(খণ্ড: ১) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: -)
ميزان الاعتدال   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: ميزان الاعتدال في نقد الرجال

المؤلف: شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قَايْماز الذهبي (ت 748 هـ)

تحقيق: علي محمد البجاوي [ت 1399 هـ]

الناشر: دار المعرفة للطباعة والنشر، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1382 هـ - 1963 م

عدد الأجزاء: 4

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মিজানুল ইতিদাল   (শামসুদ্দিন আয-যাহাবী)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমষ্টি


গ্রন্থ: মিজানুল ইতিদাল ফি নাকদির রিজাল

লেখক: শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান বিন কায়মাজ আয-যাহাবী (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি)

সম্পাদনা: আলী মুহাম্মদ আল-বেজাবী [মৃত্যু ১৩৯৯ হিজরি]

প্রকাশক: দারুল মা'রিফাহ মুদ্রণ ও প্রকাশনা, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৩৮২ হিজরি - ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৪

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলা পাঠাগারে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الحكم العدل، العلي الكبير، اللطيف الخبير، الماجد البصير، الذي خلق كل شئ فأحسن التقدير، ودبر الخلائق فأكمل التدبير، وقضى بحكمته على العباد بالسعادة والشقاوة، فريق في الجنة وفريق في السعير، وأرسل رسله الكرام بأصدق الكلام، وأبين التحرير، وختمهم بالسيد أبي القاسم البشير النذير، السراج المنير، فأرسله رحمة للعالمين من نار السعير، وحفظ شريعته من التبديل والتغيير، وصير أمته خير أمة أخرجت [للناس] (1) فيا حبذا التصيير، وجعل فيهم أئمة ونقادا يدققون في النفير والقطمير، ويتبصرون في ضبط آثار نبيهم أتم التبصير، ويتعوذون بالله من الهوى والتقصير، ويتكلمون في مراتب الرجال وتقرير أحوالهم، من الصدق والكذب، والقوة والضعف، أحسن تقرير.

وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، شهادة أدخرها لسؤال منكر ونكير، وأردفها بشهادة أن محمدا عبده ورسوله خير نبي وأصدق نذير، صلى الله عليه وعلى آله أولي العزم والتشمير.

أما بعد - هدانا الله وسددنا، ووفقنا لطاعته - فهذا كتاب جليل مبسوط، في إيضاح نقله العلم النبوي، وحملة الآثار، ألفته بعد كتابي المنعوت بالمغني، وطولت العبارة، وفيه أسماء عدة من الرواة زائدا على من في المغني، زدت معظمهم من الكتاب الحافل (2) المذيل على الكامل لابن عدي.

وقد ألف الحفاظ مصنفات جمة في الجرح والتعديل ما بين اختصار وتطويل، فأول من جمع كلامه في ذلك الإمام الذي قال فيه أحمد بن حنبل: ما رأيت بعيني مثل يحيى بن سعيد القطان، وتكلم في ذلك بعده تلامذته: يحيى بن معين، وعلي

--------------------------------------------

(1) ليس في خ.

(2) الحافل للشيخ أبى العباس أحمد بن محمد بن مفرج البنانى الاشبيلى المغروف بابن الرومية المتوفى سنة 627، وهو ذيل يقال له الحافل في تكملة الكامل في معرفة الضعفاء والمتروكين من الرواة لابن عدى الجرحانى المتوفى سنة 365 (هـ - ل) .

(*)
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি পরম বিচারক, ইনসাফকারী, সুউচ্চ, মহান, সূক্ষ্মদর্শী, সর্বজ্ঞ, মহিমান্বিত ও সর্বদ্রষ্টা; যিনি প্রতিটি বস্তু সৃষ্টি করেছেন এবং তার সর্বোত্তম পরিমাপ নির্ধারণ করেছেন; যিনি মাখলুকাতের ব্যবস্থাপনা করেছেন এবং সেই ব্যবস্থাপনাকে পূর্ণতা দান করেছেন; এবং যিনি স্বীয় প্রজ্ঞা দ্বারা বান্দাদের জন্য সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের ফয়সালা করেছেন—এক দল জান্নাতে এবং এক দল প্রজ্বলিত অগ্নিতে। তিনি তাঁর সম্মানিত রাসূলগণকে সত্যতম কালাম ও সুস্পষ্ট লেখনীসহ প্রেরণ করেছেন এবং তাঁদের ধারা সমাপ্ত করেছেন সাইয়্যিদ আবুল কাসেমের মাধ্যমে, যিনি সুসংবাদদাতা, সতর্ককারী ও উজ্জ্বল প্রদীপ; যাকে তিনি জগতসমূহের জন্য প্রজ্বলিত অগ্নি হতে রক্ষাকারী রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। তিনি তাঁর শরীয়তকে পরিবর্তন ও পরিমার্জন থেকে হেফজ করেছেন এবং তাঁর উম্মতকে মানুষের কল্যাণে নির্গত সর্বোত্তম উম্মত হিসেবে মনোনীত করেছেন—কতই না উত্তম এই মনোনয়ন! তিনি তাদের মধ্যে এমন সব ইমাম ও সমালোচক সৃষ্টি করেছেন যারা অতি সামান্য বিষয়েও সূক্ষ্ম তদারকি করেন, তাঁদের নবীর সুন্নাহ সংরক্ষণে পূর্ণ দূরদর্শিতার পরিচয় দেন, প্রবৃত্তি ও অবহেলা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেন এবং রাবীদের স্তরবিন্যাস ও তাদের সত্যবাদিতা-মিথ্যাচার এবং সবলতা-দুর্বলতা বিষয়ক অবস্থা বর্ণনায় সর্বোত্তম নিরূপণ পেশ করেন।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই—এমন এক সাক্ষ্য যা আমি মুনকার ও নাকীরের সওয়ালের জন্য সঞ্চয় করে রাখছি। আমি এর সাথে আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যিনি সর্বোত্তম নবী ও সত্যতম সতর্ককারী; তাঁর ওপর এবং তাঁর সংকল্পবদ্ধ ও কর্মতৎপর পরিবার-পরিজনের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

অতঃপর—আল্লাহ আমাদের হেদায়াত দান করুন, সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং তাঁর আনুগত্যের তাওফীক দান করুন—এটি ইলমে নববীর বর্ণনাকারী এবং হাদীস বহনকারীদের পরিচয় স্পষ্টীকরণে একটি সুবিন্যস্ত ও মহান গ্রন্থ। এটি আমি আমার 'আল-মুগনী' নামক গ্রন্থের পর সংকলন করেছি এবং এতে বর্ণনা দীর্ঘ করেছি। এতে 'আল-মুগনী'র অতিরিক্ত বহু রাবীর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশকেই আমি ইবনে আদীর 'আল-কামিল' গ্রন্থের পরিশিষ্ট হিসেবে রচিত 'আল-হাফিল' (২) নামক গ্রন্থ থেকে চয়ন করেছি।

হাফেজগণ 'জারহ ও তাদীল' (রাবীদের সমালোচনা ও প্রশংসা) বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। এ বিষয়ে যার বক্তব্য সর্বপ্রথম সংকলিত হয়েছে তিনি হলেন সেই ইমাম, যাঁর সম্পর্কে আহমদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: 'আমি নিজের চোখে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-ক্বাত্তানের মতো আর কাউকে দেখিনি।' তাঁর পরে তাঁর ছাত্ররা এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আলী...

--------------------------------------------

(১) এটি পাণ্ডুলিপি 'খা'-তে নেই।

(২) 'আল-হাফিল' গ্রন্থটি শেখ আবু আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুফাররিজ আল-বুনানি আল-ইশবিলি—যিনি ইবনুর রূমিয়াহ (মৃত্যু ৬২৭ হি.) নামে পরিচিত—তাঁর রচিত। এটি একটি পরিশিষ্ট যাকে বলা হয় 'আল-হাফিল ফি তাকমিলাতিল কামিল ফি মা'রিফাতিদ দু'আফা ওয়াল মাত্রুকিন মিনাল রুওয়াত', যা ইবনে আদি আল-জুরজানি (মৃত্যু ৩৬৫ হি.) এর মূল গ্রন্থের তকমিল বা পরিপূরক।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢)
ابن المديني، وأحمد بن حنبل، وعمرو بن أبي الفلاس، وأبو خيثمة، وتلامذتهم، كأبي زرعة، وأبي حاتم، والبخاري، ومسلم، وأبي إسحاق الجوزجاني السعدي، وخلق من بعدهم، مثل النسائي، وابن خزيمة، والترمذي، والدولابي، والعقبلي، وله مصنف مفيد في معرفة الضعفاء.

ولأبي حاتم بن حبان كتاب كبير عندي في ذلك.

ولأبي أحمد بن عدي كتاب الكامل، هو أكمل الكتب وأجلها في ذلك، وكتاب أبي الفتح الأزدي، وكتاب أبي محمد بن أبي حاتم في الجرح والتعديل، والضعفاء للدار قطني، والضعفاء للحاكم، وغير ذلك.

وقد ذيل ابن طاهر المقدسي على الكامل لابن عدي بكتاب لم أره، وصنف

أبو الفرج بن الجوزي كتاباً كبيرا في ذلك كنت اختصرته أولا، ثم ذيلت عليه ذيلا بعد ذيل.

والساعة فقد استخرت الله عزوجل في عمل هذا المصنف، ورتبته على حروف المعجم حتى في الآباء، ليقرب تناوله، ورمزت على اسم الرجل من أخرج له في كتابه من الأئمة الستة: البخاري، ومسلم، وأبي داود، والنسائي، والترمذي، وابن ماجه برموزهم السائرة، فإن اجتمعوا على إخراج رجل فالرمز (ع) وإن اتفق عليه أرباب السنن الأربعة فالرمز (عو) .

وفيه من تكلم فيه مع ثقته وجلالته بأدنى لين، وبأقل تجريح، فلولا أن ابن عدي أو غيره من مؤلفي كتب الجرح ذكروا ذلك الشخص لما ذكرته لثقته، ولم أر من الرأي أن أحذف اسم أحد ممن له ذكر بتليين ما في كتب الأئمة المذكورين، خوفاً من أن يتعقب عليّ، لا أني ذكرته لضعف فيه عندي، إلا ما كان في كتاب البخاري وابن عدي وغيرهما - من الصحابة فإني أسقطهم لجلالة الصحابة، ولا أذكرهم في هذا المصنف، فإن الضعف إنما جاء من جهة الرواة إليهم.

وكذا لا أذكر في كتابي من الأئمة المتبوعين في الفروع أحدا لجلالتهم في الإسلام وعظمتهم في النفوس، مثل أبي حنيفة، والشافعي، والبخاري، فإن ذكرت أحدا منهم
ইবনে আল-মাদিনী, আহমাদ ইবনে হাম্বল, আমর ইবনে আবি আল-ফাল্লাস, আবু খাইসামা এবং তাঁদের ছাত্রবৃন্দ, যেমন আবু জুরআহ, আবু হাতিম, বুখারী, মুসলিম, আবু ইসহাক আল-জুজাজানি আল-সাদি এবং তাঁদের পরবর্তী অসংখ্য ইমাম, যেমন নাসাঈ, ইবনে খুযাইমাহ, তিরমিযী, আদ-দুলাবি এবং আল-উকাইলি; আর দুর্বল রাবীদের পরিচয় বিষয়ে তাঁর (আল-উকাইলি) একটি অত্যন্ত উপকারী গ্রন্থ রয়েছে।

আর এই বিষয়ে আবু হাতিম ইবনে হিব্বানের একটি বৃহৎ গ্রন্থ আমার নিকট রয়েছে।

আর আবু আহমাদ ইবনে আদীর 'আল-কামিল' গ্রন্থটি রয়েছে, যা এই বিষয়ের গ্রন্থসমূহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গতম ও সর্বশ্রেষ্ঠ। এছাড়া রয়েছে আবু আল-ফাতহ আল-আযদি-র গ্রন্থ, জারহ ও তা'দিল বিষয়ে আবু মুহাম্মদ ইবনে আবি হাতিমের গ্রন্থ, দারা কুতনী-র 'আদ-দুয়াফা' এবং হাকিমের 'আদ-দুয়াফা' সহ অন্যান্য গ্রন্থ।

ইবনে তাহির আল-মাকদিসি ইবনে আদীর 'আল-কামিল' গ্রন্থের ওপর একটি পরিশিষ্ট লিখেছেন যা আমি দেখিনি। আর

আবু আল-ফারাজ ইবনুল জাওযী এই বিষয়ে একটি বিশাল গ্রন্থ রচনা করেছেন যা আমি প্রথমে সংক্ষেপ করেছিলাম এবং পরবর্তীতে একের পর এক পরিশিষ্ট সংযোজন করেছি।

বর্তমানে আমি এই গ্রন্থটি সংকলনের বিষয়ে মহান আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করেছি। এটি ব্যবহারের সুবিধার্থে আমি একে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছি, এমনকি পিতাদের নামের ক্ষেত্রেও। যেসকল ব্যক্তির হাদীস ছয় ইমাম—বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ—তাঁদের গ্রন্থে সংকলন করেছেন, তাঁদের নামের পাশে প্রচলিত প্রতীকসমূহ ব্যবহার করেছি। যদি তাঁরা সকলে কোনো রাবীর বর্ণনার ব্যাপারে একমত হন তবে প্রতীক হলো (ع), আর যদি চার সুনান গ্রন্থকারগণ একমত হন তবে প্রতীক হলো (عو)।

এই গ্রন্থে এমন ব্যক্তিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যাঁদের নির্ভরযোগ্যতা ও মর্যাদা সত্ত্বেও সামান্য শিথিলতা বা নূ্যনতম সমালোচনার মাধ্যমে তাঁদের বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। ইবনে আদী বা জারহ বিষয়ক গ্রন্থসমূহের অন্যান্য লেখকগণ যদি সেই ব্যক্তিকে উল্লেখ না করতেন, তবে তাঁর নির্ভরযোগ্যতার কারণে আমি তাঁকে উল্লেখ করতাম না। উল্লেখিত ইমামগণের কিতাবসমূহে সামান্যতম শিথিলতার উল্লেখ রয়েছে এমন কাউকে বাদ দেওয়া আমি সমীচীন মনে করিনি, পাছে কেউ আমার ওপর আপত্তি তোলেন। আমি যে তাঁদের দুর্বল মনে করি বলে উল্লেখ করেছি তা নয়। তবে বুখারী, ইবনে আদী ও অন্যান্যদের গ্রন্থে যেসকল সাহাবীর নাম এসেছে, তাঁদের আমি বাদ দিয়েছি। সাহাবায়ে কিরামের সুমহান মর্যাদার কারণে আমি এই গ্রন্থে তাঁদের উল্লেখ করিনি; কেননা দুর্বলতা মূলত তাঁদের পরবর্তী রাবীদের সূত্রেই প্রবেশ করেছে।

তদ্রূপ, ফিকহ শাস্ত্রের অনুসরণীয় ইমামগণের কাউকেও আমি আমার গ্রন্থে উল্লেখ করিনি। কারণ ইসলামে তাঁদের সুমহান মর্যাদা এবং মানুষের হৃদয়ে তাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব অনস্বীকার্য, যেমন আবু হানিফা, শাফিঈ এবং বুখারী। আমি যদি তাঁদের কাউকে উল্লেখ করে থাকি...
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٣)
فأذكره على الإنصاف، وما يضره (1) ذلك عند الله ولا عند الناس، إذ إنما يضر الإنسان الكذب، والإصرار على كثرة الخطأ، والتجري على تدليس الباطل، فإنه خيانة وجناية، والمرء المسلم / يطبع على كل شئ إلا الخيانة والكذب.

وقد احتوى كتابي هذا على ذكر الكذابين الوضاعين المتعمدين قاتلهم الله، وعلى الكاذبين في أنهم سمعوا ولم يكونوا سمعوا، ثم على المتهمين بالوضع أو بالتزوير، ثم على الكذابين في لهجتهم لا في الحديث النبوي، ثم على المتروكين الهلكى الذين

كثر خطؤهم وترك حديثهم ولم يعتمد على روايتهم، ثم على الحفاظ الذين في دينهم رقة، وفي عدالتهم وهن، ثم على المحدثين الضعفاء من قبل حفظم، فلهم غلط وأوهام، ولم يترك حديثهم، بل يقبل ما رووه في الشواهد والاعتبار بهم لا في الأصول والحلال والحرام، ثم على المحدثين الصادقين أو الشيوخ المستورين الذين فيهم لين ولم يبلغوا رتبة الإثبات المتقنين (2) ، ثم على خلق كثير من المجهولين ممن ينص أبو حاتم الرازي على أنه مجهول، أو يقول (3) غيره: لا يعرف أو فيه جهالة أو يجهل، أو نحو ذلك من العبارات التي تدل على عدم شهرة الشيخ بالصدق، إذ المجهول غير محتج به، ثم على الثقات الإثبات الذين فيهم بدعة، أو الثقات الذين تكلم فيهم من لا يلتفت إلى كلامه في ذلك الثقة، لكونه تعنت فيه، وخالف الجمهور من أولى النقد والتحرير، فإنا لا ندعى العصمة من السهو والخطأ في الاجتهاد في غير الأنبياء.

ثم البدعة كبرى وصغرى، روى عاصم الأحول عن ابن سيرين قال: لم يكونوا يسألون عن الإسناد حتى وقعت الفتنة، فلما وقعت نظروا من كان من أهل السنة أخذوا حديثه، ومن كان من أهل البدعة تركوا حديثه.

وروى هشام، عن الحسن قال:: لا تفاتحوا أهل الأهواء، ولا تسمعوا منهم، فالتليين بالبدعة باب سلف (4) فيه اختلاف بين العلماء ليس هذا موضع تقريره.

ولم أتعرض لذكر من قيل فيه: محله الصدق، ولا من قيل فيه: لا بأس به،

--------------------------------------------

(1) ل: وما يضر.

(2) في ل - بعد كلمة المتقنين: وما أوردت منهم إلا من وجدته في كتاب أسماء الضعفاء (3) ل: قال.

(4) خ، هـ: صلف.

(*)
তাই আমি ইনসাফের সাথেই তাকে উল্লেখ করছি, আর এটি আল্লাহর নিকট বা মানুষের নিকট তার কোনো ক্ষতি করবে না। কেননা মানুষের ক্ষতি করে কেবল মিথ্যাচার, ভুলের ওপর অটল থাকা এবং বাতিলকে জালিয়াতির মাধ্যমে চালিয়ে দেওয়ার ধৃষ্টতা প্রদর্শন করা; কারণ এটি একটি খিয়ানত ও অপরাধ। আর একজন মুসলিম ব্যক্তি খিয়ানত ও মিথ্যাচার ব্যতীত অন্য যেকোনো স্বভাবের ওপর গড়ে উঠতে পারে।

আমার এই গ্রন্থটি অন্তর্ভুক্ত করেছে ইচ্ছাকৃত মিথ্যাবাদী ও হাদীস জালকারীদের—আল্লাহ তাদের ধ্বংস করুন—এবং সেই সব মিথ্যাবাদীদের যারা হাদীস শ্রবণ না করা সত্ত্বেও শ্রবণের দাবি করেছে। এরপর এমন ব্যক্তিদের যারা জালকরণ বা জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত। এরপর যারা নিজেদের কথাবার্তায় মিথ্যাবাদী কিন্তু নবী করীম (সা.)-এর হাদীসের ক্ষেত্রে নয়। এরপর সেই সব পরিত্যক্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের যাদের

ভুল অধিক এবং যাদের হাদীস বর্জন করা হয়েছে ও যাদের বর্ণনার ওপর নির্ভর করা হয়নি। এরপর সেই সব হাফিজগণ যাদের দ্বীনদারিতে শিথিলতা এবং বিশ্বস্ততায় দুর্বলতা রয়েছে। এরপর সেই সব দুর্বল মুহাদ্দিসগণ যারা নিজেদের মুখস্থশক্তির দিক থেকে দুর্বল, ফলে তাদের ভুল ও ভ্রান্তি ঘটে; তবে তাদের হাদীস একেবারে বর্জন করা হয়নি, বরং তাদের বর্ণিত হাদীস শাহিদ (সাক্ষ্য) ও ইতিবার (পর্যালোচনা) হিসেবে গ্রহণ করা হয়, মূল দলিল কিংবা হালাল-হারামের ক্ষেত্রে নয়। এরপর সেই সব সত্যবাদী মুহাদ্দিস বা অখ্যাত শায়খগণ যাদের বর্ণনায় শিথিলতা রয়েছে এবং তারা সুদৃঢ় ও পারদর্শী বর্ণনাকারীদের স্তরে পৌঁছাতে পারেননি (২), এরপর বহুসংখ্যক মাজহুল বা অজ্ঞাত পরিচয় বর্ণনাকারী যাদের সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাজি স্পষ্ট করে বলেছেন যে সে ‘মাজহুল’, অথবা অন্য কেউ (৩) বলেছেন: ‘চেনা যায় না’ বা ‘তার মাঝে অজ্ঞতা রয়েছে’ কিংবা ‘সে অজ্ঞাত’, অথবা অনুরূপ এমন সব শব্দ যা সেই শায়খের সত্যবাদিতার প্রসিদ্ধি না থাকাকে বুঝায়; কেননা মাজহুল ব্যক্তির বর্ণনা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। এরপর সেই সব নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী যাদের মাঝে বিদআত রয়েছে, অথবা সেই সব নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যাদের সম্পর্কে এমন কেউ সমালোচনা করেছেন যার কথা সেই বিশ্বস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ধর্তব্য নয়; কারণ তিনি তার বিষয়ে কঠোরতা অবলম্বন করেছেন এবং বিজ্ঞ ও সূক্ষ্মদর্শী সমালোচকগণের জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের বিরোধিতা করেছেন। কেননা আমরা নবীগণ ব্যতীত অন্য কারও ক্ষেত্রে ইজতিহাদের ভুলভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে মাসুম বা নিষ্পাপ হওয়ার দাবি করি না।

অতঃপর বিদআত বড় ও ছোট—দুই প্রকার। আসেম আল-আহওয়াল ইবনে সিরীন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফিতনা সংঘটিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা ইসনাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করত না। অতঃপর যখন ফিতনা সংঘটিত হলো, তারা লক্ষ্য করতে শুরু করল যে ব্যক্তি আহলুস সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত তারা তার হাদীস গ্রহণ করত, আর যে বিদআতপন্থীদের অন্তর্ভুক্ত তারা তার হাদীস বর্জন করত।

হিশাম হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তোমরা প্রবৃত্তিপূজারীদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়ো না এবং তাদের কথা শুনো না। বিদআতের কারণে কাউকে দুর্বল সাব্যস্ত করার বিষয়টি এমন একটি অধ্যায় যেখানে পূর্বসূরি ওলামায়ে কেরামের মাঝে মতভেদ রয়েছে, এটি তা বিস্তারিত আলোচনার স্থান নয় (৪)।

আমি সেই সব বর্ণনাকারীদের উল্লেখ করিনি যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে: ‘তিনি সত্যবাদিতার স্থানে রয়েছেন’, কিংবা যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে: ‘তাতে কোনো অসুবিধা নেই’

--------------------------------------------

(১) ‘লাম’ পাণ্ডুলিপিতে: আর তা ক্ষতি করে না।

(২) ‘লাম’ পাণ্ডুলিপিতে—‘পারদর্শী’ শব্দের পর রয়েছে: আর আমি তাদের মধ্য থেকে কেবল তাকেই উল্লেখ করেছি যাকে আমি ‘আসমাউজ জুয়াফা’ গ্রন্থে পেয়েছি। (৩) ‘লাম’ পাণ্ডুলিপিতে: বলেছেন।

(৪) ‘খা’ ও ‘হা’ পাণ্ডুলিপিতে: কঠোরতা।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٤)
ولا من قيل: هو صالح الحديث، أو يكتب حديثه، أو هو شيخ، فإن هذا وشبهه يدل على عدم الضعف المطلق.

فأعلى العبارات في الرواة المقبولين: ثبت حجة، وثبت حافظ، وثقة متقن،

وثقة ثقة، ثم ثقة صدوق، ولا بأس به، وليس به بأس، ثم محله الصدق، وجيد الحديث، وصالح الحديث، وشيخ وسط، وشيخ حسن الحديث، وصدوق إن شاء الله، وصويلح، ونحو ذلك.

وأردى عبارات الجرح: دجال كذاب.

أو وضاع يضع الحديث.

ثم متهم بالكذب.

ومتفق على تركه، ثم متروك ليس (1) بثقة، وسكتوا عنه، وذاهب الحديث.

وفيه نظر، وهالك (2) ، وساقط، ثم واه بمرة، وليس بشئ، وضعيف جدا.

وضعفوه.

ضعيف وواه [ومنكر الحديث] (3) ونحو ذلك، ثم يضعف، وفيه ضعف.

وقد ضعف، ليس بالقوي، ليس (4) بحجة..ليس بذاك.

يعرف وينكر (5) .

فيه مقال.

تكلم فيه.

لين.

سيئ الحفظ.

لا يحتج به.

اختلف فيه.

صدوق لكنه مبتدع.

ونحو ذلك من العبارات التي تدل بوضعها على إطراح الراوي بالأصالة، أو على ضعفه، أو على التوقف فيه، أو على جواز أن يحتج به مع لين ما فيه.

نعم، وكذلك من قد تكلم فيه من المتأخرين لا أورد منهم إلا من قد تبين ضعفه، واتضح أمره من الرواة، إذ العمدة في زماننا ليس على الرواة، بل على المحدثين والمقيدين والذين عرفت عدالتهم وصدقهم في ضبط أسماء السامعين.

ثم من المعلوم أنه لابد من صون الراوي وستره فالحد الفاصل بين المتقدم والمتأخر هو رأس سنة ثلثمائة، ولو فتحت على نفسي تليين هذا الباب لما سلم من إلا القليل، إذ الأكثر لا يدرون ما يروون، ولا يعرفون هذا الشأن، إنما سمعوا في الصغر، واحتيج إلى علو سندهم في الكبر، فالعمدة (6) على من قرأ لهم، وعلى من أثبت طباق السماع لهم، كما هو مبسوط في علوم الحديث، والله الموفق، وبه الاستعانة، ولا قوة إلا به.

--------------------------------------------

(1) ل: وليس.

(2) خ: وفيه نظر هالك.

(3) زيادة في ل وحدها.

(4) ل: غير حجة.

(5) هـ: تعرف وتنكر (6) ل: والعهدة.

(*)
তেমনিভাবে তারা অন্তর্ভুক্ত নন যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে: 'তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে যোগ্য', অথবা 'তার হাদিস লিখে রাখা হয়', অথবা 'তিনি একজন শাইখ'। কারণ এগুলো এবং এই জাতীয় শব্দসমূহ পরম দুর্বলতা না থাকার ইঙ্গিত দেয়।

গ্রহণযোগ্য বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্তরের পরিভাষাগুলো হলো: 'সুদৃঢ় দলিল', 'সুদৃঢ় হিফজের অধিকারী', এবং 'নির্ভরযোগ্য ও নিখুঁত'।

অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য, তারপর নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী, তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তার মধ্যে কোনো দোষ নেই। এরপর হলো 'তিনি সত্যবাদী হওয়ার যোগ্য', 'চমৎকার হাদিস বর্ণনাকারী', 'যোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী', 'মধ্যম মানের শাইখ', 'উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী শাইখ', 'ইনশাআল্লাহ সত্যবাদী', 'সামান্য যোগ্য', এবং এই জাতীয় শব্দাবলি।

আর জারহ বা সমালোচনার সবচেয়ে নিকৃষ্ট পরিভাষা হলো: 'চরম মিথ্যাবাদী প্রতারক'।

অথবা 'হাদিস জালকারী', যে হাদিস জাল করে।

এরপর 'মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত'।

এবং 'যাকে বর্জন করার ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছে'। এরপর 'পরিত্যক্ত', 'নির্ভরযোগ্য নন' (১), 'তার ব্যাপারে তারা নীরবতা অবলম্বন করেছেন', এবং 'তার হাদিস বিলুপ্ত'।

'তার ব্যাপারে আপত্তি আছে', 'ধ্বংসপ্রাপ্ত' (২), 'বর্জিত'। এরপর 'একান্তই দুর্বল', 'তার কোনো গুরুত্ব নেই', এবং 'খুবই দুর্বল'।

'মুহাদ্দিসগণ তাকে দুর্বল বলেছেন'।

'দুর্বল', 'অসার', '[প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী]' (৩) এবং এই জাতীয় শব্দাবলি। এরপর 'তাকে দুর্বল গণ্য করা হয়' এবং 'তার মধ্যে দুর্বলতা আছে'।

'তাকে দুর্বল বলা হয়েছে', 'তিনি শক্তিশালী নন', 'তিনি দলীলযোগ্য নন' (৪), 'তেমন আহামরি কেউ নন'।

'তার কিছু হাদিস চেনা যায় আবার কিছু অস্বীকার করা হয়' (৫)।

'তার ব্যাপারে সমালোচনা আছে'।

'তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করা হয়েছে'।

'শিথিল'।

'স্মৃতিশক্তি দুর্বল'।

'তাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না'।

'তার ব্যাপারে মতভেদ আছে'।

'সত্যবাদী কিন্তু বিদআতি'।

এবং এই জাতীয় অন্যান্য শব্দাবলি যা সরাসরি বর্ণনাকারীকে বর্জন করার প্রতি নির্দেশ করে, অথবা তার দুর্বলতার প্রতি, অথবা তার ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীন থাকার প্রতি, অথবা তার মধ্যে শিথিলতা থাকা সত্ত্বেও তাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করার বৈধতার প্রতি নির্দেশ করে।

হ্যাঁ, তেমনিভাবে পরবর্তী যুগের আলেমদের মধ্য থেকে যাদের সমালোচনা করা হয়েছে, আমি তাদের মধ্যে কেবল তাদেরই উল্লেখ করব যাদের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে গেছে এবং বর্ণনাকারীদের মধ্যে যাদের অবস্থা পরিষ্কার। কারণ আমাদের যুগে নির্ভরতা বর্ণনাকারীদের ওপর নয়, বরং মুহাদ্দিসগণ, যারা লিপি সংরক্ষণ করেন এবং শ্রবণকারীদের নাম নিখুঁতভাবে নিবন্ধনে যাদের ন্যায়পরায়ণতা ও সত্যবাদিতা পরিচিতি লাভ করেছে, তাদের ওপর।

এরপর এটি তো সবার জানা যে, বর্ণনাকারীর সম্মান রক্ষা করা এবং দোষ গোপন করা জরুরি। প্রাচীন এবং পরবর্তী উলামাদের মধ্যকার বিভাজক রেখা হলো তিনশ হিজরি সনের শুরু। আমি যদি এই অধ্যায়ে বর্ণনাকারীদের দুর্বলতা বর্ণনা করার পথ উন্মুক্ত করতাম, তবে খুব কম লোকই রক্ষা পেতেন। কারণ অধিকাংশ মানুষই জানেন না তারা কী বর্ণনা করছেন এবং এই শাস্ত্র সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা কেবল শৈশবে শুনেছিলেন এবং বার্ধক্যে এসে তাদের উচ্চ সনদের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। সুতরাং মূল নির্ভরতা (৬) তাদের ওপর যারা তাদের নিকট পাঠ করেছেন এবং যারা তাদের শ্রবণের স্তরসমূহ সাব্যস্ত করেছেন, যেমনটি ইলমে হাদিসে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহই তৌফিকদাতা, তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি, আর কোনো শক্তি নেই একমাত্র তাঁর সাহায্য ছাড়া।

--------------------------------------------

(১) ল: এবং নন।

(২) খ: এবং তার ব্যাপারে আপত্তি আছে, ধ্বংসপ্রাপ্ত।

(৩) কেবল 'ল' পাণ্ডুলিপিতে এই অংশটুকু অতিরিক্ত আছে।

(৪) ল: দলীলযোগ্য নন।

(৫) হ: তুমি চিনবে এবং অস্বীকার করবে (৬) ল: এবং জিম্মাদারী।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌حرف الألف

1 - أبان بن إسحاق [ت] (1) المدني، عن الصباح بن محمد، وعنه يعلى بن عبيد.

قال ابن معين وغيره: ليس به بأس، وقال أبو الفتح / الأزدي: متروك.

قلت: لا يترك، فقد وثقه أحمد والعجلي، وأبو الفتح يسرف في الجرح، وله مصنف كبير إلى الغاية في المجروحين، جمع فأوعى، وجرح خلقا بنفسه لم يسبقه أحد إلى التكلم فيهم، وهو المتكلم فيه، وسأذكره في المحمدين.

أخبرنا أحمد بن هبة الله، عن عبد المعز بن محمد، أنبأنا زاهر، أنبأنا أبو بكر البيهقي، أنبأنا جناح القاضي، حدثنا ابن دحيم، حدثنا أحمد بن أبي غرزة، أنبأنا يعلى، حدثنا أبان بن إسحاق عن الصباح بن محمد، عن مرة الهمداني، عن ابن مسعود، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: استحيوا من الله حق الحياء..الحديث.

أخرجه الترمذي، والصباح واه.

2 - أبان (2) بن تغلب [م، عو] (3) الكوفي شيعي جلد، لكنه صدوق، فلنا صدقه وعليه بدعته.

وقد وثقه أحمد بن حنبل، وابن معين، وأبو حاتم، وأورده ابن عدي، وقال: كان غاليا في التشيع.

وقال السعدي: زائغ مجاهر.

فلقائل أن يقول: كيف ساغ توثيق مبتدع وحد الثقة العدالة والإتقان؟ فكيف يكون عدلا من هو صاحب بدعة؟ وجوابه أن البدعة على ضربين: فبدعة صغرى كغلو التشيع، أو كالتشيع بلا غلو ولا تحرف، فهذا كثير في التابعين وتابعيهم مع الدين والورع والصدق.

فلو رد حديث هؤلاء لذهب جملة من الآثار النبوية، وهذه مفسدة بينة.

--------------------------------------------

(1) هذا الحرف إشارة إلى الترمذي.

(2) قبل هذا الاسم في المخطوطة صح، وفي لسان الميزان - نقلا عن المؤ لف: إذا كتبت صح أول الاسم فهو إشارة إلى أن العمل على توثيق

ذلك الرجل (اللسان صفحة 9) .

(3) م: إشارة إلى مسلم و " عو " إشارة إلى أن أرباب الاربعة اتفقوا عليه.

(*)
বর্ণ 'আলিফ'

১ - আবান বিন ইসহাক [তি] (১) আল-মাদানি, আস-সাব্বাহ বিন মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন ইয়ালা বিন উবাইদ।

ইবনে মাঈন এবং অন্যান্যরা বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আবু ফাতহ আল-আযদি বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)।

আমি (গ্রন্থকার) বলি: তাকে বর্জন করা যাবে না, কারণ ইমাম আহমাদ ও আল-ইজলি তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন। আবু ফাতহ সমালোচনা বা জরাহ করার ক্ষেত্রে অতিরঞ্জন করে থাকেন; দুর্বল বর্ণনাকারীদের বিষয়ে তার অত্যন্ত বিশদ একটি গ্রন্থ রয়েছে, যাতে তিনি প্রচুর তথ্য সংকলন করেছেন। তিনি এমন অনেককে ব্যক্তিগতভাবে সমালোচনা করেছেন যাদের বিষয়ে ইতিপূর্বে কেউ কথা বলেনি, অথচ তিনি নিজেই সমালোচিত। 'মুহাম্মাদ' নামধারীদের অধ্যায়ে আমি তার কথা উল্লেখ করব।

আমাদেরকে আহমাদ বিন হিবাতুল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মুইজ বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি যাহির থেকে, তিনি আবু বকর আল-বাইহাকি থেকে, তিনি জুনাহ আল-কাদি থেকে, তিনি ইবনে দুহাইম থেকে, তিনি আহমাদ বিন আবি গারযাহ থেকে, তিনি ইয়ালা থেকে, তিনি আবান বিন ইসহাক থেকে, তিনি আস-সাব্বাহ বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি মুররাহ আল-হামদানি থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তোমরা আল্লাহর কাছে যথাযথভাবে লজ্জা করো... (হাদিসটির শেষ পর্যন্ত)।

তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন, আর আস-সাব্বাহ অত্যন্ত দুর্বল বর্ণনাকারী।

২ - আবান (২) বিন তাগলিব [মু, আউ] (৩) আল-কুফি। তিনি কট্টর শিয়া হলেও অত্যন্ত সত্যবাদী; সুতরাং তার সত্যবাদিতা আমাদের জন্য (গ্রহণযোগ্য), আর তার বিদআত তার নিজের ওপর।

আহমাদ বিন হাম্বল, ইবনে মাঈন ও আবু হাতিম তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন। ইবনে আদি তার কথা উল্লেখ করে বলেছেন: তিনি শিয়া মতবাদে চরমপন্থী ছিলেন।

আস-সাদি বলেছেন: তিনি সত্যচ্যুত ও প্রকাশ্য (বিদআতি)।

এখন কেউ প্রশ্ন করতে পারেন যে: একজন বিদআতিকে নির্ভরযোগ্য বলা কীভাবে বৈধ হতে পারে, যেখানে বিশ্বস্ততার শর্তই হলো ন্যায়পরায়ণতা (আদালাত) ও সঠিকতা (ইতকান)? একজন বিদআতি ব্যক্তি কীভাবে ন্যায়পরায়ণ হতে পারেন? এর উত্তর হলো—বিদআত দুই প্রকার: ক্ষুদ্র বিদআত, যেমন শিয়া মতবাদের প্রতি অনুরাগ অথবা চরমপন্থা ও বিকৃতিহীন সাধারণ শিয়া মতবাদ। তাবিঈন এবং তাদের পরবর্তী যুগের অনেক ধর্মপ্রাণ, পরহেজগার ও সত্যবাদী বর্ণনাকারীদের মাঝে এটি প্রচুর দেখা যায়।

যদি এই স্তরের বর্ণনাকারীদের হাদিস প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবে নবিজি (সা.)-এর সুন্নাহর এক বিশাল অংশ হারিয়ে যাবে, যা একটি স্পষ্ট ক্ষতিকর বিষয়।

--------------------------------------------

(১) এই বর্ণটি ইমাম তিরমিজির প্রতি ইঙ্গিত।

(২) পাণ্ডুলিপিতে এই নামের পূর্বে 'সহ' (ص) চিহ্ন রয়েছে। 'লিসানুল মিজান'-এ গ্রন্থকারের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে: নামের শুরুতে 'সহ' চিহ্ন থাকা মানে হলো ওই ব্যক্তিকে বিশ্বস্ত গণ্য করার মতামতের ওপর আমল করা হবে (লিসান, পৃষ্ঠা ৯)।

(৩) 'মু' (م) দ্বারা ইমাম মুসলিম এবং 'আউ' (عو) দ্বারা চার সুনান গ্রন্থকারের ঐক্যমত্য বুঝানো হয়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٦)
ثم بدعة كبرى، كالرفض الكامل والغلو فيه، والحط على أبي بكر وعمر رضي الله عنهما، والدعاء إلى ذلك، فهذا النوع لا يحتج بهم ولا كرامة.

وأيضاً فما أستحضر الآن في هذا الضرب رجلا صادقا ولا مأمونا، بل الكذب شعارهم، والتقية والنفاق دثارهم، فكيف يقبل نقل من هذا حاله! حاشا وكلا.

فالشيعي الغالي في زمان السلف وعرفهم هو من تكلم في عثمان والزبير وطلحة ومعاوية وطائفة ممن حارب عليا رضي الله عنه، وتعرض لسبهم.

والغالي في زماننا وعرفنا هو الذي يكفر هؤلاء السادة، ويتبرأ من الشيخين أيضاً، فهذا ضال معثر (1) [ولم يكن أبان بن تغلب يعرض للشيخين أصلا، بل قد يعتقد عليا أفضل منهما] (2) .

‌‌3 - أبان بن جبلة الكوفي.

أبو عبد الرحمن، روى (3) عن أبي إسحاق السبيعى.

ضعفه الدارقطني وغيره.

وقال البخاري: منكر الحديث.

ونقل ابن القطان أن البخاري قال: كل من قلت فيه منكر الحديث فلا تحل الرواية عنه.

‌‌4 - أبان بن حاتم الأملوكي من مشيخة أبي التقى اليزي.

روى عن عمر ابن المغيرة مجهول.

ثم اعلم أن كل من أقول فيه مجهول ولا أسنده إلى قائل فإن ذلك هو قول أبي حاتم فيه، وسيأتي من ذلك شئ كثير جدا فاعلمه، فإن عزوته إلى قائله كابن المديني وابن معين فذلك بين ظاهر، [وإن قلت فيه جهالة أو نكرة، أو يجهل، أو لا يعرف، وأمثال ذلك، ولم أعزه إلى قائل فهو من قبلي، وكما إذا قلت: ثقة، وصدوق، وصالح، ولين، ونحو ذلك، ولم أضفه] (2) .

‌‌5 - أبان بن خالد الحنفي، أخو عبد المؤمن بن خالد.

لينه أبو الفتح الأزدي.

روى أخوه عبد المؤمن، عنه، عن ابن بريدة، عن أبيه مرفوعاً: لا تقوم الساعة حتى لا يعبد الله في الأرض مائة عام.

فهذا خبر منكر.

--------------------------------------------

(1) هـ: معتر، ولا معنى لها هنا.

وفي ل: مفتر.

(2) ليس في خ.

(3) ل: يروى.

(*)
এরপর বড় বিদআত রয়েছে, যেমন চরম রাফেযীবাদ এবং তাতে অতিরঞ্জন, আবু বকর ও ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর অবমাননা করা এবং সেই দিকে আহ্বান করা; এই শ্রেণির লোকদের বর্ণনা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের কোনো মর্যাদা নেই।

অধিকন্তু, এই শ্রেণির মাঝে আমি বর্তমান সময়ে এমন কোনো ব্যক্তিকে জানি না যিনি সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত; বরং মিথ্যাই তাদের বৈশিষ্ট্য এবং তাকিয়া (প্রকৃত বিশ্বাস গোপন করা) ও নিফাকই (কপটতা) তাদের ভূষণ। এমতাবস্থায় যার অবস্থা এমন, তার বর্ণনা কীভাবে গ্রহণ করা যেতে পারে? কখনোই নয়।

সালাফদের যুগে এবং তাঁদের পরিভাষায় চরমপন্থী শিয়া বলতে তাকেই বুঝানো হতো যে উসমান, যুবাইর, তালহা, মুআবিয়া এবং আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে যুদ্ধকারী একদল সাহাবীর সমালোচনা করতো এবং তাঁদের গালিগালাজে লিপ্ত হতো।

আর আমাদের যুগে ও পরিভাষায় চরমপন্থী শিয়া হলো সে ব্যক্তি, যে এই সকল মহান ব্যক্তিদের কাফির বলে এবং শাইখাইন (আবু বকর ও ওমর)-এর প্রতিও সম্পর্কহীনতা ঘোষণা করে; এমন ব্যক্তি পথভ্রষ্ট ও বিভ্রান্ত। (১) [আবান ইবনে তাগলিব মূলত শাইখাইন সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য করতেন না, বরং তিনি আলীকে তাঁদের উভয়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করতেন।] (২)।

‌‌৩ - আবান ইবনে জাবালা আল-কুফি।

আবু আবদুর রহমান; তিনি (৩) আবু ইসহাক আল-সাবি'ঈ থেকে বর্ণনা করেছেন।

দারাকুতনি ও অন্যান্যরা তাঁকে যঈফ (দুর্বল) বলেছেন।

ইমাম বুখারি বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী)।

ইবনুল কাত্তান বর্ণনা করেছেন যে, ইমাম বুখারি বলেছেন: আমি যাঁর সম্পর্কে 'মুনকারুল হাদিস' বলেছি, তাঁর থেকে বর্ণনা করা বৈধ নয়।

‌‌৪ - আবান ইবনে হাতিম আল-আমলুকি; তিনি আবুত্তাকী আল-ইয়াযি-এর উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত।

তিনি উমর ইবনুল মুগিরা থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি অজ্ঞাত (মাজহুল)।

অতঃপর জেনে রাখুন, আমি যার সম্পর্কেই 'মাজহুল' (অজ্ঞাত) বলব এবং সেটি অন্য কোনো প্রবক্তার দিকে সম্পৃক্ত করব না, তবে তা হবে মূলত সেই বর্ণনাকারী সম্পর্কে আবু হাতিমের উক্তি। সামনে এমন অনেক উদাহরণ আসবে, তাই তা খেয়াল রাখবেন। আর যদি আমি তা ইবনুল মাদিনি বা ইবনে মা'ইনের মতো কোনো প্রবক্তার দিকে সম্পৃক্ত করি, তবে তো তা সুস্পষ্ট। [আর যদি আমি বলি যে তার মাঝে 'জাহালাত' (অজ্ঞতা) আছে, অথবা সে 'নাকিরাহ' (অপরিচিত), অথবা তাকে 'চেনা যায় না', কিংবা 'জানা নেই'—এই জাতীয় শব্দ বলি এবং কোনো প্রবক্তার দিকে নিসবত না করি, তবে তা আমার পক্ষ থেকে নিজস্ব মূল্যায়ন। ঠিক যেমন যখন আমি বলি: 'সিকাহ' (নির্ভরযোগ্য), 'সাদুক' (সত্যবাদী), 'সালিহ' (যোগ্য), 'লাইয়িন' (শিথিল) ইত্যাদি এবং তা কারো দিকে সম্পৃক্ত করি না (তখন তা আমারই কথা)।] (২)।

‌‌৫ - আবান ইবনে খালিদ আল-হানাফি, তিনি আবদুল মুমিন ইবনে খালিদের ভাই।

আবুল ফাতহ আল-আযদি তাঁকে 'লাইয়িন' (দুর্বল) বলেছেন।

তাঁর ভাই আবদুল মুমিন তাঁর মাধ্যমে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন: 'কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না জমিনে একশ বছর আল্লাহর ইবাদত বন্ধ থাকে।'

এটি একটি মুনকার (পরিত্যক্ত) বর্ণনা।

--------------------------------------------

(১) হা পাণ্ডুলিপিতে: 'মু'তার' এসেছে, যার কোনো অর্থ এখানে হয় না। আর লাম পাণ্ডুলিপিতে: 'মুফতার' (মিথ্যা অপবাদকারী) রয়েছে।

খা পাণ্ডুলিপিতে: 'মুফতার'।

(২) এটি 'খা' পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) লাম পাণ্ডুলিপিতে: 'ইউরওয়া' (বর্ণিত হয়েছে)।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌6 - أبان بن سفيان الموصلي.

أصله بصري.

روى عن أبي هلال محمد بن سليم.

قال الدارقطني: جزري متروك.

قلت: متى قيل فلان الجزري فالمراد به غالبا نسبته إلى إقليم الجزيرة التي هي (1) جزيرة ابن عمر، بعض مدائنه وأكبر مدائنه الموصل.

‌‌7 - أبان بن سفيان المقدسي.

عن الفضيل بن عياض والثقات.

قال أبو حاتم محمد بن حبان البستي الحافظ: روى أشياء موضوعة.

وعنه محمد ابن غالب الأنطاكي حديثين: أحدهما عن الفضيل، عن هشام، عن أبيه، عن عبد الله ابن عبد الله بن أبي أنه أصيبت تنيته يوم أحد، فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتخذ ثنية من ذهب.

وروى عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نصلى (2) إلى نائم أو متحدث.

قال ابن حبان: وهذان موضوعان، وكيف يأمر المصطفى عليه السلام باتخاذ الثنية من الذهب، وقد قال: إن الذهب والحرير محرمان على ذكور أمتي، وكيف ينهى عن الصلاة إلى النائم، وقد كان يصلى وعائشة معترضة بينه وبين القبلة؟ فلا يجوز الاحتجاج بهذا الشيخ ولا الرواية عنه إلا على سبيل الاعتبار للخواص.

قلت: حكمك عليهما بالوضع بمجرد ما أبديت حكم فيه نظر، لا سيما خبر الثنية.

والظاهر أن أبانا هذا هو الأول، فيكون بصريا موصليا مقدسيا (3) .

وأما الحافظ أبو أحمد عبد الله بن عدي الجرجاني فلم يذكرهما هكذا، بل ذكر أبين بن سفيان، وذكر أن البخاري قال: لا يكتب حديثه.

وقال غيره: أبين بن سفيان المقدسي.

وقال ابن عدي: ثنا ابن منير، ثنا الحسن

--------------------------------------------

(1) هـ: التى يقال لها.

(2) ل: يصلى.

(3) في ل: وقد وافق البنانى في الحافل على أن المقدسي غير الموصلي (1 - 23) .

(*)
‌‌৬ - আবান ইবনে সুফিয়ান আল-মাওসিলি.

তার আদি নিবাস বসরা।

তিনি আবু হিলাল মুহাম্মদ ইবনে সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন।

দারাকুতনি বলেছেন: তিনি জাজিরা অঞ্চলের এবং পরিত্যক্ত (মাতরুক)।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: যখন কাউকে 'জাজারি' বলা হয়, তখন এর দ্বারা সাধারণত আল-জাজিরা অঞ্চলের দিকে সম্বন্ধ করা উদ্দেশ্য থাকে, যা হলো জাজিরাত ইবনে উমর; এর অন্তর্ভুক্ত অন্যতম এবং বৃহত্তম শহর হলো মসুল।

‌‌৭ - আবান ইবনে সুফিয়ান আল-মাকদিসি.

তিনি ফুদাইল ইবনে ইয়াদ এবং নির্ভরযোগ্য রাবীদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

হাফেজ আবু হাতিম মুহাম্মদ ইবনে হিব্বান আল-বুস্তি বলেছেন: তিনি বানোয়াট বিষয়াদি বর্ণনা করেছেন।

তার থেকে মুহাম্মদ ইবনে গালিব আল-আন্তাকি দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন: তার একটি ফুদাইল থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উবাই থেকে বর্ণনা করেন যে, ওহুদ যুদ্ধের দিন তার সামনের দাঁত ভেঙে গিয়েছিল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে স্বর্ণের দাঁত তৈরি করে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এবং তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমন্ত ব্যক্তি বা কথোপকথনরত ব্যক্তির দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

ইবনে হিব্বান বলেছেন: এই দুটি বর্ণনাই বানোয়াট। মুস্তফা আলাইহিস সালাম কীভাবে স্বর্ণের দাঁত ব্যবহারের নির্দেশ দিতে পারেন, অথচ তিনি বলেছেন: স্বর্ণ এবং রেশম আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম? আর তিনি কীভাবে ঘুমন্ত ব্যক্তির দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে নিষেধ করতে পারেন, অথচ তিনি সালাত আদায় করতেন এমতাবস্থায় যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তার ও কিবলার মাঝে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন? সুতরাং এই শায়খের মাধ্যমে দলিল পেশ করা বা তার থেকে বর্ণনা করা বৈধ নয়, কেবল বিশেষজ্ঞগণের যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্র ছাড়া।

আমি বলছি: আপনি যে কারণ দর্শিয়েছেন তার ওপর ভিত্তি করেই এই দুটি বর্ণনাকে বানোয়াট বলে রায় দেওয়া পর্যালোচনার অবকাশ রাখে, বিশেষ করে দাঁত সংক্রান্ত সংবাদটি।

প্রকাশ্যত প্রতীয়মান হয় যে, এই আবান এবং পূর্বোক্ত ব্যক্তি একই জন; ফলে তিনি একইসাথে বসরি, মাওসিলি ও মাকদিসি।

তবে হাফেজ আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-জুরজানি তাদের এভাবে উল্লেখ করেননি, বরং তিনি আবইয়ান ইবনে সুফিয়ান নাম উল্লেখ করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন যে, বুখারি বলেছেন: তার হাদিস লেখা যাবে না।

অন্যান্যরা বলেছেন: আবইয়ান ইবনে সুফিয়ান আল-মাকদিসি।

ইবনে আদি বলেছেন: আমাদের নিকট ইবনে মুনির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাসান বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) হা: যেটিকে বলা হয়।

(২) লাম: সালাত আদায় করা।

(৩) ‘লাম’ পাণ্ডুলিপিতে: আল-বানানি ‘আল-হাফিল’ গ্রন্থে একমত পোষণ করেছেন যে, আল-মাকদিসি এবং আল-মাওসিলি ভিন্ন ব্যক্তি (১ - ২৩)।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٨)
ابن عرفة، ثنا كثير بن مروان الفلسطيني، عن أبين بن سفيان، عن أبي حازم في قوله تعالى: " وكان تحته كنز لهما "، قال: لوح من ذهب فيه: عجب (1) لمن يعرف الموت كيف يفرح..الحديث.

وقال مخلد بن يزيد ثنا أبين بن سفيان، حدثنى عبد الله بن يزيد، حدثني أبو الدرداء وأبو أمامة وواثلة وأنس، قالوا: خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن نتمارى في شئ من أمر الدين.

فذكر خبرا منكرا فيه طول.

ومن بلاياه ماروى عن عبد الله بن سعيد، عن أبين بن سفيان، عن ضرار ابن عمرو، عن الحسن، عن عمران بن حصين مرفوعاً: من خرج يطلب بابا من العلم لينتفع به ويعلمه غيره كتب الله له بكل خطوة عبادة ألف سنة..الحديث (2) .

8 - أبان بن صمعة [م، س، ق] (3) شيخ صدوق بصري، يقال: إنه والد عتبة الغلام، أحد النساك.

سمع عن عكرمة وجماعة، وله عن أمه عن عائشة.

حدث عنه يحيى بن سعيد القطان، وأبو عاصم.

وثقه ابن معين وغيره وقال يحيى القطان: تغير بأخرةٍ.

وقال عبد الرحمن ابن مهدي لقيته وقد اختلط البتة قبل أن يموت بزمان.

وقال أحمد بن حنبل: صالح الحديث، فقال له ابنه عبد الله بن أحمد: أليس قد

تغير بأخرة؟ قال: نعم.

قال ابن عدي: إنما عيب عليه اختلاطه لما كبر، ولم ينسب إليه الضعف، لان مقدار ما يرويه مستقيم، ثم ساق له ابن عدي حديثاً واحدا رواه سهل بن يوسف: ثنا أبان بن صمعة، عن أبي الوازع، عن أبي برزة الأسلمي: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: اعزل الأذى عن طريق المسلمين.

قلت: هذا من مفردات سهل.

--------------------------------------------

(1) ل، هـ: عجيب.

(2) في لسان الميزان: والذى تبين لى أن أبان بن سفيان غير أبين بن سفيان هذا، وقد فرق بينهما الخطيب.

(3) م إشارة إلى مسلم، س إشارة إلى النسائي، ق إشارة إلى ابن ماجة.

(*)
ইবনে আরাফাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসীর বিন মারওয়ান আল-ফিলিস্তিনি, তিনি আবইয়ান বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে মহান আল্লাহর বাণী: "এবং তার নিচে ছিল তাদের উভয়ের জন্য এক গুপ্তধন" প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন: এটি ছিল স্বর্ণের একটি ফলক যাতে লেখা ছিল: যে ব্যক্তি মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত জেনেও কীভাবে আনন্দিত হয় তা বিস্ময়কর (১)... হাদিসটির শেষ পর্যন্ত।

মাখলাদ বিন ইয়াযিদ বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবইয়ান বিন সুফিয়ান, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দারদা, আবু উমামাহ, ওয়াসিলাহ এবং আনাস (রা.), তাঁরা বললেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে এলেন যখন আমরা দ্বীনের কোনো বিষয়ে বিতর্ক করছিলাম।

অতঃপর তিনি একটি দীর্ঘ ও মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।

তার আপত্তিকর বর্ণনাগুলোর মধ্যে একটি হলো যা আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি আবইয়ান বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি দ্বিরার ইবনে আমর থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে মারফু সূত্রে (রাসূলুল্লাহর বরাতে) বর্ণনা করেছেন: "যে ব্যক্তি দ্বীনি জ্ঞানের কোনো একটি অধ্যায় অন্বেষণে বের হয় যাতে সে নিজে উপকৃত হতে পারে এবং অন্যকে শিক্ষা দিতে পারে, আল্লাহ তার প্রতিটি কদমে এক হাজার বছরের ইবাদতের সওয়াব লিখে দেন..." হাদিসটির শেষ পর্যন্ত (২)।

৮ - আবান বিন সুমআ [মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ] (৩) একজন সত্যবাদী বসরাবাসী শায়খ, বলা হয় যে তিনি অন্যতম ইবাদতগুজার ব্যক্তিত্ব উতবা আল-গুলামের পিতা।

তিনি ইকরিমা ও একদল রাবীর নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন, এবং তাঁর মাতার মাধ্যমে আয়েশা (রা.) থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।

তাঁর থেকে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান এবং আবু আসিম বর্ণনা করেছেন।

ইবনে মাঈন এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন, তবে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান বলেছেন: শেষ বয়সে তাঁর স্মৃতিভ্রম ঘটেছিল।

আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী বলেন, আমি তাঁর সাথে দেখা করেছি যখন তিনি মৃত্যুর বেশ কিছুকাল আগে পুরোপুরি মানসিক বিভ্রান্তিতে (ইখতিলাত) পতিত হয়েছিলেন।

আহমদ বিন হাম্বল বলেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য (সালিহুল হাদিস)। তখন তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ বিন আহমদ তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: শেষ বয়সে কি তাঁর স্মৃতিভ্রম ঘটেনি? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

ইবনে আদী বলেন: বার্ধক্যে তাঁর স্মৃতিভ্রমের কারণেই কেবল তাঁর সমালোচনা করা হয়েছে, তবে তাঁর দিকে দুর্বলতা (দাফ) আরোপ করা হয়নি; কারণ তাঁর বর্ণিত হাদিসের পরিমাণ সঠিক ও সুসংগত। অতঃপর ইবনে আদী তাঁর সূত্রে একটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন যা সাহল বিন ইউসুফ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবান বিন সুমআ, তিনি আবুল ওয়াযে' থেকে, তিনি আবু বারযাহ আল-আসলামী থেকে যে, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বলেছিলেন: "মুসলিমদের চলাচলের পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দাও।"

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এটি সাহলের একক বর্ণনাগুলোর (মুফরাদাতের) অন্তর্ভুক্ত।

--------------------------------------------

(১) 'লাম' ও 'হা' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আশ্চর্যের বিষয়।

(২) লিসানুল মিযানে রয়েছে: আমার কাছে যা স্পষ্ট হয়েছে তা হলো আবান বিন সুফিয়ান আর এই আবইয়ান বিন সুফিয়ান এক ব্যক্তি নন, খতিব বাগদাদী তাঁদের মাঝে পার্থক্য করেছেন।

(৩) 'মীম' দ্বারা মুসলিম, 'সীন' দ্বারা নাসাঈ এবং 'ক্বফ' দ্বারা ইবনে মাজাহ-এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٩)
وتوفى ابن صمعة سنة ثلاث وخمسين ومائة، خرج له مسلم والنسائي.

‌‌9 - أبان بن طارق [د] الذي روى عن نافع حديث: من دخل من غير دعوة دخل سارقا وخرج مغيراً.

قال ابن عدي: هذا حديث منكر لا يعرف إلا به.

وقال أبو زرعة: مجهول.

وروى محمد بن جابر ولا - أتيقن من ذا - عن أبان ابن طارق، عن كثير بن شنظير (1) .

عن عطاء، عن جابر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أدرك ركعة فقد أدرك فضل الجماعة.

‌‌10 - أبان بن عبد الله [عو] ، وهو أبان بن أبي حازم البجلي الكوفي، حسن الحديث.

وثقه ابن معين.

قال ابن عدي: أبان بن عبد الله بن أبي حازم صخر بن العيلة البجلي.

قال الفلاس: ما سمعت يحيى القطان بحدث عنه قط.

وقال أحمد بن حنبل:

صدوق صالح الحديث.

وقال ابن عدي: أرجو أنه لا بأس به.

له عن عمرو بن شعيب وغيره.

ومما أنكر عليه ما روى مالك بن إسماعيل النهدي، حدثني سليمان بن إبراهيم ابن جرير، عن أبان بن عبد الله البجلي، عن أبي بكر بن حفص، عن علي رضي الله عنه مرفوعاً: جرير منا أهل البيت ظهرا لبطن ظهرا لبطن (2) .

‌‌11 - أبان بن عبد الله، شامي.

روى عن عاصم بن محمد العمري.

قال الأزدي: تركوه.

معن بن عيسى، حدثنا أبان الكوفي، عن ثور بن يزيد، عن خالد بن معدان، عن معاذ بن جبل، قال: اطلبوا العلم ولو أنضيتم الركاب، فإن العلم يجلو البصر.

--------------------------------------------

(1) بكسر المعجمتين وسكون النون.

(2) قال ابن سعد في الطبقات: توفى بالكوفة في خلافة أبى جعفر (تهذيب) .

(3) ل، هـ: الرقى.

(*)
ইবনে সামআ একশত তিপ্পান্ন হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; ইমাম মুসলিম ও নাসায়ি তাঁর থেকে বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন।

‌‌৯ - আবান ইবন তারিক [দ], যিনি নাফি থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি দাওয়াত ছাড়া প্রবেশ করল সে চোর হিসেবে প্রবেশ করল এবং লুটেরা হিসেবে বের হলো।

ইবনে আদি বলেন: এটি একটি মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস যা কেবল তাঁর মাধ্যমেই পরিচিত।

আবু জুরআ বলেন: তিনি মাজহুল (অপরিচিত)।

মুহাম্মদ ইবন জাবির—আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত নই—আবান ইবন তারিক থেকে, তিনি কাসির ইবন শিনজির (১) থেকে বর্ণনা করেছেন।

আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি (জামাতের) এক রাকাত পেল, সে জামাতের ফজিলত লাভ করল।

‌‌১০ - আবান ইবন আবদুল্লাহ [আইন-ওয়াও], তিনি হলেন আবান ইবন আবি হাজিম আল-বাজালি আল-কুফি, তিনি হাসানুল হাদিস।

ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

ইবনে আদি বলেন: আবান ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবি হাজিম সাখর ইবনুল আইলাহ আল-বাজালি।

ফাল্লাস বলেন: আমি ইয়াহইয়া আল-কাত্তানকে কখনও তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতে শুনিনি।

আহমাদ ইবন হাম্বল বলেন:

তিনি সত্যবাদী এবং হাদিসের ক্ষেত্রে সালেহ (যোগ্য)।

ইবনে আদি বলেন: আমি আশা করি তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।

আমর ইবন শুআইব ও অন্যদের থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।

তাঁর যে বর্ণনাগুলো অস্বীকার করা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো যা মালিক ইবন ইসমাইল আল-নাহদি বর্ণনা করেছেন: সুলায়মান ইবন ইবরাহিম ইবন জারির আমাকে বলেছেন, তিনি আবান ইবন আবদুল্লাহ আল-বাজালি থেকে, তিনি আবু বকর ইবন হাফস থেকে, তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: জারির আমাদের আহলে বায়তের অন্তর্ভুক্ত, বংশপরম্পরায় সম্পূর্ণরূপে (২)।

‌‌১১ - আবান ইবন আবদুল্লাহ, শামি।

তিনি আসিম ইবন মুহাম্মদ আল-উমরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

আল-আজদি বলেন: মুহাদ্দিসগণ তাঁকে বর্জন করেছেন।

মান ইবন ঈসা বলেন, আবান আল-কুফি আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন সাওব ইবন ইয়াজিদ থেকে, তিনি খালিদ ইবন মাদানি থেকে, তিনি মুয়াজ ইবন জাবাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমরা জ্ঞান অন্বেষণ করো যদিও তোমাদের সওয়ারিগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়ে, কারণ জ্ঞান দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করে।

--------------------------------------------

(১) উভয় নুকতাবিশিষ্ট বর্ণে কাসরা (জের) এবং নুন বর্ণটি সাকিন সহযোগে।

(২) ইবনে সাদ 'তাবাকাত'-এ বলেছেন: আবু জাফরের খিলাফতকালে তিনি কুফায় মৃত্যুবরণ করেন (তাহজিব)।

(৩) ল্যাম, হা: আল-রক্কি।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٠)
‌‌12 - أبان بن عبد الله، والد يزيد الرقاشي.

قال ابن معين والدارقطني: ضعيف.

له حديث واحد عند ابنه.

وقال ابن عدي: حدث عنه ابنه (1) بأحاديث مخارجها ظلمة.

له عن أبي موسى.

‌‌13 - أبان بن عثمان الأحمر، عن أبان بن تغلب.

تكلم / فيه، ولم يترك بالكلية.

وأما العقيلي فاتهمه.

‌‌14 - أبان بن عمر - الوالبى.

قال أبو حاتم: مجهول، نقله ابن أبي حاتم وبيض له.

‌‌15 - أبان بن أبى عياش [د] فيروز.

وقيل دينار الزاهد أبو إسماعيل البصري.

أحد الضعفاء وهو تابعي صغير، يحمل عن أنس وغيره.

وهو من موالى عبد القيس.

قال شعيب بن حرب: سمعت شعبة يقول: لان أشرب من بول حمار حتى أروى أحب إلى من أن أقول: حدثنا أبان بن أبي عياش.

وروى ابن إدريس وغيره عن شعبة قال: لان يزنى الرجل خير من أن يروى عن أبان.

وقال حماد بن زيد: حدثنا سلم العلوي، قال: رأيت أبان بن أبي عياش يكتب عن أنس عند السراج في سبرجة، ثم قال لي سلم: يا بني، عليك بأبان، فذكرت ذلك لأيوب السختيانى، فقال: ما زال نعرفه بالخير منذ كان.

وقال ابن إدريس: قلت لشعبة: حدثني مهدي بن ميمون، عن سلم العلوي، قال: رأيت أبان بن أبي عياش يكتب عن أنس بالليل، فقال شعبة: سلم يرى الهلال قبل الناس بليلتين.

وقال أحمد بن حنبل: قال عباد بن عباد: أتيت شعبة أنا وحماد بن زيد، فكلمناه في أن يمسك عن أبان بن أبي عياش قال: فلقيهم بعد ذلك فقال: ما أرانى يسعنى

--------------------------------------------

(1) ل: قال ابن حبان: لا أدرى التخليط منه أو من ابنه.

(*)
১২ - আবান ইবন আব্দুল্লাহ, ইয়াযীদ আল-রাকাশি-র পিতা.

ইবন মাঈন এবং দারাকুতনী বলেন: যয়ীফ (দুর্বল)।

তাঁর পুত্রের নিকট তাঁর একটি মাত্র হাদীস রয়েছে।

ইবন আদী বলেন: তাঁর পুত্র তাঁর থেকে এমন কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন যার উৎসসমূহ অন্ধকারাচ্ছন্ন (সন্দেহজনক)।

তিনি আবু মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন।

‌১৩ - আবান ইবন উসমান আল-আহমার, আবান ইবন তাগলিব থেকে বর্ণনা করেছেন.

তাঁর ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে, তবে তাঁকে সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা হয়নি।

আর আল-উকায়লী তাঁকে অভিযুক্ত করেছেন।

‌১৪ - আবান ইবন উমর আল-ওয়ালিবি.

আবু হাতিম বলেন: মাজহুল (অপরিচিত); ইবন আবি হাতিম এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর জীবনবৃত্তান্তের স্থানটি খালি রেখেছেন।

‌১৫ - আবান ইবন আবি আইয়াশ [দ] ফিরোয.

বলা হয়ে থাকে তিনি হলেন দীনার আল-যাহিদ আবু ইসমাঈল আল-বসরী।

তিনি দুর্বল রাবীদের একজন এবং তিনি একজন কনিষ্ঠ তাবেঈ; তিনি আনাস এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা গ্রহণ করতেন।

তিনি আব্দ আল-কায়স গোত্রের আযাদকৃত দাসদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

শুআইব ইবন হারব বলেন: আমি শু’বাকে বলতে শুনেছি: গাধার প্রস্রাব পান করে তৃষ্ণা মেটানোও আমার কাছে ‘আবান ইবন আবি আইয়াশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন’—এ কথা বলার চেয়ে অধিকতর প্রিয়।

ইবন ইদরীস এবং অন্যান্যরা শু’বা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কোন ব্যক্তির ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া আবানের পক্ষ থেকে হাদীস বর্ণনা করার চেয়েও উত্তম।

হাম্মাদ ইবন যায়েদ বলেন: সালাম আল-আলাওয়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবান ইবন আবি আইয়াশকে প্রদীপের আলোতে কাপড়ের ওপর আনাসের নিকট থেকে লিখতে দেখেছি। অতঃপর সালাম আমাকে বললেন: হে বৎস, তুমি আবানকে আঁকড়ে ধরো। আমি আইয়ুব আল-সাখতিয়ানীকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন: আমরা তাঁকে ছোটবেলা থেকেই ভালো হিসেবেই জানি।

ইবন ইদরীস বলেন: আমি শু’বাকে বললাম: মাহদী ইবন মায়মুন আমাকে সালাম আল-আলাওয়ীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবান ইবন আবি আইয়াশকে রাতে আনাসের নিকট থেকে লিখতে দেখেছেন। তখন শু’বা বললেন: সালাম তো মানুষের দুই রাত আগেই চাঁদ দেখে ফেলে (অর্থাৎ তার কথা নির্ভরযোগ্য নয়)।

আহমাদ ইবন হাম্বল বলেন: আব্বাদ ইবন আব্বাদ বলেছেন: আমি এবং হাম্মাদ ইবন যায়েদ শু’বার কাছে গেলাম এবং তাঁর সাথে কথা বললাম যেন তিনি আবান ইবন আবি আইয়াশের সমালোচনা থেকে বিরত থাকেন। তিনি বলেন: এরপর শু’বার সাথে দেখা হলে তিনি বললেন: আমার মনে হয় না যে (তাঁর ব্যাপারে নীরব থাকা) আমার জন্য সম্ভব হবে...

--------------------------------------------

(১) ল: ইবন হিব্বান বলেন: আমি জানি না এই সংমিশ্রণটি (ভুলটি) তাঁর পক্ষ থেকে হয়েছে নাকি তাঁর পুত্রের পক্ষ থেকে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١١)
السكوت عنه.

قال أحمد: هو متروك الحديث، كان وكيع إذا مر على حديثه يقول رجل، ولا يسميه، استضعافا له.

وقال يحيى بن معين: متروك.

وقال مرة: ضعيف.

وقال أبو عوانة: كنت لا أسمع بالبصرة حديثاً إلا جئت به أبان، فحدثني به عن الحسن حتى جمعت منه مصحفاً، فما أستحل أن أروى عنه.

وقال أبو إسحاق السعدي الجوزجاني: ساقط.

وقال النسائي: متروك، ثم ساق ابن عدي لأبان جملة أحاديث منكرة.

وقال يزيد بن هارون: قال شعبة: داري وحماري في المساكين صدقة إن لم يكن

أبان بن أبي عياش يكذب في الحديث.

قلت له: فلم سمعت منه؟ قال: ومن يصبر عن ذا الحديث يعنى حديثه عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، عن أمه أنها قالت: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قنت في الوتر قبل الركوع.

ورواه خلاد بن يحيى، حدثنا الثوري عن أبان.

وقال عبدان عن أبيه عن شعبة: لولا الحياء من الناس ما صليت على أبان.

وقال يزيد بن زريع: إنما تركت أباناً، لأنه روى حديثا عن أنس.

فقلت له: عن النبي صلى الله عليه وسلم؟ فقال: وهل بروى أنس إلا عن النبي صلى الله عليه وسلم؟ وقال معاذ بن معاذ: قلت لشعبة: أرأيت وقيعتك في أبان تبين لك أو غير ذلك؟ فقال: ظن يشبه اليقين.

وقال عبد الله بن أحمد بن شبويه (1) : سمعت أبا رجاء يقول: قال حماد بن زيد: كلمنا شعبة في أن يكف عن أبان بن أبي عياش لسنه وأهل بيته، فضمن أن يفعل، ثم اجتمعنا في جنازة فنادى من بعيد: يا أبا إسماعيل، إني قد رجعت عن ذلك، لا يحل الكف عنه، لان الامر دين.

--------------------------------------------

(1) بفتح أوله وتشديد الموحدة (المشتبه) .

(*)
তার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করা।

আহমাদ বলেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় পরিত্যক্ত (মাতরুকুল হাদিস); ওয়াকি যখনই তার বর্ণিত কোনো হাদিসের প্রসঙ্গ আসত, তখন তাকে দুর্বল প্রতিপন্ন করার জন্য কেবল 'এক ব্যক্তি' বলতেন এবং তার নাম নিতেন না।

ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)।

অন্যবার তিনি বলেছেন: তিনি দুর্বল (জয়িফ)।

আবু আওয়ানা বলেন: বসরায় আমি এমন কোনো হাদিস শুনতাম না যা নিয়ে আমি আবানের কাছে আসতাম না। তিনি হাসান (বসরি) থেকে সেগুলো আমার কাছে বর্ণনা করতেন, এমনকি আমি তার বর্ণিত হাদিসগুলো দিয়ে একটি সংকলন তৈরি করেছিলাম। কিন্তু এখন আমি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা বৈধ মনে করি না।

আবু ইসহাক আস-সাদি আল-জুজাজানি বলেন: তিনি বর্জনীয় (সাকিত)।

নাসাঈ বলেন: তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)। এরপর ইবনে আদি আবানের বর্ণিত একগুচ্ছ মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস উল্লেখ করেছেন।

ইয়াজিদ ইবনে হারুন বলেন: শু'বা বলেছেন: যদি আবান বিন আবি আইয়াশ হাদিসের ক্ষেত্রে মিথ্যাবাদী না হয়, তবে আমার ঘর ও গাধা মিসকিনদের জন্য সদকা হিসেবে দান করে দেব।

আমি তাকে (শু'বাকে) বললাম: তবে কেন আপনি তার থেকে হাদিস শুনেছেন? তিনি বললেন: এই হাদিসের মোহ কে সামলাতে পারে? অর্থাৎ ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে এবং তিনি তার মা থেকে বর্ণিত সেই হাদিসটি, যেখানে তিনি বলেছেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রুকুর আগে বিতর নামাজে কুনুত পড়তে দেখেছি।

এবং খাল্লাদ ইবনে ইয়াহইয়া এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাওরি আমাদের কাছে আবান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আবদান তার পিতার সূত্রে শু'বা থেকে বর্ণনা করেন: মানুষের কাছে লজ্জার ভয় না থাকলে আমি আবানের জানাজা পড়তাম না।

ইয়াজিদ ইবনে জুরাই বলেন: আমি আবানকে কেবল একারণেই বর্জন করেছি যে, তিনি আনাস থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছিলেন।

আমি তাকে বললাম: সেটি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে? তিনি বললেন: আনাস কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া অন্য কারো থেকে বর্ণনা করেন? মুয়াজ ইবনে মুয়াজ বলেন: আমি শু'বাকে বললাম: আবানের ব্যাপারে আপনার এই কঠোর সমালোচনা কি আপনার কাছে স্পষ্ট কোনো প্রমাণের ভিত্তিতে নাকি অন্য কিছু? তিনি বললেন: এটি এমন এক ধারণা যা প্রায় নিশ্চিত বিশ্বাসের মতো।

আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে শাবাওয়াইহ (১) বলেন: আমি আবু রাজাকে বলতে শুনেছি যে, হাম্মাদ ইবনে যায়েদ বলেছেন: আমরা শু'বাকে অনুরোধ করেছিলাম যেন তিনি আবান বিন আবি আইয়াশের বার্ধক্য এবং তার পরিবারের সম্মানে তার সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকেন। তিনি বিরত থাকতে সম্মত হয়েছিলেন। এরপর যখন আমরা একটি জানাজায় সমবেত হলাম, তখন তিনি দূর থেকে ডেকে বললেন: হে আবু ইসমাইল, আমি সেই প্রতিশ্রুতি থেকে ফিরে এসেছি; তার সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকা বৈধ নয়, কারণ এই বিষয়টি (ইলমে হাদিস) দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত।

--------------------------------------------

(১) প্রথম অক্ষরে ফাতহা (যবর) এবং দ্বিতীয় বর্ণে তাশদিদ সহকারে (আল-মুশতাবিহ)।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٢)
ويروى عن سفيان أنه قيل له: مالك قليل الرواية عن أبان؟ قال: كان نسياً للحديث.

وقال أحمد بن حنبل: قال عفان: أول من أهلك أبان بن أبي عياش أبو عوانة، جمع أحاديث الحسن، فجاء به إلى أبان فقرأه عليه.

وقال محمد بن المثنى: ما سمعت يحيى ولا عبد الرحمن يحدثان عن أبان بن أبي عياش شيئاً قط.

قرأت على أحمد بن محمد الحافظ بمصر أخبركم ابن اللتى بحلب، حدثنا أبو الوقت،

أنبأنا ابن عفيف، حدثنا ابن أبي شريح، حدثنا أبو القاسم البغوي، حدثنا سويد ابن سعيد (1) ، سمعت علي بن مسهر، قال: كتبت أنا وحمزة الزيات عن أبان ابن أبي عياش نحوا من خمسمائة حديث، فلقيت حمزة، فأخبرني أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم في المنام، قال: فعرضتها عليه، فما عرف منها إلا اليسير خمسة أو ستة أحاديث.

وقال الحافظ أحمد بن علي الأبار / فيما رواه عنه العقيلي: رأيت النبي صلى الله عليه وسلم في المنام فقلت: يا رسول الله، أترضى أبان بن أبي عياش؟ قال: لا.

وقال ابن حبان: كان أبان من العباد الذي يسهر الليل بالقيام، ويطوى النهار بالصيام.

سمع عن أنس أحاديث، وجالس الحسن، فكان يسمع كلامه، ويحفظ، فإذا حدث ربما جعل كلام الحسن عن أنس مرفوعاً وهو لا يعلم.

ولعله روى عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم أكثر من ألف وخمسمائة حديث مالكبير شئ منها أصل يرجع إليه.

وقال الحسن بن الفرج، عن سليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، قال: جاءني أبان بن أبي عياش، فقال: أحب أن تكلم شعبة أن يكف عنى.

قال: فكلمته، فكف عنه أياما، فأتاني في الليل فقال: إنه لا يحل الكف عنه، فإنه يكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم.

--------------------------------------------

(1) هـ: ابن سعد.

والمثبت في تهذيب التهذيب أيضا.

(*)
সুফিয়ান (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: "আপনার আবান থেকে বর্ণনা করার পরিমাণ এত কম কেন?" তিনি বললেন: "সে হাদিস বিস্মৃত হয়ে যেত।"

আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) বলেন: আফফান বলেছেন: আবান ইবনে আবি আইয়াশকে সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন তিনি হলেন আবু আওয়ানাহ; তিনি হাসান (বসরী)-এর হাদিসগুলো সংগ্রহ করে আবানের নিকট আসতেন এবং সেগুলো তাঁকে পড়ে শোনাতেন।

মুহাম্মদ ইবনে মুসান্না বলেন: আমি ইয়াহইয়া এবং আবদুর রহমান (ইবনে মাহদি)-কে কখনো আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে কিছু বর্ণনা করতে শুনিনি।

আমি মিসরে হাফেজ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদের নিকট পাঠ করেছি যে, হালবে ইবনুল লাত্তি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-ওয়াক্ত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,

ইবনে আফিফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আবি শুরাইহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবুল কাসেম আল-বাগাভি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (১), তিনি আলী ইবনে মুসহির থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি এবং হামজা আল-যাইয়াত আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে প্রায় পাঁচশত হাদিস লিখেছিলাম। এরপর হামজার সাথে আমার দেখা হলে তিনি আমাকে জানালেন যে, তিনি স্বপ্নে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন। হামজা বললেন: আমি সেই হাদিসগুলো তাঁর সামনে পেশ করলাম, কিন্তু তিনি তার মধ্য থেকে মাত্র সামান্য কিছু—পাঁচটি বা ছয়টি হাদিস—চিনতে পারলেন।

হাফেজ আহমাদ ইবনে আলী আল-আব্বার তাঁর থেকে আল-উকায়লি যা বর্ণনা করেছেন তাতে বলেন: আমি স্বপ্নে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আপনি কি আবান ইবনে আবি আইয়াশের ওপর সন্তুষ্ট? তিনি বললেন: না।

ইবনে হিব্বান (রহ.) বলেন: আবান ছিলেন সেই সকল ইবাদতগুজারদের অন্তর্ভুক্ত যারা রাত জেগে নামাজ পড়তেন এবং দিনে রোজা রাখতেন।

তিনি আনাস (রা.) থেকে হাদিস শুনেছেন এবং হাসান (বসরী)-এর মজলিসে বসতেন। তিনি হাসানের কথাগুলো শুনতেন এবং মুখস্থ করতেন। অতঃপর তিনি যখন হাদিস বর্ণনা করতেন, তখন অজান্তেই হয়তো হাসানের কথাকে আনাস (রা.)-এর সূত্রে মারফু (নবীজির বাণী) হিসেবে বর্ণনা করে ফেলতেন।

সম্ভবত তিনি আনাস (রা.)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দেড় হাজারেরও বেশি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যার অধিকাংশেরই কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই।

হাসান ইবনুল ফারাজ, সুলায়মান ইবনে হারব ও হাম্মাদ ইবনে যাইদ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আবান ইবনে আবি আইয়াশ আমার নিকট এসে বললেন: "আমি চাই যে আপনি শু'বাকে বলবেন যেন তিনি আমার সমালোচনা থেকে বিরত থাকেন।"

তিনি বললেন: আমি তাঁকে (শু'বাকে) বললাম, তিনি কিছুদিন বিরত থাকলেন। এরপর এক রাতে তিনি আমার কাছে এসে বললেন: "তার সম্পর্কে চুপ থাকা বৈধ নয়, কারণ সে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে মিথ্যা বলছে।"

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে: ইবনে সাদ।

এবং এটি 'তহজীবুত তহজীব' গ্রন্থেও সাব্যস্ত হয়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٣)
ثم قال ابن حبان: فمن تلك الأشياء التي سمعها من الحسن فجعلها عن أنس أنه روى عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على ناقة جدعاء (1) ، فقال: أيها الناس، كأن الحق فيها على غيرنا وجب، وكأن الموت فيها على غيرنا كتب..الحديث.

رواه ابن أبي السرى العسقلاني، حدثنا

عبد العزيز بن عبد الصمد، حدثنا أبان بهذا.

وقال ضمرة (2) :: حدثنا يحيى بن راشد، عن أبان، عن أنس - مرفوعاً: اسم الله الأعظم قول العبد: اللهم إني أسألك بأن لك الحمد، لا إله إلا أنت، بديع السموات والأرض، ذو الجلال والإكرام.

حماد بن سلمة، عن أبان، عن شهر بن حوشب، عن أم سلمة، قالت: كان جبرائيل عند النبي صلى الله عليه وسلم والحسين معي فبكى، فتركته، فدنا من النبي صلى الله عليه وسلم، فقال جبرائيل: أتحبه يا محمد؟ قال: نعم.

قال: إن أمتك ستقتله.

وإن شئت أريتك من تربة الأرض التي يقتل بها.

فأراه فإذا الأرض يقال لها كربلاء (3) .

وقال ابن عدي: حدثنا الحسين بن عبد الغفار، حدثنا سعيد بن عفير، حدثنا الفضل بن المختار، عن أبان، عن أنس، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي بكر: ما أطيب ما لك! منه بلال مؤذنى، وناقتي التي هاجرت عليها، وزوجتي ابنتك، وواسيتني بنفسك ومالك، كأني أنظر إليك على باب الجنة تشفع لأمتي.

وروى الفضل بن المختار، عنه، عن أنس - مرفوعاً: الجفاء والبغي بالشام.

قلت: لكن الفضل غير ثقة.

قال ابن عدي: حدثنا أحمد بن محمد الغزي، حدثنا محمد بن حماد الطهراني، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أبان، قال رجل: يا رسول الله، أوصني.

قال: خذ الأمر بالتدبير، فإن رأيت في عاقبته خيرا فامض، وإن خفت غيا (4) فأمسك.

--------------------------------------------

(1) هـ: على ناقته الجدعاء.

(2) هـ: حمزة.

(3) كربلاء: الموضع الذى قتل فيه الحسين في طرف البرية عند الكوفة (ياقوت) (4) هـ.

غبا.

(*)
এরপর ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি (আবান) হাসান (বসরি) থেকে যা শুনে আনাসের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো- তিনি আনাসের সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি কানকাটা উটনীর ওপর আরোহী হয়ে আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন (১), এবং বললেন: হে লোকসকল! সত্য যেন আমাদের পরিবর্তে অন্যদের ওপর অবধারিত হয়েছে এবং মৃত্যু যেন আমাদের পরিবর্তে অন্যদের ওপর অবধারিত হয়েছে... (হাদিসের শেষ পর্যন্ত)।

এটি ইবনে আবি আস-সিররি আল-আসকালানি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল সামাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবান এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং দামরাহ (২) বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে রাশিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবানের সূত্রে এবং তিনি আনাস থেকে মারফু সূত্রে (নবীজির বাণী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন: আল্লাহর ইসমে আজম (মহান নাম) হলো বান্দার এই কথাটি: 'হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি এই উসিলায় যে, সমস্ত প্রশংসা আপনারই; আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; আপনি আসমান ও জমিনের অনন্য স্রষ্টা; আপনি মহিমা ও সম্মানের অধিকারী।'

হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আবানের সূত্রে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাবের সূত্রে এবং তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন এবং হুসাইন আমার সাথে ছিল। সে কাঁদতে শুরু করলে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। তখন সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকটবর্তী হলো। জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) বললেন: হে মুহাম্মদ! আপনি কি তাকে ভালোবাসেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আপনার উম্মত অচিরেই তাকে হত্যা করবে।

আপনি চাইলে আমি আপনাকে সেই ভূমির মাটি দেখাতে পারি যেখানে তাকে হত্যা করা হবে।

এরপর তিনি তাকে মাটি দেখালেন এবং সেই ভূমিটিকে কারবালা (৩) বলা হয়।

এবং ইবনে আদি বলেছেন: আমাদের নিকট হুসাইন ইবনে আব্দুল গাফফার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে উফাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ফাদল ইবনে মুখতার আবানের সূত্রে এবং তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবু বকরকে বলেছেন: তোমার সম্পদ কতই না চমৎকার! তা থেকে বিলাল আমার মুয়াজ্জিন হয়েছে, আর আমার সেই উটনীটি (এসেছে) যাতে চড়ে আমি হিজরত করেছি এবং তোমার কন্যা আমার স্ত্রী। তুমি নিজের জীবন ও সম্পদ দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করেছ। আমি যেন দেখতে পাচ্ছি তুমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়িয়ে আমার উম্মতের জন্য সুপারিশ করছ।

ফাদল ইবনে মুখতার তার (আবান) সূত্রে আনাস থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: রূঢ়তা ও বিদ্রোহ সিরিয়ায় (শাম) হবে।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: কিন্তু ফাদল নির্ভরযোগ্য নয়।

ইবনে আদি বলেছেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-গাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাদ আত-তিহরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রাজ্জাক মামারের সূত্রে এবং তিনি আবান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে কিছু উপদেশ দিন।

তিনি বললেন: যেকোনো কাজ সুপরিকল্পিতভাবে গ্রহণ করো; যদি তার পরিণামে কল্যাণ দেখতে পাও তবে তা সম্পন্ন করো, আর যদি পথভ্রষ্টতার (৪) আশঙ্কা করো তবে তা থেকে বিরত থাকো।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি 'হা'-তে আছে: তার কানকাটা উটনীর ওপর।

(২) পাণ্ডুলিপি 'হা'-তে আছে: হামযাহ।

(৩) কারবালা: কুফার নিকটবর্তী মরুভূমির প্রান্তে অবস্থিত সেই স্থান যেখানে হুসাইনকে হত্যা করা হয়েছিল (ইয়াকুত)। (৪) পাণ্ডুলিপি 'হা'-তে আছে।

মন্দ পরিণাম।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٤)
وبه مرفوعاً: من اغتيب عنده أخوه المسلم فاستطاع نصره فنصره، نصره

الله في الدنيا الآخرة، فإن لم ينصره أدركه الله به في الدنيا والآخرة.

عمرو بن أبي سلمة، حدثنا زهير، حدثني أبان وحميد عن أنس، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في قوله (1) : " وآتيتم إحداهن قنطاراً " قال: ألف دينار.

قلت: هذا من مناكير زهير بن محمد.

قال ابن عدي: أرجو أنه لا يتعمد الكذب، وعامة ما أتى به من جهة الرواة عنه.

قلت: بقى إلى بعد الأربعين ومائة، وسمع منه يزيد بن هارون وسعيد بن عامر الضبعي (2) .

وأما أبو موسى المديني فذكر أنه مات سنة سبع أو ثمان وعشرين ومائة.

وقال أحمد بن عاصم الأنطاكي: قال مخلد بن الحسين: التقى مالك بن دينار وأبان بن أبي عياش، وكان أبان لباسا، ومالك يتقشف، فلما رآه مالك قال: يا طاوس العلماء، هل بقى شئ من شهوتك لم تنلها حتى أبيع كسائي هذا، فاشترى لك شهوتك! فقال: رميت فقرطست (3) ، نشدتك بالله يا مالك إذا رأيتني من بعيد رأيت لي الفضل عليك! قال: لا.

قال: لكنى إذا رأيتك من بعيد رأيت لك الفضل عليّ.

نشدتك بالله إذا قمت في خلواتك تذكرني! قال: لا.

قال: لكني أذكرك باسمك مع سبعين من إخواني.

نشدتك بالله ثوباي وضعاني عندك؟ قال نعم.

قال: حبذا ثوبان يضعاني عند الناس، لكن ثوباك رفعاك عندي وعند الناس، فانظر كيف حالك فيما بين الناس وبين الله.

ويروى أن مالكاً لقي أباناً، فقال: إلى كم (4) تحدث الناس بالرخص.

فقال: يا أبا يحيى، إني لأرجو أن ترى من عفو الله ما تخرق له كساءك هذا من الفرح.

وروى أن أباناً رأوه في النوم فقال: أوقفني الله بين يديه، فقال: ما حملك على

--------------------------------------------

(1) سورة النساء آية 19 (2) بضم الضاد وفتح الباء الموحدة وفي آخرها عين مهملة (اللباب) .

(3) يسمى الغرض قرطاسا، فإذا أصابه الرامى قيل قرطس (اللسان) .

(4) هـ: الحاكم، وهو تحريف.

(*)
এবং তাঁর থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত: যার নিকট তার কোনো মুসলিম ভাইয়ের গীবত (পরনিন্দা) করা হয় এবং সে তাকে সাহায্য করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সাহায্য করে, আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সাহায্য করবেন। আর যদি সে তাকে সাহায্য না করে, তবে আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তাকে পাকড়াও করবেন।

আমর ইবনে আবু সালামা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যুহাইর, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবান ও হুমাইদ, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহান আল্লাহর এই বাণী (১) প্রসঙ্গে বলেছেন: "এবং তোমরা তাদের একজনকে বিপুল পরিমাণ সম্পদ (কিনতার) প্রদান করেছ," তিনি বলেছেন: (তা হলো) এক হাজার দিনার।

আমি বলছি: এটি যুহাইর ইবনে মুহাম্মাদের মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) বর্ণনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

ইবনে আদী বলেছেন: আমি আশা করি তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলেননি, তবে তাঁর বর্ণিত অধিকাংশ সমস্যাপূর্ণ বর্ণনা তাঁর থেকে যারা বর্ণনা করেছেন তাদের পক্ষ থেকে এসেছে।

আমি বলছি: তিনি একশ চল্লিশ হিজরির পর পর্যন্ত জীবিত ছিলেন, এবং তাঁর থেকে ইয়াজিদ ইবনে হারুন ও সাঈদ ইবনে আমির আদ-দুবায়ি (২) শ্রবণ করেছেন।

আর আবু মুসা আল-মাদিনী উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একশ সাতাশ বা আটাশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

আহমাদ ইবনে আসিম আল-আনতাকি বলেছেন: মাখলাদ ইবনে আল-হুসাইন বলেছেন: মালিক ইবনে দিনার ও আবান ইবনে আবু আইয়াশ পরস্পর সাক্ষাৎ করলেন। আবান ছিলেন জাকজমকপূর্ণ পোশাক পরিধানকারী এবং মালিক ছিলেন কৃচ্ছ্রসাধনকারী। মালিক যখন তাকে দেখলেন, বললেন: হে আলেমদের ময়ূর! তোমার প্রবৃত্তির কি এমন কিছু অবশিষ্ট আছে যা তুমি এখনো পাওনি যে জন্য আমি আমার এই চাদরটি বিক্রি করে তোমার সেই প্রবৃত্তি মিটিয়ে দেব? তখন তিনি (আবান) বললেন: আপনি সঠিক লক্ষ্যভেদ করেছেন (৩)। আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি হে মালিক, যখন আপনি আমাকে দূর থেকে দেখেন, তখন কি আমার মধ্যে আপনার ওপর কোনো শ্রেষ্ঠত্ব দেখতে পান? তিনি বললেন: না।

তিনি (আবান) বললেন: কিন্তু আমি যখন আপনাকে দূর থেকে দেখি, তখন আমার ওপর আপনার শ্রেষ্ঠত্ব দেখতে পাই।

আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আপনি যখন নির্জনে ইবাদতে দাঁড়ান, তখন কি আমাকে স্মরণ করেন? তিনি বললেন: না।

তিনি (আবান) বললেন: কিন্তু আমি আমার সত্তরজন ভাইয়ের সাথে আপনার নাম ধরে আপনার জন্য দোয়া করি।

আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আমার এই পোশাক দুটি কি আপনার দৃষ্টিতে আমাকে তুচ্ছ করেছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: চমৎকার সেই পোশাক দুটি যা মানুষের কাছে আমার মর্যাদা কমিয়ে দেয়, কিন্তু আপনার পোশাক দুটি আমার কাছে এবং মানুষের কাছে আপনার মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছে; সুতরাং লক্ষ্য করুন, মানুষ ও আল্লাহর মাঝে আপনার অবস্থা কেমন।

বর্ণিত আছে যে, মালিক আবানের সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: আর কতকাল (৪) আপনি মানুষকে শিথিলতার (সহজ বিষয়ের) কথা শোনাবেন?

তিনি বললেন: হে আবু ইয়াহইয়া, আমি আশা করি আপনি আল্লাহর ক্ষমার এমন রূপ দেখবেন যে খুশিতে আপনি আপনার এই চাদরটি ছিঁড়ে ফেলবেন।

আরও বর্ণিত হয়েছে যে, জনৈক ব্যক্তি আবানকে স্বপ্নে দেখল। তিনি বললেন: আল্লাহ আমাকে তাঁর সামনে দাঁড় করালেন এবং বললেন: কিসে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিল...

--------------------------------------------

(১) সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৯। (২) 'দাদ' বর্ণে পেশ এবং 'বা' বর্ণে জবর সহযোগে, এবং এর শেষে 'আইন' বর্ণ রয়েছে (আল-লুবাব)।

(৩) লক্ষ্যবস্তুকে 'কিরতাস' বলা হয়, আর যখন তিরন্দাজ লক্ষ্যভেদ করে তখন তাকে 'কারতাসা' বলা হয় (আল-লিসান)।

(৪) হা: আল-হাকিম, এটি একটি বিকৃতি।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٥)
أن تكثر للناس من أبواب الرجاء؟ فقال: يا رب، أردت أن أحببك إلى خلقك.

فقال: قد غفرت لك.

‌‌16 - أبان بن فيروز، أبو إسماعيل البصري.

قال النسائي / في الكنى: ليس بثقة.

قلت: هو أبان بن أبي عياش، ذكر ذلك ابن أبي حاتم وغيره.

‌‌17 - أبان بن محبر (1) .

شيخ متروك.

يروى عن نافع عن ابن عمر - مرفوعاً: كم من حوراء عيناء، ما كان مهرها إلا قبضة من حنطة أو مثلها من تمر.

رواه عمروان بن معاوية.

وهو الذي روى عن أبى إسماعيل العبدي، عن أنس، عن عمر - مرفوعاً: الأسير ما كان في إساره فصلاته ركعتان حتى يموت أو يفك الله إساره.

وهما جميعا باطلان، قاله ابن حبان.

وقال أبو الفتح الأزدي: متروك الحديث.

عثمان بن عبد الرحمن الحراني، ثنا أبان بن المحبر، عن سعيد بن معروف بن رافع ابن خديج، عن أبيه، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: التمسوا الجار قبل الدار، والرفيق قبل الطريق.

قال ابن أبي حاتم: سألت أبي عنه، فقال: ضعيف.

‌‌18 - أبان بن نهشل.

عن إسماعيل بن أبي خالد.

وعنه نصر بن الحسين البخاري.

قال ابن حبان: لا تجوز الرواية عنه بحال إلا على سبيل الاعتبار.

روى عن ابن أبي خالد عن الأعمش (2) ، عن شقيق، عن حذيفة - مرفوعاً: إياكم والزنا، فإن فيه ست خصال: ثلاث في الدنيا: يذهب البهاء، ويقطع الرزق، ويورث الفقر.

وثلاث في الآخرة: سخط الرب، وسوء الحساب، والخلود في النار.

--------------------------------------------

(1) هـ، ل: المحبر.

وهو بضم الميم وتشديد الباء المفتوحة (المشتبه) .

(2) فوق هذه الكلمة في الاصل المخطوط: كذا.

(*)
আপনি কি মানুষের জন্য আশার দ্বারগুলো অধিক উন্মুক্ত করবেন? তিনি বললেন: হে আমার রব, আমি চেয়েছি আপনাকে আপনার সৃষ্টির নিকট প্রিয় করতে।

তিনি বললেন: আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।

‌‌১৬ - আবান ইবন ফিরোজ, আবু ইসমাঈল আল-বসরি।

নাসায়ি 'আল-কুনা' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: তিনি হলেন আবান ইবন আবি আয়্যাশ; ইবন আবি হাতিম ও অন্যান্যরা তা উল্লেখ করেছেন।

‌‌১৭ - আবান ইবন মুহাব্বার (১)।

তিনি একজন পরিত্যক্ত শায়খ।

নাফে'র সূত্রে ইবন উমর থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত হয়েছে: কত ডাগরচোখা হুর রয়েছে, যাদের মোহরানা ছিল কেবল এক মুষ্টি গম অথবা সমপরিমাণ খেজুর।

আমরান ইবন মুয়াবিয়া এটি বর্ণনা করেছেন।

তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আবু ইসমাঈল আল-আবদি—আনাস—উমর সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: যুদ্ধবন্দী যতক্ষণ বন্দিদশায় থাকবে, তার সালাত হবে দুই রাকাত, যতক্ষণ না সে মারা যায় অথবা আল্লাহ তার বন্দিদশা থেকে মুক্তি দেন।

এই উভয় বর্ণনা বাতিল; ইবন হিব্বান এটি বলেছেন।

আবু আল-ফাতহ আল-আজদি বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় পরিত্যক্ত।

উসমান ইবন আবদুর রহমান আল-হাররানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবান ইবন আল-মুহাব্বার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন মারুফ ইবন রাফি ইবন খাদিজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ঘর কেনার আগে প্রতিবেশী খোঁজ করো এবং পথে বের হওয়ার আগে সঙ্গী খোঁজ করো।

ইবন আবি হাতিম বলেছেন: আমি আমার পিতাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: তিনি দুর্বল।

‌‌১৮ - আবান ইবন নাহশাল।

ইসমাইল ইবন আবি খালিদ থেকে বর্ণিত।

তাঁর থেকে নাসর ইবন আল-হুসাইন আল-বুখারি বর্ণনা করেছেন।

ইবন হিব্বান বলেছেন: কোনো অবস্থাতেই তাঁর থেকে বর্ণনা করা বৈধ নয়, কেবল তুলনামূলক পর্যালোচনার জন্য ছাড়া।

তিনি ইবন আবি খালিদ—আ'মাশ (২)—শাকিক—হুযাইফা সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: তোমরা ব্যভিচার থেকে বেঁচে থাকো, কেননা এতে ছয়টি মন্দ পরিণতি রয়েছে—তিনটি দুনিয়াতে: এটি চেহারার উজ্জ্বলতা হরণ করে, রিজিক সংকুচিত করে এবং দারিদ্র্য ডেকে আনে।

আর তিনটি আখিরাতে: রবের অসন্তুষ্টি, কঠিন হিসাব এবং জাহান্নামে চিরকাল অবস্থান।

--------------------------------------------

(১) 'হা' এবং 'লাম' পাণ্ডুলিপিতে: আল-মুহাব্বার। এটি মিম বর্ণে পেশ এবং বা বর্ণে জবরসহ তাশদিদযুক্ত (আল-মুশতাবিহ গ্রন্থে বর্ণিত)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এই শব্দের উপরে লেখা আছে: 'এরূপই রয়েছে'।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٦)
‌‌19 - أبان بن الوليد بن هشام المعيطي (1) .

عن الزهري.

قال أبو حاتم: مجهول.

20 - أبان (2) بن يزيد [صح، خ، م، د] العطار، أبو يزيد البصري، حافظ صدوق إمام.

روى (3) الكديمي، وليس بمعتمد: سمعت عليا يقول: سمعت يحيى بن سعيد يقول: لا أروى عن أبان العطار.

وقال عباس: سمعت يحيى يقول: حديث محمود بن عمرو عن أسماء الذي يرويه أبان بن يزيد ليس بشئ، إنما هو محمود عن أبي هريرة موقوف.

وقال ابن عدي في ترجمة أبان: حدثنا ابن أبي سويد، حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، عن يحيى، عن محمود، عن أسماء، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من بنى لله مسجدا ولو كمفحص قطاة بنى الله له بيتا في الجنة.

ومن غرائبه، عن قتادة، عن أبي مجلز، عن حذيفة: لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم من جلس وسط الحلقة.

لكن تابعه شعبة وصححه الترمذي.

ثم قال ابن عدي: هو حسن الحديث متماسك، يكتب حديثه، وعامتها مستقيمة، وأرجو أنه من أهل الصدق.

قلت: بل هو ثقة حجة، ناهيك أن أحمد بن حنبل ذكره فقال: كان ثبتا في كل المشايخ.

وقال ابن معين والنسائي: ثقة.

وقد أورده أيضاً العلامة أبو الفرج ابن الجوزي في الضعفاء، ولم يذكر فيه أفوال من وثقه.

وهذا من عيوب كتابه يسرد الجرح، ويسكت عن التوثيق، ولولا

أن ابن عدي وابن الجوزي ذكرا أبان بن يزيد لما أوردته أصلاً.

‌‌21 - أبان الرقى.

هالك، وقد مر في أبان بن عبد الله.

--------------------------------------------

(1) بضم الميم وفتح العين وسكون الياء آخر الحروف وفي آخره طاء مهملة (اللباب) .

(2) قبل هذا الاسم في المخطوطة كلمة صح.

دلالة على توثيقه كما تقدم، وسنضع هذه العلامة في الاصل بين قوسين في الكتاب كله.

(3) هـ: روى عن.

(*)
১৯ - আবান ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে হিশাম আল-মুআইতি (১)।

যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু হাতিম বলেছেন: তিনি মাজহুল (অজ্ঞাত)।

২০ - আবান (২) ইবনে ইয়াযিদ [সহীহ, বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ] আল-আত্তার, আবু ইয়াযিদ আল-বাসরি; হাফিয, সাদুক (সত্যবাদী), ইমাম।

আল-কুদাইমি বর্ণনা করেছেন—তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নন—: আমি আলীকে বলতে শুনেছি: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি: আমি আবান আল-আত্তার থেকে হাদিস বর্ণনা করি না।

আব্বাস বলেন: আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি: মাহমুদ বিন আমর কর্তৃক আসমা থেকে বর্ণিত হাদিসটি যা আবান বিন ইয়াযিদ বর্ণনা করেন, তা ভিত্তিহীন; মূলত এটি মাহমুদ কর্তৃক আবু হুরায়রা থেকে মাওকুফ (স্থগিত) হিসেবে বর্ণিত।

ইবনে আদি আবানের জীবনীতে বলেন: ইবনে আবি সুয়াইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসলিম বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মাহমুদ থেকে, তিনি আসমা থেকে বর্ণনা করেন যে, আসমা (রা.) বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, যদিও তা একটি তিতির পাখির ডিম পাড়ার বাসার মতো ছোট হয় না কেন, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।

তার বিরল বর্ণনাগুলোর মধ্যে একটি হলো—কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু মিজলায থেকে, তিনি হুজায়ফা থেকে বর্ণনা করেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মজলিসের বা বৃত্তের মাঝখানে বসাকে অভিশাপ দিয়েছেন।

তবে শু'বা তাকে অনুসরণ করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী একে সহীহ বলেছেন।

অতঃপর ইবনে আদি বলেন: তিনি হাসানুল হাদিস (উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী) এবং সুদৃঢ়, তার হাদিস লিখে রাখা যায়, তার অধিকাংশ বর্ণনা সঠিক এবং আমি আশা করি যে তিনি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: বরং তিনি সিকাহ হুজ্জাত (নির্ভরযোগ্য ও অকাট্য দলিল); আপনার জানার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, আহমাদ ইবনে হাম্বল তার কথা উল্লেখ করে বলেছেন: তিনি সকল শায়খদের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ছিলেন।

ইবনে মাঈন এবং নাসায়ী বলেছেন: তিনি সিকাহ (নির্ভরযোগ্য)।

আল্লামা আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযীও তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন, কিন্তু যারা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন তাদের উক্তিগুলো তিনি উল্লেখ করেননি।

এটি তার কিতাবের একটি ত্রুটি যে, তিনি কেবল সমালোচনাগুলো (জারহ) বর্ণনা করেন এবং নির্ভরযোগ্যতা (তাউসিক) সম্পর্কে নীরব থাকেন। যদি

ইবনে আদি এবং ইবনুল জাওযী আবান বিন ইয়াযিদের নাম উল্লেখ না করতেন, তবে আমি তাকে এখানে আদৌ উল্লেখ করতাম না।

‌২১ - আবান আল-রুক্কি।

তিনি পরিত্যক্ত (ধ্বংসপ্রাপ্ত), এবং তার আলোচনা আবান বিন আব্দুল্লাহর জীবনীতে অতিক্রান্ত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) মীমে পেশ, আইনে যবর এবং শেষ বর্ণটির আগের বর্ণ ইয়া-তে সুকুন এবং শেষে ত-এ মোহমালা (আল-লুবাব)।

(২) পাণ্ডুলিপিতে এই নামের আগে 'সহ' (সহীহ) শব্দটি রয়েছে।

এটি তার নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা পূর্বে আলোচিত হয়েছে; আমরা পুরো কিতাবে মূল পাঠের ভেতর বন্ধনীতে এই চিহ্নটি ব্যবহার করব।

(৩) হা: থেকে বর্ণনা করেছেন।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌22 - أباء بن جعفر، أبو سعيد.

شيخ بصري، تالف متأخر.

وقد خفف الباء أبو بكر الخطيب.

وقال ابن ماكولا: إنما هو أبا بالتشديد والقصر.

وقال ابن حبان: كان يقعد اليوم الجمعة بحذاء مجلس الساجي في الجامع ويحدث، ذهبت إلى بيته للاختبار، فأخرج إلى أشياء خرجها في أبي حنيفة، فحدثنا عن محمد ابن إسماعيل الصائغ، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا أبو حنيفة، حدثنا عبد الله بن دينار، حدثنا ابن عمر - مرفوعاً: الوتر في أول الليل مسخطة للشيطان، وأكل السحور مرضاة للرحمن، فرأيته قد وضع على أبي حنيفة أكثر من ثلثمائة حديث ما حدث بها أبو حنيفة قط، فقلت: يا شيخ، اتق الله ولا تكذب.

فقال لي: لست منى في حل، فقمت وتركته.

[وقال السهمي: سمعت الحسن بن علي بن عمر القطان يقول: أباء بن جعفر النجار أبو سعيد كذاب على رسول الله، حدث بنسخة كتبناها عنه، حدث عن شيخ له مجهول أحمد ابن سعيد الثقفي المطوعي، عن سفيان بن عيينة، فيها متون لا تعرف] (1) .

‌‌23 - إبراهيم بن أحمد الحراني الضرير.

وهو إبراهيم بن أبي حميد.

يروى عن عبد العظيم بن حبيب.

قال أبو عروبة: كان يضع الحديث.

24 - إبراهيم بن أحمد الميمذي (2) القاضي.

روى عن أبي خليفة وأبي يعلى.

وعنه يحيى بن عمار الواعظ.

قال الخطيب: كان غير ثقة.

‌‌25 - إبراهيم بن أحمد العجلي.

عن يحيى بن أبي طالب وغيره ممن يضع الحديث.

ذكره ابن الجوزي.

‌‌26 - إبراهيم بن أحمد / بن مروان.

روى الحاكم عن الدارقطني، قال: ليس بالقوي.

--------------------------------------------

(1) زيادة في هـ وحدها.

(2) بفتح الميمين بينهما ياء تحتها نقطتان ساكنة وآخره ذال معجمة (اللباب) .

(*)
‌‌২২ - আব্বা ইবনে জাফর, আবু সাঈদ.

বসরা অঞ্চলের শায়খ, পরবর্তী যুগের এবং পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী।

আবু বকর আল-খতিব 'বা' বর্ণটিকে হালকা (তাশদিদহীন) উচ্চারণ করেছেন।

ইবনে মাকুলা বলেন: এটি তাশদিদ ও কসরসহ 'আব্বা' হবে।

ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি জুমার দিনে জামে মসজিদে সাজি-র মজলিসের পাশে বসে হাদিস বর্ণনা করতেন। আমি তাকে পরীক্ষা করার জন্য তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। তিনি আমার সামনে এমন কিছু বিষয় বের করলেন যা তিনি আবু হানিফার নামে সংকলন করেছিলেন। তিনি আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আস-সাইগ — মুহাম্মাদ ইবনে বিশর — আবু হানিফা — আবদুল্লাহ ইবনে দিনার — ইবনে উমর সূত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেন: "রাতের শুরুতে বিতর আদায় শয়তানের অসন্তুষ্টির কারণ এবং সাহরি খাওয়া দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ।" আমি দেখলাম তিনি আবু হানিফার নামে তিনশোরও বেশি হাদিস জাল করেছেন যা আবু হানিফা কখনোই বর্ণনা করেননি। আমি বললাম: "হে শায়খ, আল্লাহকে ভয় করুন এবং মিথ্যা বলবেন না।"

তিনি আমাকে বললেন: "আমি তোমাকে ক্ষমা করব না।" তখন আমি উঠে দাঁড়ালাম এবং তাকে ত্যাগ করলাম।

[আস-সাহমি বলেন: আমি হাসান ইবনে আলী ইবনে উমর আল-কাত্তানকে বলতে শুনেছি: আব্বা ইবনে জাফর আন-নাজ্জার আবু সাঈদ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নামে চরম মিথ্যাবাদী। তিনি একটি পাণ্ডুলিপি বর্ণনা করেছেন যা আমরা তার থেকে লিখেছিলাম; তিনি তার একজন অজ্ঞাত শায়খ আহমদ ইবনে সাঈদ আস-সাকাফি আল-মুতাওয়ি থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না থেকে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে এমন সব পাঠ রয়েছে যা পরিচিত নয়] (১)।

‌‌২৩ - ইব্রাহিম ইবনে আহমদ আল-হাররানি আদ-দারির.

তিনি হলেন ইব্রাহিম ইবনে আবি হুমাইদ।

তিনি আবদুল আজিম ইবনে হাবিব থেকে বর্ণনা করেন।

আবু আরুবাহ বলেন: তিনি হাদিস জাল করতেন।

২৪ - ইব্রাহিম ইবনে আহমদ আল-মাইমাযি আল-কাদি।

তিনি আবু খলিফা ও আবু ইয়ালা থেকে বর্ণনা করেছেন।

তার থেকে ইয়াহিয়া ইবনে আম্মার আল-ওয়ায়েজ বর্ণনা করেছেন।

আল-খতিব বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না।

‌‌২৫ - ইব্রাহিম ইবনে আহমদ আল-ইজলি.

তিনি ইয়াহিয়া ইবনে আবি তালিব এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেন যারা হাদিস জাল করত।

ইবনুল জাওজি তার কথা উল্লেখ করেছেন।

‌‌২৬ - ইব্রাহিম ইবনে আহমদ ইবনে মারওয়ান.

আল-হাকিম আদ-দারাকুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন।

--------------------------------------------

(১) শুধুমাত্র 'হা' পাণ্ডুলিপিতে অতিরিক্ত হিসেবে এসেছে।

(২) দুই 'মিম'-এর ওপর ফাতহা (যবর), যার মাঝখানে দুই নুকতা বিশিষ্ট সাকিন 'ইয়া' এবং শেষে 'যাল' বর্ণ (আল-লুবাব)।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٨)
قلت: يروى عن هدبة وجبارة بن المغلس (1) .

مات قبل التسعين ومائتين.

‌‌27 - إبراهيم بن أبان.

بصري.

روى عن أبيه عن عمرو بن عثمان.

ضعفه الدارقطني.

‌‌28 - إبراهيم بن إسحاق.

عن طلحة بن كيسان.

قال أبو حاتم: مجهول.

‌‌29 - إبراهيم بن إسحاق.

عن الحسن البصري، لا يعرف من هو.

ويجوز أن يكون الأول.

‌‌30 - إبراهيم بن إسحاق الواسطي.

عن ثور بن يزيد.

قال ابن حبان: لا يجوز أن يحتج به.

روى عنه أبو يوسف يعقوب بن المغيرة الغسولي.

‌‌31 - إبراهيم بن إسحاق الصيني (2) .

عن مالك وغيره.

قال الدارقطني: متروك الحديث.

قلت: تفرد عن قيس بن الربيع، عن الأسود بن قيس، عن أبيه، عن عمر،

قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا فاته شئ من رمضان قضاه في عشر ذي الحجة.

لا يروى عن عمر إلا بهذا الإسناد.

‌‌32 - إبراهيم بن إسحاق بن إبراهيم بن عيسى، من ولد حنظلة الغسيل.

روى عن بندار وغيره.

كان يسرق الحديث.

وقد روى عن يحيى بن أكثم، عن مبشر بن إسماعيل، عن معاوية بن صالح، عن أبي الزاهرية، عن جبير بن نفير، عن عوف بن مالك - مرفوعاً: من أراد بر والديه فليعط الشعراء.

--------------------------------------------

(1) المغلس، كالمحدث (القاموس) .

(2) هـ: العينى.

والمثبت في المخطوطة، ولسان الميزان، (3) هـ: حنظلة بن الغسيل، وهو خصأ، والمثبت في ل أيضا.

وفي مطبوعتنا من الاستيعاب حنظلة الغسيل وهو حنظلة بن أبي عامر، وحنظلة معروف بغسيل الملائكة، قتل يوم أحد شهيدا وأخبر النبي أن الملائكة غسلته.

(*)
আমি বলছি: তিনি হুদবা এবং জাবারাহ বিন আল-মুগাল্লিস (১) থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি দু'শ নব্বই হিজরির আগে মারা গেছেন।

‌‌২৭ - ইব্রাহিম বিন আবান।

বসরাবাসী।

তিনি তার পিতার সূত্রে আমর বিন উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন।

আদ-দারাকুতনি তাকে দুর্বল বলেছেন।

‌‌২৮ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক।

তালহা বিন কায়সান থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু হাতিম বলেছেন: তিনি অপরিচিত (মাজহুল)।

‌‌২৯ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক।

হাসান বসরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি কে তা পরিচিত নয়।

হতে পারে তিনিই প্রথম ব্যক্তিটি।

‌‌৩০ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক আল-ওয়াসিতি।

সাওরি বিন ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে হিব্বান বলেছেন: তাকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা বৈধ নয়।

তার থেকে আবু ইউসুফ ইয়াকুব বিন আল-মুগিরা আল-গাসুলি বর্ণনা করেছেন।

‌‌৩১ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক আস-সিনি (২) ।

মালিক এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

আদ-দারাকুতনি বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী (মাতরুকুল হাদিস)।

আমি বলছি: তিনি কায়েস বিন আল-রাবি থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ বিন কায়েস থেকে, তিনি তার পিতার থেকে, তিনি উমর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন,

তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যখন রমজানের কোনো রোজা ছুটে যেত, তখন তিনি তা জিলহজের প্রথম দশ দিনে কাজা করতেন।

উমর থেকে এই সনদ ছাড়া অন্য কোনো সনদে এটি বর্ণিত হয়নি।

‌‌৩২ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন ঈসা, হানজালা আল-গাসিলের বংশধর।

তিনি বুন্দার এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি হাদিস চুরি করতেন।

তিনি ইয়াহইয়া বিন আকসাম থেকে, মুবাশশির বিন ইসমাইল থেকে, মুয়াবিয়া বিন সালেহ থেকে, আবু আল-জাহিরিয়া থেকে, জুবায়ের বিন নুফায়ের থেকে, আউফ বিন মালিকের সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করতে চায়, সে যেন কবিদের দান করে।

--------------------------------------------

(১) আল-মুগাল্লিস, মুহাদদিসের ওজনে (আল-কামুস)।

(২) হাশিয়া: আল-আইনি। পাণ্ডুলিপিতে এবং লিসান আল-মিজানে যা আছে তা-ই গ্রহণ করা হয়েছে। (৩) হাশিয়া: হানজালা বিন আল-গাসিল, এটি একটি ভুল, এবং 'লাম' (পাণ্ডুলিপি)-তেও যা সাব্যস্ত হয়েছে তা-ই রাখা হয়েছে।

আমাদের মুদ্রিত 'আল-ইসতিয়াব' গ্রন্থে আছে হানজালা আল-গাসিল, আর তিনি হলেন হানজালা বিন আবি আমির। হানজালা 'ফেরেশতাদের দ্বারা গোসলকৃত' (গাসিলুল মালাইকা) হিসেবে পরিচিত, তিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন এবং নবীজি সংবাদ দিয়েছিলেন যে ফেরেশতারা তাকে গোসল করিয়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ١٩)
قال ابن حبان: وهذا باطل.

‌‌33 - إبراهيم بن إسحاق الضيى الكوفي.

قال الأزدي: يتكلمون فيه [زائغ عن القصد] (1) .

‌‌34 - إبراهيم بن إسحاق.

لا أدري من ذا، والخبر فمنكر.

قال أحمد - في المسند: حدثنا أسود بن عامر، حدثنا إسرائيل، عن إبراهيم بن إسحاق، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بجدار مائل فأسرع، فقيل له في ذلك، فقال: إني أكره موت الفوات.

[زائغ عن القصد (2) ] .

‌‌35 - إبراهيم بن إسماعيل - بن مجمع الأنصاري المدني [ق] .

عن الزهري، وسالم بن عبد الله.

وعنه وكيع، وأبو نعيم.

ضعفه النسائي.

وقال ابن معين: ليس بشئ.

وقال أبو حاتم: كثير الوهم

ليس بالقوي.

وقال البخاري: كثير الوهم، واستشهد به في صحيحه.

‌‌36 - إبراهيم بن إسماعيل بن أبي حبيبة الأشهلي المدنى [ت، ق] أبو إسماعيل.

عن داود بن الحصين وغيره.

قال البخاري: عنده مناكير.

وقال النسائي: ضعيف.

وقال أحمد: ثقة.

وقال ابن معين مرة: صالح الحديث.

ومرة قال: ليس بشئ.

وقال الدارقطني: ليس بالقوي.

وقال ابن عدي: يقال صام ستين سنة.

وقال عبد العزيز بن عمر الزهري، عن إبراهيم بن الزهري، عن إبراهيم بن إسماعيل، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس - أحسبه رفعه: من قال لرجل: يا مخنث، فاجلدوه عشرين.

أبو القاسم بن أبي الزناد، حدثني إسماعيل بن إبراهيم، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن رجلا طلق امرأته ثلاثا، فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقال: لا نفقة لك ولا سكنى.

مات سنة خمس وستين ومائة.

--------------------------------------------

(1) زيادة في ل.

وفي ل: وعندي أنه الذى قبله تصحف الصينى بالضبى (1 - 30) .

(2) هذه العبارة في المخطوطة وحدها.

وبدلها في ل، هـ: وإنما يعرف هذا بإبراهيم بن الفضل كما سيأتي.

(*)
ইবনে হিব্বান বলেছেন: এটি বাতিল।

‌‌৩৩ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক আদ-দাব্বি আল-কুফি.

আল-আযদি বলেছেন: তারা তাকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন [সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত] (১)।

‌‌৩৪ - ইব্রাহিম বিন ইসহাক.

আমি জানি না তিনি কে, আর বর্ণনাটি অগ্রহণযোগ্য (মুনকার)।

আহমাদ 'আল-মুসনাদ'-এ বলেছেন: আসওয়াদ বিন আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন ইসহাক থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি হেলে পড়া দেয়ালের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দ্রুত চললেন। তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন: আমি আকস্মিক মৃত্যু অপছন্দ করি।

[সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত (২)]।

‌‌৩৫ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন মাজমা আল-আনসারি আল-মাদানি [ক্ব].

তিনি আয-যুহরি এবং সালিম বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে ওকি’ এবং আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন।

আন-নাসায়ি তাকে দুর্বল বলেছেন।

ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন।

আবু হাতিম বলেছেন: প্রচুর বিভ্রান্তি (ওয়াহম) ঘটে, তিনি শক্তিশালী নন।

বুখারি বলেছেন: প্রচুর বিভ্রান্তি ঘটে, তবে তিনি তাঁর সহিহ গ্রন্থে তাকে সাক্ষ্য (ইস্তিশহাদ) হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

‌‌৩৬ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন আবি হাবিবা আল-আশহালি আল-মাদানি [তা, ক্ব] আবু ইসমাইল.

দাউদ বিন আল-হুসাইন এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

বুখারি বলেছেন: তাঁর নিকট অগ্রহণযোগ্য (মুনকার) বর্ণনা রয়েছে।

আন-নাসায়ি বলেছেন: তিনি দুর্বল।

আহমাদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।

ইবনে মাঈন একবার বলেছেন: তাঁর হাদিস গ্রহণযোগ্য।

আবার অন্য সময় বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন।

আদ-দারাকুতনি বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন।

ইবনে আদি বলেছেন: বলা হয় যে তিনি ষাট বছর রোজা রেখেছিলেন।

আব্দুল আজিজ বিন উমর আয-যুহরি, ইব্রাহিম বিন আয-যুহরি থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন ইসমাইল থেকে, তিনি দাউদ বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন—আমার ধারণা তিনি হাদিসটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি কোনো লোককে বলবে: ‘হে নপুংসক’, তাকে বিশটি বেত্রাঘাত করো।

আবু কাসিম বিন আবিয যিনাদ বলেছেন, ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আমার নিকট দাউদ বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছিল, অতঃপর সে মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি বললেন: তোমার জন্য কোনো খোরপোষ ও আবাসন নেই।

তিনি একশ পঁয়ষট্টি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি ‘লাম’-এ অতিরিক্ত।

এবং ‘লাম’-এ রয়েছে: আমার মতে তিনি ওই ব্যক্তিই যিনি পূর্বে উল্লেখিত হয়েছেন, যেখানে ‘আস-সিনি’ শব্দটি ভুলক্রমে ‘আদ-দাব্বি’ হিসেবে পাঠ করা হয়েছে (১-৩০)।

(২) এই বাক্যটি কেবল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে।

এর পরিবর্তে ‘লাম’ ও ‘হা’ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: বরং এটি ইব্রাহিম বিন আল-ফাদল হিসেবেই পরিচিত, যেমনটি সামনে আসবে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٠)
‌‌37 - إبراهيم بن إسماعيل بن بشير.

عن نميم بن الجعد، كوفي قال الأزدي: يتكلمون فيه.

وروى أيضاً عن جعفر بن عون.

حدث عنه إبراهيم ابن أبي بكر بن أبي شيبة.

قال أبو زرعة: لم يقض لي أن أسمع منه، ثم سمعت من أبي شيبة عنه.

قلت: هو كوفي.

‌‌38 - إبراهيم بن إسماعيل المكي.

لا يكاد يعرف.

قال يحيى: ليس بشئ.

‌‌39 - إبراهيم بن إسماعيل [ت] بن يحيى بن سلمة بن كهيل.

لينه أبو زرعة، وتركه أبو حاتم.

يروى عن أبيه، تأخر.

‌‌40 - إبراهيم بن إسماعيل [ق] اليشكري.

شيخ حدث ابن ماجة عن شيخ له عنه.

لا يعرف حاله.

حدث عنه أبو كريب وغيره.

وهذا في عداد الشيوخ.

‌‌41 - إبراهيم بن إسماعيل [د، ق] ، عن أبي هريرة.

قال أبو حاتم: مجهول.

روى عنه حجاج بن عبيد، وعمرو بن دينار.

وقال البخاري: لم يثبت حديثه [يعنى] (1) في صلاة النافلة.

‌‌42 - إبراهيم بن إسماعيل / بن علية.

عن أبيه.

جهمي هالك.

كان يناظر ويقول بخلق القرآن.

مات سنة ثمان عشرة ومائتين.

43 - إبراهيم بن الأسود، هو إبراهيم بن [أبى] (2) عبد الله.

فيه نظر.

سمع ابن أبي نجيح.

‌‌44 - إبراهيم بن الأشعث، خادم الفضيل بن عياض.

قال أبو حاتم الرازي: كنا نظن به الخير، فقد جاء بمثل هذا الحديث وذكر حديثاً ساقطاً، وروى عبدة بن عبد الرحيم المروزي وهو ثقة، حدثنا إبراهيم بن الاشعث

--------------------------------------------

(1) ليس في خ: (2) ساقط من هـ.

(*)
৩৭ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন বশির.

নামিম বিন আল-জাদ আল-কুফি থেকে বর্ণিত; আল-আজদি বলেন: তাঁর সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে।

তিনি জাফর বিন আওন থেকেও বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে ইব্রাহিম ইবনে আবি বকর বিন আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন।

আবু জুরআহ বলেন: তাঁর থেকে সরাসরি শোনার সৌভাগ্য আমার হয়নি, তবে আমি আবু শায়বাহর মাধ্যমে তাঁর থেকে শুনেছি।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: তিনি কুফার অধিবাসী।

৩৮ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল আল-মাক্কি.

তিনি পরিচিত নন বললেই চলে।

ইয়াহইয়া বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন।

৩৯ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল [তিরমিজি] বিন ইয়াহইয়া বিন সালামাহ বিন কুহাইল.

আবু জুরআহ তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং আবু হাতিম তাঁকে বর্জন করেছেন।

তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি পরবর্তী সময়ের লোক।

৪০ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল [ইবনে মাজাহ] আল-ইয়াশকুরি.

তিনি একজন শায়খ; ইবনে মাজাহ তাঁর জনৈক উস্তাদের মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর অবস্থা অজ্ঞাত।

তাঁর থেকে আবু কুরাইব ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন।

তিনি সাধারণ স্তরের শায়খদের অন্তর্ভুক্ত।

৪১ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল [আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ], আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত.

আবু হাতিম বলেন: তিনি অজ্ঞাত।

তাঁর থেকে হাজ্জাজ বিন উবায়েদ এবং আমর বিন দিনার বর্ণনা করেছেন।

বুখারি বলেন: নফল সালাত সংক্রান্ত তাঁর হাদিসটি সাব্যস্ত নয়।

৪২ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন উলাইয়্যাহ.

তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি একজন ভ্রান্ত জাহমি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

তিনি বিতর্ক করতেন এবং কুরআন সৃষ্টির মতবাদ পোষণ করতেন।

তিনি ২১৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

৪৩ - ইব্রাহিম বিন আল-আসওয়াদ, তিনি হলেন ইব্রাহিম বিন [আবি] আবদুল্লাহ।

তাঁর ব্যাপারে আপত্তি আছে।

তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে শুনেছেন।

৪৪ - ইব্রাহিম বিন আল-আশ'আস, ফুদাইল বিন ইয়াজের খাদেম.

আবু হাতিম আর-রাজি বলেন: আমরা তাঁর সম্পর্কে সুধারণা পোষণ করতাম, কিন্তু তিনি এমন হাদিস নিয়ে এসেছেন—অতঃপর তিনি একটি অগ্রহণযোগ্য হাদিসের উল্লেখ করেন। নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী আবদাহ বিন আবদুর রহিম আল-মারওয়াজি বর্ণনা করেন যে, ইব্রাহিম বিন আল-আশ'আস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) 'খ' পাণ্ডুলিপিতে নেই। (২) 'হ' পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢١)
حدثنا عيسى غنجار، عن عثمان بن راشد، عن يحيى بن أبي كثير، عن نافع، عن ابن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من كثر كلامه كثر سقطه، ومن كثر سقطه كثرت ذنوبه، ومن كثرت ذنوبه فالنار أولى به.

‌‌45 - إبراهيم بن أعين [ق] الشيباني.

بصري.

سكن مصر.

عن صالح المري.

ضعفه أبو حاتم الرازي.

روى عنه أبو همام السكوني، وإبراهيم بن محمد بن

يوسف الفرياني، ويشتبه بإبراهيم بن أعين شيخ لهشام بن عمار، مع أنى أجوز أنه الشيباني.

فأما إبراهيم بن أعين الكوفي شيخ أبي سعيد الأشج فقال ابن أبي حاتم: سمعت الأشج يقول: كان من خيار الناس.

روى عن الثوري.

46 - إبراهيم بن أيوب البرسانى (1) الأصبهاني.

عن الثوري، وعن فائد الأعمش.

قال أبو حاتم: مجهول، قاله عنه ابن الجوزي، وما رأيته أنا في كتاب ابن أبي حاتم، بل فيه أنه روى عنه النضر بن هشام، وعبد الرزاق ابن بكر الأصبهانيان.

‌‌47 - إبراهيم بن باب البصري القصار.

عن ثابت البناني.

واه، لا يكاد يعرف [إلا بحديث الطير] (2) .

‌‌48 - إبراهيم بن بديل بن ورقاء الخزاعي.

مصري.

عن الزهري.

ضعفه ابن معين، مقل.

‌‌49 - إبراهيم بن البراء بن النضر بن أنس بن مالك الأنصاري.

عن شعبة والحمادين.

قال ابن عدي: ضعيف جدا.

حدث بالبواطيل.

وقال العقيلي: حدثنا بكر بن سهل، حدثنا إبراهيم بن البراء بن النضر، حدثنا شعبة عن الحكم، فذكر حديثا منكرا.

--------------------------------------------

(1) هـ: الفرسانى.

(2) ليس في خ، وهو في هـ، ل.

(*)
ঈসা গুনজার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান বিন রাশিদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: “যার কথা অধিক হয়, তার স্খলনও অধিক হয়; আর যার স্খলন অধিক হয়, তার গুনাহও অধিক হয়; আর যার গুনাহ অধিক হয়, জাহান্নামই তার জন্য অধিক উপযুক্ত।”

‌‌৪৫ - ইব্রাহীম বিন আ’য়ান [ক্বা] আশ-শায়বানী.

বসরার অধিবাসী।

মিসরে বসবাস করতেন।

সালেহ আল-মুররী থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু হাতিম আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন।

তার থেকে আবু হাম্মাম আস-সাকুনী এবং ইব্রাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন

ইউসুফ আল-ফিরইয়ানী বর্ণনা করেছেন। হিশাম বিন আম্মারের উস্তাদ ইব্রাহীম বিন আ’য়ানের সাথে তার বিভ্রান্তি ঘটে, যদিও আমি মনে করি তিনি সম্ভবত এই শায়বানী-ই।

আর ইব্রাহীম বিন আ’য়ান আল-কুফী—যিনি আবু সাঈদ আল-আশাজ্জের উস্তাদ—তার সম্পর্কে ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি আশাজ্জকে বলতে শুনেছি: তিনি সর্বোত্তম মানুষদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

তিনি সাওরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

৪৬ - ইব্রাহীম বিন আইয়ুব আল-বুরসানী (১) আল-আসফাহানী।

সাওরী এবং ফায়েদ আল-আ’মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু হাতিম বলেছেন: তিনি মাজহুল (অপরিচিত); ইবনুল জাওযী তার সম্পর্কে এমনটি বলেছেন, তবে আমি ইবনে আবি হাতিমের কিতাবে তা দেখিনি; বরং তাতে রয়েছে যে, তার থেকে নজর বিন হিশাম এবং আব্দুর রাজ্জাক বিন বকর আল-আসফাহানী দ্বয় বর্ণনা করেছেন।

‌‌৪৭ - ইব্রাহীম বিন বাব আল-বসরী আল-কাসসার.

সাবিত আল-বুনানী থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি অত্যন্ত দুর্বল, [পাখির হাদীস ব্যতীত] (২) তিনি পরিচিত নন।

‌‌৪৮ - ইব্রাহীম বিন বুদাইল বিন ওয়ারকা আল-খুযাঈ.

মিসরীয়।

যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন; তিনি অল্প হাদীস বর্ণনাকারী।

‌‌৪৯ - ইব্রাহীম বিন আল-বারা বিন আন-নজর বিন আনাস বিন মালিক আল-আনসারী.

শু’বাহ এবং দুই হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আদী বলেন: অত্যন্ত দুর্বল।

তিনি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট হাদীস বর্ণনা করতেন।

আর উকাইলী বলেন: বকর বিন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম বিন আল-বারা বিন আন-নজর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ আমাদের নিকট হাকাম থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি একটি মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) হাদীস উল্লেখ করেন।

--------------------------------------------

(১) ‘হা’ পাণ্ডুলিপিতে: আল-ফুরসানী।

(২) ‘খা’ পাণ্ডুলিপিতে নেই, তবে ‘হা’ ও ‘লাম’ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٢)
ثم قال العقيلي: يحدث عن الثقات بالبواطيل.

وممن روى عنه سلم بن عبد الصمد، وساق (1) له ابن عدي ثلاثة أحاديث باطلة.

وقال ابن حبان: إبراهيم بن البراء من ولد النضر بن أنس شيخ كان يدور

بالشام ويحدث عن الثقات بالموضوعات، لا يجوز ذكره إلا على سبيل القدح فيه.

روى عن حماد بن سلمة، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن جابر - مرفوعاً انكحوا من فتياتكم أصاغر النساء فإنهن أعذب أفواها، وأنتق أرحاما.

أنبأنا ابن ناجية، حدثنا عبد السلام بن عبد الصمد الحراني، حدثنا إبراهيم [به] (2) .

ثم قال ابن حبان: هو الذي روى عن الشاذكوني، عن الدراوردي، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة - مرفوعاً: من ربى صبياً حتى يتشهد وجبت له الجنة.

وهذا باطل.

قلت: أحسب أن إبراهيم بن البراء هذا الراوي عن الشاذكوني آخر صغير.

وقال أبو بكر الخطيب: إبراهيم بن حبان بن البراء بن النضر بن أنس بن مالك روى عنه محمد بن سنان الشيزري، فنسبه هكذا الخطيب.

وقد روى عنه الحسن بن سعيد الموصلي، فقال: حدثنا إبراهيم بن حبان بن النجار، حدثنا أبي عن أبيه النجار، عن جده أنس، فذكر حديثاً، فأظنه دلسه.

وقال أبو الفتح الأزدي: إبراهيم بن حيان بن البختري، كذا سماه أبو الفتح ثم قال: روى عن شعبة وشريك، ساقط.

قلت: وروى إبراهيم بن البراء أيضاً عن مالك وطائفة، وكان يكون بالموصل.

قد أرخ بعضهم وفاته في سنة أربع أو سنة خمس وعشرين ومائتين.

‌‌50 - إبراهيم بن البراء، عن سليمان الشاذكوني بخبر باطل فيمنن ربى صبياً حتى يقول لا إله إلا الله.

الظاهر أنه آخر غير الأول، والشاذكوني فهالك.

--------------------------------------------

(1) ل: روى.

(2) من ل.

(*)
অতঃপর আল-উকায়লী বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে ভিত্তিহীন কথা বর্ণনা করেন।

যাঁরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁদের মধ্যে সালম ইবনে আবদুস সামাদ অন্যতম; ইবন আদি তাঁর সূত্রে (১) তিনটি বাতিল (ভিত্তিহীন) হাদিস উল্লেখ করেছেন।

ইবন হিব্বান বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনুল বারা আন-নাদর ইবনে আনাসের বংশধর। তিনি এমন একজন শায়খ ছিলেন যিনি শাম (সিরিয়া) অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতেন এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বরাতে জাল হাদিস বর্ণনা করতেন। তাঁর সমালোচনা করা ব্যতীত তাঁকে উল্লেখ করা বৈধ নয়।

তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামা থেকে, তিনি কাতাদা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে এবং তিনি জাবির (রা.) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণনা করেছেন— ‘তোমাদের তরুণীদের মধ্য থেকে অল্পবয়সীদের বিয়ে করো; কেননা তাদের মুখ অধিক মিষ্টি এবং জরায়ু অধিক সন্তান উৎপাদনে সক্ষম।’

ইবনে নাজিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুস সালাম ইবনে আবদুস সামাদ আল-হাররানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম [এই হাদিসটি] (২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর ইবন হিব্বান বলেন: তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আশ-শাযকূনী থেকে, তিনি আদ-দারাওয়ারদী থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণনা করেছেন— ‘যে ব্যক্তি কোনো শিশুকে লালন-পালন করে যতক্ষণ না সে তাওহিদের সাক্ষ্য (কালিমা) দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।’

আর এটি একটি বাতিল বা ভিত্তিহীন কথা।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আমার মনে হয় আশ-শাযকূনী থেকে বর্ণনাকারী এই ইব্রাহিম ইবনুল বারা অন্য এক ব্যক্তি, যিনি বয়সে ছোট ছিলেন।

আবু বকর আল-খাতিব বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে হিব্বান ইবনুল বারা ইবনুন নাদর ইবনে আনাস ইবনে মালিক। তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবনে সিনান আশ-শায়জারি বর্ণনা করেছেন; আল-খাতিব তাঁর বংশপরম্পরা এভাবেই উল্লেখ করেছেন।

আল-হাসান ইবনে সাঈদ আল-মাওসিলি তাঁর থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে হিব্বান ইবনুন নাজ্জার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা তাঁর পিতা নাজ্জার থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। এরপর তিনি একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন; আমার ধারণা সে এতে তাদলীস (তথ্যাদি অস্পষ্ট করা) করেছে।

আবু ফাতহ আল-আযদি বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে হাইয়্যান ইবনুল বাখতারি। আবু ফাতহ তাঁকে এই নামেই অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন: সে শু’বা ও শারীক থেকে বর্ণনা করেছে, সে বর্জিত (সাকিত)।

আমি বলছি: ইব্রাহিম ইবনুল বারা ইমাম মালিক এবং আরও একদল আলেমের থেকেও বর্ণনা করেছেন। তিনি মসুলে অবস্থান করতেন।

কেউ কেউ তাঁর মৃত্যুসাল ২২৪ অথবা ২২৫ হিজরিতে বলে উল্লেখ করেছেন।

‌‌৫০ - ইব্রাহিম ইবনুল বারা, সুলাইমান আশ-শাযকূনী থেকে একটি বাতিল বর্ণনা প্রসঙ্গে; যে ব্যক্তি শিশুকে লালন-পালন করে যতক্ষণ না সে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে।

প্রতীয়মান হয় যে, তিনি প্রথমোক্ত ব্যক্তি থেকে ভিন্ন অন্য কেউ। আর শাযকূনী তো পরিত্যক্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত বর্ণনাকারী।

--------------------------------------------

(১) ‘ল’ পাণ্ডুলিপিতে: বর্ণনা করেছেন।

(২) ‘ল’ পাণ্ডুলিপি থেকে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٣)
‌‌51 - إبراهيم بن بشر الكسائي، شيخ لبدر بن الهيثم.

لا يعرف.

جاء

في خبر منكر.

‌‌52 - إبراهيم بن بشر الأزدي.

عن يحيى بن معين، وعنه حسان بن حسان.

لا يدري من هو، وكذلك شيخه.

قال أبو حاتم: هما مجهولان.

‌‌53 - إبراهيم بن بشار [د، ت] الرمادي.

صاحب سفيان بن عيينة، من أهل جرجراياً، ليس بالمتقن، وله مناكير.

قال يحيى بن معين: رأيته ينظر في كتاب وابن عيينة يقرأ ولا يغير شيئاً، / ليس معه ألواح ولا دواة.

وقال عبد الله بن أحمد بن حنبل: سألت أبي عنه فلم يعجبه.

وقال: كان يكون عند سفيان فيقوم فيجيئون إليه الخراسانية، فيملي عليهم ما لم يقل ابن عيينة.

فقلت له: أما تتقي الله! أما تراقب الله! أو كما قال.

وقال ابن عدي: سألت محمد بن أحمد الزريقي بالبصرة، عن إبراهيم بن بشار الرمادي، فقال: كان والله زاهد أهل زمانه.

وقال البخاري: قال لي إبراهيم الرمادي: حدثنا سفيان، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم: كلكم راع ومسئول.

وهذا وهم، كان ابن عيينة يرسله.

قال ابن عدي: إبراهيم لا أعلم أنكر عليه إلا هذا، وباقي حديثه عن ابن عيينة مستقيم.

وهو عندنا من أهل الصدق.

وقال البخاري: يهم في الشئ بعد الشئ، وهو صدوق.

وقال عبد الله بن أحمد [بن الحنبل] (1) : سمعت أبي يقول: كان سفيان الذي يروى عنه إبراهيم بن بشار ليس بسفيان ببن عيينة، يعنى مما يغرب عنه.

وكان مكثرا عنه.

--------------------------------------------

(1) ليس في خ.

(*)
৫১ - ইবরাহিম ইবনে বিশর আল-কিসায়ি, তিনি বদর ইবনুল হাইসামের জনৈক শাইখ.

তিনি পরিচিত নন।

একটি মুনকার (অস্বীকৃত) বর্ণনায় তাঁর উল্লেখ রয়েছে।

৫২ - ইবরাহিম ইবনে বিশর আল-আজদি.

ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন থেকে বর্ণিত, আর তাঁর থেকে হাসসান ইবনে হাসসান বর্ণনা করেছেন।

তিনি কে তা জানা যায় না, অনুরূপভাবে তাঁর শাইখও অপরিচিত।

আবু হাতিম বলেন: তাঁরা উভয়েই মাজহুল (অজ্ঞাতপরিচয়)।

৫৩ - ইবরাহিম ইবনে বাশশার [আবু দাউদ, তিরমিজি] আল-রামাদি.

সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনার সহচর, জুরজরায়া অঞ্চলের অধিবাসী; তিনি বর্ণনায় নিপুণ (মুতকিন) ছিলেন না এবং তাঁর বর্ণিত কিছু মুনকার হাদিস রয়েছে।

ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: আমি তাঁকে একটি কিতাবের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেছি যখন ইবনে উইয়াইনা পাঠ করছিলেন, অথচ তিনি কিছুই সংশোধন বা পরিবর্তন করছিলেন না; তাঁর সাথে কোনো লিখনফলক বা দোয়াত ছিল না।

আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেন: আমি আমার পিতাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাঁকে পছন্দ করেননি।

তিনি (আহমাদ ইবনে হাম্বল) বলেন: সে সুফিয়ানের কাছে অবস্থান করত, অতঃপর সে যখন উঠে আসত তখন খুরাসানিরা তাঁর নিকট আসত, আর সে তাদের কাছে এমন কিছু বর্ণনা করত যা ইবনে উইয়াইনা বলেননি।

তখন আমি তাঁকে বললাম: আপনি কি আল্লাহকে ভয় করেন না! আপনি কি আল্লাহর নজরদারির কথা ভাবেন না!—অথবা তিনি অনুরূপ কিছু বলেছিলেন।

ইবনে আদি বলেন: আমি বসরায় মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-জুরায়কিকে ইবরাহিম ইবনে বাশশার আল-রামাদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: আল্লাহর কসম, তিনি তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ জাহিদ (সংসারবিরাগী) ছিলেন।

ইমাম বুখারি বলেন: ইবরাহিম আল-রামাদি আমাকে বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুরাইদ থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: "তোমাদের প্রত্যেকেই রাখাল এবং (নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে) জিজ্ঞাসিত হবে।"

এটি একটি ভ্রম (ওয়াহম), কারণ ইবনে উইয়াইনা এটি মুরসাল হিসেবে (সাহাবির নাম উল্লেখ না করে) বর্ণনা করতেন।

ইবনে আদি বলেন: ইবরাহিমের এই একটি বিষয় ছাড়া অন্য কোনো মুনকার বর্ণনা আমার জানা নেই, এবং ইবনে উইয়াইনা থেকে তাঁর অবশিষ্ট হাদিসগুলো সঠিক।

আমাদের নিকট তিনি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।

ইমাম বুখারি বলেন: তিনি মাঝেমধ্যে ভুল করতেন, তবে তিনি সত্যবাদী (সদুক)।

আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ [ইবনে হাম্বল] (১) বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: ইবরাহিম ইবনে বাশশার যে 'সুফিয়ান' থেকে বর্ণনা করতেন, তিনি (সব ক্ষেত্রে) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা ছিলেন না; অর্থাৎ সেই সব বর্ণনার ক্ষেত্রে যেগুলো তাঁর থেকে বিরল হিসেবে বর্ণিত।

তিনি তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা করতেন।

--------------------------------------------

(১) 'খ' পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٤)
قال ابن حبان - في الثقات: كان متقنا ظابطا، صحب سفيان مدة، فإنه قال: حدثنا سفيان بمكة وبعبادان وبين السماعين أربعون سنة.

وقال النسائي وغيره: ليس بالقوي.

قلت: وآخر من حدث عنه الفضل بن الحباب الجمحي.

ومات سنة بضع وعشرين ومائتين.

فأما سميه فهو صاحب إبراهيم بن أدهم.

‌‌54 - إبراهيم بن بشار الخراساني الزاهد.

صدوق، ما تكلم فيه أحد.

روى عن إبراهيم بن أدهم، وحماد بن زيد.

55 - إبراهيم بن (1) بشير المكي.

عن مالك بن أنس.

قال الدارقطني: ضعيف.

‌‌56 - إبراهيم بن بكر الشيباني الأعور.

كوفي.

ويقال واسطي.

كان يكون ببغداد.

يروى عن جعفر بن الزبير، وشعبة، وابن أبي رواد.

وعنه محمد بن الحسين البرجلانى (2) ، ويحيى بن أبي طالب.

روى مهنا بن يحيى، عن أحمد بن حنبل، قال: قد رأيته، وأحاديثه موضوعة.

وقال الدارقطني: متروك.

قال ابن عدي: يسرق الحديث.

وقال الأزدي: تركوه.

وقال ابن الجوزي، وإبراهيم بن بكر: ستة لا نعلم فيهم ضعفا سوى هذا.

قلت: لو سماهم لأفادنا، فما ذكر ابن أبي حاتم منهم أحداً.

‌‌57 - إبراهيم بن أبي بكر بن المنكدر.

عن عمه.

قال الدارقطني: ضعيف.

قلت: روى عنه الحميدى، وإبراهيم بن موسى، وجماعة.

وذكره ابن أبى حاتم فما تعرض له.

--------------------------------------------

(1) في ل، هـ: إبراهيم بن أدهم بن بشير.

والمثبت في المخطوطة، وهو المناسب للترتيب.

(2) هذا الضبط من اللباب ومعجم ياقوت، وفي المخطوطة فتحت الباء والجيم.

(*)
ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাত' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি অত্যন্ত পারদর্শী ও প্রখর স্মৃতিসম্পন্ন ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় সুফিয়ানের সাহচর্যে ছিলেন; কেননা তিনি বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে মক্কায় এবং আবাদানে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এই দুই শ্রবণের মধ্যবর্তী সময় ছিল চল্লিশ বছর।

ইমাম নাসাঈ এবং অন্যরা বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন।

আমি বলছি: তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনাকারী সর্বশেষ ব্যক্তি হলেন ফজল ইবনুল হুবাব আল-জুমাহি।

তিনি দুই শত বিশের কিছুকাল পরে ইন্তেকাল করেন।

আর তাঁর সমনামী ব্যক্তি হলেন ইব্রাহিম ইবনে আদহামের সাথী।

‌‌৫৪ - ইব্রাহিম ইবনে বাশার আল-খুরাসানি আল-জাহিদ।

তিনি সত্যবাদী, কেউ তাঁর সমালোচনা করেননি।

তিনি ইব্রাহিম ইবনে আদহাম এবং হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

৫৫ - ইব্রাহিম ইবনে (১) বাশির আল-মাক্কি।

তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

আদ-দারা কুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল।

‌‌৫৬ - ইব্রাহিম ইবনে বকর আশ-শাইবানি আল-আওয়ার।

তিনি কুফার অধিবাসী।

বলা হয় তিনি ওয়াসিতের অধিবাসী।

তিনি বাগদাদে অবস্থান করতেন।

তিনি জাফর ইবনে আজ-জুবায়ের, শু'বাহ এবং ইবনে আবি রাওয়াদ থেকে বর্ণনা করেন।

তাঁর থেকে মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-বুরজুলানি (২) এবং ইয়াহইয়া ইবনে আবি তালিব বর্ণনা করেছেন।

মুহান্না ইবনে ইয়াহইয়া আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাঁকে দেখেছি, তাঁর হাদিসসমূহ বানোয়াট।

আদ-দারা কুতনি বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত।

ইবনে আদি বলেছেন: তিনি হাদিস চুরি করতেন।

আল-আজদি বলেছেন: মুহাদ্দিসগণ তাঁকে বর্জন করেছেন।

ইবনুল জাওজি বলেছেন: 'ইব্রাহিম ইবনে বকর' নামে ছয়জন রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে এই ব্যক্তি ছাড়া আর কারও মাঝে আমরা দুর্বলতা জানি না।

আমি বলছি: তিনি যদি তাঁদের নাম উল্লেখ করতেন তবে আমাদের জন্য তা উপকারী হতো; কেননা ইবনে আবি হাতিম তাঁদের কাউকেই উল্লেখ করেননি।

‌‌৫৭ - ইব্রাহিম ইবনে আবি বকর ইবনুল মুনকাদির।

তিনি তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেছেন।

আদ-দারা কুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল।

আমি বলছি: আল-হুমাইদি, ইব্রাহিম ইবনে মুসা এবং একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আবি হাতিম তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন কিন্তু তাঁর সম্পর্কে কোনো সমালোচনা করেননি।

--------------------------------------------

(১) 'লাম' এবং 'হা' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ইব্রাহিম ইবনে আদহাম ইবনে বাশির। তবে মূল পাঠে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে তা পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী, যা ক্রমবিন্যাসের জন্য উপযুক্ত।

(২) এই উচ্চারণ নির্ধারণ 'আল-লুবাব' এবং 'মু'জামুল ইয়াকুত' থেকে নেওয়া হয়েছে। আর পাণ্ডুলিপিতে 'বা' এবং 'জিম' বর্ণদ্বয়ে ফাতহা (যবর) দেওয়া আছে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٥)
‌‌58 - إبراهيم بن بيطار الخوارزمي القاضي.

عن عاصم الأحول.

قال: سألت أنسا أيستاك الصائم برطب السواك؟ قال: نعم.

قلت: في أول النهار وآخره؟ قال: نعم.

قلت: عمن؟ قال: عن رسول الله صلى الله عليه وسلم.

رواه عنه الفضل بن موسى، وإبراهيم بن يوسف البلخي.

وهذا لا أصل له من حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم.

وقد أورده البيهقي في السنن، وقال: ويقال له إبراهيم بن عبد الرحمن، ثم ضعف روايته.

‌‌59 - إبراهيم بن ثابت القصار.

عن ثابت، عن أنس بحديث الطير.

رواه عنه عبد الرحمن بن دبيس، وعبد الله بن عمر بن أبان مشكدانه.

ماذا بعمدة، ولا أعرف حاله جيداً (1) .

‌‌60 - إبراهيم بن جريج الرهاوي.

عن زيد بن أبي أنيسة، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة - مرفوعاً: المعدة حوض البدن، والعروق إليها واردة.

رواه عنه يحيى البابلتي (2) .

وهذا منكر، وإبراهيم ليس بعمدة.

61 إبراهيم بن جرير [د، س] بن عبد الله البجلي.

عن أبيه، صدوق.

وقال يحيى بن معين: لم يسمع من أبيه.

قلت: فضعف حديثه جاء من جهة الانقطاع لا من قبل الحفظ.

62 إبراهيم بن الجعد.

عن أنس بن مالك.

قال أبو حاتم: ضعيف، روى عنه خالد الطحان.

63 إبراهيم بن حيان (3) مر.

64 إبراهيم بن حجر.

عن محمد بن أبي كريمة.

مجهول، قاله

أبو حاتم الرازي.

--------------------------------------------

(1) في ل: وقد تقدم إبراهيم بن باب القصار عن ثابت، فهو هذا، كأن اسم أبيه تصحف (1 - 42) .

(2) بسكون الباء الثانية وضم اللام وكسر التاء المنقوطة بنقطتين من فوقها مع التشديد (اللباب) .

(3) كتب فوق هذه الكلمة بالمخطوطة " معا " ومعنى ذلك أنها حبان، وحبان أي بالباء وكسر الحاء، وبالياء وفتح الحاء.

(*)
৫৮ - ইব্রাহিম বিন বিতার আল-খাওয়ারিজমি আল-কাদি.

আসিম আল-আহওয়াল থেকে বর্ণিত।

তিনি বলেন: আমি আনাসকে জিজ্ঞাসা করলাম, রোযা পালনকারী কি কাঁচা মেসওয়াক ব্যবহার করতে পারে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

আমি বললাম: দিনের শুরুতে এবং শেষে উভয় সময়েই? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

আমি বললাম: কার পক্ষ থেকে এটি বর্ণিত? তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে।

এটি তাঁর থেকে ফজল বিন মুসা এবং ইব্রাহিম বিন ইউসুফ আল-বালখি বর্ণনা করেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস হিসেবে এর কোনো ভিত্তি নেই।

আল-বায়হাকি এটি 'আস-সুনান'-এ উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তাকে ইব্রাহিম বিন আব্দুর রহমানও বলা হয়, অতঃপর তিনি তাঁর বর্ণনাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

‌৫৯ - ইব্রাহিম বিন সাবিত আল-কাসসার.

সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে 'পাখির হাদীস' বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে আব্দুর রহমান বিন দুবাইস এবং আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আবান মুশকুদানাহ এটি বর্ণনা করেছেন।

তিনি নির্ভরযোগ্য বা প্রামাণ্য নন, আর আমি তাঁর অবস্থা সম্পর্কেও ভালোভাবে জানি না (১)।

‌৬০ - ইব্রাহিম বিন জুরায়জ আল-রুহাবি.

যায়েদ বিন আবি উনাইসা থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: পাকস্থলী হলো দেহের জলাধার, আর শিরা-উপশিরাগুলো এর দিকেই ধাবিত হয়।

তাঁর থেকে ইয়াহইয়া আল-বাবিলতি (২) এটি বর্ণনা করেছেন।

এটি মুনকার (অস্বীকৃত), আর ইব্রাহিম নির্ভরযোগ্য বা প্রামাণ্য নন।

৬১ - ইব্রাহিম বিন জারীর [আবু দাউদ, নাসাঈ] বিন আব্দুল্লাহ আল-বাজালি।

তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাদুক (সত্যবাদী)।

ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন: তিনি তাঁর পিতা থেকে সরাসরি কিছু শোনেননি।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: সুতরাং তাঁর হাদীসের দুর্বলতা মূলত ইনকিতা' (সনদের বিচ্ছিন্নতা) থেকে এসেছে, তাঁর মুখস্থ শক্তির কোনো ত্রুটির কারণে নয়।

৬২ - ইব্রাহিম বিন আল-জা'দ।

আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু হাতিম বলেছেন: তিনি দয়ীফ (দুর্বল), খালিদ আত-তাহহান তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

৬৩ - ইব্রাহিম বিন হাইয়ান (৩) - পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

৬৪ - ইব্রাহিম বিন হাজার।

মুহাম্মদ বিন আবি কারীমা থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি মাকহুল (অজ্ঞাত), এ কথা আবু হাতিম আর-রাজি বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) 'লাম' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ইতিপূর্বে সাবিত থেকে ইব্রাহিম বিন বাব আল-কাসসারের আলোচনা অতিক্রান্ত হয়েছে, তিনিই মূলত এই ব্যক্তি, মনে হচ্ছে তাঁর পিতার নামে লিপিকারের ভুল (তাসহীফ) হয়েছে (১ - ৪২)।

(২) দ্বিতীয় 'বা' বর্ণটি সাকিন (যজমযুক্ত), 'লাম' বর্ণে পেশ এবং দুই নুকতাওয়ালা 'তা' বর্ণে যের ও তাশদীদ সহকারে (আল-লুবাব)।

(৩) পাণ্ডুলিপিতে এই শব্দের উপরে "মা'আন" (উভয়টি) লেখা আছে, যার অর্থ হলো এটি 'হাব্বান' এবং 'হিব্বান' উভয়ভাবেই হতে পারে; অর্থাৎ 'বা' যোগে এবং 'হা' বর্ণে যের দিয়ে, অথবা 'ইয়া' যোগে এবং 'হা' বর্ণে যবর দিয়ে।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٦)
يروى معاوية بن صالح، عن زيد بن بكر، عنه.

‌‌65 - إبراهيم بن الحجاج.

عن عبد الرزاق، وعنه محمود بن غيلان.

نكرة لا يعرف.

والخبر الذي رواه باطل، وما هو بالشامي ولا بالنيلي، ذانك صدوقان.

قال أبو الشيخ: حدثنا عبد الرحمن بن سلم الرازي، حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أحمد بن صالح المصري، عن إبراهيم بن الحجاج، عن عبد الرزاق، عن معمر، عن ابن أبي نجيح /، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال: لما زوج النبي صلى الله عليه وسلم فاطمة من على قالت فاطمة: يا رسول الله، زوجتني من رجل فقير ليس له شئ.

فقال: أما ترضين أن الله اختار من أهل الأرض رجلين: أباك وزوجك! تابعه عبد السلام بن صالح أحد الهلكى عن عبد الرزاق.

‌‌66 - إبراهيم بن حرب العسقلاني.

قال العقيلي: حدث بمناكير، منها حدثنا خير بن عرفة، حدثنا إبراهيم بن حرب ختن آدم، حدثنا حفص بن ميسرة، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ليبعثن الله أقواماً يوم القيامة تتلألأ وجوههم، يمرون بالناس كمر الريح، يدخلون الجنة بغير حساب، الذين ماتوا في الرباط.

‌‌67 - إبراهيم بن أبي حرة.

عن مجاهد.

ضعفه الساجي، ولكن وثقه ابن معين، وأحمد، وأبو حاتم وزاد لا بأس به.

رأى ابن عمر.

يروى عنه معمر، وابن عيينة، وهو جزري، سكن مكة.

‌‌68 - إبراهيم بن حسان.

عن أبي جعفر الباقر، وعنه وكيع.

مجهول.

‌‌69 - إبراهيم بن الحسن.

عن عبد الله بن عيسى.

قال ابن المديني: مجهول كشيخه.

‌‌70 - إبراهيم بن حسن بن عثمان الزهري.

عن عائشة بنت سعد.

لا يدري من هو
মুয়াবিয়া বিন সালিহ, যায়িদ বিন বকর থেকে, তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

‌‌৬৫ - ইবরাহীম বিন আল-হাজ্জাজ.

তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর থেকে মাহমুদ বিন গায়লান বর্ণনা করেছেন।

তিনি একজন অপরিচিত ব্যক্তি, তাকে চেনা যায় না।

তিনি যে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন তা বাতিল; তিনি শামী বা নীলি নন, কারণ তাঁরা দুজনেই সত্যবাদী ও নির্ভরযোগ্য।

আবু আশ-শাইখ বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন সালম আল-রাযী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন গায়লান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন সালিহ আল-মিসরী, তিনি ইবরাহীম বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি ইবনে আবি নাজীহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাতিমাকে আলীর সাথে বিবাহ দিলেন, তখন ফাতিমা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাকে এমন একজন দরিদ্র ব্যক্তির সাথে বিবাহ দিলেন যার কিছুই নেই।

তখন তিনি বললেন: তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আল্লাহ পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্য থেকে দু’জন ব্যক্তিকে মনোনীত করেছেন: তোমার পিতা এবং তোমার স্বামী! আবদুস সালাম বিন সালিহ—যিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত বর্ণনাকারীদের একজন—আবদুর রাজ্জাক থেকে তাঁর অনুসরণ (তাবে) করেছেন।

‌‌৬৬ - ইবরাহীম বিন হারব আল-আসকালানী.

আল-উকাইলি বলেন: তিনি অনেক মুনকার (অস্বীকৃত) হাদীস বর্ণনা করেছেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাইর বিন আরাফাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদমের জামাতা ইবরাহীম বিন হারব, তিনি হাফস বিন মায়সারা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ কিয়ামতের দিন অবশ্যই এমন কিছু সম্প্রদায়কে পুনরুত্থিত করবেন যাদের চেহারা উজ্জ্বল হবে, তারা মানুষের পাশ দিয়ে বাতাসের গতিতে চলে যাবে এবং বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে; তারা হলো ওইসব ব্যক্তি যারা সীমান্ত পাহারার (রিবাত) অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।

‌‌৬৭ - ইবরাহীম বিন আবি হুররাহ.

তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আস-সাজি তাঁকে দুর্বল বলেছেন, কিন্তু ইবনে মাঈন, আহমাদ এবং আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন; আর আবু হাতিম আরও যোগ করেছেন যে, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

তিনি ইবনে উমরকে দেখেছেন।

তাঁর থেকে মা’মার এবং ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি জাযীরার অধিবাসী ছিলেন এবং মক্কায় বসবাস করতেন।

‌‌৬৮ - ইবরাহীম বিন হাসান.

তিনি আবু জা’ফর আল-বাকির থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে ওয়াকী’ বর্ণনা করেছেন।

তিনি একজন অজ্ঞাত (মাজহুল) ব্যক্তি।

‌‌৬৯ - ইবরাহীম বিন আল-হাসান.

তিনি আবদুল্লাহ বিন ঈসা থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আল-মাদীনী বলেছেন: তিনি তাঁর শিক্ষকের মতোই অজ্ঞাত (মাজহুল)।

‌‌৭০ - ইবরাহীম বিন হাসান বিন উসমান আয-যুহরী.

তিনি আয়েশা বিনতে সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি কে তা জানা যায় না।
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٧)
‌‌71 - إبراهيم بن حفص بن جندب.

عن أبيه، وعنه حماد بن زيد.

مجهول.

‌‌72 - إبراهيم بن الحكم [فق] بن أبان، تركوه وقل من مشاه.

روى عن أبيه مرسلات فوصلها.

قال ابن معين: ليس بشئ.

وقال أحمد: في سبيل الله دراهم أنفقناها إلى عدن إلى إبراهيم بن الحكم.

وقال النسائي: متروك الحديث.

وقال عبد الله بن أحمد بن حنبل: سألت أبي عنه، فقال: وقت ما رأيناه لم يكن به بأس.

وقال البخاري: سكتوا عنه.

إسحاق بن الضيف، حدثنا إبراهيم، حدثنا أبي، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي في الموضع الذي يجامع فيه.

سلمة بن شبيب، حدثنا إبراهيم، حدثني أبي، عن عكرمة، عن أنس - مرفوعاً: من مرض ثلاثة أيام خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه.

وقال ابن عدي: عامة ما يرويه لا يتابع عليه.

‌‌73 - إبراهيم بن الحكم بن ظهير الكوفي.

شيعي جلد.

له عن شريك.

قال أبو حاتم: كذاب.

روى في مثالب معاوية فمزقنا ما كتبنا عنه.

وقال الدارقطني: ضعيف.

قلت: قد اختلف الناس في الاحتجاج برواية الرافضة على ثلاثة أقوال: أحدها - المنع مطلقاً.

الثاني - الترخص مطلقاً إلا فيمن يكذب ويضع.

الثالث - التفصيل، فتقبل رواية الرافضي الصدوق العارف بما يحدث، وترد رواية الرافضي الداعية ولو كان صدوقاً.

قال أشهب: سئل مالك عن الرافضة.

فقال: لا تكلمهم ولا تروعنهم، فإنهم يكذبون.
‌‌৭১ - ইব্রাহিম বিন হাফস বিন জানদাব.

তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে হাম্মাদ বিন যায়েদ বর্ণনা করেছেন।

তিনি একজন অপরিচিত বর্ণনাকারী।

‌‌৭২ - ইব্রাহিম বিন আল-হাকাম [ফাক্ব] বিন আবান; মুহাদ্দিসগণ তাঁকে বর্জন করেছেন এবং খুব কম ব্যক্তিই তাঁকে নির্ভরযোগ্য মনে করেছেন.

তিনি তাঁর পিতার সূত্রে মুরসাল হাদিসসমূহ বর্ণনা করতেন এবং সেগুলোকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে পেশ করতেন।

ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন।

ইমাম আহমদ বলেছেন: আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্ত সেই দিরহামগুলো ব্যয় হয়েছে যা আমরা আদন পর্যন্ত ইব্রাহিম বিন আল-হাকামের কাছে পৌঁছাতে খরচ করেছিলাম।

নাসায়ী বলেছেন: তাঁর হাদিস পরিত্যক্ত।

আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: আমি আমার পিতাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমরা যখন তাঁকে দেখেছিলাম, তখন তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না।

বুখারি বলেছেন: মুহাদ্দিসগণ তাঁর সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন।

ইসহাক বিন আদ-দইফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই স্থানে সালাত আদায় করতেন যেখানে তিনি তাঁর স্ত্রীদের সাথে সহবাস করতেন।

সালামা বিন শাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা ইকরিমা থেকে, তিনি আনাস থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি তিন দিন অসুস্থ থাকে, সে তার পাপসমূহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হয় যেন আজই তার মা তাকে জন্ম দিয়েছেন।

ইবনে আদি বলেছেন: তাঁর বর্ণিত অধিকাংশ বর্ণনার কোনো সমর্থক বর্ণনা (মুতাবি) পাওয়া যায় না।

‌‌৭৩ - ইব্রাহিম বিন আল-হাকাম বিন যুহাইর আল-কুফি.

তিনি একজন কট্টর শিয়া ছিলেন।

শারিক থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।

আবু হাতিম বলেছেন: তিনি চরম মিথ্যাবাদী।

তিনি মুয়াবিয়ার দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন, তাই আমরা তাঁর নিকট থেকে যা লিখেছিলাম তা ছিঁড়ে ফেলেছি।

দারাকুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল।

আমি বলছি: রাফেজিদের বর্ণনার মাধ্যমে দলিল গ্রহণের বিষয়ে মানুষের মাঝে তিনটি মত রয়েছে: প্রথমত - এটি ঢালাওভাবে নিষিদ্ধ।

দ্বিতীয়ত - এটি ঢালাওভাবে অনুমোদিত, তবে যারা মিথ্যা বলে এবং হাদিস জাল করে তাদের ক্ষেত্রে নয়।

তৃতীয়ত - বিস্তারিত ব্যাখ্যা; অর্থাৎ যদি রাফেজি বর্ণনাকারী সত্যবাদী এবং হাদিস শাস্ত্রে বিজ্ঞ হন তবে তাঁর বর্ণনা গ্রহণ করা হবে, আর যদি তিনি স্বীয় মতবাদের প্রচারক হন তবে তাঁর বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করা হবে, যদিও তিনি সত্যবাদী হন।

আশহাব বলেছেন: ইমাম মালিককে রাফেজিদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।

তিনি বললেন: তোমরা তাদের সাথে কথা বলো না এবং তাদের থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করো না, কারণ তারা মিথ্যা বলে।
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وقال حرملة: سمعت الشافعي يقول: لم أر أشهد بالزور من الرافضة.

وقال مؤمل بن إهاب: سمعت يزيد بن هارون يقول: يكتب عن كل صاحب بدعة إذا لم يكن داعية إلا الرافضة فإنهم يكذبون.

وقال محمد بن سعيد بن الأصبهاني: سمعت شريكا يقول: احمل العلم عن كل من لقيت إلا الرافضة يضعون الحديث ويتخذونه ديناً.

‌‌74 - إبراهيم بن حماد الزهري الضرير.

عن مالك.

ضعفه الدارقطني، وأظنه الذي تفرد عن عمران بن محمد بن سعيد بذاك الحديث الذي في ترجمة عمران.

75 - إبراهيم بن حميد (1) الدينوري.

عن ذي النون المصري، عن مالك، بخبر باطل متنه: لم يجز الصراط أحد إلا من كانت معه براءة بولاية على بن أبي طالب.

وعنه عثمان بن جعفر.

‌‌76 - إبراهيم بن أبي حنيفة.

عن يزيد الرقاشي.

قال الأزدي: متروك.

ومن مناكيره عن يزيد عن أنس - مرفوعاً: كل مسكر حرام، وإن كان ماء قراحاً.

‌‌77 - إبراهيم بن حيان بن حكيم بن علقمة بن سعد بن معاذ الأوسي المدني.

يروى عن الحمادين.

قال ابن عدي: أحاديثه موضوعة، وروى له ابن عدي حديثين من طريق عبد المؤمن بن أحمد السقطي، ويحيى بن محمد بن حريش (2) العسكري عنه، وضبط أباه حيان بياء آخر الخروف.

ومما روى، عنه، عن شعبة / عن الحكم، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن

--------------------------------------------

(1) هذه الترجمة في هـ وحدها.

(2) حريش - بفتح الحاء المهملة، وكسر الراء (المشتبة) .

وفي نسخة جرش (هامش هـ) .

(*)
হারমালা বলেন: আমি শাফিঈকে বলতে শুনেছি: আমি রাফেযীদের চেয়ে বেশি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী আর কাউকে দেখিনি।

মুআম্মাল ইবনে ইহাব বলেন: আমি ইয়াযীদ ইবনে হারুনকে বলতে শুনেছি: প্রত্যেক বিদআতী ব্যক্তির কাছ থেকে (হাদীস) লেখা যাবে যদি সে তার বিদআতের দিকে আহ্বানকারী না হয়, তবে রাফেযীরা ছাড়া; কারণ তারা মিথ্যা বলে।

মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আসবাহানী বলেন: আমি শারীককে বলতে শুনেছি: তুমি যার সাথে সাক্ষাৎ হবে তার কাছ থেকেই ইলম গ্রহণ করো, তবে রাফেযীরা ছাড়া; তারা হাদীস জাল করে এবং সেটিকে দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করে।

‌‌৭৪ - ইব্রাহীম ইবনে হাম্মাদ আল-যুহরী আল-দরীর.

ইমাম মালিক থেকে।

আদ-দারা কুতনী তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং আমি মনে করি তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি ইমরান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ থেকে ওই হাদীসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন যা ইমরানের জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

৭৫ - ইব্রাহীম ইবনে হুমাইদ (১) আদ-দ্বীনওয়ারী।

যুন-নুন আল-মিসরী থেকে, তিনি ইমাম মালিক থেকে একটি বাতিল খবরের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যার পাঠ্য হলো: ‘কেউই সিরাত পার হতে পারবে না যদি না তার কাছে আলী ইবনে আবী তালিবের আনুগত্যের (বিলায়াত) অনুমতিপত্র থাকে’।

এবং তার থেকে ওসমান ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন।

‌‌৭৬ - ইব্রাহীম ইবনে আবী হানীফা.

ইয়াযীদ আল-রাকাশী থেকে।

আল-আযদি বলেছেন: তিনি মাতরূক (পরিত্যক্ত)।

এবং তার অস্বীকৃত (মুনকার) বর্ণনাগুলোর মধ্যে একটি হলো ইয়াযীদ থেকে, তিনি আনাস থেকে—মারফূ সূত্রে বর্ণিত: "প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম, এমনকি তা যদি স্বচ্ছ পানিও হয়"।

‌‌৭৭ - ইব্রাহীম ইবনে হাইয়ান ইবনে হাকীম ইবনে আলকামা ইবনে সা’দ ইবনে মুআয আল-আওসী আল-মাদানী.

তিনি দুই হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেন।

ইবনে আদী বলেছেন: তার হাদীসগুলো বানোয়াট (মাওযূ); ইবনে আদী তার থেকে দুটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আব্দুল মুমিন ইবনে আহমাদ আল-সাকাতী এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারীশ (২) আল-আসকারী তার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন; আর তিনি তার পিতার নাম 'হাইয়ান' শব্দটি শেষের অক্ষরের আগে 'ইয়া' দিয়ে নির্দিষ্ট করেছেন।

এবং তার বর্ণিত হাদীসগুলোর মধ্যে রয়েছে, যা তিনি শু'বা থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে—

--------------------------------------------

(১) এই জীবনীটি কেবল 'হা' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে।

(২) হারীশ - 'হা' বর্ণে ফাতহা এবং 'রা' বর্ণে কাসরা সহ (আল-মুশতাবিহ)।

এবং অন্য একটি পাণ্ডুলিপিতে 'জুরাশ' রয়েছে ('হা' পাণ্ডুলিপির টীকা)।

(*)
(খণ্ড: ١) মীযানুল ইতিদাল (পৃষ্ঠা: ٢٩)
رجلاً دعا على بناته بالموت، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: لا تدع، فإن البركة في البنات.

فأما إبراهيم بن حبان - بالكسر وبموحدة - فمر في إبراهيم بن البراء.

‌‌78 - إبراهيم بن حيان بن البختري.

ذكره هكذا الأزدي.

وقد تقدم في إبراهيم بن البراء (1) .

‌‌79 - إبراهيم بن أبي حية اليسع بن الأشعث، أبو إسماعيل المكي.

قال البخاري: منكر الحديث.

وقال النسائي: ضعيف.

وقال الدارقطني: متروك.

أحمد بن عيسى المصري، أنبأنا إبراهيم بن اليسع التميمي، عن هشام، عن أبيه عن عائشة - مرفوعاً: أمرني ربى بنفي الطنبور والمزمار.

وروى إبراهيم بن حماد، عنه، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة: استأذنت

النبي صلى الله عليه وسلم أن أبنى كنيفا بمنى فلم يأذن لي.

قتيبة عنه بالسند: إن الله أخر حد المماليك وأهل الذمة إلى يوم القيامة.

نعيم بن حماد، أنبأنا إبراهيم بن أبي حية، عن ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس - مرفوعاً: لا يزال هذا الدين واصباً ما بقي في قريشٍ عشرون رجلاً.

80 - إبراهيم (2) بن خالد [صح، د، ق] أبو ثور الكلبي.

أحد الفقهاء الأعلام.

وثقه النسائي والناس.

وأما أبو حاتم فتعنت، وقال: يتكلم بالرأي فيخطئ ويصيب، ليس محله محل المسمعين (3) في الحديث.

فهذا غلو من أبي حاتم، سامحه الله.

وقد سمع أبو ثور من سفيان بن عيينة، وتفقه بالشافعي وغيره.

--------------------------------------------

(1) في ل: وقد تقدم فيه أن الخطيب ترجمه فقال: إبراهيم بن حيان بن البراء، زاد في نسبة حيان (1 - 52) .

وهذه الترجمة في المخطوطة، وفي ل.

(2) قبل هذا الاسم في المخطوطة كلمة صح، وهى دلالة كما تقدم على الثقة به.

(3) في هامش المخطوطة: في نسخة المتسعين.

وهو المثبت في التهذيب.

(*)
এক ব্যক্তি তার কন্যাদের জন্য মৃত্যুর বদদোয়া করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তুমি বদদোয়া করো না, কেননা বরকত কন্যাদের মধ্যেই নিহিত।"

আর ইব্রাহিম ইবন হিব্বান - হায়ের নিচে কাসরা (হ্রস্ব ই-কার) এবং এক নুকতাসম্পন্ন 'বা' যোগে - তার আলোচনা ইব্রাহিম ইবনুল বাররা-এর অধীনে অতিক্রান্ত হয়েছে।

‌‌৭৮ - ইব্রাহিম ইবন হাইয়ান ইবনুল বাখতারি।

আল-আযদি তাকে এভাবেই উল্লেখ করেছেন।

এবং ইতোপূর্বে ইব্রাহিম ইবনুল বাররা-এর (১) জীবনীতে তার আলোচনা অতিক্রান্ত হয়েছে।

‌‌৭৯ - ইব্রাহিম ইবন আবি হাইয়্যাহ আল-ইয়াসা' ইবনুল আশ'আস, আবু ইসমাঈল আল-মাক্কি।

ইমাম বুখারি বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদিস (তার বর্ণিত হাদিস অগ্রহণযোগ্য)।

ইমাম নাসায়ি বলেছেন: তিনি যয়িফ (দুর্বল)।

ইমাম দারা কুতনি বলেছেন: তিনি মাতরুক (পরিত্যক্ত)।

আহমাদ ইবন ঈসা আল-মিসরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইব্রাহিম ইবনুল ইয়াসা' আত-তামিমি হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণনা করেন: "আমার প্রতিপালক আমাকে তনপুরা ও বাঁশি উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন।"

এবং ইব্রাহিম ইবন হাম্মাদ তার সূত্রে হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মিনায় একটি শৌচাগার নির্মাণের অনুমতি প্রার্থনা করলাম, কিন্তু তিনি আমাকে অনুমতি দেননি।"

কুতাইবাহ তার থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা দাস এবং জিম্মিদের হদ (নির্ধারিত শাস্তি) কিয়ামত দিবস পর্যন্ত বিলম্বিত করেছেন।"

নুআইম ইবন হাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইব্রাহিম ইবন আবি হাইয়্যাহ ইবন জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে এবং তিনি ইবন আব্বাস (রা.) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণনা করেন: "এই দ্বীন ততক্ষণ পর্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে যতক্ষণ কুরাইশদের মধ্যে বিশজন ব্যক্তি অবশিষ্ট থাকবে।"

৮০ - ইব্রাহিম (২) ইবন খালিদ [সহিহ, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ] আবু সাওর আল-কালবি।

তিনি প্রথিতযশা ফকিহদের অন্যতম।

ইমাম নাসায়ি এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞগণ তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।

আর আবু হাতিম তার প্রতি কঠোরতা প্রদর্শন করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি নিজস্ব রায়ের (মতামত) ভিত্তিতে কথা বলেন, যাতে কখনো ভুল করেন আবার কখনো সঠিক বলেন; হাদিসের ক্ষেত্রে তার অবস্থান নির্ভরযোগ্য শ্রবণকারীদের (৩) পর্যায়ের নয়।"

এটি আবু হাতিমের পক্ষ থেকে একটি বাড়াবাড়ি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।

আবু সাওর সুফিয়ান ইবন উয়াইনা থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং ইমাম শাফেয়ি ও অন্যদের নিকট ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছেন।

--------------------------------------------

(১) 'লাম' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ইতোপূর্বে তার আলোচনায় অতিক্রান্ত হয়েছে যে, খতিব বাগদাদি তার জীবনী উল্লেখ করে বলেছেন: ইব্রাহিম ইবন হাইয়ান ইবনুল বাররা; তিনি হাইয়ানের বংশপরম্পরায় (১ - ৫২) বৃদ্ধি করেছেন। এই জীবনীটি মূল পাণ্ডুলিপিতে এবং 'লাম' কপিতে বিদ্যমান।

(২) পাণ্ডুলিপিতে এই নামের পূর্বে 'সাহ' (সঠিক) শব্দটি রয়েছে, যা ইতোপূর্বে অতিক্রান্ত আলোচনা অনুযায়ী তার নির্ভরযোগ্যতার পরিচায়ক।

(৩) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকাতে রয়েছে: 'আল-মুতাসিঈন' এর পাঠে। আর এটিই 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে সাব্যস্ত করা হয়েছে।

(*)