(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: -)
ضعيف موارد الظمآن إلى زوائد ابن حبان   (ناصر الدين الألباني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: ضعيف موارد الظمآن إلى زوائد ابن حبان

مضموما إليه: الزوائد على الموارد

المؤلف: محمد ناصر الدين الألباني (ت 1420 هـ)

الناشر: دار الصميعي للنشر والتوزيع، الرياض

الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 224

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 21 شوّال 1436

দাঈফ মাওয়ারিদুজ জামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনে হিব্বান   (নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


বই: দাঈফ মাওয়ারিদুজ জামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনে হিব্বান

সাথে সংযুক্ত: আল-যাওয়াইদ আলাল মাওয়ারিদ

লেখক: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী (মৃত্যু ১৪২০ হিজরী)

প্রকাশক: দারুস সুমাইয়ি প্রকাশনা ও বিতরণ সংস্থা, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরী - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২৪

[বইটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২১ শাওয়াল ১৪৩৬

(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: -)
ضعيف موارد الظمآن إلى زوائد ابن حبان

مضموماً إليه «الزوائد على الموارد»

ومعه الفهارس

 

بقلم

العلامة المحدث الشيخ محمد ناصر الدين الألباني

المتوفى سنة (1420 هـ) - رحمه الله تعالى -

 

دار الصميعي
দাঈফ মাওয়ারেদুয যামআন ইলা যাওয়ায়েদে ইবনে হিব্বান

এর সাথে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে «আয-যাওয়ায়েদ আলাল মাওয়ারেদ»

এবং এর সাথে রয়েছে নির্ঘণ্ট

 

কলমে

আল্লামা মুহাদ্দিস শায়খ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি

মৃত্যু (১৪২০ হিজরি) - আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন -

 

দারুস সুমাইয়ি
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢)
بسم الله الرحمن الرحيم

جميع حقوق الملكية الأدبية محفوظة للناشر، فلا يسمح مطلقاً بطبع أو نشر أو تصوير أو إعادة تنضيد الكتاب كاملاً أو مجزأ. ويحظر تخزينه أو برمجته أو نسخه أو تسجيله في نطاق استعادة المعلومات في أي نظام كان ميكانيكي أو الكتروني أو غيره يمكَّن من استرجاع الكتاب أو جزء منه. ولا يسمح بترجمة الكتاب أو جزء منه إلى أي لغة أخرى دون الحصول على إذن خطي مسبق من الناشر.
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

সাহিত্যিক মালিকানার সকল অধিকার প্রকাশকের নিকট সংরক্ষিত, তাই এই বইটির সম্পূর্ণ বা কোনো অংশ মুদ্রণ, প্রকাশ, ছবি তোলা বা পুনরায় বিন্যাস করা একেবারেই অনুমোদিত নয়। এবং তথ্য পুনরুদ্ধারের পরিধিতে কোনো যান্ত্রিক, ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে বইটি বা এর কোনো অংশ সংরক্ষণ, প্রোগ্রামিং, অনুলিপি বা রেকর্ড করা নিষিদ্ধ যা বইটির পুনরুদ্ধার সম্ভব করে। এবং প্রকাশকের পূর্বলিখিত অনুমতি ব্যতীত বইটির কোনো অংশ বা সম্পূর্ণ অংশ অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করা অনুমোদিত নয়।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٣)
جميع الحقوق محفوظة للناشر

الطبعة الأولى

1422 هـ - 2002 م

 

دار الصميعي للنشر والتوزيع

هاتف: 4262945 - 4251459 - فاكس: 4245341

الرياض - السويدي - شارع السويدي العام

ص. ب: 4967 - الرمز البريدي: 11412

المملكة العربية السعودية
প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১৪২২ হিজরী - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

 

দারুস সুমায়ী প্রকাশনী ও পরিবেশনী

ফোন: ৪২৬২৯৪৫ - ৪২৫১৪৫৯ - ফ্যাক্স: ৪২৪৫৩৪১

রিয়াদ - আস-সুওয়াইদি - আস-সুওয়াইদি জেনারেল স্ট্রিট

পি.ও. বক্স: ৪৯৬৭ - পোস্টাল কোড: ১১৪১২

সৌদি আরব রাজতন্ত্র
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٤)
ضَعِيفُ مَوَارد الظَّمْآن
যঈফ মাওয়ারিদুজ জামআন
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌1 - كتاب الإيمان

‌‌3 - باب بيعة النساء

1 - 15 - عن إِسماعيل بن عبد الرحمن بن عطية، عن جدّته أمّ عطية، قالت: لا قدمَ رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم المدينة؛ جمع نساء الأنصارِ في بيت، فأَرسلَ إلينا عمر بن الخطاب، فقام على الباب فسلّم علينا، فرددنا عليه السلام، ثمَّ قال:

أنا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم إليكنَّ، [قالت:] فقلن: مرحبًا برسول الله، وبرسول رسول الله صلى الله عليه وسلم! فقال:

"تبايعنني على أن لا تشركن بالله شيئًا، ولا تزنين، ولا تسرقن … " الآية؟

قالت: فقلنا: نعم، [قالت:] فمدَّ يده من خارج البيت، ومددنا أيدينا من داخل البيت، ثمَّ قال: "اللهمَّ! اشهد".

قالت: وأمرنا بالعيد، وأن نُخرجَ فيه الحيّض والعُتَّق، ولا جمعة علينا، [ونهانا عن اتباع الجنازة].

قال إسماعيل: فسألت جدتي عن قولِه: {وَلَا يَعْصِينَكَ فِي مَعْرُوفٍ}؟ قالت: نهانا عن النياحة.

ضعيف - إلا بيعة النساء، فهي هنا في "الصحيح"، وإلا الأمر بإخراج الحُيّض؛ فهو
১ - ঈমান অধ্যায়

৩ - নারীদের বায়আত গ্রহণ পরিচ্ছেদ

১ - ১৫ - ইসমাইল ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আতিয়্যাহ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর দাদি উম্মু আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মদিনায় আসলেন; তিনি আনসার নারীদের একটি ঘরে একত্রিত করলেন এবং আমাদের নিকট উমর ইবনুল খাত্তাবকে পাঠালেন। তিনি দরজায় দাঁড়িয়ে আমাদের সালাম দিলেন, আমরাও তাঁর সালামের জবাব দিলাম। অতঃপর তিনি বললেন:

আমি তোমাদের নিকট আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রেরিত দূত। [তিনি বলেন:] আমরা বললাম: আল্লাহর রাসূল এবং আল্লাহর রাসূলের দূতের প্রতি মোবারকবাদ! অতঃপর তিনি বললেন:

"তোমরা কি আমার নিকট এই মর্মে বায়আত হবে যে, আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না, ব্যভিচার করবে না এবং চুরি করবে না ... " আয়াতটি পর্যন্ত?

তিনি বলেন: আমরা বললাম: হ্যাঁ। [তিনি বলেন:] অতঃপর তিনি ঘরের বাইরে থেকে তাঁর হাত প্রসারিত করলেন এবং আমরা ঘরের ভেতর থেকে আমাদের হাত প্রসারিত করলাম, তারপর তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন।"

তিনি বলেন: তিনি আমাদের ঈদের (সালাতের) আদেশ দিয়েছেন এবং যেন সেখানে ঋতুবতী ও যুবতী নারীদের বের করি, আর আমাদের ওপর জুমার সালাত নেই, [এবং তিনি আমাদের জানাজার পেছনে যেতে নিষেধ করেছেন]।

ইসমাইল বলেন: আমি আমার দাদিকে তাঁর বাণী: {এবং তারা যেন সৎকাজে আপনার অবাধ্য না হয়} সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: তিনি আমাদের বিলাপ করতে নিষেধ করেছেন।

যঈফ - তবে নারীদের বায়আতের অংশটি ব্যতীত, কারণ তা এখানে "সহীহ"-তে রয়েছে; এবং ঋতুবতীদের বের করার আদেশটি ব্যতীত; কেননা তা
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٦)
في "الصحيحين" - "جلباب المرأة" (74 - 75)، "ضعيف أبي داود" (209).

 

‌‌4 - باب في قواعد الدين

2 - 17 - عن أبي هريرة، وأبي سعيد، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم:

أنَّه جلسَ على المنبر، ثمَّ قال:

"والذي نفسي بيده" (ثلاث مرّات).

ثمَّ سكتَ، فأكبَّ كلُّ رجلٍ منّا يبكي حزينًا؛ ليمين رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثمَّ قال:

"ما من عبد يؤدي الصلواتِ الخمس، ويصومُ رمضان، ويجتنب الكبائر السبع؛ إلّا فتحت له الثمانية أبواب الجنّة يوم القيامة، حتى إنّها لتصطفق"، ثمَّ تلا: {إِنْ تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُمْ مُدْخَلًا كَرِيمًا}.

ضعيف - التعليق على "الإحسان" (3/ 122).

3 - 22 - عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

"أفضلُ الأعمالِ عند اللهِ: إيمان لا شكَّ فيه، وغزو لا غلول فيه، وحجّ مبرور".

قال أبو هريرة: حجّة مبرورة تكفّر خطايا سنة.

منكر بذكر الغزو، وقول أبي هريرة - "الضعيفة" (6367) (1).

--------------------------------------------

(1) قلت: ولم يتنبّه للنكارة المذكورة: المعلقون على الكتاب من طبعة المؤسسة، وطبعة دار المأمون، فصححوا الحديث! أَما الشيخ شعيب؛ فقد صرح هنا بأَنه صحيح لغيره بشواهده المذكورة في "الإحسان" (4597 - المؤسسة)! وهذه دعوى عجيبة؛ لأَنّه لم يصنع شيئًا هناك سوى أَنّه قال: "وفي =
"সহীহাইন"-এ - "জিলবাবুল মারআহ" (৭৪ - ৭৫), "যঈফ আবি দাউদ" (২০৯)।

 

‌‌৪ - দ্বীনের মূলনীতি বিষয়ক অধ্যায়

২ - ১৭ - আবু হুরায়রা ও আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত:

তিনি মিম্বারের উপর বসলেন, তারপর বললেন:

"সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে" (তিনবার)।

তারপর তিনি নীরব হলেন, তখন আমাদের প্রত্যেকেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শপথের কারণে বিষণ্ণ হয়ে কাঁদতে লাগলেন; এরপর তিনি বললেন:

"যে বান্দা পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে, রমজানের রোজা রাখবে এবং সাতটি কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবে; কিয়ামতের দিন তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেওয়া হবে, এমনকি সেগুলো সশব্দে নড়াচড়া করতে থাকবে", এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {যদি তোমরা নিষিদ্ধ বড় গুনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকো, তবে আমি তোমাদের ছোট পাপগুলো মোচন করে দেব এবং তোমাদের সম্মানজনক প্রবেশস্থলে প্রবেশ করাব}।

যঈফ - আত-তালীকু আলাল ইহসান (৩/ ১২২)।

৩ - ২২ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

"আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম আমল হলো: এমন ঈমান যাতে কোনো সন্দেহ নেই, এমন যুদ্ধ যাতে কোনো আত্মসাৎ নেই এবং কবুল হজ।"

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন: কবুল হজ এক বছরের পাপ মোচন করে দেয়।

মুনকার (যুদ্ধের উল্লেখ থাকায় এবং আবু হুরায়রার বক্তব্যের কারণে) - "আদ-দাঈফাহ" (৬৩৬৭) (১)।

--------------------------------------------

(১) আমি (আলবানী) বলছি: আল-মুয়াসসাসাহ সংস্করণ এবং দারুল মামুন সংস্করণের টীকাভাষ্যকারগণ উক্ত মুনকার (অসংগতি) বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য করেননি, ফলে তাঁরা হাদিসটিকে সহীহ বলে গণ্য করেছেন! আর শাইখ শুআইব; তিনি এখানে স্পষ্টভাবে দাবি করেছেন যে এটি তার শাহেদ বা সমর্থক বর্ণনাসমূহের কারণে 'সহীহ লি-গাইরিহি', যা "আল-ইহসান" (৪৫৯৭ - মুয়াসসাসাহ)-এ উল্লিখিত হয়েছে! এটি একটি বিস্ময়কর দাবি; কারণ তিনি সেখানে এটুকু বলা ছাড়া আর কিছুই করেননি যে: "এবং এতে =
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌5 - باب في الإسلام والإيمان

4 - 27 - عن جابر بن عبد الله قال: سمعتُ رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

--------------------------------------------

= الباب عن عبد الله بن حبشي .. ، وعن ماعز التميمي … "، وخرجهما ولم يسق لفظهما، ولو أَنه فعل لتبين له بطلان دعواه؛ لأَنهما شاهدان قاصران؛ فإنه ليس فيهما ما أنكرته، فهما كحديث أَبي هريرة في "الصحيحين"!! الذي ذكره شاهدًا أَيضًا لحديث آخر لأَبي هريرة عند ابن حبان، سيأتي ذكره في "الصحيح"/ الجهاد/ 3 - باب)، فلا أَدري لمَ لم يذكره معهما؟!

على أَن الشيخ قد وقع هناك في وهم أَفحش، وهو أَنه صدّر الكلام على الحديث بقوله:

"إسناده صحيح على شرط الشيخين"!

لكنّه تراجع عنه فيما بعد في تعليقه على الحديث، وقد أَعادَه المؤلف في (الجهاد)؛ إلا أن شعيباً كرر فيه تصحيحه المتقدم بشواهده، ملخصًا تراجعه بقوله:

"فأَبو جعفر هذا هو المؤذن، وهو مجهول لم يرو عنه غير يحيى بن أبي كثير، فالصواب أَن يقال: حديث صحيح لشواهده، وهذا إسناد رجاله ثقات رجال الشيخين؛ غير أبي جعفر - وهو المؤذن -، فهو مجهول، لم يرو عنه غير يحيى بن أبي كثير"!

قلت: لقد قارب الصواب أخيرًا، والحمد لله، في الوقت الذي حُرِمَه الأخ حسين الداراني؛ فإِنه حسّن اسناده بدعوى أنه وثقه ابن حبان، وإنما وثق محمد بن علي بن الحسين - ويكنى بأَبي جعفر -، وليس هو المؤذن، ثم إنّه لم يدرك أَبا هريرة كما حققه الحافظ في "التهذيب" (12/ 55).

ومن غرائبه: أَنّه أَحال القراء الى "الكنى" لمسلم، موهمًا أَنَّ فيه ما يؤيده، والواقع خلافه؛ فإنه فرَّق (1/ 173/ 500) بين أَبي جعفر العلوي، فذكر أَنه سمع جابر بن عبد الله، وبين (1/ 182/ 547) أبي جعفر هذا، فقال: "سمع أَبا هريرة، روى عنه يحيى بن أَبي كثير"! وهذا يؤيد تحقيق الحافظ كما هو ظاهر، ثم إِنه وافق الشيخ شعيباً في الاستشهاد له بحديث عبد الله بن حبشي، وزاد عليه أَنه: كحديث "الصحيحين" عن أبي هريرة"، وقد عرفت أَنّه ليس فيهما ما استنكرته من حديث الكتاب! وهكذا فليكن التحقيق!! وقد شرحت وجه الاستنكار في "الضعيفة".
৫ - ইসলাম ও ঈমান অধ্যায়

৪ - ২৭ - জাবির ইবনে আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

--------------------------------------------

= এই অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে হাবশি এবং মা'ইজ আত-তামিমি হতেও বর্ণিত হয়েছে... তিনি এই দুটি বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন কিন্তু সেগুলোর শব্দ উল্লেখ করেননি। যদি তিনি তা করতেন, তবে তাঁর দাবির অসারতা তাঁর কাছে স্পষ্ট হয়ে যেত; কারণ এই দুটি অসম্পূর্ণ শাহেদ (সাক্ষ্য)। কেননা আপনি যা অস্বীকার করেছেন তা এগুলোতে নেই। সুতরাং সেগুলো 'সহিহাইন'-এ বর্ণিত আবু হুরায়রার হাদিসের মতো!! যা তিনি আবু হুরায়রা বর্ণিত ইবনে হিব্বানের অন্য একটি হাদিসের শাহেদ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন (যা অচিরেই 'আস-সহিহ'/ কিতাবুল জিহাদ/ ৩ - অধ্যায়ে বর্ণিত হবে)। আমি জানি না কেন তিনি এই দুটির সাথে তা উল্লেখ করেননি?!

তা সত্ত্বেও শাইখ সেখানে এক ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে পড়েছেন, আর তা হলো তিনি হাদিসটির আলোচনা শুরু করেছেন এই বলে:

"এর সনদ শাইখাইনের শর্তানুযায়ী সহিহ!"

কিন্তু পরবর্তীতে তিনি হাদিসের টিকায় এটি থেকে ফিরে এসেছেন। লেখক এটি (জিহাদ অধ্যায়ে) পুনরায় উল্লেখ করেছেন; তবে শুআইব সেখানে তাঁর পূর্ববর্তী সত্যায়নকে পুনরায় ব্যক্ত করেছেন তাঁর সংগৃহীত শাহেদগুলোর মাধ্যমে, আর তাঁর প্রত্যাবর্তনকে সংক্ষেপে এভাবে বলেছেন:

"এই আবু জাফর হলেন মুয়াজ্জিন, আর তিনি মাজহুল (অপরিচিত); ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি। সুতরাং সঠিক কথা হলো: এটি তার শাহেদগুলোর কারণে সহিহ হাদিস। আর এই সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তাঁরা শাইখাইনের বর্ণনাকারী; কেবল আবু জাফর —যিনি মুয়াজ্জিন— ব্যতীত। তিনি অপরিচিত, ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি!"

আমি বলছি: অবশেষে তিনি সঠিক সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। অথচ ভাই হুসাইন আদ-দারানি তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন; তিনি এর সনদকে 'হাসান' বলেছেন এই দাবিতে যে ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। অথচ ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য বলেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হুসাইনকে —যাঁর উপনাম আবু জাফর— এবং তিনি এই মুয়াজ্জিন নন। তদুপরি, তিনি আবু হুরায়রাকে পাননি (তাঁর সাক্ষাৎ পাননি), যেমনটি হাফেজ (ইবনে হাজার) "আত-তাহজিব" (১২/ ৫৫) গ্রন্থে সুনিশ্চিত করেছেন।

তাঁর অদ্ভুত কাজগুলোর একটি হলো: তিনি পাঠকদের মুসলিমের "আল-কুনা" গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়েছেন, যা দ্বারা বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে যে সেখানে এমন কিছু আছে যা তাঁর মতকে সমর্থন করে। কিন্তু বাস্তবতা এর বিপরীত; কেননা তিনি (ইমাম মুসলিম) (১/ ১৭৩/ ৫০০) আবু জাফর আল-আলাভি —যিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে শুনেছেন বলে উল্লেখ করেছেন— এবং এই (১/ ১৮২/ ৫৪৭) আবু জাফরের মধ্যে পার্থক্য করেছেন। তিনি (মুসলিম) বলেছেন: "তিনি আবু হুরায়রা থেকে শুনেছেন, তাঁর থেকে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির বর্ণনা করেছেন!" এটি হাফেজের গবেষণাকেই সমর্থন করে যেমনটি স্পষ্ট। অতঃপর তিনি আবদুল্লাহ ইবনে হাবশির হাদিসের মাধ্যমে সাক্ষ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে শাইখ শুআইবের সাথে একমত হয়েছেন এবং অতিরিক্ত যোগ করেছেন যে: "এটি সহিহাইন-এ আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত হাদিসের মতো"। আপনি তো জেনেছেন যে কিতাবের হাদিসে আমি যা অস্বীকার করেছি তা সেই দুটিতে নেই! এভাবেই তাহকিক (গবেষণা) হওয়া উচিত!! আমি "আদ-দাইফাহ" গ্রন্থে এই অস্বীকৃতির দিকটি ব্যাখ্যা করেছি।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٨)
"أسلمُ الناسِ (1) إسلامًا: من سَلِمَ المسلمونَ من لسانِه ويدِه".

(قلت): هو في "الصحيح" بلفظ: "المسلم من سلم … ".

شاذ بالزيادة في أوله، والمحفوظ اللفظ الذي في "الصحيح" - "الضعيفة" (2767).

 

‌‌7 - باب ما جاء في الوحي والإسراء

5 - 36 - عن ابن عباس أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:

"مَررتُ ليلة أُسريَ بي برائحة طيبة، فقلت: ما هذا يا جبريل؟! فقالَ: هذه ماشطة بنت فرعون، كانت تمشطها، فوقعَ المشط من يدها، فقالت: بسم الله! فقالت بنت فرعون: أبي؟ فقالت: ربّي وربّك وربّ أبيك. قالت: أقول له؟ قالت: قولي. فقالت. فقال لها: ألك من ربٍّ غيري؟ قالت: ربي وربُّكَ الذي في السماء. قال: فأحمى لها بقرة (2) من نحاس، وقالت له: [إن] لي إليكَ حاجة. قال: وما حاجتك؟ قالت: حاجتي أن تجمعَ بين عظامي وبين عظامِ ولدي! قال: ذلك لكِ؛ لما لك علينا من الحقِّ. فألقاها وولدها في البقرة (2) واحدًا واحدًا، وكانَ آخرَهم صبيٌّ فقال: يا أمَّتاه! فاصبري؛ فإنّك على الحقَّ".

قال ابن عباس: أَربعة تكلموا وهم صغار: ابن ماشطة فرعون، وصبيّ جريج، وعيسى ابن مريم، والرابع لا أحفظه.

منكر - "الضعيفة" (880 و 6400).

--------------------------------------------

(1) في "الإحسان" (1/ 210): "أَسلم المُسلمين"! ولم يتنبه المعلق عليه للشذوذ!

(2) كذا الأصل، ومعناه: قِدْر كبير واسع، مأخوذ من التبقر: التوسع، كما يستفاد من "النهاية". ووقع في طبعتي "الإحسان": "نُقرة" بالنون، وهو قِدْرٌ يسخن فيه الماء وغيره.
"মানুষদের মধ্যে ইসলামের দিক থেকে সবচেয়ে নিরাপদ (১) সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্যান্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে।"

(আমি বলছি): এটি "সহীহ" গ্রন্থে এই শব্দে রয়েছে: "মুসলিম সেই ব্যক্তি যার … থেকে নিরাপদ থাকে।"

এর শুরুতে অতিরিক্ত শব্দের কারণে এটি শায (অস্বাভাবিক), আর সংরক্ষিত শব্দ হচ্ছে সেটি যা "সহীহ" গ্রন্থে এসেছে - "আদ-দঈফাহ" (২৭৬৭)।

 

‌‌৭ - অধ্যায়: ওহী ও ইসরা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

৫ - ৩৬ - ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"যে রাতে আমাকে ইসরা (মিরাজ) করানো হয়েছিল, আমি একটি চমৎকার সুগন্ধি অতিক্রম করলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম: হে জিবরাঈল, এটি কী?! তিনি বললেন: এটি ফেরাউনের কন্যার পরিচারিকার সুগন্ধি। সে তার চুল আঁচড়ে দিচ্ছিল, তখন তার হাত থেকে চিরুনিটি পড়ে গেল। সে বলে উঠল: বিসমিল্লাহ (আল্লাহর নামে)! ফেরাউনের কন্যা বলল: আমার বাবা? সে উত্তর দিল: আমার রব, তোমার রব এবং তোমার বাবার রব। কন্যাটি বলল: আমি কি তাকে বলব? সে বলল: বলো। তারপর সে তাকে জানাল। সে (ফেরাউন) তাকে জিজ্ঞেস করল: আমি ছাড়া কি তোমার অন্য কোনো রব আছে? সে বলল: আমার রব এবং তোমার রব তিনি, যিনি আসমানে রয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন: তারপর সে তার জন্য তামার তৈরি একটি গাভী (২) (বিশাল পাত্র) উত্তপ্ত করল। পরিচারিকা তাকে বলল: তোমার কাছে আমার একটি চাওয়া আছে। সে বলল: তোমার চাওয়া কী? সে বলল: আমার চাওয়া হলো তুমি আমার হাড় এবং আমার সন্তানদের হাড়গুলো একত্রে সমাহিত করবে। সে বলল: তোমার জন্য তাই করা হবে; আমাদের ওপর তোমার যে অধিকার রয়েছে তার কারণে। অতঃপর সে তাকে এবং তার সন্তানদের সেই গাভীতে (২) একে একে নিক্ষেপ করল। তাদের মধ্যে সর্বশেষ ছিল একটি দুগ্ধপোষ্য শিশু, সে বলল: হে আম্মাজান! ধৈর্য ধারণ করুন; কারণ আপনি সত্যের ওপর আছেন।"

ইবনে আব্বাস বলেন: চারজন ব্যক্তি শৈশবে কথা বলেছিলেন: ফেরাউনের পরিচারিকার সন্তান, জুরায়েজের শিশুটি, মারইয়াম-পুত্র ঈসা এবং চতুর্থজন আমার মনে নেই।

মুনকার - "আদ-দঈফাহ" (৮৮০ ও ৬৪০০)।

--------------------------------------------

(১) "আল-ইহসান" গ্রন্থে (১/ ২১০): "মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ"! আর টীকাকার এর শায হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেননি!

(২) মূল কপিতে এভাবেই আছে, যার অর্থ: বড় প্রশস্ত ডেকচি বা পাত্র, যা 'তাবাক্কুর' (প্রশস্ত হওয়া) থেকে গৃহীত, যেমনটি "আন-নিহায়াহ" থেকে জানা যায়। আর "আল-ইহসান"-এর দুটি মুদ্রণে এটি 'নুকরাহ' (নুন দিয়ে) শব্দে এসেছে, যা এমন পাত্র যাতে পানি বা অন্য কিছু গরম করা হয়।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٩)
‌‌8 - باب في الرؤية

6 - 39 - عن أبي رزين العقيلي، قال:

قلتُ: يا رسول اللهِ! هل نرى ربّنا يوم القيامة؟ قال:

"هل ترونَ ليلة البدرِ القمر أو الشمس بغير سحابٍ؟ ".

قالوا: نعم. قال:

"فالله أعظم (1) ".

قلت: يا رسول الله! أين كانَ ربُّنا قبل أن يخلقَ السماواتِ والأرض؟ قال:

"في عماء، ما فوقه هواء، وما تحته هواء".

ضعيف: دون جملة الرؤية فهي في "الصحيح" لشواهدها - "الظلال" (459).

 

‌‌13 - باب في الكبائر

7 - 52 - عن عائشة، أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:

"ستَّة [لعنتهم و] لعنهم الله، وكلُّ نبيٍّ مجابٌ:

الزائد في كتاب الله، والمكذب بقدر الله، والمتسلط بالجبروت ليذلَّ بذلك من أعزَّ الله، ويعزَّ به من أَذلَّ الله، والمُستحل لحرمِ الله، والمستحلّ من عِترتي ما حرَّمَ الله، والتارك لسنَّتي".

ضعيف - "ظلال الجنة" (44 و 337).

8 - 58 - عن أبي هريرة، قال: قال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

--------------------------------------------

(1) الأصل: "أَعلم"! والتصحيح من مصادر التخريج.
৮ - আল্লাহকে দেখার (রুইয়াত) অধ্যায়

৬ - ৩৯ - আবু রাজীন আল-উকায়লী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি কিয়ামতের দিন আমাদের রবকে দেখতে পাব? তিনি বললেন:

"তোমরা কি মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ বা সূর্য দেখতে পাও?"।

তাঁরা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন:

"তবে আল্লাহ আরও মহান (১)"।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির পূর্বে আমাদের রব কোথায় ছিলেন? তিনি বললেন:

"তিনি ছিলেন মেঘমালার (আমা) মধ্যে, যার উপরেও ছিল বায়ু এবং নিচেও ছিল বায়ু"।

যঈফ: আল্লাহকে দেখার অংশটুকু ব্যতীত; কারণ সেটি অন্যান্য সমর্থিত বর্ণনার কারণে "সহীহ" এর অন্তর্ভুক্ত - "জিললাল" (৪৫৯)।

 

১৩ - কবিরা গুনাহের অধ্যায়

৭ - ৫২ - আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"ছয় ব্যক্তি যাদেরকে [আমি অভিশাপ দিয়েছি এবং] আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন, আর প্রত্যেক নবীর দোয়াই কবুল হয়:

যে আল্লাহর কিতাবে কোনো কিছু বৃদ্ধি করে, যে আল্লাহর তাকদীরকে অস্বীকার করে, যে জবরদস্তিমূলক আধিপত্য বিস্তার করে যাতে সে তার মাধ্যমে আল্লাহ যাকে সম্মানিত করেছেন তাকে লাঞ্ছিত করে এবং আল্লাহ যাকে লাঞ্ছিত করেছেন তাকে সম্মানিত করে, যে আল্লাহর নিষিদ্ধ স্থানকে (হারামকে) বৈধ মনে করে, যে আমার বংশধরদের ব্যাপারে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়কে বৈধ করে নেয় এবং যে আমার সুন্নাত বর্জন করে"।

যঈফ - "জিললালুল জান্নাহ" (৪৪ ও ৩৩৭)।

৮ - ৫৮ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

--------------------------------------------

(১) মূলে রয়েছে: "অধিক জ্ঞাত"! তবে তাহকীক বা তাখরীজের উৎসসমূহ হতে সংশোধন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٠)
"ثلاث هي الكفر بالله: والطعن في النسبِ".

منكر بهذا اللفظ، والصحيح: "من الكفر .. " - انظر (رقم 57) في قسم "الصحيح".

* * *

--------------------------------------------

(تنبيه): قد يرى بعض القراء اختلافًا بيني وبين بعض المعلقين على هذا الكتاب وغيره في مراتب بعض الأحاديث، فأردت أَن أسترعي النظر إلى أَن هذا أمر طبيعي؛ لاختلاف العقول والمفاهيم والمواهب في الناس، وتباينهم في التضلُّع والتمكُّن في هذا العلم أُصولاً وفروعًا، نظريًّا وعمليًّا، وطول ممارسة فيه، كما هو الشأن في كل العلوم، لا يستوي من كان هكذا مع المُحْدَثين والناشئين فيه، وهذا أَمر ظاهر لكل ذي عقل ولب، رأيت التذكير به {والذكرى تنفع المؤمنين}.

ولعله يحسن بي أَن أَضرب على ذلك مثلًا: الحديث المتقدم برقم (6 - 39)، فقد صحيح إِسناده الأَخ الداراني في تعليقه على الكتاب (1/ 145)، جازمًا بأَن راويه (وكيع بن حُدس) ثقة، متشبثًا بعدم جرح البخاري وابن أَبي حاتم إِياه، وهذا لا يعني التوثيق عند أَهل العلم، وبتوثيق ابن حبان المعروف تساهله في توثيق المجهولين، وبقول الذهبي فيه: "وُثّق"! ولم يدرِ أَنَّ هذا منه تمريض لا توثيق لتوثيق ابن حبان، وأَنه مثل قوله في "الميزان": "لا يعرف، تفرد عنه يعلى بن عطاء". وزاد في المخالفة أَنّه قال: "وقد روى عنه أَكثر من واحد"! وهذا وهم محض، لم يسبقه إِليه أَحد.

ويقابله المعلق على طبعة المؤسسة للكتاب (1/ 44) فقال: "ضعيف"، ولم ينبه على صحة جملة الرؤية كما فعلت، فوافق وخالف! والموفق الله.
"তিনটি বিষয় আল্লাহর সাথে কুফরি: বংশমর্যাদায় অপবাদ দেওয়া।"

এই শব্দে এটি মুনকার (প্রত্যাখ্যাত), আর সঠিক হলো: "কুফরির অন্তর্ভুক্ত..." - দেখুন (৫৭ নং) "সহিহ" অংশে।

* * *

--------------------------------------------

(সতর্কবার্তা): কোনো কোনো পাঠক হয়তো এই কিতাব বা অন্য কোনো কিতাবের উপর আমার ও কোনো কোনো টিকাদাতার মাঝে হাদিসের স্তরের ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখতে পারেন। আমি এ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, এটি একটি স্বাভাবিক বিষয়; মানুষের বুদ্ধি, বুঝ এবং প্রতিভার পার্থক্যের কারণে এবং এই ইলমের মূলনীতি ও শাখা-প্রশাখা, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় ক্ষেত্রে গভীরতা ও সক্ষমতা এবং দীর্ঘকালীন চর্চার ভিন্নতার কারণে। যেমনটা সকল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। যিনি এই স্তরের অভিজ্ঞ, তিনি এবং যারা এই শাস্ত্রে নতুন বা উদীয়মান, তারা সমান নন। এটি প্রতিটি বুদ্ধিমান ও বিবেকবান ব্যক্তির কাছে স্পষ্ট। আমি কেবল এটি স্মরণ করিয়ে দেওয়া সমীচীন মনে করলাম, কেননা {স্মরণ করিয়ে দেওয়া মুমিনদের উপকারে আসে}।

সম্ভবত এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া ভালো হবে: পূর্বে অতিবাহিত (৬ - ৩৯) নম্বর হাদিসটি। ভাই আদ-দারানি কিতাবটির উপর তাঁর টিকায় (১/১৪৫) এর সনদকে সহিহ বলেছেন। তিনি এর বর্ণনাকারী (ওয়াকি ইবনে হুদুস)-কে দৃঢ়ভাবে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন। তিনি ইমাম বুখারি এবং ইবনে আবি হাতিম কর্তৃক তাঁর ব্যাপারে কোনো জারহ (সমালোচনা) না থাকার বিষয়টিকে আঁকড়ে ধরেছেন। অথচ ইলমওয়ালাদের নিকট এটি নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ নয়। এছাড়া তিনি ইবনে হিব্বানের নির্ভরযোগ্য বলার বিষয়ের ওপর নির্ভর করেছেন, অথচ অজ্ঞাত বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য বলার ক্ষেত্রে ইবনে হিব্বানের শিথিলতা সর্বজনবিদিত। তিনি ইমাম জাহাবির এ উক্তিটি পেশ করেছেন যে: "তাকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে!"। তিনি বুঝেননি যে, এটি ইমাম জাহাবির পক্ষ থেকে (ইবনে হিব্বানের সুবাদে) দুর্বলতা প্রকাশ, এটি কোনো দৃঢ় নির্ভরযোগ্যতা নয়। এটি তাঁর "মিজান" গ্রন্থে বলা "সে পরিচিত নয়, কেবল ইয়ালা ইবনে আতা তার থেকে বর্ণনা করেছেন" -এই উক্তির মতোই। তিনি এর বিরোধিতায় আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন: "তার থেকে একাধিক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন!" এটি একটি নিছক বিভ্রান্তি, তাঁর আগে কেউ এমনটি বলেননি।

এর বিপরীতে মুআসসাসা সংস্করণের কিতাবটির টিকাদাতা (১/৪৪) বলেছেন: "যঈফ" (দুর্বল)। তিনি রু'ইয়াত (আল্লাহকে দেখা) সংক্রান্ত বাক্যটির বিশুদ্ধতার ব্যাপারে সতর্ক করেননি, যেমনটা আমি করেছি। ফলে তিনি একদিক দিয়ে একমত হলেও অন্যদিক দিয়ে দ্বিমত করেছেন! আর আল্লাহই তাওফিক দানকারী।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌2 - كتاب العلم

‌‌5 - باب في المجالس

9 - 83 - عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

"المجالس ثلاثة: سالم، وغانم، وشاجِب (1) ".

ضعيف - "الضعيفة" (2128).

 

‌‌13 - باب السؤال للفائدة

10 - 94 - عن أبي ذر، قال:

دخلت المسجدَ فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وحده فقال:

"يا أبا ذر! إنَّ للمسجدِ تحية، وإنَّ تحيته ركعتان، فقم فاركعهما".

حسن لغيره؛ إلا جملة الأمر فهي صحيحة (2).

قال؛ فقمتُ فركعتهما.

حسن لغيره.

--------------------------------------------

(1) أي: هالك آثم.

(2) أما التحسين؛ فلأن الحافظ ذكر له هنا في الحاشيتين طريقاً آخر عن يزيد بن رومان عمن أخبره عن أبي ذر، وطريقاً ثالثاً في "الفتح" (2/ 407 - 408) فيه ابن لهيعة، واحتج به في مكان آخر منه (1/ 538)، وكأنه لهذه الطرق.

وأما التصحيح فلحديث سليك الغطفاني حين دخل المسجد يوم الجمعة ورسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر يخطبُ فجلسُ فقال له: "قم فاركعهما". متفق عليه، وهو مخرج في "صحيح أَبي داود" (1021).
‌২ - ইলম (জ্ঞান) অধ্যায়

‌৫ - মজলিস (বৈঠক) বিষয়ক পরিচ্ছেদ

৯ - ৮৩ - আবু সাঈদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"মজলিস তিন প্রকার: নিরাপদ, কল্যাণ লাভকারী এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত (১)।"

যঈফ - "আদ-দঈফাহ" (২১২৮)।

 

‌১৩ - উপকার লাভের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ

১০ - ৯৪ - আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং দেখলাম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাকী বসে আছেন। অতঃপর তিনি বললেন:

"হে আবু যার! নিশ্চয়ই মসজিদের জন্য অভিবাদন রয়েছে, আর তার অভিবাদন হলো দুই রাকাত (নামাজ)। সুতরাং দাঁড়াও এবং তা আদায় করো।"

হাসান লি-গাইরিহি; তবে আদেশের বাক্যটি সহীহ (২)।

তিনি বলেন; অতঃপর আমি দাঁড়ালাম এবং তা আদায় করলাম।

হাসান লি-গাইরিহি।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: ধ্বংসপ্রাপ্ত ও গুনাহগার।

(২) হাসান হওয়ার কারণ সম্পর্কে বলা যায়; হাফেয এখানে দুই পার্শ্বটীকায় এর জন্য ইয়াযিদ ইবনে রুমান থেকে, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে, যিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেছেন—এমন একটি ভিন্ন সূত্র (সনদ) উল্লেখ করেছেন। এছাড়া "আল-ফাতহ" গ্রন্থে (২/ ৪০৭-৪০৮) তৃতীয় একটি সূত্র উল্লেখ করেছেন যাতে ইবনে লাহিয়াহ রয়েছেন, এবং তিনি গ্রন্থের অন্য এক স্থানে (১/ ৫৩৮) এটি দ্বারা দলিল পেশ করেছেন। প্রতীয়মান হয় যে, এই সূত্রগুলোর কারণেই একে হাসান বলা হয়েছে।

আর সহীহ হওয়ার কারণ হলো সুলাইক আল-গাতাফানীর হাদীস; যখন তিনি জুমার দিন মসজিদে প্রবেশ করেছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে খুতবা দিচ্ছিলেন, তখন তিনি বসে পড়লে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: "দাঁড়াও এবং দুই রাকাত নামাজ পড়ো।" এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সর্বসম্মত), এবং এটি "সহীহ আবু দাউদ" (১০২১)-এ উদ্ধৃত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٢)
ثمَّ عدت فجلستُ إليه فقلت: يا رسول اللهِ! إنّك أمرتني بالصلاة، فما الصلاة؟ قال:

"خير موضوع، استكثر أو استقلّ".

حسن لغيره - "التعليق الرغيب" (1/ 145).

قال: قلت: يا رسول اللهِ، أَيُّ العمل أفضل؟ قال:

"إيمان بالله، وجهاد في سبيل الله".

صحيح لغيره - "الصحيحة" (1490).

قال: قلت: يا رسول اللهِ، فأَيُّ المؤمنين أكمل إيمانًا؟ قال:

"أحسنهم خُلقًا".

صحيح لغيره - "الصحيحة" (284).

قلت: يا رسول اللهِ، فأيُّ المؤمنين أَسلم؟ قال:

"من سلم الناس من لسانِه ويده".

[قال:] قلت: يا رسول اللهِ، فأيُّ الصلاة أفضل؟ قال:

"طول القنوت".

صحيح لغيره "الإرواء" (458).

[قال:] قلت: يا رسول اللهِ، فأيُّ الهجرة أفضل؟ قال:

"من هجر السيئات".

صحيح لغيره - "الصحيحة" (549 و 553).

[قال:] قلت: يا رسول اللهِ، فما الصيام؟ قال: "فرض مجزي، وعند الله أضعاف كثيرة".
এরপর আমি ফিরে এসে তাঁর নিকট বসলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন, তবে সালাত আসলে কী? তিনি বললেন:

"এটি একটি সর্বোত্তম বিষয়, চাই তা কেউ অধিক পরিমাণে করুক অথবা অল্প।"

হাসান লি-গাইরিহি - "আত-তালিকুর রাগিব" (১/ ১৪৫)।

তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কোন আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন:

"আল্লাহর প্রতি ঈমান এবং আল্লাহর পথে জিহাদ।"

সহিহ লি-গাইরিহি - "আস-সহিহাহ" (১৪৯০)।

তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, মুমিনদের মধ্যে কার ঈমান সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ? তিনি বললেন:

"তাদের মধ্যে যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর।"

সহিহ লি-গাইরিহি - "আস-সহিহাহ" (২৮৪)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, মুমিনদের মধ্যে কে সবচেয়ে বেশি নিরাপদ? তিনি বললেন:

"যার জিহ্বা ও হাত থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে।"

[তিনি বলেন:] আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কোন সালাত সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন:

"দীর্ঘক্ষণ দণ্ডায়মান থাকা (কুনুত)।"

সহিহ লি-গাইরিহি - "আল-ইরওয়া" (৪৫৮)।

[তিনি বলেন:] আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কোন হিজরত সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন:

"যে ব্যক্তি মন্দ কাজসমূহ বর্জন করে।"

সহিহ লি-গাইরিহি - "আস-সহিহাহ" (৫৪৯ ও ৫৫৩)।

[তিনি বলেন:] আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সিয়াম বা রোজা কী? তিনি বললেন: "এটি একটি প্রতিদানযোগ্য ফরজ ইবাদত, আর আল্লাহর নিকট এর সওয়াব বহুগুণ বেশি।"
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٣)
[قال:] قلت: يا رسول اللهِ، فأيُّ الجهاد أفضل؟ قال: "من عُقر جواده، وأُهريق دمه".

صحيح لغيره - "الصحيحة" (552)، و"صحيح أَبي داود" (1303).

[قال]: قلت: يا رسول اللهِ، فأيُّ الصدقة أفضل؟ قال: "جُهْد المقلّ (1)، يُسِرّ إلى فقير".

صحيح لغيره دون جملة السرّ - "الإِرواء" (3/ 317 و 415).

قلت: يا رسول الله، فأَيُّما أنزل عليك أعظم؟ قال: "آية الكرسي".

صحيح لغيره - "صحيح أَبي داود" (1311).

ثمَّ قال: "يا أبا ذر! ما السموات السبع مع الكرسي إلّا كحلقة ملقاة بأَرض فلاة، وفضل العرش على الكرسي كفضل الفلاة على الحلقة".

قلت: يا رسول اللهِ، كم الأنبياء؟ قال:

"مائة ألف وعشرون ألفَّا".

ضعيف جدّاً.

قلت: يا رسول الله، كم الرسل من ذلك؟ قال:

"ثلاثمائة وثلاثة عشر جمًّا غفيرًا".

صحيح لغيره.

[قال:] قلت: يا رسول الله! من كان أولهم؟ قال:

"آدم عليه السلام".

قلت: يا رسول اللهِ! أنبيّ مرسل؟ قال: "نعم؛ خلقه الله بيده، ونفخ فيه من روحه، وكلمه قِبَلًا".

--------------------------------------------

(1) أي: قدر ما يحتمله حال القليل المال. "نهاية".
[তিনি বললেন:] আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "যার ঘোড়াটি জখম করা হয়েছে এবং যার রক্ত প্রবাহিত করা হয়েছে।"

অন্য সূত্রের কারণে সহীহ - "আস-সহীহাহ" (৫৫২) এবং "সহীহ আবু দাউদ" (১৩০৩)।

[তিনি বললেন]: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কোন সদকা সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "অল্প সম্পদের অধিকারী ব্যক্তির সামর্থ্য অনুযায়ী দান (১), যা সে গোপনে কোনো দরিদ্রকে দেয়।"

গোপনীয়তার বাক্যটি ব্যতীত অন্য সূত্রের কারণে সহীহ - "আল-ইরওয়া" (৩/ ৩১৭ ও ৪১৫)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার প্রতি অবতীর্ণ কোন বিষয়টি মহানতম? তিনি বললেন: "আয়াতুল কুরসি।"

অন্য সূত্রের কারণে সহীহ - "সহীহ আবু দাউদ" (১৩১১)।

অতপর তিনি বললেন: "হে আবু যার! কুরসির তুলনায় সাত আসমান একটি বিশাল মরুভূমিতে পড়ে থাকা একটি আংটির ন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়। আর কুরসির ওপর আরশের শ্রেষ্ঠত্ব ঠিক তেমনি যেমন আংটির ওপর বিশাল মরুভূমির শ্রেষ্ঠত্ব।"

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, নবীদের সংখ্যা কত? তিনি বললেন:

"এক লক্ষ বিশ হাজার।"

অত্যন্ত যঈফ (দুর্বল)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, তাদের মধ্যে রাসূল কতজন? তিনি বললেন:

"তিনশত তেরোজন, এক বিশাল জামাত।"

অন্য সূত্রের কারণে সহীহ।

[তিনি বললেন:] আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তাদের মধ্যে প্রথম কে ছিলেন? তিনি বললেন:

"আদম আলাইহিস সালাম।"

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তিনি কি প্রেরিত নবী ছিলেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ; আল্লাহ তাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন, তার মধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে রূহ ফুঁকে দিয়েছেন এবং তাঁর সাথে সরাসরি কথা বলেছেন।"

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: অল্প সম্পদের অধিকারী ব্যক্তির সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব। "নিহায়াহ"।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٤)
صحيح لغيره - "الصحيحة" (2668).

ثم قال:

"يا أبا ذر! أربعة سريانيون: آدم، وشيث، وأخنوخ - وهو إدريس، وهو أول من خط بالقلم - ونوح. وأربعة من العرب: هود، وشعيب، وصالح، ونبيك محمد" (صلى الله عليه وسلم).

[قال:] قلت: يا رسول اللهِ! كم كتابًا أنزله [الله]؟ قال: "مائة كتاب وأربعة كتب: أُنزِل على شيث خمسون صحيفة، وأنزل على أخنوخ ثلاثون صحيفة، وأنزل على إبراهيم عشر صحائف، وأنزل على موسى قبل التوراة عشر صحائف، وأنزل التوراة والإِنجيل والزبور والفرقان".

قلت: يا رسول الله! ما كانت صحف إبراهيم؟ قال: "كانت أمثالًا كلها: أيها الملك المسلط المبتلى المغرور، إنّي لم أبعثك لتجمع الدنيا بعضها على بعض، ولكني بعثتك لترد عني دعوة المظلوم، فإني لا أَردها وإن كانت من كافر (1).

ضعيف جدًّا.

وعلى العاقل - ما لم يكن مغلوبًا على عقلِه - أن تكون له ساعات: ساعة يناجي فيها ربّه، وساعة يحاسب فيها نفسه، وساعة يتفكر فيها في صنع الله، وساعة يخلو فيها لحاجته في المطعم والمشرب.

وعلى العاقل أن لا يكون ظاعناً إلّا لثلاث: تزود لمعاد، أَو مَرَمَّة (2)

--------------------------------------------

(1) هذه الجملة الأخيرة لها أصل، فانظر "الصحيحة" (870).

(2) (1) كذا الأصل وفق "إحسان المؤسسة" (2/ 78)، وهي متاع البيت كما في "المعجم الأوسط"، وحرّفها طابع "إحسان بيروت" (1/ 288) إلى (برمة)! وفسرها بقوله: "والبرمة هي زهر الطلح: النهاية"، ولا معنى لها هنا!
অন্য সূত্রের কারণে সহীহ (লি-গাইরিহি) - "আস-সহীহা" (২৬৬৮)।

অতঃপর তিনি বললেন:

"হে আবু যার! চারজন সিরীয় ছিলেন: আদম, শীষ, আখনুখ—যিনি হলেন ইদরীস এবং তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি কলম দিয়ে লিখেছিলেন—এবং নূহ। আর চারজন ছিলেন আরবীয়: হৃদ, শুআইব, সালিহ এবং তোমার নবী মুহাম্মদ" (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)।

[তিনি বললেন:] আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ কতটি কিতাব নাযিল করেছেন? তিনি বললেন: "একশ চারটি কিতাব: শীষের ওপর পঞ্চাশটি সহীফা নাযিল করা হয়েছে, আখনুখের ওপর ত্রিশটি সহীফা নাযিল করা হয়েছে, ইবরাহীমের ওপর দশটি সহীফা নাযিল করা হয়েছে, তাওরাতের আগে মূসার ওপর দশটি সহীফা নাযিল করা হয়েছে এবং (পরবর্তীতে) নাযিল করা হয়েছে তাওরাত, ইনজীল, যাবুর এবং ফুরকান"।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! ইবরাহীমের সহীফাসমূহ কেমন ছিল? তিনি বললেন: "সেগুলো সবই ছিল উপমা ও শিক্ষামূলক: হে ক্ষমতাসীন, পরীক্ষিত এবং মোহাচ্ছন্ন রাজা, আমি তোমাকে দুনিয়ার সম্পদ স্তূপ করার জন্য পাঠাইনি, বরং আমি তোমাকে পাঠিয়েছি যেন তুমি আমার পক্ষ থেকে মজলুমের আর্তনাদ প্রতিহত করো। কারণ আমি মজলুমের দুআ ফিরিয়ে দিই না, যদিও সে কাফির হয় (১)।

অত্যন্ত দুর্বল (যয়ীফ জিদ্দান)।

আর বুদ্ধিমান ব্যক্তির কর্তব্য হলো—যতক্ষণ সে তার বিচারবুদ্ধি হারিয়ে না ফেলে—তার জন্য কিছু সময় নির্দিষ্ট রাখা: এক সময় সে তার রবের সাথে একান্তে কথা বলবে, এক সময় সে নিজের আত্মার হিসাব নেবে, এক সময় সে আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করবে এবং এক সময় সে তার পানাহারের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য নির্জনে থাকবে।

আর বুদ্ধিমান ব্যক্তির জন্য তিনটি উদ্দেশ্য ছাড়া সফর করা উচিত নয়: পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা, অথবা জীবন যাপনের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করা (২)

--------------------------------------------

(১) এই শেষ বাক্যটির ভিত্তি রয়েছে, দেখুন "আস-সহীহা" (৮৭০)।

(২) (১) "ইহসান আল-মুয়াসসাসাহ" (২/ ৭৮) অনুযায়ী মূল পাঠে এভাবেই আছে, আর এর অর্থ হলো ঘরের আসবাবপত্র যেমনটি "আল-মু'জামুল আওসাত"-এ এসেছে; কিন্তু "ইহসান বৈরুত" (১/ ২৮৮)-এর মুদ্রক একে বিকৃত করে "বুরমাহ" বানিয়ে ফেলেছেন! এবং তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেছেন: "বুরমাহ হলো বাবলা গাছের ফুল: আন-নিহায়াহ", যার এখানে কোনো অর্থ হয় না!
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٥)
لمعاش، أو لذة في غير محرَّم.

وعلى العاقل أن يكون بصيراً بزمانه، مقبلاً على شانه، حافظًا للسانه، ومن حسب كلامه من عمله، قلَّ كلامه إلّا فيما يعنيه".

قلت: يا رسول اللهِ! فما كانت صحف موسى؟ قال:

"كانت عبرًا كلها: عجبت لمن أيقنَ بالموتِ ثم هو يفرح، وعجبت لمن أيقنَ بالنارِ ثمَّ هو يضحك، وعجبتُ لمن أيقنَ بالقدر ثمَّ هو ينصب، [و] عجبت لمن رأى الدنيا وتقلبَها بأهلها ثمَّ اطمأنَّ إليها، وعجبتُ لمن أيقنَ بالحساب غدًا ثمَّ لا يعمل".

صحيح لغيره.

قلت: يا رسول اللهِ! أوصني. قال:

"أوصيك بتقوى الله، فإنّه رأس الأمر كله".

قلت: يا رسول اللهِ، زدني. قال:

"عليك بتلاوة القرآن، وذكرِ الله، فإنّه نور لك في الأرض، وذخر لك في السماء".

صحيح - "الصحيحة" (555).

قلت: يا رسول الله! زدني. قال:

"إيّاكَ وكثرة الضحك؛ فإنّه يميتُ القلب، ويذهب بنور الوجه".

صحيح لغيره دون جلة النور - "الصحيحة" (930).

قلت: يا رسول الله! زدني. قال:
জীবিকার জন্য, অথবা হারামের বাইরে কোনো আনন্দের জন্য।

আর বুদ্ধিমান ব্যক্তির উচিত তার সময় সম্পর্কে সচেতন হওয়া, নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী হওয়া এবং নিজের জিহ্বা হেফাযত করা। আর যে ব্যক্তি তার কথাকে তার আমলের অন্তর্ভুক্ত মনে করে, তার অনর্থক কথা কমে যায়।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! মূসার সহীফাগুলো কেমন ছিল? তিনি বললেন:

"সেগুলো পুরোটাই ছিল উপদেশমূলক: আমি সেই ব্যক্তির জন্য বিস্মিত হই যে মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও আনন্দিত হয়, আমি সেই ব্যক্তির জন্য বিস্মিত হই যে জাহান্নামের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও হাসাহাসি করে, আমি সেই ব্যক্তির জন্য বিস্মিত হই যে তাকদীরের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও পেরেশান হয়, এবং আমি সেই ব্যক্তির জন্য বিস্মিত হই যে দুনিয়া এবং এর অধিবাসীদের অবস্থার পরিবর্তন দেখা সত্ত্বেও তাতে আশ্বস্ত থাকে, আর আমি সেই ব্যক্তির জন্য বিস্মিত হই যে কাল কিয়ামতের হিসাবের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও আমল করে না।"

সহীহ লি-গাইরিহি।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেন:

"আমি তোমাকে আল্লাহভীতির অসিয়ত করছি, কারণ এটিই সকল বিষয়ের মূল।"

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও বাড়িয়ে বলুন। তিনি বললেন:

"তোমার জন্য কুরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর যিকির আবশ্যক, কারণ তা জমিনে তোমার জন্য নূর এবং আসমানে তোমার জন্য সঞ্চিত সম্পদ।"

সহীহ - "আস-সহীহাহ" (৫৫৫)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও বাড়িয়ে বলুন। তিনি বললেন:

"অতিরিক্ত হাসাহাসি থেকে বেঁচে থাকো; কারণ তা অন্তরকে মৃত করে দেয় এবং চেহারার জ্যোতি কেড়ে নেয়।"

সহীহ লি-গাইরিহি, চেহারার জ্যোতি অংশটি ব্যতীত - "আস-সহীহাহ" (৯৩০)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও বাড়িয়ে বলুন। তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٦)
"عليك بالصمتِ إلّا من خير؛ فإنّه مطردة للشيطان عنك، وعون لك على أمر دينك".

ضعيف جدّاً - المصدر نفسه.

قلت: يا رسول الله! زدني، قال:

"عليك بالجهادِ؛ فإِنّه رهبانيّةُ أُمتي".

صحيح لغيره - "الصحيحة" (555).

قلت: يا رسول اللهِ! زدني. قال:

قال: "أحبَّ المساكين وجالسهم".

قلت: يا رسولَ الله! زدني. قال:

"انظر إلى من هو تحتك، ولا تنظر إلى من هو فوقك؛ فإنّه أجدر أن لا تزدري نعمة الله عندك".

صحيح لغيره - "الروض" (604).

قلت: يا رسول الله! زدني. قال:

"قل الحق وإن كانَ مرّاً".

صحيح لغيره - "الصحيحة" (2166) و"الروض" (948).

قلت: يا رسول اللهِ! زدني. قال:

"ليردَّك عن الناسِ ما تعرف من نفسِك، ولا تجد عليهم فيما تأتي، وكفى بك عيبًا أن تعرفَ من الناسِ ما تجهل من نفسِك، وتجد عليهم فيما تأتي".

ثمَّ ضربَّ بيده على صدري فقال:
"তোমরা কল্যাণকর কথা ছাড়া নীরবতা অবলম্বন করো; কেননা তা তোমার কাছ থেকে শয়তানকে বিতাড়িত করবে এবং তোমার দ্বীনের কাজে তোমার জন্য সহায়ক হবে।"

অত্যন্ত দুর্বল - একই উৎস।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও উপদেশ দিন। তিনি বললেন:

"তোমার ওপর জিহাদ করা আবশ্যক; কেননা তা-ই আমার উম্মতের বৈরাগ্য।"

সহীহ লি-গাইরিহি - "আস-সহীহাহ" (৫৫৫)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও উপদেশ দিন। তিনি বললেন:

তিনি বললেন: "মিসকীনদের ভালোবাসো এবং তাদের সাথে ওঠাবসা করো।"

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও উপদেশ দিন। তিনি বললেন:

"তুমি এমন ব্যক্তির দিকে তাকাও যে তোমার চেয়ে নিচে রয়েছে এবং তার দিকে তাকাও না যে তোমার উপরে রয়েছে; কেননা এটি তোমার প্রতি আল্লাহর নেয়ামতকে তুচ্ছজ্ঞান না করার জন্য অধিক উপযুক্ত।"

সহীহ লি-গাইরিহি - "আর-রওদ" (৬০৪)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও উপদেশ দিন। তিনি বললেন:

"সত্য কথা বলো যদিও তা তিক্ত হয়।"

সহীহ লি-গাইরিহি - "আস-সহীহাহ" (২১৬৬) ও "আর-রওদ" (৯৪৮)।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আরও উপদেশ দিন। তিনি বললেন:

"তোমার নিজের সম্পর্কে যা জানা আছে তা যেন তোমাকে মানুষের সমালোচনা থেকে বিরত রাখে এবং যে কাজ তুমি নিজেও করো সে ব্যাপারে মানুষের প্রতি বিরূপ হয়ো না। তোমার নিজের দোষ সম্পর্কে অজ্ঞ থাকা এবং মানুষের মাঝে সেই দোষ খুঁজে বেড়ানো তোমার জন্য দোষ হিসেবে যথেষ্ট।"

এরপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার বুকে মৃদু আঘাত করলেন এবং বললেন:
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٧)
"يا أَبا ذر! لا عقل كالتدبير، ولا ورع كالكفِّ، ولا حسب كحسن الخلق".

(قلت): فيه إبراهيم بن هشام بن يحيى الغساني، قال أبو حاتم وغيره: كذّاب.

ضعيف جدًّا - "الضعيفة" (1910 و 5638 و 6090)، لكن بعض فقراته ثابتة في أَحاديث أُخرى، وقد ذكرت مراتبها في "الصحيح" استعجالاً بالخير، وقد أقتطعتُ هذه الفقرات، وأَودعتها في أَماكنها من الكتب المناسبة لها كما يأتي.

 

‌‌15 - باب اتباع رسول الله صلى الله عليه وسلم -

11 - 99 - عن زيد بن أسلم، قال:

رأيت ابن عمر [يصلي] محلول الأزرار، فسألته عن ذلك؟ فقال: رأَيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي كذلك.

ضعيف - "التعليق الرغيب" (1/ 42).

 

‌‌17 - باب في الصدق والكذب

12 - 104 - عن أبي برزة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

"ألا إنَّ الكذبَ يسوِّد الوجه، والنميمة [من] (1) عذاب القبر".

موضوع - "الضعيفة" (1496).

* * *

--------------------------------------------

(1) من "إحسان المؤسسة" (13/ 44)، ولم يستدركها المعلقون الأربعة! نعم؛ أشار إليها الشيخ شعيب في الحاشية، ولا أدري لِمَ لم يضعها في المتن؟!

ثم إن هذا الحديث ممّا سوّد به ابن حبان "صحيحه"، وخالف به شرطه، فإن (زياد بن المنذر) هذا أورده في "الضعفاء"، وقال: "كان رافضيّاً يضع الحديث في مثالب أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، وفي فضائل أهل البيت، لا تحل كتابة حديثه"! وله فيه حديث آخر سيأتي (2580).
"হে আবু যর! বিচক্ষণতার মতো কোনো বুদ্ধি নেই, বিরত থাকার মতো কোনো পরহেজगारी নেই এবং উত্তম চরিত্রের মতো কোনো আভিজাত্য নেই।"

(আমি বলছি): এতে ইব্রাহিম বিন হিশাম বিন ইয়াহইয়া আল-গাসসানি রয়েছে; আবু হাতিম এবং অন্যরা বলেছেন: সে চরম মিথ্যাবাদী।

অত্যন্ত দুর্বল - "আদ-দঈফাহ" (১৯১০, ৫৬৩৮ এবং ৬০৯০), তবে এর কিছু অংশ অন্যান্য হাদিসে প্রমাণিত হয়েছে। কল্যাণের কাজে দ্রুততা অবলম্বনের কারণে আমি "আস-সহিহ"-তে সেগুলোর মান উল্লেখ করেছি। আমি এই অংশগুলো পৃথক করেছি এবং সেগুলোকে উপযুক্ত কিতাবসমূহের যথাস্থানে স্থাপন করেছি, যেমনটি সামনে আসবে।

 

‌‌১৫ - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণের অধ্যায় -

১১ - ৯৯ - যায়েদ বিন আসলাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি ইবনে উমরকে জামার বোতাম খোলা অবস্থায় [সালাত আদায় করতে] দেখেছি। আমি তাকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এভাবেই সালাত আদায় করতে দেখেছি।

দুর্বল - "আত-তালিকুর রাগিব" (১/ ৪২)।

 

‌‌১৭ - সত্যবাদিতা ও মিথ্যা প্রসঙ্গে অধ্যায়

১২ - ১০৪ - আবু বারযাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

"জেনে রেখো, নিশ্চয়ই মিথ্যা মুখমণ্ডলকে কালো করে দেয় এবং চোগলখুরি কবরের আজাবের [অন্তর্ভুক্ত] (১)।"

জাল - "আদ-দঈফাহ" (১৪৯৬)।

* * *

--------------------------------------------

(১) "ইহসানুল মুয়াসসাসাহ" (১৩/ ৪৪) থেকে সংগৃহীত, অথচ চারজন ব্যাখ্যাকারী এটি সংশোধন করেননি! হ্যাঁ; শেখ শুআইব টিকায় এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, কিন্তু আমি জানি না কেন তিনি এটি মূল পাঠে যুক্ত করেননি?! তাছাড়া, এটি সেই সব হাদিসের অন্তর্ভুক্ত যার মাধ্যমে ইবনে হিব্বান তার "সহিহ" গ্রন্থকে কলঙ্কিত করেছেন এবং নিজের শর্তের বিরোধিতা করেছেন। কারণ, এই (যিয়াদ বিন আল-মুনজির) নামক ব্যক্তিকে তিনি নিজেই "আদ-দুয়াফা" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "সে ছিল একজন রাফেজি, যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের দোষত্রুটি এবং আহলে বাইতের ফজিলত বর্ণনায় হাদিস জাল করত; তার হাদিস লেখা বৈধ নয়!" এই গ্রন্থে তার বর্ণিত আরও একটি হাদিস সামনে আসবে (২৫৮০)।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٨)
‌‌3 - كتاب الطهارة

4 - باب في من أرادَ الخلاء ومعه شيء فيه ذكر الله تعالى

13 - 125 - عن أنس بن مالك، أنَّ رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

كانَ إذا دخل الخلاء وضع خاتمه.

ضعيف - "ضعيف أبي داود" (4).

 

‌‌6 - باب آداب الخلاء والاستجمار بالحجر

14 - 131 - عن أبي هريرة، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال:

"إذا استجمر أحدكم فليوتر؛ فإن الله تعالى وتر يحبُّ الوتر، أما تَرى السموات سبعاً، والأيام سبعاً، والطواف سبعاً؟! " وذكر أشياء.

ضعيف - "الضعيفة" (5656)، ولكن الشطر الأول منه صحيح من طريق أُخرى - "الصحيحة" (1295)، و"التعليق الرغيب" (1/ 206).

15 - 132 - عن أَبي هريرة، قال: قال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"إذا استجمر أحدكم فليوتر، وإذا اكتحل فليوتر، من فعل فقد أحسن، ومن أتى الغائط فليستتر، كان لم يجد إلا كثيبًا من رمل؛ فإنَّ الشيطان يلعب بمقاعد بني آدم".

ضعيف - "ضعيف أبي داود" (8)؛ لكن الجملة الأولى صحيحة.
‌‌৩ - পবিত্রতা অধ্যায়

৪ - পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি শৌচাগারে প্রবেশ করতে চায় এবং তার সাথে এমন কিছু থাকে যাতে আল্লাহ তাআলার জিকির রয়েছে

১৩ - ১২৫ - আনাস ইবন মালিক (রা.) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):

যখন তিনি শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তাঁর আংটি খুলে রাখতেন।

যঈফ - "যঈফ আবু দাউদ" (৪)।

 

‌‌৬ - পরিচ্ছেদ: শৌচাগারের আদব এবং পাথর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন

১৪ - ১৩১ - আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"তোমাদের কেউ যখন পাথর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করে, সে যেন তা বেজোড় সংখ্যায় করে; কেননা আল্লাহ তাআলা বেজোড়, তিনি বেজোড়কে পছন্দ করেন। তোমরা কি দেখ না যে আকাশসমূহ সাতটি, দিনগুলো সাতটি এবং তওয়াফ সাত চক্কর?!" এবং তিনি আরও কিছু বিষয়ের উল্লেখ করেন।

যঈফ - "আদ-দঈফাহ" (৫৬৫৬), তবে এর প্রথম অংশ অন্য সূত্রে সহীহ - "আস-সহীহাহ" (১২৯৫), এবং "আত-তালীকুর রাগীব" (১/ ২০৬)।

১৫ - ১৩২ - আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"তোমাদের কেউ যখন পাথর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করে তখন যেন সে তা বেজোড় সংখ্যায় করে, আর যখন সুরমা ব্যবহার করে তখন যেন সে তা বেজোড় বার করে। যে ব্যক্তি এরূপ করল সে ভালো কাজ করল, আর যে মলত্যাগ করতে গেল সে যেন পর্দা গ্রহণ করে, যদি সে বালুর স্তূপ ছাড়া আর কিছু না পায় (তবে তাই যেন করে); কারণ শয়তান বনী আদমের মলদ্বার নিয়ে খেলা করে।"

যঈফ - "যঈফ আবু দাউদ" (৮); তবে প্রথম বাক্যটি সহীহ।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ١٩)
16 - 135 - عن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

"لا تَبُلْ قائماً".

ضعيف - "الضعيفة" (934).

 

‌‌24 - باب فيمن كانَ على طهارة وشكَّ في الحدث

17 - 187 و 188 - عن عياض بن هلال، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: "إذا جاء أحدَكم الشيطانُ فقال: إنَّكَ قد أحدثتَ؛ فليقل في نفسِه: كَذَبْتَ، حتى يسمع صوتًا بأُذنه، أو يجد ريحاً بأنفه".

ضعيف - "ضعيف أبي داود" (187) (1).

 

‌‌25 - باب الذكر والقراءة على غير وضوء

18 - 192 - عن علي رضي الله عنه، قال:

كانَ رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحجبه عن قراءة القرآنِ شيء؛ ما خلا الجنابة.

منكر - "الإرواء" (485)، "ضعيف أبي داود" (31).

 

‌‌34 - باب التستر عند الاغتسال

19 - 233 - عن أم هانئ، قالت:

--------------------------------------------

(1) حسنّه المعلقان على طبعتي الكتاب! وهما يعلمان جهالة (عياض بن هلال)، ولا غرابة في ذلك بالنسبة للأخ الداراني؛ لأنه التزم خطاً يمشي عليه في الاعتماد على توثيق ابن حبان؛ غير مبال بمخالفته للحفاظ المخالفين له - تأصيلاً وتفريعاً - وإنما الغرابة بالنسبة للشيخ شعيب في موافقته إياه على التحسين، وهو معنا في التأصيل والتفريع؛ وقد جزم بجهالة المذكور في تخريجه للحديث في تعليقه على "الإحسان"، فهل هذا التناقض بسبب اختلاف الاجتهاد، أم هو لاختلاف المعلَّقين؟!

وللرد على التزام الداراني الخطأ؛ انظر المقدمة.
১৬ - ১৩৫ - উমর (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করো না।"

যঈফ - "আদ-দায়ীফাহ" (৯৩৪)।

 

‌‌২৪ - অধ্যায়: যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ছিল এবং অপবিত্র হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করল

১৭ - ১৮৭ ও ১৮৮ - ইয়াদ বিন হিলাল হতে বর্ণিত, তিনি আবু সাঈদ (রা.) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "যখন তোমাদের কারো নিকট শয়তান এসে বলে: 'নিশ্চয়ই তুমি অপবিত্র হয়েছ'; তখন সে যেন মনে মনে বলে: 'তুমি মিথ্যা বলেছ', যতক্ষণ না সে কানে কোনো শব্দ শোনে অথবা নাকে কোনো গন্ধ পায়।"

যঈফ - "যঈফ আবু দাউদ" (১৮৭) (১)।

 

‌‌২৫ - অধ্যায়: অজু ব্যতীত জিকির ও কুরআন পাঠ

১৮ - ১৯২ - আলী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জানাবাত (অপবিত্রতা) ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই কুরআন তিলাওয়াত হতে বিরত রাখত না।

মুনকার - "আল-ইরওয়া" (৪৮৫), "যঈফ আবু দাউদ" (৩১)।

 

‌‌৩৪ - অধ্যায়: গোসলের সময় পর্দা করা

১৯ - ২৩৩ - উম্মু হানি (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) কিতাবটির দুই সংস্করণের টীকাকারগণ একে হাসান বলেছেন! অথচ তারা দুজনেই (ইয়াদ বিন হিলাল)-এর পরিচয় অজ্ঞাত থাকার বিষয়টি জানেন; ভাই দারানির ক্ষেত্রে এতে কোনো বিস্ময় নেই, কারণ তিনি ইবনে হিব্বানের নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার (তাউসিক) ওপর নির্ভর করে একটি নির্দিষ্ট নীতি মেনে চলেন; এই বিষয়ে তিনি অন্যান্য হাফেজদের বিরোধিতার পরোয়া করেন না—মূলনীতি বা শাখা-প্রশাখা উভয় ক্ষেত্রেই। তবে বিস্ময় হলো শায়েখ শুয়াইবের ক্ষেত্রে, যিনি একে হাসান বলার ব্যাপারে তার সাথে একমত হয়েছেন, অথচ তিনি মূলনীতি ও শাখা-প্রশাখায় আমাদের সাথেই ছিলেন; এমনকি তিনি 'আল-ইহসান'-এর টীকায় হাদিসটির তাখরিজ করতে গিয়ে উল্লিখিত ব্যক্তিকে অজ্ঞাত (মাজহুল) বলে দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেছিলেন। তাহলে এই বৈপরীত্য কি ইজতিহাদের ভিন্নতার কারণে, নাকি টীকাকারদের ভিন্নতার কারণে?! আর দারানির ভুল নীতির অনুসরণের জবাবের জন্য ভূমিকা দেখুন।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٠)
نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم بأعلى مكة، فأتيته، فجاء أبو ذرٍّ بجَفنة فيها ماء - قالت: إني لأرى فيها أثر العجين، قالت -؛ فستره أبو ذرٍّ فاغتسل، ثمَّ ستر النبيُّ صلى الله عليه وسلم أبا ذرٍّ فاغتسل.

(قلت): فذكر الحديث (1).

ضعيف منكر - "التعليقات الحسان على الإحسان" (2/ 250).

* * *

--------------------------------------------

(1) قلت: وتمامه في "الإحسان": ثَمَّ صلّى النبيُّ صلى الله عليه وسلم ثمان ركعات، وذلك في الضحى.

وهذا القدر صحيح عنها، أخرجه الشيخان، وهو مخرجٌ في "الإرواء" (2/ 218/ 264) وغيره، وسيأتي في الكتاب (165/ 631).
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার উচ্চভূমিতে অবতরণ করলেন, তখন আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম। অতঃপর আবু যার একটি বড় পাত্র নিয়ে আসলেন যাতে পানি ছিল —তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি তাতে আটার চিহ্ন দেখতে পাচ্ছিলাম— তখন আবু যার তাঁকে আড়াল করে রাখলেন এবং তিনি গোসল করলেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবু যারকে আড়াল করে দিলেন এবং তিনি গোসল করলেন।

(আমি বলছি): অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন (১)।

যঈফ মুনকার - "আত-তালিকাতুল হিসান আলাল ইহসান" (২/ ২৫০)।

* * *

--------------------------------------------

(১) আমি বলছি: এবং "আল-ইহসান" গ্রন্থে এর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ হলো: অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট রাকাত সালাত আদায় করলেন, আর তা ছিল চাশতের সময়।

এই অংশটুকু তাঁর থেকে বর্ণিত সহীহ, যা শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন। এটি "আল-ইরওয়া" (২/ ২১৮/ ২৬৪) ও অন্যান্য গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে এবং সামনে এই কিতাবেও (১৬৫/ ৬৩১) আসবে।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢١)
‌‌4 - كتاب الصلاة

‌‌2 - باب فيمن حافظ على الصلاة ومن تركها

20 - 254 - عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم:

أنَّه ذكر الصلاة يوماً، فقال:

"من حافظ عليها، كانت له نوراً وبرهانًا ونجاةً يوم القيامة، ومن لم يحافظ عليها؛ لم يكن له برهان ولا نور ولا نجاة، وكانَ يوم القيامة مع قارون، وهامان، وفرعون، وأبيّ بن خلف".

ضعيف - "التعليق الرَّغيب" (1/ 197/ 25).

21 - 256 - عن بريدة، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال:

"بكروا بالصلاة في يوم الغَيْم … ".

شاذ، والمحفوظ موقوف، رواه البخاري - "الإرواء" (1/ 276 - 277)، وتمام الحديث في "الصحيح".

 

‌‌3 - باب فضل الصلاة

22 - 258 - عن عبد الله بن عمرو:

أنَّ رجلًا أتى رسولَ الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن أفضل الأعمالِ؟ فقال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"الصلاة". قال: ثمَّ مه؟ قال.

"ثمَّ الصلاة". قال: ثمَّ مه؟ قال:
৪ - সালাতের অধ্যায়

২ - পরিচ্ছেদ: যে সালাতের প্রতি যত্নবান হয় এবং যে তা ত্যাগ করে

২০ - ২৫৪ - আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত:

তিনি একদিন সালাত সম্পর্কে আলোচনা করলেন, অতঃপর বললেন:

"যে ব্যক্তি এর প্রতি যত্নবান হবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর, প্রমাণ এবং নাজাতের কারণ হবে। আর যে ব্যক্তি এর প্রতি যত্নবান হবে না, তার জন্য কোনো প্রমাণ, নূর এবং নাজাত থাকবে না। আর কিয়ামতের দিন সে কারুন, হামান, ফেরাউন এবং উবাই ইবনে খালাফের সাথে থাকবে।"

যয়ীফ - "আত-তালীকুর রাগীব" (১/ ১৯৭/ ২৫)।

২১ - ২৫৬ - বুরাইদাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

"মেঘলা দিনে সালাত দ্রুত (প্রথম ওয়াক্তে) আদায় করো … "।

শায (শুদ্ধ বর্ণনার বিপরীতে বর্ণিত), আর সংরক্ষিত (শুদ্ধ) বর্ণনাটি মাওকুফ, এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন - "আল-ইরওয়া" (১/ ২৭৬ - ২৭৭), এবং পূর্ণ হাদীসটি "সহীহ" গ্রন্থে রয়েছে।

 

৩ - পরিচ্ছেদ: সালাতের ফযীলত

২২ - ২৫৮ - আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত:

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে তাঁকে সর্বোত্তম আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:

"সালাত"। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: এরপর কোনটি? তিনি বললেন:

"অতঃপর সালাত"। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: এরপর কোনটি? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٢)
"ثمَّ الصلاة". - ثلاث مرات - قال: ثمَّ مه؟ قال: " [ثم] الجهاد في سبيل الله" (1).

قال: فإنَّ لي والدين؟ فقال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"آمرُكَ بوالديك خيراً".

فقال: والذي بعثَكَ بالحقِّ نبيًّا؛ لأجاهدنَّ ولأتركنَّهما! فقال له رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"أنت أعلم".

منكر - "الضعيفة" (5819).

23 - 261 - عن كعب بن عُجْرَة، قال: قال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"يا كعب بن عُجْرَة! إنّه لا يدخل الجنة لحم ودم نبتا على سحت، النار أولى به.

يا كعب بن عُجرة! الناس غاديان، فغادٍ في فكاك نفسِه فَمُعتقُها، وغادٍ مُوبقُها.

يا كعب بن عُجْرَة! الصلاة قربان، والصدقة برهان، والصوم جُنّة، والصدقة تطفئُ الخطيئة كما يذهب الجليد على الصفا".

منكر بهذا التمام، وسيأتي الصحيح منه في (39 - التوبة/ 37 - باب) من "الصحيح" - "الضعيفة" (5797).

* * *

--------------------------------------------

(1) الحديث في "الصحيحين" وغيرهما من حديث ابن مسعود بلفظ: "على وقتها"، ودون التثليث، وهو مخرج في "صحيح أبي داود" تحت حديث (452).
"অতঃপর সালাত।" - তিনবার বললেন - তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: অতঃপর কী? তিনি বললেন: "[অতঃপর] আল্লাহর পথে জিহাদ" (১)।

তিনি বললেন: আমার তো পিতামাতা রয়েছেন? তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন:

"আমি তোমাকে তোমার পিতামাতার সাথে ভালো আচরণের নির্দেশ দিচ্ছি।"

তিনি বললেন: সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন; আমি অবশ্যই জিহাদ করব এবং তাদের উভয়কে অবশ্যই ত্যাগ করব! তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন:

"তুমিই ভালো জানো।"

মুনকার - "আদ-দাঈফাহ" (৫৮১৯)।

২৩ - ২৬১ - কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"হে কাব ইবনে উজরাহ! এমন কোনো গোশত ও রক্ত জান্নাতে প্রবেশ করবে না যা হারাম উপার্জনে বেড়ে উঠেছে, জাহান্নামই তার জন্য অধিকতর উপযোগী।

হে কাব ইবনে উজরাহ! মানুষ দুই ধরনের সকাল অতিবাহিত করে: এক ব্যক্তি সকালে বের হয়ে নিজেকে মুক্ত করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয় এবং তাকে স্বাধীন করে নেয়, আর অন্যজন নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

হে কাব ইবনে উজরাহ! সালাত হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম, সদাকাহ হলো ঈমানের প্রমাণ, সিয়াম হলো ঢাল, আর সদাকাহ পাপকে এমনভাবে মিটিয়ে দেয় যেমনভাবে মসৃণ পাথরের উপর থেকে বরফ অপসারিত হয়।"

এই পূর্ণাঙ্গ পাঠে এটি মুনকার, তবে এর সহীহ অংশটুকু "সহীহ" এর (৩৯ - আত-তাওবাহ/ ৩৭ - অধ্যায়) অনুচ্ছেদে সামনে আসবে - "আদ-দাঈফাহ" (৫৭৯৭)।

* * *

--------------------------------------------

(১) হাদীসটি "সহীহাইন" ও অন্যান্য কিতাবে ইবনে মাসউদের বর্ণনায় "সঠিক সময়ে (নামাজ)" শব্দে বর্ণিত হয়েছে, এবং সেখানে তিনবার বলার বিষয়টি উল্লেখ নেই। এটি "সহীহ আবু দাউদ" এর ৪৫২ নম্বর হাদীসের অধীনে সংকলিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٣)
‌‌5 - أبواب المواقيت

‌‌18 - باب الجلوس في المسجد للخير

24 - 310 - عن أبي سعيد الخدري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أنَّه قال:

"إِذا رأيتم الرَّجل يعتاد المسجدَ؛ فاشهدوا له بالإيمانِ، قال الله جلَّ وعلا: {إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ} ".

قلت: وقد تقدَّمَ في "العلم" الجلوس للتعلُّم (1).

ضعيف - "التعليق الرَّغيب" (1/ 131)، "المشكاة" (723).

 

‌‌27 - باب الصلاة في مرابض الغنم وأعطان الإبل

25 - 335 - عن عبد الله بن مغفل، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

"صلُّوا في مرابض الغنم، ولا تصلُّوا في معاطن الإبل؛ فإنّها خُلقت من الشياطين (2) ".

ضعيف - تخريج "حقيقة الصيام" (ص 47) (3).

--------------------------------------------

(1) قلت: كأَنَّه يشير الى حديث آخر بهذا الإسناد في (2/ - العلم/ 5 - باب).

(2) الأَصل "الشيطان"! والتصويب من "الإحسان" وغيره.

(3) وأما قول المعلق على "الإحسان" (4/ 602 - المؤسسة): "وله شواهد ذكرتها عقب تخريج الحديث المتقدم برقم (1384) " - يشير إلى حديث أبي هريرة الآتي في "الصحيح" -! ولم يذكر هناك أي شاهد لجملة: "خلقت من الشياطين" -؛ فلا تغترَّ بدعواه؛ فتصحَّحَ الحديث كما فعل في طبعته لهذا الكتاب "الموارد" (1/ 164 - 165)، ونحا نحو الداراني (2/ 30 - 32)، ولكنه لم يصرح!

وبهذه المناسبة؛ أذكّر بأنه كان فاتنا حذف هذه الجملة من "صحيح الجامع" والإشارة إليها بالنقط " .... " كما جرينا عليه في أمثالِها.
‌৫ - নামাজের ওয়াক্তসমূহের অধ্যায়সমূহ

‌১৮ - কল্যাণের জন্য মসজিদে বসার পরিচ্ছেদ

২৪ - ৩১০ - আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন:

"যখন তোমরা কোনো ব্যক্তিকে মসজিদে যাতায়াত করতে অভ্যস্ত দেখবে, তখন তার ঈমানের সাক্ষ্য দাও। আল্লাহ তায়ালা বলেন: {আল্লাহর মসজিদসমূহ কেবল তারাই আবাদ করে যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান আনে}।"

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইতিপূর্বে 'ইলম' (জ্ঞান) অধ্যায়ে জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে বসার বিষয়টি অতিক্রান্ত হয়েছে (১)।

জয়িফ (দুর্বল) - "আত-তালিকুর রাগিব" (১/১৩১), "আল-মিশকাত" (৭২৩)।

 

‌২৭ - বকরির খোয়াড়ে এবং উটের আস্তাবলে নামাজ পড়ার পরিচ্ছেদ

২৫ - ৩৩৫ - আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

"তোমরা বকরির খোয়াড়ে নামাজ পড়ো, কিন্তু উটের আস্তাবলে নামাজ পড়ো না; কারণ সেগুলো শয়তান থেকে সৃষ্টি (২)।"

জয়িফ (দুর্বল) - "হাকিকাতুস সিয়াম"-এর তাখরিজ (পৃ. ৪৭) (৩)।

--------------------------------------------

(১) আমি বলছি: সম্ভবত তিনি এই সনদেই '২/ ইলম/ ৫-পরিচ্ছেদ'-এ বর্ণিত অন্য একটি হাদিসের দিকে ইঙ্গিত করছেন।

(২) মূলে ছিল "আশ-শয়তান" (একবচন)! আর সংশোধনটি নেওয়া হয়েছে "আল-ইহসান" এবং অন্যান্য উৎস থেকে।

(৩) আর "আল-ইহসান" (৪/৬০২ - আল-মুআসসাসাহ) এর টীকাকারের এই উক্তি: "এর কিছু সমর্থক বর্ণনা (শাওয়াাহিদ) রয়েছে যা আমি ইতিপূর্বে (১৩৮৪) নম্বর হাদিসের তাখরিজের পর উল্লেখ করেছি" - এখানে তিনি 'সহিহ' গ্রন্থে আগত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদিসের দিকে ইঙ্গিত করছেন! অথচ তিনি সেখানে "শয়তান থেকে সৃষ্টি" - এই বাক্যটির স্বপক্ষে কোনো সমর্থক বর্ণনা উল্লেখ করেননি। সুতরাং তার দাবিতে প্রতারিত হবেন না; অন্যথায় আপনি হাদিসটিকে সহিহ গণ্য করবেন, যেমনটি তিনি তার সম্পাদিত এই গ্রন্থের ("আল-মাওয়ারিদ", ১/১৬৪-১৬৫) সংস্করণে করেছেন এবং আদ-দারানির (২/৩০-৩২) পথ অনুসরণ করেছেন, যদিও তিনি তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেননি!

এই প্রসঙ্গে আমি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, আমাদের থেকে "সহিহুল জামে" গ্রন্থ থেকে এই বাক্যটি বাদ দেওয়া এবং এর পরিবর্তে ডট চিহ্ন "...." দ্বারা ইঙ্গিত করার বিষয়টি বাদ পড়ে গিয়েছিল, যেমনটি আমরা এই জাতীয় অন্যান্য হাদিসের ক্ষেত্রে করে থাকি।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٤)
26 - 351 - عن عائشة، قالت:

كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في لُحُفِنا (1).

منكر بهذا اللفظ - "صحيح أبي داود" (393 و 394)، والمحفوظ بلفظ: كان لا يصلي … وهو في "صحيح الموارد" برقم (301/ 352).

 

‌‌42 - باب فيمن أمَّ قومًا وهم له كارهون

27 - 377 - عن عبيدة بن الأسودِ، عن القاسم بن الوليد الهمداني، عن المنهال بن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

"ثلاثة لا يقبل الله لهم صلاة: إمام قوم وهم له كارهون، وامرأة باتت وزوجها عليها غضبان، وأَخَوان متضاربان".

ضعيف - "غاية المرام" (248)، "تخريج المشكاة" (1128)، وثبت بلفظ: "العبد الآبق" مكان الجملة الأخيرة (2).

 

‌‌45 - باب ما جاء في الصف للصلاة

28 - 388 - عن أنس بن مالك:

أنَّ عمر لما زادَ في المسجد؛ غفلوا عن العود الذي كانَ في القبلة، قال أنس: أتدرونَ لأيِّ شيء جُعِلَ ذلك العود؟! فقالوا: لا، فقال:

--------------------------------------------

(1) قلت: لقد عبث المعلق على "الإحسان" (6/ 100) عبثاً عجيباً بإسناد هذا الحديث، وخبط خبط عشواء، وجاء بنوع من التدليس لا عهد لنا به، ونبز فيه ابن حبان بمخالفة الحفاظ في متن الحديث، والمخالف إنما هو الراوي الذي أسقطه هو من الإسناد؛ إلى غير ذلك مما لا يحسن بيانه هنا، ومحله في "الصحيحة" (3321).

(2) قلت: علته عنعنة (عبيدة بن الأسود)، اتهمه به ابن حبان نفسه، فخالف بذلك شرطه كما تقدم بيانه في المقدمة، وتجاهل شعيب أو المعلق على "الإحسان" (5/ 53) التدليس، فحسن إسناده! بخلاف الداراني؛ فبيض له (2/ 73)!
২৬ - ৩৫১ - আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের লেপ বা কম্বলের মধ্যে (গা জড়িয়ে) সালাত আদায় করতেন (১)।

এই শব্দে হাদিসটি মুনকার - "সহিহ আবু দাউদ" (৩৯৩ ও ৩৯৪); আর সংরক্ষিত শব্দ হলো: তিনি সালাত আদায় করতেন না... এটি "সহিহুল মাওয়ারিদ"-এ (৩০১/ ৩৫২) নম্বরে রয়েছে।

 

‌‌৪২ - পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি এমন কোনো সম্প্রদায়ের ইমামতি করে যারা তাকে অপছন্দ করে

২৭ - ৩৭৭ - উবাইদাহ ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনুল ওয়ালিদ আল-হামদানি থেকে, তিনি মিনহাল ইবনে আমর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"তিন ব্যক্তির সালাত আল্লাহ কবুল করেন না: এমন ইমাম যাকে তার সম্প্রদায় অপছন্দ করে, এমন নারী যে রাত অতিবাহিত করে অথচ তার স্বামী তার ওপর রাগান্বিত, এবং পরস্পর বিবাদে লিপ্ত দুই ভাই।"

জয়িফ (দুর্বল) - "গায়াতুল মারাম" (২৪৮), "তাখরিজু মিশকাত" (১১২৮); আর শেষ বাক্যের স্থলে "পলাতক দাস" শব্দে এটি প্রমাণিত হয়েছে (২)।

 

‌‌৪৫ - পরিচ্ছেদ: সালাতের কাতার সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

২৮ - ৩৮৮ - আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত:

উমর (রা.) যখন মসজিদে (জায়গা) বৃদ্ধি করলেন; তখন তারা কিবলার দিকে থাকা সেই কাঠের টুকরোটির কথা ভুলে গেলেন। আনাস (রা.) বললেন: তোমরা কি জানো কেন সেই কাঠটি রাখা হয়েছিল? তারা বললেন: না। তখন তিনি বললেন:

--------------------------------------------

(১) আমি বলছি: "আল-ইহসান" (৬/ ১০০) এর ব্যাখ্যাকারী এই হাদিসের সনদের ব্যাপারে অদ্ভুত রকমের কারচুপি করেছেন এবং লক্ষ্যহীনভাবে কথা বলেছেন। তিনি এমন এক ধরণের তাদলিস (প্রতারণা) করেছেন যা আমাদের কাছে অপরিচিত। তিনি এতে ইবনে হিব্বানকে হাদিসের মতনের ক্ষেত্রে হাফেজদের বিরোধিতা করার দায়ে অভিযুক্ত করেছেন, অথচ মূলত বিরোধিতাকারী হলেন সেই রাবী যাকে তিনি নিজে সনদ থেকে বাদ দিয়েছেন; এছাড়াও এমন আরও অনেক বিষয় রয়েছে যা এখানে ব্যাখ্যা করা সমীচীন নয়, আর এর বিস্তারিত স্থান হলো "আস-সহিহাহ" (৩৩২১)-এ।

(২) আমি বলছি: এর ত্রুটি হলো (উবাইদাহ ইবনুল আসওয়াদ) এর 'আনআনাহ' (সূত্রে 'হতে' শব্দ ব্যবহার), ইবনে হিব্বান নিজেই তাকে এর দায়ে অভিযুক্ত করেছেন, ফলে তিনি এর মাধ্যমে নিজের শর্তেরই বিরোধিতা করেছেন যেমনটি ভূমিকার বর্ণনায় অতিবাহিত হয়েছে। আর শুআইব অথবা "আল-ইহসান" (৫/ ৫৩) এর ব্যাখ্যাকারী তাদলিসের বিষয়টি উপেক্ষা করেছেন, ফলে তিনি এর সনদকে হাসান বলেছেন! দারাণীর বিষয়টি এর বিপরীত; তিনি এর জন্য জায়গা খালি রেখেছেন (২/ ৭৩)!
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٥)
إنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كانَ إذا اقيمت الصلاة؛ أخذ العودَ بيده اليمنى، ثمَّ التفت فقال: "اعدلوا صفوفكم واستووا".

ثمَّ أخذ بيدِه اليسرى، ثمَّ التفت فقال:

"اعدلوا صفوفكم".

[فلما هُدِم المسجد فُقِد، فالتمسه عمر رضوان الله عليه؛ فوجده قد أخذه بنو عمرو بن عوف؛ فجعلوه في مسجدهم، فانتزعه فأعاده] (1).

ضعيف - "ضعيف أبي داود" (102 - 103).

29 - 393 - عن عائشة، قالت: قال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"إنَّ الله وملائكتَه يُصَلّونَ على ميامن الصفوف".

منكر بهذا اللفظ، والمعروف بلفظ: "على الذين يَصِلُونَ الصفوف"، وهو في "صحيح الموارد" (رقم 394) (2) - "ضعيف أبي داود" (104).

 

‌‌50 - باب السترة للمصلي

30 - 407 و 408 - عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

"إذا صلّى أحدكم فليجعل تلقاء وجهه شيئًا، فإن لم يجد فلينصب عصاً، فإن لم يكن معه عصاً فليخطَّ خطّاً، ثمَّ لا يضره من مر أمامه".

ضعيف ومضطرب (3) - "ضعيف أبي داود" (107)، و"تخريج المشكاة" (781).

--------------------------------------------

(1) قلت: هذه زيادة ذكرها المؤلف في الأصل بإسناد آخر لابن حبان عن مصعب؛ فضممتها إلى روايته.

(2) قلت: ولم يفرق بينهما الأخ الداراني (2/ 89 - 90)، فحسّن إسناد كل منهما، ولم يتنبّه للنكارة!

(3) قلت: وكذلك اضطرب فيه الداراني، فسوّد أربع صفحات (2/ 106 - 110) ليقول: "إسناده حسن إن كان محفوظاً"!!
নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত কায়েম করা হতো, তখন তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে একটি কাঠ নিতেন, অতঃপর ফিরে তাকাতেন এবং বলতেন: "তোমাদের কাতারগুলো সোজা করো এবং সমান হও।"

অতঃপর তিনি তাঁর বাম হাত দিয়ে নিতেন এবং ফিরে তাকিয়ে বলতেন:

"তোমাদের কাতারগুলো সোজা করো।"

[অতঃপর যখন মসজিদটি ভেঙে ফেলা হলো, তখন সেটি (কাঠটি) হারিয়ে গেল। তখন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সেটি খুঁজলেন এবং দেখলেন যে বনু আমর ইবনে আউফ সেটি নিয়ে গেছে এবং তাদের মসজিদে রেখে দিয়েছে। অতঃপর তিনি সেটি ছিনিয়ে নিলেন এবং পূর্বের স্থানে ফিরিয়ে আনলেন] (১)।

যঈফ - "যঈফ আবু দাউদ" (১০২ - ১০৩)।

২৯ - ৩৯৩ - আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণ কাতারের ডান দিকের লোকদের ওপর সালাত (রহমত) বর্ষণ করেন।"

এই শব্দে এটি মুনকার, আর "যারা কাতার সংযুক্ত করে তাদের ওপর" শব্দে এটি পরিচিত; এটি "সহীহ আল-মাওয়ারিদ" (নম্বর ৩৯৪) (২) এবং "যঈফ আবু দাউদ" (১০৪)-এ রয়েছে।

 

‌‌৫০ - অধ্যায়: মুসল্লির জন্য সুতরাহ (আড়াল) রাখা

৩০ - ৪০৭ ও ৪০৮ - আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, সে যেন তার সামনে কোনো কিছু রাখে। যদি সে কিছু না পায়, তবে যেন একটি লাঠি গেঁড়ে দেয়। যদি তার সাথে কোনো লাঠি না থাকে, তবে সে যেন একটি রেখা টানে; এরপর তার সামনে দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে তার কোনো ক্ষতি হবে না।"

যঈফ ও মুযতারিব (৩) - "যঈফ আবু দাউদ" (১০৭) এবং "তাখরীজুল মিশকাত" (৭৮১)।

--------------------------------------------

(১) আমি বলছি: এটি একটি অতিরিক্ত অংশ যা লেখক মূল গ্রন্থে ইবনে হিব্বানের বরাতে মুসআব থেকে অন্য একটি সূত্রে উল্লেখ করেছেন; ফলে আমি এটি তাঁর বর্ণনার সাথে যুক্ত করেছি।

(২) আমি বলছি: ভাই আদ-দারানী (২/ ৮৯ - ৯০) এই দুটির মধ্যে পার্থক্য করেননি, বরং তিনি উভয়েরই সনদকে হাসান বলেছেন এবং তিনি এর মুনকার হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেননি!

(৩) আমি বলছি: অনুরূপভাবে আদ-দারানী এক্ষেত্রেও বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং তিনি চার পৃষ্ঠা (২/ ১০৬ - ১১০) ব্যয় করেছেন কেবল এটি বলার জন্য যে: "এর সনদ হাসান যদি এটি সংরক্ষিত (শায না) হয়"!!
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٦)
31 - 410 - عن أبي هريرة، قال: قال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم:

"لو يعلم أحدكم ما له في أن يمشي بين يدي أخيه معترضاً وهو يناجي ربّه؛ لكانَ أن يقفَ في ذلك المقام مائة عام (1)؛ أحب إليه من الخطوة التي خطا".

منكر بذكر: "مائة عام" - "التعليق الرغيب" (1/ 193، 194).

 

‌‌53 - باب فيما لا يقطع الصلاة

32 - 414 - عن المطلب بن أبي وداعة، قال:

رأيت النبيَّ صلى الله عليه وسلم يصلِّي حذو الركن الأسودِ، والرجال والنساء يمرون بين يديه، ما بينه وبينهم سترة.

ضعيف مضطرب - "الضعيفة" (2/ 326/ 928)، "تمام المنّة" (ص 303 - 304)، "ضعيف أبي داود" (344).

--------------------------------------------

(1) كذا في هذا الحديث: "مائة عام"، وكذا في كل مصادر الحديث التي وقفت عليها كابن ماجه، وابن خزيمة، و"مشكل الآثار"، و"الاستذكار" (6/ 166)؛ إلا كتاب "المنتخب من المسند" لعبد ابن حميد (3/ 210/ 1450) ففيه: "أربعين عاماً"، وكذلك هو في نسختين مخطوطتين، وهي رواية شاذة لمخالفتها المصادر المذكورة، ولم يتنبه لذلك المعلق عليه، فمشى على ظاهره، ثم علق عليه بقوله: "صحيح لغيره"! فأخطأ، ثم بين ضعف إسناده؛ فأصاب.

ثم دعم تصحيحه بقوله: "لكن أخرجه البخاري ومسلم … عن أبي جهم"! ولم يتنبه أيضاً لكون هذا مختصرًا، وأنه ليس فيه لفظ: "عاماً".

وأسوأ منه تعليقاً: الأخ الداراني؛ فإنه وافقه على الاستشهاد بحديث الشيخين، وزاد عليه أنه لم يتنبه أنه مخالف للفظ الكتاب: "مائة عام"، نحالفة مزدوجة! ثم زاد في الطين بِلّةً فقال: "إسناده حسن"! وفيه من لا يعرف بشهادة الشافعي وأحمد؛ ولكنه شديد الوثوق بتوثيق ابن حبان! خلافاً للحفاظ المحققين.
৩১ - ৪১০ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"তোমাদের মধ্যে কেউ যদি জানত যে, তার ভাই যখন তার রবের সাথে গোপনে কথা বলছে (সালাত আদায় করছে), তখন তার সামনে দিয়ে আড়াআড়িভাবে হেঁটে যাওয়ার মধ্যে কী (পরিমাণ গুনাহ) রয়েছে, তবে সেই স্থানে একশ বছর (১) দাঁড়িয়ে থাকা তার কাছে ওই একটি কদম অগ্রসর হওয়ার চেয়ে বেশি পছন্দনীয় হতো।"

"একশ বছর" শব্দসহ এটি মুনকার - "আত-তালিকুর রাগিব" (১/ ১৯৩, ১৯৪)।

 

‌‌৫৩ - পরিচ্ছেদ: যা সালাতকে বিচ্ছিন্ন (নষ্ট) করে না

৩২ - ৪১৪ - মুত্তালিব ইবনে আবি ওয়াদা'আহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে রুকনে আসওয়াদের বরাবরে সালাত আদায় করতে দেখেছি, তখন পুরুষ ও নারীরা তাঁর সামনে দিয়ে যাতায়াত করছিল এবং তাঁর ও তাদের মাঝখানে কোনো সুতরা (আড়াল) ছিল না।

যঈফ মুদতারিব - "আদ-দঈফাহ" (২/ ৩২৬/ ৯২৮), "তামামুল মিন্নাহ" (পৃ. ৩০৩ - ৩০৪), "দঈফ আবু দাউদ" (৩৪৪)।

--------------------------------------------

(১) এই হাদিসে এভাবেই "একশ বছর" এসেছে এবং আমি ইবনে মাজাহ, ইবনে খুজাইমাহ, "মুশকিলুল আসার" এবং "আল-ইসতিযকার" (৬/ ১৬৬)-এর মতো যেসব হাদিসগ্রন্থ দেখেছি তার সবগুলোতে এমনই আছে; তবে আবদ ইবনে হুমাইদ-এর "আল-মুনতাখাব মিনাল মুসনাদ" (৩/ ২১০/ ১৪৫০) কিতাবটি ব্যতীত, কারণ তাতে "চল্লিশ বছর" রয়েছে। তেমনিভাবে এটি দুটি পাণ্ডুলিপিতেও রয়েছে, কিন্তু এটি একটি শায (বিচ্ছিন্ন) বর্ণনা কারণ এটি উল্লিখিত সূত্রগুলোর পরিপন্থী। এর টীকাকার বিষয়টি খেয়াল করেননি, ফলে তিনি এর বাহ্যিক শব্দের ওপর ভিত্তি করে চলেছেন এবং পরে টীকায় বলেছেন: "এটি লি-গাইরিহি সহিহ"! তিনি ভুল করেছেন, এরপর তিনি এর সনদের দুর্বলতা বর্ণনা করেছেন; সেক্ষেত্রে তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এরপর তিনি তাঁর সহিহ বলার স্বপক্ষে এই বলে সমর্থন দিয়েছেন যে: "কিন্তু বুখারি ও মুসলিম ... আবু জাহম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন"! অথচ তিনি এটিও খেয়াল করেননি যে এটি সংক্ষিপ্ত এবং তাতে "বছর" শব্দটি নেই।

আর তার চেয়েও খারাপ মন্তব্য হলো ভাই আদ-দারানি-এর; কেননা তিনি শাইখাইনের (বুখারি ও মুসলিম) হাদিস দিয়ে দলিল দেওয়ার ক্ষেত্রে তার সাথে একমত হয়েছেন এবং অতিরিক্ত হিসেবে তিনিও খেয়াল করেননি যে এটি মূল কিতাবের পাঠ "একশ বছর"-এর পরিপন্থী, যা দ্বিগুণ বিরোধিতা! এরপর তিনি পরিস্থিতি আরও জটিল করে বলেন যে: "এর সনদ হাসান"! অথচ ইমাম শাফেঈ ও আহমদের সাক্ষ্য অনুযায়ী এতে এমন বর্ণনাকারী রয়েছেন যারা অপরিচিত; কিন্তু তিনি ইমাম ইবনে হিব্বানের 'তাওসিক' (নির্ভরযোগ্য বলা)-এর ওপর মাত্রাতিরিক্ত আস্থা রেখেছেন! যা অভিজ্ঞ হাফেজদের (মুহাক্কিক উলামাদের) মতের বিপরীত।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٧)
33 - 415 - وفي رواية عن المطلب، قال:

رأيت النبيَّ صلى الله عليه وسلم حين فرغ من طوافِه أتى حاشية المطاف؛ فصلّى ركعتين، وليس بينه وبين الطَّوافين أحد (1).

ضعيف مضطرب - المصدر نفسه.

 

‌‌64 - باب السكتة في الصلاة

34 - 448 - عن سمرة [بن جندب]، قال:

سكتتان حفظتهما عن رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم. فذكرت [ذلك] لعمران بن حصين؟ فقال: حفظنا سكتة. فكتبنا إلى أبيِّ بن كعب بالمدينة؟ فكتبَ [إليّ] أنَّ سمرة قد حفظَ.

قال سعيد: فقلنا لقتادة: [و] ما هاتان السكتتان؟ قال: إذا دخل في صلاتِه، وإذا فرغَ من القراءة.

ضعيف - "المشكاة" (818)، "ضعيف أبي داود" (135 - 138).

 

‌‌65 - باب القراءة في الصلاة

35 - 450 و 451 - عن نعيم المجمر، قال:

صليت وراء أبي هريرة، فقال: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، ثمَّ قرأ بأمِّ القرآن، حتى إذا بلغَ {غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ}؛ قال: "آمين"،

--------------------------------------------

(1) قلت: من غرائب المعلق على "الإحسان" (6/ 127) أنه صحيح إسناد هذه الرواية؛ بدعوى أن ابن جريج صرح بسماعه من كثير بن كثير، وتجاهل رواية أحمد الأخرى أن سفيان سأل كثير بن كثير؟ فقال: ليس من أبي سمعته؛ ولكن من بعض أهلي! والعلة الجهالة والاضطراب. ثم إن متن هذه مخالف لما قبلها كما هو ظاهر، فتنبه!
৩৩ - ৪১৫ - এবং আল-মুত্তালিব থেকে বর্ণিত এক রেওয়ায়াতে আছে, তিনি বলেন:

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যখন তিনি তাঁর তাওয়াফ শেষ করলেন, তখন তিনি তাওয়াফের প্রান্তসীমায় আসলেন; অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, এমতাবস্থায় তাঁর ও তাওয়াফকারীদের মাঝে অন্য কেউ ছিল না (১)।

যঈফ মুদতারিব - একই উৎস।

 

‌‌৬৪ - অধ্যায়: সালাতে সাকতাহ (নীরবতা)

৩৪ - ৪৪৮ - সামুরা [ইবনে জুনদুব] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

দুটি সাকতাহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুখস্থ রেখেছি। অতঃপর আমি [তা] ইমরান ইবনে হুসাইনের নিকট উল্লেখ করলাম? তিনি বললেন: আমরা একটি সাকতাহ মুখস্থ রেখেছি। অতঃপর আমরা মদীনায় উবাই ইবনে কা'বের নিকট লিখে পাঠালাম? তিনি [আমার নিকট] লিখে জানালেন যে, সামুরা ঠিকই মুখস্থ রেখেছে।

সাঈদ বলেন: অতঃপর আমরা কাতাদাহকে বললাম: [এবং] এই দুটি সাকতাহ কী কী? তিনি বললেন: যখন তিনি সালাতে প্রবেশ করতেন, এবং যখন কিরাত পাঠ শেষ করতেন।

যঈফ - "আল-মিশকাত" (৮১৮), "যঈফ আবূ দাউদ" (১৩৫ - ১৩৮)।

 

‌‌৬৫ - অধ্যায়: সালাতে কিরাত (পাঠ করা)

৩৫ - ৪৫০ ও ৪৫১ - নুআইম আল-মুজমির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি আবূ হুরায়রাহ-র পেছনে সালাত আদায় করলাম, তিনি বললেন: বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম, অতঃপর উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করলেন, এমনকি যখন তিনি {যাদের উপর আপনার ক্রোধ আপতিত হয়েছে তাদের পথ নয় এবং পথভ্রষ্টদের পথও নয়} পর্যন্ত পৌঁছালেন; তখন তিনি বললেন: "আমীন",

--------------------------------------------

(১) আমি বলছি: "আল-ইহসান" (৬/ ১২৭) গ্রন্থের টীকাকারের একটি অদ্ভুত বিষয় হলো যে তিনি এই রেওয়ায়াতের সনদকে সহীহ বলেছেন; এই দাবিতে যে ইবনে জুরাইজ কাসীর ইবনে কাসীর থেকে সরাসরি শোনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, অথচ তিনি আহমদের বর্ণিত অপর রেওয়ায়াতটি উপেক্ষা করেছেন যেখানে সুফিয়ান কাসীর ইবনে কাসীরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন? তখন তিনি (কাসীর) বলেছিলেন: এটি আমি আমার পিতার নিকট থেকে শুনিনি; বরং আমার পরিবারের জনৈক ব্যক্তির নিকট থেকে শুনেছি! আর এর ত্রুটি হলো (বর্ণনাকারীর) পরিচয়হীনতা ও ইযতিরাব (অসংগতি)। তাছাড়া এই রেওয়ায়াতের মূল পাঠ (মতন) এর পূর্ববর্তী বর্ণনার বিরোধী যেমনটি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, সুতরাং সতর্ক হোন!
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وقالَ الناسُ: آمين، فلما ركعَ قال: الله أكبر، فلما رفعَ رأسه قال: سمع الله لمن حمده، ثمَّ قال: الله أكبر، ثمَّ سجد، فلما رفع رأسه قال: الله أكبر، فلما سجد قال: الله أكبر، [فلما رفع قال: الله أكبر]، ثمَّ استقبلَ قائماً مع التكبير، فلما قامَ من الثنتين قال: الله أكبر، فلما سلم قال:

والذي نفسي بيده؛ إنّي لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ".

ضعيف - التعليق على "ابن خزيمة" (499)، "تمام المئة" (168) (1).

36 - 452 - عن ابن عباس، قال:

قلت لعثمان بن عفان: ما حملكم على أَن قرنتم بين (الأنفالِ) و (براءة)؛ و (براءة) من المئين و (الأنفال) من الثاني فقرنتم بينهما؟! فقال عثمان: كانَ إذا نزلت من القرآنِ - يريد الآية -؛ دعا النبيُّ صلى الله عليه وسلم بعضَ من يكتبُ فيقول [له]: "ضعْه في السورةِ التي يذكر فيها كذا"؛ وأنزلت (الأنفال) بالمدينة، و (براءة) بالمدينة من آخرِ القرآنِ، فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يخبرنا أَين نضعها؟ فوجدتُ قصتها شبيهة بقصة (الأنفال)، فقرنت بينهما؛ ولم يكتب بينهما سطر (بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ)؛ فوضعتها في السبع الطوال.

منكر - "ضعيف أبي داود" (140).

37 - 458 و 459 - عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلّى بأصحابه، فلمّا قضى صلاته أقبلَ عليهم بوجهه، فقال:

--------------------------------------------

(1) قلت: لقد خفيت علة هذا الحديث على ابن خزيمة وغيره؛ وهي اختلاط سعيد بن أبي هلال التي وصفه بها أحمد ويحيى، وتغاضى عنها المعلق على "الإحسان" (5/ 100)، وكابر الداراني كعادته؛ فناقش الحافظ فيما نسبه إلى أحمد، وتعالى عليه بجهله مشيراً إلى اتهامه إياه بصرف كلام أحمد عن دلالته، جاهلاً أن ابن حزم من قبله قد قال: "ذكره بالتخليط يحيى وأحمد"؛ فلعله يتهمه أيضاً! على أن بعض الحفاظ أعله بعلة أخرى، وانظر إن شئت "نصب الراية" (1/ 335 - 336).
এবং মানুষেরা বলল: আমীন। যখন তিনি রুকু করলেন তখন বললেন: আল্লাহু আকবার। যখন তিনি তাঁর মাথা তুললেন তখন বললেন: সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ। এরপর বললেন: আল্লাহু আকবার, অতঃপর সিজদাহ করলেন। যখন তিনি তাঁর মাথা তুললেন তখন বললেন: আল্লাহু আকবার। যখন তিনি সিজদাহ করলেন তখন বললেন: আল্লাহু আকবার। [যখন তিনি মাথা তুললেন তখন বললেন: আল্লাহু আকবার]। এরপর তিনি তাকবীরের সাথে দাঁড়িয়ে সালাত অভিমুখী হলেন। যখন তিনি দুই রাকাত শেষে দাঁড়ালেন তখন বললেন: আল্লাহু আকবার। যখন তিনি সালাম ফিরালেন তখন বললেন:

যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম! আমি তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাতের সাথে সর্বাধিক সাদৃশ্যপূর্ণ সালাত আদায়কারী।

যঈফ - ইবনে খুযাইমার ওপর টীকা (৪৯৯), তামামুল মিয়াহ (১৬৮) (১)।

৩৬ - ৪৫২ - ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি উসমান ইবনে আফফানকে বললাম: কিসে আপনাদেরকে উদ্বুদ্ধ করল যে আপনারা (আনফাল) ও (বারাআত) এর মাঝে সমন্বয় করলেন, অথচ (বারাআত) একশ আয়াত বিশিষ্ট সূরাগুলোর অন্তর্ভুক্ত এবং (আনফাল) 'মাসানি'র অন্তর্ভুক্ত, তবুও আপনারা এই দুইয়ের মাঝে সমন্বয় করলেন?! উসমান বললেন: যখন কুরআনের কিছু অংশ - তিনি আয়াত বুঝিয়েছেন - অবতীর্ণ হতো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লেখকদের কাউকে ডাকতেন এবং [তাকে] বলতেন: "এটি সেই সূরায় রাখো যাতে অমুক বিষয়ের আলোচনা আছে।" আর (আনফাল) মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছিল এবং (বারাআত) কুরআনের শেষ দিকে মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছিল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন এবং তিনি আমাদের বলে যাননি যে আমরা এটি কোথায় রাখব? ফলে আমি এর বিষয়বস্তুকে (আনফাল) এর বিষয়বস্তুর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পেলাম, তাই আমি এ দুইয়ের মাঝে সমন্বয় করলাম এবং এ দুইয়ের মাঝে (বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম) লাইনটি লিখিনি। আর আমি একে দীর্ঘ সাতটি সূরার অন্তর্ভুক্ত করলাম।

মুনকার - "যঈফ আবু দাউদ" (১৪০)।

৩৭ - ৪৫৮ ও ৪৫৯ - আনাস থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন তখন তাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন:

--------------------------------------------

(১) আমি বলি: এই হাদিসের ত্রুটি ইবনে খুযাইমা ও অন্যদের কাছে অস্পষ্ট রয়ে গেছে; আর তা হলো সাঈদ ইবনে আবি হিলালের স্মৃতিবিভ্রম (ইখতিলাত), যা আহমাদ ও ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন। "আল-ইহসান" (৫/১০০)-এর টীকাকার এটি এড়িয়ে গেছেন এবং আদ-দারানি তার স্বভাবসুলভ আচরণ করেছেন; তিনি হাফেয (ইবনে হাজার) যা আহমাদের দিকে সম্বন্ধ করেছেন তা নিয়ে বিতর্ক করেছেন এবং নিজের অজ্ঞতা সত্ত্বেও তাঁর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েছেন এই ইঙ্গিত করে যে তিনি আহমাদের বক্তব্যকে এর সঠিক অর্থ থেকে বিচ্যুত করেছেন। তিনি জানেন না যে তার আগে ইবনে হাযমও বলেছিলেন: "ইয়াহইয়া ও আহমাদ তাকে বিভ্রান্ত স্মৃতির অধিকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন"; হয়তো তিনি তাকেও অভিযুক্ত করবেন! তাছাড়া কোনো কোনো হাফেয একে ভিন্ন ত্রুটির কারণে দুর্বল বলেছেন, আপনি চাইলে দেখতে পারেন "নাসবুর রায়াহ" (১/৩৩৫-৩৩৬)।
(খণ্ড: ১) যয়ীফু মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনি হিব্বান (পৃষ্ঠা: ٢٩)
"أتقرؤون في صلاتكم خلف الإمام، والإمام يقرأ؟ ".

فسكتوا - قالها ثلاث مرّات -، فقال قائل - أو قائلون -: إنّا لنفعل، قال:

"فلا تفعلوا، وليقرأ أحدُكم بفاتحة الكتابِ في نفسه".

ضعيف بهذا السياق - "صفة الصلاة" (الأصل) (1).

38 - 460 - عن عبادة بن الصامت، قال:

صلّى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح، فثقلت عليه القراءة، فلما انصرف قال:

"إني لأراكم تقرؤون [وراء إمامكم؟! "، قال] (2):

قلنا: أجل يا رسول الله! هذّاً. قال:

"فلا تفعلوا إلّا بأمِّ الكتابِ؛ فإنّه لا صلاة لمن لم يقرأ بها".

(قلت): في "الصحيح" طرف من آخره.

ضعيف - "ضعيف أبي داود" (146 - 148).

 

‌‌67 - باب

39 - 472 - عن عبد الله بن عمرو:

أنَّ رجلًا أتى النبيَّ صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله! أقرئني القرآن!

قال: "اقرأ ثلاثًا من ذواتِ {الر} ".

--------------------------------------------

(1) وانظر السياق الصحيح في "صفة الصلاة" (ص 98 - 99 - الطبعة الجديدة).

(2) سقطت من الأصل، واستدركتها من طبعتي "الإحسان" وغيره، وهي مما فات على الأخ الداراني! ومنهما صححت بعض الأخطاء دونه!
"তোমরা কি তোমাদের সালাতে ইমামের পেছনে কিরাত পড়ো যখন ইমাম কিরাত পড়েন?"

তারা চুপ থাকলেন - তিনি এটি তিনবার বললেন - অতঃপর কোনো একজন - অথবা কতিপয় ব্যক্তি - বললেন: আমরা অবশ্যই তা করি। তিনি বললেন:

"তোমরা এরূপ করো না, তবে তোমাদের প্রত্যেকে যেন মনে মনে সূরা ফাতিহা পড়ে নেবে।"

এই প্রেক্ষাপটে যঈফ - "সিফাতুস সালাহ" (আসল) (১)।

৩৮ - ৪৬০ - উবাদাহ ইবনুস সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন, তাঁর ওপর কিরাত পড়া কষ্টকর হয়ে উঠল। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন:

"আমি তো দেখছি তোমরা [তোমাদের ইমামের পেছনে কিরাত পড়ছ?! তিনি বললেন] (২):"

আমরা বললাম: হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! দ্রুততার সাথে। তিনি বললেন:

"তোমরা উম্মুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) ব্যতীত অন্য কিছু পড়বে না; কেননা যে ব্যক্তি তা পাঠ করে না, তার সালাত হয় না।"

(আমি বলছি): "সহীহ" গ্রন্থে এর শেষাংশের কিছুটা উদ্ধৃত হয়েছে।

যঈফ - "যঈফ আবু দাউদ" (১৪৬ - ১৪৮)।

 

‌‌৬৭ - অধ্যায়

৩৯ - ৪৭২ - আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণিত:

এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে কুরআন পড়ান (শিক্ষা দিন)!

তিনি বললেন: "আলিফ-লাম-রা (আলিফ-লাম-রা বিশিষ্ট) তিনটি সূরা পড়ো।"

--------------------------------------------

(১) আর সঠিক প্রেক্ষাপট দেখুন "সিফাতুস সালাহ" (পৃ. ৯৮-৯৯ - নতুন সংস্করণ)।

(২) এটি মূল কপি থেকে বাদ পড়েছিল, আমি "আল-ইহসান" এবং অন্যান্য সংস্করণ থেকে এটি সংযোজন করেছি, যা ভাই আদ-দারানির দৃষ্টিগোচর হয়নি! সেই সংস্করণগুলো থেকে আমি তার করা কিছু ভুল সংশোধন করেছি!