًا. ومنهم:
7 - أبو بكر الصدِّيق رضي الله عنه، كما نَقَلَهُ عنه ابنُ عطيةَ في تفسير قوله تعالى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ} ومنهم:
8 - عبدُ الله بن عمر رضي الله عنه كما رواه أبو ذرٍ الهرويُّ.
ومنهم:
9 - معاذ بن جبل رضي الله عنه، كما ذكره البغويُّ في "شرح السُنَّة". ومنهم:
10 - الحسن بن أبي الحسن البصري، كما ذكره ابنُ عطيةَ في تفسير قوله تعالى: {ادْعُوا رَبَّكُمْ تَضَرُّعًا وَخُفْيَةً} [الأعراف: 55]. ومنهم:
--------------------------------------------
যেমনটি আল-কুরতুবী (১) মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা তোমাদের সালাতে স্বর অতি উচ্চ করো না এবং অতি ক্ষীণও করো না} [আল-ইসরা: ১১০]-এর তাফসিরে উদ্ধৃত করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
৪ - আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যেমনটি তাঁর সূত্রে আত-তাবারানি "আল-মু'জাম আল-কাবির"-এ বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
৫ - উমর ইবনুল খাত্তাব
ও ৬ - আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)।
যেমনটি আল-কুরতুবী এবং ইবনে আতিয়্যাহ মহান আল্লাহর বাণী: {হে মুমিনগণ, তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের ওপর নিজেদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না
…} আয়াতের তাফসিরে উল্লেখ করেছেন। এটি ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর "মুয়াত্তা"-তে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থের জিহাদ অধ্যায়েও উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও আল-বাগাউয়ি তাঁর "শারহুস সুন্নাহ"-তে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
৭ - আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যেমনটি তাঁর থেকে ইবনে আতিয়্যাহ মহান আল্লাহর বাণী: {হে মুমিনগণ, তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের ওপর নিজেদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না}-এর তাফসিরে উদ্ধৃত করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
৮ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যেমনটি আবু যার আল-হারাউয়ি বর্ণনা করেছেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন:
৯ - মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যেমনটি আল-বাগাউয়ি "শারহুস সুন্নাহ"-তে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
১০ - আল-হাসান ইবনে আবিল হাসান আল-বাসরি, যেমনটি ইবনে আতিয়্যাহ মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা বিনীতভাবে ও গোপনে তোমাদের রবকে ডাকো} [আল-আরাফ: ৫৫]-এর তাফসিরে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৪)
11 - ابنُ جريج، كما ذكره الشيخ حافظُ الدين النسفي رحمه الله تعالى في "مدارك التنزيل" في تفسير قوله تعالى: {ادْعُوا رَبَّكُمْ تَضَرُّعًا وَخُفْيَةً}، ونقله عنه الكوّاشي أيضًا في قوله تعالى: {وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا} [الأعراف: 204]. ومنهم:
12 - أنس بن مالك رضي الله عنه، كما نَقَلَهُ الغافقي (1) في كتابه "لمحات الأنوار ونفحات الأَزْهار" (2) عن إسحاق بن إبراهيم في كتاب "الفضائح"، ونَقَلَهُ عنه القرطبيُّ في أوائل تفسير القُرآن. ومنهم:
13 - مجاهد، كما رواه عنه ابن أبي شيبة في مصنفه. ومنهم:
14 - قتادة، كما ذكره القرطبي في تفسيره. ومنهم:
15 - سعيد بن المسيب
و 16 - سعيد بن جبير
و 17 - القاسم بن محمَّد
و 18 - إبراهيم النخعي، كما ذكره القرطبي في أول تفسير القُرآن. ومنهم:
19 - أبو مسلم الخولاني، كما نقله الغافقيُّ في كتاب "لمحات الأنوار" عن إسحاق بن إبراهيم في كتاب "الفضائح". ومنهم:
20 - قيس بن عبادة
و 21 - محمَّد بن كعب القرظي، كما ذكره القرطبيُّ في تفسيره.
--------------------------------------------
১১ - ইবনে জুরাইজ; যেমনটি শায়খ হাফিযউদ্দীন আন-নাসাফি (রহিমাহুল্লাহু তা'আলা) তাঁর "মাদারিকুত তানজিল" গ্রন্থে মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে বিনীতভাবে ও গোপনে ডাকো} এর তাফসিরে উল্লেখ করেছেন। কাওয়াশিও তাঁর থেকে মহান আল্লাহর বাণী: {যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শ্রবণ করো এবং নীরব থাকো} [আল-আরাফ: ২০৪]-এর তাফসিরে এটি বর্ণনা করেছেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
১২ - আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু); যেমনটি আল-গাফেকি (১) তাঁর "লামহাতুল আনওয়ার ওয়া নাফাহাতুল আযহার" (২) গ্রন্থে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম থেকে তাঁর "আল-ফাদাইহ" কিতাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং কুরতুবি কুরআনের তাফসিরের শুরুতে তাঁর থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
১৩ - মুজাহিদ; যেমনটি ইবনে আবি শাইবা তাঁর মুসান্নাফ গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
১৪ - কাতাদাহ; যেমনটি কুরতুবি তাঁর তাফসিরে উল্লেখ করেছেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
১৫ - সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব
ও ১৬ - সাঈদ ইবনে জুবায়ের
ও ১৭ - আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ
ও ১৮ - ইব্রাহিম আন-নাখায়ি; যেমনটি কুরতুবি কুরআনের তাফসিরের শুরুতে উল্লেখ করেছেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
১৯ - আবু মুসলিম আল-খাওলানি; যেমনটি আল-গাফেকি তাঁর "লামহাতুল আনওয়ার" গ্রন্থে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম থেকে তাঁর "আল-ফাদাইহ" কিতাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
২০ - কায়স ইবনে উবাদাহ
ও ২১ - মুহাম্মদ ইবনে কাব আল-কুরাযি; যেমনটি কুরতুবি তাঁর তাফসিরে উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৫)
* وأمَّا قَوْل المفسرين في ذلك، فمنهم:
1 - الإمام محمَّد بن جرير الطبري. ومنهم:
2 - النقَّاش. ومنهم:
3 - أبو جعفر النحاس، كما نقله القرطبيُّ في قوله تعالى: {وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا}. ومنهم:
4 - ابنُ زيد، كما نقله القُرطبيُّ في قوله تعالى: {وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا}. ومنهم:
5 - الفقيه أبو الليث في تفسيره. ومنهم:
6 - القُرطبيُّ في أماكن كثيرة من تفسيره. ومنهم:
7 - المهدوي في تفسيره. ومنهم:
8 - الزمخشري في "الكشاف". ومنهم:
9 - الواحديُّ في "الوسيط". ومنهم:
10 - البغويُّ في "معالم التنزيل". ومنهم:
11 - القاضي أبو بكر بن العربي كما نقله عنه القرطبي في تفسيره. ومنهم:
12 - الإِمام حافظ الدين النسفي، في "مدارك التنزيل".
13 - ومنهم الكواشي، في تفسيره.
• وأما أَقْوالُ الأئمةِ الأربعةِ وأصحابهم:
فقد ذكروا ذلك في كُتبهم في أماكنَ متفرقة ومسائل كثيرة، بعبارات مُخْتَلِفةٍ كُلُّها تَعُودُ إلى المَنع من رَفْعِ الصَوْتِ والجهر بالأذكارِ والأدعيةِ، وقدّمنا بعض كلامهم في كتابنا المشار إليه. فالمقصود هنا أن نَذْكُرَ فهرسة أسماء الحنفية والمالكية والشافعية والحنابلة والكتب التي ذكروا ذلك فيها
আর এ বিষয়ে মুফাসসিরগণের বক্তব্যের ক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
১ - ইমাম মুহাম্মদ ইবনে জারীর আত-তাবারী। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
২ - আন-নাক্কাশ। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৩ - আবু জাফর আন-নাহহাস, যেমনটি আল-কুরতুবী মহান আল্লাহর এই বাণীর তাফসীরে উদ্ধৃত করেছেন: "আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোনো এবং নিশ্চুপ থাকো।" তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৪ - ইবনে যায়েদ, যেমনটি আল-কুরতুবী মহান আল্লাহর এই বাণীর তাফসীরে উদ্ধৃত করেছেন: "আর তুমি তোমার সালাতে স্বর অতি উচ্চ করো না এবং অতি নিচুও করো না।" তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৫ - ফকীহ আবুল লাইস তাঁর তাফসীর গ্রন্থে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৬ - আল-কুরতুবী তাঁর তাফসীর গ্রন্থের বহু স্থানে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৭ - আল-মাহদাবী তাঁর তাফসীর গ্রন্থে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৮ - আয-যামাখশারী তাঁর "আল-কাশশাফ" গ্রন্থে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
৯ - আল-ওয়াহিদী তাঁর "আল-ওয়াসীত" গ্রন্থে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
১০ - আল-বাগাবী তাঁর "মাআলিমুত তানযীল" গ্রন্থে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
১১ - কাযী আবু বকর ইবনুল আরাবী, যেমনটি তাঁর থেকে আল-কুরতুবী তাঁর তাফসীর গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন:
১২ - ইমাম হাফিযুদ্দীন আন-নাসাফী, তাঁর "মাদারিকুত তানযীল" গ্রন্থে।
১৩ - তাঁদের মধ্যে আল-কাওয়াশীও রয়েছেন, তাঁর তাফসীর গ্রন্থে।
• আর চার ইমাম ও তাঁদের অনুসারীদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে:
তাঁরা এ বিষয়ে তাঁদের কিতাবসমূহের বিভিন্ন স্থানে এবং অনেক মাসআলায় ভিন্ন ভিন্ন শব্দে উল্লেখ করেছেন, যার সবগুলোর সারমর্ম যিকির ও দোয়ায় উচ্চৈঃস্বর করা এবং উচ্চ আওয়াজ করা নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়ের ওপর নিহিত। আমরা আমাদের উল্লিখিত কিতাবে তাঁদের কিছু বক্তব্য পূর্বে উপস্থাপন করেছি। সুতরাং এখানে উদ্দেশ্য হলো হানাফী, মালিকী, শাফিঈ ও হাম্বলী ফকীহগণের নামের তালিকা এবং যে সকল কিতাবে তাঁরা এটি উল্লেখ করেছেন তার একটি নির্ঘণ্ট প্রদান করা।
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৬)
لِيَسهُلَ على الطالب الكشفُ عَمَّن تكلم على هذه المسائل من العُلماءِ.
• أما
الحنفية:فنقله الإِمام الصيمري (1) عن أبي حنيفة رضي الله عنه.
وممن تكلم على هذه المسائل مِنْ أصحابه: شمسُ الأئمة السرَخْسِي في مبسوطه.
ومنهم: صاحبُ الهداية (2) في كتاب "التجنيس"، و"المزيد".
ومنهم: صاحبُ كتابُ "المحيط"، كما ذكره في باب الأذان وصلاةِ التراويح وصلاةِ العيدين، وباب التكبيرِ في أيام التشريق.
ومنهم: صاحبُ كتابِ العلل وصاحب كتاب "الأولى" (3) وأبو اليُسْرِ في شرحه، كما نقله عنهم التمرتاشي في "شرح الجامع الصغير".
ومنهم: الفقيه أبو الليث كما ذكره في "النوازل" (4).
ومنهم: قاضي خان، ذكره في "فتاويه" قُبيل صلاة السَّفر وفي صلاة العيدين، وفي باب التراويح، وقُبيل كتاب الزكاة.
ومنهم: أبو حامدٍ وأبو نصر الدَّبُوسي، والإمام ظهير الدين المرقيباني (5)، كما نقله عنهم صاحب "القُنية" فيها.
--------------------------------------------
যাতে শিক্ষার্থীদের জন্য এই মাসআলাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন এমন আলিমদের সম্পর্কে জানা সহজ হয়।
• হানাফী মাযহাবের ক্ষেত্রে:
ইমাম সায়মারী (১) এটি ইমাম আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর অনুসারীদের মধ্যে যারা এই মাসআলাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: শামসুল আইম্মাহ আস-সারাকসী তাঁর 'আল-মাবসুত' গ্রন্থে।
তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: 'আল-হিদায়া'র গ্রন্থকার (২), তাঁর 'আত-তাজনিস' এবং 'আল-মাযিদ' গ্রন্থে।
তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: 'আল-মুহিত' গ্রন্থের লেখক, যেমনটি তিনি আযান, তারাবিহ সালাত, দুই ঈদের সালাত এবং আইয়ামে তাশরিকের তাকবীরের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: 'কিতাবুল ইলাল'-এর লেখক, 'কিতাবুল আওলা' (৩)-এর লেখক এবং আবু আল-ইউসর তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে, যেমনটি তিমুরতাশী তাদের পক্ষ থেকে 'শারহুল জামিউস সাগির'-এ বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: ফকীহ আবুল লাইস, যেমনটি তিনি 'আন-নাওয়াযিল' (৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: কাযী খান, তিনি তাঁর 'ফাতাওয়া'য় মুসাফিরের সালাতের বর্ণনার ঠিক আগে, দুই ঈদের সালাতে, তারাবিহ-এর অধ্যায়ে এবং যাকাতের অধ্যায়ের ঠিক আগে এটি উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: আবু হামিদ, আবু নাসর আদ-দাবূসী এবং ইমাম জহীরুদ্দীন আল-মারগীবানী (৫), যেমনটি 'আল-কুনিয়া' গ্রন্থের লেখক তাদের থেকে এতে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৭)
ومنهم: صاحب خزانة (1) الأكمل ونقله في خزانته (2) الأكمل عن "المنتقى" وعن الكرخي وعن المجرد.
ومنهم: الإمامُ السِّغْناقي (3) في "النهاية شرح الهداية"، ونقله فيها عن الفوائد.
ومنهم: الإمامُ شمس الدين الكردي ذكره في "المقيد والمزيد شرح التجريد" في باب تكبيرات الجنائز.
ومنهم: الإمامُ حسام الدين الشهيد، ذكره في كتاب "الفتاوى الكبرى" في باب ذكر مسائل القرآن والمسجد عند كراهية فتاوى أهل سمرقند، ونَقَلهُ في كتاب الكراهية في الفصل الثالث، عن "عيون المسائل" (4) لأبي الليث السمرقندي، ونقله صاحبُ "الهداية" في كتاب الكراهية والاستحسان من الفقيه، عن الصدر حسام الدين الشهيد أيضًا.
[ومنهم: صاحب" الملتقطات" ذكره في "الملتقطات" في كتاب الكراهية والاستحسان] (5).
ومنهم: صاحب كتاب "الخُلاصة في الفتاوى"، ذكره في كتاب
--------------------------------------------
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন: 'খিজানাতুল আকমাল' (১) গ্রন্থের লেখক; তিনি তাঁর 'খিজানাতুল আকমাল' (২) গ্রন্থে 'আল-মুনতাকা', আল-কারখি এবং 'আল-মুজাররাদ' থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম আস-সিগনাতি (৩), 'আল-নিহায়া শারহুল হিদায়া' গ্রন্থে; তিনি এতে এটি 'আল-ফাওয়ায়িদ' থেকে উদ্ধৃত করেছেন।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম শামসুদ্দিন আল-কুরদি; তিনি এটি জানাযার তাকবির পরিচ্ছেদে 'আল-মুরাইয়াদ ওয়াল মাজিদ শারহুত তাজরিদ' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম হুসামুদ্দিন আশ-শহিদ; তিনি এটি 'আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা' গ্রন্থের সমরকন্দবাসীদের ফতোয়ার প্রতি অনীহা প্রকাশ সংক্রান্ত অধ্যায়ে কুরআন ও মসজিদের মাসআলা বর্ণনার পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন। তিনি এটি 'কিতাবুল কারাহিয়্যাহ'-এর তৃতীয় অনুচ্ছেদে আবু লাইস আস-সামারকন্দির 'উয়ুনুল মাসাইল' (৪) থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এছাড়া 'আল-হিদায়া' গ্রন্থের লেখকও 'কিতাবুল কারাহিয়্যাহ ওয়াল ইসতিহসান' অধ্যায়ে ফকিহ থেকে এবং সদর হুসামুদ্দিন আশ-শহিদ থেকেও এটি উদ্ধৃত করেছেন।
[এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন: 'আল-মুলতাকাত' গ্রন্থের লেখক; তিনি এটি 'আল-মুলতাকাত' কিতাবের 'কিতাবুল কারাহিয়্যাহ ওয়াল ইসতিহসান' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন] (৫)।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন: 'আল-খুলাসাহ ফিল ফাতাওয়া' গ্রন্থের লেখক; তিনি এটি উল্লেখ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৮)
الصلاة، في الفَصْلِ الأوَّلِ وفي الفصل الحادي عشر وفي (1) الفصل الثالث والعشرين.
ومنهم: الكاسانيُّ في كتاب "البدائع".
ومنهم: الإمامُ حافظُ الدين النسفيُّ في "الكافي".
ومنهم: قوام الدين الإتقاني (2) في "شرح الهداية".
ومنهم: الفقيهُ أبو بكر الحداد في كتاب "السِّراج الوهاج شرح مختصر القدوري" وهو "المنهاج".
ومنهم: صاحبُ كتاب "الفتاوى التاتارخانية"، ذكره فيها في أماكن عديدةٍ، ونَقَلَهُ في "التاتارخانية" عن "المحيط" وعن الشيخ أبي الحسن الكَرْخيِّ، وعن "الجامع الصغير" للفاني (3)، وعن صاحب كتاب "الحُجَّة"، وعن صاحب كتاب "الذخيرة"، وعن "فتاوى سمرقند"، وعن "صلاة النوازل"، وعن كتاب "النصاب"، وعن فتاوى قاضي برهان الدين، وعن الخجندي، وعن "الملتقط"، وعن " مجموع النوازل"، وعن "شرح الطحاوي"، وعن " الظهيرة"، وعن "التتمة" (4)، وعن " السراجية"، ونقله عن "التاتارخانية" أيضًا في كتاب الاستحسان، عن مُحَمد رحمه الله في
--------------------------------------------
সালাত সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে প্রথম পরিচ্ছেদে, একাদশ পরিচ্ছেদে এবং (১) ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদে।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: 'বাদায়ে' গ্রন্থের লেখক কাসানী।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: ইমাম হাফিযুদ দীন নাসাফী 'আল-কাফী' গ্রন্থে।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: কাওয়ামুদ্দীন আল-ইতকানী (২) 'শরহুল হিদায়া' গ্রন্থে।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: ফকীহ আবু বকর আল-হাদ্দাদ 'আস-সিরাজুল ওয়াহহাজ শরহু মুখতাসারিল কুদুরী' গ্রন্থে, যা 'আল-মিনহাজ' নামে পরিচিত।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: 'ফাতাওয়ায়ে তাতারখানিয়া' গ্রন্থের লেখক; তিনি এতে বহু স্থানে এটি উল্লেখ করেছেন এবং এটি 'তাতারখানিয়া' গ্রন্থে 'আল-মুহিত' থেকে, শায়খ আবুল হাসান আল-কারখী থেকে, আল-ফানী রচিত 'আল-জামি আস-সাগীর' (৩) থেকে, 'আল-হুজ্জাহ' গ্রন্থের লেখক থেকে, 'আয-যাখীরাহ' গ্রন্থের লেখক থেকে, 'ফাতাওয়ায়ে সমরকন্দ' থেকে, 'সালাতুন নাওয়াযিল' থেকে, 'আন-নিসাব' গ্রন্থ থেকে, কাযী বুরহানুদ্দীনের ফাতাওয়া থেকে, আল-খুজান্দী থেকে, 'আল-মুলতাকাত' থেকে, 'মাজমুউন নাওয়াযিল' থেকে, 'শরহুত তহাবী' থেকে, 'আয-যহীরাহ' থেকে, 'আত-তাতিম্মাহ' (৪) থেকে এবং 'আস-সিরাজিয়্যাহ' থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি 'তাতারখানিয়া' থেকেও 'কিতাবুল ইসতিহসান'-এ ইমাম মুহাম্মদ (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ২৯)
كتاب "العلل"، ونقله في "التاتارخانية" أيضًا، عن " المحيط" عن محمَّد بن الحسن رحمه الله، في كتابهِ (1) الحَسَنُ "السير الكبير".
ومنهم: الإِمام أبو منصورٍ الكرمايُّ، ذَكَرهُ في "منسكه" قُبيل فصل السَّعْيِ بينَ الصفا والمروة.
ومنهم: السجستاني الإِسحاقي، ومجد الأئمة الترجماني، وعلي الصفدي، كما نقله عنهم في "القُنية" في باب الجنائز.
ومنهم: شرفُ الأئمة المكيُّ، كما نقله عنه صاحبُ "القُنية" أيضًا في كتاب الكراهية والاستحسان.
ومنهم القاضي صَدْرُ الدين العجمي الدمشقي، ذكره في "مناسكه".
ومنهم: شمس الدين، ابن الدَّيْري، قاضي القضاة بالقاهرة المحروسة في عَصْرِنا، كما وقفتُ عليه في جوابه لفتوى فيما يَتَعَلَّقُ بهذه المسائل، وهو مكتوبُ بخطه.
انتهى ذكرُ ما وقفنا عليهم من العلماء الحنفية رحمة الله عليهم أجمعين.
• وأما
المالكيةُ:فنقله عنهم: أبو عبد الله القرطبي في تفسير سورة البقرة عن مالِك رحمه الله. ونقله: الإِمام أبو بكر الطرطوشي عن مالكٍ أيضًا في كتاب "الحوادث والبدع" في أماكن كثيرة، ونَقَلَهُ عن مالك في كتاب "المدونة" وفي كتاب "الغنية".
--------------------------------------------
"কিতাবুল ইলাল", এবং এটি "আত-তাতারখানিয়া" গ্রন্থেও উদ্ধৃত হয়েছে, যা "আল-মুহিত" থেকে এবং ইমাম মুহাম্মদ ইবনুল হাসান (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে তাঁর (১) "আস-সিয়ারুল কাবীর" গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম আবু মনসুর আল-কারমায়ি, তিনি এটি তাঁর "মানসাক" গ্রন্থে সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী সা'য়ী অধ্যায়ের ঠিক আগে উল্লেখ করেছেন।
এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আস-সিজিস্তানি আল-ইসহাকি, মাজদুল আইম্মাহ আত-তারজুমানি এবং আলি আস-সাফাদি; যেমনটি "আল-কুনইয়া" গ্রন্থের জানাজা অধ্যায়ে তাঁদের পক্ষ থেকে উদ্ধৃত হয়েছে।
এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: শারাফুল আইম্মাহ আল-মাক্কি; যেমনটি "আল-কুনইয়া" গ্রন্থের লেখক তাঁর পক্ষ থেকেও "কিতাবুল কারাহিয়্যাহ ওয়াল ইসতিহসান" অধ্যায়ে উদ্ধৃত করেছেন।
এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাযী সাদরুদ্দীন আল-আজামি আদ-দিমাশকি, তিনি এটি তাঁর "মানাসিক" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: শামসুদ্দীন ইবনুদ দাইরি, যিনি আমাদের যুগে সংরক্ষিত কায়রোর প্রধান বিচারপতি ছিলেন; যেমনটি আমি এই মাসআলাগুলো সংক্রান্ত একটি ফতোয়ার উত্তরে তাঁর স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপিতে পেয়েছি।
হানাফি ওলামায়ে কেরামের মধ্যে যাঁদের সম্পর্কে আমরা অবগত হতে পেরেছি, তাঁদের আলোচনা এখানেই সমাপ্ত হলো, আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন।
• আর
মালেকি মাযহাবের ক্ষেত্রে:আবু আবদুল্লাহ আল-কুরতুবি সূরা বাকারার তাফসিরে ইমাম মালিক (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু বকর আত-তোরতুশিও ইমাম মালিক থেকে তাঁর "আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা" গ্রন্থের অনেক স্থানে এটি উদ্ধৃত করেছেন এবং ইমাম মালিক থেকে এটি "আল-মুদাওওয়ানাহ" ও "আল-গুনিয়াহ" গ্রন্থেও বর্ণিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু তানযীহিল মাসজিদিল হারামি আন বিদাইল জাহালাতিল আওয়াম
(পৃষ্ঠা: ৩০)
ومنهم: الإمامُ أحمدُ بن محمد، حكاه في "المستخرجة"، عن أبي القاسم، عن مالك رحمه الله.
ومنهم: الإِمام أبو بكر الطرطوشي في كتاب "الحوادث والبدع".
ومنهم: ابنُ القاسم، حكاه في كتاب"المبسوط" عن مالك. نقله عن ابن القاسم أبو بكر الطرطوشي في كتاب "الحوادث والبدع"، وابن الحاجّ في كتاب "المدخل".
ومنهم: ابنُ شعبان، ذكره في "مختصر" (1) ما ليس في المختصر عن مالك"، نقله [عن] ابن شعبان: الطرطوشي في كتاب "الحوادث والبدع".
ومنهم: صاحبُ كتاب "المنتقى"، حكاه فيه عن مالك رحمه الله، ونقله الطرطوشي عن "المنتقى" (2).
ومنهم: القاضي أبو الوليد، ابنُ رُشد، ذكره في كتاب "البيان والتحصيل"، نقله عن القاضي أبي الوليد: ابنُ الحاجّ في "المدخل".
ومنهم: الإمامُ أَبو طالبٍ المكيُّ، ذكره في كتاب "قوت القلوب"، حكاه عنه ابنُ الحاجّ في "المدخل".
ومنهم: أبو عمر، ابن عبد البَرِّ، ذكره في كتاب "التمهيد".
ومنهم: الفاضي أبو بكر بن العربي، نقله عن القاضي في التفسير (3).
--------------------------------------------
তঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম আহমাদ বিন মুহাম্মদ; তিনি এটি ‘আল-মুস্তাখরাজাহ’ গ্রন্থে আবুল কাসিম থেকে, তিনি মালিক (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম আবু বকর আত-তুবতুশি, তাঁর ‘আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা’ গ্রন্থে।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনুল কাসিম; তিনি এটি ‘আল-মাবসুত’ গ্রন্থে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল কাসিম থেকে এটি আবু বকর আত-তুবতুশি ‘আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা’ গ্রন্থে এবং ইবনুল হাজ্জ ‘আল-মাদখাল’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে শাবান; তিনি এটি ‘মুখতাসার (১) মা লাইসা ফিল মুখতাসার’ গ্রন্থে মালিক থেকে উল্লেখ করেছেন। আত-তুবতুশি তাঁর ‘আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা’ গ্রন্থে এটি ইবনে শাবান থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ‘আল-মুনতাকা’ গ্রন্থের লেখক; তিনি তাতে এটি মালিক (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আত-তুবতুশি ‘আল-মুনতাকা’ (২) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: কাজি আবুল ওয়ালিদ ইবনে রুশদ; তিনি এটি ‘আল-বায়ান ওয়াত তাহসিল’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনুল হাজ্জ ‘আল-মাদখাল’ গ্রন্থে কাজি আবুল ওয়ালিদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম আবু তালিব আল-মাক্কি; তিনি এটি ‘কুতুল কুলুব’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনুল হাজ্জ ‘আল-মাদখাল’ গ্রন্থে তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবু উমর ইবনে আব্দুল বার; তিনি এটি ‘আত-তামহিদ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: কাজি আবু বকর ইবনুল আরাবি; তিনি এটি তাফসিরে কাজি থেকে বর্ণনা করেছেন (৩)।
--------------------------------------------