(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: -)
قصتنا مع اليهود   (علي الطنطاوي)

القسم: كتب عامة


الكتاب: قصتنا مع اليهود

المؤلف: علي بن مصطفى الطنطاوي (ت 1420 هـ)

الناشر: دار المنارة للنشر والتوزيع، جدة - المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولى، 1411 هـ - 1990 م

عدد الصفحات: 31

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 25 رمضان 1436

ইহুদিদের সাথে আমাদের ইতিহাস   (আলী আল-তানতাভী)

বিভাগ: সাধারণ গ্রন্থাবলী


গ্রন্থ: ইহুদিদের সাথে আমাদের ইতিহাস

গ্রন্থকার: আলী ইবনে মুস্তফা আল-তানতাভী (মৃত্যু ১৪২০ হিজরি)

প্রকাশক: দারুল মানারাহ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, জেদ্দা - সৌদি আরব রাজত্ব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১১ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৫ রমজান ১৪৩৬

(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১)
قصتنا مع اليهود

 

تأليف

علي الطنطاوي

 

نشر وتوزيع

دار المنارة

جدة - السعودية
ইহুদীদের সাথে আমাদের কাহিনী

 

রচনা

আলী আল-তানতাভী

 

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

দারুল মানারাহ

জেদ্দা - সৌদি আরব
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৪)
جميع الحقوق محفوظة

الطبعة الأولى

1411 هـ - 1990 م

 

دار المنارة

ص ب 1250 جدة 21431 المملكة العربية السعودية

هاتف 6603652 فاكس 6603238 المستودع 6675864
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১৪১১ হিজরী - ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দ

 

দার আল-মানারা

পোস্ট বক্স ১২৫০, জেদ্দা ২১৪৩১, সৌদি আরব রাজতন্ত্র

টেলিফোন ৬৬০৩৬৫২, ফ্যাক্স ৬৬০৩২৩৮, গুদাম ৬৬৭৫৮৬৪
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৫)
قصتنا مع اليهود

 

لقد رأت هذه الأمة في تاريخها الطويل، من النصر والهزيمة، والأيام البيض والأيام السود، ما تراه كل أمة، ولكن ا‌‌لذي تواجهه أمة محمد الآن أشد من كل ما واجهت في سالف الأيام، إن أعداءها يكيدون لها الآن كيداً (مدروساً)، يُعدون لحربها خططاً تعمل لها عقول كبيرة جداً، وتُنْفق عليها أموال كثيرة جداً، وتسندها جماعات (بل دول) قوية جداً، ولا نيأس مع ذلك كلِّه من الظفر، لأن الله وضع لنا في أمور الدنيا وأمور الآخرة سنناً لا تختلف، هي مثل السنن التي سنَّها الله للوجود، أعني القوانين التي نسميها القوانين الطبيعية، لا يؤثر فيها اختلاف المكان ولا الزمان: قانون الجاذبية مثلاً الذي وضعه الله يوم خلق العالم، واكتشفه (نيوتون) من قريب، يسري في البلاد التي تتلهب من الحرِّ عند خط الاستواء، وفي الجبال التي يُغطي
ইহুদিদের সাথে আমাদের ইতিহাস

 

এই উম্মত তার দীর্ঘ ইতিহাসে বিজয় ও পরাজয় এবং সুদিন ও দুর্দিনের এমন অনেক কিছুই প্রত্যক্ষ করেছে যা প্রতিটি জাতিই দেখে থাকে। কিন্তু উম্মতে মুহাম্মদী বর্তমানে যা মোকাবিলা করছে তা বিগত দিনগুলোতে অতিক্রান্ত হওয়া সবকিছুর চেয়েও কঠিন। শত্রুরা বর্তমানে এই উম্মতের বিরুদ্ধে (পরিকল্পিত) ষড়যন্ত্র করছে। তারা এর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য এমন সব পরিকল্পনা তৈরি করছে যার পেছনে অতি সুক্ষ্ম মস্তিস্ক কাজ করছে এবং এর জন্য অঢেল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। এছাড়া অত্যন্ত শক্তিশালী গোষ্ঠী (বরং রাষ্ট্রসমূহ) একে সমর্থন জোগাচ্ছে। এতদসত্ত্বেও আমরা বিজয়ের ব্যাপারে আশাহত নই। কারণ মহান আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতের বিষয়ে আমাদের জন্য এমন কিছু চিরস্থায়ী রীতি নির্ধারণ করেছেন যা কখনো পরিবর্তিত হয় না। এগুলো ঠিক সেই সব রীতির মতো যা আল্লাহ এই মহাবিশ্বের অস্তিত্বের জন্য নির্ধারণ করেছেন—অর্থাৎ সেই সব নিয়ম যাকে আমরা প্রাকৃতিক আইন বলে থাকি। স্থান ও কালের ভিন্নতা একে প্রভাবিত করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, মহাকর্ষের আইন যা আল্লাহ বিশ্ব সৃষ্টির দিন নির্ধারণ করেছেন এবং (নিউটন) তা নিকট অতীতে আবিষ্কার করেছেন। এটি নিরক্ষরেখার প্রচণ্ড তাপদাহে জ্বলতে থাকা জনপদে যেমন কার্যকর, তেমনি সেই সব পাহাড়েও যা ঢেকে থাকে...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৬)
هامها الثلج، عند القطبين، وتَنْفُذُ الآن كمال نفذت قبل قرون وستظل بعد قرون وقرون منها أن (العاقبة للتقوى) وأن للباطل صولة، ولكن الظفر للحق.

ولما قبضة رسول الله عليه صلاة الله، ارتد العرب عن دينه، أو أرادوا هدم ركن من أركانه هو الزكاة، وحسب ناس أنها نهاية الإسلام، فما هي إلا أن قام رجل واحد يهزُّ راية القرآن، ويضرب بسيف محمد حتى عاد المرتدون إلى الدين، وعاد الإسلام أقوى مما كان.

ويوم وقفت لنا أوربة كلها وكانت جيوش الصليبين أولها في القسطنطينية وآخرها في وسط أوربة، وتوالت الحملات، واشتد البلاء، وغدت لهم في الشام دول وإمارات، ولبثت القدس نفسها في أيديهم أكثر من تسعين سنة ثم كتب الله النصر للحق.

ويوم سال سيل المغول من الشرق، كما جاء سيل الصليبين من الغرب، وجرف الدول، وهدَّ العروس، وأخذ في طريقه أعظم مدن الأرض يومئذ: بغداد التي كان فيها
মেরু অঞ্চলের বরফশৃঙ্গগুলোর মতো এগুলো শতাব্দীকাল পূর্বে যেমন কার্যকর ছিল, এখনও তেমনই কার্যকর এবং আগামী বহু শতাব্দী পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো— ‘শুভ পরিণাম কেবল খোদাভীতির (التقوى) জন্য’ এবং ‘মিথ্যার দাপট সাময়িক, কিন্তু বিজয় চূড়ান্তভাবে সত্যেরই প্রাপ্য’।

যখন আল্লাহর রাসূলের ইন্তেকাল হলো, আরবরা তাঁর দ্বীন থেকে ধর্মত্যাগী (مرتد) হয়ে গেল অথবা তারা ইসলামের অন্যতম রুকন বা স্তম্ভ যাকাতকে ধ্বংস করতে চাইল। তখন অনেক মানুষ ধারণা করেছিল যে এটিই ইসলামের সমাপ্তি। কিন্তু ঠিক তখনই একজন ব্যক্তি কুরআনের ঝাণ্ডা উড্ডীন করে দাঁড়ালেন এবং মুহাম্মাদী তরবারি দ্বারা এমন আঘাত হানলেন যে, অবশেষে ধর্মত্যাগীরা (المرتدون) পুনরায় দ্বীনে ফিরে এল এবং ইসলাম পূর্বের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এল।

সেই দিনটির কথা স্মরণ করুন, যখন সমগ্র ইউরোপ আমাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল; ক্রুসেডার বাহিনীর অগ্রভাগ ছিল কনস্টান্টিনোপলে এবং পশ্চাৎভাগ ছিল মধ্য ইউরোপে। একের পর এক অভিযান চলতে থাকল, পরীক্ষা ও বিপদ তীব্রতর হলো এবং শামে তাদের রাষ্ট্র ও আমিরাত গড়ে উঠল। এমনকি স্বয়ং কুদস নব্বই বছরেরও বেশি সময় তাদের অধীনে ছিল। অতঃপর আল্লাহ সত্যের বিজয় অবধারিত করলেন।

এবং সেই দিনটির কথা, যখন পূর্ব দিক থেকে মোঙ্গলদের প্লাবন ধেয়ে এল, ঠিক যেমনটি পশ্চিম থেকে এসেছিল ক্রুসেডারদের প্লাবন। তারা রাষ্ট্রসমূহকে বিধ্বস্ত করল, জৌলুস ধূলিসাৎ করল এবং তৎকালীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নগরী বাগদাদকে পদদলিত করল, যেখানে ছিল...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৭)
مليونان من البشر في تلك الأيام، والتي كانت عاصمة الدنيا، كل حسن فيها يحمل إليها. وأُلقيت كتبها في دجلة حتى اسود منه ماؤها عند الضفتين، وما ذاب في الحبر الذي كتبت به، ولكن ثمرات العقول ونتاج الأدمغة، وخلاصة الفكر البشري.

وما حاق بالمسلمين من قبل ومن بعد من نكبات وأرزاء، فما ضرّها ذلك كله، لأنها كانت تعرف كيف تدُّ يدها إلى السلاح (والسلاح قريب منها)، فتوجهه إلى أعدائها، وتعرف كيف تشعل المصباح (والمصباح عندها)، فتبدِّدُ به الظلام من حولها. وما المصباح إلا هذا القرآن، وما السلاح إلا القلوب المؤمنة، والعقول المفكرة واليَدُ العاملة التي تعرف كيف تعدُّ القوة لحرب عدوِّها، مبتغية بذلك رضا ربها، لا نيل المكاسب من دنياها وآخر ما ابتليت به الاستعمار:

لقد فتحت عيني على الدنيا في أوائل هذا القرن الميلادي وما في ديار الإسلام بقعة لم يدخلها أو يَحُمْ حولها الاستعمار، إلا هذه الجزيرة التي عصمها الله أن
সেই দিনগুলোতে সেখানে বিশ লক্ষ মানুষের বসবাস ছিল, যা তখন ছিল বিশ্বের রাজধানী। জগতের সকল উত্তম বস্তু সেখানে নিয়ে আসা হতো। এর কিতাবসমূহ দজলা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, ফলে তার পানি উভয় কূলে কালো হয়ে গিয়েছিল। পানিতে কেবল সেই কালিই মিশে যায়নি যা দিয়ে কিতাবগুলো লেখা হয়েছিল, বরং তাতে মিশে গিয়েছিল বিবেক-বুদ্ধির ফল, মেধার নির্যাস এবং মানব চিন্তার সারনির্যাস।

মুসলমানদের ওপর পূর্বে ও পরে যে সকল বিপর্যয় ও দুঃখ-দুর্দশা নেমে এসেছিল, তা তাদের বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারেনি; কারণ তারা জানত কীভাবে অস্ত্রের দিকে হাত বাড়াতে হয় (আর অস্ত্র ছিল তাদের নিকটেই), অতঃপর তা শত্রুদের দিকে পরিচালিত করতে হয়। তারা জানত কীভাবে প্রদীপ জ্বালাতে হয় (আর প্রদীপ ছিল তাদের কাছেই), যার দ্বারা তারা চারদিকের অন্ধকার দূর করত। সেই প্রদীপ এই কুরআন ছাড়া আর কিছুই নয়, আর সেই অস্ত্র হলো মুমিন হৃদয়, চিন্তাশীল মস্তিষ্ক এবং সেই কর্মঠ হাত যা জানে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য কীভাবে শক্তি সঞ্চয় করতে হয়; যা কেবল তার রবের সন্তুষ্টি কামনায় নিয়োজিত, দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়। আর সর্বশেষ যে পরীক্ষার সম্মুখীন তারা হয়েছিল, তা হলো সাম্রাজ্যবাদ বা ঔপনিবেশিকতাবাদ:

আমি এই খ্রিষ্টীয় শতাব্দীর শুরুতে যখন চোখ মেলে দুনিয়াকে দেখলাম, তখন ইসলামের ভূখণ্ডের এমন কোনো অংশ ছিল না যেখানে ঔপনিবেশিক শক্তি প্রবেশ করেনি বা তার চারপাশে ওত পেতে থাকেনি, কেবল এই উপদ্বীপটি ব্যতীত, যাকে আল্লাহ রক্ষা করেছিলেন যেন...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৮)
تطأها نعال جندي أجنبي، أو ترفرف عليها رايته، ولقد كنت أظن وأنا صغير أن من أصعب الصعب طرد المستعمر من أرضنا، فسَّهل الله الصعب، وأدني البعيد، وعادت البلاد إلى أهلها.

لم يأتنا الاستقلال عفواً بلا تعب، ولكن بذلنا له أرواحنا، وأرقنا دماءنا، وجاهدنا، وجالدنا، وعملنا كل ما استطلعنا.

وانجلت الحرب الكبرى وإذا نحن نُبتلى بما هو شر مما كنا فيه، ابتلينا بشرار الخلق وأخسِّ الأمم. اليهود. لا الذين اتبعوا موسى وآمنوا به، بل الذين كفروا بموسى وعيسى كما يكفرون بمحمد، وبدلوا دينهم وكانوا شيعاً، يختلف طريقها ولكن تتحدُّ في عداوتنا غاياتها.

وكذلك يصنع الاّخرون، إنهم إذ كان موقف فيه حرب الإسلام كانوا جميعاً علينا. كان بين أمريكا وروسيا ما صنع الحداد (والنجار، والذي يعمل الرشاشات والمدافع). كانوا يختلفون على كل شيء. ولكن لما قامت هذه الدولة التي
কোনো বিদেশী সৈনিকের জুতো একে পদদলিত করবে কিংবা এর উপরে তার পতাকা উড়বে—(তা হতে পারে না)। শৈশবে আমি মনে করতাম যে, আমাদের ভূমি থেকে উপনিবেশবাদীদের বহিষ্কার করা কঠিনতম কাজগুলোর একটি। কিন্তু আল্লাহ সেই কঠিনকে সহজ করে দিলেন, দূরবর্তীকে নিকটবর্তী করলেন এবং দেশ তার প্রকৃত অধিবাসীদের কাছে ফিরে এলো।

স্বাধীনতা আমাদের নিকট অনায়াসলভ্য হয়ে আসেনি, বরং আমরা এর জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছি, রক্ত ঝরিয়েছি, সংগ্রাম করেছি, যুদ্ধ করেছি এবং আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু করেছি।

অতঃপর যখন মহাযুদ্ধ শেষ হলো, তখন আমরা এমন সংকটে নিপতিত হলাম যা পূর্বের অবস্থার চেয়েও ভয়াবহ। আমরা সৃষ্টির নিকৃষ্টতম এবং জাতিসমূহের মধ্যে হীনতমদের দ্বারা পরীক্ষিত হলাম—তারা হলো ইয়াহুদি। এরা তারা নয় যারা মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর অনুসরণ করেছিল এবং তাঁর প্রতি ঈমান এনেছিল, বরং এরা তারা যারা মুসা ও ঈসার সাথে কুফরি করেছে যেমনটি তারা মুহাম্মদের সাথে কুফরি করে। তারা নিজেদের ধর্মকে পরিবর্তন করে ফেলেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে; যাদের পথ ভিন্ন হলেও আমাদের সাথে শত্রুতার প্রশ্নে তাদের লক্ষ্যগুলো অভিন্ন।

অন্যরাও ঠিক একই আচরণ করে; যখনই ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কোনো বিষয় আসে, তারা সকলেই আমাদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে যায়। আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে শত্রুতা ছিল চরম পর্যায়ের। তারা প্রতিটি বিষয়ে একে অপরের সাথে দ্বিমত পোষণ করত, কিন্তু যখনই এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠিত হলো যা...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৯)
ولدت لغير أب شرعي، والتي جاءت مسخاً مشوهاً، دولة إسرائيل، تسابقت الدولتان إلى الاعتراف بها، ومباركة ولادتها قبل أن تبلغ يوماً وليلة من عمرها. ابتلينا باليهود.

ولو أني بُليت بهاشمي … خؤولته بنو عبد المدان

لهان عليَّ ما ألقى ولكن … تعالوا فانظروا بمن ابتلاني

* * *

 

‌‌زعم اليهود أنهم مظلومون، وأنهم قد نكّل بهم وأُوذوا، وأن هتلر أباد خضراءهم وقتل أبناءهم، فتحركت (الرحمة!) في قلوب الأقوياء من دول الأرض فأرادوا أن يجدوا لهم داراً فلم يجدوا إلا أرضنا، فأجبرونا أن نخرج من مساكننا، وأن نمنحهم خيرات بلادنا، وجاء وزير المتمدنين الذين يلبسون جلود الظباء على أجساد الذئاب، فأعطاهم (وعداً) بأن يجعل لهم من قلب بلادنا ملجأً: يمنحهم ما لا يَمْلكْ، وهم لا يستحقون ما منح، فكانت فضيحة التاريخ البشري التي لم يُسمع بمثلها في حاضر ولا غابر، وها هم أولاء اليوم يدعوننا إلى السلام ونبذ الحرب يقولون: أليس السلام خيراً لكم، فلماذا تراق الدماء، وتزهق الأرواح؟
একটি শরয়ি (شرعي) পিতা ব্যতিরেকেই যার জন্ম এবং যা এক বিকৃত সত্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে—সেই ইসরায়েল রাষ্ট্র; (তৎকালীন বৃহৎ) রাষ্ট্রদ্বয় একে স্বীকৃতি দিতে এবং এর জন্মের এক দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই একে অভিনন্দন জানাতে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিল। আমরা ইহুদিদের দ্বারা পরীক্ষায় নিপতিত হয়েছি।

আমি যদি কোনো হাশেমী বংশজাত ব্যক্তির মাধ্যমে পরীক্ষায় নিপতিত হতাম... যার মাতুল কুল হতো বনু আবদ আল-মাদান

তবে আমি যা ভোগ করছি তা আমার জন্য তুচ্ছ হতো; কিন্তু... তোমরা এসে দেখ যে, কার মাধ্যমে আমাকে পরীক্ষায় ফেলা হয়েছে!

* * *

 

‌‌ইহুদিরা দাবি করেছে যে তারা নির্যাতিত (مظلومون), এবং তাদের ওপর অমানুষিক নিপীড়ন ও কষ্ট দেওয়া হয়েছে, আর হিটলার তাদের সমূলে বিনাশ করেছে ও তাদের সন্তানদের হত্যা করেছে। এতে পৃথিবীর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর হৃদয়ে (দয়া!) জাগ্রত হলো; ফলে তারা তাদের জন্য একটি বাসভূমি খুঁজতে চাইল, কিন্তু আমাদের ভূমি ছাড়া অন্য কিছুই তারা পেল না। তারা আমাদের আপন ঘরবাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে এবং আমাদের দেশের ধন-সম্পদ তাদের হাতে তুলে দিতে আমাদের বাধ্য করল। নেকড়ের দেহে হরিণের চামড়া পরিহিত সেই 'সভ্যদের' মন্ত্রী এল এবং তাদের একটি প্রতিশ্রুতি (وعداً) দিল যে, আমাদের দেশের হৃৎপিণ্ডের মাঝখানে তাদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল তৈরি করে দেবে। সে এমন কিছু দান করল যার মালিক সে নিজে নয়, আর তারাও এমন কিছুর অধিকারী হলো যার যোগ্য তারা নয়। এটি ছিল মানব ইতিহাসের এমন এক কলঙ্কজনক ঘটনা যার নজির বর্তমানে বা অতীতে আর শোনা যায়নি। আর আজ তারাই আমাদের শান্তির পথে ও যুদ্ধ বর্জনের আহ্বান জানাচ্ছে এবং বলছে: শান্তি কি তোমাদের জন্য কল্যাণকর নয়? তবে কেন রক্ত ঝরছে এবং কেন প্রাণ বিসর্জিত হচ্ছে?
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১০)
إن السلام الذي يدعوننا إليه كالسلام بين اللص الذي اقتحم دارك وقتل بعض أهلك، وسكن في بعض منزلك، فلما أردت أن تخرجه، قال: انظروا إلى هذا (الإرهابيّ) …

ودعوا إلى الاجتماع على حرب الإرهاب (1).

لقد هببنا ندافع عن أرضنا، وهذا الدفاع حق لنا، ومن يسكت على من يحتل أرضه؟ أترضى أمريكا أو إنكلترا، لو سرق عدوُّ لها لقطعة من أرضها عند واشنطن ولندن، وقتل ونهب وارتكب السبع الموبقات ثم قال: لماذا القتال؟ تعالوا يا جماعة نتفاهم.

كنا سنة 1948 نقاتل ولاحت لنا تباشير النصر، فأكرهونا على (هدنة) شَلَّتْ أيدينا، ومكنت لعدونا، وكان بنا نقص في القوة وفي التجربة، فخدعنا وصدقنا، فتمكن

--------------------------------------------

(1) إننا نسمع كل يوم عن فلسطيني أخذ بتهمة (مقاومة الاحتلال) فهل تكون تهمة مقاومة الحرامي المجرم الذي جاء يحتل دارك؟.
তারা আমাদের যে শান্তির দিকে আহ্বান জানাচ্ছে, তা সেই চোরের সাথে শান্তির ন্যায় যে আপনার গৃহে অনধিকার প্রবেশ করেছে, আপনার পরিবারের কিছু সদস্যকে হত্যা করেছে এবং আপনার বাসগৃহের একাংশ দখল করে বসবাস করছে। অতঃপর যখন আপনি তাকে বহিষ্কার করতে চাইলেন, সে বলল: এই (সন্ত্রাসীর) দিকে তাকিয়ে দেখুন …

এবং তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নিমিত্তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাল (১)।

আমরা আমাদের ভূমি রক্ষায় তৎপর হয়েছি, আর এই প্রতিরক্ষা আমাদের একটি অধিকার। নিজ ভূমি দখলকারীর সামনে কে নীরব থাকে? আমেরিকা বা ইংল্যান্ড কি তা মেনে নেবে, যদি তাদের কোনো শত্রু ওয়াশিংটন বা লন্ডনের সন্নিকটে তাদের ভূখণ্ডের কোনো অংশ ছিনিয়ে নেয় এবং সেখানে হত্যা, লুণ্ঠন ও সাতটি ধ্বংসাত্মক মহাপাপ সংঘটন করে, আর তারপর বলে: কেন এই লড়াই? আসুন আমরা পারস্পরিক সমঝোতা করি।

১৯৪৮ সালে আমরা যুদ্ধ করছিলাম এবং আমাদের সামনে বিজয়ের পূর্বাভাস উদ্ভাসিত হচ্ছিল, কিন্তু তারা আমাদের এমন এক (যুদ্ধবিরতি) পালনে বাধ্য করল যা আমাদের হাতকে অবশ করে দিল এবং শত্রুকে শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ করে দিল। আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতায় ঘাটতি ছিল, ফলে আমরা প্রতারিত হলাম এবং তাদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করলাম, আর এভাবেই সে সামর্থ্য লাভ করল।

--------------------------------------------

(১) আমরা প্রতিদিন কোনো না কোনো ফিলিস্তিনির কথা শুনি যাকে (দখলদারিত্ব প্রতিরোধের) অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপনার ঘর দখল করতে আসা কোনো অপরাধী চোরকে প্রতিরোধ করা কি কোনো অপরাধ বা অভিযোগের বিষয় হতে পারে?
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১১)
اليهود منا وضربوا ضربة الجبان، والجبان إذا تمكن جمع قوته كلها وضرب ضربة واحدة، لا يقدر على غيرها، يضربها في ظلمة الليل، فيكون فيها نجاته أو مماته.

وقد انقضى الآن الليل، وتنبه الغافل، وكبر الصغير واشتد عوده، هل ترون الشجيرات التي تزرع على حافات الشوارع تكون ضعيفة فيمسكونها في قفص من الحديد، تعتمد عليه ولكنه يكون كالقيد لها، فإذا غلظ ساقها، واعتمدت على نفسها، نبذت القفص عنها. أو استدار عليه جذعها فاحتواه.

فنحن اليوم كالشجرة التي اشتد عودها، وكنا يوماً كالغصن الطري الذي كان يحتاج إلى ما يدعمه ويعمده.

لقد بدأت الأمور ترجع إلى نصابها، وانزاحت الغشاوة قليلاً فرآها الناس على حقيقتها، وما أزاحها إلا حرب رمضان. أعني حرب اكتوبر أو تشرين، صغرت إسرائيل في عيونهم بعد تلك الحرب وزادت صغاراً بعد هذه الانتفاضة المباركة، كانت كالبالون الذي يلعب به الأولاد، فأصابه
ইহুদিরা আমাদের সাথে কাপুরুষের মতো আচরণ করেছে এবং একটি কাপুরুষোচিত আঘাত হেনেছে। আর কাপুরুষ যখন সুযোগ পায়, তখন সে তার সর্বশক্তি সঞ্চয় করে একটি মাত্র আঘাত হানে, এর বাইরে অন্য কিছু করার ক্ষমতা তার নেই। সে রাতের অন্ধকারে এই আঘাতটি করে, যার ফলশ্রুতিতে হয় তার মুক্তি ঘটে অথবা মৃত্যু।

এখন রজনীর অবসান ঘটেছে, গাফেল ব্যক্তি সচেতন হয়েছে, ছোটরা বড় হয়েছে এবং তাদের শক্তি সুসংহত হয়েছে। আপনারা কি রাস্তার পাশে রোপণ করা সেই ক্ষুদ্র চারাগাছগুলো দেখছেন? সেগুলো যখন দুর্বল (ضعيف) থাকে, তখন সেগুলোকে একটি লোহার খাঁচার ভেতরে রাখা হয়; গাছটি তার ওপর ভর করে থাকে, কিন্তু সেটি তার জন্য শৃঙ্খল স্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়। অতঃপর যখন এর কাণ্ড মোটা হয় এবং এটি নিজের ওপর নির্ভর করতে শেখে, তখন সে সেই খাঁচাকে ছুড়ে ফেলে দেয়, অথবা তার কাণ্ড সেই খাঁচাকে চারপাশ থেকে পরিবেষ্টিত করে নিজের ভেতরে বিলীন করে নেয়।

আজ আমরা সেই বৃক্ষের মতো যার শক্তি সুদৃঢ় হয়েছে, অথচ একদিন আমরা সেই কোমল শাখার মতো ছিলাম যার অবলম্বনের ও নির্ভরতার প্রয়োজন ছিল।

পরিস্থিতি পুনরায় তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করেছে এবং চোখের ওপর থেকে পর্দা কিছুটা সরে গেছে, ফলে মানুষ বিষয়গুলোকে তাদের প্রকৃতরূপে দেখতে পাচ্ছে। আর রমজানের যুদ্ধ ব্যতীত অন্য কোনো কিছু এই পর্দা সরাতে পারত না। আমি অক্টোবর বা তিশরিন যুদ্ধের কথা বলছি; সেই যুদ্ধের পর মানুষের চোখে ইসরায়েল তুচ্ছ হয়ে গিয়েছিল এবং এই বরকতময় ইন্তিফাদার পর তা আরও ক্ষুদ্র ও লাঞ্ছিত হয়ে পড়েছে। এটি ছিল সেই বেলুনের মতো যা নিয়ে শিশুরা খেলা করে, অতঃপর তাতে আঘাত লেগেছে—
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১২)
ثقب … فخرج منه بعض الهواء، لقد بدأت إسرائيل تفتضح وتظهر حقائقها، حتى إذاعة إسرائيل صارت بعدها هزأة ولم يعد يصدقها أحد، حتى دعايتها وإعلامها التي طالما خوَّفت به، لم تستطع يوماً أن تصنع شيئاً مع كرايسكي مستشمار النمسا، مع أنه يهودي تنصَّر، سلطت إسرائيل عليه سيوف إعلامها، واستعانت عليه بأنصارها وحماتها، وضغطت عليه بكل قواها، حتى تدخل نيكسون بذاته، وذهبت عجوز النحس كولدا مائير بذاتها، ليعيد فتح (ممر الشر) في (شوناو). الذي مرّ منه إلى إسرائيل ثمانون ألفاً فيهم كثير من أهل الفكر أو الفن أو الصناعة ليكونوا جنوداً لإسرائيل في حربنا، فعادت إسرائيل بإعلامها وحماتها ورئيسة وزرائها بالخيبة والهوان، وكان ذلك في حرب رمضان.

بكتْ إسرائيل وشكت أننا هاجمناها في يوم الغفران، ولم نحترم مقدساتها … ! وأنا أسال أولاً من قال لإسرائيل أنها قد ضمنت الغفران وحددت له يوماً؟ كذبت إسرائيل. إن الله لا يغفر أن يشرك به، وإسرائيل (أعني شعبها لا
একটি ছিদ্র … যার মধ্য দিয়ে কিছু বাতাস বেরিয়ে এল। ইসরায়েল কলঙ্কিত হতে শুরু করেছে এবং তার প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ পাচ্ছে। এমনকি ইসরায়েলি বেতার কেন্দ্র এরপর উপহাসের বস্তুতে পরিণত হয়েছে এবং কেউ তা আর বিশ্বাস করে না। এমনকি তাদের সেই অপপ্রচার ও গণমাধ্যম, যার মাধ্যমে তারা দীর্ঘকাল ভীতি প্রদর্শন করেছে, তা অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ক্রাইস্কির বিরুদ্ধে কোনোদিন কিছুই করতে সমর্থ হয়নি; যদিও তিনি ছিলেন একজন ধর্মান্তরিত ইহুদি। ইসরায়েল তার ওপর প্রচারমাধ্যমের খড়গ চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে নিজেদের সমর্থক ও রক্ষকদের সহায়তা নিয়েছিল এবং সর্বশক্তি দিয়ে তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিল। এমনকি নিক্সন নিজে তাতে হস্তক্ষেপ করেন এবং সেই অশুভ লক্ষণযুক্ত বৃদ্ধা গোল্ডা মেয়ার স্বয়ং যান, যাতে ‘শোনাউ’-এ অবস্থিত ‘মন্দের পথটি’ পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়। যে পথ দিয়ে আশি হাজার মানুষ ইসরায়েলে প্রবেশ করেছিল, যাদের মধ্যে অনেক চিন্তাবিদ, শিল্পী ও কারিগর ছিল, যাতে তারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলের সৈনিক হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু ইসরায়েল তার প্রচারমাধ্যম, রক্ষক ও প্রধানমন্ত্রীসহ চরম ব্যর্থতা ও লাঞ্ছনা নিয়ে প্রত্যাবর্তন করে; আর এটি ছিল রমজান যুদ্ধের সময়।

ইসরায়েল ক্রন্দন ও অভিযোগ করেছিল যে, আমরা তাদের ওপর ‘ইয়োম কিপুর’ বা ক্ষমা দিবসে আক্রমণ করেছি এবং তাদের পবিত্র নিদর্শনের মর্যাদা রক্ষা করিনি … ! আমি সর্বাগ্রে প্রশ্ন করি, ইসরায়েলকে কে বলেছে যে তারা ক্ষমা নিশ্চিত করে নিয়েছে এবং তার জন্য একটি দিন নির্ধারিত করেছে? ইসরায়েল মিথ্যা (كذب) বলেছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না, আর ইসরায়েল (আমি তাদের জনগণকে বুঝাচ্ছি, নয়...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৩)
إسرائيل الذي هو يعقوب نبيُّ الله عليه السلام إسرائيل أشركت حين قالت عزيرٌ ابن الله، تعالى الله أن يكون له ولد، أو يكون له كفواً أحد. ما كان الله ليغفر لمن قتلوا النبيين، وكذبوهم، وافتروا عليهم، ولم يدعو في قاموس الجرائم جريمة لم يرتكبوها، فَعَدُّوا عن قصة الغفران هذه، ويوم الغفران، فليس أمامكم إلا النار، تصلونها في الدنيا بأيدينا بعون الله، ولنار الآخرة أشدّ.

أما المقدسات، فما أوقح إسرائيل … هل احترمت مقدسات أحد حتى تطالب بأن تحترم مقدساتها التي لا قداسة لها؟ أما أحرقت المسجد الأقصى؟ أما حاولت زعزعة أساسه؟ وهزَّ أركانه، لعله يسقط؟ أما حفروا بحذاء جداره -ينزلون في بطن الأرض يأملون أن يصلوا إلى الأساس فيظهر تحته أثر من هيكل سليمان- تبلغ الحفر أكثر من خمسة عشر متراً. وليس أمامهم إلا جدار الأقصى، ولو حفروا بحذاء قلعة خمسة مترا لتزعزع جدارها ومالت للنهار.

أما دنسوا وآذوا كنيسة القيامة التي يقدسها النصارى وسرقوها؟ سرقوا الكنيسة كما أحرقوا المسجد! …
ইসরাঈল, যিনি আল্লাহর নবী ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম), সেই ইসরাঈল (জাতি) তখন শিরক করেছিল যখন তারা বলেছিল যে, উযাইর আল্লাহর পুত্র; আল্লাহ তাআলা কোনো সন্তান গ্রহণ করা কিংবা তাঁর সমকক্ষ কেউ হওয়া থেকে অত্যন্ত পবিত্র ও মহান। যারা নবীদের হত্যা করেছে, তাঁদের মিথ্যা (كذب) প্রতিপন্ন করেছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ (افتراء) আরোপ করেছে, আল্লাহ তাদের কখনোই ক্ষমা করবেন না। অপরাধের অভিধানে এমন কোনো অপরাধ নেই যা তারা করেনি। সুতরাং ক্ষমার এই গল্প এবং 'ক্ষমা দিবস' বর্জন করো; তোমাদের সামনে জাহান্নাম ব্যতীত আর কিছুই নেই। আল্লাহর সাহায্যে আমাদের হাতেই তোমরা এই পৃথিবীতে তার দহন ভোগ করবে, আর আখিরাতের আগুন তো আরও কঠিন।

আর পবিত্র স্থানসমূহের কথা যদি বলা হয়, তবে ইসরাঈল কতই না নির্লজ্জ! … সে কি কখনো অন্য কারও পবিত্র নিদর্শনের সম্মান করেছে যে আজ সে তার নিজের তথাকথিত পবিত্র জিনিসের সম্মান দাবি করছে? তারা কি মসজিদুল আকসা পুড়িয়ে দেয়নি? তারা কি এর ভিত্তি নড়বড়ে করতে এবং এর স্তম্ভগুলো কাঁপিয়ে দিতে সচেষ্ট হয়নি, যেন তা ধসে পড়ে? তারা কি এর দেয়াল ঘেঁষে সুড়ঙ্গ খনন করেনি—তারা মাটির গভীরে নামে এই আশায় যে, তারা মূল ভিত্তিতে পৌঁছাবে এবং তার নিচে সুলাইমানি উপাসনালয়ের কোনো চিহ্ন প্রকাশ পাবে—যেই গর্তগুলোর গভীরতা পনেরো মিটারেরও বেশি। তাদের সামনে কেবল আকসার দেয়ালটিই বাধা হয়ে আছে; অথচ কোনো দুর্গের দেয়াল ঘেঁষে যদি পাঁচ মিটারও গর্ত করা হতো, তবে তার দেয়াল নড়বড়ে হয়ে ধসে পড়ত।

তারা কি খ্রিস্টানদের পবিত্র কিনিসাতুল কিয়ামাহ (চার্চ অফ দ্য হলি সেপালকার)-কে কলুষিত করেনি, অবমাননা করেনি এবং সেখানে লুণ্ঠন চালায়নি? তারা গির্জা লুণ্ঠন করেছে যেমনটি তারা মসজিদ পুড়িয়েছে! …
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৪)
لصوص ومخربون، ويبكون ويشكون أن هاجمناهم في يوم عيدهم، وهم الذين لم يتركوا لأهل فلسطين عيداً يعيّدون فيه، لقد حوَّل هؤلاء المجرمون أعيادهم مآتم.

هل رعَتْ إسرائيل مريضاً؟، أما خربت المستشفيات وقتلت المرضى والأطباء والممرضات؟

هل رعت طفولة؟ حتى تطلب أن يرعى الناس أطفالها؟

هل تذكرون أني قلت لكم عشرين مرة،- كررت القول حتى مللتم- أن إسرائيل ليست كما تظنون، إنها ضبع تعيش على الجيف وجَدَتْ جلد سبع أو قُدِّم لها فلبسته، وحملت شريطاً مسجلَاَ عليه زئير سبع فظنها الناس سبعاً، ثم قلدت أشعب فَصدَّقَتْ هي نفسها.

كان الناس يظنون أن استخبارات إسرائيل أقوى استخبارات على وجه الأرض، وإنها تعرف حركاتنا وسكناتنا، حتى لقد ظن ناس منا (وأستغفر الله الذي لا إله إلا هو) أنها تعلم ما تخفي صدورنا. فها هي ذي فوجئت
চোর ও ধ্বংসকারী, তারা কাঁদে এবং অভিযোগ করে যে আমরা তাদের উৎসবের দিনে তাদের আক্রমণ করেছি; অথচ তারাই ফিলিস্তিনবাসীদের জন্য এমন কোনো ঈদ বাকি রাখেনি যাতে তারা আনন্দ করতে পারে। এই অপরাধীরা তাদের উৎসবগুলোকে শোকের মাতমে পরিণত করেছে।

ইসরায়েল কি কোনো রোগীর যত্ন নিয়েছে? তারা কি হাসপাতালগুলো ধ্বংস করেনি এবং রোগী, চিকিৎসক ও নার্সদের হত্যা করেনি?

সে কি শৈশবকে রক্ষা করেছে? যাতে সে আশা করতে পারে যে মানুষ তার সন্তানদের রক্ষা করবে?

আপনাদের কি মনে আছে আমি আপনাদের বিশ বার বলেছি—আমি কথাটি বারবার বলেছি এমনকি আপনারা বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন—যে ইসরায়েল তেমন নয় যেমনটি আপনারা মনে করেন। এটি একটি হায়েনা যা মৃতদেহের ওপর বেঁচে থাকে; এটি একটি সিংহের চামড়া খুঁজে পেয়েছিল অথবা তাকে দেওয়া হয়েছিল যা সে পরিধান করেছে। সে সাথে একটি রেকর্ড করা ফিতা বহন করেছে যাতে সিংহের গর্জন ছিল, ফলে মানুষ তাকে সিংহ মনে করেছিল। এরপর সে আশআবের অনুকরণ করল এবং শেষে সে নিজেই নিজেকে বিশ্বাস করতে শুরু করল।

মানুষ মনে করত যে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা এবং তারা আমাদের প্রতিটি নড়াচড়া ও নিস্তব্ধতা সম্পর্কে জানে। এমনকি আমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক মনে করতে শুরু করেছিল (আমি সেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই) যে তারা আমাদের অন্তরের গোপন বিষয়গুলোও জানে। কিন্তু এই তো তারা এখন আকস্মিকভাবে স্তম্ভিত হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৫)
(يوم حرب رمضان) بالهجوم، ولم تستطع استخباراتها أن تحسَّ به أو تشم له رائحة …

وبارك الله هؤلاء الزعماء الذي تعلَّموا من حرب 967 فضيلة الكتمان، بل تعلموها من سيرة محمد صلى الله عليه وسلم، إن محمداً لقائد استطاع يوم الفتح أن يُخفي تحركات جيش من عشرة آلاف كان في جريرة العرب في تلك الأيام يُعَدُّ جيشاً ضخماً، فيه من كل القبائل، ومع ذلك فقد سدَّ كل طريق يصل منه خبره إلى قريش.

ومعركة بدر الظافرة كانت بعدها هزيمة، وإن كان ثبات الرسول صلى الله عليه وسلم وصحبه الكبار، ردَّ الهزيمة ظفراً، ذلك لتعلموا أن الحروب سجال، والدهر دولاب، والدنيا ليل ونهار، والأرض صعود جبل وهبوط واد، ولكن العبرة بالنهاية، والأمور بخواتيمها، والنهاية لنا إن شاء أدبه، للإسلام، ما دمنا معه فالنصر لنا.

إن الذي صنعناه في رمضان شيء عجيب، تصوروا لو أن تَلاً من الرمال غير ممهد علوه عشرون متراً كلفت صعوده لتعبت، فكيف إن كان حوله من يقذفك بالحجارة ليمنعك
(রমজান যুদ্ধের দিন) আক্রমণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এর কোনো আভাস পেতে বা এর কোনো সংবাদ লাভ করতে সক্ষম হয়নি …

আল্লাহ সেই নেতাদের বরকত দান করুন যারা ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ থেকে গোপনীয়তা রক্ষার গুণটি শিখেছিলেন, বরং তারা এটি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সীরাত থেকে শিখেছিলেন। নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন একজন সেনাপতি ছিলেন যিনি মক্কা বিজয়ের দিন দশ হাজার সৈন্যের একটি বাহিনীর গতিবিধি গোপন রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন, যা তৎকালীন আরব উপদ্বীপে একটি বিশাল বাহিনী হিসেবে গণ্য হতো এবং যাতে সকল গোত্রের অন্তর্ভুক্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তিনি কুরাইশদের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর সকল পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিলেন।

বিজয়মণ্ডিত বদর যুদ্ধের পর পরাজয়ও এসেছিল, যদিও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর মহান সহচরদের দৃঢ়তা সেই পরাজয়কে বিজয়ে রূপান্তরিত করেছিল। এটি এ কারণে যে, আপনারা যেন জানতে পারেন যে যুদ্ধ হলো পর্যায়ক্রমিক আবর্তনশীল, সময় হলো পরিবর্তনশীল, দুনিয়া হলো রাত ও দিন এবং পৃথিবী হলো পাহাড়ের উচ্চতা ও উপত্যকার নিম্নভূমির মতো। তবে প্রকৃত শিক্ষা পরিণতির ওপর নির্ভর করে এবং সকল বিষয় তার সমাপ্তির ওপর নির্ভরশীল। আর ইনশাআল্লাহ শেষ পরিণতি আমাদের তথা ইসলামের জন্য; যতক্ষণ আমরা তাঁর সাথে থাকব, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই।

রমজানে আমরা যা করেছি তা এক বিস্ময়কর বিষয়। কল্পনা করুন, যদি বিশ মিটার উঁচু একটি অমসৃণ বালুর ঢিবিতে আরোহণ করার দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হতো, তবে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়তেন; তাহলে সেই পরিস্থিতির কথা ভাবুন যখন আপনাকে প্রতিহত করার জন্য চারপাশ থেকে পাথর নিক্ষেপ করা হচ্ছে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৬)
من صعوده، فكيف إن كان بدل الحجارة الرصاص والبارود، فكيف إن كان هذا الرمل يُغطي حصوناً من يابس الصخر ومتين الأبرق (أي الإسمنت المسلح)، فيها المدافع والدبابات وأقوى المتفجرات، فكيف اقتحمها جنود مصر؟! أقوى وأحدث خط دفاع، كلف 283 مليون دولار اجتازوه بأقدم وأضعف وسيلة هجوم، بسلم من خشب ثمنه ثلاث دولارات كيف تمت هذه الأعجوبة؟! … بالإيمان ومعه ما يستلزمه الإيمان ويطلبه العقل والدين من الخطط والسلاح والكتمان، كل هذا لا بدَّ منه، ولكن كل هذا كأعضاء الجسد والإيمان الروح، وفي حرب 967 كان عندنا هذا كله ولكن بلا روح الآن جاءت معه الروح، وهو نزول عجيب، لعله مثله نزول الحلفاء على ساحل نورماندي خلال الحرب الأخيرة، بل أعظم، وأحسب أن نزول المصريين يوم 6 تشرين الأول 973 على ضفة القناة الأخرى سيدخل في تاريخ الفن العسكري الذي يدرس في الكلية الحربية.

لقد دهش العالم وعجب مما رأى من جنودنا في سيناء
তাঁর আরোহণ থেকে, তবে পাথরের পরিবর্তে যদি সীসা ও বারুদ থাকত তবে কী হতো! আর যদি এই বালু এমন দুর্গকে আবৃত করে রাখত যা শুষ্ক পাথর ও সুদৃঢ় কংক্রিট (অর্থাৎ রিইনফোর্সড কংক্রিট) দ্বারা নির্মিত, যাতে রয়েছে কামান, ট্যাংক এবং শক্তিশালী সব বিস্ফোরক, তবে মিশরীয় সৈন্যরা কীভাবে তাতে আক্রমণ করল?! সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যূহ, যা নির্মাণে ২৮৩ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল, তারা তা অতিক্রম করল আক্রমণের প্রাচীনতম ও দুর্বলতম উপায়ে—একটি কাঠের মইয়ের সাহায্যে যার মূল্য ছিল মাত্র তিন ডলার। এই বিস্ময়কর ঘটনা কীভাবে সম্পন্ন হলো?! … ঈমানের মাধ্যমে, আর সেই ঈমানের সাথে রয়েছে যা ঈমান দাবি করে এবং বুদ্ধি ও ধর্ম যা অন্বেষণ করে—পরিকল্পনা, অস্ত্র ও গোপনীয়তা। এই সবকিছুরই প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য, তবে এই সবকিছু দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সদৃশ আর ঈমান হলো তার আত্মা। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে আমাদের কাছে এই সব উপকরণই ছিল কিন্তু তা ছিল প্রাণহীন। এখন সেই উপকরণের সাথে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। এটি একটি বিস্ময়কর অবতরণ, সম্ভবত এটি বিগত বিশ্বযুদ্ধের সময় নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণের ন্যায়, বরং তার চেয়েও মহিমান্বিত। আমি মনে করি, ১৯৭৩ সালের ৬ই অক্টোবর খালের অপর তীরে মিশরীয়দের এই অবতরণ সামরিক কৌশলের ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত হবে, যা সামরিক মহাবিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান করা হবে।

সিনাইয়ে আমাদের সৈন্যদের যা দেখেছে তাতে বিশ্ববাসী বিস্মিত ও অভিভূত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৭)
وفي الجولان، وكان عليه أن يعجب من هزيمتنا في حرب 48 وحرب 67 لا من ظفرنا في رمضان، العجب مما يأتي من غير أهله، ابن حاتم الطائي لا يعجب منه أحد إن كان كريماً، لأن الولد سرُّ أبيه، (ومن يشابه أَبَه فما ظلم)، ولكن العجب أن يبخل ويشحَّ ابن حاتم الطائي.

تعجبين من سقمي؟ … صحتي هي العجب

العجب أن يظفر اليهود الذين ضربت عليهم الذلَّة والمسكنة. لا أن يظفر أبناء من فتحوا الشرق والغرب، وكانوا سادة الدنيا وأساتيذها، على أننا ما غلبنا نحن في الحربين: 48 و 67، ولا اليهود ظفروا، إنما غلبت فينا خلائق اليهود التي دخلت علينا في غفلة منا، خلائق الانقسام والتردد، وفقد الكتمان، وارتجال الخطط، والإصغاء لمشورة الأعداء.

صغرت إسرائيل أكثر لما بدأت هذه (الانتفاضة)، صبيان يقاتلون بالحجارة جيشاً يملك أعْتى وأقسى ما أوحى به الشيطان إلى أوليائه من وسائل القتل والتدمير والهلاك، وحسبوها فورة حماسة استمر ساعات لم تخمد، تمتد يوماً
আর গোলান মালভূমিতে; তার তো ৪৮-এর যুদ্ধ এবং ৬৭-এর যুদ্ধে আমাদের পরাজয়ে বিস্মিত হওয়া উচিত ছিল, রমজানের যুদ্ধে আমাদের বিজয়ে নয়। বিস্ময় তো তখনই জাগে যখন কোনো কিছু তার অযোগ্য ব্যক্তি থেকে প্রকাশ পায়। হাতেম তাঈয়ের পুত্র যদি দানশীল হয় তবে তাতে কেউ বিস্মিত হয় না, কারণ পুত্র তার পিতারই প্রতিচ্ছবি (আর যে ব্যক্তি তার পিতার সাদৃশ্য গ্রহণ করল, সে কোনো অন্যায় করেনি)। তবে বিস্ময়ের বিষয় হলো হাতেম তাঈয়ের পুত্রের কৃপণ ও সংকীর্ণমনা হওয়া।

তুমি কি আমার রুগ্নতায় বিস্মিত হচ্ছ? … আমার সুস্থ থাকাই তো আশ্চর্যের বিষয়।

বিস্ময়কর বিষয় হলো সেই ইহুদিদের বিজয় লাভ করা যাদের ওপর লাঞ্ছনা ও হীনতা অবধারিত করা হয়েছে; তাদের বিজয় নয় যারা পূর্ব ও পশ্চিমের দিগ্বিজয়ী এবং যারা ছিল পৃথিবীর কর্ণধার ও শিক্ষক। মূলত ৪৮ ও ৬৭-এর দুই যুদ্ধে আমরা পরাজিত হইনি এবং ইহুদিরাও জয়ী হয়নি; বরং আমাদের মাঝে দানা বাঁধা সেই ইহুদি স্বভাবগুলোই আমাদের ওপর জয়ী হয়েছে যা আমাদের অসতর্ক মুহূর্তে আমাদের অভ্যন্তরে প্রবিষ্ট হয়েছিল—বিভেদ, দ্বিধা-সংকোচ, গোপনীয়তা রক্ষায় ব্যর্থতা, অপরিকল্পিত রণকৌশল এবং শত্রুর কুমন্ত্রণায় কর্ণপাত করার মতো স্বভাবসমূহ।

ইসরায়েল আরও তুচ্ছ হয়ে পড়ল যখন এই ‘ইন্তিফাদা’ শুরু হলো। একদল কিশোর পাথর নিয়ে লড়াই করছে এমন এক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে, যাদের অধিকারে রয়েছে হত্যা, ধ্বংস ও বিনাশের সেই ভয়াবহ ও নিষ্ঠুরতম সরঞ্জামসমূহ যা শয়তান তার বন্ধুদের প্ররোচিত করেছে। তারা ভেবেছিল এটি কয়েক ঘণ্টার এক সাময়িক উত্তেজনা যা অচিরেই দমে যাবে, কিন্তু তা দিনের পর দিন বিস্তৃত হতে থাকল...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৮)
أو يومين، فإذا هي تستمر الشهر والشهر الذي بعده، والشهور تتوالى والانتفاضة لا تزداد إلا قوَّة، ذلك بأنها ليست حركة وطنية، ولا قومية، ولا لمجرد استرداد الأرض، وطرد الواغل الدخيل منها، هذه كلها مقاصد قد تشترك في مثلها أمم الأرض، بل لأنها جهاد، جهاد بالمعنى الذي عرفه الإسلام، بذل الروح لله وحده، وابتغاء الجزاء منه وحده، جهادٌ مَنْ يظفر فيه يَظْفَر بنيل الأماني وبلوغ الغايات، ومن يَمُتْ يَنَلْ ما هو أكبر من مِتَع الدنيا كلها رضا الله والجنة،

كتب الله لهذه الانتفاضة الاستمرار والقوة، كما كتب مثل ذلك للحرب الجهادية في الأفغان لأنهما قامتا لله لا للدنيا، وما كان لله فهو المتصل.

رحم الله الملك العبقري عبدالعزيز الذي كان ينظر بنور الله: لما استعدت الدول العربية السبع لدخول فلسطين والقتال فيها، كان من رأيه أن نُسلِّح أهل فلسطين ونُمدُّهُم بالمال ونَدَعْ لهم حرب اليهود، لقد بدا الآن الدليل على صحة رأي عبدالعزيز.
...বা দুদিন, অথচ দেখা যায় তা মাস এবং তার পরবর্তী মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে; মাসের পর মাস অতিক্রান্ত হয় আর ইন্তিফাদা কেবল শক্তিশালীই হতে থাকে। এর কারণ হলো, এটি কোনো জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নয়, কোনো সাম্প্রদায়িক আন্দোলন নয়, আর না এটি কেবল ভূমি উদ্ধার এবং অনধিকার প্রবেশকারী দখলদারকে বিতাড়িত করার জন্য; এগুলো এমন সব উদ্দেশ্য যা পৃথিবীর অন্যান্য জাতিসমূহের মধ্যেও থাকতে পারে। বরং এটি হলো জিহাদ; ইসলামের সংজ্ঞায়িত সেই জিহাদ, যেখানে কেবল এক আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করা হয় এবং কেবল তাঁরই নিকট প্রতিদান অন্বেষণ করা হয়। এটি এমন এক জিহাদ যাতে যে বিজয়ী হয় সে তার আকাঙ্ক্ষা ও লক্ষ্যপানে পৌঁছে যায়, আর যে মৃত্যুবরণ করে সে দুনিয়ার যাবতীয় ভোগ-বিলাসের চেয়েও মহান কিছু লাভ করে—তা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত।

আল্লাহ এই ইন্তিফাদার জন্য স্থায়িত্ব ও শক্তি লিখে দিয়েছেন, যেমনটি তিনি লিখেছিলেন আফগানিস্তানের জিহাদি যুদ্ধের জন্য; কেননা এই উভয় সংগ্রামই আল্লাহর জন্য পরিচালিত হয়েছিল, দুনিয়ার জন্য নয়। আর যা আল্লাহর জন্য হয়, তা-ই অবিচ্ছিন্ন (متصل) থাকে।

আল্লাহ সেই প্রতিভাধর রাজা আব্দুল আজিজের ওপর রহম করুন, যিনি আল্লাহর নূর দিয়ে প্রত্যক্ষ করতেন। যখন সাতটি আরব রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে প্রবেশ ও সেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন তাঁর অভিমত ছিল যেন আমরা ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র করি, তাদের অর্থ দিয়ে সহায়তা করি এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দায়িত্ব তাদের ওপরই ছেড়ে দিই। আজ রাজা আব্দুল আজিজের সেই অভিমতের যথার্থতার প্রমাণ সুষ্পষ্ট হয়েছে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ১৯)
هؤلاء الذين لا يملكون إلا حجارة أرضهم وأيديهم التي تطلقها، لو كان عندهم مثل سلاح اليهود، أو كان عندهم نصفه، أو رُبعه أو عُشْره هل كان يبقى اليهود في فلسطين؟

وعبقري عربي آخر، أستاذنا في كلية الحقوق سنة 1931 الذي مات مسلماً لما كان رئيس مجلس الأمن سنة 1947 وقال كلمته المشهورة: إنَّ قضية فلسطين لا تُحلُّ في أورقة مجلس الأمن بل تُحلُّ على ثرى فلسطين.

إنكم ترون أننا بحجارة أرضنا، وسواعد أبنائنا، نكاد نطرد الكلاب من بلادنا.

إن الذين دعوتموهم جنود الحجارة ما ضعفوا وما استكانوا، جادوا بأرواحهم (والجود بالروح أقصى غاية الجود) ثبتوا هذه الأيام الطوال فما عليهم ملام، ولكن نحن، نحن المسلمين الذين فرض الله علينا أخوتهم، وأوجب علينا نصرتهم نحن ألا نُلام؟.

لندعهم وحدهم يواجهون بالحجارة الدبابات والمدافع والرصاص والغاز الخانق وهاتيك الأهوال والمصائب،
যারা তাদের স্বদেশের পাথর এবং তা নিক্ষেপকারী হাত ব্যতীত অন্য কিছুর মালিক নয়, যদি তাদের নিকট ইহুদিদের অস্ত্রের অনুরূপ অস্ত্র থাকত, কিংবা তার অর্ধেক, চতুর্থাংশ অথবা এক-দশমাংশও থাকত, তবে কি ফিলিস্তিনে ইহুদিদের অস্তিত্ব অবশিষ্ট থাকত?

এবং অন্য এক আরব মনীষী, ১৯৩১ সালে আইন অনুষদে আমাদের শিক্ষক, যিনি ১৯৪৭ সালে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি থাকাকালীন মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন এবং তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন: "নিশ্চয়ই ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান নিরাপত্তা পরিষদের অলিন্দে হবে না, বরং তা ফিলিস্তিনের পবিত্র মাটিতেই সমাধান হবে।"

আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, আমাদের ভূমির পাথর এবং আমাদের সন্তানদের বাহুবল দিয়ে আমরা আমাদের দেশ থেকে কুকুরদের বিতাড়িত করার উপক্রম হয়েছি।

যাদেরকে আপনারা 'পাথরের সৈনিক' হিসেবে অভিহিত করেছেন, তারা দুর্বল (ضعيف) হয়নি এবং নতি স্বীকার করেনি; তারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে (আর জীবন উৎসর্গ করাই হচ্ছে মহানুভবতার সর্বোচ্চ স্তর)। তারা এই দীর্ঘ দিনগুলোতে অবিচল (ثبت) ছিল, তাই তাদের ওপর কোনো তিরস্কার নেই; কিন্তু আমরা, আমরা সেই মুসলিম যাদের ওপর আল্লাহ তাদের ভ্রাতৃত্ব অর্পণ করেছেন এবং তাদের সাহায্য করা আমাদের জন্য আবশ্যক করেছেন—আমাদের কি তিরস্কার করা হবে না?

আমরা কি তাদের একাকী ছেড়ে দেব যাতে তারা কেবল পাথর দিয়ে ট্যাঙ্ক, কামান, বুলেট, শ্বাসরুদ্ধকর গ্যাস এবং সেই সব ভয়াবহতা ও বিপদের মোকাবিলা করে,
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২০)
ويكفينا في شرع الله، في أدب الفروسية، في قواعد الشرف، أن نراهم في (الرائي) وأن نسمع عنهم في الإذاعات، وأن نُعجب بهم وأن نُصفق لهم:

فيمَ التقاطع في الإسلام ويحكُمُ … وأنتم يا عباد الله إِخوان

ألا نفوس أبيات لها همم … أما على الخير أنصار وأعوان

أسباب النصر رجال وسلاح، فما الذي ينقصنا منها؟ هل ينقصنا العَدَدْ، أم العُدَدْ، أم العلم؟ أما العدد فنحن، نحن المسلمين ألف مليون. فكم عدد اليهود؟ والعُدَدْ؟ إِن ما لدى المسلمين جميعاً منها أكثر مما لدى اليهود، وفي المسلمين جميعاً من العلماء أكثر من اليهود أو هم مثلهم، فيكف غلبونا؟. وكيف أخذوا منا قبلتنا الأولى ومسرى نبينا؟. إنهم (أولاً) ما غلبونا بأنفسهم، ولا هم بالذين يستطيعون أن يغلبونا أو أن يعدلونا، ولكن بالذين أعانوهم علينا، وأمدوهم بالمال والسلاح وبالناس، السلاح من الغرب من أمريكا، والناس من الشرق، من بولونيا وروسيا،
আল্লাহর শরিয়ত, বীরত্বের শিষ্টাচার এবং সম্মানের নিয়মনীতিতে আমাদের জন্য এটিই যথেষ্ট যে, আমরা তাদের (দূরদর্শনে) দেখি, রেডিওতে তাদের কথা শুনি, তাদের প্রতি মুগ্ধ হই এবং তাদের জন্য করতালি দেই:

হায় আক্ষেপ! ইসলামে কেন এই পারস্পরিক সম্পর্কচ্ছেদ, অথচ … হে আল্লাহর বান্দাগণ, তোমরা তো পরস্পর ভাই ভাই।

এমন কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন আত্মা কি নেই যার উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে … কল্যাণের পথে কি কোনো সাহায্যকারী ও সহায়তাকারী নেই?

বিজয়ের উপকরণ হলো জনবল ও অস্ত্রশস্ত্র; তবে এগুলোর মধ্যে আমাদের কিসের অভাব রয়েছে? আমাদের কি সংখ্যার অভাব, নাকি সরঞ্জামের, নাকি জ্ঞানের? সংখ্যার কথা যদি বলি, তবে আমরা মুসলমানরা সংখ্যায় একশ কোটি। তাহলে ইহুদিদের সংখ্যা কত? আর সরঞ্জাম? সকল মুসলমানের সম্মিলিত যা আছে, তা ইহুদিদের কাছে থাকা সরঞ্জামের চেয়ে অনেক বেশি। আর সকল মুসলমানদের মাঝে বিজ্ঞানীদের সংখ্যা ইহুদিদের চেয়ে বেশি অথবা তাদের সমান; তবে তারা কীভাবে আমাদের ওপর জয়ী হলো? এবং কীভাবে তারা আমাদের থেকে আমাদের প্রথম কিবলা এবং আমাদের নবীর মিরাজের স্থানটি ছিনিয়ে নিল? তারা (প্রথমত) নিজেদের শক্তিতে আমাদের পরাজিত করেনি, আর তারা এমনও নয় যে তারা আমাদের পরাজিত করার বা আমাদের সমকক্ষ হওয়ার সক্ষমতা রাখে; বরং তারা জয়ী হয়েছে তাদের মাধ্যমে যারা আমাদের বিরুদ্ধে তাদের সাহায্য করেছে এবং তাদের অর্থ, অস্ত্র ও জনবল দিয়ে সহায়তা করেছে। অস্ত্র এসেছে পশ্চিমের আমেরিকা থেকে এবং জনবল এসেছে পূর্বের পোল্যান্ড ও রাশিয়া থেকে,
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২১)
إنهم يختلفون فيما بينهم ولكن إذا جاءت عداوة الإسلام نسوا اختلافهم وصاروا صفاً واحداً، ويداً واحدة علينا. لما قامت هذه الدولة الباغية العاتبة التي سمَّوها دولة إسرائيل تسابقت أمريكان وروسيا إلى الاعتراف بها ومباركة مولدها.

ثم إنهم ما غلبونا (ثانياً) بقوتهم لكن بضعفنا وتفرقنا وانقسامنا. الأب يؤدب أولاده إذا أساؤوا وعصوا، والله (ولله المُثُل العليا، تعالى الله أن يكون كمثله شيء) يأخذ عباده المؤمنين ببعض الألم ليعودوا إليه، ويبلوهم (أي يختبرهم) بشيء من الجوع والخوف ونقص من الأموال والأنفس والثمرات، يُنبههم إذا أساؤوا وانحرفوا ليحسنوا ويستقيموا، ونحن أسأنا وانحرفنا، أمرنا الله أن نتمسك بدينه، ونعتصم بحبله، ونكون جسداً واحداً له شعور واحد، وتكون رحمتنا وعاطفتنا لإخواننا، وشدَّتُنا وحِدَّتُنا على عدوّنا. فماذا صنعنا؟ هل أطعنا أمره؟ أم حِدْنا عن سبيله، وتركنا الحق من ديننا للباطل من دين عدوِّنا، وانقسمنا وصرنا شيعاً، وجعلنا شدتنا وقوتنا على إخوتنا، ولَطُفْنا وضَعُفْنا أمام عدونا، ولذلك عاقبنا الله فجعل امرأة عجوزاً تهددنا مرَّة
তারা নিজেদের মধ্যে মতভেদ করে ঠিকই, কিন্তু যখনই ইসলামের প্রতি শত্রুতার প্রসঙ্গ আসে, তারা তাদের ভেদাভেদ ভুলে যায় এবং আমাদের বিরুদ্ধে এক কাতার ও এক হস্ত হয়ে দাঁড়ায়। যখন এই বিদ্রোহী ও সীমালঙ্ঘনকারী রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠিত হলো—যাকে তারা ইসরায়েল রাষ্ট্র নাম দিয়েছে—তখন আমেরিকা ও রাশিয়া একে স্বীকৃতি দিতে এবং এর জন্মলগ্নে আশীর্বাদ জানাতে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলো।

অতঃপর, তারা তাদের শক্তির মাধ্যমে আমাদের ওপর বিজয়ী হয়নি, বরং আমাদের দুর্বলতা, অনৈক্য এবং বিভক্তির কারণেই তারা জয়ী হয়েছে। পিতা তার সন্তানদের শাসন করেন যখন তারা মন্দ কাজ ও অবাধ্যতা করে; আর আল্লাহ (আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সর্বোচ্চ উদাহরণ; তাঁর সদৃশ কোনো কিছু হওয়া থেকে তিনি অতি উচ্চ ও পবিত্র) তাঁর মুমিন বান্দাদের সামান্য কষ্টের মাধ্যমে পাকড়াও করেন যেন তারা তাঁর দিকে ফিরে আসে। তিনি তাদের পরীক্ষা করেন (অর্থাৎ তাদের যাচাই করেন) কিছুটা ক্ষুধা, ভয় এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলাদির ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে। তিনি তাদের সতর্ক করেন যখন তারা মন্দ কাজ করে ও সত্যচ্যুত হয়, যাতে তারা নিজেদের সংশোধন করে এবং সত্যপথে সুদৃঢ় থাকে। কিন্তু আমরা মন্দ আচরণ করেছি এবং বিচ্যুত হয়েছি। আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন তাঁর দ্বীনকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরতে এবং তাঁর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে; আমরা যেন এমন এক দেহ হই যার চেতনা এক ও অভিন্ন। আমাদের দয়া ও সহানুভূতি যেন আমাদের ভাইদের প্রতি হয় এবং আমাদের কঠোরতা ও তীব্রতা যেন শত্রুর বিরুদ্ধে হয়। কিন্তু আমরা কী করেছি? আমরা কি তাঁর নির্দেশ পালন করেছি? নাকি আমরা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছি এবং আমাদের দ্বীনের সত্যকে বর্জন করে শত্রুর দ্বীনের মিথ্যাকে গ্রহণ করেছি? আমরা আজ বিভক্ত হয়ে নানা উপদলে পরিণত হয়েছি। আমরা আমাদের কঠোরতা ও শক্তি ব্যয় করেছি আমাদের ভাইদের ওপর, আর শত্রুর সামনে হয়েছি নমনীয় ও দুর্বল। আর এই কারণেই আল্লাহ আমাদের শাস্তি দিয়েছেন, যার ফলে এক বৃদ্ধা নারীও আমাদের হুমকির মুখে ফেলার সাহস পেয়েছে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২২)
ويسلبنا قومها وهم أذلُّ الأمم، مسرى نبيّنا، نعم عاقبنا الله بأذلِّ الأمم كما يُعاقبْ الجبابرة بأضعف مخلوقاته، بحيوان لا يُرى، بالجراثيم، فتذلَّ جبروتهم، وجعل امرأة أخرى تضع يدها على تسعين ألفاً من أسرارنا، تسعين ألفاً كآساد الشرى فلا نملك ونحن سبعمئة مليون أن نطلقهم.

إنها يا سادة عقوبة كعقوبة الأب الرحيم، إنها كما قال الشاعر:

فقسا ليزدجروا ومن يك راحمأ … فليقسُ أحياناً على من يرحم

ولكن هل تدوم؟ لا، وأُؤكدُّها وأجزمُ بها، لا تأكيد حماسة فارغة مثل الطبل، بل تأكيد الفعل والواقع.

لقد علمونا في المدرسة أن كل أمر مخالف لطبيعة الأشياء التي طبعها ألذ عليها لا يمكن أن يدوم، فهل ترونه أمراً طبيعياً أن تعيش دولة صغيرة قائمة على الباطل، على سرقة الأرض وطرد سكانها، ولو صارت ثكنة ممتلئة بالجند، ولو غَدَتْ قلعة محصنة الجوانب، ولو بلغ سكانها
তাদের কওম আমাদের নবীর মিরাজ গমনের স্থান (মাসরা) আমাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে, অথচ তারা জাতিসমূহের মধ্যে হীনতম। হ্যাঁ, আল্লাহ আমাদের হীনতম জাতি দ্বারা শাস্তি দিয়েছেন, ঠিক যেমন তিনি প্রতাপশালীদের তাঁর ক্ষুদ্রতম সৃষ্টির মাধ্যমে শাস্তি প্রদান করেন—অদৃশ্য অণুজীব বা জীবাণুর মাধ্যমে—যাতে তাদের অহংকার চূর্ণ হয়। তিনি অন্য এক মহিলাকে আমাদের নব্বই হাজার বন্দীর ওপর কর্তৃত্ব দিয়েছেন; নব্বই হাজার সিংহসদৃশ বীর থাকা সত্ত্বেও সত্তর কোটি জনসংখ্যা নিয়ে আমরা তাদের মুক্ত করার ক্ষমতা রাখি না।

হে মহোদয়গণ, এটি একজন দয়ালু পিতার শাস্তির ন্যায়; কবি যেমনটি বলেছেন:

তিনি কঠোর হয়েছেন যেন তারা বিরত থাকে, আর যে দয়ালু... তাকে কখনও কখনও তার ওপর কঠোর হতে হয় যাকে সে মমতা করে।

কিন্তু এই পরিস্থিতি কি স্থায়ী হবে? না, আমি পূর্ণ নিশ্চয়তা ও দৃঢ়তার সাথে বলছি—এটি কোনো ঢোলের শব্দের ন্যায় অন্তঃসারশূন্য আবেগের নিশ্চয়তা নয়, বরং বাস্তব ও কর্মতৎপরতার নিশ্চয়তা।

বিদ্যালয়ে আমাদের শেখানো হয়েছে যে, স্রষ্টা প্রদত্ত স্বভাবজাত নিয়মের পরিপন্থী কোনো বিষয় কখনও স্থায়ী হতে পারে না। তবে আপনারা কি একে স্বাভাবিক মনে করেন যে, মিথ্যার (باطل) ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র টিকে থাকবে—যা অন্যের ভূমি দখল ও সেখানকার বাসিন্দাদের বিতাড়িত করার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যদিও তা সৈন্যসামন্তপূর্ণ কোনো সামরিক ব্যারাকে পরিণত হয়, কিংবা চারদিক থেকে সুরক্ষিত কোনো দুর্গে রূপ নেয়, এমনকি এর জনসংখ্যা যত বৃদ্ধিই পাক না কেন...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
مليونين أو ثلاثة ولن يبلغوها، هل يمكن أن تعيش وسط بحر يمتد على مدى ثلث محيط الأرض فيه ألف مليون كلهم عدو لها، عادوها لظلمها وبغيها لا كرهاً لها وعدواناً عليها، ولو هي عاشت عشراً أو عشرين أو سبعين أو ثمانين عاماً، فهل تعيش الدهر كله؟ وما سبعون أو ثمانون عاماً في أعمار الأمم؟. لقد بقي الاستعمار البرتغالي في أنغولا وموزانبيك مثلا خمسمائة سنة فهل استمر الاستعمار البرتغالي لأنغولا وموازنبيق؟ وقُسِّمَتْ بولونيا (بولندا) مرات وتقاسم جيرانها أجزاءها ثم عادت بولونيا، بل لقد غزا ديار الشام من هم أكثر من اليهود عَدداً وأقوى جنداً وعُدداً وأقاموا فيها دولاً عاشت دهراً، ثم دالت هذه الدول وعادت إلى الأرض أصحابها، أما بقيت القدس قرابة قرن من الزمان بيد الصليبيين، فهل دام في القدس حكم الصليبيّين؟

إن القوة المادية لا بد منها، والله أمرنا باتخاذ أسبابها فقال: {وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ} جاء لفظ القوة منكراً ليشمل كل قوة كانت أو تكون، نُعِدُّ كل ما قدرنا
দুই বা তিন মিলিয়ন, কিন্তু তারা কখনোই সেই সংখ্যায় পৌঁছাতে পারবে না। পৃথিবীর পরিধির এক-তৃতীয়াংশ ব্যাপি বিস্তৃত এমন এক জনসমুদ্রের মাঝে কি টিকে থাকা সম্ভব যেখানে একশ কোটি মানুষ বাস করে এবং তারা সকলেই তার শত্রু? তারা তাকে শত্রু হিসেবে গণ্য করেছে তার জুলুম ও সীমালঙ্ঘনের কারণে, নিছক ঘৃণা বা শত্রুতা বশত নয়। আর সে যদি দশ, বিশ, সত্তর বা আশি বছর টিকেও থাকে, তবে সে কি অনন্তকাল বেঁচে থাকবে? জাতিসমূহের জীবনপ্রবাহে সত্তর বা আশি বছরই বা কী? উদাহরণস্বরূপ, পর্তুগিজ উপনিবেশ অ্যাঙ্গোলা ও মোজাম্বিকে পাঁচশ বছর বিদ্যমান ছিল; তবে কি অ্যাঙ্গোলা ও মোজাম্বিকে পর্তুগিজ উপনিবেশের ধারাবাহিকতা রক্ষা পেয়েছে? পোল্যান্ডকে (بولندا) বহুবার বিভক্ত করা হয়েছে এবং তার প্রতিবেশীরা এর অংশগুলো নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিয়েছে, কিন্তু পোল্যান্ড পুনরায় তার অস্তিত্ব ফিরে পেয়েছে। এমনকি ইহুদিদের তুলনায় সংখ্যায় বহুগুণ বেশি এবং সমরশক্তিতে ও যুদ্ধসম্ভারে অনেক বেশি শক্তিশালী বাহিনী শাম ভূখণ্ড আক্রমণ করেছিল এবং সেখানে রাষ্ট্রসমূহ কায়েম করেছিল যা দীর্ঘকাল টিকে ছিল। অতঃপর সেই রাষ্ট্রগুলোর পতন ঘটে এবং ভূমি তার প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরে আসে। জেরুজালেম কি প্রায় এক শতাব্দীকাল ক্রুসেডারদের হস্তগত ছিল না? তবে কি জেরুজালেমে ক্রুসেডারদের শাসন স্থায়ী হয়েছিল?

জাগতিক শক্তি অর্জন করা অপরিহার্য এবং আল্লাহ তাআলা আমাদের এর উপকরণ সংগ্রহের নির্দেশ দিয়ে ইরশাদ করেছেন: "তোমরা তাদের মোকাবিলার জন্য তোমাদের সাধ্যমতো শক্তি প্রস্তুত করো।" এখানে 'শক্তি' শব্দটি অনির্দিষ্ট (نكرة) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যাতে তা অতীত বা ভবিষ্যতে সম্ভবপর সকল প্রকার শক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে। আমরা আমাদের সাধ্যানুযায়ী সবকিছু প্রস্তুত করব।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৪)
عليه، وما استطعنا الوصول إليه، لكن النصر ليس موقوفاً عليه، ولا مرتبطاً حتماً به، بيَّن لنا ربنا أنها لمجرد الإرهاب: {تُرْهِبُونَ بِهِ عَدُوَّ اللَّهِ وَعَدُوَّكُمْ} أما النصر {وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ} إنها بشارة وتطمين: {وَمَا جَعَلَهُ اللَّهُ إِلَّا بُشْرَى لَكُمْ وَلِتَطْمَئِنَّ قُلُوبُكُمْ بِهِ وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ}، إنه ربما نصر الله الفئة الأقل عدداً، والأضعف سلاحاً {كَمْ مِنْ فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَةً بِإِذْنِ اللَّهِ} {وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ} {وَيَوْمَ حُنَيْنٍ إِذْ أَعْجَبَتْكُمْ كَثْرَتُكُمْ فَلَمْ تُغْنِ عَنْكُمْ}.

إن أقوى أسلحة النصر، الإيمان، حتى الإيمان بالجبت والطاغوت إنه يكسب صاحبه النصر العاجل كقصة أهل فيتنام مع أقوى دولة في الأرض الأميركان، فإن كان إيماناً حقاً إيماناً بالله وملائكته وكتبه ورسله، ضمن النصر الكامل والدليل روسيا والأفغان، إن في داخل النفوس شيئاً اسمه (القوَّة المدخرة) طالما تكلمت عنها، تظهر في
তার ওপর এবং যা আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি; কিন্তু বিজয় কেবল তার ওপর নির্ভরশীল নয় এবং তা অনিবার্যভাবে তার সাথে সম্পৃক্তও নয়। আমাদের প্রতিপালক আমাদের নিকট স্পষ্ট করেছেন যে, এটি শুধুমাত্র শত্রুকে আতঙ্কিত করার জন্য: {এর মাধ্যমে তোমরা আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে আতঙ্কিত করবে}। পক্ষান্তরে সাহায্য সম্পর্কে বলা হয়েছে {আর সাহায্য কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে}। এটি মূলত সুসংবাদ ও চিত্তস্থৈর্যের মাধ্যম: {আল্লাহ একে তোমাদের জন্য কেবল সুসংবাদ হিসেবেই নির্ধারণ করেছেন এবং যাতে এর মাধ্যমে তোমাদের অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। আর সাহায্য কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে}। সম্ভবত আল্লাহ এমন দলকে বিজয় দান করেন যারা সংখ্যায় অল্প এবং সমরাস্ত্রে দুর্বল: {কতই না ক্ষুদ্র দল আল্লাহর ইচ্ছায় বৃহৎ দলের ওপর বিজয়ী হয়েছে} {আর আল্লাহ অবশ্যই বদরের যুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করেছিলেন যখন তোমরা হীনবল ছিলে} {এবং হুনাইনের যুদ্ধের দিন যখন তোমাদের সংখ্যাধিক্য তোমাদের উৎফুল্ল করেছিল কিন্তু তা তোমাদের কোনো কাজে আসেনি}।

বিজয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো ঈমান; এমনকি মিথ্যা উপাস্য ও তাগুতের ওপর বিশ্বাসও তার অধিকারীকে তাৎক্ষণিক বিজয় এনে দেয়, যেমন পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র আমেরিকার বিরুদ্ধে ভিয়েতনামের জনগণের কাহিনী। আর যদি তা আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসুলগণের প্রতি প্রকৃত ঈমান হয়, তবে তা পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয়; যার প্রমাণ রাশিয়া ও আফগান। মানুষের অন্তরাত্মার গভীরে 'সঞ্চিত শক্তি' নামক একটি বিষয় রয়েছে যা নিয়ে আমি দীর্ঘকাল আলোচনা করেছি, তা প্রকাশ পায়...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৫)
الشدائد، وعند الاضطرار، وساعة اليأس، إن الهرة إن استيأست تهجم على الذئب، بل إن الدجاجة لتحمي أفراخها تجرؤ على الكلب العصور، إن الرجل الذي يروح إلى داره تعبان، جوعان لا يبتغي إلا كرسياً يلقي بجسده عليه إذا رأى الدار قد شبت فيها النار، أو رأى الصغار تَحفُّ بهم الأخطار، نسي تعبه وجوعه وصبَّت القوة في أضاعه صبّاً، فمن أين جاءت تلك القوة، إنها (القوة المدخرة)، إن الذي لا يستطيع أن يَعْدُو مئة متر، إذا لحقه سبع ضار أو مجرم مسلح ولم يجد مخلصا إلا الهرب يركض نصف ساعة، إن الإيمان يثير هذه القوة المدخرة، لذلك كانت العزَّة ة لله ولرسوله وللمؤمنين.

وما نسمعه ونقرؤه من أنباء المجاهدين في الأفغان، وما يصنع أطفال الحجارة في فلسطين كثير من أمثالها.

إن اللص الذي ينام ويده على سلاحه لا يستطيع من الخوف أن يستسلم للمنام، فكيف يشعر اليهود بالأمن والاستقرار في فلسطين ونحن لهم بالمرصاد، وكلما ولد
বিপদ-আপদ, নিরুপায় অবস্থা এবং চরম হতাশার মুহূর্তে; বিড়াল যখন নিরাশ হয়ে পড়ে, সে নেকড়ের ওপরও ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমনকি একটি মুরগিও তার ছানাদের রক্ষার্থে হিংস্র কুকুরের মোকাবিলা করার সাহস দেখায়। যে ব্যক্তি অত্যন্ত ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘরে ফিরে কেবল একটি চেয়ার খোঁজে যাতে সে তার পরিশ্রান্ত শরীরটি এলিয়ে দিতে পারে, সে যদি হঠাৎ দেখে ঘরে আগুন লেগেছে অথবা তার ছোট ছোট সন্তানরা বিপদে পরিবেষ্টিত, তবে সে নিজের ক্লান্তি ও ক্ষুধা ভুলে যায় এবং তার দেহের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অকস্মাৎ প্রবল শক্তির সঞ্চার ঘটে। এই শক্তি কোথা থেকে এল? এটি হলো (সঞ্চিত শক্তি)। যে ব্যক্তি একশ মিটার দৌড়াতে পারে না, সে-ই যদি কোনো হিংস্র শিকারি প্রাণী বা সশস্ত্র অপরাধীর তাড়া খায় এবং পালানো ছাড়া আত্মরক্ষার আর কোনো পথ না পায়, তবে সে আধ ঘণ্টা ধরে দৌড়াতে পারে। ঈমান এই সঞ্চিত শক্তিকে জাগ্রত করে; এ কারণেই সমস্ত সম্মান ও মর্যাদা কেবল আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মুমিনদের জন্য নির্দিষ্ট।

আফগানিস্তানের মুজাহিদদের সংবাদে আমরা যা শুনি ও পড়ি এবং ফিলিস্তিনের ‘শিশুরা পাথর দিয়ে যা করছে’—এগুলো এ ধরনের বহু উদাহরণের অন্তর্ভুক্ত।

যে চোর নিজের অস্ত্রের ওপর হাত রেখে ঘুমায়, সে ভয়ের কারণে শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। এমতাবস্থায় ইহুদিরা ফিলিস্তিনে কীভাবে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অনুভব করতে পারে, যখন আমরা তাদের অপেক্ষায় ওঁৎ পেতে আছি? আর যখনই কেউ জন্ম নেয়...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৬)
مولود منّا لقنّاه مع لبن الأم الاستعداد لحربهم وتطهير أرضينا من رجسهم؟

ونحن أكثر من اليهود عَدداً، وعندنا من العدد والعلم الذي يصنع العُدد مثل الذي عندهم، إن لم نكن نملك منه أكثر مما يملكون هم، ثم إن عندنا ما ليس عندهم، عندنا الحق الذي نؤمن به، ونقاتل دونه، وما عندهم إلا الباطل، وأيُّ حق لهؤلاء في فلسطين وما هم ولا آباؤهم منها، ولا صلة لهم بها، ولا دينهم من دينها، وما لسانهم بلسانها، ولا هم أصدقاء أهلها، ولا يبتغون الخير لها.

وعندنا قبل ذلك وعد الله المؤمنين بالنصر وأن العاقبة لهم، فهل يغني عنهم وعد بلفور بإعطائهم أرضاً لا يملكها ولا معه وكالة من أهلها، وأي وعد الله من وعد بلفور؟ {وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُ إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدْتُكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ}.

لقد مرَّ يوم على هذه الأرض المسلمة كان فيها من الضعف والانقسام أكثر مما نراه فيها الآن، أيام الحروب
আমাদের মাঝে জন্ম নেওয়া এমন কোনো নবজাতক কি আছে, যাকে আমরা মাতৃদুগ্ধের সাথেই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ এবং আমাদের ভূমিকে তাদের অপবিত্রতা থেকে মুক্ত করার দীক্ষা দেইনি?

আর আমরা সংখ্যায় ইহুদিদের চেয়ে অনেক বেশি এবং আমাদের কাছে সেই জনবল ও জ্ঞান রয়েছে যা দিয়ে যুদ্ধোপকরণ তৈরি করা যায়, যেমনটি তাদের কাছে রয়েছে; বরং আমাদের কাছে তাদের চেয়ে বেশিও থাকতে পারে। অধিকন্তু, আমাদের কাছে এমন কিছু রয়েছে যা তাদের নেই; আমাদের কাছে রয়েছে সেই সত্য যার ওপর আমরা বিশ্বাস রাখি এবং যার তরে আমরা লড়াই করি। পক্ষান্তরে তাদের কাছে মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নেই। ফিলিস্তিনের ওপর এই লোকদের কিসের অধিকার? তারা কিংবা তাদের পিতৃপুরুষেরা কেউই এ দেশের অধিবাসী ছিল না, এ ভূমির সাথে তাদের কোনো যোগসূত্র নেই, তাদের ধর্ম এ দেশের ধর্মের সদৃশ নয়, তাদের ভাষাও এ দেশের ভাষা নয়, তারা এখানকার অধিবাসীদের বন্ধুও নয় এবং তারা এর কোনো কল্যাণও কামনা করে না।

আর এর আগে আমাদের কাছে রয়েছে মুমিনদের প্রতি সাহায্যের আল্লাহর প্রতিশ্রুতি এবং এই সুসংবাদ যে, চূড়ান্ত পরিণাম তাদেরই অনুকূলে থাকবে। এমতাবস্থায় বেলফোর ঘোষণা তাদের কী উপকারে আসবে—যেখানে সে এমন এক ভূমি তাদের প্রদানের অঙ্গীকার করছে যার মালিকানা তার নেই এবং এ ভূমির অধিবাসীদের পক্ষ থেকে তার কোনো প্রতিনিধিত্ব করার অধিকারও নেই? আর বেলফোর ঘোষণার তুলনায় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কতই না সুমহান! {আর যখন সকল বিষয়ের ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে: নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং আমিও তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, অতঃপর আমি তোমাদের সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করেছি।}

এই মুসলিম ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে এমন এক সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন এখানকার দুর্বলতা ও অনৈক্য বর্তমানে আমরা যা দেখছি তার চেয়েও প্রকট ছিল; সেই যুদ্ধবিগ্রহের দিনগুলোতে...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৭)
الصليبية، لما كان في سورية يومئذٍ من الدول بمقدار ما فيها من المدن، وكان النزاع قائماً بينها، وكان في قرية شيزر (قرب حماه) دولة، وفي صرخد (ويدعونها اليوم صلخد في جبل الدروز) دولة، وكان الساحل كله بيد الصليبين، فما هي إلّا أن نهض عماد الدين، ثم نور الدين، ثم صلاح الدين فنشروا راية الإسلام، وضربوا بسيف محمد حتى غدا الانقسام وحدة، والضعف قوة، والمغلوب غالباً، وكذلك يصنع الإسلام في كل زمان ومكان، هذه الجزيرة. ألا تذكرون كيف كانت من مئتي سنة وكيف صارت الآن؟ أما كانت في الرياض دولة، وفى منفوحه (وهي الآن من أحياء الرياض) دولة أخرى، أحداهما كان من دعوة التوحيد، والأخرى عليها؟

لا ليست معركتنا معْ الْيهوْد، ومتى كان اليهود أهل قتال؟ أيام قال لهم رسولهم: قاتلوا، فقالوا: اذهب أنت وربك فقاتلا، أم يوم دعاهم إلى الفتح وقد مهَّد الله لهم أسبابه، وفتح لهم بابه، فارتجفوا كالشياه المذعورة وقالوا: {إِنَّ فِيهَا قَوْمًا جَبَّارِينَ وَإِنَّا لَنْ نَدْخُلَهَا حَتَّى يَخْرُجُوا مِنْهَا فَإِنْ
ক্রুসেডারদের সেই সময়কার কথা, যখন সিরিয়ায় ততগুলোই রাষ্ট্র ছিল যতগুলো শহর ছিল এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিবাদ বিদ্যমান ছিল। শাইজার গ্রামে (হামার নিকটবর্তী) একটি রাষ্ট্র ছিল এবং সারখাদে (যাকে বর্তমানে জাবাল আল-দুরুজের সালখাদ বলা হয়) একটি রাষ্ট্র ছিল। আর সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চল ছিল ক্রুসেডারদের করায়ত্ত। অতঃপর ইমাদউদ্দিন, এরপর নুরুদ্দিন এবং পরবর্তীতে সালাহউদ্দিনের উত্থান ঘটল; তারা ইসলামের পতাকা উড্ডীন করলেন এবং মুহাম্মাদ (সা.)-এর তলোয়ার দ্বারা এমনভাবে আঘাত হানলেন যে, বিভক্তি ঐক্যে, দুর্বলতা শক্তিতে এবং বিজিত পক্ষ বিজয়ীতে রূপান্তরিত হলো। ইসলাম এভাবেই প্রতি যুগে ও প্রতি স্থানে বিজয় ছিনিয়ে আনে। এই উপদ্বীপের কথাই ধরুন—আপনারা কি স্মরণ করেন না দুইশ বছর আগে এটি কেমন ছিল এবং বর্তমানে কেমন হয়েছে? রিয়াদে কি একটি রাষ্ট্র ছিল না এবং মানফুহায় (যা বর্তমানে রিয়াদের একটি এলাকা) কি আরেকটি রাষ্ট্র ছিল না? যাদের একজন ছিল তাওহিদের দাওয়াতের স্বপক্ষে, আর অন্যজন ছিল তার বিপক্ষে?

না, ইহুদিদের সাথে আমাদের লড়াই নয়; আর ইহুদিরা কবেই বা রণনিপুণ জাতি ছিল? সেই সময়ের কথা যখন তাদের রাসুল তাদের বলেছিলেন: ‘তোমরা যুদ্ধ করো’, তখন তারা বলেছিল: ‘আপনি এবং আপনার প্রতিপালক গিয়ে যুদ্ধ করুন’। অথবা সেই দিনের কথা যখন তিনি তাদের বিজয়ের দিকে আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং আল্লাহ তাদের জন্য বিজয়ের সকল উপকরণ ও দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন, তখন তারা ভীত-সন্ত্রস্ত মেষপালের ন্যায় প্রকম্পিত হয়ে বলেছিল: {নিশ্চয়ই সেখানে এক শক্তিশালী জাতি রয়েছে এবং তারা সেখান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত আমরা কখনোই সেখানে প্রবেশ করব না; তবে যদি...}
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৮)
يَخْرُجُوا مِنْهَا فَإِنَّا دَاخِلُونَ} [المائدة: 22].

هذه بطولاتهم، يريدون من يحارب عنهم، من يُخرج لهم العدوَّ من القلعة ليدخلوها فاتحين، وما تبدلت حالهم، إنهم لا يزالون كما كانوا، إنهم يقاتلون بسلام سواهم، ويلوحون بقوة غيرهم.

على أن قضية فلسطين لن تموت لأنها عقيدة في قلب كل مسلم، هل سمعتم أو قرأتم أن عقيدة يحملها في قلبه ألف مليون يمكن أن تموت. إن الناس يموتون في سبيل العقيدة، وما ماتت عقيدة قطّ من أجل حياة إنسان، إنها ليست قضية أهل الضفة والقطاع، إلى متى تقولون: الضفة والقطاع، إنها فلسطين، إن اليهود يريدون أن يُنسى اسم فلسطين، فلا تكونوا عوناً لهم على ما يريدون.

ليست قضية أهل فلسطين وحدهم، ولا قضية العرب، لماذا تسمونها عربية، وفي العرب من لا يرى فيها رأيكم ولا يدين بدينكم، ومن قد يكون هواه مع عدوكم، ولمَ لا تجعلونها إسلامية؟ إن أيدي المسلمين جميعاً تمتد إليكم
{...তারা সেখান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত আমরা সেখানে প্রবেশ করব না} [আল-মায়িদাহ: ২২]।

এই হলো তাদের বীরত্ব; তারা চায় এমন কাউকে যে তাদের হয়ে যুদ্ধ করবে, যে তাদের জন্য দুর্গ থেকে শত্রুকে বের করে দেবে যাতে তারা বিজয়ী বেশে সেখানে প্রবেশ করতে পারে। তাদের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি; তারা এখনো তেমনই আছে যেমনটি আগে ছিল। তারা অন্যের মাধ্যমে অর্জিত শান্তিতে লড়াই করে এবং অন্যের শক্তির আস্ফালন দেখায়।

তবে ফিলিস্তিন ইস্যু কখনো বিলীন হবে না, কারণ এটি প্রত্যেক মুসলিমের হৃদয়ে প্রোথিত একটি বিশ্বাস (عقيدة)। আপনারা কি কখনো শুনেছেন বা পড়েছেন যে, শত কোটি মানুষের হৃদয়ে লালিত কোনো বিশ্বাস (عقيدة) কখনো মৃত্যুবরণ করতে পারে? মানুষ বিশ্বাসের (عقيدة) জন্য জীবন উৎসর্গ করে, কিন্তু কোনো মানুষের জীবনের বিনিময়ে বিশ্বাস (عقيدة) কখনো বিলুপ্ত হয়নি। এটি কেবল পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার অধিবাসীদের সমস্যা নয়। কতদিন আপনারা একে 'পশ্চিম তীর ও গাজা' বলতে থাকবেন? এটি হলো ফিলিস্তিন। ইহুদিরা চায় ফিলিস্তিন নামটি যেন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যায়, সুতরাং তারা যা চায় তা অর্জনে আপনারা তাদের সহযোগী হবেন না।

এটি কেবল ফিলিস্তিনিদের একার সমস্যা নয়, এমনকি কেবল আরবদেরও সমস্যা নয়। কেন আপনারা একে 'আরবীয় সমস্যা' বলছেন? আরবদের মধ্যে এমন অনেকে আছে যারা এই বিষয়ে আপনাদের সমমনা নয় এবং আপনাদের দ্বীন বা আদর্শের অনুসারী নয়, বরং কারো কারো ঝোঁক হয়তো আপনাদের শত্রুর দিকে। কেন আপনারা একে ইসলামী ইস্যু হিসেবে গ্রহণ করছেন না? নিশ্চয়ই সমস্ত মুসলিমের হাত আপনাদের দিকে প্রসারিত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ২৯)
لتكون معكم إن جعلتموها جهاداً في سبيل الله، ودفاعاً عن المسجد الأقصى، والأرض التي باركها الله حوله، فلماذا لا تصافحون هذه الأيدي فتصير مع أيديكم يداً واحدة على عدوهم وعدوكم.

يقول الله: {إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ} فالنصر مقرون بطاعة الله، فلما بعدنا عنها، ابتعد النصر عنا، حتى إذا عدنا فدنونا منها قليلاً في حرب رمضان سنة 1973، دنا منا.

لما كان هتافنا (أمجاد يا عرب أمجاد) لم تنصرنا أمجاد العرب، لأن مجد العرب الحق ولد يوم ولد محمد، لولا محمد لم يكن للعرب إلّا المعلقات، وقصر غمدان، ومعارك بين القبائل، لم تبن مجداً، ولا خلدت ذكراً، ومآثر لم تدر بها روما ولا القسطنطينية ولا مدائن كسرى، فلما جاءهم محمد بالإسلام جعلهم به سادة الأرض وأساتذتها وجعل منهم مُثُلَ البشرية العليا في الفضائل والمفاخر، حتى إذا كانت معركة رمضان وذكرنا النشيد العلوي الذي كنا
যাতে এটি আপনাদের সাথে থাকে যদি আপনারা একে আল্লাহর পথে জিহাদ হিসেবে গ্রহণ করেন এবং মসজিদুল আকসা ও তার চারপাশের বরকতময় ভূমির প্রতিরক্ষায় নিবেদিত হন। তবে কেন আপনারা এই হাতগুলোর সাথে হাত মেলাচ্ছেন না, যাতে সেগুলো আপনাদের হাতের সাথে মিলে তাদের এবং আপনাদের শত্রুর বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী হাতে পরিণত হয়?

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন: {যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য করো, তবে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন}। সুতরাং বিজয় আল্লাহর আনুগত্যের সাথে সম্পৃক্ত। যখন আমরা তা থেকে দূরে সরে গেলাম, বিজয়ও আমাদের থেকে দূরে সরে গেল। অবশেষে যখন আমরা ফিরে এলাম এবং ১৯৭৩ সালের রমজান যুদ্ধে সেই আনুগত্যের কিছুটা নিকটবর্তী হলাম, বিজয়ও আমাদের নিকটবর্তী হলো।

যখন আমাদের স্লোগান ছিল (হে আরবদের গৌরব, হে গৌরব), তখন আরবদের সেই গৌরব আমাদের বিজয় এনে দেয়নি। কারণ আরবদের প্রকৃত গৌরবের জন্ম হয়েছিল সেই দিন, যেদিন মুহাম্মাদ-এর জন্ম হয়েছিল। যদি মুহাম্মাদ না আসতেন, তবে আরবদের জন্য মুআল্লাকাত, গামদান প্রাসাদ এবং গোত্রীয় সংঘাত ছাড়া আর কিছুই থাকত না; যা কোনো গৌরব নির্মাণ করেনি, কোনো স্মৃতিকে অমর করেনি এবং এমন কোনো কীর্তিও স্থাপন করেনি যা রোম, কনস্টান্টিনোপল কিংবা কিসরার মাদায়েন নগরী জানত। অতঃপর যখন মুহাম্মাদ তাদের নিকট ইসলাম নিয়ে এলেন, তখন তিনি এর মাধ্যমে তাদের পৃথিবীর অধিপতি ও শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুললেন এবং তাদের মানবজাতির জন্য শ্রেষ্ঠ চারিত্রিক গুণাবলি ও গৌরবের এক সুউচ্চ আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেন। এমনকি যখন রমজানের যুদ্ধ সংঘটিত হলো এবং আমরা সেই সুউচ্চ ধ্বনির কথা স্মরণ করলাম যা আমরা ছিলাম...
(খণ্ড: ১) কিসসাতুনা মায়াল ইয়াহুদ (পৃষ্ঠা: ৩০)
نهتف به من قبل نشيد (الله أكبر) وضعنا أقدامنا على طريق النصر.

كنا كلما عَدَتْ إسرائيل علينا فزعنا إلى (مجلس الأمن) كما يصنع التلميذ الضعيف في المدرسة يضربه الأقوياء فيذهب إلى الأستاذ: أستاذ (فلان ضربني) فيقول الأستاذ للضارب: (عيب يا ولد لا تضرب رفيقك) ويغمز بعينه يقول له: لا تخف أنا معك لن ينالك أذى. كأن مجلس الأمن إنما أُنشىء ليكفل الأمن لإسرائيل وحدها. وهذا الولد المدلل قريب المدير فهو يُؤْثره على الأولاد، ويعنى به من دونهم، فكان يتعدى على الكبار فلا يستطيعون أن يردوه خوفاً من المدير، حتى تمرَّد الولد وطغى وضاق بهم الصدر ونفذ الصبر فأمسكوا به، فشدوا أذنه وصفعوا خده، وضربوه بالنعل، وقالوا له: اذهب أنت الآن فاشتك.

…

 

‌‌وبعدُ، فأنا رجل معتزل. كنت من أيام شبابي أمضي جُل وقتي في داري، عاكفاً على كتبي، وقد زاد ذلك بي
আমরা আগে থেকেই যে ধ্বনি (আল্লাহু আকবার) দিয়ে আসছিলাম, তার মাধ্যমে আমরা বিজয়ের পথে পা রেখেছি।

যখনই ইসরায়েল আমাদের ওপর চড়াও হতো, আমরা (নিরাপত্তা পরিষদ)-এর কাছে ছুটে যেতাম; ঠিক যেমন স্কুলের একজন দুর্বল (ضعيف) ছাত্র করে থাকে—যাকে শক্তিশালীরা মারধর করলে সে শিক্ষকের কাছে গিয়ে বলে: "শিক্ষক, (অমুক আমাকে মেরেছে)।" তখন শিক্ষক প্রহারকারীকে বলেন: "(ছিঃ বাছা, তোমার সহপাঠীকে মেরো না)" আর সেই সাথে তাকে চোখ টিপে ইশারা করে বলেন: "ভয় পেয়ো না, আমি তোমার সাথেই আছি, তোমার কোনো ক্ষতি হবে না।" মনে হয় যেন নিরাপত্তা পরিষদ কেবল ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর এই আদুরে ছেলেটি হলো পরিচালকের নিকটাত্মীয়, তাই তিনি অন্য ছেলেদের তুলনায় তাকেই বেশি প্রাধান্য দেন এবং অন্যদের বাদ দিয়ে কেবল তার প্রতিই যত্নশীল হন। ফলে সে বড়দের ওপরও সীমা লঙ্ঘন করত, আর তারা পরিচালকের ভয়ে তাকে বাধা দিতে পারত না। অবশেষে ছেলেটি যখন অবাধ্য হয়ে উঠল এবং ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করল, তখন তাদের সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল এবং ধৈর্যচ্যুতি ঘটল; তারা তাকে পাকড়াও করল, তার কান মলে দিল, গালে চড় মারল এবং জুতো দিয়ে পিটিয়ে বলল: "এখন যাও, গিয়ে নালিশ করো।"

…

 

‌‌অতঃপর কথা হলো, আমি একজন নিভৃতচারী মানুষ। আমার যৌবনকাল থেকেই আমি আমার সময়ের অধিকাংশ সময় ঘরে কাটাতাম, বইপত্রের ওপর নিবিষ্ট থাকতাম; আর এই অভ্যাসটি আমার মাঝে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।