(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: -)
الأنساب - السمعاني - ط الجنان والفكر   (السمعاني)

القسم: الأنساب


الكتاب: الأنساب

المؤلف: أبو سعد عبد الكريم بن محمد بن منصور التميمي السمعاني (ت 562 هـ)

تقديم وتعليق: عبد الله عمر البارودي

(وقد صرح باعتماده نص طبعة أمين دمج، وسقطت منه نصوص استدركناها مع التنبيه عليها في مواضعها)

الناشر: دار الجنان (وأيضا دار الفكر)، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1988 م

عدد الأجزاء: 5

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 5 ذو الحجة 1445

আল-আনসাব - আল-সামআনি - দার আল-জিনান ও আল-ফিকর সংস্করণ   (আল-সামআনি)

বিভাগ: আল-আনসাব


গ্রন্থ: আল-আনসাব

লেখক: আবু সাদ আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ বিন মনসুর আল-তামিমি আল-সামআনি (মৃত্যু ৫৬২ হিজরি)

উপস্থাপনা ও টীকা: আব্দুল্লাহ উমর আল-বারুদি

(তিনি আমিন দামজ সংস্করণের পাঠের ওপর নির্ভর করার কথা ব্যক্ত করেছেন; তবে তা থেকে কিছু পাঠ বাদ পড়ে গিয়েছিল যা আমরা যথাসংশ্লিষ্ট স্থানে উল্লেখসহ সংযোজন করে দিয়েছি)

প্রকাশক: দারুল জিনান (এবং দারুল ফিকরও), বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৫

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৫ জিলহজ ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌تعريف بعلم الأنساب

النسب لغة كما في لسان العرب(1): نسب القرابات وهو واحد الأنساب. ابن سيده:

النسبة والنسبة والنسب القرابة، وقيل: هو في الآباء خاصة وقيل: النسبة مصدر الانتساب، والنسبة: الاسم. التهذيب النسب يكون بالآباء ويكون إلى البلاد ويكون في الصناعة. وجمع النسب أنساب.

والنسب اصطلاحا كما في أبجد العلوم(2): هو علم يتعرف منه أنساب الناس، وقواعده الكلية والجزئية والغرض منه الاحتراز عن الخطأ في نسب شخص، وهو علم عظيم النفع جليل القدر أشار الكتاب العظيم في {وجعلناكم شعوبا وقبائل لتعارفوا}(3) إلى تفهمه.

وحث الرسول الكريم صلى الله عليه وسلم في: " تعلموا أنسابكم تصلوا أرحامكم " على تعلمه، والعرب قد اعتنى في ضبط نسبه إلى أن كثر أهل الاسلام واختلط أنسابهم بالأعجام فتعذر ضبطه بالآباء، فانتسب كل مجهول النسب إلى بلده أو حرفته أو نحو ذلك حتى غلب هذا النوع.

والذي فتح هذا الباب وضبط علم الأنساب هو الامام النسابة: هشام بن محمد بن السائب الكلبي المتوفى سنة أربع ومائتين فإنه صنف فيه خمسة كتب: المنزلة والجمهرة والوجيز والفريد والملوك. ثم اقتفى أثره جماعة نذكرهم لاحقا إن شاء الله.

ومن أكثر الصحابة علما بالأنساب الخليفة الراشد الأول أبو بكر الصديق رضي الله عنه حيث أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم حسان بن ثابت الأنصاري شاعر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يستعين بأبي بكر ليرد على كفار قريش لعلمه بأنسابهم، وفي حديث أبي بكر " وكان رجلا نسابة " النسابة:

البليغ العلم بالأنساب والهاء فيه للمبالغة مثلها في العلامة(4).

--------------------------------------------

(1) أنظر لسان العرب لابن منظور 1/ 755 مادة (نسب).

(2) وهو كتاب في فنون العلوم والتعريف بها ومن صنف في تلك الفنون لصديق بن حسن القنوجي المتوفى سنة 1307 هـ.

(3) الآية 49 من سورة الحجرات.

(4) كذا ذكر في ابن الأثير في النهاية، 5/ 46.

‌বংশবিদ্যার পরিচিতি

লিসানুল আরব অভিধানে বর্ণিত ভাষাতাত্ত্বিক অর্থ অনুযায়ী 'নাসাব' (বংশমর্যাদা)(১): এটি আত্মীয়তার সম্পর্ক নির্দেশ করে এবং এটি 'আনসাব' শব্দের একবচন। ইবনে সিদাহ বলেন:

'নিসবাহ', 'নুসবাহ' এবং 'নাসাব' হলো আত্মীয়তা। আবার বলা হয়েছে: এটি বিশেষভাবে পিতৃপুরুষদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেউ কেউ বলেছেন: 'নিসবাহ' হলো 'ইনতিসাব' (সম্পর্কযুক্ত হওয়া)-এর মাসদার (ক্রিয়ামূল), আর 'নিসবাহ' হলো একটি বিশেষ্য। 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে, বংশপরিচয় পিতৃপুরুষের মাধ্যমে হতে পারে, কোনো অঞ্চলের দিকে হতে পারে কিংবা কোনো পেশার দিকেও হতে পারে। 'নাসাব'-এর বহুবচন হলো 'আনসাব'।

আর পারিভাষিক সংজ্ঞায় 'নাসাব' বা বংশবিদ্যা, যেমনটি 'আবজাদুল উলুম'(২) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে: এটি এমন একটি জ্ঞান যার মাধ্যমে মানুষের বংশপরিচয় এবং এর সামগ্রিক ও আংশিক নিয়মাবলী জানা যায়। এর উদ্দেশ্য হলো কোনো ব্যক্তির বংশপরিচয় নির্ণয়ে ভুল থেকে বেঁচে থাকা। এটি অত্যন্ত উপকারী এবং উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন একটি জ্ঞান। মহান কিতাবে বর্ণিত: {এবং আমি তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো}(৩) আয়াতের মাধ্যমে এই জ্ঞান অর্জনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাণীতে এটি শেখার প্রতি উৎসাহিত করেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করো, যেন তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারো"। আরবরা তাদের বংশধারা সংরক্ষণে অত্যন্ত যত্নশীল ছিল, যতক্ষণ না মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং তাদের বংশধারা অনারবদের সাথে মিশ্রিত হয়ে যায়। ফলে পিতৃপুরুষের মাধ্যমে বংশধারা সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন অজ্ঞাত বংশপরিচয়ের অধিকারীরা তাদের শহর, পেশা বা অনুরূপ কিছুর দিকে সম্বন্ধযুক্ত হতে শুরু করে, এমনকি পরবর্তীতে এই প্রকারটিই প্রভাবশালী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই শাস্ত্রের দ্বার উন্মোচন এবং বংশবিদ্যাকে সুসংগঠিত করেছেন প্রখ্যাত বংশবিশারদ ইমাম: হিশাম বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাইব আল-কালবি (মৃত্যু ২০৪ হিজরি)। তিনি এ বিষয়ে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেছেন: আল-মানজিলাহ, আল-জামহারাহ, আল-ওয়াজিজ, আল-ফারিদ এবং আল-মুলুক। পরবর্তীতে একদল আলেম তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন, যাদের কথা আমরা ইনশাআল্লাহ পরে উল্লেখ করব।

সাহাবীদের মধ্যে বংশবিদ্যায় সর্বাধিক পারদর্শী ছিলেন প্রথম খলিফায়ে রাশেদ আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু। এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কবি হাসসান বিন সাবিত আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কুরাইশ কাফেরদের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাহায্য নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, কারণ তিনি তাদের বংশধারা সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিলেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, "তিনি ছিলেন একজন বংশবিশারদ (নাসসাবাহ)"। নাসসাবাহ হলো:

বংশবিদ্যায় অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ব্যক্তি; এখানে 'হা' অক্ষরটি অতিশয়ত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমনটি 'আল্লামাহ' শব্দের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে(৪)।

--------------------------------------------

(১) ইবনে মানজুর রচিত লিসানুল আরব ১/৭৫৫, 'নাসাব' (ন-স-ব) পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য।

(২) এটি বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা ও তার পরিচয় এবং সেই শাস্ত্রসমূহে গ্রন্থকারদের পরিচিতি বিষয়ক একটি গ্রন্থ, যা ১৩০৭ হিজরিতে ইন্তেকালকারী সিদ্দিক বিন হাসান আল-কান্নৌজি কর্তৃক রচিত।

(৩) সুরা আল-হুজুরাত (৪৯ নম্বর সুরা), আয়াত ১৩।

(৪) ইবনুল আসির তাঁর 'আন-নিহায়া' গ্রন্থে এভাবেই উল্লেখ করেছেন, ৫/৪৬।

(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৬)
‌‌أشهر من صنف فيه مع تصانيفهم

مر أن الذي فتح هذا الباب وضبط علم الأنساب هو الامام النسابة هشام بن محمد بن السائب الكلبي المتوفى سنة أربع ومائتين، فإنه صنف فيه خمسة كتب: المنزلة والجمهرة والوجيز والفريد والملوك.

ثم تبعه بعد ذلك جماعة أوردنا آثارهم منها:

- أنساب الأشراف: لأبي الحسن أحمد بن يحيى البلاذري المتوفي سنة 279 هـ وهو كتاب كبير كثير الفائدة كتب منه عشرين مجلدا ولم يتم.

- أنساب حمير وملوكها: عبد الملك بن هشام صاحب السيرة المتوفى سنة ثلاث عشرة ومائتين.

- أنساب الرشاطي: وهو اقتباس الأنوار والتماس الأزهار في أنساب الصحابة ورواة الآثار، لأبي محمد بن عبد الله بن علي اللخمي الشهير بالرشاطي المتوفي سنة اثنتين وأربعين وأربعمائة وهو من الكتب القديمة في الأنساب، لخصه مجد الدين إسماعيل بن إبراهيم البلبيسي المتوفى سنة اثنتين وثمانمائة، وأضاف إليه زيادات ابن الأثير على أنساب السمعاني وسماه القبس أوله الحمد لله الذي خلق صنف البشر إلخ …

- الأنساب: لأبي محمد الحسن بن علي المعروف بالقاضي المهذب المتوفى سنة إحدى وستين وخمسمائة وهو كبير في نحو عشرين مجلدا.

ولابن مهمندار يوسف بن أبي المعالي المتوفى سنة سبعمائة ولأبي محمد عبد الله بن محمد المعروف بابن السيد البطليوسي المتوفي سنة إحدى وعشرين وخمسمائة ولأبي محمد قاسم بن أصبع النحوي المتوفي سنة أربعين وثلاثمائة وللفقيه جمال الدين محمد بن علي المدهجن القرشي نسابة عصره الذي ألفه سنة تسع وثمانين وثمانمائة.

- بغية ذوي الهمم في معرفة أنساب العرب والعجم: للملك الأفضل عباس بن الملك المجاهد علي صاحب اليمن المتوفى سنة ثمان وسبعين وسبعمائة وهو كتاب مختصر مفيد.

- تاج الأنساب: لمحمد بن أسعد الحسيني المتوفى سنة ثمان وثمانين وخمسمائة.

- الجوهرة في نسب النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه العشرة: لكمال الدين عبد الرحمن بن محمد الأنباري المتوفي سنة سبع وسبعين وخمسمائة.
এই শাস্ত্রের বিখ্যাত গ্রন্থকার ও তাঁদের রচনাবলি

পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই শাস্ত্রের দ্বার উন্মোচনকারী এবং বংশবিদ্যাকে সুসংবদ্ধকারী হলেন ইমাম, প্রখ্যাত বংশবিদ হিশাম বিন মুহাম্মদ বিন সায়িব আল-কালবি, যিনি ২০৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এই বিষয়ে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেছেন: আল-মানজিলাহ, আল-জামহিরাহ, আল-ওয়াজিজ, আল-ফরিদ এবং আল-মুলুক।

অতঃপর তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন একদল বিশেষজ্ঞ, যাঁদের কৃতিসমূহ আমরা এখানে উল্লেখ করছি:

- আনসাবুল আশরাফ: আবু আল-হাসান আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-বালাজুরি (মৃত্যু ২৭৯ হিজরি) রচিত। এটি একটি বিশাল এবং অত্যন্ত তথ্যবহুল গ্রন্থ; এর বিশটি খণ্ড রচিত হলেও তা পূর্ণতা পায়নি।

- আনসাব হিমইয়ার ওয়া মুলুকুহা: সীরাত গ্রন্থের রচয়িতা আব্দুল মালিক বিন হিশাম (মৃত্যু ২১৩ হিজরি) রচিত।

- আনসাবুর রুশাতি: এটি মূলত ‘ইকতিবাসুল আনওয়ার ওয়া ইলতিমাসুল আজহার ফি আনসাবিশ সাহাবাহ ওয়া রুয়াতিল আসার’। এর লেখক আবু মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী আল-লাখমি, যিনি ‘রুশাতি’ নামে প্রসিদ্ধ (মৃত্যু ৪৪২ হিজরি)। এটি বংশবিদ্যার প্রাচীন গ্রন্থসমূহের অন্যতম। মাজদ উদ্দিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম আল-বালবিসি (মৃত্যু ৮০২ হিজরি) এটি সংক্ষিপ্ত করেছেন এবং এতে সামআনীর ‘আল-আনসাব’ গ্রন্থের ওপর ইবনুল আসিরের সংযোজনসমূহ যুক্ত করে এর নামকরণ করেছেন ‘আল-কাবাস’। গ্রন্থটির শুরু হয়েছে ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি মানবজাতি সৃষ্টি করেছেন...’ ইত্যাদি বাক্যের মাধ্যমে …

- আল-আনসাব: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী রচিত, যিনি ‘কাজি মুহাজ্জাব’ নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৬১ হিজরি)। এটি একটি বৃহৎ সংকলন যা প্রায় বিশ খণ্ডে সমাপ্ত।

এছাড়া ইবনে মুহমানদার ইউসুফ বিন আবিল মা’আলি (মৃত্যু ৭০০ হিজরি), আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ (যিনি ইবনুস সাইয়িদ আল-বাতালইউসি নামে পরিচিত, মৃত্যু ৫২১ হিজরি), আবু মুহাম্মদ কাসিম বিন আসবাগ আন-নাহবি (মৃত্যু ৩৪০ হিজরি) এবং তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ বংশবিদ ফকিহ জামাল উদ্দিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-মাদহাজান আল-কুরাইশি (যিনি ৮৮৯ হিজরিতে গ্রন্থটি রচনা করেন) এর রচনাবলি উল্লেখযোগ্য।

- বুগইয়াতু জাউয়িল হিমাম ফি মা’রিফাতি আনসাবিল আরব ওয়াল আজাম: এটি ইয়েমেনের অধিপতি আল-মালিকুল আফদাল আব্বাস বিন আল-মালিকুল মুজাহিদ আলীর রচনা, যিনি ৭৭৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এটি একটি সংক্ষিপ্ত অথচ অত্যন্ত উপকারী গ্রন্থ।

- তাজুল আনসাব: মুহাম্মদ বিন আস’আদ আল-হুসাইনি (মৃত্যু ৫৮৮ হিজরি) রচিত।

- আল-জাওহিরাতু ফি নাসাবিন নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আসহাবিহিল আশারাহ: কামাল উদ্দিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-আনবারি (মৃত্যু ৫৭৭ হিজরি) রচিত।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৭)
- ديوان العرب وجوهر الأدب في إيضاح النسب: لمحمد بن أحمد بن عبد الله الأسدي النسابة.

- الشجرة في الأنساب: لمحمد بن رضوان المتوفي سنة سبع وخمسين وستمائة.

- الإكليل في أنساب حمير وأيام ملوكها: لأبي محمد الحسن بن أحمد بن يعقوب الهمداني اليمني المتوفى سنة أربع وثلاثين وثلاثمائة، وهو كتاب كبير عظيم الفائدة يتم في عشر مجلدات ويشتمل على عشرة فنون وفي أثنائه جمل من حساب القرانات وأوقاتها ونبذ عن علم الطبيعة وأصول أحكام النجوم وآراء الأوائل في القدم والأدوار وتناسل الناس ومقادير أعمارهم وغير ذلك.

- عجالة المبتدي: في الأنساب لزين الدين أبي بكر محمد بن موسى الحازمي الهمداني المتوفى سنة أربع وثمانين وخمسمائة.

- القصد والأمم إلى أنساب العرب والعجم: لابن عبد البر يوسف بن عبد الله الحافظ القرطبي المتوفي سنة ثلاث وستين وأربعمائة.

- اللباب إلى معرفة الأنساب: مختصر لأبي الحسن أحمد بن محمد بن إبراهيم الأشعري المتوفى سنة … ذكر فيه جملة مصنفات في هذا الفن ثم قال قد استخرجت من هذه كتابا مختصرا سميته التعريف بالأنساب توسطت فيه بين الاكثار والاقلال ثم عملت اللباب أذكر فيه أمهات القبائل وبطونها وجعلته مدخلا إلى علم النسب.

- نسب عبد الشمس: لأبي الفرج علي بن حسين الأصبهاني المتوفي سنة … وله نسب بني شيبان وبني تغلب وبني كلاب.

- نسب عدنان وقحطان: لأبي العباس محمد بن يزيد المبرد النحوي المتوفى سنة خمس وثمانين ومائتين.

- نهاية الإرب في معرفة أنساب العرب: وهو مجلد متوسط أوله الحمد لله الذي جعل للعرب ركنا تتهافت عليه سائر الأمم إلخ … ألفه لأبي الجود بقر بن راشد أمير العربان بالبلاد الشرقية والغربية ورتب كل قبيلة على حروف المعجم وجعله على مقدمة وخمسة فصول وخاتمة وذكر فيه أنه أوضح من قلائد الجمان لوالده.

- أنساب الشعراء: لأبي جعفر محمد بن حبيب البغدادي النحوي المتوفى سنة خمس وأربعين ومائتين.
- দিওয়ানুল আরব ওয়া জাওহারুল আদাব ফি ইদাহিন নাসাব: নসববিদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসাদির লেখা।

- আশ-শাজারাহ ফিল আনসাব: মুহাম্মাদ ইবনে রিদওয়ানের লেখা, যিনি ৬ ৫৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

- আল-ইকলিল ফি আনসাবি হিমইয়ার ওয়া আইয়ামি মুলুকিহা: আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াকুব আল-হামদানি আল-ইয়ামানির লেখা, যিনি ৩৩৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এটি একটি বৃহৎ ও অত্যন্ত উপকারী গ্রন্থ যা দশ খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে এবং দশটি বিশেষ শাখা সম্বলিত। এর মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানের সংযোগ ও তাদের সময়ের বিবরণ, প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কিছু অংশ, জ্যোতিষশাস্ত্রের মূলনীতিসমূহ এবং প্রাচীনদের সৃষ্টিতত্ত্বের প্রাচীনতা, যুগচক্র, মানুষের বংশবৃদ্ধি, তাদের আয়ুর পরিমাণ এবং আরও অনেক বিষয় স্থান পেয়েছে।

- উজলাতুল মুবতাদি: বংশলতিকা বিষয়ে যাইনুদ্দিন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-হাজিমি আল-হামদানির লেখা, যিনি ৫৮৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

- আল-কাসদ ওয়াল আমাম ইলা আনসাবিল আরব ওয়াল আজম: হাফেজ আবু উমর ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল বার আল-কুরতুবির লেখা, যিনি ৪৬৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

- আল-লুবাব ইলা মা'রিফাতিল আনসাব: এটি একটি সংক্ষিপ্তসার, যা আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-আশআরির লেখা, যিনি ... সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এতে এই শাস্ত্রের বহু রচনার উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: "আমি এগুলো থেকে একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ বের করেছি যার নাম দিয়েছি 'আত-তারিফ বিল আনসাব', যেখানে আমি অতি দীর্ঘায়ন ও অতি সংক্ষিপ্তকরণের মাঝামাঝি পথ অবলম্বন করেছি। এরপর আমি 'আল-লুবাব' রচনা করেছি, যেখানে আমি গোত্রসমূহের মূল শাখা ও উপশাখাগুলো উল্লেখ করেছি এবং একে বংশলতিকা বিদ্যার প্রবেশদ্বার হিসেবে নির্ধারণ করেছি।"

- নাসাবু আবদে শামস: আবুল ফারাজ আলি ইবনে হুসাইন আল-আসফাহানির লেখা, যিনি ... সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার আরও রয়েছে 'নাসাবু বনি শাইবান', 'বনি তাগলিব' এবং 'বনি কিলাব'।

- নাসাবু আদনান ওয়া কাহতান: ব্যাকরণবিদ আবু আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াজিদ আল-মুবরাদের লেখা, যিনি ২৮৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

- নিহায়াতুল ইবর ফি মা'রিফাতি আনসাবিল আরব: এটি একটি মাঝারি আকারের খণ্ড। এর শুরু হয়েছে 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আরবদের জন্য এমন এক ভিত্তি স্থাপন করেছেন যার দিকে অন্যান্য সকল জাতি ধাবিত হয়' ইত্যাদি দিয়ে। ... তিনি এটি পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের আরবদের আমির আবুল জুদ বকর ইবনে রাশিদের জন্য রচনা করেছেন। তিনি প্রতিটি গোত্রকে বর্ণানুসারে সাজিয়েছেন এবং একে একটি ভূমিকা, পাঁচটি অধ্যায় ও একটি উপসংহারে বিন্যস্ত করেছেন। তিনি এতে উল্লেখ করেছেন যে, এটি তার পিতার লেখা 'কালাইদুল জুমান' অপেক্ষা অধিক স্পষ্ট।

- আনসাবুশ শুয়ারা: ব্যাকরণবিদ আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে হাবিব আল-বাগদাদির লেখা, যিনি ২৪৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৮)
- أنساب قريش: لأبي عبد الله زبير بن بكار القرشي المتوفى سنة ست وخمسين ومائتين ومختصره لأبي فيد مورج ابن عمر البصري النحوي المتوفى سنة أربع وسبعين وثلاثمائة وفيه التبيين لابن قدامة.

- أنساب المحدثين: للحافظ محب الدين محمد بن محمود بن النجار البغدادي المتوفى سنة ثلاث وأربعين وستمائة، وصنف فيه أبو الفضل محمد بن طاهر المعروف بابن القيسراني المقدسي ثم ذيله تلميذه أبو موسى محمد بن عمر الأصبهاني المتوفى سنة إحدى وثمانين وخمسمائة في جزء ذكر فيه ما أهمله. والذيل على الذيل المذكور للحافظ محمد بن محمد بن نقطة الحنبلي المتوفى سنة تسع وعشرين وستمائة.

- أنساب آل أبي طالب: لأبي جعفر الطبرسي محمد صاحب الأسباب والنزول.

- أنساب الطالبيين والعلويين القادمين إلى المغرب: لأمير المؤمنين المستنصر بالله الحكم الأموي المتوفي سنة ست وستين وثلاثمائة.

- نسب القطب النبوي والشريف العلوي: لشهاب الدين أبي العباس أحمد بن علي بن إبراهيم البدوي المتوفى سنة خمس وسبعين وستمائة.

ومن علماء الأنساب محمد بن إسحاق وأبو عبيدة ومصعب بن عبد الله الزبيري وعلي بن كيسان الكوفي ودعبل بن حنظلة ومن المتأخرين الهمداني صاحب الإكليل والبلاذري وأبو الحسن أحمد بن محمد الأشعري صاحب اللباب.
আনসাব কুরাইশ: আবু আবদুল্লাহ জুবাইর বিন বাক্কার আল-কুরাশি (মৃত্যু ২৫৬ হিজরি) রচিত এবং এর সংক্ষিপ্তসার লিখেছেন আবু ফায়দ মাওরাজ ইবনে উমর আল-বাসরি আন-নাহবি (মৃত্যু ৩৭৪ হিজরি), এতে ইবনে কুদামা রচিত আত-তাবয়ীন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আনসাবুল মুহাদ্দিসীন: হাফিজ মুহিব্বুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন আন-নাজ্জার আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি) রচিত। এ বিষয়ে আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির, যিনি ইবনুল কায়সারানি আল-মাকদিসি নামে পরিচিত, একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন; অতঃপর তাঁর ছাত্র আবু মুসা মুহাম্মদ বিন উমর আল-আসফাহানি (মৃত্যু ৫৮১ হিজরি) একটি পরিশিষ্ট লিখেছেন, যাতে তিনি পূর্বে বাদ পড়া বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন। আর উক্ত পরিশিষ্টের ওপর আরেকটি পরিশিষ্ট লিখেছেন হাফিজ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন নুকতাহ আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৬২৯ হিজরি)।

আনসাব আলে আবি তালিব: আসবাব ও নুজুল প্রণেতা আবু জাফর মুহাম্মদ আত-তাবারসি রচিত।

মাগরিবে আগমনকারী তালিবীয় ও আলবীয়দের বংশপরিচয়: আমিরুল মুমিনীন আল-মুস্তানসির বিল্লাহ আল-হাকাম আল-উমাইয়্যি (মৃত্যু ৩৬৬ হিজরি) রচিত।

নাসাব আল-কুতুব আন-নাবাবি ওয়াশ শরিফ আল-আলাবি: শিহাবুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আলি বিন ইবরাহিম আল-বাদাবি (মৃত্যু ৬৭৫ হিজরি) রচিত।

বংশগতিবিদ্যার পণ্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক, আবু উবাইদাহ, মুসয়াব বিন আবদুল্লাহ আজ-জুবাইরি, আলি বিন কায়সান আল-কুফি এবং দি'বিল বিন হানজালা। আর পরবর্তী যুগের পণ্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন আল-ইকলীল প্রণেতা আল-হামদানি, আল-বালাজুরি এবং আল-লুবাব প্রণেতা আবু আল-হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আশআরি।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌التعريف بالكتاب

ومن أشهر كتب هذا الفن وأهمها أنساب السمعاني: وهو هذا الكتاب الذي بين أيدينا.

قال صاحب كشف الظنون: وهو كتاب عظيم في هذا الفن وتمامه يكون في ثماني مجلدات لكنه قليل الوجود، ولما كان كبير الحجم لخصه عز الدين أبو الحسن علي بن محمد بن الأثير الجزري المتوفى سنة ثلاثين وستمائة زاد فيه أشياء واستدرك على ما فاته وسماه اللباب وهو في ثلاث مجلدات وفرغ في جمادي الأولى سنة خمس عشرة وستمائة وهو أحسن من الأصل على قول ابن خلكان.

أقول ان الذي دفع ابن خلكان إلى هذا القول هو أن ابن الأثير رحمه الله استدرك على السمعاني ما فاته وأحسن الاختصار. إلا أن العالم المتبحر والباحث المدقق لا يسعهما إلا اللجوء إليه لكثرة الأسامي والاعلام المذكورين فيه.

ثم لخصه السيوطي وجرده عن المنتسبين وزاد عليه أشياء وسماه لب اللباب، أوله:

الحمد لله المنزه عن الأشباه إلخ … قال وقد استقصيت كثيرا مما فاتهما واستدركت منه جميعا غالبه من معجم البلدان لياقوت وهو في مجلد صغير الحجم فرغ منه في صفر سنة ثلاث وسبعين وثمانمائة.

أقول(1) قد أوردت كتاب اللب جميعا في القسم الثاني من سلم الوصول إلى طبقات الفحول واستدركت عليهم كثيرا من الأنساب ولله الحمد.

ولخص أيضا القاضي قطب الدين محمد بن محمد الخيضري الشافعي المتوفى سنة أربع وتسعين وثمانمائة أنساب السمعاني وضم إليه ما عند ابن الأثير والرشاطي وغيرهما من الزيادات وسماه الاكتساب.

--------------------------------------------

(1) القائل هو السيوطي رحمه الله.

গ্রন্থ পরিচিতি

এই বিষয়ের অন্যতম প্রসিদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হলো সামআনী-র 'আনসাব': আর এটিই সেই গ্রন্থ যা আমাদের সামনে রয়েছে।

'কাশফুন জুনুন' এর লেখক বলেছেন: এটি এই বিষয়ের একটি মহান গ্রন্থ এবং এটি পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় আট খণ্ডে সমাপ্ত, তবে এটি দুষ্প্রাপ্য। যেহেতু এটি আকারে বিশাল ছিল, তাই ইজ্জুদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-アスীর আল-জাজারী (মৃত্যু ৬৩০ হিজরী) একে সংক্ষেপ করেছেন, এতে কিছু বিষয় সংযোজন করেছেন এবং যা বাদ পড়েছিল তা সংশোধন করেছেন। তিনি এর নাম দিয়েছেন 'আল-লুবাব'। এটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত। তিনি ৬১৫ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে এর কাজ শেষ করেন এবং ইবনে খাল্লিকানের মতে এটি মূল গ্রন্থের চেয়েও উত্তম।

আমি বলব, ইবনে খাল্লিকানকে এই মন্তব্যে যা উদ্বুদ্ধ করেছে তা হলো, ইবনুল আসীর (রহিমাহুল্লাহ) সামআনীর বাদ পড়া বিষয়গুলো সংশোধন করেছেন এবং চমৎকারভাবে সংক্ষেপ করেছেন। তবে, অগাধ পণ্ডিত এবং সূক্ষ্মদর্শী গবেষকদের জন্য এতে উল্লিখিত অধিক সংখ্যক নাম ও ব্যক্তিত্বের আধিক্যের কারণে মূল গ্রন্থের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া উপায় নেই।

অতঃপর সুয়ূতী একে সংক্ষেপ করেন এবং একে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবরণ থেকে মুক্ত করে সারসংক্ষেপ তৈরি করেন। তিনি এতে আরও কিছু বিষয় সংযোজন করেন এবং এর নাম দেন 'লুব্বুল লুবাব'। এর শুরু হলো:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সদৃশ হওয়া থেকে পবিত্র ইত্যাদি … তিনি বলেন, তাদের উভয়ের যা বাদ পড়েছিল তার অনেকটা আমি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান করেছি এবং এর অধিকাংশ ইয়াকুত-এর 'মু'জামুল বুলদান' থেকে গ্রহণ করে সংশোধন করেছি। এটি আকারে একটি ছোট খণ্ড, যা ৮৭৩ হিজরীর সফর মাসে সমাপ্ত হয়েছে।

আমি বলব(১) আমি 'আল-লুব' গ্রন্থটি পূর্ণাঙ্গভাবে 'সুল্লামুল উসুল ইলা তাবাকাতিল ফুহুল'-এর দ্বিতীয় অংশে অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং তাদের অনেক বংশলতিকা সংশোধন করেছি, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।

কাজী কুতুবুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-খাইদারী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৮৯৪ হিজরী) সামআনীর 'আনসাব' সংক্ষেপ করেছেন এবং এতে ইবনুল আসীর ও রুশাতী প্রমুখের বর্ধিত অংশগুলো যুক্ত করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন 'আল-ইকতিসাব'।

--------------------------------------------

(১) বক্তা হলেন সুয়ূতী রহিমাহুল্লাহ।

(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌ترجمة المؤلف:

‌‌اسمه ونسبه وكنيته ولقبه: هو الحافظ البارع العلامة تاج الاسلام أبو سعد عبد الكريم بن الحافظ تاج الاسلام معين الدين أبي بكر محمد بن العلامة المجتهد أبي المظفر منصور بن محمد بن عبد الجبار بن أحمد محمد بن جعفر التميمي السمعاني المروزي.

والسمعاني: كما ذكر المؤلف في حرف السين من هذا الكتاب، بفتح السين المهملة وسكون الميم وفتح العين المهملة وفي آخرها النون. هذه النسبة إلى سمعان، وهو اسم لبعض أجداد المنتسب إليه، وأما سمعان الذي ننتسب إليه فهو بطن من تميم، هكذا سمعت سلفي يذكر ذلك.

‌‌مولده ونشأته: ولد في شعبان سنة ست وخمس مائة وحمله والده إلى نيسابور في آخر سنة تسع فلحق بحضوره المعمر عبد الغفار بن محمد الشيرازي وعبيد بن محمد القشيري وعده، وحضر بمرو على أبي منصور محمد بن علي نافلة الكراعي، فمات أبوه سنة عشر وتربى مع أعمامه وأهله، وحفظ القرآن والفقه ثم حبب إليه هذا الشأن وعني به ورحل إلى الأقاليم النائية.

وجملة الامر فإن أهله وعائلته بجملتهم كانوا من العلماء والفضلاء مما أتاح للسمعاني أن يسلك طريقهم ويتلقى عنهم ويستفيد منهم وهذا الذي شجعه فكان عالما متبحرا قطع المسافات والآفاق والتقى بالعلماء وسمع عن الكثير حتى قال ابن النجار: سمعت من يذكر أن عدد شيوخه سبعة آلاف شيخ وهذا شئ لم يبلغه أحد.

‌‌مشايخه: مر أنه سمع من الكثير الكثير وأول من تلقى منهم أعمامه وأهله منهم: عمه الأكبر أبو محمد الحسن بن أبي المظفر السمعاني تفقه على والد المؤلف. سمع منه الكثير وكان يكرمه ويحبه وقرأ عليه الكتب المصنفة مثل كتاب الجامع لمعمر بن راشد وكتاب التاريخ لأحمد بن سيار، والأمالي والانتصار والأحاديث الألف لجده بروايته عنه وأمالي أبي زكريا المزكي وأبو القاسم السراج بروايته عن أبي الحسن المديني وأبي العباس بن عبد الصمد وغير ذلك من الاجزاء والفوائد.

وسمع من ابن عمه الأكبر محمد بن الحسن السمعاني الكثير من شعره، غير أن
লেখকের জীবনী:

তাঁর নাম, বংশপরিচয়, উপনাম ও উপাধি: তিনি হলেন হাফিজ, পারদর্শী আল্লামা, তাজুল ইসলাম আবু সা’দ আব্দুল কারিম ইবনে হাফিজ তাজুল ইসলাম মুঈনুদ্দিন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল্লামা মুজতাহিদ আবু মুজাফফর মানসুর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল জব্বার ইবনে আহমদ মুহাম্মদ ইবনে জাফর আত-তামিমি আস-সামআনি আল-মারওয়াজি।

আর সামআনি: লেখক যেমন এই কিতাবের ‘সীন’ বর্ণের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন, সীন বর্ণে ফাতহ (যবর), মীম বর্ণে সুকুন এবং আইন বর্ণে ফাতহ যোগে এবং এর শেষে নূন। এই নিসবত বা সম্বন্ধটি সামআন-এর দিকে, যা তাঁর কোনো এক পূর্বপুরুষের নাম। আর যে সামআন-এর দিকে আমরা নিজেদের সম্বন্ধ করি, তা তামিমি গোত্রের একটি শাখা; আমি আমার পূর্বসূরিদের এভাবেই এটি উল্লেখ করতে শুনেছি।

জন্ম ও বেড়ে ওঠা: তিনি ৫০৬ হিজরি সনের শাবান মাসে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা তাঁকে ৫০৯ হিজরি সনের শেষ দিকে নিশাপুরে নিয়ে যান, ফলে তিনি সেখানে প্রবীণ আব্দুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ আশ-শিরাজি ও উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কুশাইরি এবং আরও অনেকের সান্নিধ্য লাভ করেন। মার্ভে তিনি আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে আলি নাফিলাহ আল-কারা’য়ির পাঠে উপস্থিত হন। ৫১০ হিজরি সনে তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন এবং তিনি তাঁর চাচা ও পরিবারের কাছে লালিত-পালিত হন। তিনি কুরআন ও ফিকহ হিফজ করেন, অতঃপর এই শাস্ত্রের প্রতি তাঁর অনুরাগ জন্মে এবং তিনি এতে মনোনিবেশ করেন ও দূর-দূরান্তের জনপদে ভ্রমণ করেন।

সারকথা হলো, তাঁর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের প্রায় সকলেই ছিলেন আলিম ও গুণী ব্যক্তি, যা সামআনিকে তাঁদের পথে চলতে এবং তাঁদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ ও উপকৃত হতে সুযোগ করে দেয়। এটিই তাঁকে উৎসাহিত করেছিল, ফলে তিনি একজন গভীর জ্ঞানের অধিকারী আলিম হয়েছিলেন যিনি দেশ-দেশান্তর পাড়ি দিয়েছিলেন এবং আলিমদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন ও অনেকের থেকে হাদিস শুনেছিলেন। এমনকি ইবনু নাজ্জার বলেন: আমি কাউকে বলতে শুনেছি যে, তাঁর উস্তাদদের সংখ্যা ছিল সাত হাজার, যা অন্য কেউ অর্জন করতে পারেনি।

তাঁর উস্তাদগণ: আগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি অসংখ্য উস্তাদের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন। যাঁদের থেকে তিনি সর্বপ্রথম শিক্ষা গ্রহণ করেন তাঁরা হলেন তাঁর চাচারা এবং তাঁর পরিবার। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: তাঁর বড় চাচা আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আবি মুজাফফর আস-সামআনি, যিনি লেখকের পিতার নিকট ফিকহ পড়েছিলেন। তিনি তাঁর থেকে অনেক হাদিস শুনেছেন এবং তিনি তাঁকে সম্মান করতেন ও ভালোবাসতেন। তিনি তাঁর নিকট অনেক সংকলিত কিতাব পাঠ করেছিলেন, যেমন মুয়াম্মার ইবনে রাশিদ-এর ‘আল-জামি’ এবং আহমদ ইবনে সাইয়্যার-এর ‘আত-তারিখ’, আল-আমালি, আল-ইনতিসার এবং তাঁর দাদার সূত্রে বর্ণিত এক হাজার হাদিস, আবু জাকারিয়া আল-মুজাক্কির আমালি এবং আবুল কাসিম আস-সাররাজ-এর বর্ণনা যা তিনি আবুল হাসান আল-মাদিনি ও আবুল আব্বাস ইবনে আব্দুস সামাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এ ছাড়াও আরও অনেক হাদিসের অংশ ও ফাওয়াইদ (উপকারিতা)।

তিনি তাঁর বড় চাচাতো ভাই মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আস-সামআনি থেকে তাঁর অনেক কবিতা শুনেছিলেন, তবে...
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১১)
ابن عمه هذا لم يشتغل بما اشتغل به سلفه حيث كان كثير الجلوس مع الشبان والجري في ميدانهم وموافقتهم فيما هم فيه.

وسمع من عمه الأصغر أستاذه الذي أخذ عنه الفقه وعلق عليه الخلاف وبعض المذهب وهو أبو القاسم أحمد بن منصور السمعاني. تفقه على والد المؤلف وأخذ عنه العلم وخلفه بعده فيما كان مفوضا إليه. انتخب عليه أوراقا وقرأ عليه عن شيوخه وخرج معه إلى سرخس وانصرفا إلى مرو، وخرجا في شوال سنة تسع وعشرين إلى نيسابور لرغبة المؤلف سماع حديث مسلم بن الحجاج القشيري. فسمع معه الصحيح.

وسمع من أخته أمة الله حرة، كانت امرأة صالحة عفيفة كثيرة الدرس للقرآن. حصلت على إجازة عن أبي غالب محمد بن الحسن الباقلاني البغدادي، قرأت عليها أحاديث وحكايات بإجازتها عنه.

وسمع من المشاهير منهم: أبي عبد الله الفراوي وزاهر الشحامي وطبقتهما بنيسابور، والحسين بن عبد الملك الخلال وسعيد بن أبي الرجاء وطبقتهما بأصبهان وأبي بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري وطبقته ببغداد وعمر بن إبراهيم العلوي بالكوفة وأبي الفتح المصيصي بدمشق وببخارى وسمرقند وبلخ وسمع من خلائق يطول سردهم وألف معجم البلدان التي سمع بها.

ذكر من سمع منه وتلقى وروى عنه: منهم ولده عبد الرحيم مفتي مرو وأبو القاسم بن عساكر وابنه القاسم وعبد الوهاب سكينة وعبد الغفار بن منينا وأبو روح عبد المعز بن محمد الهروي وأبو الضوء شهاب الشذباني والافتخار عبد المطلب الحلبي وأبو الفتح محمد بن محمد الصائغ وخلق.

‌‌رحلاته: قال السبكي عني بالحديث والسماع واتسعت رحلته فعمت بلاد خراسان وأصبهان وما وراء النهر والعراق والحجاز والشام واتسعت رحلته فعمت بلاد خراسان وأصبهان وما وراء النهر والعراق والحجاز والشام وطبرستان وزار بيت المقدس وهو بأيدي النصارى وحج مرتين. وقال الذهبي في تذكرة الحفاظ أنه ذكر في كتاب التحبير تراجم شيوخه فأفاد وأجاد.

‌‌مصنفاته: نقل أسماءها ابن النجار من خطه، منها "الذيل" على تاريخ الخطيب أربع مائة طاقة، "تاريخ مرو" خمس مائة طاقة، " أدب الطلب " مائة وخمسون طاقة، " الاسفار عن الاسفار " خمس وعشرون طاقة، " الاملاء والاستملاء " خمس عشرة طاقة، " معجم البلدان " خمسون طاقة، " معجم الشيوخ " ثمانون طاقة، " تحفة المسافر " مائة وخمسون
তাঁর এই চাচাতো ভাই তাঁর পূর্বসূরিরা যে কাজে লিপ্ত ছিলেন তাতে নিজেকে নিয়োজিত করেননি; বরং তিনি যুবকদের সাথে অধিক সময় অতিবাহিত করতেন, তাদের বিচরণক্ষেত্রে যাতায়াত করতেন এবং তারা যে অবস্থায় ছিল তাতে তাদের সাথে একাত্ম হতেন।

তিনি তাঁর ছোট চাচা ও উস্তাদ আবুল কাসিম আহমদ বিন মনসুর আস-সামআনী থেকে হাদিস শুনেছেন, যাঁর কাছ থেকে তিনি ফিকহ অর্জন করেছেন এবং তাঁর নিকট ইখতিলাফ (মতভেদ) ও মাযহাবের কিছু বিষয় লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি (চাচা) লেখকের পিতার কাছে ফিকহ শিক্ষা করেন এবং তাঁর কাছ থেকে ইলম অর্জন করেন এবং তাঁর পরে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি তাঁর নিকট কিছু পাণ্ডুলিপি নির্বাচন করেন এবং তাঁর নিকট তাঁর শাইখদের বর্ণিত হাদিস পাঠ করেন। তিনি তাঁর সাথে সারাখসে গমন করেন এবং মার্ভে ফিরে আসেন। ৫২৯ হিজরির শাওয়াল মাসে তাঁরা নিশাপুরের উদ্দেশ্যে বের হন, কারণ লেখকের মুসলিম বিন হাজ্জাজ আল-কুশাইরীর হাদিস শোনার আকাঙ্ক্ষা ছিল। ফলে তিনি তাঁর সাথে 'সহিহ' (মুসলিম) শ্রবণ করেন।

তিনি তাঁর বোন আমাতুল্লাহ হুররাহ-র নিকট থেকেও হাদিস শুনেছেন; তিনি ছিলেন একজন নেককার, সতী-সাধ্বী নারী এবং অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াতকারী। তিনি আবু গালিব মুহাম্মদ বিন হাসান আল-বাকিল্লানি আল-বাগদাদীর নিকট থেকে ইজাজত লাভ করেছিলেন। আমি তাঁর (বোনের) নিকট তাঁর ইজাজতসূত্রে প্রাপ্ত হাদিস ও ঐতিহাসিক ঘটনাবলি পাঠ করেছি।

তিনি প্রখ্যাত আলিমদের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: নিশাপুরে আবু আব্দুল্লাহ আল-ফারাউয়ি, যাহির আশ-শাহামি ও তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিগণ; ইসফাহানে হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-খাল্লাল, সাঈদ বিন আবুল রাজা ও তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিগণ; বাগদাদে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি ও তাঁর সমপর্যায়ের ব্যক্তিগণ; কুফায় উমর বিন ইবরাহিম আল-আলাউয়ি; দামেস্কে আবুল ফাতহ আল-মাসিসী; এছাড়া বুখারা, সমরকন্দ ও বালখেও তিনি হাদিস শুনেছেন। তিনি অসংখ্য মানুষের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন যাঁদের তালিকা দীর্ঘ হবে এবং তিনি যেসকল স্থানে হাদিস শুনেছেন তা নিয়ে 'মুজামুল বুলদান' (শহরসমূহের অভিধান) রচনা করেছেন।

যাঁরা তাঁর নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন, ইলম গ্রহণ করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: তাঁর পুত্র মার্ভের মুফতি আব্দুর রহিম, আবুল কাসিম বিন আসাকির ও তাঁর পুত্র কাসিম, আব্দুল ওয়াহহাব সাকিনাহ, আব্দুল গাফফার বিন মুনিনা, আবু রুহ আব্দুল মুইজ বিন মুহাম্মদ আল-হারাউয়ি, আবুদ্ব-দ্বাউ শিহাব আশ-শাযবানি, আল-ইফতিখার আব্দুল মুত্তালিব আল-হালাবি, আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আস-সায়িগ এবং আরও অনেকে।

তাঁর সফরসমূহ: আস-সুবকী বলেন, তিনি হাদিস চর্চা ও শ্রবণের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন। তাঁর সফর ছিল সুদূরপ্রসারী, যা খোরাসান, ইসফাহান, মা ওয়ারাউন নাহার (ট্রান্সক্সিয়ানা), ইরাক, হিজাজ ও সিরিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তাঁর সফর পরিব্যাপ্ত ছিল খোরাসান, ইসফাহান, মা ওয়ারাউন নাহার, ইরাক, হিজাজ, সিরিয়া এবং তাবারিস্থান পর্যন্ত। তিনি বাইতুল মুকাদ্দাস যিয়ারত করেন যখন তা খ্রিষ্টানদের দখলে ছিল এবং তিনি দুইবার হজ সম্পাদন করেন। আয-যাহাবী 'তাযকিরাতুল হুফফাজ'-এ বলেন যে, তিনি 'কিতাবুত তাহবীর'-এ তাঁর শাইখদের জীবনী উল্লেখ করেছেন এবং এতে তিনি অত্যন্ত তথ্যবহুল ও চমৎকার কাজ করেছেন।

তাঁর রচনাবলি: ইবনুন নাজ্জার তাঁর নিজের হাতের লেখা থেকে এগুলোর নাম নকল করেছেন। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: খতীবের ইতিহাসের ওপর 'আয-যাইল' (পরিশিষ্ট) চারশ খণ্ড, 'তারীখে মার্ভ' (মার্ভের ইতিহাস) পাঁচশ খণ্ড, 'আদাবুত তলাব' দেড়শ খণ্ড, 'আল-আসফার আনিল আসফার' পঁচিশ খণ্ড, 'আল-ইমলা ওয়াল ইসতিমলা' পনেরো খণ্ড, 'মুজামুল বুলদান' পঞ্চাশ খণ্ড, 'মুজামুশ শুয়ুখ' আশি খণ্ড, 'তুহফাতুল মুসাফির' দেড়শ খণ্ড।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১২)
طاقة، " الهداية " خمس وعشرون طاقة، " عز العزلة " سبعون طاقة، " الأدب واستعمال الحسب " خمس طاقات، " المناسك " ستون طاقة، " الدعوات " أربعون طاقة، " الدعوات النبوية " خمس عشرة طاقة، " غسل اليدين " خمس طاقات، " أفانين البساتين " خمس عشرة طاقة، " دخول الحمام " خمس عشرة طاقة، " صلاة التسبيح " عشر طاقات، " التحايا " ست طاقات، " تحفة العيد " ثلاثون طاقة، " فضل الديك " خمس طاقات، " الرسائل والوسائل " خمس عشرة طاقة، " صوم البيض " خمس عشرة طاقة، " سلوة الأحباب " خمس طاقات، " التحبير في المعجم الكبير " ثلاث مائة طاقة، " فرط الغرام إلى ساكني الشام " خمس عشرة طاقة، " مقام العلماء بين يدي الامراء " إحدى عشرة طاقة، " المسارات والمصافحة " ثلاث عشرة طاقة، " ذكرى حبيب رحل، وبشرى منيب ينزل " عشرون طاقة، " الأمالي الخمس مائة " مائتا طاقة، " فوائد الموائد " مائتا طاقة، " فضل الهر " ثلاث طاقات، " ركوب البحر " سبع طاقات، " الهريسة " ثلاث طاقات] " وفيات المتأخرين " خمس عشرة طاقة، " الأنساب " ثلاث مائة وخمسون طاقة]، " الأمالي " ستون طاقة، " بخار بخور البخاري " عشرون طاقة، " تقديم الجفان إلى الضيفان " سبعون طاقة، " صلاة الضحى " عشر طاقات، " الصدق في الصداقة "، " الريح في التجارة "، " رفع الارتياب عن كتابة الكتاب " أربع طاقات، " النزوع إلى الأوطان " خمس وثلاثون طاقة، " تخفيف الصلاة " في طاقتين، " لفتة المشتاق إلى ساكن العراق " أربع طاقات، " من كنيته أبو سعد " ثلاثون طاقة، " فضائل الشام " في طاقتين، " فضل ياسين " في طاقتين.

‌‌عودته إلى مرو ووفاته: قال السبكي: عاد إلى وطنه بمرو سنة ثمان وثلاثين فتزوج وولد له أبو المظفر عبد الرحيم فرحل به إلى نيسابور ونواحيها وهراة ونواحيها وبلخ وسمرقند وبخارا وخرج له معجما ثم عاد به إلى مرو وألقى عصا السفر بعدما شق الأرض شقا وأقبل على التصنيف والوعظ والتدريس.

قال ابن النجار: عاد بعدما دوخ الأرض سفرا إلى بلده مرو وأقام مشتغلا بالجمع والتصنيف والتحديث والتدريس بالمدرسة العميدية ونشر العلم إلى أن توفي إماما من أئمة المسلمين في كثير من العلوم لا سيما الحديث على اختلاف فنونه.
'আল-হিদায়াহ' পঁচিশ পাতা, 'ইযযুল উযলাহ' সত্তর পাতা, 'আল-আদাব ওয়া ইস্তিমালুল হাসাব' পাঁচ পাতা, 'আল-মানাসিক' ষাট পাতা, 'আদ-দাওয়াত' চল্লিশ পাতা, 'আদ-দাওয়াতুন নাবাবিয়্যাহ' পনের পাতা, 'গুসলুল ইয়াদাইন' পাঁচ পাতা, 'আফানিনুল বাসাতিন' পনের পাতা, 'দুখুলুল হাম্মাম' পনের পাতা, 'সালাতুত তাসবিহ' দশ পাতা, 'আত-তাহায়া' ছয় পাতা, 'তুহফাতুল ঈদ' ত্রিশ পাতা, 'ফাদলুদ দিক' পাঁচ পাতা, 'আর-রাসায়িল ওয়াল ওয়াসায়িল' পনের পাতা, 'সাওমুল বিদ' পনের পাতা, 'সালওয়াতুল আহবাব' পাঁচ পাতা, 'আত-তাহবির ফিল মুজামিল কাবির' তিনশত পাতা, 'ফারতুল গিরাম ইলা সাকিনিশ শাম' পনের পাতা, 'মাকামুল উলামা বাইনা ইয়াদাইল উমারা' এগারো পাতা, 'আল-মুসাররাত ওয়াল মুসাফাহা' তেরো পাতা, 'জিকরু হাবিবিন রাহাল, ওয়া বুশরা মুনিবিন ইয়ানযিল' বিশ পাতা, 'আল-আমালিল খামসু মিআহ' দুইশত পাতা, 'ফাওয়াইদুল মাওয়াইদ' দুইশত পাতা, 'ফাদলুল হিরর' তিন পাতা, 'রুকুবুল বাহর' সাত পাতা, 'আল-হারিসাহ' তিন পাতা] 'ওয়াফায়াতুল মুতাআখখিরিন' পনের পাতা, 'আল-আনসাব' তিনশত পঞ্চাশ পাতা], 'আল-আমালি' ষাট পাতা, 'বুখার বুখুরিল বুখারি' বিশ পাতা, 'তাকদিমুল জিফান ইলাদ দাইফান' সত্তর পাতা, 'সালাতুদ দুহা' দশ পাতা, 'আস-সিদকু ফিস সাদাকাহ', 'আর-রিহু ফিত তিজারাহ', 'রাফউল আরতিয়াব আন কিতাবাতিল কিতাব' চার পাতা, 'আন-নুযু ইলাল আওতান' পঁয়ত্রিশ পাতা, 'তাখফিফুস সালাহ' দুই পাতায়, 'লাফতাতুল মুশতাক ইলা সাকিনিল ইরাক' চার পাতা, 'মান কুনিয়্যাতুহু আবু সাদ' ত্রিশ পাতা, 'ফাদায়িলুশ শাম' দুই পাতায়, 'ফাদলু ইয়াসিন' দুই পাতায়।

‌‌মার্ভে প্রত্যাবর্তন ও তাঁর মৃত্যু: সুবকি বলেন: তিনি ৩৮ হিজরি সালে তাঁর স্বদেশে মার্ভে প্রত্যাবর্তন করেন। সেখানে তিনি বিবাহ করেন এবং তাঁর পুত্র আবু মুজাফফর আবদুর রহিম জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পুত্রকে নিয়ে নিশাপুর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা, হেরাত ও তার আশপাশ, বলখ, সমরকন্দ ও বুখারা ভ্রমণ করেন এবং পুত্রের জন্য একটি 'মুজাম' (হাদিস সংকলন) প্রস্তুত করেন। এরপর তাঁকে নিয়ে পুনরায় মার্ভে ফিরে আসেন এবং সমগ্র পৃথিবী চষে বেড়ানোর পর ভ্রমণের ইতি টানেন। এরপর তিনি গ্রন্থ রচনা, ওয়াজ-নসিহত ও পাঠদানে মনোনিবেশ করেন।

ইবনুন নাজ্জার বলেন: দেশ-দেশান্তর সফরের পর তিনি তাঁর নিজ শহর মার্ভে ফিরে আসেন এবং সেখানে আল-মাদরাসাতুল উমিদিয়্যাহ-তে সংকলন, গ্রন্থ রচনা, হাদিস বর্ণনা ও শিক্ষাদানে ব্যস্ত থাকেন। তিনি এভাবে ইলম প্রচার করতে থাকেন যতক্ষণ না মুসলিমদের একজন ইমাম হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বহু শাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন, বিশেষ করে হাদিস শাস্ত্রের বিবিধ শাখায়।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌النسخة التي اعتمدت في تحقيق هذه الطبعة:

اعتمد في تحقيق وإخراج هذه النسخة على النسخة التي قام بطبعها محمد أمين دمج ببيروت باعتبارها أضبط النسخ المطبوعة ولاعتماده أربع نسخ من الكتاب: وأنقل وصف النسخ كما هي من النسخة المطبوعة.

1 - ك - وهي فلم مأخوذ من نسخة محفوظة بمكتبة كوبريلي باستانبول ذكرت في فهرس المخطوطات المصورة لجامعة الدول العربية ج 2 رقم 68 بما يأتي " نسخة كتبت سنة 915 بخط نسخ جميل كتبه عبد المجيد بن محمد الكرماني العباسي، 482 ق، مكتبة كوبريلي 1010 ".

وهي نسخة كاملة سوى سقطات يسيرة في أثناء الكتاب كما سينبه عليها، وفي خاتمتها بخط كاتبها ما صورته " تممت كتابة هذا الكتاب المشهور عند أرباب الألباب بالأنساب للنحرير المحقق … الامام السمعاني، .... لأجل حضرت (كذا) من خصه الله من حقائق المعارف .... اللهم كما نظمت عقود الملك يعلو شأنه وكمال سيادته أحمد نظام فاحرسه عن مكايد الأعادي .... في بلدة طيبة هي بلدة الهراة (كذا) .... بتاريخ شهر مولد النبي الأكمل أعني ربيع الأول سنة خمس عشر (كذا) وتسعمائة، وأنا تراب أقدام العلماء .....

عبد المحيد بن محمد الكرماني العباسي .... من كرمهم مسؤول .... " وهي الأصل المعتمد عليه لهذا المطبوع.

2 - س - وهي فيلم مأخوذ من نسخة محفوظة بمكتبة غوث أكبر في روسيا برقم (ج 361 - OR) وهي نسخة تامة إلا أنه سقط منها عشرة أوراق بعد الأولى وسقطات عديدة في الأثناء سينبه عليها، وعدد أوراقها 470.

3 - م - وهي النسخة التي طبعها المستشرق مرجليوث بالزنكو غراف في ليدن سنة 1912 عن نسخة المتحف البريطاني المحفوظة تحت رقم 255، 23.
‌এই সংস্করণটি সম্পাদনায় যে পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করা হয়েছে:

এই সংস্করণটি সম্পাদনা ও প্রকাশের ক্ষেত্রে বৈরুতে মুহাম্মদ আমিন দামাজ কর্তৃক মুদ্রিত সংস্করণের ওপর নির্ভর করা হয়েছে, কারণ এটি মুদ্রিত সংস্করণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নির্ভুল এবং তিনি বইটির চারটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছিলেন। আমি মুদ্রিত সংস্করণ থেকে পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ অবিকলভাবে উদ্ধৃত করছি।

১ - কাফ - এটি ইস্তাম্বুলের কোপরুলু লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপির মাইক্রোফিল্ম, যা আরব লীগের চিত্রিত পাণ্ডুলিপি ক্যাটালগের ২য় খণ্ড, ৬৮ নম্বর ক্রমিকে নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "৯১৫ হিজরিতে সুন্দর নাসখ লিপিতে লিখিত একটি পাণ্ডুলিপি, যা আব্দুল মাজীদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কিরমানি আল-আব্বাসি কর্তৃক প্রতিলিপি করা হয়েছে, ৪৮২ পৃষ্ঠা, কোপরুলু লাইব্রেরি ১০১০"।

এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি, তবে বইয়ের মাঝে কিছু সামান্য বিচ্যুতি বা বাদ পড়া অংশ রয়েছে যা যথাস্থানে উল্লেখ করা হবে। এর সমাপ্তিতে লেখকের হস্তাক্ষরে যা লিখা আছে তা হলো: "আমি বুদ্ধিমানদের কাছে পরিচিত এই 'আল-আনসাব' নামক কিতাবটির প্রতিলিপি সম্পন্ন করেছি, যা গভীর জ্ঞানসম্পন্ন গবেষক ... ইমাম সামআনি-এর রচনা, ... সেই মহান ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ বিশেষ জ্ঞান ও পরিচিতি দ্বারা ধন্য করেছেন ... হে আল্লাহ, যেভাবে আপনি রাজকীয় শৃঙ্খলার মালা গেঁথেছেন যাতে তাঁর মর্যাদা এবং তাঁর নেতৃত্বের পূর্ণতা বৃদ্ধি পায়, তেমনিভাবে আহমদ নিজামকে শত্রুদের চক্রান্ত থেকে রক্ষা করুন ... পবিত্র শহর হেরাত-এ ... পূর্ণতম নবী (সা.)-এর জন্মের মাস অর্থাৎ রবিউল আউয়াল মাসের তারিখে, নয়শত পনেরো হিজরি সনে, এবং আমি আলেমদের পদধূলি .....

আব্দুল মাজীদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কিরমানি আল-আব্বাসি .... তাদের মহানুভবতা কাম্য .... " এবং এটিই এই মুদ্রিত সংস্করণের প্রধান ভিত্তি।

২ - সিন - এটি রাশিয়ার গাউস আকবর লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপির মাইক্রোফিল্ম (নম্বর: OR - 361 c)। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি, তবে প্রথম পৃষ্ঠার পর দশটি পাতা এবং মাঝে মাঝে বেশ কিছু অংশ বাদ পড়েছে যা যথাস্থানে উল্লেখ করা হবে। এর পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪৭০।

৩ - মিম - এটি সেই সংস্করণ যা প্রাচ্যবিদ মারগোলিউথ ১৯১২ সালে লাইডেনে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি (নম্বর: ২৩, ২৫৫) থেকে জিংকোগ্রাফ পদ্ধতিতে মুদ্রণ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১৭)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الذي فتح أبواب الرغائب، ومنح أسباب المواهب، زين الدنيا بمتاعها، ثم زهد فيها بانقطاعها، لا فرار منه لخائف، ولا قرار عنه لعارف، نحمده ونؤمله تأميلاً، ونسأله ونتخذه وكيلاً، ولا نبتغي عن طاعته مميلاً، ولا نهتدي إلى غيره سبيلاً، ونصلي على محمد عبده ورسوله المبعوث وغصن الدين يابس، ورسم اليقين دارس، فعاد به عود الدين أخضر ناضراً، ووجه اليقين أزهر زاهرا، صلى الله عليه وعلى آله وأصحابه الذين ازداد بهم الحق إشراقاً، والخير انتظاماً واتساقاً، وسلم تسليماً كثيراً كثيرا.

أما بعد فإن الله عز وجل وعلا اختار محمداً صلى الله عليه وسلم من عباده، واستخلصه لنفسه من بلاده، فبعثه إلى خلقه بالحق بشيراً، ومن النار لمن راغ عن سبيله نذيراً، ليدعو الخلق من عبادة عباده إلى عبادته، ومن اتباع السبل إلى لزوم طاعته، ثم لم يجعل الفزع عند وقوع كل حادثة، ولا الهرب عند وجود كل نازلة، إلا إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فسنته الفاصلة بين المتنازعين، وآثاره القاطعة بين الخصمين، وشرف شريعته وعظمها، ورفع خطرها على ما سواها من الملل وكرمها، وقيض لها من الحفاظ والوعاة، ويسر من النقلة والرواة، طائفة أذهبوا في تقييد شواردها أعمارهم، وأجالوا في نظم قلائدهم أفكارهم.

1 - أخبرنا أبو محمد يحيى بن علي المدير وأبو الحسن محمد بن أحمد الدقيقي(1) ببغداد قالا أنا أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب إجازة أنا أبو سعد إسماعيل بن علي بن الحسن بن بندار بن المثنى الاستراباذي ببيت المقدس ثنا محمد بن عبد الله الحافظ بنيسابور أنا حسان بن محمد قال قال شيخ من أهل العلم لأبي العباس بن سريج: أبشر أيها القاضي؟

فإن الله بعث عمر بن عبد العزيز على رأس المائة فأظهر كل سنة وأمات كل بدعة ومن الله تعالى علينا على رأس المائتين بالشافعي حتى أظهر السنة وأخفى البدعة ومن الله تعالى علينا على رأس الثلاثمائة بك حتى قويت كل سنة وضعفت كل بدعة، وقد قيل في ذلك شعر:

--------------------------------------------

(1) في نسخة: الرقيقي.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আকাঙ্ক্ষার দ্বারসমূহ উন্মোচন করেছেন এবং দান-অনুদানের উপায়সমূহ অর্পণ করেছেন। তিনি দুনিয়াকে এর ভোগসামগ্রী দ্বারা সুশোভিত করেছেন, অতঃপর এর নশ্বরতার মাধ্যমে এর প্রতি অনাসক্তি সৃষ্টি করেছেন। ভীত ব্যক্তির জন্য তাঁর থেকে পলায়নের কোনো পথ নেই এবং মারেফাত লাভকারীর জন্য তাঁকে ছাড়া কোনো স্থিরতা নেই। আমরা তাঁর প্রশংসা করি এবং তাঁর নিকট পূর্ণ প্রত্যাশা রাখি। আমরা তাঁর কাছেই প্রার্থনা করি এবং তাঁকে কর্মবিধায়ক হিসেবে গ্রহণ করি। তাঁর আনুগত্য থেকে আমরা কোনো বিচ্যুতি চাই না এবং তাঁকে ছাড়া অন্য কোনো পথে আমরা হেদায়েত খুঁজি না। আমরা দরুদ পাঠ করি তাঁর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর, যাঁকে এমন সময় পাঠানো হয়েছিল যখন দ্বীনের শাখা ছিল শুষ্ক এবং ইয়াকিনের (দৃঢ় বিশ্বাসের) চিহ্ন ছিল বিলীন। অতঃপর তাঁর মাধ্যমে দ্বীনের শাখা পুনরায় সবুজ ও সজীব হয়ে উঠল এবং ইয়াকিনের অবয়ব প্রদীপ্ত ও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর প্রচুর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন, যাঁদের মাধ্যমে সত্যের দ্যুতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কল্যাণের শৃঙ্খলা ও সামঞ্জস্য সুদৃঢ় হয়েছে।

অতঃপর, নিশ্চয়ই মহামহিম ও সুউচ্চ আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মনোনীত করেছেন এবং তাঁর দেশসমূহ থেকে তাঁকে নিজের জন্য নির্বাচিত করেছেন। অতঃপর তিনি তাঁকে তাঁর সৃষ্টির নিকট সত্যসহ সুসংবাদদাতা হিসেবে পাঠিয়েছেন এবং যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয় তাদের জন্য অগ্নি (জাহান্নাম) থেকে সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছেন। যাতে তিনি সৃষ্টিজগতকে বান্দার ইবাদত থেকে তাঁর (আল্লাহর) ইবাদতের দিকে এবং বিভিন্ন পথের অনুসরণ থেকে তাঁর আনুগত্যে অবিচল থাকার দিকে আহ্বান করেন। অতঃপর তিনি প্রতিটি দুর্ঘটনার সময় আশ্রয়স্থল এবং প্রতিটি বিপদের সময় পলায়নস্থল একমাত্র নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কেই নির্ধারণ করেছেন। বিবাদমানদের মাঝে তাঁর সুন্নাহ হলো চূড়ান্ত ফয়সালাকারী এবং বিবাদীদের মধ্যে তাঁর আসার (বর্ণিত নিদর্শন) হলো অকাট্য প্রমাণ। তিনি তাঁর শরীয়তকে মর্যাদা ও মহত্ত্ব দান করেছেন, অন্যান্য ধর্মাদর্শের ওপর এর গুরুত্ব ও সম্মানকে সুউচ্চ করেছেন। তিনি এর জন্য একদল সংরক্ষণকারী ও হিফাজতকারী নির্ধারণ করেছেন এবং একদল বর্ণনাকারী ও রাবী সহজ করে দিয়েছেন, যারা এর বিক্ষিপ্ত বিষয়গুলোকে সুসংবদ্ধ করতে তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং এর মুক্তামালা গেঁথে সাজাতে নিজেদের চিন্তাশক্তি ব্যয় করেছেন।

১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া ইবনে আলী আল-মুদির এবং আবু হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আদ-দাকিকি(১) বাগদাদে; তাঁরা বলেন: আমাদের এজাজত দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খাতিব; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ ইসমাইল ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে বুন্দার ইবনে আল-মুসান্না আল-ইস্তারাবাজি বাইতুল মাকদিসে; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ নিশাপুরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে মুহাম্মাদ; তিনি বলেন: ইলম অর্জনকারীদের মধ্য থেকে একজন শায়খ আবু আব্বাস ইবনে সুরাইজকে বললেন: হে কাজী, আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন!

নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রথম শতকের শুরুতে উমর ইবনে আব্দুল আজিজকে পাঠিয়েছিলেন, ফলে তিনি প্রতিটি সুন্নাতকে প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রতিটি বিদআতকে মিটিয়ে দিয়েছিলেন। আর আল্লাহ তাআলা দ্বিতীয় শতকের শুরুতে আশ-শাফিয়ীর মাধ্যমে আমাদের ওপর অনুগ্রহ করেছেন, এমনকি তিনি সুন্নাতকে প্রকাশ করেছেন এবং বিদআতকে বিলীন করেছেন। আর আল্লাহ তাআলা তৃতীয় শতকের শুরুতে আপনার মাধ্যমে আমাদের ওপর অনুগ্রহ করেছেন, ফলে প্রতিটি সুন্নাত শক্তিশালী হয়েছে এবং প্রতিটি বিদআত দুর্বল হয়েছে। এই বিষয়ে কিছু কবিতা বলা হয়েছে:

--------------------------------------------

(১) একটি পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আর-রাকিকি।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১৮)
اثنان قد مضيا فبورك فيهما … عمر الخليفة ثم خلف السودد

الشافعي الألمعي المرتضى … خير البرية وابن عم محمد

أرجو أبا العباس أنك ثالث … من بعدهم سقياً لتربة أحمد

فعظمت منهم الفائدة، وتوفرت لديهم العائدة، وتكاملت إليهم النعمة، وترادفت عليهم المنة، ونسأل الله إيزاع الشكر على ما خصنا به، وإدامة التوفيق فيما أهلنا له، فهو حسبنا ونعم الوكيل.

وكان علم المعارف والأنساب لهذه الأمة من أهم العلوم التي وضعها الله سبحانه وتعالى فيهم على ما قال الله تعالى:: (يا أيها الناس إنا خلقناكم من ذكر وأنثى وجعلناكم شعوباً وقبائل لتعارفوا إن أكرمكم عند الله أتقاكم)(1).

2 - أخبرنا أبو عبد الله محمد بن الفضل الفراوي وأبو محمد هبة الله بن سهل السيدي وأبو محمد إسماعيل بن عبد الرحمن القاري وأم الخير فاطمة بنت علي بن المظفر بن زعبل بن عجلان البغدادي بقراءتي عليهم بنيسابور قالوا أنا أبو الحسين عبد الغافر بن محمد بن عبد الغافر الفارسي أنا أبو العباس إسماعيل بن عبد الله الميكالي أنا عبدان بن أحمد بن موسى الأهوازي، ثنا زيد بن الحريش عن أبي همام ثنا موسى بن عبيدة عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف يوم فتح مكة على ناقته القصواء ليستلم الأركان كلها بمحجنه فما وجد لها مناخاً في المسجد حتى نزل على أيدي الرجال، ثم أخرجوها إلى بطن الوادي فأناخوها ثمة، ثم خطب الناس على راحلته فحمد الله وأثنى عليه ثم قال: " أما بعد! فإن الله عز وجل قد أذهب عنكم عبية الجاهلية وتعاظمها بآبائها، إنما الناس رجلان: بر تقي كريم على الله، وفاجر شقي هين على الله، ثم قال: إن الله عز وجل يقول: (يا أيها الناس إنا خلقناكم من ذكر وأنثى وجعلناكم شعوباً وقبائل لتعارفوا إن أكرمكم عند الله أتقاكم)، ثم قال: أقول قولي هذا وأستغفر الله لي ولكم "(2).

ومعرفة الأنساب من أعظم النعم التي أكرم الله تعالى بها عباده لأن تشعب الأنساب على افتراق القبائل والطوائف أحد الأسباب الممهدة لحصول الائتلاف وكذلك اختلاف الألسنة والصور وتباين الألوان والفطر على ما قال تعالى: * (واختلاف ألسنتكم وألوانكم) *(3)، وكنت في رحلتي أتتبع ذلك وأسأل الحفاظ عن الأنساب وكيفيتها وإلى أي شيء نسب كل أحد

--------------------------------------------

(1) 13 - الحجرات.

(2) رواها الترمذي من طريق عبد الله بن جعفر عن عبد الله بن دينار … رقم (3324).

(3) 22 - الروم.
দুইজন অতিবাহিত হয়েছেন যাদের মধ্যে বরকত দান করা হয়েছে … খলিফা উমর, তারপর যিনি আভিজাত্যের উত্তরসূরি হয়েছেন।

প্রখর মেধাবী আল-শাফেয়ী আল-মুরতাদা … সৃষ্টির সেরা এবং মুহাম্মাদের চাচাতো ভাই।

আমি আবুল আব্বাসের কাছে আশা করি যে আপনি হবেন তৃতীয় … তাদের পরে; আহমাদ (সা.)-এর পবিত্র মাটি সিক্ত হোক।

তাদের মাধ্যমে উপকারিতা মহান হয়েছে, তাদের কাছে প্রাপ্তি প্রাচুর্যপূর্ণ হয়েছে, নেয়ামত তাদের প্রতি পূর্ণতা পেয়েছে এবং অনুগ্রহ তাদের ওপর একের পর এক বর্ষিত হয়েছে। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের প্রতি তাঁর বিশেষ অনুগ্রহের ওপর শুকরিয়া আদায়ের শক্তি দেন এবং যার জন্য তিনি আমাদের যোগ্য করেছেন তাতে তাওফীক অব্যাহত রাখেন। তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।

এই উম্মতের জন্য পরিচিতি ও বংশবিদ্যা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানসমূহের অন্তর্ভুক্ত যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাদের মধ্যে নির্ধারণ করেছেন, যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: (হে মানুষ, আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে এবং তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো; নিশ্চয় আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সবচেয়ে বেশি সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াসম্পন্ন)(১)।

২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুল ফাদল আল-ফারাবি, আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ ইবনে سهل আল-সাইয়িদী, আবু মুহাম্মাদ ইসমাইল ইবনে আব্দুর রহমান আল-কারী এবং উম্মুল খায়ের ফাতিমা বিনতে আলী ইবনুল মুজাফফর ইবনে জাবাল ইবনে আজলান আল-বাগদাদি; নিশাপুরে তাদের সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে, তারা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আব্দুল গাফির ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল গাফির আল-ফারিসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মিকালি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদান ইবনে আহমাদ ইবনে মুসা আল-আহওয়াজি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জায়েদ ইবনুল হারীশ, আবু হাম্মাম থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে উবাইদাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন তাঁর কাসওয়া নামক উটনীর পিঠে আরোহী অবস্থায় তাওয়াফ করছিলেন যেন তিনি তাঁর বাঁকানো লাঠি দিয়ে সবকটি রুকন (কোণ) স্পর্শ করতে পারেন। তিনি মসজিদে উটনীটি বসানোর কোনো স্থান পাননি, শেষ পর্যন্ত তা মানুষের হাতের ওপর ভর করে নামানো হয়। এরপর তারা সেটিকে উপত্যকার সমতলে বের করে নিয়ে গিয়ে সেখানে বসালেন। অতঃপর তিনি তাঁর উটনীর পিঠ থেকেই মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন, তারপর বললেন: "অতঃপর! নিশ্চয় আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তোমাদের থেকে জাহেলিয়াতের অহংকার এবং পূর্বপুরুষদের নিয়ে গর্ব করা দূর করে দিয়েছেন। মানুষ মূলত দুই প্রকার: এক ব্যক্তি যে পুণ্যবান, মুত্তাকী এবং আল্লাহর কাছে সম্মানিত; আর অন্য ব্যক্তি যে পাপাচারী, দুর্ভাগা এবং আল্লাহর কাছে তুচ্ছ। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: (হে মানুষ, আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে এবং তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো; নিশ্চয় আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সেই সবচেয়ে বেশি সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াসম্পন্ন)। এরপর তিনি বললেন: আমি আমার এই কথা বলছি এবং আমার ও তোমাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।"(২)।

বংশলতিকার জ্ঞান অর্জন করা মহান নেয়ামতসমূহের অন্তর্ভুক্ত যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের সম্মানিত করেছেন। কারণ বিভিন্ন গোত্র ও দলে বংশের বিস্তার লাভ করা পারস্পরিক হৃদ্যতা ও পরিচিতি অর্জনের অন্যতম সোপান। তেমনিভাবে ভাষা ও আকৃতির ভিন্নতা এবং বর্ণ ও স্বভাবের বৈচিত্র্যও আল্লাহর নিদর্শন, যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: * (এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য) *(৩)। আমি আমার সফরকালে এই জ্ঞান অনুসন্ধান করতাম এবং হাফেজদের কাছে বংশলতিকা, এর প্রকৃতি এবং কাকে কিসের দিকে নিসবত বা সম্পৃক্ত করা হয় সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম।

--------------------------------------------

(১) ১৩ - আল-হুজুরাত।

(২) এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফরের সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে … নং (৩৩২৪)।

(৩) ২২ - আর-রূম।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ১৯)
وأثبت ما كنت أسمعه، ولما اتفق الاجتماع مع شيخنا وإمامنا أبي شجاع عمر بن أبي الحسن البسطامي ذكره الله بالخير بما وراء النهر فكان يحثني على نظم مجموع في الأنساب وكل نسبة إلى أي قبيلة أو بطن أو ولاء أو بلدة أو قرية أو جد أو حرفة أو لقب لبعض أجداده فإن الأنساب لا تخلو عن واحد من هذه الأشياء، فشرعت في جمعه بسمرقند في سنة خمسين وخمسمائة وكنت أكتب الحكايات والجرح والتعديل بأسانيدها ثم حذفت الأسانيد لكي لا يطول وملت إلى الاختصار ليسهل على الفقهاء حفظها ولا يصعب على الحفاظ ضبطها وأوردت النسبة على حروف المعجم وراعيت فيها الحرف الثاني والثالث إلى آخر الحروف فابتدأت بالألف الممدودة لأنها بمنزلة الألفين، وذكرت الآبري في الألفين وهي قرية من سجستان والإبري بالألف مع الباء الموحدة وهذه النسبة إلى عمل الإبرة، وأذكر نسب الرجل الذي أذكره في الترجمة وسيرته وما قال الناس فيه وإسناده وأذكر شيوخه ومن حدث عنهم ومن روى عنه ومولده ووفاته إن كان بلغني ذلك، وقدمت فصولاً فيها أحاديث مسندة في الحث على تحصيل هذا النوع من العلم ونسب جماعة من أصول العرب وورد في الحديث ذكرهم وقد أذكر البلاد المعروفة والنسبة إليها لفائدة تكون في ذكرها والله تعالى ينفع الناظر فيه والمتأمل له بفضله وسعة رحمته.

 

‌‌فصل في الحث على تعلم الأنساب ومعرفتها.

3 - أخبرنا أبو حفص عمر بن عثمان بن شعيب الأديب الجنزي بمرو أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني بهمذان أنا أبو نصر أحمد بن الحسين بن أحمد القاضي أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن اسحاق السني الحافظ بالدينور أخبرني علي بن أحمد بن سليمان ثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الحكم ثنا شعيب بن يحيى ثنا يحيى بن أيوب عن عبد الرحمن بن حرملة أن عبد الملك بن عيسى بن عبد الرحمن بن العلاء بن جارية، حدثه عن عبد الله بن يزيد مولى المنبعث أنه أخبره عن أبيه أنه سمع أبا هريرة رضي الله عنه يقول:

إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول: " تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم فإن صلة الرحم محبة في الأهل مثراة في المال منسأة في الأثر "(1).

4 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي الحافظ ببغداد أنا أبو الفضل

--------------------------------------------

(1) رواه الطبراني في الأوسط والحاكم في مستدركه كتاب العلم بطريقة مختلفة. ورواه الترمذي في جامعه كتاب البر والصلة باب ما جاء في تعليم النسب وقال: هذا حديث غريب من هذا الوجه. ومعنى قوله: " منسأة في الأثر " يعني به الزيادة في العمر.
আমি যা শুনতাম তা লিপিবদ্ধ করতাম। যখন আমাদের শায়খ ও ইমাম আবু শুজা উমর ইবন আবিল হাসান আল-বিস্তামি (আল্লাহ তাকে মা ওয়ারা আন-নাহর-এ কল্যাণের সাথে স্মরণ করুন) এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো, তিনি আমাকে বংশবিদ্যার (আনসাব) ওপর একটি সংকলন তৈরি করার জন্য উৎসাহিত করতেন। এতে প্রতিটি নিসবত (সম্বন্ধ) কোনো গোত্র, শাখা, আনুগত্য, দেশ, গ্রাম, পূর্বপুরুষ, পেশা বা কোনো পূর্বপুরুষের উপাধির সাথে সম্পর্কিত থাকবে; কারণ বংশধারা এই বিষয়গুলোর কোনো একটি থেকে মুক্ত নয়। আমি ৫৫০ হিজরি সনে সমরকন্দে এটি সংগ্রহ করা শুরু করি। আমি ঘটনাবলী এবং জারহ ও তা’দীল (বর্ণনাকারী যাচাই বিদ্যা) তাদের সনদসহ (বর্ণনাপরম্পরা) লিখতাম, তারপর তা দীর্ঘ না করার জন্য সনদগুলো বাদ দিয়ে দিয়েছি এবং সংক্ষেপণের দিকে ঝুঁকেছি যাতে ফকীহদের জন্য তা মুখস্থ করা সহজ হয় এবং হাফেজদের জন্য তা আয়ত্ত করা কঠিন না হয়। আমি নিসবতগুলোকে বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত করেছি এবং এতে দ্বিতীয়, তৃতীয় বর্ণ থেকে শেষ বর্ণ পর্যন্ত ক্রম রক্ষা করেছি। আমি আলিফ মামদুদা দিয়ে শুরু করেছি কারণ এটি দুটি আলিফের স্থলাভিষিক্ত। আমি ‘আল-আবিরি’ শব্দটিকে দুই আলিফ দিয়ে উল্লেখ করেছি, যা সিজিস্তানের একটি গ্রাম, আর ‘আল-ইবরি’ শব্দটিকে বা-যুক্ত আলিফ দিয়ে উল্লেখ করেছি যা সুঁই তৈরির কাজকে বুঝায়। আমি যে ব্যক্তির জীবনী বর্ণনা করি, সেখানে তার বংশপরিচয়, তার জীবনচরিত, তার সম্পর্কে মানুষের মন্তব্য ও তার সনদ উল্লেখ করি। তার শায়খগণ, যাদের থেকে তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং যারা তার থেকে বর্ণনা করেছেন, তাদের কথা এবং আমার কাছে পৌঁছে থাকলে তার জন্ম ও মৃত্যু তারিখ উল্লেখ করি। আমি শুরুতে এমন কিছু পরিচ্ছেদ যুক্ত করেছি যাতে এই প্রকার জ্ঞান অর্জনের প্রতি উৎসাহমূলক সনদযুক্ত হাদিস রয়েছে এবং আরবদের মূল ধারার একটি দলের বংশপরিচয় উল্লেখ করেছি যাদের কথা হাদিসে এসেছে। কখনো কখনো আমি পরিচিত দেশসমূহ এবং সেই সাথে সম্পর্কিত নিসবতও উল্লেখ করি কোনো বিশেষ উপকারের জন্য। আল্লাহ তাআলা তাঁর অনুগ্রহ ও প্রশস্ত রহমতের মাধ্যমে এর পাঠক ও চিন্তাকারীকে উপকৃত করুন।

 

‌‌বংশবিদ্যা শিক্ষা ও তা জানার প্রতি উৎসাহ প্রদানের পরিচ্ছেদ।

3 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবন উসমান ইবন শুআইব আল-আদিব আল-জানজি মার্ভে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবন হামদ ইবন আল-হাসান আদ-দুনি হামাদানে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ ইবন আল-হুসাইন ইবন আহমদ আল-কাদি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আস-সুন্নি আল-হাফিজ দিনাওয়ারে; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবন আহমদ ইবন সুলাইমান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবদুল হাকাম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুআইব ইবন ইয়াহইয়া; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব, আবদুর রহমান ইবন হারমালা থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবন ঈসা ইবন আবদুর রহমান ইবন আল-আলা ইবন জারিয়া থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ মাওলা আল-মুনবাইস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি তার পিতা থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.)-কে বলতে শুনেছেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: "তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় সম্পর্কে ততটুকু জ্ঞান লাভ করো যা দিয়ে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখতে পারবে। কেননা আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা পরিবারের মধ্যে ভালোবাসার সঞ্চার করে, সম্পদে বরকত আনে এবং আয়ু বৃদ্ধি করে।"(1).

4 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব ইবনুল মুবারক আল-আনমাতি আল-হাফিজ বাগদাদে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল

--------------------------------------------

(1) ইমাম তাবারানি তাঁর 'আল-আওসাত' গ্রন্থে এবং হাকেম তাঁর 'মুস্তাদরাক' গ্রন্থের ইলম অধ্যায়ে ভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিজি তাঁর 'জামি' গ্রন্থের বির ওয়াস সিলাহ (সদয় আচরণ ও আত্মীয়তা রক্ষা) অধ্যায়ে ‘বংশবিদ্যা শিক্ষা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে’ পরিচ্ছেদে এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই সূত্রে এই হাদিসটি গরিব। আর তাঁর উক্তি: "মানসাআতুন ফিল আসার" এর অর্থ হলো আয়ু বৃদ্ধি হওয়া।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২০)
حمد بن أحمد بن الحسن الحداد أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ ثنا أبو عمرو محمد بن أحمد بن حمدان ثنا الحسن بن سفيان ثنا حرملة بن يحيى ثنا عبد الله بن وهب أخبرني يحيى بن أيوب عن ابن حرملة عن عبد الملك بن عيسى أن عبد الله بن يزيد مولى المنبعث حدثه عن أبيه أنه سمع أبا هريرة رضي الله عنه يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم فإن صلة الرحم محبة في الأهل مثراة في المال منسأة في الأثر "(1).

5 - أخبرنا أبو علي الحسن بن أحمد المقري كتابة أنا أحمد بن عبد الله بن أحمد الأصبهاني ثنا أبو عمرو بن حمدان ثنا الحسن بن سفيان ثنا يزيد بن صالح اليشكري ثنا الحكم بن عبد الله عن عبد الرحمن بن حرملة عن عبد الملك بن عيسى عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم فإن صلة الرحم منجاة في الأهل منسأة في الأجل مثراة في المال "، هكذا في هذه الرواية عن عبد الملك عن أبي هريرة رضي الله عنه، هكذا ذكره أبو نعيم الحافظ الأصبهاني في كتاب العلم، وكذلك رواه أبو مطيع.

6 - أخبرنا به أبو الفضل بكر بن محمد بن علي الزرنجري من بخارا وأبو الفضل محمد بن علي بن سعيد المطهري من بلخ في كتابهما إلي قالا أنا أبو محمد عبد الملك بن عبد الرحمن الإسبيري(2) أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد الغنجار الحافظ ثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن حرب ثنا أبو علي الحسين بن حاجب بن إسماعيل ابن أخي حاشد بن إسماعيل ثنا أبو حكيم شداد بن سعيد الشرغي ثنا كعب بن سعيد ثنا أبو مطيع عبد الرحمن بن حرملة عن عبد الملك بن عيسى عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم فإن صلة الرحم محبة في الأهل منسأة في الأثر مثراة في المال "(3).

7 - أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن محمد بن الفضل الحافظ بأصبهان أنا أبو بكر محمد بن علي بن خولة الأبهري أنا أبو بكر بن مردويه الحافظ ثنا محمد بن محمد بن مالك ثنا محمد بن شاذان الجوهري (ح) وأخبرنا أبو القاسم محمود بن عبد الرحمن البستي قراءة عليه

--------------------------------------------

(1) رواه الحاكم في مستدركه كتاب البر والصلة.

(2) وأثبته المصنف في ترجمة السباري. نسبه إلى قرية يقال لها سبيري، قال: خرج منها الإمام أبو محمد، عبد الملك بن عبد الرحمن بن محمد بن حسين السباري من أهل بخارا.

(3) رواه الحاكم في مستدركه في كتاب العلم من هذا الوجه.
হামাদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ [বলেন], আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারমালা বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব ইবনে হারমালা থেকে আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আব্দুল মালিক বিন ঈসা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ ‘মাওলা আল-মুনবাইস’ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশধারা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখতে পারবে। কারণ আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করে, ধন-সম্পদ বৃদ্ধি করে এবং আয়ু বর্ধিত করে।"(১).

৫ - আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ আল-মুক্রি লিখিতভাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর বিন হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ বিন সালিহ আল-ইয়াশকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাকাম বিন আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান বিন হারমালা থেকে, তিনি আব্দুল মালিক বিন ঈসা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশধারা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখতে পারবে। কারণ আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা পরিবারের মধ্যে মুক্তির উপায়, আয়ু বর্ধিতকারী এবং ধন-সম্পদ বৃদ্ধিকারী।" আব্দুল মালিক থেকে আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সূত্রে এই বর্ণনাটি এভাবেই এসেছে। হাফিজ আবু নুআইম আসবাহানি তাঁর ‘কিতাবুল ইলম’-এ এভাবেই উল্লেখ করেছেন এবং আবু মুতীও একইভাবে বর্ণনা করেছেন।

৬ - বুখারার আবু আল-ফাদল বকর বিন মুহাম্মদ বিন আলী আজ-যারানজারি এবং বালখের আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ বিন আলী বিন সাঈদ আল-মুতাহহারি তাঁদের পত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল মালিক বিন আব্দুর রহমান আল-ইসবীরী(২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-গুনজার আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাশেদ বিন ইসমাইলের ভ্রাতুষ্পুত্র আবু আলী আল-হুসাইন বিন হাজিব বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাকিম শাদ্দাদ বিন সাঈদ আশ-শারগি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাব বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুতী আব্দুর রহমান বিন হারমালা আব্দুল মালিক বিন ঈসা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশধারা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখতে পারবে। কারণ আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করে, আয়ু বর্ধিত করে এবং ধন-সম্পদ বৃদ্ধি করে।"(৩).

৭ - আসবাহানের আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন খাওলা আল-আবহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফিজ আবু বকর বিন মারদুওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন শাযান আল-জাওহারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (হাওলা) এবং আবু আল-কাসিম মাহমুদ বিন আব্দুর রহমান আল-বুস্তি তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

--------------------------------------------

(১) আল-হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থের ‘কিতাবুল বিররি ওয়াস সিলাহ’-এ এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) লেখক একে সাবারীর জীবনীতে সাব্যস্ত করেছেন। তিনি একে ‘সিবীরী’ নামক একটি গ্রামের দিকে সম্বন্ধ করেছেন এবং বলেছেন: সেখান থেকে বুখারার অধিবাসী ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল মালিক বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন হুসাইন আস-সাবারী আত্মপ্রকাশ করেছেন।

(৩) আল-হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থের ‘কিতাবুল ইলম’-এ এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২১)
بنيسابور وأبو حفص عمر بن محمد بن الحسن الفرغولي بقراءتي عليه بمرو وغيرهما وقالوا أنا أبو بكر أحمد بن علي بن خلف الشيرازي أنا الحاكم أبو عبد الله محمد بن عبد الله الحافظ حدثني أبو بكر محمد بن أحمد بن بالويه الجلاب ثنا أبو بكر محمد بن شاذان الجوهري ثنا يوسف بن سليمان ثنا حاتم بن إسماعيل ثنا أبو الأسباط الحارثي اليماني عن يحيى بن أبي كثير عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " تعلموا أنسابكم تصلوا أرحامكم ".

8 - أخبرنا أبو المعالي عبد الله بن أحمد الحلواني وأبو طاهر محمد بن أبي بكر السنجي بمرو قالا أنا أبو سعد محمد بن أبي عبد الله المطرز بأصبهان أنا أبو عبد الله الحسين بن إبراهيم الجمال أنا أبو محمد عبد الله بن جعفر بن أحمد بن فارس (ح) وأنا أبو القاسم غانم بن أبي نصر البرجي وأبو علي الحسن بن أحمد الحداد في كتابيهما من أصبهان قالا أخبرنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ أخبرنا عبد الله بن جعفر ثنا يونس بن حبيب ثنا أبو داود الطيالسي ثنا إسحاق بن سعيد حدثني أبي قال: كنت عند ابن عباس فأتاه رجل فسأله من أنت؟ قال:

فمت له برحم بعيدة، فألان له القول، وقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " اعرفوا أنسابكم تصلوا به أرحامكم فإنه لا قرب بالرحم إذا قطعت وإن كانت قريبة ولا بعد بها إذا وصلت وإن كانت بعيدة "(1).

9 - أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد الله الأسدي بأصبهان أنا أبو بكر أحمد بن الفضل الباطرقاني أنا أبو بكر أحمد بن موسى الحافظ ثنا الحسن بن محمد بن إسحاق السوسي ثنا محمد بن عبد الله بن سليمان ثنا أبو بكر الخباز الواسطي ثنا هانئ بن يحيى ثنا مبارك بن فضالة عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " تعلموا من الأنساب ما تصلون به أرحامكم ".

10 - أخبرنا أبو علي الحسن بن أحمد بن الحسن الحداد في كتابه (إلي) من أصبهان أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ ثنا عمر بن نوح البجلي ثنا علي بن الحسن بن سليمان ثنا أبو بكر محمد بن عبد الله الواسطي ثنا هانئ بن يحيى ثنا مبارك بن فضالة عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " تعلموا من الأنساب ما تصلون به أرحامكم ".

11 - أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن محمد بن الفضل/ الحافظ بأصبهان وأبو حفص

--------------------------------------------

(1) رواه أبو داود الطيالسي في مسنده عن سعيد عن ابن عباس رضي الله عنهم. رقم (2757) كما رواه الحاكم في مستدركه من طريق أبي داود الطيالسي. كتاب البر والصلة.
নিশাপুরে এবং আবু হাফস ওমর বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-ফারগুলি আমার নিকট মার্ভে পাঠের মাধ্যমে এবং তারা ছাড়াও অন্যান্যরা সংবাদ দিয়েছেন, তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন খালাফ আল-শিরাজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন বালোয়াই আল-জাল্লাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন শাযান আল-জাওহারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম বিন ইসমাইল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আসবাত আল-হারিসি আল-ইয়ামানি, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় শিক্ষা করো যাতে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারো।"

৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হালওয়ানি এবং আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-সাঞ্জি মার্ভে, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাআদ মুহাম্মদ বিন আবি আব্দুল্লাহ আল-মুতাররিজ আসবাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইব্রাহিম আল-জাম্মাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমদ বিন ফারিস (হ) এবং আমি আবু আল-কাসিম গানিম বিন আবি নাসর আল-বুরজি এবং আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ আল-হাদ্দাদ তাদের আসবাহান থেকে প্রেরিত পত্রে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন হাবিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আল-তায়ালিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন সাঈদ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসের নিকট ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, আপনি কে? তিনি বললেন:

অতঃপর তিনি তাঁর সাথে একটি দূর সম্পর্কের আত্মীয়তার কথা উল্লেখ করলেন, ফলে তিনি তার প্রতি নরম ভাষায় কথা বললেন এবং বললেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় জানো যাতে তার মাধ্যমে তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারো। কারণ আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন হলে তার কোনো নৈকট্য থাকে না যদিও তা নিকটবর্তী হয়, আর তা রক্ষা করা হলে কোনো দূরত্ব থাকে না যদিও তা দূরবর্তী হয়।"(১)

৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসাদি আসবাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আল-ফাদল আল-বাতিরকানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুসা আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-সুসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-খাব্বাজ আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হানি বিন ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুবারক বিন ফাদালাহ, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন ওমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা বংশপরিচয় থেকে ততটুকু শিক্ষা করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারবে।"

১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আসবাহান থেকে আমার নিকট প্রেরিত পত্রে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওমর বিন নুহ আল-বাজালি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান বিন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হানি বিন ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুবারক বিন ফাদালাহ, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন ওমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা বংশপরিচয় থেকে ততটুকু শিক্ষা করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারবে।"

১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-হাফিজ আসবাহানে এবং আবু হাফস

--------------------------------------------

(১) আবু দাউদ আল-তায়ালিসি তাঁর মুসনাদে সাঈদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। নম্বর (২৭৫৭)। অনুরূপভাবে আল-হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে আবু দাউদ আল-তায়ালিসির সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন। কিতাবুল বিররি ওয়াস সিলাহ (সদাচরণ ও আত্মীয়তা রক্ষা অধ্যায়)।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২২)
عمر بن محمد بن الحسن الجرجاني بمرو بقراءتي عليهما وأبو البركات عبد الله بن محمد بن الفضل الفراوي من لفظة بنيسابور قالوا أنا أبو بكر أحمد بن علي بن عبد الله الفارسي أنا أبو عبد الله محمد بن عبد الله الحافظ ثنا عبد الله بن جعفر الفارسي ثنا يعقوب بن سفيان الفارسي ثنا سعيد بن أبي مريم ثنا الليث بن سعد عن خالد بن يزيد عن سعيد بن أبي هلال عن عمارة بن غزية عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لحسان بن ثابت: " لا تعجل وأت أبا بكر الصديق فإنه أعلم قريش بأنسابها حتى يلخص لك نسبي ".

12 - أخبرنا أبو بكر محمد بن شجاع بن محمد بن إبراهيم اللفتواني الحافظ بأصبهان أنا أبو بكر محمد بن علي الأصبهاني أنا أحمد بن موسى الحافظ ثنا محمد بن علي هو ابن دحيم ثنا أحمد بن حازم ثنا الحكم بن سليمان الجبلي ثنا إسحاق بن نجيح عن عطاء الخراساني عن ابن عباس رضي الله عنهما قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم المسجد فإذا جماعة فقال: " ما هذا؟ " قالوا: رجل علامة، قال النبي صلى الله عليه وسلم: " وما العلامة؟ " قالوا: رجل عالم بأيام الناس وعالم بالعربية وعالم بالأشعار وعالم بأنساب العرب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " هذا علم لا يضر أهله ".

13 - أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبيد الله المصري بأصبهان في داره أنا أبو بكر أحمد بن الفضل الباطرقاني أنا أبو بكر أحمد بن موسى الأصبهاني ثنا محمد بن معمر ثنا محمد بن أحمد بن داود المؤدب ثنا هشام بن خالد الأزرق ثنا بقية عن ابن جريج عن عطاء عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فرأى جمعاً من الناس على رجل فقال:

"ما هذا؟ " فقالوا: يا رسول الله! رجل علامة، قال: " وما العلامة؟ " قالوا: يا رسول الله!

أعلم الناس بأنساب العرب وأعلم الناس بالشعر وأعلم الناس بما اختلفت فيه العرب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " هذا علم لا ينفع وجهل لا يضر ".

14 - أخبرنا أبو سعد أحمد بن محمد بن أحمد بن الحسن البغدادي الحافظ بأصبهان أنا أبو بكر محمد بن علي بن خولة الأبهري أنا أبو بكر بن مردويه الأصبهاني ثنا عبد الله بن جعفر ثنا هارون بن سليمان ثنا أبو عامر العقدي ثنا هشام بن سعد عن زيد بن أسلم قال قيل: يا رسول الله! ما أعلم فلاناً، قال: " بم؟ " قيل: بأنساب الناس، فقال: " علم لا ينفع وجهل لا يضر ".

15 - حدثنا أبو البركات عبد الله بن محمد بن الفضل الفراوي من لفظة وأبو القاسم محمود بن عبد الرحمن البستي قراءة عليه بنيسابور قالا أنا أبو بكر أحمد بن علي بن خلف
উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-জুরজানি মার্ভে থাকাকালীন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং আবুল বারাকাত আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল আল-ফাররাভি নিশাপুরে তাঁর নিজ শব্দে পাঠ করে আমাদের শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ আল-ফারিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আল-ফারিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-ফারিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারিয়াম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস ইবনে সাদ, খালিদ ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি উমারা ইবনে গাযিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসসান ইবনে সাবিতকে বলেছেন: "তাড়াহুড়ো করো না এবং আবু বকর সিদ্দিকের কাছে যাও, কেননা তিনি কুরাইশদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী, যাতে তিনি তোমার কাছে আমার বংশপরিচয় সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে দেন।"

১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে শুজা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-লাফতুয়ানি আল-হাফিয আসফাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আসফাহানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুসা আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আলী—যিনি ইবনে দুহাইম—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাযিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম ইবনে সুলাইমান আল-জাবালি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে নাজীহ, আতা আল-খুরাসানি থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে প্রবেশ করে একটি দলকে দেখতে পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "এটি কী?" তাঁরা বললেন: "একজন আল্লামাহ (মহা পণ্ডিত) ব্যক্তি।" নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন: "আল্লামাহ কী?" তাঁরা বললেন: "এমন এক ব্যক্তি যিনি মানুষের ইতিহাস, আরবি ভাষা, কাব্যতত্ত্ব এবং আরবদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে বিজ্ঞ।" তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "এটি এমন এক জ্ঞান যা এর অধিকারীর (অজ্ঞতায়) কোনো ক্ষতি করে না।"

১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-মিসরি আসফাহানে তাঁর নিজ বাসভবনে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনুল ফাদল আল-বাতিরকানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুসা আল-আসফাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মা'মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে দাউদ আল-মুয়াদ্দিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে খালিদ আল-আযরাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে প্রবেশ করে একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে একদল মানুষের ভিড় দেখতে পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন:

"এটি কী?" তাঁরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! একজন আল্লামাহ ব্যক্তি।" তিনি বললেন: "আল্লামাহ কী?" তাঁরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল!

তিনি আরবদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী, কবিতা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী এবং আরবরা যেসব বিষয়ে মতভেদ করত সে সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী।" তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "এটি এমন এক জ্ঞান যা কোনো উপকারে আসে না এবং এমন এক অজ্ঞতা যা কোনো ক্ষতি করে না।"

১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান আল-বাগদাদি আল-হাফিয আসফাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে খাওলা আল-আবহারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে মারদুওয়াইহ আল-আসফাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির আল-আকাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে সাদ, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, বলা হলো: "হে আল্লাহর রাসূল! অমুক ব্যক্তি কতই না জ্ঞানী!" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "কী বিষয়ে?" বলা হলো: "মানুষের বংশপরম্পরা সম্পর্কে।" তখন তিনি বললেন: "এমন এক জ্ঞান যা উপকারে আসে না এবং এমন এক অজ্ঞতা যা ক্ষতি করে না।"

১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল বারাকাত আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল আল-ফাররাভি তাঁর নিজ শব্দে এবং আবুল কাসিম মাহমুদ ইবনে আবদুর রহমান আল-বাসতি নিশাপুরে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে খালাফ।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৩)
الشيرازي أنا الحاكم أبو عبد الله الحافظ أنا محمد بن الحسن السمسار ثنا هارون بن يوسف ثنا ابن أبي عمر ثنا سفيان عن ابن جدعان عن سعيد بن المسيب عن سعد رضي الله عنه أنه قال للنبي صلى الله عليه وسلم: من أنا يا رسول الله؟ قال: " أنت سعد بن مالك بن وهيب بن عبد مناف بن زهرة، من قال غير هذا فعليه لعنة الله ".

16 - أخبرنا أبو بكر وجيه بن طاهر الشحامي قراءة عليه بنيسابور أنا أبو محمد عبد الحميد بن عبد الرحمن بن محمد البحيري أنا أبو عبد الله محمد بن عبد الله بن البيع أنا أبو محمد عبد العزيز بن عبد الرحمن الدباس بمكة ثنا أبو محمد عبد الرحمن بن إسحاق الكاتب ثنا إبراهيم بن المنذر الحزامي حدثني محمد بن فليح عن أبيه عن إسماعيل بن محمد بن سعد عن أبي بكر بن سليمان بن أبي حثمة قال: جاء عبد الرحمن بن الحارث بن هشام إلى سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل ونحن عنده بالعقيق فسأله عن سامة بن لؤي فقال سعيد سألنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا: يا رسول الله! سامة منا أم نحن منه؟ فقال: " بل هو منا، ألم تسمعوا قول شاعر الناقة "، قال ابن إسحاق: فظننت أنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أراد بقوله قول شاعر الناقة:

أبلغا عامراً وسعداً رسولاً … من نفسي إليكما مشتاقة

إن تكن في عمان داري فإني … ماجد ما خرجت من غير فاقه

رب كأس هرقت بابن لؤي … حذر الموت لم يكن مهراقه

لا أرى مثل سامة بن لؤي … يوم حلوا به قتيل الناقة

17 - أخبرنا أبو الفتح أحمد بن الحسين بن عبد الرحمن الفرابي الأديب بسمرقند أنا أبو المعالي محمد بن محمد بن زيد الحسيني الحافظ في كتابه أنا أبو القاسم عبيد الله بن أحمد بن عثمان الحافظ في كتابه ثنا أحمد بن إبراهيم بن شاذان ثنا محمد بن أحمد بن أبي شيبة ثنا علي بن الحسين ثنا ابن نمير ثنا عبيد الله عن سيار قال قال عمر رضي الله عنه: تعلموا من النجوم ما تهتدون به في البر والبحر ثم انتهوا، وتعلموا من الأنساب ما تصلون به أرحامكم وتعرفون به ما يحل لكم مما حرم عليكم من النساء ثم انتهوا.

18 - أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبيد الله الخطيبي بأصبهان أنا أبو بكر أحمد بن الفضل الباطرقاني أنا أبو بكر أحمد بن موسى الحافظ ثنا عبد الله بن جعفر ثنا محمد بن محمد بن صخر ثنا خلاد بن يحيى ثنا مسعر عن أبي عون الثقفي عن عمر رضي الله عنه قال: تعلموا من الأنساب ما تعلمون به ما أحل لكم مما حرم عليكم ثم انتهوا.
শিরাজী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আস-সামসার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হারুন বিন ইউসুফ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি উমর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, ইবনে জাদআন থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি সাদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কে? তিনি বললেন: "তুমি হলে সাদ বিন মালিক বিন উহায়ব বিন আবদ মানাফ বিন জুহরাহ। যে ব্যক্তি এর বাইরে অন্য কিছু বলবে, তার উপর আল্লাহর অভিশাপ।"

১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ওয়াজিহ বিন তাহির আশ-শাহামি নিশাপুরে তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বাই', আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুর রহমান আদ-দাব্বাস মক্কায়, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন ইসহাক আল-কাতিব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির আল-হুযামি, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ফুলায়হ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন সাদ থেকে, তিনি আবু বকর বিন সুলাইমান বিন আবি হাসমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম সাঈদ বিন যায়েদ বিন আমর বিন নুফায়েলের নিকট আসলেন যখন আমরা তাঁর কাছে আকীকে ছিলাম। তিনি তাঁকে সামাহ বিন লুয়াই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাঈদ বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: হে আল্লাহর রাসূল! সামাহ কি আমাদের থেকে নাকি আমরা তার থেকে? তিনি বললেন: "বরং সে আমাদের থেকেই। তোমরা কি উষ্ট্রীর কবির কথা শোনোনি?" ইবনে ইসহাক বলেন: আমি মনে করি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উষ্ট্রীর কবির কথা দ্বারা এটিই বুঝিয়েছেন:

পৌঁছে দাও আমের ও সাদের কাছে এক বার্তা … আমার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি ব্যাকুলতা

যদিও ওমানে আমার ঘর হয়, তবুও আমি … এক সম্মানিত ব্যক্তি, অভাবের কারণে বের হইনি

কতই না পেয়ালা তুমি ঢেলেছ লুয়াইয়ের পুত্রের জন্য … মৃত্যুর আশঙ্কায় তা যেন ঢালা না হয়

আমি সামাহ বিন লুয়াইয়ের মতো কাউকে দেখি না … যেদিন তারা তাকে উষ্ট্রীর নিহত ব্যক্তি হিসেবে পেল

১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুর রহমান আল-ফারাবি আল-আদিব সমরকন্দে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মা’আলি মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন যায়েদ আল-হুসাইনি আল-হাফিজ তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন আহমদ বিন উসমান আল-হাফিজ তাঁর কিতাবে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবি শায়বাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হুসাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে নুমায়র, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ, সাইয়্যার থেকে, তিনি বলেন, উমর (রা.) বলেছেন: তোমরা নক্ষত্রবিদ্যা থেকে ততটুকু শেখো যা দ্বারা তোমরা স্থলে ও জলে পথ চলতে পারবে, তারপর বিরত থাকো। আর বংশপরম্পরা থেকে ততটুকু শেখো যা দ্বারা তোমরা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে এবং নারীদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য যা হালাল ও যা হারাম করা হয়েছে তা চিনতে পারবে, তারপর বিরত থাকো।

১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-খতিবি ইসফাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আল-ফজল আল-বাতিরকানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুসা আল-হাফিজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সাখর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খাল্লাদ বিন ইয়াহইয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাসআর, আবু আউন আস-সাকাফি থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: তোমরা বংশপরম্পরা থেকে ততটুকু শেখো যা দ্বারা তোমরা তোমাদের জন্য যা হালাল করা হয়েছে এবং যা হারাম করা হয়েছে তা জানতে পারবে, তারপর বিরত থাকো।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৪)
19 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك بن أحمد الأنماطي الحافظ ببغداد أنا أبو الخطاب إبراهيم بن عبد الواحد القطان أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن غالب البرقاني قال:

قرئ على أبي علي بن الصواف وأنا أسمع حدثكم جعفر بن محمد الفريابي ثنا مزاحم أنا أبو إسحاق الطالقاني أنا بشر بن السري عن محمد بن مسلم عن ابن بريدة قال سأل معاوية دغفلا عن أنساب العرب وعن النجوم وعن العربية وعن أنساب قريش فإذا رجل عالم قال فقال معاوية: من أين حفظت هذا؟ فقال: بلسان سؤول وقلب عقول وإن غائلة العلم النسيان.

قال فقال معاوية: قم يا يزيد! فتعلم، ثم أنشأ يقول:

العلم زين ومنجاة لصاحبه … من المهالك والآفات والعطب

والجهل أعدى عدو الجاهلين به … وقد يسود الفتى بالعلم والأدب

والعقل أفضل شيء ناله بشر … والحلم زين لذي علم وذي حسب

20 - أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن محمد بن الفضل الحافظ وأبو سعد محمد بن الهيثم بن محمد السلمي وأبو محمد سفيان بن إبراهيم بن منده التككي وأبو علي شرف بن عبد المطلب بن جعفر الحسيني بقراءتي عليهم بأصبهان قالوا أنا أبو الحسين أحمد بن عبد الرحمن الذكواني أنا أبو بكر أحمد بن موسى الحافظ ثنا عبد الله بن محمد بن شاذان ثنا حسين بن فهم سمعت ابن أخي الأصمعي يقول سمعت الأصمعي يقول: استعيذوا بالله من شر عجائز الحي فإنهن يعرفن الآباء.

 

‌‌فصل في نسب رسول الله صلى الله عليه وسلم

21 - أخبرنا أبو عبد الله محمد بن غانم بن أحمد بن محمد الحداد بأصبهان أنا أبو القاسم الفضل بن عبد الواحد بن محمد بن قدامة التاجر أنا أبو طاهر الحسين بن علي بن سلمة الشاهد بهمذان أنا أبو بكر محمد بن أحمد بن مت الإشتيخني بصغد ثنا الحسن بن صاحب الشاشي ثنا عمران بن موسى النصيبي ثنا أبي موسى بن أيوب ثنا إسماعيل بن يحيى عن سفيان الثوري عن إسماعيل بن أمية عن سعيد بن المسيب عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب بن هاشم بن عبد مناف بن قصي بن كلاب بن مرة بن كعب بن ابن لؤي بن غالب بن فهر بن مالك بن النضر بن كنانة بن خزيمة بن مدركة بن الياس بن مضر بن نزار بن معد بن عدنان بن أد بن
১৯ - বাগদাদে হাফিজ আবু আল-বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব ইবনুল মুবারক ইবনে আহমাদ আল-আনমাতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আল-খাত্তাব ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে গালিব আল-বারকানি বলেছেন:

আবু আলী ইবনুল সাওয়াফের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম যে, জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফিরইয়াবি আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আত-তালকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর ইবনে আস-সাররি মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়াবিয়া (রা.) দাগফালকে আরবদের বংশপরম্পরা, নক্ষত্রপুঞ্জ, আরবি ভাষা এবং কুরাইশদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। দেখা গেল তিনি একজন মহাজ্ঞানী ব্যক্তি। তিনি বলেন: তখন মুয়াবিয়া (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি এগুলো কোথা থেকে মুখস্থ করলে? তিনি বললেন: অধিক প্রশ্নকারী জিহ্বা এবং অনুধাবনকারী হৃদয়ের মাধ্যমে; আর ইলমের বিপদ হলো ভুলে যাওয়া।

বর্ণনাকারী বলেন: তখন মুয়াবিয়া (রা.) বললেন: হে ইয়াজিদ, ওঠো! এবং শেখো। তারপর তিনি কবিতা আবৃত্তি করলেন:

জ্ঞান হলো অলঙ্কার এবং এর অধিকারীর জন্য ধ্বংস, আপদ ও বিনাশ থেকে মুক্তির উপায় …

আর মূর্খতা হলো মূর্খদের সবচেয়ে বড় শত্রু, আর যুবক জ্ঞান ও শিষ্টাচারের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে পারে …

বিবেক হলো মানুষের অর্জিত শ্রেষ্ঠ সম্পদ, আর জ্ঞান ও বংশমর্যাদার অধিকারীর জন্য সহিষ্ণুতা হলো অলঙ্কার।

২০ - হাফিজ আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল ফাদল, আবু সাদ মুহাম্মাদ ইবনুল হাইসাম ইবনে মুহাম্মাদ আস-সুলামি, আবু মুহাম্মাদ সুফিয়ান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মানদাহ আত-তাকাকি এবং আবু আলী শারাফ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে জাফর আল-হুসাইনি আসফাহানে আমার নিকট তাদের পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা বলেছেন: আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান আদ-দাকওয়ানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফিজ আবু বকর আহমাদ ইবনে মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে শাযান আমাদের বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে ফাহম বলেছেন: আমি আল-আসমাঈর ভাতিজাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-আসমাঈকে বলতে শুনেছি: তোমরা গোত্রের বৃদ্ধা নারীদের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো, কেননা তারা পিতাদের (বংশ পরিচয়) সম্পর্কে সম্যক অবগত।

 

‌‌রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশপরিচয় সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

২১ - আসফাহানে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে গানিম ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বণিক আবু আল-কাসিম আল-ফাদল ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হামাদানে আবু তাহির আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে সালামা আশ-শাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুগদে আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাত আল-ইশতিখানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে সাহিব আশ-শাশি আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইমরান ইবনে মুসা আন-নাসিবি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা মুসা ইবনে আইয়ুব আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে উমাইয়া থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আমি মুহাম্মাদ, ইবনে আব্দুল্লাহ, ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, ইবনে হাশিম, ইবনে আব্দু মানাফ, ইবনে কুসাই, ইবনে কিলাব, ইবনে মুররাহ, ইবনে কাব, ইবনে লুয়াই, ইবনে গালিব, ইবনে ফিহর, ইবনে মালিক, ইবনে আন-নাদর, ইবনে কিনানা, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে মুদরিকাহ, ইবনে ইলিয়াস, ইবনে মুদার, ইবনে নিজার, ইবনে মা'আদ, ইবনে আদনান, ইবনে আদ, ইবনে..."
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৫)
أدد بن الهميسع بن عابر بن صلح بن نبت بن إسماعيل بن إبراهيم بن أزر وهو تارح بن ناحور بن شاروغ بن فالغ بن عابر وهو هود النبي صلى الله عليه وسلم ابن شالخ بن أرفخشذ بن سام بن نوح بن لمك بن متوشلخ بن أخنوخ وهو إدريس بن برد بن قينان بن أنوش بن شيث بن آدم صلوات الله على الأنبياء أجمعين، رواه الهيثم بن خالد عن موسى بن أيوب.

22 - أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن محمد بن الفضل الحافظ بأصبهان وأبو حفص عمر بن محمد بن الحسن الفرغولي بمرو بقراءتي عليهم وأبو البركات عبد الله بن محمد بن الفضل الفراوي من لفظة بنيسابور قالوا أنا أبو بكر أحمد بن علي بن خلف الشيرازي أنا الحاكم أبو عبد الله محمد بن عبد الله الحافظ حدثني أبو علي الحسين بن علي الحافظ أنا محمد بن سعيد بن بكر القاضي بعسقلان ثنا صالح بن علي النوفلي ثنا عبد الله بن محمد بن ربيعة ثنا مالك بن أنس عن الزهري عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أن رجالاً من كندة يزعمون أنه منهم فقال: إنما كان يقول ذاك العباس وأبو سفيان بن حرب إذا قدما اليمن ليأمنا بذلك وإننا لا ننتفي من آبائنا. نحن بنو النضر بن كنانة، قال وخطب رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس فقال: " أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب بن هاشم بن عبد مناف بن قصي بن كلاب بن مرة بن كعب بن لؤي بن غالب بن فهر بن مالك بن النضر بن كنانة بن خزيمة بن مدركة بن الياس بن مضر بن نزار، وما افترق الناس فرقتين إلا جعلني الله في الخير منهما حتى خرجت من نكاح ولم أخرج من سفاح من لدن آدم حتى انتهيت إلى أبي وأمي فأنا خيركم نسباً وخيركم أباً "، صلى الله عليه وسلم.

23 - أخبرنا أبو الفتح عبد الله بن محمد بن محمد بن البيضاوي ببغداد أنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن محمد بن المسلمة العدل أخبرنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن المخلص ثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد البغوي حدثني نصر بن علي ثنا أبو أحمد الزبيري ثنا سفيان عن يزيد بن أبي زياد عن عبد الله بن الحارث عن المطلب بن أبي وداعة رضي الله عنه قال قام النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال: " من أنا؟ " فقالوا: أنت رسول الله، فقال: " أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب، إن الله تبارك وتعالى خلق الخلق فجعلني في خيرهم، ثم جعلهم قبائل فجعلني في خيرهم، ثم جعلهم بيوتاً فجعلني في خيرهم بيتاً فأنا خيركم بيتاً وخيركم نفساً ".

24 - أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن أحمد بن عمر السمرقندي الحافظ ببغداد أنا أبو
আদাদ বিন আল-হামাইসা বিন আবির বিন সালিহ বিন নাবিত বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন আযার—যিনি তারাহ—বিন নাহুর বিন শারুগ বিন ফালিগ বিন আবির—যিনি নবি হুদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—বিন শালিহ বিন আরফাখশাদ বিন সাম বিন নুহ বিন লামাক বিন মাতুশালাখ বিন আখনুখ—যিনি ইদ্রিস—বিন বারদ বিন কাইনান বিন আনুশ বিন শিথ বিন আদম; সকল নবিগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হাইসাম বিন খালিদ এটি মুসা বিন আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন।

22 - আসফাহানে আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন আল-ফাদল আল-হাফিজ এবং মার্ভে আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-ফারগুলি—তাদের কাছে আমার পাঠের মাধ্যমে—এবং নিসাবুরে আবু আল-বারাকাত আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-ফাদল আল-ফারাওয়ি তাঁর নিজস্ব শব্দে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন খালাফ আশ-শিরাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাকিম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হুসাইন বিন আলী আল-হাফিজ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আসকালানে মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন বাকর আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সালিহ বিন আলী আন-নাওফালি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন রাবিআহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন আনাস আমাদের কাছে যুহরি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট সংবাদ পৌঁছাল যে, কিনদাহ গোত্রের কিছু লোক দাবি করছে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত। তখন তিনি বললেন: "আব্বাস এবং আবু সুফিয়ান বিন হারব যখন ইয়ামেনে যেতেন, তখন তারা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য কেবল এমন কথা বলতেন। আর আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের অস্বীকার করি না। আমরা নাদর বিন কিনানাহর বংশধর।" বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: "আমি মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিব বিন হাশিম বিন আব্দু মানাফ বিন কুসাই বিন কিলাব বিন মুররাহ বিন কাব বিন লুআই বিন গালিব বিন ফিহর বিন মালিক বিন আন-নাদর বিন কিনানাহ বিন খুজাইমাহ বিন মুদরিকা বিন ইলিয়াস বিন মুদার বিন নিযার। আল্লাহ যখনই মানুষকে দুটি দলে বিভক্ত করেছেন, তখনই তিনি আমাকে তাদের মধ্যে উত্তম দলে রেখেছেন। এমনকি আদম থেকে শুরু করে আমার পিতা-মাতা পর্যন্ত পৌঁছানো পর্যন্ত আমি বিবাহের মাধ্যমেই জন্মলাভ করেছি, কোনো অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে নয়। সুতরাং আমি বংশমর্যাদায় তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং পিতৃপরিচয়েও তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।" (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।

23 - বাগদাদে আবু আল-ফাতহ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-বায়দাউয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুসলিমা আল-আদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখলিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাউয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নাসর বিন আলী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আহমাদ আয-যুবাইরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে ইয়াযিদ বিন আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি মুত্তালিব বিন আবি ওয়াদাআহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং বললেন: "আমি কে?" তারা বললেন: আপনি আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: "আমি মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিব। মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করেছেন এবং আমাকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম অংশে রেখেছেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম গোত্রে রেখেছেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিভিন্ন ঘরে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঘরে রেখেছেন। সুতরাং আমি পরিবারে তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং ব্যক্তিসত্তায় তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।"

24 - বাগদাদে আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন আহমাদ বিন উমর আস-সামারকান্দি আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু...
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৬)
الحسين أحمد بن محمد بن أحمد بن النقور البزاز أنا أبو القاسم عيسى بن علي بن عيسى الوزير أنا أبو القاسم عبد الله بن محمد البغوي ثنا عبد الله بن عمر ثنا محمد بن فضيل عن يزيد بن أبي زياد عن عبد الله بن الحارث عن المطلب بن ربيعة أن ناساً من الأنصار قالوا للنبي صلى الله عليه وسلم إنا نسمع من قومك حتى يقول القائل: إنما مثل محمد كمثل نخلة نبتت في كبا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أيها الناس من أنا؟ " فقالوا: أنت رسول الله، فقال: " أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب ". قال فما سمعناه انتمى قبلها قط، قال ثم قال: " إن الله تعالى خلق خلقه فجعلني في خير خلقه، ففرقهم فريقين فجعلني في خير الفريقين، ثم جعلهم قبائل فجعلني من خيرهم قبيلة، ثم فرقهم بيوتاً فجعلني من خيرهم بيتاً، فأنا خيركم بيتاً وخيركم نفساً ". عبد المطلب - ويقال المطلب - بن ربيعة بن الحارث بن عبد المطلب بن هاشم بن عبد مناف الهاشمي، كان من أهل المدينة تحول إلى دمشق ومات بها.

 

‌‌فصل في نسب بني هاشم

25 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي الحافظ ببغداد أنا أبو الفضل حمد بن أحمد بن الحسن الحداد أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ ثنا سليمان بن أحمد ثنا أحمد بن عبد الوهاب بن نجدة الحوطي ثنا أبو المغيرة ثنا الأوزاعي ثنا شداد أبو عمار عن واثلة بن الأسقع رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن الله اصطفى من بني كنانة قريشاً واصطفى من قريش بني هاشم واصطفاني من بني هاشم ".

26 - أخبرنا أبو حفص عمر بن عثمان الجنزي بمرو أخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني أنا أبو نصر أحمد بن الحسين الكسار أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق السني أنا أبو يعلى (ح) وأخبرناه عالياً سعيد بن أبي الرجاء الصيرفي بأصبهان أنا أبو العباس أحمد بن النعمان الفضاض وغيره قالوا أنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المقري أنا أبو يعلى أحمد بن علي بن المثني الموصلي ثنا منصور بن أبي مزاحم ثنا يزيد بن يوسف عن الأوزاعي عن شداد أبي عمار عن واثلة بن الأسقع قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن الله عز وجل اصطفى كنانة من بني إسماعيل واصطفى من بني كنانة قريشاً واصطفى من قريش بني هاشم واصطفاني من بني هاشم ".

27 - أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري ببغداد أنا أبو محمد الحسن بن علي الجوهري أنا أبو عمر محمد بن العباس بن حيويه الخزاز أنا أبو الحسن أحمد بن
আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আন-নাকুর আল-বাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা আল-ওয়াজীর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাভী, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন উমর, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ফুদাইল, ইয়াযীদ বিন আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি আল-মুত্তালিব বিন রাবি’আহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আনসারদের কিছু লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আমরা আপনার কওমের কাছ থেকে এমন কিছু কথা শুনি, এমনকি কেউ কেউ বলে: "মুহাম্মাদের উদাহরণ তো সেই খেজুর গাছের মতো যা আবর্জনার স্তূপে জন্মেছে।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হে লোকসকল! আমি কে?" তারা বললেন: "আপনি আল্লাহর রাসূল।" তিনি বললেন: "আমি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিব।" বর্ণনাকারী বলেন, এর আগে আমরা তাঁকে কখনোই নিজের বংশপরিচয় দিতে শুনিনি। তারপর তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা তাঁর মাখলুক সৃষ্টি করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টির সেরা অংশে রেখেছেন। তারপর তিনি তাদের দুটি দলে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে সেরা দলে রেখেছেন। এরপর তিনি তাদের গোত্রে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে তাদের শ্রেষ্ঠ গোত্রভুক্ত করেছেন। এরপর তিনি তাদের পরিবারে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে তাদের শ্রেষ্ঠ পরিবারভুক্ত করেছেন। অতএব, আমি বংশীয় দিক থেকে তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং ব্যক্তিগত সত্তার দিক থেকেও তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।" আব্দুল মুত্তালিব—এবং বলা হয় মুত্তালিব—বিন রাবি’আহ বিন আল-হারিস বিন আব্দুল মুত্তালিব বিন হাশিম বিন আব্দু মানাফ আল-হাশিমী; তিনি মদিনার অধিবাসী ছিলেন, পরে দামেস্কে চলে যান এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।

 

‌‌বনু হাশিমের বংশপরিচয় সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক আল-আনমাতি আল-হাফিয বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল হামদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আহমাদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন নাজদাহ আল-হুতি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-মুগীরাহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-আওযায়ী, আমাদের বর্ণনা করেছেন শাদ্দাদ আবু আম্মার, ওয়াসিলাহ বিন আল-আসকা’ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ কিনানা থেকে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন, কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে মনোনীত করেছেন এবং বনু হাশিম থেকে আমাকে মনোনীত করেছেন।"

২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন উসমান আল-জানযি মার্ভে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল রহমান বিন হামদ বিন আল-হাসান আদ-দুনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ বিন আল-হুসাইন আল-কাসসার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আস-সুন্নি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা (হ) এবং আমাদের উচ্চতর সনদে সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আবি আল-রাজা আল-সাইরাফি আসফাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আন-নুমান আল-ফাদাদ ও অন্যান্যরা, তাঁরা বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমাদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না আল-মাওসিলি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মানসুর বিন আবি মুযাহিম, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন ইউসুফ, আল-আওযায়ী থেকে, তিনি শাদ্দাদ আবু আম্মার থেকে, তিনি ওয়াসিলাহ বিন আল-আসকা’ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা ইসমাইল-এর বংশধরদের মধ্য থেকে কিনানাকে মনোনীত করেছেন, কিনানা থেকে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন, কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে মনোনীত করেছেন এবং বনু হাশিম থেকে আমাকে মনোনীত করেছেন।"

২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর মুহাম্মাদ বিন আল-আব্বাস বিন হাইয়ুওয়াইহ আল-খায্যায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমাদ বিন...
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৭)
معروف بن بشر بن موسى الخشاب أنا أبو محمد الحارث بن محمد التميمي أنا أبو عبد الله محمد بن سعد الزهري أنا محمد بن مصعب ثنا الأوزاعي عن شداد أبي عمار عن واثلة بن الأسقع رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن الله عز وجل اصطفى من ولد إبراهيم إسماعيل واصطفى من ولد إسماعيل بني كنانة واصطفى من بني كنانة قريشاً واصطفى من قريش بني هاشم واصطفاني من بني هاشم ".

28 - أخبرنا أبو الفرج سعيد بن أبي الرجاء الدوري بأصبهان أنا أبو العباس أحمد بن محمد بن أحمد الأصبهاني وأبو القاسم إبراهيم بن منصور السلمي وأبو جعفر محمد بن علي الحموشي قالوا أنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المقري أنا أبو يعلى أحمد بن علي بن المثنى الموصلي ثنا محمد بن عبد الرحمن بن سهم الأنطاكي ثنا الوليد بن مسلم عن عبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي عن أبي عمار عن واثلة بن الأسقع الليثي رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن الله اصطفى كنانة من ولد إسماعيل واصطفى من كنانة قريشاً واصطفى من قريش بني هاشم واصطفاني من بني هاشم ".

 

‌‌فصل في نسب قريش

29 - أخبرنا أبو طاهر محمد بن محمد بن عبد الله السنجي بمرو أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني أنا أبو نصر أحمد بن الحسين الدينوري أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق الحافظ أنا أبو خليفة ثنا عبيد الله بن محمد بن عائشة ثنا حماد بن سلمة عن عقيل بن طلحة عن مسلم بن هيصم عن الأشعث بن قيس رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " نحن بنو النضر بن كنانة لا نقفو أمنا ولا ننتفي من أبينا ".

30 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي ببغداد أنا أبو الفضل حمد بن أحمد بن الحسن الحداد أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله حافظ ثنا أبو بكر بن خلاد الحارث بن أبي أسامة ثنا الأسود بن عامر شاذان قال أبو نعيم: وحدثنا عبد الله بن جعفر ثنا يونس بن حبيب ثنا أبو داود الطيالسي قالا: حدثنا حماد بن سلمة عن عقيل بن طلحة السلمي عن مسلم بن هيصم عن الأشعث بن قيس رضي الله عنه قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من كندة لا يروني أفضلهم قال فقلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نزعم أنك منا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم:

"نحن بنو النضر بن كنانة لا نقفو أمنا ولا ننتفي من أبينا ". قال الأشعث: والله لا أسمع أحداً نفى قريشاً من النضر بن كنانة إلا جلدته.
মারূফ ইবনে বিশর ইবনে মূসা আল-খাশশাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হারিস ইবনে মুহাম্মদ আত-তামিমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সাদ আজ-জুহরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসআব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওযায়ি, শাদ্দাদ আবু আম্মার থেকে, তিনি ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ইব্রাহীমের সন্তানদের মধ্য থেকে ইসমাঈলকে মনোনীত করেছেন, আর ইসমাঈলের সন্তানদের মধ্য থেকে বনী কিনানাহকে মনোনীত করেছেন, আর বনী কিনানাহ থেকে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন, আর কুরাইশ থেকে বনী হাশিমকে মনোনীত করেছেন এবং আমাকে বনী হাশিম থেকে মনোনীত করেছেন।"

২৮ - আবু আল-ফারাজ সাঈদ ইবনে আবিল রাজা আদ-দাওয়ারি আসবাহানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আসবাহানি, আবু আল-কাসিম ইব্রাহিম ইবনে মনসুর আস-সুলামি এবং আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-হামুশি, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সাহম আল-আনতাকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, আব্দুর রহমান ইবনে আমর আল-আওযায়ি থেকে, আবু আম্মার থেকে, ওয়াসিলা ইবনুল আসকা আল-লাইসি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ ইসমাঈলের সন্তানদের মধ্য থেকে কিনানাহকে মনোনীত করেছেন, আর কিনানাহ থেকে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন, আর কুরাইশ থেকে বনী হাশিমকে মনোনীত করেছেন এবং আমাকে বনী হাশিম থেকে মনোনীত করেছেন।"

 

‌‌কুরাইশদের বংশপরিচয় বিষয়ক পরিচ্ছেদ

২৯ - আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাঞ্জি মার্ভে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে হামদ ইবনুল হাসান আদ-দুনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ ইবনুল হুসাইন আদ-দিনাওয়ারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু খলিফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আইশাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আকিল ইবনে তালহা থেকে, তিনি মুসলিম ইবনে হাইসাম থেকে, তিনি আশআদ ইবনে কায়স (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমরা আন-নদর ইবনে কিনানাহর সন্তান। আমরা আমাদের মায়ের দিকে বংশের সম্বন্ধ করি না এবং আমাদের পিতাকে অস্বীকার করি না।"

৩০ - আবু আল-বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব ইবনুল মুবারক আল-আনমাতি বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল হামদ ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে খাল্লাদ আল-হারিস ইবনে আবি উসামাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আসওয়াদ ইবনে আমির শাযান। আবু নুআইম বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে হাবীব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আকিল ইবনে তালহা আস-সুলামি থেকে, তিনি মুসলিম ইবনে হাইসাম থেকে, তিনি আশআদ ইবনে কায়স (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি কিন্দাহ গোত্রের একদল লোকের সাথে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম যারা আমাকে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে করত না। তিনি বলেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আমরা দাবি করি যে আপনি আমাদের বংশের লোক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন:

"আমরা আন-নদর ইবনে কিনানাহর সন্তান। আমরা আমাদের মায়ের দিকে বংশের সম্বন্ধ করি না এবং আমাদের পিতাকে অস্বীকার করি না।" আশআদ বলেন: আল্লাহর কসম, আমি যদি কাউকে শুনতে পাই যে সে কুরাইশদের আন-নদর ইবনে কিনানাহর বংশোদ্ভূত হওয়াকে অস্বীকার করছে, তবে আমি অবশ্যই তাকে চাবুকপেটা করব।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৮)
31 - أخبرنا أبو حفص عمر بن عثمان بن شعيب الجنزي بمرو أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني أنا أبو نصر أحمد بن الحسين الكسار أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق الدينوري أنا أبو عروبة الحسين بن أبي معشر الحراني ثنا عبد الوهاب بن الضحاك ثنا إسماعيل بن عياش عن عبد الله بن عبد العزيز بن عمر بن عبد الرحمن بن عوف عن عبد الله بن يزيد مولى المنبعث عن أبيه عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أيها الناس إن صريح ولد آدم(1) عليه السلام من الأولين والآخرين أبناء كلاب بن مرة بن قصي، وزهرة لفاطمة بنت سعد بن سيل الأزدي وهو أول من جدد البيت بعد كلاب بن مرة ".

32 - أخبرنا الإمام والدي رحمه الله إجازة قال سمعت أبا المعالي ثابت بن بندار بن إبراهيم البقال ببغداد سمعت أبا القاسم عبد الله بن أحمد بن عثمان الصيرفي سمعت أبا الحسن علي بن عمر بن أحمد الدارقطني يقول: وما كان من فوق بطون العرب ودون قبائلهم فهم عمارة - بكسر العين - قال الزبير ابن بكار: العرب على ست طبقات: شعب، وقبيلة، وعمارة، وبطن، وفخذ، وفصيلة، وما بينهما من الآباء فإنما يعرفها أهلها، فمضر شعب، وكنانة قبيلة، وقريش عمارة، وقصي بطن، وهاشم فخذ، وبنو العباس فصيلة.

 

‌‌فصل في نسب العرب وأصلهم

33 - أخبرنا أبو الفرج سعيد بن أبي الرجاء الصيرفي بأصبهان أنا أبو القاسم إبراهيم بن منصور السلمي وأبو العباس أحمد بن محمد بن النعمان الفضاض قالا: أنا أبو بكر محمد بن إبراهيم ابن المقري أنا أبو يعلى أحمد بن علي الموصلي ثنا محمد بن عبد الله بن نمير ثنا أبو أسامة حدثني الحسن بن الحكم النخعي ثنا أبو سبرة النخعي عن فروة بن مسيك الغطيفي ثم المرادي رضي الله عنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله ألا أقاتل بمن أقبل من قومي من أدبر منهم وأبلي؟ ثم بدا لي فقلت: يا رسول الله لا، بل سبأ أعز وأشد قوة، قال:

فأمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأذن لي في قتال سبأ، فلما هاجرت من عنده أنزل عليه في سبأ ما أنزل، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما فعل الغطيفي؟ " فأرسل إلى منزلي فوجدني قد سرت فردني فلما أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وجدته قاعداً وأصحابه، قال: " ادع القوم فمن أجابك فاقبل منهم ومن أبى فلا تعجل عليه حتى تحدث إلي "، فقال رجل من القوم، ما سبأ يا رسول الله أرض هي أم

--------------------------------------------

(1) كذا والمناسب " إبراهيم " لكن عبد الوهاب بن الضحاك كذاب وضاع.
৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন উসমান বিন শুআইব আল-জানজি মার্ভে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন হামদ বিন আল-হাসান আদ-দুনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-কাসসার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আদ-দিনাওয়ারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আরুবাহ আল-হুসাইন বিন আবু মা’শার আল-হাররানি, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহাব বিন আল-দাহহাক, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন আইয়াশ, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ বিন উমর বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ থেকে, তিনি আল-মুনবাইস-এর মুক্তদাস আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "হে লোকসকল, নিশ্চয়ই পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আদম সন্তানদের মধ্যে আদম(১) (আলাইহিস সালাম)-এর প্রকৃত বংশধর হলো কিলাব বিন মুররাহ বিন কুসাইয়ের সন্তানগণ; আর ফাতিমা বিনতে সা’দ বিন সায়িল আল-আযদি থেকে যুহরাহ (জন্মগ্রহণ করেন), এবং তিনি (কুসাই) হলেন কিলাব বিন মুররাহর পর প্রথম ব্যক্তি যিনি (কা’বা) ঘরটি পুনঃসংস্কার করেছিলেন।"

৩২ - ইমাম (আমার পিতা) রহিমাহুল্লাহ আমাদের ইজাযতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি বাগদাদে আবু আল-মাআলি সাবিত বিন বুন্দার বিন ইবরাহিম আল-বাক্কালকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন উসমান আস-সাইরাফিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আহমদ আদ-দারাকুতনিকে বলতে শুনেছি: আরবদের 'বতন'-এর উপরের স্তর এবং 'কবিলা'-এর নিচের স্তরকে বলা হয় 'ইমারা' (আইন অক্ষরে কাসরা বা যের দিয়ে)। যুবায়ের ইবনে বাক্কার বলেছেন: আরবদের বংশধারা ছয়টি স্তরে বিভক্ত: শা'ব, কবিলা, ইমারা, বতন, ফাখজ এবং ফাসিলা। এগুলোর মধ্যবর্তী স্তরের পিতাদের পরিচয় কেবল সংশ্লিষ্ট গোত্রের লোকেরাই জানে। সুতরাং 'মুদার' হলো শা'ব, 'কিনানা' হলো কবিলা, 'কুরাইশ' হলো ইমারা, 'কুসাই' হলো বতন, 'হাশিম' হলো ফাখজ এবং 'বনু আব্বাস' হলো ফাসিলা।

 

‌‌আরবদের বংশপরিচয় ও তাদের উৎস সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

৩৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ সাঈদ বিন আবু আর-রাজা আস-সাইরাফি ইসফাহানে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইবরাহিম বিন মনসুর আস-সুলামি এবং আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নুমান আল-ফাদাদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আল-মুকারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়া’লা আহমদ বিন আলী আল-মাওসিলি, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আল-হাকাম আন-নাখয়ি, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাবরাহ আন-নাখয়ি, তিনি ফারওয়াহ বিন মুসাইক আল-গুতিফি অতঃপর আল-মুরাদি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি আমার গোত্রের যারা (ইসলামের পথে) অগ্রসর হয়েছে তাদের নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব যারা পিছুটান দিয়েছে এবং আনুগত্য ত্যাগ করেছে? এরপর আমার মনে দ্বিধা জাগল, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, না; বরং সাবা সম্প্রদায় অধিক সম্মানিত এবং শক্তিতে প্রবল। তিনি বলেন:

তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নির্দেশ দিলেন এবং সাবা সম্প্রদায়ের সাথে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন। যখন আমি তাঁর নিকট থেকে হিজরত করে রওনা হলাম, তখন সাবার ব্যাপারে তাঁর ওপর যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা অবতীর্ণ হলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "গুতিফি কী করল?" তিনি আমার বাসস্থানে লোক পাঠালেন এবং জানতে পারলেন যে আমি রওনা হয়ে গিয়েছি, ফলে তিনি আমাকে ফিরিয়ে আনলেন। যখন আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম, তাঁকে তাঁর সাহাবীদের সাথে উপবিষ্ট অবস্থায় পেলাম। তিনি বললেন: "লোকদের আহ্বান জানাও; যারা তোমার ডাকে সাড়া দেবে তাদের গ্রহণ করো, আর যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে কোনো তাড়াহুড়ো করো না যতক্ষণ না তুমি আমার নিকট (পরবর্তী খবরের জন্য) ফিরে আসো।" তখন লোকদের মধ্য থেকে এক লোক প্রশ্ন করল: হে আল্লাহর রাসূল, সাবা কী? এটি কি কোনো ভূখণ্ড নাকি

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে এভাবেই আছে এবং 'ইবরাহিম' হওয়া অধিক সঙ্গত; কিন্তু আব্দুল ওয়াহাব বিন আল-দাহহাক একজন চরম মিথ্যুক ও জাল হাদীস রচনাকারী।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ২৯)
امرأة؟ قال: " ليست بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فأما ستة فتيامنوا وأما أربعة فتشاءموا، فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وعاملة وغسان، وأما الذين تيامنوا، فالأزد وكندة وحمير والأشعريون(1) وأنمار ومذحج "، قال رجل: يا رسول الله ما أنمار قال: " هم الذين منهم خثعم وبجيلة ".

34 - أخبرنا أبو حفص عمر بن عثمان بن شعيب الجنزي بمرو أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني بهمذان أنا أبو نصر أحمد بن الحسين الكسار أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق السني الحافظ أخبرني أبو عروبة ثنا محمد بن المصفي ثنا عثمان بن سعيد عن ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب حدثه عن عبد الله بن راشد عن ربيعة بن قيس سمع علياً رضي الله عنه يقول: ثلاث قبائل يقولون أنهم من العرب وهم أقدم من العرب، جرهم وهم بقية عاد، وثقيف وهم بقية ثمود، قال: وأقبل أبو شمر بن أبرهة الحميري فقال: وقوم هذا وهم بقية تبع. فقال ربيعة بن قيس وإلى جنبي رجل من بني ثقيف فقلت: ما تسمع ما يقول أمير المؤمنين فيكم؟ فقال: ما تريد أن أرد عليه حديثاً سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.

35 - أخبرنا أبو صالح عبد الصمد بن عبد الرحمن بن أحمد بن العباس الحيوي الضرير ببغداد أخبرنا أبو القاسم الفضل بن أحمد بن محمد الزجاجي أنا الحاكم أبو الحسن علي بن محمد بن علي المهرجاني أنا أبو بكر الفسوي أنا أبو حاتم محمد بن إدريس الرازي ثنا محمد بن يزيد بن سنان ثنا يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ولد نوح ثلاثة حام وسام ويافث، فولد سام العرب والروم وفارس والخير فيهم، وولد يافث يأجوج ومأجوج والترك والصقالبة ولا خير فيهم، وولد حام القبط والبربر والسودان ".

36 - أخبرنا أبو الفضل بكر بن محمد بن علي الزرنجري وأبو الفضل محمد بن علي بن سعيد المطهري في كتابهما إلى من بلخ وبخارا قالا: أخبرنا أبو محمد عبد الملك بن عبد الرحمن الإسبيري أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن محمد بن سليمان الحافظ أنا خلف بن محمد بن إسماعيل الخيام ثنا عثمان بن سعيد ثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر العدني ثنا الفرج بن سعيد بن علقمة بن سعيد حدثني عمي ثابت بن سعيد بن أبيض بن حمال عن أبيه سعيد بن أبيض أن فروة بن مسيك المرادي رضي الله عنه حدثه أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن

--------------------------------------------

(1) في ك: " الأشعريين ".
মহিলা? তিনি বললেন: "এটি কোনো ভূখণ্ড নয় এবং কোনো মহিলাও নয়, বরং তিনি একজন পুরুষ ছিলেন যার দশজন আরব সন্তান জন্মেছিল। তাদের মধ্যে ছয়জন ডানে (ইয়ামেনে) বসতি স্থাপন করেছিল এবং চারজন বামে (শামে) বসতি স্থাপন করেছিল। যারা বামে গিয়েছিল তারা হলো লাখম, জুধাম, আমিলাহ এবং গাসসান। আর যারা ডানে গিয়েছিল তারা হলো আল-আযদ, কিন্দাহ, হিমইয়ার, আল-আশআরীগণ(১), আনমার এবং মাযহিজ।" এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল: হে আল্লাহর রাসূল, আনমার কারা? তিনি বললেন: "তারা তারাই যাদের বংশোদ্ভূত হলো খাসআম এবং বাজীলাহ।"

৩৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে উসমান ইবনে শুআইব আল-জানযী মার্ভে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে হামদ ইবনুল হাসান আদ-দুনী হামাদানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-কাসসার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সুন্নী আল-হাফিয, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আরুবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুসাফফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাঈদ, ইবনে লাহীআহ থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবনে আবি হাবীব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রাশিদ থেকে, তিনি রাবীআহ ইবনে কাইস থেকে, তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন: তিনটি গোত্র দাবি করে যে তারা আরবদের অন্তর্ভুক্ত, অথচ তারা আরবদের চেয়েও প্রাচীন: জুরহুম, যারা আদ জাতির অবশিষ্টাংশ; সাকীফ, যারা সামুদ জাতির অবশিষ্টাংশ। বর্ণনাকারী বলেন: আবু শিমর ইবনে আবরাহা আল-হিমইয়ারী আগমন করলেন, তখন তিনি (আলী) বললেন: এবং এই ব্যক্তির কওম, যারা তুব্বা-এর অবশিষ্টাংশ। রাবীআহ ইবনে কাইস বলেন, আমার পাশে বনী সাকীফের এক ব্যক্তি ছিল, আমি তাকে বললাম: আমীরুল মুমিনীন তোমাদের সম্পর্কে যা বলছেন তা কি তুমি শুনছ? সে বলল: তুমি কি চাও যে আমি তাঁর এমন একটি হাদীস খণ্ডন করি যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি?

৩৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সালেহ আবদুস সামাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনুল আব্বাস আল-হাইয়্যূ আল-দারীর বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাসেম আল-ফজল ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আয-যাজ্জাজী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মিহরাজানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-ফাসাবী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাতিম মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আর-রাযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে সিনান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নূহের তিন সন্তান ছিল—হাম, সাম এবং ইয়াফিস। সামের বংশধরেরা হলো আরব, রোমক ও পারস্যবাসী এবং তাদের মাঝে কল্যাণ রয়েছে। ইয়াফিসের বংশধরেরা হলো ইয়াজুজ-মাজুজ, তুর্কি এবং সাকালেবা (স্লাভ) আর তাদের মাঝে কোনো কল্যাণ নেই। আর হামের বংশধরেরা হলো কিবতী, বারবার এবং কৃষ্ণাঙ্গ জাতিসমূহ।"

৩৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ফজল বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আয-যারানজারী এবং আবু ফজল মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে সাঈদ আল-মুতাহহারী, বালখ ও বুখারা থেকে প্রেরিত তাঁদের পত্রে তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল মালিক ইবনে আবদুর রহমান আল-ইসবীরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালাফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-খাইয়াম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর আল-আদানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফারাজ ইবনে সাঈদ ইবনে আলকামা ইবনে সাঈদ, আমার চাচা সাবিত ইবনে সাঈদ ইবনে আবইয়াজ ইবনে হাম্মাল তাঁর পিতা সাঈদ ইবনে আবইয়াজ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ফারওয়াহ ইবনে মুসাইক আল-মুরাদী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন...

--------------------------------------------

(১) 'কাফ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-আশআরীন"।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩০)
سبأ فقال: يا رسول الله! ما سبأ أرجل أم جبل أم واد؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: " لا، بل رجل ولد عشرة فتشاءم أربعة وتيامن ستة فتشاءم لخم وجذام وعاملة وغسان وتيامن حمير ومذحج والأزد وكندة والأشعريون وأنمار التي فيها بجيلة وخثعم ".

 

‌‌فصل في نسب مضر

37 - أخبرنا أبو حفص عمر بن عثمان بن شعيب الجنزي وأبو طاهر محمد بن محمد بن عبد الله السنجي بمرو قالا أخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الدوني أنا أبو نصر أحمد بن الحسين الدينوري أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق. السني بالدينور ثنا عبد الله بن عبد الله بن حمد بن عبدان ثنا عبد الرحمن بن إبراهيم دحيم ثنا عبد الرحمن بن بشير عن محمد بن إسحاق عن نافع وزيد بن أسلم عن ابن عمر رضي الله عنهما وسعيد المقبري ومحمد بن المنكدر عن أبي هريرة وعمار بن ياسر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم قال:

"أيها الناس! مالي أوذي في أهلي والله إن شفاعتي لتنال حاء وحكم وسلهب وصداء، تنالها يوم القيامة، وسلهب في نسب اليمن من دوس ". قال ابن إسحاق هذا مما يصدق نسابة مضر أن هذه القبائل من معد.

38 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي الحافظ ببغداد أنا أبو الفضل حمد بن أحمد بن الحسن الحداد أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ ببغداد أنا أبو أحمد محمد بن محمد الحافظ ثنا الحسن بن عمر ثنا علي بن المديني ثنا أبي أخبرني سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما بال أقوام يزعمون أن قرابتي لا تغني شيئاً والذي نفسي بيده أنه لترجو شفاعتي صداء وسلهب ". قال علي: سالت أبا عبيدة عن صداء وسلهب فقال: حيان من اليمن. وروى عن ابن عباس رضي الله عنهما أن نزار بن معد بن عدنان لما حضره الموت أوصى بنيه وهم أربعة مضر بن نزار وربيعة بن نزار وأياد بن نزار وأنمار بن نزار وقسم ماله بينهم في حياته فقال: يا بني هذه القبة الحمراء وما أشبهها من مال لمضر - فسمى بذلك مضر الحمراء - وهذا الخباء الأسود وما أشبهها من مال لربيعة وكان له فرس أدهم فأخذه فسمي ربيعة الفرس، وهذه الخادم وما أشبهها لأياد - وكانت الخادم شمطاء - فأخذ الخيل البلق وما أشبه ذلك، وهذه البدرة والمجلس لأنمار. وذكر بعض العلماء أن نزار بن معد أوصى بهذه الوصية وقال: إن أشكل عليكم شيء فتحاكموا إلى أفعى نجران، وقالت ربيعة: لم تكن الوصية كذلك بل إنما أوصى لمضر بالحمار، ولربيعة بالفرس والبدر، ولأنمار بالخباء والخرثي، ولأياد بالنعم.
সাবা সম্পর্কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কী? কোনো ব্যক্তি, পাহাড় নাকি কোনো উপত্যকা? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "না, বরং তিনি একজন ব্যক্তি, যার দশজন সন্তান জন্মেছিল। তাদের মধ্যে চারজন বাম দিকে এবং ছয়জন ডান দিকে বসতি স্থাপন করেছিল। যারা বাম দিকে গিয়েছিল তারা হলো: লাখম, জুজাম, আমিলাহ এবং গাসসান। আর যারা ডান দিকে গিয়েছিল তারা হলো: হিমইয়ার, মাজহিজ, আল-আযদ, কিনদাহ, আল-আশআরীউন এবং আনমার, যার অন্তর্ভুক্ত হলো বাজিলাহ ও খাশআম।"

 

‌‌মুদার-এর বংশপরিচয় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

৩৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন উসমান বিন শুআইব আল-জানযি এবং আবু তাহির মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সানজি মার্ভে; তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন হামদ বিন আল-হাসান আদ-দুনি, তিনি আবু নাসর আহমদ বিন আল-হুসাইন আদ-দিনাওয়ারি থেকে, তিনি আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সুন্নি আদ-দিনাওয়ারি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামদ বিন আবদান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন ইবরাহিম দুহাইম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন বাশির থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি নাফি এবং যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তাঁরা ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, এবং সাঈদ আল-মাকবুরি ও মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির আবু হুরায়রা ও আম্মার বিন ইয়াসির (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"হে লোকসকল! আমার পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে কেন আমাকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে? আল্লাহর শপথ, কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত (সুপারিশ) অবশ্যই হাআ, হাকাম, সালহাব এবং সাদা গোত্র পর্যন্ত পৌঁছাবে। আর সালহাব হলো দাওস গোত্রভুক্ত ইয়ামেনী বংশের একটি শাখা।" ইবনে ইসহাক বলেন, এটি মুদার বংশের বংশতাত্ত্বিকদের এই দাবিকে সত্যায়ন করে যে, এই গোত্রগুলো মাআদ-এর বংশোদ্ভূত।

৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক আল-আনমাতি আল-হাফিয বাগদাদে, তিনি আবু আল-ফাদল হামদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ থেকে, তিনি আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয বাগদাদে, তিনি আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিয থেকে, তিনি হাসান বিন উমর থেকে, তিনি আলী বিন আল-মাদিনি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "সেইসব লোকদের কী হলো যারা মনে করে যে আমার আত্মীয়তা কোনো উপকারে আসবে না? সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই সাদা এবং সালহাব গোত্র আমার শাফায়াতের আশা রাখে।" আলী বলেন: আমি আবু উবাইদাহকে সাদা ও সালহাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: ইয়ামেনের দুটি গোত্র। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নিযার বিন মাআদ বিন আদনান যখন মৃত্যুশয্যায় ছিলেন, তখন তিনি তাঁর চার পুত্র—মুদার বিন নিযার, রাবিআ বিন নিযার, ইয়াদ বিন নিযার এবং আনমার বিন নিযারকে অসিয়ত করেন এবং তাঁর জীবদ্দশাতেই তাঁদের মধ্যে সম্পদ বণ্টন করে দেন। তিনি বললেন: হে বৎসগণ! এই লাল রঙের তাবু এবং এর সদৃশ সম্পদ মুদারের জন্য—এ কারণেই তাকে 'মুদার আল-হামরা' (লাল মুদার) বলা হয়। আর এই কালো তাবু এবং এর সদৃশ সম্পদ রাবিআর জন্য—তাঁর একটি কালো রঙের ঘোড়া ছিল যা তিনি গ্রহণ করেন, তাই তাঁকে 'রাবিআ আল-ফারাস' (ঘোড়সওয়ার রাবিআ) বলা হয়। আর এই দাসী এবং এর সদৃশ সম্পদ ইয়াদের জন্য—দাসীটি ছিল ধূসর পক্ককেশা—তিনি সাদা-কালো রঙের ঘোড়া এবং এর সদৃশ সম্পদগুলো গ্রহণ করেন। আর এই টাকার থলি এবং বৈঠকখানা আনমারের জন্য। কোনো কোনো আলিম উল্লেখ করেছেন যে, নিযার বিন মাআদ এই অসিয়ত করেছিলেন এবং বলেছিলেন: যদি তোমাদের মধ্যে কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা দেয়, তবে 'আফআ নাজরান'-এর কাছে বিচার নিয়ে যেও। রাবিআ বলেন: অসিয়তটি এমন ছিল না, বরং তিনি মুদারকে গাধা, রাবিআকে ঘোড়া ও দিরহামের থলি, আনমারকে তাবু ও আসবাবপত্র এবং ইয়াদকে গবাদিপশু প্রদানের অসিয়ত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌فصل في العرب التي كانت باليمن منهم ولد قحطان

39 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي ببغداد أنا أبو الفضل حمد بن أحمد بن الحسن الأصبهاني ثنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ ثنا أبو عمرو بن حمدان ثنا الحسن بن سفيان ثنا يعقوب بن سفيان ثنا يزيد بن خالد الرملي ثنا عيسى بن طارق البلقائي ذكره عن عيسى بن يونس أنا مجالد عن الشعبي عن خفاف بن عرابة العنسي عن عثمان بن عفان رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " الإيمان يمان ورحى الإسلام في قحطان والقسوة والجفاء فيما ولد عدنان، حمير رأس العرب ونابها، ومذحج هامتها وغلصمتها، والأزد كاهلها وجمجمتها، وهمدان غاربها وذروتها، اللهم أعز الأنصار الذين أقام الله بهم الدين والإيمان - أو قال الإسلام - هم الذين آووني ونصروني وآزروني وحموني هم أصحابي في الدنيا وشيعتي في الآخرة وأول من يدخل بحبوحة الجنة من أمتي ".

 

‌‌فصل في نسب كهلان وسبأ

40 - أخبرنا أبو حفص عمر بن عثمان بن شعيب الجنزي وأبو طاهر محمد بن محمد بن عبد الله السنجي بمرو قالا أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الصيرفي أنا أبو نصر أحمد بن الحسين بن أحمد الكسار أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق الدينوري أنا أبو يحيى الساجي ثنا محمد بن محمد البحراني قال الدينوري: وحدثني سالم بن معاذ ثنا حاجب بن سليمان قالا ثنا أبو أسامة عن الحسن بن الحكم النخعي حدثني أبو سبرة النخعي عن فروة بن مسيك المرادي رضي الله عنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رجل من القوم: يا رسول الله! ما سبأ أرض هي أم امرأة؟ قال: " ليست بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فأما ستة فتيامنوا وأما أربعة فتشاءموا، فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وعاملة وغسان، وأما الذين تيامنوا فالأسد وكندة وحمير والأشعريون وأنمار ومذحج "، فقال رجل: يا رسول الله! وما أنمار؟ قال: " هم الذين منهم بجيلة وخثعم ".

41 - أخبرنا أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي الحافظ ببغداد أنا أبو الفضل حمد بن أحمد بن الحسن الحداد أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ ثنا محمد بن أحمد بن حمدان ثنا الحسن بن سفيان ثنا يحيى بن سليمان الجعفي ثنا عبد الله بن الأجلح الكندي حدثني الحسن بن الحكم النخعي عن ابن عباس عن فروة بن مسيك المرادي رضي الله عنه قال: أسلمت فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فجلست معه يوماً واحداً فسأله رجل عن سبأ أرجل هو أم
পরিচ্ছেদ: ইয়েমেনে বসবাসকারী আরবদের বর্ণনা, যাদের অন্তর্ভুক্ত কাহতানের বংশধরেরা

৩৯ - বাগদাদে আবুল বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক আল-আনমাতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল হামদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-আসবাহানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর বিন হামদান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন খালিদ আর-রামলি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন তারিক আল-বালকায়ি—তিনি এটি ঈসা বিন ইউনুস থেকে উল্লেখ করেছেন—তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি খুফাফ বিন আরবাহ আল-আনসি থেকে, তিনি উসমান বিন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "ঈমান হলো ইয়ামানি (ইয়ামেনী) এবং ইসলামের যাতাকল হলো কাহতানের মধ্যে। আর কঠোরতা ও রূঢ়তা আদনানের বংশধরদের মধ্যে। হিমইয়ার হলো আরবদের মাথা ও তাদের ছেদক দাঁত, মাজহিজ হলো তাদের ললাট ও কন্ঠনালী, আল-আযদ হলো তাদের কাঁধ ও মাথার খুলি এবং হামদান হলো তাদের কুঁজ ও চূড়া। হে আল্লাহ! আপনি আনসারদের সম্মানিত করুন যাদের মাধ্যমে আল্লাহ দ্বীন ও ঈমান—অথবা তিনি বলেছেন ইসলাম—প্রতিষ্ঠা করেছেন। তারাই আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, সাহায্য করেছে, শক্তি যুগিয়েছে এবং সুরক্ষা দিয়েছে। তারা দুনিয়াতে আমার সঙ্গী এবং পরকালে আমার দল, আর আমার উম্মতের মধ্যে তারাই প্রথম জান্নাতের মধ্যস্থলে প্রবেশ করবে।"

 

পরিচ্ছেদ: কাহলান ও সাবার বংশপরিচয়

৪০ - মার্ভ শহরে আবু হাফস উমর বিন উসমান বিন শুআইব আল-জানজি এবং আবু তাহের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সাঞ্জি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন হামদ বিন আল-হাসান আস-সাইরাফি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমদ আল-কাসসার, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আদ-দিনাওয়ারি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াহইয়া আস-সাজি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাহরানি। আদ-দিনাওয়ারি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম বিন মুয়াজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজিব বিন সুলাইমান, তাঁরা উভয়ে বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, তিনি আল-হাসান বিন হাকাম আন-নাখয়ি থেকে, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাবরা আন-নাখয়ি, তিনি ফারওয়া বিন মুসাইক আল-মুরাদি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম, তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কী? এটি কি কোনো ভূমি নাকি কোনো নারী? তিনি বললেন: "এটি কোনো ভূখণ্ড নয় এবং কোনো নারীও নয়, বরং তিনি একজন ব্যক্তি যার দশজন আরব সন্তান ছিল। তাদের মধ্যে ছয়জন দক্ষিণে (ইয়ামেনে) চলে যায় এবং চারজন উত্তরে (শামে) চলে যায়। যারা উত্তরে গিয়েছিল তারা হলো— লাখম, জুজাম, আমিলাহ এবং গাসসান। আর যারা দক্ষিণে গিয়েছিল তারা হলো— আল-আযদ, কিনদাহ, হিমইয়ার, আল-আশআরিয়ূন, আনমার এবং মাজহিজ।" তখন এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কারা? তিনি বললেন: "তারা হলো সেই গোষ্ঠী যাদের অন্তর্ভুক্ত বাজিল্লাহ ও খাশআম।"

৪১ - বাগদাদে হাফিজ আবুল বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক আল-আনমাতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল হামদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সুলাইমান আল-জুফি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-আঝলাহ আল-কিন্দি, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন হাকাম আন-নাখয়ি, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি ফারওয়া বিন মুসাইক আল-মুরাদি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম। আমি তাঁর সাথে একদিন বসলাম, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে সাবা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল যে, সে কি একজন মানুষ নাকি...
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩২)
امرأة؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ليس بامرأة ولا أرض ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة، فأما الذين تيامنوا فكندة وأنمار وهو الذي منه بجيلة وخثعم والأزد وحمير وعك والأشعريون، وأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وعاملة وغسان ".

 

‌‌فصل في قضاعة

42 - أخبرنا أبو طاهر محمد بن أبي بكر بن أبي سهل الوراق وأبو حفص عمر بن عثمان بن شعيب الجنزي بمرو قالا: أنا أبو محمد عبد الرحمن بن حمد بن الحسن الصوفي أنا أبو نصر أحمد بن الحسين الكسار أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق السني الحافظ بالدينور حدثني أحمد بن يحيى بن زهير ثنا عبد الرحمن بن عيينة بن مالك بن سارية ثنا عبد الله بن معاوية أبو معاوية عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " قضاعة من(1) معد وكان به يكنى ".

 

‌‌فصل في نسب جماعة من القبائل المتفرقة

43 - أخبرنا أبو الفرج سعيد بن أبي الرجاء الصيرفي بأصبهان أنا أبو العباس أحمد بن محمد بن أحمد بن النعمان الفضاض أنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المقري أنا أبو يعلى أحمد بن علي التيمي ثنا أبو بكر بن أبي شيبة ثنا وكيع عن سفيان عن عبد الملك بن عمير عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أرأيتم لو كانت جهينة وأسلم وغفار خيراً من بني تميم وبني عبد الله بن غطفان وعامر بن صعصعة؟ " - ومد بها صوته - فقالوا: يا رسول الله قد خابوا وخسروا، قال: " فإنهم خير ".

44 - أخبرنا سعيد بن أبي الرجاء الأصبهاني بها أنا سبط بحرويه إبراهيم بن منصور الكراني أنا أبو بكر بن المقري أنا أبو يعلي الموصلي ثنا أبو بكر ثنا غندر عن شعبة عن محمد بن أبي يعقوب سمعت عبد الرحمن بن أبي بكرة يحدث عن أبيه أن الأقرع بن حابس جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: إنما بايعك سراق الحجيج من أسلم وغفار ومزينة وجهينة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أرأيت إن كان أسلم وغفار ومزينة - أحسب وجهينة - خيراً من بني تميم ومن بني عامر وأسد وغطفان أخابوا وخسروا؟ " قالوا: نعم قال: " فوالذي نفسي بيده إنهم

--------------------------------------------

(1) من م، وفي ك " بن ".
মহিলা? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সে কোনো মহিলা নয় এবং কোনো ভূখণ্ডও নয়, বরং সে একজন পুরুষ যার দশটি সন্তান জন্ম নিয়েছিল। তাদের মধ্যে ছয়জন ডান দিকে (ইয়ামেন অভিমুখে) গিয়েছিল এবং চারজন বাম দিকে (শাম অভিমুখে) গিয়েছিল। যারা ডানে গিয়েছিল তারা হলো: কিন্দাহ, আনমার—যাদের থেকে বাজীলাহ ও খাশআম উদ্ভূত হয়েছে—আজদ, হিমইয়ার, আক্ক এবং আশআরিয়ুন। আর যারা বামে গিয়েছিল তারা হলো: লাখম, জুযাম, আমিলাহ এবং গাসসান।"

 

‌‌কুদায়াহ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

৪২ - আবু তাহের মুহাম্মদ ইবন আবি বকর ইবন আবি সাহল আল-ওয়াররাক এবং আবু হাফস উমর ইবন উসমান ইবন শুয়াইব আল-জানজি মার্ভে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবন হামদ ইবন আল-হাসান আল-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর আহমদ ইবন আল-হুসাইন আল-কাসসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দিনাওয়ারে হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আস-সুন্নি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন জুহাইর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবন উইয়াইনাহ ইবন মালিক ইবন সারিয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন মুয়াবিয়া আবু মুয়াবিয়া আমাদের কাছে হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কুদায়াহ হলো মাআদ-এর(১) বংশধর এবং তাকে এর মাধ্যমেই উপনাম দেওয়া হতো।"

 

‌‌বিভিন্ন গোত্রের বংশপরিচয় সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

৪৩ - ইসফাহানে আবুল ফারাজ সাঈদ ইবন আবিল রাজা আল-সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আন-নুমান আল-ফাদাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম ইবন আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আহমদ ইবন আলী আত-তাইমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ইবন আবি শায়বাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবন উমাইর থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তার পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কী মনে হয় যদি জুহাইনা, আসলাম এবং গিফার গোত্রগুলো বনু তামীম, বনু আবদুল্লাহ ইবন গাতফান এবং আমির ইবন সা'সা'আহ গোত্রের চেয়ে উত্তম হয়?" - তিনি এই বলে তার কণ্ঠস্বর দীর্ঘ করলেন - তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তবে তো তারা ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তারা উত্তম।"

৪৪ - সাঈদ ইবন আবিল রাজা আল-ইসফাহানি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সিবত বাহরওয়াইহি ইব্রাহিম ইবন মানসুর আল-কারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ইবন আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, গুন্দার শুবা থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আবি ইয়াকুব থেকে বর্ণনা করেছেন, আমি আবদুর রহমান ইবন আবি বাকরাহকে তার পিতা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আল-আকরা ইবন হাবিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন: আসলাম, গিফার, মুজাইনা এবং জুহাইনা গোত্রের যারা হাজীদের মালামাল চুরি করত তারাই কেবল আপনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমার কী মনে হয় যদি আসলাম, গিফার, মুজাইনা - আমার মনে হয় তিনি জুহাইনাও বলেছিলেন - বনু তামীম, বনু আমির, আসাদ এবং গাতফান গোত্র থেকে উত্তম হয়, তবে কি তারা ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে?" তারা বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই তারা...

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি 'ম' তে 'হতে' (বা বংশধর), আর 'ক' তে 'ইবন' (পুত্র)।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩৩)
لخير(1) منهم ".

45 - أخبرنا أبو الفرج سعيد بن أبي الرجاء الدوري بأصبهان في جامعها الكبير أنا أبو القاسم إبراهيم بن منصور بن إبراهيم السلمي أنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن علي الزاذاني الحافظ أنا أبو يعلى أحمد بن علي بن المثنى الموصلي ثنا زهير ثنا عبد الصمد بن عبد الوارث ثنا شعبة ثنا أبو بشر سمع عبد الرحمن بن أبي بكرة يحدث عن أبيه رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أسلم وغفار وجهينة ومزينة خير من بني تميم وأسد وغطفان وبني عامر بن صعصعة أخبوا وخسروا؟ " قالوا: نعم، قال: " فوالذي نفسي بيده أنهم خير منهم ".

 

‌‌فصل فيمن ينسب من قبائل العرب إلى اللؤم والدناءة

46 - أخبرنا أبو طاهر محمد بن أبي بكر السنجي بمرو أنا أبو الفتح الهشامي أنا جدي أبو العباس أنا أبو العباس المعداني أنا البسطامي أبو بكر ثنا أحمد بن سيار قال قرأت على الحسن بن إسحاق عن أبي صالح سلمويه بن صالح قال كان حاتم بن النعمان الباهلي رجلاً من أهل البصرة وهو الذي ساب أبا موسى الأشعري وذلك أن أبا موسى الأشعري قال له في أمر جرى بينهما: أيما ألأم العرب وهل تدري أي العرب ألأم؟ قال: لا، قال: غني وباهلة، قال: إن شئت أخبرتك بألأم منهم، قال: ومن؟ قال: عك والأشعريون، قال: أولئك الأعمام والأخوال - وكانت أم أبي موسى عكية - فقال: يا ساب أميره، قال أبو صالح وحدثني عبد الله بن المبارك قال قال أبو موسى الأشعري: ألا إن باهلة كانوا كراعاً فجعلناهم ذراعاً، قال: فقال رجل من باهلة: تلك عك وأخلاطها، فقال: أولئك آبائي يا ساب أميره، قال: فحبس الباهلي، قال: فجعل تغدو عليه قصعة وتروح أخرى ثم خلى سبيله.

47 - أخبرنا أبو بكر محمد بن أبي سعيد القصاري بمرو أنا عبيد الله بن محمد المروزي أنا أردشير بن محمد أنا أحمد بن سعيد الشافسقي سمعت أبا بكر البسطامي سمعت أحمد بن سيار يقول سمعت الحسن بن إسحاق بن موسى يقول: قال قتيبة ههنا يعني بمرو لرجل: نعم الحي حيك لولا أخوالك محارب فتأذى بهم، فقال له الرجل: جنبني غنياً وباهلة وضعني حيث شئت.

48 - أخبرنا أبو طاهر محمد بن محمد بن عبد الله الخطيب بمرو أنا أبو الفتح الهشامي

--------------------------------------------

(1) في نسخة: " لا خير منهم ".
তাদের চেয়ে উত্তম(১)।

৪৫ - আমাদের অবহিত করেছেন আবুল ফারাজ সাঈদ ইবনে আবিল রাজা আদ-দাওরি আসবাহানের জামে মসজিদে, তিনি আবু কাসিম ইবরাহিম ইবনে মনসুর ইবনে ইবরাহিম আস-সুলামি থেকে, তিনি হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আলি আজ-জাযানি থেকে, তিনি আবু ইয়ালা আহমদ ইবনে আলি ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি থেকে, তিনি জুহাইর থেকে, তিনি আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস থেকে, তিনি শু’বা থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বাকরাকে তার পিতার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আসলাম, গিফার, জুহাইনা এবং মুজাইনা গোত্রসমূহ বনু তামিমি, আসাদ, গাতাফান এবং বনু আমির ইবনে সা’সাআ অপেক্ষা উত্তম। তারা কি ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যর্থ হয়েছে?" তারা বলল: "হ্যাঁ", তিনি বললেন: "সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই তারা তাদের চেয়ে উত্তম।"

 

‌‌আরব গোত্রগুলোর মধ্যে যাদেরকে নীচতা ও হীনতার সাথে সম্পর্কিত করা হয় তাদের বর্ণনায় একটি পরিচ্ছেদ

৪৬ - আমাদের অবহিত করেছেন আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর আস-সানজি মার্ভ শহরে, তিনি আবু ফাতহ আল-হিশামি থেকে, তিনি তার দাদা আবু আব্বাস থেকে, তিনি আবু আব্বাস আল-মা’দানি থেকে, তিনি আবু বকর আল-বিস্তামি থেকে, তিনি আহমদ ইবনে সাইয়্যার থেকে, তিনি বলেছেন: আমি হাসান ইবনে ইসহাকের কাছে আবু সালেহ সালামওয়াইহ ইবনে সালেহ সূত্রে পড়েছি, তিনি বলেন: হাতিম ইবনে নুমান আল-বাহিলি বসরাবাসী জনৈক ব্যক্তি ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আবু মুসা আল-আশআরিকে গালি দিয়েছিলেন। ঘটনাটি ছিল এই যে, তাদের উভয়ের মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি বিষয়ে আবু মুসা আল-আশআরি তাকে বলেছিলেন: "আরবদের মধ্যে সবচেয়ে নীচ কে এবং তুমি কি জানো কোন আরবরা সবচেয়ে বেশি হীন?" তিনি বললেন: "না।" আবু মুসা বললেন: "গানি এবং বাহিলা।" হাতিম বললেন: "আপনি চাইলে আমি আপনাকে তাদের চেয়েও নীচ গোত্র সম্পর্কে খবর দিতে পারি।" আবু মুসা বললেন: "তারা কারা?" হাতিম বললেন: "আক্ক এবং আশআরি গোত্র।" আবু মুসা বললেন: "ওরা তো আমার পিতৃব্য ও মাতুল (চাচা ও মামার পরিবার)" — আর আবু মুসার মা ছিলেন আক্ক গোত্রের। অতঃপর আবু মুসা বললেন: "হে নিজের আমিরের গালিদাতা!" আবু সালেহ বলেন, আমাকে আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসা আল-আশআরি বলেছিলেন: "জেনে রেখো, বাহিলা গোত্র ছিল পশুর পায়ের নিম্নাংশ (খুর), অতঃপর আমরাই তাদের সামনের পা (মর্যাদাপূর্ণ অংশ) বানিয়েছি।" বর্ণনাকারী বলেন, তখন বাহিলা গোত্রের এক ব্যক্তি বলল: "ওরা তো আক্ক এবং তাদের সংমিশ্রণ।" আবু মুসা বললেন: "ওরা তো আমার পিতৃপুরুষ, হে নিজের আমিরের গালিদাতা!" বর্ণনাকারী বলেন, এরপর বাহিলি ব্যক্তিকে বন্দি করা হলো। বর্ণনাকারী আরও বলেন, এরপর তার কাছে সকালে এক পাত্র এবং সন্ধ্যায় এক পাত্র (খাবার) পাঠানো হতো, তারপর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

৪৭ - আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবি সাঈদ আল-কাসারি মার্ভ শহরে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযি থেকে, তিনি আরদাশির ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আহমদ ইবনে সাঈদ আশ-শাফাসাকি থেকে, তিনি বলেছেন: আমি আবু বকর আল-বিস্তামিকে বলতে শুনেছি, তিনি আহমদ ইবনে সাইয়্যারকে বলতে শুনেছেন, তিনি হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে মুসাকে বলতে শুনেছেন: কুতাইবা এখানে অর্থাৎ মার্ভ শহরে জনৈক ব্যক্তিকে বলেছিলেন: "তোমার গোত্র কতই না উত্তম হতো, যদি না তোমার মাতুলরা (মামার পরিবার) মুহারিব গোত্রের হতো, যারা তাদের কষ্ট দেয়।" তখন লোকটি তাকে বলল: "আমাকে গানি এবং বাহিলা থেকে দূরে রাখুন, এরপর আপনি আমাকে যেখানে ইচ্ছা স্থাপন করুন (অর্থাৎ ওই দুই গোত্র ছাড়া যেকোনো অপবাদ আমার জন্য সহজ)।"

৪৮ - আমাদের অবহিত করেছেন আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-খতিব মার্ভ শহরে, তিনি আবু ফাতহ আল-হিশামি থেকে...

--------------------------------------------

(১) একটি পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "তাদের মাঝে কোনো কল্যাণ নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩৪)
أنا أبو المروزي أنا أبو العباس المعداني أخبرنا أحمد بن محمد بن عمر ثنا أحمد بن سيار ثنا علي بن خشرم أبو الحسن سمعت سعيد بن سلم بن قتيبة وأخبرني بعض أهله عنه قال:

خرجت حاجاً فنزلت عن محملي وركبت حماراً أخرته خلف القطارات فإذا أنا بأعرابي فلما انتهيت إليه قال: يا هذا! لمن هذه القباب والكنائس؟ قلت: لرجل من باهلة، قال: ما ظننت أن الله يعطي باهلياً كل ما أرى، قال: فلما رأيت إزراءه بباهلة قلت: يا أعرابي!

أيسرك أنك باهلي وأن هذه القطارات بمن عليها لك؟ قال: لا ها الله قلت: أفيسرك أنك خليفة وأنك باهلي؟ قال: لا ها الله، فقلت: فيسرك أنك من أهل الجنة وأنك باهلي؟

قال: بشرط، قلت وما ذاك الشرط؟ قال: لا يعلم أهل الجنة أني من باهلة، قال:

فأعجبني ظرفه وكانت معه صرة من دراهم فقلت: يا أعرابي هذه لك، فقال: جزاك الله خيراً لقد وافقت مني حاجة، قال فقلت له: هذه القطارات لي وأنا رجل من باهلة، قال: فنثر الصرة: قلت: ويحك! هي لك وقد ذكرت حاجة، قال: ما أحب أن ألقى الله ولباهلي عندي يد، قال سعيد: فحدثت به أمير المؤمنين هارون فقال: يا سعيد! أنت أصبر الناس، وأمر لي بمائة ألف درهم.

49 - أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري ببغداد أنا أبو يعلى محمد بن الحسين بن الفراء أنا أبو القاسم إسماعيل بن سعيد بن سويد المعدل أنا أبو علي الحسين بن القاسم الكوكبي حدثني يحيى الأحول قال قال أبو الصلت: روى لنا أنه حمل إلى أمير المؤمنين مال من مال المومسات فقال: والله! ما أدري أين أضع هذا المال إلا أن أفرقه في غنى وباهلة. وقال أبو الصلت: وروى لنا أن أمير المؤمنين خطب فقال في خطبته: يا معاشر بني أسد! اغدوا على أعطياتكم فخذوها فوالله إن نساءكم أسرع إلى الخير من رجالكم، يا معاشر غنى وباهلة! اغدوا على أعطياتكم فخذوها فإني شاهد لكم غداً في المقام المحمود أنكم براء من الله ورسوله. قال الكوكبي الحسين بن القاسم بن جعفر: حدثني يحيى الأحول قال قال أبو الصلت الهروي: سمعت الرضا علي بن موسى يقول: لا تركن إلى باهلة فإنها لا تنجب.

أردشير بن محمد أنا جدي أنا أحمد بن سعيد الفقيه سمعت الشيخ أبا عمر محمد بن أحمد بن إسماعيل الفقيه يحكي عن بعضهم قال: العرب كلها تنتسب طولاً إلا باهلة فإنها تنتسب عرضاً، تقول: أخوالنا كذا وخالاتنا كذا - أو كما قال.

51 - أخبرنا أبو طاهر محمد بن أبي بكر السنجي بمرو أنا أبو الفتح الهشامي أنا أبو العباس المروزي أنا أبو العباس المعداني أنا البسطامي أبو بكر أنا أحمد بن سيار حدثني
আমি আবু আল-মারওয়াজি, আমি আবু আল-আব্বাস আল-মা'দানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন সাইয়ার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন খাশরাম আবু আল-হাসান, আমি সাঈদ বিন সালম বিন কুতাইবা-কে বলতে শুনেছি এবং তাঁর পরিবারের জনৈক সদস্য তাঁর থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:

আমি হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হলাম। আমি আমার পালকি থেকে নামলাম এবং একটি গাধার পিঠে আরোহণ করে কাফেলার পিছনে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ এক বেদুইনের সাথে আমার দেখা হলো। আমি যখন তার নিকট পৌঁছালাম, সে বলল: হে ব্যক্তি! এই গম্বুজ ও তাবুগুলো কার? আমি বললাম: বাহিলা গোত্রের এক ব্যক্তির। সে বলল: আমি কল্পনাও করিনি যে আল্লাহ কোনো বাহিলি ব্যক্তিকে এত কিছু দান করবেন যা আমি দেখছি। বর্ণনাকারী বলেন: যখন আমি বাহিলা গোত্রের প্রতি তার অবজ্ঞা দেখলাম, তখন আমি বললাম: হে বেদুইন!

তুমি কি এতে খুশি হতে যে তুমি একজন বাহিলি এবং এই কাফেলা ও এতে যারা আছে সব তোমার হতো? সে বলল: আল্লাহর কসম, না। আমি বললাম: তুমি কি এতে খুশি হতে যে তুমি খলিফা এবং একজন বাহিলি? সে বলল: আল্লাহর কসম, না। আমি বললাম: তবে কি তুমি জান্নাতবাসী হওয়া এবং একজন বাহিলি হওয়াতে খুশি হতে?

সে বলল: একটি শর্তে। আমি বললাম: সেই শর্তটি কী? সে বলল: জান্নাতবাসীরা যেন জানতে না পারে যে আমি বাহিলা গোত্রের। বর্ণনাকারী বলেন:

তার বুদ্ধিমত্তা আমাকে মুগ্ধ করল। তার কাছে দিরহামের একটি থলে ছিল। আমি বললাম: হে বেদুইন, এটি তোমার জন্য। সে বলল: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, এটি আমার একটি প্রয়োজন পূরণ করল। বর্ণনাকারী বলেন: আমি তাকে বললাম: এই কাফেলাগুলো আমারই এবং আমি বাহিলা গোত্রেরই একজন লোক। বর্ণনাকারী বলেন: তখন সে থলেটি ছড়িয়ে ফেলে দিল। আমি বললাম: তোমার ধ্বংস হোক! এটি তোমারই এবং তুমি তো প্রয়োজনের কথা বলেছিলে। সে বলল: আমি আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করতে চাই না যে, আমার ওপর কোনো বাহিলি ব্যক্তির হাত (অনুগ্রহ) রয়েছে। সাঈদ বলেন: আমি আমীরুল মুমিনীন হারুনকে এই ঘটনা শোনালাম। তিনি বললেন: হে সাঈদ! তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ধৈর্যশীল। অতঃপর তিনি আমাকে এক লক্ষ দিরহাম প্রদানের নির্দেশ দিলেন।

৪৯ - বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাররা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসেম ইসমাইল বিন সাঈদ বিন সুওয়াইদ আল-মুয়াদ্দিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন আল-কাসেম আল-কাউকাবী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া আল-আহওয়াল, তিনি বলেন, আবু আল-সালত বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, আমীরুল মুমিনীনের নিকট ব্যভিচারিণীদের উপার্জিত অর্থ আনা হলো। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর কসম! আমি জানি না এই মাল কোথায় রাখব, তবে আমি তা গনি ও বাহিলা গোত্রের মধ্যে বণ্টন করে দেব। আবু আল-সালত আরও বলেন: আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, আমীরুল মুমিনীন খুতবা দিলেন এবং তাঁর খুতবায় বললেন: হে বনু আসাদ গোত্রের লোকেরা! তোমরা সকালে তোমাদের অনুদান নিতে এসো এবং তা গ্রহণ করো। আল্লাহর কসম, তোমাদের পুরুষদের চেয়ে তোমাদের নারীরা কল্যাণের দিকে বেশি দ্রুতগামী। হে গনি ও বাহিলা গোত্রের লোকেরা! তোমরা সকালে তোমাদের অনুদান নিতে এসো এবং তা গ্রহণ করো, কারণ আমি কাল কিয়ামতে ‘মাকামে মাহমুদে’ তোমাদের বিরুদ্ধে এই সাক্ষ্য দেব যে, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল থেকে সম্পর্কহীন। আল-কাউকাবী আল-হুসাইন বিন আল-কাসেম বিন জাফর বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া আল-আহওয়াল, তিনি বলেন, আবু আল-সালত আল-হারাবী বলেছেন: আমি আর-রিদা আলী বিন মুসাকে বলতে শুনেছি: তোমরা বাহিলা গোত্রের ওপর নির্ভর করো না, কারণ তারা উচ্চবংশীয় সন্তান জন্ম দেয় না।

আরদাশির বিন মুহাম্মদ, আমার নিকট আমার দাদা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ বিন সাঈদ আল-ফকিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি শায়খ আবু উমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইসমাইল আল-ফকিহ-কে জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, সে বলেছে: সমস্ত আরব লম্বালম্বিভাবে (পিতৃসূত্রে) নিজেদের বংশ পরিচয় দেয়, কেবল বাহিলা গোত্র ছাড়া; কারণ তারা আড়াআড়িভাবে (মাতৃসূত্রে) বংশ পরিচয় দেয়। তারা বলে: আমাদের মামারা অমুক, আমাদের খালারা অমুক—অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন।

৫১ - মার্ভে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আবু বকর আস-সানজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ফাতহ আল-হিশামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস আল-মারওয়াজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস আল-মুয়াদ্দানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-বিস্তামি আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন সাইয়ার, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩৫)
الشاه بن عمار حدثني أبو صالح سلمويه بن صالح عن بعض رجاله قال: لقي رجل من العرب باهلياً فقال: ممن أنت؟ قال: من باهلة، قال: فكما أنت أخبرك ممن أنت منهم؟ قال:

فلعلك من أهل الكأس والبأس، قال: ومن هم؟ قال: بنو قتيبة، قال: لا، قال: فلعلك من الأكثرين خياراً، قال: ومن هم؟ قال: بنو وائل، قال: لا، قال: فلعلك من الجور الحور (؟) الضراب بالسيوف، قال: ومن هم؟ قال: بنو عامر، قال: لا، قال: فلعلك من فرسان الصباح، قال: ومن هم؟ قال: بنو فراص، قال: لا، قال: تباً لك سائر اليوم لا أراك إلا من أست باهلة التي يخرؤن بها وهم بنو أود وجوه لم تلد باهلة غيرها(1). وإنما نسبت باهلة إلى باهلة وغلبت عليها لأنها كانت آخر نساء معن بن مالك، ومعن أبوهم.

52 - أخبرنا أبو بكر محمد بن أبي سعيد القصاري الفقيه بمرو أنا عبيد الله بن محمد بن أردشير بن محمد أنا جدي أنا أحمد بن سعيد الفقيه أنا أبو بكر البسطامي أنا أحمد بن سيار سمعت الشاه بن عمار يقول: وكان أولاد معن من غيرها تسعة بنين قتيبة وقعنبا - وأمهما السوداء ابنة عمرو بن تميم - وزيداً ووائلاً والحارث وشيبان وفراصاً(2) وحرباً ووهيباً - وأمهم جميعاً أرنب بنت شمخ بن فزارة، فكانت باهلة إنما كانت ابنة صعب بن سعد العشيرة بن مذحج وكانت أم أود وجوه ابني معن بن مالك بن أعصر فكان أولاد معن هؤلاء الذين سميناهم من غيرها، فكانت باهلة حضنتهم جميعاً فغلبت عليهم فنسبوا إليها.

 

‌‌فصل في ذكر جماعة لم يعرفوا الأنساب وقبحها

53 - أخبرنا أبو محمد يحيى بن علي بن الطراح المدير بقراءتي عليه ببغداد عن أبي بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب الحافظ ثنا منصور بن ربيعة الزهري بالدينور قال: سمعت بعض القضاة يحكي أن رجلاً قال: دخلت حمص وفي فمي درهم لعلي أرى شيئاً فأشتريه به فإذا رجل جالس بباب الجامع على كرسي وعلى رأسه عمامة متحنك بها وقد ترك فوقها قلنسوة وقد لبس فروة مقلوبة بلا سراويل وقد تقلد بسيف وفي حجره مصحف يقرأ منه وعنده كلب رابض وقد تمسك بمقوده فسلمت عليه فرد السلام فقلت: أترى القوم قد صلوا؟ قال: أفأنت أعمى ما تراني قاعداً؟ قلت: من أنت؟ فقال: أنا أبو خالد إمام الجامع وكلبي أبو جعفر، قلت: أتحفظ القرآن؟؟ قال: نعم، قلت: ما هذه الضوضاء والجلبة؟ قال: قد ورد رجل

--------------------------------------------

(1) سوف يأتي بعد هذا أن: أود وجوه اسم لابن آخر والواو هي واو العطف.

(2) في سبائك الذهب وغيرها أن شيبان وفراص واحد، شيبان اسم وفراص لقبه.
শশাহ বিন আম্মার আমাকে বলেছেন, আবু সালেহ সালামওয়াইহ বিন সালেহ তার জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আরবদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি জনৈক বাহিলী গোত্রীয় লোকের সাথে সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করল: "তুমি কোন বংশের?" সে বলল: "বাহিলা গোত্রের।" সে বলল: "তুমি যেখানকার, আমি কি তোমাকে বলে দেব তুমি তাদের মধ্যে কার অন্তর্ভুক্ত?" সে বলল:

"সম্ভবত তুমি পেয়ালা ও বিক্রমওয়ালাদের অন্তর্ভুক্ত?" সে বলল: "তারা কারা?" সে বলল: "বনু কুতাইবা।" সে বলল: "না।" সে বলল: "তবে সম্ভবত তুমি অনেক কল্যাণবর্তীদের অন্তর্ভুক্ত?" সে বলল: "তারা কারা?" সে বলল: "বনু ওয়াইল।" সে বলল: "না।" সে বলল: "তবে কি তুমি সুন্দরী রূপসীদের (?) যারা তলোয়ার চালনায় পারদর্শী তাদের অন্তর্ভুক্ত?" সে বলল: "তারা কারা?" সে বলল: "বনু আমের।" সে বলল: "না।" সে বলল: "তবে কি তুমি সকালবেলার অশ্বারোহীদের অন্তর্ভুক্ত?" সে বলল: "তারা কারা?" সে বলল: "বনু ফরাস।" সে বলল: "না।" সে বলল: "আজকের দিনের বাকিটা তোমার জন্য ধ্বংস হোক! আমি তো তোমাকে বাহিলার মলদ্বার ছাড়া অন্য কিছু দেখছি না যার মাধ্যমে তারা মলত্যাগ করে, আর তারা হলো বনু আওদ ও উজুহ, যাদের ছাড়া বাহিলা অন্য কাউকে জন্ম দেয়নি(১)।" আর বাহিলা গোত্রকে মূলত বাহিলার দিকেই সম্বন্ধ করা হয় এবং এটিই তাদের ওপর প্রাধান্য পেয়েছে কারণ তিনি ছিলেন মা'ন বিন মালেকের শেষ স্ত্রী, আর মা'ন হলেন তাদের পিতা।

৫২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবি সাঈদ আল-কাসসারি আল-ফকিহ মার্ভে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আরদাশির বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আমার দাদা থেকে, তিনি আহমদ বিন সাঈদ আল-ফকিহ থেকে, তিনি আবু বকর আল-বিস্তামি থেকে, তিনি আহমদ বিন সাইয়ার থেকে; আমি শশাহ বিন আম্মারকে বলতে শুনেছি: মা'ন-এর অন্য স্ত্রীদের গর্ভজাত সন্তান ছিল নয়জন: কুতাইবা ও কানাব — তাদের মা ছিলেন সাওদা বিনতে আমর বিন তামিঁম — এবং যায়েদ, ওয়াইল, আল-হারিস, শায়বান, ফরাস(২), হারব ও ওহাইব — তাদের সবার মা ছিলেন আরনাব বিনতে শামখ বিন ফাজারা। আর বাহিলা ছিলেন মূলত সা'ব বিন সাদ আল-আশিরা বিন মাজহিজ-এর কন্যা। তিনি মা'ন বিন মালেক বিন আসর-এর দুই পুত্র আওদ ও উজুহ-এর মা ছিলেন। মা'ন-এর এই পুত্ররা যাদের নাম আমরা উল্লেখ করেছি তারা অন্য স্ত্রীদের থেকে ছিলেন। কিন্তু বাহিলা তাদের সবাইকে লালন-পালন করেছিলেন, ফলে তার নামই তাদের ওপর জয়ী হয়েছিল এবং তাদের তার দিকেই সম্বন্ধ করা হয়।

 

‌‌বংশ পরিচয় না জানা একদল লোক এবং এর কদর্যতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ

৫৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আত-তাররাহ আল-মুদির, আমি তার নিকট বাগদাদে পাঠ করেছি, তিনি আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-খাতিব আল-হাফিজ থেকে, তিনি মানসুর বিন রাবিয়া আজ-জুহরি দিনাওয়ারে থেকে, তিনি বলেন: আমি জনৈক বিচারককে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি বলল: আমি হিমস শহরে প্রবেশ করলাম, আমার মুখে একটি দিরহাম ছিল যেন আমি কিছু দেখলে তা দিয়ে কিনতে পারি। হঠাৎ দেখলাম এক লোক জামে মসজিদের দরজায় একটি চেয়ারের ওপর বসে আছে, তার মাথায় পাগড়ি যা চিবুকের নিচ দিয়ে প্যাঁচানো এবং তার ওপর একটি টুপি রাখা। সে একটি পশমি পোশাক উল্টো করে পরে আছে কিন্তু তার পরনে কোনো পাজামা নেই। সে তলোয়ার ঝুলিয়ে রেখেছে এবং তার কোলে একটি মুসহাফ রয়েছে যা দেখে সে পাঠ করছে। তার পাশে একটি কুকুর বসে আছে যার রশি সে ধরে রেখেছে। আমি তাকে সালাম দিলে সে সালামের উত্তর দিল। আমি বললাম: "লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে বলে আপনি মনে করেন?" সে বলল: "তুমি কি অন্ধ? দেখতে পাচ্ছ না আমি বসে আছি?" আমি বললাম: "আপনি কে?" সে বলল: "আমি আবু খালিদ, জামে মসজিদের ইমাম, আর আমার এই কুকুরটি হলো আবু জাফর।" আমি বললাম: "আপনি কি কুরআন মুখস্থ জানেন?" সে বলল: "হ্যাঁ।" আমি বললাম: "এই গোলমাল ও হৈচৈ কিসের?" সে বলল: "এক ব্যক্তি এসেছে..."

--------------------------------------------

(১) এর পরে আসবে যে: আওদ এবং উজুহ অন্য এক পুত্রের নাম এবং 'ওয়াও' বর্ণটি এখানে সংযোজক অব্যয়।

(২) সাবায়িকুজ জাহাব এবং অন্যান্য গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে, শায়বান এবং ফরাস একই ব্যক্তি; শায়বান তার নাম এবং ফরাস তার উপাধি।
(খণ্ড: ১) আল-আনসাব - আস-সামআনী - ত আল-জিনান ওয়াল ফিকর (পৃষ্ঠা: ৩৬)
زنديق يقرأ السبع الطوال ويشتم أبا بكر الصناديقي وعمر القواريري وعثمان بن أبي شيبة ومعاوية بن غسان الذي هو من حملة العرش وزوجه النبي صلى الله عليه وسلم ابنته عائشة في زمن الحجاج بن يوسف فاستولدها الحسن والحسين، فقلت: ما أسخن عينك! ما أعرفك بالمقالات والأنساب! قال: وما خفي عليك أكثر، قلت: فاقرأ شيئاً من القرآن، فقال: بسم الله الرحمن الرحيم وإذ قال لقمان لابنه وهو يعظه يا بني لا تقصص رؤياك على أخوتك فيكيدوا لك كيداً وأكيد كيداً فمهل الكافرين أمهلهم رويداً، فرفعت يدي وصفعته صفعة سقطت عمامته وبقي التحنك في عنقه، فصاح بالناس فلببوني وقال: احملوه إلى المحتسب، فكل من لقيني قال: ما فعل؟ قالوا: صفع إمام الجامع، قال: يا مسكين أهلكت نفسك، فقلت: كذا حكم الله فصبراً عليه ويزمعون هم أيضاً (؟) حتى وصل بي إلى المحتسب فإذا رجل حاسر حاف قد لبس دراعة بلا سراويل فقدمت إليه فقالوا: هذا صفع إمام الجامع، فقلت: نعم، قال: يا مسكين أهلكت نفسك، قلت: كذا حكم الله فصبراً عليه، قال: أيما أحب إليك:

سمل العين أو قطع اليد أو أن تدفع نصف درهم؟ فرفعت يدي وصفعت المحتسب صفعة ثم أخرجت الدرهم من فمي وقلت: خذ يا سيدي! نصف درهم لك ونصف درهم لإمامك وانصرفت.

 

‌‌فصل في معرفة العرب بالأنساب وفيه ذكر نسب عدة من القبائل

54 - أخبرتنا فاطمة بنت أبي حكيم عبد الله بن إبراهيم الخبري ببغداد قالت أنا أبو الحسن علي بن الحسن بن الفضل الشاعر أنا أبو عبد الله أحمد بن محمد بن عبد الله بن خالد الكاتب أنا أبو محمد علي بن عبد الله بن المغيرة الجوهري أنا أبو الحسن أحمد بن سعيد الدمشقي حدثني الزبير بن بكار القاضي حدثني أبو الحسن المدائني عن عوانة أن صعصعة بن ناجية المجاشعي وهو جد الفرزدق دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: " كيف علمك بمضر؟ " قال: يا رسول الله؟ أنا أعلم الناس بها، تميم هامتها وكاهلها الشديد الذي يوثق به ويحمل عليه، وكنانة وجهها الذي فيه السمع والبصر، وقيس فرسانها ونجومها، وأسد لسانها، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: " صدقت ".

55 - أخبرنا أبو البركات إسماعيل بن أبي سعيد الصوفي ببغداد أنا أبو روح ياسين بن سهل القاضي أنا أبو الحسن رشأ بن نظيف بن ما شاء الله المقري أخبرني عبد الوهاب بن جعفر بن علي الميداني حدثنا أبو سليمان محمد بن عبد الله بن زبر الربعي أنا أبي ثنا عبد الكريم بن الهيثم بن العاقولي وأحمد بن السري بن سنان وهذا لفظ أحمد قالا ثنا إسماعيل بن مهران السكوني حدثني أحمد بن محمد بن أبي نصر السكوني حدثني أبان بن
একজন যিন্দীক (ধর্মদ্রোহী) সাব'আ তিওয়াল (দীর্ঘ সাতটি সূরা) পাঠ করত এবং আবু বকর আস-সানাদিকী, উমর আল-কাওয়ারীরী, উসমান ইবনে আবি শায়বাহ এবং মুয়াবিয়া ইবনে গাসসানকে গালি দিত—যিনি ছিলেন আরশ বহনকারীদের একজন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের যুগে তাঁর নিকট নিজের মেয়ে আয়েশাকে বিয়ে দিয়েছিলেন, ফলে তাঁর গর্ভে হাসান ও হুসাইন জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আমি বললাম: তোমার চোখ কতই না নির্লজ্জ! তুমি মতবাদ এবং বংশপরিচয় সম্পর্কে কতই না অজ্ঞ! সে বলল: যা তোমার কাছে অজানা রয়ে গেছে তা এর চেয়েও বেশি। আমি বললাম: তাহলে কুরআনের কিছু অংশ পাঠ করো। সে বলল: "বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আর যখন লোকমান তার পুত্রকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলল: হে বৎস! তোমার স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বর্ণনা করো না, করলে তারা তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে; আর আমি এক পরিকল্পনা করলাম, সুতরাং কাফিরদের অবকাশ দাও, তাদের সামান্য অবকাশ দাও।" তখন আমি আমার হাত তুললাম এবং তাকে একটি চড় মারলাম যে তার পাগড়ি পড়ে গেল এবং পাগড়ির পেঁচ তার ঘাড়ে রয়ে গেল। সে মানুষের কাছে চিৎকার শুরু করল এবং তারা আমাকে পাকড়াও করল। সে বলল: একে মুহতাসিবের (তত্ত্বাবধায়ক) কাছে নিয়ে চলো। যে কেউ আমার সাথে দেখা করল, সে-ই বলল: সে কী করেছে? তারা বলল: সে জামে মসজিদের ইমামকে চড় মেরেছে। সে বলল: হে হতভাগা! তুমি নিজেকে ধ্বংস করেছ। আমি বললাম: আল্লাহর ফয়সালা এমনই, সুতরাং এর ওপর ধৈর্য ধারণ করছি। তারা আমাকে টেনে নিয়ে চলল যতক্ষণ না মুহতাসিবের কাছে পৌঁছাল। সেখানে জনৈক খালি মাথা ও খালি পায়ের লোক ছিল যে পায়জামা ছাড়া একটি জামা পরে ছিল। আমাকে তার সামনে পেশ করা হলো। তারা বলল: এই ব্যক্তি জামে মসজিদের ইমামকে চড় মেরেছে। আমি বললাম: হ্যাঁ। সে বলল: হে হতভাগা! তুমি নিজেকে ধ্বংস করেছ। আমি বললাম: আল্লাহর ফয়সালা এমনই, সুতরাং এর ওপর ধৈর্য ধারণ করছি। সে বলল: তোমার কাছে কোনটি অধিক প্রিয়: চোখ উপড়ে ফেলা, হাত কাটা নাকি অর্ধেক দিরহাম পরিশোধ করা? তখন আমি আমার হাত তুললাম এবং মুহতাসিবকে একটি চড় মারলাম, এরপর আমার মুখ থেকে দিরহাম বের করে বললাম: হে আমার প্রভু! নিন! অর্ধেক দিরহাম আপনার জন্য এবং অর্ধেক দিরহাম আপনার ইমামের জন্য। এরপর আমি চলে গেলাম।

 

‌‌আরবদের বংশপরিচয় জ্ঞান সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ এবং এতে বেশ কিছু গোত্রের বংশের উল্লেখ রয়েছে

৫৪ - ফাতিমা বিনতে আবি হাকিম আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আল-খবরী বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু হাসান আলী ইবনে হাসান ইবনুল ফজল আল-শায়ির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদ আল-কাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুগীরা আল-জাওহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু হাসান আহমদ ইবনে সাঈদ আদ-দিমাশকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জুবায়ের ইবনে বাক্কার আল-কাজী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান আল-মাদায়িনী আওয়ানাহ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, স'সা'আ ইবনে নাজিয়া আল-মুজাশিয়ী—যিনি আল-ফারাজদাকের দাদা—রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন: "মুদার গোত্র সম্পর্কে তোমার জ্ঞান কেমন?" তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জানি। তামীম হলো তাদের মস্তক ও মজবুত কাঁধ যার ওপর নির্ভর করা হয় এবং বোঝা বহন করা হয়; কিনানা হলো তাদের মুখমণ্ডল যাতে শ্রবণ ও দৃষ্টি শক্তি রয়েছে; কাইস হলো তাদের অশ্বারোহী ও নক্ষত্ররাজী; আর আসাদ হলো তাদের জিহ্বা। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তুমি সত্য বলেছ।"

৫৫ - আবু আল-বারাকাত ইসমাইল ইবনে আবি সাঈদ আস-সুফী বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু রুহ ইয়াসিন ইবনে সাহল আল-কাজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু হাসান রশা ইবনে নাযীফ ইবনে মাশাআল্লাহ আল-মুকরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে জাফর ইবনে আলী আল-মায়দানী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু সুলায়মান মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাবর আর-রিবঈ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুল কারীম ইবনে হাইসাম আল-আকুলি এবং আহমদ ইবনে সারী ইবনে সিনান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন—এবং এটি আহমদের শব্দ—তাঁরা উভয়ে বলেন, ইসমাইল ইবনে মিহরান আস-সাকুনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি নাসর আস-সাকুনী আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবান ইবনে...