(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: -)
المستملح من كتاب التكملة   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: المستملح من كتاب التكملة

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي (ت 748 هـ)

حققه وضبط نصه وعلق عليه: الدكتور بشار عواد معروف

الناشر: دار الغرب الإسلامي، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1429 هـ - 2008 م

عدد الصفحات: 590

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 13 جُمادَى الآخرة 1442

আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলা   (শামসুদ্দিন আদ-দাহাবি)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমষ্টি


বই: আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলা

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন উসমান আদ-দাহাবি (মৃত ৭৪৮ হিজরি)

তাহকিক, পাঠ-সম্পাদনা ও টীকা প্রদান: ডক্টর বাশার আওয়াদ মারুফ

প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৯ হিজরি - ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯০

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৩ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৪২

(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: -)
المستملح من كتاب التكملة

 

تأليف

مؤرخ الإسلام شمس الدين أبي عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي

(المتوفى سنة 748 هـ - 1374 م)

 

حققه وضبط نصه وعلق عليه

الدكتور بشار عواد معروف
কিতাবুত তাকমিলাহ হতে চয়নকৃত অংশ

 

রচনায়

ইসলামের ঐতিহাসিক শামসুদ্দীন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আদ-দাহাবি

(মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি - ১৩৭৪ খ্রিষ্টাব্দ)

 

পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, পাঠ্য বিন্যাস ও টীকা প্রদান করেছেন

ডক্টর বাশশার আওয়াদ মারুফ
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٥)
تقديم

بسم الله الرّحمن الرّحيم الحمد لله رب العالمين، نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيّئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضلّ له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلاّ الله وحده لا شريك له، وأشهد أنّ سيّدنا وأسوتنا وإمامنا وقدوتنا وشفيعنا محمدا عبده ورسوله، بعثه الله بالهدى ودين الحقّ ليظهره على الدّين كلّه ولو كره المشركون، فبلّغ الرسالة، وأتمّ الله به النّعمة، فالحمد لله على نعمة الإسلام.

{يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اِتَّقُوا اللهَ حَقَّ تُقاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلاّ وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران:

102].

{يا أَيُّهَا النّاسُ اِتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ واحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْها زَوْجَها وَبَثَّ مِنْهُما رِجالاً كَثِيراً وَنِساءً وَاِتَّقُوا اللهَ الَّذِي تَسائَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحامَ إِنَّ اللهَ كانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً} [النساء: 1].

{يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اِتَّقُوا اللهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً * يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فازَ فَوْزاً عَظِيماً} [الأحزاب: 70 - 71].

أما بعد:

فإنّ من نعم الله علينا، وعميم إحسانه إلينا، أن وفّقنا الله سبحانه إلى العثور على الكتاب الذي اختصره إمام المؤرّخين شمس الدّين أبو عبد الله الذهبيّ «673 - 748 هـ» من كتاب «التّكملة لكتاب الصّلة» للحافظ أبي عبد الله محمد بن عبد الله القضاعيّ ابن الأبّار، وسمّاه «المستملح من كتاب التكملة»، لنضمّه بكلّ فخر واعتزاز إلى مشروعنا: «سلسلة التراجم الأندلسيّة».

وكان هذا الكتاب إلى عهد قريب يعدّ في المفقودات من المخطوطات العربيّة، مع وجوده في المكتبة الوطنيّة الجزائريّة برقم (1735)، حيث ظنّه جميع الباحثين قطعة من كتاب «التكملة» لابن الأبّار، حتّى أنّ المستشرق كوديرا اقتبس منه بعض التراجم في آخر طبعته من كتاب «التكملة» لابن الأبّار وألحقها بالكتاب (ص 645 - 749)، وهي التراجم ذوات الأرقام 1797 - 2129 من طبعته. ثم اقتبس من هذا الكتاب ثلاثا وعشرين ترجمة ممّا زاده الذهبيّ على كتاب ابن الأبّار،
ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের নেতা, আমাদের আদর্শ, আমাদের ইমাম, আমাদের অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব এবং আমাদের সুপারিশকারী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁকে হিদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন যাতে তিনি একে সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী করেন, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। তিনি রিসালাত পৌঁছে দিয়েছেন এবং আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে নেয়ামত পূর্ণ করেছেন। ইসলামের নেয়ামতের জন্য আল্লাহরই সকল প্রশংসা।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আলে ইমরান: ১০২]।

{হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যার নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচ্ঞা করো এবং রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়তা বজায় রাখো। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} [আন-নিসা: ১]।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।} [আল-আহযাব: ৭০ - ৭১]।

অতঃপর:

আমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতসমূহের অন্যতম এবং তাঁর ব্যাপক অনুগ্রহের বিষয় হলো এই যে, মহান আল্লাহ আমাদের সেই কিতাবটি খুঁজে পেতে তাওফিক দিয়েছেন যা ঐতিহাসিকদের ইমাম শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ আয-যাহাবি (৬৭৩ - ৭৪৮ হিজরি), হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কুদায়ী ইবনে আল-আব্বারের কিতাব ‘আত-তাকমিলা লি-কিতাবিস সিলা’ থেকে সংক্ষেপ করেছেন এবং এর নাম রেখেছেন ‘আল-মুস্তামলিহ মিন কিতাবিত তাকমিলা’। আমরা অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের সাথে এটিকে আমাদের প্রকল্প ‘সিলসিলাতুত তারাজিমিল আন্দালুসিয়্যাহ’ (আন্দালুসি জীবনী গ্রন্থমালা)-এর অন্তর্ভুক্ত করছি।

এই কিতাবটি নিকট অতীত পর্যন্ত আরবি পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে নিখোঁজ বলে গণ্য হতো, যদিও এটি আলজেরীয় জাতীয় গ্রন্থাগারে ১৭৩৫ নম্বরে বিদ্যমান ছিল। সমস্ত গবেষক এটিকে ইবনে আল-আব্বারের ‘আত-তাকমিলা’ কিতাবের একটি অংশ বলে মনে করতেন। এমনকি প্রাচ্যবিদ কোডেরা তাঁর সম্পাদিত ইবনে আল-আব্বারের ‘আত-তাকমিলা’ কিতাবের শেষ সংস্করণে এখান থেকে কিছু জীবনী উদ্ধৃত করেছেন এবং সেগুলোকে মূল কিতাবের সাথে সংযুক্ত করেছেন (পৃষ্ঠা ৬৪৫ - ৭৪৯), যা তাঁর সংস্করণের ১৭৯৭ - ২১২৯ নম্বর পর্যন্ত জীবনীগুলো। অতঃপর তিনি এই কিতাব থেকে আরও তেইশটি জীবনী উদ্ধৃত করেছেন যা ইমাম যাহাবি ইবনে আল-আব্বারের কিতাবের উপর অতিরিক্ত হিসেবে যোগ করেছিলেন,
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٦)
وظنّها كوديرا زيادة في نسخة الجزائر على نسخة الإسكوريال (2130 - 2152)، حيث جعلها، في ملحق كتب له عنوانا قال فيه ما ترجمته: «تراجم في مخطوطة الجزائر غير موجودة في نسخة الإسكوريال». ثم عمل ملحقا ثانيا للزّيادات التي زادها الذهبيّ على ابن الأبّار، وظنّها زيادات في نسخة الجزائر على ما في نسخة الإسكوريال أيضا.

وكان الباحثون والمحقّقون والمخرّجون لتراجم الأندلسيّين جميعا يحيلون إلى هذه التراجم، باعتبارها تراجم من كتاب «التكملة» لابن الأبّار. وكذلك فعل جميع المحقّقين الذين أعادوا نشر «التكملة»، استنادا إلى طبعة كوديرا وما زاده محمد بن شنب. ولم يفطن أيّ واحد منهم إلى أنّ هذا الكتاب هو اختصار الذهبيّ لتكملة ابن الأبّار، فاشتبه الأمر عليهم والتبس، وغمّ عليهم واستبهم.

وتعود صلتي بهذه النّسخة إلى أقلّ من عام، حين رفع إليّ صديقي العالم الفاضل الكتبيّ القدير، الأستاذ الحاجّ حبيب اللّمسيّ رغبته - أرغب الله تعالى قدره - أن أعتني بتراجم الأندلسيّين، وصار يوفّر لي النّسخ الخطّية لأمّهات الكتب المعنيّة، لا يدّخر في هذا الأمر وسعا، ولا يصدّه عن تشوّفه لهذا الأمر وتطلّعه إليه صادّ، فضلا عن بذل وافر المال لبلوغ ما طوى عليه نيّته وحدا عليه عزمه، فكان من بينها هذا المجلّد في المكتبة الوطنية الجزائريّة برقم (1735)، الذي كتب في بطاقته: «مجموع من كتاب التكملة لكتاب الصّلة».

وحين وقع نظري عليه، عرفت أنه بخطّ الذهبيّ الذي أدمنت عليه من قرابة خمسين عاما، ثم سرعان ما أدركت، حين سبرت أمره واختبرت حاله وقرأت بعض تراجمه، أنّه مختصره لكتاب «التكملة» لابن الأبّار، وأنه سمّاه «المستملح من كتاب التكملة»، فكان فرحي به لا يوصف، فالمختصر الإمام شمس الدّين أبو عبد الله محمد بن أحمد الذهبيّ فنان تراجميّ قلّ نظيره، وهو الثّقة المتقن الضابط، فكتابته مما يركن إليه ويوثق به، فضلا عن قدرة على الانتقاء والتتبع.

ومعلوم أنّ مختصرات الذهبيّ لم تكن اختصارات عادية يغلب عليها الجمود والنّقل، بل إنّ المطّلع عليها الدارس لها برويّة وإنعام نظر يجد فيها زيادات كثيرة، وتعليقات نفيسة، واستدراكات بارعة، وربما تصحيحات وتصويبات لمؤلّف الأصل إذا شعر بوهمه أو غلطه، فضلا عن مقارنات تدلّ على معرفته وتبحّره في فنّ
কোডেরা একে আলজেরিয়া পাণ্ডুলিপিতে এসকোরিয়াল পাণ্ডুলিপির (২১৩০ - ২১৫২) তুলনায় অতিরিক্ত একটি অংশ মনে করেছিলেন। তিনি একটি পরিশিষ্টে এর একটি শিরোনাম দিয়েছিলেন, যার অনুবাদ হলো: «আলজেরিয়া পাণ্ডুলিপিতে বিদ্যমান জীবনীসমূহ যা এসকোরিয়াল পাণ্ডুলিপিতে নেই»। এরপর তিনি ইবনুল আব্বারের ওপর যাহাবীর করা সংযোজনগুলোর জন্য দ্বিতীয় একটি পরিশিষ্ট তৈরি করেন এবং সেগুলোকে তিনি এসকোরিয়াল পাণ্ডুলিপির বিপরীতে আলজেরিয়া পাণ্ডুলিপির অতিরিক্ত অংশ বলে ধারণা করেছিলেন।

আন্দালুসীয়দের জীবনীর সকল গবেষক, পর্যালোচক ও সংকলক এই জীবনীগুলোকে ইবনুল আব্বারের «আত-তাকমিলা» গ্রন্থের জীবনী হিসেবে উদ্ধৃত করতেন। একইভাবে কোডেরা এবং মুহাম্মদ বিন শানাবের সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে যারা «আত-তাকমিলা» গ্রন্থটি পুনরায় প্রকাশ করেছেন, তারাও তেমনটিই করেছেন। তাদের মধ্যে কেউই অনুধাবন করতে পারেননি যে এই গ্রন্থটি মূলত ইবনুল আব্বারের «তাকমিলা» গ্রন্থের ওপর ইমাম যাহাবীর করা একটি সংক্ষিপ্তসার; ফলে বিষয়টি তাদের কাছে অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর হয়ে পড়েছিল এবং তারা এর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

এই পাণ্ডুলিপির সাথে আমার সম্পর্কের সূচনা এক বছরেরও কম সময় আগে, যখন আমার বন্ধু, বিদগ্ধ আলেম এবং গ্রন্থ-বিশেষজ্ঞ উস্তাদ হাজিব হাবিব আল-লামসি—আল্লাহ তাআলা তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন—আন্দালুসীয় জীবনীগুলোর প্রতি মনোনিবেশ করার জন্য তাঁর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মূল গ্রন্থগুলোর পাণ্ডুলিপি সরবরাহ করতে শুরু করেন এবং এ কাজে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি। কোনো বাধাই তাঁকে তাঁর এই সংকল্প থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। উপরন্তু, তিনি তাঁর সংকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছেন। আলজেরিয়ার জাতীয় গ্রন্থাগারে রক্ষিত ১৭৩৫ নম্বর সংবলিত এই খণ্ডটি সেই পাণ্ডুলিপিগুলোরই অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার পরিচিতি কার্ডে লেখা ছিল: «কিতাবুস সিলার পরিশিষ্ট আত-তাকমিলা গ্রন্থের একটি সংকলন»।

যখনই আমার দৃষ্টি এর ওপর পড়ল, আমি চিনতে পারলাম যে এটি ইমাম যাহাবীর হাতের লেখা, যার সাথে আমি প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে পরিচিত। এরপর আমি যখন বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলাম এবং এর কিছু জীবনী পাঠ করলাম, দ্রুতই বুঝতে পারলাম যে এটি ইবনুল আব্বারের «আত-তাকমিলা» গ্রন্থের ওপর তাঁর করা সংক্ষিপ্তসার এবং তিনি এর নাম দিয়েছেন «আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলা»। এতে আমার আনন্দের কোনো সীমা রইল না। কেননা সংক্ষিপ্তসার রচয়িতা ইমাম শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আয-যাহাবী এমন এক অনন্য জীবনীকার যার তুলনা মেলা ভার। তিনি একজন নির্ভরযোগ্য, নিখুঁত ও অত্যন্ত সতর্ক বিশেষজ্ঞ। তাঁর লেখনী যেমন নির্ভরযোগ্য ও আস্থাশীল, তেমনি এতে রয়েছে তাঁর চমৎকার চয়ন ও অনুসরণের দক্ষতা।

এটি সর্বজনবিদিত যে, ইমাম যাহাবীর সংক্ষিপ্তসারগুলো সাধারণ কোনো স্থবির অনুলিপি বা সংক্ষিপ্তকরণ নয়। বরং গভীর মনোযোগের সাথে এটি অধ্যয়নকারী এতে অনেক নতুন সংযোজন, মূল্যবান মন্তব্য এবং সুনিপুণ পর্যবেক্ষণ খুঁজে পাবেন। এমনকি মূল লেখকের কোনো ভ্রম বা ভুল ধরা পড়লে তিনি সেগুলোর সংশোধন ও পরিমার্জনও করেছেন। তদুপরি, এতে এমন সব তুলনামূলক আলোচনা রয়েছে যা এই শাস্ত্রে তাঁর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের গভীরতা প্রমাণ করে।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
الكتاب المختصر(1).

يضاف إلى كلّ ذلك أنّ هذا الكتاب، وهو بخطّ مؤرّخ تراجميّ قدير، يعدّ نسخة مساعدة في تحقيق أصله «التكملة لكتاب الصّلة».

 

‌‌وصف النّسخة الخطّية:

ذكر الذهبيّ هذا المختصر في ترجمة ابن الأبّار من كتابه «تاريخ الإسلام» فقال: «كمّل الصّلة البشكوالية بكتاب في ثلاثة أسفار اختصرته في مجلد»(2) وقال في «سير أعلام النّبلاء»: «وله تصانيف جمّة، منها: تكملة الصّلة، في ثلاثة أسفار، اخترت منها نفائس»(3).

والنّسخة التي وصلت إلينا بخطّ الذهبي، وخطّه معروف، وصل إلينا منه الكثير، كما في عشر مجلّدات من «تاريخ الإسلام»، و «الكاشف» و «المختصر المحتاج إليه من تاريخ أبي عبد الله ابن الدّبيثي»، وغيرها. وقد ذهب أول المجلّد، وبقي منه (118) ورقة، والذاهب منه فيما أخمّنه (27) ورقة؛ لأنّ الذهبيّ كتب أرقام الكرّاسات في أعلى بعض الأوراق، وكلّ كرّاسة عشر ورقات في الأغلب الأعمّ(4)، والكرّاسة الرابعة تبدأ عند الورقة الثالثة ممّا تبقّى من المجلّد، فوصلت إلينا ورقتان من الكرّاسة الثالثة، فإذا عددنا طرّة المجلّد من الكرّاسة الأولى فالمتبقي من المفقود بحدود (27) ورقة، وتشمل حروف الألف والباء والتاء والثاء وقسما يسيرا من الجيم، وأكثر الحاء المهملة، ثم الخاء والدال والذال والراء والزاي والطاء والظاء والكاف واللاّم وأول المحمّدين من حرف الميم، وهو قسم من المجلّد الأول من النّسخة الخطّية التي اختصر منها الكتاب والمتكوّنة أصلا من ثلاثة مجلّدات. فالمفقود من الكتاب بحدود الخمس.

والمتبقّي من حرف الجيم خمس تراجم، ومن الحاء المهملة أربع تراجم، وهما الورقتان: الأولى والثانية من النّسخة الخطّية. أمّا الورقة الثالثة فتبدأ بترجمة

--------------------------------------------

(1) تنظر التفاصيل في كتابي: الذهبي ومنهجه، ص 111 فما بعد (القاهرة 1976).

(2) تاريخ الإسلام 14/ 896 (بتحقيقنا).

(3) سير أعلام النبلاء 23/ 337 (بتحقيقنا). وينظر كتابي: الذهبي ومنهجه، ص 237.

(4) خلا الكراسة الثامنة حيث تتكون من 14 ورقة، والكراسة الثالثة عشرة من (16) ورقة.

সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ(১)।

এই সবকিছুর সাথে এটিও যোগ করা প্রয়োজন যে, একজন দক্ষ জীবনীকার-ইতিহাসবিদের হস্তাক্ষরে লিখিত এই বইটি এর মূল উৎস «তাকমিলা লি কিতাবিস সিলা»-এর সম্পাদনার ক্ষেত্রে একটি সহায়ক অনুলিপি হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

‌‌পাণ্ডুলিপির বর্ণনা:

জাহাবি তাঁর «তারিখুল ইসলাম» গ্রন্থে ইবনুল আব্বারের জীবনী আলোচনায় এই সংক্ষিপ্ত গ্রন্থটির কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "তিনি ইবনে বাশকুওয়ালের 'সিলা' গ্রন্থটিকে তিন খণ্ডের একটি কিতাবের মাধ্যমে পূর্ণতা দান করেছেন, যা আমি এক খণ্ডে সংক্ষিপ্ত করেছি।"(২) তিনি «সিয়ারু আলামিন নুবালা» গ্রন্থে বলেছেন: "তাঁর প্রচুর রচনা রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো: 'তাকমিলাতুস সিলা', যা তিন খণ্ডে বিভক্ত; আমি তা থেকে উৎকৃষ্ট অংশসমূহ নির্বাচন করেছি।"(৩)

আমাদের নিকট যে অনুলিপিটি পৌঁছেছে তা জাহাবির স্বহস্তে লিখিত। তাঁর হস্তাক্ষর সুপরিচিত এবং তাঁর লিখিত অনেক পাণ্ডুলিপি আমাদের নিকট পৌঁছেছে, যেমন «তারিখুল ইসলাম»-এর দশ খণ্ড, «আল-কাশিফ» এবং আবু আব্দুল্লাহ ইবনুদ দুবাইসির ইতিহাস থেকে সংক্ষিপ্তকৃত «আল-মুখতাসারুল মুহ্তাজু ইলাইহি» ইত্যাদি। এই খণ্ডের প্রথম দিক হারিয়ে গেছে এবং বর্তমানে (১১৮)টি পাতা অবশিষ্ট আছে। আমার অনুমান অনুযায়ী হারিয়ে যাওয়া পাতার সংখ্যা প্রায় (২৭)টি; কারণ জাহাবি কিছু পাতার উপরে কুরাসাহ বা খণ্ডাংশের নম্বর লিখে রাখতেন এবং প্রতিটি কুরাসাহ সাধারণত দশ পাতার হয়ে থাকে।(৪) চতুর্থ কুরাসাহটি পাণ্ডুলিপির অবশিষ্ট অংশের তৃতীয় পাতা থেকে শুরু হয়েছে, ফলে আমরা তৃতীয় কুরাসাহর দুটি পাতা পেয়েছি। যদি আমরা প্রথম কুরাসাহ থেকে গ্রন্থের প্রচ্ছদ গণনা করি, তবে নিখোঁজ পাতার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় (২৭)টি। এই অংশে আলিফ, বা, তা, ছা বর্ণগুলো এবং জিম বর্ণের সামান্য অংশ, বিন্দুহীন 'হা' বর্ণের অধিকাংশ, অতঃপর খা, দাল, যাল, রা, যা, ত-অ, য-অ, কাফ, লাম এবং মিম বর্ণের 'মুহাম্মদ' নামীয় ব্যক্তিদের প্রথম ভাগের জীবনীসমূহ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি সেই মূল পাণ্ডুলিপির প্রথম খণ্ডের অংশ যেখান থেকে বইটি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে এবং যা মূলত তিন খণ্ডে গঠিত ছিল। সুতরাং বইটির প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ হারিয়ে গেছে।

জিম বর্ণের অবশিষ্ট অংশে পাঁচটি জীবনী এবং বিন্দুহীন 'হা' বর্ণের চারটি জীবনী রয়েছে, যা পাণ্ডুলিপির প্রথম ও দ্বিতীয় পাতা জুড়ে বিস্তৃত। আর তৃতীয় পাতাটি শুরু হয়েছে... এর জীবনীর মাধ্যমে...

--------------------------------------------

(১) বিস্তারিত বিবরণের জন্য আমার গ্রন্থ: 'জাহাবি ওয়া মানহাজুহু' দেখুন, পৃষ্ঠা ১১১ এবং পরবর্তী (কায়রো ১৯৭৬)।

(২) তারিখুল ইসলাম ১৪/৮৯৬ (আমাদের সম্পাদনায়)।

(৩) সিয়ারু আলামিন নুবালা ২৩/৩৩৭ (আমাদের সম্পাদনায়)। আরও দেখুন আমার গ্রন্থ: জাহাবি ওয়া মানহাজুহু, পৃষ্ঠা ২৩৭।

(৪) অষ্টম কুরাসাহ ব্যতীত, যা ১৪টি পাতা নিয়ে গঠিত, এবং ত্রয়োদশ কুরাসাহ যা (১৬)টি পাতা নিয়ে গঠিত।

(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
محمد بن خطّاب أبي عبد الله الأزديّ القرطبيّ النّحويّ المتوفّى قبل سنة أربع مئة.

وكلّ ورقة تتكوّن من وجهين، ومسطرتها (20) سطرا فضلا عن بعض الزّيادات التي كتبها الذهبيّ في حاشية النّسخة.

وجاء في آخر النّسخة: «آخر المستملح من كتاب التكملة، والحمد لله وحده، وصلّى الله على محمد. كتبت المشهورين ومن يقاربهم وحذفت المجهولين ومن يقاربهم. على أنّ أكثر المشهورين بالنسبة إلينا مجهولون، لبعد الديار وعدم اتّصال روايتهم بنا، ولكن كتبتهم لأتعرّف بهم وأدري شأنهم، وفيه شيء متعب تطلّبه، وهو ذكر شيوخ الرجل والرّواة عنه بكناهم، فكتبتهم كما ذكر».

وقد بيّن الذهبيّ منهجه في الانتقاء والاختصار في الفقرة التي نقلتها.

وأودّ أن أشير هنا إلى أنّ الذهبيّ رحمه الله إنّما كان يختصر أمثال هذه الكتب لمنفعته الشّخصيّة والإفادة منها في تأليف كتبه، ولا سيّما كتابه العظيم «تاريخ الإسلام ووفيات المشاهير والأعلام»، فقد اختصر من أجله العديد من الكتب كما بيّنته مفصّلا في مقدّمتي لتاريخ ابن الدّبيثي(1)، لذلك كان حريصا على المحافظة على ذاتيّة المؤلّفين الأصليّين، فيترك الكلام لهم، وإذا ما أراد زيادة كتبها في الحاشية أو أسبقها بلفظة «قلت». كما أن الكثير من هذه المختصرات التي وصلت إلينا وصلت بخطّه، مثل: «الكاشف»، و «المختصر المحتاج إليه»، وهذا الكتاب، و «معرفة التابعين من الثّقات لابن حبّان»، و «نبذة من فوائد تاريخ ابن الجزري» وغيرها. وهو كان في اختصاره يؤثر أهل الرّواية على غيرهم، وهو أمر يعكس مفهومه للتاريخ عموما، وللتراجم خصوصا.

 

‌‌كيف وصلت النسخة إلى الجزائر؟

من المعلوم أنّ هذه النّسخة هي نسخة الذهبيّ الخاصة، والظاهر أنها انتقلت بعد وفاته، بشكل أو بآخر، إلى مكة المكرمة، حيث نقل منها تقيّ الدّين الفاسيّ «ت 832 هـ» في كتابه «العقد الثمين في تاريخ البلد الأمين»، فقال في ترجمة أحمد ابن ثعبان بن أبي سعيد بن حرز الكلبيّ المعروف بالبكّي: «نقلت هذه الترجمة من

--------------------------------------------

(1) ذيل تاريخ مدينة السلام 1/ 126 - 127.

মুহাম্মদ বিন খাত্তাব আবু আব্দুল্লাহ আল-আজদি আল-কুরতুবি আন-নাহবি, যিনি চারশত হিজরি সনের পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন।

পাণ্ডুলিপির প্রতিটি পাতা দুটি পৃষ্ঠার সমন্বয়ে গঠিত এবং এর প্রতি পৃষ্ঠায় বিশ (২০) টি করে লাইন রয়েছে। এর বাইরেও পাণ্ডুলিপির টীকায় ইমাম জাহাবি কিছু অতিরিক্ত অংশ লিখেছিলেন।

পাণ্ডুলিপির শেষে উল্লেখ করা হয়েছে: "আত-তাকমিলা গ্রন্থের সারসংক্ষেপ 'আল-মুস্তামলাহ' এখানেই সমাপ্ত হলো। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আমি এখানে প্রসিদ্ধ এবং তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের কথা লিখেছি এবং যারা অজ্ঞাত ও তাদের সমপর্যায়ের তাদের বাদ দিয়েছি। তবে দূরবর্তী দেশ এবং আমাদের নিকট তাদের বর্ণনার সূত্র বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে আমাদের কাছে অধিকাংশ প্রসিদ্ধ ব্যক্তিই মূলত অজ্ঞাত। তবুও আমি তাদের কথা লিপিবদ্ধ করেছি যাতে তাদের সম্পর্কে পরিচিতি লাভ করতে পারি এবং তাদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারি। আর এক্ষেত্রে বর্ণনাকারীদের শায়খ এবং তাদের থেকে যারা বর্ণনা করেছেন তাদের উপনামসমূহ অনুসন্ধান করা বেশ শ্রমসাধ্য ছিল, তাই যেভাবে বর্ণিত হয়েছে আমি সেভাবেই লিখেছি।"

আমি যে অনুচ্ছেদটি উদ্ধৃত করেছি, তাতে ইমাম জাহাবি তথ্য নির্বাচন এবং সারসংক্ষেপ করার ক্ষেত্রে তার অনুসৃত পদ্ধতি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন।

আমি এখানে উল্লেখ করতে চাই যে, ইমাম জাহাবি (রহিমাহুল্লাহ) মূলত এই ধরণের গ্রন্থগুলো তার ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটাতে এবং নিজের গ্রন্থাবলী রচনার ক্ষেত্রে তা থেকে উপকৃত হওয়ার উদ্দেশ্যে সংক্ষেপ করতেন। বিশেষ করে তার সুবিশাল গ্রন্থ 'তারিখুল ইসলাম ওয়া ওয়াফায়াতুল মাশাহির ওয়াল আলাম'-এর জন্য; কারণ এই গ্রন্থটির খাতিরেই তিনি অসংখ্য কিতাব সংক্ষেপ করেছিলেন, যা আমি ইবনে আদ-দুবাইসির ইতিহাস গ্রন্থের আমার লিখিত ভূমিকায় বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এই কারণেই তিনি মূল গ্রন্থকারদের স্বকীয়তা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকতেন, ফলে মূল কথাগুলো তাদের নামেই রেখে দিতেন। আর যদি তিনি কোনো অতিরিক্ত তথ্য যোগ করতে চাইতেন, তবে তা টীকায় লিখে দিতেন অথবা সেই কথার শুরুতে 'আমি বলছি' শব্দটি যুক্ত করতেন। আমাদের নিকট পৌঁছানো এ জাতীয় অনেক সারসংক্ষেপই তার নিজস্ব হস্তাক্ষরে লিখিত। যেমন: 'আল-কাশিফ', 'আল-মুখতাসার আল-মুহতাজ ইলাইহি', বর্তমান এই গ্রন্থটি, ইবনে হিব্বানের 'মা'রিফাতুত তাবিয়িন মিনাস সিকাত' এবং 'নুবজাতুন মিন ফাওয়াইদি তারিখি ইবনিল জাজারি' ইত্যাদি। তিনি তার সারসংক্ষেপের ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীদের অন্যদের ওপর অগ্রাধিকার দিতেন, যা সাধারণভাবে ইতিহাস এবং বিশেষভাবে জীবনী সাহিত্যের ক্ষেত্রে তার সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ।

 

‌‌পাণ্ডুলিপিটি কীভাবে আলজেরিয়ায় পৌঁছাল?

এটি সুবিদিত যে, এই পাণ্ডুলিপিটি ছিল ইমাম জাহাবির নিজস্ব কপি। প্রতীয়মান হয় যে, তার ইন্তেকালের পর এটি কোনো না কোনোভাবে মক্কা মুকাররমায় স্থানান্তরিত হয়েছিল। সেখান থেকে তাকিউদ্দিন আল-ফাসি (মৃত্যু ৮৩২ হিজরি) তার 'আল-ইকদুত সামিন ফি তারিখিল বালাদিল আমিন' গ্রন্থে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন। তিনি আহমদ ইবনে সুবান বিন আবি সাঈদ বিন হিরয আল-কালবি—যিনি আল-বাক্কি নামে পরিচিত—তার জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন: "আমি এই জীবনীটি অনুলিপি করেছি..."

--------------------------------------------

(১) জাইলু তারিখি মাদিনাতিস সালাম ১/ ১২৬ - ১২৭।

(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
خطّ الذهبيّ في اختصاره تكملة الصّلة البشكوالية لابن الأبّار»(1) وهذا النصّ يشير إلى أنّ النّسخة يوم رآها التقيّ الفاسيّ كانت كاملة. والظاهر أنّ أحد الجزائريّين اشتراها ونقلها إلى الجزائر(2).

 

‌‌نهج العمل في التحقيق:

1 - نسخنا الكتاب وقابلناه بالأصل الخطي، وعنينا بتنظيم النصّ كما هو متعارف عليه في عصرنا من حيث بداية الفقرات، ووضع النّقط عند انتهاء المعاني، والفواصل التي تؤدّي إلى فهم النصّ وتظهر دلالاته وتجلّيها واضحة بيّنة، وأشرت إلى بداية كلّ ورقة مخطوطة في وجهها وقفاها، ووضعت ذلك بين عضادتين داخل النصّ، لصعوبة وضعها في الحاشية استنادا إلى البرنامج الذي طبعنا به الكتاب.

2 - وعنيت عناية بالغة بتقييد النصّ وضبطه بالحركات كلّما رأيت حاجة إلى ذلك، لا سيّما ما يشتبه من الألفاظ والأسماء والكنى والأنساب والألقاب وما رأيته حريّا بالتقييد من اللّغة والنحو وممّا يخشى وقوع التصحيف والتحريف فيه.

وأسماء الأندلسيّين تحتاج إلى مزيد عناية في الضبط، لما يخالطها من الأسماء الأعجميّة الأصل التي اصطلح على لفظها أهل تلك البلاد(3)، فتقييدها بالحركات من ألزم أمور التحقيق الدقيق، وقد قال أبو إسحاق النّجيرميّ قبل مئين من السنين: «أولى الأشياء بالضبط أسماء الناس لأنه شيء لا يدخله القياس، ولا قبله شيء يدلّ عليه، ولا بعده شيء يدلّ عليه».

وكان مرجعنا في مثل هذا الضبط ما قيّده أهل الفنّ من الأسماء والكنى والأنساب والألقاب بالحروف، أو وجدناه مضبوطا ضبط القلم بخطوط المتقنين الضابطين من المؤلّفين والنّسّاخ، ومنهم: صاحب الكتاب أبو عبد الله الذهبيّ، ذو الخطّ المتقن المليح، فضلا عن توفّر عدد من النّسخ الخطّية من أصل «التكملة» التي

--------------------------------------------

(1) العقد الثمين 3/ 22. وتنظر الترجمة 143 من هذا الكتاب.

(2) على أن هذا من باب التخمين، إذ يمكن أن يكون الفاسي قد رآها في غير مكة ونقل منها، مع بعد ذلك.

(3) من ذلك مثلا: ابن اللونقه، ومعناها: الطويل، Long وبرنجال، وطربجّة، وبونه، وفيّره ونحوها.

ইবনে আল-আব্বার রচিত 'তাকমিলাত আল-সিলাহ আল-বাশকুয়ালিয়া'-এর সংক্ষিপ্তসারে আয-যাহাবীর হস্তলিপি"(১) আর এই পাঠ্যটি নির্দেশ করে যে, তাকী আল-ফাসি যেদিন এটি দেখেছিলেন তখন পাণ্ডুলিপিটি পূর্ণাঙ্গ ছিল। প্রতীয়মান হয় যে, আলজেরীয়দের কেউ একজন এটি ক্রয় করেছিলেন এবং আলজেরিয়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন(২)।

 

‌‌সম্পাদনার কর্মপদ্ধতি:

১ - আমরা বইটি অনুলিপি করেছি এবং মূল পাণ্ডুলিপির সাথে তা মিলিয়ে দেখেছি। আমাদের যুগে প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী অনুচ্ছেদের শুরু, বাক্যের সমাপ্তিতে যতিচিহ্ন স্থাপন এবং অর্থ স্পষ্ট ও সহজবোধ্য করার জন্য কমা ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠ্যটি বিন্যস্ত করার প্রতি আমরা যত্নবান হয়েছি। আমি পাণ্ডুলিপির প্রতিটি পাতার সম্মুখ ও পশ্চাৎভাগের শুরু নির্দেশ করেছি এবং পাঠ্যের ভেতর তা বন্ধনীর [ ] মধ্যে রেখেছি, কারণ যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা বইটি মুদ্রণ করেছি তাতে পাদটীকায় এটি উল্লেখ করা কঠিন ছিল।

২ - যখনই প্রয়োজন মনে করেছি, তখনই পাঠ্যটিকে হরকত (স্বরচিহ্ন) প্রদানের মাধ্যমে নির্ভুল করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করেছি। বিশেষ করে যেসকল শব্দ, নাম, উপনাম (কুনিয়াত), বংশপরিচয় এবং উপাধি (লকব) সন্দেহ সৃষ্টি করতে পারে অথবা ভাষা ও ব্যাকরণগতভাবে যা নির্দিষ্ট করা প্রয়োজন মনে হয়েছে এবং যাতে ভুল পাঠ (তাসহিফ) বা বিকৃতি (তাহরিফ) ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি।

আন্দালুসবাসীদের নামসমূহের ক্ষেত্রে উচ্চারণের নির্ভুলতার জন্য অধিকতর যত্নের প্রয়োজন, কারণ এর সাথে অনারব মূলের এমন কিছু নাম মিশে আছে যা ঐ অঞ্চলের অধিবাসীদের উচ্চারণের পরিভাষা অনুযায়ী গঠিত(৩)। তাই নির্ভুল সম্পাদনার জন্য সেগুলোকে হরকত দিয়ে নির্দিষ্ট করা অত্যন্ত জরুরি। কয়েকশ বছর আগে আবু ইসহাক আন-নাজিরমি বলেছিলেন: «নির্ভুল করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রগণ্য বিষয় হলো মানুষের নামসমূহ, কারণ এটি এমন বিষয় যাতে কিয়াস (অনুমান) খাটে না, আর এর আগে বা পরে এমন কিছু থাকে না যা এর সঠিক রূপ নির্দেশ করতে পারে»।

এই ধরণের নির্ভুলকরণের ক্ষেত্রে আমাদের উৎস ছিল সংশ্লিষ্ট শাস্ত্রের পণ্ডিতগণ কর্তৃক অক্ষরের মাধ্যমে বর্ণিত নাম, উপনাম, বংশ ও উপাধিসমূহ, অথবা দক্ষ গ্রন্থকার ও অনুলিপিকারদের হস্তাক্ষরে যা নির্ভুলভাবে লিখিত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন: এই বইটির লেখক আবু আবদুল্লাহ আয-যাহাবী, যিনি অত্যন্ত সুন্দর ও নির্ভুল হস্তাক্ষরের অধিকারী ছিলেন। তাছাড়া 'আত-তাকমিলা'-এর মূল পাণ্ডুলিপির বেশ কিছু অনুলিপিও উপলব্ধ ছিল যা

--------------------------------------------

(১) আল-ইকদ আল-সামিন ৩/২২। এবং এই বইয়ের ১৪৩ নং জীবনীটি দেখুন।

(২) যদিও এটি একটি অনুমানের বিষয়, কারণ মক্কা ব্যতীত অন্য কোথাও ফাসি এটি দেখে থাকতে পারেন এবং সেখান থেকে সংগ্রহ করতে পারেন, যদিও তার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

(৩) উদাহরণস্বরূপ: ইবনে আল-লাউনকাহ, যার অর্থ: লম্বা (Long), বারানজাল, তারবাজ্জাহ, বুনা, ফায়েরা এবং এই জাতীয় নামসমূহ।

(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
نأمل إخراجها ضمن «سلسلة التراجم الأندلسيّة».

وقد عنيت بضبط أسماء المواقع والبلدان من غير تعريف بها معتمدا في ذلك على النصّ غير المنشور في هذا الوقت من التكملة الأبّاريّة التي عنيت بتحقيقها، كون هذا الكتاب انتقاء منه واختصارا له، فلم نر فائدة في إثقال الحواشي بما هو مذكور هناك.

3 - كما قابلت النصّ بأصل «التكملة»، معتمدا طبعة صديقنا الدكتور عبد السلام الهرّاس، مع استظهار نشرتي من غير إشارة إليها، وذلك عند اختلاف النصّ، مستظهرا في الوقت نفسه عليهما النّسخ الخطّية المتوفرة لديّ من أصل «التكملة». وقد رأيت أن أشير في كلّ ترجمة إلى المجلد والصفحة ورقم الترجمة من «الطبعة الهرّاسية» المذكورة، ثم أتبعها بذكر جملة مختارة من المصادر التي ترجمت لصاحب الترجمة، ولا سيّما كتاب الذهبيّ «تاريخ الإسلام ووفيات المشاهير والأعلام»؛ من غير استقصاء، فذكرت المجلد والصفحة مفصولا بينهما بخط مائل، أما المصادر التي أشرت فيها إلى رقم الترجمة فقد وضعتها بين حاصرتين، فكل رقم محرر من الحاصرتين هو رقم للصفحة.

4 - ولمّا كان الكتاب قد وصل إلينا بخطّ الذهبيّ فقد أبقينا عليه كما هو، وعلّقنا على بعض ما وقع لصاحبه من بعض الأوهام في سبك العبارة عند الاختصار، أو الضبط، مع بيان الصّواب الذي ليس فيه ارتياب.

وبعد،

فالحمد لله على نعمه ومننه وآلائه الذي يسّر لنا إتمام تحقيق هذا الكتاب الذي يضيف لبنة مهمة في بناء صرح الدراسات الأندلسيّة، ونسأل الله سبحانه أن يتقبّل منّا عملنا ويجنّبنا مواطن الزّلل، وأن يثبّتنا بقوله الثابت في الدنيا والآخرة، وآخر دعوانا أن الحمد لله ربّ العالمين.

كتبه بمدينة عمان البلقاء عاصمة الهواشم في غرّة ربيع الأول سنة 1429 هـ

أفقر العباد بشار بن عوّاد
আমরা এটি «আন্দালুশীয় জীবনীগ্রন্থমালা»-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে প্রকাশের আশা রাখি।

আমি স্থান ও দেশসমূহের নামসমূহ কোনো পরিচয় প্রদান ছাড়াই যথাযথভাবে বিন্যস্ত করার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছি। এক্ষেত্রে আমি ইবনে আব্বারের 'আত-তাকমিলাহ'-এর এই সময়ে অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি যা আমি সম্পাদনা করছি; যেহেতু বর্তমান বইটি মূলত তারই একটি চয়ন ও সংক্ষিপ্তসার। তাই সেখানে যা উল্লেখ করা হয়েছে তা দিয়ে পুনরায় টীকা ভারী করার কোনো ফায়দা আমি দেখিনি।

৩ - আমি পাঠ্যটিকে মূল «তাকমিলাহ»-এর সাথে মিলিয়ে দেখেছি, যেখানে আমাদের বন্ধু ডক্টর আবদুস সালাম আল-হাররাসের সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি। পাশাপাশি পাঠ্যের ভিন্নতার ক্ষেত্রে আমি আমার নিজস্ব সম্পাদনাটি ব্যবহার করেছি কোনো প্রকার উল্লেখ ছাড়াই; একই সাথে আমি উভয়টির ওপর আমার কাছে থাকা «তাকমিলাহ»-এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলোকেও প্রাধান্য দিয়েছি। আমি প্রতিটি জীবনীতে উল্লিখিত «হাররাসী সংস্করণ» থেকে খণ্ড, পৃষ্ঠা এবং জীবনী নম্বর নির্দেশ করা সমীচীন মনে করেছি, এরপর আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জীবনী সম্বলিত নির্বাচিত কিছু উৎসের নাম উল্লেখ করেছি, বিশেষ করে যাহাবীর «তারিখুল ইসলাম ওয়া ওয়াফায়াতুল মাশাহীর ওয়াল আলাম» গ্রন্থটি; বিস্তারিত অনুসন্ধান ছাড়াই। আমি খণ্ড এবং পৃষ্ঠা নম্বর একটি স্ল্যাশ (/) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করে উল্লেখ করেছি। আর যেসব উৎসে আমি জীবনী নম্বর নির্দেশ করেছি তা আমি বন্ধনীর মধ্যে রেখেছি। সুতরাং বন্ধনীর বাইরের প্রতিটি নম্বরই হলো পৃষ্ঠা নম্বর।

৪ - যেহেতু বইটি আমাদের নিকট ইমাম যাহাবীর স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপিতে পৌঁছেছে, তাই আমরা একে অবিকল রেখেছি। তবে সংক্ষিপ্ত করার সময় বাক্য গঠন বা হরকত প্রদানে লেখকের পক্ষ থেকে যে কিছু ভ্রম সংঘটিত হয়েছে, আমরা সেগুলোর ওপর টীকা প্রদান করেছি এবং কোনো প্রকার সন্দেহাতীত সঠিক রূপটি বর্ণনা করেছি।

অতঃপর,

আল্লাহর নিআমত, অনুগ্রহ ও ইহসানের জন্য তাঁরই প্রশংসা করছি, যিনি আমাদের জন্য এই কিতাবটির সম্পাদনা সম্পন্ন করা সহজ করে দিয়েছেন, যা আন্দালুশীয় গবেষণার সৌধ নির্মাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে যুক্ত হলো। আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের এই আমল কবুল করেন এবং আমাদের পদস্খলন থেকে রক্ষা করেন; আর দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁর সুদৃঢ় বাণীর ওপর আমাদের অবিচল রাখেন। আমাদের শেষ প্রার্থনা এই যে, সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

হাশেমী বংশীয়দের রাজধানী আম্মান আল-বালকায় ১৪২৯ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসের শুরুতে এটি লিখিত হয়েছে।

আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা বাশশার বিন আওয়াদ।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
راموز الورقة الأولى من «المستملح»
«আল-মুস্তামলাহ»-এর প্রথম পত্রের সংকেতচিহ্ন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
راموز الورقة 32 من النسخة الخطية، ويظهر في حواشيها زيادات الذهبي
হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির ৩২ নম্বর পৃষ্ঠার চিত্র সংকেত, এবং এর পার্শ্বটীকায় ইমাম যাহাবীর সংযোজনসমূহ দৃশ্যমান।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
راموز الورقة 95 من النسخة الخطية، ويظهر في أعلاها بداية الكراسة الثالثة عشرة من الكتاب، كما يظهر فيها نقل الذهبي من «صلة الصلة» لابن الزبير
পাণ্ডুলিপির ৯৫ নম্বর পত্রের প্রতিলিপি; এর উপরিভাগে গ্রন্থটির ত্রয়োদশ কুরাসাহর প্রারম্ভিক অংশ দৃশ্যমান হচ্ছে, এবং এতে ইবনুল জুবাইরের ‘সিলাতুস সিলাহ’ থেকে আয-যাহাবীর উদ্ধৃতিও পরিলক্ষিত হচ্ছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
راموز الورقة الأخيرة من النسخة الخطّية
হস্তলিখিত অনুলিপির শেষ পৃষ্ঠার সংকেত।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
‌‌[حرف الجيم]

بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌1 - [1 أ] جابر(1) بن محمد بن نام الحضرميّ النّحويّ، أبو أيوب

الإشبيليّ
.

سمع من شريح بن محمد «الموطّأ» و «البخاري»، وأخذ علم العربيّة عن أبي القاسم ابن الرّمّاك وأبي الحسن بن مسلّم، وعني بها وتحقّق بمعرفتها، وقعد لإقرائها عن اتّساع باع واطّلاع. وكان يعرف «كتاب سيبويه». وأقرأ القراءات.

توفّي سنة ستّ وتسعين، وقيل: سنة سبع وتسعين وخمس مئة، وقد جاوز الثمانين.

 

‌‌2 - جابر(2) بن أحمد، أبو الحسن الحسنيّ التّلمسانيّ.

روى عن أبي بكر بن خير، وأبي القاسم السّهيلي، وجماعة. وكان من أهل العناية بالرّواية والمعرفة بأسماء الرّجال، وجمع مشيخة لابن خير على المعجم. أخذ عنه أبو زيد الفازازيّ وغيره.

وتوفّي في حياة بعض شيوخه كهلا.

 

‌‌3 - جوديّ(3) بن عبد الرّحمن بن جوديّ بن موسى بن وهب بن

عدنان، أبو الكرم، من أهل وادي آش
.

روى عن أبي القاسم السّهيليّ، وأبي جعفر بن الحكم، ويعقوب بن

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 200 (657)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 12/ 1067، والسيوطي في بغية الوعاة 1/ 484.

(2) التكملة 1/ 201 (660) ضمن الغرباء.

(3) التكملة 1/ 202 (663)، وترجمه ابن سعيد في المغرب 2/ 110، والذهبي في تاريخ الإسلام 14/ 103، واليمني في إشارة التعيين 78، والسيوطي في بغية الوعاة 1/ 490.
[বর্ণ জিম]

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

 

১ - [১ আ] জাবির বিন মুহাম্মদ বিন নাম আল-হাদরামি আন-নাহবি, আবু আইয়ুব আল-ইশবিলি.

তিনি শুরাইহ বিন মুহাম্মদের নিকট ‘আল-মুওয়াত্তা’ এবং ‘আল-বুখারি’ শ্রবণ করেছেন। তিনি আবুল কাসেম ইবনে আর-রাম্মাক এবং আবু হাসান বিন মুসলিমের নিকট থেকে আরবি ভাষাবিজ্ঞান শিক্ষা করেছেন এবং এর প্রতি বিশেষ যত্নবান ছিলেন ও এতে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন। তিনি ব্যাপক জ্ঞান ও অবগতির সাথে তা পাঠদানের জন্য আসীন হন। তিনি সিবওয়াইহ-এর ‘আল-কিতাব’ সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং কিরাতসমূহ শিক্ষা দিতেন।

তিনি পাঁচশত ছিয়ানব্বই হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, মতান্তরে পাঁচশত সাতানব্বই হিজরি; তখন তাঁর বয়স আশি বছর অতিক্রম করেছিল।

 

২ - জাবির বিন আহমদ, আবু হাসান আল-হাসানি আত-তিলিমসানি.

তিনি আবু বকর বিন খায়র, আবুল কাসেম আস-সুহাইলি এবং একদল আলিমের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বর্ণনা (রিওয়ায়াত) এবং বর্ণনাকারীদের নামের (আসমাউর রিজাল) জ্ঞানের প্রতি বিশেষ যত্নশীলদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি অভিধানের (মুজাম) বিন্যাসে ইবনে খায়রের মাশাইখদের (শিক্ষকগণের তালিকা) সংকলন করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আবু যায়েদ আল-ফাযাযি এবং অন্যরা জ্ঞান অর্জন করেছেন।

তিনি তাঁর কয়েকজন শিক্ষকের জীবদ্দশাতেই প্রৌঢ় অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

 

৩ - জুদি বিন আবদুর রহমান বিন জুদি বিন মুসা বিন ওয়াহাব বিন আদনান, আবু আল-কারাম, ওয়াদি আশের অধিবাসী.

তিনি আবুল কাসেম আস-সুহাইলি, আবু জাফর বিন আল-হাকাম এবং ইয়াকুব বিন...

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/ ২০০ (৬৫৭); আয-যাহাবি তাঁর জীবনী 'তারিখুল ইসলাম' ১২/ ১০৬৭-এ এবং আস-সুয়ুতি 'বুগয়াতুল উয়াত' ১/ ৪৮৪-এ উল্লেখ করেছেন।

(২) আত-তাকমিলা ১/ ২০১ (৬৬০), বহিরাগতদের (আল-গুরবা) পরিচ্ছেদে।

(৩) আত-তাকমিলা ১/ ২০২ (৬৬৩); ইবনে সাঈদ 'আল-মাগরিব' ২/ ১১০-এ তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন; আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১৪/ ১০৩-এ; আল-ইয়ামানি 'ইশারাতুত তায়িন' ৭৮-এ; এবং আস-সুয়ুতি 'বুগয়াতুল উয়াত' ১/ ৪৯০-এ।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
طلحة، وأبي بكر بن أبي جمرة، وجماعة.

وكان راويا مكثرا معتنيا بذلك. أدّب بالقرآن وعلّم بالعربيّة. أخذ عنه أصحابنا. ودخلت وادي آش سنة ستّ وعشرين وستّ مئة ولم أره.

وتوفّي بها بعد خدر أصابه واختلال أعطبه(1) سنة ثلاث(2) وثلاثين أو نحوها.

قال ابن فرتون(3): نظم ونثر، وكان عارفا بالنّبات.

 

‌‌4 - جبر(4) بن محمد بن جبر بن هشام بن حبّنّون(5)، أبو محمد القرطبيّ.

سمع من أبي جعفر بن يحيى، وأبي الحسن بن حفص، وأبي عبد الله بن غالب. وله شعر حسن.

توفّي سنة خمس عشرة وستّ مئة كهلا.

 

‌‌5 - جامع(6) بن باقي التّميميّ، نزيل دمشق.

روى عنه ابن خليل في «معجمه».

 

‌‌[حرف الحاء]

‌‌6 - الحسن(7) بن عيسى بن أصبغ بن محمد، أبو الوليد الأزديّ

القرطبيّ، يعرف بابن المناصف
.

روى عن عمّ أمّه أبي محمد ابن عتّاب، سمع منه «المدوّنة» [1 ب] وكتابه الكبير في المواعظ ويعرف ب «شفاء الصّدور». وأجاز له أبو عليّ

--------------------------------------------

(1) في التكملة: «أعقبه».

(2) في التكملة: «إحدى».

(3) هذا من زيادات الذهبي.

(4) التكملة 1/ 203 (666).

(5) قيده ابن الأبار في ترجمة جده فقال: بتشديد الباء والنون (1/ 202).

(6) التكملة 1/ 204 (674).

(7) التكملة 1/ 211 (692)، وترجمه ابن الأبار في معجم أصحاب الصدفي (66)، والذهبي في تاريخ الإسلام 12/ 638، وابن مخلوف في شجرة النور (473).
তালহা, আবু বকর বিন আবি জামরা এবং একটি দল।

তিনি ছিলেন একজন বহু বর্ণনাকারী এবং এই বিষয়ের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল। তিনি কুরআনের শিষ্টাচার শিক্ষা দিতেন এবং আরবি ভাষা শেখাতেন। আমাদের সাথীরা তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন। আমি হিজরি ছয়শ ছাব্বিশ সালে ওয়াদি আশ-এ প্রবেশ করেছিলাম, কিন্তু তাঁর সাথে আমার দেখা হয়নি।

তিনি সেখানে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর এবং একটি বিকলতা যা তাকে অচল করে দিয়েছিল(১), হিজরি ছয়শ তেত্রিশ(২) সালে বা তার কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।

ইবনুল ফারতুন(৩) বলেন: তিনি পদ্য ও গদ্য রচনা করতেন এবং উদ্ভিদবিদ্যা সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন।

 

‌‌৪ - জাবর(৪) বিন মুহাম্মাদ বিন জাবর বিন হিশাম বিন হাব্বানুন(৫), আবু মুহাম্মাদ আল-কুরতুবী।

তিনি আবু জাফর বিন ইয়াহইয়া, আবুল হাসান বিন হাফস এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন গালিবের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তাঁর চমৎকার কবিতা রয়েছে।

তিনি হিজরি ছয়শ পনেরো সালে প্রৌঢ় অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৫ - জামে(৬) বিন বাকি আত-তামিমী, দামেশকের অধিবাসী।

ইবনে খলিল তাঁর ‘মুজাম’-এ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌[হা বর্ণমালা]

‌‌৬ - আল-হাসান(৭) বিন ঈসা বিন আসবাগ বিন মুহাম্মাদ, আবু আল-ওয়ালিদ আল-আযদি

আল-কুরতুবী, তিনি ইবনুল মুনাসিফ নামে পরিচিত
।

তিনি তাঁর মায়ের চাচা আবু মুহাম্মাদ ইবনে আত্তাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁর থেকে ‘আল-মুদাওওয়ানা’ [১ খ] এবং ওয়াজ-নসিহত বিষয়ক তাঁর বিশাল গ্রন্থ যা ‘শিফাউস সুদুর’ নামে পরিচিত, তা শ্রবণ করেছেন। আবু আলী তাঁকে অনুমতি (ইজাজাহ) দিয়েছিলেন।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা গ্রন্থে রয়েছে: ‘আ’কাবাহু’।

(২) আত-তাকমিলা গ্রন্থে রয়েছে: ‘ইহদা’।

(৩) এটি আয-যাহাবীর অতিরিক্ত সংযোজন।

(৪) আত-তাকমিলা ১/ ২০৩ (৬৬৬)।

(৫) ইবনুল আব্বার তাঁর দাদার জীবনীতে এটি নির্দিষ্ট করে বলেছেন: বা এবং নুন বর্ণের তাসদীদ সহকারে (১/ ২০২)।

(৬) আত-তাকমিলা ১/ ২০৪ (৬৭৪)।

(৭) আত-তাকমিলা ১/ ২১১ (৬৯২), এবং ইবনুল আব্বার ‘মুজামু আসহাবিস সাদাফী’ (৬৬) গ্রন্থে, আয-যাহাবী ‘তারিখুল ইসলাম’ ১২/ ৬৩৮ গ্রন্থে এবং ইবনে মাখলুফ ‘শাজারাতুন নূর’ (৪৭৩) গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
الصّدفيّ. وولي خطابة إشبيلية.

روى عنه أبو القاسم ابن الملجوم، وأبو سليمان بن حوط (الله)(1)، وأبو الخطّاب الكلبيّ.

توفّي في المحرّم سنة ثمانين، وولد سنة اثنتين وخمس مئة ظنّا(2).

 

‌‌7 - الحسن(3) بن محمد بن الحسن الأنصاريّ، أبو عليّ، ابن

الرّهيبل. البلنسيّ
.

سمع من أبي الحسن ابن النّعمة كثيرا وأخذ عنه القراءات. وحجّ، فسمع السّلفيّ، وأخذ «الصحيح» بمكة عن عليّ بن حميد الطرابلسيّ. ثم قفل إلى بلده، فلزم الزّهد وأقبل على شأنه. وسمع منه الطّلبة بالإسكندرية كتاب «التّيسير» عن ابن هذيل، سمعه منه سنة ثلاث وخمسين، ورواه سنة اثنتين وسبعين.

توفّي في شعبان سنة خمس وثمانين وله أربع وخمسون سنة.

 

‌‌8 - الحسن(4) بن أحمد بن يحيى الأنصاريّ، أبو عليّ القرطبيّ، نزيل

مالقة، والد الحافظ أبي محمد
.

أخذ القراءات عن أبي الحسن سعد بن خلف ولازمه مدّة، وعن أبي القاسم بن رضا، وسمع منهما، ومن ابن بشكوال، وأبي إسحاق بن قرقول.

وكان محقّقا لعلم الفرائض ذا فنون، وأدّب بالقرآن. سمع منه ابنه، وابن سالم، وعبد الحقّ بن بونه.

--------------------------------------------

(1) زيادة لازمة.

(2) في التكملة: «ومولده سنة اثنتين أو ثلاث وخمس مئة»، وهو الذي في معجم أصحاب الصدفي.

(3) التكملة 1/ 211 (695)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 12/ 799، والمقري في نفح الطيب 2/ 509.

(4) التكملة 1/ 212 (696)، وترجمه في تاريخ الإسلام 12/ 798.
আস-সাদাফি। তিনি ইশবিলিয়াহর খতিবের দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ইবনুল মালজুম, আবু সুলায়মান বিন হউত (আল্লাহ)(১) এবং আবুল খাত্তাব আল-কালবি।

তিনি পাঁচশত আশি সনের মহররম মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং সম্ভবত পাঁচশত দুই সনে জন্মগ্রহণ করেন(২)।

 

‌‌৭ - আল-হাসান(৩) বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-আনসারী, আবু আলী, ইবনুর রুহাইবিল। আল-বালানসি।

তিনি আবুল হাসান ইবনুন নি'মাহ থেকে প্রচুর শুনেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে কিরাতসমূহ গ্রহণ করেছেন। তিনি হজ সম্পাদন করেন এবং আস-সিলাফির নিকট থেকে শ্রবণ করেন এবং মক্কায় আলী বিন হুমাইদ আত-তরাবুলসির নিকট থেকে 'আস-সহীহ' গ্রহণ করেন। এরপর তিনি স্বদেশে ফিরে যান এবং দুনিয়াবিমুখতা অবলম্বন করে নিজের কাজে মনোনিবেশ করেন। আলেকজান্দ্রিয়ায় তাঁর নিকট থেকে শিক্ষার্থীরা ইবনে হুযাইল বর্ণিত 'আত-তাইসীর' গ্রন্থটি শ্রবণ করে; তিনি এটি তাঁর থেকে পাঁচশত তিপ্পান্ন সনে শুনেছিলেন এবং পাঁচশত বাহাত্তর সনে বর্ণনা করেছিলেন।

তিনি পাঁচশত পঁচাশি সনের শাবান মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল চুয়ান্ন বছর।

 

‌‌৮ - আল-হাসান(৪) বিন আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-আনসারী, আবু আলী আল-কুরতুবী, মালাকায় বসবাসকারী, হাফেজ আবু মুহাম্মদের পিতা।

তিনি আবুল হাসান সাদ বিন খালাফের নিকট থেকে কিরাতসমূহ গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘকাল তাঁর সান্নিধ্যে থাকেন। এ ছাড়া তিনি আবুল কাসিম বিন রিদা থেকে কিরাত শেখেন এবং তাঁদের উভয়ের নিকট থেকে ও ইবনে বাশকুওয়াল ও আবু ইসহাক বিন কারকুলের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেন।

তিনি ফারায়েয শাস্ত্রে দক্ষ ও বহু বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন এবং কুরআন শিক্ষা দিতেন। তাঁর নিকট থেকে তাঁর পুত্র, ইবনে সালিম এবং আব্দুল হক বিন বুন্নাহ শ্রবণ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) অপরিহার্য সংযোজন।

(২) আত-তাকমিলায় আছে: "তাঁর জন্ম পাঁচশত দুই বা তিন সনে", এবং এটিই 'মু'জাম আসহাবি আস-সাদাফি' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

(৩) আত-তাকমিলা ১/২১১ (৬৯৫); আয-যাহাবী 'তারিখুল ইসলাম' ১২/৭৯৯-এ এবং আল-মাক্বরী 'নাফহুত তীব' ২/৫০৯-এ তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(৪) আত-তাকমিলা ১/২১২ (৬৯৬); 'তারিখুল ইসলাম' ১২/৭৯৮-এ তাঁর জীবনী বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
توفّي سنة خمس وثمانين في رمضان عن بضع وستين سنة(1).

 

‌‌9 - الحسن(2) بن عليّ بن خلف، أبو عليّ الأمويّ القرطبيّ، نزيل

إشبيلية، ويعرف بالخطيب
.

أخذ القراءات ببلده عن أبي القاسم بن رضا، ومحمد بن جعفر بن صاف، وعبد الرّحيم الحجّاريّ. وسمع من يونس بن مغيث، وأبي بكر ابن العربيّ، وابن مسرّة، وسمع «الموطأ» على أبي بكر بن عبد العزيز بقراءة ابنه أبي الحكم. وأخذ العربيّة عن أبي بكر بن مسعود، وابن أبي الخصال. وله رواية عن أبي بكر بن الخلوف، وأجاز له أبو الوليد بن رشد ما رواه. وكان مائلا إلى الأدب؛ وصحب أبا حفص بن عمر، وله كتاب «روضة الأزهار» وكتاب «اللّؤلؤ»(3).

 

‌‌[حرف الميم]

‌‌10 - [2 أ] محمد(4) بن خطّاب، أبو عبد الله الأزديّ القرطبيّ

النّحويّ
.

روى عن أبيه، وأبي عليّ القالي، وأبي بكر ابن القوطيّة. وعني بالعربيّة

--------------------------------------------

(1) ذكر ابن الأبار أن مولده سنة 512، فيكون عند وفاته ابن سبع وستين سنة.

(2) التكملة 1/ 213 (700)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 13/ 57، والصفدي في الوافي 12/ 160، وابن الجزري في غاية النهاية 1/ 223، والقادري في نهاية الغاية، الورقة 43.

(3) إلى هنا تنقطع النسخة، وتمام الترجمة من تاريخ الإسلام للمؤلف: «اللؤلؤ المنظوم في معرفة الأوقات بالنجوم، وكتاب تهافت الشعراء. وتوفي بإشبيلية، وله ثمان وثمانون سنة».

(4) التكملة 1/ 303 (1055)، وترجمه الحميدي في جذوة المقتبس، والقاضي عياض في ترتيب المدارك 7/ 14 (47)، والضبي في بغية الملتمس (109)، والقفطي في إنباه الرواة 3/ 124، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 180، والذهبي في تاريخ الإسلام 8/ 834، والصفدي في الوافي 3/ 41، والسيوطي في بغية الوعاة 1/ 99.
পঁচাশী সালে রমজান মাসে ষাট বছরের কিছু বেশি বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন(১).

 

‌‌৯ - হাসান(২) বিন আলী বিন খালাফ, আবু আলী আল-উমাবী আল-কুরতুবী, ইশবিলিয়ার

অধিবাসী, এবং তিনি খতীব হিসেবে পরিচিত
.

তিনি নিজ শহরে আবুল কাসিম বিন রিদা, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাফ এবং আবদুর রহীম আল-হাজ্জারী থেকে কিরাআত শিক্ষা করেন। তিনি ইউনুস বিন মুগীস, আবু বকর ইবনুল আরাবী ও ইবনে মাসাররাহ থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তাঁর পুত্র আবু হাকামের কিরাআতের মাধ্যমে আবু বকর বিন আব্দুল আজিজের নিকট «মুয়াত্তা» শ্রবণ করেছেন। তিনি আবু বকর বিন মাসউদ এবং ইবনে আবিল খিসাল থেকে আরবি ভাষা শিক্ষা করেন। আবু বকর বিন আল-খালুফ থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে এবং আবু ওয়ালীদ বিন রুশদ তাঁর বর্ণিত বিষয়াদির অনুমতি তাঁকে প্রদান করেছেন। তিনি সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী ছিলেন; তিনি আবু হাফস বিন উমরের সাহচর্য লাভ করেন এবং তাঁর «রাওদাতুল আজহার» ও «আল-লুলু»(৩) নামক গ্রন্থ রয়েছে।

 

‌‌[মীম বর্ণ]

‌‌১০ - [২ ক] মুহাম্মদ(৪) বিন খাত্তাব, আবু আব্দুল্লাহ আল-আজদী আল-কুরতুবী

ব্যাকরণবিদ
.

তিনি তাঁর পিতা, আবু আলী আল-কালী এবং আবু বকর ইবনুল কুতীয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি আরবি ভাষার প্রতি বিশেষ যত্নবান ছিলেন।

--------------------------------------------

(১) ইবনে আল-আববার উল্লেখ করেছেন যে তাঁর জন্ম ৫১২ সালে, তাই মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল সাতষট্টি বছর।

(২) আত-তাকমিলা ১/ ২১৩ (৭০০), আয-যাহাবী তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন তারিখুল ইসলাম ১৩/ ৫৭-এ, আস-সাফাদী আল-ওয়াফী ১২/ ১৬০-এ, ইবনুল জাযারী গায়াতুন নিহায়াহ ১/ ২২৩-এ এবং আল-কাদিরী নিহায়াতুল গায়াহ-এর ৪৩ পৃষ্ঠায়।

(৩) পাণ্ডুলিপিটি এখান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং লেখকের তারিখুল ইসলাম থেকে জীবনীর অবশিষ্টাংশ হলো: «আল-লুলু আল-মানযুম ফী মা'রিফাতিল আওকাত বিন-নুজুম এবং কিতাবু তাহাফুতিশ শুআরা। তিনি ইশবিলিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তখন তাঁর বয়স ছিল আটাশি বছর।»

(৪) আত-তাকমিলা ১/ ৩০৩ (১০৫৫), আল-হুমাইদী জাযওয়াতুল মুকতাবিস-এ তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন, কাযী আইয়াদ তারতীবুল মাদারিক ৭/ ১৪ (৪৭)-এ, আদ-দাব্বী বুগয়াতুল মুলতামিস (১০৯)-এ, আল-কিফতী ইনবাহুর রুওয়াত ৩/ ১২৪-এ, ইবনে আব্দুল মালিক আয-যাইল ৬/ ১৮০-এ, আয-যাহাবী তারিখুল ইসলাম ৮/ ৮৩৪-এ, আস-সাফাদী আল-ওয়াফী ৩/ ৪১-এ এবং আস-সুয়ূতী বুগয়াতুল উয়াত ১/ ৯৯-এ।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
والآداب واللّغات فاستقلّ بمعرفتها، قال الحميديّ: كان يختلف إليه في علم العربيّة أولاد الأكابر، وله شعر مأثور. وكان قبل الأربع مئة.

 

‌‌11 - محمد(1) بن عبد الله بن مفوّز بن غفول بن عبد ربّه المعافريّ،

أبو عبد الله الشّاطبيّ
.

رحل إلى قرطبة، فلازم وهب بن مسرّة وسمع منه سماعا كثيرا، من ذلك: «الموطّأ» و «مسند ابن أبي شيبة» و «المدوّنة»، وأجاز له «موطّأ» ابن وهب، ولمّا ودّعه قال له: أوصني، قال: أوصيك بتقوى الله، وحزبك من القرآن، وبرّ الوالدين، ثم حجّ، وكتب بالقيروان وغيره.

ورجع، فكان منقطع القرين في الزّهد والعبادة، متقلّلا من الدّنيا، كثير الصّلاة والصّوم، دؤوبا على التّلاوة والذّكر. سمع منه الناس كثيرا. وكان مجاب الدّعوة قد اشتهر بذلك.

توفّي في آخر سنة عشر وأربع مئة(2) وقد قارب المئة، وكانت جنازته مشهودة. جعله ابن بشكوال من أهل قرطبة فوهم.

 

‌‌12 - محمد(3) بن أحمد بن عبد الرّحمن بن محمد بن عبد الرّحمن بن

صمادح، أبو يحيى التّجيبيّ السّرقسطيّ
.

كان واليا على وشقة، ثم تخلّى عنها لابن عمّه منذر بن يحيى. وكان - مع رياسته - من أهل العلم والفضل، له مختصر في غريب القرآن استخرجه من «تفسير الطّبريّ» رواه عنه ابنه أبو الأحوص معن أمير المريّة.

وغرق في البحر هو وطائفة حملهم في المركب في سنة تسع عشرة

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 305 (1070)، وترجمه ابن بشكوال في الصلة (1096)، والضبي في بغية الملتمس (176)، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 318، والذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 156.

(2) في التكملة: «سنة عشر، أو أول سنة إحدى عشرة وأربع مئة».

(3) التكملة 1/ 308 (1081)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 311.
...এবং সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্ব; তিনি এই জ্ঞান অর্জনে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। আল-হুমাইদী বলেন: অভিজাত পরিবারের সন্তানরা আরবি ভাষা শিক্ষার জন্য তাঁর কাছে যাতায়াত করত এবং তাঁর কিছু বর্ণিত কবিতাও রয়েছে। তিনি চারশ হিজরির পূর্বের ব্যক্তি ছিলেন।

 

‌‌১১ - মুহাম্মাদ(১) বিন আব্দুল্লাহ বিন মুফাউওয়ায বিন গুফুল বিন আবদে রাব্বিহি আল-মাআফিরী,

আবু আব্দুল্লাহ আশ-শাতিবী
।

তিনি কর্ডোভায় (কুরতুবা) সফর করেন এবং ওয়াহাব বিন মাসাররাহ-এর সান্নিধ্যে থাকেন এবং তাঁর থেকে প্রচুর শ্রবণ (হাদিস গ্রহণ) করেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘আল-মুয়াত্তঅ’, ‘মুসনাদ ইবনে আবি শাইবাহ’ এবং ‘আল-মুদাওওয়ানা’। তিনি তাঁকে ইবনে ওয়াহাবের ‘মুয়াত্তঅ’ বর্ণনার অনুমতি (ইজাযাহ) প্রদান করেন। যখন তিনি তাঁকে বিদায় দিচ্ছিলেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন: আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: আমি তোমাকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার, কুরআন তিলাওয়াতের নির্দিষ্ট অংশ (হিযব) বজায় রাখার এবং পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার উপদেশ দিচ্ছি। অতঃপর তিনি হজ সম্পাদন করেন এবং কায়রোয়ান ও অন্যান্য স্থানে জ্ঞান লিপিবদ্ধ করেন।

তিনি ফিরে আসেন এবং যুহদ (দুনিয়া বিরাগ) ও ইবাদতে অতুলনীয় ছিলেন। তিনি পার্থিব ভোগবিলাস থেকে বিমুখ ছিলেন, অধিক নামাজ আদায় করতেন ও রোজা রাখতেন এবং নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরে রত থাকতেন। লোকজন তাঁর নিকট থেকে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি মুজাবুদ দাওয়াহ (যার দোয়া কবুল হয়) হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন।

তিনি চারশ দশ হিজরির(২) শেষভাগে মৃত্যুবরণ করেন এবং তখন তাঁর বয়স প্রায় একশ বছর হয়েছিল। তাঁর জানাজায় প্রচুর মানুষের উপস্থিতি ছিল। ইবনে বাশকুয়াল তাঁকে কর্ডোভাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যা তাঁর একটি ভুল ছিল।

 

‌‌১২ - মুহাম্মাদ(৩) বিন আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন

সুমাদিহ, আবু ইয়াহইয়া আত-তুজীবী আস-সারাকুস্তি
।

তিনি হুয়াসকার (ওয়াশকা) গভর্নর ছিলেন, পরবর্তীতে তাঁর চাচাতো ভাই মুনযির বিন ইয়াহইয়ার জন্য তা ত্যাগ করেন। তিনি নেতৃত্বের পাশাপাশি ইলম ও ফযিলতের অধিকারী ছিলেন। ‘গারিবুল কুরআন’ (কুরআনের দুর্লভ শব্দাবলি) বিষয়ে তাঁর একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ রয়েছে যা তিনি ‘তাফসিরে তাবারী’ থেকে চয়ন করেছেন। তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তাঁর পুত্র আবু আল-আহওয়াস মা’ন, যিনি আলমেরিয়ার (আল-মারিয়াহ) আমির ছিলেন।

তিনি এবং তাঁর সাথে থাকা একদল লোক চারশ উনিশ হিজরিতে জাহাজে থাকা অবস্থায় সমুদ্রে ডুবে মারা যান।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩০৫ (১০৭০), ইবনে বাশকুয়াল তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন আস-সিলাহ (১০৯৬)-তে, আদ-দাব্বি বুগইয়াতুল মুততামিস (১৭৬)-এ, ইবনে আব্দুল মালিক আয-যাইল ৬/৩১৮-তে এবং আয-যাহাবী তারিখুল ইসলাম ৯/১৫৬-তে।

(২) আত-তাকমিলা-তে রয়েছে: “চারশ দশ হিজরি অথবা চারশ এগারো হিজরির শুরুতে।”

(৩) আত-তাকমিলা ১/৩০৮ (১০৮১), আয-যাহাবী তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন তারিখুল ইসলাম ৯/৩১১-তে।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
وأربع مئة في جمادى الأولى.

 

‌‌13 - محمد(1) بن الحسن بن الحسين المذحجيّ، أبو عبد الله

القرطبيّ، المعروف بالكتّانيّ
.

عالم متفنّن، أخذ عن محمد بن عبدون الجبليّ، وعمر بن يونس، وأبي القاسم ابن نجم، ومسلمة المرجيطيّ.

وتقدّم في صناعة الطبّ، وشارك في الأدب، [2 ب] وله كتب معروفة فائقة في الجودة عظيمة المنفعة. نزل سرقسطة بأخرة. روى عنه ابن حزم والمصحفيّ.

توفّي قريبا من سنة عشرين وأربع مئة وقد قارب الثمانين.

 

‌‌14 - محمد(2) بن عبد الرّحمن بن معمر، أبو الوليد، اللّغويّ القرطبيّ.

صاحب «التاريخ»، وبهاء الدولة العامريّة. وأوطن الجزائر الشّرقية في كنف مجاهد العامريّ، وولي الأحكام هنالك.

توفّي في شوّال سنة ثلاث وعشرين وأربع مئة.

 

‌‌15 - محمد(3) بن عبد الله بن فرتون، أبو عبد الله، قاضي الجماعة

بسرقسطة
.

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 308 (1083)، وترجمه ابن جلجل في طبقات الأطباء (50)، والحميدي في جذوة المقتبس (35)، والضبي في بغية الملتمس (81)، وياقوت في معجم الأدباء 6/ 2521، وابن أبي أصيبعة في عيون الأنباء 2/ 45، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 160، والذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 334، والصفدي في الوافي 2/ 348 و 3/ 16، كرره لاختلاف الموارد في تسمية أبيه «الحسن» و «الحسين» وهو هو.

(2) التكملة 1/ 310 (1089)، وترجمه ابن بشكوال في الصلة (699)، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 365، والذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 393.

(3) التكملة 1/ 310 (1092)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 296.
এবং চারশত হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে।

 

‌‌১৩ - মুহাম্মদ(১) বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-মাযহিজী, আবু আব্দুল্লাহ

আল-কুরতুবী, যিনি আল-কাত্তানী নামে পরিচিত
।

তিনি ছিলেন বিভিন্ন শাস্ত্রে পারদর্শী একজন আলেম। তিনি মুহাম্মদ বিন আব্দুন আল-জাবালী, উমর বিন ইউনুস, আবুল কাসিম ইবন নাজমু এবং মাসলামাহ আল-মারজীতী থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন।

তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ বুৎপত্তি লাভ করেছিলেন এবং সাহিত্যের ক্ষেত্রেও অংশগ্রহণ ছিল। [২ খ] তাঁর বেশ কিছু প্রসিদ্ধ ও উচ্চমানের গ্রন্থ রয়েছে যা অত্যন্ত উপকারী। জীবনের শেষ ভাগে তিনি সারাকুস্তা (সারাগোসা) শহরে বসবাস করেন। ইবনে হাযম এবং আল-মুসহাফী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি চারশত বিশ হিজরির কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং তখন তাঁর বয়স আশি বছরের কাছাকাছি ছিল।

 

‌‌১৪ - মুহাম্মদ(২) বিন আব্দুর রহমান বিন মা'মার, আবু আল-ওয়ালীদ, ভাষাবিদ আল-কুরতুবী।

তিনি ‘আত-তারিখ’ (ইতিহাস) গ্রন্থের রচয়িতা এবং আল-দাওলা আল-আমিরিয়্যাহ-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি মুজাহিদ আল-আমিরীর আশ্রয়ে জাজায়ির আল-শারকিয়্যাহ (পূর্ব দ্বীপপুঞ্জ)-কে আবাসভূমি হিসেবে গ্রহণ করেন এবং সেখানে বিচারবিভাগীয় দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি চারশত তেইশ হিজরির শাওয়াল মাসে ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌১৫ - মুহাম্মদ(৩) বিন আব্দুল্লাহ বিন ফুরতুন, আবু আব্দুল্লাহ, সারাকুস্তা শহরের প্রধান বিচারপতি (কাযিউল জামাআহ)।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩০৮ (১০৮৩), ইবনে জুলজুল ‘তাবাকাতুল আতিব্বা’ গ্রন্থে (৫০), আল-হুমাইদী ‘জাযওয়াতুল মুকতাবিস’ গ্রন্থে (৩৫), আদ-দাব্বী ‘বুগইয়াতুল মুলতামিস’ গ্রন্থে (৮১), ইয়াকুত ‘মুজামুল উদাবা’ ৬/২৫২১ গ্রন্থে, ইবনে আবি উসাইবিআ ‘উয়ুনুল আম্বা’ ২/৪৫ গ্রন্থে, ইবনে আব্দুল মালিক ‘আয-যাইল’ ৬/১৬০ গ্রন্থে, আয-যাহাবী ‘তারিখুল ইসলাম’ ৯/৩৩৪ গ্রন্থে, এবং আস-সাফাদী ‘আল-ওয়াফি’ ২/৩৪৮ ও ৩/১৬ গ্রন্থে তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন। বিভিন্ন উৎসে তাঁর পিতার নাম ‘হাসান’ ও ‘হুসাইন’ হিসেবে ভিন্নভাবে আসায় এটি পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে, মূলত তিনি একই ব্যক্তি।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩১০ (১০৮৯), ইবনে বাশকুওয়াল ‘আস-সিলাহ’ গ্রন্থে (৬৯৯), ইবনে আব্দুল মালিক ‘আয-যাইল’ ৬/৩৬৫ গ্রন্থে, এবং আয-যাহাবী ‘তারিখুল ইসলাম’ ৯/৩৯৩ গ্রন্থে তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।

(৩) আত-তাকমিলা ১/৩১০ (১০৯২), এবং ইবনে আব্দুল মালিক ‘আয-যাইল’ ৬/২৯৬ গ্রন্থে তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
هو الذي انتصر لأبي عمر الطّلمنكيّ من الشّهود عليه بأنه حروريّ سفّاك يرى وضع السّيف على صالحي المسلمين، وأسقط شهاداتهم وكانوا خمسة عشر من الفقهاء والنّبهاء، وأسجل بذلك على نفسه سنة خمس وعشرين وأربع مئة.

 

‌‌16 - محمد(1) بن رافع بن غريب(2) الأمويّ.

أحد الشاهدين على الطّلمنكي، وذلك لتشدّده على أهل عصره وإطلاقه عليهم ما حرّكهم لمطالبته.

 

‌‌17 - محمد(3) ابن الشيخ أبي عمر أحمد بن محمد بن عبد الله بن لبّ

المعافريّ الطّلمنكيّ، أبو بكر
.

ولد سنة سبع وستين وثلاث مئة. وسمع من أبي جعفر بن عون الله، وشارك أباه في عدّة من شيوخه، وأقرأ القرآن وحدّث.

أحسبه توفّي قبل الثلاثين وأربع مئة.

 

‌‌18 - محمد(4) بن يحيى الغافقيّ القرطبيّ الكاتب، ويعرف بابن

الموصليّ
(5).

كان جمّاعا لكتب العلم حتى اجتمع منها عنده ما لم يجتمع لأحد بعد الحكم الخليفة.

توفّي سنة ثلاث وثلاثين وأربع مئة.

 

‌‌19 - محمد(6) بن سليمان الرّعينيّ، أبو عبد الله القرطبيّ، ابن الحنّاط الضّرير.

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 310 (1093)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 198.

(2) هكذا بخطه، وكذلك هو في الذيل لابن عبد الملك، وفي التكملة: غربيب.

(3) التكملة 1/ 311 (1096)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 48.

(4) التكملة 1/ 312 (1097).

(5) في التكملة: «ابن الموصول»، وما هنا مجود بخط المؤلف، وما أظنه إلا واهما.

(6) التكملة 1/ 312 (1101)، وترجمه ابن بسام في الذخيرة 1/ 338، والحميدي -
তিনিই আবু উমর আত-তালামানকির পক্ষ নিয়ে সেই সাক্ষীদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন যারা তাঁর বিরুদ্ধে হারুরি (খারিজি) এবং রক্তপিপাসু হওয়ার সাক্ষ্য দিয়েছিল, এবং যারা মনে করত যে নেককার মুসলিমদের ওপর তলোয়ার চালানো জায়েজ। তিনি তাদের সাক্ষ্য বাতিল করে দেন। তারা পনেরো জন ফকিহ এবং প্রাজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ৪২৫ হিজরি সনে নিজের স্বপক্ষে এটি লিপিবদ্ধ করেন।

 

‌‌১৬ - মুহাম্মাদ(১) বিন রাফি বিন গারিব(২) আল-উমায়ি.

তিনি তালামানকির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদানকারী দুজনের একজন ছিলেন। এর কারণ ছিল তাঁর সমসাময়িকদের প্রতি কঠোরতা এবং তাঁদের প্রতি এমন কিছু অভিযোগ উত্থাপন করা যা তাঁদেরকে তাঁর বিরুদ্ধে দাবি জানাতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

 

‌‌১৭ - মুহাম্মাদ(৩) ইবনুল শায়খ আবু উমর আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন লুব্ব

আল-মাআফিরি আত-তালামানকি, আবু বকর
.

তিনি ৩৬৭ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবু জাফর ইবনে আওনুল্লাহর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তাঁর পিতার অনেক শায়খের সাথে তিনি শরিক ছিলেন। তিনি কুরআন শিক্ষা দিতেন এবং হাদিস বর্ণনা করতেন।

আমি মনে করি তিনি ৪৩০ হিজরির পূর্বে ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌১৮ - মুহাম্মাদ(৪) বিন ইয়াহইয়া আল-গাফকি আল-কুরতুবি আল-কাতিব, এবং তিনি ইবনুল

মাওসিলি
(৫) নামে পরিচিত।

তিনি ইলমি কিতাব সংগ্রহকারী ছিলেন, এমনকি তাঁর কাছে এত বিপুল কিতাব জমা হয়েছিল যা খলিফা আল-হাকামের পরে অন্য কারও কাছে জমা হয়নি।

তিনি ৪৩৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌১৯ - মুহাম্মাদ(৬) বিন সুলাইমান আর-রুআইনি, আবু আবদুল্লাহ আল-কুরতুবি, ইবনুল হান্নাত আদ-দারির.

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/ ৩১০ (১০৯৩), এবং ইবনে আব্দুল মালিক তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন আদ-জাইল ৬/ ১৯৮-এ।

(২) তাঁর হস্তলিপিতে এমনই আছে, এবং ইবনে আব্দুল মালিকের আদ-জাইলেও এমনই রয়েছে, আর আত-তাকমিলাতে আছে: গারবিব।

(৩) আত-তাকমিলা ১/ ৩১১ (১০৯৬), এবং ইবনে আব্দুল মালিক তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন আদ-জাইল ৬/ ৪৮-এ।

(৪) আত-তাকমিলা ১/ ৩১২ (১০৯৭)।

(৫) আত-তাকমিলাতে আছে: «ইবনুল মাওসুল», আর এখানে যা আছে তা লেখকের হস্তলিপিতে স্পষ্ট, আমি মনে করি এটি লেখকের ভ্রম মাত্র।

(৬) আত-তাকমিলা ১/ ৩১২ (১১০১), এবং ইবনে বাসসাম আয-জাখিরা ১/ ৩৩৮-এ তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন এবং আল-হুমাইদি -
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
كان عالما بالآداب قائما على اللّغة والعربيّة، شاعرا مفلقا. شارك في الطّبّ وغيره، وشعره مدوّن، وله رسائل بديعة.

توفّي في جمادى الآخرة سنة سبع وثلاثين وأربع مئة. ذكره الحميديّ وابن حيّان.

 

‌‌20 - [3 أ] محمد(1) بن عبد الله بن أحمد بن محمد، أبو عبد الله

الفهريّ، يمن الدّولة
.

كان رئيسا بقلعة البونت؛ من أعمال بلنسية. أخذ عن عليّ بن إبراهيم التّبريزيّ، وله صنع ابن حزم رسالة في فضل الأندلس وأثنى عليه (‌‌2).

 

21 - محمد(3) بن قاسم بن محمد بن إسماعيل بن هشام بن محمد بن

هشام بن الوليد بن هشام الرّضا بن عبد الرّحمن بن معاوية الداخل،

المروانيّ، من أهل قرطبة، يعرف بالشّبانسيّ
(4).

روى عن أبيه، وكان عالما بالآداب متقدّما في البلاغة والكتابة، أخذ عنه أبو بكر المصحفيّ، وكان كاتب الرسائل بطليطلة، وكان آخر من بقي من أكابر أهل صنعته.

--------------------------------------------

= في جذوة المقتبس (60)، والضبي في بغية الملتمس (124)، وابن سعيد في المغرب 1/ 121، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 221، والذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 479، والصفدي في الوافي 3/ 124، وله ذكر في نفح الطيب 1/ 296، 483، 503 و 3/ 263، 288، 610، 611.

(1) التكملة 1/ 313 (1104)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 239، والمقري في نفح الطيب 3/ 160.

(2) ينظر نفح الطيب 3/ 160 فما بعدها.

(3) التكملة 1/ 314 (1109)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 700.

(4) هكذا بخط المؤلف، وفي المطبوع من التكملة: «الشبانيسي»، وهو تحريف.
তিনি আদব বা সাহিত্যে পণ্ডিত এবং ভাষা ও আরবি ব্যাকরণে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি ছিলেন এক অসাধারণ কবি। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়েও পারদর্শী ছিলেন। তাঁর কাব্য সংকলিত হয়েছে এবং তাঁর চমৎকার কিছু পত্রাবলি রয়েছে।

তিনি চারশত সাঁইত্রিশ হিজরি সনের জমাদিউল আখের মাসে ইন্তেকাল করেন। আল-হুমায়দি এবং ইবনে হাইয়ান তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌২০ - [৩ ক] মুহাম্মদ(১) বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ, আবু আবদুল্লাহ

আল-ফিহরি, ইয়ামুনুদ দাওলা
।

তিনি বালেনসিয়ার অন্তর্ভুক্ত আল-বুন্ত দুর্গের প্রধান ছিলেন। তিনি আলী বিন ইব্রাহিম আত-তাবরিজির নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। ইবনে হাজম তাঁর উদ্দেশ্যেই আন্দালুসের শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ে একটি রিসালা বা প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর প্রশংসা করেছিলেন (২)।

 

২১ - মুহাম্মদ(৩) বিন কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন হিশাম বিন মুহাম্মদ বিন

হিশাম বিন আল-ওয়ালিদ বিন হিশাম আর-রিদা বিন আবদুর রহমান বিন মুয়াবিয়া আদ-দাখিল,

আল-মারওয়ানি। তিনি কর্ডোভার অধিবাসী ছিলেন এবং আশ-শাবানাসি নামে পরিচিত ছিলেন (৪)।

তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি আদব বা সাহিত্যে পণ্ডিত এবং অলঙ্কারশাস্ত্র ও রচনাশৈলীতে অগ্রগামী ছিলেন। আবু বকর আল-মুসহাফি তাঁর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। তিনি টলেডোতে পত্র লেখক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন এবং তিনি তাঁর পেশার বড় পণ্ডিতদের মধ্যে সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি ছিলেন।

--------------------------------------------

= জাদওয়াতুল মুকতাবিস (৬০); আদ-দাব্বি, বুগয়াতুল মুলতামিস (১২৪); ইবনে সাঈদ, আল-মুগরিব ১/ ১২১; ইবনে আবদুল মালিক, আদ-জাইল ৬/ ২২১; আজ-জাহাবি, তারিখুল ইসলাম ৯/ ৪৭৯; আস-সাফাদি, আল-ওয়াফি ৩/ ১২৪। এবং নাফহুত তীব ১/ ২৯৬, ৪৮৩, ৫০৩ এবং ৩/ ২৬৩, ২৮৮, ৬১০, ৬১১-তে তাঁর উল্লেখ রয়েছে।

(১) আত-তাকমিলা ১/ ৩১৩ (১১০৪); ইবনে আবদুল মালিক 'আদ-জাইল' ৬/ ২৩৯ গ্রন্থে এবং আল-মাক্কারি 'নাফহুত তীব' ৩/ ১৬০ গ্রন্থে তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন।

(২) দ্রষ্টব্য: নাফহুত তীব ৩/ ১৬০ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহ।

(৩) আত-তাকমিলা ১/ ৩১৪ (১১০৯); আজ-জাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ৯/ ৭০০ গ্রন্থে তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন।

(৪) লেখকের পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে। আত-তাকমিলার মুদ্রিত কপিতে রয়েছে: «আশ-শাবানিসি», যা মূলত একটি বিকৃতি।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
توفّي سنة سبع وأربعين وأربع مئة.

 

‌‌22 - محمد(1) بن عبد الله بن مرشد، أبو القاسم مولى الوزير ابن

طملس
.

كاتب بقرطبة كامل الصّناعة، يشارك في الحساب والتّنجيم والهندسة والأخبار.

توفّي في آخر سنة ثمان وأربعين وأربع مئة، عن نيّف وتسعين سنة.

 

‌‌23 - محمد(2) بن أحمد بن محمد بن مهلّب بن جعفر(3)، أبو بكر

القرطبيّ
.

سمع الكثير من أبي الوليد ابن الفرضيّ، وأخذ عن أبي عبد الله ابن الحذّاء وخلف بن غيث، وجماعة. وكان من أهل الكتابة والبلاغة، له تعليق على «تاريخ ابن الفرضي»(4). وكان ذا حظوة من ملوك الأندلس، ومن بيت وزارة.

توفّي في حدود الخمسين وأربع مئة.

 

‌‌24 - محمد(5) بن سعيد، أبو عبد الله الميورقيّ.

حجّ صحبة عبد الحقّ الصّقليّ، وقدم أبو المعالي الجوينيّ مكة وهما

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 314 (1110)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 317، والذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 716.

(2) التكملة 1/ 315 (1111)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 37، والذهبي في تاريخ الإسلام 9/ 753.

(3) اختصر الذهبي نسبه هنا وفي تاريخ الإسلام، وإلا فهو: «محمد بن أحمد بن محمد ابن حسن بن إسحاق بن عبد الله بن إسحاق بن مهلب بن جعفر».

(4) قال صاحب الأصل: «وله تعليق على تاريخ ابن الفرضي واستلحاق يشهد بنباهته ومعرفته وقفت عليه بخطه».

(5) التكملة 1/ 316 (1115)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 216.
তিনি চারশত সাতচল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌২২ - মুহাম্মদ(১) বিন আব্দুল্লাহ বিন মুরশিদ, আবুল কাসিম, উজির ইবনে তামলাসের মুক্তদাস।

তিনি কুর্তুবার একজন পরিপূর্ণ দক্ষ লেখক ছিলেন, তিনি গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, জ্যামিতি এবং ইতিহাসেও পারদর্শী ছিলেন।

তিনি চারশত আটচল্লিশ হিজরির শেষভাগে নব্বই বছরের কিছু অধিক বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌২৩ - মুহাম্মদ(২) বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাল্লাব বিন জাফর(৩), আবু বকর আল-কুর্তুবি।

তিনি আবু ওয়ালিদ ইবনুল ফরাদি থেকে অনেক হাদীস শুনেছেন এবং আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল হাজ্জা, খালাফ বিন গাইস ও একটি জামাত থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন। তিনি লিখনশৈলী ও অলঙ্কারশাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন, 'তারিখ ইবনিল ফরাদি'-এর ওপর তাঁর একটি টীকা(৪) রয়েছে। তিনি আন্দালুসের রাজন্যবর্গের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন এবং একটি উজির পরিবারের সদস্য ছিলেন।

তিনি চারশত পঞ্চাশ হিজরির দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌২৪ - মুহাম্মদ(৫) বিন সাঈদ, আবু আব্দুল্লাহ আল-মাইয়ুরকি।

তিনি আব্দুল হক আস-সিকিল্লির সাহচর্যে হজ পালন করেন এবং আবু আল-মা'আলি আল-জুওয়াইনি মক্কায় আগমন করেন যখন তাঁরা দুজনে সেখানে ছিলেন...

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩১৪ (১১১০); ইবনে আব্দুল মালিক 'আদ-দাইল' ৬/৩১৭-এ এবং আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ৯/৭১৬-এ তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩১৫ (১১১১); ইবনে আব্দুল মালিক 'আদ-দাইল' ৬/৩৭-এ এবং আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ৯/৭৫৩-এ তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(৩) আয-যাহাবি এখানে এবং তারিখুল ইসলামে তাঁর বংশপরম্পরা সংক্ষেপ করেছেন, অন্যথায় তা হলো: "মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাসান বিন ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক বিন মুহাল্লাব বিন জাফর"।

(৪) মূল লেখক বলেছেন: "তারিখ ইবনিল ফরাদি-এর ওপর তাঁর একটি টীকা এবং একটি সংযোজনী রয়েছে যা তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও জ্ঞানের সাক্ষ্য দেয়, যা আমি তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে দেখেছি।"

(৫) আত-তাকমিলা ১/৩১৬ (১১১৫); ইবনে আব্দুল মালিক 'আদ-দাইল' ৬/২১৬-এ তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
بها، فرويا عنه تواليفه. وصدر إلى ميورقة، وقعد لإقراء الفقه والأصول. ولمّا دخلها أبو محمد بن حزم كتب ابن سعيد هذا إلى أبي الوليد الباجيّ، فسار إليه من بعض السّواحل، وتضافرا جميعا على ابن حزم، وناظراه فأفحماه وأخرجاه منها، وكان ذا سبب العداوة بين الباجيّ وابن حزم. ذكره ابن الدّبّاغ في «طبقات الفقهاء».

 

‌‌25 - [3 ب] محمد(1) بن وهب بن محمد السّرقسطيّ، المعروف

بنوح، الغافقيّ
.

أحد الفقهاء ببلده، وله ذرّية علماء.

توفّي في رمضان سنة ثمان وخمسين وأربع مئة.

 

‌‌26 - محمد(2) بن عبد الله بن مسلمة، أبو بكر، المظفّر التّجيبيّ،

صاحب بطليوس، ويعرف بابن الأفطس
.

كان أديبا جمّ المعرفة جمّاعة للكتب، ذا خزانة عظيمة، لم يكن في ملوك الأندلس من يفوقه في أدب ومعرفة. وله كتاب «التّذكرة»(3) في خمسين مجلّدا اشتمل على فنون وعلوم وسير.

توفّي سنة ستين وأربع مئة.

 

‌‌27 - محمد(4) بن خلصة، أبو عبد الله النّحويّ الكفيف، أصله من شذونة، سكن دانية.

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 317 (1121)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 108.

(2) التكملة 1/ 317 (1123)، وترجمه ابن بسام في الذخيرة 2/ 478، والمراكشي في المعجب 127، وابن الأبار في الحلة السيراء 2/ 97 في ترجمة ولده، وابن خلكان في وفيات الأعيان 7/ 123 في أثناء ترجمة يوسف بن تاشفين، وابن عذاري في البيان المغرب 3/ 236، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 122، والصفدي في الوافي 3/ 323.

(3) ويسمى «الكتاب المظفري» أيضا.

(4) التكملة 1/ 319 (1128)، وترجمه الحميدي في جذوة المقتبس (49)، وابن -
তাদের মাধ্যমে, তারা তার থেকে তার রচনাসমূহ বর্ণনা করেছেন। তিনি মায়োর্কায় গমন করেন এবং ফিকহ ও উসুল পাঠদানের জন্য বসেন। যখন আবু মুহাম্মদ ইবনে হাজম সেখানে প্রবেশ করেন, তখন এই ইবনে সাঈদ আবু আল-ওয়ালিদ আল-বাজিকে পত্র লেখেন। ফলে আল-বাজি কোনো এক উপকূল থেকে তার কাছে আসেন এবং তারা উভয়ে মিলে ইবনে হাজমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হন। তারা তার সাথে বিতর্ক করেন, তাকে নিরুত্তর করে দেন এবং তাকে সেখান থেকে বের করে দেন। এটিই ছিল আল-বাজি ও ইবনে হাজমের মধ্যে শত্রুতার কারণ। ইবনে আদ-দাব্বাগ এটি 'তাবাকাত আল-ফুকাহা' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌২৫ - [৩ খ] মুহাম্মদ(১) বিন ওয়াহাব বিন মুহাম্মদ আস-সারাকুস্তি, নূহ নামে পরিচিত,

আল-গাফেকি
.

নিজ শহরের অন্যতম ফকিহ ছিলেন এবং তার বংশধরদের মাঝে অনেক আলেম রয়েছেন।

তিনি চারশত আটান্ন হিজরির রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌২৬ - মুহাম্মদ(২) বিন আব্দুল্লাহ বিন মাসলামাহ, আবু বকর, আল-মুজাফ্ফর আত-তুজিবি,

বাতালিউসের অধিপতি, এবং তিনি ইবনে আল-আফতাস নামে পরিচিত
.

তিনি একজন সাহিত্যিক, অগাধ জ্ঞানের অধিকারী এবং গ্রন্থ সংগ্রাহক ছিলেন। তার একটি বিশাল গ্রন্থাগার ছিল। আন্দালুসের রাজাদের মধ্যে সাহিত্য ও জ্ঞানে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো কেউ ছিল না। তার 'আত-তাযকিরাহ'(৩) নামক একটি গ্রন্থ আছে যা পঞ্চাশ খণ্ডে সমাপ্ত, এতে বিভিন্ন শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও জীবনচরিত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চারশত ষাট হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌২৭ - মুহাম্মদ(৪) বিন খালসাহ, আবু আব্দুল্লাহ আন-নাহবি আল-কাফিফ (অন্ধ ব্যাকরণবিদ), তার মূল নিবাস ছিল শাযুনাহ থেকে, তিনি দানিয়ায় বসবাস করতেন.

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩১৭ (১১২১), এবং আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১০/১০৮-এ তার জীবনী আলোচনা করেছেন।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩১৭ (১১২৩), এবং ইবনে বাসসাম 'আয-যাখিরা' ২/৪৭৮-এ, আল-মাররাকুশি 'আল-মু'জিব' ১২৭-এ, ইবনে আল-আববার তার ছেলের জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে 'আল-হুল্লাত আস-সিয়ারা' ২/৯৭-এ, ইবনে খাল্লিকান 'ওয়াফায়াত আল-আ'ইয়ান' ৭/১২৩-এ ইউসুফ বিন তাশফিনের জীবনী আলোচনার মাঝে, ইবনে আযারি 'আল-বায়ান আল-মুগরিব' ৩/২৩৬-এ, আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১০/১২২-এ এবং আস-সাফাদি 'আল-ওয়াফি' ৩/৩২৩-এ তার জীবনী আলোচনা করেছেন।

(৩) একে 'আল-কিতাব আল-মুজাফ্ফারি'ও বলা হয়।

(৪) আত-তাকমিলা ১/৩১৯ (১১২৮), আল-হুমাইদি 'জাযওয়াত আল-মুকতাবিস' (৪৯)-এ তার জীবনী আলোচনা করেছেন, এবং ইবনে -
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
وأخذ عن الحسن ابن سيده، وأقرأ العربيّة هناك وببلنسية. وكان شاعرا مجوّدا متقدّما في علوم اللّسان، وشعره مدوّن. أخذ عنه أبو عمر بن شرف، وأبو عبد الله بن مطرّف، وبقي إلى بعد سنة ثمان وستين وأربع مئة.

 

‌‌28 - محمد(1) بن أحمد بن سعود، أبو عبد الله الأنصاريّ الدانيّ

المقرئ
.

كان من كبار أصحاب أبي عمرو المقرئ، وتصدّر للإقراء في حياته، وعنه أخذ أبو داود قراءة قالون عند قدومه دانية للأخذ عن أبي عمرو من بلنسية سنة اثنتين وثلاثين وأربع مئة. وله كتاب «قراءة نافع والكسائي» وكتاب «الاقتصاد في الفرق بين السّين والصاد»، وبقي إلى قريب السبعين وأربع مئة.

 

‌‌29 - محمد(2) بن أحمد بن عثمان، أبو عبد الله القيسيّ الشاعر،

ويعرف بابن الحدّاد، ولقبه مازن، وأصله من وادي آش وسكن المريّة
.

--------------------------------------------

= بسام في الذخيرة 3/ 239، والضبي في بغية الملتمس (111)، والقفطي في إنباه الرواة 3/ 125، وأخبار المحمدين 108، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 108، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 307، والصفدي في الوافي 3/ 42، ونكت الهميان 248.

(1) التكملة 1/ 319 (1129)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 5/ 641، وابن الجزري في غاية النهاية 2/ 63.

(2) التكملة 1/ 322 (1140)، وترجمه ابن خاقان في مطمح الأنفس 91، وابن بسام في الذخيرة 1/ 528، والعماد في الخريدة 2/ 204 (قسم الأندلس)، والقفطي في المحمدون من الشعراء 99، وابن خلكان في وفيات الأعيان 5/ 41، وابن سعيد في المغرب 2/ 143، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 10، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 587، وابن فضل الله في مسالك الأبصار 11/ 400، والصفدي في الوافي 2/ 86، وابن شاكر في الفوات 3/ 283، وابن الخطيب في الإحاطة 2/ 333 وغيرهم.
তিনি হাসান ইবনে সিদাহর নিকট শিক্ষা লাভ করেন এবং সেখানে ও বালেন্সিয়ায় আরবি ভাষা শিক্ষা দেন। তিনি একজন দক্ষ কবি এবং ভাষাতত্ত্বে অগ্রগণ্য ছিলেন, এবং তাঁর কবিতা সংকলিত হয়েছে। আবু উমর বিন শারাফ এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন মুতাররিফ তাঁর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তিনি চারশ আটষট্টি হিজরির পরবর্তী সময় পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।

 

‌‌২৮ - মুহাম্মদ(১) বিন আহমাদ বিন সউদ, আবু আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আদ-দানি

কুরআন বিশেষজ্ঞ (আল-মুকরি)
।

তিনি আবু আমর আল-মুকরির প্রধান প্রধান সাথীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাঁর জীবদ্দশাতেই কিরাত পাঠদানের আসনে আসীন হন। আবু দাউদ যখন চারশ বত্রিশ হিজরিতে বালেন্সিয়া থেকে আবু আমরের নিকট শিক্ষা গ্রহণের জন্য দানিয়াতে আসেন, তখন তিনি তাঁর নিকট 'কালুন'-এর কিরাত গ্রহণ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে «কিরাত নাফি ওয়া আল-কিসায়ি» এবং «আল-ইকতিসাদ ফি আল-ফারক বাইনাস সিন ওয়াস সাদ» নামক গ্রন্থ। তিনি প্রায় চারশ সত্তর হিজরি পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।

 

‌‌২৯ - মুহাম্মদ(২) বিন আহমাদ বিন উসমান, আবু আব্দুল্লাহ আল-কাইসি কবি,

তিনি ইবনুল হাদ্দাদ নামে পরিচিত ছিলেন, তাঁর উপাধি ছিল মাজিন। তাঁর আদি নিবাস ছিল ওয়াদি আশ এবং তিনি আল-মারিয়াতে বসবাস করতেন।

--------------------------------------------

= আয-যাখিরা ৩/২৩৯-এ বাসসাম, বুগয়াতুল মুশতামীস (১১১)-এ আদ-দাব্বি, ইনবাহুর রুওয়াত ৩/১২৫-এ আল-কিফতি, আখবারুল মুহাম্মাদিন ১০৮, আদ-দাইল ৬/১০৮-এ ইবনে আব্দুল মালিক, তারিখুল ইসলাম ১০/৩০৭-এ আয-যাহাবি, আল-ওয়াফি ৩/৪২-এ আস-সাফাদি এবং নুফাতুল হিমইয়ান ২৪৮।

(১) আত-তাকমিলা ১/৩১৯ (১১২৯), আদ-দাইল ৫/৬৪১-এ ইবনে আব্দুল মালিক এবং গায়াতুন নিহায়া ২/৬৩-এ ইবনুল জাজারি তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩২২ (১১৪০), মাতমাহুল আনফুস ৯১-এ ইবনে খাকান, আয-যাখিরা ১/৫২৮-এ ইবনে বাসসাম, আল-খারীদা ২/২০৪ (আন্দালুস অংশ)-এ আল-ইমাদ, আল-মুহাম্মাদুন মিনাশ শুআরা ৯৯-এ আল-কিফতি, ওয়াফায়াতুল আইয়ান ৫/৪১-এ ইবনে খাল্লিকান, আল-মাগরিব ২/১৪৩-এ ইবনে সাঈদ, আদ-দাইল ৬/১০-এ ইবনে আব্দুল মালিক, তারিখুল ইসলাম ১০/৫৮৭-এ আয-যাহাবি, মাসালিকুল আবসার ১১/৪০০-এ ইবনে ফাদলুল্লাহ, আল-ওয়াফি ২/৮৬-এ আস-সাফাদি, আল-ফাওয়াত ৩/২৮৩-এ ইবনে শাকির, আল-ইহাতা ২/৩৩৩-এ ইবনুল খাতিব এবং অন্যান্যরা তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
وكان من فحول الشّعراء وأفراد البلغاء، وله ديوان كبير، وألّف في العروض، واختصّ بالمعتصم محمد بن معن بن صمادح، وفيه استفرغ مدائحه. ثم سار عنه إلى سرقسطة وأقام في كنف المقتدر بن هود.

توفّي في حدود الثمانين وأربع مئة.

 

‌‌30 - [4 أ] محمد(1) بن إبراهيم بن إلياس، أبو عبد الله اللّخميّ، أبو

عبد الله(2) بن شعيب، وهو جدّه لأمّه
.

روى عن جدّه لأمّه، ومكّيّ بن أبي طالب، وأبي عمرو الدانيّ، وأبي العبّاس المهدوي. وتصدّر بجامع المريّة لإقراء القرآن والعربيّة والآداب. روى عنه أبو الحسن بن موهب، وأبو الحسن بن نافع، وأبو عبد الله بن معمر.

وقفت على السّماع منه في سنة إحدى وثمانين وأربع مئة.

 

‌‌31 - محمد(3) بن معن بن محمد بن أحمد بن صمادح التّجيبيّ، أبو

يحيى المعتصم، أمير المريّة
.

روى عن أبيه عن جدّه أبي يحيى «مختصره» في غريب القرآن، رواه عنه إبراهيم بن أسود الغسّاني.

توفّي في ربيع الآخر سنة أربع وثمانين وأربع مئة(4).

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 323 (1142)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 86، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 661.

(2) هكذا بتكرار الكنية، على أنّ جدّه لأمه ابن شعيب يكنى أبا عبد الله أيضا.

(3) التكملة 1/ 324 (1149)، وترجمه ابن خاقان في قلائد العقيان 123، والعماد في الخريدة 2/ 83، وابن خلكان في وفيات الأعيان 5/ 39، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 538، والصفدي في الوافي 5/ 45، وابن عذاري في البيان المغرب 3/ 167، وابن العماد في الشذرات 3/ 372.

(4) كتب الذهبي بعد هذا ترجمة نصها: «محمد بن شداد، أبو عبد الله ابن الحداد الطليطلي. روى عن الحافظ ابن عبد السلام المعروف بابن شق الليل، وعنه محمد -
তিনি শ্রেষ্ঠ কবিদের অন্তর্ভুক্ত এবং অনন্য বাগ্মী ছিলেন, তাঁর একটি বিশাল কাব্যগ্রন্থ রয়েছে, এবং তিনি ছন্দবিজ্ঞানের ওপর গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি আল-মুতাসিম মুহাম্মদ বিন মা’ন বিন সুমাদিহের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং তাঁর সমস্ত প্রশংসাগীতি তাঁর উদ্দেশ্যেই নিবেদন করেন। অতঃপর তিনি তাঁর নিকট থেকে সারগোসায় চলে যান এবং আল-মুকতাদির বিন হূদের আশ্রয়ে বসবাস করেন।

তিনি চারশত আশি হিজরির দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৩০ - [৪ ক] মুহাম্মদ(১) বিন ইবরাহিম বিন ইলিয়াস, আবু আব্দুল্লাহ আল-লাখমি, আবু

আব্দুল্লাহ(২) বিন শুয়াইব, তিনি তাঁর মাতামহ।

তিনি তাঁর মাতামহ, মাক্কি বিন আবু তালিব, আবু আমর আদ-দানি এবং আবু আব্বাস আল-মাহদাভি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি আল-মেরিয়া জামে মসজিদে কুরআন পাঠদান, আরবি ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষার আসরে প্রধান হিসেবে আসীন ছিলেন। তাঁর থেকে আবু হাসান বিন মাওহাব, আবু হাসান বিন নাফি এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন মা’মার বর্ণনা করেছেন।

আমি চারশত একাশি হিজরিতে তাঁর নিকট থেকে পাঠ শ্রবণের সুযোগ পেয়েছি।

 

‌‌৩১ - মুহাম্মদ(৩) বিন মা’ন বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সুমাদিহ আত-তুজিবি, আবু

ইয়াহইয়া আল-মুতাসিম, আল-মেরিয়ার আমির।

তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা আবু ইয়াহইয়ার নিকট থেকে কুরআনের দুষ্পাঠ্য শব্দাবলি (গরীবুল কুরআন) বিষয়ে তাঁর 'সারসংক্ষেপ' বর্ণনা করেছেন; তাঁর থেকে ইবরাহিম বিন আসওয়াদ আল-গাসসানি এটি বর্ণনা করেছেন।

তিনি চারশত চুরাশি হিজরির রবিউস সানি মাসে মৃত্যুবরণ করেন(৪)।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩২৩ (১১৪২), ইবনে আব্দুল মালিক 'আয-যাইল' ৬/৮৬-তে তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন এবং আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১০/৬৬১-তে।

(২) এভাবেই উপনামের পুনরাবৃত্তি হয়েছে, উল্লেখ্য যে তাঁর মাতামহ ইবনে শুয়াইবের উপনামও ছিল আবু আব্দুল্লাহ।

(৩) আত-তাকমিলা ১/৩২৪ (১১৪৯), ইবনে খাকান 'কালাইদুল ইকইয়ান' ১২৩-এ, আল-ইমাদ 'আল-খারীদা' ২/৮৩-তে, ইবনে খাল্লিকান 'ওয়াফায়াতুল আইয়ান' ৫/৩৯-এ, আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১০/৫৩৮-এ, আস-সাফাদি 'আল-ওয়াফি' ৫/৪৫-এ, ইবনে আযারি 'আল-বায়ানুল মাগরিব' ৩/১৬৭-তে এবং ইবনুল ইমাদ 'আশ-শাযারাত' ৩/৩৭২-তে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(৪) আয-যাহাবি এরপরে একটি জীবনী লিখেছেন যার পাঠ হলো: "মুহাম্মদ বিন শাদ্দাদ, আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল হাদ্দাদ আত-তুলাইতলি। তিনি হাফেজ ইবনে আব্দুস সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি ইবনে শাক্কুল লাইল নামে পরিচিত, আর তাঁর থেকে মুহাম্মদ -"
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
‌‌32 - محمد(1) بن عبيد الله بن عبد البرّ بن ربيعة، أبو عبد الله

البلنسيّ
.

سمع ابن عبد البرّ، وأبا المطرّف بن جحّاف، وغيرهما. وكان فقيها حافظا مفنّنا. حدّث عنه خليص بن عبد الله.

توفّي سنة سبع وثمانين وأربع مئة في حصار الرّوم بلنسية.

 

‌‌33 - محمد(2) بن يوسف بن عليّ بن خلصة، أبو عبد الله المعافريّ

الشّاطبيّ
.

سمع ابن عبد البرّ. وحجّ، فسمع عليّ بن المفرّج الصّقلّي، وهيّاج بن عبيد، وجماعة. روى عنه طاهر بن مفوّز، وأبو إسحاق بن جماعة، وأبو الحجاج بن أيّوب.

توفّي في نحو التّسعين وأربع مئة.

 

‌‌34 - محمد(3) بن خلف بن قاسم الخولانيّ، أبو عبد الله الإشبيليّ.

يروي عن ابن حزم، وقرأ على أبي محمد بن خزرج «مصنّف النّسائيّ» وغيره. قرأ عليه أبو العبّاس أحمد بن محمد «صحيح مسلم» سنة أربع وتسعين

--------------------------------------------

= ابن إبراهيم». ثم حذفها بأن كتب في أولها «لا» وفي آخرها «إلى» وهي علامة الحذف. وهذه الترجمة موجودة في أصل التكملة 1/ 326، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 228، وإنما حذفها الذهبي لخطأ فيها تفاصيله عند ابن عبد الملك.

(1) التكملة 1/ 327 (1157)، وترجمه ابن بشكوال في الصلة (1229) لكنه لم ينسبه ولا سمّى شيوخه، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 333، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 587.

(2) التكملة 1/ 327 (1158)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 661.

(3) التكملة 1/ 328 (1161)، وذكره ابن خير في فهرسته 111، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 188، والذهبي في تاريخ الإسلام 10/ 846.
‌‌৩২ - মুহাম্মদ(১) বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল বার বিন রাবিয়াহ, আবু আব্দুল্লাহ

আল-বালানসি
।

তিনি ইবনে আব্দুল বার, আবু আল-মুতাররিফ বিন জুহাফ এবং অন্যদের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন। তিনি একজন ফকিহ, হাফিজ এবং বহু বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন। তার থেকে খুলাইস বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন।

তিনি ৪৪৭ হিজরি সনে রোমানদের বালানসিয়া (ভ্যালেন্সিয়া) অবরোধের সময় মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৩৩ - মুহাম্মদ(২) বিন ইউসুফ বিন আলী বিন খালাসাহ, আবু আব্দুল্লাহ আল-মাআফিরি

আল-শাতিবি
।

তিনি ইবনে আব্দুল বার-এর নিকট থেকে শুনেছেন। তিনি হজ পালন করেছেন এবং আলী বিন আল-মুফাররিজ আল-সিকিল্লি, হাইয়্যাজ বিন উবাইদ ও একটি জামাত থেকে শুনেছেন। তার থেকে তাহির বিন মুফাওওয়াজ, আবু ইসহাক বিন জামাআহ এবং আবু আল-হাজ্জাজ বিন আইয়ুব বর্ণনা করেছেন।

তিনি আনুমানিক ৪৯০ হিজরি সনের দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৩৪ - মুহাম্মদ(৩) বিন খালাফ বিন কাসিম আল-খাওলানি, আবু আব্দুল্লাহ আল-ইশবিলি।

তিনি ইবনে হাজম থেকে বর্ণনা করেন এবং আবু মুহাম্মদ বিন খাজরাজ-এর নিকট ‘মুসান্নাফ আন-নাসায়ি’ ও অন্যান্য গ্রন্থ পাঠ করেছেন। আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ ৪৯৪ হিজরি সনে তার নিকট ‘সহিহ মুসলিম’ পাঠ করেন।

--------------------------------------------

= ইবনে ইব্রাহিম। অতঃপর তিনি এর শুরুতে ‘লা’ এবং শেষে ‘ইলা’ লিখে তা কর্তন করেছেন, যা বিলুপ্তিকরণের একটি চিহ্ন। এই জীবনীটি আত-তাকমিলার মূল পাণ্ডুলিপির ১/৩২৬ পৃষ্ঠায় বিদ্যমান এবং ইবনে আব্দুল মালিক ‘আদ-যাইল’ ৬/২২৮-এ তার জীবনী আলোচনা করেছেন। যাহাবি মূলত এতে থাকা ত্রুটির কারণেই এটি বাদ দিয়েছেন, যার বিস্তারিত বিবরণ ইবনে আব্দুল মালিকের নিকট রয়েছে।

(১) আত-তাকমিলা ১/৩২৭ (১১৫৭); ইবনে বাশকুওয়াল ‘আস-সিলা’ (১২২৯) গ্রন্থে তার জীবনী উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি তার বংশপরিচয় কিংবা তার উস্তাদদের নাম উল্লেখ করেননি; ইবনে আব্দুল মালিক ‘আদ-যাইল’ ৬/৩৩৩ গ্রন্থে এবং যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১০/৫৮৭ গ্রন্থে।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩২৭ (১১৫৮); যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১০/৬৬১ গ্রন্থে তার জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(৩) আত-তাকমিলা ১/৩২৮ (১১৬১); ইবনে খায়ের তার ‘ফিহরিস’ ১১১-এ এটি উল্লেখ করেছেন; ইবনে আব্দুল মালিক ‘আদ-যাইল’ ৬/১৮৮ গ্রন্থে এবং যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১০/৮৪৬ গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وأربع مئة.

 

‌‌35 - محمد(1) بن يوسف بن عطّاف الأزديّ، أبو عبد الله، قاضي

المريّة
.

[4 ب] روى عن أبي القاسم عبد الرّحمن بن مالك، وأبي عبد الله ابن القزّاز الفقيه، وغيرهما.

وكان فقيها مدرّسا يناظر عليه، ويجتمع في علم الرأي إليه. أخذ عنه أبو بكر بن أسود، وعبد الرّحيم بن الفرس، وأبو عبد الله بن أبي زيد، وأبو الحسن بن اللّوان. ذكره ابن الدبّاغ في «الطّبقات للفقهاء».

وتوفّي بالمريّة سنة اثنتين وخمس مئة.

 

‌‌36 - محمد(2) بن عيسى بن محمد اللّخميّ، أبو بكر ابن اللّبّانة(3)

الدّانيّ
.

كان من جلّة الأدباء وفحول الشّعراء، معين الطّبع واسع الذّرع، غزير الأدب، قويّ العارضة، متصرّفا في البلاغة. وله تواليف، منها: كتاب «مناقل الفتنة» وكتاب «نظم السّلوك في وعظ الملوك» وكتاب «سقيط الدّرّ ولقيط الزّهر». وشعره مدوّن. أخذ عنه أبو عبد الله ابن الصفّار والد المحدّث زياد.

وتوفّي بميورقة سنة سبع وخمس مئة.

 

‌‌37 - محمد(4) بن إبراهيم بن محمد الأزديّ المقرئ، أبو بكر ابن الصّنّاع البلنسيّ، الملقّب بالهدهد.

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 333 (1181)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 39.

(2) التكملة 1/ 333 (1183)، وترجمه ابن خاقان في قلائد العقيان 595، والضبي في بغية الملتمس (213)، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 102، وسير أعلام النبلاء 19/ 373، والصفدي في الوافي 4/ 297، وغيرهم.

(3) عرف بذلك لأن أمه كانت تبيع اللّبن.

(4) التكملة 1/ 334 (1184)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 101، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 116.
এবং চারশত।

 

‌‌৩৫ - মুহাম্মদ(১) বিন ইউসুফ বিন আত্তাফ আল-আজদি, আবু আব্দুল্লাহ, আলমেরিয়ার

বিচারক
।

[৪ খ] তিনি আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন মালিক, ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল কাযযায এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি একজন ফকিহ এবং শিক্ষক ছিলেন যার নিকট জ্ঞানতাত্ত্বিক বিতর্ক করা হতো এবং রায় (মতামতভিত্তিক ফিকহ) শাস্ত্রে তার নিকট সমবেত হওয়া হতো। তার নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন আবু বকর বিন আসওয়াদ, আব্দুর রহিম বিন আল-ফারস, আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি যাইদ এবং আবুল হাসান বিন আল-লাওয়ান। ইবনে আদ-দাব্বাগ ‘তাবাকাতুল ফুকাহা’ গ্রন্থে তার কথা উল্লেখ করেছেন।

তিনি ৫০২ হিজরিতে আলমেরিয়াতে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৩৬ - মুহাম্মদ(২) বিন ঈসা বিন মুহাম্মদ আল-লাখমি, আবু বকর ইবনুল লাব্বানাহ(৩)

আদ-দানি
।

তিনি বিশিষ্ট সাহিত্যিক এবং শ্রেষ্ঠ কবিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি ছিলেন স্বতঃস্ফূর্ত স্বভাবের এবং ব্যাপক পারদর্শী, সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী, বাকপটুতায় শক্তিশালী এবং অলঙ্কারশাস্ত্রে দক্ষ। তার বেশ কিছু রচনা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: ‘মানাকিলুল ফিতনাহ’ গ্রন্থ, ‘নাযমুস সুলুক ফি ওয়াযিল মুলুক’ গ্রন্থ এবং ‘সাকিতুদ দুররি ওয়া লাকিতুয যাহর’ গ্রন্থ। তার কবিতা সংকলিত হয়েছে। মুহাদ্দিস যিয়াদের পিতা আবু আব্দুল্লাহ ইবনুস সাফফার তার নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন।

তিনি ৫০৭ হিজরিতে মায়োরকাতে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৩৭ - মুহাম্মদ(৪) বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-আজদি আল-মুকরি, আবু বকর ইবনুস সান্না আল-বালানসি, যাকে হুদহুদ উপাধিতে ডাকা হতো।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩৩৩ (১১৮১), এবং আয-যাহাবি তার জীবনী তারিখুল ইসলাম ১১/৩৯-এ বর্ণনা করেছেন।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩৩৩ (১১৮৩), এবং ইবনে খাকান ‘কালাইদুল উকইয়ান’ ৫৯৫-এ, আদ-দাব্বি ‘বুগইয়াতুল মুলতামিস’ (২১৩)-এ, আয-যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১১/১০২ এবং ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ ১৯/৩৭৩-এ, আস-সাফাদি ‘আল-ওয়াফি’ ৪/২৯৭-এ এবং অন্যরা তার জীবনী বর্ণনা করেছেন।

(৩) তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন কারণ তার মা দুধ বিক্রি করতেন।

(৪) আত-তাকমিলা ১/৩৩৪ (১১৮৪), এবং ইবনে আব্দুল মালিক ‘আয-যাইল’ ৬/১০১-এ এবং আয-যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১১/১১৬-এ তার জীবনী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
أخذ القراءات عن أبي داود، وكان من جلّة أصحابه. أخذ عنه أبو عبد الله بن أبي إسحاق اللّرّي. ورحل، فأقرأ بقرطبة.

توفّي سنة ثمان وخمس مئة.

 

‌‌38 - محمد(1) بن الخلف بن الحسن بن إسماعيل الصّدفيّ، ويعرف

بابن علقمة، أبو عبد الله البلنسيّ
.

صنّف لها تاريخا(2). وتعانى الكتابة، وكان قاصرا في نظمه ونثره. كتب الناس «تاريخه» على سوء رصفه(3).

توفّي في شوّال سنة تسع وخمس مئة وقد جاوز الثمانين.

 

‌‌39 - محمد(4) بن أغلب بن أبي الدّوس، أبو بكر المرسيّ.

روى عن أبي الحجّاج الأعلم، والمبارك بن سعيد الخشّاب، وعبد الدائم القيرواني، وأبي عليّ الغسّاني.

وكان عالما بالعربيّة والآداب فائق الخطّ، أدّب ولدي المعتمد محمد بن عبّاد. ثم سكن فاس ثم أغمات. وله شعر صالح، وألّف في شرح «الأمثال» لأبي عبيد. [5 أ] روى عنه أبو عبد الله بن أبي الخصال، وأبو بكر ابن الخلوف، وأبو عبد الله بن أبي زيد.

وتوفّي بمرّاكش سنة إحدى عشرة وخمس مئة. ذكره ابن الملجوم

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 335 (1186)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 184، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 125.

(2) سماه: «البيان الواضح في العلم الفادح».

(3) في المطبوع من التكملة: «وصفه»، محرفة.

(4) التكملة 1/ 335 (1189)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 133، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 178، والمراكشي في الإعلام 4/ 50.
তিনি আবু দাউদের নিকট কিরাত পাঠ করেছেন এবং তিনি তাঁর প্রধান সঙ্গীদের অন্যতম ছিলেন। তাঁর নিকট থেকে আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি ইসহাক আল-লররি (কিরাত) গ্রহণ করেছেন। তিনি সফর করেন এবং কর্ডোভায় কিরাত শিক্ষা দেন।

তিনি পাঁচশত আট হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৩৮ - মুহাম্মদ(১) বিন আল-খালাফ বিন আল-হাসান বিন ইসমাঈল আস-সালাফি, তিনি

ইবনে আলকামা নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ আল-বালানসি
।

তিনি এর (ভ্যালেন্সিয়ার) একটি ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেছেন(২)। তিনি লেখালেখিতে সচেষ্ট ছিলেন, তবে তাঁর পদ্য ও গদ্য ছিল অপরিপক্ব। তাঁর রচনার বিন্যাসের ত্রুটি(৩) থাকা সত্ত্বেও মানুষ তাঁর ‘ইতিহাস’ গ্রন্থটি নকল করেছে।

তিনি পাঁচশত নয় হিজরি সনের শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স আশি বছর পার হয়েছিল।

 

‌‌৩৯ - মুহাম্মদ(৪) বিন আগলাব বিন আবি আদ-দাউস, আবু বকর আল-মুরসি।

তিনি আবু আল-হাজ্জাজ আল-আলাম, আল-মুবারক বিন সাঈদ আল-খাশ্শাব, আব্দুল দায়িম আল-কাইরাওয়ানি এবং আবু আলী আল-গাস্সানি থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে পণ্ডিত ছিলেন এবং তাঁর হস্তলিপি ছিল অতি চমৎকার। তিনি আল-মুতামিদ মুহাম্মদ বিন আব্বাদের দুই পুত্রকে শিক্ষা দান করেন। এরপর তিনি ফেজ-এ এবং পরবর্তীতে আগমতে বসবাস করেন। তাঁর কিছু সুন্দর কবিতা রয়েছে এবং তিনি আবু উবাইদের ‘আল-আমসাল’ গ্রন্থের একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেন। [৫ ক] তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ বিন আবিল খসাল, আবু বকর ইবনুল খালুফ এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি যাইদ।

তিনি পাঁচশত এগারো হিজরি সনে মারাকেশে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আল-মালজুম তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩৩৫ (১১৮৬); ইবনে আব্দুল মালিক ‘আদ-যাইল’ ৬/১৮৪-এ এবং আয-যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১১/১২৫-এ তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন।

(২) তিনি এর নামকরণ করেছেন: ‘আল-বায়ান আল-ওয়াদিহ ফিল ইলম আল-ফাদিহ’।

(৩) আত-তাকমিলার মুদ্রিত সংস্করণে ‘ওয়াছফুহু’ রয়েছে, যা বিকৃত পাঠ।

(৪) আত-তাকমিলা ১/৩৩৫ (১১৮৯); ইবনে আব্দুল মালিক ‘আদ-যাইল’ ৬/১৩৩-এ, আয-যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ ১১/১৭৮-এ এবং আল-মাররাকুশি ‘আল-ইলাম’ ৪/৫০-এ তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
وابن عزيز(1).

 

‌‌40 - محمد(2) بن عبد الملك، أبو عبد الله، من أهل المريّة.

ولي قضاءها.

وتوفّي في ذي الحجة سنة إحدى عشرة.

 

‌‌41 - محمد(3) بن محمد بن عليّ بن حكم الباهليّ، أبو عبد الله

القرقوبيّ، من أهل المريّة
.

سمع أبا خالد يزيد مولى المعتصم، وأبا عليّ الغسّانيّ، وغيرهما.

وحدّث ب «تقييد المهمل»(4) بالإسكندريّة، فسمع منه السّلفيّ، وأبو محمد العثمانيّ، وأخوه أبو الفضل، وحدّثوا عنه بالكتاب. وقد روى عنه بركات الخشوعيّ، يعني بالإجازة(5).

توفّي في رجب سنة اثنتي عشرة وخمس مئة.

 

‌‌42 - محمد(6) بن أحمد بن عبد الرّحمن الأنصاريّ المقرئ

الطّليطليّ، أبو عبد الله، ويعرف بابن قرقاشش(7)، نزل فاس
.

--------------------------------------------

(1) في المطبوع من التكملة: «عزير» آخره راء مهملة، مصحف، وقد قيده الذهبي في المشتبه 461 فقال: «وبالفتح وزايين. . . وعزيز بن فلان صاحب تاريخ المغاربة». فهو هذا، وتابعه العلامة ابن ناصر الدين في توضيح المشتبه 6/ 274.

(2) التكملة 1/ 336 (1190)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 411.

(3) التكملة 1/ 336 (1191)، وترجمه ابن الأبار في معجم أصحاب الصدفي (84)، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 199.

(4) تقييد المهمل وتمييز المشكل، لأبي علي الغساني، طبع.

(5) قوله «يعني بالإجازة» من زيادات الذهبي.

(6) التكملة 1/ 337 (1193)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 5/ 680، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 196، وابن القاضي في جذوة الاقتباس 1/ 275.

(7) هكذا بخط الذهبي هنا وفي تاريخ الإسلام، وفي المطبوع من التكملة: «فرقاشش» -
এবং ইবনে আজিজ(১)।

 

‌‌৪০ - মুহাম্মাদ(২) বিন আব্দুল মালিক, আবু আব্দুল্লাহ, আল-মুরিয়া অধিবাসী।

তিনি সেখানকার বিচারকের (কাযী) দায়িত্ব পালন করেছেন।

এবং তিনি পাঁচশ এগারো হিজরী সনের জিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌৪১ - মুহাম্মাদ(৩) বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন হাকাম আল-বাহিলি, আবু আব্দুল্লাহ

আল-কারকুবি, আল-মুরিয়া অধিবাসী
।

তিনি আল-মুতাসিমের মুক্তদাস আবু খালিদ ইয়াযিদ, আবু আলী আল-গাসসানি এবং অন্যদের থেকে (হাদিস) শুনেছেন।

তিনি আলেকজান্দ্রিয়ায় 'তাকয়ীদুল মুহমাল'(৪) বর্ণনা করেছেন; তাঁর থেকে আস-সালাফি, আবু মুহাম্মাদ আল-উসমানি এবং তাঁর ভাই আবু আল-ফজল শুনেছেন এবং তারা তাঁর সূত্রে কিতাবটি বর্ণনা করেছেন। বারাকাত আল-খুশুয়ী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, অর্থাৎ ইজাজতের (অনুমতি) মাধ্যমে(৫)।

তিনি পাঁচশ বারো হিজরী সনের রজব মাসে ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌৪২ - মুহাম্মাদ(৬) বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আল-আনসারি আল-মুকরি

আত-তুলাইতুলি, আবু আব্দুল্লাহ, তিনি ইবনে কারকাশাশ(৭) নামে পরিচিত, তিনি ফাস শহরে বসতি স্থাপন করেন
।

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলার মুদ্রিত কপিতে: 'আযীর' শেষে বিন্দুহীন 'রা' সহকারে, যা একটি লিখনগত ভুল। আয-যাহাবী একে 'আল-মুশতাবিহ' ৪৬১ পৃষ্ঠায় স্পষ্ট করে বলেছেন: "ফাতহা এবং দুটি 'যা' সহকারে... এবং ইবনে আজিজ বিন অমুক, যিনি তারিখুল মাগারিবাহ এর লেখক।" সুতরাং তিনি এই ব্যক্তিই। আল্লামা ইবনে নাসিরুদ্দীন 'তাওজিহুল মুশতাবিহ' ৬/২৭৪ এ তাঁর অনুসরণ করেছেন।

(২) আত-তাকমিলা ১/৩৩৬ (১১৯০), এবং ইবনে আব্দুল মালিক 'আয-যাইল' ৬/৪১১ এ তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।

(৩) আত-তাকমিলা ১/৩৩৬ (১১৯১), ইবনুল আব্বার 'মু'জাম আসহাবু আস-সাদাফি' (৮৪) তে এবং আয-যাহাবী 'তারিখুল ইসলাম' ১১/১৯৯ এ তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।

(৪) আবু আলী আল-গাসসানির 'তাকয়ীদুল মুহমাল ওয়া তাময়ীজুল মুশকিল', মুদ্রিত।

(৫) তাঁর উক্তি 'অর্থাৎ ইজাজতের মাধ্যমে' আয-যাহাবীর অতিরিক্ত সংযোজন।

(৬) আত-তাকমিলা ১/৩৩৭ (১১৯৩), ইবনে আব্দুল মালিক 'আয-যাইল' ৫/৬৮০ তে, আয-যাহাবী 'তারিখুল ইসলাম' ১১/১৯৬ তে এবং ইবনুল কাযী 'জাযওয়াতুল ইকতিবাস' ১/২৭৫ এ তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন।

(৭) এখানে এবং 'তারিখুল ইসলাম'-এ আয-যাহাবীর হস্তলিপিতে এভাবেই আছে, আর আত-তাকমিলার মুদ্রিত কপিতে রয়েছে: 'ফারকাশাশ' -
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٣١)
وكان مقرئا ماهرا، صنّف في القراءات السّبعة مختصرا. وأخذ عن المغاميّ، وأبي الحسن ابن الإلبيريّ ببلده. وأخذ عنه أبو إسحاق الغرناطيّ لمّا قدم غرناطة، وأقرأ بها في سنة اثنتي عشرة وخمس مئة.

 

‌‌43 - محمد(1) بن حسين بن أبي بكر، أبو بكر الحضرميّ الدّانيّ،

المعروف بابن الحنّاط
.

تفقّه بأبيه، وسمع من أبي داود المقرئ، وأبي عليّ الغسّاني. ودرّس، وشوور، ونوظر عليه في «المدوّنة»، وهو من بيت علم وصلاح. أخذ عنه أبو الحسن بن أبي غالب، وأبو عبد الله بن عيسى، وأبو الحجّاج بن سماجة.

توفّي في جمادى الآخرة سنة أربع عشرة(2).

 

‌‌44 - محمد(3) بن أحمد بن فرناس، أبو عبد الله الغرناطيّ.

سمع من أبي العبّاس العذريّ، وأبي عبد الله ابن المرابط، وأبي عبد الله الحمزي. وأجاز له أبو الوليد الباجيّ.

وكان مقرئا نحويّا. روى عنه أبو جعفر ابن الباذش، ويوسف بن أبي عيشون، وأبو العبّاس ابن البراذعي.

توفّي بالمريّة سنة سبع عشرة وخمس مئة.

 

‌‌45 - [5 ب] محمد(4) بن وهب بن محمد بن وهب، أبو عبد الله، ابن

نوح الغافقيّ
.

--------------------------------------------

= أوله فاء، وهو الصواب لأنه مجود في النسخ الخطية من التكملة ومصحح عليه.

(1) التكملة 1/ 339 (1202)، وترجمه ابن الأبار في معجم أصحاب الصدفي (85)، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 171، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 225.

(2) يعني: وخمس مئة.

(3) التكملة 1/ 340 (1207)، وترجمه ابن عبد الملك في الذيل 6/ 21، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 279.

(4) التكملة 1/ 341 (1211)، وترجمه الذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 298.
তিনি একজন দক্ষ ক্বারী ছিলেন, সাত ক্বিরাতের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি মাগামী এবং নিজ শহরের আবুল হাসান ইবনুল ইলবিরীর নিকট ইলম অর্জন করেন। আবু ইসহাক আল-গারনাতি যখন গ্রানাডায় আসেন, তখন তাঁর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং তিনি সেখানে পাঁচশত বারো হিজরি সনে ক্বিরাত শিক্ষা দেন।

 

‌‌৪৩ - মুহাম্মদ(১) বিন হুসাইন বিন আবু বকর, আবু বকর আল-হাদরামি আদ-দানি,

ইবনুল হান্নাত নামে পরিচিত
।

তিনি তাঁর পিতার নিকট ফিকহ শিক্ষা করেন এবং আবু দাউদ আল-মুকরি ও আবু আলী আল-গাস্সানি থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি অধ্যাপনা করেন, পরামর্শ প্রদান করেন এবং তাঁর নিকট 'আল-মুদাওওয়ানা' গ্রন্থের ওপর তাত্ত্বিক আলোচনা ও বিতর্ক অনুষ্ঠিত হতো; তিনি একটি ইলমি ও নেককার পরিবারের সদস্য ছিলেন। আবুল হাসান বিন আবু গালিব, আবু আব্দুল্লাহ বিন ঈসা এবং আবু হাজ্জাজ বিন সামাজাহ তাঁর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

তিনি পাঁচশত চৌদ্দ(২) হিজরি সনের জমাদিউল আখের মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৪৪ - মুহাম্মদ(৩) বিন আহমদ বিন ফিরনাস, আবু আব্দুল্লাহ আল-গারনাতি।

তিনি আবুল আব্বাস আল-উযরি, আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল মুরাবিত এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হামজি থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। আবু ওয়ালিদ আল-বাজি তাঁকে ইজাজত প্রদান করেন।

তিনি একজন ক্বারী ও ব্যাকরণবিদ ছিলেন। আবু জাফর ইবনুল বাযিশ, ইউসুফ বিন আবু আইশুন এবং আবুল আব্বাস ইবনুল বারাজি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি পাঁচশত সতেরো হিজরি সনে আল-মেরিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৪৫ - [৫ বি] মুহাম্মদ(৪) বিন ওয়াহাব বিন মুহাম্মদ বিন ওয়াহাব, আবু আব্দুল্লাহ, ইবনে

নুহ আল-গাফেকি
।

--------------------------------------------

= শুরুতে ফা রয়েছে, আর এটিই সঠিক। কারণ 'আত-তাকমিলা'র পাণ্ডুলিপিগুলোতে এভাবেই স্পষ্টভাবে লিখিত আছে এবং এটিই সংশোধিত।

(১) আত-তাকমিলা ১/ ৩৩৯ (১২০২); ইবনুল আব্বার তাঁর 'মু'জাম আসহাবু আস-সালাফি' (৮৫) গ্রন্থে, ইবনে আব্দুল মালিক 'আয-যাইল' ৬/ ১৭১ গ্রন্থে এবং আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১১/ ২২৫ গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(২) অর্থাৎ: পাঁচশত (হিজরি)।

(৩) আত-তাকমিলা ১/ ৩৪০ (১২০৭); ইবনে আব্দুল মালিক 'আয-যাইল' ৬/ ২১ গ্রন্থে এবং আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১১/ ২৭৯ গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।

(৪) আত-তাকমিলা ১/ ৩৪১ (১২১১); আয-যাহাবি 'তারিখুল ইসলাম' ১১/ ২৯৮ গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুস্তামলাহ মিন কিতাবিত তাকমিলাহ (পৃষ্ঠা: ٣٢)
كان فقيها مشاورا معظّما يرعاه السّلطان ويأتمنه على قصره وحرمه.

خرج من وطنه بسرقسطة بعد أن أخذته الروم، فنزل بلنسية.

وولي قضاء جزيرة شقر، وبها توفّي في صفر سنة ثمان عشرة وخمس مئة. حدّث عنه ابنه أيّوب.

 

‌‌46 - محمد(1) بن طاهر الدّانيّ.

[ذكره ابن عساكر](2) في «تاريخ دمشق»، ولم يذكر أنه سمع من أبي داود المقرئ.

توفّي ببغداد سنة تسع عشرة.

 

‌‌47 - محمد(3) بن عبد الرّحمن بن موسى بن عياض، أبو عبد الله

المخزوميّ الشاطبيّ المقرئ المنتشيّ(4)؛ نسبة إلى قرية
.

أخذ القراءات عن أبي داود، وابن الدّوش، وابن شفيع، وأبي القاسم ابن النّحاس، ومنصور بن الخير، وشريح بن محمد، وأبي الأصبغ عيسى.

وسمع من أبي عبد الله بن خليفة، وأبي عليّ الصّدفي. وسمع سنة ثلاث

--------------------------------------------

(1) التكملة 1/ 341 (1214)، وترجمه ابن عساكر في تاريخ دمشق 53/ 284، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 233، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 305، والصفدي في الوافي 3/ 168، والسيوطي في بغية الوعاة 1/ 120، والمقري في نفح الطيب 2/ 142.

(2) ما بين الحاصرتين مني للتوضيح.

(3) التكملة 1/ 342 (1215)، وترجمه ياقوت في «منتيشة» من معجم البلدان 5/ 207 - 208، وابن الأبار في معجم أصحاب الصدفي (90)، وابن عبد الملك في الذيل 6/ 366، والذهبي في تاريخ الإسلام 11/ 305.

(4) هكذا بخط المؤلف هنا وفي تاريخ الإسلام أيضا، وذكر أنها نسبة إلى «المنتشية». وفي التكملة: «المنتيشي»، وهو الصواب، فقد ذكر ياقوت في معجم البلدان «منتيشة» بالفتح ثم السكون وكسر التاء ثالث الحروف وياء آخر الحروف ثم شين معجمة، وقال: مدينة بالأندلس قديمة من أعمال كورة جيان. . . وقيل: إنها من قرى شاطبة. ثم نسب أبا عبد الله محمد بن عبد الرحمن هذا إليها.
তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত পরামর্শদাতা ফকিহ, যাঁকে সুলতান বিশেষ যত্ন নিতেন এবং তাঁর প্রাসাদ ও অন্তপুরবাসীদের বিষয়ে তাঁর ওপর আস্থা রাখতেন।

রোমানরা সারগোসা দখল করে নেওয়ার পর তিনি তাঁর স্বদেশ ত্যাগ করেন এবং ভ্যালেন্সিয়ায় অবতরণ করেন।

তিনি জাজিরাত শুকুর-এর বিচারক নিযুক্ত হন এবং সেখানেই ৫১৮ হিজরির সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পুত্র আইয়ুব তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌৪৬ - মুহাম্মদ(১) বিন তাহির আদ-দানি।

[ইবনে আসাকির তাঁকে উল্লেখ করেছেন](২) «তারিখু দিমাশক» গ্রন্থে, তবে তিনি আবু দাউদ আল-মুকরি থেকে শুনেছেন বলে উল্লেখ করেননি।

তিনি ৫১৯ হিজরিতে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌৪৭ - মুহাম্মদ(৩) বিন আব্দুর রহমান বিন মুসা বিন ইয়াজ, আবু আব্দুল্লাহ

আল-মাখজুমি আশ-শাতিবি আল-মুকরি আল-মানতাশি; একটি গ্রামের সাথে সম্পৃক্ততা
।

তিনি আবু দাউদ, ইবনুদ দুশ, ইবনু শাফি, আবুল কাসিম ইবনুন্নাহহাস, মনসুর ইবনুল খায়ের, শুরাইহ বিন মুহাম্মদ এবং আবু আসবাগ ঈসার নিকট থেকে ক্বিরাত গ্রহণ করেছেন।

তিনি আবু আব্দুল্লাহ বিন খলিফা ও আবু আলী আস-সাফি থেকে শুনেছেন। তিনি (হিজরি) তিন সালে শুনেছেন...

--------------------------------------------

(১) আত-তাকমিলা ১/৩৪১ (১২১৪); ইবনে আসাকির তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন তারিখু দিমাশক ৫৩/২৮৪-এ, ইবনে আব্দুল মালিক আদ-দাইল ৬/২৩৩-এ, আয-যাহাবি তারিখুল ইসলাম ১১/৩০৫-এ, আস-সাফাদি আল-ওয়াফি ৩/১৬৮-তে, আস-সুয়ূতি বুগইয়াতুল উয়াত ১/১২০-এ এবং আল-মাকারি নাফহুত তিব ২/১৪২-এ।

(২) বন্ধনীভুক্ত অংশটি স্পষ্টীকরণের জন্য আমার পক্ষ থেকে সংযোজিত।

(৩) আত-তাকমিলা ১/৩৪২ (১২১৫); ইয়াকুত তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন মুজামুল বুলদান ৫/২০৭-২০৮-এর ‘মানতিশা’ অংশে, ইবনুল আব্বার মুজামু আসহাবিস সাফি (৯০)-এ, ইবনে আব্দুল মালিক আদ-দাইল ৬/৩৬৬-এ এবং আয-যাহাবি তারিখুল ইসলাম ১১/৩০৫-এ।

(৪) লেখকের হস্তলিপিতে এখানে এবং তারিখুল ইসলামেও এভাবেই আছে; তিনি উল্লেখ করেছেন যে এটি ‘আল-মানতাশিয়াহ’-এর দিকে নিসবত বা সম্পৃক্ততা। আত-তাকমিলা গ্রন্থে আছে: ‘আল-মানতিশি’, যা সঠিক। ইয়াকুত মুজামুল বুলদান গ্রন্থে ‘মানতিশা’ উল্লেখ করেছেন (প্রথমে ফাতহা, এরপর সুকুন, তৃতীয় বর্ণ তা-তে কাসরা, শেষে ইয়া এবং এরপর শিন মুজামাহ)। তিনি বলেন: এটি আন্দালুসের একটি প্রাচীন শহর যা জায়ান প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত... এবং বলা হয় যে এটি শাতিবার গ্রামসমূহের অন্তর্ভুক্ত। এরপর তিনি এই আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমানকে এর দিকেই সম্পৃক্ত করেছেন।