(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: -)
شرح الفارضي على ألفية ابن مالك القسم: النحو والصرف
الكتاب: شرح الإمام الفارضي على ألفية ابن مالك
المؤلف: العلامة شمس الدين محمد الفارضي الحنبلي (ت 981 هـ)
المحقق: أبو الكميت، محمد مصطفى الخطيب
الناشر: دار الكتب العلمية، لبنان - بيروت
الطبعة: الأولى، 1439 هـ - 2018 م
عدد الأجزاء: 4
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 6 شعبان 1442
আলফিয়্যাহ ইবনে মালিকের ওপর আল-ফারিদ্বীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ বিভাগ: নাহু ও সারফ
গ্রন্থ: আলফিয়্যাহ ইবনে মালিকের ওপর ইমাম আল-ফারিদ্বীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ
লেখক: আল্লামা শামসুদ্দীন মুহাম্মদ আল-ফারিদ্বী আল-হাম্বলী (মৃ. ৯৮১ হি.)
সম্পাদক: আবুল কুমাইত, মুহাম্মদ মুস্তাফা আল-খাতীব
প্রকাশক: দার আল-কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, লেবানন - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৯ হি. - ২০১৮ খ্রি.
খণ্ড সংখ্যা: ৪
[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৬ শাবান ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১)
شَرْحُ الإِمَامُ الفَارِضي
عَلَى
أَلفيَّة ابْن مَالِك
ইমাম আল-ফারিজীর ব্যাখ্যা
উপরে
ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২)
الكتاب: شرح الإمام الفارضي على ألفية ابن مالك
التصنيف: نحو
المؤلف: العلامة شمس الدين محمد الفارضي الحنبلي
المحقق: محمد مصطفى الخطيب
الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت
عدد الصفحات (4 أجزاء / 4 مجلدات)
قياس الصفحات 17* 24 سم
سنة الطباعة 1439 هـ - 2018 م
بلد الطباعة لبنان
الطبعة الأولى (لونان)
جميع الحقوق الملكية الأدبية والفنية محفوظة لدار الكتب العلمية
بيروت - لبنان ويحظر طبع أو تصوير أو ترجمة أو إعادة تنضيد الكتاب
كاملا أو مجزأ أو تسجيله على أشرطة كاسيت أو إدخاله على الكمبيوتر
أو برمجته على أسطوانات ضوئية أو تحميله على صفحات الإنترنت بأي شكل
من الأشكال إلا بموافقة الناشر خطيًا.
গ্রন্থ: আলফিয়্যাহ ইবনু মালিকের ওপর ইমাম আল-ফারিজি কৃত ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শারহ)
বিভাগ: নাহু (ব্যাকরণ)
লেখক: আল্লামা শামসুদ্দিন মুহাম্মদ আল-ফারিজি আল-হাম্বলি
সম্পাদক: মুহাম্মদ মুস্তফা আল-খাতিব
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত
পৃষ্ঠা সংখ্যা (৪ খণ্ড / ৪ ভলিউম)
পৃষ্ঠার মাপ ১৭* ২৪ সেমি
মুদ্রণ বর্ষ ১৪৩৯ হিজরি - ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
মুদ্রণ দেশ লেবানন
প্রথম সংস্করণ (দ্বিবর্ণ)
যাবতীয় সাহিত্যিক ও শৈল্পিক স্বত্ব দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহর জন্য সংরক্ষিত
বৈরুত - লেবানন। এই গ্রন্থের সম্পূর্ণ বা আংশিক পুনর্মুদ্রণ, ফটোকপি, অনুবাদ বা পুনরায় বিন্যাস (টাইপসেটিং) করা নিষিদ্ধ
অথবা ক্যাসেট ফিতায় রেকর্ড করা কিংবা কম্পিউটারে প্রবেশ করানো
অথবা অপটিক্যাল ডিস্কে প্রোগ্রাম করা বা ইন্টারনেটের পাতায় যে কোনোভাবে আপলোড করা
প্রকাশকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোনো রূপেই তা করা যাবে না।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৩)
شَرْحُ الإِمَامُ الفَارِضي
عَلَى
أَلفِيَّة ابْن مَالِك
للعلامة المحقق والفهامة المدقق
شمس الدين محمد الفرضي الحَنبلي
المتوفى سنة 981 هـ
حقق وعلق عليه
أبو الكميت
محمد مصطفى الخطيب
نسخة نفيسة وَفريدة بخَطّ المؤلّف
الجزء الأول
دار الكتب العلمية
ইমাম ফারিদি কৃত ব্যাখ্যা
এর ওপর
আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক
মহাজ্ঞানী গবেষক ও সূক্ষ্মদর্শী পণ্ডিত
শামসুদ্দিন মুহাম্মদ আল-ফারদি আল-হানবালি
মৃত্যু ৯৮১ হিজরি
সম্পাদনা ও টীকাভাষ্য প্রদান করেছেন
আবু আল-কুমাইত
মুহাম্মদ মুস্তফা আল-খতিব
লেখকের স্বহস্তে লিখিত এক মূল্যবান ও অনন্য পাণ্ডুলিপি
প্রথম খণ্ড
দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৫)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
اسِتهْلَالالحمدُ لِلَّه حمدًا أستجلِبُ بهِ مِنْهُ سبحانَهُ مَزيدَ فَضْلِهِ وَكَرَمِهِ، وأَشْكُرُه تعالى والشُّكرُ واجِبٌ على كُلِّ عَبْدٍ في حَالِ صِحَّتِهِ وَسَقَمِهِ.
وأسألُكَ رَبِّي وَسَيِّدِي وَخَلاقي أَنْ تُصَلِّي وَتُسَلِّم على قُرَّةِ عَيْني، وحَبيبِ فُؤادي، مَنْ بَعَثْتَهُ بالحقِّ هاديًا إلى سواء الصراط، فأخرجتنا به من مستنقع المعاصي والجهالات، فنوّر قلوبنا بالعلم، وسهّل أخلاقنا بالحلم، صلاة وسلامًا دائمين مدى الدهر، كلما ذكرك وذكره الذاكرون، وغفل عن ذكرك وذكره الغافلون، ورضي اللَّه عن آله وأصحابه والتابعين لهم بإحسان إلى يوم الدين، الذين نشروا رسالته، وحفظوا سيرته وهديه، وتمسكوا بتعاليم شرعه الحنيف.
كما وأسألك ربي أن تجعل حبك وحبه أحبَّ إليَّ من الماء البارد على الظمأ، وأسألك أن تجعل قلبي نابضًا بحبك وحبه، وأسألك أن تديم وَصْلَ حبلي بحبلك وحبلِه، وأن لا تذيقني مرارة المعصية والبعد عنك، بعدما أذقتني حلاوة طاعتك ووصلك، وأعوذ بنور وجهك من السلب بعد العطاء، والحَور بعد الكَور.
اللَّهُمَّ؛ إني أعوذ بنور وجهك أن أقول ما لا يرضيك عني، وأسألك التوفيق لما يكون موصلا إلى رضاك والجنة، في جوار حبيبك المصطفى، صلى الله عليه وسلم، وأسألك العفو والعافية، والمعافاة الدائمة في الدين والدنيا والآخرة، وأسألك أن تصلح لي ديني الذي هو عصمة أمري، ودنياي التي فيها معاشي، وآخرتي التي إليها معادي، وأسألك الوفاة على الإيمان، وحسن الختام، وسعادة الدارين يا رب العالمين، لي ولوالديّ ولزوجتي وأولادي ولجميع المسلمين، ولكل من قال: (آمين).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
প্রারম্ভিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এমন প্রশংসা যার মাধ্যমে আমি তাঁর পবিত্র সত্তার নিকট থেকে তাঁর অতিরিক্ত অনুগ্রহ ও করুণা কামনা করি। আমি মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি; আর সুস্থতা ও অসুস্থতা—সর্বাবস্থায় প্রত্যেক দাসের ওপর শুকরিয়া আদায় করা ওয়াজিব।
হে আমার প্রতিপালক, আমার মওলা এবং আমার স্রষ্টা! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনি দয়া ও শান্তি বর্ষণ করুন আমার চোখের মণি ও অন্তরের প্রিয়তমের ওপর, যাকে আপনি সত্যসহ সরল পথের দিশারি হিসেবে পাঠিয়েছেন; যাঁর মাধ্যমে আপনি আমাদের পাপ ও মূর্খতার পঙ্কিলতা থেকে বের করে এনেছেন। অতঃপর আমাদের অন্তরসমূহকে জ্ঞান দ্বারা আলোকিত করেছেন এবং আমাদের চরিত্রকে সহনশীলতা দ্বারা কোমল করেছেন। এমন দয়া ও শান্তি যা অনন্তকাল অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ স্মরণকারীরা আপনাকে ও তাঁকে স্মরণ করবে এবং গাফেলরা আপনাকে ও তাঁকে স্মরণ করা থেকে বিমুখ থাকবে। আর আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ এবং কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসারী তাবিঈগণের ওপর, যাঁরা তাঁর রিসালাত প্রচার করেছেন, তাঁর সীরাত ও আদর্শকে সংরক্ষণ করেছেন এবং তাঁর সত্য দ্বীনের শিক্ষার ওপর অবিচল থেকেছেন।
আমি আরও প্রার্থনা করছি হে আমার প্রতিপালক, আপনি আপনার প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসাকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় শীতল পানির চেয়েও আমার কাছে অধিক প্রিয় করে দিন। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যে, আপনি আমার অন্তরকে আপনার ও তাঁর ভালোবাসায় স্পন্দিত রাখুন। আমি আপনার কাছে আপনার রশি এবং তাঁর রশির সাথে আমার সম্পর্কের রশিকে স্থায়ী করার প্রার্থনা করছি। আপনি আপনার আনুগত্য ও সান্নিধ্যের মাধুর্য আস্বাদন করানোর পর অবাধ্যতা ও আপনার থেকে দূরত্বের তিক্ততা আমাকে আস্বাদন করাবেন না। আমি আপনার চেহারার নূরের আশ্রয় প্রার্থনা করছি দান করার পর ছিনিয়ে নেওয়া থেকে এবং উন্নতির পর অবনতি থেকে।
হে আল্লাহ! আপনার সন্তুষ্টি নেই এমন কথা বলা থেকে আমি আপনার চেহারার নূরের আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে সেই তাওফীক প্রার্থনা করছি যা আপনার সন্তুষ্টি ও জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়, আপনার মনোনীত প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সান্নিধ্যে। আমি আপনার কাছে ক্ষমা, নিরাপত্তা এবং দ্বীন, দুনিয়া ও আখিরাতে চিরস্থায়ী কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আমার দ্বীনকে সংশোধন করে দেওয়ার জন্য যা আমার সমস্ত কাজের রক্ষাকবচ, আমার দুনিয়াকে সংশোধন করার জন্য যেখানে আমার জীবনোপকরণ রয়েছে এবং আমার আখিরাতকে সংশোধন করার জন্য যেখানে আমাকে ফিরে যেতে হবে। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি ঈমানের সাথে মৃত্যু, উত্তম সমাপ্তি এবং ইহকাল ও পরকালের সৌভাগ্য, হে জগতসমূহের প্রতিপালক! আমার জন্য, আমার পিতা-মাতার জন্য, আমার স্ত্রীর জন্য, আমার সন্তানদের জন্য এবং সমস্ত মুসলমানের জন্য এবং যারা 'আমীন' বলবে তাদের সকলের জন্য।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৭)
بَيْنَ يَدَيّ الكِتَابلما شرفني الحاج محمد علي بيضون حفظه اللَّه ورعاه، وأشار إليَّ أن أعمل في هذا السفر العظيم .. أحجمت قليلا في البداية، لما أعلم من قلة بضاعتي، وشُحِّ زادي في هذا الميدان، ولِمَا أعلم من صعوبة متن الألفية لدى الناس، وإحجامهم عن النهل من لذيذ شرابه، فللأسف كما قال صاحب الجوهرة:
لكن مِنَ التَّطْويلِ كلّتِ الهِمَمُ
… فَصَارَ فِيهِ الاخْتِصَارُ مُلتَزم
فقد كلّت هِمَم المسلمين اليوم عن الاهتمام بلغة قرآنهم، ودستور دينهم، الذي من دون علمهم بلغته لن يفقهوا شيئًا منه، ولن يميزوا بين حلاله وحرامه، كيف لا!! والمولى عز وجل يقول: {إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ}، ويقول: {إِنَّا جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ}، فعبثًا يحاول أن يفهم القرآن أو أن يلج إلى أحكامه مَن فقد شيئًا من ذلك، ولم يتعلّم العربية، ويكتشف أسرارها، ويغُصْ في معانيها!!
وقد كان أشياخنا يسمون هذه العلوم: علوم الآلة، وبوابة الدخول للعلوم الشرعية.
ثم استخرت اللَّه في إنجازه، فجاءت الإشارة بالبدء، فشمرت عن ساعد الجد، وركبت الذلول والصعاب للخوض في عبابه، وللنيل من عذب شرابه، كيف لا!! وأنا الذي بحمد اللَّه وفضله قد حفظت الألفية منذ كنت في الثانية عشر من عمري، وقرأت شرحها على الأشياخ الكرام، فقد أجازني فضيلة الشيخ الإمام، والحبر الهمام، والعالم الرباني، فضيلة الشيخ المرحوم عبد الرزاق الحلبي في شرح ابن عقيل على الألفية، وفي كتب أخرى.
গ্রন্থের ভূমিকাযখন আল-হাজ্জ মুহাম্মদ আলী বাইদুন (আল্লাহ তাকে হেফাযত করুন ও রক্ষা করুন) আমাকে সম্মানিত করলেন এবং এই মহান গ্রন্থের ওপর কাজ করার ইঙ্গিত দিলেন, তখন আমি শুরুতে কিছুটা ইতস্তত করেছিলাম। কারণ আমি আমার স্বল্প পুঁজি এবং এই ময়দানে আমার পাথেয়োর অভাব সম্পর্কে সচেতন ছিলাম। তাছাড়া মানুষের কাছে আলফিয়্যাহর মূল পাঠের কাঠিন্য এবং এর সুস্বাদু পানীয় থেকে পান করার প্রতি তাদের অনাগ্রহের বিষয়টিও আমার জানা ছিল। আফসোস, যেমনটি 'জাওহারা'র লেখক বলেছেন:
কিন্তু দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সংকল্পগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়েছে
… ফলে এতে সংক্ষিপ্তকরণ করা আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ মুসলমানদের সংকল্প তাদের কুরআনের ভাষা এবং তাদের দ্বীনের সংবিধানের প্রতি গুরুত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এর ভাষা জানা ছাড়া তারা এর কিছুই বুঝবে না এবং এর হালাল ও হারামের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে না। কেনই বা হবে না!! অথচ মহান রব বলছেন: "নিশ্চয়ই আমি একে আরবি কুরআন হিসেবে নাযিল করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পারো", তিনি আরও বলেন: "নিশ্চয়ই আমি একে আরবি কুরআন বানিয়েছি যাতে তোমরা বুঝতে পারো"। সুতরাং যে ব্যক্তি এর জ্ঞান হারিয়েছে, আরবি শেখেনি, এর রহস্য উদঘাটন করেনি এবং এর অর্থের গভীরে ডুব দেয়নি, তার পক্ষে কুরআন বোঝার চেষ্টা করা বা এর বিধানসমূহে প্রবেশ করা বৃথা!!
আমাদের উস্তাদগণ এই জ্ঞানসমূহকে 'উলূমুল আলাহ' বা সহায়ক শাস্ত্র এবং শরয়ী জ্ঞানসমূহে প্রবেশের প্রবেশদ্বার বলে অভিহিত করতেন।
অতঃপর আমি এটি সম্পন্ন করার ব্যাপারে আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করলাম, তখন শুরু করার ইঙ্গিত এলো। তাই আমি কঠোর পরিশ্রমের জন্য প্রস্তুত হলাম এবং এর অতল গহ্বরে প্রবেশ করতে ও এর সুপেয় সুধা আহরণ করতে সকল সহজ ও কঠিন পথ পাড়ি দিলাম। কেনই বা হবে না!! আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর অনুগ্রহে আমি মাত্র বারো বছর বয়স থেকেই আলফিয়্যাহ মুখস্থ করেছি এবং সম্মানিত উস্তাদগণের কাছে এর ব্যাখ্যা গ্রন্থগুলো পড়েছি। প্রখ্যাত ইমাম, প্রাজ্ঞ পণ্ডিত এবং রব্বানী আলিম, মরহুম শাইখ আবদুর রাজ্জাক আল-হালাবী আমাকে আলফিয়্যাহর ওপর ইবনে আকীলের ব্যাখ্যাগ্রন্থ এবং অন্যান্য কিতাবে ইজাযত প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৮)
ولما استعرضت الكتاب .. وجدت وعورة في عبارته، وصعوبة في مسالكه، فأردت أن أذلل الصعب، وأسهّل الحزَن، وأخذت على عاتقي أن أجعل العمل فيه مميزًا، وجعلت كل علامات الترقيم، والاهتمام بالتفقير أستاذًا يتلو على الطالب ويشرَح، فجاءت كل علامة من علامات الرقيم مُؤذِنة بوصل أو وقف، شارحة للمقصود من العبارة، ولم يأتِ فقرةً واحدة تثقل على الطالب بزخومة الموضوع، وتُولِجُه في مَهْمَهٍ وعر المسالك، مُغبَرّ الأرجاء.
فجاءت علامات الترقيم كشاخصات المرور التي ترشدك في المجاهل التي لا تدري عنها، ودليلا للوصول لغايتك.
وسيرى معي القارئ في طيات الكتاب أهمية ذلك، وسيجد ذلك واضحًا جليًا، وسيجد من تلقاء نفسه كيف أن علامات الترقيم جاءت شارحة للعبارة، مرشدة إلى المقصود.
وفي الحقيقة نبعت أهمية علامات الترقيم عندي منذ كنت طالبًا في التسعينيات من القرن السابق، عندما كنا نقرأ في الكتب على الأشياخ، وللأسف ما كنت أجد علامات الترقيم في محلّها، وإنما كنت أراها بنظري كتوابل وضعها المحقق أو المؤلف هكذا، فجاءت منكّهةً للكتاب
… لا مكوّنًا أساسيًا من أجزائه.
وصرت أرى في الحقيقة أن العمل في التحقيق يقتصر على: علامات الترقيم المناسبة، والمقابلة الجيدة للمخطوط.
فالمحقق عندما يعطيني نصًا مقابلا مقابلة دقيقة، تُنمُّ عن فهمه للعبارة التي يقرؤها، موشّى بعلامات ترقيم مرشدة لي أثناء قراءتي للكتاب .. يكون حينها قد أنعم عليّ وزاد.
ولكن ما حاجتي بالتعليقات إذا كان النص غير مضبوط ولا مقابل مقابلة جيدة.
ثم بعد ذلك يضنيك في فهم العبارة عندما لا يضع علامات الترقيم المناسبة في مكانها الصحيح.
وحدثنا أشياخنا أن علامة ترقيم قديمًا فكت رجلا من حبل المشنقة، وتوضيح
যখন আমি বইটি পর্যালোচনা করলাম, তখন এর অভিব্যক্তিতে রুক্ষতা এবং এর পথসমূহে জটিলতা খুঁজে পেলাম। তাই আমি কঠিনকে সহজ করার এবং বন্ধুর পথকে সুগম করার ইচ্ছা পোষণ করলাম। আমি এই কাজটিকে স্বতন্ত্র রূপ দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে নিলাম। আমি প্রতিটি বিরামচিহ্ন এবং অনুচ্ছেদ বিন্যাসকে এমন একজন শিক্ষকের রূপ দিয়েছি যে শিক্ষার্থীর সামনে পাঠ করে এবং ব্যাখ্যা করে। ফলে প্রতিটি বিরামচিহ্ন বিরতি বা সংযোগের সংকেত প্রদানকারী এবং বাক্যের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কোনো অনুচ্ছেদই এমন নয় যা বিষয়ের জটিলতার কারণে শিক্ষার্থীর জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে কিংবা তাকে কোনো দুর্গম, বন্ধুর ও ধূলিমলিন মরুপ্রান্তরে নিক্ষেপ করবে।
ফলে বিরামচিহ্নগুলো ট্রাফিক সংকেতের মতো হয়ে উঠেছে, যা আপনাকে অজানা পথে পথপ্রদর্শন করে এবং আপনার গন্তব্যে পৌঁছানোর নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে।
পাঠক আমার সাথে বইটির পরতে পরতে এর গুরুত্ব দেখতে পাবেন এবং এটি সুস্পষ্ট ও জাজ্বল্যমানভাবে অনুধাবন করবেন। তিনি নিজেই বুঝতে পারবেন কীভাবে বিরামচিহ্নগুলো বাক্যের ব্যাখ্যা দিচ্ছে এবং মূল উদ্দেশ্যের দিকে পথপ্রদর্শন করছে।
প্রকৃতপক্ষে, বিরামচিহ্নের গুরুত্ব আমার কাছে সেই গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশক থেকে জাগ্রত হয়েছে যখন আমি ছাত্র ছিলাম এবং আমরা শায়খদের কাছে কিতাব পড়তাম। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, আমি বিরামচিহ্নগুলোকে সঠিক স্থানে পেতাম না; বরং আমার দৃষ্টিতে সেগুলো মনে হতো যেন পাণ্ডুলিপি সম্পাদক বা লেখক কিছু মশলা ছড়িয়ে দিয়েছেন, যা বইটিকে কেবল স্বাদযুক্ত করেছে
… একে কিতাবের কোনো মৌলিক অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়নি।
আমি প্রকৃতপক্ষে মনে করি যে, পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার (তাহকীক) কাজ মূলত যথাযথ বিরামচিহ্ন প্রদান এবং পাণ্ডুলিপিটির উত্তম পাঠান্তরের (মুকাবালা) মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
একজন সম্পাদক যখন আমাকে এমন একটি নিখুঁতভাবে সম্পাদিত পাঠ প্রদান করেন যা তার পঠিত বাক্যের ওপর প্রজ্ঞার পরিচয় দেয় এবং যা পাঠের সময় আমাকে পথপ্রদর্শনকারী বিরামচিহ্ন দ্বারা সুশোভিত থাকে, তখন তিনি আমার ওপর অনুগ্রহ করেন এবং অধিক প্রদান করেন।
কিন্তু টীকা-টিপ্পনীর কী প্রয়োজন যদি মূল পাঠটিই সঠিক না হয় এবং যথাযথভাবে পাঠান্তর করা না হয়ে থাকে?
তদুপরি, যখন তিনি বিরামচিহ্নগুলো সঠিক স্থানে স্থাপন করেন না, তখন বাক্যের মর্ম উদ্ধার করতে গিয়ে পাঠককে ক্লান্ত হতে হয়।
আমাদের শায়খগণ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, অতীতে একটি বিরামচিহ্ন একজন ব্যক্তিকে ফাঁসির দড়ি থেকে মুক্ত করেছিল। এর ব্যাখ্যা হলো—
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৯)
ذلك في العبارة التالية عندما جاء قرار الملك إلى السجّان: (العفوُ مستحيلٌ إلى الإعدام).
والحقيقة أن كتاب والد السجين كان في آخره التماسًا من الملك بالعفو، فجاء القرار باستحالة العفو وتوجيهه إلى الإعدام.
ولكن والد السجين أخذ الكتاب باليد ووضع علامة ترقيم واحدة نجا به ابنه من حبل المشنقة، فجاءت العبارة على الشكل التالي: (العفو. مستحيلٌ إلى الإعدام!).
فكان مفاد العبارة: (قرار الحاكم العفو. مستحيلٌ أن يعدم هذا الرجل).
وكحّلت وزينت ذلك بالألوان .. وأرجو أن أكون قد وُفقت إلى ذلك، ونلت ما أردت.
وما توفيقي إلا باللَّه عليه توكلت وإليه أنيب.
এটি নিম্নোক্ত বাক্যাংশে প্রকাশ পেয়েছে যখন রাজার আদেশ কারারক্ষীর নিকট পৌঁছাল: (ক্ষমা অসম্ভব, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক)।
প্রকৃতপক্ষে বন্দীর পিতার আবেদনের শেষভাগে রাজার প্রতি ক্ষমার আর্জি ছিল, কিন্তু সিদ্ধান্ত এলো ক্ষমা অসম্ভব এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।
কিন্তু বন্দীর পিতা সেই চিঠিটি হাতে নিলেন এবং একটি মাত্র বিরামচিহ্ন বসিয়ে দিলেন যার মাধ্যমে তার পুত্র ফাঁসির কাষ্ঠ থেকে মুক্তি পেল। ফলে বাক্যটি নিম্নরূপ রূপ ধারণ করল: (ক্ষমা। মৃত্যুদণ্ড অসম্ভব!)।
বাক্যটির তাৎপর্য দাঁড়াল: (শাসকের সিদ্ধান্ত হলো ক্ষমা। এই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা অসম্ভব)।
আমি বিষয়টিকে বিভিন্ন রঙের মাধ্যমে সুশোভিত ও অলঙ্কৃত করেছি... এবং আমি আশা করি যে আমি এতে সফল হয়েছি এবং যা চেয়েছিলাম তা অর্জন করেছি।
আমার সক্ষমতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি প্রত্যাবর্তন করি।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১১)
الألْفِيَّة في النَّحولا أعلم حسبما قرأت متنًا بلغ من الشهرة، وكُتِب له من القبول ما كُتب للألفية، فقد أقبل عليها العلماء، وتلقّوها بالقبول.
وأخذوا يتنزهون في رياضها، ويسرحون في أرجائها، فمن شارح، إلى ناثر لها، إلى غير ذلك، وقد ذكر حاجي خليفة من تصدى لها بالشرح ونحو ذلك، فقال
(1):
الألفية في النحو:
للشيخ، العلامة، جمال الدين، أبي عبد اللَّه، محمد بن عبد اللَّه الطائي، الجياني، المعروف: بابن مالك النحوي، المتوفى سنة اثنتين وسبعين وستمائة.
وهي: مقدمة مشهورة، في ديار العرب (كالحاجبية)، في غيرها، جمع فيها مقاصد العربية، وسماها: (الخلاصة).
وإنما اشتهرت: (بالألفية) لأنها ألف بيت في الرجز، ولقوله في أولها:
وأستعين اللَّه في ألفية
… مقاصد النحو بها محوية
كما تشتهر (بالخلاصة) لقوله في آخرها:
حوى من الكافية الخلاصه
… كما اقتضى رضىً بلا خصاصه
وله عليها شرح، ذكره الذهبي.
وشروحها كثيرة، منها:
1 - شرح ولده، بدر الدين، أبي عبد اللَّه، محمد، المتوفى سنة ست وثمانين
--------------------------------------------
ব্যাকরণশাস্ত্রে আলফিয়্যাহআমি যতদূর পড়েছি, এমন কোনো মূলপাঠ (মাতন) সম্পর্কে আমার জানা নেই যা আলফিয়্যাহর মতো খ্যাতি লাভ করেছে এবং যার ভাগ্যে এর মতো গ্রহণযোগ্যতা জুটেছে। আলেমগণ এর প্রতি নিবিষ্ট হয়েছেন এবং একে সাদরে গ্রহণ করেছেন।
তাঁরা এর জ্ঞানকাননে বিচরণ করেছেন এবং এর আঙিনায় ঘুরে বেরিয়েছেন; কেউ এর ব্যাখ্যা করেছেন, কেউ একে গদ্যে রূপান্তর করেছেন, আবার কেউ অন্য কিছু করেছেন। হাজী খলিফা তাদের কথা উল্লেখ করেছেন যারা এর ব্যাখ্যা এবং এই জাতীয় কাজে লিপ্ত হয়েছেন। তিনি বলেন
(১):
ব্যাকরণশাস্ত্রে আলফিয়্যাহ:
শায়খ, আল্লামা, জামালুদ্দিন, আবু আব্দুল্লাহ, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তায়ী আল-জাইয়ানি-এর রচনা, যিনি ইবনে মালিক আন-নাহবী হিসেবে পরিচিত, মৃত্যু ৬৭২ হিজরি।
এটি আরব ভূখণ্ডে একটি প্রসিদ্ধ ভূমিকাগ্রন্থ (যেমনটা অন্যান্য স্থানে ‘হাজিবিয়্যাহ’ প্রসিদ্ধ), তিনি এতে আরবি ভাষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ একত্রিত করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন: (আল-খুলাসাতু)।
এটি ‘আলফিয়্যাহ’ হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে কারণ এটি ‘রজয’ ছন্দে রচিত এক হাজার পঙ্ক্তির কাব্য এবং এর শুরুতে কবির এই বক্তব্যের কারণে:
আমি আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি এমন এক আলফিয়্যাহ রচনায়... যাতে ব্যাকরণের উদ্দেশ্যসমূহ সংগৃহীত হয়েছে
তেমনিভাবে এটি ‘আল-খুলাসাতু’ নামেও পরিচিতি লাভ করেছে এর শেষে কবির এই বক্তব্যের কারণে:
এটি ‘কাফিয়্যাহ’ থেকে সারসংক্ষেপ গ্রহণ করেছে... যা কোনো প্রকার ঘাটতি ছাড়াই সন্তুষ্টির দাবি পূরণ করেছে
এর ওপর তাঁর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থও রয়েছে, যা ইমাম যাহাবি উল্লেখ করেছেন।
এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ অনেক, যার মধ্যে রয়েছে:
১ - তাঁর পুত্র বদরুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদের ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যিনি ৬৮৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১২)
وست مائة، وهو شرح منقَّح، اشتهر: (بشرح ابن المصنف)، خطَّأ والده في بعض المواضع، وأورد الشواهد من الآيات القرآنية.
وعلى هذا الشرح:* حاشية للشيخ عز الدين، محمد بن أبي بكر بن جماعة الكناني، المتوفى سنة تسع عشرة وثمان مائة.
* وحاشية للقاضي زكريا بن محمد الأنصاري، المتوفى سنة تسع عشرة وتسعمائة، سماها: (بالدرر السنية).
* وحاشية القاضي تقي الدين بن عبد القادر التميمي، المتوفى سنة خمس وألف، جمع فيه: أقوال الشراح، وحاكَم فيما بينهم.
* وتعليقة للشيخ جلال الدين، عبد الرحمن بن أبي بكر السيوطي، المتوفى سنة 911، وصل فيها إلى أثناء الإضافة، وسماها: (المشنف، على ابن المصنف).
* وحاشية للشيخ العلامة، شهاب الدين، أحمد بن قاسم العبادي، جردها الشيخ محمد الشوبري، في مجلد.
* وحاشية العلامة بدر الدين، محمود بن أحمد العيني، المتوفى سنة خمس وخمسين وثمان مائة.
2 - ومن الشروح المشهورة: شرح الشيخ شمس الدين، حسن بن القاسم المرادي، المعروف بابن أم قاسم النحوي، المتوفى سنة تسع وأربعين وسبع مائة.
3 - وشرح الشيخ أبي محمد، عبد اللَّه بن عبد الرحمن، الشهير: بابن عقيل النحوي، المتوفى سنة تسع وستين وسبع مائة.
وعليه حاشية لجلال الدين السيوطي، سماه: (السيف الصقيل، على شرح ابن عقيل).
...ছয়শ হিজরি, এবং এটি একটি পরিমার্জিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা (শারহু ইবনিল মুসান্নিফ) নামে প্রসিদ্ধ; তিনি কিছু স্থানে তাঁর পিতার ভুল ধরেছেন এবং কুরআনের আয়াত থেকে প্রমাণাদি উপস্থাপন করেছেন।
এই ব্যাখ্যাগ্রন্থের ওপর রচিত টীকাগুলো হলো:* শাইখ ইযযুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আবু বকর বিন জামাআ আল-কিনানি-এর একটি টীকা, যিনি ৮১৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
* এবং কাজি যাকারিয়া বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি-এর একটি টীকা, যিনি ৯১৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, তিনি এর নাম দিয়েছেন: (আদ-দুরারুস সানিয়্যাহ)।
* এবং কাজি তাকিউদ্দীন বিন আবদুল কাদির আত-তামিমি-এর একটি টীকা, যিনি ১০০৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, এতে তিনি ব্যাখ্যাকারদের মতামতগুলো একত্রিত করেছেন এবং তাদের মধ্যে বিচার-বিশ্লেষণ করেছেন।
* এবং শাইখ জালালুদ্দীন আব্দুর রহমান বিন আবু বকর আস-সুয়ুতি-এর একটি পাদটীকা, যিনি ৯১১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, তিনি এতে ইযাফাত (সম্বন্ধ পদ) অধ্যায়ের মধ্যভাগ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন এবং এর নাম দিয়েছিলেন: (আল-মুশান্নাফ আলা ইবনিল মুসান্নিফ)।
* এবং প্রখ্যাত আলিম শাইখ শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন কাসিম আল-আবাদি-এর একটি টীকা, যা শাইখ মুহাম্মদ আশ-শুবরি এক খণ্ডে সংক্ষিপ্ত আকারে সংকলন করেছেন।
* এবং আল্লামা বদরুদ্দীন মাহমুদ বিন আহমদ আল-আইনি-এর একটি টীকা, যিনি ৮৫৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
২ - এবং প্রসিদ্ধ ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোর অন্যতম হলো: শাইখ শামসুদ্দীন হাসান বিন কাসিম আল-মুরাদি-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যিনি ইবনে উম্মে কাসিম আন-নাহবি নামে পরিচিত এবং ৭৪৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
৩ - এবং শাইখ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যিনি ইবনে আকিল আন-নাহবি নামে সুপরিচিত এবং ৭৬৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
এবং এর ওপর জালালুদ্দীন আস-সুয়ুতির একটি টীকা রয়েছে, যার নাম তিনি দিয়েছেন: (আস-সাইফুল সাকিল আলা শারহি ইবনি আকিল)।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৩)
4 - ومنها: شرح الشيخ محمد بن محمد بن جابر الأعمى، النحوي، المتوفى سنة ثمانين وسبع مائة. وهو شرح مفيد، نافع للمبتدي؛ لاعتنائه بإعراب الأبيات، وتفكيكها، وحل عبارته، قال السيوطي: لكنه وقع فيه وهم، تتبعتها في تأليفي المسمى: (بتحرير شرح الأعمى والبصير).
5 - وشرح الشيخ العلامة أبي زيد، عبد الرحمن بن علي المكودي، الفاسي، المتوفى في حدود سنة ثمان مائة، كبير، وصغير. وشرحه الصغير وصل إلى الديار المصرية، وهو شرح لطيف، نافع، استوفى فيه الشرح والإعراب.
6 - وشرح العلامة تقي الدين أحمد بن محمد الشمنّي، المتوفى سنة اثنتين وسبعين وثمان مائة، وهو شرح بديع، مهذب المقاصد، سماه: (منهج المسالك، إلى ألفية ابن مالك).
7 - وممن شرحها: الشيخ، شمس الدين، محمد بن محمد الجزري، المتوفى سنة إحدى عشرة وسبع مائة.
8 - ومحمد بن أبي الفتح الحنبلي، النحوي، المتوفى سنة تسع وسبع مائة.
9 - والعلامة أثير الدين، أبو حيان، محمد بن يوسف الأندلسي، النحوي، المتوفى سنة خمس وأربعين وسبع مائة، ولم يكمله، وسماه: (منهج السالك، في الكلام على ألفية ابن مالك).
ذكر أن غرضه، في مقاصد ثلاثة: تبيين ما أطلقه، وتنبيه على الخلاف الواقع في الأحكام، وحل ما أشكل.
10 - وأبو أمامة، محمد بن علي بن النقاش الدكاكي، المتوفى سنة ثلاث وستين وسبع مائة.
11 - والشيخ محمد بن أحمد الإسنوي، المتوفى سنة ثلاث وستين وسبع مائة.
12 - وزين الدين، عمر بن المظفر بن الوردي، المتوفى سنة تسع وأربعين وسبع مائة.
13 - وشمس الدين، محمد بن عبد الرحمن بن الصائغ الزمردي، المتوفى سنة
৪ - এর মধ্যে রয়েছে: শেখ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জাবির আল-আ’মা আন-নাহবী (মৃত্যু ৭৮০ হিজরি)-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এটি একটি উপকারী ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা নবীন শিক্ষার্থীর জন্য ফলপ্রসূ; কারণ এতে পঙ্ক্তিগুলোর ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ (ই’রাব), সেগুলোর ব্যবচ্ছেদ এবং বাক্যগুলোর জটিলতা নিরসনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুয়ুতী বলেন: তবে এতে কিছু ভ্রম রয়ে গেছে, যা আমি আমার ‘তাহরিরু শারহিল আ’মা ওয়াল বাসির’ নামক গ্রন্থে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
৫ - এবং আল্লামা আবু জায়েদ আবদুর রহমান বিন আলী আল-মাকুদী আল-ফাসি (মৃত্যু আনুমানিক ৮০০ হিজরি)-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ; এর বড় এবং ছোট দুটি সংস্করণ রয়েছে। তাঁর ছোট ব্যাখ্যাগ্রন্থটি মিসরীয় ভূখণ্ডে পৌঁছেছে; এটি একটি চমৎকার ও উপকারী ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যাতে তিনি ব্যাখ্যা এবং ব্যাকরণগত বিশ্লেষণের পূর্ণ সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
৬ - এবং আল্লামা তাকিউদ্দীন আহমদ বিন মুহাম্মদ আশ-শামানি (মৃত্যু ৮৭২ হিজরি)-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ; এটি একটি অনন্য ব্যাখ্যাগ্রন্থ এবং এর উদ্দেশ্যসমূহ অত্যন্ত সুসংবদ্ধ। তিনি এর নামকরণ করেছেন: ‘মানহাজুল মাসালিক ইলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক’।
৭ - যাঁরা এটি ব্যাখ্যা করেছেন তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন: শেখ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-জাযারি (মৃত্যু ৭১১ হিজরি)।
৮ - এবং মুহাম্মদ বিন আবুল ফাতহ আল-হাম্বলি আন-নাহবী (মৃত্যু ৭০৯ হিজরি)।
৯ - এবং আল্লামা আসিরুদ্দীন আবু হাইয়ান মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-আন্দালুসি আন-নাহবী (মৃত্যু ৭৪৫ হিজরি); তিনি এটি সম্পন্ন করতে পারেননি এবং এর নাম রেখেছিলেন: ‘মানহাজুস সালিক ফিল কালামি আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক’।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর উদ্দেশ্য তিনটি বিষয়ের ওপর নিহিত: যা অস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা প্রদান, বিধানাবলির ক্ষেত্রে বিদ্যমান মতভেদগুলোর ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ এবং জটিল বিষয়গুলোর সমাধান করা।
১০ - এবং আবু উমামা মুহাম্মদ বিন আলী বিন আন-নাক্কাশ আদ-দাক্কাকি (মৃত্যু ৭৬৩ হিজরি)।
১১ - এবং শেখ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-ইসনাভি (মৃত্যু ৭৬৩ হিজরি)।
১২ - এবং জাইনুদ্দীন উমর বিন আল-মুজাফ্ফর বিন আল-ওয়ার্দি (মৃত্যু ৭৪৯ হিজরি)।
১৩ - এবং শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আস-সায়িগ আজ-জুমুররুদি, যাঁর মৃত্যু হয়েছে... (বাক্যটি অসম্পূর্ণ)
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৪)
سبع وسبعين وسبع مائة، قيل: هو شرح حسن.
14. والقاضي برهان الدين، إبراهيم بن عبد اللَّه الحكري، (المصري)، المتوفى سنة 780، ثمانين وسبع مائة.
15. وجمال الدين، عبد الرحيم بن الحسن الإسنوي، المتوفى سنة اثنتين وستين وسبع مائة، قال السيوطي في (طبقات النحاة): ولم يكمله.
16. وشمس الدين، أبو عبد اللَّه، محمد بن أحمد ابن اللبان المصري، المتوفى سنة تسع وأربعين وسبع مائة.
17. وأبو زيد، عبد الرحمن بن علي الكوفي، المتوفى تقريبًا سنة ثمان مائة.
18. وبهرام بن عبد اللَّه المالكي، المتوفى سنة تسع وثمان مائة.
19. ومحمد بن محمد الأندلسي، الشهير: بالراعي النحوي، المتوفى سنة ثلاث وخمسين وثمان مائة.
20. والقاضي جمال الدين، يوسف بن الحسن الحموي، المتوفى سنة تسع وثمان مائة.
21. ونور الدين، علي بن محمد الأشموني، المتوفى في حدود سنة تسع مائة.
22. وبرهان الدين، إبراهيم بن موسى الأنباسي، المتوفى سنة اثنتين وعشرين وثمان مائة.
23. وبدر الدين، محمد بن محمد بن الرضي الغزي، المتوفى (في حدود) سنة ألف. له ثلاثة شروح: منثور، ومنظومان.
24. والعلامة زين الدين، عبد الرحمن بن أبي بكر، الشهير: بابن العيني الحنفي، المتوفى سنة ثلاث وتسعين وثمان مائة، شرحها مزجًا.
25. وعماد الدين، محمد بن الحسين الإسنوي، المتوفى سنة سبع وسبعين وسبع مائة، ولم يكمله.
সাতশত ৭৭ হিজরি; বলা হয়েছে: এটি একটি উত্তম ব্যাখ্যাগ্রন্থ।
14. এবং বিচারক (কাযী) বুরহানুদ্দীন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-হাকারি (আল-মিসরি), যিনি সাতশত ৮০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
15. এবং জামালুদ্দীন আব্দুর রাহিম বিন হাসান আল-এসনাভি, যিনি সাতশত ৬২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। সুয়ূতী 'ত্বাবাকাতুন নুহাত' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি এটি সম্পন্ন করতে পারেননি।
16. এবং শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ ইবনুল লাব্বান আল-মিসরি, যিনি সাতশত ৪৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
17. এবং আবু যায়েদ আব্দুর রহমান বিন আলী আল-কুফি, যিনি আনুমানিক আটশত হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
18. এবং বাহরাম বিন আব্দুল্লাহ আল-মালিকি, যিনি আটশত নয় হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
19. এবং মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-আন্দালুসি, যিনি 'আর-রায়ী আন-নাহবী' হিসেবে প্রসিদ্ধ, তিনি আটশত ৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
20. এবং বিচারক (কাযী) জামালুদ্দীন ইউসুফ বিন হাসান আল-হামাভি, যিনি আটশত নয় হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
21. এবং নুরুদ্দীন আলী বিন মুহাম্মদ আল-আশমুনি, যিনি নয়শত হিজরির কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।
22. এবং বুরহানুদ্দীন ইব্রাহিম বিন মুসা আল-আনবাসি, যিনি আটশত ২২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
23. এবং বদরুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আর-রাযী আল-গাজ্জি, যিনি (আনুমানিক) এক হাজার হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তার তিনটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে: একটি গদ্যে এবং দুইটি পদ্যে।
24. এবং প্রখ্যাত পণ্ডিত (আল্লামা) যাইনুদ্দীন আব্দুর রহমান বিন আবি বকর, যিনি ইবনুল আইনী আল-হানাফী নামে প্রসিদ্ধ, তিনি আটশত ৯৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; তিনি এটি সংমিশ্রিত পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করেছেন।
25. এবং ইমাদুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-এসনাভি, যিনি সাতশত ৭৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি এটি সম্পন্ন করতে পারেননি।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৫)
26. والشيخ، برهان الدين، إبراهيم بن محمد بن قيم الجوزية، المتوفى سنة خمس وستين وسبع مائة، وسماه: (إرشاد السالك).
27. وبرهان الدين، إبراهيم بن محمد القبقابي الحلبي، المتوفى في حدود سنة خمس وثمان مائة.
28. وبرهان الدين، إبر اهيم بن الفزاري، المتوفى سنة 729.
29. والقاضي أحمد بن إسماعيل، الشهير: بابن الحسباني، المتوفى في حدود سنة خمس عشرة وثمان مائة.
30. وشمس الدين، محمد بن زين الدين، المتوفى سنة خمس وأربعين وثمان مائة، شرحها نظمًا.
31. وجلال الدين، محمد بن أحمد ابن خطيب داريا، المتوفى سنة عشر وثمان مائة، مزج فيه المتن.
32. وسراج الدين، عمر بن علي، الشهير: بابن الملقن، المتوفى سنة أربع وثمان مائة.
33. وأبو عبد اللَّه، محمد بن أحمد بن مرزوق التلمساني الصغير، المتوفى سنة اثنتين وأربعين وثمان مائة.
ومن شروح الألفية:34. (بلغة ذي الخصاصة، في حل الخلاصة)، لمحمد بن محمد الأسدي، القدسي، المتوفى سنة ثمان وثمان مائة.
35. (وفتح الرب المالك، لشرح ألفية ابن مالك)، لمحمد بن قاسم بن علي الغزي، الشافعي، وهو شرح وسط حجمًا.
36. (والشرح النبيل، الحاوي لكلام ابن المصنف وابن عقيل)، لعماد الدين، محمد بن أحمد الأقفهسي، ذكر فيه أن ابن عقيل يستشهد غالبًا بأشعار
26. এবং শায়খ, বুরহানুদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ, মৃত্যু ৭৬৫ হিজরি সন, এবং তিনি এর নামকরণ করেছেন: (ইরশাদ আল-সালিক)।
27. এবং বুরহানুদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-কাবকাবি আল-হালাবি, মৃত্যু আনুমানিক ৮০৫ হিজরি সনের দিকে।
28. এবং বুরহানুদ্দিন ইব্রাহিম ইবনুল ফাজারি, মৃত্যু ৭২৯ হিজরি সন।
29. এবং কাযী আহমাদ ইবনে ইসমাঈল, যিনি ইবনুল হাসবানি নামে প্রসিদ্ধ, মৃত্যু আনুমানিক ৮১৫ হিজরি সনের দিকে।
30. এবং শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে যাইনুদ্দিন, মৃত্যু ৮৪৫ হিজরি সন, তিনি এটি পদ্যাকারে ব্যাখ্যা করেছেন।
31. এবং জালালুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে খতিব দারিয়া, মৃত্যু ৮১০ হিজরি সন, তিনি এতে মূল পাঠকে (মতন) একীভূত করেছেন।
32. এবং সিরাজুদ্দিন উমর ইবনে আলী, যিনি ইবনুল মুলাক্কিন নামে প্রসিদ্ধ, মৃত্যু ৮০৪ হিজরি সন।
33. এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মারযূক আল-তিলিমসানি আল-সগির, মৃত্যু ৮৪২ হিজরি সন।
আলফিয়্যাহ-র ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:34. (বুলগাতু যিল খাসাসাহ, ফি হাল্লিল খুলাসাত), লেখক মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আসাদি আল-কুদসি, মৃত্যু ৮০৮ হিজরি সন।
35. (ফাতহুর রাব্বিল মালিক, লি শারহি আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক), লেখক মুহাম্মদ ইবনে কাসিম ইবনে আলী আল-গাজ্জি আল-শাফিঈ, এটি একটি মাঝারি আয়তনের ব্যাখ্যাগ্রন্থ।
36. (আশ-শারহুন নাবিল, আল-হাউয়ি লি কালাম ইবনিল মুসান্নিফ ওয়া ইবনে আকিল), লেখক ইমাদুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-আকফাহসি, তিনি এতে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে আকিল অধিকাংশ ক্ষেত্রে কবিতার পঙক্তিমালাকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেন।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৬)
العرب، وابن المصنف يستشهد بذلك وبآيات القرآن، فجمع بينهما، وأضاف فوائد من كلام ابن هشام والزمخشري.
وفي إعراب الألفية:37. كتاب للشيخ شهاب الدين، أحمد بن الحسين الرملي الشافعي، المتوفى سنة أربع وأربعين وثمان مائة.
38. وللشيخ خالد بن عبد اللَّه الأزهري، المتوفى سنة خمس وتسع مائة مجلد أيضا، سماه: (تمرين الطلاب، في صناعة الإعراب).
وفي شرح (شواهد شروح الألفية) كتابان: كبير، وصغير.
39. للشيخ أبي محمد، محمود بن أحمد العيني، المتوفى سنة خمس وخمسين وثمان مائة، سمي الكبير: (بالمقاصد النحوية، في شرح شواهد شروح الألفية)، وقد اشتهر: (بالشواهد الكبرى)، جمعها من شروح: التوضيح، وشرح ابن المصنف، وابن أم قاسم، وابن هشام، وابن عقيل.
ورمز إليها: بالظاء، والقاف، والهاء، والعين.
وعدد الأبيات المستشهدة: ألف ومائتان وأربعة وتسعون.
وفرغ من الشرح: في شوال، سنة ست وثمان مائة.
وممن نثر الألفية:40. الشيخ نور الدين، إبراهيم بن هبة اللَّه الإسنوي، المتوفى سنة إحدى وعشرين وسبع مائة، وله شرحها أيضا.
41. وبرهان الدين، إبراهيم بن موسى الكركي، المتوفى سنة ثلاث وخمسين وثمان مائة، وله شرحها أيضًا.
42. والعلامة جمال الدين، عبد اللَّه بن يوسف، المعروف: بابن هشام النحوي، المتوفى سنة اثنتين وستين وسبع مائة، في مجلد، وسماه: (أوضح المسالك، إلى ألفية ابن مالك)، ثم اشتهر: (بالتوضيح).
আরবদের [বাক্য], এবং গ্রন্থকারের পুত্র সেটি এবং কুরআনের আয়াতসমূহ দ্বারা দলিল পেশ করেছেন, ফলে তিনি এই দুইটিকে একত্রিত করেছেন এবং ইবনে হিশাম ও যামাখশারীর বক্তব্য থেকে কিছু উপকারী অংশ যোগ করেছেন।
আর আলফিয়্যাহ-র ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের (ইরাব) ক্ষেত্রে:৩৭. শায়খ শিহাবুদ্দীন আহমদ ইবনুল হুসাইন আর-রামলী আশ-শাফেয়ীর একটি গ্রন্থ, যিনি ৮৪৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
৩৮. এবং শায়খ খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযহারীরও একটি খণ্ড রয়েছে, যিনি ৯০৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এর নামকরণ করেছেন: (তামরিনুত তুল্লাব ফি সিনাআতিল ইরাব)।
এবং (আলফিয়্যাহ-র ভাষ্যসমূহের কাব্য-নিদর্শনগুলোর) ব্যাখ্যাগ্রন্থের ক্ষেত্রে দুইটি কিতাব রয়েছে: একটি বড় এবং একটি ছোট।
৩৯. শায়খ আবু মুহাম্মদ মাহমুদ ইবনে আহমদ আল-আইনীর, যিনি ৮৫৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বড় কিতাবটির নাম রেখেছেন: (আল-মাকাসিদুন নাহউইয়্যাহ ফি শারহি শাওয়াতিদি শুরূহিল আলফিয়্যাহ), আর এটি (আশ-শাওয়াহিদুল কুবরা) নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। তিনি এটি আত-তাওদীহ, শারহু ইবনিল মুসান্নিফ, ইবনে উম্মে কাসিম, ইবনে হিশাম এবং ইবনে আকীলের ভাষ্যসমূহ থেকে সংকলন করেছেন।
আর তিনি এগুলোর প্রতি সংকেত দিয়েছেন: জো, ক্বফ, হা এবং আইন বর্ণ দ্বারা।
আর উদাহরণ হিসেবে পেশ করা কাব্য-পঙক্তি সমূহের সংখ্যা হলো: এক হাজার দুইশত চুরানব্বইটি।
আর তিনি এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি সমাপ্ত করেন: ৮০৬ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে।
আর যারা আলফিয়্যাহ-কে গদ্যরূপে রূপান্তর করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন:৪০. শায়খ নুরুদ্দীন ইব্রাহিম ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-ইসনবী, যিনি ৭২১ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তার একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থও রয়েছে।
৪১. এবং বুরহানুদ্দীন ইব্রাহিম ইবনে মুসা আল-কারাকী, যিনি ৮৫৩ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তারও একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে।
৪২. এবং আল্লামা জামালুদ্দীন আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ, যিনি ইবনে হিশাম আন-নাহবী নামে পরিচিত, তিনি ৭৬২ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। এটি এক খণ্ডে সমাপ্ত এবং তিনি এর নামকরণ করেছেন: (আওদাহুল মাসালিক ইলা আলফিয়্যাতি ইবনে মালিক), যা পরবর্তীতে (আত-তাওদীহ) নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وله عدة حواشَ على الألفية، منها:43 - (دفع الخصاصة، عن الخلاصة)، في أربعة مجلدات.
وعلى التوضيح تعليقات، منها:
* شرح الشيخ خالد بن عبد اللَّه الأزهري، النحوي، وهو شرح عظيم ممزوج، سماه: (التصريح، بمضمون التوضيح)، ذكر أنه: رأى ابن هشام في منامه، فأشار إليه بشرح كتابه، فأجاب.
ومن الحواشي على (التوضيح):* حاشية: الشيخ، جلال الدين، عبد الرحمن بن أبي بكر السيوطي، المتوفى سنة (1/ 155) إحدى عشرة وتسعمائة، سماها: (التوشيح).
* وحاشية: عز الدين، محمد بن أبي بكر بن جماعة، المتوفى سنة تسع عشرة وثمان مائة.
وحاشية: جمال الدين، أحمد بن عبد اللَّه بن هشام، المتوفى سنة خمس وثلاثين وثمان مائة.
وحاشية: بدر الدين محمود بن أحمد العيني، المتوفى سنة 855.
وحاشية: برهان الدين، إبراهيم بن عبد الرحمن الكركي، المتوفى في حدود سنة تسعين وثمان مائة.
* وحاشية: محيي الدين، عبد القادر بن أبي القاسم السعدي، المالكي، المكي، المتوفى سنة ثمانين وثمان مائة، سماها: (رفع الستور والأرائك، عن مخبئات أوضح المسالك).
وشرح: الشيخ أبي بكر الوفائي.
* وحاشية: سيف الدين، محمد بن محمد البكتمري، المتوفى في حدود سنة سبعين وثمان مائة.
وحاشية: الشيخ محمد بن إبراهيم بن أبي الصفا، من تلامذة ابن الهمام.
আলফিয়ার উপর তাঁর বেশ কিছু টীকা (হাশিয়া) রয়েছে, তন্মধ্যে:৪৩ - (দাফউল খাসাসাহ, আনিল খুলাসাহ), চার খণ্ডে।
এবং আত-তাওদীহ-এর উপর বেশ কিছু টীকা (তা'লীকাত) রয়েছে, তন্মধ্যে:
* নাহবী শায়খ খালিদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আযহারীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ; এটি একটি মহান সংমিশ্রিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যার নাম তিনি রেখেছেন: (আত-তাসরীহ বি-মাদমুনিত তাওদীহ)। তিনি উল্লেখ করেছেন যে: তিনি স্বপ্নে ইবনে হিশামকে দেখেছিলেন, অতঃপর তিনি (ইবনে হিশাম) তাকে তাঁর কিতাবটি ব্যাখ্যা করার ইঙ্গিত প্রদান করেন এবং তিনি তাতে সাড়া দেন।
এবং (আত-তাওদীহ)-এর উপর লিখিত টীকাগুলোর (হাশিয়া) মধ্যে রয়েছে:* টীকা: শায়খ জালালুদ্দীন আব্দুর রহমান বিন আবু বকর আস-সুয়ূতী, মৃত্যু বছর (১/ ১৫৫) নয়শত এগারো হিজরী, তিনি এর নাম রেখেছেন: (আত-তাওশীহ)।
* এবং টীকা: ইযযুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন আবু বকর বিন জামাআহ, মৃত্যু আটশত উনিশ হিজরী।
এবং টীকা: জামালুদ্দীন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হিশাম, মৃত্যু আটশত পঁয়ত্রিশ হিজরী।
এবং টীকা: বদরুদ্দীন মাহমুদ বিন আহমাদ আল-আইনী, মৃত্যু ৮৫৫ হিজরী।
এবং টীকা: বুরহানুদ্দীন ইব্রাহীম বিন আব্দুর রহমান আল-কারাকী, মৃত্যু আটশত নব্বই হিজরীর কাছাকাছি সময়ে।
* এবং টীকা: মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির বিন আবু কাসিম আস-সা'দী আল-মালিকী আল-মাক্কী, মৃত্যু আটশত আশি হিজরী, তিনি এর নাম রেখেছেন: (রাফউস সুতুরি ওয়াল আরইক আন মুখাব্বায়াতি আওদাহিল মাসালিক)।
এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থ: শায়খ আবু বকর আল-ওয়াফাঈ।
* এবং টীকা: সাইফুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাক্তামারী, মৃত্যু আটশত সত্তর হিজরীর কাছাকাছি সময়ে।
এবং টীকা: শায়খ মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহীম বিন আবিস সাফা, তিনি ইবনুল হুমামের ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৮)
* (نظم التوضيح)، للقاضي، شهاب الدين، محمد بن أحمد الخولي.
(الخويي)، المتوفى سنة ثلاث وتسعين وستمائة.
* (নযমুত তাওদীহ), কাজী শিহাবুদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-খাওলী।
(আল-খুওয়াইয়ি), মৃত্যু ছয়শত তিরানব্বই হিজরী।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ১৯)
تَرْجَمَة الشَّارِح مُحَمَّد الفَارِضِي رحمه الله(000 - 981 هـ) (000 - 1573 م)
(1)الشيخ الإمام العلامة، محمد القاهري الحنبلي، شمس الدّين، المعروف بالفارضي، الشاعر الفرضي المشهور.
قال في "الكواكب": أخد عن جماعة من علماء مصر، واجتمع بشيخ الإسلام الوالد حين كان بالقاهرة سنة اثنتين وخمسين، وكان بدينًا سمينًا، فقال الوالد يداعبه:
الفارضيّ الحنبليّ الرّضي
… في النحو والشعر عديم المثيل
قيل ومع ذا فهو ذو خفّة
… فقلت كلا بل رزين ثقيل
واستشهد الشيخ شمس الدّين العلقمي
(2) بكلامه في "شرح الجامع الصغير" فمن ذلك قوله في معنى ما رواه الدّينوري فى "المجالسة" والسِّلفي في بعض تخاريجه، عن سفيان الثوري قال: "أوحى اللَّه تعالى إلى موسى عليه الصلاة والسلام: لأن تُدخل يدك إلى المنكبين في فم التّنين .. خيرٌ من أن ترفعها إلى ذي نعمة قد عالج الفقر":
إدخالك اليد في التّنّين تدخلها
… لمِرفَقٍ منك مُسْتَعْدٍ فيقضمَها
خير من المرء يُرجَى في الغنى وله
… خصاصة سبقت قدكان يَسنِمُها
ومن بدائع شعره:
إذا ما رأيت اللَّه للكلّ فاعلا
… رأيت جميع الكائنات ملاحا
وإن لا ترى إلا مضاهيَ صنعه
… حجبت فصيّرت المساء صباحا
ومن محاسنه أيضا: أنه صلّى شخص إلى جانبه ذات يوم فخفّف جدا، فنهاه،
--------------------------------------------
ব্যাখ্যাকার মুহাম্মদ আল-ফারিজি (রহিমাহুল্লাহ)-এর জীবনী(০০০ - ৯৮১ হিজরি) (০০০ - ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দ)
(১)শায়খ, ইমাম, আল্লামা, মুহাম্মদ আল-কাহেরি আল-হাম্বলি, শামসুদ্দিন, যিনি আল-ফারিজি নামে পরিচিত, প্রখ্যাত কবি ও ফরায়েজ শাস্ত্রবিদ।
"আল-কাওয়াকিব" গ্রন্থে বলা হয়েছে: তিনি মিশরের একদল উলামার নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং শায়খুল ইসলাম পিতার সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল যখন তিনি ৯৫২ হিজরিতে কায়রোতে ছিলেন। তিনি অত্যন্ত স্থূলকায় ছিলেন, তাই পিতা তাঁর সাথে রসিকতা করে বলেছিলেন:
সন্তুষ্ট ফারিজি আল-হাম্বলি
… নাহু ও কবিতায় তিনি অতুলনীয়
বলা হয়েছে যে, এতদসত্ত্বেও তিনি চটপটে
… আমি বললাম, বরং তিনি ধীরস্থির ও ভারী
শায়খ শামসুদ্দিন আল-আলকামি
(২) "শারহুল জামিউস সাগির" গ্রন্থে তাঁর উক্তি দ্বারা দলিল পেশ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সুফিয়ান সাওরি থেকে আদ-দিনাওরি "আল-মুজালাসাহ" গ্রন্থে এবং আস-সিলাফি তাঁর কিছু তাখরিজে যা বর্ণনা করেছেন তার অর্থ সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য। সুফিয়ান সাওরি বলেন: "আল্লাহ তাআলা মুসা আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের প্রতি ওহি পাঠিয়েছেন: তোমার হাত বগল পর্যন্ত ড্রাগনের মুখে প্রবেশ করানো... তোমার জন্য কোনো সম্পদশালীর কাছে হাত তোলার চেয়ে উত্তম যে ইতিপূর্বে দারিদ্র্য সহ্য করেছে":
তোমার হাত ড্রাগনের ভেতর প্রবেশ করানো, যা তুমি প্রবেশ করাও
… তোমার কনুই পর্যন্ত এবং সে তা কামড়ে ধরে
এমন ব্যক্তির কাছে আশা করার চেয়ে উত্তম যে বর্তমানে ধনী কিন্তু তার
… ইতিপূর্বে চরম অভাব ছিল যা সে গোপন করার চেষ্টা করত
তাঁর চমৎকার কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
যখন তুমি আল্লাহকে সবকিছুর কর্তা হিসেবে দেখবে
… তখন তুমি সমস্ত সৃষ্টিজগতকে সুন্দর দেখবে
আর যদি তুমি তাঁর সৃষ্টির অনুরুপ কিছু ছাড়া আর কিছু না দেখ
… তবে তুমি পর্দার আড়ালে রয়ে গেলে এবং সন্ধ্যাকে সকাল বানিয়ে ফেললে
তাঁর মহৎ গুণাবলির মধ্যে এটিও ছিল যে: একদিন জনৈক ব্যক্তি তাঁর পাশে নামাজ পড়ল এবং অতি দ্রুত শেষ করল, তখন তিনি তাকে নিষেধ করলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২০)
فقال الرجل: أنا حنفيّ، فقال الفارضي:
معاشر النّاس جمعًا حسبما رسمت
… أهل الهدى والحجامن كل من نبها
ما حَرَّم العَلَمُ النّعمانُ في سندٍ
… يومًا طمأنينةً أصلا ولا كَرِها
وكونها عنده ليست بواجبة
… لا يوجب التّرك فيما قرّر الفُقَها
فيا مصرًّا على تفويتها أبدًا
… عُد وانتبه رحم اللَّه الذي انتبها
انتهى ملخصًا.
وأخد عن الفاضي كثير من الأجلاء؛ منهم العلامة شمس الدّين محمد المقدسي العلمي، مدرّس القصّاعية بدمشق، وأنشد له.
وذُكر أن القاضي البيضاوي خطّأ من أدغم الراء في اللام، ونسبه إلى أبي عمرو:
أنكر بعض الورى على من
… تدغم في اللام عنه راء
ولا نخطّي أبا شعيب
… واللَّه يغفر لمن يشاء
وله:
ألا خذ حكمةً مني
… وخلّ القيل والقالا
فساد الدّين والدّنيا
… قَبول الحاكم المالا
وقال يرثي الشيخ مغوش التونسي لمَّا مات بمصر:
تقضّى التونسيُّ فقلت بيتًا .. يروّح كُلَّ ذي شجنٍ ويُؤنس
أتوحشنا وتؤنس بطنَ لحدٍ
… ولكن مثلَ مَا أَوحشت تُوْنِس
قال في "الكواكب السائرة بأعيان المئة العاشرة": كان الفارضي في سنة ثمانين وتسعمائة في الأحياء.
তখন লোকটি বলল: আমি একজন হানাফী। তখন আল-ফারদি বললেন:
হে লোকসকল, হিদায়াত ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন সচেতন ব্যক্তিবর্গ যেভাবে নির্ধারণ করেছেন, সে অনুযায়ী আপনারা সকলে সমবেত হোন।
…
ইমাম নুমান (আবু হানিফা) কোনো দলিলে কখনও নামাযে স্থিরতা (তমানিনাহ)-কে মূলত হারাম বা অপছন্দীয় বলেননি।
…
তাঁর নিকট এটি ওয়াজিব না হওয়ার অর্থ এই নয় যে, ফকীহগণ যা সাব্যস্ত করেছেন তা বর্জন করতে হবে।
…
হে ব্যক্তি, যে সর্বদা এটি বর্জন করার ওপর অটল আছ, তুমি ফিরে এসো এবং সতর্ক হও; আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রতি রহম করুন যে সতর্ক হয়।
…
সংক্ষিপ্তসার সমাপ্ত।
আল-ফারদি থেকে অনেক প্রথিতযশা আলেম জ্ঞান অর্জন করেছেন; তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন আল্লামা শামস উদ্দিন মুহাম্মদ আল-মাকদিসি আল-ইলমি, যিনি দামেস্কের কাসসাঈয়্যাহ মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন এবং তিনি তাঁর কবিতা আবৃত্তি করেছেন।
বর্ণিত আছে যে, কাযী বায়যাবী সেই ব্যক্তিকে ভুল সাব্যস্ত করেছেন যে 'রা' অক্ষরকে 'লাম' অক্ষরের মধ্যে ইদগাম (লীন) করে এবং তিনি একে আবু আমরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন:
কোনো কোনো লোক তাঁর সমালোচনা করেছে, যার পক্ষ থেকে 'রা' অক্ষরকে 'লাম' অক্ষরের মধ্যে ইদগাম করা হয়।
…
আর আমরা আবু শুআইবকে ভুল সাব্যস্ত করি না; আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।
…
তাঁর আরও কবিতা:
ওহে, আমার কাছ থেকে প্রজ্ঞা গ্রহণ করো এবং অনর্থক কথাবার্তা বর্জন করো।
…
দ্বীন ও দুনিয়ার বিপর্যয় হলো বিচারকের পক্ষ থেকে অর্থ গ্রহণ করা।
…
শাইখ মাগুশ আল-তিউনিসি যখন মিশরে ইন্তেকাল করেন, তখন তিনি তাঁর শোকগাঁথায় বলেন:
তিউনিসি ইন্তেকাল করেছেন, তাই আমি একটি পঙ্ক্তি বললাম যা প্রতিটি শোকাতুর ব্যক্তিকে প্রশান্তি দেয় এবং সঙ্গ দান করে।
আপনি কি আমাদের একাকী করে দিয়ে কবরের অভ্যন্তরকে সঙ্গ দিচ্ছেন? কিন্তু আপনি যেমন আমাদের ব্যথিত করেছেন, তেমনই আপনি আনন্দও দান করেন।
…
'আল-কাওয়াকিব আস-সায়িরাহ বি-আ'য়ানিল মিআতি আল-আশিরাহ' গ্রন্থে বলা হয়েছে: আল-ফারদি ৯৮০ হিজরি সাল পর্যন্ত জীবিতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২১)
وَصف النُّسخ الخَطِّيَّةتم الاعتماد في إخراج هذا السفر المبارك على نسختين خطيتين:
الأولى: وهي المرموز لها بـ (أ)، وهي نسخة نفيسة بخط المؤلف رحمه الله، تمت كتابة أبيات الألفية فيها باللون الأحمر، ووضمع فوق أبيات الشعر خط، تتألف من 332 لوحة، تنقسم إلى وجهين (أ) و (ب).
متوسط عدد الأسطر في الصفحة 33 سطرًا، متوسط عدد الكلمات في السطر الواحد (14) كلمة، خطها نسخي معتاد، كان الفراغ من نسخها بخط مؤلفها سنة ثمان وخمسين وتسعمائة للهجرة.
وهي من مقتنيات المكتبة السليمانية برقم 1069.
الثانية: نسخة مكتبة الاسكوريال مسلسل 1464 برقم وتتألف من 374 لوحة، تنقسم إلى وجهين (أ) و (ب).
متوسط عدد الأسطر في الصفحة (30) سطرًا، متوسط عدد الكلمات في السطر الواحد (11) كلمة، ورمزنا لها بـ (ب).
وناسخها: عبد اللطيف بن محمد البرهمتوشي، وتم نسخها في ثامن شهر رمضان المعظم قدره، من شهور سنة سبع وثمانين وتسعمائة.
পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণএই বরকতময় গ্রন্থটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করা হয়েছে:
প্রথমটি: যা (أ) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত, এটি লেখক (রাহিমাহুল্লাহ)-এর স্বহস্তে লিখিত একটি মূল্যবান অনুলিপি। এতে আলফিয়্যাহর পঙক্তিগুলো লাল রঙে লেখা হয়েছে এবং কবিতার পঙক্তিগুলোর উপরে একটি রেখা টানা হয়েছে। এটি ৩৩২টি ফলক নিয়ে গঠিত, যা (ক) এবং (খ) - এই দুই পার্শ্বে বিভক্ত।
পৃষ্ঠাপ্রতি গড় লাইন সংখ্যা ৩৩টি, প্রতি লাইনে গড় শব্দ সংখ্যা (১৪) টি। এর লিপি সাধারণ নাসখ পদ্ধতির। লেখকের নিজ হাতে এর অনুলিপি সম্পন্ন হয়েছিল ৯৫৮ হিজরি সালে।
এটি সুলাইমানিয়া লাইব্রেরির সংগ্রহভুক্ত, যার নম্বর ১০৬৯।
দ্বিতীয়টি: এসকোরিয়াল লাইব্রেরির অনুলিপি, ক্রমিক নম্বর ১৪৬৪; এটি ৩৭৪টি ফলক নিয়ে গঠিত, যা (ক) এবং (খ) - এই দুই পার্শ্বে বিভক্ত।
পৃষ্ঠাপ্রতি গড় লাইন সংখ্যা (৩০) টি, প্রতি লাইনে গড় শব্দ সংখ্যা (১১) টি এবং আমরা এটিকে (ب) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি।
এর অনুলিপিকারক হলেন আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ আল-বারহামতুশি। এটি ৯৮৭ হিজরি সালের মহিমান্বিত রমজান মাসের আট তারিখে অনুলিপি করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২২)
عَيِّنَةٌ مِن صُوَرِ المَخْطُوطَاتِ المُعْتَمدَةِ فِي التَّحْقِيقِصورة الخلاف من نسخة المؤلف
الصفحة الأخيرة من نسخة المؤلف
সম্পাদনায় (তাহকিকে) ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিসমূহের চিত্রের কিছু নমুনালেখকের পাণ্ডুলিপি থেকে প্রচ্ছদের চিত্র
লেখকের পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الصفحة الأولى من نسخة الاسكوريال
الصفحة الأخيرة من نسخة الاسكوريال
এসকোরিয়াল পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা
এসকোরিয়াল পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২৪)
خِطَّةُ العَمَلِ وَمَنْهَجُ التَّحْقِيقتم الإبحار في خضم هذا اليَمّ العظيم، والخوض في مسالكه، وفق الخطة التالية:
اعتمدنا في تحقيق الكتاب على نسختين خطيتين، إحداهما بخط المؤلف رحمه الله، وجعلناها أصلا، دون الإشارة إلى الفروق التي في النسخة الأخرى، ما لم تكن هناك زيادة مهمة، أشرنا إليها في ثنايا الكتاب، ووضعنا الزيادة بين حاصرتين [].
وبالنسبة لمتن الألفية .. فقد تم شكله بالكامل، وتلوينه باللون الأحمر، ووضعه بين مستطيل ليتميز به عن غيره من الأشعار الواردة في الكتاب.
وإتمامًا للفائدة تم وضع إعراب الألفية من كتاب "منحة الجليل في تحقيق شرح ابن عقيل" للشيخ محمد محيي الدين عبد الحميد رحمه الله، كما تم الاستفادة من تعليقاته في الكتاب المذكور، وتم الإشارة إلى ذاك في مواضعه.
قمنا بالرجوع إلى مصادر المؤلف ما أمكن، وخصوصًا عندما تشكل علينا عبارة، وأحيانًا كنا نجد بعض الفروق، أثبتناها في الهامش، وسيجد القارئ الكريم ذلك في طي الكتاب.
وأهم مصادر المؤلف:* شرح الجُمَل لابن بابشاذ.
* ارتشاف الضَّرَب من لسان العرب، لأبي حيان.
* والنهر الماد من البحر المحيط.
* التذييل والتكميل في شرح كتاب التسهيل، كلاهما لأبي حيان أيضًا.
* الكشاف للزمخشري.
* والمؤلف في الكافية.
কর্মপরিকল্পনা ও সম্পাদনা পদ্ধতিএই বিশাল সমুদ্রের গভীরতায় আমরা পাড়ি জমিয়েছি এবং এর পথগুলোতে অবগাহন করেছি নিম্নোক্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী:
গ্রন্থটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমরা দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, যার একটি খোদ লেখকের (রাহিমাহুল্লাহ) হস্তলিখিত; আমরা সেটিকে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি। অন্য পাণ্ডুলিপির পার্থক্যগুলো আমরা উল্লেখ করিনি, যদি না সেখানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বর্ধিতাংশ থাকে। সে ধরনের বর্ধিতাংশ আমরা গ্রন্থের ভেতরেই নির্দেশ করেছি এবং বর্ধিত অংশটুকুকে থার্ড ব্র্যাকেট []-এর মধ্যে রেখেছি।
আর আলফিয়্যার মূল পাঠের (মাতন) ক্ষেত্রে.. এতে পূর্ণাঙ্গভাবে হরকত প্রদান করা হয়েছে, লাল রঙে রঞ্জিত করা হয়েছে এবং একটি চতুর্ভুজ ফ্রেমের মধ্যে রাখা হয়েছে যেন কিতাবে আসা অন্যান্য কবিতা থেকে একে আলাদাভাবে চেনা যায়।
উপকারিতা পূর্ণ করার লক্ষ্যে আলফিয়্যার ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ (ই’রাব) শাইখ মুহাম্মাদ মুহিউদ্দীন আব্দুল হামিদ (রাহিমাহুল্লাহ) রচিত ‘মিনহাতুল জলীল ফী তাহকীকে শারহি ইবনি আকীল’ গ্রন্থ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উল্লিখিত কিতাবে তাঁর করা টীকাগুলো থেকেও আমরা উপকৃত হয়েছি এবং যথাস্থানে তার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
আমরা যথাসম্ভব লেখকের উৎস গ্রন্থগুলোর দিকে প্রত্যাবর্তন করেছি, বিশেষ করে যখন কোনো বাক্য আমাদের কাছে অস্পষ্ট মনে হয়েছে। মাঝে মাঝে আমরা কিছু পার্থক্য পেয়েছি, যা আমরা পাদটীকায় উল্লেখ করেছি; সম্মানিত পাঠক কিতাবের ভেতরেই তা খুঁজে পাবেন।
লেখকের প্রধান উৎসসমূহ:* ইবনে বাবশাযের ‘শারহুল জুমাল’।
* আবু হাইয়্যানের ‘ইরতিশাফুয যারাব মিন লিসানিল আরব’।
* ‘আন-নাহরুল মাদ্দ মিনাল বাহরিল মুহীত’।
* ‘আত-তাযয়ীল ওয়াত তাকমীল ফী শারহি কিতাবিত তাসহীল’, এই উভয় কিতাবই আবু হাইয়্যানের রচিত।
* যামাখশারীর ‘আল-কাশশাফ’।
* এবং ‘কাফিয়া’ গ্রন্থে খোদ লেখক।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وبالنسبة للشواهد .. فقد تم الاستفادة كثيرًا من المعجم المفصل في شواهد العربية، تأليف د. إميل بديع يعقوب، وهو من منشورات دار الكتب العلمية.
ثم من شرح الشواهد الكبرى للعيني.
كما تم الإفادة من تعليقات الدكتور إميل بديع يعقوب على شرح المفصل لابن يعيش، وهو من منشورات دار الكتب العلمية أيضًا.
عملنا مقدمات في أول الكتاب للتعريف بالشارح، وذكرنا دراسة عن المتن وأهميته وتوارد العلماء على شرحه.
أما من ناحية المظهر الخارجي .. فقد رصعناه بعلامات الترقيم المناسبة التي تُعين على قراءة النص بوضوح وسهولة، ووضعنا الآيات القرآنية بخط المصحف الشريف بين قوسين مزهرين {}، والأحاديث النبوية بين قوسين صغيرين " "، ومتن الألفية هكذا:
1 - قالَ مُحَمَّدٌ هُوَ ابنُ مالِكِ
… أَحْمَدُ رَبِّي اللهَ خَيْرَ مَالِكِ
تم ترقيم أبيات الألفية لسهولة الرجوع إليها.
ووضعنا قبل جواب الشرط والخبر البعيد نقطتين معترضتين ( .. )؛ ليسهل ربط العبارات على القارئ.
وختامًا:ما كان من خير .. فَمِنَ اللَّه، وما كان مِنْ شرّ .. فَمِنْ نَفْسي والشَّيْطان.
وإن تجد عيبًا فسُدَّ الخَللا
… جلَّ من لا عيب فيه وعلا
وليعذرني القارئ لو وجد بعض الهِنات والهفوات؛ فقد عمت الفتن في بلادنا، واقتتل الإخوة مع بعضهم، وانتشرت التيارات والمناهج المختلفة في فترة الحرب التي عمَّت بلادنا، حتى إنّ أحدنا لا يأمن على نفسه؛ إما من قذيفة أو اعتقال، ولا حول ولا قوة إلا باللَّه.
কাব্যিক প্রমাণের (শাওয়াহিদ) ক্ষেত্রে .. ড. এমিল বদি' ইয়াকুব রচিত 'আল-মু'জামুল মুফাসসাল ফি শাওয়াহিদিল আরাবিয়্যাহ' থেকে প্রচুর উপকার গ্রহণ করা হয়েছে, যা দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ থেকে প্রকাশিত।
এরপর বদরুদ্দীন আল-আইনি রচিত 'শারহুশ শাওয়াহিদিল কুবরা' থেকে।
একইভাবে ইবন ইয়াঈশ রচিত 'শারহুল মুফাসসাল'-এর ওপর ড. এমিল বদি' ইয়াকুবের টীকা থেকেও উপকার গ্রহণ করা হয়েছে, যা-ও দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ থেকেই প্রকাশিত।
আমরা বইয়ের শুরুতে ব্যাখ্যাকারীর পরিচিতির জন্য ভূমিকা সংযোজন করেছি এবং মূল পাঠ (মতন) ও এর গুরুত্ব এবং এর ব্যাখ্যায় আলেমদের অবদানের ওপর একটি গবেষণা উল্লেখ করেছি।
আর বাহ্যিক কাঠামোর দিক থেকে .. আমরা একে উপযুক্ত যতিচিহ্ন দ্বারা সুশোভিত করেছি যা পাঠ্যটি স্পষ্টভাবে এবং সহজে পড়তে সাহায্য করবে। আমরা কুরআনের আয়াতগুলোকে মুসহাফ শরিফের লিপিতে পুষ্পশোভিত ব্র্যাকেটের {} মধ্যে এবং হাদিসসমূহকে ছোট উদ্ধৃতি চিহ্নের " " মধ্যে রেখেছি। আর আলফিয়্যাহ-এর মতন এভাবে সাজিয়েছি:
১ - মুহাম্মাদ বললেন, যিনি ইবনে মালিক
… আমি আমার রব আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি সর্বোত্তম মালিক।
আলফিয়্যাহ-এর পঙ্ক্তিগুলোকে সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য সেগুলোর নম্বর প্রদান করা হয়েছে।
এবং আমরা জাওয়াবুল শারত (শর্তের উত্তর) এবং দূরবর্তী খবরের আগে দুটি বিন্দু ( .. ) দিয়েছি; যাতে পাঠকের জন্য বাক্যগুলোর সংযোগ বোঝা সহজ হয়।
উপসংহার:যা কিছু ভালো হয়েছে .. তা আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যা কিছু মন্দ হয়েছে .. তা আমার নিজের এবং শয়তানের পক্ষ থেকে।
যদি আপনি কোনো ত্রুটি পান তবে সেই বিচ্যুতিটি সংশোধন করে দিন
… মহান সেই সত্তা যার মধ্যে কোনো ত্রুটি নেই এবং তিনি সুউচ্চ।
পাঠক যেন আমাকে ক্ষমা করেন যদি তিনি কিছু ছোটখাটো বিচ্যুতি বা ভুল খুঁজে পান; কারণ আমাদের দেশে ফিতনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, ভাইয়েরা একে অপরের সাথে লড়াই করেছে এবং যুদ্ধের এই সময়ে বিভিন্ন ধারা ও আদর্শ ছড়িয়ে পড়েছে যা আমাদের দেশকে গ্রাস করেছে। এমনকি আমাদের কেউ নিজের জীবনের নিরাপত্তা বোধ করে না; হয় গোলার আঘাত থেকে নতুবা গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায়। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় বা শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وليس من سمع كمن رأى، وليس لأحد في أي صُقع على هذه المعمورة عذر في التقصير والتواني عن الذبِّ عن دين اللَّه، ونصرة كتابه.
أسأل اللَّه تعالى الفرج والنصر للمستضعفين والمسلمين، وأن يكشف الغمة عن الأمة، وأن يردنا إلى ديننا ردًّا جميلا؛ إنه سميع قريب مجيب.
وختامًا:
أستودع اللَّه لي في هذا الكتاب شهادة أن لا إله إلا اللَّه، وأن محمدًا رسول اللَّه، كي يردها إليّ عند آخر أنفاسي، وأن يحفظ عليّ ديني وإيماني.
والصلاة والسلام على سيدنا محمد عبده ورسوله، كُلَّما ذَكَرَه الذاكرون، وَغَفَلَ عن ذكره الغَافِلون.
وكتبه
أبو الكميت/ محمد مصطفى الخطيب
ريف دمشق - الغوطة الشرقية
من بلاد الشام المحروسة
20/ 7/ 2017
যে শুনেছে সে দেখার মতো নয়। আর এই পৃথিবীর কোনো প্রান্তেই কারো জন্য আল্লাহর দ্বীন প্রতিরক্ষা এবং তাঁর কিতাবকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে শিথিলতা ও অলসতা প্রদর্শনের কোনো অজুহাত নেই।
আমি মহান আল্লাহর কাছে নিপীড়িত ও মুসলিমদের জন্য মুক্তি ও বিজয় প্রার্থনা করছি, আর তিনি যেন এই উম্মাহর সংকট দূর করে দেন এবং আমাদের তাঁর দ্বীনের দিকে সুন্দরভাবে ফিরিয়ে নেন; নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী ও কবুলকারী।
উপসংহারে:
আমি এই কিতাবের মাধ্যমে আল্লাহর নিকট এই সাক্ষ্য আমানত রাখছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল; যেন তিনি আমার শেষ নিঃশ্বাসের সময় তা আমাকে ফিরিয়ে দেন এবং আমার দ্বীন ও ঈমানকে হিফাযত করেন।
আমাদের নেতা মুহাম্মদ—যিনি আল্লাহর বান্দা ও রাসুল—তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক, যতবার স্মরণকারীরা তাঁকে স্মরণ করে এবং গাফেলরা তাঁর স্মরণ থেকে বিমুখ থাকে।
এটি লিখেছেন
আবু আল-কুমাইত/ মুহাম্মদ মুস্তফা আল-খতিব
রিফ দামেস্ক - পূর্ব ঘূতা
সুরক্ষিত শাম ভূখণ্ড থেকে
২০/ ০৭/ ২০১৭
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২৭)
شُكْرٌ وَتَقْدِيرٌامتثالا لقول الرسول الكريم صلوات اللَّه وسلامه عليه: "لم يشكر اللَّه من لم يشكر الناس".
أتقدم بأحر الشكر وأخلصه للحاج محمد علي بيضون حفظه اللَّه؛ مدير دار الكتب العلمية؛ لما أسداه إلينا من معروف، ولما قدمه من عمل.
كما وأتقدم بخالص شكري وودادي، للأخ المجاهد نور شحادة دباس أبي محمد الميداني، الذي كان له أهم دور في إنجاز هذا العمل، من دعم معنوي ومادي، وإرشاد إلى جادة الطريق.
وتاج الشكر وأرصعه لوالديَّ حفظهما اللَّه وعافاهما، ورزقني برّهما والقارئين.
ولا أنسى شريكة حياتي، ورفيقة دربي، الغالية ابنة الغالي، هنادي عيد عامر، سائلا اللَّه عز وجل لها صحبة أمهات المؤمنين في جنات الخلد، والسعادة والهناء في الدنيا، لما لها من أفضالٍ عليّ، وأحيل جزاءها على اللَّه.
ولا أنسى كتاكيتي وحبّات قلبي، أولادي (مروة، وخديجة، وسارة، وكميت، وضياء)، وصهري عمرو عيد عامر أبا الليث، رضوان ربي عليهم مدى الدهر والزمان، وحماهم من كل سوء، وجميع أولاد المسلمين.
والشكر المعطّر لبذرة التحقيق ابن صديقي، مؤيد عوض، فرّج اللَّه عن والده وفكّ أسره وجميع المعتقلين.
وإلى جميع من ساعدني من قريب أو بعيد.
والحمد لله رب العالمين
কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতিসম্মানিত রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর বাণী: "যে মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না"-এর অনুসরণে।
আমি দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ-এর পরিচালক আলহাজ মুহাম্মাদ আলী বায়দুন (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন)-এর প্রতি আন্তরিক ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি; তিনি আমাদের প্রতি যে অনুগ্রহ করেছেন এবং এই কাজের জন্য যে অবদান রেখেছেন তার জন্য।
সেইসাথে আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি সংগ্রামী ভাই নূর শিহাদাহ দাব্বাস আবু মুহাম্মাদ আল-মায়দানী-এর প্রতি, এই কাজটি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে যাঁর নৈতিক ও বৈষয়িক সমর্থন এবং সঠিক পথের দিকনির্দেশনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
আর কৃতজ্ঞতার শ্রেষ্ঠ মুকুট উৎসর্গ করছি আমার পিতামাতার প্রতি (আল্লাহ তাঁদের হেফাজত করুন ও সুস্থ রাখুন), আল্লাহ আমাকে এবং পাঠকদের তাঁদের প্রতি সদাচার করার তাওফিক দান করুন।
আমি আমার জীবনসঙ্গিনী এবং পথচলার সাথী, শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের প্রিয় কন্যা হানাদি ঈদ আমের-এর কথা বিস্মৃত হব না। আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাকে চিরস্থায়ী জান্নাতে উম্মাহাতুল মুমিনীনগণের সান্নিধ্য দান করেন এবং দুনিয়াতে সুখ ও সমৃদ্ধি দান করেন; আমার প্রতি তাঁর অনেক অবদান রয়েছে এবং আমি তাঁর পুরস্কার আল্লাহর কাছেই ন্যস্ত করছি।
আমি আমার নয়নমণি ও কলিজার টুকরো সন্তানদের ভুলব না (মারওয়া, খাদিজা, সারা, কুমাইত ও দিয়া) এবং আমার জামাতা আমর ঈদ আমের আবু আল-লাইস-কেও। চিরকাল তাদের ওপর আমার রবের সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক এবং আল্লাহ তাদের ও সকল মুসলিম সন্তানদের যাবতীয় অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন।
আর সুবাসিত কৃতজ্ঞতা তাহকিকের নবীন কারিগর আমার বন্ধুর পুত্র মুয়াইয়াদ আওয়াদ-এর জন্য; আল্লাহ তার পিতার বিপদ দূর করুন এবং তাঁকে ও সকল বন্দীদের মুক্তি দান করুন।
এবং কাছে বা দূরে থেকে যারা আমাকে সাহায্য করেছেন তাদের সকলকে।
সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ২৯)
المُقَدِّمَة
بسم الله الرحمن الرحيم
وَبهِ نَسْتَعين
قال الشيخ الإمام العالم العامل الفَاضل الصّالح الشيخ شمس الدين محمد الفارضي، أعاد اللَّه علينا من بركاته، وفسح في مدته، ونفع بعلومه، ونفح بأسراره، وأشرق من أنواره في الدنيا والآخرة:
الحَمْدُ لِلَّهِ المُجيب النِّداء، الأَوَّلُ بِلا ابتِدَاء، الرَّافِعُ مَنِ انخَفَضَ لِعِزَّتِهِ، المَانُّ بِمُفْرَدِ الفَضلِ وَجُمْلَتِهِ، لا يَنْقَطِع لِمَوْصُولِ كَرَمِهِ عَائِد إحسان، وَلا يَخْفَى عَنْهُ مَا تَكنُّهُ الضَّمَائِر، كُلّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأن.
والصَّلاةُ وَالتَّسليم عَلى العَلَم المَوْصُوفِ بِأَحْسَنِ الصِّفات، وَمَصْدَر الفَضلِ الباقي، بِحُسْنِ اختِصَاصِهِ عَلى أعلى مَرَاتِبِ السِّيَادات، المُمَيَّز بِأفْعَل التَّفْضيل على جميع الأنبياء، والمجموع الذي لواؤه فوق كل لواء مرفوع، سيدنا محمد، وعلى آله وأصحابه الذين تعريفُ فضلهم لا يُنكَر، وفعلهم منتصب البناء في الحق فلا يُكسَر، فهم الجَمْعُ الصَّحيح السَّالِم، وَذَوُو الفَضْل والحلم والمَكَارم.
بعد: فهذا ما فتح اللَّه تعالى به شرحًا أو كالشرح على "الألفية" في علم اللغة العربيّة، للشيخ الإمام، العالم العامل، العلامة، افتخار الفضلاء، وقدوة الأدباء، محمد جمال الدين بن عبد اللَّه بن مالك، الطائي، الأندلسي، الجياني، الشافعي، ولد بجيان، وهي مدينة من مدائن الأندلس، وأخذ القراءات والنحو عن ثابت بن خيار الكلاعي ببلدته جيان، وحضر عند الأستاذ أبي علي الشلوبين المغربي.
وأخذ أيضًا: عن السخاوي.
ولازم الإمام موفق الدين بن يعيش في حلب.
وحضر عنه تلميذه جمال الدين بن عمرو.
ভূমিকা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং তাঁরই নিকট আমরা সাহায্য প্রার্থনা করছি।
শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, আমলকারী, গুণী ও পুণ্যবান শায়খ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ আল-ফারদি (আল্লাহ তাঁর বরকত আমাদের ওপর পুনরায় বর্ষণ করুন, তাঁর আয়ু বৃদ্ধি করুন, তাঁর জ্ঞান দ্বারা আমাদের উপকৃত করুন, তাঁর রহস্যের সুবাস ছড়িয়ে দিন এবং দুনিয়া ও আখেরাতে তাঁর নূর দ্বারা আলোকিত করুন) বলেন:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি প্রার্থনা কবুলকারী, যিনি অনাদি, যিনি তাঁর মহিমার নিকট মস্তক অবনতকারীকে উচ্চমর্যাদা দান করেন এবং যিনি বিশেষ ও সাধারণ সকল অনুগ্রহ প্রদানকারী। তাঁর অবিচ্ছিন্ন করুণার কল্যাণ থেকে কেউ বঞ্চিত হয় না এবং অন্তরে যা গোপন থাকে তা তাঁর নিকট অস্পষ্ট থাকে না। প্রতিটি দিনে তিনি কোনো না কোনো মহান কাজে রত থাকেন।
সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক সেই মহান সত্তার ওপর, যিনি সর্বোত্তম গুণাবলিতে গুণান্বিত এবং যিনি তাঁর বিশেষত্বের কারণে নেতৃত্বের সর্বোচ্চ মর্যাদায় আসীন ও অবশিষ্ট শ্রেষ্ঠত্বের উৎস। যিনি শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে সকল নবীর ওপর বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত এবং যাঁর পতাকা অন্য সকল উত্তোলিত পতাকার ঊর্ধ্বে; অর্থাৎ আমাদের নেতা মুহাম্মদ, এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর, যাঁদের শ্রেষ্ঠত্বের পরিচিতি অনস্বীকার্য এবং হকের পথে তাঁদের কার্যাবলি এমন সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত যা ভেঙে ফেলা সম্ভব নয়। তাঁরা হলেন একটি সুসংহত ও সঠিক দল এবং ফযিলত, সহনশীলতা ও মহানুভবতার অধিকারী।
অতঃপর: এটি আরবি ভাষা বিজ্ঞানের ওপর রচিত "আলফিয়্যাহ"-এর একটি ব্যাখ্যা বা ব্যাখ্যার ন্যায় গ্রন্থ যা মহান আল্লাহ উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। মূল গ্রন্থটি রচনা করেছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, সুপণ্ডিত, গুণীজনদের গৌরব ও সাহিত্যিকদের আদর্শ মুহাম্মদ জামালুদ্দিন বিন আব্দুল্লাহ বিন মালিক আত-তায়ি, আল-আন্দালুসি, আল-জায়ানি, আশ-শাফেয়ি। তিনি আন্দালুসের অন্যতম শহর জায়ান-এ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বীয় শহর জায়ানে সাবেত বিন খিয়ার আল-কালায়ি-এর নিকট কিরাত ও নাহু (ব্যাকরণ) শিক্ষা লাভ করেন এবং ওস্তাদ আবু আলি আশ-শালুবিন আল-মাগরিবি-এর পাঠ্যচক্রে উপস্থিত হন।
তিনি আরও শিক্ষা গ্রহণ করেছেন আস-সাখাভির নিকট থেকে।
এবং তিনি হালাব শহরে ইমাম মুয়াফফাকুদ্দিন বিন ইয়াইশ-এর সান্নিধ্যে অবস্থান করেন।
এবং তাঁর নিকট তাঁর ছাত্র জামালুদ্দিন বিন আমর উপস্থিত হতেন।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৩০)
ورحل إلى مكة، وأقام بدمشق، ونزل بالعادلية الكبرى، وولي مشيختها التي من شرطها: القراءة والعربية.
قال الجزري
(1): وكان ذهنه من أصح الأذهان، مع ملازمة العمل والنظر، والتأليف والكتابة.
وبدون ذلك [يصير] أستاذ زمانه، وإمام أوانه.
وحكى أيضًا: قال حدثني بعض شيوخي: أن المصنف كان يجلس في وظيفة الإقراء المذكور بشباك التربة، وينتظر من يحضر ليأخذ عنه، فإذا لم يأته أحد .. يقوم إلى الشباك ويقول: القراءة [القراءة] العربية [العربية]
(2)، ثم يدعو وينصرف، ويقول: أنا لا أرى أن ذمتي تبرأ إلا بهذا؛ فإنه قد لا يُعلم أني جالس في هذا المكان لذلك.
وذكر الحافظ السيوطي في "طبقاته" مؤلفات المصنف نظمًا ونثرًا؛ فمنها: "التسهيل"، و"الكافية"، و"شرحاها"، و"الألفية"، و"شرحها"، و"عمدة اللافظ"، و"شرحها"، و"لامية في الصرف"، و"منظومة في المثلث"، و"توضيح على البخاري"، و"منظومة في المقصور والممدود"، و"شرحها"، و"منظومة في القراءة"، و"منظومتان في معرفة الظاء والضاد"، "وشرحها"، و"الموصل نظم المفضل" للزمخشري، و"التعريف في علم التصريف"، و"شرحه"، و"مؤلف فيما جاء بأفعل وفعل"، و"مؤلف في الأبدال"، و"منظومة في المهموز وغير المهموز"، و"شرحها"، و"الفوائد" الذي لخص منه التسهيل، و"نظم الفوائد"، و"المقدمة الأسدية"، و"سبك المنظوم وفك المختوم"، و"شرح الجزولية"، و"شرح التسهيل" ولم يتم.
قال: وكان رحمه الله غاية في الدين المتين، وصدق اللَّهجة، وكثرة النوافل، وحسن السمت، ورقة القلب، وكمال العقل والوقار، وغير ذلك مما يطول شرحه.
ولد سنة ثمان وتسعين وخمسمائة، قال الذهبي: سنة ستمائة، أو إحدى وستمائة.
--------------------------------------------
তিনি মক্কায় সফর করেন এবং দামেস্কে বসবাস করেন। তিনি আল-আদিলিয়াহ আল-কুবরা-তে অবস্থান করেন এবং সেখানকার শাইখ পদে অধিষ্ঠিত হন। এই পদের শর্ত ছিল: কিরাত ও আরবি ভাষা পাঠদান।
জাযারি
(১) বলেন: নিরন্তর কর্মতৎপরতা, গবেষণা, সংকলন ও রচনার পাশাপাশি তাঁর মেধা ছিল শ্রেষ্ঠ মেধাসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়াও তিনি [ছিলেন] তাঁর সময়ের উস্তাদ এবং তাঁর যুগের ইমাম।
আরও বর্ণিত হয়েছে: তিনি বলেন, আমার জনৈক শাইখ আমাকে বর্ণনা করেছেন: লেখক উল্লিখিত কিরাত পাঠদানের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা অবস্থায় সমাধিস্থলের জানালায় বসতেন এবং তাঁর কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের জন্য কেউ আসার অপেক্ষা করতেন। যখন কেউ আসত না... তখন তিনি জানালার দিকে দাঁড়িয়ে বলতেন: পাঠদান [পাঠদান], আরবি ভাষা [আরবি ভাষা]
(২), তারপর তিনি দোয়া করে চলে যেতেন এবং বলতেন: আমি মনে করি না যে, এটি ব্যতিরেকে আমার দায়িত্ব পালন সম্পন্ন হবে; কেননা হয়তো অনেকেই জানে না যে আমি এই কাজের জন্য এখানে বসে আছি।
হাফিজ সুয়ূতী তাঁর "তাবাকাত" গ্রন্থে লেখকের পদ্য ও গদ্যে রচিত গ্রন্থাবলির কথা উল্লেখ করেছেন; সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: "আত-তাসহিল", "আল-কাফিয়া" ও তার দুটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, "আল-আলফিয়্যাহ" ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ, "উমদাতুল লাফিজ" ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ, সারফ (শব্দতত্ত্ব) বিষয়ক "লামিয়্যাহ", "আল-মুসাল্লাস" বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ, বুখারির ব্যাখ্যাগ্রন্থ "তাওদিহ", "আল-মাকসুর ওয়াল মামদুদ" বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ, কিরাত বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ, "জা" (ظ) এবং "দাদ" (ض) অক্ষরের পার্থক্য বিষয়ক দুটি কাব্যগ্রন্থ ও তাদের ব্যাখ্যাগ্রন্থ, জামাখশারীর "আল-মুফাসসাল" এর কাব্যানুবাদ "আল-মাওসিল", ইলমে তাসরিফ (শব্দতত্ত্ব) বিষয়ক "আত-তারিফ" ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ, "আফআল" ও "ফাআল" ওজনে আগত শব্দের ওপর রচিত গ্রন্থ, "আল-আবদাল" বিষয়ক গ্রন্থ, "হামযাহযুক্ত ও হামযাহবিহীন শব্দ" বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ, "আল-ফাওয়ায়েদ" যেখান থেকে তিনি তাসহিল সংক্ষেপ করেছেন, "নাযমুল ফাওয়ায়েদ", "আল-মুকাদ্দিমাতুল আসাদিয়্যাহ", "সাবকুল মানজুম ওয়া ফাক্কুল মাখতুম", "শারহুল জাযুলিয়্যাহ" এবং "শারহুত তাসহিল" যা তিনি সমাপ্ত করতে পারেননি।
তিনি বলেন: তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) সুদৃঢ় দ্বীনদারি, সত্যবাদিতা, অত্যধিক নফল ইবাদত, সুন্দর স্বভাব, কোমল হৃদয় এবং পূর্ণ প্রজ্ঞা ও গাম্ভীর্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিলেন। এ ছাড়াও তাঁর অন্যান্য গুণাবলি রয়েছে যার বর্ণনা দীর্ঘ।
তিনি পাঁচশত আটানব্বই হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। যাহাবী বলেন: ছয়শত হিজরি বা ছয়শত এক হিজরি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৩১)
وتوفي بدمشق لاثنتي عشرة ليلة خلت من شعبان، سنة اثنتين وسبعين وستمائة، وصلي عليه بالجامع الأموي، ودفن بسفح قاسيون، وأنشدوا ساعة دفنه مرثية أولها:
يا شتات الأسماء والأفعال
… بعد موت ابن مالك المفضال
ولم أجنح فيه إلى تعقيد، طلبًا للرفع، بل اخترت التسهيل ليكون التوضيح سببًا للنفع، وباللَّه استعنت وعليه توكلت.
ص:
1 - قالَ مُحَمَّدٌ هُوَ ابنُ مالِكِ
… أَحْمَدُ رَبِّي اللهَ خَيْرَ مَالِكِ
(1)ش:
محمد بن يزيد المبرد ومن وافقه: إن الحمد والشكر بمعنى واحد، قال ابن عباس رضي اللَّه تعالى عنهما: معنى الحمد لله: الشكر لله.
وقيل: الحمد مقلوب من المدح؛ كقولهم: (ما أطيبه وأطيب به).
--------------------------------------------
তিনি ৬৬২ হিজরী সনের ১২ই শাবান দামেস্কে ইন্তেকাল করেন। উমাইয়া জামে মসজিদে তাঁর জানাযার নামায পড়ানো হয় এবং কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে তাঁকে দাফন করা হয়। তাঁর দাফনের সময় একটি শোকগাথা পাঠ করা হয়েছিল যার সূচনা ছিল নিম্নরূপ:
হে বিশেষ্য ও ক্রিয়াপদসমূহের বিচ্ছিন্নতা
... গুণী ইবনে মালিকের মৃত্যুর পর।
আমি এতে উচ্চমর্যাদা লাভের আশায় কোনো জটিলতার আশ্রয় নেইনি, বরং সহজবোধ্যতাকে বেছে নিয়েছি যাতে বিশদ ব্যাখ্যা উপকারের কারণ হয়। আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং তাঁর ওপরই ভরসা করছি।
মূল পাঠ:
১ - মুহাম্মদ ইবনে মালিক বলেন
... আমি আমার প্রতিপালক আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি সর্বোত্তম মালিক।
(১)ব্যাখ্যা:
মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ আল-মুবররাদ এবং তাঁর সাথে একমত পোষণকারীগণ বলেন: 'হামদ' (প্রশংসা) এবং 'শুকর' (কৃতজ্ঞতা) একই অর্থবোধক। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন: 'আলহামদুলিল্লাহ' এর অর্থ হলো আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
কেউ কেউ বলেন: 'হামদ' শব্দটি 'মাদহ' (স্তুতি) এর অক্ষর পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত; যেমন তাদের উক্তি: (তিনি কতই না উত্তম এবং তাঁর মাধ্যমে কতই না উত্তম সাব্যস্ত করা হয়েছে)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৩২)
والمعتمد:
أنه لغة: الثناء باللسان على الجميل الاختياري، على جهة التبجيل والتعظيم.
وإصطلاحًا: فِعلٌ ينبئ عن تعظيم المنعم؛ لسبب كونه منعمًا.
أو كما قال الزمخشري في "الفائق": الوصف بالجميل.
ولا يكون إلا باللسان، فمورده خاص.
ويكون على النعمة وغيرها، فمتعلَّقهُ عام.
والشكر:
لغه: الحمدُ اصطلاحًا.
واصطلاحًا: صرفُ العبد جميع ما أنعم اللَّه به عليه لما خُلِق له.
ويكون: باللسان والقلب والجوارح، فمورده عام، قال تعالى: {اعْمَلُوا آلَ دَاوُودَ شُكْرًا}.
ولا يكون إلا في مقابلة نعمة، فمتعلقه خاص.
وقد تحصّل: أن الحمد: أعم باعتبار المتعلق، وأخص باعتبار المورد.
والشكر: عكس ذلك.
وينفرد الشكر: فيما إذا كان بالجارحة في مقابل نعمة.
وينفرد الحمد: إذا كان في مقابل غير نعمة.
ويجتمعان: إذا كانا باللسان في مقابل نعمة.
والجمهور أن (أل) في (الحمد) لعموم المحامد واستغراقها.
أو: للجنس؛ كما قال الزمخشري؛ لأن (لام لله) للاختصاص، فلا فرد من الحمد لغيره؛ إذ لو ثبت لغيره فرد من الحمد .. لانتفى الاختصاص؛ لتحقق الجنس في الفرد الثابت لغيره.
وعن ابن عبد السلام: أنها للعهد، وأجازه الواحدي، على معنى: أن الحمد الذي حمد اللَّه به نفسه وحمده به أنبياؤه وأولياؤه: مختص به.
والعبرة: بحمد مَن ذُكر، فلا فرد منه لغيره.
নির্ভরযোগ্য মত এই যে:
আভিধানিকভাবে: সম্মান ও মর্যাদার উদ্দেশ্যে ঐচ্ছিক সুন্দরের প্রতি জিহ্বার মাধ্যমে প্রশংসা করা।
পরিভাষায়: এমন কাজ যা নিআমতদাতার নিআমত প্রদানের কারণে তাঁর মহিমা প্রকাশ করে।
অথবা যেমনটি যামাখশারী তাঁর ‘আল-ফাইক’ গ্রন্থে বলেছেন: সুন্দরের গুণগান করা।
আর তা কেবল জিহ্বার মাধ্যমেই হয়, ফলে এর উৎস ক্ষেত্র সংকীর্ণ।
এটি নিআমত বা নিআমত ব্যতিরেকে অন্যান্য বিষয়ের উপরেও হয়, তাই এর প্রয়োগ ক্ষেত্র ব্যাপক।
আর শুকর (কৃতজ্ঞতা):
আভিধানিকভাবে তা হলো পারিভাষিক হামদ (প্রশংসা)।
পরিভাষায়: আল্লাহ তাআলা বান্দাকে যা কিছু নিআমত দিয়েছেন, তা যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে বান্দা কর্তৃক সেই উদ্দেশ্যেই তা ব্যয় করা।
এটি জিহ্বা, অন্তর ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে হয়, ফলে এর উৎস ক্ষেত্র ব্যাপক। আল্লাহ তাআলা বলেন: “হে দাউদ পরিবার! তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমল করো।”
আর এটি নিআমত প্রাপ্তির প্রেক্ষিতেই কেবল হয়ে থাকে, তাই এর প্রয়োগ ক্ষেত্র সংকীর্ণ।
সারকথা এই যে: হামদ (প্রশংসা) প্রয়োগ ক্ষেত্রের বিবেচনায় ব্যাপক এবং উৎস ক্ষেত্রের বিবেচনায় সংকীর্ণ।
আর শুকর (কৃতজ্ঞতা) এর বিপরীত।
শুকর তখনই এককভাবে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয় যখন তা নিআমতের বিপরীতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
আর হামদ তখনই একক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয় যখন তা নিআমত ব্যতীত অন্য কিছুর বিনিময়ে হয়।
আর উভয়ে তখন একত্রিত হয় যখন তা নিআমতের বিনিময়ে জিহ্বার মাধ্যমে করা হয়।
জমহুর বা অধিকাংশ উলামায়ে কেরামের মতে ‘আল-হামদু’ শব্দের ‘আল’ (আলিফ-লাম) সর্বপ্রকার প্রশংসাকে শামিল করা ও ব্যাপ্ত করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অথবা এটি ‘জিনস’ বা জাতিগত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমনটি যামাখশারী বলেছেন। কেননা ‘লিল্লাহি’ শব্দের ‘লাম’ বর্ণটি বিশিষ্টতা বা এককত্ব বুঝায়। সুতরাং আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য প্রশংসার কোনো অংশই সাব্যস্ত হতে পারে না। কারণ যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য প্রশংসার কোনো অংশ সাব্যস্ত হয়, তবে তাঁর এককত্বের বৈশিষ্ট্য লুপ্ত হবে; কেননা তখন সেই প্রশংসার ধরনটি অন্যের ক্ষেত্রেও সত্য বলে প্রমাণিত হবে।
ইবনু আবদুস সালাম থেকে বর্ণিত যে, এটি ‘আহদ’ বা পরিচিতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং ওয়াহিদী একে বৈধ বলেছেন। এর মর্ম হলো: আল্লাহ তাআলা নিজের যে প্রশংসা করেছেন এবং তাঁর নবীগণ ও ওলীগণ তাঁর যে প্রশংসা করেছেন, তা কেবল তাঁর জন্যই নির্দিষ্ট।
আর মূল ধর্তব্য বিষয় হলো উল্লিখিত ব্যক্তিদের কর্তৃক কৃত প্রশংসা, সুতরাং প্রশংসার কোনো অংশই আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো জন্য হতে পারে না।
(খণ্ড: ১)
শারহুল ফারিদী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
ص:
2 - مُصَلِّيًا عَلَى النَّبيِّ المُصطَفَى
… وَآلِهِ المُسْتَكْمِلينَ الشَرَفَا
(1)3 - وَأستَعِينُ اللهَ فِي أَلْفِيَّه
… مَقَاصِدُ النَّحوِ بهَا مَحوِيَّه
(2)ش:
مقاصد النحو؛ أي: مهماته، والمقصود: معظم المهمات؛ للجمع بينه وبين قوله آخر الكتاب: (نَظْمًا عَلَى جُلِّ الْمُهِمَّاتِ اشْتَمَل).
والنحو لغة: يطلق على القصد، مصدر: (نحوته نحوًا)، وعلى الجهة؛ كـ: (سرت نحوه) وعلى المثل والمقدار والشطر؛ كقولهم: (نحو المسجد الحرام)؛ أي: شطره، والنوع والقسم؛: كـ (هذا على خمسة أنحاء).
أي: أنواع وأقسام على هذا العلم.
--------------------------------------------
২ - মনোনীত নবীর প্রতি দরুদ পাঠরত অবস্থায়
… এবং তাঁর পরিজনদের প্রতি যারা পূর্ণ মর্যাদা লাভ করেছেন।
(১)৩ - আর আমি এক হাজার পঙক্তিবিশিষ্ট কবিতায় (আলফিয়্যাহ) আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি
… যাতে নাহুর (ব্যাকরণ শাস্ত্রের) উদ্দেশ্যসমূহ সন্নিবেশিত হয়েছে।
(২)ব্যাখ্যা:
নাহুর উদ্দেশ্যসমূহ; অর্থাৎ: এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি। আর উদ্দেশ্য বলতে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই উদ্দেশ্য; যাতে এই কথার এবং গ্রন্থের শেষে বর্ণিত তাঁর এই উক্তির মাঝে সমন্বয় ঘটে: (এমন এক ছন্দবদ্ধ রচনা যা অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে)।
আর নাহু (النحو) শব্দটির ভাষাগত অর্থ: এটি লক্ষ্যের (কাসদ) অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার ক্রিয়ামূল হলো: (আমি তার দিকে লক্ষ্য করেছি), এবং দিকের (জিহাহ) অর্থে ব্যবহৃত হয়; যেমন: (আমি তার দিকে চললাম)। এছাড়া সদৃশ (মিসল), পরিমাণ (মিকদার) এবং অংশের (শাতর) অর্থেও এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন তাদের কথা: (মসজিদুল হারামের দিকে); অর্থাৎ: তার দিকে বা তার অংশে। এছাড়া এটি প্রকার (নাউ') এবং বিভাগের (কিসম) অর্থেও ব্যবহৃত হয়; যেমন: (এটি পাঁচ প্রকারের)।
অর্থাৎ: এই শাস্ত্রের নানা প্রকার ও বিভাগসমূহ।
--------------------------------------------