(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: -)
نوازل الزكاة   (الغفيلي، عبد الله بن منصور)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: نوازل الزكاة «دراسة فقهية تأصيلية لمستجدات الزكاة»

المؤلف: عبد الله بن منصور الغفيلي

الناشر: دار الميمان للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية، القاهرة - جمهورية مصر العربية

الطبعة: الأولى، 1430 هـ - 2009 م

عدد الصفحات: 615

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 17 رمضان 1436

জাকাতের নওয়াজিল (জাকাত বিষয়ক আধুনিক সমস্যাবলি)   (আল-গুফায়লি, আবদুল্লাহ বিন মনসুর)

বিভাগ: ফিকহি মাসআলাসমূহ


গ্রন্থ: জাকাতের নওয়াজিল «জাকাতের সমসাময়িক বিষয়াবলির ওপর একটি মৌলিক ফিকহি গবেষণা»

লেখক: আবদুল্লাহ বিন মনসুর আল-গুফায়লি

প্রকাশক: দারুল মাইমান পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন، রিয়াদ - সৌদি আরব রাজতন্ত্র، কায়রো - মিশর আরব প্রজাতন্ত্র

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩০ হিজরি - ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬১৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৭ রমজান ১৪৩৬

(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: -)
نوازل الزكاة

«دراسة فقهية تأصيلية لمستجدات الزكاة»

 

تأليف

د. عبد الله بن منصور الغفيلي

 

إصدارات

وزارة الأوقاف والشؤون الإسلامية

إدارة الشؤون الإسلامية - دولة قطر
জাকাতের আধুনিক মাসয়ালাসমূহ

«জাকাতের নবউদ্ভূত বিষয়াবলির একটি মৌলিক ফিকহি গবেষণা»

 

গ্রন্থনায়

ড. আবদুল্লাহ ইবনে মনসুর আল-গুফাইলি

 

প্রকাশনায়

আওকাফ ও ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ইসলামি বিষয়ক বিভাগ - কাতার রাষ্ট্র
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৪)
نَوَازِلُ الزَّكَاةِ
যাকাত সংক্রান্ত আধুনিক মাসআলাসমূহ
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৫)
طُبِعَ عَلَى نَفَقَةِ

وَزَارَة الأَوْقَافِ وَالشُّؤُونِ الإِسْلَامِيَّة

إِدَارة الشُّؤُون الإِسْلاميَّةِ - دَوْلَة قَطَر

 

الطَّبعة الأُولى

الدوحة 1430 هـ - 2009 م

 

© حقوق الطّبع مَحْفُوظَة

 

الميمان

دار الميمان للنشر والتوزيع

الرياض: هاتف: 14627336 (966) + & فاكس: 14612163 (966) +

القاهرة: هاتف: 27949370 (202) + & فاكس: 27962730 (202) +

بريد إلكتروني: info@arabia-it.com

الموقع: WWW.arabia-it.com
অর্থায়নে মুদ্রিত

ওয়াকফ ও ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ইসলামি বিষয়ক বিভাগ - কাতার রাষ্ট্র

 

প্রথম সংস্করণ

দোহা ১৪৩০ হিজরি - ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ

 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

 

আল-মায়মান

দার আল-মায়মান প্রকাশনা ও পরিবেশনা

রিয়াদ: ফোন: + (৯৬৬) ১৪৬২৭৩৩৬ ও ফ্যাক্স: + (৯৬৬) ১৪৬১২১৬৩

কায়রো: ফোন: + (২০২) ২৭৯৪৯৩৭০ ও ফ্যাক্স: + (২০২) ২৭৯৬২৭৩০

ইমেইল: info@arabia-it.com

ওয়েবসাইট: WWW.arabia-it.com
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৬)
أصل هذا الكتاب رسالة علمية لنيل درجة الدكتوراه في الفقه من كلية الشريعة بالرياض بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، وقد نوقشت من اللجنة المكونة من:

أ. د: صالح بن عثمان الهليل مشرفًا

أ. د: عبد الله بن محمد الطيار مناقشًا

أ. د: مساعد بن قاسم الفالح مناقشًا

وقد أوصت اللجنة بمنح الباحث درجة الدكتوراه مع مرتبة الشرف الأولى، وذلك في 20/ 5 / 1428 هـ.
এই গ্রন্থটির মূল হলো ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়াদের শরীয়াহ অনুষদ থেকে ফিকহ শাস্ত্রে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত একটি গবেষণাপত্র। এটি নিম্নোক্ত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচিত হয়েছে:

প্রফেসর ড. সালিহ বিন উসমান আল-হুলাইল (তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে)

প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আত-তাইয়ার (আলোচক হিসেবে)

প্রফেসর ড. মুসাঈদ বিন কাসিম আল-ফালিহ (আলোচক হিসেবে)

কমিটি ২০/০৫/১৪২৮ হিজরি তারিখে গবেষককে প্রথম শ্রেণীর সম্মানসহ ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানের সুপারিশ করেছে।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌مقدمة

الحمد لله كما ينبغي لجلال وجهه وعظيم سلطانه، وأشكره شكر عبد معترف بالتقصير عن شكر نعمه وأفضاله، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًّا عبده ورسوله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم تسليمًا كثيرًا.

أما بعد:

فإنَّ الله خلق الخلق لعبادته، وأمرهم بطاعته، ونهاهم عن معصيته، وفرض عليهم فرائض عظيمة، منها فريضة الزكاة، وهي أحد أركان الإسلام ومبانيه العظام، تميزت بأحكام جليلة، ومسائل كثيرة، تتجدد صورها، وتتنوع وقائعها، مع تغير المعاملات المالية، وتطورات الحياة المادية، مما يستدعي العناية ببحث مستجدات هذه الفريضة العظيمة، وبيان أحكامها، فما كان مني إلا أن استعنت بالله، وخضت غمار البحث في نوازل الزكاة متطلّبًا الفائدةَ من مظانِّها، فألفيتُ تلك النوازل كثيرةَ الأصداف، متراميةَ الأطراف، ذاتَ غَوْرٍ بعيد، تستدعي الجهد الجهيد، فاجتهدت في بحثها، ولملمة شعثها، وحاولت - ما أمكن - العنايةَ بتأصيل النوازل، وتجنب الاستغراق في تفصيلات تطبيقاتها؛ لأن ذلك يحتاج إلى خوض العلوم الأخرى من اقتصاد ومحاسبة، فكان التركيز على التأصيل الفقهي دون التفاصيل التي يطول معها البحث، وينقطع بها نَفَس الباحث، لا سيما مع طول الرسالة وكثرة مسائلها الفقهية.
ভূমিকা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যেমনটি তাঁর চেহারার মহিমা এবং তাঁর রাজত্বের বিশালতার জন্য উপযুক্ত। আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এমন এক বান্দার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ন্যায়, যে তাঁর নেয়ামত ও অনুগ্রহের শোকর আদায়ের ব্যাপারে নিজের অক্ষমতার কথা স্বীকার করে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসুল, তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

অতঃপর:

নিশ্চয়ই আল্লাহ সৃষ্টিজগতকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তাদের তাঁর আনুগত্যের আদেশ দিয়েছেন, তাঁর অবাধ্যতা হতে নিষেধ করেছেন এবং তাদের ওপর মহান কিছু বিধান ফরজ করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো জাকাত, যা ইসলামের অন্যতম রুকন ও এর সুমহান ভিত্তি। এটি মহান কিছু বিধি-বিধান ও অসংখ্য মাসআলা দ্বারা বৈশিষ্ট্যমন্ডিত, যার রূপ প্রতিনিয়ত নবায়িত হয় এবং আর্থিক লেনদেনের পরিবর্তন ও বৈষয়িক জীবনের উন্নতির সাথে সাথে এর প্রেক্ষাপট বৈচিত্র্যময় হয়। যা এই মহান বিধানের সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করা এবং এর বিধানাবলি বর্ণনা করার প্রতি গুরুত্বারোপের দাবি রাখে। তাই আমি আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করলাম এবং জাকাতের সমসাময়িক মাসআলাসমূহের গবেষণার গভীরে অবগাহন করলাম, সংশ্লিষ্ট উৎসগুলো হতে ফায়দা তালাশ করতে লাগলাম। অতঃপর আমি এই আধুনিক মাসআলাগুলোকে বহু বৈচিত্র্যপূর্ণ, সুদূরপ্রসারী এবং অত্যন্ত গভীর হিসেবে দেখতে পেলাম, যা কঠোর প্রচেষ্টার দাবি রাখে। তাই আমি এগুলো নিয়ে গবেষণায় ব্রতী হলাম, এর বিক্ষিপ্ত অংশগুলোকে একত্রিত করলাম এবং যথাসম্ভব এই আধুনিক মাসআলাগুলোর ফিকহি মূলনীতি নির্ধারণে যত্নবান হওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি এর প্রায়োগিক খুঁটিনাটি বিবরণে বেশি নিমগ্ন হওয়া এড়িয়ে চলেছি; কারণ তা অর্থনীতি ও হিসাববিজ্ঞানের মতো অন্যান্য শাস্ত্রের গভীরে প্রবেশের দাবি রাখে। তাই ফিকহি মূলনীতির ওপরই অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, সেই দীর্ঘ বিস্তারিত আলোচনা ব্যতীত যা গবেষণাকে প্রলম্বিত করে এবং গবেষককে ক্লান্ত করে তোলে, বিশেষ করে এই অভিসন্দর্ভের বিশালতা এবং এর ফিকহি মাসআলার আধিক্যের কারণে।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৮)
وإن مما يجدر بيانه في هذه المقدمة الأمور التالية:

 

‌‌التعريف بالموضوع وبيان أهميته:

يُعنى البحث في هذا الموضوع بما يتعلق بفريضة الزكاة من مستجدات وقضايا واقعة طرأت على الناس ولم تكن في العصور السابقة، أو كانت موجودة إلا أنّه استجد ما يستدعي إعادة الاجتهاد فيها.

وتتجلّى أهمية الموضوع في كونه متعلقًا بأحد أركان الإسلام ومبانيه العظام وهو الزكاة، وتتأكّد تلك الأهمية مع تجدد النوازل والقضايا المعاصرة والحاجة الماسة لمعرفة أحكامها الشرعية.

 

‌‌أسباب اختيار الموضوع:

1 - أهمية الموضوع، وعظيم الفائدة العلمية المترتبة على بحثه لتعلقه بفريضة الزكاة، واتِّصاله بكثير من المعاملات الماليّة المعاصرة.

2 - رغبتي الجادَّة في بحث هذا الموضوع، النَّابعة من أهميّته، وإشارة كثير من أهل العلم عليَّ ببحثه.

3 - حاجة الموضوع إلى تحرير كثير من قضاياه المعاصرة ودراستها، وبيان الحكم الشرعي فيها.

4 - أنَّ كثيرًا من نوازل الزكاة - وإن بُحِثَتْ - تظل متفرقة بين الكتب والمجلات العلمية، مما تحتاج معه إلى جمع وتأليف وتحرير، وجَمْعُ المتفرق من مقاصد التأليف.

5 - أنّ بحث تلك النوازل يعتبر إسهامًا فاعلًا في سد الحاجة في المكتبة الفقهية.
এই ভূমিকায় যা বর্ণনা করা সমীচীন, তা হলো নিম্নোক্ত বিষয়াবলি:

 

‌‌বিষয়ের পরিচয় এবং এর গুরুত্ব বর্ণনা:

এই বিষয়ের গবেষণাটি জাকাতের ফরজ বিধান সংশ্লিষ্ট এমন সব নতুন উদ্ভাবিত বিষয় এবং বাস্তব সমস্যা নিয়ে কাজ করে, যা মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে অথচ বিগত যুগসমূহে ছিল না; অথবা তা বিদ্যমান থাকলেও তাতে এমন নতুন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে যা পুনরায় ইজতিহাদের দাবি রাখে।

এই বিষয়ের গুরুত্ব ফুটে ওঠে কারণ এটি ইসলামের অন্যতম রুকন এবং এর মহান ভিত্তি তথা জাকাতের সাথে সংশ্লিষ্ট। আর সমসাময়িক নবউদ্ভূত সমস্যা ও বিষয়াবলির ক্রমাগত উদ্ভব এবং সেগুলোর শরয়ি বিধান জানার একান্ত প্রয়োজনীয়তার ফলে এই গুরুত্ব আরও সুনিশ্চিত হয়।

 

‌‌বিষয় নির্বাচনের কারণসমূহ:

১ - বিষয়ের গুরুত্ব এবং এর গবেষণার ফলে অর্জিত মহান জ্ঞানতাত্ত্বিক উপকারিতা, যেহেতু এটি জাকাতের ফরজ বিধানের সাথে সম্পৃক্ত এবং অনেক সমসাময়িক আর্থিক লেনদেনের সাথে যুক্ত।

২ - এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করার ব্যাপারে আমার ঐকান্তিক আগ্রহ, যা এর গুরুত্ব থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং অনেক বিদগ্ধ জ্ঞানীর আমাকে এ বিষয়ে গবেষণার পরামর্শ প্রদান।

৩ - এই বিষয়ের অনেক সমসাময়িক সমস্যার সংকলন ও পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা এবং সেগুলোর শরয়ি বিধান বর্ণনা করা।

৪ - জাকাত সংক্রান্ত অনেক নবউদ্ভূত বিষয়—যদিও তা নিয়ে ইতিপূর্বে গবেষণা হয়েছে—সেগুলো বিভিন্ন বই এবং বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় রয়ে গেছে, ফলে তা একত্রে সংকলন, রচনা ও বিন্যাস করা প্রয়োজন; আর বিক্ষিপ্ত বিষয়াবলি একত্রিত করা গ্রন্থ রচনার অন্যতম লক্ষ্য।

৫ - এই সব নবউদ্ভূত বিষয়ের ওপর গবেষণা ফিকহ শাস্ত্রের জ্ঞানভাণ্ডারে বিদ্যমান চাহিদা পূরণে এক কার্যকর অবদান হিসেবে গণ্য হবে।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৯)
6 - أثر فريضة الزكاة في تحسين الأوضاع الاقتصادية والمعيشية للمجتمعات المسلمة؛ مما يدفع الباحثين لدراستها، وتقديم الحلول الشرعية للمشكلات التي تحول دون تطبيق الزكاة، وتفعيلها في المجتمعات المسلمة.

7 - حاجة كثير من أصحاب الأموال إلى بيان أحكام زكاة أموالهم، لاسيما مع كثرة المعاملات المالية المعاصرة.

8 - أنّ بحث النوازل ودراستها من أبواب حفظ الشريعة، وبيان صلاحيتها لكل زمان ومكان، وهو من المقاصد الشّرعية المهمَّة.

***
৬ - মুসলিম সমাজের অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে জাকাতের বিধানের প্রভাব; যা গবেষকদের এটি অধ্যয়ন করতে এবং জাকাত বাস্তবায়নে ও মুসলিম সমাজে তা সক্রিয় করার পথে অন্তরায় সৃষ্টিকারী সমস্যাবলির শরয়ী সমাধান প্রদানে উদ্বুদ্ধ করে।

৭ - অনেক সম্পদশালীর পক্ষ থেকে তাদের সম্পদের জাকাতের বিধান বর্ণনার প্রয়োজনীয়তা, বিশেষ করে সমকালীন আর্থিক লেনদেনের প্রাচুর্যের কারণে।

৮ - আধুনিক উদ্ভূত মাসআলা (নাওয়াযিল) নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা শরিয়ত সংরক্ষণের অন্যতম মাধ্যম এবং সর্বকাল ও সর্বস্থানের জন্য এর উপযোগিতার প্রমাণ, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ শরয়ী উদ্দেশ্য।

(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌خطة البحث

تشتمل خطة البحث على مقدمة وتمهيد وخمسة فصول وخاتمة.

أما المقدمة: فتتكون من التعريف بالموضوع وبيان أهميته، وأسباب اختياره، والدراسات السابقة، ومنهج البحث، وخطته.

وأما التمهيد ففيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: تعريف النوازل وبيان ضابطها.

المطلب الثاني: الألفاظ ذات الصلة بالنوازل.

المطلب الثالث: أثر النوازل في تغيير الاجتهاد.

المطلب الرابع: تعريف الزكاة، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: تعريف الزكاة لغةً.

المسألة الثانية: تعريف الزكاة اصطلاحًا.

المطلب الخامس: مكانة الزكاة في الإسلام والمقاصد الشرعية منها، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: مكانة الزكاة في الإسلام.

المسألة الثانية: المقاصد الشرعية من فريضة الزكاة.
গবেষণার পরিকল্পনা

গবেষণার পরিকল্পনাটিতে একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমনিকা, পাঁচটি অধ্যায় এবং একটি উপসংহার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আর ভূমিকাটি বিষয়টির পরিচয়, এর গুরুত্বের বর্ণনা, এটি নির্বাচনের কারণসমূহ, পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ, গবেষণার পদ্ধতি এবং এর পরিকল্পনার সমন্বয়ে গঠিত।

আর উপক্রমনিকায় পাঁচটি অন্বেষণ রয়েছে:

প্রথম অন্বেষণ: নাওয়াজিল-এর সংজ্ঞা এবং এর নীতিমালার বর্ণনা।

দ্বিতীয় অন্বেষণ: নাওয়াজিল-এর সাথে সংশ্লিষ্ট শব্দাবলি।

তৃতীয় অন্বেষণ: ইজতিহাদ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নাওয়াজিল-এর প্রভাব।

চতুর্থ অন্বেষণ: যাকাতের সংজ্ঞা, আর এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: আভিধানিক অর্থে যাকাতের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় মাসআলা: পারিভাষিক অর্থে যাকাতের সংজ্ঞা।

পঞ্চম অন্বেষণ: ইসলামে যাকাতের মর্যাদা এবং এর শরয়ি লক্ষ্যসমূহ, আর এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: ইসলামে যাকাতের মর্যাদা।

দ্বিতীয় মাসআলা: যাকাতের বিধানের শরয়ি লক্ষ্যসমূহ।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১১)
الفصل الأول: النوازل في شروط الزكاة

وفيه مبحثان:

المبحث الأول: النوازل في ملك النصاب، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تأثير الديون الاستثمارية والإسكانية في بلوغ النصاب، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: منع الدَّيْن للزكاة في مال المدين.

المسألة الثانية: تأثير الديون الاستثمارية المؤجلة في بلوغ النصاب.

المسألة الثالثة: تأثير الديون الإسكانية المؤجلة في بلوغ النصاب.

المطلب الثاني: أثر التَّضَخُّم النقدي في بلوغ النصاب، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: المراد بالتَّضَخُّم النقدي.

المسألة الثانية: أثر التَّضَخُّم النقدي في بلوغ النصاب.

المبحث الثاني: النوازل في الحول.

وفيه مطلب: في اعتبار الزكاة بالحول الشمسي.

الفصل الثاني: النوازل فيما يجب إخراجه من الأموال الزكوية

وفيه ستة عشر مبحثًا:

المبحث الأول: زكاة الزروع والثمار والماشية، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: مقدار نصاب الزروع والثمار بالمقاييس الحديثة، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: مقدار نصاب الزروع والثمار بالمقاييس القديمة.
প্রথম পরিচ্ছেদ: যাকাতের শর্তাবলীতে সমকালীন উদ্ভূত সমস্যাবলি

এতে দুটি অনুষঙ্গ রয়েছে:

প্রথম অনুষঙ্গ: নিসাবের মালিকানায় সমকালীন উদ্ভূত সমস্যাবলি, এতে দুটি পরিব্যপ্তি রয়েছে:

প্রথম পরিব্যপ্তি: নিসাব পূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও আবাসন ঋণের প্রভাব, এবং এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পদে যাকাত ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে ঋণের প্রতিবন্ধকতা।

দ্বিতীয় মাসআলা: নিসাব পূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বিত মেয়াদি বিনিয়োগ ঋণের প্রভাব।

তৃতীয় মাসআলা: নিসাব পূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বিত মেয়াদি আবাসন ঋণের প্রভাব।

দ্বিতীয় পরিব্যপ্তি: নিসাব পূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: মুদ্রাস্ফীতি দ্বারা যা উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয় মাসআলা: নিসাব পূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব।

দ্বিতীয় অনুষঙ্গ: বর্ষ পূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে সমকালীন উদ্ভূত সমস্যাবলি।

এতে একটি পরিব্যপ্তি রয়েছে: সৌরবর্ষের ভিত্তিতে যাকাত গণনার বিবেচ্য হওয়া প্রসঙ্গে।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে যা বের করা ওয়াজিব তাতে সমকালীন উদ্ভূত সমস্যাবলি

এতে ষোলোটি অনুষঙ্গ রয়েছে:

প্রথম অনুষঙ্গ: শস্য, ফলমূল ও গবাদি পশুর যাকাত, এতে চারটি পরিব্যপ্তি রয়েছে:

প্রথম পরিব্যপ্তি: আধুনিক পরিমাপ অনুযায়ী শস্য ও ফলমূলের নিসাবের পরিমাণ, এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: প্রাচীন পরিমাপ অনুযায়ী শস্য ও ফলমূলের নিসাবের পরিমাণ।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১২)
المسألة الثانية: مقدار نصاب الزروع والثمار بالمقاييس الحديثة.

المطلب الثاني: المقدار الواجب إخراجه من زكاة فيما يُسقى بالآلات الحديثة.

المطلب الثالث: زكاة الثمار المعدة للتجارة.

المطلب الرابع: زكاة الحيوانات المتخذة للاتِّجار بنتاجها كالألبان ونحوها.

المبحث الثاني: زكاة المصانع ومواد التصنيع، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: حكم زكاة المصانع.

المطلب الثاني: زكاة السلع المصنعة.

المطلب الثالث: زكاة المواد الخام.

المطلب الرابع: زكاة المواد المساعدة في التصنيع.

المبحث الثالث: زكاة الأوراق النقدية، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: حقيقة الورق النقدي.

المطلب الثاني: نصاب الورق النقدي.

المبحث الرابع: زكاة الحساب الجاري، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تكييف الحساب الجاري.

المطلب الثاني: زكاة الحساب الجاري.

المبحث الخامس: زكاة أسهم الشركات، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: المراد بأسهم الشركات.

المطلب الثاني: كيفية إخراج زكاة الأسهم.

المطلب الثالث: الجهة الواجب عليها إخراج الزكاة.

المبحث السادس: زكاة الشركات المتعددة الجنسيات، وفيه مطلبان:
দ্বিতীয় মাসআলা: আধুনিক পরিমাপে শস্য ও ফলের নিসাবের পরিমাণ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে সেচকৃত ফসলের যাকাত হিসেবে আদায়যোগ্য ওয়াজিব পরিমাণ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত ফলের যাকাত।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: দুগ্ধ বা এই জাতীয় উৎপাদনের মাধ্যমে ব্যবসার উদ্দেশ্যে পালিত গবাদি পশুর যাকাত।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: কলকারখানা ও উৎপাদন সামগ্রীর যাকাত, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: কলকারখানার যাকাতের বিধান।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: উৎপাদিত পণ্যের যাকাত।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: কাঁচামালের যাকাত।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: উৎপাদনে সহায়ক উপকরণের যাকাত।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কাগজের মুদ্রার যাকাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: কাগজের মুদ্রার স্বরূপ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: কাগজের মুদ্রার নিসাব।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: চলতি হিসাবের যাকাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: চলতি হিসাবের তাকিয়িফ (আইনগত রূপ)।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: চলতি হিসাবের যাকাত।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: কোম্পানির শেয়ারের যাকাত, এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: কোম্পানির শেয়ারের পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: শেয়ারের যাকাত আদায়ের পদ্ধতি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: যে পক্ষের ওপর যাকাত আদায় করা ওয়াজিব।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: বহুজাতিক কোম্পানির যাকাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৩)
المطلب الأول: المراد بالشركات المتعددة الجنسيات.

المطلب الثاني: زكاة الشركات المتعددة الجنسيات.

المبحث السابع: زكاة السندات، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بالسندات.

المطلب الثاني: زكاة السندات.

المبحث الثامن: زكاة الصناديق الاستثمارية، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بالصناديق الاستثمارية.

المطلب الثاني: زكاة الصناديق الاستثمارية.

المبحث التاسع: زكاة المال العام، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: المراد بالمال العام.

المطلب الثاني: زكاة المال العام.

المطلب الثالث: تطبيقات معاصرة لزكاة المال العام، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: زكاة الشركات التي تمتلكها الدولة.

المسألة الثانية: زكاة نصيب الدولة في الشركات الاستثمارية.

المبحث العاشر: زكاة مال التأمين، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تعريف التأمين وأنواعه، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: تعريف التأمين.

المسألة الثانية: أنواع التأمين.

المطلب الثاني: زكاة مال التّأمين، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: زكاة مال التأمين التجاري.
প্রথম অনুচ্ছেদ: বহুজাতিক কোম্পানির পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বহুজাতিক কোম্পানির জাকাত।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: বন্ডের জাকাত, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: বন্ডের পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বন্ডের জাকাত।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: বিনিয়োগ তহবিলের জাকাত, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: বিনিয়োগ তহবিলের পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বিনিয়োগ তহবিলের জাকাত।

নবম পরিচ্ছেদ: সরকারি সম্পদের জাকাত, এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: সরকারি সম্পদের পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সরকারি সম্পদের জাকাত।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সরকারি সম্পদের জাকাতের সমসাময়িক প্রয়োগসমূহ, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: রাষ্ট্রের মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর জাকাত।

দ্বিতীয় মাসআলা: বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোতে রাষ্ট্রের শেয়ারের জাকাত।

দশম পরিচ্ছেদ: বীমার সম্পদের জাকাত, এবং এতে রয়েছে দুটি অনুচ্ছেদ:

প্রথম অনুচ্ছেদ: বীমার সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: বীমার সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় মাসআলা: বীমার প্রকারভেদ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বীমার সম্পদের জাকাত, এবং এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: বাণিজ্যিক বীমার সম্পদের জাকাত।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৪)
المسألة الثانية: زكاة مال التأمين التعاوني.

المسألة الثالثة: زكاة مال التأمين الاجتماعي.

المبحث الحادي عشر: زكاة مكافأة نهاية الخدمة، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بمكافأة نهاية الخدمة، وتكييفها، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: المراد بمكافأة نهاية الخدمة.

المسألة الثانية: تكييف مكافأة نهاية الخدمة.

المطلب الثاني: زكاة مكافأة نهاية الخدمة.

المبحث الثاني عشر: زكاة الراتب الشهري.

المبحث الثالث عشر: زكاة الحقوق المعنوية، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: تعريف الحقوق المعنوية، وأنواعها، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: تعريف الحقوق المعنوية.

المسألة الثانية: أنواع الحقوق المعنوية.

المطلب الثاني: تكييف الحقوق المعنوية.

المطلب الثالث: زكاة الحقوق المعنوية.

المبحث الرابع عشر: زكاة مال الإجارة المنتهية بالتمليك، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تعريف الإجارة المنتهية بالتمليك، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: التعريف الإفرادي، وفيها فرعان:

الفرع الأول: تعريف الإجارة.

الفرع الثاني: تعريف التمليك.

المسألة الثانية: تعريف الإجارة المنتهية بالتمليك باعتباره مركبًا.
দ্বিতীয় মাসআলা: সমবায় বীমা তহবিলের জাকাত।

তৃতীয় মাসআলা: সামাজিক বীমা তহবিলের জাকাত।

একাদশ পরিচ্ছেদ: চাকরি শেষকালীন গ্র্যাচুইটির জাকাত, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: চাকরি শেষকালীন গ্র্যাচুইটির উদ্দেশ্য ও এর প্রকৃতি বিশ্লেষণ, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: চাকরি শেষকালীন গ্র্যাচুইটির উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয় মাসআলা: চাকরি শেষকালীন গ্র্যাচুইটির শরয়ী প্রকৃতি।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: চাকরি শেষকালীন গ্র্যাচুইটির জাকাত।

দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: মাসিক বেতনের জাকাত।

ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ: বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্ব বা বিমূর্ত অধিকারের জাকাত, এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্বের সংজ্ঞা এবং এর প্রকারভেদ, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্বের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় মাসআলা: বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্বের প্রকারভেদ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্বের শরয়ী প্রকৃতি বিশ্লেষণ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্বের জাকাত।

চতুর্দশ পরিচ্ছেদ: মালিকানায় সমাপ্ত ইজারা (লিজ) চুক্তির জাকাত, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মালিকানায় সমাপ্ত ইজারার সংজ্ঞা, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: পৃথক শব্দ হিসেবে সংজ্ঞা, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: ইজারা (ভাড়া)-এর সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় শাখা: তামলীক (মালিকানা প্রদান)-এর সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় মাসআলা: পারিভাষিক বা যৌগিক শব্দ হিসেবে মালিকানায় সমাপ্ত ইজারার সংজ্ঞা।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৫)
المطلب الثاني: زكاة مال الإجارة المنتهية بالتمليك.

المبحث الخامس عشر: زكاة مال الاستصناع.

المطلب الأول: تعريف الاستصناع.

المطلب الثاني: زكاة مال الاستصناع.

المبحث السادس عشر: حكم احتساب الضريبة من الزكاة، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تعريف الضرائب وبيان أوجه الاتفاق والاختلاف بينها وبين الزكاة، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: تعريف الضرائب.

المسألة الثانية: بيان أوجه الاتفاق والاختلاف بين الضريبة وبين الزكاة.

المطلب الثاني: حكم احتساب الضريبة من الزكاة.

الفصل الثالث: النوازل في مصارف الزكاة

وفيه ستة مباحث:

المبحث الأول: مصرف الفقراء والمساكين، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: قدر الغنى المانع من أخذ الزكاة.

المطلب الثاني: مقدار ما يعطاه الفقير والمسكين.

المطلب الثالث: تطبيقات معاصرة لمصرف الفقراء والمساكين، وفيه خمس مسائل:

المسألة الأولى: صرف الزكاة لحفر الآبار للفقراء.

المسألة الثانية: صرف الزكاة لبناء أو شراء بيت للفقراء والمساكين.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মালিকানায় পরিসমাপ্ত ইজারা সম্পদের জাকাত।

পঞ্চদশ অনুচ্ছেদ: ইসতিসনা’ (নির্মাণ বা প্রস্তুতকরণ চুক্তি) মালের জাকাত।

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইসতিসনা’-এর সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইসতিসনা’ মালের জাকাত।

ষোড়শ অনুচ্ছেদ: জাকাত থেকে কর হিসাব করার বিধান, এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: করের সংজ্ঞা এবং কর ও জাকাতের মাঝে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের দিকগুলোর বর্ণনা, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: করের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় মাসআলা: কর ও জাকাতের মাঝে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের দিকগুলোর বর্ণনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জাকাত থেকে কর হিসাব করার বিধান।

তৃতীয় অধ্যায়: জাকাতের খাতের সমসাময়িক বিষয়াবলি (নাওয়াজিল)

এবং এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ফকির ও মিসকিন খাত, এবং এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: জাকাত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক সচ্ছলতার পরিমাণ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ফকির ও মিসকিনকে প্রদানের পরিমাণ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ফকির ও মিসকিন খাতের সমসাময়িক প্রয়োগ, এবং এতে পাঁচটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: দরিদ্রদের জন্য কূপ খনন প্রকল্পে জাকাত প্রদান।

দ্বিতীয় মাসআলা: ফকির ও মিসকিনদের জন্য ঘর নির্মাণ বা ক্রয়ে জাকাত প্রদান।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৬)
المسألة الثالثة: صرف الزكاة في دفع قيمة التكاليف الدراسية للطلبة الفقراء.

المسألة الرابعة: صرف الزكاة لتزويج الفقراء.

المسألة الخامسة: صرف الزكاة لعلاج الفقراء.

المبحث الثاني: مصرف العاملين على الزكاة، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بالعاملين على الزكاة.

المطلب الثاني: تطبيقات معاصرة للعاملين على الزكاة، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: صرف الزكاة من سهم العاملين عليها للموظفين في المؤسسات الزكوية.

المسألة الثانية: صرف الزكاة من سهم العاملين عليها للنساء العاملات في المؤسسات الزكوية.

المسألة الثالثة: صرف الزكاة من سهم العاملين عليها للقائمين على استثمار أموال الزكاة.

المبحث الثالث: مصرف المؤلفة قلوبهم، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بالمؤلفة قلوبهم، وحكم صرف الزكاة لهم، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: المراد بالمؤلفة قلوبهم.

المسألة الثانية: حكم صرف الزكاة للمؤلفة قلوبهم بعد وفاة النبي صلى الله عليه وسلم.

المطلب الثاني: تطبيقات معاصرة لمصرف المؤلفة قلوبهم، وفيه أربع مسائل:

المسألة الأولى: إعطاء الكافر من سهم المؤلفة قلوبهم، ليدفع المخاطر عن المسلمين.
তৃতীয় মাসআলা: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ পরিশোধে জাকাত প্রদান।

চতুর্থ মাসআলা: দরিদ্রদের বিবাহের জন্য জাকাত ব্যয় করা।

পঞ্চম মাসআলা: দরিদ্রদের চিকিৎসার জন্য জাকাত ব্যয় করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জাকাত ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত (আমিলিন) খাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: জাকাত ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিতদের (আমিলিন) পরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জাকাত ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিতদের ক্ষেত্রে সমকালীন প্রয়োগ, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: জাকাত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তাদের জন্য আমিলিনদের খাত থেকে জাকাত ব্যয় করা।

দ্বিতীয় মাসআলা: জাকাত প্রতিষ্ঠানসমূহে কর্মরত নারীদের জন্য আমিলিনদের খাত থেকে জাকাত ব্যয় করা।

তৃতীয় মাসআলা: জাকাতের সম্পদ বিনিয়োগের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য আমিলিনদের খাত থেকে জাকাত ব্যয় করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মুআল্লাফাতুল কুলুব (যাদের অন্তর জয় করা উদ্দেশ্য) খাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মুআল্লাফাতুল কুলুব বলতে যা বোঝায় এবং তাদের জন্য জাকাত প্রদানের বিধান, এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: মুআল্লাফাতুল কুলুব-এর পরিচয়।

দ্বিতীয় মাসআলা: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মৃত্যুর পর মুআল্লাফাতুল কুলুবদের জন্য জাকাত ব্যয়ের বিধান।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: মুআল্লাফাতুল কুলুব খাতের সমকালীন প্রয়োগ, এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: মুসলিমদের থেকে বিপদ দূর করার উদ্দেশ্যে অমুসলিমকে মুআল্লাফাতুল কুলুব খাত থেকে জাকাত প্রদান।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৭)
المسألة الثانية: صرف سهم المؤلفة قلوبهم في إيجاد مؤسسات لرعاية المسلمين الجدد.

المسألة الثالثة: إعطاء رؤساء الدول الفقيرة والقبائل الكافرة من الزكاة، لتأليف قلوبهم للإسلام.

المسألة الرابعة: صرف سهم المؤلفة قلوبهم في القيام بحملات دعائية لتحسين صورة الإسلام والمسلمين.

المبحث الرابع: مصرف الرقاب، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بمصرف الرقاب.

المطلب الثاني: تطبيقات معاصرة لمصرف الرقاب، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: صرف الزكاة من سهم الرقاب لفكاك الأسرى المسلمين.

المسألة الثانية: صرف الزكاة من سهم الرقاب لفكاك الشعوب المسلمة المحتلة من الكافرين.

المبحث الخامس: مصرف ((في سبيل الله))، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بمصرف الزكاة ((في سبيل الله)).

المطلب الثاني: تطبيقات معاصرة لمصرف ((في سبيل الله)).

المبحث السادس: مصرف ابن السبيل، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: المراد بابن السبيل.

المطلب الثاني: تطبيقات معاصرة لابن السبيل، وفيه أربع مسائل:

المسألة الأولى: المُبْعَدون عن بلادهم التي بها أموالهم.

المسألة الثانية: المحرومون من المأوى في بلادهم لظروفهم المعيشية الصعبة.
দ্বিতীয় মাসআলা: নওমুসলিমদের দেখাশোনার জন্য প্রতিষ্ঠান নির্মাণে 'মুআল্লাফাতু কুলুবিহিম' (যাদের অন্তর জয় করা কাম্য) খাতের অর্থ ব্যয় করা।

তৃতীয় মাসআলা: ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য দরিদ্র রাষ্ট্রপ্রধান এবং অমুসলিম গোত্রপতিদের জাকাত প্রদান করা।

চতুর্থ মাসআলা: ইসলাম ও মুসলমানদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রচারণামূলক অভিযানে 'মুআল্লাফাতু কুলুবিহিম' খাতের অর্থ ব্যয় করা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'রিকাব' (দাসমুক্তি) খাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'রিকাব' খাতের উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'রিকাব' খাতের সমসাময়িক প্রয়োগ, এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: বন্দি মুসলমানদের মুক্ত করার জন্য 'রিকাব' খাতের জাকাত ব্যয় করা।

দ্বিতীয় মাসআলা: কাফেরদের দ্বারা অধিকৃত মুসলিম জাতিগুলোকে মুক্ত করার জন্য 'রিকাব' খাতের জাকাত ব্যয় করা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ‘ফি সাবিলিল্লাহ’ (আল্লাহর পথে) খাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: জাকাতের ‘ফি সাবিলিল্লাহ’ খাতের উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘ফি সাবিলিল্লাহ’ খাতের সমসাময়িক প্রয়োগ।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: 'ইবনুস সাবিল' (মুসাফির) খাত, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'ইবনুস সাবিল'-এর উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'ইবনুস সাবিল'-এর সমসাময়িক প্রয়োগ, এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: যারা তাদের সেই দেশ থেকে বিতাড়িত যেখানে তাদের ধন-সম্পদ রয়েছে।

দ্বিতীয় মাসআলা: যারা কঠিন জীবনযাত্রার কারণে নিজ দেশে আশ্রয়হীন।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৮)
المسألة الثالثة: المغتربون عن أوطانهم لطلب العلم أو العمل.

المسألة الرابعة: المسافرون لمصلحة عامة يعود نفعها للمسلمين.

الفصل الرابع: استثمار أموال الزكاة

وفيه ثلاثة مباحث:

المبحث الأول: استثمار أموال الزكاة، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: استثمار أموال الزكاة من قِبَلِ مالك المال أو وكيله، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: حكم تأخير إخراج الزكاة.

المسألة الثانية: حكم استثمار أموال الزكاة من قبل المالك.

المسألة الثالثة: حكم استثمار أموال الزكاة من قبل وكيل مالك المال.

المطلب الثاني: استثمار أموال الزكاة من قِبَلِ الإمام أو نائبه.

المبحث الثاني: تكاليف استثمار أموال الزكاة.

المبحث الثالث: زكاة مال الزكاة المستثمر.

الفصل الخامس: نوازل زكاة الفِطر

وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: توكيل الجمعيات الخيرية والمراكز الإسلامية لإخراجها.

المبحث الثاني: إخراج القيمة في زكاة الفطر.

المبحث الثالث: حكم نقل زكاة الفطر للبلدان البعيدة.

المبحث الرابع: صرف المؤسسة الزكوية لزكاة الفطر بالمبالغ المتوقعة قبل استلامها لها.
তৃতীয় মাসআলা: জ্ঞান অর্জন বা কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে নিজ দেশ থেকে প্রবাসীরা।

চতুর্থ মাসআলা: জনস্বার্থে ভ্রমণকারীগণ যার উপকারিতা মুসলমানদের নিকট পৌঁছায়।

চতুর্থ অধ্যায়: জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ

এবং এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: সম্পদের মালিক বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ, এবং এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: জাকাত আদায়ে বিলম্ব করার বিধান।

দ্বিতীয় মাসআলা: মালিকের পক্ষ থেকে জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ করার বিধান।

তৃতীয় মাসআলা: সম্পদের মালিকের প্রতিনিধির পক্ষ থেকে জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ করার বিধান।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ইমাম বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জাকাতের অর্থ বিনিয়োগের খরচসমূহ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: বিনিয়োগকৃত জাকাতের মালের জাকাত।

পঞ্চম অধ্যায়: ফিতরার আধুনিক মাসআলাসমূহ (নাওয়াযিল)

এবং এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ফিতরা আদায়ের জন্য দাতব্য সংস্থা ও ইসলামিক সেন্টারগুলোকে প্রতিনিধি নিয়োগ করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ফিতরায় মূল্য পরিশোধ করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: দূরবর্তী দেশসমূহে ফিতরা স্থানান্তরের বিধান।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: জাকাত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ফিতরা হাতে পাওয়ার পূর্বেই সম্ভাব্য অর্থের ভিত্তিতে তা বণ্টন করা।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ১৯)
وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: حكم اشتراط النية في أداء الزكاة.

المسألة الثانية: حكم إخراج زكاة الفطر من أول شهر رمضان أو وسطه.

الخاتمة: وتشتمل على أهم النتائج والتوصيات.

الفهارس: وتشتمل على فهرس للمراجع والموضوعات.

 

‌‌طريقة دراسة المسائل

تتم دراسة المسائل على النحو التالي:

1 - تصوير المسألة المرادِ بحثُها قبل بيان حكمها؛ ليتّضح المقصود من دراستها.

2 - ذِكْرُ الحُكم بدليله إذا كانت المسألة من مواضع الاتفاق، مع توثيق الاتّفاق من مظانه المعتبرة.

3 - إذا كانت المسألة من مسائل الخلاف، أَتَّبع ما يلي:

أ - تحرير محل الخلاف، إذا كانت بعض صور المسألة محل خلاف، وبعضها محل اتفاق.

ب - ذِكْرُ الأقوال في المسألة، وبيان مَن قال بها من أهل العلم، ويكون عرض الخلاف حسب الاتّجاهات.

ج - الاقتصار على المذاهب الفقهية الأربعة، مع العناية بذكر ما تيسر الوقوف عليه من أقوال السلف الصالح، وإذا لم أقف على المسألة في مذهب ما، أسلك بها مسلك التخريج.
এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: জাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে নিয়ত শর্ত হওয়ার বিধান।

দ্বিতীয় মাসআলা: রমজান মাসের শুরু বা মধ্যভাগে জাকাতুল ফিতর প্রদানের বিধান।

উপসংহার: এটি প্রধান ফলাফল ও সুপারিশসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে।

নির্ঘণ্ট: এতে তথ্যসূত্র ও বিষয়সূচি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

‌‌মাসআলাসমূহ পর্যালোচনার পদ্ধতি

মাসআলাগুলো নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে পর্যালোচনা করা হবে:

১ - গবেষণার জন্য নির্ধারিত মাসআলার বিধান বর্ণনার পূর্বে সেটির চিত্রায়ণ করা; যাতে পর্যালোচনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়।

২ - মাসআলাটি যদি ঐকমত্যের বিষয় হয়, তবে তার দলিলসহ বিধানটি উল্লেখ করা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস হতে সেই ঐকমত্যের তথ্যসূত্র প্রদান করা।

৩ - মাসআলাটি যদি মতভেদপূর্ণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে আমি নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করব:

ক - মতভেদের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট করা, যদি মাসআলার কোনো কোনো রূপ মতভেদপূর্ণ এবং কোনো কোনো রূপ ঐকমত্যপূর্ণ হয়।

খ - মাসআলাটি সম্পর্কে বিভিন্ন অভিমত উল্লেখ করা এবং বিজ্ঞ আলেমদের মধ্যে কারা তা পোষণ করেছেন তা বর্ণনা করা; এক্ষেত্রে মতভেদগুলো বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী উপস্থাপন করা হবে।

গ - চারটি ফিকহি মাজহাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা, পাশাপাশি সালাফে সালেহীনের যে সকল উক্তি পাওয়া সহজসাধ্য হয় তা উল্লেখ করার প্রতি যত্নবান হওয়া। আর যদি কোনো নির্দিষ্ট মাজহাবে মাসআলাটি খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে আমি ‘তাখরিজ’-এর পদ্ধতি অনুসরণ করব।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২০)
د - توثيق الأقوال من كتب أهل المذهب نفسه.

هـ - جمع أدلة الأقوال، مع بيان وجه الدلالة، وذكر ما يَرِدُ عليها من مناقشات، وما يجاب به عنها إن كان ثَمّ إجابة.

و- التّرجيح، مع بيان سببه، وذكر ثمرة الخلاف إن وُجِدَت.

4 - الاعتماد على أمهات المصادر والمراجع الأصلية في التّحرير والتّوثيق والتّخريج والجمع.

5 - التّركيز على موضوع البحث وتجنب الاستطراد، وإن اقتضى البحث ذكر مسائل غير نازلة؛ فإن بحثها يكون مختصرًا بقدر الحاجة.

6 - العناية بضرب الأمثلة، خاصةً الواقعية.

7 - تجنب ذكر الأقوال الشاذة.

8 - العناية بدراسة ما جَدّ من القضايا مما له صلة واضحة بالبحث.

9 - ترقيم الآيات وعزوها إلى مواضعها من المصحف.

10 - تخريج الأحاديث وبيان ما ذَكَرَهُ أهل الشأن في درجتها - إن لم تكن في الصحيحين أو أحدهما - فإن كانت كذلك اكتفيتُ حينئذ بتخريجها.

11 - تخريج الآثار من مصادرها الأصلية، والحُكم عليها.

12 - التعريف بالمصطلحات وشرح الغريب.

13 - ترجمة الأعلام غير المشهورين والمعاصرين.

14 - العناية بقواعد اللغة العربية والإملاء وعلامات الترقيم.
দ - সংশ্লিষ্ট মাযহাবের অনুসারীদের মূল কিতাবসমূহ থেকে বক্তব্যসমূহের প্রামাণিকীকরণ।

হ - মতামতের স্বপক্ষে দলিলসমূহ একত্রিত করা, দলিলের ধরন স্পষ্ট করা এবং সেগুলোর ওপর উত্থাপিত আপত্তি ও (যদি থাকে) সেগুলোর উত্তর উল্লেখ করা।

ওয়াও - অগ্রগণ্য মত নির্ধারণ করা, এর কারণ বর্ণনা করা এবং মতভেদের কোনো ফলাফল থাকলে তা উল্লেখ করা।

4 - সংকলন, প্রামাণিকীকরণ, হাদিস নির্দেশিকা এবং তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে মূল উৎস ও আকর গ্রন্থসমূহের ওপর নির্ভর করা।

5 - গবেষণার মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা এবং অবান্তর আলোচনা পরিহার করা; যদি গবেষণার প্রয়োজনে অপ্রাসঙ্গিক কোনো মাসআলা উল্লেখ করতে হয়, তবে তা প্রয়োজন অনুযায়ী সংক্ষেপে আলোচনা করা।

6 - উদাহরণ প্রদানের ক্ষেত্রে যত্নশীল হওয়া, বিশেষ করে বাস্তবসম্মত উদাহরণ।

7 - বিচ্ছিন্ন (শায) মতামত উল্লেখ করা পরিহার করা।

8 - গবেষণার সাথে স্পষ্ট সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন নতুন উদ্ভূত বিষয়াবলি পর্যালোচনায় গুরুত্ব প্রদান করা।

9 - আয়াতসমূহে নম্বর প্রদান করা এবং কুরআনে সেগুলোর মূল স্থান নির্দেশ করা।

10 - হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরীজ) করা এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ সেই হাদিসের মান সম্পর্কে যা বলেছেন তা বর্ণনা করা—যদি হাদিসটি সহীহাইন (বুখারি ও মুসলিম) বা এই দুটির কোনো একটিতে না থাকে। আর যদি সেখানে থাকে, তবে শুধুমাত্র উৎস উল্লেখ করাই যথেষ্ট।

11 - আসার (সাহাবী ও তাবিঈদের বাণী) সমূহকে সেগুলোর মূল উৎস থেকে উদ্ধৃত করা এবং সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা।

12 - পরিভাষাগুলোর পরিচয় প্রদান এবং কঠিন শব্দের ব্যাখ্যা করা।

13 - অখ্যাত এবং সমসাময়িক ব্যক্তিবর্গের জীবনী আলোচনা করা।

14 - আরবি ব্যাকরণ, বানানরীতি এবং বিরামচিহ্নের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়া।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২১)
15 - تكون الخاتمة عبارة عن ملخص للرسالة، يعطي فكرة واضحة عما تضمنته الرسالة، مع إبراز أهم النتائج.

16 - إِتْبَاعُ الرّسالة بفهارس للمصادر والموضوعات.

وفي الختام فإني أحمد الله الكريم على تيسيره وتوفيقه، فقد كانت مسائل البحث كثيرة ونوازله جليلة، لكنَّ الله يسَّر وأعان، فهو أهل الفضل والامتنان، وله - جل وعلا - الشكر أوّله ومنتهاه، وأجلّه وأزكاه، ثم إنّي أشكر والِدَيَّ الكريمين على ما بذلاه لي من تربية وتوجيه؛ ففضلهما عليَّ كبير، وإحسانهما إليَّ كثير، وأسأل الله أن يجزيهما خير الجزاء، ويسبغ عليهما النّعماء، وأن يوفقني لبرِّهما والإحسان إليهما.

وإني في مقام الوفاء أزجي الشكر والثناء إلى فضيلة شيخي المشرف على الرّسالة الأستاذ الدّكتور صالح بن عثمان الهليّل - حفظه الله - فقد غمرني بفضله وعلمه، منذ أن كان البحث فكرة، حتى أتمَّ الله أمره فكان نعم المرشد عِلمًا ومنهجًا وخُلقًا، ولم يأل جهدًا في النّصح والتّوجيه، والتّقييم والتّقويم، باذلًا وقته وعلمه، مع كثرة أعبائه العلمية والعملية، مما كان له الأثر الإيجابي الكبير على البحث والباحث، فأسأل الله أن يرفع قدره، ويجزل أجره، وببارك له في علمه وعمله.

ولا يفوتني شكر كل من الأستاذ الدكتور عبد الله الطيار، والأستاذ الدكتور مساعد الفالح عضوي لجنة المناقشة على ما بذلاه من جهد في تقييم الرسالة وتقويمها، والشكر موصول لجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية على جهودها المباركة في نشر العلم والتعليم، وأخص كلِّيتها العريقة كلّية الشّريعة محضن هذا البحث وأمثاله من البحوث الفقهية والأصولية التي أَثْرَتِ المكتبة العلمية، جزى الله القائمين عليها خير الجزاء.
১৫ - উপসংহারটি অভিসন্দর্ভের একটি সারসংক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে, যা অভিসন্দর্ভে যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে এবং সাথে সাথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলসমূহ ফুটিয়ে তুলবে।

১৬ - অভিসন্দর্ভের শেষে উৎসগ্রন্থ এবং বিষয়সূচির নির্ঘণ্ট যুক্ত করা।

পরিশেষে আমি মহান আল্লাহর প্রশংসা করছি তাঁর সহজীকরণ ও তাওফীকের জন্য; গবেষণার মাসআলাগুলো ছিল অনেক এবং এর নতুন উদ্ভূত সমস্যাগুলো ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আল্লাহ তা সহজ করে দিয়েছেন এবং সাহায্য করেছেন। তিনি অনুগ্রহ ও কৃতজ্ঞতা লাভের যোগ্য। তাঁরই জন্য—তিনি সুমহান ও সুউচ্চ—সকল প্রশংসা আদিতে ও অন্তে, মহিমান্বিত ও পবিত্রতম। এরপর আমি আমার সম্মানীত পিতামাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁদের লালন-পালন ও দিকনির্দেশনার জন্য; আমার ওপর তাঁদের অনুগ্রহ বিশাল এবং আমার প্রতি তাঁদের ইহসান অনেক। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁদের সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন, তাঁদের ওপর নেয়ামত বর্ষণ করেন এবং আমাকে তাঁদের সাথে সদাচরণ ও ইহসান করার তাওফীক দান করেন।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এই পর্যায়ে আমি আমার অভিসন্দর্ভের তত্ত্বাবধায়ক শায়খ প্রফেসর ডক্টর সালিহ বিন উসমান আল-হুল্যায়িল—আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন—এর প্রতি ধন্যবাদ ও প্রশংসা জ্ঞাপন করছি। গবেষণাটি যখন কেবল একটি ধারণা ছিল তখন থেকেই তিনি আমাকে তাঁর অনুগ্রহ ও ইলম দিয়ে সিক্ত করেছেন, যতক্ষণ না আল্লাহ এটি পূর্ণতা দান করেছেন। ইলম, মানহাজ এবং আখলাকের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন একজন শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক। তিনি নসীহত, দিকনির্দেশনা, মূল্যায়ন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি করেননি; তাঁর অসংখ্য ইলমি ও ব্যবহারিক ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর সময় ও ইলম বিলিয়ে দিয়েছেন। যা এই গবেষণা এবং গবেষকের ওপর ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অতএব, আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করেন, তাঁর প্রতিদান বহুগুণ বাড়িয়ে দেন এবং তাঁর ইলম ও আমলে বরকত দান করেন।

আমি প্রফেসর ডক্টর আব্দুল্লাহ আত-তাইয়্যার এবং প্রফেসর ডক্টর মুসা’ইদ আল-ফালিহ—যারা এই অভিসন্দর্ভের পরীক্ষক কমিটির সদস্য ছিলেন—তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলছি না, তাঁরা এই অভিসন্দর্ভ মূল্যায়ন ও সংশোধনে যে প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন তার জন্য। সেই সাথে ইলম ও শিক্ষা প্রসারে ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বরকতময় প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষভাবে এর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী অনুষদ 'কুল্লিয়াতুশ শরীয়াহ'-এর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, যা এই গবেষণা এবং এই জাতীয় ফিকহ ও উসুল সংক্রান্ত গবেষণাসমূহের সূতিকাগার, যা ইলমি লাইব্রেরিকে সমৃদ্ধ করেছে। আল্লাহ এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২২)
ويمتد حبل الشكر والعرفان لكل من أفاد وأعان في هذا البحث، لا حرم الله كل مجتهد أجره، وأسبغ عليه كرمه وفضله.

ثم إني قد بذلت جهدي في هذا البحث، فما كان فيه من صواب فمن الله وحده، وله الشكر والامتنان، وما كان من خطأ فمن نفسي والشيطان، ولا إخال تلك الدراسة لهذا الموضوع العظيم إلا بحاجة إلى استكمالها، وتحرير ما لم يحرر من مسائلها، وذلك من خلال تواصل القراء ونقدهم الهادف لكل ما يستدعي النقد والتقويم، سائلا المولى الكريم أن يبارك في البحث، ويغفر لكاتبه وقارئيه، وأن يجبر الزلل ويصلح العمل، ويجعله خالصا لوجهه الكريم، إنه سميع عليم.

وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.

وكتبه عبد الله بن منصور الغفيلي

ص. ب 271138

مدينة الرياض 11352

البريد الإلكتروني gofaily@gmail.com
কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতির ধারা প্রসারিত হচ্ছে তাদের প্রত্যেকের প্রতি যারা এই গবেষণায় অবদান রেখেছেন এবং সহযোগিতা করেছেন। আল্লাহ যেন কোনো পরিশ্রমী ব্যক্তির প্রতিদান বিনষ্ট না করেন এবং তাঁর ওপর নিজ করুণা ও অনুগ্রহ পূর্ণতা দান করেন।

অতঃপর আমি এই গবেষণায় আমার সাধ্যমতো প্রচেষ্টা ব্যয় করেছি। এতে যা কিছু সঠিক ও নির্ভুল রয়েছে তা কেবল একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা। আর যা কিছু ভুল-ভ্রান্তি রয়েছে তা আমার নিজের এবং শয়তানের পক্ষ থেকে। আমি মনে করি না যে এই মহান বিষয়ের ওপর করা এই গবেষণাটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দান এবং এর অমীমাংসিত মাসআলাসমূহ পরিমার্জনের প্রয়োজনীয়তা থেকে মুক্ত। পাঠকদের পক্ষ থেকে যে কোনো গঠনমূলক সমালোচনা ও সংশোধনের মাধ্যমে এটি সম্ভব। আমি মহান দয়ালু প্রভুর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন এই গবেষণায় বরকত দান করেন, এর লেখক ও পাঠকদের ক্ষমা করেন, বিচ্যুতিসমূহ সংশোধন করে দেন এবং এই কাজটিকে কবুল করেন, আর একে একান্তভাবে তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত হিসেবে কবুল করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

এটি লিখেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মানসুর আল-গুফাইলি

পোস্ট বক্স ২৭১১৩৮

রিয়াদ শহর ১১৩৫২

ইমেইল gofaily@gmail.com
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌التمهيد

وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: تعريف النوازل وبيان ضابطها

المطلب الثاني: الألفاظ ذات الصلة بالنوازل

المطلب الثالث: أثر النوازل في تغيير الاجتهاد

المطلب الرابع: تعريف الزكاة

المطلب الخامس: مكانة الزكاة في الإسلام والمقاصد الشرعية منها
উপক্রমণিকা

এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: নাওয়াযিল-এর (সমসাময়িক উদ্ভূত সমস্যাবলি) সংজ্ঞা ও এর নীতিমালা বর্ণনা

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নাওয়াযিল-এর সাথে সংশ্লিষ্ট পরিভাষাসমূহ

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইজতিহাদ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নাওয়াযিল-এর প্রভাব

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: যাকাতের সংজ্ঞা

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব এবং এর শরয়ী উদ্দেশ্যসমূহ
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌المطلب الأول تعريف النوازل وبيان ضابطها

النوازل لغةً: جمع نازلة، وهي اسم فاعل من نزل، قال ابن فارس (1): "النون والزاي واللام كلمة صحيحة تدل على هبوط الشيء ووقوعه، وأكثر ما تطلق على نزول أمر فيه شِدَّة" (2). فهي تطلق على المصيبة الشديدة من شدائد الدهر التي تنزل بالناس.

واصطلاحًا: لم أقف على تعريف للنوازل عند المتقدمين يصلح أن يكون حدًّا لها (3)، وأمّا المعاصرون فقد عرّفوا النوازل بعدة تعريفات منها:

 

‌‌1 - " الوقائع الجديدة التي لم يسبق فيها نص أو اجتهاد" (4).

ومما يؤخذ عليه إخراج كثير من مسائل النوازل التي سبق فيها اجتهاد من المعاصرين.

--------------------------------------------

(1) ابن فارس: هو أحمد بن فارس بن زكريا القزويني أَبو الحسين، من أئمة اللغة، أصله من قزوين، وأقام بهمذان، وانتقل إلى الري فتوفي بها سنة 395 هـ، له تصانيف نافعة، منها: معجم المقاييس في اللغة، وجامع التأويل في تفسير القرآن، أخذ عن والده فقه الشافعي. من تلاميذه بديع الزمان الهمذاني، والصاحب إسماعيل بن عباد وغيرهم. [ينظر: البلغة في تراجم أئمة النحو واللغة (1/ 7)، سير أعلام النبلاء للذهبي (17/ 103)، طبقات المفسرين (1/ 15)].

(2) معجم مقاييس اللغة 5/ 417، وانظر لسان العرب لابن منظور 11/ 659.

(3) ينظر: منهج استنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة لمسفر القحطاني، (ص 90).

(4) المرجع السابق.
প্রথম পরিচ্ছেদ: নাওয়াযিল-এর সংজ্ঞা ও এর মানদণ্ড বিশ্লেষণ

নাওয়াযিল আভিধানিকভাবে: এটি নাযিলাহ শব্দের বহুবচন, যা 'নাযালা' (অবতরণ করা) ক্রিয়ামূল থেকে আগত একটি কর্তাবাচক বিশেষ্য। ইবনে ফারিস (১) বলেন: "নুন, যা এবং লাম একটি সহীহ শব্দমূল যা কোনো বস্তুর নিচে নামা বা পতিত হওয়াকে বোঝায়; এটি মূলত কষ্টসাধ্য কোনো বিষয় ঘটা বা আপতিত হওয়ার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়" (২)। সুতরাং এটি মানুষের ওপর আপতিত মহাকালের কঠোর বিপদ-আপদসমূহের মধ্যে তীব্র কোনো মুসিবত বা বিপদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

পারিভাষিকভাবে: আমি পূর্বসূরি আলেমদের নিকট নাওয়াযিল-এর এমন কোনো সংজ্ঞা খুঁজে পাইনি যা এর পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা হওয়ার যোগ্য (৩)। তবে সমসাময়িক আলেমগণ নাওয়াযিল-এর বেশ কয়েকটি সংজ্ঞা প্রদান করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে:

 

১ - "এমন সব নতুন ঘটনা যার ব্যাপারে পূর্বে কোনো শরয়ি পাঠ বা ইজতিহাদ বিদ্যমান নেই" (৪)।

এই সংজ্ঞার একটি সীমাবদ্ধতা হলো, এটি নাওয়াযিল-এর এমন অনেক বিষয়কে বহির্ভূত করে দেয় যেগুলোর ব্যাপারে সমসাময়িক আলেমদের ইজতিহাদ ইতিপূর্বে সম্পন্ন হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) ইবনে ফারিস: তিনি হলেন আহমদ বিন ফারিস বিন যাকারিয়া আল-কাযওয়িনি আবু আল-হুসাইন, ভাষাবিজ্ঞানের অন্যতম ইমাম। তাঁর আদি নিবাস কাযওয়িন, তিনি হামাদানে বসবাস করতেন এবং পরবর্তীতে রাই শহরে চলে যান এবং সেখানে ৩৯৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বেশ কিছু উপকারী গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: মু'জামুল মাকায়িস ফিল লুগাহ এবং জামিউত তাবিল ফি তাফসিরিল কুরআন। তিনি তাঁর পিতার নিকট শাফেয়ী ফিকহ শিক্ষা করেন। তাঁর ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন বদিউজ্জামান আল-হামাদানি, আস-সাহিব ইসমাইল বিন আব্বাদ এবং আরও অনেকে। [দ্রষ্টব্য: আল-বুলগাহ ফি তারাজিমিল আইম্মাতিন নাহওয়ি ওয়াল লুগাহ (১/৭), সিয়ারু আলামিন নুবালা - আয-যাহাবি (১৭/১০৩), তাবাকাতুল মুফাসসিরিন (১/১৫)]।

(২) মু'জামু মাকায়িসিল লুগাহ ৫/৪১৭, এবং দেখুন লিসানুল আরব - ইবনু মানযুর ১১/৬৫৯।

(৩) দেখুন: মানহাজু ইস্তিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিল আল-ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ - মুসফির আল-কাহতানি (পৃষ্ঠা ৯০)।

(৪) পূর্বোক্ত উৎস।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২৬)
ولذا فقد عرفت بتعريف أعم وهو:

 

‌‌2 - " الحادثة‌‌ التي تحتاج إلى حكم شرعي" (1).

وعلى هذا الإطلاق كثير من الفقهاء والأصوليين المتقدمين (2) وقد يؤخذ عليه أن من الحوادث ما لا يكون جديدًا في حقيقته ولا صورته؛ إذ الحوادث لفظ عام يصدق على ما يحدث ويقع، ولذا فلو قيدت ب‌‌الحادثة الجديدة لكان أدق، فيكون التعريف:

"الحادثة الجديدة التي تحتاج إلى حكم شرعي".

 

‌‌شرح التعريف:

الحادثة الجديدة: هي ما يجدُّ من الوقائع والمسائل، وذلك بحصول الواقعة بعد أن لم تكن، أو بحدوث ما يستدعي إعادة الاجتهاد فيها.

 

التي تحتاج إلى حكم شرعي: لإخراج الحوادث التي لا تحتاج إلى حكم شرعي، كالبراكين والزلازل ونحوها، أو الحوادث التي قد استقر الرأي فيها، واتفقوا على حكمها (3).

--------------------------------------------

(1) ينظر: مقدمة المعاملات المالية المعاصرة لمحمد شبير (ص 12).

(2) ينظر: الرسالة للشافعي ص (200)، والفقيه والمتفقه للخطيب البغدادي 2/ 375، وقواعد المقري 2/ 467، ولعلّ من أسباب عدم تعريف المتقدمين للنوازل بتعريف خاص ما يلي:

1 - أن مصطلح النوازل لم ينتشر إلا في القرون المتأخرة، وعند بعض الفقهاء والأصوليين.

2 - أن وضوح المعنى وشيوعه قد يغني أحيانًا عن تعريفه، ولعل النوازل من هذا الباب.

3 - أن مرادفات لفظ النوازل والمصطلحات المقاربة له، لا تقل شأنًا في التداول والشيوع عن مصطلح النوازل ذاته.

4 - أن الذين كتبوا في النوازل اهتموا بالجوانب العلمية التطبيقية في النوازل، ولم يهتموا بالجوانب النظرية. وانظر للاستزادة منهج استنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة (ص 90).

(3) هناك تعريفات أخرى للنوازل عند المعاصرين، لم أتطرق إليها أعلاه اختصارًا واكتفاء بما =
আর তাই, একে আরও ব্যাপক সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, আর তা হলো:

 

‌‌২ - "এমন ঘটনা‌‌ যা শরয়ী বিধানের মুখাপেক্ষী" (১)।

পূর্ববর্তী বহু ফকিহ এবং উসুলবিদগণ এই ব্যাপক অর্থের ওপরই ভিত্তি করেছেন (২)। তবে এর সমালোচনায় বলা যেতে পারে যে, এমন কিছু ঘটনাও থাকতে পারে যা বাস্তবে বা বাহ্যিক রূপে নতুন নয়; কেননা 'ঘটনা' (হাওয়াদিস) একটি ব্যাপক শব্দ যা যা কিছু ঘটে বা সংঘটিত হয় তার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আর তাই, যদি একে 'নতুন ঘটনা' দ্বারা সীমাবদ্ধ করা হতো, তবে তা আরও নির্ভুল হতো। এমতাবস্থায় সংজ্ঞাটি দাঁড়ায়:

"এমন নতুন ঘটনা যা শরয়ী বিধানের মুখাপেক্ষী।"

 

‌‌সংজ্ঞার ব্যাখ্যা:

নতুন ঘটনা: এটি হলো সেইসব নতুন উদ্ভূত বাস্তবতা ও মাসআলা যা আগে ছিল না কিন্তু এখন সংঘটিত হয়েছে, অথবা এমন কিছু ঘটা যার কারণে সে বিষয়ে পুনরায় ইজতিহাদ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

 

যা শরয়ী বিধানের মুখাপেক্ষী: এর মাধ্যমে ওইসব ঘটনাকে বাদ দেওয়া হয়েছে যেগুলোর শরয়ী বিধানের প্রয়োজন নেই, যেমন অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প ইত্যাদি, অথবা ওইসব ঘটনা যেগুলোর ক্ষেত্রে পূর্বেই সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ফকিহগণ সেগুলোর বিধানের ব্যাপারে একমত হয়েছেন (৩)।

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: মুহাম্মাদ শিব্বীর রচিত 'মুকাদ্দিমাতুল মুআমালাতিল মালিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ' (পৃ. ১২)।

(২) দ্রষ্টব্য: শাফেয়ী রচিত 'আর-রিসালাহ' (পৃ. ২০০); খতীব বাগদাদী রচিত 'আল-ফকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ' ২/৩৭৫; মাক্কারী রচিত 'কাওয়ায়েদ' ২/৪৬৭। সম্ভবত পূর্ববর্তী আলিমগণ 'নাওয়াযিল'-এর কোনো বিশেষ সংজ্ঞা প্রদান না করার কারণসমূহ নিম্নরূপ:

১ - 'নাওয়াযিল' পরিভাষাটি পরবর্তী যুগসমূহে এবং কেবল কিছু সংখ্যক ফকিহ ও উসুলবিদের মাঝেই প্রসার লাভ করেছিল।

২ - অর্থ স্পষ্ট এবং প্রচলিত হওয়া অনেক সময় সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে দেয়, সম্ভবত 'নাওয়াযিল' বিষয়টি এ পর্যায়ভুক্ত।

৩ - 'নাওয়াযিল' শব্দের সমার্থক এবং এর নিকটবর্তী পরিভাষাগুলোর ব্যবহার ও প্রচলন 'নাওয়াযিল' পরিভাষার চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না।

৪ - যারা 'নাওয়াযিল' বিষয়ে লিখেছেন, তারা এর তাত্ত্বিক দিকের চেয়ে প্রায়োগিক ইলমী দিকগুলোর প্রতিই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। বিস্তারিত জানতে দেখুন 'মানহাজু ইস্তিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিল আল-ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ' (পৃ. ৯০)।

(৩) সমকালীন আলিমদের নিকট 'নাওয়াযিল'-এর আরও কিছু সংজ্ঞা রয়েছে, যা সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে এবং যা উল্লেখ করা হয়েছে তাকেই যথেষ্ট মনে করে আমি এখানে উল্লেখ করিনি =
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌ويتبين مما تقدم أن ضابط النازلة هو:

كون المسألة حادثة على المجتمع تحتاج لبيان حكمها الشرعي، إما لكونها لم تبحث ويستقر الاجتهاد فيها قبل ذلك، أو لكونها بحثت واستجد ما يستدعي إعادة الاجتهاد فيها.

…

--------------------------------------------

= ذكرت، ومن تلك التعريفات:

أ - تعريف الدكتور وهبة الزحيلي للنوازل: بأنّها المسألة أو المستجدات الطارئة على المجتمع بسبب توسع الأعمال، وتعقد المعاملات، والتي لا يوجد نص تشريعي مباشر واجتهاد فقهي سابق ينطبق عليها، وصورها متعددة، ومختلفة بين البلدان أو الأقاليم، لاختلاف العادات والأعراف المحليَّة، انظر: سبل الاستفادة من النوازل والعمل الفقهي في التطبيقات المعاصر، مجلة مجمع الفقه الإسلامي عدد 11/ 2 / 362، ويلاحظ عليه الطول والتفصيل الذي لا يناسب مقام التعريف.

ب - تعريف الدكتور بكر أَبو زيد: الوقائع والمسائل المستجدة والحادثة المشهورة بلسان العمر باسم النظريات والظواهر، فقه النوازل 1/ 9، ويلاحظ عليه عدم الإشارة لحاجة النازلة لبيان الحكم الشرعي، مع وجود التكرار، ولعل الشيخ لم يرد تعريفها بالمعنى الاصطلاحي، وإنما بيان المراد بها؛ لذكره ذلك في الحاشية.

ج - تعريف الدكتور عبد الناصر أَبو البصل: واقعة أو حادثة مستجدة لم تعرف في السابق بالشكل الذي عرفت فيه الآن. دراسات ففهية في قضايا معاصرة 2/ 63، ويلاحظ عليه ما لوحظ على سابقه.
ইতিপূর্বে যা অতিক্রান্ত হয়েছে তা থেকে স্পষ্ট হয় যে, নাযিলাহ (নতুন উদ্ভূত সমস্যা)-এর মানদণ্ড হলো:

বিষয়টি সমাজে নতুনভাবে উদ্ভূত হওয়া যা তার শারঈ বিধান বর্ণনার প্রয়োজনীয়তা রাখে; হয় এই কারণে যে, ইতিপূর্বে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়নি এবং তাতে ইজতিহাদ স্থির হয়নি, অথবা বিষয়টি নিয়ে পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে কিন্তু নতুন এমন কিছু যুক্ত হয়েছে যা তাতে পুনরায় ইজতিহাদ করার দাবি রাখে।

...

--------------------------------------------

= উল্লিখিত হয়েছে, আর সেই সংজ্ঞাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

ক - নাওয়াযিলের বিষয়ে ডক্টর ওয়াহবাহ আল-জুহায়লীর সংজ্ঞা: এটি এমন বিষয় বা নতুন পরিস্থিতি যা কর্মক্ষেত্রের প্রসার এবং লেনদেনের জটিলতার কারণে সমাজে আপতিত হয়, যার উপর সরাসরি কোনো আইনগত নস (ভাষ্য) বা পূর্ববর্তী কোনো ফিকহী ইজতিহাদ প্রযোজ্য হয় না। স্থানীয় অভ্যাস ও প্রথার ভিন্নতার কারণে দেশ বা অঞ্চলভেদে এর রূপ ভিন্ন ও বহুমুখী হতে পারে। দেখুন: সুবুলুল ইস্তিফাদাহ মিনান নাওয়াযিল ওয়াল আমালুল ফিকহী ফিল তাতবিকাতিল মুআসির, মাজাল্লাতু মাজমাউল ফিকহিল ইসলামী, সংখ্যা ১১/২/৩৬২। তবে এই সংজ্ঞার ব্যাপারে দীর্ঘতা ও অতি-বিস্তারিত হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্যণীয়, যা একটি সংজ্ঞার জন্য উপযুক্ত নয়।

খ - ডক্টর বকর আবু যাইদ-এর সংজ্ঞা: বর্তমান যুগের পরিভাষায় তত্ত্ব (Theories) ও প্রপঞ্চ (Phenomena) নামে পরিচিত নতুন ও উদ্ভূত ঘটনাবলি ও বিষয়সমূহ, ফিকহুন নাওয়াযিল ১/৯। এই সংজ্ঞার ব্যাপারে লক্ষ্যণীয় যে, এতে নাযিলাহ-এর শারঈ বিধান বর্ণনার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি, পাশাপাশি এতে পুনরাবৃত্তি রয়েছে। সম্ভবত শায়খ এখানে পারিভাষিক অর্থে এর সংজ্ঞা দিতে চাননি, বরং এর দ্বারা কী উদ্দেশ্য তা স্পষ্ট করতে চেয়েছেন; কারণ তিনি এটি টীকায় উল্লেখ করেছেন।

গ - ডক্টর আবদুল নাসির আবু আল-বাসাল-এর সংজ্ঞা: এমন নতুন ঘটনা বা পরিস্থিতি যা বর্তমানে যেভাবে পরিচিত, পূর্বে সেভাবে পরিচিত ছিল না। দিরাসাত ফিকহিয়্যাহ ফী কাদায়া মুআসিরাহ ২/৬৩। এই সংজ্ঞার ব্যাপারেও পূর্ববর্তীটির মতো একই পর্যবেক্ষণ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌المطلب الثاني الألفاظ ذات الصلة بالنوازل

يستعمل الفقهاء ألفاظًا متعددة، منها ما يرادف النوازل، ومنها ما له صلة به، ومن تلك الألفاظ:

 

‌‌1 - الحوادث: جمع حادثة. قال الأزهري (1) رحمه الله: "الحدث من أحداث الدهر شبه النازلة" (2) ويطلقها كثير من الفقهاء والأصوليين على ما يجد من الوقائع التي تحتاج لحكم شرعي (3)، وهي بهذا المعنى مرادفة للنوازل، ولذا فقد عرفت اصطلاحا: بأنها الواقعة تحتاج إلى فتوى (4).

‌‌2 - الوقائع: جمع واقعة، قال في اللسان: "الواقعة: الداهية، والواقعة النازلة من صروف الدهر" (5) وهي اسم فاعل من وقع الأمر إذا حصل.

--------------------------------------------

(1) الأزهري: هو أبو منصور محمد بن أحمد بن الأزهر بن طلحة الأزهري الهروي اللغوي الشافعي، كان رأسًا في اللغة والفقه، له عدة مصنفات، منها: تهذيب اللغة، وغريب الحديث، توفي سنة 371 هـ[ينظر: البلغة في تراجم أئمة النحو واللغة (1/ 59)، سير أعلام النبلاء (16/ 315)، طبقات الشافعية (1/ 144)].

(2) لسان العرب 2/ 132.

(3) معجم لغة الفقهاء (ص 150).

(4) المرجع السابق.

(5) لسان العرب 8/ 403.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নাওয়াযিলের সাথে সংশ্লিষ্ট শব্দসমূহ

ফকিহগণ বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করেন, যার মধ্যে কিছু শব্দ ‘নাওয়াযিল’ এর সমার্থক এবং কিছু এর সাথে সংশ্লিষ্ট। সেই শব্দগুলোর মধ্যে রয়েছে:

 

১ - আল-হাওয়াদিস: এটি ‘হাদিসাহ’ শব্দের বহুবচন। আল-আযহারী (১) রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: "কালের ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে ‘হাদাস’ হলো ‘নাযিলাহ’ এর সদৃশ" (২)। অনেক ফকিহ এবং উসুলবিদ একে এমন নতুন ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন যা শরয়ী বিধানের মুখাপেক্ষী (৩)। এই অর্থে এটি ‘নাওয়াযিল’ এর সমার্থক, আর এই কারণেই পারিভাষিক সংজ্ঞায় বলা হয়েছে: এটি এমন একটি ঘটনা যা ফতোয়ার প্রয়োজন রাখে (৪)।

২ - আল-ওয়াকায়ি: এটি ‘ওয়াকিআহ’ শব্দের বহুবচন। লিসানুল আরব গ্রন্থে বলা হয়েছে: "ওয়াকিআহ হলো মহাবিপদ, আর ওয়াকিআহ হলো কালের বিবর্তনজনিত কোনো নাযিলাহ (বিপদ বা ঘটনা)" (৫)। এটি ‘ওয়াকা’আল আমরু’ (বিষয়টি সংঘটিত হওয়া) থেকে ইসমে ফায়েল বা কর্তৃবাচক বিশেষ্য।

--------------------------------------------

(১) আল-আযহারী: তিনি হলেন আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-আযহার বিন তালহা আল-আযহারী আল-হারাউয়ী ভাষাবিদ ও শাফিয়ী ফকিহ। তিনি ভাষা ও ফিকহ শাস্ত্রে শীর্ষস্থানীয় ইমাম ছিলেন। তাঁর বেশ কিছু রচনা রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: তাহযীবুল লুগাহ এবং গারীবুল হাদীস। তিনি ৩৭১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [দ্রষ্টব্য: আল-বুলগাহ ফী তারাজিম ইমামিন নাহবি ওয়াল লুগাহ (১/ ৫৯), সিয়ারু আলামিন নুবালা (১৬/ ৩১৫), তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ (১/ ১৪৪)]।

(২) লিসানুল আরব ২/ ১৩২।

(৩) মুজামু লুগাতিল ফুকাহা (পৃ. ১৫০)।

(৪) পূর্বোক্ত উৎস।

(৫) লিসানুল আরব ৮/ ৪০৩।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৩০)
وتُطلق الوقائع عند الفقهاء على الحوادث التي تحتاج إلى استنباط حكم شرعي لها (1) وهي كالحوادث في كثرة استعمالها في معنى النوازل عند الفقهاء والأصوليين (2).

كما تطلق الواقعات على الفتاوى المستنبطة للحوادث المستجدة (3) فتكون بهذا المعنى إطلاقًا على حكم النازلة، لا على النازلة ذاتها.

 

‌‌3 - المستجدات: جمع مستجدة، ويراد بها الوقائع الجديدة التي تحتاج إلى حكم شرعي، وهي مرادفة للنوازل بهذا المعنى، ويكثر إطلاقها عند المعاصرين على النوازل المعاصرة (4).

‌‌4 - القضايا: جمع قضية، وتطلق القضية على الحكم، والأمر المتنازع عليه (5) وهي بمعنى المستجدات عند المعاصرين، فتكون مرادفة للنوازل (6).

‌‌5 - المسائل: جمع مسألة وهي مصدر سأل، وتكون عن القضية المطلوب

--------------------------------------------

(1) ينظر: معجم لغة الفقهاء (ص 468) وانظر: منهج استنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة (ص 93)، وقد أطلق بعض الفقهاء هذا المصطلح على مصنفاتهم مثل: الواقعات لزين الدين قاسم بن قطلوبغا توفي سنة (879 هـ) وهو مخطوط، وواقعات المفتين لزين الدين أبي المعالي عبد القادر الحلبي الشهير بنقيب زاده توفي سنة (1107 هـ)، وهو مخطوط أيضًا، وكلاهما موجود في مكتبة الجامعة الإسلامية بالمدينة.

(2) ينظر: معجم لغة الفقهاء (ص 497).

(3) ينظر: منهج استنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة (ص 93).

(4) المرجع السابق.

(5) ينظر: منهج استنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة (ص 92)، والمدخل إلى فقه النوازل 2/ 603. ومما ألفه المعاصرون بهذا الاسم قضايا فقهية معاصرة للسنبهلي، أو قضايا فقهية معاصرة في المال والاقتصاد لنزيه حماد.

(6) ينظر: معجم لغة الفقهاء، (ص 425).
ফকিহগণের নিকট ওয়াকায়ে (ঘটনাপ্রবাহ) শব্দটি এমন সব ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যার জন্য শারয়ি বিধান উদ্ভাবনের প্রয়োজন পড়ে (১)। ফকিহ এবং উসুলবিদগণের নিকট ‘নাওয়াযিল’ (উদ্ভূত সমস্যা) অর্থে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি ‘হাওয়াদিস’ (ঘটনাবলি) শব্দের মতোই অধিক ব্যবহৃত (২)।

অনুরূপভাবে ‘ওয়াকায়াত’ শব্দটি নতুন উদ্ভূত ঘটনার ক্ষেত্রে উদ্ভাবিত ফতোয়াসমূহের ওপরও প্রয়োগ করা হয় (৩)। ফলে এই অর্থে শব্দটি সরাসরি সমস্যার ওপর প্রয়োগ না হয়ে বরং উদ্ভূত সমস্যার বিধানের ওপর প্রয়োগ করা হয়।

 

‌‌৩ - আল-মুস্তাজাদদাত: এটি ‘মুস্তাজাদদাহ’ শব্দের বহুবচন। এর দ্বারা ওই সকল নতুন ঘটনাকে বোঝানো হয় যেগুলোর শারয়ি বিধান প্রয়োজন। এই অর্থে এটি ‘নাওয়াযিল’ শব্দের সমার্থক। সমসাময়িক গবেষকগণের নিকট সমকালীন উদ্ভূত সমস্যার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার অধিক লক্ষ্য করা যায় (৪)।

‌‌৪ - আল-কাদায়া: এটি ‘কাদিয়াহ’ শব্দের বহুবচন। ‘কাদিয়াহ’ শব্দটি বিধান এবং বিবাদপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় (৫)। সমসাময়িকদের নিকট এটি ‘মুস্তাজাদদাত’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়, ফলে এটি ‘নাওয়াযিল’ শব্দের সমার্থক হয় (৬)।

‌‌৫ - আল-মাসাইল: এটি ‘মাসআলাহ’ শব্দের বহুবচন, যা ‘সাআলা’ ক্রিয়ামূল থেকে আগত। এটি কাঙ্ক্ষিত বিষয় সম্পর্কে হয়...

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: মুজামু লুগাতিল ফুকাহা (পৃ. ৪৬৮) এবং দ্রষ্টব্য: মানহাজু ইসতিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিলিল ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ (পৃ. ৯৩)। কোনো কোনো ফকিহ এই পরিভাষাটি তাঁদের কিতাবের শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন, যেমন: যয়নুদ্দিন কাসেম বিন কুতলুবুগা (মৃত্যু ৮৭৯ হি.) এর ‘আল-ওয়াকায়াত’, যা একটি পাণ্ডুলিপি। এবং নকিযজাদাহ নামে পরিচিত যয়নুদ্দিন আবু মাআলি আব্দুল কাদির আল-হালাবি (মৃত্যু ১১০৭ হি.) এর ‘ওয়াকায়াতুল মুফতিন’, এটিও একটি পাণ্ডুলিপি; আর উভয়টি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বিদ্যমান।

(২) দ্রষ্টব্য: মুজামু লুগাতিল ফুকাহা (পৃ. ৪৯৭)।

(৩) দ্রষ্টব্য: মানহাজু ইসতিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিলিল ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ (পৃ. ৯৩)।

(৪) পূর্বোক্ত উৎস।

(৫) দ্রষ্টব্য: মানহাজু ইসতিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিলিল ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ (পৃ. ৯২) এবং আল-মাদখাল ইলা ফিকহিন নাওয়াযিল ২/৬০৩। সমসাময়িকদের লিখিত এই নামের কিতাবসমূহের মধ্যে রয়েছে সানবাহালির ‘কাদায়া ফিকহিয়্যাহ মুআসিরাহ’ অথবা নাযিহ হাম্মাদের ‘কাদায়া ফিকহিয়্যাহ মুআসিরাহ ফিল মালি ওয়াল ইক্তিসাদ’।

(৬) দ্রষ্টব্য: মুজামু লুগাতিল ফুকাহা (পৃ. ৪২৫)।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৩১)
بيانها (1) وعن الحادثة يُسْأَلُ عن حكمها الشرعي، ويستعملها المتقدمون في الدلالة على الفروع الفقهية التي تتطلب بيانًا لحكم الشرع، ولا تطلق على النوازل بمعناها الخاص المتقدم، إلا إذا دل الدليل عليها؛ لكونها أعم من النوازل، فهي تصدق على المسائل القديمة والجديدة والواقعة وغير الواقعة.

 

‌‌6 - الفتاوى: جمع فتوى وفتيا وهي إبانة الحكم (2) ويغلب إطلاق الفتوى اصطلاحًا: على الإخبار بحكم الشرع لمن سأل عنه (3) ومنه يتبين أن بين الفتوى والنوازل فروقًا؛ فالفتوى هي الحكم، والنازلة هي المحل، كما أن الفتوى تشمل الجواب عن المسائل القديمة والجديدة والواقعة والمفترضة، بخلاف النوازل، فإنما هي الوقائع الجديدة (4).

…

--------------------------------------------

(1) ينظر: أصول الفتوى والقضاء في المذهب المالكي لمحمد رياض (ص 178)، ومنهج أستنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة (ص 93).

(2) معجم مقاييس اللغة لابن فارس 4/ 474.

(3) ينظر: معجم لغة الفقهاء (ص 339)، وأصول الفتوى والقضاء في المذهب المالكي (ص 178).

(4) ينظر: منهج استنباط أحكام النوازل الفقهية المعاصرة (ص 95) وقد ألفت كثير من الكتب باسم الفتاوى مثل فتاوى القاضي، وفتاوى المازري، والفتاوى الكبرى لابن تيمية وغيرها، وقد ذكر الدكتور الحسن العبادي في كتابه ففه النوازل في سوس (ص 52)، ما مفاده: أن مضمون مصطلح الفتاوى والنوازل واحد عند كثير من الفقهاء، ويستعمل علماء الشرق الإسلامي مصطلح الفتاوى بشكل أكبر، كما في قائمة كتاب كشف الظنون عن أسامي الكتب والفنون لحاجي خليفة، ففيه مائة وخمسة وعشرون كتابًا في الفتاوى، بينما يستعمل علماء المغرب المصطلحين على حد سواء، وربما غلب استعمال لفظ النوازل خصوصًا في الأندلس والمغرب.
এর ব্যাখ্যা (১) আর কোনো ঘটিত বিষয় সম্পর্কে তার শরয়ী বিধান জিজ্ঞাসা করা হয়। পূর্বসূরিগণ একে এমন সব ফিকহি শাখাগত মাসআলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতেন যেগুলোর জন্য শরয়ী বিধানের ব্যাখ্যার প্রয়োজন হতো। একে 'নাওয়াযিল' (নব্যসঙ্কট) অর্থে তার বিশেষ সংজ্ঞায় ব্যবহার করা হতো না, যতক্ষণ না কোনো দলিল এর সপক্ষে বিদ্যমান থাকে; কারণ এটি 'নাওয়াযিল'-এর চেয়ে অধিক ব্যাপক। ফলে এটি প্রাচীন, আধুনিক, বাস্তব এবং তাত্ত্বিক বা কাল্পনিক—সব ধরনের মাসআলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

 

‌‌৬ - ফাতাওয়া: এটি 'ফাতওয়া' ও 'ফুতইয়া' শব্দের বহুবচন, যার অর্থ হলো বিধান স্পষ্ট করা (২)। পারিভাষিক অর্থে ফাতওয়ার প্রয়োগ মূলত: যে ব্যক্তি শরয়ী বিধান জিজ্ঞাসা করে তাকে তা অবহিত করার ক্ষেত্রে অধিক ব্যবহৃত হয় (৩)। এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, ফাতওয়া এবং নাওয়াযিলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে; ফাতওয়া হলো বিধান, আর নাওয়াযিল হলো ক্ষেত্র বা প্রেক্ষাপট। তদুপরি, ফাতওয়া প্রাচীন, আধুনিক, বাস্তব ও তাত্ত্বিক—সব ধরনের মাসআলার উত্তরকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা নাওয়াযিলের বিপরীত; কারণ নাওয়াযিল বলতে কেবল নতুন ঘটে যাওয়া ঘটনাবলিকে বোঝায় (৪)।

...

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: মুহাম্মাদ রিয়াদের 'উসুলুল ফাতওয়া ওয়াল কাজা ফিল মাজহাবিল মালিকি' (পৃ. ১৭৮), এবং 'মানহাজু ইস্তিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিলিল ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ' (পৃ. ৯৩)।

(২) ইবনে ফারিসের 'মু'জামু মাকায়িসিল লুগাহ' ৪/৪৭৪।

(৩) দ্রষ্টব্য: 'মু'জামু লুগাতিল ফুকাহা' (পৃ. ৩৩৯), এবং 'উসুলুল ফাতওয়া ওয়াল কাজা ফিল মাজহাবিল মালিকি' (পৃ. ১৭৮)।

(৪) দ্রষ্টব্য: 'মানহাজু ইস্তিনবাতি আহকামিন নাওয়াযিলিল ফিকহিয়্যাহ আল-মুআসিরাহ' (পৃ. ৯৫)। ফাতাওয়া নামে অনেক গ্রন্থ রচিত হয়েছে যেমন: 'ফাতাওয়া আল-কাজি', 'ফাতাওয়া আল-মাযারি', ইবনে তাইমিয়্যাহর 'আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা' ইত্যাদি। ডক্টর হাসান আল-আবাদি তার 'ফিকহুন নাওয়াযিল ফি সুস' (পৃ. ৫২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যার সারমর্ম হলো: অনেক ফকীহর নিকট 'ফাতাওয়া' এবং 'নাওয়াযিল' পরিভাষা দুটির বিষয়বস্তু অভিন্ন। ইসলামী বিশ্বের প্রাচ্যের আলেমগণ 'ফাতাওয়া' পরিভাষাটি অধিক ব্যবহার করেন, যেমনটি হাজী খলিফার 'কাশফুয যুনুন আন আসামিল কুতুবি ওয়াল ফুনুন' গ্রন্থের তালিকায় দেখা যায়; সেখানে ফাতাওয়া বিষয়ক একশত পঁচিশটি কিতাব রয়েছে। অন্যদিকে মাগরিবের আলেমগণ উভয় পরিভাষা সমভাবে ব্যবহার করেন, আর সম্ভবত 'নাওয়াযিল' শব্দের ব্যবহার বিশেষ করে আন্দালুস ও মাগরিবে অধিক প্রচলিত।
(খণ্ড: ১) নাওয়াযিলুয যাকাত (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌المطلب الثالث أثر النوازل في تغير الإجتهاد (1)

يتغير الاجتهاد في الأحكام الشرعية لأسباب عديدة منها:

 

‌‌1 - ظهور دليل لم يظهر للمجتهد سابقًا، أو لم يكن صحيحًا عنده ثم صح، أو اختلف فهمه له، فأثبت الحكم بموجب اجتهاده الأخير في الدليل (2).

‌‌2 - تغيّرُ العادات والأعراف، فلا بد من مراعاة العرف المتغيِّر، كما قال القرافي (3): "إن إجراء الأحكام التي مدركها العوائد مع تغير تلك العوائد خلافُ

--------------------------------------------

(1) عَرَّف الأصوليون الاجتهاد بتعريفات كثيرة منها: تعريف الغزالي وهو: بذل المجتهد وسعه في طلب العلم بالأحكام الشرعية، اهـ. وبنحوه عرفه ابن قدامة، انظر المستصفى (ص 342)، وروضة الناظر وجنة المناظر 3/ 959.

ويراد بتغيير الاجتهاد: تبديل المجتهد رأيه السابق في المسألة برأي آخر؛ إما لكون رأيه الأول خطأ، أو لحدوث ما يستدعي تغيير الاجتهاد من أسباب بينتُ جملةً منها أعلاه.

وانظر للاستزادة: تغيير الاجتهاد للزحيلي (ص 31)، تبصير النجباء بحقيقة الاجتهاد والتقليد والتلفيق والإفتاء (ص 89)، والمدخل الفقهي العام 2/ 953.

(2) ينظر: الفقيه والمتفقه للخطيب البغدادي 2/ 421.

(3) القرافي: هو شهاب الدين أَبو العباس أحمد بن إدريس بن عبد الرحمن القرافي الصنهاجي، المصري من فقهاء المالكية، العالم الفقيه الأصولي، له مصنفات بديعة نافعة، كالفروق والذخيرة والإحكام في تمييز الفتاوى عن الأحكام، وتوفي سنة 684 هـ[ينظر: شجرة النور الزكية (ص 188)، الديباج المذهب (ص 62)].
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইজতিহাদ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সমসাময়িক নবউদ্ভূত সমস্যার প্রভাব (১)

শরয়ী বিধানের ক্ষেত্রে ইজতিহাদ বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:

 

‌১ - এমন দলীল প্রকাশ পাওয়া যা পূর্বে মুজতাহিদের নিকট প্রকাশ পায়নি, অথবা যা তার নিকট ইতিপূর্বে সহীহ (বিশুদ্ধ) ছিল না অতঃপর সহীহ বলে প্রমাণিত হয়েছে, অথবা সেই দলীলের ক্ষেত্রে তার বুঝ বা উপলব্ধির পরিবর্তন ঘটেছে; ফলে তিনি দলীলের আলোকে তার সর্বশেষ ইজতিহাদ অনুযায়ী বিধান সাব্যস্ত করেন (২)।

‌২ - প্রথা ও রীতিনীতির পরিবর্তন, তাই পরিবর্তিত প্রথার প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। যেমনটি আল-কারাফী বলেছেন (৩): "যেসব বিধানের উৎস হচ্ছে প্রচলিত রীতিনীতি, সেই রীতিনীতিগুলো পরিবর্তিত হওয়া সত্ত্বেও পূর্বের বিধান জারি রাখা হলো... এর পরিপন্থী"

--------------------------------------------

(১) উসূলবিদগণ ইজতিহাদের অনেক সংজ্ঞা প্রদান করেছেন, তার মধ্যে ইমাম আল-গাযালীর সংজ্ঞা হলো: শরয়ী বিধানসমূহের জ্ঞান অর্জনে মুজতাহিদের তার সর্বোচ্চ সাধ্য ব্যয় করা। ইবনু কুদামাহও অনুরুপ সংজ্ঞা দিয়েছেন। দেখুন: আল-মুসতাসফা (পৃ. ৩৪২), এবং রাওদাতুন নাযির ওয়া জান্নাতুল মানাযির ৩/৯৫৯।

ইজতিহাদ পরিবর্তন দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: কোনো মাসআলায় মুজতাহিদের তার পূর্বের মতকে অন্য মত দ্বারা পরিবর্তন করা; হয় তার প্রথম মতটি ভুল হওয়ার কারণে, অথবা ইজতিহাদ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে এমন কোনো কারণ ঘটার কারণে, যার একটি বিবরণ আমি উপরে প্রদান করেছি।

অতিরিক্ত জানার জন্য দেখুন: তাগয়ীরুল ইজতিহাদ লিল যুহায়লী (পৃ. ৩১), তাবসীরুন নুযাবা বি হাকীকাতিল ইজতিহাদ ওয়াত তাকলীদ ওয়াত তালফীক ওয়াল ইফতা (পৃ. ৮৯), এবং আল-মাদখালুল ফিকহিল আম ২/৯৫৩।

(২) দেখুন: আল-ফকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ লিল খতীব আল-বাগদাদী ২/৪২১।

(৩) আল-কারাফী: তিনি হলেন শিহাবুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন ইদরীস বিন আব্দুর রহমান আল-কারাফী আস-সিনহাজী আল-মিসরী। তিনি মালেকী ফকীহদের অন্তর্ভুক্ত এবং একজন বিজ্ঞ ফকীহ ও উসূলবিদ। তার চমৎকার ও উপকারী অনেক রচনা রয়েছে, যেমন: আল-ফুরূক, আয-যাখীরাহ এবং আল-ইহকাম ফী তাময়ীযিল ফাতাওয়া আনিল আহকাম। তিনি ৬৮৪ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন [দেখুন: শাজরাতুন্ নূর আয-যাকিয়্যাহ (পৃ. ১৮৮), আদ-দীবাজুল মাযহাব (পৃ. ৬২)]।