(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: -)
موطأ مالك - رواية يحيى - ت عبد الباقي (مالك بن أنس)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الموطأ
المؤلف: مالك بن أنس
صححه ورقمه وخرج أحاديثه وعلق عليه: محمد فؤاد عبد الباقي [ت 1388 هـ]
الناشر: دار إحياء التراث العربي، بيروت - لبنان
عام النشر: 1406 هـ - 1985 م
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 22 محرم 1433
মুওয়াত্তা মালিক - ইয়াহইয়ার বর্ণনা - আব্দুল বাকীর সম্পাদনা (মালিক বিন আনাস)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আল-মুওয়াত্তা
লেখক: মালিক বিন আনাস
সংশোধন, সংখ্যায়ন, হাদিসের তাখরিজ ও টীকা প্রদান করেছেন: মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী [মৃত্যু ১৩৮৮ হিজরি]
প্রকাশক: দার ইহয়াউত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত - লেবানন
প্রকাশকাল: ১৪০৬ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২২ মুহররম ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৩)
1 - كِتَابُ وُقُوتِ الصَّلَاةِ
১ - সালাতের সময়সমূহের কিতাব
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৩)
بَابُ وُقُوتِ الصَّلَاةِ
সালাতের ওয়াক্তসমূহের অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৩)
1 - قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بَنُ يَحْيَى اللَّيْثِيِّ، عَنِ مالِكٍ بَنُ أَنَسِ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا، فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا - وَهُوَ بِالْكُوفَةِ - فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيُّ فَقَالَ: مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ؟ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ «أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ⦗ص: 4⦘ ثُمَّ صَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ صَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ صَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ صَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» ثُمَّ قَالَ: بِهَذَا أُمِرْتُ. فَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ: اعْلَمْ مَا تُحَدِّثُ بِهِ يَا عُرْوَةُ، أَوَ إِنَّ جِبْرِيلَ هُوَ الَّذِي أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلَاةِ؟ قَالَ عُرْوَةُ: كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيُّ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ.
১ - তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসী বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ একদিন সালাত বিলম্বিত করেছিলেন। তখন উরওয়াহ ইবনুয যুবায়ের তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাঁকে জানালেন যে, মুগীরা ইবনে শু'বা কুফায় থাকাকালীন একদিন সালাত বিলম্বিত করেছিলেন; তখন আবু মাসউদ আল-আনসারী তাঁর নিকট প্রবেশ করে বললেন: হে মুগীরা, এটা কী? আপনি কি জানেন না যে, জিবরাঈল অবতীর্ণ হয়ে সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৪⦘ অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি বললেন: "আমাকে এভাবেই আদেশ করা হয়েছে।" উমর ইবনে আব্দুল আজিজ বললেন: হে উরওয়াহ, আপনি কী বর্ণনা করছেন তা ভেবে দেখুন! জিবরাঈল কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য সালাতের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন? উরওয়াহ বললেন: বাশীর ইবনে আবু মাসউদ আল-আনসারী তাঁর পিতার নিকট থেকে এভাবেই বর্ণনা করতেন।
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৪)
2 - قَالَ عُرْوَةُ: وَلَقَدْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ «يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا، قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ»
২ - উরওয়াহ বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত আদায় করতেন এমন সময় যখন সূর্য তাঁর কক্ষে থাকত, তা (দেয়ালের) উপরে উঠার পূর্বে।
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَأَلَهُ عَنْ وَقْتِ صَلَاةِ الصُّبْحِ. قَالَ: فَسَكَتَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى ⦗ص: 5⦘ إِذَا كَانَ مِنَ الْغَدِ، صَلَّى الصُّبْحَ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ، ثُمَّ صَلَّى الصُّبْحَ مِنَ الْغَدِ بَعْدَ أَنْ أَسْفَرَ. ثُمَّ قَالَ: «أَيْنَ السَّائِلُ عَنْ وَقْتِ الصَّلَاةِ؟» قَالَ: هَأَنَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ: «مَا بَيْنَ هَذَيْنِ وَقْتٌ»
৩ - এবং ইয়াহইয়া আমার নিকট মালিক হতে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম হতে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার হতে বর্ণনা করেছেন যে: এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং তাঁকে ফজরের সালাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আতা (রহ.) বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হতে বিরত থাকলেন যতক্ষণ না ⦗পৃষ্ঠা: ৫⦘ পরবর্তী দিন হলো, তখন তিনি ফজর উদিত হওয়ার সাথে সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর পরবর্তী দিন তিনি আকাশ ফর্সা হওয়ার পর ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বললেন: “সালাতের সময় সম্পর্কে প্রশ্নকারী ব্যক্তিটি কোথায়?” সে বলল: “হে আল্লাহর রাসূল, আমি এখানে।” তখন তিনি বললেন: “এই দুই সময়ের মধ্যবর্তী সময়ই হলো (সালাতের) সময়।”
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهَا قَالَتْ: إِنْ «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُصَلِّي الصُّبْحَ»، فَيَنْصَرِفُ النِّسَاءُ مُتَلَفِّعَاتٍ بِمُرُوطِهِنَّ، مَا يُعْرَفْنَ مِنَ الْغَلَسِ
৪ - এবং ইয়াহইয়া আমার নিকট মালিক থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ থেকে, তিনি আমরাহ বিনত আবদুর রহমান থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করতেন, অতঃপর মহিলারা তাদের চাদর মুড়ি দিয়ে ফিরে যেতেন, অন্ধকারের কারণে তাদেরকে চেনা যেত না।
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ وَعَنِ الْأَعْرَجِ: كُلُّهُمْ يُحَدِّثُونَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصُّبْحِ، قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ، وَمَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْعَصْرَ»
৫ - এবং তিনি আমার নিকট মালিক থেকে, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, বুসর ইবনে সাঈদ থেকে এবং আল-আরাজ থেকে বর্ণনা করেছেন: তাঁরা সকলেই এটি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি সূর্য উদিত হওয়ার আগে ফজরের এক রাকাত পেল, সে ফজর পেল; আর যে ব্যক্তি সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে আসরের এক রাকাত পেল, সে আসর পেল।»
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৬)
6 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَتَبَ إِلَى عُمَّالِهِ: " إِنَّ أَهَمَّ أَمْرِكُمْ عِنْدِي الصَّلَاةُ. فَمَنْ حَفِظَهَا وَحَافَظَ عَلَيْهَا، حَفِظَ دِينَهُ. وَمَنْ ضَيَّعَهَا فَهُوَ لِمَا سِوَاهَا أَضْيَعُ، ثُمَّ كَتَبَ: أَنْ صَلُّوا الظُّهْرَ، إِذَا كَانَ الْفَيْءُ ذِرَاعًا، إِلَى أَنْ يَكُونَ ظِلُّ أَحَدِكُمْ ⦗ص: 7⦘ مِثْلَهُ. وَالْعَصْرَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ بَيْضَاءُ نَقِيَّةٌ، قَدْرَ مَا يَسِيرُ الرَّاكِبُ فَرْسَخَيْنِ أَوْ ثَلَاثَةً، قَبْلَ غُرُوبِ الشَّمْسِ وَالْمَغْرِبَ إِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ. وَالْعِشَاءَ إِذَا غَابَ الشَّفَقُ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ. فَمَنْ نَامَ فَلَا نَامَتْ عَيْنُهُ. فَمَنْ نَامَ فَلَا نَامَتْ عَيْنُهُ فَمَنْ نَامَ فَلَا نَامَتْ عَيْنُهُ ". وَالصُّبْحَ وَالنُّجُومُ بَادِيَةٌ مُشْتَبِكَةٌ
৬ - এবং তিনি আমার কাছে মালেক থেকে, তিনি নাফে’ থেকে—যিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমরের মুক্তদাস—বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব তাঁর কর্মচারীদের নিকট লিখেছিলেন: "নিশ্চয়ই আমার কাছে তোমাদের কার্যাবলীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি একে যথাযথভাবে পালন করল এবং এর প্রতি যত্নবান হলো, সে তার দ্বীনকে রক্ষা করল। আর যে একে নষ্ট করল, সে অন্যান্য বিষয়কে আরও বেশি নষ্টকারী হবে।" এরপর তিনি লিখেছিলেন: "তোমরা যুহরের সালাত আদায় করবে যখন ছায়া এক হাত পরিমাণ হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না তোমাদের কারো ছায়া ⦗পৃষ্ঠা: ৭⦘ তার সমান হয়। আর আসর আদায় করবে যখন সূর্য উঁচুতে উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ থাকে, সূর্যাস্তের আগে একজন আরোহীর দুই বা তিন ফারসাখ পথ চলার সমপরিমাণ সময় পর্যন্ত। আর মাগরিব আদায় করবে যখন সূর্য ডুবে যায়। আর ইশা আদায় করবে যখন লালিমা অন্তর্হিত হয় রাত এক-তৃতীয়াংশ হওয়া পর্যন্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি (ইশার আগে) ঘুমিয়ে পড়ল, তার চোখ যেন না ঘুমায়; যে ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়ল, তার চোখ যেন না ঘুমায়; যে ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়ল, তার চোখ যেন না ঘুমায়। আর সুব্হ (ফজর) আদায় করবে যখন তারকারাজি স্পষ্ট ও ঘনভাবে দেখা যায়।"
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৭)
7 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَتَبَ إِلَى أَبِي مُوسَى: أَنْ «صَلِّ الظُّهْرَ، إِذَا زَاغَتِ الشَّمْسُ. وَالْعَصْرَ وَالشَّمْسُ بَيْضَاءُ نَقِيَّةٌ، قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَهَا صُفْرَةٌ. وَالْمَغْرِبَ إِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ، وَأَخِّرِ الْعِشَاءَ مَا لَمْ تَنَمْ. وَصَلِّ الصُّبْحَ، وَالنُّجُومُ بَادِيَةٌ مُشْتَبِكَةٌ. وَاقْرَأْ فِيهَا بِسُورَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ مِنَ الْمُفَصَّلِ»
৭ - এবং মালিক আমাকে তাঁর চাচা আবু সুহায়ল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব আবু মুসার নিকট লিখেছিলেন: «জোহরের সালাত আদায় করো যখন সূর্য ঢলে পড়ে। আর আসরের সালাত আদায় করো যখন সূর্য উজ্জ্বল ও পরিষ্কার থাকে, তার মধ্যে হলুদ বর্ণ আসার পূর্বে। আর মাগরিবের সালাত আদায় করো যখন সূর্য অস্ত যায়। আর এশার সালাতকে বিলম্ব করো যতক্ষণ না তুমি ঘুমিয়ে পড়ো। আর ফজরের সালাত আদায় করো যখন নক্ষত্ররাজি প্রকাশিত ও ঘনসন্নিবিষ্ট থাকে। এবং তাতে মুফাসসাল অংশের দুটি দীর্ঘ সূরা পাঠ করো।»
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৭)
8 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَتَبَ إِلَى أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ أَنْ «صَلِّ الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ بَيْضَاءُ نَقِيَّةٌ، قَدْرَ مَا يَسِيرُ الرَّاكِبُ ثَلَاثَةَ فَرَاسِخَ، وَأَنْ صَلِّ الْعِشَاءَ، مَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ ثُلُثِ اللَّيْلِ. فَإِنْ أَخَّرْتَ فَإِلَى شَطْرِ اللَّيْلِ، ⦗ص: 8⦘ وَلَا تَكُنْ مِنَ الْغَافِلِينَ»
৮ - এবং মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব আবু মুসা আল-আশআরীর নিকট লিখেছিলেন: «তুমি আসর সালাত আদায় করো যখন সূর্য উজ্জ্বল ও নির্মল থাকে, যে সময়ে একজন আরোহী তিন ফারসাখ পথ অতিক্রম করতে পারে। আর ইশার সালাত আদায় করো রাতের এক-তৃতীয়াংশ সময়ের মধ্যে। যদি তুমি বিলম্ব করো তবে রাতের অর্ধেক পর্যন্ত, ⦗পৃষ্ঠা: ৮⦘ এবং তুমি গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।»
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৮)
9 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَافِعٍ مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. أَنَّهُ سَأَلَ أَبَا هُرَيْرَةَ عَنْ وَقْتِ الصَّلَاةِ.؟ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَنَا أُخْبِرُكَ «صَلِّ الظُّهْرَ إِذَا كَانَ ظِلُّكَ مِثْلَكَ وَالْعَصْرَ إِذَا كَانَ ظِلُّكَ مِثْلَيْكَ، وَالْمَغْرِبَ إِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ، وَالْعِشَاءَ مَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ ثُلُثِ اللَّيْلِ، وَصَلِّ الصُّبْحَ بِغَبَشٍ» يَعْنِي الْغَلَسَ
৯ - এবং মালিক আমার কাছে ইয়াজিদ ইবনে জিয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামার মুক্ত দাস আবদুল্লাহ ইবনে রাফি' থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে নামাজের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। আবু হুরায়রা বললেন: "আমি তোমাকে বলছি, জোহরের নামাজ পড়ো যখন তোমার ছায়া তোমার সমান হবে, আসরের নামাজ পড়ো যখন তোমার ছায়া তোমার দ্বিগুণ হবে, মাগরিবের নামাজ পড়ো যখন সূর্য ডুবে যাবে, এশার নামাজ পড়ো তোমার ও রাতের এক-তৃতীয়াংশের মধ্যবর্তী সময়ে এবং সকালের নামাজ (ফজর) অন্ধকারের মধ্যে পড়ো" - অর্থাৎ উষার আবছা অন্ধকারে।
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৮)
10 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مالِكٍ أَنَّهُ قَالَ: كُنَّا «نُصَلِّي الْعَصْرَ، ثُمَّ يَخْرُجُ الْإِنْسَانُ إِلَى بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ، فَيَجِدُهُمْ يُصَلُّونَ الْعَصْرَ»
১০ - এবং মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “আমরা আসরের সালাত আদায় করতাম, অতঃপর কোনো ব্যক্তি বনু আমর ইবনে আউফ (গোত্রের) দিকে যেতেন এবং তাদের আসরের সালাত আদায় করতে দেখতেন।”
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৯)
11 - ، وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مالِكٍ أَنَّهُ قَالَ: كُنَّا «نُصَلِّي الْعَصْرَ، ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى قُبَاءٍ، فَيَأْتِيهِمْ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ»
১১ - এবং তিনি আমার নিকট মালিক হতে, তিনি ইবনু শিহাব হতে, তিনি আনাস ইবনু মালিক হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "আমরা আসরের সালাত আদায় করতাম, অতঃপর কোনো গমণকারী কুবায় গমন করত এবং সে তাদের নিকট পৌঁছাত এমতাবস্থায় যে সূর্য তখনও উঁচুতে থাকত।"
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৯)
12 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ أَنَّهُ قَالَ: «مَا أَدْرَكْتُ النَّاسَ إِلَّا وَهُمْ يُصَلُّونَ الظُّهْرَ بِعَشِيٍّ»
12 - এবং মালিক আমার কাছে রাবিআহ ইবনে আবি আবদির রহমান থেকে, তিনি কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "আমি লোকজনকে কেবল এই অবস্থাতেই পেয়েছি যে, তারা যুহরের সালাত পড়ন্ত বেলায় আদায় করতেন।"
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৯)
بَابُ وَقْتِ الْجُمُعَةِ
জুমার সময়ের পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ৯)
13 - حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيلِ بْنِ مَالكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ: كُنتُ أَرَى طِنْفَسَةً لِعَقِيلِ بنِ أَبِي طَالِبٍ، يومَ الْجُمُعَةِ تُطرَحُ إِلى جِدَارِ الْمَسْجِدِ الْغَرْبِيِّ، فَإِذَا غَشِيَ الطِّنْفِسَةَ كُلَّهَا ظِلُّ الْجِدَارِ «خَرَجَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَصَلَّى الْجُمُعَةَ»، قَالَ مَالِكٌ وَالِدُ أَبِي سُهَيلٍ: ثُمَّ نَرْجِعُ بَعْدَ صَلَاةِ الْجُمُعَةِ فَنَقِيلُ قَائِلَةَ الضَّحَاءِ
১৩ - ইয়াহইয়া আমার কাছে মালিক থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবু সুহাইল ইবন মালিক থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি জুমার দিনে আকিল ইবন আবি তালিবের একটি গালিচা মসজিদের পশ্চিম দেয়ালের পাশে বিছানো থাকতে দেখতাম। যখন দেয়ালের ছায়া পুরো গালিচাটিকে ঢেকে ফেলত, তখন উমর ইবনুল খাত্তাব বের হতেন এবং জুমার সালাত আদায় করতেন। আবু সুহাইলের পিতা মালিক বলেন: এরপর আমরা জুমার সালাত শেষে ফিরে আসতাম এবং দ্বিপ্রহরের বিশ্রাম নিতাম।
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১০)
14 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ عنِ ابْنِ أَبِي سَلِيطٍ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ «صَلَّى الْجُمُعَةَ بِالْمَدِينَةِ، وَصَلَّى الْعَصْرَ بِمَلَلٍ»، قَالَ مَالِكٌ: «وَذَلِكَ لِلتَّهْجِيرِ وَسُرْعَةِ السَّيْرِ»
১৪ - এবং আমার নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাযিনী থেকে, তিনি ইবনে আবি সালীত থেকে যে, উসমান ইবনে আফফান মদিনায় জুমার সালাত আদায় করেন এবং ‘মালালে’ আসরের সালাত আদায় করেন। মালিক বলেন: "তা ছিল দ্বিপ্রহরের প্রখর তাপে দ্রুত ভ্রমণের কারণে।"
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১০)
بَابُ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلَاةِ
যে ব্যক্তি সালাতের এক রাকাত পেয়েছে, তার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১০)
15 - حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلَاةِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلَاةَ»
১৫ - ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক হতে, তিনি ইবনে শিহাব হতে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান হতে, তিনি আবু হুরাইরা হতে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি সালাতের এক রাকাত পেল, সে অবশ্যই সালাত পেল।»
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১০)
16 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ كَانَ يَقُولُ: «إِذَا فَاتَتْكَ الرَّكْعَةُ فَقَدْ فَاتَتْكَ السَّجْدَةُ»
১৬ - আর তিনি আমার নিকট মালিক থেকে, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব বলতেন: "যদি তোমার রাকাআত ছুটে যায়, তবে তোমার সিজদাও নিশ্চিতভাবে ছুটে গেল।"
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১০)
17 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ أَنَّهُ بَلَغَهُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ وَزَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَانَا يَقُولَانِ: «مَنْ أَدْرَكَ الرَّكْعَةَ فَقَدْ أَدْرَكَ السَّجْدَةَ»
17 - এবং মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর এবং জায়েদ ইবনে সাবিত বলতেন: "যে ব্যক্তি রাকাত পেল, সে সিজদাহ পেয়ে গেল।"
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১১)
18 - وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مالِكٍ؛ أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَقُولُ: «مَنْ أَدْرَكَ الرَّكْعَةَ فَقَدْ أَدْرَكَ السَّجْدَةَ، وَمَنْ فَاتَهُ قِرَاءَةُ أُمِّ الْقُرْآنِ فَقَدْ فَاتَهُ خَيْرٌ كَثِيرٌ»
১৮ - এবং ইয়াহইয়া আমার নিকট মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আবু হুরায়রা (রা.) বলতেন: «যে ব্যক্তি রাকাত পেল, সে সাজদাহ পেল; আর যার উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করা ছুটে গেল, তার থেকে অনেক কল্যাণ ছুটে গেল।»
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১১)
بَابُ مَا جَاءَ فِي دُلُوكِ الشَّمْسِ وَغَسَقِ اللَّيْلِ
সূর্য ঢলে পড়া এবং রাতের অন্ধকার বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে তার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১১)
19 - حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ: «دُلُوكُ الشَّمْسِ مَيْلُهَا»
১৯ - ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলতেন: “সূর্যের ঢলে পড়া (দিলুক) হলো এর হেলে যাওয়া।”
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১১)
20 - عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ قَالَ أَخْبَرَنِي مُخْبِرٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ كَانَ يَقُولُ: «دُلُوكُ الشَّمْسِ إِذَا فَاءَ الْفَيْءُ، وَغَسَقُ اللَّيْلِ اجْتِمَاعُ اللَّيْلِ وَظُلْمَتُهُ»
২০ - দাউদ ইবনুল হুসাইন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাকে একজন সংবাদদাতা জানিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলতেন: “সূর্য ঢলে পড়া হলো যখন ছায়া ফিরে আসে, এবং রাতের অন্ধকার হলো রাতের পুঞ্জীভূত হওয়া ও তার অন্ধকার।”
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১১)
بَابُ جَامِعِ الْوُقُوتِ
ওয়াক্তসমূহের বিবিধ মাসআলার অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১১)
21 - حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ⦗ص: 12⦘ «الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ كَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ»
২১ - ইয়াহইয়া আমার নিকট মালিক থেকে, তিনি নাফে‘ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘ “যার আসরের সালাত ছুটে গেল, সে যেন তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ হারিয়ে ফেলল।”
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১২)
22 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ انْصَرَفَ مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ فَلَقِيَ رَجُلًا لَمْ يَشْهَدِ الْعَصْرَ. فَقَالَ عُمَرُ: «مَا حَبَسَكَ عَنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ»؟ فَذَكَرَ لَهُ الرَّجُلُ عُذْرًا، فَقَالَ عُمَرُ: «طَفَّفْتَ» قَالَ يَحْيَى: قَالَ مَالِكٌ، وَيُقَالُ: «لِكُلِّ شَيْءٍ وَفَاءٌ وَتَطْفِيفٌ»
২২ - এবং মালিক আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব আসরের সালাত শেষে প্রত্যাবর্তন করছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি এমন এক ব্যক্তির সাক্ষাৎ পেলেন যে আসরের সালাতে উপস্থিত হতে পারেনি। উমর বললেন: «তোমাকে আসরের সালাত থেকে কিসে আটকে রেখেছিল?» তখন সেই ব্যক্তি তাঁর নিকট একটি ওজর পেশ করল। উমর বললেন: «তুমি মাপে কম দিলে (হক আদায়ে কমতি করলে)» ইয়াহইয়া বলেন: মালিক বলেছেন, এবং বলা হয়ে থাকে: «প্রত্যেক জিনিসেরই পূর্ণতা এবং মাপে কম দেওয়ার (অসম্পূর্ণতার) দিক রয়েছে»
(খণ্ড: ১)
মুয়াত্তা মালেক - রেওয়ায়াতে ইয়াহইয়া - ত আব্দুল বাকী
(পৃষ্ঠা: ১২)
23 - وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «إِنَّ الْمُصَلِّيَ لَيُصَلِّي الصَّلَاةَ وَمَا فَاتَهُ وَقْتُهَا. وَلَمَا فَاتَهُ مِنْ وَقْتِهَا أَعْظَمُ، أَوْ أَفْضَلُ مِنْ أَهْلِهِ وَمَالِهِ» قَالَ يَحْيَى: قَالَ مَالِكٌ: «مَنْ أَدْرَكَ الْوَقْتَ وَهُوَ فِي سَفَرٍ، فَأَخَّرَ الصَّلَاةَ سَاهِيًا أَوْ نَاسِيًا، حَتَّى قَدِمَ عَلَى أَهْلِهِ أَنَّهُ، إِنْ كَانَ قَدِمَ عَلَى أَهْلِهِ وَهُوَ فِي الْوَقْتِ، فَلْيُصَلِّ صَلَاةَ الْمُقِيمِ. وَإِنْ كَانَ قَدْ قَدِمَ وَقَدْ ذَهَبَ الْوَقْتُ، فَلْيُصَلِّ صَلَاةَ الْمُسَافِرِ. لِأَنَّهُ إِنَّمَا يَقْضِي مِثْلَ الَّذِي كَانَ عَلَيْهِ» ⦗ص: 13⦘ قَالَ مَالكٌ: «وَهَذَا الْأَمْرُ هُوَ الَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ النَّاسَ، وَأَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا» وقَالَ مَالِكٌ: «الشَّفَقُ الْحُمْرَةُ الَّتِي فِي الْمَغْرِبِ. فَإِذَا ذَهَبَتِ الْحُمْرَةُ، فَقَدْ وَجَبَتْ صَلَاةُ الْعِشَاءِ، وَخَرَجْتَ مِنْ وَقْتِ الْمَغْرِبِ»
২৩ - মালিক আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলতেন: «নিশ্চয়ই মুসল্লি নামাজ আদায় করে অথচ তার ওয়াক্ত অতিবাহিত হয়ে যায়নি। কিন্তু ওয়াক্তের (ফজিলত) থেকে যা সে হারিয়েছে, তা তার পরিবার ও ধন-সম্পদ অপেক্ষা মহান বা শ্রেষ্ঠ» ইয়াহইয়া বলেন: মালিক বলেছেন: «যে ব্যক্তি সফর অবস্থায় থাকাকালে নামাজের ওয়াক্ত পেয়েছে, অতঃপর ভুলবশত বা বিস্মৃতির কারণে নামাজ বিলম্বিত করেছে, এমনকি সে তার পরিবারের নিকট পৌঁছে গেছে; সে যদি ওয়াক্ত থাকতেই পৌঁছে থাকে, তবে সে মুকিমের নামাজ আদায় করবে। আর যদি ওয়াক্ত পার হওয়ার পর পৌঁছায়, তবে সে মুসাফিরের নামাজ আদায় করবে। কারণ, সে কেবল যা তার ওপর (সফর অবস্থায়) অবধারিত হয়েছিল, তারই কাজা করবে» ⦗পৃষ্ঠা: ১৩⦘ মালিক বলেন: «এই বিষয়টিই আমি আমাদের শহরের মানুষ ও আলেমগণের মাঝে প্রচলিত পেয়েছি» মালিক আরও বলেন: «শাফাক হলো পশ্চিমাকাশের লাল আভা। যখন সেই লাল আভা অপসারিত হয়, তখন ইশার নামাজ ওয়াজিব হয় এবং মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়»