(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
المسائل البصريات القسم: النحو والصرف
الكتاب: المسائل البصريات
المؤلف: أبو علي الفارسي (ت 377 هـ)
المحقق: د. محمد الشاطر أحمد محمد أحمد
الناشر: مطبعة المدني
الطبعة: الأولى، 1405 هـ - 1985 هـ
عدد الأجزاء: 2 (متسلسلة الترقيم)
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 15 محرم 1437
আল-মাসায়িল আল-বাসরিয়্যাত বিভাগ: নাহু ও সরফ
গ্রন্থ: আল-মাসায়িল আল-বাসরিয়্যাত
লেখক: আবু আলী আল-ফারিসি (মৃত্যু ৩৭৭ হি.)
গবেষক/সম্পাদক: ড. মুহাম্মদ আল-শাতির আহমদ মুহাম্মদ আহমদ
প্রকাশক: মাদানি প্রেস
সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৫ হি. - ১৯৮৫ খ্রি.
খণ্ড সংখ্যা: ২ (ধারাবাহিক সংখ্যায়ন)
শামেলার জন্য প্রস্তুতকরণ: রাবিতাতুন নুসসাখ দল, তত্ত্বাবধানে (মারকাযুন নুখাবিল ইলমিয়্যাহ)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ মুহররম ১৪৩৭
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
المسائل البصريات
لأبي علي الفارسي
ت: 377 هـ
تحقيق ودراسة الدكتور/
محمد الشاطر أحمد محمد أحمد
আল-মাসায়িল আল-বাসরিয়াত
আবু আলী আল-ফারিসী রচিত
মৃত্যু: ৩৭৭ হিজরি
সম্পাদনা ও গবেষণা: ডক্টর/
মুহাম্মাদ আল-শাতির আহমাদ মুহাম্মাদ আহমাদ
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১১)
بسم الله الرحمن الرحيم
المسائل البصريات أملاها أبو علي الحسن بن أحمد بن عبد الغفار
في جامع البصرة
مسألة 1:قال أبو عثمان كان الأخفش لا يجيز "زيد ضربته وعمراً كلمته"، ويحتج بأن "ضربته" جملة لها موضع، وقوله: "وعمرا كلمته" جملة لا موضع لها.
والعطف في قولك: "لقيتُ زيداً وعمراً كلمتهُ" إنما اختير فيه
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আল-মাসায়িল আল-বাসরিয়্যাত, যা আবু আলি আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল গাফফার শ্রুতিলিপি করিয়েছেন
বসরার জামে মসজিদে
মাসআলা ১:আবু উসমান বলেন, আখফাশ ‘যায়েদ, আমি তাকে প্রহার করেছি এবং আমর, আমি তার সাথে কথা বলেছি’—এরূপ বাক্য গঠন বৈধ মনে করতেন না। তিনি যুক্তি দিতেন যে, ‘আমি তাকে প্রহার করেছি’ এমন একটি বাক্য যার ব্যাকরণিক অবস্থান রয়েছে, আর তাঁর কথা: ‘এবং আমর, আমি তার সাথে কথা বলেছি’ এমন একটি বাক্য যার কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান নেই।
আর আপনার উক্তি: ‘আমি যায়েদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি এবং আমর, আমি তার সাথে কথা বলেছি’—এতে সংযোগ করার বিষয়টি মূলত পছন্দ করা হয়েছে কারণ ওহী।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১২)
النصب؛ لأن الأحسن أن يعطف الشيء على الشيء الذي هو مثله، وهذه الجملة مخالفة لما قبلها.
নসব; কেননা কোনো বিষয়কে তার অনুরূপ বিষয়ের ওপর আতফ করাই সর্বোত্তম, আর এই বাক্যটি তার পূর্ববর্তী বাক্যের বিপরীত।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৩)
قال محمد بن يزيد: وهذا قول أبي إسحاق الزيادي قال وهو عندي القياس.
[قال أبو علي - الفارسي- أيده الله] اعلم أن هذه الجملة وإن كان لها موضع من الإعراب فإن ذلك الإعراب لما لم يخرج إلى اللفظ في الجملة نفسها صارت لذلك بمنزلة ما لا موضع لها، وإذا صارت كذلك لم يمتنع أن يعطف عليها ما لا موضع له من الجمل.
ويدلك على أنه لما لم يظهر هذا الإعراب في لفظها صار بمنزلة ما لا إعراب لموضعه ولا حكم له أن اسم الفاعل لما كان الضمير الذي يحتمله لا يظهر في اللفظ صار لا حكم له، فصار بمنزلة ما لا ضمير فيه.
ألا ترى أنه مُنصرفٌ أو لا ترى أنه يثنى ويجمع تثنية الأسماء التي لا تحمل ضميراً وجمعها.
ولو كان لذلك حكم لم يثن كما لم تثن الجمل ولم تجمع.
মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ বলেন: এটি আবু ইসহাক আল-জিয়াদির অভিমত; তিনি বলেন, এটি আমার নিকট কিয়াস (যৌক্তিক নিয়ম) অনুসারী।
[আবু আলী আল-ফারিসি—আল্লাহ তাকে সাহায্য করুন—বলেন] জেনে রাখুন যে, এই বাক্যটির যদিও ব্যাকরণগত অবস্থান (ইরাব) রয়েছে, তবুও সেই ইরাবটি যখন বাক্যের নিজস্ব শব্দাবলীতে প্রকাশিত হয়নি, তখন তা ব্যাকরণগত অবস্থানহীন বাক্যের সমপর্যায়ভুক্ত হয়ে গেছে। আর যখন তা এমন অবস্থায় উপনীত হলো, তখন তার ওপর ব্যাকরণগত অবস্থানহীন অন্যান্য বাক্যের সংযোজন করা নিষিদ্ধ থাকল না।
বাক্যটির শব্দে ইরাব প্রকাশিত না হওয়ায় তা যে ব্যাকরণগত অবস্থান ও বিধানহীন বাক্যের ন্যায় হয়ে গেছে, তার প্রমাণ হলো—কর্তৃবাচক বিশেষ্য (ইসমুল ফায়িল) যখন তার অন্তর্গত সর্বনামকে শব্দে প্রকাশ করে না, তখন সেই সর্বনামের আর কোনো বিধান অবশিষ্ট থাকে না; ফলে তা সর্বনামহীন শব্দের ন্যায় হয়ে যায়।
আপনি কি দেখছেন না যে এটি রূপান্তরশীল (মুনসারিফ)? অথবা আপনি কি দেখছেন না যে, এটি সেইসব বিশেষ্যের মতো দ্বিবচন ও বহুবচন হয়, যা কোনো সর্বনাম বহন করে না?
আর যদি এর কোনো বিধান থাকত, তবে তা দ্বিবচন হতো না, ঠিক যেমন বাক্যসমূহ দ্বিবচন বা বহুবচন হয় না।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৪)
ولو كان له حكم لصار "ضاربانِ" جملة مثل "يضربان" ولو كانت كذلك لوصلت بها [الأسماء] الموصولة فقلت: "اللذان ضاربان أخواك".
أفلا ترى أن هذا الضمير لما لم يظهر لم يكن له حكم، فكذلك إعراب هذه الجملة لما لم يظهر في لفظها - وإنما هو شيء يقدر لموضعها - لم يكن له حكم فجاز عطف ما لا موضع له عليها؛ لكونها بمنزلتها.
فإن قلت: فإنك إذا أفردت الخبر ظهر فيه لفظ الإعراب، وكان ظهوره في المفرد بمنزلة ظهوره في الجملة.
قيل: إن اسم الفاعل أيضاً إذا جرى على غير من هو له أظهر معه الضمير الذي كان يحتمله ولم يُجْعَل ظهور ذلك في الموضع الذي ظهر فيه خارجاً من حكم الأسماء التي لا تحمل ضميراً في الموضع الذي لا يظهر فيه.
فإذا جُعِلَ اسم الفاعل بمنزلة ما لا ضمير فيه، وإن كان يظهر في موضع فأن تُجعل الجملة التي تقع موقع الخبر بمنزلة ما لا موضعَ له أجدرُ؛ لأن الجملة لا يظهر فيها إعرابٌ البتة، واسم الفاعل يظهر معه الضمير في موضع.
فإن قلت: إذا كانت الجملة تقع خبراً للمبتدأ كما يقع المفرد خبراً له فمن أين قلتم إن الأصل للمفرد والجملة واقعة في موضعه؟ وهلا كانت الجملة كالمفرد في أنها أصل فيمتنع في الجملة ما يمتنع في المفرد؟
قيل: المفرد هو الأصل؛ لأنه الأول والجملة منه تُرَكَّبُ، فالمفرد الأول.
যদি এর কোনো কার্যকারিতা থাকতো, তবে 'দুজন প্রহারকারী' শব্দটি 'তারা দুজন প্রহার করছে' এর মতো একটি বাক্যে পরিণত হতো। আর যদি তা-ই হতো, তবে এর সাথে সংযোজক বিশেষ্যসমূহ (ইসমে মাওসুল) যুক্ত করা যেত এবং আপনি বলতে পারতেন: 'যে দুজন প্রহারকারী তারা আপনার দুই ভাই'।
আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন না যে, যেহেতু এই সর্বনামটি প্রকাশ পায়নি, তাই এর কোনো কার্যকারিতা নেই? একইভাবে, যেহেতু এই বাক্যের বিভক্তি (ইরাব) এর উচ্চারণে প্রকাশ পায় না—বরং এটি কেবল তার অবস্থানের ভিত্তিতে উহ্য ধরা হয়—তাই এর কোনো কার্যকারিতা নেই। ফলে যার কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান নেই, তাকে এর ওপর সংযোজন করা বৈধ হয়েছে; কারণ এটি সেই অবস্থানেরই সমপর্যায়ের।
আপনি যদি বলেন: আপনি যখন সংবাদকে (খবর) একক শব্দ হিসেবে আনেন, তখন তাতে বিভক্তির চিহ্নটি প্রকাশ পায়। আর একক শব্দের মধ্যে এর প্রকাশ পাওয়াটা যেন বাক্যের মধ্যে প্রকাশ পাওয়ার মতোই।
উত্তরে বলা হবে: কর্তৃবাচক বিশেষ্যও (ইসমুল ফায়িল) যখন এমন কারো ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যার জন্য তা নির্ধারিত নয়, তখন তার সাথে সেই সর্বনামটি প্রকাশ পায় যা সে ধারণ করছিল। কিন্তু যে স্থানে এটি প্রকাশ পায়, সেখানে এর এই প্রকাশ পাওয়াকে এমন সব বিশেষ্যের বিধান থেকে বহির্ভূত করা হয় না যা সেই স্থানে কোনো সর্বনাম বহন করে না যেখানে তা প্রকাশ পায় না।
সুতরাং, কর্তৃবাচক বিশেষ্যকে যখন এমন কিছুর সমপর্যায়ে গণ্য করা হয় যাতে কোনো সর্বনাম নেই—যদিও তা কোনো কোনো স্থানে প্রকাশ পায়—তবে সংবাদের (খবর) স্থলে অবস্থিত বাক্যকে এমন কিছুর সমপর্যায়ে গণ্য করা যার কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান নেই, তা আরও বেশি যুক্তিযুক্ত। কারণ বাক্যের মধ্যে কখনোই বিভক্তি প্রকাশ পায় না, অথচ কর্তৃবাচক বিশেষ্যের সাথে কোনো কোনো স্থানে সর্বনাম প্রকাশ পায়।
আপনি যদি বলেন: বাক্য যখন উদ্দেশ্যের (মুবতাদা) সংবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেমনটি একক শব্দ সংবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে আপনারা কিসের ভিত্তিতে বলছেন যে একক শব্দই মূল আর বাক্যটি তার স্থানে স্থলাভিষিক্ত মাত্র? কেন বাক্যটিও একক শব্দের মতো মূল হলো না, যাতে একক শব্দের ক্ষেত্রে যা যা নিষিদ্ধ, বাক্যের ক্ষেত্রেও তা নিষিদ্ধ হতো?
উত্তরে বলা হবে: একক শব্দই মূল; কারণ এটি প্রাথমিক রূপ এবং এটি দিয়েই বাক্য গঠিত হয়। সুতরাং একক শব্দই অগ্রগণ্য।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৫)
ويدلك أيضاً على أن المفرد الأول في هذا الموضع خاصة دون الجملة أن المبتدأ والخبر في المعنى كالفعل والفاعل في أن كل جملة جزءان: أحدهما حديث والآخر مُحدث عنه، فكما أن الفعل أحد الجزءين من الجملة التي هي الفعل والفاعل وهو مفرد غير جملة، فكذلك خبر المبتدأ الذي هو بجزءيه ينبغي أن يكون مفرداً غير جملة.
وإذا كان مفرداً كانت الجملة واقعة في الخبر في موضعه، وإذا كانت في موضعه علمت أن الإعراب المقدر لها للموضع غير خارج إلى اللفظ، وإذا لم يخرج إلى اللفظ لم يقع به اعتداد، وإذا لم يقع به اعتداد ساوت ما لا موضع له، وغذا ساوته جاز عطفه عليها.
ومما يدلك على أن ما لا يظهر إلى اللفظ لا حكم له، وإن كان في التأويل مقدراً قولهم: أزيداً ضربته، وامتناع الناس جميعاً من العطف على هذه الجملة المضمرة لما لم تظهر إلى اللفظ وإن كانت قد عملت في المفعول.
ومن ثم قال البغداديون: إن المفعول منتصب بهذا الظاهر.
আর এই বিষয়টিও আপনাকে নির্দেশ করে যে, বিশেষত এই স্থানে জুমলাহ (বাক্য) না হয়ে প্রথম অংশটি মুফরাদ (একক শব্দ) হওয়া উচিত। কারণ অর্থগতভাবে মুক্তাদা (উদ্দেশ্য) ও খবর (বিধেয়) হলো ফেল (ক্রিয়া) ও ফাঈল (কর্তা)-এর ন্যায়; অর্থাৎ প্রতিটি বাক্যই দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: একটি হলো বক্তব্য এবং অপরটি হলো যার সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করা হচ্ছে। সুতরাং, ফেল ও ফাঈল নিয়ে গঠিত বাক্যে ফেল যেমন দুটি অংশের একটি এবং সেটি জুমলাহ নয় বরং মুফরাদ, ঠিক তেমনি মুক্তাদার খবর—যা তার উভয় অংশ মিলিয়ে গঠিত—তাকেও জুমলাহ না হয়ে মুফরাদ হওয়া বাঞ্ছনীয়।
আর যখন তা মুফরাদ হয়, তখন জুমলাহটি খবরের স্থানে অবস্থিত হয়। আর যখন তা খবরের স্থানে অবস্থিত হয়, তখন আপনি বুঝতে পারেন যে, সেই স্থানের জন্য এর নির্ধারিত ইরাব (শব্দবিভক্তি) উচ্চারণে প্রকাশ পায় না। আর যখন তা উচ্চারণে প্রকাশ পায় না, তখন তাকে গণনায় ধরা হয় না। আর যখন তাকে গণনায় ধরা হয় না, তখন তা এমন বিষয়ের সমান হয়ে যায় যার কোনো স্থান বা মাহাল নেই। আর যখন তা এর সমান হয়, তখন তার ওপর আতফ (সংযোজন) করা জায়েয হয়।
উচ্চারণে যা প্রকাশ পায় না তার কোনো হুকুম বা বিধান নেই—যদিও তা ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে উহ্য থাকে—তার প্রমাণ হলো তাদের এই কথা: 'আমি কি জাইদকে প্রহার করেছি?' (যেখানে জাইদ শব্দটি উহ্য ক্রিয়া দ্বারা নসবপ্রাপ্ত)। এই উহ্য জুমলাহর ওপর আতফ করতে সকল ভাষাবিদ অসম্মতি প্রকাশ করেছেন, যেহেতু তা উচ্চারণে প্রকাশ পায়নি, যদিও তা মাফউল (কর্মপদ)-এর ওপর আমল বা প্রভাব বিস্তার করেছে।
আর একারণেই বাগদাদী পণ্ডিতগণ বলেছেন: মাফউলটি এই প্রকাশ্য শব্দের মাধ্যমেই মানসূব (নসবপ্রাপ্ত) হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৬)
وإذا كان كذلك فالمشاكلة بين الجملتين في العطف جائزة لقيام المشابهة بينهما، ولم يكن ذلك بأبعد من إجرائهم "أيدع" في المعرفة مجرى "أذهبُ" لما كان على لفظه.
وليس شبه الجملة التي يتأول لها موضع تحمِلُه على لفظها وصورتها بأغمض من شبه "أيدع" بـ"أذهب".
مسألة 2:قال أبو علي - أيده الله- مما يدل على صحة قول أبي عثمان في مفارقة همزة الوصل اللاحقة للام التعريف سائر الهمزات التي تلحق وصلا، وأنه لا يجوز على قياس قولهم "الحمرُ"، "اسَل" أن هذه الهمزة لما لحقت ما لا يصحب إلا الأسماء، ووقعت مفتوحة كان ذلك مُضارعةً لها بهمزة أحمر ونحوه، فجاز لذلك عندهم أن تثبت حيث تسقط سائر الهمزات المجتلبة للوصل، لأنها
আর যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে সংযোজনের (আতফ) ক্ষেত্রে দুটি বাক্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা বৈধ, কারণ তাদের উভয়ের মাঝে সাদৃশ্য বিদ্যমান। আর বিষয়টি তাদের 'আইদাউ' শব্দটিকে নির্দিষ্টতা বা মারেফার ক্ষেত্রে 'আযহাবু'-এর নিয়মে প্রয়োগ করার চেয়ে বেশি দূরবর্তী নয়, যেহেতু এটি তার শব্দগত উচ্চারণের অনুরূপ ছিল।
আর যে উপবাক্যের এমন একটি স্থান ব্যাখ্যা করা হয় যা তাকে তার শব্দগত রূপ ও কাঠামোর ওপর বিন্যস্ত করে, তার সাদৃশ্য 'আইদাউ'-এর সাথে 'আযহাবু'-এর সাদৃশ্যের চেয়ে অধিক অস্পষ্ট নয়।
মাসআলা ২:আবু আলী—আল্লাহ তাকে সাহায্য করুন—বলেছেন: নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক লাম (লামুত তারিফ)-এর সাথে যুক্ত হামজাতুল ওয়াসল এবং সংযোগের জন্য যুক্ত হওয়া অন্যান্য সকল হামজার মধ্যে পার্থক্যের বিষয়ে আবু উসমানের বক্তব্যের সঠিকতার একটি প্রমাণ হলো—এবং তাদের 'আল-হুমরু' ও 'ইসআল' বলার নিয়মের ওপর যা বৈধ নয়—যেহেতু এই হামজাটি এমন বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়েছে যা কেবল বিশেষ্যের সাথেই আসে এবং এটি যবরযুক্ত অবস্থায় এসেছে, তাই এটি 'আহমার' ও তদ্রূপ শব্দের হামজার সাথে সদৃশ হয়েছে। এই কারণেই তাদের নিকট এটি বহাল থাকা বৈধ হয়েছে যেখানে সংযোগের জন্য আনা অন্যান্য হামজাগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায়, কারণ এটি...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৭)
عريت من هذه المشابهة، فلم يجز فيهن ما جاز فيها من الثبات حيث سقطن.
ألا ترى أنهم لما رأوا هذه المشابهة فيها قطعوها في مواضع لم يُقطع فيها غيرها [كقولهم] "يا أله اغفر لي" و"أفألله ليفعلن" وألزموها الإثبات مع حرف الاستفهام، وقالوا في تذكر الخليل ونحوه "اَلىِ" فلم يحذفوها مع حركة اللام وليس شيء مما ذكرناه في سائر هذه الهمزات.
فكما اختصت بالثبات في هذه الأشياء كذلك ثبتت في قولهم: الحْمَرُ.
ولا يجوز على هذا القياس: "اِسَلْ" ولا: "اقتلوا" لتعريها من الشبه الذي ذكرناه.
[فآ]: اقتلوا أصله اقتتلوا فأدغم التاء الأولى في الثانية، وألقى حركتها على القاف.
[فآ]: قلنا الخليلُ، ولم نقل/54 أالرجل ولا الصاحب؛ لأن لام التعريف لا تظهر معهما، وتظهر مع الخليل.
এটি এই সাদৃশ্য থেকে মুক্ত, ফলে সেগুলোতে যা বৈধ ছিল—অর্থাৎ যেখানে অন্যগুলো বিলুপ্ত হয় সেখানে এগুলোর স্থির থাকা—তা এক্ষেত্রে বৈধ হয়নি।
আপনি কি লক্ষ্য করেননি যে, যখন তারা এতে এই সাদৃশ্য দেখতে পেলেন, তখন তারা এমন সব স্থানে হামযাহ-এ-কাত’ (বিচ্ছিন্ন উচ্চারণ) ব্যবহার করেছেন যেখানে অন্যগুলোতে তা করা হয়নি, যেমন তাদের উক্তি: "হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন" এবং "তবে কি আল্লাহ অবশ্যই তা করবেন?"। তারা প্রশ্নবোধক হরফের সাথে এটিকে বহাল রাখা আবশ্যক করেছেন। আল-খালীল এবং এর অনুরূপ শব্দের স্মরণে তারা বলেছেন "আল-ই"; ফলে লাম-এর হারাকাত থাকা সত্ত্বেও তারা এটি বিলুপ্ত করেননি। আমরা যা উল্লেখ করেছি তার কোনোটিই অন্য হামযাহগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
সুতরাং যেভাবে এই বিষয়গুলোতে স্থির থাকার বৈশিষ্ট্য সাব্যস্ত হয়েছে, তেমনিভাবে তাদের উক্তি "আল-হিমার"-এর ক্ষেত্রেও তা স্থির হয়েছে।
আর এই কিয়াস অনুযায়ী "ইসআল" কিংবা "উকতুলু" বলা জায়েয নেই; কারণ আমরা যে সাদৃশ্যের কথা উল্লেখ করেছি, তা থেকে এগুলো মুক্ত।
[অতঃপর]: "উকতুলু"-এর মূল রূপ ছিল "ইকতাতালু", অতঃপর প্রথম "তা"-কে দ্বিতীয় "তা"-এর মধ্যে ইদগাম করা হয়েছে এবং এর হারাকাত "ক্বাফ"-এর ওপর অর্পণ করা হয়েছে।
[অতঃপর]: আমরা "আল-খালীল" বলেছি, কিন্তু "আর-রাজুল" বা "আস-সাহিব" বলিনি; কেননা এই দুটির সাথে "লাম-এ-তারীফ" প্রকাশিত হয় না, অথচ "আল-খালীল"-এর সাথে তা প্রকাশিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৮)
فإن قلت: فهلَاّ ألزمت القطع ولم توصل كـ"أحمر" وبابه؟ فإن ذلك لا يجوز.
ألا ترى أن ما لا ينصرفُ لم يُجعل كالأفعال ولم تنتزع منه أحكام الأسماء، وإن كان قد شبه بها في بعض الأحوال؟
فإن قلت: فهلا استجيز قطعها في "ايمُنِ" لانفتاحها ودخولها في الاسم؟ قيل: قد أُقِرَّتْ مع همزة الاستفهام ولم يكن فيها مثل ما كان في همزة اللام لأنها لم تكثر كثرتها ولم تقاربها في ذلك، والتغيير على ما يكثر في كلامهم أشد تسلطاً منه على ما لم يكثر.
يدلك على ذلك: "لمْ يَكُ" و"لا أدْرِ" و"لم أُبَل" و"لم أُبَلِهْ" ونحو ذلك مما كثر، فغُيِّر عن حال نظيره.
فكذلك "ايمُنِ" لما لم يكثُر كثرة هذا الحرف اللاحق لعامة الأسماء لم يلحقه من التغيير ما لحقه.
والذي أجاز في تحقير "اضطرب اضيريب" أفحش خطأ عندنا ممن زعم أن من قال "اَلَانَ" لزمه أن يقول "اِسَلْ"، وذلك أن الحركة في
আপনি যদি বলেন: তবে কেন আপনি একে বিচ্ছেদকারী হামজা হিসেবে আবশ্যক করলেন না এবং ‘আহমার’ ও এর সমগোত্রীয় শব্দের মতো সংযোগহীন করলেন না? কারণ তা বৈধ নয়।
আপনি কি দেখেন না যে, যা ‘গাইর মুনসারিফ’ (অব্যয়), তাকে ক্রিয়ার মতো গণ্য করা হয়নি এবং তা থেকে বিশেষ্যের বিধানসমূহ কেড়ে নেওয়া হয়নি, যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান থাকে?
আপনি যদি বলেন: তবে ‘আইমুন’ শব্দে কেন হামজা বিচ্ছেদকারী হওয়া বৈধ হলো না, অথচ এটি যবরযুক্ত এবং বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত? বলা হয়েছে: এটি প্রশ্নবোধক হামজার সাথে বহাল রাখা হয়েছে এবং এতে ‘লাম’-এর হামজার মতো অবস্থা ঘটেনি; কারণ এটি তার মতো অধিক ব্যবহৃত নয় এবং সে বিষয়ে তার কাছাকাছিও নয়। আর তাদের (আরবদের) ভাষায় যা অধিক ব্যবহৃত হয়, তাতে পরিবর্তনের প্রভাব যা কম ব্যবহৃত হয় তার চেয়ে অনেক বেশি প্রবল।
এ বিষয়টি আপনাকে দিকনির্দেশনা দেয়: ‘লাম ইয়াকু’, ‘লা আদরি’, ‘লাম উবালি’, ‘লাম উবালিহি’ এবং এই জাতীয় অধিক ব্যবহৃত শব্দাবলি, যা তাদের সদৃশ শব্দগুলোর সাধারণ অবস্থা থেকে পরিবর্তিত হয়েছে।
তদ্রূপ ‘আইমুন’ শব্দটিও, যেহেতু এটি সাধারণ বিশেষ্যের সাথে যুক্ত হওয়া এই হরফটির মতো অধিক ব্যবহৃত নয়, তাই এতে সেই পরিবর্তন আসেনি যা তাতে এসেছে।
আর যে ব্যক্তি ‘ইজতরাবা’ শব্দের ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপে ‘উদাইরিব’ বলা বৈধ মনে করে, সে আমাদের নিকট তার চেয়েও জঘন্য ভুলকারী যে দাবি করে যে, যে ব্যক্তি ‘আল-আ-না’ বলে তাকে অবশ্যই ‘ইসাল’ বলতে হবে; আর তা এ কারণে যে, হরকতটি...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১৯)
"اِسَل" إنما هي حركة الهمزة المحذوفة، وإذا كانت الحركة للهمزة كانت الفاء في تقدير السكون، وإذا كانت في تقدير السكون جاز أن يظن جواز لحاق الهمزة.
ألا تراهم قالوا: "ضوٌ" فحركوا الواو طرفا، ولم تقلب حيث كانت في نية السكون.
وقد نطقت العرب بهمزة الوصل حيث حركت الساكن بحركة الهمزة المحذوفة في "اَلَانَ" و"والَحْمَر"، ولم يفعلوا ذلك بالفاء إذا كانت ساكنة في التكبير ثم حُقِّر.
ألا تراهم قالوا "ابنٌ" فاجتلبوا الهمزة ثم قالوا "بُنيٌّ" فأسقطوها ولم يثبتوها.
فكذلك لا يجوز في اضطراب اُضيريبٌ كما لم يجز في "ابنٍ اُبينٌ".
فالذي أجاز في "اضطراب" هذا أخطأ نصَّ العربِ على ما كان مثله وفي حكمه، والذي أجاز "اِسَل" لم يخطئ نصهم إنما أجاز على نصهم شيئاً هو عنده في حكمه، وقد أجازت العرب مثله وإن كان عند مُخالفهِ ليس كذلك.
فإن قال: إنما حذفتُ التاء وبقيتُ الهمزة لأني لو حذفتها لصرت إلى ما ليس مثله من الأبنية.
"ইসাল" মূলত বিলুপ্ত হামযাহর হরকত মাত্র। আর যখন হরকতটি হামযাহর হয়, তখন "ফা" বর্ণটি সাকিন হওয়ার অবস্থায় গণ্য থাকে। আর যখন তা সাকিন হওয়ার অবস্থায় গণ্য থাকে, তখন তাতে হামযাহ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা বৈধ।
আপনি কি দেখেন না যে তারা "দউ-উন" বলেছে, যেখানে তারা প্রান্তস্থিত ওয়াও বর্ণকে হরকতযুক্ত করেছে, কিন্তু তা পরিবর্তিত হয়নি কারণ তা মূলত সাকিন হওয়ার অবস্থায় ছিল।
আর আরবরা হামযাতুল ওয়াসল উচ্চারণ করেছে যখন তারা বিলুপ্ত হামযাহর হরকতের মাধ্যমে সাকিন বর্ণকে হরকতযুক্ত করেছে, যেমন "আল-আনা" এবং "আল-আহমার" শব্দে। কিন্তু তারা 'ফা' বর্ণ সাকিন হওয়ার ক্ষেত্রে এমনটি করেনি যখন মূল শব্দকে ক্ষুদ্রতাবাচক (তাসগির) করা হয়।
আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে তারা "ইবনু" বলেছে এবং হামযাহ আনয়ন করেছে, এরপর যখন তারা একে ক্ষুদ্রতাবাচক করে "বুনাইয়ু" বলেছে তখন তারা হামযাহ বিলুপ্ত করেছে এবং তা বহাল রাখেনি।
তদ্রূপ "ইদতিরাব" থেকে "উদাইরিব" বলা বৈধ নয়, যেমনটি "ইবনু" থেকে "উবাইনু" বলা বৈধ নয়।
সুতরাং যে ব্যক্তি "ইদতিরাব" এর ক্ষেত্রে এটি জায়েজ বলেছেন, তিনি আরবের বর্ণিত ভাষ্য এবং এর সদৃশ ও সমপর্যায়ের বিষয়গুলোতে ভুল করেছেন। আর যিনি "ইসাল" জায়েজ বলেছেন তিনি তাদের বর্ণিত ভাষ্যে ভুল করেননি, বরং তিনি তাদের ভাষ্যের ওপর ভিত্তি করে এমন একটি বিষয় জায়েজ করেছেন যা তার নিকট একই হুকুমের অন্তর্ভুক্ত। আর আরবরা এর সদৃশ বিষয় জায়েজ রেখেছে যদিও তার প্রতিপক্ষের নিকট বিষয়টি তেমন নয়।
যদি তিনি বলেন: আমি মূলত "তা" বিলুপ্ত করেছি এবং হামযাহ অবশিষ্ট রেখেছি, কারণ আমি যদি সেটিও বিলুপ্ত করতাম তবে আমি এমন এক শব্দকাঠামোর দিকে পৌঁছাতাম যার সদৃশ কোনো গঠন আর নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২০)
قيل: فالذي صرت إليه من تحريك ما بعد همزة الوصل وإقرار الهمزة مع ذلك أعظم في الخطأ.
ألا ترى أنك لست واجداً لذلك نظيراً في شيء من كلامهم، وأنت لو حقرت على حذف الهمزة وإثبات التاء لصادفت له في أمثلة التحقير نظيراً، وليس يلزم أن تكون أمثلة التحقير على ما تكون عليه الأصول.
ألا ترى أن النحويين حذفوا [في] نحو عُطىٌّ فلم يثبتوا لامه وحقروا [يُصيعٌ] وسفيرجٌ على حذف الأصل ولم يمتنع ذلك.
فكذلك إقرار التاء من ذلك أسهل. ألا ترى أنه موضع تقع فيه الزوائد وأن الهمزة إنما لحقت للسكون، فإذا حرَّكت ما بعدها سقطت.
واعلم أن من قال: "الحْمَرُ" فأثبت الهمزة مع حركة اللازم، فإن اللام وإن كانت متحركة فهي في نية السكون، فمن حيث أثبت الهمزة في قوله "الحمرُ" لزمه حذف الواو من "قالُ لانَ"، فعلى هذا قال: "قالَ
বলা হয়েছে: হামজাতুল আসলের (সংযোগকারী হামজা) পরবর্তী বর্ণকে হরকত প্রদান এবং সেই সাথে হামজাকে বহাল রাখার যে সিদ্ধান্তে আপনি উপনীত হয়েছেন, তা ত্রুটি হিসেবে আরও গুরুতর।
আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, আরবদের কোনো কথায় আপনি এর কোনো নজির পাবেন না? অথচ আপনি যদি হামজা বিলোপ করে এবং ‘তা’ বহাল রেখে তাসগির বা ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দ গঠন করতেন, তবে তাসগিরের উদাহরণসমূহে আপনি এর নজির খুঁজে পেতেন। আর ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপগুলো যে সর্বদা মূল শব্দের কাঠামোর ন্যায় হতে হবে, এমন কোনো আবশ্যকতা নেই।
আপনি কি দেখেন না যে, ব্যাকরণবিদগণ ‘উতাইয়্যুন’ সদৃশ শব্দে বিলোপ সাধন করেছেন এবং এর ‘লাম’ বর্ণটি বহাল রাখেননি, এবং তারা ‘ইউসাইউন’ ও ‘সাফাইরিজুন’ শব্দদ্বয়ের তাসগির করেছেন মূল বর্ণ বিলুপ্ত করার মাধ্যমে, এবং এতে কোনো বাধা ছিল না।
অনুরূপভাবে, ‘তা’ বর্ণটিকে বহাল রাখা এর চেয়েও সহজতর। আপনি কি দেখেন না যে, এটি এমন একটি স্থান যেখানে অতিরিক্ত বর্ণসমূহ যুক্ত হয়? আর হামজা তো কেবল সুকুনের (বর্ণের স্থিরতা) কারণে যুক্ত হয়েছিল; সুতরাং যখন আপনি তার পরবর্তী বর্ণকে হরকত প্রদান করলেন, তখন তা (হামজা) বিলুপ্ত হয়ে গেল।
জেনে রাখুন যে, যে ব্যক্তি ‘আল-হমারু’ বলে এবং আবশ্যকীয় হরকত থাকা সত্ত্বেও হামজাকে বহাল রাখে, তার ক্ষেত্রে ‘লাম’ বর্ণটি যদিও হরকতবিশিষ্ট, তবুও তা মূলত সুকুনের নিয়তেই আছে। সুতরাং যে কারণে সে ‘আল-হমারু’ শব্দে হামজাকে বহাল রেখেছে, সেই একই কারণে তার জন্য ‘কালু লানা’ থেকে ‘ওয়াও’ বিলুপ্ত করা আবশ্যক হয়ে পড়ে। এই নিয়মেই সে বলেছে: ‘কালা’...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২১)
لَانَ" بحذف الضمير وإن كانت اللام من "لَانَ" متحركة كما أثبت همزة الوصل وإن كانت اللام متحركة فقياسه أن يقول في "مِلآنَ" "مِلَانَ" فلا يرد النون المحذوفة لالتقاء الساكنين؛ لأن اللام في تقدير السكون في قوله.
ألا تراه كيف أثبت همزة الوصل في "الحَمْرَ".
ومن قال: لَحمرُ قال في "مِلآن": "منلان" ألا ترى أنه اعتد بحركة اللام ولم يجعلها في نية السكون، فيُبقى الهمزة كما فعل من قال "الحمر". فكما اعتد بحركتها في حذف الهمزة كذلك يعتد بها في رد النون من "مِنْ".
وحذفت النون في ذا النحو لالتقاء الساكنين لِمُضارعتها الحروف اللينة.
ومما حمل على قول من قال: "لحمرُ" فحذف الهمزة ولم يقدر باللام السكون ما أنشدنيه أحمد بن موسى بن مجاهد عن الكسائي:
"লানা" সর্বনাম বিলোপের মাধ্যমে, যদিও "লানা"-এর 'লাম'টি হরকতযুক্ত, ঠিক যেমন তিনি হামজাতুল ওয়াসলকে বহাল রেখেছেন যদিও 'লাম'টি হরকতযুক্ত। সুতরাং তাঁর নীতি অনুযায়ী "মিলআনা"-এর ক্ষেত্রে "মিলানা" বলা উচিত, ফলে দুই সাকিনের মিলনের কারণে বিলুপ্ত হওয়া 'নুন'-কে ফিরিয়ে আনা হবে না; কারণ তাঁর মতে 'লাম'টি সাকিন হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে।
আপনি কি দেখছেন না তিনি কীভাবে "আল-হামরা"-তে হামজাতুল ওয়াসলকে বহাল রেখেছেন?
আর যারা "লা-হামরু" বলেন, তারা "মিলআনা"-এর ক্ষেত্রে "মিনলানা" বলেন। আপনি কি দেখছেন না যে, তিনি 'লাম'-এর হরকতকে ধর্তব্য ধরেছেন এবং একে সাকিন করার নিয়ত করেননি, ফলে তিনি হামজাকে বহাল রেখেছেন ঠিক যেমনটি "আল-হামরু" উচ্চারণকারী ব্যক্তি করেছেন। সুতরাং হামজা বিলোপের ক্ষেত্রে যেমন তিনি এর হরকতকে ধর্তব্য ধরেছেন, তেমনি "মিন" থেকে 'নুন' ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও একে ধর্তব্য ধরা হবে।
এবং এই ধরণের ক্ষেত্রে দুই সাকিনের মিলনের কারণে 'নুন' বিলুপ্ত হয়েছে, কারণ এটি কোমল বর্ণসমূহের সদৃশ।
আর যারা "লা-হামরু" বলেন, যারা হামজা বিলোপ করেন এবং 'লাম'-কে সাকিন হিসেবে গণ্য করেন না, তাদের মতের সমর্থনে আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে মুজাহিদ কিসায়ী থেকে আমার কাছে যা আবৃত্তি করেছেন তা হলো:
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২২)
1 - فقد كنتَ تُخفي حُب سمراء حقبةً
… فبُح لانَ منها بالذي أنت بائحُ
ألا تراه أسكن الحاء قبلها ولم يحركها.
ومن ذلك أيضاً قراءة أبي عمرو "وأنه أهلك عاد لولى" ألا تراه
১ - নিশ্চয়ই আপনি দীর্ঘকাল ধরে এক শ্যামাঙ্গিনীর প্রতি ভালোবাসা গোপন করে রেখেছিলেন
… সুতরাং এখন তা ব্যক্ত করুন যা আপনি প্রকাশ করতে আগ্রহী।
আপনি কি দেখছেন না যে, তিনি এর পূর্বের ‘হা’ বর্ণটিকে সাকিন করেছেন এবং তাতে কোনো হরকত প্রদান করেননি।
তদ্রূপ আবু আমরের কিরাতও এর অন্তর্ভুক্ত: "আর নিশ্চয়ই তিনি আদি আদ জাতিকে ধ্বংস করেছেন", আপনি কি দেখছেন না...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৩)
أدغم النون في اللام، والإدغام إنما يكون في المتحرك دون الساكن إلا في قول من قال "رُدَّ"، ولو كانت اللام عنده في تقدير السكون لحرك الساكن الأول، ولو حركه لامتنع الإدغام ألا ترى أن من قال "فَخِذٌ" لم يدغم نحو "وَندٌ"، فهذا أيضاً يدلك أنه قدر اللام غير ساكنة.
فآ: "رُد" أدغم ساكن في ساكن، فلما التقى ساكنان حرك الثاني لملاقاته ساكناً.
مسألة 3:قال أبو العباس: يذهب أبو عمر إلى أنه ما جاء في معنى لكذا لا يقوم مقام الفاعل، ولو قام مقام الفاعل لجاز سِيرَ عليه مخافةُ الشر، ولم يُجِز في ذا غيرُه، كما لا يجوز إلا دُخِلَ البيتُ، لأن معناه في البيت. فلما حذفت "في" رفعت، ولو جاز "سِيرَ به المخافةُ" لم يكن إلا رفعا.
তিনি নুন-কে লাম-এর মধ্যে ইদগাম করেছেন; আর ইদগাম কেবল সাকিনহীন মুতাহাররিক (স্বরযুক্ত) বর্ণের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে, তবে যারা "রুদ্দা" বলেন তাদের কথা ভিন্ন। যদি তার নিকট লাম বর্ণটি সাকিন হিসেবে গণ্য হতো, তবে তিনি প্রথম সাকিনটিকে হরকত প্রদান করতেন। আর যদি তিনি তাকে হরকত প্রদান করতেন, তবে ইদগাম অসম্ভব হয়ে পড়ত। আপনি কি দেখেন না যে, যারা "ফাখিজ" বলে তারা "ওয়ানদ" এর মতো শব্দে ইদগাম করে না? সুতরাং এটিও আপনাকে নির্দেশ করে যে, তিনি লাম-কে সাকিন নয় বরং মুতাহাররিক হিসেবে গণ্য করেছেন।
উত্তর: "রুদ্দা" শব্দে সাকিনকে সাকিনের মধ্যে ইদগাম করা হয়েছে। অতঃপর যখন দুটি সাকিন একত্রিত হলো, তখন দ্বিতীয়টিকে অপর একটি সাকিনের সাথে মিলিত হওয়ার কারণে হরকত প্রদান করা হয়েছে।
মাসআলা ৩:আবুল আব্বাস বলেন: আবু আমর এই মত পোষণ করেন যে, যা "অমুক উদ্দেশ্যে" অর্থে আসে, তা ফায়িল (কর্তা)-এর স্থলাভিষিক্ত হয় না। যদি তা ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত হতো, তবে "মন্দের ভয়ে তার ওপর দিয়ে চলা হয়েছে" বলা বৈধ হতো এবং এতে এটি ছাড়া অন্য কিছু জায়েজ হতো না। যেমন "ঘরে প্রবেশ করা হয়েছে" ব্যতীত অন্য কিছু জায়েজ নেই, কারণ এর অর্থ হলো "ঘরের অভ্যন্তরে"। যখন "ফি" (মধ্যে) বিলুপ্ত করা হলো, তখন তা রফা (পেশ) প্রাপ্ত হলো। আর যদি "ভয়ের সাথে চলা হয়েছে" জায়েজ হতো, তবে তা রফা হওয়া ছাড়া অন্য কিছু হতো না।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৪)
قال الرياشي: فكأن مخافةً وما أشبهه لم يجيء [إلا] نكرة فأُخرج مُخرج ما لا يقوم مقام الفاعل نحو الحال [والتمييز ولو جاز] لما أشبه "مخافة الشر" أن يقوم مقام الفاعل لجاز "سِيرَ بزيدٍ راكبٌ" فأقمت "راكباً" مقام الفاعل.
و"مخافة الشر" -وإن أضفته إلى معرفة بمنزلة مِثلِك وغيرك وضاربك غداً- نكرة.
قال أبو العباس: أخطأ الرياشي في قوله: "مخافة الشر" ونحوه حال أقبح الخطأ وهو خلاف قول سيبويه لأن سيبويه يجعله معرفة، ونكرة إذا لم يضفه أو لم تدخله الألف واللام كمجراه في سائر الكلام، لأنه لا يكون حالاً.
فآ: لم يمتنع "مخافة الشر" ونحوه من أن يقوم مقام الفاعل [أن]
আর-রিয়াশি বলেছেন: মনে হচ্ছে 'ভীতি' এবং এর সদৃশ শব্দগুলো কেবল অনির্দিষ্ট হিসেবেই এসেছে, তাই একে এমন কিছুর পর্যায়ে ফেলা হয়েছে যা কর্তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না, যেমন 'অবস্থা' (হাল) ও 'পার্থক্যকারী' (তাময়িজ)। যদি 'মন্দের ভয়'-এর সদৃশ শব্দগুলোর জন্য কর্তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া বৈধ হতো, তবে 'যাইদের সাথে আরোহী অবস্থায় চলা হয়েছে' বাক্যে 'আরোহী' শব্দটিকে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করা বৈধ হতো।
এবং 'মন্দের ভয়'—যদিও আপনি একে একটি নির্দিষ্ট শব্দের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন—তা 'আপনার ন্যায়', 'আপনি ব্যতীত অন্য কেউ' এবং 'আগামীকাল আপনাকে প্রহারকারী' শব্দগুলোর ন্যায় অনির্দিষ্ট হিসেবেই গণ্য হবে।
আবুল আব্বাস বলেছেন: আর-রিয়াশি তার এই বক্তব্যে জঘন্য ভুল করেছেন যে 'মন্দের ভয়' ও এর সদৃশ শব্দগুলো 'অবস্থা' (হাল), এবং এটি সিবাহওয়াইহ-এর মতের পরিপন্থী। কারণ সিবাহওয়াইহ একে নির্দিষ্ট শব্দ হিসেবে গণ্য করেন; আর যখন একে সম্বন্ধযুক্ত করা হয় না বা এতে আলিফ-লাম যুক্ত হয় না, তখন অন্যান্য সাধারণ শব্দের ন্যায় একে অনির্দিষ্ট গণ্য করেন, কারণ এটি 'অবস্থা' (হাল) হতে পারে না।
সুতরাং: 'মন্দের ভয়' এবং এর সদৃশ শব্দগুলোর কর্তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া থেকে যা বাধা দিয়েছে তা হলো...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৫)
التقدير فيه التنكير كالحال والتمييز-؛ لأنه يكون معرفة ونكرة.
ألا ترى أن قوله:
2 - بنت عليه المُلك أطغابها
… كأسٌ رنوناةٌ وطرفٌ طِمر
এর প্রাক্কলনে অনির্দিষ্টতা বিদ্যমান, যেমনটি অবস্থা (হাল) এবং বিশেষায়নের (তামীজ) ক্ষেত্রে হয়ে থাকে; কারণ এটি নির্দিষ্ট এবং অনির্দিষ্ট উভয়ই হতে পারে।
আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে তাঁর এই উক্তিটি:
২ - রাজত্ব তার ওপর তার বিড়ম্বনাগুলো স্তূপীকৃত করেছে
... এক মত্ততাকারী পানপাত্র এবং এক তেজস্বী দ্রুতগামী অশ্ব।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৬)
..............
রাহমান আরশের উপর উঠেছেন। আল্লাহর হাত তাঁর সৃষ্টির হাতের মতো নয় এবং মহান আল্লাহর পা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তা সত্য। এই সমস্ত সিফাত বা গুণাবলি কোনো প্রকার ব্যাখ্যা, সাদৃশ্য প্রদান কিংবা ধরন নির্ধারণ ছাড়াই যেভাবে বর্ণিত হয়েছে সেভাবেই বিশ্বাস করা ওয়াজিব।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৭)
/54 ب "المُلكَ" فيه معرفة وهو مفعول له، وليس هو مما يجوز فيه تقدير [الفعل]، وكذلك قول رؤبة:
3 - وبأبي أن أُنسى الحريصا
وقال الآخر:
4 - والهولَ من تهولِ الهبور
/৫৪ খ "আল-মুলক" (সার্বভৌমত্ব) শব্দটিতে নির্দিষ্টতা (মা'রিফাহ) রয়েছে এবং এটি একটি মাফঊল লাহু (নিমিত্তবাচক কর্ম), আর এটি এমন কোনো বিষয় নয় যাতে [ক্রিয়া] প্রাক্কলন করা বৈধ। অনুরূপভাবে রু'বার উক্তি:
৩ - আমার পিতার কসম, আমি যেন সেই আগ্রহী ব্যক্তিকে ভুলে না যাই
এবং অন্যজন বলেছেন:
৪ - এবং হাবুরের ভয়াবহতা হতে উদ্ভূত আতঙ্ক
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৮)
وإنما امتنع أن يقام مقام الفاعل؛ لأن انتصابه ليس كانتصاب المفعول به
বস্তুত একে কর্তার (ফায়েল) স্থলাভিষিক্ত করা কেবল এজন্যই অসম্ভব হয়েছে যে, এর নসব হওয়ার বিষয়টি কর্মের (মাফউল বিহি) নসব হওয়ার মতো নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২৯)
إنما هو مفعول فهو علة للفعل وغرض له، فامتنع أن يقوم مقام الفاعل كما امتنع الظرف أن يقام مقام الفاعل وهو ظرف، وإنما يقام المفعول به مُقام الفاعل من حيث كان مع الفعل بمنزلة الفاعل معه.
ألا ترى أن الفعل يبنى له كما يبنى للفاعل، ويضاف المصدر إلى المفعول به كما يضاف إلى الفاعل، ويضاف المصدر إلى المفعول به ولا يذكر الفاعل، كما يضاف إلى الفاعل ولا يذكر المفعول به، وليس المفعول له هكذا ولا ما أشبهه مما لم يقم مقام الفاعل.
فلما لم يكن المفعول له في هذا كالمفعول به في هذه المناسبات وغيرها التي بينه وبين الفاعل لم يجز أن يقام المفعول له مقام الفاعل، كما جاز أن يقام المفعول به مقامه.
فإن قلت: فهلا أجزت ذلك اتساعاً كما أجزت ذلك في الظرف وإن كانت اللام معه مرادة كما لم يمتنع إرادة "في" ونحوه في الظرف أن يقام مقام الفاعل إذا اتسع فيه فحذف حرف الظرف منه وجعل كالمفعول به في تعدي الفعل إليه على حد تعديه إلى المفعول به؟
قيل: الظرف يُتسع فيه بأن ينصب نصب المفعول به، فإذا نصب نصبه أقيم مقام الفاعل كما يقام المفعول به مقامه ولا يخرج في المعنى عن أن يكون ظرفاً.
ألا ترى أنك إذا قلت "سِيرَ فرْسَخَانِ، أو سِيرَ يومُ الجمعةِ" علمت أنهما في المعنى ظرفان متسع فيهما كما أنك إذا قلت "زيدٌ ضربته" فابتدأته علم أنه في المعنى مفعول به وإن كان محدثاً عنه في اللفظ، وليس كذلك المفعول له، لأنك متى أقمته مُقامَ الفاعل خرج عن أن يكون مفعولاً له، ولم يكن عليه
এটি তো কেবল কর্ম, এটি ক্রিয়ার কারণ এবং উদ্দেশ্য। ফলে কর্তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া এর জন্য অসম্ভব, ঠিক যেমন কোনো আধারের জন্য কর্তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া অসম্ভব যখন সেটি আধার হিসেবেই থাকে। পক্ষান্তরে, কর্মকে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় কেবল এই কারণে যে, ক্রিয়ার সাথে এর সম্পর্ক কর্তার সম্পর্কের সমতুল্য।
আপনি কি দেখেন না যে, কর্মবাচ্যের ক্রিয়া যেমন কর্তার জন্য গঠিত হয়, তেমনি তা কর্মের জন্যও গঠিত হয়? এবং ক্রিয়ামূল যেমন কর্তার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়, তেমনি তা কর্মের দিকেও সম্বন্ধযুক্ত হয়। ক্রিয়ামূলকে কর্মের দিকে সম্বন্ধ করা হয় এবং কর্তার উল্লেখ করা হয় না, ঠিক যেমন তা কর্তার দিকে সম্বন্ধ করা হয় এবং কর্মের উল্লেখ করা হয় না। কিন্তু কর্ম-উদ্দেশ্য বা এ জাতীয় যা কিছু কর্তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না, তার অবস্থা এমন নয়।
সুতরাং, যেহেতু কর্ম-উদ্দেশ্য এসকল ক্ষেত্রে এবং কর্তা ও কর্মের মধ্যকার অন্যান্য সাদৃশ্যের ক্ষেত্রে কর্মের মতো নয়, তাই কর্ম-উদ্দেশ্যকে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করা জায়েজ নেই, যেমনটি কর্মকে তার স্থলাভিষিক্ত করা জায়েজ।
যদি আপনি বলেন: আপনি কি একে ভাষাগত প্রশস্ততা হিসেবে জায়েজ করবেন না, যেমনটি আপনি আধারের ক্ষেত্রে জায়েজ করেছেন? যদিও এর সাথে 'লাম' অব্যয়টি উদ্দেশ্য থাকে, ঠিক যেমন আধারের ক্ষেত্রে 'ফি' বা এ জাতীয় অব্যয় উদ্দেশ্য থাকা একে কর্তার স্থলাভিষিক্ত হতে বাধা দেয় না যখন তাতে প্রশস্ততা আনা হয়। এমতাবস্থায় আধারের অব্যয়টি বিলুপ্ত করা হয় এবং কর্মের মতো ক্রিয়ার কর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়, যেভাবে ক্রিয়া সরাসরি কর্মের দিকে ধাবিত হয়।
উত্তরে বলা হবে: আধারের ক্ষেত্রে প্রশস্ততা আনা হয় একে কর্মের ন্যায় নসব প্রদানের মাধ্যমে। যখন একে নসব প্রদান করা হয়, তখন একে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় ঠিক যেমন কর্মকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়, অথচ অর্থের দিক থেকে এটি আধার হওয়া থেকে বিচ্যুত হয় না।
আপনি কি দেখেন না যে, যখন আপনি বলেন "দুই ফারসাখ পথ চলা হয়েছে" অথবা "জুমার দিন চলা হয়েছে", তখন আপনি জানেন যে অর্থের দিক থেকে এই উভয়টিই প্রশস্ততা প্রাপ্ত আধার। ঠিক যেমন আপনি যখন বলেন "জায়েদ, তাকে আমি প্রহার করেছি" এবং তাকে বাক্যের শুরুতে নিয়ে আসেন, তখন জানা যায় যে অর্থের দিক থেকে সে কর্ম, যদিও শব্দগতভাবে তার সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কর্ম-উদ্দেশ্যের ক্ষেত্রে বিষয়টি এমন নয়, কারণ আপনি যখনই তাকে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করবেন, তখন সেটি আর কর্ম-উদ্দেশ্য হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে না এবং তার সেই অর্থ বহাল থাকবে না।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩০)
دلالة؛ لأنه إنما يُعلمُ [كونه] مفعولاً له متى كان [فضلة] بعد الفاعل يُقدرُ وصول الفعل إليه باللام.
وهذا المعنى يبطله كونه [نائب] فاعل وينافيه لو قلت: "أتى الإكرمُ" لم يُفهم عنك [أنك] أتيت أمراً من أجل الإكرام، بل يُفهمُ أنه فُعِل نفسُ الإكرام لا شيء غيرهُ من أجله.
فلما كان كذلك لم يجز إقامته مقام الفاعل ولم يصح ذلك فيه.
ومما يدلك على امتناع إقامة المفعول مقام الفاعل أنَّ "كيْ" على ضربين:
أحدهما: أن تكون كاللام في قول من قال: "كيمهْ".
والآخر: أن تكون كـ"أنْ"، وذلك على قياس قوله: (لكيلا تأسوا)، فمن قال هذا لم يقل: "أعجبني كي أضربك" كما تقول: "أعجبني أن أضربك"؛ لأن معناها أنها تجيء لعلة وهذا قول أبي عثمان.
فإذا امتنع ما كان بمعنى المفعول له وإن لم يكن على لفظه؛ لأن اللفظ كـ"أنْ" فأن يمتنع ما كان مقدراً فيه اللام ومواداً به أجدر.
ومما لا يجوز من المفعولات أن يقام مقام الفاعل المفعول معه نحو "استوى" الماء والخشبة"، وإنما لم يجز إقامته مقام الفاعل؛ لأن كونهُ مفعولاً معه
এটি একটি প্রমাণ; কারণ এটি যে উদ্দেশ্যবাচক কর্ম (মাফউল লাহু) তা তখনই জানা যায় যখন তা কর্তার পরে একটি অতিরিক্ত অংশ হিসেবে আসে এবং 'লাম' অব্যয়ের মাধ্যমে যার দিকে ক্রিয়ার প্রভাব পৌঁছানোর বিষয়টি অনুমিত হয়।
আর এই অর্থটি তার কর্মবাচ্যের কর্তা (নায়েবে ফায়িল) হওয়াকে বাতিল করে দেয় এবং তার পরিপন্থী হয়; আপনি যদি বলেন: "সম্মাননা এসেছে", তবে আপনার থেকে এটি বোঝা যাবে না যে আপনি সম্মাননার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করেছেন, বরং এটিই বোঝা যাবে যে খোদ সম্মাননাটিই সম্পন্ন হয়েছে, তার কারণে অন্য কিছু নয়।
যখন বিষয়টি এমনই হলো, তখন তাকে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করা বৈধ হলো না এবং তার ক্ষেত্রে এটি সঠিক হলো না।
যা আপনাকে কোনো কর্মকে (মাফউল) কর্তার স্থলাভিষিক্ত করার অসম্ভাব্যতা নির্দেশ করে তা হলো এই যে, 'কাই' (كي) দুই প্রকার:
একটি হলো: এটি 'লাম'-এর মতো হওয়া, যেমন কারো উক্তি: "কিসের জন্য?"।
অন্যটি হলো: এটি 'আন'-এর মতো হওয়া, আর তা মহান আল্লাহর এই বাণীর ওপর কিয়াস করে: "(যাতে) তোমরা বিষণ্ণ না হও"; সুতরাং যিনি এটি বলেন, তিনি বলেন না: "তোমার প্রহারের উদ্দেশ্যে আমি আনন্দিত হয়েছি", যেমনটি আপনি বলেন: "তোমার প্রহার আমাকে আনন্দিত করেছে"; কারণ এর অর্থ হলো এটি কোনো কারণ দর্শানোর জন্য আসে, আর এটি আবু উসমানের অভিমত।
অতএব, যা অর্থগতভাবে উদ্দেশ্যবাচক কর্ম (মাফউল লাহু) হওয়ার কারণে নিষিদ্ধ—যদিও তা শাব্দিকভাবে তেমন নয় কারণ শব্দটি 'আন'-এর মতো—তবে যাতে 'লাম' উহ্য থাকে এবং তদ্দ্বারা কারণ বুঝানো হয়, তা নিষিদ্ধ হওয়া আরও বেশি যুক্তিযুক্ত।
আর সকল কর্মের (মাফউল) মধ্যে যা কর্তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া জায়েজ নয় তা হলো সাথিত্ববাচক কর্ম (মাফউল মাআহু), যেমন: "পানি ও কাঠ সমান হয়ে উঠেছে"। আর তাকে কর্তার স্থলাভিষিক্ত করা বৈধ হয়নি কারণ তার সাথিত্ববাচক কর্ম হওয়া...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩১)
يُبطله قيامه مقام الفاعل، لأن كونه مفعولاً معه يقتضي أن يكون مع فاعل ليكون مفعولاً معه، فإذا أقمته مقام الفاعل لم يكن مفعولاً معه كما لا يكون الباب الأول مفعولاً له، ويمتنع إقامة هذا الاسم مقام الفاعل من وجه آخر، وهو أنه لا يخلو إذا أقمته مُقام الفاعل من أن تذكرَ الحرف الذي تدل به على أنه مفعول معه أو لا تذكره فإن أقمته مقام الفاعل ولم تذكر الحرف الذي يدل به على أنه مفعول معه لم يجز؛ لأن الاسم به يُدل على أنه مفعول معه فإذا لم تذكره لم يدُل على ذلك، وإن ذكرت الحرف أيضاً لم يجز، وذلك أن الحرف وإن لم يكن عاطفاً هنا فإنه يمتنع استعماله إلا على حد ما كان في العطف.
ألا ترى أنه في هذا الموضع، وفي نحو قوله تعالى: (وطائفةٌ قد أهمتهم أنفسهم) لا يقع إلا تابعاً لجملة أو مفرد كما لا يكون في العطف الصحيح إلا كذلك؟
وإذا كان كذلك لم يجز أن يُذكر الحرف معه في حال إقامتك إياه مُقام الفاعل.
ومثل الواو في هذا الفاء في جواب "أما" ألا ترى أنها وإن كانت غير عاطفة فإنها لا تكون إلا تابعة على حد ما تكون في العطف.
فلما كان إتباعهم إياها الحرف الذي قبلها يخرجها عما تكون عليه في العطف رُفِض ذلك فلم يُستعمل إلا بتقديم اسم أو شيء مما يقع بعدها قَبْلها ليكون اللفظ على ما ينبغي أن يكون عليه.
একে ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত করা বিষয়টিকে বাতিল করে দেয়। কারণ এটি 'মাফউল মাআহু' হওয়ার দাবি হলো এটি ফায়িলের সাথে থাকবে যাতে তা 'মাফউল মাআহু' হতে পারে। সুতরাং আপনি যখন একে ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত করবেন, তখন এটি আর 'মাফউল মাআহু' থাকবে না, যেমনটি প্রথম পরিচ্ছেদে 'মাফউল লাহুর' ক্ষেত্রেও তা 'মাফউল লাহু' থাকে না। অন্য এক দিক থেকেও এই ইসমটিকে ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত করা অসম্ভব; আর তা হলো, আপনি একে ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত করলে হয় সেই হরফটি উল্লেখ করবেন যা দ্বারা এটি 'মাফউল মাআহু' হওয়া বুঝায়, অথবা তা উল্লেখ করবেন না। যদি আপনি একে ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত করেন এবং সেই হরফটি উল্লেখ না করেন যা দ্বারা এটি 'মাফউল মাআহু' হওয়া বুঝায়, তবে তা বৈধ হবে না; কারণ ওই হরফটি দ্বারাই ইসমটি 'মাফউল মাআহু' হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, সুতরাং আপনি যদি তা উল্লেখ না করেন তবে তা আর এর প্রমাণ দেবে না। আর আপনি যদি হরফটি উল্লেখ করেন তবে তাও বৈধ হবে না; কারণ হরফটি এখানে সংযোজক না হলেও, এর ব্যবহার সংযোজক হওয়ার ব্যাকরণিক নিয়ম বহির্ভূতভাবে অসম্ভব।
আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, এই স্থানে এবং মহান আল্লাহর বাণী: (এবং অন্য এক দল যারা নিজেদের প্রাণ নিয়ে অতিশয় চিন্তিত ছিল) এর অনুরূপ ক্ষেত্রে এটি কোনো বাক্য বা একক শব্দের অনুগামী হওয়া ছাড়া আসে না, ঠিক যেমন শুদ্ধ সংযোজকের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে?
আর বিষয়টি যখন এমনই, তখন একে ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত করার অবস্থায় এর সাথে হরফটি উল্লেখ করা বৈধ নয়।
এই ক্ষেত্রে 'ওয়াও'-এর দৃষ্টান্ত হলো 'আম্মা'-এর জবাবে ব্যবহৃত 'ফা'; আপনি কি দেখেন না যে, এটি সংযোজক না হওয়া সত্ত্বেও এটি অনুগামী হওয়া ব্যতীত ব্যবহৃত হয় না, ঠিক যেভাবে সংযোজক হওয়ার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
যেহেতু এদের পূর্ববর্তী হরফের অনুগামী করা এদেরকে সংযোজক হওয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্য থেকে বিচ্যুত করে দেয়, তাই একে বর্জন করা হয়েছে। ফলে এর পরে যা আসার কথা তার পূর্বে কোনো বিশেষ্য বা অন্য কিছুকে অগ্রবর্তী করা ছাড়া এটি ব্যবহৃত হয় না, যাতে বাক্যটি যথাযথ ব্যাকরণিক রূপ লাভ করতে পারে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩২)
فمن حيث قدم الاسم في "أما" لإصلاح اللفظ رُفض إقامة المفعول معه مقام الفاعل ومعه الحرف الذي يستدل به على أنه مفعول معه.
ومن الأفعال التي لا تبنى للمفعول به الأفعال الدالة على الزمان وحده نحو "كان" وبابِها. وإنما لم يقم [معها] مقام الفاعل؛ لأن أصل الكلام بها الابتداء والخبر.
ألا ترى أنك تأتي فيه بالضمير المنفصل حيث يُقدرُ على المتصل كما كان ذلك في أصل الابتداء؟ فهذا مما يَدُلك أن [الحكم بها] حكم الابتداء وخبره، ومعناهما قائم، فلو بَنَيتَ الفعل للخبر لما ذكرت المبتدأ في اللفظ ولا في التقدير، وهذا لا يجوز، كما لا يجوز في الخبر العاري مبتدؤه من كان [قال] وهذه علة أبي عثمان.
فإن قلت: فهلا أجزته على من قال كُنتُه وليسهُ ونحو ذلك؟
فإن ذلك لا يجوز من حيث لم يجز زيد اليوم [وأنت إنما تقصد أن تسند إليه مثالاً من أمثلة الأفعال لا اسماً من أسماء الزمان].
ألا ترى أن الفعل هنا دال على الزمان وحده فالكلام لا يوازي "ضُرِبَ زيدُ"، لأنه يُنتقص منه دلالة الحدث.
যাহোক, যেহেতু শব্দগত সৌন্দর্য রক্ষার জন্য "আম্মা"-এর ক্ষেত্রে ইসমকে (বিশেষ্য) আগে আনা হয়েছে, সেহেতু 'মাফউল মাআহু'-কে ফায়িলের (কর্তা) স্থলাভিষিক্ত করাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যখন তার সাথে এমন হরফ (অব্যয়) থাকে যা দ্বারা এটি 'মাফউল মাআহু' হিসেবে নির্দেশিত হয়।
আর যেসব ক্রিয়াকে মাফউল বিহি-এর (কর্মবাচ্য) জন্য গঠন করা হয় না, তার মধ্যে রয়েছে কেবল কাল বা সময় নির্দেশক ক্রিয়াসমূহ, যেমন "কানা" এবং এর সমগোত্রীয় শব্দাবলি। আর এগুলোর ক্ষেত্রে কোনো কিছু ফায়িলের স্থলাভিষিক্ত হয় না; কারণ এগুলোর মাধ্যমে গঠিত বাক্যের মূল ভিত্তি হলো মুবতাদা (উদ্দেশ্য) ও খবর (বিধেয়)।
আপনি কি দেখছেন না যে, আপনি এতে সেই স্থানেই পৃথক সর্বনাম নিয়ে আসেন যেখানে সংযুক্ত সর্বনাম ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল, ঠিক যেমনটি মুবতাদার মূল অবস্থায় ছিল? এটিই আপনাকে নির্দেশ করে যে, এগুলোর বিধান হলো মুবতাদা ও খবরের বিধান এবং তাদের অর্থও বহাল থাকে। সুতরাং আপনি যদি ক্রিয়াটিকে খবরের অনুকূলে গঠন করতেন, তবে আপনি শব্দে বা উহ্যভাবে কোথাও মুবতাদার উল্লেখ করতেন না, যা বৈধ নয়; ঠিক যেমন 'কানা' এর ক্ষেত্রে মুবতাদা ছাড়া খবর থাকা বৈধ নয়। এটিই আবু উসমানের যুক্তি।
যদি আপনি বলেন: তবে যারা "কুনতুহু" এবং "লাইসাহু" ও এই জাতীয় রূপান্তরসমূহ ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে কেন এটি বৈধ করলেন না?
কেননা এটি সেই দিক থেকে বৈধ নয় যেদিক থেকে "যাইদ আজ" বলা বৈধ নয় [আর আপনি এর মাধ্যমে ক্রিয়ার কোনো একটি উদাহরণকে এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করতে চাচ্ছেন, সময়ের কোনো নামকে নয়]।
আপনি কি দেখছেন না যে, এখানে ক্রিয়াটি কেবল সময়কে নির্দেশ করছে, ফলে এই বাক্য "যাইদ প্রহৃত হয়েছে"-এর সমান্তরাল হয় না; কারণ এতে ঘটনার (হাদাস) নির্দেশক বিষয়টি অনুপস্থিত।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩৩)
ولو قلت: كأن شأنُكَ القتال فبنيت الفعل للمفعول لم يجز أيضاً "كينَ القتالُ" لانتقاصه عن إحداث القتال.
[والضمير] في أطنابها ضمير "كأس" لا ضمير "المُلْكِ، لأن الملك مذكر و"كأس" مؤنثة، و"ها" ضمير المؤنث. وإذا كان كذلك يم يجز أن يكون/ 55 أ "المُلكَ" مفعولاً به، و"أطنابها" بدلاً منه، وإذن لم يكن المُلكَ إلا مفعولاً له وأطنابها [مفعول به].
مسألة 4:فآ: "تَو أبانيان" عندي على قياس قول سيبويه "فوعلٌ" والتاء
এবং আপনি যদি বলেন: ‘আপনার অবস্থা যেন যুদ্ধ’ এবং ক্রিয়াটিকে কর্মবাচ্যের রূপ দেন, তবে ‘কিনা আল-কিতাল’ বলাও বৈধ হবে না; কারণ যুদ্ধের সূচনা করার ক্ষেত্রে এটি অসম্পূর্ণ।
‘আতনাবিহা’ শব্দের মধ্যকার [সর্বনামটি] ‘কা’স’ (পেয়ালা) শব্দের সর্বনাম, ‘মুলক’ (রাজত্ব) শব্দের সর্বনাম নয়; কারণ ‘মুলক’ শব্দটি পুংলিঙ্গ এবং ‘কা’স’ শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, আর ‘হা’ হলো স্ত্রীলিঙ্গবাচক সর্বনাম। আর বিষয়টি যদি এমনই হয়, তবে ৫৫-ক ‘আল-মুলকা’ শব্দটির ‘মাফউলুন বিহি’ হওয়া এবং ‘আতনাবিহা’ শব্দটির তার ‘বাদাল’ হওয়া বৈধ নয়। এমতাবস্থায় ‘আল-মুলকা’ শব্দটি কেবল ‘মাফউলুন লাহু’ এবং ‘আতনাবিহা’ [মাফউলুন বিহি] হিসেবে গণ্য হবে।
মাসআলা ৪:সুতরাং: ‘তাও আবানিয়ান’ আমার নিকট সিবওয়াইহ-এর উক্তি অনুযায়ী ‘ফাওআল’ ওজনের অন্তর্ভুক্ত এবং ‘তা’ অক্ষরটি...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩৪)
بدل يدلك على ذلك أن أبا بكر حكى في تفسيره أنه الخِلفُ الصغير وإذا كان كذلك كان من "الوأبِ"؛ لأن الثديَ الصغير صُلبٌ متوترٌ، وذاك أن نزول اللبن فيه وارتضاع الفصيلِ منه لم يُرخِه فهو في أنه وُصِفَ بالصلافةِ مثل وصفهم الحافرَ به في قوله:
5 - بكلٍّ وأبٍ للحصى رضاح
বরং যা আপনাকে এর প্রতি নির্দেশ করে তা হলো, আবু বকর তাঁর তাফসীরে বর্ণনা করেছেন যে এটি হলো ছোট স্তনবৃন্ত। আর যখন বিষয়টি এমন হয়, তখন তা 'ওয়াব' (শক্ত ও প্রশস্ততা) এর অন্তর্ভুক্ত হয়; কারণ ছোট স্তন শক্ত ও টানটান থাকে। আর তা এ কারণে যে, এতে দুধের অবতরণ এবং শাবকের স্তন্যপান একে শিথিল বা ঢিলেঢালা করে দেয়নি। ফলে কাঠিন্যের বর্ণনায় এটি পশুর খুরকে বিশেষিত করার মতোই, যেমন কবির উক্তি:
৫ - প্রতিটি শক্ত ও চওড়া (খুর) দ্বারা যা পাথরকে চূর্ণবিচূর্ণকারী।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩৫)
وقد قالوا: "حَوفزان" [و] في إملاء أبي بكر علينا "حوننانٌ" فهما "فوعلانُ" مثل "توأبانُ".
مسألة 5:فآ: هيتآءٌ من الليل،
এবং তারা বলেছেন: "হাউফাযান" [এবং] আবু বকর আমাদের নিকট যা শ্রুতিলিখন করেছেন তাতে রয়েছে "হাওনানান"; এই উভয়ই "ফাওলান" ওজনের শব্দ, যেমন "তাওআবান"।
মাসয়ালা ৫:ফা: রাতের একটি অংশ (হাইতা'),
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩৬)
وطيماءُ، وميداءُ وسيناء
فأما سعواءٌ من الليل فيحتمل عندي ضربين: يكون
তায়মা, মায়দা এবং সিনাই
আর রাতের ‘সাওয়া’ এর ক্ষেত্রে আমার নিকট এর দুটি সম্ভাবনা রয়েছে: তা হলো
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩৭)
كـ"عِلباء" الهمزة منقلبة من الياء، ويكون مثل "قِرواحٍ"، وهذا القول أعجب إليَّ نجعلهُ من باب "سعيٍ".
ألا ترى أنه للمضي ولا أعرف سِعوا إلا أن يكون مقلوباً من الساعة، لأن عينها واو، قالوا: ساوعته.
وأما "هيتاءٌ" فهو فِعلالٌ ملحق بسرداحٍ وليس كقسطاسٍ.
ومن قال في ديكٍ: إنه يجوز أن يكون "فُعلاً" وأن يكون
"ইলবা"-এর ন্যায় হামজাটি এখানে 'ইয়া' থেকে পরিবর্তিত হয়েছে এবং এটি "কিরওয়াহ"-এর সমরূপ হবে। এই অভিমতটিই আমার নিকট অধিক পছন্দনীয় যে, আমরা একে "সা'য়ুন"-এর অনুচ্ছেদভুক্ত করব।
আপনি কি লক্ষ্য করছেন না যে এটি অতীত কালের অর্থ প্রদান করে? আমি "সিওয়া" সম্পর্কে অবগত নই, যদি না এটি "আস-সাআহ" শব্দ থেকে বর্ণ বিপর্যয়ের (মাকলুব) মাধ্যমে গঠিত হয়ে থাকে; কেননা এর 'আইন' বর্ণটি হলো 'ওয়াও'। তারা বলে থাকে: "সাওয়া'তুহু"।
আর "হাইতা'উন"-এর প্রসঙ্গে বলা যায়, এটি "ফি'লালুন" ওজনে "সিরদাহুন"-এর সাথে সংযুক্ত, এটি "কিসতাসুন"-এর মতো নয়।
এবং যে ব্যক্তি মোরগ সম্পর্কে বলেছে যে, এটি "ফু'লান" হওয়া বৈধ এবং এটি হওয়া...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসায়িলুল বাসরিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩৮)
"فِعلاً" فإنه لا يقول في هذا إلا أنه "فِعْلَاء".
ألا ترى أن هذا في الثلاثة، فإذا زاد عليها لم يبدلوا، يدلك على ذلك قولهم: عُوططٌ وتعيطت الناقة، فقلبت الياء واواً، ولم تُبدِلْ من الضمة الكسرة كما أبدلت منها الكسرة في بيضٍ، فكذلك هيتاءٌ فعلاءٌ.
"ফে'লান" প্রসঙ্গে তিনি কেবল একথাই বলেন যে, এটি "ফে'লা-উ" ছাঁচে গঠিত।
আপনি কি লক্ষ্য করছেন না যে এটি তিন অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ; ফলে যখন এর ওপর অতিরিক্ত কিছু যুক্ত হয় তখন তারা আর পরিবর্তন করে না। তাদের উক্তি: "উ-ত্বাতুন" এবং "তাআইয়্যাতাতিন নাক্বাতু" আপনাকে এর প্রমাণ দেয়; এখানে 'ইয়া' বর্ণটি 'ওয়াও' দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে, এবং পেশকে যের দ্বারা পরিবর্তন করা হয়নি যেমনিভাবে "বীদ্বুন" শব্দে পেশকে যের দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছিল। অনুরূপভাবে "হায়তা-উ" শব্দটিও "ফে'লা-উ" ছাঁচভুক্ত।