(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: -)
معجم البدع   (رائد بن أبي علفة)

القسم: الفرق والردود


الكتاب: معجم البدع

المؤلف: رائد بن صبري بن أبي علفة

الناشر: دار العاصمة لِلنَّشْرِ وَالتَّوزيع

الطبعة: الأولى، 1417 هـ - 1996 م

عدد الصفحات: 680

أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 24 ربيع الآخر 1437

বিদআতের অভিধান   (রায়েদ বিন আবি আলফা)

বিভাগ: ফিরকা ও খণ্ডন


গ্রন্থ: বিদআতের অভিধান

লেখক: রায়েদ বিন সাবরি বিন আবি আলফা

প্রকাশক: দারুল আসিমাহ প্রকাশনী ও পরিবেশনী

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৮০

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: অনুলিপিকারক সমিতির (রাবেতাতুন নাসসাখ) দল, সৌজন্যে: (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৭

(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২)
مُعْجَمُ البِدَع

(يَحْتَوى عَلَى مَا وَقَعَ لِلْمُصَنِّفِ مِمَّا قِيْلَ فِيْهِ إِنَّهُ بِدْعَةٌ)

 

تَأليف

رائد بن صبري بن أبي علفة

 

دار العاصمة

لِلنَّشْرِ وَالتَّوزيع
বিদআত কোষ

(এতে সংকলিত হয়েছে সেসব বিষয় যা গ্রন্থকারের নিকট এমন বিষয় হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে যেগুলোকে বিদআত বলা হয়েছে)

 

গ্রন্থনায়

রায়েদ বিন সাবরি বিন আবি আলফাহ

 

দারুল আসিমাহ

প্রকাশনা ও পরিবেশনা
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৪)
حقوق الطبع مَحْفُوظة

الطَّبعَة الأولى

1417 هـ - 1996 م

 

دار العاصمة

المملكة العربية السعودية

الرياض - ص ب 43507 - الرمز البريدي 11551

هاتف 4915154 - 4933318 - فَاكس 4915154
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ

 

দারুল আসিমাহ

সৌদি আরব রাজ্য

রিয়াদ - পো. বক্স ৪৩৫০৭ - পোস্টাল কোড ১১৫৫১

টেলিফোন: ৪৯১৫১৫৪ - ৪৯৩৩৩১৮ - ফ্যাক্স: ৪৯১৫১৫৪
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

إنَّ الحمد لله؛ نحمدُه ونستعينه، ونستغفرُه، ونعوذُ بِاللهِ من شرورِ أنفُسنا، ومِنْ سيِّئاتِ أعمالِنا، مَنْ يهدِهِ اللهُ، فلا مُضِلَّ لهُ، ومَنْ يُضلِلْ؛ فلا هادي له.

وأشهدُ أنْ لا إلهَ إلَّا اللهُ وحده لا شريكَ له.

وأشهدُ أنّ محمدًا عبدُهُ ورسولهُ.

{يَا أيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إلَّا وأنْتُمْ مُسْلِمُون} [سورة آل عمران: آية 102].

{يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} [النساء: آية 1]

{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: آية 70، 71]

أما بعدُ:

فإنَّ أصدَقَ الحديثِ كتابُ اللهِ، وخيْرَ الهَدْيِ هدْيُ محمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، وشَرَّ الأمورِ مُحْدثاتُها، وكُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدعةٌ، وكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلالةٌ، وكُلَّ ضلالةٍ في النَّارِ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই।

আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।” [সূরা আল-ইমরান: আয়াত ১০২]

“হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের সেই রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদের একটি প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে বহু নর ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট যাচ্ঞা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।” [সূরা আন-নিসা: আয়াত ১]

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।” [সূরা আল-আহজাব: আয়াত ৭০-৭১]

অতঃপর:

নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী হলো আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম পথনির্দেশ হলো মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পথনির্দেশ। আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো (দ্বীনের মধ্যে) নবউদ্ভুদ বিষয়সমূহ এবং প্রতিটি নবউদ্ভুদ বিষয়ই বিদআত, আর প্রতিটি বিদআত হলো ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৬)
وبعد: فإن موضوع البدعة من الأمور الهامَّة جدًا، ولقد دأب علماؤنا وأسلافنا منذ الصدر الأول على محاربتها والتحذير منها، عملًا بمقتضى الآيات القرآنية والأحاديث النبوية، فقاموا عليها بسيوف قاطعة، مرهفةٍ باترةٍ، فاجتثوا شجرتها وكسروا شوكتها، فانحسرت غمومها وانقشعت همومها، وطهروا منها البلاد، وأنقذوا منها العباد.

إلا أنها عادت ونمت، وظهرت وانتشرت، وغزى خطرها البوادي والأمصار، واختلط أمرها على كثير من الأخيار، فأصبحوا لا يميزون بينها وبين سنة سيد الأبرار، ولما رأيت الأمر هكذا؛ أخذت لهذا الأمر أهبته وعملت منذ سنين عدة تنوف عن السبعة على جمعها؛ لكي يكون المسلم على حذر منها ويتقيها، من باب قول الشاعر:

عرفت الشر لا للشر … لكن لتوقّيه

ومن لم يعرف الخير … من الشر يقع فيه

وأصل هذا المعنى مستقى من السنة؛ فقد قال حذيفة بن اليمان -رضي"الله عنه-: "كان الناس يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الخير، وكنت أساله عن الشر مخافة أن يدركني .... ". لحديث أخرجه البخاري ومسلم.

وكانت بداية هذا الكتاب عبارة عن سؤال وجهته لشيخنا الألباني مستفسرًا فيه عن كتابه "قاموس البدع" فأجاب -حفظه الله- بشيء من حزن وألم بدى على وجهه أنه فقده أثناء ترحله. وشمرت منذ ذاك الوقت عن ساعد الجد، وأخذت أفتش وأنبش في بطون الكتب والأمَّات، وبين
এরপর: নিশ্চয়ই বিদআতের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম যুগ থেকেই আমাদের ওলামায়ে কেরাম ও পূর্বসূরিগণ পবিত্র কুরআনের আয়াত ও নববী হাদিসের নির্দেশ অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে এবং এ থেকে সতর্ক করতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। তাঁরা এর বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ ও ধারালো তলোয়ার নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, ফলে তাঁরা এর বৃক্ষকে সমূলে উৎপাটন করেছেন এবং এর প্রভাব চূর্ণ করেছেন। এতে এর অন্ধকার দূরীভূত হয়েছে, এর গ্লানি অপসৃত হয়েছে এবং তাঁরা এর হাত থেকে জনপদসমূহকে পবিত্র করেছেন ও বান্দাদের রক্ষা করেছেন।

কিন্তু পরবর্তীতে এটি পুনরায় ফিরে এসেছে এবং বিস্তার লাভ করেছে, এটি প্রকট হয়েছে ও ছড়িয়ে পড়েছে। এর বিপদ মরুপ্রান্তর ও লোকালয়গুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক নেককার মানুষের কাছেও বিষয়টি অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে। ফলে তারা বিদআত এবং পুণ্যবানদের সরদার (রাসূলুল্লাহ ﷺ)-এর সুন্নাহর মধ্যে পার্থক্য করতে পারছিল না। যখন আমি বিষয়টি এমন দেখলাম, তখন এর জন্য যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করলাম এবং সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে এগুলো সংগ্রহ করতে কাজ করলাম; যাতে একজন মুসলিম এ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে পারে এবং এটি পরিহার করতে পারে—কবির এই উক্তির আলোকে:

আমি মন্দের পরিচয় জেনেছি মন্দের জন্য নয় … বরং তা থেকে বেঁচে থাকার জন্য

আর যে ব্যক্তি মন্দের বিপরীতে ভালোকে চিনে না … সে মন্দের মধ্যেই নিপতিত হয়

এই ভাবার্থের মূল উৎস সুন্নাহ থেকে গৃহীত। হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "মানুষ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কল্যাণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করত, আর আমি তাঁকে অকল্যাণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যে, তা যেন আমাকে পেয়ে না বসে...।" (বুখারি ও মুসলিম কর্তৃক সংকলিত হাদিস)।

এই বইটির সূচনা হয়েছিল আমাদের শায়খ আলবানীকে করা একটি প্রশ্নের মাধ্যমে, যেখানে আমি তাঁর ‘কামুসুল বিদা’ (বিদআতের অভিধান) গ্রন্থটি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। তিনি (আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন) কিছুটা দুঃখ ও বেদনার সাথে—যা তাঁর চেহারায় ফুটে উঠেছিল—উত্তর দিলেন যে, তাঁর সফরের সময় তিনি সেটি হারিয়ে ফেলেছেন। সেই সময় থেকেই আমি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কোমর বেঁধে নামলাম এবং বড় বড় মৌলিক কিতাবসমূহের ভেতরে অনুসন্ধান ও গবেষণা শুরু করলাম, এবং...
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৭)
ثنايا السطور والكلمات، حتى تجمعت لدى منها الكثير، فأصبح العمل فيها عسيرًا، فلم أبالي لذلك، وأخذت بترتيبه وتنسيقه حتى غدا كالدرر البهية، وكالأزهار الزهية.

 

‌‌منهاج العمل في الكتاب

كنت قد عزمت أن أضمن مقدمه كتابي هذا مبحثًا عن حقيقة البدعة -أحكامها وأصولها- فوجدت نفسي أمام مبحث طويل وعريض يحتاج لمجلدةً أو أكثر، وقلت في نفسي: إن طرق هذا الموضوع بالصورة التي كانت في مخيلتي سوف تطل من مادة الكتاب، وتخرجه عن مقصودنا، سيما أن هذا الموضوع قد أشبع بحثًا وعرضًا، ولو لم يكن في الباب إلا كتاب "الاعتصام" للشاطبي لكفى، فقد أصل فيه أصولها، وقعّد فيه قواعدها، وكل من صنف بعده في هذا الباب إما مقتبس منه أو ناقل عنه.

لذا رأيت أن أذكر كل ما يتعلق بموضوع البدعة -أصول وفروع- في باب البدعة من حرف الباء، فكنت أنقل موضوع البدعة من الكتاب الذي أستخرجها منه بنصه أو معناه، ثم أعقبها بالإشارة إلى رقم الجزء والصفحة منه وهكذا.

• قمت بترتيب كلمات الكتاب على نسق حروف المعجم فرددت كلماته إلى أصلها، وجردتها عن زوائدها، ثم رتبتها على حسب أول حرف منها، إلا أنني خرجت أحيانًا عن هذا الترتيب، فجعلت لها إحالات تُصْلح ما خرج عن هذا التبويب، فخرج بذلك عن حيز الإشْكال والإعضال، واستقر بعد ذلك في ميزان الاعتدال، وأصبح سهل المنال بين
ছত্রে ছত্রে এবং শব্দের ভাঁজে ভাঁজে, এভাবে আমার কাছে প্রচুর উপকরণ জমা হয়ে গেল, ফলে এর ওপর কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ল। তবে আমি তাতে দমে যাইনি; বরং এর বিন্যাস ও সুশৃঙ্খল বিন্যাসে মনোনিবেশ করলাম, অবশেষে তা উজ্জ্বল মুক্তোর ন্যায় এবং প্রস্ফুটিত পুষ্পের মতো বিকশিত হলো।

 

‌‌গ্রন্থের কর্মপদ্ধতি

আমি আমার এই গ্রন্থের ভূমিকায় বিদআতের স্বরূপ—এর বিধানাবলি ও মূলনীতিসমূহ—সংক্রান্ত একটি তাত্ত্বিক আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করার সংকল্প করেছিলাম। কিন্তু আমি নিজেকে এক দীর্ঘ ও বিস্তৃত গবেষণার সামনে দেখতে পেলাম, যার জন্য এক বা একাধিক খণ্ডের প্রয়োজন। তখন আমি মনে মনে বললাম: এই বিষয়টি আমার কল্পনায় যেভাবে ছিল সেভাবে অবতারণা করলে তা গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তুকে ছাপিয়ে যাবে এবং আমাদের মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত করবে; বিশেষ করে এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে প্রচুর গবেষণা ও উপস্থাপনা করা হয়েছে। এই পরিচ্ছেদে যদি ইমাম শাতিবির ‘আল-ইতিসাম’ গ্রন্থটি ছাড়া আর কিছু নাও থাকত, তবে সেটিই যথেষ্ট হতো। কেননা, তিনি এতে বিদআতের মূলনীতিসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং এর নিয়মাবলি নির্ধারণ করেছেন। তাঁর পরে এই বিষয়ে যারা গ্রন্থ রচনা করেছেন, তারা হয় তাঁর থেকে নির্যাস গ্রহণ করেছেন অথবা তাঁর বক্তব্যই উদ্ধৃত করেছেন।

তাই আমি বিদআত বিষয়ক যা কিছু আছে—মূলনীতি ও শাখা-প্রশাখা—তা ‘বা’ বর্ণের অধীনে ‘বিদআত’ অধ্যায়ে উল্লেখ করা সমীচীন মনে করলাম। আমি যে গ্রন্থ থেকে বিদআতের বিষয়টি চয়ন করেছি, তা হুবহু শব্দে অথবা মূল ভাবার্থ অনুযায়ী উদ্ধৃত করেছি, এরপর খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করে তার অনুসরণ করেছি; এভাবেই পুরো কাজটি সম্পন্ন হয়েছে।

• আমি গ্রন্থের শব্দগুলোকে অভিধানের ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি। এক্ষেত্রে আমি শব্দগুলোকে তাদের মূল ব্যুৎপত্তিতে ফিরিয়ে নিয়েছি এবং অতিরিক্ত বর্ণগুলো বর্জন করেছি; অতঃপর সেগুলোকে আদ্যক্ষর অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে সাজিয়েছি। তবে কখনো কখনো আমি এই নিয়মের কিছুটা ব্যতিক্রম করেছি, যার সংশোধনের জন্য আমি এমন সব নির্দেশক সূত্র প্রদান করেছি যা এই বিন্যাসের বিচ্যুতিকে সংশোধন করে দেয়। এর ফলে বিষয়টি অস্পষ্টতা ও জটিলতার গণ্ডি থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় স্থিত হয়েছে; ফলে তা এখন সকলের জন্য অতি সহজেই আয়ত্তযোগ্য হয়ে উঠেছে...
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৮)
أيدي الرجال، فالحمد لله الذي رفع بِمَنِّهِ عنا الأصر والاغلال.

• بعد ذلك ذكرت البدعة إما بنصها أو بمعناها، وعقبتها بذكر المصادر والمراجع التي استخرجتها منها مع الإشارة إلى رقم الجزء والصفحة وهكذا، وهذه من مميزات الكتاب التي وفرت مادةَ غزيرة وعزيزة للباحث والطالب، وهوّنت عليه الكثير من المصاعب والمتاعب، فما عليه إلا أن يستخرج البدعة وحينئذ يجد موضوعه سهل المنال، من غير عنت ولا تعب للبال.

• والبدعة التي تحتمل أكثر من معنى قمت بتكريرها حسب الموضوع التي تندرج تحته، وأحيانًا أتبعها بإحالة أقول فيها: انظر كذا وكذا، من غير إعادة ولا تكرار لها.

• ضمنت كتابى هذا ذكر الكتب التي احتوت على البدعة، ودعت إليها، وذلك تحت حرف الكاف؛ لكي يكون المسلم على حذر منها، فلا يقع في حبائل مصايدها، وهذا لا يعني أن كل من ذكرنا له كتابًا في هذا الباب أن كتابه لا يخلو من نفع وفائدة، إلا أن البدعة قد خالطت ذاك النفع فاختلط الحابل فيها بالنابل والغث بالسمين، كما وقع ذلك في كتب الغزالي وغيره.

• ضمنت كتابي هذا كل ما قيل فيه إنه بدعة فدخل فيه جملة من المعاصي التي أطْلق عليها مسمى البدعة، وقد كان لي وجه في ضمها لمصنفي هذا، فمن المعلوم أن البدعة تتباين وتختلف في مراتبها، إذْ أنها ليست على رتبة واحدة، لهذا قال الشاطبي في "الاعتصام" (2/ 36 - 37):
মানুষের হাত থেকে; সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি স্বীয় অনুগ্রহে আমাদের থেকে কঠিন বোঝা ও শৃঙ্খলসমূহ অপসারিত করেছেন।

• এর পরে আমি বিদআতটি হয় শব্দে শব্দে অথবা এর মূল মর্মার্থ সহকারে উল্লেখ করেছি। এরপর আমি সেই উৎস ও সূত্রগুলো উল্লেখ করেছি যেখান থেকে আমি এটি সংগ্রহ করেছি, সেই সাথে খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বরও নির্দেশ করেছি। এটি এই কিতাবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রচুর ও মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করেছে এবং তাদের জন্য অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম লাঘব করেছে। এখন তাদের কাজ শুধু সংশ্লিষ্ট বিদআতটি খুঁজে বের করা, আর তখনই তারা কোনো প্রকার ক্লান্তি বা মানসিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই তাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি হাতের নাগালে পেয়ে যাবে।

• যে সকল বিদআতের একাধিক অর্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, আমি সেগুলো যে বিষয়ের অধীনে অন্তর্ভুক্ত হয় সেই অনুযায়ী পুনরাবৃত্তি করেছি। আবার কখনো কখনো আমি সেটির সাথে হাওয়ালা বা সূত্র যুক্ত করে দিয়েছি যেখানে বলেছি: 'অমুক অমুক স্থানে দেখুন', যাতে করে অহেতুক পুনরুক্তি বা পুনরাবৃত্তি না হয়।

• আমি আমার এই গ্রন্থে সেই সকল কিতাব বা বইয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছি যেগুলোতে বিদআত রয়েছে এবং যেগুলোতে বিদআতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে; এগুলোকে আমি 'কাফ' বর্ণের অধীনে বিন্যস্ত করেছি, যাতে মুসলিমরা এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে পারে এবং এগুলোর ফাঁদে পা না দেয়। এর অর্থ এই নয় যে, আমরা এখানে যে সমস্ত কিতাবের উল্লেখ করেছি তাতে কোনো উপকার বা ফায়দা নেই; বরং মূল বিষয় হলো, বিদআত সেই উপকারের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে তাতে ভালো ও মন্দের পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে, যেমনটি ইমাম গাজালি ও অন্যদের কিতাবে ঘটেছে।

• আমি আমার এই গ্রন্থে এমন সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছি যা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে তা বিদআত। ফলে এতে এমন কিছু পাপাচারও স্থান পেয়েছে যেগুলোকে 'বিদআত' নামে অভিহিত করা হয়েছে। আমার এই সংকলনে সেগুলো যুক্ত করার পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল। কেননা এটি সর্বজনবিদিত যে, বিদআতের স্তর ও শ্রেণিবিভাগ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে; কারণ বিদআত সব সময় একই পর্যায়ের হয় না। এই কারণেই ইমাম শাতিবি তাঁর "আল-ইতিসাম" (২/ ৩৬-৩৭) গ্রন্থে বলেছেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৯)
بعدما ذكر أقسام الأحكام الخمسة ما مفاده:

"فإذا خرج عن هذا التقسيم ثلاثة أقسام: قسم الوجوب، وقسم الندب، وقسم الإباحة. انحصر النظر فيما بقى وهو الذي ثبت من التقسيم، غير أنَه ورد النهى عنها على وجه واحد، ونسبته إلى الضلالة واحدة. في قوله: "إياكم ومحدثات الأمور؛ فإن كل بدعة ضلالة، وكل ضلالة في النَّار" وهذا عام في كل بدعة، فيقع السؤال: هل لها حكم واحد أم لا؟

فنقول: ثبت في الأصول أن الأحكام الشرعية خمسة، نخرج عنها الثلاثة، فيبقى حكم الكراهية وحكم التحريم، فاقتضى النظر انقسام البدع إلى القسمين، فمنها بدعة محرمة، ومنها بدعة مكروهة، وذلك أنها داخلة تحت جنس المنهيات لا تعدو الكراهة والتحريم، فالبدع كذلك هذا وجه.

ووجه ثان: أن البدع إذا تُؤُمِّلَ معقولها وجدت رتبها متفاوتة؛ فمنها ما هو كفر صراح، كبدعة الجاهلية التي نبه عليها القرآن، كقوله {وَجَعَلُوا لِلَّهِ مِمَّا ذَرَأَ مِنَ الْحَرْثِ وَالْأَنْعَامِ نَصِيبًا فَقَالُوا هَذَا لِلَّهِ بِزَعْمِهِمْ وَهَذَا لِشُرَكَائِنَا} الآية، وقوله تعالى: {وَقَالُوا مَا فِي بُطُونِ هَذِهِ الْأَنْعَامِ خَالِصَةٌ لِذُكُورِنَا وَمُحَرَّمٌ عَلَى أَزْوَاجِنَا وَإِنْ يَكُنْ مَيْتَةً فَهُمْ فِيهِ شُرَكَاءُ} وقوله تعالى: {مَا جَعَلَ اللهُ مِنْ بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ}، وكذلك بدعة المنافقين حيث اتخذوا الدين ذريعة لحفظ النفس والمال، وما أشبه ذلك مما لا يشك أنه كفر صراح.

ومنها ما هو من المعاصي التي ليست بكفر، أو يختلف: هل هي كفر أم لا؟ كبدعة الخوارج والقدرية والمرجئة ومن أشبههم من الطرق الضالة.
শরীয়তের বিধানের পাঁচটি প্রকার বর্ণনার পর এর সারসংক্ষেপ হলো:

"সুতরাং এই বিভাগ থেকে যদি তিনটি প্রকার—আবশ্যকতা (ওয়াজিব), পছন্দনীয়তা (মানদুব) এবং বৈধতা (ইবাহাত)—বাদ দেওয়া হয়, তবে দৃষ্টি কেবল অবশিষ্টগুলোর উপরই নিবদ্ধ থাকে যা এই বিভাজনে প্রমাণিত। তবে এগুলোর ব্যাপারে এক প্রকারেই নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে এবং সবগুলোকে একইভাবে ভ্রষ্টতা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। যেমন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী: 'তোমরা নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ থেকে বেঁচে থাকো; কারণ প্রতিটি বিদআত (নব উদ্ভাবন) হলো ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।' এটি প্রতিটি বিদআতের ক্ষেত্রেই সাধারণ বা ব্যাপক। ফলে প্রশ্ন জাগে: এগুলোর কি একটিই বিধান (হুকুম), নাকি ভিন্ন?

আমরা বলি: উসুলশাস্ত্রে (মূলনীতি) এটি সুপ্রতিষ্ঠিত যে শরয়ী বিধান পাঁচটি। আমরা যদি এর মধ্য থেকে তিনটি বাদ দেই, তবে অপছন্দনীয়তা (কারাহিয়াত) এবং নিষিদ্ধতা (তাহরীম) এর বিধান অবশিষ্ট থাকে। সুতরাং যুক্তির নিরিখে বিদআত এই দুই ভাগে বিভক্ত হওয়া আবশ্যক; ফলে এর কোনটি হারাম বিদআত এবং কোনটি মাকরূহ বিদআত। কারণ এগুলো নিষিদ্ধ কর্মের প্রকারভুক্ত যা মাকরূহ বা হারামের গণ্ডি অতিক্রম করে না; বিদআতের বিধানও তদ্রূপ। এটি একটি দিক।

দ্বিতীয় দিকটি হলো: বিদআতের যৌক্তিক ভিত্তি নিয়ে চিন্তা করলে দেখা যায় যে এগুলোর স্তর ভিন্ন ভিন্ন। এর মধ্যে কিছু বিদআত স্পষ্ট কুফর, যেমন জাহেলী যুগের বিদআতসমূহ যেগুলোর ব্যাপারে কুরআন সতর্ক করেছে। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: 'আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন সেই শস্য ও গবাদিপশু থেকে তারা আল্লাহর জন্য এক অংশ নির্দিষ্ট করে এবং তাদের ধারণা অনুযায়ী বলে যে—এটি আল্লাহর জন্য এবং এটি আমাদের শরীকদের (উপাস্যদের) জন্য।' (আয়াত)। এবং মহান আল্লাহর বাণী: 'তারা বলে—এই গবাদিপশুর পেটে যা আছে তা কেবল আমাদের পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট এবং আমাদের নারীদের জন্য নিষিদ্ধ; তবে যদি তা মৃত হয়, তবে তারা সবাই তাতে অংশীদার।' এবং মহান আল্লাহর বাণী: 'আল্লাহ বাহীরাহ, সায়িবাহ, ওয়াসিলাহ এবং হাম (এরকম কোনো প্রথা) সাব্যস্ত করেননি।' তদ্রূপ মুনাফিকদের বিদআত, যেখানে তারা নিজেদের জান ও মাল রক্ষার ঢাল হিসেবে দ্বীনকে গ্রহণ করেছিল; এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয় যার স্পষ্ট কুফর হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।

আবার বিদআতের মধ্যে এমন কিছু আছে যা পাপের অন্তর্ভুক্ত কিন্তু কুফর নয়, অথবা যেগুলোর কুফর হওয়া নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। যেমন—খারেজী, কাদরিয়া, মুরজিয়া এবং তাদের অনুরূপ ভ্রান্ত দলসমূহের বিদআত।"
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১০)
ومنها ما هو معصية ويتفق على أنها ليست بكفر: كبدعة التبتل والصيام قائمًا في الشمس، والخصاء بقصد قطع شهوة الجماع.

ومنها ما هو مكروه … كالاجتماع للدعاءِ عشية عرفة، وذكر السلاطين في خطبة الجمعة -على ما قاله ابن عبد السلام الشافعي- وما أشبه ذلك.

فمعلوم أن هذه البدع ليست في رتبة واحدة؛ فلا يصح مع هذا أن يقال: إنها على حكم واحد، هو الكراهة فقط، أو التحريم فقط.

وجه ثالث: أن المعاصي منها صغائر ومنها كبائر، ويعرف ذلك بكونها واقعة في الضروريات أو الحاجيات أو التكميليات، فإن كانت في الضروريات فهي أعظم الكبائر، وإن وقعت في التحسينات فهي أدنى رتبة بلا إشكال، وإن وقعت في الحاجيات فمتوسطة بين الرتبتين.

إذا كان كذلك: فالبدع من جملة المعاصي، وقد ثبت التفاوت في المعاصي، فكذلك يتصور مثله في البدع. فمنها ما يقع في الضروريات (أي أنه إخلال بها) ومنها ما يقع في رتبة الحاجيات، ومنها ما يقع في رتبة التحسينيات، وما يقع في رتبة الضروريات، منه ما يقع في الدين أو النفس أو النسل أو العقل أو المال.

فمثال وقوعه في الدين: ما تقدم من اختراع الكفار وتغييرهم ملة إبراهيم عليه السلام، من نحو قوله تعالى: {مَا جَعَلَ الله مِنْ بَحِيْرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ} فروي عن المفسرين فيها أقوال كثيرة، وفيها عن ابن المسيب أن البحيرة من الإبل هي التي يمنح درها للطواغيت، والسائبة هي التي يسيبونها لطواغيتهم، والوصيلة هي الناقة تبكر بالأنثى ثم تثنى
এর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা গুনাহ এবং সেগুলো যে কুফর নয় সে ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে: যেমন সংসারত্যাগের বিদআত, রোদে দাঁড়িয়ে রোজা রাখা এবং কামভাব নিবারণের উদ্দেশ্যে অণ্ডকোষ কর্তন করা।

আবার কোনোটি মাকরূহ … যেমন আরাফার দিনে সন্ধ্যায় দোয়ার জন্য সমবেত হওয়া এবং জুমার খুতবায় সুলতানদের কথা উল্লেখ করা—ইবনে আবদুস সালাম শাফিয়ী যা বলেছেন সেই অনুযায়ী—এবং এই জাতীয় বিষয়সমূহ।

সুতরাং এটি সুবিদিত যে, এই বিদআতগুলো একই স্তরের নয়; কাজেই এর সাথে এই কথা বলা সঠিক নয় যে, এগুলোর বিধান অভিন্ন, তা কেবল মাকরূহ হওয়া হোক বা কেবল হারাম হওয়া।

তৃতীয় দিক: পাপাচারসমূহের মধ্যে কোনোটি ছোট এবং কোনোটি বড়। তা চিহ্নিত হয় মৌলিক প্রয়োজন (যরুরিয়াত), সাধারণ প্রয়োজন (হাজিয়াত) কিংবা সৌন্দর্যবর্ধক (তাহসিনিয়াত) বিষয়ের ওপর এর প্রভাবের মাধ্যমে। যদি তা মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে হয় তবে তা জঘন্যতম কবীরা গুনাহ। আর যদি তা সৌন্দর্যবর্ধক বিষয়ে ঘটে, তবে তা নিঃসন্দেহে নিম্নতর স্তরের। আর যদি তা সাধারণ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে হয়, তবে তা উভয় স্তরের মধ্যবর্তী।

বিষয়টি যদি এমনই হয়, তবে বিদআতও পাপাচারের অন্তর্ভুক্ত। আর যেহেতু পাপাচারের স্তরে তারতম্য থাকা প্রমাণিত, তাই বিদআতের ক্ষেত্রেও অনুরূপ তারতম্য হওয়া স্বাভাবিক। সুতরাং বিদআতের কোনোটি মৌলিক প্রয়োজনের স্তরে ঘটে (অর্থাৎ তাতে বিঘ্ন ঘটায়), কোনোটি সাধারণ প্রয়োজনের স্তরে ঘটে এবং কোনোটি সৌন্দর্যবর্ধক স্তরে ঘটে। আর যা মৌলিক প্রয়োজনের স্তরে ঘটে, তা দ্বীন, জীবন, বংশধারা, বুদ্ধি কিংবা সম্পদের ক্ষেত্রে হতে পারে।

দ্বীনের ক্ষেত্রে এর উদাহরণ হলো: কাফেরদের নব উদ্ভাবিত প্রথা এবং ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের আদর্শের পরিবর্তন সাধন, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: "আল্লাহ বাহীরা, সায়েবা, ওয়াসীলা ও হাম সাব্যস্ত করেননি।" এই আয়াত প্রসঙ্গে তাফসীরকারকদের থেকে অনেক বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে। ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণিত যে, বাহীরা হলো সেই উট যার দুধ মূর্তিদের জন্য উৎসর্গ করা হতো। সায়েবা হলো সেই পশু যা তারা মূর্তিদের নামে মুক্তভাবে ছেড়ে দিত। আর ওয়াসীলা হলো সেই উষ্ট্রী যা প্রথমবার মাদি বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় মাদি বাচ্চা প্রসব করত।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১১)
بالأثثى، يقولون: وصلت أنثيين ليس بينهما ذكر، فيجعلونها لطواغيتهم، والحام هو الفحل من الأبل كان يضرب الضراب المعدودة؛ فإذا بلغ ذلك قالوا: حمى ظهره، فيترك فيسمونه الحامي.

وحاصل ما في هذه الآية تحريم ما أحل الله على نية التقريب به إليه، مع كونه حلالًا بحكم الشريعة المتقدمة. ولقد همَّ بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحرموا على أنفسهم ما أحل الله، وإنما كان قصدهم بذلك الانقطاع إلى الله عن الدنيا وأسبابها وشواغلها، فرد ذلك عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ}.

وهو دليل على أن تحريم ما أحل الله -وإن كان بقصد سلوك طريق الآخرة- منهيٌّ عنه. وليس فيه اعتراض على الشرع ولا تغيير له، ولا قصد فيه الابتداع، فما ظنك به إذا قصد به التغيير والتبديل كما فعل الكفار؛ أو قصد به الابتداع في الشريعة وتمهيد سبيل الضلالة؟ " انتهى.
তারা মাদী পশুর ক্ষেত্রে বলত: "সে পরপর দুটি মাদী প্রসব করেছে যাদের মধ্যে কোনো পুরুষ ছিল না," অতঃপর তারা তা তাদের উপাস্যদের জন্য নির্দিষ্ট করে দিত। আর 'হাম' হলো সেই পুরুষ উট যা নির্দিষ্ট সংখ্যক বার প্রজনন সম্পন্ন করেছে; যখন সে সেই সংখ্যায় পৌঁছে যেত, তখন তারা বলত: "তার পিঠ সংরক্ষিত হয়ে গেছে," এরপর তাকে মুক্ত ছেড়ে দেওয়া হতো এবং তারা তাকে 'হামি' বলে অভিহিত করত।

এই আয়াতের সারকথা হলো আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের নিয়তে এমন বস্তুকে হারাম সাব্যস্ত করা যা আল্লাহ হালাল করেছেন, অথচ পূর্ববর্তী শররিয়তের বিধানে তা হালাল ছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো কোনো সাহাবী আল্লাহ প্রদত্ত হালাল বিষয়গুলোকে নিজেদের জন্য নিষিদ্ধ করার সংকল্প করেছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল দুনিয়া ও এর যাবতীয় কর্মব্যস্ততা থেকে বিমুখ হয়ে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হওয়া। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সেই প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেন এবং আল্লাহ তাআলা এই আয়াত নাজিল করেন: "হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য যেসব পবিত্র বস্তু হালাল করেছেন সেগুলোকে তোমরা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।"

এটি এই বিষয়ের প্রমাণ যে, আল্লাহ যা হালাল করেছেন তা হারাম করা নিষিদ্ধ—যদিও তা পরকালের পথ অনুসরণের উদ্দেশ্যে হয়। সাহাবীদের সেই কাজের মধ্যে শররিয়তের ওপর কোনো আপত্তি বা তাতে কোনো পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল না, এমনকি তা বিদআতের পর্যায়ভুক্তও ছিল না। এমতাবস্থায়, যদি কারো উদ্দেশ্য হয় শররিয়তের বিধান পরিবর্তন ও রদবদল করা, যেমনটি কাফেররা করেছিল; অথবা এর মাধ্যমে শররিয়তে বিদআত উদ্ভাবন করা এবং গোমরাহীর পথ সুগম করা, তবে সেই কাজের পরিণাম কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। " (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌القواعد والأسس التي بُني عليها هذا الكتاب

" إن البدعة المنصوص على ضلالتها من الشارع هي:

أولًا: كل ما عارض السُّنة من الأقوال أو الأفعال أو العقائد ولو كانت عن اجتهاد.

ثانيًا: كل أمر يتقرب إلى الله به، وقد نهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم.

ثالثًا: كل أمر لا يمكن أن يشرع إلا بنص أو توقيف، ولا نص عليه، فهو بدعة إلا ما كان عن صحابي.

رابعًا: ما ألصق بالعبادة من عادات الكفار.

خامسًا: ما نص على استحبابه بعض العلماء سيما المتأخرين منهم ولا دليل عليه.

سادسًا: كل عبادة لم تأت كيفيتها إلا في حديث ضعيف أو موضوع.

سابعًا: الغلو في العبادة.

ثامنًا: كل عبادة أطلقها الشارع وقيدها الناس ببعض القيود مثل المكان أو الزمان أو صفة أو عدد" (1).

--------------------------------------------

(1) "أحكام الجنائز" لشيخنا الألباني (242).
যে সকল মূলনীতি ও ভিত্তির ওপর এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে

“শরীয়ত প্রণেতার পক্ষ থেকে যে বিদআতের পথভ্রষ্টতা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে তা হলো:

প্রথমত: সুন্নাহর পরিপন্থী প্রতিটি কথা, কাজ বা আকিদা; এমনকি তা ইজতিহাদপ্রসূত হলেও।

দ্বিতীয়ত: এমন প্রতিটি আমল যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা হয়, অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা থেকে নিষেধ করেছেন।

তৃতীয়ত: এমন প্রতিটি বিষয় যা কেবল শরীয়তের অকাট্য দলিল বা নির্দেশ ব্যতীত প্রবর্তন করা সম্ভব নয়, অথচ সে বিষয়ে কোনো দলিল নেই; সুতরাং তা বিদআত, তবে সাহাবী থেকে বর্ণিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

চতুর্থত: কাফেরদের এমন সব রীতিনীতি যা ইবাদতের সাথে সংশ্লিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

পঞ্চমত: যা কিছু আলেম—বিশেষ করে পরবর্তী যুগের আলেমগণ—মুস্তাহাব বা উত্তম বলে উল্লেখ করেছেন, অথচ সে বিষয়ে কোনো দলিল নেই।

ষষ্ঠত: এমন প্রতিটি ইবাদত যার পদ্ধতি কেবল কোনো যয়ীফ (দুর্বল) কিংবা মাওযূ (জাল) হাদিসের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে।

সপ্তমত: ইবাদতের ক্ষেত্রে অতিরঞ্জন বা সীমালঙ্ঘন করা।

অষ্টমত: এমন প্রতিটি ইবাদত যা শরীয়ত প্রণেতা সাধারণভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু মানুষ সেটিকে স্থান, কাল, ধরন কিংবা সংখ্যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে ফেলেছে” (১)।

--------------------------------------------

(১) আমাদের শায়খ আলবানী রহ.-এর ‘আহকামুল জানায়েয’ (২৪২)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌أشهر الكتب المعزو إليها في هذا الكتاب

إن مصادر هذا الكتاب قد زادت عن سبعمائة مرجع، فأردت من خلال هذا الباب أن أبين أكثر الكتب استخدامًا مع بيان كامل عن الطبعة المستخدمة؛ لكي يقف الباحث عليها في أصولها من غير تعب ولا عنت وهي على النحو التالي:

1 - الأمر بالاتباع والنهى عن الابتداع -لجلال الدين السيوطي- طبع عن دار ابن القيم -الدمام- السعودية، بتحقيق الأخ مشهور حسن، الطبعة الأولى.

2 - الباعث على إنكار البدع والحوادث -لأبي شامة المقدسي- طبع عن دار الراية -الرياض- السعودية، بتحقيق الأخ مشهور حسن، الطبعة الأولى.

3 - المدخل -لابن الحاج- طبع عن دار الحديث - مصر.

4 - الحوادث والبدع -لأبي بكر الطرطوشي- طبع عن دار ابن الجوزي - السعودية، بتحقيق الأخ علي الحلبي.

5 - الاعتصام - لأبي إسحاق إبراهيم بن موسى المعروف بالشاطبي، طبع عن دار الفكر.

6 - البدع والنهي عنها -محمد بن وضاح القرطبي- تحقيق محمد أحمد دهمان، طبع عن رئاسة إدارة البحوث العليمة والإفتاء والدعوة
এই গ্রন্থে উদ্ধৃত সর্বাধিক প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহ

এই গ্রন্থের উৎসসমূহের সংখ্যা সাতশতেরও অধিক। এই পরিচ্ছেদের মাধ্যমে আমি সর্বাধিক ব্যবহৃত কিতাবসমূহের তালিকা এবং সেগুলোর ব্যবহৃত সংস্করণ সম্পর্কে পূর্ণ বিবরণ দিতে চেয়েছি; যাতে গবেষকগণ কোনো ক্লান্তি বা কষ্ট ছাড়াই সেগুলোর মূল উৎস অবগত হতে পারেন। সেগুলো নিম্নরূপ:

১ - আল-আমর বিল ইত্তিবা ওয়ান নাহয়ু আনিল ইবতিদা — জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী রচিত — দার ইবনুল কাইয়্যিম (দাম্মাম, সৌদি আরব) থেকে প্রকাশিত, ভ্রাতা মাশহুর হাসানের তাহকীকে, প্রথম সংস্করণ।

২ - আল-বায়েস আলা ইনকারিল বিদা ওয়াল হাওয়াদিস — আবু শামা আল-মাকদিসী রচিত — দারুর রায়াহ (রিয়াদ, সৌদি আরব) থেকে প্রকাশিত, ভ্রাতা মাশহুর হাসানের তাহকীকে, প্রথম সংস্করণ।

৩ - আল-মাদখাল — ইবনুল হাজ রচিত — দারুল হাদিস, মিশর থেকে প্রকাশিত।

৪ - আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা — আবু বকর আত-তোরতূশী রচিত — দার ইবনুল জাওযী, সৌদি আরব থেকে প্রকাশিত, ভ্রাতা আলী আল-হালাবীর তাহকীকে।

৫ - আল-ইতিসাম — আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুসা, যিনি আশ-শাতিবী নামে পরিচিত, তাঁর রচিত, দারুল ফিকর থেকে প্রকাশিত।

৬ - আল-বিদা ওয়ান নাহয়ু আনহা — মুহাম্মদ বিন ওয়াদদাহ আল-কুরতুবী রচিত — মুহাম্মদ আহমদ দাহমানের তাহকীকে, জেনারেল প্রেসিডেন্সি অব স্কলারলি রিসার্চ, ইফতা অ্যান্ড দাওয়াহ থেকে প্রকাশিত।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৪)
والإرشاد - السعودية.

7 - تلبيس إبليس - للإمام أبي الفرج عبد الرحمن بن الجوزي - طبع بتحقيق محمود مهدي الاستانبولي.

8 - شرح العقيدة الطحاوية - لابن أبي العز الحنفي، تحقيق شيخنا محمد ناصر الدين الألباني - طبع عن المكتب الإسلامي - بيروت - لبنان.

9 - أحكام الجنائز وبدعها - لشيخنا المحدث الكبير محمد ناصر الدين الألباني - طبع عن المكتب الإسلامي - الطبعة الرابعة.

10 - مناسك الحج والعمرة في الكتاب والسنة وآثار السلف وسرد ما ألحق الناس بها من البدع - لشيخنا محمد ناصر الدين الألباني - طبع عن المكتبة الإسلامية - عمان - الطبعة الرابعة.

11 - السنن والمبتدعات المتعلقة بالأذكار والصلوات - للشيخ محمد عبد السلام الشقيري - طبع عن دار الكتب العلمية - بيروت.

12 - الإبداع في مضار الابتداع - للشيخ علي محفوظ - طبع عن دار الاعتصام - مصر.

13 - البدعة - لعزت عطية.

14 - اقتضاء الصراط المستقيم مخالفة أصحاب الجحيم - لشيخ الإسلام ابن تيمية (ت 728 هـ) طبع في مجلد عن دار الفكر - بيروت (1).

15 - بدع القراء - للشيخ بكر أبو زيد - طبع عن دار الفاروق -

--------------------------------------------

(1) وأحيانًا كنت أعزو إلى طبعة الشيخ ناصر العقل وهي مطبوعة في مجلدين.
ও ইরশাদ - সৌদি আরব।

৭ - তালবিসু ইবলিস - ইমাম আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবনুল জাওজি-র রচিত - মাহমুদ মাহদি আল-ইস্তাম্বুলির সম্পাদনায় মুদ্রিত।

৮ - শারহুল আকিদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ - ইবনে আবিল ইজ্জ আল-হানাফি-র রচিত, আমাদের শায়খ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি-র তাহকীককৃত - আল-মাকতাব আল-ইসলামি - বৈরুত - লেবানন থেকে মুদ্রিত।

৯ - আহকামুল জানাইয ওয়া বিদাউহা - আমাদের শায়খ প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি-র রচিত - আল-মাকতাব আল-ইসলামি থেকে মুদ্রিত - চতুর্থ সংস্করণ।

১০ - মানাসিকুল হাজ্জি ওয়াল উমরাহ ফিল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ ওয়া আসারিস সালাফ ওয়া সারদু মা আলহাকাননাসু বিহা মিনাল বিদা' - আমাদের শায়খ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি-র রচিত - আল-মাকতাবা আল-ইসলামিয়্যাহ - আম্মান - থেকে মুদ্রিত - চতুর্থ সংস্করণ।

১১ - আস-সুনান ওয়াল মুবতাদাআত আল-মুতাআল্লিকা বিল আজকারি ওয়াস সালাওয়াত - শায়খ মুহাম্মাদ আবদুস সালাম আশ-শুকাইরি-র রচিত - দার আল-কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ - বৈরুত থেকে মুদ্রিত।

১২ - আল-ইবদা' ফি মাদারিল ইবতিদা' - শায়খ আলি মাহফুজ-এর রচিত - দার আল-ইতিসাম - মিশর থেকে মুদ্রিত।

১৩ - আল-বিদআহ - ইজ্জত আতিয়্যাহ-র রচিত।

১৪ - ইকতিদাউস সিরাতিল মুস্তাকিম মুখালাফাতু আসহাবিল জাহিম - শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (ওফাত ৭২৮ হি.)-র রচিত, দার আল-ফিকর - বৈরুত থেকে এক খণ্ডে মুদ্রিত (১)।

১৫ - বিদাউল কুররা - শায়খ বকর আবু যাইদ-এর রচিত - দার আল-ফারুক থেকে মুদ্রিত -

--------------------------------------------

(১) মাঝে মাঝে আমি শায়খ নাসির আল-আকল-এর সংস্করণের হাওয়ালা দিয়েছি, যা দুই খণ্ডে মুদ্রিত।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৫)
السعودية، الطبعة الأولى.

16 - البحث والاستقراء في بدع القراء - للأخ محمد موسى نصر - طبع في الأردن عن دار الأضحى.

17 - البدعة أسبابها ومضارها - للشيخ محمود شلتوت - طبع عن دار ابن الجوزي- السعودية، بتحقيق الأخ علي الحلبي.

18 - القول البليغ في التحذير من جماعة التبليغ حمود التويجري، طبع عن دار الصميعي - الرياض.

19 - الشرح والإبانة على أصول السنة والديانة، للإمام الحنبلي أبي عبد الله بن بطة العكبري - تحقيق رضا بن نعسان مُعطي - الطبعة الثانية 1411 هـ.

20 - فتح الباري شرح صحيح البخاري (1) - لابن حجر العسقلاني - طبع عن دار المعرفة.

21 - معجم المناهي اللفظية - للشيخ بكر بن عبد الله أبو زيد - طبع عن دار ابن الجوزي - السعودية، الطبعة الأولى 1409 هـ.

22 - القول المبين في أخطاء المصلين - للأخ مشهور بن حسن بن سلمان - طبع عن دار ابن القيم السعودية - الدمام.

23 - تصحيح الأخطاء والأوهام الواقعة في فهم أحاديث النبي عليه السلام رائد بن صبرى ابن أبي علفة - طبع عن دار رمادي - الدمام -

--------------------------------------------

(1) لكنني لم أنتهِ من استخراج البدع كلها منه فقد تبقى بعض الأجزاء منه.
সৌদি আরব, প্রথম সংস্করণ।

১৬ - আল-বাহাস ওয়াল ইস্তিকরা ফি বিদা'ইল কুররা - মুহাম্মাদ মুসা নাসর - জর্ডানের দারুল আদহা থেকে মুদ্রিত।

১৭ - আল-বিদআ: আসবাবুহা ওয়া মাদাররুহা - শাইখ মাহমুদ শালতুত - সৌদি আরবের দার ইবনে জাওজি থেকে মুদ্রিত, আলি আল-হালাবি কর্তৃক তাহকিককৃত।

১৮ - আল-কাউলুল বালিগ ফিত তাহজির মিন জামায়াতিত তাবলিগ - হামুদ আত-তুওয়াইজিরি, রিয়াদের দারুস সুমাইয়ি থেকে মুদ্রিত।

১৯ - আশ-শারহু ওয়াল ইবানাহ আলা উসুলিস সুন্নাহ ওয়াদ দিয়ানাহ, ইমাম হাম্বলি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে বাত্তাহ আল-উকবরি - রিদা বিন না'সান মুতি কর্তৃক তাহকিককৃত - দ্বিতীয় সংস্করণ ১৪১১ হিজরি।

২০ - ফাতহুল বারি শারহু সহিহিল বুখারি (১) - ইবনে হাজার আল-আসকালানি - দারুল মা'রিফা থেকে মুদ্রিত।

২১ - মু'জামুল মানাহি আল-লাফজিয়্যাহ - শাইখ বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু যায়েদ - সৌদি আরবের দার ইবনে জাওজি থেকে মুদ্রিত, প্রথম সংস্করণ ১৪০৯ হিজরি।

২২ - আল-কাউলুল মুবিন ফি আখতাইল মুসাল্লিন - মাশহুর বিন হাসান বিন সালমান - সৌদি আরবের দাম্মামের দার ইবনে আল-কাইয়্যিম থেকে মুদ্রিত।

২৩ - তাসহিহুল আখতা ওয়াল আওহাম আল-ওয়াকিয়াহ ফি ফাহমি আহাদিসিন নবি আলাইহিস সালাম - রায়েদ বিন সাবরি ইবনে আবি আলফাহ - দাম্মামের দারু রামাদি থেকে মুদ্রিত -

--------------------------------------------

(১) তবে আমি এটি থেকে সমস্ত বিদআত বের করার কাজ শেষ করতে পারিনি, এর কিছু অংশ এখনও বাকি রয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৬)
السعودية، الطبعة الأولى.

24 - الروائع البهية في أحكام التشميت الشرعية أو أحكام التشميت وبدعها - رائد بن صبري ابن أبي علفة - طبع عن دار رمادي - السعودي الدمام - الطبعة الأولى.

25 - شرح صحيح مسلم - للإمام النووي - طبع عن دار الكتب العلمية - بيروت.

26 - تحذير المسلمين من البدع والابتداع في الدين - لابن حجر آل بوطامي.

27 - التنبيه والرد على أهل الأهواء والبدع - لأبي الحسين محمد بن أحمد بن عبد الرحمن الملطي الشافعي - طبع عن دار رمادي سنة 1414 هـ بتحقيق يمان المياديني.

28 - الفرقان بين أولياء الرحمن وأولياء الشيطان - ابن تيمية - طبع عن المكتب الاسلامي - بيروت - الطبعة الرابعة.

29 - الإعلام بذكر المصنفات التي حذر منها شيخ الإسلام - رائد ابن صبري ابن أبي علفة - طبع عن دار رمادي - الدمام - السعودية.

30 - كتب حذر منها العلماء - مشهور حسن سلمان - طبع عن دار الصميعي - الرياض - السعودية.

31 - حقيقة البدعة وأحكامها - لسعيد بن ناصر الغامدي - طبع عن مكتبة الرشيد - الرياض.
সৌদি আরব, প্রথম সংস্করণ।

২৪ - আর-রাওয়াই আল-বাহিয়্যাহ ফি আহকামিত তাশমিতিশ শারইয়্যাহ অথবা আহকামুত তাশমিত ওয়া বিদাউহা - রায়েদ বিন সাবরি ইবনে আবি আলফাহ - দারু রামাদি থেকে মুদ্রিত - দাম্মাম, সৌদি আরব - প্রথম সংস্করণ।

২৫ - শারহু সহিহ মুসলিম - ইমাম নববী - দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ থেকে মুদ্রিত - বৈরুত।

২৬ - তাহযিরুল মুসলিমিন মিনাল বিদা' ওয়াল ইবতিদা' ফিদ দ্বীন - ইবনে হাজার আল-বুতামি।

২৭ - আত-তানবিহ ওয়ার রাদ্দু আলা আহলিল আহওয়ায়ি ওয়াল বিদা' - আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুর রহমান আল-মালাতি আশ-শাফিয়ি - দারু রামাদি থেকে ১৪১৪ হিজরিতে মুদ্রিত, ইয়ামান আল-মায়াদিনির সম্পাদনায়।

২৮ - আল-ফুরকান বাইনা আউলিয়াউর রহমান ওয়া আউলিয়াউশ শয়তান - ইবনে তাইমিয়্যাহ - আল-মাকতাবুল ইসলামি থেকে মুদ্রিত - বৈরুত - চতুর্থ সংস্করণ।

২৯ - আল-ই'লাম বি যিকরিল মুসান্নাফাতিল্লাতি হাযযারা মিনহা শাইখুল ইসলাম - রায়েদ ইবনে সাবরি ইবনে আবি আলফাহ - দারু রামাদি থেকে মুদ্রিত - দাম্মাম - সৌদি আরব।

৩০ - কুতুবুন হাযযারা মিনহাল উলামা - মাশহুর হাসান সালমান - দারুস সুমাইয়ি থেকে মুদ্রিত - রিয়াদ - সৌদি আরব।

৩১ - হাকিকাতুল বিদা' ওয়া আহকামুহা - সাঈদ বিন নাসির আল-গামিদি - মাকতাবাতুর রুশদ থেকে মুদ্রিত - রিয়াদ।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৭)
32 - الملل والنحل - لأبي الفتح محمد بن عبد الكريم الشهْرستاني - طبع عن مؤسسة الكتب الثقافية.

33 - الخطوط العريضة للأسس التي قام عليها دين الشيعة - السيد محيي الدين الخطيب.

34 - الملل والنحل - لابن حزم الأندلسي.

35 - منكرات البيوت - رائد بن صبري ابن أبي علفة - طبع عن مكتبة السوادي - جدة - السعودية.

36 - منكرات الأسواق - رائد بن صبري ابن أبي علفة - طبع عن دار الاعتصام - الطبعة الأولى - الأردن - عمان.

37 - مختصر التحفة الاثنى عشرية - محمود شكري الألوسي - المطبعة السلفية - القاهرة،

38 - إصلاح المساجد من البدع والعوائد - لمحمد جمال الدين القاسمي - طبع المكتب الإسلامي، بتحقيق شيخنا محمد ناصر الدين الألباني - الطبعة الخامسة.

39 - المسجد في الإسلام - لخير الدين وانلي - طبع عن المكتبة الإسلامية - الأردن - عمان - الطبعة الثالثة.

40 - تهذيب كتاب النقشبندية عرض وتحليل - تأليف عبد الرحمن دمشقية - الطبعة الثانية.

41 - الفَرق بين الفِرق - تأليف عبد القاهر بن طاهر بن محمد
32 - আল-মিলাল ওয়ান নিহাল - আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম আশ-শাহরাস্তানি - মুয়াসসাসাতুল কুতুব আল-সাকাফিয়্যাহ থেকে মুদ্রিত।

33 - আল-খুতুতুল আরিদাহ লিল-উসুস আল্লাতি ক্বামা আলাইহা দ্বীনুশ শিয়া - সাইয়্যিদ মুহিউদ্দিন আল-খতিব।

34 - আল-মিলাল ওয়ান নিহাল - ইবনে হাজম আল-আন্দালুসি।

35 - মুনকারাতুল বুয়ুত - রায়েদ বিন সাবরি ইবনে আবি আলফাহ - মাকতাবাতুস সাওয়াদি থেকে মুদ্রিত - জেদ্দা - সৌদি আরব।

36 - মুনকারাতুল আসওয়াক - রায়েদ বিন সাবরি ইবনে আবি আলফাহ - দারুল ইতিসাম থেকে মুদ্রিত - প্রথম সংস্করণ - জর্ডান - আম্মান।

37 - মুখতাসারুত তুহফাহ আল-ইসনা আশারিয়্যাহ - মাহমুদ শুকরি আল-আলুসি - আল-মাতবাআহ আস-সালাফিয়্যাহ - কায়রো।

38 - ইসলাহুল মাসাজিদ মিনাল বিদা'ই ওয়াল আওয়াইদ - মুহাম্মদ জামালুদ্দিন আল-কাসিমি - আল-মাকতাব আল-ইসলামি থেকে মুদ্রিত, আমাদের শাইখ মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানীর তাহকীকসহ - পঞ্চম সংস্করণ।

39 - আল-মাসজিদু ফিল ইসলাম - খায়রুদ্দিন ওয়ানলি - আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ থেকে মুদ্রিত - জর্ডান - আম্মান - তৃতীয় সংস্করণ।

40 - তাহযীবু কিতাবিন নাকশাবান্দিয়্যাহ আরদুন ওয়া তাহলীল - রচনায়: আব্দুর রহমান দিমাস্কিয়্যাহ - দ্বিতীয় সংস্করণ।

41 - আল-ফারকু বাইনাল ফিরাক - রচনায়: আব্দুল ক্বাহের বিন তাহের বিন মুহাম্মদ।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৮)
البغدادى - تحقيق محمد محمس الدين عبد الحميد - طبع عن دار المعرفة - بيروت - لبنان.

42 - ردع الأنام عن محدثات عاشر المحرم الحرام - تأليف أبي الطيب محمد عطاء الله ضيف - تحقيق أبو سيف أحمد بن علي - طبع عن دار ابن حزم - بيروت الطبعة الأولى.

43 - الفوائد المجموعة في الأحاديث الموضوعة - محمد بن علي الشوكاني - تحقيق عبد الرحمن المعلمي - طبع عن المكتب الإسلامي - بيروت - الطبعة الثالثة.

44 - مقالات الإسلاميين واختلاف المصلين، لأبي الحسن على الأشعري.

45 - ذكر مذاهب الفرق الثنتين وسبعين المخالفة للسنة والمبتدعين - للشيخ عبد الله بن أسعد اليافعي، تحقيق موسى بن سلمان الدويش - طبع عن دار التجاري - المدينة المنورة.

وهذا الباب إن أطلته طال ونشر الأذيال.

وهنا وفي هذا المقام لابد وأن أتقدم بالشكر الجزيل للأخ الحبب زيد ابن عباس العصيري والذي وفَّر لى الكثير من مراجع ومصادر هذا الكتاب؛ فجزاه الله عنا خير الجزاء، وسدد الله خُطاه.

وأخيرًا: أضرع إلى من ينظر من عالمٍ في عملي، أن يَسْتُر عثارى وزللي، ويُسدِّد بسَدادِ فضله خللي، ويصلح ما طغى به قلمي، وزاغ عنه
আল-বাগদাদী - সম্পাদনা: মুহাম্মদ মুহিউদ্দীন আবদুল হামিদ - দারুল মা'রিফাহ থেকে মুদ্রিত - বৈরুত - লেবানন।

৪২ - রাদ্উল আনাম আন মুহদাছাতি আশিরিল মুহাররামিল হারাম - রচনা: আবু তাইয়্যেব মুহাম্মদ আতাউল্লাহ দাইফ - সম্পাদনা: আবু সাইফ আহমদ বিন আলী - দার ইবনে হাজম থেকে মুদ্রিত - বৈরুত, প্রথম সংস্করণ।

৪৩ - আল-ফাওয়াইদুল মাজমুআহ ফিল আহাদিসিল মাউদুআহ - মুহাম্মদ বিন আলী আশ-শাওকানি - সম্পাদনা: আবদুর রহমান আল-মুআল্লিমী - আল-মাকতাবুল ইসলামী থেকে মুদ্রিত - বৈরুত - তৃতীয় সংস্করণ।

৪৪ - মাক্বালাতুল ইসলামিয়্যিন ওয়া ইখতিলাফুল মুসাল্লিন - আবুল হাসান আলী আল-আশআরী।

৪৫ - যিকর মাজাহিবিল ফিরাকিস সিনতাইনি ওয়া সাবয়িন আল-মুখালিফাহ লিস সুন্নাহ ওয়াল মুবতাদিঈন - শায়খ আবদুল্লাহ বিন আসআদ আল-ইয়াফিঈ, সম্পাদনা: মুসা বিন সালমান আদ-দুওয়াইশ - দারুত তিজারি থেকে মুদ্রিত - মদীনা মুনাওয়ারা।

এই পরিচ্ছেদটি যদি আমি দীর্ঘায়িত করি, তবে তা আরও দীর্ঘ হতে থাকবে এবং এর শাখা-প্রশাখা বিস্তৃতি লাভ করবে।

এবং এই পর্যায়ে আমি আমার প্রিয় ভাই যায়েদ ইবনে আব্বাস আল-আসীরির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আবশ্যক মনে করছি, যিনি আমাকে এই গ্রন্থের অনেকগুলো উৎস ও তথ্যসূত্র সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছেন; আল্লাহ তাআলা আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তার প্রতিটি পদক্ষেপকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

পরিশেষে: আমার এই কর্মটি যে কোনো বিদগ্ধ ব্যক্তির দৃষ্টিগোচর হলে আমি তাঁর কাছে সবিনয় আরজ করছি, তিনি যেন আমার ভুল-ত্রুটি ও পদস্খলনগুলো ঢেকে রাখেন এবং তাঁর অনুগ্রহের বদৌলতে আমার অসংগতিগুলো সংশোধন করে দেন। এছাড়া আমার কলম যা কিছু অতিরঞ্জন করেছে কিংবা সত্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তা যেন তিনি শুধরে দেন।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ১৯)
بصري، وقصر عنه فهمي، وغفل عنه خاطري، فالإنسان محلُّ النِّسيان، وإن أول ناسٍ أو الناس.

سائلًا المولى: أن يجعل عملي هذا صالحًا، وأن لا يجعل لأحد فيه شيئًا، ولوجهه خالصًا، إنه ولي ذلك والقادر عليه.

 

كتبه الفقير إلى عفو ربه

رائد بن صبري بن أبي علفة

الأردن - عمان

هاتف وفاكس: 780917

ص. ب: 520217
আমার দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে, আমার বোধগম্যতা যেখানে পৌঁছেনি এবং আমার স্মৃতি থেকে যা বিলুপ্ত হয়েছে (সেসবের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী); কেননা মানুষ ভুল ও বিস্মৃতির আধার, আর প্রথম মানুষই তো ভুলে গিয়েছিলেন।

আমি মহান প্রভুর নিকট প্রার্থনা করছি: তিনি যেন আমার এই আমলটিকে নেক আমল হিসেবে কবুল করেন, এতে যেন অন্য কারোর কোনো অংশ না রাখেন এবং একে কেবল তাঁর সন্তুষ্টির জন্য একনিষ্ঠ করেন; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।

 

এটি লিখেছেন তাঁর রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী অভাবী বান্দা

রায়েদ বিন সাবরি বিন আবি আলফা

জর্দান - আম্মান

ফোন ও ফ্যাক্স: ৭৮০৯১৭

পোস্ট বক্স: ৫২০২১৭
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: -)
‌‌حرف الألف

‌‌آية الكرسي

• كتابة آية الكرسي في قبلة الصلاة. "الحوادث والبدع" الطرطوشي (107).

• قول بعضهم مَنْ قَرأ آية الكرسي واستقبل جهة الشيخ عبد القادر الجيلاني وسلم سبع مرات يخطو مع كل تسليمة خطوة إلى قبره؛ قضيت حاجته. "أحكام الجنائز" الألباني (261)، وانظر القرآن من حرف القاف.

 

‌‌الإباضية

• الإباضية. "الشرح والابانة" ابن بطة (370)، "التعريفات" الجرجاني (7) انظر حرف الفاء مادة (فرقة).

 

‌‌ال‌‌إبراهيمية

• إحداث بعض الألفاظ في الصلاة على النبي والصلاة الإبراهيمية. "مجموع الفتاوى" (22/ 458)، وانظر "الصلاة" من حرف الصاد.

 

إبراهيم

• أكل الخبز والعدس عند قبر الخليل إبراهيم عليه السلام. "مجموع الفتاوى" (37/ 22).
‌‌বর্ণ ‘আলিফ’

‌‌آয়াতুল কুরসি

• সালাতের কিবলার দিকে আয়াতুল কুরসি লিপিবদ্ধ করা। "আল-হাওয়াদিস ওয়াল-বিদা" আত-তর্তুশি (১০৭)।

• কারও কারও অভিমত: যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে এবং শায়খ আব্দুল কাদির জিলানির দিকের অভিমুখী হয়ে সাতবার সালাম দিবে এবং প্রতিবার সালামের সাথে তার কবরের দিকে এক কদম করে অগ্রসর হবে; তবে তার প্রয়োজন পূরণ হবে। "আহকামুল জানাইয" আল-আলবানি (২৬১), এবং বর্ণ ‘ক্বাফ’-এর অধীনে ‘কুরআন’ দ্রষ্টব্য।

 

‌‌আল-ইবাদিয়্যাহ

• আল-ইবাদিয়্যাহ। "আশ-শারহু ওয়াল-ইবানাহ" ইবনে বাত্তাহ (৩৭০), "আত-তা’রিফাত" আল-জুরজানি (৭)। বর্ণ ‘ফা’-এর অধীনে ‘ফিরকাহ’ (দল) পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য।

 

‌‌আল-ইবরাহিমিয়্যাহ

• নবিজির প্রতি দুরুদ পাঠ এবং দুরুদে ইবরাহিমিতে নতুন কিছু শব্দের সংযোজন। "মাজমুউল ফাতাওয়া" (২২/ ৪৫৮), এবং বর্ণ ‘সোয়াদ’-এর অধীনে ‘সালাত’ দ্রষ্টব্য।

 

ইবরাহিম

• খলিলুল্লাহ ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কবরের নিকট রুটি ও ডাল ভক্ষণ করা। "মাজমুউল ফাতাওয়া" (৩৭/ ২২)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২২)
• قصد زيارة مغارة الخليل. "إصلاح المساجد" (196).

• تقبيل مقام إبراهيم والتمسح به. "إصلاح المساجد" (201)، وانظر "الخليل" من حرف الخاء.

 

‌‌اِبريل (April)

• مشاركة اليهود والنصارى في كذبة ابريل - أي نيسان -. "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 336).

 

‌‌ابن

• حذف "ابن" بين الاسمين بدعة. "معجم المناهي" (293 - 294).

 

‌‌ابن عربي

• زعم ابن عربي بأن الله إنسان. "تنبيه الغبي إلى تكفير ابن عربي" البقاعي (38).

• زعمه أن الحق مفتقر إلى الخلق. "تنبيه الغبي" البقاعي (40).

• الدعوة الى الله عند ابن عربي مكر. "تنبيه الغبي" (49).

• كل شيء عنده رب وإله. "تنبيه الغبي" (35).

• تمجيده لعبادة الأصنام. "تنبيه الغبي" للبقاعي (58).

• الحق عين الخلق عنده. "تنبيه الغبي" للبقاعي (62).

• النار عين الجنة عند ابن عربي. "تنبيه الغبي" للبقاعي (75).

• زعمه أن الحق يتلبّس بصورة الخلق. "تنبيه الغبي" للبقاعي (83).

• زعم ابن عربي أنه اجتمع بالأنبياء. "تنبيه الغبي" للبقاعي (95).

• الضال مهتدٍ، والكافر مؤمن عنده. "تنبيه الغبي" للبقاعي (108).

• تمجيده لعبادة العجل. "تنبيه الغبي" للبقاعي (120).
• আল-খালিল (হেব্রন) গুহা যিয়ারতের সংকল্প করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৯৬)।

• মাকামে ইবরাহিম চুম্বন করা এবং তাতে হাত বুলিয়ে বরকত গ্রহণ (তামাস্সুহ) করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (২০১), এবং 'খা' (خ) বর্ণের অধীনে "আল-খালিল" অংশটি দেখুন।

 

‌‌এপ্রিল (April)

• এপ্রিল ফুল—তথা এপ্রিল মাসের মিথ্যায় ইহুদি ও নাসারাদের সাথে অংশগ্রহণ করা। আশ-শুকাইরি রচিত "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদা'ত" (পৃ. ৩৩৬)।

 

‌‌ইবন

• দুই নামের মাঝখান থেকে "ইবন" শব্দ বাদ দেওয়া একটি বিদআত। "মু'জামুল মানাহি" (২৯৩ - ২৯৪)।

 

‌‌ইবন আরাবি

• ইবন আরাবির দাবি যে, আল্লাহ তাআলা একজন মানুষ। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি ইলা তাকফিরি ইবন আরাবি" (৩৮)।

• তার দাবি যে, সত্য (আল্লাহ) সৃষ্টির মুখাপেক্ষী। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (৪০)।

• ইবন আরাবির মতে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেওয়া একটি প্রতারণা। "তানবিহুল গাবি" (৪৯)।

• তার মতে প্রতিটি বস্তুই রব ও ইলাহ। "তানবিহুল গাবি" (৩৫)।

• মূর্তি পূজার প্রতি তার গুণগান। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (৫৮)।

• তার নিকট সত্য (আল্লাহ) ও সৃষ্টি অভিন্ন। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (৬২)।

• ইবন আরাবির নিকট জাহান্নাম ও জান্নাত অভিন্ন। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (৭৫)।

• তার দাবি যে, সত্য (আল্লাহ) সৃষ্টির অবয়ব ধারণ করেন। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (৮৩)।

• ইবন আরাবির দাবি যে, তিনি নবীগণের সাথে একত্রিত হয়েছেন। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (৯৫)।

• তার নিকট পথভ্রষ্ট ব্যক্তিই হিদায়াতপ্রাপ্ত এবং কাফির ব্যক্তিই মুমিন। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (১০৮)।

• গো-বৎস পূজার প্রতি তার গুণগান। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (১২০)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৩)
• حكم ابن عربي بإيمان فرعون. "تنبيه الغبي" للبقاعي (127).

• قصد قبر ابن عربي أربعين جمعة بقصد قضاء الحاجة. "أحكام الجنائز" للألباني (258).

 

‌‌أبو السعود

• جعل لكل قبر خاصيّة؛ فقبر أبي السعود مسعود الجارحي لإخراج الجن والشياطين والعفاريت من أجساد الممسوسين، وقبر فلان لكذا ولكذا … "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 336).

 

‌‌الاتحاد

• الحلول والاتحاد. "تلبيس إبليس" ابن الجوزي (ص 163، 169، 265)، "مجموع الفتاوى" ابن تيمية (26/ 220)، "تنبيه الغبي إلى تكفير ابن عربي" البقاعي، "تحذير العباد من أهل العناد ببدعة الاتحاد" البقاعي.

• قول: الله موجود في كل مكان. "معجم المناهي" (63)، "السلسلة الصحيحة" رقم (1046) و "العلو" للذهبي (رقم 73)، وانظر الحلول.

 

‌‌الاثنين

• الصلوات الأسبوعية والحولية، كصلاة يوم الأحد والاثنين والثلاثاء والأربعاء والخميس والجمعة والسبت "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 179).

• صوم يوم الاثنين بسبب مولد الرسول صلى الله عليه وسلم فيه. "الاعتصام" للشاطبي (2/ 63).

• زيارة القبر يوم الاثنين والخميس. "أحكام الجنائز" لشيخنا الألباني (ص 258).
• ফেরাউনের ঈমান আনার ব্যাপারে ইবনে আরবির রায়। আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি" (১২৭)।

• হাজত বা প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে টানা চল্লিশ জুমুআ ইবনে আরবির কবরের কাছে যাওয়া। আলবানি রচিত "আহকামুল জানাইয" (২৫৮)।

 

‌‌আবুল সউদ

• প্রতিটি কবরের জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা; যেমন জিনাবিষ্টদের দেহ থেকে জিন, শয়তান ও ভূত-প্রেত তাড়ানোর জন্য আবুল সউদ মাসউদ আল-জারহির কবর, এবং অমুকের কবর এই কাজের জন্য এবং অমুকের কবর সেই কাজের জন্য … আশ-শুকাইরি রচিত "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদাআত" (পৃ. ৩৩৬)।

 

‌‌ইত্তিহাদ (ঐক্যবাদ)

• হুলুল (অনুপ্রবেশবাদ) ও ইত্তিহাদ (ঐক্যবাদ)। ইবনুল জাওজি রচিত "তালবিসু ইবলিস" (পৃ. ১৬৩, ১৬৯, ২৬৫), ইবনে তাইমিয়া রচিত "মাজমুউল ফাতাওয়া" (২৬/ ২২০), আল-বিকায়ি রচিত "তানবিহুল গাবি ইলা তাকফিরি ইবনি আরবি" এবং আল-বিকায়ি রচিত "তাহযিরুল ইবাদ মিন আহলিল ইনাদ বিবিদআতিল ইত্তিহাদ"।

• এই কথা বলা: আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। "মুজামুল মানাহি" (৬৩), "আস-সিলসিলাতুস সহিহাহ" নং (১০৪৬) এবং আয-যাহাবি রচিত "আল-উলুউ" (নং ৭৩); হুলুল পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য।

 

‌‌সোমবার

• সাপ্তাহিক ও বার্ষিক বিশেষ সালাতসমূহ, যেমন রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবারের সালাত। আশ-শুকাইরি রচিত "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদাআত" (পৃ. ১৭৯)।

• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম দিবস হওয়ার কারণে সোমবার রোজা রাখা। আশ-শাতিবি রচিত "আল-ইতিসাম" (২/ ৬৩)।

• সোমবার ও বৃহস্পতিবার কবর যিয়ারত করা। আমাদের শায়খ আলবানি রচিত "আহকামুল জানাইয" (পৃ. ২৫৮)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌الإجازة

• إعطاء الإجازات بالمشيخة. "المدخل" لابن الحاج (3/ 202).

 

‌‌الأجانب

• تساهل المسلمين في مخالطتهم للأجانب حتى استحسنوا كل ما هم عليه. "الإبداع في مضار الابتداع" الشيخ علي محفوظ (ص 366).

 

‌‌الاجتماع

• الاجتماع لغير ذكر الله في المسجد. "الحوادث والبدع" (154).

• الاجتماع للذكر. "الاعتصام" للشاطبي (2/ 28).

• الدعاء على هيئة الاجتماع. "الاعتصام" للشاطبي (2/ 63).

• اجتماع المؤذنين ليلة الختم والتكبير جماعة. "بدع القراء" محمد موسى، "المدخل" لابن الحاج (1/ 300 - 301).

• الاستغفار عقب الصلاة على هيئة الاجتماع ورفع الصوت. "الإبداع في مضار الابتداع" للشيخ علي محفوظ (ص 59).

• الاجتماع في المسجد ليلة المعراج. "الإبداع في مضار الإبتداع" الشيخ علي محفوظ (ص 272).

• الاجتماع في الثاني عشر من ربيع الأول في المساجد. "الإبداع في مضار الإبتداع" الشيخ علي محفوظ (ص 272).

• الاجتماع يوم النيروز والمهرجان وصيامها. "البدع والنهي عنها" ابن وضاح (14)، "الاعتصام" للشاطبي (2/ 29).

• التعريف يوم عرفة في المساجد والاجتماع للدعاء وقراءة القرآن. "بدع القراء" محمد موسى (28)، "البدع والنهي عنها" لابن وضاح (49).
ইজাজত (সনদ)

• শায়খ হিসেবে ইজাজত বা সনদ প্রদান করা। ইবনুল হাজ্জ প্রণীত "আল-মাদখাল" (৩/২০২)।

 

‌বিজাতীয় বা অমুসলিম

• অমুসলিমদের সাথে মেলামেশার ক্ষেত্রে মুসলমানদের শিথিলতা, এমনকি তাদের যাবতীয় রীতিনীতিকে সুন্দর মনে করা। শায়খ আলী মাহফুজ প্রণীত "আল-ইবদা ফি মাদাররিল ইবতিদা" (পৃ. ৩৬৬)।

 

‌সমাবেশ বা সমবেত হওয়া

• আল্লাহর জিকির ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে মসজিদে সমবেত হওয়া। "আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা" (১৫৪)।

• জিকিরের জন্য সমবেত হওয়া। শাতেবী প্রণীত "আল-ইতিসাম" (২/২৮)।

• সম্মিলিত পদ্ধতিতে দোয়া করা। শাতেবী প্রণীত "আল-ইতিসাম" (২/৬৩)।

• কুরআন খতমের রাতে মুয়াজ্জিনদের একত্রিত হওয়া এবং সম্মিলিতভাবে উচ্চস্বরে তাকবির পাঠ করা। মুহাম্মদ মুসা প্রণীত "বিদাউল কুররা", ইবনুল হাজ্জ প্রণীত "আল-মাদখাল" (১/৩০০-৩০১)।

• নামাজের পর সম্মিলিতভাবে এবং উচ্চস্বরে ইস্তিগফার পাঠ করা। শায়খ আলী মাহফুজ প্রণীত "আল-ইবদা ফি মাদাররিল ইবতিদা" (পৃ. ৫৯)।

• মেরাজের রাতে মসজিদে সমবেত হওয়া। শায়খ আলী মাহফুজ প্রণীত "আল-ইবদা ফি মাদাররিল ইবতিদা" (পৃ. ২৭২)।

• ১২ই রবিউল আউয়াল মসজিদে সমবেত হওয়া। শায়খ আলী মাহফুজ প্রণীত "আল-ইবদা ফি মাদাররিল ইবতিদা" (পৃ. ২৭২)।

• নওরোজ ও মেহেরজান উৎসবে একত্রিত হওয়া এবং সেই দিনগুলোতে রোজা রাখা। ইবনে ওয়াদদাহ প্রণীত "আল-বিদা ওয়ান নাহইউ আনহা" (১৪), শাতেবী প্রণীত "আল-ইতিসাম" (২/২৯)।

• আরাফাতের দিনে (নিজ এলাকার) মসজিদে অবস্থান (তারিফ) করা এবং দোয়া ও কুরআন তিলাওয়াতের জন্য সমবেত হওয়া। মুহাম্মদ মুসা প্রণীত "বিদাউল কুররা" (২৮), ইবনে ওয়াদদাহ প্রণীত "আল-বিদা ওয়ান নাহইউ আনহা" (৪৯)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৫)
• قراءة القرآن على هيئة الاجتماع عشية عرفة في المسجد. "الاعتصام" للشاطبي (2/ 15).

• الاجتماع عند قبر النبي صلى الله عليه وسلم لقراءة ختمة وإنشاد القصائد. "مجموعة الرسائل الكبرى" (29)، "أحكام الجنائز" الألباني (267).

• اجتماع التبلغيين في البلاد الأعجمية، وهذه من أكبر البدع التي رأيتها في بنجلاديش حيث يجتمع ملايين الناس بن شتى البقاع سنويًا في دكا عاصمتها، وقد ساد فيه اعتقادات خطيرة وبدعٌ كثيرة منها: أن بعضهم يظن أن الاجتماع في (دكا) أفضل من الاجتماع في مكة - أي في الحج - وقد سمعت بعضهم يقول: انظر إلى الناس هنا تسود بينهم المحبة والمودة. ولكن في مكة وعرفة يكون الازدحام الشديد الذي يسبب العداوة والبغضاء وغير ذلك …

• ومنها أيضًا: أنهم يعتقدون أن الدعاء الذي في آخر هذا الاجتماع مستجاب.

• ومنها أيضًا "التبليغ في الصلاة" فنجد الإمام يترك مكبر الصوت، ويقوم من خلفه خمسون رجلًا أو أكثر يبلغون التكبير بصوت واحد فترى الناس من خلفهم الراكع ومنهم الساجد ومنهم القاعد.

• ومنها: أنهم يعتقدون أن عقد النكاح في هذا اليوم مباركٌ لذا تجد الكثير منهم يؤخرون عقد النكاح لهذا اليوم لحصول البركة.

• الاجتماع بالمُرد. "المدخل" لابن الحاج (3/ 114). انظر حرف الميم مادة: (مُرد) وانظر تتمة لمبحث "الاجتماع" في حرف الجيم.
• মসজিদে আরাফার দিবসের সন্ধ্যায় মসজিদে সম্মিলিতভাবে কুরআন পাঠ করা। আশ-শাতিবি প্রণীত "আল-ইতিসাম" (২/১৫)।

• কুরআন খতম পাঠ এবং কাসিদা গাওয়ার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরের নিকট সমবেত হওয়া। "মাজমুআতুল রাসায়িল আল-কুবরা" (২৯), আলবানী প্রণীত "আহকামুল জানাইয" (২৬৭)।

• অনারব দেশগুলোতে তাবলিগিদের সম্মেলন; এটি বাংলাদেশে আমার দেখা বড় বিদআতগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যেখানে এর রাজধানী ঢাকায় প্রতি বছর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত হয়। এতে অনেক বিপজ্জনক বিশ্বাস ও বহু বিদআত ছড়িয়ে পড়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: তাদের কেউ কেউ মনে করে যে (ঢাকা)র এই সম্মেলন মক্কায় সমবেত হওয়া—অর্থাৎ হজের—চেয়েও উত্তম। আমি তাদের কাউকে বলতে শুনেছি: এখানকার মানুষের দিকে তাকাও, তাদের মধ্যে ভালোবাসা ও হৃদ্যতা বিরাজ করছে। কিন্তু মক্কা ও আরাফায় প্রচণ্ড ভিড় থাকে যা শত্রুতা ও বিদ্বেষের উদ্রেক করে ইত্যাদি …

• এর মধ্যে আরও রয়েছে: তারা বিশ্বাস করে যে, এই সম্মেলনের শেষে করা দোয়া কবুল হয়।

• এর মধ্যে আরও রয়েছে "সালাতে তাকবির পৌঁছে দেওয়া" (তাকবিরে তাবলিগ); আমরা দেখি যে ইমাম লাউডস্পিকার ব্যবহার বর্জন করেন এবং তার পেছনে পঞ্চাশ বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে উচ্চস্বরে তাকবির পৌঁছে দেন, ফলে দেখা যায় তাদের পেছনের মুসল্লিদের কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায় আর কেউ বসে আছেন।

• আরও একটি হলো: তারা বিশ্বাস করে যে এই দিনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বরকতময়, তাই তাদের অনেককেই বরকত লাভের উদ্দেশ্যে এই দিন পর্যন্ত বিবাহ বিলম্বিত করতে দেখা যায়।

• দাড়িহীন কিশোরদের সাথে সমবেত হওয়া। ইবনুল হাজ্জ প্রণীত "আল-মাদখাল" (৩/১১৪)। 'মীম' বর্ণের (মূরদ) পরিচ্ছেদটি দেখুন এবং 'জীম' বর্ণের অধীনে "সম্মিলিত হওয়া" (আল-ইজতিমা) বিষয়ক আলোচনার অবশিষ্টাংশ দেখুন।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌الأحد

• الصلوات الأسبوعية والحولية، كصلاة يوم الأحد والاثنين والثلاثاء والأربعاء والخميس والجمعة والسبت. "السنن والمبتدعات" الشقيري (179).

 

‌‌الآحاد

• إنكار الأخبار الآحادية. "الإبداع في مضار الابتداع" الشيخ علي محفوظ (109).

 

‌‌الإخاء

• مؤاخاة النساء الأجانب والخلوة بهن "مجموع الفتاوى" (11/ 537، 538، 542، 505) "المدخل" ابن الحاج (3/ 200). وانظر الحج.

 

‌‌الإخلاص

• قراءة سورة {الإخلاص} في صلاة المغرب ليلة الجمعة. "بدع القراء" بكر أبو زيد (19).

• الاجتماع في المساجد على صلاة مقدَّرة كالاجتماع على مائة ركعة بقراءة ألف {قُلْ هُوَ اللهَ أَحَدٌ} دائمًا بدعة. "مجموع الفتاوى" (23/ 131، 132، 414).

• قراءة سورة {الإخلاص} قبل الإقامة. "إصلاح المساجد" (105) "القول المبين" مشهور حسن (129) "المسجد في الإسلام" (204، 205)

• قراءة {قُلْ هُوَ اللهَ أَحَدٌ} مائة ألف مرة ويسمونها "العاتقة الكبرى". "الإبداع في مضار الابتداع" الشيخ علي محفوظ (ص 59).

• قراءة {قُلْ هُوَ اللهَ أَحَدٌ} إحدى عشرة مرة، (حديثها موضوع)،
রবিবার

• সাপ্তাহিক ও বাৎসরিক নামাজসমূহ, যেমন রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবারের নামাজ। "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদা'আত" আশ-শুকাইরি (১৭৯)।

 

আখবারুল আহাদ (একক বর্ণনা)

• একক সূত্রে বর্ণিত সংবাদ (আখবারুল আহাদ) অস্বীকার করা। "আল-ইবদা' ফি মাদারিল ইবতিদা'" শায়খ আলী মাহফুজ (১০৯)।

 

ভ্রাতৃত্ব স্থাপন

• গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন এবং তাদের সাথে নির্জনে অবস্থান করা। "মাজমুউল ফাতাওয়া" (১১/ ৫৩৭, ৫৩৮, ৫৪২, ৫০৫), "আল-মাদখাল" ইবনুল হাজ্জ (৩/ ২০০)। হজ পরিচ্ছেদটিও দেখুন।

 

আল-ইখলাস

• জুমার রাতে মাগরিবের নামাজে সুরা {আল-ইখলাস} পাঠ করা। "বিদাউল কুররা" বকর আবু যায়েদ (১৯)।

• মসজিদে নির্দিষ্ট নামাজের জন্য সমবেত হওয়া, যেমন সর্বদা এক হাজার বার {কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ} পাঠসহ একশ রাকাত নামাজের জন্য একত্রিত হওয়া একটি বিদআত। "মাজমুউল ফাতাওয়া" (২৩/ ১৩১, ১৩২, ৪১৪)।

• ইকামতের পূর্বে সুরা {আল-ইখলাস} পাঠ করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১০৫), "আল-কাউলুল মুবিন" মাশহুর হাসান (১২৯), "আল-মাসজিদ ফিল ইসলাম" (২০৪, ২০৫)।

• এক লক্ষ বার {কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ} পাঠ করা এবং একে "আল-আতিকাতুল কুবরা" বলা। "আল-ইবদা' ফি মাদারিল ইবতিদা'" শায়খ আলী মাহফুজ (পৃষ্ঠা ৫৯)।

• এগারো বার {কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ} পাঠ করা, (এ সম্পর্কিত হাদিসটি জাল),
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৭)
" أحكام الجنائز" (259).

• صلاة ليلة عيد الفطر ويومه وهي مائة ركعة {بالفاتحة} و {الأخلاص} عشر مرات ويستحضر بعدها مائة مرة … الخ. "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 161) وانظر الصلاة.

• وقراءتهم {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ} ألف مرة يوم الجمعة ليس له أصل البتة. "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 86).

• قراءة المسبعات: {الفاتحة} و {المعوذتان} و {الإخلاص} و {الكافرون} سبعًا سبعًا بدعة "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 217).

• تخصيص سورة بالقراءة من مثل {الإخلاص} لا يقرأ بغيرها "الحوادث والبدع" (148، 49)، "بدع القراء" محمد موسى (31).

• قراءة سورة "الإخلاص" ثلاثًا بعد الختم "النشر" لابن الجوزي (2/ 451)، "بدع القراء" محمد موسى (26)، (بدع القراء) بكر أبو زيد (26).

• قراءة {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ} في ركعة مرارًا "البدع والنهي عنها" (44).

• قراءة السبع سور: {الفاتحة} و {المعوذتان} و {الإخلاص} و {إذا جاء نصر الله} و {قل يا أيها الكافرون} و {إنا أنزلناه}، وهذا الدعاء: اللهم إني أسألك باسمك العظيم وأسألك باسمك الذي اذا سئلت به أعطيت وإذا دعيت أجبت، رب جبريل وميكائيل وإسرافيل وعزرائيل .. الخ، كل هذا عند دفن الميت "أحكام الجنائز" للألباني (254).

 

‌‌بدع الآداب

• بدعة التحية والسلام "الأمر بالاتباع" (261 - 267).

• الإشارة بالكف عند التحية من عادة النصارى "اللمع" (1/ 285).
"আহকামুল জানাইয" (২৫৯)।

• ঈদুল ফিতরের রাত ও দিনের সালাত, যা হলো একশত রাকাত; যাতে সূরা ফাতিহা এবং দশবার সূরা ইখলাস পাঠ করা হয় এবং এরপর একশত বার পাঠ করা হয় ... ইত্যাদি। "আস-সুনান ওয়াল-মুবতাদা'আত" আশ-শুকাইরি (পৃ. ১৬১) এবং দেখুন: আস-সালাত।

• জুমার দিনে এক হাজার বার "কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ" (সূরা ইখলাস) পাঠ করার কোনো ভিত্তি নেই। "আস-সুনান ওয়াল-মুবতাদা'আত" আশ-শুকাইরি (পৃ. ৮৬)।

• মুসাব্বা'আত পাঠ করা: সূরা ফাতিহা, মুআওবিযাতাইন (সূরা ফালাক ও নাস), সূরা ইখলাস এবং সূরা কাফিরুন সাতবার করে পাঠ করা একটি বিদআত। "আস-সুনান ওয়াল-মুবতাদা'আত" আশ-শুকাইরি (পৃ. ২১৭)।

• তিলাওয়াতের জন্য সূরা ইখলাসের মতো কোনো বিশেষ সূরা নির্দিষ্ট করা যে, সেটি ছাড়া অন্য কিছু পড়া হবে না। "আল-হাওয়াদিস ওয়াল-বিদআ" (১৪৮, ৪৯), "বিদআউল কুররা" মুহাম্মদ মুসা (৩১)।

• কুরআন খতমের পর তিনবার সূরা "ইখলাস" পাঠ করা। ইবনুল জাওযি রচিত "আন-নাশর" (২/৪৫১), "বিদআউল কুররা" মুহাম্মদ মুসা (২৬), "বিদআউল কুররা" বকর আবু যায়দ (২৬)।

• এক রাকাতে বারবার "কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ" পাঠ করা। "আল-বিদআ ওয়ান-নাহয়ু আনহা" (৪৪)।

• সাতটি সূরা পাঠ করা: সূরা ফাতিহা, মুআওবিযাতাইন, সূরা ইখলাস, সূরা নাসর, সূরা কাফিরুন এবং সূরা কদর; এবং এই দুআটি: হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট তোমার মহান নামের উসিলায় প্রার্থনা করছি এবং তোমার সেই নামের উসিলায় প্রার্থনা করছি যা দ্বারা চাইলে তুমি দান করো এবং যা দ্বারা ডাকলে তুমি সাড়া দাও, হে জিবরাঈল, মিকাঈল, ইসরাফিল এবং আজরাঈলের রব... ইত্যাদি; এই সবই মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার সময় করা হয়। আলবানী রচিত "আহকামুল জানাইয" (২৫৪)।

 

‌‌শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিদআতসমূহ

• অভিবাদন ও সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে বিদআত। "আল-আমর বিল-ইত্তিবা" (২৬১ - ২৬৭)।

• অভিবাদনের সময় হাতের তালু দিয়ে ইশারা করা খ্রিষ্টানদের অভ্যাস। "আল-লুমা" (১/ ২৮৫)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৮)
• الإشارة بالإصبع عند التحية من دأب اليهود. "اللمع" (1/ 285).

• سلام الدهرية "وهو ترك السلام واستبداله بقوله: أبقاك الله". "اللمع" (1/ 282).

• ابتداء أهل الذمة بالمصافحة والسلام. "اللمع" (1/ 284).

• بدعة مصافحة المرأة. "اللمع" (1/ 283، 284).

• استبدال السلام الشرعي بتحية الكفار. "السنن والمبتدعات" (289).

• الجثي على الركب عند التحية من أخلاق التتار. "اللمع" (1/ 285).

• الانحناء وتقيبل الأرض بين أيدى الأمراء والكبراء. "اللمع" (1/ 282).

• مصافحة الظلمة وأعوانهم من الفسقة. "اللمع" (1/ 284).

• وضع اليد على الأرض وتقبيلها (وهذا سلام اليهود). "اللمع" (1/ 282).

• تقبيل اليد والقيام لأهل الفسق والظلم والبدع. "اللمع" (1/ 285).

• بدعة مصاحبة أهل الأهواء. "اللمع التركماني" (1/ 317).

• معانقة الأمرد الحسن الوجه وتقبيل الخدود. "اللمع" (1/ 282).

• مُزاح الإنسان بشيء من كتاب الله تعالى، مما يكفر فاعله أو يذم. "اللمع" (1/ 178).

• شغل الطريق بغير حق. "الأمر بالاتباع" (100).

• إخراج النساء ثيابهن يوم الخميس. "الأمر بالاتباع" (141)،
• অভিবাদনের সময় আঙুল দিয়ে ইশারা করা ইহুদিদের অভ্যাস। "আল-লুমা" (১/ ২৮৫)।

• দাহরিয়াদের (নাস্তিকদের) অভিবাদন: "আর তা হলো সালাম ত্যাগ করা এবং তার পরিবর্তে 'আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘজীবী করুন' কথাটি বলা।" "আল-লুমা" (১/ ২৮২)।

• জিম্মিদের (অমুসলিম নাগরিক) সাথে মুসাফাহা ও সালামের মাধ্যমে প্রথমে অভিবাদন শুরু করা। "আল-লুমা" (১/ ২৮৪)।

• নারীর সাথে মুসাফাহা করার বিদআত। "আল-লুমা" (১/ ২৮৩, ২৮৪)।

• শরয়ী সালামের পরিবর্তে কাফেরদের অভিবাদন গ্রহণ করা। "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদআত" (২৮৯)।

• অভিবাদনের সময় হাঁটু গেড়ে বসা তাতারদের স্বভাব। "আল-লুমা" (১/ ২৮৫)।

• আমির ও প্রভাবশালীদের সামনে মাথা নত করা এবং মাটি চুম্বন করা। "আল-লুমা" (১/ ২৮২)।

• জালেম এবং পাপাচারীদের মধ্যে তাদের সহযোগীদের সাথে মুসাফাহা করা। "আল-লুমা" (১/ ২৮৪)।

• জমিনে হাত রাখা এবং তা চুম্বন করা (আর এটি ইহুদিদের সালাম)। "আল-লুমা" (১/ ২৮২)।

• পাপাচারী, জালেম এবং বিদআতিদের হাত চুম্বন করা এবং তাদের সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া। "আল-লুমা" (১/ ২৮৫)।

• ভ্রান্ত মতাবলম্বীদের (আহলে আহওয়া) সঙ্গ গ্রহণের বিদআত। "আল-লুমা আত-তুর্কমানি" (১/ ৩১৭)।

• সুদর্শন শ্মশ্রুহীন যুবকের সাথে কোলাকুলি করা এবং গালে চুম্বন করা। "আল-লুমা" (১/ ২৮২)।

• মহান আল্লাহর কিতাবের কোনো বিষয় নিয়ে উপহাস করা, যা সম্পাদনকারীকে কাফের করে দেয় অথবা নিন্দনীয় করে। "আল-লুমা" (১/ ১৭৮)।

• অন্যায়ভাবে পথ দখল করা। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (১০০)।

• বৃহস্পতিবার নারীদের (প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে) পোশাক বের করা। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (১৪১)।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ২৯)
و"تشبه الخسيس بأهل الخميس". "المدخل" لابن الحاج (2/ 55).

• تسمية المولود باسم قبيح ليعيش كفلفل، وجعلص، وجحش، أو يسمونه باسم شيخ من مقدِّسِيهم ليكون من مَحَاسِيبه.

• بدعة التسمية بـ "إن شاء الله". "اللمع" (1/ 276).

• الاحتفال بليلة رأس السنة الميلادية. "الأمر بالاتباع" (145).

• بدعة الكِبْر. "الأمر بالاتباع" (230).

• الكذب في المُزاح لأجل إضحاك الناس. "اللمع" (1/ 176 - 177، 179).

• الاستماع إلى الكذوب. "الأمر بالاتباع" (98).

• دخول المنازل بغير إذن. "الأمر بالاتباع" (271).

• حب المدح وطلب الحمد. "الأمر بالاتباع" (303 - 304).

• أن يمدح الرجلُ الرجلَ في وجهه. "اللمع" (1/ 285).

 

‌‌الإدارة

• قراءة القرآن بالإدارة على صوت واحد. "الاعتصام" للشاطبي (2/ 27، 31)، "حقيقة البدعة" سعيد الغامدى (2/ 11).

 

‌‌الأذان

• مد المؤذن باء "أكبر" وهمزته، وهمزة "أشهد" وألف "الله" وعدم النطق بهاء "الصلاة" وإسقاط حاء "الفلاح". "حواشي الإقناع" البجيرمي، * إصلاح المساجد" القاسمي (132)، "عمدة المريد في البدع" ابن زروق.

• تبليغ المؤذنين جماعة. "إصلاح المساجد" (132).

• الأذان داخل المسجد في المغرب والعشاء مع الأذان في المنائر.
এবং "তশাব্বুহু আল-খাসিস বি-আহলি আল-খামিস" (নিকৃষ্টদের সাদৃশ্য অবলম্বন করা বৃহস্পতিবারের অনুসারীদের সাথে)। ইবনুল হাজ্জ রচিত "আল-মাদখাল" (২/ ৫৫)।

• নবজাতকের দীর্ঘায়ু কামনায় কুৎসিত নামে নামকরণ করা, যেমন—ফালফাল, জা’লাস কিংবা জাহ্শ; অথবা তাদের কোনো পবিত্র ব্যক্তিত্বের নামে নামকরণ করা যাতে সে তাঁর কৃপাধন্য বা অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়।

• "ইনশাআল্লাহ" নাম রাখার বিদআত। "আল-লুমা" (১/ ২৭৬)।

• খ্রিস্টীয় নববর্ষ উদযাপন করা। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (১৪৫)।

• অহংকারের বিদআত। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (২৩০)।

• মানুষকে হাসানোর উদ্দেশ্যে কৌতুকের ছলে মিথ্যা বলা। "আল-লুমা" (১/ ১৭৬ - ১৭৭, ১৭৯)।

• মিথ্যাবাদীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (৯৮)।

• অনুমতি ছাড়া অন্যের গৃহে প্রবেশ করা। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (২৭১)।

• প্রশংসাপ্রীতি এবং সুখ্যাতি অন্বেষণ করা। "আল-আমর বিল ইত্তিবা" (৩০৩ - ৩০৪)।

• কোনো ব্যক্তির মুখের ওপর সরাসরি তার প্রশংসা করা। "আল-লুমা" (১/ ২৮৫)।

 

‌‌ইদারা (সম্মিলিত তিলাওয়াত)

• সমস্বরে সম্মিলিতভাবে কোরআন তিলাওয়াত করা। শাতিবীর "আল-ইতিসাম" (২/ ২৭, ৩১), সাঈদ আল-গামিদীর "হাকিকাতুল বিদআহ" (২/ ১১)।

 

‌‌আজান

• মুয়াজ্জিন কর্তৃক "আকবার" শব্দের 'বা' এবং এর হামজা, "আশহাদু" শব্দের হামজা ও "আল্লাহ" শব্দের আলিফ টেনে লম্বা করা (মাদ্দ করা), এবং "আস-সালাহ" শব্দের শেষ বর্ণ 'হা' উচ্চারণ না করা ও "আল-ফালাহ" শব্দের শেষ বর্ণ 'হা' বাদ দেওয়া। বুজাইরিমীর "হাওয়াশি আল-ইকনা", কাসিমীর "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৩২), ইবনে জাররুকের "উমদাতুল মুরিদ ফিল বিদা"।

• মুয়াজ্জিনদের জামাতবদ্ধভাবে উচ্চস্বরে আজান বা তকবির প্রচার (তাবলিগ) করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৩২)।

• মিনার থেকে আজান দেওয়ার পাশাপাশি মাগরিব ও এশার সময় মসজিদের ভেতরেও আজান দেওয়া।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৩০)
" إصلاح المساجد" (133) و"المسجد في الإسلام" (252) وانظر لزامًا: (الجمعة) من حرف الجيم.

• قول المؤذن قبل الأذان: {وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًا}. "إصلاح المساجد" (133).

• الأذان بواسطة آلات التسجيل - الأذان الموحد -. "المسجد في الإسلام" خير الدين وانلي (255).

• التصبح وهو ما يفعله بعض أهل المغرب عقب الأذان الأخير للفجر، يجتمع المؤذنون وينادون - بقولهم: "أصبح ولله الحمد". "الإبداع في مضار الإبتداع" للشيخ علي محفوظ (ص 170)، (المعيار) (1/ 278)، "معجم المناهي اللفطة" بكر أبو زيد (ص 47)، "الاعتصام" الشاطبي (2/ 70، 92).

• التذكير قبل أذان الفجر وقبل أذان العشاء ليلة الجمعة. "بدع القراء" محمد موسى (14)، و "تحذير المسلمين من البدع والابتداع في الدين" لابن حجر آل بوطامي (ص 197)، انظر ما بعده.

• التسبيح قبل الفجر. "فقه السنة" سيد سابق (1/ 104) "تلبيس إبليس" ابن الجوزي (137)، "فتح الباري" ابن حجر (2/ 92) "إصلاح المساجد" القاسمي (134).

• ما يقع من كثير من المؤذنين عقب أذان الفجر من قولهم: "ورضي الله تبارك وتعالى عنك يا شيخ العرب" ونحو ذلك من الألفاظ (بأعلى صوت) "الإبداع في مضار الابتداع" للشيخ علي محفوظ (ص 176).

• إيقاع الآذان الثاني قبل الفجر بثلث ساعة. "فتح الباري" (4/ 199)، "إصلاح المساجد" القاسمي (135)، "تمام المنة" الألباني
'ইসলাহুল মাসাজিদ' (১৩৩) এবং 'আল-মাসজিদু ফিল ইসলাম' (২৫২) এবং অবশ্যই দ্রষ্টব্য: 'জিম' বর্ণের অধীনে 'জুমুআ' পরিচ্ছেদ।

• আযানের পূর্বে মুআযযিনের এই কথা বলা: "এবং বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি।" 'ইসলাহুল মাসাজিদ' (১৩৩)।

• রেকর্ডকৃত যন্ত্রের মাধ্যমে আযান প্রদান—সমন্বিত আযান—। খায়রুদ্দীন ওয়ানলি রচিত 'আল-মাসজিদু ফিল ইসলাম' (২৫৫)।

• 'তাসাব্বুহ' তথা সকাল উদযাপন করা; যা মাগরেব (মরক্কো অঞ্চল) এর কিছু লোক ফজরের শেষ আযানের পর করে থাকে। মুআযযিনগণ একত্রিত হন এবং উচ্চৈঃস্বরে বলতে থাকেন: "সকাল হলো এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।" শায়খ আলী মাহফুজ রচিত 'আল-ইবদা' ফি মাদাররিল ইবতিদা' (পৃ. ১৭০), 'আল-মিয়ার' (১/২৭৮), বকর আবু যাইদ রচিত 'মুজামুল মানাহি আল-লাফজিয়্যাহ' (পৃ. ৪৭), শাত্বেবী রচিত 'আল-ইতিসাম' (২/৭০, ৯২)।

• ফজরের আযানের পূর্বে এবং জুমুআর রাতে এশার আযানের পূর্বে 'তাজকীর' বা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। মুহাম্মাদ মুসা রচিত 'বিদাউল কুররা' (১৪), এবং ইবনে হাজার আল-বুতামী রচিত 'তাহযীরুল মুসলিমীন মিনাল বিদা ওয়াল ইতিদা ফীদ-দীন' (পৃ. ১৯৭), পরবর্তী অংশ দেখুন।

• ফজরের পূর্বে তাসবীহ পাঠ করা। সাইয়্যিদ সাবিক রচিত 'ফিকহুস সুন্নাহ' (১/১০৪), ইবনুল জাওযী রচিত 'তালবিসু ইবলিস' (১৩৭), ইবনে হাজার রচিত 'ফাতহুল বারী' (২/৯২), কাসেমী রচিত 'ইসলাহুল মাসাজিদ' (১৩৪)।

• ফজরের আযানের পর অনেক মুআযযিন যা করে থাকেন, যেমন তাদের এই উক্তি: "এবং আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হোন হে শায়খুল আরব" এবং এজাতীয় শব্দাবলী (উচ্চস্বরে)। শায়খ আলী মাহফুজ রচিত 'আল-ইবদা' ফি মাদাররিল ইবতিদা' (পৃ. ১৭৬)।

• ফজরের বিশ মিনিট পূর্বে দ্বিতীয় আযান প্রদান করা। 'ফাতহুল বারী' (৪/১৯৯), কাসেমী রচিত 'ইসলাহুল মাসাজিদ' (১৩৫), আলবানী রচিত 'তামামুল মিন্নাহ'।
(খণ্ড: ১) মুজামুল বিদা (পৃষ্ঠা: ৩১)
(418)، " المسجد في الإسلام" (257).

• التأذين لكل صلاة مرتين.

• الإمساك قبل الفجر. "تمام المنة" الالباني (415، 418).

• تأخير أذان المغرب في رمضان احتياطًا في تمكين دخول الوقت. إصلاح المساجد" (135).

• إنشاد المؤذن بعد فراغه من أذان الفجر نثرًا ونظمًا يُسمى: "أمة خير الأنام"."إصلاح المساجد" (136).

• وقولهم قبل الفجر على المنائر: "يا رب عفوًا بجاه المصطفى كرمًا" والتذكير يوم الجمعة بدعة. "السنن والمبتدعات" الشقيري (49).

• قولهم: أقامها الله وأدامها، عندما يقول المؤذن في الإقامة: قد قامت الصلاة. "معجم المناهي اللفظية" بكر أبو زيد (53)، "تمام المنة" الألباني (149 - 150)، "إرواء الغليل" الألباني (رقم 241)، "التلخيص الحبير" ابن حجر (1/ 211)، "الحوادث والبدع" الطرطوشي (152).

• وكذا قولهم عند إجابة الإقامة: "نعم لا إله إلا الله" بدعة. "السنن والمبتدعات" الشقيري (ص 51).

• زيادة لفظ "سيدنا" في ألفاظ إقامة الصلاة. "إصلاح المساجد" القاسمي (138 - 139).

• قراءة سورة الإخلاص قبل الإقامة. "إصلاح المساجد" (105)، القول المبين" (129)، "المسجد في الإسلام" (260).

• قول المؤذن قبل الإقامة: "اللهم صلِّ على محمد". "إصلاح المساجد" (134).

• اختلاط الأذان بالتذكير والتسبيح. "تلبيس إبليس" (ص 137).
(৪১৮)، "ইসলামে মসজিদ" (২৫৭)।

• প্রতিটি সালাতের জন্য দুবার আজান দেওয়া।

• ফজরের আগে ইমসাক (পানাহার বন্ধ) করা। আলবানী রচিত "তামামুল মিন্নাহ" (৪১৫, ৪১৮)।

• ওয়াক্ত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সতর্কতা স্বরূপ রমজান মাসে মাগরিবের আজান বিলম্বিত করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৩৫)।

• ফজরের আজান শেষ করার পর মুয়াজ্জিন কর্তৃক গদ্য বা পদ্যে "উম্মাতু খাইরিল আনাম" নামক স্তুতি পাঠ করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৩৬)।

• ফজরের পূর্বে মিনারের ওপর থেকে তাদের এই উক্তি: "হে প্রভু! মুস্তাফার (সা.) সম্মানে ও অনুগ্রহে ক্ষমা করুন" এবং জুমার দিনে আজানের পূর্বে যিকির বা নসিহত করা বিদআত। শুখাইরি রচিত "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদাআত" (৪৯)।

• ইকামতের সময় মুয়াজ্জিন যখন 'কাদ কামাতিস সালাহ' বলে, তখন তাদের 'আকামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা' (আল্লাহ তা কায়েম রাখুন ও চিরস্থায়ী করুন) বলা। বাকর আবু যায়েদ রচিত "মু'জামুল মানাহি আল-লাফযিয়্যাহ" (৫৩), আলবানী রচিত "তামামুল মিন্নাহ" (১৪৯ - ১৫০), আলবানী রচিত "ইরওয়াউল গালীল" (নং ২৪১), ইবনে হাজার রচিত "আত-তালখিসুল হাবীর" (১/ ২১১), তর্তুশি রচিত "আল-হাওয়াদিস ওয়াল বিদা" (১৫২)।

• তদ্রূপ ইকামতের জবাব দেওয়ার সময় "না'আম লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলাও বিদআত। শুখাইরি রচিত "আস-সুনান ওয়াল মুবতাদাআত" (পৃ. ৫১)।

• ইকামতের শব্দাবলির মাঝে "সাইয়্যেদিনা" শব্দ যুক্ত করা। কাসেমী রচিত "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৩৮ - ১৩৯)।

• ইকামতের পূর্বে সূরা আল-ইখলাস পাঠ করা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১০৫), "আল-কাউলুল মুবীন" (১২৯), "ইসলামে মসজিদ" (২৬০)।

• ইকামতের আগে মুয়াজ্জিনের "আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ" বলা। "ইসলাহুল মাসাজিদ" (১৩৪)।

• আজানের সাথে যিকির ও তাসবিহ্-এর মিশ্রণ ঘটানো। "তালবিসু ইবলিস" (পৃ. ১৩৭)।